(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: -)
الاستيعاب في معرفة الأصحاب - ت التركي القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الاستيعاب في معرفة الأصحاب
ومعه: الإنباه في ذكر قبائل الرواة [منشور بالشاملة مستقلا]
المؤلف: أبو عمر يوسف بن عبد الله بن محمد بن عبد البر (ت 463 هـ)
ومعه: الاستدراك على الاستيعاب، لابن الأمين محمد بن إبراهيم بن يحيى (ت 529 هـ) [في آخر كل باب. ومعه زيادات خلف بن بشكوال (ت 578 هـ)، راوي الاستدراك عن ابن الأمين]
ومعه: حواشي الاستيعاب، لسبط ابن العجمي أحمد بن إبراهيم (ت 882 هـ) [مبثوثة في حواشي التحقيق]
المحقق: عبد الله بن عبد المحسن التركى
الناشر: مركز هجر للبحوث والدراسات العربية والإسلامية - مصر
الطبعة: الأولى، 1440 هـ - 2019 م
عدد الأجزاء: 9 (8 والفهارس)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 صفر 1446
ইস্তিআব ফি মা’রিফাতিল আসহাব - তুর্কি সংস্করণ বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: ইস্তিআব ফি মা’রিফাতিল আসহাব
সাথে রয়েছে: আল-ইনবাহ ফি জিকর কাবাইলিল রুওয়াত [শামেলাতে আলাদাভাবে প্রকাশিত]
লেখক: আবু উমর ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদিল বার (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি)
সাথে রয়েছে: আল-ইস্তিদরাক আলাল ইস্তিআব, লেখক ইবনুল আমিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া (মৃত্যু ৫২৯ হিজরি) [প্রতিটি পরিচ্ছেদের শেষে। এবং এর সাথে রয়েছে খালাফ বিন বাশকুওয়ালের (মৃত্যু ৫৭৮ হিজরি), যিনি ইবনুল আমিনের নিকট থেকে ইস্তিদরাকের বর্ণনাকারী]
সাথে রয়েছে: হাশিয়াতুল ইস্তিআব, লেখক সিবত ইবনুল আজমি আহমদ বিন ইব্রাহিম (মৃত্যু ৮৮২ হিজরি) [গবেষণামূলক টীকাগুলোর মধ্যে সন্নিবেশিত]
সম্পাদক: আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কি
প্রকাশক: হাজর সেন্টার ফর অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৯ (৮ খণ্ড ও সূচিপত্র)
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ সফর ১৪৪৬
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة التحقيقإن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].
{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: 1].
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70، 71].
أما بعد:
فإن شرف العلوم يرجع إلى ارتباطها بالكتاب والسنة، وقد تحمل الصحابة الكرام أمانة نقل هذا الدين، وتبليغه في أصليه العظيمين الكتاب والسنة.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সম্পাদকের ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথ প্রদর্শনকারী নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আলে ইমরান: ১০২]।
{হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচ্ঞা করো এবং রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়তার বন্ধন সম্পর্কে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} [নিসা: ১]।
{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।} [আহযাব: ৭০, ৭১]।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইলমের মর্যাদা কুরআন ও সুন্নাহর সাথে তার সম্পৃক্ততার ওপর নির্ভরশীল। আর সম্মানিত সাহাবায়ে কেরাম এই দ্বীন স্থানান্তরের এবং এর দুটি মহান মূল উৎস—কুরআন ও সুন্নাহ পৌঁছে দেওয়ার আমানত বহন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٦)
فصحابة رسول الله صلى الله عليه وسلم خير القرون، وخير أمة أخرجت للناس، ثبتت عدالتهم في الكتاب والسنة، ولا أعدل ممن ارتضاه الله لصحبة نبيه ونصرته، ولا تزكية أفضل من ذلك، ولا تعديل أكمل منه.
والطعن في أحد منهم طعن في الدين، إذ هم ناقلوه ومعلموه، وعنهم أخذ أقوالًا وأعمالًا.
قال أبو زرعة: "إذا رأيت الرجل ينتقص أحدًا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاعلم أنه زنديق، ذلك أن الرسول صلى الله عليه وسلم عندنا حق، والقرآن حق، وإنما أدَّى إلينا هذا القرآن والسنن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإنما يريدون أن يجرحوا شهودنا؛ ليبطلوا الكتاب والسنة، والجرح بهم أولى، وهم زنادقة"
(1).
إن الذين يطعنون في الصحابة، وهم رويبضة هذا الزمان، ومن تبعهم، همج رعاع غوغاء، أتباع كل ناعق، تروج لهم القنوات الإعلامية المشبوهة والصحف المرذولة، طعنًا في الدين، وصدًّا عن الصراط المستقيم.
ومن ثم ازدادت حاجة المسلمين إلى معرفة أخبار الصحابة وسيرهم والوقوف على فضل من نقل عن نبيهم، وقد أشير إلى ذلك في مقدمة تحقيق "الإصابة" لابن حجر.
وكان للإمام ابن عبد البر رحمه الله، قصب السبق في علم الأثر
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ হলেন সর্বোত্তম প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত এবং মানুষের জন্য প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। কুরআন ও সুন্নাহতে তাঁদের ন্যায়পরায়ণতা প্রমাণিত। আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীর সাহচর্য ও সাহায্যের জন্য যাঁদের মনোনীত করেছেন, তাঁদের চেয়ে অধিক ন্যায়পরায়ণ আর কেউ হতে পারে না। এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো চারিত্রিক স্বীকৃতি নেই এবং এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো ন্যায়পরায়ণতার সনদ নেই।
তাঁদের মধ্যে কাউকে গালি দেওয়া বা বিদ্ধ করা মূলত দ্বীনকেই বিদ্ধ করার নামান্তর। কেননা তাঁরাই দ্বীনের বাহক ও শিক্ষক এবং তাঁদের নিকট থেকেই রাসূলের কথা ও কাজসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।
আবু যুরআ বলেন: "যখন আপনি কোনো ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবীর মানহানি করতে দেখবেন, তখন জেনে রাখুন যে সে একজন যিনদীক। কারণ আমাদের কাছে রাসূল সত্য এবং কুরআন সত্য। আর এই কুরআন ও সুন্নাহসমূহ আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ। মূলত তারা আমাদের সাক্ষীদের অভিযুক্ত করতে চায় যেন তারা কুরআন ও সুন্নাহকে বাতিল ঘোষণা করতে পারে। অথচ তারাই অভিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং তারাই হলো যিনদীক"
(১)।
যারা সাহাবীগণের সমালোচনা করে—যারা এই যুগের অপদার্থ লোক (রুওয়াইবিদ্বাহ)—এবং তাদের অনুসারীরা হচ্ছে এক বিশৃঙ্খল জনতা ও লক্ষ্যহীন গোষ্ঠী, যারা প্রতিটি হাকডাককারীর পিছনে ছোটে। সন্দেহভাজন মিডিয়া চ্যানেল ও নিচ সংবাদপত্রগুলো দ্বীনের ওপর আঘাত হানতে এবং সরল পথ থেকে বিচ্যুত করতে তাদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফলে সাহাবীগণের সংবাদ ও তাঁদের জীবনী জানার এবং নিজ নবীর নিকট থেকে যারা দ্বীন বর্ণনা করেছেন তাঁদের মর্যাদা সম্পর্কে অবগত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা মুসলমানদের নিকট বৃদ্ধি পেয়েছে। ইবনে হাজারের 'আল-ইসাবাহ' গ্রন্থের তাহকীক বা সম্পাদনার ভূমিকায় এ বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
আর ইমাম ইবনে আব্দুল বার রহ.-এর ইলমুল আছার বা হাদিস বিজ্ঞানে অগ্রণী ভূমিকা ছিল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٧)
والرواية، والأنساب والدراية.
وكتابه "الاستيعاب" وإن سبق في فنِّه يعتبر الأجمع فيه والأكثر فائدة، كما ذكر ذلك ابن الصلاح والحافظ العراقي وابن حجر، رحمهم الله.
وكان جديرًا بهذا السفر الجليل أن يصدر في طبعة محققة تحقيقًا متقنًا، يحرر فيه النص مما لحقه من تصحيف وتحريف، ويكون إخراجه على ما وضعه مصنفه وما ارتضاه له من ترتيب، محلى بما يفيد المطالع فيه من تخريجات وتعليقات وزيادات نافعة.
وقد بذل في جمع نسخه الأصول، ومقابلتها، وتحقيقه وإخراجه مرتبا كل الوسع وغاية الجهد.
وذلك وفق المنهج الذي وفق الله إليه، في تحقيق ما سبق من تراث المسلمين، المرتبط بدينهم الحق، وبخاصة ما يتعلق بكتاب الله الكريم، وسنة نبيه الأمين، تعزيزًا لمنهج السلف الصالح في خدمتهم لدينهم.
والحاجة في هذا العصر إلى ذلك تزداد، حيث تنتشر الطائفية المعادية لأهل السنة والجماعة في الأمة الإسلامية، وتجد الدعم من القوى المعادية للإسلام والمسلمين، إقليمية وعالمية، مما يفرض على المسلمين أن يقفوا صفًا واحدًا في مواجهة التفرق والطائفية، واستغلال الدين لمصالح دنيوية، وتوسعات سياسية.
وعلى الدول الإسلامية، وعلماء المسلمين ومؤسساتهم، حكومية وشعبية مسؤولية كبيرة في ذلك.
এবং বর্ণনা, বংশসূত্র ও শাস্ত্রীয় গভীরতা।
তাঁর ‘আল-ইস্তিআব’ গ্রন্থটি যদিও এই শাস্ত্রের প্রাচীনতম রচনাগুলোর একটি, তবুও এটি এই বিষয়ের সর্বাধিক সংকলিত ও সবচাইতে উপকারী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়; যেমনটি ইবনে আস-সালাহ, হাফেজ আল-ইরাকি এবং ইবনে হাজার (আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন) উল্লেখ করেছেন।
এই মহান গ্রন্থটির এমন একটি নিখুঁত সম্পাদিত সংস্করণে প্রকাশিত হওয়া সমীচীন ছিল, যেখানে মূল পাঠ্যটি সকল প্রকার লিখনগত প্রমাদ ও বিকৃতি থেকে মুক্ত হবে। এর প্রকাশনা হবে লেখকের নির্ধারিত ও পছন্দকৃত বিন্যাস অনুযায়ী, যা হাদিসের উৎস-নির্দেশনা, টীকা এবং মূল্যবান অতিরিক্ত সংযোজনীর মাধ্যমে পাঠকের জন্য ফলপ্রসূ হবে।
এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলো সংগ্রহ, সেগুলোর মাঝে তুলনা, সম্পাদনা এবং সুবিন্যস্তভাবে প্রকাশের ক্ষেত্রে সাধ্যের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করা হয়েছে।
এটি সেই মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে যা আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের ঐতিহ্য সম্পাদনার ক্ষেত্রে তাওফিক দান করেছেন, যা তাঁদের সত্য দ্বীনের সাথে সম্পর্কিত। বিশেষ করে আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর বিশ্বস্ত নবীর সুন্নাহর সাথে যা কিছু সংশ্লিষ্ট, যাতে দ্বীনের সেবায় সালাফে সালেহীনের মানদণ্ডকে আরও সুদৃঢ় করা যায়।
বর্তমান যুগে এর প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ছে, কারণ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের ঘোর বিরোধী দলপ্রীতি ছড়িয়ে পড়ছে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী শক্তিগুলোর কাছ থেকে তা মদদ পাচ্ছে। এটি মুসলমানদের ওপর এই অপরিহার্য দায়িত্ব অর্পণ করে যে, তারা অনৈক্য ও দলপ্রীতির বিরুদ্ধে এবং জাগতিক স্বার্থ ও রাজনৈতিক আধিপত্যে দ্বীনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে দণ্ডায়মান হবে।
মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ, ওলামায়ে কেরাম এবং সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানের ওপর এ বিষয়ে এক মহান দায়িত্ব অর্পিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٨)
ولمركز البحوث والدراسات العربية والإسلامية بدار هجر جهود في ذلك، أسأل الله أن يجزي من أسسه، وعمل فيه، وتعاون معه، كل خير، وأن يوفقه بإشراف الأستاذ الدكتور / عبد السند حسن يمامة إلى مزيد من العمل الصالح الذي يخدم الإسلام والمسلمين، وإني لأشكر الدكتور/ عبد السند حسن يمامة، والعاملين معه فيه على جهودهم وتعاونهم معي في تحقيق هذه الموسوعات العلمية التي تربط المسلمين، وبخاصة طلاب العلم، بسلفهم الصالح.
إن كتاب "الاستيعاب في معرفة الأصحاب" للإمام ابن عبد البر، رحمه الله، يحتاج إليه طلاب العلم.
وفي هذه المقدمة مختصر من سيرة ابن عبد البر، رحمه الله، ومكانته العلمية، ومؤلفاته، وتلامذته، وشيوخه في كتاب الاستيعاب. وفيها باختصار تعريف بكتاب الاستيعاب، وأهميته، وطبعاته، والمخطوطات التي استفيد منها في هذا التحقيق، والمنهج المتبع فيه، ووصف النسخ الخطية، والأماكن التي توجد فيها، ونماذج منها، وغير ذلك مما له علاقة بالكتاب وتحقيقه.
أسأل الله أن ينفع به، وأن يجعله خالصًا لوجهه الكريم، وصلى الله وسلم على نبيه وآله وصحبه أجمعين.
والحمد لله رب العالمين.
د. عبد الله بن عبد المحسن التركي
দার হিজর-এর আরবি ও ইসলামি গবেষণা ও অধ্যয়ন কেন্দ্রের এ বিষয়ে বিশেষ অবদান রয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এর প্রতিষ্ঠাতা, এতে যারা কাজ করেছেন এবং এর সাথে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন। আর অধ্যাপক ডক্টর আব্দুস সানাদ হাসান ইয়ামামার তত্ত্বাবধানে তিনি যেন তাদের ইসলাম ও মুসলিমদের সেবা করার মতো আরও নেক আমল করার তাওফিক দান করেন। আমি ডক্টর আব্দুস সানাদ হাসান ইয়ামামা এবং তাঁর সাথে কর্মরত ব্যক্তিবর্গকে তাঁদের প্রচেষ্টা এবং এই ইলমি জ্ঞানকোষগুলো সম্পাদনায় আমাকে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানাই, যা মুসলিমদেরকে—বিশেষ করে ইলম অন্বেষণকারীদেরকে—তাদের সালাফে সালেহীনের (সৎ পূর্বসূরিদের) সাথে সম্পৃক্ত করবে।
নিশ্চয়ই ইমাম ইবনু আব্দিল বার (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) রচিত "আল-ইস্তিআব ফি মা’রিফাতিল আসহাব" গ্রন্থটি ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এই ভূমিকায় ইবনু আব্দিল বার (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী, তাঁর ইলমি মর্যাদা, তাঁর রচনাবলি, ছাত্রবৃন্দ এবং আল-ইস্তিআব গ্রন্থে তাঁর শিক্ষকগণের (শায়খদের) সংক্ষিপ্ত পরিচয় রয়েছে। এছাড়া এতে আল-ইস্তিআব গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, এর গুরুত্ব, এর মুদ্রণসমূহ, এই সম্পাদনায় (তাহকীক) যেসব পাণ্ডুলিপি থেকে ফায়দা হাসিল করা হয়েছে, এতে অনুসৃত পদ্ধতি, পাণ্ডুলিপিগুলোর বর্ণনা, সেগুলো প্রাপ্তিস্থান, সেগুলোর নমুনা এবং কিতাব ও এর সম্পাদনার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াবলি রয়েছে।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এর দ্বারা (মানুষকে) উপকৃত করেন এবং এটিকে কেবল তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন। আল্লাহ তাঁর নবী, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কি
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٩)
ترجمة الحافظ ابن عبد البر (1)
اسمه ونسبه:هو العلامة، حافظ المغرب، أبو عمر، يوسف بن عبد الله بن محمد ابن عبد البر بن عاصم النَّمَرِيُّ، الأندلسيُّ، القرطبيُّ، صاحب التصانيف الفائقة.
والمصنف عربيٌّ أصيلٌ، ينتسب إلى قبيلة النَّمِر بن قاسط بن هِنْب بن أفْصَى بن جديلَة بن أسد بن ربيعة بن نِزار بن معد بن عدنان
(2).
قال أبو عليٍّ الغسانيُّ: "أبو عمر شيخنا - رحمه من النَّمِر بن قاسط في ربيعة من أهل قرطبة"
(3).
وهي قبيلة مشهورة منها صُهَيْبُ بن سنان الروميُّ، رضي الله عنه
(4).
--------------------------------------------
হাফেজ ইবনে আব্দিল বার-এর জীবনী (১)
তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন আল্লামা, মাগরিবের হাফেজ, আবু উমর, ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দিল বার ইবনে আসিম আন-নামারি, আল-আন্দালুসি, আল-কুরতুবি, অনন্য সাধারণ গ্রন্থরাজির রচয়িতা।
গ্রন্থকার একজন খাঁটি আরবীয়, তিনি নামির বিন কাসিত বিন হিনব বিন আফসা বিন জাদিলা বিন আসাদ বিন রাবিআ বিন নিজার বিন মাআদ বিন আদনান গোত্রের বংশধর।
(২)আবু আলী আল-গাসসানি বলেছেন: "আমাদের শায়খ আবু উমর—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—কুরতুবাবাসীদের মধ্যে রাবিআর অন্তর্ভুক্ত নামির বিন কাসিত গোত্রের লোক।"
(৩)এটি একটি প্রসিদ্ধ গোত্র, যার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সুহাইব ইবনে সিনান আর-রুমি (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
(৪)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٠)
مولده:ولد ابن عبد البر لخمسٍ بقين من شهر ربيع الآخر سنة ثمانٍ وستين وثلاثمائة
(1)، وقيل: في رجب من سنة ثنتين وستين وثلاثمائة
(2).
والأول أثبت؛ لأنه مرويٌّ عن أبي عمر نفسه، قال صاحبه أبو الحسن طاهر بن مفوّز المعافري، وهو الذي صلَّى عليه: "سمعت أبا عمر بن عبد البر، يقول: ولدت يوم الجمعة والإمام يخطب لخمس بقين من شهر ربيع الآخر سنة ثمانٍ وستين وثلاثمائة"
(3).
نشأته:نشا ابن عبد البر في مدينة قرطبة، وقد كانت يومئذ عاصمة الخلافة الأموية بالأندلس، وسرير الملك، ومدينة العلم، وقد سطع في سمائها نجوم المعرفة من كلِّ فنٍّ، وأصبحت مركز الحضارة الإسلامية في المغرب
(4).
وفي هذا الأفق العلمي الرَّحب نشأ وترعرع ابن عبد البر، وتفقه على فطاحل العلماء ولازمهم، وتفنن وبرع في العلوم المختلفة، حتى لُقِّب بحافظ المغرب. "طلب العلم بعد التسعين وثلاثمائة، وأدرك الكبار، وطال عمره وعلا سنده، وتكاثر عليه الطلبة، وجمع وصنَّف، ووثَّق
--------------------------------------------
তাঁর জন্ম:ইবনে আব্দুল বারর ৩৬৮ হিজরি সনের রবিউল আখের মাসের শেষ পাঁচ দিন বাকি থাকতে জন্মগ্রহণ করেন
(১)। কেউ কেউ বলেছেন: ৩৬২ হিজরির রজব মাসে
(২)।
প্রথম মতটিই অধিক নির্ভরযোগ্য; কারণ এটি স্বয়ং আবু উমর থেকেই বর্ণিত হয়েছে। তাঁর সঙ্গী আবুল হাসান তাহের ইবনে মুফাওওয়ায আল-মাআফিরি—যিনি তাঁর জানাজার সালাত পড়িয়েছিলেন—তিনি বলেন: “আমি আবু উমর ইবনে আব্দুল বাররকে বলতে শুনেছি: আমি ৩৬৮ হিজরি সনের রবিউল আখের মাসের শেষ পাঁচ দিন বাকি থাকতে জুমার দিনে জন্মগ্রহণ করি, তখন ইমাম খুতবা দিচ্ছিলেন।”
(৩)।
তাঁর বেড়ে ওঠা:ইবনে আব্দুল বারর কর্ডোভা (কুরতুবা) শহরে বেড়ে ওঠেন। তৎকালীন সময়ে এটি ছিল আন্দালুসে উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী, রাজসিংহাসন এবং ইলমের নগরী। এর আকাশে প্রতিটি শাস্ত্রের জ্ঞানের নক্ষত্ররাজি প্রজ্জ্বলিত ছিল এবং এটি মাগরিব (পাশ্চাত্য) ভূখণ্ডে ইসলামী সভ্যতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল
(৪)।
জ্ঞানের এই বিশাল দিগন্তে ইবনে আব্দুল বারর লালিত-পালিত হন। তিনি প্রথিতযশা আলেমদের কাছে ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন এবং তাঁদের সান্নিধ্যে থাকেন। তিনি বিভিন্ন শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন, এমনকি তাঁকে ‘হাফেজুল মাগরিব’ (মাগরিবের শ্রেষ্ঠ হাফেজ) উপাধিতে ভূষিত করা হয়। “তিনি ৩৯০ হিজরির পর ইলম অর্জন শুরু করেন এবং বড় বড় আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন। তাঁর দীর্ঘ হায়াত নসিব হয়েছিল এবং তাঁর সনদ উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছিল। তাঁর কাছে তালিবে ইলমদের প্রচণ্ড ভিড় লেগে থাকত। তিনি ইলম সংকলন ও গ্রন্থনা করেছেন এবং নির্ভরযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١١)
وضعَّف، وسارت بتصانيفه الركبان، وخضع لعلمه علماء الزمان"
(1).
"وكان والد أبي عمر، أبو محمد عبدُ الله بن محمد، من أهل العلم، من فقهاء قرطبة، سمع من أحمد بن مطرف، وأحمد بن سعيد بن حزم، وأحمد بن دحيم بن سعيد، وغيرهم، ولزم أبا إبراهيم الفقيه، وتفقه عنده وقرأ عليه "المدونة" وغيرها، ولم يسمع أبو عمر من أبيه شيئًا، وتوفي في ربيع الآخر سنة ثمانين وثلاثمائة، ومولده سنة ثلاثين وثلاثمائة، ذكر مولده ووفاته ابنُه أبو عمر رحمه الله"
(2).
تنقلاته في الأندلس:لم يخرج ابن عبد البر عن الأندلس، سمع من أكابر أهل الحديث بقرطبة، وغيرها، ومن الغرباء القادمين إليها
(3)، ثم "جلا عن وطنه ومنشئه قرطبة، فكان مدة في الغرب"
(4)، في بطليوس حيث عاش في كنف ملكها المظفر بن الأفطس
(5)، الذي ولَّاه قضاء الأشبونة وشنترين
(6)، "ثم تحول إلى شرق الأندلس، وسكن دانية، وبلنسية، وشاطبة"
(7).
--------------------------------------------
এবং (অন্যদের মতামতের) দুর্বলতা বর্ণনা করেছেন, তার রচিত গ্রন্থসমূহ দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সমসাময়িক আলেমগণ তার ইলমের নিকট নতি স্বীকার করেছেন"
(১)।
"আবু ওমরের পিতা, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, ইলমের অধিকারী এবং কর্ডোবার ফকীহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি আহমদ বিন মুতাররিফ, আহমদ বিন সাঈদ বিন হাযম, আহমদ বিন দুহাইম বিন সাঈদ এবং অন্যদের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি ফকীহ আবু ইব্রাহিমের সান্নিধ্য অবলম্বন করেন, তার নিকট ফিকহ অর্জন করেন এবং তার নিকট 'আল-মুদাওয়ানা' ও অন্যান্য গ্রন্থ পাঠ করেন। আবু ওমর তার পিতার নিকট থেকে সরাসরি কিছুই শ্রবণ করেননি। তিনি ৩৮০ হিজরীর রবিউস সানি মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার জন্ম ৩৩০ হিজরীতে। তার পুত্র আবু ওমর (রহিমাহুল্লাহ) তার জন্ম ও মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছেন"
(২)।
আন্দালুসে তার ভ্রমণসমূহ:ইবনে আব্দুল বার আন্দালুসের বাইরে যাননি। তিনি কর্ডোবা ও অন্যান্য স্থানের হাদীস শাস্ত্রের প্রথিতযশা আলেমদের নিকট থেকে এবং সেখানে আগত বিদেশি আলেমদের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন
(৩)। অতঃপর তিনি "তার স্বদেশ ও জন্মস্থান কর্ডোবা ত্যাগ করেন এবং দীর্ঘকাল পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করেন"
(৪)। তিনি বাতালিউসে অবস্থান করেন যেখানে তিনি এর শাসক মুজাফফর বিন আল-আফতাসের
(৫) আশ্রয়ে ছিলেন, যিনি তাকে লিশবোনা ও শানতারিনের বিচারক (কাযী) হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন
(৬)। "অতঃপর তিনি পূর্ব আন্দালুসে স্থানান্তরিত হন এবং দানিয়া, বালানসিয়া ও শাতিবাতে বসবাস করেন"
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٢)
شيوخه في كتاب "الاستيعاب":وشيوخ المصنف الذين روى عنهم في كتاب "الاستيعاب":
1 - أحمد بن سعيد بن بشر، أبو العباس، المعروف بابن الحصّار
(1).
2 - أحمد بن عبد الله بن محمد بن علي بن شريعة اللخميُّ الإشبيليُّ، أبو عمر، المعروف بابن الباجي
(2).
3 - أحمد بن عمر بن أنس بن دِلْهاث، أبو العباس الدلائي
(3).
4 - أحمد بن قاسم بن عبد الرحمن، أبو الفضل، التميمي التاهرتي، المغربي البزاز
(4).
5 - أحمد بن قاسم بن عيسى بن فرج بن عيسى اللخمي الإقليشي، أبو العباس المقرئ
(5).
6 - أحمد بن محمد بن أحمد بن سعيد بن الحُباب، الأموي القرطبي، ابن الجسور، أبو عمر
(6).
7 - خلف بن سعيد بن أحمد محمد بن الأزدي الإشبيلي،
--------------------------------------------
"আল-ইস্তিয়াব" গ্রন্থে তাঁর শাইখগণ:লেখকের সেই শাইখগণ যাঁদের থেকে তিনি "আল-ইস্তিয়াব" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন:
১ - আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে বিশর, আবু আল-আব্বাস, ইবনুল হাসসার নামে পরিচিত
(১)।
২ - আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে শারিয়াহ আল-লাখমি আল-ইশবিলি, আবু উমর, ইবনুল বাজি নামে পরিচিত
(২)।
৩ - আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আনাস ইবনে দিলহাস, আবু আল-আব্বাস আদ-দুলাই
(৩)।
৪ - আহমাদ ইবনে কাসিম ইবনে আব্দুর রহমান, আবু আল-ফাদল, আত-তামিমি আত-তাহারতি, আল-মাগরিবি আল-বাযযায
(৪)।
৫ - আহমাদ ইবনে কাসিম ইবনে ঈসা ইবনে ফারাজ ইবনে ঈসা আল-লাখমি আল-ইক্লিশি, আবু আল-আব্বাস আল-মুকরি
(৫)।
৬ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনুল হুবাব, আল-উমাওয়ি আল-কুরতুবি, ইবনুল জাসুর, আবু উমর
(৬)।
৭ - খালাফ ইবনে সাঈদ ইবনে আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনুল আজদি আল-ইশবিলি,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٣)
المعروف بابن المنفوخ
(1).
8 - خلفُ بن قاسم بن سهل بن الدَّبَّاغ الأزديُّ الأندلسيُّ القرطبيُّ، أبو القاسم
(2).
9 - سعيد بن سيد بن سعيد الحاطبي الشرفي الإشبيلي، أبو عثمان
(3).
10 - سعيدُ بن عثمان بن أبي سعيد بن محمد بن سعيد بن عبد الله بن يوسف بن سعيد البربريُّ الأندلسيُّ، يعرف بابن القَزَّاز، اللغويُّ القرطبيُّ، ويلقب: بلحية الزِّبْل
(4).
11 - سعيدُ بن نصر، أبو عثمان، مولى الناصر لدين الله الأموي صاحب الأندلس
(5).
12 - عبد الرحمن بن يحيى بن محمد بن عبد الله بن يحيى العطار، أبو زيد
(6).
13 - عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن أسد الجهني الطُّليْطُلي المالكي البزَّار، أبو محمد
(7).
--------------------------------------------
ইবনুল মানফুখ
(১) নামে পরিচিত।
৮ - খালাফ বিন কাসিম বিন সাহল বিন আদ-দাব্বাগ আল-আযদি আল-আন্দালুসি আল-কুরতুবি, আবু আল-কাসিম
(২)।
৯ - সাঈদ বিন সাইয়্যিদ বিন সাঈদ আল-হাতিবি আশ-শারাফি আল-ইশবিলি, আবু উসমান
(৩)।
১০ - সাঈদ বিন উসমান বিন আবি সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন সাঈদ আল-বারবারি আল-আন্দালুসি, তিনি ইবনুল কাযযায নামে পরিচিত, ভাষাবিদ আল-কুরতুবি, এবং তার উপাধি ছিল: লিহইয়াতুয যিবল
(৪)।
১১ - সাঈদ বিন নাসর, আবু উসমান, আন্দালুসের অধিপতি উমাইয়া শাসক আন-নাসির লি-দিনিল্লাহর মুক্তদাস
(৫)।
১২ - আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-আত্তার, আবু যাইদ
(৬)।
১৩ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আসাদ আল-জুহানি আত-তুলাইতুলি আল-মালিকি আল-বাযযার, আবু মুহাম্মদ
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٤)
14 - عبد الله بن محمد بن عبد المؤمن بن يحيى التجيبي، المعروف بابن الزيات، أبو محمد
(1).
15 - عبد الله بن محمد بن يوسف بن نصر القرطبيُّ، ابن الفَرَضي، أبو الوليد
(2).
16 - عبد الوارث بن سفيان بن جُبْرون، القرطبي، الملقَّبُ بالحبيب، أبو القاسم
(3).
17 - علي بن إبراهيم بن أحمد بن حمويه الأزدي الشيرازي، أبو الحسن
(4).
18 - عيسى بن سعيد بن سعدان الكلبي المقرئ الأندلسي القرطبي، أبو الأصبغ
(5).
19 - قاسم بن محمد بن قاسم بن عباس بن وليد بن صارم بن أبي الفراء المعروف بابن عسلون، أبو محمد
(6).
20 - محمد بن إبراهيم بن سعيد بن أبي القراميد، أبو عبد الله
(7).
--------------------------------------------
১৪ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুমিন বিন ইয়াহইয়া আত-তুজিবি, ইবনুল যায়্যাত নামে পরিচিত, আবু মুহাম্মদ
(১).
১৫ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন নাসর আল-কুরতুবি, ইবনুল ফরাদি, আবু আল-ওয়ালিদ
(২).
১৬ - আব্দুল ওয়ারিস বিন সুফইয়ান বিন জুবরুন, আল-কুরতুবি, আল-হাবিব উপাধিতে ভূষিত, আবু আল-কাসিম
(৩).
১৭ - আলী বিন ইবরাহিম বিন আহমাদ বিন হামওয়াইহ আল-আজদি আশ-শিরাজি, আবু আল-হাসান
(৪).
১৮ - ঈসা বিন সাঈদ বিন সা’দান আল-কালবি আল-মুকারি আল-আন্দালুসি আল-কুরতুবি, আবু আল-আসবাহ
(৫).
১৯ - কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম বিন আব্বাস বিন ওয়ালিদ বিন সারিম বিন আবি আল-ফাররা, ইবনে আসলুন নামে পরিচিত, আবু মুহাম্মদ
(৬).
২০ - মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন সাঈদ বিন আবি আল-করামীদ, আবু আব্দুল্লাহ
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٥)
21 - محمد بن خليفة، أبو عبد الله
(1).
22 - محمد بن عبد الله بن حكم الأموي، المعروف بابن البقري، أبو عبد الله
(2).
23 - محمد بن عبد الملك بن ضيفون اللخمي القرطبي الحداد
(3).
24 - وهب بن محمد بن محمود بن إسماعيل
(4).
25 - يعيش بن سعيد بن محمد الوراق، أبو عثمان
(5).
مذهبه في الاعتقاد:لقد كان المصنف رحمه الله على منهج أهل السنة والجماعة في العقيدة، وقد صرَّح الحافظ الذهبي بذلك، فقال: "كان سلفي العقيدة متين الديانة"
(6)، وقال: "وكان في أصول الديانة على مذهب السَّلَف، لم يدخل في علم الكلام، بل قفا آثار مشايخه رحمهم الله"
(7).
--------------------------------------------
২১ - মুহাম্মদ ইবনে খলিফা, আবু আব্দুল্লাহ
(১).
২২ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাকাম আল-উমাউয়ী, ইবনুল বাকরি নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ
(২).
২৩ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে দাইফুন আল-লাখমি আল-কুরতুবি আল-হাদ্দাদ
(৩).
২৪ - ওয়াহব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে ইসমাইল
(৪).
২৫ - ইয়াইশ ইবনে সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক, আবু উসমান
(৫).
আকিদাহ বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তাঁর মাযহাব:নিশ্চয়ই লেখক (রাহিমাহুল্লাহ) আকিদাহর ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মানহাজের ওপর ছিলেন। হাফেজ আয-যাহাবি এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "তিনি ছিলেন সালাফি আকিদাহর অধিকারী এবং দ্বীনদারিতে সুদৃঢ়"
(৬), এবং তিনি বলেছেন: "তিনি দ্বীনের মূলনীতিসমূহের ক্ষেত্রে সালাফদের মাযহাবের ওপর ছিলেন, ইলমুল কালামে প্রবেশ করেননি, বরং তিনি তাঁর শায়খদের (রাহিমাহুমুল্লাহ) পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন"
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٦)
مذهبه الفقهي:قال الحميدي: "وكان يميل في الفقه إلى أقوال الشافعي"
(1).
وقال أبو عبد الله بن أبي الفتح: "كان في أول زمانه ظاهري المذهب مدة طويلة، ثم رجع إلى القول بالقياس من غير تقليد أحد، إلا أنه كان كثيرًا ما يميل إلى مذهب الشافعي"، وعلَّق الذهبي عَقِبه قائلا: "كذا قال، وإنما المعروف أنه مالكي"
(2).
وقال الذهبي: "وكان أولًا أثريًّا ظاهريًّا فيما قيل، ثم تحول مالكيًّا مع ميل بَيِّنٍ إلى فقه الشافعي في مسائل، ولا يُنكر له ذلك؛ فإنه ممن بلغ رتبة الأئمة المجتهدين، ومن نظر في مصنفاته بان له منزلته من سعة العلم، وقوة الفهم، وسيلان الذهن، وكلُّ أحد يُؤخذ من قوله ويُترك إلا رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولكن إذا أخطأ إمام في اجتهاده لا ينبغي لنا أن ننسى محاسنه، ونغطي معارفه، بل نستغفر له ونعتذر"
(3).
--------------------------------------------
তাঁর ফিকহি মাযহাব:আল-হুমাইদি বলেন: "তিনি ফিকহ শাস্ত্রের ক্ষেত্রে শাফিঈর মতামতের দিকে ঝুঁকে থাকতেন"
(১)।
আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি আল-ফাতহ বলেন: "তিনি তাঁর জীবনের শুরুর দিকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত যাহেরি মাযহাবের অনুসারী ছিলেন, অতঃপর কারো তাকলীদ না করে কিয়াসের (অনুমাননির্ভর যুক্তি) প্রবক্তা হিসেবে ফিরে আসেন, তবে তিনি প্রায়ই শাফিঈ মাযহাবের দিকে ঝুঁকে পড়তেন।" আয-যাহাবি এর পরপরই মন্তব্য করে বলেন: "তিনি এমনটিই বলেছেন, তবে প্রসিদ্ধ হলো যে তিনি মালেকি ছিলেন"
(২)।
আয-যাহাবি বলেন: "কথিত আছে যে, তিনি প্রথমে আসারী যাহেরি ছিলেন, অতঃপর মালেকি মাযহাবে রূপান্তরিত হন, যদিও কিছু মাসআলায় শাফিঈ ফিকহের দিকে তাঁর সুস্পষ্ট ঝোঁক ছিল। তাঁর জন্য এটি অস্বীকার করার মতো কিছু নয়; কারণ তিনি সেই সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা মুজতাহিদ ইমামদের স্তরে পৌঁছেছেন। যে কেউ তাঁর রচনাবলি পর্যবেক্ষণ করবে, তার কাছে তাঁর অগাধ জ্ঞান, প্রখর বুঝশক্তি এবং তীক্ষ্ণ মেধার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যতীত অন্য যে কারো কথা গ্রহণ করা যেতে পারে আবার বর্জনও করা যেতে পারে। কিন্তু যদি কোনো ইমাম তাঁর ইজতিহাদে ভুল করেন, তবে আমাদের জন্য তাঁর গুণাবলি ভুলে যাওয়া এবং তাঁর জ্ঞানকে ঢেকে রাখা উচিত নয়, বরং আমাদের উচিত তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং ওজর পেশ করা"
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٧)
مكانته العلمية:لقد برع ابن عبد البر في العلوم والفنون المختلفة، مما هَيَّأ له مكانة رفيعة ومنزلة عالية بين العلماء الذين أثنوا عليه ثناء عاطرًا وامتدحوه.
قال الحميدي: "أبو عمر فقيه حافظ مكثر، عالم بالقراءات وبالخلاف في الفقه، وبعلوم الحديث والرجال، قديم السماع، كثير الشيوخ
… وألف مما جمع تواليف نافعة سارت عنه"
(1).
وقال الفتح بن خاقان: "ابن عبد البر إمام الأندلس وعالمها، الذي الْتاحَتْ به معالمها، صحَّح المتن والسَّند، وميَّز المرسل من المُسْند، وفرَّق بين الموصول والقاطع، وكسا الملة منه نور ساطع، حصر الرواة، وأحصى الضعفاء منهم والثقات، وجَدَّ في تصحيح السقيم، وجدَّد منه ما كان كالكهف والرقيم
… وشرح المُقْفَل واستدرك المُغْفل، وله فنون هي للشريعة رتاج، وفي مَفْرق الملة تاج
… وكان ثقة، والأنفس على تفضيله متفقة"
(2).
وقال أبو علي الغساني: "صبر أبو عمر عَلَى الطلب، ودأب فيه، وافتَنَّ وبرع براعة فاق فيها مَنْ تقدمه من رجال الأندلس، وعظم شأو أبي عمر بالأندلس، وعلا ذكره في الأقطار، ورحل إليه الناس، وسمعوا منه، وألف تواليف كثيرة مفيدة"
(3).
--------------------------------------------
তার ইলমি মর্যাদা:ইবন আবদিল বার বিভিন্ন জ্ঞান ও শিল্পে পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন, যা তাঁকে সেই সকল আলেমদের মাঝে এক সুউচ্চ স্থান ও মর্যাদায় আসীন করেছিল যারা তাঁর ভূয়সী প্রশংসা ও গুণকীর্তন করেছেন।
হুমাইদী বলেন: "আবু ওমর একজন ফকিহ, হাফেজ এবং প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী; তিনি কিরাতশাস্ত্র, ফিকহী মতভেদ, হাদিসশাস্ত্র ও বর্ণনাকারীদের (রিজাল) জীবনী শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ছিলেন। তাঁর হাদিস শ্রবণের ইতিহাস অনেক প্রাচীন এবং তাঁর উস্তাদ বা শাইখের সংখ্যা অনেক ... তিনি সংগৃহীত জ্ঞান থেকে অত্যন্ত উপকারী কিতাবাদি রচনা করেছেন যা তাঁর পক্ষ থেকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে"
(১)।
ফাতহ ইবন খাকান বলেন: "ইবন আবদিল বার আন্দালুসের ইমাম ও শ্রেষ্ঠ আলেম, যাঁর মাধ্যমে সেখানকার জ্ঞানচিহ্নগুলো প্রোজ্জ্বল হয়েছে। তিনি মতন (মূল পাঠ) ও সনদ (সূত্র) সহিহ করেছেন, মুরসাল ও মুসনাদ বর্ণনার মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং মুত্তাসিল ও মুনকাতে বর্ণনার ব্যবধান নির্ণয় করেছেন। তাঁর মাধ্যমে মিল্লাত এক উজ্জ্বল আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছে। তিনি বর্ণনাকারীদের সীমাবদ্ধ করেছেন এবং তাদের মধ্য থেকে দুর্বল ও নির্ভরযোগ্যদের সংখ্যা নিরূপণ করেছেন। তিনি ত্রুটিযুক্ত বর্ণনা সংশোধনে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং ইলমের সেই সব বিষয়কে পুনরুজ্জীবিত করেছেন যা আসহাবে কাহফ ও রাকিমের মতো অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল ... তিনি জটিল বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছেন এবং অলক্ষিত বিষয়গুলো সংশোধন করেছেন। তাঁর এমন কিছু শাস্ত্রীয় জ্ঞান ছিল যা শরীয়তের জন্য এক মজবুত কপাট এবং মিল্লাতের শিরোভূষণ স্বরূপ ... তিনি অত্যন্ত বিশ্বস্ত ছিলেন এবং সবার মন তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের ব্যাপারে একমত ছিল"
(২)।
আবু আলী আল-গাসসানি বলেন: "আবু ওমর জ্ঞান অন্বেষণে ধৈর্য ধারণ করেছিলেন এবং এতে একনিষ্ঠভাবে পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিদ্যায় এমন পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন যা আন্দালুসের পূর্ববর্তী মনীষীদের ছাড়িয়ে গিয়েছিল। আন্দালুসে আবু ওমরের মর্যাদা সুমহান হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন দিগন্তে তাঁর সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ তাঁর কাছে সফর করে আসত, তাঁর নিকট থেকে ইলম শ্রবণ করত এবং তিনি অনেক উপকারী গ্রন্থ রচনা করেছেন"
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٨)
وقال أبو القاسم بن بشكوال: "ابن عبد البر إمام عصره ووحيد دهره"
(1).
وقال الذهبي: "الإمام العلامة، حافظ المغرب، شيخ الإسلام، صاحب التصانيف الفائقة"
(2).
وقال ابن خلِّكان: "إمام عصره في الحديث والأثر وما يتعلق بهما"
(3).
وقال ابن فرحون: "شيخ علماء الأندلس، وكبير محدثيها في وقته، وأحفظ مَنْ كان فيها لسُنَّةٍ مأثورة"
(4).
ما وليه من مناصب:ذكر جماعة من أهل العلم أن أبا عمر ولي قضاء الأشبونة وشنترين في مدة المظفر بن الأفطس.
مؤلفاته:كان ابن عبد البر ذا ثقافة موسوعية مما هيأ له القدرة على التأليف في موضوعات مختلفة، منها؛ علم الحديث، والفقه، والتاريخ والسيرة والتراجم، والأخلاق والأدب والأنساب، والقراءات، وكان في مؤلفاته
--------------------------------------------
আবুল কাসিম ইবনে বাশকুয়াল বলেন: "ইবনে আব্দুল বারর তাঁর যুগের ইমাম এবং তাঁর সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্ব।"
(১).
আয-যাহাবী বলেন: "তিনি ইমাম, মহাজ্ঞানী (আল্লামা), মাগরিবের হাফেজ, শায়খুল ইসলাম এবং অনন্য সাধারণ কিতাবসমূহের রচয়িতা।"
(২).
ইবনে খাল্লিকান বলেন: "তিনি হাদীস, আছার এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর যুগের ইমাম।"
(৩).
ইবনে ফারহুন বলেন: "আন্দালুসের আলেমদের শায়খ, তাঁর সময়ের মুহাদ্দিসদের প্রধান এবং বর্ণিত সুন্নাহর ক্ষেত্রে সেখানকার সবচেয়ে বড় হাফেজ।"
(৪).
তিনি যে সকল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন:একদল আহলুল ইলম উল্লেখ করেছেন যে, আবু উমর মুযাফফর ইবনে আফতাসের শাসনামলে লিসবন (আশবুনা) এবং সান্তারেন (শান্তরীন)-এর বিচারকের (কাযী) দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর রচনাবলি:ইবনে আব্দুল বারর বিশ্বকোষীয় জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন, যা তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে গ্রন্থ রচনার সামর্থ্য দান করেছিল। এর মধ্যে রয়েছে; হাদীস শাস্ত্র, ফিকহ, ইতিহাস, সীরাত ও জীবনী, আখলাক, সাহিত্য ও বংশবিদ্যা এবং কিরাত শাস্ত্র। তিনি তাঁর রচনাবলিতে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ١٩)
هذه موفقًا مُعانًا عليها
(1)، ولا مثل لها في معانيها
(2).
ومن أهم مؤلفاته:آداب العلم = جامع بيان العلم وفضله.
1 - الأجوبة المستوعبة عن المسائل المستغربة في كتاب البخاري
(3).
2 - أخبار أئمة الأمصار، ألفه في سبعة أجزاء
(4).
3 - أخبار القاضي منذر بن سعيد البلوطي (ت 355 هـ)
(5).
4 - أخبار القضاة
(6).
5 - اختصار تاريخ أحمد بن سعيد بن حزم الصَّدفي (ت 350 هـ)
(7).
6 - اختصار كتاب التمييز لمسلم
(8).
--------------------------------------------
এটি তাওফিকপ্রাপ্ত ও এতে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়েছে
(১), এবং এর বিষয়বস্তুর গভীরতায় এর কোনো নজির নেই
(২)।
তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনাবলী:আদাবুল ইলম = জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি (জ্ঞানের আদব = জ্ঞানের বর্ণনা ও এর শ্রেষ্ঠত্বের সংকলন)।
১ - আল-আজউয়িবাতুল মুস্তাউয়িবাহ আনিল মাসাইলিল মুস্তাগরাবাহ ফি কিতাবিল বুখারি (বুখারি গ্রন্থের বিস্ময়কর মাসয়ালাসমূহের ব্যাপক উত্তর)
(৩)।
২ - আখবারু আইম্মাতিল আমসার (বিভিন্ন অঞ্চলের ইমামদের সংবাদ), এটি তিনি সাত খণ্ডে রচনা করেছেন
(৪)।
৩ - আখবারুল কাজি মুনজির বিন সাঈদ আল-বাল্লুতি (মৃত্যু ৩৫৫ হিজরি) (বিচারক মুনজির বিন সাঈদ আল-বাল্লুতির সংবাদ)
(৫)।
৪ - আখবারুল কুদাত (বিচারকদের সংবাদ)
(৬)।
৫ - ইখতিসারু তারিখি আহমাদ বিন সাঈদ বিন হাযম আস-সাদাফি (আহমাদ বিন সাঈদ বিন হাযম আস-সাদাফির ইতিহাসের সংক্ষিপ্তসার) (মৃত্যু ৩৫০ হিজরি)
(৭)।
৬ - ইখতিসারু কিতাবিত তামিয লি-মুসলিম (মুসলিমের 'কিতাবুত তামিয'-এর সংক্ষিপ্তসার)
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
7 - اختلاف قول مالك واختلاف رواية أصحابه عنه
(1)، قال محقق كتاب الكافي: "مخطوط بالخزانة العامة الملكية المغربية"
(2).
8 - أدب المجالسة وحمد اللسان وفضل البيان وذم العي وتعليم الإعراب وغير ذلك، ذكره بروكلمان على أنه كتاب مستقل
(3)، وأكد محققه أنه قطعة من كتاب "بهجة المجالس"
(4) الآتي في حرف الباء، وقد حققه سمير حلبي، ونشره بدار الصحابة للتراث بطنطا عام 1409 هـ / 1989 م.
9 - الاستذكار الجامع لمذاهب فقهاء الأمصار وعلماء الأقطار فيما تضمنه الموطأ من معاني الرأي والآثار وشرح ذلك كله بالإيجاز والاختصار. من أشهر كتب المؤلف.
10 - الاستظهار في طرق حديث عمار
(5)، وهو حديث: "تقتلك الفئة الباغية".
11 - الاستغنا في أسماء المشهورين من حملة العلم بالكنى، في
--------------------------------------------
৭ - মালিকের মতের ভিন্নতা এবং তাঁর থেকে তাঁর ছাত্রদের বর্ণনার ভিন্নতা
(১), ‘আল-কাফি’ গ্রন্থের গবেষক বলেছেন: "এটি মরক্কোর রাজকীয় সাধারণ গ্রন্থাগারে পাণ্ডুলিপি হিসেবে সংরক্ষিত আছে"
(২)।
৮ - মজলিসের শিষ্টাচার, জিহ্বার প্রশংসা, বাগ্মিতার শ্রেষ্ঠত্ব, বাক-অক্ষমতার নিন্দা, ব্যাকরণ শিক্ষা এবং অন্যান্য; ব্রোকেলম্যান এটিকে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ হিসেবে উল্লেখ করেছেন
(৩), তবে এর গবেষক নিশ্চিত করেছেন যে এটি ‘বাহজাতুল মাজালিস’
(৪) গ্রন্থের একটি অংশ যা সামনে ‘বা’ বর্ণে আসবে। এটি সমীর হালাবি সম্পাদনা করেছেন এবং ১৪০৯ হিজরি / ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে তান্তার ‘দারুস সাহাবা লিত-তুরাস’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
৯ - আল-ইস্তিজকার: মুয়াত্তায় বর্ণিত রায় ও আসারসমূহের মর্মার্থ এবং বিভিন্ন ভূখণ্ডের ফকিহ ও আলেমদের মতবাদের সমন্বিত সংকলন এবং এই সবকিছুর সংক্ষিপ্ত ও সারসংক্ষেপ ব্যাখ্যা। এটি লেখকের অন্যতম প্রসিদ্ধ গ্রন্থ।
১০ - আম্মারের হাদিসের সূত্রসমূহের বিশদ বিবরণ ‘আল-ইস্তিযহার’
(৫), আর তা হলো সেই হাদিস: "তোমাকে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে।"
১১ - উপনামের মাধ্যমে পরিচিত ইলম বহনকারী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের নামের বর্ণনায় ‘আল-ইস্তিগনা’, যা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢١)
سبعة أجزاء
(1).
12 - الاستيعاب في معرفة الأصحاب. وهو هذا الكتاب، وسيأتي الكلام عليه.
13 - الإشراف على ما في أصول فرائض المواريث من الاجتماع والاختلاف
(2).
14 - الاكتفاء في قراءة نافع وأبي عمرو بن العلاء والحجة لكل منهما
(3).
15 - الأمثال السائرة والأبيات النادرة، قطعة من كتاب بهجة المجالس، له نسخة مفردة بدار الكتب (1963) أدب.
16 - الإنباه على قبائل الرواه، وهو مدخل لكتاب "الاستيعاب"، طبع في مكتبة القدسي عام 1350 هـ مع كتاب القصد والأمم، ونشرته دار الكتاب العربي بتحقيق إبراهيم الأبياري عام 1985 م، قال المصنف عن
--------------------------------------------
সাত খণ্ড
(১)।
১২ - আল-ইসতিআব ফি মা’রিফাতিল আসহাব (সাহাবীদের পরিচয় লাভের পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ)। এটিই বর্তমান কিতাব এবং সামনে এ সম্পর্কে আলোচনা আসবে।
১৩ - আল-ইশরাফ আলা মা ফি উসুলি ফারিইদিল মাওয়ারিছি মিনাল ইজতিমা’ ওয়াল ইখতিলাফ (উত্তরাধিকার আইনের মূলনীতিসমূহে ঐক্যমত্য ও মতপার্থক্যের বিবরণ)
(২)।
১৪ - আল-ইকতিফা ফি কিরাআতি নাফি’ ওয়া আবি আমর ইবনিল আলা ওয়াল হুজ্জাতি লিকুল্লিন মিনহুমা (নাফি’ ও আবু আমর ইবনুল আলার কিরাআত এবং উভয়ের দলীল সংক্রান্ত আলোচনা)
(৩)।
১৫ - আল-আমছালুস সাইরাহ ওয়াল আবইয়াতুন নাদিরাহ (প্রচলিত প্রবাদ ও দুর্লভ পঙক্তিমালা); এটি 'বাহজাতুল মাজালিস' কিতাবের একটি অংশ, দারুল কুতুব-এ (১৯৬৩) সাহিত্য বিভাগে এর একটি স্বতন্ত্র পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
১৬ - আল-ইনবাহ আলা কাবাইলির রুওয়াহ (বর্ণনাকারীদের গোত্র পরিচিতি); এটি 'আল-ইসতিআব' গ্রন্থের ভূমিকা স্বরূপ, যা ১৩৫০ হিজরীতে 'আল-কাসদ ওয়াল উমাম' কিতাবের সাথে মাকতাবাতুল কুদসি থেকে মুদ্রিত হয়েছে এবং ১৯৮৫ সালে দারুল কিতাব আল-আরাবী থেকে ইব্রাহিম আল-আবিয়ারির সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে। লেখক এর সম্পর্কে বলেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
كتاب "الإنباه"
(1): "وقد ذكرنا أنساب القبائل من الرواة من قريش والأنصار وسائر العرب في كتاب "الإنباه على القبائل الرواة"، وجعلناه مدخل هذا الكتاب ليغنينا عن الرفع في الأنساب، ويعيننا على ما شرطناه من الاختصار والتقريب".
وقال أيضًا
(2): "وهو مضاف إلى هذا الكتاب".
ولذلك ألحق بتحقيق كتاب "الاستيعاب" وجعل تقدمة له.
17 - الانتقاء في فضائل الثلاثة الأئمة الفقهاء مالك والشافعي وأبي حنيفة، نشره القدسي عام 1350 هـ.
18 - الإنصاف في أسماء الله
(3).
19 - الإنصاف فيما بين المختلفين في بسم الله الرحمن الرحيم من الاختلاف، طبع في القاهرة عام 1343 هـ باسم "الإنصاف فيما في بسم الله الرحمن الرحيم من الاختلاف".
20 - الاهتبال بما في شعر أبي العتاهية من الحكم والأمثال، وقد حققه الدكتور/ شكري فيصل بعنوان: أبو العتاهية أشعاره وأخباره، دار الملاح للطباعة والنشر 1964 م.
21 - البستان في الإخوان
(4).
--------------------------------------------
"আল-ইনবাহ" গ্রন্থ
(১): "আমরা কুরাইশ, আনসার এবং অন্যান্য আরব বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে রাবিদের (বর্ণনাকারীদের) বংশপরিচয় 'আল-ইনবাহ আলাল কাবায়িলির রুওয়াত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছি এবং আমরা এটিকে এই গ্রন্থের প্রবেশদ্বার হিসেবে নির্ধারণ করেছি যাতে এটি আমাদের বংশপরিচয় বর্ণনায় দীর্ঘসূত্রিতা থেকে রেহাই দেয় এবং আমরা যে সংক্ষেপণ ও সহজীকরণের শর্তারোপ করেছি তাতে আমাদের সহায়তা করে।"
তিনি আরও বলেছেন
(২): "এবং এটি এই গ্রন্থের সাথে সংযুক্ত।"
এই কারণেই এটি "আল-ইস্তিয়াব" গ্রন্থের তাহকিকের (সম্পাদনার) সাথে যুক্ত করা হয়েছে এবং একে এর ভূমিকা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
১৭ - আল-ইনতিকা ফি ফাদায়িলিস সালাসাতিল আইম্মাতিল ফুকাহাউ মালিক ওয়াশ শাফিয়ি ওয়া আবি হানিফা (তিন ফকিহ ইমাম মালিক, শাফিয়ি ও আবু হানিফার ফযিলত সংক্রান্ত গ্রন্থ), এটি ১৩৫০ হিজরিতে আল-কুদসি কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে।
১৮ - আল-ইনসাফ ফি আসমায়িল্লাহ (আল্লাহর নামসমূহের বিষয়ে ইনসাফ)
(৩)।
১৯ - আল-ইনসাফ ফিমা বাইনাল মুখতালিফিনা ফি বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম মিনাল ইখতিলাফ, এটি ১৩৪৩ হিজরিতে কায়রো থেকে "আল-ইনসাফ ফিমা ফি বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম মিনাল ইখতিলাফ" নামে মুদ্রিত হয়েছে।
২০ - আল-ইহতিবালু বিমা ফি শি'রি আবিল আতাহিয়াহ মিনাল হিকামি ওয়াল আমসাল, এটি ডক্টর শুকরি ফয়সাল "আবু আতাহিয়াহ: আশআরুহু ওয়া আখবারুহু" শিরোনামে তাহকিক করেছেন, দারুল মাল্লাহ মুদ্রণ ও প্রকাশনী ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ।
২১ - আল-বুস্তান ফিল ইখওয়ান
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - بهجة المجالس وأنس المجالس وشحذ الذاهن والهاجس. طبع في مجلدين كبيرين، بتحقيق: محمد مرسي الخولي، ومراجعة الدكتور/ عبد القادر القط، الدار المصرية للتأليف والترجمة، دار الكاتب العربي للطباعة والنشر 1962 م.
- بيان آداب العلم = جامع بيان العلم وفضله.
23 - البيان عن تلاوة القرآن
(1).
24 - تاريخ شيوخ ابن عبد البر
(2).
- تجريد التمهيد = التقصي.
25 - التجويد والمدخل إلى علم القراءات بالتحديد
(3).
26 - التغطا بحديث الموطأ
(4).
27 - التقصي لحديث الموطأ وشيوخ مالك، أو تجريد التمهيد، طبع في مكتبة القدسي، 1350 هـ.
28 - التمهيد لما في الموطأ من المعاني والأسانيد، من أجل
--------------------------------------------
২২ - বাহজাতুল মাজালিস ওয়া উনসুল মাজালিস ওয়া শাহযুল যাহিন ওয়াল হাজিস। এটি দুই বড় খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে, যার সম্পাদনা করেছেন: মুহাম্মদ মুরসি আল-খুলি এবং পর্যালোচনা করেছেন ডক্টর আবদুল কাদির আল-কিত; আদ-দারুল মিসরিয়্যাহ লিত-তালিফ ওয়াত-তারজামাহ, দারুল কাতিব আল-আরাবি লিত-তিবাআহ ওয়ান-নাশর ১৯৬২ খ্রি.।
- বায়ানু আদাবিল ইলম = জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি।
২৩ - আল-বায়ান আন তিলাওয়াতিল কুরআন
(১)।
২৪ - তারিখু শুয়ুখ ইবনে আবদিল বার
(২)।
- তাজরিদুল তামহীদ = আত-তাকাসসি।
২৫ - আত-তাজবীদ ওয়াল মাদখাল ইলা ইলমিল কিরাআত বিত-তাহদীদ
(৩)।
২৬ - আত-তাগতা বি হাদিসিল মুয়াত্তা
(৪)।
২৭ - আত-তাকাসসি লি হাদিসিল মুয়াত্তা ওয়া শুয়ুখ মালিক, অথবা তাজরিদুল তামহীদ; এটি মাকতাবাতুল কুদসিতে ১৩৫০ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।
২৮ - আত-তামহীদ লিমা ফিল মুয়াত্তা মিনাল মাআনি ওয়াল আসানিদ; এটি অন্যতম
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
مؤلفات ابن عبد البر، وقد أخرج ضمن "موسوعة شروح الموطأ".
29 - الجامع، رسالة في جوامع الأخلاق، صغيرة الحجم ألحقها بكتاب "الكافي في الفقه"، ونشرته مكتبة السنة باسم "الآداب الشرعية"، تحقيق محمد عبد الله الطالبي عام 1416 هـ / 1995 م، وقد طبع مجردًا عن الإسناد باسم "مختصر جامع بيان العلم وفضله" في جزء واحد.
30 - جامع بيان العلم وفضله، وما ينبغي في روايته وحمله، طبع بتحقيق عبد الرحمن محمد عثمان، بالمكتبة السلفية بالمدينة المنورة، جزءين في مجلد، الطبعة الثانية، 1388 هـ / 1968 م، وطبع في المطبعة المنيرية بالقاهرة في جزءين، 1346 هـ، وطبع بتحقيق أبي الأشبال الزهيري في مجلدين، بدار ابن الجوزي، المملكة العربية السعودية، 1414 هـ/ 1994 م، وقد اختصره أحمد بن عمر الحمصاني البيروتي الأزهري، بالقاهرة سنة 1320 هـ.
31 - الدرر في اختصار المغازي والسير، طبع بتحقيق الدكتور شوقي ضيف، طبع المجلس الأعلى للشئون الإسلامية، القاهرة، 1386 هـ/ 1966 م، وأعادت طبعه دار المعارف بمصر 1403 هـ / 1983 م.
32 - الزيادات التي تقع في الموطأ عند يحيى بن يحيى عن مالك، طبع في القاهرة 1350 هـ مع تجريد التمهيد.
33 - الشواهد في إثبات خبر الواحد
(1).
--------------------------------------------
ইবন আবদিল বার-এর রচনাবলি, যা "মাওসুয়াতু শুরূহিল মুয়াত্তা" (মুয়াত্তার ব্যাখ্যাগ্রন্থের বিশ্বকোষ)-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে।
২৯ - আল-জামি‘, এটি শিষ্টাচার ও নৈতিকতা বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা, যা তিনি তাঁর "আল-কাফি ফিল ফিকহ" গ্রন্থের সাথে সংযুক্ত করেছেন। মাকতাবাতুস সুন্নাহ এটি "আল-আদাব আশ-শারইয়্যাহ" নামে প্রকাশ করেছে, যা ১৪১৬ হিজরী / ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আত-তালিবী কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে। এটি সনদবিহীনভাবে "মুখতাসারু জামি‘য়ি বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি" নামে এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে।
৩০ - জামি‘উ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ওয়ামা ইয়ানবাগি ফী রিওয়ায়াতিহি ওয়া হামলিহি। এটি মদিনাতুল মুনাওয়ারার আল-মাকতাবাতুস সালাফিয়্যাহ থেকে আব্দুর রহমান মুহাম্মদ উসমানের সম্পাদনায় দুই অংশে এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে, দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৮৮ হিজরী / ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ। এটি কায়রোর আল-মাতবাআতুল মুনিরিয়্যাহ-তে দুই খণ্ডে ১৩৪৬ হিজরীতে মুদ্রিত হয়েছে। এছাড়া এটি সৌদী আরবের দারু ইবনিল জাওযী থেকে আবুল আশবাল আজ-যুহায়রীর সম্পাদনায় দুই খণ্ডে ১৪১৪ হিজরী / ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে। কায়রোতে ১৩২০ হিজরীতে আহমাদ ইবন উমর আল-হুমসানি আল-বাইরুতি আল-আজহারি এটি সংক্ষেপ করেছেন।
৩১ - আদ-দুরারু ফী ইখতিসারিল মাগাযী ওয়াস সিয়ার। এটি ডক্টর শওকী দাইফ-এর সম্পাদনায় মিশরের সুপ্রিম কাউন্সিল ফর ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স থেকে ১৩৮৬ হিজরী / ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছে এবং মিশরের দারুল মাআরিফ ১৪০৩ হিজরী / ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে এটি পুনর্মুদ্রণ করেছে।
৩২ - আল-যিয়াদাতুল্লাতী তাকাউ ফিল মুয়াত্তা ইনদা ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া আন মালিক। এটি ১৩৫০ হিজরীতে কায়রোতে "তাজরীদুত তামহীদ"-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে।
৩৩ - আশ-শাওয়াহিদ ফী ইসবাতু খবরিল ওয়াহিদ
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
34 - العقل والعقلاء وما جاء في أوصافهم عن العلماء والحكماء
(1).
35 - فهرسة ابن عبد البر
(2).
36 - القصد والأمم في معرفة أنساب العرب والعجم، نشرته مكتبة القدسي 1350 هـ.
37 - الكافي في فقه أهل المدينة، طبع بتحقيق الدكتور/ محمد محمد أحمد ولد ماديك الموريتاني، نشر مكتبة الرياض الحديثة، 1398 هـ / 1978 م في مجلدين.
- الكنى = الاستغناء في أسماء المشهورين من حملة العلم بالكنى.
38 - مختارات من الشعر والنثر
(3)، مخطوط في المتحف البريطاني أول 726، ومرتب في سعبين فصلًا.
- المدخل إلى علم القراءات = التجويد.
39 - مسند ابن عبد البر
(4).
- المغازي = الدرر في اختصار المغازي والسير.
40 - نزهة المستمتعين وروض الخائفين
(5)، الفاتيكان ثالث BORG 171.
--------------------------------------------
৩৪ - বুদ্ধি ও বুদ্ধিমান এবং আলেম ও প্রজ্ঞাবানদের নিকট থেকে তাঁদের গুণাবলি সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
(১)।
৩৫ - ইবনে আব্দুল বার-এর নির্ঘণ্ট (ফিহরিস)
(২)।
৩৬ - আরব ও অনারবদের বংশপরিচয় জানার ক্ষেত্রে ‘আল-কাসদ ওয়াল আমাম’, এটি মাকতাবাতুল কুদসি ১৩৫০ হিজরিতে প্রকাশ করেছে।
৩৭ - আহলে মদীনার ফিকহ শাস্ত্রে ‘আল-কাফি’, এটি ডক্টর মুহাম্মদ মুহাম্মদ আহমদ ওলেদ মাদিক আল-মরিতানি-র সম্পাদনায় মুদ্রিত হয়েছে, মাকতাবাতুর রিয়াদ আল-হাদিসা থেকে ১৩৯৮ হিজরি / ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে দুই খণ্ডে প্রকাশিত।
- আল-কুনা = উপনামে পরিচিত প্রখ্যাত জ্ঞানবাহকদের নামের পর্যাপ্ত বিবরণ (আল-ইস্তিঘনা)।
৩৮ - কবিতা ও গদ্যের সংকলন
(৩), এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি আউয়াল ৭২৬, যা সত্তরটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত।
- কেরাআত শাস্ত্রের ভূমিকা = তাজবিদ।
৩৯ - মুসনাদে ইবনে আব্দুল বার
(৪)।
- আল-মাগাজি = আদ-দুরার ফি ইখতিসারিল মাগাজি ওয়াস সিয়ার।
৪০ - নুযহাতুল মুস্তামতিয়িন ওয়া রওদাতুল খাইফিন
(৫), ভ্যাটিকান লাইব্রেরি তৃতীয় BORG 171।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
41 - واضح السنن
(1).
وقد ذكر ابن عبد البر أنه أفرد كتابًا لحكم المنافقين في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وأحكامهم في مناكحتهم لبنات المسلمين الصالحين المؤمنين
(2)، وأشار أنه سيفرد كتابًا في أعلام نبوة النبي صلى الله عليه وسلم
(3)، ولا يُدرَي إن كان ألفه أو لا؟ وذكر أنه ألف في الذب عن عكرمة مولى ابن عباس
(4)، وأن له مؤلفًا في وصل ما في الموطأ من المرسل والمنقطع والمعضل
(5)، وذكر أنه أفرد كتابًا في العفو عن الدم على دية أو على غير دية، وأوضح فيه معنى قول الله عز وجل: {فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ} [البقرة: 178] وما للعلماء من التنازع في ذلك
(6).
ويظهر من مؤلفات ابن عبد البر ثقافته الموسوعية، فقد ألَّف في الأنساب، والسيرة، والتاريخ، والقراءات، والفقه، والحديث، والأدب، والأخلاق، والنحو، والفقه، والتفسير.
--------------------------------------------
৪১ - ওয়াদিহুস সুনান
(১)।
এবং ইবনুল বার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মুনাফিকদের বিধান এবং মুমিন ও সৎ মুসলমানদের কন্যাদের সাথে তাদের বিবাহের বিধানাবলী সম্পর্কে একটি পৃথক গ্রন্থ রচনা করেছেন
(২), এবং তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতের নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে একটি পৃথক গ্রন্থ রচনা করবেন
(৩), তবে তিনি এটি লিখেছিলেন কি না তা জানা যায় না। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস ইকরিমার পক্ষ সমর্থনে একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন
(৪), এবং তাঁর একটি সংকলন রয়েছে মুয়াত্তা-এর মুরসাল, মুনকাতি‘ এবং মু’দাল বর্ণনাগুলোকে সংযুক্ত করার বিষয়ে
(৫)। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি দিয়াত (রক্তপণ) বা দিয়াত ব্যতীত হত্যার ক্ষমা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি পৃথক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তাতে মহান আল্লাহর বাণীর অর্থ ব্যাখ্যা করেছেন: {অতঃপর তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে তাকে কিছুটা ক্ষমা করা হলে} [বাকারা: ১৭৮] এবং এই বিষয়ে আলিমদের মধ্যকার মতপার্থক্যগুলো আলোচনা করেছেন
(৬)।
ইবনুল বারের গ্রন্থাবলী থেকে তাঁর বিশ্বকোষীয় পাণ্ডিত্য ফুটে ওঠে; কেননা তিনি বংশবিদ্যা, সীরাত, ইতিহাস, কিরাআত, ফিকহ, হাদিস, সাহিত্য, নীতিশাস্ত্র, ব্যাকরণ, ফিকহ এবং তাফসীর বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
تلاميذه:نظرًا لما اشتهر به ابن عبد البر من تبحر في العلم، وكثرة التصنيف. وسعة الحفظ، أقبل عليه طلاب العلم من مختلف البقاع، حتى قال القاضي عياض: "سمع منه عالَم عظيم فيهم من جلة أهل العلم المشاهير"
(1).
ويضيق المجال عن ذكرهم كلهم
(2)، ومن أشهرهم وأكثرهم عنه رواية:
1 - الحسن بن محمد بن أحمد الجياني الأندلسي، أبو علي الغساني، (427 - 498 هـ)
(3).
2 - خلف بن عبد الله بن سعيد بن عباس بن مدير الأزدي، أبو القاسم خطيب المسجد الجامع بقرطبة (427 - 495 هـ)
(4).
3 - سفيان بن العاصي بن أحمد بن العاصي الأسدي، أبو بحر، (ت 520 هـ)
(5).
4 - سليمان بن أبي القاسم نجاح، أبو داود، مولى المؤيد بالله الأموي، مقرئ الأندلس (413 - 496 هـ)
(6).
--------------------------------------------
তাঁর ছাত্রবৃন্দ:ইলমের অগাধ পাণ্ডিত্য, অধিক গ্রন্থ রচনা এবং মুখস্থশক্তির ব্যাপকতার জন্য ইবনে আব্দুল বার যে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইলম অন্বেষীরা তাঁর কাছে ছুটে আসতেন। এমনকি কাজী আইয়ায বলেছেন: "তাঁর থেকে এক বিশাল জনগোষ্ঠী ইলম অর্জন করেছেন, যাদের মধ্যে ইলমের জগতের প্রথিতযশা ও প্রসিদ্ধ ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন"
(১)।
তাঁদের সকলকে উল্লেখ করার অবকাশ এখানে সংকুচিত
(২), তবে তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ এবং তাঁর থেকে সবচেয়ে বেশি বর্ণনাকারীরা হলেন:
১ - আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-জাইয়ানি আল-আন্দালুসি, আবু আলী আল-গাসসানি, (৪২৭ - ৪৯৮ হিজরি)
(৩)।
২ - খালাফ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আব্বাস বিন মুদির আল-আযদি, আবু আল-কাসিম, কর্ডোভার জামে মসজিদের খতিব (৪২৭ - ৪৯৫ হিজরি)
(৪)।
৩ - সুফিয়ান বিন আল-আসি বিন আহমদ বিন আল-আসি আল-আসাদি, আবু বাহর, (মৃত্যু ৫২০ হিজরি)
(৫)।
৪ - সুলাইমান বিন আবুল কাসিম নাজাহ, আবু দাউদ, উমাইয়া খলিফা আল-মুআইয়িদ বিল্লাহর আযাদকৃত দাস, আন্দালুসের ক্বারি (৪১৩ - ৪৯৬ হিজরি)
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
5 - طاهر بن مفوِّز بن أحمد بن مفوِّز المعافري الشاطبي، أبو الحسن (429 - 484 هـ)، وهو الذي صلى على ابن عبد البر قبل دفنه
(1).
6 - عبد الرحمن بن محمد بن عتَّاب بن محسن القرطبي، أبو محمد (433 - 520 هـ)
(2).
7 - عبد الله بن حيان بن فرحون الأروشي، أبو محمد (409 - 487 هـ)
(3).
8 - علي بن عبد الرحمن بن أحمد الأنصاري، الشاطبي المقرئ، أبو الحسن (ت 496 هـ)
(4).
9 - محمد بن أبي نصر فُتوح بن عبد الله الأزدي الحميدي، الأندلسي (قبل 420 - 488 هـ)
(5).
10 - يوسف بن عبد العزيز بن عبد الرحمن بن عديس الأنصاري، أبو الحجاج (ت 505 هـ)
(6).
--------------------------------------------
৫ - তাহির বিন মুফাওউয়িজ বিন আহমাদ বিন মুফাওউয়িজ আল-মুআফিরি আশ-শাতিবি, আবু আল-হাসান (৪২৯ - ৪৮৪ হি.), তিনি সেই ব্যক্তি যিনি ইবনে আব্দুল বার-এর দাফনের পূর্বে তাঁর জানাজা পড়িয়েছেন
(১).
৬ - আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আত্তাব বিন মুহসিন আল-কুরতুবি, আবু মুহাম্মাদ (৪৩৩ - ৫২০ হি.)
(২).
৭ - আব্দুল্লাহ বিন হাইয়ান বিন ফারহুন আল-আরুশি, আবু মুহাম্মাদ (৪০৯ - ৪৮৭ হি.)
(৩).
৮ - আলী বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আল-আনসারি, আশ-শাতিবি আল-মুকরি, আবু আল-হাসান (মৃ. ৪৯৬ হি.)
(৪).
৯ - মুহাম্মাদ বিন আবি নাসর ফুতুহ বিন আব্দুল্লাহ আল-আজদি আল-হুমাইদি, আল-আন্দালুসি (৪২০ হিজরির পূর্বে - ৪৮৮ হি.)
(৫).
১০ - ইউসুফ বিন আব্দুল আজিজ বিন আব্দুর রহমান বিন উদাইস আল-আনসারি, আবু আল-হাজ্জাজ (মৃ. ৫০৫ হি.)
(৬).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
وفاته:ظلَّ أبو عمر في مدينة شاطبة إلى أن توفي بها في آخر ربيع الأول، ودفن يوم الجمعة بعد صلاة العصر من سنة ثلاث وستين وأربعمائة، وصلَّى عليه صاحبه أبو الحسن طاهر بن مفوِّز المعافري
(1).
--------------------------------------------
তাঁর মৃত্যু:আবু ওমর শাতিবা শহরেই অবস্থান করেন যে পর্যন্ত না সেখানে রবিউল আউয়াল মাসের শেষভাগে তাঁর মৃত্যু হয়। ৪৬৩ হিজরি সালের জুমার দিন আসরের নামাজের পর তাঁকে দাফন করা হয় এবং তাঁর জানাজার সালাত পড়ান তাঁর সঙ্গী আবু আল-হাসান তাহির বিন মুফাওয়িজ আল-মাআফিরি
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
" الاستيعاب في معرفة الأصحاب"تأتي أهمية هذا الكتاب موضع التحقيق من كون صاحبه حاز قصب السبق في علم الأثر، وتقدَّم على أقرانه في علوم الحديث، وبلغ شأوًا كبيرًا في علم النسب والأخبار.
قال ابن الصلاح
(1): "معرفة الصحابة رضي الله عنهم، هذا علم كبير قد ألف الناس فيه كتبًا كثيرة، ومن أحلاها وأكثرها فوائد كتاب "الاستيعاب" لابن عبد البر، لولا ما شانه به من إيراده كثيرًا مما شجر بين الصحابة وحكايته عن الإخباريين لا المحدثين، وغالب على الإخباريين الإكثار والتخليط فيما يروونه".
وقال العراقي
(2): "وهو كثير الفوائد".
وقد تلقى تلاميذ ابن عبد البر الكتاب بالرواية والأخذ عنه مباشرة، وسعوا إلى إذاعته في مجالس الرواية والسماع؛ وتتابعت طرق تحمله في الأندلس جيلا بعد جيل، واهتم به العلماء اهتماما كبيرًا، دلَّت عليه جهود العلماء على مرِّ العصور، مشرقًا ومغربًا، في اختصار الكتاب وتذييله والاستدراك عليه، بل هناك من ندب نفسه لتقريب مواد هذا الكتاب بالترجمة إلى لغة شعوب غير ناطقة باللغة العربية (الأتراك)، فقد قال حاجي خليفة في "كشف الظنون"
(3): "هو كتاب جليل القدر، ذكر أن
--------------------------------------------
"আল-ইস্তিয়াব ফি মা'রিফাতিল আসহাব"গবেষণাধীন এই গ্রন্থটির গুরুত্ব এই দিক থেকে যে, এর লেখক 'আছার' বা প্রাচীন নিদর্শন বিষয়ক জ্ঞানে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন, হাদিস বিজ্ঞানে তাঁর সমসাময়িকদের চেয়ে অগ্রগামী ছিলেন এবং বংশপরম্পরা ও ইতিহাস বিষয়ক জ্ঞানে এক সুউচ্চ শিখরে পৌঁছেছিলেন।
ইবনুস সালাহ
(১) বলেন: "সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা একটি বিশাল শাস্ত্র; এ বিষয়ে মানুষ অনেক কিতাব রচনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে চমৎকার এবং সবচেয়ে বেশি তথ্যসমৃদ্ধ হলো ইবনে আবদিল বার-এর 'আল-ইস্তিয়াব' কিতাবটি। তবে এতে একটি ত্রুটি হলো, তিনি সাহাবীদের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনেক বিবাদপূর্ণ বিষয় এতে উল্লেখ করেছেন এবং এক্ষেত্রে মুহাদ্দিসদের পরিবর্তে ইতিহাসবিদদের বর্ণনার ওপর নির্ভর করেছেন। আর অধিকাংশ ইতিহাসবিদদের স্বভাব হলো তাদের বর্ণিত বিষয়ে অতিশয়োক্তি ও সংমিশ্রণ ঘটানো।"
আল-ইরাকি
(২) বলেন: "এটি অনেক উপকারসমৃদ্ধ।"
ইবনে আবদিল বার-এর ছাত্রগণ সরাসরি তাঁর নিকট থেকে শ্রবণের মাধ্যমে এই কিতাবটি গ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা বর্ণনা ও শ্রবণের মজলিসগুলোতে এটি প্রচার করতে সচেষ্ট ছিলেন। আন্দালুসে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এর বর্ণনার ধারা অব্যাহত ছিল। পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সব যুগের আলেমগণ এই কিতাবটির প্রতি গভীর মনোযোগ দিয়েছেন। এর প্রমাণ হলো কিতাবটির সারসংক্ষেপ তৈরি, পরিশিষ্ট লিখন এবং এর ওপর সংশোধনীমূলক কাজে আলেমদের প্রচেষ্টা। এমনকি কেউ কেউ এই কিতাবের বিষয়বস্তুকে অনারব জাতিগোষ্ঠীর (তুর্কিদের) ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে সহজলভ্য করার জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। হাজী খলিফা 'কাশফুয যুনুন'
(৩) গ্রন্থে বলেছেন: "এটি একটি সুউচ্চ মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٣١)
السلطان أحمد خان العثماني قد أشار إلى ترجمته بالتركية، فباشر ذلك إمامه المولى مصطفى، ولم يوفق إلى إتمامه، فمات وقد وصل إلى حرف الحاء، ثم باشر المولى كمال الدين محمد بن أحمد المعروف بطاش كبري زاده، ولما وصل إلى حرف الراء مات، فبقي ناقصًا".
رتَّب ابن عبد البر تراجم كتابه ترتيبًّا أبجديًّا؛ حسب الترتيب السائد في المغرب والأندلس، وجعل له مقدمة جامعة، أتى فيها على ذكر أهمية الاعتناء بالسنة النبوية، باعتبارها الأداة "المُبيِّنة لمراد الله عز وجل من مجملات، كتابه، والدالة على حدوده، والمفسرة له"
(1)، وأن معرفة ناقليها عن النبي صلى الله عليه وسلم، وهم الصحابة، من أوْكَد السبُل المُعينة على حفظها.
ثم بيَّن أنَّ عدالة الصحابة ثابتة بمنطوق آيات الذكر الحكيم، وثناء الرسول صلى الله عليه وسلم على فضل صحابته الأكرمين، وبيَّن تفاوت فضلهم وسابقتهم، وحسن بلائهم في المشاهد التي حضروها، ولم يفت ابن عبد البر إيراد الأحاديث الدالة على فضل بعضهم، وبيان منزلتهم في الدين والعلم.
وأشار إلى أن ما يجب معرفته عن الصحابة، هو: اسم الصحابي، ونسبه، والبحث عن سيرته للاقتداء بها، أما عدالته فهي من الأمور البدهية المقطوع بها، ثم استعرض أسماء الكتب التي وضعها أصحابها في هذا اللون من التأليف، منتقدًا طريقة عرضهم لمضامين الترجمة
--------------------------------------------
উসমানীয় সুলতান আহমদ খান এর তুর্কি অনুবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ফলে তাঁর ইমাম মাওলা মুস্তফা তা শুরু করেছিলেন, কিন্তু তিনি এটি শেষ করার সুযোগ পাননি; তিনি 'হা' (ح) অক্ষর পর্যন্ত পৌঁছে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর মাওলা কামালুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ, যিনি তাশকুবরি জাদাহ নামে পরিচিত, এটি শুরু করেন; যখন তিনি 'রা' (ر) অক্ষর পর্যন্ত পৌঁছান, তিনিও মারা যান, ফলে এটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
ইবনে আবদিল বার তাঁর গ্রন্থের জীবনীগুলো বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে সাজিয়েছেন; যা মাগরিব ও আন্দালুসে প্রচলিত পদ্ধতির অনুসারী। তিনি এর জন্য একটি ব্যাপক ভূমিকা তৈরি করেছেন, যাতে তিনি সুন্নাহে নববীর প্রতি যত্নশীল হওয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন। তিনি সুন্নাহকে এমন এক মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছেন যা "মহান আল্লাহর কিতাবের সংক্ষিপ্ত বিষয়গুলোর উদ্দেশ্য সুস্পষ্টকারী, তাঁর নির্ধারিত সীমারেখা নির্দেশকারী এবং কিতাবের ব্যাখ্যাকারী"
(১)। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সুন্নাহর বর্ণনাকারী সাহাবীগণের পরিচয় জানা সুন্নাহ সংরক্ষণের অন্যতম সুনিশ্চিত মাধ্যম।
অতঃপর তিনি বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কিরামের ন্যায়পরায়ণতা পবিত্র কুরআনের আয়াতের ভাষ্য এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠত্বের ওপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশংসার মাধ্যমে প্রমাণিত। তিনি তাঁদের ফজিলত ও ইসলাম গ্রহণে অগ্রগামিতার তারতম্য এবং বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে তাঁদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের কথা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবদিল বার তাঁদের কারো কারো শ্রেষ্ঠত্ব নির্দেশক হাদীসসমূহ এবং দ্বীন ও জ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁদের সুউচ্চ মাকাম বর্ণনা করতেও ভুলেননি।
তিনি আরও ইঙ্গিত করেছেন যে, সাহাবীদের সম্পর্কে যা জানা আবশ্যক তা হলো: সাহাবীর নাম, তাঁর বংশপরিচয় এবং অনুসরণের উদ্দেশ্যে তাঁর জীবনী অনুসন্ধান করা। আর তাঁদের ন্যায়পরায়ণতা তো একটি স্বত:সিদ্ধ ও অকাট্য বিষয়। এরপর তিনি এই ধারার সংকলনে লেখকদের রচিত গ্রন্থসমূহের নাম পর্যালোচনা করেছেন এবং জীবনীসমূহের বিষয়বস্তু উপস্থাপনে তাঁদের পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
قائلًا: "نظرت إلى كثير مما صنفوه في ذلك وتأمَّلت ما ألَّفوه، فرأيتهم - رحمة الله عليهم - قد طوَّلوا في بعض ذلك وأكثروا من تكرار الرفع في الأنساب ومخارج الروايات"
(1). في حين فاتهم استيعاب أخبار المترجمين لهم وبيان أحوالهم.
وقد اعتمد ابن عبد البر كُتبَ كثير ممن سبقوه، واستند إليها في صياغة كتابة تراجمه، مراعيًا الاختصار في الاقتباس منها، وكان حريصًا على توثيق طرق تحمل تلك المؤلفات التي أفاد منها، دلَّت على سعة مروياته وعلى تباين الأسانيد الموصولة بمؤلفها.
ولم يفته تنبيه القارئ إلى أنه لم يقتصر في كتابه على كل من صحَّت صحبته ولو بلقية واحدة؛ أو رؤية فقط، أو سمع منه لفظة فأداها عنه، وإنما ترجم كذلك لمن وُلد على عهد النبي صلى الله عليه وسلم، ومن كان مؤمنًا به ولم يرد عليه.
وتفاديًا للتطويل في إيراد أنساب الرواة؛ من قريش والأنصار ورفعها في كتابه، فإن ابن عبد البر أفرد موضوع الأنساب بكتاب مستقل، جعله مدخلا للاستيعاب، سماه: "الإنباه على القبائل الرواة" كما تقدم التنبيه على ذلك من كلام المصنف.
وقد آثرنا أن نصدر به هذا التحقيق، ليكون مدخلًا للكتاب كما أراد مؤلفه.
--------------------------------------------
তিনি বলেন: "আমি এই বিষয়ে তাদের অনেকের রচিত গ্রন্থাদি পর্যালোচনা করেছি এবং তাদের সংকলিত বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করেছি। আমি দেখেছি—আল্লাহ তাদের ওপর রহম করুন—তারা এর কিছু অংশে দীর্ঘসূত্রিতা করেছেন এবং বংশলতিকা ও বর্ণনার উৎসগুলোর উচ্চতর ধারা বর্ণনায় অত্যাধিক পুনরাবৃত্তি করেছেন"
(১)। অথচ যাদের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে, তাদের সংবাদসমূহ পূর্ণাঙ্গরূপে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের অবস্থা বর্ণনা করার বিষয়টি তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছে।
ইবনে আব্দুল বার তার পূর্বসূরিদের অনেকের গ্রন্থের ওপর নির্ভর করেছেন এবং তার জীবনীগ্রন্থ রচনায় সেগুলোর ওপর ভিত্তি করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় সংক্ষেপণের প্রতি লক্ষ্য রেখেছেন। তিনি যেসব গ্রন্থ থেকে উপকৃত হয়েছেন, সেগুলোর প্রাপ্তির সূত্রসমূহ প্রামাণ্যভাবে উল্লেখ করার বিষয়ে সচেষ্ট ছিলেন, যা তার বর্ণনার বিশালতা এবং মূল লেখকদের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন সনদের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে।
তিনি পাঠককে এটি সতর্ক করতেও ভোলেননি যে, তিনি তার গ্রন্থে কেবল তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি যাদের সাহচর্য প্রমাণিত, এমনকি তা যদি কেবল একবার সাক্ষাতের মাধ্যমে হয়; অথবা কেবল দেখার মাধ্যমে হয়, অথবা তার কাছ থেকে কোনো শব্দ শুনে তা বর্ণনা করার মাধ্যমে হয়। বরং তিনি তাদের জীবনীও উল্লেখ করেছেন যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তার প্রতি ঈমান এনেছিলেন কিন্তু তার দরবারে উপস্থিত হতে পারেননি।
বর্ণনাকারীদের বংশলতিকা উল্লেখ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করতে—সেটি কুরাইশ হোক বা আনসার এবং তার গ্রন্থে উচ্চতর ধারা পর্যন্ত তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে—ইবনে আব্দুল বার বংশলতিকার বিষয়টিকে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থে পৃথক করেছেন। তিনি এটিকে আল-ইসতিআব গ্রন্থের প্রবেশদ্বার হিসেবে নির্ধারণ করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন: "আল-ইনবাহ আলাল কাবাইলির রুওয়াত", যেমনটি লেখকের বক্তব্য থেকে ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
আর আমরা এই তাহকিকের শুরুতে এটিকে স্থান দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছি, যাতে এটি গ্রন্থের প্রবেশদ্বার হিসেবে গণ্য হয়, যেমনটি এর লেখক চেয়েছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইসতিয়াব ফী মা'রিফাতিল আসহাব - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
ولما كان الشرف الذي أدركته الصفوة المباركة من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، هو بسبب شرف ورفعة صاحب الدعوة، عليه أفضل الصلاة والسلام، الذي اندرجت جموعهم تحت لواء أتباعه، لذلك ارتأى المؤلف تحلية جوانب من سيرة هذا النبي الكريم، مقتصرًا فيها "على النُّكت التي يجب الوقوف عليها، ولا يليق بذي علم جهلها، وتحسن المذاكرة بها، لتتمَّ للعالم الراغب، والمتعلم الطالب، في التعريف بالمصحوب والصاحب"
(1).
لقد قسم ابن عبد البر كتابه إلى أربعة أقسام:
- الصحابة الرجال، مرتب على الحروف.
- كنى الصحابة.
- الصحابيات مرتب على الحروف.
- كنى الصحابيات.
- الاستدراك على الاستيعاب.
وقد ضم الكتاب، كما وضعه المؤلف 3500 ترجمة، لكن ألحقت به على توالي الأزمان تراجم كثيرة فات ابن عبد البر إيرادها، وبعضها مقتطفة من ذيول الكتاب، واستدراكات بعض تلاميذه، وبلغ مجموع التراجم المتداولة في كتاب "الاستيعاب": 4225 ترجمة.
وإن العلامة ابن عبد البر لا يزعم أنه استقصى جميع تراجم
--------------------------------------------
যহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে বরকতময় ও নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ যে মর্যাদা লাভ করেছেন, তা দাওয়াতের অধিপতির (তাঁর প্রতি সর্বোত্তম সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে, যাঁর অনুসরণের পতাকাতলে তাঁদের জামাতসমূহ শামিল হয়েছিল। তাই লেখক এই মহিমান্বিত নবীর সীরাতের কিছু দিক তুলে ধরে গ্রন্থটিকে অলঙ্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি এতে কেবল "ঐসব গুরুত্বপূর্ণ ও সূক্ষ্ম বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছেন যা জানা আবশ্যক, কোনো জ্ঞানবান ব্যক্তির পক্ষে যা না জানা অনুচিত এবং যা নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা কল্যাণকর; যাতে আগ্রহী আলিম এবং জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীর কাছে অনুসৃত ব্যক্তি (নবী) ও তাঁর অনুসারীদের (সাহাবী) পরিচয় লাভের বিষয়টি পূর্ণতা পায়।"
(১)ইবনে আবদিল বার তাঁর গ্রন্থটিকে চারটি ভাগে বিভক্ত করেছেন:
- পুরুষ সাহাবীগণ, যা বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত।
- সাহাবীদের উপনাম (কুনিয়াত)।
- মহিলা সাহাবীগণ, যা বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত।
- মহিলা সাহাবীদের উপনাম (কুনিয়াত)।
- আল-ইসতিয়াব গ্রন্থের ওপর সংযোজন ও পরিমার্জন।
লেখক কর্তৃক প্রণীত মূল গ্রন্থে ৩৫০০টি জীবনী অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে কালক্রমে এতে আরও অনেক জীবনী যুক্ত করা হয়েছে যা ইবনে আবদিল বার উল্লেখ করতে পারেননি। এগুলোর কিছু অংশ গ্রন্থের পরিশিষ্ট থেকে এবং কিছু তাঁর ছাত্রদের করা সংযোজন থেকে নেওয়া হয়েছে। ফলে "আল-ইসতিয়াব" গ্রন্থে বর্তমানে প্রচলিত জীবনীর মোট সংখ্যা ৪২২৫-এ পৌঁছেছে।
আল্লামা ইবনে আবদিল বার এই দাবি করেন না যে, তিনি সকল জীবনী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংকলন করেছেন
--------------------------------------------