(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: -)
تذكرة الحفاظ لابن القيسراني =أطراف أحاديث كتاب المجروحين لابن حبان القسم: العلل والسؤلات الحديثية
الكتاب: تذكرة الحفاظ (أطراف أحاديث كتاب المجروحين لابن حبان)
المؤلف: أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد المقدسي الشيباني، المعروف بابن القيسراني (ت 507 هـ)
تحقيق: حمدي عبد المجيد السلفي [ت 1433 هـ]
الناشر: دار الصميعي للنشر والتوزيع، الرياض
الطبعة: الأولى، 1415 هـ - 1994 م
عدد الصفحات: 436
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তাযকিরাতুল হুফফায লি ইবনিল কাইসারানি = ইবনে হিব্বানের কিতাবুল মাজরুহীন-এর হাদিসসমূহের আত্রাফ বিভাগ: ইল্লাল এবং হাদিস বিষয়ক প্রশ্নাবলী
গ্রন্থ: তাযকিরাতুল হুফফায (ইবনে হিব্বানের কিতাবুল মাজরুহীন-এর হাদিসসমূহের আত্রাফ)
লেখক: আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির বিন আলি বিন আহমদ আল-মাকদিসি আশ-শায়বানি, যিনি ইবনুল কাইসারানি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫০৭ হিজরি)
তাহকিক: হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হিজরি]
প্রকাশক: দারুস সুমাইয়ি লিন নাশর ওয়াত তাওযি, রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩৬
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[تذكرة الحفاظ (أطراف أحاديث كتاب المجروحين لابن حبان) ]ـ
المؤلف: أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد المقدسي الشيباني، المعروف بابن القيسراني (المتوفى: 507هـ)
تحقيق: حمدي عبد المجيد السلفي
الناشر: دار الصميعي للنشر والتوزيع، الرياض
الطبعة: الأولى، 1415 هـ - 1994 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
তাজকিরাতুল হুফফাজ (ইবনে হিব্বানের 'কিতাবুল মাজরুহিন'-এর হাদিসসমূহের নির্ঘণ্ট)
লেখক: আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন তাহের বিন আলী বিন আহমদ আল-মাকদিসি আল-শায়বানি, যিনি ইবনুল কাইসারানি নামে পরিচিত (মৃত্যু: ৫০৭ হিজরি)
তাহকিক: হামদি আব্দুল মাজিদ আল-সালাফি
প্রকাশক: দারুস সুমাইয়ি প্রকাশনী ও পরিবেশনা, রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইয়ের নম্বরকরণ মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم اللَّه الرحمن الرحيم
رب أعن بالإتمام يا ذا الجلال والإكرام
أخبرنا الحافظ أَبُو موسى تقي الدين مُحَمَّد بْن أَبِي بكر بْن أَبِي عيسى المديني الأصفهاني قَالَ: أنا الشيخ الحافظ أَبُو الفضل مُحَمَّد بْن طاهر بْن علي المقدسي رحمه الله: هذه أحاديث رواها الكذبة والمجروحون والضعفاء والمتروكون يتداولها الناس فِي احتجاجهم ومناظراتهم، أوردتها عَلَى ترتيب ألفاظ حروفها لتكون أقرب عَلَى من أراد معرفة الحديث الذي يريده منها، والله نسأل العصمة من الخطأ والزلل.
باب الألف وهذا الباب نورده عَلَى ما يتلوه من حروف الهجاء
1 -
«أَبْغَضُ الْكَلامِ إِلَى اللَّهِ عز وجل الْفَارِسِيَّةُ، وَكَلامُ الشَّيَاطِينِ الْخُوزِيَّةُ، وَكَلامُ أَهْلِ النَّارِ الْبُخَارِيَّةُ، وَكَلامُ أَهْلِ الْجَنَّةِ الْعَرَبِيَّةُ» .
هَذَا حَدِيثٌ مَوْضُوعٌ لا أَصْلَ لَهُ، وَرَوَاهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ عَاصِمٍ الْقَطَّانِ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَإِسْمَاعِيلُ هَذَا لَمْ يَذْكُرُهُ الْمُتَقَدِّمُونَ فِي كُتُبِ الْجَرْحِ، وَذَكَرَهُ النُّقَّادُ مِنَ الْمُتَأَخِّرِينَ.
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ حِبَّانَ الْبُسْتِيُّ فِي كِتَابِهِ: إِسْمَاعِيلُ بْنُ زِيَادٍ شَيْخٌ دَجَّالٌ، وَلا يَحِلُّ ذِكْرُهُ فِي الْكُتُبِ إِلا عَلَى سَبِيلِ الْقَدْحِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে মহান ও মহিমান্বিত প্রতিপালক, এটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সাহায্য করুন।
হাফিজ আবু মুসা তাকিউদ্দিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনী আল-আসফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ হাফিজ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির বিন আলী আল-মাকদিসি (আল্লাহ তার ওপর রহমত বর্ষণ করুন): এগুলো এমন কিছু হাদিস যা মিথ্যাবাদী, সমালোচিত, দুর্বল এবং বর্জনীয় বর্ণনাকারীরা বর্ণনা করেছেন। মানুষ তাদের বিতর্ক ও বিতণ্ডায় দলীল হিসেবে এগুলো ব্যবহার করে থাকে। আমি এগুলোকে তাদের শব্দমালার বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে সংকলন করেছি, যেন কেউ তার কাঙ্ক্ষিত হাদিসটি জানতে চাইলে তা সহজে খুঁজে পায়। আমরা আল্লাহর কাছে ভুল ও বিচ্যুতি থেকে সুরক্ষা প্রার্থনা করছি।
আলিফ অধ্যায় এবং এই অধ্যায়টি আমরা বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজিয়েছি।
১ -
«আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে ঘৃণ্য ভাষা হলো ফারসি, শয়তানদের ভাষা হলো খুজি, জাহান্নামীদের ভাষা হলো বুখারি এবং জান্নাতবাসীদের ভাষা হলো আরবি।’
এটি একটি জাল হাদিস যার কোনো ভিত্তি নেই। এটি ইসমাইল বিন যিয়াদ, আসিম আল-কাত্তান থেকে, তিনি মাকবুরি থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এই ইসমাইল সম্পর্কে পূর্ববর্তী ইমামগণ তাদের সমালোচনামূলক (জারহ) গ্রন্থসমূহে কোনো উল্লেখ করেননি, তবে পরবর্তী যুগের পর্যালোচকগণ তার কথা উল্লেখ করেছেন।
আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন হিব্বান আল-বুস্তি তার কিতাবে বলেছেন: ইসমাইল বিন যিয়াদ একজন চরম মিথ্যাবাদী শাইখ, বইপুস্তকে তার সমালোচনা বা দোষত্রুটি বর্ণনা করা ছাড়া অন্য কোনো কারণে তাকে উল্লেখ করা বৈধ নয়।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৮)
وَقَالَ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ فِي كِتَابِهِ: إِسْمَاعِيلُ بْنُ زِيَادٍ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ، لا يُتَابِعُهُ أَحَدٌ عَلَى مَا يَرْوِيهِ إِمَّا إِسْنَادًا وَإِمَّا مَتْنًا.
2 -
«أبى اللَّه أن يرزق عبده إلا من حيث لا يحتسب» .في حديث اجتمع علي وأبو بكر يأتي بعد إن شاء اللَّه
باب التاء بعد الألف3 -
«أَتَانِي رَبِّيَ الْبَارِحَةَ فِي مَنَامِي فِي أَحْسَنِ صُورَةٍ حَتَّى وَضَعَ يَدَهُ بَيْنَ كَتِفَيَّ» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ الصَّفَّارُ السَّعْدِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ.
وَيُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ هَذَا يُكَنَّى بِأَبِي سَهْلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ.
قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: لَيْسَ بِشَيْءٍ.
وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ: مُنْكَرُ الْحَدِيثِ.
وَقَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيُّ: مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ.
وَفِي طَبَقَتِهِ آخَرُ اسْمُهُ يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ أَيْضًا مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ، بَاهِلِيٌّ يُكَنَّى بِأَبِي الْمُنْذِرِ.
قَالَ عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ: يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ كُوفِيٌّ أَكْذَبُ مِنَ الْبَصْرِيِّ
আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ ইবন আদি তাঁর কিতাবে বলেছেন: ইসমাঈল ইবন যিয়াদ মুনকারুল হাদিস, তিনি যা বর্ণনা করেন তাতে সনদে হোক বা মতনে, কেউ তাঁর অনুসরণ করে না।
২ -
"আল্লাহ তাঁর বান্দাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দিতে অস্বীকার করেছেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।"আলী ও আবু বকর (রাযি.) একত্রিত হওয়ার এক হাদিসে এটি বর্ণিত হয়েছে, যা ইনশাআল্লাহ সামনে আসবে।
আলিফ-এর পরে তা-এর পরিচ্ছেদ৩ -
"গত রাতে আমার রব আমার কাছে স্বপ্নে অত্যন্ত সুন্দর আকৃতিতে আসলেন, এমনকি তিনি আল্লাহর হাত আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন" - হাদিসটি।এটি ইউসুফ ইবন আতিয়্যাহ আস-সাফফার আস-সাদী বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে।এবং এই ইউসুফ ইবন আতিয়্যাহ-এর কুনিয়াত হলো আবু সাহল, তিনি বসরার অধিবাসী।
ইয়াহইয়া ইবন মাঈন বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন।
মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল বলেছেন: মুনকারুল হাদিস।
আবু আব্দুর রহমান আন-নাসাঈ বলেছেন: মাতরুকুল হাদিস।
তাঁর সমসাময়িক স্তরে ইউসুফ ইবন আতিয়্যাহ নামে আরও একজন আছেন, তিনিও কুফার অধিবাসী, বাহিলি গোত্রের এবং তাঁর কুনিয়াত আবুল মুনযির।
আমর ইবন আলী বলেছেন: কুফার ইউসুফ ইবন আতিয়্যাহ বসরার ইউসুফের চেয়েও বড় মিথ্যাবাদী।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৯)
4 - "
أَتَانِي جِبْرِيلُ بِهَرِيسَةٍ فَقَالَ: كُلْ هَذِهِ تَشُدَّ ظَهْرَكَ لِقِيَامِ اللَّيْلِ ".رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْوَاسِطِيُّ اللَّخْمِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا كَذَّابٌ، وَبِهَذَا الْحَدِيثِ يُعْرَفُ.
5 -
«أَتَانِي جِبْرِيلُ وَعَلَيْهِ قَبَاءٌ أَسْوَدُ. . .» الْحَدِيثَ فِي وَلَدِ الْعَبَّاسِ.رَوَاهُ الشَّاهُ بْنُ شِير باميَانَ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ مُنَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ رَبَاحٍ الْكِلابِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.
وَشَاهُ هَذَا كَانَ يَضَعُ الْحَدِيثَ.
6 - "
أَتَانِي جِبْرِيلُ، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ أَحِبَّ مَنْ شِئْتَ فَإِنَّكَ مُفَارِقُهُ، وَاجْمَعْ مَا شِئْتَ فَإِنَّكَ تَارِكُهُ، وَاعْمَلْ مَا شِئْتَ فَإِنَّكَ لاقِيهِ ".
৪ - "
জিবরাঈল আমার নিকট হারিসা (এক প্রকার খাদ্য) নিয়ে এলেন এবং বললেন: এটি আহার করুন, যা কিয়ামুল লাইল বা রাতের ইবাদতের জন্য আপনার পিঠকে শক্তিশালী করবে।"এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জাজ আল-ওয়াসিতি আল-লাখমি, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি রিবঈ ইবনে হিরাশ থেকে, তিনি হুজাইফা (রা.) থেকে।
আর এই মুহাম্মদ একজন চরম মিথ্যাবাদী, এবং এই হাদিসের মাধ্যমেই তাকে চেনা যায়।
৫ -
«জিবরাঈল আমার নিকট এলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর পরিধানে ছিল কালো কাবা (এক ধরণের পোশাক)...» এটি আব্বাসের বংশধরদের সম্পর্কিত হাদিস।এটি বর্ণনা করেছেন শাহ বিন শির বামিয়ান আল-খুরাসানি, তিনি মুনাব্বিহ বিন সাঈদ থেকে, তিনি ইবনে লাহিয়া থেকে, তিনি রাবাহ আল-কিলাবি থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে।
আর এই শাহ নামক ব্যক্তি হাদিস জাল করত।
৬ - "
জিবরাঈল আমার নিকট এলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ! আপনি যাকে ইচ্ছা ভালোবাসুন, তবে নিশ্চয়ই আপনি তার থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন; যা ইচ্ছা জমা করুন, তবে নিশ্চয়ই আপনি তা ত্যাগ করে চলে যাবেন; আর যা ইচ্ছা আমল করুন, তবে নিশ্চয়ই আপনি তার সম্মুখীন হবেন।"।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১০)
رَوَاهُ مُدْرِكُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسٍ.
وَمُدْرِكٌ هَذَا يَرْوِي عَنْ حُمَيْدٍ مَا لا يُتَابَعُ عَلَيْهِ.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَالْحَدِيثُ لَيْسَ بِصَحِيحٍ.
7 - "
أَتَانِي جِبْرِيلُ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ، فَقَالَ: قُمْ فَصَلِّ، فَصَلَّيْتُ الْفَجْرَ رَكْعَتَيْنِ. . . " الْحَدِيثَ بِطُولِهِ نَحْوَ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ.
رَوَاهُ مَحْبُوبُ بْنُ الْجَهْمِ بْنِ وَاقِدٍ الْكُوفِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَمَحْبُوبٌ يَرْوِي عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ مَا لَيْسَ مِنْ حَدِيثِهِ.
وَهَذَا الْحَدِيثُ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ.
وَمَحْبُوبٌ هَذَا لا يُتَابَعُ عَلَى رِوَايَاتِهِ.
8 - " أَتَى رَجُلٌ مِنَ الْيَهُودِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَخْبِرْنِي عَنِ النُّجُومِ الَّتِي رَآهَا يُوسُفُ. . . " الْحَدِيثَ.
এটি বর্ণনা করেছেন মুদরিক ইবনে আব্দুর রহমান আত-তুফাবি, হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস থেকে।
আর এই মুদরিক হুমাইদ থেকে এমন কিছু বর্ণনা করেন যা সমর্থিত নয়।
ইবনে হিব্বান বলেছেন: এবং এই হাদিসটি সহিহ নয়।
৭ - "
ফজর উদিত হওয়ার সময় জিবরাঈল আমার কাছে আসলেন এবং বললেন: উঠুন এবং সালাত আদায় করুন, অতঃপর আমি ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করলাম... " আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের হাদিসের অনুরূপ দীর্ঘ হাদিস আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের।
এটি বর্ণনা করেছেন মাহবুব ইবনুল জাহম ইবনে ওয়াকিদ আল-কুফি, উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।
এবং মাহবুব উবাইদুল্লাহ থেকে এমন কিছু বর্ণনা করেন যা তার হাদিসের অন্তর্ভুক্ত নয়।
এবং এই হাদিসটি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বর্ণনা থেকে সহিহ।
আর এই মাহবুবের বর্ণনাগুলো সমর্থিত নয়।
৮ - " জনৈক ইহুদি ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললেন: ইউসুফ যে নক্ষত্রগুলো দেখেছিলেন সে সম্পর্কে আমাকে বলুন... " হাদিসটি।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১১)
رَوَاهُ الْحَكَمُ بْنُ ظُهَيْرٍ الْفَزَارِيُّ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَابِطٍ، عَنْ جَابِرٍ.
وَالْحَكَمُ هَذَا كَذَّابٌ.
9 - " أَتَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ
أَجْعَلُ شَطْرَ صَلاتِي دُعَاءً لَكَ؟ قَالَ: «نَعَمْ» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ عُمَرُ بُن مُحَمَّدِ بْنِ صَهْبَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَعُمَرُ هَذَا لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ.
10 - " أَتَى أَعْرَابِيٌّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَخْبِرْنِي عَنِ
الْعُمْرَةِ أَوَاجِبَةٌ هِيَ؟ . . . . " الْحَدِيثَ.رَوَاهُ الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ.
وَالْحَجَّاجُ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ
.
এটি বর্ণনা করেছেন হাকাম ইবনে যুহায়র আল-ফাজারি, সুদ্দি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে সাবিত থেকে, তিনি জাবির থেকে।
আর এই হাকাম একজন চরম মিথ্যাবাদী।
৯ - "এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল,
আমি কি আমার সালাতের (দোয়ার) অর্ধেক অংশ আপনার জন্য নির্দিষ্ট করব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ» — হাদীসটি।এটি বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাহবান, যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই উমর হাদীস শাস্ত্রে নির্ভরযোগ্য কেউ নন।
১০ - "এক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: আমাকে উমরাহ সম্পর্কে সংবাদ দিন, তা কি ওয়াজিব? . . . . " — হাদীসটি।
এটি বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে আরত্বাহ, মুহাম্মাদ ইবনে মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে।
আর হাজ্জাজ হাদীস বর্ণনায় পরিত্যক্ত।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - " أَتَى عَكَّافُ بْنُ وَدَاعَةَ الْهِلالِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ: «يَا عَكَّافُ
أَلَكَ زَوْجَةٌ؟ . . . .» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى الأَطْرَابُلُسِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ غَضِيفِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ بُسْرٍ الْمَازِنِيِّ.
وَمُعَاوِيَةُ لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ.
12 - أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَفِي يَدِي
خَاتَمٌ مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ لِي: «أَتُؤَدِّي زَكَاتَهُ؟» فَقُلْتُ: وَهَلْ فِيهِ زَكَاةٌ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «جَمْرَةٌ عَظِيمَةٌ» .
رَوَاهُ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَعْلَى بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: أَتَيْتُ.
وَعُمَرُ هَذَا لَيْسَ بِشَيْءٍ.
13 -
«اتَّخِذُوا السُّودَانَ، فَإِنَّ ثَلاثَةً مُنْهَمْ سَادَاتُ أَهْلِ الْجَنَّةِ لُقْمَانُ وَبِلالٌ وَالنَّجَاشِيُّ» .رَوَاهُ أُبَيْنُ بْنُ سُفْيَانَ الْمَقْدِسِيُّ، عَنْ خَلِيفَةَ بْنِ سَلامٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما.
وَأُبَيْنٌ هَذَا قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: يَجِبُ التَّنَكُّبَ عَنْ أَخْبَارِهِ، وَفَرَّقَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَبَانِ بْنِ سُفْيَانَ الْمَقْدِسِيِّ، وَلا أَرَاهُمَا إِلا وَاحِدًا.
وَأُبَيْنٌ مُصَغَّرُ أَبَانٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ، قَالَ الْبُخَارِيُّ: لا يُكْتَبُ حَدِيثُ أُبَيْنِ بْنِ سُفْيَانَ
.
১১ - "আক্কাফ ইবনে ওয়াদাআ আল-হিলালি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন এবং তিনি তাঁকে বললেন: «হে আক্কাফ!
তোমার কি কোনো স্ত্রী আছে? . . . .» হাদিসটির অবশিষ্টাংশ।এটি বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-আত্রাবুলুসি, সুলাইমান ইবনে মুসা থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি গাদাফ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আতিয়্যাহ ইবনে বুসর আল-মাযিনি থেকে।
আর মুয়াবিয়া হাদিস শাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য কেউ নন।
১২ - আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এবং এমতাবস্থায় আমার হাতে
একটি স্বর্ণের আংটি ছিল। তখন তিনি আমাকে বললেন: «তুমি কি এর যাকাত আদায় করো?» আমি বললাম: এতে কি যাকাত আছে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এটি আগুনের একটি বিশাল অঙ্গার»।
এটি বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়ালা ইবনে মুররাহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে; তিনি বলেন: আমি আসলাম...।
আর এই উমর উল্লেখযোগ্য কেউ নন।
১৩ -
«তোমরা কৃষ্ণাঙ্গদের (বন্ধু হিসেবে) গ্রহণ করো, কারণ তাদের মধ্যে তিনজন জান্নাতবাসীদের নেতা: লোকমান, বিলাল এবং নাজ্জাশি»।এটি বর্ণনা করেছেন উবাইন ইবনে সুফিয়ান আল-মাকদিসি, খলিফা ইবনে সালাম থেকে, আতা থেকে, ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে।
আর এই উবাইন সম্পর্কে ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার বর্ণিত সংবাদ বর্জন করা আবশ্যক। তিনি উবাইন এবং আবান ইবনে সুফিয়ান আল-মাকদিসির মধ্যে পার্থক্য করেছেন, তবে আমি তাদের দুজনকে একই ব্যক্তি মনে করি।
উবাইন শব্দটি হলো আবান শব্দের ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ, আর আল্লাহই ভালো জানেন। ইমাম বুখারি বলেছেন: উবাইন ইবনে সুফিয়ানের হাদিস লিপিবদ্ধ করা যাবে না।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৩)
14 -
«اتَّخِذُوا الْحَمَامَ الْمَقَاصِيصَ، فَإِنَّهَا تُلْهِي الْجِنَّ عَنْ صِبْيَانِكُمْ» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ الْجَزَرِيُّ الْحَنَفِيُّ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا يَضَعُ الْحَدِيثَ عَلَى الثِّقَاتِ.
15 -
«أتربوا الكتاب واسخو من أسفله» .
رَوَاهُ إسحاق بْن نجيح الملطي وهو كَذَّاب دجال
16 - «أَتَرِعُونَ عِنْ ذِكْرِ الْفَاجِرِ، اذْكُرُوهُ بِمَا فِيهِ كَيْ يَحْذَرَهُ
১৪ -
«তোমরা ডানা ছাঁটা কবুতর লালন-পালন করো, কারণ এটি জিনদেরকে তোমাদের শিশুদের থেকে বিমুখ রাখে»।এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ আল-জাজারি আল-হানাফি, মায়মুন ইবন মিহরান থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে।
আর এই মুহাম্মাদ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের নামে হাদিস জাল করত।
১৫ -
«তোমরা চিঠিতে ধুলো মাখো এবং এর নিচ থেকে প্রশস্ত করো»।
এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন নাজিহ আল-মালাতি, আর তিনি একজন চরম মিথ্যাবাদী ও দাজ্জাল।
১৬ - «তোমরা কি পাপাচারীর আলোচনা করতে দ্বিধাবোধ করছ? তার মধ্যে যা আছে তা উল্লেখ করো যাতে মানুষ তার থেকে সতর্ক হতে পারে।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৪)
النَّاسُ» .
رَوَاهُ الْجَارُودُ بْنُ يَزِيدَ الْعَامِرِيُّ أَبُو عَلِيٍّ مِنْ أَهْلِ نَيْسَابُورَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ.
وَالْجَارُودُ تُرِكَ لأَجْلِ الْحَدِيثِ، وَبِهِ يُعْرَفُ.
وَقَدْ سَرَقَهُ مِنَ الْجَارُودِ جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ سُلَيْمَانُ بْنُ عِيسَى السِّجْزِيُّ، فَرَوَاهُ عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ بَهْزٍ، وَالسِّجْزِيُّ هَذَا يَضَعُ.
وَسَرَقَهُ أَيْضًا عَمْرُو بْنُ الأَزْهَرِ وَغَيْرُهُ، وَكُلُّ مَنْ حَدَّثَ بِهِ، فَإِنَّمَا سَرَقَهُ مِنَ الْجَارُودِ، وَإِنْ غُيِّرَ إِسْنَادُهُ.
وَالْجَارُودُ قَالَ ابْنُ مَعِينٍ: لَيْسَ بِشَيْءٍ، وَقَالَ الْبُخَارِيُّ: مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ.
وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: مُنْكَرُ الْحَدِيثِ
.
মানুষ।”।
এটি বর্ণনা করেছেন নিশাপুরের অধিবাসী আবু আলি আল-জারুদ ইবনে ইয়াজিদ আল-আমিরি; তিনি বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে।
আর এই হাদিসের কারণেই আল-জারুদ পরিত্যক্ত হয়েছেন এবং এর মাধ্যমেই তিনি পরিচিত।
সুলাইমান ইবনে ঈসা আস-সিজজিসহ একদল লোক এটি আল-জারুদের কাছ থেকে চুরি করেছেন; তিনি এটি সাওরি থেকে, তিনি বাহজ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই সিজজি হাদিস জালকারী ছিলেন।
আমর ইবনুল আজহার এবং অন্যান্যরাও এটি চুরি করেছেন। যারা এটি বর্ণনা করেছেন, তারা মূলত আল-জারুদ থেকেই এটি চুরি করেছেন, যদিও এর সনদ পরিবর্তন করা হয়েছে।
আল-জারুদ সম্পর্কে ইবনে মাইন বলেছেন: “তিনি কিছুই নন”, এবং বুখারি বলেছেন: “তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত”।
আর আহমদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: “তিনি মুনকারুল হাদিস (অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী)”
.
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
17 -
«اتَّقُوا الْقَدَرَ فَإِنَّهُ شُعْبَةٌ مِنَ النَّصْرَانِيَّةِ» .رَوَاهُ نِزَارٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ.وَنِزَارٌ يَرْوِي الْمَنَاكِيرَ عَنْ عِكْرِمَةَ لا يُحْتَجُّ بِهِ بِحَالٍ.
18 -
«أَرَأَيْتُمْ رَفْعُكُمْ أَيْدِيكُمْ فِي الصَّلاةِ إِنَّهَا لَبِدْعَةٌ» .الْحَدِيثُ رَوَاهُ بِشْرُ بْنُ حَرْبٍ النَّدْبِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو.
وَبِشْرٌ تَرَكَهُ الْقَطَّانُ، وَنَدبٌ حَيٌّ مِنَ الأَزْدِ.
১৭ -
«তোমরা তাকদির (অস্বীকার করা) থেকে বেঁচে থাকো, কেননা তা খ্রিষ্টধর্মের একটি শাখা।’এটি নিযার, ইকরিমা থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং নিযার ইকরিমা থেকে মুনকার (পরিত্যাজ্য) হাদিসসমূহ বর্ণনা করেন, কোনো অবস্থাতেই তাঁর দ্বারা দলিল গ্রহণ করা যাবে না।
১৮ -
«তোমরা কি তোমাদের নামাজে হাত তোলার বিষয়টি দেখেছ? নিশ্চয়ই এটি একটি বিদআত।’হাদিসটি বিশর ইবনে হারব আন-নাদবি, আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর বিশরকে আল-কাত্তান বর্জন করেছেন, এবং নাদব হলো আযদ গোত্রের একটি শাখা।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
باب الجيم بعد الألف19 - اجْتَمَعَ عَلِيٌّ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَأَبُو عُبَيْدَةَ الْحَدِيثَ، وَفِيهِ
«جِئْتُمْ لِتَسْأَلُونِي» وَفِيهِ «وَجِهَادُ الْمَرْأَةِ حُسْنُ التَّبَعُّلِ» وَفِيهِ «أَبَى اللَّهُ أَنْ يَرْزُقَ عَبْدَهُ إِلا مِنْ حَيْثُ لا يَحْتَسِبُ» .
رَوَاهُ أَحَمْدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغِفَارِيُّ، عَنْ مُصْعَبٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، وَأَحْمَدُ هَذَا شَيْخٌ كَانَ بِمِصْرَ يَضَعُ الْحَدِيثَ.
باب الحاء بعد الألف20 -
«أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ أَنْفَعُ النَّاسِ لِلنَّاسِ» .رَوَاهُ عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَحْرٍ الْكُوفِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَعَبْدُ الْحَمِيد يَسْرِقُ الْحَدِيثَ، وَيَرْوِي عَنِ الثِّقَاتِ مَا لَيْسَ مِنْ حَدِيثِهِمْ.
21 -
«أَحْبِبْ حَبِيبَكَ هَوْنًا مَا عَسَى أَنْ يَكُونَ بَغِيضَكَ يَوْمًا مَا» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ سُوَيْدُ بْنُ عَمْرٍو الْكَلْبِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَهِشَامٌ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
আলিফের পর জীম অধ্যায়১৯ - আলী, আবু বকর, উমর এবং আবু উবাইদাহ একত্রিত হলেন (হাদীসটি), আর এতে রয়েছে:
"তোমরা আমার নিকট জিজ্ঞাসা করতে এসেছ" এবং এতে রয়েছে "নারীর জিহাদ হলো উত্তমরূপে স্বামীর সেবা করা" এবং এতে রয়েছে "আল্লাহ তাঁর বান্দাকে এমন উৎস ব্যতিরেকে রিযিক দান করতে অস্বীকার করেছেন যেখান থেকে সে ধারণাও করে না।"এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন দাউদ বিন আব্দুল্লাহ আল-গিফারি, মুসআব থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে। আর এই আহমদ মিশরের একজন শায়খ ছিলেন যিনি হাদীস জাল করতেন।
আলিফের পর হা অধ্যায়২০ - "আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় বান্দা হচ্ছে সেই যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।"এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ বিন বাহর আল-কুফি, মালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।
আর আব্দুল হামিদ হাদীস চুরি করতেন এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের নামে এমন সব হাদীস বর্ণনা করতেন যা তাঁদের হাদীস নয়।
২১ - "তোমার প্রিয়জনকে পরিমিতভাবে ভালোবাসো, হতে পারে সে কোনো একদিন তোমার শত্রু হয়ে যাবে" (হাদীসটি)।এটি বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ বিন আমর আল-কালবি, হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি আইয়ুব এবং হিশাম থেকে, তাঁরা ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وَسُوَيْدٌ هَذَا يَضَعُ عَلَى الأَسَانِيدِ الصِّحَاحِ الْمُتُونَ الْوَاهِيَةَ.
وَهَذَا الْحَدِيثُ لَيْسَ مِنْ قَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَإِنَّمَا هُوَ مِنْ قَوْلِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ.
وَقَدْ رَوَاهُ الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَلِيٍّ وَهُوَ خَطَأٌ، وَالْحَسَنُ هَذَا مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ.
وَسَرَقَهُ مِنْهُ أَبُو الصَّلْتِ الْهَرَوِيُّ عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ، فَرَوَاهُ بِإِسْنَادِ غَيْرِ هَذَيْنِ، رَوَاهُ عَنْ عَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَعَبْدُ السَّلامِ هَذَا كَذَّابٌ.
22 -
«احْذَرُوا دَعْوَةَ الْمُؤْمِنِ وَفَرَاسَتَهُ، فَإِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُورِ اللَّهِ، وَيَنْطِقُ بِتَوْفِيقِ اللَّهِ» .رَوَاهُ سَلَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمَرْوَزِيُّ، عَنْ مُؤَمَّلِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَسَدِ بْنِ وَدَاعَةَ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ثَوْبَانَ.
وَهُمَا «مُؤَمَّلٌ وَأَسَدٌ» : ضَعِيفَانِ
.
এই সুওয়াইদ সহীহ সনদসমূহের ওপর ভিত্তিহীন মূলপাঠ (মতন) আরোপ করেন।
আর এই হাদিসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী নয়, বরং এটি আলী ইবনে আবী তালিব-এর উক্তি।
হাসান ইবনে আবী জাফর এটি আইয়ুব থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে আবদুর রহমান থেকে এবং তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, যা একটি ভুল; আর এই হাসান হলেন মাতরুকুল হাদিস (পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী)।
আবুস সালত আল-হারাউয়ী আবদুস সালাম ইবনে সালিহ এটি তার থেকে চুরি করেছেন এবং এটি এই দুই সনদ ব্যতীত অন্য সনদে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আব্বাদ ইবনুল আওয়াম থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররা থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই আবদুস সালাম একজন চরম মিথ্যাবাদী।
২২ -
«তোমরা মুমিনের বদদোয়া ও তার অন্তর্দৃষ্টি (ফিরাসাহ) থেকে সতর্ক থাকো, কেননা সে আল্লাহর নূর দিয়ে দেখে এবং আল্লাহর তাওফীক দিয়ে কথা বলে।’এটি সালামাহ ইবনে সুলায়মান আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন মুয়াম্মাল ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আসাদ ইবনে ওয়াদাআ থেকে, তিনি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি তাউস থেকে এবং তিনি সাওবান থেকে।আর তারা দুজন অর্থাৎ ‘মুয়াম্মাল ও আসাদ’ হলেন দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
23 -
أَحْضِرُوا مَوَائِدَكُمْ الْبَقْلَ، فَإِنَّهُ مَطْرَدَةٌ لِلشَّيْطَانِ مَعَ التَّسْمِيَةِ ".رَوَاهُ الْعَلاءُ بْنُ مَسْلَمَةَ الرَّوَّاسُ الْبَغْدَادِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مَغْرَاءَ الْكِرْمَانِيُّ، عَنِ ابْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ بُرْدٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ.
وَالْعَلاءُ هَذَا يَضَعُ الْحَدِيثَ.
24 -
«أَحْسِنِي جِوَارَ نِعْمَةِ اللَّهِ عَلَيْكِ، فَبِالْخُبْزِ أَنْزَلَ اللَّهُ الْمَطَرَ. . .» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ أَبُو أَشْرَسَ الْكُوفِيُّ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ آبَائِهِ قَالُوا: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى كِسْرَةٍ مُلْقَاةٍ. . . الْحَدِيثَ.
وَأَبُو أَشْرَسَ هَذَا يَرْوِي عَنْ شَرِيكٍ الأَشْيَاءَ الْمَوْضُوعَةَ.
25 -
«أُحِلَّ لَكُمْ مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ» ، رَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، وَهُوَ لَيْسَ بِشَيْءٍ.
২৩ -
"তোমাদের দস্তরখানে শাকসবজি উপস্থিত করো, কেননা বিসমিল্লাহ পাঠের সাথে এটি শয়তানকে বিতাড়নকারী।"এটি বর্ণনা করেছেন আলা বিন মাসলামা আর-রাওয়াস আল-বাগদাদি, ইসমাইল বিন মাগরা আল-কিরমানি থেকে, তিনি ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি বুর্দ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলি থেকে।এবং এই আলা হাদিস জাল করত।
২৪ -
"তোমার উপর আল্লাহর নেয়ামতের সুব্যবহার করো, কেননা রুটির কারণেই আল্লাহ বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন..." হাদিস।এটি বর্ণনা করেছেন আবু আশরাস আল-কুফি, শারিক থেকে, জাফর বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর পিতৃপুরুষদের থেকে; তাঁরা বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পড়ে থাকা রুটির টুকরোর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন... হাদিস।
এবং এই আবু আশরাস শারিক থেকে জাল বিষয়সমূহ বর্ণনা করত।
২৫ -
"তোমাদের জন্য দুই প্রকারের মৃত প্রাণী এবং দুই প্রকারের রক্ত হালাল করা হয়েছে", এটি বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন জাইদ বিন আসলাম, আর সে (হাদিস শাস্ত্রে) কিছুই নয়।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
26 -
«احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَعْطَانِي دَمَهُ» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ سَفِينَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ.
وَإِبْرَاهِيمُ لا يُتَابَعُ عَلَيْهِ.
قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: لا يَحِلُّ الاحْتِجَاجُ بِحَدِيثِهِ.
27 - «أُحِيلَتِ الصَّلاةُ ثَلاثَةَ أَحْوَالٍ» وَفِيهِ ذِكْرُ الأَذَانِ.
২৬ -
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিঙা লাগালেন, অতঃপর তিনি আমাকে তাঁর রক্ত প্রদান করলেন”—হাদীসটি।এটি ইবরাহীম বিন উমর বিন সাফীনাহ বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে।
আর ইবরাহীমের এই বর্ণনার কোনো সমর্থক নেই।
ইবনে হিব্বান বলেছেন: তাঁর হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয়।
২৭ - “সালাত তিনটি অবস্থায় পরিবর্তিত হয়েছে” এবং এতে আযানের উল্লেখ রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২০)
رَوَاهُ الْمَسْعُودِيُّ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ مُعَاذٍ.
وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ ضَعِيفٌ، قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: وَهَذَا بَاطِلٌ مَقْلُوبٌ مِنْ أَوَّلِهِ إِلَى آخِرِهِ، لَيْسَ لِمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ فِي هَذَا الْخَبَرِ ذِكْرٌ، وَالْخَبَرُ عِنْدَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى مُرْسَلٌ، أَسْنَدَهُ ابْنُ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، وَلَيْسَ لَفْظُهُ هَكَذَا، إِنَّمَا الْخَبَرُ فِي قِصَّةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ «الأَذَانُ مَثْنَى مَثْنَى وَالإِقَامَةُ وَاحِدَةٌ» مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ.
وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ.
قَالَ الْمَقْدِسِيُّ: وَفِي هَذَا الْكَلامِ نَظَرٌ أَيْضًا.
باب الخاء بعد الألف28 -
«آخِرُ جِنَازَةٍ صَلَّى عَلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَبَّرَ عَلَيْهَا أَرْبَعًا» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ النَّيْسَابُورِيُّ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا أُنْكِرَ عَلَيْهِ هَذَا الْحَدِيثُ
.
এটি মাসউদী—আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন উতবাহ বিন মাসউদ—আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর আবদুর রহমান দুর্বল। ইবনে হিব্বান বলেছেন: এটি বাতিল এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ওলটপালট করা। এই খবরে মুয়াজ বিন জাবাল-এর কোনো উল্লেখ নেই। আবদুর রহমান বিন আবি লায়লার বর্ণনায় এই খবরটি মুরসাল। ইবনে আবি লায়লা এটি আমর বিন মুররাহ থেকে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে এর শব্দগুলো এমন নয়। বরং খবরটি আবদুল্লাহ বিন জাইদ বিন আবদুল্লাহর ঘটনার মধ্যে রয়েছে: "আজান দুইবার করে এবং ইকামত একবার করে", যা মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন জাইদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব, আবদুল্লাহ বিন জাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আল-মাকদিসি বলেছেন: এই বক্তব্যের মধ্যেও আপত্তির অবকাশ রয়েছে।
আলিফের পর খা-এর অধ্যায়২৮ -
"সর্বশেষ যে জানাজার নামাজ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়িয়েছেন, তাতে তিনি চার তাকবির দিয়েছেন।"এটি মুহাম্মদ বিন মুয়াবিয়া আন-নাইসাবুরি—আবু মালিহ থেকে, তিনি মায়মুন বিন মিহরান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই মুহাম্মদ নামক রাবির এই হাদিসটি অস্বীকৃত।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২১)
29 -
«أُخِّرَ الْكَلامُ فِي الْقَدَرِ بِشِرَارِ أُمَّتِي» .رَوَاهُ عَنْبَسَةُ بْنُ مِهْرَانَ الْحَدَّادُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَعَنْبَسَةُ هَذَا تُرِكَ حَدِيثُهُ لِرِوَايَةِ هَذَا الْحَدِيثِ وَغَيْرِهِ.
30 -
«أَخْرِجُوا الْمُخَنَّثِينَ مِنْ بُيُوتِكُمْ» .رَوَاهُ الْوَازِعُ بْنُ نَافِعٍ الْعُقَيْلِيُّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ.
وَالْوَازِعُ يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ الثِّقَاتِ.
31 -
«أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، فَانْطَلَقَ بِهِ إِلَى النَّخْلِ الَّذِي فِيهِ ابْنُهُ إِبْرَاهِيمُ، فَوَجَدَهُ يَجُودُ بِنَفْسِهِ» .
الْحَدِيثَ بِطُولِهِ.
رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.
وَمُحَمَّدُ أُجْمِعَ عَلَى ضَعْفِهِ.
32 - أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ كَتِفَيْ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ فَقَالَ لَهُمَا:
২৯ -
«তকদির সম্পর্কিত আলোচনা আমার উম্মতের নিকৃষ্ট লোকদের জন্য বিলম্বিত করা হয়েছে (বা শেষ সময়ের জন্য রাখা হয়েছে)»।এটি বর্ণনা করেছেন আনবাসা বিন মিহরান আল-হাদ্দাদ, যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই আনবাসা, এই হাদিস ও অন্যান্য হাদিস বর্ণনার কারণে তার হাদিস বর্জন করা হয়েছে।
৩০ -
«তোমরা তোমাদের ঘর থেকে হিজড়াদের বের করে দাও»।এটি বর্ণনা করেছেন আল-ওয়াজি বিন নাফি আল-উকালি, সালিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।
আর ওয়াজি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে জাল হাদিস বর্ণনা করে থাকেন।
৩১ -
«রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্দুর রহমান বিন আউফের হাত ধরলেন, অতঃপর তাঁকে নিয়ে সেই খেজুর বাগানের দিকে গেলেন যেখানে তাঁর পুত্র ইব্রাহিম ছিল, তখন তিনি তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় পেলেন»।
এটি একটি দীর্ঘ হাদিস।
এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা, আতা থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে।
আর মুহাম্মদ-এর দুর্বলতার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়েছে।
৩২ - রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবু বকর ও উমরের দুই কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান ধরলেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে বললেন:
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২২)
أَنْتُمَا وَزِيرَايَ. . . " الْحَدِيثَ.رَوَاهُ زَكَرِيَّا بْنُ دُوَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ.وَزَكَرِيَّا كَذَّابٌ، لَهُ نُسْخَةٌ بِهَذَا الإِسْنَادِ كُلُّهَا مَوْضُوعَةٌ.
33 - أَخَذْتُ مِنْ لِحْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ:
«لا يُصيبُكَ السُّوءُ يَا أَبَا أَيُّوبَ» .رَوَاهُ أَبُو عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ عُبَيْدَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَقِيلَ عُبَيْدَةُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ.
وَعُبَيْدَةُ هَذَا يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ الثِّقَاتِ.
باب الدال بعد الألف34 - «ادْعُوا اللَّهَ وَأَنْتُمْ مُوقِنُونَ بِالإِجَابَةِ، وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ لا يَسْتَجِيبُ دُعَاءً مِنْ قَلْبٍ لاهٍ» .
"তোমরা দুজন আমার উজির..." হাদীসটি শেষ পর্যন্ত।এটি বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া ইবনে দুওয়াইদ, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে।আর যাকারিয়া একজন চরম মিথ্যাবাদী; এই (সূত্র) দ্বারা তার একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে যার সবগুলো সনদই বানোয়াট।
33 - আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দাড়ি থেকে কিছু (খড়কুটো) সরিয়ে দিলাম, তখন তিনি বললেন:
"হে আবু আইয়ুব! তোমার কোনো অমঙ্গল না হোক।"এটি বর্ণনা করেছেন আবু আমর আল-বাজালি উবাইদাহ ইবনে আবদুর রহমান—মতান্তরে উবাইদাহ—তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু আইয়ুব (রা.) থেকে।
আর এই উবাইদাহ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে বানোয়াট হাদীসসমূহ বর্ণনা করে থাকেন।
আলিফের পরে দাল অধ্যায়34 - "তোমরা কবুল হওয়ার সুনিশ্চিত বিশ্বাস নিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করো, এবং জেনে রেখো যে, আল্লাহ কোনো উদাসীন হৃদয়ের দুআ কবুল করেন না।"
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
رَوَاهُ صَالِحُ بْنُ بَشِيرٍ الْمُرِّيُّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَصَالِحٌ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ.
35 -
«دَخَلْتُ الْجَنَّةَ، فَنَاوَلَنِي جِبْرِيلُ عليه السلام تُفَّاحَةً، فَانْفَلَقَتْ فِي يَدِي فَخَرَجَتْ مِنْهَا جَارِيَةٌ. . . .» وَفِيهِ «لِلْخَلِيفَةِ الْمَقْتُولِ بَعْدَكَ ظُلْمًا عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ» .
رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ شَبِيبٍ الْيَمَامِيُّ، عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ.
وَيَحْيَى هَذَا يَرْوِي عَنِ الثَّوْرِيِّ الأَبَاطِيلَ.
36 -
«ادْفِنُوا شُعُورَكُمْ وَأَظْفَارَكُمْ وَدِمَاءَكُمْ لا يَلْعَبُ بِهَا سَحَرَةُ بَنِي آدَمَ» .رَوَاهُ الْيَمَانُ بْنُ عَدِيٍّ أَبُو عَدِيٍّ الْحِمْصِيُّ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
وَالْيَمَانُ هَذَا مِمَّنْ يُخْطِئُ حَتَّى خَرَجَ عَنْ حَدِّ الاحْتِجَاجِ، وَقَبِيصَةُ بْنُ ذُؤَيْبٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلٌ
.
এটি সালিহ ইবনে বাশীর আল-মুররি, হিশাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর সালিহ হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে বর্জনীয়।
৩৫ -
«আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আমাকে একটি আপেল প্রদান করলেন। তখন সেটি আমার হাতে ফেটে গেল এবং তা থেকে একজন কিশোরী বের হয়ে এল...» এবং এতে রয়েছে: «তোমার পরে অন্যায়ভাবে নিহত খলিফা উসমান ইবনে আফফানের জন্য»।
এটি ইয়াহইয়া ইবনে শাবীব আল-ইয়ামামি, সাওরী থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই ইয়াহইয়া সওরীর সূত্রে বাতিল ও ভিত্তিহীন কথা বর্ণনা করে।
৩৬ -
«তোমরা তোমাদের চুল, নখ এবং রক্ত পুঁতে ফেলো, যেন আদম সন্তানের জাদুকররা এগুলো নিয়ে খেলতে না পারে»।এটি বর্ণনা করেছেন আল-ইয়ামান ইবনে আদি আবু আদি আল-হিমসি, জুহাইর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি কাবিদাহ ইবনে জুওয়াইব থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে।
আর এই ইয়ামান এমন ব্যক্তি যে ভুল করে থাকে, এমনকি সে প্রমাণের সীমা থেকে বেরিয়ে গেছে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কাবিদাহ ইবনে জুওয়াইবের বর্ণনাটি মুরসাল।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
37 -
«ادَّهِنُوا بِالْبَنَفْسَجِ، فَإِنَّهُ حَارٌّ فِي الشِّتَاءِ بَارِدٌ فِي الصَّيْفِ» .رَوَاهُ عَلِيُّ بْنُ مُوسَى الرِّضَا عَنْ آبَائِهِ، وَكَانَ يَأْتِي عَنْهُمْ بِالْعَجَائِبِ.
باب الذال بعد الألف38 -
«أَذَّنَ بِلالٌ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَثْنَى مَثْنَى، وَأَقَامَ مِثْلَ ذَلِكَ» .رَوَاهُ زِيَادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الطُّفَيْلِ الْبَكَّائِيُّ الْعَامِرِيُّ الْكُوفِيُّ، عَنْ إِدْرِيسَ الأَوْدِيِّ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِي، قَالَ: أَذَّنَ.
وَهَذَا خَبَرٌ بَاطِلٌ، إِنَّمَا كَانَ أَذَانُهُ مَثْنَى وَالإِقَامَةُ فُرَادَى، وَقَدْ رَوَاهُ الثِّقَاتُ عَنْ عَوْنٍ، وَلَمْ يَذْكُرُوا تَثْنِيَةَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ، وَإِنَّمَا قَالُوا: خَرَجَ بِلالٌ فَأَذَّنَ فَقَطْ.
وَزِيَادٌ هَذَا قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ، وَأَمَّا فِي الْمَغَازِي فَلا بَأْسَ بِهِ، هَذَا مَعْنَى كَلامِهِ فِي الرِّوَايَتَيْنِ عَنْهُ.
وَهَذَا الْحَدِيثُ أَحَدُ مَا أَنْكَرَهُ عَلَيْهِ أَهْلُ النَّقْدِ.
39 -
«أَذِيبُوا طَعَامَكُمْ بِذِكْرِ اللَّهِ، لا تَنَامُوا عَنْهُ فَتَقْسُو قُلُوبُكُمْ» .رَوَاهُ بَزِيغُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا.
وَبَزِيغٌ هَذَا هُوَ أَبُو الْخَلِيلِ الْخَصَّافُ الْبَصْرِيُّ، يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ
৩৭ -
«তোমরা বনফশ (ভায়োলেট) তেল ব্যবহার করো, কারণ এটি শীতকালে গরম এবং গ্রীষ্মকালে শীতল।’এটি আলী ইবনে মুসা আর-রিদা তার পিতৃপুরুষদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি তাদের থেকে অদ্ভুত সব বর্ণনা নিয়ে আসতেন।
আলিফের পর দাল (ذ) অধ্যায়৩৮ -
«বিলাল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য দুই দুইবার করে আযান দিয়েছেন এবং ইকামতও একইভাবে (দুই দুইবার করে) দিয়েছেন।’এটি যিয়াদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে তুফাইল আল-বাক্কায়ী আল-আমিরী আল-কূফী, ইদরীস আল-আওদী থেকে, তিনি আউন ইবনে আবি জুহাইফা থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আযান দিয়েছেন।আর এই বর্ণনাটি বাতিল; বরং তার আযান ছিল দুই দুইবার করে এবং ইকামত ছিল একবার করে। নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীরা আউন থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তারা আযান ও ইকামতের শব্দগুলো দ্বিগুণ করার কথা উল্লেখ করেননি; বরং তারা বলেছেন: বিলাল বের হলেন এবং কেবল আযান দিলেন।
এই যিয়াদ সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: হাদীসের ক্ষেত্রে তিনি নির্ভরযোগ্য নন, তবে মাগাযী (যুদ্ধবিগ্রহের ইতিহাস) বর্ণনার ক্ষেত্রে তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তার সম্পর্কে বর্ণিত দুই বর্ণনায় তার কথার সারমর্ম এটাই।
আর এই হাদীসটি সেসব বর্ণনার একটি যা সমালোচকগণ তার ব্যাপারে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
৩৯ -
«তোমরা আল্লাহর যিকিরের মাধ্যমে তোমাদের খাদ্য হজম করো, খাওয়ার পরেই ঘুমিয়ে যেও না, অন্যথায় তোমাদের অন্তর কঠোর হয়ে যাবে।’এটি বাযিগ ইবনে হাসসান, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই বাযিগ হলেন আবু খলীল আল-খাসসাফ আল-বাসরী, তিনি বানোয়াট হাদীস বর্ণনা করেন...
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الثِّقَاتِ.
باب إِذَا عَلَى الترتيب40 -
«إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا صَلاةَ إِلا الْمَكْتُوبَةُ» .رَوَاهُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ يُونُسَ الْيَمَامِيُّ أَبُو سَهْلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنِ الثَّوْرِيِّ، وَمَعْمَرٍ، وَابْنِ جُرَيْجٍ، وَزَكَرِيَّا بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَهَذَا خَبَرٌ مَشْهُورُ الرَّفْعِ لِزَكَرِيَّا وَالثَّوْرِيِّ فَإِنَّمَا رَفَعَهُ عَنْهُ إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ وَحْدَهُ، وَهُوَ وَهْمٌ، وَالصَّحِيحُ مِنْ حَدِيثِهِ مَوْقُوفٌ عَلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَمَّا مَعْمَرٌ فَإِنَّ هَذَا الْحَدِيثَ عِنْدَهُ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، لا عَنْ عَمْرٍو نَفْسِهِ.
وَعِنْدَ ابْنِ جُرَيْجٍ أَيْضًا مَوْقُوفٌ، وَهُوَ عَزِيزٌ مِنْ حَدِيثِهِ فَجَمَعَ بَيْنَهُمْ هَذَا الشَّيْخُ ـ أَعْنِي أَحْمَدَ ـ عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، وَحَمَلَ حَدِيثَ هَذَا عَلَى حَدِيثِ ذَاكَ، وَلَمْ يُمَيِّزْ.
وَسَرَقَ هَذَا الْحَدِيثَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَرْوَانَ أَبُو الشَّيْخِ فَرَوَاهُ عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَرْوَانَ هَذَا مِمَّنْ كَانَ يُلْزِقُ الْمُتُونَ الصِّحَاحَ الَّتِي لا يُعْرَفُ لَهَا إِلا طَرِيقٌ وَاحِدٌ فَيَأْتِي بِهَا مِنْ طَرِيقٍ آخَرَ، وَلَيْسَ هَذَا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ وَلا عِنْدَ نَافِعٍ عَنْهُ، وَالصَّحِيحُ مَا ذَكَرْنَاهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ
.
নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ।
অনুচ্ছেদ: যখন ক্রমবিন্যাস অনুযায়ী হয়৪০ -
«যখন সালাত কায়েম হয়ে যায় (ইকামত হয়), তখন নির্ধারিত ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই»।এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন ইউনুস আল-ইয়ামামি আবু সাহল, আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি সাওরি, মা’মার, ইবনে জুরায়জ এবং জাকারিয়া বিন ইসহাক থেকে, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
এই সংবাদটি জাকারিয়া ও সাওরির বর্ণনায় মারফু হিসেবে প্রসিদ্ধ; তবে এটি কেবল ইসহাক আল-আজরাকই মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এটি একটি ভ্রম। তার বর্ণিত হাদিসের সঠিক সংস্করণ হলো আবু হুরায়রার ওপর মাওকুফ। আর মা’মারের নিকট এই হাদিসটি আইয়ুবের সূত্রে আমর বিন দিনার থেকে বর্ণিত, সরাসরি আমরের থেকে নয়।
ইবনে জুরায়জের নিকটও এটি মাওকুফ, এবং এটি তার বর্ণিত হাদিসের মধ্যে একটি আজিজ (দুর্লভ) বর্ণনা। এই শায়খ—অর্থাৎ আহমাদ—আবদুর রাজ্জাক থেকে তাদের সবাইকে একত্রিত করেছেন এবং একজনের হাদিসকে অন্যজনের বর্ণনার সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন, কোনো পার্থক্য করেননি।
এই হাদিসটি আবদুল্লাহ বিন মারওয়ান আবু আল-শায়খ চুরি করেছেন এবং তিনি ইবনে আবি যিবের সূত্রে নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই আবদুল্লাহ বিন মারওয়ান এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা সহিহ মতনগুলো (মূল পাঠ), যেগুলোর কেবল একটিই সূত্র জানা থাকে, সেগুলোকে অন্য সূত্রের সাথে জুড়ে দিতেন। অথচ এই বর্ণনা ইবনে উমরের নিকট নেই এবং নাফি' থেকেও তার সূত্রে নেই। সঠিক সেটিই যা আমরা আবু হুরায়রার হাদিস থেকে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
41 -
«إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجِنَانِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النِّيرَانِ. . .» الْحَدِيثَ.رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ مِحْصَنٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الْمُحَارِبِيِّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا كَانَ يَضَعُ الْحَدِيثَ عَلَى الثِّقَاتِ.
42 -
«إِذَا أَطَاقَ الْغُلامُ صَوْمَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ وَجَبَ عَلَيْهِ صَوْمُ رَمَضَانَ» .رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ الْعَلاءِ الرَّازِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَبِيبَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ.
وَيَحْيَى هَذَا يَنْفَرِدُ عَنِ الثِّقَاتِ بِالْمُنْكَرَاتِ، كَانَ وَكِيعٌ شَدِيدَ الْحَمْلِ عَلَيْهِ.
43 -
«إِذَا بَعَثْتُمْ إِلَيَّ بَرِيدًا فَابْعَثُوهُ حَسَنَ الاسْمِ حَسَنَ الْوَجْهِ» .رَوَاهُ عُمَرُ بْنُ رَاشِدٍ الْيَمَامِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَعُمَرُ هَذَا لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ
.
41 -
«যখন সালাত কায়েম করা হয়, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়...» হাদীসটি।এটি মুহাম্মদ ইবনে মিহসান বর্ণনা করেছেন আওযাঈ থেকে, তিনি সুলায়মান ইবনে হাবীব আল-মুহারিবী থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে।
এই মুহাম্মদ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে হাদীস জাল করতেন।
42 -
«বালক যখন তিন দিন রোজা রাখতে সক্ষম হয়, তখন তার ওপর রমজানের রোজা রাখা ওয়াজিব হয়ে যায়।»এটি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা আর-রাযী বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবী লাবীবা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে।
এই ইয়াহইয়া নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে একাকী মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনা করতেন; ওয়াকী' তাঁর কঠোর সমালোচনা করতেন।
43 -
«তোমরা যখন আমার কাছে কোনো সংবাদবাহক পাঠাও, তখন তাকে সুন্দর নামবিশিষ্ট এবং সুশ্রী চেহারাসম্পন্ন করে পাঠাও।»এটি উমর ইবনে রাশিদ আল-ইয়ামামী বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবী কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
হাদীস শাস্ত্রের ক্ষেত্রে এই উমর নির্ভরযোগ্য কেউ নন।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
44 -
«إِذَا أَتَى عَلَيَّ يَوْمٌ وَلَمْ أَزْدَدْ فِيهِ خَيْرًا يُقَرِّبُنِي إِلَى رَبِّي فَلا بُورِكَ لِي فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ» .رَوَاهُ سُلَيْمَانُ بْنُ بَشَّارٍ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَسُلَيْمَانُ هَذَا مِمَّنْ يَضَعُ عَلَى الثِّقَاتِ.
45 -
«إِذَا تَنَاوَلَ الْعَبْدُ كَأْسَ الْخَمْرِ نَاشَدَهُ الإِيمَانُ بِاللَّهِ لا تُدْخِلْهُ عَلَيَّ» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ سُوَيْدٍ الرَّمْلِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الثِّقَاتِ
.
৪৪ -
«যদি আমার নিকট এমন কোনো দিন আসে যাতে আমি এমন কোনো পুণ্য বৃদ্ধি করতে না পারি যা আমাকে আমার রবের নিকটবর্তী করবে, তবে সেই দিনে আমার জন্য কোনো বরকত না হোক।’।এটি সুলায়মান ইবনে বাশশার আল-খুরাসানি বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই সুলায়মান নির্ভরযোগ্য রাবিদের নামে হাদিস জালকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
৪৫ -
«যখন কোনো বান্দা মদের পেয়ালা গ্রহণ করে, তখন আল্লাহর প্রতি ঈমান তাকে অনুনয় করে বলে: একে আমার নিকট প্রবেশ করিও না।’।এটি মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ আল-রামলি বর্ণনা করেছেন তার পিতা থেকে, তিনি আওযায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই মুহাম্মদ তার পিতার সূত্রে নির্ভরযোগ্য রাবিদের উদ্ধৃতি দিয়ে জাল হাদিস বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
46 -
«إِذَا أَتَاكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ خُلُقَهُ وَدِينَهُ فَأَنْكِحُوهُ» .الْحَدِيثَ.رَوَاهُ عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنِ ابْنِ وَثِيمَةَ النَّصْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَعَبْدُ الْحَمِيدِ هَذَا هُوَ أَخُو فُلَيْحٍ، لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ.
47 -
«إِذَا أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَبْعَثَ إِلَى أَهْلِ بَيْتٍ ضَيْفًا بَعَثَ قَبْلَ ذَلِكَ بِأَرْبَعِينَ صَبَاحًا طَيْرًا أَبْيَضَ» ثُمَّ ذَكَرَ حَدِيثًا فِي وَرَقَتَيْنِ.
رَوَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ النَّسَوِيُّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ.
وَعَبْدُ اللَّهِ هَذَا دَجَّالٌ
.
৪৬ -
«যখন তোমাদের নিকট এমন কেউ আসে যার চরিত্র ও দ্বীনদারিতে তোমরা সন্তুষ্ট, তবে তার নিকট বিবাহ দাও।»হাদিসটি।এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ বিন সুলাইমান, মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে, তিনি ইবনে ওয়াসিমা আন-নাসরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই আব্দুল হামিদ হলেন ফুলাইহের ভাই, হাদিসশাস্ত্রে তিনি কিছুই নন (অর্থাৎ অত্যন্ত দুর্বল)।
৪৭ -
«আল্লাহ যখন কোনো পরিবারের নিকট মেহমান প্রেরণের ইচ্ছা করেন, তখন তার চল্লিশ দিন পূর্বে একটি সাদা পাখি প্রেরণ করেন।» অতঃপর তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করেন যা দুই পৃষ্ঠাব্যাপী।
এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহব আন-নাসাবি, ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস থেকে।
আর এই আব্দুল্লাহ একজন দাজ্জাল (চরম মিথ্যাবাদী)।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
48 -
«إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمُ الْخَلاءَ فَلا يَسْتَقْبِلِ الرِّيحَ» .رَوَاهُ يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ خَلادِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ.
وَيَزِيدُ لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ.
49 -
«إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَاسْتَعِينُوا بِالْحِجَامَةِ لا يَتَبَيَّغُ الدَّمُ بِأَحَدِكُمْ فَيَقْتُلُهُ» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَسَدِيُّ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ صُبَيْحٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسٍ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا كَانَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ يُكَذِّبُهُ.
50 - «إِذَا تَصَدَّقَ الْحَيُّ عَنِ الْمَيِّتِ حَمَلَتِ الْمَلائِكَةُ صَدَقَتَهُ» الْحَدِيثَ.
৪৮ -
«যখন তোমাদের কেউ প্রাকৃতিক প্রয়োজনে (মলমূত্র ত্যাগের জন্য) যাওয়ার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন বাতাসের মুখোমুখি না হয়।»।এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে সিনান, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি খাল্লাদ ইবনে সাইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে।
আর ইয়াজিদ হাদিসশাস্ত্রে নির্ভরযোগ্য কেউ নয়।
৪৯ -
«যখন গরম তীব্র হয়, তখন তোমরা হিজামার (রক্তমোক্ষণ) সাহায্য গ্রহণ করো, যাতে তোমাদের কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে তাকে মেরে না ফেলে।»।এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-আসাদি, রাবি ইবনে সাবিহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে।
আর এই মুহাম্মদকে আহমাদ ইবনে হাম্বল মিথ্যাবাদী বলতেন।
৫০ - «যখন কোনো জীবিত ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে সদকা করে, তখন ফেরেশতারা তার সেই সদকা বহন করে নিয়ে যায়...» (সম্পূর্ণ হাদিস)।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৩০)
رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ أَبُو هُدْبَةَ.
وَإِبْرَاهِيمُ هَذَا دَجَّالٌ.
51 -
«إِذَا تَوَضَّأْتُمْ فَلا تَنْفُضُوا أَيْدِيكُمْ، فَإِنَّهَا مَرَاوِحُ الشَّيْطَانِ» .رَوَاهُ الْبَخْتَرِيُّ بْنُ عُبَيْدٍ الطَّائِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَالْبَخْتَرِيُّ هَذَا لَهُ نُسْخَةٌ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِنْ هَذَا الْجِنْسِ، لا يَحِلُّ الاحْتِجَاجُ بِهِ إِذَا انْفَرَدَ
52 -
«إِذَا جَاءَ الرُّطَبُ فَهَنِّئِينِي» .رَوَاهُ حَسَّانُ بْنُ سِيَاهٍ الْبَصْرِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعَائِشَةَ.
وَحَسَّانٌ هَذَا ضَعِيفٌ جِدًّا.
53 -
«إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ زَوْجَتَهُ أَوْ جَارِيَتَهُ فَلا يَنْظُرْ إِلَى فَرْجِهَا، فَإِنَّ ذَلِكَ يُورِثُ الْعَمَى» .رَوَاهُ بَقِيَّةُ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ.
وَهَذَا يُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ بَقِيَّةُ سَمِعَهُ مِنْ بَعْضِ شُيُوخِهِ الضُّعَفَاءِ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ فَدَلَّسَهُ، وَأَسْقَطَ ذَلِكَ الشَّيْخَ، وَالْحَدِيثُ مَوْضُوعٌ
.
এটি ইবরাহিম ইবনে হুদবাহ আবু হুদবাহ বর্ণনা করেছেন।
আর এই ইবরাহিম একজন চরম মিথ্যাবাদী।
৫১ -
«যখন তোমরা অজু করবে তখন তোমাদের হাত ঝাড়বে না, কারণ সেগুলো শয়তানের পাখা স্বরূপ।’এটি বখতারি ইবনে উবাইদ আত-তাঈ তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই বখতারির তার পিতার সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে এই ধরনের একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, সে যদি বর্ণনায় একাকী হয় তবে তার দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয়।
৫২ -
«যখন তাজা খেজুর আসবে তখন আমাকে অভিনন্দন জানিও।’এটি হাসসান ইবনে সিয়াহ আল-বাসরি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়েশাকে বলেছিলেন।
আর এই হাসসান অত্যন্ত দুর্বল।
৫৩ -
«যখন কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রী অথবা দাসীর সাথে সহবাস করে তখন সে যেন তার লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায়, কারণ তা অন্ধত্বের কারণ হয়।’এটি বাকিয়্যাহ ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এটি এমন মনে হয় যে বাকিয়্যাহ এটি ইবনে জুরাইজের সূত্রে তার কোনো এক দুর্বল উস্তাদ থেকে শুনেছেন, অতঃপর তিনি তা তাদলিস করেছেন এবং সেই উস্তাদকে বাদ দিয়ে দিয়েছেন; আর এই হাদিসটি বানোয়াট।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
54 -
«إِذَا حَضَرْتُمْ مَوْتَاكُمْ فَأَغْمِضُوا الْبَصَرَ فَإِنَّ الْبَصَرَ يَتْبَعُ الرُّوحَ، وَقُولُوا خَيْرًا فَإِنَّهُ يُؤَمَّنُ عَلَى مَا قَالَ أَهْلُ الْبَيْتِ» .
رَوَاهُ قَزَعَةُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدٍ الأَعْرَجِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ.
وقزعة هَذَا يقال له: قزعة بْن أَبِي قزعة بْن أَبِي قزعة أيضا من أهل البصرة، قَالَ ابن معين: لَيْسَ بِشَيْءٍ.
55 -
«إِذَا حَمَلَتِ الْمَرْأَةُ فَلَهَا أَجْرُ الصَّائِمِ الْقَائِمِ. . .» الْحَدِيثَ بِطُولِهِ فِي هَذَا الْمَعْنَى.رَوَاهُ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَلْخِيُّ، عَنْ عَوْفٍ الأَعْرَابِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَالْحَسَنُ هَذَا يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ الثِّقَاتِ
.
৫৪ -
«তোমরা যখন তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের নিকট উপস্থিত হও, তখন তাদের চোখ বন্ধ করে দাও; কারণ দৃষ্টি রূহকে অনুসরণ করে। আর তোমরা কেবল ভালো কথাই বলো, কারণ পরিবারের সদস্যরা যা বলে তার ওপর আমীন বলা হয়» ।
এটি বর্ণনা করেছেন কাযাআ ইবনে সুওয়াইদ, হুমাইদ আল-আরাজ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে লাবিদ থেকে এবং তিনি শাদ্দাদ ইবনে আওস থেকে।
আর এই কাযাআ-কে কাযাআ ইবনে আবি কাযাআ ইবনে আবি কাযাআ-ও বলা হয়; তিনি বসরার অধিবাসী। ইবনে মাইন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য কিছু নন।
৫৫ -
«যখন কোনো নারী গর্ভবতী হয়, তখন সে সিয়াম পালনকারী ও (রাতের ইবাদতে) দণ্ডায়মান ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করে...» এই মর্মে বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসটি।এটি বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-বালখি, আউফ আল-আরাবি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
আর এই হাসান নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে জাল হাদীস বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৩২)
56 -
«إِذَا خَلَعَتِ الْمَرْأَةُ ثِيَابَهَا فِي غَيْرِ بَيْتِ زَوْجِهَا هَتَكَتْ كُلَّ سِتْرٍ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ تَعَالَى» .رَوَاهُ مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى الصَّدَفِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ.
وَمُعَاوِيَةُ هَذَا لَيْسَ بِشَيْءٍ فِي الْحَدِيثِ، وَفَرَّقَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ بَيْنَهُ وَبَيْنَ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى الأَطْرَابُلُسِيِّ، وَقَالَ الصَّدَفِيُّ: مِصْرِيٌّ، وَيُقَالُ: دِمَشْقِيٌّ، وَالأَطْرَابُلُسِيُّ يُكَنَّى بِأَبِي مُطِيعٍ، وَجَعَلَهُمَا ابْنُ حِبَّانَ وَاحِدًا، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
57 -
«إِذَا دَعَوْتَ اللَّهَ فَادْعُ اللَّهَ بِبَطْنِ كَفَّيْكَ وَلا تَدْعُ بِظُهُورِهِمَا، فَإِذَا فَرَغْتَ فَامْسَحْ بِهِمَا وَجْهَكَ» .رَوَاهُ صَالِحُ بْنُ حَسَّانٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ.
وَصَالِحٌ هَذَا كَذَّابٌ
.
৫৬ -
«যখন কোনো নারী তার স্বামীর ঘর ব্যতীত অন্য কোথাও তার পোশাক খোলে, সে তার এবং মহান আল্লাহর মধ্যকার সকল পর্দা ছিন্ন করে ফেলে।»এটি বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাদাফি, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে।
এই মুয়াবিয়া হাদিসশাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য কেউ নন। আবদুল্লাহ ইবনে আদি এই ব্যক্তি এবং মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-আত্রাবুলুসীর মধ্যে পার্থক্য করেছেন। তিনি বলেছেন: সাদাফি হলেন মিশরীয়, আবার বলা হয় তিনি দামেশকি; আর আত্রাবুলুসীর উপনাম হলো আবু মুতি। ইবনে হিব্বান তাদের দুজনকে একই ব্যক্তি বলে গণ্য করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
৫৭ -
«যখন তুমি আল্লাহর কাছে দোয়া করবে, তখন তোমার হাতের তালু দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করো এবং হাতের পিঠ দিয়ে প্রার্থনা করো না। অতঃপর যখন তুমি শেষ করবে, তখন তা দিয়ে তোমার মুখমণ্ডল মুছে নাও।»এটি বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে হাসান আল-আনসারি, মুহাম্মদ ইবনে কাব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে।
এই সালিহ একজন মিথ্যাবাদী।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
58 - "
إِذَا دَعَوْتُمْ لأَحَدٍ مِنَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى فَقُولُوا: أَكْثَرَ اللَّهُ فِي عَدَدِكَ " الْحَدِيثَ.رَوَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدِينِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَعَبْدُ اللَّهِ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ.
59 -
«إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ فَلْيَخْلَعْ نَعْلَيْهِ» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ خُلَيْدٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الزِّبْرِقَانِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا كَانَ يُقَلِّبُ الأَخْبَارَ وَيُسْنِدُ الْمَوْقُوفَ، وَهَذَا قَوْلُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، فَجَعَلَهُ عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
60 -
«إِذَا ذُكِرَ الْقَدَرُ فَأَمْسِكُوا، وَإِذَا ذُكِرَ النُّجُومُ فَأَمْسِكُوا، فَإِنَّهُ يَدْعُو إِلَى الْكَهَانَةِ، وَإِذَا ذُكِرَ أَصْحَابِي فَأَمْسِكُوا، فَإِنَّ شَرَّهُمْ خَيْرٌ مِنْ خَيْرِكُمْ» .
رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ سَابِقٍ أَبُو زَكَرِيَّا الْمَدَائِنِيُّ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَيَحْيَى هَذَا يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ الثِّقَاتِ، لا يَجُوزُ الاحْتِجَاجُ بِهِ
.
৫৮ - "
যখন তোমরা ইয়াহুদি বা খ্রিষ্টানদের কারও জন্য দোয়া করবে, তখন বলো: 'আল্লাহ তোমার সংখ্যা বৃদ্ধি করুন'—হাদিসটি।এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর আল-মাদিনী, তিনি আবদুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।
আর এই আবদুল্লাহ হলো 'মাতরুকুল হাদিস' (পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী)।
৫৯ -
«যখন তোমাদের কাউকে খাবারের জন্য দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন সে যেন তার জুতো জোড়া খুলে ফেলে»।এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন খুল্যাদ আল-হানাফী, তিনি দাউদ বিন আজ-জিবরিকান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে।
আর এই মুহাম্মদ বর্ণনাসমূহ উল্টে-পাল্টে ফেলত এবং মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) বর্ণনাকে মারফু (রাসূলের বক্তব্য) হিসেবে সাব্যস্ত করত। এটি মূলত ইয়াহইয়া বিন সাঈদের বক্তব্য ছিল, যাকে সে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত বলে চালিয়ে দিয়েছে।
৬০ -
«যখন তাকদির নিয়ে আলোচনা করা হয় তখন তোমরা বিরত থাকো, যখন নক্ষত্র নিয়ে আলোচনা করা হয় তখন তোমরা বিরত থাকো—কেননা এটি গণকবিদ্যার দিকে ধাবিত করে—আর যখন আমার সাহাবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় তখন তোমরা বিরত থাকো, কেননা তাদের মধ্যে যারা মন্দ (বিবেচিত), তারা তোমাদের মধ্যে যারা ভালো তাদের চেয়েও উত্তম»।
এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাবিক আবু জাকারিয়া আল-মাদায়িনী, তিনি মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।
আর এই ইয়াহইয়া নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে জাল হাদিস বর্ণনা করে থাকে, তার মাধ্যমে কোনো দলিল পেশ করা বৈধ নয়।
(খণ্ড: ১)
তাযকিরাতুল হুফফাজ লি-ইবনিল কায়সারানী = আতরাফ আহাদীসি কিতাবিল মাজরূহীন লি-ইবনে হিব্বান
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
61 -
«إِذَا رَأَيْتُمْ آيَةً فَاسْجُدُوا» .رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانٍ الْعَدَنِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَفِيهِ قِصَّةُ مَوْتِ صَفِيَّةَ بِنْتِ حُيَيٍّ.
وَإِبْرَاهِيمُ هَذَا ضَعِيفٌ، وَقَدْ رَوَاهُ مَعَهُ عَنْ أَبِيهِ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْعَدَنِيُّ وَخَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْعُمَرِيُّ، وَهُمَا ضَعِيفَانِ وَاهِيَانِ أَيْضًا.
62 -
«إِذَا رَأَيْتُمْ رِيَاضَ الْجَنَّةِ فَارْتَعُوا» قِيلَ: وَمَا رِيَاضُ الْجَنَّةِ؟ قَالَ: «حِلَقُ الذِّكْرِ» .رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ ثَابِتٍ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَنَسٍ.
وَمُحَمَّدٌ هَذَا لَيْسَ بِشَيْءٍ.
63 - «إِذَا رَأَيْتُمْ مُعَاوِيَةَ عَلَى مِنْبَرِي فَاقْتُلُوهُ» .
61 -
«যখন তোমরা কোনো নিদর্শন দেখবে, তখন সিজদা করো।»এটি বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনুল হাকাম ইবনে আবান আল-আদানি, তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে; এতে সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই-এর মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে।
আর এই ইব্রাহিম দুর্বল; তার সাথে তার পিতা থেকে হাফস ইবনে উমর আল-আদানি এবং খালিদ ইবনে ইয়াযীদ আল-উমারিও এটি বর্ণনা করেছেন, আর তারাও দুর্বল এবং অত্যন্ত অসার।
62 -
«যখন তোমরা জান্নাতের বাগানসমূহ দেখবে, তখন সেখানে বিচরণ করো (উপকার ভোগ করো)।» জিজ্ঞেস করা হলো: জান্নাতের বাগানসমূহ কী? তিনি বললেন: «জিকিরের মজলিসসমূহ»।এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সাবিত আল-বুনানি, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আনাস থেকে।
আর এই মুহাম্মদ নির্ভরযোগ্য কিছু নন।
63 - «যখন তোমরা মুয়াবিয়াকে আমার মিম্বারের ওপর দেখবে, তখন তাকে হত্যা করো।»