القسم: النحو والصرف
الكتاب: فتح الكبير المتعال إعراب المعلقات العشر الطوال
المؤلف: محمد علي طه الدرة
الناشر: مكتبة السوادي جدة - السعودية
الطبعة: الثانية، 1409 هـ- 1989 م
عدد الأجزاء: 2
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 رمضان 1440
বিভাগ: নাহু ও সরফ
বই: ফাতহুল কাবীরিল মুতাআল ই'রাবুল মুআল্লাকাতিল আশরিত তিওয়াল
লেখক: মুহাম্মদ আলী তাহা আদ-দুররাহ
প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাওয়াদী জিদ্দা - সৌদি আরব
সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪০৯ হিজরী- ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ، বাস্তবায়নে (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (আওকাফ আবদুল্লাহ বিন তুর্কি আদ-দাহইয়ান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ রমজান ১৪৪০
পদবিশ্লেষণ: "ফাতৌদিহ" শব্দটি পূর্ববর্তী চরণের "আদ-দুখুল" ও "হাওমাল" শব্দদ্বয়ের ওপর 'ফা' আতিফাহ (সংযোজক অব্যয়) দ্বারা সংযোজিত এবং সেগুলোর মতোই 'জর' (জের) বিশিষ্ট। এর 'জর'-এর চিহ্ন হলো 'কাসরা'র পরিবর্তে 'ফাতহা', কারণ শব্দটি নামবাচক বিশেষ্য ও অনারব হওয়ার কারণে 'রূপান্তরহীন' (মানউ মিনাস সারফ)। কারো মতে এটি নামবাচক ও স্ত্রীবাচক হওয়ার কারণে এমন হয়েছে। "ফাল-মিকরাহ" শব্দটি 'ফা' আতিফাহ দ্বারা তার পূর্ববর্তী শব্দের ওপর সংযোজিত এবং এটিও 'জর' বিশিষ্ট। "লাম" হলো না-বোধক, অর্থ পরিবর্তনকারী ও জযম প্রদানকারী অব্যয়। "ইয়া'ফু" হলো "লাম" দ্বারা জযম প্রাপ্ত 'মুদারে' (বর্তমান/ভবিষ্যৎকালসূচক) ক্রিয়া; এর জযমের চিহ্ন হলো এর শেষাক্ষর থেকে 'ইল্লত' বর্ণ বা দুর্বল বর্ণ 'ওয়াও' বিলুপ্ত হওয়া, আর পূর্ববর্তী 'যম্মাহ' (পেশ) সেই বিলুপ্ত বর্ণের প্রমাণ। "রাসমুহা" এর 'রাসমু' অংশটি উক্ত ক্রিয়ার কর্তা (ফায়েল), এবং 'হা' হলো সংলগ্ন সর্বনাম যা সম্বন্ধ পদ (ইদাফাত) হিসেবে 'জর'-এর স্থানে রয়েছে। "লাম ইয়া'ফু রাসহুহা" এই ক্রিয়াধর্মী বাক্যটি "আল-মিকরাহ" এবং তার পূর্ববর্তী নামবাচক শব্দগুলোর জন্য 'হাল' (অবস্থাবাচক পদ) হিসেবে 'নসব'-এর স্থানে রয়েছে, কারণ এগুলো সুপরিচিত স্থানের নাম। এখানে কেবল সর্বনামটিই যোগসূত্র। সম্বন্ধিত পদের (মুদাফ ইলাইহি) 'হাল' হওয়া বৈধ, যেহেতু সম্বন্ধ পদটি (মুদাফ) তারই অংশ। "লি-মা" এর 'লাম' হলো অব্যয় ও কারণবাচক। "মা" হলো সম্বন্ধসূচক বিশেষ্য (ইসম মাওসুল) যা সুকুন অবস্থায় 'লাম'-এর কারণে 'জর'-এর স্থানে রয়েছে। এই জার-মাজরুর "ইয়া'ফু" ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট। "নাসাজাত-হা" হলো অতীতকালীন ক্রিয়া, 'তা' বর্ণটি স্ত্রীবাচক এবং 'হা' হলো সংলগ্ন সর্বনাম যা কর্ম (মাফউল বিহি) হিসেবে 'নসব'-এর স্থানে রয়েছে। এর কর্তা হলো একটি উহ্য সর্বনাম 'হিয়া', যা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যাখ্যাত "মা"-এর দিকে প্রত্যাবর্তন করছে—আর তা হলো দক্ষিণ ও উত্তর বায়ু; এটিই হলো প্রত্যাবর্তক সর্বনাম (আয়িদ)। এই ক্রিয়াধর্মী বাক্যটি 'সিলাতুল মাওসুল' যার ব্যাকরণিক কোনো অবস্থান নেই। আবু আল-হাসান আল-আখফাশ-এর মতানুসারে ইতিবাচক বাক্যে "মিন" অতিরিক্ত হওয়া বৈধ; সেক্ষেত্রে 'জানুব' শব্দটি শব্দগতভাবে 'জর' বিশিষ্ট হলেও অবস্থানগতভাবে 'রাফা' বা কর্তৃকারক। "মিন জানুব" জার-মাজরুর অংশটি "নাসাজা" ক্রিয়ার উহ্য কর্তার 'হাল' হিসেবে সংশ্লিষ্ট। আর "মিন" শব্দটি "মা"-এর অস্পষ্টতাকে স্পষ্ট ও ব্যাখ্যা করার জন্য এসেছে। "শামআল" শব্দটি 'ওয়াও' অব্যয় দ্বারা তার পূর্ববর্তীর সাথে সংযোজিত। কেউ কেউ মত দিয়েছেন যে "মা" শব্দটি 'মাসদারিয়্যাহ' হতে পারে যা ক্রিয়ার সাথে মিলে ক্রিয়ামূলের (মাসদার) অর্থ প্রদান করবে; তখন এর প্রাক্কলিত রূপ হবে: 'বাতাস কর্তৃক তা বুনন করার কারণে'। অতঃপর তিনি ব্যাখ্যামূলক "মিন" যোগ করে বলেছেন: 'মিন জানুবিন ওয়া শামআল'। এখানে "নাসাজাত" (বুনন করেছে) ক্রিয়ায় বাতাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ যখন স্থান, চিহ্ন ও বুননের কথা বলা হয়েছে, তখন তা বাতাসের দিকেই ইঙ্গিত করে। তাই অর্থের স্পষ্টতার কারণে এখানে বাতাসের পরিবর্তে সর্বনামের মাধ্যমে পরোক্ষ উল্লেখ (কিনায়াহ) করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: {শপথ দিবসের, যখন সে তাকে প্রকাশিত করে}। এখানে তিনি অন্ধকারকে প্রকাশিত করার কথা বুঝিয়েছেন, তাই অন্ধকারের পরিবর্তে সর্বনাম ব্যবহার করেছেন অথচ পূর্বে অন্ধকারের উল্লেখ ছিল না—সেটি প্রসঙ্গের কারণেই করা হয়েছে। আমাদের 'ফাতহু রাব্বিল বারিয়্যাহ' গ্রন্থের ১৯০ ও ১৯১ নম্বর প্রমাণগুলো দেখুন, আপনি কাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সন্ধান পাবেন। এটি, আর এখনো...