(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: -)
إرواء الظمي بتراجم رجال سنن الدارمي القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: إرواء الظمي بتراجم رجال سنن الدارمي
المؤلف: أبو الطيب نايف بن صلاح بن علي المنصوري
الناشر: دار العاصمة للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1436 هـ - 2015 م
عدد الصفحات: 649
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 1 ربيع الأول 1442
সুনান আদ-দারিমীর বর্ণনাকারীদের জীবনী বিষয়ক তৃষ্ণা নিবারণ বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: সুনান আদ-দারিমীর বর্ণনাকারীদের জীবনী বিষয়ক তৃষ্ণা নিবারণ
লেখক: আবু আত-তৈয়্যিব নায়েফ বিন সালাহ বিন আলী আল-মানসুরি
প্রকাশক: দার আল-আসিমাহ প্রকাশনা ও বিতরণ، রিয়াদ - সৌদি আরব রাজতন্ত্র
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৬ হি. - ২০১৫ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١)
سِلْسِلَةُ تَقْريْبِ رُوَاةِ السُّنّة بين يَدِيِ الأُمَّة: المَجْمُوْعَةُ الثَّانِيَة:
إِتْحَافُ البَرَرَة بِتَراجِم مَنْ لَيْسَ فِي التَّهْذِيْب مِنْ رِجَالِ كُتُبِ إِتحَافِ المَهَرَةْ: (3)
إِرْوَاءُ الظَّمِيِّ
بتَراجمِ
رِجَالِ سُنَنِ الدّارِميّ
تَألِيْفُ
أَبِي الطيِّب نَايِف بْن صَلاح بْن عَلِي المَنْصُوْرِي
دَارُ العَاصَمْة
لِلنشْرِ وَالتوزيع
উম্মাহর নিকট সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের পরিচিতি সহজীকরণ ধারাবাহিকতা: দ্বিতীয় সংকলন:
ইতহাফুল বারারাহ: 'ইতহাফুল মাহারা' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত অথচ 'আত-তাহজীব' গ্রন্থে নেই এমন বর্ণনাকারীদের জীবনী: (৩)
ইরওয়াউজ জামি
জীবনীর বর্ণনায়
সুনানে আদ-দারিমীর বর্ণনাকারীগণ
রচনা
আবু আত-তাইয়িব নায়েফ বিন সালাহ বিন আলী আল-মানসুরি
দারুল আসিমাহ
প্রকাশনা ও বিতরণ
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٣)
إِرْوَاءُ الظَّمِيِّ بتَراجمِ رِجَالِ سُنَنِ الدّارِميّ
সুনান আদ-দারিমীর বর্ণনাকারীদের জীবনীর মাধ্যমে পিপাসার্তের তৃষ্ণা নিবারণ।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٤)
ح دار العاصمة للنشر والتوزيع، 1436 هـ
فهرسة مكتبة الملك فهد الوطنية أثناء النشر
المنصوري، نايف صلاح علي
إرواء الظمي بتراجم رجال سنن الدارمي.
نايف صلاح علي المنصوري - الرياض، 1436 هـ
680 ص، 17 × 24 سم
ردمك 7 - 82 - 8143 - 603 - 978
1 - الحديث - تراجم الرواة .. أ- العنوان
ديوي 6، 234 .. 3226/ 1436
رقم الإيداع: 3226/ 1436
ردمك: 7 - 82 - 8143 - 603 - 978
جَميْعُ الحُقُوقِ مَحْفُوظَةٌ
الطَّبْعَةُ الأولى
1436 هـ - 2015 م
دَارُ العَاصِمَة
المَمْلكَة العَربيَّة السّعوديَّة
الرّيَاضْ - صَربْ: 42507 - الرّمُز البَريْديْ: 11551
المَركز الرّئيسي: شارْع السّوُيدي العَام
هَاتفْ: 4497224/ فاكسْ: 4497225
© দারুল আসিমা প্রকাশনী ও পরিবেশনী, ১৪৩৬ হিজরি।
প্রকাশনাকালে বাদশাহ ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগারের ক্যাটালগিং
আল-মানসুরি, নায়েফ সালাহ আলি
সুনানে দারিমির বর্ণনাকারীদের জীবনী দ্বারা তৃষ্ণা নিবারণ।
নায়েফ সালাহ আলি আল-মানসুরি - রিয়াদ, ১৪৩৬ হিজরি
৬৮০ পৃষ্ঠা, ১৭ × ২৪ সে.মি.
আইএসবিএন: ৯৭৮ - ৬০৩ - ৮১৪৩ - ৮২ - ৭
১ - হাদিস - বর্ণনাকারীদের জীবনী .. ক- শিরোনাম
ডিউই ৬, ২৩৪ .. ৩২২৬/ ১৪৩৬
জমাদান নম্বর: ৩২২৬/ ১৪৩৬
আইএসবিএন: ৯৭৮ - ৬০৩ - ৮১৪৩ - ৮২ - ৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪৩৬ হিজরি - ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ
দারুল আসিমা
সৌদি আরব সাম্রাজ্য
রিয়াদ - পো.ব.: ৪২৫০৭ - পোস্টাল কোড: ১১৫৫১
প্রধান শাখা: সুওয়াইদি জেনারেল স্ট্রিট
ফোন: ৪৪৯৭২২৪/ ফ্যাক্স: ৪৪৯৭২২৫
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٥)
المُقَدِّمَةبسم الله الرحمن الرحيم
إِنَّ الحمْدَ لله نَحْمَدُهُ، وَنَسْتَعِيْنُهُ، وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوْذُ بِالله مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا، وَمِنْ سِيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ الله فَلا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِي لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَه إِلا اللهُ وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ:
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102]، {يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: 1]، {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70 - 71].
وَبَعْدُ:
فَبَيْنَ يَدَيْكَ أَخِي القَارِئُ الكَرِيْمُ، وَالبَاحِثُ الحَلِيْمُ، تَرَاجِمُ الكِتَابِ الثَّالِث مِنْ رِجَالِ المَجْمُوْعَةِ الثَّانِيَة "مِنْ "سِلْسِلَةِ تَقْرِيْب رُوَاةِ السُّنَّه بَيْنَ يَدَي الأُمَّه" المُسَمَّاةِ. "إِتْحَافُ البَرَرَهْ بِتَرَاجِمِ مَنْ لَيْسَ فِي التَّهْذِيْبِ مِنْ رِجَالِ كتُبِ إِتْحَافِ المَهَرَه" أَزُفُّهَا إِلَى مَشَايَخِي النُّبَلاء، وَإِخْوَانِي الفُضَلاء، وَزُمَلائِي الأَوْفِيَاء، من رُوَّاد السُّنةِ وَالأَثَر، البَاحِثِيْن عَنْ صَحِيْحِ هَدْي سَيّدِ البَشَر، الَّذِي لا يَكُوْنُ إِلا بِمَعْرِفَةِ مَنَازِلِ وَمَرَاتِبِ مَنْ قَدْ غَبَر، مِمَّنْ أَفْنَوْا أَعْمَارَهُم فِي البَحْثِ وَالتَّنْقِيْبِ وَالتَّفْتِيْشِ عَنْ كُلِّ حَدِيْثٍ وَخَبَر؛ فَرَحِمَهُم الله وَأَسْكَنَهُم جَنَّاتِهِ جَنَّاتِ عَدْنٍ وَنَهَر.
ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের মন্দ কাজ থেকে এবং আমাদের কর্মসমূহের অনিষ্ট হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল:
{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং তোমরা মুসলিম হওয়া ব্যতীত মৃত্যুবরণ করো না।} [আল-ইমরান: ১০২], {হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রব্বকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা হতে বিরত থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} [আন-নিসা: ১], {হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।} [আল-আহযাব: ৭০ - ৭১]।
অতঃপর:
হে সম্মানিত পাঠক এবং ধৈর্যশীল গবেষক ভাই, আপনার সামনে পেশ করছি 'সিলসিলাতু তাকরিবি রুওয়াতিল সুন্নাহ বাইনা ইয়াদায়িল উম্মাহ' নামক ধারাবাহিকের দ্বিতীয় সংকলনের তৃতীয় গ্রন্থের জীবনীসমূহ। যার নাম রাখা হয়েছে: 'ইতহাফুল বারারাহ বি-তরাজিম মান লাইসা ফিত তাহযিব মিন রিজালি কুতুবি ইতহাফিল মাহারা'। এটি আমি উপহার দিচ্ছি আমার মহান শায়খগণ, সম্মানিত ভ্রাতৃবৃন্দ এবং সুন্নাহ ও আসারের অনুসারী আমার একনিষ্ঠ সহকর্মীদের নিকট, যারা মানবজাতির শ্রেষ্ঠতম সত্তার সহিহ হিদায়াতের অনুসন্ধানকারী। আর এই সন্ধান কেবল তখনই সম্ভব, যখন সেইসব অতীত ব্যক্তিদের মর্যাদা ও স্তর সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা হবে যারা প্রতিটি হাদিস ও সংবাদ যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধানে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করেছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন এবং তাদেরকে চিরস্থায়ী জান্নাত ও নহরসমূহে শান্তিতে বসবাস করার তাওফিক দান করুন।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٦)
أُهْدِيْهِمْ هَذِهِ الجَوْهَرَةَ المَكْنُوْنَةْ، وَالدُّرَّةَ المَصُوْنَةْ، الَّتِي أَسْمَيْتُهَا بـ " إِرْوَاء الظَّمِي بِتَرَاجِمِ رِجَالِ سُنَن الدَّارِمِي"
وَقَدْ ذَكَرْتُ فِي طَلِيْعَتِها بَيَان مَنْهَجِ عَمِلي فِيْهَا، ثَّمَ أَعْقَبْتُ ذَلِكَ بِتَرْجَمَةٍ لِصَاحِبِ الكِتَاب شَيْخِ الإِسْلامِ الإِمَامِ العَلَمِ الأَلُمعِي، أَبِي مُحَمَّد عَبْدِ الله بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمي -رَحِمَهُ الله تَعَالَى-، صَاحِبِ المَنَاقِب الَكَثِيْرِة؛ وَذَلِكَ وَفَاءً لِمَا سَطَّرَهُ لَنَا بَنَانُهْ، وَأَتْحَفَنَا بِهِ جَنَاُنهْ، مِنْ عُلُوْمٍ غَزِيْرَةْ، وَفُهُوْمٍ عَمِيْقةْ، وَقَدْ أَسْمَيْتُ هَذِهِ النُّكَتَ وَالفَوَائِدَ مِمَّا وَقَفْتُ عَلَيْهِ، "الجَوَاهِرُ الحِسَان مِنْ تَرْجَمَةِ الدَّارِمِي عَبْدِ الله بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَن".
وَجَعَلْتُهَا فِي ثَلاثَةِ فُصُوْلٍ:
الفَصْلُ الأَوَّل: سِيْرَتُهُ الشَّخْصِيَّة، وَفِيْهِ ثَلاثَةُ مَبَاحِث:
المَبْحَثُ الأَوَّل: هُوِيتُهُ وَفِيْهِ:
1 - اسْمُهُ وَنَسَبُهُ وَكُنْيَتُهُ وَنِسْبَتُهُ.
2 - تَارِيْخ وِلادَتِهِ.
3 - سَمِيّهُ.
4 - حَجَّامُهُ.
5 - تَوَلِّيه القَضَاء.
6 - تَارِيْخُ وَفَاتِهِ:
7 - مَوْقِفُ الإِمَام البُخَارِي لمَّا نُعِي لَهُ.
المَبْحَثُ الثَّانِي: فِي ذِكْرِ مَا وُصِفَ بِهِ مِنْ أَخْلاقٍ عَالِيَة، وَسَجَايَا سَامِيَة، وَفِيْه:
1 - عِبَادَتُهُ وَزُهْدُهُ وَوَرَعُهُ وَتَقْوَاهُ.
আমি তাঁদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি এই সুপ্ত মণি এবং সংরক্ষিত মুক্তা, যার নামকরণ আমি করেছি "ইরওয়াউয যমি বি-তরাজিম রিজালি সুনানিদ দারিমি"।
আমি এর প্রারম্ভে এতে আমার কর্মপদ্ধতি বর্ণনা করেছি, এরপর এই গ্রন্থের লেখক, শাইখুল ইসলাম, প্রখ্যাত ও প্রাজ্ঞ ইমাম আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আদ-দারিমি—আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—যিনি বহু গুণের অধিকারী, তাঁর জীবনী তুলে ধরেছি। আর তা তাঁর সেই সকল অজস্র জ্ঞান ও গভীর উপলব্ধির প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ, যা তাঁর হাত আমাদের জন্য লিপিবদ্ধ করেছে এবং তাঁর অন্তর আমাদের উপহার দিয়েছে। আমি আমার সংগৃহীত এই সূক্ষ্ম বিষয় ও উপকারিতাসমূহের নাম দিয়েছি, "আল-জাওয়াহিরুল হিসান মিন তারজামাতিদ দারিমি আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান"।
আমি একে তিনটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছি:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর ব্যক্তিগত জীবনী, এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর পরিচয়, এতে রয়েছে:
১ - তাঁর নাম, বংশপরিচয়, উপনাম ও নিসবত (সম্বন্ধ)।
২ - তাঁর জন্ম তারিখ।
৩ - তাঁর সমনামধারী ব্যক্তিগণ।
৪ - তাঁর হাজ্জাম (শিঙ্গা দানকারী/ক্ষৌরকার)।
৫ - বিচারকের দায়িত্বভার গ্রহণ।
৬ - তাঁর মৃত্যু তারিখ।
৭ - তাঁর মৃত্যুসংবাদ শোনার পর ইমাম বুখারীর অবস্থান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তাঁর সুউচ্চ চরিত্র ও মহৎ গুণাবলির বর্ণনায়, এতে রয়েছে:
১ - তাঁর ইবাদত, দুনিয়াবিমুখতা, সতর্কতা ও তাকওয়া।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٧)
2 - كَمَالُ عَقْلِهِ وَحِلْمِهِ.
3 - ذَكَاؤُهُ وَحِفْظُهُ وَإِتْقَاُنهُ.
4 - تَمسُّكُهُ بِالسُّنّةِ وَالآثَار وَدَعْوَته النَّاس إِلَى ذَلِكَ، وَصَلابَتُهُ فِي الحَقِّ.
المَبْحَثُ الثَّالِثُ: فِي بَيَانِ عَقِيْدَتِهِ، وَفِقْهِهِ. وَفِيْهِ:
1 - عَقِيْدَتُهٌ:
2 - إِمَامَتُهُ فِي الفِقْهِ وَتَضَلُّعُهُ فِيْهِ.
3 - نَماذِجُ مِنِ اخْتِيَارَاتِهِ الفِقْهِيَّةِ.
الفَصْلُ الثَّانِي: سِيْرَتُهُ العِلْمِيَّة:
المَبْحَثُ الأَوَّل: رَحَلاتُهُ، وَفِيْه:
1 - رِحْلَتُهُ إِلَى مَا وَرَاء النَّهر.
2 - رِحْلَتُهُ إِلَى خُرَاسَان.
3 - رِحْلَتُهُ إِلى بِلاد الجَبَل.
4 - رِحْلَتُهُ إِلى العِرَاق.
5 - رِحْلَتُهُ الى الحِجَاز.
6 - رِحْلَتُهُ إِلَى الشَّام.
7 - رِحْلَتُهُ إِلَى مِصْر.
المَبْحَثُ الثَّانِي: شُيُوْخُهُ، وَفِيْهِ:
1 - رِوَايَةُ الحُفَّاظِ الكِبَارِ مِنْ شُيُوْخِهِ عَنْهُ.
2 - رِوَايَةُ أَصْحَابِ الكُتُبِ السِّتّةِ عَنْهُ.
3 - عَدَدُ شُيُوْخِهِ فِي كِتَابِهِ "السُّنَن".
2 - তাঁর বিবেক-বুদ্ধি ও সহনশীলতার পূর্ণতা।
3 - তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, হিফজ (স্মৃতিশক্তি) ও কর্মনিপুণতা।
4 - সুন্নাহ ও আসার-এর প্রতি তাঁর অবিচলতা এবং মানুষের মাঝে এর দাওয়াত দান, আর সত্যের ওপর তাঁর দৃঢ়তা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর আকিদাহ ও ফিকহ বর্ণনায়। এতে রয়েছে:
1 - তাঁর আকিদাহ:
2 - ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর ইমামত ও পাণ্ডিত্য।
3 - তাঁর ফিকহী ইখতিয়ারাত (পছন্দসমূহ)-এর কিছু নমুনা।
দ্বিতীয় অধ্যায়: তাঁর ইলমী জীবন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর সফরসমূহ, এতে রয়েছে:
1 - মা-ওয়ারাউন নহর (ট্রান্সঅক্সিয়ানা) অঞ্চলে তাঁর সফর।
2 - খুরাসানে তাঁর সফর।
3 - জাবাল অঞ্চলে তাঁর সফর।
4 - ইরাকে তাঁর সফর।
5 - হিজাজে তাঁর সফর।
6 - শামে তাঁর সফর।
7 - মিশরে তাঁর সফর।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষকগণ, এতে রয়েছে:
1 - তাঁর উস্তাদদের মধ্য হতে বড় বড় হাফেজগণের তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা।
2 - কুতুবে সিত্তাহর সংকলকগণের তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা।
3 - তাঁর কিতাব "আস-সুনান"-এ বর্ণিত তাঁর উস্তাদদের সংখ্যা।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٨)
4 - مَسْرَدُ عَامٌ بِشُيُوْخِهِ.
المَبْحَثُ الثَّالِثُ: تَلامِذَتُهُ، وَفِيْهِ:
1 - تَنَافُسُ الحُفَّاظِ فِي الرِّحْلَةِ إِلَيْه؛ لِعُلُوِّ إِسْنَادِهِ وَتَفَرُّدِهِ عَلَى أَقْرَانِهِ.
2 - ذِكْرُ ثُلّةٍ مُبَارَكَةٍ مِنْ أَئِمَّةِ الحَدِيْث وَحُفَّاظِهِ مِمَّنْ رَوَوْا عَنْهُ.
الفَصْلُ الثَّالِثُ: عُلُوْمُهُ وَآثَارُهُ العِلْمِيَّة وَمَكانَتُهُ بَيْنَ العُلَمَاء:
البَابُ الأَوَّل: بَعْضُ العُلُوْمِ الَّتِي بَرَزَ فِيْهَا:
المَبْحَثُ الأَوَّل: التَّفْسيْرُ.
المَبْحَثُ الثَّانِي: الحَدِيْثُ.
المَبْحَثُ الثَّالِثُ: الفِقْهُ.
البَابُ الثَّانِي: آثَارُهُ العِلْمِيَّة:
البَابُ الثَّالِثُ: كِتَابُ السُّنَن "أَوِ المُسْنَدُ" وَعِنَايَةُ العُلَمَاءِ وَالبَاحِثِيْنَ بِهِ.
المَبْحَثُ الأَوَّل: اسْمُهُ.
المَبْحَثُ الثَّانِي: وَجْهُ تَسْمِيَتِهِ لَهُ بِالمُسْنَد".
المَبْحَثُ الثَّالِثُ: مَنْهَجُهُ فِي تَصْنِيْفِهِ.
المَبْحَثُ الرَّابع: تَسْمِيَةُ بَعْضِهِم لَهُ بِالصَّحِيْح، مَعَ مُنَاقَشَةِ ذَلِكَ.
المَبْحَثُ الخَامِس: عَدَدُ أَحَادِيْثهِ.
المَبْحَثُ السَّادِس: رُتْبَتُهُ عِنْدَ أَهْلِ العِلْم.
المَبْحَثُ السَّابع: عِنَايَة العُلَمَاء وَالبَاحِثِيْنَ بِهِ.
أ - نُسَخُهُ الخَطِّيَّة.
ب- التَّعْرِيْفُ بِرِجَالِهِ.
৪ - তাঁর শায়খদের একটি সাধারণ তালিকা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর ছাত্রবৃন্দ, এবং এতে রয়েছে:
১ - তাঁর উচ্চস্তরের সনদ এবং সমসাময়িকদের ওপর তাঁর অনন্যতার কারণে হাফেজদের তাঁর কাছে সফরের প্রতিযোগিতা।
২ - হাদিসের ইমাম ও হাফেজদের এক বরকতময় দলের উল্লেখ, যাঁরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
তৃতীয় অধ্যায়: তাঁর ইলম, ইলমি অবদানসমূহ এবং আলেমদের মাঝে তাঁর অবস্থান:
প্রথম অনুচ্ছেদ: কিছু ইলম যাতে তিনি পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাফসির।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: হাদিস।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ফিকহ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তাঁর ইলমি অবদানসমূহ:
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: কিতাবুস সুনান "অথবা আল-মুসনাদ" এবং এটি নিয়ে আলেম ও গবেষকদের মনোযোগ।
প্রথম পরিচ্ছেদ: এর নাম।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এর নাম "আল-মুসনাদ" রাখার কারণ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এটি সংকলনে তাঁর কর্মপদ্ধতি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: কারো কারো পক্ষ থেকে একে "সহিহ" হিসেবে নামকরণ এবং এর পর্যালোচনা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: এর হাদিস সংখ্যা।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: আলেমদের নিকট এর মর্যাদা।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: এটি নিয়ে আলেম ও গবেষকদের মনোযোগ।
ক - এর পাণ্ডুলিপিসমূহ।
খ - এর বর্ণনাকারীদের পরিচয়।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٩)
جـ - شُرُوْحُهُ.
د - أطْرَافُهُ.
هـ - تَخْرِيْجُ أَحَادِيْثِهِ.
و- طَبَعَاتُهُ.
ز - مَنْهَجُهُ فِيْهِ.
ح - عَوَالِيْهِ.
ط - فَهَارِسُهُ.
ي - الدِّرَاسَاتُ المُعَاصِرَة فِيْهِ.
المَبْحَثُ الثَّالِثُ: مَكَانَتُهُ فِي الجَرْحِ وَالتَّعْدِيْل وَالتَّصْحِيْح وَالتَّعْلِيْل.
أ - نَمَاذِجُ مِنْ كَلامِ أَهْلِ العِلْم فِي بَيَانِ مَنْزِلَتِهِ فِي ذَلِك.
ب - نماذِجُ مِنْ كَلامِهِ فِيْمَا يَتَعَلَّق بِنَقْدِهِ وَمَعْرِفَتِهِ بِهَذَا الشَّأْن.
1. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِجَرْحِهِ وَتَعْدِيْلِهِ للرُّوَاةِ.
2. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِالتَّصْحِيْحِ وَالتَّعْلِيْل.
3. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِالسَّمَاعَات.
4. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِتَمْيِيْزِ المُهْمَل.
5. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِتَمْيِيْز المُبْهَم.
6. فِيْمَا يَتَعَلَّقُ بِبَيَانِ الصُّحْبَةِ.
ثُمَّ خَتَمْتُ عَمَلِي فِي كِتَابِي هَذَا بِأَرْبَعَةِ فَهَارِس:
فِهْرِس: للرُّوَاة المُتَرْجَمِ لَهُم فِيْهِ.
فِهْرِس: للنِّسَبِ المُعَرَّف بِهَا فِيْهِ.
গ - এর ব্যাখ্যাসমূহ।
ঘ - এর আতরাফ (সূচি)।
ঙ - এর হাদিসগুলোর তাখরিজ।
চ - এর সংস্করণসমূহ।
ছ - এতে তাঁর মানহাজ (পদ্ধতি)।
জ - এর আত্তয়ালি (উচ্চ স্তরের সনদ)।
ঝ - এর নির্ঘণ্টসমূহ।
ঞ - এতে সমসাময়িক গবেষণা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: জারহ ও তা'দিল এবং তাসহিহ ও তা'লিলের ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান।
ক - এই বিষয়ে তাঁর মর্যাদা বর্ণনায় বিদগ্ধ আলেমগণের বক্তব্যের কিছু নমুনা।
খ - সমালোচনা ও এই শাস্ত্রের প্রজ্ঞার সাথে সংশ্লিষ্ট তাঁর বক্তব্যের কিছু নমুনা।
১. রাবীদের জারহ ও তা'দিল সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
২. তাসহিহ ও তা'লিল সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
৩. সামা'আত (শ্রবণ) সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
৪. মুহমাল (অনির্ধারিত) রাবী পৃথকীকরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
৫. মুবহাম (অস্পষ্ট) রাবী পৃথকীকরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
৬. সাহাবী হওয়ার বর্ণনা সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।
এরপর আমি আমার এই কিতাবের কাজ চারটি নির্ঘণ্টের মাধ্যমে সমাপ্ত করেছি:
নির্ঘণ্ট: এতে যাদের জীবনী আলোচিত হয়েছে সেই রাবীদের জন্য।
নির্ঘণ্ট: এতে পরিচিত করানো নিসবতগুলোর (বংশ বা পরিচয়সূচক নাম) জন্য।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
فِهْرِس: لِمَصَادِرِ البَحْثِ الَّتِي نَقَلْتُ مِنْهَا، وَهِي عَلَى قِسْمَيْن:
المَصَادِرُ المَطْبُوْعَة.
والمَصَادِرُ المَخْطُوْطَة، أَوْ مَا هُوَ فِي حُكْمِهَا، كَالرَّسَائِل الجَامِعِيّةِ الَّتِي لَمْ تُطْبَعْ بَعْدُ.
فِهْرِس: المَوْضُوْعَات.
هَذَا مَا يَسَّرَ الله لِي بَيَانَهُ فِي مُقَدِّمَتِي هَذِهِ، اللهَ أَسْأَلُ أَنْ يَتَقَبّلَ مِنِّي هَذَا العَمَل، وَأَنْ يَرْزُقَنِي صِدْق النِّيّة فِيْهِ وَحُسْن العَمَل، وَأَنْ يَجْعَلَهُ وَسَائِر أَعْمَالِي خَالِصَة لِوَجْهِهِ الكَرِيْم، إِنَّهُ جَوَادٌ بَرُّ رَحِيْمٌ!
كَتَبَهُ العَبْدُ الفَقِيْرُ إِلَى عَفْو رَبِّهِ:
أَبُو الطِّيِّب نَايِف بن صَلاح بن عَلِي المَنْصُوْرِي
بمَكْتَبَةِ دَار الحَدِيْث الخَيْرِيَّةِ بِمَأْرِب
البريد الإلكتروني/ naeef 1977 @gmail.com
الهاتف/ 00966777863561
সূচিপত্র: গবেষণার সেই সকল উৎস যা থেকে আমি উদ্ধৃতি প্রদান করেছি, আর সেগুলো দুই প্রকার:
মুদ্রিত উৎসসমূহ।
এবং পাণ্ডুলিপি উৎসসমূহ, অথবা যা এর সমপর্যায়ের, যেমন সেই সব বিশ্ববিদ্যালয় থিসিস যা এখনও মুদ্রিত হয়নি।
বিষয়সূচি।
আমার এই ভূমিকায় আল্লাহ যা বর্ণনা করা আমার জন্য সহজ করে দিয়েছেন তা এখানেই সমাপ্ত। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার পক্ষ থেকে এই আমলটি কবুল করেন, এতে আমাকে নিয়তের সততা ও উত্তম আমল করার তাওফিক দান করেন এবং এটিকে ও আমার অন্য সকল আমলকে একমাত্র তাঁর মহান চেহারার জন্য নিবেদিত করেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা, মহানুভব ও পরম করুণাময়!
এটি লিখেছেন তাঁর রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী এক অকিঞ্চিৎকর বান্দা:
আবু তাইয়িব নায়েফ বিন সালাহ বিন আলি আল-মানসুরি
মারিবের দারুল হাদিস আল-খাইরিয়্যাহ লাইব্রেরিতে
ইমেইল/ naeef 1977 @gmail.com
টেলিফোন/ ০০৯৬৬৭৭৭৮৬৩৫৬১
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١١)
فَصْلٌ: فِي بَيَانِ مَنْهَجِ عَمَلِي فِي هَذَا الكِتَابوَأَمَّا عَنْ مَنْهَجِي وَطَرِيْقَتِي فِي كِتَابِي هَذَا، وَفِي صِيَاغَةِ تَرَاجِمِهِ، فَقَدْ قُمْتُ بِتَرْتيْبِ تَرَاجِمِهِ عَلَى حُرُوْفِ المُعْجَمِ، وَسَلَكْتُ فِي ذَلِكَ مَا سَلَكْتُهُ فِي الكِتَاب الأَوَّل مِنْ هَذِهِ المَجْمُوْعَةِ: "غُنْيَةُ السَّالِك بِتَرَاجِم رِجَال مُوَطَّإِ مَالِك".
1 - قُمْتُ بِجَرْدِ جَمِيْعِ رِجَال الإِمَام الدَّارِمِي مِنْ كِتَابِهِ "السُّنَن"
2 - اقْتَصَرْتُ فِي اسْتِقْرَاء رِجَال الدَّارِمِي عَلَى مَنْ سُمِّيَ، أَمَّا مَنْ أُبْهِم فَلَمْ أَعْتَنِ بِهِم، سَوَاءٌ كَان التَّعْدِيْلُ بِلَفْظِ الإِبْهَامِ أَمْ لا.
قَالَ الحَافِظ فِي "النُّخْبَة"
(1): "وَلا يُقْبَلُ المُبْهَمُ، وَلَوْ أُبْهِمَ بِلَفْظِ التَّعْدِيْلِ عَلَى الأَصَح"
(2).
3 - رَمَزْتُ لِمَا تَرْجَمْتُ لَهُ مِنْ رِجَالِ "سُنَنِ الدَّارِمِي" بـ (مي).
4 - اعْتَمَدْتُ فِي اسْتِخْرَاجِ رِجَالِ الدَّارِمِي طَبْعَة دَار البَشَائِر الإِسْلامِيَّة المَطْبُوْعَةَ ضِمْن كِتَاب "فَتْح المَنَّان شَرْح وَتَحْقِيْق كِتَاب الدَّارِمِي أَبِي مُحَمَّد عَبْدِ الله بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ"؛ وَذَلِكَ لِكَوْنِهَا أَجْوَدَ طَبَعَاتِهِ المَوْجُوْدَة حَتَّى الآن.
5 - الاقْتِصَارُ عَلَى التَّرْجَمَةِ لِمَنْ لَمْ يُتَرْجَمْ لَهُ فِي "تَهْذِيْبِ التَّهْذِيْب"، أَوْ تَقْرِيْبِهِ، سَوَاءٌ كَانَ مِنْ رُوَاةِ الكُتُبِ السِّتَّةِ، أَوْ أَحَدِها، أَوْ زَوَائِدِهَا، أَوْ كَانَ مِمَّنْ ذُكِرَ
--------------------------------------------
পরিচ্ছেদ: এই কিতাবে আমার কর্মপদ্ধতি বর্ণনায়আর আমার এই কিতাবে অনুসৃত কর্মপদ্ধতি ও পন্থা এবং এর জীবনীসমূহ বিন্যাস সম্পর্কে বলছি যে, আমি এর জীবনীসমূহকে বর্ণানুক্রমিক সাজিয়েছি। এক্ষেত্রে আমি এই সিরিজের প্রথম কিতাব "গুনইয়াতুস সালিক বি-তারাজিমি রিজালি মুয়াত্তা-ই মালিক"-এ যা অনুসরণ করেছি, এখানেও তাই অনুসরণ করেছি।
১ - আমি ইমাম দারেমীর "আস-সুনান" গ্রন্থ থেকে তাঁর বর্ণিত সকল বর্ণনাকারীকে তালিকাভুক্ত করেছি।
২ - দারেমীর বর্ণনাকারীদের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে আমি কেবল তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পক্ষান্তরে যাদের নাম অস্পষ্ট রাখা হয়েছে (মুভহাম), তাদের প্রতি আমি ভ্রুক্ষেপ করিনি; চাই তাদের 'তা'দিল' (ন্যায়নিষ্ঠতা বর্ণনা) অস্পষ্ট শব্দের মাধ্যমে করা হোক বা না হোক।
হাফেজ (ইবনে হাজার) "নুখবাহ" গ্রন্থে
(১) বলেছেন: "অস্পষ্ট বর্ণনাকারীর (মুভহাম) বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও বিশুদ্ধতম মতানুসারে তাকে ন্যায়নিষ্ঠার (তা'দিল) শব্দের সাথে অস্পষ্ট রাখা হয়"
(২)।
৩ - "সুনানে দারেমী"-র যেসব বর্ণনাকারীর জীবনী আমি লিখেছি, তাদের জন্য আমি (মি) সংকেত ব্যবহার করেছি।
৪ - দারেমীর বর্ণনাকারীদের সংকলনের ক্ষেত্রে আমি "দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ" থেকে প্রকাশিত "ফাতহুল মান্নান শারহু ওয়া তাহকিকু কিতাবিদ দারেমী আবি মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান" কিতাবের অন্তর্ভুক্ত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি; কারণ এটিই বর্তমানে বিদ্যমান সংস্করণগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম।
৫ - কেবল তাদের জীবনী বর্ণনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে যাদের জীবনী "তহজিবুত তহজিব" বা "তকরিব"-এ উল্লেখ করা হয়নি; চাই তারা কুতুবে সিত্তাহর (ছয় কিতাব) কিংবা এর কোনো একটির বর্ণনাকারী হোক, অথবা এর অতিরিক্ত (যাওয়ায়েদ) বর্ণনাকারী হোক, কিংবা তাদের মধ্যে হোক যাদের উল্লেখ করা হয়েছে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
فِيْهِمَا تَمْيِيْزًا؛ لأَنَّ إِعَادَةَ مَا كُتِبَ وَشَاعْ، وَاشْتَهَرَ وَذَاعْ، يَسْتَلْزِمُ التَّشَاغُل بِغَيْرِ مَا هُوَ أَوْلَى، وَكِتَابَةَ مَا لَمْ يَشْتَهِرْ رُبَّمَا كَانَ أَعْوَدَ مَنْفَعَةً وَأَحْرَى. وَرِجَالُ الكُتُبِ السِّتَّةِ قَدْ جُمِعُوا فِي عِدَّةِ مُصَنَّفات، وَاشْتَهَرَتْ هَذِهِ الكُتُب قَدِيْمًا وَحَدِيْثًا
(1)، وَمِنْ أَعْظَمِ هَذِهِ المُصَنَّفات خِدْمَةً لَهُم كِتَابا الحَافِظ: "التَهْذِيْبُ"، و"تَقْرِيْبُهُ"؛ فَهُمَا قَرِيْبا الوُصُوْل، سَهْلا المَنَال.
6 - اقْتَصَرْتُ عَلَى التَّرْجَمَةِ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ صَحَابِيًّا، أَمَّا إِنْ كَانَ صَحَابِيًّا؛ فَإِنِّي لا أتَرْجِمُ لَهُ، وَإِنْ كَانَ مِمَّنْ لَمْ يُتَرْجَمْ لَهُ فِي "التَهْذِيْب" وَلا فِي "التَّقْرِيْب"، كـ: ضِرَارِ بْنِ الأَزْوَر الأَسَدِي
(2).
وَعُبَادَةَ بْنِ قُرْص وَيُقَال: قُرْط اللَّيْثِي
(3).
وَوَهَبِ بْنِ عُمَيْر القُرَشِي الجُمَحِي
(4).
وأبُي مُوَيهبة مَوْلَى رَسُوْل الله صَلَّى الله عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّم
(5).
وَأَبُي هِنْد الدَّارِي الشَّامِي
(6).
وَحَيَّة بِنْت أَبِي حَيَّة
(7).
--------------------------------------------
তাদের মধ্যে পার্থক্যের জন্য; কারণ যা ইতোমধ্যেই লিখিত ও প্রচারিত হয়েছে এবং প্রসিদ্ধি ও ব্যপ্তি লাভ করেছে, তার পুনরাবৃত্তি করা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যাপৃত হওয়াকে অনিবার্য করে তোলে। পক্ষান্তরে যা প্রসিদ্ধ নয় তা লিপিবদ্ধ করা সম্ভবত অধিক উপকারী ও অধিক সমীচীন হতে পারে। আর কুতুবে সিত্তাহর (ছয়টি কিতাবের) বর্ণনাকারীদেরকে বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত করা হয়েছে এবং এই গ্রন্থগুলো প্রাচীন ও আধুনিক কালে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে
(১)। এই বর্ণনাকারীদের খিদমতে রচিত সংকলনগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো হাফিয (ইবনে হাজার) এর দুটি কিতাব: "আত-তাহযীব" এবং সেটির সংক্ষিপ্তসার "তাকরীব"; এই দুটি গ্রন্থই তথ্যের নাগালে পৌঁছানোর জন্য নিকটবর্তী এবং অত্যন্ত সহজলভ্য।
৬ - আমি কেবল তাদের জীবনবৃত্তান্ত বর্ণনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থেকেছি যারা সাহাবী নন। তবে যদি কেউ সাহাবী হয়ে থাকেন, তবে আমি তাঁর জীবনবৃত্তান্ত বর্ণনা করিনি, যদিও তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হন যাদের জীবনবৃত্তান্ত "আত-তাহযীব" বা "তাকরীব"-এ বর্ণিত হয়নি; যেমন: দিরার ইবনুল আযওয়ার আল-আসাদী
(২)।
এবং উবাদাহ ইবনে কুরস, আর বলা হয়: কুরত আল-লাইসী
(৩)।
এবং ওয়াহাব ইবনে উমাইর আল-কুরাশী আল-জুমাহী
(৪)।
এবং আবু মুওয়াইহিবা, যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম-এর আযাদকৃত গোলাম ছিলেন
(৫)।
এবং আবু হিন্দ আদ-দারী আশ-শামী
(৬)।
এবং হাইয়্যাহ বিনতে আবি হাইয়্যাহ
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
وَأُمّ كَثِيْر الأَنْصَارِيَّة
(1).
وَذَلِك لِعَدَالَتِهِم جَمِيْعًا؛ وَلاسْتِيْعَاب الحَافِظ ابن حَجَر لَهُم فِي كِتَابِهِ الفَذّ "الإِصَابَة".
7 - أَعْرَضْتُ عَنِ التَّرْجَمَةِ لِمَنْ ذُكِرَ فِيْهِ عَرَضًا كـ "الصَّلْتِ بْنِ رَاشِد"، وَ"عَبْدِ اللهِ بْنِ الأَهْتَم"، وَ"أَبَي حُرَّة الكِنْدِي".
8 - قُمْتُ بِبَيَانِ مَنْ أَخْرَجَ لَهُم مِنْ أَصْحَابِ كُتُبِ "إِتْحَاف المَهَرَة"، وَهِي: "مُوَطَّأ مَالِك"، و"مُسْنَد الشَّافِعِي"، و"مُسْنَد أَحْمَد"، و"سُنَن الدَّارِمِي"، و"مُنْتَقى ابن الجارُوْد"، و"صَحِيْح ابن خُزَيْمَة"، و"مُسْتَخْرَج أَبِي عَوَانَة"، و"شَرْح مَعَانِي الآثار" للطَّحَاوِي، و"صَحِيْح ابن حِبَّان"، و"سُنَن الدَّارَقُطْنِي"، و"المُسْتَدْرَك" لأَبِي عَبْد الله الحَاكِم.
وَقَدْ جَعَلْتُ لِكُلِّ مُصَنَّفٍ رُقُوْمًا؛ ليَعْرِفَ النَّاظِرُ إِلَيْهِ عِنْدَ وُقُوعِ نَظَرِهِ عَلَيْهِ مَنْ أَخْرَجَ لَهُ مِنْ هَؤُلاءِ الأَئِمَّةِ، وَفِي أَيِّ كِتَابٍ مِنْ هَذِهِ الكُتُب أَخْرَجُوا لَهُ، وَبَيَانُ هَذِهِ الرُّقُوْم كَما يَأْتِي:
ط: "مُوَطَّأ مَالِك".
ش: "مُسْنَد الشَّافِعِي".
حم: "مُسْنَد أَحْمَد".
مي: "سُنَن الدَّارِمِي".
جا: "مُنْتَقَى ابن الجَارُوْد".
خز: "صَحِيْح ابن خُزَيْمَة".
--------------------------------------------
এবং উম্মু কাসীর আল-আনসারিয়া
(১)।
আর এটি তাদের সকলের ন্যায়পরায়ণতার কারণে; এবং হাফেজ ইবনে হাজার তাঁর অনন্য গ্রন্থ "আল-ইসাবাহ"-তে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করার কারণে।
৭ - যাদের নাম কেবল প্রাসঙ্গিকভাবে সেখানে এসেছে তাদের জীবনী বর্ণনা করা থেকে আমি বিরত থেকেছি; যেমন— "আস-সালত বিন রাশিদ", "আবদুল্লাহ বিন আল-আহতাম" এবং "আবি হুররাহ আল-কিন্দি"।
৮ - আমি "ইতহাফুল মাহারা" কিতাবসমূহের সংকলকদের মধ্য থেকে কারা তাঁদের বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন তা বর্ণনা করেছি। সেগুলো হলো: "মুয়াত্তা মালিক", "মুসনাদ আশ-শাফিয়ী", "মুসনাদ আহমাদ", "সুনান আদ-দারিমি", "মুনতাকা ইবনুল জারুদ", "সহিহ ইবনে খুজাইমা", "মুসতাখরাজ আবি আওয়ানা", তাহাবীর "শারহু মাআনিল আসার", "সহিহ ইবনে হিব্বান", "সুনান আদ-দারাকুতনি" এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিমের "আল-মুসতাদরাক"।
আর আমি প্রতিটি গ্রন্থের জন্য কিছু সংকেত নির্ধারণ করেছি; যাতে পাঠক তা দেখার সাথে সাথে চিনতে পারেন যে এই ইমামদের মধ্যে কে তাঁর বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন এবং এই গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোনটিতে তাঁরা তা উদ্ধৃত করেছেন। এই সংকেতগুলোর বর্ণনা নিম্নরূপ:
ত্ব (ط): "মুয়াত্তা মালিক"।
শিন (ش): "মুসনাদ আশ-শাফিয়ী"।
হা-মিম (حم): "মুসনাদ আহমাদ"।
মি-ইয়া (مي): "সুনান আদ-দারিমি"।
জিম-আলিফ (جا): "মুনতাকা ইবনুল জারুদ"।
খা-যা (خز): "সহিহ ইবনে খুজাইমা"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
عه: "مُسْتَخْرَج أبي عَوانَة".
طح: شَرْح مَعانِي الآثار".
حب: "صحِيْح ابن حِبَّان".
قط: "سُنَن الدَّارَقُطْنِي".
كم: "مُسْتَدْرَك الحاكم"
(1).
9 - ضَبَطْتُ مَا يُشْكِلُ مِنْ أَسْمَائِهِم، أَوْ أَسْمَاء آبَائِهِم، أَوْ أَجْدَادِهِم بِالحَرَكَات والتَّخْفِيْفِ والتَّشْدِيْدِ، وَبَيَان أَنَّ هَذَا الحَرْفَ بِالمُهْمَلَةِ أَوِ المُعْجَمَةِ وَمَا أَشْبَهَهُ، مَعَ عَزْوِ ذَلِكَ كُلِّهِ إِلَى مَظَانِّهِ المُعْتَمَدة، وَكُتُبِ التَّحْقِيْقِ فِيْهِ.
10 - اعْتَنَيْتُ بِبَيَان الإِحَالات، سَوَاءٌ كَانَتْ مِنْ قَبِيْلِ النِّسْبَةِ إِلَى الجَدِّ، أَوْ مِنْ قَبِيْلِ الاخْتِلاف فِي الاسْم.
11 - بَيَّنْتُ مَا وَقَعَ مِنْ تَصْحِيْفَاتٍ أَوْ تَحْرِيْفَاتٍ لِمَنْ تَرْجَمْتُ لَهُم، سَوَاءٌ كَانَ ذَلِكَ فِي أَسْمَائِهِم، أَوْ فِي أَسْمَاء آبَائِهِم، أَوْ أَجْدَادِهِم، أَوْ فِي أَنْسَابِهِم.
12 - التَّعْرِيْفُ بِالنِّسَبِ وَضَبْطُهَا فِي الأَصْلِ بِالحَرَكَاتِ، وَفِي الحَاشِيَةِ بِالحُرُوْفِ؛ فَإِنْ كَانَتْ إِلَى قَبِيْلَةٍ أَوْ حِرْفَة أَوْ نَحْوِ ذَلِكَ قَدَّمْتُهَا عَلَى النِّسْبَةِ إِلَى بَلَدٍ، فَإِنْ نُسِبَ إِلَى بَلْدَتَيْنِ بَدَأْتُ بِأَعَمِّهِمَا، وَكَذَا إِنْ كَانَتْ إِلَى قَبِيْلَتَيْنِ.
13 - بَيَّنْتُ مَا وَقَعَ مِنْ تَصْحِيْفَاتٍ أَوْ تَحْرِيْفَاتٍ لِمَنْ تَرْجَمْتُ لَهُم، سَوَاءٌ كَانَ ذَلِكَ فِي أَسْمَائِهِم، أَوْ فِي أَسْمَاء آبَائِهِم، أَوْ أَجْدَادِهِم، أَوْ فِي أَنْسَابِهِم.
14 - قُمْتُ بِتَتَبُّعِ شُيُوْخِهِم وَتَلامِذَتِهِم مِنْ كُتُبِ "إِتْحَاف المَهَرَة" الَّتِي سَبَقَ
--------------------------------------------
আ: "মুস্তাখরাজ আবি আওয়ানাহ"।
তহ: "শারহু মাআনিল আসার"।
হব: "সহিহ ইবনে হিব্বান"।
কত: "সুনানে দারাকুতনি"।
কম: "মুস্তাদরাকুল হাকিম"
(১)।
৯ - আমি তাদের নাম, কিংবা তাদের পিতা অথবা দাদাদের নামের মধ্যে যা কিছু অস্পষ্ট ছিল, তা হরকত, লঘুতা (তাখফিফ) ও পূর্ণতা (তাশদিদ) প্রদানের মাধ্যমে এবং কোনো বর্ণ নুকতাহীন নাকি নুকতাযুক্ত এবং এ জাতীয় বিষয়গুলো স্পষ্ট করার মাধ্যমে সংকলন করেছি। সাথে এই সবকিছুর উদ্ধৃতি নির্ভরযোগ্য উৎস এবং এ বিষয়ক গবেষণামূলক কিতাবসমূহ থেকে প্রদান করেছি।
১০ - আমি রেফারেন্স বা উদ্ধৃতি প্রদানের বিষয়ের প্রতি বিশেষ যত্ন নিয়েছি, চাই তা দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে হোক কিংবা নামের ভিন্নতার কারণে হোক।
১১ - যাদের জীবনী আমি উল্লেখ করেছি, তাদের নাম, পিতা বা দাদার নাম অথবা তাদের বংশপরিচয়ে যেসব বর্ণগত বা শব্দগত বিকৃতি ঘটেছে, তা আমি বর্ণনা করেছি।
১২ - আমি বংশীয় উপাধি বা সম্বন্ধগুলোর (নিসবাত) পরিচয় দিয়েছি এবং মূল পাঠে হরকতের মাধ্যমে ও টীকায় বর্ণের বিন্যাসের মাধ্যমে সেগুলোর শুদ্ধতা নিশ্চিত করেছি। যদি কোনো সম্বন্ধ গোত্র, পেশা বা এই জাতীয় কিছুর দিকে হয়, তবে আমি তাকে শহরের সম্বন্ধের আগে উল্লেখ করেছি। আর যদি দুটি শহরের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, তবে তুলনামূলক বৃহত্তরটি দিয়ে শুরু করেছি; গোত্রের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করেছি।
১৩ - যাদের জীবনী আমি উল্লেখ করেছি, তাদের নাম, পিতা বা দাদার নাম অথবা তাদের বংশপরিচয়ে যেসব বর্ণগত বা শব্দগত বিকৃতি ঘটেছে, তা আমি বর্ণনা করেছি।
১৪ - আমি "ইতহাফুল মাহারা" কিতাব থেকে তাদের উস্তাদ ও ছাত্রদের নাম অনুসন্ধান করেছি যা পূর্বে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
بَيَانُهَا، وَجَعَلْتُ لَهُم رُقُوْمًا يُعْرَفُ بِهَا فِي أَيِّ كِتَابٍ مِنْ هَذِهِ الكُتُبِ وَقَعَتْ رِوَايَتُهُ عَنْ ذَلِكَ الاسْم المَرْقُوْمِ عَلَيْهِ، وَرُوَاة ذَلِكَ الاسْم المَرْقُوْمِ عَلَيْهِ عَنْهُ.
15 - حَرَصْتُ عَلَى ذِكْرِ كُلِّ مَنْ وَقَفْتُ عَلَيْهِ مِنْ شُيُوْخِ وَتَلامِذَةِ المُتَرْجَمِ لَهُ، مِنْ جَمِيْعِ مَصَادِرِ تَرْجَمَتِهِ، وَمِنْ بُطُوْنِ الكُتُبِ المُسْنَدَةِ كَالمَسَانِيْد، وَالجَوَامِعِ، وَالأَجْزَاء وَالفَوَائِد، وَالمَعَاجِمِ وَالمَشْيَخَاتِ وَغَيْرِ ذَلِكَ، مُوَثِّقَا ذَلِكَ فِي الحَاشِيَةِ، وَمُرَتِّبًا إِيَّاهُم عَلَى حُرُوْفِ المُعْجَمِ؛ لِتَسْهُلَ الاسْتِفَادَة مِنْهُم.
16 - حَرَصْتُ عَلَى نَقْلِ جَمِيْعِ مَا ذُكِرَ فِي تَرْجَمَةِ المُتَرْجَمِ لَهُ مِنْ مَدْحٍ وقَدْحٍ، بَلْ رُبَّمَا ذَكَرْتُ بَعْضَ الحِكَايَات وَالأَشْعَارِ مِنْ بَابِ التَّرْوِيْح عَلَى النَّاظِرِ فِي الكِتَاب.
17 - رَاعَيْتُ فِيْما أَنْقُلُهُ مِنْ أَقْوَالٍ لِأَئِمَّةِ الجَرْح والتَّعْدِيْل التَّرْتِيْبَ الزَّمَنِي لَهُم.
18 - حَرَصْتُ عَلَى النَّقْلِ مِنَ المَصَادِرِ الأَصْلِيَّةِ، إِلا فِي حَالَةِ تَعَذُّرِ الوُقُوْفِ عَلَيْهَا: إِمَّا لِفُقْدَانِهَا، أَوْ لِكَوْنِهَا فِي عِدَادِ المَخْطُوْطِ الَّذِي لَمْ تَطَلْهُ يَدِي.
19 - حَرَصْتُ عَلَى ذِكْرِ التَّوْثِيْقِ الضِّمْنِي لَهُم مَا أَمْكَن. قال شَيْخُنَا الأُسْتَاذ المُحَدِّث أَحْمَد بن مِعْبَد بن عَبْد الكَرِيْم -حَفِظَهُ الله تَعَالَى-: "وَهَذَا صَنِيْعٌ مُفِيْدٌ، قَدْ لا يَلْتَفِتُ إِلَيْهِ بَعْضُ المُشْتَغِلِيْن بِدارَسَةِ الأَسَانِيْد، وَتَحْدِيْد أَحْوَال الرُّوَاة، وَبِخَاصَّة المُتَأَخِّرِيْن عَنْ سَنَة 300 هـ، رَغْم أَنَّ هَذَا مُتَّفِقٌ مَعَ القَوَاعِد النَّقْدِيَّة لِبَيَان أَحْوَال الرُّوَاة". اهـ
(1). وَقَدْ نَقَلْتُ شَيْئًا مِمَّا يُؤَيِّدُ ذَلِكَ مِنْ كَلامِ أَهْلِ العِلْمِ فِي مُقَدِّمَةِ الكِتَاب الأَوَّل: "غُنْيَة السَّالِك بِتَراجِمِ رِجَالِ مُوَطَّإِ مَالِك"، فَرَاجِعْهُ إِنْ شِئْت.
--------------------------------------------
তাদের বর্ণনা, এবং আমি তাদের জন্য কিছু সংকেত চিহ্ন নির্ধারণ করেছি যার মাধ্যমে জানা যাবে যে এই গ্রন্থগুলোর কোনটিতে সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে এবং সেই ব্যক্তি থেকে কারা বর্ণনা করেছেন।
১৫ - আমি অনূদিত ব্যক্তির সকল উস্তাদ এবং ছাত্রদের উল্লেখ করার ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছি যাদের সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। এটি আমি তাঁর জীবনীর সকল উৎস এবং সনদভিত্তিক গ্রন্থসমূহ যেমন: মাসানিদ, জাওয়ামি, আজযা, ফাওয়াইদ, মা'আজিম, মাশয়াখাত এবং এ জাতীয় অন্যান্য গ্রন্থের ভেতর থেকে সংগ্রহ করেছি। এই সমস্ত তথ্য আমি টীকায় তথ্যসূত্রসহ উল্লেখ করেছি এবং তাদের নামের বর্ণানুক্রমিক সাজিয়েছি; যাতে তাদের থেকে উপকৃত হওয়া সহজ হয়।
১৬ - আমি অনূদিত ব্যক্তির জীবনীতে উল্লিখিত সকল প্রশংসা ও সমালোচনা উদ্ধৃত করার ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছি। এমনকি অনেক সময় আমি কিছু কাহিনী এবং কবিতা উল্লেখ করেছি যাতে পাঠক মানসিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।
১৭ - জারহ ও তা'দীল (বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই) শাস্ত্রের ইমামগণের যেসব উক্তি আমি উদ্ধৃত করেছি, সেক্ষেত্রে তাঁদের সময়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি।
১৮ - আমি মূল উৎসসমূহ থেকে উদ্ধৃত করার ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছি, তবে যদি সেগুলো সংগ্রহ করা সম্ভব না হয়ে থাকে—হয়তো সেগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে অথবা এমন পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে যা আমার নাগালের বাইরে ছিল—কেবল সেই ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম ঘটেছে।
১৯ - আমি যথাসম্ভব তাঁদের প্রচ্ছন্ন নির্ভরযোগ্যতা (তাওসীক জিমনি) উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের শাইখ উস্তাদ মুহাদ্দিস আহমাদ বিন মিবাদ বিন আব্দুল কারিম—আল্লাহ তাআলা তাঁকে হেফাজত করুন—বলেছেন: "এটি একটি অত্যন্ত উপকারী পদ্ধতি, যার প্রতি সনদ নিয়ে গবেষণাকারী এবং বর্ণনাকারীদের অবস্থা নির্ধারণকারী অনেকেই হয়তো ভ্রুক্ষেপ করেন না, বিশেষ করে হিজরি ৩০০ সালের পরবর্তী বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে। অথচ এটি বর্ণনাকারীদের অবস্থা পর্যালোচনার সমালোচনামূলক মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।" সমাপ্ত।
(১) আর আমি প্রথম গ্রন্থের অর্থাৎ "গুনিয়াতুস সালিক বি-তারাজিমি রিজালি মুয়াত্তা মালিক"-এর ভূমিকায় আলেমদের বক্তব্যের মধ্য থেকে এর স্বপক্ষে কিছু আলোচনা উল্লেখ করেছি; আপনি চাইলে তা দেখে নিতে পারেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
20 - قُمْتُ بِالتَّعْرِيْفِ بِمَكَانَةِ وَمَنْزِلَةِ بَعْضِ أَئِمَّةِ الجَرْحِ وَالتَّعْدِيْل، الَّذِيْنَ نَقَلْتُ بَعْضَ أَقْوَالِهم، عَلَى سَبِيْلِ الاخْتِصَار، مُرْجِئًا تَطْوِيْلَ ذَلِكَ إِلَى كِتَابِنَا "تَيْسِيْر السَّبِيْل إِلَى تَرَاجِمِ أَئِمَّة أَهْلِ الجَرْحِ وَالتَّعْدِيْل" يَسّرَ اللهُ إِتْمَامَهُ بِخَيْرٍ حَال.
21 - الاعْتِنَاءُ بِتَوْضِيْحِ بَعْضِ المُصْطَلَحَات، وَشَرْح بَعْض العِبَارَات الَّتِي تَحْتَاجُ إِلَى ذَلِك.
22 - التَّعْرِيْفُ بِمَا لَمْ يُطْبَعْ مِنْ كُتُبِ أَئِمَّةِ الجَرْح وَالتَعْدِيْل الَّتِي نَقَلْتُ عَنْهَا بِوَاسِطَةٍ، سَوَاءٌ كَان الكِتَاب مَخْطُوْطًا لَمْ تَطَلْهُ يَدِي، أَوْ مَفْقُوْدًا، لِمَا فِي مَعْرِفَةِ ذَلِكَ مِنْ فَوَائِدَ لا تَخْفَى. أَمَّا إِنْ كَان مَطْبُوْعًا، أَوْ مَخْطُوْطًا ظَفِرْتُ بِنُسْخَةٍ مِنْهُ فَإِنِّي لا أُعَرِّفُ بِهِ، مُكْتَفِيًا فِي ذَلِكَ بِمَا ذَكَرْتُهُ فِي فِهْرِس المَصَادِر.
23 - حَرَصْتُ عَلَى بَيَانِ مَنْ أَخْرَجَ لَهُم مِمَّنِ الْتَزَمَ فِي كِتَابِهِ الصِّحَّةَ، وَالنَّقَاوَةَ كَابْنِ الجَارُوْد فِي "المُنْتَقَى"، وَابْنِ خُزَيْمَة فِي "صَحِيْحِه"، وَأَبِي عَوَانة فِي "مُسْتَخْرَجِه"، وَابْنِ حِبَّان فِي "صَحِيْحِه"، وَالحَاكِم فِي "مُسْتَدْرَكِه"، وَضيَاء الدِّيْن مُحَمَّد بن عَبْد الوَاحِد المَقْدِسِي فِي "المُخْتَارَة"؛ فَإِنَّ ذَلِكَ يَدُلُّ عَلَى أَنَّ هَذَا الرَّاوِي المُخَرَّج لَهُ عِنْدَ مَنْ خَرَّجَ لَهُ مَقْبُوْلٌ، وَقَدْ نَقَلْتُ شَيْئًا مِمَّا يُؤَيِّدُ ذَلِكَ مِنْ كَلامِ أَهْلِ العِلْمِ فِي مُقَدِّمَةِ الكِتَاب الأَوَّل: "غُنْيَة السَّالِك بِتَراجِمِ رِجَالِ مُوَطَّإِ مَالِك"، فَرَاجِعْهُ إِنْ شِئْت.
24 - الاعْتِنَاءُ بِذِكْرِ وَفَيَات المُتَرْجَمِ لَهُم، وَجَعْلُ ذَلِكَ تَحْتَ عِنْوَان بَارِز.
25 - التَّنْبِيْهُ عَلَى مَا فَات مَنْ سَبَقَنِي مِمَّا هُوَ عَلَى شَرْطِهِ، مَعَ الْتِمَاسِ العُذْر لَهُم مَا أَمْكَن.
20 - আমি 'জারহ ও তাদীল' (সমালোচনা ও গুণাগুণ নির্ধারণ) শাস্ত্রের কতিপয় ইমামের মর্যাদা ও অবস্থান সম্পর্কে সংক্ষেপে পরিচয় প্রদান করেছি, যাদের কিছু উক্তি আমি উদ্ধৃত করেছি। আমি এই আলোচনার বিস্তারিত বিবরণ আমার 'তায়সিরুস সাবীল ইলা তারাজিমি আইম্মাতি আহলিল জারহি ওয়াত তাদীল' নামক গ্রন্থের জন্য স্থগিত রেখেছি; আল্লাহ তায়ালা যেন সর্বোত্তম অবস্থায় কিতাবটির সমাপ্তি সহজ করে দেন।
21 - কতিপয় পরিভাষা স্পষ্ট করা এবং ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে এমন কিছু বাক্যের ব্যাখ্যা প্রদানের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়েছে।
22 - 'জারহ ও তাদীল' এর ইমামগণের যেসব কিতাব মুদ্রিত হয়নি অথচ আমি অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে তা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছি, সেগুলোর পরিচয় প্রদান করা হয়েছে; চাই কিতাবটি পাণ্ডুলিপি হোক যা আমি হস্তগত করতে পারিনি অথবা কিতাবটি বর্তমানে বিলুপ্ত হয়ে গিয়ে থাকুক। কারণ এটি জানার মধ্যে এমন অনেক উপকারিতা রয়েছে যা অস্পষ্ট নয়। পক্ষান্তরে কিতাবটি যদি মুদ্রিত হয় অথবা পাণ্ডুলিপি হয় যা আমি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি, তবে আমি সেটির নতুন করে পরিচয় প্রদান করিনি; বরং উৎস ও তথ্যসূত্রের তালিকায় যা উল্লেখ করেছি তাকেই যথেষ্ট মনে করেছি।
23 - যারা তাদের গ্রন্থে কেবল সহিহ ও বিশুদ্ধ হাদিস বর্ণনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাদের গ্রন্থে কোন রাবিদের (বর্ণনাকারী) হাদিস আনা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে সচেষ্ট হয়েছি। যেমন—ইবনুল জারুদ তার 'আল-মুন্তাকা' গ্রন্থে, ইবনে খুজাইমা তার 'সহিহ' গ্রন্থে, আবু আওয়ানা তার 'মুসতাখরাজ' গ্রন্থে, ইবনে হিব্বান তার 'সহিহ' গ্রন্থে, হাকেম তার 'মুসতাদরাক' গ্রন্থে এবং জিয়াউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি তার 'আল-মুখতারা' গ্রন্থে। কারণ এটি প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্ট ইমামের নিকট সেই রাবি গ্রহণযোগ্য। আমি এ বিষয়ের সমর্থনে ওলামায়ে কেরামের কিছু বক্তব্য আমার প্রথম কিতাব 'গুনিয়াতুস সালিক বি তারাজিমি রিজালি মুয়াত্তা মালিক'-এর ভূমিকায় উল্লেখ করেছি; চাইলে আপনি তা দেখে নিতে পারেন।
24 - যাদের জীবনী আলোচিত হয়েছে তাদের মৃত্যু সাল উল্লেখ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং বিষয়টিকে একটি স্বতন্ত্র শিরোনামের অধীনে আনা হয়েছে।
25 - আমার পূর্বসূরিগণ তাদের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী যা কিছু উল্লেখ করতে ভুল করেছেন বা ছেড়ে দিয়েছেন, সেগুলোর ব্যাপারে সতর্ক করেছি এবং যথাসম্ভব তাদের জন্য ওজর বা অপারগতার কারণ অন্বেষণ করেছি।
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
26 - التَّنْبِيْهُ عَلَى مَا وَقَعَ فِي هَذِهِ التَّرَاجِمِ مِنْ خَلْطٍ وَاشْتِبَاهٍ، وَأَغْلاطٍ وَأَوْهَامٍ عَلَى البَعْضِ؛ خَوْفًا مِنْ أَنْ يَنْظُرَهُ أَحَدٌ مِمَّن لَيْسَ لَهُ نَصِيْبًا فِي هَذِهِ الفُنُوْنِ، فَيَقَعَ الخَطَإِ وَسَيِّئ الظُّنُوْن. ولا يَظُنَّ أَحَدٌ أَنَّ هَذَا مِنْ بَابِ التَّحْقِيْرِ مِنْ شَأْنِهِم، وَكَشْفِ نِسْيَانِهِم؛ فَإِنِّي مِنْ بِحَارِ عِلْمِهِم مُغْتَرِف، وَبِفَضْلِهِم مُعْتَرِف.
27 - ذَكَرْتُ بَعْضَ مَا ظَفِرْتُ بِهِ مِنْ عِبَارَاتٍ لِبَعْضِ البَاحِثِيْن وَالمُحَقِّقِيْن مِنْ عَدَمِ العُثُوْرِ عَلَى تَرْجَمَةٍ لِبَعْضِ هَؤُلاءِ الرُّوَاة، وَلَيْسَ ذَلِكَ مِنْ بَابِ الغَمْزِ لَهُمْ، حَاشَا وَكَلا؛ فَمِنْهُم اسْتَفَدْنَا، وَمِنْ عِلْمِهِم نَهَلْنَا.
28 - قُمْتُ بِذِكْرِ عَدَدِ مَرْوِيَّاتِهِم الَّتِي رَوَاهَا عَنْهُم الإِمَام الدَّارِمِي، وَجَعَلْتُ لِذَلِكَ عِنْوَانًا بَارِزًا.
29 - الاعْتِنَاء بَتَوْثِيْقِ ذَلِكَ مِنْ كِتَابِ "السُّنَن"، وَذَلِكَ بِذِكْرِ الجُزْءِ وَالصَّفْحَةِ وَالرَّقْمِ، وَالكِتَابِ وَالبَاب.
30 - قُمْتُ بِتَخْرِيْجِ جَمِيْعِ مَرْوِيَّاتِهِم مِنْ كِتَاب "إِتْحَاف المَهَرَة"، مَعَ التَّنْبِيْهِ عَلَى مَا فَات الحَافِظ رَحِمَهُ الله تَعَالَى، مِمَّا هُوَ عَلَى شَرْطِهِ فِيْهِ، -مِنْ ذِكْرِ جَمِيْعِ مَرْوِيَّات "سُنَن الدَّارِمِي"-، وَالإِشَارَة إِلَى مَا تَمَّ اسْتِدْرَاكُهُ عَلَيْهِ مِنْ قِبَلِ بَعْضِ مُحَقِّقِي الكِتَاب؛ جَزَاهُم الله خَيْرًا! .
31 - حَرَصْتُ -فِي غَالِب الأَحْيَان- عَلَى ذِكْرِ مَنْ تَابَعَهُم عَلَى مَرْوِّياتِهِم هَذِهِ، مَعَ ذِكْرِ المَصْدِر الَّذِي أَخَذْتُ مِنْهُ تِلْكَ المُتَابَعَة.
32 - قُمْتُ بِتَلْخِيْصِ الحُكْمِ عَلَى المُتَرْجَمِ لَهُ، وَلا يَخْفَى فَائِدَة ذَلِك؛ فَالنَّاسُ لَيْسُوا فِي مَرْتَبَةٍ وَاحِدَةٍ؛ بِحَيْثُ يَسْتَطِيْعُ الجَمِيْعُ القِيَام بِذَلِك، وَكَمْ نَفَعَ الله
26 - এই জীবনীসমূহে কারও কারও ক্ষেত্রে যে মিশ্রণ, অস্পষ্টতা, ভুলভ্রান্তি ও বিভ্রম ঘটেছে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে; যেন এই জ্ঞান শাখাগুলোতে যাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই, তাদের কেউ তা দেখে ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত না হন এবং কুধারণায় লিপ্ত না হন। কেউ যেন মনে না করেন যে, এটি তাঁদের মর্যাদাকে খাটো করা বা তাঁদের ভুলসমূহ প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে; কারণ আমি তাঁদের জ্ঞানের সমুদ্র থেকে অঞ্জলি গ্রহণকারী এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিদানকারী।
27 - আমি কিছু গবেষক ও মুহাক্কিকদের এমন কিছু বক্তব্য উল্লেখ করেছি যেখানে তাঁরা এই রাবীদের কারও কারও জীবনী খুঁজে পাননি বলে জানিয়েছেন। এটি তাঁদের কোনো সমালোচনা বা অবজ্ঞার উদ্দেশ্যে নয়, কক্ষনো নয়; বরং তাঁদের থেকেই আমরা উপকৃত হয়েছি এবং তাঁদের জ্ঞান থেকেই আমরা সঞ্জীবিত হয়েছি।
28 - ইমাম দারেমী তাঁদের থেকে যে সংখ্যক বর্ণনা রিওয়ায়েত করেছেন তা আমি উল্লেখ করেছি এবং এর জন্য একটি স্বতন্ত্র শিরোনাম প্রদান করেছি।
29 - ‘আস-সুনান’ গ্রন্থ থেকে এর তথ্যসূত্র নিশ্চিত করার প্রতি যত্নশীল হয়েছি; এতে খণ্ড, পৃষ্ঠা, হাদীস নম্বর এবং কিতাব ও অধ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে।
30 - আমি ‘ইতহাফুল মাহারা’ গ্রন্থ থেকে তাঁদের সকল বর্ণনার তাখরীজ করেছি। সেই সাথে হাফেজ (ইবনে হাজার) রহিমাহুল্লাহু তায়ালা তাঁর শর্ত অনুযায়ী ‘সুনান দারেমী’র যেসব বর্ণনা উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন, সে বিষয়ে সতর্ক করেছি এবং গ্রন্থের কিছু মুহাক্কিকের পক্ষ থেকে তাঁর ওপর যা সংযোজন করা হয়েছে তাও নির্দেশ করেছি; আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন!
31 - আমি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁদের এই বর্ণনাগুলোর যারা মুতাবা‘আত (সমর্থনমূলক বর্ণনা) করেছেন তাঁদের উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি এবং যে উৎস থেকে সেই মুতাবা‘আত গ্রহণ করেছি তাও উল্লেখ করেছি।
32 - বর্ণিত রাবী সম্পর্কে আমি চূড়ান্ত হুকুমের সারসংক্ষেপ করেছি এবং এর উপকারিতা কারো কাছে অস্পষ্ট নয়; কারণ সকল মানুষ একই স্তরের নয় যে প্রত্যেকেই এটি করতে সক্ষম হবে, আর আল্লাহ এর দ্বারা কতই না উপকার সাধন করেন...
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
بِمِثْلِ هَذِهِ الطَّرِيْقَةِ، وَلا أَدَل عَلَى ذَلِكَ مِمَّا قَامَ بِهِ الحَافِظ -رَحِمَهُ الله تَعَالَى- فِي كِتَابِهِ "تَقْرِيْب التَّهْذِيْب"، وَقَبْلَهُ الحَافِظ الذَّهَبِي فِي "الكَاشِف"، وَبَعْدَهُمَا شَيْخُنَا الفَاضِل أَبُو الحَسَن السُّلَيْمَانِي -حَفِظَهُ الله تَعَالَى- عَلَى الأَعْدَادِ الخَمْسَة مِنَ المَجْمُوْعَةِ الأُوْلَى مِنْ هَذِهِ السِّلْسِلَة المُبَارَكَة؛ فَجَزَاهُم الله خَيْرَ الجَزَاء.
33 - ذَكَرْتُ المَصَادِر الَّتي تُرْجِمَ لَهُ فِيْهَا، حَسْب تَارِيْخ وَفَاة أَصْحَابِهَا، إِلا مَا كَانَ مِنْ كِتَابٍ لَهُ "مُخْتَصَرَات"، أَوْ "تَهْذِيْبَات"، وَنَحْو ذَلِكَ عَلَيْهِ؛ فَإِنِّي أَذْكُرُهُ عَقِبَهُ، كَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فِي "مُخْتَصَر"، و"تَهْذِيْب"، "تَارِيْخ ابن عَسَاكِر"، و"زُبْدَة تَعْجِيْل المَنْفَعَة".
34 - وَقَدْ أَعْزُو فِي أَثْنَاءِ التَّوْثِيْق إِلَى أَكْثَرَ مِنْ طَبْعَةٍ للكِتَابِ الوَاحِد؛ لِمَزِيَّةٍ فِي إحدهما لا تُوْجَدُ فِي الأُخْرَى.
35 - اكْتَفَيْتُ فِي تَوْثِيْقِ مَا نَقلْتُهُ مِنْ كَلامٍ فِي المُتَرْجَم لَهُ بِإِحَالَتِي عَلَى مَصَادِرِ تَرْجَمَتِهِ إِنْ كَانَ فِيْهَا، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيْهَا وَثَّقْتُ ذَلِكَ عِنْدَ ذِكْرِي لَهُ.
وَأَمَّا عَنْ صِيَاغَةِ التَّرْجَمَة فَقَدْ سَلَكْتُ فِي ذَلِكَ مَا سَلَكْتُهُ فِي الكِتَاب الأَوَّل مِنْ هَذِهِ المَجْمُوْعَةِ: "غُنْيَةُ السَّالِك بِتَرَاجِم رِجَال مُوَطَّإِ مَالِك". وَالله أَسْأَل التَّوْفِيْقَ وَالسَّدَاد.
* * *
এই পদ্ধতির অনুরূপ, আর হাফেজ —আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন— তাঁর ‘তাকরীবুত তাহযীব’ গ্রন্থে যা করেছেন, তার চেয়ে বড় কোনো প্রমাণ আর নেই। তাঁর পূর্বে হাফেজ যাহাবী ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থে এবং তাঁদের উভয়ের পরে আমাদের শ্রদ্ধেয় শায়খ আবুল হাসান আস-সুলায়মানী —আল্লাহ তাআলা তাঁকে হিফাযত করুন— এই বরকতময় সিরিজের প্রথম সংকলনের পাঁচটি খণ্ডে যা করেছেন; আল্লাহ তাঁদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
৩৩ - আমি সেই উৎসসমূহ উল্লেখ করেছি যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জীবনী বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর লেখকদের মৃত্যু তারিখের ক্রমানুসারে। তবে যদি কোনো কিতাবের ‘সংক্ষেপণ’ বা ‘পরিমার্জন’ বা এই জাতীয় কিছু থাকে, তবে আমি তা মূল কিতাবের পরপরই উল্লেখ করেছি; যেমনটি আমি করেছি ‘তারিখে ইবনে আসাকির’-এর ‘সংক্ষেপণ’ ও ‘পরিমার্জন’ এবং ‘যুবদাতু তা’জীলিল মানফায়াহ’ এর ক্ষেত্রে।
৩৪ - আমি তথ্যসূত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে একই কিতাবের একাধিক সংস্করণের উদ্ধৃতি প্রদান করতে পারি; কারণ কোনো একটি সংস্করণে এমন বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে যা অন্যটিতে বিদ্যমান নেই।
৩৫ - জীবনীকৃত ব্যক্তির বিষয়ে আমি যে বক্তব্য উদ্ধৃত করেছি, তার সত্যতা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে আমি তাঁর জীবনীর উৎসসমূহের বরাতের ওপরই নির্ভর করেছি যদি তা সেখানে বিদ্যমান থাকে। আর যদি সেখানে না থাকে, তবে আমি সেটি বর্ণনার সময়েই তার তথ্যসূত্র উল্লেখ করেছি।
আর জীবনী রচনার বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমি এই সিরিজের প্রথম কিতাব: ‘গুনিয়াতুস সালিক বি-তারাজিমি রিজালি মুয়াত্তায়ি মালিক’-এ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছি, এখানেও তাই অনুসরণ করেছি। আল্লাহর নিকট আমি তাওফিক ও সঠিক পথে অটল থাকার প্রার্থনা করছি।
* * *
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
"
الجَوَاهِرُ الحِسَان مِنْ تَرْجَمَةِ الدَّارِمِي عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَن"
الفَصْل الأَوَّل: سِيْرَتُهُ الشَّخْصِيَّة
المَبْحَثُ الأَوَّل: هُوِيّتُهُ:
1 - اسْمُهُ وَنَسَبُهُ، وَكُنْيَتُهُ، وَنِسْبَتُهُ:هُوَ عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الفَضْل بْنِ بَهْرَام بْنِ عَبْدِ الصَّمَد، أَبُوْ مُحَمَّد، الدَّرامِيُّ
(1) التَّمِيْمِيُّ، السَّمَرْقَنْدِيُّ (
2). 2 - تَاريْخ وِلادَتِهِ:وُلِدَ بسَمَرْقَنْد سَنَة إِحْدَى وَثَمَانِيْن وَمِائَة.
قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيم الوَرَّاق سَمِعْتُ: عَبْدَ الله بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُوْلُ: "وُلِدتُ فِي سَنَةِ مَاتَ ابْنُ المُبَارَك سَنَة إِحْدَى وَثَمَانِيْنِ وَمِائِة"
(3).
--------------------------------------------
আদ-দারিমী আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল রহমান-এর জীবনীর চমৎকার মণিমাণিক্যপ্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর ব্যক্তিগত জীবনীপ্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর পরিচয়:১ - তাঁর নাম, বংশপরিচয়, উপনাম ও সম্বন্ধ:তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল রহমান বিন আল-ফাদল বিন বাহরাম বিন আব্দুস সামাদ, আবু মুহাম্মদ, আদ-দারিমী
(১) আত-তামীমী, আস-সামারকান্দী (২)।
২ - তাঁর জন্ম তারিখ:
তিনি ১৮১ হিজরি সালে সামারকান্দে জন্মগ্রহণ করেন।
ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-ওয়াররাক বলেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল রহমানকে বলতে শুনেছি: "আমি ইবনুল মুবারকের মৃত্যুর বছর ১৮১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেছি"
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَر بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي: فِي "القَنْد"
(1): "فِي السَّنَةِ الَّتِي مَاتَ فِيْهَا ابْنُ المُبَارَك، وَهِي سَنَة اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِيْن وَمِائَة".
3 - سَمِيُّهُ:قَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَر بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي: فِي "القَنْد"
(2): "وُلِدَ لَيْلَة قَدِمَ عَبْدُ الله بْنِ حُمَيْد سَمَرْقَنْد وَالِيًا؛ وَبِهِ سُمِّى عَبْدَ اللهِ".
4 - أُسْرَتُه:لَمْ تُتْحِفْنَا المَصَادِرُ المَوْجُوْدَة لَدَيْنَا عَنْ أُسْرَتِهِ، وَقَرَابَتِهِ بِشَئٍ سِوَى أَنَّهَا ذَكَرَتْ خَالَهُ، وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَة السَّمَرْقَنْدي
(3).
5 - طَبَقَتُهُ:ذَكَرَهُ الذَّهَبِي فِي "التَّذْكِرَة"
(4) فِي الطَّبَقَةِ التَّاسِعَة، وَفِي "تَارِيْخ الإِسْلام"
(5) فِي الطَّبَقَةِ السَّادِسَةِ وَالعِشْرِيْن، وَفِي "المُعِيْن فِي طَبَقَاتِ المُحَدِّثِيْن"
(6) فِي التَّاسِعَة.
وَذَكَرَهُ ابْنُ نَاصِر الدِّيْنِ الدِّمَشْقِي فِي "بَدِيْعَةِ البَيَان"
(7) فِي الطَّبَقَةِ التَّاسِعَة.
--------------------------------------------
নাজমউদ্দীন উমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাসাফি 'আল-কান্দ'
(১) গ্রন্থে বলেছেন: "যে বছর ইবনুল মুবারক ইন্তেকাল করেন, আর সেটি হলো একশত বিরাশি হিজরি সন।"
৩ - তাঁর নামকরণ:নাজমউদ্দীন উমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাসাফি 'আল-কান্দ'
(২) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি সেই রাতে জন্মগ্রহণ করেন যেদিন আবদুল্লাহ ইবনে হুমায়দ গভর্নর হিসেবে সমরখন্দে আগমন করেন; আর তাঁর নামানুসারেই তাঁর নাম আবদুল্লাহ রাখা হয়।"
৪ - তাঁর পরিবার:আমাদের নিকট বিদ্যমান উৎসসমূহ তাঁর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য প্রদান করে না, কেবল তাঁর মামার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, আর তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে মুয়াবিয়া আস-সামারকান্দি
(৩)।
৫ - তাঁর স্তর:আয-যাহাবি তাঁকে 'আত-তাযকিরাহ'
(৪) গ্রন্থে নবম স্তরে, 'তারিখুল ইসলাম'
(৫) গ্রন্থে ছাব্বিশতম স্তরে এবং 'আল-মুইন ফি তাবাকাতিল মুহাদ্দিসিন'
(৬) গ্রন্থে নবম স্তরে উল্লেখ করেছেন।
ইবনু নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকি তাঁকে 'বাদিয়াতুল বায়ান'
(৭) গ্রন্থে নবম স্তরে উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
6 - حَجَّامُهُ:قَالَ السَّمْعَانِي فِي "الأَنْسَاب"
(1): "سَيْمَا الحجَّام، كُنْيَتُهُ أَبُوْ سَعِيْد، مِنْ أَهْلِ سَمَرْقَنْد، هُوَ حَجَّام عَبْد الله بْن عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِمَام مَا وَرَاء النَّهْر".
7 - تَوَلِّيْهِ القَضَاء:قَالَ الخَطِّيْبُ البَغْدَادِي فِي "تَارِيْخِهِ": اسْتُقْضِي عَلَى سَمَرْقَنْد، فأَبَى فَأَلَحَّ عَلَيْهِ السُّلْطَان حَتَّى تَقَلَّدَهُ، وَقَضَى قَضِيّةً وَاحِدَةً، ثُمَّ اسْتَعْفِى، فَأُعْفِي".
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَرُ بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي فِي "القَنْد": "اسْتُقْضي عَلَى سَمَرْقَنْد، فَأَبَى، فَأَلحَّوا عَلَيْهِ، فَقَضَي قَضِيّةً وَاحِدَة". ثُمَّ اسْتَعْفَى، فَأُعْفِي عَنْهُ، وَرَدَ عَلَيْهِ كِتَاب القَضَاء مِنَ المُعْتَزّ بِالله".
وَقَالَ ابْنُ رَجَب فِي "شَرْحِ العِلَل"
(2): "ألَحَّ عَلَيْهِ السُّلْطَان فِي قَضَاءِ سَمَرْقَنْد، فَتَقَلَّدَهُ، وَقَضَى قَضِيَّةً وَاحِدَةً ثُمَّ اسْتَعْفَى فَأُعْفِي".
8 - تَاريْخُ وَفَاتِهِ، وَمَكَانُهَا:اخْتُلِفَ فِي تَارِيْخِ وَفَاتِهِ، عَلَى ثَلاثَةِ أَقْوَال:
القَوْلُ الأَوّل: مَاتَ بِسَمَرْقَنْد فِي مَدِيْنَتِهَا
(3)، سَنَة خَمْسٍ وَخَمْسِيْن وَمِائَتَيْنِ، فِي ذِي الحِجَّة، يَوْم التَّرْوَية بَعْدَ العَصْر، وَدُفِنَ يَوْم عَرَفَة، بجَاكَرْدِيْزِة
(4)، وَذَلِكَ
--------------------------------------------
৬ - তাঁর সিঙা দানকারী:আস-সামআনী "আল-আনসাব" গ্রন্থে বলেছেন: "সিমা আল-হাজ্জাম, তাঁর উপনাম আবু সাঈদ, সমরকন্দের অধিবাসী, তিনি ছিলেন মা-ওয়ারাউন নহরের ইমাম আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমানের সিঙা দানকারী।"
৭ - তাঁর বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ:খতীব বাগদাদী তাঁর "তারীখ" গ্রন্থে বলেছেন: "তাঁকে সমরকন্দের বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। অতঃপর সুলতান তাঁকে অত্যন্ত পীড়াপীড়ি করলে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং একটিমাত্র মামলার বিচার করেন। এরপর তিনি অব্যাহতির আবেদন করেন এবং তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।"
নাজমুদ্দীন উমর বিন মুহাম্মদ আন-নাসাফী "আল-কান্দ" গ্রন্থে বলেছেন: "তাঁকে সমরকন্দের বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তাঁরা তাঁকে জোরাজুরি করলে তিনি একটিমাত্র মামলার বিচার করেন। তারপর তিনি অব্যাহতির আবেদন করেন এবং তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁর নিকট মুতায বিল্লাহর পক্ষ থেকে বিচারক নিয়োগের পত্র এসেছিল।"
ইবনে রাজাব "শারহুল ইলাল" গ্রন্থে বলেছেন: "সুলতান তাঁকে সমরকন্দের বিচারক হওয়ার জন্য জোরাজুরি করলে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং একটিমাত্র মামলার বিচার করার পর অব্যাহতির আবেদন করেন, ফলে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।"
৮ - তাঁর মৃত্যুর তারিখ ও স্থান:তাঁর মৃত্যুর তারিখ নিয়ে তিনটি মতভেদ রয়েছে:
প্রথম মত: তিনি সমরকন্দ শহরে ২৫৫ হিজরীর যিলহজ মাসে তারবিয়ার দিন (৮ই যিলহজ) আছরের পর মৃত্যুবরণ করেন এবং আরাফার দিন জাকারদীযায় তাঁকে দাফন করা হয়। আর এটি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
فِي يَوْمِ الجُمُعَة، وَهُوَ ابْنُ خَمْسِ وَسَبْعِيْن سَنَة
(1)، وَقِيْل: ابْنُ ثَلاثٍ وَسَبْعِيْنَ سَنَة
(2)، وَصَلَّى عَلَيْهِ أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنُ أَسَد بْنُ سُلَيْمَان أَمِيْرُ سَمَرْقَنْد، بَعْدَ الجُمُعَة
(3).
أَرَّخَ وَفَاتَهُ فِي هَذِهِ السَّنَة: مَكِّيُّ بْنُ مُحَمَّد بْنِ أَحْمَد بْنِ مَاهَان البَلْخِيُّ الحَافِظُ
(4)، وَأَبُوْ الحَسَن أَحْمَدُ بْنُ سَيَّار بْنِ أَيُّوب المَرْوَزِي، وَأَبُوْ حَاتِم ابْنُ حِبَّان البُسْتِي، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيم بْنِ مَنْصُور الشِّيْرَازِيِّ، وَأَبُوْ العَبَّاس السَّرَّاج
(5).
القَوْل الثَّانِي: تُوُفِّى سَنَة خَمْسِيْن وَمِائَتَيْن، قَالَهُ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيم الكَرَجِيُّ السَّمَرْقَنْدِيّ.
وَاقْتَصَرَ الحَاكِمُ فِي "تَارِيْخِ نَيْسَابُوْر فِي وَفَاتِهِ عَلَى ذِكْرِ هَذَا القَوْل
(6).
وَذَكَرَ الخَطِّيْبُ فِي "تَارِيْخِهِ"
(7)، وَالمِزِّيُّ فِي "تَهْذِيْبِهِ"
(8)، أَنَّ هَذَا القَوْل وَهْمٌ، وَأَنَّ الصَّوَاب، مَا تَقَدَّم.
وَقَالَ الذَّهَبِي فِي "النُّبلاء"
(9): "وَوَهِمَ مَنْ قَالَ: "وَفَاتُهُ فِي سَنَةِ خَمْسِيْن، فَقَدْ
--------------------------------------------
জুমুআর দিনে, আর তিনি ছিলেন পঁচাত্তর বছর বয়সী
(১), এবং বলা হয়েছে: তেয়াত্তর বছর বয়সী
(২), আর তাঁর জানাজা পড়িয়েছেন সমরকন্দের আমির আহমদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আসাদ ইবন সুলাইমান, জুমুআর নামাজের পর
(৩)।
এই বছর তাঁর মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করেছেন: হাফিজ মাক্কী ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মাহান আল-বালখি
(৪), আবুল হাসান আহমদ ইবন সাইয়্যার ইবন আইয়ুব আল-মারওয়াযি, আবু হাতিম ইবন হিব্বান আল-বুস্তি, মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন মানসুর আশ-শিরাজি এবং আবুল আব্বাস আস-সাররাজ
(৫)।
দ্বিতীয় মত: তিনি দুশো পঞ্চাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, এটি আহমদ ইবন ইব্রাহিম আল-কারাজি আস-সামারকান্দি বলেছেন।
আল-হাকিম তাঁর "তারিখে নাইসাবুর" গ্রন্থে তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে কেবল এই মতটি উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন
(৬)।
আল-খতিব তাঁর "তারিখে"
(৭) এবং আল-মিযযি তাঁর "তাহযিব" গ্রন্থে
(৮) উল্লেখ করেছেন যে, এই মতটি একটি বিভ্রম, আর সঠিক হলো তা-ই যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
আয-যাহাবি "আন-নুবালা" গ্রন্থে
(৯) বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলেছে: 'তাঁর মৃত্যু পঞ্চাশ সালে', সে ভুল করেছে, কারণ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
أَرَّخَهُ، جَمَاعَةٌ عَلَى الأَوّل".
وَقَالَ فِي "التَّذْهِيْب"
(1): "غَلِطَ مَنْ قَالَ: "وَفَاتُهُ سَنَة خَمْسِيْن".
وَقَالَ المقْرِيْزِي فِي "المُقَفَّى الكَبِيْر"
(2): "أرَّخ وَفَاتَهُ سَنَة خَمْس وَخَمْسِيْن غَيْرُ وَاحِدٍ، وَغَلِطَ مَنْ قَالَ: "وَفَاتُهُ سَنَة خَمْسِيْن".
القَولُ الثَّالِثُ: قَالَ يَحْيَى بْنُ بَدْر السَّمَرْقَنْدِي: "مَاتَ سَنَة أَرْبَعٍ وَخَمْسِيْن وَمِائَتَيْنِ"
(3). وَذَكَرَ هَذَا القَوْل ابْنُ عَسَاكِر فِي "المُعْجَمِ المُشْتَمِل"
(4): فَقَالَ: "وَيُقَالُ: مَاتَ سَنَة أَرْبَعٍ وَخَمْسِيْن وَمِائَتَيْن".
9 - مَوْقِفُ الإِمَام البُخَارِي لمَّا نُعِي وَفَاتَهُ:قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَد بْنِ خَلَف البُخَارِي: "كُنَّا عِنْدَ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيْل فَوَرَدَ عَلَيْهِ كِتَابٌ فِيْهِ نَعْي عَبْدِ الله بْن عَبْدِ الرَّحْمَن، فَنَكَّسَ رَأْسَهُ، ثُمَّ رَفَعَ وَاسْتَرْجَعَ، وَجَعَلَ تَسِيْل دُمُوْعُهُ عَلَى خَدَّيهِ، ثُمَّ أَنْشَأَ مُتَمَثِّلًا يَقُوْلُ:
إنْ تَبْقَ تُفْجَعْ بالأَحِبَّةِ كُلِّهِمْ
… وفَنَاءُ نَفْسِكَ لا أَبَا لَكَ أَفْجَعُ
قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَد: "وَمَا سَمِعْنَاهُ يُنْشِدُ شِعْرًا إِلا مَا يَجِيءُ فِي الحَدِيْثِ"
(5).
* * *
--------------------------------------------
"একদল প্রথম মতানুসারেই তাঁর মৃত্যু তারিখ বর্ণনা করেছেন।"
এবং "আত-তাজহীব"
(১) গ্রন্থে বলা হয়েছে: "যিনি বলেছেন: 'তাঁর মৃত্যু পঞ্চাশ হিজরি সনে', তিনি ভুল করেছেন।"
মাকরিজি "আল-মুকাফফা আল-কাবীর"
(২) গ্রন্থে বলেছেন: "একাধিক ব্যক্তি তাঁর মৃত্যুর তারিখ দুইশ পঞ্চান্ন হিজরি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আর যিনি বলেছেন: 'তাঁর মৃত্যু পঞ্চাশ হিজরি সনে', তিনি ভুল করেছেন।"
তৃতীয় মত: ইয়াহইয়া ইবনে বদর আস-সামারকান্দি বলেছেন: "তিনি দুইশ চুয়ান্ন হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন"
(৩)। ইবনে আসাকির "আল-মু'জামুল মুশতামিল"
(৪) গ্রন্থে এই মতটি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "বলা হয়: তিনি দুইশ চুয়ান্ন হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন।"
৯ - ইমাম বুখারীর অবস্থান যখন তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছাল:ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে খালাফ আল-বুখারী বলেন: "আমরা মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইলের নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় তাঁর কাছে একটি চিঠি এল যাতে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমানের মৃত্যু সংবাদ ছিল। তিনি তাঁর মাথা নিচু করলেন, অতঃপর মাথা তুললেন এবং ইন্না লিল্লাহ পড়লেন। তাঁর দুই গাল বেয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল। অতঃপর তিনি উদাহরণস্বরূপ এই কবিতাটি আবৃত্তি করলেন:
যদি তুমি বেঁচে থাকো, তবে তোমার সকল প্রিয়জনের বিচ্ছেদে শোকার্ত হবে
… আর তোমার নিজের বিনাশ, হে ব্যক্তি, অধিকতর শোচনীয়
ইসহাক ইবনে আহমদ বলেন: "হাদিসে যা এসেছে তা ছাড়া আমরা তাঁকে কখনো কবিতা আবৃত্তি করতে শুনিনি"
(৫)।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
المَبْحَثُ الثَّانِي: فِي ذِكْرِ مَا وُصِفَ بهِ مِنْ أَخْلاقٍ عَالِيَةٍ، وَسَجَايَا سَامِيَةٍ.
1 - عِبَادَتُهُ وَزُهْدُهُ وَوَرَعُهُ وَتَقْوَاهُ.
قَالَ ابْنُ نُمَيْر الكُوْفِي: "غَلَبَنَا عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِالوَرَعِ"!
(1).
وَقَالَ عُثْمَانُ ابْنُ أَبِي شَيْبَة الكُوْفِي: "أَمرُ عَبْدِ الله بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَعْظَمُ مِنْ ذَاكَ فِيْمَا يَقُوْلُوْن مِنَ البَصَرِ، والحِفْظِ، وَصِيَانِة النَّفْسَ، عَافَاهُ اللهُ"!
(2).
وَقَالَ الإِمَامُ أَحْمَدُ البَغْدَادِي: "عُرِضَ عَلَيْهِ الدُّنْيَا فَلَمْ يَقْبَل"
(3).
وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيْم بْنِ مَنْصُور الشِّيْرَازِي: "كَانَ عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَلَى غَايةٍ مِنَ الدِّيانَةِ، مَنْ يُضْربُ بِهِ المثَلُ فِي العِبَادَةِ، وَالزَّهَادَةِ"
(4).
وَقَالَ ابْنُ حِبَّان فِي "الثِّقَات"
(5): "كَانَ مِنْ أَهْلِ الوَرَع فِي الدِّين، مِمَّنْ حَفِظَ وَجَمَعَ، وتَفَقَّه، وصَنَّفَ، وَحَدَّثَ، وَأَظْهَرَ السُّنَّة فِي بَلَدِهِ، وَدَعَا إِلَيْهَا، وَذَبَّ عَنْ حَرِيْمِهَا، وَقَمَعَ مَنْ خَالَفَهَا".
وَقَالَ الخَطِّيْب البَغْدَادِي فِي "تَارِيْخ بَغْدَاد"
(6): "كَانَ أَحَدَ المَوْصُوْفِين بالصِّدْقِ، والوَرَعِ، والزُّهْدِ، وَكَانَ فِي نِهَايَةِ الفَضْلِ، يُضْرَبُ بِهِ المَثَلُ فِي الدِّيانةِ، وَالاجْتِهَادِ، والعِبَادةِ، والزَّهادةِ، والتَّقَلُّلِ".
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর সুউচ্চ চরিত্র ও মহান গুণাবলির বর্ণনা প্রসঙ্গে.
১ - তাঁর ইবাদত, দুনিয়াবিমুখতা, পরহেজগারী ও তাকওয়া.
ইবনু নুমাইর আল-কুফি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান তাঁর পরহেজগারীর মাধ্যমে আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছেন!"
(১).
উসমান ইবনু আবি শাইবাহ আল-কুফি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানের বিষয়টি তাঁর প্রজ্ঞা, মুখস্থশক্তি এবং আত্মসংযম সম্পর্কে যা বলা হয়, তার চেয়েও মহান; আল্লাহ তাকে সুস্থ রাখুন!"
(২).
ইমাম আহমাদ আল-বাগদাদী বলেন: "তাঁর সামনে দুনিয়া পেশ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি"
(৩).
মুহাম্মদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু মানসুর আশ-শিরাজি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ধার্মিকতার চূড়ান্ত শিখরে ছিলেন, যাঁর ইবাদত ও দুনিয়াবিমুখতার উদাহরণ পেশ করা হতো"
(৪).
ইবনু হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেন: "তিনি দ্বীনের ক্ষেত্রে পরহেজগার লোকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন; যিনি হাদিস মুখস্থ ও সংকলন করেছেন, ফিকহ চর্চা করেছেন, গ্রন্থ রচনা করেছেন, হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং নিজ জনপদে সুন্নাহকে প্রকাশ করেছেন ও তার দিকে মানুষকে আহ্বান করেছেন, সুন্নাহর মর্যাদা রক্ষা করেছেন এবং সুন্নাহ বিরোধীদের দমন করেছেন"
(৫).
খতিব আল-বাগদাদী ‘তারিখে বাগদাদ’ গ্রন্থে বলেন: "তিনি সত্যবাদিতা, পরহেজগারী ও দুনিয়াবিমুখতায় প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তিনি শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত সীমায় ছিলেন; ধার্মিকতা, প্রচেষ্টা, ইবাদত, বিরাগ ও অল্পে তুষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর উদাহরণ দেওয়া হতো"
(৬).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَرُ بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي فِي "القَنْد"
(1): "كَانَ فِي غَايَةٍ مِنَ الزُّهْدِ، وَالدِّيَانَةِ"!
وَقَالَ الذَّهَبِي فِي "النُّبَلاء"
(2): "قَدْ كَانَ رُكْنًا مِنْ أَرْكَانِ الدِّيْن"!
قَالَ سِبْط ابن العَجَمِي فِي "نِهَايَةِ السُّوْل"
(3): "ثَنَاءُ النَّاسُ عَلَيْهِ كَثِيْرٌ فِي العِبَادَةِ، وَالزَّهَادَة، والوَرَعِ، وَالعَمَلِ"!
2 - كَمَالُ عَقْلِهِ وَحِلُمُهُ:قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيم بْنِ مَنْصُوْر الشِّيْرَازِي: "كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَلَى غَايَةٍ مِنَ العَقْلِ، مَنْ يُضْربُ بِهِ المثَلُ فِي الحِلْمِ، وَالرَّزَانَةِ"
(4).
وَقَالَ ابْنُ أَبِي شَيْبَة
(5): "غَلَبَنا عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِالعَقْلِ، والرَّزَانَة".
وَقَالَ الخَطِيْب البَغْدَادِي فِي "تَارِيْخِ بَغْدَاد"
(6): "كَانَ عَلَى غَايَةِ العَقْلِ، وَفِي نَهَايَةِ الفَضْلِ، يُضْرَبُ بِهِ المَثَلُ فِي الدِّيانةِ، وَالحِلْمِ، والرَّزَانَةِ".
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَرُ بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي فِي "القَنْد"
(7): "كَانَ فِي غَايَةٍ مِنَ العَقْلِ وَالرَّزَانَةِ".
--------------------------------------------
নাজমুল দীন উমর ইবন মুহাম্মদ আন-নাসাফী "আল-কান্দ"
(১) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি ছিলেন দুনিয়াবিমুখতা এবং ধার্মিকতার চূড়ান্ত শিখরে!"
এবং আয-যাহাবী "আন-নুবালা"
(২) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি দ্বীনের স্তম্ভসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি স্তম্ভ ছিলেন!"
সিবত ইবনুল আজামী "নিহায়াতুস সূল"
(৩) গ্রন্থে বলেছেন: "ইবাদত, দুনিয়াবিমুখতা, পরহেজগারিতা এবং আমলের ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি মানুষের প্রশংসা ছিল অগণিত!"
২ - তাঁর বুদ্ধিমত্তার পূর্ণতা এবং সহনশীলতা:মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম ইবন মানসুর আশ-শিরাজী বলেছেন: "আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান বুদ্ধিমত্তার চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিলেন, সহনশীলতা এবং গাম্ভীর্যের ক্ষেত্রে যাঁর উদাহরণ দেওয়া হতো"
(৪).
এবং ইবন আবী শায়বাহ
(৫) বলেছেন: "আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান বুদ্ধিমত্তা এবং গাম্ভীর্য দ্বারা আমাদের ওপর জয়ী হয়েছিলেন।"
এবং খতীব আল-বাগদাদী "তারীখে বাগদাদ"
(৬) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি বুদ্ধিমত্তার চরম শিখরে এবং শ্রেষ্ঠত্বের শেষ সীমায় ছিলেন; ধার্মিকতা, সহনশীলতা ও গাম্ভীর্যের ক্ষেত্রে তাঁর উদাহরণ দেওয়া হতো।"
এবং নাজমুল দীন উমর ইবন মুহাম্মদ আন-নাসাফী "আল-কান্দ"
(৭) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি বুদ্ধিমত্তা এবং গাম্ভীর্যের চূড়ান্ত শিখরে ছিলেন।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
3 - ذَكَاؤُهُ وَحِفْظُهُ وَإِتْقَاُنُهُ:قَالَ -رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى-: "مَا اسْتَوْدَعْتُ قَلْبِي شَيْئًا فَخَانَنِي"
(1).
وَقَالَ ابْنُ نُمَيْر الكُوْفِي: "غَلَبَنَا عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِالحِفْظِ"!
(2).
وَقَالَ إِسْحَاقُ ابْنُ رَاهُوَيْه: "عَبْدُ اللهَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَحْفَظُ مَا عِنَدْهُ، وَمَا عَنْدِ غَيْرِهِ"
(3).
وعَدَّهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيْد البَغْلانِيّ مِنْ حُفَّاظِ خُرَاسَان"
(4).
وَجَعَلَهُ أَبُوْ بَكْر الأَعْيَن أَحَدَ مَشَايِخ خُرَاسَان الأَرْبَعَة"
(5).
وَجَعَلَهُ الإِمَام أَحْمَد أَحَدَ الأَئِمَّة الأَرْبَعَةِ الَّذِيْن انْتَهَى الحِفْظُ إِلَيْهِم بخُرَاسَان، وَوَصَفَهُ بِأَنَّهُ أَتْقَنُهُم".
(6).
وَذُكِرَ عِنْدَ يَحْيَى بْنِ أَكْثَم مُحَمَّد بْنِ إِسْمَاعِيْل البُخَارِي، وَعَبْدُ اللهُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَن السَّمَرْقَنْدِي، فَقَال: مَنْ تَزْعُمُوْن أَيُّهُمَا أَحْفَظ؟ فَقَالَ إِنْسَانٌ: مُحَمَّد البُخَارِي. فَقَالَ يَحْيَى: اسْكُتْ؛ بَيْنَ مُحَمَّد وَعَبْدِ الله كَثِيْر، أَنْتُم لا تَعْرِفُوْن عَبْدَ الله، عَبْدُ اللهِ أَحْفَظ"!
(7).
وَقَالَ رَجَاءُ بْنُ المُرَجَّى السَّمَرْقَنْدي: رَأَيْتُ ابْنَ حَنْبل، وَإِسْحَاق، وَابْن
--------------------------------------------
৩ - তাঁর মেধা, মুখস্থশক্তি এবং নিপুণতা:তিনি -আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন- বলেছেন: "আমি আমার হৃদয়ে এমন কিছু জমা রাখিনি যা আমাকে ধোঁকা দিয়েছে (অর্থাৎ যা আমি ভুলে গিয়েছি)"
(১)।
ইবনে নুমায়র আল-কুফি বলেন: "আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান মুখস্থশক্তির দিক দিয়ে আমাদের ছাড়িয়ে গেছেন!"
(২)।
ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ বলেন: "আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান তাঁর কাছে যা আছে তা মুখস্থ রাখেন এবং অন্যদের কাছে যা আছে তাও মুখস্থ রাখেন"
(৩)।
কুতাইবাহ বিন সাঈদ আল-বাগলানি তাঁকে খুরাসানের হাফেজদের (স্মৃতিধরদের) অন্তর্ভুক্ত করেছেন
(৪)।
আবু বকর আল-আ'য়ান তাঁকে খুরাসানের চারজন প্রধান শায়খের একজন গণ্য করেছেন
(৫)।
ইমাম আহমাদ তাঁকে খুরাসানের সেই চারজন ইমামের একজন সাব্যস্ত করেছেন যাদের ওপর হিফজ বা মুখস্থবিদ্যার পরিসমাপ্তি ঘটেছে, এবং তিনি তাঁকে তাঁদের মাঝে সবচেয়ে বেশি নিপুণ বলে বর্ণনা করেছেন।
(৬)।
ইয়াহইয়া বিন আকসামের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি এবং আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আস-সামারকান্দির কথা আলোচনা করা হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমাদের ধারণা মতে তাদের দুজনের মধ্যে কে বেশি হাফেজ (স্মৃতিধর)?" জনৈক ব্যক্তি উত্তর দিলেন: "মুহাম্মাদ আল-বুখারি।" তখন ইয়াহইয়া বললেন: "চুপ করো; মুহাম্মাদ এবং আবদুল্লাহর মাঝে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে। তোমরা আবদুল্লাহকে চেনো না; আবদুল্লাহই অধিক হাফেজ!"
(৭)।
রাজা বিন আল-মুরাজ্জা আস-সামারকান্দি বলেন: "আমি ইবনে হাম্বল, ইসহাক এবং ইবন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
المَدِيْنِي، والشَّاذَكُوْنى، فَمَا رَأَيْتُ أَحْفَظ مِنْ عَبْدِ الله!
(1).
وَجَعَلَهُ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّار بُنْدَار البَصْرِيّ: أَحَدَ حُفَّاظِ الدُّنيا الأَرْبَعة"
(2).
وَقَالَ أَبُوْ حَامِد ابْنُ الشَّرْقِي: "إِنَّمَا أَخْرَجَتْ خُرَاسَان مِنْ أَئِمّةِ الحَدِيْث خَمْسَةَ رِجَال". وَعَدَّهُ فِيْهِم
(3).
وَقَالَ الحَاكِم فِي "تَارِيْخِ نَيْسَابُوْر": "كَانَ مِنْ حُفَّاظِ الحَدِيْث المُبَرِّزِيْن"
(4).
وَقَالَ أَبُوْ شَدَّاد: "إِنَّ عَبْدَ اللهِ بَحْرٌ فِي الحَدِيْث"
(5).
وَقَالَ الخَطِيْبُ فِي "تَارِيْخِ بَغْدَاد"
(6): "كَانَ أَحَدَ المَوْصُوْفِيْنَ بِحِفْظِ الحَدِيْث، وَالإِتْقَانِ لَهُ".
وَقَدْ وَصَفَهُ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ العُلَمَاءِ بِالحِفْظِ وَالإِتْقَانِ.
4 - تَمَسُّكُهُ بالسُّنّة وَالآثَار وَدَعْوَةُ النَّاس إِلَى ذَلِكَ، وَصَلابَتُهُ فِي الحَق.
قَالَ يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الله بْنِ مَالِك: "قَلَّبْتُ عَبْدَ الله ظَهْرًا وَبَطْنًا؛ فَوَجَدْتُّهُ لا تَأْخُذُهُ فِي الله لَوْمَةُ لائِمٍ"
(7).
وَقَالَ ابْنُ حِبَّان فِي "الثِّقَات"
(8): "أَظَهرَ السُّنَّة فِي بَلَدِهِ، وَدَعَا إِلَيْهَا، وَذَبَّ
--------------------------------------------
আল-মাদিনী এবং আশ-শাযাকুনী, আমি আবদুল্লাহর চেয়ে বড় হাফেজ কাউকে দেখিনি!
(১).
এবং মুহাম্মদ ইবনে বাশশার বুন্দার আল-বাসরী তাঁকে "দুনিয়ার চারজন (বড়) হাফেজের একজন" হিসেবে গণ্য করেছেন
(২).
আবু হামিদ ইবনুশ শারকী বলেন: "খুরাসান হাদিসের ইমামদের মধ্য থেকে কেবল পাঁচজন ব্যক্তিকে বের করেছে।" তিনি তাঁকে তাঁদের মধ্যে গণ্য করেছেন
(৩).
আল-হাকিম 'তারিখে নাইসাবুর'-এ বলেন: "তিনি ছিলেন হাদিসের হাফেজদের মধ্যে অত্যন্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব"
(৪).
আবু শাদ্দাদ বলেন: "নিশ্চয়ই আবদুল্লাহ হাদিসের (জ্ঞানে) এক সমুদ্র"
(৫).
আল-খতিব 'তারিখে বাগদাদ'-এ বলেন
(৬): "তিনি ছিলেন হাদিস মুখস্থ রাখা এবং তাতে পারদর্শিতার গুণাবলি দ্বারা ভূষিত ব্যক্তিদের একজন"৷
একাধিক আলেম তাঁকে মুখস্থ শক্তি এবং পারদর্শিতার বিশেষণে বিশেষিত করেছেন৷
৪ - সুন্নাহ ও আসার (সাহাবীদের বাণী)-এর প্রতি তাঁর দৃঢ় সংলগ্নতা, সেদিকে মানুষকে আহ্বান এবং সত্যের ওপর তাঁর অটলতাইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মালিক বলেন: "আমি আবদুল্লাহর ভেতর-বাহির পরীক্ষা করেছি; আমি তাঁকে এমন পেয়েছি যে আল্লাহর ব্যাপারে তিনি কোনো নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করেন না"
(৭).
ইবনে হিব্বান 'আত-সিকাত'-এ বলেন
(৮): "তিনি তাঁর শহরে সুন্নাহকে প্রকাশ করেছেন, সেদিকে আহ্বান করেছেন এবং এর প্রতিরক্ষায় লড়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
عَنْ حَرِيْمِها، وَقَمَعَ مَنْ خَالَفَهَا".
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَرُ بْنُ مُحَمَّد النَّسَفَي فِي "القَنْد"
(1): "هُوَ الَّذِي أَظْهَرَ عِلْمَ الحَدِيْث، وَالآثَار، وَالسُّنَة بِسَمَرْقَنْد، وَذَبَّ عَنْهَا".
المَبْحَثُ الثُّالِث: فِي بَيَانِ عَقِيْدَتِهِ، وَفِقهِهِ:
(1) عَقِيْدَتُهُ:كَانَ -رَحِمَهُ اللهُ تَعَالِى- عَلَى عَقِيْدَةِ أَهْلِ الحَدِيْث حَفِظَ اللهُ أَحْيَاءَهُم، وَرَحِمَ أَمْوَاتَهُم، وَكَيْفَ لا يَكُوْنُ عَلَى عَقِيْدَتِهِم وَهُوُ الَّذِي أَظْهَرَ السُّنّةَ وَذَبَّ عَنْ حَرِيْمِهَا بِمَا وَرَاءَ النَّهْر".
قَالَ الإِمَامُ أَحْمَد: "ذَاكَ السَّيِّد عُرِضَ عَلَى الكُفْرِ فَلَمْ يَقْبَل"
(2).
وَذَكَرَهُ الحَافِظُ اللالَكَائِي فِي "شَرْحِ أُصُوْلِ اعْتِقَاد أَهْلِ السُّنَةِ وَالجَمَاعَة"
(3) "فِي جُمْلَةِ أَهْلِ السُّنَّةِ وَالجَمَاعَةِ القَائِلِيْن بِأَنَّ القُرْآن كَلامُ الله غَيْرُ مَخْلُوْقٍ".
وَقَالَ ابْنُ رَجَبُ الحَنْبَلِي فِي "شَرْحِ عِلَل التِّرْمِذِي"
(4): "امتُحِنَ فِي مَسْأَلَةِ القُرْآن فَلَمْ يُجِبْ".
وَقَالَ الذَّهَبِي فِي "العُلُوّ"
(5): "وَمِمَّنْ لا يَتَأَوّل وَيُؤْمِنُ بِالصِّفَاتِ، وَالعُلُوّ، فِي ذَلِكَ الوَقْت الحَافِظُ أَبُوْ مُحَمَّد عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّمَرْقَنْدِي، وَكِتَابُهُ
--------------------------------------------
তার পবিত্রতা রক্ষা করেছেন এবং যে তার বিরোধিতা করেছে তাকে দমন করেছেন।"
এবং নজম উদ্দীন উমর বিন মুহাম্মদ আন-নাসাফী "আল-কান্দ"
(১) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি সমরকন্দে হাদিস শাস্ত্র, আসার এবং সুন্নাহকে প্রকাশ করেছেন এবং তা রক্ষা করেছেন।"
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর আকিদা ও ফিকহের বর্ণনায়:
(১) তাঁর আকিদা:তিনি —আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন— আহলে হাদিসের আকিদার উপর ছিলেন (আল্লাহ তাদের জীবিতদের হিফাজত করুন এবং মৃতদের প্রতি রহম করুন)। আর কেনই বা তিনি তাদের আকিদার উপর হবেন না, অথচ তিনিই মাওয়ারাউন নাহর অঞ্চলে সুন্নাহকে প্রকাশ করেছেন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করেছেন।"
ইমাম আহমাদ বলেছেন: "সেই মহৎ ব্যক্তিকে কুফর গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি"
(২)।
হাফেজ আল-লালাকাঈ "শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ"
(৩) গ্রন্থে তাঁকে "আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর সেই সব ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা বলেন যে, কুরআন আল্লাহর কালাম, তা মাখলুক (সৃষ্ট) নয়"।
ইবনু রজব আল-হাম্বলী "শারহু ইলালি তিরমিযী"
(৪) গ্রন্থে বলেছেন: "কুরআন (মাখলুক হওয়ার) মাসআলায় তাঁর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি (বাতিল দাবিতে) সাড়া দেননি"।
এবং আয-যাহাবী "আল-উলুউ"
(৫) গ্রন্থে বলেছেন: "তৎকালীন সময়ে যারা (আল্লাহর গুণাবলির) অপব্যাখ্যা করতেন না এবং সিফাত ও আল্লাহর উচ্চতার ওপর ঈমান রাখতেন, তাদের অন্যতম হলেন হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আস-সামারকান্দী, এবং তাঁর কিতাব...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইরওয়াউয যামী বি-তারাজিমি রিজালি সুনানিদ দারিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
يُنْبِئُ بِذَلِكَ".
(2) إِمَامَتُهُ فِي الفِقْهِ، وَتَضَلُّعُهُ منه:لا شَكَّ أَنَّ مَنْ يَجُوْلُ تِلْكَ الأَصْقَاع وَالأَقَالِيْم، بَاحِثًا عَنْ أَحَادِيْثِ رَسُوْلِ الله صلى الله عليه وسلم، وَآثَارِ أَصْحَابِهِ رضي الله عنهم، وَجَامِعًا لَهَا، وَمُذَاكِرًا بِهَا كِبَارَ أَئِمّتِهَا، لا شَكَّ أَنَّ مَنْ كَانَ كَذَلِكَ تَكُوْنُ عِنْدَهُ الأَهْلِيّة الكَافِيَة لِمَعْرِفَةِ الصَّحِيْحِ وَالسَّقِيْم مِنَ السُّنّةِ النَّبَوِيّةِ، وَالأَهْلِيّة الكَافِيَة للاجْتِهَادِ، وَاسْتِنْبَاطِ الأَحْكَامِ الشَرْعِيَّةِ، فَلا يُقَلِّدُ أَحَدًا؛ بَلْ يَكُوْنُ فِي ذَلِكَ مُجْتَهِدًا، يَدُوْرُ مَعَ الدَّلِيْلِ حَيْثُ دَار، غَايَتُهُ فِي ذَلِكَ كُلِّهِ رِضَا الوَاحِد الجَبَّار.
قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيم بْنِ مَنْصُور الشِّيْرَازِي: "كَانَ عَبْدُ الله بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقِيْهًا عَالِمًا"
(1).
وَقَالَ ابْنُ حِبَّان فِي "الثِّقَات"
(2): "كَانَ مِمَّنْ تَفَقَّه".
وَقَالَ نَجْمُ الدِّيْن عُمَرُ بْنُ مُحَمَّد النَّسَفِي: فِي "القَنْد"
(3): "كَانَ فِي غَايَةٍ مِنَ الفِقْهِ".
وَقَالَ الذَّهَبِي فِي "تَارِيْخِهِ"
(4): "كَانَ مِنْ أَوْعِيَةِ العِلْم، يَجْتَهِدُ وَلا يُقَلِّدُ".
(3) نَمَاذِجُ مِنِ اخْتِيَارَاتِهِ الفِقْهِيّةِ:مِنْ ذَلِكَ اخْتِيَارُهُ: حَدِيْثَ وَابِصَة بْنِ مَعْبَد فِي مَسْأَلَةِ صَلاةِ الرَّجُلِ خَلْفَ
--------------------------------------------
তা এরই সংবাদ প্রদান করে।"
(২) ফিকহশাস্ত্রে তাঁর ইমামত এবং এতে তাঁর গভীর ব্যুৎপত্তি:এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস এবং তাঁর সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) আছার বা নিদর্শনাবলি অনুসন্ধানে বিভিন্ন জনপদ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করেন, সেগুলো সংগ্রহ করেন এবং সেগুলোর ব্যাপারে তৎকালীন বড় বড় ইমামদের সাথে আলোচনা করেন; এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এমন ব্যক্তির কাছে সুন্নাহর সহীহ ও যয়ীফ বর্ণনাগুলো চেনার পর্যাপ্ত যোগ্যতা তৈরি হয় এবং ইজতিহাদ ও শরঈ হুকুম-আহকাম আহরণ করার মতো যথেষ্ট দক্ষতা অর্জিত হয়। ফলে তিনি কারো অন্ধ অনুসরণ (তাকলীদ) করেন না; বরং এক্ষেত্রে তিনি একজন মুজতাহিদ হিসেবে গণ্য হন, দলীল যেদিকে ধাবিত হয় তিনিও সেদিকে আবর্তিত হন। এসব কিছুর পেছনে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য থাকে পরাক্রমশালী অদ্বিতীয় সত্তার সন্তুষ্টি অর্জন।
মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে মানসূর আশ-শীরাযী বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান একজন ফকীহ ও বিজ্ঞ আলিম ছিলেন"
(১)।
ইবন হিব্বান তাঁর "আস-সিকাত" গ্রন্থে বলেন
(২): "তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা ফিকহশাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন"।
নাজমুদ্দীন উমর ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাসাফী তাঁর "আল-কান্দ" গ্রন্থে বলেন
(৩): "তিনি ফিকহশাস্ত্রে চরম শিখরে ছিলেন"।
আয-যাহাবী তাঁর "তারীখ" গ্রন্থে বলেন
(৪): "তিনি ছিলেন জ্ঞানের আধারসমূহের অন্যতম, তিনি ইজতিহাদ করতেন এবং কারো তাকলীদ করতেন না"।
(৩) তাঁর ফিকহী চয়ন বা গবেষণালব্ধ মতামতের কিছু নমুনা:এর মধ্যে রয়েছে তাঁর চয়নকৃত মত: ওয়াবিসাহ ইবনে মাবাদ কর্তৃক বর্ণিত হাদীস, যা একাকী কোনো ব্যক্তির কাতারের পেছনে নামায আদায়ের মাসআলা সংশ্লিষ্ট...
--------------------------------------------