(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: -)
المجرد في أسماء رجال سنن ابن ماجه   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: المجرد في أسماء رجال سنن ابن ماجه

المؤلف: الحافظ الذهبي (ت 748 هـ)

تحقيق وتعليق واستدراك: الدكتور باسم فيصل الجوابرة، الأستاذ المساعد بكلية أصول الدين بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية

الناشر: دار الراية للنشر والتوزيع الرياض - المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1409 هـ - 1988 م

عدد الصفحات: 272

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 رمضان 1440

সুনানে ইবনে মাজাহ-র বর্ণনাকারীদের নামের সংক্ষিপ্ত তালিকা   (শামসুদ্দিন আদ-দাহাবি)

বিভাগ: জীবনী ও স্তর


গ্রন্থ: সুনানে ইবনে মাজাহ-র বর্ণনাকারীদের নামের সংক্ষিপ্ত তালিকা

লেখক: হাফিজ আদ-দাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হি.)

তাহকিক, তালীক ও অতিরিক্ত সংযোজন: ডক্টর বাসিম ফয়সাল আল-জাওয়াবিরাহ, ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুল আদ-দীন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক

প্রকাশক: দারুর রায়াহ প্রকাশনী ও বিতরণ কেন্দ্র, রিয়াদ - সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৯ হি. - ১৯৮৮ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭২

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ রমজান ১৪৪০

(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১)
المُجَرِّدُ

في أسمَاء رجَال سُنن ابن مَاجَه

تأليف

الامَام الحَافِظ الذهَبيْ

المتَوفى سَنَة 748 هـ

تحقيق وَتعَليقَ واسْتِدرَاك

الدكتور بَاسم فيصَل الجوَابرَة

الأستَاذ المسَاعِد بكُليّة أصُول الدّينْ

بجامِعَة الإمَام محَمّد بن سُعُودِ الإسْلاميَّة

دَارُ الرَّايَة

للنَّشْرَ والتَّوزيْع
আল-মুজাররাদ

সুনানে ইবনে মাজাহ-এর বর্ণনাকারীদের নামের বর্ণনায়

রচনায়

ইমাম হাফিজ আয-যাহাবী

মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি

গবেষণা, টীকা ও পরিমার্জন

ডক্টর বাসিম ফয়সাল আল-জাওয়াবিরাহ

সহকারী অধ্যাপক, উসুলুদ দীন অনুষদ

ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

দারুর রাইয়্যাহ

প্রকাশনা ও বিতরণের জন্য
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২)
حقوق الطَّبع محفوظة

الطبعَة الأولى

1409 هـ - 1988 م

دَارُ الرَّايَة

للنَّشْرَ والتَّوزيْع

الرّيَاض - الرَّبَوة - طَريق عمَر بنْ عَبد العَزيْز

هَاتف: 4911985 - مصور (فاكس) 406649

صَ. بَ: 40124 - الرَمز: 11499 - مبرَقة (تلكس) 400981 - sj- AIc 0
সর্বসত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪০৯ হিজরী - ১৯৮৮ ঈসায়ী

দারুর রায়াহ

প্রকাশনা ও বিতরণের জন্য

রিয়াদ - আর-রাবওয়াহ - উমর বিন আব্দুল আজিজ রোড

টেলিফোন: ৪৯১১৯৮৫ - ফ্যাক্স: ৪০৬৬৪৯

পো. বক্স: ৪০১২৪ - কোড: ১১৪৯৯ - টেলেক্স: ৪০০৯৮১ - sj- AIc 0
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

المقدمة

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده الله فهو المهتد، ومن يضلل فلن تجد له وليًا مرشدًا، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، صلّى الله وسلّم عليه وعلى آله وصحبه أجمعين.

أما بعد:

فهذا كتاب المجرد في أسماء رجال ابن ماجه كلهم سوى من أخرج له أحد الصحيحين، جرَّده الإمام الحافظ الذهبي، ولهذا المجرد ميزات كثيرة منها: أنه رتب أسماء التراجم على الطبقات، وفي كل طبقة رتب التراجم على حروف المعجم، ومنها أن للذهبي حكمًا على بعض الرجال هنا غير موجود في كتبه الأخرى كما سأذكر في المميزات، وأن تراجم هذا الكتاب مختصرة جدًا.

أقدم هذا الكتاب للأخوة الباحثين محققًا ومعلقًا عليه وقد عملت مستدركًا عليه لأن النسخة المخطوطة التي اعتمدت عليها ناقصة من الوسط كما سيأتي في وصف النسخة.

 

‌‌عملي في الكتاب:

أولًا: إخراج النص سليمًا وصحيحًا، فقد بذلت جهدي في ذلك بالرجوع إلى كتب التراجم.

ثانيًا: ذكرت أقوال الذهبي في الرجل المترجم له من كتبه الأخرى مثل:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

ভূমিকা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্ট এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য আপনি কোনো পথপ্রদর্শনকারী অভিভাবক পাবেন না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

অতঃপর:

এটি ‘আল-মুজাররাদ ফি আসমাই রিজালি ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থ, যাতে ইবনে মাজাহর এমন সকল বর্ণনাকারীর নাম রয়েছে যাদের হাদীস সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর কোনোটিতে বর্ণিত হয়নি। ইমাম হাফেজ আয-যাহাবী এটি সংক্ষেপ করেছেন। এই ‘মুজাররাদ’ গ্রন্থটির অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: তিনি বর্ণনাকারীদের নামসমূহ স্তরে স্তরে (তবাকাত অনুযায়ী) সাজিয়েছেন এবং প্রতিটি স্তরে নামসমূহকে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন। এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, এতে কিছু বর্ণনাকারীর ব্যাপারে ইমাম যাহাবীর এমন সব মন্তব্য বা সিদ্ধান্ত রয়েছে যা তাঁর অন্য কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না—যেমনটি আমি বৈশিষ্ট্যসমূহের আলোচনায় উল্লেখ করব। এছাড়া এই গ্রন্থের জীবনীগুলো অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত।

আমি এই গ্রন্থটি গবেষক ভাইদের নিকট তাহকীক ও টীকাসহ উপস্থাপন করছি। আমি এর একটি পরিশিষ্ট বা মুসতাদরাক তৈরি করেছি, কারণ আমি যে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি তার মাঝখানের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ ছিল, যা পাণ্ডুলিপির বর্ণনায় সামনে আসবে।

 

‌‌গ্রন্থে আমার কাজ:

প্রথমত: মূল পাঠটি নির্ভুল ও সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। জীবনীগ্রন্থসমূহের সাহায্য নিয়ে আমি এ বিষয়ে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করেছি।

দ্বিতীয়ত: যে বর্ণনাকারীর জীবনী আলোচিত হয়েছে, তাঁর সম্পর্কে ইমাম যাহাবীর অন্যান্য গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তাঁর মন্তব্যসমূহ উল্লেখ করা, যেমন:
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
الكاشف، والميزان، والمغني، والديوان إنْ وُجدت الترجمة في هذه الكتب. ثم ذكرت قول الحافظ في الرجل من التقريب.

ثالثًا: رقمت التراجم بترقيم متسلسل.

رابعًا: عملت مقدمة ودراسة مختصرة للكتاب.

خامسًا: يوجد بعض التراجم لم يرمز لها المؤلف (أي من أخرج لها) فقمت باستكمال هذا النقص. فكل رمز بين قوسين هو غير موجود في المخطوط، وهذا الاستكمال استكملته من الكاشف أو التقريب أو التهذيب.

سادسًا: يقتصر المؤلف رحمه الله في كثير من الأحيان على ذكر اسم الرجل واسم أبيه فقط مما لا يميز صاحب الترجمة عن غيره، فقد قمت بتكملة أسماء هذه التراجم التي قد تشتبه مع أسماء بعض التراجم الأخرى، أما التراجم التي لا تشتبه بغيرها من الأسماء فلم أكملها.

سابعًا: ضبط الأعلام التي قد يشكل على القارئ ضبطها.

ثامنًا: عملت مستدركًا على الكتاب جعلته في آخره، وقد رتبت الأسماء على حروف المعجم، وذكرت طبقة كل راوٍ، ثم علقت على الترجمة في الهامش حيث نقلت كلام الذهبي، وكلام الحافظ ابن حجر، وهذا المستدرك يشتمل على أمرين:

الأول: استدراك القسم المفقود من الكتاب، كما سيأتي بيانه.

الثاني: استدراك على القسم الموجود من الكتاب، فيوجد تراجم على شرط الكتاب لم يذكرها المؤلف في الصحابة وبعض كباره التابعين وغيرهم.

هذا عملي وأرجو من الله العلي القدير أن أكون قد وفقت فيه، وأن يكون خالصًا لوجه الله الكريم إنه نعم الولي ونعم النصير.
আল-কাশিফ, আল-মিজান, আল-মুগনি এবং আদ-দিওয়ান—যদি এই গ্রন্থগুলোতে জীবনীটি পাওয়া যায়। অতঃপর আমি 'আত-তাকরিব' গ্রন্থ থেকে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে হাফেজ (ইবনে হাজার)-এর উক্তি উল্লেখ করেছি।

তৃতীয়ত: আমি জীবনীগুলোকে ধারাবাহিকভাবে ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি।

চতুর্থত: আমি গ্রন্থটির জন্য একটি ভূমিকা এবং সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা তৈরি করেছি।

পঞ্চমত: কিছু জীবনী রয়েছে যেগুলোর জন্য লেখক কোনো সংকেত (অর্থাৎ এটি কে বর্ণনা করেছেন) ব্যবহার করেননি, তাই আমি সেই অপূর্ণতা পূরণ করেছি। বন্ধনীভুক্ত প্রতিটি সংকেত মূল পাণ্ডুলিপিতে অনুপস্থিত ছিল; আমি এই সংযোজনগুলো আল-কাশিফ, আত-তাকরিব অথবা আত-তাহজিব থেকে সম্পন্ন করেছি।

ষষ্ঠত: লেখক (রহিমাহুল্লাহ) অনেক ক্ষেত্রে কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম এবং তার পিতার নাম উল্লেখ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন, যা সেই ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে পৃথক করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাই আমি সেইসব জীবনীগুলোর নাম পূর্ণ করেছি যা অন্য কোনো নামের সাথে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যেসব নাম অন্য কারো সাথে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে না, সেগুলো আমি পূর্ণ করিনি।

সপ্তমত: আমি সেইসব বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামের সঠিক উচ্চারণ নির্ধারণ করেছি যা পাঠকের জন্য অস্পষ্ট মনে হতে পারে।

অষ্টমত: আমি গ্রন্থের শেষে একটি মুসতাদরাক (পরিশিষ্ট) তৈরি করেছি এবং নামগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি। সেখানে প্রতিটি রাবির স্তর উল্লেখ করেছি এবং পাদটীকায় জীবনীটির ওপর মন্তব্য করেছি, যেখানে আমি আয-যাহাবি এবং হাফেজ ইবনে হাজারের বক্তব্য উদ্ধৃত করেছি। এই মুসতাদরাকটি দুটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে:

প্রথম: গ্রন্থের হারিয়ে যাওয়া অংশের পুনরুদ্ধার, যা সামনে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হবে।

দ্বিতীয়: গ্রন্থের বর্তমান অংশের ওপর অতিরিক্ত সংযোজন; কারণ এখানে এমন কিছু জীবনী রয়েছে যা গ্রন্থের শর্তানুসারে হওয়া আবশ্যক ছিল, কিন্তু লেখক সাহাবী এবং প্রবীণ তাবিঈদের মধ্যে তা উল্লেখ করেননি।

এটিই আমার কাজ এবং আমি মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমাকে এতে তাওফিক দান করেন এবং এটি যেন কেবল তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই হয়। নিশ্চয়ই তিনি সর্বোত্তম অভিভাবক এবং সর্বোত্তম সাহায্যকারী।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌وصف النسخة التي اعتمدت عليها:

النسخة التي اعتمدت عليها هي نسخة وحيدة من مصورات مكتبة جامعة الإمام محمد بن سعود الإِسلامية قسم المخطوطات برقم الحفظ (1171 ف)، وهي مصورة عن المخطوطة من المكتبة الظاهرية بدمشق وهي أصلًا من المكتبة العمرية.

وهذه النسخة بخط الحافظ الذهبي رحمه الله نفسه كما كتب على أول ورقة من المخطوط، وهي نسخة وحيدة بخط واضح عدد أوراقها 40 صفحة في كل صفحة (20) سطرًا.

وقد حصل في أصل المخطوط خطأ في ترتيب بعض الأوراق من تقديم وتأخير، فقد ذكر في أول صفحة الصحابة ثم انتقل في الصفحة المقابلة إلى التابعين ثم رجع في الصفحة الثالثة إلى الصحابة، وقد حاولت قدر المستطاع ترتيب هذه الأوراق كما وضعها المؤلف، وبعد جهد بفضل الله -تمّ لي المراد.

ولكن بعد الانتهاء من الترتيب ظهر لي أن أوراقًا مفقودة من أصل المخطوط، وهذه الأوراق هي بعد الورقة رقم (27) من ترقيمي.

هذا وقد وجدت نسخة أخرى بخط الشيخ محب الدين الخطيب رحمه الله، وبعد المقارنة بينهما وما كتب في آخرها فهي منقولة عن النسخة التي هي بخط الحافظ الذهبي وهي كثيرة الأخطاء والسقط، وهي غير مرتبة الأوراق مثل النسخة الأم تمامًا لذا لم أشر إليها.

ثم تفضل شيخنا وأستاذنا الفاضل حماد بن محمد الأنصاري بإعطائي نسخة أخرى مكتوبة على الآلة الطابعة وهي منقولة عن النسخة الأصل التي اعتمدت عليها، وقد كتب هذه النسخة الشيخ محمد المنتقي الكشناوي وقد فطن الشيخ رحمه الله إلى أن في المخطوط خطأ في ترتيب الأوراق وقد حاول ترتيب الكتاب، وقد ذكر في آخر الكتاب حيث قال استطعنا ربط بعض الصفحات ببعضها حين كانت مشوّشة الترتيب في الأصل وذلك بمساعدة شيخنا العلامة
আমি যে পাণ্ডুলিপির উপর নির্ভর করেছি তার বিবরণ:

আমি যে পাণ্ডুলিপির উপর নির্ভর করেছি সেটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি বিভাগের মাইক্রোফিল্মের একটি অনন্য কপি, যার সংরক্ষণ নম্বর (১১৭১ ফা)। এটি দামেস্কের জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির একটি ফোটোকপি এবং এটি মূলত উমরিয়া লাইব্রেরির অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পাণ্ডুলিপির প্রথম পাতায় লিখিত বিবরণ অনুযায়ী এই কপিটি স্বয়ং হাফেজ যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লিখিত। এটি স্পষ্ট হাতের লেখায় একটি অনন্য কপি, যার পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪০ এবং প্রতি পৃষ্ঠায় ২০টি করে লাইন রয়েছে।

মূল পাণ্ডুলিপির কিছু পৃষ্ঠার ক্রমে আগে-পিছে হওয়ার কারণে ত্রুটি ঘটেছিল। প্রথম পৃষ্ঠায় সাহাবায়ে কেরামের আলোচনা করার পর পরবর্তী পৃষ্ঠায় তাবেয়ীগণের আলোচনা শুরু হয়েছে এবং তৃতীয় পৃষ্ঠায় পুনরায় সাহাবায়ে কেরামের আলোচনায় ফিরে আসা হয়েছে। আমি সাধ্যমতো এই পৃষ্ঠাগুলোকে লেখক যেভাবে বিন্যস্ত করেছিলেন সেভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছি এবং আল্লাহর অনুগ্রহে কঠোর প্রচেষ্টার পর আমার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।

কিন্তু বিন্যাস শেষ করার পর আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, মূল পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু পৃষ্ঠা হারিয়ে গেছে। এই পৃষ্ঠাগুলো আমার করা নাম্বারিংয়ের ২৭ নম্বর পৃষ্ঠার পরবর্তী অংশ।

তদুপরি, আমি শেখ মুহিব্বুদ্দীন আল-খতিব (রহিমাহুল্লাহ)-এর হাতের লেখা আরেকটি কপি পেয়েছি। উভয় কপির মধ্যে তুলনা করার পর এবং এর শেষে যা লেখা আছে তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এটি হাফেজ যাহাবীর স্বহস্তে লিখিত কপিটি থেকেই নকল করা হয়েছে। এতে প্রচুর ভুল ও বিচ্যুতি রয়েছে এবং মূল কপির মতোই এর পৃষ্ঠাগুলো অগোছালো, তাই আমি এটির প্রতি কোনো ইঙ্গিত করিনি।

অতঃপর আমাদের সম্মানিত শায়খ ও উস্তাদ হাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী আমাকে টাইপরাইটারে টাইপ করা আরেকটি কপি দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন, যা আমি যে মূল কপির ওপর নির্ভর করেছি তা থেকেই নকল করা হয়েছিল। এই কপিটি শেখ মুহাম্মদ আল-মুনতাকি আল-কিশনাওয়ী লিখেছিলেন। শায়খ (রহিমাহুল্লাহ) বুঝতে পেরেছিলেন যে পাণ্ডুলিপিতে পৃষ্ঠার ক্রমে ত্রুটি রয়েছে এবং তিনি বইটি বিন্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। বইয়ের শেষে তিনি উল্লেখ করেছেন: "মূল পাণ্ডুলিপিতে যখন বিন্যাস এলোমেলো ছিল, তখন আমরা আমাদের শায়খ আল্লামার সহযোগিতায় কিছু পৃষ্ঠাকে অন্য পৃষ্ঠার সাথে সংযুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।"
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
المحدث محمد ناصر الدين الألباني. وقلت الظاهر أن الشيخ اهتم بترتيب الأوراق الأولى التي تتعلق بالصحابة فقط وقد وفق في ذلك، أما بقية الأوراق الأخرى فلم يهتم بترتيبها بل تركها كما هي؛ بدليل أن الشيخ الكشناوي ذكر بعد الانتهاء من الصحابة عنوانًا فقال طبقة التابعين وبدأ بزيد بن عياش وفي هذا خطئآن.

الخطأ الأول: أن العنوان الذي ذكره الشيخ غير موجود في المخطوط فهو زيادة منه وهذا غير جائز مطلقًا.

الخطأ الثاني: بدأ بزيد بن عياش والمؤلف رتب الكتاب على الطبقات وفي داخل كل طبقة رتب الأسماء على حروف المعجم، أما هنا فبدأ بحرف الزاي والصحيح أن يبدأ بحرف الألف فيقول طبقة ابن المسيب ثم يذكر أرقم بن شرحبيل كما فعلت والله أعلم.

هذا مثال واحد على أن الشيخ قد اهتم بترتب الصحابة فقط دون سائر الكتاب، وهي كثيرة الأخطاء ولهذا لم أشر إليها في التحقيق، لأن النسخة الأصل تغني عنها.

 

‌‌عنوان الكتاب:

جاء على أول ورقة من المخطوط "فيه المُجرِّد (1) في أسماء رجال كتاب سنن الإمام أبي عبد الله ابن ماجة كلهم سوى من أخرج له منهم في أحد الصحيحين"، علقه محمد بن أحمد بن عثمان بن الذهبي عفا الله عنه، ثم كتب تحته هذا خط (2). . .

--------------------------------------------

(1) كذا ضبطه بكسر الراء المشددة.

(2) ومما يؤكد أن هذا الكتاب كتب بخط الحافظ الذهبي هو شطبه على بعض الأسماء التي هي ليست على شرط الكتاب فيوجد أسماء أخرج لها الإمام مسلم، كتبها المؤلف ثم عند المراجعة تبين له أن هذه التراجم ليست على شرط الكتاب فشطب عليها شطبًا خفيفًا وقد أشرت إلى ذلك داخل الكتاب، فقلت: يوجد ترجمة شطب عليها المؤلف.=
মুহাদ্দিস মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী। আমি বলেছি, বাহ্যত এটিই প্রতীয়মান হয় যে, শায়খ কেবল সাহাবীগণের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রথম দিকের পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাসের প্রতিই গুরুত্ব দিয়েছেন এবং তিনি তাতে সফল হয়েছেন। তবে বাকি পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাসের ব্যাপারে তিনি গুরুত্ব দেননি, বরং সেগুলোকে তার নিজ অবস্থাতেই ছেড়ে দিয়েছেন। এর প্রমাণ হলো, সাহাবীগণের আলোচনা সমাপ্ত করার পর শায়খ আল-কিশনাওয়ী একটি শিরোনাম উল্লেখ করে বলেছেন, 'তাবেঈগণের স্তর' এবং যায়েদ বিন আইয়াশকে দিয়ে শুরু করেছেন, আর এতে দুটি ভুল রয়েছে।

প্রথম ভুল: শায়খ যে শিরোনামটি উল্লেখ করেছেন তা পাণ্ডুলিপিতে নেই; এটি তার পক্ষ থেকে একটি অতিরিক্ত সংযোজন এবং এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

দ্বিতীয় ভুল: তিনি যায়েদ বিন আইয়াশকে দিয়ে শুরু করেছেন, অথচ লেখক গ্রন্থটিকে বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত করেছেন এবং প্রতিটি স্তরের ভেতরে নামগুলোকে বর্ণানুসারে সাজিয়েছেন। কিন্তু এখানে তিনি 'যা' বর্ণ দিয়ে শুরু করেছেন, অথচ সঠিক পদ্ধতি ছিল 'আলিফ' বর্ণ দিয়ে শুরু করা। সেক্ষেত্রে তিনি বলতেন 'ইবনুল মুসায়্যিবের স্তর' এবং এরপর আরকাম বিন শারাহবিলের নাম উল্লেখ করতেন, যেমনটি আমি করেছি। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

শায়খ যে সমগ্র গ্রন্থের পরিবর্তে কেবল সাহাবীগণের বিন্যাসের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছিলেন, এটি তারই একটি উদাহরণ। এতে অসংখ্য ভুল রয়েছে, যার কারণে আমি তাহকীক করার সময় সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করিনি, কারণ মূল পাণ্ডুলিপিটিই সেগুলোর প্রয়োজন মিটিয়ে দেয়।

 

‌‌গ্রন্থের শিরোনাম:

পাণ্ডুলিপির প্রথম পাতায় এসেছে: "এতে রয়েছে 'আল-মুজাররিদ' (১), যা ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ-র সুনান গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের নামের সংকলন, তাদের মধ্যে যাদের বর্ণনা সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর কোনো একটিতে এসেছে তারা ব্যতীত সকলের নাম এখানে রয়েছে।" এটি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আদ-দাহাবী সংকলন করেছেন, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। এরপর এর নিচে লেখা হয়েছে, এটি হলো (২) এর হস্তলিপি . . .

--------------------------------------------

(১) তিনি এভাবেই তাসদীদযুক্ত 'রা' বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে শব্দটি নির্ধারণ করেছেন।

(২) এই গ্রন্থটি যে হাফেজ আদ-দাহাবীর হস্তলিপিতে লেখা, তার একটি নিশ্চিত প্রমাণ হলো—তিনি এমন কিছু নাম কেটে দিয়েছেন যেগুলো এই গ্রন্থের শর্তানুযায়ী হওয়ার কথা নয়। সেখানে এমন কিছু নাম পাওয়া যায় যাদের থেকে ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন; লেখক সেগুলো লিখেছিলেন, কিন্তু পরে পর্যালোচনার সময় যখন তার কাছে স্পষ্ট হলো যে এই জীবনীগুলো গ্রন্থের শর্তের সাথে মিলছে না, তখন তিনি সেগুলোর ওপর হালকাভাবে একটি রেখা টেনে কেটে দিয়েছেন। আমি গ্রন্থের ভেতরে এর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছি: এখানে এমন একটি জীবনী রয়েছে যা লেখক কেটে দিয়েছেন।=
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
الحافظ الذهبي (1) عفا الله عنه.

ثم جاء في الورقة الثانية: "هذه أسماء من انفرد ابن ماجة بإخراجهم عن البخاري ومسلم".

ثم جاء في آخر ورقة: "آخر أسماء من خرج لهم ق ممن لا ذكر لهم في الصحيحين".

 

‌‌الترتيب العام للكتاب:

لقد رتب المؤلف هذا الكتاب على الطبقات، وهذه الطبقات حسب التناسق الزمني (2) ويسمي الطبقة باسهم أحد الأعلام المشهورين فيها، وقد قسم طبقات الكتاب إلى عشر (3) طبقات وفي داخل كل طبقة رتب الأسماء

--------------------------------------------

= انظر ترجمة رقم 313، 1563 هذا وقد قمت بمقارنة خط الذهبي هنا في المجرِّد، مع خطه في بعض كتبه مثل كتاب: (السير وتاريخ الإسلام) فكان الخطان متطابقان.

(1) هو الإمام العلّامة الحافظ أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قايماز بن عبد الله ابن الذهبي ولد في شهر ربيع الآخر سنة 671 هـ. وتوفي ليلة الاثنين ثالث ذي القعدة سنة 748. قلت: لم أكتب ترجمة لهذا الإمام لأن كثيرًا ممن حقق كتبه كتب ترجمة له ولكن أفضل من كتب. عنه هو الدكتور بشار عواد في كتابه القيم الذهبي ومنهجه في كتابه تاريخ الإسلام فقد كتب عنه ترجمة مفصلة لم يسبق إليها فجزاه الله خير الجزاء.

(2) قال الدكتور بشار عواد في سير أعلام النبلاء 1/ 103 في معرض كلامه على كتاب المجرِّد "ويلاحظ أن هذه الطبقات لم تراع التناسق الزمني" ومثل ذلك قاله أستاذنا الدكتور أكرم ضياء العمري في كتابه القيم بحوث في تاريخ السنة (189) "إلا أن هذه الطبقات ليست مرتبة على أساس زمني كما هو شأن كتب الطبقات الأخرى بل اكتفى بتجميع من هم من طبقة واحدة" ا. هـ قلت: والصحيح أن المؤلف رتب هذه الطبقات على أساس زمني شأن كتب الطبقات الأخرى، ولكن النسخة التي اطلع عليها الأستاذان الفاضلان والتي اعتمدت عليها في التحقيق جاءت أوراقها غير مرتبة كما تقدم.

(3) قال الدكتور بشار عواد في السير 1/ 103 "قد جعله ثمان طبقات". قلت والصحيح عشر طبقات لأن أكثر من ورقة قد سقطت من المخطوط والذي جعلني أجزم بأنها عشر مع أن الموجود هو ثمان طبقات، كثرة الأسماء المستدركة على الكتاب، وثانيًا: عملت=
আল-হাফিয আয-যাহাবি (১) আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।

তারপর দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় এসেছে: "এগুলো তাদের নাম যাদেরকে ইবন মাজাহ বুখারি ও মুসলিমের বাইরে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।"

তারপর শেষ পৃষ্ঠায় এসেছে: "তাদের নামের শেষাংশ যাদের হাদিস 'ক্বাফ' (ইবন মাজাহ) বর্ণনা করেছেন এবং যাদের কোনো উল্লেখ সহীহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ নেই।"

 

‌‌গ্রন্থের সাধারণ বিন্যাস:

লেখক এই গ্রন্থটিকে তাবাকাত (পর্যায়) অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন। এই তাবাকাতগুলো সময়ানুক্রমিক ধারাবাহিকতা (২) অনুযায়ী সাজানো। তিনি প্রতিটি তাবাকাতকে সেই সময়ের কোনো একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্বের নামে নামকরণ করেছেন। তিনি গ্রন্থের তাবাকাতগুলোকে দশটি (৩) স্তরে ভাগ করেছেন এবং প্রতিটি স্তরের ভেতরে নামসমূহ বিন্যস্ত করেছেন।

--------------------------------------------

= জীবনী নম্বর ৩১৩ এবং ১৫৬৩ দেখুন। আমি এখানে 'আল-মুজাররাদ' গ্রন্থে আয-যাহাবির হস্তাক্ষরের সাথে তাঁর অন্যান্য কিছু গ্রন্থ যেমন: 'আস-সিয়ার' এবং 'তারিখুল ইসলাম'-এর হস্তাক্ষরের তুলনা করেছি, এবং উভয় হস্তাক্ষর হুবহু মিলে গিয়েছে।

(১) তিনি হলেন ইমাম আল্লামা হাফিয আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন উসমান বিন কায়মায বিন আব্দুল্লাহ ইবন আয-যাহাবি। তিনি ৬৭১ হিজরির রবিউস সানি মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৭৪৮ হিজরির ৩রা জিলকদ সোমবার রাতে ইন্তেকাল করেন। আমি বলছি: আমি এই ইমামের জীবনী লিখিনি কারণ যারা তাঁর গ্রন্থসমূহ সম্পাদনা করেছেন তাদের অনেকেই তাঁর জীবনী লিখেছেন, তবে তাঁর সম্পর্কে যারা লিখেছেন তাদের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন ড. বাশশার আওয়াদ তাঁর মূল্যবান গ্রন্থ 'আয-যাহাবি ওয়া মানহাজুহু ফি কিতাবিহি তারিখুল ইসলাম'-এ। তিনি তাঁর সম্পর্কে একটি বিস্তারিত জীবনী লিখেছেন যা আগে কেউ লিখেনি। আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।

(২) ড. বাশশার আওয়াদ 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' ১/১০৩ পৃষ্ঠায় 'আল-মুজাররাদ' গ্রন্থ সম্পর্কে আলোচনার প্রসঙ্গে বলেছেন, "লক্ষণীয় যে, এই তাবাকাতগুলোতে সময়ানুক্রমিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি।" অনুরূপ কথা আমাদের উস্তাদ ড. আকরাম জিয়া আল-উমারি তাঁর মূল্যবান গ্রন্থ 'বুহুস ফি তারিখিস সুন্নাহ' (১৮৯) পৃষ্ঠায় বলেছেন, "তবে এই তাবাকাতগুলো অন্য তাবাকাত গ্রন্থগুলোর মতো কালানুক্রমিক ভিত্তিতে সাজানো নয়, বরং তিনি কেবল একই স্তরের ব্যক্তিদের একত্রিত করেছেন।" (সমাপ্ত)। আমি বলছি: সঠিক হলো লেখক এই তাবাকাতগুলোকে অন্যান্য তাবাকাত গ্রন্থের মতোই কালানুক্রমিক ভিত্তিতে সাজিয়েছেন, তবে শ্রদ্ধেয় দুই উস্তাদ যে পাণ্ডুলিপিটি দেখেছিলেন এবং যেটির ওপর ভিত্তি করে আমি সম্পাদনা করেছি, তার পাতাগুলো অবিন্যস্ত অবস্থায় ছিল যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে।

(৩) ড. বাশশার আওয়াদ 'সিয়ার' ১/১০৩ পৃষ্ঠায় বলেছেন, "তিনি একে আটটি স্তরে বিভক্ত করেছেন।" আমি বলছি: সঠিক হলো দশটি স্তর, কারণ পাণ্ডুলিপি থেকে একাধিক পৃষ্ঠা হারিয়ে গেছে। আর যা আমাকে দশটি স্তর হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে—যদিও বর্তমানে আটটি স্তর বিদ্যমান—তা হলো গ্রন্থটিতে অতিরিক্ত সংযোজিত (মুস্তাদরাক) নামের আধিক্য, এবং দ্বিতীয়ত: আমি কাজ করেছি=
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
على حروف المعجم، ثم ذكر في آخر كل طبقة من عرف بكنيته مرتبة على حروف المعجم، ثم ذكر أسماء النساء على حروف المعجم ثم من عرفت بكنيتها، وقد يعيد الرجل الذي ذكره باسمه في الكنى إذا كان مشهورًا بها، وهذه الطبقات التي في الكتاب.

الأولى: الصحابة رضوان الله عليهم أجمعين.

الثانية: طبقة ابن المسيب ومسروق.

الثالثة: طبقة الحسن وعطاء.

الرابعة: طبقة الزهري وأيوب.

الخامسة: طبقهّ الأعمش وابن عون.

--------------------------------------------

= مقارنة بين كتاب المجرّد مع كتاب المُعِين في طبقات المحدثين فكان التشابه كبير في

أسماء الطبقات بين الكتابين: وهذه هي المقارنة:

[[ترتيب الطبقات في المجرد]]

1 - الصحابة

2 - طبقة ابن المسيب ومسروق

3 - طبقة الحسن وعطاء

4 - طبقة الزهري وأيوب

5 - طبقة الأعمش وابن عون

6 - ................

7 - ................

8 - طبقة عفان وعبد الرزاق

9 - طبقة علي بن المديني وأحمد بن حنبل

10 - طبقة البخاري ومن تبقى

[[ترتيب الطبقات في المعين]]

1 - ذكر باقي الصحابة على حروف المعجم

2 - الطبقة الأولى من أكابر التابعين

3 - الطبقة الثانية من أئمة التابعين كالحسن البصري.

4 - طبقة الزهري وقتادة وأبي الزبير

5 - طبقة الأعمش وأبي حنيفة

6 - طبقة معمر والثوري

7 - طبقة سفيان بن عيينة ووكيع

8 - طبقة عبد الرزاق وعفان

9 - طبقة ابن المديني وأحمد

10 - طبقة البخاري ومحمد بن يحيى الذهلي

11 - . . .

فبهذه المقارنة يتضح أن هناك طبقتين مفقودتين من الكتاب، أو طبقة ونصف لأنه ذكر طبقة الأعمش وابن عون ثم انتقل إلى حرف العين من الطبقة التالية للتي تليها. =
বর্ণানুক্রম অনুযায়ী, অতঃপর তিনি প্রতিটি স্তরের শেষে যারা তাদের উপনামের (কুনিয়াহ) মাধ্যমে পরিচিত তাদের নাম বর্ণানুক্রম অনুযায়ী উল্লেখ করেছেন। এরপর নারীদের নামসমূহ বর্ণানুক্রমে উল্লেখ করেছেন, তারপর যারা তাদের উপনামে পরিচিত। কখনও কখনও তিনি কোনো ব্যক্তিকে যার নাম তিনি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছেন তাকে উপনামের পর্বেও পুনরায় উল্লেখ করেছেন যদি তিনি সেই উপনামে অধিক প্রসিদ্ধ হন। আর এই গ্রন্থে যে স্তরসমূহ রয়েছে তা হলো:

প্রথম: সাহাবীগণ (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)।

দ্বিতীয়: ইবনুল মুসায়্যিব ও মাসরুকের স্তর।

তৃতীয়: হাসান ও আতার স্তর।

চতুর্থ: যুহরী ও আইয়ুবের স্তর।

পঞ্চম: আমাশ ও ইবনে আউনের স্তর।

--------------------------------------------

= 'আল-মুজাররাদ' কিতাব এবং 'আল-মুয়ীন ফি তাবাকাতিল মুহাদ্দিসীন' কিতাবের মধ্যে তুলনা, যার ফলে দেখা যায় যে উভয় কিতাবের স্তরসমূহের নামের মধ্যে যথেষ্ট সামঞ্জস্য রয়েছে। আর তুলনাটি হলো নিম্নরূপ:

[[আল-মুজাররাদে স্তরসমূহের বিন্যাস]]

১ - সাহাবীগণ

২ - ইবনুল মুসায়্যিব ও মাসরুকের স্তর

৩ - হাসান ও আতার স্তর

৪ - যুহরী ও আইয়ুবের স্তর

৫ - আমাশ ও ইবনে আউনের স্তর

৬ - ................

৭ - ................

৮ - আফফান ও আব্দুর রাজ্জাকের স্তর

৯ - আলী ইবনুল মাদীনী ও আহমাদ ইবনে হাম্বলের স্তর

১০ - বুখারী ও অবশিষ্টদের স্তর

[[আল-মুয়ীনে স্তরসমূহের বিন্যাস]]

১ - অবশিষ্ট সাহাবীগণের নাম বর্ণানুক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে

২ - প্রবীণ তাবেয়ীগণের প্রথম স্তর

৩ - তাবেয়ী ইমামগণের দ্বিতীয় স্তর যেমন হাসান বসরী।

৪ - যুহরী, কাতাদাহ ও আবু যুবাইরের স্তর

৫ - আমাশ ও আবু হানিফার স্তর

৬ - মামার ও সাওরীর স্তর

৭ - সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা ও ওয়াকীর স্তর

৮ - আব্দুর রাজ্জাক ও আফফানের স্তর

৯ - ইবনুল মাদীনী ও আহমাদের স্তর

১০ - বুখারী ও মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয-যুহলীর স্তর

১১ - . . .

এই তুলনার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, কিতাবটি থেকে দুটি স্তর হারিয়ে গেছে, অথবা দেড়টি স্তর, কারণ তিনি আমাশ ও ইবনে আউনের স্তর উল্লেখ করার পর সরাসরি তার পরবর্তী স্তরের পরের স্তরের 'আইন' অক্ষর সম্বলিত নামসমূহে চলে গেছেন। =
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
السادسة: (طبقة معمر والثوري) (1).

السابعة: (طبقة سفيان بن عيينة ووكيع) (1).

الثامنة: طبقة عفان وعبد الرزاق.

التاسعة: طبقة علي ابن المديني وأحمد بن حنبل.

العاشرة: طبقة البخاري ومن تبقى.

 

‌‌منهج المؤلف في الكتاب:

في هذا الكتاب يذكر المؤلف رحمه الله أسماء رجال سنن ابن ماجة كلهم سوى من أخرج لهم البخاري ومسلم فهو يذكر الرجل الذي أخرج له ابن ماجة في سننه سواء اشترك أصحاب الكتب الثلاثة معه بالإخراج عنه أم لا، وبشرط أن لا يشترك بالإخراج عنه مسلم أو البخاري، ومن الملاحظ أنه يخرج للرجل الذي أخرج له البخاري تعليقًا فكأنه لا يَعُده من رجال البخاري. انظر ترجمة رقم 593، 597، 624، 641، 1666، 1678، . 1691 فهذه التراجم أخرج لها البخاري تعليقًا ومع هذا لا يشير إلى أن البخاري أخرج له تعليقًا، وقد أشار مرة واحدة في ترجمة رقم (1716) فقال خت د ق.

وقد ذكر الرجل الذي أخرج له مسلم في مقدمته مثل ترجمة رقم 363 فقد أخرج له مسلم في المقدمة وذكره هنا، هذا وذكر الرموز فوق كل ترجمة إشارة إلى من أخرج حديثه من الأئمة وهذه الرموز هي (ق) ابن ماجة في سننه، (د) أبو داود في سننه، (ت) الترمذي في سننه، (س) النسائي في سننه

--------------------------------------------

= لهذا فإن معظم الأسماء التي استدركتها هي من القسم المفقود من المخطوط ولكن هناك أسماء استدركتها على القسم الموجود من المخطوط مثل استدراك بعض الأسماء من الصحابة أو أسماء من الطبقة الثانية أو الثالثة أو الرابعة أو الخامسة، أو أسماء من الطبقات الأخيرة، مثل الطبقة الثانية عشرة أو التي قبلها، أما من الطبقة السابعة وحتى العاشرة فهي من القسم المفقود من المخطوط والله أعلم.

(1) ما بين قوسين مفقود من المخطوط واستدركت العنوان من كتاب المعين كما تقدم من المقارنة.
ষষ্ঠ: (মা'মার এবং আস-সাওরীর স্তর) (১)।

সপ্তম: (সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ এবং ওয়াকীর স্তর) (১)।

অষ্টম: আফফান এবং আবদুর রাজ্জাকের স্তর।

নবম: আলী ইবনুল মাদীনী এবং আহমাদ বিন হাম্বলের স্তর।

দশম: বুখারী এবং অবশিষ্টদের স্তর।

 

‌‌গ্রন্থে লেখকের পদ্ধতি:

এই গ্রন্থে লেখক (রহিমাহুল্লাহ) সুনানে ইবনে মাজাহর সকল বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেছেন, কেবল তাদের ব্যতীত যাদের বর্ণনা বুখারী ও মুসলিম সংকলন করেছেন। সুতরাং তিনি এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন যার বর্ণনা ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে সংকলন করেছেন, অন্য তিন কিতাবের সংকলকগণ তাঁর সাথে সেই বর্ণনা গ্রহণে শরিক হোন বা না হোন, তবে শর্ত হলো মুসলিম বা বুখারী যেন সেই বর্ণনাকারীর বর্ণনা গ্রহণে শরিক না হন। আর এটি লক্ষণীয় যে, তিনি এমন ব্যক্তির জীবনীও বর্ণনা করেন যার হাদীস বুখারী কেবল 'তালিক' (মুআল্লাক) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেন তিনি তাকে বুখারীর (মূল) বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করছেন না। জীবনী নম্বর ৫৯৩, ৫৯৭, ৬২৪, ৬৪১, ১৬৬৬, ১৬৭৮, ১৬৯১ দেখুন; এই জীবনীগুলোর হাদীস বুখারী 'তালিক' হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তা সত্ত্বেও তিনি (লেখক) ইশারা করেননি যে বুখারী এটি 'তালিক' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে ১৭১৬ নম্বর জীবনীতে তিনি একবার ইশারা করেছেন এবং (প্রতীক হিসেবে) বলেছেন: 'খাত', 'দা', 'ক্বা'।

আর তিনি এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন যার হাদীস ইমাম মুসলিম তাঁর মুকাদ্দিমায় (উপক্রমণিকায়) বর্ণনা করেছেন, যেমন ৩৬৩ নম্বর জীবনী; ইমাম মুসলিম তাঁর মুকাদ্দিমায় তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং লেখক তাকে এখানে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তিনি প্রতিটি জীবনীর উপরে হাদীস বর্ণনাকারী ইমামদের প্রতি ইশারা হিসেবে কিছু প্রতীক ব্যবহার করেছেন। এই প্রতীকগুলো হলো: (ক্বা) তাঁর সুনানে ইবনে মাজাহর জন্য, (দা) তাঁর সুনানে আবু দাউদের জন্য, (তা) তাঁর সুনানে তিরমিযীর জন্য এবং (সা) তাঁর সুনানে নাসাঈর জন্য।

--------------------------------------------

= এই কারণে আমি যে নামগুলো সংযোজন করেছি তার অধিকাংশই পাণ্ডুলিপির হারানো অংশ থেকে। তবে পাণ্ডুলিপির বিদ্যমান অংশ থেকেও কিছু নাম আমি সংযোজন করেছি, যেমন কিছু সাহাবীর নাম অথবা দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম স্তরের কিছু নাম, অথবা শেষ দিকের স্তরের নাম যেমন দ্বাদশ স্তর বা তার পূর্বের স্তর। আর সপ্তম থেকে দশম স্তর পর্যন্ত অংশটি পাণ্ডুলিপির হারানো অংশের অন্তর্ভুক্ত, আল্লাহই ভালো জানেন।

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশগুলো পাণ্ডুলিপি থেকে বিলুপ্ত এবং ইতিপূর্বে তুলনা করার মাধ্যমে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, আমি 'আল-মুয়ীন' কিতাব থেকে শিরোনামটি সংযোজন করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
الصغرى فقط، وقلت في الصغرى لوجود رواة أخرج لهم ابن ماجة والنسائي في الكبرى أو في عمل اليوم والليلة فأشار لهم (ق) فقط ولم يشر إلى (س)، مثال ذلك ترجمة رقم (2) فقد رمز لها (د ت ق)، ومثله في الكاشف أما في التقريب فرمز له (د ت س ق) وبعد. البحث وجدت حديثه في الكبرى دون الصغرى، ومثلها ترجمة رقم (296) أخرج لها النسائي في الكبرى وفي عمل اليوم والليلة ومع هذا لم يرمز له (س)، انظر ترجمة رقم 369، 416، 465، 803، 997 كل هذه التراجم أخرج لها النسائي في الكبرى ولم يرمز لها (س)، وكذلك لا يرمز لعمل اليوم والليلة انظر ترجمة رقم 99، 250، 375، 991، 1721، 1811، 1820.

 

‌‌منهجه في كل ترجمة:

يذكر المؤلف اسم الراوي واسم أبيه، وقد يذكر اسم جده وقد يشير إلى الصحابي أنه مختلف وفي صحبته، وقد يعرفه بما يشتهر به، مثل عبد الله بن زيد صاحب الأذان، وقد يشير إلى خلاف في اسمه إن وُجد. هذا بالنسبة لطبقة الصحابة.

أما بالنسبة للطبقة الثانية فمنهجه كمنهجه في طبقة الصحابة، وقد يشير إلى أنه قد أرسل مثل ترجمة رقم 238 ونادرًا ما يذكر في هذه الطبقة جرحًا أو تعديلًا في الراوي.

أما الطبقات الباقية فهو يذكر في الرجل جرحًا وتعديلًا في الغالب، ومع هذا يوجد عدد من الرواة لم يذكر المؤلف فيهم جرحًا ولا تعديلًا، ولا ينقل المؤلف كلام العلماء في الرجل كما فعل في كتبه الأخرى مثل الكاشف والميزان والمغني إلا نادرًا فقد ذكر كلام الإمام البخاري في الترجمة رقم 1569 قال: قال خ فيه نظر.

وقد يذكر راويًا ليس من شرط الكتاب ولكنه يذكره تميزًا بينه وبين راوٍ آخر اشتركا في الاسم واسم الأب، مثل ترجمة رقم 694، 1534.
কেবলমাত্র আস-সুগরা, এবং আমি আস-সুগরা বলেছি কারণ এমন কিছু বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের বর্ণনা ইবনে মাজাহ এবং নাসায়ি আল-কুবরা অথবা আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ-তে উদ্ধৃত করেছেন, তাই তিনি তাঁদের জন্য কেবল (ক্বাফ) সংকেত দিয়েছেন এবং (সিন) সংকেত দেননি। উদাহরণস্বরূপ ২ নম্বর জীবনীটি দেখুন, যেখানে (দাল, তা, ক্বাফ) সংকেত দেওয়া হয়েছে, আল-কাশিফ গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে। পক্ষান্তরে আত-তাকরীব গ্রন্থে (দাল, তা, সিন, ক্বাফ) সংকেত দেওয়া হয়েছে। এরপর অনুসন্ধানের পর দেখা গেল তাঁর হাদিস আল-কুবরা গ্রন্থে রয়েছে, আস-সুগরা-তে নয়। অনুরূপভাবে ২৯৬ নম্বর জীবনীটি, নাসায়ি তাঁর বর্ণনা আল-কুবরা এবং আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ-তে উদ্ধৃত করেছেন, অথচ তা সত্ত্বেও তিনি (সিন) সংকেত দেননি। দেখুন ৩৬৯, ৪১৬, ৪৬৫, ৮০৩, ৯৯৭ নম্বর জীবনীগুলো, নাসায়ি এই সব কটি জীবনীই আল-কুবরা-তে উদ্ধৃত করেছেন অথচ (সিন) সংকেত দেননি। একইভাবে তিনি আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ-র জন্যও সংকেত দেন না, দেখুন ৯৯, ২৫০, ৩৭৫, ৯৯১, ১৭২১, ১৮১১, ১৮২০ নম্বর জীবনীগুলো।

 

‌‌প্রতিটি জীবনীর ক্ষেত্রে তাঁর অনুসৃত পদ্ধতি:

লেখক বর্ণনাকারীর নাম এবং তাঁর পিতার নাম উল্লেখ করেন। কখনো কখনো তিনি তাঁর দাদার নাম উল্লেখ করেন এবং সাহাবীর ক্ষেত্রে তাঁর সাহাবিয়াত নিয়ে মতভেদ থাকলে সেদিকে ইঙ্গিত করেন। আবার কখনো কখনো তাঁকে তাঁর প্রসিদ্ধি অনুযায়ী পরিচয় করিয়ে দেন, যেমন আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ—যিনি আযানের ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট। যদি তাঁর নামে কোনো মতভেদ থাকে তবে তিনি তাও উল্লেখ করেন। এটি সাহাবীদের স্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আর দ্বিতীয় স্তরের ক্ষেত্রে তাঁর পদ্ধতি সাহাবীদের স্তরের পদ্ধতির মতোই। কখনো কখনো তিনি বর্ণনাকারী মুরসাল করেছেন বলে ইঙ্গিত করেন, যেমন ২৩৮ নম্বর জীবনী। এই স্তরে তিনি বর্ণনাকারীর জারহ (সমালোচনা) বা তাদিল (প্রশংসা) খুব কমই উল্লেখ করেন।

অবশিষ্ঠ স্তরগুলোর ক্ষেত্রে তিনি অধিকাংশ সময়েই ব্যক্তির জারহ এবং তাদিল উল্লেখ করেন। তা সত্ত্বেও এমন বেশ কিছু বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের সম্পর্কে লেখক কোনো জারহ বা তাদিল উল্লেখ করেননি। লেখক তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ যেমন আল-কাশিফ, আল-মিযান এবং আল-মুগনি-তে ব্যক্তিদের সম্পর্কে যেভাবে আলেমদের মন্তব্য উদ্ধৃত করেছেন, এখানে সচরাচর তা করেন না, কেবল ব্যতিক্রম ক্ষেত্র ছাড়া। যেমন ১৫৬৯ নম্বর জীবনীতে তিনি ইমাম বুখারীর মন্তব্য উল্লেখ করে বলেছেন: 'খ' (বুখারী) বলেছেন, তাঁর ব্যাপারে আপত্তি (ফীহি নাযার) আছে।

কখনো কখনো তিনি এমন বর্ণনাকারীকেও উল্লেখ করেন যিনি এই গ্রন্থের শর্তভুক্ত নন, তবে নাম এবং পিতার নামে মিল আছে এমন অন্য একজন বর্ণনাকারীর থেকে তাঁকে পৃথক করার জন্য তিনি তাঁকে উল্লেখ করেন। যেমন ৬৯৪ এবং ১৫৩৪ নম্বর জীবনীগুলো।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌مميزات كتاب المجرِّد:

لهذا الكتاب ميزات عدة منها أنه جمع رجال سنن ابن ماجة في كتاب واحد. وأن هذا الكتاب من الكتب المختصرات جدًا، وقد رتبه على الطبقات ومن أهم المميزات لهذا الكتاب عن كتب الذهبي الأخرى أن للحافظ الذهبي أقوالًا في هذا الكتاب غير موجودة في كتبه الأخرى فنجد الرجل هنا قد حكم عليه وفي كتبه الأخرى ذكره ولم يحكم عليه أولم يذكره مطلقًا إلا في الكاشف فقط، وسكت عنه فهي ميزة مهمة امتاز بها الكتاب وهذه أمثلة لذلك:

471 - لم يُذكر في كتبه وسكت عنه في الكاشف، وهنا أي في المجرّد قال عنه: مجهول.

476 - في الميزان: لم يرو عنه سوى ابنه، وسكت عنه في الكاشف، وهنا شيخ.

529، 531، 546 - لم يذكرهم في كتبه، أما في الكاشف فسكت عنهم، وهنا: جُهّل.

657 - في الميزان: لا يعرف، وهنا لين.

738 - في الميزان: لا يعرف نفرد عنه أبو وهب، هنا: شيخ.

769 - لم يذكره في بقية كتبه، وسكت عنه في الكاشف، وهنا: شيخ.

774 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكر في بقية كتبه، وهنا: جهل.

785 - في الميزان والمغني لا يعرف والخبر منكر، هنا: شيخ.

812 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكر في بقية كتبه، وهنا: جهل.

813 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكر في بقية كتبه، وهنا: لين.

826 - لم يذكر فيه جرحًا ولا تعديلًا إلا في تاريخ الإسلام، قال عنه: صويلح الحديث مقل؛ وهنا: لين.

846 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا: مستور.

863 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا: صويلح.

865 - في الميزان عنه ولده فقط، وهنا شيخ.

892 - لم يحكم عليه في كتبه الأخرى وهنا: صادق.
আল-মুজাররাদ গ্রন্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই গ্রন্থের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো এটি সুনানে ইবনে মাজাহ-এর বর্ণনাকারীদের একটি গ্রন্থে একত্রিত করেছে। এছাড়া এই গ্রন্থটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপের অন্তর্ভুক্ত এবং তিনি এটিকে স্তরবিন্যাস অনুযায়ী সাজিয়েছেন। হাফিজ যাহাবীর অন্যান্য গ্রন্থের তুলনায় এই গ্রন্থের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এতে হাফিজ যাহাবীর এমন কিছু মন্তব্য রয়েছে যা তাঁর অন্য কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। আমরা দেখতে পাই, কোনো বর্ণনাকারী সম্পর্কে এখানে তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, অথচ তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে তাকে উল্লেখ করলেও কোনো সিদ্ধান্ত দেননি অথবা কেবল 'আল-কাশিফ' গ্রন্থ ছাড়া অন্য কোথাও তাকে উল্লেখই করেননি এবং সেখানেও তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন। এটি এই গ্রন্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাতন্ত্র্য এবং এর কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

৪৭১ - তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে উল্লিখিত হয়নি এবং 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, কিন্তু এখানে অর্থাৎ 'আল-মুজাররাদ' গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেছেন: অজ্ঞাত।

৪৭৬ - 'আল-মিজান' গ্রন্থে বলা হয়েছে: তাঁর ছেলে ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেনি এবং 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, কিন্তু এখানে তাকে শায়খ বলেছেন।

৫২৯, ৫৩১, ৫৪৬ - তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে এদের উল্লেখ করেননি, আর 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁদের ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, কিন্তু এখানে তাঁদের অজ্ঞাত সাব্যস্ত করেছেন।

৬৫৭ - 'আল-মিজান' গ্রন্থে বলা হয়েছে: পরিচিত নন, আর এখানে বলেছেন: শিথিল।

৭৩৮ - 'আল-মিজান' গ্রন্থে বলা হয়েছে: পরিচিত নন এবং কেবল আবু ওয়াহাব তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, এখানে বলা হয়েছে: শায়খ।

৭৬৯ - তাঁর বাকি গ্রন্থগুলোতে তাকে উল্লেখ করেননি এবং 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, আর এখানে তাঁকে শায়খ বলেছেন।

৭৭৪ - 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং বাকি গ্রন্থগুলোতে তাঁকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে তাঁকে অজ্ঞাত বলেছেন।

৭৮৫ - 'আল-মিজান' ও 'আল-মুগনি' গ্রন্থে বলা হয়েছে: পরিচিত নন এবং বর্ণনাটি প্রত্যাখ্যাত, এখানে তাঁকে শায়খ বলেছেন।

৮১২ - 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং বাকি গ্রন্থগুলোতে তাঁকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে তাঁকে অজ্ঞাত বলেছেন।

٨১৩ - 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং বাকি গ্রন্থগুলোতে তাঁকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে তাঁকে শিথিল বলেছেন।

৮২৬ - 'তারিখুল ইসলাম' ছাড়া অন্য কোথাও তাঁর সম্পর্কে কোনো সমালোচনা বা প্রশংসা উল্লেখ করেননি; সেখানে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: হাদীসের ক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো কিন্তু বর্ণনা কম; আর এখানে তাঁকে শিথিল বলেছেন।

৮৪৬ - 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং বাকি গ্রন্থগুলোতে তাঁকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে তাঁকে মাস্তুর (অবস্থা অপ্রকাশিত) বলেছেন।

৮৬৩ - 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং বাকি গ্রন্থগুলোতে তাঁকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে তাঁকে মোটামুটি ভালো বলেছেন।

৮৬৫ - 'আল-মিজান' গ্রন্থে বলা হয়েছে তাঁর থেকে শুধু তাঁর সন্তান বর্ণনা করেছেন, আর এখানে তাঁকে শায়খ বলেছেন।

৮৯২ - তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি, কিন্তু এখানে তাঁকে সত্যবাদী বলেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
912 - حكم عليه هنا بثقة وفي كتبه الأخرى نقل أقوال العلماء فيه.

917 - في الكاشف: لم يثبت، الميزان لا يدري من ذا، هنا: لين.

924 - هنا: صالح، في الكاشف وُثق لم يذكر في بقية كتبه.

953 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا: شيخ.

998 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا: فيه جهالة.

1285 - سكت عنه في الكاشف، وفي الميزان: وعنه وكيع بن محرز فقط، وهنا: صالح.

1297 - في الميزان: مستور مقل، سكت عنه في الكاشف، هنا: صالح.

1310 - ذكره في كتبه وقال: ضعفوه، وهنا: لين وسط.

1378 - في الكاشف وثق، هنا: مستور.

1518 - في الميزان لا يعرف، هنا: لين.

1527 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في سائر كتبه، وهنا: مستور.

1536 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في سائر كتبه، وهنا: فيه شيء.

1621 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا مستور.

18310 - سكت عنه في الكاشف، ولم يذكره في بقية كتبه، وهنا صالح.

هذا أهم الميزات في هذا الكتاب.

 

‌‌ذكر بعض الأوهام التي وقع فيها الحافظ الذهبي رحمه الله في كتابه المجرِّد:

1 - يوجد أخطاء في الرموز لتراجم هذا الكتاب، انظر ترجمة رقم (627) فقد رمز، له (دق) والصحيح هو (ق) فقط، وترجمة رقم (640) رمز له (دق). والصحيح (ت س) فقط، انظر ترجمة رقم 279، 416، 628، 1835.

2 - لقد ذكر المؤلف أسماء ليست على شرط الكتاب مثل ترجمة رقم 1757 فقد أخرج. لها البخاري في صحيحه أما ترجمة رقم 833، 1311، 1368، 1504 فقد أخرج لهم مسلم في صحيحه. أما ترجمة رقم 1311، 1744، فلم يخرج لهم ابن ماجه في سننه أصلًا.

3 - يوجد نقص في بعض الرموز مثل ترجمة رقم 279 فقد رمز لها (س ق) ومثل ترجمة رقم 1189 فقد رمز لها (ق) فقط والصحيح (ت ق).
912 - এখানে তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিচার করেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তার সম্পর্কে আলেমদের উক্তিগুলো বর্ণনা করেছেন।

917 - আল-কাশিফ-এ রয়েছে: প্রমাণিত নয়; আল-মিযান-এ: জানা নেই তিনি কে; এখানে: শিথিল।

924 - এখানে: উত্তম; আল-কাশিফ-এ তাকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে, তবে তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করা হয়নি।

953 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে: শাইখ।

998 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে: তার মধ্যে পরিচয়হীনতা রয়েছে।

1285 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, আর আল-মিযান-এ রয়েছে: তার থেকে কেবল ওয়াকী ইবনে মুহরিয বর্ণনা করেছেন, এবং এখানে: উত্তম।

1297 - আল-মিযান-এ রয়েছে: মাসতুর (পরিচয় অস্পষ্ট), স্বল্প বর্ণনাকারী; আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, এখানে: উত্তম।

1310 - তার কিতাবসমূহে তাকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তারা তাকে দুর্বল বলেছেন, আর এখানে: মধ্যম মানের শিথিল।

1378 - আল-কাশিফ-এ নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে, এখানে: মাসতুর।

1518 - আল-মিযান-এ রয়েছে: অপরিচিত, এখানে: শিথিল।

1527 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে: মাসতুর।

1536 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে: তার মধ্যে কিছু ত্রুটি রয়েছে।

1621 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে মাসতুর।

18310 - আল-কাশিফ-এ তার ব্যাপারে নীরব থেকেছেন এবং তার অন্যান্য কিতাবে তাকে উল্লেখ করেননি, আর এখানে উত্তম।

এই কিতাবের এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

 

‌‌হাফেজ যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) তার 'আল-মুজাররাদ' কিতাবে যেসব ভ্রান্তিতে পড়েছেন তার কয়েকটির উল্লেখ:

1 - এই কিতাবের জীবনীগুলোর প্রতীক চিহ্নে কিছু ভুল রয়েছে। জীবনী নং (৬২৭) দেখুন, যেখানে তিনি তাকে 'দা-ক্বা' প্রতীক দিয়েছেন, অথচ সঠিক হলো শুধু 'ক্বা'। জীবনী নং (৬৪০)-এ তাকে 'দা-ক্বা' প্রতীক দিয়েছেন, অথচ সঠিক হলো 'তা-সিন' মাত্র। জীবনী নং ২৭৯, ৪১৬, ৬২৮, ১৮৩৫ দেখুন।

2 - লেখক এমন কিছু নাম উল্লেখ করেছেন যা কিতাবের শর্তের অনুকূলে নয়; যেমন জীবনী নং ১৭৫৭, যার বর্ণনা বুখারী তার সহীহ-তে এনেছেন। পক্ষান্তরে জীবনী নং ৮৩৩, ১৩১১, ১৩৬৮, ১৫০৪-এর বর্ণনা মুসলিম তার সহীহ-তে এনেছেন। আবার জীবনী নং ১৩১১, ১৭৪৪-এর বর্ণনা ইবনে মাজাহ তার সুনানে আদৌ আনেননি।

3 - কিছু প্রতীকে অসম্পূর্ণতা রয়েছে; যেমন জীবনী নং ২৭৯-এ তিনি তাকে 'সিন-ক্বা' প্রতীক দিয়েছেন। আবার জীবনী নং ১১৮৯-এ শুধু 'ক্বা' প্রতীক দিয়েছেন, অথচ সঠিক হলো 'তা-ক্বা'।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
4 - ذكر في الصحابة رجلًا ليس منهم ترجمة رقم 91 وبعكسه ذكر صحابيًا في الطبقة الثانية 293، 325 ويوجد ترجمة ذكرها مرتين مرة في الصحابة ومرة في التابعين انظر (143، 350).

 

‌‌اختلاف حكم الذهبي على الرجل من كتاب إلى آخر:

يوجد بعض الرجال اختلف حكم الذهبي فيه من كتاب إلى آخر، وهذه بعض الأمثلة لذلك من خلال دراستي كتاب المجرد:

4 - في الكاشف: ثقة، المغني: لا يعرف، ويقال: إنه تغير، ووثقه ابن معين. وفي الميزان: فيه جهالة، ويقال: إنه تغير، هنا (أي في المجرد): مجهول.

474 - في الكاشف: صدوق، وفي المغني: تابعي مجهول، حَسّن الترمذي حديثه، وفي الميزان مثله، أما في الديوان، وهنا: مجهول.

481 - في الكاشف: وثق، في الديوان: مجهول، في المغني لا يعرف وثقه ابن معين، في الميزان: لا يعرف لكن وثقه يحيى بن معين، ويقال عبد الله بن الحكم، وهو أصح، وهنا: مجهول.

492 - في الكاشف وثق، وفي المغني: وثق، وأما الأزدي فضعفه، فيه جهالة، وهنا: يجهل.

502 - في الكاشف: وثق، هنا: مجهول.

507 - الكاشف: ثقة، هنا: مجهول، الميزان: فيه جهالة، وقد وثّق.

509 - هنا: جُهّل، الكاشف: وثق، الميزان: صحح الترمذي حديثه وهو منكر.

594 - الكاشف: وثق، وهنا: جهل.

524 - الكاشف: ضعيف، هنا: صالح.

691 - الكاشف. وهنا: ثقة، وفي الميزان: فيه لين.

693 - الكاشف: وثق، في الميزان: لا يعرف.

824 - في الكاشف: ضعيف، هنا: صالح.
৪ - তিনি সাহাবীদের আলোচনায় এমন একজন ব্যক্তিকে উল্লেখ করেছেন যিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত নন (জীবনী নং ৯১), এবং এর বিপরীতে দ্বিতীয় স্তরে একজন সাহাবীকে উল্লেখ করেছেন (২৯৩, ৩২৫)। এমন একটি জীবনী পাওয়া যায় যা তিনি দুইবার উল্লেখ করেছেন; একবার সাহাবীদের মধ্যে এবং একবার তাবিঈদের মধ্যে, দেখুন (১৪৩, ৩৫০)।

 

‌‌এক কিতাব থেকে অন্য কিতাবে বর্ণনাকারীর বিষয়ে আয-যাহাবীর সিদ্ধান্তের ভিন্নতা:

এমন কিছু বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের ব্যাপারে আয-যাহাবীর সিদ্ধান্ত এক কিতাব থেকে অন্য কিতাবে ভিন্ন হয়েছে। 'আল-মুজাররাদ' কিতাব অধ্যয়নের মাধ্যমে এর কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

৪ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), আল-মুগনি-তে: অপরিচিত, এবং বলা হয়েছে যে: তিনি পরিবর্তিত (স্মৃতিভ্রষ্ট) হয়েছিলেন, আর ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-মিযান-এ: তার মধ্যে জাহালাত (অপরিচিতি) রয়েছে এবং বলা হয়েছে যে: তিনি পরিবর্তিত হয়েছিলেন। এখানে (অর্থাৎ আল-মুজাররাদ-এ): মাজহুল (অজ্ঞাত)।

৪৭৪ - আল-কাশিফ-এ: সাদুক (সত্যবাদী), আল-মুগনি-তে: মাজহুল (অজ্ঞাত) তাবিঈ, তিরমিযী তার হাদিসকে হাসান বলেছেন। আল-মিযান-এও অনুরূপ; তবে আদ-দিওয়ান-এ এবং এখানে: মাজহুল।

৪৮১ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। আদ-দিওয়ান-এ: মাজহুল। আল-মুগনি-তে: অপরিচিত, ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-মিযান-এ: অপরিচিত কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, এবং তাকে আব্দুল্লাহ ইবনুল হাকাম বলা হয়, যা অধিক সঠিক। আর এখানে: মাজহুল।

৪৯২ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। আল-মুগনি-তে: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। তবে আল-আযদি তাকে দুর্বল বলেছেন এবং তার মধ্যে জাহালাত রয়েছে। আর এখানে: মাজহুল/অজ্ঞাত।

৫০২ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। এখানে: মাজহুল।

৫০৭ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। এখানে: মাজহুল। আল-মিযান-এ: তার মধ্যে জাহালাত রয়েছে, তবে তাকে নির্ভরযোগ্যও বলা হয়েছে।

৫০৯ - এখানে: অজ্ঞাত বলা হয়েছে। আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। আল-মিযান-এ: তিরমিযী তার হাদিসকে সহিহ বলেছেন অথচ তা মুনকার (অগ্রহণযোগ্য)।

৫৯৪ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। এখানে: অজ্ঞাত।

৫২৪ - আল-কাশিফ-এ: দুর্বল। এখানে: সলিহ (উত্তম)।

৬৯১ - আল-কাশিফ এবং এখানে: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আল-মিযান-এ: তার মধ্যে শিথিলতা রয়েছে।

৬৯৩ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। আল-মিযান-এ: অপরিচিত।

৮২৪ - আল-কাশিফ-এ: দুর্বল। এখানে: সলিহ (উত্তম)।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
840 - في الميزان: لا يعرف، هنا: صالح.

967 - الكاشف: مجهول، في المغني: صدوق لينه بعضهم، في الميزان: صدوق إن شاء الله، هنا: جُهّل.

1019 - هنا: مجهول، الكاشف: وثق، في المغني، والميزان: لا يعرف.

1045 - هنا: جهل، الكاشف: وثق، الميزان: لا يدري من ذا.

1418 - هنا: لين، الكاشف: غير حجة، الميزان: لا يعرف.

1207 - هنا: شيخ، الكاشف: صدوق، المغني: لا يصح خبره.

1209 - هنا: شيخ، الكاشف: تُرك، الديوان: متروك.

1286 - هنا: ضعيف، الديوان: صويلح.

1392 - هنا: صالح، الكاشف: وصفوه، الديوان: تركه يحيى القطان وضعفه النسائي.

1401 - الكاشف، وهنا: وثق، الديوان: تركوه.

1589 - هنا، والكاشف: صدوق، المغني: مجهول.

هذه أمثلة على اختلاف حكم الذهبي رحمه الله تعالى في الرجل من كتاب إلى آخر وهذا الاختلاف يرجع إما إلى اختلاف العلماء فيه، أو أنه تبين له فيه حكمًا آخر غير الذي حكم عليه في كتاب متقدم على كتاب متأخر في التأليف.

وكثيرًا ما يذكر الرجل الذي لم يرو عنه إلا راوٍ واحد، وقد ذكره ابن حبان في الثقات أو العجلي فيقول عنه وثق في كتاب ما، وفي كتاب آخر يقول عنه: مجهول، لأنه لم يرو عنه إلا راوٍ واحد، أو يقول عنه: لا يعرف، لأنه لم يعرفه إلا من طريق راوٍ واحد وهكذا.

ومثل ذلك وقع للحافظ ابن حجر في كتاب واحد وهو التقريب فقد ذكر حيّ أبو حية الكوفي في الأسماء وقال مقبول من الثالثة، ثم ذكره في الكنى وقال عنه: مجهول من الرابعة (انظر ترجمة رقم 487).
840 - মিজান গ্রন্থে: পরিচিত নন; এখানে: সালেহ (উপযুক্ত)।

967 - কাশিফ গ্রন্থে: মাজহুল (অপরিচিত); মুগনি গ্রন্থে: সাদুক (সত্যবাদী), কেউ কেউ তাকে দুর্বল বলেছেন; মিজান গ্রন্থে: আল্লাহ চাইলে সাদুক; এখানে: অপরিচিত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

1019 - এখানে: মাজহুল (অপরিচিত); কাশিফ গ্রন্থে: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে; মুগনি এবং মিজান গ্রন্থে: পরিচিত নন।

1045 - এখানে: অপরিচিত গণ্য করা হয়েছে; কাশিফ গ্রন্থে: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে; মিজান গ্রন্থে: জানা নেই তিনি কে।

1418 - এখানে: দুর্বল; কাশিফ গ্রন্থে: প্রামাণ্য নয়; মিজান গ্রন্থে: পরিচিত নন।

1207 - এখানে: শায়খ; কাশিফ গ্রন্থে: সাদুক (সত্যবাদী); মুগনি গ্রন্থে: তার বর্ণনা সহিহ নয়।

1209 - এখানে: শায়খ; কাশিফ গ্রন্থে: বর্জন করা হয়েছে; দিওয়ান গ্রন্থে: পরিত্যক্ত।

1286 - এখানে: দুর্বল; দিওয়ান গ্রন্থে: কিছুটা ভালো।

1392 - এখানে: সালেহ (উপযুক্ত); কাশিফ গ্রন্থে: তারা তার গুণ বর্ণনা করেছেন; দিওয়ান গ্রন্থে: ইয়াহইয়া আল-কাত্তান তাকে বর্জন করেছেন এবং নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন।

1401 - কাশিফ গ্রন্থে এবং এখানে: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে; দিওয়ান গ্রন্থে: তাকে বর্জন করেছেন।

1589 - এখানে এবং কাশিফ গ্রন্থে: সাদুক (সত্যবাদী); মুগনি গ্রন্থে: মাজহুল (অপরিচিত)।

এগুলো ইমাম যাহাবি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর এক কিতাব থেকে অন্য কিতাবে একজন বর্ণনাকারী সম্পর্কে তাঁর রায়ের ভিন্নতার কিছু উদাহরণ। এই ভিন্নতার কারণ হতে পারে বর্ণনাকারী সম্পর্কে আলেমদের মতভেদ, অথবা এমনও হতে পারে যে, পরবর্তী কোনো কিতাব রচনার সময় তাঁর নিকট বর্ণনাকারী সম্পর্কে এমন কোনো রায় স্পষ্ট হয়েছে যা পূর্ববর্তী কিতাবে প্রদত্ত রায়ের চেয়ে ভিন্ন।

অনেক ক্ষেত্রে তিনি এমন বর্ণনাকারীর উল্লেখ করেন যার থেকে মাত্র একজন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' গ্রন্থে অথবা আজলি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তাই তিনি কোনো এক কিতাবে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেন; আবার অন্য কিতাবে তাকে 'মাজহুল' (অপরিচিত) বলেন, কারণ তার থেকে মাত্র একজন বর্ণনা করেছেন। অথবা তার সম্পর্কে বলেন: পরিচিত নন, কারণ তিনি তাকে মাত্র একজন বর্ণনাকারীর মাধ্যমেই চিনেছেন, ইত্যাদি।

অনুরূপ ঘটনা হাফেজ ইবনে হাজার (রহিমাহুল্লাহ)-এর ক্ষেত্রেও ঘটেছে একটি মাত্র কিতাবে, আর সেটি হলো 'আত-তাকরীব'। তিনি নাম সম্বলিত অংশে 'হাই আবু হাইয়া আল-কুফি'-কে উল্লেখ করে বলেছেন যে তিনি তৃতীয় স্তরের 'মাকবুল' (গ্রহণযোগ্য); এরপর পুনরায় তাকে উপনামের অংশে উল্লেখ করে বলেছেন যে তিনি চতুর্থ স্তরের 'মাজহুল' (অপরিচিত) (দেখুন: জীবনী নম্বর ৪৮৭)।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌اختلاف الذهبي مع الحافظ في الحكم على بعض الرجال:

من خلال دراستي لكتاب المجرِّد ومقارنة كلام الذهبي في كتبه وكتاب التقريب للحافظ تبين لي أن الحافظ يوافق الذهبي في كثير من حكمه على الرجال وقد لاحظت أن الحافظ يخالف الذهبي في حكمه على بعض الرجال وهذه أمثلة لذلك:

256 - في الكاشف: صدوق، التقريب: مجهول الحال.

615 - الذهبي قال عنه: مجمع على ضعفه، في التقريب: صدوق يخطىء كثيرًا.

616 - في الكاشف: فيه جهالة، وفي التقريب: صدوق يهم، ووهم من عدة في الصحابة.

625 - في الميزان: لا يكاد يعرف، في التقريب: ثقة.

677 - في الكاشف: ثقة، التقريب: مقبول، وفي التهذيب: وقد وثقه العجلي، وابن حبان.

680 - في الكاشف: ثقة، التقريب: مقبول، وفي التهذيب: وثقه العجلي وابن حبان.

684 - في الكاشف: وثق، التقريب: ثقة، وفي التهذيب وثقه العجلي وابن حبان.

725 - هنا: ثقة، الكاشف: وثق، التقريب واللسان: مجهول.

984 - هنا: جُهل، في التقريب: ثقة.

1031 - الكاشف: ثقة، التقريب: مستور.

1126 - هنا: شيخ، التقريب: ثقة ثبت.

1182 - هنا، وفي الكاشف: ثقة، التقريب: مقبول.

739 - في الكاشف: واه شيعي متهم مع صلاحه، في المغني: متروك الحديث، وفي التقريب: صدوق له مناكير.

1818، 1819، 1820 - في الكاشف ثقة، التقريب: صدوق.

1864، 1901 - الكاشف: ثقة، التقريب: مقبول.
‌কিছু বর্ণনাকারীর বিষয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে হাফিজের সাথে আয-যাহাবীর মতপার্থক্য:

আমার ‘আল-মুজাররাদ’ গ্রন্থ অধ্যয়ন এবং আয-যাহাবীর কিতাবসমূহের বক্তব্যের সাথে হাফিজের ‘আত-তাকরীব’ গ্রন্থের তুলনা করার মাধ্যমে এটি আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, হাফিজ বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে প্রদত্ত অধিকাংশ সিদ্ধান্তে আয-যাহাবীর সাথে একমত পোষণ করেছেন। তবে আমি লক্ষ্য করেছি যে, হাফিজ কিছু বর্ণনাকারীর ব্যাপারে আয-যাহাবীর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। নিচে এর কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

২৫৬ - আল-কাশিফ-এ: সদুক, তাকরীব-এ: মাজহুলুল হাল।

৬১৫ - আয-যাহাবী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তাঁর দুর্বলতার বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে; তাকরীব-এ: সদুক, তিনি প্রচুর ভুল করেন।

৬১৬ - আল-কাশিফ-এ: তাঁর মধ্যে অজ্ঞতা রয়েছে; তাকরীব-এ: সদুক, তিনি বিভ্রান্ত হন, আর বেশ কয়েকজন তাঁকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ভুল করেছেন।

৬২৫ - আল-মিযান-এ: তিনি প্রায় অপরিচিত; তাকরীব-এ: সিকাহ।

৬৭৭ - আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: মাকবুল, এবং আত-তাহযীব-এ: আল-ইজলী ও ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

৬৮০ - আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: মাকবুল, এবং আত-তাহযীব-এ: আল-ইজলী ও ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

৬৮৪ - আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে, তাকরীব-এ: সিকাহ, এবং আত-তাহযীব-এ আল-ইজলী ও ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

৭২৫ - এখানে: সিকাহ, আল-কাশিফ-এ: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে, তাকরীব ও আল-লিসান-এ: মাজহুল।

৯৮৪ - এখানে: তাঁকে অজ্ঞাত বলা হয়েছে; তাকরীব-এ: সিকাহ।

১০৩১ - আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: মাস্তুর।

১১২৬ - এখানে: শায়খ, তাকরীব-এ: সিকাহ সাবাত।

১১৮২ - এখানে এবং আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: মাকবুল।

৭৩৯ - আল-কাশিফ-এ: অত্যন্ত দুর্বল শীআ এবং নেককার হওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্ত; আল-মুগনী-তে: মাতরুকুল হাদিস, এবং তাকরীব-এ: সদুক, তাঁর বর্ণিত কিছু মুনকার হাদিস রয়েছে।

১৮১৮, ১৮১৯, ১৮২০ - আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: সদুক।

১৮৬৪, ১৯০১ - আল-কাশিফ-এ: সিকাহ, তাকরীব-এ: মাকবুল।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
1295 - هنا: مستور، في الكاشف: وثقه ابن معين، التقريب: ثقة.

هذه أمثلة لاختلاف حكم الحافظ الذهبي مع الحافظ ابن حجر رحمهم الله جميعًا.

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أفضل المرسلين وعلى آله وصحبه، ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين.

 

كتبه

باسم فيصل الجوابره

بريده 24/ 8/ 1408
১২৯৫ - এখানে: মাসতূর; আল-কাশিফ গ্রন্থে: ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন; আত-তাকরীব গ্রন্থে: নির্ভরযোগ্য।

এগুলো হাফেজ আয-যাহাবী এবং হাফেজ ইবনে হাজার (আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি রহম করুন)-এর মতামতের পার্থক্যের কিছু উদাহরণ।

আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূলের ওপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন তাঁদের সকলের ওপর।

 

এটি লিখেছেন

বাসিম ফয়সাল আল-জওয়াবেরা

বুরাইদাহ ২৪/ ০৮/ ১৪০৮
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
عنوان الكتاب
গ্রন্থের শিরোনাম
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
أول ورقة من المخطوط
পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
آخر ورقة من المخطوط
পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

هذه أسماء من انفرد به ابن ماجه بإخراجهم عن البخاري ومسلم.

 

‌‌الصحابة:

1 - ابن بن عِمارة؛ دق.

2 - أبيض بن حمّال؛ دت ق.

3 - أحزاب بن أَسْيد، مختلف في صحبته، دس ق.

4 - أحمر بن جَزء؛ دق.

5 - أدرع السُّلمي؛ ق.

6 - أُسامة بن شَريك؛ 4.

--------------------------------------------

(1) صحابي، سكن مصر؛ أ- الغابة 1/ 60، التجريد 4/ 1، الإصابة 1/ 26.

(2) صحابي، المأربي، رمز له الذهبي هنا وفي الكاشف، دت ق، أما الحافظ فقد رمز له بالأربعة. قلت حديثه في السنن الكبرى للنسائي فقط دون الصغرى كما في تحفة الأشراف 1/ 7؛ أسد الغابة 1/ 57، الإصابة 1/ 23.

(3) أبو رُهم في الكاشف والتقريب: مختلف في صحبته، وزاد في التقريب: والصحيح أنه مخضرم؛ أسد الغابة 1/ 95، التجريد 1/ 9، الإصابة 1/ 23.

(4) السدوسي، تفرد الحسن البصري بالرواية عنه؛ أسد الغابة 1/ 66، الإصابة 1/ 32، التجريد 1/ 9.

(5) في التجريد: كان في حرس النبي صلى الله عليه وسلم إن صح، يروي عنه المقبري، وفي التقريب: معدود في الصحابة، وإسناد الحديث ضعيف؛ أسد الغابة 1/ 70، الإصابة 1/ 39.

(6) الثعلبي، في التقريب: تفرد بالرواية عنه زياد بن عِلاقة على الصحيح، أسد الغابة 1/ 70، الإصابة 1/ 39.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এগুলো ঐ সকল ব্যক্তিদের নাম যাদের বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিমের বিপরীতে ইবনে মাজাহ এককভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌সাহাবীগণ:

১ - ইবনে বিন উমারা; আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ।

২ - আবইয়ায বিন হাম্মাল; আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ।

৩ - আহযাব বিন আসয়িদ, তাঁর সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে; আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ।

৪ - আহমার বিন জায্’; আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ।

৫ - আদরা আস-সুলামী; ইবনে মাজাহ।

৬ - উসামা বিন শারীক; চার সুনান।

--------------------------------------------

(১) সাহাবী, তিনি মিশরে বসবাস করতেন; আসাদুল গাবাহ ১/৬০, আত-তাজরীদ ৪/১, আল-ইসাবাহ ১/২৬।

(২) সাহাবী, আল-মারিবী, ইমাম যাহাবী এখানে এবং আল-কাশিফ-এ তাঁর জন্য আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ-এর প্রতীক ব্যবহার করেছেন। তবে হাফিজ ইবনে হাজার তাঁর জন্য চার সুনান-এর প্রতীক ব্যবহার করেছেন। আমি বলব, তাঁর হাদীস নাসাঈর আস-সুনানুল কুবরায় রয়েছে, আস-সুনানুস সুগরায় নেই, যেমনটি তুহফাতুল আশরাফ ১/৭-এ বর্ণিত হয়েছে; আসাদুল গাবাহ ১/৫৭, আল-ইসাবাহ ১/২৩।

(৩) আবু রুহম; আল-কাশিফ ও আত-তাকরীব গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁর সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে এবং আত-তাকরীব-এ আরও বলা হয়েছে: বিশুদ্ধ কথা হলো তিনি একজন মুখাদরাম; আসাদুল গাবাহ ১/৯৫, আত-তাজরীদ ১/৯, আল-ইসাবাহ ১/২৩।

(৪) আস-সাদূসী, হাসান আল-বাসরী এককভাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; আসাদুল গাবাহ ১/৬৬, আল-ইসাবাহ ১/৩২, আত-তাজরীদ ১/৯।

(৫) আত-তাজরীদ গ্রন্থে আছে: যদি বিষয়টি বিশুদ্ধ হয় তবে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেহরক্ষী দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাঁর থেকে আল-মাকবুরী বর্ণনা করেছেন। আত-তাকরীব-এ আছে: তিনি সাহাবীদের মধ্যে গণ্য এবং হাদীসের সনদটি দুর্বল; আসাদুল গাবাহ ১/৭০, আল-ইসাবাহ ১/৩৯।

(৬) আস-সা’লাবী; আত-তাকরীব গ্রন্থে আছে: বিশুদ্ধ মতে যিয়াদ বিন ইলাকাহ এককভাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; আসাদুল গাবাহ ১/৭০, আল-ইসাবাহ ১/৩৯।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
7 - أسامة بن عمير والد أبي المليح (1)؛ 4.

8 - اسيد بن ظُهَير؛ 4.

9 - أنس بن مالك الكعبي؛ 4.

10 - أُهبان بن صيفي؛ ت ق.

11 - أوس بن أوس؛ 4.

12 - إياس بن عبد الله الدوسي؛ دس ق.

13 - إياس بن عبدٍ المُزَني؛ 4.

14 - بُسر بن جَحّاش؛ ق.

15 - بِشر بن سُحَيم، س ق.

16 - بشير بن الخصاصية؛ د س ق.

--------------------------------------------

(7) الهذلي، البصري تفرد ولده عنه؛ أسد الغابة 1/ 82، الإصابة 1/ 39.

(1) اسمه عامر وقيل زيد وقيل زياد ثقة من الثالثة/ ع.

(8) أُسيد (بالتصغير) ابن ظهير (بالتصغير) أيضًا ابن رافع الأنصاري له ولأبيه صحبة توفي سنة 65؛ أسد الغابة 1/ 814، الإِصابة 1/ 84.

(9) القشيري أبو أمية نزل البصرة؛ أسد الغابة 1/ 164، الإصابة 1/ 143.

(10) ويقال له: وَهبان أبو مسلم الغفاري؛ أسد الغابة 1/ 162، الإصابة 1/ 142.

(11) الثقفي سكن دمشق؛ أسد الغابة 1/ 164، الإصابة 1/ 143.

(12) سكن مكة، في الكاشف والتقريب مختلف في صحبته؛ أسد الغابة 1/ 183، الإصابة 1/ 165.

(13) ابن عبد بغير إضافة كما في التجريد والتقريب، أما في الكاشف فقال ابن عبد الله؛ أسد الغابة 1/ 184، الإصابة 1/ 165.

(14) بُسر بالسين المهملة، وقيل بشر بالشين بن جحاش (بفتح الجيم بعدها مهملة ثقيلة) صحابي نزل الشام؛ أسد الغابة 1/ 215، الإِصابة 1/ 291.

(15) سُحيم مصغرًا الغفاري صحابي وله رواية عن عدىِ؛ أسد الغابة 1/ 221، الإصابة 1/ 297.

(16) هو بشير بن معبد، وقيل ابن زياد ابن معبد المعروف بابن الخصاصية صحابي جليل؛ أسد الغابة 1/ 229، الإصابة 1/ 314.
৭ - উসামা ইবনে উমাইর, আবু আল-মালিহ-এর পিতা (১); ৪ (সুনান চতুষ্টয়)।

৮ - উসাইদ ইবনে যুহাইর; ৪।

৯ - আনাস ইবনে মালিক আল-কা’বী; ৪।

১০ - উহবান ইবনে সাইফি; তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ।

১১ - আওস ইবনে আওস; ৪।

১২ - ইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাউসী; আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ।

১৩ - ইয়াস ইবনে আবদ আল-মুযানী; ৪।

১৪ - বুসর ইবনে জাহাশ; ইবনে মাজাহ।

১৫ - বিশর ইবনে সুহাইম; নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ।

১৬ - বাশির ইবনে আল-খাসাসিয়্যাহ; আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ।

--------------------------------------------

(৭) আল-হুযালী, আল-বসরী; তার থেকে কেবল তার পুত্র বর্ণনা করেছেন; উসদুল গাবাহ ১/ ৮২, আল-ইসাবাহ ১/ ৩৯।

(১) তার নাম আমির, মতান্তরে যায়িদ বা যিয়াদ; তিনি তৃতীয় স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বর্ণনাকারী; জামাআহ (ছয় কিতাব)।

(৮) উসাইদ (তাসগির তথা ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দে), ইবনে যুহাইর (এটিও ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দে), তিনি ইবনে রাফি আল-আনসারীও বটে। তিনি এবং তার পিতা উভয়েই সাহাবী ছিলেন। তিনি ৬৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন; উসদুল গাবাহ ১/ ৮১৪, আল-ইসাবাহ ১/ ৮৪।

(৯) আল-কুশাইরী আবু উমাইয়্যাহ, তিনি বসরায় বসবাস করেছেন; উসদুল গাবাহ ১/ ১৬৪, আল-ইসাবাহ ১/ ১৪৩।

(১০) তাকে ওয়াহবান আবু মুসলিম আল-গিফারীও বলা হয়; উসদুল গাবাহ ১/ ১৬২, আল-ইসাবাহ ১/ ১৪২।

(১১) আস-সাকাফী, তিনি দামেস্কে বসবাস করেছেন; উসদুল গাবাহ ১/ ১৬৪, আল-ইসাবাহ ১/ ১৪৩।

(১২) তিনি মক্কায় বসবাস করেছেন। আল-কাশিফ এবং আত-তাকরীব গ্রন্থে তার সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত বর্ণিত হয়েছে; উসদুল গাবাহ ১/ ১৮৩, আল-ইসাবাহ ১/ ১৬৫।

(১৩) ‘ইবনে আবদ’, কোনো সংযুক্তি ব্যতিরেকে, যেমনটি আত-তাজরীদ এবং আত-তাকরীব গ্রন্থে এসেছে। তবে আল-কাশিফ গ্রন্থে ‘ইবনে আব্দুল্লাহ’ বলা হয়েছে; উসদুল গাবাহ ১/ ১৮৪, আল-ইসাবাহ ১/ ১৬৫।

(১৪) বুসর (নুক্তাবিহীন ‘সীন’ দিয়ে), মতান্তরে বিশর (নুক্তাযুক্ত ‘শীন’ দিয়ে), ইবনে জাহাশ (জীম-এর ওপর যবর এবং পরবর্তী বর্ণে তাসদীদ দিয়ে); তিনি একজন সাহাবী এবং সিরিয়ায় বসবাস করেছেন; উসদুল গাবাহ ১/ ২১৫, আল-ইসাবাহ ১/ ২৯১।

(১৫) সুহাইম (ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দে), আল-গিফারী; তিনি একজন সাহাবী এবং আদী থেকে তার বর্ণনা রয়েছে; উসদুল গাবাহ ১/ ২২১, আল-ইসাবাহ ১/ ২৯৭।

(১৬) তিনি বাশির ইবনে মা’বাদ, মতান্তরে ইবনে যিয়াদ ইবনে মা’বাদ, যিনি ‘ইবনে আল-খাসাসিয়্যাহ’ নামে পরিচিত; তিনি একজন মহান সাহাবী; উসদুল গাবাহ ১/ ২২৯, আল-ইসাবাহ ১/ ৩১৪।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
17 - بلال بن الحارث؛ 4.

18 - ثابت بن الصامت؛ ق.

19 - ثابت بن قيس، هو جد عدي بن ثابت واسم والد عدي أبان؛ د ت ق.

20 - ثابت بن وديعة؛ دس ق.

21 - ثعلبة بن الحكم؛ ق.

22 - جابر والد حكيم؛ (س ق) (1).

23 - جارية بن ظفر؛ ق.

24 - جبر بن عتيك؛ س ق.

--------------------------------------------

(17) المزني المدني، مات سنة ستين وله ثمانون سنة؛ أسد الغابة 1/ 242، الإصابة 1/ 326.

(18) الأشهلي، في الكاشف: والد عبد الرحمن، حديثه مضطرب، والظاهر إرساله وإنما الصحبة لابنه وفي التجريد يقال هو أخو عبادة ولم يصح لأن هذا أشهلي مختلف في صحبته؛ أسد الغابة 1/ 270، الإِصابة 1/ 389، التهذيب 2/ 6.

(19) حديثه جاء هكذا عن عدي بن ثابت عن أبيه عن جده. وقد اختلف في اسم جده اختلافًا كثيرًا.

قال الذهبي في الميزان 1/ 369، والصحيح أنه عدي بن أبان بن ثابت بن قيس بن الخطيم الأنصاري فغلب على عدي النسبة إلى جده. انظر لزامًا التهذيب 1/ 20، والإصابة 1/ 393.

قلت رمز له الحافظ في التقريب والتهذيب (د س ق) وهو خطأ بل هو (د ت ق)، انظر تهذيب الكمال 4/ 387.

(20) قال الحافظ في التقريب وقيل ابن يزيد بن وديعة وقيل أبوه يزيد ووديعة أمه؟ أسد الغابة 1/ 279، الإصابة 1/ 398.

(21) الليثي شهد حنينًا نزل الكوفة؛ أسد الغابة 1/ 285، الإِصابة 1/ 401.

(22) هو ابن طارق صحابي مقل، أسد الغابة 1/ 305، الإِصابة 1/ 432.

(1) ما بين قوسين في تهذيب الكمال والكاشف والتقريب، وهو غير موجود في المخطوطة.

(23) الحنفي صحابي مقل؛ أسد الغابة 1/ 313، الإصابة 1/ 444، التهذيب 2/ 54.

(24) ابن قيس الأنصاري أخو جابر شهد بدرًا توفي سنة 61؛ أسد الغابة 1/ 317، الإصابة 1/ 317.
১৭ - বিলাল ইবনুল হারিস; ৪।

১৮ - সাবিত ইবনুস সামিত; ক।

১৯ - সাবিত ইবনু কাইস, তিনি আদী ইবনু সাবিতের দাদা এবং আদীর পিতার নাম আবান; দ ত ক।

২০ - সাবিত ইবনু ওয়াদিয়া; দস ক।

২১ - সা'লাবাহ ইবনুল হাকাম; ক।

২২ - জাবির, হাকিমের পিতা; (স ক) (১)।

২৩ - জারিয়া ইবনু জাফার; ক।

২৪ - জাবর ইবনু আতিক; স ক।

--------------------------------------------

(১৭) আল-মুযানী আল-মাদানী, তিনি ষাট হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন এবং তখন তার বয়স হয়েছিল আশি বছর; আসাদুল গাবাহ ১/২৪২, আল-ইসাবাহ ১/৩২৬।

(১৮) আল-আশহালী, আল-কাশিফ গ্রন্থে রয়েছে: তিনি আবদুর রহমানের পিতা, তার বর্ণিত হাদিস মুদতারিব (অসংলগ্ন), এবং বাহ্যত এটি মুরসাল, আর সাহাবীত্ব মূলত তার ছেলের জন্য সাব্যস্ত; আত-তাজরীদ গ্রন্থে বলা হয়েছে যে তিনি উবাদাহর ভাই, কিন্তু এটি সঠিক নয় কারণ তিনি আশহালী গোত্রের এবং তার সাহাবীত্বের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে; আসাদুল গাবাহ ১/২৭০, আল-ইসাবাহ ১/৩৮৯, আত-তাহযীব ২/৬।

(১৯) তার হাদিসটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে: আদী ইবনু সাবিত থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে। আর তার দাদার নামের ব্যাপারে অনেক মতভেদ রয়েছে।

যাহাবী আল-মিযান গ্রন্থে (১/৩৬৯) বলেন, সঠিক হলো তিনি আদী ইবনু আবান ইবনু সাবিত ইবনু কাইস ইবনুল খাতীম আল-আনসারী। ফলে আদীর পরিচয় তার দাদার দিকেই প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। অবশ্যই দেখুন আত-তাহযীব ১/২০ এবং আল-ইসাবাহ ১/৩৯৩।

আমি বলছি, হাফিজ (ইবনু হাজার) আত-তাকরীীব ও আত-তাহযীব গ্রন্থে তার জন্য (দ স ক) সংকেত ব্যবহার করেছেন, যা ভুল; বরং তা হবে (দ ত ক), দেখুন তাহযীবুল কামাল ৪/৩৮৭।

(২০) হাফিজ আত-তাকরীীব গ্রন্থে বলেন, বলা হয়ে থাকে ইবনু ইয়াযিদ ইবনু ওয়াদিয়া, আবার বলা হয় তার পিতা ইয়াযিদ এবং ওয়াদিয়া তার মায়ের নাম? আসাদুল গাবাহ ১/২৭৯, আল-ইসাবাহ ১/৩৯৮।

(২১) আল-লায়সী, তিনি হুনাইন যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন এবং কুফায় বসবাস শুরু করেন; আসাদুল গাবাহ ১/২৮৫, আল-ইসাবাহ ১/৪০১।

(২২) তিনি হলেন ইবনু তারিক, অল্প সংখ্যক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী; আসাদুল গাবাহ ১/৩০৫, আল-ইসাবাহ ১/৪৩২।

(১) ব্র্যাকেটের ভেতরের অংশটুকু তাহযীবুল কামাল, আল-কাশিফ ও আত-তাকরীীব গ্রন্থে রয়েছে, তবে তা মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২৩) আল-হানাফী, অল্প সংখ্যক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী; আসাদুল গাবাহ ১/৩১৩, আল-ইসাবাহ ১/৪৪৪, আত-তাহযীব ২/৫৪।

(২৪) ইবনু কাইস আল-আনসারী, তিনি জাবিরের ভাই, বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন এবং ৬১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন; আসাদুল গাবাহ ১/৩১৭, আল-ইসাবাহ ১/৩১৭।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - جودان؛ ق.

26 - الحارث بن أُقيش؛ ق.

27 - الحارث بن حسان؛ ت س ق.

28 - الحارث بن عمرو عم البراء؛ ق.

29 - الحارث بن هشام؛ ق.

30 - حازم بن حرملة؛ ق.

31 - حَبة أخو سَواء؛ ق.

32 - حبيب بن مسلمة؛ دق.

33 - حُبْشي بن جُنادة؛ دس ق.

34 - حجاج بن عمرو المازني؛ 4.

--------------------------------------------

(25) في الكاشف والتقريب يقال ابن جودان مختلف في صحبته وزاد في التقريب ذكره ابن حبان في ثقات التابعين؛ أسد الغابة 1/ 369، الإصابة 1/ 525.

(26) بالقاف مصغرًا العُكلي حليف الأنصار صحابي مقل؛ أسد الغابة 1/ 377، الإصابة 1/ 552.

(27) البكري وقيل اسمه حريث له وفادة نزل الكوفة؛ أسد الغابة 1/ 386، الإصابة 1/ 596.

(28) الأنصاري عم البراء وقيل خاله؛ أسد الغابة 1/ 406، الإصابة 1/ 588.

(29) ابن المغيرة المخزومي أخو أبي جهل استشهد بالشام في خلافة عمر؛ أسد الغابة 1/ 420، وإلإصابه 1/ 605.

(30) الغفاري صحابي له حديث واحد في الذكر؛ أسد الغابة 1/ 431، الإصابة 2/ 3.

(31) ابن خالد الأسدي ويقال العامري أو الخزاعي أخو سواء صحابيان لهما حديث عنهما سلام فقط؛ أسد الغابة 1/ 440، الإصابة 2/ 140.

(32) ابن مالك الفهري المكي نزل الشام كان يسمى حبيب الروم لكثرة دخوله عليهم مجاهدًا مختلف في صحبته ورجح الحافظ ثبوتها لكنه كان صغيرًا؛ أسد الغابة 1/ 448، الإصابة 2/ 24.

(33) السَّلولي صحابي نزل الكوفة قال البخاري إسناد حديثه فيه نظر؛ التاريخ الكبير 3/ 127، أسد الغابة 1/ 438، الإصابة 2/ 13.

(34) شهد مع علي صفين؛ أسد الغابة 1/ 458، الإصابة 1/ 552.
২৫ - জাওদান; ইবনে মাজাহ।

২৬ - আল-হারিস ইবনে উকাইশ; ইবনে মাজাহ।

২৭ - আল-হারিস ইবনে হাসান; তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

২৮ - আল-হারিস ইবনে আমর, আল-বারা-এর চাচা; ইবনে মাজাহ।

২৯ - আল-হারিস ইবনে হিশাম; ইবনে মাজাহ।

৩০ - হাযিম ইবনে হারমালাহ; ইবনে মাজাহ।

৩১ - হাব্বাহ, সাওয়া-এর ভাই; ইবনে মাজাহ।

৩২ - হাবীব ইবনে মাসলামাহ; আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ।

৩৩ - হুবশি ইবনে জুনদাহ; আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৩৪ - হাজ্জাজ ইবনে আমর আল-মাযিনী; চার সুনান।

--------------------------------------------

(২৫) আল-কাশিফ ও আত-তাকরীব গ্রন্থে বলা হয়েছে তাকে ইবনে জাওদান বলা হয়, তার সাহাবী হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে। আত-তাকরীব গ্রন্থে আরও বর্ণিত হয়েছে যে ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য তাবিঈদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন; আসাদুল গাবাহ ১/ ৩৬৯, আল-ইসাবাহ ১/ ৫২৫।

(২৬) কাফ অক্ষর সহযোগে ছোটকারী বিশেষ্য (তাসগীর) রূপে 'উকাইশ', তিনি আল-উক্লী, আনসারদের মিত্র, অল্প হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী; আসাদুল গাবাহ ১/ ৩৭৭, আল-ইসাবাহ ১/ ৫৫২।

(২৭) আল-বাকরী, বলা হয় তার নাম হুরাইস, তিনি (রাসূলের নিকট) প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন এবং কূফায় বসবাস করেছেন; আসাদুল গাবাহ ১/ ৩৮৬, আল-ইসাবাহ ১/ ৫৯৬।

(২৮) আল-আনসারী, আল-বারা-এর চাচা, বলা হয় তিনি তার মামা; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪০৬, আল-ইসাবাহ ১/ ৫৮৮।

(২৯) ইবনুল মুগীরাহ আল-মাখযূমী, আবু জাহলের ভাই, উমরের খিলাফতকালে সিরিয়ায় শহীদ হন; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪২০, আল-ইসাবাহ ১/ ৬০৫।

(৩০) আল-গিফারী, একজন সাহাবী যার থেকে যিকর সম্পর্কে একটি হাদিস বর্ণিত আছে; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪৩১, আল-ইসাবাহ ২/ ৩।

(৩১) ইবনে খালিদ আল-আসাদী, তাকে আল-আমিরী বা আল-খুযাঈ-ও বলা হয়, সাওয়া-এর ভাই, তারা উভয়েই সাহাবী, তাদের থেকে কেবল সালাম বিনিময় সংক্রান্ত একটি হাদিস বর্ণিত আছে; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪৪০, আল-ইসাবাহ ২/ ১৪০।

(৩২) ইবনে মালিক আল-ফিহরী আল-মাক্কী, সিরিয়ায় বসবাস করতেন, মুজাহিদ হিসেবে রোমানদের বিরুদ্ধে অধিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কারণে তাকে 'হাবীবুর রুম' বলা হতো। তার সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ আছে, তবে হাফিজ (ইবনে হাজার) তার সাহাবী হওয়া সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছেন, যদিও তিনি বয়সে ছোট ছিলেন; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪৪৮, আল-ইসাবাহ ২/ ২৪।

(৩৩) আস-সালূলী, সাহাবী, কূফায় বসবাস করতেন। ইমাম বুখারী বলেছেন, তার হাদিসের সনদে আপত্তির অবকাশ রয়েছে; আত-তারীখুল কাবীর ৩/ ১২৭, আসাদুল গাবাহ ১/ ৪৩৮, আল-ইসাবাহ ২/ ১৩।

(৩৪) আলীর সাথে সিফফীন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন; আসাদুল গাবাহ ১/ ৪৫৮, আল-ইসাবাহ ১/ ৫৫২।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
35 - الحسن؛ 4.

36 - حُصين بن عون؛ ق.

37 - الحكم بن سفيان؛ د س ق.

38 - حمل بن مالك؛ د س ق.

39 - خارجة بن حذافة العدوي؛ د ت ق.

40 - خِداشَ بن سلامة بالكوفة؛ ق.

41 - خُرَيم بن فاتك؛ 4.

42 - خُزيمة بن جَزء؛ ت ق.

43 - الخَشْخَاش العنبري؛ ق.

44 - دينار يقال جد عدي بن ثابت؛ ق.

--------------------------------------------

(35) هو الحسن بن علي بن أبي طالب سبط رسول الله وكان أشبه وجهًا برسول الله صلى الله عليه وسلم مات سنة 50؛ أسد الغابة 2/ 10، السير 3/ 245، الإصابة 2/ 68.

(36) الخثعمي صحابي له حديث في الحج؛ أسد الغابة 2/ 27، الإصابة 2/ 88.

(37) قيل سفيان بن الحكم جزم الذهبي أن له صحبة في الكاشف والتجريد أما الحافظ فقال قيل له صحبة حديثه مضطرب؛ أسد الغابة 2/ 35، الإصابة 2/ 103.

(38) ابن النابغة الهذلي أبو نضلة صحابي نزل البصرة؛ أسد الغابة 2/ 58، الإصابة 2/ 125.

(39) صحابي سكن مصر وهو الذي قتله الخارجي ليلة مقتل علي رضي الله عنه؛ أسد الغابة 2/ 83، الإِصابة 2/ 222.

(40) بكسر أوله وتخفيف المهملة وقيل بالراء خراش أبو سلمة له حديث؛ أسد الغابة 2/ 123، الإصابة 2/ 266.

(41) خريم بالتصغير أبو يحيى قال الحافظ وهو خريم بن الأخرم بن شداد بن عمرو بن فاتك نسب لجد جده شهد الحديبية؛ أسد الغابة 2/ 130، الإصابة 2/ 275.

(42) جزء بفتح الجيم وسكون الزاي قال الحافظ صحابي لم يصحح الإسناد إليه روى عنه أخواه حبان وخالد؛ أسد الغابة 2/ 134، الإصابة 2/ 280.

(43) اسم أبيه الحارث وقيل غير ذلك له حديث واحد؛ أسد الغابة 1/ 136، الإصابة 2/ 264.

(44) في الكاشف سماه ابن معين وقيل عبد الله، قال الحافظ قيل هو جد عدي بن ثابت ولا يصح؛ أسد الغابة 2/ 164، الإصابة 2/ 395، التهذيب 3/ 217.
৩৫ - হাসান; ৪।

৩৬ - হুসাইন ইবনে আউন; কা।

৩৭ - আল-হাকাম ইবনে সুফিয়ান; দা সা কা।

৩৮ - হামাল ইবনে মালিক; দা সা কা।

৩৯ - খারিজাহ ইবনে হুজাফাহ আল-আদাউয়ি; দা তা কা।

৪০ - খিদাশ ইবনে সালামাহ কুফাতে; কা।

৪১ - খুরাইম ইবনে ফাতিক; ৪।

৪২ - খুজাইমাহ ইবনে জাযউ; তা কা।

৪৩ - আল-খাশখাশ আল-আনবারি; কা।

৪৪ - দিনার, যাকে আদী ইবনে সাবিতের দাদা বলা হয়; কা।

--------------------------------------------

(৩৫) তিনি হলেন হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাতি। তিনি চেহারার দিক থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে বেশি সদৃশ ছিলেন। মৃত্যু ৫০ হিজরি; উসুদুল গাবাহ ২/১০, আস-সিয়ার ৩/২৪৫, আল-ইসাবাহ ২/৬৮।

(৩৬) আল-খাসআমি, একজন সাহাবী, হজ সম্পর্কে তাঁর একটি হাদীস রয়েছে; উসুদুল গাবাহ ২/২৭, আল-ইসাবাহ ২/৮৮।

(৩৭) বলা হয় সুফিয়ান ইবনে আল-হাকাম। আয-যাহাবি ‘আল-কাশিফ’ ও ‘আত-তাজরিদ’ গ্রন্থে তাকে সাহাবী হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। হাফিজ (ইবনে হাজার) বলেছেন, বলা হয় তিনি সাহাবী, তবে তাঁর হাদীস মুযতারিব (অস্থির); উসুদুল গাবাহ ২/৩৫, আল-ইসাবাহ ২/১০৩।

(৩৮) ইবনে আন-নাবিগাহ আল-হুজালি আবু নাদলাহ, একজন সাহাবী, তিনি বসরায় বসতি স্থাপন করেছিলেন; উসুদুল গাবাহ ২/৫৮, আল-ইসাবাহ ২/১২৫।

(৩৯) একজন সাহাবী, তিনি মিশরে বসবাস করতেন এবং তিনিই সেই ব্যক্তি যাকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হত্যার রাতে খারিজিরা হত্যা করেছিল; উসুদুল গাবাহ ২/৮৩, আল-ইসাবাহ ২/২২২।

(৪০) প্রথম অক্ষরে কাসরা (ইকার) এবং তাশদীদহীন ‘দাল’ বর্ণ যোগে। কেউ কেউ বলেছেন ‘রা’ বর্ণ দিয়ে খারাশ আবু সালামাহ, তাঁর একটি হাদীস রয়েছে; উসুদুল গাবাহ ২/১২৩, আল-ইসাবাহ ২/২৬৬।

(৪১) খুরাইম (তাসগির বা ক্ষুদ্রতাসূচক শব্দ), আবু ইয়াহইয়া। হাফিজ (ইবনে হাজার) বলেছেন, তিনি হলেন খুরাইম ইবনে আল-আখরাম ইবনে শাদ্দাদ ইবনে আমর ইবনে ফাতিক, তাকে তাঁর প্রপিতামহের দিকে সম্বন্ধিত করা হয়েছে। তিনি হুদায়বিয়ায় উপস্থিত ছিলেন; উসুদুল গাবাহ ২/১৩০, আল-ইসাবাহ ২/২৭৫।

(৪২) জাযউ (জিম বর্ণে ফাতহা এবং যা বর্ণে সুকুন সহ)। হাফিজ (ইবনে হাজার) বলেছেন, তিনি একজন সাহাবী তবে তাঁর সূত্রে বর্ণিত সনদটি সহীহ নয়; তাঁর দুই ভাই হিব্বান ও খালিদ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; উসুদুল গাবাহ ২/১৩৪, আল-ইসাবাহ ২/২৮০।

(৪৩) তাঁর পিতার নাম আল-হারিস, তবে অন্য নামও বলা হয়েছে। তাঁর একটিমাত্র হাদীস রয়েছে; উসুদুল গাবাহ ১/১৩৬, আল-ইসাবাহ ২/২৬৪।

(৪৪) ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থে ইবনে মাঈন তাকে নামকরণ করেছেন, আবার বলা হয় তিনি আবদুল্লাহ। হাফিজ (ইবনে হাজার) বলেছেন, বলা হয় তিনি আদী ইবনে সাবিতের দাদা, কিন্তু এটি সঠিক নয়; উসুদুল গাবাহ ২/১৬৪, আল-ইসাবাহ ২/৩৯৫, আত-তাহজীব ৩/২১৭।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
45 - ذو مِخْبر الحبشي؛ ق.

46 - رافع بن عمرو المزني؛ د س ق.

47 - رباح بن الربيع الأُسَيْدي، د س ق.

48 - رفاعة بن عَرَابة؛ ق.

49 - رُكانة المطلبي؛ دت ق.

50 - زِنْباع الجذامي، ق.

51 - زياد بن الحارث الصُدائي؛ دت ق.

52 - زياد بن لبيد؛ ق.

53 - زيد الحب؛ س ق.

54 - زيد بن مِربع؛ 4.

--------------------------------------------

(45) مخبر بكسر أوله وقيل مخمر وهو ابن أخي النجاشي، أسد الغابة 2/ 187، الإصابة 2/ 417.

(46) أخو عائد صحابي سكن البصرة بقي إلى خلافة معاوية؛ أسد الغابة 2/ 194، الإصابة 442.

(47) أخو الكاتب حنظلة صحابي له حديث؛ أسد الغابة 2/ 202، الإصابة 2/ 450.

(48) عَرابه بفتح المهملة وبموحدة الجهني المدني له حديث؛ أسد الغابة 2/ 231، الإصابة 2/ 493، رمز له الحافظ (س ق). قلت فقد أخرج له النسائي في عمل اليوم والليلة (337) تحفة الأشراف 3/ 172.

(49) بضم أوله ابن عبد يزيد ابن هاشم بن المطلب بن عبد مناف من مسلمة الفتح صرعه النبي مرتين؛ أسد الغابة 2/ 236، الإصابة 2/ 497.

(50) بكسر أوله وسكون النون ابن روح الفلسطيني صحابي له حديثان؛ أسد الغابة 2/ 260، الإصابة 2/ 538.

(51) الصدائي بضم الصاد له صحبة ووفادة؛ أسد الغابة 1/ 269، الإصابة 2/ 582.

(52) ابن ثعلبة الأنصاري شهد بدرًا وكان عاملًا على حضر موت لما مات النبي صلى الله عليه وسلم؛ أسد الغابة 2/ 293، الإصابة 2/ 586.

(53) هو زيد بن حارثة الكلبي أبو أسامة من أول الناس إسلامًا استشهد يوم مؤته؛ أسد الغابة 2/ 281، الإصابة 2/ 598.

(54) مربع بكسر الميم صحابي أكثر ما يجيء مبهمًا وقيل اسمه يزيد وقيل عبد الله؛ أسد=
৪৫ - জু মিখবার আল-হাবাশি; ইবনে মাজাহ।

৪৬ - রাফি ইবনে আমর আল-মুজানি; আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৪৭ - রাবাহ ইবনে রাবি আল-উসাইদি; আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৪৮ - রিফাআ ইবনে আরাবাহ; ইবনে মাজাহ।

৪৯ - রুকানাহ আল-মুত্তালিবি; আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ।

৫০ - জিনবা আল-জুজামি; ইবনে মাজাহ।

৫১ - জিয়াদ ইবনে হারিস আস-সুদাই; আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ।

৫২ - জিয়াদ ইবনে লাবিদ; ইবনে মাজাহ।

৫৩ - যায়েদুল হুব্ব; নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৫৪ - যায়েদ ইবনে মিরবা; চার সুনান।

--------------------------------------------

(৪৫) মিখবার, প্রথম বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে, আর কেউ কেউ বলেছেন মুখাম্মার; তিনি ছিলেন নাজ্জাশির ভ্রাতুষ্পুত্র। আসাদুল গাবাহ ২/১৮৭, আল-ইসাবাহ ২/৪১৭।

(৪৬) আয়িদের ভাই, তিনি একজন সাহাবি, বসরায় বসবাস করতেন এবং মুয়াবিয়ার খিলাফতকাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। আসাদুল গাবাহ ২/১৯৪, আল-ইসাবাহ ৪৪২।

(৪৭) কিতাব লেখক হানজালার ভাই, তিনি একজন সাহাবি, তাঁর থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আসাদুল গাবাহ ২/২০২, আল-ইসাবাহ ২/৪৫০।

(৪৮) আরাবাহ, মুহমালা (আইন) বর্ণে ফাতহা (জবর) এবং মুওয়াহহাদা (বা) সহযোগে। তিনি আল-জুহানি আল-মাদানি, তাঁর থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আসাদুল গাবাহ ২/২৩১, আল-ইসাবাহ ২/৪৯৩। হাফিজ (ইবনে হাজার) তাঁর জন্য (নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) সংকেত ব্যবহার করেছেন। আমি বলব, নাসাঈ তাঁর থেকে ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’ (৩৩৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তুহফাতুল আশরাফ ৩/১৭২।

(৪৯) প্রথম বর্ণে জম্মাহ (পেশ) দিয়ে, তিনি ইবনে আবদ ইয়াজিদ ইবনে হাশিম ইবনে আল-মুত্তালিব ইবনে আবদ মানাফ। তিনি মক্কা বিজয়ের সময় ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দুবার কুস্তিতে পরাজিত করেছিলেন। আসাদুল গাবাহ ২/২৩৬, আল-ইসাবাহ ২/৪৯৭।

(৫০) প্রথম বর্ণে কাসরা (জের) এবং নুন বর্ণে সুকুন সহযোগে। তিনি ইবনে রুহ আল-ফিলিস্তিনি, একজন সাহাবি, তাঁর থেকে দুটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আসাদুল গাবাহ ২/২৬০, আল-ইসাবাহ ২/৫৩৮।

(৫১) আস-সুদাই, সাদ বর্ণে জম্মাহ (পেশ) দিয়ে। তাঁর সাহচর্য ও প্রতিনিধিদলে আগমনের বিবরণ রয়েছে। আসাদুল গাবাহ ১/২৬৯, আল-ইসাবাহ ২/৫৮২।

(৫২) ইবনে সালাবা আল-আনসারি। তিনি বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের সময় তিনি হাজরামাউতের গভর্নর ছিলেন। আসাদুল গাবাহ ২/২৯৩, আল-ইসাবাহ ২/৫৮৬।

(৫৩) তিনি হলেন যায়েদ ইবনে হারিসা আল-কালবি আবু উসামাহ। তিনি ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে অগ্রগণ্যদের একজন। মুতার যুদ্ধে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। আসাদুল গাবাহ ২/২৮১, আল-ইসাবাহ ২/৫৯৮।

(৫৪) মিরবা, মিম বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে। তিনি একজন সাহাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁর নাম উহ্য বা অস্পষ্টভাবে আসে। বলা হয়েছে তাঁর নাম ইয়াজিদ, আবার কেউ বলেছেন আবদুল্লাহ। আসাদ=
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
55 - سالم بن عُبيد، 4.

56 - السائب بن خَبّاب؛ ق.

57 - السائب بن خلاد؛ 4.

58 - السائب المخزومي، د س ق.

59 - سُرّق؛ ق.

60 - سعد بن الأطول؛ ق.

61 - سعد القَرَظ؛ ق.

62 - (سعد بن عبادة؛ 4) (1).

63 - سعد مولى الصديق، ق.

--------------------------------------------

= الغابة 2/ 299، الإصابة 2/ 620.

(55) الأشجعي صحابي من أهل الصفة؛ أسد الغابة 2/ 310، الإصابة 3/ 10، التهذيب 3/ 441.

(56) في الكاشف يقال له صحبة وفي التقريب له صحبة؛ أسد الغابة 2/ 313، الإصابة 3/ 20، التهذيب 3/ 446.

(57) أبو سهلة عمل لعمر على اليمن؛ أسد الغابة 2/ 313، الإصابة 3/ 21، التهذيب 3/ 447.

(58) هو ابن صيفي بن عابد شريك النبي صلى الله عليه وسلم قبل الوحي من الطلقاء؛ أسد الغابة 3/ 315، الإصابة 3/ 22، التهذيب 3/ 448.

(59) بالضم وتشديد الراء ابن أسد في الكاشف صحابي نزل مصر روى عنه رجل جهل وفي التجريد له حديث في التغليس لا يثبت وفي التقريب صحابي؛ أسد الغابة

3/ 333، الإصابة 3/ 44، التهذيب 3/ 456.

(60) صحابي نزل البصرة؛ أسد الغابة 3/ 337، الإصابة 3/ 47، التهذيب 3/ 466.

(61) سعد بن عائد وقيل ابن عبد الرحمن المؤذن؛ أسد الغابة 3/ 355، الإصابة 3/ 65، التهذيب 3/ 474.

(62) سيد الخزرج أحد النقباء؛ أسد الغابة 3/ 256، الإصابة 3/ 65، التهذيب 3/ 475.

(1) ما بين قوسين كتب في الهامش.

(63) في الكاشف والتقريب قيل سعيد وزاد في التقريب ولم يثبت؛ أسد الغابة 2/ 340، الإصابة 3/ 89، التهذيب 3/ 485.
৫৫ - সালিম ইবনে উবাইদ, ৪।

৫৬ - আস-সাইব ইবনে খাব্বাব; ক।

৫৭ - আস-সাইব ইবনে খাল্লাদ; ৪।

৫৮ - আস-সাইব আল-মাখজুমি, দ স ক।

৫৯ - সুররাক; ক।

৬০ - সাদ ইবনুল আতওয়াল; ক।

৬১ - সাদ আল-কারাজ; ক।

৬২ - (সাদ ইবনে উবাদাহ; ৪) (১)।

৬৩ - সাদ, সিদ্দিকের মুক্তদাস, ক।

--------------------------------------------

= আল-গাবাহ ২/ ২৯৯, আল-ইসাবাহ ২/ ৬২০।

(৫৫) আল-আশজায়ি, তিনি আহলে সুফফার অন্তর্ভুক্ত একজন সাহাবী; আসাদুল গাবাহ ২/ ৩১০, আল-ইসাবাহ ৩/ ১০, আত-তাহজিব ৩/ ৪৪১।

(৫৬) আল-কাশিফ গ্রন্থে বলা হয়েছে তাঁর সাহচর্য সাব্যস্ত এবং আত-তাকরিব গ্রন্থেও তাঁর সাহচর্য সাব্যস্ত; আসাদুল গাবাহ ২/ ৩১৩, আল-ইসাবাহ ৩/ ২০, আত-তাহজিব ৩/ ৪৪৬।

(৫৭) আবু সাহলাহ, তিনি ওমরের পক্ষ থেকে ইয়ামেনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন; আসাদুল গাবাহ ২/ ৩১৩, আল-ইসাবাহ ৩/ ২১, আত-তাহজিব ৩/ ৪৪৭।

(৫৮) তিনি সায়ফি ইবনে আবিদের পুত্র, ওহী নাযিলের পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন, তিনি মক্কা বিজয়ের দিন মুক্তিপ্রাপ্তদের (তুলাকা) অন্তর্ভুক্ত; আসাদুল গাবাহ ৩/ ৩১৫, আল-ইসাবাহ ৩/ ২২, আত-তাহজিব ৩/ ৪৪৮।

(৫৯) সীন বর্ণে পেশ এবং র বর্ণে তাশদীদ সহকারে, ইবনে আসাদ। আল-কাশিফ গ্রন্থে বলা হয়েছে তিনি মিশরে বসবাসকারী একজন সাহাবী, তাঁর থেকে জনৈক অজ্ঞাত ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন। আত-তাজরিদ গ্রন্থে বলা হয়েছে উষাকালে সালাত (তাগলিস) আদায় বিষয়ে তাঁর একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে যা প্রমাণিত নয়। আত-তাকরিব গ্রন্থে তাঁকে সাহাবী বলা হয়েছে; আসাদুল গাবাহ ৩/ ৩৩৩, আল-ইসাবাহ ৩/ ৪৪, আত-তাহজিব ৩/ ৪৫৬।

(৬০) একজন সাহাবী যিনি বসরার অধিবাসী ছিলেন; আসাদুল গাবাহ ৩/ ৩৩৭, আল-ইসাবাহ ৩/ ৪৭, আত-তাহজিব ৩/ ৪৬৬।

(৬১) সাদ ইবনে আইদ, মতান্তরে ইবনে আবদুর রহমান আল-মুয়াযযিন; আসাদুল গাবাহ ৩/ ৩৫৫, আল-ইসাবাহ ৩/ ৬৫, আত-তাহজিব ৩/ ৪৭৪।

(৬২) খাজরাজ গোত্রের নেতা এবং অন্যতম নকীব (প্রতিনিধি); আসাদুল গাবাহ ৩/ ২৫৬, আল-ইসাবাহ ৩/ ৬৫, আত-তাহজিব ৩/ ৪৭৫।

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় (হাশিয়া) লিখিত ছিল।

(৬৩) আল-কাশিফ এবং আত-তাকরিব গ্রন্থে বলা হয়েছে তাঁর নাম সাঈদ বলেও অভিহিত করা হয়েছে এবং আত-তাকরিব গ্রন্থে অতিরিক্ত বলা হয়েছে যে তা প্রমাণিত নয়; আসাদুল গাবাহ ২/ ৩৪০, আল-ইসাবাহ ৩/ ৮৯, আত-তাহজিব ৩/ ৪৮৫।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
64 - سعيد بن حريث؛ ق.

65 - سعيد بن سعد بن عبادة؛ س ق.

66 - سلمة بن أُمية؛ س ق.

67 - سلمه بن صخر؛ د ت ق.

68 - سلمة بن قيس الأشجعي؛ د س ق.

69 - سلمة بن المُحبّق؛ د س ق.

70 - سنان بن سَنّه؛ ق.

71 - سَواء بن خالد؛ ق.

72 - سويد بن حنظلة؛ د ق.

73 - سويدبن قيس؛ 4.

74 - شرحبيل بن حَسنة؛ ق.

--------------------------------------------

(64) في الكاشف والتقريب أخو عمرو له صحبة وزاد في الكاشف شهد الفتح أمرد؛ أسد الغابة 2/ 284، الإصابة 3/ 101.

(65) في الكاشف قيل له صحبة ولى اليمن لعلي وفي التقريب صحابي صغير ولي بعض اليمن لعلي؛ أسد الغابة 2/ 389، الإصابة 3/ 105.

(66) في الكاشف له صحبة والحديث مضطرب وفي التقريب صحابي له حديث؛ الإصابة 3/ 144، التهذيب 4/ 141.

(67) في الكاشف البياضي الذي ظاهر؛ الإصابة 3/ 150، التهذيب 4/ 147.

(68) صحابي نزل الكوفة؛ الإصابة 3/ 152، التهذيب 4/ 154.

(69) المحبق وزن محمد صحابي سكن البصرة؛ الإصابة 3/ 153، التهذيب 4/ 157.

(70) سَنَّه بفتح المهملة وتشديد النون الأسلمي المدني صحابي؛ الإصابة 3/ 186، التهذيب 4/ 242.

(71) أخو حبه له صحبة؛ الإصابة 3/ 216، التهذيب 4/ 242.

(72) صحابي له حديث وقصة مع وائل بن حُجر نزل الكوفة؛ الإصابة 3/ 225، التهذيب 4/ 271.

(73) صحابي له حديث السراويل نزل الكوفة؛ الإصابة 3/ 228، التهذيب 4/ 279.

(74) هو شرحبيل بن عبد الله بن المطاع الصحابي الأمير ممن هاجر إلى الحبشة وفي التقريب حسنة أمه أو التي ربته صحابي جليل كان أميرًا في فتح الشام؛ الإصابة 3/ 328، التهذيب 4/ 324.
৬৪ - সাঈদ বিন হুরাইস; ইবনে মাজাহ।

৬৫ - সাঈদ বিন সাদ বিন উবাদাহ; আন-নাসায়ী, ইবনে মাজাহ।

৬৬ - সালামাহ বিন উমাইয়্যাহ; আন-নাসায়ী, ইবনে মাজাহ।

৬৭ - সালামাহ বিন সাখর; আবু দাউদ, আত-তিরমিজি, ইবনে মাজাহ।

৬৮ - সালামাহ বিন কায়স আল-আশজায়ি; আবু দাউদ, আন-নাসায়ী, ইবনে মাজাহ।

৬৯ - সালামাহ বিন আল-মুহাব্বিক; আবু দাউদ, আন-নাসায়ী, ইবনে মাজাহ।

৭০ - সিনান বিন সান্নাহ; ইবনে মাজাহ।

৭১ - সাওয়া বিন খালিদ; ইবনে মাজাহ।

৭২ - সুওয়াইদ বিন হানজালাহ; আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ।

৭৩ - সুওয়াইদ বিন কায়স; চার সুনান গ্রন্থকার।

৭৪ - শুরাহবিল বিন হাসানাহ; ইবনে মাজাহ।

--------------------------------------------

(৬৪) আল-কাশিফ এবং আত-তাকরীব গ্রন্থে রয়েছে যে তিনি আমরের ভাই, তার সাহাবিয়াত (সাহাবী হওয়া) সাব্যস্ত। আল-কাশিফ গ্রন্থে আরও বর্ণিত হয়েছে যে তিনি মক্কা বিজয়ের সময় অল্পবয়স্ক দাড়িহীন যুবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; উসদুল গাবাহ ২/২৮৪, আল-ইসাবাহ ৩/১০১।

(৬৫) আল-কাশিফ গ্রন্থে বলা হয়েছে তার সাহাবিয়াত নিয়ে মতভেদ আছে, তিনি আলী (রা.)-এর পক্ষ থেকে ইয়েমেনের শাসক ছিলেন। আত-তাকরীব গ্রন্থে রয়েছে যে তিনি ছোট সাহাবী, আলী (রা.)-এর পক্ষ থেকে ইয়েমেনের কিছু অংশের শাসক ছিলেন; উসদুল গাবাহ ২/৩৮৯, আল-ইসাবাহ ৩/১০৫।

(৬৬) আল-কাশিফ গ্রন্থে রয়েছে তার সাহাবিয়াত সাব্যস্ত এবং হাদিসটি মুদতারিব (অসংলগ্ন)। আত-তাকরীব গ্রন্থে রয়েছে তিনি একজন সাহাবী এবং তার থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে; আল-ইসাবাহ ৩/১৪৪, আত-তাহজিব ৪/১৪১।

(৬৭) আল-কাশিফ গ্রন্থে রয়েছে তিনি আল-বায়াজি যিনি জিহার করেছিলেন; আল-ইসাবাহ ৩/১৫০, আত-তাহজিব ৪/১৪৭।

(৬৮) তিনি একজন সাহাবী, কুফায় বসতি স্থাপন করেছিলেন; আল-ইসাবাহ ৩/১৫২, আত-তাহজিব ৪/১৫৪।

(৬৯) আল-মুহাব্বিক শব্দটি মুহাম্মদ-এর ওজনে উচ্চারিত, তিনি একজন সাহাবী এবং বসরায় বসবাস করতেন; আল-ইসাবাহ ৩/১৫৩, আত-তাহজিব ৪/১৫৭।

(৭০) সান্নাহ শব্দটি সিন বর্ণে ফাতহা এবং নুন বর্ণে তাশদিদ সহকারে, তিনি আল-আসলামি আল-মাদানি, একজন সাহাবী; আল-ইসাবাহ ৩/১৮৬, আত-তাহজিব ৪/২৪২।

(৭১) তিনি হাব্বাহ-এর ভাই, তার সাহাবিয়াত সাব্যস্ত; আল-ইসাবাহ ৩/২১৬, আত-তাহজিব ৪/২৪২।

(৭২) একজন সাহাবী, তার থেকে একটি হাদিস এবং ওয়াইল বিন হুজর-এর সাথে তার একটি ঘটনা বর্ণিত আছে, তিনি কুফায় বসবাস করতেন; আল-ইসাবাহ ৩/২২৫, আত-তাহজিব ৪/২৭১।

(৭৩) একজন সাহাবী, তার থেকে পায়জামা (বিক্রয়) সংক্রান্ত হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তিনি কুফায় বসবাস করতেন; আল-ইসাবাহ ৩/২২৮, আত-তাহজিব ৪/২৭৯।

(৭৪) তিনি হলেন শুরাহবিল বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুতা', সাহাবী এবং সেনাপতি, যারা হাবশায় হিজরত করেছিলেন তাদের অন্তর্ভুক্ত। আত-তাকরীব গ্রন্থে রয়েছে হাসানাহ তার মায়ের নাম অথবা তিনি তাকে লালন-পালন করেছিলেন, তিনি একজন মহান সাহাবী এবং শাম (সিরিয়া) বিজয়ের সময় সেনাপতি ছিলেন; আল-ইসাবাহ ৩/৩২৮, আত-তাহজিব ৪/৩২৪।
(খণ্ড: ১) আল-মুজাররাদ ফী আসমায়ি রিজালি সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
75 - شمعون أبو ريحانه؛ د س ق.

76 - صخر الغامدي؛ 4.

77 - صعصعة بن معاوية (1)؛ س ق.

78 - صفوان بن عسال؛ د س ق.

79 - الصُّنَابح؛ ق.

80 - الضحاك بن سفيان؛ 4.

81 - ضميرة؛ د ق.

82 - طارق بن سُويد؛ د ق.

83 - طارق بن عبد الله المحاربي؛ 4.

84 - الطفيل بن سَخْبَرة؛ ق.

--------------------------------------------

(75) ابن زيد في الكاشف صحابي شامي كان ورعًا يقص المغازي في التقريب صحابي شهد فتح دمشق وقدم مصر وسكن بيت المقدس؛ الإصابة 3/ 358، التهذيب 4/ 365.

(76) هو صخر بن وادعة في التقريب صحابي مقل؛ الإصابة 3/ 418، التهذيب 4/ 413.

(77) في الكاشف عم الأحنف صحابي وفي التقريب له صحبة وقيل أنه مخضرم؛ الإصابة 3/ 428، التهذيب 4/ 423.

(1) رمز له في الكاشف (ق) فقط. قلت وقد أخرج له النسائي في السنن الكبرى كما في تحفة الأشراف؛ 4/ 187، وانظر التهذيب.

(78) في الكاشف صحابي له اثنتا عشرة غزوة وفي التقريب صحابي معروف؛ الإصابة 3/ 436، التهذيب 4/ 428.

(79) بضم أوله ثم نون ابن الأعسر الأحمس صحابي سكن الكوفة؛ الإصابة 3/ 447، التهذيب 4/ 438.

(80) في الكاشف ولي نجدًا للنبي صلى الله عليه وسلم؛ الإصابة 3/ 476، التهذيب 4/ 444.

(81) الأسلمي شهد وقعة حنين؛ الإصابة 3/ 495، التهذيب 4/ 463.

(82) في التقريب أو سويد بن طارق صحابي له حديث في الأشربة؛ الإصابة 3/ 508، التهذيب 5/ 3.

(83) في التقريب صحابي له حديثان أو ثلاثة؛ الإصابة 3/ 511، التهذيب 4/ 5.

(84) أخو عائشة لأمها صحابي؛ الإصابة 3/ 520، التهذيب 5/ 14.
৭৫ - শামউন আবু রায়হানা; আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৭৬ - সাখর আল-গামিদী; ৪।

৭৭ - সা'সা'আ বিন মুয়াবিয়া (১); নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৭৮ - সাফওয়ান বিন আসসাল; আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ।

৭৯ - আস-সুনাবিহ; ইবনে মাজাহ।

৮০ - আদ-দাহহাক বিন সুফিয়ান; ৪।

৮১ - দামীরা; আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ।

৮২ - তারিক বিন সুওয়াইদ; আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ।

৮৩ - তারিক বিন আব্দুল্লাহ আল-মুহারিবী; ৪।

৮৪ - তুফাইল বিন সাখবারা; ইবনে মাজাহ।

--------------------------------------------

(৭৫) আল-কাশিফ গ্রন্থে ইবনে যায়েদ বলেছেন: তিনি একজন শামী সাহাবী, পরহেযগার ছিলেন এবং যুদ্ধাভিযান বর্ণনা করতেন। আত-তাকরীব গ্রন্থে আছে: তিনি একজন সাহাবী, দামেস্ক বিজয়ে উপস্থিত ছিলেন, মিশরে এসেছিলেন এবং বায়তুল মাকদিসে বসবাস করতেন; আল-ইসাবাহ ৩/৩৫৮, আত-তাহযীব ৪/৩৬৫।

(৭৬) তিনি হলেন সাখর বিন ওয়াদআ, আত-তাকরীব গ্রন্থে বলা হয়েছে তিনি একজন স্বল্প বর্ণনাকারী সাহাবী; আল-ইসাবাহ ৩/৪১৮, আত-তাহযীব ৪/৪১৩।

(৭৭) আল-কাশিফ গ্রন্থে আছে তিনি আল-আহনাফ-এর চাচা এবং সাহাবী। আত-তাকরীব গ্রন্থে আছে তার সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) রয়েছে এবং বলা হয়েছে যে তিনি একজন মুখাযরাম (যিনি রাসূলুল্লাহর যুগ পেয়েছিলেন কিন্তু সাক্ষাত পাননি); আল-ইসাবাহ ৩/৪২৮, আত-তাহযীব ৪/৪২৩।

(১) আল-কাশিফ গ্রন্থে তার জন্য কেবল (ইবনে মাজাহ) সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে। আমি বলি: ইমাম নাসাঈ তার থেকে আস-সুনানুল কুবরাতে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি তুহফাতুল আশরাফ গ্রন্থে রয়েছে; ৪/১৮৭, এবং আত-তাহযীব দেখুন।

(৭৮) আল-কাশিফ গ্রন্থে আছে তিনি একজন সাহাবী, বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং আত-তাকরীব গ্রন্থে তাকে প্রসিদ্ধ সাহাবী বলা হয়েছে; আল-ইসাবাহ ৩/৪৩৬, আত-তাহযীব ৪/৪২৮।

(৭৯) প্রথম বর্ণে পেশ এবং তারপর নুন যোগে; ইবনুল আসার আল-আহমাসী, একজন সাহাবী, কূফায় বসবাস করতেন; আল-ইসাবাহ ৩/৪৪৭, আত-তাহযীব ৪/৪৩৮।

(৮০) আল-কাশিফ গ্রন্থে আছে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে নজদ অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়েছিলেন; আল-ইসাবাহ ৩/৪৭৬, আত-তাহযীব ৪/৪৪৪।

(৮১) আল-আসলামী, তিনি হুনাইন যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন; আল-ইসাবাহ ৩/৪৯৫, আত-তাহযীব ৪/৪৬৩।

(৮২) আত-তাকরীব গ্রন্থে আছে অথবা তিনি সুওয়াইদ বিন তারিক, একজন সাহাবী, পানীয় সম্পর্কে তার একটি হাদীস রয়েছে; আল-ইসাবাহ ৩/৫০৮, আত-তাহযীব ৫/৩।

(৮৩) আত-তাকরীব গ্রন্থে আছে তিনি একজন সাহাবী, তার থেকে বর্ণিত দুই বা তিনটি হাদীস রয়েছে; আল-ইসাবাহ ৩/৫১১, আত-তাহযীব ৪/৫।

(৮৪) তিনি মা রেযামন্দিতে আয়েশার ভাই, একজন সাহাবী; আল-ইসাবাহ ৩/৫২০, আত-তাহযীব ৫/১৪।