(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: -)
السنن الكبرى - البيهقي - ت التركي القسم: كتب السنة
الكتاب: السنن الكبير
المؤلف: أبو بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي (384 - 458 هـ)
تحقيق: الدكتور عبد الله بن عبد المحسن التركي
الناشر: مركز هجر للبحوث والدراسات العربية والإسلامية - القاهرة
الطبعة: الأولى، 1432 هـ - 2011 م
عدد الأجزاء: 24 (آخر 3 فهارس)
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 رجب 1440
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বায়হাকী - তুর্কি সংস্করণ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আস-সুনানুল কাবীর
লেখক: আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-বায়হাকী (৩৮৪ - ৪৫৮ হিজরী)
সম্পাদনা: ডক্টর আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কি
প্রকাশক: হাজার সেন্টার ফর অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ - কায়রো
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩২ হিজরী - ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২৪ (শেষ ৩টি সূচিপত্র)
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: রাবিতাতুন নুসসাখ (নকলনবিশ সংস্থা), বাস্তবায়নে (মারকাজুন নুখাবিল ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (আবদুল্লাহ বিন তুর্কি আদ-দাহইয়ান চ্যারিটেবল এন্ডোমেন্ট)
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ১৫ রজব ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١)
السُّنن الكبير
للحافظ أبي بكر أحمد بن الحُسَين بن عليٍّ البيهقي
(384 - 458 هـ)
تحقيق
الدكتور / عبد الله بن عبد المحسن التركي
بالتعاون مع
مركز هجر للبحوث والدراسات العربية والإسلامية
الدكتور / عبد السند حسن يمامة
الجزء الأول
আস-সুনানুল কাবীর
আল-হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী আল-বায়হাকী
(৩৮৪ - ৪৫৮ হিজরি)
সম্পাদনা ও গবেষণা
ড. আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কী
সহযোগিতায়
হাজার সেন্টার ফর অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ
ড. আব্দুস সানাদ হাসান ইয়ামামা
প্রথম খণ্ড
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢)
حقوق الطبع محفوظة
الطبعة الأولى
القاهرة 1432 هـ - 2011 م
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
কায়রো ১৪৩২ হিজরি - ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٣)
السنن الكبير
আস-সুনান আল-কাবীর
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم اللَّهِ الرحمن الرحيم
تقديم
الحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات، وبفضله وتوفيقه تنال المطالب وتتحقق الآمال، وصلى اللَّه وسلم وبارك، على نبينا الحبيب المصطفى، محمد بن عبد اللَّهِ، خاتم الأنبياء والمرسلين، وإمام المتقين، وعلى آله وصحبه أجمعين.
أما بعد:
فإن السنن النبوية الشريفة، والآثار المروية عن الصحابة رضوان اللَّهِ عليهم، أحق ما ينبغي أن يعتني به طلاب العلم مدارسة وحفظًا وفهمًا، وأهل العلم تعليمًا وتوجيهًا وخدمة للكتب المصنفة فى ذلك، لا سيما فى هذا الزمن الذي فتَرَت فيه الهمم، وضعفت العزائم، عن التمسك بالسنة النبوية فى الأقوال والأعمال، والتسليم لما جاء فيها من الأمر والنهي، ومعرفة ما للصحابة على سائر أجيال الأمة، من الحق والفضل، فإن اللَّه أظهر هذا الدين بجهودهم، كما دلت عليه دلائل القرآن، وبذلهم الأمر أنس والمهج فى نصرته والاستجابة لرسوله صلى الله عليه وسلم فى السراء والضراء، والمنشط والمكره، رضوان اللَّهِ عليهم أجمعين.
وكتاب السنن الكبير للحافظ أبى بكر أحمد بن الحسين البيهقي (ت 458 هـ) من أجمع الكتب للسنن والآثار وأوعاها، وأكثرها استقصاء،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে নেক কাজসমূহ পূর্ণতা পায় এবং যাঁর কৃপা ও তাওফিকে কাম্য লক্ষ্য অর্জিত হয় ও আশা পূরণ হয়। আর আল্লাহর দরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবি, মনোনীত মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহর ওপর, যিনি নবি ও রাসুলগণের সমাপ্তি ঘোষণাকারী এবং মুত্তাকিদের ইমাম; আরও বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই নবিজির সম্মানিত সুন্নাহসমূহ এবং সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-দের থেকে বর্ণিত আসারসমূহ ইলম অন্বেষণকারীদের চর্চা, মুখস্থ ও অনুধাবনের ক্ষেত্রে এবং আলেমদের জন্য শিক্ষা প্রদান, দিকনির্দেশনা এবং এই বিষয়ে রচিত গ্রন্থসমূহের সেবা করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়ার দাবিদার। বিশেষত বর্তমান সময়ে, যখন নবিজির সুন্নাহর কথা ও কাজের ওপর অটল থাকা এবং এর আদেশ-নিষেধের প্রতি আত্মসমর্পণ করার ক্ষেত্রে মানুষের হিম্মত ও সংকল্প দুর্বল হয়ে পড়েছে। সেই সাথে উম্মতের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সাহাবায়ে কেরামের যে অধিকার ও শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে তা জানার ক্ষেত্রেও শিথিলতা দেখা দিয়েছে; অথচ আল্লাহ তাআলা তাঁদের প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই দ্বীনকে প্রকাশ করেছেন, যেমনটি কুরআনের প্রমাণাদি দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। তাঁরা সুখ-দুঃখ ও পছন্দ-অপছন্দ সর্বাবস্থায় দ্বীনের সাহায্যার্থে এবং আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহ্বানে নিজেদের জান-প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের সকলের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক।
আর হাফেজ আবু বকর আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-বায়হাক্বী (মৃত্যু ৪৫৮ হিজরি) রচিত 'আস-সুনানুল কাবীর' কিতাবটি সুন্নাহ ও আসারের সর্বাধিক সমৃদ্ধ, সংগৃহীত এবং বিস্তৃত গ্রন্থগুলোর অন্যতম।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٦)
فيما نعلم.
صنفه هذا الجهبذ النحرير، ليكون كتابًا جامعًا لأحاديث الأحكام، وما يتصل بها ويتممها من الآداب الشرعية، وبناه على مذهب الإِمام الشافعي، ورتبه على أبواب مختصر المزنى، ولم يكن ذلك تعصبًا منه رحمه الله للشافعي على غيره، وإنما أراد أن يبين ابتناء الفقه على السنن والآثار، ولذلك استطرد فأخرج عامة ما تمسك به من ذلك إمام من الأئمة، من خبر أو أثر ليكون حجة لمذهبه أو سلفًا له في قوله، وإن كان ضعيفًا من جهة سنده أو من جهة دلالته على المراد، ليبين إجماعَهم على تحرى السنن والآثار في الجملة، وعذرَهم رحمهم الله في وقوع اجتهادهم أحيانًا على خلاف الصحيح الثابت، لقصور جَهْدهم عن الإحاطة بالسنة، فإن الاحاطة بها حاصلة من مجموع علماء الأمة، لا من كل واحد على حِدَته.
وبهذا كان سنن البيهقي كالكتاب المستخرج على مجموع الكتب الستة الأصول التي كادت تستوعب السنة إلا قليلًا، وزاد عليها جملة صالحة بما اشتمل عليه مستدرك شيخه أبى عبد اللَّهِ الحاكم النيسابورى، وسنن شيخ شيوخه أبي الحسن الدارقطني، ومصنفا عبد الرزاق وابن أبي شيبة، في نقل فقه الصحابة والتابعين. وكشف فيه الحافظ البيهقي عن موهبة فائقة في حسن التصنيف، كما ظهر ذلك في تصانيفه الأخرى، وعن الصناعة الحديثية بين الرواية والدراية، وجودة التصرف في الجمع بين الفقه والحديث، والأثر والنظر.
আমরা যতদূর জানি।
এই প্রাজ্ঞ ও বিজ্ঞ পণ্ডিত এটি রচনা করেছেন যাতে এটি বিধিবিধানের হাদিসসমূহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ও পরিপূরক শরয়ী শিষ্টাচারসমূহের একটি পূর্ণাঙ্গ কিতাব হতে পারে। তিনি এটি ইমাম শাফেয়ীর মাযহাবের ভিত্তিতে গড়ে তুলেছেন এবং একে 'মুখতাসার আল-মুযানী'-এর অধ্যায়গুলোর ক্রমানুসারে বিন্যস্ত করেছেন। তাঁর (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) এই কাজ ইমাম শাফেয়ীর প্রতি অন্ধ পক্ষপাতিত্বের কারণে ছিল না; বরং তিনি এটি স্পষ্ট করতে চেয়েছিলেন যে, ফিকহ কীভাবে সুন্নাহ ও আসারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই উদ্দেশ্যেই তিনি সবিস্তারে আলোচনা করেছেন এবং ইমামদের মধ্য থেকে কোনো ইমাম যে সমস্ত খবর বা আসারকে অবলম্বন করেছেন, তা তাঁর মাযহাবের দলিল কিংবা তাঁর মতের পক্ষে পূর্ববর্তী আদর্শ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য তিনি তার প্রায় সবটুকুই উদ্ধৃত করেছেন। যদিও সেই বর্ণনাগুলো সনদের দিক থেকে কিংবা উদ্দিষ্ট অর্থের ওপর নির্দেশনার দিক থেকে দুর্বল হয়ে থাকে, তবুও তিনি তা উল্লেখ করেছেন যাতে সাধারণভাবে সুন্নাহ ও আসার অনুসরণে তাঁদের ঐকমত্য প্রকাশিত হয়। আর সহীহ ও সুপ্রতিষ্ঠিত হাদিসের বিপরীতে মাঝে মাঝে তাঁদের ইজতিহাদ পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন) অপারগতা বা ওজরও তিনি স্পষ্ট করেছেন; কারণ সুন্নাহর পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করা কোনো একক ব্যক্তির সাধ্যাতীত, বরং উম্মতের ওলামায়ে কেরামের সমষ্টিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সুন্নাহর পূর্ণ বেষ্টনী সম্ভব।
এভাবে বায়হাকীর 'সুনান' সেই ছয়টি মূল কিতাবের সমষ্টির ওপর একটি 'মুস্তাখরাজ' (পরিপূরক সংকলন) কিতাবের রূপ নিয়েছে, যা সামান্য কিছু অংশ ব্যতীত প্রায় সম্পূর্ণ সুন্নাহকেই ধারণ করেছে। উপরন্তু, তিনি এতে তাঁর উস্তাদ আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আন-নিশাপুরীর 'মুস্তাদরাক', তাঁর উস্তাদদের উস্তাদ আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীর 'সুনান', এবং আব্দুর রাজ্জাক ও ইবনে আবী শায়বার 'মুসান্নাফ' গ্রন্থদ্বয়ে বর্ণিত সাহাবী ও তাবেয়ীদের ফিকহ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সংযোজন করেছেন। হাফেজ বায়হাকী এই গ্রন্থে সুনিপুণ গ্রন্থ রচনায় তাঁর অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছেন, যেমনটি তাঁর অন্যান্য রচনাতেও প্রকাশ পেয়েছে। এর পাশাপাশি রেওয়ায়াত ও দেরায়াতের আলোকে তাঁর হাদিসশাস্ত্রীয় বুৎপত্তি এবং ফিকহ ও হাদিস এবং আসার ও নজরের মধ্যে সমন্বয় সাধনের চমৎকার পারদর্শিতাও এতে ফুটে উঠেছে।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٧)
فجاء كتابه هذا شاملًا حافلًا، دالًّا على إمامته في كثير من العلوم، حرى بمن أدمن النظر فيه والمطالعة له، أن يسمى عالمًا مطلعًا على الشريعة من مشارف عالية، إذا ضم إليه ما يتممه من مثل التمهيد لابن عبد البر، والمغنى لابن قدامة، وشرح السنة للبغوى، والمحلى لابن حزم، وفتح الباري لابن حجر العسقلاني، رحمهم الله جميعًا.
وقد طبع سنن البيهقي في المطبعة الحيدرية بالهند، طبعة قديمة على الأوفست، مع الحواشي التي استدرك بها ابن التركمانى على البيهقي، وسماه الجوهر النقى، وهي طبعة متقنة انتشرف بين أيدى الناس، واشتغلوا عليها حينًا من الدهر، إلى أن جاء الزمن الذي كثرت الحاجة فيه إلى إخراج الكتب في حُلل قشيبة، على الطريقة الحديثة التي يعتنى فيها بإثبات فروق النسخ الخطية في الهوامش، زيادة في الإتقان لدى تصحيح النص وكشف مشكلاته، واستكمال العمل فيه بهوامش متعددة في تخريج الأحاديث والآثار، وعزو الأقوال المأثورة والأشعار، وتفسير الغريب، وتراجم الأعلام من الأشخاص والبلدان وغير ذلك. وصناعة فهارس عامة كاشفة لمحتويات الكتاب، ومقربة للاستفادة منه وسرعة الرجوع إلى المعلومات التي اشتمل عليها.
وكان هذا مع ما تقدم من التعريف بهذا الكتاب الجليل القدر، داعيًا إلى العمل فيه وإخراج طبعة جديدة على غرار ما سبق في الكتب التي يسر اللَّهِ سبحانه وتعالى خدمتها وإخراجها.
ফলশ্রুতিতে তাঁর এই গ্রন্থটি ব্যাপক ও তথ্যবহুল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যা বহুবিধ জ্ঞানে তাঁর ইমামত বা নেতৃত্বের প্রমাণ বহন করে। যে ব্যক্তি এই কিতাবটি গভীর অভিনিবেশ সহকারে নিয়মিত পাঠ ও অধ্যয়ন করবে, তার পক্ষে উচ্চতর পর্যায় থেকে শরীয়ত সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানসম্পন্ন একজন আলেম হিসেবে অভিহিত হওয়া যুক্তিযুক্ত; যদি সে এর সাথে এর পরিপূরক গ্রন্থসমূহ যেমন ইবনে আবদিল বার-এর আত-তামহীদ, ইবনে কুদামার আল-মুগনী, আল-বাগাওয়ীর শারহুস সুন্নাহ, ইবনে হাযমের আল-মুহাল্লা এবং ইবনে হাজার আল-আসকালানীর ফাতহুল বারী (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি রহম করুন) যুক্ত করে নেয়।
সুনানুল বাইহাকী ভারতের হায়দারিয়া ছাপাখানায় অফসেট পদ্ধতিতে একটি প্রাচীন সংস্করণ হিসেবে মুদ্রিত হয়েছিল, যাতে ইবনুত তুরকুমানী কর্তৃক বাইহাকীর ওপর লিখিত সংযোজনীমূলক টীকা অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং তিনি এর নামকরণ করেছিলেন ‘আল-জাওহারুন নাকী’। এটি ছিল একটি নির্ভুল সংস্করণ যা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং দীর্ঘকাল তারা এর ওপর কাজ করেছেন। অবশেষে এমন এক সময় এলো যখন গ্রন্থসমূহকে আধুনিক পদ্ধতিতে সুশোভিত আঙ্গিকে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা বহুগুণে বৃদ্ধি পেল। এই পদ্ধতিতে মূল পাঠ্য সংশোধন ও এর জটিলতাসমূহ নিরসনের ক্ষেত্রে অধিকতর নিপুণতা অর্জনের লক্ষ্যে পাদটীকায় পাণ্ডুলিপির পাঠান্তরসমূহ নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি হাদীস ও আছারসমূহের তাখরীজ বা উৎস নির্দেশ, প্রবাদ ও কবিতাগুলো সংশ্লিষ্ট উৎসে অর্পণ করা, দুর্বোধ্য শব্দের ব্যাখ্যা এবং ব্যক্তি ও স্থানের জীবনীমূলক আলোচনা ইত্যাদির মাধ্যমে বহুমুখী পাদটীকাসহ কাজটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হয়। এছাড়া গ্রন্থের বিষয়বস্তু উন্মোচনকারী এবং এর থেকে উপকৃত হওয়া ও দ্রুত তথ্য খুঁজে পাওয়ার সুবিধার্থে সাধারণ নির্ঘণ্ট বা সূচিপত্রও তৈরি করা হয়।
এই সুমহান কিতাবটির পূর্বোক্ত পরিচিতির পাশাপাশি এসকল বিষয়াদিই এর ওপর কাজ করার এবং পূর্বে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেসব কিতাবের খিদমত ও প্রকাশনা সহজ করে দিয়েছেন, সেগুলোর আদলে একেও একটি নতুন সংস্করণে প্রকাশের প্রেরণা যুগিয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٨)
وقد كان العمل في هذا الإصدار الذي بلغ بفهارسه أربعة وعشرين مجلدًا، مرتكزًا على تصحيح النص بالاعتماد على أصول خطية يسر اللَّهِ جمعها، أنفسها نسخة العلامة أبي عمرو بن الصلاح الشهرزورى الدمشقي (ت 643 هـ)، لكونها نسخة مصححة مسموعة عليه، مزودة بتعليقات مفيدة، مع معونة الطبعة الهندية اليسار إليها، والمختصر الذي عمله الحافظ الذهبي.
وقد تم ضبط الكَلِم ضبطًا يزيل ما فيه من الإشكال وتعدو الاحتمال، وترقيم الآيات، مع كتابتها برسم المصحف، وبيان القراءات عند الحاجة، وتخريج الأحاديث والآثار، والإحالة على مواضع تراجم الرجال الذين تكلم عليهم المصنف، وصناعة معجم لشيوخ المصنف ضمن الفهارس.
وما كان لهذه الموسوعة الحافلة أن تصدر بثوبها القشيب هذا، لولا عون اللَّهِ تبارك اسمُه، وحسنُ توفيقه، وما جنده لها من خلال مركز هجر للبحوث والدراسات العربية والإِسلامية في تحقيق كتب التراث، الذي دأب على إخراج المصنفات التي تشتد حاجة أهل العلم لها في صورة متميزة، راجين من ذلك مثوبة اللَّهِ، وخدمة الإِسلام ونفع المسلمين.
فالشكر كل الشكر لجهود الباحثين الذين أسهموا في إخراج هذا العمل.
চব্বিশ খণ্ডের (সূচিপত্রসহ) এই সংস্করণটির কাজ পাঠ্য সংশোধনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে। এতে আল্লাহর অনুগ্রহে সংগৃহীত পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান হলো আল্লামা আবু আমর ইবনে আস-সালাহ আশ-শাহরাজুরি আদ-দিমাশকি (মৃ. ৬৪৩ হি.)-এর কপি। কারণ এটি একটি সংশোধিত কপি যা তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছিল এবং এতে প্রয়োজনীয় টীকা যুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি নির্দেশিত ভারতীয় মুদ্রণ এবং হাফিজ আয-যাহাবি কৃত সংক্ষেপিত রূপটিরও সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
শব্দগুলোতে এমনভাবে হরকত বা স্বরচিহ্ন প্রদান করা হয়েছে যা যাবতীয় অস্পষ্টতা ও দ্বিধা দূর করে। আয়াতসমূহের সংখ্যা প্রদান করা হয়েছে এবং তা সরাসরি মুসহাফের লিপিতে (রসমুল মুসহাফ) লেখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কিরাতসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে এবং হাদিস ও আসারসমূহের সূত্রায়ন করা হয়েছে। লেখক যেসব রাবিদের ব্যাপারে আলোচনা করেছেন তাদের জীবনীর স্থানসমূহের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে এবং সূচিপত্রের মধ্যে লেখকের উস্তাদগণের একটি অভিধান তৈরি করা হয়েছে।
মহান আল্লাহর সাহায্য ও তাঁর উত্তম তাওফিক এবং হিজর সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ-এর মাধ্যমে পরিচালিত প্রচেষ্টার বদৌলতে এই বিশাল বিশ্বকোষটি আজ এই মনোরম অবয়বে প্রকাশিত হলো। এই কেন্দ্রটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি ও জ্ঞানগর্ভ ঐতিহ্যের (তুরাস) কিতাবসমূহ সম্পাদনায় নিয়োজিত এবং আলিম সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গ্রন্থসমূহ একটি অনন্য রূপে প্রকাশে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রতিদান এবং ইসলামের সেবা ও মুসলিমদের কল্যাণের প্রত্যাশা করি।
এই কাজটির পূর্ণতায় যেসব গবেষক শ্রম দিয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٩)
وفي الختام، أسأل اللَّهِ أن يجعل هذا العمل خالصًا لوجهه الكريم، سببًا للفوز برضوانه العظيم. وصلى اللَّهِ وسلم وبارك على خيرته من خلقه، نبينا وإمامنا محمد بن عبد اللَّهِ، والحمد لله رب العالمين.
د. عبد السند حسن يمامة
পরিশেষে, আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যে তিনি যেন এই আমলটিকে একান্তই তাঁর মহান সত্তার সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং তাঁর সুমহান সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম বানান। আর আল্লাহর দরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষিত হোক তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠতম সত্তা, আমাদের নবী ও ইমাম মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহর ওপর। এবং সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
ড. আব্দুস সানাদ হাসান ইয়ামামা
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١١)
مقدمة التحقيقإن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده اللَّهِ فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّهِ وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
(يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ) (يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا)، (يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا).
أما بعد:
فقد منَّ اللَّه سبحانه بإرسال رسله إلى العباد، يهدونهم سبيل الفوز والنجاة؛ ويدعونهم إلى الهدى والرشاد. {رُسُلًا مُبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ وَكَانَ اللَّهِ عَزِيزًا حَكِيمًا} [النساء: 165] وأرسل سبحانه رسوله محمدا صلى الله عليه وسلم بالرسالة الخاتمة والشريعة الكاملة، وأنزل عليه كتابه الكريم {بَصَائِرُ مِنْ رَبِّكُمْ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ} [الأعراف: 203].
وتكفل اللَّهِ سبحانه بحفظه فقالَ: {إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ
গবেষণার ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।
(হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং তোমরা মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।) (হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের সেই রবকে ভয় করো যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার স্ত্রীকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর পর্যবেক্ষণকারী।) (হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করবে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য লাভ করবে।)
অতঃপর:
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দাদের নিকট তাঁর রাসুলগণকে প্রেরণ করার মাধ্যমে অনুগ্রহ করেছেন, যাঁরা তাঁদেরকে সাফল্য ও মুক্তির পথের দিশা দেন এবং তাঁদেরকে হিদায়াত ও সঠিক পথের দিকে আহ্বান করেন। {সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী রাসুলগণ (প্রেরিত হয়েছেন), যাতে রাসুলদের প্রেরণের পর আল্লাহর বিরুদ্ধে মানুষের কোনো অজুহাত না থাকে। আর আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।} [আন-নিসা: ১৬৫] আর তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর রাসুল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সর্বশেষ বার্তা এবং পূর্ণাঙ্গ শরিয়তসহ প্রেরণ করেছেন এবং তাঁর ওপর তাঁর সম্মানিত কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যা {তোমাদের রবের পক্ষ থেকে উজ্জ্বল প্রমাণ এবং মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য হিদায়াত ও রহমত।} [আল-আরাফ: ২০৩]
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এটি সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং বলেছেন: {নিশ্চয়ই আমি এই যিকির (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর} [আল-হিজর: ৯]
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
لَحَافِظُونَ} [الحجر: 9] فما زال محفوظا {لَا يَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِ تَنْزِيلٌ مِنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ} [فصلت: 41، 42].
ولما كانت السنة وحيا من اللَّهِ سبحانه وبلاغا لرسالته، إذ قال سبحانه: {وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى (3) إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى} [النجم: 3، 4] فقد أوجب اللَّهِ سبحانه على الناس طاعة رسوله فيما أمر ونهى، فقال سبحانه: {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ} [الحشر: 7]، وحذر سبحانه من مخالفته وعصيان أمره، فقال: {فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَنْ تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ} [النور: 63]. فجعل سبحانه وتعالى السنة حجة شرعية، وتعبدنا باعتقاد مضمونها والعمل بمقتضاها، وهي شقيقة القرآن ومثيلته في الحجية والاعتبار؛ إذ هما جميعًا من عند اللَّهِ.
فأصل الدين ومصدره هو الوحي من اللَّهِ لنبيه صلى الله عليه وسلم، وله قسمان هما: القرآن والسنة، وقد بين اللَّهِ سبحانه ذلك اتم بيان فقال سبحانه: {وَأَنْزَلَ اللَّهِ عَلَيْكَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَعَلَّمَكَ مَا لَمْ تَكُنْ تَعْلَمُ وَكَانَ فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكَ عَظِيمًا} [النساء: 113] وقال: {لَقَدْ مَنَّ اللَّهِ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِنْ أَنْفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ} [آل عمران: 164].
وإن الأمة ما زالت متفقة على أن السنة النبوية لها مقام معلوم في بيان
...সংরক্ষণকারী} [আল-হিজর: ৯]। সুতরাং এটি সর্বদা সংরক্ষিত রয়েছে। {এর কাছে কোনো মিথ্যা বা বাতিল আসতে পারে না, এর সামনে থেকেও না, আর এর পেছন থেকেও না। এটি প্রজ্ঞাময়, চির প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ} [ফুসসিলাত: ৪১, ৪২]।
আর যেহেতু সুন্নাহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার পক্ষ থেকে ওহী এবং তাঁর রিসালাতের প্রচার, যেহেতু তিনি বলেছেন: {আর তিনি নিজ প্রবৃত্তি থেকে কথা বলেন না। এটি তো কেবল ওহী, যা তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হয়} [আন-নাজম: ৩, ৪]। তাই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মানুষের ওপর তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা আবশ্যক করেছেন তিনি যা আদেশ করেছেন এবং যা নিষেধ করেছেন তার ক্ষেত্রে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন: {রাসূল তোমাদের যা প্রদান করেন তা তোমরা গ্রহণ করো এবং তিনি তোমাদের যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে তোমরা বিরত থাকো। আর আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর} [আল-হাশর: ৭]। এবং তিনি তাঁর বিরোধিতা ও তাঁর আদেশের অবাধ্যতা করা থেকে সতর্ক করেছেন, তিনি বলেছেন: {অতএব যারা তাঁর আদেশের বিরোধিতা করে, তারা যেন সতর্ক হয় যে, তাদের ওপর কোনো বিপর্যয় নেমে আসবে অথবা তাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক আজাব আপতিত হবে} [আন-নূর: ৬৩]। সুতরাং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সুন্নাহকে একটি শরয়ি দলিল সাব্যস্ত করেছেন এবং এর বিষয়বস্তুর ওপর বিশ্বাস রাখা ও এর দাবি অনুযায়ী আমল করার মাধ্যমে আমাদের ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এটি প্রামাণ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে কুরআনের সহোদর ও সমতুল্য; যেহেতু উভয়ই আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত।
দ্বীনের মূল ভিত্তি ও উৎস হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি অবতীর্ণ ওহী। আর এর দুটি ভাগ রয়েছে: কুরআন ও সুন্নাহ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: {আর আল্লাহ আপনার ওপর কিতাব ও হিকমত অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনাকে এমন বিষয় শিক্ষা দিয়েছেন যা আপনি জানতেন না। আর আপনার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ অত্যন্ত মহান} [আন-নিসা: ১১৩]। এবং তিনি বলেছেন: {নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তিনি তাদের মধ্য থেকেই তাদের কাছে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেন। যদিও ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে নিমজ্জিত ছিল} [আলে ইমরান: ১৬৪]।
আর নিশ্চয়ই উম্মাহ এই বিষয়ে সর্বদা ঐক্যবদ্ধ যে, সুন্নাহ নববীর একটি সুনির্দিষ্ট মর্যাদা রয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
الأحكام، وأنها حجة قائمة بنفسها، وأنه يجب الرجوع إليها إذا ثبتت، ولا يجوز الحكم بالاجتهاد والرأى مع ثبوتها، وأنه قد ثبتت بها أحكام لم يرِد بها الكتاب، هذا من ناحية، ومن ناحية أخرى، فإثها بيان للقرآن، وتفسير له، ومفصّلة لما أجمل فيه، وهذه المعانى كلها محل إجماع عند من يعتد بأقوالهم، ولا نعلم أحدًا خالف في هذا إلا الزنادقة وأمثالهم من الفرق الضالة الذين لا يتأثر الإجماع بمخالفتهم.
وإن الدارس لكتاب اللَّهِ والسنة النبوية، ولا سيما آيات الأحكام وأحاديثها، ليدرك تمام الإدراك أن للسنة أثرًا مهما في بيان الأحكام المجملة في القرآن الكريم، وهي التي تقيد المطلق، وتخصص العام، وتبين الناسخ والمنسوخ.
وإذا أردنا أن نسوق أمثلة للأحكام التي أجملت في القرآن وبينتها السنة وفصلتها، وأمثلة أخرى للأحكام التي جاءت في السنة ولم ينزل بها قرآن، لوجدنا الشيء الكثير في مختلف أبواب العبادات والمعاملات والحدود وغيرها.
فمن أين نعرف حد شارب الخمر ورجم الزاني المحصن وقطع يد السارق إذا لم نرجع إلى السنة المطهرة، وغير ذلك من المسائل الكثيرة التي يتوقف الإيمان بالقرآن والعمل به على الإيمان بالسنة والتزامها واتباعها.
وقد حرمت السنة نكاح المرأة على عمتها أو خالتها، وحرمت الحمر الأهلية، وكل ذى ناب من السباع وذى مخلب من الطير، وأوجبت رجم
বিধিবিধানসমূহ; এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রমাণ, এবং সুসাব্যস্ত হলে এর দিকেই প্রত্যাবর্তন করা ওয়াজিব। এটি সাব্যস্ত হওয়ার পর ইজতিহাদ ও রায়ের মাধ্যমে ফয়সালা করা বৈধ নয়। এর মাধ্যমে এমন অনেক বিধান সাব্যস্ত হয়েছে যা কিতাবুল্লাহতে আসেনি—এটি এক দিক। অন্য দিক থেকে, এটি কুরআনের বিশদ বর্ণনা ও ব্যাখ্যা এবং এতে সংক্ষেপে যা বর্ণিত হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ। এই সব বিষয়ই তাদের নিকট সর্বসম্মত (ইজমা), যাদের কথা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত। যিনদিক ও বিভ্রান্ত দলগুলোর অনুরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কেউ এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই; যাদের বিরোধিতার কারণে ঐকমত্য বা ইজমায় কোনো প্রভাব পড়ে না।
আল্লাহর কিতাব এবং সুন্নাতে নববীর অধ্যয়নকারী—বিশেষ করে আহকামের আয়াত ও হাদীসসমূহের গবেষক—অবশ্যই পূর্ণরূপে উপলব্ধি করেন যে, কুরআনুল কারীমে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত বিধিবিধানগুলোর বিশদ ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সুন্নাহর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সুন্নাহই নিঃশর্তকে শর্তযুক্ত করে, সাধারণকে বিশেষিত করে এবং নাসিখ ও মানসুখ স্পষ্ট করে।
কুরআনে সংক্ষেপে বর্ণিত এবং সুন্নাহর মাধ্যমে ব্যাখ্যা ও বিস্তারিত বর্ণিত বিধানসমূহের উদাহরণ যদি আমরা পেশ করতে চাই, কিংবা এমন সব বিধানের উদাহরণ দিতে চাই যা সুন্নাহর মাধ্যমে এসেছে কিন্তু কুরআনে অবতীর্ণ হয়নি, তবে আমরা ইবাদত, মুয়ামালাত, হুদূদ এবং অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন প্রচুর বিষয় খুঁজে পাব।
আমরা যদি পবিত্র সুন্নাহর দিকে ফিরে না যাই, তবে কোথা থেকে আমরা মদপায়ীর হদ (দণ্ডবিধি), বিবাহিত ব্যভিচারীকে রজম করা এবং চোরের হাত কাটার বিধান জানব? এ ছাড়াও এমন অসংখ্য মাসআলা রয়েছে যে ক্ষেত্রে কুরআনের ওপর ঈমান আনা এবং সেই অনুযায়ী আমল করা মূলত সুন্নাহর ওপর ঈমান আনা, তা আঁকড়ে ধরা এবং অনুসরণের ওপরই নির্ভর করে।
সুন্নাহ কোনো নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সাথে একত্রে বিবাহ করা হারাম করেছে। সুন্নাহ গৃহপালিত গাধা হারাম করেছে এবং দাঁতযুক্ত প্রতিটি হিংস্র শিকারি পশু ও নখরযুক্ত প্রতিটি শিকারি পাখি হারাম করেছে এবং রজম করাকে ওয়াজিব করেছে...
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
الزاني المحصن، إلى غير ذلك بما ملئت به مدونات فقه الحديث والكتب الجامعة لأحاديث الأحكام. وقد قال تعالى: {فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا في أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [النساء: 65].
وقد أدركت الأمة الإِسلامية عظمة السنة ومكانتها، فحفظتها بعد حفظها للقرآن، ودوَّن العلماء فيها الدواوين من الجوامع والمسانيد والمعاجم والأجزاء والمصنفات، وبحثوا في أحوال الرجال والأسانيد، وألفوا في ذلك العدد الكثير من الكتب، وألفوا في الصحاح والسنن والموضوعات والعلل. وفي سبيل القيام بهذا الجهد الكبير جندوا أنفسهم لخدمتها وكابدوا في سبيلها المشاق والسهر والرحلات الطويلة إلى أقطار الأرض من شرقها إلى غربها ومن شمالها إلى جنوبها.
وهذه مكتبات الدنيا تزخر بما خلفوا من الكنوز، حتى مكتبات أوروبا وأمريكا والهند، حيث استحوذت على إعجابهم وأدركوا أنها أعظم كنز يتباهون به في مكتباتهم.
ولم تكن السنة في القرن الأول -عصر الصحابة وكبار التابعين- مدونة في بطون الكتب، وإنما كانت مسطورة على صفحات القلوب، فكانت صدور الرجال مهد التشريع النبوى ومصدر الفتيا ومنبعث الحكم والأخلاق.
وقد روى مسلم في "صحيحه" عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أنه قال: قال
বিবাহিত ব্যভিচারী এবং এর বাইরে অন্যান্য বিষয়, যা দ্বারা হাদিসের ফিকহ শাস্ত্রের সংকলনসমূহ এবং বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহের সংকলনগুলো পরিপূর্ণ হয়ে আছে। আর মহান আল্লাহ বলেছেন: "অতএব আপনার পালনকর্তার কসম, তারা মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদে আপনাকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করে, অতঃপর আপনি যা ফয়সালা করেন সে ব্যাপারে তাদের অন্তরে কোনো দ্বিধা না থাকে এবং তা তারা পূর্ণ সন্তুষ্টির সাথে মেনে নেয়।" [আন-নিসা: ৬৫]।
আর ইসলামি উম্মাহ সুন্নাহর মহিমা ও এর মর্যাদা উপলব্ধি করেছে। তাই তারা কুরআনের সংরক্ষণের পর সুন্নাহকেও সংরক্ষণ করেছে। ওলামায়ে কেরাম এই বিষয়ে 'জামে', 'মুসনাদ', 'মু'জাম', 'জুয' এবং 'মুসান্নাফ' জাতীয় বৃহৎ গ্রন্থাবলি সংকলন করেছেন। তাঁরা বর্ণনাকারীদের অবস্থা ও সনদসমূহ নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং এই বিষয়ে প্রচুর সংখ্যক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁরা 'সহিহ', 'সুনান', 'জাল হাদিস' ও 'সূক্ষ্ম ত্রুটি' বিষয়ক গ্রন্থসমূহ রচনা করেছেন। এই মহান কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে তাঁরা নিজেদেরকে এর খিদমতে নিয়োজিত করেছেন এবং এই পথে নানাবিধ কষ্ট-ক্লেশ, বিনিদ্র রজনী এবং পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত—পূর্ব থেকে পশ্চিমে এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে—সুদীর্ঘ সফর সহ্য করেছেন।
বিশ্বের লাইব্রেরিগুলো তাঁদের রেখে যাওয়া এই অমূল্য সম্পদরাজিতে পরিপূর্ণ হয়ে আছে, এমনকি ইউরোপ, আমেরিকা ও ভারতের লাইব্রেরিগুলোও। এই সম্পদগুলো তাদের অভিভূত করেছে এবং তারা বুঝতে পেরেছে যে এটিই শ্রেষ্ঠ সম্পদ, যা নিয়ে তারা তাদের লাইব্রেরিগুলোতে গর্ববোধ করে থাকে।
প্রথম শতাব্দীতে—সাহাবী এবং বড় বড় তাবেয়ীদের যুগে—সুন্নাহ কিতাব আকারে সংকলিত ছিল না, বরং তা ছিল হৃদয়ের পাতায় অঙ্কিত। তাই মানুষের অন্তর ছিল নববী শরিয়তের দোলনা, ফতোয়ার উৎস এবং বিচার ও চরিত্রের উৎপত্তিস্থল।
ইমাম মুসলিম তাঁর "সহিহ" গ্রন্থে আবু সাঈদ খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
رسول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "لا تكتُبوا عنِّي، ومَن كتبَ عنِّي غيرَ القرآنِ فليَمْحُهُ"
(1). قال أبو العباس القرطبى: كان هذا النهى متقدما، وكان ذلك لئلا يختلط بالقرآن ما ليس منه ثم لما أمن من ذلك أبيحت الكتابة، كما أباحها النبي صلى الله عليه وسلم لأبي شاه في حجَّة الوداع حين قال: "اكتُبُوا لأبي شاه" فرأى علماؤنا هذا ناسخا لذلك
(2).
قال القاضي عياض: بين السلف اختلاف كبير في كتابة العلم من الصحابة والتابعين، فكرهه كثير منهم، وأجازه الأكثر، ثم وقع بَعْدُ الاتفاقُ على جوازه لِمَا جاء عنه عليه السلام من إذنه لعبد اللَّهِ بن عمرو في الكتاب
(3).
وكما امتن اللَّهِ علينا بالسنة فقد امتن علينا بحفظها إذ سخر لها من أفذاذ الرجال من قام بحفظها وتدوينها، ونقصد بالتدوين كتابة الأحاديث وجمعها في ديوان واحد، وقد كان ذلك يتم في البداية في شكل مجهود فردي، حيث يقوم الراوى بكتابة مسموعاته في كتاب لنفسه، فلما انتشر الإِسلام في أرض اللَّهِ، واتسعت البلاد، وتفرق الصحابة في الأقطار، ومات كثير منهم، وقيل الضبط، دعت الحاجة إلى تدوين الحديث وتقييده بالكتابة، فلما أن أفضت الخلافة إلى الإِمام العادل عمر بن عبد العزيز كتب على رأس المائة إلى أبى بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عامله وقاضيه على المدينة: انظر ما كان من حديث رسول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فاكتبه، فإني خفت دروس العلم وذهاب العلماء
(4).
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার পক্ষ থেকে (কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু) লিখো না, আর যে ব্যক্তি কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখেছে, সে যেন তা মুছে ফেলে।"
(১)। আবু আব্বাস আল-কুরতুবী বলেন: এই নিষেধাজ্ঞাটি ছিল প্রাথমিক যুগের, আর তা ছিল এই কারণে যেন কুরআনের সাথে এমন কিছু মিশ্রিত না হয়ে যায় যা কুরআনের অংশ নয়। পরবর্তীতে যখন এই বিষয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত হলো, তখন লিখন পদ্ধতি বৈধ করা হয়, যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজের সময় আবু শাহ-এর জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন: "আবু শাহ-এর জন্য লিখে দাও।" ফলে আমাদের ওলামায়ে কেরাম এটিকে পূর্বের নিষেধাজ্ঞার রহিতকারী হিসেবে গণ্য করেছেন।
(২)।
কাযী আইয়ায বলেন: সাহাবী ও তাবিঈদের মধ্য থেকে পূর্বসূরিদের (সালাফ) মাঝে ইলম লিখে রাখার ব্যাপারে বড় ধরনের মতভেদ ছিল। তাঁদের অনেকে এটিকে অপছন্দ করতেন, আর অধিকাংশ একে বৈধ বলতেন। এরপর এর বৈধতার ব্যাপারে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, কারণ নবী আলাইহিস সালাম থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে লেখার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
(৩)।
আল্লাহ যেমন সুন্নাহর মাধ্যমে আমাদের ওপর অনুগ্রহ করেছেন, তেমনি তিনি তা সংরক্ষণের মাধ্যমেও আমাদের ওপর অনুগ্রহ করেছেন। কারণ তিনি এর জন্য এমন কিছু অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্বকে নিয়োজিত করেছেন যারা এটি সংরক্ষণ ও সংকলনের কাজ সম্পন্ন করেছেন। আর সংকলন বলতে আমরা হাদীসসমূহ লিখে একটি সংকলনে বা দিওয়ানে একত্রিত করাকে বোঝাচ্ছি। শুরুর দিকে এটি ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার আকারে সম্পন্ন হতো, যেখানে বর্ণনাকারী তার শ্রবণকৃত বর্ণনাগুলো নিজের জন্য একটি গ্রন্থে লিখে রাখতেন। অতঃপর যখন আল্লাহর যমীনে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ল, রাজ্য বিস্তৃত হলো, সাহাবীগণ বিভিন্ন জনপদে ছড়িয়ে পড়লেন এবং তাঁদের অনেকে মৃত্যুবরণ করলেন, আর মুখস্থ রাখার সক্ষমতা কমে গেল, তখন হাদীস সংকলন ও তা লিখে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল। এরপর যখন খিলাফতের দায়িত্ব ন্যায়পরায়ণ ইমাম উমর ইবনে আব্দুল আজিজ-এর ওপর অর্পিত হলো, তিনি প্রথম হিজরী শতকের শেষভাগে মদীনার গভর্নর ও কাযী আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযমের নিকট লিখে পাঠালেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে সকল হাদীস রয়েছে সেগুলো দেখো এবং লিখে ফেলো। কেননা আমি ইলম বিলুপ্ত হওয়া এবং আলেমদের চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছি।"
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
وكذلك كتب إلى عماله في أمهات المدن الإِسلامية بجمع الحديث، فكان أول من استجاب له ابن شهاب الزهرى فدون في ذلك كتابًا، ثم فشا أمر التدوين في الطبقة التي تلته، وكان على رأس من دون ابن جريج في مكة وسعيد بن أبي عروبة وحماد بن سلمة في البصرة، وسفيان الثوري في الكوفة، وابن إسحاق والإمام مالك في المدينة وغيرهم، والتف حولهم طلبة العلم وأخذوا عنهم الحديث وحفظوه دراية ورواية، وشددوا في ضبطه ودققوا في مروياته.
وقد اختلفت مناهج المصنفين في الحديث كما يقول ابن الأثير: رأيت هذا العلم على شرفه وعلو منزلته وعظم قدره علمًا عزيزًا، مشكل اللفظ والمعنى، والناس في تصانيفهم التي جمعوها وألفوها مختلفو الأغراض متنوعو المقاصد. ثم ذكر أغراضهم كما يلي:
1 - منهم من قصر همته على تدوين الحديث ليحفقالفظه ويستنبط منه الحكم.
2 - ومنهم من يثبت الأحاديث في الأماكن التي هي دليل عليها، فيضع لكل مجموعة من الأحاديث المتشابهة بابًا يختص بها.
3 - ومنهم من استخرج أحاديث تتضمن ألفاظًا لغوية، ومعانى مشكلة، فوضع لها كتابًا، قصره على ذكر متونها، وشرح غريبها وإعرابه وتوضيح معانيه دون تعرض منه لذكر أحكامها.
4 - ومنهم من أضاف إلى الاختيار السابق ذكر الأحكام واراء الفقهاء.
একইভাবে তিনি ইসলামী প্রধান শহরগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে হাদীস সংকলনের নির্দেশ লিখে পাঠান। তাঁর এই আহ্বানে প্রথম সাড়া দেন ইবনে শিহাব আজ-জুহরি এবং তিনি এ বিষয়ে একটি কিতাব সংকলন করেন। এরপর তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে সংকলনের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। যারা সংকলন করেছেন তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন মক্কায় ইবনে জুরাইজ, বসরায় সাঈদ বিন আবি আরুবাহ ও হাম্মাদ বিন সালামাহ, কুফায় সুফিয়ান আস-সাওরি, মদিনায় ইবনে ইসহাক ও ইমাম মালিক এবং আরও অনেকে। ইলম অন্বেষণকারীরা তাঁদের চারপাশে সমবেত হন এবং তাঁদের কাছ থেকে হাদীস গ্রহণ করেন। তাঁরা জ্ঞান ও বর্ণনা উভয় দিক থেকেই হাদীস মুখস্থ করেন এবং এর নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে কঠোরতা অবলম্বন করেন ও বর্ণিত বিষয়গুলো সূক্ষ্মভাবে যাচাই করেন।
হাদীস সংকলকদের কর্মপদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন ছিল, যেমনটি ইবনুল আসির বলেছেন: আমি এই ইলমকে এর মর্যাদা, উচ্চস্থান ও গুরুত্বের কারণে একটি অত্যন্ত মূল্যবান ইলম হিসেবে দেখেছি, যার শব্দ ও অর্থ অত্যন্ত জটিল। মানুষ তাঁদের সংগৃহীত ও রচিত গ্রন্থগুলোতে বিভিন্ন লক্ষ্য ও বহুমুখী উদ্দেশ্য পোষণ করেছেন। এরপর তিনি তাঁদের উদ্দেশ্যগুলো নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করেছেন:
১ - তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কেবল হাদীস সংকলনের ওপরই গুরুত্বারোপ করেছেন যাতে এর শব্দগুলো সংরক্ষিত থাকে এবং তা থেকে বিধান আহরণ করা যায়।
২ - আবার কেউ কেউ হাদীসগুলোকে এমন স্থানে স্থাপন করেছেন যা সেগুলোর দলীল হিসেবে কাজ করে। ফলে তাঁরা প্রতিটি সমজাতীয় হাদীসের জন্য একটি নির্দিষ্ট অধ্যায় নির্ধারণ করেছেন।
৩ - তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এমন হাদীসসমূহ চয়ন করেছেন যাতে ভাষাতাত্ত্বিক শব্দ এবং জটিল অর্থ রয়েছে। এরপর তিনি এ জন্য একটি কিতাব সংকলন করেছেন যেখানে কেবল হাদীসের মূল পাঠ উল্লেখ করা, অপরিচিত শব্দের ব্যাখ্যা, ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ এবং অর্থ স্পষ্ট করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন, এর বিধানসমূহ আলোচনার অবকাশ নেননি।
৪ - আবার কেউ কেউ পূর্বোক্ত চয়নের সাথে বিধানসমূহ এবং ফকীহগণের মতামত যুক্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
5 - ومنهم من اقتصر على ذكر الغريب دون متنه، فجمع الكلمات الغريبة ودونها ورتبها وشرحها.
6 - ومنهم من قصد إلى استخراج أحاديث تضمنت ترغيبًا وترهيبًا وأحاديث تتضمن أحكامًا فدونها معًا
(1).
ويعقب ابن الأثير على هذه الأغراض قائلًا: "وغير هؤلاء المذكورين من أئمة الحديث لو أردنا أن نستقصى ذكرهم واختلاف أغراضهم ومقاصدهم لطال الكتاب، ولم ننته إلى حد، فاختلاف الأغراض هو الداعى إلى اختلاف التصانيف"
(2).
ولا شك أن الإِمام البيهقي كان من هؤلاء الأفذاذ الذين اختارهم اللَّهِ لحفظ السنة، وحباهم بشرف التصنيف فيها وخدمتها، يظهر ذلك في جُل مصنفاته التي يعمد فيها إلى سياقة الحديث في موضعه من الاستشهاد أو الموضوع أو الفكرة بإسناده إلى النبي صلى الله عليه وسلم أو الصحابي أو التابعى أو غيره ممن يروى عنه، بحيث إنه لا يكاد يذكر رواية أو قولًا إلا ويسوق معه إسناده لهذا القول أو تلك الرواية" ويتجلى ذلك بوضوح في كتابه "السنن الكبير" الذي نحن بصدده، حيث ذكر المباحث الفقهية وأدلة المسائل الشافعية مستنبطة من الأحاديث والآثار المسندة، موردا كل حديث برواياته المتعددة وطرقه المختلفة، متكلما في الأسانيد والمتون بمقتضى الطرق الانتقادية، ومستشهدا بكتب الحديث الصحيحة.
--------------------------------------------
৫ - তাদের মধ্যে কেউ কেউ কেবল কঠিন শব্দাবলির (গারিব) বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছেন মূল পাঠ (মতন) ছাড়াই। ফলে তারা বিরল ও কঠিন শব্দগুলো সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলো নথিবদ্ধ করে সাজিয়েছেন ও ব্যাখ্যা করেছেন।
৬ - আবার তাদের কেউ এমন সব হাদিস চয়ন করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন যা উৎসাহ ও ভীতিপ্রদর্শন (তারগিব ও তারহিব) সম্বলিত এবং এমন হাদিস যা বিধানাবলি (আহকাম) সম্বলিত, অতঃপর তিনি সেগুলো একত্রে নথিবদ্ধ করেছেন
(১)।
এই উদ্দেশ্যগুলোর ব্যাপারে ইবনুল আসির মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন: "হাদিসের ইমামগণের মধ্য থেকে যাদের উল্লেখ করা হয়েছে তারা ছাড়াও অন্যদের কথা এবং তাদের বিচিত্র উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য যদি আমরা সবিস্তারে উল্লেখ করতে চাইতাম তবে গ্রন্থটি দীর্ঘ হয়ে যেত এবং আমরা কোনো সীমানায় পৌঁছাতে পারতাম না। মূলত উদ্দেশ্যের ভিন্নতাই রচনার ভিন্নতার কারণ"
(২)।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ইমাম বায়হাকি সেই সকল অসামান্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যাদের আল্লাহ সুন্নাহ সংরক্ষণের জন্য মনোনীত করেছিলেন এবং এতে গ্রন্থ রচনা ও এর খিদমতের সম্মানে ভূষিত করেছিলেন। তাঁর অধিকাংশ রচনার মধ্যেই তা প্রকাশ পায়, যেখানে তিনি দলিল প্রদানের ক্ষেত্র, বিষয়বস্তু বা ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অথবা সাহাবি অথবা তাবিঈ কিংবা অন্য কোনো বর্ণনাকারীর সূত্রে স্বীয় সনদসহ হাদিস উপস্থাপনের প্রয়াস পান। এমনভাবে যে, তিনি প্রায় কোনো বর্ণনা বা উক্তি উল্লেখ করেন না যার সাথে সেই উক্তি বা বর্ণনার সনদ উপস্থাপন করেন না। এবং এটি তাঁর 'আস-সুনান আল-কাবির' গ্রন্থে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যা আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু। সেখানে তিনি ফিকহি আলোচনা এবং শাফেয়ি মাসআলাগুলোর প্রমাণাদি সনদযুক্ত হাদিস ও আসার থেকে উদ্ভূত করে উল্লেখ করেছেন। তিনি প্রতিটি হাদিসকে এর একাধিক বর্ণনা ও ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে উপস্থাপন করেছেন এবং সমালোচনামূলক পদ্ধতি অনুসরণ করে সনদ ও মূল পাঠের ওপর আলোচনা করেছেন এবং বিশুদ্ধ হাদিস গ্রন্থসমূহ থেকে দলিল পেশ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
ولمّا كان هذا الكتاب "السنن الكبير" بحاجة إلى مزيد اهتمام وعناية -لِما له من أهمية في المكتبة الإِسلامية حيث عده الذهبي أحد أربعة كتب عدها كتب الإِسلام- ونظرًا لما للمصنف من مكانة علمية، فقد وقع اختيارنا عليه لنوليه الاهتمام والعناية، وذلك بإعادة تحقيقه ونشره وإخراجه في صورة علمية، نرجو من اللَّهِ أن تكون مرضية للَّه عز وجل ونافعة لطلاب العلم وسائر المسلمين.
وما كان لهذا السفر العظيم أن يخرج في هذه الصورة إلا بحبل من اللَّهِ وعون منه، وتسخيره لمجموعة من العمل مخلصة محبة للعلم حريصة على إخراجه على النحو الذي يرضى اللَّهِ عز وجل، ويكون نافعا للإسلام وأهله. والحمد للَّه حق حمده.
যেহেতু এই গ্রন্থ "আস-সুনান আল-কাবীর" অধিক মনোযোগ ও যত্নের মুখাপেক্ষী ছিল—ইসলামি গ্রন্থাগারে এর গুরুত্বের কারণে, কেননা ইমাম যাহাবী এটিকে সেই চারটি গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যেগুলোকে তিনি ইসলামের মূল গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করেন—এবং লেখকের উচ্চতর ইলমি মর্যাদার কথা বিবেচনা করে, আমরা এটিকে অধিক গুরুত্ব ও যত্ন প্রদানের জন্য মনোনীত করেছি। আর তা হলো একে পুনরায় তাহকীক, প্রকাশ এবং একটি ইলমি অবয়বে উপস্থাপন করার মাধ্যমে। আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন এটি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নিকট সন্তুষ্টির কারণ হয় এবং ইলম অন্বেষী ও সকল মুসলিমের জন্য কল্যাণকর হয়।
আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর সাহায্য এবং একদল একনিষ্ঠ, ইলম-অনুরাগী ও আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সন্তুষ্টি অনুযায়ী একে প্রকাশের ব্যাপারে আগ্রহী কর্মীবাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টা ব্যতীত এই মহান গ্রন্থের পক্ষে বর্তমান রূপে আত্মপ্রকাশ করা সম্ভব ছিল না, যা ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য উপকারী হবে। আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যেমন প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য তিনি।
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
ترجمة المصنف (1)
اسمه ونسبه:هو الحافظ العلامة المثبت الفقيه، الأصولي، الدَّيِّن الوَرع، واحد زمانه في الحفظ، وفرد أقرانه في الإتقان والضبط، شيخ الإِسلام، أبو بكر أحمد بن الحسين بن علي بن عبد اللَّهِ بن موسى، الخُسْرَوجِرْدي البيهقي النيسابوري الخيراساني.
مولده ونشأته:ولد في قرية خُسْرَوجِرْدَ، من قرى مدينة بيهق بنيسابور في شهر شعبان سنة (384 هـ 994 م) حيث لقى عناية طيبة منذ صغره؛ إذ دفعه أهله إلى الكتاب فتعلم وأتقن قراءة القرآن وحفظه.
وفي سن الخامسة عشرة ابتدأ البيهقي التطواف على الشيوخ لتلقى العلم من منابعه، فبدأ بالسماع لكبار أعلام وفقهاء (خسروجرد) مسقط رأسه،
--------------------------------------------
গ্রন্থকারের জীবনী(১)
তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন হাফেজ, প্রাজ্ঞ আলেম (আল্লামা), নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, ফকিহ, উসুলি, ধর্মপ্রাণ ও পরহেজগার; মুখস্থশক্তিতে নিজ যুগের অনন্য এবং নির্ভুলতা ও সুক্ষ্মতায় সমসাময়িকদের মধ্যে অদ্বিতীয়; শায়খুল ইসলাম, আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসা, আল-খুসরাওজিরদি আল-বাইহাকী আন-নিসাবুরি আল-খুরাসানি।
তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা:তিনি নিশাপুরের বাইহাক শহরের খুসরাওজিরদ গ্রামে ৩৮৪ হিজরি (৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দ) সালের শাবান মাসে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানে তিনি শৈশব থেকেই উত্তম তত্ত্বাবধান লাভ করেন; তাঁর পরিবার তাঁকে মকতবে পাঠিয়ে দেয়, ফলে তিনি পবিত্র কুরআন পাঠে দক্ষতা অর্জন করেন এবং তা হিফজ করেন।
পনের বছর বয়সে বাইহাকী জ্ঞান অর্জনের মূল উৎসসমূহ থেকে ইলম হাসিলের লক্ষ্যে আলেমদের দ্বারে দ্বারে যাতায়াত শুরু করেন। তিনি তাঁর জন্মভূমি (খুসরাওজিরদ)-এর বড় বড় বিদগ্ধ আলেম ও ফকিহদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
أمثال: أبى نصر عمر بن عبد العزيز بن عمر بن قتادة البشيري وأبى الحسن بن عبد اللَّهِ بن إبراهيم الهاشمي، والحسين بن عبد اللَّهِ بن محمد السديري البيهقي، وعلي بن أحمد بن عمر الحمامى المقرئ. . . .
وكانت بيهق هي النقطة التي اتخذها البيهقي منطلفا لرحلاته العلمية الواسعة في المدن المتاخمة لها أولًا، وحين نحاول أن نتعرف على محطاته المهمة في هذه الرحلة العظيمة، فإننا نجد منها: بلاد العراق والحجاز في رحلته إلى الحج، وبلاد نوقان وإسفرايين، وطوس والمهرجان وأسد آباد وهمذان والدامغان، وأصبهان، والري والطابران ونيسابور وروذبار وبغداد ومكة والمدينة وشط العرب إلى غير ذلك من البلدان.
وكان المكان الأول الذي تلقى فيه البيهقي علومه بعد بيهق هو نيسابور وما جاورها من البلدان.
ثم انطلق البيهقي إلى المحطة المهمة في رحلته وهي بغداد، وقد كانت من المراكز الحديثية الكبرى، وقد سمع البيهقي في بغداد من عدد وافر من المحدثين، الذين كانوا يتصدرون النشاط العلمي في هذا البلد وقتذاك، ثم تابع البيهقي رحلاته العلمية إلى بقية البلدان الإِسلامية في طلب الحديث والتزود من الشيوخ وتحصيل العلوّ من الإسناد ..
وبعد تطواف دائم وترحال متصل دام حوالى ثلاثين سنة تقريبًا، عاد البيهقي إلى مدينة (بيهق) بعد أن تبوأ مكانة مرموقة وأصبح من الأعلام المشهورين والحفاظ المعدودين، يعود إلى بيهق، لينقطع فيها عاكفا على
যেমন: আবু নাসর উমর বিন আব্দুল আজিজ বিন উমর বিন কাতাদাহ আল-বুশাইরি, আবুল হাসান বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম আল-হাশিমী, আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সুদাইরি আল-বাইহাকী এবং আলী বিন আহমদ বিন উমর আল-হাম্মামী আল-মুকরি।...
আর বাইহাক ছিল সেই কেন্দ্রবিন্দু যেখান থেকে বাইহাকী প্রথমত তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে ব্যাপক ইলমি সফর শুরু করেছিলেন। যখন আমরা এই মহান সফরের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলো জানার চেষ্টা করি, তখন আমরা সেগুলোর মধ্যে পাই: হজের সফরে ইরাক ও হিজাজ ভূখণ্ড, এবং নুকান, ইসফারায়িন, তুস, আল-মিহরাজান, আসাদ আবাদ, হামদান, দামগান, ইসফাহান, আর-রাই, আত-তাবরান, নিশাপুর, রুজবার, বাগদাদ, মক্কা, মদিনা এবং শাতিল আরবসহ অন্যান্য জনপদ।
বাইহাকের পর বাইহাকী প্রথম যে স্থানে ইলম অর্জন করেছিলেন তা ছিল নিশাপুর এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকা।
এরপর বাইহাকী তার সফরের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য বাগদাদের দিকে যাত্রা করেন, যা ছিল হাদিস চর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। বাইহাকী বাগদাদে বহু সংখ্যক মুহাদ্দিসের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন, যারা তৎকালীন সময়ে সেই শহরের ইলমি কর্মকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিলেন। এরপর বাইহাকী অন্যান্য ইসলামি ভূখণ্ডে হাদিস অন্বেষণ, শায়খদের সান্নিধ্য লাভ এবং উচ্চ সনদ হাসিলের জন্য তার ইলমি সফর অব্যাহত রাখেন।
প্রায় ত্রিশ বছরব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন পরিভ্রমণ ও সফরের পর, বাইহাকী (বাইহাক) শহরে ফিরে আসেন। ততদিনে তিনি এক মর্যাদাপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত হয়েছেন এবং প্রসিদ্ধ ইমাম ও বরেণ্য হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তিনি বাইহাকে ফিরে আসেন সেখানে একাগ্রভাবে আত্মনিয়োগ করার জন্য...
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
هذه الكنوز التي نالها من رحلته، ليخرج منها هذه الكتب التي قل مثالها في بابها، وكان من ثمار اجتهاده وقوة همته في طلب العلم أن تمكن من جمع هذا العلم الوافر الغزير في مصنفات ومؤلفات قال عنها الذهبي: (تصانيف البيهقي عظيمة القدر غزيرة الفوائد، قلّ من جوّد تآليفه مثل الإِمام أبي بكر البيهقي، فينبغى للعالم أن يعتني بها).
وكان المصنف رحمه الله يصدر في كل رحلاته عن نفس خاشعة ورعة؛ ترقب اللَّهِ في أعمالها، وتطلب العلم بإخلاص ورغبة فيه، وبهمة عالية ونفس راضية، صابرة على بأس الحياة وضيق العيش دون عوز ولا شكوى، فبلغ ما بلغ من منزلة ودرجة رفيعة في العلم.
وقد عاش البيهقي في عصر كثرت فيه الاضطرابات والفتن، ومن ثم فقد نهض مدافعا عن السنة داعيا الناس إلى العودة إليها، مع حسن الاعتقاد والزهد في الدنيا والبعد عن فتنها، وقد أولى الموضوعات التي كانت محل الجدل والمناظرات اهتماما خاصا، فأفرد لها العديد من المصنفات التي تمثل رأيه في هذه المسائل والموضوعات، ككتاب الاعتقاد، والأسماء والصفات، والقضاء والقدر، وشعب الإيمان، والبعث والنشور، متناولا هذه المسائل بأسلوب علمى يظهر الحق من خلال الكتاب والسنة، بعيدا عن الدلائل المنطقية التي أغرق فيها غيره، ولم يلجأ إليها إلا مع معارضى السنة لإبطال أقوالهم ودحض حججهم، فلم يكن ممن يلوى أعناق النصوص لتخدم مذهبه وتحقق غرضه وتنتصر لرأيه، كما يفعل بعض المتعصبين، بل
এই সম্পদগুলো যা তিনি তাঁর সফর থেকে অর্জন করেছিলেন, যেন তিনি এমন সব কিতাব প্রকাশ করতে পারেন যা নিজ বিষয়ে অতুলনীয়। তাঁর ইজতিহাদ ও ইলম অন্বেষণে সুউচ্চ হিম্মতের অন্যতম ফল ছিল এই যে, তিনি এই প্রচুর ও গভীর ইলমকে এমন সব সংকলন ও রচনায় বিন্যস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন যে সম্পর্কে আল-জাহাবী বলেছেন: (বায়হাকীর রচনাবলি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফায়দা বা উপকারে ভরপুর। ইমাম আবূ বকর আল-বায়হাকীর মতো খুব কম লেখকই তাঁদের রচনাকে এত নিখুঁত ও উন্নত করতে পেরেছেন; তাই আলেমদের উচিত এগুলোর প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া)।
মুসান্নিফ (গ্রন্থকার) রহিমাহুল্লাহ তাঁর প্রতিটি সফরে এক বিনীত ও পরহেজগার অন্তরের পরিচয় দিতেন; যা প্রতিটি কাজে আল্লাহকে হাজির-নাজির জানত এবং নিষ্ঠা ও গভীর আগ্রহের সাথে সুউচ্চ হিম্মত ও তুষ্ট মনে ইলম অন্বেষণ করত। তিনি জীবনের কঠোরতা ও জীবিকার সংকীর্ণতাকে কোনো প্রকারের অভিযোগ বা অভাববোধ ছাড়াই ধৈর্যের সাথে সহ্য করতেন। ফলে ইলমের ক্ষেত্রে তিনি এক সুউচ্চ মর্যাদা ও অবস্থানে উন্নীত হয়েছেন।
বায়হাকী এমন এক যুগে জীবন অতিবাহিত করেছেন যখন গোলযোগ ও ফিতনা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। এমতাবস্থায় তিনি সুন্নাহর প্রতিরক্ষায় সচেষ্ট হন এবং মানুষকে সুন্নাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানান, সেই সাথে সঠিক আকিদা পোষণ এবং দুনিয়াবিমুখতা ও এর ফিতনা থেকে দূরে থাকার নসিহত করেন। তিনি ঐ সকল বিষয়াবলিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন যা বিতর্ক ও মুনাজারার মূল কেন্দ্র ছিল। ফলে তিনি এ সকল মাসআলা ও বিষয়ে অনেক স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন যা এই বিষয়গুলোতে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে; যেমন— কিতাবুল ই'তিকাদ, আল-আসমা ওয়াস সিফাত, আল-কাদা ওয়াল কাদার, শুয়াবুল ঈমান এবং আল-বা'স ওয়ান নুশুর। তিনি এই বিষয়গুলোকে এমন এক ইলমী পদ্ধতিতে আলোচনা করেছেন যা কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে সত্যকে স্পষ্ট করে। তিনি এমন সব যৌক্তিক দলীলাদি থেকে দূরে থেকেছেন যাতে অন্যরা নিমজ্জিত হয়েছিল। তিনি এগুলোর আশ্রয় কেবল সুন্নাহর বিরোধীদের ক্ষেত্রেই গ্রহণ করতেন তাদের বক্তব্য বাতিল ও যুক্তি খণ্ডন করার জন্য। তিনি ঐ সব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না যারা নিজেদের মাযহাবের সেবা, উদ্দেশ্য হাসিল কিংবা নিজের মতকে বিজয়ী করতে দলীলসমূহের অপব্যাখ্যা করে, যেমনটি কিছু গোঁড়া ব্যক্তিরা করে থাকেন; বরং...
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
كان يتوخى الحق منتظرا له ومنتصرا، لا للغلبة، متبعا في ذلك نهج إمامه الشافعي حيث قال: ما ناظرت أحدا على الغلبة إلا على الحق عندي.
ويقف إلى جانب هذه البيئة وأثرها في تكوين ثقافة البيهقي الجمع الهائل من العلماء الذين أخذ عنهم العلوم المختلفة فتكوّن من خلالها جانب كبير من ثقافته.
شيوخه:لقد سبقت الإشارة إلى البيئة العلمية في بيهق، وما ضمته من علماء في سائر فنون العلم والمعرفة، وأن المصنف رحمه الله قد نشأ في هذه البيئة وأخذ عن علمائها، ثم إنه لم يكتف بذلك، بل ارتحل طلبا للعلم، وجلس إلى العديد من المشايخ والأئمة؛ حرصا على طلب العلم والاستزادة منه. وقد تنوعت ثقافته وعلمه بتنوع الشيوخ الذين أخذ عنهم، والذين يصعب استقصاء عددهم، ولكننا قد آثرنا مع كثرة شيوخه أن نذكر المشايخ الذين أخذ عنهم المصنف كتاب السنن الذي نحن بصدده، ليكون معجما لشيوخه في كتاب السنن، وهذا يعطى فائدة للقارئ، وقد رُتِّب هذا المعجم على حروف المعجم الألفبائى، مقتصرين على ذكر اسم الشيخ وكنيته ونسبه، ثم نشير في الحاشية إلى موضع ترجمته من الكتاب لمن أراد الاستزادة.
1 - إبراهيم بن محمد بن إبراهيم أبو إسحاق الإسفراييني
(1).
--------------------------------------------
তিনি সত্যের অন্বেষণ করতেন, সত্যের প্রতীক্ষায় থাকতেন এবং সত্যের পক্ষাবলম্বন করতেন, বিজয়ী হওয়ার জন্য নয়; এ ক্ষেত্রে তিনি তাঁর ইমাম শাফেয়ীর পদাঙ্ক অনুসরণ করতেন, যিনি বলেছিলেন: "আমি যখনই কারও সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছি, তা কেবল সত্যের অন্বেষণেই ছিল, বিজয়ের জন্য নয়।"
বায়হাকীর পাণ্ডিত্য ও সংস্কৃতি গঠনে এই পরিবেশ ও তার প্রভাবের পাশাপাশি ছিল সেই বিশাল সংখ্যক আলেমদের অবদান, যাঁদের নিকট থেকে তিনি বিভিন্ন শাস্ত্রে ইলম অর্জন করেছিলেন এবং তাঁদের মাধ্যমেই তাঁর সংস্কৃতির একটি বড় অংশ গঠিত হয়েছিল।
তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:ইতিপূর্বে বায়হাক্ব অঞ্চলের ইলমী পরিবেশ এবং সেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায় যে সকল আলেম সমবেত হয়েছিলেন, সে সম্পর্কে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। গ্রন্থকার (রাহিমাহুল্লাহ) সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং সেখানকার আলেমদের নিকট থেকে ইলম হাসিল করেছেন। এরপর তিনি কেবল তাতেই সন্তুষ্ট থাকেননি, বরং জ্ঞান অন্বেষণের উদ্দেশ্যে দেশভ্রমণ করেছেন এবং ইলম অর্জনে প্রবল আকাঙ্ক্ষা ও জ্ঞান বৃদ্ধির অভিপ্রায়ে বহু শায়খ ও ইমামের দরবারে উপস্থিত হয়েছেন। যে সকল শায়খের নিকট থেকে তিনি ইলম অর্জন করেছেন, তাঁদের বৈচিত্র্যের সাথে সাথে তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞাও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠেছিল, যাঁদের সংখ্যা নিরূপণ করা দুষ্কর। তবে আমরা তাঁর অসংখ্য শায়খদের মধ্য থেকে কেবল সেই সকল শায়খদের কথা উল্লেখ করাকে প্রাধান্য দিয়েছি, যাঁদের নিকট থেকে গ্রন্থকার আমাদের আলোচ্য এই ‘আস-সুনান’ গ্রন্থটি গ্রহণ করেছেন; যাতে এটি ‘সুনান’ গ্রন্থের শিক্ষকদের একটি নির্ঘণ্ট (অভিধান) হিসেবে গণ্য হয়। এটি পাঠকের জন্য বিশেষভাবে ফলপ্রসূ হবে। এই নির্ঘণ্টটি বর্ণানুক্রমিক অক্ষরে সাজানো হয়েছে এবং আমরা কেবল শায়খের নাম, উপনাম (কুনিয়াত) ও বংশপরিচয় উল্লেখ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছি। অতঃপর যাঁরা আরও বিস্তারিত জানতে চান, তাঁদের জন্য পাদটীকায় এই গ্রন্থের যেখানে তাঁর জীবনী বর্ণিত হয়েছে, সেই স্থানটি নির্দেশ করে দিয়েছি।
১ - ইব্রাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম আবু ইসহাক আল-ইসফিরায়িনী
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
2 - إبراهيم بن محمد بن إبراهيم بن يوسف أبو إسحاق الطوسي الفقيه
(1).
3 - إبراهيم بن محمد بن أحمد أبو إسحاق الأرموى الفقيه
(2).
إبراهيم بن محمد بن علي بن إبراهيم بن معاوية أبو إسحاق النيسابوري العطار الصيدلاني
(3).
5 - أحمد بن إبراهيم بن أحمد بن محمود أبو بكر الثقفى الأصبهانيُّ الواعظ نزيل نيسابور
(4).
6 - أحمد بن الحسن بن أحمد بن محمد بن أحمد بن حفص بن مسلم بن يزيد بن الحرشى أبو بكر المقرى القاضي الحيرى
(5).
7 - أحمد بن أبي خلف الصوفى بن أحمد أبو حامد الإسفرايينى المهرجاني
(6).
8 - أحمد بن عبد الرحمن بن أحمد بن جعفر أبو نصر الصفار
(7).
9 - أحمد بن علي بن أحمد بن محمد بن شبيب أبو نصر الفامى الشبيبى
--------------------------------------------
২ - ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন ইউসুফ আবু ইসহাক আত-তুসি আল-ফকিহ
(১).
৩ - ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আবু ইসহাক আল-আরমাভি আল-ফকিহ
(২).
ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন ইবরাহীম বিন মুয়াবিয়া আবু ইসহাক আন-নিসাবুরি আল-আত্তার আস-সাইদালানি
(৩).
৫ - আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আহমাদ বিন মাহমুদ আবু বকর আস-সাকাফি আল-আসফাহানি আল-ওয়ায়িজ, নিশাপুরে বসবাসকারী
(৪).
৬ - আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাফস বিন মুসলিম বিন ইয়াযিদ বিন আল-হারশি আবু বকর আল-মুকরি আল-কাদি আল-হাইরি
(৫).
৭ - আহমাদ বিন আবি খালাফ আস-সুফি বিন আহমাদ আবু হামিদ আল-ইসফরাইনি আল-মিহরাজানি
(৬).
৮ - আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন জাফর আবু নাসর আস-সাফফার
(৭).
৯ - আহমাদ বিন আলি বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন শাবিব আবু নাসর আল-ফামি আশ-শাবিবি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
الخندقي
(1).
10 - أحمد بن علي بن أحمد الرازي أبو حامد الإسفرايينى الحافظ
(2).
11 - أحمد بن علي بن الحسن البزاز أبو العباس الكسائي المصري
(3).
12 - أحمد بن علي بن محمد بن إبراهيم بن منجويه أبو بكر الأصبهانيّ اليزدي الحافظ
(4).
13 - أحمد بن علي بن محمد بن منصور أبو المنصور الدامغاني
(5).
14 - أحمد بن علي المقرئ أبو حامد الخسروجردي
(6).
15 - أحمد بن محمد بن إبراهيم بن حمدون أبو بكر بن أبي أحمد الأشناني النيسابوري الصيدلاني
(7).
16 - أحمد بن محمد بن إبراهيم أبو سهل المهراني المزكي
(8).
17 - أحمد بن محمد بن أحمد بن الحارث بن عبد اللَّهِ أبو بكر التميمي
--------------------------------------------
আল-খান্দাকি
(১)।
১০ - আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ আর-রাজি আবু হামিদ আল-ইসফরাইনি আল-হাফিয
(২)।
১১ - আহমাদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-বাযযায আবু আল-আব্বাস আল-কিসায়ি আল-মিসরি
(৩)।
১২ - আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন মানজুওয়াইহ আবু বকর আল-আসবাহানি আল-ইয়াযদি আল-হাফিয
(৪)।
১৩ - আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন মানসুর আবু আল-মানসুর আদ-দামাগানি
(৫)।
১৪ - আহমাদ বিন আলী আল-মুকরি আবু হামিদ আল-খুসরাওজিরদি
(৬)।
১৫ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন হামদুন আবু বকর বিন আবি আহমাদ আল-আশনানি আন-নিসাবুরি আস-সাইদালানি
(৭)।
১৬ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আবু সাহল আল-মিহরানি আল-মুযাক্কি
(৮)।
১৭ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হারিস বিন আব্দুল্লাহ আবু বকর আত-তামিমি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الأصبهاني
(1).
18 - أحمد بن محمد بن أحمد بن حمك، أبو العباس الشاذياخي
(2).
19 - أحمد بن محمد بن أحمد بن موسى، أبو حامد النيسابوري الشافعي المعروف بأميرك بن أبي ذر
(3).
20 - أحمد بن محمد بن أحمد بن عبد اللَّهِ بن حفص بن الخليل الأنصاري الحافظ أبو سعد الماليني الهروي الصوفي
(4).
21 - أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب أبو بكر الخوارزمي البرقاني الفقيه الشافعي الحافظ الكبير
(5).
22 - أحمد بن محمد بن عبد اللَّهِ بن عبد الصمد بن المهتدى بالله أبو عبد اللَّهِ الخطيب العباسى الهاشمى البغدادي
(6).
23 - أحمد بن محمد بن مزاحم أبو سعيد النيسابوري الصفار الأديب
(7).
24 - أحمد بن الوليد بن أحمد بن محمد بن الوليد أبو حامد الزوزني
(8).
--------------------------------------------
আল-আসবাহানি
(১)।
১৮ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামাক, আবু আল-আব্বাস আশ-শাযিয়াখি
(২)।
১৯ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুসা, আবু হামিদ আন-নিসাবুরি আশ-শাফিয়ি, যিনি আমিরাক বিন আবি যার নামে পরিচিত
(৩)।
২০ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাফস বিন আল-খলিল আল-আনসারি আল-হাফিজ আবু সাদ আল-মালিনি আল-হারাউই আস-সুফি
(৪)।
২১ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন গালিব আবু বকর আল-খাওয়ারিজমি আল-বারকানি আল-ফকিহ আশ-শাফিয়ি আল-হাফিজ আল-কাবির
(৫)।
২২ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুস সামাদ বিন আল-মুহতাদি বিল্লাহ আবু আবদুল্লাহ আল-খতিব আল-আব্বাসি আল-হাশিমি আল-বাগদাদি
(৬)।
২৩ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুযাহিম আবু সাঈদ আন-নিসাবুরি আস-সাফ্ফার আল-আদিব
(৭)।
২৪ - আহমদ বিন আল-ওয়ালিদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ আবু হামিদ আজ-যাওযানী
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - إسحاق بن محمد بن يوسف بن يعقوب بن إبراهيم بن إسحاق بن يوسف أبو عبد اللَّهِ السوسي النيسابوري
(1).
26 - إسماعيل بن إبراهيم بن علي بن عروة أبو القاسم المعروف بابن عروة البندار
(2).
27 - إسماعيل بن عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن عابد بن عامر أبو عثمان ابن أبي نصر الصابوني النيسابوري
(3).
28 - جامع بن أحمد بن محمد بن مهدي أبو الخير النيسابوري المحمداباذي الوكيل
(4).
29 - جعفر بن محمد بن الحسين بن علي أبو محمد الأبهرى ثم الهمذاني الصوفى الزاهد
(5).
30 - جناح بن نذير بن جناح أبو محمد المحاربى الكوفى القاضي
(6).
31 - الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن محمد بن شاذان أبو علي بن أبي بكر البغدادي البزاز
(7).
--------------------------------------------
২৫ - ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন ইসহাক বিন ইউসুফ আবু আব্দুল্লাহ আস-সুসি আন-নিসাবুরি
(১).
২৬ - ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আলী বিন উরওয়াহ আবুল কাসিম, ইবনে উরওয়াহ আল-বুন্দার নামে পরিচিত
(২).
২৭ - ইসমাইল বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আবিদ বিন আমির আবু উসমান ইবনে আবি নাসর আস-সাবউনি আন-নিসাবুরি
(৩).
২৮ - জামি বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহদি আবু আল-খায়ের আন-নিসাবুরি আল-মুহাম্মাদাবাদি আল-ওয়াকিল
(৪).
২৯ - জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আবু মুহাম্মদ আল-আভহারি অতঃপর আল-হামদানি, আস-সুফি আল-জাহিদ
(৫).
৩০ - জানাহ বিন নাজির বিন জানাহ আবু মুহাম্মদ আল-মুহারিবি আল-কুফি আল-কাদি
(৬).
৩১ - আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন শাযান আবু আলী বিন আবি বকর আল-বাগদাদি আল-বাযযায
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
32 - الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن فراس أبو محمد المكي العطار
(1).
33 - الحسن بن أحمد أبو محمد الحافظ
(2).
34 - الحسن بن أحمد بن محمد أبى الفوارس بن فارس البغدادي البزاز أبو الفوارس
(3).
35 - الحسن بن أشعث بن محمد بن سعيد أبو علي القرشي المنبجي الشريف
(4).
36 - الحسن بن أبي عبد اللَّهِ
(5).
37 - الحسن بن علي بن المؤمل بن الحسن بن عيسى بن ماسرجس أبو محمد الماسرجسى النيسابورى
(6).
38 - الحسن بن محمد بن حبيب بن أيوب أبو القاسم المفسر النيسابوري الواعظ المفسر
(7).
--------------------------------------------
৩২ - আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ফিরাস আবু মুহাম্মদ আল-মাক্কি আল-আত্তার
(১).
৩৩ - আল-হাসান ইবনে আহমাদ আবু মুহাম্মদ আল-হাফিজ
(২).
৩৪ - আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আবি আল-ফাওয়ারিস ইবনে ফারিস আল-বাগদাদি আল-বায্যায আবু আল-ফাওয়ারিস
(৩).
৩৫ - আল-হাসান ইবনে আশআস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আবু আলি আল-কুরাশি আল-মানবিজি আশ-শারিফ
(৪).
৩৬ - আল-হাসান ইবনে আবি আবদুল্লাহ
(৫).
৩৭ - আল-হাসান ইবনে আলি ইবনুল মুআম্মাল ইবনুল হাসান ইবনে ঈসা ইবনে মাসারজিস আবু মুহাম্মদ আল-মাসারজিসি আন-নাইসাবুরি
(৬).
৩৮ - আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবিব ইবনে আইয়ুব আবু আল-কাসিম আল-মুফাসসির আন-নাইসাবুরি আল-ওয়ায়িজ আল-মুফাসসির
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
39 - الحسين بن الحسن بن محمد بن حلبس أبو عبد اللَّهِ المخزومي الغضائري البغدادي
(1).
40 - الحسين بن عبد اللَّهِ بن محمد أبو عبد اللَّهِ السديري البيهقي
(2).
41 - الحسين بن علي بن الحسن بن محمد أبو طاهر الكعبي الهمذاني
(3).
42 - الحسين بن علي بن محمد بن نصر بن علوشا أبو أحمد الأسداباذي الإستراباذى
(4).
43 - الحسين بن عمر بن برهان أبو عبد اللَّهِ الغزال البغدادي البزاز
(5).
44 - الحسين بن محمد بن الحسين بن عبد اللَّهِ بن صالح بن شعيب بن فنجويه الثقفى أبو عبد اللَّهِ الدينوري
(6).
45 - الحسين بن محمد بن محمد أبو عبد اللَّهِ المقرئ البجلي
(7).
46 - الحسين بن محمد بن محمد بن علي بن حاتم أبو علي الروذباري الطوسي الفقيه
(8).
--------------------------------------------
৩৯ - আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন হিলবিস আবু আব্দুল্লাহ আল-মাখযুমি আল-গাদাইরি আল-বাগদাদি
(১).
৪০ - আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আবু আব্দুল্লাহ আস-সুদাইরি আল-বায়হাকি
(২).
৪১ - আল-হুসাইন বিন আলি বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আবু তাহির আল-কাব্বি আল-হামদানি
(৩).
৪২ - আল-হুসাইন বিন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন নাসর বিন আলুশা আবু আহমাদ আল-আসাদাবাদি আল-ইস্তারাবাদি
(৪).
৪৩ - আল-হুসাইন বিন উমর বিন বুরহান আবু আব্দুল্লাহ আল-গাযযাল আল-বাগদাদি আল-বাযযায
(৫).
৪৪ - আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ বিন শুআইব বিন ফানজুওয়াইহ আস-সাকাফি আবু আব্দুল্লাহ আদ-দিনাওয়ারি
(৬).
৪৫ - আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আবু আব্দুল্লাহ আল-মুকরি আল-বাজালি
(৭).
৪৬ - আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন হাতিম আবু আলি আর-রুজাবারি আত-তুসি আল-ফকিহ
(৮).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
47 - حمزة بن عبد العزيز بن محمد بن أحمد بن حمزة أبو يعلى المهلبي الصيدلاني النيسابوري
(1).
48 - الخليل بن أحمد بن محمد بن يوسف أبو سعيد البستي القاضي
(2).
49 - روح بن أحمد بن عمر بن أحمد بن عبد الرحيم أبو علي التميمي الأصبهاني ثم النيسابوري
(3).
50 - زيد بن جعفر بن الحسين بن محمد بن علي أبى هاشم العلوي
(4).
51 - سعيد بن العباس بن محمد بن علي بن محمد بن سعيد أبو عثمان القرشي الهروي المزكّي
(5).
52 - سعيد بن أبي عمرو أبو عثمان
(6).
53 - سعيد بن محمد بن أحمد بن جعفر أبو سعد الشعيبي الكرابيسي العدل
(7).
--------------------------------------------
47 - হামযাহ ইবনে আবদুল আযীয ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামযাহ আবু ইয়ালা আল-মুহাল্লাবী আস-সাইদালানী আন-নাইসাবুরী
(1)।
48 - আল-খালীল ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আবু সাঈদ আল-বুস্তী আল-কাদী
(2)।
49 - রূহ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুর রহীম আবু আলী আত-তামীমী আল-আসফাহানী অতঃপর আন-নাইসাবুরী
(3)।
50 - যায়েদ ইবনে জাফর ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আবু হাশিম আল-আলাবী
(4)।
51 - সাঈদ ইবনে আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আবু উসমান আল-কুরাশী আল-হারাউয়ী আল-মুযাক্কী
(5)।
52 - সাঈদ ইবনে আবু আমর আবু উসমান
(6)।
53 - সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর আবু সা'দ আশ-শুআইবী আল-কারাবিসী আল-আদল
(7)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
54 - سعيد بن محمد بن عبدان أبو عثمان النيسابوري
(1).
55 - سهل بن أبي سهل، أبو إسحاق المهراني
(2).
56 - سهل بن محمد بن سليمان أبو الطيب الصعلوكي الزيادى النيسابوري
(3).
57 - شريك بن عبد الملك بن الحسن أبو سعيد المهرجاني الإسفرايينى
(4).
58 - طلحة بن علي بن الصقر أبو القاسم البغدادي الكتاني
(5).
59 - ظفر بن محمد بن أحمد بن محمد بن زبارة بن عبد اللَّهِ بن الحسن بن علي بن الحسين بن علي بن أبي طالب السيد أبو منصور العلوي الحسيني المزكى الغازي
(6).
60 - أبو العباس ابن الفضل بن علي بن محمد الإسفرايينى
(7).
61 - عبد الخالق بن علي بن عبد الخالق بن إسحاق أبو القاسم المحتسب المؤذن
(8).
--------------------------------------------
54 - সাঈদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদান আবু উসমান আন-নাইসাবুরি
(১).
55 - সাহল বিন আবি সাহল, আবু ইসহাক আল-মাহরানি
(২).
56 - সাহল বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আবু তাইয়্যিব আস-সা'লুকি আজ-জিয়াদি আন-নাইসাবুরি
(৩).
57 - শারিক বিন আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান আবু সাঈদ আল-মাহরাজানি আল-ইসফরাইনি
(৪).
58 - তালহা বিন আলী বিন আস-সাকর আবু আল-কাসিম আল-বাগদাদি আল-কাত্তানি
(৫).
59 - জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন জুবাহরা বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আবি তালিব আস-সাইয়্যিদ আবু মানসুর আল-আলাওয়ি আল-হুসাইনি আল-মুজাক্কি আল-গাজি
(৬).
60 - আবুল আব্বাস ইবনুল ফাদল বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-ইসফরাইনি
(৭).
61 - আব্দুল খালিক বিন আলী বিন আব্দুল খালিক বিন ইসহাক আবু আল-কাসিম আল-মুহতাসিব আল-মুয়াজ্জিন
(৮).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সুনানুল কুবরা - আল-বাইহাকী - তা আত-তুর্কী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
62 - عبد الرحمن بن أبي حامد أحمد بن إبراهيم أبو محمد المقرئ
(1).
63 - عبد الرحمن بن عبيد اللَّهِ بن عبد اللَّهِ بن محمد أبو القاسم البغدادي الحرفي الحربي
(2).
64 - عبد الرحمن بن علي بن محمد بن إبراهيم بن حمدان بن مهران أبو القاسم الفارسى ثم النيسابوري الشافعي
(3).
65 - عبد الرحمن بن محمد بن أحمد بن بالويه أبو محمد النيسابوري المزكى
(4).
66 - عبد الرحمن بن محمد بن حبيب أبو زيد القاضي
(5).
67 - عبد الرحمن بن محمد بن عبد اللَّهِ بن بندار بن شبانة أبو سعيد الشاهد
(6).
68 - عبد الرحمن بن محمد بن عبد اللَّهِ بن محمد بن حمدان أبو القاسم الكريزى القرشى الكوشكي النيسابوري السرّاج
(7).
69 - عبد العزيز بن عبد اللَّهِ بن عبد الرحمن أبو القاسم التاجر الأصفهاني ثم
--------------------------------------------
৬২ - আব্দুর রহমান বিন আবু হামিদ আহমদ বিন ইবরাহিম আবু মুহাম্মদ আল-মুকরি
(১).
৬৩ - আব্দুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আবুল কাসেম আল-বাগদাদি আল-হারফি আল-হারবি
(২).
৬৪ - আব্দুর রহমান বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন হামদান বিন মিহরান আবুল কাসেম আল-ফারিসি অতঃপর আন-নিশাপুরি আশ-শাফেয়ি
(৩).
৬৫ - আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন বালুওয়াহ আবু মুহাম্মদ আন-নিশাপুরি আল-মুযাক্কি
(৪).
৬৬ - আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন হাবিব আবু যায়েদ আল-কাদি
(৫).
৬৭ - আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বান্দার বিন শাবানা আবু সাঈদ আশ-শাহিদ
(৬).
৬৮ - আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হামদান আবুল কাসেম আল-কুরাইযি আল-কুরাশি আল-কুশকি আন-নিশাপুরি আস-সাররাজ
(৭).
৬৯ - আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আবুল কাসেম আল-তাজির আল-আসফাহানি অতঃপর...
--------------------------------------------