(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: -)
موطأ مالك - رواية محمد بن الحسن الشيباني   (مالك بن أنس)

القسم: كتب السنة


الكتاب: موطأ مالك برواية محمد بن الحسن الشيباني

المؤلف: مالك بن أنس بن مالك بن عامر الأصبحي المدني (ت 179 هـ)

تعليق وتحقيق: عبد الوهاب عبد اللطيف

الناشر: المكتبة العلمية

الطبعة: الثانية، مَزِيدة منقحة

عدد الصفحات: 345

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুয়াত্তা মালিক - মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শায়বানীর বর্ণনা   (মালিক ইবনে আনাস)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


কিতাব: মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শায়বানীর বর্ণনায় মুয়াত্তা মালিক

লেখক: মালিক ইবনে আনাস ইবনে মালিক ইবনে আমির আল-আসবাহি আল-মাদানি (মৃত্যু ১৭৯ হিজরি)

টীকা ও সম্পাদনা: আব্দুল ওয়াহহাব আব্দুল লতিফ

প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল ইলমিয়্যাহ

সংস্করণ: দ্বিতীয়, পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪৫

[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মুদ্রণকপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣١)
‌‌أَبْوَابُ الصَّلاةِ
সালাতের অধ্যায়সমূহ
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣١)
‌‌بَابُ: وُقُوتِ الصَّلاةِ
পরিচ্ছেদ: সালাতের ওয়াক্তসমূহ
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣١)
1 - قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعٍ مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَأَلَهُ عَنْ وَقْتِ الصَّلاةِ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: «أَنَا أُخْبِرُكَ، صَلِّ الظُّهْرَ إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثْلَكَ، وَالْعَصْرَ إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثلَيْكَ، وَالْمَغْرِبَ إِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ، وَالْعِشَاءَ مَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ ثُلُثِ اللَّيْلِ، فَإِنْ نِمْتَ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ فَلا نَامَتْ عَيْنَاكَ، وَصَلِّ الصُّبْحَ بِغَلَسٍ» . ⦗ص: 32⦘

قَالَ مُحَمَّدٌ: هَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رحمه الله فِي وَقْتِ الْعَصْرِ، وَكَانَ يَرَى الإِسْفَارَ فِي الْفَجْرِ، وَأَمَّا فِي قَوْلِنَا، فَإِنَّا نَقُولُ: إِذَا زَادَ الظِّلُّ عَلَى الْمِثْلِ فَصَارَ مِثْلَ الشَّيْءِ وَزِيَادَةً مِنْ حِينِ زَالَتِ الشَّمْسُ، فَقَدْ دَخَلَ وَقْتُ الْعَصْرِ.

وَأَمَّا أَبُو حَنِيفَةَ فَإِنَّهُ قَالَ: لا يَدْخُلُ وَقْتُ الْعَصْرِ حَتَّى يَصِيرَ الظِّلُّ مِثلَيْهِ
১ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান বলেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে জিয়াদ (বনু হাশিমের আযাদকৃত দাস) থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রাফে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহার আযাদকৃত দাস) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাকে সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন আবু হুরায়রা বললেন: «আমি তোমাকে জানাচ্ছি; জোহরের সালাত আদায় করো যখন তোমার ছায়া তোমার দৈর্ঘ্যের সমান হবে, আসরের সালাত আদায় করো যখন তোমার ছায়া তোমার দ্বিগুণ হবে, মাগরিবের সালাত আদায় করো যখন সূর্য ডুবে যাবে, এবং এশার সালাত তোমার ও রাতের এক-তৃতীয়াংশের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করো। আর যদি তুমি মধ্যরাত পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকো, তবে তোমার চক্ষু যেন না ঘুমায় (বিশ্রাম না পায়); আর ফজরের সালাত অন্ধকারের শেষভাগে (গালাস) আদায় করো»। ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘

মুহাম্মদ বলেন: এটি আসরের সময় সম্পর্কে আবু হানিফা (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর অভিমত। তিনি ফজরের সালাতে ইশফার (আলোকিত করা) পছন্দ করতেন। তবে আমাদের অভিমত হলো: যখন সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে ছায়া বস্তুর দৈর্ঘ্যের সমান অতিক্রম করে বৃদ্ধি পায়, তখনই আসরের সময় শুরু হয়ে যায়।

আর আবু হানিফা বলতেন: আসরের সময় ততক্ষণ পর্যন্ত প্রবেশ করে না যতক্ষণ না ছায়া তার দ্বিগুণ হয়।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
2 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ رضي الله عنها، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ «يُصَلِّي الْعَصْرَ، وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব আয-যুহরী, উরওয়াহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য তাঁর প্রকোষ্ঠের অভ্যন্তরে থাকত, তা উপরে ওঠার পূর্বেই।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
3 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ: «كُنَّا نُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى قُبَاءَ، فَيَأْتِيهِمْ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ»
৩ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে শিহাব আল-যুহরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমরা আসরের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর কেউ কুবার দিকে যেত এবং সে তাদের নিকট পৌঁছাত এমতাবস্থায় যে সূর্য তখনও উঁচুতে থাকত।»
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
4 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «كُنَّا نُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَخْرُجُ الإِنْسَانُ إِلَى بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ، فَيَجِدُهُمْ يُصَلُّونَ الْعَصْرَ» . ⦗ص: 33⦘

قَالَ مُحَمَّدٌ: تَأْخِيرُ الْعَصْرِ أَفْضَلُ عِنْدَنَا مِنْ تَعْجِيلِهَا إِذَا صَلَّيْتَهَا وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ نَقِيَّةٌ لَمْ تَدْخُلْهَا صُفْرَةٌ، وَبِذَلِكَ جَاءَتْ عَامَّةُ الآثَارِ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَقَدْ قَالَ بَعْضُ الْفُقَهَاءِ: إِنَّمَا سُمِّيَتِ الْعَصْرَ، لأَنَّهَا تُعْصَرُ وَتُؤَخَّرُ
৪ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমরা আসরের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর কোনো ব্যক্তি বনু আমর ইবনে আউফের বাসস্থানে যেত এবং তাদের আসরের সালাত আদায় করতে দেখতে পেত।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘

ইমাম মুহাম্মাদ বলেন: আসর বিলম্ব করে আদায় করা আমাদের নিকট দ্রুত আদায় করার চেয়ে উত্তম, যদি তুমি তা এমন সময় আদায় করো যখন সূর্য উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকে এবং তাতে হলদে ভাব প্রবেশ না করে। অধিকাংশ বর্ণনা (আসার) এই মর্মেই এসেছে এবং এটিই ইমাম আবু হানিফার অভিমত। কোনো কোনো ফকিহ বলেছেন: একে ‘আসর’ নামকরণ করা হয়েছে কারণ একে নিংড়ানো (চাপ দেওয়া) হয় এবং বিলম্বিত করা হয়।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
‌‌بَابُ: ابْتِدَاءِ الْوُضُوءِ
পরিচ্ছেদ: ওযূ শুরু করা
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
5 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَسَنٍ الْمَازِنِيُّ، عَنْ أَبِيهِ يَحْيَى، أَنَّهُ سَمِعَ جَدَّهُ أَبَا حَسَنٍ، يَسْأَلُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " هَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تُرِيَنِي كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ: نَعَمْ، فَدَعَا بِوَضُوءٍ، فَأَفْرَغَ عَلَى يَدَيْهِ فَغَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ مَضْمَضَ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثًا، ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ مَسَحَ مِنْ مُقَدَّمِ رَأْسِهِ حَتَّى ذَهَبَ بِهِمَا إِلَى قَفَاهُ، ثُمَّ رَدَّهُمَا إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي مِنْهُ بَدَأَ، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ ".

قَالَ مُحَمَّدٌ: هَذَا حَسَنٌ، وَالْوُضُوءُ ثَلاثًا ثَلاثًا أَفْضَلُ، وَالاثْنَانِ يُجْزِيَانِ، وَالْوَاحِدَةُ إِذَا أَسْبَغَتْ تُجْزِئُ أَيْضًا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমারা ইবনে আবি হাসান আল-মাজিনী, তাঁর পিতা ইয়াহইয়া থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর দাদা আবু হাসানকে আবদুল্লাহ ইবনে যায়িদ ইবনে আসিমকে জিজ্ঞেস করতে শুনেছেন, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি (আবু হাসান) বললেন: "আপনি কি আমাকে দেখাতে পারেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে অজু করতেন?" আবদুল্লাহ ইবনে যায়িদ বললেন: "হ্যাঁ"। অতঃপর তিনি অজুর পানি চাইলেন এবং নিজের উভয় হাতের ওপর পানি ঢেলে হাত দুটি দুইবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি কুলি করলেন, তারপর তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন। এরপর কনুই পর্যন্ত হাত দুটি দুইবার ধৌত করলেন। তারপর মাথার সামনের অংশ থেকে মাসেহ শুরু করে ঘাড় পর্যন্ত নিয়ে গেলেন, অতঃপর হাত দুটিকে আবার সেই স্থানে ফিরিয়ে আনলেন যেখান থেকে শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি তাঁর দুই পা ধৌত করলেন।

মুহাম্মদ বলেন: এটি হাসান (উত্তম)। অজু তিনবার করে করা অধিক উত্তম, তবে দুইবার করেও যথেষ্ট হবে। আর যদি একবার ধৌত করার মাধ্যমে অঙ্গগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে ভিজে যায়, তবে তাও যথেষ্ট হবে। এটিই ইমাম আবু হানিফার অভিমত।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
6 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَجْعَلْ فِي أَنْفِهِ، ثُمَّ لِيَسْتَنْثِرْ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুয যিনাদ, তিনি আবদুর রহমান আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তোমাদের কেউ যখন ওজু করে, তখন সে যেন তার নাকে পানি দেয়, এরপর যেন তা ঝেড়ে পরিষ্কার করে।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
7 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ، وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، يَنْبَغِي لِلْمُتَوَضِّئِ أَنْ يَتَمَضْمَضَ ويَسْتَنْثِرَ، وَيَنْبَغِي لَهُ أَيْضًا أَنْ يَسْتَجْمِرَ.

وَالاسْتِجَمَارُ: الاسْتِنْجَاءُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ
৭ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুহরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওযু করবে সে যেন নাক ঝাড়ে, আর যে ব্যক্তি পাথর ব্যবহার করবে সে যেন বিজোড় সংখ্যা গ্রহণ করে।» মুহাম্মাদ বলেন: আমরা এটিই গ্রহণ করি; ওযুকারীর জন্য কুলি করা ও নাক ঝাড়া উচিত এবং তার জন্য পাথর ব্যবহার করাও উচিত।

আর আল-ইসতিজমার হলো আল-ইসতিনজা (পাথর দিয়ে পবিত্রতা অর্জন), এবং এটিই ইমাম আবু হানিফার অভিমত।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
8 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: " مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ خَرَجَ عَامِدًا إِلَى الصَّلاةِ، فَهُوَ فِي صَلاةٍ مَا كَانَ يَعْمِدُ، وَأَنَّهُ تُكْتَبُ لَهُ بِإِحْدَى خُطْوَتَيْهِ حَسَنَةٌ، وَتُمْحَى عَنْهُ بِالأُخْرَى سَيِّئَةٌ، فَإِنْ سَمِعَ أَحَدُكُمُ الإِقَامَةَ فَلا يَسْعَ، فَإِنَّ أَعْظَمَكُمْ أَجْرًا أَبْعَدُكُمْ دَارًا، قَالُوا: لِمَ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ؟ قَالَ: مِنْ أَجْلِ كَثْرَةِ الْخُطَا "
৮ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নুআইম ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজমির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: "যে ব্যক্তি ওযু করল এবং তার ওযু উত্তমরূপে সম্পন্ন করল, অতঃপর সালাতের উদ্দেশ্যে বের হলো, সে যতক্ষণ সালাতের সংকল্পে থাকবে ততক্ষণ সালাতরত বলেই গণ্য হবে। আর তার এক পদক্ষেপে একটি নেকি লেখা হয় এবং অন্য পদক্ষেপে একটি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হয়। তোমাদের কেউ যখন ইকামত শুনবে, তখন সে যেন দৌড়ে না আসে। কেননা তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সওয়াবের দিক থেকে মহান, যার ঘর সবচেয়ে দূরে।" তারা জিজ্ঞেস করল: হে আবু হুরায়রা, কেন? তিনি বললেন: "অধিক পদক্ষেপের কারণে।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
‌‌بَابُ: غَسْلِ الْيَدَيْنِ فِي الْوُضُوءِ
অধ্যায়: অজুতে উভয় হাত ধৌত করা
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
9 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ، فَلْيَغْسِلْ يَدَهُ قَبْلَ أَنْ يُدْخِلَهَا فِي وَضُوئِهِ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ» .

قَالَ مُحَمَّدٌ: هَذَا حَسَنٌ، وَهَكَذَا يَنْبَغِي أَنْ يُفْعَلَ وَلَيْسَ مِنَ الأَمْرِ الْوَاجِبِ الَّذِي إِنْ تَرَكَهُ تَارِكٌ أَثِمَ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ
৯ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুয যিনাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়, তখন সে যেন ওযুর পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর পূর্বে তা ধৌত করে নেয়; কেননা তোমাদের কেউ জানে না তার হাত রাত্রি যাপনকালে কোথায় ছিল।»

মুহাম্মদ বলেন: এটি উত্তম, এবং এরূপ করাই বাঞ্ছনীয়; তবে এটি কোনো অপরিহার্য (ওয়াজিব) বিষয় নয় যে, তা বর্জন করলে কেউ গুনাহগার হবে। আর এটিই আবু হানিফা (রহ.)-এর অভিমত।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
‌‌بَابُ: الْوُضُوءِ فِي الاسْتِنْجَاءِ
পরিচ্ছেদ: ইস্তিঞ্জায় অজু করা
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
10 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَحْلاءَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَاهُ أَخْبَرَهُ ، أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه يَتَوَضَّأُ وُضُوءً لِمَا تَحْتَ إِزَارِهِ ".

قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخَذُ ، وَالاسْتِنْجَاءُ بِالْمَاءِ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْ غَيْرِهِ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى
১০ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে তাহলা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা তাঁকে অবহিত করেছেন, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তাঁর লুঙ্গির নিচের অংশের জন্য অজু (শৌচকার্য) করতে দেখেছেন।

ইমাম মুহাম্মাদ রহ. বলেন: আমরা এটিই গ্রহণ করি এবং পানি দিয়ে ইস্তেনজা করা আমাদের নিকট অন্য সব কিছুর চেয়ে অধিক প্রিয়। আর এটিই ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি তা'আলার অভিমত।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
‌‌بَابُ: الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ
পরিচ্ছেদ: পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
11 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: " كُنْتُ أُمْسِكُ الْمُصْحَفَ عَلَى سَعْدٍ فَاحْتَكَكْتُ، فَقَالَ: لَعَلَّكَ مَسَسْتَ ذَكَرَكَ، فَقُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: قُمْ فَتَوَضَّأْ.

قَالَ: فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ ثُمَّ رَجَعْتُ "
১১ - মালিক আমাদের জানিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসআব ইবনে সাদ থেকে, তিনি বলেন: "আমি সাদ-এর জন্য মাসহাফ ধরে রাখছিলাম, এমতাবস্থায় আমি শরীর চুলকালাম। তখন তিনি বললেন: সম্ভবত তুমি তোমার লিঙ্গ স্পর্শ করেছ? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: ওঠো এবং ওযু করো।

তিনি বলেন: অতঃপর আমি উঠলাম এবং ওযু করলাম, তারপর ফিরে আসলাম।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
12 - أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَغْتَسِلُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ، فَقَالَ لَهُ: " أَمَا يُجْزِيكَ الْغُسْلُ مِنَ الْوُضُوءِ؟ قَالَ: بَلَى وَلَكِنِّي أَحْيَانًا أَمَسُّ ذَكَرِي فَأَتَوَضَّأُ " ، قَالَ مُحَمَّدٌ: لا وُضُوءَ فِي مَسِّ الذَّكَرِ وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَفِي ذَلِكَ آثَارٌ كَثِيرَةٌ
১২ - মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে শিহাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি গোসল করতেন এবং এরপর ওজু করতেন। তাকে বলা হলো: "গোসল কি ওজুর জন্য যথেষ্ট নয়?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, কিন্তু আমি কখনো কখনো আমার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করি, তাই ওজু করি।" মুহাম্মদ বলেন: পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওজু ভঙ্গ হয় না এবং এটিই আবু হানিফার অভিমত। আর এ বিষয়ে অনেক বর্ণনা রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
13 - قَالَ مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ بْنُ عُتْبَةَ التَّيْمِيُّ قَاضِي الْيَمَامَةِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ: " أَنَّ رَجُلا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ رَجُلٍ مَسَّ ذَكَرَهُ، أَيَتَوَضَّأُ؟ قَالَ: هَلْ هُوَ إِلا بِضْعَةٌ مِنْ جَسَدِكَ "
১৩ - মুহাম্মাদ বলেন, ইয়ামামার বিচারক আইয়ুব ইবনে উতবা আত-তাইমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কায়স ইবনে তালক থেকে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন: "এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করেছে, সে কি উযু করবে? তিনি বললেন: এটি কি তোমার দেহের একটি অংশ ছাড়া অন্য কিছু?"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
14 - قَالَ مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا طَلْحَةُ بْنُ عَمْرٍو الْمَكِّيُّ، أَخْبَرَنَا عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فِي مَسِّ الذَّكَرِ وَأَنْتَ فِي الصَّلاةِ، قَالَ: «مَا أُبَالِي مَسَسْتُهُ أَوْ مَسَسْتُ أَنْفِي»
১৪ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তালহা ইবনে আমর আল-মাক্কি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আতা ইবনে আবি রাবাহ, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি নামাযরত অবস্থায় লিঙ্গ স্পর্শ করা সম্পর্কে বলেন: "আমি এটি স্পর্শ করলাম নাকি আমার নাক স্পর্শ করলাম, তাতে আমি কোনো পরোয়া করি না।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
15 - قَالَ مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، أَخْبَرَنَا صَالِحٌ مَوْلَى التَّوْءَمَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَيْسَ فِي مَسِّ الذَّكَرِ وُضُوءٌ»

 

16 - قَالَ مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ، أَخْبَرَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي ذُبَابٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، يَقُولُ: «لَيْسَ فِي مَسِّ الذَّكَرِ وُضُوءٌ» .
15 - মুহাম্মাদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-মাদানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সালেহ মাওলা আত-তাওআমাহ, ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে অযু নেই»

 

16 - মুহাম্মাদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-মাদানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হারিস ইবন আবী জুবাব, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে বলতে শুনেছেন: «পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে অযু নেই» .
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
17 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَوَّامِ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: " يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، رَجُلٌ مَسَّ فَرْجَهُ بَعْدَ مَا تَوَضَّأَ؟ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: إِنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما كَانَ يَقُولُ: إِنْ كُنْتَ تَسْتَنْجِسُهُ فَاقْطَعْهُ، قَالَ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ: هَذَا وَاللَّهِ قَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ
১৭ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আওয়াম আল-বসরি, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আতা ইবনে আবি রাবাহকে জিজ্ঞাসা করলেন: "হে আবু মুহাম্মদ, এক ব্যক্তি ওজু করার পর তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে (তার হুকুম কী)?" উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে একজন বললেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন: "যদি তুমি একে অপবিত্র মনে করো, তবে তা কেটে ফেলো।" আতা ইবনে আবি রাবাহ বললেন: "আল্লাহর কসম, এটিই ইবনে আব্বাসের উক্তি।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
18 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ رحمه الله، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه فِي مَسِّ الذَّكَرِ ، قَالَ: «مَا أُبَالِي مَسَسْتُهُ، أَوْ طَرْفَ أَنْفِي»
১৮ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা (রহিমাহুল্লাহ), হাম্মাদ থেকে, ইব্রাহিম আন-নাখয়ী থেকে, আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার বিষয়ে। তিনি বলেছেন: «আমি এটি স্পর্শ করলাম নাকি আমার নাকের অগ্রভাগ স্পর্শ করলাম—আমি তার পরোয়া করি না।»
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
19 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، " أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ سُئِلَ عَنِ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ؟ فَقَالَ: إِنْ كَانَ نَجِسًا فَاقْطَعْهُ ⦗ص: 37⦘ «

 

20 - قَالَ مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا مُحِلٌّ الضَّبِّيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، فِي مَسِّ الذَّكَرِ فِي الصَّلاةِ قَالَ» إِنَّمَا هُوَ بِضْعَةٌ مِنْكَ ".
১৯ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে, "নিশ্চয় ইবনে মাসউদকে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওজু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: যদি এটি নাপাক হয় তবে তা কেটে ফেলো।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ «

 

২০ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহিল আদ-দাব্বি, তিনি ইব্রাহিম আন-নাখয়ী থেকে বর্ণনা করেন, সালাতের মধ্যে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার বিষয়ে তিনি বলেছেন, "এটি তো তোমার দেহেরই একটি অংশ মাত্র।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
21 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا سَلَّامُ بْنُ سُلَيْمٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ أَرْقَمَ بْنِ شُرَحْبِيلَ، قَالَ: " قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ: إِنِّي أَحُكُّ جَسَدِي وَأَنَا فِي الصَّلاةِ فَأَمَسُّ ذَكَرِي، فَقَالَ: إِنَّمَا هُوَ بِضْعَةٌ مِنْكَ "
২১ - মুহাম্মাদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাল্লাম বিন সুলাইম আল-হানাফি, মানসুর বিন আল-মুতামির থেকে, তিনি আবু কায়স থেকে, তিনি আরকাম বিন শুরাহবিল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদকে বললাম: আমি সালাত আদায়রত অবস্থায় নিজ শরীর চুলকাই এবং আমার লিঙ্গ স্পর্শ করি। তখন তিনি বললেন: এটি তো তোমার শরীরেরই একটি অংশ মাত্র।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
22 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا سَلامُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنِ السَّدُوسِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: " سَأَلْتُ حُذَيْفَةَ بْنَ الْيَمَانِ، عَنِ الرَّجُلِ مَسَّ ذكَرَهُ، فَقَالَ: إِنَّمَا هُوَ كَمَسِّهِ رَأْسَهُ "
২২ - মুহাম্মদ বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সালাম ইবনে সুলাইম, তিনি মানসুর ইবনে আল-মু’তামির থেকে, তিনি আস-সাদুসী থেকে, তিনি বারা ইবনে কায়স থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি হুযাইফা ইবনে আল-ইয়ামানকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার লিঙ্গ স্পর্শ করে। তিনি বললেন: এটি তো কেবল তার মাথা স্পর্শ করার মতোই।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
23 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ سَعْدٍ النَّخَعِيِّ، قَالَ: " كُنْتُ فِي مَجْلِسٍ فِيهِ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ فَذَكَرَ مَسَّ الذَّكَرِ، فَقَالَ: إِنَّمَا هُوَ بِضْعَةٌ مِنْكَ وَإِنَّ لِكَفِّكَ لَمَوْضِعًا غَيْرَهُ "
২৩ - মুহাম্মদ বলেন, মিসআর বিন কিদাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমায়ের বিন সাদ আন-নাখায়ি থেকে, তিনি বর্ণনা করেন: "আমি এমন একটি মজলিসে ছিলাম যেখানে আম্মার বিন ইয়াসির উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার বিষয়টি আলোচিত হলো। তখন তিনি বললেন: এটি তো তোমারই শরীরের একটি অংশ মাত্র এবং তোমার হাতের তালুর জন্য এটি ব্যতীত অন্য স্থানও রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
24 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، عَنْ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنِ الْبَرَّاءِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: " قَالَ حُذَيْفَةُ بْنُ الْيَمَانِ فِي مَسِّ الذَّكَرِ: مِثْلُ أَنْفِكَ "
২৪ - মুহাম্মাদ বলেছেন, মিসআর ইবনে কিদাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াদ ইবনে লাকিত থেকে বর্ণিত, আল-বারা ইবনে কায়স থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করা সম্পর্কে বলেছেন: "এটি তোমার নাকের মতোই।"
(খণ্ড: ১) মুয়াত্তা মালেক - রিওয়ায়াতু মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
25 - قَالَ مُحَمَّدٌ ، أَخْبَرَنَا مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، حَدَّثَنَا قَابُوسُ، عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: «مَا أُبَالِي إِيَّاهُ مَسَسْتُ، أَوْ أَنْفِي، أَوْ أُذُنِي»
২৫ - মুহাম্মদ বলেছেন, মিসআর ইবনে কিদাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাবুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যাবইয়ান থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি পরোয়া করি না আমি কি তা স্পর্শ করলাম, না কি আমার নাক, অথবা আমার কান।»