(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: -)
سبب تسمية «الشقة» بهذا الاسم القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: سبب تسمية «الشُّقَّة» بهذا الاسم
أصله مقال لـ: سليمان بن حمود الحصيني ـ رحمه الله ـ (نُشر في «جريدة الرياض»، 1403 هـ)
أعاد نشره وعلق عليه وأضاف: إبراهيم بن عبدالله بن عبدالرحمن بن حمود بن محمد بن مديهش بن محمد بن إبراهيم بن سالم الحميدي
النشرة: الأولى، 1437 هـ
عدد الصفحات: 57
[البحث - في صورته الحالية - غير مطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 27 جُمادَى الأولى 1440
«শুক্কাহ» নামকরণের কারণ বিভাগ: দেশসমূহ ও ভ্রমণকাহিনী
বই: «শুক্কাহ» নামকরণের কারণ
মূলত এটি একটি নিবন্ধ যা লিখেছেন: সুলাইমান বিন হামুদ আল-হুসাইনী — রহিমাহুল্লাহ — (১৪০৩ হিজরীতে «আল-রিয়াদ পত্রিকা»-য় প্রকাশিত)
পুনঃপ্রকাশ, টীকা প্রদান ও পরিবর্ধন করেছেন: ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন হামুদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাদিহেশ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন সালিম আল-হুমাইদী
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৭ হিজরী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৭
[গবেষণাপত্রটি — বর্তমান আকারে — অমুদ্রিত]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৭ জুমাদাল উলা ১৪৪০
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১)
سبب تسمية «الشُّقَّة» بهذا الاسم
مقال قديم كتبه الأستاذ:
سليمان بن حمود الحصيني رحمه الله
نُشر في «جريدة الرياض»، عام (1403 هـ)
أعاد نشره، وعلَّق عليه، وأضاف:
إبراهيم بن عبدالله بن عبدالرحمن بن حمود بن محمد بن مديهش بن محمد بن إبراهيم بن سالم الحميدي
«আশ-শুক্কাহ» এই নামকরণের কারণ
অধ্যাপক কর্তৃক লিখিত একটি প্রাচীন প্রবন্ধ:
সুলাইমান বিন হামুদ আল-হুসাইনী রহিমাহুল্লাহ
এটি ১৪০৩ হিজরি সালে «আল-রিয়াদ পত্রিকা»-এ প্রকাশিত হয়েছিল
এটি পুনরায় প্রকাশ, টীকা প্রদান এবং এতে সংযোজন করেছেন:
ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন হামুদ বিন মুহাম্মদ বিন মুদাইহিশ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন সালিম আল-হুমায়দী
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৩)
بلدة «الشُّقَّة» كانت بلدة كبيرة في شمال غرب
… «بُريدة»، وأصبحت «الشقة السفلى» الآن حيَّاً من الأحياء الشمالية الغربية ل «بريدة»
و«الشقة العليا»، و «ضاري» مزارع واستراحات، وأملاك مهجورة، وليس فيها ساكنون.
'আশ-শুক্কাহ' জনপদটি 'বুরাইদাহ'র উত্তর-পশ্চিমে
... একটি বড় জনপদ ছিল এবং বর্তমানে 'নিচ আশ-শুক্কাহ' বুরাইদাহর উত্তর-পশ্চিমের এলাকাগুলোর একটি মহল্লায় পরিণত হয়েছে।
আর 'উঁচু আশ-শুক্কাহ' এবং 'দারি' হলো কৃষিখামার ও বিশ্রামাগার এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তি, সেখানে কোনো অধিবাসী নেই।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৪)
[صورة]
الطرق المحدثة ألغت حدود البلدة، فالشقة المكتوبة في الخريطة هي السفلى، والنجمة الصفراء هي في منتصف «ضاري»، وما فوقها: الشقة العليا
[ছবি]
আধুনিক তৈরিকৃত পথসমূহ জনপদের সীমানা বিলুপ্ত করে দিয়েছে, ফলে মানচিত্রে লিখিত 'আশ-শাক্কাহ' হলো নিম্নবর্তী এলাকা, আর হলুদ তারকাটি 'দারি' এর মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং তার উপরের অংশটি হলো: উচ্চতর 'আশ-শাক্কাহ'।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৫)
[صورة]
[আকৃতি]
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৬)
[صورة]
[চিত্র]
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله وحده، والصلاة والسلام على من لانبي بعده،
أما بعد
فالباعث على كتابة هذه الأوراق، أني لما كتبتُ لموقع أسرتنا الكريمة في «الشبكة العالمية»: أسرة المديهش www.almdehesh.com
تعريفاً مختصراً ب «الشقة» و «ضارج»، وذلك في عام (1431 هـ)، وكان غالبه منقولاً من تعريف متداول، حرصت فيه على مسألتين علميتين اثنتين:
1. هل «ضارج» الواردة في معلَّقة امرئ القيس، هي «ضارج القصيم» أم غيرها؟
2. إنكار القصة الخرافية في سبب تسمية الشقة بها الاسم.
ولم أجد قبل كتابتي ولا بعدها مَن ذَكَر المسألة الثانية، رغم يقيني بوضوحها، وإنكار العقل لها.
وفي مقدمة تحقيقي لكتاب «البراهين المعتبرة» أوردت تعريفاً مختصراً ب «ضارج» و «الشقة»، وقرأته على معالي الشيخ: محمد بن ناصر العبودي
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা কেবল একক আল্লাহর জন্য, আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই।
অতঃপর,
এই পৃষ্ঠাগুলো লেখার কারণ হলো, যখন আমি ১৪৩১ হিজরী সালে 'ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব'-এ আমাদের সম্মানিত পরিবারের ওয়েবসাইট 'আল-মোদাইহিশ ফ্যামিলি' (www.almdehesh.com)-এর জন্য 'আশ-শিক্কাহ' এবং 'দারিজ' সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি লিখেছিলাম; যার অধিকাংশ প্রচলিত একটি পরিচিতি থেকে সংগৃহীত ছিল, সেখানে আমি দুটি তাত্ত্বিক বিষয়ে সচেষ্ট ছিলাম:
১. ইমরুল কাইসের মুয়াল্লাকায় বর্ণিত 'দারিজ' কি 'কাসিমের দারিজ' নাকি অন্য কোনো স্থান?
২. 'আশ-শিক্কাহ' নামকরণের কারণ হিসেবে প্রচলিত অলীক কাহিনীর অসারতা প্রমাণ করা।
আমার লেখার আগে বা পরে আমি এমন কাউকে খুঁজে পাইনি যিনি দ্বিতীয় বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, যদিও বিষয়টি যে স্পষ্ট এবং যুক্তি পরিপন্থী সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম।
এবং 'আল-বারাহিন আল-মুতাবারাহ' গ্রন্থটির আমার সম্পাদিত সংস্করণের ভূমিকায় আমি 'দারিজ' ও 'আশ-শিক্কাহ' সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপস্থাপন করেছি এবং তা মহামান্য শায়খ মুহাম্মাদ বিন নাসের আল-উবুদির সামনে পাঠ করেছি।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৮)
ـ حفظه الله ـ، خاصة وأنه قد أورد هذه القصة في كتابه «معجم بلاد القصيم» نقلاً عن كبار السن من أهل «الشقة»، لما أنهيت القراءة أيدني مباشرة على ما ذكرت حرفاً حرفاً، وتعجب الشيخ من أن تكون البلدة الكبيرة مقابل شق بيت من شعر، لا يساوي شيئاً، والشق القطعة الصغيرة، أقدرُها أنا بمتر في مترين! !
ومن بركات مجلس معالي الشيخ، أن التقيت فيه بالأستاذ الكريم المتواضع المحب لبلدته وأهلها: علي بن ناصر بن عبدالعزيز بن إبراهيم الحصيني، من أهل «الشُّقَّة».
وصِلتُه بأمير «الشُّقَّة»، الكريم الشهير: سند بن إبراهيم الحصيني
… (ت 1347 هـ) رحمه الله، عمُّ أبيه.
أتحفني بوثائق جميلة لأسرتنا (آل مديهش)، وهي مداينات، كان الأمير: سند الحصيني يداين فيها غالب أسر الشقة، وبريدة أيضاً، فما وجد من مداينة فيها اسم من أسماء أسرتنا إلا تكرم عليَّ ـ أحسن الله إليه ـ فأتحفني بصورة منها.
—আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন—, বিশেষ করে যেহেতু তিনি তাঁর ‘মু’জামু বিলাদিল কাসিম’ গ্রন্থে ‘আশ-শাক্কাহ’ এর প্রবীণ ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে এই কাহিনী উল্লেখ করেছেন। যখন আমি পড়া শেষ করলাম, তখন আমি যা কিছু উল্লেখ করেছি তার প্রতিটি বর্ণে তিনি আমাকে সরাসরি সমর্থন করলেন। শাইখ বিস্ময় প্রকাশ করলেন যে, একটি বড় জনপদ একটি পশমি তাঁবুর সামান্য ছিঁড়ে যাওয়া অংশের বিনিময়ে হবে, যার কোনো মূল্যই নেই। আর সেই ‘শাক্ক’ বা ছেঁড়া অংশটি হলো একটি ছোট টুকরো, যেটিকে আমি এক মিটার বাই দুই মিটার বলে আন্দাজ করি!!
মান্যবর শাইখের মজলিসের বরকতসমূহের মধ্যে একটি হলো, সেখানে আমি স্বীয় জনপদ ও তার অধিবাসীদের প্রতি অতিশয় অনুরাগী, বিনয়ী ও সম্মানিত উস্তাদ আলি বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ বিন ইবরাহিম আল-হুসাইনির সাথে সাক্ষাৎ করি, যিনি ‘আশ-শাক্কাহ’ এর অধিবাসী।
‘আশ-শাক্কাহ’ এর প্রসিদ্ধ ও দয়ালু আমির—সানাদ বিন ইবরাহিম আল-হুসাইনি
… (ওফাত ১৩৪৭ হিজরি) রাহিমাহুল্লাহ—এর সাথে তাঁর সম্পর্ক হলো, তিনি তাঁর পিতার চাচা।
তিনি আমাদের পরিবার (আল-মুদাইহিশ) সংক্রান্ত কিছু চমৎকার নথিপত্র দিয়ে আমাকে ধন্য করেছেন। সেগুলো ছিল মূলত ঋণ সংক্রান্ত দলিলাদি; আমির সানাদ আল-হুসাইনি শাক্কাহ এবং বুরাইদাহর অধিকাংশ পরিবারকেই ঋণ প্রদান করতেন। সেই ঋণচুক্তিগুলোর মধ্যে যখনই তিনি আমাদের পরিবারের কোনো নাম সংবলিত কোনো দলিল পেয়েছেন, তখনই তিনি সদয় হয়ে —আল্লাহ তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করুন— আমাকে তার একটি অনুলিপি উপহার দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৯)
وقد أخبرني بامتلاكه كثيراً من الوثائق الأصلية، وهي وثائق أسرته الكريمة، ولاشك في نفاستها مادام أن أسرته تولت الإمارة قرناً من الزمان أو أكثر، وأن جده إبراهيم، وابنه الأمير: سند، كان يداين غالب البلد، فكم من وثيقة أخرجت لأسرة علماً كثيراً ـ يعرف ذلك من عرف الوثائق، ويجهل ذلك كله من جهل قيمتها ـ.
وقد اقترحت عليه كثيراً ـ ولا زلت ـ أن يصوِّر هذه الوثائق كلَّها في مجلد أو مجلدين، يشير تحت كل وثيقة بمضمونها، واسم كاتبها والشهود، وتاريخها، لتستفيد أسر كثيرة جداً من هذا الكنز الدفين، وليُحفظ الحقُّ باسم أسرتهم: «وثائق أسرة الحصيني».
وأطلعته ـ رعاه الله ـ على تجارب مماثله.
لعل الله أن ييسر له ويعينه على إخراج الوثائق كلها.
وكان من ضمن الحديث معه: أني لم آت بجديد عن «الشقة»، وليس عندي مقدرة وقتيه، وبحثية للكتابة عنها، سوى أني تحدثت عن مسألة واحدة، ولا أعلم من سبقني إليها، وهي مسألة: إنكار القصة المتداولة
… إلخ
فذكر لي أن ابن عمه كتبَ فيها مقالاً، نُشر قديماً في إحدى الصحف!
তিনি আমাকে অবহিত করেছেন যে তাঁর কাছে অনেকগুলো মূল নথিপত্র সংরক্ষিত রয়েছে, যা তাঁর সম্মানিত পরিবারেরই দলিলাদি। এগুলোর মূল্যবান হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যেহেতু তাঁর পরিবার এক শতাব্দী বা তারও বেশি সময় ধরে আমিরাতের দায়িত্বে ছিল এবং তাঁর দাদা ইব্রাহিম ও তাঁর পুত্র আমির সানাদ দেশের অধিকাংশ মানুষকে ঋণ দিতেন। কত নথিপত্রই না একটি পরিবারের জন্য প্রভূত জ্ঞান উন্মোচন করেছে—যিনি নথিপত্র সম্পর্কে সম্যক অবগত তিনি তা জানেন, আর যিনি এগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে অজ্ঞ তিনি এর পুরোটাই উপেক্ষা করেন।
আমি তাঁকে বহুবার প্রস্তাব দিয়েছি—এবং এখনো দিচ্ছি—যেন তিনি এই সকল নথিপত্র এক বা দুই খণ্ডে আলোকচিত্র আকারে সংকলন করেন, যেখানে প্রতিটি নথির নিচে এর সারসংক্ষেপ, লেখকের নাম, সাক্ষীগণ এবং তারিখ উল্লেখ থাকবে; যাতে বহু পরিবার এই লুক্কায়িত ধনভাণ্ডার থেকে উপকৃত হতে পারে এবং তাঁদের পরিবারের নামে এই অধিকার সংরক্ষিত হয়: "আল-হুসাইনি পরিবারের নথিপত্র"।
আমি তাঁকে—আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন—অনুরূপ কিছু অভিজ্ঞতার কথা অবহিত করেছি।
হয়তো আল্লাহ তাঁর জন্য বিষয়টি সহজ করে দেবেন এবং সকল নথিপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে তাঁকে সাহায্য করবেন।
তাঁর সাথে আলোচনার একটি অংশ ছিল এই যে: আমি "আশ-শিক্কাহ" সম্পর্কে নতুন কিছু নিয়ে আসিনি, আর বর্তমানে আমার কাছে এটি নিয়ে লেখার মতো পর্যাপ্ত সময় বা গবেষণার সক্ষমতা নেই। তবে আমি কেবল একটি বিষয়ে আলোচনা করেছি, যে বিষয়ে আমার পূর্বে আর কেউ আলোকপাত করেছেন বলে আমার জানা নেই; বিষয়টি হলো: প্রচলিত কাহিনীটি প্রত্যাখ্যান করা... ইত্যাদি।
তখন তিনি আমাকে জানালেন যে তাঁর চাচাতো ভাই এ বিষয়ে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যা অনেক আগে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল!
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১০)
فتعجبت من هذا السبق الجميل، وتعجبت أكثر من الاختفاء السئ للمقال! لمَ لمْ تتداوله الأيدي الباحثة والكاتبة التي تحدثت عن البلدة
… ـ والكتابات عنها قليلة ـ؟ !
المقصود أن أبا ناصر علي الحصيني ـ سلمه الله ـ وعدني بصورة من المقال، ولما اطلعت عليه، تفاجأت أنه مقال كتب عام (1403 هـ)، ولم ينتشر فيما انتشر من كلام قليل، وهذر كثير في «النت»، من متطفلين على الكتابة، متعصبين لأسرتهم فقط؟ !
ولأن المقال لم يشر إليه أحد ـ فيما أعلم ـ، ولم يُعَدْ نشرُه في وسائل التواصل الحديثة، وقد تجاهلَه مَن كتب عن البلدة، ولأنه قديم نسبياً، وأعتبره أول من أعمل عقله في نقد القصة، ووفاء لجهده الطيب رحمه الله، وجهد ابن عمه الذي احتفظ بالمقال وأفادني به؛ وجدتُ الفرصة مناسبة لإعادة كتابته، وتصحيحه من الأخطاء الطباعية، والتعليق اليسير عليه، ثم تذييله بما كتبتُه مما توافقت معه ـ دون علم به ـ على إنكار ما تداوله أهل البلدة، وتناقله
… ـ بالذات ـ من كتب شجرة أسرته، تقليداً حرفياً لبعض شجرات الأسر الأخرى.
আমি এই চমৎকার অগ্রযাত্রায় বিস্মিত হলাম, এবং প্রবন্ধটির এই দুর্ভাগ্যজনক অন্তর্ধান দেখে আরও বেশি বিস্মিত হলাম! কেন গবেষক ও লেখকদের হাত এটি নিয়ে নাড়াচাড়া করেনি যারা এই জনপদ নিয়ে কথা বলেছেন
... —অথচ এ বিষয়ে লেখালেখি খুবই নগণ্য—?!
উদ্দেশ্য হলো, আবু নাসের আলী আল-হুসাইনি—আল্লাহ তাকে নিরাপদ রাখুন—আমাকে প্রবন্ধটির একটি কপির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যখন আমি এটি পাঠ করলাম, তখন আমি অবাক হলাম যে প্রবন্ধটি (১৪০৩ হিজরি) সালে লেখা হয়েছিল, এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া সামান্য কথা ও প্রচুর অনর্থক প্রলাপের ভিড়ে এটি মোটেও পরিচিতি পায়নি, যা লেখালেখিতে অনধিকার প্রবেশকারী এবং শুধুমাত্র নিজ বংশের প্রতি অন্ধ পক্ষপাতিদের মাধ্যমে হয়েছে?!
আর যেহেতু আমার জানা মতে প্রবন্ধটির দিকে ইতিপূর্বে কেউ ইঙ্গিত করেনি, এবং আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এটি পুনপ্রকাশিত হয়নি, আর যারা জনপদটি সম্পর্কে লিখেছেন তারা এটিকে উপেক্ষা করেছেন; যেহেতু এটি তুলনামূলক প্রাচীন এবং আমি তাকেই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করি যিনি এই কাহিনী পর্যালোচনায় নিজের মেধা প্রয়োগ করেছিলেন, তাই তার এই উত্তম প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ (আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন) এবং তার চাচাতো ভাইয়ের প্রচেষ্টার সম্মানার্থে—যিনি প্রবন্ধটি সংরক্ষণ করেছিলেন এবং আমাকে তা দিয়ে উপকৃত করেছেন—আমি এটিকে পুনরায় লেখার, মুদ্রণজনিত ভুল সংশোধন করার, এর ওপর সংক্ষিপ্ত টীকা প্রদান করার এবং পরিশেষে আমি যা লিখেছি তা সংযোজন করার উপযুক্ত সুযোগ খুঁজে পেয়েছি। আমি না জেনেই তার সাথে একমত হয়েছিলাম সেই সব বিষয়ের অস্বীকৃতিতে যা জনপদের অধিবাসীরা প্রচার করত এবং যা বিশেষ করে
...—সুনির্দিষ্টভাবে—বংশলতিকা রচয়িতারা অন্যান্য বংশলতিকার অন্ধ অনুকরণে নিজ বংশের কিতাবে উল্লেখ করেছিল।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১১)
وكانت هذه الأوراق فرصة طيبة، للتنبيه على بعض المعلومات المستجدة التي لم أجد موضعاً للتنبيه فيه.
تنبيه: للأستاذ أبي ناصر، علي الحصيني تعليقات توضيحية لما أشكل عليَّ من المقال، كتبتها في الحاشية مذيَّلةً باسمه: (علي الحصيني).
এই লেখাগুলো কিছু নতুন তথ্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার একটি উত্তম সুযোগ ছিল, যা অন্য কোথাও উল্লেখ করার অবকাশ আমি পাইনি।
দ্রষ্টব্য: প্রবন্ধের যে বিষয়গুলো আমার নিকট অস্পষ্ট ছিল, সেগুলোর ওপর উস্তাদ আবু নাসের আলী আল-হুসাইনির কিছু ব্যাখ্যামূলক মন্তব্য রয়েছে; আমি তা পাদটীকায় তাঁর নামের (আলী আল-حصيني) সাথে যুক্ত করে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১২)
مقال قديم قبل أكثر من (33) سنةنُشر في «جريدة الرياض» في عددها (5472)، يوم الخميس، تاريخ
… (28/ شعبان/ 1403 هـ)، في صفحة «الرأي للجميع»، مقال جميل، للأستاذ: سليمان بن حمود بن صالح بن إبراهيم بن عبدالله بن سند الحصيني رحمه الله (1)
بعنوان:
(هل «الشُّقَّة» اشتُرِيَتْ بشِقَّةِ من بيت الشعر كما يقولون؟ )
ذكر الشيخ العبودي في كتابه «بلاد القصيم» عن «الشُّقَّة» وسبب تسميتها، ما نصه:
--------------------------------------------
৩৩ বছরেরও বেশি সময় আগের একটি পুরোনো প্রবন্ধ‘আল-রিয়াদ পত্রিকা’র ৫৪৭২ সংখ্যায়, বৃহস্পতিবার, তারিখ
… (২৮/ শা’বান/ ১৪০৩ হি.), ‘সবার জন্য মত’ পাতায় একটি চমৎকার প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। প্রবন্ধটি লিখেছেন জনাব সুলাইমান বিন হামুদ বিন সলিহ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন সানাদ আল-হুসাইনি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন (১)।
শিরোনাম:
(‘আশ-শুক্কাহ’ কি পশমের তাঁবুর একটি টুকরোর বিনিময়ে কেনা হয়েছিল, যেমনটি বলা হয়ে থাকে?)শাইখ আল-আবূদী তাঁর ‘বিলাদুল কাসিম’ গ্রন্থে ‘আশ-শুক্কাহ’ এবং এর নামকরণের কারণ সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন তার ভাষ্য নিম্নরূপ:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
يتناقل أهالي الشقة القدامى قصة وصولهم من «التويم» في «منطقة سدير»، ويقولون ما ملخصُّه من روايات عِدَّة، بعضها يغاير بعضاً: أن أوائلهم جاءوا ـ وهم ثلاثة أشخاص ـ فوجدوا «الشُّقَّة» ماءً ل «عَنَزَة»، ووجدوهم قد ارتحلوا عنها، إلا أنهم يعلمون أنهم راجعون، ولم يكن فيها إلا عجوز، فاشتروا منها ذلك الماء، بشِقَّةٍ من بيت الشَّعَر، إذْ ليس معهم نقود، والبدوية العنَزية بحاجة إلى تلك الشقة من الشعر المنسوج، لتضيفها إلى بيتها الذي هو من الشعر، فأسموها «الشُّقَّة»، لهذا السبب، ونزلوا متجاورين، ومع أنها متسعة، ومياهها غزيرة، وآبارها قريبة النبط، وأكثرها ملئ بالآبار القديمة التي دثر بعضها، وبقي بعضها يحتاج إلى حفر أو إلى شئ من الطي، فإنهم اختلفوا فيما بينهم بناءً على بذور شقاق ونزاع حملوه معهم .. إلى آخر ما حواه الكتاب من أخبار الجزء الثالث (ص 1252)، منها: السلاح الذي يحملون عند حضورهم الصلاة؛ خوفاً من بعضهم البعض، والسور العظيم الذي بنوه رغم سعتها وصعوبة وبناء سور يحميها.
وإنني إذْ أشكر الأستاذ الفاضل على جمع هذه المعلومات المتغايرة، لتجدر الإشارة إلى أن البلاد قد مرَّ عليها عواصف من الفتن والفوضى إلى أن
আশ-শুক্কার আদি অধিবাসীগণ ‘সুদাইর অঞ্চল’-এর ‘তুওয়াইম’ হতে তাদের আগমনের ঘটনাটি পরম্পরায় বর্ণনা করেন। তারা বিভিন্ন বর্ণনার আলোকে যার সারসংক্ষেপ বলেন—যার কিছু অংশ আবার অন্য অংশের সাথে ভিন্নমত পোষণ করে—যে: তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্য হতে প্রথম যারা এসেছিলেন—তারা ছিলেন তিন ব্যক্তি—তারা ‘আশ-শুক্কা’কে ‘আনজাহ’ গোত্রের একটি জলাধার হিসেবে দেখতে পান। তারা দেখতে পেলেন যে গোত্রটি সেখান থেকে প্রস্থান করেছে, তবে তারা জানতেন যে তারা আবার ফিরে আসবে। সেখানে এক বৃদ্ধা মহিলা ব্যতীত আর কেউ ছিল না। অতঃপর তারা তার কাছ থেকে সেই জলাধারটি পশমি তাঁবুর এক টুকরো কাপড়ের (শিক্কাহ) বিনিময়ে ক্রয় করেন, যেহেতু তাদের কাছে কোনো নগদ অর্থ ছিল না। আর সেই আনজাহ গোত্রীয় বেদুইন মহিলার তার পশমি তাঁবুর সাথে যুক্ত করার জন্য পশমের বোনা সেই কাপড়ের টুকরোটির প্রয়োজন ছিল। এই কারণেই তারা স্থানটির নাম রেখেছিলেন ‘আশ-শুক্কা’। তারা একে অপরের প্রতিবেশী হিসেবে সেখানে বসতি স্থাপন করেন। যদিও স্থানটি ছিল প্রশস্ত, পানির প্রাচুর্য ছিল এবং এর কূপগুলোর পানির স্তর ছিল ভূপৃষ্ঠের খুব নিকটবর্তী। এর অধিকাংশ স্থানই প্রাচীন কূপে পরিপূর্ণ ছিল, যার কিছু বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল এবং কিছু পুনরায় খনন বা কিছুটা বাঁধাই করার প্রয়োজন ছিল। তাসত্ত্বেও তারা নিজেদের সাথে বয়ে আনা বিভেদ ও বিবাদের বীজের কারণে আপোসে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন... বইটির তৃতীয় খণ্ডে (পৃষ্ঠা ১২৫২) বর্ণিত অবশিষ্ট সংবাদগুলোর মধ্যে রয়েছে: একে অপরকে ভয় করার কারণে সালাতে উপস্থিত হওয়ার সময় তাদের অস্ত্র বহন করার বিষয়টি; এবং স্থানটি প্রশস্ত হওয়া ও প্রাচীর নির্মাণ করা কঠিন হওয়া সত্ত্বেও তাকে রক্ষা করার জন্য তাদের নির্মিত সেই বিশাল প্রাচীরের কথা।
আমি এই ভিন্ন ভিন্ন তথ্যগুলো সংগ্রহ করার জন্য শ্রদ্ধেয় অধ্যাপককে ধন্যবাদ জানাই। এখানে এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এই ভূখণ্ডটি ফিতনা ও বিশৃঙ্খলার ঝড়ের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছিল যতক্ষণ না...
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
جمعها الله تعالى تحت راية واحدة، وقويت فيها رابطة الدِّين، التي هي أقوى الروابط وأصدقها بين الناس، حتى وصلت إلى ما وصلت إليه من نعمة الأمن والاستقرار والخير الوفير، التي نرجو أن نوفق لشكرها، وحُسن رعايتها.
ولا شكَّ أن قبيلة «عنَزَة» كانت من القبائل الرئيسية في «القصيم»، و «القصيم» كلُّه بلادهم وبلاد غيرهم من القبائل، وأخلاط الناس.
أما ما استفاض من الأفراد المذكورين من أخبار، ودعواهم أنهم اشتروا «الشُّقَّة» بشقة من بيت الشعَر، وأسموها «الشُّقَّة» لهذا السبب، وقاموا بعمارتها من جديد؛ فهذا غير صحيح، ولا يعضده الدليل.
فالجوُّ (1) عامرٌ قبل مجيئهم، والاسم قديمة، و «الشُّقَّة» لا تخصهم وحدهم، ومع أن البلاد ـ ولله الحمد ـ قد أصبحت واحدةً بطولها وعرضها، وذلك بفضل الله وحدة، ثم بعزيمة موحِّد هذه البلاد: عبدالعزيز بن عبدالرحمن آل سعود، وذريته من بعده، وليس لأحد منها إلا مايملك شرعاً؛
--------------------------------------------
আল্লাহ তাআলা সেগুলোকে একটি পতাকার নিচে একত্রিত করেছেন এবং সেখানে দ্বীনি বন্ধন শক্তিশালী হয়েছে, যা মানুষের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও সত্য বন্ধন; শেষ পর্যন্ত তা নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং প্রচুর কল্যাণের এমন এক নিআমতে উপনীত হয়েছে, যার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের তাওফিক আমরা কামনা করি।
নিঃসন্দেহে ‘আনাজাহ’ গোত্র ছিল ‘কাসিম’-এর অন্যতম প্রধান গোত্র, আর সমগ্র ‘কাসিম’ অঞ্চলটি ছিল তাদের এবং অন্যান্য গোত্র ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আবাসস্থল।
আর উল্লিখিত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে যেসব সংবাদ বহুল প্রচলিত এবং তাদের দাবি যে, তারা পশমের তাঁবুর একটি অংশের বিনিময়ে ‘আশ-শুক্কাহ’ ক্রয় করেছিলেন এবং এই কারণে এর নামকরণ করেছিলেন ‘আশ-শুক্কাহ’ ও তা নতুনভাবে গড়ে তুলেছিলেন—তা সঠিক নয় এবং কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত নয়।
কেননা তাদের আগমনের পূর্বেই ‘আল-জাও’ (১) আবাদকৃত ছিল এবং নামটিও প্রাচীন; আর ‘আশ-শুক্কাহ’ কেবল তাদের একার অধিকারে নয়। যদিও—সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য—দেশটি এখন এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ জুড়ে একীভূত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে; আর এটি সম্ভব হয়েছে কেবল আল্লাহর অনুগ্রহে, অতঃপর এই দেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠাকারী আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল রহমান আল সৌদ এবং তাঁর পরবর্তী বংশধরদের দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে। সেখানে শরয়িভাবে যতটুকু মালিকানা রয়েছে, তার বাইরে কারো কোনো বিশেষ দাবি নেই;
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
إلا أن تسَرُّبَ هذه المزاعم، وأمثالها نحو الكتب، رُغم ضعتها، وعدم صحتها، حيث بدأ التأليف يبرز من جديد في الآونة الخيرة عن البلدان وأهلها، ويُقبل القول ممن هبَّ ودبَّ، ليُعْلَك ويُلْفَظ؛ جعَلَ من الضروري الرد عليها، وتصحيح كل خطأ بما يناسبه، فأقول وبالله التوفيق:
1. أن بلداً كانت تتصل حِماه ب «الأبلقان» شمالاً، وحتى «الحُمُر» جنوباً، وما وراء «نفود المِلْح» و «الطوير» غرباً، إلى أخصب رياض في
… «البطين» شرقاً، عُيِّنَ لها تَسَعُ مَرافِقَ بموجب الصك الشرعي رقم (677) في (5/ 9/ 1380 هـ)، بمطالبة كلٍّ من الشيخ: علي السليمان الضالع، وعبدالكريم السليمان الحصيني رحمهما الله؛ كانت الفائدة منها عامة وكبيرة، لولا شؤم الاختلاف.
مياهه من أقرب مياه المنطقة، المعروفة بوفرة مياهها، تجود فيها الزراعة لاسيما الشعير والقمح؛ يجمع بين: خصوبة التربة، واعتدال الجو، وطيب المرعى، معدن يُعتبر من مصادر خيراته، وهو ما يُعرف باسم (ملح ضاري= ضارج أو الشُّقَّة)، لأغلى وأثمن من أن يطوف به زعم زاعم، فيشتريه بشقة من بيت الشَّعَر! لا تساوي في قيمتها شيئاً إلا كما يساويه بعض الكلام
তবে এই সব অসার দাবি এবং এই জাতীয় বিষয়গুলোর গ্রন্থাদিতে অনুপ্রবেশ—তাদের তুচ্ছতা এবং অসারতা সত্ত্বেও—যেহেতু সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন দেশ ও তাদের অধিবাসী সম্পর্কে নতুন করে গ্রন্থ রচনা শুরু হয়েছে এবং যে কেউ যা খুশি বলছে তা গ্রহণ করা হচ্ছে; এই পরিস্থিতি এগুলোর জবাব দেওয়া এবং প্রতিটি ভুল যথাযথভাবে সংশোধন করা আবশ্যক করে তুলেছে। তাই আল্লাহর নিকট তাওফীক প্রার্থনা করে আমি বলছি:
১. একটি জনপদ যার সীমানা উত্তরে ‘আল-আবলাকান’, দক্ষিণে ‘আল-হুমুর’ পর্যন্ত, পশ্চিমে ‘নাফুদ আল-মিলহ’ ও ‘আত-তুয়াইর’-এর ওপার থেকে পূর্বে ‘আল-বুতাইন’-এর সবচেয়ে উর্বর চারণভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল; ১৩৮০ হিজরির ৫ই রমজান (৫/৯/১৩৮০ হি.) তারিখে ৬৭৭ নম্বর শরয়ী দলিলের মাধ্যমে শায়খ আলী আল-সুলাইমান আল-দালি এবং শায়খ আব্দুল কারীম আল-সুলাইমান আল-হুসাইনী (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন)-এর দাবির প্রেক্ষিতে এর জন্য নয়টি উপযোগ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মতভেদের অশুভ পরিণাম না থাকলে এর উপকারিতা হতো ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী।
এর পানি এই অঞ্চলের নিকটবর্তী উৎসগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যা পানির প্রাচুর্যের জন্য সুবিদিত। এখানে কৃষি কাজ, বিশেষ করে যব ও গম চাষ অত্যন্ত চমৎকার হয়। এটি মাটির উর্বরতা, আবহাওয়ার নাতিশীতোষ্ণতা এবং উৎকৃষ্ট চারণভূমির এক সার্থক সমন্বয়। এর সম্পদের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত একটি খনিজ পদার্থ এখানে রয়েছে, যা ‘মিলহে দ্বারি’ (অর্থাৎ দ্বারিজ বা আশ-শুক্কাহ) নামে পরিচিত। এটি এতই মূল্যবান ও দামী যে কোনো মিথ্যা দাবিদারের দাবি একে স্পর্শ করতে পারে না, যে কি না একে একটি পশমী তাঁবুর টুকরো দিয়ে ক্রয় করতে চায়! যার মূল্য অসার কিছু কথা ছাড়া আর কিছুই নয়।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الرخيص من عجوز بدوية، هي أغنى وأقنى لهذه المساحة، فهي صاحب غزله بمغزلها المعروف، وإنتاجه؛ وهو فاقد الشئ، وفاقد الشئ لا يُعطيه.
ولا تُتْرَك وحدها مقطوعة من أهلها وعشيرتها، لتنتظر وصولهم، فتبيع وطنها بقطعة ساحة؟ ! ولا تبيع وطنَها بأغلى الأثمان، فضلاً عن ساحتهم الصغيرة! !
على أن الشقق تجمُّعات صغيرة، أشهرها الشقتين، والاسم قديم.
وأما قولهم: وهو يعلمون أنهم إليها راجعون! فلا يعلمون إلا ما علموا، إذْ لا يعلم الغيب إلا الله.
قال زهير:
واعلمُ ما في اليوم والأمس قبله
… وإني لَعَنْ عِلمِ ما في غدٍ عَمِ.
ومما يزيد في عدم صحة هذه الدعوى: السلاح الذي يحملونه عند حضور الصلاة؛ خوفاً من بعضهم البعض، إذْ لا يصح ذلك؛ لاتفاقهم في الجرَّة أولاً، وضعف المناقشة في المكان ثانياً، لكونهم ثلاثة على حدِّ زعمهم، يأتمون بإمامهم الذي يصلي خلفه اثنان منهم مسلَّحون! ! ولا يُصَدَّق ذلك؛ لما فيه من إشاعة الخوف في المسجد الذي هو مكان عبادة ووِفاق، وليس
একজন বেদুইন বৃদ্ধার নিকট যা সস্তা, তা এই অঞ্চলের জন্য অধিক সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যময়। সে তার পরিচিত চরকা দিয়ে সুতা কাটে এবং তা উৎপাদন করে; আর যার নিকট কোনো কিছু নেই, সে তা প্রদান করতে পারে না।
তাকে তার পরিবার ও গোত্র থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একা ফেলে রাখা হয় না যাতে সে তাদের আগমনের অপেক্ষা করতে থাকে; তবে কি সে সামান্য এক টুকরো চত্বরের বিনিময়ে তার স্বদেশ বিক্রি করে দেবে?! সে তো সর্বোচ্চ মূল্যের বিনিময়েও তার স্বদেশ বিক্রি করে না, তাদের ক্ষুদ্র চত্বরের কথা তো বলাই বাহুল্য!!
যদিও জনপদগুলো ক্ষুদ্র জনসমষ্টি, যার মধ্যে 'আশ-শাক্কাতাইন' সর্বাধিক প্রসিদ্ধ এবং এই নামটি প্রাচীন।
আর তাদের বক্তব্য: "তারা জানে যে তারা তাঁরই দিকে ফিরে যাবে!" - তারা ততটুকুই জানে যতটুকু তাদের জানানো হয়েছে, কেননা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ অদৃশ্যের জ্ঞান রাখে না।
যুহাইর বলেছেন:
আমি জানি আজ কী ঘটছে এবং এর আগের গতকাল কী অতিক্রান্ত হয়েছে
… কিন্তু আগামীকালের জ্ঞানের ব্যাপারে আমি প্রকৃতই অন্ধ।
এই দাবির অসারতাকে যা আরও প্রবল করে তোলে তা হলো: একে অপরের ভয়ে নামাজে উপস্থিত হওয়ার সময় তাদের অস্ত্র বহন করা; কারণ এটি যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। প্রথমত, তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সংহতি; দ্বিতীয়ত, স্থান নিয়ে বিতর্কের অবকাশ অত্যন্ত ক্ষীণ, যেহেতু তাদের দাবি অনুযায়ী তারা মাত্র তিনজন। তারা তাদের ইমামের পেছনে ইকতিদা করছে, যার পেছনে তাদের মধ্যে দুইজন সশস্ত্র অবস্থায় নামাজ পড়ছে!! এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়; কারণ এতে মসজিদে ভীতি ছড়ানো হয়, অথচ মসজিদ হলো ইবাদত ও ঐক্যের স্থান, এটি নয়...
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৭)
للاستعراض، وحاجتُهم في ذلك الزمان لحماية أنفسهم من غيرهم، ألزَم من حاجتهم لحماية أنفسهم من بعضهم، على أنه ثبت أن الحيف يفرِّق بين الأقارب، وأن العدلَ يجمع شتات الناس، ولكن ما ذُكر فيه مبالغةٌ.
ويخصنا منه الدليل، ولعلَّ ذلك حصل من شواذ بعض الأفراد التي تظهر من حين لآخر، ليتوهم البعض صحتها، وهي في الحقيقة صنوف من الخيال، كعش العنكبوت، وهي تهدم ولاتبني، وتُفرِّق ولا تجمع، ولا تجلب فائدة أبداً، وتبعث الإحن، ولا تصدر من عاقل رزين، وقد حملها المؤلف على ظاهرها. (1)
--------------------------------------------
পর্যালোচনার জন্য, এবং সেই সময়ে অন্যদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা, একে অপরের থেকে নিজেদের রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার চেয়ে বেশি জরুরি ছিল; যদিও এটি প্রমাণিত যে, অবিচার আত্মীয়দের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় এবং ন্যায়বিচার বিক্ষিপ্ত মানুষকে একত্রিত করে, তবে যা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে অতিরঞ্জন রয়েছে।
আর এর থেকে আমাদের জন্য দলিলটিই গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভবত এটি কিছু ব্যক্তির বিচ্যুতি থেকে ঘটেছে যা মাঝে মাঝে প্রকাশ পায়, যার ফলে কেউ কেউ একে সঠিক বলে ভ্রম করে। প্রকৃতপক্ষে এগুলো মাকড়সার জালের মতো কল্পনার বিভিন্ন রূপ; এগুলো ধ্বংস করে, গড়ে না; বিভক্ত করে, একত্রিত করে না; কখনো কোনো উপকার বয়ে আনে না এবং বিদ্বেষ ছড়ায়। কোনো স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তির থেকে এমন কিছু প্রকাশ পায় না, তবে লেখক একে এর বাহ্যিক রূপেই গ্রহণ করেছেন। (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ثم السور الذي لو صحَّ الخبر، لكان في البلد أكبر مدينة وُجِدَت في تاريخ المنطقة، باعتبار تباعد الشُّقَّتين عن بعضها، لاسيما إذا أضيف لذلك
… «الخبيب»، و «البشمة»، تلك السبخة المعمورة قديماً، المزدهرة بآبارها وعيونها بزعمهم؛ و «الباطن»، مما يُشكِّل خطاً مستديراً، قد يبلغ طولها عشرات الكيلوات، وهذا غريب! !
على أنه ورد أن مجيئهم عن طريق «حريملاء» المعمورة سنة
… (1040 هـ) (1)،
ولم يذكر بالتحديد، ولا شك أن ما بعد هذه الفترة لايكفي
--------------------------------------------
অতঃপর সেই প্রাচীর, সংবাদটি যদি সত্য হতো, তবে দুই ‘শুক্কাহ’র মধ্যবর্তী দূরত্বের ব্যবধান বিবেচনায় এটি এই অঞ্চলের ইতিহাসে পাওয়া সর্ববৃহৎ নগরী হতো; বিশেষ করে যদি এর সাথে যুক্ত করা হয়
… ‘আল-খুবাইব’ ও ‘আল-বাশমাহ’, যা তাদের দাবি অনুযায়ী কূয় ও ঝর্ণাধারায় সমৃদ্ধ প্রাচীন আবাদকৃত এক লবণাক্ত ভূমি; এবং ‘আল-বাতিন’, যা একটি বৃত্তাকার রেখা গঠন করে এবং যার দৈর্ঘ্য কয়েক দশ কিলোমিটার হতে পারে; আর এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর! !
যদিও বর্ণিত হয়েছে যে, তাদের আগমন ঘটেছিল
… (১০৪০ হিজরি) সনে আবাদকৃত ‘হারাইমিলা’র পথ দিয়ে (১),
এবং এটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই সময়ের পরবর্তী কাল যথেষ্ট নয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২০)
لزوال أثَره، وانقطاع خبَرِه، لاسيما إذا سبق ذلك فترة نموهم، وازدهارهم، ومدة التنفيذ، فهل تُرى أصابته الملوحة المزعومة، أم أن الخبر غير صحيح؟ !
2. أن اسم «الشُّقَّة» مأخوذ في الأصل من اللغة العربية، شأن الكثير من الأماكن في جزيرة العرب، قال الله تعالى: {وَلَكِنْ بَعُدَتْ عَلَيْهِمُ الشُّقَّةُ} (1)
--------------------------------------------
এর চিহ্ন বিলুপ্ত হওয়া এবং এর সংবাদ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে, বিশেষ করে যদি তার আগে তাদের বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির একটি সময়কাল এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ অতিবাহিত হয়ে থাকে; তবে কি দেখা যাচ্ছে যে, তথাকথিত লবণাক্ততা একে আক্রান্ত করেছে, নাকি সংবাদটি সঠিক নয়?!
২. 'আশ-শুক্কাহ' নামটি মূলত আরবি ভাষা থেকে গৃহীত, যেমনটি আরব উপদ্বীপের অনেক স্থানের ক্ষেত্রে হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {কিন্তু তাদের নিকট সফর দীর্ঘ বা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল} (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২১)
أي المسافة. (1)
3. قال صاحب «المنجد»: الشقة: القطعة والمساحة من الأرض. (2)
وهذا ما ينطبق على الموقع، وهذا أيضاً معلوم لدى أساتذتنا الأفاضل، والشيح العبودي من أدرى الناس وأعلمهم بذلك، ولكن للدلالة فقط.
--------------------------------------------
অর্থাৎ দূরত্ব। (১)
৩. 'আল-মুঞ্জিদ' প্রণেতা বলেছেন: 'শু'ক্কাহ' হলো ভূমির কোনো অংশ বা ক্ষেত্রফল। (২)
আর এটিই স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিষয়টি আমাদের শ্রদ্ধেয় উস্তাদদের কাছেও সুবিদিত। শাইখ আল-আবূদী এই বিষয়ে অধিক অভিজ্ঞ ও বিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্যতম। তবে এটি কেবল নির্দেশক হিসেবে উল্লিখিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২২)
وكان الموقع يُعرف قديماً ب «ضارج»، والشقق داخلة في مُسمَّاه، وقد تغلب شهرتها أحياناً. (1)
و«ضارج» هو المكان المرادف لِ «الشُّقَّة العُلْيا» من الجنوب، وليس هو المكان الذي تفرقوا منه في الشُّقَّتين، فما اتَّجَهَ منه نحو الشمال فهو: «الشُّقَّة العُلْيا»، وما انحدر نحو الجنوب: «الشُّقَّة السُّفلى»، ولذلك نظائر في
… «الشقق»، وغيرها، كالباطن، والبُطين، والمَسْحَب.
4. أن المكان له ذِكْرٌ في القديم، والحديث، شأن الكثير من الأماكن في «جزيرة العرب»، ذكره الأصبهاني، والبكري، وياقوت الحموي، والشيخ: ابن بليهد، والشيخ: حمد الجاسر، وفي بحث أستاذنا الفاضل ما يُغني عن إدخال هذه المعلومات، وهم مُتَّفِقُون على قِدَم الاسم، ومسكن القبيلة تقريباً، على أن القبائل تحِلُّ وترحَل، وتتجاور، ففي «بلاد العرب» تأليف الأستاذ: الحسن بن عبدالله الأصفهاني، تحقيق الأستاذين: حمد الجاسر، وصالح العلي (ص 266): (الشقوق لبني أسيد، ثم رمز تحت (3): أسيد بن
--------------------------------------------
স্থানটি প্রাচীনকালে "দারিজ" নামে পরিচিত ছিল এবং "আশ-শুকাক" এর নামকরণের অন্তর্ভুক্ত ছিল; কখনো কখনো এর প্রসিদ্ধি অন্যটির ওপর প্রবল হতো। (১)
আর "দারিজ" হলো দক্ষিণ দিক থেকে "আশ-শুক্কাহ আল-উলইয়া" এর সমার্থক স্থান। এটি সেই স্থান নয় যেখান থেকে তারা দুই "শুক্কাহ"-তে বিভক্ত হয়েছিল। সুতরাং যা উত্তর দিকে মুখ করা তা হলো: "আশ-শুক্কাহ আল-উলইয়া", আর যা দক্ষিণ দিকে ঢালু হয়ে গিয়েছে তা হলো: "আশ-শুক্কাহ আস-সুফলা"। "আশ-শুকাক" এবং অন্যান্য স্থানে এর অনুরূপ উদাহরণ রয়েছে, যেমন: আল-বাতিন, আল-বুতাইন এবং আল-মাসহাব।
৪. "আরব উপদ্বীপের" অনেক স্থানের মতো এই স্থানটির উল্লেখ প্রাচীন ও আধুনিক উভয় যুগেই রয়েছে। আল-আসফাহানি, আল-বাকরি, ইয়াকুত আল-হামাউই, শেখ ইবনে বুলাইহিদ এবং শেখ হামাদ আল-জাসির এর কথা উল্লেখ করেছেন। আমাদের শ্রদ্ধেয় উস্তাদের গবেষণায় এই তথ্যগুলো প্রদানের প্রয়োজনীয়তা থেকে নিষ্কৃতি দেওয়ার মতো যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। তারা নামের প্রাচীনত্ব এবং গোত্রগুলোর বাসস্থানের ব্যাপারে প্রায় একমত, যদিও গোত্রসমূহ স্থানান্তরিত হয় এবং একে অপরের প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করে। আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানি রচিত "বিলাদুল আরব" গ্রন্থে, যা উস্তাদ হামাদ আল-জাসির এবং সালিহ আল-আলী কর্তৃক সম্পাদিত (পৃষ্ঠা ২৬৬): (আশ-শুকুক হলো বনু উসাইদ-এর জন্য, অতঃপর নিচে (৩) চিহ্নের অধীনে: উসাইদ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৩)
عمرو بن تميم، وتُعرف «الشقوق» باسم «الشِّقَقْ»، وهما شقتان: الشُّقَّة العليا، والشُّقَّة السفلى، قريتان متجاورتان، تقعان غرب مدينة «بريدة»، بمسافة (14) كيلو متراً). انتهى.
وقال الأستاذ: الجاسر أيضاً في «المعجم الجغرافي للبلاد السعودية» حرف الشين: الشُّقَّة: بضم الشين، وتشديد القاف مع فتحها: قريتان تقعان شمال غرب «بريدة»، الشُّقَّة العُلْيَا، والشُّقَّة السُفْلَى.
وفي كتاب «جمهرة النسب» في معرض كلام عن بني عمرو بن تميم، قال: وقد تحضَّرت أسر كثيرة منهم، فبقيت في نجد .. إلى أن قال: وفي «القصيم» في «الشقق»، وفي «السمينة» (1) شرق النباج «الأسياح»، في النفود، ونجد هنا ألا تنافي يُذكر بين ما ذكره الأستاذان: الجاسر، والعبودي، غير أن الأستاذ: العبودي حصرهم في مكان واحد، وهو «النباج»، والمسافة بينهما قليلة إذا قيست بتحرك القبيلة، لا سيما إذا أُخِذَ بالاعتبار جيم «ضارج» التي تُنطق ياءً، كما هي لغة تلك القبيلة.
--------------------------------------------
আমর বিন তামীম, এবং 'আশ-শুকুক' মূলত 'আশ-শিকাক' নামে পরিচিত। এই দুটি শুক্কাহ হলো: উচ্চ শুক্কাহ এবং নিম্ন শুক্কাহ; গ্রাম দুটি পাশাপাশি অবস্থিত এবং 'বুরাইদাহ' শহর থেকে পশ্চিমে ১৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। সমাপ্ত।
উস্তাদ আল-জাসির 'আল-মু'জাম আল-জুগরাফি লিল-বিলাদ আস-সাউদিয়্যাহ' গ্রন্থের 'শীন' বর্ণে আরও বলেছেন: আশ-শুক্কাহ: শীনে পেশ এবং ক্বাফে তাশদীদ ও জবরসহ; এটি বুরাইদাহর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত দুটি গ্রাম: উচ্চ শুক্কাহ এবং নিম্ন শুক্কাহ।
এবং 'জামহারাতুন নাসাব' গ্রন্থে বনু আমর বিন তামীম সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে: তাদের অনেক পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে এবং নাজদ-এ অবস্থান করছে... এক পর্যায়ে বলা হয়েছে: এবং আল-কাসিমের 'আশ-শুকুক'-এ এবং আন-নাবাজ (আল-আসয়াহ) এর পূর্বে নাফুদ অঞ্চলের 'আস-সামীনাহ' (১) নামক স্থানে। এখানে আমরা লক্ষ্য করি যে, দুই উস্তাদ আল-জাসির এবং আল-উবুদী যা উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। তবে উস্তাদ আল-উবুদী তাদেরকে কেবল একটি স্থানে অর্থাৎ 'আন-নাবাজ'-এ সীমাবদ্ধ করেছেন। গোত্রের চলাচলের প্রেক্ষাপটে এই দুই স্থানের দূরত্ব খুবই নগণ্য, বিশেষ করে যদি 'দারিজ' এর 'জীম' বর্ণটিকে 'ইয়া' হিসেবে উচ্চারণ করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়, যা সেই গোত্রের নিজস্ব ভাষা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ولا تنافي بين «الشقق» هذه والتي ذكرها الأستاذ، إذْ أنَّ الحُجَّاج يسلكون طُرُقاً شتَّى، تبعاً لتفرُّق بلدانهم، ومادام أن قال: المجاور لها من الشمال أحد هذه الممرات، حسب ما ذكره الإمام الحربي في كتابه، فإنَّ ماذكره الشيخ: ابن بليهد، وغيره، لا غُبار عليه.
وقد ورد بحث في «مجلة العرب» لأعوام سابقة عن أسر بني خالد، ومساكنهم في القرن الثامن الهجري، وعدَّ من ذلك «ضارج»، ولعل أسرة المحيميد، من الأسر القديمة فيها، والمقصود أن «الشِّقَّة» بلدٌ معمورُ قديماً، ولم يحتلوا من عامر، ويؤيد ما ذكره الشيخ: حمد الجاسر، وجود أملاك للعضابا في «الخبيب» غربي «الشُّقَّة السُّفلَى»، وهم من الأسر التي أشار إليها من «بني عمرو»، والمذكورين والأملاك لا زالت تُنطق باسم أصحابها في عموم «الشِّقَق» أسر مختلفة في «القصيم».
لذا، فإن ما ذكره الشيخ: العبودي في معرِض ردِّه على الشيخ: ابن بليهد، في جملة الذين بدأوا عمارتها الأخيرة، لم يكن خبراً مؤكَّداً، وقد عمروا نصيبهم فقط منها، وليسوا أهلها وحدهم، ومع ما قدَّمه أستاذنا الفاضل نجد أنه اختار من أقواله أضعفها وأبلاها، ومع ذلك أهمل الأسر المشاركة
এই "শুকাগ" এবং উস্তাদ যা উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, কারণ হাজিগণ তাদের দেশের ভিন্নতা অনুযায়ী বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেন। যেহেতু তিনি বলেছেন যে, এর উত্তর দিকের সংলগ্ন স্থানটি এই পথগুলোর একটি—যেমনটি ইমাম আল-হারবি তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন—তাই শায়খ ইবনে বুলাইহিদ এবং অন্যদের বক্তব্য নিয়ে কোনো সংশয় নেই।
বিগত বছরগুলোতে ‘মাজাল্লাতুল আরব’-এ বনী খালিদ গোত্রের পরিবারসমূহ এবং হিজরি অষ্টম শতাব্দীতে তাদের আবাসস্থল সম্পর্কে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে ‘দারিজ’কে তার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সম্ভবত মুহাইমিদ পরিবার সেখানকার প্রাচীন পরিবারগুলোর অন্যতম। উদ্দেশ্য হলো, ‘আশ-শিক্কাহ’ প্রাচীনকাল থেকেই একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকা ছিল এবং তারা কোনো অনাবাদী জায়গা দখল করেনি। শায়খ হামাদ আল-জাসির যা উল্লেখ করেছেন তা ‘আশ-শিক্কাহ আস-সুফলা’-এর পশ্চিমে ‘আল-খুবাইব’-এ আদাবা পরিবারের সম্পত্তির অস্তিত্ব দ্বারা সমর্থিত হয়। তারা সেই সব পরিবারের অন্তর্ভুক্ত যাদেরকে তিনি ‘বনী আমর’-এর বলে উল্লেখ করেছেন। কাসিমের সামগ্রিক ‘শুকাগ’ অঞ্চলে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ এবং তাদের সম্পত্তিগুলো এখনও বিভিন্ন পরিবারের মালিকদের নামে পরিচিত।
অতএব, শায়খ আল-আবূদী শায়খ ইবনে বুলাইহিদের উত্তরে এর আধুনিক পুনর্নির্মাণ যারা শুরু করেছিলেন তাদের সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন, তা কোনো নিশ্চিত সংবাদ ছিল না। তারা সেখানে কেবল তাদের নিজস্ব অংশটুকুই আবাদ করেছিলেন এবং তারাই এখানকার একমাত্র অধিবাসী নন। আমাদের শ্রদ্ধেয় উস্তাদ যা পেশ করেছেন, তার মধ্যে আমরা দেখতে পাই যে তিনি তার বক্তব্যের মধ্যে দুর্বলতম এবং অসারতম বক্তব্যটিই গ্রহণ করেছেন এবং সেই সাথে নির্মাণে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য পরিবারগুলোকে উপেক্ষা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ومعظمهم قديم، ومنهم «الحصنان» الذين عاصروهم، واستمرت رئاستهم عليها قرابة قرن من الزمن، ومن أكثر الأسر تملُّكاً فيها.
ونظر الموضوع من جانب واحد، وما نُسِبَ عنهم لا يصح عقلاً ونقلاً، وما ذكره ابن عيسى لا علاقة له باسم «الشُّقَّة» أو شرائها أو عمارتها مطلقاً، وهذه لمحة عنها، وبعض أخبارها:
الشِّقَقْ»: قريتان، تقعان شمال «بريدة»، يميلان للغرب قليلاً، وتقع «العُليا» بجوار «ضارج»، ويبعدان عن بعضهما حوالي (6) أو (5) كيلو مترات تقريباً. و «السُّفْلى» أكبر من «العُلْيَا»، وأكثر تجمُّعات، وأفسح مجالاً، وسكانها أكثر، وكان لها من الصدقة وعليها من الجهاد: ثلاثة أخماس، ول
… «العُليا» خُمْسَان، وتفصل بينهما: الحد الفاصل بين «حوطة مزيد» ب
… «المَسْحَب» والقلبان المجاورة لها من الغرب، وبين «عدانة البراكي» أي بعد كيلو متر تقريباً من افتراق خطِّ «حائل» من خطِّ «المدينة المنورة»، كما أن
… «الفريسة» ـ بنت الفرس ـ الواقعة غرب هذا المكان، وخارجاً عنه، فاصل
তাদের অধিকাংশ প্রাচীন, এবং তাদের মধ্যে ‘আল-হুসনান’ অন্যতম যারা তাদের সমসাময়িক ছিলেন। সেখানে প্রায় এক শতাব্দীকাল ধরে তাদের নেতৃত্ব অব্যাহত ছিল এবং তারা সেখানকার সর্বাধিক ভূ-সম্পত্তির অধিকারী পরিবারগুলোর অন্যতম ছিল।
বিষয়টি একপাক্ষিকভাবে দেখা হয়েছে এবং তাদের সম্পর্কে যা কিছু আরোপ করা হয়েছে তা যুক্তি ও বর্ণনার নিরিখে সঠিক নয়। ইবনে ঈসা যা উল্লেখ করেছেন তার সাথে ‘আশ-শুক্কাহ’ নাম, এর ক্রয় কিংবা এর আবাদকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোকপাত এবং এর কিছু সংবাদ নিচে দেওয়া হলো:
‘আশ-শিকাক’: দুটি গ্রাম, যা ‘বুরাইদাহ’র উত্তরে অবস্থিত এবং কিছুটা পশ্চিম দিকে হেলে আছে। ‘আল-উলইয়া’ গ্রামটি ‘দারিজ’-এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থিত এবং গ্রাম দুটি একে অপরের থেকে প্রায় (৬) বা (৫) কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ‘আস-সুফলা’ গ্রামটি ‘আল-উলইয়া’ অপেক্ষা বড়, সেখানে জনবসতি ঘন, এলাকা প্রশস্ত এবং এর জনসংখ্যাও অধিক। সাদাকা থেকে প্রাপ্ত অংশ এবং জিহাদের আনুপাতিক দায়ভারের ক্ষেত্রে এর অংশ ছিল পাঁচ ভাগের তিন ভাগ, আর
... ‘আল-উলইয়া’-এর জন্য ছিল পাঁচ ভাগের দুই ভাগ। এ দুইয়ের মাঝে বিভাজনকারী হলো: ‘হাওতাত মাজিদ’ যা
... ‘আল-মাসহাব’-এ অবস্থিত এবং এর পশ্চিম পার্শ্বস্থ সংলগ্ন কূপসমূহ, এবং ‘আদানা আল-বারাকি’-এর মধ্যবর্তী সীমানা। অর্থাৎ ‘হায়েল’ সড়ক ও ‘মদীনা মুনাওয়ারা’ সড়ক পৃথক হওয়ার স্থান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে। এছাড়া
... ‘আল-ফারিসা’ —ঘোটকী— যা এই স্থানের পশ্চিমে এবং এর বাইরে অবস্থিত, সেটি একটি বিভাজক।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
آخر هضبة صغيرة هناك، كان يُعرف ذلك بالزراعة والشكوى، (1) وسارحة الأغنام، وهو معلوم بين الجماعة أيضاً، أو معظمهم.
وكان أهلها يتعاطون الزراعة، واستخراج المِلْح، ولمَّا كانت بلدتهم على طريق الجلب المتَّجِه إلى «بريدة»، فقد كانوا أيضاً في السابق يزاولون البيع والشراء في الإبل، والأغنام، والسمن، وما إلى ذلك، ويدخلون فيه أسواق «بريدة» التي تبعد عنهم ساعتين للماشي على الأقدام.
وإن مما تعتزُّ به «الشُّقَّة» عموماً: تشريف جلالة الملك عبدالعزيز لها مرتين (2):
الأولى: حينما كان يسعى لتثبيت قواعد مملكته، وهو في طريقه من
… «بريدة» إلى المخيَّم، وإقران مسيره بالأمطار الغزيرة التي أنزلها الله تعالى.
والثانية: بعد عودته من «حائل»، في طريقه إلى «الرياض» بعد فراغه من حلِّ مشكلة خصمه: ابن رشيد، وفي كلا الحالين: استقبله أمير الشقق
--------------------------------------------
সেখানে সর্বশেষ ছোট টিলাটি ছিল, যা কৃষি ও 'শাকওয়া' (১) এবং ভেড়ার চারণভূমি হিসেবে পরিচিত ছিল। আর এটি সম্প্রদায়ের মাঝে অথবা তাদের অধিকাংশের নিকটও সুপরিচিত।
এর অধিবাসীরা কৃষি কাজ এবং লবণ উত্তোলনের পেশায় নিয়োজিত ছিল। যেহেতু তাদের শহরটি 'বুরাইদাহ' অভিমুখে পণ্যবাহী কাফেলার রাস্তার উপরে অবস্থিত ছিল, তাই তারা অতীতে উট, ভেড়া, ঘি এবং এই জাতীয় দ্রব্যাদির ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসাও করত। তারা বুরাইদাহর বাজারগুলোতে কেনা-বেচার জন্য যেত, যা একজন পথচারীর জন্য সেখান থেকে দুই ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত।
সাধারণভাবে 'আশ-শুক্কাহ' যে বিষয়গুলো নিয়ে গৌরব বোধ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো: মহামান্য বাদশাহ আব্দুল আজিজের সেখানে দুইবার (২) শুভাগমন করা:
প্রথমবার: যখন তিনি তাঁর রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টায় নিয়োজিত ছিলেন এবং তিনি 'বুরাইদাহ' থেকে শিবিরের পথে যাচ্ছিলেন। তখন মহান আল্লাহ তাআলা যে মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলেন, তা তাঁর সফরের সঙ্গী হয়েছিল।
দ্বিতীয়বার: 'হায়েল' থেকে ফেরার পর, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইবনে রশীদের সমস্যার সমাধান শেষে 'রিয়াদ' অভিমুখে যাওয়ার পথে। উভয় ক্ষেত্রেই আশ-শুক্কাহর আমির তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৭)
آنذاك: سند بن إبراهيم آل سند الحصيني (1)، وجماعته الذي رحَّبوا به جميعاً، وباركوا له، ودعو الله له بالعزِّ والتمكين، وقد غمَر الجميع بعطفه ورعايته رحمه الله.
وقد تحوَّل بعض أهلها القدامى، ودخلوا في المدن، وتركوا أملاكهم، التي ماتت بعد ذلك، شأن الكثير من أهل القرى. (2)
وبقي منهم آخرون والتفَّ في محيطها اخيراً أعداد من قبائل شتَّى، من «عنزة، و «حرب»، و «مطير»، و «الرشايدة»، وغيرهم، وقامت مساكن وحِلل متفرقة، ومزارع هنا، وهناك. ونشطت قيمة الأراضي في ظل التطور
--------------------------------------------
তৎকালীন সময়ে: সানাদ বিন ইবরাহিম আল-সানাদ আল-হুসাইনি (১), এবং তার দল যারা সকলে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন, তাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং আল্লাহর নিকট তার সম্মান ও ক্ষমতায়নের জন্য দোয়া করেছিলেন। আর তিনি সকলকেই তার মমতা ও অভিভাবকত্ব দ্বারা সিক্ত করেছিলেন, আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন।
এর প্রাচীন বাসিন্দাদের কেউ কেউ স্থানান্তরিত হয়ে শহরগুলোতে প্রবেশ করেছেন এবং তারা তাদের সম্পদ ও সম্পত্তি ত্যাগ করেছেন যা পরবর্তীতে পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল, যেমনটি অনেক গ্রামবাসীর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। (২)
তাদের মাঝে অন্যরা থেকে গিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত এর চারপাশে ‘আনাযাহ’, ‘হারব’, ‘মুতাইর’, ‘আল-রাশাইদাহ’ ও অন্যান্য বিভিন্ন গোত্রের অসংখ্য লোক একত্রিত হয়েছিল। সেখানে বিক্ষিপ্ত ঘরবাড়ি ও বসতি এবং এখানে-সেখানে খামার গড়ে উঠেছিল। উন্নয়নের ফলে ভূমির মূল্য বৃদ্ধি পায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
السريع في عهد حضرة صاحب الجلالة الملك فهد بن عبدالعزيز ـ حفظه الله ورعاه ـ). انتهى مقال الأستاذ: سليمان بن حمود الحصيني رحمه الله.
وفيما يلي النص المنشور في مقدمة تحقيقي لكتاب «البراهين المعتبرة» (ص 26 ـ 29): (1)
(«ضارج» المعروفة الآن ب [الشِّقَّة العُليا، ضَارِي، الشِّقَّة السُّفْلَى]، وجميعها كانت تسمى قديماً «ضارج»، وهي في شمال غرب «بريدة» في منطقة القصيم.
قال معالي الشيخ: محمد العبودي ـ وفقه الله ـ: (هي على شكل بَطْنٍ من الأرض، ممتَدٍ من الشمال إلى الجنوب، يتَّسِعُ في جهة الشمال، يحيط به من الشرق: جَالٌ: أي مرتفعٌ صخري مشرف، ومن الغرب: الرمل).
و«ضارج» هي التي ذكرها امروء القيس (ت 80 قبل الهجرة) في «مُعلَّقته» ـ على الصحيح، كما رجَّحه المحققون في معرفة البلدان ـ.
--------------------------------------------
মহামান্য বাদশাহ ফাহাদ বিন আব্দুল আজিজ —আল্লাহ তাকে রক্ষা ও হেফাযত করুন— এর শাসনামলে দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়)। উস্তাদ সুলায়মান বিন হামুদ আল-হুসাইনী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিবন্ধ সমাপ্ত হলো।
নিচে আমার সম্পাদিত ‘আল-বারাহিন আল-মু’তাবারাহ’ গ্রন্থের ভূমিকায় প্রকাশিত মূল পাঠ্যটি তুলে ধরা হলো (পৃ. ২৬ — ২৯): (১)
(‘দারিয’ যা বর্তমানে [আশ-শিক্কাহ আল-উলইয়া, দারি, আশ-শিক্কাহ আস-সুফলা] নামে পরিচিত, এবং প্রাচীনকালে এই সবকটি স্থানই ‘দারিয’ নামে অভিহিত ছিল; এটি আল-কাসিম অঞ্চলের ‘বুরাইদাহ’-র উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
সম্মানিত শাইখ মুহাম্মাদ আল-আবুদী —আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন— বলেছেন: (এটি ভূমির একটি নিচু উপত্যকার মতো আকৃতিবিশিষ্ট, যা উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত এবং উত্তর দিকে এর প্রশস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পূর্ব দিকে রয়েছে একটি উঁচু পাথুরে পাহাড় এবং পশ্চিম দিকে রয়েছে বালুকারাশি)।
আর এই ‘দারিয’ সেই স্থান যা ইমরুল কায়েস (মৃত্যু: হিজরতের ৮০ বছর পূর্বে) তার ‘মুয়াল্লাকা’য় উল্লেখ করেছেন — সঠিক মতানুসারে, যেমনটি ভৌগোলিক গবেষকগণ প্রাধান্য দিয়েছেন —।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ২৯)
يقول امرؤ القيس في «مُعَلَّقته»: التي مطلعها:
قِفَا نَبْكِ من ذِكرى حَبيبٍ ومَنزِلِ
… بسِقْطِ اللِّوى بين الدَّخُولِ فَحَومَل
يقول:
أَصَاحِ تَرَى بَرْقَاً أُرِيْكَ وَمِيْضَهُ
… كَلَمْعِ اليَدَيْنِ فِي حَبِيٍّ مُكَلَّل
يُضِئُ سَنَاهُ أَوْ مَصَابِيْحُ رَاهِبٍ
… أَهَانَ السَّلِيْطَ بِالذُّبَالِ المُفَتَّل
قَعَدْتُ لَهُ وَصُحْبَتِي بَيْنَ ضَارِجٍ
… وَبَيْنَ العُذَيْبِ بُعْدَ مَا مُتَأَمَّل
ومعناه: لقد شاقنا البرق، وأعجبنا وميضه، فقعدت أنا وأصحابي بين ضارج ـ وهي الشقة في شمال القصيم ـ والعذيب وهو موضع قريب من ضارج، نتأمله، ونشيم مطره، والبرق ليس بالقريب منا فما تأملناه بعيدٌ عن موضعنا كُلَّ البُعْدِ.
وقال في قصيدة أخرى كما في «ديوانه» ـ ط. مركز زايد ـ (2/ 460):
قعدتُ لهَا وصُحبَتِي بين ضَارجِ
… وبين تِلاعِ يثْلُث فالعريض
قال ياقوت في «معجم البلدان» (4/ 114) العريض: جبلٌ، وقيل: اسم وادٍ، وقيل: مَوضعٌ بِنَجْدٍ.
قال الشيخ العبودي: الشَّئُ الذي لا أَشُكُّ فِيهِ أنَّ امرأَ القيس يُرِيدُ «ضارج» القصيم، ليس غيره.
ইমরুল কায়েস তার «মুআল্লাকায়» বলেছেন, যার প্রারম্ভিক পঙক্তিটি হলো:
থামো তোমরা দু'জন, চলো আমরা কাঁদি কোনো এক প্রিয়তমা এবং তার আবাসস্থলের স্মরণে
… যা আদ-দাখুল ও হাওয়ামিলের মধ্যবর্তী সিকতুল লিওয়া নামক বালুকাময় স্থানে অবস্থিত।
তিনি বলেন:
হে বন্ধু! তুমি কি সেই বিজলি দেখছ যার ঝিলিক আমি তোমাকে দেখাচ্ছি?
… তা যেন সুউচ্চ পুঞ্জীভূত মেঘের ভেতরে দুই হাতের ইশারা বা তালি দেওয়ার মতো চমকাচ্ছে।
তার বিচ্ছুরিত আলো যেন কোনো সন্ন্যাসীর প্রদীপ,
… যে পাকানো সলতের ওপর প্রচুর পরিমাণে প্রদীপ-তেল ঢেলে দিয়েছে।
আমি এবং আমার সঙ্গীরা সেটির প্রতীক্ষায় বসেছিলাম দরাজ
… এবং আল-উধাইবের মধ্যবর্তী স্থানে; এটি যে দূরত্বের পথ ছিল তা ছিল গভীর পর্যবেক্ষণের বিষয়।
এর অর্থ: বিজলি আমাদের মোহিত করেছে এবং এর ঝলকানি আমাদের বিস্মিত করেছে। আমি এবং আমার সঙ্গীরা দরাজ—যা কাসিমের উত্তরে অবস্থিত একটি এলাকা—এবং আল-উধাইবের মাঝে বসেছিলাম; আল-উধাইব দরাজের নিকটবর্তী একটি স্থান। আমরা সেটি পর্যবেক্ষণ করছিলাম এবং বৃষ্টির প্রত্যাশা করছিলাম। তবে সেই বিজলিটি আমাদের নিকটবর্তী ছিল না, বরং আমরা যা লক্ষ্য করছিলাম তা আমাদের স্থান থেকে অত্যন্ত দূরে ছিল।
তিনি অন্য এক কবিতায় বলেছেন, যেমনটি তার «দিওয়ানে» (জায়েদ সেন্টার সংস্করণ, ২/৪৬০) উল্লেখ আছে:
আমি এবং আমার সঙ্গীরা সেটির প্রতীক্ষায় বসেছিলাম দরাজ
… এবং ইয়াখলুসের টিলাসমূহ ও আল-আরীদের মধ্যবর্তী স্থানে।
ইয়াকুত «মুজামুল বুলদান» (৪/১১৪) গ্রন্থে বলেছেন: আল-আরীদ হলো একটি পাহাড়, কেউ কেউ বলেন এটি একটি উপত্যকার নাম, আবার কেউ কেউ বলেন এটি নাজদের একটি স্থান।
শায়খ আল-আবূদী বলেন: যে বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই তা হলো, ইমরুল কায়েস এখানে কাসিমের «দরাজ» স্থানটিকেই বুঝিয়েছেন, অন্য কিছু নয়।
(খণ্ড: ১)
সাবাবু তাসমিয়াতিশ শিক্কাহ বি-হাযাল ইসম
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وكذا رجَّحَه الباحث الجغرافي: عبدالله بن محمد الشايع في كتابه «نظرات في معاجم البلدان ـ تحقيق مواضع في نجد ـ» (ص 258).
وعارضهما الأستاذُ: سعدُ الجنيدل في كتابه «معجم الأماكن الواردة في المعلقات العشر» (ص 313) ورجح بأنه ليس مراد امرئ القيس «ضارج» القصيم.
والراجح ما ذهب إليه العبودي والشايع ــ والله أعلم ــ.
ومِن أوعَبِ مَن تَكلَّم عن «ضارج» معالي الشيخ: محمد العبودي
… ـ حفظه الله ـ في «معجم بلاد القصيم»، فليُرجع إليه. (1)
وأما «الشِّقَّة» فقد سُمِّيَت بذلك لأنها شِقَّتَا وادِي «ضَارِجٍ»، هذا هو الصحيح (2)، وأما القصة المتداولة: أن التسمية لأجل شرائها بشق بيت من
--------------------------------------------
অনুরূপভাবে ভৌগোলিক গবেষক আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-শায়া তাঁর ‘নাজারাতে ফী মা‘জিমিল বুলদান —তাহকীকু মাওয়াদি‘ ফী নাজদ—’ (পৃ. ২৫৮) গ্রন্থে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
তবে উস্তাদ সা‘দ আল-জুনাইদিল তাঁর ‘মু‘জামুল আমাকিন আল-ওয়ারিদাহ ফিল মু‘আল্লাকাত আল-আশর’ (পৃ. ৩১৩) গ্রন্থে তাঁদের বিরোধিতা করেছেন এবং মত প্রকাশ করেছেন যে, ইমরুল কায়েসের উদ্দেশ্য কাসিমের ‘দারিজ’ নয়।
আর অগ্রগণ্য মত হলো যা আল-আবুদী এবং আল-শায়া গ্রহণ করেছেন —আর আল্লাহই ভালো জানেন—।
আর ‘দারিজ’ সম্পর্কে যাঁরা সবচেয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন তাঁদের মধ্যে মহামান্য শাইখ মুহাম্মাদ আল-আবুদী —আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন— তাঁর ‘মু‘জামু বিলাদিল কাসিম’ গ্রন্থে অন্যতম; সুতরাং সেটির দিকেই যেন রুজু করা হয়। (১)
আর ‘আশ-শিকা’ সম্পর্কে কথা হলো, এর নামকরণ এই জন্য করা হয়েছে যে তা ‘দারিজ’ উপত্যকার দুই পার্শ্ব (শেক্কাহ), এটিই সঠিক মত (২)। আর প্রচলিত এই কাহিনী যে, ঘরের এক ফালি বা অংশ (শেক্কাহ) দিয়ে তা ক্রয়ের কারণে এই নামকরণ হয়েছে...
--------------------------------------------