(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: -)
الإعلام بنقد كتاب الروض البسام   (محمد صباح منصور)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: الإعلَامُ بنَقد كتاب «الرَّوْض البسَّام بتخريج وَترتيب فَوائِد تمَّام» للدّكتور جَاسِم الفهيد الدّوسَري

المؤلف: محمد صباح منصور

الناشر: مؤسسة غراس للنشر والتوزيع والدعاية والإعلان، الكويت

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2003 م

عدد الصفحات: 266

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 24 ربيع الآخر 1436

আর-রাওদ আল-বাসসাম গ্রন্থের সমালোচনার তথ্য   (মুহাম্মাদ সাবাহ মানসুর)

বিভাগ: তাখরিজ ও আতরাফ


কিতাব: ডক্টর জাসিম আল-ফুহায়িদ আদ-দাওসারী রচিত «আর-রাওদ আল-বাসসাম বি-তাখরিজ ওয়া তারতিব ফাওয়াইদ তাম্মাম» গ্রন্থের সমালোচনার তথ্য

লেখক: মুহাম্মাদ সাবাহ মানসুর

প্রকাশক: মুআসসাসাতু গিরাাস প্রকাশনা, বিতরণ, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, কুয়েত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৬৬

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৬

(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১)
الإعلَامُ بنَقد كتاب

الرَّوْض البسَّام

 

بتخريج وَترتيب فَوائِد تمَّام

للدّكتور جَاسِم الفهيد الدّوسَري

 

تأليف

محمَّد صَباح مَنصُور

 

غراس

للنشر والتوزيع والدعاية والإعلان
গ্রন্থ সমালোচনার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিকরণ

আর-রওযুল বাসসাম

 

তাম্মাম-এর ফাওয়াইদ-এর তাখরিজ ও বিন্যাসের মাধ্যমে

ডক্টর জাসিম আল-ফুহায়িদ আদ-দাওসারী-এর

 

রচনা

মুহাম্মদ সাবাহ মানসুর

 

ঘিরাস

প্রকাশনা, বিতরণ, প্রচারণা ও বিজ্ঞাপনের জন্য
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২)
جميع حقوق الملكية الأدبية والفنية

محفوظة لـ المؤلف

ويحظر طبع أو تصوير أو ترجمة أو إعادة تنضيد الكتاب كاملاً أو مجزأ أو تسجيله على أشرطة كاسيت أو إدخاله على الكمبيوتر أو برمجته على إسطوانات ضوئية إلا بموافقة خطيّة من الناشر.

 

الطبعة الأولى

1423 هـ - 2003 م

 

الناشر

مؤسسة غراس للنشر والتوزيع

الكويت - شارع الصحافة - مقابل مطابع الرأي العام التجارية

هاتف: 4819037 - فاكس: 4838495 - هاتف وفاكس: 4578868

الجهراء: ص. ب: 2888 - الرمز البريدي: 1030.

Website: www.gheras.com

E-Mail: info@gheras.com
সকল সাহিত্যিক ও শিল্পস্বত্ব

গ্রন্থকারের অনুকূলে সংরক্ষিত

প্রকাশকের লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে এই বইটির সম্পূর্ণ বা আংশিক মুদ্রণ, অনুলিপি, অনুবাদ, পুনর্লিখন, ক্যাসেট টেপে ধারণ, কম্পিউটারে প্রবেশ করানো কিংবা অপটিক্যাল ডিস্কে প্রোগ্রাম করা নিষিদ্ধ।

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৩ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

 

প্রকাশক

গেরাছ প্রকাশনা ও বিতরণ সংস্থা

কুয়েত - প্রেস স্ট্রিট - আর-রাই আল-আম বাণিজ্যিক ছাপাখানার বিপরীতে

ফোন: ৪৮১৯০৩৭ - ফ্যাক্স: ৪৮৩৮৪৯৫ - ফোন ও ফ্যাক্স: ৪৫৭৮৮৬৮

জাহরা: পো. বক্স: ২৮৮৮ - পোস্টাল কোড: ১০৩০।

ওয়েবসাইট: www.gheras.com

ই-মেইল: info@gheras.com
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৩)
مِن ضَنائِن العِلمِ

الرُّجُوُعُ إلى الحَقِّ

الحجَّة فِي بَيان المحَّجة (2/ 535)

للإِمَام الأصبَهَاني رحمَهُ الله
ইলমের অমূল্য ভাণ্ডার হতে

সত্যের দিকে প্রত্যাবর্তন

আল-হুজজাহ ফি বায়ানিল মাহাজজাহ (২/ ৫৩৫)

ইমাম আসবাহানি (রহিমাহুল্লাহ)-এর
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمدُ لله، والصلاةُ والسلامُ على رسول الله، وعلى آله وصحبه ومَن والاه.

أما بعد:

فإنَّ العِلْمَ رَحمٌ بين أهله، وَصلةُ خيرٍ بين أصحابه وحَمَلَته.

ومن أبواب العلمِ التي قَلَّ طارقوها، ونَدَر فاتِحوها: عِلْمُ الحديثِ النبويِّ الشريف، الذي هو مِن أجلِّ العلومِ قَدْرًا، وأرفعها مَكانةً وَوَزْنًا.

ولقد قال الإمام الذهبي في بعض تصانيفه -لِمُناسبةٍ عَرَضَتْ- وهو من عُلماء القرن الثامن الهجريِّ:

"فأين أهلُ الحديث؟!

كِدْتُ أن لا أراهم إلا في كتاب. . . أو تحت تُراب. . ."!

. . . فما حالُنا اليومَ - بعد قرونٍ، وقرون.؟!!

ولكن؛ لما كانت الطائفة المنصورةُ الناجيةُ -وهي أهلُ الحديث- لا ينقطعُ وجودُها، ولا ينطفىءُ نورُها؛ وستبقى، و"لا تزال .. ظاهرة على الحَق لا يضرُّها مَن خالفَهَا، ولا مَن خَذَلها؛ إلى قيام الساعة": كانت هذه البشارةُ مفتاحَ سعادة، ولُبَابَ خير؛ يُفرحُ طلبةَ العلمِ، ويُنعش عقولَهم وقلوبَهم.

ولقد أطْلَعَني أخي المحبُّ الودودُ الفَاضلُ طالبُ العلم النبويِّ -ولا أزكّيه على الله- (محمد صباح) -زاده اللهُ توفيقًا- على عَمَلهِ الحديثيِّ -هذا- الذيَ بين يديك أخي القارئ -؛ لأنظُرَ فيه، وأرى رَأيي. . . .

ولقد طالَعْتُ مواضعَ متَفَرِّقةً من هذا الكتاب وتأمَّلْتُ مَنَاحِيَ عديدةً منه؛ فرأيتُهُ قريبًا جدًّا من الحقِّ والصَّوَاب؛ كاشفًا عن وجوهٍ متعدِّدةٍ منَ الخطأ والشكِّ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীবৃন্দ এবং যারা তাঁকে অনুসরণ করেছেন তাদের ওপর।

অতঃপর:

নিশ্চয়ই জ্ঞান তার অধিকারীদের মধ্যে একটি আত্মীয়তার বন্ধন এবং এর সঙ্গী ও বাহকদের মধ্যে একটি উত্তম যোগসূত্র।

আর জ্ঞানের সেই সকল শাখাগুলোর মধ্যে যার দ্বারে করাঘাতকারী কম এবং যার উন্মোচনকারী দুর্লভ, তা হলো: মহান নববী হাদীসের জ্ঞান, যা মর্যাদার দিক থেকে মহানতম এবং অবস্থান ও গুরুত্বের দিক থেকে সর্বোচ্চ।

ইমাম যাহাবী—যিনি অষ্টম হিজরী শতাব্দীর একজন আলেম ছিলেন—একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়ে তাঁর কোনো এক গ্রন্থে বলেছিলেন:

"হাদীসের অনুসারীরা (আহলুল হাদীস) কোথায়?!

আমি তো তাদের কিতাবের পাতায়... অথবা মাটির নিচ (কবর) ব্যতীত আর কোথাও দেখার খুব একটা সুযোগ পাই না...!"

. . . তাহলে শত শত বছর পর আজ আমাদের অবস্থা কী?!!

কিন্তু যেহেতু সেই সাহায্যপ্রাপ্ত মুক্তিপ্রাপ্ত দল—যারা হলো আহলুল হাদীস—যাদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে না এবং যাদের আলো নিভে যাবে না; বরং তারা অবশিষ্ট থাকবে এবং "কেয়ামত পর্যন্ত হকের ওপর অটল থাকবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে কিংবা যারা তাদের সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবে তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না": এই সুসংবাদটিই হলো সৌভাগ্যের চাবিকাঠি এবং কল্যাণের সারবস্তু; যা ইলম অন্বেষণকারীদের আনন্দিত করে এবং তাদের বিবেক ও অন্তরকে সজীব করে।

আমার মুহিব্ব, অত্যন্ত প্রিয় এবং গুণী ভাই, নববী ইলমের ছাত্র—আল্লাহর নিকট আমি কাউকেই পবিত্র ঘোষণা করি না—(মোহাম্মদ সাবাহ)—আল্লাহ তার তাওফীক বৃদ্ধি করুন—তিনি আমার নিকট তার এই হাদীস বিষয়ক কর্মটি পেশ করেছেন—হে প্রিয় পাঠক, যা এখন আপনার হাতে—যাতে আমি এতে দৃষ্টিপাত করি এবং আমার অভিমত ব্যক্ত করি...

আমি এই বইটির বিভিন্ন স্থানে দৃষ্টিপাত করেছি এবং এর নানা দিক নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছি; ফলে আমি এটিকে সত্য ও সঠিকের অতি নিকটে পেয়েছি; যা বিভিন্ন প্রকারের ভুল ও সংশয়কে উন্মোচন করে দিয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৬)
والارتياب. . .

فجزاه اللهُ خيرًا على حسُن صنيعه وأكرمه -سبحانه- جرّاءَ جُهدِه المبذول، وعمله المَقْبول. . . ولقد اسْتَرْعى نَظَري وانتباهي -في عمل أخيَ المؤلِّف- حُسْنَ متابعته، ولُطفَ عبارته، وقُوَّةَ اعتراضاته. . .

وهو عَمَلٌ = أرجو أن يكونَ مبرورًا، وجُهْدٌ أن يكون مشكورًا …

والنَّاظرُ في سَعَة دائرة مَراَجعه -في البَحْث- ومصادره في النقد: يعلمُ -حقيقةً- مقدار الجُهدَ الذي عاناه أخونا المذكور- جزاه اللهُ خيرًا.

وإني أنصح نفسي وأخي محمدًا -وفقه المولى- بالمثابرة في التحصيل، والتقعيد والتأصيل، وأن نصبر على هذا العلم الجليل.

وصلّى اللهُ وسلم وبارك على نبيِّنا محمدٍ وعلى آله وصحبه أجمعين.

وكتب

علي بن حسن الحلبي الأثري

دولة الكويت - الأندلس (1)

26/ محرّم / 1423

--------------------------------------------

(1) وكان ذلك في منزل الأخ الفاضل أبي عبد الوهاب داود بن سلمان العيسى -حفظه الله تعالى-
এবং সংশয়...

আল্লাহ তাঁকে তাঁর উত্তম কাজের জন্য সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাঁর ব্যয়িত শ্রম ও কবুলকৃত আমলের বিনিময়ে তাঁকে—মহাপবিত্র তিনি—সম্মানিত করুন। আর আমার ভাই লেখকের কাজে তাঁর সুন্দর অনুসরণ, সাবলীল প্রকাশভঙ্গি এবং তাঁর আপত্তিসমূহের বলিষ্ঠতা আমার দৃষ্টি ও মনোযোগ আকর্ষণ করেছে...

এটি এমন এক কাজ যা আমি কবুল হওয়ার আশা করি, এবং এমন এক প্রচেষ্টা যা প্রশংসিত হওয়ার প্রত্যাশা রাখি ...

এই গবেষণায় তাঁর তথ্যসূত্রের পরিধি এবং সমালোচনার উৎসসমূহের ব্যাপকতার দিকে যিনি দৃষ্টিপাত করবেন, তিনি প্রকৃতপক্ষেই বুঝতে পারবেন আমাদের উল্লিখিত ভাই কী পরিমাণ শ্রম ব্যয় করেছেন—আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।

আমি নিজেকে এবং আমার ভাই মুহাম্মদকে—মহান রব তাঁকে তাওফিক দান করুন—জ্ঞান আহরণে অধ্যবসায়, মূলনীতি নির্ধারণ ও ভিত্তিস্থাপনে সচেষ্ট হওয়ার এবং এই মহান ইলমের পথে ধৈর্য ধারণ করার উপদেশ দিচ্ছি।

আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর প্রতি আল্লাহর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক।

লেখক

আলী বিন হাসান আল-হালাবী আল-আসারী

কুয়েত রাষ্ট্র - আল-আন্দালুস (১)

২৬ মহররম ১৪২৩ হিজরি

--------------------------------------------

(১) এটি ছিল সম্মানিত ভাই আবু আব্দুল ওয়াহহাব দাউদ বিন সালমান আল-ঈসার বাসভবনে—আল্লাহ তাআলা তাঁকে হিফাজত করুন।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌المقدمة

بسم الله الرحمن الرحيم

إن الحمد لله نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله؛ فلا مضل له، ومن يضلل؛ فلا هادي له.

وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لاشريك له.

وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.

أما بعد:

فهذه تعقيبات مبتسرة، وتنبيهات مختصرة، على كتاب "الروض البسّام بترتيب وتخريج فوائد تمّام" تصنيف الأستاذ جاسم الفهيد الدّوسري -وفقه الله تعالى-

والحقيقة أنّه وإن كانَ الأستاذ المشار إليه قد بَذَل في كتابه هذا جُهْدًا كبيرًا، إلا أنه قد وقع له كثير من الأوهامِ والهفواتِ، والأخطاءِ والزلات التي جاوزت المئات.

ولم يكن يخطر لي يومًا من الأيامِ أن أقومَ بنقدِ هذا الكتاب وجمعه، وإنما كان التَّعليق والاستدراك في موضعه، بَيْدَ أنّ التصويب قد كثر على مُصَنَّفه، وزادَ التَّعليقُ على مُؤَلَّفه؛ فعندها جمعتُ ما كنتُ دوَّنته على كتابه، وراجعتُ كُلّ أبوابه، وكان ذلك بعد استشارتي لأهلِ العلمِ وطلاّبه.

والقصد من تدوينِ هذه الملاحظات هو النُّصح لمؤلِّفه ومن يقرأ كتابه، ويثق بكاتبه واجتهاده.

وقبل ذلك كلّه هو الذَّب عن سنة النبي عليه الصلاة والسلام، والله أسأله السّداد وحسن الختام.
ভূমিকা

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই।

আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল।

অতপর:

উস্তাদ জাসিম আল-ফুহাইদ আদ-দাওসারী —আল্লাহ তাআলা তাকে তাওফিক দান করুন— সংকলিত "আর-রাওজুল বাসসাম বি-তারতিব ওয়া তাখরিজ ফাওয়াইদ তাম্মাম" নামক কিতাবটির ওপর এগুলো কিছু সংক্ষিপ্ত পর্যবেক্ষণ এবং পরিমার্জিত সতর্কতা।

বাস্তবতা হলো, যদিও উল্লিখিত উস্তাদ তাঁর এই কিতাবে অনেক পরিশ্রম করেছেন, তবুও এতে এমন অনেক ভ্রান্তি, বিচ্যুতি, ভুল ও স্খলন ঘটেছে যা শত শত ছাড়িয়ে গেছে।

আমার মনে কোনোদিন এমন ভাবনার উদয় হয়নি যে, আমি এই কিতাবটির সমালোচনা ও তা একত্রিত করব। বরং এর টিকা ও ভুল সংশোধনগুলো এর নিজ নিজ স্থানেই ছিল। তবে তাঁর সংকলিত গ্রন্থের ওপর সংশোধনী যখন অনেক বেড়ে গেল এবং তাঁর রচনার ওপর টীকা বৃদ্ধি পেল, তখন আমি তাঁর কিতাবের ওপর যা কিছু লিখেছিলাম তা একত্রিত করলাম এবং এর প্রতিটি অধ্যায় পর্যালোচনা করলাম। আর এটি ছিল ইলম অন্বেষী ও আলেমগণের সাথে পরামর্শ করার পর।

এই পর্যবেক্ষণগুলো লিপিবদ্ধ করার উদ্দেশ্য হলো লেখক এবং যারা তাঁর কিতাব পড়েন ও লেখকের গবেষণার ওপর আস্থা রাখেন, তাদের প্রতি কল্যাণকামিতা।

আর এসকল কিছুর ঊর্ধ্বে লক্ষ্য হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর প্রতিরক্ষা করা। আমি আল্লাহর নিকট সঠিকতা ও সুন্দর পরিসমাপ্তি প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৮)
أما الأغلاطُ العلميةُ الموجودةُ في "الرَّوض البسّام" فهي تنقسم إلى أقسامٍ عدِّة، وأصناف متعدِّدة، فمنها:

أولًا: ما يتعلق بالحكم على الأحاديث.

ثانيًا: القصور في العزو.

ثالثًا: القصور في التعليل وما يتبعه من مسائل الجرح والتعديل.

رابعًا: التصحيف والتحريف.

خامسًا: السقط وأغلاط الضبط.

سادسًا: الكلام في الرواة تعديلًا وتجريحًا.

سابعًا: الأخطاء اللغوية.

ومسائل أخرى ومباحث شتى. . . .

كما أنه بحمد الله قد تحصّل لدي من "فوائد تمام" نسختان خطيتان وأخرى مطبوعتان.

* أما الخطيتان فهما:

الأولى نسخة الظاهرية وهي من الجزء الأول إلى الجزء التاسع عشر ولكنها ناقصة، ولم أعثر على الأجزاء المتبقّية.

الثانية: نسخة تشستربتي وهي كاملة.

وقد حصلت على هاتين النسختين من مكتبة الخطوطات بجامعة الكويت جزى الله القائمين عليها خير الجزاء.

* أما النسختان المطبوعتان فهما:

الأولى: طُبعت بتحقيق الشيخ حمدي عبد المجيد السلفي -حفظه الله- وهي تقع في مجلدين، والناشر مكتبة الرشد بالرياض.
"আর-রওজুল বাসসাম" গ্রন্থে বিদ্যমান তাত্ত্বিক ভুলগুলো কয়েকটি ভাগে ও বহু প্রকারে বিভক্ত, তন্মধ্যে রয়েছে:

প্রথমত: হাদিসের হুকুম বা মান নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়াদি।

দ্বিতীয়ত: হাওয়লা বা তথ্যসূত্র প্রদানে ত্রুটি।

তৃতীয়ত: হাদিসের ত্রুটি (ইল্লত) বর্ণনা এবং তৎসংশ্লিষ্ট জারহ ও তাদিল সংক্রান্ত মাসআলাসমূহের অপূর্ণতা।

চতুর্থত: তাসহিফ (লিপিপ্রমাদ) এবং তাহরিফ (শব্দগত বিকৃতি)।

পঞ্চমত: বাদ পড়ে যাওয়া এবং যবত (নির্ভুল লিখন) সংক্রান্ত ভুলসমূহ।

ষষ্ঠত: বর্ণনাকারীদের জারহ ও তাদিল (সমালোচনা ও প্রশংসা) বিষয়ক আলোচনা।

সপ্তমত: ভাষাগত ভুলসমূহ।

এবং আরও অন্যান্য মাসআলা ও বিবিধ গবেষণা। . . .

তদুপরি আল্লাহর প্রশংসায়, "ফাওয়াইদু তাম্মাম"-এর দুটি পাণ্ডুলিপি ও আরও দুটি মুদ্রিত কপি আমার হস্তগত হয়েছে।

* পাণ্ডুলিপি দুটি হলো:

প্রথমটি জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি, যা প্রথম খণ্ড থেকে ঊনবিংশ খণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত; তবে এটি অপূর্ণাঙ্গ, আমি অবশিষ্ট খণ্ডগুলো খুঁজে পাইনি।

দ্বিতীয়টি: চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি, যা পূর্ণাঙ্গ।

আমি কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি লাইব্রেরি থেকে এই দুটি কপি সংগ্রহ করেছি, আল্লাহ এর দায়িত্বরতদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।

* আর মুদ্রিত কপি দুটি হলো:

প্রথমটি: এটি শায়খ হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি—আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন—এর তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে। এটি দুই খণ্ডে সমাপ্ত এবং প্রকাশক রিয়াদের মাকতাবাতুর রুশদ।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৯)
الثانية: بتحقيق الأستاذ عبد الغني التميمي وهي رسالة مقدمة لنيل درجة الدكتوراه بجامعة أم القرى، وهي منضودة حروفها على الآلة الكاتبة. وتقع في مجلدين.

وقد استفدت من هذه النسخ الأربع لتصحيح ما وقع في أسانيد ومتون "فوائد تمام" من السقط والتحريف والتصحيف في طبعة الأستاذ الدوسري.

ويعلم الله أنني قد بذلت جهدًا في إنجاز هذا العمل الذي أسأل الله أن يتقبله مني، ومع ذلك فقد أقع في وهمٍ في التعليق، أو غلط في التوثيق، أو سهو عن تدقيق، فإن العلم كما قال الذهبي في "السير" (12/ 68): "بحرٌ لا ساحلَ له، وهو مُفَرَّق في الأمة، موجودٌ لمن التَمَسَه" أهـ.

وختامًا، فإني أسأل الله العلي القدير أن يجعل كل أعمالي خالصة لوجهه الكريم، وأن يلهم الأخ الأستاذ الدوسري الحق والصواب كما أسأله أن يجزي الشيخ علي بن حسن الأثري خير الجزاء على إرشاداته القيمة.

وسبحانك اللهم وبحمدك أشهد أن لا إله إلا أنت أستغفرك وأتوب إليك.

وكتب

محمد صباح منصور

23 شعبان سنة 1423 هـ

28/ أكتوبر/ 2002 م

الكويت - الجهراء
দ্বিতীয়টি: উস্তাদ আব্দুল গনি আত-তামিমীর তাহকীককৃত। এটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের জন্য পেশকৃত একটি থিসিস এবং এটি টাইপরাইটার মেশিনে কম্পোজ করা। এটি দুই খণ্ডে সমাপ্ত।

উস্তাদ আদ-দাওসারীর সংস্করণে "ফাওয়াইদু তাম্মাম"-এর সনদ ও মতনের মধ্যে যেসব স্খলন, বিকৃতি ও বর্ণনার ভুল সংঘটিত হয়েছিল, তা সংশোধনের জন্য আমি এই চারটি পাণ্ডুলিপি থেকে উপকৃত হয়েছি।

আল্লাহ জানেন যে, আমি এই কাজটি সম্পন্ন করতে যথাযথ প্রচেষ্টা ব্যয় করেছি। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করে নেন। তা সত্ত্বেও আমি টীকা প্রদানে কোনো কাল্পনিক ভ্রান্তি, তথ্যসূত্রে কোনো ভুল অথবা সূক্ষ্ম পর্যালোচনায় কোনো অসতর্কতার শিকার হতে পারি। কেননা ইলম বা জ্ঞান সম্পর্কে ইমাম যাহাবী তাঁর "আস-সিয়ার" (১২/৬৮) গ্রন্থে যেমনটি বলেছেন: "এটি এমন এক সমুদ্র যার কোনো উপকূল নেই। এটি উম্মাহর মধ্যে ছড়িয়ে আছে, যে তা অন্বেষণ করে সে তা পায়।" সমাপ্ত।

পরিশেষে, আমি সুউচ্চ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমার সকল আমলকে একান্তভাবে তাঁর মহান চেহারার জন্য নিবেদিত করেন। আর তিনি যেন ভাই উস্তাদ আদ-দাওসারীকে সত্য ও সঠিক পথের দিশা দান করেন। আমি তাঁর নিকট আরও প্রার্থনা করি তিনি যেন শায়খ আলী বিন হাসান আল-আসারীকে তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনার জন্য সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন।

হে আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত পবিত্র এবং আপনার জন্যই সকল প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তওবা করছি।

লিখেছেন

মুহাম্মাদ সাবাহ মানসুর

২৩ শাবান, ১৪২৩ হিজরি

২৮ অক্টোবর, ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

কুয়েত - আল-জাহরা
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১১)
"‌‌مدخل"

إن مما يجدر الإشارة إليه، والتنبيه عليه في هذا المدخل المتقدم لصلب الكتاب هو تذكير الأستاذ الدّوسري بأول ما أساء به إلى نفسه، وحاد به عن سبيل أهل العلم، وذلك في قذفه لأحد عُلمائنا الكبار والغضّ من منْصبه، والحطّ من قدره غير مراع في ذلك حفظه للشريعة، ونصرته للسنة والعقيدة، وهو ممن حفظ الله به كيان هذا الدين حفظًا لا يقدَّر، ونفعًا لا يتهيأ لملء الأرض من أمثاله (1) الذي ما تعلّم إلا من كتبه، ولا استفاد إلا من تحقيقاته وهو الشيخ الإمام، شامة الشام، ناصر الدين الألباني رحمه الله وهو من الأئمة الذين ما فقه الناس الدين إلا منهم، ولا تلقّوه إلا عنهم، ولا تعلّموه إلا من كتبهم، ولا اهتدوا إلا من طريقهم، وبواسطة خدمتهم، فلهم على كل من جاء بعدهم حق الأبوة في الدين، والمشيخة في العلم، والسبق إلى الإيمان، وقد أمرنا الله -تعالى- باحترامهم وشكرهم على النِّعم التي أسداها إلينا على أيديهم" (2).

ويحمد الله "فإنَّ إجماع علماء أهل السنّة -المعاصرين- رحم الله ميتهم، وحفظ للأمة حيهم -ليكاد- ولله الحمد - ينعقدُ على إمامة وأستاذيَّة شيخنا الوالد العلامة المحدث أبي عبد الرحمن محمد ناصر الدين الألباني تغمده الله برحمته وكلماتهم -في ذلك- كثيرة منثورة، ومشهورة مبرورة" (3).

فقد أثنى عليه الإمام محمد بن إبراهيم آل الشيخ وابن باز وابن عثيمين وعبد العزيز آل الشيخ ومحب الدين الخطيب وحماد الأنصاري وعبد المحسن العباد

--------------------------------------------

(1) "بيان تلبيس المفتري" للغماري (ص 44) بتصرف.

(2) "المصدر السابق".

(3) "الدرر المتلألئة" (ص 6).
সূচনা

বইয়ের মূল বিষয়ের এই প্রারম্ভিক সূচনায় যে বিষয়টি উল্লেখ করা এবং যে বিষয়ে সতর্ক করা বাঞ্ছনীয় তা হলো উস্তাদ আদ-দাওসারীকে সেই প্রথম বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া যার মাধ্যমে তিনি নিজের প্রতি অন্যায় করেছেন এবং ইলম অন্বেষণকারীদের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন; আর তা হলো আমাদের একজন মহান আলেমের প্রতি অপবাদ আরোপ এবং তাঁর মর্যাদা ও সম্মান ক্ষুণ্ণ করা। এক্ষেত্রে তিনি শরীয়তের হেফাযত এবং সুন্নাহ ও আকীদার সপক্ষে তাঁর অবদানের প্রতি ভ্রূক্ষেপ করেননি। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যার মাধ্যমে আল্লাহ এই দ্বীনের অস্তিত্বকে এমনভাবে রক্ষা করেছেন যা অতুলনীয় এবং এমন উপকার সাধন করেছেন যা তাঁর মতো ব্যক্তিত্ব দিয়ে পৃথিবী পূর্ণ হয়ে গেলেও সচরাচর অর্জন করা সম্ভব নয় (১)। অথচ তিনি (আদ-দাওসারী) তাঁর কিতাবসমূহ থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং তাঁর তাহকীকসমূহ থেকেই উপকৃত হয়েছেন। তিনি হলেন সেই ইমাম ও শাইখ, শাম দেশের গৌরব, নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)। তিনি এমন এক ইমাম যাদের মাধ্যম ছাড়া মানুষ দ্বীন বুঝতে পারত না, তাঁদের মাধ্যম ছাড়া দ্বীন গ্রহণ করত না, তাঁদের কিতাব ছাড়া তা শিখত না এবং তাঁদের প্রদর্শিত পথ ও খিদমত ব্যতীত হেদায়াত প্রাপ্ত হতো না। সুতরাং তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের প্রত্যেকের ওপর তাঁদের দ্বীনি পিতৃত্বের অধিকার, ইলমের উস্তাদ হওয়ার মর্যাদা এবং ঈমানে অগ্রগামী হওয়ার সম্মান রয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন তাঁদের সম্মান করতে এবং তাঁদের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের প্রতি যে নেয়ামতসমূহ বর্ষণ করেছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করতে (২)।

আল্লাহর প্রশংসা যে, "সমকালীন আহলুস সুন্নাহর আলেমদের—আল্লাহ তাঁদের মৃতদের রহমত দান করুন এবং জীবিতদের এই উম্মতের জন্য হেফাযত করুন—ঐকমত্য বা ইজমা আমাদের শাইখ, পিতা, আল্লামা, মুহাদ্দিস আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানীর ইমামতি ও শ্রেষ্ঠত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার উপক্রম হয়েছে; এবং এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্যসমূহ প্রচুর, সুপ্রসিদ্ধ ও বরকতময়" (৩)।

নিশ্চয়ই ইমাম মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-শাইখ, ইবনে বায, ইবনে উসাইমীন, আব্দুল আজিজ আল-শাইখ, মুহিব্বুদ্দীন আল-খতীব, হাম্মাদ আল-আনসারী এবং আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ তাঁর প্রশংসা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আল-গুমারীর "বায়ান তালবীসুল মুফতারী" (পৃ. ৪৪) থেকে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত।

(২) "পূর্বোক্ত উৎস"।

(৩) "আদ-দুরারুল মুতালালিআহ" (পৃ. ৬)।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১২)
وربيع المدخلي ومقبل الوادعي وغيرهم من علمائنا الكبار.

ولكن الأستاذ الدّوسري -أصلحه الله- لم يرع شيئًا من ذلك، فأخذ يتكلم على الشيخ وينال منه -تصريحًا وتلميحًا- فمن ذلك:

قوله في "الروض" (1/ 198):

"إذا علمت هذا فالعجب من الألباني الذي تعجل فهاجم الحافظ ابن حجر حيث قال في "الإرواء". . .

قلت -والكلام لا يزال للدوسري-: انظر كيف نسب إلى الحافظ مثل هذا التزوير وهو منه براء. . . فكان الأولى به -يعني الألباني- أن يقول: لعل الحافظ اطلع على نسخة. . . بدلًا من اتهامه الحافظ بهذه التهمة السمجة! " انتهى.

فهل يليق أن يصف كلام الألباني بأنه "تهمة سمجة"؟!

ثم اسمع ما هو أدهى وأمر.

قال في "الروض" (2/ 83) -في الهامش-:

"وهذا خير من توهيم الحافظ ابن رجب في العزو كما فعل الألباني في "صحيحه" (1/ 3/ 144) وانظر لزامًا "التعالم" للشيخ/ عبد الله بن بكر (كذا) أبو زيد (ص 53 - 56) ففيه تنبيه مفيد على مثل هذه "التوهميات" انتهى.

قلت: لقد رجعت إلى كلام الشيخ بكر فإذا به يقول:

"إن هؤلاء وأمثالهم كثير، ينطوون على طرق ومشارب يرفضها الإسلام، وإن في جوانبهم رماة، وهم يثقفون لهم الرماح، ونحن الهدف. فهل من متيقظ متجرد من حظوظ النفس، يزكي معاقل العلم منهم، قبل أن يدب فيها الداء" أهـ.

فيا ترى هل الشيخ الألباني من هؤلاء المتعالمين ومن الذين يستحقون أمثال
এবং রবি আল-মাদখালি, মুকবিল আল-ওয়াদীয়ি এবং আমাদের অন্যান্য বরেণ্য আলেমগণ।

কিন্তু উস্তাদ আদ-দাওসারী—আল্লাহ তাকে সংশোধন করুন—এর কোনো তোয়াক্কাই করেননি। ফলে তিনি শাইখকে নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন এবং তাকে আক্রমণ করলেন—স্পষ্টভাবে এবং ইঙ্গিতপূর্ণভাবে। তার মধ্যে কিছু উদাহরণ হলো:

'আর-রওদ' (১/১৯৮) গ্রন্থে তার বক্তব্য:

"আপনি যখন এটি জানলেন, তখন আলবানীর বিষয়টি আশ্চর্যজনক মনে হবে, যিনি তাড়াহুড়ো করে হাফেজ ইবনে হাজারকে আক্রমণ করেছেন, যখন তিনি 'আল-ইরওয়া' গ্রন্থে বলেছেন..."

আমি বলছি—এবং কথাগুলো এখনও দাওসারীরই—: "দেখুন তিনি হাফেজের প্রতি কীভাবে এমন জালিয়াতির অপবাদ আরোপ করেছেন, অথচ তিনি এ থেকে মুক্ত। ... বরং তার (অর্থাৎ আলবানীর) জন্য এটি বলা উপযুক্ত ছিল যে: সম্ভবত হাফেজ কোনো একটি পাণ্ডুলিপি দেখেছিলেন... হাফেজকে এই কদর্য অপবাদে অভিযুক্ত করার পরিবর্তে!" সমাপ্ত।

আলবানীর কথাকে "কদর্য অপবাদ" হিসেবে বর্ণনা করা কি শোভনীয়?!

এরপর শুনুন যা আরও ভয়াবহ ও তিক্ত।

তিনি 'আর-রওদ' (২/৮৩) গ্রন্থের পাদটীকায় বলেছেন:

"এটি হাফেজ ইবনে রজবকে উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে ভ্রান্ত সাব্যস্ত করার চেয়ে উত্তম, যেমনটি আলবানী তার 'সহীহ' (১/৩/১৪৪) গ্রন্থে করেছেন। আর আপনি অবশ্যই শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বকর (অনুরূপই আছে) আবু যাইদ-এর 'আত-তায়ালুম' (পৃষ্ঠা ৫৩-৫৬) বইটি দেখবেন, কেননা এতে এ ধরনের 'ভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা' সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা রয়েছে।" সমাপ্ত।

আমি বলছি: আমি শাইখ বকরের বক্তব্যের দিকে ফিরে তাকালাম এবং দেখলাম তিনি বলছেন:

"নিশ্চয়ই এরা এবং এদের মতো অনেকেই এমন সব পথ ও মতাদর্শ লালন করে যা ইসলাম প্রত্যাখ্যান করে। তাদের চারপাশে তীরন্দাজরা রয়েছে এবং তারা তাদের জন্য বর্শা ধারালো করছে, আর আমরাই তাদের লক্ষ্যবস্তু। তবে কি এমন কোনো সচেতন ব্যক্তি নেই যে নিজের প্রবৃত্তির চাহিদা থেকে মুক্ত হয়ে ইলমের দুর্গগুলোকে তাদের হাত থেকে পবিত্র করবে, যাতে সেখানে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়?" সমাপ্ত।

তবে কি শাইখ আলবানী সেই সব জ্ঞানপাপীদের অন্তর্ভুক্ত এবং এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা এই সবের যোগ্য...
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৩)
هذا الكلام حينما ألزمتنا بعد ذكره بالرجوع إلى كتاب "التعالم"!!

وهل من الأدب والخلق أن تصف إمام السنة وفخر الأئمة بأنه متعالم؟!

وقل لي بربك إذا كان الألباني متعالمًا، فمن هو العالم؟

وحقيقة لا أريد الإطالة في هذا المجال فقد رأيت من نقض كلامه وردّ ما قاله، وهو الدّوسري نفسه حيث قال في كتابه "ملحق النهج السديد" (1) (334 - 335):

"الشيخ ناصر الدين الألباني محدث جليل ولا أبالغ إن قلت أنني لا أعلم تحت أديم السماء -في هذ العصر- رجلًا أعلم منه بصحيح الحديث من سقيمه لكنه مع هذا كله كسائر البشر يخطئ ويصيب. . . أما الطاعنون في الشيخ والذين يسعون إلى تشويه صورته لدى عامة الناس فلا أقول لهم إلا:

يا ناطح الجبل العالي ليكلمه … أشفق على الرأس لا تشفق على الجبل

كناطح صخرة يوما ليوهنها … فلم يَضرْها وأوهى قرنه الوعل

انتهى كلام الأخ الدوسري -وفقه الله- وهو ينقض كلامه المتقدم إذ كيف يكون الألباني أعلم من تحت أديم السماء وفي الوقت نفسه (متعالم)؟!!

وفي الختام لا يسعني إلا أن أذكر الدوسري بكلمة العلامة الإمام السلفي حمود التويجري رحمه الله حيث قال:

"الألباني الآن علمٌ على السنّة والطعن فيه إعانة على الطعن في السنة".

--------------------------------------------

(1) وهو مطبوع سنة 1404 هـ.
এই কথাটি তখন এসেছিল যখন আপনি এটি উল্লেখ করার পর আমাদের 'আত-তাআল্লুম' কিতাবের দিকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছিলেন!!

আর সুন্নাহর ইমাম এবং আইম্মাদের গর্বকে 'জ্ঞানের ভানকারী' হিসেবে অভিহিত করা কি আদব ও আখলাকের অন্তর্ভুক্ত?!

আর আল্লাহর কসম দিয়ে আমাকে বলুন, যদি আলবানী একজন জ্ঞানের ভানকারী হন, তবে আলেম কে?

প্রকৃতপক্ষে আমি এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতে চাই না, কেননা আমি তাঁর কথার খণ্ডন এবং তিনি যা বলেছেন তার প্রতিবাদ লক্ষ্য করেছি, আর তিনি স্বয়ং আদ-দাওসারী, যিনি তাঁর 'মুলহাকুন নাহজিস সাদীদ' (১) (৩৩৪ - ৩৩৫) কিতাবে বলেছেন:

"শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী একজন মহান মুহাদ্দিস, আর আমি যদি বলি যে এই যুগে আসমানের নিচে সহীহ ও যঈফ হাদীস সম্পর্কে তাঁর চেয়ে বেশি জ্ঞানী কোনো ব্যক্তিকে আমি চিনি না, তবে তাতে অত্যুক্তি হবে না। কিন্তু এতসব সত্ত্বেও তিনি অন্যান্য মানুষের মতোই ভুল করেন এবং সঠিকও বলেন। ... আর যারা শায়খের সমালোচনা করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমি কেবল এটাই বলব:

হে সুউচ্চ পাহাড়ে আঘাতকারী যাতে তাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া যায় … নিজের মাথার প্রতি দয়া করো, পাহাড়ের প্রতি নয়

যেন কোনো এক দিন এক বন্য ছাগল শক্ত পাথরকে দুর্বল করার জন্য তাতে ঢুঁ মারল … কিন্তু সে পাথরের কোনো ক্ষতি করতে পারল না, বরং নিজের শিংটিকেই ভেঙে ফেলল

ভাই দাওসারীর—আল্লাহ তাঁকে তাওফীক দান করুন—কথা সমাপ্ত হলো। তিনি নিজেই নিজের পূর্ববর্তী কথা খণ্ডন করছেন, কারণ আলবানী কীভাবে একই সাথে আসমানের নিচে সবচেয়ে বড় আলেম এবং একই সাথে (জ্ঞানের ভানকারী) হতে পারেন?!!

পরিশেষে, আমি দাওসারীকে আল্লামা ইমাম সালাফী হামুদ আত-তুওয়াইজীরী (রহিমাহুল্লাহ)-এর একটি উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না, যেখানে তিনি বলেছেন:

"আলবানী বর্তমানে সুন্নাহর এক সুউচ্চ নিদর্শন বা প্রতীক, আর তাঁর সমালোচনা করা মূলত সুন্নাহর সমালোচনায় সহায়তা করারই নামান্তর।"

--------------------------------------------

(১) এটি ১৪০৪ হিজরী সনে মুদ্রিত।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৪)
وقد تعجبت كثيرًا، ودُهشت أكثر عندما علمت أن كلمة الشيخ التويجري هذه كان سببها جاسم الفهيد الدوسري؟!

وذلك أن الأخ المذكور قد صنّف رسالة بعنوان "دفع الاعتساف عن محل الاعتكاف" يرد فيها على رأي الألباني رحمه الله أن الاعتكاف لا يكون إلا في المساجد الثلاثة، ولم يكتف بالرد النزيه القائم على الأصول العلمية، وإنما كتب مقدمة مقذعة نال فيها من الشيخ الألباني.

وقد أرسلها في ذلك الوقت إلى الشيخ حمود التويجري ليحظى بتقديم لرسالته.

وهو في ذلك قد استغلّ الخلاف الذي وقع بين التويجري والألباني -رحمهما الله تعالى-

فإذا بالشيخ حمود يردّ رسالته ولم يقدم له وقال قولته الشهيرة "الألباني علم على السنّة. . ." إلخ.

ثم طبعت رسالة الدوسري وقد حذف منها ما يتعلق بطعنه بالألباني، ولله في خلقه شؤون.

وفق الله الجميع لمعرفة حق محسني الأمة، وخدّام الملة، وحفظة السنة، إنه على كل شيء قدير، وبالإجابة جدير.
আমি অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হয়েছি এবং অধিকতর বিস্মিত হয়েছি যখন আমি জানতে পেরেছি যে শাইখ তুওয়াইজরি-র এই মন্তব্যের কারণ ছিলেন জাসিম আল-ফাহাইদ আদ-দাওসারী?!

কারণ উল্লিখিত ভাইটি "দাফউ আল-ইতিসাফ আন মাহাল্লি আল-ইতি'কাফ" শিরোনামে একটি পুস্তিকা রচনা করেছিলেন, যাতে তিনি আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর এই মতের খণ্ডন করেছেন যে ইতিকাফ কেবল তিনটি মসজিদেই সীমাবদ্ধ। তিনি কেবল ইলমি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে নিরপেক্ষ খণ্ডনমূলক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং তিনি একটি কুরুচিপূর্ণ ভূমিকা লিখেছিলেন যাতে তিনি শাইখ আলবানীকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছিলেন।

তিনি সেই সময় এটি শাইখ হামুদ আত-তুওয়াইজরি-র নিকট পাঠিয়েছিলেন যাতে তাঁর পুস্তিকার জন্য একটি অভিমত বা ভূমিকা লাভ করতে পারেন।

আর এক্ষেত্রে তিনি তুওয়াইজরি ও আলবানী (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন)-এর মাঝে বিদ্যমান মতভেদের সুযোগ গ্রহণ করেছিলেন।

কিন্তু শাইখ হামুদ তাঁর পুস্তিকাটি প্রত্যাখ্যান করেন এবং তাঁর জন্য কোনো ভূমিকা লেখেননি, বরং তিনি তাঁর সেই প্রসিদ্ধ উক্তিটি করেছিলেন: "আলবানী সুন্নাহর এক সুউচ্চ মিনার..." ইত্যাদি।

পরবর্তীতে দাওসারীর পুস্তিকাটি মুদ্রিত হয় এবং সেখান থেকে আলবানীকে আক্রমণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো মুছে ফেলা হয়; আর আল্লাহর সৃষ্টিজগতে তাঁর বিচিত্র কুদরত বিদ্যমান।

আল্লাহ সবাইকে উম্মাহর হিতৈষী, মিল্লাতের সেবক এবং সুন্নাহর হিফাযতকারীদের মর্যাদা অনুধাবন করার তাওফীক দান করুন; নিশ্চয়ই তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান এবং দোয়া কবুল করার উপযুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌الأحاديث التي عزاها بعض أهل العلم إلى "فوائد تمّام" وليست في "الروض البسام"

فهذه بعض الأحاديث التي عزاها بعض أهل العلم إلى "فوائد تمام" ولم أرها في "الروض البسام" ولا في تحقيق الشيخ حمدي عبد المجيد السلفي -حفظه الله- "للفوائد" ولا في تحقيق عبد الغني التميمي -حفظه الله- وإليك بيانها.

[1] قوله صلى الله عليه وسلم: "اللهم أحيني مسكينًا، وأمتني مسكينًا، واحشرني في زمرة المساكين".

قال السيوطي في "اللآلئ" (2/ 325):

"قال تمام" في "فوائده": أنبأنا أبو زرعة محمد وأبو بكر أحمد أنبأنا عبد الله ابن أبي دجانة: حدثنا محمد بن أمية القرشي حدثنا محمد بن صفي: سمعت بقية بن الوليد يحدث عن الهقل بن زياد، عن عبيد بن زياد والأوزاعي، عن جنادة بن أبي أمية، عن عبادة بن الصامت مرفوعًا [الحديث].

وعزاه لـ "فوائد تمام": العلامة الألباني في "الإرواء" (3/ 361) والغماري في "المداوي" (2/ 202) ولكنهما لم يذكرا رقم الجزء والصفحة وكأنهما أخذا ذلك من الحافظ السيوطي.

ولعل هذا الحديث مما انفردت به بعض النسخ والله تعالى أعلم.

…

[2] قوله صلى الله عليه وسلم: "يحمل هذا العلم من كل خَلَفٍ عدولُهُ، ينفون عنه تحريفَ الغالين، وانتحالَ المبطلين، وتأويل الجاهلين".
সেই সকল হাদিস যা কিছু আলেম ‘ফাওয়াইদে তাম্মাম’-এর দিকে সম্পৃক্ত করেছেন অথচ সেগুলো ‘আর-রাওদুল বাসসাম’-এ নেই

এখানে এমন কিছু হাদিস উল্লেখ করা হলো যা কিছু আলেম ‘ফাওয়াইদে তাম্মাম’-এর দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, কিন্তু আমি সেগুলো ‘আর-রাওদুল বাসসাম’-এ দেখিনি, এমনকি শায়খ হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি—আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন—কর্তৃক সম্পাদিত ‘ফাওয়াইদ’-এও দেখিনি এবং আব্দুল গানি আত-তামিমি—আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন—এর তাহকিকেও পাইনি। নিচে এগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।

[১] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “হে আল্লাহ, আমাকে মিসকিন হিসেবে জীবিত রাখুন, মিসকিন হিসেবে মৃত্যু দিন এবং আমাকে মিসকিনদের দলের অন্তর্ভুক্ত করে হাশরে সমবেত করুন।”

সুয়ুতি ‘আল-লাআলি’ গ্রন্থে (২/ ৩২৫) বলেছেন:

“তাম্মাম” তার “ফাওয়াইদ” গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জুরআ মুহাম্মদ এবং আবু বকর আহমদ, তারা বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি দুজানা: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উমাইয়্যাহ আল-কুরাশি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সাফি: আমি বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদকে আল-হাকল বিন জিয়াদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি উবায়েদ বিন জিয়াদ ও আওজায়ি থেকে, তিনি জুনাদা বিন আবি উমাইয়্যাহ থেকে, তিনি উবাদা বিন আস-সামিত থেকে মারফু হিসেবে [হাদিসটি] বর্ণনা করেছেন।

আর এটিকে ‘ফাওয়াইদে তাম্মাম’-এর দিকে সম্পৃক্ত করেছেন: আল্লামা আলবানি ‘আল-ইরওয়া’ গ্রন্থে (৩/ ৩৬১) এবং আল-গুমারি ‘আল-মুদাউয়ি’ গ্রন্থে (২/ ২০২), তবে তারা খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করেননি, মনে হচ্ছে তারা হাফেজ সুয়ুতি থেকে এটি গ্রহণ করেছেন।

সম্ভবত এই হাদিসটি এমন যা কেবল কিছু পাণ্ডুলিপিতেই পাওয়া যায়, আর আল্লাহ তাআলাই সর্বজ্ঞাত।

…

[২] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “প্রত্যেক পরবর্তী প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ এই জ্ঞান বহন করবেন; তারা এ থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচার এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা দূর করবেন।”
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৬)
قال الإمام ابن قيم الجوزية في "مفتاح دار السعادة" (1/ 500 - ط علي الحلبي":

"ومنها -أي من طرقه- ما رواه تمام في "فوائده" من حديث الليث، عن يزيد ابن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن أبي قبيل، عن عبد الله بن عمرو وأبي هريرة".

قلت: لا وجود لمثل هذا الإسناد بتاتًا في "الروض البسام" ولكن الحديث موجود بإسناد آخر وهو في "الروض" (1/ رقم: 80) من طريق الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن ابن عمر مرفوعًا.

ثم تبين لي وهم الإمام ابن القيم في عزوه وذلك أنني لما شرعتُ في تحقيق "جزء إسلام زيد بن حارثة وغيره من أحاديث الشيوخ" لتمام الرازي فإذا بي أقف على هذا الحديث بإسناده ومتنه غير أنه سقط من النسخة التي عثرت عليها "أبو القبيل" بين أبي الخير وعبد الله بن عمرو وأبي هريرة والحديث فيه برقم "5 - بتحقيقي".

فلعلّ الإمام ابن القيم رحمه الله اشتبه عليه الأمر فعزاه إلى "الفوائد" والله أعلم.

…

[3] قوله صلى الله عليه وسلم: (أُسّست السماوات السبع والأرضون السبع على "قل هو الله أحد")

رواه تمام الرازي من طريق موسى بن محمد بن عطاء قال: حدثني شهاب بن خراش قال: حدثني قتادة قال: حدثني أنس بن مالك مرفوعًا "فذكره".

وعزاه إلى "فوائد تمام":
ইমাম ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ তাঁর ‘মিফতাহু দারিস সাআদাহ’ (১/ ৫০০ - আলী আল-হালাবী সংস্করণ) গ্রন্থে বলেছেন:

"আর এর মধ্য থেকে—অর্থাৎ এর সূত্রসমূহের মধ্য থেকে—তাম্মাম তাঁর ‘ফাওয়াইদ’ গ্রন্থে লাইস থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবুল খায়ের থেকে, তিনি আবু কাবিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।"

আমি বলছি: ‘আর-রাওদুল বাসসাম’ গ্রন্থে এই সনদের কোনো অস্তিত্বই নেই, তবে হাদিসটি অন্য একটি সনদে বিদ্যমান। সেটি ‘আর-রাওদ’ (১/ নম্বর: ৮০) গ্রন্থে লাইস ইবনে সাদ-এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি সালেম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এরপর ইমাম ইবনুল কায়্যিমের এই উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে তাঁর বিভ্রম আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে। বিষয়টি এই যে, আমি যখন তাম্মাম আর-রাজির ‘জুযউ ইসলামি যাইদ ইবনে হারিসা ওয়া গায়রিহি মিন আহাদিসিশ শুয়ুখ’ গ্রন্থের তাহকিক শুরু করি, তখন আমি এই হাদিসটি এর সনদ ও মূল পাঠসহ দেখতে পাই; তবে আমি যে পাণ্ডুলিপিটি পেয়েছি, তাতে আবুল খায়ের এবং আবদুল্লাহ ইবনে আমর ও আবু হুরায়রার মাঝখান থেকে ‘আবু কাবিল’ নামটি বাদ পড়েছে। আর হাদিসটি সেখানে আমার তাহকিক অনুযায়ী ‘৫’ নম্বর হিসেবে রয়েছে।

সম্ভবত ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট বিষয়টি অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তাই তিনি একে ‘আল-ফাওয়াইদ’ গ্রন্থের দিকে নিসবত করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।

…

[৩] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: (সাত আসমান ও সাত জমিন ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।)

এটি তাম্মাম আর-রাজি মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আতা-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শিহাব ইবনে খারাশ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক আমার কাছে এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন—অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেন।

এবং তিনি একে ‘ফাওয়াইদু তাম্মাম’-এর দিকে নিসবত করেছেন:
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৭)
1 - السيوطي في "الجامع الصغير" (843 - ضعيفة).

2 - المناوي في "فيض القدير" (1/ 507)

3 - الغماري في "المداوي" (1/ 550)

4 - الشيخ مشهور حسن سلمان في تحقيقه، "للمجالسة" (8/ 156). ولعل هذا الحديث مما انفردت به بعض النسخ.
১ - সুয়ূতী "আল-জামি আস-সগির"-এ (৮৪৩ - দুর্বল)।

২ - মুনাবী "ফায়দুল কাদির"-এ (১/ ৫০৭)

৩ - গুমারী "আল-মুদাবী"-তে (১/ ৫৫০)

৪ - শায়খ মাশহুর হাসান সালমান তার তাহকীকে, "আল-মুজালাসাহ" (৮/ ১৫৬)। সম্ভবত এই হাদিসটি এমন যা কিছু পাণ্ডুলিপিতে এককভাবে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ১৯)
الملاحظات على الجزء الأول
প্রথম খণ্ডের ওপর পর্যবেক্ষণসমূহ
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২১)
[1] قال الدوسري (1/ ص 9) في ترجمة الإمام تمام الرازي

(وقد ذكر الأستاذ خير الدين الزركْلي في "أعلامه" أنه مغربي الأصل ولا أدري ما مستنده في ذلك!) أ. هـ.

قلت: مستنده في ذلك قد ذكره في الهامش، وذلك بالإحالة إلى كتاب "كشف الظنون" (2/ 1296)

قال حاجي خليفة في كتابه "كشف الظنون":

"هو تمام بن محمد بن عبد الله بن جعفر البجلي محدّث دمشق المغربي المتوفى سنة 414 هـ" أ. هـ.

ويبقى البحث في صحة دعوى حاجي خليفة! ولم أر ذلك لغيرهِ، والله أعلم.

…

[2] قال الأخ الدوسري (1/ ص 12):

"وأما مشايخه في الحديث فقد بلغوا مائة وستين شيخًا وجُلُّهم دماشقة أو ممّن وردوا على دمشق من غير أهلها، وهذا مسردُ أسمائهم مرتبينَ على حروف المعجم مع ذكر شيء من أحوالهم ومصادر تراجمهم إن وُجِدت".

وهذه تراجم بعض الذين لم يجد مصدرًا ترجم لأي منهم، وسوف أذكرهم حسب ترقيم الأخ الدوسري.

4 - أحمد بن إسحاق بن محمد بن يزيد الحلبي أبو جعفر القاضي.

• له ترجمة في تاريخ دمشق كما في مختصره (3/ 24). لابن منظور

7 - أحمد بن زكريا بن يحيى بن يعقوب المقدسي أبو الحسن.

• له ترجمة في تاريخ دمشق كما في مختصره (3/ 82).
[১] আদ-দাওসারি (১/ পৃষ্ঠা ৯) ইমাম তামাম আর-রাজি-এর জীবনী আলোচনায় বলেন:

(উস্তাদ খাইরুদ্দিন আয-যিরিকলি তাঁর "আল-আ'লাম" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে তিনি মূলগতভাবে মরক্কোর অধিবাসী ছিলেন, কিন্তু এ বিষয়ে তাঁর ভিত্তি কী তা আমি জানি না!) সমাপ্ত।

আমি বলছি: এ বিষয়ে তাঁর ভিত্তি তিনি টীকায় উল্লেখ করেছেন, আর তা হলো "কাশফুয যুনুন" (২/ ১২৯৬) গ্রন্থের উদ্ধৃতি প্রদান।

হাজি খলিফা তাঁর "কাশফুয যুনুন" গ্রন্থে বলেন:

"তিনি হলেন তামাম বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-বাজালি, দামেশকের মুহাদ্দিস, আল-মাগরিবি, যিনি ৪১৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।" সমাপ্ত।

তবে হাজি খলিফার এই দাবির সত্যতা নিয়ে অনুসন্ধান বাকি থেকে যায়! আমি তিনি ছাড়া অন্য কারো নিকট এটি দেখিনি, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

...

[২] ভাই আদ-দাওসারি (১/ পৃষ্ঠা ১২) বলেন:

"হাদিসশাস্ত্রে তাঁর উস্তাদগণের সংখ্যা একশত ষাট জনে পৌঁছেছে এবং তাঁদের অধিকাংশ দামেশকবাসী অথবা দামেশকের বাইরে থেকে সেখানে আগত ব্যক্তি। এটি বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো তাঁদের নামের তালিকা, সাথে তাঁদের অবস্থা ও জীবনীগ্রন্থের উৎস (যদি পাওয়া যায়) উল্লেখ করা হয়েছে।"

এখানে এমন কিছু ব্যক্তির জীবনী তুলে ধরা হলো যাদের সম্পর্কে তিনি কোনো জীবনীর উৎস খুঁজে পাননি, আর আমি ভাই আদ-দাওসারির ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী তাঁদের উল্লেখ করব।

৪ - আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াযিদ আল-হালাবি আবু জাফর আল-কাদি।

• ইবনে মানযুর কর্তৃক সংকলিত এর সংক্ষিপ্তসারে (৩/ ২৪) যেমনটি রয়েছে, 'তারিখে দামেশক' গ্রন্থে তাঁর জীবনী বর্ণিত আছে।

৭ - আহমাদ বিন যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াকুব আল-মাকদিসি আবু আল-হাসান।

• 'তারিখে দামেশক'-এর সংক্ষিপ্তসারে (৩/ ৮২) তাঁর জীবনী বর্ণিত আছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২২)
9 - أحمد بن عبد الله بن أبي دُجانة عبد الله بن عمرو بن صفوان النَّصْري أبو بكر.

• له ترجمة في تاريخ دمشق كما في مختصره (3/ 135).

11 - أحمد بن عبد الله بن الفرج بن البَرَامي أبو بكر

• له ترجمة في تاريخ دمشق كما في مختصره (3/ 138).

12 - أحمد بن عبد الوهاب بن محمد أبو بكر.

• له ترجمة في تاريخ دمشق كما في مختصره (3/ 163).

27 - أحمد بن محمد بن أبي عثمان النيسابوري أبو سعيد.

• له ترجمة في تاريخ دمشق (5/ 360 - ط العمروي).

61 - عبد الله بن جعفر بن محمد الفرغاني أبو محمد القائد.

• له ترجمة في تاريخ بغداد (9/ 389) والسير (16/ 132 - 133).

63 - عبد الباري بن عبد الملك العبسي.

• له ترجمة في تاريخ دمشق (34/ ص 11 - ط العمروي).

…

[3] قال الدوسري (1/ ص 50):

"5 - تصانيفه: ترك تمام بعض المؤلفات المفيدة، وهي: -فذكرها- ثم قال:

6 - كتاب من روى عن الشافعي: ذكره ابن حجر في "الإصابة" نقلًا عن تاريخ التراث لسزكين (1/ 468).

قلت: هذا الكتاب ليس من مصنفات الحافظ تمام الرازي وإنما هو لأبيه، وقد اشتبه الأمر على سزكين فعدّه من مصنفات تمام.

وانظر كتاب: "ابن حجر العسقلاني مصنفاته ودراسة في منهجه وموارده في
৯ - আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি দুজানা আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে সাফওয়ান আন-নাসরি আবু বকর।

• তাঁর জীবনী তারিখে দামেশক এবং এর সংক্ষিপ্তসারে (৩/ ১৩৫) বর্ণিত হয়েছে।

১১ - আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে আল-বারামি আবু বকর

• তাঁর জীবনী তারিখে দামেশক এবং এর সংক্ষিপ্তসারে (৩/ ১৩৮) বর্ণিত হয়েছে।

১২ - আহমাদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ আবু বকর।

• তাঁর জীবনী তারিখে দামেশক এবং এর সংক্ষিপ্তসারে (৩/ ১৬৩) বর্ণিত হয়েছে।

২৭ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি উসমান আন-নায়সাবুরি আবু সাঈদ।

• তাঁর জীবনী তারিখে দামেশক (৫/ ৩৬০ - আল-আমরবি সংস্করণ)-এ বর্ণিত হয়েছে।

৬১ - আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারগানি আবু মুহাম্মদ আল-কায়েদ।

• তাঁর জীবনী তারিখে বাগদাদ (৯/ ৩৮৯) এবং আস-সিয়ার (১৬/ ১৩২ - ১৩৩)-এ বর্ণিত হয়েছে।

৬৩ - আবদুল বারি ইবনে আবদুল মালিক আল-আবসি।

• তাঁর জীবনী তারিখে দামেশক (৩৪/ পৃষ্ঠা ১১ - আল-আমরবি সংস্করণ)-এ বর্ণিত হয়েছে।

…

[৩] আদ-দাওসারি বলেছেন (১/ পৃষ্ঠা ৫০):

"৫ - তাঁর রচনাবলি: তাম্মাম কিছু উপকারী গ্রন্থের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে গেছেন, সেগুলো হলো: -অতঃপর তিনি সেগুলো উল্লেখ করলেন- এরপর বললেন:

৬ - ইমাম শাফেয়ী থেকে বর্ণনাকারীদের গ্রন্থ: ইবনে হাজার 'আল-ইসাবাহ' গ্রন্থে সেজগিনের 'তারিখুত তুরাস' (১/ ৪৬৮) থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে এটি উল্লেখ করেছেন।

আমি বলছি: এই গ্রন্থটি হাফেজ তাম্মাম আর-রাজির রচনাবলিভুক্ত নয়, বরং এটি তাঁর পিতার রচনা। সেজগিন বিষয়টি নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন, তাই তিনি একে তাম্মামের রচনা হিসেবে গণ্য করেছেন।

আরও দেখুন: "ইবনে হাজার আল-আসকালানি: তাঁর রচনাবলি এবং তাঁর মানহাজ ও উৎস সম্পর্কিত একটি গবেষণা..."
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৩)
كتابه الإصابة (2/ 169) للدكتور شاكر محمود عبد المنعم - جزاه الله خيرًا.
ডক্টর শাকির মাহমুদ আব্দুল মুনইম-এর লিখিত গ্রন্থ আল-ইসাবাহ (২/ ১৬৯) - আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌[كتاب الإيمان]

[4] أخرج الحافظ تمام الرازي (1/ رقم: 1/ ص 71) بإسناده إلى أبي الدرداء قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "مَنْ ماتَ لا يُشركُ بالله شيئًا دخل الجنّة". قلتُ: يا رسول الله! وإنْ سرق؟ وإن زنى؟!. قال: "وإن سرق وإن زنى". أعادها مرتين أو ثلاثًا. قال: "وإن سرق وإن زنى، وإنْ رَغِمَ أنْفُ أبي الدرداء".

قال الدوسري:

(قلت: إسناده صحيح، ولم ينفرد به الحسن، فقد تابعه عيسى بن عبد الله ابن مالك عند النسائي (1125) والطبراني في الكبير والأوسط "مجمع البحرين: 1/ ق 4/ ب - نسخة أحمد الثالث)، لكنه مجهول كما قال ابن المديني) أ. هـ.

قلت: وقولك عن "عيسى بن عبد الله" مجهول تقليدًا لابن المديني ليس بصواب، وذلك أن الإمام ابن المديني قال: مجهول لم يرو عنه غير محمد بن إسحاق" أ. هـ.

وهذا مُتعقَّب بأنه روى عنه جماعة ذكرهم الحافظ المزي في "تهذيب الكمال" (22/ 623) وهم "الحسن بن الحر، وابن لهيعة، وعتبة بن أبي حكيم، وفليح بن سليمان، وأخوه محمد بن عبد الله بن مالك الدار".

فلم يتفرد بالرواية عنه ابن إسحاق كما قال ابن المديني.

ومع ذلك فقد ذكره ابن حبان في "الثقات" (7/ 231) وقال الذهبي في "الكاشف" (2/ 368): "وُثّق".

فمثله حسن الحديث إن شاء الله.
[ঈমান অধ্যায়]

[৪] হাফেজ তাম্মাম আর-রাজি (১/ নং: ১/ পৃ: ৭১) তাঁর সনদে আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক না করে মৃত্যুবরণ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! যদিও সে চুরি করে? যদিও সে ব্যভিচার করে?! তিনি বললেন: “যদিও সে চুরি করে এবং যদিও সে ব্যভিচার করে।” তিনি কথাটি দুই বা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। অতঃপর বললেন: “যদিও সে চুরি করে এবং যদিও সে ব্যভিচার করে, আর আবু দারদার নাক ধূলিধূসরিত হোক (অর্থাৎ তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও)।”

আদ-দাওসারী বলেন:

(আমি বলছি: এর সনদ সহিহ। হাসান এটি বর্ণনায় একক নন, বরং ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক নাসাঈ (১১২৫) এবং তাবারানির ‘আল-কাবীর’ ও ‘আল-আওসাত’ গ্রন্থে [মাজমাউল বাহরাইন: ১/ খ ৪/ খ - আহমদ আল-সালিদ পাণ্ডুলিপি] তাঁর অনুসরণ করেছেন; তবে তিনি ‘মাজহুল’ (অজ্ঞাতপরিচয়), যেমনটি ইবনুল মাদিনী বলেছেন।) সমাপ্ত।

আমি বলছি: ইবনুল মাদিনীর অনুসরণ করে ‘ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ’ সম্পর্কে আপনার ‘মাজহুল’ বলাটি সঠিক নয়। এর কারণ হলো, ইমাম ইবনুল মাদিনী বলেছিলেন: “মাজহুল, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।” সমাপ্ত।

এটি খণ্ডনযোগ্য, কারণ তাঁর থেকে একদল রাবী বর্ণনা করেছেন যাদের নাম হাফেজ আল-মিযযী ‘তাহযীবুল কামাল’ (২২/ ৬২৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা হলেন: “হাসান ইবনুল হুরর, ইবনে লাহীআহ, উতবাহ ইবনে আবি হাকিম, ফুলাইহ ইবনে সুলাইমান এবং তাঁর ভাই মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক আদ-দার।”

সুতরাং ইবনুল মাদিনী যেমনটি বলেছিলেন, কেবল ইবনে ইসহাকই তাঁর থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক নন।

তা সত্ত্বেও ইবনে হিব্বান তাঁকে ‘আত-থিকাত’ (৭/ ২৩১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং যাহাবী ‘আল-কাশিফ’ (২/ ৩৬৮) গ্রন্থে বলেছেন: “তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে।”

অতএব তাঁর মতো রাবীর হাদিস ‘হাসান’, ইনশাআল্লাহ।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
[5] أخرج الحافظ تمام الرازي (1/ رقم 4/ ص 75) عن نصر بن الحجاج: نا الأوزاعي عن الزهري، نا أنس بن مالك الأنصاري قال: بينا نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطنا ثنية وراءَه (4)، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يسير وحده. . ." إلخ.

قلت: وقع الأستاذ الدوسري في خطئين، أحدهما في ضبطه كلمة وردت في متن الحديث، والآخر في تخريجه للحديث.

أما الأول فهو قوله في الهامش:

[4] في الأصول: "وراء" ولعل ما أثبته هو الصواب أ. هـ.

قلت: الصواب ما جاء في "تاريخ دمشق" (55/ ص 33) لابن عساكر وقد أخرجه من طريق الحافظ تمّام الرازي.

"قال أنس: بينا نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطنا ثَنِيَّةً [وَرَأوا] رسول الله صلى الله عليه وسلم يسير وحده .. " إلخ.

وأما الثاني وهو الخطأ في التخريج فهو قوله:

"ولم ينفرد به نصر، فقد تابعه عند الطبراني في الأوسط (مجمع البحرين: ق 6/ أ) عُقيل -بضم العين- بن خالد وهو ثقة ثبت، لكن الراوي عنه ابن أخيه سلامة بن روح وقد أنكروا سماعه منه، وضعفه أبو زرعة وابن قانع، وقال أبو حاتم: ليس بالقوي.

وقال الطبراني: لم يروه عن الزهري، إلا عقيل، ولا عنه إلا سلامة، تفرد به أبو الطاهر، أ. هـ. كذا قال وفاته متابعة نصر" انتهى.

وهذا وهم وذهول من الأخ الدوسري، فإنه -حفظه الله- يهم في الشيء ثم يوهّم من خالفه من الحفاظ!.
[৫] হাফেজ তাম্মাম আল-রাজি (১/ নং ৪/ পৃ ৭৫) নাসর ইবনুল হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আওজাঈ বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, আমাদের নিকট আনাস ইবনে মালিক আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, আমরা তাঁর পেছনের এক গিরিপথ দিয়ে নিচে নামলাম (৪), আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একা চলছিলেন..." ইত্যাদি।

আমি বলি: উস্তাদ আল-দাওসারি দুটি ভুলের মধ্যে পড়েছেন; একটি হলো হাদিসের মূল পাঠে আসা একটি শব্দের উচ্চারণ (যব্ত) নির্ধারণে, আর অন্যটি হলো হাদিসের তাখরিজ বা উৎস বর্ণনায়।

প্রথমটির ব্যাপারে বলতে গেলে, সেটি হলো পাদটিকায় তাঁর এই উক্তি:

[৪] মূল পাঠগুলোতে আছে: "পিছনে" (ওয়ারাআ) এবং সম্ভবত আমি যা সাব্যস্ত করেছি তাই সঠিক। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

আমি বলি: সঠিক হলো ইবনে আসাকিরের "তারিখু দিমাশক" (৫৫/ পৃ ৩৩)-এ যা এসেছে, আর তিনি তা হাফেজ তাম্মাম আল-রাজির মাধ্যমেই বর্ণনা করেছেন।

"আনাস বলেন: একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, আমরা এক গিরিপথ দিয়ে নিচে নামলাম এবং [তাঁরা দেখলেন] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একা চলছেন..." ইত্যাদি।

আর দ্বিতীয়টি, যা তাখরিজের ভুল, তা হলো তাঁর এই বক্তব্য:

"নাসর এই বর্ণনায় একা নন, কেননা তাবারানির 'আল-আওসাত'-এ (মাজমাউল বাহরাইন: পত্র ৬/ ক) উকাইল —আইন বর্ণে পেশসহ— ইবনে খালিদ তাঁর অনুসরণ করেছেন; আর তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়। তবে তাঁর থেকে বর্ণনাকারী হলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র সালামাহ ইবনে রুহ্, আর মুহাদ্দিসগণ তাঁর থেকে (সালামাহর) শ্রবণকে অস্বীকার করেছেন। আবু জুরআ ও ইবনে কানি' তাঁকে দুর্বল বলেছেন, আর আবু হাতিম বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন।

তাবারানি বলেছেন: যুহরি থেকে এটি উকাইল ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি, আর তাঁর থেকে সালামাহ ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি, আবু তাহির এতে একক হয়ে পড়েছেন। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)। তিনি এমনটিই বলেছেন এবং নাসরের অনুসরণমূলক বর্ণনাটি তাঁর নজর এড়িয়ে গেছে।" সমাপ্ত।

আর এটি ভাই আল-দাওসারির পক্ষ থেকে একটি বিভ্রম ও অসতর্কতা, কেননা তিনি —আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন— কোনো বিষয়ে নিজে ভুল করেন এবং এরপর সেই সব হাফেজদের ভুল সাব্যস্ত করেন যারা তাঁর বিরোধিতা করেন!
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৬)
فإن عقيلًا لم يتابع نصرًا وإنما تابع شيخه وهو الأوزاعي.

قال الطبراني في "المعجم الأوسط" (7/ 269) حدثنا محمد بن رُزَيقْ عن أبي الطاهر عن سلامة عن عقيل عن ابن شهاب الزهري عن أنس بن مالك "الحديث".

ورواية تمام الرازي وابن عساكر عن نصر عن الأوزاعي عن الزهري عن أنس.

فليس هناك أي متابعة لنصر من عقيل بن خالد وإنما تابع شيخه الأوزاعي. فتعقب الأخ الدوسري للطبراني خطأ كما بينته.

لكن يبقى هنالك ملاحظتان على كلام الطبراني.

الأولى: قوله: "لم يروه عن الزهري إلا عقيل".

وهذا متعقَّب بأن الأوزاعي أيضًا رواه عن الزهري كما هي رواية تمام. وكذلك رواه معمر عن الزهري كما أشار إليه الحافظ تمام الرازي أيضًا.

الثانية: قوله: "تفرد به أبو الطاهر".

قلت: بل تابعه محمد بن عزيز قال: ثنا سلامة بن روح بسنده سواء.

أخرجه ابن عدي في "الكامل" (3/ 1161) قال: ثنا النعمان بن هارون قال: ثنا محمد بن عزيز به.

…

[6] وقال الدوسري (1/ ص 79):

"الثالثة: أخرجها البيهقي في "الشعب" (1/ 12) من طريق عبد الله بن محمد بن المسيب البيهقي، عن أبي الصلت ومحمد بن أسلم به. ومحمد هذا ترجم له ابن أبي حاتم في "الجرح" (7/ 201) ونقل توثيقه عن أبيه وأبي زرعة،
কেননা আকিল নাসরকে অনুসরণ করেননি, বরং তিনি তার শায়খ আওযায়ীর অনুসরণ করেছেন।

তাবারানি 'আল-মু'জামুল আওসাত' (৭/ ২৬৯) গ্রন্থে বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে রুজায়িক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহের থেকে, তিনি সালামাহ থেকে, তিনি আকিল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব যুহরি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে "হাদিসটি"।

আর তাম্মাম আর-রাজি এবং ইবনে আসাকিরের বর্ণনা হলো নাসর থেকে, তিনি আওযায়ী থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে।

সুতরাং আকিল ইবনে খালিদ কর্তৃক নাসরের কোনো মুতাবায়াত (সমর্থনমূলক বর্ণনা) নেই, বরং তিনি তার শায়খ আওযায়ীর অনুসরণ করেছেন। ফলে ভাই আদ-দাওসারির তাবারানির ওপর আপত্তিটি ভুল, যেমনটি আমি স্পষ্ট করেছি।

তবে তাবারানির বক্তব্যের ওপর দুটি পর্যবেক্ষণ রয়ে গেছে।

প্রথমটি: তাঁর উক্তি: "যুহরি থেকে আকিল ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।"

এটি খণ্ডনযোগ্য, কারণ আওযায়ীও এটি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন যেমনটি তাম্মামের বর্ণনায় রয়েছে। তেমনিভাবে মা'মারও এটি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি হাফেজ তাম্মাম আর-রাজিও ইঙ্গিত করেছেন।

দ্বিতীয়টি: তাঁর উক্তি: "আবু তাহের এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।"

আমি বলব: বরং মুহাম্মাদ ইবনে আজিজ তাকে সমর্থন করেছেন, তিনি বলেছেন: সালামাহ ইবনে রুহ আমাদের নিকট এটি একই সনদে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আদি এটি 'আল-কামিল' (৩/ ১১৬১) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: নু'মান ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আজিজ এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

...

[৬] এবং আদ-দাওসারি বলেছেন (১/ পৃষ্ঠা ৭৯):

"তৃতীয়ত: ইমাম বায়হাকি এটি 'আশ-শুআব' (১/ ১২) গ্রন্থে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাইয়িব আল-বায়হাকির সূত্রে, আবুস সালত ও মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই মুহাম্মাদের জীবনী ইবনে আবি হাতেম 'আল-জারহ' (৭/ ২০১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর পিতা ও আবু যুরআহ থেকে তাঁর বিশ্বস্ততার (তাওসিক) বিবরণ উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৭)
لكن البلاء من الراوي عنه، فإنني لم أر من ذكره" أ. هـ.

قلت: في كلام الأخ الدوسري بعض الأخطاء:

الأول: أنه نقل الإسناد محرَّفًا من "شعب الإيمان" للبيهقي، والصواب فيه كما في "الشعب" (1/ رقم: 17) من طريق عبد الله بن محمد بن موسى بن كعب، عن أبي محمد الفضل بن محمد بن المسيب البيهقي، عن أبي الصلت ومحمد بن أسلم به.

فهو كما ترى الفضل بن محمد بن المسيب لا عبد الله كما تحرف عنده!

الثانى: بنى على هذا التحريف أنه لم ير من ذكره!

قلت: وقد ترجم له ابن أبي حاتم في "الجرح والتعديل" (7/ 69) والذهبي في "السير" (13/ 317) والميزان (3/ 358) وابن الجوزي في "المنتظم" (12/ 351) والسمعاني في "الأنساب" (7/ 343) وغيرهم.

…

[7] قال الدوسري "1/ ص 82":

"الحسن بن بشر بن القاسم لم أر من ترجمه".

قلت: هو الحسن بن بشر بن القاسم أبو عليّ السُّلمي النيسابوري الفقيه قاضي نيسابور ومفتى أهل الرأي ببلده.

روى عن ابن عيينة، ووكيع، وأبي معاوية وغيرهم.

له ترجمة في "تهذيب التهذيب" (2/ 224).

وترجمه الذهبي في "تاريخ الإسلام" (حوادث 241 - 250) (ص 221).

…

[8] قال الدوسري: (1/ ص 99):
কিন্তু সমস্যাটি তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে, কেননা আমি এমন কাউকে দেখিনি যিনি তাঁকে উল্লেখ করেছেন।" সমাপ্ত।

আমি বলছি: ভাই আল-দাওসারীর বক্তব্যে কিছু ভুল রয়েছে:

প্রথমত: তিনি বাইহাক্বীর "শুআবুল ঈমান" থেকে সনদটি বিকৃতভাবে উদ্ধৃত করেছেন, অথচ এতে সঠিকটি হলো যেমনটি "শুআব" (১/ নং: ১৭)-এ রয়েছে—আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন মূসা ইবন কাব-এর সূত্রে, তিনি আবু মুহাম্মাদ আল-ফাদল ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল-মুসাইয়িব আল-বাইহাক্বী থেকে, তিনি আবুস সালত এবং মুহাম্মাদ ইবন আসলাম থেকে এর মাধ্যমে।

সুতরাং আপনি যেমনটি দেখতে পাচ্ছেন, তিনি আল-ফাদল ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল-মুসাইয়িব, আবদুল্লাহ নন—যেমনটি তাঁর কাছে বিকৃত হয়েছে!

দ্বিতীয়ত: তিনি এই বিকৃতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তিনি এমন কাউকে দেখেননি যিনি তাঁকে উল্লেখ করেছেন!

আমি বলছি: অথচ ইবন আবি হাতিম "আল-জারহ ওয়াত তাদীল" (৭/ ৬৯)-এ, আয-যাহাবী "আল-সিয়ার" (১৩/ ৩১৭) ও "আল-মিযান" (৩/ ৩৫৮)-এ, ইবনুল জাওযী "আল-মুনতাযাম" (১২/ ৩৫১)-এ এবং আল-সামআনী "আল-আনসাব" (৭/ ৩৪৩)-এ এবং অন্যান্যরা তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।

…

[৭] আল-দাওসারী বলেছেন (১/ পৃ ৮২):

"আল-হাসান ইবন বিশর ইবন আল-কাসিম; আমি এমন কাউকে দেখিনি যিনি তাঁর জীবনী লিখেছেন।"

আমি বলছি: তিনি হলেন আল-হাসান ইবন বিশর ইবন আল-কাসিম আবু আলী আস-সুলামী আন-নিসাবুরী, ফকীহ, নিশাপুরের কাজী এবং তাঁর শহরের আহলুর রা’য়-এর মুফতী।

তিনি ইবন উয়াইনা, ওয়াকী এবং আবু মুআবিয়া ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

"তহযীবুত তহযীব" (২/ ২২৪)-এ তাঁর জীবনী রয়েছে।

এবং আয-যাহাবী "তারিখুল ইসলাম" (ঘটনাপ্রবাহ ২৪১ - ২৫০) (পৃ ২২১)-এ তাঁর জীবনী আলোচনা করেছেন।

…

[৮] আল-দাওসারী বলেছেন: (১/ পৃ ৯৯):
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৮)
"وعبد الباري لم أقف على ترجمته".

قلت: هو عبد الباري بن عبد الملك بن عبد العزيز أبو عبد العبسي الجِسْريني.

ترجمه الحافظ ابن عساكر في "تاريخ دمشق" (34/ 11) ولم يذكر فيه جرحًا ولا تعديلًا.

…

[9] قال الدوسري (1/ ص 109):

"قال أبو يحيى: سمعت من ابن بكار وأنا ابن أربع عشرة سنة، وبكار يومئذ من أبناء خمس وتسعين سنة" أ. هـ.

قلت: الصواب في هذه العبارة كما في نسخة الظاهرية (ج 2/ ق 5/ ب) ونسخة تشستربتي (ق 10/ ب).

"قال أبو يحيى: سمعت -وفي الظاهرية: [سمعته]- من بكّار .. " إلخ. وليس فيه "ابن بكار" ولا أدرى من أين جاء به؟!

…

[10] قال تمام (1/ رقم: 58 - ص 116 - 117):

"أخبرنا أبو القاسم خالد بن محمد بن خالد بن يحيى بن محمد بن يحيى بن حمزة الحضرمي قال: نا جدي لأمي: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن يحيى بن حمزة: نا عمرو بن هاشم: نا ابن لهيعة: نا أبو عشانة.

عن عقبة بن عامر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إنَّ اللَّهَ لَيعجبُ مِنَ الشابِّ الذي ليست له صَبْوة".

قال الدوسري

أخرجه أحمد (4/ 151) وابن أبي عاصم في "السنة" (571) وأبو يعلى في
"এবং আব্দুল বারী সম্পর্কে আমি কোনো জীবনীমূলক তথ্য অবগত হতে পারিনি।"

আমি বলছি: তিনি হলেন আব্দুল বারী বিন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ আবু আব্দুল আল-আবসি আল-জিসরিনি।

হাফেজ ইবনে আসাকির 'তারিখে দিমাশক' (৩৪/ ১১) গ্রন্থে তার জীবনী আলোচনা করেছেন এবং তিনি সেখানে তার সম্পর্কে কোনো জারহ (সমালোচনা) বা তাদিল (প্রশংসা) উল্লেখ করেননি।

…

[৯] আদ-দাওসারী (১/ পৃষ্ঠা ১০৯) বলেছেন:

"আবু ইয়াহইয়া বলেছেন: আমি ইবনে বাক্কারের নিকট থেকে শুনেছি যখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর, আর বাক্কার সেদিন পঁচানব্বই বছর বয়সের ছিলেন।" সমাপ্ত।

আমি বলছি: এই পাঠ্যের সঠিক রূপটি হলো যা যাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি (খণ্ড ২/ পৃষ্ঠা ৫/ খ) এবং চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপিতে (পৃষ্ঠা ১০/ খ) বিদ্যমান।

"আবু ইয়াহইয়া বলেছেন: আমি শুনেছি -এবং যাহিরিয়া পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: [আমি তাঁকে শুনেছি]- বাক্কার থেকে..." ইত্যাদি। সেখানে "ইবনে বাক্কার" কথাটি নেই এবং আমি জানি না তিনি এটি কোথা থেকে নিয়ে আসলেন?!

…

[১০] তাম্মাম (১/ নং: ৫৮ - পৃষ্ঠা ১১৬ - ১১৭) বলেছেন:

"আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন হামজাহ আল-হাদরামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার মাতামহ আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন হামজাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন হাশিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিআহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আশানাহ।

উকবাহ বিন আমির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই যুবকের প্রতি আশ্চর্য হন যার কোনো (বিপথগামী) যৌবনসুলভ চপলতা নেই।"

আদ-দাওসারী বলেছেন

এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ (৪/ ১৫১), ইবনে আবি আসিম 'আস-সুন্নাহ' (৫৭১) গ্রন্থে এবং আবু ইয়ালা...
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ২৯)
"مسنده" (رقم: 1749) والطبراني في الكبير (7/ 309 - رقم 853) والبيهقي في "الأسماء والصفات" (ص 600) من طرق عن ابن لهيعة، وإسناده ضعيف لاختلاط ابن لهيعة وضعف حفظه" انتهى.

قلت: أما حديث عقبة بن عامر فهو صحيح لاشك في ذلك، وتضعيف الأخ الدوسري للحديث خطأ منه، وذلك أن الإمام عبد الله بن وهب رواه عن ابن لهيعة، عن أبي عشانة، عن عقبة مرفوعًا.

أخرجه الروياني في "مسنده" (1/ 277).

وإسناده صحيح، ورواية العبادلة عن ابن لهيعة قبل اختلاطه وهي مستقيمة. وقد أخرجه الروياني (1/ 222) عن ابن وهب عن ابن لهيعة عن مشرح عن عقبة مرفوعًا.

فجعل مشرح مكان أبي عشّانة.

قال الشيخ الألباني رحمه الله في "الصحيحة" (6/ 2843):

"ثم إن كلًا من مشرح بن هاعان أو أبي عُشّانة -واسمه حيّ بن يومن- صالح الحديث، فلا يضره أنه مرة جاء عن هذا، ومرة عن هذا، لأنه انتقال من ثقة إلى ثقة، والثاني أوثق من الأول، ولعل كونه الثاني أرجح لرواية سعيد بن شرحبيل عن ابن لهيعة عنه، فإن ابن شرحبيل هذا صدوق من رجال البخاري.

ويؤيده رواية قتيبة بن سعيد: ثنا ابن لهيعة عن أبي عشانة به.

أخرجه أحمد (4/ 151) بلفظ:

"إن الله ليعجب. . ."

وكذلك رواه الطبراني في "الكبير" (17/ 309/ 853) من طريقين عن ابن لهيعة، أحدهما عن قتيبة، وكذلك رواه كامل: حدثنا ابن لهيعة: حدثنا أبو
তাঁর "মুসনাদ" (নং: ১৭৪৯), তাবারানি তাঁর "আল-কাবীর" (৭/ ৩০৯ - নং ৮৫৩) গ্রন্থে এবং বায়হাকি তাঁর "আল-আসমা ওয়া আস-সিফাত" (পৃ. ৬০০) গ্রন্থে ইবনে লাহিয়াহ থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে লাহিয়াহ-এর স্মৃতিভ্রম এবং তার মুখস্থ শক্তির দুর্বলতার কারণে এর সনদটি দুর্বল।" - সমাপ্ত।

আমি বলি: উকবাহ বিন আমির বর্ণিত হাদিসটি সহিহ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভাই আদ-দাওসারির এই হাদিসটিকে দুর্বল বলাটা তার ভুল। কেননা ইমাম আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহব এটি ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি আবু আশানাহ থেকে এবং তিনি উকবাহ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এটি আর-রুয়ানি তাঁর "মুসনাদ" (১/ ২৭৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

এর সনদটি সহিহ। 'আবাদিলাহ'-গণ (আব্দুল্লাহ নামধারী রাবীগণ) ইবনে লাহিয়াহ থেকে তাঁর স্মৃতিভ্রমের আগে বর্ণনা করেছেন, যা সঠিক। আর-রুয়ানি (১/ ২২২) এটি ইবনে ওয়াহব থেকে, তিনি ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি মিশরাহ থেকে এবং তিনি উকবাহ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এখানে তিনি আবু আশানাহ-এর স্থলে মিশরাহ-কে উল্লেখ করেছেন।

শায়খ আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) "আস-সহিহাহ" (৬/ ২৮৪৩) গ্রন্থে বলেছেন:

"অতঃপর মিশরাহ বিন হা'আন কিংবা আবু আশানাহ (যার নাম হাইয়্য বিন ইউমিন)—তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদিসই গ্রহণযোগ্য। সুতরাং এটি একবার একজনের সূত্রে এবং অন্যবার অন্যজনের সূত্রে বর্ণিত হওয়া কোনো ক্ষতির কারণ নয়; কারণ এটি একজন বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী থেকে আরেকজন বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীর দিকে স্থানান্তরিত হয়েছে। আর দ্বিতীয়জন প্রথমজনের চেয়ে বেশি বিশ্বস্ত। সম্ভবত দ্বিতীয় বর্ণনাটিই অধিক অগ্রগণ্য, কারণ সাঈদ বিন শারহাবিল এটি ইবনে লাহিয়াহ-এর মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই ইবনে শারহাবিল হলেন একজন সত্যবাদী রাবী এবং ইমাম বুখারীর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

কুতাইবাহ বিন সাঈদের বর্ণনাটিও একে সমর্থন করে: ইবনে লাহিয়াহ আমাদের কাছে আবু আশানাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এটি আহমদ (৪/ ১৫১) এই শব্দে বর্ণনা করেছেন:

"নিশ্চয়ই আল্লাহ আশ্চর্য হন. . ."

একইভাবে তাবারানি "আল-কাবীর" (১৭/ ৩০৯/ ৮৫৩) গ্রন্থে ইবনে লাহিয়াহ থেকে দুটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, যার একটি কুতাইবাহ থেকে। একইভাবে কামিল এটি বর্ণনা করেছেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু...
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৩০)
عشانة به.

أخرجه أبو يعلى في "مسنده" (1749).

وقال ابن أبي عاصم في "السنة" (1/ 250/ 571 - الظلال): ثنا هشام بن عمار قال: كتب إلينا ابن لهيعة به.

وكذلك رواه رشدين بن سعد قال: حدثني عمرو بن الحارث عن أبي عشانة به.

أخرجه ابن المبارك في "الزهد" (349).

والحديث قال الهيثمي في "المجمع" (10/ 270):

"رواه أحمد وأبو يعلى والطبراني، وإسناده حسن".

ولكلام الشيخ الألباني رحمه الله تتمة فمن أراد الاستزادة فليراجعه.

وهذا الحديث من جملة الأحاديث التي ضعفها الشيخ الألباني (1) وبقي على تضعيفه برهة من الزمن وقلده كثير من المحققين "! " وها هو شيخنا قد تراجع فصحّحه فلعلّهم يتراجعون.

--------------------------------------------

(1) كما في "ظلال الجنة" (رقم: 571).
আবু উশানা থেকে এই সনদে।

আবু ইয়ালা তাঁর "মুসনাদ" (১৭৪৯)-এ এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে আবি আসিম "আস-সুন্নাহ" (১/ ২৫০/ ৫৭১ - আয-যিলাল) গ্রন্থে বলেছেন: হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমাদের নিকট এটি লিখে পাঠিয়েছেন।

তেমনিভাবে রিশদিন ইবনে সাদ এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল হারিস আমার নিকট আবু উশানা থেকে এই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল মুবারক "আয-জুহদ" (৩৪৯)-এ এটি বর্ণনা করেছেন।

হাদীসটি সম্পর্কে হাইসামি "আল-মাজমা" (১০/ ২৭০)-তে বলেছেন:

"আহমাদ, আবু ইয়ালা এবং তাবারানি এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ হাসান।"

শাইখ আলবানি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যের অবশিষ্টাংশ রয়েছে, সুতরাং যে ব্যক্তি আরও বিস্তারিত জানতে চায় সে যেন তা দেখে নেয়।

এই হাদীসটি সেই সব হাদীসের অন্তর্ভুক্ত যেগুলোকে শাইখ আলবানি (১) দুর্বল সাব্যস্ত করেছিলেন এবং দীর্ঘ সময় তিনি একে দুর্বল বলার ওপর অটল ছিলেন এবং অনেক মুহাক্কিক (গবেষক) এ বিষয়ে তাঁকে অনুকরণ করেছিলেন! এখন আমাদের শাইখ নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে একে সহিহ (সঠিক) সাব্যস্ত করেছেন, সুতরাং আশা করা যায় তারাও ফিরে আসবেন।

--------------------------------------------

(১) যেমনটি "যিলালুল জান্নাহ" (নম্বর: ৫৭১)-তে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌[كتاب العلم]

[11] قال تمام (1/ رقم: 66/ ص 128):

"حدثنا أبو الحارث أحمد بن محمد بن أبي الخطاب الليثي: نا إسحاق بن إبراهيم -يعرف بـ "جيش الفرغاني"-: نا عبد الرحمن بن محمد بن سلام: نا إسماعيل بن يحيى بن عبيد الله أبو علي التيمي: نا فطر بن خليفة عن أبي الطفيل.

عن علي قال: قال رسول صلى الله عليه وسلم "ما انتعل أحد قط ولا تَخَفَّفَ، ولا لَبِسَ ثوبًا ليغدوَ في طلبِ علمٍ يتعلَّمُه إلا غفر اللهُ عز وجل له حيثُ يخطو عَتَبَة باب بيته".

قال الدوسري:

"رواه الطبراني في "الأوسط" (مجمع البحرين: ق 22/ ب) وابن عدي في "الكامل" (1/ 302) من طريق عبد الرحمن بن محمد به. وقال الطبراني: "لا يُروى عن علي إلا بهذا الإسناد، تفرد به إسماعيل".

وقال ابن عدي: "وهذا الحديث، وحديث: (من الصلاة إلى الصلاة كفارة ما بينهما من الذنوب) عن فطر بإسناديهما باطلان، ليس يرويهما عن فطر غير إسماعيل".

قلت: إسماعيل متفق على تكذيبه، كذّبه الأزدي وأبو علي النيسابوري والدارقطني والحاكم، واتهمه بالوضع صالح جزرة وابن حبان. (اللسان: 1/ 442) فالحديث موضوع." انتهى

قلت: لم يتفرد به إسماعيل كما نقله الدوسري عن الطبراني وابن عدي
‌[ইলম অধ্যায়]

[১১] তাম্মাম রহ. বলেছেন (১/ নং: ৬৬/ পৃ. ১২৮):

"আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হারিস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল খাত্তাব আল-লাইসি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইবরাহিম—যিনি 'জাইশ আল-ফারগানি' নামে পরিচিত—: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালাম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উবায়দুল্লাহ আবু আলি আত-তাইমি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিতর ইবনে খলিফা, আবু তুফাইল থেকে।

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তি যখনই ইলম অর্জনের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার জন্য জুতো পরে, বা মোজা পরে, অথবা পোশাক পরিধান করে, তখন সে তার ঘরের চৌকাঠ অতিক্রম করার সাথে সাথেই মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।'

আদ-দাওসারি রহ. বলেছেন:

'এটি তাবারানি "আল-আওসাত" (মাজমাউল বাহরাইন: ক ২২/ ব) গ্রন্থে এবং ইবনে আদি "আল-কামিল" (১/ ৩০২) গ্রন্থে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাবারানি বলেছেন: আলী থেকে কেবল এই সনদেই হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে, ইসমাইল এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।'

ইবনে আদি বলেছেন: 'এই হাদিসটি এবং (এক সালাত থেকে অন্য সালাত পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের কাফফারা) হাদিসটি—উভয়টি ফিতর-এর সূত্রে বর্ণনা করা হয়েছে এবং সনদ দু'টি বাতিল। ইসমাইল ছাড়া অন্য কেউ ফিতর থেকে এই হাদিসগুলো বর্ণনা করেনি।'

আমি বলছি: ইসমাইলকে মিথ্যাবাদী বলার বিষয়ে সকলে একমত; আল-আজদি, আবু আলি আন-নাইসাবুরি, আদ-দারা কুতনি এবং আল-হাকিম তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। সালেহ জাজারা এবং ইবনে হিব্বান তাকে হাদিস জাল করার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। (আল-লিসান: ১/ ৪৪২)। সুতরাং হাদিসটি বানোয়াট (মাওজু)।' সমাপ্ত

আমি বলছি: ইসমাইল এটি বর্ণনায় একক নন, যেমনটি দাওসারি তাবারানি এবং ইবনে আদি থেকে উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল ইলামু বিনাক্বদি কিতাবির রওদিল বাসসাম (পৃষ্ঠা: ৩২)
ووافقهما! وإنما تابعه عبد الرحمن بن محمد بن زياد المحاربي قال: ثنا فطر بن خليفة به.

أخرجه عفيف الدين في "فضل العلم" (122/ 2) -كما في "الضعيفة" (2676) للشيخ الألباني ولكن الشيخ رحمه الله لم يذكر إسناد عفيف الدين كاملًا إلى المحاربي، ولا أظنه يصح إليه، والله أعلم.

…

[12] أخرج الرازي (1/ رقم: 72 - 73/ ص 132 - 133) بإسناده إلى أنس بن مالك مرفوعًا: "طلب العلم فريضة على كل مسلم".

قال الدوسري:

"وأخرجه ابن شاهين في الأفراد وابن شمعون -كما في المقاصد (ص 275) - ومن طريقهما ابن الجوزي في الواهيات (63) من طريق موسى بن داود عن حماد بن سلمة عن قتادة عن أنس.

قال ابن الجوزي: "موسى بن داود مجهول". أما السخاوي فقال: "رجاله ثقات". أهـ.

قلت: أما قول ابن الجوزي: "موسى بن داود مجهول" فهو زلة منه عفا الله عنه، وإنما هو ثقة من رجال مسلم.

وقول السخاوي هو الصواب، وصنيع الأخ الدوسري يوحي بخلاف ذلك. لكن يبقى في الإسناد قتادة وهو وإن كان ثقة إلا أنه مدلس وقد عنعن ولم ينبّه على ذلك الأستاذ غفر الله له.

…

[13] وقال الدوسري (1/ 134) في التعليق على الحديث السابق.
এবং তিনি তাদের সাথে একমত পোষণ করেছেন! বরং তাকে অনুসরণ করেছেন আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ আল-মুহারিবি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিতর ইবন খলিফা এই সূত্রে।

আফিফ উদ্দিন এটি "ফাদলুল ইলম" (১২২/ ২) গ্রন্থে সংকলন করেছেন—যেমনটি শাইখ আলবানীর "আদ-দঈফাহ" (২৬৭৬)-তে রয়েছে; কিন্তু শাইখ (রহিমাহুল্লাহ) আল-মুহারিবি পর্যন্ত আফিফ উদ্দিনের পূর্ণ সনদ উল্লেখ করেননি এবং আমি মনে করি না যে এটি তার পর্যন্ত সহীহ হবে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

…

[১২] আর-রাজি (১/ নং: ৭২ - ৭৩/ পৃ. ১৩২ - ১৩৩) স্বীয় সনদে আনাস ইবন মালিক হতে মারফু' সূত্রে বর্ণনা করেছেন: "ইলম অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ।"

আদ-দাওসারি বলেন:

"এবং এটি ইবন শাহীন 'আল-আফরাদ'-এ এবং ইবন শামউন বর্ণনা করেছেন—যেমনটি 'আল-মাকাসিদ' (পৃ. ২৭৫)-এ রয়েছে—এবং তাদের সূত্রে ইবনুল জাওজি 'আল-ওয়াহিয়াত' (৬৩)-এ বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন দাউদ হতে, তিনি হাম্মাদ ইবন সালামাহ হতে, তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি আনাস হতে।

ইবনুল জাওজি বলেন: "মুসা ইবন দাউদ মাজহুল (অপরিচিত রাবী)।" পক্ষান্তরে সাখাভি বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত (সিকাহ)।" উদ্ধৃতি সমাপ্ত।

আমি বলছি: ইবনুল জাওজির কথা: "মুসা ইবন দাউদ মাজহুল" এটি তার একটি বিচ্যুতি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন; বরং তিনি ইমাম মুসলিমের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত একজন বিশ্বস্ত (সিকাহ) রাবী।

আর সাখাভির বক্তব্যই সঠিক, আর ভাই আদ-দাওসারির কর্মপদ্ধতি এর বিপরীত ইঙ্গিত দেয়। তবে সনদে কাতাদাহ রয়ে গেছেন, তিনি যদিও বিশ্বস্ত তবুও তিনি একজন মুদাল্লিস এবং তিনি এখানে 'আন' (عنعن) শব্দযোগে বর্ণনা করেছেন, অথচ উস্তাদ সেদিকে লক্ষ্য করেননি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।

…

[১৩] এবং আদ-দাওসারি (১/ ১৩৪) পূর্ববর্তী হাদিসের ওপর টীকায় বলেছেন।