(খণ্ড: ১) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: -)
إتقان ما يحسن من الأخبار الدائرة على الألسن   (نجم الدين الغزي)

القسم: التخريج والأطراف

الكتاب: إتقان ما يحسن من الأخبار الدائرة على الألسن

المؤلف: نجم الدين محمد بن محمد الغزي الدمشقي (977 - 1061 هـ)

ضبط نصه وقدم له: خليل بن محمد العربي

الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر، القاهرة - مصر

الطبعة: الأولى، 1415 هـ - 1995 م

عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 20 رمضان 1445

মানুষের মুখে প্রচলিত উত্তম সংবাদসমূহের বিন্যাস   (নাজমুদ্দিন আল-গাযযী)

বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ

গ্রন্থ: মানুষের মুখে প্রচলিত উত্তম সংবাদসমূহের বিন্যাস

লেখক: নাজমুদ্দিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-গাযযী আদ-দিমাশকী (৯৭৭ - ১০৬১ হিজরি)

পাঠ্য বিন্যাস ও ভূমিকা: খলীল বিন মুহাম্মদ আল-আরাবী

প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসাহ প্রকাশনী ও মুদ্রণালয়، কায়রো - মিশর

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক নম্বরযুক্ত)

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২০ রমজান ১৪৪৫

(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৩)
المجلد الثاني وأوله باب اللام
দ্বিতীয় খণ্ড এবং এর প্রারম্ভে রয়েছে ‘লাম’ অধ্যায়।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৪)
‌‌(باب اللام)

‌‌1386 - ز (لأن أصوم يومًا من شعبان، أحب إلي من أن أفطر يومًا من رمضان).

الشافعي، وسعيد بن منصور، (قط) عن فاطمة بنت الحسين: "أن رجلًا شهد عند على عليّ رؤية الهلال، فصام، وأمر الناس أن يصوموا، وقال: أصوم يومًا من شعبان أحب إلي من أن أفطر يومًا من رمضان".

وفي سنده انقطاع.

وفي سبب قول على لذلك إشارة إلى الجواب عما يقال: إن هذا يعارضه حديث: "من صام يوم الشك فقد خالف أبا القاسم صلى الله عليه وسلم"، إذ لا شك مع شهادة الواحد.

 

‌‌1387 - ز (لأن أعافى فأشكر، أحب إليّ من أن ابتلى فأصبر).

(ط) عن أبي الدرداء: قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم العافية وما أعد الله لصاحبها من جزيل الثواب إذا هو شكر، وذكر البلاء وما أعد الله لصاحبه من جزيل الثواب إذا هو صبر، فقال أبو الدرداء: يا رسول الله لأن أعافى، إلى آخره فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ورسول الله يحب معك العافية.

 

‌‌1388 - ز (لأن يهدى الله بك رجلًا واحدًا، خير لك من حمر النعم).

(أ) عن معاذ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: وفي لفظ، "يا معاذ لأن يهدي الله بك رجلًا من أهل الشرك خير من أن يكون لك حمر النعم".

وفي الصحيحين عن سهل إنه صلى الله عليه وسلم قال ذلك لعلي.

وعند (ط) عن أبي رافع "لأن يهدى الله على يديك رجلًا واحدًا خير لك مما طلعت عليه الشمس وغربت".

 

‌‌1389 - ز (لأن يمتلئ جوف أحدكم قيحًا خير له من أن يمتلئ شعرًا).

(أ، خ) عن ابن عمر، (ك) عن أبي سعيد، (ط) سعد بن أبي وقاص
(লাম অধ্যায়)

১৩৮৬ - যা (শাবান মাসের একটি দিন রোজা রাখা আমার কাছে রমজানের একটি দিন রোজা ভঙ্গের চেয়ে অধিক প্রিয়)।

শাফিয়ী, সাঈদ ইবন মনসুর এবং (দারাকুতনী) ফাতিমা বিনত আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন: "এক ব্যক্তি আলীর নিকট চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিল, ফলে তিনি রোজা রাখলেন এবং মানুষকে রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন এবং বললেন: শাবান মাসের একটি দিন রোজা রাখা আমার কাছে রমজানের একটি দিন রোজা ভঙ্গের চেয়ে অধিক প্রিয়।"

এর সনদে ইনকিতা (বিচ্ছিন্নতা) রয়েছে।

আর আলীর এই উক্তির কারণের মধ্যে সেই আপত্তির দিকে ইশারা রয়েছে যা বলা হয়ে থাকে যে: এটি "যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে রোজা রাখল, সে আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবাধ্যতা করল" এই হাদিসের বিরোধী; কেননা একজনের সাক্ষ্যের ফলে সেখানে আর সন্দেহ অবশিষ্ট থাকে না।

 

১৩৮৭ - যা (আমি সুস্থ ও নিরাপদ থেকে শুকরিয়া আদায় করি, এটা আমার কাছে বিপদে পড়ে ধৈর্য ধারণ করার চেয়ে অধিক প্রিয়)।

(তাবারানী) আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন: তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুস্থতা (আফিয়াত) এবং এর অধিকারী ব্যক্তি শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ তার জন্য যে বিশাল প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন তার কথা উল্লেখ করলেন, এবং তিনি বিপদের কথা ও বিপদে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ তার জন্য যে বিশাল প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন তার কথা উল্লেখ করলেন। তখন আবু দারদা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমি সুস্থ থেকে... শেষ পর্যন্ত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আল্লাহর রাসুলও তোমার সাথে সুস্থতাকেই পছন্দ করেন।

 

১৩৮৮ - যা (তোমার মাধ্যমে আল্লাহ যদি একজন ব্যক্তিকেও হেদায়েত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম)।

(আহমাদ) মুআজ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বলেছিলেন: অন্য শব্দে এসেছে, "হে মুআজ, তোমার মাধ্যমে আল্লাহ যদি শিরককারীদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তিকেও হেদায়েত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য লাল উট থাকার চেয়েও উত্তম।"

সহীহাইন-এ (বুখারী ও মুসলিম) সাহল থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটি আলীকে বলেছিলেন।

এবং (তাবারানী)-তে আবু রাফে থেকে বর্ণিত: "তোমার হাতে যদি আল্লাহ একজন ব্যক্তিকেও হেদায়েত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য সূর্য যার ওপর উদিত ও অস্তমিত হয়, তার চেয়েও উত্তম।"

 

১৩৮৯ - যা (তোমাদের কারো উদর পুঁজে পরিপূর্ণ হওয়া তার জন্য কবিতা দিয়ে পরিপূর্ণ হওয়ার চেয়েও উত্তম)।

(আহমাদ ও বুখারী) ইবন উমর থেকে, (হাকিম) আবু সাঈদ থেকে, (তাবারানী) সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস থেকে।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৫)
وعن أبي الدرداء، وابن جرير، وصححه، وأبو عوانة، والطحاوي، وتمام، والضياء المقدسي في (المختارة) عن عمر.

وحديث ابن عمر عند (ط) بلفظ: "لأن يمتلئ جوف رجل قيحًا حتى يريه خير له من أن يمتلئ شعرًا".

وهو بهذا عند (أ، ق، د، ت، ما) عن أبي هريرة، (أ، م، ما) عن سعد بن أبي وقاص، (ط) عن سلمان.

وأخرج (ي) عن جابر: "لأن يمتلئ جوف الرجل قيحًا ودمًا خير له من أن يمتلئ شعرًا" فعجبت به.

وروى أبو عروبة بن محمد المراني وأبو منصور البغدادي عن الكلبي عن أبي هريرة قال: "لأن يمتلئ أحدكم قيحًا ودمًا خير له من أن يمتلئ شعرًا" فقالت عائشة: لم يحفظ الحديث إنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "لأن يمتلئ جوف أحدكم قيحًا ودمًا خير له من أن يمتلئ شعرًا هجيت به".

 

‌‌1390 - ز (لبس خرقة التصوف).

تقدم الكلام عليه في الخاء المعجمة.

 

‌‌1391 - ز (اللبن لا يرد).

(ت) عن ابن عمر: ثلاث لا ترد: الوسائد، والدهن، واللبن.

 

‌‌1392 - ز (لبيك اللهم لبيك، لا شريك لك لبيك، إن الحمدَ والنعمة لك والملك، لا شريك لك).

(أ)، والستة عن ابن عمر: أن تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم لبيك إلى آخره.

وأخرجه (أ) عن عائشة، وعن ابن عباس، (خ) عنها، (م، د، ما) عن جابر، (د) عن ابن مسعود، (ع) عن أنس، (ط) عن عمرو بن معدي كرب،
আবুদ্দারদা এবং ইবনে জারীর থেকে বর্ণিত, তিনি একে সহীহ বলেছেন, এবং আবু আওয়ানাহ, ত্বহাবী, তাম্মাম এবং যিয়া আল-মাকদিসী ‘আল-মুখতারা’ গ্রন্থে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তাবারানীতে বর্ণিত ইবনে উমর (রা.)-এর হাদীসের শব্দ হলো: "কোনো ব্যক্তির উদর পুঁজে এমনভাবে পরিপূর্ণ হওয়া যা তাকে নষ্ট করে দেয়, তা তার কবিতা দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম।"

আর এই মরমেই আহমাদ, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, তিরমিযী এবং মালিক আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং আহমাদ, মুসলিম ও মালিক সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে এবং তাবারানী সালমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু ইয়ালা জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: "কোনো ব্যক্তির উদর পুঁজ ও রক্তে পরিপূর্ণ হওয়া তার জন্য কবিতা দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম" - এতে আমি বিস্মিত হলাম।

আবু আরুবাহ বিন মুহাম্মদ আল-হাররানী এবং আবু মনসুর আল-বাগদাদী কালবী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তোমাদের কারো উদর পুঁজ ও রক্তে পরিপূর্ণ হওয়া তার জন্য কবিতা দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম।" তখন আয়েশা (রা.) বললেন: সে হাদীসটি যথাযথভাবে মুখস্থ রাখতে পারেনি; বরং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন: "তোমাদের কারো উদর পুঁজ ও রক্তে পরিপূর্ণ হওয়া তার জন্য সেই কবিতা দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম, যার মাধ্যমে আমার নিন্দা করা হয়েছে।"

 

‌‌১৩৯০ - যা (সুফীবাদী তালিযুক্ত পোশাক পরিধান)।

এর আলোচনা পূর্বে ‘খা’ বর্ণে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৩৯১ - যা (দুধ ফেরত দেয়া হয় না)।

তিরমিযী ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনটি বস্তু ফেরত দেয়া হয় না: বালিশ, সুগন্ধি তেল এবং দুধ।

 

‌‌১৩৯২ - যা (আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত; আপনার কোনো শরীক নেই, আমি উপস্থিত; নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, অনুগ্রহ এবং রাজত্ব আপনারই; আপনার কোনো শরীক নেই)।

আহমাদ এবং কুতুবে সিত্তা ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ ছিল ‘লাব্বাইকা’ শেষ পর্যন্ত।

এবং আহমাদ আয়েশা (রা.) ও ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, বুখারী আয়েশা (রা.) থেকে, মুসলিম, আবু দাউদ ও মালিক জাবির (রা.) থেকে, আবু দাউদ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে, আবু ইয়ালা আনাস (রা.) থেকে এবং তাবারানী আমর ইবনে মাদিকারিব (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৬)
وقال جابر في حديثه: "والناس يزيدون ذا المعارج ونحوه من الكلام والنبي صلى الله عليه وسلم يسمع فلا يقول لهم شيئًا".

وفي رواية عن ابن عمر أنه كان يزيد في تلبية لبيك لبيك لبيك وسعديك والخير بيدك، والرغباء إليك والعمل، وروى …‌‌(1) عن ابن عمر قال: "كان عمر بن الخطاب يهل بإهلال رسول الله من هؤلاء الكلمات ويقول: لبيك اللهم لبيك لبيك وسعديك والرغباء إليك والعمل".

وروى ابن المنذر عن أنس مرفوعًا: "أنه هل من العتيق وكان يقول في تلبية: لبيك حقًّا حقًّا تعبدا ورقًا".

 

‌‌1393 - ز (اللحد لنا، والشق لغيرنا).

الأربعة عن ابن عباس، وهو عند (أ) من حديث جرير بزيادة: من أهل الكتاب.

 

‌‌1394 - ث (لحوم البقر داء وسمنها ولبنها دواء).

(د) في (المراسيل) وابن السني (ط، عم، ن) عن مليكة بنت عمرو الحصيب: أنها وصفت سمن بقر لمن أخذها وَجَعٌ في حلقها، وقالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ألبانها أو لبنها شفاء، وسمنها دواء، ولحمها داء".

ومليكة جزم بصحبتها جماعة، ورواة الحديث ثقات، لكن روته عنها امرأة لم تسم إلا أن الراوي عنها وصفها بالصدق وأنها امرأته وهو زهير بن معاوية أحد الحفاظ، وتقدمت أحاديث أخرى في الباب في "عليكم بألبان البقر".

 

‌‌1395 - ز (لحوم العلماء مسمومة).

ليس بحديث وهو مأخوذ من الآية {أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا}‌‌(2) وهو من كلام الحافظ ابن عساكر، ونقله عنه النوري.

--------------------------------------------

‌‌(1) طمس بالأصلين.

‌‌(2) سورة الحجرات: 12.
জাবির তার হাদিসে বলেন: "লোকেরা 'উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ সিঁড়ির মালিক' এবং এই জাতীয় শব্দ যোগ করছিল, আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা শুনছিলেন কিন্তু তাদের কিছু বলছিলেন না।"

ইবনে উমর থেকে বর্ণিত একটি রেওয়ায়েতে আছে যে, তিনি তালবিয়া পাঠে বৃদ্ধি করতেন: "আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত এবং আপনার আনুগত্যে ধন্য, সকল কল্যাণ আপনার হাতে, আর সকল আকাঙ্ক্ষা ও কর্ম আপনারই প্রতি নিবেদিত।" এবং বর্ণনা করেছেন …‌‌(১) ইবনে উমর থেকে, তিনি বলেন: "উমর ইবনুল খাত্তাব এই শব্দগুলোর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর ইহরামের ন্যায় ইহরাম বাঁধতেন এবং বলতেন: আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত এবং আপনার আনুগত্যে ধন্য, আর সকল আকাঙ্ক্ষা ও কর্ম আপনারই প্রতি নিবেদিত।"

ইবনুল মুনযির আনাস থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "তিনি প্রাচীন ঘর (কাবা) থেকে ইহরাম বাঁধতেন এবং তালবিয়াতে বলতেন: আমি সত্য সত্যই উপস্থিত, দাসত্ব ও গোলামী হিসেবে।"

 

‌‌১৩৯৩ - যা (লাহাদ বা বগলি কবর আমাদের জন্য, আর শাক্ক বা সোজাসুজি গর্ত করা অন্যদের জন্য)।

সুনান চতুষ্টয় ইবনে আব্বাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং এটি (আহমাদ)-এর নিকট জারীরের হাদিস থেকে বর্ণিত যেখানে অতিরিক্ত রয়েছে: 'আহলে কিতাবদের মধ্য হতে'।

 

‌‌১৩৯৪ - ছা (গরুর গোশত রোগ, আর এর ঘি এবং দুধ ওষুধ)।

(আবু দাউদ) 'আল-মারাসিল' গ্রন্থে এবং ইবনুস সুন্নি (তাবারানি, আবু নুআইম, নাসায়ি) মুলাইকা বিনতে আমর আল-হুসাইব থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি এক মহিলার জন্য গরুর ঘিয়ের পরামর্শ দিয়েছিলেন যার গলায় ব্যথা ছিল এবং বলেছিলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "এর দুধসমূহ বা এর দুধ হলো শেফা, এর ঘি হলো ওষুধ এবং এর গোশত হলো রোগ।"

একদল আলেম মুলাইকার সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় মত প্রকাশ করেছেন এবং হাদিসের বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য, তবে তার থেকে এমন একজন মহিলা বর্ণনা করেছেন যার নাম উল্লেখ করা হয়নি, যদিও তার থেকে বর্ণনাকারী তাকে সত্যবাদী হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তিনি ছিলেন তার স্ত্রী, আর তিনি হলেন অন্যতম হাফেজ (হাদিস বিশারদ) যুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া। এই অধ্যায়ে "তোমরা গরুর দুধ পান করো" মর্মে অন্যান্য হাদিস পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।

 

‌‌১৩৯৫ - যা (আলেমদের গোশত বিষাক্ত)।

এটি কোনো হাদিস নয়, বরং এটি এই আয়াত থেকে গৃহীত: {তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে?}‌‌(২) এবং এটি হাফেজ ইবনে আসাকিরের উক্তি, যা তার থেকে নূরী নকল করেছেন।

--------------------------------------------

‌‌(১) মূল কপির উভয় পাণ্ডুলিপিতে মুছে গেছে।

‌‌(২) সূরা আল-হুজুরাত: ১২।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৭)
‌‌1396 - ز (خلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك).

(ق) عن أبي هريرة في حديث تقدم في (ص).

 

‌‌1397 - طو (لدوا للموت، وابنوا للخراب).

(هـ) عن أبي هريرة: "أن ملكًا بباب من أبواب السماء" الحديث.

وفيه: "وإن ملكًا باب آخر يقول: يا أيها الناس هلموا إلى ربكم، فإن ما قل وكفى، خير مما كثر وألهى، وإن ملكًا باب آخر ينادي يا بني آدم، لدوا للموت، وابنوا للخراب" وله عن الزبير: ما من صباح يصبح على العباد إلا وصارخ يصرخ: لدوا للموت، وابنوا للخراب، واجمعوا للفناء".

(أ) في (الزهد) (عم) عن أبي ذر أنه قال: "تلدون للموت، وتبنون للخراب، وتؤثرون ما يفنى وتتركون ما يبقى".

(أ) في (الزهد) عن عبد الواحد بن زياد قال: "قال عيسى بن مريم عليهما السلام: يا بني آدم لدوا للموت، وابنوا للخراب، تفنى نفوسكم، وتبلى دياركم".

وللثعلبي بإسناد واه عن كعب الأحبار قال: "صاح ورشان عند سليمان بن داود عليهما السلام. فقال: أتدرون ما يقول هذا؟ قالوا: الله ورسوله أعلم، قال يقول: لدوا للموت وابنوا للخراب".

 

‌‌1398 - ز (لست من دد ولا الدد مني).

(خ) في (الأدب المفرد) (هـ) عن أنس، (ط) عن معاوية به، والده اللعب والباطل.

وحديث أنس عند ابن عساكر ولفظه: "لست من دد ولا دن مني، ولست من الباطل ولا الباطل مني".

 

‌‌1399 - ز (لست من الدنيا، ولا الدنيا مني).

الضياء عن أنس وزاد: "أني بعثت والساعة نستبق".
১৩৯৬ - (রোজা পালনকারীর মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুগন্ধি অপেক্ষা অধিক সুগন্ধযুক্ত)।

(বুখারি ও মুসলিম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে যা (সাদ) বর্ণে আগে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌১৩৯৭ - (তোমরা মৃত্যুর জন্য সন্তান জন্ম দাও এবং ধ্বংস হওয়ার জন্য নির্মাণ করো)।

(ইবনে মাজাহ) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত: "নিশ্চয়ই আসমানের দরজাগুলোর মধ্যে একটি দরজায় একজন ফেরেশতা নিযুক্ত আছেন" - পূর্ণ হাদিস।

তাতে আরও আছে: "আর অন্য একটি দরজায় একজন ফেরেশতা বলেন: হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে এগিয়ে এসো, কেননা যা পরিমাণে অল্প অথচ যথেষ্ট, তা সেই অধিক অপেক্ষা উত্তম যা তোমাদের উদাসীন করে রাখে। আর অন্য একটি দরজার ফেরেশতা ডাক দিয়ে বলেন: হে আদম সন্তান! মৃত্যুর জন্য জন্ম দাও এবং ধ্বংসের জন্য নির্মাণ করো।" আর তার (ইবনে মাজাহর) নিকট যুবাইর থেকে বর্ণিত আছে: "বান্দাদের ওপর এমন কোনো সকাল আসে না যাতে একজন ঘোষক এই ঘোষণা না দেন যে: তোমরা মৃত্যুর জন্য জন্ম দাও, ধ্বংসের জন্য নির্মাণ করো এবং বিলীন হওয়ার জন্য জমা করো।"

(আহমদ) 'আজ-জুহদ' গ্রন্থে এবং (ইবনে আসাকির) আবু যার থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "তোমরা মৃত্যুর জন্য জন্ম দিচ্ছ, ধ্বংসের জন্য নির্মাণ করছ, নশ্বর জিনিসকে অগ্রাধিকার দিচ্ছ এবং চিরস্থায়ী জিনিসকে বর্জন করছ।"

(আহমদ) 'আজ-জুহদ' গ্রন্থে আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ঈসা ইবনে মারইয়াম (আলাইহিমাস সালাম) বলেছেন: হে আদম সন্তান! তোমরা মৃত্যুর জন্য জন্ম দাও এবং ধ্বংসের জন্য নির্মাণ করো, তোমাদের প্রাণসমূহ বিলীন হয়ে যাবে এবং তোমাদের ঘরবাড়ি জরাজীর্ণ হয়ে পড়বে।"

আর ছালাবি একটি অত্যন্ত দুর্বল সনদে কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "সুলাইমান ইবনে দাউদ (আলাইহিমাস সালাম)-এর নিকট একটি ঘুঘু পাখি ডেকে উঠল। তখন তিনি বললেন: তোমরা কি জানো এটি কী বলছে? তারা বলল: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। তিনি বললেন: এটি বলছে: মৃত্যুর জন্য জন্ম দাও এবং ধ্বংসের জন্য নির্মাণ করো।"

 

‌১৩৯৮ - (আমি অসার তামাশার অন্তর্ভুক্ত নই এবং তামাশাও আমার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়)।

(বুখারি) 'আল-আদাবুল মুফরাদ' গ্রন্থে এবং (ইবনে মাজাহ) আনাস থেকে, (তাবারানি) মুয়াবিয়া থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। 'আদ-দাদ' অর্থ খেলাধুলা এবং অসারতা।

আর ইবনে আসাকিরের নিকট আনাসের বর্ণিত হাদিসের শব্দ হলো: "আমি তামাশার অন্তর্ভুক্ত নই এবং তামাশাও আমার থেকে নয়, আর আমি অসারতার অন্তর্ভুক্ত নই এবং অসারতাও আমার থেকে নয়।"

 

‌১৩৯৯ - (আমি দুনিয়ার নই এবং দুনিয়াও আমার নয়)।

আদ-দিয়া আল-মাকদিসি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে অতিরিক্ত রয়েছে: "আমাকে এবং কিয়ামতকে এমন অবস্থায় পাঠানো হয়েছে যে আমরা একে অপরের সাথে পাল্লা দিচ্ছি।"
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৮)
‌‌1400 - و لسعت حية الهوي كبدي … فلا طبيب لها ولا راقي

إلا الحبيب الذي شغفت به … فذكره رقبتي وترياقي

قال ابن تيمية: ما اشتهر أن أبا محذورة أنشده بين يديه صلى الله عليه وسلم، وأنه تواجد حتى وقعت البردة الشريفة عن كتفيه فتقاسمها أهل الصفة، وجعلوها رقعًا في ثيابهم، كذب باتفاق أهل العلم بالحديث، وما روى فموضوع.

 

‌‌1401 - و (اللعب بالحمام مجلبة للفقر).

لا يعرف بلفظه لكن (نيا، هـ) عن إبراهيم النخعي أنه قال: "من لعب بالحمام الطياره لم يمت حتى يذوق ألم الفقر".

(خ) في (الأدب المفرد)، (د، هـ) عن أبي هريرة قال: "رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلًا يتبع حمامة، فقال: شيطان يتبع شيطانة، ولأولهم عن الحسن قال: "كان عثمان لا يخطب جمعة إلا أمر بقتل الكلاب، وذبح الحمام وترحم عليه بذبح الحمام".

وقال خالد الحذاء عن رجل يقال له أيوب قال: كان تلاعب آل فرعون الحمام".

وعن ابن المبارك عن الثوري قال: "سمعنا أن اللعب بالحمام من عمل قوم لوط".

أخرجها كلها (نيا).

ومن الواهي ما عند (قط، ل) عن ابن عباس: "اتخذوا الحمام المقاصيص، فإنها تلهى الجن عن صبيانكم".

 

‌‌1402 - و (لعمل العادل في رعيته يومًا واحدًا، أفضل من عمل العابد ستين عامًا).

ابن أبي أسامة عن أبي هريرة به، ولإسحاق بن راهويه، (ط، هـ) عن ابن عباس: "يوم من وال عادل أفضل من عبادة الرجل ستين سنة، وحد يقام في
‌১৪০০ - এবং বিরহের সাপ আমার কলিজা দংশন করেছে … তার জন্য নেই কোনো চিকিৎসক, নেই কোনো ঝাড়ফুঁককারী।

তবে সেই প্রিয়তম, যাঁর প্রেমে আমি বিভোর … তাঁর স্মরণই আমার ঝাড়ফুঁক ও প্রতিষেধক।

ইবনে তাইমিয়্যাহ বলেছেন: এটি যে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে যে আবু মাহযূরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এটি আবৃত্তি করেছিলেন এবং তিনি এতোটাই ভাবাবেগে আপ্লুত হয়েছিলেন যে তাঁর কাঁধ থেকে পবিত্র চাদরটি পড়ে গিয়েছিল, অতঃপর আহলে সুফফা সেটি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছিলেন এবং সেগুলোকে তালি হিসেবে তাঁদের কাপড়ে লাগিয়েছিলেন—হাদীস শাস্ত্রের পণ্ডিতদের সর্বসম্মতিক্রমে এটি একটি মিথ্যা কথা। আর যা বর্ণিত হয়েছে তা বানোয়াট।

 

‌‌১৪০১ - এবং (কবুতর নিয়ে খেলা করা দারিদ্র্য ডেকে আনে)।

এই শব্দে এটি পরিচিত নয়, তবে (নিয়া, হ) ইব্রাহিম নাখয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি উড়ন্ত কবুতর নিয়ে খেলা করে, সে দারিদ্র্যের যন্ত্রণা আস্বাদন করার আগে মৃত্যুবরণ করবে না।"

(খ) 'আল-আদাবুল মুফরাদ'-এ, (দ, হ) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি কবুতরের পিছু নিতে দেখলেন, তখন তিনি বললেন: একটি শয়তান একটি শয়তানীকে অনুসরণ করছে।" তাঁদের মধ্যে প্রথমোক্তদের বর্ণনায় হাসান থেকে এসেছে যে তিনি বলেন: "উসমান (রা.) জুমার খুতবা দিলেই কুকুর নিধন এবং কবুতর জবাই করার নির্দেশ দিতেন, এবং কবুতর জবাই করার মাধ্যমে সেগুলোর প্রতি দয়া প্রদর্শন করতেন।"

খালিদ আল-হাদ্দা আইয়ুব নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: "ফিরআউনের বংশধরদের খেলাধুলা ছিল কবুতর নিয়ে।"

এবং ইবনুল মুবারক সাওরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: "আমরা শুনেছি যে কবুতর নিয়ে খেলা করা কওমে লুতের কাজ ছিল।"

(নিয়া) এ সবগুলি বর্ণনা করেছেন।

অত্যন্ত দুর্বল বর্ণনাগুলোর মধ্যে রয়েছে যা (কুত, ল) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত: "তোমরা ডানা-কাটা কবুতর পালন করো, কারণ তারা তোমাদের সন্তানদের থেকে জিনদের ভুলিয়ে রাখে।"

 

‌‌১৪০২ - এবং (প্রজাদের মধ্যে কোনো ন্যায়পরায়ণ শাসকের একদিনের কাজ, একজন ইবাদতকারীর ষাট বছরের আমলের চেয়ে উত্তম)।

ইবনে আবি উসামা আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইসহাক ইবনে রাহওয়ায়হ, (ত, হ) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: "ন্যায়পরায়ণ শাসকের একদিন একজন ব্যক্তির ষাট বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। আর একটি দণ্ড (হদ) যা কার্যকর করা হয়..."
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৩৯)
الأرض بحقه أزكى فيها من مطر أربعين يومًا".

(ط) عن ابن عمر: "إقامة حد من حدود الله تنزل الغيث أربعين ليلة".

وهو عند .....‌‌(1) بلفظ: "إقامة حد من حدود الله خير من مطر أربعين ليلة".

وعند (ن) عن أبي هريرة موقوفًا، ورفعه (أ، ما، حب، ط): "إقامة تنزل الغيث أربعين ليلة".

ولفظ المرفوع: "أربعين صباحًا".

وقال (أ): "ثلاثين، أو أربعين صباحًا".

ولأبي عبيد في (الأموال) عنه: "العادل في رعيته يومًا واحدًا أفضل من عبادة العابد في أهله مائة سنة وخمسين سنة".

 

‌‌1403 - و (لعن الله الخمر وشاربها وساقيها، وبائعها ومبتاعها، وعاصرها ومعتصرها، وحاملها والمحمولة إليه).

(د، ط) عن ابن عمر زاد (ما): "وآكل ثمنها".

(ت) ورواته ثقات، كما قال المنذري.

(ما) عن أنس: "لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الخمر عشرة، عاصرها، ومعتصرها، وشاربها، وحاملها، والمحمولة إليه، وساقيها، وبائعها، وآكل ثمنها، والمشتري لها، والمشترى له".

(أ) بسند صحيح (د، ت، حا) وصححاه عن ابن عباس: "أتاني جبريل عليه السلام فقال يا محمد إن الله لعن الخمر وعاصرها ومعتصرها وشاربها وحاملها والمحمولة إليه وبائعها ومبتاعها وساقيها ومستقاها".

والتغليظ في أمر الخمر ثابت في الكتاب والسنة.

--------------------------------------------

‌‌(1) طمس بالأصلين.
পৃথিবীর হক অনুযায়ী তাতে (হদ কায়েম করা) চল্লিশ দিনের বৃষ্টির চেয়েও অধিক কল্যাণকর।"

(তাবারানি) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত: "আল্লাহর নির্ধারিত দণ্ডবিধি বা হদসমূহের মধ্য থেকে একটি হদ কায়েম করা চল্লিশ রাতের বৃষ্টি বর্ষণের কল্যাণের সমতুল্য।"

এবং এটি .....‌‌(১)-এর নিকট এই শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "আল্লাহর নির্ধারিত বিধানসমূহের মধ্য থেকে একটি হদ কায়েম করা চল্লিশ রাতের বৃষ্টির চেয়েও উত্তম।"

এবং (নাসাঈ)-এর নিকট আবু হুরায়রা থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, আর (আহমদ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, তাবারানি) একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "(হদ) কায়েম করা চল্লিশ রাতের বৃষ্টি বর্ষণ নিয়ে আসে।"

এবং মারফু বর্ণনার শব্দ হলো: "চল্লিশ দিন।"

এবং (আহমদ) বলেছেন: "ত্রিশ অথবা চল্লিশ দিন।"

এবং আবু উবাইদ তার 'আল-আমওয়াল' গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: "প্রজাদের মধ্যে একদিনের ন্যায়বিচার করা কোনো ইবাদতকারীর নিজ পরিবারের মাঝে একশত পঞ্চাশ বছর ইবাদত করার চেয়েও উত্তম।"

 

‌‌১৪০৩ - এবং (আল্লাহ লা’নত করেছেন মদের ওপর এবং তার পানকারী, পরিবেশনকারী, বিক্রেতা, ক্রেতা, যে মদ তৈরি করে, যার জন্য তৈরি করা হয়, বহনকারী এবং যার নিকট বহন করে নিয়ে যাওয়া হয় তার ওপর)।

(আবু দাউদ, তাবারানি) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, (ইবনে মাজাহ) এতে বৃদ্ধি করেছেন: "এবং তার মূল্য ভক্ষণকারী।"

(তিরমিযী); আর এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য, যেমনটি মুনযিরী বলেছেন।

(ইবনে মাজাহ) আনাস থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদের ব্যাপারে দশ ব্যক্তিকে লা’নত করেছেন: যে মদ তৈরি করে, যার জন্য তৈরি করা হয়, তার পানকারী, বহনকারী, যার নিকট বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, পরিবেশনকারী, বিক্রেতা, তার মূল্য ভক্ষণকারী, যে তা ক্রয় করে এবং যার জন্য ক্রয় করা হয়।"

(আহমদ) সহীহ সনদে এবং (আবু দাউদ, তিরমিযী, হাকিম) একে সহীহ আখ্যা দিয়ে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: "আমার নিকট জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে বললেন, হে মুহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ লা’নত করেছেন মদের ওপর, যে মদ তৈরি করে, যার জন্য তৈরি করা হয়, তার পানকারী, বহনকারী, যার নিকট বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, বিক্রেতা, ক্রেতা, পরিবেশনকারী এবং যাকে পান করানো হয় তার ওপর।"

এবং মদের ব্যাপারে এই কঠোরতা কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত।

--------------------------------------------

‌‌(১) মূল কপির উভয় পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি অস্পষ্ট বা মুছে গেছে।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪০)
‌‌1404 - و (لعن الله الداخل فينا بغير نسب والخارج منا بغير سبب)

بيض له ابن حجر وشواهده ثابتة.

 

‌‌1405 - ز (لعن الله الراشي والمرتشي).

(أ، ت، حا) عن أبي هريرة وقال: والمرتشي في الحكم.

وأخرجه عبد الرزاق (حا، هـ) عن ابن عمرو بلفظ: "لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي".

وفي الباب عن عبد الرحمن بن عوف، وعائشة، وأم سلمة، وقال ابن مسعود: "الرشوة في الحكم كفءٌ وبين الناس سحت".

أخرجه (ط) بسند صحيح.

 

‌‌1406 - و (لعن الله الراشي والمرتشي والرائش).

ابن منيع عن ابن عمرو بهذا.

قلت: (أ، هـ) عن ثوبان: "لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي والرائش". يعني الذي يمشي بينهما.

(حا) عن أبي هريرة: "أن النبي صلى الله عليه وسلم لعن الراشي والمرتشي والرائش الذي يمشي بينهما".

 

‌‌1407 - ز (لعن الله زوارات القبور).

(ت) عن أبي هريرة، (حا) عن حسان بن ثابت، (أ، ما) عن كل منهما، (د، ت، حا) عن ابن عباس: "لعن الله زائرات القبور، والمتخذين عليها المساجد والسرج".

 

‌‌1408 - ز (لعن الله الزُهرَة؛ فإنها هي التي فتنت الملكين هاروت وماروت).

ابن راهويه وابن مردويه عن عليّ، وأخرجه ابن السني، (ط، عم) بنحوه.

والزهرة - كتؤدة - نجم في السماء كما في القاموس، وتسكين الهاء منه لحن، كما نبه عليه الشيخ إبراهيم الناجي في حاشية (الترغيب والترهيب)
‌১৪০৪ - ও (আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন যে আমাদের বংশীয় সম্পর্ক ছাড়াই আমাদের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং যে কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের থেকে বের হয়ে যায়।)

ইবনে হাজার এর জন্য স্থান খালি রেখেছেন এবং এর স্বপক্ষে প্রমাণাদি সাব্যস্ত আছে।

 

‌‌১৪০৫ - য (আল্লাহ ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতাকে অভিশাপ দিয়েছেন।)

(আহমাদ, তিরমিজি, হাকেম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: এবং বিচারকার্যে ঘুষগ্রহীতা।

আবদুর রাজ্জাক (হাকেম, ইবনে মাজাহ) এটি ইবনে আমর থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতাকে অভিশাপ দিয়েছেন।"

এই অনুচ্ছেদে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ, আয়েশা এবং উম্মে সালামাহ থেকেও বর্ণনা রয়েছে। ইবনে মাসউদ বলেন: "বিচারকার্যে ঘুষ কুফরের সমতুল্য, আর সাধারণ মানুষের মাঝে এটি অবৈধ সম্পদ (সুখত্)।"

তাবারানি এটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪০৬ - ও (আল্লাহ ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং মধ্যস্থতাকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন।)

ইবনে মানি' ইবনে আমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আমি বলি: (আহমাদ, ইবনে মাজাহ) সওবান থেকে বর্ণনা করেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং মধ্যস্থতাকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন।" অর্থাৎ যে এই দুইজনের মধ্যে যাতায়াত বা দালালি করে।

(হাকেম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং মধ্যস্থতাকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন, যে তাদের দুইজনের মধ্যে যাতায়াত করে।"

 

‌‌১৪০৭ - য (আল্লাহ কবরে বারবার যিয়ারতকারী নারীদের অভিশাপ দিয়েছেন।)

(তিরমিজি) আবু হুরায়রা থেকে, (হাকেম) হাসান ইবনে সাবিত থেকে, (আহমাদ, মালিক) তাদের প্রত্যেকের থেকে, (আবু দাউদ, তিরমিজি, হাকেম) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: "আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন কবর যিয়ারতকারী নারীদের এবং যারা কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে ও বাতি জ্বালায়।"

 

‌‌১৪০৮ - য (আল্লাহ আয-জুহরাহ বা শুক্র গ্রহকে অভিশাপ দিয়েছেন; কারণ এটিই হারুত ও মারুত নামক দুই ফেরেশতাকে ফিতনায় ফেলেছিল।)

ইবনে রাহওয়াইহ এবং ইবনে মারদুওয়াইহ আলী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন; ইবনে সুন্নি এবং (তাবারানি ও মুসনাদে আহমাদ-এর যাওয়াইদ) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আর আয-জুহরাহ—তুআদাহ্-এর ওজনে—আকাশের একটি নক্ষত্র যেমনটি 'কামুস' অভিধানে রয়েছে, আর এতে 'হা' অক্ষরটিকে সাকিন করা ভুল (লাহান), যেমনটি শেখ ইব্রাহিম আন-নাজি 'আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব'-এর টীকায় সতর্ক করেছেন।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪১)
‌‌1409 - و (لعن الله سهيلًا؛ فإنه كان عشارًا).

(ط) عن ابن عمر، وله نحوه عن علي في حديث الزهرة المتقدم.

وقال بعض العلماء: لم يلعن الكوكبين بأعيانهما، ولكن لما رآها ذكر سهيلًا العشار والزهرة الفنانة لموافقة الإسمين وفيه نظر لأنه ورد: أن الزهرة التي في السماء هي التي فتنت الملكين مسخت نجما، كما سيأتي في هاروت وماروت.

 

‌‌1410 - ز (لعن الله المحلل، والمحلل له).

(أ)، والأربعة عن عليّ، (عم) عن ابن مسعود، (ت) عنه وعن جابر.

 

‌‌1411 - ز (لعن الله المخنثين من الرجال والمترجلات من النساء).

(خ، د، ت) عن ابن عباس، وفي لفظ عند (أ، د، ما): "لعن الله المتشبهات من النساء بالرجال والمتشبهين من الرجال بالنساء".

(د) عن عائشة: "لعن الله الرجلة من النساء".

حا) عن أبي هريرة: "لعن الله الرجل يلبس لبسة المرأة، والمرأة تلبس لبسة الرجل".

 

‌‌1412 - ث (لعن الله المغني والمغنى له).

قال النووي: لا يصح.

 

‌‌1413 - ز (لعن الله الناظرَ والمنظور إليه).

(ل) عن ابن عمر، (هـ) عن الحسن مرسلا.

 

‌‌1414 - ز (لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد).

(ق، ن) عن عائشة وابن عباس معًا، (أ) عنهما، وعن أسامة بن زيد، (م) عن أبي هريرة، وحديثه عند (ن) دون ذكر النصارى.

 

‌‌1415 - و (لعن الله اليهودَ ثم اليهود ثم أموات النصارى).

هذا لفظ جار على ألسنة العوام، وكثير منهم يستدل بذلك على قرب
১৪০৯ - এবং (আল্লাহ সুহাইলকে লানত করেছেন; কারণ সে ছিল একজন কর সংগ্রাহক)।

(তাবারানি) ইবনে ওমর থেকে, এবং তাঁর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে আলি থেকে পূর্বোল্লিখিত জুহরা সংক্রান্ত হাদিসে।

কিছু আলেম বলেছেন: তিনি নক্ষত্র দুটিকে নির্দিষ্টভাবে লানত করেননি, বরং যখন তিনি সেগুলোকে দেখলেন, তখন নামের মিল থাকার কারণে কর সংগ্রাহক সুহাইল এবং পাপিষ্ঠা জুহরার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে এতে আপত্তির অবকাশ রয়েছে, কারণ বর্ণিত হয়েছে যে: আকাশে দৃশ্যমান জুহরা নক্ষত্রটিই সেই নারী যে ফেরেশতাদ্বয়কে প্রলুব্ধ করেছিল এবং পরে নক্ষত্রে রূপান্তরিত হয়েছিল, যেমনটি হারুত ও মারুত প্রসঙ্গে সামনে আসবে।

 

‌১৪১০ - (আল্লাহ লানত করেছেন হালালাকারীকে এবং যার জন্য হালালা করা হয় তাকে)।

(আহমাদ) এবং চার ইমাম (সুনান চতুষ্টয়) আলি থেকে, (আহমাদ তাঁর মুসনাদে) ইবনে মাসউদ থেকে, (তিরমিজি) তাঁর থেকে এবং জাবির থেকে।

 

‌১৪১১ - (আল্লাহ লানত করেছেন পুরুষদের মধ্যে যারা নারীসুলভ আচরণ করে এবং নারীদের মধ্যে যারা পুরুষালি বেশ ধারণ করে)।

(বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি) ইবনে আব্বাস থেকে। এবং (আহমাদ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)-এর এক পাঠে রয়েছে: "আল্লাহ লানত করেছেন ঐসব নারীকে যারা পুরুষদের সাদৃশ্য গ্রহণ করে এবং ঐসব পুরুষকে যারা নারীদের সাদৃশ্য গ্রহণ করে"।

(আবু দাউদ) আয়েশা থেকে: "আল্লাহ লানত করেছেন পুরুষালি স্বভাবের নারীদের"।

(হাকিম) আবু হুরায়রা থেকে: "আল্লাহ লানত করেছেন সেই পুরুষকে যে নারীর পোশাক পরিধান করে এবং সেই নারীকে যে পুরুষের পোশাক পরিধান করে"।

 

‌১৪১২ - (আল্লাহ লানত করেছেন গায়ককে এবং যার জন্য গান গাওয়া হয় তাকে)।

ইমাম নববী বলেছেন: এটি সহিহ নয়।

 

‌১৪১৩ - (আল্লাহ লানত করেছেন কুদৃষ্টিতে তাকানো ব্যক্তিকে এবং যার দিকে তাকানো হয়েছে তাকে)।

(ইমাম লালিকাই) ইবনে ওমর থেকে, (ইবনে মাজাহ) হাসান থেকে মুরসাল হিসেবে।

 

‌১৪১৪ - (আল্লাহ লানত করেছেন ইহুদি ও নাসারাদের ওপর, তারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে)।

(বুখারি ও মুসলিম, নাসায়ি) আয়েশা ও ইবনে আব্বাস উভয়ের সূত্রে, (আহমাদ) তাঁদের থেকে এবং উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, (মুসলিম) আবু হুরায়রা থেকে; তবে (নাসায়ি)-র বর্ণনায় নাসারাদের উল্লেখ নেই।

 

‌১৪১৫ - এবং (আল্লাহ লানত করেছেন ইহুদিদের ওপর, তারপর আবার ইহুদিদের ওপর, তারপর নাসারাদের মৃতদের ওপর)।

এই বাক্যটি সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত, এবং তাদের অনেকে এর মাধ্যমে প্রমাণ পেশ করে থাকে নিকটবর্তী হওয়ার...
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪২)
النصراني من الإسلام بخلاف اليهود، ولا أصل له في كتب الحديث والآثار أصلًا.

والحديث الصحيح قبله كاف في مخالفته.

 

‌‌1416 - ز (لعن الله اليهودَ؛ إن الله حرم عليهم الشحوم فباعوها وأكلوا أثمانها، وإن الله إذا حرم على قوم أكل شيء، حرم عليهم ثمنه).

(أ، د) عن ابن عباس.

 

‌‌1417 - و (لعن الكاذب ولو كان مازحًا).

لا يعرف في المرفوع.

قلت: وفي التنزيل في اللعان {وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَتَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ}‌‌(1) وروى عبد الرزاق عن سعيد بن المسيب قال: "وجبت اللعنة على كذبهما" يعني المتلاعنين.

وعند (أ، طـ) عن أبي هريرة: "لا يؤمن العبد الإيمان كله حتى يترك الكذب في المزاح والمراء وإن كان صادقًا (ع، عم) عنه: "يا أبا هريرة دع الكذب، وإن كنت مازحًا تكن أعبد الناس".

وما اشتهر في معنى لفظ الترجمة: "الكاذب ملعون".

 

‌‌1418 - و (لفقيه واحد أشد على الشيطان من ألف عابد).

أبو بكر الأجرى في (فضل العلم)، (ط، قط، هـ، عم)، في (رياضة المتعلمين).

(قض) عن أبي هريرة: "ما عبد الله بشيء أفضل من فقه في دين، ولفقيه واحد أشد على الشيطان من ألف عابد، ولكل شيء عماد وعماد هذا الدين الفقه.

وتقدم حديث ابن عباس في الفاء.

--------------------------------------------

‌‌(1) سورة النور: 7.
খ্রিস্টানরা ইহুদিদের বিপরীত ইসলাম থেকে [ভিন্ন বা নিকটবর্তী], আর হাদীস এবং আসার (পূর্বসূরীদের বাণী) গ্রন্থে এর কোনো ভিত্তি নেই।

এর পূর্বের সহীহ হাদীসটিই এর বিরোধিতার জন্য যথেষ্ট।

 

‌‌১৪১৬ - য (আল্লাহ ইহুদিদের অভিশাপ দিন; নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের জন্য চর্বি হারাম করেছিলেন, কিন্তু তারা তা বিক্রি করে তার মূল্য ভক্ষণ করেছিল। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো সম্প্রদায়ের জন্য কোনো কিছু খাওয়া হারাম করেন, তখন তিনি তাদের জন্য সেটির মূল্যও হারাম করে দেন)।

(আহমাদ, আবু দাউদ) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত।

 

‌‌১৪১৭ - ওয়াও (মিথ্যাবাদীর ওপর লানত, যদিও সে কৌতুক করে বলে থাকে)।

এটি মারফু হিসেবে পরিচিত নয়।

আমি বলছি: লিআন (পরস্পর অভিশাপ প্রদান) সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতে রয়েছে: {আর পঞ্চমটি হলো—যদি সে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হবে}‌‌(১) এবং আবদুর রাজ্জাক সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "তাদের উভয়ের মিথ্যার ওপর লানত অবধারিত হয়েছে" অর্থাৎ লিআনকারীদ্বয়।

এবং (আহমাদ, তাবারানি) এর নিকট আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত: "কোনো বান্দা ঈমানের পূর্ণতায় পৌঁছাতে পারবে না যতক্ষণ না সে কৌতুক এবং বিতর্কের সময় মিথ্যা বলা বর্জন করবে, যদিও সে সত্যবাদী হয়।" (আবু ইয়ালা, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: "হে আবু হুরায়রা, মিথ্যা বর্জন করো যদিও তুমি কৌতুক করো, তবেই তুমি মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইবাদতকারী হতে পারবে।"

এবং এই শিরোনামের অর্থের অনুকূলে যা প্রসিদ্ধ তা হলো: "মিথ্যাবাদী অভিশপ্ত।"

 

‌‌১৪১৮ - ওয়াও (একজন ফকীহ শয়তানের নিকট এক হাজার জন ইবাদতকারীর চেয়েও অধিক কঠোর)।

আবু বকর আল-আজুরি 'ফাদলুল ইলম'-এ, (তাবারানি, দারা কুতনি, ইবনে মাজাহ, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক) 'রিয়াদাতুল মুতাআল্লিমীন'-এ।

(আল-কুযায়ী) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত: "আল্লাহর ইবাদত করা হয় এমন বিষয়গুলোর মধ্যে দীনের প্রজ্ঞার (ফিকহ) চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। নিশ্চয়ই একজন ফকীহ শয়তানের নিকট এক হাজার জন ইবাদতকারীর চেয়েও অধিক কঠোর। প্রতিটি জিনিসেরই একটি স্তম্ভ থাকে, আর এই দীনের স্তম্ভ হলো ফিকহ।"

ইবনে আব্বাসের হাদীসটি 'ফা' বর্ণে গত হয়েছে।

--------------------------------------------

‌‌(১) সূরা আন-নূর: ৭।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৩)
‌‌1419 - و (لقد تحجرت واسعًا).

(ن) عن أبي هريرة، وتقدم في الحاء المهملة.

 

‌‌1420 - ز (لقد أوتي هذا من مزامير آل داود - يعني أبا موسى الأشعري).

(أ، ت) عن أبي هريرة (ن) عنه، وعن عائشة: أن النبي صلى الله عليه وسلم استمع القراءة أبي موسى، فقال: وذكره.

وعند محمد بن نصر عن البراء: "لقد أوتي أبو موسى من أصوات آل داود".

(عم) عن أنس: "لقد أوتي أبو موسى مزمار من مزامير آل داود".

وفي (م) عن أبي موسى: "أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: لو رأيتني وأنا استمع قراءتك البارحة، لقد أوتيت مزمارًا من مزامير آل داود".

ولابن أبي شيبة ومحمد بن نصر (مي، حب، حا، عم) عن بريدة: "لقد أوتي الأشعري مزمارًا من مزامير آل داود".

ولابن أبي شيبة، وابن سعد عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك مرسلًا: "لقد أوتي أخوكم من مزامير آل داود".

 

‌‌1421 - ز (لقنوا موتاكم لا إله إلا الله).

(أ، م) والأربعة عن أبي سعيد، (م، ما) عن أبي هريرة، (ن) عن عائشة، قال (حب) وغيره: أراد من حضره الموت.

وعند (هـ) حديث أبي هريرة وزاد فيه: "فإنه من كان آخر كلامه لا إله إلا الله عند الموت دخل الجنة يومًا من الدهر وإن أصابه قبل ذلك ما أصابه".

(ط) عنه: "لقنوا موتاكم لا إله إلا الله، فإن نفس المؤمن تخرج رشحًا، ونفس الكافر تخرج من شدقه كما تخرج نفس الحمار".

ولأبي القاسم القشيري في (أماليه) عنه: "إذا ثقلت مرضاكم فلا تملوهم قول لا إله إلا الله ولكن لقنوهم فإنه لم يختم به لمنافق".

(قط، ل) عنه: "يا أبا هريرة لقن الموتى لا إله إلا الله فإنها تهدم الذنوب
১৪১৯ - এবং (তুমি অবশ্যই একটি প্রশস্ত বিষয়কে সংকীর্ণ করে ফেলেছ)।

(নাসায়ি) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, আর এটি ইতিপূর্বে ‘হা’ (ح) বর্ণের অধীনে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌১৪২০ - (নিশ্চয়ই একে দাউদ আ.-এর বংশের সুরসমূহ থেকে একটি সুর প্রদান করা হয়েছে—অর্থাৎ আবু মুসা আল-আশআরিকে)।

(আহমদ, তিরমিজি) আবু হুরায়রা থেকে এবং (নাসায়ি) তাঁর থেকে, এবং আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু মুসার তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শুনলেন, এরপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

মুহাম্মদ ইবনে নাসরের বর্ণনায় বারা থেকে বর্ণিত: "নিশ্চয়ই আবু মুসাকে দাউদ আ.-এর বংশের কণ্ঠস্বরসমূহ থেকে একটি কণ্ঠস্বর প্রদান করা হয়েছে।"

(আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ) আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই আবু মুসাকে দাউদ আ.-এর বংশের সুরসমূহের একটি সুর প্রদান করা হয়েছে।"

এবং (মুসলিম)-এ আবু মুসা থেকে বর্ণিত: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: তুমি যদি আমাকে দেখতে যখন আমি গত রাতে তোমার তিলাওয়াত শুনছিলাম! নিশ্চয়ই তোমাকে দাউদ আ.-এর বংশের সুরসমূহের মধ্য থেকে একটি সুর প্রদান করা হয়েছে।"

ইবনে আবি শাইবা ও মুহাম্মদ ইবনে নাসর এবং (দারেমি, ইবনে হিব্বান, হাকেম, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ) বুরাইদা থেকে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই আশআরিকে দাউদ আ.-এর বংশের সুরসমূহের একটি সুর প্রদান করা হয়েছে।"

ইবনে আবি শাইবা এবং ইবনে সা’দ, আবদুর রহমান ইবনে কা’ব ইবনে মালিক থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের ভাইকে দাউদ আ.-এর বংশের সুরসমূহ থেকে প্রদান করা হয়েছে।"

 

‌১৪২১ - (তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর তালকিন দাও)।

(আহমদ, মুসলিম) এবং চার সুনান গ্রন্থকার আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, (মুসলিম, মালিক) আবু হুরায়রা থেকে, (নাসায়ি) আয়েশা থেকে; (ইবনে হিব্বান) ও অন্যান্যরা বলেছেন: তিনি এর দ্বারা ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়েছেন যার মৃত্যু উপস্থিত হয়েছে।

(ইবনে মাজাহ)-এর বর্ণনায় আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিসে বর্ধিত অংশে রয়েছে: "কেননা যার শেষ কথা মৃত্যুর সময় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হবে, সে মহাকালের কোনো এক দিন জান্নাতে প্রবেশ করবে, যদিও তার আগে তার ওপর যা কিছু ঘটার ঘটে থাকে।"

(তাবারানি) তাঁর থেকে বর্ণনা করেন: "তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর তালকিন দাও, কারণ মুমিনের আত্মা ঘামের মতো নির্গত হয়, আর কাফিরের আত্মা তার গালের পাশ দিয়ে বের হয় যেমন গাধার আত্মা বের হয়।"

আবু কাসেম আল-কুশাইরি তাঁর (আমালি) গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: "যখন তোমাদের অসুস্থ ব্যক্তিরা সংকটাপন্ন হয়, তখন তাদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার জন্য বারবার পীড়াপীড়ি করে ক্লান্ত করো না, বরং তাদের তালকিন দাও; কেননা কোনো মুনাফিকের জীবনের পরিসমাপ্তি এর দ্বারা হয় না।"

(দারেকুতনি, লালকায়ি) তাঁর থেকে বর্ণনা করেন: "হে আবু হুরায়রা! মুমূর্ষু ব্যক্তিদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর তালকিন দাও, কারণ তা পাপসমূহকে ধূলিসাৎ করে দেয়।"
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৪)
هدمًا". قلت: يا رسول الله هذا للموتى فكيف للأحياء؟ قال: "هي أهدم وأهدم".

ورواه (ع) بسند ضعيف، و (نيا) عن الحسن مرسلًا.

وفي لفظ عند (ل): "لقنوا موتاكم لا إله إلا الله، فإنها تهدم الخطايا كما يهدم السيل البنيان، قالوا: فكيف هي للأحياء قال: أهدم وأهدم".

وله: "لقنوا موتاكم لا إله إلا الله، ولا تملوهم، فإنهم في سكرات الموت".

(ط) عن ابن عباس: "لقنوا موتاكم شهادة أن لا إله إلا الله، فمن قالها عند موته وجبت له الجنة، قالوا: يا رسول الله فمن قالها في صحته؟ قال: تلك أوجب وأوجب، والذي نفسي بيده لو جيء بالسموات والأرضين ومن فيهن وما بينهن وما تحتهن فوضعت في كفة الميزان، ووضعت شهادة أن لا إله إلا الله في الكفة الأخرى لرجحت بهن".

(هـ) عنه: "افتحوا على صبيانكم أول كلمة بلا إله إلا الله فإنه من كان أول كلامه لا إله إلا الله وآخر كلامه لا إلا إلا الله ثم عاش ألف سنة ما سئل عن ذنب واحد".

وللحكيم الترمذي، (ما، ط) عن عبد الله بن جعفر: "لقنوا موتاكم لا إله إلا الله الحليم الكريم، سبحان الله رب السموات السبع ورب العرش العظيم، الحمد لله رب العالمين، قالوا: كيف هي للأحياء؟ قال: "أجود وأجود".

 

‌‌1422 - ز (لك النظرة الأولى).

(د، ت، هـ) عن بريدة قال: "قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي رضي الله تعالى عنه: لا تتبع النظرة النظرة؛ فإن لك الأولى وليست لك الآخرة".

وعند (م، د، ت، ن)، وغيرهم عن جرير سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظرة الفجأة فأمرني أن أصرف بصري.

(أ، ط، هم) عن أبي أمامة: "ما من مسلم ينظر إلى امرأة أول رمقة ثم
"ধ্বংস করে দেয়।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো মৃতদের জন্য, তবে জীবিতদের জন্য কেমন? তিনি বললেন: "এটি আরও বেশি করে ধ্বংসকারী, আরও বেশি করে ধ্বংসকারী।"

এটি (আইন) দুর্বল সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং (নুন ইয়া আলিফ) হাসান থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এবং (লাম) এর নিকট একটি পাঠে আছে: "তোমাদের মৃতদের 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এর তালকিন দাও (শিখিয়ে দাও), কারণ এটি গুনাহসমূহকে সেভাবে ধ্বংস করে দেয় যেভাবে প্রবল স্রোত দালানকোঠা ধ্বংস করে। তারা বলল: তবে জীবিতদের জন্য এটি কেমন? তিনি বললেন: আরও বেশি এবং আরও বেশি ধ্বংসকারী।"

এবং তাঁর নিকট আরও রয়েছে: "তোমাদের মৃতদের 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এর তালকিন দাও এবং তাদের বিরক্ত করো না, কারণ তারা মৃত্যুর যন্ত্রণায় লিপ্ত রয়েছে।"

(তা) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত: "তোমাদের মৃতদের 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এই সাক্ষ্য দেওয়ার তালকিন দাও। যে ব্যক্তি মৃত্যুর সময় এটি বলবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! তবে যে সুস্থ অবস্থায় এটি বলে? তিনি বললেন: সেটি আরও বেশি এবং আরও বেশি অবধারিতকারী। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ! যদি আসমানসমূহ ও জমিনসমূহ এবং তাদের মধ্যে যা কিছু আছে ও তাদের নিচে যা কিছু আছে—সবকিছুকে পাল্লায় আনা হয় এবং পাল্লার এক পাল্লায় রাখা হয়, আর অন্য পাল্লায় 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এই সাক্ষ্য রাখা হয়, তবে সেটিই ভারী হবে।"

(হা) তাঁর থেকে বর্ণিত: "তোমাদের শিশুদের প্রথম কথা হিসেবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এর শিক্ষা দাও। কেননা যার প্রথম কথা হবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এবং শেষ কথা হবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই', অতঃপর সে যদি হাজার বছরও বেঁচে থাকে, তবে তাকে একটি গুনাহ সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হবে না।"

এবং হাকিম তিরমিযী, (মিম আলিফ, তা) আবদুল্লাহ ইবনে জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন: "তোমাদের মৃতদের 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি ধৈর্যশীল ও মহানুভব; পবিত্রতা আল্লাহর যিনি সাত আসমানের রব এবং মহান আরশের রব; সকল প্রশংসা জগতসমূহের রব আল্লাহর জন্য'—এর তালকিন দাও। তারা বলল: জীবিতদের জন্য এটি কেমন? তিনি বললেন: 'আরও উত্তম এবং আরও উত্তম'।"

 

‌‌১৪২২ - যা (তোমার জন্য প্রথম দৃষ্টি)।

(দাল, তা, হা) বুরাইদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে বলেছেন: এক দৃষ্টির পর পুনরায় দৃষ্টিপাত করো না; কারণ প্রথমটি তোমার জন্য (মার্জনীয়), কিন্তু পরবর্তীটি তোমার জন্য নয়।"

এবং (মিম, দাল, তা, নুন) ও অন্যদের নিকট জারীর থেকে বর্ণিত, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আকস্মিক দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

(আলিফ, তা, হা-মিম) আবু উমামাহ থেকে বর্ণিত: "কোনো মুসলিম যখন কোনো নারীর সৌন্দর্যের প্রতি প্রথম দৃষ্টি পড়ে যাওয়ার পর পুনরায়... "
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৫)
يصرف بصره إلا أحدث الله له عبادة يجد حلاوتها في قلبه".

وصحح (حا) عن حذيفة "النظرة سهم من سهام إبليس فمن تركها من خوف الله أثابه الله إيمانا يجد حلاوته في قلبه".

 

‌‌1423 - و (لكل بلوى عون).

ليس بحديث لكن سبق في الهمزة إن الله ينزل المعونة على المؤنة وينزل الصبر على قدر البلاء.

 

‌‌1424 - و (لكل حجرة أجرة).

ليس بحديث.

 

‌‌1425 - ز (لكل حق حقيقة).

تقدم في: (عرفت فألزم).

 

‌‌1426 - ز (لكل داخل دهشة).

الخطابي في (الغريب) عن الكسائي قال: يروى عن ابن عباس أنه قال لكل داخل برقة.

قال الخطابي: البرقة الدهشة برق كفرح إذا بهت من فزع أو نحوه فيبقى شاخصًا بصره لا يطرف.

 

‌‌1427 - ز (لكل زمان دجال).

يأتي قريبًا في: (لكل مقام).

 

‌‌1428 - و (لكل زمان وله رجال).

هو في معنى: {وَتِلْكَ الْأَيَّامُ نُدَاوِلُهَا بَيْنَ النَّاسِ}‌‌(1).

قلت: هو شعر وليس بحديث.

 

‌‌1429 - و (لكل ساقطة لاقطة).

--------------------------------------------

‌‌(1) سورة آل عمران: 140.
...দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়, আল্লাহ তার জন্য এমন একটি ইবাদত সৃষ্টি করেন যার মিষ্টতা সে তার অন্তরে অনুভব করে।"

এবং (হা) হুযাইফা থেকে সহিহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, "কু-দৃষ্টি হলো ইবলিসের তীরসমূহের মধ্যে একটি বিষাক্ত তীর; সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে তা বর্জন করবে, আল্লাহ তাকে প্রতিদানস্বরূপ এমন ঈমান দান করবেন যার মিষ্টতা সে তার অন্তরে অনুভব করবে।"

 

‌‌১৪২৩ - এবং (প্রত্যেক বিপদে সাহায্য আছে)।

এটি হাদিস নয়, তবে 'হামযাহ' বর্ণের আলোচনায় পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রয়োজনের অনুপাতে সাহায্য নাজিল করেন এবং বিপদের পরিমাণ অনুযায়ী ধৈর্য অবতীর্ণ করেন।

 

‌‌১৪২৪ - এবং (প্রত্যেক কক্ষের ভাড়া আছে)।

এটি হাদিস নয়।

 

‌‌১৪২৫ - যা (প্রত্যেক সত্যের একটি হাকিকত বা বাস্তবতা আছে)।

এটি (চিনেছ তো আঁকড়ে ধরো) শীর্ষক আলোচনায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৪২৬ - যা (প্রত্যেক প্রবেশকারীর জন্য একটি বিস্ময় বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা রয়েছে)।

আল-খাত্তাবি তার (আল-গারিব) গ্রন্থে আল-কিসায়ি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন, প্রত্যেক প্রবেশকারীর জন্য একটি 'বারকাহ' (চকিত অবস্থা) রয়েছে।

আল-খাত্তাবি বলেন: বারকাহ হলো বিস্ময় বা কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা; 'বারিকা' শব্দটি 'ফারাহা' এর ওজনে ব্যবহৃত হয় যখন কেউ আতঙ্ক বা অনুরূপ কোনো কারণে হতভম্ব হয়ে পড়ে, ফলে সে পলকহীন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

 

‌‌১৪২৭ - যা (প্রত্যেক যুগে একজন দাজ্জাল থাকে)।

এটি শীঘ্রই (প্রত্যেক অবস্থানের জন্য...) শীর্ষক আলোচনায় আসবে।

 

‌‌১৪২৮ - এবং (প্রত্যেক সময়ের জন্য যোগ্য ব্যক্তি থাকে)।

এটি আল্লাহর এই বাণীর মর্মার্থ প্রকাশ করে: "আর সেই দিনগুলো, আমি তা মানুষের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত করি"‌‌(১)।

আমি বলছি: এটি একটি কবিতা, হাদিস নয়।

 

‌‌১৪২৯ - এবং (প্রত্যেক পতিত বস্তুর একজন কুড়িয়ে নেওয়ার লোক আছে)।

--------------------------------------------

‌‌(১) সূরা আলে ইমরান: ১৪০।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৬)
هو من كلام السلف وعلل به الفقهاء انتقاض الوضوء بمس العجوز الشوهاء وتحريم رؤيتها.

 

‌‌1430 - ز (لكل شيء آفة).

الحارث بن أبي أسامة عن ابن مسعود: "لكل شيء آفة تفسده وآفة هذا الدين ولاة السوء" (ل) عن أبي هريرة: "لكل شيء آفة تفسده وأعظم الآفات تصيب أمتي حبهم الدنيا وحبهم الدينار والدرهم يا أبا هريرة لا خير في كثير من جمعها إلا من سلطة على هلكتها في الحق".

(هـ) ضعفه عن علي: "آفة الظرف الصلف، وآفة الشجاعة البغي، وآفة السماحة المن، وآفة الجمال الخيلاء، وآفة العبادة الفترة، وآفة الحديث الكذب، وآفة العلم النسيان، وآفة الحلم السفه، وآفة الحسب الفخر، وآفة الجود السرف".

وتقدم في الهمزة (آفة الكذب النسيان).

 

‌‌1431 - ز (لكل شيء إقبال وإدبار).

ابن السني (عم) عن أبي أمامة زاد: "وإن من إقبال هذا الدين أن يفقه القبيلة كلها بأسرها حتى لا يوجد فيها إلا الرجل الجاني أو الرجلان، وإن من إدبار هذا الدين أن تجفوا القبيلة كلها بأسرها حتى لا يوجد فيها إلا الرجل الفقيه أو الرجلان فهما مقهوران ذليلان لا يجدان على ذلك أعوانًا وأنصارًا".

 

‌‌1432 - ز (لكل عامل شرة ولكل شرة فترة فمن كانت فترته إلى سنتي فقد أفلح).

(ط) عن ابن عمرو به وأخرجه (هـ) ولفظه: "إن لكل عمل شرة ولكل شرة فترة فمن كانت فترته إلى سنتى فقد اهتدي ومن كانت إلى غير ذلك فقد هلك".

 

‌‌1433 - و (لكل غادر لواء يعرف به يوم القيامة).
এটি সালাফদের বক্তব্য এবং ফকীহগণ এর মাধ্যমে কুৎসিত বৃদ্ধাকে স্পর্শ করলে ওযু ভেঙে যাওয়া এবং তাকে দেখা নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ দর্শিয়েছেন।

 

‌‌১৪৩০ - জা (প্রত্যেক জিনিসেরই একটি আপদ রয়েছে)।

হারিস বিন আবি উসামা ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন: "প্রত্যেক জিনিসেরই একটি আপদ রয়েছে যা তাকে নষ্ট করে দেয়, আর এই দ্বীনের আপদ হলো মন্দ শাসকবৃন্দ।" (লাম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত: "প্রত্যেক জিনিসেরই একটি আপদ রয়েছে যা তাকে নষ্ট করে দেয়, আর আমার উম্মতকে আক্রান্তকারী সবচেয়ে বড় আপদ হলো তাদের দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা এবং দিনার ও দিরহামের প্রতি আসক্তি। হে আবু হুরায়রা, এসব ধন-সম্পদ জমানোর মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, কেবল সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে তা সত্যের পথে ব্যয় করার ক্ষমতা রাখে।"

(হা) আলী থেকে এটি দুর্বল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে: "আভিজাত্যের আপদ হলো দম্ভ, সাহসিকতার আপদ হলো সীমা লঙ্ঘন, উদারতার আপদ হলো খোঁটা দেওয়া, সৌন্দর্যের আপদ হলো অহংকার, ইবাদতের আপদ হলো ক্লান্তি বা শিথিলতা, কথার আপদ হলো মিথ্যা, জ্ঞানের আপদ হলো বিস্মৃতি, সহনশীলতার আপদ হলো নির্বুদ্ধিতা, বংশমর্যাদার আপদ হলো গর্ব, এবং দানশীলতার আপদ হলো অপব্যয়।"

এটি 'হামজা' বর্ণে পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (মিথ্যার আপদ হলো বিস্মৃতি)।

 

‌‌১৪৩১ - জা (প্রত্যেক জিনিসেরই উত্থান এবং পতন রয়েছে)।

ইবনুস সুন্নী (আম) আবু উমামাহ থেকে অতিরিক্ত অংশসহ বর্ণনা করেছেন: "আর এই দ্বীনের উত্থানের লক্ষণ হলো সমগ্র গোত্রই ফকীহ হয়ে যাবে, এমনকি সেখানে মাত্র একজন বা দুইজন অপরাধী পাওয়া যাবে। আর এই দ্বীনের পতনের লক্ষণ হলো সমগ্র গোত্রই মূর্খ হয়ে যাবে, এমনকি সেখানে মাত্র একজন বা দুইজন ফকীহ লোক পাওয়া যাবে, তারাও অবদমিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় থাকবে এবং তারা এর জন্য কোনো সাহায্যকারী ও সহযোগী পাবে না।"

 

‌‌১৪৩২ - জা (প্রত্যেক আমলকারীরই একটি উদ্যম থাকে এবং প্রত্যেক উদ্যমেরই একটি ক্লান্তি থাকে; সুতরাং যার ক্লান্তি আমার সুন্নাতের দিকে হবে, সে অবশ্যই সফলকাম হবে)।

(ত্বা) ইবনে আমর থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং (হা) এটি বর্ণনা করেছেন যার শব্দরূপ হলো: "নিশ্চয়ই প্রত্যেক আমলের একটি উদ্যম থাকে এবং প্রত্যেক উদ্যমের একটি ক্লান্তি থাকে; সুতরাং যার ক্লান্তি আমার সুন্নাতের দিকে হবে, সে অবশ্যই সঠিক পথপ্রাপ্ত হবে, আর যার ক্লান্তি অন্য কিছুর দিকে হবে, সে ধ্বংস হবে।"

 

‌‌১৪৩৩ - ওয়াও (প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা থাকবে যার মাধ্যমে তাকে চেনা যাবে)।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৭)
(أ، ق) عن أنس، (أ) عنه وعن ابن مسعود، (م) عنه وعن ابن عمر وله عن أبي سعيد: "لكل غادر لواء عند أستة يوم القيامة وله عنه لكل غادر لواء يوم القيامة يرفع له بقدر غدره إلا ولا غادر أعظم غدرًا من أمير عامة".

 

‌‌1434 - ز (لكل غدٍ رزقه).

(أ) في (الزهد) عن أنس أهديت للنبي صلى الله عليه وسلم ثلاثة طوائر فأطعم خادمته طائرًا فلما كان الغد أتته به فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: ألم أنهك أن ترفعي شيئًا لغد؟! فإن الله عز وجل يأتي برزق كل غدٍ.

ومن كلام بعض الأولياء: لكل غد طعام.

 

‌‌1435 - ز (لكل فرحة ترحة).

(نيا) في كتاب (الاعتبار) عن ابن مسعود موقوفا وزاد: "وما من بيت ملئ فرحًا إلا مليء ترحًا".

وله فيه عن أنس أنه صلى الله عليه وسلم قال لعلي وهو بواد العقيق: "يا علي ما من حَبرة إلا ستتبعها عبرة، يا علي، كل هم منقطع إلا هم النار، يا علي، كل نعيم يزول إلا نعيم الجنة، يا علي، عليك بالصدق، وإن ضرك في العاجل كان فرجًا لك في الآجل".

وفي لفظ: "يا عليّ، ما من أهل بيت كانوا في حيرة إلا سيتبعهم بعد ذلك عبرة".

وقال لقمان: في كل عام أسقام، ومع كل حبرة عبرة، ومع كل فرحة ترحة.

أخرجه نيا.

 

‌‌1436 - ز (لكل قادم نصيب).

لا يعرف بهذا اللفظ، لكنه في معنى الضيف يأتي برزقه، وإذا دخل رجل على قوم دخل برزقه، وقد سبقا.
(আহমদ ও বাইহাকী) আনাস (রা.) থেকে, (আহমদ) তাঁর থেকে এবং ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে, (মুসলিম) তাঁর থেকে এবং ইবনে উমর (রা.) থেকে, এবং মুসলিমের বর্ণনায় আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত: "কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য তার নিতম্বের নিকট একটি পতাকা থাকবে।" এবং তাঁর অন্য বর্ণনায় রয়েছে: "কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা থাকবে, যা তার বিশ্বাসঘাতকতার মাত্রা অনুযায়ী উত্তোলন করা হবে। জেনে রেখো, সাধারণ মানুষের আমিরের (জনপ্রতিনিধি) চেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক আর কেউ নেই।"

 

‌‌১৪৩৪ - য (প্রত্যেক আগামী দিনের জন্য তার রিজিক রয়েছে)।

(আহমদ) 'আয-যুহদ' গ্রন্থে আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিনটি পাখি উপহার দেওয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর সেবিকাকে একটি পাখি খেতে দিলেন। যখন পরদিন এল, সেবিকা সেটি তাঁর নিকট নিয়ে এল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: "আমি কি তোমাকে আগামীকালের জন্য কোনো কিছু জমা রাখতে নিষেধ করিনি?! কেননা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা প্রত্যেক আগামী দিনের রিজিক নিয়ে আসেন।"

জনৈক ওলী-আল্লাহর বাণী থেকেও বর্ণিত: "প্রত্যেক আগামী দিনের জন্য খাদ্য রয়েছে।"

 

‌‌১৪৩৫ - য (প্রত্যেক আনন্দের সাথেই দুঃখ রয়েছে)।

(ইবনুন নাজ্জার) 'আল-ইতিবার' গ্রন্থে ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বর্ধিত অংশ রয়েছে: "এমন কোনো ঘর নেই যা আনন্দে ভরে ওঠে অথচ পরে তা দুঃখে ভরে যায় না।"

একই গ্রন্থে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আকিক উপত্যকায় থাকাকালীন আলীকে (রা.) বলেছিলেন: "হে আলী, এমন কোনো সুখ নেই যার পেছনে অশ্রু আসবে না। হে আলী, জাহান্নামের চিন্তা ব্যতীত প্রতিটি দুশ্চিন্তাই ইতিবাচকভাবে শেষ হয়ে যায়। হে আলী, জান্নাতের নেয়ামত ব্যতীত প্রতিটি নেয়ামতই বিলীন হয়ে যায়। হে আলী, তুমি সত্যবাদিতাকে আঁকড়ে ধরো; যদিও তা বর্তমানে তোমার জন্য ক্ষতিকারক মনে হয়, ভবিষ্যতে তা তোমার জন্য মুক্তির কারণ হবে।"

অন্য শব্দে এসেছে: "হে আলী, এমন কোনো পরিবার নেই যারা বর্তমানে বিস্ময়কর আনন্দের মধ্যে রয়েছে, অথচ অচিরেই তাদের পিছু পিছু অশ্রু আসবে না।"

লোকমান (আ.) বলেছেন: "প্রতিটি বছরেই ব্যাধি রয়েছে, প্রতিটি সুখের সাথে অশ্রু রয়েছে এবং প্রতিটি আনন্দের সাথে দুঃখ রয়েছে।"

এটি ইবনুন নাজ্জার বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৩৬ - য (প্রত্যেক আগন্তুকের জন্য একটি অংশ রয়েছে)।

এই শব্দে এটি পরিচিত নয়, তবে এটি 'মেহমান তার নিজের রিজিক নিয়ে আসে' এবং 'যখন কোনো ব্যক্তি কোনো কওমের নিকট প্রবেশ করে, সে তার রিজিক নিয়েই প্রবেশ করে'—এই অর্থের অন্তর্ভুক্ত, যা ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৮)
‌‌1437 - ز (لكل مجتهد نصيب).

ليس بحديث، ومعناه صحيح، وهو في معنى: "من طلب وجَدَّ وَجَدَ".

 

‌‌1438 - طو (لكل مقام مقال).

خط في (الجامع) والخرائطي عن أبي الدرداء … (1) عن أبي الطفيل، كلاهما موقوفًا، وزاد: ولكل زمان رجال.

قلت: ولفظ الخرائطي: إن لكل مقام مقالا. كما سبق.

 

‌‌1439 - ز (لكل ملك حمى).

السنة عن النعمان بن بشير: "الحلال بين، والحرام بين، وبينهما أمور مشتبهات لا يعلمها كثير من الناس، فمن اتقى الشبهات استبرأ لعرضه ودينه، ومن وقع في الشبهات وقع في الحرام، كراع يرعى حول الحمى، يوشك أن يواقعه، ألا وإن لكل ملك حمى، ألا وإن حمى الله تعالى محارمه، ألا وإن في الجسد مضغة إذا صلحت صلح الجسد كله وإذا فسدت فسد الجسد كله ألا وهي القلب".

 

‌‌1440 - ز (لكل نبي حواري وحواريّ الزبير).

(أ، ق) عن جابر، (1) عن علي (حا) في (تاريخه) عن الزبير، (قط، ي) عن أبي موسى، والزبير بن بكار، وابن عساكر عن عمر، وعن ابنه بهذا اللفظ (ط) وابن أبي عاصم، والضياء عن عبد الله بن الزبير ولفظه: "لكل نبي حواري والزبير حواريّ من أمتي وابن عمتي".

 

‌‌1441 - و (لكل نبي دعوة وإني خبأت دعوتي شفاعة لأمتي).

(م) عن أنس به، (أ، م) عن جابر: "لكل نبي دعوة قد دعا بها في أمته وإني خبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة".

(م، ن، ما) عن أبي هريرة: "لكل نبي دعوة مستجابة فتعجل كل نبي دعوته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة فهي نائلة إن شاء الله
‌‌১৪৩৭ - যা (প্রত্যেক পরিশ্রমীর জন্য একটি অংশ রয়েছে)।

এটি কোনো হাদিস নয়, তবে এর অর্থ সঠিক। এটি "যে অন্বেষণ করে এবং চেষ্টা করে, সে পেয়ে যায়" এর সমার্থবোধক।

 

‌‌১৪৩৮ - ত্ব (প্রত্যেক স্থানের উপযোগী কথা রয়েছে)।

খতিব 'আল-জামি' গ্রন্থে এবং খারাইতি আবু দারদা থেকে ... (১) আবু তুফাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, উভয়টিই মাওকুফ হিসেবে। আর এতে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে: "এবং প্রত্যেক সময়ের জন্য উপযোগী ব্যক্তি রয়েছে।"

আমি বলছি: খারাইতি-র শব্দ হলো: "নিশ্চয়ই প্রত্যেক স্থানের উপযোগী কথা রয়েছে", যেমনটি ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৪৩৯ - যা (প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে)।

সুন্নাহর কিতাবে নুমান ইবনে বাশির থেকে বর্ণিত: "হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট, আর এ দুটির মাঝে রয়েছে বহু অস্পষ্ট বিষয় যা অনেক মানুষ জানে না। সুতরাং যে ব্যক্তি অস্পষ্ট বিষয়সমূহ থেকে বেঁচে থাকল, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখল। আর যে ব্যক্তি অস্পষ্ট বিষয়ে লিপ্ত হলো, সে হারামে লিপ্ত হলো; সেই রাখালের মতো যে সংরক্ষিত এলাকার আশেপাশে পশু চরায়, অচিরেই তার পশু সেখানে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। জেনে রেখো, প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে। আর জেনে রেখো, আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। জেনে রেখো, শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে, যদি তা সংশোধিত হয় তবে পুরো শরীর সংশোধিত হয়, আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায় তবে পুরো শরীর নষ্ট হয়ে যায়; জেনে রেখো, তা হলো কলব (অন্তর)।"

 

‌‌১৪৪০ - যা (প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারি বা বিশেষ সহচর থাকে, আর আমার হাওয়ারি হলো জুবাইর)।

(আহমদ, মুত্তাফাক আলাইহি) জাবির থেকে, (১) আলী থেকে, (হাকেম) তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে জুবাইর থেকে, (দারাকুতনি, আবু ইয়ালা) আবু মুসা থেকে এবং জুবাইর ইবনে বাক্কার ও ইবনে আসাকির উমর থেকে এবং তাঁর পুত্র থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন; (তাবারানি) এবং ইবনে আবি আসিম ও দিয়া আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন, যার শব্দ হলো: "প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারি থাকে, আর জুবাইর হলো আমার উম্মতের মধ্য হতে আমার হাওয়ারি এবং আমার ফুফাতো ভাই।"

 

‌‌১৪৪১ - ওয়া (প্রত্যেক নবীর জন্য একটি বিশেষ দোয়া রয়েছে, আর আমি আমার দোয়াটিকে আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য জমিয়ে রেখেছি)।

(মুসলিম) আনাস থেকে এই শব্দে, (আহমদ, মুসলিম) জাবির থেকে: "প্রত্যেক নবীর জন্য একটি বিশেষ দোয়া রয়েছে যা তিনি তাঁর উম্মতের বিষয়ে করেছেন, আর আমি আমার দোয়াটিকে কিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য জমিয়ে রেখেছি।"

(মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) আবু হুরায়রা থেকে: "প্রত্যেক নবীর জন্য একটি কবুলযোগ্য দোয়া রয়েছে, প্রত্যেক নবীই তাঁর দোয়ার বিষয়ে ত্বরান্বিত করেছেন, আর আমি আমার দোয়াটিকে কিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য লুকিয়ে (জমিয়ে) রেখেছি, ইনশাআল্লাহ তা অর্জিত হবে।"
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৪৯)
تعالى من مات من أمتي لا يشرك بالله شيئًا".

وصله في (خ).

 

‌‌1442 - ز (للإمام والمؤذن مثل أجر من صلى معهما).

(ش) عن أبي هريرة.

 

‌‌1443 - ز (للبكر سبع وللثيب ثلاث).

(م) عن أبي سلمة، (ما) عن أنس، (ط) عن ابن عباس بهذا.

وحديث أنس عند الدارمي، وابن الجارود، والطحاوي، (حب، قط) ولفظه: "للثيب ثلاث وللبكر سبع".

وهو رواية عند (ما) أيضًا.

 

‌‌1444 - طو (للبيت رب يحميه).

وهو من كلام عبد المطلب في قصة الفيل لأبرهة صاحب الفيل لما سأله أن يرد عليه إبله فقال له: تسألني مالك ولم تسألني الرجوع عن هذا البيت؟! مع أنه شرفكم؟! فقال: إن للبيت رب يحميه.

 

‌‌1445 - ز (للجار حق).

الخرائطي عن سعيد بن زيد.

 

‌‌1446 - ز (للخير أسرع إلى البيت الذي يطعم فيه الصائم).

عن (ط) عن ابن عباس وابن النجار عن أنس.

 

‌‌1447 - و (للخير معادن وللشر معادن).

ليس بحديث بل كلام يجري على الألسنة ومثله للخير أهل وللشر أهل وإنما لفظ الحديث الناس معادن.

 

‌‌1448 - ز (للداخل دهشة).

سبق تقريبًا لكل داخل دهشة.
মহান আল্লাহ বলেন: "আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক না করে মৃত্যুবরণ করবে।"

এটি (বুখারি)-তে সংযুক্ত রয়েছে।

 

‌‌১৪৪২ - যায়েদ (ইমাম ও মুয়াজ্জিনের জন্য তাদের সাথে নামাজ আদায়কারী ব্যক্তিদের সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে)।

(আশ-শিহাব) আবু হুরায়রা থেকে।

 

‌‌১৪৪৩ - যায়েদ (কুমারীর জন্য সাত দিন এবং বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তার জন্য তিন দিন)।

(মুসলিম) আবু সালামা থেকে, (ইবনে মাজাহ) আনাস থেকে, (তাবারানি) ইবনে আব্বাস থেকে এই মর্মে বর্ণনা করেছেন।

আর আনাসের হাদিসটি দারেমি, ইবনুল জারুদ, তহাবি, (ইবনে হিব্বান এবং দারা কুতনি)-তে রয়েছে এবং এর শব্দগুলো হলো: "বিধবার জন্য তিন দিন এবং কুমারীর জন্য সাত দিন।"

এটি (ইবনে মাজাহ)-এর একটি বর্ণনাতেও রয়েছে।

 

‌‌১৪৪৪ - আবু নুআইম (নিশ্চয়ই এই ঘরের একজন রব রয়েছেন, যিনি একে রক্ষা করবেন)।

এটি হস্তীবাহিনীর ঘটনায় হস্তীবাহিনীর অধিপতি আবরাহার প্রতি আব্দুল মুত্তালিবের উক্তি; যখন তিনি আবরাহার কাছে তার উটগুলো ফেরত চাইলেন, তখন আবরাহা তাকে বলল: "তুমি তোমার মালের ব্যাপারে আমার কাছে প্রার্থনা করছ, অথচ আমাকে এই ঘর (কাবা) থেকে ফিরে যাওয়ার কথা বলছ না?! যদিও এটি তোমাদের মর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক?!" তখন তিনি বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই এই ঘরের একজন রব রয়েছেন, যিনি একে রক্ষা করবেন।"

 

‌‌১৪৪৫ - যায়েদ (প্রতিবেশীর অধিকার রয়েছে)।

আল-খারায়েতি সাঈদ ইবনে যায়েদ থেকে।

 

‌‌১৪৪৬ - যায়েদ (যে ঘরে রোজাদারকে খাবার খাওয়ানো হয়, সেখানে কল্যাণ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পৌঁছায়)।

(তাবারানি) ইবনে আব্বাস থেকে এবং ইবনে নাজ্জার আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৪৭ - ও (কল্যাণের খনি রয়েছে এবং অকল্যাণেরও খনি রয়েছে)।

এটি কোনো হাদিস নয়, বরং মানুষের মুখে প্রচলিত কথা। এর অনুরূপ আরেকটি প্রচলিত কথা হলো: 'কল্যাণের জন্য যোগ্য লোক রয়েছে এবং অকল্যাণের জন্যও যোগ্য লোক রয়েছে।' মূলত হাদিসের শব্দ হলো: 'মানুষ হলো খনি সদৃশ'।

 

‌‌১৪৪৮ - যায়েদ (আগন্তুকের জন্য রয়েছে বিস্ময় বা কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা)।

এর কাছাকাছি একটি বর্ণনা ইতঃপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে: 'প্রত্যেক আগন্তুকের জন্য একটি বিস্ময়বোধ রয়েছে'।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫০)
‌‌1449 - ث (للسائل حق ولو جاء على فرس).

(أ، حا، عم، هـ) والضياء في المختارة عن فاطمة بنت الحسين عنه.

قال العراقي: وسنده جيد.

(د) عن فاطمة عن أبيها عن علي، (ط) عن الهرماس بن زياد، وفي (الموطأ) عن زيد بن أسلم مرسلًا "أعطوا السائل ولو جاء على فرس".

ووصله (ن) عن أبي هريرة، (قط) عنه "لا يمنعن أحدكم السائل أن يعطيه إن كان في يده قلب من ذهب".

(أ) في (الزهد) عن سالم بن أبي الجعد قال: قال عيسى ابن مريم عليهما السلام: "أن للسائل حقًّا ولو أتاك على فرس مطوس بالذهب أي مزين".

 

‌‌1450 - ز (للصائم عند إفطاره دعوة مستجابة).

(ط، هـ) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده وهو عند الشيرازي في (الألقاب) بلفظ للمؤمن عند فطره دعوة مستجابة.

ولابن زنجويه عن ابن عمر: "للصائم عند فطره دعوة ما ترد" وكان ابن عمر يقول: إذا أفطر يا واسع المغفرة اغفر لي.

 

‌‌1451 - ز (للصائم فرحتان فرحة حين يفطر وفرحة حين يلقى ربه).

(ت) وصححه عن أبي هريرة وأصله في (الصحيحين) وسبق في (كل عمل ابن آدم).

 

‌‌1452 - ز (للقلب فرحة عند أكل اللحم).

(هـ) عن أبي هريرة زاد: "وما دام الفرح بامريءٍ إلا أشر وبطر فمرة ومرة".

 

‌‌1453 - ز (لله أشد أذنًا إلى الرجل الحسن الصوت بالقرآن يجهر به من صاحب القينة إلى قينته).
‌১৪৪৯ - (সাহায্যপ্রার্থীর হক রয়েছে, যদিও সে ঘোড়ায় চড়ে আসে)।

(আহমদ, হাকেম, আমর ইবনুল হারিস, ইবনে মাজাহ) এবং জিয়া আল-মাকদিসি ‘আল-মুখতারা’ গ্রন্থে ফাতিমা বিনতে হুসাইন থেকে তাঁর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইরাকি বলেছেন: এর সনদ উত্তম।

(আবু দাউদ) ফাতিমা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন; (তাবারানি) হিরমাস বিন যিয়াদ থেকে, এবং ‘মুয়াত্তায়’ যাইদ বিন আসলাম থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে: "তোমরা সাহায্যপ্রার্থীকে দান করো, যদিও সে ঘোড়ায় চড়ে আসে"।

এবং (নাসায়ি) একে আবু হুরায়রা থেকে মাউসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন; (দারাকুতনি) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: "তোমাদের কেউ যেন সাহায্যপ্রার্থীকে দিতে বিরত না থাকে, যদিও তার হাতে স্বর্ণের কঙ্কণ থাকে"।

(আহমদ) ‘আয-যুহদ’ গ্রন্থে সালিম বিন আবু আল-জাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিমাস সালাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই সাহায্যপ্রার্থীর হক রয়েছে, যদিও সে তোমার কাছে স্বর্ণখচিত অর্থাৎ সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়ে আসে"।

 

‌‌১৪৫০ - (রোজাদারের জন্য ইফতারের সময় এমন একটি দুআ রয়েছে যা কবুল হয়)।

(তাবারানি, ইবনে মাজাহ) আমর বিন শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি শিরাজির ‘আল-আলকাব’ গ্রন্থে এই শব্দে রয়েছে: "মুমিনের জন্য ইফতারের সময় একটি কবুলযোগ্য দুআ রয়েছে"।

ইবনে জানজুয়াইহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন: "রোজাদারের ইফতারের সময় এমন একটি দুআ রয়েছে যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।" ইবনে উমর ইফতারের সময় বলতেন: হে প্রশস্ত ক্ষমার অধিকারী, আমাকে ক্ষমা করুন।

 

‌‌১৪৫১ - (রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি আনন্দ তার ইফতারের সময়, এবং আরেকটি আনন্দ যখন সে তার রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে)।

(তিরমিযি) এটি বর্ণনা করেছেন এবং সহিহ বলেছেন আবু হুরায়রা থেকে; এর মূল ভিত্তি বুখারি ও মুসলিমে রয়েছে এবং এটি ‘আদম সন্তানের প্রত্যেক আমল’ শীর্ষক হাদিসে পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৪৫২ - (গোশত খাওয়ার সময় হৃদয়ের জন্য একটি প্রফুল্লতা রয়েছে)।

(ইবনে মাজাহ) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে অতিরিক্ত রয়েছে: "আর মানুষের আনন্দ যতক্ষণ না দম্ভ ও অহংকারে রূপ নেয়, ততক্ষণ তা মাঝে মাঝে হতে পারে।"

 

‌‌১৪৫৩ - (আল্লাহ তাআলা কুরআনের সুমধুর কণ্ঠস্বর বিশিষ্ট উচ্চস্বরে তিলাওয়াতকারী ব্যক্তির তিলাওয়াত শোনার প্রতি সেই ব্যক্তির চেয়েও অধিক কান পাতেন, যে তার গায়িকার গান শোনে)।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫১)
(ما، حب، ط، حا، هـ) ومحمد بن نصر في (الصلاة) عن فضالة بن عبيد.

 

‌‌1454 - و (لله أفرح بتوبة عبده من أحدكم يسقط على بعيره وقد أضله بأرض فلاة).

(ق) عن أنس، (م) عن أبي هريرة. وحديثه عند (ت) وصححه، (ما) ولفظه: "الله أفرح بتوبة أحدكم من أحدكم بضالته إذا وجدها".

وفي رواية عن أنس عند (م): "الله أشد فرحًا بتوبة عبده حين يتوب إليه من أحدكم كان على راحلته بأرض فلاة فانفلتت منه وعليها طعامه وشرابه فأيس منها فأتى شجرة فاضطجع في ظلها وهو أيس من راحلته فبينا هو كذلك إذا هو بها قائمة عنده فأخذ بخطامها فقال من شده الفرح اللهم أنت عبدي وأنا ربك أخطأ من شدة الفرح".

(أ، ق، ت) عن ابن مسعود: "لله أفرح بتوبة عبده المؤمن من رجل نزل في أرض دويةٍ مهلكة معه راحلته عليها طعامه وشرابه فوضع رأسه فنام فاستيقظ وقد ذهبت راحلته فطلبها حتى إذا اشتد عليه الحر والعطش أو ما شاء الله قال: أرجع إلى مكاني الذي كنت فيه فأنام حتى أموت فوضع رأسه على ساعده ليموت فاستيقظ فإذا راحلته عنده عليها زاده وشرابه فالله أشد فرحًا بتوبة العبد المؤمن من هذا براحلته".

(أ، ما) عن أبي سعيد: "لله أفرح بتوبة عبده من رجل أضل راحلته بفلاة من الأرض فطلبها فلم يقدر عليها فتسجي للموت فبينا هو كذلك إذا سمع وجبة الراحلة حين بركت فكشف عن وجهه فإذا هو براحلته والفرح من الله بمعنى الرضى والقبول".

 

‌‌1455 - ز (لله ما أخذ وله ما أبقى).

(ط) عن عبد الرحمن بن عوف.
(মা, হাব, ত, হা, হা) এবং (আস-সালাত) গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবন নাসর ফাদালাহ ইবন উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৫৪ - এবং (নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় তোমাদের ঐ ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে নির্জন মরুভূমিতে তার হারিয়ে যাওয়া উটের সন্ধান পায়)।

(ক্বাফ) আনাস থেকে, (মিম) আবু হুরায়রা থেকে। এবং তার বর্ণিত হাদিসটি (তা) গ্রন্থে রয়েছে এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন, (মা) এবং এর শব্দ হলো: "আল্লাহ তোমাদের কারো তাওবায় তোমাদের ঐ ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন যে তার হারিয়ে যাওয়া বস্তু ফিরে পায়।"

এবং (মিম) এ আনাস থেকে বর্ণিত এক রেওয়ায়েতে আছে: "আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় তখন অধিকতর আনন্দিত হন যখন সে তাঁর কাছে তাওবা করে, তোমাদের ঐ ব্যক্তির চেয়েও যে তার সওয়ারির ওপর ছিল এক নির্জন মরুভূমিতে, অতঃপর তা তার কাছ থেকে পালিয়ে গেল অথচ তার ওপরই ছিল তার খাদ্য ও পানীয়। সে সেটির ব্যাপারে নিরাশ হয়ে পড়ল। অতঃপর সে একটি গাছের কাছে এসে তার ছায়ায় শুয়ে পড়ল, এমতাবস্থায় যে সে তার সওয়ারির ব্যাপারে নিরাশ। সে এই অবস্থায় থাকাকালেই হঠাৎ দেখল সওয়ারিটি তার কাছেই দণ্ডায়মান। তখন সে সেটির লাগাম ধরল এবং অত্যধিক আনন্দের আতিশয্যে বলে উঠল: হে আল্লাহ! আপনি আমার বান্দা এবং আমি আপনার প্রতিপালক। সে অত্যধিক আনন্দের কারণে ভুল করে ফেলেছে।"

(আলিফ, ক্বাফ, তা) ইবন মাসউদ থেকে বর্ণিত: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর মুমিন বান্দার তাওবায় ঐ ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে এক ধ্বংসাত্মক নির্জন প্রান্তরে অবতরণ করল, তার সাথে ছিল তার সওয়ারি যার ওপর ছিল তার খাদ্য ও পানীয়। সে তার মাথা রাখল এবং ঘুমিয়ে পড়ল। অতঃপর যখন জাগ্রত হলো তখন দেখল তার সওয়ারি চলে গেছে। সে সেটি খুঁজতে লাগল এমনকি যখন তার ওপর প্রচণ্ড তাপ ও তৃষ্ণা অনুভূত হলো অথবা আল্লাহ যা চাইলেন, তখন সে বলল: আমি আমার আগের জায়গায় ফিরে যাই যেখানে আমি ছিলাম, আর আমি ঘুমিয়ে পড়ি যতক্ষণ না আমি মারা যাই। সে মরার জন্য তার বাহুর ওপর মাথা রাখল। অতঃপর জাগ্রত হয়ে দেখল যে তার সওয়ারি তার কাছেই দাঁড়িয়ে আছে এবং তাতে তার পাথেয় ও পানীয় রয়েছে। সুতরাং আল্লাহ মুমিন বান্দার তাওবায় এই ব্যক্তির তার সওয়ারি ফিরে পাওয়ার চেয়েও অধিক আনন্দিত হন।"

(আলিফ, মা) আবু সাঈদ থেকে বর্ণিত: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় ঐ ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন যে এক নির্জন মরুভূমিতে তার সওয়ারি হারিয়ে ফেলেছিল। সে সেটি খুঁজল কিন্তু তা অর্জন করতে পারল না। অতঃপর সে মৃত্যুর জন্য কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়ল। এমতাবস্থায় সে সওয়ারির বসে পড়ার শব্দ শুনতে পেল। সে তার মুখ থেকে কাপড় সরাল এবং দেখল এটিই তার সওয়ারি। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে 'ফরাহ' বা আনন্দ বলতে সন্তুষ্টি ও কবুল করা বোঝায়।"

 

‌‌১৪৫৫ - যা (আল্লাহ যা নিয়েছেন তা তাঁরই এবং যা তিনি অবশিষ্ট রেখেছেন তাও তাঁরই)।

(ত) আবদুর রহমান ইবন আওফ থেকে।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫২)
‌‌1456 - ز (للمؤمن عند فطره دعوة مستجابة).

الشيرازي عن أبي هريرة وعليه يحمل حديث للصائم.

ولتمام في (جزء من حديثه) عن أبي سعيد للمؤمن في كل يوم دعوة مستجابة ولعل المراد به الكامل الإيمان.

 

‌‌1457 - ز (للمؤمن أربعة أعداء: مؤمن يحسده، ومنافق يبغضه، وشيطان يضله، و كافر يقاتله).

(ل) عن أبي هريرة.

 

‌‌1458 - ز (للمرأة ستران القبر والروح قيل وأيهما أفضل قال: القبر).

(ي)، (ت، حا) في (تاريخه) عن ابن عباس.

 

‌‌1459 - ز (للمرأة عشر عورات يستر الزوج منهن عورة واحدة والقبر يستر سائرهن).

لم أعثر عليه وفي معناه نعم الصبر القبر.

 

‌‌1460 - ز (لموت قبيلة أيسر من موت عالم).

(ط) وابن عبد البر عن أبي الدرداء وأصله عند (د) ولنا في المعنى:

لموت قبيلة ولو كبيرة … أيسر من أن يموت عالم

يتنادمون عند موت عالم … ولا سرور بموت ظالم

 

‌‌1461 - ز (لم يبق من النبوة إلا المبشرات قالوا: وما المبشرات قال: الرؤيا الصالحة).

(خ) عن أبي هريرة، (أ، ما) "ذهبت النبوة وبقيت المبشرات".

(هـ) عن عائشة: "لم يبق بعدي من المبشرات إلا الرؤيا الصالحة يراها الرجل أو ترى له".

 

‌‌1462 - ز (لم ير للمتحابين مثل النكاح).
‌১৪৫৬ - য (মুমিনের জন্য তার ইফতারের সময় একটি কবুলযোগ্য দুআ রয়েছে।)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে শিরাজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং রোযাদারের জন্য বর্ণিত হাদিসটিকে এর ওপরই প্রয়োগ করা হয়।

এবং তাম্মাম তার (হাদিসের এক অংশে) আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: মুমিনের জন্য প্রতিদিন একটি কবুলযোগ্য দুআ রয়েছে; আর সম্ভবত এর দ্বারা পূর্ণাঙ্গ ঈমানদার ব্যক্তিই উদ্দেশ্য।

 

‌‌১৪৫৭ - য (মুমিনের চারজন শত্রু রয়েছে: এমন মুমিন যে তাকে হিংসা করে, এমন মুনাফিক যে তাকে ঘৃণা করে, এমন শয়তান যে তাকে পথভ্রষ্ট করে এবং এমন কাফির যে তার সাথে যুদ্ধ করে।)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে দায়লামি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৫৮ - য (নারীর জন্য দুটি পর্দা রয়েছে: কবর এবং প্রাণ। জিজ্ঞেস করা হলো: এই দুটির মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বললেন: কবর।)

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে ইয়া'লা এবং তিরমিজি (তার ইতিহাসে) বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৫৯ - য (নারীর দশটি গোপনীয় বিষয় বা আওরাত রয়েছে; স্বামী তার মধ্যে একটি গোপনীয় বিষয় ঢেকে রাখে এবং কবর তার অবশিষ্ট সবগুলোকে ঢেকে দেয়।)

আমি এটি খুঁজে পাইনি, তবে এর মর্মার্থে বলা হয়েছে: কবর কতই না উত্তম ধৈর্যশীল (আচ্ছাদনকারী)।

 

‌‌১৪৬০ - য (একটি গোত্রের মৃত্যু একজন আলেমের মৃত্যুর চেয়ে সহজতর।)

আবু দারদা (রা.) থেকে তাবারানি এবং ইবনে আবদিল বার বর্ণনা করেছেন, আর এর মূল আবু দাউদের নিকট রয়েছে। এই অর্থ সম্পর্কে আমাদের কবিতা রয়েছে:

একটি গোত্রের মৃত্যু, যদিও তা বিশাল হয়... একজন আলেমের মৃত্যু অপেক্ষা সহজতর

আলেমের মৃত্যুতে তারা একে অপরের প্রতি শোক প্রকাশ করে... আর জালিমের মৃত্যুতে কোনো আনন্দ নেই

 

‌‌১৪৬১ - য (নবুওয়তের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই 'মুবাশশিরাত' (সুসংবাদসমূহ) ব্যতীত। তারা জিজ্ঞেস করলেন: মুবাশশিরাত কী? তিনি বললেন: নেক স্বপ্ন।)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বুখারি বর্ণনা করেছেন। আহমদ ও মালেক-এ বর্ণিত হয়েছে: "নবুওয়ত চলে গেছে কিন্তু মুবাশশিরাত অবশিষ্ট রয়েছে।"

আয়েশা (রা.) থেকে ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন: "আমার পরে মুবাশশিরাত ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট নেই, যা কোনো ব্যক্তি নিজে দেখে অথবা তার জন্য (অন্য কেউ) দেখে।"

 

‌‌১৪৬২ - য (পরস্পরকে ভালোবাসেন এমন দুই ব্যক্তির জন্য বিয়ের মতো উত্তম কিছু আর দেখা যায়নি।)
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৩)
(ما، ط خ) عن ابن عباس، وابن شاذان في (مشيخته)، وابن النجار في (تاريخه) عنه.

 

‌‌1463 - ز (لم يكن مؤمن ولا يكون إلى يوم القيامة إلا وله جار يؤذيه).

أبو سعيد النقاش والأصبهاني في (معجمه)، وابن النجار عن عليّ وسنده ضعيف.

 

‌‌1464 - ز (لم يضحك أحدكم بما يفعل).

(أ، ق، ت) عن عبد الله بن زمعة أن النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم وعظهم في الضحك من الضرطة وقال: فذكره.

 

‌‌1465 - ز (لما خلق الله - وفي لفظ لما قضى الله الخلق كتب في كتابه فهو عنده فوق العرش: إن رحمتي تغلب غضبي - وفي لفظ: غلبت غضبي).

(أ، ق) عن أبي هريرة وتقدم في الهمزة والسين المهملة وفي لفظ في الصفات: "لما خلق الله الخلق كتب بيده على نفسه أن رحمتي تغلب غضبي".

 

‌‌1466 - طو (لما خلق الله العقل قال له: أقبل فأقبل، قال له: أدبر فأدبر، قال: ما خلقت خلقًا أحب إلى منك بك أخذ وبك أعطى).

عبد الله بن الإمام أحمد في (زوائد الزهد) عن الحسن مرسلًا.

(ط) عن أبي أمامة: "لما خلق الله العقل قال له: أقبل فأقبل، ثم قال له: أدبر فأدبر قال: وعزتي ما خلقت خلقًا أعجب إليَّ منك بك آخذ، وبك أعطى، وبك الثواب وعليك العقاب".

وللحكيم الترمذي عن الأوزاعي معضلًا وعن الحسن قال: حدثني عدة من الصحابة: لما خلق الله العقل قال له: أقبل ثم قال له: أدبر فأدبر، ثم قال له: اقعد فقعد. ثم قال له أنطق فنطق ثم قال له: أصمت فصمت، فقال: ما خلقت خلقًا أحب إليّ منك أكرم بك أعرف وبك أحمد وبك أطاع وبك آخذ وبك أعطى وإياك أعاتب ولك الثواب وعليك العقاب وما أكرمتك بشيء أفضل
(মা, ত খ) ইবনে আব্বাস থেকে, এবং ইবনে শাযান তাঁর (মাশয়াখাহ)-এ, এবং ইবনে নাজ্জার তাঁর (তারিখ)-এ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌১৪৬৩ - য (এমন কোনো মুমিন ছিল না এবং কিয়ামত পর্যন্ত হবে না যার এমন একজন প্রতিবেশী নেই যে তাকে কষ্ট দেয়)।

আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ এবং আসবাহানি তাঁর (মুজাম)-এ, এবং ইবনে নাজ্জার আলী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ দুর্বল।

 

‌‌১৪৬৪ - য (তোমাদের কেউ যেন সে বিষয়ে না হাসে যা সে নিজেও করে)।

(আহমদ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিযি) আবদুল্লাহ ইবনে যামআহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়ু নির্গত হওয়ার কারণে হাসাহাসি করার ব্যাপারে তাঁদেরকে উপদেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন: (অতঃপর তিনি উক্ত কথাটি উল্লেখ করলেন)।

 

‌‌১৪৬৫ - য (যখন আল্লাহ সৃষ্টি করলেন - এবং অন্য শব্দে: যখন আল্লাহ সৃষ্টিজগত নির্ধারণ করলেন, তখন তিনি তাঁর কিতাবে লিখলেন, যা তাঁর নিকট আরশের উপরে রয়েছে: নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর প্রবল হয় - এবং অন্য শব্দে: প্রবল হয়েছে)।

(আহমদ, বুখারি ও মুসলিম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি পূর্বে হামজা ও সিন বর্ণের আলোচনায় অতিবাহিত হয়েছে। সিফাত বা গুণাবলি সংক্রান্ত একটি শব্দে এসেছে: "যখন আল্লাহ সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করলেন, তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের নফসের ওপর লিখলেন যে, নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর প্রবল হয়।"

 

‌‌১৪৬৬ - তও (যখন আল্লাহ বুদ্ধি সৃষ্টি করলেন, তখন তাকে বললেন: সামনে এসো, ফলে সে সামনে এল। তিনি তাকে বললেন: পেছনে যাও, ফলে সে পেছনে গেল। তিনি বললেন: আমি তোমার চেয়ে প্রিয় কোনো সৃষ্টি আমার কাছে সৃষ্টি করিনি। তোমার মাধ্যমেই আমি গ্রহণ করি এবং তোমার মাধ্যমেই আমি দান করি)।

ইমাম আহমদের পুত্র আবদুল্লাহ (যাওয়ায়িদুল যুহদ)-এ হাসান থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

(তবারানি) আবু উমামা থেকে: "যখন আল্লাহ বুদ্ধি সৃষ্টি করলেন, তখন তাকে বললেন: সামনে এসো, ফলে সে সামনে এল। তারপর বললেন: পেছনে যাও, ফলে সে পেছনে গেল। তিনি বললেন: আমার ইজ্জতের শপথ! আমি তোমার চেয়ে অধিক বিস্ময়কর কোনো সৃষ্টি আমার কাছে সৃষ্টি করিনি। তোমার মাধ্যমেই আমি গ্রহণ করি, তোমার মাধ্যমেই দান করি, তোমার মাধ্যমেই সওয়াব দান করি এবং তোমার কারণেই শাস্তি প্রদান করি।"

এবং হাকীম তিরমিযি আওযায়ী থেকে মুদাল হিসেবে এবং হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহাবীদের একটি দল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: যখন আল্লাহ বুদ্ধি সৃষ্টি করলেন তখন তাকে বললেন: সামনে এসো, তারপর বললেন: পেছনে যাও, ফলে সে পেছনে গেল। তারপর বললেন: বসো, ফলে সে বসল। তারপর বললেন: কথা বলো, ফলে সে কথা বলল। তারপর বললেন: চুপ থাকো, ফলে সে চুপ থাকল। অতঃপর তিনি বললেন: আমি তোমার চেয়ে প্রিয় কোনো সৃষ্টি আমার কাছে সৃষ্টি করিনি। তোমার মাধ্যমে আমি সম্মান দান করি, তোমার দ্বারা আমি পরিচিত হই, তোমার দ্বারা আমি প্রশংসিত হই, তোমার দ্বারা আমার আনুগত্য করা হয়, তোমার মাধ্যমেই আমি গ্রহণ করি এবং তোমার মাধ্যমেই আমি দান করি। তোমাকেই আমি তিরস্কার করি, তোমার জন্যই সওয়াব এবং তোমার ওপরই শাস্তি নির্ধারিত। আমি তোমাকে অন্য কোনো কিছুর চেয়ে উত্তমরূপে সম্মানিত করিনি...
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৪)
من الصبر". وهو وإن كان ضعيفًا فلا ينتهي إلى أنه موضوع بل له أصل كما سبق في الهمزة.

 

‌‌1467 - و (لمَّا غسلت النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم اقتلصت (ماء) محاجر عينيه فشربته فورثت علم الأولين والآخرين).

يحكي عن عليّ، قال النووي: ليس بصحيح.

 

‌‌1468 - ز (لن تجتمع أمة محمد صلى الله عليه وسلم على ضلالة).

(ط) عن ابن عمر: "لن تجتمع أمتي على الضلال أبدًا". فعليكم بالجماعة فإن يد الله على الجماعة.

 

‌‌1469 - ز (لن تزول قدما عبد يوم القيامة حتَّى يسأل عن أربع: عن شبابه فيما أبلاه، وعن عمره فيما أفناه، وعن ماله من أين اكتسبه، وفيما أنفقه).

(ط) عن أبي الدرداء.

 

‌‌1470 - ز (لن تزول قدمًا شاهد الزور حتَّى يوجب الله له النار).

(ما) عن ابن عمر.

 

‌‌1471 - طو (لن يدخل أحدًا عمله الجنة، قالوا: ولا أنت يا رسول الله قال: ولا أنا إلا أن يتغمدني الله برحمته).

(ق) عن أبي هريرة زاد: "فسددوا وقاربوا ولا يتمن أحدكم الموت أما محسن فلعله يزداد خيرًا وأما مسي، فلعله أن يستيب".

وفي رواية لهما: "لن ينجي أحدًا منكم عمله، قالوا: ولا أنت يا رسول الله قال: ولا أنا إلا أن يتغمدني الله برحمته ولكن سددوا وقاربوا واغدوا وروحوا وشيء من الدلجة والقصد القصد تبلغوا".

 

‌‌1472 - و (لن يعجز الله هذه الأمة من نصف اليوم).

(د، حا، ط) في (مسند الشاميين) عن أبي ثعلبة به وعند (د) نحوه عن سعد بن أبي وقاص.
সবর থেকে।" এটি যদিও দুর্বল, তবে তা বানোয়াট হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে না; বরং এর ভিত্তি রয়েছে যেমনটি ইতিপূর্বে হামজা বর্ণে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৪৬৭ - এবং (যখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করালাম, তখন তাঁর চোখের কোণ থেকে [পানি] গ্রহণ করলাম এবং তা পান করলাম, ফলে আমি পূর্ববর্তীদের এবং পরবর্তীদের ইলমের উত্তরাধিকারী হলাম)।

এটি আলীর পক্ষ থেকে বর্ণিত হয়; ইমাম নববী বলেছেন: এটি সহীহ নয়।

 

‌‌১৪৬৮ - (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত পথভ্রষ্টতার ওপর ঐক্যবদ্ধ হবে না)।

(তাবারানি) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত: "আমার উম্মত কখনোই পথভ্রষ্টতার ওপর ঐক্যবদ্ধ হবে না।" সুতরাং তোমরা জামাতের (দলের) সাথে থাকো, কারণ জামাতের ওপর আল্লাহর হাত রয়েছে।

 

‌‌১৪৬৯ - (কিয়ামতের দিন কোনো বান্দার দুই পা সরবে না যতক্ষণ না তাকে চারটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়: তার যৌবনকাল সম্পর্কে যে সে তা কিসে ক্ষয় করেছে, তার বয়সকাল সম্পর্কে যে সে তা কিসে অতিবাহিত করেছে এবং তার সম্পদ সম্পর্কে যে সে তা কোথা থেকে উপার্জন করেছে এবং তা কিসে ব্যয় করেছে)।

(তাবারানি) আবু দারদা থেকে বর্ণিত।

 

‌‌১৪৭০ - (মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারীর দুই পা সরবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত করেন)।

(ইবনে মাজাহ) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত।

 

‌‌১৪৭১ - (কাউকে তার আমল জান্নাতে প্রবেশ করাবে না। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনিও কি নন? তিনি বললেন: আমিও না, তবে আল্লাহ যদি আমাকে তাঁর রহমত দিয়ে ঢেকে নেন)।

(বুখারী ও মুসলিম) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, এতে আরও যুক্ত হয়েছে: "কাজেই তোমরা সঠিক পথে থাকো এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। তোমাদের কেউ যেন মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে; কেননা সে যদি নেককার হয় তবে হতে পারে সে আরও ভালো কাজ বৃদ্ধি করবে, আর যদি পাপাচারী হয় তবে হতে পারে সে তওবা করবে।"

এবং তাদের উভয়ের অন্য এক বর্ণনায় আছে: "তোমাদের কাউকে তার আমল নাজাত দেবে না। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনিও কি নন? তিনি বললেন: আমিও না, তবে আল্লাহ যদি আমাকে তাঁর রহমত দিয়ে ঢেকে নেন। কিন্তু তোমরা সঠিক পথে থাকো, মধ্যপন্থা অবলম্বন করো, সকালে, বিকালে এবং রাতের শেষাংশে ইবাদত করো। আর পরিমিতি বোধ বজায় রাখো, পরিমিতি বোধ বজায় রাখো, তবেই তোমরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।"

 

‌‌১৪৭২ - (আল্লাহ এই উম্মতকে অর্ধেক দিন সময় দিতে অক্ষম হবেন না)।

(আবু দাউদ, হাকেম, তাবারানি) 'মুসনাদুশ শামিয়্যীন'-এ আবু সা'লাবা থেকে এটি বর্ণিত এবং আবু দাউদের নিকট সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৫)
‌‌1473 - و (لن يغلب عسر يسرين).

(حا، ط، هـ) عن الحسن مرسلًا: أن النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم خرج ذات يوم وهو يضحك وهو يقول: لن يغلب عسرٌ يسرين {إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا}‌‌(1). ولعبد الرزاق عن ابن مسعود قال: لو كان العسر في جحر ضب. لتبعه اليسر حتَّى يستخرجه لن يغلب عسر يسرين.

ولابن مردويه عن جابر: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاثمائة أو يزيدون علينا أبو عبيدة بن عبد الله بن الجراح وليس معنا من الحمولة إلا مركب فزودنا رسول الله صلى الله عليه وسلم جمابين من تمر فقال بعضنا لبعض: قد علم رسول الله صلى الله عليه وسلم: أين تريدون وقد علمتم ما معكم من الزاد فلو رجعتم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألتموه أن يزودكم فرجعنا إليه فقال: قد عرفت الذي جئتم له ولو كان عندي غير الذي زودتكم لزودتكموه فانصرفنا ونزلت: {فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا}‌‌(1) فأرسل نبي الله صلى الله عليه وسلم إلى بعضنا فدعاه فقال: أبشروا فإن الله قد أوحى إلى: إن مع العسر يسرا إن مع العسر يسرا ولن يغلب عسر يسرين".

(نيا، هـ) عن زيد بن أسلم عن أبيه أن أبا عبيدة حضر فكتب إليه عمر يقول: مهما ينزل بامرئ شدة يجعل الله بعدها فرجًا فإنه لن يغلب عسر يسيرين وإنه يقول: {اصْبِرُوا وَصَابِرُوا وَرَابِطُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ}‌‌(2).

وأخرجه مالك في (الموطأ)، ومن طريقه (حا) وهو أصح طرقه.

 

‌‌1474 - و (لن يفلح قوم ولو أمرهم امرأة).

(أ، خ، ت) عن أبي بكرة قال: لقد نفعني الله عز وجل بكلمة أيام الجهل لما بلغ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم أن فارسًا ملكوا ابنة كسرى قال: وذكره.

ولفظ (حا) عصمني الله بشيء سمعته من النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم لما بلغه أن ملك

--------------------------------------------

‌‌(1) سورة الشرح: 5، 6.

‌‌(2) سورة آل عمران: 200.
১৪৭৩ - এবং (একটি কষ্ট কখনোই দুইটি স্বস্তির ওপর প্রবল হতে পারবে না)।

(হাকেম, তয়ালিসি, বায়হাকি) হাসান থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত: একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসিমুখে বের হলেন এবং বলছিলেন: একটি কষ্ট কখনোই দুইটি স্বস্তির ওপর প্রবল হতে পারবে না, "নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে"(১)। আর আবদুর রাজ্জাক ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যদি কষ্ট কোনো গুইসাপের গর্তেও থাকে, তবে স্বস্তি তার পিছু নেবে যতক্ষণ না তাকে বের করে আনে; একটি কষ্ট কখনোই দুইটি স্বস্তির ওপর প্রবল হতে পারবে না।

আর ইবনে মারদুওয়াহ জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পাঠালেন এবং আমরা সংখ্যায় ছিলাম তিনশ বা তার চেয়ে কিছু বেশি, আমাদের প্রধান ছিলেন আবু উবাইদাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল জাররাহ। আমাদের সাথে বাহন বলতে তেমন কিছু ছিল না, তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পাথেয় হিসেবে দুই থলে খেজুর দিলেন। তখন আমরা একে অপরকে বলতে লাগলাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো জানেন তোমরা কোথায় যেতে চাচ্ছ, আর তোমাদের সাথে কী পরিমাণ পাথেয় আছে তাও তোমরা জানো; সুতরাং তোমরা যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরে যেতে এবং তাঁকে আরও কিছু পাথেয় দিতে অনুরোধ করতে। অতঃপর আমরা তাঁর কাছে ফিরে গেলাম। তখন তিনি বললেন: তোমরা যে উদ্দেশ্যে এসেছ তা আমি জেনেছি; যদি আমার কাছে তোমাদের দেওয়া পাথেয় ছাড়া আর কিছু থাকত, তবে অবশ্যই আমি তা তোমাদের দিতাম। অতঃপর আমরা ফিরে গেলাম এবং নাজিল হলো: "নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে, নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে"(১)। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের একজনের কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে ডাকলেন এবং বললেন: তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো, কেননা আল্লাহ আমার প্রতি ওহি পাঠিয়েছেন যে: নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে, নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে এবং একটি কষ্ট কখনোই দুইটি স্বস্তির ওপর প্রবল হতে পারবে না।

(নাসাঈ, বায়হাকি) যাইদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু উবাইদাহ যখন (বিপদের মুখে) উপস্থিত ছিলেন তখন উমর তাকে লিখেছিলেন: কোনো ব্যক্তির ওপর যে কোনো কঠোর পরিস্থিতিই আসুক না কেন, আল্লাহ তার পরে মুক্তি দান করবেন। আর একটি কষ্ট কখনোই দুইটি স্বস্তির ওপর প্রবল হতে পারবে না। আর আল্লাহ তায়ালা বলেন: "তোমরা ধৈর্য ধারণ করো ও ধৈর্যের প্রতিযোগিতা করো এবং যুদ্ধের ময়দানে সদাপ্রস্তুত থাকো আর আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো"(২)।

আর ইমাম মালিক এটি (মুয়াত্তা)-এ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমেই (হাকেম) বর্ণনা করেছেন, আর এটিই এর বিশুদ্ধতম সূত্র।

 

১৪৭৪ - এবং (সেই জাতি কখনোই সফল হবে না যারা তাদের শাসনভার একজন নারীর হাতে অর্পণ করে)।

(আহমাদ, বুখারি, তিরমিজি) আবু বাকরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জাহেলিয়াতের দিনগুলোতে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল একটি কথার মাধ্যমে আমাকে উপকৃত করেছিলেন; যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে খবর পৌঁছাল যে পারস্যবাসীরা কিসরার কন্যাকে তাদের শাসক বানিয়েছে, তখন তিনি এটি উল্লেখ করেছিলেন।

আর (হাকেম)-এর শব্দে রয়েছে: আল্লাহ আমাকে এমন একটি জিনিসের মাধ্যমে রক্ষা করেছেন যা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে শুনেছিলাম যখন তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছিল যে জনৈক সম্রাট...

--------------------------------------------

(১) সূরা আল-শরহ: ৫, ৬।

(২) সূরা আলে ইমরান: ২০০।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৬)
ذي يزن توفي فولوا أمرهم امرأة.

وفي لفظ عند (أ) "لن يفلح قوم أسندوا أمرهم إلى امرأة".

 

‌‌1475 - و (لن ينفع حذر من قدر).

(أ، ع، ط) عن معاذ به وتمامه: "ولكن الدعاء ينفع ما نزل ومما لم ينزل فعليكم بالدعاء عباد الله".

وتقدم في (الدعاء).

 

‌‌1476 - و (لو أحسن أحدكم ظنه بحجر لنفعه الله به أو لو أعتقد أحدكم حجرًا نفعه الله به أو لنفعه).

كذب لا أصل له كما قال ابن تيمية وابن حجر وغيرهما.

 

‌‌1477 - و (لو أخطأتم حتَّى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب الله عليكم).

(ما) عن أبي هريرة وسنده جيد كما قال المنذري.

وعند (ت) وحسنه عن أنس، (ط) عن أبي ذر وابن النجار عن أبي هريرة: قال الله تعالى: "يابن آدم إنك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك ما كان منك ولا أبالي، يابن آدم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا أبالي، يابن آدم لو أنك أتيتني بقراب الأرض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيئًا لأتيتك بقرابها مغفرة".

 

‌‌1478 - ز (لو أذن الله تعالى في التجارة لأهل الجنة لا تجروا في البز والعطر).

(ط، حا) في (تاريخه)، (عم) عن ابن عمر به، وعند (ل) عن أنس: "لو كان في الجنة تجارة الباعوا البز ولو كان في النار تجارة الباعوا الطعام ومن باع الطعام أربعين ليلة نزعت الرحمة من قلبه".

 

‌‌1479 - و (لو اغتسل اللوطي بماء البحر لم يجء يوم القيامة إلا جنبًا).

(ل) عن أنس وله نحوه عن أبي هريرة وهما باطلان، ونكال اللوطية عظيم كما يعلم من الكتاب والسنة.
যী ইয়াযান ইন্তেকাল করলেন, তখন তারা তাদের শাসনভার একজন নারীর হাতে অর্পণ করল।

এবং (আহমাদ)-এর বর্ণনায় রয়েছে, "সেই জাতি কখনোই সফল হবে না যারা তাদের শাসনভার একজন নারীর হাতে ন্যস্ত করে।"

 

‌‌১৪৭৫ - এবং (তাকদীরের বিপরীতে সতর্কতা কোনো কাজে আসে না)।

(আহমাদ, আবু ইয়ালা, তাবারানি) মুয়ায থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর পূর্ণরূপ হলো: "তবে দোয়া সেই বিপদ থেকে রক্ষা করে যা নেমে এসেছে এবং যা এখনো নামেনি, অতএব হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা দোয়া করতে থাকো।"

এটি ইতিপূর্বে (দোয়া) অধ্যায়ে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌১৪৭৬ - এবং (যদি তোমাদের কেউ কোনো পাথরের প্রতি সুধারণা রাখে, তবে আল্লাহ তাকে তা দিয়ে উপকৃত করবেন অথবা যদি তোমাদের কেউ কোনো পাথরের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তবে আল্লাহ তাকে তা দিয়ে উপকৃত করবেন অথবা তিনি অবশ্যই তাকে উপকার করবেন)।

এটি মিথ্যা, এর কোনো ভিত্তি নেই, যেমনটি ইবনে তাইমিয়া, ইবনে হাজার এবং অন্যান্যরা বলেছেন।

 

‌‌১৪৭৭ - এবং (যদি তোমরা এমনভাবে ভুল করতে যে তোমাদের গুনাহ আসমান পর্যন্ত পৌঁছে যেত, অতঃপর তোমরা তাওবা করতে, তবে আল্লাহ তোমাদের তাওবা কবুল করতেন)।

(ইবনে মাজাহ) আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ উত্তম যেমনটি মুনযিরি বলেছেন।

এবং (তিরমিযী)-এর নিকট আনাস থেকে এটি বর্ণিত এবং তিনি একে হাসান বলেছেন, (তাবারানি) আবু যার থেকে এবং ইবনে নাজ্জার আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন: মহান আল্লাহ বলেছেন: "হে আদম সন্তান! যতক্ষণ তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে আশা রাখবে, তোমার থেকে যা-ই প্রকাশ পাক না কেন আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব এবং আমি পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! যদি তোমার গুনাহ আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব এবং আমি পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী পূর্ণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো, আর আমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করে আমার সাথে সাক্ষাৎ করো, তবে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব।"

 

‌‌১৪৭৮ - য (যদি মহান আল্লাহ জান্নাতবাসীদের ব্যবসার অনুমতি দিতেন, তবে তারা কাপড়ের এবং সুগন্ধির ব্যবসা করত)।

(তাবারানি, হাকিম) তাঁর (ইতিহাস)-এ, (ইবনে আসাকির) ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং (আবুশ শাইখ)-এর নিকট আনাস থেকে বর্ণিত: "যদি জান্নাতে কোনো ব্যবসা থাকত তবে তারা কাপড়ের ব্যবসা করত, আর যদি জাহান্নামে কোনো ব্যবসা থাকত তবে তারা খাদ্যের ব্যবসা করত। আর যে ব্যক্তি চল্লিশ রাত পর্যন্ত খাদ্য মজুত করে ব্যবসা করবে, তার অন্তর থেকে দয়া ছিনিয়ে নেওয়া হবে।"

 

‌‌১৪৭৯ - এবং (সমকামী যদি সমুদ্রের পানি দিয়েও গোসল করে, তবুও সে কিয়ামতের দিন নাপাক অবস্থায় উপস্থিত হবে)।

(আবুশ শাইখ) আনাস থেকে এবং আবু হুরায়রা থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং উভয়টিই বাতিল, তবে সমকামিতার শাস্তি যে অত্যন্ত ভয়াবহ তা কুরআন ও সুন্নাহ থেকে জানা যায়।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৭)
‌‌1480 - ز (لو أن ابن آدم هرب من رزقه كما يهرب من الموت لأدركهـ رزقه كما يدركه الموت).

(عم) عن جابر ولابن عساكر عن أبي الدرداء: "لو أن عبدًا هرب من رزقه الطلبه رزقه كما يطلبه الموت".

 

‌‌1481 - و (لو أن أهل العلم صانوه ووضعوه عند أهله سادوا به أهل زمانهم) الحديث.

(ما) عن ابن عمر موقوفًا.

وعند (ما، هـ) عن ابن مسعود قال: لو أن أهل العلم صانوا العلم ووضعوه عند أهله، سادوا به أهل زمانهم ولكن بذلوه لأهل الدنيا لينالوا من دنياهم فهانوا على أهلها، سمعت نبيكم صلى الله عليه وسلم يقول: "من جعل الهم همًا واحدًا هم آخرته كفاه الله عز وجل ما همه من أمر دنياه ومن تشعبت به الهموم من أحوال الدنيا لم يبال الله في أي أوديتها هلك".

 

‌‌1482 - و (لو أنكم توكلون على الله تعالى حق توكله لرزقكم كما يرزق الطير تغدو خماصًا وتروح بطانًا).

(أ)، والطيالسي، (ت، ما) وغيرهم وصححه ابن خزيمة، (حب، حا) عن عمر.

 

‌‌1483 - و (لو أنكم دليتم بحبل إلى الأرض السفلى لهبط على الله).

(ت) في حديث عن أبي هريرة والمعنى لهبط على علم الله تعالى فإنه سبحانه منزه عن الحلول في مكان كما قال ابن حجر وغيره.

 

‌‌1484 - و (لو بغى جبل على جبل لدك الباغي).

ابن المبارك عن مجاهد مرسلًا.

(خ) في (الأدب المفرد)، (د) عن ابن عباس موقوفًا ورفعه ابن مردويه.

قال ابن أبي حاتم: الموقوف أصح.

وأخرجه ابن لال عن أبي هريرة، وابن مردويه عن ابن عمر، (حب) في
‌১৪৮০ - (আদমের সন্তান যদি তার রিজিক থেকে সেভাবে পলায়ন করত যেভাবে সে মৃত্যু থেকে পলায়ন করে, তবে তার রিজিক তাকে অবশ্যই পেয়ে বসত যেভাবে মৃত্যু তাকে পেয়ে বসে)।

(আবু ইয়ালা) জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে আসাকিরের বর্ণনায় আবুদ্দারদা থেকে এসেছে: "যদি কোনো বান্দা তার রিজিক থেকে পলায়ন করত, তবে তার রিজিক তাকে সেভাবেই সন্ধান করত যেভাবে মৃত্যু তাকে সন্ধান করে।"

 

‌‌১৪৮১ - (যদি ইলমের অধিকারীরা একে সংরক্ষণ করত এবং এর উপযুক্ত পাত্রের নিকট অর্পণ করত, তবে তারা এর দ্বারা তাদের যুগের লোকদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করত) হাদিস।

(ইবনে মাজাহ) ইবনে উমর থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এবং (ইবনে মাজাহ, ইবনে মাজাহ) এর নিকট ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যদি ইলমের অধিকারীরা ইলমকে সংরক্ষণ করত এবং এর উপযুক্ত পাত্রের নিকট অর্পণ করত, তবে তারা এর দ্বারা তাদের যুগের লোকদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করত। কিন্তু তারা তা দুনিয়াদারদের নিকট বিলিয়ে দিয়েছে যাতে তাদের দুনিয়া থেকে কিছু লাভ করতে পারে, ফলে তারা দুনিয়াদারদের নিকট তুচ্ছ হয়ে পড়েছে। আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি তার সকল চিন্তাকে এক চিন্তায় অর্থাৎ আখেরাতের চিন্তায় পরিণত করে, আল্লাহ আজজ ও জাল তার দুনিয়াবি যাবতীয় চিন্তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আর যার চিন্তা দুনিয়ার পরিস্থিতির নানামুখী দিকে ছড়িয়ে পড়ে, সে দুনিয়ার যে কোনো উপত্যকায় ধ্বংস হোক না কেন আল্লাহ তার কোনো পরোয়া করেন না।"

 

‌‌১৪৮২ - (যদি তোমরা আল্লাহ তাআলার ওপর যথাযথ তাওয়াক্কুল করতে, তবে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করতেন যেভাবে তিনি পাখিকে রিজিক দান করেন; সে ভোরে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বের হয় এবং সন্ধ্যায় তৃপ্ত অবস্থায় ফিরে আসে)।

(আহমদ), তায়ালিসি, (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে খুজাইমা, (ইবনে হিব্বান, হাকেম) একে উমর থেকে সহিহ বলে গণ্য করেছেন।

 

‌‌১৪৮৩ - (যদি তোমরা কোনো রশি দিয়ে নিম্নতম জমিনের দিকে নামিয়ে দিতে, তবে তা আল্লাহর ওপর পড়ত)।

(তিরমিজি) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে। এর অর্থ হলো এটি আল্লাহ তাআলার ইলম বা জ্ঞানের ওপর পড়ত, কেননা তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলা কোনো স্থানে স্থিতি গ্রহণ করা থেকে পবিত্র, যেমনটি ইবনে হাজার ও অন্যান্যগণ উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌১৪৮৪ - (যদি একটি পাহাড় অন্য একটি পাহাড়ের ওপর সীমালঙ্ঘন করত, তবে সীমালঙ্ঘনকারী পাহাড়টি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যেত)।

ইবনুল মুবারক মুজাহিদ থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

(বুখারি) 'আল-আদাবুল মুফরাদ'-এ এবং (আবু দাউদ) ইবনে আব্বাস থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আর ইবনে মারদুওয়াহ একে মারফু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইবনে আবি হাতিম বলেন: মাওকুফ বর্ণনাটিই অধিক বিশুদ্ধ।

আর ইবনে লাল আবু হুরায়রা থেকে, ইবনে মারদুওয়াহ ইবনে উমর থেকে এবং (ইবনে হিব্বান) এটি তার গ্রন্থে বের করেছেন।
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৮)
الضعفاء) بسند ضعيف عن أنس.

 

‌‌1485 - ز (لو بنى مسجدى هذا إلى صنعاء كان من مسجدي).

(ل) عن أبي هريرة.

 

‌‌1486 - ز (لو تعلمون ما أعلم لضحكتم قليلًا ولبكيتم كثيرًا).

(أ، ب، ت، ن، حب) عن أنس، (، خ، ت) عن سمرة، (ط، حا، هم) عن أبي الدرداء به.

(حا) عن أبي ذر: "ولما ساغ لكم الطعام والشراب".

(ط، حا، هـ) عن أبي الدرداء: "لو تعلمون ما أعلم لبكيتم كثيرًا ولضحكتم قليلًا وخرجتم إلى الصعدات تجأرون إلى الله لا تدرون تنجون أو لا تنجون".

(ط) عن أبي هريرة: "لو تعلمون ما أعلم لبكيتم كثيرًا ولضحكتم قليلًا" يظهر النفاق وترتفع الأمانة وتقبض الرحمة ويتهم الأمين ويؤتمن غير الأمين، أناخ بكم الشرف الجون، الفتن كأمثال الليل المظلم.

والشرف بضمتين وبالفتح لغة على المظلمة كما فسروا الحديث ويروي بالقاف أي الفتن الطالعة والجون بالضم جمع جون بالفتح وهو من الإبل والخيل الأدهم شبهت بها الفتن.

 

‌‌1487 - و (لو تعلم البهائم من الموت ما يعلم ابن آدم ما أكلتم منها سمينًا).

(هـ، قض) عن أم حبيبة الجهنية به.

وعند (ل) عن أبي سعيد: "لو علمت البهائم من الموت ما علمتم ما أكلتم منها لحمًا سمينًا".

وله بلا سند: "لو أن البهائم التي تأكلون لحومها علمت ما تريدون بها ما سمنت وكيف تسمن أنت يا ابن آدم والموت أمامك".

 

‌‌1488 - و (لو تفتح عمل الشيطان).

(أ، م، ن، ما)، والطحاوي: "المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن
(আয-যুয়াফা) আনাস (রা.) থেকে একটি দুর্বল সনদে।

 

‌‌১৪৮৫ - যা (আমার এই মসজিদটি যদি সানআ পর্যন্তও সম্প্রসারিত করা হতো, তবে তা আমার মসজিদেরই অংশ হতো)।

(লাকালি) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে।

 

‌‌১৪৮৬ - যা (আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই অল্প হাসতে এবং বেশি কাঁদতে)।

(আহমাদ, বাযযার, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে হিব্বান) আনাস (রা.) থেকে; (বুখারী, তিরমিযী) সামুরা (রা.) থেকে; (তাবারানি, হাকেম, ইবনে আবি শায়বাহ) আবু দারদা (রা.) থেকে।

(হাকেম) আবু যার (রা.) থেকে: "এবং তোমাদের জন্য খাদ্য ও পানীয় সুস্বাদু লাগত না।"

(তাবারানি, হাকেম, ইবনে মাজাহ) আবু দারদা (রা.) থেকে: "আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই বেশি কাঁদতে এবং অল্প হাসতে এবং তোমরা উঁচু ভূমির দিকে বেরিয়ে যেতে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করার জন্য; তোমরা জানতে না যে তোমরা মুক্তি পাবে নাকি পাবে না।"

(তাবারানি) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে: "আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই বেশি কাঁদতে এবং অল্প হাসতে।" নিফাক বা কপটতা প্রকাশ পাবে, আমানতদারিতা উঠে যাবে, রহমত তুলে নেওয়া হবে, বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হবে এবং অবিশ্বস্ত ব্যক্তিকে আমানতদার বানানো হবে, তোমাদের নিকট আপতিত হবে ঘন কালো অন্ধকার বিপর্যয়, ফিতনাসমূহ অন্ধকার রাতের টুকরোর ন্যায়।

'আশ-শারাফ' শব্দটি দুই পেশ দিয়ে অথবা জবর দিয়ে এক ভাষ্যমতে অন্ধকার অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমনটি ব্যাখ্যাকারগণ হাদীসটির ব্যাখ্যা করেছেন। এটি কাফ বর্ণ দিয়েও বর্ণিত হয়েছে (আশ-শারাক), যার অর্থ উদিত হওয়া ফিতনাসমূহ। আর 'আল-জুন' শব্দটি পেশ যোগে যা 'জাওন'-এর বহুবচন, যা কালো রঙের উট ও ঘোড়া বোঝায়; ফিতনাসমূহকে এগুলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে।

 

‌‌১৪৮৭ - ওয়া (চতুষ্পদ জন্তুরা মৃত্যু সম্পর্কে তা যদি জানত যা আদম সন্তান জানে, তবে তোমরা তাদের কোনো স্থূলকায় বা মোটাতাজা জন্তু খেতে পারতে না)।

(ইবনে মাজাহ, কুদায়ী) উম্মে হাবিবা আল-জুহানিয়্যাহ (রা.) থেকে।

এবং (লাকালি)-এর নিকট আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত: "পশুরা যদি মৃত্যু সম্পর্কে তা জানত যা তোমরা জানো, তবে তোমরা তাদের থেকে স্থূলকায় মাংস খেতে পারতে না।"

এবং তার নিকট কোনো সনদ ছাড়াই বর্ণিত আছে: "যেসব পশুদের মাংস তোমরা খাচ্ছো, তারা যদি জানত যে তোমরা তাদের ব্যাপারে কী ইচ্ছা রাখো, তবে তারা কখনো মোটা হতো না; আর হে আদম সন্তান, তুমি কীভাবে মোটা হচ্ছো অথচ মৃত্যু তোমার সামনে?"

 

‌‌১৪৮৮ - ওয়া ('যদি' শব্দটি শয়তানের কাজের পথ উন্মুক্ত করে দেয়)।

(আহমাদ, মুসলিম, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ) এবং তহাবি: "শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর নিকট অধিক উত্তম ও প্রিয় দুর্বল মুমিনের চেয়ে..."
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৫৯)
الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فإن غلبك أمر فقل: قدر الله وما شاء فعل وإياك واللو فإن اللو تفتح عمل الشيطان".

وفي لفظ: "فإن أصابك شيء فلا تقل لو أني فعلت كذا كان كذا ولكن قل: قدر الله وما شاء فعل فإن لو تفتح عمل الشيطان".

وفي لفظ الطبري: "فإن لو مفتاح الشيطان".

وهذا النهى محمول على إطلاق (لو) فيما لا فائدة فيه وأما من قالها تأسفًا على ما فات من طاعة الله تعالى أو ترغيبًا في فعل أو بيانًا لما لا يكون أن لو كان كيف كان يكون أو نحو ذلك فلا بأس كما وقع في كلام النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم كثيرًا تنبيهًا على ذلك.

 

‌‌1489 - (لو جمع القرآن في إهاب ما أحرقته النار).

(هـ) عن عصمة بن مالك بلفظ: ما أحرقه الله بالنار.

 

‌‌1490 - ز (لو خشع قلب هذا خشعت جوارحه).

الحكيم الترمذي بسند ضعيف عن أبي هريرة: أن النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم رأى رجلًا يعبث بلحيته في الصلاة فقال: وذكره.

والمعروف أنه من قول سعيد بن المسيب كما أخرجه عبد الرزاق وابن أبي شيبة.

 

‌‌1491 - ز (لو دعيت إلى كراع لأجبت ولو أهدي إليّ ذراع لقبلت).

(خ) عن أبي هريرة به وفي رواية: "لو دعيت إلى ذراع أو كراع لأجبت ولو أهدي إلى ذراع أو كراع لقبلت".

(أ، ت، حب) عن أنس: "لو أهدى إلى كراع لقبلت ولو دعيت إليه لأجبت".

 

‌‌1492 - ز (لو سرقت فاطمة لقطعت يدها).

ابن أبي شيبة عن عائشة أن النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم كلم في شيء فقال: "لو كانت
দুর্বল মুমিনের তুলনায় শক্তিশালী মুমিন উত্তম ও আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়, তবে উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তোমার যা উপকারে আসে তার জন্য সচেষ্ট হও, আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো এবং অক্ষম হয়ে যেয়ো না। যদি কোনো বিপদ তোমাকে পেয়ে বসে তবে বলো না—'যদি আমি এমন করতাম তবে এমন হতো', বরং বলো—'এটি আল্লাহর নির্ধারণ এবং তিনি যা চেয়েছেন তাই করেছেন'। আর 'যদি' বলা থেকে বিরত থাকো, কারণ 'যদি' শয়তানের কাজের পথ খুলে দেয়।

অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: "যদি তোমার কোনো বিপদ হয় তবে বলো না—যদি আমি এমন করতাম তবে এমন হতো, বরং বলো—আল্লাহ নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তাই হয়েছে। কারণ 'যদি' শয়তানের কাজের পথ খুলে দেয়।"

তাবারির বর্ণনায় রয়েছে: "কেননা 'যদি' হলো শয়তানের চাবিকাঠি।"

এই নিষেধাজ্ঞা সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যখন 'যদি' শব্দটি এমন বিষয়ে বলা হয় যাতে কোনো ফায়দা নেই। তবে যদি কেউ আল্লাহর কোনো আনুগত্যের কাজ ছুটে যাওয়ার জন্য আফসোস করে তা বলে, অথবা কোনো কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির জন্য বলে, কিংবা কোনো অসম্ভব বিষয় যদি হতো তবে কেমন হতো তা বর্ণনার জন্য বা অনুরূপ কোনো উদ্দেশ্যে বলে, তবে তাতে কোনো দোষ নেই; যেমনটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথায় এ বিষয়ে সচেতন করার জন্য বহুবার এসেছে।

 

১৪৮৯ - (যদি কুরআনকে কোনো চামড়ার আধারে একত্র করা হতো, তবে আগুন তাকে পোড়াত না)।

(ইবনে মাজাহ) ইসমাহ ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত শব্দে: আল্লাহ তাকে আগুন দিয়ে পোড়াবেন না।

 

১৪৯০ - (যদি এই ব্যক্তির অন্তর বিনীত হতো, তবে তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গও বিনীত হতো)।

হাকিম তিরমিযি দুর্বল সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে সালাতের মধ্যে নিজের দাড়ি নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখে বললেন: (পূর্বোক্ত কথাটি)।

আর প্রসিদ্ধ হলো এটি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িবের উক্তি, যা আব্দুর রাজ্জাক এবং ইবনে আবি শাইবা বর্ণনা করেছেন।

 

১৪৯১ - (যদি আমাকে পায়ের নলার দাওয়াত দেওয়া হতো তবে আমি কবুল করতাম, আর যদি আমাকে বাহুর গোশত উপহার দেওয়া হতো তবে আমি গ্রহণ করতাম)।

(বুখারি) আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে এবং অন্য এক বর্ণনায় আছে: "যদি আমাকে বাহুর গোশত কিংবা পায়ের নলার দাওয়াত দেওয়া হতো তবে আমি কবুল করতাম এবং যদি আমাকে বাহুর গোশত বা পায়ের নলা উপহার দেওয়া হতো তবে আমি গ্রহণ করতাম।"

(আহমাদ, তিরমিযি, ইবনে হিব্বান) আনাস থেকে বর্ণিত: "যদি আমাকে পায়ের নলা উপহার দেওয়া হতো তবে আমি গ্রহণ করতাম এবং যদি তার জন্য দাওয়াত দেওয়া হতো তবে আমি কবুল করতাম।"

 

১৪৯২ - (যদি ফাতিমাও চুরি করত, তবে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম)।

ইবনে আবি শাইবা আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোনো একটি বিষয়ে সুপারিশ করা হলে তিনি বললেন: "যদি (ফাতিমা) হতো...
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৬০)
فاطمة ابنة محمد لأقمت عليها الحد".

وله (ما، ط حا) عن محمد بن طلحة بن ركانة عن أمه عائشة بنت مسعود بن الأسود عن أبيها مسعود قال: "لما سرقت المرأة تلك القطيفة من بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أعظم ذلك وكانت المرأة من قريش فجئنا إلى النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم تكلمه وقلنا نحن نفديها بأربعين أوقية، قال: تطهر خير لها، فلما سمعنا لين قول رسول الله صلى الله عليه وسلم أتينا أسامة فقلنا كلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى رسول الله ذلك قام خطيبًا فقال: ما أكثاركم عليّ في حد من حدود الله وقع على أمة من إماء الله والذي نفسي بيده، لو كانت فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم نزلت بالذي نزلت به لقطع محمد يدها".

 

‌‌1493 - ث (لو صدق السائل ما أفلح من رده).

(عق) في (الضعفاء) وابن عبد البر في (التمهيد) عن عائشة: "لولا أن السؤال يكذبون ما أفلح من ردهم".

وأخرجه (فض) بلفظ ما قدس.

وعن (أ) وابن المديني: لا أصل له.

وأخرجه ابن عبد البر عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جده قال: وأسانيده ليست بالقوية.

(عق) عن ابن عمرو وقال: لا يصح في هذا الباب شيء.

وعند (ط) بسند ضعيف عن أبي أمامة: "لولا أن المساكين يكذبون ما أفلح من ردهم".

 

‌‌1494 - و (لو عاش إبراهيم لكان نبيًا).

أنكره ابن عبد البر، والنووي، وقال ابن حجر: إن إنكاره عجيب مع وروده عن ثلاثة من الصحابة يعني ابن عباس قال بسند من النَّبِيّ صلى الله تعالى عليه وسلم قال: "إن له مرضعًا في الجنة ولو عاش لكان صديقًا نبيًا ولو عاش لأعتقت أخواله من القبط وما استرق قبطي".
...ফাতেমা বিনতে মুহাম্মাদও হতো, তবে অবশ্যই আমি তার ওপর দণ্ডবিধি কার্যকর করতাম।"

এবং তাঁর নিকট (মা, ত হা) মুহাম্মাদ বিন তালহা বিন রুকানা থেকে, তিনি তাঁর মা আয়িশা বিনতে মাসউদ বিন আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "যখন সেই মহিলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘর থেকে মখমলের সেই চাদরটি চুরি করল, তখন বিষয়টি খুব গুরুতর হয়ে দাঁড়ালো। মহিলাটি ছিল কুরাইশ বংশের। আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর সাথে কথা বলতে আসলাম এবং বললাম, আমরা তার পরিবর্তে চল্লিশ উকিয়া মুক্তিপণ দেব। তিনি বললেন: 'তার পবিত্র হওয়া (দণ্ড কার্যকর হওয়া) তার জন্য উত্তম।' যখন আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথার কোমলতা শুনলাম, তখন আমরা উসামার নিকট গিয়ে বললাম, আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কথা বলুন। যখন রাসুলুল্লাহ বিষয়টি দেখলেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: 'আল্লাহর দাসীদের মধ্য থেকে একজনের ওপর পতিত আল্লাহর নির্ধারিত দণ্ডসমূহের একটি দণ্ডের বিষয়ে আমার কাছে তোমাদের এই সুপারিশের বাড়াবাড়ি কেন? সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যদি রাসুলুল্লাহর কন্যা ফাতেমাও এমন কাজ করত যা সে করেছে, তবে মুহাম্মাদ অবশ্যই তার হাত কেটে ফেলত।'"

 

‌‌১৪৯৩ - (যদি যাচনাকারী সত্যবাদী হতো, তবে যে তাকে ফিরিয়ে দিল সে সফল হতো না)।

(উকাইলি) 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থে এবং ইবনে আবদিল বার 'আত-তামহিদ' গ্রন্থে আয়িশা থেকে বর্ণনা করেন: "যদি যাচনাকারীরা মিথ্যা না বলত, তবে যারা তাদের ফিরিয়ে দেয় তারা সফল হতো না।"

এবং (ফাদ) একে 'যা পবিত্র করা হয়নি' শব্দে বর্ণনা করেছেন।

এবং (আহমাদ) ও ইবনুল মাদিনি থেকে বর্ণিত: এর কোনো ভিত্তি নেই।

এবং ইবনে আবদিল বার একে জাফর বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এর সনদসমূহ শক্তিশালী নয়।

(উকাইলি) ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই অধ্যায়ে কোনো কিছুই বিশুদ্ধ নয়।

এবং (তাবারানি)-এর নিকট দুর্বল সনদে আবু উমামা থেকে বর্ণিত: "যদি মিসকিনরা মিথ্যা না বলত, তবে যারা তাদের ফিরিয়ে দেয় তারা সফল হতো না।"

 

‌‌১৪৯৪ - এবং (যদি ইবরাহিম বেঁচে থাকত, তবে সে নবী হতো)।

ইবনে আবদিল বার এবং নববী একে অস্বীকার করেছেন। ইবনে হাজার বলেন: তিনজন সাহাবী থেকে এটি বর্ণিত হওয়া সত্ত্বেও একে অস্বীকার করা বিস্ময়কর। অর্থাৎ ইবনে আব্বাস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি সনদে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "জান্নাতে তার জন্য একজন স্তন্যদানকারিণী রয়েছে; আর সে যদি বেঁচে থাকত তবে সে একজন সত্যনিষ্ঠ নবী হতো। যদি সে বেঁচে থাকত, তবে তার কিবতি মামারা দাসত্ব থেকে মুক্তি পেত এবং কোনো কিবতিকে দাসে পরিণত করা হতো না।"
(খণ্ড: ২) ইতকান মা ইয়াহসুনু মিনাল আখবারিদ দাইরাতি আলাল আলসুন (পৃষ্ঠা: ৪৬১)
وأخرجه (ما) وابن أبي أوفى.

قال إسماعيل بن أبي خالد قلت لعبد الله بن أبي أوفى: رأيت إبراهيم بن النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم قال: مات صغيرًا ولو قضى أن يكون بعد محمد نبي عاش ابنه إبراهيم ولكنه لا نبي بعده.

أخرجه (خ) ورواه (أ) عن إسماعيل قال: سمعت ابن أبي أوفى يقول: لو كان بعد النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم نبي ما مات ابنه.

وأنس قال: "كان إبراهيم قد ملأ المهد ولو بقى لكان نبيًا لكن لم يكن ليبقى فإن نبيكم آخر الأنبياء".

أخرجه إسماعيل السدي.

قلت: وأورده السيوطي في (الجامع الصغير) بلفظ: "لو عاش إبراهيم لكان صديقًا نبيًا".

وقال: أخرجه الباوردي عن أنس، وابن عساكر عن جابر، وعن ابن عباس، وعن ابن أبي أوفى.

قال السخاوي: وعزاه شيخنا - يعني ابن حجر - للبخاري من حديث البراء فينظر.

تنبيه: يلتحق بهذا ما عند ابن سعد عن مكحول مرسلًا: "لو عاش إبراهيم ما رق له خال".

(عم) عن جعفر بن محمد عن أبيه مرسلًا "لو عاش إبراهيم لوضعت الجزية عن كل قبطي".

وفيه إشارة إلى حق الخؤولة ورعاية الخواطر ولو من الأطفال.

 

‌‌1495 - ز (لو عرفتم الله حق معرفته لمشيتم على البحور ولزالت بدعائكم الجبال).
এবং এটি (মা) এবং ইবন আবি আউফা বর্ণনা করেছেন।

ইসমাইল ইবন আবি খালিদ বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন আবি আউফাকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পুত্র ইব্রাহিমকে দেখেছেন? তিনি বললেন: তিনি শৈশবে মারা গেছেন, আর যদি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে কোনো নবী হওয়ার ফয়সালা থাকত, তবে তাঁর পুত্র ইব্রাহিম বেঁচে থাকতেন; কিন্তু তাঁর পরে আর কোনো নবী নেই।

এটি (খ) বর্ণনা করেছেন এবং (আ) ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবন আবি আউফাকে বলতে শুনেছি: যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে কোনো নবী আসতেন, তবে তাঁর পুত্র মারা যেতেন না।

আনাস (রা.) বলেন: "ইব্রাহিম দোলনা পূর্ণ করেছিলেন, আর তিনি যদি বেঁচে থাকতেন তবে অবশ্যই নবী হতেন; কিন্তু তিনি বেঁচে থাকার জন্য ছিলেন না, কারণ তোমাদের নবী হলেন সর্বশেষ নবী।"

এটি ইসমাইল আস-সুদ্দি বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: সুয়ূতি এটি (আল-জামি আস-সগির)-এ এই শব্দে উল্লেখ করেছেন: "যদি ইব্রাহিম বেঁচে থাকতেন তবে তিনি অবশ্যই একজন সত্যনিষ্ঠ নবী হতেন।"

এবং তিনি বলেছেন: এটি আল-বাওয়ারদি আনাস থেকে, ইবন আসাকির জাবির থেকে, ইবন আব্বাস থেকে এবং ইবন আবি আউফা থেকে বর্ণনা করেছেন।

সাখাবি বলেন: আমাদের শায়খ—অর্থাৎ ইবন হাজার—এটি বারা (রা.)-এর হাদিস থেকে বুখারির দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, তাই এটি পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

সতর্কবার্তা: এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো যা ইবন সা'দ মাকহুল থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "যদি ইব্রাহিম বেঁচে থাকতেন, তবে তাঁর কোনো মামা দাসে পরিণত হতেন না।"

(আম্ম) জাফর ইবন মুহাম্মাদ থেকে তিনি তাঁর পিতা থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "যদি ইব্রাহিম বেঁচে থাকতেন, তবে প্রত্যেক কিবতির ওপর থেকে জিজিয়া তুলে নেওয়া হতো।"

এবং এতে মাতুল পক্ষের অধিকার রক্ষা এবং শিশুদের খাতিরে হলেও তাদের মনের সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখার ইঙ্গিত রয়েছে।

 

‌‌১৪৯৫ - য (যদি তোমরা আল্লাহকে তাঁর যথাযোগ্য পরিচয় অনুযায়ী চিনতে পারতে, তবে তোমরা সমুদ্রের উপর দিয়ে হাঁটতে পারতে এবং তোমাদের দোয়ার মাধ্যমে পাহাড়সমূহ অপসারিত হয়ে যেত)।