(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: -)
ديوان معاوية بن أبي سفيان   (معاوية بن أبي سفيان)

القسم: الشعر ودواوينه


الكتاب: ديوان معاوية بن أبي سفيان

جمعه وحققه وشرحه: الدكتور فاروق أسليم بن أحمد

الناشر: دار صادر - بيروت

الطبعة: الأولى، 1996 م

عدد الصفحات: 139

أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (مؤسسة سليمان الراجحي الخيرية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 27 رجب 1440

মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ানের দিওয়ান   (মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান)

বিভাগ: কবিতা ও কাব্যসংকলন


গ্রন্থ: মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ানের দিওয়ান

সংগ্রহ, সম্পাদনা ও ব্যাখ্যা: ড. ফারুক আসলীম বিন আহমদ

প্রকাশক: দারু সাদির - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩৯

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ، বাস্তবায়নে (মারকাযুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (সুলাইমান আল-রাজি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন)

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৭ রজব ১৪৪০

(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৪৭)
ديوان

معاوية بن أبي سفيان
দিওয়ান

মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৪৯)
‌‌قافية الهمزة

[1]

قال معاوية بن أبي سفيان:

الوافر

1 - ألا يا سعدُ قد أظهرتَ شَكّاً … وشَكُّ المرءِ في الأحداثِ داءُ

2 - عَلَى أَيِّ الأمورِ وقفتَ حَقّاً … يُرَى أو باطلاً فَلَهُ دواءُ

3 - وقَدْ قالَ النّبِيّ وحَدّ حدّاً … يُحِلّ به من الناسِ الدّماءُ
হামজা অন্তমিলযুক্ত কবিতা

[১]

মুআবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান বলেছেন:

আল-ওয়াফির ছন্দ

১ - ওহে সাদ! নিশ্চয়ই তুমি সংশয় প্রকাশ করেছ … আর ঘটনাবলির ক্ষেত্রে মানুষের সংশয় একটি ব্যাধি।

২ - তুমি সত্যনিষ্ঠ হয়ে কোন বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছ? … যা দৃশ্যমান সত্য, নাকি মিথ্যা যার প্রতিকার আছে।

৩ - অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন এবং একটি সীমা নির্ধারণ করেছেন … যার মাধ্যমে মানুষের রক্ত প্রবাহিত করা বৈধ হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫০)
4 - ثَلاثٌ قاتِلٌ نفساً وزانْ … ومُرْتَدّ مَضَى فيه القَضَاءُ

5 - فإنْ يكنِ الإمامُ يَلُمّ مِنْها … بِواحِدَةٍ فَلَيسَ لَهُ وَلاءُ

6 - وإلاّ فالذي جِئْتُمْ حَرَامٌ … وقاتِلُهُ وخاذِله سواءُ

7 - وهذا حُكْمُهُ لا شَكّ فيه … كما أنّ السّماءَ هِي السّماءُ

8 - وخيرُ القولِ ما أوجزتَ فيه … وفي إكثاركَ الدّاءُ العَيَاءُ

9 - أبا عَمْروٍ دَعَوْتُكُ في رِجالٍ … فجازَ عَراقِيَ الدّلْوِ الرّشاءُ
৪ - তিনজন (যাদের রক্ত বৈধ): জীবন হরণকারী, ব্যভিচারী... এবং ধর্মত্যাগী যার ব্যাপারে বিধান কার্যকর হয়েছে।

৫ - যদি ইমাম এগুলোর কোনো একটির কারণে নিন্দিত হন... তবে তার প্রতি আর কোনো আনুগত্য অবশিষ্ট থাকে না।

৬ - অন্যথায় তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা হারাম... এবং তার হত্যাকারী ও তাকে সহায়তাহীনকারী উভয়ই সমান।

৭ - আর এটিই তার বিধান যাতে কোনো সন্দেহ নেই... ঠিক যেমন আকাশ হচ্ছে আকাশ।

৮ - সর্বোত্তম কথা তা-ই যা তুমি সংক্ষেপে বলেছ... আর তোমার বাকবাহুল্যে রয়েছে দূরারোগ্য ব্যাধি।

৯ - হে আবু আমর, আমি তোমাকে একদল লোকের উপস্থিতিতে আহ্বান করেছি... অতঃপর বালতির রশিটি তার হাতল অতিক্রম করে গেছে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫১)
10 - فأَمّا إذْ أبيتَ فليسَ بَيْني … وبينَكَ حُرْمَةٌ ذَهَبَ الرّجاءُ

11 - سِوى قولي إذا اجتمعت قريشٌ … عَلَى سَعْدٍ مِنَ اللهِ العَفَاءُ
১০ - তবে যেহেতু তুমি অস্বীকার করেছ, তাই আমার ও তোমার মাঝে … কোনো সম্মান অবশিষ্ট নেই; সকল প্রত্যাশা নিঃশেষ হয়ে গেছে।

১১ - কেবল আমার এই উক্তি ব্যতিরেকে যে, যখন কুরাইশরা একত্রিত হবে, … তখন সা’দের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে বিনাশ অবতীর্ণ হোক।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫২)
‌‌قافية الباء

[2]

وقال:

البسيط

1 - لقدْ جَمَعْتُ لكمْ مِنْ جَمْعِ ذي حَسَبٍ … وقَدْ كَفَيْتُكُم التَّرْحالَ والنّصَبا
‘বা’ বর্ণের অন্ত্যমিল

[২]

এবং তিনি বলেছেন:

আল-বাসিত (ছন্দ)

১ - নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির সংগ্রহ থেকে (সারবস্তু) একত্রিত করেছি... এবং আমি তোমাদের সফর ও পরিশ্রমের কষ্ট লাঘব করেছি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৩)
[3]

وقال:

الخفيف

1 - إنْ تُناقِشْ يكنْ نِقاشُكَ يا ربْ … بِ عذاباً لا طوقَ لي بالعذابِ

2 - أو تجاوزْ فأنتَ ربٌّ رحيمٌ … عن مُسيءٍ ذُنوبُهُ كالتّرابِ
[৩]

তিনি বলেন:

আল-খাফিফ ছন্দ

১ - হে প্রতিপালক! আপনি যদি পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব নেন, তবে আপনার সেই হিসাব গ্রহণই হবে শাস্তি; আর শাস্তির ভার সহ্য করার শক্তি আমার নেই।

২ - অথবা আপনি ক্ষমা করে দিন, কেননা আপনি পরম দয়ালু প্রতিপালক; এমন এক পাপাচারীর প্রতি যার গুনাহসমূহ ধূলিকণার ন্যায় অগণিত।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৪)
[4]

كتب معاوية إلى عمرو بن العاص يقول:

الطويل

1 - وَقَتْكَ وأسبابُ المنايا كثيرةٌ … مَنِيّةُ شيخْ من لُؤَيٍّ بنِ غالبِ

2 - فيا عمرو مهلاً إنّما أنت عَمُّه … وصاحبُهُ دونَ الرّجَالِ الأَقاربِ

3 - نَجَوتَ وَقَدْ بَلّ المرَادِيُّ سَيْفَهُ … من ابن أبي شيخِ الأباطِحِ طَالبِ

4 - ويَضْرِبُني بالسّيْفِ آخَرُ مِثْلُهُ … فكانتْ عليه تِلْكَ ضَرْبَةَ لا زبِ
[৪]

মুয়াবিয়া আমর ইবনুল আসের নিকট লিখে পাঠালেন:

তবিল (দীর্ঘ ছন্দ)

১ - মৃত্যুর বহু কারণ থাকা সত্ত্বেও লুআই ইবনে গালিব বংশের এক বৃদ্ধের মৃত্যু তোমাকে রক্ষা করেছে …

২ - হে আমর, ধৈর্য ধরো; তুমিই তো তার চাচা এবং নিকটাত্মীয়দের মধ্যে তার প্রকৃত সঙ্গী …

৩ - তুমি নিষ্কৃতি পেয়েছ, অথচ মুরাদি তার তলোয়ার সিক্ত করেছিল বাতহার উপত্যকার সরদার আবু তালিবের পুত্রের রক্তে …

৪ - অনুরূপ অন্য একজন আমাকেও তলোয়ার দিয়ে আঘাত করেছিল, কিন্তু সেই আঘাতটি তার জন্য এক অমোঘ আঘাত হিসেবেই সাব্যস্ত হয়েছিল
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৫)
5 - وأَنْتَ تُنَاغِي كُلُّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ … بِمِصْرِكَ بِيضاً كالظِّباءِ الشّوازبِ
৫ - এবং আপনি প্রতিদিন ও প্রতি রাতে আলাপনে মগ্ন থাকেন … আপনার নগরে হরিণীর ন্যায় ছিপছিপে দেহী শ্বেতাঙ্গিনীদের সাথে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৬)
[5]

وقال:

الطويل

1 - لقد رضي الشني من بعد عتبه فأيسر [ب] ما يرضى به صاحب العيب
[৫]

এবং তিনি বললেন:

আত-তাবীল

১ - নিশ্চয়ই আশ-শানি তার তিরস্কারের পর সন্তুষ্ট হয়েছে; আর ত্রুটিযুক্ত ব্যক্তি তো সামান্যতম বিষয়েই সন্তুষ্ট হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৭)
‌‌قافية التاء

[6]

وقال:

الوافر

1 - يموتُ الصالحونَ وأنتَ حيٌّ … تَخَطّاكَ المنايا لا تموتُ
‘তা’ অক্ষরের অন্ত্যমিল

[৬]

তিনি বললেন:

আল-ওয়াফির ছন্দ

১ - সৎকর্মশীলগণ মৃত্যুবরণ করেন আর আপনি চিরঞ্জীব... মৃত্যু আপনাকে অতিক্রম করে যায়, আপনি মৃত্যুবরণ করবেন না।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৮)
‌‌قافية الحاء

[7]

وقال:

الرمل

1 - إنّما مَوْضِعُ سِرّ المرءِ إنْ … باحَ بالسّرّ أخوهُ المُنْتَصحْ

2 - فإذا بُحْتَ بِسرِّ فإلى … ناصحٍ يَسْتُرُهُ أو لا تَبُحْ
‌'হা' বর্ণের অন্ত্যমিল

[৭]

তিনি বলেছেন:

রামাল ছন্দ

১ - মানুষের গোপনীয়তার প্রকৃত ক্ষেত্র হলো তখন... যখন তার হিতাকাঙ্ক্ষী ভাই সেই গোপন কথা প্রকাশ করে।

২ - সুতরাং তুমি যদি কোনো গোপন কথা প্রকাশ করোই, তবে তা এমন... হিতাকাঙ্ক্ষীর কাছে করো যে তা গোপন রাখবে, অন্যথায় তা প্রকাশ করো না।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৫৯)
[8]

وقال:

المتقارب

1 - كَتَارِكَةٍ بَيْضَها بالعَراءِ … ومُلْحِفَةٍ بَيْضَ أُخْرَى جَنَاحا
[8]

তিনি বললেন:

মুতাক্বারিব ছন্দ

1 - সে ঐ সত্তার ন্যায় যে নিজের ডিম খোলা প্রান্তরে পরিত্যাগ করে … এবং অন্য কারো ডিমকে ডানা দিয়ে ঢেকে রাখে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬০)
‌‌قافية الدال

[9]

وقال:

الطويل

1 - إذا قلتُ قد وَلّتْ رَبيعَةُ أَقْبَلَتْ … كتائِبُ منهمْ كالجبالِ تُجالِدُ
দাল বর্ণের অন্ত্যমিল

[৯]

এবং তিনি বললেন:

আল-তবিল ছন্দ

১ - যখন আমি বললাম যে রবীআহ্ পিছু হটেছে, তখন তাদের মধ্য থেকে পাহাড়ের ন্যায় সুদৃঢ় সেনাদলগুলো যুদ্ধরত অবস্থায় এগিয়ে এল।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬১)
[10]

وكتب معاوية إلى أبي أيوب، خالد بن زيد الأنصاري:

البسيط

1 - أَبْلِغْ لَدَيْكَ أَبَا أَيّوبَ مَأْلُكةً … أنّا وقومَك مِثْلُ الذّئبِ النَّقَدِ

2 - إمّا قَتَلْتُمْ أميرَ المؤمنينَ فَلا … تَرْجُوا الهَوَادَةَ عندِي آخِرَ الأَبَدِ

3 - إنّ الذي نِلْتُمُوهُ ظَالِمِينَ لَهُ … أَبْقَتْ حَرارتُهُ صَدْعاً عَلَى كَبِدي

4 - إِنّي حَلفْتُ يميناً غيرَ كاذبةٍ … لَقَدْ قَتَلْتُمْ إِمَاماً غيرَ ذي أَوَدِ
[১০]

এবং মুয়াবিয়া আবু আইয়ুব খালিদ বিন যায়িদ আল-আনসারীর নিকট লিখলেন:

আল-বাসীত ছন্দ

১ - আপনার নিকটস্থ আবু আইয়ুবের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিন যে... নিশ্চয়ই আমি এবং আপনার কওম (একে অপরের জন্য) সেই নেকড়ের ন্যায় যা ক্ষুদ্র মেষ শিকার করে।

২ - যেহেতু আপনারা আমিরুল মুমিনীনকে হত্যা করেছেন, তাই অনন্তকাল পর্যন্ত আমার নিকট কোনো প্রকার সন্ধি বা নমনীয়তার আশা করবেন না।

৩ - আপনারা জুলুমের সাথে তাঁর যা ক্ষতি করেছেন, তার দহন আমার কলিজায় এক বিদীর্ণ ক্ষত সৃষ্টি করে রেখেছে।

৪ - আমি এক অমিথ্যা শপথ করেছি যে, আপনারা এমন এক ইমামকে হত্যা করেছেন যিনি ছিলেন বক্রতাহীন ও সত্যনিষ্ঠ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬২)
5 - لا تَحْسَبُوا أَنّنِي أَنْسى مُصِبتَهُ … وفي البلادِ من الأنصارِ مِن أَحَدِ

6 - أَعْزِز عَلَيّ بِأَمْرٍ لَسْتَ نائِلهُ … وَاجْهَدْ علينا فلسنا بيضة البَلَدِ

7 - قَدْ أبدلَ اللهُ منكم خَيْرَ ذي كَلَعٍ … واليَحْصُبِيِّنَ أَهْلَ الحَقّ في الجَنَدِ

8 - إنّ العراقَ لنا فَقْعٌ بِقرْقَرَةٍ … أو شَحْمَةٌ بَزّها شاوٍ ولم يَكَدِ

9 - والشامُ يَنْزِلها الأبرارُ بَلْدَتُها … أَمْنٌ وَحَوْمَتُها عِرّيسَةُ الأَسَدِ
৫ - তোমরা মনে করো না যে আমি তার মুসিবত ভুলে যাব … অথচ জনপদে আনসারদের মধ্য হতে কেউ অবশিষ্ট আছে।

৬ - আমার ওপর এমন বিষয়ের ভার দিও না যা তুমি অর্জন করতে পারবে না … আর আমাদের বিরুদ্ধে তোমার সর্বাত্মক চেষ্টা করো, কারণ আমরা জনপদের কোনো দুর্বল ও অসহায় সত্তা নই।

৭ - আল্লাহ তোমাদের পরিবর্তে যুল-কালা’ অপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিদের দান করেছেন … এবং ইয়াহসুবীদের, যারা সৈন্যবাহিনীর মধ্যে হকের অনুসারী।

৮ - নিশ্চয়ই ইরাক আমাদের নিকট সমতল প্রান্তরের ব্যাঙের ছাতার মতো … অথবা এমন এক চর্বি যা কোনো ভাজক সবেমাত্র বের করেছে এবং তা প্রায় শেষ হয়ে যায়নি।

৯ - আর শাম (সিরিয়া), সেখানে পুণ্যবানরা বসবাস করে; এর শহরগুলো … নিরাপদ এবং এর কেন্দ্রস্থল হলো সিংহের আস্তানা।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৩)
[11]

وقال:

مجزوء الخفيف

1 - رُبّ ساعٍ لِقَاعِدِ … واسلمي أمّ خالدِ
[১১]

এবং তিনি বললেন:

মাজজু আল-খাফিফ ছন্দ

১ - অনেক প্রচেষ্টাকারী রয়েছে বসে থাকা ব্যক্তির জন্য... এবং তুমি শান্তিতে থাকো হে উম্মে খালিদ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৪)
‌‌قافية الراء

[12]

وقال معاوية:

الطويل

1 - فلا تَعْجَلا واستغفروا اللهَ إِنّهُ … إذا اللهُ سنّى عَقْدَ شَيْءٍ تَيَسّرا
র-বর্ণের অন্ত্যমিল

[১২]

এবং মুয়াবিয়া বললেন:

তবীল ছন্দ

১ - সুতরাং তোমরা তাড়াহুড়া করো না এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো; কেননা আল্লাহ যখন কোনো বিষয়ের ফয়সালা সহজ করেন, তখন তা সহজ হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৫)
[13]

وكتب معاوية إلى مروان بن الحكم الأموي:

الطويل

1 - أَوَاضِعُ رِجْلٍ فَوْقَ أُخْرَى يَعُدّنا … عَديدَ الحَصَى ما إنْ تزالُ تُكَاثِرُ

2 - وأُمّكُمُ تُزْجِي تُؤَاماً لِبَعْلِها … وأُمُّ أَخِيْكُمْ نَزْرَةُ الوَلْدِ عَاقِرُ
[১৩]

এবং মুয়াবিয়া উমাইয়া বংশীয় মারওয়ান ইবনে আল-হাকামের নিকট লিখলেন:

আত-তাবিল

১ - এক পায়ের ওপর অন্য পা স্থাপনকারী কি আমাদের নুড়ি পাথরের ন্যায় গণনা করছেন? আপনি তো কেবল সংখ্যাধিক্যের বড়াই করেই চলেছেন।

২ - আর তোমাদের মা তার স্বামীর জন্য যমজ সন্তান প্রসব করেন, পক্ষান্তরে তোমাদের ভাইয়ের মা স্বল্প সন্তানবতী ও বন্ধ্যা।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৬)
[14]

وقال:

البسيط

1 - للهِ دَرُّ زِيَادٍ أيَّما رَجُلٍ … لو كانَ يَعْلَمُ ما يأتي وما يذَرُ

2 - تَنْسَى أباكَ وقد حَقّتْ مَقالَتُهُ … إذْ تَخْطُبُ الناسَ الوالي لنا عُمَرُ

3 - فَافخرْ بوالِدِكَ الأَدْنى ووالدِنَا … إنّ ابنَ حَرْبٍ لَهُ في قَوْمِهِ خَطُرُ
[১৪]

এবং তিনি বললেন:

আল-বাসিত ছন্দ

১ - যিয়াদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অশেষ প্রশংসা, সে কতই না চমৎকার এক ব্যক্তি! ... যদি সে জানত সে কী গ্রহণ করছে আর কী বর্জন করছে।

২ - তুমি তোমার পিতাকে ভুলে যাচ্ছ অথচ তাঁর বক্তব্য সত্য প্রমাণিত হয়েছে, ... যখন তুমি লোকদের সামনে ভাষণ দিচ্ছিলে যে, উমর আমাদের শাসক।

৩ - অতএব তুমি তোমার নিকটতম পিতা ও আমাদের পিতাকে নিয়ে গর্ব করো, ... কেননা নিশ্চয়ই ইবন হারব তাঁর সম্প্রদায়ের মাঝে সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৭)
4 - إنّ انتهازَكَ قَوْماً لا تُناسِبُهُم … عدُّ الأَنامِل عارٌ لَيْسَ يُغْتَفَرُ

5 - فانزِلْ بَعِيداً فإنّ اللهُ بَاعَدَهُمْ … عن فضلٍ به يَعْلُو الورى مُضَرُ

6 - فالرّأْيُ مُطّرَفٌ والعَقْلُ تجرِبَةٌ … فيها لصاحبها الإيرادُ والصَّدَرُ
৪ - নিশ্চয়ই তোমার এমন এক কওমের ওপর সুযোগ নেওয়া যারা তোমার সমপর্যায়ের নয় … আঙুল গণনা করা এমন এক লজ্জা যা ক্ষমা করা হয় না।

৫ - সুতরাং তুমি দূরে অবস্থান করো, কারণ আল্লাহ তাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছেন … এমন এক শ্রেষ্ঠত্ব থেকে যার মাধ্যমে মুদার (গোত্র) সৃষ্টির ওপর উচ্চমর্যাদা লাভ করে।

৬ - অতএব সুচিন্তিত মতামত হলো নতুন অর্জিত বিষয় আর বুদ্ধি হলো অভিজ্ঞতা … তাতে এর অধিকারীর জন্য রয়েছে কোনো বিষয়ে প্রবেশ ও তা থেকে প্রস্থান।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৮)
[15]

وقال:

الطويل

1 - إذا أنا أَعطيتُ القليلَ شكوتُمُ … وإنْ أنا أعطيتُ الكثيرَ فَلا شُكْرُ

2 - ومَا لمْتُ نَفْسي في قضَاء حقوقكمْ … وقَد كانَ لي فيما اعتذرتُ به عُذْرُ

3 - وأَمْنَحُكُمْ مالي وتُكْفَرُ نِعْمَتي … وتَشْتُمُ عِرْضي في مجالسها فِهْرُ

4 - إذا العذرُ لم يُقْبَلْ ولم يَنفعِ الأَسى … وضَاقتْ قلوبٌ منهُمُ حَشْوُها الغِمْرُ

5 - فكيفَ أُداوِي داءَكُمْ ودَواؤُكمْ … يزيدكمُ غَيّاً فقد عَظُمُ الأَمْرُ
[১৫]

তিনি বলেন:

তবিল ছন্দ

১ - আমি যখন সামান্য দান করি, তখন তোমরা অভিযোগ করো … আর যখন আমি অধিক দান করি, তখন কোনো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় না।

২ - তোমাদের অধিকার আদায়ে আমি নিজেকে ত্রুটিযুক্ত মনে করি না … অথচ আমি যা ওজর হিসেবে পেশ করেছি, তাতে আমার ন্যায়সংগত কারণ ছিল।

৩ - আমি তোমাদেরকে আমার সম্পদ দান করি, অথচ আমার অনুগ্রহ অস্বীকার করা হয় … আর ফিহর (গোত্র) তাদের মজলিসগুলোতে আমার সম্মানহানি করে।

৪ - যখন ওজর গ্রহণ করা হয় না এবং অনুশোচনা কোনো কাজে আসে না … আর তাদের এমন হৃদয়গুলো সংকীর্ণ হয়ে পড়ে যা বিদ্বেষে পরিপূর্ণ।

৫ - আমি কীভাবে তোমাদের ব্যাধির চিকিৎসা করব, যেখানে তোমাদের ঔষধই … তোমাদের বিভ্রান্তি বাড়িয়ে দেয়? নিশ্চয়ই বিষয়টি গুরুতর রূপ ধারণ করেছে।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৬৯)
6 - سَأَحْرِمُكُمْ حَتّى يَذِلّ صِعَابُكمْ … وأَبْلَغُ شَيْءٍ في صَلاحِكُمُ الفَقْرُ
৬ - আমি তোমাদেরকে বঞ্চিত করব যতক্ষণ না তোমাদের অবাধ্যরা বশীভূত হয় … আর তোমাদের সংশোধনের জন্য দারিদ্র্যই সবচেয়ে কার্যকরী বিষয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭০)
[16]

وقال:

الطويل

1 - حُرَيثُ أَلَمْ تَعْلَمْ وجَهْلُكَ ضَائِرُ … بِأَنّ عَلِيّاً للفوارسِ قَاهِرُ

2 - وأنّ عَلِيّاً لم يُبارِزْهُ فَارِسٌ … مِن الناسِ إلاّ أَقْصَدَتْهُ الأظافِرُ

3 - أَمَرْتُكَ أَمْراً حازماً فَعَصِيتَني … فَجَدُّك إذْ لم تَقْبَلِ النُّصْحَ عاثِرُ
[১৬]

এবং তিনি বললেন:

তাবীল ছন্দ

১ - হে হুরায়স, তুমি কি জান না—আর তোমার অজ্ঞতা তোমার জন্য ক্ষতিকর— … যে আলী অশ্বারোহী বীরদের জন্য এক প্রবল পরাক্রমশালী বিজয়ী?

২ - এবং আলীর সাথে মানুষের মধ্য হতে এমন কোনো বীর দ্বন্দ্বে অবতীর্ণ হয়নি … যাকে নখসমূহ (মৃত্যুর থাবা) বিদ্ধ করেনি।

৩ - আমি তোমাকে একটি দৃঢ় নির্দেশ দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমার অবাধ্য হয়েছ … সুতরাং তোমার ভাগ্য হোঁচট খেয়েছে যেহেতু তুমি উপদেশ গ্রহণ করোনি।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭১)
4 - ودَلاّكَ عمرٌو والحوادِثُ جَمّةٌ … غُروراً وما جَرّتْ عليكَ المقادِرُ

5 - وظَنّ حُرَيْثٌ أنّ عَمْراً نَصِيحُهُ … وقد يُهلِكُ الإنسانَ مَنْ لا نُحاذِرُ

6 - أيركبُ عمرٌو رأسَهُ خوفَ سيفهِ … ويُصْلِي حُريثاً إنّه لفُرافِرُ
৪ - আমর তোমাকে প্ররোচিত করেছে এবং ঘটনাপ্রবাহ তো বহুমাত্রিক … প্রতারণাপূর্ণভাবে, আর নিয়তি তোমার ওপর যা বয়ে এনেছে।

৫ - আর হুরাইস ধারণা করেছিল যে আমর তার কল্যাণকামী … অথচ মানুষ তার মাধ্যমেই বিনাশ হতে পারে যার থেকে সে সতর্ক থাকে না।

৬ - আমর কি স্বীয় তরবারির ভয়ে হঠকারিতার আশ্রয় নিচ্ছে … এবং সে হুরাইসকে বিপদের আগুনে দগ্ধ করছে, নিশ্চয়ই সে এক হিংস্র সিংহ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭২)
[17]

وكتب إلى زياد بن أبيه:

الطويل

1 - تَدارَكَ مَا ضَيّعْتَ مِن بَعْدِ خِبْرَةٍ … وأنتَ أَرِيبٌ بالأُمُورِ خَبيرُ

2 - أَمَا حَسَنٌ فابنُ الذي كانَ قَبْلَهُ … إذا سَارَ الموتُ حَيْثُ يَسِيرُ

3 - وهَل يَلِدُ الريبالُ إلاّ نِظِيرَهُ … فذا حَسَنٌ شِبْهٌ لَهُ ونَظِيرُ

4 - ولكنّه لو يُوزَنُ الحِلْمُ والحِجَا … بَرَأْيٍ لقالُوا فاعلمنّ ثَبيرُ
[১৭]

তিনি যিয়াদ ইবনে আবিহির নিকট লিখলেন:

আত-তাবীল ছন্দ

১ - অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তুমি যা হারিয়েছ তা পুনরুদ্ধার করো … অথচ তুমি বিষয়ে অত্যন্ত সুচতুর ও অভিজ্ঞ।

২ - আর হাসান তো তাঁরই পুত্র যিনি তাঁর পূর্বে ছিলেন … মৃত্যু ধাবিত হতো তিনি যেখানেই গমন করতেন।

৩ - আর সিংহ কি তার সদৃশ ব্যতীত অন্য কিছু জন্ম দেয়? … সুতরাং এই হাসান তাঁরই প্রতিচ্ছবি ও অনুরূপ।

৪ - কিন্তু যদি সহনশীলতা ও প্রজ্ঞাকে কোনো বিচারের মানদণ্ডে ওজন করা হতো … তবে তারা বলত—জেনে রেখো—তিনি ছাবীর পাহাড়ের ন্যায় সুউচ্চ ও ভারী।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭৩)
[18]

وقال:

الطويل

1 - لَعَمْرِي لقدْ عُمّرتُ في الدّهْرِ بُرْهَةً … ودانتْ لي الدنيا بِوَقْعِ البواتِرِ

2 - وأُعْطِيتُ حُمْرَ المالِ والحُكْمَ والنُّهَى … ولي سَلَّمَتْ كُلُّ الملوكِ الجبابرِ

3 - فَأَضْحَى الذي قد كانَ مِمّا يَسرّني … كَحُكْمٍ مَضَى في المُزْمَنَاتِ الغوابِرِ

4 - فيا ليتني لم أَعْنِ في الملكِ سَاعةً … ولم أَسْعَ في لَذّاتِ عَيْشٍ نواضرِ

5 - وكنتُ كذي طِمْرَيْنِ عاشَ ببلغةٍ … فلم يَكُ حتى زارَ ضِيقَ المقابرِ
[১৮]

এবং তিনি বলেছেন:

দীর্ঘ ছন্দ (তওয়ীল)

১ - আমার জীবনের শপথ! আমি এ যুগে দীর্ঘকাল বেঁচে ছিলাম... আর তীক্ষ্ণ তরবারির আঘাতে দুনিয়া আমার বশ্যতা স্বীকার করেছিল।

২ - আমাকে দেওয়া হয়েছিল দামী সম্পদ, রাজত্ব ও প্রজ্ঞা... আর সমস্ত প্রতাপশালী রাজা আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল।

৩ - ফলে যা কিছু আমাকে আনন্দ দিত, আজ তা এমন হয়ে গেছে... যেন তা অতীত যুগে অতিবাহিত হয়ে যাওয়া কোনো ফয়সালা।

৪ - হায়! আমি যদি রাজত্বের জন্য এক মুহূর্তও শ্রম না দিতাম... আর যদি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনের ভোগ-বিলাসের অন্বেষণ না করতাম!

৫ - আর আমি যদি দুই টুকরো জীর্ণ বস্ত্র পরিহিত এমন ব্যক্তি হতাম যে সামান্য জীবনোপকরণ নিয়ে বেঁচে থাকে... এবং এভাবেই শেষ পর্যন্ত সংকীর্ণ কবরে গিয়ে উপস্থিত হয়।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭৪)
[19]

وقال معاوية في عبد الله بن عباس:

الطويل

1 - إذا قالَ لم يَتْرُكْ مَقَالاً ولم يقف … لِعِيّ ولم يَثْنِ اللسَانَ عَلَى هُجْرِ

2 - يُصْرّفُ بالقولِ اللِسَانَ إذا انتحَى … ويَنْظُرُ في أعطافِهِ نَظَرَ الصّقْرِ
[১৯]

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস সম্পর্কে মুআবিয়া বলেছেন:

আত-তাবিল ছন্দ

১ - যখন তিনি কথা বলেন, তখন তিনি আর কোনো বক্তব্যের অবকাশ রাখেন না এবং জড়তার কারণে থেমে যান না … আর তিনি স্বীয় জিহ্বাকে কোনো অশ্লীলতার দিকে পরিচালিত করেন না।

২ - যখন তিনি কোনো বিষয়ের প্রতি মনোনিবেশ করেন, তখন বক্তব্যের মাধ্যমে স্বীয় জিহ্বাকে চালিত করেন … এবং বাজপাখির ন্যায় তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে এর সকল দিক পর্যবেক্ষণ করেন।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭৫)
[20]

وقال:

الطويل

1 - تَطَاولتُ للضّحَاكِ حَتّى رَدَدْتُهُ … إلى حَسَبٍ في قومه مُتَقَاصِرِ
[২০]

এবং তিনি বললেন:

আত-তউয়ীল

১ - আমি আদ-দাহহাকের মোকাবিলায় শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করলাম, অবশেষে তাকে তার সম্প্রদায়ের মধ্যে এক হীন আভিজাত্যের দিকে ফিরিয়ে দিলাম। … এটি তার স্বগোত্রের মধ্যে অত্যন্ত সংকীর্ণ।
(খণ্ড: ১) দিওয়ান মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (পৃষ্ঠা: ৭৬)
[21]

وقال:

الطويل

1 - أَرَى العَفْوَ عَنْ عُلْيَا قُريشٍ وَسِيلَةً … إلى اللهِ في اليومِ العَبُوسِ القُمَاطِرِ

2 - ولَسْتُ أَرَى قَتْلِي فَتىً ذا قَرَابَةٍ … لَهُ نَسَبٌ في حَيِّ كَعْبٍ وعَامرِ

3 - بَلِ الْعَفْوَ عَنْهُ بَعْدَمَا خابَ قَدْحُهُ … وزَلّتْ به إِحْدَى الجُدودِ العَواثِرِ
[২১]

তিনি বলেন:

আত-তাবিল (ছন্দ)

১ - আমি কুরাইশদের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শনকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি মাধ্যম মনে করি সেই ভয়াবহ ও অত্যন্ত কঠিন দিনে।

২ - আর আমি আত্মীয়তা রয়েছে এমন কোনো যুবককে হত্যা করা সমীচীন মনে করি না, যার বংশীয় সম্পর্ক কাব ও আমির গোত্রের সাথে বিদ্যমান।

৩ - বরং তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এবং দুর্ভাগ্যের কারণে তার পদস্খলন ঘটার পর তাকে ক্ষমা করে দেয়াই শ্রেয়।