(খণ্ড: ১) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: -)
الأوسط من السنن والإجماع والاختلاف - ط الفلاح   (ابن المنذر)

القسم: الفقه العام


الكتاب: الأوسط من السنن والإجماع والاختلاف

المؤلف: أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المنذر النيسابوري (ت 318 هـ)

تحقيق: ياسر بن كمال (جـ 1، 2)، أيمن السيد عبد الفتاح (جـ 2، 3، 9، 12، 13)، إبراهيم الشيخ (جـ 3، 4، 5، 10)، خالد إبراهيم السيد (جـ 6، 10، 11، 12)، محيي الدين البكاري (جـ 6، 7)، محمد سعد عبد السلام (جـ 8، 13)، إيهاب عبد الواحد (جـ 9، 13)، حسام عبد الله حلمي (جـ 10)

راجعه وعلق عليه: أحمد بن سليمان بن أيوب

قرأه ونقحه: د عبد الله الفقيه

الناشر: دار الفلاح، الفيوم - مصر

الطبعة: الثانية، 1431 هـ - 2010 م

عدد الأجزاء: 15 (14 والفهارس)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 23 ذو القعدة 1445

সুনান, ইজমা ও মতভেদের আল-আওসাত - ফাল্লাহ প্রকাশনা   (ইবনুল মুনযির)

বিভাগ: সাধারণ ফিকহ


গ্রন্থ: সুনান, ইজমা ও মতভেদের আল-আওসাত

লেখক: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির আন-নিসাবুরি (মৃত্যু ৩১৮ হি.)

সম্পাদনা: ইয়াসির ইবনে কামাল (খণ্ড ১, ২), আইমান আস-সাইয়িদ আবদুল ফাত্তাহ (খণ্ড ২, ৩, ৯, ১২, ১৩), ইব্রাহিম আশ-শাইখ (খণ্ড ৩, ৪, ৫, ১০), খালিদ ইব্রাহিম আস-সাইয়িদ (খণ্ড ৬, ১০, ১১, ১২), মুহিদ্দিন আল-বাকারির (খণ্ড ৬, ৭), মুহাম্মদ সাদ আবদুল সালাম (খণ্ড ৮, ১৩), ইয়াব আবদুল ওয়াহিদ (খণ্ড ৯, ১৩), হুসাম আবদুল্লাহ হিলমি (খণ্ড ১০)

পর্যালোচনা ও টীকা প্রদান করেছেন: আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আইয়ুব

পাঠ ও সংশোধন করেছেন: ড. আবদুল্লাহ আল-ফাকিহ

প্রকাশক: দারুল ফাল্লাহ, ফাইউম - মিশর

সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪৩১ হি. - ২০১০ খ্রি.

খণ্ডের সংখ্যা: ১৫ (১৪টি খণ্ড ও সূচিপত্র)

[গ্রন্থের ক্রমিক সংখ্যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৩ যুল-কা'দা ১৪৪৫

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌مقدمة الطبعة الثانية

الحمدُ لله الذي بنعمتِهِ تتمُّ الصالحاتِ، وصلاةً وسلامًا على رسولِهِ محمدٍ صلى الله عليه وسلم، الذي ببعثتِهِ أضاءَ العالمُ وقد عاشَ في غياهب الظلماتِ،

وبعد

فهذه هي الطبعة الثانية لهذا الكتابِ المبارك "الأوسط من السنن والإجماع والاختلاف" لمؤلفه الإمام محمَّد بن إبراهيم بن المنذر، وقد لاقت الطبعة الأولى بحمد الله قبولًا كبيرًا؛ إذ كانت الحاجةُ ماسةً إلى هذا السِّفْرِ النفيسِ، فالمطلع على هذا الكتابِ يرى غزارةَ المادةِ مع سهولةِ العَرْضِ وعُمقِ الفكرةِ، والسَّيْرِ مع الدليلِ، فلا يتعصبُ لمذهبٍ، ولا يتقيدُ لقولِ عالمٍ، وإنما يسيرُ حيثما وجهه الدليل، وهذا والله لهو المسلكُ السديد، والمشربُ الحميد، والمنهجُ السلفيُّ الرشيد.

وقد حاولنا قدر استطاعتنا خروجَ هذا العمل سالمًا مِنَ الزلل، إلا أن العملَ البشري لابد أنْ يصيبه بعضُ الخلل، فمن ذلك سقوط ملزمتين من الكتاب من المجلد السادس، وهذا مِنْ أخطاءِ الطابع، فلم نعلمْ هذا إلا بعد وصولِ الكتابِ إلينا في صورتِهِ الأخيرة وقد اسْتدركنا ذلك، وتمت طباعة الملزمتين مُستقلتين وتوزيعهما على دور النشر وكذا على مواقع الشبكة العنكبوتية[*].

كذلك لاحظنا القليل مِنَ الأخطاءِ المطبعية، وعلاماتِ الترقيم، وهي قليلة بحمد الله واسْتدركت.

وبعد خروج الكتاب هاتفني بعضُ الفضلاء من العلماء والطلاب قائلين: لو حققتَ أحاديث الكتاب وآثاره وحكمتَ على كلِّ إسنادٍ بما يستحق.
[*] (تعليق الشاملة): وقد تم إصلاح ذلك في هذه النسخة الإلكترونية أيضا، والحمد لله تعالى

দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে সকল সৎকর্ম সম্পন্ন হয়, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মাদের উপর, যাঁর আগমনের মাধ্যমে বিশ্ব আলোকিত হয়েছিল যখন তা অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত ছিল,

অতঃপর,

এটি এই বরকতময় কিতাব "সুন্নাহ, ঐকমত্য (إجماع) ও মতপার্থক্য (اختلاف) বিষয়ক মধ্যমপন্থী গ্রন্থ"-এর দ্বিতীয় সংস্করণ, যার রচয়িতা হলেন ইমাম মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবনুল মুনযির। আল্লাহর রহমতে প্রথম সংস্করণটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছিল; কারণ এই অমূল্য গ্রন্থটির প্রতি গভীর প্রয়োজন ছিল। এই কিতাব অধ্যয়নকারী ব্যক্তি এর বিষয়বস্তুর প্রাচুর্য, সহজবোধ্য উপস্থাপন এবং চিন্তার গভীরতা দেখতে পাবেন, পাশাপাশি দলিলের অনুসরণ। তিনি কোনো মাযহাবের (مذهب) প্রতি গোঁড়ামি করেন না এবং কোনো আলেমের মতামতের দ্বারাও সীমাবদ্ধ হন না, বরং দলিল যেদিকে পথ দেখায়, সেদিকেই তিনি চলেন। আল্লাহর শপথ, এটিই নির্ভুল পথ, প্রশংসনীয় আদর্শ এবং সঠিক সালাফী (পূর্বসূরিদের) পদ্ধতি।

আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি এই কাজটি ভুল-ত্রুটিমুক্ত রাখতে, তবে মানুষের কাজে কিছু ত্রুটি থাকতেই পারে। এর মধ্যে ষষ্ঠ খণ্ডের দুটি ফর্মা কিতাব থেকে বাদ পড়ে যাওয়া অন্যতম। এটি মুদ্রকের ভুলের কারণে হয়েছিল। কিতাবটি আমাদের কাছে চূড়ান্ত আকারে পৌঁছানোর পরেই আমরা এটি জানতে পেরেছিলাম। আমরা তা সংশোধন করেছি, এবং ঐ দুটি ফর্মা আলাদাভাবে মুদ্রিত করে প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে এবং ইন্টারনেট ওয়েবসাইটগুলোতেও বিতরণ করা হয়েছে[*]।

এছাড়াও আমরা কিছু মুদ্রণজনিত ভুল এবং বিরামচিহ্নের ত্রুটি লক্ষ্য করেছি, যা আল্লাহর রহমতে সামান্য এবং তা সংশোধন করা হয়েছে।

বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর কিছু সম্মানিত আলেম ও ছাত্র আমাকে ফোন করে বলেছিলেন: “যদি আপনি কিতাবের হাদীস ও এর বর্ণনাগুলো তাহকীক (تحقيق) করতেন এবং প্রতিটি ইসনাদের (إسناد) যথার্থতা বিচার করে রায় দিতেন।”
[*] (শামেলার মন্তব্য): এই ইলেকট্রনিক সংস্করণেও তা সংশোধন করা হয়েছে, এবং সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
فقلت لهم: لم يكن قصدنا في الكتاب تصنيف كتاب عليه؛ وإنما الغرض الذي مِنْ أجله انبرينا لهذا المشروع، أنْ يخرجَ الكتابُ كما أراد مؤلفه، وكانت الهمة مُنصبة على ذلك، وهذا هو معنى التحقيق عند العلماء.

كما قال المحقق عبد السلام هارون في كتابه "تحقيق النصوص": والكتاب المحقق هو الذي صح عنوانه واسم مؤلفه، ونسبة الكتاب إليه، وكان متنه أقرب ما يكون إلى الصورة التي تركها مؤلفه.

وعلى ذلك فإن الجهود التي تبذل في كل مخطوط يجب أن تتناول البحث في الزوايا التالية:

1 - تحقيق عنوان الكتاب.

2 - تحقيق اسم المؤلف.

3 - تحقيق نسبة الكتاب إلى مؤلفه.

4 - تحقيق متن الكتاب حتى يظهر بقدر الإمكان مقاربًا لنص مؤلفه.!؟.

وقد عمدنا في عملنا إلى تحقيق هذا المطلب، ووالله إن معالجة النص أعظم وأشد من التحشية عليه بالشرح والتعليق والترجمة للأعلام بما لا يفيد في التحقيق.

فالأصل أن يعيش القارئ مع المؤلف ليحيا مع النص ولا ينصرف إلى الشرح؛ وعلى هذا كانت تعليقاتنا على قدر الحاجة ما استطعنا إلى ذلك سبيلًا، ولو أردنا التحشية والنفخ فما أيسر ذلك، ووالله لقد كنت أعقد أبحاثًا، وعند الكتابة أجمل الأمر في كلمات معدودة، والله وحده يعلم ما في النفوس والضمائر.

وربما يعيب البعض علينا وجود كلمات في أصل الكتاب لم تتبين لنا، وضعناها بين معقوفتين.

আমি তাদের বললাম: এই কিতাবটি নতুন করে সংকলন করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না। বরং এই প্রকল্পের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা ও লক্ষ্য ছিল কিতাবটিকে লেখকের ইচ্ছা অনুযায়ী প্রকাশ করা, এবং এই ব্যাপারেই আমাদের সমস্ত মনোযোগ নিবদ্ধ ছিল। আলেমদের নিকট ‘তাহকীক’ (গ্রন্থ-সম্পাদনা) এর অর্থ এটাই।

যেমন, মুহাক্কিক (গ্রন্থ-সম্পাদক) আব্দুল সালাম হারুন তাঁর “তাহকীকুন নুসূস” (গ্রন্থ-সম্পাদনা) নামক কিতাবে বলেছেন: একটি সম্পাদিত কিতাব (আল-কিতাবুল মুহাক্কাক) হলো সেটি, যার শিরোনাম ও লেখকের নাম সঠিক এবং কিতাবের তার প্রতি সম্বন্ধ সঠিক বলে প্রমাণিত হয়, এবং যার মূল পাঠ লেখকের রেখে যাওয়া রূপের যতটা সম্ভব কাছাকাছি হয়।

তদনুসারে, প্রতিটি পাণ্ডুলিপির ক্ষেত্রে যে প্রচেষ্টা চালানো হয়, তাতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ে গবেষণা অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত:

১ - কিতাবের শিরোনামের সত্যতা নিরূপণ (তাহকীক)।

২ - লেখকের নামের সত্যতা নিরূপণ (তাহকীক)।

৩ - কিতাবটিকে তার লেখকের প্রতি সম্বন্ধের সত্যতা নিরূপণ (তাহকীক)।

৪ - কিতাবের মূল পাঠের (মত্ন) সত্যতা নিরূপণ (তাহকীক) যেন তা যতটা সম্ভব লেখকের মূল পাঠের কাছাকাছি প্রতীয়মান হয়।!?।

আমরা আমাদের কাজে এই উদ্দেশ্য পূরণের দিকে মনোনিবেশ করেছি। আল্লাহর কসম, একটি পাঠের (নস) প্রক্রিয়াকরণ ব্যাখ্যা, টীকা, এবং প্রসিদ্ধ ব্যক্তিগণের (আ’লাম) এমন পরিচিতি যা তাহকীকে (গ্রন্থ-সম্পাদনায়) কোনো কাজে আসে না – এর চেয়েও মহৎ ও কঠিন।

মূলনীতি হলো, পাঠক যেন লেখকের সাথে বাস করে, যাতে সে মূল পাঠের (নস) সাথে জীবন ধারণ করে এবং ব্যাখ্যার দিকে মনোনিবেশ না করে। এই নীতির ভিত্তিতে, আমরা যতটুকু সম্ভব প্রয়োজন অনুসারে আমাদের মন্তব্যগুলো দিয়েছি। যদি আমরা অপ্রয়োজনীয় টীকা (তাহশিয়া) ও বিস্তারিত বর্ণনা (নাফখ) করতে চাইতাম, তবে তা কতই না সহজ হতো! আল্লাহর কসম, আমি গবেষণা করতাম, কিন্তু লেখার সময় বিষয়টিকে কয়েকটি নির্বাচিত শব্দে সংক্ষিপ্ত করতাম। অন্তরের ও চেতনার সবকিছু আল্লাহই একমাত্র জানেন।

হয়তো কেউ কেউ আমাদের উপর এই কারণে দোষারোপ করতে পারেন যে, মূল কিতাবে এমন কিছু শব্দ ছিল যা আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়নি, আর আমরা সেগুলোকে বন্ধনীর ([ ]) মধ্যে রেখেছি।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
فأقول لابد من التماس المعاذير، فالنسخة التي اعتمدنا عليها فريدة لا ثاني لها، إلا قطعًا صغيرة في بعض أجزاء الكتاب، ومع انفراد هذه النسخة فهي مليئة بالأعطاب والطمس والسواد الشديد الذي يغطي بقعة كاملة منها، فماذا عسانا أن نصنع وهذا هو الأصل الوحيد لدينا، فتممنا ما قدرنا عليه من المراجع، ولم نتصرف في الأصل إلا بعد التحقق والبيان والتأكد بالبرهان، وقد أحسن أبو عمرو الجاحظ عندما قال: (ولربَّما أراد مؤلِّف الكتاب أن يصلِح تصحيفًا أو كلمةً ساقطة فيكون إنشاء عشرِ ورقاتِ من حرِّ اللفظ وشريفِ المعاني أيسَرَ عليه من إتمام ذلك النقص حتى يردَّه إلى موضعه من اتِّصال الكلام، فكيف يُطيق ذلك المعرض المستأجَر والحكيمُ نفسهُ قد أعجزه هذا الباب؟! وأعجب من ذلك أنَّه يأخذ بأمرَين: قد أصلحَ الفاسدَ وزاد الصالحَ صَلاحًا ثمَّ يصير هذا الكتاب بعد ذلك نسخةً لإنسان آخَرَ فيسير فيه الورَّاقُ الثاني سيرَةَ الوَرَّاقَ الأوَّل، ولا يزال الكتابُ تتداوله الأيدي الجانية والأعْرَاض المفسِدة حتَّى يصير غَلَطًا صِرفًا وكذِبًا مصَمتًا؛ فما ظنُّكم بكتابٍ يتعاقبه المترجمون بالإفساد، ويتعاوره الخُطَّاط بشرٍّ من ذلك أو بمثله كتابٍ متقادِم الميلاد دُهْرِيّ الصنعة). "الحيوان" (1/ 79).

 

*‌‌ مميزات هذه الطبعة:

تمتاز هذه الطبعة عن سابقتها بمزيد من التنقيح والتصويب، فبعد طباعة الكتاب وجدنا بعض الملاحظات فدوَّنّاها لحين تقييدها في موضعها في الطبعة التالية.

ثمَّ إن وزارة الأوقاف القطرية تسلمت نسخة من الكتاب قبل طباعته، وتم مراجعة الكتاب من قِبل الدكتور عبد الله الفقيه حفظه الله. وقد أبدى

আমি বলব, ক্ষমা প্রার্থনা করা আবশ্যক, কারণ আমরা যে পাণ্ডুলিপির উপর নির্ভর করেছি, তা একক, দ্বিতীয়টি নেই, যদিও বইয়ের কিছু অংশে ক্ষুদ্র খণ্ডাংশ বিদ্যমান। আর এই পাণ্ডুলিপির অনন্যতা সত্ত্বেও, এটি ত্রুটিপূর্ণ, মুছে যাওয়া অংশ এবং তীব্র কালিমায় ভরা যা এর একটি সম্পূর্ণ অংশকে ঢেকে রেখেছে। তাই আমরা কী করতে পারি যখন এটিই আমাদের কাছে একমাত্র মূল পাণ্ডুলিপি? আমরা যতদূর সম্ভব তথ্যসূত্র থেকে পূরণ করেছি, এবং আমরা যাচাই, ব্যাখ্যা ও প্রমাণের মাধ্যমে নিশ্চিত না হয়ে মূল পাণ্ডুলিপিতে কোনো পরিবর্তন করিনি। আবু আমর আল-জাহিজ যথার্থই বলেছেন যখন তিনি বলেন: (হয়তো বইয়ের লেখক একটি ভুল পাঠ বা বাদ পড়া শব্দ সংশোধন করতে চান, আর সেক্ষেত্রে বাক্যের প্রবাহে সেই ত্রুটি ফিরিয়ে আনতে দশ পৃষ্ঠা মুক্ত শব্দ ও উন্নত অর্থ তৈরি করা তার জন্য সহজ হবে সেই অসম্পূর্ণতা পূরণ করার চেয়ে। তাহলে একজন ভাড়া করা প্রতিলিপিকার কীভাবে তা সহ্য করবেন, যেখানে স্বয়ং জ্ঞানী ব্যক্তিও এই বিষয়ে হতবাক হয়েছেন?! এবং এর চেয়েও আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, তিনি দুটি কাজ হাতে নেন: তিনি নষ্ট জিনিস সংশোধন করেছেন এবং ভালো জিনিসকে আরও উন্নত করেছেন, এরপর এই বইটি অন্য একজন ব্যক্তির অনুলিপি হয় এবং দ্বিতীয় অনুলিপিকারক প্রথম অনুলিপিকারকের পথ অনুসরণ করেন। এবং বইটি অপরাধী হাত এবং ক্ষতিকারক প্রভাবের দ্বারা ক্রমাগত হস্তান্তরিত হতে থাকে যতক্ষণ না এটি নিছক ভুল এবং সুস্পষ্ট মিথ্যাতে পরিণত হয়; তাহলে এমন একটি বই সম্পর্কে আপনার কী ধারণা, যা অনুবাদকরা একের পর এক নষ্ট করে, এবং ক্যালিগ্রাফাররা এর চেয়ে খারাপ বা সমতুল্য কিছু দিয়ে এর পালাবদল ঘটায় – এমন একটি বই যা জন্মগতভাবে প্রাচীন, এবং যার শিল্পকর্ম চিরন্তন)।"আল-হায়াওয়ান" (১/৭৯)।

 

*এই সংস্করণের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই সংস্করণটি এর পূর্ববর্তী সংস্করণের চেয়ে আরও বেশি পরিমার্জন ও সংশোধনের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। বইটি মুদ্রিত হওয়ার পর আমরা কিছু পর্যবেক্ষণ পাই, তাই সেগুলো পরবর্তী সংস্করণে যথাস্থানে লিপিবদ্ধ করার জন্য লিখে রাখি।

এছাড়াও, কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় বইটি প্রকাশের পূর্বে একটি অনুলিপি গ্রহণ করে, এবং বইটি ডক্টর আবদুল্লাহ আল-ফাকিহ (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক পর্যালোচনা করা হয়। এবং তিনি প্রকাশ করেন
(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
بعض الملاحظات في الطباعة، وعلامات الترقيم، وعبارات في أصل النص، فتم إرسال هذه الملاحظات للأخ الشيخ خالد الرباط بدار الفلاح بالفيوم، فنظرنا في هذه الملاحظات وقابلناها على المخطوط، فما احتمل وجهًا أبقيناه كما هو، وما لم يحتمل صوبنا ما قرره مع بيان ذلك في الحاشية، وصوبنا الأخطاء المطبعية والترقيمية.

فجزى الله خيرًا كل من عاون على ضبط الكتاب وتنقيحه.

ونخص بالشكر لجنة المراجعة بوزارة الأوقاف القطرية وبخاصة الدكتور عبد الله الفقيه، والأخ الحبيب الشيخ: خالد الرباط - صاحب دار الفلاح - على ما أولوه من عناية بضبط الكتاب في صورته الأخيرة للطباعة، ونشكر كل القائمين على العمل بوزارة الأوقاف القطرية على ما يقدمونه من خدمة للتراث الإِسلامي وطباعة كل مفيد.

نسألُ الله أن يبارك في جهودهم، وأن يتقبل منا ومنهم صالح الأعمال، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.

 

كتبه

أحمد بن سليمان

بعد زوالِ الشمس من يوم الثلاثاء الموافق السادس والعشرين من شوال لعام واحد وثلاثين وأربعمائة وألف بمنزلي الكائن بمدينة بلبيس مصر

মুদ্রণ, বিরামচিহ্ন এবং মূল পাঠ্যের কিছু পর্যবেক্ষণ ছিল, যা ফাইয়ুমের দারুল ফালাহ-এর শ্রদ্ধেয় শায়খ খালিদ আর-রিবাতের কাছে প্রেরণ করা হয়েছিল। আমরা এই পর্যবেক্ষণগুলো পর্যালোচনা করেছি এবং পাণ্ডুলিপির সাথে সেগুলোর তুলনা করেছি। যে বিষয়গুলো গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, তা আমরা অপরিবর্তিত রেখেছি। আর যা গ্রহণযোগ্য ছিল না, আমরা তা সংশোধন করেছি এবং এর ব্যাখ্যা পাদটীকায় উল্লেখ করেছি। এছাড়াও, আমরা মুদ্রণ ও বিরামচিহ্ন সংক্রান্ত ত্রুটিগুলোও সংশোধন করেছি।

গ্রন্থটি বিন্যাস ও পরিমার্জনে যারা সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহ তাদের সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন।

আমরা বিশেষভাবে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই, বিশেষত ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-ফাকিহ এবং আমাদের প্রিয় ভাই শায়খ খালিদ আর-রিবাত (দারুল ফালাহ-এর স্বত্বাধিকারী)-কে, গ্রন্থটির চূড়ান্ত মুদ্রণ সংস্করণ বিন্যাসকরণে তাদের বিশেষ যত্ন ও প্রচেষ্টার জন্য। এছাড়াও, কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই, ইসলামি ঐতিহ্য (তুরাথ) সংরক্ষণে তাদের সেবা এবং সকল উপকারী গ্রন্থ মুদ্রণের জন্য।

আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাদের প্রচেষ্টায় বরকত দান করেন এবং আমাদের ও তাদের সকল সৎকর্ম কবুল করেন। আর আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো, সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

লিখেছেন

আহমদ ইবনে সুলায়মান

মঙ্গলবার সূর্য ঢলে যাওয়ার পর, ১৪৩১ হিজরীর ২৬শে শাওয়াল তারিখে, মিশরের বিলবিস শহরে অবস্থিত আমার নিজ বাসভবনে

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌الْمُقَدِّمَةُ

إِنَّ الحَمْدَ لِلهِ نحمَدُهُ - تَعَالى - ونَسْتَعِينُهُ ونَسْتَهْدِيهِ، وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَسْتَرْضِيهِ، ونَعُوذُ بالله - تَعَالى - مِنْ شُرُورِ أَنْفِسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، إِنَّهُ مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلا مُضِلَّ له، ومَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَه وأَشْهَدُ أَنْ لَا إله إِلَّا الله وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.

{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].

{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: 1].

{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70 - 71].

أَمَّا بَعْدُ: فنَحْمَدُ الله وَنَشْكُرُهُ عَلَى إِحْسَانِهِ وَتَتَابُعِ نِعَمِهِ؛ إِذْ جَعَلَنَا حراسًا لِدِينِهِ ومُظْهِرِينَ مَا خَفِي وتَوارى مِنْ سُنَّةِ حبيبِه وأمينهِ.

نَحْمَدُهُ حَمْدًا كثيرًا عَدَدَ مَا خَلَقَ، وعَدَدَ مَا رَزَقَ، وَعَدَدَ مَا غَفَرَ، وعدد ما سبَّحه المسبِّحون، وَسَجَدَ لَهُ المصَلُّونَ، اللهمَّ لكَ الحمْدُ عَلَى مَا أَنْعَمْتَ عَلَيْنَا فَوَفَّقْتَنَا لإخْراجِ هذا السِّفْر الجليل ومَدَدْتَ لنا العُمُرَ الطَّوِيلَ، وصبَّرْتَنَا على العَمَلِ الصَّعْبِ الثَّقِيلِ، وشرَّفْتنا بِنَشْرِ مِيرَاثِ نبيِّنا، وتراثِ علمائِنا، وأقوالِ سَادَاتِنَا.
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁরই প্রশংসা করি – সুমহান তিনি – তাঁরই সাহায্য চাই, তাঁরই কাছে হেদায়েত কামনা করি, তাঁরই কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই সন্তুষ্টি প্রত্যাশা করি। আমরা আল্লাহর কাছে – সুমহান তিনি – আমাদের প্রবৃত্তির অকল্যাণ এবং আমাদের মন্দ কর্মের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যেমন তাকে ভয় করা উচিত, আর মুসলিম না হয়ে তোমরা কখনো মৃত্যুবরণ করো না} [আল-ইমরান: ১০২]।

{হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন, এবং তার থেকে তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের দু’জন থেকে বহু পুরুষ ও নারী বিস্তার করেছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে কিছু চাও এবং রক্ত-সম্পর্কের ব্যাপারেও (সচেতন থেকো)। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখেন} [আন-নিসা: ১]।

{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের কর্মসমূহকে ত্রুটিমুক্ত করে দেবেন, আর তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে তো মহা সাফল্য অর্জন করে} [আল-আহযাব: ৭০-৭১]।

অতঃপর: আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং তাঁর অনুগ্রহ ও অবিচ্ছিন্ন অনুগ্রহসমূহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করি; যেহেতু তিনি আমাদেরকে তাঁর দ্বীনের প্রহরী এবং তাঁর প্রিয়তম ও বিশ্বস্ত নবীর সুন্নাতের যা কিছু গোপন বা আড়ালে চলে গিয়েছিল, তা প্রকাশকারী হিসেবে মনোনীত করেছেন।

আমরা তাঁর অগণিত প্রশংসা করি, তাঁর সৃষ্টিকুলের সংখ্যা পরিমাণ, তাঁর প্রদত্ত জীবিকার সংখ্যা পরিমাণ, এবং তাঁর ক্ষমাশীলতার সংখ্যা পরিমাণ। আর তাসবীহ পাঠকারীদের তাসবীহের সংখ্যা পরিমাণ, এবং সালাত আদায়কারীদের সিজদার সংখ্যা পরিমাণ। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের উপর যে অনুগ্রহ করেছেন তার জন্য সকল প্রশংসা আপনারই, কেননা আপনি এই মহিমান্বিত গ্রন্থ প্রকাশের তাওফিক দান করেছেন, এবং আমাদের দীর্ঘায়ু দান করেছেন, আর কঠিন ও গুরুভার কাজে ধৈর্য ধারণের সামর্থ্য দিয়েছেন, এবং আমাদের সম্মানিত করেছেন আমাদের নবীর উত্তরাধিকার, আমাদের উলামাদের ঐতিহ্য, এবং আমাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের বাণীসমূহ প্রচারের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
فَهَا هُوَ بَيْنَ يَدَيْكَ كَنْزٌ ثَمِينٌ، وَكِتَابٌ ذَاعَ صِيتُهُ في الأَوَّلِينَ وَالآَخِرِينَ، وَفِقْهٌ صَافٍ هُوَ بِحَقٍّ قُرَّةُ العَيْنِ، بِهِ أَقْوَالٌ مُحَقَّقَةٌ للصَّحَابَةِ وَالتَّابِعِينَ، لِمَنْ أَرَادَ اتِّبَاعَهُمْ بِإِحْسَانٍ إِلى يَوْمِ الدِّينِ.

كِتَابٌ سَارَتْ بِهِ الرُّكْبَانُ، وَنَهَلَ مِنْهُ الشُّيُوخُ وَالشُّبَّانُ، وَاعْتَمَدَ عَلَيْهِ الفُقَهَاءُ وَالمُحَدِّثُونَ، وَنَهَلُوا مِنْهُ وَاغْتَرَفُوا اغْتِرَافَ العَطْشَانِ؛ فَهُوَ عُمْدَةُ المُجْتَهِدِينَ، وَغَايَةُ المُحَقِّقِينَ، وَطَرِيقُ الوُصُولِ إِلى الفِقْهِ المَتِينِ، كَيْفَ لا وَقَدْ جَمَعَ بَيْنَ الوَجْيَيْنِ وَأَقْوَالِ الصَّحَابَةِ وَالتَّابِعِينَ، وَنَاقَشَ الأَئِمَّةَ الأَرْبَعَةَ وَأَصْحَابَهُمُ المُقَلِّدِينَ وَالمُجْتَهِدِينَ، وَرَجَّحَ بَيْنَ الأَقْوَالِ وَقَدَّمَ مَنْ مَعَهُ الدَّلِيلُ، وَخَالَفَ إِمَامَهُ وَأَصْحَابَهُ إِذَا كَانَتْ أَقْوَالُهُمْ بُنِيَتْ عَلَى دَلِيلٍ عَلِيلٍ؛ فَهُوَ مَعَ الحَقِّ يَدُورُ، وَللدَّلِيلِ يَثُورُ، إِنَّهُ الإِمَامُ النَّيْسَابُورِيّ صَاحِبُ الأُصُولِ.

وَقَدْ اجْتَهَدْنَا قَدْرَ اسْتِطَاعَتِنَا لإِبْرَازِ هذا السِّفْرِ النَّفِيسِ بِصُورَةٍ مُرْضِيَةٍ خَالِيَةٍ مِنَ الحَشْوِ وَالتَّلْفِيقِ، وَبَعِيدَةٍ عَنِ القَصِّ واللَّزْقِ بِمَا يَتَنَافَى مَعَ التَّحْقِيقِ.

والله أَسْأَلُ أَنْ يَتَقَبَّلَ عَمَلَنَا هذا، وَنَسْأَلُهُ سُبْحَانَهُ أَنْ يَجْعَلَهُ صَدَقَةً لَنَا تَنْفَعُنَا بَعْدَ أَنْ تَفْنَى الأَعْمَارُ، وَتَنْقَطِعُ الآَجَالُ، وَتَبْلَى المَفَاصِلُ وَالأَوْصَالُ. . آَمِينَ.

وَصَلِّ اللَّهُمَّ عَلَى مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وَآِلهِ وَصَحْبِهِ.

كَتَبَهُ

أَحْمَدُ بْنِ سُلَيْمَانَ

قَبَلَ انتِصَافِ النَّهارِ فِي غُرَّةِ شَهْرِ شَعْبَانَ المُبَارَكِ لِعَامِ ثمَانِية وعِشْرينَ وَأَرْبَعِمَائة وأَلْف مِنْ هِجْرَةِ الحبِيبِ الشَّفِيعِ

অতএব, আপনার সামনে এটি একটি মূল্যবান সম্পদ, এবং এমন একটি গ্রন্থ যার খ্যাতি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি বিশুদ্ধ ইসলামী আইনশাস্ত্র (ফিকহ), যা প্রকৃতপক্ষে চক্ষুশীতলকারী। এতে নবীর সঙ্গীগণ (সাহাবা) ও তাদের অনুসারীগণের (তাবেঈন) সুপ্রতিষ্ঠিত অভিমতসমূহ রয়েছে, তাদের জন্য যারা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত উত্তমভাবে তাদের অনুসরণ করতে চায়।

এটি এমন এক গ্রন্থ যা কাফেলাদের সাথে ভ্রমণ করেছে, এবং বৃদ্ধ ও যুবকরা এ থেকে জ্ঞান আহরণ করেছে। ইসলামী আইনশাস্ত্রবিদগণ (ফকীহ) ও হাদীসশাস্ত্রবিদগণ (মুহাদ্দিস) এর উপর নির্ভর করেছেন, এবং পিপাসার্ত ব্যক্তির ন্যায় এ থেকে আকণ্ঠ পান করেছেন ও আহরণ করেছেন। অতএব, এটি ইসলামী আইন ব্যাখ্যাকারীদের (মুজতাহিদ) স্তম্ভ, গবেষকদের চূড়ান্ত লক্ষ্য, এবং মজবুত ইসলামী আইনশাস্ত্রে পৌঁছার পথ। কীভাবে হবে না, যখন এটি উভয় ঐশীবাণী (কুরআন ও সুন্নাহ) এবং সাহাবা ও তাবেঈনদের বাণী একত্রিত করেছে, এবং চার ইমাম ও তাদের অনুসারী (তাকলীদকারী) ও ইজতিহাদকারী (মুজতাহিদ) শিষ্যদের আলোচনা করেছে? আর বিভিন্ন মতামতের মধ্যে প্রাধান্য দিয়েছে এবং প্রমাণ যার সাথে ছিল, তাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। এবং তার নিজের ইমাম ও বন্ধুদের বিরোধিতা করেছে, যদি তাদের বক্তব্য দুর্বল প্রমাণের উপর ভিত্তি করে রচিত হতো। অতএব, তিনি সত্যের সাথে আবর্তন করেন এবং প্রমাণের জন্য সোচ্চার হন। তিনি ইমাম নাইসাবুরী, উসূলশাস্ত্রের প্রণেতা।

এবং আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি এই মূল্যবান গ্রন্থটিকে একটি সন্তোষজনক রূপে প্রকাশ করার জন্য, যা অপ্রয়োজনীয় সংযোজন ও মিথ্যাচার থেকে মুক্ত এবং গবেষণার (তাহকীক) সাথে সাংঘর্ষিক কাটিং ও পেস্টিং থেকে দূরে।

এবং আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের এই কাজ কবুল করেন। এবং আমরা তাঁর পবিত্র সত্তার কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এটিকে আমাদের জন্য এমন দাতব্য (সদকাহ) বানিয়ে দেন যা আমাদের উপকারে আসে আয়ু ফুরিয়ে যাওয়ার পর, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর, এবং অস্থিসন্ধি ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জীর্ণ হয়ে যাওয়ার পর। আমীন।

এবং হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক), তাঁর পরিবার এবং তাঁর সাহাবীদের উপর রহমত বর্ষণ করুন।

লিখেছেন

আহমদ ইবনে সুলাইমান

প্রিয় সুপারিশকারী (রাসূল) এর হিজরতের এক হাজার চারশত আটাশ সালের বরকতময় শা'বান মাসের প্রথম দিনে দুপুরের পূর্বে।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌كلمة شكر ووفاء

إن إخراج هذا السفر لم يكن إلا بتوفيق من الله أولًا، ثمَّ بجهود الكثير من المخلصين والمجتهدين نحسبهم كذلك.

فنحن نشكر الله أولًا على ما مَنَّ به علينا من إتمام هذا العمل، ثمَّ نشكر إخواننا، ومشايخنا على ما قدموه لنا من نصيحة، ومعونة، ودعاء. . وهذا داخل في شكر الله أيضًا.

فقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: "مَنْ لَمْ يَشْكُرِ النَّاسَ لَم يَشْكُرِ الله"(1).

وقال: ". . وَمَنْ أَتَى إِلَيْكُمْ مَعْرُوفًا فَكَافِئُوهُ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا مَا تُكَافِئُوهُ؛ فَادْعُوا لَهُ حَتَّى ثَعْلَمُوا أَنْ قَدْ كَافَأْتُمُوهُ"(2).

وأخص بالشكر كلًا من:

- الأخ الحبيب الفاضل/ أبا بلال غنيم بن عباس - حفظه الله - فقد كانت له اليد الطولى في قيام هذا المشروع الضخم، فجمع أكثر مخطوطات الكتاب، وأنفق الكثير من ماله، وما ضنَّ يومًا على العمل مع كثرة أعبائه.
(1) انظر "الصحيحة" (417).

(2) أحمد (2/ 68)، وأبو داود (1672)، وابن حبَّان في "صحيحه" (3408) من حديث ابن عمر، وصححه الألباني.

কৃতজ্ঞতা ও নিবেদন

এই গ্রন্থটির প্রকাশনা প্রথমে আল্লাহর তৌফিক ব্যতীত সম্ভব ছিল না, অতঃপর অনেক নিষ্ঠাবান ও পরিশ্রমী মানুষের প্রচেষ্টায় (এটা সম্ভব হয়েছে), যাদেরকে আমরা এমনটিই মনে করি।

সুতরাং, এই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য আল্লাহ আমাদের উপর যে অনুগ্রহ করেছেন, তার জন্য আমরা প্রথমে তাঁর শুকরিয়া আদায় করি। অতঃপর, আমাদের ভাই ও উস্তাদগণ আমাদের যে উপদেশ, সাহায্য ও দোয়া দিয়েছেন, তার জন্য আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। এটিও আল্লাহর শুকরিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে না, সে আল্লাহরও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে না।"(1)

এবং তিনি আরও বলেছেন: "...যে তোমাদের প্রতি কোনো অনুগ্রহ করে, তোমরা তার প্রতিদান দাও। যদি তোমরা প্রতিদান দেওয়ার মতো কিছু না পাও, তবে তার জন্য দোয়া করো, যতক্ষণ না তোমরা মনে করো যে তোমরা তাকে প্রতিদান দিয়েছ।"(2)

বিশেষভাবে যাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি:

- প্রিয়, শ্রদ্ধেয় ভাই/ আবু বিলাল গুনাইম বিন আব্বাস - আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন - এই বিশাল প্রকল্পের বাস্তবায়নে তাঁর ছিল এক বড় অবদান। তিনি বইটির বেশিরভাগ পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেছেন, এবং তাঁর প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন। তাঁর অনেক ব্যস্ততা ও দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি এই কাজে কোনোদিন কার্পণ্য করেননি।
(1) দেখুন "সহীহাহ" (৪১৭)।

(2) আহমদ (২/৬৮), আবু দাউদ (১৬৭২), এবং ইবনু হিব্বান তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে (৩৪৬৮), ইবনু উমারের হাদীস থেকে। আলবানী এটিকে সহীহ (প্রমাণিত) বলেছেন।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
فأسأل الله أن يبارك له في ماله وولده وأهله، وأن يجعل ما بذل وأنفق ونصح في ميزان حسناته يوم لا ينفع مال ولا بنون إلا من أتى الله بقلب سليم.

- ثمَّ نشكر فضيلة الشيخ المحدث/ أبا إسحاق الحويني - حفظه الله - على نصائحه، ومعونته، فمع تزاحم الأعمال عنده قدم لنا ما سألناه إياه، بورك فيه وجعل الجنة مثواه.

- ثمَّ فضيلة الشيخ/ عادل بن محمَّد - حفظه الله - فقد بدأ العمل في الكتاب لكن حالت دونه الصعاب فاعتذر عن الإتمام، فأسأل الله أن يشفيه، وأن يفرج همه إن ربي لسميع الدعاء.

- ثمَّ شكر عام لكل إخواني في دار الكوثر الغراء، فقد قاموا معنا بمعظم الكتاب.

- وأحب في هذا المقام أن أنوه بالأعمال التي أنجزت في هذِه الدار المباركة، فمن يوم أن أنشئت إلى الآن تتواصل الأبحاث والأعمال، وها هي الأعمال التي خرجت من الدار:

1 - "البدر المنير" لابن الملقن (10 مجلدات) ط دار الهجرة.

2 - "تذهيب التهذيب" للذهبي (11 مجلد) ط الفاروق الحديثة.

3 - "تفسير القرآن العظيم" لابن أبي زمنين (5 مجلدات) ط الفاروق الحديثة.

4 - "الأحكام الشرعية الكبرى" لعبد الحق الإشبيلي (5 مجلدات) ط دار الرشد.

5 - "المفصح المفهم والموضح الملهم لصحيح مسلم" (مجلد) ط الفاروق الحديثة.

6 - "المجرد للغة الحديث" لعبد اللطيف بن يوسف بن علي بن محمَّد بن

আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তার সম্পদ, সন্তান ও পরিবারে বরকত দান করেন এবং সে যা কিছু ব্যয় করেছে, খরচ করেছে ও উপদেশ দিয়েছে, তা যেন তার সৎকর্মের পাল্লায় (মিজানে হাসানা) রাখেন, যেদিন সম্পদ ও সন্তান কোনো উপকারে আসবে না, শুধু যে ব্যক্তি সুস্থ হৃদয় (ক্বালবে সালিম) নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে, সে ছাড়া।

- এরপর আমরা সম্মানিত শায়খ, মুহাদ্দিস আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনিকে – আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন – তার উপদেশ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। তার কাজের চাপ থাকা সত্ত্বেও তিনি আমাদের যা জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তা প্রদান করেছেন। আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন এবং জান্নাতকে তার আবাসস্থল করুন।

- এরপর সম্মানিত শায়খ আদিল বিন মুহাম্মাদকে – আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন – তিনি বইটির কাজ শুরু করেছিলেন কিন্তু বিভিন্ন অসুবিধা তাকে বাধা দেওয়ায় তিনি কাজ শেষ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাকে আরোগ্য দান করেন এবং তার দুশ্চিন্তা দূর করেন। নিশ্চয়ই আমার রব সকল প্রার্থনা শোনেন।

- এরপর দারুল কাউসারুল গাররা-এর আমার সকল ভাইদের প্রতি সাধারণ কৃতজ্ঞতা, কারণ তারা আমাদের সাথে বইটির বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন করেছেন।

- আমি এই প্রসঙ্গে এই বরকতময় দার (প্রতিষ্ঠানে) সম্পন্ন হওয়া কাজগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটি প্রতিষ্ঠার দিন থেকে এখন পর্যন্ত গবেষণা ও কাজ চলছে। এই হলো সেই কাজগুলো যা এই দার থেকে প্রকাশিত হয়েছে:

1 - ইবনুল মুলাক্কিনের "আল-বদরুল মুনীর" (১০ খণ্ড) প্রকাশিত: দারুল হিজরা।

2 - যাহাবির "তাযহিবুত তাহযিব" (১১ খণ্ড) প্রকাশিত: আল-ফারুক আল-হাদিসা।

3 - ইবনে আবি যামানাইনের "তাফসীরুল কুরআনিল আযিম" (মহান কুরআনের তাফসীর) (৫ খণ্ড) প্রকাশিত: আল-ফারুক আল-হাদিসা।

4 - আব্দুল হক আল-ইশবিলীর "আল-আহকামুশ শারঈয়্যাতুল কুবরা" (বৃহৎ শরঈ বিধানসমূহ) (৫ খণ্ড) প্রকাশিত: দারুর রুশদ।

5 - "আল-মুফসিহুল মুফহিম ওয়াল মুওয়াদ্দিহুল মুলহিম লি সহীহ মুসলিম" (সহীহ মুসলিমের ব্যাখ্যামূলক ও অনুপ্রেরণামূলক গ্রন্থ) (১ খণ্ড) প্রকাশিত: আল-ফারুক আল-হাদিসা।

6 - আব্দুল লতিফ বিন ইউসুফ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন-এর "আল-মুজাররাদ লি লুগাতিল হাদিস" (হাদিসের ভাষার জন্য বিশুদ্ধ সংকলন)

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
علي البغدادي (مجلد) ط دار الفاروق.

7 - "فضائل عثمان رضي الله عنه " لعبد الله بن أحمد.

8 - "كتاب فيما انفرد به الإمام أحمد عن الشافعي" لبرهان الدين إبراهيم بن محمَّد بن قيم الجوزية.

9 - "جزء فيه من حديث لوين" لمحمد بن سليمان بن حبيب المعروف بلوين. ط دار الرشد.

10 - "موسوعة أحاديث وآثار بيت المقدس" تحت الطبع.

وغير ذلك من الأعمال العلمية قيد البحث والتحقيق.

كما أن الدار تتعاون مع "دار الفلاح للبحث العلمي وتحقيق التراث" لصاحبها الأستاذ خالد الرباط في إخراج البحوث والتحقيقات، كما سلف التعاون معها في بعض ما سبق بدايةً من كتاب "البدر المنير" لابن الملقن، كما شاركنا بجهود مختلفة في بعض الأعمال الكبيرة لدار الفلاح، وهناك الكثير من الأعمال المشتركة، يسَّر الله إتمامها.

نسأل الله التوفيق والسداد والإخلاص في القول وما خط المداد.
আলী আল-বাগদাদী (খণ্ড), দারুল ফারূক কর্তৃক প্রকাশিত।

৭ - "উসমান (রা.)-এর ফযীলতসমূহ" (فضائل عثمان رضي الله عنه) আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ রচিত।

৮ - "ইমাম আহমাদ কর্তৃক শাফিঈ (রহ.) থেকে স্বতন্ত্রভাবে বর্ণিত বিষয়াবলি শীর্ষক গ্রন্থ" (كتاب فيما انفرد به الإمام أحمد عن الشافعي) বুরহানউদ্দিন ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কাইয়িম আল-জাওযিয়াহ রচিত।

৯ - "লুওয়ায়েনের হাদীস বিষয়ক জুয'" (جزء فيه من حديث لوين) মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাবীব, যিনি লুওয়ায়েন নামে পরিচিত, রচিত। দারুর রুশদ কর্তৃক প্রকাশিত।

১০ - "বায়তুল মাকদিসের হাদীস ও আছার বিষয়ক বিশ্বকোষ" (موسوعة أحاديث وآثار بيت المقدس), মুদ্রণাধীন।

এবং অন্যান্য পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজ, যা বর্তমানে গবেষণা ও তাহক্বীক্ব (تحقيق)-এর অধীনে রয়েছে।

এই প্রকাশনা সংস্থাটি "দারুল ফালাহ লিল-বাহসিল ইলমী ওয়াত তাহক্বীক্বিত তুরাস" (দারুল ফালাহ গবেষণা ও ঐতিহ্য তাহক্বীক্ব কেন্দ্র)-এর সাথে, যার স্বত্বাধিকারী হলেন উস্তাদ খালিদ আর-রিবাত, বিভিন্ন গবেষণা ও তাহক্বীক্ব (تحقيق) প্রকাশনার কাজে সহযোগিতা করে। ইবনুল মুলককিনের "আল-বদরুল মুনীর" (البدر المنير) গ্রন্থ থেকে শুরু করে পূর্বে তাদের সাথে কিছু কাজে যেমন সহযোগিতা করা হয়েছে। একইভাবে আমরা দারুল ফালাহের কিছু বৃহৎ কর্মে বিভিন্ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেছি, এবং অনেক যৌথ কাজ আছে, আল্লাহ সেগুলোর সমাপ্তি সহজ করুন।

আমরা আল্লাহর কাছে সফলতা, সঠিক পথপ্রদর্শন এবং আমাদের কথা ও লেখনীতে একনিষ্ঠতা কামনা করি।
(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
‌‌تَرْجَمَةُ المُصَنِّفِ

بَادِئ ذِي بَدْءٍ فَقَدْ تَرْجَمَ لابْنِ المُنْذِرِ عِدَّةٌ مِن البَاحِثِينَ فِي مُقَدِّمَاتِهِمْ لِمُصَنَّفَاتِهِ فَجَزَاهُم اللهُ خَيْرًا.

ومن هؤلاء: الدكتور/ أبو حمَّاد صغير أحمد الأنصاري، في تَحْقِيقِه لكتابَي "الأوسط" و"الإشراف"، وقد أفادَ وأجَادَ واستقصى في ترجمته لكتاب "الأوسط".

والدكتور/ عبد الله بن عبد العزيز الجبرين. في مُقَدِّمَتِه لكتاب "الإقناع"، وهو دون الأوّل، وقد استفاد كثيرًا من مقدمة الأوسط.

والدكتور/ سعد بن محمَّد السعد. في مُقَدِّمَتِهِ لكتاب "التفسير" للمصنِّفِ، وهِي ترجمةٌ مختصرةٌ.

وعلى هذا فإن منهجي في هذِه الترجمة سيعتمد على الإسهاب في المواضع الهامَّةِ والتي قَصَّر فيها مَنْ قبلي، مع التركيز على الفوائد التي التقطتها أثْناءَ عملي في الكتاب، والاختصار في المواضع التي كثيرًا ما تكون بالحشو وندرة الفائدة أقرب.

والله المستعان.
গ্রন্থকারের পরিচিতি

প্রাথমিকভাবে, ইবনুল মুনযিরের পরিচিতি তাঁর বিভিন্ন রচনাগুলির ভূমিকায় বহু গবেষক লিখেছেন। আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন।

তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডক্টর আবু হাম্মাদ সাগীর আহমদ আল-আনসারী, যিনি 'আল-আওসাত' ও 'আল-ইশরাফ' গ্রন্থদ্বয়ের তাহকীক্বে (সম্পাদনায়) কাজ করেছেন। তিনি 'আল-আওসাত' গ্রন্থের পরিচিতি অংশে ব্যাপক উপকার করেছেন, অত্যন্ত চমৎকার কাজ করেছেন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করেছেন।

এবং ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযীয আল-জাবরিন, তাঁর 'আল-ইকনা' গ্রন্থের ভূমিকায় (লিখেছেন), যা প্রথমোক্তটির তুলনায় কম বিস্তারিত। তিনি 'আল-আওসাত'-এর ভূমিকা থেকে প্রচুর উপকৃত হয়েছেন।

এবং ডক্টর সা'দ বিন মুহাম্মাদ আস-সা'দ, যিনি গ্রন্থকারের 'আত-তাফসীর' গ্রন্থের ভূমিকায় (লিখেছেন), এবং এটি একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

এই অনুযায়ী, এই পরিচিতি রচনায় আমার পদ্ধতি নির্ভর করবে সেই সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্তারিত আলোচনার উপর, যেখানে আমার পূর্ববর্তীরা সংক্ষিপ্ত করেছেন, এবং বইটির উপর আমার কাজ করার সময় আমি যে সকল উপকারিতা সংগ্রহ করেছি, সেগুলোর উপর মনোযোগ দিয়ে। আর যেসব স্থান প্রায়শই অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য ও কম উপকারের কাছাকাছি, সেগুলোতে সংক্ষিপ্ত করা হবে।

আল্লাহই একমাত্র সাহায্যস্থল।
(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
*‌‌ اسمه:

قال الذَّهبيُّ:

هو الإمام الحافظ العلّامة شيخ الإِسلام: أبو بكر محمَّد بن إبراهيم بن المنذر النَّيْسابوريّ الفقيه، نزيل مكة.

 

*‌‌ ولادته ونشأته:

قال الذَّهَبيُّ في "السير"(1): وُلد في حدودِ موتِ أحمد بن حنبل.

قلت: ووفاة أحمد كانت في عام (241) هجرية، ونشأ في بلدته نيسابور، وذاع صيته، وعلت منزلته، وجلمس مجلس المحدِّثين، ثمَّ رحل إلى مكة، ثمَّ صار شيخ الحرم، وأخذ عن الربيع، وبكَّار بن قتيبة بمصر.

وقال أبو بكر الخلال: حدثنا الأكابر بخراسان منهم محمَّد بن المنذر.

 

*‌‌ شيوخه:

من الفوائد التي لا غنى عنها ونحن بصدد التقديم لهذا السفر العظيم ترجمة مشايخ المُصَنِّف، وقد وجدت مسيس الحاجة إلى ذلك أثناء عملي في الكتاب؛ فالمُصَنِّف رحمه الله يعد في طبقة ابن خزيمة والترمذي وأقرانهما، لكن وجدنا كثيرًا من مشايخه ليسوا بالمعروفين ولا المشهورين، أما شيخ شيخه فهو غالبًا ترى ترجمته في "التهذيب" ولا يخفى أمره على طلاب العلم فكان من المهمات عقد ترجمة وافية لمشايخه، فقد تكون العقبة لمن أراد تحقيق إسناد الحديث هي شيخ المُصَنِّف فنحن بهذا العمل نزيل صعوبة قد تستوقف الباحث، وقد وقعت تصحيفات لأسماء
(1) "سير أعلام النبلاء" (14/ 490)، و"طبقات الحنابلة" (1/ 38).

‌ তাঁর নাম:

আল-জাহাবি বলেছেন:

তিনি হলেন ইমাম, হাফিয, আল্লামা, শায়খুল ইসলাম: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আল-মুনজির আন-নায়সাবুরি আল-ফকিহ, যিনি মক্কায় বসবাস করতেন।

 

‌ তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা:

আল-জাহাবি "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা"(1) গ্রন্থে বলেছেন: তিনি আহমদ ইবনে হাম্বলের মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ে জন্মগ্রহণ করেন।

আমি বলি: আহমদের ওফাত (মৃত্যু) ছিল ২৪১ হিজরি সনে। তিনি তাঁর শহর নাইসাপুরে বেড়ে ওঠেন, তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে, তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং তিনি মুহাদ্দিসগণের বৈঠকে আসন গ্রহণ করেন। এরপর তিনি মক্কায় সফর করেন, অতঃপর শায়খুল হারাম হন। তিনি মিশর থেকে আর-রাবি' ও বাক্কার ইবনে কুতায়বাহর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

আবু বকর আল-খাল্লাল বলেছেন: খোরাসানের মহান বিদ্বানগণ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে মুহাম্মাদ ইবনুল মুনযিরও ছিলেন।

 

‌ তাঁর শায়খগণ:

এই মহান গ্রন্থের ভূমিকা হিসেবে গ্রন্থকার (মুসান্নিফ)-এর শায়খগণের জীবনী আলোচনা করা এমন এক অপরিহার্য বিষয়, যার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আমি বইটির কাজ করার সময় এর তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি; কারণ মুসান্নিফ, আল্লাহ তাঁকে রহম করুন, ইবনে খুযাইমা, তিরমিযী এবং তাঁদের সমসাময়িকদের স্তরের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। কিন্তু আমরা দেখেছি যে, তাঁর অনেক শায়খই পরিচিত বা প্রসিদ্ধ ছিলেন না। তবে তাঁর শায়খের শায়খদের জীবনী সাধারণত "আত-তাহযিব"-এ পাওয়া যায় এবং ইলমের (জ্ঞানের) শিক্ষার্থীদের কাছে তাঁদের পরিচয় অজ্ঞাত নয়। অতএব, তাঁর শায়খগণের একটি বিস্তারিত জীবনী রচনা করা গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। কারণ, যারা হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) তাহকীক (যাচাই) করতে চান, তাঁদের জন্য মুসান্নিফের শায়খরাই হয়তো বাধা হয়ে দাঁড়ান। তাই আমরা এই কাজের মাধ্যমে গবেষকদের সামনে আসতে পারে এমন একটি সমস্যা দূর করছি। এবং অনেক নামের বিকৃতি ঘটেছে।


(1) "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (১৪/৪৯০), এবং "তাবাকাতুল হানাবিলা" (১/৩৮)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
مشايخه في الأصل المخطوط، ولم تصحح أحيانًا في النسخة المطبوعة، وأحيانًا يكون الأصل مضبوطا ويقع التصحيف في المطبوع، فنبهنا على ذلك في مواضعه، وسوف يشار إلى ذلك في ثنايا المُتَرْجمِ لهم.

 

*‌‌ منهج الترجمة:

1 - نصدِّر باسم الشيخ كاملًا بالنسبة.

2 - ذكر من روى عنهم في الكتاب وخارجه.

3 - نقل أقوال الأئمة عنه باختصار.

4 - ذكر مصادر الترجمة فإن كان المترجم له في التهذيب ومختصراته أو السير للذهبي لم نستطرد في ذكر باقي المصادر فقد أشار المحققون في حواشيهم إلى باقي المصادر.

والآن نشرع في سرد التراجم مرتبة على الأحرف الهجائية:

- إبراهيم بن إسحاق الحربي البغدادي(1).

روى عن: أحمد بن يحيى، وعباس بن الوليد، وعبد الله بن رجاء، ومعلى بن أسد، وهشام أبي الوليد.

قال الإمام الذهبي: هو الشيخ الإمام، الحافظ العلامة، شيخ الإِسلام، أبو إسحاق، إبراهيم بن إسحاق بن إبراهيم بن بشير، البغدادي، الحربي، صاحب التصانيف، مولده في سنة ثمان وتسعين ومائة.

سمع من: أحمد بن حنبل، وأبي عبيد القاسم بن سلام، وأبي الوليد الطيالسي، وابن أبي شيبة، وبندار وخلق كثير.
(1) "تهذيب الكمال" (14/ 495)، وانظر ترجمته في "سير أعلام النبلاء" (13/ 356 رقم 173)، "تاريخ بغداد" (6/ 27 - 40).

মূল পাণ্ডুলিপিতে তাঁর শায়খদের (গুরুদের) নাম ছিল, যা মুদ্রিত সংস্করণে কখনও কখনও সংশোধন করা হয়নি। আবার কখনও কখনও মূল পাণ্ডুলিপি নির্ভুল থাকে কিন্তু মুদ্রিত সংস্করণে বিকৃতি ঘটে। তাই আমরা এর উপযুক্ত স্থানে সেদিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছি এবং অনুবাদকৃত ব্যক্তিদের জীবনীতে এর উল্লেখ করা হবে।

 

*‌‌ অনুবাদের পদ্ধতি:

১ - আমরা শায়খের পূর্ণ নাম এবং তাঁর নিসবত (বংশ বা অঞ্চলসূচক উপাধি) উল্লেখ করে শুরু করব।

২ - তিনি কিতাবের ভেতরে এবং বাইরে যাদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাদের উল্লেখ করা হবে।

৩ - তাঁর সম্পর্কে ইমামদের সংক্ষিপ্ত উক্তি তুলে ধরা হবে।

৪ - অনুবাদের উৎসসমূহ উল্লেখ করা হবে। যদি অনুবাদকৃত ব্যক্তি "তাহযীব আল-কামাল" ও এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণসমূহে অথবা যাহাবী রচিত "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা"-এ বিদ্যমান থাকেন, তাহলে আমরা অন্যান্য উৎস উল্লেখের বিস্তারিত আলোচনা করব না, কেননা মুহাক্কিকগণ (গবেষকগণ) তাদের পাদটীকায় অন্যান্য উৎস সম্পর্কে ইঙ্গিত করেছেন।

এখন আমরা বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে জীবনীসমূহ উপস্থাপন শুরু করছি:

- ইবরাহিম ইবন ইসহাক আল-হারবী আল-বাগদাদী(1)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবন ইয়াহইয়া, আব্বাস ইবন আল-ওয়ালীদ, আবদুল্লাহ ইবন রাজা, মু'আল্লা ইবন আসাদ এবং হিশাম আবু আল-ওয়ালীদ থেকে।

ইমাম যাহাবী বলেছেন: তিনি হলেন শায়খুল ইমাম, হাফিয, আল্লামা, শাইখুল ইসলাম, আবু ইসহাক, ইবরাহিম ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহিম ইবন বশির, আল-বাগদাদী, আল-হারবী, বহু গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর জন্ম হয়েছিল একশো আটানব্বই (১৯৮) হিজরিতে।

তিনি শুনেছেন: আহমদ ইবন হানবাল, আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবন সাল্লাম, আবু আল-ওয়ালীদ আত-তায়ালিসি, ইবন আবি শাইবাহ, বান্দার এবং আরও অনেক মানুষের কাছ থেকে।
(1) "তাহযীব আল-কামাল" (১৪/৪৯৫), এবং তাঁর জীবনী দেখুন "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা" (১৩/৩৫৬ ক্রমিক নং ১৭৩), "তারিখ বাগদাদ" (৬/২৭-৪০)-এ।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
وسمع منه خلق كثير منهم: أبو محمَّد بن صاعد، وعمر بن جعفر الختلِّي، وأبو بكر أحمد بن جعفر القطيعي، ومحمد بن الحسن البربهاري.

قال أبو بكر الخطيب: كان إمامًا في العلم، رأسًا في الزهد، عارفًا بالفقه، بصيرًا بالأحكام، حافظًا للحديث، مميِّزًا لعلله، قيِّمًا بالأدب، جمّاعة للغة، صنف غريب الحديث، وكتبًا كثيرة، وأصله من مرو.

قال الدارقطني: وإبراهيم إمام بارع في كل علم، مات الحربي لسبع بقين من ذي الحجة، سنة خمس وثمانين ومائتين.

- إبراهيم بن إسماعيل بن يحيى بن سلمة بن كهيل الحضرمي، أبو إسحاق الكوفي(1).

روى عن: أبيه، وأبي نعيم الفضل بن دكين.

وعنه: الترمذي، وعبد الله بن أحمد بن حنبل، ومحمد بن مسلم بن وارة الرازي، ويحيى بن محمَّد بن صاعد.

قال الذهبي في الميزان: لينه أبو زرعة، وتركه أبو حاتم.

قال العقيلي: كان ابن نمير لا يرضاه ويضعفه، وقال: روى مناكير.

قال العقيلي: كان إبراهيم هذا لا يقيم الحديث. مات سنة ثمان وخمسين ومائتين.
(1) انظر ترجمته في: "تهذيب الكمال" (2/ 47 رقم 149)، "الجرح والتعديل" (1/ 84 رقم 198) "ضعفاء العقيلي" (1/ 44 رقم 29)، "ميزان الاعتدال" (1/ 20 رقم 39).

তার থেকে বহু লোক শুনেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবু মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ, উমার ইবনে জাফার আল-খাত্তালি, আবু বকর আহমদ ইবনে জাফার আল-কুতাই'ই এবং মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-বারবাহারি।

আবু বকর আল-খাতীব বলেছেন: তিনি ইলমে (জ্ঞানে) একজন ইমাম ছিলেন, যুহদে (বৈরাগ্যে) শীর্ষস্থানীয়, ফিকহে (ইসলামী আইনশাস্ত্রে) অভিজ্ঞ, আহকামের (বিধানাবলীতে) অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন, হাদীসের হাফিয (সংরক্ষক), এর 'ইলাল (ত্রুটিসমূহ) নির্ণয়ে পারদর্শী, আদবে (সাহিত্য ও শিষ্টাচারে) সুপ্রতিষ্ঠিত, ভাষার সংগ্রাহক। তিনি 'গারিব আল-হাদীস' সংকলন করেছেন এবং বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার আদি নিবাস ছিল মার্ভ।

দারাকুতনী বলেছেন: ইবরাহীম প্রতিটি বিদ্যায় একজন অসাধারণ ইমাম ছিলেন। হারবী যুলহাজ্জের সাত দিন বাকি থাকতে, দুই শত পঁচাশি হিজরী সনে ইন্তেকাল করেন।

- ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালামাহ ইবনে কুহাইল আল-হাদরামি, আবু ইসহাক আল-কুফী(1).

তিনি বর্ণনা করেছেন: তার পিতা থেকে, এবং আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন থেকে।

এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন: তিরমিযী, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে ওয়ারাহ আর-রাযী এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ।

আয-যাহাবী 'আল-মীযান' গ্রন্থে বলেছেন: আবু যুর'আ তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং আবু হাতিম তাকে পরিত্যাগ করেছেন।

আল-উকাইলী বলেছেন: ইবনে নুমাইর তাকে পছন্দ করতেন না এবং তাকে দুর্বল বলতেন। তিনি বলেছেন: 'সে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছে।'

আল-উকাইলী বলেছেন: এই ইবরাহীম হাদীসের সঠিকতা বজায় রাখতে পারতেন না। তিনি দুই শত আটান্ন হিজরী সনে ইন্তেকাল করেন।


(1) তার জীবনী দেখুন: "তাহযীব আল-কামাল" (২/৪৭, ক্রম ১৪৯), "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (১/৮৪, ক্রম ১৯৮), "দু'আফা আল-উকাইলী" (১/৪৪, ক্রম ২৯), "মীযান আল-ই'তিদাল" (১/২০, ক্রম ৩৯)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
- إبراهيم بن الحارث بن إسماعيل البغدادي، أبو إسحاق نزيل نيسابور(1).

روى عن: يحيى بن أبي بكير الكرماني، وحجاج بن محمَّد المصيصي، وعلي بن المديني، ويزيد بن هارون.

روى عنه: البخاري في "صحيحه"، وأبو داود، وابن خزيمة.

قال الحافظ في "التقريب": صدوق.

مات بنيسابور سنة خمس وستين ومائتين.

- إبراهيم بن الحسين بن علي، أبو إسحاق الهمذاني الكسائي، يعرف بابن ديزيل(2).

روى عن: عفان بن مسلم بن عبد الله الصفار، وإسماعيل بن أبي أويس، وإسحاق الفروي، وأبي نعيم، والحسن بن بشر البجلي.

قال الذهبي: الإمام الحافظ الثقة العابد.

سمع: أبا نعيم، وأبا مسهر، وسليمان بن حرب، وطبقتهم.

حدث عنه: أبو عوانة، وأحمد بن مروان الدينوري، وخلق. قال: إليه المنتهى في الإتقان.

وقال ابن حجر: من كبار الحفاظ.

مات سنة إحدى وثمانين ومائتين.
(1) انظر ترجمته في "التهذيب" (2/ 56 رقم 158)، "تاريخ بغداد" (6/ 54 - 55).

(2) انظر ترجمته في: "سير أعلام النبلاء" (13/ 184 رقم 107)، "لسان الميزان" (1/ 134 رقم 110).

ইবরাহীম ইবনুল হারিস ইবনু ইসমাঈল আল-বাগদাদী, আবূ ইসহাক, নিশাপুরের বাসিন্দা(1)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনু আবী বাকীর আল-কিরমানী, হাজ্জাজ ইবনু মুহাম্মাদ আল-মাসসিসী, আলী ইবনুল মাদীনী এবং ইয়াযীদ ইবনু হারূন থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: বুখারী তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে, আবূ দাঊদ এবং ইবনু খুযাইমাহ।

হাফিয (ইবনু হাজার) "আত-তাকরীব" গ্রন্থে বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদূক)।

তিনি ২৬৫ হিজরী সনে নিশাপুরে মৃত্যুবরণ করেন।

ইবরাহীম ইবনুল হুসায়ন ইবনু আলী, আবূ ইসহাক আল-হামাদানী আল-কিসাঈ, ইবনু দাইযিল নামে পরিচিত(2)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আফ্ফান ইবনু মুসলিম ইবনু আব্দুল্লাহ আস-সাফ্ফার, ইসমাঈল ইবনু আবী উওয়াইস, ইসহাক আল-ফারবী, আবূ নু'আইম এবং হাসান ইবনু বিশর আল-বাজালী থেকে।

যাহাবী বলেছেন: তিনি ইমাম, হাফিয, বিশ্বস্ত এবং পরম ধার্মিক।

তিনি শুনেছেন: আবূ নু'আইম, আবূ মুসহির, সুলাইমান ইবনু হারব এবং তাঁদের সমকালীনদের থেকে।

তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন: আবূ আওয়ানাহ, আহমাদ ইবনু মারওয়ান আদ-দীনাওয়ারী এবং বহু লোক। (যাহাবী) বলেছেন: ইলমে তাঁর দক্ষতা ও প্রজ্ঞা ছিল চরম পর্যায়ের।

ইবনু হাজার বলেছেন: তিনি ছিলেন বড় হাফিযদের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি ২৮১ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(১) তাঁর জীবনী দেখুন "আত-তাহযীব" (২/৫৬, নং ১৫৮), "তারীখে বাগদাদ" (৬/৫৪-৫৫) গ্রন্থে।

(২) তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন-নুবালা" (১৩/১৮৪, নং ১০৭), "লিসানুল মীযান" (১/১৩৪, নং ১১০) গ্রন্থে।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
- إبراهيم بن عبد الله النيسابوري التميمي(1).

روى عن: يزيد بن هارون، وروح بن عبادة، وعبد الله بن بكير، وبكر بن بكار، وأبي عاصم النبيل، ووهب بن جرير، وعبد الله بن بكر، وقريش بن أنس، وعبد الله بن حمدان، وحميد.

وعنه: محمَّد بن نصر المروزي، وصالح بن محمَّد جزرة، وأبو عبد الله الأخرم. وجماعة.

قال عنه أبو حاتم: شيخ. وقال الذهبي وابن حجر: صدوق.

توفي سنة سبع وستين ومائتين، وقد جاوز التسعين.

- إبراهيم بن محمَّد بن إسحاق، وهو ابن أبي الجحيم(2) الصيرفي، أبو بكر البصري(3).

روى عن: مسلم بن إبراهيم، وإسماعيل بن عثمان، وعبد الرزاق، وأحمد بن عبد الرحيم، والطيالسي أبي الوليد هشام بن عبد الملك، وإسماعيل بن عبد الله بن أبي أويس، وأبي حذيفة، وموسى بن عبد الرحمن، ومسدد، وأبي عمر الحوضي، وإسحاق بن إبراهيم، وسليمان بن حرب، ومحمد بن بشار بندار، وأبي عبد الله بن رجاء، وعبد الواحد بن عمرو بن صالح الزهري، وعبد الله بن عبد الوهاب الحجبي، والمنهال بن بجد وآخرين.

روى عنه: أبو القاسم البغوي، وأبو حامد الشرقي وآخرون.
(1) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (2/ 110/ 324) "ميزان الاعتدال" (1/ 44 - 130) "لسان الميزان" (1/ 163 - 201) و"الثقات" لابن حبَّان" (8/ 87).

(2) في "مغاني الأخيار": الجهم.

(3) انظر ترجمته في: "الثقات" (8/ 88) و"مغاني الأخيار" (1/ 9).

ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নিসাপুরি আত-তামিমি(1)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইয়াজিদ ইবনে হারুন, রুহ ইবনে উবাদা, আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর, বকর ইবনে বাক্কার, আবু আসিম আন-নাবিল, ওয়াহাব ইবনে জারির, আব্দুল্লাহ ইবনে বকর, কুরাইশ ইবনে আনাস, আব্দুল্লাহ ইবনে হামদান এবং হামিদ থেকে।

এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-মারুজি, সালিহ ইবনে মুহাম্মদ জাজারাহ, এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-আখরাম। আরও অনেকে।

তাঁর সম্পর্কে আবু হাতিম বলেছেন: 'শাইখ' (شيخ)। আর আয-যাহাবি ও ইবনে হাজার বলেছেন: 'সাদুক' (صدوق)।

তিনি ২য় শতাব্দীর সাতষট্টি সালে (২৬৭ হিজরী) মৃত্যুবরণ করেন। সে সময় তাঁর বয়স নব্বই পেরিয়ে গিয়েছিল।

ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, যিনি ইবনে আবুল জাহিম(2) আস-সাইরাফি, আবু বকর আল-বাসরি(3)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: মুসলিম ইবনে ইব্রাহিম, ইসমাইল ইবনে উসমান, আব্দুর রাজ্জাক, আহমদ ইবনে আব্দুর রহিম, আত-তায়ালিসি আবুল ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক, ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি উয়াইস, আবু হুযাইফা, মুসা ইবনে আব্দুর রহমান, মুসাদ্দাদ, আবু উমর আল-হাওদি, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম, সুলাইমান ইবনে হারব, মুহাম্মদ ইবনে বাশার বান্দার, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে রাজ্জা, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আমর ইবনে সালিহ আয-যুহরি, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব আল-হাজাবি, এবং মিনহাল ইবনে বাজদ ও অন্যান্যদের থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি, আবু হামিদ আশ-শারকি ও অন্যান্যরা।
(1) তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (২/১১০/৩২৪), "মিজানুল ই'তিদাল" (১/৪৪-১৩০), "লিসানুল মিজান" (১/১৬৩-২০১) এবং ইবনে হাব্বানের "আছ-ছিকাত" (৮/৮৭)-এ।

(2) "মাগানী আল-আখিয়ার"-এ রয়েছে: আল-জাহাম।

(3) তাঁর জীবনী দেখুন: "আছ-ছিকাত" (৮/৮৮) এবং "মাগানী আল-আখিয়ার" (১/৯)-এ।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
ذكره ابن حبَّان في "الثقات" وذكره الحاكم أبو أحمد في "الكنى".

قلت: ولم أجد فيه جرحًا ولا تعديلًا.

- إبراهيم بن محمَّد بن سعيد النيسابوري الصيدلاني(1)، أبو إسحاق.

روى عن: إسحاق بن إبراهيم بن راهويه الإمام الحافظ، وعبد الرحمن بن الأسود بن المأمول القرشي الهاشمي.

روى عنه: محمَّد بن صالح بن هانئ.

- إبراهيم بن مرزوق بن دينار الأموي، أبو إسحاق البصري، نزيل مصر مولى عثمان بن عفان(2).

روى عن: أبي عبد الرحمن المقرئ، وأبي عاصم النبيل، وحبان بن هلال، وعمر بن أبي رزين، وعبد الصمد بن عبد الوارث، ووهب بن جرير، وأبي عامر سعيد بن عامر، ونصر بن زكريا، ويحيى بن محمَّد، وأبي عامر العقدي.

روى عنه: النسائي، وأبو عوانة، ويحيى بن محمَّد بن صاعد.

قال الدارقطني: ثقة، إلا أنَّه كان يخطئ، فيقال له فلا يرجع.

وقال ابن أبي حاتم: كتبت عنه وهو ثقة صدوق.

وذكره ابن حبَّان في "الثقات".

مات يوم الخميس لأربع عشرة ليلة خلت من جمادى الآخرة، سنة سبعين ومائتين.
(1) انظر "المقتنى في سرد الكنى" (1/ 71 رقم 228).

(2) انظر ترجمته في: "تهذيب الكمال" (2/ 197 رقم 242)، الجرح والتعديل (2/ 137 رقم 439)، والثقات لابن حبَّان (8/ 86).

ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" (বিশ্বস্ত ব্যক্তিগণ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং হাকিম আবু আহমদ তাকে "আল-কুনা" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

আমি বলি: আমি তার সম্পর্কে কোনো জার্হ (সমালোচনা) বা তা'দিল (প্রশংসা) পাইনি।

- ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আন-নিসাবুরী আস-সাইদালানী(1), আবু ইসহাক।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনে রাহাওয়াইহ আল-ইমাম আল-হাফিয (হাফিজ), এবং আব্দুর রহমান ইবনে আসওয়াদ ইবনে মা'মুল আল-কুরাশী আল-হাশিমী।

তার থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ ইবনে হানী।

- ইবরাহীম ইবনে মারযুক ইবনে দিনার আল-উমাবী, আবু ইসহাক আল-বাসরী, মিসরের অধিবাসী, উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর আযাদকৃত গোলাম (মাওলা)(2)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরী, আবু আসিম আন-নাবিল, হাব্বান ইবনে হিলাল, উমার ইবনে আবি রাযিন, আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস, ওয়াহাব ইবনে জারীর, আবু আমির সাঈদ ইবনে আমির, নাসর ইবনে যাকারিয়া, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ, এবং আবু আমির আল-উকাদী।

তার থেকে বর্ণনা করেছেন: আন-নাসাঈ, আবু আওয়ানা, এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাইদ।

দারাকুতনী বলেছেন: তিনি সিকাহ (বিশ্বস্ত), তবে তিনি ভুল করতেন, এবং তাকে বলা হলেও তিনি ফিরে আসতেন না (সংশোধন করতেন না)।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি তার থেকে (হাদীস) লিখেছি, এবং তিনি সিকাহ (বিশ্বস্ত) ও সাদুক (সত্যবাদী)।

এবং ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" (বিশ্বস্ত ব্যক্তিগণ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার জুমাদাল আখিরা মাসের চৌদ্দতম রাতে, দুই শত সত্তর হিজরীতে (২৭০ হি.) ইন্তেকাল করেন।
(1) দেখুন: "আল-মুকতানা ফি সারদিল কুনা" (১/ ৭১, নং ২২৮)।

(2) তার জীবনী দেখুন: "তাহযীবুল কামাল" (২/ ১৯৭, নং ২৪২), "আল-জারহ ওয়াত তা'দিল" (২/ ১৩৭, নং ৪৩৯), এবং ইবনে হিব্বানের "আস-সিকাত" (৮/ ৮৬)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
- إبراهيم بن منقذ بن إبراهيم بن عيسى الإمام الحجة الخولاني، أبو إسحاق مولاهم المصري العضفري(1).

روى عن: عبد الرحمن المقرئ، وعبد الله بن وهب، والمقبري، وأيوب بن سويد.

روى عنه: أبو محمَّد بن صاعد، وأبو العباس الأصم وجماعة.

قال أبو سعيد بن يونس: هو ثقة رِضًى.

مات في ربيع الآخر، سنة تسع وستين ومائتين.

- أحمد بن داود بن أبي نصر، أبو بكر القومسي السمناني(2).

روى عن: حرملة، وسويد بن سعيد، ووكيع، وبندار، وصفوان بن صالح الثقفي، ومحمد بن سليمان، وهشام بن عمار، وهدبة بن خالد، وعثمان بن أبي شيبة، ودهثم، وحرملة بن يحيى، ويونس.

روى عنه: محمَّد بن عمرو بن موسى العقيلي، وأبو العباس بن عبدة.

توفي سنة خمس وتسعين ومائتين.

- أحمد بن سلمة بن عبد الله النيسابوري البزاز(3)، أبو الفضل.

روى عن: عمرو بن زرارة، وإسحاق بن راهويه، وقتيبة بن سعيد، وأحمد بن عبدة الضبي، وعثمان بن أبي شيبة، ومحمد بن أسلم الطوسي.

روى عنه: أبو زرعة، وأبو حاتم، ومحمد بن مسلم بن وارة الرازيون.
(1) انظر ترجمته في: "سير أعلام النبلاء" (12/ 503 رقم 183).

(2) انظر "تاريخ بغداد" (4/ 141).

(3) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (2/ 54 رقم 69) "سير أعلام النبلاء" (13/ 373 رقم 174) "تاريخ بغداد" (4/ 186).

ইব্রাহিম ইবনে মুনকিজ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইসা, ইমাম হুজ্জাহ আল-খাওলানি, আবু ইসহাক, তাদের মাওলা, আল-মিসরি আল-আদফারি(1)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, আল-মাকবুরি, এবং আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ থেকে।

তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন: আবু মুহাম্মাদ ইবনে সা'ইদ, আবু আল-আব্বাস আল-আসাম এবং একদল লোক।

আবু সা'ঈদ ইবনে ইউনুস বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য।

তিনি দুইশত ঊনসত্তর (২৬৯) হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে ইন্তেকাল করেছেন।

- আহমাদ ইবনে দাউদ ইবনে আবি নাসর, আবু বকর আল-কুমসি আস-সামনানি(2)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: হারমালা, সুওয়াইদ ইবনে সা'ঈদ, ওয়াকি', বান্দার, সাফওয়ান ইবনে সালিহ আস-সাকাফি, মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান, হিশাম ইবনে আম্মার, হুদবাহ ইবনে খালিদ, উসমান ইবনে আবি শাইবাহ, দাহসাম, হারমালা ইবনে ইয়াহইয়া, এবং ইউনুস থেকে।

তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে মুসা আল-উকাইলি, এবং আবু আল-আব্বাস ইবনে আবদাহ।

তিনি দুইশত পঁচানব্বই (২৯৫) হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন।

- আহমাদ ইবনে সালামাহ ইবনে আবদুল্লাহ আন-নাইসাবুরি আল-বাজ্জাজ(3), আবু আল-ফাদল।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে জুরারাহ, ইসহাক ইবনে রাহুয়াহ, কুতাইবাহ ইবনে সা'ঈদ, আহমাদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি, উসমান ইবনে আবি শাইবাহ, এবং মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আত-তুসি থেকে।

তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন: আবু জুর'আহ, আবু হাতিম, এবং মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে ওয়ারা আল-রাযীগণ।
(1) তাঁর জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালার" (১২/৫০৩, সংখ্যা ১৮৩)।

(2) দেখুন: "তারিখু বাগদাদ" (৪/১৪১)।

(3) তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (২/৫৪, সংখ্যা ৬৯), "সিয়ারু আ'লামিন নুবালার" (১৩/৩৭৩, সংখ্যা ১৭৪), "তারিখু বাগদাদ" (৪/১৮৬)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
قال عبد الرحمن بن أبي حاتم: قدم علينا في حياة أبي فكتب عنه أبي ومحمد بن مسلم وكتبنا عنه. قال الذهبي: الحافظ الحجة العدل المأمون المجود، رفيق مسلم في الحجة.

توفي في غرة جمادى الآخرة، سنة ست وثمانين ومائتين.

- أحمد بن عبد الجبار العطاردي، أبو عمر الكوفي(1).

روى عن: حفص بن غياث.

روى عنه: أبو علي إسماعيل بن محمَّد الصفار، والحسين بن إسماعيل المحاملي، وأبو القاسم عبد الله بن محمَّد البغوي، وأبو العباس الأصم.

قال عنه أبو حاتم: كتبت عنه، وأمسكت عن الرواية عنه لكثرة كلام الناس فيه. وقال الحاكم: ليس بالقوي.

وقال الحافظ: ضعيف.

- أحمد بن المبارك المستملي النيسابوري(2)، لُقِّب بحكمويه.

روى عن: إسحاق بن إبراهيم.

روى عنه: أبو عمرو أحمد بن نصر الخفاف، ومحمد بن صالح بن هانئ

ومحمد بن داود الزاهد، وغيرهم.

قال الحاكم: كان مجاب الدعوة، راهب عصره.

توفي في جمادى الآخرة، سنة أربع وثمانين ومائتين.
(1) "تهذيب الكمال" (1/ 378 - 383).

(2) انظر "سير أعلام النبلاء" (13/ 373) وما بعدها. وانظر "المنتظم" (5/ 173)، و"تذكرة الحفاظ" (2/ 644)، و"شذرات الذهب" (2/ 186).

আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতেম বলেন: তিনি আমার পিতার জীবদ্দশায় আমাদের কাছে এসেছিলেন, তাই আমার পিতা এবং মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম তাঁর থেকে লিখেছেন, এবং আমরাও তাঁর থেকে লিখেছি। যাহাবি বলেন: তিনি ছিলেন হাফিজ (হাদিস মুখস্থকারী), হুজ্জাহ (প্রমাণস্বরূপ), আদল (ন্যায়পরায়ণ), মামুন (বিশ্বস্ত), মুজাওয়িদ (সুদক্ষ), হুজ্জাহর ক্ষেত্রে মুসলিমের সঙ্গী।

তিনি ২৮৬ হিজরির জুমাদা আল-আখিরা মাসের প্রথম দিনে ইন্তেকাল করেন।

- আহমাদ ইবনে আবদুল জাব্বার আল-আত্তারদি, আবু উমর আল-কুফি(1).

তিনি হাফস ইবনে গিয়াস থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার, আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি, আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ি, এবং আবুল আব্বাস আল-আসসাম।

আবু হাতেম তাঁর সম্পর্কে বলেন: আমি তাঁর থেকে লিখেছি, কিন্তু মানুষ তাঁর সম্পর্কে অনেক কথা বলার কারণে তাঁর থেকে বর্ণনা করা থেকে বিরত থেকেছি। আর হাকিম বলেন: তিনি শক্তিশালী ছিলেন না (হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল ছিলেন)।

আর হাফিজ বলেন: তিনি দুর্বল ছিলেন।

- আহমাদ ইবনে আল-মুবারাক আল-মুস্তামলি আন-নিসাপুরি(2), তাঁকে হাকামাওয়াইহ উপাধি দেওয়া হয়েছিল।

তিনি ইসহাক ইবনে ইবরাহিম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আমর আহমাদ ইবনে নাসর আল-খাফফাফ, এবং মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ ইবনে হানি

মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ আয-যাহিদ, এবং অন্যান্যরা।

হাকিম বলেন: তিনি ছিলেন দোয়া কবুল হওয়া ব্যক্তি (মুজাবুদ দাওয়া), এবং তাঁর যুগের সাধু।

তিনি ২৮৪ হিজরির জুমাদা আল-আখিরা মাসে ইন্তেকাল করেন।
(1) "তাহযিবুল কামাল" (১/৩৭৮ - ৩৮৩)।

(2) দেখুন "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৩/৩৭৩) ও তার পরের পৃষ্ঠাগুলো। এবং দেখুন "আল-মুনতাজাম" (৫/১৭৩), ও "তাযকিরাতুল হুফফাজ" (২/৬৪৪), ও "শাযারাতুয যাহাব" (২/১৮৬)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
- أحمد بن هارون بن روح، أبو بكر البرذعي، المعروف بالبرديجي(1).

روى عن: إبراهيم بن المنذر، وإسماعيل بن سالم، وأبي بشر بكر بن خلف. ولد سنة 230، أو قبلها وجمع وصنف وبرع في علم الأثر.

قال الدارقطني: ثقة مأمون جبل.

وقال الخطيب: كان ثقة فاضلًا، فهمًا حافظًا.

وقال صالح بن أحمد: صدوق من الحفاظ.

مات سنة 301 هـ.

- إسحاق بن إبراهيم بن عباد الصنعاني الدَّبَري(2).

راوية عبد الرزاق، سمع تصانيفه منه في سنة عشر ومائتين، باعتناء أبيه به، وكان حَدَثًا، فإن مولده - على ما ذكره الخليلي - في سنة خمس وتسعين ومائة، وسماعه صحيح.

حدث عنه: أبو عوانة، وأبو القاسم الطبري، وخلق كثير من المغاربة والرَّحّالة.

قال الحاكم:

سألت الدارقطني عن إسحاق الدبري: أيدخل في الصحيح؟ قال: إي والله، هو صدوق، ما رأيت فيه خلافًا.

احتج بالدبري أبو عوانة في صحيحه، وغيره، وأكثر عنه الطبراني.

مات بصنعاء في سنة خمس وثمانين ومائتين، وله تسعون سنة.
(1) انظر ترجمته في "تاريخ بغداد" (5/ 194).

(2) انظر ترجمته في: "السير" (13/ 416 رقم 203)، ميزان الاعتدال (1/ 181 رقم 731)، "لسان الميزان" (2/ 43 رقم 1099).

- আহমদ ইবনে হারুন ইবনে রুহ, আবু বকর আল-বারযাঈ, যিনি আল-বারদিজি(1) নামে পরিচিত।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির, ইসমাইল ইবনে সালিম এবং আবু বিশর বকর ইবনে খালাফ থেকে। তিনি ২৩০ হিজরিতে অথবা তার পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সংকলন ও রচনা করেছেন এবং আছার বিজ্ঞানে পারদর্শী ছিলেন।

দারাকুতনী বলেছেন: তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য এবং পর্বতের ন্যায় সুদৃঢ়।

আল-খাতিব বলেছেন: তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত, গুণী, বিচক্ষণ এবং হাফেজ (স্মৃতিশক্তিধর)।

সালেহ ইবনে আহমদ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী এবং হাফেজদের (হাদিস মুখস্থকারীদের) একজন।

তিনি ৩০১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

- ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আব্বাদ আস-সানআনী আদ-দাবারী(2)।

তিনি ছিলেন আব্দুর রাজ্জাকের বর্ণনাকারী। তার পিতা তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ায় তিনি আব্দুর রাজ্জাকের সংকলনগুলো ২১০ হিজরিতে তাঁর কাছ থেকে শুনেছেন। তখন তিনি ছিলেন কমবয়সী, কারণ তার জন্ম – যেমনটি আল-খলিলি উল্লেখ করেছেন – ১৯৫ হিজরিতে হয়েছিল, এবং তার শ্রবণ (হাদিস গ্রহণের পদ্ধতি) বিশুদ্ধ ছিল।

তার কাছ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবু আওয়ানা, আবুল কাসিম আত-তাবারি এবং মাগরেব ও বিভিন্ন স্থানের বহু সংখ্যক পর্যটক।

আল-হাকিম বলেছেন:

আমি দারাকুতনীকে ইসহাক আদ-দাবারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: তাঁর হাদিস কি সহীহ বলে বিবেচিত হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ, তিনি সত্যবাদী। আমি তার ব্যাপারে কোনো ভিন্নমত দেখিনি।

আবু আওয়ানা তার সহীহ গ্রন্থে দাবরির হাদিসকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন, এবং অন্যান্যরাও। আত-তাবরানী তার থেকে প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন।

তিনি সানআতে ২৮৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, তখন তার বয়স ছিল ৯০ বছর।
(1) তার জীবনী দেখুন "তারিখ বাগদাদ" (৫/ ১৯৪)-এ।

(2) তার জীবনী দেখুন: "আস-সিয়ার" (১৩/ ৪১৬ নং ২০৩), "মিজানুল ই'তিদাল" (১/ ১৮১ নং ৭৩১), "লিসানুল মিজান" (২/ ৪৩ নং ১০৯৯)-এ।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
- إسماعيل بن قتيبة بن عبد الرحمن(1).

هو الإمام القدوة، المحدث الحجة، أبو يعقوب السلمي النيسابوري.

روى عن: يحيى بن يحيى، وأبي بكر بن أبي شيبة.

روى عنه: إبراهيم بن أبي طالب، وابن خزيمة، وأبو العباس السراج، وخلق كثير. قال الحاكم: قرأ إسماعيل على ابن أبي شيبة المصنفات كلها، وهي أجَلُّ رواية عندنا لابن أبي شيبة. توفي في رجب، سنة أربع وثمانين ومائتين.

- بكار بن قتيبة بن أسد بن عبيد الله بن بشير ابن صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أبي بكرة نفيع بن الحارث الثقفي(2).

روى عن: أبي عاصم النبيل، وعفان بن مسلم الصفار، وروح بن عبادة، وأبي داود الطيالسي، ومؤمل بن إسماعيل، وإبراهيم بن بشار الرمادي، وسعيد بن عامر، ووهب بن جرير.

قال الذهبي: هو القاضي الكبير العلامة المحدث الفقيه الحنفي. . كان عظيم الحرمة، وافر الجلالة، من العلماء العاملين، كان السلطان ينزل إليه ويحضر مجلسه.

توفي في ذي الحجة سنة سبعين ومائتين. وعاش تسعًا وثمانين سنة.

- حاتم بن منصور الشاشي.

روى عن الحميدي وأكثر عنه. ولم نظفر بترجمة له، وقد روى عنه العقيلي في "ضعفائه"(3) ونسبه في الموضع الثاني إلى الشاشي، وفي
(1) انظر ترجمته في: "سير أعلام النبلاء" (13/ 344 رقم 160).

(2) انظر ترجمته في: "سير أعلام النبلاء" (12/ 599 رقم 229).

(3) "الضعفاء" (2/ 108/ 173).

ইসমাইল ইবনে কুতাইবা ইবনে আবদুর রহমান(1).

তিনি ছিলেন অনুসরণীয় ইমাম, নির্ভরযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী, আবু ইয়াকুব আস-সুলামী আন-নিশাপুরী।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইয়াহিয়া ইবনে ইয়াহিয়া এবং আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে।

তার থেকে বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি তালিব, ইবনে খুযাইমা, আবুল আব্বাস আস-সাররাজ এবং আরও অনেকে। আল-হাকিম বলেছেন: ইসমাইল ইবনে আবি শাইবা থেকে তাঁর সমস্ত সংকলন পড়েছেন, যা আমাদের কাছে ইবনে আবি শাইবার সবচেয়ে মূল্যবান বর্ণনা। তিনি ২৮৪ হিজরীর রজব মাসে ইন্তেকাল করেন।

বাক্কার ইবনে কুতাইবা ইবনে আসাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে বশির, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী আবু বাকরা নুফাই ইবনে আল-হারিছ আস-সাকাফীর পুত্র(2).

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু আসিম আন-নাবিল, আফফান ইবনে মুসলিম আস-সাফফার, রুহ ইবনে উবাদা, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, মু'আম্মাল ইবনে ইসমাইল, ইব্রাহিম ইবনে বশশার আর-রামাদী, সাঈদ ইবনে আমির এবং ওয়াহাব ইবনে জারির থেকে।

আয-যাহাবী বলেছেন: তিনি ছিলেন মহান বিচারপতি, সর্বজ্ঞ আলেম, হাদিস বর্ণনাকারী, ফকিহ এবং হানাফী মাযহাবের অনুসারী। তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ও প্রতাপশালী ছিলেন, কর্মঠ আলেমদের অন্যতম ছিলেন। সুলতান তাঁর কাছে নেমে আসতেন এবং তাঁর মজলিসে উপস্থিত হতেন।

তিনি ২৭০ হিজরীর যিলহজ্ব মাসে ইন্তেকাল করেন। তিনি ঊননব্বই বছর বেঁচে ছিলেন।

হাতেম ইবনে মানসুর আশ-শাশী।

তিনি আল-হুমাইদী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা রয়েছে। আমরা তাঁর কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি। আল-উকাইলি তাঁর "আয-যুয়াফা"(3) গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং দ্বিতীয় স্থানে তাঁর বংশপরিচয়কে আশ-শাশীর সাথে সম্পর্কিত করেছেন এবং এতে
(1) তার জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (১৩/৩৪৬, ক্রমিক নং ১৬০)।

(2) তার জীবনী দেখুন: "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (১২/৫৯৯, ক্রমিক নং ২২৯)।

(3) "আয-যুয়াফা" (২/১০৮/১৭৩)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
الموضعين روايته عن الحميدي. وذكره ابن عساكر في "تاريخه"(1) في سياق بعض أسانيده، وقال نزيل مكة، وكنَّاه: أبا سعيد.

قلت: وفي "الثقات" لابن حبَّان(2) ترجم لآخر وقال: حاتم بن عبدة بن موسى أبو سعيد الشاشي، يروي عن علي بن حجر والناس، توفي سنة إحدى وتسعين ومائتين. اهـ بتصرف.

وأخشى أن يكون هذا هو صاحبنا إن لم يكن ثمَّ تصحيف أو سقط، فقد اتفق معه في نسبته وكنيته. وقال المعلق على "الثقات": لم نظفر به، والله أعلم.

- حاتم بن يونس الحافظ الجرجاني، يعرف بابن أبي الليث الجوهري(3).

روى عن: موسى بن السندي، ودحيم، وأحمد بن يونس، والملاحقي، ويحيى بن عبد الحميد.

روى عنه: محمَّد بن مخلد العطار، ومحمد بن محمَّد الباغندي، ومحمد بن إبراهيم الأصفهاني، ومحمَّد بن أحمد الزهري.

كان من الحفاظ، قدم أصبهان.

- حامد بن أبي حامد أبو علي النيسابوري(4)، واسم أبي حامد (محمَّد).

روى عن: إسحاق بن سليمان الرازي، وحماد بن محمَّد.
(1) "تاريخ دمشق" (7/ 427).

(2) "الثقات" (8/ 212).

(3) انظر ترجمته في: "تاريخ جرجان" (203 رقم 297)، "ذكر أخبار أصبهان" (1/ 297).

(4) انظر "سير أعلام النبلاء" (16/ 16، 17).

উভয় স্থানে তাঁর বর্ণনা আল-হুমাইদীর সূত্রে। এবং ইবনু আসাকির তাঁর "তারীখ" (ইতিহাস) গ্রন্থে(1) তাঁর কিছু সনদ (বর্ণনার ধারা)-এর প্রসঙ্গে তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি মক্কার অধিবাসী ছিলেন, আর তাঁকে আবু সাঈদ উপনামে (কুনিয়াত) ভূষিত করেন।

আমি বলি: ইবনু হিব্বানের "আস-সিকাত" (বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীদের গ্রন্থ)(2) গ্রন্থে তিনি অন্য একজনের জীবনী সংকলন করেন এবং বলেন: হাতিম ইবনু আবদা ইবনু মূসা আবু সাঈদ আশ-শাশী, তিনি আলী ইবনু হাজার ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ২৯১ হিজরী সনে ইন্তেকাল করেন। (মূল থেকে) সংক্ষেপিত।

আমার আশঙ্কা হয় যে ইনিই আমাদের আলোচ্য ব্যক্তি, যদি না কোনো পাঠ-বিকৃতি (তাসহীফ) বা বাদ পড়া (সাক্বত) হয়ে থাকে, কারণ তাঁর নিসবাত (বংশগত পরিচয়) ও কুনিয়াত (উপনাম) এতে মিলে গেছে। আর "আস-সিকাত" গ্রন্থের টীকাকার বলেছেন: আমরা তাঁকে খুঁজে পাইনি, আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।

- হাতিম ইবনু ইউনুস আল-হাফিয আল-জুরজানী, তিনি ইবনু আবিল লাইস আল-জাওহারী নামে পরিচিত(3)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: মূসা ইবনুস সিন্দি, দুহায়ম, আহমাদ ইবনু ইউনুস, আল-মুলহাকি এবং ইয়াহইয়া ইবনু আবদিল হামিদ থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনু মাখলাদ আল-আত্তার, মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ আল-বাগুনদি, মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম আল-ইসফাহানী এবং মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ আয-যুহরী।

তিনি হাফিযদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং ইসফাহানে এসেছিলেন।

- হামিদ ইবনু আবী হামিদ আবু আলী আন-নয়সাপুরী(4), এবং আবী হামিদের (তাঁর পিতার) নাম (মুহাম্মাদ)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইসহাক ইবনু সুলাইমান আর-রাযী এবং হাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ থেকে।


(1) "তারীখ দিমাশক" (৭/ ৪২৭)।

(2) "আস-সিকাত" (৮/ ২১২)।

(3) তাঁর জীবনী দেখুন: "তারীখ জুরজান" (২০৩, নং ২৯৭), "যিকর আখবার ইসফাহান" (১/ ২৯৭)।

(4) দেখুন "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা" (১৬/ ১৬, ১৭)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وروى عنه: أبو عبد الله الحاكم، والقاضي أبو منصور بن الأزدي، وابن الجارودي.

قال الحافظ أبو بشر الهروي: ثقة صالح، ووثقه الخطيب أيضًا.

توفي بهراة في شهر رمضان سنة ست وخمسين وثلاثمائة.

- حامد بن محمود بن حرب النيسابوري، أبو علي مقدم القراء بنيسابور(1).

قال الذهبي عنه: لا أعرف شيوخه في القراءة.

سمع من: إسحاق بن سليمان الرازي.

روى عنه: أبو طاهر المحمد أباذي، وابن الأخرم، وخلق سواهما.

ذكره ابن حبَّان في "الثقات"(2). مات سنة ست وستين ومائتين.

- الحسن بن سفيان النسوي الحافظ(3).

روى عن: عبد الله بن نمير.

قال ابن أبي حاتم: كتب إليَّ وهو صدوق. قال الذهبي: ثقة، مسند، ما علمت به بأسًا. توفي سنة ثلاث وثلاثمائة.

- الحسن بن علي بن عفان البزار(4)، أبو محمَّد.

روى عن: عبد الله بن نمير، وأبي أسامة، الحسن بن عطية، وأسباط بن محمَّد.
(1) "طبقات القراء" (1/ 87).

(2) "ثقات ابن حبَّان" (8/ 219).

(3) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (3/ 16 رقم 60)، وميزان الاعتدال (2/ 492 رقم 1853) والثقات لابن حبَّان (8/ 171).

(4) انظر ترجمته في "تهذيب الكمال" (6/ 257 - 259) والجرح والتعديل (3/ 22/ 90) وسير أعلام النبلاء (13/ 24 رقم 15).

এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম, কাজি আবু মনসুর ইবনুল আযদি, এবং ইবনুল জারুদি।

হাফেয আবু বিশর আল-হারাবি বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত ও সৎ ছিলেন। খতিবও তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন।

তিনি হেরাতে রমজান মাসে তিনশত ছাপ্পান্ন (৩৫৬) সনে ইন্তেকাল করেন।

- হামিদ ইবনে মাহমুদ ইবনে হারব আন-নাইসাবুরি, আবু আলী, নাইসাবুরের ক্বারিগণের প্রধান(1)।

যাহাবি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: ক্বিরাত বিষয়ে আমি তাঁর শিক্ষকদের (শায়খদের) জানি না।

তিনি শুনেছেন: ইসহাক ইবনে সুলায়মান আর-রাযী থেকে।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু তাহির আল-মুহাম্মাদ আবাযি, ইবনুল আখরাম, এবং তাঁদের দুজন ছাড়া আরও অনেকে।

ইবনে হাব্বান তাঁকে "আস-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন(2)। তিনি দুইশত ছেষট্টি (২৬৬) সনে ইন্তেকাল করেন।

- হাসান ইবনে সুফিয়ান আন-নাসাওয়ি, আল-হাফেয(3)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: তিনি আমাকে পত্র লিখেছিলেন এবং তিনি ছিলেন সত্যবাদী। যাহাবি বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত, মুসনাদ ছিলেন, আমি তাঁর মধ্যে কোনো দুর্বলতা দেখিনি। তিনি তিনশত তিন (৩০৩) সনে ইন্তেকাল করেন।

- হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আল-বাজ্জার(4), আবু মুহাম্মাদ।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর, আবু উসামা, হাসান ইবনে আতিয়া, এবং আসবাত ইবনে মুহাম্মাদ থেকে।


(1) "তাবাকাতুল কুররা" (১/৮৭)।

(2) "সিকাত ইবনে হাব্বান" (৮/২১৯)।

(3) তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (৩/১৬, ক্রমিক নং ৬০), "মিযানুল ই'তিদাল" (২/৪৯২, ক্রমিক নং ১৮৫৩) এবং ইবনে হাব্বানের "আস-সিকাত" (৮/১৭১)-এ।

(4) তাঁর জীবনী দেখুন: "তাহযিবুল কামাল" (৬/২৫৭-২৫৯), "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (৩/২২, ক্রমিক নং ৯০) এবং "সিয়ারু আ'লামিন নুব্বালা" (১৩/২৪, ক্রমিক নং ১৫)-এ।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
روى عنه: ابن ماجه، وعبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي، ومحمد بن إسحاق الثقفي السراج، وخلق سواهم.

قال عنه ابن أبي حاتم: صدوق، ووثقه الدارقطني.

مات لليلة خلت من صفر سنة سبعين ومائتين.

- حمدان بن رجاء السندي، كذا ولعل الصواب محمَّد بن محمَّد بن رجاء.

روى عن: أحمد بن حنبل، وسريج بن يونس.

قلت: روى عنه المصنف، ولم يكثر عنه وأخشى أن يكون تصحف اسمه، ولعل الصواب: محمَّد بن محمَّد بن رجاء. وهي طبقته، وقد ترجم له ابن أبي حاتم بهذا الاسم في "الجرح والتعديل" (8/ 87) وقال: صدوق. والذهبي في "السير" (13/ 492) وقال: قال الحاكم: كان ديِّنًا ثبتًا مقدمًا في عصره.

وابن عساكر في "تاريخ دمشق" (55/ 162 - 163).

وهناك آخر يسمى حمدان بن رجاء بن شجاع، لكن نسب إلى النيسابوري وليس السندي وقد ترجمه الذهبي في "تاريخ الإِسلام" (5/ 134) ويغلب على ظني أن الصواب هو محمَّد بن محمَّد بن رجاء والعلم عند الله.

- خشنام بن إسماعيل(1).

روى عن: حسين بن عيسى البسطامي، والقاسم بن محمَّد بن عباد.

قال أبو عبد الله الحافظ: خشنام بن إسماعيل بن منيب أبو بكر النيسابوري من المتقنين الأثبات.
(1) "تاريخ دمشق" (16/ 378 - 379).

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবন মাজাহ, আব্দুর রহমান ইবন আবী হাতিম আর-রাযী, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আস-সাক্বাফী আস-সাররাজ, এবং তাঁদের ব্যতীত আরও অনেকে।

ইবন আবী হাতিম তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি সত্যবাদী, এবং দারাকুতনী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তিনি দুশো সত্তর (২৭০) হিজরী সনের সফর মাসের এক রাত বাকি থাকতে ইন্তেকাল করেন।

- হামদান ইবন রাজা আস-সিন্দী, এমনটাই (উল্লেখিত), সম্ভবত সঠিক হলো মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন রাজা।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবন হাম্বল, এবং সুরেইজ ইবন ইউনুস থেকে।

আমি বলি: লেখক তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে বেশি বর্ণনা করেননি। আমি আশঙ্কা করি যে তাঁর নাম বিকৃত হয়ে গেছে, এবং সম্ভবত সঠিক হলো: মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন রাজা। তিনি তাঁর সমসাময়িক, এবং ইবন আবী হাতিম এই নামেই তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (৮/৮৭) গ্রন্থে, এবং বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। আর যাহাবী "আস-সিয়ার" (১৩/৪৯২) গ্রন্থে বলেছেন: হাকিম বলেছেন: তিনি তাঁর যুগে ধার্মিক, দৃঢ়চেতা এবং অগ্রগণ্য ছিলেন।

এবং ইবন আসাকির "তারিখ দামেশক" (৫৫/১৬২-১৬৩) গ্রন্থে (তাঁর উল্লেখ করেছেন)।

এবং অন্য একজন হামদান ইবন রাজা ইবন শুজা' নামে আছেন, কিন্তু তিনি নিসাবুরী হিসেবে পরিচিত, সিন্দী হিসেবে নন। যাহাবী তাঁর জীবনী "তারিখুল ইসলাম" (৫/১৩৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এবং আমার প্রবল ধারণা যে সঠিক হলো মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন রাজা, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

- খুশনাম ইবন ইসমাঈল(1)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: হুসাইন ইবন ঈসা আল-বাসতামি, এবং কাসিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্বাদ থেকে।

আবূ আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ বলেছেন: খুশনাম ইবন ইসমাঈল ইবন মুনীব আবূ বকর আন-নিসাবুরী ছিলেন নিপুণ ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের একজন।
(1) "তারিখ দামেশক" (১৬/৩৭৮-৩৭৯)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
- الربيع بن سليمان(1)، هو الربيع بن سليمان بن عبد الجبار بن كامل المرادي، مولاهم أبو محمَّد المصري المؤذن صاحب الشافعي.

روى عن: الشافعي، وعبد الله بن وهب، وحجاج بن إبراهيم الأزرق، وأسد بن موسى، وبشر بن بكر التنِّيسي.

قال أبو حاتم الرازي: صدوق، وقال عبد الرحمن بن أبي حاتم: صدوق ثقة، وقال النسائي. لا بأس به. وذكره ابن حبَّان في "الثقات".

توفي يوم الآثنين لعشر بقين من شوَّال سنة سبعين ومائتين، وكان مولده سنة أربع وسبعين ومائتين.

- زكريا بن داود بن بكر، أبو يحيى الخفاف النيسابوري(2).

روى عن: ابن أبي عمر، وأبي بكر الصاغاني، وأبي بكر بن أبي شيبة، وأبي صالح، وأبي ميسرة، وأحمد بن الخليل، وأحمد بن سعيد، وأحمد بن عبدة، وأحمد بن عمرو، وأحمد بن منصور الرمادي، وأحمد بن منيع، وأحمد بن نصر، وإسحاق البسطامي، والحسن بن أبي الربيع، والحسن بن إسحاق العطار، والحسن بن عمر بن شقيق، والحسن بن محمَّد الزعفراني، والحسن بن يحيى، وحسين بن علي الحلواني، وحميد، والدارميُّ، وسعيد بن منصور، وسعيد بن يعقوب، وعباس بن محمَّد الدوري، وعبد الرحمن بن
(1) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (3/ 464 رقم 2083)، تهذيب الكمال (9/ 87 رقم 1864)، وسير أعلام النبلاء (12/ 587 رقم 222)، الثقات (8/ 240).

(2) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (3/ 602 رقم 2721) تاريخ بغداد (8/ 462 رقم 4578).

রাবী' ইবনে সুলাইমান(1), তিনি হলেন রাবী' ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে কামিল আল-মুরাদী, তাঁদের মাওলা (মুক্ত করা দাস) আবু মুহাম্মাদ আল-মিসরী আল-মুআযযিন, ইমাম শাফেঈর ছাত্র।

তিনি বর্ণনা করেছেন: শাফেঈ, আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, হাজ্জাজ ইবনে ইব্রাহিম আল-আযরাক, আসাদ ইবনে মূসা, এবং বিশর ইবনে বকর আত-তান্নীসীর সূত্রে।

আবু হাতেম আর-রাযী বলেছেন: সত্যবাদী (সাদুক)। আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতেম বলেছেন: সত্যবাদী, নির্ভরযোগ্য (সাদুক সিকাহ)। আন-নাসাঈ বলেছেন: তার ব্যাপারে কোনো সমস্যা নেই (লা বা'সা বিহ)। ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

তিনি দুইশো সত্তর (২৭০) হিজরির শাওয়াল মাসের শেষ দশ দিনে (দশ দিন বাকি থাকতে) সোমবার ইন্তেকাল করেন। তার জন্ম দুইশো চুয়াত্তর (২৭৪) হিজরিতে হয়েছিল।

যাকারিয়া ইবনে দাউদ ইবনে বকর, আবু ইয়াহইয়া আল-খাফাফ আন-নায়সাবূরী(2)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি উমার, আবু বকর আস-সাগানী, আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আবু সালিহ, আবু মাইসারাহ, আহমদ ইবনে আল-খালিল, আহমদ ইবনে সাঈদ, আহমদ ইবনে আবদা, আহমদ ইবনে আমর, আহমদ ইবনে মানসূর আর-রামাদী, আহমদ ইবনে মানী', আহমদ ইবনে নাসর, ইসহাক আল-বাসতামী, আল-হাসান ইবনে আবি আর-রাবী', আল-হাসান ইবনে ইসহাক আল-আত্তার, আল-হাসান ইবনে উমার ইবনে শাকীক, আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আয-জা'ফারানী, আল-হাসান ইবনে ইয়াহইয়া, হুসাইন ইবনে আলী আল-হুলওয়ানী, হুমাইদ, আদ-দারিমী, সাঈদ ইবনে মানসূর, সাঈদ ইবনে ইয়া'কুব, আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাওরী এবং আব্দুর রহমান ইবনে


(1) তার জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (৩/ ৪৬৪ নং ২০৮৩), "তাহযীবুল কামাল" (৯/ ৮৭ নং ১৮৬৪), "সিয়ারু আ'লামিন নুবলা" (১২/ ৫৮৭ নং ২২২) এবং "আস-সিকাত" (৮/ ২৪০)।

(2) তার জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল" (৩/ ৬০২ নং ২৭২১) এবং "তারীখু বাগদাদ" (৮/ ৪৬২ নং ৪৫৭৮)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣١)
مهدي، وعبد الله بن الجراح، وعبيد الله بن محمَّد بن يزيد، وعبد الوهاب الأصم، وعبيد الله بن المنادي، وعبيد الله بن سعد، ومحمد بن أبان، ومحمد بن أحمد بن نصر، ومحمد بن إدريس، ومحمد بن إسحاق الصاغاني، ومحمد بن المثنى أبو موسى، ومحمد بن بشار بندار، ومحمد بن حميد، ومحمد بن حيويه، ومحمد بن رافع، ومحمد بن عبد الهادي، ومحمد بن عبيد الله، ومحمد بن فضيل، ومحمد بن نافع، ومحمد بن يحيى، وهارون بن عبد الله، ويحيى بن يحيى، ويزيد بن صالح.

وثقه ابن أبي حاتم والخطيب.

توفي يوم الاثنين، ودفن يوم الثلائاء لأربع بقين من جمادى الآخرة، سنة ست وثمانين ومائتين.

- سعد(1) بن عبد الله بن عبد الحكم(2).

روى عن: أبي زرعة وهب الله بن راشد، ويحيى بن حسان التنِّيسي، وعبد الله بن نافع الصائغ، وعلي بن جعفر بن محمَّد، وعبد الملك الماجشون. قال أبو حاتم عنه: مصري صدوق.

مات يوم الأحد، (18) من رجب، سنة (268) هجرية.

- سليمان بن داود الخفاف، أبو داود من أهل نيسابور(3).

روى عن: القعنبي عبد الله بن مسلمة.
(1) تصحف اسمه في "الأصل" مرة إلى: "عبيد"، وأخرى إلى: "سعيد".

(2) انظر "مغاني الأخيار" (793) و"الجرح والتعديل" (4/ 92).

(3) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (4/ 115 رقم 500) "سير أعلام النبلاء" (10/ 677) "الثقات" (8/ 282).

মাহদি, এবং আবদুল্লাহ ইবনুল জাররাহ, এবং উবায়দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযীদ, এবং আবদুল ওয়াহহাব আল-আস্সাম, এবং উবায়দুল্লাহ ইবনুল মুনাদী, এবং উবায়দুল্লাহ ইবন সা'দ, এবং মুহাম্মাদ ইবন আবান, এবং মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন নাস্র, এবং মুহাম্মাদ ইবন ইদ্রীস, এবং মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আস-সাগানী, এবং মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আবু মূসা, এবং মুহাম্মাদ ইবন বাশশার বান্দার, এবং মুহাম্মাদ ইবন হুমাইদ, এবং মুহাম্মাদ ইবন হায়ওয়াইহ, এবং মুহাম্মাদ ইবন রাফি', এবং মুহাম্মাদ ইবন আবদিল হাদি, এবং মুহাম্মাদ ইবন উবায়দুল্লাহ, এবং মুহাম্মাদ ইবন ফুদাইল, এবং মুহাম্মাদ ইবন নাফি', এবং মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া, এবং হারুন ইবন আবদুল্লাহ, এবং ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া, এবং ইয়াযীদ ইবন সালিহ।

ইবনু আবী হাতিম এবং আল-খাতীব তাকে নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

সোমবার তার মৃত্যু হয় এবং জুমাদাল আখিরাহর চার দিন বাকি থাকতে দু'শ ছিয়াশি (২৮৬) হিজরি সনে মঙ্গলবার তাকে দাফন করা হয়।

- সা'দ(1) ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল হাকাম(2)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু যুর'আহ ওয়াহাবুল্লাহ ইবন রাশিদ, ইয়াহইয়া ইবন হাসসান আত-তুন্নীসি, আবদুল্লাহ ইবন নাফি' আস-সায়িগ, আলী ইবন জা'ফর ইবন মুহাম্মাদ এবং আবদুল মালিক আল-মাজিশুন থেকে। আবু হাতিম তার সম্পর্কে বলেছেন: "মিসরি, বিশ্বস্ত।"

(২৬৮) হিজরি সনে রজবের ১৮ তারিখে রবিবার তার মৃত্যু হয়।

- সুলাইমান ইবন দাউদ আল-খাফ্ফাফ, আবু দাউদ নিশাপুরের অধিবাসী(3)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আল-কা'নাবী আবদুল্লাহ ইবন মাসলামাহ থেকে।


(1) মূল কিতাব ("আল-আসল")-এ তার নাম একবার "উবায়দ" এবং আরেকবার "সা'ঈদ" হিসেবে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে।

(2) দেখুন: "মাগানী আল-আখিয়ার" (৭৯৩) এবং "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (৪/৯২)।

(3) তার জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (৪/১১৫, নং ৫০০), "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা'" (১০/৬৭৭), "আস-সিকাত" (৮/২৮২)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣٢)
قال ابن أبي حاتم: صدوق، وذكره ابن حبَّان في "الثقات".

- سليمان بن شعيب بن سليمان بن سليم بن كيسان الكلبي أبو محمَّد، يعرف بالكيساني، من أهل مصر(1).

روى عن: أسد بن موسى(2)، ويحيى بن حسان(3)، و [بشر](4) بن بكر(5)، والمقرئ.

وثقه السمعاني.

- سهل بن عمار(6)، هو أبو يحيى العتكي النيسابوري القاضي الحنفي.

روى عن: محمَّد بن عبيد الطنافسي، واليسع بن سعدان، وعبد الوهاب بن عطاء، وحفص بن عبد الله، ومحمد بن مصعب القرقساني، وحجاج بن محمَّد، ويزيد بن هارون، وعمر بن عبد الله.

قال الذهبي: متهم. كذبه الحاكم.

توفي سنة (267) هـ.
(1) انظر ترجمته في: "أخبار أبي حنيفة وأصحابه" للصميري (142)، و"الأنساب" للسمعاني (4/ 677)، و"طبقات الفقهاء" للشيرازي (139)، و"الجواهر المضية" (1/ 252)، و"اللباب في تهذيب الأنساب" (3/ 125)، و"إنجاء الوطن عن الازدراء بإمام الزمن " (137).

(2) "الأنساب" (4/ 677).

(3) انظر "شرح معاني الآثار" (1/ 86).

(4) تصحفت في "الأصل" إلى: بعثر. والصواب هو المثبت، وانظر ترجمته في "الجرح والتعديل" (2/ 352). وقد نبهنا على ذلك في موضعه.

(5) انظر "سير أعلام النبلاء" (9/ 508).

(6) انظر ترجمته في: "الميزان" (2/ 240) "السير" (13/ 32، 33)، و"اللسان" (3/ 121)، "الجواهر المضية" (1/ 253)، "إنجاء الوطين" (137، 138).

ইবনে আবি হাতেম বলেছেন: নির্ভরযোগ্য। এবং ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" (الثقات) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

- সুলায়মান ইবনে শুয়াইব ইবনে সুলায়মান ইবনে সুলাইম ইবনে কাইসান আল-কালবী আবু মুহাম্মাদ, যিনি কাইসানী নামে পরিচিত এবং মিসরের অধিবাসী ছিলেন(1)।

তিনি রেওয়ায়েত করেছেন: আসাদ ইবনে মূসা(2), ইয়াহিয়া ইবনে হাসসান(3), এবং [বিশর্](4) ইবনে বকর(5), ও আল-মুকরীর কাছ থেকে।

সাম'আনী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

- সাহল ইবনে আম্মার(6), তিনি আবু ইয়াহিয়া আল-আতিকী আন-নিসাবুরী, হানাফী কাজী (বিচারক) ছিলেন।

তিনি রেওয়ায়েত করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আত-তানাফিসী, আল-ইয়াসা' ইবনে সা'দান, আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আতা, হাফস ইবনে আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ ইবনে মুস'আব আল-কারকাসানী, হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মাদ, ইয়াযিদ ইবনে হারুন, এবং উমার ইবনে আবদুল্লাহ-এর কাছ থেকে।

যাহাবী বলেছেন: অভিযুক্ত (সন্দেহভাজন)। হাকেম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।

তিনি ২৬৭ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(1) তার জীবনী দেখুন: সামাইরীর "আখবার আবি হানীফা ওয়া আসহাবুহু" (أخبار أبي حنيفة وأصحابه) (পৃ. ১৪২), সাম'আনীর "আল-আনসাব" (الأنساب) (৪/৬৭৭), শীরাযীর "তাবাকাতুল ফুকাহা" (طبقات الفقهاء) (পৃ. ১৩৯), "আল-জাওয়াহিরুল মুদিয়্যাহ" (الجواهر المضية) (১/২৫২), "আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব" (اللباب في تهذيب الأنساب) (৩/১২৫), এবং "ইনজাউল ওয়াতান আনিল ইযদিরা' বি ইমামিয যামান" (إنجاء الوطن عن الازدراء بإمام الزمن) (পৃ. ১৩৭)-এ।

(2) "আল-আনসাব" (الأنساب) (৪/৬৭৭)।

(3) দেখুন "শারহু মা'আনিল আসার" (شرح معاني الآثار) (১/৮৬)।

(4) "আল-আসল" (الأصل) (মূল গ্রন্থ)-এ এটি "বা'ছার" (بعثر) রূপে বিকৃত হয়েছে। সঠিক হল যা এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তার জীবনী দেখুন "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (الجرح والتعديل) (২/৩৫২)-এ। আমরা যথাস্থানে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

(5) দেখুন "সিয়ার আ'লামিন নুবালা" (سير أعلام النبلاء) (৯/৫০৮)।

(6) তার জীবনী দেখুন: "আল-মিযান" (الميزان) (২/২৪০), "আস-সিয়ার" (السير) (১৩/৩২, ৩৩), "আল-লিসান" (اللسان) (৩/১২১), "আল-জাওয়াহিরুল মুদিয়্যাহ" (الجواهر المضية) (১/২৫৩), "ইনজাউল ওয়াতীন" (إنجاء الوطين) (পৃ. ১৩৭, ১৩৮)-এ।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣٣)
- طاهر بن عمرو بن الربيع بن طارق(1).

روى عن: عمرو بن الربيع بن طارق.

مات لتسع عشرة خلت من ذي الحجة سنة خمس وتسعين ومائتين، وقيل سنة خمس وسبعين ومائتين. وهو أحد مشايخ أبي جعفر الطحاوي، روى عنه في كتابه "مشكل الآثار".

- عباس بن محمَّد الدوري(2)، أبو الفضل عباس بن محمَّد بن حاتم بن واقد الدوري ثمَّ البغدادي مولى بني هاشم أحد الأثبات المُصَنِّفين، هو راوي "تاريخ ابن معين".

روى عن: سعيد بن عامر الضبعي، وأبي عاصم النبيل، وأسود بن عامر شاذان، وأبي الجواب أحوص بن جواب، وأبي النعمان عارم.

قال أبو حاتم الرازي: صدوق. وقال النسائي: ثقة.

مات يوم الثلاثاء بالعشي لخمس عشرة خلت من صفر سنة إحدى وسبعين ومائتين، وقد بلغ (88) سنة.

- عبد الرحمن بن عمر بن يزيد بن كثير الزهري(3)، أبو الحسن الأصبهاني.

روى عن: عبد الله بن عمر الغامدي. قال عنه أبو حاتم: صدوق. ولد سنة ثمان وثمانين ومائة، ومات سنة خمسين ومائتين، وقيل سنة خمس وخمسين ومائتين، وقيل سنة ست وأربعين ومائتين.
(1) "إكمال الكمال" (2/ 385)، "ومغاني الأخيار" (3/ 450).

(2) "تهذيب الكمال" (14/ 245 - 249)، و"السير" (12/ 522)، و"تهذيب التهذيب" (3/ 87)، و"الجرح والتعديل" (6/ 1189).

(3) "تهذيب الكمال" (17/ 296 - 299).

- তাহির ইবনে আমর ইবনে রবি ইবনে তারিক(1).

তিনি বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে রবি ইবনে তারিক থেকে।

২৯৫ হিজরির যুলহাজ্জ মাসের উনিশ তারিখে তিনি ইন্তেকাল করেন। কেউ কেউ বলেন, ২৭৫ হিজরিতে। তিনি আবু জা'ফর আত-তাহাওয়ীর অন্যতম উস্তাদ ছিলেন। আত-তাহাওয়ী তাঁর "মুশকিলুল আসার" (Mushkil al-Athar) গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

- আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাওরি(2), আবুল ফাযল আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম ইবনে ওয়াকিদ আদ-দাওরি, অতঃপর আল-বাগদাদি, বনু হাশিমের মাওলা। তিনি নির্ভরযোগ্য (আছবাত) সংকলকদের একজন। তিনি "তারিখ ইবনে মাঈন" (Tarikh Ibn Ma'in) গ্রন্থের রাবী (বর্ণনাকারী)।

তিনি বর্ণনা করেছেন: সাঈদ ইবনে আমির আদ-দাবাই, আবু আসিম আন-নাবিল, আসওয়াদ ইবনে আমির শাযান, আবুল জাওয়াব আহওয়াস ইবনে জাওয়াব এবং আবুল নু'মান আরিম থেকে।

আবু হাতিম আর-রাযী বলেছেন: তিনি সাদুক (সত্যবাদী)। আন-নাসাঈ বলেছেন: তিনি ছিকা (বিশ্বস্ত)।

২৭১ হিজরির সফর মাসের পনেরো তারিখে (১৫ সফর) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

- আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে ইয়াযিদ ইবনে কাসির আয-যুহরি(3), আবুল হাসান আল-আসফাহানি।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-গামিদি থেকে। আবু হাতিম তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: সাদুক (সত্যবাদী)। তাঁর জন্ম ১৮৮ হিজরিতে। তিনি ২৫০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। কেউ কেউ বলেন, ২৫৫ হিজরিতে। আবার কেউ কেউ বলেন, ২৪৬ হিজরিতে।


(1) "ইকমালুল কামাল" (২/৩৮৫), এবং "মাগানিউল আখইয়ার" (৩/৪৫০)।

(2) "তাহযিবুল কামাল" (১৪/২৪৫-২৪৯), "আস-সিয়ার" (১২/৫২২), "তাহযিবুত তাহযিব" (৩/৮৭), এবং "আল-জারহু ওয়াত তা'দিল" (৬/১১৮৯)।

(3) "তাহযিবুল কামাল" (১৭/২৯৬-২৯৯)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣٤)
- عبد الرحمن بن يوسف بن سعيد بن خِرَاش المروزي(1)، أبو محمَّد.

روى عن: يعقوب بن حميد بن كاسب الدورقي، وأبي سعيد بن عبد الله.

ابن سعيد الكوفي، ومحمد بن بشار، وحميد بن المثنى أبي موسى الزَّمِن البصري العنزي، وزيد بن أخرم، ومحمد بن عبد الله المخرمي، ومحمد بن عبد الله بن المبارك، وأحمد بن منيع، ومحمد بن عبد الله بن بزيع، ويعقوب بن إبراهيم، وإبراهيم بن عبد الله بن أبي شيبة، وأبي الربيع الحارث بن عبيد الله بن محمَّد، وزياد بن أيوب.

قال ابن عديّ: كان يتشيع.

وقال الذهبي: كان حافظ زمانه وله الرحلة الواسعة والاطلاع الكثير والإحاطة.

مات سنة ثلاث وثمانين ومائتين لخمس خلون من شهر رمضان ببغداد.

وقيل سنة أربع وتسعين ومائتين والأول أصح.

- عبد الله بن أحمد بن بوبة(2) العطار(3).

حدث عن محمَّد بن عبد الله بن قهزاد.

لم نجد فيه جرحًا ولا تعديلًا.
(1) انظر "الميزان" (2/ 600)، و"سير أعلام النبلاء" (13/ 518)، "طبقات الحفاظ" (297 - 298)، "لسان الميزان" (3/ 444).

(2) تصحفت إلى: ثوبة وفي مواضع: توبة.

(3) انظر "إكمال الكمال" (1/ 370).

- আব্দুর রহমান ইবনে ইউসুফ ইবনে সাঈদ ইবনে খিরাশ আল-মারওয়াযী(1), আবু মুহাম্মাদ।

তিনি বর্ণনা করেছেন: ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ ইবনে কাসিব আদ-দাওরাকি এবং আবু সাঈদ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে।

ইবনে সাঈদ আল-কুফি, মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার, হুমাইদ ইবনে আল-মুসান্না আবু মুসা আয-যামিন আল-বসরি আল-আনযি, যায়েদ ইবনে আখরাম, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মাখরামি, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারাক, আহমদ ইবনে মানি', মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বাযি', ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম, ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি শাইবাহ, আবু রাবি' আল-হারিস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ এবং যিয়াদ ইবনে আইয়ুব থেকে।

ইবনে আদী বলেছেন: তিনি শিয়া মতাদর্শের প্রতি ঝোঁকপ্রবণ ছিলেন।

এবং আয-যাহাবী বলেছেন: তিনি তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ হাফেয ছিলেন এবং তাঁর ব্যাপক সফর, গভীর জ্ঞানার্জন ও বিস্তৃত পরিধি ছিল।

তিনি হিজরি ২৮৩ সনে, রমযান মাসের পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বাগদাদে ইন্তেকাল করেন।

এবং বলা হয়েছে ২৯৪ সনে (তিনি ইন্তেকাল করেন), তবে প্রথমোক্তটিই অধিকতর সঠিক।

- আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে বুবা(2) আল-আত্তার(3)।

তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাহযাদ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আমরা তাঁর সম্পর্কে কোনো সমালোচনা বা প্রশংসা পাইনি।


(1) দেখুন: "আল-মিযান" (২/৬০০), "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা'" (১৩/৫১৮), "তাবাকাতুল হুফফায" (২৯৭-২৯৮), "লিসানুল মিযান" (৩/৪৪৪)।

(2) এটি ভুলভাবে 'থাওবা' (ثوبة) এবং কিছু জায়গায় 'তাওবা' (توبة) হিসেবে লেখা হয়েছে।

(3) দেখুন: "ইকমালুল কামাল" (১/৩৭০)।

(খণ্ড: ١) আল-আওসাত মিনাস সুনান ওয়াল ইজমা ওয়াল ইখতিলাফ - ত আল-ফালাহ (পৃষ্ঠা: ٣٥)
- عبد الله بن أحمد بن زكريا بن الحارث بن أبي مسرة(1) المكي(2)، أبو يحيى.

روى عن: عبد الرحمن المقرئ، ويحيى بن قزعة، وعبد الله بن الزبير بن عيسى الحميدي، ويعقوب بن محمَّد الزهري، ويحيى بن محمَّد الحارثي، وخلاد بن يحيى، وأحمد بن يزيد الحراني، ومحمد بن معاوية، ويحيى بن بكير، وسليمان بن حرب بن بجيل، ومحمد بن حرب المكي، وخلف بن الوليد أبي الوليد العتكي البغدادي، وبدل بن المحبَّر، وقتيبة بن سعيد بن جميل، وأحمد بن يزيد الوْرَتَنيِّس، وصالح بن عبد الله الترمذي، وعبد الله بن يزيد بن أسلم، والعباس بن الوليد، وأبي جابر محمَّد بن عبد الملك، وخلاد بن يحيى، ومحمد بن الحسن، ويحيى بن محمَّد المحاربي، وأحمد بن عبد الله بن يونس، والعلاء بن عبد الجبار، والحسن بن مدرك الطحان، وعبد الله بن نمير، ويحيى بن حبيب، والعياض بن يزيد البصري.

قال ابن أبي حاتم: كتبت عنه بمكة ومحله الصدق.

- عبد الله بن أحمد بن محمَّد بن حنبل(3) بن هلال بن أسد الشيباني، أبو عبد الرحمن البغدادي.

روى عن: أبيه أحمد بن حنبل، ومهدي بن جعفر الرملي.

قال بدر بن أبي بدر البغدادي: عبد الله بن أحمد جِهْبذٌ ابن جهبذٍ.

وقال أبو بكر الخطيب: كان ثقة ثبتًا فَهِمًا.
(1) تصحفت في مواضع من "الأصل" إلى: ميسرة.

(2) انظر ترجمته في: "الجرح والتعديل" (5/ 6)، و"سير أعلام النبلاء" (12/ 632).

(3) انظر ترجمته في: "تهذيب الكمال" (14/ 285 - 292).

- আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে জাকারিয়া ইবনে আল-হারিথ ইবনে আবি মাসারাহ(1) আল-মাক্কী(2), আবু ইয়াহইয়া।

তিনি বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রহমান আল-মুক্রি, ইয়াহইয়া ইবনে কাযাআহ, আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবাইর ইবনে ঈসা আল-হুমাইদী, ইয়াকুব ইবনে মুহাম্মাদ আয-যুহরী, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-হারিথী, খল্লাদ ইবনে ইয়াহইয়া, আহমদ ইবনে ইয়াযিদ আল-হাররানী, মুহাম্মাদ ইবনে মু'আবিয়া, ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর, সুলাইমান ইবনে হারব ইবনে বুজাইল, মুহাম্মাদ ইবনে হারব আল-মাক্কী, খলফ ইবনে আল-ওয়ালীদ আবু আল-ওয়ালীদ আল-আতাকী আল-বাগদাদী, বাদাল ইবনে আল-মুহাব্বার, কুতাইবা ইবনে সাঈদ ইবনে জামিল, আহমদ ইবনে ইয়াযিদ আল-ওয়ারাতানিস, সালিহ ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তিরমিযী, আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে আসলাম, আল-আব্বাস ইবনে আল-ওয়ালীদ, আবু জাবির মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক, খল্লাদ ইবনে ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুহারিবি, আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস, আল-আলা ইবনে আব্দুল জাব্বার, আল-হাসান ইবনে মুদরীক আত-তাহহান, আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, ইয়াহইয়া ইবনে হাবিব, এবং আল-আইয়ায ইবনে ইয়াযিদ আল-বাসরি থেকে।

ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি মক্কায় তার থেকে লিখেছি এবং তার অবস্থান ছিল সত্যবাদিতার।

- আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হানবাল(3) ইবনে হিলাল ইবনে আসাদ আশ-শাইবানী, আবু আব্দুর রহমান আল-বাগদাদী।

তিনি বর্ণনা করেছেন: তার পিতা আহমদ ইবনে হানবাল, এবং মাহদী ইবনে জাফর আর-রামলী থেকে।

বদর ইবনে আবি বদর আল-বাগদাদী বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ছিলেন জ্ঞানের বিশারদ এক মহান ব্যক্তিত্বের পুত্র আরেক জ্ঞানের বিশারদ মহান ব্যক্তিত্ব।

আবু বকর আল-খাতীব বলেন: তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, সুপ্রতিষ্ঠিত এবং প্রজ্ঞাবান।


(1) মূল (আস্ল) গ্রন্থের কয়েকটি স্থানে এটি 'মাইসারা' হিসেবে ভুলভাবে অনুলিখিত (বা পঠিত) হয়েছে।

(2) তার জীবনী দেখুন: "আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল" (৫/৬), এবং "সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা" (১২/৬৩২)।

(3) তার জীবনী দেখুন: "তাহযীবুল কামাল" (১৪/২৮৫-২৯২)।