(খণ্ড: ১) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: -)
ديوان ذي الرمة - بشرح أبي نصر الباهلي   (أبو نصر الباهلي)

القسم: الشعر ودواوينه


الكتاب: ديوان ذي الرُّمّة: غيلان بن عقبة العدوي (ت 117 هـ)

شرح: أبي نصر أحمد بن حاتم الباهلي أحمد بن حاتم الباهلي [ت 231 هـ] صاحب الأصمعي

رواية: أبي العباس ثعلب

المحقق: عبد القدوس أبو صالح [ت 1443 هـ]

الناشر: مؤسسة الإيمان جدة

الطبعة: الأولى، 1982 م - 1402 هـ

عدد الأجزاء: 3 (متسلسلة الترقيم)

أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 26 شوّال 1436

দিওয়ান যি আর-রুম্মাহ - আবু নাসর আল-বাহিলির ব্যাখ্যাসহ   (আবু নাসর আল-বাহিলি)

বিভাগ: কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ


কিতাব: দিওয়ান যি আর-রুম্মাহ: গয়লান ইবনে উকবাহ আল-আদাউয়ী (মৃত্যু ১১৭ হিজরি)

ব্যাখ্যা: আবু নাসর আহমদ ইবনে হাতিম আল-বাহিলি আহমদ ইবনে হাতিম আল-বাহিলি [মৃত্যু ২৩১ হিজরি] আল-আসমাঈর সাথী

বর্ণনায়: আবুল আব্বাস সা’লাব

সম্পাদনায়: আবদুল কুদ্দুস আবু সালিহ [মৃত্যু ১৪৪৩ হিজরি]

প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুল ঈমান জেদ্দা

সংস্করণ: প্রথম, ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ - ১৪০২ হিজরি

খন্ড সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক নম্বরযুক্ত)

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, তত্ত্বাবধানে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৬ শাওয়াল ১৪৩৬

(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١)
‌‌ديوان ذي الرُّمة

غيلان بن عقبة العدوي المتوفي سنة 117 هـ

 

شرح الإمام أبي نصر أحمد بن حاتم الباهلي صاحب الأصمعي

رواية الإمام أبي العباس ثعلب

 

حققه وقدم له وعلق عليه

الدكتور عبد القدوس أبو صالح

 

مؤسسة الإيمان

للتوزيع والنشر والطباعة

بيروت- ص. ب 6334/ 113
দিওয়ান যির রুম্মাহ

গাইলান ইবন উকবাহ আল-আদাউয়ী, মৃত্যু ১১৭ হিজরি

 

ইমাম আবু নাসর আহমাদ ইবন হাতিম আল-বাহিলী-এর ব্যাখ্যা, যিনি আল-আসমায়ীর সহযোগী ছিলেন

ইমাম আবুল আব্বাস সা'লাব-এর বর্ণনা

 

এটি তাহকিক করেছেন, ভূমিকা লিখেছেন এবং টীকা প্রদান করেছেন

ডক্টর আব্দুল কুদ্দুস আবু সালিহ

 

মুয়াসসাসাতুল ঈমান

বিতরণ, প্রকাশনা ও মুদ্রণের জন্য

বৈরুত- পো. ব. ৬৩৩৪/ ১১৩
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

اللهم لك الحمد، فالطف بعبدك يا كريم

قال الشيخ أبو يعقوب يوسف بن يعقوب بن إسماعيل بن خر زاد النجيرمي: قرأت شعر ذي الرمة على أبي الحسين علي بن أحمد بن محمد المهلبي.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আল্লাহ, সকল প্রশংসা আপনারই জন্য, অতএব আপনার বান্দার প্রতি সদয় হোন হে করুণাময়।

শেখ আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইসমাইল বিন খুর জাদ আন-নাজিরামী বলেছেন: আমি আবু আল-হুসাইন আলি বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মুহাল্লাবির নিকট যু-রুম্মার কবিতা পাঠ করেছি।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٤)
قال: قرأت على أبي العباس أحمد بن محمد بن ولادٍ عن أبيه [عن] أبي العباس أحمد بن يحيى ثعلبٍ. وذكر أن أبا نصرٍ
তিনি বললেন: আমি আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ওয়াল্লাদ-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, [তিনি] আবুল আব্বাস আহমাদ বিন ইয়াহইয়া সা’লাব থেকে। আর তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আবু নাসর...
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٥)
أحمد بن حاتمٍ صاحب الأصمعي أملاه عليهم. قال: وزادني أبو العباس فيه حروفاً قد أثبتها في موضعها من الكتاب.

قال الشيخ أبو يعقوب: وقرأتُ أيضاً شعر ذي الرمة على جعفر بن شاذان القمي عن أبي عمر محمدٍ بن عبد الواحد
আহমদ বিন হাতেম, আসমাঈ-এর সঙ্গী, এটি তাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: এবং আবু আল-আব্বাস এতে আমার নিকট কিছু বর্ণ বৃদ্ধি করেছেন যা আমি কিতাবের যথাস্থানে স্থাপন করেছি।

শায়খ আবু ইয়াকুব বলেন: আমি আবু উমর মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদের সূত্রে জাফর বিন শাযান আল-কুম্মীর নিকট যু-রুম্মাহর কবিতাও পাঠ করেছি।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٦)
الزاهد عن ثعلبٍ عن أبي نصر.

(1)

(البسيط)
আয-যাহিদ সা'লাব থেকে, তিনি আবু নাসর থেকে।

(1)

(আল-বাসীত)
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٧)
قال ذو الرمة، واسمه غيلان بن عقبة بن بهيش بن مسعود
যুর রুম্মাহ বলেছেন, আর তাঁর নাম হলো গায়লান ইবনে উকবাহ ইবনে বাহিশ ইবনে মাসউদ।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٨)
ابن حارثة بن عمرو بن ربيعة بن ساعدة بن كعب بن عوف بن ثعلبة بن ربيعة بن ملكان بن عدي بن عبد مناة بن أد بن طابخة ابن إلياس بن مضر بن أد بن معد بن عدنان. وكان ذو الرمة يكنى أبا الحارث.

قال الأصمعي: سمعت من يذكر عن ذي الرمة أنه لم يزل يزيد على كلمته التي على الباء حتى مات.
ইবনে হারিসা বিন আমর বিন রাবিআ বিন সা’দা বিন কা’ব বিন আউফ বিন সা’লাবা বিন রাবিআ বিন মালকান বিন আদি বিন আবদ মানাত বিন আদ বিন তাবিখা বিন ইলিয়াস বিন মুদার বিন আদ বিন মা’দ বিন আদনান। এবং যু-রুম্মার কুনিয়াত (উপনাম) ছিল আবুল হারিস।

আসমায়ি বলেন: আমি এমন একজনকে বলতে শুনেছি যিনি যু-রুম্মা সম্পর্কে উল্লেখ করছিলেন যে, তিনি মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর 'বা' (ب) অন্ত্যমিলবিশিষ্ট কবিতার ওপর ক্রমাগত সংযোজন করে যাচ্ছিলেন।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌1 - ما بال عينك منها الماء ينسكب … كأنه من كلى مفريةٍ سرب

4 أ/ قال: قال "عمارة بن عقيل بن بلال بن جريرٍ: قال ذو الرمة: "إذا قلت: كأن، فلم أجد وأحسن فقطع الله لساني".

ويروى: "سربُ" رفعت "الماء" بما في "ينسكب"،
১ - তোমার চোখের কী হয়েছে যে তা থেকে অশ্রু ঝরছে ... মনে হচ্ছে যেন তা কোনো ছিদ্রযুক্ত মশক থেকে চুইয়ে পড়া পানি।

৪ (ক)/ তিনি বলেন: উমারা ইবনে আকিল ইবনে বিলাল ইবনে জারির বলেছেন, যু আল-রুম্মা বলেছেন: "আমি যখন 'যেন' (উপমা বা সাদৃশ্যবাচক শব্দ) ব্যবহার করি এবং তা যথাযথ ও সুন্দরভাবে ব্যক্ত করতে না পারি, তবে আল্লাহ যেন আমার জিহ্বা ছিন্ন করে দেন।"

এবং বর্ণিত হয়েছে: "সারাবুন"; এখানে "আল-মাউ" (পানি) শব্দটি "ইয়ানসাকিবু" ক্রিয়াপদের মাধ্যমে রফ' প্রাপ্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٠)
أراد: ما لعينك الماء ينسكب منها. و"منها" صلة "ينسكب". وأهل البصرة يخالفوننا، يقولون: رفعنا "الماء" بالابتداء، وخبره "ينسكب". "الكلى"، الواحدة كُلية: وهي رُقعة ترقع على أصل عروة المزادة. و"مفرية": مخروزة. يقال: "فريت المزادة فرياً" أي: خرزتها. و"سرب": أراد المصدر، وجعله اسماً للماء الذي خرج من عيون الخرز، وذلك إذا كانت المزادة جديداً. يقال: "سرِّب قربتك"، أي: اجعل فيها الماء لتنتفخ عيون الخرز وتبتل السيور. قال جرير:
তিনি বুঝিয়েছেন: তোমার চোখের কী হলো যে তা থেকে পানি ঝরছে? আর "তা থেকে" শব্দটি "ঝরছে" শব্দটির সাথে সংশ্লিষ্ট। বসরার ভাষাবিদগণ আমাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন, তাঁরা বলেন: আমরা "পানি" শব্দটিকে মুক্তাদা হিসেবে রফ' (পেশ) প্রদান করেছি এবং এর খবর হলো "ঝরছে"। "আল-কুলা" এর একবচন হলো "কুলইয়াহ": এটি চামড়ার একটি তালি যা মশক বা পানির পাত্রের হাতলের গোড়ায় সেলাই করা হয়। আর "মাফরিয়্যাহ" অর্থ: সেলাই করা। বলা হয়: "আমি পানির পাত্রটি খুব ভালোভাবে সেলাই করেছি", অর্থাৎ: আমি তা সেলাই করেছি। আর "সারাব": তিনি এখানে মাসদার (ক্রিয়ামূল) বুঝিয়েছেন এবং তিনি একে সেই পানির নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন যা সেলাইয়ের ছিদ্র দিয়ে চুইয়ে পড়ে; আর এটি তখন ঘটে যখন মশকটি নতুন হয়। বলা হয়: "তোমার মশকটিতে পানি ভরে চুঁইয়ে পড়ার ব্যবস্থা করো", অর্থাৎ: এতে পানি ভরো যাতে সেলাইয়ের ছিদ্রগুলো ফুলে বন্ধ হয়ে যায় এবং চামড়ার ফিতাগুলো সিক্ত হয়। জারীর বলেছেন:
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١١)
* كما عينت بالسرب الطبابا*

قال أبو نصر: قال الأصمعي: "الفريُ: القطع، و"الفري": الخرز. و"فريته": أصلحتهُ، و"أفريته": أفسدته. وكل ما كان فرياً في شيءٍ قطع في فسادٍ فهو: "أفريتُ". و"السرب": الماء السائلُ. و"السرب": الماء بعينه.

2 - وفراء غرفية أثأى خوارزها … مشلشل ضيعته بينها الكتب

"وفراء": واسعةٌ. و"غرفيةٌ": دُبغت بـ"الغرف": وهو شجر. ويقال: هي التي تدبغ بغير القرظ، تُدبغ بالتمر
* যেমন তুমি প্রবাহমান পানি দ্বারা চামড়ার আস্তরকে সিক্ত করেছ *

আবু নাসর বলেন: আসমাঈ বলেছেন: "আল-ফারইয়ু" অর্থ: কর্তন করা, এবং "আল-ফারইয়ু" অর্থ: সেলাই করা। আর "ফারাইতুহু" অর্থ: আমি তা সংশোধন করেছি, এবং "আফরাইতুহু" অর্থ: আমি তা নষ্ট করেছি। কোনো বস্তুর মাঝে যা কিছু কর্তনের মাধ্যমে নষ্ট করা হয়, তা-ই হলো: "আফরাইতু"। আর "আস-সারব" অর্থ: প্রবাহমান পানি। "আস-সারব" অর্থ: খোদ পানি।

২ - প্রশস্ত চর্মপাত্র যা গারফ বৃক্ষ দ্বারা পাকা করা হয়েছে এবং যার সেলাইগুলো ছিঁড়ে গেছে … ফোঁটায় ফোঁটায় পড়া পানি যা সেলাইয়ের ছিদ্রগুলোর মাঝে হারিয়ে গেছে।

"ওয়াফরা" অর্থ: প্রশস্ত। আর "গারফিয়্যাহ" অর্থ: যা "গারফ" নামক বৃক্ষ দ্বারা পাকা (ট্যান) করা হয়েছে; আর এটি একটি গাছ। বলা হয়ে থাকে: এটি সেই চামড়া যা 'কারায' (এক প্রকার বৃক্ষ) ব্যতীত অন্য কিছু দিয়ে পাকা করা হয়, অর্থাৎ যা খেজুর দিয়ে পাকা করা হয়েছে।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٢)
والأرطى والملح. قال الأصمعي: ما دُبغ بالبحرين فهو غرفي. وقوله: "أثأى خوارزها"، قال الأصمعي: "الثأي": أن تلتقي الخرزتان فتصيرا واحدة. 4 ب/ وقال أعرابي من فصحاء الناس للفراء - وسأله ن هذا البيت - قال: "الثأي": أن تغلظ الإسفي، ويدق السير الذي يُخرز به، فهذا فساد. قيل له: "فما تسمى

এবং আরতা ও লবণ। আসমাঈ বলেন: বাহরাইনে যা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হয়, তাকে 'গারাফি' বলা হয়। এবং তাঁর উক্তি: "সেটির সেলাইসমূহকে নষ্ট করে দিল", আসমাঈ বলেন: 'আস-সা’য়ি' অর্থ হলো দুটি সেলাইয়ের ছিদ্র পরস্পর মিলে এক হয়ে যাওয়া। ৪ খ/ বিশুদ্ধভাষী জনৈক বেদুইন আল-ফাররাকে বললেন—যিনি তাঁকে এই পঙক্তিটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন—তিনি বললেন: 'আস-সা’য়ি' হলো সেলাই করার সূঁচটি মোটা হওয়া এবং সেলাই করার চামড়ার ফিতাটি চিকন হওয়া, আর এটাই হলো ত্রুটি। তাঁকে বলা হলো: "তাহলে একে কী নামকরণ করা হয়?"

(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٣)
الخرزتان إذا صارا واحدة" قال: "ذلك الأتم. ومن ذلك سميت المرأة: "أنومأ"، وذلك إذا أتاها الرجل فصير المسلكين واحداً. ورد "مشلشلاً" على "سربٍ" فرفعه. ويروى: "مشلشلاً" بالنصب، يوقع عليه الفعل. و"المشلشل": الذي يكاد يتصل قطره. و"الكتب". الخرز، الواحدة كتبة. وكلما جمعت شيئاً إلى شيء فقد "كتبته". وسميت "الكتيبة": كتيبة لأنها تكتبت واجتمعت. ومنه: كتبت الكتاب، إذا جمعت حروفاً إلى حروف. وقوله: "ضيعته" يريد: الكتب، أي: الخرز ضيعت الماء فيما بينها، فهو يُشل.

3 - أستحدث الركب من أشياعهم خبراً … أم راجع القلب من أطرابه طرب
"দুটি সেলাইয়ের ছিদ্র যখন একটি হয়ে যায়" তিনি বললেন: "সেটিই অধিকতর পূর্ণাঙ্গ।" এ থেকেই নারীকে "আনুমায়" বলা হয়, আর তা তখনই যখন পুরুষ তার নিকট আসে এবং দুই পথকে এক করে ফেলে। "মুশালশাল" শব্দটিকে "সারব" এর ওপর ভিত্তি করে পেশযুক্ত পড়া হয়েছে। আবার এটি জবরযুক্ত হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে যা কর্মপদ হিসেবে ব্যবহৃত। "মুশালশাল" হলো যা থেকে ফোঁটাগুলো প্রায় অবিচ্ছিন্নভাবে পড়ে। "আল-কাতব" হলো সেলাইয়ের ছিদ্র, যার একবচন "কাতবাহ"। যখনই আপনি এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সাথে যুক্ত করবেন, তখনই আপনি তা "একত্রিত" করলেন। সৈন্যদলকে "কাতিবাহ" বলা হয় কারণ তারা সুসংগঠিত ও একত্রিত থাকে। এ থেকেই এসেছে: "আমি কিতাব লিখেছি", যার অর্থ আমি বর্ণসমূহকে একে অপরের সাথে যুক্ত করেছি। তাঁর উক্তি "সেটি তা নষ্ট করেছে" দ্বারা তিনি সেলাইয়ের ছিদ্রগুলোকে বুঝিয়েছেন, অর্থাৎ সেলাইয়ের ছিদ্রগুলো তাদের মধ্য দিয়ে পানি অপচয় (নিঃসরণ) করেছে, ফলে তা চুঁইয়ে পড়ছে।

৩ - আরোহী দল কি তাদের অনুসারীদের নিকট থেকে কোনো নতুন সংবাদ পেয়েছে … নাকি হৃদয়ে তার আবেগপ্রসূত ব্যাকুলতা থেকে কোনো নতুন ব্যাকুলতা ফিরে এসেছে?
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٤)
استفهم فلذلك نصب ألف "أستحدث" وقطعها. يقول: أهذا الحزنُ من خبرٍ جاءكم أم هاجكم شوقٌ فحزنتم. و"الطرب": خفةٌ تأخذ الرجل من الحزن والفزع، كأنه مشدوهٌ، أي: ذاهب العقل. والطربُ في الفرح والحزن جميعاً. قال النابغةُ الجعدي:

وأراني طرباً في إثرهم … طرب الواله أو كالمختبل

و"الركب": قوم ركوبٌ، وهم أصحابه الذين معه، واحدهم راكب، مثلُ: شاربٍ وشرْبٍ، وصاحبٍ وصحبٍ. و"الواله":
তিনি প্রশ্ন করেছেন, তাই "আস্তাহদাস"-এর আলিফে নসব প্রদান করেছেন এবং একে হামজাতুল কাত হিসেবে গণ্য করেছেন। তিনি বলছেন: এই বিষণ্ণতা কি তোমাদের কাছে আসা কোনো সংবাদের কারণে, নাকি কোনো ব্যাকুলতা তোমাদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ফলে তোমরা দুঃখিত হয়েছ? আর "আত-তারাব" হলো: দুঃখ বা ভীতি থেকে মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া এমন এক অস্থিরতা, যেন সে কিংকর্তব্যবিমূঢ়, অর্থাৎ বিবেকবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। আর "তারাব" আনন্দ এবং দুঃখ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। আন-নাবিগাহ আল-জাদি বলেছেন:

আমি তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে গিয়ে নিজেকে অস্থির দেখতে পাই … সেই শোকার্ত বা জ্ঞান হারানো ব্যক্তির অস্থিরতার মতো

আর "আর-রাকব" হলো: আরোহী দল, তারা হলো তার সেই সব সঙ্গী যারা তার সাথে আছে, এর একবচন হলো "রাকিব", যেমন: "শারিব" ও "শারব" এবং "সাহিব" ও "সাহব"। আর "আল-ওয়ালিহ" হলো:
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٥)
التي قد اشتد حزنها على 5 أ/ ولدها. و"الأشياع": الأصحاب. قال [أبو] العباس: "لا يقال: ركبٌ إلا للجماعة على الإبل. ويروى: هل أحدث الركب".

4 - أم دمنةٌ نسفت عنها الصبا سفعاً … كما تنشر بعد الطية الكتب

ويروى: "من دمنةٍ"، وهو متعلق بقوله: "ما بال عينك منها الماء ينسكب" من أجل دمنة. [أراد: أستحدث الركبُ خبراً أم دمنةٌ] هاجت حزنهم حين وقفوا عليها و"الدمنة" واحدة
যার শোক তার সন্তানের প্রতি অত্যন্ত তীব্র হয়েছে। ৫ ক/ এবং "আশয়া" অর্থ সাথীবর্গ। [আবু] আব্বাস বলেছেন: "উটের পিঠে আরোহণকারী দলের ক্ষেত্র ব্যতীত 'রাকব' শব্দ ব্যবহৃত হয় না। বর্ণিত আছে: আরোহী দলটি কি নতুন কোনো সংবাদ দিয়েছে?"

৪ - নাকি কোনো পরিত্যক্ত বাস্তুভিটা যা থেকে পুবালি বাতাস ধূলিকণা উড়িয়ে নিয়েছে … যেমন ভাঁজ করার পর কিতাবসমূহ উন্মোচন করা হয়।

বর্ণিত আছে: "বসতি হতে", এবং এটি তার এই বাণীর সাথে সংশ্লিষ্ট: "তোমার চোখের কী হলো যে তা থেকে অশ্রু বিগলিত হচ্ছে" অর্থাৎ বসতির কারণে। [তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: আরোহী দলটি কি কোনো নতুন সংবাদ নিয়ে এসেছে নাকি কোনো পরিত্যক্ত বসতি] যা তাদের শোককে জাগ্রত করেছে যখন তারা তার ওপর দাঁড়িয়েছে। আর "দিমনাহ" হলো একবচন।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٦)
الدمن: وهو ما سوّدوا بالرماد وغير ذلك. وقوله: "نسفت عنها الصبا سفعاً"، أراد: نسفت عن الدمنة الصبا سفعاً. وتلك "السفع": "سيلاً من الدعص". يريد: رملاً سال من الدعص فترجم بـ"سيلٍ" عن "السُّفَعِ". و"السُّفَعُ": طرائق سودٌ تضرب إلى الحمرة. فيقول: الصبا نسقت السُّفعَ فاستبانت الأرضُ كما تُنشر الكتب بعد أن كانت مطوية. يقال: "ما أحسن طيته وجلسته! " يريد: الحال التي يجلس عليها. وقال بعضهم: "نصب: سفعاً، على الحال، وأوقع فعل الصبا على السيل،

আদ-দিমান: আর তা হলো যা তারা ছাই এবং অন্য কিছু দিয়ে কালো করে ফেলেছে। আর তাঁর উক্তি: "পূর্বাঞ্চলীয় বাতাস তা থেকে কালো চিহ্নগুলো উড়িয়ে দিয়েছে", তিনি উদ্দেশ্য করেছেন: পূর্বাঞ্চলীয় বাতাস পরিত্যক্ত আবাসস্থলের চিহ্ন থেকে কালো দাগগুলো উড়িয়ে দিয়েছে। আর সেই "সুফা" হলো: "বালিয়াড়ি থেকে নেমে আসা প্রবাহ"। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: বালিয়াড়ি থেকে বালি গড়িয়ে পড়েছে, তাই তিনি "সুফা"-কে "প্রবাহ" শব্দ দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন। আর "সুফা" হলো: কালো রেখা যা লালাভ বর্ণের দিকে ধাবিত হয়। তিনি বলছেন: পূর্বাঞ্চলীয় বাতাস কালো রেখাগুলোকে বিন্যস্ত করেছে, ফলে জমিনটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যেভাবে ভাঁজ করা কিতাব খোলার পর উন্মোচিত হয়। বলা হয়ে থাকে: "তার ভাঁজ করার ও বসার ভঙ্গি কতই না সুন্দর!" তিনি এর দ্বারা বুঝিয়েছেন: সে যে অবস্থায় উপবেশন করে। আর তাদের কেউ কেউ বলেছেন: তিনি 'সুফা' শব্দটিকে 'হাল' (অবস্থা) হিসেবে নসব প্রদান করেছেন এবং পূর্বাঞ্চলীয় বাতাসের ক্রিয়াটি 'প্রবাহের' ওপর প্রয়োগ করেছেন।

(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٧)
وأراد: أم دمنةٌ نسفت عنها الصبا سيلاً في حالِ سفعتها". قال أبو العباس: "السفعة: ما خالف لون الأرض، وهو يضرب إلى السواد". المهلبي: كما تقول: "غسلتُ عن ثوبه مداداً نفطاً"، فقدم "السفع" ثم بين عن السفع فقال: "سيلاً … ".

5 - سيلاً من الدعص أغشته معارفها … نكباء تسحب أعلاه فينسحب

5 ب/ "سيلاً من الدعص"، يعني: الرمل. و"الدعص": الرملة
তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: "অথবা সেই ধ্বংসাবশেষ যার ওপর দিয়ে পুবালী বাতাস তার কালচে দাগের অবস্থায় ধুলোবালির স্রোত উড়িয়ে নিয়ে গেছে"। আবু আব্বাস বলেন: "সুফআহ হলো যা ভূমির বর্ণের চেয়ে ভিন্ন এবং তা কালচে রঙের দিকে ঝোঁকে"। আল-মুহাল্লাবী বলেন: যেমনটি তুমি বলে থাকো: "আমি তার কাপড় থেকে কালির দাগ ধুয়ে ফেলেছি", এখানে তিনি প্রথমে 'সুফআহ' শব্দটি এনেছেন, এরপর সেই সুফআহ সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: "স্রোতের মতো … "।

৫ - বালুর স্তূপের এক স্রোত যা তার পরিচিত চিহ্নগুলোকে ঢেকে দিয়েছে … এক তির্যক বাতাস যা এর উপরিভাগ টেনে নেয় ফলে তা সরে যায়।

৫ খ/ "বালুর স্তূপের এক স্রোত", অর্থ: বালু। আর "দা’স" হলো বালুকাময় স্তূপ।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٨)
الصغيرة. يقول النكباء أغشت معارف الدمنة السيل من الدعص فجاءت الصبا، وهي التي تقابل الدبور فنسفته عنها. و"معارفها": ما عُرف منها. وتسحب أعلى هذا السيل من الدعص، أي: تجر فينجر. و"النكباء": ريح تجيء منحرفة بين ريحين. قال أبو العباس: قال ابن الأعرابي: "الإيرُ من ارياح: بين الصبا والشمال، وهي أخبث النكب. وقال: الريح النكباء تهلك المال
ছোট। তিনি বলেন: নাকবা (পার্শ্বীয়) বায়ু বালিয়াড়ি হতে আগত প্রবাহের মাধ্যমে পরিত্যক্ত বসতির চিহ্নসমূহকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল, অতঃপর সাবা (পূবালী) বায়ু এল—যা দাবুর (পশ্চিমা) বায়ুর বিপরীত—এবং তা হতে সেটি অপসারণ করল। আর "মাআরিফ" হলো: যা সেখান থেকে চেনা যায়। আর এটি বালিয়াড়ি হতে এই প্রবাহের উপরিভাগকে টেনে নিয়ে যায়, অর্থাৎ: এটি টেনে নিয়ে যায় ফলে তা চালিত হয়। আর "নাকবা" হলো এমন এক বায়ু যা দুই বায়ুর মধ্যবর্তী স্থান হতে তীর্যকভাবে প্রবাহিত হয়। আবুল আব্বাস বলেন: ইবনুল আরাবি বলেছেন: "বাতাসসমূহের মধ্যে ‘ইর’ হলো: সাবা ও শামাল (উত্তুরে) বায়ুর মধ্যবর্তী বাতাস, আর এটি নাকবা বায়ুসমূহের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট।" তিনি আরও বলেন: "নাকবা বায়ু গবাদিপশু ধ্বংস করে।"
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ١٩)
وتحسس القطر". والأصمعي يجعلها الرياح.

6 - لا بل هو الشوق من دارٍ تخونها … ضرب السحاب ومر بارح ترب

ويروى:

"ببرقة الثور من دارٍ تخونها … مرأ سحاب ومرأ بارح ترب"

يقول: هذه الدمنة "ببرقة الثور": وهو موضع. وفي الرواية الأخرى. يقول: هذا الحزن ليس هو من خبر جاء، ولا من أثر الدار،
এবং বৃষ্টির অন্বেষণ করা"। আর আল-আসমায়ী এগুলোকে বায়ুপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করেছেন।

৬ - না, বরং এটি সেই গৃহের প্রতি অনুরাগ যাকে … মেঘের বর্ষণ এবং ধূলিময় শুষ্ক বাতাসের প্রবাহ জীর্ণ করে দিয়েছে

এবং বর্ণিত আছে:

"বারকাতুত সাওরের সেই গৃহের প্রতি যাকে … মেঘের বর্ষণ এবং ধূলিময় শুষ্ক বাতাসের প্রবাহ জীর্ণ করেছে"

তিনি বলেন: এই ধ্বংসাবশেষ "বারকাতুত সাওর" নামক স্থানে; আর এটি একটি স্থানের নাম। অন্য বর্ণনায় রয়েছে। তিনি বলেন: এই বিষণ্ণতা কোনো আগত সংবাদের কারণে নয়, আর না গৃহের চিহ্নের কারণে,
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
لا بل هو شوقٌ هيج حزنكم من دار "تخونها": تنقصها، ويقال: تعهدها. "ضربُ السحاب" وهو المطر الخفيف. و"البارح": الريح تهب في الصيف. "تربٌ": معها تراب، أي: هي بارحٌ تربٌ. ويقال: "البارح": الريح الشديدة الهبوب. ويقال: "البارح": الريح التي تأتي عن يسار القبلة. قال أبو عبيدة: "سأل يونس رؤبة
না, বরং এটি এমন এক ব্যাকুলতা যা আপনাদের সেই আবাসস্থলের বিষাদকে জাগিয়ে তুলেছে যা তাকে ‘ক্ষয় করে’: অর্থাৎ সেটিকে হ্রাস করে, আবার বলা হয়: সেটির তদারকি বা দেখাশোনা করে। ‘মেঘের আঘাত’ বলতে হালকা বৃষ্টিকে বোঝানো হয়। আর ‘উষ্ণ বায়ু’ হলো সেই বাতাস যা গ্রীষ্মকালে প্রবাহিত হয়। ‘ধূলিময়’ অর্থ হলো যার সাথে ধুলোবালি থাকে, অর্থাৎ: এটি একটি ধূলিধূসর গ্রীষ্মকালীন বাতাস। আরও বলা হয়: ‘উষ্ণ বায়ু’ হলো প্রবল বেগে প্রবাহিত বাতাস। আবার বলা হয়: ‘উষ্ণ বায়ু’ হলো সেই বাতাস যা কিবলার বাম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। আবু উবাইদাহ বলেন: ‘ইউনুস রু’বাহকে জিজ্ঞাসা করলেন...’
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢١)
- وأنا شاهد- عن السانح والبارح. فقال: "السانح: ما ولَاّك 6 أ/ ميامنه. والبارح: ما ولَاّك مياسرة". ومن روى: "مرأ سحاب ومرأ بارحٌ"، أراد: مرةً كذا ومرةً كذا".

7 - يبدو لعينيك منها وهي مزمنةٌ … نؤيٌ ومستوقدٌ بالٍ ومحتطب

"يبدو": يظهر لعينيك "نؤي": وهو الحاجز حول بيوت الأعراب من المطر، يحفر جدول فيصيرُ التراب حول الجدول لئلا يدخل الماء. و"مستوقد": موضع وقود. و"محتطب": موضع حطب. و"مزمنة": أتى عليها زمن. و"الوقود": الحطب. وقال الأصمعي: التراب نفسه: "نؤي". وقول النابعة يدل على أنه التراب، وهو: " .. فهو أثلم خاشع"، يعني: النؤي. والحفرة لا تكون خاشعة، وإنما التراب "خاشعٌ"، أي: استوى مع الأرض. ويروى: "مستوقد باقٍ ومحتطب" يقول: هو بالحجارة فليس يذهب.
আমি প্রত্যক্ষদর্শী—সানিহ এবং বারিহ সম্পর্কে। তিনি বললেন: "সানিহ হলো তা যা তোমার ডান দিক দিয়ে ৬ ক/ অতিক্রম করে। আর বারিহ হলো তা যা তোমার বাম দিক দিয়ে অতিক্রম করে।" আর যারা বর্ণনা করেছেন: "একবার মেঘ এবং একবার বারিহ", তিনি এর দ্বারা উদ্দেশ্য নিয়েছেন: "একবার এমন এবং একবার তেমন।"

৭ - তোমার চোখের সামনে সেটির চিহ্ন প্রকাশ পাচ্ছে অথচ তা দীর্ঘকালের প্রাচীন … তাঁবুর চারপাশের পরিখা, একটি জরাজীর্ণ চুলা এবং লাকড়ি রাখার স্থান

"ইয়াবদু" অর্থ: তোমার চোখের সামনে প্রকাশ পাওয়া। "নুয়্যি" হলো: বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষার জন্য বেদুঈনদের তাঁবুর চারপাশে তৈরি করা প্রতিবন্ধক; একটি নালা খনন করা হয় এবং নালার চারপাশে মাটি রাখা হয় যাতে পানি ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। আর "মুস্তাওকাদ" হলো: আগুন জ্বালানোর স্থান। "মুহতাতিব" হলো: লাকড়ি রাখার স্থান। "মুযমিনাহ" হলো: যার ওপর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। "আল-ওয়াকুদ" হলো: জ্বালানি কাঠ। আসমায়ী বলেছেন: মাটি নিজেই হলো "নুয়্যি"। আর নাবিগার উক্তি প্রমাণ করে যে এটি মাটিই; আর তা হলো: "...সেটি ভগ্ন ও ভূমিসমান", অর্থাৎ: নুয়্যি। কেননা গর্ত কখনও ভূমিসমান হতে পারে না, বরং মাটিই "খাশে" (নত বা ভূমিসমান) হয়, অর্থাৎ: তা মাটির সাথে সমান হয়ে উঠে। আর একটি বর্ণনা রয়েছে: "স্থায়ী চুলা এবং লাকড়ির স্থান", তিনি বলছেন: সেটি পাথর দিয়ে নির্মিত হওয়ায় তা বিলীন হয়ে যায় না।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
8 - إلى لوائح من أطلال أحويةٍ … كأنها خللُ موشيةٌ قشب

يريد: مع "لوائح": وهو ما لاح من الأطلال. و"الأحوية": أبياتٌ مجتمعةٌ، الواحد حواء. و"الخلل" بطائن أجفان السيوف الموساة. يشبه آثار الدبار بالخلل. "قشب": جددٌ. "موشية": من الوشي.

9 - بجانب الزرق لم تطمس معالمها … دوارج المور والأمطار والحقب
৮ - আহউইয়ার ধ্বংসাবশেষের দৃশ্যমান চিহ্নসমূহের দিকে... যেন তা কারুকার্যমণ্ডিত নতুন তলোয়ারের খাপের অভ্যন্তরীণ আস্তরণ।

তিনি বুঝিয়েছেন: 'লুওয়াইহ' এর সাথে—যা ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। আর 'আহউইয়া' হলো একত্রিত ঘরসমূহ, যার একবচন 'হওয়া'। 'খিলাল' হলো তলোয়ারের কোষের কারুকার্যখচিত আস্তরণ। তিনি জনবসতির চিহ্নগুলোকে 'খিলাল'-এর সাথে তুলনা করেছেন। 'কাশব' অর্থ নতুন। 'মাউশিয়্যাহ' শব্দটি 'ওয়াশি' (কারুকার্য) থেকে আগত।

৯ - জুরকের পাশে, যার নিদর্শনসমূহ মুছে যায়নি— ধূলিবাহী বাতাস, বৃষ্টি এবং মহাকালের আবর্তনেও।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
6 ب/ "الزرق": أكثبة رمالٍ بالدهناء. "لم تطمس": لم تمحُ معالمها. "دوارج المور" و"الدوارج": مآخير الرياح. و"المور": دقاقُ التراب، وهو ما رمت به الريح وذهب وجاء. و"الحقب": السنون. يقول: هذه اللوائح من أطلال أحوية بجانب "الزرق": وهو موضع. "معالمها": ما عُلم منها.

10 - ديار مية إذ ميُّ تساعفنا … ولا يرى مثلها عجمٌ ولا عرب

ويروى: "دارُ لمية" .. إذ هذه الدار لمية. يقول:
৬ খ/ ‘আয-যুরক’: আদ-দাহনা প্রান্তরের বালিয়াড়ি। ‘লাম তাতমিস’: এর চিহ্নসমূহ বিলুপ্ত হয়নি। ‘দাওয়ারিজুল মাওর’ এবং ‘আদ-দাওয়ারিজ’: বাতাসের শেষপ্রান্ত বা লেজ। ‘আল-মাওর’: মিহি ধূলিকণা, যা বাতাস উড়িয়ে নেয় এবং যা আসা-যাওয়া করে। ‘আল-হুকুব’: বছরসমূহ। তিনি বলেন: এগুলো হলো ‘আয-যুরক’ নামক স্থানের পার্শ্ববর্তী শিবিরের ধ্বংসাবশেষের দৃশ্যমান চিহ্নসমূহ। ‘আয-যুরক’ একটি স্থানের নাম। ‘মা’আলিমুহা’: এর পরিচিত চিহ্নসমূহ।

১০ - মাইয়্যার আবাসস্থল যখন সে আমাদের সঙ্গ দিচ্ছিল... অনারব বা আরব কেউই তার মতো কাউকে দেখেনি।

বর্ণিত আছে: "দারুন লি-মাইয়্যা"... কেননা এই ঘরটি মাইয়্যার। তিনি বলেন:
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
.................................................

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আরশের উপর উঠেছেন। তাঁর জন্য এমন হাত সাব্যস্ত যা তাঁর মহিমার জন্য উপযুক্ত, আর তিনি কিয়ামতের দিন তাঁর পা জাহান্নামে রাখবেন। দয়াময় আরশের উপর উঠেছেন এবং তাঁর উভয় হাত প্রসারিত। মুমিনগণ জান্নাতে তাদের রবের দর্শন লাভ করবে এবং মহান আল্লাহ তাঁর পা জাহান্নামে রাখলে সেটি সংকুচিত হয়ে যাবে।

(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
ما وصفت "ديار مية إذ ميّ تساعفنا" أي: تواتينا وتطاوعنا. "ولا يرى مثلها عجمٌ ولا عربُ". [وواحد] "عجمٍ": "أعجم": [وذلك] إذا كان في لسانه، ثم تنسب إليه فتقول: "أعجميٌّ". وأما "العجم": قاسم قبيلة أهل العجمة، مثل قولك: "عجمٌ وعربٌ" فتنسب إليهما فتقول: "عجمي" بغير ألفٍ و"عربي". وتقول: "استعجيم على فلانٍ"، إذا لم يقدر على الكلام. ويقال: أعجم فلان دوني الخبر، إذا لم يبينه.
যখন আমি বর্ণনা করেছি "মায়্যাহর আবাসভূমি যখন মায়্যাহ আমাদের অনুকূলে ছিল", অর্থাৎ: সে আমাদের প্রতি সহযোগী ও অনুগত ছিল। "অনারব বা আরব কেউই তার মতো কাউকে দেখেনি।" [এবং] "আজম" [শব্দের একবচন] হলো "আ'জাম": [আর এটি তখন বলা হয়] যখন কারো জিহ্বায় জড়তা থাকে, অতঃপর আপনি তার দিকে সম্বন্ধ করে বলেন: "আ'জামী"। আর "আল-আজম" হলো অনারব জনগোষ্ঠীর নাম, যেমন আপনার উক্তি: "আজম ও আরব", অতঃপর আপনি তাদের প্রতি সম্বন্ধ করে বলেন: আলিফ ব্যতীত "আজমী" এবং "আরবী"। এবং আপনি বলেন: "অমুক ব্যক্তি বাকরুদ্ধ হয়েছে", যখন সে কথা বলতে সক্ষম হয় না। আর বলা হয়: "অমুক ব্যক্তি আমার কাছে খবরটি অস্পষ্ট রেখেছে", যখন সে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেনি।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
المهلبي: قال المبرد: "أكثر ما تنشد العرب: ديار مية .. بالنصب، لأنه لما ذكر ما يجن إليه، ويصبو إلى قربه أشاد بذكر ما قد كان يلقى.

11 - براقة الجيد واللبات واضحةٌ … كأنها ظبيةُ أفضى بها لبب

ويروى: "واللبات واضحةٌ" بالرفع أيضاً. و"الجيد": العتق. و"اللبات" أراد: اللبة وما حولتها، فجمعها لذلك. "واضحةٌ": بيضاء. "أفضى بها لسبب"، أي: بهذه الظبية. و"أفضى بها"، أي: صيّرها في "فضاء"، أي: في سعة واستواء. 7 أ/ و"اللبب": ما استرق من الرمل و"لببٌ" متعلق بالبيت الذي بعده.
মুহাল্লাবী: মুবাররাদ বলেছেন: "আরবরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘দিয়ারু মাইয়্যাহ’ শব্দটিকে নসব (জবর) যোগে পাঠ করে; কারণ তিনি যখন এমন কিছুর কথা উল্লেখ করেছেন যার প্রতি তিনি ব্যাকুল হন এবং যার সান্নিধ্য কামনা করেন, তখন তিনি যা পেতেন তার স্মৃতিচারণ করেছেন।

১১ - উজ্জ্বল গ্রীবা এবং বক্ষদেশ শুভ্র... যেন সে একটি হরিণী যা প্রশস্ত বালুকাময় প্রান্তরে উপনীত হয়েছে।

এবং ‘ওয়াল লাবাতু ওয়াদিহাতুন’ রফ‘ (পেশ) যোগেও বর্ণিত হয়েছে। ‘জীদ’ অর্থ: গ্রীবার সৌন্দর্য ও আভিজাত্য। ‘লাবাত’ বলতে তিনি কণ্ঠদেশের নিম্নভাগ ও তার চারপাশ বুঝিয়েছেন, একারণেই তিনি শব্দটি বহুবচনে ব্যবহার করেছেন। ‘ওয়াদিহা’ অর্থ: শুভ্র। ‘আফদা বিহা লিসাবাব’ অর্থাৎ: এই হরিণীটিকে নিয়ে। ‘আফদা বিহা’ অর্থ: তাকে এক ‘ফাদা’ বা উন্মুক্ত প্রান্তর অভিমুখে নিয়ে গেছে, যার অর্থ হলো প্রশস্ততা ও সমতলতা। ৭ আ/ এবং ‘লাবাব’ হলো বালুর সূক্ষ্ম বা পাতলা স্তর; আর ‘লাবাব’ শব্দটি পরবর্তী পংক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
12 - بين النهار وبين الليل من عقدٍ … على جوانبه الأسباط والهدب

ويروى: "من عقدٍ" بفتح القاف أيضاً. يريد: وأفضى بالظبية لببٌ من عقد. و"العقد": ما تعقد من الرمل وكثر. "بين النهار والليل"، يريد: أنها رعت نهارها، فلما انقضى النهار صارت ممتلئة الجلد براقة قد صقلها الرعيُ. وبين ذلك قوله: "على جوانبه الأسباط والهدب" فهي ترعى فيهما. و"السبط": نبتٌ. "الهدبُ": هدبُ الأرطى. وكل ورق ليس يعرض فهو: "هدبٌ" مثل ورق الطرفاء والأثل والأرطى
১২ - দিন এবং রাতের মাঝে বালুর স্তূপ হতে ... এর পার্শ্বসমূহে রয়েছে আসবাত এবং হুদুব।

বর্ণিত আছে: ক্বাফ বর্ণে ফাতাহ (জবর) যোগে ‘আকাদ’ও পাঠ করা হয়। এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন: হরিণীটি বালুর স্তূপের উঁচু অংশে উপনীত হয়েছে। ‘আল-আকদ’ হলো বালুর সেই স্তূপ যা জমাটবদ্ধ ও আকারে বড়। ‘দিন এবং রাতের মাঝে’ বলতে তিনি বুঝিয়েছেন: সেটি দিনভর চরে বেড়াত, অতঃপর যখন দিন শেষ হলো তখন তার চামড়া হৃষ্টপুষ্ট ও উজ্জ্বল হয়ে উঠল যা নিয়মিত চরে বেড়ানোর ফলে মসৃণ হয়েছে। এর সাথে তাঁর বক্তব্য: ‘এর পার্শ্বসমূহে রয়েছে আসবাত এবং হুদুব’, অর্থাৎ সে এই দুটির মধ্যে চরে বেড়ায়। ‘সাবাত’ হলো এক প্রকার উদ্ভিদ। ‘হুদুব’ হলো আর্তী গাছের পাতা। যে পাতার কোনো প্রস্থ নেই তাকেই ‘হুদুব’ বলা হয়; যেমন তরফা, আছল এবং আর্তী গাছের পাতা।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
والأثأب. يقول: لما رعت يومها امتلأت [فهي] أحسن ما تكون آخر النهار، لا ترى فيها ضموراً، قد املاست وذهب تثني جلدها من الضمر والجوع.

13 - عجزاء ممكورة خمصانة قلقُ … عنها الوشاح وتم الجسم والقصب

"الممكورة": الحسنة طي الخلق. و"خمصانة": ضامرة البطن، و"قلقٌ عنها الوشاح". وإنما يقلق من ضمر البطن.
এবং আল-আছআব। তিনি বলছেন: যখন এটি সারা দিন বিচরণ করল তখন এটি পূর্ণ হয়ে গেল, ফলে দিনের শেষে এটি তার সর্বাপেক্ষা সুন্দর অবস্থায় উপনীত হলো; এতে কোনো কৃশতা দেখা যায় না, এর দেহ মসৃণ হয়ে গেছে এবং কৃশতা ও ক্ষুধার দরুন চামড়ার ভাঁজগুলো চলে গেছে।

১৩ - স্থূলনিতম্বা, সুঠামদেহী এবং ক্ষীণকটি; তার কোমরবন্ধটি ঢিলে হয়ে দুলছে... এবং তার দেহ ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পূর্ণতা পেয়েছে।

"আল-মামকুরাহ" অর্থ: সুন্দর ও সুঠাম শারীরিক গঠন। "খামসানা" অর্থ: কৃশ উদর বা চিকন পেট। "তার কোমরবন্ধটি ঢিলে হয়ে দুলছে"—মূলত পেটের কৃশতার কারণেই কোমরবন্ধটি ঢিলে হয়ে নড়াচড়া করে।
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
و"القصب"، كل عظم فيه مخ فهو: قصبة، والجميع قصب.

14 - زين الثياب وإن أثوابها استلبت … فوق الحشية يوماً زانها السلب

7 ب/ ويروى: "فوق الحشية منها زانها السلب". يقول: إذا لبست الثياب زانتها، وإن استلبت أثوابها وهي على الحشية "زانها السلب"، أي: خلقها حسنٌ.

15 - تريك سنة وجهٍ غير مقرفةٍ … ملساء ليس بها خالٌ ولا ندب

"السنة": الصورة. وقوله: "غير مقرفة"، أي: ليست
এবং "আল-কাসাব", প্রতিটি হাড় যাতে মজ্জা থাকে তা-ই হলো: কাসাবাহ, আর এর সমষ্টি হলো কাসাব।

১৪ - তিনি পোশাকের অলঙ্কার, যদিও তাঁর পোশাক কেড়ে নেওয়া হয় … শয্যার ওপর কোনো একদিন তাঁর বস্ত্রহীনতাই তাঁকে সুশোভিত করেছিল

৭ খ/ বর্ণিত আছে: "তাঁর শয্যার ওপর সেই বস্ত্রহীনতা তাঁকে সুশোভিত করেছিল"। তিনি বলছেন: তিনি যখন পোশাক পরিধান করেন, তখন তিনি সেই পোশাককে সুশোভিত করেন, আর যদি বিছানায় থাকা অবস্থায় তাঁর পোশাক খুলে নেওয়া হয়, তবে সেই "বস্ত্রহীনতা তাঁকে সুশোভিত করে", অর্থাৎ: তাঁর শারীরিক গঠন অত্যন্ত সুন্দর।

১৫ - তিনি আপনাকে দেখান এক মুখাবয়ব যা হীন বংশজাত নয় … মসৃণ, যাতে কোনো তিল বা ক্ষতচিহ্ন নেই

"আস-সুন্নাহ" অর্থ: প্রতিচ্ছবি। আর তাঁর কথা: "গাইরা মুকরিফাহ", অর্থাৎ: তিনি নন...
(খণ্ড: ١) দীওয়ানু যির রুম্মাহ - বিশারহি আবী নাসর আল-বাহিলী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
بهجينةٍ، هي عتيقةٌ كريمة. و"الندب: آثار الجراح. فيقول: ليس فيها خال ولا آثار. ويقال: "فرس مقرف" للذي دانى الهجنة. ويقال: "أخشى عليك القرف" أي: مداناة المرض. والعرب تقول في كلامها: "ما أبصرت عيني ولا أقرفت يدي"، أي: ولا دانت. ويقال لقشر الرمانة ولكل قشرٍ: "قرفٌ". ويقال: "اصبغ ثوبك بقرف السدر أي: بقشره. ومنه: "قرف فلان فلاناً"، وذلك إذا وقع فيه، وذكره بسوء، فكأنه قشره. ويقال: "فلان يقترف لعياله"، أي: يكسب لهم من هاهنا وهاهنا.

16 - إذا أخو لذة الدنيا تبطنها … والبيت فوقهما بالليل محتجب
এটি সংকর নয়, বরং এটি প্রাচীন ও মহৎ। আর 'আন-নাব' হলো ক্ষতের চিহ্ন। তিনি বলেন: এতে কোনো তিল বা চিহ্ন নেই। আর সেই ঘোড়াকে 'ফারাসুন মুক্বরিফ' বলা হয় যা সংকর হওয়ার কাছাকাছি। আর বলা হয়: 'আমি তোমার জন্য আল-ক্বারাফ এর আশঙ্কা করছি', অর্থাৎ: রোগের নিকটবর্তী হওয়া। আরবরা তাদের কথাবার্তায় বলে থাকে: 'আমার চোখ দেখেনি এবং আমার হাত নিকটবর্তী হয়নি', অর্থাৎ: কাছে যায়নি। ডালিমের খোসা এবং যেকোনো খোসাকে 'ক্বিরফুন' বলা হয়। বলা হয়: 'সিদর গাছের বাকল দিয়ে তোমার কাপড় রঙ করো', অর্থাৎ: এর খোসা দিয়ে। এর থেকেই এসেছে: 'অমুক ব্যক্তি অমুককে ক্বারাফা করেছে', এটি তখন বলা হয় যখন সে কারো সমালোচনা করে এবং তাকে মন্দভাবে স্মরণ করে, যেন সে তাকে ছিলে ফেলছে। আর বলা হয়: 'অমুক ব্যক্তি তার পরিবারের জন্য উপার্জন করছে', অর্থাৎ: সে তাদের জন্য এদিক-সেদিক থেকে সংগ্রহ ও উপার্জন করছে।

16 - যখন পার্থিব সুখের অন্বেষী তার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে … আর রাতে তাদের ওপর ঘরটি আচ্ছন্ন থাকে।