(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: -)
المهذب في اختصار السنن الكبير القسم: كتب السنة
الكتاب: المهذب في اختصار السنن الكبير
اختصرهُ: أبو عبد الله محمّد بن أحمد بن عُثمان الذّهَبيّ الشَّافعيّ (المتوفي: 748 هـ)
تحقيق: دار المشكاة للبحث العلميِ، بإشراف أبي تَميم يَاسر بن إبراهيم
الناشر: دار الوطن للنشر
الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م
عدد الأجزاء: 10 (الأخيران فهارس)
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 رجب 1440
আস-সুনান আল-কাবীরের সংক্ষিপ্তসার আল-মুহাযযাব বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আস-সুনান আল-কাবীরের সংক্ষিপ্তসার আল-মুহাযযাব
সংক্ষেপক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আদ-দাহাবি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু: ৭৪৮ হিজরি)
সম্পাদনা: দারুল মিশকাত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র, আবু তামিম ইয়াসির বিন ইব্রাহিমের তত্ত্বাবধানে
প্রকাশক: দারুল ওয়াতান পাবলিশিং
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১০ (শেষ দুটি সূচিপত্র)
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নাসসাখ, বাস্তবায়নে (মারকাজুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ), এবং সৌজন্যে (আওয়াক্বাফ আব্দুল্লাহ বিন তুর্কি আদ-দুহাইয়ান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট)
[গ্রন্থের নম্বরকরণ মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ রজব ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١)
المُهَذّبُ
في اختصار
السُّنَنِ الكُبِيِر
للبَيهقي
اختصرهُ
الإمام أبو عبد الله محمّد بن أحمد بن عُثمان الذّهَبيّ الشَّافعيّ
المتوفي سنَة 748 هـ
تحقيق
دارُ المشكاة للبحث العلميِ
بإشراف
أبي تَميم يَاسر بن إبراهيم
المجلّد الأوّل
دَار الوَطن للنشر
আল-মুহাযযাব
সংক্ষেপণে
আস-সুনানুল কুবরা
বাইহাকীর
সংক্ষেপ করেছেন
ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন উসমান আয-যাহাবী আশ-শাফিঈ
মৃত্যু বছর ৭৪৮ হিজরি
সম্পাদনা
দারুল মিশকাত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র
তত্ত্বাবধানে
আবু তামীম ইয়াসির বিন ইবরাহীম
প্রথম খণ্ড
দারুল ওয়াতান প্রকাশনী
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٢)
بسم الله الرحمن الرحيم
{وَقُلْ رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا}
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
{এবং বলুন, “হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।”}
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٣)
المُهَذّب
في اختصار
السُنَن الكَبير
আল-মুহাজ্জাব
সংক্ষিপ্তকরণে
আস-সুনানুল কাবীর
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٤)
جَميع حُقوق الطّبع مَحفُوظَة
لِدار الوَطَن للنَشر
تنبيه: يحظر نسخ أو استعمال أي جزء من أجزاء هذا الكتاب بأي وسيلة من الوسائل- سواء التصويرية أم الالكترونية أم الميكانيكية، بما في ذلك النسخ الفوتوغرافي أو التسجيل على أشرطة أو سواها، وكذلك حفظ المعلومات واسترجاعها- دون إذن خطي من الناشر
الطّبعة الأولى
1422 هـ -2001 هـ
دَارَ الوطن للنشر
الريَاض-المملكة العربية السّعوديَّة
هَاتف: 4792042 - فاكس: 4723941 - صَ ب: 3310 - الرَّمز البرَيدي: 11471
* البريد الالكتروني: pop@dar-alwatan.com
* موقعنا على الانترنت: www.dar-alwatan.com
* التوزيع بجمهورية مصر العربية ت: 0101460861 محمول
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
দার আল-ওয়াতান পাবলিশিং-এর জন্য
সতর্কবার্তা: প্রকাশকের লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে এই গ্রন্থের কোনো অংশের প্রতিলিপি তৈরি বা ব্যবহার করা যেকোনো উপায়ে নিষিদ্ধ—চাই তা চিত্রায়ন, ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক মাধ্যম হোক, যার অন্তর্ভুক্ত হলো ফটোকপি করা, ফিতায় রেকর্ড করা বা অন্য কিছু, এবং তথ্য সংরক্ষণ ও তা পুনরায় উদ্ধার করা।
প্রথম সংস্করণ
১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
দার আল-ওয়াতান পাবলিশিং
রিয়াদ—সৌদি আরব রাজ্য
ফোন: ৪৭৯২০৪২ - ফ্যাক্স: ৪৭২৩৯৪১ - পি.ও. বক্স: ৩৩১০ - পোস্টাল কোড: ১১৪৭১
* ইমেইল: pop@dar-alwatan.com
* আমাদের ওয়েবসাইট: www.dar-alwatan.com
* আরব প্রজাতন্ত্র মিশরে পরিবেশক টেলিফোন: ০১০১৪৬০৮৬১ মোবাইল
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٥)
مقدمة التحقيقإن الحمد لله، نحمده تعالى ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
أما بعد:
فإن كتاب "السنن الكبرى" للحافظ أبي بكر أحمد بن الحسين البيهقي -والمشهور بين طلاب العلم في هذا العصر بالسنن الكبرى- من أعظم دواوين الإسلام، وأوسع كتب الحديث التي صنفت على الأحكام، وأحسنها ترتيبًا وجودة وتهذيبًا على مر الأيام.
وكيف لا يكون كذلك وقد جمع فيه مؤلفه أقوال النبي-صلى الله عليه وسلم-وأفعاله وتقريراته، وموقوفات الصحابة، وما أرسله التابعون في الفرائض والنوافل، والحلال والحرام، والحدود والأحكام، وتكلم فيه على تلك الأحاديث والآثار ورواتها جرحًا وتعديلًا وتصحيحًا وتعليلًا، وذَيَّل ذلك بأقوال أئمة المذاهب والأمصار.
فأضحى كتابه موسوعة حديثية وفقهية عظيمة لا يستغني عنها طالب مبتدئ ولا عالم منتهي، وقد شهد له بذلك جمع غفير من العلماء وعَدُّوه من أعظم الدواوين التي صنفت في الإسلام.
فقال الإمام ابن الصلاح: ولا تُخْدعَنَّ عن كتاب السنن الكبير للبيهقي؛ فإنا لانعلم مثله في بابه (1).
وقاله الحافظ الذهبي: فتصانيف البيهقي عظيمة القدر، غزيرة الفوائد، قَلَّ من جَوَّدَ
--------------------------------------------
সম্পাদকের ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
এরপর:
হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন হুসাইন আল-বায়হাকী রচিত 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থটি—যা বর্তমান যুগের ইলম অন্বেষণকারীদের নিকট 'সুনানে কুবরা' নামে সমধিক পরিচিত—ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংকলন এবং আহকাম (বিধান) বিষয়ক হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ। সর্বকালের বিচারে এটি বিন্যাস, মান এবং পরিমার্জনের দিক থেকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গ্রন্থ।
আর কেনইবা তা হবে না, যেখানে এর লেখক এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, কর্ম ও মৌন সম্মতি, সাহাবায়ে কেরামের মাওকুফ আছার এবং তাবেয়ীগণের প্রেরিত (মুরসাল) বর্ণনাগুলোকে সংকলিত করেছেন; যা ফরয ও নফল ইবাদত, হালাল-হারাম এবং দণ্ডবিধি ও বিধানাবলী সংশ্লিষ্ট। তিনি এই হাদীস, আছার এবং বর্ণনাকারীদের বিষয়ে জারাহ-তাদীল (সমালোচনা ও প্রশংসা), সহীহ ও ত্রুটিযুক্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং পরিশেষে একে বিভিন্ন অঞ্চলের মাযহাবের ইমামগণের বক্তব্য দ্বারা সুসজ্জিত করেছেন।
ফলে তাঁর এই গ্রন্থটি হাদীস ও ফিকহ শাস্ত্রের এক বিশাল বিশ্বকোষে পরিণত হয়েছে, যা থেকে বিমুখ হওয়া কোনো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী কিংবা কোনো বিজ্ঞ আলেমের পক্ষে সম্ভব নয়। উলামায়ে কেরামের এক বিশাল জামাত এর সপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং একে ইসলামে রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংকলন হিসেবে গণ্য করেছেন।
ইমাম ইবনুস সালাহ বলেছেন: "তুমি বায়হাকীর 'আস-সুনানুল কাবীর' কিতাবটির ব্যাপারে ধোঁকায় পড়ো না (অর্থাৎ একে অবহেলা করো না); কারণ আমরা এই বিষয়ে এর সমতুল্য আর কোনো কিতাব জানি না" (১)।
হাফেজ আয-যাহাবী বলেছেন: "বায়হাকীর রচনাবলি অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন এবং প্রচুর ফায়দাপূর্ণ। খুব কম লোকই তাঁর মতো এমন নিপুণ কাজ করতে পেরেছেন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٦)
تواليفه مثل الإمام أبي بكر، فينبغي للعالم أن يعتني بهؤلاء سيما "سننه الكبير" (1).
وقال أيضا في السير في ترجمة الإمام ابن حزم بعد أن نقل قول شيخ الإسلام العز بن عبد السلام: ما رأيت في كتب الإسلام في العلم مثل "المحلى" لابن حزم، وكتاب "المغني" للشيخ موفق الدين. فقال الذهبي: قلت: صدق الشيخ عز الدين؛ وثالثهما: "السنن الكبير" للبيهقي، ورابعهما: "التمهيد" لابن عبد البر، فمن حصَّل هذه الدواوين، وكان من أذكياء المفتين، وأدمن المطالعة فيها فهو العالم حقّا (2).
وقال أيضًا رحمه الله وهو ينعي حال أهل العلم في زمانه ويدل على طريق النجاة: وإنما شأن المحدث اليوم الاعتناء بالدواوين الستة، ومسند أحمد بن حنبل، وسنن البيهقي وضبط متونها وأسانيدها، ثم لا ينتفع بذلك حتى يتقي ربه ويدين بالحديث؛ فعلى علم الحديث وعلمائه ليبك من كان باكيًا؛ فقد عاد الإسلام المحصن غريبًا كما بدأ، فَلْيَسْعَ امرؤٌ في فكاك رقبته من النار، فلا حول ولا قوة إلا بالله (3).
وقال أيضًا في ترجمة الحافظ البيهقي: وانقطع بقريته مقبلًا على الجمع والتأليف، فعمل "السنن الكبير" ليس لأحد مثله (4).
وأما الإمام السبكي فقال: ما صنف في علم الحديث مثله تهذيبًا وترتيبًا وجودة (3). وقال الحافظ السخاوي: فلا تحد عنه؛ لاستيعابه لأكثر أحاديث الأحكام، بل لا نعلم -كما قال ابن الصلاح- في بابه مثله، ولذا كان حقه التقديم على سائر كتب السنن، ولكن قدمت تلك لتقدم مصنفيها في الوفاة ومزيد جلالتهم (6).
--------------------------------------------
ইমাম আবু বকরের (বায়হাকীর) রচনাবলি; অতএব আলেমদের উচিত এগুলোর প্রতি যত্নবান হওয়া, বিশেষ করে তাঁর ‘আস-সুনানুল কাবীর’-এর প্রতি (১)।
তিনি ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে ইমাম ইবনে হাজমের জীবনীতে শাইখুল ইসলাম ইযয ইবনে আবদুস সালামের উক্তি উদ্ধৃত করার পর আরও বলেন: ‘আমি ইলম সংক্রান্ত ইসলামের কিতাবসমূহের মধ্যে ইবনে হাজমের ‘আল-মুহাল্লা’ এবং শাইখ মুওয়াফফাকুদ্দীনের ‘আল-মুগনী’-এর মতো আর কিছু দেখিনি।’ তখন আয-যাহাবী বলেন: ‘আমি বলি: শাইখ ইযয উদ্দীন সত্য বলেছেন; আর এই তালিকার তৃতীয়টি হলো বায়হাকীর ‘আস-সুনানুল কাবীর’ এবং চতুর্থটি হলো ইবনে আবদিল বার-এর ‘আত-তামহীদ’। সুতরাং যে ব্যক্তি এই গ্রন্থগুলো সংগ্রহ করবে এবং প্রখর মেধাবী মুফতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে ও এগুলোতে গভীর অভিনিবেশ সহকারে অধ্যয়নে মগ্ন থাকবে, সেই প্রকৃত আলেম (২)।’
তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর সমসাময়িক আহলে ইলমদের শোচনীয় অবস্থার কথা বর্ণনা করে এবং মুক্তির পথ প্রদর্শন করে আরও বলেন: ‘আজকের দিনে মুহাদ্দিসের কাজ হলো কুতুবে সিত্তা (ছয়টি মূল হাদিস গ্রন্থ), আহমদ ইবনে হাম্বলের মুসনাদ এবং বায়হাকীর সুনানের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং এগুলোর মতন (মূল পাঠ) ও সনদসমূহ আয়ত্ত করা। এরপর সে এগুলোর দ্বারা ততক্ষণ পর্যন্ত উপকৃত হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার রবকে ভয় করবে এবং হাদিসের আনুগত্য করবে। সুতরাং ইলমে হাদিস এবং এর ধারকদের অবস্থার জন্য ক্রন্দনকারীদের ক্রন্দন করা উচিত; কেননা সুরক্ষিত ইসলাম শুরুর সময়ের মতোই পুনরায় অপরিচিত হয়ে পড়েছে। অতএব প্রত্যেকের উচিত নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করা; আর আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় বা শক্তি নেই (৩)।’
হাফেজ বায়হাকীর জীবনীতে তিনি আরও বলেন: ‘তিনি তাঁর গ্রামে নির্জনতা অবলম্বন করেন এবং কিতাব সংকলন ও রচনার কাজে মনোনিবেশ করেন। ফলে তিনি ‘আস-সুনানুল কাবীর’ রচনা করেন, যার সমতুল্য অন্য কারো কোনো কাজ নেই (৪)।’
আর ইমাম সুবকী বলেন: ‘পরিমার্জন, বিন্যাস ও গুণগত মানের দিক থেকে ইলমে হাদিসে এর মতো কোনো কিতাব রচিত হয়নি (৫)।’ হাফেজ সাখাভী বলেন: ‘তুমি এটি ছেড়ে অন্য কোথাও যেও না; কারণ এটি আহকামের (বিধান সংক্রান্ত) অধিকাংশ হাদিসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। বরং আমরা জানি না—যেমনটি ইবনে সালাহ বলেছেন—তার এই বিষয়ে এর মতো আর কোনো কিতাব আছে কি না। আর এজন্যই অন্যান্য সুনান গ্রন্থগুলোর ওপর একে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু অন্যগুলোকে আগে রাখা হয়েছে তাদের রচয়িতাদের আগে মৃত্যুবরণ করা এবং তাঁদের অধিক মর্যাদার কারণে (৬)।’
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٧)
وقال الحافظ ابن كثير: وجمع أشياء كثيرة نافعة لم يسبق إلى مثلها ولا يدرك فيها، من ذلك كتاب "السنن الكبير" (1).
ولما كان هذا الكتاب بهذه المنزلة عند أهل العلم فقد أقبلوا عليه وانشغلوا به شرحًا وتعقيبًا وتهذيبًا وتلخيصًا.
فصنف الشيخ العلامة علاء الدين بن عثمان المعروف بابن التركماني الحنفي المتوفى سنة 750 هـ عليه كتابًا سماه: "الجوهر النقي في الرد على البيهقي" في مجلد كبير وهو مطبوع بهامش النسخة الهندية المتداولة في عشر مجلدات، وقال في أوله: هذه فوائد علقتها على السنن الكبيرة للبيهقي أكثرها اعتراضات عليه ومناقشات ومباحثات معه.
وقام الشيخ الحافظ زين الدين قاسم بن قطلوبغا الحنفي أيضًا والمتوفى سنة 879 هـ بتلخيص "الجوهر النقي" ورتبه على ترتيب حروف المعجم وبلغ فيه إلى حرف الميم، ثم وافاه الأجل المحتوم ولم يتمه (2).
كما قام الحافظ شهاب الدين أحمد بن أبي بكر بن إسماعيل البوصيري بعمل كتاب جمع فيه زوائد "السنن الكبير" على الكتب الستة وسماه: "دوائد المنتقي لزوائد البيهقي" وهو في ثلاث مجلدات (3).
واختصره أيضًا الشيخ عبد الوهاب بن أحمد الشعراني المتوفى سنة 974 هـ (2) وكعادته في تلخيص أمهات الكتب في أغلب العلوم قام الحافظ الذهبي بتهذيبه واختصاره والتعليق على أحاديثه وعزو ما كان منها في الكتب الستة إلى مُخرجيها، فأحسن وأجاد وزاد من قيمته
--------------------------------------------
এবং হাফেজ ইবনে কাসীর বলেন: "তিনি অনেক উপকারী বিষয় একত্রিত করেছেন যার কোনো নজির আগে ছিল না এবং এ বিষয়ে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, এর মধ্যে একটি হলো 'আস-সুনানুল কাবীর' কিতাবটি (১)।"
আলেমদের নিকট এই কিতাবটি এমন উচ্চ মর্যাদার হওয়ার কারণে তারা এর প্রতি মনোনিবেশ করেছেন এবং এর ব্যাখ্যা, সমালোচনা, সংস্কার ও সারসংক্ষেপ করার কাজে নিয়োজিত হয়েছেন।
অতঃপর শায়খ আল্লামা আলাউদ্দীন বিন উসমান, যিনি ইবনুত তুর্কমানি আল-হানাফি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি) নামে পরিচিত, এর ওপর একটি কিতাব রচনা করেন এবং তার নামকরণ করেন: "আল-জাওহারুন নাকি ফির রাদ্দি আলাল বাইহাকি"। এটি একটি বিশাল খণ্ডে রচিত এবং এটি বর্তমানে প্রচলিত দশ খণ্ডের ভারতীয় সংস্করণের হাশিয়া বা টীকায় মুদ্রিত রয়েছে। তিনি এর শুরুতে বলেন: এগুলো কিছু ফায়দা যা আমি বাইহাকির আস-সুনানুল কাবিরা-র ওপর লিখেছি, যার অধিকাংশ হলো তার ওপর আপত্তি, পর্যালোচনা এবং তার সাথে বিতর্ক।
শায়খ হাফেজ যাইনুদ্দীন কাসিম বিন কুতলুবুগা আল-হানাফি (মৃত্যু: ৮৭৯ হিজরি) ও "আল-জাওহারুন নাকি"-এর একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেন এবং এটি বর্ণানুক্রমে সাজান। তিনি এতে 'মীম' বর্ণ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন, অতঃপর তার মৃত্যু ঘনিয়ে আসে এবং তিনি এটি সম্পন্ন করতে পারেননি (২)।
তেমনিভাবে হাফেজ শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আবি বকর বিন ইসমাইল আল-বুসিরি একটি কিতাব রচনা করেন যাতে তিনি কুতুবে সিত্তাহ-র অতিরিক্ত "আস-সুনানুল কাবীর"-এর হাদিসগুলো একত্রিত করেন এবং তার নাম দেন: "জাওয়াইদুল মুনতাকি লি-জাওয়াইদিল বাইহাকি", এটি তিন খণ্ডে বিভক্ত (৩)।
শায়খ আব্দুল ওয়াহাব বিন আহমাদ আশ-শা’রানি (মৃত্যু: ৯৭৪ হিজরি) ও এটি সংক্ষেপ করেন (২)। আর অধিকাংশ শাস্ত্রের মৌলিক কিতাবগুলোর সারসংক্ষেপ করার চিরাচরিত অভ্যাস অনুযায়ী হাফেজ আল-জাহাবি এটি সংস্কার ও সংক্ষেপ করেছেন এবং এর হাদিসগুলোর ওপর টীকা প্রদান করেছেন। কুতুবে সিত্তাহ-র মধ্যে থাকা হাদিসগুলোকে তাদের মূল সংকলনকারীদের দিকে সম্বন্ধ করেছেন। তিনি অত্যন্ত নিপুণভাবে এটি করেছেন এবং এর গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٨)
العلمية- وهو الكتاب الذي نحن بصدد التقديم له.
وبتحقيق هذا الكتاب العظيم ونشره نكون قد وضعنا لبنة جديدة في بناء صرح نشر التراث الإسلامي، والذي ساهمنا فيه بنشر عدة موسوعات وكتب حديثية جليلة بعد تحقيقها مثل: "شرح صحيح البخاري" للحافظ ابن بطال، و"المطالب العالية" للحافظ ابن حجر العسقلاني، وصنوه "إتحاف الخيرة المهرة" للحافظ البوصيري، و "تفسير القرآن" لأبي المظفر السمعاني، و "تلخيص العلل المتناهية" للحافظ الذهبي، و"تلخيص الموضوعات" للحافظ الذهبي أيضًا، و"شرح سنن أبي داود" لبدر الدين العيني، والزهد لأبي داود السجستاني وغير ذلك آملين من الله تعالى أن ينفعنا بما قدمناه وأن يستخدمنا في طاعته وأن يجعل ذلك في ميزان حسناتنا يوم القيامة، وأن يوفقنا لخدمة السنة والكتاب وإخراج ما أندثر من مصنفاتهما من مخطوط أو كتاب.
ونحن إذ نذكر هذا لا يسعنا إلا أن نتقدم بوافر الشكر إلى كل من ساهم في إخراج هذا الكتاب من إخواننا الباحثين في دارنا دار المشكاة على ما بذلوه من وقت وجهد ونخص بالذكر منهم: أخونا المفضال أحمد بن سليمان محمد والأخ الفاضل أشرف صلاح علي واللذين قاما بجهد كبير في تخريج أحاديث الكتاب وعزوها إلى مصادرها.
ولا يفوتنا أيضًا أن نشكر الأخ الكريم والحبيب الشيخ صبري عبد الخالق الشافعي والذي قام بتحقيق نصف المجلد الأول وحتى آخر كتاب الطهارة، وشارك معنا في وضع خطة العمل في تحقيق الكتاب ثم منعته مشاغله الكثيرة من إتمام العمل معنا وحرمتنا من رفقته.
فالله نسأل أن يجمع بيننا وبينهم في مستقر رحمته، وأن يغفر لنا زللنا وأن يحشرنا في زمرة من قام بخدمة ونصرة دينه آمين.
* * *
আল-ইলমিয়্যাহ—আর এটিই সেই কিতাব যার ভূমিকা আমরা প্রদান করছি।
এই মহান কিতাবটির সম্পাদনা ও প্রকাশের মাধ্যমে আমরা ইসলামি ঐতিহ্য প্রচারের সৌধ নির্মাণে এক নতুন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম। এতে আমরা বেশ কিছু বিশ্বকোষ ও মর্যাদাশীল হাদিসের কিতাব সম্পাদনা শেষে প্রকাশের মাধ্যমে অবদান রেখেছি, যেমন: হাফেজ ইবনে বাত্তালের "শারহু সহিহিল বুখারি", হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানির "আল-মাতালিবুল আলিয়া", হাফেজ বুসিরির "ইতহাফুল খায়ারাতিল মাহারা", আবু মুজাফফর সামআনির "তাফসিরুল কুরআন", হাফেজ জাহাবির "তালখিসুল ইলালিল মুতানাহিয়াহ" এবং "তালখিসুল মাওদুআত", বদরুদ্দিন আইনির "শারহু সুনানি আবি দাউদ", আবু দাউদ সিজিস্তানির "আয-জুহদ" ইত্যাদি। আমরা মহান আল্লাহর নিকট আশা করছি যেন তিনি আমাদের এই কর্মের মাধ্যমে উপকৃত করেন, তাঁর আনুগত্যে আমাদের নিয়োজিত রাখেন এবং কিয়ামতের দিন এটিকে আমাদের নেকির পাল্লায় স্থান দেন। আর তিনি যেন আমাদের সুন্নাহ ও কুরআনের খিদমত করার এবং এ সংক্রান্ত বিলুপ্তপ্রায় পাণ্ডুলিপি বা কিতাবসমূহ পুনরুদ্ধারের তাওফিক দান করেন।
এই সুযোগে আমাদের 'দারুল মিশকাত'-এর যে সকল গবেষক ভাই এই কিতাবটি প্রকাশের ক্ষেত্রে নিজেদের সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন, তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় ভাই আহমাদ বিন সুলাইমান মুহাম্মদ এবং সম্মানিত ভাই আশরাফ সালাহ আলী, যারা কিতাবটির হাদিসসমূহের তাখরিজ ও মূল উৎসের উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আমরা আমাদের প্রিয় ও সম্মানিত ভাই শায়খ সাবরি আব্দুল খালিক আশ-শাফিয়ির প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি প্রথম খণ্ডের অর্ধাংশ থেকে তাহারাত অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত সম্পাদনা করেছেন। তিনি এই কিতাবের সম্পাদনার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেও অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে নানাবিধ ব্যস্ততার কারণে তিনি আমাদের সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি।
আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের ও তাঁদের সকলকে তাঁর রহমতের আলয়ে একত্রিত করেন, আমাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করেন এবং যারা তাঁর দ্বীনের খিদমত ও সাহায্যে আত্মনিয়োগ করেছেন, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আমাদের হাশর নসিব করেন। আমিন।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٩)
ترجمة الإمام البيهقي
هو الإمام الحافظ العلامة الفقيه شيخ الإسلام أبو بكر أحمد بن الحسين بن علي بن موسى الخُسْرُوجِردي الخرساني البيهقي.
وخُسْر وجرد: قرية من ناحية بيهق وكانت قصبتها.
وبيهق: عدة قرى من أعمال نيسابور على يومين منها، قال ياقوت: هي ناحية كبيرة وكورة واسعة، كثيرة البلدان والعمارة من نواحي نيسابور، تشتمل على ثلاثمائة وإحدى وعشرين قرية بين نيسابور وقومس وجوين، وبين أول حدودها ونيسابور ستون فرسخًا (1).
مولده:
ولد أبو بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي سنه أربع وثمانين وثلاث مئة من الهجرة في قرية خسروجرد.
شيوخه:
سمع وهو ابن خمس عشرة سنة من أبي الحسن محمد بن الحسين العلوي- وهو أقدم شيوخه- وسمع من أبي عبد الله الحاكم صاحب المستدرك وأكثر عنه جدًا وتخرج به، قال الذهبي: كان عنده عن الحاكم وقْرَ بعير أو نحو ذلك.
وسمع أيضًا من أبي عبد الرحمن السلمي وأبي بكر بن فورك، وأبي علي الروذباري والقاضي. أبي بكر الحيري وأبي الحسين بن بشران وغيرهم كثير.
تلاميذه:
روى عنه خلق كثير منهم: شيخ الإسلام أبو إسماعيل الأنصاري بالإجازة، وولده إسماعيل بن أحمد، وحفيده أبو الحسن عبيد الله بن محمد بن أحمد، وأبو زكريا يحيى بن منده الحافظ وخلق سواهم.
--------------------------------------------
ইমাম বায়হাকীর জীবনী
তিনি হলেন ইমাম, হাফেজ, আল্লামা, ফকিহ, শায়খুল ইসলাম আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী ইবনে মুসা আল-খুসরওজিরদি আল-খুরাসানি আল-বায়হাকী।
আর খুসরওজিরদ হলো বায়হাক অঞ্চলের একটি গ্রাম এবং এটি তার প্রধান শহর ছিল।
আর বায়হাক হলো নিশাপুরের অন্তর্গত বেশ কিছু গ্রাম, যা নিশাপুর থেকে দুই দিনের দূরত্বে অবস্থিত। ইয়াকুত বলেছেন: এটি একটি বিশাল অঞ্চল এবং প্রশস্ত জনপদ, যা নিশাপুরের এলাকাগুলোর মধ্যে বহু শহর ও স্থাপত্যে সমৃদ্ধ; এটি নিশাপুর, কুমিস ও জুওয়াইনের মধ্যবর্তী তিনশত একুশটি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এর সীমানার শুরু থেকে নিশাপুরের দূরত্ব হলো ষাট ফারসাখ (১)।
তাঁর জন্ম:
আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী আল-বায়হাকী হিজরি তিনশত চুরাশি সালে খুসরওজিরদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:
তিনি পনেরো বছর বয়সে আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-আলাওয়ী—যিনি তাঁর জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক—থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি মুস্তাদরাক প্রণেতা আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিমের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন, তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা গ্রহণ করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমেই ব্যুৎপত্তি লাভ করেছেন। আয-যাহাবী বলেন: তাঁর কাছে আল-হাকিমের নিকট থেকে প্রাপ্ত একটি উটের বোঝা পরিমাণ বা অনুরূপ পাণ্ডুলিপি ছিল।
তিনি আরও শ্রবণ করেছেন আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী, আবু বকর ইবনে ফুরাক, আবু আলী আর-রুযবারী, কাজী আবু বকর আল-হীরী, আবুল হুসাইন ইবনে বিশরান এবং আরও অনেকের নিকট থেকে।
তাঁর ছাত্রবৃন্দ:
তাঁর থেকে অসংখ্য মানুষ বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শায়খুল ইসলাম আবু ইসমাঈল আল-আনসারী (ইজাজতের মাধ্যমে), তাঁর পুত্র ইসমাঈল ইবনে আহমদ, তাঁর পৌত্র আবু আল-হাসান উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ, হাফেজ আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ এবং তাঁদের ব্যতীত আরও অনেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٠)
ثناء العلماء عليه:
قال الحافظ عبد الغافر بن إسماعيل في تاريخه:
الإمام الحافظ الفقيه الأصولي الدَّيِّن الورع، واحد زمانه في الحفظ، وفرد أقرانه في الإتقان والضبط، من كبار أصحاب الحاكم أبي عبد الله الحافظ والمكثرين عنه، ثم الزائد عليه في أنواع العلوم.
وقال أيضًا: اشتغل بالتصنيف فألف من الكتب ما لعله يبلغ قريبًا من ألف جزء مما لم يسبقه إليه أحد.
وقال أيضًا: وكان على سيرة العلماء قانعًا من الدنيا باليسير، متجملًا في زهده وورعه (1).
وقال إمام الحرمين الجويني: ما من فقيه شافعي إلا وللشافعي عليه منة إلا أبا بكر البيهقي فإن المنة له على الشافعي؛ لتصانيفه في نصرة مذهبه (2).
وقال الإمام الذهبي معقبًا على كلام إمام الحرمين: أصاب أبو المعالي، هكذا هو، ولو شاء البيهقي أن يعمل لنفسه مذهبًا يجتهد فيه لكان قادرًا على ذلك؛ لسعة علومه ومعرفته بالاختلاف، ولهذا تراه يلوح بنصر مسائل مما صح فيها الحديث.
وقال أيضًا: فتصانيف البيهقي عظيمة القدر غزيرة الفوائد، قل من جود تواليفه مثل الإمام أبي بكر (3).
وقال أيضًا: وبورك له في علمه لحسن قصده وقوة فهمه وحفظه (4).
وقال ابن السمعاني: كان إمامًا فقيهًا حافظًا، جمع بين معرفة الحديث وفقهه
… وسمع
--------------------------------------------
আলিমগণের নিকট তাঁর প্রশংসা:
হাফেজ আবদুল গাফির বিন ইসমাইল তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে বলেছেন:
তিনি ছিলেন ইমাম, হাফেজ, ফকিহ, উসুলবিদ, দ্বীনদার ও পরহেজগার। মুখস্থবিদ্যার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন নিজ সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং নিখুঁত ও নির্ভুল বর্ণনার ক্ষেত্রে সমসাময়িকদের মধ্যে অনন্য। তিনি হাফেজ হাকেম আবু আব্দুল্লাহর অন্যতম প্রধান ও অধিক বর্ণনাদানকারী ছাত্র ছিলেন, এমনকি বিভিন্ন ইলমি বিষয়ে তিনি তাঁর উস্তাদকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন: তিনি কিতাব রচনায় আত্মনিয়োগ করেন এবং এমন সব কিতাব সংকলন করেন যার পরিমাণ প্রায় এক হাজার খণ্ডে পৌঁছাতে পারে, যা তাঁর পূর্বে আর কেউ করতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন: তিনি উলামায়ে কেরামের আদর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন করতেন, দুনিয়ার সামান্য প্রাপ্তিতেই তুষ্ট থাকতেন এবং নিজের যুহদ (দুনিয়াবিমুখতা) ও তাকওয়ার মাধ্যমে সুশোভিত ছিলেন (১)।
ইমামুল হারামাইন আল-জুওয়াইনি বলেন: প্রত্যেক শাফেয়ি ফকিহ ইমাম শাফেয়ির নিকট ঋণী, তবে আবু বকর আল-বায়হাকি এর ব্যতিক্রম। বরং ইমাম শাফেয়ির মাযহাবের সমর্থনে তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির কারণে তাঁর কাছে শাফেয়ি মাযহাবই ঋণী (২)।
ইমাম জাহাবি ইমামুল হারামাইনের বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করে বলেন: আবু আল-মাআলি সঠিক বলেছেন, বিষয়টি এমনই। বায়হাকি যদি চাইতেন তবে তিনি নিজের জন্য একটি স্বাধীন মাযহাব তৈরি করতে পারতেন যাতে তিনি ইজতিহাদ করতেন; কারণ তাঁর ইলমের ব্যাপকতা এবং ইখতিলাফ (মতপার্থক্য) সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল। এই কারণেই আপনি তাঁকে এমন সব মাসআলা সমর্থনে কাজ করতে দেখবেন যেখানে হাদিস সহিহ প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন: বায়হাকির সংকলনসমূহ অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং প্রচুর উপকারে ভরপুর। ইমাম আবু বকরের মতো সুনিপুণভাবে কিতাব রচয়িতা খুব কমই আছে (৩)।
তিনি আরও বলেন: তাঁর উত্তম নিয়ত এবং প্রখর বোধশক্তি ও মুখস্থবিদ্যার কারণে তাঁর ইলমে বরকত দান করা হয়েছে (৪)।
ইবনুস সামআনি বলেন: তিনি ছিলেন একজন ইমাম, ফকিহ ও হাফেজ; তিনি হাদিসের জ্ঞান এবং এর ফিকহী দিকের সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন
… এবং তিনি শ্রবণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١١)
الحديث الكثير وصنف فيه التصانيف التي لم يسبق إليها، وهي مشهورة موجودة في أيدي الناس (1).
وقال الإمام السبكي: أحد أئمة المسلمين، وهداة المؤمنين، والدعاة إلى حبل الله المتين، فقيه جليل، حافظ كبير، أصولي نحرير، زاهد ورع، قانت لله، قائم بنصرة المذهب أصولًا وفروعًا، جبلًا من جبال العلم.
وقال أيضًا: ثم اشتغل بالتصنيف بعد أصار أوحد زمانه، وفارس ميدانه، وأحذق المحدثين، وأحدهم ذهنًا، وأسرعهم فهمًا، وأجودهم قريحة، وبلغت تصانيفه ألف جزءٍ ولم يتهيأ لأحدٍ مثلها (2).
وقال الحافظ ابن كثير: أحد الحفاظ الكبار، ومن له التصانيف التي سارت بها الركبان في سائر الأمصار
… وكان واحد زمانه في الإتقان والحفظ والفقه والتصنيف، كان فقيهًا محدثًا أصوليًا، أخذ العلم عن الحاكم أبي عبد الله النيسابوري، وسمع على غيره شيئًا كثيرًا، وجمع أشياء كثيرة نافعة لم يسبق إلى مثلها ولا يدرك من ذلك: كتاب "السنن الكبير"
… وغير ذلك من المصنفات الكبار والصغار المفيدة التي لا تسامي ولا تداني، وكان زاهدًا متقللًا من الدنيا، كثير العبادة والورع، رحمه الله تعالى (3).
ومناقب الإمام البيهقي أكثر من أن تعد أو تحصى ولا يتسع المقام لنقل كل ما قيل فيه وفيما ذكرناه كفاية إن شاء الله تعالى.
مؤلفاته:
كما ذكرنا فإن مصنفات الإمام البيهقي كثيرة نجمل بعضًا منها فيما يلي:
1 - السنن الكبير.
--------------------------------------------
তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং এতে এমন সব গ্রন্থ রচনা করেছেন যেগুলোতে কেউ তাঁর আগে যেতে পারেনি। সেগুলো প্রসিদ্ধ এবং মানুষের হাতে হাতে রয়েছে (১)।
ইমাম সুবকী বলেন: তিনি মুসলিমদের অন্যতম ইমাম, মুমিনদের পথপ্রদর্শক এবং আল্লাহর মজবুত রশি বা দ্বীনের দিকে আহ্বানকারীদের একজন। তিনি এক মহান ফকিহ, বড় হাফেজ, বিচক্ষণ উসুলি (মূলনীতিবিদ), দুনিয়াবিমুখ পরহেজগার, আল্লাহর অনুগত ইবাদতকারী এবং উসুল (মূলনীতি) ও ফুরু (শাখা-প্রশাখা) উভয় ক্ষেত্রে মাযহাবের সহযোগিতায় অটল থাকা ইলমের পাহাড়সমূহের মধ্য হতে এক পাহাড়।
তিনি আরও বলেন: অতঃপর তিনি গ্রন্থ রচনায় মনোনিবেশ করেন যখন তিনি তাঁর সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্ব, নিজ ময়দানের শ্রেষ্ঠ বীর, মুহাদ্দিসগণের মধ্যে সবচেয়ে নিপুণ, তাঁদের মধ্যে তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, দ্রুত অনুধাবনকারী এবং সবচেয়ে উৎকৃষ্ট প্রতিভার অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর গ্রন্থসমূহ এক হাজার খণ্ডে পৌঁছেছে এবং এমনটি অন্য কারো পক্ষে সম্ভব হয়নি (২)।
হাফেজ ইবনে কাসির বলেন: তিনি বড় হাফেজদের একজন এবং এমন সব গ্রন্থাবলির রচয়িতা যা সকল জনপদে ছড়িয়ে পড়েছে
… তিনি তাঁর সময়ের পারদর্শিতা, হিফজ, ফিকহ ও গ্রন্থ রচনায় অনন্য ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ফকিহ, মুহাদ্দিস ও উসুলি। তিনি হাকিম আবু আবদুল্লাহ নিশাপুরী থেকে ইলম অর্জন করেছেন এবং অন্য অনেকের কাছেও প্রচুর শুনেছেন। তিনি অনেক উপকারী বিষয় জমা করেছেন যার নজির তাঁর আগে পাওয়া যায় না এবং তা অর্জন করাও সম্ভব হয় না: যেমন 'আস-সুনানুল কাবীর' গ্রন্থটি
… এছাড়া আরও অনেক ছোট-বড় উপকারী গ্রন্থ রয়েছে যা অতুলনীয় ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি দুনিয়াবিমুখ ও অল্পে তুষ্ট ছিলেন, অধিক ইবাদতকারী ও পরহেজগার ছিলেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন (৩)।
ইমাম বায়হাকীর গুণাবলি গণনা করে শেষ করা যাবে না এবং তাঁর সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার সবকিছু বর্ণনা করার মতো পর্যাপ্ত স্থান এখানে নেই। আমরা যা উল্লেখ করেছি তা-ই যথেষ্ট, ইনশাআল্লাহু তাআলা।
তাঁর গ্রন্থাবলি:
আমরা যেমন উল্লেখ করেছি, ইমাম বায়হাকীর গ্রন্থসমূহ অনেক, নিচে আমরা এর মধ্য থেকে কিছু সংক্ষেপে তুলে ধরছি:
১ - আস-সুনানুল কাবীর।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٢)
2 - السنن الصغير.
3 - معرفة السنن والآثار.
4 - المبسوط.
5 - دلائل النبوة.
6 - شعب الإيمان.
7 - الخلافيات.
8 - الاعتقاد.
9 - الأسماء والصفات.
10 - مناقب الشافعي.
11 - الدعوات الكبير.
12 - الدعوات الصغير.
13 - الزهد الكبير.
14 - أحكام القرآن.
15 - إثبات عذاب القبر.
16 - البعث والنشور.
17 - المدخل إلى كتاب السنن.
18 - تخريج أحاديث الأم.
19 - جزء القراءة خلف الإمام.
20 - الآداب.
2 - আস-সুনান আস-সাগীর।
3 - মা'রিফাতুস সুনান ওয়াল আসার।
4 - আল-মাবসুত।
5 - দালায়েলুন নুবুওয়াহ।
6 - শুআবুল ঈমান।
7 - আল-খিলাফিয়াত।
8 - আল-ইতিিকাদ।
9 - আল-আসমা ওয়াস সিফাত।
10 - মানাকিবুশ শাফিয়ী।
11 - আদ-দাওয়াতুল কাবীর।
12 - আদ-দাওয়াতুস সাগীর।
13 - আয-যুহদুল কাবীর।
14 - আহকামুল কুরআন।
15 - ইসবাতু আজাবিল কবর।
16 - আল-বা'স ওয়ান নুশূর।
17 - আল-মাদখাল ইলা কিতাবিস সুনান।
18 - তাখরীজু আহাদীসিল উম্ম।
19 - জুযউল কিরাআত খালফাল ইমাম।
20 - আল-আদাব।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٣)
21 - الأربعون الكبرى.
22 - الأربعون الصغرى.
23 - الإسراء.
24 - جزء في الرؤية.
25 - الترغيب والترهيب.
26 - نصوص الشافعي.
27 - فضائل الأوقات.
28 - فضائل الصحابة.
29 - مناقب الإمام أحمد.
وغير ذلك كثير حتى عدها الحافظ عبد الغافر قي تاريخه ألف كتاب.
وفاته:
توفي في عاشر شهر جمادى الأولى ستة 458 هـ في نيسابور، فَغُسِّلَ وكُفن، وعُمل له تابوت فنقل ودفن ببيهق.
وعاش أربعًا وسبعين سنة.
الإمام الذهبي وكتابه المهذب في اختصار السنن الكبير:
هو الإمام الحافظ مؤرخ الإسلام شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قيماز بن عبد الله التركماني الذهبي نسبة إلى صنعة أبيه، وهي صناعة الذهب المدقوق والذي برع فيها وتميز.
ولد في ربيع الآخر سنة ثلاث وسبعين وستمائة، وتوفي لثلاث خلون من ذي القعدة سنة ثمان وأربعين وسبعمائة.
২১ - আল-আরবাউন আল-কুবরা।
২২ - আল-আরবাউন আস-সুগরা।
২৩ - আল-ইসরা।
২৪ - আল্লাহর দীদার (দর্শন) বিষয়ক পুস্তিকা।
২৫ - আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব।
২৬ - নুসুসুশ শাফিঈ (ইমাম শাফিঈর উদ্ধৃতিসমূহ)।
২৭ - ফাদায়িলুল আওকাত (সময়ের ফযীলতসমূহ)।
২৮ - ফাদায়িলুস সাহাবা (সাহাবীগণের ফযীলতসমূহ)।
২৯ - মানাকিবে ইমাম আহমাদ (ইমাম আহমাদের মর্যাদা)।
এবং এ ছাড়াও আরও অনেক গ্রন্থ রয়েছে, এমনকি হাফেজ আব্দুল গাফির তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে এগুলোর সংখ্যা এক হাজার পর্যন্ত গণনা করেছেন।
তাঁর ইন্তেকাল:
তিনি ৪৫৮ হিজরির জামাদিউল আউয়াল মাসের দশম তারিখে নিশাপুরে ইন্তেকাল করেন। অতঃপর তাঁকে গোসল ও কাফন দেওয়া হয় এবং তাঁর জন্য একটি কফিন প্রস্তুত করে তাঁকে বাইহাকে স্থানান্তর ও দাফন করা হয়।
তিনি চুয়াত্তর বছর জীবিত ছিলেন।
ইমাম যাহাবী এবং তাঁর গ্রন্থ 'আল-মুহায্যাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর':
তিনি হলেন ইমাম, হাফেজ, ইসলামের ইতিহাসবিদ শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান ইবনে কাইমায ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তুর্কিমানি আয-যাহাবী। তাঁর পিতার পেশার সাথে সম্বন্ধ করে তাঁকে 'যাহাবী' বলা হয়; আর তা ছিল স্বর্ণ পিটিয়ে পাত তৈরির শিল্প, যে কাজে তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও সুপরিচিত ছিলেন।
তিনি ৬৭৩ হিজরির রবিউল আখের মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৭৪৮ হিজরির যিলকদ মাসের তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর (৩রা যিলকদ) ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٤)
وهو أحد الحفاظ المبرزين والأذكياء المعدودين وآخر النقاد المعتبرين والذي يكفي في ذكر فضله وعلمه ما حكي عن شيخ الإسلام أبي الفضل ابن حجر العسقلاني رحمه الله أنه قال: شربت ماء زمزم لأصل إلى مرتبة الذهبي في الحفظ وما قاله الحافظ السيوطي رحمه الله في ذيله على طبقات الحفاظ حيث قال: إن المحدثين عيال الآن في الرجال وغيرها من فنون الحديث على أربعة: المزي، والذهبي، والعراقي، وابن حجر.
صدق والله، والحافظ الذهبي رحمه الله أشهر من أن يترجم له أو أن يُعرَّف به، وله ترجمة واسعة في مقدمة كتاب "سير أعلام النبلاء" فليرجع إليها من شاء.
وقد خَلَّف الحافظ الذهبي ورائه ثروة طائلة من المصنفات والمختصرات النافعة التي تمس إليها حاجة طلاب العلوم الشرعية بأنواعها؛ لما حوته من براعة في النقد والتحقيق وتعليقات ونفائس تدل على تبحر هذا الإمام في هذه العلوم فزادها فوائد ومحاسن، ولذا فقد أخذنا على عاتقنا في دار المشكاة بعد أن أخرجنا "تلخيص العلل المتناهية" و"تلخيص الموضوعات" و"تنقيح التحقيق" لابن الجوزي أن نكمل هذه السلسلة بإخراج المهذب في إختصار السنن الكبير، وهو من أحسنها وأجودها، نسأل الله عز وجل أن يوفقنا في العثور على غيرها من مصنفات ومختصرات هذا الإمام النحرير.
منهج المصنف:
أفصح الإمام الذهبي رحمه الله في أول كتابه عن منهجه في "اختصار السنن الكبير" فقال: لم أختصر من أحاديث الكتاب شيئًا، بل اختصرت الأسانيد فإن بها طال الكتاب وبقيت من السند ما يعرف به مخرج الحديث، وما حذفت من السند إلا ما صح إلى المذكور (1).
--------------------------------------------
তিনি ছিলেন বিশিষ্ট হাফেজগণের অন্যতম, প্রখ্যাত মেধাবী এবং নির্ভরযোগ্য সমালোচকদের মধ্যে সর্বশেষ। তাঁর মর্যাদা ও জ্ঞানের বর্ণনায় শাইখুল ইসলাম আবুল ফজল ইবনে হাজার আল-আসকালানী (রহিমাহুল্লাহ)-এর এই কথাটিই যথেষ্ট যে, তিনি বলেছিলেন: "আমি হাফেজ যাহাবীর হেফজ বা মুখস্থশক্তির স্তরে পৌঁছানোর জন্য যমযমের পানি পান করেছি।" এছাড়া হাফেজ সুয়ূতী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'যায়লু তাবাকাতিল হাফফাজ' গ্রন্থে যা বলেছেন তাও যথেষ্ট, তিনি বলেছেন: "মুহাদ্দিসগণ বর্তমানে রিজাল শাস্ত্র এবং হাদীসের অন্যান্য শাখায় চারজন ইমামের মুখাপেক্ষী: মিযযী, যাহাবী, ইরাকী এবং ইবনে হাজার।"
আল্লাহর শপথ, তিনি সত্য বলেছেন। হাফেজ যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) এতই প্রসিদ্ধ যে তাঁর জীবনী বা পরিচয় প্রদানের প্রয়োজন পড়ে না। 'সিয়ারু আ'লামিন নুবালা' গ্রন্থের ভূমিকায় তাঁর একটি বিস্তৃত জীবনী রয়েছে, যে কেউ চাইলে তা দেখে নিতে পারেন।
হাফেজ যাহাবী তাঁর পেছনে অসংখ্য রচনাবলী এবং উপকারী সংক্ষিপ্তসার সম্বলিত এক বিশাল সম্পদ রেখে গেছেন, যা সকল প্রকার শরয়ী বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ এগুলোতে রয়েছে সূক্ষ্ম সমালোচনা, তাহকীক, টীকা-টিপ্পনী এবং এমন সব মহামূল্যবান তথ্য যা এই ইমামের অগাধ পাণ্ডিত্যের প্রমাণ দেয় এবং জ্ঞানের শোভা ও উপকারিতা বৃদ্ধি করে। এজন্য 'দারুল মিশকাত' থেকে ইবনুল জাওযীর 'তালখীসুল ইলালিল মুতানাহিয়্যাহ', 'তালখীসুল মাওযূআত' এবং 'তানকীহুত তাহকীক' প্রকাশের পর আমরা এই ধারাটি অব্যাহত রাখতে 'আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর' প্রকাশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও উন্নত মানের কাজ। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তাওফীক কামনা করি যেন আমরা এই প্রাজ্ঞ ইমামের অন্যান্য রচনাবলী ও সংক্ষিপ্তসারগুলো খুঁজে পাই।
লেখকের কর্মপদ্ধতি:
ইমাম যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'ইখতিসারুস সুনানিল কাবীর' গ্রন্থের শুরুতে তাঁর পদ্ধতি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: "আমি মূল গ্রন্থের হাদীসগুলো থেকে কিছুই সংক্ষিপ্ত করিনি, বরং আমি সনদসমূহ সংক্ষিপ্ত করেছি। কারণ সনদের কারণেই গ্রন্থটি দীর্ঘ হয়েছে। তবে আমি সনদের ততটুকু অংশ রেখে দিয়েছি যার দ্বারা হাদীসের উৎস জানা যায়। আর আমি সনদ থেকে কেবল ঐ অংশটুকুই বাদ দিয়েছি যা উল্লেখিত ব্যক্তি পর্যন্ত সহীহ বলে প্রমাণিত (১)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٥)
فأما متونه فأتيت بها إلا في مواضع قليلة جدًا من المكرر، وقد أحذفها إذا قَرُب الباب من الباب وآتي ببعض المتن.
وقد تكلمت على كثير من الأسانيد بحسب إجتهادي والله الموفق (1).
وقد رمزت على الحديث بمن خرجه من الأئمة الستة (خ م د ت س ق) ولم أتمم هذا (2)؛ فإن فسح الله في الأجل طالعت عليه الأطراف لشيخنا أبي الحجاج الحافظ -إن شاء الله تعالى- وهذا أمر بيِّن هيّن، كل من هو محدث فإنه يقدر على رمز أحاديث الكتاب من الأطراف.
وما خرج عن الكتب الستة فقد بينت لك إسناده ومخرجه فاكشف عليه إن شئت من كتب الجرح والتعديل، فالرجال ثلاثة: إما موثق مقبول، وإما مضعف غير حجة، وإما مجهول. ولكن كل قسم من الثلاثة على مراتب في القوة واللين والجهالة.
هذا آخر ما سطره الحافظ الذهبي وظهرت لنا أثناء عملنا في الكتاب الأشياء الأخرى التي لم ينبه عليها الذهبي نذكر منها:
* يدمج الذهبي بعض الأبواب في باب واحد ويسرد أحاديث هذه الأبواب متصلة دون الفصل بينها.
مثل: باب هدي التمتع، أدخل فيه باب ما تيسر من الهدي، وباب الإعواز من هدي المتعة، وباب وقت الصوم.
وأدخل أيضًا في باب مواقيت الإحرام: باب ميقات أهل المدينة والشام ونجد واليمن، وباب ميقات أهل العراق، وباب المواقيت لأهلها ولكل من مر بها من أراد حجًا أو عمرة،
--------------------------------------------
আর এর মতনগুলোর (মূল পাঠ) ক্ষেত্রে, আমি সেগুলো নিয়ে এসেছি, তবে পুনরাবৃত্তির খুব অল্প কিছু স্থান ব্যতীত। আমি অনেক সময় তা বাদ দিয়েছি যখন একটি পরিচ্ছেদ অন্য পরিচ্ছেদের খুব কাছাকাছি হয়েছে এবং আমি মতনের কিছু অংশ নিয়ে এসেছি।
আমি আমার ইজতিহাদ অনুযায়ী অনেকগুলো সনদের ওপর আলোচনা করেছি, আর আল্লাহই তাওফিকদাতা (১)।
আমি হাদীসের ওপর সেই সব ইমামদের প্রতীকি চিহ্ন (খ, ম, দ, ত, স, ক) ব্যবহার করেছি যারা ছয় কিতাবে তা বর্ণনা করেছেন, তবে আমি এটি সম্পন্ন করতে পারিনি (২); যদি আল্লাহ হায়াতে অবকাশ দেন, তবে আমি আমাদের শাইখ আবুল হাজ্জাজ আল-হাফিযের 'আল-আতরাফ' থেকে ইনশাআল্লাহ তাআলা তা মিলিয়ে দেখব। এটি একটি স্পষ্ট ও সহজ বিষয়; প্রত্যেক মুহাদ্দিসই 'আল-আতরাফ' থেকে এই কিতাবের হাদীসগুলোতে প্রতীকি চিহ্ন বসাতে সক্ষম।
আর যা ছয় কিতাবের বাইরে রয়েছে, আমি আপনার কাছে সেগুলোর সনদ ও উৎস বর্ণনা করেছি। সুতরাং আপনি চাইলে জারাহ-ওয়াত-তাদিল (বর্ণনাকারীদের সমালোচনা ও মূল্যায়ন) এর কিতাবগুলো থেকে তা যাচাই করে নিতে পারেন। বর্ণনাকারীগণ তিন প্রকার: হয় নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য, অথবা দুর্বল ও দলিল হিসেবে অযোগ্য, অথবা অজ্ঞাত। তবে এই তিন প্রকারের প্রতিটিই শক্তি, শিথিলতা ও অজ্ঞাত হওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত।
এটিই হাফিয আয-যাহাবীর লিখিত শেষ অংশ। কিতাবটি নিয়ে কাজ করার সময় আমাদের কাছে আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যেগুলোর দিকে আয-যাহাবী ইঙ্গিত করেননি, আমরা সেগুলো থেকে কিছু উল্লেখ করছি:
* যাহাবী কিছু পরিচ্ছেদকে একটি পরিচ্ছেদে একীভূত করেছেন এবং এই পরিচ্ছেদগুলোর হাদীসগুলোকে কোনো পৃথকীকরণ ছাড়াই ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করেছেন।
যেমন: 'হাদি আত-তামাত্তু' পরিচ্ছেদ; এর মধ্যে তিনি 'হাদির সহজলভ্যতা' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ, 'তামাত্তু হাদির অপ্রতুলতা' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ এবং 'সওমের সময়' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
এবং তিনি 'ইহরামের মীকাত' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদে 'মদীনা, শাম, নজদ ও ইয়ামেনবাসীদের মীকাত' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ, 'ইরাকবাসীদের মীকাত' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ এবং 'মীকাতসমূহ তার অধিবাসী ও সেখান দিয়ে অতিক্রমকারী হজ বা উমরা পালনকারী প্রত্যেকের জন্য' সংক্রান্ত পরিচ্ছেদগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٦)
وباب من كان أهله دون الميقات فميقاته من حيث يخرج من أهله، وتكرر منه هذا كثيرًا في مواضع عدة.
* يختصر المصنف كثيرًا اسم الباب ويبوب بمعنى الترجمة ولا يحافظ على لفظ المصنف فىِ الترجمة، وأحيانًا يبوب ولا يذكر اسم الباب ويكتفي بقوله: باب.
وأحيانًا يحذف كلمة باب ويذكر اسم الترجمة.
* يقوم الذهبي في كثير من الأحيان بتعيين رواة الإسناد بما يزيل اللبس عنهم كأن يأتي في إسناد البيهقي: سفيان مهملًا فيذكره الذهبي وينسبه بالثوري أو ابن عيينة.
أو يكون في الإسناد: أبو داود، فينسبه في المهذب فيكتبه: الطيالسي، وهكذا.
* يضع المصنف في مواطن كثيرة من الإسناد علامة تضبيب فوق مواضع السقط أو الانقطاع أو الاستشكال في الإسناد شأنه شأن كثير من أهل العلم المتقنين وينبه على سبب ذلك عقب سرد الحديث وأحيانًا يكتفي بهذه الإشارة.
* يتكلم البيهقي على بعض الأسانيد أو أحد رواتها بكلام، فيذكر الذهبي بعبارة من عنده ولا يلتزم غالبًا بلفظ البيهقي ولا يذكر قبله: قلت.
* يعلق الذهبي على كثير من الأحاديث بتعليقات نفيسة سواء فقهية أو حديثية أو يحكم على بعض الأحاديث أو الرواة ويبدأ ذلك كله بقوله: قلت؛ ليميز بها كلامه عن كلام البيهقي. كما قدمنا.
* قسم الذهبي كل مجلد مخطوط إلى عدة أجزاء، ورقم على كل جزء برقم أعلى الصفحة، وعدد أجزاء كل مجلد حوالي 40 جزءًا ويحتوي كل مجلد مخطوط على مجلدين من كتاب السنن الكبير والذي يبلغ 10 مجلدات.
* * *
এবং যার পরিবার মিকাতের ভেতরে অবস্থান করে, তার মিকাত হলো যেখান থেকে সে বের হয়—এই অধ্যায়টি তাঁর নিকট থেকে বিভিন্ন স্থানে অনেকবার পুনরাবৃত্ত হয়েছে।
* গ্রন্থকার প্রায়ই অধ্যায়ের নাম সংক্ষিপ্ত করেন এবং শিরোনামের অর্থের আলোকে অনুচ্ছেদ বিন্যাস করেন, মূল রচয়িতার ব্যবহৃত শব্দের হুবহু অনুকরণ করেন না। কখনো কখনো তিনি অধ্যায়ের নাম উল্লেখ না করে কেবল ‘অনুচ্ছেদ’ লিখে অনুচ্ছেদ বিন্যাস করেন।
আবার কখনো তিনি ‘অনুচ্ছেদ’ শব্দটি বাদ দিয়ে সরাসরি শিরোনাম উল্লেখ করেন।
* ইমাম যাহাবী প্রায়শই সনদের বর্ণনাকারীদের পরিচয় নির্দিষ্ট করে দেন যাতে তাদের ব্যাপারে অস্পষ্টতা দূর হয়। যেমন বায়হাকীর সনদে যদি কেবল ‘সুফিয়ান’ নাম অস্পষ্টভাবে আসে, তবে যাহাবী তাঁকে আস-সাওরী বা ইবনে উইয়াইনা হিসেবে সম্বন্ধযুক্ত করে উল্লেখ করেন।
অথবা সনদে যদি ‘আবু দাউদ’ থাকে, তবে তিনি ‘আল-মুহাযযাব’ গ্রন্থে তাঁকে আত-তায়ালিসি হিসেবে লিখে সম্বন্ধযুক্ত করেন। এভাবেই তিনি কাজ করেছেন।
* গ্রন্থকার সনদের অনেক স্থানে বাদ পড়া অংশ, বিচ্ছিন্নতা বা সমস্যার জায়গায় সংশয়সূচক চিহ্ন (তাদবীব) প্রদান করেন, যেমনটি অনেক সূক্ষ্মদর্শী আলেম করে থাকেন। হাদিস বর্ণনার পর তিনি এর কারণ ব্যাখ্যা করেন, আবার কখনো কেবল এই চিহ্নের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থাকেন।
* বায়হাকী কোনো সনদ বা বর্ণনাকারীর ব্যাপারে মন্তব্য করলে, যাহাবী তা নিজের ভাষায় উল্লেখ করেন। তিনি সাধারণত বায়হাকীর হুবহু শব্দাবলি ব্যবহার করেন না এবং এর আগে ‘আমি বলছি’ কথাটিও যোগ করেন না।
* যাহাবী অনেক হাদিসের ওপর মূল্যবান ফিকহী বা হাদিসতাত্ত্বিক মন্তব্য করেন, অথবা কোনো হাদিস বা বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদান করেন। আর এসব ক্ষেত্রে তিনি ‘আমি বলছি’ দিয়ে শুরু করেন, যাতে বায়হাকীর বক্তব্য থেকে তাঁর নিজের বক্তব্য আলাদা করা যায়, যেমনটি আমরা আগে উল্লেখ করেছি।
* যাহাবী পাণ্ডুলিপির প্রতিটি খণ্ডকে বেশ কয়েকটি অংশে বিভক্ত করেছেন এবং প্রতিটি অংশের ওপর পৃষ্ঠার উপরিভাগে নম্বর দিয়েছেন। প্রতিটি পাণ্ডুলিপি খণ্ডের অংশের সংখ্যা প্রায় ৪০টি। পাণ্ডুলিপির প্রতিটি খণ্ড ‘আস-সুনান আল-কুবীর’ গ্রন্থের দুই খণ্ডকে ধারণ করে, যা মোট ১০ খণ্ডের একটি গ্রন্থ।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٧)
وصف المخطوطات
1 - نسخة دار الكتب:
وهي التي اتخذناها أصلًا وهي نسخة نفيسة من محفوظات دار الكتب المصرية تحت رقم (467 حديث) كتبت بخط الصنف الإمام الذهبي رحمه الله وفرغ منها سنة 726 هـ وتتكون من خمس مجلدات الموجود منها أربع مجلدات فقط وهم الأول، والثالث، والرابع، والخامس.
وهي من القطع المتوسط ومسطرتها (19، 27 سم) كل ورقة تتكون من وجهين كل وجه يتكون من 23 سطرًا إلا في بعض الورقات التي في آخر كل كتاب ونهاية المجلد، وكتب على غلاف كل مجلد وآخر صفحة منه وقف باسم الملك الظاهر برقوق.
المجلد الأول: عدد أوراقه 299 ورقة وكتب على غلافه: المجلد الأول من كتاب المهذب في اختصار السنن الكبير تأليف الإمام الحافظ أبي بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي رحمه الله تعالى، اختصار كاتبه محمد بن أحمد بن عثمان بن الذهبي غفر الله له.
ويبدأ من أول كتاب الطهارة وينتهي بآخر باب ذكر البيان أن هذا النهي مخصوص ببعض الصلاة وأنه يجوز في هذه الساعات كل صلاة لها سبب.
وكتب في آخره: تم المجلد الثاني -أي من الكتاب الأصل- وبه تم الجزء الأربعون من الأصل وهو آخر المجلد الأول من المهذب في السنن بخط محمد بن الذهبي -سامحه الله- واختصاره وتنكيته.
ثم كتب عليه وقف نصه:
وقف هذا الجزء وهو مختصر السنن الكبير للبيهقي اختصار كاتبه محمد بن الذهبي مولانا السلطان الملك الظاهر أبو سعيد بن برقوق على طلبة العلم المقيمين بحنتابة التي تعرف بالقاهرة المعزية وهو من خمسة أجزاء، وشرط -أيده الله تعالى- ألا يخرج إلى الدور إلا لمن يوثق بدينه وأمانته.
পাণ্ডুলিপিসমূহের বর্ণনা
১ - দারুল কুতুব পাণ্ডুলিপি:
এটিকে আমরা মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি। এটি মিশরীয় দারুল কুতুবের সংরক্ষিত একটি মূল্যবান পাণ্ডুলিপি, যার ক্রমিক নম্বর (৪৬৭ হাদিস)। এটি গ্রন্থকার ইমাম যাহাবী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর স্বহস্তে লিখিত এবং তিনি ৭২৬ হিজরিতে এর অনুলিপি সম্পন্ন করেন। এটি মোট পাঁচটি খণ্ডে বিভক্ত, যার মধ্যে বর্তমানে প্রথম, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম—এই চারটি খণ্ডই কেবল বিদ্যমান রয়েছে।
এটি মাঝারি আকৃতির এবং এর পরিমাপ (১৯ বাই ২৭ সেমি)। প্রতিটি পাতা দুই পৃষ্ঠার এবং প্রতিটি পৃষ্ঠা ২৩ লাইনের, তবে প্রতিটি কিতাব ও খণ্ডের শেষ দিকের কিছু পাতা এর ব্যতিক্রম। প্রতিটি খণ্ডের মলাটে এবং শেষ পৃষ্ঠায় সুলতান মালিক আয-যাহির বারকুকের নামে ওয়াকফের বিবরণ লিখিত রয়েছে।
প্রথম খণ্ড: এর পত্রসংখ্যা ২৯৯। এর মলাটে লেখা রয়েছে: ইমাম হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী আল-বায়হাকী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর রচিত ‘আস-সুনানুল কাবীর’-এর সংক্ষেপণ ‘আল-মুহাযযাব’-এর প্রথম খণ্ড; এর সংক্ষেপকারী মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আয-যাহাবী, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।
এটি পবিত্রতা অধ্যায়ের শুরু থেকে নিয়ে ‘এই নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট কিছু নামাজের ক্ষেত্রে এবং কারণযুক্ত সকল নামাজ এই সময়গুলোতে পড়া জায়েয’—সংক্রান্ত অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
এর শেষে লেখা আছে: মূল গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড সমাপ্ত হলো—অর্থাৎ মূল পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী—এবং এর মাধ্যমে মূল কিতাবের ৪০তম অংশ সম্পন্ন হলো, যা মুহাম্মাদ আয-যাহাবীর হস্তাক্ষরে, সংক্ষেপণে ও টীকাসহ ‘আল-মুহাযযাব ফিস সুনান’-এর প্রথম খণ্ডের সমাপ্তি; আল্লাহ তাকে মার্জনা করুন।
অতঃপর এতে একটি ওয়াকফনামা লেখা রয়েছে যার পাঠ নিম্নরূপ:
বায়হাকীর আস-সুনানুল কাবীর-এর সংক্ষেপিত এই খণ্ডটি, যা এর লেখক মুহাম্মাদ আয-যাহাবী কর্তৃক সংক্ষেপিত হয়েছে, আমাদের অধিপতি সুলতান মালিক আয-যাহির আবু সাঈদ ইবনে বারকুক কায়রোতে অবস্থিত হানতাবায় বসবাসরত ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য ওয়াকফ করেছেন। এটি মোট পাঁচ খণ্ডে সমাপ্ত। তিনি—আল্লাহ তাআলা তাকে শক্তিশালী করুন—শর্ত দিয়েছেন যে, যার দ্বীনদারী ও আমানতদারিতার ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে, এমন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো কাছে এটি ঘরের বাইরে দেওয়া যাবে না।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٨)
المجلد الثالث: وعليه وقف من السلطان برقوق أيضًا وعدد أوراقه 321 ورقة.
وكتب على غلافه: المجلد الثالث من المهذب في اختصار السنن الكبير ويبدأ من باب الإفراد والقران والتمتع من أثناء كتاب الحج، وينتهي بآخر باب لا وقت فيما يعطى الفقراء والمساكين من أثناء كتاب الصدقات وكتب في آخره: آخر الجزء العشرين مائة.
وكتب في آخره ثبت سماع للكتاب الأصل "السنن الكبير" من المصنف الذهبي إلى مؤلفه الحافظ البيهقي. ومؤرخ سنة ثمان وثمانين وستمائة.
المجلد الرابع: وعدد أوراقه 321 ورقة، وكتب على غلافه: المجلد الرابع من المهذب في اختصار السنن الكبير تأليف الحافظ أبي بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي، تعليق محمد ابن أحمد بن عثمان بن الذهبي، وله كلام يسير على الحديث أوله: قلت.
ويبدأ من باب الرجل يقسم صدقته على قرابته وجيرانه إذا كانوا من أهل السهمان لما جاء في حق الرحم والجار، من أثناء كتاب الصدقات.
وينتهي بآخر باب: ذكر الأوعية من أثناء كتاب الأشربة والحد فيها.
المجلد الخامس: وعدد أوراقة 346 ورقة وكتب على غلافه: المجلد الخامس من المهذب من السنن الكبيبر للإمام أبي بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي الحاِفظ رضي الله عنه، اختصار كاتبه محمد بن أحمد بن عثمان بن الذهبي عفا الله عنه وسامحه.
ويبدأ من أول باب: الرخصة في أوعية النبيذ بعد النهي من أثناء كتاب الأشربة والحد فيها.
وينتهي بآخر الكتاب عند باب عدة أم الولد من سيدها من أثناء كتاب أمهات الأولاد.
وكتب في آخره: آخر المهذب من السنن بحمد الله وحده. فرغت منه 726 هـ.
তৃতীয় খণ্ড: এটিও সুলতান বারকূক কর্তৃক ওয়াকফকৃত এবং এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩২১।
এর প্রচ্ছদে লেখা আছে: আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসার আস-সুনান আল-কাবীর-এর তৃতীয় খণ্ড। এটি হজ্জ অধ্যায়ের অন্তর্গত ইফরাদ, কিরান এবং তামাত্তু অনুচ্ছেদ থেকে শুরু হয়েছে এবং সদকা অধ্যায়ের 'দরিদ্র ও মিসকিনদের যা দান করা হয় তার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই' শীর্ষক অনুচ্ছেদের শেষে সমাপ্ত হয়েছে। এর শেষে লেখা আছে: একশত বিশতম জুয-এর সমাপ্তি।
এর শেষে মূল গ্রন্থ 'আস-সুনান আল-কাবীর'-এর একটি শ্রবণ-সনদ (সামা) লিপিবদ্ধ আছে, যা গ্রন্থ সংকলক আয-যাহাবী থেকে এর লেখক হাফেজ আল-বায়হাকী পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর তারিখ ৬৬৮ হিজরি।
চতুর্থ খণ্ড: এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩২১। এর প্রচ্ছদে লেখা আছে: হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-বায়হাকী রচিত 'আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসার আস-সুনান আল-কাবীর'-এর চতুর্থ খণ্ড; মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আয-যাহাবীর টীকা সম্বলিত। এতে হাদীসের ওপর তাঁর কিছু সংক্ষিপ্ত আলোচনা রয়েছে যা 'আমি বলেছি' (কুলতু) দিয়ে শুরু হয়েছে।
এটি সদকা অধ্যায়ের 'আত্মীয় ও প্রতিবেশীর হকের ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে কারণে কোনো ব্যক্তি যদি তার সদকা তাদের মধ্যে বণ্টন করে যখন তারা (যাকাতের) প্রাপকদের অন্তর্ভুক্ত হয়' শীর্ষক অনুচ্ছেদ থেকে শুরু হয়েছে।
এটি পানীয় ও তার দণ্ডবিধি অধ্যায়ের 'পাত্রসমূহের বর্ণনা' শীর্ষক অনুচ্ছেদের শেষে সমাপ্ত হয়েছে।
পঞ্চম খণ্ড: এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৪৬। এর প্রচ্ছদে লেখা আছে: ইমাম হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-বায়হাকী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) রচিত 'আস-সুনান আল-কাবীর' থেকে সংকলিত 'আল-মুহাযযাব'-এর পঞ্চম খণ্ড; এর লেখক মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন উসমান আয-যাহাবীর (আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন ও মার্জনা করুন) সংক্ষিপ্তকরণ।
এটি পানীয় ও তার দণ্ডবিধি অধ্যায়ের 'নিষেধাজ্ঞার পর নবীযের পাত্র ব্যবহারের অনুমতি' শীর্ষক প্রথম অনুচ্ছেদ থেকে শুরু হয়েছে।
এটি গ্রন্থের শেষে 'উম্মাতুল আওলাদ' অধ্যায়ের 'মালিকের পক্ষ থেকে উম্মে ওয়লাদ-এর ইদ্দত' শীর্ষক অনুচ্ছেদে সমাপ্ত হয়েছে।
এর শেষে লেখা আছে: একমাত্র আল্লাহর প্রশংসায় 'আল-মুহাযযাব মিনাস সুনান'-এর সমাপ্তি। আমি এটি ৭২৬ হিজরিতে সম্পন্ন করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ١٩)
النسخة الثانية من دار الكتب:
وهي النسخة التي اعتمدناها أصلًا مكملًا للنسخة الأولى، وهي من محفوظات دار الكتب المصرية أيضا تحت رقم [468 - حديث] وهي نسخة جيدة مقابلة بأصل المؤلف رحمه الله وكتبت سنة أربع وثلاثين وسبعمائة وكتبت بخط نسخي جميل من القطع المتوسط أيضًا ومسطرتها (19، 28 سم) والموجود منها المجلد الثاني فقط وعدد أورقه 366 من كل ورقة تتكون من وجهين كل وجه عدد أسطره 25 سطرًا وأوله مبتور وناقص منه ورقه ويبدأ من الورقة الثانية بقوله: "وطلعت الشمس صلى ركعتين" من أثناء باب: أن النهي قد خُصَّ منه بعض الأمكنة كمكة.
وينتهي بآخر باب: من أحرم من التنعيم أثناء كتاب الحج.
وكتب في آخره: آخر الجزء الثمانين، تم المجلد الرابع من عشرة، آخر المجلد الثاني من المهذب في السنن، والحمد لله رب العالمين.
وبحاشية الورق الأخيرة: بلغت المقابلة حسب الطاقة بحمد الله تعالى على أصل مختصره الشيخ الإمام العلامة شمس الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي الذي بخط يده في العشر الأول من رجب سنة أربع وثلاثين وسبعمائة.
وكتب على آخر ورقة منه سماع بخط الذهبي أيضًا لكتاب "السنن الكبير" للبيهقي وسمعه من الشيخ فخر الدين بن علي بن أحمد بن البخاري بإجازته من أبي سعد الصفار بسماعه من زاهر الشحامي.
وبإجازته من منصور الفراوي، بسماعه من أبي المعالي الفارسي، بسماعهما من البيهقي وفي آخره: نقله ابن الذهبي ومؤرخ سنة ثمان وثمانين وستمائة.
দারুল কুতুবের দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি:
এটি সেই সংস্করণ যা আমরা প্রথম সংস্করণের পরিপূরক মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ করেছি। এটিও মিশরীয় দারুল কুতুবের সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্তর্ভুক্ত যার নম্বর [৪৬৮ - হাদিস]। এটি একটি উত্তম পাণ্ডুলিপি যা লেখকের (রহিমাহুল্লাহ) মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এটি সাতশ চৌত্রিশ হিজরিতে সুন্দর নাসখ লিপিতে লেখা হয়েছে এবং এটিও মাঝারি আকারের, যার পরিমাপ (১৯ x ২৮ সে.মি.)। এর কেবল দ্বিতীয় খণ্ডটিই বিদ্যমান এবং এর পত্র সংখ্যা ৩৬৬টি। প্রতিটি পত্র দুটি পৃষ্ঠার সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতি পৃষ্ঠায় ২৫টি করে লাইন রয়েছে। এর শুরুটি খণ্ডিত এবং এক পৃষ্ঠা নিখোঁজ রয়েছে। এটি দ্বিতীয় পত্রের এই কথাটি দিয়ে শুরু হয়েছে: "সূর্য উদিত হলে তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন", যা 'মক্কার মতো কিছু স্থানে নিষেধাজ্ঞা বিশেষায়িত হওয়া' বিষয়ক পরিচ্ছেদের মধ্যভাগ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এটি হজ অধ্যায়ের 'তানঈম থেকে যে ব্যক্তি ইহরাম বাঁধল' পরিচ্ছেদের শেষে গিয়ে সমাপ্ত হয়েছে।
এর শেষে লেখা আছে: আশি নম্বর জুয-এর শেষ, দশ খণ্ডের চতুর্থ খণ্ড সমাপ্ত, 'আল-মুহাযযাব ফিস সুনান'-এর দ্বিতীয় খণ্ডের সমাপ্তি, এবং সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
শেষ পত্রের পার্শ্বটীকায় লেখা আছে: আল্লাহ তাআলার প্রশংসাসহ সাধ্যমত পাঠ-তুলনা (মুকাবিলা) সম্পন্ন হয়েছে এর সংক্ষিপ্তকারী শাইখ ইমাম আল্লামা শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আয-যাহাবির স্বহস্তে লিখিত মূল পাণ্ডুলিপির সাথে, যা সাতশ চৌত্রিশ হিজরির রজব মাসের প্রথম দশকে সম্পন্ন হয়েছে।
এর শেষ পত্রে যাহাবির হস্তাক্ষরে বায়হাকির 'আস-সুনান আল-কাবীর' কিতাবটির শ্রবণের (সামা') বিবরণও লেখা আছে। তিনি এটি শাইখ ফখরুদ্দিন বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-বুখারি থেকে শুনেছেন, যিনি আবু সা'দ আস-সাফফার থেকে প্রাপ্ত অনুমতিক্রমে যাহির আশ-শাহহামি থেকে এটি শুনেছেন।
এবং মানসুর আল-ফারাউই থেকে প্রাপ্ত অনুমতিক্রমে, আবু আল-মাআলি আল-ফারিসি থেকে শ্রবণের মাধ্যমে, তাঁরা উভয়ে বায়হাকি থেকে এটি শুনেছেন। এর শেষে লেখা আছে: ইবনে যাহাবি এটি অনুলিপি করেছেন এবং তারিখটি হলো ছয়শ আটাশি হিজরি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
النسخة الثالثة:
وهي نسخة المدينة والتي رمزنا لها بالرمز (م). وهي نسخة نفيسة كتبت بخط نسخي جيد نقلًا عن خط المؤلف، وهي من القطع المتوسط ومسطرتها (19، 27 سم) وتتكون كل ورقة من وجهين، كل وجه به 23 سطرًا ويوجد منها المجلد الأول، والثاني، والخامس فقط وكتبت سنة 740 هـ.
وأصاب أكثر أوراقها الطمس وهي بخط أبي أحمد بن عبد الله بن إسماعيل المعروف بابن القوي.
المجلد الأول عدد أوراقه 276 ورقة ورقمه [258 مدينة].
والمجلد الثاني عدد أوراقه 269 ووقة ورقمه [259 مدنيه].
والمجلد الخامس عدد أوراقه 289 ورقة ورقمه [260 مدينه].
والمجلدان الثالث والرابع غير موجودين.
النسخة الرابع:
وهي نسخة دار الكتب المصرية والمحفوظة فيها برقم [743 حديث] والتي رمزنا لها بالرمز (ك)، وهي نسخة كتبت بخط نسخي معتاد من القطع المتوسط ومقياسها (19، 27 سم) كل ورقة تتكون من وجهين كل وجه به 25 سطرًا.
وهي بخط أحمد بن محمد بن أحمد الخليلي بلدًا والشافعي مذهبًا وكتبت سنة 732 هـ والموجود منها المجلدان الأول والرابع فقط.
المجلد الأول عدد أوراقه 307 ورقة، والمجلد الرابع عدد أوراقه 376 ورقه.
النسخة الخامسة:
وهي نسخة الخزانة العامة بالرباط والمحفوظة تحت رقم [191 حديث] وهي نسخة بقلم
তৃতীয় পাণ্ডুলিপি:
এটি মদীনার পাণ্ডুলিপি, যেটিকে আমরা (ম) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান পাণ্ডুলিপি যা লেখকের মূল হস্তলিপি থেকে চমৎকার নাসখ্ লিপিতে অনুলিপি করা হয়েছে। এটি মাঝারি আকারের এবং এর পরিমাপ (১৯ x ২৭ সেমি)। এর প্রতিটি পাতা দুই পৃষ্ঠার সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি পৃষ্ঠায় ২৩টি করে লাইন রয়েছে। এর কেবল প্রথম, দ্বিতীয় এবং পঞ্চম খণ্ডই বিদ্যমান আছে এবং এটি ৭৪০ হিজরি সনে লেখা হয়েছে।
এর অধিকাংশ পৃষ্ঠার লেখা অস্পষ্ট বা ঝাপসা হয়ে গেছে। এটি আবু আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসমাইল—যিনি ইবনুল কাবি নামে পরিচিত—তাঁর হস্তলিপিতে লিখিত।
প্রথম খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৭৬ এবং এর নম্বর [২৫৮ মদীনা]।
দ্বিতীয় খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৬৯ এবং এর নম্বর [২৫৯ মদীনা]।
পঞ্চম খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৮৯ এবং এর নম্বর [২৬০ মদীনা]।
তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ড দুটি বর্তমানে বিদ্যমান নেই।
চতুর্থ পাণ্ডুলিপি:
এটি মিসরের 'দারুল কুতুব'-এ [৭৪৩ হাদিস] নম্বরে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি, যেটিকে আমরা (ক) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। এটি মাঝারি আকারের এবং সাধারণ নাসখ্ লিপিতে লিখিত একটি পাণ্ডুলিপি। এর পরিমাপ (১৯ x ২৭ সেমি)। প্রতিটি পাতা দুই পৃষ্ঠার সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি পৃষ্ঠায় ২৫টি করে লাইন রয়েছে।
এটি আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-খালিলির হস্তলিপিতে লিখিত, যিনি মাজহাবগতভাবে শাফিঈ ছিলেন। এটি ৭৩২ হিজরি সনে লেখা হয়েছে এবং বর্তমানে এর কেবল প্রথম ও চতুর্থ খণ্ড বিদ্যমান রয়েছে।
প্রথম খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০৭ এবং চতুর্থ খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৭৬।
পঞ্চম পাণ্ডুলিপি:
এটি রাবাতের 'আল-খিজানাতুল আম্মাহ'-তে [১৯১ হাদিস] নম্বরে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি। এটি ...-এর কলমে (হস্তলিপিতে) লিখিত একটি পাণ্ডুলিপি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٢١)
نسخي بيِّن قوبلت على أصل المصنف وبعض هذه المقابلة سنة 731 كما في الورقة [227 - ب] وهي من القطع المتوسط ومسطرتها (19، 5، 25 سم).
والموجود منها المجلد الأول فقط وعدد أوراقه 332 ورقة كل ورقة من وجهين كل وجه 25 سطرًا وهي بخط علي بن محمد بن رسلان الحراني سنة 732 هـ.
وآخره مبتور ينتهي أثناء الكلام على أحاديث النهي عن الصلاة إذا انتصف النهار وآخر ما فيه قوله: "لقد كبر سني ورق عظمى واقترب أجلي، وما بي حاجة أن أكذب على الله".
وألحق بآخر المجلد عشر ورقات من كتاب المكاتبه.
وكب في آخر ورقَة فيها: آخر المهذب من السنن، وافق الفراغ من نسخه في عاشر شهر رجب سنة اثنتين وثلاثينِ وسبعمائه، على يد علي بن محمد بن رسلان الحراني وصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا، وحسبنا الله ونعم الوكيل.
* * *
স্পষ্ট নাসখ লিপিতে লিখিত যা মূল লেখকের পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে। এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার কিছু অংশ ৭৩১ হিজরিতে সম্পন্ন হয়েছে, যেমনটি ২২৭-খ নম্বর পত্রে উল্লেখ আছে। এটি মাঝারি আকারের এবং এর মাপ (১৯, ৫, ২৫ সেমি)।
এর মধ্যে কেবল প্রথম খণ্ডটিই বিদ্যমান এবং এর পত্র সংখ্যা ৩৩২টি। প্রতিটি পত্রের দুটি পিঠ রয়েছে এবং প্রতিটি পিঠে ২৫টি করে লাইন আছে। এটি ৭৩২ হিজরিতে আলী বিন মুহাম্মদ বিন রাসলান আল-হাররানির হস্তলিপিতে অনুলিখিত।
এর শেষাংশ অসম্পূর্ণ, যা ঠিক দুপুরবেলা নামাজ পড়ার নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত হাদিসসমূহের আলোচনার মাঝখানে শেষ হয়েছে। এর সর্বশেষ বাক্যটি হলো: "নিশ্চয়ই আমার বয়স বেড়েছে, আমার হাড় দুর্বল হয়েছে এবং আমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে; আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলার কোনো প্রয়োজন আমার নেই।"
খণ্ডটির শেষে 'কিতাবুল মুকাতাবাহ' থেকে দশটি পত্র যুক্ত করা হয়েছে।
এর শেষ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে: 'আল-মুহাযযাব মিনাস সুনান'-এর সমাপ্তি। এর অনুলিপি সম্পন্ন হয়েছে সাতশ বত্রিশ হিজরি সনের দশই রজব তারিখে, আলী বিন মুহাম্মদ বিন রাসলান আল-হাররানির হাতে। আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর অগণিত রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
منهج التحقيق
* اتخذنا من نسخة دار الكتب التي هي بخط المؤلف أصلًا في تحقيق وضبط نص الكتاب فقمنا بقراءتها قراءة متفحصة ثم قمنا بنسخها ورسم الكلمات.
* استكملنا النقص الموجود في النسخة الأصل -وهو المجلد الثاني- من النسخة الثانية المحفوظة في دار الكتب تحت رقم [468 حديث] واتخذناها أصلًا في ضبط الكتاب وأشرنا إليها بالأصل أيضًا.
* اعتمدنا على النسخ الأخرى كنسخ مساعدة في ضبط الكتاب ورمزنا لنسخة المدينة بالرمز (م) ونسخة الرباط بالرمز (ط) ونسخة دار الكتب رقم [743 حديث] بالرمز (ك).
* رجعنا في أحيان كثيرة إلى النسخة المطبوعة من "السنن الكبير" للبيهقي، وهي النسخة الهندية والمطبوعة في عشر مجلدات غير الفهارس لضبط بعض الكلمات والاطمئنان إلى صحة ما في النسخ الخطية ورمزنا لها بالرمز (هـ).
* قمنا بمقابلة المنسوخ على الأصل المخطوط مقابلة دقيقة، وقمنا بإثبات الفروق بينهما وبين النسخ الخطية فإن ترجح لنا أن ما في النسخ الأخرى أصح صوبناه في الأصل ووضعناه بين معكوفين وأثبتنا في الهامش ما في الأصل وذكرنا دليلنا على صحة ما صوبناه.
وإن ثبت لنا أن ما في الأصل هو الصواب أثبتناه بين قوسين وذكرنا في الهامش ما في النسخ المساعدة إن كان له وجه.
* قمنا بتنظيم فقرات النص وكتابته بما هو متعارف عليه في عصرنا من صورة الإملاء ورسم الكلمات، وغيرنا ما اصطلح عليه النساخ من تسهيل الهمزات وحذف الألف الوسطية في بعض الأسماء مثل "سفين" و"صلح" فكتبناها "سفيان" و"صالح" وغير ذلك.
* قمنا بوضع أرقام مسلسلة لأحاديث الكتاب حتى تسهل الاستفادة من نصوصه
সম্পাদনা পদ্ধতি
* আমরা দারুল কুতুবের পাণ্ডুলিপিটি, যা লেখকের স্বহস্তে লিখিত, সেটিকে কিতাবটির পাঠ যাচাই ও সংশোধনের ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমরা তা নিবিড়ভাবে পাঠ করেছি এবং শব্দগুলোর প্রতিলিপি ও বিন্যাস সম্পন্ন করেছি।
* মূল পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান অসম্পূর্ণতা—যা মূলত দ্বিতীয় খণ্ড—আমরা দারুল কুতুবে সংরক্ষিত [৪৬৮ হাদিস] নম্বরের দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি থেকে পূর্ণ করেছি এবং এটিকেও কিতাবটি বিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং একেও 'মূল ভিত্তি' হিসেবে নির্দেশ করেছি।
* আমরা অন্যান্য পাণ্ডুলিপিগুলোকে কিতাবটি বিন্যাসের ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং মদিনার পাণ্ডুলিপির জন্য (ম), রিবাতের পাণ্ডুলিপির জন্য (ত) এবং দারুল কুতুবের [৭৪৩ হাদিস] নম্বর পাণ্ডুলিপির জন্য (ক) প্রতীক ব্যবহার করেছি।
* আমরা অনেক ক্ষেত্রে বায়হাক্বীর 'আস-সুনানুল কাবীর'-এর মুদ্রিত কপির সাহায্য নিয়েছি, যা দশ খণ্ডে মুদ্রিত ভারতীয় সংস্করণ (সূচিপত্র ব্যতীত)। শব্দগুলোর সঠিক বিন্যাস এবং পাণ্ডুলিপির পাঠের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য আমরা এটি ব্যবহার করেছি এবং একে (হ) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
* আমরা প্রতিলিপি করা পাঠের সাথে মূল পাণ্ডুলিপির সূক্ষ্মভাবে তুলনা করেছি এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির সাথে পাঠভেদগুলো চিহ্নিত করেছি। যদি আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে অন্য পাণ্ডুলিপির পাঠটি অধিকতর সঠিক, তবে আমরা মূল পাঠে তা সংশোধন করে তৃতীয় বন্ধনীর [ ] মধ্যে রেখেছি এবং মূল পাণ্ডুলিপির পাঠটি টিকায় উল্লেখ করার পাশাপাশি আমাদের সংশোধনের সপক্ষে দলিল পেশ করেছি।
আর যদি আমাদের নিকট এটি প্রমাণিত হয়েছে যে মূল পাণ্ডুলিপির পাঠটিই সঠিক, তবে আমরা তা বন্ধনীর মধ্যে রেখেছি এবং সহায়ক পাণ্ডুলিপিগুলোতে যা ছিল, যদি তার কোনো গ্রহণযোগ্য দিক থাকে, তবে তা টিকায় উল্লেখ করেছি।
* আমরা কিতাবের অনুচ্ছেদগুলো সুসংগঠিত করেছি এবং বর্তমান যুগে প্রচলিত বানানরীতি ও শব্দশৈলী অনুযায়ী তা লিপিবদ্ধ করেছি। লিপিকারদের প্রচলিত প্রাচীন রীতি, যেমন হামযাহর সহজীকরণ এবং কিছু নামের মধ্যবর্তী আলিফ বাদ দেওয়া (যেমন 'সুফিয়ান'-এর পরিবর্তে 'সুফিন' এবং 'সালেহ'-এর পরিবর্তে 'সলহ')—এসব পরিবর্তন করে আমরা 'সুফিয়ান' ও 'সালেহ' ইত্যাদি লিখেছি।
* কিতাবটির বিষয়বস্তু থেকে উপকৃত হওয়া সহজতর করার জন্য আমরা এর হাদিসগুলোকে ক্রমানুসারে নম্বর প্রদান করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুহাযযাব ফী ইখতিসারিস সুনানিল কাবীর
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
والإحالة عليها بيسر عند الحاجة.
* قمنا بوضع أرقام أجزاء وصفحات النسخة المطبوعة من سنن البيهقي بجوار بداية كل باب حتى يسهل الرجوع إلى أصل الكتاب.
* قمنا بوضع أرقام أوراق المخطوط الأصل بين معكوفين حتى يسهل الرجوع إلى المخطوط لمن أراد.
* قمنا بعزو الآيات إلى موضعها من المصحف.
* قمنا بعزو الأحاديث إلى مصادرها التي عزاها إليها المؤلف كما قمنا بعرض أحاديث الكتاب على كتاب تحفة الأشراف في معرفة الأطراف للحافظ المزي وزدنا ما زاد على عزو الحافظ الذهبي وقمنا بعزوه أيضًا إلى مصادره وفاءً بما رجاه المصنف في مقدمته للكتاب.
* قمنا بشرح بعض الكلمات الغريبة التي ساعدت في ضبط النص.
* نبهنا في كثير من الأحيان على سبب تضبيب المصنف على بعض الأسماء والكلمات بحسب الطاقة.
* قمنا بعمل مقدمة علمية للكتاب اشتملت على ترجمة الحافظ البيهقي والإمام الذهبي ومنهجه في كتابه ووصف المخطوطات ومنهجنا في العمل.
* قمنا بعمل فهارس علمية للكتاب، اشتملت على فهرس الآيات، وفهرس لأطراف الأحاديث والآثار، وفهرس للرواة الذين تكلم عليهم الحافظ الذهبي رحمه الله.
هذا وما كان من توفيق فمن الله عز وجل وحده، وما كان من عيب أو تقصير فمنا ومن الشيطان؛ فنسأل الله عز وجل العفو والغفران، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
* * *
وكتبه أبو تميم ياسر بن إبراهيم بن محمد
بدار المشكاة -القاهرة- حلوان
في الأول من محرم سنة 1421 هـ
এবং প্রয়োজনে সহজে সেগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করা।
* আমরা সুনান আল-বায়হাকির মুদ্রিত সংস্করণের খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর প্রতিটি অধ্যায়ের শুরুতে যুক্ত করেছি, যাতে মূল গ্রন্থের মূল পাঠের দিকে ফিরে যাওয়া সহজ হয়।
* আমরা মূল পাণ্ডুলিপির পত্র সংখ্যাকে তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে রেখেছি, যাতে যারা চান তাদের জন্য মূল পাণ্ডুলিপিটি দেখা সহজ হয়।
* আমরা আয়াতগুলোকে কুরআনের সংশ্লিষ্ট স্থানে নির্দেশ করেছি।
* আমরা হাদিসগুলোকে সেই সব উৎসের সাথে সম্পৃক্ত করেছি যেগুলোর দিকে লেখক ইঙ্গিত করেছেন। পাশাপাশি আমরা এই গ্রন্থের হাদিসগুলোকে হাফিজ মিজ্জির ‘তুহফাতুল আশরাফ ফি মা’রিফাতিল আতরাফ’ গ্রন্থের সাথে মিলিয়ে দেখেছি এবং হাফিজ যাহাবীর নির্দেশিত উৎসের অতিরিক্ত বিষয়গুলো যোগ করেছি এবং লেখকের তাঁর কিতাবের ভূমিকায় কৃত আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে সেগুলোকে সেগুলোর মূল উৎসের দিকে নির্দেশ করেছি।
* আমরা কিছু কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা করেছি যা পাঠ্যটি সঠিকভাবে নির্ধারণে সহায়তা করেছে।
* সাধ্যানুযায়ী আমরা অনেক ক্ষেত্রে কিছু নাম ও শব্দের ওপর লেখকের 'তাদবিব' (সংশয়সূচক চিহ্ন) দেওয়ার কারণ সম্পর্কে ইঙ্গিত করেছি।
* আমরা বইটির জন্য একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক ভূমিকা তৈরি করেছি, যাতে হাফিজ বায়হাকি এবং ইমাম যাহাবীর জীবনী, তাঁর গ্রন্থের কর্মপদ্ধতি, পাণ্ডুলিপির বর্ণনা এবং আমাদের কাজের পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
* আমরা বইটির জন্য তাত্ত্বিক নির্ঘণ্ট তৈরি করেছি, যার মধ্যে রয়েছে আয়াতের নির্ঘণ্ট, হাদিস ও আছারের নির্ঘণ্ট এবং হাফিজ যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) যে সকল বর্ণনাকারী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তাদের নির্ঘণ্ট।
আর যা কিছু তাওফিক হয়েছে তা একমাত্র মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা রয়েছে তা আমাদের ও শয়তানের পক্ষ থেকে; সুতরাং আমরা মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও মার্জনা প্রার্থনা করছি, আর আমাদের শেষ কথা হলো—সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
* * *
এটি লিখেছেন আবু তামীম ইয়াসির বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ
দারুল মিশকাত - কায়রো - হালওয়ান
পহেলা মুহররম, ১৪২১ হিজরি।