(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: -)
الإنباه فى ذكر القبائل الرواة - ت التركي القسم: الأنساب
الكتاب: الإنباه في ذكر قبائل الرواة
[مطبوع في صدر الجزء الأول من كتاب الاستيعاب]
المؤلف: أبو عمر يوسف بن عبد الله بن محمد بن عبد البر (ت 463 هـ)
المحقق: عبد الله بن عبد المحسن التركى
الناشر: مركز هجر للبحوث والدراسات العربية والإسلامية - مصر
الطبعة: الأولى، 1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 176
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 صفر 1446
বর্ণনাকারী গোত্রসমূহের আলোচনায় সতর্কতা - আল-তুর্কির সম্পাদনা বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: আল-ইনবাহ ফি জিকরিল কাবায়িলির রুওয়াত (বর্ণনাকারী গোত্রসমূহের আলোচনায় সতর্কতা)
[আল-ইসতিআব গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের শুরুতে মুদ্রিত]
লেখক: আবু উমর ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি)
সম্পাদক: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আল-তুর্কি
প্রকাশক: হাজার সেন্টার ফর অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ - মিশর
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭৬
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ সফর ১৪৪৬
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৪)
الإنباه على قبائل الرواه [*]--------------------------------------------
বর্ণনাকারীদের গোত্রসমূহের পরিচয়[*]--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
[وبه أستعينُ، وعليه توكُّلي
أخبَرنا الشيخُ الإمامُ الأديبُ أبو الفضلِ محمدُ بنُ بُنَيْمانَ بن يوسفَ بن أبي بكرٍ رحمه الله وأثابه الجنةَ قراءةً منِّي عليه في دارِه في شَوَّالٍ من سنةِ إحدى وسبْعين وخمسِمائةٍ، قلتُ له: أخبْرَكم الحافظُ أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ أبي نَصْرٍ الحميديُّ رحمه الله فيما كَتَب إليك، قال: أخبرنا الشيخُ الجليلُ الحافظُ أبو عمرَ يوسفُ بنُ عبدِ اللهِ بن محمدِ بن عبدِ البرِ النَّمَريُّ إذنًا، قال الفقيهُ أبو عمرَ يوسفُ بنُ عبدِ اللهِ بن عبدِ البرِّ النَّمَرِيُّ]
(1):
الحَمدُ للهِ ذي القُدرَةِ والآلاءِ، والعَظَمَةِ والكبرياءِ، فاطرِ الأرضِ والسَّماءِ، الذي خلَقَنا من نفسٍ واحِدةٍ، وخَلَقَ مِنها زوجَهَا وَبَثَّ مِنهما رجالًا كثيرًا ونساءً، وجعَلَهم شُعوبًا وقبائلَ، وبايَنَ بينَهم بالفضائلِ، وتعبَّدَهم بالأقوالِ والأعمالِ؛ ليبلُوَهم أيكفُرونَ أم يشكُرُونَ؟ لا لحاجَةٍ إليهم، {إِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ} [العنكبوت: 6].
وصلَّى الله علَى محمدٍ خاتَمِ النبيينَ
(2)، أمَّا بعدُ:
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
[এবং তাঁরই নিকট আমি সাহায্য প্রার্থনা করি ও তাঁরই ওপর আমার ভরসা।
শাইখ, ইমাম, সাহিত্যিক আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন বুনাইমান বিন ইউসুফ বিন আবু বকর (আল্লাহ তাঁকে রহমত করুন এবং জান্নাত দান করুন) পাঁচশত একাত্তর হিজরি সালের শাওয়াল মাসে তাঁর গৃহে আমার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমি তাঁকে বললাম: হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবু নাসর আল-হুমাইদি (আল্লাহ তাঁকে রহমত করুন) আপনার নিকট যা লিখেছেন তাতে কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন: মহান শাইখ, হাফেজ আবু উমর ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বার আন-নামারি অনুমতিক্রমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ফকিহ আবু উমর ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বার আন-নামারি বলেন]
(১):
সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সক্ষমতা ও নেয়ামতসমূহের অধিকারী, এবং মহত্ত্ব ও গরিমান্বিত, পৃথিবী ও আকাশের স্রষ্টা; যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এক সত্তা হতে এবং তা থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁদের দু’জন থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন, আর তাঁদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন এবং তাঁদের মাঝে শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে পার্থক্য করে দিয়েছেন; এবং তিনি তাঁদের কথা ও কাজের মাধ্যমে ইবাদতে নিয়োজিত করেছেন, যাতে তিনি তাঁদের পরীক্ষা করতে পারেন যে, তাঁরা কি অকৃতজ্ঞ হয় নাকি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে? তাঁদের প্রতি কোনো মুখাপেক্ষিতার কারণে নয়, “নিশ্চয়ই আল্লাহ বিশ্বজগত থেকে অমুখাপেক্ষী” [আনকাবুত: ৬]।
এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদের ওপর
(২), অতঃপর:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৬)
فإِنِّي ذكَرْتُ في كتابي هذا أُمَّهاتِ القبائلِ التي روَت عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وقرَّبْتُ ذلك واختصَرْتُه وبيَّنْتُه، وجعَلْتُه دليلًا علَى أصولِ الأنسابِ، ومَدخلًا إلى كتابي في مَعْرفةِ
(1) الصَّحابةِ رضي الله عنهم؛ ليكونَ عونًا للناظِر فيه، ومُنَبِّهًا على ما يُحتاجُ إليه من معرفةِ الأنسابِ، فإنَّه علمٌ لا يليقُ جهلُه بذوِي
(2) الهِممِ والآدابِ؛ لمَا فيه مِن صلَةِ الأرحامِ، والوقوفِ إلَى
(3) ما ندَبَ إليه النبيُّ صلى الله عليه وسلم بقولِه
(4) صلى الله عليه وسلم: "تعلَّمُوا مِن أنسابِكم ما تصِلُونَ به أرحامَكم".
روَى أَنسُ بنُ عياضٍ، عن عبدِ المَلِكِ بن عيسَى الثَّقفيِّ، عن عبدِ اللهِ بن يزيدَ مولَى المُنبعِثِ، عن أبي هريرةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: "تعلَّمُوا مِن أنسابِكم ما تصِلُونَ به أرحامَكم؛ فإِنَّ صِلَةَ الرَّحِم محبَّةٌ في الأهلِ، مَثراةٌ
(5) في المالِ، مَنسأةٌ في الأجَلِ"
(6).
وقالَ عمرُ بنُ الخطَّابِ رضي الله عنه: تعلَّمُوا
(7) أنسابَكم؛ تصِلُوا بها
(8)--------------------------------------------
নিশ্চয়ই আমি আমার এই গ্রন্থে সেই প্রধান গোত্রগুলোর কথা উল্লেখ করেছি যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি বিষয়টিকে নিকটবর্তী, সংক্ষিপ্ত ও সুস্পষ্ট করেছি এবং একে বংশবিদ্যার মূলনীতির প্রমাণস্বরূপ ও সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-কে জানার বিষয়ে আমার গ্রন্থের প্রবেশিকা হিসেবে নির্ধারণ করেছি; যেন এটি পাঠকারীর জন্য সহায়ক হয় এবং বংশবিদ্যার প্রয়োজনীয় জ্ঞানের ব্যাপারে সতর্ককারী হয়। কেননা এটি এমন এক বিদ্যা যার অজ্ঞতা উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও শিষ্টাচারী ব্যক্তিদের জন্য শোভনীয় নয়; কারণ এতে রয়েছে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে যেদিকে উৎসাহিত করেছেন তা অনুধাবন করা: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় সম্পর্কে ততটুকু জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে।"
আনাস বিন আইয়াজ বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন ঈসা আস-সাকাফী থেকে, তিনি আল-মুনবাইস-এর মুক্তদাস আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় সম্পর্কে ততটুকু জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে; কারণ আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা পরিবারে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে, সম্পদে প্রাচুর্য আনে এবং আয়ু বৃদ্ধি করে।"
(৬)।
আর উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় শিক্ষা করো; এর মাধ্যমে তোমরা আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে পারবে
(৮)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৭)
أرحامَكم، ولا تكونُوا كنَبَطِ السَّوادِ إذا سُئل أحَدُهم: مِمَّن أنت؟ قالَ: من قريةِ كذا، فواللهِ إنَّه لَيكونُ بينَ الرَّجُلِ وبينَ أخيهِ الشيءُ، لو يعلَمُ الذي بينَه وبينَه مِن دُخْلَةِ الرَّحِمِ
(1) لوزَعَه
(2) ذلك منِ
(3) انتهاكِه
(4).
ولعمرِي ما أنصَفَ القائلُ: إِنَّ عِلمَ النَّسَبِ علمٌ لا يَنفَعُ، وجَهالةٌ لا تضُرُّ؛ لأنَّه بيِّنٌ نفعُه؛ لِما قدَّمْنا ذِكرَه، ولما [يُرْوَى عن النبيِّ]
(5) صلى الله عليه وسلم أنَّه قالَ: "كُفرٌ باللهِ تبرُّؤٌ مِن نَسَبٍ وإِن دَقَّ، وكفرٌ باللهِ ادِّعاءٌ إلى نَسَبٍ لا يُعرَفُ"
(6)، ورُوِيَ عن أبي بكرٍ الصِّديقِ رضي الله عنه مِثلُه
(7)، وقالَ صلى الله عليه وسلم: "مَن ادَّعَى إلى غيرِ أبيهِ، أو انتمَى إلى غيرِ مَواليه، فعلَيه لعنةُ اللهِ والملائكةِ والنَّاسِ أجمَعينَ، لا يقبَلُ اللهُ مِنه صَرفًا ولا عَدلًا"
(8).
--------------------------------------------
...আপনাদের আত্মীয়তার বন্ধনসমূহ; আর তোমরা নাবাতুস সাওয়াদের (ইরাকের অনারব কৃষক) মতো হয়ো না, যাদের কাউকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়: "আপনি কার বংশের?" সে বলে: "আমি অমুক গ্রামের।" আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই একজন ব্যক্তি এবং তার ভাইয়ের মাঝে এমন কিছু ঘটে, যদি সে তাদের মধ্যকার আত্মীয়তার ঘনিষ্ঠতা
(১) সম্পর্কে জানত, তবে তা তাকে অন্যের মর্যাদা লঙ্ঘন করা
(৪) থেকে
(৩) বিরত রাখত
(২)।
আমার জীবনের কসম! সেই বক্তা ইনসাফ করেনি যে বলে: "বংশবিদ্যার জ্ঞান এমন জ্ঞান যা কোনো উপকারে আসে না, আর এর অজ্ঞতা কোনো ক্ষতি করে না।" কারণ এর উপকারিতা সুস্পষ্ট; যা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি এবং যেহেতু [নবী থেকে বর্ণিত হয়েছে]
(৫) (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে তিনি বলেছেন: "আল্লাহর সাথে কুফরি হলো বংশপরিচয় অস্বীকার করা যদিও তা সূক্ষ্ম (দূরবর্তী) হয়, আর আল্লাহর সাথে কুফরি হলো এমন বংশের দাবি করা যা পরিচিত নয়"
(৬)। আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে
(৭)। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরও বলেছেন: "যে ব্যক্তি নিজের পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করে, অথবা নিজের প্রকৃত অভিভাবক ছাড়া অন্য কারো প্রতি নিজেকে সম্বন্ধযুক্ত করে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের লানত। আল্লাহ তার কোনো ফরজ বা নফল ইবাদত কবুল করবেন না"
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৮)
ولو كانَ لا منفعةَ فيه لما اشتغَلَ العُلماءُ به، فهذا أبو بكرٍ الصِّديقُ رضي الله عنه، كانَ أعلَمَ الناسِ بالنَّسبِ
(1)، وكذلك جُبيرُ بنُ مُطْعِمٍ، وابنُ عباسٍ [بذلك مِن أعلَمِ الناسِ]
(2).
وهو علمُ العَربِ الذي به كانوا يتفاضَلُون، وإليه ينتسبُون
(3)، وقد ذكَرَ ابن وهبٍ، عن مالكِ بن أنسٍ، أنَّه قالَ: كانَ ابْنُ شِهَابٍ مِن أَعلَمٍ الناسِ بالأنسابِ، وكانَ أَخَذَ ذلك مِن عبدِ اللهِ ثَعْلَبَةَ بن بن صُعَيرٍ وغيرِه، قالَ: فبينا هو يومًا جالسٌ عندَ عبدِ اللهِ بن ثَعلَبةَ يتعلَّمُ مِنه الأنساب، إذ سأله عن شيءٍ مِنَ الفقه، فقال له: إن كنتَ تُريدُ هذا الشأنَ فعلَيك بهذا الشيخِ، يعنِي سعيدَ بنَ المُسيَّبِ
(4).
قالَ: وسمِعْتُ مالكًا يقولُ: لم يكُنْ معَ ابن شِهابٍ كتابٌ إِلَّا كتابٌ فيه نسَبُ قومِه، يعنِي قُريشًا
(5).
وقد رُوِيَ عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ الوجوه الصِّحاحِ ما يدُلُّ علَى علمِه
--------------------------------------------
যদি এতে কোনো উপকার না থাকত, তবে আলেমগণ এটি নিয়ে ব্যস্ত হতেন না। এই যে আবু বকর সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বংশবিদ্যা বিষয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী ছিলেন
(১)। অনুরূপভাবে জুবায়ের বিন মুতঈম এবং ইবনে আব্বাসও [এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে অধিক জ্ঞানী ছিলেন]
(২)।
এটি আরবদের এমন এক বিদ্যা যার মাধ্যমে তারা একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করত এবং এর মাধ্যমেই তারা বংশীয় পরিচয় প্রদান করত
(৩)। ইবনে ওয়াহাব ইমাম মালেক ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: ইবনে শিহাব (যুহরী) বংশবিদ্যা বিষয়ে মানুষের মধ্যে অধিক জ্ঞানী ছিলেন। তিনি এই বিদ্যা আব্দুল্লাহ বিন সা'লাবা বিন সুআইর ও অন্যদের থেকে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন: একদিন তিনি আব্দুল্লাহ বিন সা'লাবার নিকট বসে বংশবিদ্যা শিখছিলেন, এমন সময় তিনি তাকে ফিকহ্ শাস্ত্রের কোনো বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি তাকে বললেন: তুমি যদি এই শাস্ত্রটি অর্জন করতে চাও, তবে এই শায়খের নিকট যাও; অর্থাৎ সাঈদ ইবনে মুসাইয়িবের কাছে
(৪)।
তিনি বলেন: আমি মালেককে বলতে শুনেছি: ইবনে শিহাবের নিকট তার কওম অর্থাৎ কুরাইশ বংশের নসবনামা সম্বলিত একটি কিতাব ছাড়া অন্য কোনো কিতাব ছিল না
(৫)।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সহীহ সূত্রে এমন বর্ণনা পাওয়া যায় যা তাঁর এ বিষয়ক জ্ঞানের প্রমাণ দেয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৯)
بأنسابِ العَربِ، مِنها [ما روَاه معمرٌ وغيرُه، عن أيوبَ، عن ابن سيرينَ، عن أبي هريرةَ، قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "أسلمُ وغِفارٌ وشيءٌ من جهينةَ ومُزينةَ خيرٌ عندَ الله تعالى يومَ القِيامةِ مِن تميم وأسدٍ وخُزيمةَ وهَوازِنَ وعَطَفَانَ"
(1)، والآثارُ في مثلِ ذلك عنه كثيرةٌ]
(2).
أخبَرَنا عبدُ [الوارثِ بنُ سفيانَ]
(3)، قال: حدّثنا قاسمُ بنُ أصبغَ، قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ زُهيرٍ، قالَ: حدّثنا منصورُ بنُ أبي مُزاحِمٍ، قالَ: حدّثنا أبو بكرِ بنُ عيَّاشٍ، عن أبي حَصِينٍ، عن سعيدِ بن جُبَيرٍ، عن ابن عباسٍ في قولِه عز وجل: {وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ} [الحجرات: 13]، قالَ: الشعوبُ البُطُونُ الجُمّاعُ
(4)، والقبائلُ الأفخاذُ
(5).
قالَ أحمدُ بنُ زُهَيْرٍ
(6): وحدَّثنا
(7) محمدُ بنُ بكَّارٍ، قالَ: حدّثنا أبو
--------------------------------------------
আরবদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে, তার মধ্যে [মা'মার ও অন্যরা আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আসলাম, গিফার এবং জুহাইনা ও মুজাইনার কিছু লোক কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর কাছে তামীম, আসাদ, খুজাইমা, হাওয়াজিন এবং গাতাফানের চেয়ে উত্তম"
(১), এবং এই বিষয়ে তাঁর থেকে বর্ণিত আসার (বর্ণনা) অনেক]
(২)।
আবদুল [ওয়ারিস ইবনে সুফিয়ান]
(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাসিম ইবনে আসবাগ, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে জুহাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মানসুর ইবনে আবু মুজাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হাসীন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: {এবং আমি তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি} [আল-হুজুরাত: ১৩], তিনি বলেন: 'শুউব' (জাতি) হলো বংশের সম্মিলিত মূল ধারা
(৪), আর 'কাবাইল' (গোত্র) হলো উপশাখা বা ক্ষুদ্রতর গোষ্ঠী
(৫)।
আহমদ ইবনে জুহাইর
(৬) বলেছেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন
(৭) মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১০)
مَعشَرٍ، عن محمدِ بن كَعبٍ
(1): {وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ} [المعارج: 13] قال
(2): قبيلَتُه التي يُنسَبُ إليها.
قالَ
(3): وَحدَّثنا منصورُ بنُ أبي مُزاحِمٍ ويحيَى بْنُ مَعِينٍ، قالا: حدَّثنا سُفيانُ بنُ عُيَيْنَةَ، عن ابن أبي نَجيحٍ، عن مُجاهدٍ
(4): {وَإِنَّهُ لَذِكْرٌ لَكَ وَلِقَوْمِكَ} [الزخرف: 44]، قالَ: يُقالُ: مِمَّن الرَّجُلُ؟ فيُقال: مِنَ العَربِ، فيُقالُ: مِن أيِّ العَربِ؟ فيُقالُ: مِن قُرَيشٍ.
وأخبَرَنا عبدُ الوارثِ بنُ سُفيانَ، قالَ: حدّثنا قاسمُ بنُ أصبَغَ، قالَ: حدَّثنا محمدُ بنُ عبدِ السلام الخُشَنِيُّ، قالَ: حدَّثنا نصرُ بنُ علِيٍّ الجَهِضَمِيُّ، قال: حدَّثنا الأصمَعِيُّ، قالَ: حدَّثنا [إسحاقُ بنُ]
(5) يحيَى بن طلحةَ، قال: جئْتُ سعيدَ بنَ المُسيَّبِ، فسلَّمْتُ عليه فرَدَّ عليَّ، فقلْتُ: علِّمْنِي النَّسَب، فقالَ: أنت تُريدُ أن تُسابَّ الناسَ، ثمَّ قالَ لي: مَن أنت؟ فقلتُ: أنا ابن
(6) يحيَى بن طلحةَ، فضمَّنِي إليه، وقالَ:
--------------------------------------------
মা'শার থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ ইবনে কাব
(১) থেকে: {এবং তার গোষ্ঠী যারা তাকে আশ্রয় দান করত} [আল-মাআরিজ: ১৩] তিনি বলেন
(২): তার সেই গোত্র যার সাথে তাকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়।
তিনি বলেন
(৩): মানসুর ইবনে আবি মুজাহিম এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ
(৪) থেকে: {আর এটি অবশ্যই আপনার জন্য এবং আপনার কওমের জন্য এক উপদেশ ও মর্যাদা} [আজ-জুখরুফ: ৪৪], তিনি বলেন: বলা হয়: লোকটি কোত্থেকে? তখন বলা হয়: আরব থেকে। তারপর বলা হয়: আরবদের কোন গোত্র থেকে? তখন বলা হয়: কুরাইশ থেকে।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসিম ইবনে আসবাগ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-খুশানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে আলি আল-জাহদামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসমায়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [ইসহাক ইবনে]
(৫) ইয়াহইয়া ইবনে তালহা, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়্যিবের নিকট আসলাম এবং তাকে সালাম দিলাম, তিনি সালামের উত্তর দিলেন। আমি বললাম: আমাকে বংশবিদ্যা শিক্ষা দিন। তখন তিনি বললেন: তুমি তো মানুষকে গালিগালাজ করতে চাও। তারপর তিনি আমাকে বললেন: তুমি কে? আমি বললাম: আমি
(৬) ইয়াহইয়া ইবনে তালহার পুত্র। তখন তিনি আমাকে নিজের সাথে জড়িয়ে নিলেন এবং বললেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১১)
ائتِ محمدًا ابني؛ فإنَّ عنده ما عندي، إنَّما هي شعوبٌ وقبائلُ وبطونٌ وعمائرُ وأفخاذٌ وفصائلُ
(1).
وقال
(2) الخَليلُ
(3): العِمارةُ أكثرُ
(4) مِنَ القَبيلة، قال
(5): والفَصيلةُ فخِذُ الرَّجُلِ وقومُه.
وَقالَ المُفسِّرونَ في قولِ اللهِ تعالى: {وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ}: عشيرَتُه الأدْنَونَ
(6).
وقالَ أهلُ النَّسب: الشعوبُ الجماهيرُ والجراثيمُ التي تفرَّقَت منها العَربُ، ثمَّ تفرَّقَتِ القبائلُ مِنَ الشعوب، ثمَّ تفرَّقَتِ العمائرُ مِنَ القبائل، ثمَّ تفرَّقَتِ البطونُ مِنَ العمائر، ثمَّ تفرَّقَتِ الأفخاذُ مِنَ البطونِ، ثمَّ تفرَّقَتِ الفصائلُ مِنَ الأفخاذِ، وليس دونَ الفصائلِ شيءٌ.
فصيلةُ الرَّجُل: رَهْطُه الأدنَى وبنو أبيهِ، وقد قيلَ: بعدَ الفصيلة العشيرةُ، وليس بعدَ العشيرةِ شيءٌ، فهي عندَهم شعوبٌ وقبائلُ، ثمَّ ما
--------------------------------------------
আমার পুত্র মুহাম্মাদের কাছে যাও; কেননা আমার কাছে যা আছে তা তার কাছেও আছে। এগুলো কেবল শুয়ুব (বৃহৎ জাতি), কাবাইল (গোত্র), বুতুন (বংশ), আমাঈর (উপ-গোত্র), আফখাজ (শাখা-গোত্র) এবং ফাসাইল (নিকটতম আত্মীয়-পরিজন)
(১)।
এবং আল-খলীল
(৩) বলেছেন
(২): 'ইমারাহ' হলো 'কবিলা' (গোত্র) অপেক্ষা বড়
(৪)। তিনি আরও বলেছেন
(৫): 'ফাসিলা' হলো কোনো ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয় (ফখিজ) এবং তার সম্প্রদায়।
মুফাসসিরগণ মহান আল্লাহর বাণী: {এবং তার স্বগোত্র যারা তাকে আশ্রয় দান করত} এর ব্যাখ্যায় বলেছেন: তার নিকটতম আত্মীয়-পরিজন
(৬)।
বংশবিদগণ বলেন: 'শুয়ুব' হলো সেই বিশাল জনগোষ্ঠী এবং মূল শেকড় যেখান থেকে আরবদের বিস্তৃতি ঘটেছে। অতঃপর শুয়ুব থেকে কাবাইল (গোত্রসমূহ) পৃথক হয়েছে। এরপর কাবাইল থেকে আমাঈর (উপ-গোত্রসমূহ) পৃথক হয়েছে। এরপর আমাঈর থেকে বুতুন (বংশসমূহ) পৃথক হয়েছে। এরপর বুতুন থেকে আফখাজ (শাখা-গোত্রসমূহ) পৃথক হয়েছে। এরপর আফখাজ থেকে ফাসাইল (নিকটতম আত্মীয়-পরিজন) পৃথক হয়েছে। আর ফাসাইলের নিচে আর কোনো স্তর নেই।
কোনো ব্যক্তির ফাসিলা হলো: তার নিকটতম আত্মীয় এবং তার পিতৃগোষ্ঠী। কেউ কেউ বলেছেন: ফাসিলার পরে হলো 'আশিরা' (গোষ্ঠী), আর আশিরার পরে আর কিছু নেই। সুতরাং তাদের নিকট এগুলো হলো শুয়ুব ও কাবাইল, অতঃপর যা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১২)
دونَ القبائلِ عمائرُ وبطونٌ، ثمَّ ما دونَ البطونِ أفخاذٌ وفصائلُ
(1).
وفي قولِ اللهِ تعالى: {شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا} [الحجرات: 13]، دليلٌ واضحٌ على تعلُّمِ الأنسابِ، واللهُ الموِّفقُ للصواب.
قالَ أبو عمرَ: هذا كتابٌ أخذْتُه مِن أُمَّهاتِ كتُبِ أهلِ
(2) العلمِ بالنَّسَبِ وأيام العَربِ بعدَ مُطالَعتِي لها، ووقوفي على أغراضِها، فمِن ذلك: كتابُ أبي بكرٍ محمدِ بنِ إسحاقَ
(3)، وكتابُ أبي المُنذِرِ هشام ابن محمدِ بنِ السَّائبِ الكَلبِيِّ
(4)، وكتابُ أبي عُبيدَةَ مَعْمَرِ بن المُثَنَّى
(5)، وكتابُ محمدِ بنِ عَبْدة بنِ سُليمانَ
(6)، وكتابُ محمدِ بنِ حبيبٍ
(7)، وكتابُ أبي عبدِ اللهِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ حُميدٍ
(8) العَدَويِّ في نسَبِ قُريشٍ، وكتابُ الزُّبير بن بكَّارٍ
(9) في نسَبِ قُريشٍ، وكتابُ
--------------------------------------------
কাবিলাহ (গোত্র)-এর নিচে রয়েছে আমায়ির ও বুতুন, অতঃপর বুতুনের নিচে রয়েছে আফখায ও ফাসাইল
(১)।
আল্লাহ তাআলার বাণী: {তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো} [আল-হুজুরাত: ১৩], এতে বংশবিদ্যা শেখার ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল রয়েছে। আর আল্লাহই সঠিক পথের তাওফীকদাতা।
আবু উমর বলেন: এটি এমন একটি কিতাব যা আমি বংশবিদ্যা ও আরবদের ইতিহাস (আইয়ামুল আরব) বিষয়ক বিদগ্ধ পণ্ডিতদের
(২) মৌলিক গ্রন্থসমূহ অধ্যয়ন করার পর এবং সেগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্যক অবগত হয়ে সংকলন করেছি। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের কিতাব
(৩), আবুল মুনযির হিশাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িব আল-কালবীর কিতাব
(৪), আবু উবায়দাহ মা'মার ইবনুল মুসান্নার কিতাব
(৫), মুহাম্মদ ইবনে আবদাহ ইবনে সুলায়মানের কিতাব
(৬), মুহাম্মদ ইবনে হাবীবের কিতাব
(৭), কুরাইশদের বংশপরিচয় বিষয়ে আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ
(৮) আল-আদাভীর কিতাব এবং কুরাইশদের বংশপরিচয় বিষয়ে যুবাইর ইবনে বাক্কারের কিতাব
(৯)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
عمِّه مُصْعَبِ بنِ عبدِ اللهِ الزُّبيريِّ
(1) في ذلك، وكتابُ عليِّ بنِ كَيسان الكوفيِّ
(2) في أنساب العَرب قاطبةً، وكتابُ عليِّ بن عبد العزيز الجُرجانِيِّ
(3)، وكتابُ عبدِ الملك بن حبيبٍ الأندلُسيِّ
(4)، إلَى فِقَرٍ قيَّدْتُها مِنَ الحديثِ والآثارِ
(5)، ونوادرَ اقتطَعْتُها
(6) مِن كُتبِ أهل الأخبار، وأخَذْتُ مِن ذلك كلِّه عيونَه، وما يجِبُ الوقوفُ عليه، ويجملُ بأهلِ الأدَبِ والكمالِ معرفَتُه والانتسابُ إليه، واللهُ المُعينُ لا شريك له، وهو حسبِي ونِعمَ الوكِيلُ.
--------------------------------------------
তাঁর চাচা মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আল-যুবাইরী
(১) এর এই বিষয়ক রচনা, এবং সমস্ত আরবদের বংশপরিচয় বিষয়ে আলী ইবনে কায়সান আল-কুফী
(২) এর কিতাব, এবং আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-জুরজানী
(৩) এর কিতাব, এবং আব্দুল মালিক ইবনে হাবীব আল-আন্দালুসী
(৪) এর কিতাব, এছাড়াও হাদিস ও আসার
(৫) থেকে সংগ্রহ করা কিছু অনুচ্ছেদ, এবং ইতিহাসবিদদের কিতাবসমূহ থেকে চয়ন করা
(৬) কিছু দুর্লভ তথ্যাবলি; আমি সেই সমস্ত কিছু থেকে এর নির্যাস এবং যা অবগত হওয়া আবশ্যক তা গ্রহণ করেছি, আর যা আদব ও পূর্ণতার অধিকারীদের জন্য জানা এবং তার সাথে সম্পৃক্ত হওয়া শোভনীয়। আর আল্লাহই সাহায্যকারী, তাঁর কোনো শরিক নেই, তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
قال محمدُ بنُ عبدَةَ بن سُليمانَ النَّسَّابةُ
(1): أجمَعَ النَّسابونَ جميعًا -العدنانيَّةُ والقحطانيَّةُ والأعاجمُ- على أنَّ إبراهيمَ خليلَ الله عليه السلام مِن ولَدِ عابَرَ بن شالَخَ بن أرفخشَذَ بنِ سَامِ بنِ نوحٍ
(2).
عدنانُقال محمدُ بنُ عبدَةَ: وأجمَعُوا أنَّ عدنانَ مِن ولَدِ إسماعيل بن إبراهيمَ عليهما السلام، إلَّا أنَّهم اختلَفُوا فيما بين عدنانَ وإسماعيلَ مِنَ الآباءِ، فذُكِرَ عن طائفةٍ سبعةُ آباءٍ بينَهما، و
(3) عن طائفةٍ مثلُ ذلك إلَّا أنَّها خالَفَتها في بعضِ الأسماءِ، وعن طائفةٍ تسعةُ
(4) آباءٍ مُخالِفةً أيضًا في بعضِ الأسماءِ، وعن طائفةٍ خمسة عشَرَ أبًا بين عدنانَ وإسماعيل.
ثمَّ قال: وأمَّا الذين جعَلُوا بينَ عدنانَ وبينَ إسماعيلَ أربعين أبًا، فإنَّهم استخرَجُوا ذلك مِن كتابِ رخْيَا، وهو يُورخُ كاتبُ أَرْمِيَا النبيِّ
(5) عليه السلام، وكانا قد حمَلا
(6) مَعَدَّ بن عدنانَ مِن جزيرة
--------------------------------------------
মুহাম্মদ ইবনে আবদাহ ইবনে সুলাইমান আন-নাসসাবাহ
(১) বলেন: আদনানি, কাহতানি এবং অনারব—সকল বংশবিদ এই ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, আল্লাহর খলিল ইবরাহিম আলাইহিস সালাম হলেন আবির ইবনে শালিহ ইবনে আরফাখশাদ ইবনে সাম ইবনে নুহ-এর বংশধর
(২)।
আদনানমুহাম্মদ ইবনে আবদাহ বলেন: তাঁরা এই ব্যাপারেও একমত যে, আদনান হলেন ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আলাইহিমাস সালাম-এর বংশধর। তবে তাঁরা আদনান এবং ইসমাইলের মধ্যবর্তী পিতৃপুরুষদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ করেছেন। তাঁদের মধ্যবর্তী সংখ্যা সম্পর্কে এক দল সাতজন পিতৃপুরুষের কথা উল্লেখ করেছেন, এবং
(৩) অন্য একটি দলও অনুরূপ সংখ্যা উল্লেখ করেছেন, তবে তারা কিছু নামের ক্ষেত্রে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। আবার অন্য একটি দল নয়জন
(৪) পিতৃপুরুষের কথা উল্লেখ করেছেন যাঁরা নামের ক্ষেত্রেও ভিন্ন। আর অন্য এক দল আদনান ও ইসমাইলের মাঝে পনেরোজন পিতৃপুরুষের কথা উল্লেখ করেছেন।
অতঃপর তিনি বলেন: আর যাঁরা আদনান ও ইসমাইলের মাঝে চল্লিশজন পিতৃপুরুষ নির্ধারণ করেছেন, তাঁরা তা রাখিয়া-এর কিতাব থেকে গ্রহণ করেছেন; আর তিনি হলেন নবী ইরমিয়া
(৫) আলাইহিস সালাম-এর লেখক ইউরিখ। এবং তাঁরা উভয়েই
(৬) মা'আদ ইবনে আদনানকে জাজিরা (উপদ্বীপ) থেকে বহন করেছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
العَربِ ليالِيَ
(1) بُخْتَنصَّرَ، فأثبَتَ رَخْيَا في كتُبِه نسبةَ عدنانَ، فهو معروفٌ عندَ أحبارِ أهلِ الكتاب وعُلمائِهم، مُثبتٌ في أسفارهم.
قال: وقد وجَدْنا طائفةٌ مِن عُلماء العَربِ تحفَظُ لَمَعَدٍّ أربعينَ أبًا بالعربيَّةِ إلى إسماعيلَ عليه السلام، وتحتَجُّ في أسمائِهم بالشِّعرِ مِن شعر أُمَيَّةَ بن أبي الصَّلتِ وغيره من عُلماءِ الشُّعراء
(2) بأمر الجاهليَّةِ، ومُطالعة الكتُبِ، وكلُّ الطَّوائف تقولُ: عدنانُ بنُ أُدَدَ، إِلَّا طائفةً قالت
(3): عدنانُ بنُ أدِّ بن أُدَدَ
(4).
قال أبو عمر: الاختلافُ فيما بينَ عدنانَ وإسماعيلَ عليه السلام من عددِ الآباء كثيرٌ جدًّا، نذكُرُ مِنه في كتابِنا هذا ما يقِفُ به النَّاظِرُ فِيهِ على البُغيةِ منه، وحسْبُه أن يَعلَمَ أنَّه لا خلافَ بين جماعةِ أهلِ العلمِ بالنَّسب وأيَّام العَربِ أنَّ عدنانَ مِن ولَدِ إسماعيلَ بن إبراهيم عليهما السلام، وإنَّمَا اختلفُوا في قحطانَ، وسنذكُرُ الاختلاف في قحطانَ في موضعِه مِن هذا الكتابِ
(5).
وقد روى موسى بنُ يعقُوبَ بنِ عبدِ اللهِ بن وهبِ بنِ زَمْعةَ الزَّمْعِيُّ، عن عمَّتِه، عن أمِّ سَلَمَةَ، قالت: سَمِعْتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم يقولُ:
--------------------------------------------
আরবদের বুখতানাসসারের
(১) দিনগুলোতে, তাই রাখিয়া তার কিতাবসমূহে আদনানের বংশলতিকা সাব্যস্ত করেছেন। ফলে তিনি আহলে কিতাবের পণ্ডিত ও আলেমদের নিকট পরিচিত এবং তাদের কিতাবসমূহে তা লিপিবদ্ধ আছে।
তিনি বলেন: আমরা আরব আলেমদের এমন এক দলকে পেয়েছি যারা মা’দ-এর জন্য ইসমাইল আলাইহিস সালাম পর্যন্ত চল্লিশজন পিতার নাম আরবিতে মুখস্থ রাখেন। তারা জাহেলিয়াত আমলের বিষয়াবলি ও কিতাবসমূহ অধ্যয়নের ক্ষেত্রে উমাইয়া ইবনে আবিস সালত ও অন্যান্য আলেম কবিদের
(২) কবিতা থেকে এ নামগুলোর স্বপক্ষে দলিল পেশ করেন। সকল দলই বলে: আদনান ইবনে উদাদ; কেবল একটি দল বলেছে
(৩): আদনান ইবনে আদ্দ ইবনে উদাদ
(৪)।
আবু ওমর বলেন: আদনান এবং ইসমাইল আলাইহিস সালাম-এর মধ্যবর্তী পিতৃপুরুষের সংখ্যার ব্যাপারে মতভেদ অনেক বেশি। আমরা আমাদের এই কিতাবে তা থেকে ততটুকুই উল্লেখ করব যা দ্বারা পাঠক তার উদ্দিষ্ট বিষয়ে অবগত হতে পারে। তার জন্য এতটুকু জানাই যথেষ্ট যে, নসববিদ এবং আরবদের ইতিহাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ আলেমদের মাঝে এ বিষয়ে কোনো মতভেদ নেই যে আদনান হলেন ইব্রাহিম ও ইসমাইল আলাইহিমাস সালাম-এর বংশধর। তারা কেবল কাহতানের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। আমরা এই কিতাবের নির্দিষ্ট স্থানে কাহতানের ব্যাপারে মতভেদ উল্লেখ করব
(৫)।
আর মুসা ইবনে ইয়াকুব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব ইবনে জামআহ আল-জাময়ি তার ফুফু থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
"مَعَدُّ بنُ عدنانَ بنِ أُدَدَ بنِ زَبَدِ
(1) بنِ يَرَا
(2) بنِ أعراقِ الثَّرَى"، قالَت أمُّ سلَمةَ: فَزَبَدٌ
(3) هو الهَمَيْسَعُ، ويَرَا (2) هو نبتٌ، وأعراقُ الثَّرَى هو إسماعيلُ بنُ إبراهيمَ عليهما السلام
(4).
فهذا أرفَعُ ما رُوِيَ في ذلك وأولى ما قيلَ
(5) فيه، فاللهُ أعلَمُ.
ورُوِيَ عن داودَ بن أبي هندٍ أنَّه قالَ: حفِظَتِ العَربُ أنسابَها إلى أُدَدَ
(6).
ورُوِيَ عنِ
(7) ابن لهيعَةَ، عن أبي الأسودِ، أنَّه سمِعَ عروة بنَ الزُّبيرِ يقولُ: ما وجَدْنا أَحَدًا يعرِفُ ما وراءَ مَعَدِّ بنِ عدنانَ
(8).
--------------------------------------------
"মাদ ইবনে আদনান ইবনে উদাদ ইবনে যাবাদ
(১) ইবনে ইয়ারা
(২) ইবনে আওরাকুস সারা", উম্মু সালামাহ বলেন: যাবাদ
(৩) হলো হামাইসা, ইয়ারা (২) হলো একটি উদ্ভিদ, আর আওরাকুস সারা হলেন ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম আলাইহিমাস সালাম
(৪)।
এই বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ এবং যা বলা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য
(৫), আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: আরবরা তাদের বংশতালিকা উদাদ
(৬) পর্যন্ত মুখস্থ রেখেছে।
ইবনে লাহিয়াহ থেকে বর্ণিত
(৭), তিনি আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনে যুবাইরকে বলতে শুনেছেন: আমরা এমন কাউকে পাইনি যিনি মাদ ইবনে আদনানের পরবর্তী (পূর্বপুরুষদের) পরিচয় জানেন
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قالَ: وقالَت عائشةُ رضي الله عنها: ما وجَدْنا أحَدًا يعرفُ ما وراءَ
(1) عدنانَ، ولا وراءَ قحطانَ إِلَّا تخرُّصًا
(2).
وقال أبو الأسود يتيمُ عروةَ: سمِعْتُ أبا بكرِ بنَ
(3) سُليمانَ بن أبي حثْمَةَ -وكان أعلَمَ قُريشٍ بأشعارِهم وأنسابِهم- يقولُ: ما وجَدْنا أَحَدًا يعلمُ ما وراءَ مَعَدِّ بنِ عدنانَ في شعرِ شاعرٍ، ولا علمِ عالمٍ
(4).
وروى أبو الأسودِ أيضًا عن عروةَ وغيرِه، أنَّ عمرَ بنَ الخطَّابِ رضي الله عنه قالَ: النَّسَبُ
(5) إِلَى عدنانَ، وما بعدَه
(6) لا أدري ما هو
(7).
وقالَ العَدويُّ: لا أعلَمُ أَحَدًا مِنَ الشُّعراء بلَغَ في شعرِه عدنانَ، إلا لبيدَ بنَ ربيعةَ وعباسَ بنَ مِرداسٍ السُّلَميَّ؛ قالَ لبيدٌ
(8):
فَإِنْ لَمْ تَجِدْ مِن دُونِ عَدنانَ والدًا
… ودُونَ مَعَدٍّ فلتزَعْكَ العَواذِلُ
وقال عباسُ بنُ مِرداسٍ
(9):
--------------------------------------------
তিনি বলেন: আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন: আমরা কাউকে আদনানের ঊর্ধ্বে
(১) কিংবা কাহতানের ঊর্ধ্বে (বংশধারা সম্পর্কে) কোনো কিছু অনুমান
(২) ছাড়া জানতে পাইনি।
আর উরওয়ার পালকপুত্র আবুল আসওয়াদ বলেন: আমি আবু বকর বিন
(৩) সুলায়মান বিন আবি হাসমাহকে বলতে শুনেছি—আর তিনি ছিলেন কুরাইশদের কাব্য ও বংশধারা সম্পর্কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী—তিনি বলেন: আমরা কোনো কবির কবিতায় কিংবা কোনো জ্ঞানীর জ্ঞানে মা'দ বিন আদনানের ঊর্ধ্বের (বংশধারা সম্পর্কে) অবগত কাউকে পাইনি
(৪)।
আবুল আসওয়াদ উরওয়া ও অন্যদের থেকে আরও বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: বংশপরিচয়
(৫) আদনান পর্যন্তই, আর এর পরের
(৬) বিষয় সম্পর্কে আমি জানি না তা কী
(৭)।
আদাউয়ী বলেন: আমি কবিদের মধ্যে এমন কাউকে জানি না যে তার কবিতায় আদনান পর্যন্ত পৌঁছেছে, লাবীদ বিন রাবিয়াহ এবং আব্বাস বিন মিরদাস আস-সুলামী ব্যতীত; লাবীদ বলেছেন
(৮):
যদি তুমি আদনানের নিচে কোনো পিতা খুঁজে না পাও
… এবং মা'দ-এর নিচে, তবে তিরস্কারকারীরা যেন তোমাকে নিবৃত করে।
এবং আব্বাস বিন মিরদাস বলেছেন
(৯):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وعَكُّ بنُ عدْنانَ الَّذِينَ تَلَعَّبُوا
(1) … بغسَّانَ حَتَّى طُرِّدُوا كُلَّ مَطْرَدِ
قال ابنُ هشامٍ
(2): غسَّانُ ماءٌ بسدِّ مأربَ باليمن
(3)، كان [شِرْبًا لولدِ]
(4) مازن بن الأزد بن الغَوثِ
(5) فسُمُّوا به، ويُقالُ: غسَّانُ ماءٌ بالمُشلَّلِ
(6) قريبٌ مِنَ الجُحفَةِ
(7)، والذين شرِبُوا مِنه فسمُّوا به قبائلُ مِن وَلَدِ مازن بن الأزدِ.
قالَ أبو عمرَ: يشهَدُ لهذا قولُ حسانَ بنِ ثابتٍ
(8):
إمَّا سَألْتِ
(9) فإنَّا مَعشَرٌ نُجُبٌ
… الأزْدُ نسبَتُنا والمَاءُ غَسَّانُ
وقالَ قيسُ بنُ الخَطيمِ
(10):
ويَوْمَ بُعَاثٍ
(11) أَسْلَمَتنَا سُيُوفُنَا
… إِلَى نَسَبٍ فِي جِذْمِ غَسَّانَ ثَاقبِ
(12)--------------------------------------------
আদনানের পুত্র আক্ক, যারা গাসসানের সাথে খেলত
(১) ... পরিশেষে তারা পুরোপুরি বিতাড়িত হয়েছিল।
ইবনে হিশাম বলেন
(২): গাসসান হলো ইয়ামেনের মারেব বাঁধের নিকটবর্তী একটি পানির আধার, যা আল-গাওসের পুত্র আল-আজদের পুত্র মাজিনের সন্তানদের [পানীয় জল]
(৪) ছিল
(৫), ফলে তারা এর নামে নামাঙ্কিত হয়। আবার বলা হয়: গাসসান হলো আল-মুশাল্লাল নামক স্থানের একটি পানি
(৬) যা আল-জুহফার নিকটবর্তী
(৭); যারা তা থেকে পান করেছিল, তারা এর নামে নামাঙ্কিত হয়েছিল এবং তারা আল-আজদের পুত্র মাজিনের বংশধরদের গোত্রসমূহ।
আবু উমর বলেন: হাসসান বিন সাবিতের
(৮) এই উক্তিটি এর সাক্ষ্য দেয়:
যদি তুমি জিজ্ঞাসা করো
(৯), তবে আমরা হলাম এক অভিজাত সম্প্রদায়
... আল-আজদ হলো আমাদের বংশীয় পরিচয় আর গাসসান হলো আমাদের পানি।
কায়েস বিন আল-খাতীম
(১০) বলেছেন:
আর বুআসের দিন
(১১) আমাদের তলোয়ারগুলো আমাদের অর্পণ করেছিল
... গাসসানের মূলে এক উজ্জ্বল বংশপরিচয়ের কাছে
(১২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وسيأتي ذكرُ مَن انتسَبَ إِلَى غسَّانَ مِن بني جَفنَةَ وغيرِهم عندَ ذكرِ الأنصارِ في موضعِه مِن هذا الكتابِ إن شاء اللهُ
(1).
وقد روَى الكَلبِيُّ، عن أبي صالحٍ، عن ابنِ عباسٍ، قال: كانَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم إذا انتهَى في النَّسَبِ إلى معدِّ بن عدنانَ، قال: "كذَبَ النَّسابونَ؛ قالَ اللهُ عز وجل: {وَقُرُونًا بَيْنَ ذَلِكَ كَثِيرًا} "
(2) [الفرقان: 38]، وليس هذا الإسنادُ بالقويِّ.
وقال آخرون: لم يتجاوز النبيُّ صلى الله عليه وسلم فِي النَّسَبِ النَّضرَ بنَ كِنانةَ.
وهذا لو صحَّ كانَ معناه في نسبةِ قريشٍ خاصَّةً، لا في علمِه بأنسابِ العَربِ، وقد جاءَ عنه صلى الله عليه وسلم مِن وجوهٍ ما يدُلُّ على ما تأوَّلناه عليه في ذلك.
وكانَ قومٌ مِنَ السَّلفِ؛ مِنهم عبدُ الله بنُ مسعودٍ، وَعَمرُو بنُ ميمونٍ الأوديُّ، ومحمدُ بنُ كعبٍ القُرَظيُّ إذا تلَوا: {وَالَّذِينَ مِنْ بَعْدِهِمْ لَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا اللَّهُ} [إبراهيم: 9] قالوا: كذَبَ النَّسابونَ
(3).
ومعنى الآية
(4) عندنا علَى غيرِ ما ذهَبُوا إليه، وإنَّما المعنى فيها -
--------------------------------------------
বনু জাফনা এবং অন্যদের মধ্য থেকে যারা গাসসানের বংশোদ্ভূত, তাদের আলোচনা এই কিতাবের যথাযথ স্থানে আনসারদের আলোচনার সময় আসবে, ইনশাআল্লাহ
(১)।
কালবী আবু সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বংশপরম্পরা বর্ণনায় মাআদ বিন আদনান পর্যন্ত পৌঁছাতেন, তখন বলতেন: "বংশবিদগণ মিথ্যা বলেছে; আল্লাহ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত বলেছেন: {এবং এর মধ্যবর্তী সময়ে অনেক প্রজন্ম (অতিবাহিত হয়েছে)}।"
(২) [আল-ফুরকান: ৩৮], তবে এই সনদটি শক্তিশালী নয়।
অন্যান্যরা বলেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বংশপরম্পরা বর্ণনায় নাযর বিন কিনানাহকে অতিক্রম করতেন না।
এটি যদি সহীহ হয়ে থাকে, তবে এর অর্থ হবে কেবল কুরাইশদের বংশপরম্পরার ক্ষেত্রে, আরবদের বংশপরম্পরা সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানের ক্ষেত্রে নয়। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এমন কিছু বর্ণনা এসেছে যা এ বিষয়ে আমাদের এই ব্যাখ্যার স্বপক্ষে প্রমাণ পেশ করে।
সালাফদের একদল; যাদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আমর বিন মাইমুন আল-আওদী এবং মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাযী, তারা যখন পাঠ করতেন: {এবং তাদের পরবর্তী যারা আছে, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না} [ইবরাহীম: ৯], তখন বলতেন: বংশবিদগণ মিথ্যা বলেছে
(৩)।
আমাদের নিকট এই আয়াতের
(৪) অর্থ তারা যা গ্রহণ করেছেন তার বিপরীত, বরং এর অর্থ হলো -
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২০)
والله أعلَمُ- تكذيبُ مَن ادَّعَى إحصاءَ بني آدَمَ، [والإعلامُ بأنَّ الذي خلَقَهم أحْصاهم عددًا]
(1)، وحدَه لا شريك له، واللهُ أعلمُ.
وأمَّا أنسابُ العَربِ فإنَّ أهلَ العلم بأيامِها وأنسابِها قد وعوا وحفِظُوا جماهيرَها وأُمَّهاتِ قبائلها، واختلَفُوا في بعضِ فروع ذلك، وسترَى في كتابِنا هذا ما أجمَعُوا علَيه، وكثيرًا ممَّا اختلَفُوا فيه إن شاء الله.
والذي عليه أئمَّةُ هذا الشَّأنِ
(2) في نسَب عدنانَ، قالوا: عدنانُ بنُ أُدَدَ بنِ مُقوَّم بنِ ناحورَ بنِ تَيْرَحَ بن يعرُبَ بنِ يشجُبَ بن نابتِ
(3) بنِ إسماعيلَ بن إبراهيمَ خليلِ الرَّحْمَنِ بنِ تارَحَ -وهو آزَرُ
(4) - بن ناحورَ بنِ ساروحَ
(5) بنِ راغُو
(6) بن فالَخَ
(7) بنِ عَيْبَرَ بنِ شَالَخَ بنِ أرفخشَذَ بنِ سَامِ ابن نوح بن لامِكَ
(8) بنِ مُتَوَشْلِخَ بنِ خَنُوخَ -وهو إدريسُ النبيُّ صلى الله عليه وسلم فيما يزعُمُون والله أعلَمُ، وكانَ أَوَّلَ نبيٍّ أُعطي النبوة
(9)، وخطَّ بالقلم-
--------------------------------------------
আর আল্লাহই ভালো জানেন—বনী আদমের (আদম সন্তানদের) সংখ্যা নিরূপণের দাবিদারকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা, [এবং এ সংবাদ প্রদান করা যে, যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি তাদের সংখ্যা গণনা করেছেন]
(১), তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
আর আরবদের বংশপরম্পরার ব্যাপারে কথা হলো, তাদের ইতিহাস ও বংশবিদ্যা বিশারদগণ তাদের মূল জনসমষ্টি ও গোত্রসমূহের উৎসগুলো আয়ত্ত করেছেন ও সংরক্ষণ করেছেন। তবে তারা এর কিছু শাখা-প্রশাখার ক্ষেত্রে মতভেদ করেছেন। ইনশাআল্লাহ, আপনি আমাদের এই কিতাবে তাদের ঐকমত্যপূর্ণ বিষয়গুলো এবং তাদের মতভেদের অনেক বিষয় দেখতে পাবেন।
আদনানের বংশপরম্পরার ব্যাপারে এই শাস্ত্রের ইমামগণ
(২) যা ব্যক্ত করেছেন তা হলো, তারা বলেন: আদনান বিন উদাদ বিন মুকাউওয়িম বিন নাহুর বিন তাইরাহ বিন ইয়ারুব বিন ইয়াশজুব বিন নাবিত
(৩) বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম খলিলুর রহমান বিন তারাহ —যিনি হলেন আজর
(৪)— বিন নাহুর বিন সারুহ
(৫) বিন রাগু
(৬) বিন ফালাখ
(৭) বিন আইবার বিন শালাখ বিন আরফাখশাদ বিন সাম বিন নুহ বিন লমিক
(৮) বিন মুতাওয়াশলিহা বিন খানুখ —যিনি হলেন নবী ইদ্রিস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ভাষ্যমতে, আর আল্লাহই ভালো জানেন। তিনি ছিলেন প্রথম নবী যাকে নবুওয়াত দান করা হয়েছিল
(৯) এবং যিনি কলম দিয়ে লিখেছিলেন—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২১)
ابن يَرْدِ بنِ مَهْليلَ بنِ قَيْنانَ
(1) بن يانُشَ بنِ شيثَ بن آدَمَ صلى الله عليه وسلم.
قالَ ابنُ هشامٍ
(2): حدَّثَنا زيادُ بنُ عبدِ اللهِ البكَّائيُّ، عن محمدِ بنِ إسحاقَ المُطَّلِبِيِّ، بهذا الذي ذكَرْتُ مِن نَسَبِ عدنان إلَى آدَمَ، وما فيه مِن حديث إدريسَ وغيرِه.
قالَ ابنُ هشامٍ
(3): وحدَّثنا خلَّادُ بنُ قُرَّةَ بن خالدٍ السَّدوسيُّ، عن شيبانَ بنِ زُهيرِ بنِ شقيقِ بنِ ثورٍ، عن قَتادةَ بنِ دِعامةَ أنَّه قال: إسماعيلُ ابنُ إبراهيمَ خليلِ اللهِ بنِ تارَحَ -وهو آزَرُ- بنِ ناحورَ بنِ أَشْوَعَ
(4) بنِ أرغُوَ بنِ فالِحَ
(5) بنِ عابَرَ بن شالِحَ
(6) بنِ الْفَخْشَدَ
(7) بنِ سامِ بنِ نوحِ بنِ لامِكَ بنِ مُتَوَشْلِخَ بنِ أَهَيْجَ
(8) بنِ يَرْدِ بنِ مَهْلَائِلَ
(9) بن قاين
(10) بن أنوشَ بنِ شيثَ بنِ آدمَ.
وقالَ خَليفَةُ بنُ خَيَّاطٍ
(11) عنِ ابنِ الكَلبيِّ، عن أبيهِ، عن أبي
--------------------------------------------
ইয়ারদ-এর পুত্র মাহলীল, তিনি কায়নান-এর পুত্র
(১), তিনি ইয়ানুশ-এর পুত্র, তিনি শীষ-এর পুত্র, তিনি আদম-এর পুত্র (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)।
ইবনে হিশাম
(২) বলেন: যিয়াদ বিন আবদুল্লাহ আল-বাক্কায়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-মুত্তালিবী থেকে, আদনান থেকে আদম পর্যন্ত যে বংশপরম্পরা আমি উল্লেখ করেছি এবং তাতে ইদ্রিস ও অন্যদের সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কে।
ইবনে হিশাম
(৩) বলেন: খাল্লাদ বিন কুররাহ বিন খালিদ আস-সাদুসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শায়বান বিন যুহায়ের বিন শাকিক বিন সাওর থেকে, তিনি কাতাদাহ বিন দি’য়ামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম (আল্লাহর খলীল) ইবনে তারাহ—যিনি আজর—ইবনে নাহুর ইবনে আশওয়া
(৪) ইবনে আরগু ইবনে ফালিহ
(৫) ইবনে আবির ইবনে শালিহ
(৬) ইবনে আল-ফাখশাদ
(৭) ইবনে সাম ইবনে নূহ ইবনে লামিক ইবনে মুতাওয়াশলিখ ইবনে আহাইজ
(৮) ইবনে ইয়ারদ ইবনে মাহলাইল
(৯) ইবনে কাইন
(১০) ইবনে আনুশ ইবনে শীষ ইবনে আদম।
এবং খলিফা বিন খাইয়াত
(১১) ইবনে আল-কালবী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর পিতার থেকে (বর্ণনা করেছেন)...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২২)
صالحٍ، عن ابن عباسٍ، قال: بينَ مَعَدِّ بن عدنانَ إلى إسماعيلَ عليه السلام ثلاثونَ أبًا.
وبإسنادِه عن ابن عباسٍ، قالَ: كانَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم إذا انتهَى إلى عدنانَ أمسَكَ، ثمَّ يقولُ: "كذَبَ النَّسابونَ؛ قالَ اللهُ عز وجل: {وَقُرُونًا بَيْنَ ذَلِكَ كَثِيرًا} " [الفرقان: 38]
(1).
وقالَ ابنُ جُريجٍ، عنِ القاسم بن أبي بَزَّةَ، عن عِكرمةَ
(2): أضلَّت نِزارٌ نسبَها مِن عدنانَ
(3).
ومن أحسَنِ ما جاءَ في ذلك أيضًا ما نظَمَه أبو العباس عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ الناشِئُ في قصيدةٍ يمدَحُ بها رسولَ الله صلى الله عليه وسلم، وهي
(4) قولُه
(5):
مدَحْتُ رسولَ اللهِ أبغِي بمَدْحِه
… وفُورَ حُظوظي من كريم المَآوِبِ
(6)مدَحْتُ امرأً فاتَ المديحَ مُوَحَّدًا
… بأوصافِهِ من
(7) مُبعِدٍ أو مُقارِبِ
نَبِيًّا تسامَى في المَشارِقِ نورُهُ
… فلاحَتْ هَوادِيهِ لأَهلِ المَغارِبِ
أتَتْنا بهِ الأنباءُ قبلَ مَجِيئِهِ
… وشاعَتْ بِهِ الأخبارُ في
(8) كُلِّ جَانِبِ
وأَصْبَحَتِ الكُهَّانُ تَهتِفُ باسمِهِ
… وتَنْفِي بهِ رَجْمَ الظُّنونِ الكَواذِبِ
--------------------------------------------
সালিহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মাআদ ইবনে আদনান থেকে ইসমাঈল আলাইহিস সালাম পর্যন্ত ত্রিশজন পূর্বপুরুষ রয়েছেন।
এবং ইবনে আব্বাস থেকে তাঁর সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আদনান পর্যন্ত পৌঁছাতেন তখন থেমে যেতেন, তারপর বলতেন: "বংশলতিকাবিদগণ মিথ্যা বলেছেন; আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: {এবং এর অন্তর্বর্তীকালে অনেক প্রজন্ম} [আল-ফুরকান: ৩৮]"
(১)।
ইবনে জুরাইজ আল-কাসিম ইবনে আবি বায্যাহ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন
(২): নিযার ইবনে মাআদ আদনান পর্যন্ত তাদের বংশ পরিচয় হারিয়ে ফেলেছিল
(৩)।
এই বিষয়ে বর্ণিত সর্বোত্তম বিষয়গুলোর মধ্যে আবু আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাশি-এর সেই কাসিদা অন্যতম, যাতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রশংসা করেছেন। সেটি
(৪) হলো তাঁর এই
(৫) উক্তি:
আমি আল্লাহর রাসূলের প্রশংসা করেছি, তাঁর প্রশংসার মাধ্যমে আমি উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থলে আমার ভাগ্যের পূর্ণতা কামনা করি
(৬)আমি এমন এক ব্যক্তির প্রশংসা করেছি যিনি অনন্য সত্তা হিসেবে প্রশংসার ঊর্ধ্বে, তাঁর গুণাবলির বর্ণনায় দূরবর্তী
(৭) কিংবা নিকটবর্তী কেউই তাঁর সমকক্ষ হতে পারে না
তিনি এমন এক নবী যার নূর প্রাচ্যে সমুন্নত হয়েছে, আর তাঁর হিদায়াতের আলো প্রতীচ্যের অধিবাসীদের কাছে প্রকাশিত হয়েছে
তাঁর আগমনের পূর্বেই তাঁর সংবাদ আমাদের কাছে পৌঁছেছে এবং তাঁর খবর সব
(৮) দিকে ছড়িয়ে পড়েছে
গণকরা উচ্চস্বরে তাঁর নাম ধরে ডাকতে শুরু করেছে এবং তাঁর মাধ্যমে তারা মিথ্যা ধারণাপ্রসূত অনুমানগুলোকে দূর করছে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وأُنطِقَتِ الأصنامُ نُطْقًا تَبرَّأتْ
… إلَى اللهِ فيهِ مِن مَقالِ الأَكاذِبِ
وقَالَتْ لأهل الكُفْرِ قَولًا مُبيِّنًا
… أتَاكُم نبيٌّ من لُؤَيِّ بن غالِبِ
ورامَ اسْتِراقَ السَّمْع جِنٌّ فَزِيَّلَتْ
… مقاعدَهم مِنهَا رُجُومُ الكَواكِبِ
هَدانا إِلَى مَا لَم نَكُنْ نَهْتِدِي لَهُ
… لطُولِ العَمَى مِن واضحاتِ المَذاهِبِ
وجَاءَ بآياتٍ تُبَيِّنُ أَنَّهَا
… دلائِلُ جَبَّارٍ مُثِيبٍ مُعاقِبِ
فَمِنهَا انشِقَاقُ البَدْرِ حِينَ تَعَمَّمَتْ
… شُعُوبَ الضِّيا مِنْهُ رُءُوسَ الأخاشِبِ
(1)ومِنهَا نُبُوعُ المَاءِ بَينَ بَنانِهِ
… وقد عَدِمَ الوُرَّادُ قُرْبَ المَشارِبِ
فرَوَّى بهِ جَمًّا غَفِيرًا وأسهَلَتْ
… بأعناقه طَوْعًا أَكُفُّ المَذَانِبِ
(2)وبئرٌ طَفَتْ
(3) بِالمَاءِ مِن مَسِّ سَهْمه
… ومِن قَبْلُ لم تسمَحْ بِمَذْقَةِ
(4) شارِبِ
وضَرْعٌ مَرَاهُ فَاستَدَرَّ ولَمْ تكُنْ
… به دِرَّهٌ
(5) تُصغَى إِلَى كَفِّ حالِبِ
ونُطْقٌ فَصِيحٌ مِن ذِرَاعٍ مُبِينَةٍ
… لكَيْدِ عَدُوٍّ للعَداوة ناصِبِ
وإخبارُه بالأمرِ مِن قَبْلِ كَوْنِه
… وعندَ بوادِيه بما في العَواقِبِ
--------------------------------------------
প্রতিমাগুলোকে বাকশক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং তারা আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদীদের কথা হতে নিজেদের নির্দোষ ঘোষণা করেছিল
… তারা কুফরি অবলম্বনকারীদের উদ্দেশ্যে সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছিল
… লুআই বিন গালিবের বংশ থেকে এক নবী তোমাদের নিকট এসেছেন
আর জিনেরা আড়ি পেতে সংবাদ শোনার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু নক্ষত্রের পতন (উল্কাপিণ্ড)
… তাদের বসার স্থানগুলো থেকে তাদের বিতাড়িত করেছিল
তিনি আমাদের এমন বিষয়ের দিকে পথপ্রদর্শন করেছেন, দীর্ঘকালীন অন্ধত্বের কারণে যার সুস্পষ্ট পথগুলোর সন্ধান আমরা পেতাম না
… তিনি এমন সব নিদর্শন নিয়ে এসেছেন যা স্পষ্ট করে দেয় যে, এগুলো
… মহা প্রতাপশালী, পুরস্কার দানকারী ও শাস্তি প্রদানকারী সত্তার প্রমাণ
সেসব নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হওয়া, যখন তার জ্যোতির বিচ্ছুরণ
… আখাশিব পাহাড়ের চূড়াগুলোকে আবৃত করেছিল
(১)আরও রয়েছে তাঁর আঙুলসমূহের মাঝখান থেকে পানির প্রস্রবণ প্রবাহিত হওয়া
… অথচ পিপাসার্তরা পানস্থলের সন্নিকটে কোনো পানি পাচ্ছিল না
তিনি এর মাধ্যমে এক বিশাল বাহিনীকে তৃপ্ত করেছিলেন এবং পানির নালাগুলো
… স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের দিকে প্রবাহিত হয়েছিল
(২)আর একটি কূপ তাঁর তীরের স্পর্শে পানিতে ভরে উপচে পড়েছিল
(৩) … যা এর আগে পানকারীর জন্য এক চুমুক পানীয়
(৪) দিতেও কার্পণ্য করত
আর পশুর ওলান, যা তিনি মর্দন করেছিলেন ফলে তা দুধে ভরে গিয়েছিল, অথচ এর আগে
… দোহনকারীর হাতের জন্য তাতে দুধের সামান্য ধারাও
(৫) ছিল না
আর বিষ মিশ্রিত পশুর বাহু (পা) হতে সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল কথা
… শত্রুতা পোষণকারী শত্রুর চক্রান্ত ফাঁস করে দেওয়ার জন্য
এবং কোনো বিষয় ঘটার পূর্বেই সে সম্পর্কে তাঁর সংবাদ দান
… এবং কোনো বিষয়ের সূচনালগ্নেই তার পরিণাম সম্পর্কে অবহিত করা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ومِن تِلْكُمُ الآيَاتِ وَحْيٌ أَتَى بِهِ
… قريبُ المآتي مُسْتَجِمُّ
(1) العَجائِبِ
تَقاصَرَتِ الأفكارُ عنهُ فَلم يُطِعْ
… بليغًا ولم يَخْطُرْ عَلَى قَلبِ خاطِبِ
حَوَى كلَّ عِلْمٍ وَاحْتَوَى كُلَّ حِكمةٍ
… وفاتَ مَرامَ المُسْتَمِرِّ المُوارِبِ
(2)أَتَانَا بِهِ لَا عَن رَوِيَّةِ مُرْتَئٍ
… ولَا صُحْفِ مُسْتَمْلٍ وَلَا وَصْفِ كَاتِبِ
يُواتيهِ طَوْرًا في إجَابَةِ سَائلٍ
… وإفتاءِ مُسْتَفْتٍ ووَعْظِ مُخاطَبِ
وإتيانِ بُرْهانٍ وفَرْضِ شَرائعٍ
… وقَصِّ أحاديثٍ ونَصِّ مآرِبِ
وتَصريفِ أمثالٍ وتَثْبيتِ حُجَّةٍ
… وتَعرِيفِ ذِي جَحْدٍ وتَوقِيفِ كاذِبِ
وفي مَجْمَعِ النَّادِي وفِي حَوْمَةِ الوَغَى
… وعندَ حُدُوثِ المُعْضِلاتِ الغَرائِبِ
فَيَأتي على مَا شِئْتَ مِن طُرُقاتِه
… قَويمَ المعَانِي مُسْتَدِرَّ الضَّرائِبِ
(3)يُصدِّقُ مِنْهُ البَعْضُ بَعْضًا كَأَنَّمَا
… يُلاحَظُ مَعناهُ بعَيْنِ المُراقِبِ
وعَجْزُ الوَرَى عن أن يَجِيئُوا بِمِثْلِ مَا
… وصَفْنَاهُ مَعْلُومٌ بطُولِ التَّجارِبِ
تَأَبَّى بِعَبْدِ اللهِ أَكْرَمِ والدٍ
… تَبَلَّجَ مِنْهُ عَن كَريمِ المَناسِبِ
وشَيْبَةَ ذِي الحَمْدِ الذي فَخَرَتْ بِهِ
… قُرَيشٌ على أهلِ العُلا والمَناصِبِ
ومَن كَانَ يُسْتَسْقَى الغَمامُ بوجهِهِ
… ويُصْدَرُ عن آرائِهِ في النَّوائِبِ
وهاشمٍ الباني مَشِيدَ افتخارِهِ
… بغُرِّ المَساعِي وَامْتِنانِ المَواهِبِ
وعبدِ مَنَافٍ وَهْوَ عَلَّمَ قومَه اشْـ
… ـتِطاطَ الأمَانِي واحْتِكامَ الرَّغائِبِ
وإنّ قُصَيًّا مِن كريم غِرَاسَةٍ
… لفِي مَنْهَلٍ لم يَدْنُ مِن كَفِّ قَاضِبٍ
(4)--------------------------------------------
আর সেসব নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে ওহী, যা তিনি নিয়ে এসেছেন
… যার নিকটবর্তী আগমন বিস্ময়ে ভরপুর
(১)।
চিন্তা ও গবেষণা এর উচ্চতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে, ফলে এটি কোনো
… বাগ্মী ব্যক্তির বশীভূত হয়নি এবং কোনো বক্তার হৃদয়েও উদিত হয়নি।
এটি সমস্ত জ্ঞান ধারণ করেছে এবং সমস্ত প্রজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছে
… আর এটি সুদৃঢ় ও ধূর্ত ব্যক্তির লক্ষ্যকেও ছাড়িয়ে গেছে
(২)।
তিনি এটি আমাদের নিকট নিয়ে এসেছেন, যা কোনো চিন্তাবিদের ভাবনাপ্রসূত নয়
… কোনো শ্রুতিলিখকের পাণ্ডুলিপি নয় এবং কোনো লেখকের বর্ণনাও নয়।
এটি কখনো প্রশ্নকারীর উত্তরের ক্ষেত্রে তাঁর নিকট আসে
… আবার কখনো ফতোয়া অন্বেষণকারীর সমাধান এবং সম্বোধিত ব্যক্তির উপদেশের সময়।
কখনো প্রমাণ উপস্থাপন এবং শরীয়তের বিধান প্রবর্তনের সময়
… আবার কখনো কাহিনী বর্ণনা এবং উদ্দেশ্যের বিবরণের সময়।
কখনো উপমা পরিবর্তন ও যুক্তি সুদৃঢ়করণের সময়
… আবার কখনো অস্বীকারকারীর পরিচয় প্রদান ও মিথ্যাবাদীকে থামিয়ে দেওয়ার সময়।
সভার সমাবেশে এবং যুদ্ধের ময়দানে
… এমনকি অদ্ভুত ও জটিল সমস্যাবলি সৃষ্টির সময়ও (এটি অবতীর্ণ হয়)।
এটি তাঁর যে কোনো পথ দিয়ে আপনার অভীষ্ট অনুযায়ী আসে
… যার অর্থসমূহ সুদৃঢ় এবং যার ধরনসমূহ প্রবাহমান
(৩)।
এর একাংশ অপর অংশকে সত্যায়ন করে, যেন
… এর অর্থ কোনো পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষিত হচ্ছে।
আমরা যা বর্ণনা করেছি, তার অনুরূপ কিছু আনতে সৃষ্টির অক্ষমতা
… দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সুপরিচিত।
তিনি আবদুল্লাহর মাধ্যমে মহিমান্বিত হয়েছেন, যিনি অত্যন্ত সম্মানিত পিতা
… যাঁর থেকে তিনি এক অভিজাত বংশধারায় প্রকাশিত হয়েছেন।
এবং শায়বাহর (আবদুল মুত্তালিব) মাধ্যমে, যিনি প্রশংসার অধিকারী, যাঁর কারণে
… কুরাইশগণ উচ্চ মর্যাদা ও পদের অধিকারীদের ওপর গর্ব করত।
এবং যাঁর চেহারার উসিলায় মেঘের কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো
… এবং যাঁর মতামতের ভিত্তিতে বিপদাপদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতো।
এবং হাশেমের মাধ্যমে, যিনি স্বীয় গৌরবের প্রাসাদ নির্মাণ করেছেন
… মহৎ প্রচেষ্টা এবং অঢেল দান-দক্ষিণা দ্বারা।
এবং আবদে মানাফের মাধ্যমে, যিনি তাঁর কওমকে শিখিয়েছেন
… সুউচ্চ আকাঙ্ক্ষা ও কামনা-বাসনার নিয়ন্ত্রণ।
আর নিশ্চয়ই কুসাই এক সম্মানজনক রোপণ থেকে উদ্ভূত
… তিনি এমন এক প্রস্রবণে আছেন যেখানে কোনো কর্তনকারীর হাত পৌঁছাতে পারেনি
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
به جَمَعَ اللهُ القَبَائِلَ بعدَما
… تَقَسَّمَها نَهْبُ الأكُفِّ السَّوالِبِ
وحَلَّ كِلابٌ مِن ذُرَى المَجْدِ مَعْقِلًا
… تَقاصَرَ عنهُ كلُّ دانٍ وغائِبِ
(1)ومُرَّةُ لم يَحْلُلْ مَرِيرَةَ
(2) عَزْمِهِ
… سفاهُ سَفِيهٍ أو [مَحُوبةُ حائِبِ]
(3)وكَعْبٌ عَلا عن طَالب المَجدِ كَعْبُهُ
… فنالَ بأدْنَى السَّعْي أعلَى المَراتِبِ
وألْوَى لُؤَيٌّ بالعُداةِ فَطُوِّعَتْ
… لَهُ هِمَمُ الشُّمِّ الأُنوفِ الأغالِبِ
وفي غالبٍ بَأْسٌ أَبَى البَأسُ دُونَهمْ
… يُدافِعُ عنهُم كُلَّ قِرْنٍ مُغالِبِ
وكَانَتْ لفِهْرٍ فِي قُريشٍ خَطَابَةٌ
… يَعُوذُ
(4) بهَا عِندَ اشْتِجارِ المَخَاطِبِ
(5)ومَازَالَ مِنهم مالِكٌ خيرَ مَالكٍ
… وأَكْرَمَ مَصْحُوبٍ وأَكرَمَ صَاحِبِ
وللنَّضْرِ طَوْلٌ يَقْصُرُ الطَّرْفُ دونَه
… بحيثُ الْتَقَى ضَوءُ النُّجومِ الثَّواقِبِ
وعَمْرِي
(6) لقد أَبْدَى كِنانَةُ بعده
(7) … محاسِنَ تأبَى أن تَطُوعَ لغَالِبِ
ومِن قَبْلِهِ أبْقَى خُزَيْمَةُ حَمْدَهُ
… تَلِيدَ تُراثٍ عن حَميدِ الأقارِبِ
ومُدْرِكَةٌ لم يُدْرِكِ النَّاسُ مِثْلَه
… أعَفَّ وأعْلَى عن دَنِيءِ المَكَاسِبِ
وإلياسُ كَانَ اليَأْسُ مِنْهُ مُقارِنًا
… لأعدائِهِ قَبْلَ اعْتِدَادِ
(8) الكتائِبِ
--------------------------------------------
তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ গোত্রসমূহকে একত্রিত করেছেন, যখন
… লুটেরা হস্তের লুণ্ঠন তাদের বিভক্ত করে দিয়েছিল।
এবং কিলাব গৌরবের শিখরে এমন এক আশ্রয়স্থলে অবস্থান নিলেন,
… যার কাছে পৌঁছাতে নিকটবর্তী বা দূরবর্তী সকলেই ব্যর্থ হয়।
(১)আর মুররার সংকল্পের দৃঢ়তাকে
(২) কোনো
… মূর্খের মূর্খতা বা কোনো [পাপাচারীর পাপবোধ] টলাতে পারেনি।
(৩)এবং কা’ব-এর মর্যাদা গৌরব অন্বেষণকারীদের চেয়ে ঊর্ধ্বে উঠে গেল,
… ফলে তিনি অতি সামান্য প্রচেষ্টায় সর্বোচ্চ পদমর্যাদা লাভ করলেন।
লুআই শত্রুদের পরাস্ত করেছিলেন, ফলে উচ্চাভিলাষী,
… আত্মমর্যাদাবান ও বিজয়ী বীরদের সংকল্প তাঁর অনুগত হয়ে পড়েছিল।
আর গালিবের মধ্যে এমন বিক্রম ছিল যা তাদের ছাড়া অন্য কোথাও থাকতে অস্বীকার করত,
… তা তাদের পক্ষ হয়ে প্রত্যেক প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রতিহত করত।
কুরাইশ বংশে ফিহরের এমন এক বাগ্মিতা ছিল,
… বক্তৃতার বিবাদকালে যার আশ্রয় নেওয়া হতো।
(৪)(৫)আর তাদের মধ্যে মালিক সর্বদা শ্রেষ্ঠ অধিপতি,
… শ্রেষ্ঠ সঙ্গী এবং শ্রেষ্ঠ সহচর হিসেবে বিদ্যমান ছিলেন।
আন-নাদরের এমন শ্রেষ্ঠত্ব ছিল যার নাগাল পেতে দৃষ্টি ব্যর্থ হয়,
… যেখানে উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজির আলো মিলিত হয়।
আমার জীবনের কসম!
(৬) কিনানা তাঁর পরে
(৭) এমন সব
… গুণাবলি প্রকাশ করেছেন যা কোনো বিজয়ীর কাছে নতি স্বীকার করতে অস্বীকার করে।
তাঁর পূর্বে খুযাইমাহ তাঁর প্রশংসা রেখে গিয়েছেন,
… যা তাঁর প্রশংসিত আত্মীয়দের পক্ষ থেকে পাওয়া এক প্রাচীন উত্তরাধিকার।
আর মুদরিকা—মানুষ তাঁর মতো কাউকে পায়নি;
… তিনি ছিলেন অত্যন্ত পবিত্র এবং নীচ উপার্জন থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।
ইলিয়াসের শত্রুদের জন্য তাঁর পক্ষ থেকে হতাশা অবধারিত ছিল,
… এমনকি বাহিনীসমূহ গণনা করার
(৮) পূর্বেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وفي مُضَرٍ يَسْتَجْمِعُ الفَخرُ كلُّه
… إذا اعْتَرَكَتْ يَومًا زحُوفُ المقانِبِ
(1)وحَلَّ نِزارٌ مِن رِياسةِ أهلِهِ
… مَحَلًّا تسَامَى عن عُيُونِ الرَّواقِبِ
وكانَ مَعَدٌّ عُدَّةً لولِيِّه
… إذا خَافَ مِن كَيدِ العَدوِّ المُحارِبِ
ومَازَالَ عَدْنانُ إذا عُدَّ فَضْلُهُ
… تَوَحَّدَ فِيهِ عَن قَرِينٍ وَصَاحِبِ
وأُدٌّ تأدَّى الفضلُ مِنْهُ بِغَايَةٍ
… وَإِرْثٍ حَوَاهُ عَن قُرُومٍ
(2) أَشايِبِ
وفي أُدَدٍ حِلْمٌ تَزَيَّنَ بالحِجَا
… إذا الحِلْمُ أزْهاهُ قُطوبُ الحَواجِبِ
(3)ومَا زَالَ يَسْتَعْلِي هَمَيْسَعُ بالعُلا
… ويَتْبَعُ
(4) آمالَ البَعيدِ المراغِبِ
ونَبْتٌ بَنَتْهُ دَوحَةُ العِزِّ وابتَنَى
… معاقِلَه في مُشْمَخِرِّ
(5) الأهاضِبِ
وحيزَتْ لقيذارٍ سَمَاحةُ حَاتِمٍ
… وحِكمَةُ لُقْمَانٍ وهِمَّةُ حاجِبِ
همُ نَسْلُ إِسْمَاعِيلَ صَادِقِ وَعْدِهِ
… فَمَا بَعْدَهُ فِي الفَخْرِ مَسْعًى لذاهِبِ
وكان خليل اللهِ أَكْرَمَ مَن عَنَتْ
… لَهُ الأرضُ مِن ماشٍ عَلَيها وراكِبِ
وتارَحُ ما زالَتْ لَهُ أَرْيَحِيَّةٌ
… تُبَيِّنُ مِنه عن حَمِيدِ الضَّرائب
(6)وناحُورُ نَحَّارُ العِدَى حُفِظَتْ لَهُ
… مآثِرُ لمَّا يُحْصِها عَدُّ حَاسِبِ
وأَشْرَعُ
(7) في الهَيْجاءِ ضَيْغَمُ غابةٍ
… يَقُدُّ الطُّلَى بالمُرْهَفاتِ القَواضِبِ
--------------------------------------------
মুদারের মধ্যে সকল গৌরব পুঞ্জীভূত হয়েছে
… যখন কোনো একদিন ধাবমান অশ্বারোহী দলগুলো যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
(১)নিজার তাঁর স্বজনদের মাঝে নেতৃত্বের এমন এক আসনে
… আসীন হলেন যা পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টির অনেক ঊর্ধ্বে।
মাআদ ছিলেন তাঁর বন্ধুর জন্য এক বড় অবলম্বন
… যখন সে যুদ্ধরত শত্রুর ষড়যন্ত্রের ভয় পেত।
আদনানের শ্রেষ্ঠত্ব যখনই গণনা করা হয়, তিনি সর্বদা
… সমকক্ষ ও সঙ্গীহীনভাবে তাতে অনন্য হয়ে থাকেন।
আর উদ্দ, যাঁর মাধ্যমে চরম উৎকর্ষ অর্জিত হয়েছে
… এবং এমন এক উত্তরাধিকার তিনি লাভ করেছেন যা মহান প্রবীণ সর্দারদের থেকে প্রাপ্ত।
(২)উদাদের মধ্যে ছিল প্রজ্ঞা-শোভিত ধৈর্য
… এমনকি যখন ভ্রূকুটির কাঠিন্য সেই ধৈর্যকে বিচলিত করতে চায়।
(৩)হামাইসা সর্বদা মর্যাদার উচ্চশিখরে আরোহণ করতেন
… এবং সুদূরপ্রসারী সব আকাঙ্ক্ষার অনুসরণ করতেন।
(৪)আর নাবত, যাঁকে গড়েছে সম্মানের এক বিশাল বৃক্ষ, এবং তিনি নির্মাণ করেছেন
… তাঁর দুর্ভেদ্য দুর্গগুলো সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গে।
(৫)কাইদারের জন্য হাতেমের বদান্যতা যেন একত্র করা হয়েছে
… সাথে লোকমানের হিকমত এবং হাজিবের সুউচ্চ সংকল্প।
তাঁরাই হলেন প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যনিষ্ঠ ইসমাইলের বংশধর
… তাঁর পরে গৌরবের আর কোনো লক্ষ্য অবশিষ্ট নেই।
আল্লাহর খলীল (ইবরাহিম) ছিলেন জমিনের বুকে বিচরণকারী
… সকল পদব্রজী ও আরোহীর মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত।
আর তারাহ, যাঁর মধ্যে সর্বদা বিদ্যমান ছিল এক স্বতঃস্ফূর্ত দানশীলতা
… যা তাঁর প্রশংসনীয় স্বভাবের পরিচয় দিত।
(৬)আর নাহূর ছিলেন শত্রুদের সংহারকারী, যাঁর জন্য সংরক্ষিত রয়েছে
… এমন সব কীর্তিগাঁথা যা কোনো গণনাকারী গুণে শেষ করতে পারবে না।
আর আশরা
(৭) ছিলেন রণক্ষেত্রে অরণ্যের এক সিংহ সদৃশ
… যিনি ধারালো তরবারি দিয়ে গর্দান উড়িয়ে দিতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وأَرْغُو فنابٌ في الحُروب مُحكَّمٌ
… ضنِينٌ علَى نَفْسِ المُشِحِّ المُغالِبِ
وما فالَغٌ فى فَضْلِهِ تِلْوَ قَوْمِهِ
… ولا عَابَرٌ مِن دُونِهِمْ في المَراتِبِ
وشالَخْ وأرفَخْشَذْ وسامٌ نَمَتْ
(1) بهمْ
… سَجايَا حَمَتْهُمْ كُلَّ زارٍ وعائِبِ
ومَازَالَ نوحٌ عِندَ ذِي العَرشِ فَاضِلًا
… يُعَدِّدُه في المُصطَفَيْنَ الأطايِبِ
ولَمْكٌ
(2) أبوهُ كَانَ في الرَّوْع رائعًا
… جريئًا على نفسِ الكَمِيِّ
(3) المُضَارِبِ
ومن قبْلِ لَمكٍ لم يَزَلْ مُتَوَشْلِخٌ
… يَذُودُ العِدَى بالذَّائداتِ الشَّوازِب
(4)وكَانَتْ لإدْرِيسَ النَّبِيِّ مَنَازِلٌ
… مِنَ اللهِ لم تُقْرَنْ بِهِمَّةِ راغِبِ
ويارَدُ بَحرٌ عِندَ أَهْلِ سَرَاتِهِ
… أبيُّ الخَزايا مُسْتَدِقُّ المَآرِبِ
وكَانَتْ لِمهلائيلَ فيهم فضائلٌ
… مُهَذَّبةٌ من فاحشاتِ المَثالِبِ
وقَيْنانُ مِن قَبْلُ اقْتَنَى مَجْدَ قَومِهِ
… وفات بِشَأْوِ الفَضلِ وَخْدَ
(5) الرَّكَائِبِ
وكَانَ أَنُوشٌ نَاشَ للمَجْدِ نَفْسَهُ
… ونَزَّهَها عن مُردِياتِ المَطالِبِ
ومَازَالَ شِيثٌ بالفَضائلِ فَاضلًا
… شريفًا بَرِيئًا مِن ذَميم المعايبِ
وكُلُّهمُ مِن نُورِ آدَمَ أُقْبِسُوا
… وَعَن عُودِهِ اُجْنُوا ثِمَارَ المَناقِبِ
وكَانَ رَسُولُ اللهِ أَكرَمَ مُنْجَبٍ
… جَرَى في ظُهُورِ الطَّيِّبِينَ المَناجِبِ
مُقابَلَةٌ آبَاؤُهُ أُمّهاتِه
… مُبَرَّأةٌ مِنْ فاضحاتِ المَثالِبِ
عَلَيهِ سَلامُ اللهِ فِي كُلِّ شَارِقٍ
… ألاحَ لنا ضَوْءًا وفى كلِّ غارِبِ
(6)--------------------------------------------
এবং আরগু ছিলেন যুদ্ধে এক শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব
… কৃপণ বিজয়ী শত্রুর বিরুদ্ধে নিজ সত্তার একনিষ্ঠ রক্ষক।
আর ফালাগ স্বীয় সম্প্রদায়ের মাঝে মর্যাদায় পিছিয়ে ছিলেন না
… আর না আবার তাদের চেয়ে মর্যাদার স্তরে নিচে ছিলেন।
আর শালাখ, আরফাখশায এবং সাম, তাদের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে
… এমন স্বভাব যা তাদের রক্ষা করেছে সকল নিন্দুক ও ত্রুটি অন্বেষণকারী থেকে।
(১)এবং নূহ আরশের অধিপতির নিকট সর্বদা মর্যাদাবান ছিলেন
… তিনি তাকে গণ্য করেন মনোনীত পবিত্র বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে।
আর লামক
(২) ছিলেন তাঁর পিতা, যিনি রণক্ষেত্রে ছিলেন বিস্ময়কর
… যুদ্ধরত অস্ত্রধারী বীর যোদ্ধার
(৩) বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসী।
আর লামকের পূর্বে মুতাওয়াশলিখ সর্বদা ছিলেন এমন
… যিনি শত্রুদের বিতাড়িত করতেন দ্রুতগামী শীর্ণকায় ঘোড়ার
(৪) সাহায্যে।
আর নবী ইদ্রিসের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন উচ্চ মর্যাদা ছিল
… যা কোনো সাধারণ উচ্চাকাঙ্ক্ষীর সংকল্পের সাথে তুলনীয় নয়।
আর ইয়ারাদ ছিলেন তাঁর সম্প্রদায়ের প্রধানদের নিকট এক সমুদ্রতুল্য দানশীল
… তিনি ছিলেন লজ্জাজনক কাজ থেকে বিমুখ এবং সূক্ষ্ম উদ্দেশ্য সম্পন্ন।
আর মাহলায়ীলের মাঝে ছিল অনেক মহিমা
… যা ছিল অশ্লীল ও নিন্দনীয় ত্রুটিসমূহ থেকে পরিমার্জিত।
আর কায়নান তার পূর্বেই স্বীয় সম্প্রদায়ের গৌরব অর্জন করেছিলেন
… এবং শ্রেষ্ঠত্বের দৌড়ে দ্রুতগামী উটের
(৫) গতিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।
আর আনুশ মর্যাদার জন্য নিজের সত্তাকে নিয়োজিত করেছিলেন
… এবং নিজেকে রক্ষা করেছিলেন ধ্বংসাত্মক লক্ষ্যসমূহ থেকে।
এবং শীস সর্বদা শ্রেষ্ঠত্বের গুণে গুণান্বিত ছিলেন
… তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত এবং সকল নিন্দনীয় দোষ থেকে মুক্ত।
আর তারা সকলেই আদমের নূর থেকে আলো গ্রহণ করেছেন
… এবং তাঁর বংশধারা থেকে উত্তম গুণাবলির ফল আহরণ করেছেন।
আর আল্লাহর রাসূল ছিলেন সর্বাধিক সম্মানিত সন্তান
… যিনি পবিত্র ও শ্রেষ্ঠ পূর্বপুরুষদের পৃষ্ঠদেশ থেকে অতিবাহিত হয়ে এসেছেন।
তাঁর পিতৃপুরুষগণ এবং মাতৃগণ ছিলেন সমমর্যাদাসম্পন্ন
… এবং তারা ছিলেন লজ্জাজনক সকল ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
তাঁর ওপর আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক প্রত্যেক সূর্যোদয়ে
… যা আমাদের জন্য আলো বিচ্ছুরিত করে, এবং প্রত্যেক সূর্যাস্তে।
(৬)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
[أخبَرنا أحمدُ بنُ عبدِ اللهِ، أَخبرنا مَسْلَمةُ بنُ قاسمٍ، حدَّثنا جعفرُ ابنُ محمدِ بنِ الحسنِ الأصبهانيُّ، حدَّثنا يونسُ بنُ حبيبِ بنِ عبدِ القاهرِ الزبيريُّ، حدَّثنا أبو داودَ الطيالسيُّ، قال: حدَّثنا أبو عوانةَ، عن المغيرة، عن أبي الضحَى، عن مسروقٍ، عن عبدِ اللهِ، قال: انشقَّ القمرُ على عهدِ رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت قريشٌ: هذا سحرُ ابن أبي كَبْشَةَ، قال: فقال: انظروا ما يأتيكم به المسافرون، فإنَّ محمدًا لا يستطيعُ أن يَسْحَرَ الناسَ كلَّهم، قال: فجاء المسافرون فقالوا ذلك
(1).
وروى ابنُ عيينةَ، عن ابن أبي نجيحٍ، عن مجاهدٍ، عن أبي معمرٍ، عن ابن مسعودٍ، قال: انشق القمرُ على عهدِ رسولِ الله صلى الله عليه وسلم شقين، فقال النبيُّ صلى الله عليه وسلم: "اشْهَدُوا"
(2).
ومن حديث قتادةَ، عن أنسٍ، أنَّ أهلَ مكة سألوا رسولَ الله صلى الله عليه وسلم أن يُريَهم آيةً، فأراهُمُ انشِقاقَ القمر
(3).
ومن حديث جعفرِ بن ربيعةَ، عن عراكِ بنِ مالكٍ، عن عبيدِ اللهِ بنِ]
(4)--------------------------------------------
[আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মাসলামা ইবনে কাসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে হাবিব ইবনে আব্দুল কাহির আজ-জুবায়রি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুগিরাহ থেকে, তিনি আবুল দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। তখন কুরাইশরা বলল: এটি ইবনে আবি কাবশার জাদু। তিনি বলেন: তখন তারা বলল: মুসাফিররা তোমাদের কাছে কী খবর নিয়ে আসে তা দেখ, কারণ মুহাম্মদ সমস্ত মানুষকে জাদু করতে সক্ষম নয়। তিনি বলেন: অতঃপর মুসাফিররা এল এবং তারা সেই একই কথা বলল
(১).
এবং ইবনে উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা সাক্ষী থাকো"
(২).
এবং কাতাদাহর হাদিস থেকে আনাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত যে, মক্কাবাসী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে কোনো নিদর্শন দেখানোর আবেদন করেছিল, তখন তিনি তাদের চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া দেখান
(৩).
এবং জাফর ইবনে রবিয়াহর হাদিস থেকে, ইরাক ইবনে মালিক থেকে, উবায়দুল্লাহ ইবনে এর সূত্রে]
(৪)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
[عبدِ اللهِ، عن ابنِ عباسٍ، أنَّ القمرَ انشقّ في زمانِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم
(1)]
(2).
قالَ أبو عمرَ: الذي أجمَعُوا علَيه من ولَدِ عدنانَ مَعَدٌّ، وكثيرٌ مِنهم يقُولُون
(3): وعكٌّ، واختلَفُوا فيما سواهُما، وأمَّا مَعَدٌّ فَذَكَرَ له بعضُهم ثمانيةً مِنَ الولَدِ؛ مِنهُم قُضاعةُ، وإيادٌ، وحَيدانُ أبو مَهْرَةَ، وقَنَصُ بنُ مَعَدٍّ، ونِزارُ بنُ مَعَدٍّ، وأنكَرَ أكثرُ أهلِ العلمِ أن يكونَ لمَعَدٍّ ولَدٌ غيرُ نِزارٍ، وأجمَعُوا كلُّهم على أنَّ كلَّ مَعَدِّيٍّ وعدنانيٍّ اليومَ نِزارِيٌّ، ولا يعلَمُونَ لَمَعَدٍّ ولدًا غيرَ نِزارٍ، فنِزارٌ صريحُ ولَدِ مَعَدِّ بن عدنانَ بإجماعٍ، وغيرُ ذلك مُختلَفٌ فيه علَى ما نذكُرُه بعدُ إِن شاءَ اللهُ تعالَى
(4).
قحطانُوأمَّا قحطانُ، فالاختلافُ فيه كثيرٌ على ما أَصِفُ لك إن شاءَ اللهُ؛ قال محمدُ بنُ عَبدَةَ بن سُليمانَ النَّسَّابَةُ: اختلَفَ النَّسَّابونَ جميعًا في نِسبَةِ قحطانَ علَى ثلاثِ مَقالاتٍ، تفرَّقَ أهلُ كُلِّ مَقالَةٍ مِنها عَلَى ثلاثِ مَقالاتٍ، فنسَبَته طائفةٌ إِلَى إِرَمَ بن سام بنِ نوحٍ، وقالَت فيه ثلاثَ مَقالاتٍ، ونسَبَته طائفةٌ
(5) إلى إسماعيلَ بن إبراهيمَ عليهما
--------------------------------------------
[আব্দুল্লাহ্ হতে বর্ণিত, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল
(১)]
(২).
আবু উমর বলেন: আদনানের সন্তানদের মধ্য থেকে যাঁর ব্যাপারে তারা ঐকমত্য পোষণ করেছেন তিনি হলেন মা'আদ, এবং তাঁদের অনেকেই বলেন
(৩): এবং আক্ক। তাঁরা এই দুইজন ব্যতীত অন্যদের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। তবে মা'আদ সম্পর্কে কেউ কেউ তাঁর আটজন সন্তানের কথা উল্লেখ করেছেন; তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কুযা'আহ, ইয়াদ, হাইদান—যিনি আবু মাহরাহ-এর পিতা, কানাস ইবনে মা'আদ এবং নিযার ইবনে মা'আদ। অধিকাংশ আলিম মা'আদের নিযার ব্যতীত অন্য কোনো সন্তান থাকাকে অস্বীকার করেছেন। তাঁরা সকলে এ বিষয়ে একমত যে, বর্তমানে সকল মা'আদ ও আদনান বংশীয় লোকই নিযার বংশীয়, এবং তাঁরা নিযার ছাড়া মা'আদের অন্য কোনো সন্তান সম্পর্কে জানেন না। সুতরাং ঐকমত্য অনুযায়ী নিযার হলেন মা'আদ ইবনে আদনানের স্পষ্ট সন্তান, এবং বাকিদের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে যা আমরা ইনশাআল্লাহ পরে উল্লেখ করব
(৪)।
কাহতানআর কাহতান সম্পর্কে অনেক মতভেদ রয়েছে, যা আমি আপনার কাছে ইনশাআল্লাহ বর্ণনা করব; বংশবিদ মুহাম্মদ ইবনে আবদাহ ইবনে সুলাইমান বলেন: বংশবিদগণ সকলে কাহতানের বংশপরিচয় সম্পর্কে তিনটি মতের ওপর ভিত্তি করে মতভেদ করেছেন, এবং প্রতিটি মতের অনুসারীরা আবার তিনটি করে উপ-মতে বিভক্ত হয়েছেন। একদল তাকে নূহ আলাইহিস সালামের পুত্র সামের পুত্র ইরামের বংশধর বলেছেন এবং এ বিষয়ে তাঁরা তিনটি মত দিয়েছেন। আরেক দল
(৫) তাঁকে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের পুত্র ইসমাইল আলাইহিস সালামের বংশধর বলেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
السَّلامُ وقالت في ذلك ثلاثَ مَقالاتٍ، [ونسبته طائفةٌ إلى عابَر، وقالت في ذلك ثلاثَ مقالاتٍ]
(1).
فأمَّا الذين نسَبُوه إِلَى إِرَمَ؛ فقالَتِ الفرقةُ الأولى منهم: هو قحطانُ بنُ هودِ بن عبدِ اللهِ بنِ الجَلُودِ بنِ [عَادِ بنِ]
(2) عُوصِ بنِ إِرَمَ ابن سَامِ بن نوحٍ، وقالَتِ الفِرقةُ الثَّانيةُ مِنهم: هو قحطانُ بنُ هودِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ ريَاحِ بنِ الجَلُودِ بنِ عَادِ بنِ عُوصَ بنِ إِرَمَ بنِ سامِ ابنِ نوحٍ.
وقالَتِ الفرقةُ الثَّالثةُ مِنهم: هو قحطانُ بنُ هُمَيْسَعَ بنِ تَيْمَنَ بنِ قحطانَ بنِ هودِ بنِ تَيْمَنَ بنِ إِرَم بن سامِ بن نوحٍ.
ولا أظنُّ هذه الفِرقةَ صنَعَت شيئًا.
وأمَّا الذين نسَبُوه إلَى عَابَرَ؛ فقالَتِ الطَّائفة الأولى منهم، وهم جُلُّ أهلِ اليَمَنِ
(3): قحطانُ هو يقطانُ، وهو يقطونُ، وهُو يَقْطِينُ، ويَقْطُنُ، ابنُ عَابَرَ، وهُو هودٌ نبيُّ اللهِ، بن شالَخَ بنِ أَرْفَخَشَذَ بنِ سَامِ بنِ نوحٍ.
وقال الزبيرُ بنُ بكَارٍ: قحطانُ بالعربيَّة، وهو يقطُنُ بالعِبْرانيَّةِ، ويقطانُ بالسُّريانيَّةِ بنُ نبتِ -وهو نابتٌ- بنِ عَابَرَ بنِ شَالَخَ بنِ أرفخشَذَ ابنِ سامِ بنِ نوحِ بنِ لمْكِ، وهو لامَكُ، بنِ مُتَوَشْلِخَ بن أخنُوخ، وهو
--------------------------------------------
সালাম এবং এ বিষয়ে তারা তিনটি মত ব্যক্ত করেছে, [এবং একদল তাকে আ’বিরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন, আর এ বিষয়ে তারা তিনটি মত ব্যক্ত করেছেন]
(১)।
অতঃপর যারা তাকে ইরামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন; তাদের প্রথম দলটি বলেছে: তিনি হলেন কাহতান ইবনে হুদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জালুদ ইবনে [আদ ইবনে]
(২) আউস ইবনে ইরাম ইবনে সাম ইবনে নুহ।
এবং তাদের মধ্য থেকে দ্বিতীয় দলটি বলেছে: তিনি হলেন কাহতান ইবনে হুদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রিয়াহ ইবনে জালুদ ইবনে আদ ইবনে আউস ইবনে ইরাম ইবনে সাম ইবনে নুহ।
এবং তাদের মধ্য থেকে তৃতীয় দলটি বলেছে: তিনি হলেন কাহতান ইবনে হুমাইসা ইবনে তাইমান ইবনে কাহতান ইবনে হুদ ইবনে তাইমান ইবনে ইরাম ইবনে সাম ইবনে নুহ।
আর আমি মনে করি না যে এই দলটি সঠিক কোনো কিছু পেশ করেছে।
আর যারা তাকে আ’বিরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন; তাদের মধ্য থেকে প্রথম দলটি—যারা ইয়ামেনের অধিকাংশ অধিবাসী
(৩)—বলেছে: কাহতান হলেন ইয়াকতান, তিনিই ইয়াকতুন, তিনিই ইয়াকতিন এবং ইয়াকতুন; আ’বিরের পুত্র, আর তিনি হলেন আল্লাহর নবী হুদ, ইবনে শালাখ ইবনে আরফাখশাদ ইবনে সাম ইবনে নুহ।
এবং জুবাইর ইবনে বাক্কার বলেছেন: কাহতান আরবি ভাষায়, হিব্রু ভাষায় তিনি ইয়াকতুন এবং সুরয়ানি ভাষায় ইয়াকতান; তিনি নাবত—যিনি নাবিত—ইবনে আ’বির ইবনে শালাখ ইবনে আরফাখশাদ ইবনে সাম ইবনে নুহ ইবনে লামক—যিনি লামাক—ইবনে মুতাউশালিদ ইবনে আখনুখ, এবং তিনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
إدريسُ، بن يارَدَ -وهو يرْدٌ- بنِ قَينَ -وهو قَيْنانُ- بن أنوشَ بنِ شَثَّ
(1) بالعربيَّةِ، وهُو شاثٌ بالسُّريانيَّةِ، وشيثُ بالعبرانيَّةِ، وهو هبةُ اللهِ، بنِ آدَمَ، وإليه أوصى آدَمُ صلى الله عليه وسلم.
قال عليُّ بنُ كَيسانَ: أنوشُ بنُ شِيثَ هو بالعربيَّةِ أنسُ بنُ شِيثَ.
وقالت الطَّائفةُ الثَّانيةُ: قحطانُ ويقطانُ أخوانِ، وهما ابنا عَابَرَ، وهو هودٌ نبيُّ اللهِ - بن شالَخَ بنِ أرفخشَذَ بن سَامِ بنِ نوحٍ.
وقالَت الطَّائفةُ الثَّالثةُ: قحطانُ بنُ هُمَيْسَعَ بنِ تَيْمَنَ بنِ يقطانَ بنِ عَابَرَ -وهو هودٌ- بن شالخَ بنِ أرفخشَذَ بن سامِ بنِ نوحٍ.
وأمَّا الذين نسَبُوه إلى إسماعيلَ بن إبراهيمَ عليهما السلام: فقالَت الطَّائفةُ الأولى مِنهم: قحطانُ بنُ هُمَيْسَعَ بنِ تَيْمَنَ بنِ نبتِ -وهو نابتٌ- بن إسماعيلَ بنِ إبراهيمَ عليهما السلام، وقالَت الطَّائفةُ الثَّانيةُ: قحطانُ بنُ هَمَيْسَعَ بن يَمْنَ
(2) -وبه سُمِّيت اليمنُ- بن نابتِ بن إسماعيل.
قال أبو عمرَ: يشْهَدُ لقَولِ مَن جعَلَ قحطانَ وسائرَ العَربِ مِن ولَدِ إسماعيلَ قولُ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم لقومٍ مِن أسلَمَ والأنصارِ: "ارمُو يا
(3) بني إسماعيلَ؛ فإنَّ أباكُم كانَ راميًا"
(4)، وقولُ المُنذِرِ بنِ حرامٍ جَدِّ حسانَ
--------------------------------------------
ইদ্রিস ইবনে ইয়ারাদ—যিনি ইয়ার্দ—ইবনে কাইন—যিনি কাইনান—ইবনে আনুশ ইবনে শাস
(১) আরবিতে, সিরিয়াক ভাষায় তিনি শাছ, হিব্রু ভাষায় তিনি শিস, এবং তিনি হলেন হিবাতুল্লাহ—ইবনে আদম। আদম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছেই ওসিয়ত করেছিলেন।
আলী ইবনে কায়সান বলেছেন: শিসের পুত্র আনুশ হলেন আরবিতে শিসের পুত্র আনাস।
দ্বিতীয় দলটি বলেছে: কাহতান ও ইয়াকতান দুই ভাই, তাঁরা উভয়েই আবেরের পুত্র—যিনি আল্লাহর নবি হুদ—ইবনে শালাখ ইবনে আরফাখশাদ ইবনে সাম ইবনে নুহ।
তৃতীয় দলটি বলেছে: কাহতান ইবনে হুমাইসা ইবনে তাইমান ইবনে ইয়াকতান ইবনে আবের—যিনি হুদ—ইবনে শালাখ ইবনে আরফাখশাদ ইবনে সাম ইবনে নুহ।
আর যারা তাকে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের পুত্র ইসমাইলের বংশধর বলেছেন: তাদের মধ্যে প্রথম দলটি বলেছে: কাহতান ইবনে হুমাইসা ইবনে তাইমান ইবনে নাবিত—যিনি নাবিত—ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আলাইহিমা সালাম। দ্বিতীয় দলটি বলেছে: কাহতান ইবনে হামাইসা ইবনে ইয়ামনা
(২)—যার নামানুসারে ইয়ামানের নামকরণ করা হয়েছে—ইবনে নাবিত ইবনে ইসমাইল।
আবু উমর বলেছেন: যারা কাহতান ও অবশিষ্ট আরবদের ইসমাইলের বংশধর হিসেবে গণ্য করেন, তাদের বক্তব্যের সপক্ষে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসলাম ও আনসার গোত্রের একদল লোককে বলা এই কথাটি সাক্ষ্য দেয়: "হে
(৩) ইসমাইলের বংশধরেরা, তোমরা তীর নিক্ষেপ করো; কারণ তোমাদের পিতাও একজন তীরন্দাজ ছিলেন"
(৪), এবং হাস্সানের দাদা মুনজির ইবনে হারামের বক্তব্য...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইনবাহ ফী যিক্রিল কাবায়িলির রুওয়াত - ত আত-তুর্কি
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ابنِ ثابتٍ حيثُ يقولُ
(1):
ورِثْنا مِنَ البُهْلولِ عَمْرِو بنِ عامرٍ
… وحَارثةَ الغِطريفِ مَجْدًا مُؤثَّلَا
مآثِرَ مِن نَبْتِ بن نَبْتِ بن مَالِكٍ
… ونَبْتِ بنِ إِسْمَاعِيلَ مَا إِنْ تَحوَّلَا
وقالَت الطَّائفةُ الثَّالثةُ: قحطانُ بنُ هَمَيْسَعَ بنِ أَصافِ بنِ هودِ بنِ شَروانَ بنِ الميثانِ بنِ العَامِلِ بنِ مهرانَ بنِ بحيرِ بنِ يقطان
(2) بنِ نباوُتَ -وهو نابتٌ- بن تيمنَ بنِ النَّبيتِ بن إسماعيلَ بنِ إبراهيم عليهما السلام.
وأمَّا الذين قالُوا هذه المقالةَ التَّاسعةَ فهم الذين جعَلُوا بينَ عدنانَ وبينَ
(3) إسماعيلَ نيِّفًا وثلاثينَ أبًا.
قال: ووجَدْتُ أكثرَ أهلِ اليمنِ
(4) يقولُون: قحطانُ بنُ عَابَرَ -وهو هودٌ- بنِ شالخَ بنِ أرفخشَذَ بن سامِ بن نوحٍ، ويقولون: نحن العَربُ العاربةُ، نحن أقدَمُ مِن إبراهيمَ عليه السلام.
وقالَ الزبيرُ: طَسْمٌ وأَميمٌ وعِمْليقٌ بنو لَوذِ بنِ سامِ بنِ نوحٍ، وجديسُ وثمودُ ابنا جَاثِرِ بنِ إِرَمَ بنِ سامِ بنِ نوحٍ
(5).
--------------------------------------------
ইবনে সাবিত থেকে বর্ণিত, যেখানে তিনি বলেছেন
(১):
আমরা বুহলুল আমর বিন আমির... এবং হারিসা আল-গিতরিফ থেকে বংশপরম্পরায় গৌরব উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি
নাবিত বিন নাবিত বিন মালিক... এবং নাবিত বিন ইসমাইলের স্মৃতিচিহ্নসমূহ যা কখনও পরিবর্তিত হয়নি
এবং তৃতীয় দলটি বলেছে: কাহতান বিন হামাইসা বিন আসাফ বিন হুদ বিন শারওয়ান বিন আল-মায়সান বিন আল-আমিল বিন মেহরান বিন বুহাইর বিন ইয়াকতান
(২) বিন নাবাউত —যিনি নাবিত— বিন তাইমান বিন আন-নাবিত বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম (আলাইহিমাস সালাম)।
আর যারা এই নবম মতটি ব্যক্ত করেছেন, তারা আদনান এবং ইসমাইলের মধ্যে
(৩) ত্রিশের অধিক পিতৃপুরুষকে স্থান দিয়েছেন।
তিনি বলেন: আমি ইয়েমেনের অধিকাংশ মানুষকে
(৪) বলতে শুনেছি: কাহতান বিন আবার —যিনি হুদ— বিন শালাখ বিন আরফাখশাদ বিন সাম বিন নূহ; এবং তারা বলে: আমরাই প্রকৃত আরব, আমরা ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)-এর চেয়েও প্রাচীন।
জুবাইর বলেন: তাসম, আমীম এবং ইমলিক হলো লাউজ বিন সাম বিন নূহ-এর সন্তান; আর জাদিস এবং সামুদ হলো জাসির বিন ইরাম বিন সাম বিন নূহ-এর পুত্র
(৫)।
--------------------------------------------