(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: -)
معجم أسر بريدة القسم: الأنساب
الكتاب: معجم أسر بريدة
المؤلف: محمد بن ناصر العبودي
الناشر: دار الثلوثية للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1431 هـ - 2010 م
عدد الأجزاء: 23
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 20 جُمادَى الآخرة 1440
বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান বিভাগ: বংশবিদ্যা
বই: বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান
লেখক: মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আবৌদি
প্রকাশক: দার আল-সালুসিয়্যাহ প্রকাশনা ও বিতরণ, রিয়াদ - সৌদি আরব রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২৩
আল-শামেলা-এর জন্য প্রস্তুত করেছে: রাবিতাতুন নুসসাখ, বাস্তবায়নে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (আবদুল্লাহ বিন তুর্কি আল-দাহইয়ান চ্যারিটেবল ওয়াকফ)
[বইয়ের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
আল-শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২০ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
مُعْجم أُسَر بُريْدة
تَأليف
مُحمَّد بن نَاصِر العُبودي
الجُزء الأول
بَاب الألف
বুরাইদার পরিবারসমূহের অভিধান
রচনায়
মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আবূদী
প্রথম খণ্ড
আলিফ অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
الناشر
دار الثلوثية للنشر والتوزيع
المملكة العربية السعودية - الرياض
تليفون: 4507832
فاكس: 464599
email: tholothia@gmail.com
প্রকাশক
দার আস-সুলুসিয়া প্রকাশনা ও বিতরণ
সৌদি আরব রাজ্য - রিয়াদ
টেলিফোন: ৪৫০৭৮৩২
ফ্যাক্স: ৪৬৪৫৯৯
ইমেইল: tholothia@gmail.com
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
مُعْجم أُسَر بُريْدَة
বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة الناشربسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام الأتمان الأكملان على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين .. أما بعد:
فإن دار الثلوثية يسعدها أن تزف إلى عموم القراء والباحثين هذا السفر الضخم الذي طال انتظاره من قبل أعداد لا حصر لها من الدارسين والمهتمين "معجم أسر بريدة" الذي يعد أكبر معاجم أسر القصيم التي عكف على تدوينها ودراستها والعناية بأوراقها ووثائقها العلامة الموسوعي صاحب المعالي الشيخ محمد بن ناصر العبودي - حفظه الله.
إنني أعتبر بحق هذا الكتاب من أبرز المشروعات العلمية الكبرى لشيخنا "حفظه الله"، التي بدأها شيخنا منذ سنوات عديدة، وما زال يضيف اللبنة إلى اللبنة حتى تكامل هذا الصرح الشامخ من الرصد والتوثيق والبحث عن المعلومات التي حفظتها صدور الرجال ومجالسهم ووثائقهم بعزيمة الباحث المتفرغ.
ولقد أجاب صاحب المعالي الشيخ في مقدمة هذا الكتاب عن سؤال طرح مرارًا، وهو سبب تأخر صدوره، فعزا ذلك إلى ظروفه العملية ورحلاته الخارجية وعدم تواصل بعض الأسر في المعلومات، إضافة إلى ضخامة العمل وسعته.
ومع هذا التأخر في الصدور، فإني أعده وقد طبع اليوم موسوعة علمية حوت استعراضًا دقيقًا لما يتمتع به صاحب المعالي الشيخ محمد بن ناصر العبودي من قدرات تاريخية وتحليلية نقدية، فقد نقل وناقش واعترض ووافق في مناظرات علمية جادة تتحرى الصواب، وتتلمس الحق والحقيقة.
প্রকাশকের ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সকল সাহাবীর ওপর সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গ সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। অতঃপর:
দার আস-সুলুসিয়্যাহ সাধারণ পাঠক ও গবেষকদের নিকট এই বিশাল গ্রন্থটি উপহার দিতে পেরে আনন্দিত, যার জন্য অগণিত শিক্ষার্থী ও আগ্রহী ব্যক্তি দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা করছিলেন। এটি হলো "মু’জামু উসারি বুরাইদাহ" (বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান), যা কাসিম অঞ্চলের পরিবারসমূহের বৃহত্তম অভিধান হিসেবে বিবেচিত। এনসাইক্লোপেডিক জ্ঞানসম্পন্ন বিজ্ঞ আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ বিন নাসের আল-উবুদি — আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন — এটি সংকলন, অধ্যয়ন এবং এর পত্র ও নথিপত্র সংরক্ষণে নিবিড়ভাবে আত্মনিয়োগ করেছেন।
আমি প্রকৃতপক্ষে এই বইটিকে আমাদের শাইখের (আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন) অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ বৈজ্ঞানিক প্রকল্প হিসেবে গণ্য করি, যা তিনি অনেক বছর আগে শুরু করেছিলেন। তিনি নিরলসভাবে ইটের পর ইট গেঁথে পর্যবেক্ষণ, নথিবদ্ধকরণ এবং তথ্যানুসন্ধানের মাধ্যমে এই সুউচ্চ ইমারতটি পূর্ণ করেছেন; যে তথ্যসমূহ একজন একনিষ্ঠ গবেষকের সংকল্পের মাধ্যমে মানুষের স্মৃতি, তাদের মজলিস এবং নথিপত্রে সংরক্ষিত ছিল।
সম্মানিত শাইখ এই গ্রন্থের ভূমিকায় বারবার উত্থাপিত একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, যা হলো এর প্রকাশে বিলম্বের কারণ। তিনি এর কারণ হিসেবে তাঁর কর্মব্যস্ততা, বৈদেশিক সফর এবং তথ্যের ক্ষেত্রে কিছু পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগের অভাবকে চিহ্নিত করেছেন, এর পাশাপাশি কাজের বিশালতা ও ব্যপ্তি তো ছিলই।
প্রকাশের এই বিলম্ব সত্ত্বেও, এটি আজ মুদ্রিত অবস্থায় একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ হিসেবে আমি বিবেচনা করি, যা শাইখ মুহাম্মাদ বিন নাসের আল-উবুদির ঐতিহাসিক ও বিশ্লেষণধর্মী সমালোচনামূলক যোগ্যতার একটি সূক্ষ্ম প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তিনি সত্য ও বাস্তবতার সন্ধানে এবং সঠিকতার অন্বেষণে বিভিন্ন গুরুগম্ভীর বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আলোচনা করেছেন, আপত্তি উত্থাপন করেছেন এবং একমত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
وأسلوبه في كتابه هذا - وفي غيره - أسلوب علمي راق بعيد عن الإسفاف والتجريح، يطارد المعلومة ويسائلها ويحلل أبعادها، ويحاور النص والوثيقة قدر ما يسعفه النظر والتأمل، حتى أصبح هذا الكتاب فتحًا علميًا في جانب غفل عنه كثير من الباحثين، وهو علم الوثائق وفن قراءتها وتحليلها، وطرائق الاستفادة منها، وذلك انطلاقا من أنها مصدر رئيس ومنهل عظيم الأهمية في التأريخ لهذه البلاد، وخاصة لمنطقة نجد، حيث تغيب المعلومة التاريخية، وتندر الكتابة التي يعتمد عليها المؤلف، فلا يغدو بين أيدي الباحثين إلا استثمار الوسائل الرديفة لتحقيق المعلومة، ومعرفة الأسماء والتواريخ والأحداث والأملاك والوصايا والآراء والمواقف، وهو ما تميز به المؤلف الشيخ محمد بن ناصر العبودي ورعاه، وهو ما يدعوني هنا إلى أن أتمنى عليه أن يفرد تجربته هذه مع الوثائق والمكاتبات والرسائل في كتاب يتأمل فيه هذا العلم، ويترك للباحثين سبيلًا لقراءة وثائق مناطقهم ومدنهم في المملكة وغيرها، كما أني أرشد الباحثين وطلاب الدراسات العليا إلى أن ينهلوا من هذا الكتاب بشكله العام، وأن يعطوا الوثيقة عناية خاصة، إذ إن المؤلف - أثابه الله - قد جمع ورصد وحلل ما لا يوجد في مصدر آخر بتاتًا، فهو الكنز الذي يكشف لأول مرة في تاريخنا المحلي، ومنه نستطيع أن نكتشف طبيعة النمو الحضاري والثقافي الذي شهدته هذه البلاد، حيث نجد في هذا المعجم ما يعطي الدرس الكبير في الاستئناس بنعمة الله الكبيرة على أجيالنا المعاصرة، ويدفعنا إلى شكر المنعم والثناء عليه بما هو أهله جل وعز.
كما يكشف لنا هذا المعجم ما تكتنزه ذاكرة مؤلفه القوية ومعلوماته الثرية بما يتصل بأسر هذه البلاد ورجالها ونسائها، ومواقفهم، وآثارهم العلمية،
এই গ্রন্থে এবং তাঁর অন্যান্য রচনায় তাঁর লিখনশৈলী অত্যন্ত উন্নত ও বৈজ্ঞানিক মানের, যা স্থূলতা ও মানহানি থেকে মুক্ত। তিনি তথ্যের অনুসন্ধান করেন, তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন এবং এর নানাবিধ দিক বিশ্লেষণ করেন। প্রজ্ঞা ও অনুধ্যান তাঁকে যতটুকু সহায়তা দেয়, তিনি ঠিক ততটুকুই পাঠ্য ও নথিপত্রের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যান। যার ফলে এই গ্রন্থটি এমন এক ক্ষেত্রে জ্ঞানতাত্ত্বিক সাফল্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছে যা অনেক গবেষকই এড়িয়ে গেছেন; আর তা হলো নথিপত্র বিজ্ঞান, তা পাঠ ও বিশ্লেষণের শিল্প এবং তা থেকে উপকৃত হওয়ার তরিকাসমূহ। এর ভিত্তি হলো এই যে, নথিপত্র এই ভূখণ্ডের—বিশেষ করে নজদ অঞ্চলের—ইতিহাস রচনার জন্য এক প্রধান উৎস এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আকর। কেননা এই অঞ্চলে ঐতিহাসিক তথ্যের অভাব রয়েছে এবং লেখকের জন্য নির্ভরযোগ্য লিখনীরও দুষ্প্রাপ্যতা বিদ্যমান। এমতাবস্থায় গবেষকদের নিকট তথ্য যাচাই এবং নাম, তারিখ, ঘটনাপ্রবাহ, সহায়-সম্পত্তি, অসিয়ত, অভিমত ও অবস্থানসমূহ নিশ্চিত করার জন্য আনুষঙ্গিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। এটিই সেই ক্ষেত্র যেখানে লেখক শায়খ মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আবূদী (আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন) অনন্য বৈশিষ্ট্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। আর এটিই আমাকে এখানে তাঁর নিকট এই আরজ করার সুযোগ করে দিয়েছে যে, তিনি যেন নথিপত্র, পত্রালাপ ও চিঠিপত্রের ওপর তাঁর এই অভিজ্ঞতাকে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থে তুলে ধরেন যেখানে তিনি এই শাস্ত্র নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করবেন এবং অন্য গবেষকদের জন্য এই রাজ্যের বা বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল ও শহরের নথিপত্র পাঠের পথ বাতলে দেবেন। পাশাপাশি আমি গবেষক ও উচ্চতর গবেষণারত শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দিচ্ছি যেন তারা সামগ্রিকভাবে এই গ্রন্থ থেকে ফায়দা হাসিল করেন এবং নথিপত্রের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হন। কেননা লেখক—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন—এমন কিছু তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেছেন যা অন্য কোনো উৎসে একেবারেই দুর্লভ; এটি এমন এক জ্ঞানভাণ্ডার যা আমাদের স্থানীয় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উন্মোচিত হলো। এর মাধ্যমেই আমরা এই ভূখণ্ডের সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশের স্বরূপ জানতে সক্ষম হই। কেননা এই অভিধানে এমন অনেক রসদ রয়েছে যা আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ওপর আল্লাহর মহান নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের ক্ষেত্রে বড় নসিহত হিসেবে কাজ করে এবং আমাদের নিয়ামতদাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তাঁর যথাযথ প্রশংসা করতে উদ্বুদ্ধ করে, যেমনটি তাঁর মর্যাদার জন্য শোভনীয়, তিনি মহান ও পরাক্রমশালী।
পাশাপাশি এই অভিধানটি আমাদের সামনে উন্মোচন করে এর লেখকের প্রখর স্মৃতিশক্তি ও তাঁর তথ্যের সেই সমৃদ্ধ ভাণ্ডারকে, যা এই ভূখণ্ডের বিভিন্ন পরিবার, ব্যক্তিবর্গ, তাদের অবস্থান এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
ورؤاهم في الحياة، ومواقفهم من الآخرين، وخاصة ما يتصل بتاريخ مدينة بريدة عاصمة القصيم.
وإذا كانت المعلومات الدقيقة الكثيرة الغزيرة التي جمعت في هذا الكتاب مهمة؛ فإن الأهم أيضًا هو ذلك المنهج والفتح المهم الذي درج عليه في إيراده للوثائق وشرحه لمدلولات ألفاظها وعباراتها وتجميع قصاصاتها المتمزقة والمتفرقة في جهد بحثي فريد.
وإذا كانت البهجة تطوق مباسم الكثيرين في خروج هذا المعجم الكبير إلى حيز الوجود؛ فإن الأمل أن يكون في إصداره تحفيز للهمم وشحذ العزائم في العناية بتلك المعلومات الرائدة في الكتاب وحملها على محامل حسنة بعيدًا عن الخوض في النيات وإثارة النعرات، وأن يعني الباحثون في استخراج دراسات جادة تتناول الجوانب الاقتصادية والاجتماعية والشرعية في تلك الوثائق المشتملة على مبايعات ومداينات ووصايا وأوقاف ومراسلات وإخوانيات.
كما أبان المؤلف في هذا السفر الكبير وبتفصيل دقيق وعناية تحقيقية فائقة الحراك العلمي والثقافي والفكري والأدبي الموجود في بريدة منذ مئات السنين واستعرض الكتب والمقالات وزف الشعر بشقيه الفصيح والعامي، ليعيش القارئ في هذه المجلدات الحافلة في حديقة غناء مملوءة بالمفيد والسديد.
لقد وقفت خلال السنوات الماضية وعن قرب شديد على الجهد العظيم والوقت الطويل الذي يقضيه شيخنا في قراءة الوثائق وتحليلها ومخاطبة الأسر ومهاتفتهم ومطالبته بتزويده بما لديهم من أوراق ووثائق.
وكنت ألحظ عليه مدى العناء والمشقة التي تحملها في سبيل إخراج هذا الكتاب إلى القراء في أبهى حلة وأجمل صورة ليفي بوعده لقرائه ومريديه ومحبيه،
এবং জীবনে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, অন্যদের প্রতি তাদের অবস্থান, বিশেষ করে কাসিমের রাজধানী বুরাইদাহ শহরের ইতিহাসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি।
যদিও এই বইটিতে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ সূক্ষ্ম তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তবুও অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই পদ্ধতি এবং গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন যা তিনি নথিগুলো উপস্থাপন, সেগুলোর শব্দ ও বাক্যাংশের অর্থ ব্যাখ্যা এবং একটি অনন্য গবেষণামূলক প্রচেষ্টায় ছিন্নভিন্ন ও বিক্ষিপ্ত টুকরোগুলো একত্রিত করার ক্ষেত্রে অনুসরণ করেছেন।
যদিও এই বিশাল অভিধানটির প্রকাশ অনেকের মুখে আনন্দের হাসি ফুটিয়েছে; তবে আশা করা যায় যে, এর প্রকাশনা হিম্মতকে অনুপ্রাণিত করবে এবং বইটিতে থাকা অগ্রগামী তথ্যগুলোর যত্ন নেওয়ার সংকল্পকে শাণিত করবে। সেইসাথে নিয়ত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা এবং দলাদলি উসকে দেওয়া থেকে দূরে থেকে একে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার প্রেরণা জোগাবে। আরও আশা যে, গবেষকরা এই নথিগুলো থেকে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং শরয়ী দিকগুলো নিয়ে গুরুত্ব সহকারে গবেষণাধর্মী কাজ সম্পন্ন করবেন, যে নথিগুলোতে ক্রয়-বিক্রয়, ঋণ আদান-প্রদান, অসিয়তনামা, ওয়াকফ, চিঠিপত্র এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিবরণ রয়েছে।
একইভাবে লেখক এই বিশাল গ্রন্থে অত্যন্ত সূক্ষ্ম বিবরণ এবং উচ্চতর গবেষণামূলক সতর্কতার সাথে শত শত বছর ধরে বুরাইদাহ শহরে বিদ্যমান জ্ঞানতাত্ত্বিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সাহিত্যিক কর্মকাণ্ড বর্ণনা করেছেন। তিনি বই এবং প্রবন্ধগুলো পর্যালোচনা করেছেন এবং উচ্চাঙ্গ ও লোকজ—উভয় ধারার কাব্যগাঁথা তুলে ধরেছেন, যাতে পাঠক এই সমৃদ্ধ খণ্ডগুলোতে উপকারী ও সঠিক তথ্যে পরিপূর্ণ এক সুশোভিত উদ্যানে বিচরণ করতে পারেন।
গত কয়েক বছর ধরে আমি অত্যন্ত কাছ থেকে আমাদের শাইখের সেই মহান প্রচেষ্টা এবং দীর্ঘ সময় প্রত্যক্ষ করেছি যা তিনি এই নথিগুলো পড়তে, বিশ্লেষণ করতে এবং বিভিন্ন পরিবারের সাথে যোগাযোগ ও ফোনালাপ করে তাদের কাছে থাকা কাগজপত্র ও নথিগুলো সরবরাহের অনুরোধ জানাতে ব্যয় করেছেন।
এই বইটি পাঠকদের কাছে আকর্ষণীয় ও সুন্দরতম অবয়বে প্রকাশ করার জন্য তিনি যে কতটা কষ্ট ও পরিশ্রম সহ্য করেছেন তা আমি লক্ষ্য করতাম, যাতে তিনি তার পাঠক, অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেন।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
ونحن نعلم أن هذا المعجم هو أحد فرائد الشيخ ومشاريعه الرئيسة في التأليف، ولذلك نجده يشير إليه في أوائل مؤلفاته، كمعجم بلاد القصيم الخاصة بجغرافيتها، وفي غيره من الكتب، وذلك يدل على الإيمان العظيم بهذه الرؤية في طريقة التأليف، خاصة إذا تذكرنا أن للشيخ للمؤلف منهجًا فريدًا في التأليف.
وإذا كان معدودًا من المكثرين في التأليف على مستوى العالم، فإني ألفت الأنظار هنا إلى أن الشيخ المؤلف له ريادات في التأليف، وله رؤي ومشاريع تخصه لا يشاركه فيها إلا القليل من الباحثين، وذلك كالتأليف في المعاجم البلدانية والجغرافية واللغوية وغيرها، بالإضافة إلى ما عرف واشتهر عنه من أنه الرحالة الذي طوف آفاق الأرض زيارة وكتابة عنها، وما زلت أتذكر الاحتفاء الكبير الذي يجده - حفظه الله - من كبار الباحثين على مستوى العالم من المهتمين بالرحلة بطريقته في التحقيق.
إنني على يقين تام أنني لن أستطيع تقديم تفصيل دقيق عن رحلة صاحب المعالي شيخنا محمد العبودي مع هذا المشروع العلمي الكبير التي تجاوزت سنين عديدة، إلا أنني أستطيع أن أؤكد وأجزم بأن هذا الكتاب أوسط العقد لمنطقة القصيم التي بدأها بالمعجم الجغرافي وجاء "معجم أسر بريدة"، الذي سيكون بداية التأليف في المعاجم الخاصة بنواحي القصيم الأخرى.
كما يلحظ القارئ الأسلوب السهل الذي قدم به كتابه بعيدا عن الكلفة الأدبية واللغوية مركزًا على الغاية من هذا الكتاب وهو تاريخ الأسر ووثائقها، وهذا يتسم مع الهدف العام للكتاب، وهو تقديمه لجمهور القراء والباحثين على اختلاف مستوياتهم، فهو كتاب يرصد ثقافة الناس ومعارفهم، وحين خلت الساحة من هذا المشروع الضخم فترة طويلة، وجب أن يأتي على هذه الشاكلة في قربه من
আমরা জানি যে, এই অভিধানটি শাইখের অন্যতম অনন্য কাজ এবং রচনার ক্ষেত্রে তাঁর প্রধান প্রকল্পগুলোর একটি। এই কারণেই আমরা তাঁকে তাঁর প্রাথমিক রচনাগুলোতে এর প্রতি ইঙ্গিত করতে দেখি, যেমন কাসিম অঞ্চলের ভৌগোলিক অভিধান এবং অন্যান্য গ্রন্থে। এটি রচনার পদ্ধতির ক্ষেত্রে এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি গভীর বিশ্বাসের প্রমাণ দেয়, বিশেষ করে যখন আমরা মনে রাখি যে, গ্রন্থকার শাইখের রচনার ক্ষেত্রে একটি অনন্য পদ্ধতি রয়েছে।
যদিও তাঁকে বিশ্বপর্যায়ে সর্বাধিক রচনাকারীদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়, তবুও আমি এখানে এই বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, গ্রন্থকার শাইখের রচনার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে এবং তাঁর এমন কিছু দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রকল্প রয়েছে যাতে খুব কম সংখ্যক গবেষকই তাঁর অংশীদার। যেমন দেশভিত্তিক, ভৌগোলিক, ভাষাগত এবং অন্যান্য অভিধান রচনা। এর পাশাপাশি তিনি এমন একজন পর্যটক হিসেবে পরিচিত ও বিখ্যাত যিনি পৃথিবীর দিগন্তসমূহ ভ্রমণ করেছেন এবং সে সম্পর্কে লিখেছেন। আমার আজও মনে পড়ে বিশ্বপর্যায়ের বড় বড় গবেষক যারা ভ্রমণবৃত্তান্ত নিয়ে কাজ করেন, তাদের কাছ থেকে তিনি (আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন) তাঁর গবেষণার পদ্ধতির জন্য যে বিপুল সংবর্ধনা লাভ করেছিলেন।
আমি পূর্ণ নিশ্চিত যে, এই বিশাল বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের সাথে আমাদের শাইখ মহামান্য মুহাম্মাদ আল-আবুদীর বহু বছরের দীর্ঘ সফরের নিখুঁত বিবরণ আমি প্রদান করতে পারব না। তবে আমি এটি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই গ্রন্থটি কাসিম অঞ্চলের জন্য মধ্যমণি স্বরূপ, যা তিনি ভৌগোলিক অভিধান দিয়ে শুরু করেছিলেন এবং এরপর এসেছে "মু'জামু আসারি বুরাইদাহ" (বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান), যা কাসিমের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য বিশেষ অভিধান রচনার সূচনা হবে।
পাঠক আরও লক্ষ্য করবেন যে, তিনি তাঁর গ্রন্থটি সাহিত্যিক ও ভাষাগত কৃত্রিমতা বর্জন করে অত্যন্ত সহজ শৈলীতে উপস্থাপন করেছেন। তিনি এই গ্রন্থের মূল লক্ষ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, যা হলো পরিবারসমূহের ইতিহাস ও তাদের নথিপত্র। এটি গ্রন্থের সাধারণ উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা হলো বিভিন্ন স্তরের সাধারণ পাঠক ও গবেষকদের সামনে এটি উপস্থাপন করা। এটি এমন এক গ্রন্থ যা মানুষের সংস্কৃতি ও জ্ঞানকে পর্যবেক্ষণ করে। যখন দীর্ঘকাল ধরে এই বিশাল প্রকল্পের ক্ষেত্রটি শূন্য ছিল, তখন এটি মানুষের নিকটবর্তী হওয়ার এই ধরণেই আসা অনিবার্য ছিল।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
الناس، ومداخلته لهمومهم وأفكارهم، مما يحقق مجالا واسعا ليستفيد منه الجميع، وليفتح للباحثين مجالات رحبة من التأليف والتحليل والقراءة والرصد.
كما يتضح في المعجم مهارات الشيخ وقدراته العالية في معرفة الأشخاص والأعيان والأعلام والرجال والنساء، بل أفرد أبوابًا خاصة عن كثير من النساء البارزات ووصاياهن ووثائقهن في بادرة جديدة للمرأة تحسب للمؤلف الشيخ محمد العبودي، وهو مجال ضخم يستطيع الجاد من الباحثين أن يتابع ما رصده الشيخ ليكون كتابًا ضخمًا في هذا الباب، فضلًا لمن أراد أن يزداد في القراءة وجمع المثيل إلى مثيله.
بل يستخلص القاري القدرة العلمية التي وهبها الله للشيخ في التمييز بين الأسر المتشابهة والأسماء المتطابقة وفرز ذلك في مواقعه ورسومه في الكتاب.
وختامًا فإن العلامة العبودي "متعه الله بالصحة والعافية" يقدم رمزًا واضحًا للعالم الموسوعي، وسيجد القارئ في الكتاب لمسات لغوية وأخرى أدبية ولمحات تاريخية وفكرية تبين بجلاء ووضوح المواهب والقدرات والإمكانات التي وهبها الله للشيخ محمد العبودي، حتى عُدَّ بلا جدل من أبرز المؤلفين العرب والمسلمين وحقق أرقامًا قياسية في عدد المؤلفات وتنوعها وتميزها، وقد نفد عدد كبير منها، وما زالت الطلبات تترى عليه، وعلينا في الدار بطباعة عدد كبير منها، وما زال الشيخ يعد بكتب أخرى عكف عليها السنين الطوال، وهو ما يدفعنا لتقديمه أنموذجًا جادا للمؤلف الجاد صاحب المشروع العلمي المتميز الذي ظل طوال مراحل حياته العلمية والعملية وهو يتابعه ويتعهده.
ويبقى جهده في هذا المعجم معروضًا أمام الباحثين والدارسين والمهتمين والراصدين ليكون في متناولهم للبحث وإبداء وجهات النظر، ويبقى أن مثل هذا
মানুষের প্রতি এবং তাদের উদ্বেগ ও চিন্তাভাবনার প্রতি তার সম্পৃক্ততা, যা সকলের উপকৃত হওয়ার জন্য একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র তৈরি করে এবং গবেষকদের জন্য রচনা, বিশ্লেষণ, পাঠ ও পর্যবেক্ষণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
তেমনিভাবে এই অভিধানে শাইখের উচ্চতর দক্ষতা এবং ব্যক্তি, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, প্রথিতযশা পুরুষ ও নারীদের চেনার ক্ষেত্রে তার সক্ষমতা ফুটে উঠেছে। এমনকি তিনি অনেক বিশিষ্ট নারী, তাদের উপদেশাবলী এবং দলিলপত্রের জন্য বিশেষ পরিচ্ছেদ উৎসর্গ করেছেন, যা লেখক শাইখ মুহাম্মদ আল-আবুদির পক্ষ থেকে নারীদের জন্য একটি নতুন পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য। এটি একটি বিশাল ক্ষেত্র যেখানে আগ্রহী গবেষকগণ শাইখের পর্যবেক্ষণগুলো অনুসরণ করে এই বিষয়ে একটি বৃহৎ গ্রন্থ রচনা করতে পারেন; তদুপরি যারা আরও পাঠ করতে এবং সমজাতীয় বিষয়গুলো একত্র করতে চান তাদের জন্যও এটি সহায়ক।
অধিকন্তু, পাঠক শাইখকে আল্লাহ প্রদত্ত সেই ইলমি সক্ষমতা উপলব্ধি করতে পারবেন যার মাধ্যমে তিনি সদৃশ পরিবার এবং অভিন্ন নামগুলোর মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং বইটিতে সেগুলোকে তাদের নিজ নিজ স্থানে ও বর্ণনায় বিন্যস্ত করেছেন।
পরিশেষে, আল্লামা আল-আবুদি (আল্লাহ তাকে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন) একজন বিশ্বকোষীয় বিদ্ধানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন। পাঠক এই বইটিতে ভাষাগত ও সাহিত্যিক ছোঁয়া এবং ঐতিহাসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিফলন খুঁজে পাবেন, যা শাইখ মুহাম্মদ আল-আবুদিকে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিভা, সক্ষমতা ও সম্ভাবনাগুলোকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এমনকি তিনি বিনাতর্কে আরব ও মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে গণ্য হয়েছেন এবং গ্রন্থের সংখ্যা, বৈচিত্র্য ও শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছেন। তার অনেক গ্রন্থই ফুরিয়ে গেছে এবং সেগুলোর চাহিদা এখনও অব্যাহত রয়েছে। প্রকাশনী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সেগুলোর বড় একটি অংশ পুনর্মুদ্রণ করা। শাইখ এখনও অন্যান্য বইয়ের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যেগুলোর পেছনে তিনি দীর্ঘ বছর ব্যয় করেছেন। এটিই আমাদের তাকে একজন একনিষ্ঠ লেখকের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপনে উদ্বুদ্ধ করে, যিনি এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের অধিকারী এবং স্বীয় ইলমি ও কর্মজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে একে লালন ও পরিচর্যা করে চলেছেন।
এই অভিধানে তার পরিশ্রম গবেষক, শিক্ষার্থী, আগ্রহী ব্যক্তি এবং পর্যবেক্ষকদের সামনে উপস্থাপন করা হলো যাতে তারা গবেষণা করতে পারেন এবং তাদের মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। এমতাবস্থায় যে—
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
المشروع بتنوع موضوعاته وتفرده في بابه واختلاف وجهات النظر فيه سيكون من الكتب الخالدة بإذن الله، وسيحفظ التاريخ لمؤلفه هذا الجهد الكبير الذي خدم به أمته ووطنه ومنطقته ومشايخه وتاريخهم وثقافتهم، ولاشك أنه سيشغل كثيرين ممن سيتابعون ويطالعون هذا المعجم، وسيجدون العلم الكبير والتحليل النادر، وقد يجدون ما يختلفون معه، وهذه طبيعة المشاريع العلمية الكبيرة التي تحتمل وجهات النظر المتعددة.
وسنكون سعداء في دار الثلوثية إن شاء الله في هذا الحراك العلمي الذي يقوده شيخنا "حفظه الله".
أسأل الله أن يبارك في عمر شيخنا وأن يمده بعون منه وتوفيق ليكمل بقية معاجم أسر القصيم ومشاريعه العلمية الأخرى التي قضى جزءًا كبيرًا من عمره ووقته في تدوينها وأمل تحقيقها ليتلقاها محبوه والعارفون بعلمه وفضله.
كتبه
محمد بن عبدالله المشوح
এই প্রকল্পটি এর বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, নিজ ক্ষেত্রে এর অনন্যতা এবং এতে বিদ্যমান বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে আল্লাহর ইচ্ছায় একটি কালজয়ী গ্রন্থে পরিণত হবে। ইতিহাস তার লেখকের এই মহান প্রচেষ্টাকে স্মরণ রাখবে যার মাধ্যমে তিনি তার উম্মত, স্বদেশ, অঞ্চল, মাশায়েখগণ এবং তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সেবা করেছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যারা এই অভিধানটি পর্যবেক্ষণ ও অধ্যয়ন করবেন এটি তাদের অনেকেরই মনোযোগ আকর্ষণ করবে। তারা এতে অগাধ জ্ঞান ও বিরল বিশ্লেষণ খুঁজে পাবেন। আবার তারা এমন কিছু বিষয়ও পেতে পারেন যেগুলোর সাথে তারা দ্বিমত পোষণ করবেন, আর এটিই বড় বড় জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য যা একাধিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করার অবকাশ রাখে।
আর আমাদের শায়খ (আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন) যে জ্ঞানতাত্ত্বিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাতে ইনশাআল্লাহ আমরা দারুত সুলুসিয়্যাহ-তে অত্যন্ত আনন্দিত হবো।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের শায়খের জীবনে বরকত দান করেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে সাহায্য ও তাওফীক দিয়ে তাঁকে ধন্য করেন, যেন তিনি কাসিমের পরিবারসমূহের অবশিষ্ট অভিধানমালা এবং তাঁর অন্যান্য জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করতে পারেন। তিনি তাঁর জীবনের এবং সময়ের এক বড় অংশ এগুলোর সংকলন ও তা বাস্তবায়নের আশায় ব্যয় করেছেন, যাতে তাঁর গুণগ্রাহী এবং তাঁর জ্ঞান ও মর্যাদা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিবর্গ তা গ্রহণ করতে পারেন।
এটি লিখেছেন
মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-মাশূহ
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: -)
معجم أسر بريدة القسم: الأنساب
الكتاب: معجم أسر بريدة
المؤلف: محمد بن ناصر العبودي
الناشر: دار الثلوثية للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1431 هـ - 2010 م
عدد الأجزاء: 23
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 20 جُمادَى الآخرة 1440
বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান
লেখক: মুহাম্মদ বিন নাসের আল-আবউদি
প্রকাশক: দার আল-সুলুসিয়্যাহ প্রকাশনা ও বিতরণ، রিয়াদ - সৌদি আরব রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২৩
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ، বাস্তবায়নে (মারকাজ আন-নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ), এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (আবদুল্লাহ বিন তুর্কি আল-দাহইয়ান চ্যারিটেবল এন্ডাউমেন্ট)
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২০ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
مُعْجم أسَر بريْدَة
تَأليف
مُحمَّد بن نَاصِر العُبودي
الجزء الأول
بَاب الألف
বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধান
রচনায়
মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আবূদী
প্রথম খণ্ড
আলিফ অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
الناشر
دار الثلوثية للنشر والتوزيع
المملكة العربية السعودية - الرياض
تليفون: 4507832
فاكس: 4645999
email: tholothia@gmail.com
প্রকাশক
দার আস-সুলুসিয়াহ প্রকাশনা ও বিতরণ
সৌদি আরব রাজ্য - রিয়াদ
টেলিফোন: 4507832
ফ্যাক্স: 4645999
ইমেইল: tholothia@gmail.com
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدمة المؤلف
গ্রন্থকারের ভূমিকা
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة معجم أسر القصيم:الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على رسوله محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
أما بعد:
فهذا كتاب يتضمن الحديث عن الأسر التي تسكن في منطقة القصيم في هذا العهد.
كانت الفكرة الأولى لتأليفه قد انبعثت من تأليف كتابي: (معجم بلاد القصيم) الذي طبع في ستة مجلدات.
فكنت قد أزمعت أن أتكلم على كبار الأسر التي تقطن في البلد الذي أتكلم عليه من بلدان القصيم في المعجم غير أن معجم بلدان القصيم قد بلغ حجمًا جعله لا يقبل الزيادة، إذ ما عسى أن يكون حجم كتاب في ستة مجلدات، إذا أضيف إليه كتاب في مثل حجمه، أو فيما يقارب ذلك؟
إضافة إلى أن الحديث عن الأسر وأنسابها وأصولها وفروعها، وتراجم الشخصيات التي تستحق الترجمة منها، مما يقتضي تحقيقه والتحقق من ذلك وقتًا طويلًا قد يؤخر إصدار معجم بلاد القصيم.
لذلك رأيت تجريد معجم البلدان من هذا الموضوع وتخصيص كتاب آخر لما يتعلق بالأسر وهو هذا، وأسميته: (معجم أسر أهل القصيم).
قد يقول قائل، أو يتساءل متسائل: ماذا يستطيع مؤلف أن يقدمه في هذا الموضوع الذي لا يوجد فيه مرجع مكتوب لا من كتاب مخطوط ولا مطبوع إلَّا نتفًا هي إلى الإخلال والغموض أقرب منها إلى الاستيعاب والوضوح؟
কাসিমের পরিবারসমূহের অভিধানের ভূমিকা:সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর।
অতঃপর:
এটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে বর্তমান যুগে কাসিম অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
এটি রচনার প্রাথমিক চিন্তাটি আমার ‘মুজাম বিলাদ আল-কাসিম’ (কাসিম অঞ্চলের অভিধান) গ্রন্থটি রচনার সময় উদ্ভূত হয়েছিল, যা ছয় খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে।
আমি সংকল্প করেছিলাম যে, অভিধানে কাসিমের যে জনপদ সম্পর্কে আলোচনা করব সেখানে বসবাসকারী প্রধান পরিবারগুলো নিয়ে কথা বলব। কিন্তু ‘মুজাম বিলাদ আল-কাসিম’-এর কলেবর এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা আর কোনো সংযোজন গ্রহণ করার অবকাশ রাখেনি; কেননা ছয় খণ্ডের একটি গ্রন্থের সাথে যদি সমপরিমাণ বা তার কাছাকাছি আকারের আরেকটি গ্রন্থ যুক্ত করা হয়, তবে তার আকার কী দাঁড়াবে?
তদুপরি, পরিবারসমূহ এবং তাদের বংশতালিকা, মূল ও শাখা এবং জীবনী লাভের যোগ্য ব্যক্তিদের জীবনী নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে যে পরিমাণ যাচাই-বাছাই ও নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, তার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন যা ‘মুজাম বিলাদ আল-কাসিম’ প্রকাশের কাজকে বিলম্বিত করতে পারে।
তাই আমি ভৌগোলিক অভিধান থেকে এই বিষয়টি বাদ দিয়ে পরিবার সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য একটি পৃথক গ্রন্থ উৎসর্গ করা সমীচীন মনে করেছি এবং এটিই সেই গ্রন্থ, যার নাম দিয়েছি: ‘মুজাম আসার আহলি আল-কাসিম’ (কাসিমবাসীদের পরিবারসমূহের অভিধান)।
কেউ বলতে পারেন বা কোনো প্রশ্নকারী প্রশ্ন করতে পারেন: এমন একটি বিষয়ে একজন লেখক কী-ই বা পেশ করতে পারেন যাতে কোনো লিখিত তথ্যসূত্র নেই—না কোনো পাণ্ডুলিপি, আর না কোনো মুদ্রিত বই, কেবল বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য ছাড়া যা পূর্ণাঙ্গতা ও স্পষ্টতার তুলনায় বরং ত্রুটিপূর্ণ ও অস্পষ্টতারই অধিক নিকটবর্তী?
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
لاسيما في منطقة مثل منطقتنا كان أكثر العلماء فيها يرون الاشتغال بالتاريخ والشعر والأدب الذي لا يتصل بسبب وثيق بأمور الدين حسب تقديرهم من لغو القول، بل من حشوه الذي يشغل عن العلم الصحيح علم أصول الدين وفروعه، وبعضهم يكره الكلام فيه لأنه يتصل بالحديث عن أحوال الناس التي يفهم منها هو أنها من أعراضهم المنهي عن الكلام فيها.
ثم إنَّ هناك شيئًا مهما آخر وهو أن أكثر الناس من العامة إذا طلب المرء منهم أن يحدثوه عما يتصل بأسرهم أو أخبارهم نظروا إليه شزرًا، وربما ظن بعضهم به شرًّا، إذ يسأل الواحد منهم نفسه عما يكون وراء ذلك السؤال، فإذا لم يرد سائله بصريح المقال فإنه قد يقول له بلسان الحال: مالك ولهذه الأمور التي هي من شأننا وحدنا؟ ونحن مثلما أننا لا نهتم بأمور الناس فإن الناس لا يهتمون بأمورنا.
وقد يقول قولًا آخر: وهو ماذا يستفيد الناس من هذا الأمر؟ وما الذي يفيدنا نحن منه؟ وقد يقول ما هو أبعد من ذلك: ماذا عسى أن يكون مراد هذا السائل؟ ألا يخشى أن يتخذ ما يعرفه من أمورنا سلمًا للقدح فينا؟
وتلك قولة قالها أو قال أختًا لها أخ له من قبل، عندما أقدمت على البدء في تأليف كتاب "معجم بلاد القصيم" فكان جوابي عليه في ذلك الحين: إننا إذا كتبنا شيئًا من لا شيء كان ذلك خيرًا من أن نضيف لا شيء إلى لا شيء، إذا كان السلب يصح أن يكون إضافة.
أما بعد أن خرج كتاب (معجم بلاد القصيم) إلى حيز الوجود، فإنني لا أحتاج إلى أن أجيبه بغير أن أقدم له نسخة منه وأدعه يحكم عليه بنفسه.
واليوم أجدني في مقام أنا أحوج فيه إلى أن أمرر ذلك على مسامعه أو مسامع أخيه في القول فأقول: إننا إذا كتبنا شيئًا في معجم الأسر فإنه خير من
বিশেষ করে আমাদের অঞ্চলের মতো একটি অঞ্চলে, যেখানে অধিকাংশ আলেম মনে করতেন যে ইতিহাস, কবিতা ও সাহিত্য—যা তাদের বিবেচনায় দ্বীনি বিষয়াবলির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত নয়—সেগুলো অনর্থক কথাবার্তার অন্তর্ভুক্ত; বরং তা এমন এক অসার বিষয় যা প্রকৃত জ্ঞান অর্থাৎ উসুলুদ্দীন (দীনের মূলনীতি) ও ফুরু' (শাখা-প্রশাখা) থেকে বিমুখ করে রাখে। আবার তাদের কেউ কেউ এ বিষয়ে আলোচনা করা অপছন্দ করতেন, কারণ এটি মানুষের এমন সব অবস্থা বর্ণনা করার সাথে সংশ্লিষ্ট যা তাদের দৃষ্টিতে মানুষের সম্মান বা গোপনীয়তার অন্তর্ভুক্ত, যে বিষয়ে কথা বলা নিষিদ্ধ।
অতঃপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, আর তা হলো—সাধারণ মানুষের অধিকাংশের কাছে যখন কেউ তাদের পরিবার বা সংবাদ সম্পর্কে জানতে চায়, তখন তারা তার দিকে আড়চোখে তাকায়; এমনকি কেউ কেউ তার সম্পর্কে মন্দ ধারণাও পোষণ করে। কারণ, তাদের প্রত্যেকেই নিজের মনে প্রশ্ন করে যে, এই জিজ্ঞাসার পেছনে কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? যদি সে জিজ্ঞাসাকারীকে সরাসরি ভাষায় উত্তর না-ও দেয়, তবে তার মৌন ভাষা যেন তাকে বলে ওঠে: 'আমাদের একান্ত নিজস্ব বিষয়াবলি নিয়ে তোমার কী কাজ? আমরা যেমন মানুষের বিষয়ে মাথা ঘামাই না, তেমনি মানুষেরও আমাদের বিষয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই।'
অথবা সে হয়তো ভিন্ন কথা বলতে পারে: 'এই বিষয়টি থেকে মানুষের কী উপকার হবে? আর এতে আমাদেরই বা কী লাভ?' এমনকি সে এর চেয়েও গভীর কিছু বলতে পারে: 'এই প্রশ্নকারীর উদ্দেশ্য কী হতে পারে? সে কি ভয় পায় না যে, আমাদের সম্পর্কে যা কিছু সে জানতে পারবে তা আমাদের নিন্দা করার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করবে?'
এটি এমন একটি কথা যা ইতিপূর্বে তার এক ভাই বলেছিলেন অথবা তার অনুরূপ কিছু বলেছিলেন, যখন আমি "মু'জাম বিলাদিল কাসিম" (কাসিম অঞ্চলের অভিধান) গ্রন্থটি রচনার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তখন তার প্রতি আমার উত্তর ছিল: 'যদি আমরা শূন্য থেকে কিছু একটা লিখি, তবে তা শূন্যের সাথে শূন্য যোগ করার চেয়ে উত্তম হবে, যদি অভাবকে সংযোজন হিসেবে গণ্য করা সঠিক হয়।'
তবে "মু'জাম বিলাদিল কাসিম" গ্রন্থটি আলোর মুখ দেখার পর, তাকে অন্য কোনো উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন আমার নেই; বরং তাকে এক কপি বই উপহার দেওয়াই যথেষ্ট এবং তাকেই এর ওপর বিচার করার ভার ছেড়ে দিচ্ছি।
আর আজ আমি নিজেকে এমন এক অবস্থানে পাচ্ছি যেখানে তার কানে অথবা তার মতো অন্য কারো কানে এই কথাটি পুনরায় পৌঁছে দেওয়া অধিক প্রয়োজন মনে করছি। তাই আমি বলছি: যদি আমরা বংশ-পরিচয়ের অভিধান (মু'জামুল আসার) সম্পর্কে কিছু লিখি, তবে তা এর চেয়ে উত্তম হবে যে...
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
لا شيء، أما إذا وفقنا إلى أن نكتب شيئا له قيمته، فإن ذلك هو ما نصبو إليه، وأما بلوغ الغاية في التأليف، فإنني لا أصبو إليه في مبدأ التأليف، وخاصة إذا كان الموضوع غير مطروق والكتاب بكرًا في بابه.
فلبنة أو لبنات تضعها أنت تكون صالحة لأن يأتي بعدك غيرك فيضع فوقها لبنات أخرى، ويأتي آخر فيضيف إلى تلك اللبنات غيرها مثلها، حتى يكتمل بناء الصرح المطلوب من المعلومات، تعتبر إسهامًا منك في بناء هذا الصرح
هذا هو ما حفزني على الإقدام على التأليف في هذا الموضوع لاسيما بعد أن ذكرت ذلك لقراء "معجم بلاد القصيم"، فأصبح بمثابة الوعد اللازم الإنجاز أو الدَّين الواجب الوفاء.
وحتى لو لم يكن ذلك كذلك فإنه لمن ضريبة الكتابة على من يجدون في أنفسهم الأهلية للكتابة أن يسهموا بأقلامهم في حفظ معلومات على وشك أن تضيع، بل هو في الحقيقة إنقاذ لها من التلاشي، وذلك بأن جيلنا الذي عاصر عهدًا مضى، ولحق بعهد حاضر ورأى الفرق بين العهدين يكاد يكون في بعض الميادين الفرق بين النقيضين لهو جدير بأن يكون تسجيله لها أدق، ورأيه في الفرق بينهما أصوب.
وقد حرصت على تسجيل الآثار الشعرية للمترجمين في هذا الكتاب، وإن كان بعضها ليس من الجودة بالمكان الذي أراه.
ذلك بأنني هنا مسجل ولست منتقيًا، فتسجيل الأشعار هنا مثل تسجيل الأخبار، التي قد يوافق المرء على ما سجله منها، وربما لا يوافق، ولكنه يسجلها من باب العلم بها، والإطلاع على مدلولاتها، وبغية أن يجد من يأتي بعده يريد أن يبحث فيها وفي دلالاتها بعض ما يبغي ويريد.
কিছুই নয়; তবে যদি আমরা মূল্যবান কোনো কিছু লিখতে সক্ষম হই, তবে সেটিই আমাদের লক্ষ্য। আর গ্রন্থ রচনার চরম শিখরে পৌঁছানো—এটা অন্তত রচনার শুরুতে আমার কাম্য নয়, বিশেষ করে যদি বিষয়টি ইতিপূর্বে আলোচিত না হয়ে থাকে এবং গ্রন্থটি তার নিজ অঙ্গনে সম্পূর্ণ নতুন হয়।
সুতরাং আপনার স্থাপিত একটি বা একাধিক ইট যদি এমন হয়, যা আপনার উত্তরসূরিদের জন্য তার ওপর আরও ইট স্থাপনের উপযোগী হয়, এবং অন্য কেউ এসে সেই ইটের ওপর আরও অনুরূপ ইট সংযোজন করে, এভাবে তথ্যসমৃদ্ধ কাঙ্ক্ষিত সুউচ্চ প্রাসাদটি যখন পূর্ণতা পায়, তখন তাকে উক্ত প্রাসাদ নির্মাণে আপনার পক্ষ থেকে একটি অবদান হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই বিষয়টিই আমাকে অত্র বিষয়ে লেখনী ধারণে উৎসাহিত করেছে, বিশেষ করে যখন আমি 'মুজামু বিলাদিল কাসিম'-এর পাঠকদের কাছে এ বিষয়ে উল্লেখ করেছিলাম; ফলে এটি একটি পালনীয় অঙ্গীকার কিংবা পরিশোধযোগ্য ঋণের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমনকি বিষয়টি যদি এমন নাও হতো, তবুও যারা নিজেদের মধ্যে রচনার যোগ্যতা অনুভব করেন, তাদের জন্য এটি একটি লেখনী-শুল্ক স্বরূপ যে, তারা যেন বিলুপ্তপ্রায় তথ্যসমূহ সংরক্ষণে নিজেদের কলমের মাধ্যমে অবদান রাখেন। বরং এটি মূলত তথ্যসমূহকে বিলীন হয়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার করারই নামান্তর। কেননা আমাদের এই প্রজন্ম, যারা অতীতকাল প্রত্যক্ষ করেছে এবং বর্তমান সময়কেও পেয়েছে, এবং উভয় সময়ের ব্যবধানকে তারা কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রায় বিপরীতধর্মী হিসেবে দেখেছে—সেই প্রজন্মের পক্ষ থেকে তথ্যসমূহ লিপিবদ্ধ করা অধিকতর নির্ভুল এবং উভয় কালের পার্থক্যের বিষয়ে তাদের অভিমত অধিকতর সঠিক হওয়া সমীচীন।
অত্র গ্রন্থে যাদের জীবনী বিধৃত হয়েছে, আমি তাদের কাব্যিক নিদর্শনসমূহ লিপিবদ্ধ করার ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছি, যদিও সেগুলোর কিছু অংশ আমার দৃষ্টিতে আশানুরূপ মানসম্পন্ন নয়।
তার কারণ হলো—আমি এখানে একজন সংকলক মাত্র, নির্বাচক নই। এখানে কবিতা লিপিবদ্ধ করা সংবাদ বা বিবরণ লিপিবদ্ধ করার মতোই; যার কোনোটির সাথে কোনো ব্যক্তি একমত হতে পারেন, আবার কোনোটির সাথে নাও হতে পারেন। তবে তিনি তা লিপিবদ্ধ করেন কেবল তা জানার জন্য, তার মর্মার্থ সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য এবং এই আশায় যে—পরবর্তীতে কেউ যদি এগুলো এবং এগুলোর তাৎপর্য নিয়ে গবেষণা করতে চায়, তবে যেন সে তার কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পায়।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
وذلك على أية حال ربما يوضح العقلية التي كانت سائدة عندنا في تلك الأخبار أو من يقبلونها ويروجونها.
ونظرًا إلى أن الأمية كانت فاشية خلال أكثر العصور التي نسجل فيها حيوات أهل القصيم أو بعض تلك العصور فإن من الطبيعي أن تكون الأشعار العامية أغلب عند أهلها من الأشعار الفصيحة، وذلك لأن الشعر فيض الشعور واللغة أداة التعبير عنه، واللغة العامية هي التي لا يحسن أكثرهم غيرها، ولا يملكون من زمام القول وتصريفه إلَّا ما كان منها.
أما اللغة الفصحى فهم لا يفهمونها حق الفهم، أو لا يعلمون مجازاتها ومناحي القول فيها حق العلم، ولو علموا ذلك وأتقنوه لما استطاعوا أن يتيقنوا أنهم إذا قالوا ما كانوا يريدون أن يقولوه باللغة الفصحى يكون مفهومًا للعامة حق الفهم، ومعلومًا لديهم كل العلم.
فلا يكون أمامهم - والحالة هذه - سواء أكان ذلك عن روية وتفكير أو عفو الخاطر من دون تدبير أو تقدير، إلَّا نظم الشعر باللغة العامية.
والشعر كما هو ديوان العرب في الفصحى يسجلون فيه مفاخرهم ومثالب أعدائهم ومخالفيهم، فإن الشعر العامي مثل ذلك تمامًا عند من يفهمه حق الفهم، ويهضمه فكره كل الهضم.
وهو أدل على ما ذكرناه وعلى غيره مما يدل عليه الشعر بأية لغة من اللغات من الشعر الفصيح الذي لا يأتي عفو الخاطر، ولا يولد ابنًا للسليقة، وإنما يتعلمه ناطقه تعلمًا، وقد ينظمه تكلفًا.
لذلك كان تسجيل الشعر العامي وهو الشعر الوحيد لدى أكثرهم أمرًا لازمًا لمن يريد أن يسجل الحركة العقلية لدى الذين يترجم لهم من العوام وأشباه العوام.
যা হোক, এটি সম্ভবত সেই মানসিকতাকে স্পষ্ট করে যা আমাদের নিকট প্রচলিত সেই সংবাদগুলোর ক্ষেত্রে অথবা যারা সেগুলো গ্রহণ ও প্রচার করে তাদের মধ্যে বিদ্যমান ছিল।
যেহেতু আমরা কাসিমের অধিবাসীদের জীবনবৃত্তান্ত যে সময়কালের লিপিবদ্ধ করছি তার অধিকাংশ সময়ে বা সেই যুগের কোনো কোনো অংশে নিরক্ষরতা ব্যাপক ছিল, তাই এটি স্বাভাবিক যে তাদের নিকট প্রমিত কবিতার চেয়ে কথ্য ভাষার কবিতা অধিক প্রচলিত হবে। কারণ কবিতা হলো অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত প্রবাহ এবং ভাষা হলো তা প্রকাশের মাধ্যম। আর অধিকাংশ মানুষ কথ্য ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় পারদর্শী ছিল না এবং কথা বলার ও তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ভাষা ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
পক্ষান্তরে প্রমিত ভাষা তারা সঠিকভাবে বুঝত না, অথবা এর রূপক ও বাচনভঙ্গির দিকগুলো সম্পর্কে তাদের সঠিক জ্ঞান ছিল না। যদি তারা তা জানত এবং তাতে দক্ষ হতো, তবুও তারা এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারত না যে, তারা যা বলতে চায় তা যদি প্রমিত ভাষায় বলে তবে তা সাধারণ মানুষের নিকট সঠিকভাবে বোধগম্য এবং পুরোপুরি সুস্পষ্ট হবে কি না।
এমতাবস্থায়—তা চিন্তা-ভাবনা করে হোক অথবা কোনো পূর্বপরিকল্পনা ও হিসাব ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে হোক—তাদের সামনে কথ্য ভাষায় কবিতা রচনা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।
প্রমিত কবিতা যেমন আরবদের ইতিহাসের দর্পণ (দিওয়ান), যাতে তারা তাদের গৌরবগাথা এবং শত্রুদের ও বিরোধীদের দোষত্রুটি লিপিবদ্ধ করে, কথ্য ভাষার কবিতাও ঠিক তেমনটিই তাদের নিকট যারা এটি সঠিকভাবে বোঝে এবং যাদের চিন্তাশক্তি এটি পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারে।
আমরা যা উল্লেখ করেছি এবং কবিতা যেকোনো ভাষায় যা কিছু প্রকাশ করে থাকে, তার ওপর এই কথ্য কবিতা প্রমিত কবিতার চেয়ে অধিক জোরালো প্রমাণবাহী। কারণ প্রমিত কবিতা সর্বদা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসে না এবং তা সহজাত প্রবৃত্তির ফসলও নয়; বরং এর বক্তা এটি শিক্ষার মাধ্যমে অর্জন করে এবং কখনো কখনো তা কৃত্রিমভাবে বা আয়াসসাধ্যভাবে রচনা করে।
এই কারণেই কথ্য ভাষার কবিতা লিপিবদ্ধ করা—যা তাদের অধিকাংশের নিকট একমাত্র কাব্যধারা হিসেবে বিদ্যমান—অপরিহার্য হয়ে পড়েছে তার জন্য, যে সেই সাধারণ মানুষ ও সাধারণদের মতো ব্যক্তিদের চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিবর্তন লিপিবদ্ধ করতে চায় যাদের জীবনী সে রচনা করছে।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
على أن هذا لا يمنع من أنني أسجل الشعر الفصيح إذا وجد، حتى وإن لم يكن على المستوى الذي أعتقد أنه يجب أن يكون الشعر الجيد عليه.
فلو لم يكن في تسجيل مثل هذه الأشعار إلَّا بيان حالة الشعر في تلك الفترة على ألسنة أولئك القوم الذين أترجم لهم لكان ذلك مبررًا كافيًا.
على أن الذي أبعدت نفسي عنه، وأرجو أن أبرأها لدى القارئ منه هو أنني لا أستمع إلى القول فأتبع أسوأه، فلا أترك الجيد وأختار الردئ بل العكس هو الصحيح إلَّا عندما يكون شعر شاعر كله من النوع الذي أعتبره رديئًا فإنني أختار الرد على الأردأ مضطرًا.
أما ترتيب الأسر المتماثلة الأسماء فإنني لا اتبع فيه طريقة معينة، فليس التقديم بالأفضلية بالنسب أي لمجرد كون الأسرة محفوظة النسب إلى قبيلة عربية يثبت لها في حد ذاته وبدون أية مزية أخرى التقديم على غيرها في الذكر.
فإذا ذكرت - مثلًا - أسرة وتكلمت عليها ثم ذكرت بعدها أسرة أخرى تماثلها في التسمية - وقلت عنها: أسرة أخرى فإنه ليس معنى هذا أنها أقل قدرًا من الأولى عندي أو عند من نقلت عنه خبرها، وإنما ذلك يكون لأحد أمرين هما: كوني بدأت بكتابة الأسرة الأولى قبل كتابة الأسرة الثانية والثالثة، إن وجدت، أو لكون الأسرة الأولى أكبر شهرة، أو أكثر عددًا في الأفراد، وإنما قولي عن التي تليها أسرة أخرى فهو لبيان التمييز بين الأسرتين من ناحية، ولكي استغني عن ضبط هذا الاسم المماثل وتكرر شرح اشتقاقه من ناحية أخرى.
وكذلك ما يتعلق بالأسر الأخرى التي تكون من بلدين أو أكثر من بلدين ويجمع بينها اسم واحد، فإذا كانت هناك أسرة تسمى مثلًا (الغانم) في بلد أو قرية، وأخرى تسمى بالاسم نفسه في بريدة - مثلًا - وثالثة في قرية أخرى .. الخ، فإنني لا ألتزم بذكر التي من بريدة أولًا على اعتبار أن بريدة أكبر من
তা সত্ত্বেও, এটি আমাকে বিশুদ্ধ বা সাবলীল কবিতা—যদি তা পাওয়া যায়—লিপিবদ্ধ করা থেকে বিরত রাখে না; এমনকি যদি তা ওই মানের না-ও হয় যা আমার মতে একটি উত্তম কবিতার হওয়া উচিত ছিল।
এই ধরনের কবিতাগুলো লিপিবদ্ধ করার পেছনে যদি সেই সময়ের কবিতার অবস্থা বর্ণনা করা এবং যাদের জীবনী আমি রচনা করছি তাদের জবানীতে তা ব্যক্ত করা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য না-ও থাকে, তবে কেবল এই কারণটিই যথেষ্ট যৌক্তিকতা হিসেবে গণ্য হবে।
তবে আমি নিজেকে যা থেকে দূরে রেখেছি এবং যে বিষয়ে পাঠকের নিকট দায়মুক্ত থাকতে চাই তা হলো—আমি কোনো কথা শুনে তার নিকৃষ্টতম অংশটি অনুসরণ করি না। অর্থাৎ আমি উৎকৃষ্ট অংশটি বাদ দিয়ে নিম্নমানের অংশটি গ্রহণ করি না; বরং এর বিপরীতটিই সত্য। কেবল তখনই এর ব্যতিক্রম ঘটে যখন কোনো কবির সমগ্র কবিতাই এমন মানের হয় যা আমার দৃষ্টিতে নিম্নমানের; এমতামবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে নিকৃষ্টতমটির পরিবর্তে তুলনামূলক কম খারাপটি বেছে নিই।
সমজাতীয় নামবিশিষ্ট পরিবারগুলোর বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমি কোনো বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করিনি। বংশমর্যাদার ভিত্তিতে কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি; অর্থাৎ কোনো পরিবারের বংশলতিকা কোনো আরব গোত্র পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকলেই যে কোনো প্রকার অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ছাড়াই তারা কেবল এই কারণে অন্যদের তুলনায় আগে উল্লিখিত হওয়ার অধিকারী হবে, বিষয়টি তেমন নয়।
উদাহরণস্বরূপ, আমি যদি কোনো একটি পরিবারের কথা উল্লেখ করি এবং তাদের সম্পর্কে আলোচনার পর একই নামের অন্য একটি পরিবারের উল্লেখ করে বলি—"অন্য একটি পরিবার", তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমার কাছে অথবা যাদের কাছ থেকে আমি সংবাদ গ্রহণ করেছি তাদের কাছে তারা প্রথম পরিবারের তুলনায় কম মর্যাদাপূর্ণ। বরং এটি দুটি কারণে হতে পারে: প্রথমটি হলো, আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় পরিবারের (যদি থেকে থাকে) পূর্বে প্রথম পরিবারটির কথা লিখতে শুরু করেছি; দ্বিতীয়টি হলো, প্রথম পরিবারটি অধিক প্রসিদ্ধ অথবা তাদের সদস্য সংখ্যা অনেক বেশি। আর পরবর্তী পরিবারের ক্ষেত্রে "অন্য একটি পরিবার" কথাটি বলার উদ্দেশ্য হলো একদিকে দুই পরিবারের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা, আর অন্যদিকে একই নামের উচ্চারণ ও তার ব্যুৎপত্তিগত ব্যাখ্যার পুনরাবৃত্তি পরিহার করা।
অনুরূপভাবে, দুই বা ততোধিক শহরের এমন পরিবারগুলো যাদের নাম এক, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। যেমন যদি কোনো একটি শহর বা গ্রামে "আল-গানিম" নামক কোনো পরিবার থাকে এবং একই নামের অন্য একটি পরিবার—উদাহরণস্বরূপ—বুরাইদাহ শহরে থাকে এবং তৃতীয় আরেকটি পরিবার অন্য কোনো গ্রামে থাকে, তবে আমি কেবল বুরাইদাহ শহরটি বড় হওয়ার কারণে সেখানকার পরিবারটিকে প্রথমে উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা মেনে চলিনি...
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
غيرها في الوقت الحاضر أو لكونها قاعدة منطقة القصيم.
وذلك لأنني لا أقول بفضل أهل مدينة، أو قرية على أخرى في هذا الأمر، أو بأحقية قرية بالتقديم قبل القرى الأخرى، وإنما التقديم عندي يكون إما بالشهرة وكثرة الأفراد، أو محض مصادفة مبنية على كوني كتبت عن أسرة قبل أخرى بسب توفر المعلومات عنها عندي أكثر من التي تليها.
وهذا النوع من التأليف غير معروف في بلادنا.
ولذلك يمكن القول بأن هذا الكتاب هو الأول من نوعه في نجد، إن لم نقل في جزيرة العرب.
وحتى في البلدان العربية الأخرى خارج الجزيرة العربية، لم أقف على مثله في الطريقة والأسلوب وشموله لكافة الأسر التي تسكن في المنطقة.
وإنما كان المألوف هو التأليف في كتب الأنساب لذلك كان عدد من الناس يسألونني عنه قائلين:
ما فعل كتاب الأنساب؟
فأصحح كلامهم قائلًا لهم:
إنه ليس كتاب أنساب، وإنما هو كتاب في بيان الأسر القصيمية، وتسجيل الطائفة من المعلومات المتعلقة بها.
وما فيه من ذكر الأنساب إنما هو جزء من تلك المعلومات سبيله في الذكر سبيل المعلومات الأخرى.
وآخرون وبخاصة من طلبة العلم يسألونني على سبيل الرثاء والشفقة قائلين:
كيف تفعل بالأسر التي ليس لها أنساب عربية محفوظة؟
وكيف خلاصك من ذكر أسَر أنسابها ضائعة؟
বর্তমানে অন্যান্য জায়গা থেকে অথবা এটি কাসিম অঞ্চলের কেন্দ্র হওয়ার কারণে।
এর কারণ হলো, আমি এই বিষয়ে এক শহরের অধিবাসীদের ওপর অন্য শহরের বা এক গ্রামের ওপর অন্য গ্রামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করি না, কিংবা অন্য গ্রামগুলোর আগে কোনো বিশেষ গ্রামের অগ্রাধিকার থাকার কথা বলি না। বরং আমার কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়টি হয় প্রসিদ্ধি এবং লোকসংখ্যা আধিক্যের ভিত্তিতে, অথবা নিছক এমন এক আকস্মিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো একটি পরিবার সম্পর্কে আমার কাছে পরবর্তীটির তুলনায় অধিক তথ্য সংরক্ষিত থাকার কারণে আমি এক পরিবারের কথা অন্য পরিবারের আগে লিখেছি।
এবং এই ধরণের রচনা আমাদের দেশে সুপরিচিত নয়।
তাই বলা যেতে পারে যে, এই বইটি নজদ অঞ্চলে নিজ ধারায় প্রথম, এমনকি যদি আমরা সমগ্র আরব উপদ্বীপের কথা না-ও বলি।
এমনকি আরব উপদ্বীপের বাইরের অন্যান্য আরব দেশগুলোতেও আমি পদ্ধতি, রচনাশৈলী এবং এই অঞ্চলে বসবাসকারী সকল পরিবারের অন্তর্ভুক্তির দিক থেকে এর সদৃশ কোনো গ্রন্থের সন্ধান পাইনি।
তবে বংশতত্ত্বের বই রচনার বিষয়টিই ছিল প্রচলিত রীতি, তাই অনেক লোক আমাকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে বলতেন:
বংশতত্ত্বের বইটির খবর কী?
তখন আমি তাদের কথা সংশোধন করে বলতাম:
এটি বংশতত্ত্বের কোনো বই নয়, বরং এটি কাসিমের পরিবারসমূহের বর্ণনা এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ করার একটি গ্রন্থ।
আর এতে বংশতত্ত্বের যে উল্লেখ রয়েছে, তা মূলত ঐ তথ্যাবলিরই একটি অংশ; যা বর্ণনার ক্ষেত্রে অন্যান্য তথ্যের মতোই স্থান পেয়েছে।
আবার অন্যান্যরা, বিশেষ করে ইলম অন্বেষণকারীদের মধ্য থেকে কেউ কেউ সহমর্মিতা ও সমবেদনার স্বরে আমাকে জিজ্ঞেস করতেন:
আপনি সেই পরিবারগুলো সম্পর্কে কী করবেন যাদের সংরক্ষিত কোনো আরবীয় বংশতত্ত্ব নেই?
আর যাদের বংশপরিচয় হারিয়ে গেছে, সেই পরিবারগুলোর বর্ণনার ক্ষেত্রে আপনি কীভাবে পরিত্রাণ পাবেন?
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
وماذا تفعل لبني فلان الذي ينتسبون إلى بني فلان ويعرف ذوو النظر أن نسبتهم تلك غير صحيحة؟
حتى بالنسبة إلى الأسر المحفوظة الأنساب والتي لم يتكلم متكلم في أنسابها ولكن الأخبار المؤكدة والتفصيلات التي تبين أنسابهم غير معروفة لأنهم لم يكونوا يهتمون بذلك، لغلبة الأمية عليهم، أو لعدم وجود مؤرخ في منطقتهم وهو أمر كان هو الأصل الغالب في هذه المنطقة.
وبعضهم يسأل أسئلة كثيرة من هذا القبيل، أو ما كان قريبًا منه.
فأجيبهم: بأن هذا الكتاب ليس كتاب أنساب يركز بحثه على أنساب الناس وبخاصة من كانوا ذوي أنساب عربية محفوظة.
وإنما هو كتاب في أحوال الأسر القصيمية وذكر الأنساب فيها على اعتبار أنها من المعلومات عن تلك الأسر.
لذلك تجدني لا أجد صعوبة حينما أمر بذكر أسرة ليس لها نسب محفوظ إلى قبيلة عربية أو بذكر أسرة لها نسب معروف لغير العرب، أو بذكر أسرة تزعم لنفسها نسبًا في القبائل العربية والعارفون بالأمر لا يقرونها على ذلك.
فالأمر في هذا الموضوع مثل الأمور الأخرى المتعلقة بأحوال الأسر، ما وصل إليَّ منها أثبته، وما لم أعرفه ضربت صفحًا عنه.
إلَّا ما كان من قبيل المثالب والعيوب فإنني لا أتبعه ولو بلغني، فكتب المثالب والمعائب كانت موجودة في القديم، ونقل عنها المؤرخون والكاتبون في التراجم إبان ازدهار الحضارة العربية في العصر العباسي، ولكن لو كان لنا من الأمر شيء من تلك الأمور في سالف العصور لما تركناهم يكتبون مثل ذلك، لأنه تبين من الدراسة أن بعض المعائب والمثالب إنما هي تشنيع وتجريح ليس منه شيء صحيح، وحتى لو كان صحيحًا، فإن ذكر الصحيح من المزايا والمناقب يكفي عنه، وهو أصلح إلى أن يكون بديلًا منه.
আপনি অমুক বংশের লোকদের জন্য কী করবেন যারা অমুক বংশের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করে অথচ বিজ্ঞজনরা জানেন যে তাদের সেই বংশপরিচয় সঠিক নয়?
এমনকি সেই সমস্ত পরিবারের ক্ষেত্রেও যাদের বংশপরম্পরা সংরক্ষিত এবং যাদের বংশপরিচয় নিয়ে কেউ কখনও প্রশ্ন তোলেনি, কিন্তু তাদের বংশপরিচয় স্পষ্টকারী সুনিশ্চিত সংবাদ ও বিস্তারিত তথ্যাদি অজানা রয়ে গেছে। কারণ তারা এ বিষয়ে গুরুত্ব দিত না, হয়তো তাদের মধ্যে নিরক্ষরতা প্রবল থাকায় অথবা তাদের অঞ্চলে কোনো ঐতিহাসিকের অনুপস্থিতির কারণে—আর এই বিষয়টিই এই অঞ্চলে সাধারণভাবে প্রচলিত ছিল।
তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই ধরনের বা এর কাছাকাছি অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে থাকে।
আমি তাদের এই উত্তর দেই যে: এই গ্রন্থটি কোনো বংশপরিচয় বিষয়ক গ্রন্থ নয় যা মানুষের বংশপরম্পরা নিয়ে গবেষণায় মনোনিবেশ করে, বিশেষ করে যাদের সংরক্ষিত আরবীয় বংশধারা রয়েছে।
বরং এটি কাসিমের পরিবারগুলোর অবস্থা সম্পর্কিত একটি গ্রন্থ এবং এতে বংশপরিচয়ের উল্লেখ করা হয়েছে সেই পরিবারগুলোর তথ্যের অংশ হিসেবে গণ্য করে।
তাই আপনি আমাকে এমন কোনো পরিবারের কথা উল্লেখ করতে কোনো অসুবিধায় পড়তে দেখবেন না যাদের কোনো আরবীয় গোত্রের সাথে সংরক্ষিত বংশসূত্র নেই, অথবা এমন পরিবারের উল্লেখ করতে যাদের আরবেতর বংশসূত্র পরিচিত, কিংবা এমন পরিবারের উল্লেখ করতে যারা কোনো আরবীয় গোত্রের সাথে নিজেদের বংশীয় সম্পর্কের দাবি করে অথচ বিশেষজ্ঞরা তা স্বীকার করেন না।
সুতরাং এই বিষয়টি পরিবারগুলোর অবস্থার সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ের মতোই; যা কিছু আমার কাছে পৌঁছেছে তা আমি লিপিবদ্ধ করেছি, আর যা আমার জানা নেই তা আমি এড়িয়ে গেছি।
তবে দোষ-ত্রুটি এবং কলঙ্কজনক বিষয়ের ক্ষেত্রে আমি তা অনুসরণ করি না, যদিও তা আমার কাছে পৌঁছায়। কেননা অতীতে দোষ-ত্রুটি ও কলঙ্ক বিষয়ক গ্রন্থ বিদ্যমান ছিল এবং আব্বাসীয় যুগে আরব সভ্যতার চরম উন্নতির সময়ে ঐতিহাসিক ও জীবনীকারগণ তা থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। কিন্তু বিগত যুগগুলোতে এই বিষয়গুলোর ওপর যদি আমাদের কোনো কর্তৃত্ব থাকত, তবে আমরা তাদের এই ধরনের কথা লিখতে দিতাম না। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে, কিছু দোষ ও ত্রুটি কেবলই অপবাদ ও চরিত্র হনন মাত্র, যার কোনো সত্যতা নেই। আর যদি তা সত্যও হয়, তবে গুণাবলি ও প্রশংসনীয় কাজের সঠিক বর্ণনা তার জন্য যথেষ্ট এবং এটিই তার বিকল্প হওয়ার জন্য অধিকতর উপযুক্ত।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
وآخرون قالوا لي، ومنهم أناس من ذوي الأنساب المعروفة: لماذا تذكر الأنساب؟
وهل لها قيمة في هذا الزمان الذي يبتعد فيه الناس في بلادنا عن حياة البداوة إلى حياة التمدن؟ وقد أخذ التعليم ينتشر في الناس حتى في أوساط النساء.
فصار الأثر والأهمية فيه هو لجهود المرء الشخصية، وصارت المكانة في الوظائف والأعمال مبنية على الأهلية، وصار النسب - تبعًا لذلك - لا قيمة له، وأنت ترى الأنساب في مدن الحضارة الكبيرة لا أهمية لها، وقد تناساها الناس حتى نسوها.
فأجيبهم بأن ما ذكرتموه وحاولتم أن تجعلوه مانعًا لي من ذكر الأنساب في هذا الكتاب هو في الحقيقة مقتض وليس مانعًا، فلولا ما ذكرتموه من استهانة الناس بالأنساب في الوقت الحاضر؟ ومن أن الأنساب قد أصبحت ليست لها أهمية عند كثير منهم لما حرصت على ذكرها.
ذلك بأنها الآن تمر بمرحلة بين مرحلتين هما مرحلة الاهتمام بها لما لها من أثر على حياة الشخص ونسله، لأن أهل نجد وربما أهل البدو أو الحضر القريبين من البدو في العادات والأعراف كانوا إذا ضيم أحد منهم استنجد بجماعته ففزعوا له وفرجوا عنه كربته وأبعدوا عنه ضيمه.
وكان بعضهم إذا ركبه دين، أو تحمل حَمالة وجد في أبناء قبيلته من يشاركه ذلك الحمل.
والمرحلة الثانية التي لم يحن بعد وقتها آتية بدون شك ما لم تحدث أمور غير متوقعة قد تعود بالجزيرة العربية إلى سابق عهدها من شظف العيش والعزلة عن العالم الخارجي.
وتلك المرحلة هي مرحلة إهمال الأنساب بل الهزء والسخرية ممن يتمسك بها، إذ سيكون المجهود الشخصي وعلاقات الصداقة الفردية هي التي
আরও অনেকে আমাকে বলেছেন, যাদের মধ্যে সুপরিচিত বংশমর্যাদার অধিকারী ব্যক্তিরাও রয়েছেন: কেন আপনি বংশপরম্পরার উল্লেখ করছেন?
বর্তমান এই যুগে এর কি কোনো মূল্য আছে, যখন আমাদের দেশের মানুষ মরুবাসী যাযাবর জীবন থেকে বিচ্যুত হয়ে নাগরিক জীবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে? এমনকি জনসাধারণের মধ্যে শিক্ষার বিস্তার ঘটছে, এমনকি নারীদের মাঝেও।
ফলে প্রভাব ও গুরুত্ব এখন ব্যক্তির নিজস্ব প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, এবং কর্মসংস্থান ও কার্যাবলির ক্ষেত্রে সামাজিক অবস্থান এখন যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বংশপরিচয় —এরই অনুষঙ্গে— গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। বড় বড় আধুনিক শহরগুলোতে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, বংশমর্যাদার কোনো গুরুত্ব নেই এবং মানুষ এগুলোকে উপেক্ষা করতে করতে একপর্যায়ে ভুলেই গিয়েছে।
আমি তাদের উত্তরে বলি, আপনারা যা উল্লেখ করেছেন এবং যে বিষয়গুলোকে আমার এই গ্রন্থে বংশপরিচয় উল্লেখ করার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন, তা প্রকৃতপক্ষে একটি জোরালো দাবি, কোনো বাধা নয়। বর্তমান সময়ে মানুষের বংশমর্যাদাকে তুচ্ছজ্ঞান করা এবং অনেকের কাছে এর গুরুত্ব হারিয়ে ফেলার বিষয়টি যদি না থাকত, তবে আমি এগুলো উল্লেখ করার ব্যাপারে এতটা যত্নবান হতাম না।
কারণ বর্তমানে এটি এমন দুটি পর্যায়ের মধ্যবর্তী সময় অতিক্রম করছে, যার একটি হলো—বংশপরিচয়ের প্রতি গুরুত্ব প্রদানের পর্যায়; যেহেতু ব্যক্তির নিজের ও তার বংশধরদের জীবনে এর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। কেননা নজদবাসী এবং সম্ভবত মরুচারী বেদুইন অথবা রীতিনীতি ও প্রথার দিক থেকে বেদুইনদের নিকটবর্তী শহরবাসীদের অবস্থা এমন ছিল যে, যখন তাদের কেউ অন্যায়ের শিকার হতো, তখন সে তার স্বগোত্রীয়দের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করত; ফলে তারা দ্রুত তার সাহায্যে এগিয়ে আসত, তার বিপদ দূর করত এবং তার ওপর থেকে অবিচার প্রতিহত করত।
আবার তাদের মধ্যে কেউ ঋণে জর্জরিত হলে কিংবা কোনো আর্থিক দায়ভার বা জরিমানা বহনের ভার গ্রহণ করলে সে নিজ গোত্রের লোকদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পেত, যারা সেই বোঝা ভাগ করে নিত।
আর দ্বিতীয় পর্যায়টি, যার সময় এখনো উপস্থিত হয়নি, তা নিঃসন্দেহে আগত প্রায়—যদি না এমন কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে যা জাজিরাতুল আরবকে পুনরায় তার পূর্বের সেই জীবনক্লেশ ও বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
আর সেই পর্যায়টি হলো বংশমর্যাদাকে অবজ্ঞা করার পর্যায়; বরং যারা এটি আঁকড়ে ধরে থাকে তাদের নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করার পর্যায়। কেননা তখন ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা এবং ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলোই হবে এমন যা...
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
تحكم العلاقات بين الأشخاص.
وطبيعي أن هذا الكلام لا يعني إلغاء علاقة القربى وصلة الرحم، وإنما المراد منه أن العصبية القبلية وفائدة الصلة بالنسب ستنقطع.
وحينذاك تضيع تلك المعلومات المتعلقة بالأنساب وتنسى كما نسي جزء كبير من تراثنا الشعبي، ومعارفنا في الجزيرة العربية التي طمرها الجهل خلال قرون طويلة.
حتى أصبحنا مثلًا لا ندري شيئًا عن اللغة التي كان يتكلم بها أسلافنا في القرن السابع الهجري، وقد قيل لنا إنها عامية لأن العربية الفصحى قد دخلها اللحن منذ أواخر القرن الأول الهجري.
فإذا سلمنا بذلك فإننا نسأل عن اللغة العامية التي كان يتكلم بها سكان الجزيرة العربية في عدة قرون منها القرن السابع: أهي عاميتنا هذه؟ أم هي الفصيحة دخلها اللحن فقط، وأبقى الزمن على الطابع الفصيح فيها في متون الكلمات والتعبيرات اللغوية، وفي صياغة الجمل الكلامية؟
هذا مع الإشارة إلى أنه ثبت لنا من كلام بعض العلماء الثقات من اللغويين مثل أبي منصور الأزهري أن طائفة من الأعراب من بين تميم وغيرهم كانوا يتكلمون بالفصحى حسبما سمعهم ورآهم في أواخر القرن الثالث الهجري.
على أية حال فإن هذا استطراد ينبغي أن لا يشغلنا عن القول بأن الهدف من تأليف هذا الكتاب وما فيه من الأنساب والأشعار والحكايات إنما هو في المقام الأول حفظ طائفة من المعلومات المهمة من أدبنا وتاريخنا من الضياع، والقصد من وراء ذلك هو العلم والعلم وحده، وليس هو مدح قوم دون قوم، أو ذم قوم آخرين.
وليس هو أيضًا طلبًا لأي مغنم دنيوي أو دعوى للمؤلف، لأن المؤلف كتب هذا الكتاب بعد أن أتم ما طبع له من الكتب زيادة على مائة وخمسة وخمسين مجلدًا، ومنها شيء يتعلق بالقصيم نفسه، وهو (معجم بلاد القصيم).
এটি ব্যক্তিদের মধ্যকার সম্পর্ককে পরিচালনা করে।
স্বাভাবিকভাবেই এই কথার অর্থ আত্মীয়তার সম্পর্ক এবং রক্তীয় বন্ধন বিলুপ্ত করা নয়, বরং এর উদ্দেশ্য হলো গোত্রীয় গোঁড়ামি এবং বংশীয় সম্পর্কের সুফল ছিন্ন হয়ে যাবে।
আর তখন বংশপরম্পরা সংক্রান্ত সেই তথ্যাবলি হারিয়ে যাবে এবং বিস্মৃত হবে, যেমনটি আমাদের লোকজ ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ এবং আরব উপদ্বীপের আমাদের সেই জ্ঞানসমূহ বিস্মৃত হয়েছে যা দীর্ঘ শতাব্দী ধরে মূর্খতা ঢেকে রেখেছিল।
এমনকি উদাহরণস্বরূপ আমরা সপ্তম হিজরি শতাব্দীতে আমাদের পূর্বসূরিরা যে ভাষায় কথা বলতেন সে সম্পর্কে কিছুই জানি না; আমাদের বলা হয়েছে যে তা ছিল উপভাষা, কারণ প্রথম হিজরি শতাব্দীর শেষভাগ থেকেই বিশুদ্ধ আরবি ভাষায় ব্যাকরণগত বিচ্যুতি প্রবেশ করেছিল।
যদি আমরা এটি মেনে নেই, তবে আমরা আরব উপদ্বীপের বাসিন্দাদের কয়েক শতাব্দীর উপভাষা সম্পর্কে প্রশ্ন করি—যার মধ্যে সপ্তম শতাব্দীও অন্তর্ভুক্ত—যেটি কি আমাদের বর্তমানের এই উপভাষা? নাকি সেটি ছিল সেই বিশুদ্ধ ভাষা যাতে কেবল ব্যাকরণগত বিচ্যুতি প্রবেশ করেছিল, আর কালপ্রবাহ শব্দের মূল কাঠামোয়, ভাষাগত প্রকাশভঙ্গিতে এবং বাক্য গঠনে তার বিশুদ্ধ রূপটি ধরে রেখেছিল?
এই সাথে এটিও উল্লেখ্য যে, আবু মনসুর আল-আযহারীর মতো কতিপয় নির্ভরযোগ্য ভাষাবিদ আলেমদের বক্তব্য থেকে আমাদের কাছে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, বনু তামিমসহ অন্যান্য একদল বেদুইন তৃতীয় হিজরি শতাব্দীর শেষভাগেও বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলতেন, যেমনটি তিনি তাদের থেকে শুনেছিলেন এবং প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
যাই হোক, এটি একটি অবান্তর প্রসঙ্গের অবতারণা যা যেন আমাদের এ কথা বলা থেকে বিচ্যুত না করে যে, এই গ্রন্থ রচনার এবং এতে সন্নিবেশিত বংশতালিকা, কবিতা ও ঘটনাবলির মূল লক্ষ্য হলো আমাদের সাহিত্য ও ইতিহাসের একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা। এর পেছনের উদ্দেশ্য হলো জ্ঞান এবং কেবল জ্ঞান অর্জনই; এটি কোনো বিশেষ জনগোষ্ঠীর প্রশংসা কিংবা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীর নিন্দা করার জন্য নয়।
এটি পার্থিব কোনো স্বার্থসিদ্ধি বা লেখকের কোনো আত্মপ্রচারের জন্যও নয়; কেননা লেখক এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন তাঁর একশ পঞ্চান্ন খণ্ডেরও অধিক মুদ্রিত গ্রন্থাবলী সম্পন্ন করার পর, যার মধ্যে কাসিম অঞ্চল সম্পর্কিত একটি গ্রন্থও রয়েছে, আর সেটি হলো (মু’জাম বিলাদ আল-কাসিম)।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
بقيت كلمة في هذا الموضوع يحسن الهمس بها في آذان بعض إخواننا من بني جماعتنا أهل القصيم، وإن لم يكن الهمس بها فليكن الجهر والإعلان، وهي أن بعضهم ربما يصاب بخيبة أمل عندما يقرأ اسم أسرته أو الخبر عن آبائه وأجداده، فيجد ذلك مختصرًا مقتصرًا على ذكر الاسم واللقب، وشيء معهمًا لا يخرج عن ذلك كثيرًا، وكان يتوقع أن يسمع عن ذلك ما لم يكن سمع به هو ولا أقاربه الأدنون الذين يعرفهم ويستطيع أن يتحدث إليهم.
فيصم صاحب الكتاب بالقصور أو التقصير إن لم يتهمه بالتجني والقصد غير النزيه في عدم التبسط والتوسع في ذلك.
وإنني أقول له: مهلا يا صاحبي وينبغي أن تضع في ذهنك أن صاحب هذا الكتاب كالقانص الذي إذا دخل أرضًا ووجد فيها صيدا فإنه ينصب حبالته أو يرسل سهامه، أو لنقل بندقه - إن شئت - يحاول أن يصطاد وهو إذ يفعل ذلك قد يكون ذا حظ عظيم فيجد كثيرًا ويصطاد منه كثيرًا.
وقد يكون سيئ الحظ فلا يجد صيدًا أبدًا، وقد يكون الأمر بخلاف ذلك إذ يجد الصيد ولكنه لا يستطيع أن يصطاد منه.
والصيد هنا هو الأخبار المهمة عن الأسرة، وذكر رجالاتها، وبيان وفياتهم، فضلًا عن الكلام على حيواتهم، وما قالوه أو خلفوه من شعر أو نثر أو حتى طرفة أو حكاية.
ونضرب له مثلًا من نفسك، فأنت إذا كنت لا تعرف أنت ولا أقاربك الأدنون عن أسرتك وبني عمومتك، وربما بنوا آبائك شيئًا يشفي عليلك أو يروي غليلك من أخبار أهلك كيف تطلب من الكاتب أو من غيره أن يجد من ذلك ما تريده أنت؟ وقد تكون أنت تريد منه شططًا ولا تكتفي منه بما يكتفي به غيرك.
এই বিষয়ে একটি কথা অবশিষ্ট রয়েছে, যা আমাদের আল-কাসিম অঞ্চলের স্বজাতীয় কিছু ভাইয়ের কানে কানে নিভৃতে বলা সমীচীন হবে; আর যদি নিভৃতে বলা যথেষ্ট না হয়, তবে তা উচ্চকণ্ঠে প্রকাশ্যেই বলা উচিত। বিষয়টি হলো এই যে, তাদের কেউ কেউ হয়তো হতাশ হতে পারেন যখন তারা তাদের বংশের নাম অথবা তাদের পিতৃপুরুষ ও পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পাঠ করেন, এবং দেখেন যে তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং কেবল নাম ও উপাধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ, আর তার সাথে সামান্য কিছু তথ্য রয়েছে যা এর বাইরে বিশেষ কিছু নয়। অথচ তিনি প্রত্যাশা করেছিলেন যে, এমন কিছু শুনবেন যা তিনি নিজে অথবা তার নিকটাত্মীয়রা—যাদের তিনি চেনেন এবং যাদের সাথে কথা বলতে পারেন—কখনও শোনেননি।
ফলে তিনি গ্রন্থকারের ওপর অযোগ্যতা বা অবহেলার অপবাদ আরোপ করেন, যদি না তিনি তাকে এই বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা ও সম্প্রসারণ না করার কারণে পক্ষপাতদুষ্টতা ও অসৎ উদ্দেশ্যের দায়ে অভিযুক্ত করেন।
আমি তাকে বলব: হে আমার বন্ধু! একটু থামুন। আপনার মনে রাখা উচিত যে, এই গ্রন্থের রচয়িতা একজন শিকারির মতো, যিনি কোনো ভূমিতে প্রবেশ করে সেখানে শিকারের সন্ধান পেলে তার জাল পাতেন অথবা তীর নিক্ষেপ করেন, কিংবা—আপনি চাইলে বলতে পারেন—তার বন্দুক তাক করেন এবং শিকারের চেষ্টা করেন। এটি করার সময় তিনি হয়তো পরম সৌভাগ্যবান হতে পারেন, ফলে অনেক শিকার খুঁজে পান এবং প্রচুর শিকার করেন।
আবার কখনো তিনি দুর্ভাগ্যবানও হতে পারেন, ফলে কোনো শিকারই খুঁজে পান না। অথবা বিষয়টি এর বিপরীতও হতে পারে যে, তিনি শিকারের সন্ধান পান ঠিকই কিন্তু তা ধরতে সক্ষম হন না।
আর এখানে 'শিকার' হলো বংশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি, এর বরেণ্য ব্যক্তিদের উল্লেখ, তাদের মৃত্যুর বিবরণ, তাদের জীবনচরিত নিয়ে আলোচনা এবং তাদের রেখে যাওয়া কাব্য, গদ্য কিংবা কোনো কৌতুক বা উপাখ্যান।
আমি আপনার নিজের জীবন থেকেই একটি উদাহরণ দিচ্ছি; যদি আপনি নিজে এবং আপনার নিকটাত্মীয়রা আপনাদের বংশ, চাচাতো ভাই এবং সম্ভবত আপনার সহোদরদের সম্পর্কে এমন কোনো তথ্য না জানেন যা আপনার জ্ঞানপিপাসা নিবারণ করে কিংবা আপনার স্বজনদের সংবাদ জানার ব্যাকুলতা মেটায়, তবে আপনি কীভাবে লেখক বা অন্য কারো কাছ থেকে এমন তথ্য পাওয়ার আশা করেন যা আপনি নিজে চাইছেন? হতে পারে আপনি তার কাছে অসম্ভব কিছু দাবি করছেন এবং অন্যদের মতো অল্পে তুষ্ট হতে পারছেন না।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
مقدمة معجم أسر بريدة:لك الحمد اللهم على نعمك، ولك الشكر الجزيل المتجدد على ما أفضت علينا من كرمك، ومن ذلك أن وفقتنا للبدء بتقييد أشياء لم تكتب من قبل، فضلًا عن أن تكونُ سجلت أو وثقت من أخبار الأسر في مدينتنا: مدينة بريدة التي عهدناها من أول إدراكنا الأشياء في عام 1350 هـ، غير ما هي عليه الآن فهي في ذلك التاريخ أكبر مدن نجد على الإطلاق ولكنها في المساحة وعدد السكان لا تساوي ربع ما هي عليه الآن.
وكنت أتشوق منذ صباي إلى أخبار الأسر، وما يتعلق بذلك مما يؤثر عن الشخصيات المتميزة، بأقوال أو أفعال خارجة عن المعتاد المالوف عند سائر الناس إلى جانب طبيعة فضولية فيَّ وتقليد للأشياء مثل أن أكتب دفترًا صغيرًا أزعمه كتابًا من الكتب تقليدًا لما رأيته من الكتب، أو حتى لما سمعته عنها، ومن ذلك كتاب أسميته (أنيس الجليس، فيما تزول بذكره الهواجيس) قيدت فيه ما استطاع فكر صبي في التاسعة أو العاشرة من عمره أن يسجله، ولكن الله تعالى بارك فيه حتى أصبح كل باب من أبوابه أو أكثر أبوابه كتابًا حافلًا ومن ذلك (باب الأمثال العامية) فيه، صار كتابًا موسعًا طبع بعد ذلك في خمس مجلدات، وتلاه كتاب آخر أعمق منه بحوثًا، وأكثر أهمية هو (كتاب الأصول الفصيحة للأمثال الدارجة) الذي وقع في ثمانية مجلدات، كتبت على الناسوخ وصارت جاهزة للطبع على آلة الطباعة.
وباب (الكلمات العامية) في ذلك الكتاب الصبياني الصغير صار كتبًا أطول وسجلات أحفل منها كتاب (معجم الأصول الفصيحة للألفاظ الدارجة) الذي وقع في ثلاثة عشر مجلدا، و (معجم الألفاظ العامية) في 21 مجلدًا.
ولكن ما يتعلق بالأسر وأصولها وقف في مكانه حيث تركته، وذلك أني اجتهدت بعد البدء به في العمل على إكماله، وكان عملي آنذاك في الرياض، إذ
বুরাইদাহর পরিবারসমূহের অভিধানের ভূমিকা:হে আল্লাহ! আপনার নিআমতসমূহের জন্য সকল প্রশংসা আপনারই, আর আপনার পক্ষ থেকে আমাদের ওপর আপনার যে অনুগ্রহ বর্ষিত হয়েছে তার জন্য আপনার প্রতি নিরন্তর অশেষ কৃতজ্ঞতা। তার মধ্যে একটি হলো—আপনি আমাদের এমন কিছু বিষয় লিপিবদ্ধ করার তাওফিক দান করেছেন যা ইতিপূর্বে কখনো লেখা হয়নি; এমনকি আমাদের শহর বুরাইদাহর পরিবারসমূহের সংবাদসমূহ যা ইতিপূর্বে সংরক্ষিত বা দালিলিক রূপ দেওয়া হয়নি তাও এর অন্তর্ভুক্ত। ১৩৫০ হিজরি সনে আমাদের বোধশক্তি জাগ্রত হওয়ার শুরু থেকেই আমরা এই শহরকে যেমন দেখে আসছি, বর্তমানের বুরাইদাহ শহরটি তার চেয়ে অনেক ভিন্ন। সেই সময়ে এটি নজদ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর ছিল, কিন্তু আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে বর্তমানের চার ভাগের এক ভাগও ছিল না।
শৈশব থেকেই আমি পরিবারসমূহের সংবাদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাথে সংশ্লিষ্ট সেইসব বিষয় জানার প্রতি আগ্রহী ছিলাম, যা সাধারণ মানুষের অভ্যাস ও প্রথা বহির্ভূত কোনো কথা বা কাজের মাধ্যমে তাদের থেকে বর্ণিত হতো। এর পাশাপাশি আমার মধ্যে এক ধরনের সহজাত কৌতূহল ও অনুকরণ করার প্রবণতা ছিল। যেমন—আমি একটি ছোট খাতা লিখতাম এবং আমি যা বই হিসেবে দেখতাম বা শুনতাম তার অনুকরণে সেটাকে একটি কিতাব বলে দাবি করতাম। তারই অংশ হিসেবে আমি একটি বই লিখেছিলাম যার নামকরণ করেছিলাম 'আনিসুল জালিস, ফীমা তাজুলু বি-যিকরিহিল হাওয়াযিস' (সঙ্গীর বন্ধু, যার আলোচনায় দুশ্চিন্তা দূর হয়)। নয় বা দশ বছর বয়সের একজন বালকের চিন্তায় যা কিছু লিপিবদ্ধ করা সম্ভব ছিল আমি তাতে তা-ই লিখেছিলাম। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাতে এমন বরকত দান করেছেন যে, আজ তার প্রতিটি অধ্যায় বা অধিকাংশ অধ্যায় একেকটি বিশাল গ্রন্থে পরিণত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সেই খাতার 'প্রচলিত প্রবাদ বাক্যসমূহ' অধ্যায়টি একটি বিস্তারিত গ্রন্থে পরিণত হয়েছে যা পরবর্তীতে পাঁচ খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এরপর তার চেয়েও গভীরতর গবেষণাধর্মী ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি গ্রন্থ এসেছে যা হলো 'কিতাবুল উসুলিল ফাসিহাহ লিল আম্থালিল দারিজাহ' (প্রচলিত প্রবাদগুলোর বিশুদ্ধ ভাষাতাত্ত্বিক উৎস), যা আট খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। এটি হস্তলিখিত রূপ থেকে মুদ্রণযন্ত্রে মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
আর শৈশবের সেই ছোট বইটির 'আঞ্চলিক শব্দ' অধ্যায়টি আরও দীর্ঘতর গ্রন্থ এবং পূর্ণাঙ্গ সংকলনে রূপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে 'মু'জামুল উসুলিল ফাসিহাহ লিল আলফাজিদ দারিজাহ' (প্রচলিত শব্দাবলির বিশুদ্ধ ভাষাতাত্ত্বিক উৎসের অভিধান), যা ১৩ খণ্ডে রচিত এবং ২১ খণ্ডে সমাপ্ত 'মু'জামুল আলফাজিল আম্মিয়্যাহ' (আঞ্চলিক শব্দাবলির অভিধান)।
তবে পরিবারসমূহ এবং তাদের বংশমূল সম্পর্কিত বিষয়টি আমি যেখানে রেখেছিলাম সেখানেই থমকে ছিল। কেননা আমি এটি শুরু করার পর তা সম্পন্ন করার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলাম। সেই সময় আমার কর্মস্থল ছিল রিয়াদে, যখন...
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
كنت أشغل وظيفة (الأمين العام للدعوة الإسلامية، وأمين الهيئة العليا) وهي وظيفة حكومية في المرتبة الخامسة عشرة التي هي مرتبة وكيل وزارة، فكنت بعد أن انتهيت من كتاب (معجم بلاد القصيم) أجد مجالًا للذهاب إلى مدينة بريدة، وأجالس أهلها وأدون شيئًا أو أشياء من أخبار الأسر فيها، إلا أن عملي نقل إلى (رابطة العالم الإسلامي) في مكة المكرمة حيث عينت (أمينًا عامًا مساعدًا للرابطة) وهي وظيفة في المرتبة الممتازة التي هي رتبة نائب وزير.
وليس هذا بالمهم فيما نتحدث عنه، وإنما المهم أنني أبعدت حسًا ومعني عن منطقة البحث في الأسر القصيمية، فمن ناحية المسافة الحسية ذلك ظاهر أما المعنوية فإن عملي في رابطة العالم الإسلامي يتعلق بأحوال المسلمين أينما كانوا من وجه الأرض، ويتطلب مني ذلك أن أكون مطلعًا على أحوالهم، حتى أستطيع أن أقدر المساعدات المالية والثقافية التي تقدم من الرابطة إليهم، ويتطلب مني ذلك أيضًا في كثير من الأحيان أن أسافر إلى بلادهم، وأري مشروعاتهم الإسلامية، ومؤسساتهم الثقافية في أماكنها.
والمسلمون منتشرون في أنحاء العالم ولله الحمد، إذ قلما توجد دولة وربما ولاية من دولة في أية ناحية من نواحي العالم ليس فيها مسلمون، لذلك كثرت أسفاري إلى أنحاء العالم حتى شملت جميع أنحاء الأرض، بل حتى وصلت إلى أكثر الزوايا فيها، وكان من لطف الله تعالى بي أن سجلت مشاهداتي في أنحاء العالم في كتب عديدة بلغت 172 كتابًا، طبع منها حتى الآن مائة وتسعة عشر.
وهذا الأمر لم يتهيأ لأحد قبلي ممن كتبوا بالعربية حسبما علمته.
ونعود إلى الحديث عن (معجم الأسر) فأقول إنني بعدت بذلك - عن أسر القصيم، بل عن القصيم كله في تلك الفترة التي استمرت عشرين سنة، منذ
আমি 'ইসলামী দাওয়াতের সাধারণ সম্পাদক এবং উচ্চতর পরিষদের সম্পাদক' পদে কর্মরত ছিলাম, যা পঞ্চদশ গ্রেডের একটি সরকারি পদ এবং তা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব পদের সমতুল্য। আমি 'মু'জাম বিলাদ আল-কাসিম' (কাসিম অঞ্চলের অভিধান) বইটি সমাপ্ত করার পর বুরাইদাহ শহরে যাওয়ার সুযোগ পেতাম, সেখানে অধিবাসীদের সাথে বসতাম এবং সেখানকার পরিবারগুলোর খবরাখবর থেকে বিভিন্ন বিষয় লিখে নিতাম। তবে পরবর্তীতে আমার কর্মস্থল মক্কা মুকাররমায় 'রাবেতাতুল আলম আল-ইসলামী' (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ)-এ স্থানান্তরিত হয়, যেখানে আমাকে 'রাবেতার সহকারী সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এটি একটি বিশেষ মর্যাদার পদ, যা উপ-মন্ত্রী পদমর্যাদার সমতুল্য।
আমরা যে বিষয়ে আলোচনা করছি তাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই যে, আমি দৃশ্যত এবং ভাবগত উভয় দিক থেকেই কাসিমের পরিবারগুলোর ওপর গবেষণার ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। দৃশ্যত দূরত্বের বিষয়টি তো স্পষ্ট; আর ভাবগত দিকটি হলো, রাবেতাতুল আলম আল-ইসলামীতে আমার কাজ পৃথিবীর যেখানেই মুসলমানরা থাকুক না কেন তাদের অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। এর জন্য তাদের অবস্থা সম্পর্কে আমার পূর্ণ অবগত থাকা প্রয়োজন ছিল, যাতে রাবেতার পক্ষ থেকে তাদের যে আর্থিক ও সাংস্কৃতিক সহায়তা প্রদান করা হয়, তার পরিমাণ আমি নিরূপণ করতে পারি। এ কারণে অনেক সময় আমাকে তাদের দেশগুলোতে ভ্রমণ করতে হতো এবং তাদের ইসলামী প্রকল্প ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি পরিদর্শন করতে হতো।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, মুসলমানরা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে। বিশ্বের এমন কোনো রাষ্ট্র, এমনকি কোনো রাষ্ট্রের এমন কোনো প্রদেশ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যেখানে কোনো মুসলমান নেই। এ কারণে বিশ্বজুড়ে আমার ভ্রমণের পরিধি বৃদ্ধি পায়, যা পৃথিবীর প্রায় সমস্ত প্রান্তকে পরিবেষ্টন করে ফেলে এবং আমি এর অধিকাংশ নিভৃত কোণায় পৌঁছে যাই। এটি আমার প্রতি মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ছিল যে, আমি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমার প্রত্যক্ষ করা অভিজ্ঞতাগুলো অসংখ্য বইয়ে লিপিবদ্ধ করেছি, যার সংখ্যা ১৭২টি পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১১৯টি বই প্রকাশিত হয়েছে।
আমার জানামতে আরবি ভাষায় যারা লিখেছেন, তাদের মধ্যে আমার আগে এমন সুযোগ আর কারো হয়নি।
আমরা আবার 'মু'জাম আল-উসার' (পরিবারগুলোর অভিধান) প্রসঙ্গে ফিরে আসি। আমি বলছিলাম যে, এর মাধ্যমে আমি কাসিমের পরিবারগুলো থেকে, বরং পুরো কাসিম থেকেই সেই বিশ বছরের দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে সরে গিয়েছিলাম, যা শুরু হয়েছিল...
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
أن التحقت بالرابطة حسب أمر ملكي مباشر لي في 9 رمضان من عام 1403 هـ حتى كتابة هذه السطور في عام 1423 هـ.
ولذلك بقي ما يتعلق بالأسر قابعًا في مسودته، وأكثره مشتت المعلومات مقطع الأوصال، لا لأنني أردت أن يكون كذلك، ولكن لكونه كذلك، ولم أستطع أن ألم شعثه، وأجمع أوصاله في جسم كتاب واحد.
حتى صرت لا أذكر كتاب (معجم أسر القصيم) إلَّا إذا أثاره لديَّ مثير، أو طرح بعضهم سؤالًا علي عنه، وكثيرًا ما يطرح الصحفيون والعامة من الناس ذلك عليَّ فأعدهم أنني إذا قدر لي أن أتقاعد، كان أول ما أعتني به سيكون ذلك الكتاب بإذن الله.
ولكن الأيام تمضي ومراجعنا من الشيوخ الإخباريين يتلاشون، بل ينقرضون، وبذلك صار الجهل بما عليه الآباء والأجداد يزيد ويتسع، وهذا ما يفت في العضد من جهة، ولكنه يشحذ الهمة من جهة أخرى، أما الأول فإنه ظاهر، وأما الثاني فإنه يجعلني أتصور الناس بعد مائة سنة على سبيل المثال، فأجدهم فيما يتعلق بهذه الأمور لا يكادون يعرفون شيئًا أو لا يعرفون شيئًا أصلًا.
وقد شاهدت من ذلك طرفًا حينما يأتي إليَّ شبان يسألونني عن آبائهم أو أجدادهم، فأخبرهم بما أعرفه عنهم فأجدهم يتعجبون منه، وكأنما يستمعون إلى شخصيات تاريخية مع أن العهد قريب والزمن لم يبعد كثيرًا بآبائهم عنهم، ولكنه خفاء المعلومات، وعدم العناية من أهليهم بتسجيلها.
وهذا ما جعلني أحاول وأنا على وشك أن أختار التقاعد أن أستنقذ بعض المعلومات عن الأسر من الضياع، أو أتخذ مما سبق أن دونته عنها أساسًا لذلك، وقاعدة للكتابة عنها.
আমি ১৪০৩ হিজরির ৯ রমজানে আমার প্রতি সরাসরি জারিকৃত একটি রাজকীয় আদেশের ভিত্তিতে রাবেতায় (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ) যোগদান করি, যা ১৪২৩ হিজরিতে এই পংক্তিগুলো লেখা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
সেই কারণে পরিবার সম্পর্কিত পাণ্ডুলিপিটি খসড়া অবস্থাতেই রয়ে গিয়েছিল; যার অধিকাংশ তথ্যই ছিল বিক্ষিপ্ত এবং অসংলগ্ন। আমি যে এমনটি চেয়েছিলাম তা নয়, বরং পরিস্থিতিই ছিল এমন। আমি এর অগোছালো অংশগুলোকে গুছিয়ে নিতে এবং এর খণ্ডাংশগুলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের অবয়বে একত্রিত করতে সক্ষম হইনি।
এমনকি এক পর্যায়ে অবস্থা এমন হয়েছিল যে, যতক্ষণ না কেউ বিষয়টি আমাকে মনে করিয়ে দিত বা এ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করত, ততক্ষণ আমি ‘মু'জাম উসার আল-কাসিম’ বইটির কথা স্মরণও করতাম না। প্রায়শই সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ আমাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করতেন, আর আমি তাদের প্রতিশ্রুতি দিতাম যে, আল্লাহ যদি আমার ভাগ্যে অবসর গ্রহণ নির্ধারণ করে থাকেন, তবে ইনশাআল্লাহ আমি সর্বপ্রথম এই বইটির প্রতিই মনোযোগ নিবদ্ধ করব।
কিন্তু দিন অতিবাহিত হচ্ছে এবং ইতিহাস বর্ণনাকারী প্রবীণ শায়েখগণ—যারা আমাদের নির্ভরযোগ্য উৎস—তারা পরলোকগমন করছেন, বরং তারা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে আমাদের পূর্বপুরুষদের অবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিস্তৃত হচ্ছে। এটি একদিকে যেমন মনোবল ভেঙে দেয়, অন্যদিকে সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে। প্রথম বিষয়টি তো স্পষ্ট, আর দ্বিতীয় বিষয়টি আমাকে আজ থেকে একশ বছর পরের মানুষের কথা ভাবতে বাধ্য করে; আমি দেখতে পাই যে, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে তারা তখন প্রায় কিছুই জানবে না অথবা একেবারেই অজ্ঞাত থাকবে।
আমি এর কিছু নিদর্শন তখনই প্রত্যক্ষ করেছি, যখন কিছু যুবক আমার কাছে এসে তাদের পিতৃপুরুষ বা পিতামহদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তখন আমি তাদের সম্পর্কে আমার জানা তথ্যগুলো তাদের প্রদান করি এবং দেখি যে তারা তাতে বিস্ময় প্রকাশ করছে; যেন তারা কোনো প্রাচীন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা শুনছে। অথচ তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে তাদের সময়ের ব্যবধান খুব বেশি নয় এবং সময়ও খুব বেশি অতিবাহিত হয়নি। মূলত তথ্যের অপ্রতুলতা এবং তাদের পরিবার কর্তৃক তা লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে অনাগ্রহই এর প্রধান কারণ।
আর এই কারণেই আমি অবসরের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়ে চেষ্টা করছি যাতে পরিবার সংক্রান্ত কিছু তথ্য বিলুপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়, অথবা সে সম্পর্কে ইতিপূর্বে যা লিখেছিলাম তাকে এর ভিত্তি এবং রচনার মূল কাঠামো হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ولذلك صرت أنظر بعين الاعتبار - عند نفسي - إلى أن أطلب التقاعد عن العمل، لأن (ستين سنة) من العمل في الحكومة شيء كثير ولله الحمد، وإن لم يفاتحني بالإقالة، أو الإحالة على التقاعد مفاتح من الحكومة، ذلك بأن تعييني كان بناء على أمر ملكي في المرتبة الممتازة ومن يكون كذلك لا يُقال من عمله أو يحال إلى التقاعد إلَّا بأمر ملكي، ولم يصدر مثل هذا الأمر الملكي بعد بشأني، غير أنني أنا صرت أفكر في طلب إقالتي بعد هذه المدة الطويلة من العمل.
ما اختاره الله خير:
إنني إذا رجعت إلى ما أنجزته خلال السنوات العشرين الماضية من كتب، وجدت أنها تزيد على مائة كتاب أكثرها كتبته في تلك السنوات العشرين التي كانت هي أخصب سني حياتي وأكثرها حيوية من ناحية السفر والحركة، ومن ناحية الكتابة والتأليف، فإن كتب الرحلات وحدها التي كتبتها في تلك السنوات العشرين كافية في الشهادة على ذلك، كما أشرت إليه، وكتبت في تلك السنوات العشرين كتبًا لغوية عديدة وصلت إلى خمسين مجلدًا أو تزيد طبع قليل منها.
ولكن لا يزال عدم إنجاز كتاب (معجم الأسر في القصيم) يؤرقني مع أنني أعزي نفسي بأن ذلك لم يكن بيدي، ولم يكن بناء على كسل أو تكاسل مني عنه.
وها أنا الآن وقد حصلت على إجازة من العمل لأيام محدودة أبدأ بما أرجو أن يتيسر لي الاستمرار به وإكماله في (معجم أسر القصيم).
إلَّا أنني رأيت أن الكتاب حسب ما رسمته في ذهني، وما كان اجتمع عندي من مواده أنه سوف يكون كبيرًا، وأنه لابد من أن أطبع منه قسمًا طبعة تجريبية تحفز من كان عندهم معلومات أو ما يحتاجه الكتاب من مواد كالأشعار والوثائق إلى أن يبادروا فيمدوني به، إذا لم يكن عندي، لذلك رأيت أن أبدأ بأسر بريدة أقدمها على غيرها لما ذكرته، فيكون هذا الكتاب مخصصًا
এই কারণে আমি নিজের বিবেচনার দৃষ্টিতে এটি দেখছি যে, আমি কাজ থেকে অবসর গ্রহণের আবেদন করব; কেননা সরকারি চাকুরিতে (ষাট বছর) অতিবাহিত করা অনেক বড় একটি বিষয়, আর আল্লাহর শোকর যে তিনি এই সামর্থ্য দিয়েছেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে কেউ আমার কাছে অব্যাহতি বা অবসর গ্রহণের বিষয়ে কোনো আলোচনা উত্থাপন করেনি, কারণ আমার নিয়োগ ছিল ‘মুমতাজ’ (বিশেষ) মর্যাদায় একটি রাজকীয় ফরমানের ভিত্তিতে। আর যারা এমন মর্যাদায় থাকেন, তাদেরকে রাজকীয় ফরমান ব্যতীত পদচ্যুত বা অবসর দেওয়া হয় না। আমার বিষয়ে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো রাজকীয় ফরমান জারি হয়নি; তবে দীর্ঘ সময় কাজ করার পর আমি নিজেই পদত্যাগের আবেদন করার কথা ভাবছি।
আল্লাহ যা পছন্দ করেন তা-ই কল্যাণকর:
গত বিশ বছরে আমি যে সমস্ত গ্রন্থ রচনা সম্পন্ন করেছি, সেগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাই যে, সেগুলোর সংখ্যা একশ’রও অধিক। সেগুলোর অধিকাংশ আমি ওই বিশ বছরেই লিখেছি, যা ছিল ভ্রমণ ও কর্মতৎপরতা এবং লিখন ও সংকলনের দিক থেকে আমার জীবনের সবচেয়ে উর্বর ও প্রাণবন্ত সময়। যেমনটি আমি ইতঃপূর্বে ইঙ্গিত করেছি, ওই বিশ বছরে আমার লেখা কেবল ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থগুলোই এর সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এছাড়াও সেই বিশ বছরে আমি বহু ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ লিখেছি, যা পঞ্চাশ খণ্ড বা তার অধিক হবে; তবে তার খুব অল্প কিছু অংশই মুদ্রিত হয়েছে।
কিন্তু ‘মুজামুল আসার ফিল কাসিম’ (কাসিমের পরিবারসমূহের অভিধান) গ্রন্থটি সম্পন্ন না হওয়া এখনও আমাকে বিচলিত করে রাখে, যদিও আমি নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিই যে, বিষয়টি আমার নিয়ন্ত্রণে ছিল না এবং এটি আমার কোনো আলস্য বা অবহেলার কারণেও ঘটেনি।
এখন আমি কর্মস্থল থেকে কয়েক দিনের সংক্ষিপ্ত ছুটি পেয়েছি, তাই আমি এমন একটি কাজ শুরু করছি যা আমি আশা করি চালিয়ে যাওয়া এবং ‘মুজামু আসারি কাসিম’ সম্পন্ন করা আমার জন্য সহজ হবে।
তবে আমি অনুভব করলাম যে, আমার মনের পরিকল্পনা এবং আমার কাছে সংগৃহীত উপাদান অনুযায়ী বইটি অনেক বৃহৎ হবে। তাই আমি এর একটি অংশ পরীক্ষামূলক সংস্করণ হিসেবে মুদ্রণ করা আবশ্যক মনে করছি, যা ওইসব ব্যক্তিদের উৎসাহিত করবে যাদের কাছে তথ্য বা বইটির প্রয়োজনীয় উপকরণ—যেমন কবিতা ও দলিলাদি—রয়েছে, যাতে তারা সেগুলো আমাকে প্রদানে ত্বরিত এগিয়ে আসেন, যদি তা আমার নিকট না থাকে। এজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, উল্লিখিত কারণে অন্য সব বিষয়ের আগে বুরাইদার পরিবারগুলোর বিবরণ দিয়ে শুরু করব, ফলে এই বইটি নির্দিষ্ট হবে—
(খণ্ড: ১)
মু'জামু আসারি বুরাইদাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
لها، ويكون الكتاب التالي لبقية أسر القصيم.
لقد بدأت بكتابة
أسر بريدة، وذلك لأمور، منها أن بريدة هي مسقط رأسي، ومسرح أنفاسي، ودار آبائي وأجدادي إلى خمسة عشر جدًّا أو يزيدون، وهي التي فتحت عيني على أهلها، واطلعت على فرعها وأصلها.
ومنها أن بريدة صارت الآن مدينة كبيرة تسكنها أسر كثيرة وفدت إليها من غير أهلها ومن ذلك طائفة من أبناء القبائل العربية التي كانت مساكنها قريبة منها.
ومنها: أن لديَّ المعرفة بأسر بريدة، بحكم ما ذكرته أكثر مما لديَّ عن غيرها من ناحية المعرفة الشخصية، وإن كانت المعلومات متجددة، وإذا طلبها المرء ووفق في العثور عليها فإنها تكون أو بعضها أكثر مما يعرفه سكانها أو بعضهم.
لذلك صح عزمي، وحزمت أمري على البدء بكتابة شيء عن أسر بريدة سيكون بمثابة الاختبار لوقع المعلومات التي أذكرها فيه على نفوس المواطنين من أجل ملاحظة ذلك في الطبعة الثانية لكتاب (أسر بريدة) إن قدر له أن يطبع طبعة ثانية، ولكتاب الأسر الأخرى لبقية أهل القصيم.
أسر بريدة:
بقي أن أذكر اصطلاحي في هذا الكتاب وهو أنني أقصد بأهل بريدة من كانوا من أهلها سواء أهاجر بعضهم إلى الرياض أو أقام في مدينة أخرى، كما أنني أذكر من أهلها من اتخذها دارا من غير أهلها ما عدا من جاء منها لعمل مؤقت حكومي أو غير حكومي فإنني لا أعتبر أسرته من أهل بريدة، ولاسيما من كانوا كذلك في القديم، أو من سكنوها في القديم القريب الذي ربما يحدد بمنتصف القرن الرابع عشر أو نحو ذلك.
وهناك طوائف من الأعراب وأهل البادية سكنوا في أطراف مدينة بريدة ثم التحمت مساكنهم في بريدة وصارت جزءًا منها وعددهم كبير، لأن القرى والهجر
এর জন্য, এবং পরবর্তী গ্রন্থটি হবে আল-কাসিমের অবশিষ্ট পরিবারসমূহের বিষয়ে।
আমি
বুরাইদাহর পরিবারসমূহ লিখতে শুরু করেছি, এবং এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো যে, বুরাইদাহ আমার জন্মস্থান, আমার শৈশব-কৈশোরের বিচরণক্ষেত্র এবং পনের জন বা তারও বেশি পূর্বপুরুষের আবাসস্থল। এটি সেই স্থান যেখানে আমি এর অধিবাসীদের সাথে পরিচিত হয়েছি এবং এর শাখা-প্রশাখা ও মূল শিকড় সম্পর্কে অবগত হয়েছি।
আরেকটি কারণ হলো, বুরাইদাহ বর্তমানে একটি বিশাল শহরে পরিণত হয়েছে যেখানে বহিরাগত অনেক পরিবার বসবাস করছে। এর মধ্যে আরব গোত্রগুলোর এমন একটি দলও রয়েছে যাদের বাসস্থান ছিল এর নিকটবর্তী এলাকায়।
আরও একটি কারণ হলো: ব্যক্তিগত পরিচিতির দিক থেকে পূর্বোক্ত কারণে অন্যান্য স্থানের তুলনায় বুরাইদাহর পরিবারগুলো সম্পর্কে আমার জ্ঞান অনেক বেশি। যদিও তথ্যসমূহ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়, তবে কেউ যদি তা অনুসন্ধান করে এবং তা খুঁজে পেতে সফল হয়, তবে সম্ভবত সেই তথ্যের সবটুকু বা কিছু অংশ ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের বা তাদের কারও জানা তথ্যের চেয়েও বেশি হতে পারে।
তাই আমি বুরাইদাহর পরিবারসমূহ সম্পর্কে কিছু লেখার বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প করেছি, যা নাগরিকদের হৃদয়ে এই তথ্যের প্রভাব যাচাইয়ের একটি পরীক্ষা হিসেবে কাজ করবে। এটি করা হয়েছে যাতে 'বুরাইদাহর পরিবারসমূহ' বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ হলে এবং আল-কাসিমের অবশিষ্ট বাসিন্দাদের নিয়ে অন্যান্য পরিবারের বই লেখার ক্ষেত্রে তা বিবেচনায় রাখা যায়।
বুরাইদাহর পরিবারসমূহ:
এই বইটিতে আমার ব্যবহৃত পরিভাষাটি উল্লেখ করা প্রয়োজন। আমি 'বুরাইদাহর অধিবাসী' বলতে তাদের বুঝাচ্ছি যারা মূলত এখানকারই বাসিন্দা, চাই তাদের কেউ রিয়াদে হিজরত করে থাকুক বা অন্য কোনো শহরে বসবাস করুক। একইভাবে আমি তাদেরও এর অন্তর্ভুক্ত করেছি যারা মূলত এখানকার না হয়েও একে স্থায়ী আবাস হিসেবে গ্রহণ করেছে; তবে যারা কেবল সরকারি বা বেসরকারি অস্থায়ী কাজের প্রয়োজনে এখানে এসেছে, আমি তাদের পরিবারকে বুরাইদাহর অধিবাসী হিসেবে গণ্য করিনি। বিশেষ করে যারা প্রাচীনকাল থেকে সেখানে আছে অথবা যারা নিকট অতীতে সেখানে বসবাস শুরু করেছে যা সম্ভবত চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বা এর কাছাকাছি সময়ে নির্ধারণ করা যেতে পারে।
সেখানে বেদুঈন ও মরুচারীদের বেশ কিছু দল ছিল যারা বুরাইদাহ শহরের উপকণ্ঠে বসবাস করত। পরবর্তীতে তাদের আবাসস্থল বুরাইদাহর সাথে একীভূত হয়ে শহরের অংশে পরিণত হয়। তাদের সংখ্যা অনেক বেশি, কারণ গ্রাম এবং মরু-বসতিসমূহ