(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: -)
ديوان قيس بن الخطيم   (قيس بن الخطيم)

القسم: الشعر ودواوينه


الكتاب: ديوان قيس بن الخطيم

تحقيق: الدكتور ناصر الدين الأسد

الناشر: دار صادر - بيروت

عام النشر: 1967

عدد الصفحات: 241

أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (مؤسسة سليمان الراجحي الخيرية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 1 شعبان 1440

কায়েস বিন আল-খাতীমের দিওয়ান   (কায়েস বিন আল-খাতীম)

বিভাগ: কাব্য ও কাব্যসমগ্র


গ্রন্থ: কায়েস বিন আল-খাতীমের দিওয়ান

তাহকিক: ডক্টর নাসিরুদ্দিন আল-আসাদ

প্রকাশক: দার সাদির - বৈরুত

প্রকাশকাল: ১৯৬৭

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবেতাতুন নুসাখ, বাস্তবায়নে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (সুলাইমান আল-রাজি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন)

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১ শাবান ১৪৪০

(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪১)
بسم الله الرحمن الرحيم

قال قيس بن الخطيم أحد بني ظفر:

1

الطويل

تَذَكَّرَ لَيلى حُسنَها وَصَفاءَها … وَبانَت فَأَمسى ما يَنالُ لِقاءَها
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

বনু জুফর গোত্রের কায়েস ইবনুল খাতিম বলেছেন:

১

আত-তাবীল (দীর্ঘ ছন্দ)

সে লায়লার সৌন্দর্য ও তার নির্মলতাকে স্মরণ করল … এবং সে পৃথক হয়ে গেল, ফলে এখন তার সাথে সাক্ষাৎ পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪২)
وَمِثلِكِ قَد أَصبَيتُ لَيسَت بِكَنَّةٍ … وَلا جارَةٍ أَفضَت إِلَيَّ حَياءَها

إِذا ما اِصطَحَبتُ أَربَعاً خَطَّ مِئزَري … وَأَتبَعتُ دَلوي في السَخاءِ رِشاءَها
তোমার মতো কত রমনীকে আমি অনুরাগী করেছি যারা পুত্রবধূ ছিল না … এবং এমন প্রতিবেশীও ছিল না যে আমার নিকট তার লজ্জা উন্মোচন করেছিল।

যখন আমি চারজনকে সঙ্গে নিয়ে চলতাম তখন আমার পরিধেয় বস্ত্র ভূমিতে চিহ্ন এঁকে দিত … আর আমি বদান্যতায় বালতির সাথে তার রশিকেও অনুগামী করতাম।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৩)
ثَأَرتُ عَدِيّاً وَالخَطيمَ فَلَم أُضِع … وِلايَةَ أَشياءٍ جُعِلتُ إزاءَها
আমি আদিয়্য ও আল-খাতীমের প্রতিশোধ গ্রহণ করেছি এবং আমি বিনষ্ট করিনি ... সেই সব বিষয়ের কর্তৃত্ব যার দায়িত্বে আমাকে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৪)
ضَرَبتُ بِذي الزِرَّينِ رِبقَةَ مالِكٍ … فَأُبتُ بِنَفسٍ قَد أَصَبتُ شِفاءَها
আমি যুজ-যিররাইন দ্বারা মালিকের গ্রীবামূলে আঘাত করেছি … অতঃপর আমি এমন এক চিত্ত নিয়ে ফিরে এসেছি যা তার আরোগ্য লাভ করেছে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৫)
وَسامَحَني فيها اِبنُ عَمروِ بنِ عامِرٍ … خِداشٌ فَأَدّى نِعمَةً وَأَفاءَها
এবং আমর বিন আমিরের পুত্র এই বিষয়ে আমার প্রতি উদারতা প্রদর্শন করেছেন … খিদাশ, অতঃপর তিনি এক অনুগ্রহ আদায় করেছেন এবং তা ফিরিয়ে এনেছেন।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৬)
طَعَنتُ اِبنَ عَبدِ القَيسِ طَعنَةَ ثائِرٍ … لَها نَفَذٌ لَولا الشُعاعُ أَضاءَها

مَلَكتُ بِها كَفّي فَأَنهَرتُ فَتقَها … يَرى قائِماً مِن خَلفِها ما وَراءَها
আমি ইবন আবদ আল-কায়সকে একজন প্রতিশোধকামীর ন্যায় বর্শা বিদ্ধ করেছি … যার এমন ছিদ্রপথ ছিল যে, যদি রক্তের বিচ্ছুরণ না ঘটত তবে তা আলোকিত হতো।

আমি এর মাধ্যমে আমার হাতের কব্জিকে নিয়ন্ত্রণ করেছি এবং তার ক্ষতমুখকে বিদীর্ণ করে রক্ত প্রবাহিত করেছি … যার ফলে এর পেছন থেকে দণ্ডায়মান ব্যক্তি ওপাশে যা আছে তা দেখতে পেত।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৮)
يَهونُ عَلَيَّ أَن تَرُدَّ جِراحُهُ … عُيونَ الأَواسي إِذ حَمِدتُ بَلاءَها
আমার নিকট এটি সহজ যে তার ক্ষতসমূহ ফিরিয়ে দেবে ... আরোগ্যকারীদের দৃষ্টিকে, যখন আমি তার বিপদের প্রশংসা করেছি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৪৯)
وَكُنتُ اِمرِأً لا أَسمَعُ الدَهرَ سُبَّةً … أُسَبُّ بِها إِلّا كَشَفتُ غِطاءَها

وَإِنِّيَ في الحَربِ الضَروسِ مُوَكَّلٌ … بِإِقدامِ نَفسٍ ما أُريدُ بَقاءَها

إِذا سَقِمَت نَفسي إِلى ذي عَداوَةٍ … فَإِنّي بِنَصلِ السَيفِ باغٍ دَواءَها

مَتى يَأتِ هَذا المَوتُ لا تَبقَ حاجَةٌ … لِنَفسِيَ إِلّا قَد قَضَيتُ قَضاءَها
আমি ছিলাম এমন এক ব্যক্তি যে কখনও নিজের বিরুদ্ধে কোনো নিন্দা বা অপবাদ শুনিনি … যার আবরণ আমি উন্মোচন করিনি।

আর আমি সেই ভয়াবহ যুদ্ধে নিয়োজিত এক সাহসী প্রাণ নিয়ে, … যে নিজের জীবনের স্থায়িত্ব কামনা করে না।

যখনই কোনো শত্রুর প্রতি আমার মন বিষিয়ে ওঠে, … তখন আমি তরবারির ফলার মাধ্যমেই তার আরোগ্য অনুসন্ধান করি।

যখনই সেই মৃত্যু আসুক না কেন, আমার প্রাণের এমন কোনো প্রয়োজন অবশিষ্ট থাকবে না … যা আমি ইতিপূর্বেই পূর্ণ করিনি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫০)
وَكانَت شَجاً في الحَلقِ ما لَم أَبُؤ بِها … فَأُبتُ بِنَفسٍ قَد أُصِبتُ دَواءَها

وَقَد جَرَّبَت مِنّي لَدى كُلِّ مَأقِطٍ … دُحَيٌّ إِذا ما الحَربُ أَلقَت رِداءَها

وَإِنّا إِذا ما مُمتَرو الحَربِ بَلَّحوا … نُقيمُ بِأَسبادِ العَرينِ لِواءَها
তা কণ্ঠনালীতে বিঁধে থাকা শল্যসম ছিল যতক্ষণ না আমি তার প্রতিশোধ গ্রহণ করেছি … অতঃপর আমি এমন এক প্রশান্তি নিয়ে ফিরেছি যার আরোগ্য আমি খুঁজে পেয়েছি।

প্রতিটি সংকীর্ণ সমরক্ষেত্রে দুহাই আমার পক্ষ থেকে তা আস্বাদন করেছে … যখন যুদ্ধ তার আবরণ ছুড়ে ফেলে দেয়।

আর যুদ্ধের সঞ্চালকরা যখন পরিশ্রান্ত হয়ে নিবৃত্ত হয় … তখন আমরা অরণ্যের সিংহদের ন্যায় যুদ্ধের পতাকাকে সমুন্নত রাখি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫১)
وَنُلقِحُها مَبسورَةً ضَرزَنِيَّةً … بِأَسيافِنا حَتّى نُذِلُّ إباءَها

وَإِنّا مَنَعنا في بُعاثٍ نِساءَنا … وَما مَنَعَت مِنَ المُخزِياتِ نِساءَها
আমরা সেটিকে (যুদ্ধকে) গর্ভবতী করি (সূচনা করি) কঠোর ও শক্তিশালী অবস্থায় … আমাদের তরবারিসমূহ দ্বারা, যতক্ষণ না আমরা তার ঔদ্ধত্যকে চূর্ণ করি।

আর নিশ্চয়ই আমরা বুআসের যুদ্ধে আমাদের নারীদের সুরক্ষা দিয়েছিলাম … অথচ তারা তাদের নারীদের লাঞ্ছনাকর বিষয়সমূহ থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫৫)
2

وقال قيس أيضاً:

الكامل

أَنّى سَرَبتِ وَكُنتِ غَيرَ سَروبِ … وَتُقَرِّبُ الأَحلامُ غَيرَ قَريبِ
২

কায়েস আরও বলেন:

আল-কামিল

তুমি কীভাবে রাতে পথ চললে অথচ তুমি তো রাতে পথচারী ছিলে না? … আর স্বপ্ন তো যা নিকটবর্তী নয় তাকেও নিকটবর্তী করে দেয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫৬)
ما تَمنَعي يَقظى فَقَد تُؤتينَهُ … في النَومِ غَيرَ مُصَرَّدٍ مَحسوبِ
জাগ্রত অবস্থায় যা আপনি প্রদানে বিরত থাকেন, তা হয়তো আপনি প্রদান করবেন … নিদ্রাবস্থায়, কোনো কার্পণ্য বা হিসাব ছাড়াই।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫৭)
كانَ المُنى بِلِقائِها فَلَقيتُها … فَلَهَوتُ مِن لَهوِ اِمرِئٍ مَكذوبِ

فَرَأَيتُ مِثلَ الشَمسِ عِندَ طُلوعِها … في الحُسنِ أَو كَدُنُوِّها لِغُروبِ
তার সাথে সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা ছিল, অতঃপর আমি তার সাক্ষাৎ পেলাম … এরপর আমি এমন আমোদ-প্রমোদে মেতে উঠলাম যেমনটি সেই প্রবঞ্চিত ব্যক্তি করে যাকে মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আমি তাকে সৌন্দর্যে উদীয়মান সূর্যের ন্যায় দেখলাম … অথবা যেমন তা অস্তমিত হওয়ার নিকটবর্তী হয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫৮)
صَفراءُ أَعجَلَها الشَبابُ لِداتِها … مَوسومَةٌ بِالحُسنِ غَيرُ قَطوبِ
একজন উজ্জ্বল গৌরবর্ণা নারী, যাকে যৌবন তার সমসাময়িকদের তুলনায় অগ্রগামী করেছে … সে সৌন্দর্যে ভূষিতা এবং বিষণ্ণতাহীন।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৫৯)
تَخطو عَلى بَردِيَّتَينِ غَذاهُما … غَدِقٌ بِساحَةِ حائِرٍ يَعبوبِ
সে এমন দুটি মসৃণ মৃণাল সদৃশ চরণের ওপর ভর করে চলে, যাদেরকে সজীব করেছে … দ্রুতগামী স্রোতধারার জলাধারের প্রাঙ্গণে প্রচুর বর্ষণ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬০)
تَنكَلُّ عَن حَمشِ اللِثاتِ كَأَنَّهُ … بَرَدٌ جَلَتهُ الشَمسُ في شُؤبوبِ

كَشَقيقَةِ السَيراءِ أَو كَغَمامَةٍ … بَحرِيَّةٍ في عارِضٍ مَجنوبِ
রক্তিম মাড়ি থেকে (দাঁতগুলো) এমনভাবে প্রকাশিত হয় যেন তা … বর্ষণের মধ্যে নিপতিত শিলাখণ্ড যাকে সূর্য উদ্ভাসিত করেছে।

তা যেন ডোরাকাটা রেশমি বস্ত্রখণ্ড অথবা এমন এক মেঘ … যা দক্ষিণ বায়ুতাড়িত সামুদ্রিক মেঘমালার অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬১)
أَبَني دُحَيٍّ وَالحَنا مِن شَأنِكُم … أَنّى يَكونُ الفَخرُ لِلمَغلوبِ

وَكَأَنَّهُم في الحَربِ إِذ تَعلوهُمُ … غَنَمٌ تُعَبِّطُها غُواةُ شُروبِ

إِنَّ الفَضاءَ لَنا فَلا تَمشوا بِهِ … أَبَداً بِعالِيَةٍ وَلا بِذَنوبِ
হে বনু দুহাই! হীনতা ও নীচতা তো তোমাদেরই বৈশিষ্ট্য … পরাজিতদের জন্য গৌরব কীভাবে সম্ভব?

যুদ্ধে যখন শত্রুরা তাদের ওপর চড়াও হয়, তখন তারা যেন … পথভ্রষ্ট মদ্যপায়ীদের দ্বারা যবেহ হওয়া মেষপাল।

নিশ্চয়ই এই বিশাল প্রান্তর আমাদেরই; সুতরাং তোমরা এতে কখনোই বিচরণ করো না … না কোনো উচ্চভূমিতে, আর না কোনো নিম্নভূমিতে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬২)
وَتَفَقَّدوا تِسعينَ مِن سَرَواتِكُم … أَشباهَ نَخلٍ صُرِّعَت لِجُنوبِ

وَسَلوا صَريحَ الكاهِنَينِ وَمالِكاً … عَن مَن لَكُم مِن دارِعٍ وَنَجيبِ
এবং তোমরা তোমাদের নব্বইজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিকে খুঁজে দেখ … যারা পার্শ্বদেশগুলোর ওপর লুটিয়ে পড়া খেজুর গাছের মতো

আর তোমরা কাহিনাইনের খাঁটি বংশধরদের এবং মালিককে জিজ্ঞাসা কর … তোমাদের মাঝে কতজন বর্মধারী যোদ্ধা এবং কতজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি অবশিষ্ট আছে সেই সম্পর্কে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬৫)
3
৩
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬৬)
المتقارب

أَجَدَّ بِعَمرَةَ غُنيانُها … فَتَهجُرَ أَم شَأنُنا شانُها
আল-মুতাকারিভ

আমরার অমুখাপেক্ষিতা কি নতুন করে জেগে উঠেছে … ফলে সে কি বিচ্ছেদ ঘটাবে, নাকি আমাদের অবস্থাই এখন তার অবস্থা?
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬৭)
وَإِن تُمسِ شَطَّت بِها دارُها … وَباحَ لَكَ اليَومَ هِجرانُها

فَما رَوضَةٌ مِن رِياضِ القَطا … كَأَنَّ المَصابيحَ حَوذانُها
আর যদি সন্ধ্যা হয় তবে তার ঘর তাকে নিয়ে দূরে সরে গিয়েছে … এবং আজ তোমার কাছে তার বিচ্ছেদ প্রকাশিত হয়েছে।

আল-কাতার বাগানগুলোর মধ্যে এমন কোনো বাগান নেই … যার হাওদান পুষ্পরাজি যেন উজ্জ্বল প্রদীপসমূহ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬৮)
بِأَحسَنَ مِنها وَلا مُزنَةٌ … دَلوحٌ تَكَشَّفُ أَدجانُها
তার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ কিছু নয় এবং না কোনো মেঘমালা … যা বারিভারে অবনত এবং যার অন্ধকার অপসারিত হয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৬৯)
وَعَمرَةُ مِن سَرَواتِ النِسا … ءِ تَنفَحُ بِالمِسكِ أَردانُها

وَنَحنُ الفَوارِسُ يَومَ الرَبي … عِ قَد عَلِموا كَيفَ فُرسانُها
আর ‘আম্রাহ হলো শ্রেষ্ঠ নারীদের অন্তর্ভুক্ত … যার জামার আস্তিন থেকে কস্তুরীর সুবাস বিচ্ছুরিত হয়।

আর আমরাই হলাম রবি’র যুদ্ধের দিনের অশ্বারোহী … তারা অবশ্যই জেনেছে যে তার অশ্বারোহীরা কেমন।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭০)
جَنَبنا الحِرابَ وَراءَ الصَري … خِ حَتّى تَقَصَّفَ مُرّانُها

فَلَمّا اِستَقَلَّ كَلَيثِ الغَري … فِ زانَ الكَتيبَةَ أَعوانُها

تَراهُنَّ يُخلَجنَ خَلجَ الدِلا … ءِ تَختَلِجُ النَزعَ أَشطانُها
আমরা আর্তনাদকারীর পশ্চাতে বর্শাসমূহকে বহন করে চললাম … যতক্ষণ না সেগুলোর শক্ত কাঠের হাতলগুলো ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল।

অতঃপর যখন সে ঘন অরণ্যের সিংহের ন্যায় দণ্ডায়মান হলো … তখন তার সাহায্যকারীরা সেই সেনাদলকে সুশোভিত করল।

তুমি সেগুলোকে বালতির ন্যায় দ্রুত সঞ্চালিত হতে দেখবে … যার রশিগুলো সজোরে টেনে তোলার সময় প্রচণ্ডভাবে কম্পিত হয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭১)
وَلاقى الشَقاءَ لَدى حَربِنا … دُحَيٌّ وَعَوفٌ وَإِخوانُها

رَدَدنا الكَتيبَةَ مَفلولَةً … بِها أَفنُها وَبِها ذانُها
আমাদের যুদ্ধের সময় দুহায়্য, আউফ এবং তাদের ভ্রাতৃবর্গ চরম দুর্দশার সম্মুখীন হয়েছিল …

আমরা শত্রু সেনাদলকে পরাজিত অবস্থায় হটিয়ে দিয়েছি … যার মধ্যে তাদের হীনতা ও গ্লানি বিদ্যমান ছিল।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭২)
وَقَد عَلِموا أَن مَتى نَنبَعِث … عَلى مِثلِها تَذكُ نيرانُها

وَلَولا كَراهَةُ سَفكِ الدِماءِ … لَعادَ لِيَثرِبَ أَديانُها

وَيَثرِبُ تَعلَمُ أَنَّ النَبي … تَ راسٍ بِيَثرِبَ ميزانُها
তারা জেনেছে যে যখন আমরা অভিযানে অগ্রসর হই … তখন অনুরূপভাবে তার অগ্নিসমূহ প্রজ্বলিত হয়

আর যদি রক্তপাত অপছন্দনীয় না হতো … তবে ইয়াসরিবে তার পূর্বতন ধর্মসমূহ ফিরে আসত

এবং ইয়াসরিব জানে যে নবী … ইয়াসরিবে তাঁর মানদণ্ড সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭৩)
حِسانُ الوُجوهِ حِدادُ السُيو … فِ يَبتَدِرُ المَجدَ شُبّانُها

وَبِالشَوطِ مِن يَثرِبٍ أَعبُدٌ … سَتَهلِكُ في الخَمرِ أَثمانُها

يَهونُ عَلى الأَوسِ أَثمانُهُم … إِذا راحَ يَخطِرُ نَشوانُها

أَتَتهُم عَرانينُ مِن مالِكٍ … سِراعٌ إِلى الرَوعِ فِتيانُها

وَقَد عَلِموا أَنَّ ما فَلَّهُم … حَديدُ النَبيتِ وَأَعيانُها
লাবণ্যময় চেহারা ও তীক্ষ্ণ তলোয়ার … ধারী—যাদের যুবকরা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অগ্রগামী হয়।

আর ইয়াসরিবের আশ-শওত প্রান্তরে রয়েছে এমন কিছু দাস … মদ্যপানে যাদের মূল্য বিনষ্ট হবে।

আউস গোত্রের নিকট তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করা তুচ্ছ মনে হয় … যখন তাদের মত্ত ব্যক্তিরা দম্ভভরে চলাফেরা করে।

মালিক বংশের নেতৃস্থানীয় একদল অভিজাত তাদের নিকট এল … যাদের যুবকেরা যুদ্ধের বিভীষিকার দিকে দ্রুত ধাবমান।

আর তারা নিশ্চিতভাবে জেনেছে যে, যা তাদের চূর্ণ করেছে … তা হলো নাবীত্ব গোত্রের ইস্পাত এবং তাদের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭৬)
4

وقال في حرب حاطب:

الطويل

أَتَعرِفُ رَسماً كَاِطِّرادِ المَذاهِبِ … لَعَمرَةَ وَحشاً غَيرَ مَوقِفِ راكِبِ
৪

এবং তিনি হাতিবের যুদ্ধের বিষয়ে বলেছেন:

আত-তওয়িল ছন্দ

তুমি কি ধ্বংসাবশেষের সেই চিহ্ন চিনতে পারো যা স্বর্ণলিপির ধারার ন্যায় … আমরাহর সেই জনশূন্য প্রান্তর, যা কোনো আরোহীর থামার স্থান নয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান কাইস ইবনুল খাতীম (পৃষ্ঠা: ৭৭)
دِيارَ الَّتي كادَت وَنَحنُ عَلى مِنىً … تَحُلُّ بِنا لَولا نَجاءُ الرَكائِبِ
সেই জনপদ, যা আমাদের ওপর আপতিত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল যখন আমরা মিনায় অবস্থান করছিলাম … যদি না বাহনগুলোর দ্রুতগতি আমাদের রক্ষা করত।