(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: -)
جمهرة النسب - ابن الكلبي - ت علي عمر القسم: الأنساب
الكتاب: جمهرة النسب
المؤلف: أبو المنذر هشام بن محمد بن السائب الكلبي (ت 204 هـ)
المحقق: د علي عمر
(بقسم التاريخ والحضارة الإسلامية بجامعة المنيا والإمام بالرياض، ومن الباحثين بمركز تحقيق التراث سابقا)
الناشر: مكتبة الثقافة الدينية، القاهرة - مصر
الطبعة: الأولى، 1431 هـ - 2010 م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 ذو الحجة 1445
জমহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - সম্পাদনায় আলী ওমর বিভাগ: বংশতালিকা (নাসাব)
বই: জমহারাতুন নাসাব
লেখক: আবু আল-মুনজির হিশাম বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাইব আল-কালবি (মৃত্যু ২০৪ হিজরি)
সম্পাদক: ড. আলী ওমর
(মিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ইসলামি সভ্যতা বিভাগ এবং রিয়াদের ইমাম; ইতিপূর্বে ঐতিহ্য গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক ছিলেন)
প্রকাশক: মাকতাবাতুত সাকাফাহ আদ-দ্বীনিয়াহ, কায়রো - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
[বইটির পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ জিলহজ ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة التحقيقيعتبر ابن الكلبي رائد المؤرخين في علم الأنساب بما له من مشاركة ملموسة في الحياة الثقافية والفكرية للإسلام.
وقد ظل ابن الكلبي لفترات طويلة تجاوزت عصره من أبرز وجوه الإسلام لدى مؤرخي عصره ومن بعدهم. وقد تجلى ذلك حين اعتمدت المؤلفات اللاحقة على كتاباته إلى حدّ بعيد.
فاستعان به ياقوت الحموي (ت 626 هـ) في كتاباته عن الأنساب في كتابه: المقتضب من كتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
كما استعان به المبارك الغساني (ت 656 هـ) في كتابه: مختصر جمهرة النسب لابن الكلبي.
واستعان به كذلك آخرون ممن بحثوا في الأنساب كابن سعد، والطبري، وابن حزم، وابن دريد، والسهيلي، وابن كثير، وابن حجر وكثير غيرهم.
الكتابيُعدّ كتاب جمهرة النسب أوسع وأوفى كتاب أُلِف في الأنساب العربية.
ومما تجدر الإشارة إليه أن سلسلة النسب في الجمهرة مطابقة تمامًا لما ورد في كتاب المقتضب من كتاب جمهرة النسب لياقوت الحموي، وذلك يفيد في إخراج جمهرة النسب إخراجًا مجوَّدًا محررا.
فالمقتضب في جمهرة النسب هُوَ إِذَنْ: جمهرة ابن الكلبي بصورة موجزة، وقد اقتصر ياقوت على أصول الأنساب وترك الفروع والتفاصيل والشروح، وذلك لا يقدح في نص ابن الكلبي.
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
সম্পাদকের ভূমিকাবংশবিদ্যা শাস্ত্রে ইবনুল কালবি ঐতিহাসিকদের মধ্যে অগ্রগণ্য হিসেবে বিবেচিত হন; ইসলামের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনে তার দৃশ্যমান ও অনস্বীকার্য অবদানের জন্য।
ইবনুল কালবি দীর্ঘকাল ধরে—যা তার নিজ যুগকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল—তার সমসাময়িক এবং পরবর্তী ঐতিহাসিকদের কাছে ইসলামের অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হয়ে আসছেন। পরবর্তী গ্রন্থসমূহ অনেকাংশেই তার রচনার ওপর নির্ভর করার মাধ্যমে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ইয়াকুত আল-হামাউই (মৃত্যু ৬২৬ হি.) তার বংশবিদ্যা বিষয়ক রচনায় তার সাহায্য নিয়েছেন তার 'আল-মুক্তাদাব মিন কিতাব জামহারাতুন নাসাব লি-ইবনিল কালবি' নামক গ্রন্থে।
তেমনি আল-মুবারক আল-গাসসানি (মৃত্যু ৬৫৬ হি.) তার 'মুখতাসার জামহারাতুন নাসাব লি-ইবনিল কালবি' গ্রন্থে তার সহায়তা নিয়েছেন।
বংশবিদ্যা নিয়ে গবেষণাকারী অন্যান্য বিশেষজ্ঞগণও তার সাহায্য গ্রহণ করেছেন, যেমন: ইবনে সাদ, তাবারী, ইবনে হাজম, ইবনে দুরাইদ, সুহাইলি, ইবনে কাসির, ইবনে হাজার এবং আরও অনেকে।
গ্রন্থটি'জামহারাতুন নাসাব' গ্রন্থটি আরবদের বংশবিদ্যার ওপর লিখিত সবচেয়ে বিস্তৃত ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, জামহারাহ গ্রন্থে বর্ণিত বংশপরম্পরা ইয়াকুত আল-হামাউইর 'আল-মুক্তাদাব মিন কিতাব জামহারাতুন নাসাব' গ্রন্থে বর্ণিত বিবরণের সাথে হুবহু মিলে যায়; যা জামহারাতুন নাসাব গ্রন্থটিকে একটি উন্নত ও পরিমার্জিত রূপে উপস্থাপন করতে সহায়ক।
অতএব, 'আল-মুক্তাদাব ফি জামহারাতুন নাসাব' হলো মূলত ইবনুল কালবির 'জামহারাহ' গ্রন্থের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ; ইয়াকুত এখানে কেবল বংশের মূলধারাগুলো উল্লেখ করেছেন এবং শাখা-প্রশাখা, বিস্তারিত বিবরণ ও ব্যাখ্যাসমূহ বাদ দিয়েছেন, যা ইবনুল কালবির মূল ভাষ্যের কোনো হানি ঘটায় না।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৬)
وكذلك الكتاب الآخر الذي اختصره المبارك الغساني (ت 658 هـ) مما يفيد أيضًا في إخراج نص جمهرة ابن الكلبي وتحريره. وترجع أهمية هذا الكتاب في تحقيق نص ابن الكلبي في أنه ينقل فصولا كاملة نقل المسطرة من كتاب ابن الكلبي، وما سوى ذلك نقل اختصارًا.
كما أنه كان دليلنا على أن كتاب: نسب معد، ما هو إلا القسم المتمم لكتاب الجمهرة لابن الكلبي بدليل كثرة النقول التي عزاها لابن الكلبي وصرح باسم الجمهرة فيها ووجدت حرفيا في (نسب معد) ومن هذه النقول على سبيل المثل ما ورد في ص 3 من مخطوطة المختصر: "إلى هنا نقل ما في أول كتاب الجمهرة نقل المسطرة، وما بعد هذا نقل اختصارًا؛ وقد شمل في طبعة بيروت من الجمهرة الصفحات من 17 - 20.
- وفي ص 180 من مخطوطة المختصر ذكر: "أن نسب قحطان فيه خلاف وقد ذُكر في كتاب الجمهرة أحد الآراء فيه في أواخر أنساب حمير، وهو رأى من ينسبه إلى إسماعيل عليه السلام. وهنا حدّد الكتاب الذي ينقل عنه بكتاب جمهرة النسب. ومن الرجوع إلى نسب قحطان وحمير - في كتاب نسب معد - وجد كلامه بنصه حرفيا، وهذا يدل على أن المراد بكتاب - نسب معد - هو كتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
- وفي ص 182 مخطوط مختصر: "إلى هنا نقلت من الأزد متواليا ثم أختصر الآن" وهو يشمل في (نسب معد) طبعة بيروت ص 433 - 434.
- وفي ص 208 من مخطوط المختصر: "هذه الفصول الثلاثة لم أحذف منها شيئًا بل هي في الأصل مختصرة كذا"، ومن الرجوع إلى كتاب "نسب معد" ص 463، 464 وجد النص فيه حرفيا ويقصد بالفصول الثلاثة: بنو بارق بن عديّ وما يليه.
অনুরূপভাবে অন্য কিতাবটি, যা আল-মুবারক আল-গাসসানি (মৃত্যু ৬৫৮ হিজরি) সংক্ষেপ করেছেন, ইবনে আল-কালবির জামহারা গ্রন্থের পাঠ উম্মোচন ও সম্পাদনার ক্ষেত্রেও তা সহায়ক। ইবনে আল-কালবির গ্রন্থের পাঠ যাচাই করার ক্ষেত্রে এই কিতাবটির গুরুত্ব হলো, এটি ইবনে আল-কালবির কিতাব থেকে পূর্ণাঙ্গ পরিচ্ছেদগুলো হুবহু নকল করেছে এবং অন্যান্য অংশ সংক্ষেপে উদ্ধৃত করেছে।
তদুপরি এটি আমাদের জন্য এই প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে যে, 'নাসাব মা'আদ' কিতাবটি ইবনে আল-কালবির জামহারা কিতাবেরই পরিপূরক অংশ মাত্র। এর প্রমাণ হলো ইবনে আল-কালবির প্রতি নিসবতকৃত প্রচুর উদ্ধৃতি, যেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জামহারার নাম উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলো 'নাসাব মা'আদ' গ্রন্থে হুবহু পাওয়া গেছে। এই উদ্ধৃতিগুলোর উদাহরণ হিসেবে মুখতাসার-এর পাণ্ডুলিপির ৩ নং পৃষ্ঠায় যা এসেছে: "এখান পর্যন্ত জামহারা কিতাবের শুরুর অংশটি হুবহু নকল করা হয়েছে, আর এর পরের অংশটুকু সংক্ষেপে উদ্ধৃত হয়েছে"; এটি বৈরুত সংস্করণের জামহারা কিতাবের ১৭-২০ পৃষ্ঠাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এবং মুখতাসার-এর পাণ্ডুলিপির ১৮০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে: "কাহতানের বংশপরম্পরার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, আর জামহারা কিতাবে হিমইয়ারের বংশপরম্পরার শেষে এ সংক্রান্ত একটি মত উল্লেখ করা হয়েছে, আর তা হলো ওই ব্যক্তির মত যিনি একে ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-এর দিকে সম্পর্কিত করেছেন। এখানে তিনি যে কিতাব থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছেন তাকে জামহারাতুন নাসাব হিসেবে নির্দিষ্ট করেছেন। আর 'নাসাব মা'আদ' কিতাবে কাহতান ও হিমইয়ারের বংশপরম্পরার দিকে ফিরে তাকালে তার বক্তব্য হুবহু সেখানে পাওয়া যায়। এটি প্রমাণ করে যে, 'নাসাব মা'আদ' কিতাব দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইবনে আল-কালবির জামহারাতুন নাসাব কিতাবটিই।
- এবং মুখতাসার পাণ্ডুলিপির ১৮২ পৃষ্ঠায় রয়েছে: "এখান পর্যন্ত আমি আযদ থেকে ধারাবাহিকভাবে নকল করেছি, এখন থেকে সংক্ষেপ করব।" এটি 'নাসাব মা'আদ'-এর বৈরুত সংস্করণের ৪৩৩-৪৩৪ পৃষ্ঠাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এবং মুখতাসার পাণ্ডুলিপির ২০৮ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে: "এই তিনটি পরিচ্ছেদ থেকে আমি কিছুই বাদ দেইনি, বরং মূল কিতাবেই এগুলো এভাবে সংক্ষিপ্ত ছিল।" 'নাসাব মা'আদ' কিতাবের ৪৬৩ ও ৪৬৪ পৃষ্ঠায় ফিরে গেলে সেখানে পাঠটি হুবহু পাওয়া যায়। আর এখানে তিনটি পরিচ্ছেদ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: বনু বারিক বিন আদি এবং এর পরবর্তী অংশগুলো।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৭)
- وفي ص 211 من مخطوطة المختصر: "لم أختصر من هذا شيئًا بل هو في الأصل كذا، يعني قوله: ولد عامر بن ثعلبة بن مازن.
ومن الرجوع إلى الأصل المشار إليه وجد النص بحروفه في كتاب "نسب معد" ص 471.
- وفي ص 297 مختصر مخطوط [ومن بني كعب
… الشاعر الجاهلي"] ما بين الخاصرتين موجود بالنص في متن المختصر. وبالحاشية كذا قال نقل المسطرة إلى عند العلامة بعد لفظة جاهلي. ومن الرجوع إلى ما أشار إليه بالأصل وجد النص بحروفه في ص 702 (معد).
- وفي ص 310 مختصر مخطوط [عَمرو بطن من يشكر
… من داره] وبالحاشية من هنا إلى آخر لفظة من داره نقلته من الأصل "جمهرة النسب" بجملته نقل المسطرة فما تَبَيَّن النذير العريان ممَّن هو. ومن الرجوع إلى ما أشار إليه بالأصل وجد النص بحروفه في ص 344 - 345 (معد) طبعة بيروت.
وأشار في صفحات أخرى إلى عدم الاختصار، وهي من الكثرة بمكان.
كذلك يوجد في بعض حواشي النسخ الخطية من الاشتقاق لابن دريد، نصوص مصرح فيها بالنقل عن جمهرة النسب، فعلى سبيل المثال في حاشية 3 ص 504 من الاشتقاق: "في الجمهرة لابن الكلبي: "سعد بن صبيح بن الحارث بن سابى بن أبي صعب، وهو خال أبي هريرة".
ومن الرجوع إلى النص المشار إليه وجد حرفيا فيما يسمى (نسب معد) ص 493 طبعة بيروت، كما يوجد في ص 517 من الاشتقاق: "زهير بن ذي
এবং মুখতাসার পাণ্ডুলিপির ২১১ পৃষ্ঠায় রয়েছে: "আমি এখান থেকে কিছুই সংক্ষেপ করিনি, বরং মূল গ্রন্থে এভাবেই আছে, অর্থাৎ তাঁর কথা: আমের বিন ছালাবা বিন মাজেন জন্মগ্রহণ করেছেন।
আর নির্দেশিত মূল গ্রন্থের দিকে ফিরে তাকালে, 'নাসাব মাআদ' গ্রন্থের ৪৭১ পৃষ্ঠায় পাঠটি হুবহু পাওয়া যায়।
- এবং মুখতাসার পাণ্ডুলিপির ২৯৭ পৃষ্ঠায় [আর বনু কাব থেকে
… জাহেলি কবি"] বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মুখতাসারের মূল পাঠে বিদ্যমান। আর টীকায় বলা হয়েছে, 'জাহেলি' শব্দের পর চিহ্ন পর্যন্ত মাসতারা (রেখা) থেকে এভাবেই নকল করা হয়েছে। আর নির্দেশিত মূল গ্রন্থের দিকে ফিরে তাকালে, (মাআদ) ৭০২ পৃষ্ঠায় পাঠটি হুবহু পাওয়া যায়।
- এবং মুখতাসার পাণ্ডুলিপির ৩১০ পৃষ্ঠায় [আমর হলো ইয়াশকারের একটি শাখা
… তার ঘর থেকে] আর টীকায় আছে, এখান থেকে 'তার ঘর থেকে' শব্দের শেষ পর্যন্ত আমি মূল গ্রন্থ "জামহারাতুন নাসাব" থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে মাসতারা (রেখা) অনুসারে নকল করেছি, তবে 'নাযিরুল উরইয়ান' কার বংশের তা স্পষ্ট হয়নি। আর নির্দেশিত মূল গ্রন্থের দিকে ফিরে তাকালে, বৈরুত সংস্করণের ৩৪৪ - ৩৪৫ (মাআদ) পৃষ্ঠায় পাঠটি হুবহু পাওয়া যায়।
তিনি অন্য পৃষ্ঠাগুলোতেও সংক্ষেপ না করার দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং এর সংখ্যা অনেক বেশি।
একইভাবে ইবনে দুরাইদের 'আল-ইশতিকাক' গ্রন্থের কিছু পাণ্ডুলিপির টীকায় এমন কিছু পাঠ পাওয়া যায় যেখানে স্পষ্টভাবে 'জামহারাতুন নাসাব' থেকে উদ্ধৃতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইশতিকাকের ৫০৪ পৃষ্ঠার ৩ নম্বর টীকায় রয়েছে: "ইবনে কালবির জামহারাহ-তে আছে: 'সাদ বিন সাবিহ বিন আল-হারিস বিন সাবি বিন আবি সাব, এবং তিনি হলেন আবু হুরায়রার মামা'।"
আর নির্দেশিত পাঠের দিকে ফিরে তাকালে, বৈরুত সংস্করণের 'নাসাব মাআদ' নামক গ্রন্থের ৪৯৩ পৃষ্ঠায় এটি হুবহু পাওয়া যায়। যেমনটি ইশতিকাকের ৫১৭ পৃষ্ঠায় রয়েছে: "জুহাইর বিন যি
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৮)
السنّ بن وثن" وفي حواشيه لإحدى نسخه الخطية: "جرير بن زهير" كذا في جمهرة النسب لابن الكلبي رحمه الله، وهو موجود في ص 346 (معد).
وهذا من أقوى الأدلة على أن القسم الثاني من الجمهرة المعنون بنسب معد هو المكمل لكتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
كذلك يوجد في الحواشي المشار إليها عشرات النقول، مصرح فيها بالنقل عن جمهرة النسب وهي موجودة بنصها في (نسب معد من طبعة بيروت).
وهكذا ثبت بما لا يدع مجالا للشك من واقع هذه النقول أن القسم الذي أطلق عليه (نسب معد) هو القسم المتمم لكتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
هذا وقد استندت في تحقيق نص ابن الكلبي إلى ما يأتي:
1 - النسخة المحفوظة بمكتبة المتحف البريطاني تحت رقم Add 23297 وعنوانها جمهرة النسب وهي تشمل القسم الأول من الكتاب.
2 - نسخة مكتبة الإسكوربال تحت رقم 1698 بعنوان: نسب معد واليمن الكبير. وهي تشمل القسم الثاني من الكتاب بعدما سقناه من الأدلة التي تثبت أنها الجزء المكمل لكتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
3 - كما اهتديت في عملي أيضًا بكتاب المقتضب من جمهرة النسب لياقوت الحموي ويكاد يكون صورة كاملة من كتاب جمهرة النسب إذا استبعدنا الفروع والتفاصيل والشروح. وذلك لا يقدح في نص ابن الكلبي.
"আস-সিন্ন ইবন ওয়াসান" এবং এর একটি পাণ্ডুলিপির টীকাভাষ্যে রয়েছে: "জারীর ইবন যুহাইর", এভাবেই ইবন আল-কালবী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর জামহারাত আন-নাসাব গ্রন্থে এসেছে, এবং এটি ৩৪৬ পৃষ্ঠায় (মা'আদ) বিদ্যমান।
আর এটি সেই শক্তিশালী প্রমাণসমূহের একটি যে, জামহারাহ-এর দ্বিতীয় অংশ যা 'নাসাবু মা'আদ' শিরোনামে পরিচিত, সেটিই ইবন আল-কালবীর 'জামহারাত আন-নাসাব' গ্রন্থের পরিপূরক।
একইভাবে, উল্লিখিত টীকাগুলোতে কয়েক ডজন উদ্ধৃতি রয়েছে, যেখানে জামহারাত আন-নাসাব থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এগুলো (বৈরুত সংস্করণের নাসাবু মা'আদ-এ) হুবহু পাঠসহ বিদ্যমান।
এভাবেই এই উদ্ধৃতিগুলোর বাস্তবতা থেকে সন্দেহের অবকাশহীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, যে অংশটিকে (নাসাবু মা'আদ) বলা হয়েছে, সেটিই ইবন আল-কালবীর জামহারাত আন-নাসাব গ্রন্থের সমাপ্তিকারী অংশ।
উল্লেখ্য যে, ইবন আল-কালবীর মূলপাঠ সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করেছি:
১ - ব্রিটিশ মিউজিয়াম লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি, যার নম্বর Add 23297 এবং এর শিরোনাম 'জামহারাত আন-নাসাব'; এটি গ্রন্থের প্রথম অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে।
২ - এসকোরিয়াল লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, নম্বর ১৬৯৮, শিরোনাম: 'নাসাবু মা'আদ ওয়াল ইয়ামান আল-কাবীর'। এটি গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা আমরা ইতিপূর্বে বর্ণিত প্রমাণের ভিত্তিতে সাব্যস্ত করেছি যে এটি ইবন আল-কালবীর 'জামহারাত আন-নাসাব' গ্রন্থের পরিপূরক অংশ।
৩ - আমি আমার কাজে ইয়াকুত আল-হামাভী রচিত 'আল-মুকতাদাব মিন জামহারাত আন-নাসাব' গ্রন্থটি থেকেও নির্দেশনা লাভ করেছি; যদি আমরা শাখা-প্রশাখা, বিস্তারিত বিবরণ ও ব্যাখ্যাগুলো বাদ দেই, তবে এটি প্রায় 'জামহারাত আন-নাসাব' গ্রন্থের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপের মতো। আর এটি ইবন আল-কালবীর মূলপাঠের নির্ভরযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ করে না।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৯)
4 - وكذلك كتاب مختصر النسب لابن الكلبي الذي اختصره المبارك الغساني، وهو يكاد يقترب من الصورة الكاملة لجمهرة النسب لابن الكلبي لاتساع مساحة النقل عنده عن ياقوت، كما كان دليلنا كما سبق وأن أشرت على أن كتاب (نسب معد) هو القسم المتمم لكتاب جمهرة النسب لابن الكلبي.
5 - كما رجعت عاما إلى طبعتي بيروت ودمشق.
هذا وقد كان حرصي على سلامة النص أكثر من حرصي على التعريف بالأعلام والبلاد والإسراف في الشرح والتعليق، إذ كان ذلك أهم ما يحتاج إليه العلماء والباحثون عند الرجوع إلى الكتب المحققة.
هذا ومن العسير بمكان أن يوضع فهرس تفصيلي للأعلام الواردة بهذا الكتاب، وإنما اقتصرت على أصول الأنساب دون أن أسترسل في فهرسة الفروع، فإنها لو سردت سردًا ونسب الولد إلى أبيه وجدّه لأربت على ثلاثة أضعاف الكتاب.
وعسى أن أكون قد خطوت بعملي هذا خطوة صالحة في سبيل تحقيق كتاب يعدّ قمة كتب الأنساب.
وتحقيق الأنساب ليس بالأمر الهيّن ولا هو بالصعب، ولكنه أصعب من الصعب، لا يكاد يؤمن فيه العثار.
والحمد لله على ما أعان، وله الشكر على ما وفق،،
القاهرة في ربيع الأول سنة 1431 هـ
شهر مارس 2010 م
د. علي عمر
4 - অনুরূপভাবে ইবনে আল-কালবীর 'মুখতাসার আন-নাসাব' গ্রন্থটি যা আল-মুবারক আল-গাসসানি সংক্ষেপ করেছেন। ইয়াকুত থেকে এর উদ্ধৃতির ব্যাপকতার কারণে এটি ইবনে আল-কালবীর 'জামহারাত আন-নাসাব'-এর পূর্ণাঙ্গ রূপের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছেছে। যেমনটি পূর্বে আমি ইঙ্গিত করেছি যে, 'নাসাব মাআদ' গ্রন্থটি ইবনে আল-কালবীর 'জামহারাত আন-নাসাব' গ্রন্থের পরিপূরক অংশ হিসেবে আমাদের নিকট প্রমাণস্বরূপ ছিল।
5 - এছাড়াও আমি সাধারণভাবে বৈরুত ও দামেস্কের সংস্করণদ্বয়ের সহায়তা নিয়েছি।
এক্ষেত্রে পাঠ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষায় আমার একাগ্রতা ব্যক্তিবর্গ ও স্থানসমূহের পরিচয় প্রদান এবং ব্যাখ্যা ও টীকায় বাহুল্যবর্জনের চেয়ে অধিক ছিল। কেননা সম্পাদিত ও তাহকীককৃত গ্রন্থের শরণাপন্ন হওয়ার সময় আলেম ও গবেষকদের নিকট এটিই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন।
উল্লেখ্য যে, এই গ্রন্থে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের একটি বিস্তারিত সূচি তৈরি করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। তাই আমি কেবল বংশলতিকার মূল ধারাগুলোর ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছি এবং শাখা-প্রশাখাগুলোর বিস্তারিত সূচি তৈরি করিনি। কেননা যদি সেগুলো ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হতো এবং সন্তানকে তার পিতা ও পিতামহের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হতো, তবে তা মূল গ্রন্থের তিন গুণেরও বেশি হয়ে যেত।
আশা করি আমার এই কর্মের মাধ্যমে আমি এমন একটি গ্রন্থ সম্পাদনার পথে একটি কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পেরেছি, যা বংশবিদ্যার গ্রন্থসমূহের শিখর হিসেবে গণ্য হয়।
আর বংশলতিকা যাচাই-বাছাই বা তাহকীক করা কোনো সহজ কাজ নয়, আবার সাধারণ কঠিনও নয়; বরং তা কঠিনের চেয়েও কঠিনতর, যেখানে পদস্খলন থেকে নিরাপদ থাকা প্রায় অসম্ভব।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সাহায্য করেছেন এবং তাঁরই কৃতজ্ঞতা যিনি তাওফিক দান করেছেন।
কায়রো, রবিউল আউয়াল ১৪৩১ হিজরি
মার্চ ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
ড. আলী ওমর
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
وصلى الله على سيدنا محمد النبي وعلى آله وصحبه أجمعين
أخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بن حَبِيبِ عن هِشامِ بن مُحَمَّدِ بن السَّائِبِ عن أبيه عن أبي صالِحٍ عن ابن عَبَّاسٍ قال: كان رَسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إذا انتهى في النَّسَبِ إلى مَعَدِّ بن عَدْنَانَ أَمْسَكَ ثُمَّ قَالَ: كَذَبَ النَّسَّابُونَ، قَالَ اللهُ جَلَّ ثَنَاؤُه: {
… وَقُرُونًا بَيْنَ ذَلِكَ كَثِيرًا (38)} [الفرقان]. قالَ ابن عَبّاس: ولو شاءَ رَسولُ الله صلى الله عليه وسلم أن يَعْلَمَه لَعَلِمَه
(1)؛ وقال: بَيْنَ مَعَدِّ بن عَدْنَانَ وَبَيْنَ إسماعيلَ ثَلاثون أَبًا.
وحَدَّثَ هِشَامُ عن أَبيهِ مُحَمَّد بن السَائِب قالَ: وَلَدَ أُدَدُ بن زَيْدٍ: عَدْنَانَ، ونَبْتًا؛ ونَبْتُ هو الأشْعَرُ أَبو الأشْعَرِيين، وعَمرًا، دَرَجَ
(2).
فَوَلَدَ نَبْتُ: شَقْرةَ، وهم في مَهَرَة
(3) بالشِّحْرِ؛ وشَقْحَبًا، وَهُم في وُحَاظَةَ
(4) من ذِي الكَلاعِ.
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সঙ্গীদের ওপর।
মুহাম্মদ ইবনে হাবিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনাস সায়েব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বংশপরম্পরা বর্ণনায় মা'দ ইবনে আদনান পর্যন্ত পৌঁছাতেন তখন থেমে যেতেন, অতঃপর বলতেন: "বংশবিশারদগণ মিথ্যা বলেছেন।" আল্লাহ তাআলা (যাঁর প্রশংসা সুমহান) বলেছেন: { … এবং এর মধ্যবর্তী সময়ে অনেক প্রজন্ম (৩৮)} [আল-ফুরকান]। ইবনে আব্বাস বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যদি তা জানতে চাইতেন তবে অবশ্যই তা জানতে পারতেন; এবং তিনি বলেন: মা'দ ইবনে আদনান এবং ইসমাইলের মধ্যে ত্রিশজন পিতৃপুরুষ ছিলেন।
হিশাম তাঁর পিতা মুহাম্মদ ইবনাস সায়েব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উদাদ ইবনে যায়িদ জন্ম দিয়েছেন: আদনান এবং নাবত-কে; আর এই নাবত হলেন আল-আশআর, যিনি আশআরীদের আদি পিতা; এবং আমর-কে, যিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন।
অতঃপর নাবত জন্ম দিয়েছেন: শাকরাহ-কে, তারা আশ-শিহরের মাহরাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত; এবং শাকহাব-কে, তারা যুল কালা-র উহাজাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ১৬)
فَوَلَدَ عَدْنانُ: مَعَدًّا، والدِّيثَ، وأُبَيّا، والعَيَّ، دَرَجَا، وعُدَينًا، دَرَجَ، وأُمُّهم مَهْدَدُ بِنْت اللِّهْم بن جَلْحَبَ من جَدِيسٍ.
فَوَلَدَ الدِّيثُ بن عَدْنَانَ: الحارِثَ، وهو عَكُّ، فَوَلَدَ عَكُّ بن الدِّيثِ: الشَّاهِدَ، وصُحَارًا، وهو غالِبُ، وسُبَيْعًا دَرَجَ، وقَرْنًا، وهم في الأَزْد بنو عكٍ.
فَوَلَدَ الشَّاهِدُ بن عَكٍّ: غافِقًا، وساعِدَة؛ فَوَلَدَ غَافِقُ بن الشَّاهِدِ: لِعْسَانَ، ومالِكًا، والقِيَانَةَ
(1)؛ فَوَلَدَ مَالِكُ بن غَافِقٍ، رِهْنَةَ، وَصُحَارًا، فَوَلَدَ رِهْنَةُ: كَعبًا وطَريفًا، ومَالِكًا. فَوَلَدَ صُحارُ بن مَالِكِ: عَبدًا ومُعَاويةَ، ورَبيعةَ.
وَوَلَدَ لِعْسان بن غَافِق: الحُوثَةَ، وأَسْلَمَ، ووائِلا، وزَبَّانَ، وخِضْرَانَ.
وَوَلَدَ القِيَانَة بن غَافِق: أَحدَبَ، وَأَوفى، وأَسْلَمَ، وخِدْرانَ، وكان من غَافِقٍ أَوَّلُ مَن جَزَّ النَّواصِي: سَمْلَقَةُ بن مُرَيّ بن الفُجَّاع صاحب أَمر عَكٍّ يوم قاتلوا غَسَّانَ، ورئيسُ غَسَّانَ زَوْبَعَةُ بن عَمروٍ.
وَوَلَدَ صُحارُ بن عَكٍّ: عَنْسًا، وبَوْلانَ، وهما عَدَدُ عَكٍّ، وكان من بني بَوْلان: مُقاتِلُ بن حَكِيم بن عَبدِ الرَّحمن الخُراسَانيُّ.
فَوَلَدَ مَعَدُّ بن عَدْنَانَ: نِزَارًا، وَقَنَصًا، وقُنَاصَةَ، وسَنَامًا، والعُرْفَ، دَرَجَ، وَقُضَاعَةَ.
قال رَجُلُ من مَهَرَةَ:
إِنَّ أخْوالىَ من شَقْرَةَ قدْ
… لَبِسوا لي عَمَسًا
(2) جِلْدَ النَّمِرْ
نَحَتُوا أَثْلَتَنَا ظُلْمًا وَلَمْ
… يَرْهَبُوا غِبَّ الوَبَالِ المُسْتَمِر
--------------------------------------------
আদনান জন্ম দেন: মা'আদ্দ, আদ-দীস, উবাই এবং আল-আইকে, তারা দুজনেই নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান, এবং উদাইনকে, সেও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়। তাদের মা হলেন জাদিস গোত্রের মাহদাদ বিনতে আল-লিহম ইবনে জালহাব।
আদনানের পুত্র আদ-দীস জন্ম দেন: আল-হারিসকে, আর তিনি হলেন আক্ক। আক্ক ইবনে আদ-দীস জন্ম দেন: আশ-শাহিদ, সুহার (যিনি গালিব), সুবাই' (যে নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়), এবং করন-কে। তারা আযদ গোত্রের মধ্যে 'বানু আক্ক' হিসেবে পরিচিত।
আক্কের পুত্র আশ-শাহিদ জন্ম দেন: গাফিক এবং সা'ইদাহকে। গাফিক ইবনে আশ-শাহিদ জন্ম দেন: লিসান, মালিক এবং আল-কিয়ানাহ
(১)। মালিক ইবনে গাফিক জন্ম দেন: রিহনাহ এবং সুহারকে। রিহনাহ জন্ম দেন: কা'ব, তারিফ এবং মালিককে। সুহার ইবনে মালিক জন্ম দেন: আবদ, মুয়াবিয়া এবং রাবি'আহকে।
গাফিকের পুত্র লিসান জন্ম দেন: আল-হুসাহ, আসলাম, ওয়াইল, যাব্বান এবং খিরানকে।
গাফিকের পুত্র আল-কিয়ানাহ জন্ম দেন: আহদাব, আওফা, আসলাম এবং খিরানকে। গাফিক গোত্রের প্রথম ব্যক্তি যিনি ললাটদেশের চুল মুণ্ডন করেছিলেন তিনি হলেন সামলাকাহ ইবনে মুরাই ইবনুল ফুজ্জা', যিনি গাসসানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দিন আক্ক গোত্রের অধিনায়ক ছিলেন; আর গাসসানীদের প্রধান ছিল যাওবা'আহ ইবনে আমর।
আক্কের পুত্র সুহার জন্ম দেন: আনস এবং বাউলানকে; এরাই ছিল আক্ক গোত্রের মূল জনবল। বাউলান বংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন মুকাতিল ইবনে হাকিম ইবনে আবদুর রহমান আল-খুরাসানি।
আদনানের পুত্র মা'আদ্দ জন্ম দেন: নিযার, কানাস, কানাসাহ, সানাম এবং আল-উরফকে (যে নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়), এবং কুদা'আহকে।
মাহরাহ গোত্রের এক ব্যক্তি বলেছেন:
নিশ্চয়ই শাকরাহ গোত্র থেকে আসা আমার মামারা আমার প্রতি
… চিতার চামড়ার ন্যায় কঠোর আচরণ অবলম্বন করেছে।
তারা অন্যায়ভাবে আমাদের মূল সত্তাকে কর্তন করেছে এবং
… ক্রমাগত পাপাচারের অশুভ পরিণামকে ভয় করেনি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وقد انتَسَبوا في حِمْيَر، وَعَوْفًا دَرَجَ، وشَكًّا، دَرَجَ؛ وحَيْدانَ دَرَجَ، وَحَيْدَةَ، وعُبَيْدَ الرِّمَاحِ، وهم في كِنَانَةَ، رَهْطِ إِبراهيم بن عَربي الذي كَانَ عَبْدُ الملكِ بن مَروان يُولِّيه اليَمَامَةَ؛ وأُمُّ إبراهيمَ بن عَرَبي فاطِمةُ بنت شَرِيك بن سَحْمَاءَ الذي لاعَنَهُ عاصِمُ بن عَدِيٍّ في امْرَأَتِهِ، فلما كانَ يومَ الدارِ يَومَ قُتِلَ عُثْمَانُ بن عَفّان، وضُرِبَ مَروانُ بن الحَكَمِ، وسَعيدُ بن العاصِ فَسقطا، فوثبت فاطِمَةُ بنت شَرِيكِ على مَروانَ فأدخَلَتهُ بيتَ القَراطيس فَأُفْلِتَ، وكانوا يَحفَظونَ إبراهيم بن عَربيّ ويكرمونه، وجُنَيدًا، وهم في عَكٍّ، وأَودًا، وجُنَادَةَ، وهو أَبو كِندَةَ، وقالَ أَبو اليَقظان: جِيادَة، وهو باطِلُ، والقَحْمَ؛ وأُمُّهم مُعَانَةُ بِنتُ جَوْشَم بن جَلْهَةَ بن عَمرو بن هُلَيْنِيَةَ بن دَوةَ من جُرْهُم.
فَوَلَدَ سَنَامُ بن مَعَدٍّ: جُشَمَ، وحاء، وهما حَلِيفان لِحَكَمِ بن سَعد العَشِيرةَ من مَذْحِجَ.
وَوَلَدَ حَيْدَةُ بن مَعَدٍّ: مَجِيدًا، بَطْنٌ عَظيمٌ دَخَلوا في الأشْعَريِّين، فَيُنسَبُونَ منهم؛ وأَفَلَحَ، وقُزَحَ، دَرَجَا.
وَوَلَدَ القَحْمُ بن مَعَدٍّ: أَفْيَانَ؛ فَوَلَدَ أَفْيَانُ: غَنْثَا، وزَوَّا، وَغَتَتًا، وهم حَيٌّ في بني مالِكِ بن كِنانَةَ بن خُزَيمَة؛ حَكَوا غَنَتًا عن الكَلْبيّ أَنّه قاله، ولا يَعْرفهُ ابن حَبيب.
وَوَلَدَ نِزارُ بن مَعَدٍّ
(1): مُضَرَ، وإِيادًا، وأُمُّهما سَوْدَةُ بنت عَكِّ بن الدِّيثِ بن عَدْنَانَ؛ ورَبيعَةَ، وأَنمارًا، وأُمُّهما الجَذالَةُ بنت وِعْلانَ بن جَوْشَم بن جَهْلَة بن عمرِو بن هُلَيْنِيَةَ بن دَوَّةَ.
--------------------------------------------
তারা হিমইয়ারের সাথে নিজেদের সম্বন্ধ যুক্ত করেছে। আওফ এবং শাক্ক নির্বংশ হয়েছে। আর হাইদান নির্বংশ হয়েছে; ওয়াহিদা এবং উবায়দুর রিমাহ—তারা কিনানা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, তারা ইব্রাহিম বিন আরাবির বংশের লোক, যাকে আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান ইয়ামামার শাসক নিযুক্ত করেছিলেন। ইব্রাহিম বিন আরাবির মা ছিলেন ফাতিমা বিনতে শারিক বিন সাহমা, যাঁর সাথে আসিম বিন আদি তাঁর স্ত্রীর ব্যাপারে মুলাআনা করেছিলেন। যখন ইয়াওমুদ দার (গৃহের দিন) উপস্থিত হল—যেদিন উসমান বিন আফফান নিহত হন এবং মারওয়ান বিন হাকাম ও সাঈদ বিন আস প্রহৃত হয়ে লুটিয়ে পড়েন—তখন ফাতিমা বিনতে শারিক মারওয়ানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাঁকে বাইতুল কারাতীসে (কাগজপত্রের ঘরে) প্রবেশ করান, ফলে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তারা ইব্রাহিম বিন আরাবি ও জুনায়েদকে হেফাযত করত এবং তাঁদের সম্মান করত। তারা আক্ক গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আরও ছিল আওদ এবং জুনাদা—যিনি আবু কিনদাহ নামে পরিচিত। আবু ইয়াকজান তাঁকে 'জিয়াদা' বলেছেন, যা ভুল। আরও ছিল কাহম; তাঁদের মা ছিলেন মুআনা বিনতে জাওশাম বিন জালহাহ বিন আমর বিন হুলায় নিয়্যাহ বিন দাওয়াহ, যিনি জুরহুম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
সানাম বিন মা'আদ জন্ম দেন: জুশাম ও হা-কে; তারা উভয়েই মাজহিজ গোত্রের হাকাম বিন সাদ আল-আশিরাহ-এর মিত্র ছিল।
হায়দাহ বিন মা'আদ জন্ম দেন: মাজিদকে—এটি একটি বিশাল শাখা যারা আশআরী গোত্রে একীভূত হয়েছে এবং তাদের সাথেই সম্বন্ধযুক্ত হয়; আর আফলাহ ও কুজাহ নির্বংশ হয়েছে।
কাহম বিন মা'আদ জন্ম দেন: আফিয়ানকে। আফিয়ান জন্ম দেন: গানসা, জাওওয়া এবং গতাতকে; তারা বনু মালিক বিন কিনানা বিন খুজাইমাহর মধ্যে একটি গোত্র হিসেবে বসবাস করছে। কালবী থেকে 'গানাত' নামটি বর্ণিত হয়েছে, তবে ইবনে হাবিব এটি সমর্থন করেন না।
নিযার বিন মা'আদ
(১) জন্ম দেন: মুদার ও ইয়াদকে; তাদের মা ছিলেন সাওদা বিনতে আক্ক বিন আদ-দীস বিন আদনান। এবং (তিনি জন্ম দেন) রাবিয়া ও আনমারকে; তাদের মা ছিলেন আল-জাযালা বিনতে ওয়িলান বিন জাওশাম বিন জাহলা বিন আমর বিন হুলায় নিয়্যাহ বিন দাওয়াহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فَوَلَدَ مُضَرُ بن نِزارٍ: إِليَاسَ بن مُضَرَ، والنَّاسَ، وهو عَيْلانُ؛ وأُمُّهُما الرَّبَابُ بِنتُ حَيْدَةَ بن مَعَدٍّ بن عَدْنَانَ.
فَوَلَدَ إلياسُ بن مُضَرَ: عَمرًا، وهو مُدْرِكةُ؛ وعَامرًا، وهو طابِخَةُ؛ وعُمَيْرًا وهو قَمَعَةُ؛ وَأُمُّهم خِنْدِفُ، وهي لَيْلى بِنْت حُلْوانَ بن عِمْرانَ بن الحَافِ بن قُضَاعَةَ.
وكان إليَاسُ خَرَجَ في نُجْعَةٍ
(1) له فَنَفَرَتْ إبلُهُ من أَرنَبٍ فَخَرَجَ إليها عَمرو فَأَدْرَكَهَا فَسُمِّيَ مُدْرِكَة.
وخَرَجَ عامر فَتَصَيَّدَ فَطَبَخَهُ فَسُمِّي طَابِخَةَ.
وانقَمَعَ عُمَيرُ في الخِباءِ فَسُمِّيَ قَمْعَةَ، وخَرَجتْ أُمُّهم ليلى تَمْشِي فقال لها إليَاسُ: أَين تُخَنْدِفينَ؟ فَسُمِّيتْ خِنْدِفَ، والخَنْدَفَةُ: ضَرْبٌ من المَشْيِ.
قال: ولَمّا انصرفوا وقد صَنَعوا ما سُمِّي، قال لِعَمْرٍو: أَنتَ قَدْ أَدْرَكْتَ ما طَلَبْنا، وقال لِعَامِر: وأَنتَ قَدْ أَنْضَجْتَ مَا طَبَخْتَا، وقال لِعُمَيْرٍ: وَأَنتَ قَدْ أَسَأَتَ وانقَمَعْتا.
فَوَلَدَ مُدركةُ بن إليَاسَ: خُزَيْمةَ، وهُذَيلًا، وأُمُّهُما سَلْمَى بنت أَسْلَم بن الحافِ بن قُضاعةَ؛ وغَالِبًا، وسَعدًا وقيسًا، دَرَجَوا لا أعقابَ لَهم، وأُمُّهم لَيلى بِنْتُ السَّيِّد بن الحَافِ بن قُضَاعَة.
فَوَلَدَ خُزَيمة بن مُدرِكَة: كِنانَةَ، وأُمُّهُ: عَوَانَةُ بِنْتُ سَعْدٍ بن قَيسٍ، ويقالُ: بَل هِندُ بِنتُ عَمرِو بن قَيْس بن عَيْلانَ؛ وَأَسَدًا، وَأَسَدَةَ، فَجُذامُ تُنسَبُ إلى أَسَدَةَ؛ وعبدَ اللهِ، والهَوْنَ؛ وأُمُّهُما بَرَّةَ بنت مُرٍّ أختُ تَمِيمِ بن مُرٍّ.
--------------------------------------------
মুদার ইবনে নিযারের সন্তানরা হলেন: ইলিয়াস ইবনে মুদার এবং নাস, যার নাম আয়লান; তাদের মা হলেন রবাব বিনতে হ্যায়দা ইবনে মা’দ ইবনে আদনান।
ইলিয়াস ইবনে মুদারের সন্তানরা হলেন: আমর, যার উপাধি মুদরিকা; আমির, যার উপাধি তাবিখা; এবং উমাইর, যার উপাধি কামা’আ; তাদের মা হলেন খিন্দিফ, যিনি হলেন লায়লা বিনতে হুলওয়ান ইবনে ইমরান ইবনে হাফ ইবনে কুদা’আ।
ইলিয়াস একদা পশুখাদ্যের সন্ধানে
(১) বের হয়েছিলেন, তখন একটি খরগোশ দেখে তাঁর উটগুলো ভড়কে গিয়ে পালিয়ে যায়। তখন আমর সেগুলোর পিছু নিয়ে তাদের ধরে ফেলেন, তাই তাঁর নাম রাখা হয় ‘মুদরিকা’ (ধরে গ্রহণকারী)।
আর আমির শিকারে বের হয়ে শিকার করেন এবং তা রান্না করেন, তাই তাঁর নাম রাখা হয় ‘তাবিখা’ (রন্ধনকারী)।
উমাইর তাঁবুর মধ্যে লুকিয়ে রইলেন, তাই তাঁর নাম রাখা হয় ‘কামা’আ’ (অন্তরালে থাকা ব্যক্তি)। তাঁদের মা লায়লা হেঁটে বের হলেন, তখন ইলিয়াস তাঁকে বললেন: "তুমি কোথায় খিনদাফা (দ্রুত পদচারণা) করছ?" তাই তাঁর নাম রাখা হয় ‘খিন্দিফ’; আর খিনদাফা হলো এক প্রকারের হাঁটা।
তিনি বলেন: যখন তাঁরা ফিরে এলেন এবং তাঁদের নামের কারণ অনুযায়ী কাজগুলো সম্পন্ন করলেন, তখন তিনি আমরকে বললেন: "আমরা যা সন্ধান করছিলাম তা তুমি ধরে ফেলেছ।" আমিরকে বললেন: "তুমি যা রান্না করেছ তা সুসিদ্ধ করেছ।" আর উমাইরকে বললেন: "তুমি মন্দ করেছ এবং গুটিসুটি মেরে (লুকিয়ে) রয়েছ।"
মুদরিকা ইবনে ইলিয়াসের সন্তানরা হলেন: খুযাইমা ও হুযাইল, তাঁদের মা হলেন সালমা বিনতে আসলাম ইবনে হাফ ইবনে কুদা’আ; এবং গালিব, সা’দ ও কায়স—তাঁরা নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান; তাঁদের মা হলেন লায়লা বিনতে সাইয়্যিদ ইবনে হাফ ইবনে কুদা’আ।
খুযাইমা ইবনে মুদরিকার সন্তানরা হলেন: কিনানা, তাঁর মা হলেন আওয়ানা বিনতে সা’দ ইবনে কায়স, মতান্তরে—হিন্দ বিনতে আমর ইবনে কায়স ইবনে আয়লান; এবং আসাদ ও আসাদা, জুযাম গোত্র এই আসাদার দিকেই সম্বন্ধিত হয়; এবং আবদুল্লাহ ও হাওন, তাঁদের মা হলেন বাররা বিনতে মুর, যিনি তামীম ইবনে মুরের বোন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ১৯)
فَوَلَدَ كِنانةُ: النَّضْر؛ وهو قَيْسُ، ونُضَيرًا، ومَالِكًا، ومِلْكانَ، وعَامرًا، وعَمْرًا، والحَارِثَ، وغَزْوَانَ، وسَعْدًا، وعَوْفًا، وَغَنْمًا، ومَخْرَمَة، وجَرْوَلَا، بني كِنَانَةَ؛ وأُمُّهم بَرَّةُ بِنْتُ مُرٍّ أُخْتَ تَمِيم بن مُرٍّ خَلَفَ عليها بعد أَبيه خُزَيْمة، وَعبدَ منَاةَ، وأُمُّهُ الذَّفْرَاءُ، وهي فَكْهَةُ بِنْتُ هَنِيّ بن بليِّ بن عمرو بن الحَاف بْنِ قُضَاعةَ، وأَخوه لأُمِّهِ عَليُّ بن مَسعودٍ الغَسَّانيُّ، فحَضَن عليُّ بن مسعودِ بْنِ مَازِنِ بن ذِئْبٍ أَولادَ عَبْدِ مَنَاةَ فَنُسِبوا إليه.
فَوَلَدَ النَّضْرُ بن كِنانَةَ: مَالِكًا، وَيَخْلُد، وهم في بَني عَمرِو بن الحارِثِ بْنِ مَالِكِ بن كِنانَةَ، والصَّلْتَ دَرَجَ، وخُزَاعَةَ، يُنسَبُ إلى الصَّلْتِ، وأُمُّهُم عِكْرِشَةُ بِنْتُ عَدْوَانَ، وهو الحَارِثُ بن عَمْرِو بن قَيْس عَيْلان.
فَوَلَدَ مَالِكُ بن النَّضْر: فِهرًا واليه جِماعُ قُرَيْش، والحَارِثَ دَرَجَ، وأُمُّهما جَنْدَلَةُ بِنْتُ عَامِر بن الحَارِث بن مُضَاضِ الجُرْهُمي.
فَوَلَدَ فِهْرُ، وهو قُرَيْشٌ: غَالِبًا، وَأَسَدًا، وَعَوْفًا، وذئْبًا، وجَوْنًا، درجوا، والحَارثَ، بطن، ومُحاربًا بطن، وهما من قُرَيْش الظَّواهِرِ، وأُمُّهم ليلى بنْتُ الحَارِث بن تَمِيمٍ بن سَعْد بن هُذَيْل بن مُدْرِكَةَ
فَوَلَدَ أَسَدُ بن فِهْرٍ: مَالِكًا؛ فَوَلَدَ مَالِكُ بن أَسَدٍ: جَمَلًا فَادَّعى إليه عَبْدُ شمسٍ، وهم بطن من العِبَادِ نَصارى بالحِيرةِ، فقالوا: عَبْدُ شَمْسٍ بن جَمَلٍ، وهذا باطِلٌ.
فَوَلَدَ عَوْفُ بن فِهْرِ
(1): زُهْرَةَ بن عَوْفٍ، وَصَفيّةَ؛ قال: دَرَجَ أَولادُ فِهْرٍ كُلُّهم إلا غَالِبًا، والحارِثَ، ومُحارِبًا.
--------------------------------------------
কিনানা জন্ম দেন: আন-নাদর—যিনি কাইস হিসেবেও পরিচিত, এবং নুদাইর, মালিক, মিলকান, আমির, আমর, আল-হারিস, গাযওয়ান, সাদ, আওফ, গানম, মাখরামা ও জারওয়ালকে—এরা সবাই বনু কিনানা। তাদের মা ছিলেন বাররাহ বিনতে মুরর, যিনি তামীম ইবনে মুররের বোন; তার পিতা খুজাইমার পর কিনানা তাকে বিবাহ করেছিলেন। আর (তিনি জন্ম দেন) আবদে মানাতকে, যার মা ছিলেন আয-যাফরা—যিনি মূলত ফাকিহা বিনতে হানি ইবনে বালি ইবনে আমর ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআ। তার বৈমাত্রেয় ভাই ছিলেন আলী ইবনে মাসউদ আল-গাসসানি। অতঃপর আলী ইবনে মাসউদ ইবনে মাযিন ইবনে দিব আবদে মানাতের সন্তানদের লালনপালন করেন এবং তারা তার বংশের সাথেই সম্বন্ধযুক্ত হয়ে পড়ে।
আন-নাদর ইবনে কিনানা জন্ম দেন: মালিক এবং ইখলুদকে—তারা বনু আমর ইবনুল হারিস ইবনে মালিক ইবনে কিনানার অন্তর্ভুক্ত; এবং আস-সালতকে, যিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। খুজাআহ গোত্র আস-সালতের দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হয়। তাদের মা ছিলেন ইিকরিশা বিনতে আদওয়ান; আর তিনি হলেন আল-হারিস ইবনে আমর ইবনে কাইস আয়লান।
মালিক ইবনে আন-নাদর জন্ম দেন: ফিহরকে—যার নিকট কুরাইশ বংশের সকল শাখা একত্রিত হয়েছে, এবং আল-হারিসকে, যিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। তাদের মা ছিলেন জানদালা বিনতে আমির ইবনুল হারিস ইবনে মুদাদ আল-জুরাহুমী।
ফিহর—যিনি কুরাইশ—জন্ম দেন: গালিব, আসাদ, আওফ, দিব এবং জাওনকে—যারা সবাই নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন; এবং আল-হারিস ও মুহারিবকে, যারা প্রত্যেকেই একেকটি শাখা গোত্র এবং তারা কুরাইশে জাওয়াহিরের (বাইরের কুরাইশ) অন্তর্ভুক্ত। তাদের মা ছিলেন লাইলা বিনতে আল-হারিস ইবনে তামীম ইবনে সাদ ইবনে হুযাইল ইবনে মুদরিকা।
আসাদ ইবনে ফিহর জন্ম দেন: মালিককে। মালিক ইবনে আসাদ জন্ম দেন: জামালকে, যার দিকে আবদু শামস নিজেকে সম্বন্ধযুক্ত করার দাবি করে; তারা হীরার খ্রিস্টান ইবাদ সম্প্রদায়ের একটি শাখা ছিল। তারা বলেছিল: 'আবদু শামস ইবনে জামাল', কিন্তু এটি একটি ভিত্তিহীন কথা।
আওফ ইবনে ফিহর
(১) জন্ম দেন: জুহরা ইবনে আওফ এবং সাফিয়্যাকে। বলা হয়েছে: গালিব, আল-হারিস এবং মুহারিব ব্যতীত ফিহরের বাকি সকল সন্তানই নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২০)
وَوَلَدَ غَالِبُ بن فِهْرٍ: لُؤيًّا، وتَيْمًا، وهو الأَدْرَمُ، بطن، وكان تَيْمُ كاهِنًا، وكان ناقِصَ الذَّقَنِ
(1) وهم من قُرَيش الظَواهِر، وقَيْسًا، دَرَجُوا، ركان آخِرَ مَن بَقىَّ من بني قيسِ بن غَالِبٍ رَجلٌ هَلَكَ بالعراقِ أَيامَ خالدِ بن عَبْدِ اللهِ فِي خِلافَةِ هِشَام، فَبَقى مِيراثُهُ لَا يُدْرَى من أَحَقُّ بِهِ.
وأمُّ بني غَالِبٍ عَاتِكَةُ بِنْتُ يَخْلُد بن النَّضْر، وهي إحدى العَواتِك اللَّواتي وَلَدْنَ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم؛ ويُقالُ بل أُمُّهُم سَلْمَى بِنْتُ عَمرو بن رَبيعةَ بن حَارِثةَ من خُزاعَةَ.
فَوَلَدَ لُؤىُّ بن غَالِبٍ: كَعْبًا، بَطْن، وعَامِرًا، بَطْن، وسَامَةَ بطن؛ وَأُمُّهُم ماوِيَةُ بنت كَعْب بن القَيْن بن جَسْرٍ بن شَيْعِ الله بن أَسَدِ بن وَبَرَةَ.
وعَوْفَ بن لُؤَيٍّ، بَطَنٌ، وأُمُّهُ: الْبَارِدَةُ بِنْتُ عَوْفِ مِن تَمِيم بن عَبْدِ اللهِ بن عَفَّانَ بن عَوْفِ بن غَنْم بن عَبْدِ اللهِ، لم يَلِد أَبو البَارِدَةِ غَيْرَها.
وخُزَيمةَ بن لُؤيٍّ بَطن، وهم عَائِذةُ قُرَيْشٍ.
وسَعْدَ بن لُؤيٍّ، بطن، وَهم بنو جُشَمَ.
وَجُشَمُ كان عَبْدًا حَبَشِيًا حَضَنَ الحَارِثَ فَغَلَبَ عليه؛ وجُشَمُ حُلفاءٌ لِبني هِزَّانَ بن عَنَزَةَ بن أَسَدِ بن رَبيعةَ بن نِزَارٍ؛ فأَمّا عَوْفُ بن لُؤيٍّ فَإِنَّه لَحِقَ بغَطَفَانَ فَنَزَلَ في مَنزلٍ، وارتَحَلَ النَّاسُ فَمَرَّ بِهِ فَزَارَةُ فَقالَ:
عَرِّجْ عَلَىَّ ابْنَ لُؤى جَمَلَكْ
… تَرَكَكَ القَومُ ولا مَنْزِلَ لَكْ
--------------------------------------------
গালিব ইবনে ফিহর জন্ম দেন: লুআই এবং তাইমকে; তাইম ‘আল-আদরাম’ নামে পরিচিত, যা একটি উপগোত্র। তাইম একজন পুরোহিত ছিল এবং তার থুতনি ছোট ছিল
(১)। তারা কুরাইশ আজ-জাওয়াহিরের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া তিনি কায়সকেও জন্ম দেন, যাদের বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বনু কায়স ইবনে গালিবের সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি হিশামের খিলাফতকালে খালিদ ইবনে আবদুল্লাহর শাসনকালে ইরাকে মৃত্যুবরণ করেন; ফলে তার উত্তরাধিকারের প্রকৃত হকদার কে, তা আর জানা সম্ভব হয়নি।
বনু গালিবের মা হলেন আতিকা বিনতে ইখলুদ ইবনে আন-নাদর। তিনি সেই আতিকাদের একজন, যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্বজাতা (যাঁদের গর্ভে তাঁর বংশধারা প্রবাহিত হয়েছে); মতান্তরে তাদের মা হলেন খুযাআ গোত্রের সালমা বিনতে আমর ইবনে রাবিআ ইবনে হারিসা।
লুআই ইবনে গালিব জন্ম দেন: কাব (একটি উপগোত্র), আমির (একটি উপগোত্র) এবং সামাহকে (একটি উপগোত্র); তাদের মা হলেন মাওয়িয়া বিনতে কাব ইবনে আল-কাইন ইবনে জাসর ইবনে শায়উল্লাহ ইবনে আসাদ ইবনে ওয়াবারাহ।
এবং আউফ ইবনে লুআই, তিনি একটি উপগোত্র; তার মা হলেন তামিমে বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে আফফান ইবনে আউফ ইবনে গানম ইবনে আবদুল্লাহর বংশীয় আউফের কন্যা আল-বারিদাহ। আল-বারিদাহর পিতা তিনি ব্যতীত আর কোনো সন্তান জন্ম দেননি।
আর খুজাইমাহ ইবনে লুআই একটি উপগোত্র, তারা কুরাইশের ‘আইজাহ’ নামে পরিচিত।
এবং সাদ ইবনে লুআই একটি উপগোত্র, তারা হলো বনু জুশাম।
জুশাম ছিলেন একজন হাবশী ক্রীতদাস, যিনি আল-হারিসকে লালন-পালন করেছিলেন এবং তার পরিচয়ের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন; জুশামরা বনু হিজ্জান ইবনে আনাজাহ ইবনে আসাদ ইবনে রাবিআ ইবনে নিজারের মিত্র। আউফ ইবনে লুআইয়ের ক্ষেত্রে যা ঘটেছিল তা হলো, তিনি গাতফান গোত্রের সাথে যোগ দেন এবং এক স্থানে অবস্থান নেন। যখন লোকজন সেখান থেকে প্রস্থান করছিল, তখন ফাযারাহ তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলল:
হে লুআই-এর পুত্র, তোমার উটটি আমার দিকে ফেরাও
... কওম তোমাকে ত্যাগ করেছে এবং তোমার কোনো আশ্রয় নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২১)
فَوَلَدَ عَوْفُ
(1): مُرَّةَ؛ فَهم في غَطَفَانَ؛ يقولون: مُرَّةُ بن عَوفِ بن سَعْدِ بن ذُبيانَ بن بَغِيضٍ، ومنهم: الحَارِثُ بن ظَالِمٍ وقد جَعَل يَنتَسِبُ في شِعرِهِ إلى قُرَيْشٍ فقالَ:
رَفَعْتُ الرُّمْحَ إذ قَالوا قُريشٌ
… وشَبَّهْتُ الشَّمَائِلَ والقِبَابَا
(2)فما قَومِي بثَعلبةَ بن سَعدٍ
… ولا بِفَزَارَةَ الشُّعْرِ الرِّقَابَا
وكان عُمَرُ بن الخَطَّاب يقولُ: لو ادَّعَيْتُ حَيًّا من أَحْيَاءِ العَرَبِ لادَّعَيْتُهُم.
وأما الحارِثُ بن لُؤيٍّ، وكانوا في بني هِزَّانَ من عَنَزَةَ فَقَالَ جَرِيرُ الخَطَفيّ يَنسُبهم إلى قُرَيْشٍ:
بَني جُشَمٍ لَسْتُم لِهِزَّانَ فانْتَمُوا
… لِفرع الرَّوابى من لُؤيٍّ بن غَالِبِ
ولا تُنكِحوا في آل ضَوْرٍ بَناتِكُم
… وَلا في شَكِيسٍ بِئسَ حَيّ الغَرائبِ
ضَوْرٌ، وشَكْسٌ من عَنَزَةَ، وإنما قَالَ شَكِيْس للشِّعرِ، وكانت عائذَةُ، وبُنَانَةُ في بني شَيبانَ.
وَوَلَدَ كَعبُ بن لُؤيٍّ: مُرَّةَ، وَهُصَيْصا وأُمُّهما مَخْشِيَّةُ بِنْتُ شَيبانَ بن مُحارِبَ بن فِهْرٍ.
وعَديَّ بن كَعبٍ، بطن وأُمُّه رَقَاشِ بِنْتُ رُكْبَة بن بَلْبَلَةَ بن كَعبِ بن حَرْبٍ، بن تَيْمِ بن سَعْدِ بن فَهْمِ بن عَمرو بن قَيْس بن عَيْلانَ.
--------------------------------------------
আউফ জন্ম দিলেন
(১): মুররাকে; তারা গাতফান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত; তারা বলে: মুররা বিন আউফ বিন সাদ বিন জুবইয়ান বিন বাগিজ। তাদের মধ্য থেকে একজন হলেন: আল-হারিস বিন জালিম, যে তার কবিতায় নিজেকে কুরাইশদের সাথে সম্পৃক্ত করত, সে বলেছে:
আমি বর্শা উত্তোলন করেছি যখন তারা কুরাইশ বলে ডাকল
… এবং আমি তাদের স্বভাব ও গম্বুজসমূহের সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখলাম
(২)আমার কওম সালাবা বিন সাদ নয়
… আর না তারা ফাজারা গোত্রের সেই লোক যাদের ঘাড়ের পশম দীর্ঘ
আর উমর বিন আল-খাত্তাব বলতেন: যদি আমি আরবের কোনো গোত্রকে নিজের গোত্র হিসেবে দাবি করতাম, তবে তাদেরকেই করতাম।
আর হারিস বিন লুআই-এর বংশধরদের কথা বলতে গেলে, তারা আনাজা গোত্রের বনু হিজজানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অতঃপর জারির আল-খাতাফি তাদের কুরাইশদের সাথে সম্পৃক্ত করে বলেন:
হে বনু জুশাম! তোমরা হিজজানের নও, তাই তোমরা নিজেদের সম্পৃক্ত করো
… লুআই বিন গালিবের উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ বংশধারার সাথে
আর তোমরা দাউর পরিবারে তোমাদের কন্যাদের বিবাহ দিও না
… এবং শাকিস পরিবারেও নয়; বহিরাগতদের মধ্যে এটি কতই না নিকৃষ্ট বসতি
দাউর এবং শাকস আনাজা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, মূলত কবিতার ছন্দের খাতিরে তিনি 'শাকিস' বলেছেন; আর আইজাহ ও পুনানাহ বনু শায়বান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কাব বিন লুআই জন্ম দিলেন: মুররা এবং হুসাইসকে; তাদের মা ছিলেন মাখশিয়া বিনতে শায়বান বিন মুহারিব বিন ফিহর।
এবং আদি বিন কাব, এটি একটি গোত্র শাখা; তার মা ছিলেন রাকাশ বিনতে রুকবা বিন বালবালা বিন কাব বিন হারব বিন তাইম বিন সাদ বিন ফাহম বিন আমর বিন কায়স বিন আয়লান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২২)
فَوَلَدَ مُرَّةَ بن كَعب: كِلابًا، وأُمُّهُ هِندُ بِنْتُ سرَيْرِ بن ثَعلَبَةَ بن الحارِث بن مَالِك بن كِنَانَةَ.
وتَيْمَ بن مُرَّةَ، بَطْن، ويَقَظَةَ، وأُمُّهُما أَسماءُ بِنتُ سَعْد بن عَديّ بن حَارِثَةَ بن بارِقٍ من الأزْدِ.
فَوَلَدَ كِلابُ بن مُرَّةَ: قُصَيًّا، واسمُهُ زَيْدٌ، وهو مُجَمِّعٌ، وزُهْرَةَ، ونُعْم؛ وأُمُّهُم فاطِمة بِنْتُ سَعْدِ بن سَيْلٍ، وهو خَيْرُ بن حِمَالَةَ بن عَوْفٍ مِن الْأَزْدِ، وأُمُّ فاطِمةَ طَرِيفَةُ بِنْتُ قَيْس بن ذِي الرَّأسَيْنِ، مِن فَهْم بن عَمْرو، وكان يقال لِقُرَيْش بنو النَّضْرِ فَلما جَمَعَهم قُصيُّ كان يُدعى مُجَمَّعًا، وذلك قول حُذَافَةَ بْنِ غَانِم لأبي لَهَبٍ:
أَبوكم قُصَيُّ كان يُدْعَى مُجَمِّعًا
… بهِ جَمَعَ اللهُ القَبَائِلَ مِن فِهْرِ
فَوَلَدَ قُصَيُّ بن كِلابٍ: عَبَدَ مَنَافٍ، وهو المُغِيرَةُ، وعَبْدَ اللهِ، وهو عَبْدَ الدَارِ، وعَبْدَ العُزَّى، وعَبدًا، وبَرَّةَ، امْرَأَةٌ، وتَخْمُرَ، وأُمُّهم حُبَّى بِنْتُ حُلَيْلِ بْنِ حَبَشِيَّةَ بن سَلُولِ بن كَعْب بن عَمروٍ من خُزَاعَةَ.
فَوَلَدَ عَبْدُ مَنَافِ بن قُصَيّ: هاشِمًا، وهو عَمرو، وسُمِّيَ هَاشِمًا لأنَّه هَشَمَ الثَّرِيدَ، ولَهُ يقولُ الشاعِرُ:
عَمرو العُلى هَشَمَ الثَّريدَ لِقَومِهِ
… ورجالُ مَكَّةَ مُستِتونَ عِجافُ
والمُطَّلِب، وعَبْدَ شَمسٍ، وتُمَاضِرَ، وقِلابَةَ، وأُمُّهُم عاتِكةُ بِنْتُ مُرَّة بن هِلالِ بن فَالِج بن ذَكْوَانَ بن ثَعلَبَةَ بن الحَارِث بن بُهْثَةَ بن سُيْم بن مَنْصورِ بن عِكرِمَةَ بن خَصَفَة بن قَيْس بن عَيْلَانَ بن مُضَرَ.
মুররা ইবনে কাবের সন্তান হলেন কিলাব; তাঁর মাতা হলেন কিনানা গোত্রের মালিক ইবনুল হারিস ইবনে সালাবা ইবনে সারির-এর কন্যা হিন্দ।
এবং তাইম ইবনে মুররা—যিনি একটি গোত্রের মূল—এবং ইয়াকাজা; তাঁদের উভয়ের মাতা হলেন আজদ গোত্রের বারিক বংশীয় হারিসা ইবনে আদি ইবনে সায়াদ-এর কন্যা আসমা।
কিলাব ইবনে মুররা সন্তান লাভ করেন: কুসাই—যাঁর আসল নাম ছিল যায়িদ এবং তাঁকে ‘মুজাম্মি’ (একত্রকারী) বলা হতো—জুহরা এবং নুয়াম। তাঁদের মাতা হলেন আজদ গোত্রের আওফ ইবনে হিমলা ইবনে খায়র (যিনি সায়িল নামে পরিচিত)-এর কন্যা ফাতিমা। ফাতিমার মাতা হলেন ফাহম ইবনে আমর গোত্রের কায়েস ইবনে যি-রাসায়নের কন্যা তরীফা। কুরাইশদের ‘বানু নাজর’ বলা হতো, অতঃপর কুসাই যখন তাদের একত্রিত করলেন তখন তাকে ‘মুজাম্মি’ নামে ডাকা হতে থাকে। এই সম্পর্কে হুযাইফা ইবনে গানিম আবু লাহাবের প্রতি লক্ষ্য করে বলেছিলেন:
তোমাদের পিতা কুসাইকে ‘মুজাম্মি’ (একত্রকারী) নামে ডাকা হতো
… তাঁর মাধ্যমেই আল্লাহ ফিহর-এর সকল গোত্রকে একত্রিত করেছিলেন।
কুসাই ইবনে কিলাব সন্তান লাভ করেন: আবদে মানাফ—যিনি আল-মুগিরা নামে পরিচিত—আবদুল্লাহ—যিনি আবদুদ দার—আবদুল উজ্জা, আবদ, বাররাহ (এক কন্যা) এবং তাখমুর। তাঁদের মাতা হলেন খুজাআ গোত্রের আমর ইবনে কাব ইবনে সালুল ইবনে হাবাশিয়া ইবনে হুলাইল-এর কন্যা হুব্বা।
আবদে মানাফ ইবনে কুসাইয়ের সন্তানরা হলেন: হাশিম—যাঁর আসল নাম আমর। তাঁকে ‘হাশিম’ (চূর্ণকারী) বলা হতো কারণ তিনি সারীদ (ঝোল ভেজানো রুটি) ভেঙে টুকরো করতেন। তাঁর সম্পর্কে কবি বলেন:
সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী আমর তাঁর সম্প্রদায়ের জন্য সারীদ ভেঙেছিলেন
… যখন মক্কার পুরুষেরা দুর্ভিক্ষপীড়িত ও শীর্ণকায় ছিল।
এবং মুত্তালিব, আবদে শামস, তুমাযির ও কিলাবা। তাঁদের মাতা হলেন আতিকা বিনতে মুররা ইবনে হিলাল ইবনে ফালিজ ইবনে যাকওয়ান ইবনে সালাবা ইবনুল হারিস ইবনে বুহসা ইবনে সুলাইম ইবনে মানসুর ইবনে ইকরিমা ইবনে খাসাফা ইবনে কায়েস ইবনে আয়লান ইবনে মুজার।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وهي أوَّلُ العَواتِكِ اللائي وَلَدْنَ رَسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وأُمُّها ماوِيَةُ بنت حَوْزَةَ بن عَمرو بن مُرَّةَ بن صَعْصَعَةَ.
ونوفل بن عَبدِ مَنافٍ، وأبا عَمرو بن ابن عَبْدِ مَنَافٍ، واسمُهُ عُبَيْدُ، درح، وأُمَيْمَةَ.
وأُمُّهم واقِدَةُ بِنْتُ أَبي عَدِيّ بن عَبدِ نُهْمٍ، من بنَي مَازِنِ بن صَعْصَعَةَ.
ورَيْطَةَ بِنْتُ عَبْدِ مَنَافٍ، ولَدَتْ في بَني هِلال بن مُعَيْطٍ مِن كِنَانَةَ، وَأُمُّهَا من ثَقِيفٍ.
[نسب بني هاشم]فَوَلَدَ هَاشِمُ بن عَبْدِ مَنَافٍ: عَبْدَ المُطَّلِبِ، وهو شَيْبَةُ الحَمدِ، وكان سَيِّدَ قُرَيْشٍ حتى هَلَكَ، وأُمُّهُ سَلمى بنت عَمرو بن زَيْدِ بن لَبيدِ بن خِدَاشِ بن عَامِر بن غَنْم بن عَدِيِّ بن النَجَّار، وهو تَيْمُ اللهِ بن ثَعْلَبَةَ بن عَمرو بن الخَزْرَجِ؛ وأخواهُ لأُمِّهِ: عَمرو، ومَعْبَدًا، ابنا أُحَيْحَةَ بن الجُلاحِ.
قالَ هِشامُ وحَدَّثَني أَبو مُسْكينٍ قالَ: قالتْ أُمُّ عبد المطَّلِبِ حينَ أَقَبَلَ عَمُّهُ فَحَمَلَهُ من المدِينةِ إلى مَكَّةَ:
كُنا ذَوِيب ثَمِّهِ وَرَمِّهِ
… حَتّى إذا قَامَ على أَتَمِّهِ
انتَزَعُوهُ عَنْوَةً من أمِّهِ
… وغَلَبَ الأخوالَ حَقُّ عَمِهِ
ونَضْلَةَ بن هَاشِمٍ، والشِّفاءَ، وأُمُّهُما بِنْتُ عَدَيِّ بن عَبْدِ اللهِ من قُضَاعَةَ، من بني سَلامَانَ؛ وأَخواهُما لأمِّهما: نُفَيلُ بن عَبْدِ العُزَّى بن رِيَاح بن عَبدِ اللهِ بن قُرْط بن رِزَاحِ
(1) بن عَدِيّ بن كَعْبٍ: وعَمرو بن رَبيعةَ بن حَبِيْبِ بن جَذِيمةَ بن مَالِكِ بن حِسْلٍ بن عَامرِ بن لُؤَيٍّ.
--------------------------------------------
তিনি হলেন আতিকা নামক নারীগণের মধ্যে প্রথম যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জন্ম দিয়েছেন। তাঁর মা ছিলেন মাওইয়া বিনতে হাওযা ইবনে আমর ইবনে মুররা ইবনে সা'সাআ।
এবং নওফল ইবনে আবদে মানাফ, এবং আবু আমর ইবনে আবদে মানাফ—যার নাম ছিল উবাইদ, দরাহ এবং উমাইমা।
তাঁদের মা ছিলেন ওয়াকিদা বিনতে আবি আদিয়্য ইবনে আবদে নুহাম, যিনি বনু মাযিন ইবনে সা'সাআ গোত্রের।
এবং রাইতাহ বিনতে আবদে মানাফ, যিনি কিনানা গোত্রের বনু হিলাল ইবনে মুআইত পরিবারে সন্তান জন্ম দিয়েছেন; এবং তাঁর মা ছিলেন সাকিফ গোত্রের।
[বনু হাশেমের বংশপরিচয়]হাশেম ইবনে আবদে মানাফের সন্তানরা হলেন: আবদুল মুত্তালিব—যিনি শায়বাতুল হামদ নামে পরিচিত ছিলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত কুরাইশদের নেতা ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন সালমা বিনতে আমর ইবনে যাইদ ইবনে লাবিদ ইবনে খিদাশ ইবনে আমির ইবনে গানাম ইবনে আদিয়্য ইবনে নাজ্জার (নাজ্জার ছিলেন তায়মুল্লাহ ইবনে সা'লাবা ইবনে আমর ইবনে খাযরাজ)। আবদুল মুত্তালিবের বৈমাত্রেয় (মায়ের দিক থেকে) দুই ভাই ছিল: আমর এবং মা'বাদ—যারা ছিলেন উহাইহা ইবনুল জুলাহ-এর পুত্র।
হিশাম বলেন, আবু মিসকিন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল মুত্তালিবের মা বলেছিলেন যখন তাঁর চাচা এসে তাঁকে মদিনা থেকে মক্কায় নিয়ে যাচ্ছিলেন:
আমরা তাঁর লালন-পালন ও দেখাশোনার অধিকারী ছিলাম
… যতক্ষণ না তিনি পূর্ণ যৌবনে উপনীত হলেন।
তারা তাঁকে জোরপূর্বক তাঁর মায়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল
… এবং মামাদের ওপর চাচার অধিকারই জয়ী হলো।
এবং নাদলা ইবনে হাশেম এবং শিফা; তাঁদের মা ছিলেন কুদাআ গোত্রের বনু সালামানের আদিয়্য ইবনে আবদুল্লাহর কন্যা। তাঁদের বৈমাত্রেয় (মায়ের দিক থেকে) দুই ভাই ছিল: নুফাইল ইবনে আবদিল উযযা ইবনে রিয়াহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কুরত ইবনে রিযাহ
(১) ইবনে আদিয়্য ইবনে কাব; এবং আমর ইবনে রাবিআ ইবনে হাবিব ইবনে জাযিমা ইবনে মালিক ইবনে হিসল ইবনে আমির ইবনে লুআই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وأَسَدَ بن هَاشِمٍ، وأُمُّهُ قَيْلَة، وهي الحَرورُ بِنْتُ عَامِر بن مالِكِ بن جَذيمَةَ، وهو المُصْطَلِقُ من خُزَاعَةَ.
وأَبَا صَيْفيِّ بن هَاشِمٍ واسْمُه عَمرو، وصَيْفِيًّا؛ وأُمُّهُما هِنْدُ بِنْتُ عَمرو بن ثَعْلَبَةَ من بَني عَوْفِ بن الخَزْرجَ، وأَخوهُما لأُمِّهما: مَخْرَمَةُ بن المُطَّلِب بن عَبْدِ مَنَافٍ بن قُصَيِّ.
فَوَلَدَ عَبْدُ المُطَّلِبِ بن هَاشِمٍ
(1): عَبْدَ اللهِ، وَعَبْدَ مَنافٍ، وهو أَبو طَالِبٍ، والزُّبَيْر، كان شَريفًا شاعِرًا، وعَبْدَ الكَعبةِ؛ وأُمُّهم فَاطِمَةُ بِنْتُ عَمرو بْنِ عَائِذِ بن عِمرانَ بن مَخزومٍ؛ وأُمُّها صَخْرَةُ بِنتُ عَبْدِ بن عِمرانَ بن مَخزومٍ.
وأُمّ صَخْرَةَ تَخْمُر بِنتُ عَبدِ بن قُصَيِّ بن كِلابٍ؛ والعَبَّاسَ، وَضِرَارًا؛ وأُمُّهما نُتَيْلَة، وهي أُمُّ سُليمان، بنت جَنَابِ بن كُلَيب بن مَالِكِ بن عَمرو بن عَامِرٍ، وهو الضَّحْيَانُ بن سَعدِ بن الخَزْرَج بن تيْمِ بن النَّمِرِ بن قاسِط بن هِنْبٍ، وإنّما سُمِّي الضَّحْيَانَ لأنَّه كانَ يَحْكُم بَينَهُم، يَجْلِسُ لهم وقْتِ الضُّحَى؛ وأُمّ نُتَيْلَةَ أُمُّ حُجْرٍ بِنْتُ الأَزَبّ بن الحَارِثِ بن بَكِيلٍ من هَمْدَانَ.
وحَمْزَةَ، أَسَدَ اللهِ وأَسَدَ رَسُولِهِ، اسْتَشْهَدَ يَومَ أُحدٍ، والمُقَوَّمَ، وحَجْلًا، واسمُهُ المُغيرَةُ، والعَوَّامَ؛ وأُمُّهُم هَالَةُ بِنْتُ أُهَيْب بن عَبدِ مَنَافٍ بن زُهْرَةَ بن كِلابٍ.
وأَبَا لَهَبٍ، واسْمُه عَبْدُ العُزَّى، وكان جَوَادًا، وَكَنّاهُ عَبْدُ الْمُطَّلِب أَبَا لَهَبٍ لِحُسنِ وَجْهِه؛ وأُمُّه لُبنى بِنْتُ هاجِرٍ بن عَبْدِ منافٍ بن ضَاطِر بن حَبَشِيَّةَ من خُزَاعَةَ.
--------------------------------------------
আসাদ বিন হাশিম, এবং তাঁর মাতা কায়লাহ, তিনি হলেন আমির বিন মালিক বিন জাযিমাহ-এর কন্যা আল-হারুর, আর তিনি (জাযিমাহ) হলেন খুজাআহ গোত্রের আল-মুস্তালিক।
এবং আবু সাইফি বিন হাশিম যার নাম আমর, ও সাইফি; তাঁদের মাতা হলেন বনু আওফ বিন খাজরাজ গোত্রের আমর বিন সা'লাবাহর কন্যা হিন্দ, এবং তাঁদের বৈপিত্রেয় ভাই হলেন মাখরামাহ বিন আল-মুত্তালিব বিন আবদ মানাফ বিন কুসাই।
অতঃপর আবদুল মুত্তালিব বিন হাশিম জন্ম দেন: আবদুল্লাহ, আবদ মানাফ—যিনি আবু তালিব নামে পরিচিত, যুবাইর—যিনি ছিলেন একজন সম্ভ্রান্ত কবি, এবং আবদ আল-কাবা; তাঁদের মাতা হলেন আমর বিন আয়িয বিন ইমরান বিন মাখজুমের কন্যা ফাতিমা; আর তাঁর (ফাতিমার) মাতা হলেন আবদ বিন ইমরান বিন মাখজুমের কন্যা সাখরাহ।
আর সাখরাহ-এর মাতা হলেন আবদ বিন কুসাই বিন কিলাবের কন্যা তাখমুর; এবং আব্বাস ও দ্বিরার; তাঁদের মাতা হলেন নুতাইলাহ, যিনি উম্মে সুলাইমান নামে পরিচিত, তিনি জনাব বিন কুলাইব বিন মালিক বিন আমর বিন আমির-এর কন্যা, আর তিনি (আমির) হলেন আদ-দাহয়ান বিন সাদ বিন আল-খাজরাজ বিন তাইম বিন আন-নামির বিন কাসিত বিন হিনব। মূলত তাঁকে 'আদ-দাহয়ান' বলা হতো কারণ তিনি তাঁদের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন এবং চাশতের (দুহা) সময়ে তাঁদের জন্য বসতেন; আর নুতাইলাহ-এর মাতা হলেন হামদান গোত্রের আল-আযাব বিন আল-হারিস বিন বাকিল-এর কন্যা উম্মে হুজর।
এবং হামযাহ—যিনি আল্লাহর সিংহ ও তাঁর রাসূলের সিংহ এবং উহুদ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন, আর আল-মুকাউউইম, হাজল—যার নাম ছিল আল-মুগীরাহ, এবং আল-আউওয়াম; তাঁদের মাতা হলেন উহাইব বিন আবদ মানাফ বিন যুহরাহ বিন কিলাব-এর কন্যা হালাহ।
এবং আবু লাহাব, যার নাম ছিল আবদ আল-উযযা, তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানশীল; তাঁর চেহারার সৌন্দর্যের কারণে আবদুল মুত্তালিব তাঁকে 'আবু লাহাব' উপনাম দিয়েছিলেন; তাঁর মাতা হলেন খুজাআহ গোত্রের হাবাশিয়্যাহ বিন যাতির বিন আবদ মানাফ বিন হাজিরের কন্যা লুবনা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
والحارثَ بن عبدِ المطَّلبِ، وكان أكبرَ وَلَدِه، وبه كان يُكَنَّى؛ وقُثَم دَرَج صَغيرًا، وأُمُّهما صَفَيَّة أو أَسْمَاءُ بِنُ جُنَيدِبِ بن حُجَير
(1) بن حَبَيب بن سُواءَةَ بن عَامِر بن صَعْصَعةَ. النَّوفَليُون يقولونَ: صَفْيةَ؛ وأَخو الحَارِثِ لأُمِّهِ الأسْودُ بن حُذَيفةَ بن أُقَيْش بن عَامِر بن بَياضَةَ بن سُبَيْع بن جِعْثِمَةَ بن سَعْد بن مُلَيح الخزاعِي، وهو جَدُّ كُثَيِّر عَزَّةَ.
والغَيْداق، واسْمُهُ نَوفَلُ؛ وأُمُّهُ مُمَنَّعَةُ بِنتُ عَمرِو بن مَالِك بن مُؤَمِّلِ بن سُويْدِ بن أَسعَدَ بن مَشْنُوءِ بن عَبْدِ حَبْتَر من خُزاعَةَ؛ وَأَخُوهُ لأُمِّهِ عَوْفُ بن عَبْدِ عوفِ بن عَبْدِ بن الحارِثِ بن زُهْرَةَ، أَبو عَبْدِ الرحْمن بن عَوْفٍ.
فَوَلَدَ عَبْدُ اللهِ بن عَبْدِ المُطَّلِب: سَيِّدَ وَلَدِ آدمَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم، وأُمُّهُ آمنةُ بِنْتُ وَهْبِ بن عَبْدِ مَنَافٍ، بن زُهْرَةَ بن كِلابٍ، وأُمُّها: بَرَّةُ بِنْتُ عَبْدِ العُزَّى بْن عُثمانَ بن عَبْدِ الدَّارِ، وأُمُّها: أُمَّ حَبِيبٍ بِنتُ أَسَدِ بن عَبْدِ العُزَّى، وأُمُّها بَرَّةُ بِنتُ عَوْفِ بن عُبيدِ بن عُوَيْج
(2) بن عَدِيّ بن كَعْبٍ، وأُمُّها قِلابةُ
(3) بِنْتُ الحَارِثِ بن هُذَيْل بن مُدرِكةَ، وأمُّهَا آمنةُ بِنتُ غَنْم بن مَاِلكِ من بني لِحيانَ من هُذَيْلٍ.
وأُمُّ أبي النَّبيّ صلى الله عليه وسلم: فاطِمَةُ بنتُ عَمرِو بن عَائِذ بن عِمرانَ بن مَخْزومٍ، وأُمَّها تَخْمُر بِنْتُ عَبدِ بن قُصَيٍّ بن كِلاب، وأُمُّها سَلْمَى بِنتُ عَامِر بن عُمَيْرَةَ
--------------------------------------------
আর হারিস বিন আব্দুল মুত্তালিব, তিনি ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং তাঁর নামানুসারেই আব্দুল মুত্তালিবের কুনিয়্যাত (উপনাম) রাখা হয়েছিল। এবং কুসাম শৈশবেই ইন্তেকাল করেন; তাঁদের উভয়ের মা ছিলেন সাফিয়্যাহ অথবা আসমা বিনতে জুনাইদিব বিন হুজাইর
(১) বিন হাবীব বিন সুওয়াআহ বিন আমির বিন সা’সাআহ। নাউফালি গোত্রের লোকেরা বলেন: সাফিয়্যাহ; এবং হারিসের বৈমাত্রেয় (মায়ের দিক থেকে) ভাই ছিলেন আসওয়াদ বিন হুযাইফাহ বিন উকাইশ বিন আমির বিন বায়াজাহ বিন সুবায় বিন জি’সামাহ বিন সা’দ বিন মুলাইহ আল-খুযাঈ, যিনি হলেন কুসাইয়্যির ‘আজ্জাহ-এর দাদা।
এবং আল-গাইদাক, তাঁর নাম হলো নাওফাল; তাঁর মা ছিলেন মুমান্নাআহ বিনতে আমর বিন মালিক বিন মুআম্মিল বিন সুওয়াইদ বিন আস’আদ বিন মাশনূ বিন আব্দু হাবতার, যিনি খুযাআহ গোত্রের লোক; এবং তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই হলেন আউফ বিন আব্দে আউফ বিন আব্দ বিন হারিস বিন যুহরাহ, যিনি আব্দুর রহমান বিন আউফের পিতা।
অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিবের ঔরসে আদম সন্তানদের নেতা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন আমিনা বিনতে ওয়াহাব বিন আব্দু মানাফ বিন যুহরাহ বিন কিলাব। আর আমিনার মা ছিলেন বাররাহ বিনতে আব্দুল উযযা বিন উসমান বিন আব্দুদ দার। এবং বাররাহর মা ছিলেন উম্মে হাবীব বিনতে আসাদ বিন আব্দুল উযযা। এবং উম্মে হাবীবের মা ছিলেন বাররাহ বিনতে আউফ বিন উবাইদ বিন উইজ
(২) বিন আদি বিন কাব। এবং বাররাহর মা ছিলেন কিলাবাহ
(৩) বিনতে হারিস বিন হুযাইল বিন মুদরিকাহ। এবং কিলাবাহর মা ছিলেন আমিনা বিনতে গানাম বিন মালিক, যিনি হুযাইল গোত্রের বনু লিহইয়ান শাখার অন্তর্ভুক্ত।
আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিতার মা ছিলেন ফাতিমা বিনতে আমর বিন আইদ বিন ইমরান বিন মাখযুম। এবং ফাতিমার মা ছিলেন তাখমুর বিনতে আব্দ বিন কুসাই বিন কিলাব। এবং তাখমুরের মা ছিলেন সালমা বিনতে আমির বিন উমাইরাহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
ابن وديعة بن الحَارِث من فِهْرٍ؛ وأُمُّ وَهْبٍ جَدِّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم: قَيْلَةُ بِنْتُ أبي قَيْلَةُ، وهو وجزْ بن غَالِب بن الحَارِثِ بن عَمرِو بن لُؤيِّ بن مِلْكَانَ بن أفصى بن حارثة من خُزاعَةَ.
تقولُ خُزاعَةُ: أبو قَيْلةَ هو أَبو كَبْشَةَ.
وقال هشامُ: قال أَبي: هو عَمرو بن زَيْدِ بن لَبيدِ بن خِداشٍ جَدّ عَبْدِ المُطَّلب الأنصاريُّ.
فولد النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم: القاسِمَ، وعَبْدَ اللهِ وهو الطَيِّبُ، وهو الطَّاهِرُ، اسمٌ واحدٌ، لأنَّهُ وُلِدَ بَعدما أوحيَ إليه صلى الله عليه وسلم؛ وكلُّ وَلَدِهِ وُلِدَ قَبل الوَحِي غَير عَبْد الله، وفَاطِمَةَ، وزَينبَ، وأُمُّ كُلثومٍ، ورُقَيَّةَ؛ وأُمُّهم خَديجةُ بِنْتُ خُوَيلد بن أسَدَ بن عَبْدِ العُزَّى بن قُصَيٍّ، وأُمُّ خَديجةَ: فاطِمَةُ بِنْتُ زَائِدةَ بن الأصَمِّ من بني مَعِيصِ بن عَامِر بن لُؤيٍّ؛ وإبرَاهيمَ وأُمُّهُ مَارِيةُ القِبْطِيَّةُ
وولَدَ أبو طَالِبِ بن عَبْدِ المُطَّلِب
(1): طَالِبًا، لا عَقِبَ لَهُ، وَجَعفرًا، ذا الجَنَاحَيْنِ، قُتِلَ يَوْمَ مُؤْتَةَ، وَعَقِيلًا، وعَلِيًّا، عليهم السلام؛ وأُمُّهم فَاطِمةُ بِنْتُ أسد بن هَاشِم بن عَبدِ مَنَافٍ، كان بين طَالِب وعَقيلٍ عَشْرُ سِنِينَ؛ وبين عَقيلٍ وجَعْفَرٍ عَشْرُ سِنِينَ؛ وبَيْنَ جَعْفَرٍ وعليٍّ عَشْرُ سِنِينَ.
فَوَلَدَ عَليُّ عليه السلام: الحَسَنَ، والحُسينَ عليهما السلام وأُمُّهما فَاطِمةُ صلواتُ اللهِ عَليها، بِنتُ رَسولِ اللهِ صلى الله عليه وعلى آله وسَلَّم، سَيِّدَةُ النِّساءِ.
ومُحَمَّدًا، وأُمُّهُ الحَنَفِيَّةُ، واسْمُها خَوْلَةُ بِنْتُ جَعَفَرِ بن قَيْس بن مَسلَمَةَ، مِن بني حَنِيفةَ بن لُجَيمٍ.
--------------------------------------------
ফিহর গোত্রের ওয়াদিয়া বিন আল-হারিসের পুত্র; এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাদা ওয়াহবের মা হলেন কায়লা বিনতে আবি কায়লা। আর তিনি হলেন খুজাআ গোত্রের ওয়াজজ বিন গালিব বিন আল-হারিস বিন আমর বিন লুয়াই বিন মিলকান বিন আফসা বিন হারিসা।
খুজাআ গোত্র বলে: আবু কায়লাই হলেন আবু কাবশাহ।
হিশাম বলেন: আমার পিতা বলেছেন: তিনি হলেন আমর বিন যাইদ বিন লাবিদ বিন খিদাশ, যিনি আবদুল মুত্তালিবের আনসারী দাদা।
অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তানরা জন্মগ্রহণ করেন: কাসেম এবং আবদুল্লাহ—যিনি আত-তাইয়িব এবং আত-তাহির নামেও পরিচিত, এগুলো একই ব্যক্তির নাম, কারণ তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ওহি অবতীর্ণ হওয়ার পর জন্মগ্রহণ করেছিলেন; আর আবদুল্লাহ ব্যতীত তাঁর সকল সন্তান ওহি অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছিলেন—এবং ফাতিমা, যয়নব, উম্মু কুলসুম ও রুকাইয়াহ; তাঁদের মাতা হলেন খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আবদিল উজ্জা বিন কুসাই। আর খাদিজার মা হলেন বনু মায়িস বিন আমির বিন লুয়াই গোত্রের ফাতিমা বিনতে যায়িদাহ আল-আসাম। আর ইব্রাহিম, যাঁর মা হলেন মারিয়া আল-কিবতিয়াহ।
এবং আবু তালিব বিন আবদুল মুত্তালিবের
(১) সন্তানরা হলেন: তালিব—যাঁর কোনো বংশধর নেই; জাফর—যিনি 'যুল জানাহাইন' (দুই ডানা বিশিষ্ট) নামে পরিচিত এবং মুতার যুদ্ধে শহীদ হন; আকিল এবং আলী, তাঁদের সকলের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তাঁদের মাতা হলেন ফাতিমা বিনতে আসাদ বিন হাশিম বিন আবদে মানাফ। তালিব ও আকিলের বয়সের ব্যবধান ছিল দশ বছর; আকিল ও জাফরের ব্যবধান ছিল দশ বছর; এবং জাফর ও আলীর ব্যবধান ছিল দশ বছর।
অতঃপর আলীর (আলাইহিস সালাম) সন্তানরা হলেন: হাসান এবং হুসাইন (আলাইহিমাস সালাম), তাঁদের মাতা হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামের তনয়া নারীকুল শিরোমণি ফাতিমা (সালাওয়াতুল্লাহি আলাইহা)।
এবং মুহাম্মদ, যাঁর মাতা হলেন আল-হানাফিয়্যাহ, তাঁর নাম হলো বনু হানিফা বিন লুজাইম গোত্রের খাওলা বিনতে জাফর বিন কায়স বিন মাসলামা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৭)
والعَبّاسَ، وعُثمانَ، وجَعفرًا، وعَبْدَ اللهِ، قُتِلوا مع الحُسَين، عليهم السلام؛ وأُمُّهم أُمُّ البَنِينَ بِنتُ حِزَامِ بن خَالِد بن رَبِيعةَ بن الوَحِيد من بني كِلاب.
وعَبْدَ اللهِ، وأَبا بَكرٍ دَرَجَا؛ وأُمُّهما: لَيلى بِنْتُ مَسعودِ بن خَالِد بن مَالِكِ بن رِبْعيّ النَّهَشَلَيّ.
ويَحيى، وعَوْنَا دَرَجَا، وأُمُّهُما: أسماءُ بِنْتُ عُمَيْسٍ الخَثْعَميِّ.
ومُحمَّدًا لأُمِّ وَلَدِ
(1) قُتلَ مَعَ الحُسَين عليه السلام.
وعُمَرَ بن عَلَيٍّ، وأُمُّهُ سَبِيَّةٌ من بَني تَغْلِبَ يقالُ لَها: الصَّهباءُ، سُبِيَتْ أَيامَ خَالِد بن الوليدِ في وِلايةِ أَبي بكرٍ بعَيْنِ التَّمْرِ.
فهؤلاءِ وَلَد عَلِيٍّ، والعَقِبُ منهم للحَسنِ والحُسين ومُحمَّدِ بن الحَنَفِيَّةِ وعُمَرَ عليهم السلام.
وَوَلَدَ العَبَّاسُ بن عَبْدِ المُطَّلِبِ: الفَضْلَ، أَردَفَهُ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم بمِنىً، ماتَ بطاعون عَمَوَاسَ زَمَنَ عُمَر، وكانَ من أَجمل النَاسِ.
وعَبْدَ اللهِ بن عَبَّاسٍ، دَعَا له النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم، فقالَ: "اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ، وعَلِّمْهُ التَأويلَ، واجْعَلْهُ من عِبادِكَ الصَّالِحين". وكانَ كما ذَكَرَ صلى الله عليه وسلم، مات بالطَّائِفِ، وصلّى عَليهِ مُحمَّدُ بن الحَنَفيَّةِ، وكَبَّر عليه أَربعًا، وضرب على قَبرِهِ فُسْطَاطًا.
وعُبيدَ اللهِ بن العبَّاس، كان أَجْوَدَ العَرَبِ، مَاتَ بالمَدِينَةِ.
وقُثَم، مَاتَ بِسَمَرْقَنْدَ زمن مُعَاوِيةَ، وكان يُشَبَّهُ بِرسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
--------------------------------------------
আব্বাস, উসমান, জাফর এবং আবদুল্লাহ; তাঁরা হোসাইনের সাথে শহীদ হন, তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। তাঁদের মাতা হলেন বনু কিলাব গোত্রের হিজাম ইবনে খালিদ ইবনে রাবিআ ইবনে আল-ওয়াহিদ-এর কন্যা উম্মুল বানিন।
এবং আবদুল্লাহ ও আবু বকর শৈশবে বা নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন; তাঁদের মাতা হলেন মাসউদ ইবনে খালিদ ইবনে মালিক ইবনে রিবয়ি আন-নাহশালি-র কন্যা লায়লা।
ইয়াহইয়া ও আওন শৈশবে বা নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁদের মাতা হলেন আসমা বিনতে উমাইস আল-খাসআমি।
এবং মুহাম্মাদ, যিনি একজন দাসী মাতার
(১) গর্ভজাত ছিলেন, তিনি হোসাইনের (আলাইহিস সালাম) সাথে শহীদ হন।
এবং উমর ইবনে আলী, তাঁর মাতা ছিলেন বনু তাগলিব গোত্রের একজন বন্দিনী নারী, যাঁকে সাহবা বলা হতো। তিনি আবু বকরের শাসনামলে খালিদ ইবনে ওয়ালিদ কর্তৃক আইনুত তামর যুদ্ধের সময় বন্দিনী হয়েছিলেন।
এঁরা হলেন আলীর সন্তান এবং তাঁদের মধ্যে হাসান, হোসাইন, মুহাম্মাদ ইবনে হানাফিয়া এবং উমরের (আলাইহিমুস সালাম) মাধ্যমে বংশধারা পরবর্তী সময়ে চলমান ছিল।
আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ হলেন: ফাদল, যাঁকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় তাঁর বাহনের পিছনে বসিয়েছিলেন। তিনি উমরের শাসনামলে আমওয়াস প্লেগ মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি অন্যতম সুদর্শন মানুষ ছিলেন।
এবং আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, যাঁর জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দোয়া করে বলেছিলেন: "হে আল্লাহ! তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করুন, তাকে ব্যাখ্যা (তাওয়িল) শিক্ষা দিন এবং তাকে আপনার নেককার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।" তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দোয়া অনুযায়ীই ছিলেন। তিনি তায়েফে মৃত্যুবরণ করেন এবং মুহাম্মাদ ইবনে হানাফিয়া তাঁর জানাজা পড়ান; তিনি জানাজায় চার তাকবির প্রদান করেন এবং তাঁর কবরের ওপর একটি তাবু স্থাপন করেন।
এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, তিনি আরবদের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল ছিলেন; তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।
এবং কুসাম, তিনি মুয়াবিয়ার শাসনামলে সমরকন্দে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি চেহারায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সদৃশ ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وعَبْدَ الرَّحْمَنِ، قُتِلَ بالشَّامِ رَمَنَ عُمَر.
ومَعْبَدًا قُتِلَ بإفرِيقِيةَ زَمَنَ عُثمانَ، شهيدًا؛ وأُمُّهم: لُبَابَةُ بِنْتُ الحَارِث بن حَزَنِ بن بُجَيْرِ بن الهُزَم بن رُوَيْبَةَ بن عَبْدِ اللهِ بن هِلالِ بن عَامِر بن صَعْصَعةَ، وكانتْ أوَّلَ امرأةٍ أَسْلَمَتْ بمكَّةَ بعد خَدِيجةَ [وهي أُم الفضل]
(1) كان رسولُ الله صلى الله عليه وسلم يَقِيلُ في بَيتِهَا.
وتمَّامَ بن العَبَّاسِ، وكَثيرًا، وكانَ فَقِيهًا صَالِحًا، وهُما لأُمِّ وَلَدٍ.
والحارِثَ بن العَبَّاسِ، وأُمُّهُ: من هُذَيْلٍ.
فَوَلَدَ عَبْدُ اللهِ بن العَبَّاسِ: العَبَّاسَ، وبه كان يُكَنَّى، ولا عَقِبَ له، وعلِيّا، وهو السجَّادُ، وكان أَفضلَ أَهلِ زَمانِهِ، وعُبيدَ الله، والفَضْل، ومُحمَّدًا، وأُمُّهم: زُرْعَةُ بِنْتُ مَشْرَحِ
(2) بن مَعْدِ يكرِبَ بن وَلِيعَةَ بن شُرَحْبِيلَ بْنِ مُعاوِيةَ من كِنْدَةَ.
فَوَلَدَ مُحمَّد بن عبدِ اللهِ: العبَّاسَ، وهو المُذْهَبُ، وكانَ أَحسنَ النَّاسِ وأسخَاهم، وهو الذي مَدَحَهُ الأخْطَلُ فَقَضَى عن الأخْطَلِ ألفَ دِينارٍ؛ رَكب فَرَسًا فَصَرَعَهُ فماتَ، لا عَقِبَ له، وأُمُّهُ أُمُّ إبراهيمَ بِنتُ المِسْوَرِ بن مَخْرَمَةَ الزُّهْرِيّ.
ومن بني عُبَيدِ اللهِ بن العَبّاسِ: حَسَنُ بن عَبْدِ اللهِ بن عُبيدِ اللهِ بن العَبَّاسِ، كان فَقِيهًا، وأُمُّهُ أَسماءُ بِنتُ عَبْدِ اللهِ بن العَبَّاسِ؛ وقُثَمُ بن العَبَّاسِ
--------------------------------------------
এবং আব্দুর রহমান, তিনি উমরের শাসনামলে সিরিয়ায় নিহত হন।
এবং মাবাদ, তিনি উসমানের শাসনামলে আফ্রিকায় শহীদ হন; তাঁদের মাতা ছিলেন লুবাবা বিনতে হারিস ইবনে হাযন ইবনে বুজাইর ইবনে হুজাম ইবনে রুওয়াইবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হিলাল ইবনে আমির ইবনে সা’সাআহ। তিনি খাদিজার পর মক্কায় প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী নারী ছিলেন [তিনিই উম্মুল ফজল]
(১); আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে দুপুরের বিশ্রাম নিতেন।
এবং তাম্মাম ইবনুল আব্বাস ও কাসির; তিনি একজন নেককার ফকিহ ছিলেন। তাঁরা উভয়েই উম্মে ওয়ালাদ (দাসী মাতা) থেকে জন্মেছিলেন।
এবং হারিস ইবনুল আব্বাস, তাঁর মাতা ছিলেন হুযাইল গোত্রের।
অতঃপর আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সন্তানরা হলেন: আব্বাস, যাঁর নামানুসারে তাঁর কুনিয়াত ছিল, তবে তাঁর কোনো উত্তরসূরি নেই; এবং আলী, যিনি 'আস-সাজ্জাদ' (অধিক সিজদাকারী) হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন; এবং উবায়দুল্লাহ, ফজল ও মুহাম্মদ। তাঁদের মাতা ছিলেন কিন্দা গোত্রের যুরআহ বিনতে মাশরাহ ইবনে মা'দী কারিব ইবনে ওয়ালীআহ ইবনে শারাহবীল ইবনে মুয়াবিয়া।
অতঃপর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহর সন্তান হলেন: আব্বাস, যিনি 'আল-মুযহাব' নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে অত্যন্ত সুন্দর এবং সর্বাধিক দানশীল। কবি আল-আখতাল তাঁর প্রশংসা করেছিলেন এবং তিনি আল-আখতালের পক্ষ থেকে এক হাজার দিনার পরিশোধ করেছিলেন; তিনি ঘোড়ায় চড়েছিলেন অতঃপর ঘোড়া তাকে ফেলে দিলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন, তাঁর কোনো উত্তরসূরি নেই। তাঁর মাতা ছিলেন ইবরাহিমের মাতা, যিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামা আয-যুহরীর কন্যা।
এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, তিনি একজন ফকিহ ছিলেন; তাঁর মাতা ছিলেন আসমা বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস; এবং কুসাম ইবনুল আব্বাস।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ২৯)
ابن عُبيدِ اللهِ بن العَبَّاسِ، وَلاه أبو جَعفرٍ المَنصورُ اليَمَامَةَ، وكان جَوادا وله يَقولُ ابنُ المَوْلَى:
عَتَقْتِ من حَلِّى ومن رِحْلَتِى
… يا ناقُ إِنْ أَدْنَيْتِنِي من قُثَمْ
في وَجْهِهِ نُورٌ وفي باعِهِ
… طُولٌ، وفي العِرْنَينِ مِنهُ شَمَمْ
وابنُهُ عُبَيْد اللهِ بن قُثَم وَلِيَ مَكَّة لِهارونَ؛ ومُحمَّدُ بن جَعْفَر بن عُبَيْدِ اللهِ، كان سَخِيًّا.
ومِن بَنِي مَعْبَدٍ بن العبَّاس: مُحمَّدُ بن إبراهيمَ بن عَبْدِ اللهِ بن مَعْبَدِ بن العَبَّاس؛ والعَبَّاسُ بن عَبْدِ اللهِ بن مَعْبَدٍ، وَلَاهُ أبو العَبّاسِ مَكَّةَ والمَدِينَةَ والطائِفَ.
ومِنْ بَني الحارِثَ بن العَبّاسِ: السَّرِىُّ بن عَبْدِ اللهِ بن الحارِث وَلَاهُ المنصورُ اليَمَامَةَ ومَكَّة.
وَوَلَدَ تَمَّامُ بن العبَّاسِ بن عَبْدِ المُطَّلِب: جَعَفَرًا، وقُثَمَ، وكانت لأبي جَعْفَر ابنةٌ عِنْدَ قُثَمَ بن تَمَّامٍ، وكانَ آخِرَ من بَقِى منهم؛ يَحيى بن جَعْفَرِ بن تَمَّامٍ.
وكان لِحَمزَةَ بن عَبْدِ المُطَّلِبِ: يَعْلَى به كانَ يُكَنَّى، دَرَجَ وعَامِر دَرَجَ؛ وأُمُّهُما من الأَنصارِ، وعُمَارَة، دَرَجَ، وأُمُّه: خَوْلَةُ بِنتُ قَيْسِ بن قَهْدٍ الأَنصارِيُّ، وأُمَامَة، وأُمُّها: سَلْمَى بِنْتُ عُمَيْسٍ من خَثْعَم، وهي التي زَوَّجَهَا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، سَلَمةَ بن أَبي سَلَمة المَخْزُوميَّ، فَهَلَكَ قَبل أن يَجتَمِعا؛ وأخواها لأُمِّها: عَبْدُ اللهِ، وعَبْدُ الرَّحْمنِ ابنا شَدّادِ بن الهَاد اللَّيثيّ.
وكان للمقَوَّم بن عَبْدِ المطَّلِبِ: بَكرٌ، وبه كان يُكْنَى، دَرَجَ، لأُمِّ وَلَدٍ.
ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনুল আব্বাস; আবু জাফর আল-মানসুর তাকে ইয়ামামার শাসক নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত দানশীল ছিলেন এবং তাকে উদ্দেশ্য করে ইবনুল মাওলা বলেন:
তুমি আমার অবস্থান এবং আমার যাত্রা থেকে মুক্তি পেয়েছো
… হে উষ্ট্রী! যদি তুমি আমাকে কুসামের নিকটবর্তী করো
তার মুখমন্ডলে রয়েছে নূর এবং তার বাহুতে রয়েছে
… প্রশস্ততা, আর তার নাসিকায় রয়েছে উন্নত আভিজাত্য
এবং তার পুত্র উবাইদুল্লাহ ইবনে কুসাম হারুনের শাসনামলে মক্কার শাসক ছিলেন; আর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে উবাইদুল্লাহ অত্যন্ত দানবীর ছিলেন।
মা'বাদ ইবনুল আব্বাসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মা'বাদ ইবনুল আব্বাস; এবং আব্বাস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মা'বাদ, যাকে আবুল আব্বাস মক্কা, মদিনা এবং তায়েফের শাসক নিযুক্ত করেছিলেন।
হারিস ইবনুল আব্বাসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: আস-সারী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস, যাকে আল-মানসুর ইয়ামামা ও মক্কার শাসক নিযুক্ত করেছিলেন।
তাম্মাম ইবনুল আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানগণ হলেন: জাফর এবং কুসাম। আবু জাফরের এক কন্যা কুসাম ইবনে তাম্মামের নিকট বিবাহিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি ছিলেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর ইবনে তাম্মাম।
হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানগণ হলেন: ইয়া'লা, যার মাধ্যমে তিনি উপনাম গ্রহণ করেছিলেন, তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান এবং আমির, তিনিও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান; তাদের উভয়ের মা ছিলেন আনসার গোত্রীয়। আরও ছিলেন উমারা, তিনিও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান, তার মা ছিলেন খাওলা বিনতে কায়স ইবনে কাহদ আল-আনসারি। এবং উমামা, যার মা ছিলেন খাশ'আম গোত্রের সালমা বিনতে উমাইস; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সালামা ইবনে আবি সালামা আল-মাখজুমির সাথে বিবাহ দিয়েছিলেন, কিন্তু তাদের মিলনের পূর্বেই তিনি ইন্তেকাল করেন। উমামার বৈমাত্রেয় ভাইয়েরা হলেন শাদ্দাদ ইবনুল হাদ আল-লাইসির দুই পুত্র আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান।
আল-মুকাউওয়াম ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র ছিলেন বকর, যার মাধ্যমে তিনি উপনাম গ্রহণ করেছিলেন, তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান; তিনি একজন উম্মু ওয়ালাদের গর্ভজাত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وكان للزُّبَيْر بن عَبْدِ المُطَّلِب: الطَّاهِرُ، وحَحْلٌ، وقُرَّةُ، وعَبْدُ اللهِ، قُتِلَ يوم أَجْنَادينِ؛ وأُمُّهم عَاتِكةُ بِنْتُ أَبي وَهْب بن عَمرِو بن عَائِذٍ بن عِمرانَ بن مَخْزومٍ.
وَوَلَدَ الحارثُ بن عُبْدِ المُطَّلِبِ
(1): المُغِيرةَ، وهو أَبو سُفيانَ بن الحَارِثِ، الشّاعرُ، كان شَريفًا خَيِّرًا، وكان يُشَبَّهُ بالنَّبيّ صلى الله عليه وسلم.
ونَوْفَل بن الحَارِثِ، أُسِرَ يومَ بَدرٍ.
ورَبيعةَ، أُسِرَ يَومَ بَدْرٍ.
وعَبْدَ شَمْسٍ، وعبدَ الله، وأُمَيَّةَ، وأُمُّهم: غُزَيَّةُ بِنْتُ قَيْس بن طرِيفِ بن عَبْدِ العُزَّى بن عَامِرَةَ بن عُمَيْرَةَ
(2) بن وَدِيعَةَ بن الحَارِث بن فِهْرٍ.
منهم: عَبْدُ الله بن الحَارِث بن نَوْفَل بن الحَارِث بن عبْد المُطَّلِب يقال له: بَبَّةُ، وَلاه ابنُ الزبير البصرَةَ.
والمُغيرةُ بن نَوْفَل، ولّاهُ الحَسَنُ الكوفَةَ حينَ سَارَ إِلى مُعاوِيَة.
وسَعِيدُ بن نَوْفَل، كان فَقِيهًا.
والصَّلْتُ بن عَبْدِ اللهِ بن نَوْفَلٍ، كان فقيهًا.
وجَعْفَرُ بن أَبي سُفيانَ بن الحَارِثِ.
ومُحَمَّدُ بن عَبْدِ المُطَّلِب بن رَبيعَةَ بن الحَارِثِ، كانَ نَاسِكًا فَاضِلا، من وَلَدِهِ: عَبْدُ اللهِ بن سُليمانَ بن مُحمَّدٍ، وَلِيَ اليَمَنَ والبَلْقَاءَ لأبي جَعفَر.
وعَمرُو بن مُحَمَّدِ، وَلِيَ دِمَشْقَ.
--------------------------------------------
জুবায়ের ইবন আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ ছিলেন: আত-তাহির, হাজল, কুররাহ এবং আবদুল্লাহ, যিনি আজনাদাইনের যুদ্ধে নিহত হন; এবং তাদের মাতা ছিলেন আতিকা বিনতে আবি ওয়াহব ইবন আমর ইবন আইদ ইবন ইমরান ইবন মাখজুম।
আল-হারিস ইবন আবদুল মুত্তালিবের
(১) সন্তানদের মধ্যে ছিলেন: আল-মুগিরাহ, তিনি হলেন কবি আবু সুফিয়ান ইবন আল-হারিস, তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ও সৎ ব্যক্তি ছিলেন এবং তাকে দেখতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মতো মনে হতো।
এবং নাওফাল ইবন আল-হারিস, তিনি বদরের যুদ্ধে বন্দি হয়েছিলেন।
এবং রাবিয়াহ, তিনিও বদরের যুদ্ধে বন্দি হয়েছিলেন।
আর ছিলেন আবদু শামস, আবদুল্লাহ এবং উমাইয়াহ; তাদের মাতা ছিলেন গুযাইয়াহ বিনতে কায়স ইবন তারিফ ইবন আবদুল উযযা ইবন আমিরাহ ইবন উমাইরাহ
(২) ইবন ওয়াদিয়া ইবন আল-হারিস ইবন ফিহর।
তাদের মধ্যে ছিলেন: আবদুল্লাহ ইবন আল-হারিস ইবন নাওফাল ইবন আল-হারিস ইবন আবদুল মুত্তালিব, তাকে "বাব্বাহ" বলা হতো; ইবনুল জুবায়ের তাকে বসরার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
এবং আল-মুগিরাহ ইবন নাওফাল, হাসান যখন মুয়াবিয়ার দিকে রওনা হলেন তখন তাকে কুফার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
এবং সাঈদ ইবন নাওফাল, তিনি একজন ফকিহ (আইনবিদ) ছিলেন।
এবং আস-সালত ইবন আবদুল্লাহ ইবন নাওফাল, তিনিও একজন ফকিহ ছিলেন।
এবং জাফর ইবন আবু সুফিয়ান ইবন আল-হারিস।
এবং মুহাম্মদ ইবন আবদুল মুত্তালিব ইবন রাবিয়াহ ইবন আল-হারিস, তিনি একজন গুণী ও ইবাদতগুজার ব্যক্তি ছিলেন; তার সন্তানদের মধ্যে ছিলেন: আবদুল্লাহ ইবন সুলাইমান ইবন মুহাম্মদ, যিনি আবু জাফরের শাসনামলে ইয়েমেন ও বালকার গভর্নর ছিলেন।
এবং আমর ইবন মুহাম্মদ, তিনি দামেস্কের গভর্নর ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ومُحمَّدُ بن عَبْدِ اللهِ بن سُليمانَ بن مُحمَّد، ولاهُ هَارونُ المَدِينَةَ.
والحارِثُ بن عَوْنِ بن عَبْدِ اللهِ بن الحارِثِ بن نَوْفَلٍ، كان جوادًا.
وعَبْدُ اللهِ بن أبي سُفيانَ، كان شَاعِرًا.
وآدَمُ بن رَبيعَةَ الذي وَضَعَ رَسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، دَمَهُ يَومَ الفَتْحِ.
والفَضْلُ بن الفَضْلِ بن العَبّاسِ بن رَبيعةَ، كان فَاضِلا مُحدِّثًا.
وعَبْدُ الرَّحْمنِ بن العَبّاسِ بن رَبيعةَ بن الحَارِثِ، كانَ مع ابنِ الأَشْعَثِ حين خَلَعَ.
وَوَلَدَ أَبو لَهَبٍ: عُتْبَةَ، ومُعَتِّبًا، وعُتَيْبَةَ، وهو الذي أَكَلَهُ الأَسَدُ بِحَوْرَانَ؛ وأُمُّهم أُمُّ جَميلٍ بِنْتُ حَرْبٍ بن أُمَيَّةَ وهي حَمَّالَةُ الحَطَبِ؛ مِن وَلَدِهِ: الفَضْلُ بن العَبّاسِ بن عُتْبَةَ بن العَبَّاسِ بن عُتْبَةَ بن أَبي لَهَبٍ الشاعر.
وَوَلَدَ نَضْلَةُ بن هَاشِمٍ: الأَرْقَمَ، وكان من رِجالِ قُرَيْشٍ، لا عَقِبَ له.
وأَسَدُ بن هَاشِمٍ، لا عَقِبَ له.
فَهَؤُلاءِ بنو هاشِم بن عَبْدِ مَنَافٍ.
[وهؤلاءِ بنو عَبْدِ شَمسٍ بن عَبْدِ مَنَاف]وَوَلَدَ عَبْدُ شَمسٍ بن عَبْدِ منافٍ: أُمَيَّةَ الأكبَرَ، وحَبِيبًا، وأُمُّهما: تَعْجُزُ بِنْتُ عُبَيْد بن رُؤاس بن كِلابٍ، وهي عَاتِكَةُ؛ وإيَّاها يَعنِي عَبْدُ اللهِ بن هَمَّامِ السَّلُوليّ:
فَجالَتْ بِنَا ثُمَّ قُلْتُ اعْطِفِي
… بِهِ يا صَفِيَّ ويا عَاتِكَا
فأَطَّتْ لَنَا رَحِمٌ بَرَّةٌ
… وَلَنْ نَعْدَمَ النَّسَبَ الشَّابِكَا
(1)--------------------------------------------
এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে মুহাম্মদ, হারুন তাকে মদিনার শাসনভার অর্পণ করেছিলেন।
এবং আল-হারিস ইবনে আউন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নাওফাল, তিনি অত্যন্ত দানশীল ছিলেন।
এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবি সুফিয়ান, তিনি কবি ছিলেন।
এবং আদম ইবনে রাবিয়া, মক্কা বিজয়ের দিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যার রক্তের দাবি (প্রতিশোধ) রহিত করেছিলেন।
এবং আল-ফাদল ইবনে আল-ফাদল ইবনে আল-আব্বাস ইবনে রাবিয়া, তিনি একজন শ্রেষ্ঠ হাদিস বিশারদ ছিলেন।
এবং আবদুর রহমান ইবনে আল-আব্বাস ইবনে রাবিয়া ইবনে আল-হারিস, তিনি ইবনুল আশআসের সাথে ছিলেন যখন সে আনুগত্য ত্যাগ করে বিদ্রোহ করেছিল।
আবু লাহাবের সন্তানরা হলো: উতবা, মুআত্তিব এবং উতাইবা; আর এই উতাইবাকেই হাওরানে সিংহ ভক্ষণ করেছিল। তাদের মা ছিলেন উম্মে জামিল বিনতে হারব ইবনে উমাইয়া, যিনি ছিলেন 'কাষ্ঠ বহনকারিণী'। তার বংশধরদের মধ্যে কবি আল-ফাদল ইবনে আল-আব্বাস ইবনে উতবা ইবনে আল-আব্বাস ইবনে উতবা ইবনে আবু লাহাব অন্তর্ভুক্ত।
এবং নাদলা ইবনে হাশেমের সন্তান ছিল আল-আরকাম, তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন, তার কোনো বংশধর নেই।
এবং আসাদ ইবনে হাশেম, তারও কোনো বংশধর নেই।
এরাই হলো হাশেম ইবনে আবদে মানাফের বংশধর।
[এরা হলো আবদে শামস ইবনে আবদে মানাফের বংশধর]এবং আবদে শামস ইবনে আবদে মানাফের সন্তান ছিল উমাইয়া আল-আকবার এবং হাবিব। তাদের মা হলেন তা'জুয বিনতে উবাইদ ইবনে রুয়াস ইবনে কিলাব, যার উপনাম ছিল আতিকা; তাকে উদ্দেশ্য করেই আবদুল্লাহ ইবনে হাম্মাম আস-সালুলি বলেছেন:
সে আমাদের নিয়ে ঘুরে বেড়াল, অতঃপর আমি বললাম ফিরে তাকাও
… হে সাফী এবং হে আতিকা!
আমাদের জন্য এক পুণ্যময় আত্মীয়তা কেঁদে উঠল
… আর আমরা এই নিবিড় বংশধারা কখনোই হারাব না।
(১)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩২)
يعني صَفِيَّةَ بِنْتُ حَزْنِ بن بُجَيْرٍ، وهي أُمُّ أبي سُفيان بن حَربٍ، وأُمَيَّةَ الأصْغَرَ، وعَبْدَ أُمَيَّةَ، وَنَوْفَلًا؛ وأُمُّهُم: عَبْلَةُ بِنْتُ عُبيدِ بن جَاذِلِ بن قَيْس بن حَنْظَلَةَ بن مَالِكِ بن زَيْد مَنَاة بن تَمِيمٍ، من البَراجِمِ، يُقالُ لهم: العَبَلاتُ، بها يُعْرَفُونَ.
فَبَنوا أُمَيَّةَ الأصْغَر بمكَّةَ، وبنو عَبْدِ أُمَيَّة ونَوْفَلٍ بِالشَّامِ.
ورَبيعةَ بن عَبدِ شَمسٍ، وأُمُّهُ فَاطِمَةُ، وهي: دَعْدُ من الأَزْدِ، من بَطْنٍ يُقالُ لَهُم: حِدْجِنَة
(1)؛ وعَبدَ اللهِ، وهو الأعْرَجُ، وأُمُّهُ: أَمَامَهُ مِن كِنْدَةَ.
فبالحِيرةِ نَاسٌ من العِبادِ يَدَّعونَ إليهِ، يُقالُ لَهم: بَنو الغُمَيْني، وهذا باطلٌ لَيْس من بني عَبْدِ شَمْسِ.
فَوَلَدَ أُمَيَّةُ الأكبرُ بن عَبدِ شَمسٍ: العَاص، وأَبا العَاصِ، والعِيَصَ، وهم الأعْيَّاصُ؛ ولهم يقولُ فَضَالَةُ بن شَريكِ:
مِن الأَعْيَاصِ أَو مِنْ آلِ حَرْبٍ
… أَغَرُّ كغُرَّةِ الفَرَسِ الجَوَادِ
وأُمُّهم: آمِنَةُ بِنْتُ أَبَانِ بن كُلَيْبٍ بن رَبيعةَ بن عَامِر بن صَعْصَعةَ.
ولها يقول الجَعْدِيُّ:
بما ولَدَتْ نِساءُ بني هِلالٍ
… وما وَلَدَتْ نِساءُ بني أَبَانِ
وحرْبًا، وأبا حَرْبٍ بن أُمَيَّة، وسُفْيَانَ، وأَبا سُفْيَانَ، وَاسْمُهُ عَنْبَسةُ، وعَمرًا؛ وأُمُّهم: أَمَةُ بِنْتُ أَبي هَمْهَمَةَ بن عَبْدِ العُزَّى بن عَامِر بن عَمِيْرَةَ بن وَدِيعَةَ بن الحَارِث بن فِهْرٍ، وأبا عَمرٍ، وأُمُّهُ من لَخْمٍ.
--------------------------------------------
অর্থাৎ সাফিয়্যাহ বিনতে হাযন বিন বুজাইর, তিনি হলেন আবু সুফিয়ান বিন হারবের মা, এবং উমাইয়্যাহ আল-আসগর, আবদ উমাইয়্যাহ ও নাওফাল; তাদের মা হলেন আবলাহ বিনতে উবায়েদ বিন জাযিল বিন কায়স বিন হানজালাহ বিন মালিক বিন যায়েদ মানাত বিন তামীম, যিনি বারাজিম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাদের আবালাত বলা হয় এবং এই নামেই তারা পরিচিত।
উমাইয়্যাহ আল-আসগরের বংশধরেরা মক্কায় বসবাস করে, আর আবদ উমাইয়্যাহ ও নাওফালের বংশধরেরা শামে।
এবং রাবিআহ বিন আবদ শামস, তার মা ফাতিমা, যিনি আসদ গোত্রের দাদ নামে পরিচিত এবং তারা হিজনা নামক একটি শাখা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত
(১); এবং আবদুল্লাহ, তিনি আল-আরাজ (খোঁড়া) নামে পরিচিত, তার মা কিনদাহ গোত্রের উমামাহ।
হিরাহ অঞ্চলে ইবাদ গোত্রের কিছু লোক তার দিকে নিজেদের সম্পর্কিত করে দাবি করে, তাদের বনু আল-গুমাইনি বলা হয়; কিন্তু এটি বাতিল বা ভ্রান্ত, তারা বনু আবদ শামসের অন্তর্ভুক্ত নয়।
উমাইয়্যাহ আল-আকবার বিন আবদ শামসের সন্তানরা হলো: আল-আস, আবু আল-আস এবং আল-ইয়াস; তাদের একত্রে 'আ'ইয়াস' বলা হয়; তাদের সম্পর্কে ফাদালাহ বিন শারীক বলেন:
আ’ইয়াসদের থেকে অথবা হারবের বংশ থেকে
… তেজী ঘোড়ার কপালে শুভ্র চিহ্নের মতো উজ্জ্বল শুভ্র
তাদের মা হলেন আমিনা বিনতে আবান বিন কুলাইব বিন রাবিআহ বিন আমির বিন সা’সা’আ।
তার সম্পর্কে আল-জাদি বলেন:
বনু হিলালের মহিলারা যা জন্ম দিয়েছে
… এবং বনু আবানের মহিলারা যা জন্ম দিয়েছে
এবং হারব, আবু হারব বিন উমাইয়্যাহ, সুফিয়ান, আবু সুফিয়ান—যার নাম আনবাসাহ—এবং আমর; তাদের মা হলেন আমাহ বিনতে আবু হামহামাহ বিন আবদিল উযযা বিন আমির বিন আমিরাহ বিন ওয়াদিয়া বিন আল-হারিস বিন ফিহর; এবং আবু আমর, যার মা লাখম গোত্রের।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
والعَنَابِسُ من بَني أُمَيَّةَ: حَرْبُ، وأبو حَرْبٍ، وسُفْيَانُ وأبو سُفْيَانَ، قاتَلوا يَوْمَ الفِجَارِ، فَسُمُّوا العَنَابِس، والعَنابِس: الأُسْدُ، واحِدُها عَنْبسٌ.
فَمِن بَني أبي العَاصِ بن أُمَيَّةَ: عَبْدُ المَلكِ بنُ مَروانَ، ومُعاويةُ وعَبْدُ العَزيزِ، وأَبانُ، وبِشرُ، وعُبَيْدُ اللهِ، ودَاودُ، وأَبو عُثْمانَ، وعُمرُ، ومُحمَّدُ، بَنو مَروانَ بن الحَكَمِ بن أَبِي العَاصِ.
فعبدُ المَلِكِ، ومُعَاويةُ، لأمٍّ، ابنا عائِشَةَ بِنتُ مُعَاويةَ بن المُغِيرَةَ بن أَبي العَاص؛ وعَبْدُ العزيزِ، وأُمُّهُ: لَيلى بِنْتُ زَبَّانَ بن الأَصْبَغ الكَلبِيّ، وأُمُّ بِشَرٍ: قُطَيَّةُ بْنت بِشْرِ بن عَامِر بن مَالِك بن جَعفَرِ، فَوَلِيَ عَبْدُ العَزيز مِصْرَ؛ وَبِشْرٌ العراقَ، ومُحمَّدٌ الجَزِيرَة.
ومِنْ بَني عَبْدِ المَلِك: الوَليدُ، وسُلَيمانُ، ويَزيدُ، وَمَرْوانُ، وهِشامُ، ومَسْلَمةُ، ومُحمَّدٌ، وسَعيدٌ، وعَبْدُ اللهِ، والحَجَّاجُ، وأَبو بَكرٍ، وعَنْبَسةُ.
والوَليدُ بن مُعاويةَ بن مَرْوانَ، قُتِلَ أَيام عبد الله بن عَليّ.
ومن بَنِي عَبْدِ العزيزِ بن مَرْوانَ: عُمَرُ، وعاصِمُ، وأَبو بَكرٍ، وسَهْلٌ، وجَزءٌ، والأَصْبَغُ، أكبر وَلَدِهِ، وزَبَّانُ، وسُهَيْلٌ بَنو عَبْدِ العَزيزِ، وعَمرو بن سُهَيْلِ بن عَبْدِ العَزيزِ، وَلِيَ البصرة زمن مَروانَ بن مُحمَّدٍ؛ قالَ ابنُ حَبيبِ: عَمْرٌو هذا صُلِبَ.
ومِن بَني بِشْرٍ: بِشْرُ بن عَبْدِ المَلِك بن بِشْر بن مَروانَ، وهُم بالكُوفَةِ، وَهم الذين مَدَحَ ابنُ عَبْدَلٍ؛ وعَبْدُ العزيزِ، ومَرْوانُ ابنا بِشْرٍ.
ومن بني عَبدِ العَزيزِ: دِحْيَةُ بن مُعَصَّب بن الأصْبَغ بن عَبْدِ العَزيزَ، خَرَجَ أيام مُوسى الهادي، بِمِصْرَ فَقُتِلَ.
বনু উমাইয়্যার মধ্যকার ‘আনাবিস’গণ হলেন: হারব, আবু হারব, সুফিয়ান এবং আবু সুফিয়ান। তাঁরা ফিজারের যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তাই তাঁদের ‘আনাবিস’ নামকরণ করা হয়েছে। আর ‘আনাবিস’ শব্দের অর্থ হলো সিংহসমূহ, যার একবচন ‘আনবাস’।
অতঃপর আবুল আস ইবনে উমাইয়্যার বংশধরেরা হলেন: মারওয়ান ইবনুল হাকাম ইবনে আবুল আসের পুত্রগণ— আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, মুয়াবিয়া, আব্দুল আজিজ, আবান, বিশর, উবায়দুল্লাহ, দাউদ, আবু উসমান, উমর এবং মুহাম্মাদ।
আব্দুল মালিক এবং মুয়াবিয়া সহোদর ভাই ছিলেন, তাঁদের মাতা ছিলেন আয়েশা বিনতে মুয়াবিয়া ইবনুল মুগিরা ইবনে আবুল আস। আর আব্দুল আজিজের মাতা ছিলেন লায়লা বিনতে যাব্বান ইবনুল আসবাগ আল-কালবী। বিশরের মাতা ছিলেন কুতাইয়্যা বিনতে বিশর ইবনে আমির ইবনে মালিক ইবনে জাফর। অতঃপর আব্দুল আজিজ মিশরের, বিশর ইরাকের এবং মুহাম্মাদ আল-জাজিরার শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়েছিলেন।
আব্দুল মালিকের পুত্ররা হলেন: ওয়ালিদ, সুলায়মান, ইয়াজিদ, মারওয়ান, হিশাম, মাসলামা, মুহাম্মাদ, সাঈদ, আব্দুল্লাহ, হাজ্জাজ, আবু বকর এবং আনবাসা।
ওয়ালিদ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে মারওয়ান আব্দুল্লাহ ইবনে আলীর সময়কালে নিহত হন।
আব্দুল আজিজ ইবনে মারওয়ানের পুত্ররা হলেন: উমর, আসিম, আবু বকর, সাহল, জায্, আসবাগ (যিনি তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান ছিলেন), যাব্বান এবং সুহাইল। সুহাইল ইবনে আব্দুল আজিজের পুত্র আমর ইবনে সুহাইল মারওয়ান ইবনে মুহাম্মাদের আমলে বসরার শাসনকর্তা ছিলেন; ইবনে হাবিব বলেন: এই আমরকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।
বিশর এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: বিশর ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে বিশর ইবনে মারওয়ান; তাঁরা কুফায় অবস্থান করতেন এবং ইবনে আবদাল তাঁদেরই প্রশংসা করেছিলেন। এছাড়া আব্দুল আজিজ ও মারওয়ান ছিলেন বিশরের দুই পুত্র।
আব্দুল আজিজের বংশধরদের মধ্য থেকে: দিহয়্যা ইবনে মুসাব ইবনুল আসবাগ ইবনে আব্দুল আজিজ মিশরে মুসা আল-হাদির সময়কালে বিদ্রোহ করেন এবং পরে নিহত হন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
وَمِن بَني مُحمَّد بن مَروانَ: مَرْوانُ الجَعْديّ بن مُحمَّد الذي قَتَلَهُ بنو هَاشِمٍ، أيامَ ظَهَروا، وسائِرَ بني أُمَيَّة بالشَامِ؛ ويزيدُ بن مُحمَّد بن مَروان، أُمُّهُ بِنْتُ يَزيدَ بن شَيبَةَ بن رَبيعةَ بن عَبْدِ شمسٍ.
والجَعْدُ بن دِرْهَمٍ، مَولى سُوَيد بن غَفَلَةَ الجُعْفِيّ، كان زِنْدِيقًا، قَتَلَهُ هِشامُ بن عَبْدِ المَلِك، وكان أَولَ زِنْدِيقٍ اطَّلَعَ عليه بنو أُمَيَّةَ وبه سُمِّىَ مَروانُ بن مُحمَّدٍ.
ومنهم: عَبْدُ الوَاحِدِ بن الحَارِثِ بن الحَكَمِ الذي مَدَحَهُ القُطَامِيُّ حَيثُ يَقولُ:
أَهْلُ المَدِينَةِ لا يَحْزُنْكَ شَأنُهُمُ
… إِذا تَخَاطَأَ عَبْدَ الوَاحِدِ الأجَلُ
ومِنهم: سَعيدُ، وهو خُدَينَةُ، بن عَبْدِ العَزِيزِ بن الحَارِثِ بن الحَكَمِ وَلَّاهُ مَسْلَمَةُ أَيامَ يَزيد بن الْمُهَلَّبِ خُراسَانَ.
ومنهم: عَبْدُ الرَّحمن بن الحَكَم الشَاعِرُ، وهو أَبو مُطَرِّفٍ؛ ويَحيى بن الحَكَمِ، وَلَّاهُ عَبْدُ المَلِكِ المَدِينَةَ، وهو ابن المُرِّيَّةَ.
والحُرُّ بن يُوسُفَ بن الحَكَمِ، وَلِيَ المَوصِلَ.
وعُمَرُ بن الحَكَمِ؛ وعُبَيْد اللهِ ابن الحَكَمِ، قُتِلَ يَوْمَ الرَّبَذَةِ مع حُبَيْشِ بن دَلَجَةَ القَيْنيِّ.
وخالِدُ بن عَبدِ المَلِك بن عبد الله بن الحارِثِ بن الحَكَمِ، وَليَ المَدِينَةَ، ماتَتْ سُكَيْنَةُ في ولايتِهِ المدِينةَ.
قال هِشامُ: أَخبرني خَلَفٌ، رَجلٌ من بَني زُهْرةَ، قَالَ: كنتُ في سُلطَانِ هِشام بالمَدِينَةِ وعَليها خَالِدُ بن عَبْدِ الملكِ بن عَبْدِ اللهِ بن الحَارثِ، وكانَ خَالدٌ
মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ানের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: মারওয়ান আল-জাদি ইবনে মুহাম্মদ, যাকে বনু হাশিম তাদের উত্থানকালে সিরিয়ার অন্যান্য বনু উমাইয়াদের সাথে হত্যা করেছিল; এবং ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান, যার মাতা ছিলেন ইয়াজিদ ইবনে শায়বাহ ইবনে রাবিয়াহ ইবনে আবদ শামসের কন্যা।
আর জা'দ ইবনে দিরহাম, যিনি সুওয়াইদ ইবনে গাফালা আল-জু'ফীর আযাদকৃত দাস ছিলেন; তিনি ছিলেন একজন যিনদীক (ধর্মদ্রোহী), যাকে হিশাম ইবনে আবদুল মালিক হত্যা করেছিলেন। তিনি ছিলেন প্রথম যিনদীক যাকে বনু উমাইয়া পাকড়াও করেছিল এবং তার নামানুসারেই মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদকে 'জাদি' উপাধি দেওয়া হয়েছিল।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আল-হারিস ইবনে আল-হাকাম, যার প্রশংসা করে আল-কুতামি বলেছেন:
মদিনাবাসীদের অবস্থা যেন তোমাকে ব্যথিত না করে
… যদি মৃত্যু আবদুল ওয়াহিদকে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: সাঈদ—যিনি খুদাইনাহ নামে পরিচিত—ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে আল-হারিস ইবনে আল-হাকাম; মাসলামাহ তাকে ইয়াজিদ ইবনে আল-মুহাল্লাবের বিদ্রোহের দিনগুলোতে খোরাসানের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: কবি আবদুর রহমান ইবনে আল-হাকাম, যিনি আবু মুতাররিফ নামে পরিচিত; এবং ইয়াহইয়া ইবনে আল-হাকাম, যাকে আবদুল মালিক মদিনার শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন, তিনি ছিলেন আল-মুররিয়্যাহর পুত্র।
এবং আল-হুর ইবনে ইউসুফ ইবনে আল-হাকাম, যিনি মসুলের শাসনভার পরিচালনা করেছিলেন।
এবং উমর ইবনে আল-হাকাম; এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-হাকাম, যিনি হুবাইশ ইবনে দালাজাহ আল-কাইনির সাথে রাবাদার যুদ্ধের দিন নিহত হয়েছিলেন।
এবং খালিদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে আল-হাকাম, যিনি মদিনার শাসনকর্তা ছিলেন, তার শাসনামলেই মদিনায় সুকাইনাহ ইন্তেকাল করেন।
হিশাম বলেন: বনু জুহরাহ গোত্রের খলাফ নামক এক ব্যক্তি আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি হিশামের শাসনামলে মদিনায় ছিলাম এবং সেখানকার শাসনকর্তা ছিলেন খালিদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস; আর খালিদ ছিলেন...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
خَيّاطًا فادَّعاه أَبوه بعدما كبر؛ قال: فماتَتْ سُكَيْنةُ فِي يَوْمٍ شَدِيدِ الحَرِّ، فَقالَ: لا تُخرِجوها حتى أَرجِعَ فَمَضى إلى الغَابةِ وتَركَها إلى نِصْفِ النَّهارِ حَتى تَغيرتْ، فاشْتُرِىَ لَها طِيبٌ بِثَلاثِينَ دِينَارًا، ثُمَّ رَجَعَ، فَأَمَرَ شَيْبَةَ بن نِصَاحٍ، وكانَ يَقضى في مَسجدِ رَسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُصَلى عَلَيْهَا، فَصَلَّى عَليها.
وعُثمانُ بن عَفَّانُ بن أَبي العَاصِ بن أُمَيَّةَ؛ وأُمُّه أَرْوى بِنْتُ كُرَيْزِ بن رَبِيعَةَ بن حَبِيب بن عَبْدِ شَمسٍ؛ وأُمُّها: البَيْضَاءُ، أُمُّ حَكيمٍ بِنْت عَبدِ الْمُطَّلِبِ.
مِنْ وَلَدِهِ: عَمرُو: وخَالِدُ، وعُمَرُ، وأبَانُ، وسَعِيدُ، والوَليدُ، بَنو عُثْمَانَ؛ وكانَ عَمرو مُقِيمًا بالمَدينةِ؛ ومِن وَلَدِهِ: المُطْرَفُ.
قالَ أبو جَعْفَر: وكانَ لَهُ ابنٌ يُقالُ لَهُ: الدِّيبَاجُ، وَكَانَ أَحْسَنَ النَّاسِ وَجْهًا، وابنُهُ الآخَرُ كانَ مِنْ أَحسنِ الناسِ ثَوْبًا، فَإِنَّما يُضْرَبُ المَثَلُ بِحُلَّةِ الحَازُوقِ، وكِلاهُمَا كان اسْمُهُ مُحمَّدٌ، وضَرَبَ أَبو جَعْفَرٍ الدِّيبَاجَ بِالسِّيَاطِ، فما رأى النَّاسُ أَصْبَرَ مِنهُ، وهو ابن عَبْدِ اللهِ بن عَمرو بن عُثمانَ.
وَوَلىَ أَبَانُ بن عُثْمانَ المَدِينَةَ لِعَبْدِ المَلِكِ.
وَوَلِىَ سَعِيدُ بن عُثْمَانَ خُرَاسَانَ لمعاوِيَةَ، وهو سَعِيدٌ الأعْورَ.
وَوَلِىَ عَبْدُ العزيزِ بن عَبْدِ اللهِ بن عَمرو بن عُثْمَانَ لِيَزِيدَ بن الوَليدِ مَكَّةَ والطَّائِفَ
(1).
ومنهم: العَرْجىّ الشَاعِرُ، نُسِبَ إلى عَرْجِ الطائِفِ، واسمُهُ عَبْدُ اللهِ بن عُمَرَ بن عَمْرو بن عُثمانَ
(2)، وأُمَيَّة بن عَبْدِ اللهِ بن عَمروٍ الذي لَقِيَتْهُ طَيِّئُ
--------------------------------------------
একজন দর্জি ছিল, তাই তার পিতা সে বড় হওয়ার পর তাকে নিজের সন্তান হিসেবে দাবি করেন। তিনি বলেন: সুকায়না অত্যন্ত গরমের একদিনে মারা গেলেন। তখন তিনি (পিতা) বললেন, "আমি না ফেরা পর্যন্ত তাকে বের করো না।" এরপর তিনি বনের দিকে চলে গেলেন এবং দ্বিপ্রহর পর্যন্ত তাকে ফেলে রাখলেন, যার ফলে তার লাশের অবস্থার পরিবর্তন ঘটল। তারপর তার জন্য ত্রিশ দিনারের সুগন্ধি কেনা হলো। অতঃপর তিনি ফিরে আসলেন এবং শায়বাহ বিন নিসাহকে—যিনি আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন—তার জানাজা পড়ার আদেশ দিলেন। ফলে তিনি তার জানাজা পড়ালেন।
আর উসমান ইবনে আফফান ইবনে আবিল আস ইবনে উমাইয়াহ; তার মা আরওয়া বিনতে কুরাইজ ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হাবিব ইবনে আবদে শামস; এবং তার মা হলেন আল-বায়দা উম্মু হাকিম বিনতে আব্দুল মুত্তালিব।
তার সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আমর, খালিদ, উমর, আবান, সাঈদ এবং ওয়ালিদ—উসমানের পুত্রগণ। আমর মদিনায় বসবাস করতেন; এবং তার সন্তানদের মধ্যে মুতাররাফ রয়েছেন।
আবু জাফর বলেন: তার এক পুত্র ছিল যাকে আদ-দিবাজ বলা হতো, তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। তার অন্য পুত্রটি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর পোশাক পরিধান করতেন, এমনকি হাল্লাতুল হাজুক (হাজুকের পোশাক) দিয়ে উদাহরণ দেওয়া হতো। তাদের উভয়ের নামই ছিল মুহাম্মদ। আবু জাফর আদ-দিবাজকে চাবুক দিয়ে প্রহার করেছিলেন, কিন্তু মানুষ তার চেয়ে অধিক ধৈর্যশীল আর কাউকে দেখেনি। তিনি ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে উসমান।
আবান ইবনে উসমান আব্দুল মালিকের পক্ষ থেকে মদিনার শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়েছিলেন।
সাঈদ ইবনে উসমান মুয়াবিয়ার পক্ষ থেকে খুরাসানের শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, তিনি ছিলেন সাঈদ আল-আওয়ার।
আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে উসমান ইয়াজিদ ইবনুল ওয়ালিদের শাসনামলে মক্কা ও তায়েফের শাসনকর্তা ছিলেন
(১)।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: কবি আল-আর্জি, তাকে তায়েফের আরজের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়। তার নাম আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আমর ইবনে উসমান
(২)। আর উমাইয়াহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর, যার সাথে তাইয়্যি গোত্রের সাক্ষাৎ হয়েছিল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
يَوْمَ المُنْتَهَبِ؛ ومنهم: مُعَاوِيةُ بن المُغِيرَةَ بن أَبي العَاصِ، وهو جَدَعَ حَمْزَةَ بن عَبْدِ المُطَّلِب، عليه السلام، يَومَ أُحُدٍ؛ وهو قَتِيلٌ، فَقُتِلَ على أُحُدٍ بعدما انصرَفَتْ قُريشٌ بِثَلاثٍ، لا عَقِبَ لَهُ إِلَّا عَائِشَةَ أُمَّ عَبْدِ المَلِكِ مِن مَرْوَانَ.
ومن بَنِي العَاصِ بن أُمَيَّةَ: أَبو أُحَيْحَةَ، وهو سَعِيدُ بن العَاصِ، كان إذا اعْتَمَّ بِمَكَّةَ لم يَعْتَمَّ مَعَه أَحَدٌ بِلَوْنِ عِمامَتِهِ إعْظَامًا لَهُ، وَكَانَ يُقَالُ لَهُ: ذُو التَّاج.
ومِنْ وَلَدِه: أُحَيْحة بن سَعِيد، والعَاص، وعُبَيْدةُ، وهو الحَكمُ، وسَعِيدُ بن سعِيدٍ، وخَالِدُ بن سَعِيدِ، وعَمرو بن سَعِيدٍ، وأبان بن سَعيدِ.
فقُتِلَ أُحَيحةُ يَومَ الفِجَارِ؛ وعُبَيْدَةُ، والعَاصِ، يوم بَدرٍ كَافِرَينِ؛ وقُتِلَ سَعيدُ بن سَعيدِ مع رَسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يومَ الطَّائفِ، وَسمَّى النَبيُّ صلى الله عليه وسلم، الحَكَمَ: عَبدَ اللهِ، وجَعَلَهُ يُعَلِّمُ الحِكمَةَ بالمَدِينةِ، وقُتِلَ يَومَ مُؤْتَةَ.
واستَعملَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم، خَالِدَ بن سَعيدٍ على اليَمَنِ، وقُتِلَ يَومَ مَرْج الصُّفَّرِ، وله وَهَبَ عَمرُو بن مَعْدِ يكَرِبَ الصَّمْصَامَةَ، وقالَ حِينَ وهَبَهَا لَهُ:
خَليلٌ لم أَهَبْهُ من قِلَاهُ
… ولكِنَّ المَواهِبَ للكِرامِ
خَليلٌ لم أَخُنْهُ ولم يَخُنّى
… كذلك ما خِلَالى أو نِدامِي
حَبوتُ بها كَرِيمًا من قُريشٍ
… فَسُّرَ بِها وصينَ عن اللِّئامِ
وأَنشَدَهُ أَشْيَاخُ بني زُبَيْدٍ:
خَلِمْلِم لَمْ أَخُنْهُ ولمْ يَخُنِّي
… عَلَمُ صَمْصَامَةِ أَمْ سَيْفِ أَمْ سَلَام
وَمِنْهُم: سَعِيدُ بن العَاصِ بن سَعِيدِ بن العَاصِ بن أُمَيَّةَ: وَلِىَ الكُوفَةَ لعثمانَ فقالَ: وَيْلٌ لأشرافِ العِرَاقِ مِنِّي، فلما قَدِمَ طَرَدَهُ الأَشْتَرُ وَهُوَ
আল-মুনতাহাব দিবসে; এবং তাদের মধ্যে ছিলেন: মুয়াবিয়া ইবনে মুগিরা ইবনে আবিল আস, যিনি উহুদ যুদ্ধের দিন হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর অঙ্গচ্ছেদ করেছিলেন; তিনি নিহত হয়েছিলেন। কুরাইশরা ফিরে যাওয়ার তিন দিন পর তাকে উহুদ প্রান্তরে হত্যা করা হয়। আয়েশা ব্যতীত তার আর কোনো উত্তরসূরি ছিল না, যিনি মারওয়ানের পুত্র আব্দুল মালিকের মা ছিলেন।
বনু আস ইবনে উমাইয়্যার মধ্যে ছিলেন: আবু উহাইহা, তিনি হলেন সাঈদ ইবনে আস। তিনি যখন মক্কায় পাগড়ি বাঁধতেন, তখন তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে অন্য কেউ তার পাগড়ির রঙের কোনো পাগড়ি বাঁধত না। তাকে 'যুত্তাজ' (মুকুটধারী) বলা হতো।
এবং তার সন্তানদের মধ্যে ছিলেন: উহাইহা ইবনে সাঈদ, আস, উবায়দা, হাকাম, সাঈদ ইবনে সাঈদ, খালিদ ইবনে সাঈদ, আমর ইবনে সাঈদ এবং আবান ইবনে সাঈদ।
অতপর উহাইহা ফিজার যুদ্ধের দিন নিহত হন; উবায়দা ও আস বদরের যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হন। সাঈদ ইবনে সাঈদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তায়েফের যুদ্ধে নিহত হন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাকাম-এর নাম রেখেছিলেন 'আবদুল্লাহ' এবং তাকে মদীনায় হিকমাহ বা জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন; তিনি মুতাহ-র যুদ্ধে নিহত হন।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালিদ ইবনে সাঈদকে ইয়েমেনের শাসক নিযুক্ত করেছিলেন এবং তিনি মারজুস সুফফার-এর যুদ্ধে নিহত হন। আমর ইবনে মাদি ইয়াকারিব তাকে 'সামসামা' (বিখ্যাত তলোয়ার) উপহার দিয়েছিলেন এবং সেটি দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন:
এমন এক বন্ধু যাকে আমি অবজ্ঞাবশত উপহার দেইনি
… বরং উপহার তো কেবল মহানুভব ব্যক্তিদের জন্যই হয়ে থাকে
এমন এক বন্ধু যার সাথে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করিনি এবং সেও আমার সাথে করেনি
… এমনই ছিল আমার বন্ধুত্ব ও সাহচর্য
আমি এটি কুরাইশ বংশের এক মহান ব্যক্তিকে প্রদান করেছি
… যাতে তিনি এর দ্বারা আনন্দিত হন এবং এটি নীচ ব্যক্তিদের থেকে সংরক্ষিত থাকে
বনু জুবাইদ গোত্রের শায়খগণ তাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:
পরম বন্ধু যার সাথে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করিনি এবং সেও আমার সাথে করেনি
… সামসামার নিশান, অথবা একটি তলোয়ার কিংবা একটি প্রশান্তি
এবং তাদের মধ্যে ছিলেন: সাঈদ ইবনে আস ইবনে সাঈদ ইবনে আস ইবনে উমাইয়্যা। তিনি ওসমানের (রা.) পক্ষ থেকে কুফার গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: "আমার পক্ষ থেকে ইরাকের অভিজাতদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে।" অতঃপর যখন তিনি আসলেন, আশতার তাকে বহিষ্কার করলেন এবং তিনি হলেন...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
القَائِلُ: "إِنَّما العِرَاقُ بُستانُ قُريشٍ"؛ وولى المَدِينةَ لِمعاوِيَةَ، وهو الذي مَدَحَهُ الحُطَيْئَةُ.
ومِن وَلَدِهِ: عَمْرو، وَهو أَبو أُمَيَّةَ، الأَشْدَقُ، وهو الذي قَتَلَهُ عَبْدُ المَلِكِ، ومُحمَّدُ بن سَعيدٍ، وأُمُّهُما: أُمُّ البَنِينَ بِنتُ الحَكَمِ بن أَبي العَاصِ، وَلَدُهُ بالشَامِ.
وعَبدُ اللهِ بن سَعيدٍ، أُمُّهُ: أُمُّ حَبِيب بِنْتُ جُبَيْرٍ ابن مُطْعِمٍ الذي مَدَحَهُ الأَخطَلُ؛ وَلَدُهُ بالكُوفَةِ.
ويَحيى بن سَعِيدٍ، أَمُّهُ: العَالِيَةُ بِنْتُ سَلَمَةَ بن يَزِيْدَ الجُعْفِيّ، كَانَ شَرِيفًا، ولَدُهُ بالكُوفَةِ وَبِواسطَ.
وأَبانُ بن سَعِيدٍ، كان يَنزِلُ أَيْلَةَ؛ وأُمُّهُ: جُوَيْرِيةُ بِنتُ سُفيانَ بن عُوَيْفٍ الكِنانِي، وَوَلَدُهُ بالكُوفَةِ؛ ولَهُ يَقُولُ عَبْدُ اللهِ بن عَنْبَسةَ بن سَعِيد، وهو ابنُ أخيه:
أَتركتَ طِيبَةَ رَغبَةً عن أَهْلِهَا
… وَنَزَلتَ مُنْتَبِذًا بِدَيْر القُنْفُذِ
فقالَ أَبَانُ بن سَعِيدٍ:
نَزَلتُ أرضًا بُرُّهَا كَتُرابِهَا
… والقَفْزُ مَعْدَنُهُ بِقَصْرِ الجُنْبُذِ
قَصرٌ بالمدينَةِ.
وعُثمانُ بن سَعِيدٍ، وأُمُّهُ: أُمُّ عَمروٍ بنتُ عُثمانَ بن عَفّانَ؛ وَلَدُهُ بالكُوفَةِ؛ وعَنْبَسَةُ بن سَعِيدٍ، كانَ مع الحَجّاجِ، وَلَدهُ بالكُوفَةِ.
তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই ইরাক কুরাইশদের একটি বাগান মাত্র"; তিনি মুয়াবিয়ার পক্ষ থেকে মদীনার গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং কবি হুত্বাইয়াহ তাঁর প্রশংসা করেছিলেন।
তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আমর—যিনি আবু উমাইয়াহ আল-আশদাক নামে পরিচিত এবং যাকে আব্দুল মালিক হত্যা করেছিলেন—এবং মুহাম্মদ বিন সাঈদ। তাঁদের উভয়ের মা হলেন উম্মুল বানীন বিনতে আল-হাকাম বিন আবুল আস। তাঁর বংশধরগণ সিরিয়ায় বসবাস করেন।
আর আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ, তাঁর মা উম্মু হাবীব বিনতে জুবাইর বিন মুতইম, যাঁর প্রশংসা কবি আখতাল করেছিলেন; তাঁর বংশধরগণ কুফায় বসবাস করেন।
আর ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তাঁর মা আল-আলিয়া বিনতে সালামাহ বিন ইয়াযিদ আল-জু'ফী। তিনি অত্যন্ত মর্যাদাবান ব্যক্তি ছিলেন; তাঁর বংশধরগণ কুফা ও ওয়াসিতে বসবাস করেন।
আর আবান বিন সাঈদ, তিনি আয়লাহ নামক স্থানে বসবাস করতেন; তাঁর মা জুওয়াইরিয়াহ বিনতে সুফিয়ান বিন উওয়াইফ আল-কিনানী। তাঁর বংশধরগণ কুফায় বসবাস করেন। তাঁর উদ্দেশ্যে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আব্দুল্লাহ বিন আনবাসাহ বিন সাঈদ বলেছিলেন:
তুমি কি তয়বাকে (মদীনা) তাঁর অধিবাসীদের প্রতি বিরাগের কারণে ছেড়ে দিলে
… এবং দাইরুল কুনফুযে গিয়ে নির্জনে বসতি স্থাপন করলে?
উত্তরে আবান বিন সাঈদ বললেন:
আমি এমন এক ভূমিতে নেমেছি যেখানে গমের প্রাচুর্য মাটির ন্যায়
… আর কাসরুল জুনবুযে রয়েছে শিকার ও ভ্রমণের অবাধ সুযোগ।
এটি মদীনার একটি প্রাসাদ।
আর উসমান বিন সাঈদ, তাঁর মা উম্মু আমর বিনতে উসমান বিন আফফান; তাঁর বংশধরগণ কুফায় বসবাস করেন। এবং আনবাসাহ বিন সাঈদ, তিনি হাজ্জাজের সাথে ছিলেন; তাঁর বংশধরগণও কুফায় বসবাস করেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবি - তা আলি উমর
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
ومنهم: إسْمَاعِيلُ بن أُمَيَّةَ بن عَمروٍ الأشْدَقِ الفَقِيه
(1)، كان بِمَكَّة؛ وسَعِيدُ بن عَمروٍ، وكان أَعلم قُريشٍ بالكُوفَةِ، وَوَلَدَهُ بِها؛ ومُوسى بن عَمروٍ الذي يَقولُ لَهُ ابنُ قُنَيْعٍ النَّصْريّ الطائيّ:
وكُلُّ بنِي العَاصِ حَمِدْتُ عَطَاءَهُ
… وإني لِمُوسَى في العَطَاءِ لَلائمُ
فَلَيْسَ بمُعْطٍ نَائِلا وَهُوَ قَاعِدٌ
… وَلَيْسَ بِمُعْطٍ نائلا وَهْوَ قائمُ
وَيُروى: وَحَسْبُكَ من بُخْلِ امْرِئٍ وهو قَائِمُ
فإن يَكُ في القَوْمِ الكِرَامِ فَإِنَّهُ
… ذُنَابَى أَبَتْ أَنْ تَسْتَوى وَقَوادِمُ
وعَمرُو بن أُمَيَّةَ بن عَمرِو بن سَعيدٍ الشَاعرُ، وسَعيدُ بن يَحيى بن سَعيدِ ابْنِ العَاصِ، وَلَدُهُ في جُعفيّ، وكانَ شَريفًا، وعَبْدُ الرَّحمن بن عَنْبَسَةَ بن سَعِيْدٍ، كان شَرِيفًا بالكوفَةِ.
ومِنْ بَني أَبي العِيص بن أُمَيَّةَ: عَتّابُ بن أَسِيدِ بن أَبي العِيصِ ولّاهُ رَسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، مَكَّةَ يَوْمَ الفَتْحِ.
وأَخُوهُ خَالِدُ بن أَسيدٍ؛ وعَبْدُ اللهِ بن خَالِد بن أَسِيدٍ، أُمُّهُ ثَقَفِيَّةُ، استَعْمَلَهُ زِيادُ بن أبيهِ على فَارِسَ، وَوَهَبَ له بِنتَ جُوَا بُوذَانَ بن المُكَعْبَر، فَوَلَدَتْ الحَارِثَ، وكانَ زِيادُ استخْلَفَهُ حِينَ ماتَ عَلَى عَمَلِهِ، فَأَقَرَّهُ مُعَاوِيةُ، وهو صَلَّى على زِيادٍ حين مَاتَ بالكُوفَةِ.
وابنُهُ: أُمَيَّة بن عَبْدِ اللهِ وَلاهُ عَبْدُ المَلِكِ خُراسَانَ.
--------------------------------------------
তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলেন: ফকিহ ইসমাইল ইবনে উমাইয়া ইবনে আমর আল-আশদাক
(১), তিনি মক্কায় ছিলেন; এবং সাঈদ ইবনে আমর, তিনি কুফায় কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী ছিলেন এবং তাঁর সন্তানরা সেখানেই ছিল; এবং মুসা ইবনে আমর, যার সম্পর্কে ইবনে কুনাই আল-নাসরি আল-তাঈ বলেছেন:
বনী আস-এর প্রত্যেকের দানের আমি প্রশংসা করেছি … কিন্তু দানের ক্ষেত্রে আমি মুসাকে তিরস্কার করছি।
তিনি বসে থাকা অবস্থায় কোনো কিছু দান করেন না … আবার দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ও কোনো কিছু দান করেন না।
বর্ণিত আছে: কোনো ব্যক্তির কৃপণতা প্রমাণের জন্য এটাই যথেষ্ট যে সে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও দান করে না।
যদি তিনি কোনো সম্মানিত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হন, তবে তিনি তো কেবল লেজের ক্ষুদ্র পালকের মতো … যা অগ্রভাগের বড় পালকগুলোর সমান হতে অস্বীকার করে।
এবং আমর ইবনে উমাইয়া ইবনে আমর ইবনে সাঈদ কবি; এবং সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে আস, তাঁর সন্তানরা জু'ফি গোত্রে ছিল এবং তিনি একজন উচ্চমর্যাদাবান ব্যক্তি ছিলেন; এবং আবদুর রহমান ইবনে আনবাসা ইবনে সাঈদ, তিনি কুফায় উচ্চমর্যাদাবান ছিলেন।
এবং আবু আল-আইস ইবনে উমাইয়ার বংশধরদের মধ্যে: আত্তাব ইবনে আসীদ ইবনে আবু আল-আইস, যাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন মক্কার শাসক নিযুক্ত করেছিলেন।
এবং তাঁর ভাই খালিদ ইবনে আসীদ; এবং আবদুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে আসীদ, তাঁর মা ছিলেন সাকিফ গোত্রের, যিয়াদ ইবনে আবিহি তাঁকে পারস্যের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জুওয়া বুদান ইবনে আল-মুকা'বারের কন্যাকে দান করেছিলেন, যাঁর গর্ভে হারিস জন্মগ্রহণ করেন। যিয়াদ তাঁর মৃত্যুর সময় তাঁকে নিজের স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন এবং মুয়াবিয়া তাঁকে সেই পদে বহাল রাখেন; আর তিনিই যিয়াদের জানাজা পড়িয়েছিলেন যখন তিনি কুফায় ইন্তেকাল করেন।
এবং তাঁর পুত্র: উমাইয়া ইবনে আবদুল্লাহ, আব্দুল মালিক তাঁকে খোরাসানের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
--------------------------------------------