(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: -)
فضائل مكة - الجندي   (المفضل الجندي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فضائل مكة

المؤلف: أبو سعيد المفضل بن محمد الجندي (ت 308 هـ)

تحقيق: أبي عبيدة جودة محمد

الناشر: جميع الحقوق محفوظة للمحقق

الطبعة: الأولى، سنـ 1441 ـة هـ

عدد الصفحات: 229

أعده للشاملة: أ/عبد الحميد الأزهري

[الكتاب إهداء من المحقق للموسوعة الشاملة]

تاريخ النشر بالشاملة: 1 ربيع الآخر 1440

মক্কার ফযীলতসমূহ - আল-জুন্দী   (আল-মুফায্যাল আল-জুন্দী)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: মক্কার ফযীলতসমূহ

লেখক: আবু সাঈদ আল-মুফায্যাল ইবনে মুহাম্মদ আল-জুন্দী (মৃত্যু ৩০৮ হিজরি)

সম্পাদনা ও গবেষণা: আবু উবাইদাহ জাওদাহ মুহাম্মদ

প্রকাশক: সকল স্বত্ব গবেষক কর্তৃক সংরক্ষিত

সংস্করণ: প্রথম, সন ১৪৪১ হিজরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২৯

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: জনাব/আব্দুল হামিদ আল-আজহারী

[বইটি গবেষকের পক্ষ থেকে মাকতাবাতুশ শামেলার জন্য উপহার স্বরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১ রবিউস সানি ১৪৪০

(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١)
فضائل مكة

شرفها الله تعالى

 

تأليف

أبي سعيد المفضل بن محمد الجندي

 

المتوفي سنة 308 هـ

 

تحقيق

أبي عبيدة جودة محمد

 

يطبع لأول مرة
মক্কার ফযীলতসমূহ

যা মহান আল্লাহ সম্মানিত করেছেন

 

রচনায়

আবু সাঈদ আল-মুফাদ্দাল বিন মুহাম্মদ আল-জুন্দী

 

মৃত্যু: ৩০৮ হিজরী

 

সম্পাদনায়

আবু উবাইদাহ জওদাহ মুহাম্মদ

 

প্রথমবারের মতো মুদ্রিত
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢)
جميع الحقوق محفوظة للمحقق

 

الطبعة الأولى

1441 هـ
সকল প্রকার স্বত্ব মুহাক্কিকের জন্য সংরক্ষিত

 

প্রথম সংস্করণ

১৪৪১ হিজরি
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٥)
أولاً

 

‌‌مقدمة المحقق

وتشتمل على عدة فصول:

الفصل الأول: نبذة مختصرة عن أشهر المصنفات التي تحدثت عن مكة المكرمة شرفها الله.

الفصل الثاني: أهمية الكتاب.

الفصل الثالث: المنهج المتبع في تحقيق الكتاب.

الفصل الرابع: ترجمة الجندي.

الفصل الخامس: إثبات نسبة الكتاب لمؤلفه.

الفصل السادس: ترجمة شيوخ الجندي الذين روى عنهم في كتابه هذا.

الفصل السابع: في ترجمة رواة هذا الكتاب عن المصنف.

الفصل الثامن: نماذج من النسخة الخطية.
প্রথমত

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

এবং এটি কয়েকটি পরিচ্ছেদ সম্বলিত:

প্রথম পরিচ্ছেদ: মক্কা মুকাররামা—আল্লাহ তাকে সম্মানিত করুন—সম্পর্কে রচিত সর্বাধিক প্রসিদ্ধ গ্রন্থসমূহের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থটির গুরুত্ব।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থটি সম্পাদনায় অনুসৃত পদ্ধতি।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: আল-জুন্দির জীবনী।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: লেখকের প্রতি গ্রন্থটির সম্পৃক্ততার প্রমাণ।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: আল-জুন্দির সেই সকল শাইখদের জীবনী, যাদের নিকট থেকে তিনি এই গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: লেখকের নিকট থেকে এই গ্রন্থটি বর্ণনাকারীদের জীবনী প্রসঙ্গে।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: পাণ্ডুলিপির নমুনা।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌الفصل الأول: نبذة مختصرة عن أشهر المصنفات التي تحدثت عن مكة المكرمة شرفها الله

إن الحمد لله تعالى نحمده ونستعين به ونستغفره ونعوذ بالله تعالى من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمد عبده ورسوله.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].

{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} [النساء: 1].

{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70، 71].
প্রথম পরিচ্ছেদ: মক্কা মুকাররামা—আল্লাহ একে সম্মানিত করেছেন—সম্পর্কিত প্রসিদ্ধ গ্রন্থসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের মন্দ দিকগুলো থেকে মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ প্রদর্শন করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আলে ইমরান: ১০২]।

{হে মানবকুল! তোমরা তোমাদের সেই পালনকর্তাকে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো, যার দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট হক দাবি করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখেন।} [আন-নিসা: ১]।

{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে এক মহা সফলতা অর্জন করল।} [আল-আহজাব: ৭০, ৭১]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٨)
أما بعد،

فإن أصدق الحديث كلام الله تعالى، وأحسن الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وكل محدثة بدعة، وكل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النار، وبعد.

فإن السكن في مكة ومجاورتها والحث على الترغيب فيها، والحديث عن تاريخها وفضائلها -شرفها الله تعالى-فيها من عظيم النعم من الله عز وجل ما لا يعلمه غيره سبحانه، فمن العلماء من ذهب إلى استحباب السكنى بمكة والمجاورة بها كالشافعي وأحمد وغيرهم؛ وذلك لما يحصل فيها من ثواب لا يحصل في غيرها، ولعل المختار من هذين القولين ما ذكره النووي وهو أن المجاورة بها مستحبة إلا لمن يغلب عليه الوقوع في المحذور (1)، ومن خصائصها شرفها الله تعالى أنها تمتاز عن سائر البلدان، فهي مهبط الوحي ونزول القرآن العظيم وابتداء ظهور الإسلام، وليس فيها إلا دين واحد هو الإسلام، وأنه يمنع دخول الكافر ودفنه فيها، ويحرم حمل السلاح فيها إلا لضرورة، وأنه يحرم صيدها على جميع الناس، وتضاعف الحسنات فيها، وكذا الصلوات في المسجد الحرام، وامتناعها على الدجال بخلاف سائر البلدان، ولا يدخلها الطاعون، ودعاء إبراهيم عليه السلام لها بالبركة.

--------------------------------------------

(1) ـ الإيضاح في مناسك الحج والعمرة صـ 403.
অতঃপর,

নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কালাম, এবং সর্বোত্তম পথনির্দেশনা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পথনির্দেশনা। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো (দ্বীনের মধ্যে) নবউদ্ভুদ বিষয়সমূহ, আর প্রতিটি নবউদ্ভুদ বিষয়ই বিদআত, এবং প্রতিটি বিদআত হলো ভ্রষ্টতা, আর প্রতিটি ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। অতঃপর।

নিশ্চয়ই মক্কায় বসবাস করা এবং এর সান্নিধ্যে থাকা, এবং সেখানে অবস্থান করার প্রতি উৎসাহিত করা, এবং এর ইতিহাস ও মর্যাদা—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করেছেন—সম্পর্কে আলোচনা করার মধ্যে মহান আল্লাহর এমন সব বিশাল নিয়ামত রয়েছে যা তিনি সুবহানাহু ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। আলেমদের মধ্যে কেউ কেউ মক্কায় বসবাস ও এর সান্নিধ্য অবলম্বন করাকে মুস্তাহাব বা পছন্দনীয় মনে করেছেন, যেমন শাফেয়ী, আহমাদ ও অন্যান্যরা; কারণ সেখানে এমন সওয়াব বা প্রতিদান অর্জিত হয় যা অন্য কোথাও অর্জিত হয় না। সম্ভবত এই দুই মতের মধ্যে গ্রহণযোগ্য হলো তা-ই যা ইমাম নববী উল্লেখ করেছেন, আর তা হলো—সেখানে সান্নিধ্য অবলম্বন করা মুস্তাহাব, তবে ঐ ব্যক্তির জন্য নয় যার নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে (১)। এবং এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করেছেন—হলো যে, এটি অন্যান্য সকল শহর থেকে স্বতন্ত্র। এটি ওহী অবতরণস্থল, মহান কুরআন নাযিল হওয়ার এবং ইসলামের আবির্ভাবের সূচনা স্থান। আর সেখানে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম নেই। এবং সেখানে কাফেরের প্রবেশ ও তাকে দাফন করা নিষিদ্ধ। সেখানে প্রয়োজন ব্যতীত অস্ত্র বহন করা হারাম। সেখানে শিকার করা সকল মানুষের জন্য হারাম। সেখানে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়, তেমনিভাবে মাসজিদুল হারামে সালাতের সওয়াবও। অন্যান্য শহরের বিপরীতে এটি দাজ্জালের প্রবেশ থেকে মুক্ত, সেখানে প্লেগ রোগ প্রবেশ করবে না, এবং এর জন্য ইবরাহীম আলাইহিস সালাম বরকতের দুআ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আল-ইদাহ ফী মানাসিকিল হাজ্জি ওয়াল উমরাহ, পৃষ্ঠা-৪০৩।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٩)
ويعد من فضائلها أيضا أنه يحرم استقبالها واستدبارها عند قضاء الحاجة دون سائر البقاع؛ لقوله صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ، وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا بِبَوْلٍ وَلَا غَائِطٍ، وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا» متفق عليه (1)، وعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْحَمْرَاءِ قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاقِفًا عَلَى الْحَزْوَرَةِ، فَقَالَ وَاللَّهِ إِنَّكِ لَخَيْرُ أَرْضِ اللَّهِ وَأَحَبُّ أَرْضِ اللَّهِ إِلَى اللَّهِ وَلَوْلَا أَنِّي أُخْرِجْتُ مِنْكِ مَا خَرَجْتُ» (2). وهو حديث صحيح أخرجه أصحاب السنن وصححه الترمذي وابن خزيمة وابن حبان وغيرهم.

 

‌‌وقد ورد ذكرها في القرآن العظيم في عدة مواطن:

وقال تعالى: {وَإِذْ جَعَلْنَا الْبَيْتَ مَثَابَةً لِلنَّاسِ وَأَمْنًا وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إبراهيم مُصَلًّى وَعَهِدْنَا إِلَى إبراهيم وَإسماعيل أَنْ طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ (125) وَإِذْ قَالَ إبراهيم رَبِّ اجْعَلْ هَذَا بَلَدًا آمِنًا وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنَ الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُمْ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ قَالَ وَمَنْ كَفَرَ فَأُمَتِّعُهُ قَلِيلًا ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَى عَذَابِ النَّارِ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ (126)

--------------------------------------------

(1) ـ أخرجه البخاري (144)، ومسلم (264) من حديث أبي أيوب الأنصاري رضي الله عنه.

(2) ـ أخرجه الترمذي (3925)، والنسائي في "الكبرى" (4238)، وابن ماجه (3108)، وأحمد (31/ 10 رقم: 18715)، وصححه ابن خزيمة، وابن حبان (3708)، والحاكم (3/ 7) وابن حجر؛ انظر: فتح الباري لابن حجر (3/ 67)، وقد عزاه ابن حجر لأصحاب السنن، ولم أقف عليه عند أبي داود، ولعله في المفقود من صحيح ابن خزيمة.
এর অন্যতম শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার বিষয় এই যে, অন্যান্য স্থানের পরিবর্তে কেবল এই স্থানের দিকে মুখ করে বা একে পিঠে রেখে শৌচকার্য সম্পাদন করা হারাম করা হয়েছে; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা যখন মলত্যাগ করতে আসবে, তখন কিবলার দিকে মুখ করবে না এবং প্রস্রাব বা পায়খানার সময় তার দিকে পিঠও দেবে না; বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো।" এটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সর্বসম্মতভাবে বর্ণিত (১)। আর আব্দুল্লাহ বিন আদি বিন আল-হামরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল-হাজওয়ারা নামক স্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তিনি বলছিলেন: 'আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর জমিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভূমি এবং আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় ভূমি। যদি আমাকে তোমার থেকে বের করে দেওয়া না হতো, তবে আমি বের হতাম না' (২)।" এটি একটি সহীহ হাদীস যা সুনান গ্রন্থকারগণ সংকলন করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী, ইবনে খুযায়মাহ, ইবনে হিব্বান ও অন্যান্যরা একে সহীহ বলেছেন।

 

‌‌মহান কুরআনের বিভিন্ন স্থানে এর উল্লেখ এসেছে:

আর মহান আল্লাহ বলেছেন: {আর স্মরণ করো, যখন আমি এই ঘরকে মানুষের জন্য মিলনস্থল ও নিরাপত্তার স্থান বানালাম এবং নির্দেশ দিলাম যে, তোমরা ইবরাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে (মাকামে ইবরাহীম) নামাজের জায়গা হিসেবে গ্রহণ করো। আর আমি ইবরাহীম ও ইসমাঈলকে আদেশ দিলাম যেন তারা আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী এবং রুকু ও সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখে (১২৫)। আর যখন ইবরাহীম বলল: হে আমার রব! একে একটি নিরাপদ শহর বানান এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান আনে, তাদেরকে ফলমূল থেকে রিযিক দান করুন। তিনি (আল্লাহ) বললেন: আর যে কুফরি করবে তাকেও আমি কিছুকাল জীবনোপভোগ করার সুযোগ দেব, তারপর তাকে আগুনের আজাবের দিকে যেতে বাধ্য করব, আর তা কতই না নিকৃষ্ট গন্তব্য (১২৬)}

--------------------------------------------

(১) — এটি ইমাম বুখারী (১৪৪) ও ইমাম মুসলিম (২৬৪) আবু আইয়ুব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস হিসেবে সংকলন করেছেন।

(২) — এটি ইমাম তিরমিযী (৩৯২৫), নাসাঈ 'আল-কুবরা' গ্রন্থে (৪২৩৮), ইবনে মাজাহ (৩িল০৮), এবং আহমাদ (৩১/১০ নং: ১৮৭১৫) সংকলন করেছেন। ইবনে খুযায়মাহ, ইবনে হিব্বান (৩৭০৮), হাকেম (৩/৭) এবং ইবনে হাজার একে সহীহ বলেছেন; দেখুন: ইবনে হাজারের ফাতহুল বারী (৩/৬৭)। ইবনে হাজার এটি সুনান গ্রন্থকারদের দিকে সম্বন্ধ করেছেন, তবে আমি এটি আবু দাউদে পাইনি, সম্ভবত এটি ইবনে খুযায়মাহর সহীহ গ্রন্থের হারানো অংশে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٠)
وَإِذْ يَرْفَعُ إبراهيم الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإسماعيل رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ} [البقرة: 125 - 127].

وقال تعالى: {قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ} [البقرة: 144].

وقال تعالى: {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ} [البقرة: 158].

وقال تعالى: {الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَعْلُومَاتٌ فَمَنْ فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللَّهُ وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى وَاتَّقُونِ يَاأُولِي الْأَلْبَابِ (197) لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَبْتَغُوا فَضْلًا مِنْ رَبِّكُمْ فَإِذَا أَفَضْتُمْ مِنْ عَرَفَاتٍ فَاذْكُرُوا اللَّهَ عِنْدَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ وَاذْكُرُوهُ كَمَا هَدَاكُمْ وَإِنْ كُنْتُمْ مِنْ قَبْلِهِ لَمِنَ الضَّالِّينَ} [البقرة: 197، 198].

وقال تعالى: {فَإِذَا قَضَيْتُمْ مَنَاسِكَكُمْ فَاذْكُرُوا اللَّهَ كَذِكْرِكُمْ آبَاءَكُمْ أَوْ أَشَدَّ ذِكْرًا} [البقرة: 200].

وقال تعالى: {إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكًا وَهُدًى لِلْعَالَمِينَ (96) فِيهِ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ مَقَامُ إبراهيم وَمَنْ دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا} [آل عمران: 96، 97].
"এবং যখন ইব্রাহিম ও ইসমাইল গৃহের ভিত্তিগুলো উত্তোলন করছিল, (তখন তারা বলছিল) হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন; নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।" [আল-বাকারাহ: ১২৫ - ১২৭]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই আমি আপনার মুখমণ্ডলের বারবার আকাশের দিকে ফেরা লক্ষ্য করি। সুতরাং অবশ্যই আমি আপনাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দেব যা আপনি পছন্দ করেন। অতএব আপনি আপনার মুখমণ্ডল মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরান। আর তোমরা যেখানেই থাক না কেন, তোমাদের মুখমণ্ডল তার দিকেই ফিরাও।" [আল-বাকারাহ: ১৪৪]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি এই গৃহের (কাবার) হজ বা উমরা করবে, তার জন্য এই দুইটির মধ্যে প্রদক্ষিণ করায় কোনো গুনাহ নেই। আর যে ব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো কল্যাণকর কাজ করবে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ গুণগ্রাহী, সর্বজ্ঞ।" [আল-বাকারাহ: ১৫৮]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: "হজের সময় সুনির্দিষ্ট মাসসমূহ। সুতরাং যে ব্যক্তি এই মাসগুলোতে নিজের ওপর হজ অবধারিত করে নিল, সে যেন হজের সময় কোনো প্রকার কামাচার, পাপাচার ও ঝগড়া-বিবাদ না করে। আর তোমরা যে কোনো কল্যাণকর কাজ করো, আল্লাহ তা জানেন। আর তোমরা পাথেয় সংগ্রহ করো, নিশ্চয়ই সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া। আর হে বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা! তোমরা আমাকেই ভয় করো। (১৯৭) তোমাদের রবের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ অন্বেষণ করাতে তোমাদের কোনো গুনাহ নেই। অতঃপর যখন তোমরা আরাফাত থেকে ফিরে আসবে, তখন মাশআরুল হারামের নিকট আল্লাহকে স্মরণ করো এবং তাঁকে সেভাবে স্মরণ করো যেভাবে তিনি তোমাদেরকে পথ দেখিয়েছেন, যদিও এর আগে তোমরা বিভ্রান্তদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।" [আল-বাকারাহ: ১৯৭, ১৯৮]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: "অতঃপর যখন তোমরা তোমাদের হজের কার্যাদি সম্পন্ন করবে, তখন আল্লাহকে এমনভাবে স্মরণ করো যেমন তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষদের স্মরণ করতে অথবা তার চেয়েও নিবিড়ভাবে।" [আল-বাকারাহ: ২০০]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই মানবজাতির জন্য সর্বপ্রথম যে গৃহটি স্থাপন করা হয়েছে, তা হলো বাক্কায় (মক্কায়) অবস্থিত; যা বরকতময় এবং বিশ্বজগতের জন্য হেদায়েতস্বরূপ। (৯৬) এতে রয়েছে সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ, যেমন মাকামে ইব্রাহিম। আর যে এতে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ।" [আল ইমরান: ৯৬, ৯৭]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١١)
وقال تعالى: {جَعَلَ اللَّهُ الْكَعْبَةَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ قِيَامًا لِلنَّاسِ وَالشَّهْرَ الْحَرَامَ} [المائدة: 97].

وقال تعالى: {أَجَعَلْتُمْ سِقَايَةَ الْحَاجِّ وَعِمَارَةَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ كَمَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَجَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ} [التوبة: 19].

وقال تعالى: {رَبَّنَا إِنِّي أَسْكَنْتُ مِنْ ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِنْدَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُوا الصَّلَاةَ فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ وَارْزُقْهُمْ مِنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ} [إبراهيم: 37].

وقال تعالى: {وَضَرَبَ اللَّهُ مَثَلًا قَرْيَةً كَانَتْ آمِنَةً مُطْمَئِنَّةً يَأْتِيهَا رِزْقُهَا رَغَدًا مِنْ كُلِّ مَكَانٍ فَكَفَرَتْ بِأَنْعُمِ اللَّهِ فَأَذَاقَهَا اللَّهُ لِبَاسَ الْجُوعِ وَالْخَوْفِ بِمَا كَانُوا يَصْنَعُونَ} [النحل: 112].

وقال تعالى: {سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ لِنُرِيَهُ مِنْ آيَاتِنَا إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ} [الإسراء: 1].

وقال تعالى: {إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ الَّذِي جَعَلْنَاهُ لِلنَّاسِ سَوَاءً الْعَاكِفُ فِيهِ وَالْبَادِ وَمَنْ يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍ بِظُلْمٍ نُذِقْهُ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ (25) وَإِذْ بَوَّأْنَا لِإبراهيم مَكَانَ الْبَيْتِ أَنْ لَا
আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "আল্লাহ সম্মানিত ঘর কাবাকে এবং সম্মানিত মাসকে মানুষের (কল্যাণের) স্থিতিশীলতার মাধ্যম বানিয়েছেন" [আল-মায়িদাহ: ৯৭]।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "তোমরা কি হাজীদের পানি পান করানো এবং মসজিদুল হারাম আবাদ করাকে সেই ব্যক্তির সমতুল্য মনে কর যে আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে?" [আত-তাওবাহ: ১৯]।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "হে আমাদের রব! আমি আমার বংশধরদের একাংশকে আপনার সম্মানিত ঘরের কাছে চাষাবাদহীন এক উপত্যকায় বসবাস করালাম, হে আমাদের রব, যাতে তারা সালাত কায়েম করে। অতএব আপনি মানুষের অন্তরসমূহকে তাদের প্রতি অনুরাগী করে দিন এবং তাদেরকে ফলমূলের রিযিক দান করুন, যেন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে" [ইবরাহীম: ৩৭]।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "আল্লাহ একটি জনপদের উদাহরণ দিচ্ছেন যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত, সব দিক থেকে তার রিযিক প্রচুর পরিমাণে আসত; অতঃপর তারা আল্লাহর নেয়ামতসমূহের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল, ফলে তারা যা করত তার কারণে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষুধা ও ভীতির পোশাক আস্বাদন করালেন" [আন-নাহল: ১১২]।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "পবিত্র সেই সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত পরিভ্রমণ করিয়েছেন, যার চারপাশকে আমি বরকতময় করেছি, যেন আমি তাকে আমার নিদর্শনাবলি দেখাতে পারি। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা" [আল-ইসরা: ১]।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "নিশ্চয়ই যারা কুফরি করে এবং আল্লাহর পথে ও মসজিদুল হারামে বাধা সৃষ্টি করে—যাকে আমি মানুষের জন্য সমান (অধিকারসম্পন্ন) করেছি, সেখানে অবস্থানকারী হোক বা বহিরাগত হোক; আর যে সেখানে অন্যায়ভাবে ধর্মদ্রোহিতার ইচ্ছা করবে, আমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব। (২৫) আর স্মরণ করুন, যখন আমি ইবরাহীমের জন্য সেই ঘরের স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম এই বলে যে, কোনো কিছুকে..." [আল-হাজ্জ: ২৫-২৬]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٢)
تُشْرِكْ بِي شَيْئًا وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْقَائِمِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ (26) وَأَذِّنْ فِي النَّاسِ بِالْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالًا وَعَلَى كُلِّ ضَامِرٍ يَأْتِينَ مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ (27) لِيَشْهَدُوا مَنَافِعَ لَهُمْ وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ فِي أَيَّامٍ مَعْلُومَاتٍ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْبَائِسَ الْفَقِيرَ (28) ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ} [الحج: 25 - 29].

وقال تعالى: {إِنَّمَا أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ رَبَّ هَذِهِ الْبَلْدَةِ الَّذِي حَرَّمَهَا} [النمل: 91].

وقال تعالى: {أَوَلَمْ نُمَكِّنْ لَهُمْ حَرَمًا آمِنًا يُجْبَى إِلَيْهِ ثَمَرَاتُ كُلِّ شَيْءٍ رِزْقًا مِنْ لَدُنَّا} [القصص: 57].

وقال تعالى: {بَلْدَةٌ طَيِّبَةٌ وَرَبٌّ غَفُورٌ} [سبأ: 15].

وقال تعالى: {فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَذَا الْبَيْتِ (3) الَّذِي أَطْعَمَهُمْ مِنْ جُوعٍ وَآمَنَهُمْ مِنْ خَوْفٍ} [قريش: 3، 4].

ولله عز وجل أن يعظم بعض الأزمنة والأمكنة كما يشاء، فقد فضل البلد الحرام عن سائر البلدان، وميّز يوم الجمعة ويوم عرفة وعشر ذي الحجة عن سائر الأيام، وميّز شهر رمضان وأشهر الحج عن بقية الشهور، وميّز بعض الليالي كليلة القدر، وبعض الأشخاص بالرسالة أو النبوة، وفضل بعض الرسل على بعض، فلله في خلقه شئون سبحانه وتعالى لا يسأل عما يفعل.
{আমার সাথে কোনো কিছু শরিক করো না এবং আমার ঘরকে পবিত্র রাখো তাওয়াফকারী, দণ্ডায়মান এবং রুকু ও সিজদাকারীদের জন্য। (২৬) আর মানুষের মাঝে হজের ঘোষণা দাও; তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সব ধরনের কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে, যারা আসবে দূর-দূরান্তের গভীর পথ অতিক্রম করে। (২৭) যাতে তারা তাদের জন্য রাখা কল্যাণগুলো প্রত্যক্ষ করতে পারে এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে সেই সব চতুষ্পদ জন্তুর ওপর যা তিনি তাদের রিজিক হিসেবে দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার করো এবং অভাবী ও দরিদ্রদের আহার করাও। (২৮) এরপর তারা যেন তাদের অপরিচ্ছন্নতা দূর করে, তাদের মানতসমূহ পূর্ণ করে এবং প্রাচীন গৃহের তাওয়াফ সম্পন্ন করে।} [আল-হজ: ২৫ - ২৯]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: {আমি তো কেবল এই নগরের রবের ইবাদত করতে আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন} [আন-নামল: ৯১]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: {আমি কি তাদের জন্য একটি নিরাপদ হারামের ব্যবস্থা করে দিইনি, যেখানে আমার পক্ষ থেকে রিজিক হিসেবে সব ধরনের ফলমূল সমবেত করা হয়?} [আল-কাসাস: ৫৭]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: {উত্তম নগরী এবং ক্ষমাশীল রব} [সাবা: ১৫]।

এবং মহান আল্লাহ বলেন: {অতএব তারা যেন এই ঘরের রবের ইবাদত করে। (৩) যিনি তাদের ক্ষুধা থেকে অন্ন দিয়েছেন এবং ভয় থেকে নিরাপত্তা দান করেছেন} [কুরাইশ: ৩, ৪]।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার জন্য এটি সাব্যস্ত যে, তিনি তাঁর ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কিছু কাল ও স্থানকে মহিমান্বিত করবেন। তিনি হারাম নগরীকে অন্য সব নগরীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং জুমার দিন, আরাফার দিন ও জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনকে অন্যান্য দিনের ওপর বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন। তিনি রমজান মাস এবং হজের মাসসমূহকে অবশিষ্ট মাসগুলোর ওপর স্বতন্ত্র করেছেন। তিনি কিছু রাতকে বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যেমন লাইলাতুল কদর এবং কিছু ব্যক্তিকে রিসালাত বা নবুওয়াতের মাধ্যমে মনোনীত করেছেন। তিনি কিছু রাসুলকে অন্য কিছু রাসুলের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তাঁর সৃষ্টিজগতে মহান আল্লাহর রয়েছে বিভিন্ন কাজ ও মহিমা; তিনি যা করেন সে বিষয়ে তাঁকে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٣)
وقد أدرك ذلك جلة من التابعين، وأتباع التابعين، وأتباعهم إلى يومنا هذا، فعمد بعضهم إلى سكنها، ومجاورة البيت الحرام، وعلى حث المسلمين في ذلك، وقد تناول بعضهم هذا الأمر بإفراد مصنفات تختص بتاريخها وعظمتها وفضائلها، فهي من أشرف بقاع الأرض.

وأقدم ما وصل إلينا -فيما علمنا-من تلك المصنفات هي الرسالة المشهورة عن الإمام الحسن البصري رحمه الله وطيب ثراه وهي الرسالة الموسومة بـ: "فضائل مكة والسكن فيها" وهي من مطبوعات مكتبة الفلاح -بالكويت-بتحقيق سامي مكي العاني (1)؛ وصنف عثمان بن عمرو بن ساج المتوفي في حدود سنة مائة وبضع وستين كتابا في فضائلها، وقد أكثر أبو الوليد الأزرقي والفاكهي، والجندي من النقل من طريق ابن ساج في كتبهم في فضائل مكة، ثم ألف في هذا الباب أيضا محمد بن عمر الواقدي [ت: 207]، وأبو بكر الحميدي [ت: 219]، والأزرقي [ت: 250]، والزبير بن بكار [ت: 256]، وعمر بن شبة [ت: 262]، والفاكهي [ت: 272]، والجندي [ت: 308]، وأبو محمد الخزاعي [ت: 308]، وصنف بعدهم جماعة منهم: أبو زيد البلخي [ت: 322]، وابن أبي حاتم [ت: 327]، وأبو العرب الإفريقي [ت: 333]، وابن اللباد اللخمي [ت: 333]، وابن الأعرابي [ت: 340]، وأبو القاسم ابن منده [ت: 340]، وهارون بن أحمد الأستراباذي [ت: 364].

--------------------------------------------

(1) وفي صحة نسبتها إلى الإمام الحسن مقالة.
আর তাবিঈন, তাবি-তাবিঈন এবং আজ পর্যন্ত তাঁদের অনুসারীদের মধ্য থেকে এক বিশাল জামাত বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন। ফলে তাঁদের কেউ কেউ সেখানে বসবাস করা এবং বায়তুল্লাহর সান্নিধ্য গ্রহণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন এবং মুসলমানদেরকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ এর ইতিহাস, মাহাত্ম্য ও ফজিলত নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনার মাধ্যমে এ বিষয়টি আলোচনা করেছেন; কারণ এটি জমিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ স্থান।

আমাদের জানামতে ঐ সকল কিতাবের মধ্যে আমাদের কাছে যেটি সবার আগে পৌঁছেছে তা হলো ইমাম হাসান বসরী (আল্লাহ তাঁকে রহমত করুন এবং তাঁর কবরকে পবিত্র করুন) থেকে বর্ণিত বিখ্যাত সেই রিসালাহ বা পুস্তিকাটি, যার নাম: "ফাযায়েলে মক্কা ওয়াস-সাকানু ফীহা" (মক্কার ফজিলত ও সেখানে বসবাস)। এটি কুয়েতের মাকতাবাতুল ফালাহ থেকে সামী মাক্কী আল-আনীর তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে (১); এবং উসমান বিন আমর বিন সাজ, যিনি একশ ষাট হিজরীর কিছু পরে ইন্তেকাল করেন, মক্কার ফজিলত সম্পর্কে একটি কিতাব রচনা করেন। আবু ওয়ালীদ আল-আযরাকী, আল-ফাকীহী এবং আল-জুন্দী মক্কার ফজিলত বিষয়ক তাঁদের কিতাবসমূহে ইবনে সাজ-এর সূত্রে প্রচুর বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। এরপর এই বিষয়ে আরও কিতাব লিখেছেন মুহাম্মদ বিন উমর আল-ওয়াকদী [মৃ: ২০৭], আবু বকর আল-হুমাইদী [মৃ: ২১৯], আল-আযরাকী [মৃ: ২৫০], যুবায়ের বিন বাক্কার [মৃ: ২৫৬], উমর বিন শাব্বা [মৃ: ২৬২], আল-ফাকীহী [মৃ: ২৭২], আল-জুন্দী [মৃ: ৩০৮], এবং আবু মুহাম্মদ আল-খুযাঈ [মৃ: ৩০৮]। তাঁদের পরে একদল আলেম এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবু যায়েদ আল-বালখী [মৃ: ৩২২], ইবনে আবী হাতিম [মৃ: ৩২৭], আবু আল-আরব আল-ইফ্রিকী [মৃ: ৩৩৩], ইবনে আল-লাব্বাদ আল-লাখমী [মৃ: ৩৩৩], ইবনে আল-আ’রাবী [মৃ: ৩৪০], আবু আল-কাসিম ইবনে মানদাহ [মৃ: ৩৪০], এবং হারুন বিন আহমদ আল-আস্তরাবাযী [মৃ: ৩৬৪]।

--------------------------------------------

(১) ইমাম হাসানের দিকে এর সম্পৃক্ততার বিশুদ্ধতা নিয়ে সংশয় বা তাত্ত্বিক আলোচনা রয়েছে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٤)
وجاء بعدهم جماعة من الأئمة الحفاظ فصنفوا في ذلك منهم: ابن عساكر، وابن الجوزي، وعبد الغني، والضياء المقدسيان، ويحيى بن محمد بن سعادة القرطبي، ثم جاء بعدهم جماعة من الحفاظ أرادوا استيعاب ما سبقهم من مصنفات مع حذف الأسانيد، أو تلخيص بعض تلك الكتب بحذف أسانيدها، أو تهذيبها وإضافة بعض الأبواب في ذلك، وجل تلك المصنفات قد اعتمدت على كتابي الأزرقي، والفاكهي أكثر من غيرها، ومن هؤلاء: ابن النجار، وله كتاب: "نزهة الورى في فضائل أم القرى"، ورزين بن معاوية، وسعد الله بن عمر الإسفرائيني كلاهما في تلخيصهما لكتاب الأزرقي، والمحب الطبري في القرى لقاصد أم القرى، وابن القيم في تفضيل مكة، وللفاسي "شفاء الغرام بأخبار البلد الحرام"، ومختصر شفاء الغرام المسمى "تحفة الكرام بأخبار البلد الحرام"، وله أيضا "العقد الثمين في أخبار البلد الأمين"، ومختصره المسمى بـ "عجالة القرى للراغب في تاريخ أم القرى"، و"الزهور المقتطفة من تاريخ مكة المشرفة"، وللجمال ابن المؤذن كتاب: "مثير الغرام إلى البلد الحرام"، وعبد الملك بن أحمد الأنصاري كتاب: "أخبار مكة المكرمة"، وإبراهيم بن علي الزيدي "زهرة الخزام في فضائل البيت الحرام"، وللمجد الفيروزآبادي: "مهيج الغرام إلى البلد الحرام"، ولابن فهد "غاية المرام في أخبار البلد الحرام"، و"الدر الكمين بذيل العقد الثمين فى تاريخ البلد الأمين"، و"تاريخ مكة المشرفة والمسجد الحرام والمدينة الشريفة والقبر
তাদের পরে হাফেজ ইমামগণের একটি জামাত আগমন করেন এবং তারা এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে আসাকির, ইবনুল জাওযি, আব্দুল গনি ও দিয়া আল-মাকদিসিদ্বয় এবং ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সা’দা আল-কুরতুবি। এরপর হাফেজদের একটি দল আসেন যারা তাদের পূর্ববর্তী সংকলনসমূহকে সনদ (সূত্র) বর্জন করে পূর্ণাঙ্গভাবে গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন, অথবা সনদ বর্জন করে সেই কিতাবগুলোর সংক্ষেপ করতে চেয়েছিলেন, কিংবা সেগুলোকে পরিমার্জন করতে এবং তাতে কিছু নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে চেয়েছিলেন। আর এই সংকলনগুলোর অধিকাংশ অন্য কিতাবগুলোর চেয়ে আজরুকি ও ফাকিহির কিতাব দুটির ওপর অধিক নির্ভরশীল ছিল। তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনুন নাজ্জার, তার গ্রন্থ হলো: "নুযহাতুল ওয়ারা ফি ফাদায়িলি উম্মিল কুরা"; রাযিন বিন মুআবিয়া ও সাদুল্লাহ বিন উমর আল-ইসফারায়িনি—উভয়ই আজরুকির কিতাব সংক্ষেপ করার ক্ষেত্রে; আল-মুহিব্ব আত-তাবারি তার "আল-কুরা লি-কাসিদি উম্মিল কুরা" গ্রন্থে; ইবনুল কাইয়্যিম মক্কার শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক গ্রন্থে; আল-ফাসির "শিফাউল গারাম বি-আখবারিল বালাদিল হারাম" এবং শিফাউল গারামের সংক্ষিপ্তসার যার নাম "তুহফাতুল কিরাম বি-আখবারিল বালাদিল হারাম"; তার আরও রয়েছে "আল-ইকদুত থামিন ফি আখবারিল বালাদিল আমিন" এবং সেটির সংক্ষিপ্তসার যার নাম "উজালতুল কুরা লির-রাগিব ফি তারিখি উম্মিল কুরা" এবং "আয-যুহুর আল-মুকতাতাফাহ মিন তারিখি মাক্কাহ আল-মুশাররাফাহ"; জামাল ইবনুল মুয়াযযিনের গ্রন্থ "মুহিরুল গারাম ইলাল বালাদিল হারাম"; আব্দুল মালিক বিন আহমদ আল-আনসারির কিতাব "আখবারু মাক্কাহ আল-মুকাররমাহ"; ইব্রাহিম বিন আলি আজ-যাইদির "যাহরাতুল খুযাম ফি ফাদায়িলিল বাইতিল হারাম"; আল-মাজদ আল-ফিরোযাবাদির "মুহাইয়্যিজুল গারাম ইলাল বালাদিল হারাম"; ইবনে ফাহদের "গায়াতুল মারাম ফি আখবারিল বালাদিল হারাম" এবং "আদ-দুররুল কামিন বি-যাইলিল ইকদিল থামিন ফি তারিখিল বালাদিল আমিন" এবং "তারিখু মাক্কাহ আল-মুশাররাফাহ ওয়াল মাসজিদ আল-হারাম ওয়াল মাদিনাহ আশ-শারিফাহ ওয়াল কবর..."
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٥)
الشريف" لبهاء الدين أبي البقاء، المعروف بابن الضياء، ولقطب الدين النهرواني كتاب "الإعلام بأعلام بيت الله الحرام"، و"الجامع اللطيف" لابن ظهيرة، ولعلي بن عبد القادر الطبري "الأرج المسكي والتاريخ المكيّ" في عدة مجلدات، ضمنه كل ما يتعلق بمكة ورجالها وأمرائها، و"إفادة الأنام بذكر أخبار البلد الحرام"، ولمحمد بن إسحاق الخوارزمي المؤرخ "إثارة الترغيب والتشويق إلى المساجد الثلاثة والبيت العتيق".

وألف بعض المتأخرين رسائل لطيفة، كرسالة فضائل مكة والمدينة والبيت الحرام للقليوبي، وفضائل مكة لابن علان المكي.

بل إن بعضهم أفرد مصنفا لأمور بعينها تختص بها بعض الأمكنة والأحوال في مكة دون غيرها من البلدان، فألف أبو الحسن محمد بن نافع الخزاعي "فضائل الكعبة"، وألف الخصاف أبو بكر الشيباني كتاب "ذرع الكعبة والمسجد والقبر"، ولابن الجزري كتاب "الإجلاء والتعظيم في مقام إبراهيم"، وعبد الوهاب بن عبد الصمد ابن عساكر جزء في "جبل حراء"، والمحب الطبري في "التشويق إلى زيارة البيت العتيق"، وللحافظ العسقلاني كتاب "اللمحة اللطيفة في ذكر أحوال كسوة الكعبة الشريفة"، وله أيضا "النبة الأنبه في بناء الكعبة"، وللمجد الفيروزآبادي كتاب: "إثارة الشجون إلى زيارة الحجون"، وكتاب: "الوصل والمنى في فضائل منى"، و"الأخبار المستفادة فيمن ولي مكة من آل قتادة" لابن ظهيرة، ولأحمد الفيومي رسالة في الكلام على الحجر الأسود، ولتاج الدين السنجاري
বাহাউদ্দিন আবুল বাকা (যিনি ইবনে আদ-দিয়া নামে পরিচিত)-এর 'আশ-শারিফ'; কুতুবুদ্দিন আন-নাহরাওয়ালীর 'আল-ইলাম বি-আলাম বাইতিল্লাহিল হারাম' গ্রন্থ; ইবনে জুহাইরার 'আল-জামি আল-লাতিফ'; আলী বিন আব্দুল কাদির আত-তাবারীর বহু খণ্ডে রচিত 'আল-আরজুল মিসকি ওয়াত-তারিখুল মাক্কি', যাতে মক্কা এবং এর ব্যক্তিবর্গ ও আমিরদের সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; 'ইফাদাতুল আনাম বি-জিকরি আখবারিল বালাদিল হারাম'; এবং ঐতিহাসিক মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-খাওয়ারিজমীর 'ইসারাতুত তারগিব ওয়াত-তাশউইক ইলাল মাসাজিদিস সালাসা ওয়াল বাইতিল আতিক'।

পরবর্তী যুগের কতিপয় লেখক কিছু চমৎকার পুস্তিকা রচনা করেছেন, যেমন কালয়ুবীর মক্কা, মদিনা ও বাইতুল হারামের ফযিলত বিষয়ক পুস্তিকা এবং ইবনে আল্লান আল-মাক্কীর 'ফাদায়িলু মক্কা'।

এমনকি তাঁদের কেউ কেউ এমন নির্দিষ্ট বিষয়াবলি নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন যা অন্য কোনো ভূখণ্ডের পরিবর্তে মক্কার বিশেষ কিছু স্থান ও অবস্থার সাথে সুনির্দিষ্ট। আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন নাফে আল-খুজাঈ 'ফাদায়িলুল কাবা' রচনা করেছেন; খাসসাফ আবু বকর আশ-শাইবানী 'যারউল কাবা ওয়াল মাসজিদ ওয়াল কাবর' নামক গ্রন্থ লিখেছেন; ইবনুল জাযারীর রয়েছে 'আল-ইজলা ওয়াত-তাজিম ফি মাকামে ইব্রাহিম'; আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল সামাদ ইবনে আসাকিরের 'জাবালে হেরা' বিষয়ক একটি পুস্তিকা; মুহিব্বুত তাবারীর 'আত-তাশউইক ইলা যিয়ারাতিল বাইতিল আতিক'; হাফেজ আসকালানীর গ্রন্থ 'আল-লামহাতুল লাতিফা ফি জিকরি আহওয়ালি কিসওয়াতিল কাবাতিশ শারিফা' এবং তাঁর 'আন-নুবাতুল আনবাহ ফি বিনাইল কাবা'; মাজদুদ্দিন আল-ফিরোজাবাদীর গ্রন্থ 'ইসারাতুশ শুজুন ইলা যিয়ারাতিল হাজুন' ও 'আল-ওয়াসলু ওয়াল মুনা ফি ফাদায়িলি মিনা'; ইবনে জুহাইরার 'আল-আখবারুল মুস্তাফাদা ফিমান ওয়ালি মাক্কাতা মিন আলি কাতাদা'; আহমদ আল-ফাইউমীর হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কিত একটি পুস্তিকা এবং তাজউদ্দিন আস-সিনজারী...
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٦)
"منائح الكرم وولاة الحرم"، ولابن علان الصديقي "النبأ العميم ببناء البيت الحرام الفخيم" وهي رسالة في بيان العمارة الواقعة في البيت الحرام في زمن مراد خان، وغير ذلك كثير.

وكثير من هذه الكتب لا تتناول فضل مكة فقط، وإنما يتناول الكثير من أحوالها وتاريخها، وأكثر الكتب استيعابا من ناحية الإسناد كتاب أخبار مكة للفاكهي، وأخبار مكة للأزرقي؛ إلا أن الأول أولاها؛ لشهرة مصنفه من ناحية، ومن حيث سعة المادة التاريخية، واستيعابه للآثار، والأبواب الواردة في ذلك، وأما ما سبقهما من كتب أو عاصرهما مثل كتاب الواقدي في "أخبار مكة"، وكذلك كتاب الزبير بن بكار، وعمر بن شبة، وغيرهم فهي في عداد المفقود ويظهر أنها لم تكن ذات مادة موسوعية ضخمة، يظهر ذلك من خلال النظر في موارد بعض المصنفات التي نقلت عنهم وعن غيرهم، وكذا كتاب الجندي هذا إذ يحتوي على (118) أثر، ما بين مقاطيع، وموقوفات، ومسانيد في نسختنا الخطية تلك، ثم أني وجدت في بطن كتاب "جامع الآثار" لابن ناصر الدين الدمشقي (18) حديثا وأثرا، وعند السيوطي في كتابه "الدر المنثور" حديثا واحدا، فتلك تسعة عشر حديثا، ليست في نسختنا الخطية، ولعلها اختلاف نسخ وروايات، والأقرب عندي أنها سقطت من ناسخ الكتاب، لأن في بعض هذه الأحاديث ما تكلم عن فضل بئر زمزم، وأظن هذا باب كامل سقط من ناسخه والله أعلم، وقد ضمنتها في أخر الكتاب تحت مسمى: باب ملحق.
"মানায়িহুল কারাম ওয়া উলাতুল হারাম", এবং ইবনে আল্লান আস-সিদ্দিকীর "আন-নাবাউল আমীম বি-বিনায়িল বাইতিল হারামিল ফাখীম", যা মুরাদ খানের আমলে বাইতুল হারামে সম্পাদিত নির্মাণকাজের বর্ণনায় একটি পুস্তিকা; এবং এ জাতীয় আরও অনেক গ্রন্থ রয়েছে।

এই গ্রন্থগুলোর অনেকগুলোই কেবল মক্কার ফযীলত নিয়ে আলোচনা করে না, বরং এর অনেক অবস্থা ও ইতিহাস নিয়েও আলোচনা করে। আর সূত্রের বা ইসনাদের পূর্ণাঙ্গতার দিক থেকে সবচেয়ে সমৃদ্ধ গ্রন্থসমূহ হলো ফাকিহীর 'আখবারু মক্কা' এবং আযরাকীর 'আখবারু মক্কা'; তবে এগুলোর মধ্যে প্রথমটিই (ফাকিহীর গ্রন্থটি) অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য; এক দিকে এর লেখকের প্রসিদ্ধির কারণে এবং অন্য দিকে এর ঐতিহাসিক উপাদানের ব্যাপকতা, আছার বা বর্ণনাগুলোর অন্তর্ভুক্তকরণ এবং এ বিষয়ক অধ্যায়গুলোর বিস্তারিত বর্ণনার কারণে। আর তাদের পূর্ববর্তী বা সমসাময়িক গ্রন্থসমূহ, যেমন 'আখবারু মক্কা' বিষয়ে ওয়াকিদীর গ্রন্থ এবং জুবাইর ইবনে বাক্কার ও উমর ইবনে শাব্বাহর গ্রন্থসহ অন্যদের রচনাবলি বর্তমানে বিলুপ্ত গ্রন্থগুলোর অন্তর্ভুক্ত। প্রতীয়মান হয় যে, এগুলো খুব বড় কোনো বিশ্বকোষীয় উপাদানে সমৃদ্ধ ছিল না। তাদের ও অন্যদের থেকে উদ্ধৃতি প্রদানকারী কিছু রচনার উৎসের দিকে দৃষ্টিপাত করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ঠিক তেমনি আল-জুন্দীর এই গ্রন্থটি, যা আমাদের এই হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিতে ১১৮টি আছার (বর্ণনা) ধারণ করে আছে, যার মধ্যে মাকতু (তাবেয়ীর বক্তব্য), মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) এবং মুসনাদ (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছানো সূত্র) বর্ণনা রয়েছে। এরপর আমি ইবনে নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকীর "জামি'উল আছার" গ্রন্থের ভেতরে ১৮টি হাদীস ও আছার এবং সুয়ূতী রহ.-এর "আদ-দুররুল মানছুর" গ্রন্থে একটি হাদীস পেয়েছি; অর্থাৎ এই মোট উনিশটি হাদীস আমাদের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিতে নেই। সম্ভবত এটি পাণ্ডুলিপির বিভিন্নতা বা বর্ণনার পার্থক্যের কারণে হয়েছে। তবে আমার কাছে অধিকতর যুক্তিযুক্ত মনে হয় যে, এগুলো পাণ্ডুলিপি নকলকারীর অসাবধানতায় বাদ পড়েছে; কারণ এই হাদীসগুলোর মধ্যে কিছু যমযম কূপের ফযীলত সম্পর্কে আলোচনা করেছে, আর আমার ধারণা যে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অধ্যায় ছিল যা নকলকারী থেকে বাদ পড়ে গিয়েছে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ। আমি এগুলোকে গ্রন্থের শেষে "পরিশিষ্ট অধ্যায়" নামে অন্তর্ভুক্ত করেছি।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٧)
وقد أدرك نفر من كبار المتأخرين فحاولوا أن يصنفوا كتبا أكثر استيعابا وجمعا وتبويبا، فألف بعضهم مصنفات جامعة ومختصرة تتضمن النقولات عن هذه الكتب، ومن هؤلاء تقي الدين الفاسي في "شفاء الغرام بأخبار البلد الحرام"، وهذا يعد من جلة الكتب وأعظمها وأبدعها وأجمعها وأكثر تفصيلا في هذا الباب وغيرها من المصنفات الجامعة المانعة، التي أراد مؤلفوها الإلمام بكل ما يتعلق بمكة من أخبار وأحاديث، وتضمنت نقولات من عدة مصنفات سبقت هؤلاء، وقد نقل بعض هؤلاء الأئمة عن الجندي من كتابه هذا.

পরবর্তী যুগের একদল প্রখ্যাত আলেম বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন এবং তাঁরা অধিকতর তথ্যসমৃদ্ধ, সুসংহত ও সুবিন্যস্ত গ্রন্থ সংকলন করার প্রয়াস চালিয়েছিলেন। ফলে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এমন কিছু পূর্ণাঙ্গ সংকলন ও সারসংক্ষেপ রচনা করেছিলেন, যাতে পূর্বোক্ত কিতাবগুলোর উদ্ধৃতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তাকী উদ্দীন আল-ফাসী তাঁর "শিফাউল গিরাম বি আখবারিল বালাদিল হারাম" গ্রন্থে। এটি এই শাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, মহান, অভিনব, সর্বাঙ্গীণ এবং সর্বাধিক বিস্তারিত গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া আরও এমন কিছু পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ রয়েছে যার রচয়িতাগণ মক্কা সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সংবাদ ও বর্ণনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা প্রদানের ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। এই গ্রন্থগুলোতে পূর্ববর্তী একাধিক সংকলনের উদ্ধৃতি স্থান পেয়েছে এবং এই ইমামগণের কেউ কেউ আল-জুন্দীর এই গ্রন্থ থেকেও উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌الفصل الثاني

أهمية الكتاب

ومما يزيد من أهمية كتابنا هو أنه يحتوي على أحاديث وآثار، وإن كانت ليست بالكثير كما سبق، لكن الأهمية ترجع لكونه يرويها إليك بالسند؛ لمعرفة السقيم من الصحيح، والجندي رحمه الله من الرواة لكتاب السنن لأبي قرة موسى بن طارق الجندي، وقد أسند من طريق أبي قرة عدة أحاديث وآثار قد أشرفت على ثلث أحاديث كتاب الجندي هذا، وقد روى أيضا من طريق عثمان بن ساج صاحب أخبار مكة بضعة آثار أيضًا، وقد استفاد جماعة من الأئمة والعلماء الكبار من النقل عن كتاب الجندي هذا، وهو أمر يبرز لنا أهمية الكتاب كما سيأتي في فصل توثيق نسبة الكتاب لمؤلفه.

وقد من الله عليّ حيث وفقني إلى الوقوف على نسخة خطية للكتاب أهداها إلي أحد الإخوة الأفاضل، وهي مصورة ضوئية من مصورات ومحفوظات إحدى المكتبات بالسند، لم يظهر عليها عنوان الكتاب ولا تاريخ نسخه فهي نسخة منقولة عن أصل، ولكن عند النظر في إسناد رواة الكتاب، وفي أبوابه وشيوخه وأحاديثه وآثاره، وتخريجي لمادته تبين لي أنها لأبي سعيد الجندي رحمه الله، كما سيأتي في فصل: توثيق نسبة
দ্বিতীয় অধ্যায়

গ্রন্থের গুরুত্ব

আমাদের এই গ্রন্থের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাওয়ার একটি কারণ হলো এটি হাদিস ও আছার (সাহাবী ও তাবেয়ীদের বাণী ও কর্ম) ধারণ করে আছে, যদিও এর পরিমাণ পূর্বে উল্লিখিত বিষয়ের মতো খুব বেশি নয়; তবে মূল গুরুত্বের কারণ হলো তিনি এগুলো আপনার নিকট সনদের (বর্ণনাসূত্র) মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন; যেন অশুদ্ধ থেকে শুদ্ধকে চিনে নেওয়া যায়। আল-জুন্দি (রহিমাহুল্লাহ) হলেন আবু কুররাহ মুসা ইবনে তারিক আল-জুন্দি রচিত 'আস-সুনান' গ্রন্থের অন্যতম বর্ণনাকারী। তিনি আবু কুররাহ-এর সূত্রে বেশ কিছু হাদিস ও আছার বর্ণনা করেছেন যা আল-জুন্দি-র এই গ্রন্থের হাদিসসমূহের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনি 'আখবারু মক্কা'-এর লেখক উসমান ইবনে সাজ-এর সূত্রেও কিছু আছার বর্ণনা করেছেন। একদল বরেণ্য ইমাম ও বড় বড় আলেম আল-জুন্দি-র এই গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি প্রদানের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন, যা আমাদের সামনে এই গ্রন্থের গুরুত্বকে ফুটিয়ে তোলে; যেমনটি লেখকের প্রতি গ্রন্থের সম্বন্ধের প্রামাণ্যতা বিষয়ক অধ্যায়ে সামনে আসবে।

আল্লাহ তাআলা আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, তিনি আমাকে এই গ্রন্থের একটি পাণ্ডুলিপি লাভের তাওফিক দিয়েছেন যা জনৈক সম্মানিত ভাই আমাকে উপহার দিয়েছেন। এটি সিন্ধু প্রদেশের একটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি ও সংরক্ষিত ভাণ্ডার থেকে সংগৃহীত একটি আলোকচিত্র (ফটোকপি), যাতে গ্রন্থের নাম কিংবা এর অনুলিপি তৈরির তারিখ স্পষ্ট ছিল না। মূলত এটি মূল কপি থেকে নকলকৃত একটি অনুলিপি। কিন্তু গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের সনদ, এর পরিচ্ছেদসমূহ, উস্তাদগণ, হাদিস ও আছারসমূহ এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আমার গবেষণার (তাখরিজ) পর এটি আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, এটি আবু সাঈদ আল-জুন্দি (রহিমাহুল্লাহ)-এরই কিতাব, যেমনটি 'সম্বন্ধের প্রামাণ্যতা' শীর্ষক অধ্যায়ে সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٠)
الكتاب لمؤلفه، وتوجد قطعة من كتاب "فضائل مكة" من رواية ابن المقرئ عن الجندي، في ثمان ورقات وقد ذكرها الشيخ ناصر الدين الألباني رحمه الله وطيب ثراه في المنتخب من مخطوطات الظاهرية ص 338، (حديث 330 ق 45 إلى 52)، ولم يتيسر لي الوقوف على تلك القطعة.
বইটি এর লেখকের; ইবনুল মুকরি কর্তৃক আল-জুনদি থেকে বর্ণিত "ফাযাইলু মাক্কাহ" গ্রন্থের একটি অংশ আটটি পৃষ্ঠায় বিদ্যমান রয়েছে। শায়খ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর কবরকে সুবাসিত করুন) 'আল-মুনতাখাব মিন মাখতুতাত আদ-জাহিরিয়্যাহ'-এর ৩৩৮ পৃষ্ঠায় (হাদীস ৩৩০, পত্রক ৪৫ থেকে ৫২) এটি উল্লেখ করেছেন; তবে উক্ত অংশটি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ আমার হয়ে ওঠেনি।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢١)
‌‌الفصل الثالث

المنهج المتبع في تحقيق الكتاب

يشتمل منهجنا في تحقيق الكتاب على عدة أمور وهي:

نسخ الكتاب من الأصل الخطي له، ثم وضع علامات الترقيم، وتشكيل الكلمات التي تحتاج لذلك، وترقيم الأحاديث ترقيما تسلسليا، ثم تخريج الأحاديث والآثار، ومنهجنا في التخريج هو استيفاء الطرق، والحكم عليها بما تقتضيه أصول الصنعة الحديثية، وذلك إذا كان الحديث أو الأثر في حاجة لهذا الأمر، أما إذا كان في الصحيحين أو أحدهما اكتفيت، فلا حاجة للإطالة ما دام الخبر صحيحا، فهو الغاية المرجوة من التخريج ودراسة الأسانيد وهو مراد القارئ الكريم أيضا، فإثقال الحاشية بما يخرج عن المراد أمر -عندي-لا طائل منه.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ

গ্রন্থ সম্পাদনায় অনুসৃত পদ্ধতি

গ্রন্থটি সম্পাদনায় আমাদের অনুসৃত পদ্ধতি বেশ কিছু বিষয়ের ওপর অন্তর্ভুক্ত, আর তা হলো:

গ্রন্থটির মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এটি অনুলিপি করা, অতঃপর বিরামচিহ্ন স্থাপন করা, প্রয়োজনীয় শব্দগুলোতে হরকত প্রদান করা এবং হাদিসগুলোকে ক্রমানুসারে নম্বর প্রদান করা। এরপর হাদিস ও আছারসমূহের তাখরিজ (উৎস নির্দেশ) করা। তাখরিজের ক্ষেত্রে আমাদের পদ্ধতি হলো—বর্ণনাপথগুলোর পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান করা এবং হাদিস শাস্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী সেগুলোর ওপর হুকুম প্রদান করা; আর এটি কেবল তখনই করা হয়েছে যখন কোনো হাদিস বা আছারের ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন ছিল। তবে হাদিসটি যদি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম) অথবা এর যেকোনো একটিতে থাকে, তবে আমি সেটুকুর ওপরই তুষ্ট থেকেছি। বর্ণনা (খবর) সহিহ হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘ আলোচনার কোনো প্রয়োজন নেই; কেননা তাখরিজ ও সনদ পর্যালোচনার মূল লক্ষ্য হলো এটিই, আর সম্মানিত পাঠকের উদ্দেশ্যও তাই। সুতরাং যা মূল লক্ষ্যের বাইরে, এমন কিছু দিয়ে পাদটীকাকে ভারী করা আমার নিকট নিরর্থক কাজ।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٣)
‌‌الفصل الرابع

ترجمة المصنف

الجَنَدىّ -بفتح الجيم والنون -أبو سعيد المفضل بن محمد بن إبراهيم بن مفضل بن سعيد ابن الإمام عامر بن شراحيل الشعبي الكوفي، ثم الجندي -نسبة إلى الجند بلدة من بلاد اليمن -.

قال العقيلي: قدمت مكة ولأبي سعيد الجندي حلقة بالمسجد الحرام.

روى عنه ابن حبان في "صحيحه"، وقال: أخبرنا المفضل بن محمد بن إبراهيم الجندي أبو سعيد الشيخ الصالح بمكة …

وقال الحافظ أبو علي النيسابوري: هو ثقة. قال الحاكم: سألت عنه أبا علي الحافظ فقال: ما كان إلا ثقة مأمونا وما قيل فيه قط إلا في رواية حديث يعقوب بن عطاء، عن الزهري قصة الإفك، عن أبي حمة وعلي بن زياد، قلت لأبي علي: فعلى أي شيء يوضع هذا منه؟ قال: على الوهم فقط.

وقال السمعاني: نزل مكة، وحدث بالكثير، وجمع كتابا في "فضائل مكة" …

وقال الجعدي: كان حافظا عارفا.
চতুর্থ অধ্যায়

গ্রন্থকারের জীবনী

আল-জানাদি—‘জীম’ ও ‘নূন’ বর্ণদ্বয়ে জবরসহ—আবু সাঈদ আল-মুফাদ্দাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুফাদ্দাল ইবনে সাঈদ ইবনে ইমাম আমির ইবনে শারাহিল আশ-শা’বি আল-কুফি, অতঃপর আল-জানাদি—ইয়ামেন দেশের আল-জানাদ নামক শহরের সাথে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে তাকে আল-জানাদি বলা হয়।

আল-উকাইলি বলেন: আমি মক্কায় আগমন করলাম এবং দেখলাম মসজিদুল হারামে আবু সাঈদ আল-জানাদির একটি ইলমি হালকা (পাঠচক্র) রয়েছে।

ইবনে হিব্বান তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: মক্কার পুণ্যবান শাইখ আবু সাঈদ আল-মুফাদ্দাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-জানাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ...

হাফেজ আবু আলী আন-নাইসাবুরি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য। আল-হাকিম বলেন: আমি হাফেজ আবু আলীকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: তিনি তো কেবল একজন নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার ব্যক্তিই ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে, তা কেবল ইয়াকুব ইবনে আতা কর্তৃক জুহরি থেকে বর্ণিত আবু হাম্মাহ ও আলী ইবনে যিয়াদের সূত্রে ‘ইফক’-এর (অপবাদের) ঘটনার হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে। আমি আবু আলীকে বললাম: তাহলে তাঁর এই বিষয়টি কিসের ওপর সাব্যস্ত করা হবে? তিনি বললেন: স্রেফ ভ্রম বা ভুলের ওপর।

আস-সামআনি বলেন: তিনি মক্কায় অবস্থান গ্রহণ করেন, প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং ‘মক্কার ফযিলতসমূহ’ বিষয়ে একটি গ্রন্থ সংকলন করেছেন ...

আল-জা’দি বলেন: তিনি একজন হাফেজ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٤)
وقال بهاء الدين اليمني أبو عبد الله الجندي: كان معدودا في الحفاظ والثقات، وذكره ابن أبي الصَّيف في باب من باليمن من الأئمة الثقات المشهورين …

ووصفه الذهبي: بالمقرئ المحدث الإمام.

وقد روى حروف القراءات عن طائفة كالبزي وغيره.

وأخذ عنه جماعة من الكبار منهم: أبو بكر بن مجاهد، وعبد الواحد بن أبي هاشم، وحدث عنه أيضا من أئمة الحديث: أبو جعفر العقيلي، وأبو حاتم ابن حبان-في "الصحيح" وغيره-، وأبو القاسم الطبراني، والآجري، وأبو أحمد بن عدي، ورفيقه أبو القاسم الجرجاني، وأبو بكر بن المقرئ، وآخرون.

قال أبو القاسم بن مندة: توفي سنة ثمان وثلاث مائة - وهذا أشهر-، وكذا ذكره يحيى بن أبي بكر العامري الحرضي في "غربال الزمان" (ق 229/ب) فيمن توفي في هذه السنة.

وقال السمعاني: مات بعد سنة عشر وثلاثمائة - وتعقبه ابن حجر، فقال: وهو وهم منه (1).

--------------------------------------------

(1) ـ انظر: «الصحيح" لابن حبان (2319)، "المتفق والمفترق" (3/ 1960)، "الإكمال" (2/ 220)، "الأنساب" للسمعاني (3/ 320 ـ 321)، "الأماكن" (ص 262)، "طبقات فقهاء اليمن" للجعدي (ص 69 ـ 71)، "مشتبه النسبة" (2/ 471)، "معجم البلدان" (2/ 170)، "إكمال الإكمال" (3/ 518)، "التقييد لمعرفة رواة السنن والمسانيد" (ص 460)، "السلوك في طبقات العلماء والملوك" (1/ 148)، "تاريخ الإسلام" (7/ 139 ـ 140)، "العبر" (1/ 454)، "سير أعلام النبلاء" (14/ 257 ـ 258)، "العقد الثمين" (7/ 266 ـ 267)، "توضيح المشتبه" (2/ 470 و 5/ 337) "غاية النهاية" (2/ 307)، "اللسان" (8/ 140). "شذرات الذهب" (4/ 40)، "الأعلام" (7/ 280).
এবং বাহাউদ্দীন আল-ইয়ামানী আবু আবদুল্লাহ আল-জুনদী বলেছেন: তাকে হাফেজ এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হতো। আর ইবন আবিস সাইফ তাকে ইয়ামানের নির্ভরযোগ্য এবং প্রসিদ্ধ ইমামদের পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন …

আয-যাহাবী তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন: আল-মুকরি (কুরআন পাঠ বিশেষজ্ঞ), আল-মুহাদ্দিস (হাদিস বিশারদ) এবং ইমাম।

তিনি আল-বায্যী এবং অন্যদের ন্যায় একদল উস্তাদ থেকে কিরাআতের বিভিন্ন রূপ বর্ণনা করেছেন।

তাঁর নিকট থেকে একদল প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ইলম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: আবু বকর বিন মুজাহিদ, আব্দুল ওয়াহিদ বিন আবি হাশিম। এছাড়া হাদিসের ইমামদের মধ্য থেকে যারা তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তারা হলেন: আবু জাফর আল-উকায়লী, আবু হাতিম ইবনে হিব্বান—তাঁর "সহীহ" ও অন্যান্য গ্রন্থে—, আবুল কাসিম আত-তাবারানী, আল-আজুররী, আবু আহমাদ বিন আদি, তাঁর সঙ্গী আবুল কাসিম আল-জোরজানী, আবু বকর বিন আল-মুকরি এবং অন্যান্যরা।

আবু আবুল কাসিম ইবনে মানদাহ বলেছেন: তিনি তিনশ আট হিজরীতে ইন্তেকাল করেন—আর এটিই অধিক প্রসিদ্ধ—। অনুরুপভাবে ইয়াহইয়া বিন আবি বকর আল-আমেরী আল-হারদ্বী "গুরবালুয যামান" (পৃষ্ঠা ২২৯/খ) গ্রন্থে এই বছর যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের বর্ণনায় তাকে উল্লেখ করেছেন।

আস-সামআনী বলেছেন: তিনি তিনশ দশ হিজরীর পর মৃত্যুবরণ করেন—তবে ইবনে হাজার এটি খণ্ডন করেছেন এবং বলেছেন: এটি তাঁর (সামআনীর) একটি ভুল (১)।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: ইবনে হিব্বানের «আস-সহীহ» (২৩১৯), «আল-মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক» (৩/১৯৬০), «আল-ইকমাল» (২/২২০), সামআনীর «আল-আনসাব» (৩/৩২০-৩২১), «আল-আমেকিন» (পৃষ্ঠা ২৬২), আল-জাদীর «তাবাকাতু ফুকাহাউল ইয়ামান» (পৃষ্ঠা ৬৯-৭১), «মুশতাবিহুন নিসবাহ» (২/৪৭১), «মুজামুল বুলদান» (২/১৭০), «ইকমালুল ইকমাল» (৩/৫১৮), «আত-তাকয়ীদ লি মা'রিফাতি রুওয়াতুস সুনানি ওয়াল মাসানীদ» (পৃষ্ঠা ৪৬০), «আস-সুলুক ফি তাবাকাতিল উলামা ওয়াল মুলুক» (১/১৪৮), «তারিখুল ইসলাম» (৭/১৩৯-১৪০), «আল-ইবার» (১/৪৫৪), «সিয়ারু আ'লামিন নুবালা» (১৪/২৫৭-২৫৮), «আল-ইকদুদ থামীন» (৭/২৬৬-২৬৭), «তাওদিহুল মুশতাবিহ» (২/৪৭০ এবং ৫/৩৩৭), «গায়াতুন নিহায়াহ» (২/৩০৭), «আল-লিসান» (৮/১৪০), «শাযারাতুয যাহাব» (৪/৪০), «আল-আলাম» (৭/২৮০)।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٧)
‌‌الفصل الخامس

توثيق نسبة الكتاب

‌‌أولا: ذكر من حدث بالكتاب وذكر إسناده إليه:

1 - ابن الروداني في كتابه: "صلة الخلف بموصول السلف" (ص 320)، فقال: فضل مكة لأبي سعيد المفضل بن محمد بن الجندي به إلى أبي الحسن ابن المقير عن ابي الكرم محمد بن احمد الشهرزوري، عن إسماعيل بن مسعدة الجرجاني، عن إسماعيل بن إبراهيم النصراباذي، عن المغيرة بن عمرو بن الوليد، عنه.

2 - محمد بن جابر أبو عبد الله الوادي آشي في "برنامجه" (ص 274)، فقال: جزء فيه الأول من فضائل مكة شرفها الله تعالى تأليف المفضل بن محمد الجندي، سمعته على قاضي القضاة بالديار المصرية بدر الدين بن جماعة بمصر، أنا به سماعا رشيد الدين أبو الحسين يحيى العطار، أنا أبو الفضل محمد بن يوسف بن علي الغزنوي، أنا أبو القاسم عبد الرحمن بن علي الطبري، أنا أبو علي الحسين بن محمد الطوسي، أنا أبو القاسم إسماعيل بن مسعود، أنا إسماعيل بن إبراهيم النصر أباذي، أنا المغيرة بن عمرو ابن الوليد، أنا أبو سعيد المفضل بمنزله.
পঞ্চম অধ্যায়

গ্রন্থের সম্বন্ধের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই

প্রথমত: যারা গ্রন্থটি বর্ণনা করেছেন তাদের উল্লেখ এবং লেখকের প্রতি এর সনদ বর্ণনা:

১ - ইবনে আল-রুদানি তাঁর ‘সিলাতুল খালাফ বি মাওসুলিস সালাফ’ গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৩২০) বলেছেন: আবু সাঈদ আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মাদ বিন আল-জুন্দি রচিত ‘ফাদলু মক্কা’ গ্রন্থটি আবু হাসান ইবনুল মুকাইরের সূত্রে আবু আল-কারাম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আশ-শাহরাযুরি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন মাসআদাহ আল-জুরজানি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন ইবরাহিম আন-নাসরাবাদি থেকে, তিনি আল-মুগিরা বিন আমর বিন আল-ওয়ালিদ থেকে, তিনি লেখকের থেকে বর্ণনা করেছেন।

২ - মুহাম্মাদ বিন জাবির আবু আবদুল্লাহ আল-ওয়াদি আশি তাঁর ‘বারনামাজ’ গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ২৭৪) বলেছেন: এটি একটি অংশ (জুজ), যাতে আল্লাহ তাআলা কর্তৃক সম্মানিত মক্কার ফযিলতসমূহের প্রথম ভাগ রয়েছে, যা আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মাদ আল-জুন্দির সংকলন। আমি এটি মিশরে দিয়ারে মিসরের (মিশর ভূখণ্ডের) প্রধান বিচারপতি বদর উদ্দিন বিন জামাআহর নিকট শ্রবণ করেছি। রশিদ উদ্দিন আবু আল-হুসাইন ইয়াহইয়া আল-আত্তার শ্রবণের মাধ্যমে আমাকে এটি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন আলী আল-গাযনাবি আমাকে জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন আলী আত-তবারি আমাকে জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আত-তুসি আমাকে জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন মাসউদ আমাকে জানিয়েছেন, ইসমাইল বিন ইবরাহিম আন-নাসরাবাদি আমাকে জানিয়েছেন, আল-মুগিরা বিন আমর ইবনুল ওয়ালিদ আমাকে জানিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-মুফাদদাল তাঁর নিজ বাসভবনে আমাকে এটি জানিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
3 - الحافظ ابن حجر العسقلاني في "المعجم المفهرس" (ص 182)، فقال: كتاب فضائل مكة للجندي، أخبرنا به الشيخ أبو الفرج بن الغزي، وأبو بكر بن عبد العزيز بن محمد بن إبراهيم الحموي الأصل إذنا مشافهة عنهما قالا: أنبأنا القاضي بدر الدين محمد بن إبراهيم بن سعد الله بن جماعة إجازة، إن لم يكن سماعا زاد الأول وأبو الحسن علي بن إسماعيل بن قريش إجازة إن لم يكن سماعا قالا: أنبانا الحافظ رشيد الدين أبو الحسين يحيى بن علي العطار قراءة عليه ونحن نسمع، أنبأنا محمد بن يوسف الغزنوي قراءة عليه ونحن نسمع في شهر رجب سنة ست وتسعين وخمسمائة، أنبأنا الشيخ أبو القاسم عبد الرحمن بن علي بن الحسين الطبري، أنبانأ أبو علي الحسين بن محمد العاملي، أنبأنا أبو القاسم إسماعيل ابن مسعدة الجرجاني.

ح قال الغزنوي: وأنبأنا به عاليا أبو الكرم الشهرزوري في كتابه، عن إسماعيل بن مسعدة، أنبأنا أبو إبراهيم إسماعيل بن إبراهيم بن محمد النصراباذي، أنبأنا أبو الحسن المغيرة بن عمرو بن الوليد، أنبأنا أبو سعيد المفضل بن محمد الجندي به.

 

4 - وقال أبو عبد الله الزركشي في "إعلام الساجد بأحكام المساجد" (ص: 43) أخبرنا شيخنا أبو عبدالله الحافظ رحمه الله: أنا المشايخ قاضي القضاة بدر الدين محمد بن جماعة، وأبو الحسن علي بن إسماعيل ابن قريش، وأبو بكر عبدالله بن الأكرم ابن أبي البركات النعماني قراءة
৩ - হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি তাঁর "আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস" (পৃ. ১৮২) গ্রন্থে বলেছেন: আল-জুন্দি রচিত 'ফাদায়িলু মক্কা' গ্রন্থ; আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন শেখ আবুল ফারাজ বিন আল-গাজ্জি এবং মূলত হামাত নিবাসী আবু বকর বিন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-হামাউয়ি—তাঁদের উভয়ের পক্ষ থেকে সরাসরি মৌখিক অনুমতির মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী বদরুদ্দিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন সাদুল্লাহ বিন জামাআহ ইজাজাতক্রমে (অনুমতিসূত্রে), যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে; প্রথমজন এবং আবুল হাসান আলী বিন ইসমাইল বিন কুরাইশ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন ইজাজাতক্রমে, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে। তাঁরা বলেন: হাফেজ রশিদ উদ্দিন আবুল হোসেন ইয়াহইয়া বিন আলী আল-আত্তার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম; মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-গজনভি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম—৫৯৬ হিজরির রজব মাসে; শেখ আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আলী বিন আল-হুসাইন আত-তাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-আমিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল কাসিম ইসমাইল বিন মাসআদাহ আল-জুরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(হা) গজনভি বলেন: এবং আবুল কারাম আশ-শাহরাজুরি তাঁর গ্রন্থে উচ্চ সনদে আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মাসআদাহ থেকে; আবু ইব্রাহিম ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আন-নাসরাবাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু হাসান আল-মুগিরা বিন আমর বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু সাঈদ আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মদ আল-জুন্দি আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।

 

৪ - এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-যারকাশি তাঁর "ইলামুস সাজিদ বি-আহকামিল মাসাজিদ" (পৃ. ৪৩) গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের শেখ আবু আব্দুল্লাহ হাফেজ (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শায়খগণ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—প্রধান বিচারপতি বদরুদ্দিন মুহাম্মদ বিন জামাআহ, আবুল হাসান আলী বিন ইসমাইল ইবনে কুরাইশ এবং আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন আল-আকরাম বিন আবিল বারাকাত আন-নুমানি (পাঠের মাধ্যমে)।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
عليهم، أنا أبو الفضل محمد بن يوسف الغزنوي قراءة عليه: أنا أبو القاسم عبدالرحمن بن علي الطبري بمكة: أنا أبو الحسن ابن محمد الطوسي الصاهلي: أنا أبو القاسم إسماعيل الإسماعيلي: أنا أبو إبراهيم إسماعيل بن إبراهيم النصر أبادي.

ح وقال الغزنوي: وأنبأنا المبارك بن الحسن بن محمد، أنبأنا أبو القاسم بن مسعدة أنا إبراهيم النصر أبادي: أنا أبو الحسن المغيرة بن عمرو: ثنا أبو سعيد الفضل بن محمد بن إبراهيم الجندي في كتابه فضائل مكة: ثنا عبدالله ابن أبي غسان الثمالي: ثنا أبو همام: ثنا محمد بن زياد عن ميمون بن مهران عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم. كان البيت قبل هبوط آدم … وذكر الحديث.

وهي سلسلة رواة الكتاب عن المصنف، وهذا هو الأثر رقم (109) من أحاديث الكتاب.

 

‌‌ثانيا: ذكر من نسب كتاب فضائل مكة لمصنفه:

ذكر الكتاب ونسبه للجندي كل من:

1 - السمعاني في "الأنساب" كما تقدم في ترجمة المصنف.

2 - الروداني في "صلة الخلف" كما تقدم.

3 - ياقوت الحموي في "معجم البلدان".

4 - محمد بن يوسف الجندي في كتابه "السلوك في طبقات العلماء والملوك" كما تقدم في ترجمة المصنف.
তাদের উপর; আমার নিকট পাঠ করেছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-গজনভী: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন আলী আত-তাবারী মক্কায়: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আত-তুসি আস-সাহিদি: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম ইসমাইল আল-ইসमाइলি: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইব্রাহিম ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আন-নাসরাবাদী।

হা (রূপান্তর); এবং আল-গজনভী বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম বিন মাসআদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম আন-নাসরাবাদী: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আল-মুগীরাহ বিন আমর: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-ফজল বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-জান্দি তাঁর ‘ফাযায়িলু মক্কাহ’ গ্রন্থে: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবি গাসসান আস-সুমালী: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাম: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, তিনি মায়মুন বিন মিহরান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন। আদমের অবতরণের পূর্বে এই ঘরটি ছিল … এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।

এটি হলো মূল গ্রন্থকারের নিকট থেকে গ্রন্থটির বর্ণনাকারীদের একটি ধারা, এবং এটি গ্রন্থটির হাদিসগুলোর মধ্য থেকে ১০৯ নম্বর বর্ণনা।

 

‌‌দ্বিতীয়ত: যারা ‘ফাযায়িলু মক্কাহ’ গ্রন্থটিকে এর লেখকের দিকে সম্পর্কিত করেছেন তাদের আলোচনা:

যারা গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করেছেন এবং একে আল-জান্দির দিকে সম্পর্কিত করেছেন তারা হলেন:

১ - আস-সামআনী তাঁর ‘আল-আনসাব’ গ্রন্থে, যেমনটি ইতিপূর্বে গ্রন্থকারের জীবনীতে আলোচিত হয়েছে।

২ - আর-রুদানী তাঁর ‘সিলাতুল খালাফ’ গ্রন্থে, যেমনটি ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে।

৩ - ইয়াকুত আল-হামাভী তাঁর ‘মু’জামুল বুলদান’ গ্রন্থে।

৪ - মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-জান্দি তাঁর ‘আস-সুলূক ফি তাবাকাতিল উলামা ওয়াল মুলূক’ গ্রন্থে, যেমনটি ইতিপূর্বে গ্রন্থকারের জীবনীতে আলোচিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣٠)
5 - الوادي آشي في "برنامجه" كما تقدم.

6 - أبو عبد الله الزركشي في "إعلام الساجد بأحكام المساجد" كما سيأتي في النقولات عن المصنف.

7 - العراقي في "تخريج أحاديث الإحياء" كما سيأتي في النقولات عن المصنف.

8 - ابن الملقن في كتابه "التوضيح" كما سيأتي.

9 - الفاسي في "شفاء الغرام" وفي "العقد الثمين" كما سيأتي.

10 - ابن ناصر الدين الدمشقي في "جامع الآثار" كما سيأتي.

11 - ابن حجر العسقلاني في "فتوى في وقف مجاور للحرم" (ص 30) وفي "المعجم" كما تقدم.

12 - بدر الدين العيني في "عمدة القاري" كما سيأتي.

13 - السيوطي في "الدر المنثور" وفي "الحبائك" كما سيأتي.

14 - السخاوي في "الإعلان بالتوبيخ" (ص 280)، وفي "المقاصد الحسنة".

15 - ابن عراق الكناني في "تنزيه الشريعة".

16 - الصالحي في "سبل الهدى والرشاد"

17 - ابن حجر الهيتمي في"تحفة المحتاج" (4/ 50 و 94).

18 - والملا علي القاري في "الأسرار المرفوعة في الأخبار الموضوعة" (ص: 349)
5 - আল-ওয়াদি আশি তার "বারনামাজ" গ্রন্থে যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

6 - আবু আব্দুল্লাহ আল-যাররাকাশি "ই’লামুস সাজিদ বি আহকামিল মাসাজিদ" গ্রন্থে যেমনটি গ্রন্থকারের উদ্ধৃতিতে সামনে আসবে।

7 - আল-ইরাকি "তাখরিজু আহাদিসিল ইহয়া" গ্রন্থে যেমনটি গ্রন্থকারের উদ্ধৃতিতে সামনে আসবে।

8 - ইবনুল মুলাক্কিন তার "আত-তাওদিহ" গ্রন্থে যেমনটি সামনে আসবে।

9 - আল-ফাসি "শিফাউল গারাম" ও "আল-ইকদুত সামিন" গ্রন্থে যেমনটি সামনে আসবে।

10 - ইবনে নাসিরুদ্দিন আদ-দিমাশকি "জামি’উল আসার" গ্রন্থে যেমনটি সামনে আসবে।

11 - ইবনে হাজার আল-আসকালানি "ফাতাওয়া ফি ওয়াকফি মুজাওয়ির লিল হারাম" (পৃ. ৩০) এবং "আল-মু’জাম" গ্রন্থে যেমনটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

12 - বদরুদ্দিন আল-আইনি "উমদাতুল কারি" গ্রন্থে যেমনটি সামনে আসবে।

13 - আস-সুয়ুতি "আদ-দুররুল মানসুর" ও "আল-হাবায়িক" গ্রন্থে যেমনটি সামনে আসবে।

14 - আস-সাখাভি "আল-ই’লান বিত-তাওবিখ" (পৃ. ২৮০) এবং "আল-মাকাসিদুল হাসানা" গ্রন্থে।

15 - ইবনে ইরাক আল-কিনানি "তানজিহুশ শারিয়াহ" গ্রন্থে।

16 - আস-সালিহি "সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ" গ্রন্থে।

17 - ইবনে হাজার আল-হাইতামি "তুহফাতুল মুহতাজ" (৪/ ৫০ ও ৯৪) গ্রন্থে।

18 - এবং মোল্লা আলী আল-কারি "আল-আসরারুল মারফুআ ফিল আখবারিল মাওদুআ" (পৃ. ৩৪৯) গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣١)
19 - الشوكاني في "الفوائد المجموعة".

20 - الصباغ في "تحصيل المرام في أخبار البيت الحرام" (423).

هذا، وإن أكثر الناقلين وسموا الكتاب بـ: فضائل مكة، وقليل منهم بـ: تاريخ مكة، ولعل الوسم الأخير راجع لمادة الكتاب ومحتواه.

 

‌‌ثالثا: النقولات من الكتاب:

نقل ياقوت الحموي في كتابه: «معجم البلدان" حديثا واحدا بسنده ومتنه، وهو الحديث رقم: [76].

ونقل أبو عبد الله الزركشي في "إعلام الساجد" حديثين، وهما الحديثان رقم: [33 و 136].

ونقل العراقي في "تخريج أحاديث الإحياء" حديثين، وهما الحديثان رقم: [9 و 109].

ونقل ابن ناصر الدين في كتابه "جامع الآثار" خمسة أحاديث، من كتابنا هذا وهي: الأحاديث رقم [31 و 64 و 96 و 112 و 113].

ونقل ابن الملقن في كتابه "التوضيح" سبعة أحاديث وهي: الأحاديث رقم: [24 و 26 و 28 و 29 و 32 و 36 و 114].

ونقل أبو البقاء الدميري في "النجم الوهاج في شرح المنهاج" حديثا واحدا رقم [86].
১৯ - "আল-ফাওয়াইদুল মাজমুআহ"-তে আশ-শাওকানি।

২০ - "তাহসিলুল মারাম ফি আখবারিল বাইতিল হারাম" (৪২৩)-এ আস-সাব্বাগ।

উল্লেখ্য যে, অধিকাংশ উদ্ধৃতি প্রদানকারী গ্রন্থটির নামকরণ করেছেন: "ফাদায়িলু মক্কাহ", আর তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক নামকরণ করেছেন: "তারিখু মক্কাহ"; সম্ভবত পরবর্তী নামকরণটি গ্রন্থের বিষয়বস্তু ও উপাদানের সাথে সংশ্লিষ্ট।

 

‌‌তৃতীয়ত: গ্রন্থটি হতে উদ্ধৃতিসমূহ:

ইয়াকুত আল-হামাউই তার "মু'জামুল বুলদান" গ্রন্থে একটি হাদিস এর সনদ ও মতনসহ উদ্ধৃত করেছেন, যা হলো হাদিস নম্বর: [৭৬]।

আবু আব্দুল্লাহ আজ-জারকাশি "ইলামুস সাজিদ"-এ দুটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যা হলো হাদিস নম্বর: [৩৩ ও ১৩৬]।

আল-ইরাকি "তাখরিজু আহাদিসিল ইহয়া"-তে দুটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যা হলো হাদিস নম্বর: [৯ ও ১০৯]।

ইবনু নাসিরুদ্দিন তার "জামি'উল আসার" গ্রন্থে আমাদের এই কিতাব থেকে পাঁচটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, সেগুলো হলো: হাদিস নম্বর [৩১, ৬৪, ৯৬, ১১২ ও ১১৩]।

ইবনুল মুলাক্কিন তার "আত-তাওদিহ" গ্রন্থে সাতটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, সেগুলো হলো: হাদিস নম্বর: [২৪, ২৬, ২৮, ২৯, ৩২, ৩৬ ও ১১৪]।

আবু আল-বাকা আদ-দামিরি "আন-নাজমুল ওয়াহহাজ ফি শারহিল মিনহাজ"-এ একটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যার নম্বর [৮৬]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣٢)
ونقل الفاسي في كتابه: "شفاء الغرام" تسعة أحاديث، وهي الأحاديث رقم [23 و 38 و 56 و 57 و 71 و 86 و 87 و 93 و 98].

ونقل العيني في كتابه: «عمدة القاري" حديثا واحدا، وهو الحديث رقم [26]

ونقل السيوطي في كتابه: «الدر المنثور" سبعة وثلاثين حديثا وهي: الأحاديث رقم [8 و 11 و 15 و 17 و 18 و 19 و 25 و 26 و 28 و 29 و 32 و 33 و 39 و 45 و 48 و 49 و 50 و 51 و 52 و 53 و 54 و 58 و 62 و 70 و 72 و 73 و 75 و 76 و 77 و 79 و 80 و 82 و 101 و 104 و 109 و 111 و 114]، ومن كتاب "الحبائك" حديثين وهما الحديثان رقم [46 و 114].

ونقل السخاوي في "المقاصد الحسنة" حديثين، وهما الحديثان رقم: [22 و 32].

ونقل الصالحي في "سبل الهدى والرشاد" حديثين، وهما الحديثان رقم: [16 79].

ونقل الصباغ في "تحصيل المرام" حديثا واحد وهو الحديث رقم [57].
আল-ফাসী তার গ্রন্থ "শিফাউল ঘারাম"-এ নয়টি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, আর সেগুলো হলো হাদিস নম্বর [২৩ ও ৩৮ ও ৫৬ ও ৫৭ ও ৭১ ও ৮৬ ও ৮৭ ও ৯৩ ও ৯৮]।

আল-আইনী তার গ্রন্থ "উমদাতুল কারী"-তে একটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, আর সেটি হলো হাদিস নম্বর [২৬]।

আস-সুয়ূতী তার গ্রন্থ "আদ-দুররুল মানসুর"-এ সাইত্রিশটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, আর সেগুলো হলো: হাদিস নম্বর [৮ ও ১১ ও ১৫ ও ১৭ ও ১৮ ও ১৯ ও ২৫ ও ২৬ ও ২৮ ও ২৯ ও ৩২ ও ৩৩ ও ৩৯ ও ৪৫ ও ৪৮ ও ৪৯ ও ৫০ ও ৫১ ও ৫২ ও ৫৩ ও ৫৪ ও ৫৮ ও ৬২ ও ৭০ ও ৭২ ও ৭৩ ও ৭৫ ও ৭৬ ও ৭৭ ও ৭৯ ও ৮০ ও ৮২ ও ১০১ ও ১০৪ ও ১০৯ ও ১১১ ও ১১৪], এবং "আল-হাবায়েক" গ্রন্থ থেকে দুইটি হাদিস, যা হলো হাদিস নম্বর [৪৬ ও ১১৪]।

আস-সাখাওয়ী "আল-মাকাসিদুল হাসানাহ"-এ দুইটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যা হলো হাদিস নম্বর: [২২ ও ৩২]।

আস-সালিহী "সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ"-এ দুইটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, যা হলো হাদিস নম্বর: [১৬ ও ৭৯]।

আস-সাব্বাগ "তাহসিলুল মারাম"-এ একটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন, আর সেটি হলো হাদিস নম্বর [৫৭]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣٣)
‌‌الفصل السادس

في ترجمة شيوخ الجندي الذين روى عنهم في كتابه هذا

1 - إبراهيم بن محمد بن العباس بن عثمان بن شافع بن السائب بن عبيد بن عبد يزيد بن هاشم بن المطلب، أبو إسحاق القرشي المطلبي ابن عم الإمام الشافعي، وثقة النسائي، وغيره. روى له النسائي وابن ماجه، وقد مات سنة سبع أو ثمان وثلاثين ومائتين، وفي التقريب صدوق. [انظر: «تهذيب الكمال" (2/ 175)، و"تهذيب التهذيب" (1/ 154)].

2 - أحمد بن محمد بن عبد الله بن القاسم بن نافع بن أبي بَزَّة، أبو الحسن المخزومي البزي المكي المقرئ مؤذن المسجد الحرام أربعين سنة. ضعيف الحديث مع كونه إماما في القراءة ثبتا فيها. [انظر: «الجرح والتعديل" (2/ 71)، و"الضعفاء" للعقيلي (1/ 127)، و"الثقات" (8/ 37)، و"تاريخ الإسلام" (5/ 1069)، و"لسان الميزان" (1/ 631)].

3 - أحمد بن جعفر المعقري، أبو الحسن البزاز نزيل مكة. ومعقر: ناحية من اليمن. روى له مسلم، مات سنة خمس وخمسين ومائتين،
ষষ্ঠ অধ্যায়

আল-জুনদীর সেই সকল শায়খদের জীবনী প্রসঙ্গে যাদের থেকে তিনি তাঁর এই কিতাবে বর্ণনা করেছেন

1 - ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আব্বাস ইবনে উসমান ইবনে শাফি‘ ইবনে আস-সায়িব ইবনে উবাইদ ইবনে আবদ ইয়াযীদ ইবনে হাশিম ইবনে আল-মুত্তালিব, আবু ইসহাক আল-কুরাশি আল-মুত্তালিবি, ইমাম শাফি‘র চাচাতো ভাই। আন-নাসায়ী এবং অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আন-নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৩৭ অথবা ২৩৮ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। ‘আত-তাকরীব’ গ্রন্থে তাকে সত্যবাদী বলা হয়েছে। [দেখুন: ‘তহযীবুল কামাল’ (২/১৭৫), এবং ‘তহযীবুত তহযীব’ (১/১৫৪)]।

2 - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-কাসিম ইবনে নাফি‘ ইবনে আবি বাযযাহ, আবু আল-হাসান আল-মাখযুমি আল-বাযযি আল-মাক্কি আল-মুকরি, যিনি চল্লিশ বছর মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন ছিলেন। কিরাআতের ক্ষেত্রে ইমাম এবং তাতে সুদৃঢ় হওয়া সত্ত্বেও হাদীসের ক্ষেত্রে তিনি দুর্বল। [দেখুন: ‘আল-জারহ ওয়াত তা‘দীল’ (২/৭১), উকাইলীর ‘আয-যুয়াফা’ (১/১২৭), ‘আস-সিকাত’ (৮/৩৭), ‘তারীখুল ইসলাম’ (৫/১০৬৯), এবং ‘লিসানুল মীযান’ (১/৬৩১)]।

3 - আহমদ ইবনে জাফর আল-মা‘কারি, আবু আল-হাসান আল-বাযযায, মক্কায় বসবাসকারী। মা‘কার হলো ইয়ামেনের একটি অঞ্চল। ইমাম মুসলিম তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৫৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣٤)
وفي "التقريب": مقبول. [انظر: «تهذيب الكمال" (1/ 282)، و"إكمال تهذيب الكمال" (1/ 30)، و"تهذيب التهذيب" (1/ 21)].

4 - إسحاق بن إبراهيم الطبري، قال ابن عدي: منكر الحديث، وقال الدارقطني: منكر الحديث، وقال ابن حبان: منكر الحديث جدا يأتي عن الثقات بالموضوعات، لا يحل كتب حديثه إلا على جهة التعجب، وقال الحاكم في المدخل: روى عن الفضيل، وابن عيينة أحاديث موضوعة. [انظر: «ميزان الاعتدال" (1/ 177)، و"لسان الميزان" (2/ 30)].

5 - سلمة بن شبيب النيسابوري، أبو عبد الرحمن الحجري، المسمعي -نزيل مكة -مستملي أبي عبد الرحمن المقرئ، أحد الأئمة المكثرين، والرحالة الجوالين، روى له مسلم، وأبو داود، والنسائي، والترمذي، وابن ماجه، توفي في سنة مائتين وبضع وأربعين، وفي "التقريب": ثقة. [انظر: «تهذيب الكمال" (11/ 284)، و"تهذيب التهذيب" (4/ 146)].

6 - صامت بن معاذ بن شعبة بن عقبة الجندي أبو محمد، يروي عن سفيان بن عُيَينة، وكان راويا لأبي قرة يهم ويغرب، كذا قال ابن حبان في الثقات. [انظر: «الثقات" (8/ 324)، "لسان الميزان" (4/ 300)].

7 - عبد الرحمن بن محمد هو: ابن أخت عبد الرزاق واهٍ، قاله الذهبي. [انظر: "تلخيص كتاب الموضوعات للذهبي" (ص 149)، و"لسان الميزان" (5/ 126)].
এবং "তাকরীব"-এ বলা হয়েছে: গ্রহণযোগ্য। [দেখুন: "তাজহীবুল কামাল" (১/ ২৮২), "ইকমালু তাজহীবিল কামাল" (১/ ৩০) এবং "তাজহীবুত তাজহীব" (১/ ২১)]।

৪ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম আত-তাবারী। ইবনে আদী বলেন: তিনি মুনকারুল হাদীস (অগ্রহণযোগ্য হাদীস বর্ণনাকারী)। আদ-দারা কুতনী বলেন: মুনকারুল হাদীস। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি অত্যন্ত মুনকারুল হাদীস, তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে জাল হাদীস বর্ণনা করেন; বিস্ময় প্রকাশ করা ব্যতীত তার হাদীস লেখা বৈধ নয়। আল-হাকিম 'আল-মাদখাল' গ্রন্থে বলেন: তিনি ফুযাইল ও ইবনে উয়াইনা থেকে জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। [দেখুন: "মিযানুল ইতিদাল" (১/ ১৭৭) এবং "লিসানুল মিযান" (২/ ৩০)]।

৫ - সালামা বিন শাবীব আন-নিসাবুরী, আবু আবদুর রহমান আল-হাজারী, আল-মাসমাঈ—মক্কায় বসবাসকারী—আবু আবদুর রহমান আল-মুকরীর মুস্তামলী (শ্রুতলিপি লেখক)। তিনি অধিক হাদীস বর্ণনাকারী ইমামগণের একজন এবং দেশ-দেশান্তরে ভ্রমণকারী পর্যটক ছিলেন। ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত চল্লিশের কিছু পরে মৃত্যুবরণ করেন। "তাকরীব"-এ তাকে বলা হয়েছে: নির্ভরযোগ্য। [দেখুন: "তাজহীবুল কামাল" (১১/ ২৮৪) এবং "তাজহীবুত তাজহীব" (৪/ ১৪৬)]।

৬ - সামিত বিন মুয়াজ বিন শু'বাহ বিন উকবাহ আল-জানাদী আবু মুহাম্মাদ। তিনি সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি আবু কুররাহ-এর বর্ণনাকারী ছিলেন; তিনি ভুল করতেন এবং অস্বাভাবিক (গারীব) বর্ণনা নিয়ে আসতেন। ইবনে হিব্বান "আস-সিকাত" গ্রন্থে এমনই বলেছেন। [দেখুন: "আস-সিকাত" (৮/ ৩২৪), "লিসানুল মিযান" (৪/ ৩০০)]।

৭ - আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ; তিনি হলেন: আবদুর রাজ্জাকের ভাগ্নে। তিনি অত্যন্ত দুর্বল (ওয়াহী); ইমাম আয-যাহাবী এটি বলেছেন। [দেখুন: "তালখীস কিতাবুল মাওজুআত লিজ-যাহাবী" (পৃষ্ঠা ১৪৯) এবং "লিসানুল মিযান" (৫/ ১২৬)]।
(খণ্ড: ১) ফাযায়িলু মাক্কাহ - আল-জুন্দি (পৃষ্ঠা: ٣٥)
8 - عبد العزيز بن عباد الجندي، روى عنه المصنف عن عبد الرزاق، وأبي قرة موسى بن طارق، وفي بعض المصادر عبد العزيز بن عباد بن جرجة الجندي، ولعله هو عبد العزيز بن عباد، أبو صالح الفَرْغانيُّ، فإن كان فقد قال الخطيب: كان صدوقا، توفي سنة تسع وستين ومائتين. [انظر: «تاريخ بغداد" (12/ 216)، و"الأنساب" للسمعاني (9/ 276)، و"تاريخ الإسلام" (6/ 359)].

9 - عبد الله بن أحمد بن زكريا بن أبي مسرة، أبو يحيى المكي، قال ابن أبي حاتم: كتبت عنه بمكة ومحله الصدق، وقال مسلمة: ثقة مشهور، توفي بمكة سنة تسع وسبعين ومائتين. [انظر: «الجرح والتعديل" (5/ 6)، و"الثقات" (8/ 369)، و"تاريخ الإسلام" (6/ 560)، "سير أعلام النبلاء" (12/ 632)، و"الثقات ممن لم يقع في الكتب الستة" (5/ 468)].

10 - عبد الله بن صالح بن أبي غسان قال الطبراني في "المعجم الصغير": كان ثقة، وذكره ابن حبان في "الثقات" وقال: يُخطئ، وقال عبيد الكِشْوري: كان عبد الله بن أبي غسان عندنا باليمن، مثل أحمد بن حنبل بالعراق، وقال أبو بكر الرازي: كان عبد الله بن أبي غسان نسيج وحده بصنعاء، في العبادة والفضل وتعليم الخير. ونقل عن أحمد بن سليمان، قوله: ما رأيت أفضل من أربعة، … وذكره منهم. [انظر: «الثقات" (8/ 362 - 363)، و"المعجم الصغير" (692)، و"سير السلف الصالحين" لأبي القاسم الأصبهاني (ص 1137)، و"تاريخ مدينة صنعاء" لأبي بكر الرازي (ص 344 - 345)، و"الثقات ممن لم يقع في الكتب الستة" (6/ 88)].
৮ - আব্দুল আজিজ বিন আব্বাদ আল-জুন্দি। গ্রন্থকার তার থেকে আব্দুর রাজ্জাক এবং আবু কুররাহ মুসা বিন তারিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিছু উৎসে তার নাম আব্দুল আজিজ বিন আব্বাদ বিন জুরজাহ আল-জুন্দি হিসেবে এসেছে। সম্ভবতঃ তিনিই হলেন আব্দুল আজিজ বিন আব্বাদ, আবু সালিহ আল-ফারগানি। যদি তাই হয়, তবে আল-খতিব বলেছেন: তিনি সত্যবাদী ছিলেন। তিনি ২৬৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [দেখুন: ‘তারিখে বাগদাদ’ (১২/ ২১৬), সাম’আনির ‘আল-আনসাব’ (৯/ ২৭৬) এবং ‘তারিখুল ইসলাম’ (৬/ ৩৫৯)]।

৯ - আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন যাকারিয়া বিন আবি মাসাররাহ, আবু ইয়াহইয়া আল-মাক্কি। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি মক্কায় তার থেকে হাদিস লিখেছি এবং তিনি সত্যনিষ্ঠ ছিলেন। মাসলামাহ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য এবং প্রসিদ্ধ। তিনি ২৭৯ হিজরিতে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। [দেখুন: ‘আল-জারহু ওয়াত তা’দিল’ (৫/ ৬), ‘আস-সিকাত’ (৮/ ৩৬৯), ‘তারিখুল ইসলাম’ (৬/ ৫৬০), ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১২/ ৬৩২) এবং ‘আস-সিকাতু মিম্মান লাম ইয়াক্বা’ ফিল কুতুবিল সিত্তাহ’ (৫/ ৪৬৮)]।

১০ - আব্দুল্লাহ বিন সালিহ বিন আবি গাসসান। আত-তাবারানি ‘আল-মু’জামুস সাগির’-এ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। ইবনে হিব্বান তাকে ‘আস-সিকাত’-এ উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি ভুল করতেন। উবাইদ আল-কিশওয়ারি বলেছেন: আমাদের ইয়ামেনে আব্দুল্লাহ বিন আবি গাসসান ছিলেন ইরাকের আহমাদ বিন হাম্বলের মতো। আবু বকর আর-রাজি বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন আবি গাসসান সানআতে ইবাদত, শ্রেষ্ঠত্ব এবং কল্যাণ শিক্ষার ক্ষেত্রে অদ্বিতীয় ছিলেন। আহমাদ বিন সুলাইমান থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: আমি চার জনের চেয়ে উত্তম কাউকে দেখিনি... এবং তিনি তাদের মধ্যে তাকে উল্লেখ করেছেন। [দেখুন: ‘আস-সিকাত’ (৮/ ৩৬২ - ৩৬৩), ‘আল-মু’জামুস সাগির’ (৬৯২), আবু আল-কাসিম আল-আসবাহানির ‘সিয়ারু সালাফিস সালিহিন’ (পৃ. ১১৩৭), আবু বকর আর-রাজির ‘তারিখে মাদিনাতে সানআ’ (পৃ. ৩৪৪ - ৩৪৫) এবং ‘আস-সিকাতু মিম্মান লাম ইয়াক্বা’ ফিল কুতুবিল সিত্তাহ’ (৬/ ৮৮)]।