(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: -)
أخبار الدجال لعبد الغني المقدسي   (عبد الغني المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أخبار الدجال

المؤلف: عبد الغني بن عبد الواحد بن علي بن سرور المقدسي الجماعيلي الدمشقي الحنبلي، أبو محمد، تقي الدين (ت 600هـ)

تذييل: الذهبي

تحقيق: قسم التحقيق بالدار

الناشر: دار الصحابة للتراث بطنطا

الطبعة: الأولى، 1413هـ -1993م

عدد الصفحات: 100

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433

আব্দুল গনি আল-মাকদিসী রচিত দাজ্জাল বিষয়ক সংবাদ   (আব্দুল গনি আল-মাকদিসী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: দাজ্জাল বিষয়ক সংবাদ

লেখক: আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরূর আল-মাকদিসী আল-জামায়িলী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী, আবু মুহাম্মদ, তাকীউদ্দীন (মৃত্যু: ৬০০ হিজরি)

পরিশিষ্ট: আয-যাহাবী

তাহকীক: প্রকাশনীর তাহকীক বিভাগ

প্রকাশক: দারুস সাহাবা লিত-তুরাছ, তানতা

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি -১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: -)
أخبار الدجال

 

للحافظ

عبد الغني بن عبد الواحد المقدسي

 

تذييل الحافظ

محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي

 

تحقيق ودراسة

قسم التحقيق بالدار

 

دار الصحابة للتراث بطنطا

 

الطبعة الأولى

1413هـ -1993م
দাজ্জাল সংক্রান্ত সংবাদসমূহ

 

হাফিয

আবদুল গণি ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি

 

হাফিযের পরিশিষ্ট

মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আয-যাহাবি

 

তাহকিক ও গবেষণা

প্রকাশনী সংস্থার তাহকিক বিভাগ

 

দারুস সাহাবাহ লিত-তুরাস, তান্তা

 

প্রথম সংস্করণ

১৪১৩ হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٠)
بسم الله الرحمن الرحيم

ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم اللهم سهل

1 - أخبرنا أبو القاسم يحيى بن ثابت بن بندار بن إبراهيم البغدادي بها أنبا أبو المعالي ثابت بن بندار أنبا أبو بكر أحمد بن محمد بن غالب البرقاني الخوارزمي أنبا أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن إسماعيل الجرجاني الإسماعيلي أنبا القاسم المقدمي ثنا فراج أحمد بن منصور ثنا عبد الله بن عثمان أبنا عبد الله عن يونس عن الزهري أخبرني سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه أخبره أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه انطلق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صائد حتى وجدوه يلعب مع الغلمان عند أطم بني مغالة وقد قارب ابن صياد يومئذ الحلم فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صائد أتشهد أني رسول الله فنظر ابن صائد إليه فقال أشهد أنك رسول الأميين فقال ابن صائد لرسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهد أني ⦗ص: 11⦘ رسول الله فرفضه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال آمنت بالله وبرسله ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ماذا ترى قال ابن صائد يأتيني صادق وكاذب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم خلط عليك الأمر ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم إني قد خبأت لك خبيا فقال ابن صائد هو الدخ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم اخسأ فلن أو فلم تعدو قدرك فقال له عمر بن الخطاب ذرني يا رسول الله أضرب عنقه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن يكن هو لن تسلط عليه وإن لم يكن هو فلا خير لك في قتله.

وقال سالم سمعت ابن عمر يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بن كعب الأنصاري إلى النخل التي فيها ابن صياد حتى إذا دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يتقي بجذوع النخل وهو يحتال أن يسمع عن ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع على فراش في قطيفة له في زهزهة ورأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف وهو اسم ابن صياد هذا محمد فقام ابن صياد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو تركته بين.

قال سالم قال عبد الله بن عمر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم للناس فأثنى على الله عز وجل بما هو أهله ثم ذكر الدجال فقال إني لأنذركموه وما من نبي إلا وقد أنذره قومه ولكن أقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه تعلمون أنه أعور وأن الله ليس بأعور.

⦗ص: 12⦘

أخبرناه عدة عن ابن الزبير عن أبي الوقت عن الداودي عن ابن حمويه عن عبد العزيز أنبا محمد بن إسماعيل ثنا عبد الله بن عثمان فذكر نحوه.

صحيح متفق عليه رواه البخاري عن عبد الله بن عثمان كذلك ورواه مسلم عن حرملة عن يونس عن ابن وهب وله طرق ورواه أبو داود عن خشيش بن أصرم عن عبد الرزاق عن معمر عن الزهري

قلت كان ابن صائد دجال صغير السن غير(1) الدجال الأكبر لأن ذاك أعور ضخم وابن صائد ليس بأعور ثم إن ابن صائد قد أسلم وشاخ ومات وقد حدث النبي صلى الله عليه وسلم بعد عن تميم الداري بأن الدجال مغلول في جزيرة من جزائر البحر كما سيأتي والله أعلم.

--------------------------------------------

(1) بالأصل: بعدو، ولعل ما أثبتناه هو الصواب.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। হে আল্লাহ, সহজ করে দিন।

১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত ইবনে বুন্দার ইবনে ইবরাহিম আল-বাগদাদি সেখানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি সাবিত ইবনে বুন্দার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গালিব আল-বারকানি আল-খাওয়ারিজমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল আল-জুরজানি আল-ইসমাইলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাসেম আল-মুকাদ্দামি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ফাররাজ আহমদ ইবনে মনসুর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ, ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) একদল লোকসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ইবনে সাঈদের খোঁজে রওয়ানা হলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁরা তাকে বনী মাগালা-র দুর্গের কাছে বালকদের সাথে খেলতে দেখলেন। সেদিন ইবনে সাইয়্যাদ বয়ঃসন্ধির কাছাকাছি ছিল। সে টেরও পায়নি, যতক্ষণ না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত দিয়ে তার পিঠে আঘাত করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনে সাঈদকে বললেন: "তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসূল?" তখন ইবনে সাঈদ তাঁর দিকে তাকিয়ে বলল: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি নিরক্ষরদের রাসূল।" অতঃপর ইবনে সাঈদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলল: "আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে আমি ⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘ আল্লাহর রাসূল?" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে প্রত্যাখ্যান করলেন এবং বললেন: "আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের ওপর ঈমান এনেছি।" এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: "তুমি কী দেখছো?" ইবনে সাঈদ বলল: "আমার কাছে সত্যবাদীও আসে, মিথ্যাবাদীও আসে।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: "তোমার কাছে বিষয়টি বিভ্রান্তিকর হয়ে গেছে।" এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: "আমি তোমার জন্য একটি বিষয় মনে মনে গোপন রেখেছি (বল তো সেটি কী?)" ইবনে সাঈদ বলল: "সেটি হলো আদ-দুখ (ধোঁয়া)।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: "দূর হও লাঞ্ছিত হয়ে! তুমি তোমার সীমার বাইরে যেতে পারবে না।" তখন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন, আমি তার গর্দান উড়িয়ে দিই।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "যদি সে ওই ব্যক্তি (দাজ্জাল) হয়, তবে তুমি তার ওপর জয়ী হতে পারবে না। আর যদি সে ওই ব্যক্তি না হয়, তবে তাকে হত্যা করার মধ্যে তোমার কোনো কল্যাণ নেই।"

সালিম বলেন, আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি যে, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উবাই ইবনে কাব আনসারী (রা.) সেই খেজুর বাগানের দিকে রওয়ানা হলেন যেখানে ইবনে সাইয়্যাদ ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বাগানে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি খেজুর গাছের কাণ্ডের আড়ালে নিজেকে লুকাতে লাগলেন; তিনি চাচ্ছিলেন ইবনে সাইয়্যাদ তাঁকে দেখার আগেই তিনি তার কোনো কথা শুনে নেবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে পেলেন যে, সে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে বিছানায় শুয়ে অস্ফুট স্বরে গুনগুন করছে। ইবনে সাইয়্যাদের মা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে ফেললেন যখন তিনি গাছের কাণ্ডের আড়ালে নিজেকে লুকাচ্ছিলেন। তখন সে ইবনে সাইয়্যাদকে বলল: "হে সাফ! (এটি ইবনে সাইয়্যাদের নাম), এই যে মুহাম্মদ (সা.)।" তখন ইবনে সাইয়্যাদ উঠে পড়ল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "যদি তার মা তাকে বাধা না দিত, তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত।"

সালিম বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেছেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা করলেন, এরপর দাজ্জালের আলোচনা করে বললেন: "আমি তোমাদেরকে তার সম্পর্কে সতর্ক করছি। এমন কোনো নবী নেই যিনি তাঁর কওমকে তার সম্পর্কে সতর্ক করেননি। তবে আমি তোমাদেরকে তার সম্পর্কে এমন একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর কওমকে বলেননি। তোমরা জেনে রেখো যে, সে (দাজ্জাল) একচক্ষু কানা, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ একচক্ষু কানা নন।"

⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘

আমাদেরকে এটি একদল রাবী সংবাদ দিয়েছেন ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি আবু আল-ওয়াকত থেকে, তিনি আল-দাউদি থেকে, তিনি ইবনে হামুইয়াহ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

হাদিসটি সহিহ এবং সর্বসম্মত। ইমাম বুখারী এটি আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি হারমালা থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। এর আরও অনেক সূত্র রয়েছে। আবু দাউদ এটি খুশাইশ ইবনে আসরাম থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি, ইবনে সাঈদ ছিল অল্পবয়সী দাজ্জাল, সে বড় দাজ্জাল থেকে আলাদা। কারণ বড় দাজ্জাল একচক্ষু কানা এবং বিশালদেহী, অথচ ইবনে সাঈদ একচক্ষু কানা ছিল না। তাছাড়া ইবনে সাঈদ ইসলাম গ্রহণ করেছিল, বৃদ্ধ হয়েছিল এবং মৃত্যুবরণ করেছে। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরবর্তী সময়ে তামীম আদ-দারী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, দাজ্জাল সমুদ্রের কোনো এক দ্বীপে শিকলবদ্ধ অবস্থায় আছে, যা সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহই ভালো জানেন।

--------------------------------------------

(১) মূলে রয়েছে: ‘বাদউ’, সম্ভবত আমরা যা সাব্যস্ত করেছি সেটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٢)
2/ أ - محمد بن سلمة عن ابن إسحاق عن أيوب عن نافع عن ابن عمر عن حفصة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج الدجال من غضبة يغضبها.

إسناده حسن وسيأتي.
thought) Islamic Heritage (Turath) translator. Arabic text within HTML. Formal, scholarly Bangla. * No Arabic in output. * Pure translation. * Output format: Raw HTML only (no Markdown). * Preserve structure (tags like `

`, ``). * Specific terminologies: * "استواء" (Istiwa) -> "উঠা" (not সমাসীন/অধিষ্ঠিত). * Attributes (Hand/Leg/Foot) -> Literal ("আল্লাহর হাত", "আল্লাহর পা"). No metaphorical additions like "কুদরতি". * `2/ أ - محمد بن سلمة عن ابن إسحاق عن أيوب عن نافع عن ابن عمر عن حفصة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج الدجال من غضبة يغضبها.` * `2/ أ`: Part of the numbering/referencing. * `محمد بن سلمة عن ابن إسحاق عن أيوب عن نافع عن ابن عمر عن حفصة`: Chain of narrators (Isnād). * `عن النبي صلى الله عليه وسلم`: From the Prophet (peace and blessings of Allah be upon him). * `قال يخرج الدجال من غضبة يغضبها`: Said: "Dajjal will emerge from a fit of anger that he experiences." * `

إسناده حسن وسيأتي.`: "Its chain of narration is fair (hasan) and it will be mentioned later." * *Isnād translation:* * محمد بن سلمة: মুহাম্মদ বিন সালামাহ * عن: থেকে (from) * ابن إسحاق: ইবনে ইসহাক * أيوب: আইয়ুব * نافع: নাফে' * ابن عمر: ইবনে উমর * حفصة: হাফসা * النبي صلى الله عليه وسلم: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) * *Matn (Text) translation:* * "দাজ্জাল বের হবে এমন এক ক্রোধ থেকে যা সে প্রকাশ করবে।" (Dajjal will come out due to an anger he feels/displays). * *Commentary:* * إسناده حسن: এর সনদ হাসান (fair). * وسيأتي: এবং তা সামনে আসবে। * `2/ আ - মুহাম্মদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি হাফসা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করবে এমন এক রাগের কারণে যা সে অনুভব করবে।

এর সনদ হাসান এবং সামনে এটি বিস্তারিত আসবে।` * No Arabic? Yes. * Pure translation? Yes. * Raw HTML only? Yes. * Preserve structure? Yes. * Theological terms? (None of the specific forbidden ones appear here, but I must follow the scholarly tone). * Scholarly Bangla? Yes. `2/ আ - মুহাম্মদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি হাফসা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে; তিনি বলেন: দাজ্জাল বের হবে এমন এক ক্রোধ থেকে যা সে প্রকাশ করবে।

এর সনদ হাসান এবং এটি সামনে আসবে।` *Wait, looking at the numbering:* "2/ أ" is usually "২/ ক" or "২/ অ". Let's use "২/ ক". *Refining the flow:* "২/ ক - মুহাম্মদ বিন সালামাহ, ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি হাফসা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: দাজ্জাল বের হবে এমন এক ক্রোধের কারণে যা সে প্রকাশ করবে।

এর সনদ হাসান এবং এটি সামনে আসবে।" *Self-Correction on "صلى الله عليه وسلم":* The prompt says "No Arabic in output". This usually means translating the phrase. "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" is the transliteration, which is standard in Bangla Islamic texts. However, strictly speaking, translating it to "আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন" is the *pure* translation, but in scholarly Bangla "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" is kept as the standard phrase written in Bangla script. I will use the Bangla transliterated form as it is standard "Scholarly Bangla". *Re-checking constraints:* "NO ARABIC IN OUTPUT". `صلى الله عليه وسلم` -> `(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)` or `(আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)`. Given "Scholarly Bangla", the transliteration is preferred, but I will ensure it's in Bangla script. ২/ ক - মুহাম্মদ বিন সালামাহ, ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি হাফসা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: দাজ্জাল বের হবে এমন এক ক্রোধ থেকে যা সে প্রকাশ করবে।

এর সনদ হাসান এবং এটি সামনে আসবে। (Wait, the input didn't have "(রা.)", so I'll omit it to be precise to the source text). *Let's check the formatting:* Only Raw HTML. ২/ ক - মুহাম্মদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি হাফসা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: দাজ্জাল বের হবে এমন এক ক্রোধ থেকে যা সে প্রকাশ করবে।

এর সনদ হাসান এবং এটি সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٢)
2/ ب - هوذة بن خليفة ثنا عوف عن أبي المغيرة عن عبد الله بن عمرو قال أول مصر من أمصار العرب يدخله الدجال البصرة.

إسناده قوي.
২/ খ — হাওযাহ ইবনে খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আউফ থেকে, তিনি আবু আল-মুগিরা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে; তিনি বলেন, আরবদের শহরগুলোর মধ্যে দাজ্জাল সর্বপ্রথম বসরা শহরে প্রবেশ করবে।

এর সনদ শক্তিশালী।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٣)
3 - مسلم نا قتيبة نا عبد العزيز عن ثور بن زيد عن أبي الغيث عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال سمعتم بمدينة جانب منها في البر وجانب في البحر قالوا نعم قال لا تقوم الساعة حتى يغزوها سبعون ألفا من بني إسماعيل فإذا جاءوها نزلوا فلم يقاتلوا بسلاح قالوا لا إله إلا الله والله أكبر فيسقط أحد جانبيها ثم تقول الثانية لا إله إلا الله والله أكبر فيسقط جانبها الآخر ثم تقول الثالثة لا إله إلا الله والله أكبر فتفرج لهم فيدخلونها فبينا هم يقتسمون الغنائم إذ جاءهم الصريخ أن الدجال قد خرج فيتركون كل شيء ويرجعون.

رواه ابن عساكر عن المؤيد.
৩ - মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি সাওরি বিন যাইদ থেকে, তিনি আবুল গাইস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা কি এমন একটি শহরের কথা শুনেছ যার এক পাশ স্থলে এবং অন্য পাশ সমুদ্রে?" তারা বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না বনী ইসমাঈলের সত্তর হাজার লোক তা আক্রমণ করবে। যখন তারা সেখানে পৌঁছাবে, তারা অবতরণ করবে কিন্তু কোনো অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করবে না। তারা বলবে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ’, তখন তার এক পাশ ধসে পড়বে। এরপর তারা দ্বিতীয়বার বলবে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ’, তখন তার অপর পাশটিও ধসে পড়বে। এরপর তারা তৃতীয়বার বলবে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ’, তখন তাদের জন্য পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং তারা তাতে প্রবেশ করবে। তারা যখন গনীমতের মাল বণ্টন করতে থাকবে, এমন সময় এক চিৎকারকারী এসে সংবাদ দেবে যে দাজ্জাল বের হয়েছে; তখন তারা সবকিছু ছেড়ে ফিরে আসবে।"

ইবনে আসাকির আল-মুয়ায়্যাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٣)
4 - أحمد بن حنبل ثنا محمد بن جعفر نا شعبة عن قتادة سمعت أبا الطفيل قال مررت على حذيفة بن أسيد فقلت ما يقعدك وقد خرج الدجال قال اقعد فذكر الحديث وقال فيه ثلاث علامات أنه أعور وربكم ليس بأعور ولا يسخر ⦗ص: 14⦘ له من الدواب إلا حمار رجس على رجس مكتوب بين عينيه كافر يقرأه كل مؤمن كاتب أو غير كاتب

صحيح.
৪ - আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, আমি আবু তুফায়লকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হুযায়ফাহ ইবনে আসিদ-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন আমি বললাম, দাজ্জাল বের হয়ে যাওয়ার পরও আপনি বসে আছেন কেন? তিনি বললেন, বসো। অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করলেন এবং তাতে বললেন যে, তিনটি নিদর্শন রয়েছে: নিশ্চয়ই সে একচোখা, অথচ তোমাদের রব একচোখা নন। আর কোনো চতুষ্পদ জন্তুই তার বশীভূত হবে না ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ কেবল একটি গাধা ব্যতীত যা অপবিত্রের ওপর অপবিত্র; তার দুই চোখের মাঝখানে 'কাফির' লেখা থাকবে যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবে, সে লিখতে জানুক বা না জানুক।

সহীহ।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٤)
5 - أحمد بن حنبل ثنا حيوة بن شريح ثنا بقية حدثني يحيى بن سعد عن خالد بن معدان عن عمرو بن الأسود عن جنادة بن أبي أمية حدثهم عن عبادة بن الصامت قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إني قد حدثتكم عن الدجال حتى خشيت أن لا تعقلوا جعد أعور فاعلموا أن ربكم ليس بأعور وأنكم لن تروا ربكم حتى تموتوا.

هذا حديث حسن متصل.
৫ - আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সা’দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে মাদান থেকে, তিনি আমর ইবনে আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি জুনাদাহ ইবনে আবি উমাইয়্যাহ থেকে, তিনি তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাদাহ ইবনে আস-সামিত থেকে। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আমি তোমাদের নিকট দাজ্জাল সম্পর্কে এত বেশি বর্ণনা করেছি যে, আমার আশঙ্কা হচ্ছে তোমরা হয়তো তা বুঝতে পারবে না। সে কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট এবং একচোখা। তোমরা জেনে রেখো যে, তোমাদের রব একচোখা নন এবং তোমরা মৃত্যুবরণ না করা পর্যন্ত তোমাদের রবকে দেখতে পাবে না।

এটি একটি হাসান মুত্তাসিল হাদীস।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٤)
6 - أحمد بن حنبل نا إسماعيل بن إبراهيم أنا ابن عون عن مجاهد قال كان جنادة بن أبي أمية أميرا علينا في البحر ست سنين فخطبنا ذات يوم فقال دخلنا على رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقلنا حدثنا ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قام فينا رسول الله عليه الصلاة والسلام فقال ⦗ص: 15⦘ أنذركم المسيخ هو رجل ممسوخ فاعلموا أن الله ليس بأعور.

وهذا صحيح الإسناد وما خرجه الستة.
৬ - আহমদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন আওন মুজাহিদ থেকে, তিনি বলেন: জুনাদা বিন আবি উমাইয়্যা সমুদ্রাঞ্চলে ছয় বছর আমাদের আমির ছিলেন। একদিন তিনি আমাদের নিকট ভাষণ দিলেন এবং বললেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবীর নিকট প্রবেশ করলাম এবং বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছেন তা আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হলেন এবং বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘ আমি তোমাদেরকে মাসীহ (দাজ্জাল) সম্পর্কে সতর্ক করছি, সে একজন বিকৃত মানুষ। সুতরাং তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ কানা নন।

এর সনদ সহীহ, তবে ছয়টি প্রসিদ্ধ কিতাবের সংকলকগণ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٥)
7 - أخبرنا محمد بن أبي الفتح بطرابلس أنا عبد الوهاب بن محمد أنا مسدد بن الخصيب أنا علي بن المسلم أنا أحمد بن عبد الواحد أنا خلف بن محمد بن أحمد بن عثمان أنا أحمد بن هلال ثنا موسى بن عامر نا الوليد أخبرني شيبان عن ليث عن بشر عن أنس بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بين يدي الدجال نيف وسبعون دجالا.

قلت إسناد هـ ضعيف.
৭ - ত্রিপোলিতে মুহাম্মদ বিন আবুল ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল ওয়াহহাব বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসাদ্দাদ বিন আল-খাসিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন আল-মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খালাফ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন হিলাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মূসা বিন আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শায়বান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন লায়স থেকে, তিনি বিশর থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “দাজ্জালের (আবির্ভাবের) প্রাক্কালে সত্তর জনেরও অধিক দাজ্জাল আসবে।”

আমি বলছি, এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٥)
8 - أخبرنا إسماعيل بن عبد الرحمن بن الفراء أنا الإمام أبو محمد عبد الله بن قدامة أخبرنا محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سلمان أنا أبو الفضل أحمد بن الحسين بن خيرون قال وأنبا يحيى بن ثابت أنبا أبي قال أنبا أحمد بن محمد بن غالب قال قرات على أبي العباس بن حمدان حدثكم محمد بن أيوب أنبا عبيد الله بن معاذ ثنا أبي ثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن محمد بن المنكدر قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف أن ابن صائد الدجال قال فقلت تحلف بالله قال سمعت عمر بن الخطاب يحلف عند النبي صلى الله عليه وسلم فلم ينكره النبي صلى الله عليه وسلم.

⦗ص: 16⦘ قلت لم يكن صلى الله عليه وسلم جزم بالنفي

صحيح متفق عليه رواه مسلم عن عبيد الله بن معاذ والبخاري عن حماد بن إسماعيل عن عبيد الله بن معاذ

قلت فيه دليل على جواز الحلف على غلبة الظن وقد نهى النبي صلى الله عليه وسلم عمر بن الخطاب عن قتله وقال:

9 - إن لم يكن هو فلا خير لك في قتله. وهذا توقف في منه في أمره.
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আবদুর রহমান বিন আল-ফাররা, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন ইমাম আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন কুদামা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদিল বাকি বিন আহমদ বিন সালমান, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফজল আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন খাইরুন, তিনি বলেন এবং আমাদের অবহিত করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাবিত, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন গালিব, তিনি বলেন আমি আবুল আব্বাস বিন হামদানের নিকট পাঠ করেছি যে, তিনি বলেন তোমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের অবহিত করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ, তিনি বলেন আমার পিতা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন শু'বা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সা'দ বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি জাবির বিন আবদুল্লাহকে কসম করে বলতে দেখেছি যে ইবনে সায়য়াদই হলো দাজ্জাল। আমি বললাম: আপনি কি আল্লাহর নামে কসম করছেন? তিনি বললেন: আমি উমর বিন আল-খাত্তাবকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপস্থিতিতে কসম করতে শুনেছি, এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা অস্বীকার করেননি।

⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ আমি বলছি: তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিষয়টি নাকচ করার ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।

সহিহ, মুত্তাফাকুন আলাইহি। মুসলিম এটি উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বুখারি এটি হাম্মাদ বিন ইসমাইল সূত্রে উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: এতে প্রবল ধারণার ওপর ভিত্তি করে কসম করার বৈধতার দলিল রয়েছে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমর বিন আল-খাত্তাবকে তাকে হত্যা করতে নিষেধ করেছিলেন এবং বলেছিলেন:

৯ - যদি সে ওই ব্যক্তি না হয়, তবে তাকে হত্যা করার মাঝে তোমার কোনো কল্যাণ নেই। আর এটি ছিল তার বিষয়ের ব্যাপারে তাঁর পক্ষ থেকে এক প্রকার সংশয় বা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٦)
10 - أخبرنا يحي بن ثابت أنبا أبي أنبا البرقاني أنبا الإسماعيلي نا يحيى بن صاعد نا يوسف بن سعيد ثنا حجاج عن [ابن](1) جريج أخبرني موسى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما بين ظهري الناس المسيخ الدجال فقال إن الله ليس بأعور إلا أن الدجال أعور العين اليمنى كأنها عنبة طافية وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أراني الليلة في المنام عند الكعبة فإذا رجل كأحسن ما يرى من الرجال يضرب لمته منكبيه رجل الشعر يقطر رأسه واضعا يده على منكبي رجليه فهو بينهما يطوف بالبيت فقلت من هذا ⦗ص: 17⦘ قالوا المسيح ابن مريم ورأيت رجلا وراءه جعدا قططا أعور العين كأشبه من رأيته من الناس بابن قطن واضعا يده على منكبي رجلين فقلت من هذا فقال المسيخ الدجال.

قال فقال نافع كان عبد الله بن عمر يقول والله ما أشك أن المسيخ الدجال ابن صياد.

صحيح متفق عليه رواه البخاري عن إبراهيم بن المنذر ومسلم عن محمد بن إسحاق المسيبي كلاهما عن أبي ضمرة أنس بن عياض

ورواه مسلم أيضا عن محمد بن عباد المكي عن حاتم بن إسماعيل كلاهما عن موسى بن عقبة سمعناه في الصحيح.

--------------------------------------------

(1) ساقطة من الأصل.
১০ - ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [ইবনে](১) জুরায়জ থেকে, তিনি বলেন: মূসা ইবনে উকবা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন নাফে’ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন মানুষের মাঝে মাসীহ দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন এবং বললেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ একচোখা নন; সাবধান, দাজ্জাল ডান চোখে অন্ধ, তার চোখটি যেন একটি ভাসমান আঙুর।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বললেন: “আজ রাতে স্বপ্নে আমাকে কাবার নিকটে দেখানো হলো, সেখানে একজন ব্যক্তি, যাকে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর দেখাচ্ছিল, তার চুল তার দুই কাঁধ পর্যন্ত প্রলম্বিত ছিল এবং চুলগুলো ছিল পরিপাটি, তার মাথা থেকে পানি ঝরছিল, তিনি দুই ব্যক্তির কাঁধের ওপর নিজের হাত রেখে তাদের মাঝখানে থেকে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘ তারা বলল, ইনি মারইয়াম তনয় মাসীহ। অতঃপর আমি তার পেছনে একজন লোককে দেখলাম যার চুল ছিল অত্যধিক কোঁকড়ানো, সে ছিল একচোখা, আমি ইবনে ক্বাতান নামক ব্যক্তিকে মানুষের মধ্যে যার সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ দেখেছি সে ছিল অবিকল তেমন; সে দুই ব্যক্তির কাঁধের ওপর নিজের হাত রেখেছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ কে? তিনি বললেন, এ হলো মাসীহ দাজ্জাল।”

নাফে’ বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলতেন: “আল্লাহর কসম! আমার কোনো সন্দেহ নেই যে মাসীহ দাজ্জাল হলো ইবনে সাইয়াদ।”

সহীহ, মুত্তাফাকুন আলাইহি। ইমাম বুখারী এটি ইব্রাহিম ইবনে আল-মুনজির থেকে এবং ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মুসাইয়িবি থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই আবু দামরা আনাস ইবনে ইয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কি থেকে হাতিম ইবনে ইসমাইলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই মূসা ইবনে উকবা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা আমরা সহীহ গ্রন্থে শুনেছি।

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠ থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٧)
11 - أخبرنا يحيى بن ثابت أبنا أبي أنا أحمد بن محمد أبنا أحمد بن إبراهيم أخبرنا محمد بن يحيى بن سليمان ثنا عاصم بن علي ثنا إبراهيم بن سعد ح وأخبرني الحسن ثنا منصور بن مزاحم ثنا إبراهيم يعني ابن سعد قال ونا محمد بن خلد ثنا إبراهيم بن سعد

ح .. .. .. وأخبرنا أبو يعلى ثنا أبو خيثمة نا يعقوب ثنا أبي عن ابن شهاب أخبرني سالم سمع عبد الله بن عمر يقول لا والله ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعيسى أحمر ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بينا أنا نائم أراني أطوف بالكعبة فإذا رجل آدم ⦗ص: 18⦘ سبط الشعر يهادي بين رجلين ينطف رأسه دما أو يهراق رأسه فقلت من هذا قالوا هذا ابن مريم فذهبت ألتفت فإذا رجل أحمر جسيم جعد الرأس أعور العين اليمنى كأن عينه عنبة طافية فقلت من هذا فقالوا هذا الدجال أقرب الناس به شبها رجل من خزاعة يقال له ابن قطن

قال محمد الزهري وكان ابن قطن رجلا من خزاعة وهو من بني المصطلق وهلك في الجاهلية. قال منصور عنبة طافية أو طايفية شك منصور

حديثهم متقارب

صحيح متفق عليه رواه البخاري عن أحمد بن محمد المكي عن إبراهيم بن سعد وعن أبي اليمان عن شعيب وعن سعيد بن عفير عن الليث عن عقيل ومسلم عن حرملة عن ابن وهب عن يونس كلهم عن الزهري وابن قطن اسمه عبد العزى بن قطن وتهادى بني اثنين أي يعتمد عليهما ويدور من جانبيه ويوحد بعضديه وينطف رأسه أي يقطر

أخبرناه جماعة عن ابن الرتيل من مسنده.
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সুলায়মান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে আলী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে সা’দ। (অন্য সূত্রে) এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাসান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবনে মুযাহিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম অর্থাৎ ইবনে সা’দ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে খালদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে সা’দ।

(অন্য সূত্রে) .. .. .. এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়া’লা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু খায়সামা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন আমাকে সালেম সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈসা (আলাইহিস সালাম)-কে লাল বর্ণের বলেননি। বরং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আমি ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নে দেখলাম যে আমি কাবার চারদিকে তাওয়াফ করছি। হঠাৎ এক শ্যামলা বর্ণের লোককে দেখলাম ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ যার চুল ছিল সোজা, তিনি দু’জন লোকের কাঁধে ভর দিয়ে চলছিলেন, তাঁর মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল অথবা তাঁর মাথা থেকে (পানি) গড়িয়ে পড়ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা বলল, ইনি মরিয়ম তনয় (ঈসা)। অতঃপর আমি অন্যদিকে তাকালাম, দেখলাম এক ব্যক্তি লাল বর্ণের, স্থূলকায়, কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট এবং ডান চোখ অন্ধ, যেন তার চোখটি একটি ভেসে ওঠা আঙুরের মতো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ কে? তারা বলল, এ হলো দাজ্জাল। মানুষের মধ্যে তার সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি হলো খুযাআ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি যাকে ইবনে ক্বাতান বলা হয়।"

মুহাম্মদ আজ-যুহরী বলেন: ইবনে ক্বাতান ছিলেন খুযাআ গোত্রের এক ব্যক্তি, তিনি বনী মুসতালিক গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং জাহিলিয়াত যুগে মারা গিয়েছিলেন। মানসুর বলেছেন: 'আনাবে ত্বাফিয়াহ' অথবা 'ত্বায়িফিয়াহ' (ভেসে থাকা বা উঁচু আঙুর), এ বিষয়ে মানসুর সন্দেহ পোষণ করেছেন।

তাঁদের বর্ণনা কাছাকাছি ও সমার্থক।

হাদীসটি সহীহ এবং সর্বসম্মত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাক্কী থেকে ইবরাহিম ইবনে সা’দের সূত্রে, এবং আবুল ইয়ামান থেকে শুয়াইবের সূত্রে, এবং সাঈদ ইবনে উফায়র থেকে লাইসের সূত্রে, তিনি উকাইল থেকে। ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন হারমালাহ থেকে ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে, তিনি ইউনুস থেকে। তাঁরা সকলেই যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে ক্বাতানের নাম হলো আবদুল উযযা ইবনে ক্বাতান। ‘দু’জনের মাঝে ভর দিয়ে চলা’ অর্থ হলো তাদের ওপর নির্ভর করা এবং তাদের দু’পাশ দিয়ে চলা এবং তাদের বাহু আঁকড়ে ধরা। ‘মাথা থেকে ঝরছে’ মানে হলো ফোঁটা ফোঁটা পড়ছে।

একদল রাবী ইবনুর রাতীল থেকে তাঁর মুসনাদ সূত্রে আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٨)
12 - أخبرنا يحيى بن ثابت أنبا أبي أنبا البرقاني أنبا الإسماعيلي أخبرني الهسنجاني نا محمد بن مسلم ثنا أبو اليمان ثنا شعيب عن الزهري ⦗ص: 19⦘ قال سالم سمعت عبد الله بن عمر يقول انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك وأبي بن كعب قبل ابن صياد حدث في نخل فلما دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يتقي بجذوع النخل وابن صياد في قطيفة له فيها زهزهة فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا صاف هذا محمد فوثب ابن صياد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو تركته بين لفظ حميد وقال الهسنجاني فطفق يتقي بجذوع النخل وهو يحتال أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه وابن صياد في قطيفة له فيها زهزهة فرأت أم ابن صياد النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا صاف هذا محمد يعني فثار أو كلمة أخرى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو تركته بين.

صحيح رواه البخاري عن أبي اليمان كذلك أخبرناه أقوام وجماعة بإسناد إلى البخاري فوقع عاليا بدرجة.
১২ - ইয়াহইয়া বিন সাবিত আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-হাসাঞ্জানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আল-ইয়ামান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, শুআইব যুহরি থেকে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ সালিম বলেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন উমরকে বলতে শুনেছি যে, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই বিন কাবকে সাথে নিয়ে ইবনে সাইয়াদের সন্ধানে খেজুর বাগানে গেলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাগানে প্রবেশ করলেন, তিনি খেজুর গাছের কাণ্ডের আড়ালে নিজেকে লুকাতে শুরু করলেন। ইবনে সাইয়াদ তখন একটি চাদর মুড়ি দিয়ে ছিল যার ভেতর থেকে গুনগুন শব্দ আসছিল। ইবনে সাইয়াদের মা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘হে সাফ! এই যে মুহাম্মাদ।’ তখন ইবনে সাইয়াদ লাফিয়ে উঠল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘সে (তার মা) যদি তাকে ছেড়ে দিত তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত।’ এটি হুমাইদের শব্দের অনুরূপ। আল-হাসাঞ্জানি বলেন, তিনি খেজুর গাছের কাণ্ডের আড়ালে নিজেকে লুকাতে লাগলেন এবং এই চেষ্টা করছিলেন যেন ইবনে সাইয়াদ তাঁকে দেখার আগেই তিনি তার থেকে কিছু শুনতে পান। ইবনে সাইয়াদ একটি চাদর মুড়ি দিয়ে ছিল যার ভেতর থেকে গুনগুন শব্দ আসছিল। ইবনে সাইয়াদের মা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘হে সাফ! এই যে মুহাম্মাদ।’ অর্থাৎ সে লাফিয়ে উঠল অথবা বর্ণনাকারী অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘সে যদি তাকে ছেড়ে দিত তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত।’

এটি সহীহ। ইমাম বুখারী আবু আল-ইয়ামান থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। একইভাবে অনেক লোক ও জামাত বুখারীর প্রতি সনদে আমাদের এটি অবহিত করেছেন, ফলে এটি এক স্তর উচ্চ মানের (আলি) বর্ণনায় পরিণত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ١٩)
13 - أخبرنا أحمد بن هبة الله بن أحمد سنة ثلاث وتسعين عن المؤيد الطوسي أنا محمد بن الفضل العتبة أنا عبد الغافر بن محمد الفارسي أنا أبو أحمد محمد بن عيسى بن عمرويه نا إبراهيم بن محمد بن سفيان ثنا مسلم يبن الحجاج ثنا محمد بن المثنى ثنا سالم ين نوح أنا الجريري عن أبي نضرة عن أبي سعيد قال خرجنا حجاجا أو عمارا ومعنا ابن صائد فنزلنا منزلا فتفرق الناس وبقيت أنا وهو فاستوحشت منه وحشة شديدة مما يقال عليه قال وجاء بمتاعه فوضعه مع متاعي فقلت إن الحر شديد فلوا وضعته تحت تلك الشجرة ففعل قال فرفعت لنا غنم فانطلق فجاء بعس فقال اشرب أبا سعيد فقلت إن ⦗ص: 20⦘ الحر شديد واللبن حار ما بي إلا أني أكره أن أشر ب من يده أو قال آخذ عن يده

فقال أبا سعيد لقد هممت أن آخذ حبلا فأعقله بشجرة ثم أختنق مما يقول لي الناس يا أبا سعيد من خفى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما خفى عليكم معشر الأنصار ألست من أعلم الناس بحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم أليس قد قال وهو كافر وأنا مسلم أو ليس قد قال هو عقيم لا يولد له وقد تركت ولدي بالمدينة أو ليس قد قال لا يدخل المدينة ولا مكة وقد أقبلت من المدينة وأنا أريد مكة قال أبو سعيد حتى كدت أن أعذره ثم قال أما والله إني لأعرفه وأعرف مولده وأين هو الآن فقلت له تبا لك سائر اليوم.
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ তিরানব্বই সনে মুয়াইয়িদ আত-তুসি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ফাদল আল-উতবা থেকে, তিনি আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসি থেকে, তিনি আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আমরুয়াহ থেকে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালিম বিন নুহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-জুরাইরি আবু নাদরা থেকে, আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হজ বা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলাম এবং ইবনে সাইয়্যাদ আমাদের সাথে ছিল। আমরা একটি স্থানে অবতরণ করলাম। অতঃপর লোকজন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল এবং কেবল আমি ও সে রয়ে গেলাম। তার সম্পর্কে লোকজন যা বলাবলি করত, সেই কারণে আমি তার সান্নিধ্যে অত্যন্ত আতঙ্কিত বোধ করলাম। তিনি বলেন, সে তার আসবাবপত্র নিয়ে এল এবং আমার আসবাবপত্রের পাশে রাখল। আমি বললাম, "গরম অত্যন্ত তীব্র, যদি তুমি ওগুলো ওই গাছের নিচে রাখতে (তবে ভালো হতো)!" সে তাই করল। তিনি বলেন, এরপর আমাদের সামনে কিছু বকরি এল। সে গিয়ে একটি বড় পাত্রে দুধ নিয়ে এল এবং বলল, "হে আবু সাঈদ, পান করুন।" আমি বললাম, "নিশ্চয় ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ গরম অত্যন্ত তীব্র এবং দুধও গরম।" মূলত আমি তার হাত থেকে পান করতে বা তার হাত থেকে কিছু গ্রহণ করতে অপছন্দ করছিলাম বলেই এরূপ বলছিলাম।

অতঃপর সে বলল, "হে আবু সাঈদ, মানুষ আমার সম্পর্কে যা বলে, তাতে আমার মনে হচ্ছে একটি রশি নিয়ে কোনো গাছের সাথে বেঁধে আমি আত্মহত্যা করি। হে আবু সাঈদ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা অন্যদের কাছে অস্পষ্ট থাকলেও হে আনসার সম্প্রদায়, তোমাদের কাছে কি তা অস্পষ্ট থাকতে পারে? আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবগত নন? তিনি (রাসূল ﷺ) কি বলেননি যে সে (দাজ্জাল) কাফের হবে, অথচ আমি তো মুসলিম? তিনি কি বলেননি যে সে বন্ধ্যা হবে এবং তার কোনো সন্তান হবে না, অথচ আমি মদীনায় আমার সন্তান রেখে এসেছি? তিনি কি বলেননি যে সে মদীনা বা মক্কায় প্রবেশ করতে পারবে না, অথচ আমি মদীনা থেকে এসেছি এবং মক্কার দিকে যাচ্ছি?" আবু সাঈদ বলেন, (তার যুক্তিতে) এমনকি আমি তাকে নির্দোষ মেনে নেওয়ার উপক্রম হলাম। এরপর সে বলল, "তবে আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তাকে চিনি, তার জন্মস্থান সম্পর্কে জানি এবং সে বর্তমানে কোথায় আছে তাও জানি।" তখন আমি তাকে বললাম, "তোমার বাকি সারা দিন ধ্বংস হোক।"
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
14 - جرير وأبو معاوية عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمررنا بصبيان فيهم ابن صائد ففر الصبيان وجلس ابن صائد فكأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كره ذلك فقال له تربت يداك أتشهد أني رسول الله قال لا أتشهد أني رسول الله فقال عمر يا رسول الله ذرني أقتله قال دعه فإن يكن الذي تخاف فلن تستطيع قتله.

وقع لنا في م.
১৪ - জারীর ও আবু মুআবিয়াহ আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে ছিলাম। এরপর আমরা কিছু বালকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যাদের মধ্যে ইবনে সায়িদ ছিল। তখন বালকগুলো পালিয়ে গেল কিন্তু ইবনে সায়িদ বসে রইল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন বিষয়টি অপছন্দ করলেন এবং তাকে বললেন: "তোমার হাত ধূলিমলিন হোক! তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসূল?" সে বলল: "না, বরং আপনি সাক্ষ্য দিন যে আমি আল্লাহর রাসূল।" তখন উমর বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন আমি তাকে হত্যা করি।" তিনি বললেন: "তাকে ছেড়ে দাও; কারণ তুমি যাকে ভয় পাচ্ছ যদি সে-ই হয়, তবে তুমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না।"

এটি আমাদের নিকট মুসলিম গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
15 - أخبرتنا ست الأهل أنا البهاء المقدسي أنا عبد الحق أنا أبو سعد بن خشيش أنا ابن شاذان أنا ابن السماك ثنا حنبل ثنا شريح بن النعمان ثنا حماد عن الجريري عن أبي نضرة عن أبي سعيد قال حججنا فنزلنا تحت شجرة فجاء ابن صائد فنزل في ما جنبها فقلت إنا لله من أين سلط علي فقال يا أبا سعيد ما ألقى من الناس يقولون إني الدجال أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن ⦗ص: 21⦘ الدجال لا يولد له ولا يدخل المدينة ولا مكة قلت بلى قال قد ولد لي وقد خرجت من المدينة وأنا أريد مكة فقال أبو سعيد كأني رققت به فقال والله إن أعلم الناس بمكانة أنا فقلت له تبا لك سائر اليوم.
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সিত্তুল আহল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বাহা আল-মাকদিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল হক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ বিন খুশাইশ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শাযান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আস-সিম্মাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুরাইহ বিন আন-নু'মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি আল-জারীরী থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হলাম এবং একটি গাছের নিচে যাত্রা বিরতি করলাম। অতঃপর ইবনে সায়িদ আসল এবং আমার পাশেই অবস্থান নিল। আমি (মনে মনে) বললাম, ইন্না লিল্লাহ! কোথা থেকে সে আমার ওপর চেপে বসল! তখন সে বলল, হে আবু সাঈদ! মানুষের নিকট থেকে আমি কী পরিমাণ কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছি! তারা বলছে যে আমি নাকি দাজ্জাল। আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেননি যে, ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ দাজ্জালের কোনো সন্তান হবে না এবং সে মদীনা ও মক্কায় প্রবেশ করবে না? আমি বললাম, হ্যাঁ (শুনেছি)। সে বলল, অথচ আমার তো সন্তান হয়েছে এবং আমি মদীনা থেকে বের হয়ে এসেছি আর এখন মক্কায় যাওয়ার ইচ্ছা করছি। আবু সাঈদ (রা.) বলেন, (তার কথা শুনে) মনে হচ্ছিল আমি যেন তার প্রতি কিছুটা নরম হলাম। তখন সে বলল, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি মানুষের মধ্যে তার (দাজ্জালের) অবস্থান সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত। আমি তাকে বললাম, দিনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য তোমার ওপর ধ্বংস নেমে আসুক।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢١)
16 - عبد الرزاق أنا معمر عن أبي نصر عن سالم عن ابن عمر قال لقيت ابن صياد يوما ومعه رجل من اليهود فإذا عينه قد كفيت وكانت عينه خارجة مثل عين الجمل فلما رأيتها قلت أنشدك الله متى كفيت عينك فمسحها وقال لا أدري والرحمن فقلت كذبت لا تدري وهي في رأسك فنخر ثلاثا فقلت اخسأ فلن تعدو قدرك قال أجل لعمري لا أعدو قدري فذكرت ذلك لحفصة فقالت اجتنب هذا الرجل فإنا نتحدث أن الدجال يخرج من غضبة يغضبها.

إسناده صحيح أخرجاه.
১৬ - আবদুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার থেকে, তিনি আবু নাসর থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদিন আমি ইবনে সাইয়্যাদের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তার সাথে একজন ইহুদি লোক ছিল। তখন দেখা গেল তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে এবং চোখটি উটের চোখের মতো বের হয়ে ছিল। যখন আমি তা দেখলাম, তখন বললাম, আমি তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তোমার চোখটি কখন নষ্ট হয়েছে? তখন সে চোখটি মুছল এবং বলল, দয়াময় আল্লাহর কসম! আমি জানি না। আমি বললাম, তুমি মিথ্যা বলেছ, তুমি জানো না অথচ তা তোমার মাথাতেই রয়েছে? এরপর সে তিনবার নাক দিয়ে শব্দ করল (ঘোঁত ঘোঁত করল)। আমি বললাম, দূর হ! তুই তোর সীমানা অতিক্রম করতে পারবি না। সে বলল, হ্যাঁ, আমার জীবনের কসম, আমি আমার সীমানা অতিক্রম করব না। এরপর আমি হাফসাকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন, এই লোকটিকে এড়িয়ে চলো; কেননা আমরা বলাবলি করতাম যে, দাজ্জাল এমন এক ক্রোধ থেকে বের হবে যা সে প্রকাশ করবে।

এর সনদ সহিহ, তাঁরা দুজন এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢١)
17 - أخبرنا عبد الله بن محمد أنا عبد القادر بن محمد أنا الحسن بن علي أنا أحمد بن جعفر ثنا عبد الله حدثني أبي رحمه الله ثنا شريح وغفار ويونس قالوا ثنا حماد بن سلمة عن أيوب وعبيد الله عن نافع عن ابن عمر أنه رأى ابن صائد في سكة المدينة فسبه ابن عمر ووقع فيه فانتفخ حتى سد الطريق فضربه ابن عمر بعصى كانت معه حتى كسرها عليه فقالت له حفصة ما شأنك وشأنه ما يولعك به أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما يخرج الدجال من غضبة يغضبها.

وقال يونس في حديث ما يولعك

أنا جماعة إجازة قالوا نا حنبل أنا ابن الحصين أخرجاه.
১৭ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ আমাদের বলেছেন, আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে বলেছেন, শুরাইহ, গাফ্ফার ও ইউনুস আমাদের বলেছেন, তাঁরা বলেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের আইয়ুব ও উবাইদুল্লাহ থেকে, তাঁরা নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মদীনার এক গলিতে ইবনে সায়্যিদকে দেখলেন। তখন ইবনে উমর তাকে গালি দিলেন এবং তার সমালোচনা করলেন, ফলে সে এমনভাবে ফুলে উঠল যে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল। তখন ইবনে উমর তার সাথে থাকা একটি লাঠি দিয়ে তাকে এমনভাবে আঘাত করলেন যে সেটি তার ওপর ভেঙে গেল। তখন হাফসা (রা.) তাকে বললেন, “তোমার এবং তার মাঝে কী বিষয়? কেন তুমি তার পেছনে লেগে আছ? তুমি কি শোননি যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‘দাজ্জাল কেবল এমন এক ক্রোধের কারণে বের হবে যা সে রাগান্বিত হবে’?”

এবং ইউনুস তার বর্ণিত হাদীসে “কেন তুমি তার পেছনে লেগে আছ” কথাটি উল্লেখ করেছেন।

একটি দল আমাদের ইজাজাতান (অনুমতিক্রমে) সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়ে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
18 - أخبرنا محمد بن عبد الباقي أنا أبو الفضل أحمد بن الحسن بن خيرون أنا أبو عمرو عثمان بن محمد بن يوسف العلاف أنا محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي ثنا إسحاق هو ابن الحسن نا عفان ثنا حماد عن أيوب وعبيد الله عن نافع عن عمر أنه رأى ابن صائد في سكة من سكك المدينة فسبه ووقع فيه فانتفخ حتى سد الطريق فضربه بعصى كانت معه حتى كسرها عليه فقالت له حفصة ما شأنك وشأنه ما يولعك به أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما يخرج الدجال عند غضبة يغضبها.

أنبأناه أحمد بن سلامة عن عبد الغني.
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি, তিনি আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ বিন আল-হাসান বিন খাইরুন থেকে, তিনি আমাদের জানিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-আল্লাফ থেকে, তিনি আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-শাফিঈ থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসহাক—যিনি হলেন ইবনুল হাসান—থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আফফান থেকে, তিনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ থেকে, তিনি আইয়ুব ও উবাইদুল্লাহ থেকে, তারা নাফে থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মদীনার কোনো এক রাস্তায় ইবনে সাইয়াদকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকে গালি দিলেন এবং তার ওপর চড়াও হলেন, ফলে সে (ইবনে সাইয়াদ) ফুলে এমন আকার ধারণ করল যে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল। তখন তিনি (উমর) তার সাথে থাকা একটি লাঠি দিয়ে তাকে প্রহার করলেন, এমনকি সেটি তার ওপর ভেঙে ফেললেন। তখন হাফসা (রা.) তাকে বললেন, আপনার ও তার মাঝে কী বিষয়? কেন আপনি তাকে নিয়ে মেতেছেন? আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শোনেননি যে, ‘দাজ্জাল তো কেবল তার কোনো এক চরম ক্রোধের সময় বের হবে যা তাকে রাগান্বিত করবে’?

এটি আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন সালামা, আব্দুল গনি থেকে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
19 - قال أحمد بن علي الآبار في تاريخه ثنا أحمد بن مصعب المروزي ثنا حفص عن مجالد عن الشعبي قال كنية الدجال أبو يوسف. قال وكيع ⦗ص: 23⦘ حفص لم يسمع هذا من مجالد وسمعه جنادة من مجالد ثنا جنادة عن الشعبي.
১৯ - আহমদ বিন আলী আল-আব্ববার তাঁর ইতিহাসে বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুসআব আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস, তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দাজ্জালের উপনাম হলো আবু ইউসুফ। ওয়াকী’ বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ হাফস এটি মুজালিদ থেকে শুনেননি, বরং জুনাদাহ এটি মুজালিদ থেকে শুনেছেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুনাদাহ, তিনি আশ-শা’বী থেকে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
20 - قال قتادة عن أبي الطفيل عامر بن واثلة سمعت حذيفة بن أسيد يقول في الدجال لا يسخر له من المطايا إلا الحمار فهو رجس على رجس. إسناده صحيح.
২০ - কাতাদাহ আবু আল-তুফাইল আমির বিন ওয়াসিলাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হুজাইফাহ ইবনে আসিদকে দাজ্জাল সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, গাধা ব্যতীত অন্য কোনো বাহন তার জন্য বশীভূত করা হবে না; সুতরাং তা অপবিত্রতার ওপর অপবিত্রতা। এর বর্ণনাপরম্পরা সহীহ।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
21 - مسلم من حديث أبي سعيد أن ابن صياد سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن تربة الجنة فقال در مكة بيضاء مسك خالص.
২১ - ইমাম মুসলিম আবু সাঈদ (রা.)-এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে সাইয়্যাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জান্নাতের মাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি বললেন: তা হলো সাদা মিহি আটা, যা খাঁটি মিশক (কস্তুরী)।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - أخبرنا عبد الله بن محمد أنا عبد القادر بن محمد أنا الحسين بن علي أنا أحمد بن جعفر ثنا عبد الله حدثني أبي رحمه الله ثنا روح بن عبادة ثنا ابن عون عن نافع عن ابن عمر قال لقيت ابن صائد مرتين فأما مرة فلقيته ومعه بعض أصحابه فقلت لبعضهم نشدتكم الله إن نشدتكم عن شيء لتصدقني قالوا ⦗ص: 24⦘ نعم قلت أتحدثون أنه هو قالوا لا قلت كذبتم والله لقد حدثني بعضكم وهو يومئذ أقلكم مالا وولدا أنه لا يموت حتى يكون أكثركم مالا وولدا وهو كذلك فتحدثنا ثم قاذفته ثم لقيته مرة أخرى وقد تغيرت عنه فقلت متى فعلت عينك ما أرى قال لا أدري قلت لا تدري وهي في رأسك قال ما تريد مني يا ابن عمر إن شاء الله عز وجل أن يخلقه من عصاك هذه خلقه ونخر كأشد نخير حمار سمعته قط فزعم بعض أصحابي أني ضربته بعصى كانت معي حتى تكسرت وأما أنا فوالله ما شعرت قال فدخل على أخته حفصة فأخبرها فقالت ما تريد منه أما علمت أنه قال تعني النبي صلى الله عليه وسلم أول ما يبعثه على الناس غضبة يغضبها.

هو عندي من المسند

وأخرجه مسلم عن عبد عن روح عن هشام بن حسان عن أيوب عن نافع. وعن أبي موسى الزمن عن حسين بن حسن عن ابن عون به.
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন আলী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জাফর, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রওহ বিন উবাদাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনুল আউন, তিনি নাফে’ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে সায়িয়াদের সাথে দুই বার সাক্ষাৎ করেছি। প্রথমবার যখন তাঁর সাথে দেখা হলো, তখন তাঁর সাথে তাঁর কিছু সঙ্গী ছিল। আমি তাদের একজনকে বললাম: আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আমি যদি তোমাদের কিছু জিজ্ঞেস করি তবে কি তোমরা আমাকে সত্য বলবে? তারা বলল ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ হ্যাঁ। আমি বললাম: তোমরা কি এ কথা আলোচনা করো যে সে-ই হলো সে (দাজ্জাল)? তারা বলল: না। আমি বললাম: তোমরা মিথ্যা বলেছ। আল্লাহর কসম, তোমাদেরই একজন—যে সে সময় তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ ও সন্তানে সবচাইতে কম ছিল—সে আমাকে বলেছিল যে, সে (ইবনে সায়িয়াদ) ততক্ষণ পর্যন্ত মরবে না যতক্ষণ না সে তোমাদের মাঝে সর্বাধিক ধন-সম্পদ ও সন্তানের অধিকারী হবে। আর বর্তমানে সে তেমনই হয়েছে। এরপর আমরা কিছুক্ষণ কথা বললাম, তারপর আমি তাকে গালমন্দ করলাম (বা কঠোর কথা বললাম)। পরবর্তীতে আমি পুনরায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁর মাঝে পরিবর্তন দেখতে পেলাম। আমি বললাম: তোমার চোখের এই অবস্থা যা আমি দেখছি, তা কখন হলো? সে বলল: আমি জানি না। আমি বললাম: তুমি জানো না অথচ সেটি তোমার মাথাতেই আছে? সে বলল: হে ইবনে উমর, আপনি আমার কাছে কী চান? আল্লাহ আযযা ওয়া জাল যদি চান তবে আপনার এই লাঠির মাধ্যমেও তিনি এটি সৃষ্টি করতে পারেন। এরপর সে অত্যন্ত বিকট শব্দে নাক দিয়ে আওয়াজ করল, যা আমি কখনো কোনো গাধার কণ্ঠ থেকেও শুনিনি। আমার সঙ্গীদের কেউ কেউ ধারণা করেন যে, আমি আমার কাছে থাকা লাঠি দিয়ে তাকে এমনভাবে প্রহার করেছি যে তা ভেঙে গেছে। কিন্তু আল্লাহর কসম, আমার তা মনে নেই। ইবনে উমর (রা.) বলেন: এরপর তিনি তাঁর বোন হাফসার (রা.) কাছে গেলেন এবং তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি (হাফসা) বললেন: আপনি তার কাছে কী চান? আপনি কি জানেন না যে তিনি—অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—বলেছেন: মানুষের ওপর তার (দাজ্জালের) আবির্ভাবের প্রথম কারণ হবে তার প্রচণ্ড ক্রোধ।

এটি আমার নিকট মুসনাদ-এর অন্তর্ভুক্ত।

এবং ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহর সূত্রে রওহ থেকে, তিনি হিশাম বিন হাসসান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে। এছাড়া আবু মুসা আজ-জামান এর সূত্রে হুসাইন বিন হাসান থেকে এবং তিনি ইবনুল আউন থেকে এই একই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - أبو داود في سننه نا هدبة نا همام عن قتادة عن عبد الرحمن بن آدم عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس بني وبين عيسى نبي وإنه نازل فإذا رأيتموه فاعرفوه رجل مربوع إلى الحمرة والبياض بين ممصرتين كأن ⦗ص: 25⦘ رأسه يقطر وإن لم يصبه بلل فيقاتل الناس على الإسلام فيدق الصليب ويقتل الخنزير ويضع الجزية ويهلك الله في زمانه الملل كلها إلا الإسلام ويهلك المسيخ الدجال فيمكث في الأرض أربعين سنة ثم يتوفى فيصلي عليه المسلمون.

سنده قوي في مسند الطيالسي نا هشام عن قتادة أتم منه وسيأتي.
২৩ - আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হুদবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আদম থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমার এবং ঈসার মাঝে কোনো নবী নেই। তিনি অবশ্যই অবতরণ করবেন। সুতরাং তোমরা যখন তাঁকে দেখবে, তখন তাঁকে চিনে নিও। তিনি মাঝারি গড়নের একজন পুরুষ, যাঁর গায়ের রঙ লাল ও সাদার সংমিশ্রণ। তিনি দুটি হালকা হলুদ রঙের পোশাক পরিহিত থাকবেন। তাঁর ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ মাথা থেকে যেন পানি ঝরছে বলে মনে হবে, যদিও তা ভেজা থাকবে না। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের সাথে লড়াই করবেন; তিনি ক্রুশ ভেঙে ফেলবেন, শূকর নিধন করবেন এবং জিজিয়া রহিত করবেন। আল্লাহ তাঁর সময়ে ইসলাম ব্যতীত অন্য সকল ধর্ম বিলুপ্ত করে দেবেন এবং তিনি মসীহ দাজ্জালকে ধ্বংস করবেন। এরপর তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন। অতঃপর তাঁর মৃত্যু হবে এবং মুসলমানগণ তাঁর জানাজার সালাত আদায় করবেন।"

এর সনদ শক্তিশালী। মুসনাদে তায়ালিসিতে হিশাম কাতাদাহ থেকে এটি এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং তা সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - أخبرنا عبد الله بن محمد أنا عبد القادر بن محمد أنا الحسين بن علي أنا أحمد بن جعفر ثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل حدثني أبي رحمه الله نا يزيد ثنا حماد بن سلمة عن علي بن زيد عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يمكث أبوا الدجال ثلاثين عاما لا يولد لهما ثم يولد لهما غلام أعور أضر شيئا وأقله نفعا تنام عيناه ولا ينام قلبه ثم نعت أبويه فقال أبوه رجل طوال مضطرب اللحم طويل الأنف كأن أنفه منقار وأمه فرضاخية عظيمة الثديين قال فبلغنا أن مولودا من اليهود ولد بالمدينة فانطلقت أنا والزبير ابن العوام حتى دخلنا على أبويه فرأينا فيهما نعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هو منجدل في الشمس في قطيفة له همهمة فسألنا أبويه فقالا مكثنا ثلاثين ⦗ص: 26⦘ عاما لا يولد لنا ثم ولد لنا غلام أعور أضر شيئا وأقله نفعا فلما خرجنا مررنا به فقال ما كنتما فيه قلنا وسمعت قال نعم إنه تنام عيناي ولا ينام قلبي وإذا هو ابن صياد.

أخرجه ت عن عبد الله بن معاوية الجمحي ثنا حماد بن سلمة وقال حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث حماد ورواه أحمد بن منيع عن يزيد وهو ابن هارون قلت وقع لنا في المسند بالإجازة.
২৪ - আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াযীদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আলী বিন যায়েদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: দাজ্জালের পিতা-মাতা ত্রিশ বছর পর্যন্ত সন্তানহীন অবস্থায় থাকবে, তাদের কোনো সন্তান হবে না। এরপর তাদের ঘরে একটি একচোখা ছেলে জন্মগ্রহণ করবে, যে হবে অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং অতি সামান্য উপকারের। তার দুই চোখ ঘুমায় কিন্তু তার অন্তর ঘুমায় না। এরপর তিনি (নবীজী) তার পিতা-মাতার বিবরণ দিয়ে বললেন: তার পিতা হবে দীর্ঘদেহী, থলথলে মাংসের অধিকারী, লম্বা নাকবিশিষ্ট, যেন তার নাকটি পাখির ঠোঁট। আর তার মা হবে স্থূলকায়া ও বৃহৎ স্তনবিশিষ্টা। বর্ণনাকারী বলেন: আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছাল যে, মদীনায় ইহুদিদের মাঝে একটি সন্তান জন্ম নিয়েছে। তখন আমি এবং যুবায়ের ইবনুল আওয়াম রওনা হলাম এবং তার পিতা-মাতার কাছে উপস্থিত হলাম। আমরা তাদের উভয়ের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেওয়া সেই বিবরণ দেখতে পেলাম। তখন সে রোদের মধ্যে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে গুনগুন শব্দ করছিল। আমরা তার পিতা-মাতাকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলল: আমরা ত্রিশ ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ বছর পর্যন্ত সন্তানহীন ছিলাম, আমাদের কোনো সন্তান হয়নি। এরপর আমাদের এই একচোখা ছেলেটি জন্ম নিয়েছে, যে অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং অতি সামান্য উপকারের। যখন আমরা বেরিয়ে আসছিলাম, আমরা তার পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় সে বলল: তোমরা কী বিষয়ে আলোচনা করছিলে? আমরা বললাম: তুমি কি শুনেছ? সে বলল: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমার দুই চোখ ঘুমায় কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না। আর সে ছিল ইবনে সাইয়াদ।

এটি ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুয়াবিয়া আল-জুমাহি থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে; এবং তিনি (তিরমিযী) বলেছেন এটি হাসান গারীব, হাম্মাদের হাদীস ছাড়া এটি আমাদের জানা নেই। আর আহমাদ বিন মানি' এটি ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি হলেন ইবনে হারুন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এটি আমাদের নিকট মুসনাদে ইজাজতের (অনুমতি) মাধ্যমে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - وأخبرناه عاليا ست الأهل البعلبكية أنا البهاء عبد الرحمن أنا أبو الحسين اليوسفي أنا ابن خشيش أنا ابن شاذان أنا ابن السماك ثنا حنبل ثنا مسلم بن إبراهيم ثنا حماد بن سلمة نا علي بن زيد عن عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يمكث أبوا الدجال لا يولد لهما ثلاثين عاما ثم يولد لهما غلام أعور أضر شيء وأقله نفعا تنام عينه ولا ينام قلبه ثم نعت أبويه فقال أبوه رجل طوال مضطرب اللحم طويل الأنف كأن أنفه منقار وأمه فرضاخية عظيمة الثديين.
২৫ - এবং উচ্চতর সনদে সিত্তুল আহল আল-বালবাক্কিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-বাহা আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হোসেন আল-ইউসুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে খুশাইশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আস-সিম্মাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে যায়েদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: দাজ্জালের পিতামাতা ত্রিশ বছর পর্যন্ত নিঃসন্তান অবস্থায় অতিবাহিত করবেন, এরপর তাদের একটি একচক্ষুবিশিষ্ট পুত্রসন্তান জন্ম নেবে, যে হবে অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং যার কল্যাণ হবে অতি সামান্য। তার চোখ ঘুমাবে কিন্তু তার অন্তর ঘুমাবে না। এরপর তিনি তার পিতামাতার বর্ণনা দিয়ে বললেন: তার পিতা হবেন দীর্ঘদেহী, ঢিলেঢালা মাংসপেশি বিশিষ্ট এবং দীর্ঘ নাসিকা বিশিষ্ট, যেন তাঁর নাকটি পাখির চঞ্চুর মতো। আর তার মা হবেন স্থূলকায়া এবং বিশাল স্তনবিশিষ্ট নারী।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
26 - أخبرنا أبو موسى ثنا أبو علي الحداد سنة خمس وخمسمئة ثنا أبو نعيم الحافظ سنة ثلاث وعشرين وأربعمئة وثنا هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحسن الشيباني ببغداد ثنا أبو علي بن المدهب قالا أنا أبو بكر بن مالك القطيعي ثنا عبد الله بن أحمد حدثني أبي نا ⦗ص: 27⦘ محمد بن سابق ثنا إبراهيم بن طهمان عن أبي الزبير عن جابر بن عبد الله أنه قال إن امرأة من اليهود بالمدينة ولدت غلاما ممسوحة عينه طالعة نابه فأشفق رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكون الدجال يعني فوجده تحت قطيفة يهمهم وآذنته أمه وقالت يا عبد الله هذا أبو القاسم قد جاء فاخرج إليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قاتلها الله لو تركته لبين ثم قال يا بن صائد ما ترى قال أرى حقا وأرى باطلا وأرى عرشا على الماء قال فلبس عليه فقال أتشهد أني رسول الله فقال هو أتشهد أني رسول الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آمنت بالله ورسله ثم خرج وتركه.

ثم أتاه مرة أخرى فوجده في محل لهم يهمهم فآذنته أمه فقالت يا عبد الله هذا أبو القاسم قد جاء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لها قاتلها الله لو تركته لبين وكان رسول الله يطمع أن يسمع من كلامه شيئا فيعلم هو هو أم لا قال يا ابن صائد ما ترى قال أرى حقا وأرى باطلا وأرى عرشا قال تشهد أني رسول الله قال هو تشهد أني رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم آمنت بالله ورسوله فلبس عليه ثم خرج فتركه ثم جاء في الثالثة أو الرابعة ومعه أبو بكر وعمر بن الخطاب في نفر من المهاجرين والأنصار رضي الله عنهم وأنا معه فنأى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين أيدينا رجاء أن يسمع من كلامه شيئا فسبقته أمه إليه فقالت يا عبد الله هذا أبو القاسم قد جاء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قاتلها الله لو تركته لبين فقال يا بن صائد ما ترى فقال أرى حقا وأرى باطلا وأرى عرشا على الماء قال ⦗ص: 28⦘ أتشهد أني رسول الله قال تشهد أنت أني رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم آمنت بالله ورسله فلبس عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ابن صائد إنا قد خبأنا لك خبأ فما هو قال الدخ الدخ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اخسأ اخسأ فقال عمر ائذن لي فأقتله يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن يك هو فلست بصاحبه إنما صاحبه عيسى بن مريم وإن لا يكن هو فليس لك أن تقتل رجلا من أهل العهد قال

فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم مشفقا أنه الدجال.

هذا حديث صحيح وقع لنا في مسند الإمام أحمد.
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মূসা, তিনি বলেন—আবু আলী আল-হাদ্দাদ পাঁচশত পাঁচ হিজরীতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন—আবু নুআইম আল-হাফিজ চারশত তেইশ হিজরীতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হাসান আল-শায়বানি বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন—আবু আলী ইবনুল মুদাহ্হাব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন—আবু বকর ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন—আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন—আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন— ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ মুহাম্মদ ইবনে সাবিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন—ইব্রাহিম ইবনে তাহমান আবু জুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন—মদিনার জনৈক ইহুদি নারী একটি পুত্রসন্তান প্রসব করল যার একটি চোখ মোছানো (অন্ধ) ছিল এবং তার সামনের দাঁতটি লম্বা হয়ে বেরিয়ে ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশঙ্কা করলেন যে সে দাজ্জাল হতে পারে। তিনি তাকে একটি চাদরের নিচে গুনগুন করতে দেখলেন। তার মা তাকে সতর্ক করে দিল এবং বলল, হে আব্দুল্লাহ, এই যে আবুল কাসিম এসেছেন, তুমি তাঁর কাছে বের হয়ে এসো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে যদি তাকে ছেড়ে দিত তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত। অতঃপর তিনি বললেন, হে ইবনে সায়্যিদ, তুমি কী দেখছ? সে বলল, আমি সত্য দেখছি এবং মিথ্যা দেখছি, আর আমি পানির উপরে একটি আরশ দেখছি। তিনি বললেন, তার নিকট বিষয়টি বিভ্রান্তিকর হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসূল? সে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে আমি আল্লাহর রাসূল? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনলাম। অতঃপর তিনি বেরিয়ে এলেন এবং তাকে ছেড়ে দিলেন।

অতঃপর তিনি পুনরায় অন্য এক সময়ে তার কাছে এলেন এবং তাকে তাদের একটি স্থানে গুনগুন করতে দেখলেন। তার মা তাকে সতর্ক করে দিয়ে বলল, হে আব্দুল্লাহ, এই যে আবুল কাসিম এসেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার কী হয়েছে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে যদি তাকে ছেড়ে দিত তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মনে মনে আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতেন যে তিনি তার কথা থেকে কিছু শুনবেন যার মাধ্যমে তিনি জানতে পারবেন যে সে দাজ্জাল কি না। তিনি বললেন, হে ইবনে সায়্যিদ, তুমি কী দেখছ? সে বলল, আমি সত্য দেখছি এবং মিথ্যা দেখছি, আর আমি একটি আরশ দেখছি। তিনি বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসূল? সে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে আমি আল্লাহর রাসূল? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনলাম। ফলে তার নিকট বিষয়টি বিভ্রান্তিকর হয়ে গেল। অতঃপর তিনি বেরিয়ে এলেন এবং তাকে ছেড়ে দিলেন। অতঃপর তিনি তৃতীয় বা চতুর্থবার এলেন এবং তাঁর সাথে মুহাজির ও আনসারদের একটি দলের মধ্যে আবু বকর ও উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন এবং আমি (জাবির) তাঁর সাথে ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের আগে আগে চুপিচুপি এগিয়ে গেলেন এই আশায় যে তিনি তার কথা থেকে কিছু শুনতে পাবেন। কিন্তু তার মা তাঁর আগেই তার কাছে পৌঁছে গেল এবং বলল, হে আব্দুল্লাহ, এই যে আবুল কাসিম এসেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে যদি তাকে ছেড়ে দিত তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেত। অতঃপর তিনি বললেন, হে ইবনে সায়্যিদ, তুমি কী দেখছ? সে বলল, আমি সত্য দেখছি এবং মিথ্যা দেখছি, আর আমি পানির উপরে একটি আরশ দেখছি। তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে আমি আল্লাহর রাসূল? সে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে আমি আল্লাহর রাসূল? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনলাম। ফলে তার কাছে বিষয়টি বিভ্রান্তিকর হয়ে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ইবনে সায়্যিদ, আমি তোমার পরীক্ষার জন্য মনে মনে একটি বিষয় লুকিয়ে রেখেছি, বল তো সেটি কী? সে বলল, সেটি হলো ধোঁয়া (আদ-দুখ), ধোঁয়া। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুই দূর হ, লাঞ্ছিত হ (তোর ক্ষমতা এর বেশি নয়)। তখন উমর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে অনুমতি দিন আমি তাকে হত্যা করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি সে (দাজ্জাল) হয় তবে তুমি তাকে পরাভূত করার ব্যক্তি নও, তার হত্যাকারী কেবল ঈসা ইবনে মারিয়াম। আর যদি সে তা না হয়, তবে একজন চুক্তিবদ্ধ (জিম্মি) ব্যক্তিকে হত্যা করার অধিকার তোমার নেই।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা আশঙ্কা করতেন যে সে হয়তো দাজ্জাল।

এই হাদিসটি সহিহ যা আমাদের নিকট ইমাম আহমদের মুসনাদে সংকলিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - أبو معاوية عن الأعمش عن خيثمة عن عبد الله بن عمرو قال ⦗ص: 29⦘ تجيش الروم فيستمد أهل الإسلام مستغيثين فلا يتخلف عنهم مؤمن قال فيهزمون الروم حتى ينتهوا بهم إلى أسطوانة قد عرفوا مكانها فبينما هم عندها إذا جاءهم الصريخ ألا إن الدجال قد خلف في عيالكم فيرفضوا ما في أيديهم ويقبلوا نحوه.

موقوف.
২৭ - আবু মুআবিয়াহ, আল-আমাশ থেকে, তিনি খাইসামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ রোমানরা যুদ্ধের জন্য সমবেত হবে, তখন ইসলামের অনুসারীরা সাহায্যের আবেদন জানাবে। এমতাবস্থায় কোনো মুমিনই তাদের থেকে পিছিয়ে থাকবে না। তিনি বলেন, অতঃপর তারা রোমানদের পরাজিত করবে এবং তাদের তাড়া করে এমন এক স্তম্ভ পর্যন্ত নিয়ে যাবে যার অবস্থান তারা জানত। তারা যখন সেখানে অবস্থান করবে, তখন এক চিৎকারকারী এসে ঘোষণা করবে যে, সাবধান! দাজ্জাল তোমাদের পেছনে তোমাদের পরিবার-পরিজনের নিকট পৌঁছে গেছে। তখন তারা তাদের হাতের সবকিছু ফেলে দিয়ে তার দিকে অগ্রসর হবে।

মাওকুফ।
(খণ্ড: ১) আখবারুদ দাজ্জাল লি-আবদিল গানী আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - عبد الرحمن بن شريك نا أبي عن ابن إسحاق عن الزهري عن عبد الرحمن بن ⦗ص: 30⦘ يزيد بن جارية عن مجمع بن جارية سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول يقتل الدجال دون باب اللد بسبع عشرة ذراعا. واللد بالرملة.

ابن شريك متروك الحديث واه.
২৮ - আবদুর রহমান ইবনে শারীক বলেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ ইয়াযীদ ইবনে জারিয়া থেকে, তিনি মুজাম্মি ইবনে জারিয়া থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: লুদ্দ-এর ফটকের সতেরো হাত ব্যবধানে দাজ্জালকে হত্যা করা হবে। আর লুদ্দ রামলায় অবস্থিত।

ইবনে শারীক হাদীস বর্ণনায় পরিত্যক্ত এবং অত্যন্ত দুর্বল।