(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: -)
المعجم الكبير للطبراني من جـ 21 القسم: كتب السنة
الكتاب: المُعْجَمُ الكَبِير للطبراني قِطْعَةٌ مِنَ المُجَلَّدِ الحَادِي والعِشْرِينَ (يَتَضَمَّنُ جُزْءًا مِنْ مُسْنَدِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ)
المؤلف: سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي، أبو القاسم الطبراني (ت 360هـ)
تحقيق: فريق من الباحثين بإشراف وعناية: د/ سعد بن عبد الله الحميد و د/ خالد بن عبد الرحمن الجريسي
الطبعة: الأولى: 1427هـ - 2006 م
عدد الأجزاء: 1 (قطعة من جـ 21 من المعجم الكبير)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তবারানির আল-মু'জামুল কাবীর, খণ্ড ২১ থেকে বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: তবারানির আল-মু'জামুল কাবীর, একুশতম খণ্ডের একটি অংশ (নুমান ইবনে বাশিরের মুসনাদের একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত)
লেখক: সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব বিন মুতায়ের আল-লাখমি আশ-শামি, আবুল কাসিম আত-তবারানি (মৃত্যু: ৩৬০ হিজরি)
তাহকিক: গবেষক দলের তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায়: ড/ সাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুমায়েদ এবং ড/ খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরায়সি
সংস্করণ: প্রথম: ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১ (আল-মু'জামুল কাবীরের ২১তম খণ্ডের একটি অংশ)
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١)
المُعْجَمُ الكَبِير
للحافظ أبي القاسم سُلَيْمان بن أحمد الطَّبَرَاني
(260- 360هـ)
قِطْعَةٌ مِنَ المُجَلَّدِ الحَادِي والعِشْرِينَ (يَتَضَمَّنُ جُزْءًا مِنْ مُسْنَدِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ)
تحقيق
فريق من الباحثين
بإشراف وعناية
د/ سعد بن عبد الله الحميد
ود/ خالد بن عبد الرحمن الجريسي
আল-মু'জামুল কাবীর
হাফেজ আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি প্রণীত
(২৬০- ৩৬০ হিজরি)
একবিংশ খণ্ডের একটি অংশ (নুমান ইবনে বাশীরের মুসনাদের একটি অংশ সম্বলিত)
সম্পাদনা
একদল গবেষক
তত্ত্বাবধান ও যত্নে
ড. সাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুমাইদ
এবং ড. খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরায়সী
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
مُقَدِّمَةُ التَّحْقِيقِالحمدُ لِلَّهِ وكَفَى، وصَلَوَاتُ اللهِ وسَلَامُهُ على عَبْدِهِ المصْطَفَى، نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وعَلَى آلِهِ وصَحْبِهِ أَهْلِ الْوَفَى، وسَلَّمَ تسليمًا كثيرًا.
أمَّا بعدُ:
فإنَّ كِتَابَ "الْمُعْجَمِ الْكَبِيرِ" للإمامِ أبي القاسمِ سُلَيْمَانَ بنِ أحمدَ الطَّبَرَانِيِّ (ت360هـ) مِنْ أُمَّهاتِ الكُتُبِ الحديثيَّةِ الْمَشْهُورة، وقَدْ كان حَقَّقَهُ وأخرَجَ ما وَقَفَ عليه مِنْ أُصُولِهِ الخَطِّيَّةِ الشيخُ حَمْدِي بن عبد الْمَجِيد السَّلَفِيُّ- حفظه الله- وبَقِيَ في الكتابِ نَقْصٌ لم يَقِفِ الشيخُ على أُصُولِهِ مع كَثْرَةِ البحثِ وطُولِ التَّفْتِيش، وطُبِعَ أولَ مَرَّةٍ مِنْ زُهاءِ ثلاثينَ سنةً؛ في خَمْسَةٍ وعشرين مُجَلَّدًا، مَعَ نَقْصِ المجلَّداتِ ذاتِ الأرقامِ: (13 و14 و15 و16 و21) ، ثم عَثَرَ الشيخُ بعد ذلك على قِطْعةٍ مِنَ المجلَّدِ الثالثَ عَشَرَ؛ فأخْرَجَهَا اعتمادًا على نسختَيْنِ يُكَمِّلُ كُلٌّ منهما نَقْصَ الأخرى.
وقد أَتْحَفَنَا الشيخُ- وفَّقه اللهُ- بقطعةٍ مَخْطُوطَةٍ مِنَ المجلَّدِ الحادي والعشرين، وَقَفَ عليها بِأَخَرَةٍ؛ تَتضَمَّنُ هذه القِطْعَةُ جُزْءًا من مسندِ النُّعْمَان بن بَشِير رضي الله عنه، وهي التي نَضَعُهَا بين يَدَيْكَ- أخي القارئَ- بَعْدَ أنْ قُمْنَا بِتَحْقِيقِهَا عَلَى وجهٍ نرجو أنْ يكونَ أقرَبَ إلى مُرَادِ مؤلِّفه رحمه الله.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সম্পাদনার ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর মনোনীত বান্দা, আমাদের নবি মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও বিশ্বস্ত সাথীদের উপর। আর বর্ষিত হোক অবারিত শান্তি।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইমাম আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ তাবারানি (ওফাত: ৩৬০ হিজরি) রচিত "আল-মু'জাম আল-কাবির" গ্রন্থটি হাদিসের প্রসিদ্ধ মৌলিক গ্রন্থগুলোর অন্যতম। শাইখ হামদি বিন আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি—আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন—তার প্রাপ্ত পাণ্ডুলিপিগুলোর উপর ভিত্তি করে এটি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন। তবে প্রচুর অনুসন্ধান ও দীর্ঘ তল্লাশি সত্ত্বেও শাইখ এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলো না পাওয়ায় গ্রন্থটিতে কিছু অপূর্ণতা থেকে গিয়েছিল। এটি প্রথমবার প্রায় ৩০ বছর আগে ২৫ খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছিল, যেখানে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ এবং ২১ নম্বর খণ্ডগুলো নিখোঁজ ছিল। এরপর শাইখ ১৩তম খণ্ডের একটি অংশ খুঁজে পান; অতঃপর তিনি দুটি পাণ্ডুলিপির উপর নির্ভর করে এটি প্রকাশ করেন, যার একটি অপরটির অভাব পূরণ করে।
শাইখ—আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন—সম্প্রতি ২১তম খণ্ডের একটি পাণ্ডুলিপির অংশ বিশেষ আমাদের উপহার দিয়েছেন। এই অংশটিতে নুমান বিন বাশির (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদের একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হে পাঠক ভাই! এটিই সেই অংশ যা আমরা আপনার সামনে উপস্থাপন করছি, এটি এমনভাবে সম্পাদনা করার পর যা লেখকের—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—উদ্দেশ্যের নিকটতর হবে বলে আমরা আশা করি।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٦)
وقد اعتمَدْنَا في إخراجِ هذه القِطْعَةِ على نُسْخَةٍ واحدة، وهذا وصفُهَا:
تقعُ هذه القطعةُ ضِمْنَ مجلَّدٍ مِنْ محفوظاتِ المكتبة الوَطَنيَّة في باريس بِرَقْم (2011) ، وجاء على صفحةِ غِلَافِهِ ما نَصُّهُ: «الجُزْءُ الرابعُ مِنْ كتابِ الْمُعْجَمِ الكَبِيرِ، تأليف الإمام الحافظ أبي القاسم سُلَيْمان بن أحمد بن أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيّ رحمه الله» ، وعليه وَقْفٌ وتَمَلُّكٌ، ولكنْ ضُرِبَ عليه كما يَتَّضِحُ مِنْ مُصَوَّرَتِهِ
(1) .
ويَبْدَأُ هذا المجلَّدُ بالقطعةِ التي نَشَرَهَا الشيخُ حَمْدِي السَّلَفِيّ من الجُزْءِ الثالثَ عَشَرَ من "المعجم الكبير"، وهي مِنْ مُسْنَدِ عبد الله بن عَمْرِو بن العاص رضي الله عنهما، ثم مُسْنَدِ عبد الله بن جَعْفَر بن أبي طالب رضي الله عنهما، ثم قطعةٍ مِنْ مُسْنَدِ عبد الله بن الزُّبَيْر بن العَوَّامِ رضي الله عنهما، ثم يَنْخَرِمُ باقي مسندِهِ مِنْ هذه النُّسْخة، مع ما بعده، بما فيه أَوَّلُ مُسْنَدِِ النُّعْمَانِ بنِ بَشِيرٍ رضي الله عنهما، ثم يَبْدَأُ مُسْنَدُ النُّعْمَانِ فيها بحديثٍ ذَهَبَ سَنَدُهُ، وبقي مَتْنُهُ- وهو الحديثُ الأوَّلُ من هذه القِطْعة التي نَنْشُرُهَا- ثم يتلوه باقي مُسْنَدِ النُّعْمَانِ إلى نهايتِهِ، حيثُ يَبْدَأُ بعده مُسْنَدُ وائلِ بنِ حُجْرٍ رضي الله عنه وهو بدايةُ الجزءِ الثاني والعِشْرِين مِنْ نَشْرةِ الشيخِ حمدي السلفي- ثم يتلوه باقي الكتابِ إلى خاتمتِهِ.
ويقعُ هذا المجلَّد في (337) ورقةً، في كُلِّ ورقةٍ صفحتان، وفي
--------------------------------------------
আমরা এই অংশটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে একটিমাত্র পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, যার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
এই অংশটি প্যারিসের ন্যাশনাল লাইব্রেরির সংরক্ষিত সংগ্রহশালার (২০১১) নম্বরভুক্ত একটি খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। এর প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় যা লিখিত আছে তা হলো: "ইমাম হাফেজ আবুল কাসিম সুলায়মান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব তাবারানী রাহিমাহুল্লাহ প্রণীত কিতাবুল মু'জামুল কাবীরের চতুর্থ খণ্ড"। এর ওপর ওয়াকফ ও মালিকানার বিবরণ ছিল, কিন্তু তা কেটে দেওয়া হয়েছে, যা এর আলোকচিত্র থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়
(১)।
এই খণ্ডটি সেই অংশ দিয়ে শুরু হয়েছে যা শেখ হামদি আস-সালাফি 'মু'জামুল কাবীর'-এর ত্রয়োদশ খণ্ড থেকে প্রকাশ করেছেন, যা আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মুসনাদ থেকে সংগৃহীত। এরপর আব্দুল্লাহ ইবন জাফর ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মুসনাদ, এরপর আব্দুল্লাহ ইবনুন জুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মুসনাদের একটি অংশ। এরপর এই পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর অবশিষ্ট মুসনাদ এবং এর পরবর্তী অংশগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, যার মধ্যে নু'মান ইবন বশির রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মুসনাদের শুরুর অংশও রয়েছে। এরপর এতে নু'মান (রা.)-এর মুসনাদ এমন একটি হাদিস দিয়ে শুরু হয়েছে যার সনদ বা সূত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু এর মতন বা মূল পাঠটি রয়ে গেছে—আর এটিই হলো আমাদের প্রকাশিত এই অংশের প্রথম হাদিস। এরপর নু'মান (রা.)-এর অবশিষ্ট মুসনাদ তার শেষ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে, যার পর শুরু হয়েছে ওয়াইল ইবন হুজর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মুসনাদ; যা শেখ হামদি আস-সালাফি প্রকাশিত সংস্করণের ২২তম খণ্ডের শুরু। এরপর কিতাবটির বাকি অংশ তার সমাপ্তি পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে।
এই খণ্ডটি (৩৩৭) পত্রে বিন্যস্ত, যার প্রতি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে এবং...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٧)
الصفحةِ (29) سطرًا، وهو بخطٍّ نَسْخِيٍّ جيِّدٍ مقروء، وناسخُهُ هو أبو بكرِ بنُ عليٍّ الأنصاريُّ البَهْنَسِيُّ الشافعيُّ، وقد فَرَغَ مِنْ نسخه في يومِ الإثنين الرابعَ عَشَرَ من المحرَّم، سنةَ ثمانٍ وعشرين وسبعِ مِئَةٍ؛ فقد جاء في آخرِهِ ما نصُّه: «واللهُ أعلمُ، وصلَّى اللهُ على سيِّدنا محمَّد، وآلِهِ وصَحْبِهِ وسلَّم. آخِرُ كتابِ "الْمُعْجَمِ" للطبراني رحمه الله، نَسَخَهُ مِنْ أولِهِ إلى آخِرِهِ في ستةِ أجزاء: العبدُ الفقيرُ إلى اللهِ تعالى، أبو بكرِ بنُ علي الأنصاري البَهْنَسِيّ الشافعيّ عفا الله عنه، وغفَرَ له ولوالدَيْهِ ولذُرِّيَّتِهِ ولجميعِ المسلمين، ووافَقَ فراغُهُ مِنْ تكملته صبيحةَ الإثنين رابعَ عَشَرَ شهرِ اللهِ المحرَّمِ، غُرَّةَ عامِ ثمانٍ وعشرين وسبعِ مِئَةٍ» .
وفي آخر المجلَّد سماعاتٌ لَحِقَهَا التَّلَفُ، وبقي جزءٌ منها.
ويَقَعُ مُسْنَدُ النُّعْمان في (17) ورقةً مِنْ هذا المجلَّد، بَدْءًا بِالوَجْهِ الثاني مِنَ الوَرَقَةِ رَقْم (20) ، حتى الوَجْهِ الأوَّلِ مِنَ الورقةِ رَقْم (36) ، لكنَّه لم يَأْخُذْ مِنْ هذا الوَجْهِ سِوَى خمسةِ أسطُرٍ فقطْ.
প্রতিটি পৃষ্ঠায় (২৯)টি করে লাইন রয়েছে। এটি সুন্দর ও সুপাঠ্য নাসখ্ লিপিতে লিখিত। এর অনুলিপিকারক হলেন আবু বকর বিন আলি আল-আনসারি আল-বাহনাসি আশ-শাফিঈ। তিনি এর অনুলিপি সম্পন্ন করেন সাতশ আটাশ হিজরি সনের মহররম মাসের চৌদ্দ তারিখ সোমবার। এর শেষে যা বর্ণিত হয়েছে তার পাঠ হলো: "আল্লাহ সর্বজ্ঞ। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবিগণের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। ইমাম তাবারানি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর 'আল-মু'জাম' গ্রন্থের সমাপ্তি। এটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছয় খণ্ডে অনুলিপি করেছেন মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা আবু বকর বিন আলি আনসারি আল-বাহনাসি আশ-শাফিঈ—আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং তাঁকে, তাঁর পিতামাতাকে, তাঁর বংশধরদের এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করে দিন। এটি পূর্ণ করার কাজটি সমাপ্ত হয়েছে সাতশ আটাশ হিজরি সনের আল্লাহর মাস মহররমের চৌদ্দ তারিখ সোমবার সকালে।"
এই খণ্ডের শেষে কিছু শ্রুতিলিপি (সামা'আত) রয়েছে যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেটির কেবল কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে।
এই খণ্ডে 'মুসনাদুন নু'মান' (১৭)টি পাতাজুড়ে রয়েছে, যা ২০ নম্বর পাতার দ্বিতীয় পার্শ্ব থেকে শুরু হয়ে ৩৬ নম্বর পাতার প্রথম পার্শ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে ৩৬ নম্বর পাতার এই পার্শ্ব থেকে মাত্র পাঁচটি লাইন এতে ব্যবহৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٨)
خُطَّةُ العَمَلِ فِي تحقيقِ الكِتَابِسِرْنَا في تحقيقِ الكِتَابِ وإخراجِهِ وَفْقَ الخُطَّةِ التاليةِ:
أوَّلاً: أَبْقَيْنَا على رَسْمِ الناسخِ ما أمكَنَ، إلا ما رأينا تَعْدِيلَهُ؛ إمَّا لِكَوْنِهِ خَطَأً مِنَ الناسخِ، أو لمخالفتِهِ ما اسْتَقَرَّ عليه الاصطلاحُ في الرَّسْمِ الإملائيِّ الحديث؛ عَلَى ما هو مُقَرَّرٌ عند المحقِّقين.
ثانيًا: عَزَوْنَا الآياتِ إلى سُوَرِهَا، بِذِكْرِ رَقْمِ الآيَةِ، واسْمِ السُّورةِ، وجَعَلْنَا ذلك في الحاشية.
ثالثًا: قُمْنَا بتخريجِ الأحاديثِ والآثَارِ حَسَبَ الطاقةِ، مِنْ غَيْرِ حُكْمٍ عليها، مَعَ مراعاةِ الإسناد؛ فالحديثُ الذي يُورِدُهُ الطَّبَرَانِيُّ مِنْ أكثَرَ مِنْ طريق، نُخَرِّجُ كُلَّ طريقٍ منه على حِدَة؛ بِتَقْدِيمِ المتابعةِ التَّامَّة، ثُمَّ القاصرة.
رابعًا: مَيَّزْنَا الرُّوَاةَ الذين قد يَلْتَبِسُونَ بِغَيْرِهِمْ؛ بِسَبَبِ عَدَمِ نِسْبتِهِمْ، أو لِكَوْنِهِمْ ذُكِرُوا بِكُنَاهُمْ، أو بأَلْقابِهِمْ، أو غيرِ ذلك.
خامسًا: فَسَّرْنَا الألفاظَ الغريبة؛ بِالرُّجُوعِ إلى كُتُبِ اللغةِ وغريبِ الحديثِ وشروحِ كُتُبِ السُّنَّة.
سادسًا: وَجَدْنَا في الكتابِ بَعْضَ العباراتِ التي جاءتْ على خلافِ المشهورِ مِنْ قَوَاعِدِ اللُّغَةِ والنَّحْوِ؛ مِمَّا يَتَوَهَّمُهُ الْمُتَوَهِّمُ لَحْنًا وخَطَأً- وقد وقَعَ ذلك في مُتُونِ الأحاديثِ والآثار، وفي أَسَانِيدِهِمَا-
কিতাবটি সম্পাদনার কর্মপরিকল্পনাআমরা কিতাবটি সম্পাদনা ও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করেছি:
প্রথমত: আমরা যথাসম্ভব লিপিকারের লিখনশৈলী বজায় রেখেছি, কেবল সেই বিষয়গুলো ব্যতীত যা আমরা সংশোধন করা আবশ্যক মনে করেছি; হয় তা লিপিকারের ভুল হওয়ার কারণে, অথবা আধুনিক বানানরীতির সুপ্রতিষ্ঠিত নিয়মের পরিপন্থী হওয়ার কারণে; যেমনটি গবেষকদের নিকট স্বীকৃত।
দ্বিতীয়ত: আমরা আয়াতসমূহকে সংশ্লিষ্ট সূরার দিকে নিসবত করেছি এবং আয়াতের নম্বর ও সূরার নাম উল্লেখ করে তা পাদটীকায় যুক্ত করেছি।
তৃতীয়ত: আমরা সাধ্যানুযায়ী হাদিস ও আছারসমূহের তাখরিজ (উৎস চিহ্নিতকরণ) করেছি সেগুলোর ওপর কোনো হুকুম বা রায় প্রদান করা ছাড়াই, তবে সনদের বিন্যাসের প্রতি লক্ষ্য রেখেছি; ফলে তাবারানি যে হাদিসটি একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আমরা তার প্রতিটি সূত্রকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছি; এক্ষেত্রে প্রথমে মুতাবাআত তাম্মাহ (পূর্ণাঙ্গ সমর্থনকারী সূত্র) এবং এরপর মুতাবাআত কাসিরাহ (আংশিক সমর্থনকারী সূত্র) ধারাবাহিকভাবে এনেছি।
চতুর্থত: আমরা সেই সব রাবি বা বর্ণনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট করেছি যাদের ব্যাপারে অন্যদের সাথে সংশয় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; তাদের সাথে বংশীয় নিসবত না থাকা, অথবা তাদের উপনাম, উপাধি বা অন্য কোনোভাবে উল্লেখ করার কারণে।
পঞ্চমত: আমরা অভিধানের কিতাবসমূহ, গারিবুল হাদিসের কিতাবসমূহ এবং সুন্নাহর কিতাবসমূহের ব্যাখ্যাগ্রন্থের সাহায্যে কঠিন শব্দাবলির ব্যাখ্যা প্রদান করেছি।
ষষ্ঠত: আমরা কিতাবটিতে এমন কিছু বাক্য পেয়েছি যা ভাষা ও ব্যাকরণের (নাহু) প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী; যা কোনো ভ্রান্ত ধারণা পোষণকারী ব্যক্তি ভুল হিসেবে গণ্য করতে পারেন—আর এটি হাদিস ও আছারসমূহের মূল পাঠ (মতন) এবং সনদ—উভয় ক্ষেত্রেই ঘটেছে—
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٩)
فأَثْبَتْنَاهُ في صُلْبِ الكتابِ كما هو، ولم نُغَيِّرْ منه شَيْئًا؛ وقد اجتَهَدْنَا في تَوْجِيهِ ما وقَعَ مِنْ ذلك وتخريجِهِ على ما اقتَضَتْهُ صِنَاعَةُ العربيَّة، مَعَ المقارنةِ بِمَا في مصادرِ التخريجِ غالبًا، وهذا المنهجُ- وهو الإبْقَاءُ على ما في الأُصُولِ الخَطِّيَّة كما هو، مع تَوْجِيهِهِ مِنْ جهةِ الروايةِ والعَرَبِيَّة- هو طريقةُ المحقِّقين من المتقدِّمِينَ والمتأخِّرِين؛ وهو المنهجُ الْمَرْضِيُّ الذي جَرَى عليه أَهْلُ العِلْمِ، وطَبَّقُوهُ في مُؤَلَّفَاتِهِمْ وتَحْقِيقَاتِهِمْ، على اختلافِ الفُنُونِ والعلوم
(1) .
سابعًا: رَقَّمْنَا أَحاديثَ الكتابِ تَرْقِيمًا مُتَسَلْسِلاً يبدأُ بالرَّقْم (1) ؛ لأنَّ المجلَّدَ الحاديَ والعشرين يَبْدَأُ بِمَنِ اسمُهُ نافعٌ، وأوَّلُهُ: «نافعُ بنُ عُقْبَةَ بنِ أبي وَقَّاص» ؛ كما تَدُلُّ عليه خاتمةُ المجلَّد العشرين؛ فلا يستقيمُ مَعَهُ استمرارُ الترقيمِ مِنْ حيثُ انتهى المجلَّدُ العِشْرون.
ثامنًا: قَدَّمْنَا لِلْكِتَابِ بِهَذِهِ الْمُقَدِّمَةِ الْمُخْتَصَرَة؛ وقد ذَكَرْنَا فيها وَصْفَ النُّسْخَةِ الْمُعْتَمَدَةِ في التَّحْقِيق، وخُطَّةَ العَمَلِ في هذا الجُزْءِ، وَوَضَعْنَا في نهايتِهَا صُوَرًا خَطِّيَّةً لبعضِ صَفَحَاتِ الْمَخْطُوط.
تاسعًا: صَنَعْنَا فهارسَ تُعِينُ الباحثَ على الوقوفِ على بُغْيَتِهِ مِنَ الكتابِ، وجَعَلْنَا الإحالاتِ فيها على أَرْقَامِ الأحاديثِ، عدا فِهْرِسِ الموضوعاتِ؛ فقد أَحَلْنَا فِيهِ على أرقامِ الصَّفَحَات؛ وهذه
--------------------------------------------
আমরা একে মূল পাণ্ডুলিপিতে ঠিক যেভাবে আছে সেভাবেই বহাল রেখেছি এবং এতে কোনো কিছুই পরিবর্তন করিনি। আরবি ব্যাকরণ ও ভাষাশৈলীর চাহিদা অনুযায়ী এতে বিদ্যমান বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে মূল উৎসগুলোর সাথে তুলনা করে তার উৎস সন্ধানে (তাখরিজ) আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আর এই পদ্ধতিটি—অর্থাৎ মূল পাণ্ডুলিপির পাঠকে অবিকৃত রাখা এবং বর্ণনা ও আরবি ভাষার দিক থেকে তার ব্যাখ্যা প্রদান করা—প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মুহাক্কিক বা গবেষক-সম্পাদকদের অনুসৃত পথ। এটিই সেই সন্তোষজনক পদ্ধতি যা বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম অনুসরণ করেছেন এবং বিভিন্ন শাস্ত্র ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁদের রচিত গ্রন্থ ও সম্পাদিত পাণ্ডুলিপিগুলোতে তা প্রয়োগ করেছেন
(১) ।
সপ্তম: আমরা কিতাবটির হাদিসসমূহকে ১ নম্বর থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে নম্বর প্রদান করেছি; কারণ একুশতম খণ্ডটি এমন ব্যক্তিদের বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে যাদের নাম 'নাফে', আর তার প্রথম ব্যক্তি হলেন: «নাফে ইবনে উকবাহ ইবনে আবি ওয়াক্কাস»; যেমনটি বিশতম খণ্ডের সমাপ্তি দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। সুতরাং বিশতম খণ্ড যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকে ক্রমিক নম্বর অব্যাহত রাখা সংগতিপূর্ণ হয় না।
অষ্টম: আমরা এই সংক্ষিপ্ত ভূমিকার মাধ্যমে কিতাবটি উপস্থাপন করেছি; এতে আমরা সম্পাদনার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপির বর্ণনা এবং এই অংশের কর্মপরিকল্পনা উল্লেখ করেছি। এছাড়া এর শেষে পাণ্ডুলিপির কিছু পৃষ্ঠার প্রতিলিপি যুক্ত করেছি।
নবম: আমরা এমন কিছু নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করেছি যা গবেষককে কিতাব থেকে তাঁর কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। বিষয়ভিত্তিক নির্ঘণ্ট ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা হাদিস নম্বরের মাধ্যমে উদ্ধৃতি প্রদান করেছি; আর বিষয়ভিত্তিক নির্ঘণ্টের ক্ষেত্রে আমরা পৃষ্ঠা নম্বরের উদ্ধৃতি দিয়েছি; আর এইগুলো—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الفهارسُ هي:
أ) فِهْرِسُ الآياتِ القرآنيَّةِ.
ب) فِهْرِسُ الأحاديثِ النَّبَوِيَّة والآثارِ.
ج) فِهْرِسُ الرُّوَاةِ عن النُّعْمَانِ بنِ بَشِيرٍ رضي الله عنهما.
د) فِهْرِسُ غَرِيبِ اللُّغَةِ.
هـ) فِهْرِسُ مَسَائِلِ العَرَبِيَّةِ.
و) فِهْرِسُ الْمَوْضُوعَاتِ.
ولم نترجم لأبي القاسم الطبراني رحمه الله؛ لأن هذا جزء من عمل ابتدأه الشيخ حمدي السلفي حفظه الله، وقد ترجم للطبراني في مقدمته، وألحق بخاتمة الكتاب (في نهاية الجزء 25) جزءًا في ترجمة الطبراني لابن منده رحمه الله.
نسأله تعالى أن يُهَيِّئَ أسباب العثور على ما فُقِد من هذا الكتاب الذي لاتخفى أهميته وفائدته، وصلى الله وسلم على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه وسلم.
د. سعد بن عبد الله الحُمَيِّد ود. خالد بن عبد الرحمن الجريسي
নির্ঘণ্টসমূহ হলো:
ক) কুরআনের আয়াতসমূহের নির্ঘণ্ট।
খ) নববী হাদিস ও আসারের নির্ঘণ্ট।
গ) নুমান ইবনে বাশির (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনাকারীদের নির্ঘণ্ট।
ঘ) বিরল ভাষাতাত্ত্বিক শব্দাবলির নির্ঘণ্ট।
ঙ) আরবি ভাষাতাত্ত্বিক মাসআলাসমূহের নির্ঘণ্ট।
চ) বিষয়াবলির নির্ঘণ্ট।
আর আমরা আবুল কাসিম আত-তাবারানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর জীবনী প্রদান করিনি; কারণ এটি শায়খ হামদি আস-সালাফি (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন) কর্তৃক শুরু করা কাজের একটি অংশ, এবং তিনি তাঁর ভূমিকায় তাবারানির জীবনী আলোচনা করেছেন, আর গ্রন্থের পরিশিষ্টে (২৫তম খণ্ডের শেষে) ইবনে মানদাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) রচিত তাবারানির জীবনীর একটি অংশ সংযুক্ত করেছেন।
আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এই গ্রন্থের হারিয়ে যাওয়া অংশগুলো খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমগুলো সহজ করে দেন, যার গুরুত্ব ও উপকারিতা অনস্বীকার্য। আর আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
ড. সা’দ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুমাইয়িদ এবং ড. খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরাইসি
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١١)
نَمَاذِجُ مِنَ النُّسْخَةِ الخَطِّيَّةِ لِلكِتَابِ
গ্রন্থের পাণ্ডুলিপির কিছু নমুনা
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٣)
صفحة العنوان، ويظهر فيها وقفٌ وتملُّكٌ، إلا أنَّه ضُرِبَ عليه
শিরোনাম পাতা, এতে ওয়াকফ এবং মালিকানা স্বত্ব পরিলক্ষিত হয়, তবে তা কেটে দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٤)
بداية المجلد، ويبدأ فيه الجزء الأخير من مسند عبد الله بن عمرو بن العاص
খণ্ডের শুরু, এবং এতে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস-এর মুসনাদের শেষ অংশ শুরু হচ্ছে।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٥)
بداية مسند عبد الله بن جعفر
আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের মুসনাদের সূচনা।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٦)
بداية مسند عبد الله بن بن الزبير
আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের-এর মুসনাদ-এর সূচনা
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٧)
نهاية الموجود من مسند عبد الله بن الزبير، ويتضح فيه انخرامُ باقي مسنده وبدايةُ الموجودِ مِنْ مسند النعمان بن بشير
আবদুল্লাহ ইবনে আয-যুবায়েরের মুসনাদের বিদ্যমান অংশের সমাপ্তি; এতে তাঁর মুসনাদের অবশিষ্ট অংশের বিলুপ্তি এবং নুমান ইবনে বাশীরের মুসনাদের বিদ্যমান অংশের সূচনা স্পষ্ট হয়।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٨)
نهايةُ مسندِ النعمانِ بن بشير، وبدايةُ مسندِ وائلِ بن حُجْر الذي هو بداية المجلَّد (22) من المطبوع
নুমান ইবনে বাশীরের মুসনাদের সমাপ্তি, এবং ওয়ায়েল ইবনে হুজরের মুসনাদের শুরু যা মুদ্রিত সংস্করণের (২২) খণ্ডের প্রারম্ভ।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ١٩)
نهاية المجلد، وفيه اسمُ الناسخِ وتاريخُ النَّسْخ
খণ্ডের সমাপ্তি, এতে অনুলিপিকারের নাম ও অনুলিপি করার তারিখ রয়েছে।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الورقة الأخيرة، وفيها بعضُ السماعات
সর্বশেষ পৃষ্ঠা, যাতে কিছু শ্রবণলিপি বিদ্যমান।
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢١)
المُعْجَمُ الكَبِير
للحافظ أبي القاسم سُلَيْمان بن أحمد الطَّبَرَاني
(260- 360هـ)
قِطْعَةٌ مِنْ مُسْنَدُ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ
আল-মু'জামুল কাবীর
হাফেজ আবুল কাসেম সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি রচিত
(২৬০- ৩৬০ হিজরি)
নু'মান ইবনে বশীরের মুসনাদ থেকে একটি অংশ
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
1 - فقال رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكُلَّ بَنِيكَ نَحَلْتَهُ»
(1) ؟ قال: لا. قال: «فَارْجِعْهُ
(2) » .
--------------------------------------------
১ - অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তুমি কি তোমার সকল সন্তানকে এরূপ দান করেছ?»
(১) তিনি বললেন: না। তিনি বললেন: «তাহলে এটি ফিরিয়ে নাও
(২)»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
عُبَيْدُاللهِ(1) بْنُ عَبْدِاللهِ بْنِ عُتْبةَ بنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النُّعْمَانِ2 - حدَّثنا معاذُ بنُ المُثنَّى، قال: ثنا مُسَدَّدٌ، قال: حدَّثنا يحيى ابنُ سعيدٍ، عن أبي عيسى الطحَّانِ موسى
(2) ، عن عَوْنِ بنِ عبدِالله بنِ عُتْبةَ، [عن]
(3) أبيه- أو أخيه- عنِ النُّعمانِ بنِ بَشيرٍ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: «إِنَّ الَّذِينَ يَذْكُرُونَ مِنْ جَلَالِ اللهِ؛ وتَسْبِيحِهِ وتَكْبِيرِهِ وتَحْمِيدِهِ، تَنْعَطِفُ
(4) حَوْلَ العَرْشِ، لَهُنَّ دَوِيٌّ كَدَوِيِّ النَّحْلِ، يَذْكُرْنَ
⦗ص: 25⦘ لِصَاحِبِهِنَّ
(5) ؛ أَفَلا يُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَلاَّ يَزَالَ عِنْدَ الرَّحْمَنِ يَذْكُرْنَهُ
(6) ؟» .
--------------------------------------------
উবাইদুল্লাহ(১) বিন আবদুল্লাহ বিন উতবা বিন মাসউদ, নুমান থেকে বর্ণিত২ - আমাদের নিকট মুআয বিন আল-মুসান্না হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন সাইদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু ঈসা আত-তাহহান মুসা
(২) থেকে, তিনি আওন বিন আবদুল্লাহ বিন উতবা থেকে, [তিনি তাঁর]
(৩) পিতা থেকে -অথবা তাঁর ভাই থেকে- তিনি নুমান বিন বাশির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা আল্লাহর মহিমা থেকে যা জিকির করো; তাঁর তাসবিহ (পবিত্রতা), তাকবির (বড়ত্ব) এবং তাহমিদ (প্রশংসা), সেগুলো আরশের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মৌমাছির গুঞ্জনের মতো গুঞ্জন রয়েছে, সেগুলো তাদের
⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ পাঠকারীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়
(৫); তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করো না যে, রহমানের নিকট সর্বদা এমন কিছু থাকুক যা তাকে স্মরণ করিয়ে দিবে
(৬)?»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
3 - حدَّثنا عُبَيدُ بنُ غَنَّامٍ، قال: ثنا أبو بكرِ بنُ أبي شَيبةَ، قال:
⦗ص: 26⦘ ثنا عبدُالله بنُ نُمَيرٍ، عن موسى بنِ مسلمٍ، عن عَوْن بنِ عبدِاللهِ، عن أبيه- أو أخيه- عن النُّعمانِ، قال: قال رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الَّذِينَ يَذْكُرُونَ مِنْ جَلَالِ اللهِ؛ مِنْ تَسْبِيحِهِ وتَحْمِيدِهِ وتَكْبِيرِهِ وتَهْلِيلِهِ، يَتعَاطَفُونَ
(1) حَوْلَ العَرْشِ، لَهُنَّ دَوِيٌّ كَدَوِيِّ النَّحْلِ، يَذْكُرْنَ لِصَاحِبِهِنَّ
(*) ؛ أَفَلا يُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَلاَّ يَزَالَ عِنْدَ الرَّحْمَنِ يَذْكُرْنَهُ (*) ؟» .
--------------------------------------------
৩ - উবাইদ ইবনে ঘান্নাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুসা ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আওন ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা—অথবা তাঁর ভাই—থেকে, তিনি নুমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যারা আল্লাহর মহিমা বর্ণনা করে; তাঁর তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাকবীর (আল্লাহু আকবার) এবং তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠের মাধ্যমে, সেগুলো আরশের চারপাশে ঘুরতে থাকে, মৌমাছির গুঞ্জনের মতো সেগুলোর একটি গুনগুন শব্দ থাকে, যা তাদের পাঠকারীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়; তোমাদের কেউ কি এটি পছন্দ করে না যে, রহমানের কাছে সর্বদা এমন কিছু থাকুক যা তার কথা স্মরণ করিয়ে দেবে?»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
عُبَيْدُاللهِ(1) بْنُ عَبْدِاللهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ4 - حدَّثنا عليُّ بنُ عبدِالعزيزِ، قال: ثنا القَعْنَبيُّ
(2) ، عن مالكٍ، عن ضَمْرةَ بنِ سعيدٍ، عن عُبيدِالله بنِ عبدِالله بنِ عُتبةَ؛ أن الضَّحَّاكَ بنَ قيسٍ سألَ النُّعمانَ بنَ بَشيرٍ: ما كان رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقرأُ على أَثَرِ
(3) سورةِ الجمعةِ؟ فقال: {هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ *} .
--------------------------------------------
উবায়দুল্লাহ(১) বিন আব্দুল্লাহ বিন উতবাহ, নুমান থেকে বর্ণিত৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি
(২), মালিক থেকে, তিনি যামরাহ বিন সাঈদ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উতবাহ থেকে বর্ণনা করেন; যে যাহহাক বিন কাইস নুমান বিন বশিরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার সূরার পরপরই
(৩) কী পাঠ করতেন? তিনি বললেন: {আপনার কাছে কি আচ্ছন্নকারীর সংবাদ পৌঁছেছে? (সূরা আল-গাশিয়াহ)}।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
5 - حدَّثنا عبدُاللهِ بنُ أحمدَ بنِ حنبلٍ، قال: حدثني أبي، قال: ثنا سفيانُ بنُ عُيَينةَ، عن ضَمْرةَ بنِ [سعيدٍ]
(1) ، عن عُبيدِالله بنِ عبدِالله ابن عُتبةَ؛ أن الضَّحَّاكَ بنَ قيسٍ كتب إلى النُّعمانِ بنِ بَشيرٍ يسألُه: ما كان النبيُّ صلى الله عليه وسلم يَقرأُ في الجمعةِ مع سورةِ الجمعةِ؟ فقال: ُ ً ي ى و ِ {هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ *} .
--------------------------------------------
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, যমরাহ ইবনে [সাঈদ]
(১) থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে; যাহহাক ইবনে কায়স নুমান ইবনে বশীরের নিকট এই মর্মে পত্র লিখলেন যে তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিনে সূরা জুমার সাথে আর কী পাঠ করতেন? তিনি উত্তরে বললেন: {তোমার কাছে কি আচ্ছন্নকারীর সংবাদ পৌঁছেছে?}।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
عَامِرٌ الشَّعْبِيُّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍبَابٌ
6 - حدَّثنا عليُّ بنُ عبدِالعزيزِ، ثنا أبو نُعيمٍ، ثنا زكريّا بنُ أبي زائدةَ، عن الشَّعبيِّ، قال: سمعتُ النعمانَ بنَ بَشيرٍ يقولُ: سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «الْحَلالُ بَيِّنٌ، وَالْحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُتَشَابِهَاتٌ لا يَعْلَمُهَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالَّذِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى
(1) يُوشِكُ أَنْ يُوَاقِعَهُ. أَلا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى
(2) ؛ وَإِنَّ حِمَى اللهِ مَحَارِمُهُ» .
--------------------------------------------
আমির আশ-শা’বি, নুমান ইবনে বাশির থেকে বর্ণিতপরিচ্ছেদ
৬ - আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু নুআইম থেকে, তিনি যাকারিয়া ইবনে আবি যাইদাহ থেকে, তিনি শা’বি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি নুমান ইবনে বাশিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «হালাল স্পষ্ট এবং হারাম স্পষ্ট; আর এই দুইয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহপূর্ণ বিষয়াবলী যা মানুষের মধ্যে অনেকেই জানে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয় থেকে বেঁচে থাকল, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয়ে লিপ্ত হলো, সে হারামে লিপ্ত হলো; সেই রাখালের ন্যায় যে সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়, অচিরেই সেখানে তার প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকে। জেনে রেখো, প্রত্যেক বাদশাহর একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে; আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর হারামকৃত বিষয়সমূহ।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
7 - حدَّثنا عُبيدُ بنُ غَنَّامٍ، قال: ثنا أبو بكرِ بنُ أبي شيبةَ، ثنا وَكيعٌ، عن زكريّا
(1) ، عن الشَّعبيِّ، [عن النُّعمانِ بنِ بَشيرٍ]
(2) ، قال: سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم
… فذكر مثلَه.
--------------------------------------------
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন গান্নাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওকি, যাকারিয়া
(১) থেকে, তিনি শাবী থেকে, [নুমান বিন বাশির থেকে]
(২), তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি
... অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
8 - حدَّثنا أبو مسلمٍ الكَشِّيُّ
(1) ، قال: ثنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ
⦗ص: 30⦘ الأنصاريُّ، وعبدُالرحمنِ بنُ حمادٍ الشُّعَثِيُّ
(2) ، قالا: ثنا ابنُ عَونٍ
(3) ، عن الشَّعبيِّ، قال: سمعتُ النُّعمانَ بنَ بَشيرٍ يقولُ: سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «إِنَّ الْحَلالَ بَيِّنٌ، وَإِنَّ الْحَرَامَ بَيِّنٌ، وَإِنَّ بَيْنَ ذَلِكَ أُمُورً ٌ
(4) مُتَشَابِهَاتٍ ٌ- وَرُبما قال: مُشْتَبِهَةً ٌ- وَسَأَضْرِبُ لَكُمْ فِي ذَلِكَ مَثَلاً:
⦗ص: 31⦘ إِنَّ اللهَ حَمَى حِمًى، وَإِنَّ حِمَى اللهِ مَا حَرَّمَ، وَإِنَّهُ مَنْ يَرْعَ حَوْلَ الحِمَى يُوشِكْ أَنْ يُخَالِطَهُ الرِّيبَةُ
(5) ، وَإِنَّهُ مَنْ يُخَالِطِ الرِّيبَةَ يُوشِكْ أَنْ يَجْسُرَ
(6) » .
--------------------------------------------
৮ - আবু মুসলিম আল-কাশশি
(১) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ
⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ আল-আনসারি এবং আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আল-শুআছি
(২) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইবন আওন
(৩) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আশ-শাবি থেকে, তিনি বলেন: আমি নুমান ইবন বাশিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই হালাল স্পষ্ট এবং হারাম স্পষ্ট; আর এই দুইয়ের মাঝে কিছু অস্পষ্ট
(৪) (সন্দেহজনক) বিষয় রয়েছে - বর্ণনাকারী কখনও বলেছেন: সন্দেহযুক্ত বিষয় - আর আমি তোমাদের সামনে এ বিষয়ে একটি উদাহরণ পেশ করছি:
⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ নিশ্চয়ই আল্লাহ একটি সংরক্ষিত এলাকা নির্ধারণ করেছেন, আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর হারামকৃত (নিষিদ্ধ) বিষয়সমূহ। আর নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি সংরক্ষিত এলাকার আশেপাশে চরে বেড়ায়, শীঘ্রই সে সন্দেহের সাথে মিশে যাওয়ার
(৫) উপক্রম হয়। আর যে ব্যক্তি সন্দেহের সাথে মিশে যায়, অচিরেই সে (হারাম কাজে) সাহসী হয়ে ওঠার
(৬) উপক্রম হয়।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٣١)
9 - حدَّثنا أبو يزيدَ القَراطيسيُّ
(1) ، ثنا أَسدُ بنُ موسى، ثنا شَيبانُ
⦗ص: 32⦘ أبو معاويةَ
(2) ، عن عاصمِ بنِ بَهْدلةَ، عن خَيْثمةَ
(3) والشَّعبيِّ، عن النُّعمانِ ابنِ بَشيرٍ، قال: قال رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «حَلالٌ بَيِّنٌ، وَحَرَامٌ بَيِّنٌ
(4) ، وَشُبُهَاتٌ بَيْنَ ذَلِكَ، فَمَن تَرَكَ الشُّبُهَاتِ فَهُوَ لِلْحَرَامِ أَتْرَكُ، وَمَحَارِمُ اللهِ حِمًى، فَمَنْ أَرْتَعَ
(5) حَوْلَ الْحِمَى كَانَ قَرِ َفًا
(6) أَنْ يُرْتِعَ فِيهِ» .
--------------------------------------------
৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াযিদ আল-কারাতীসী
(১), তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসাদ ইবন মুসা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শায়বান
⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আবু মুয়াবিয়া
(২), তিনি আসিম ইবন বাহদালা থেকে, তিনি খায়সামাহ
(৩) ও আশ-শা'বী থেকে, তিনি নুমান ইবন বাশীর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হালাল স্পষ্ট এবং হারাম স্পষ্ট
(৪), আর এ দুয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহপূর্ণ বিষয়সমূহ। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয়সমূহ পরিত্যাগ করল, সে হারামের ক্ষেত্রে অধিক বর্জনকারী হবে। আর আল্লাহর নিষিদ্ধ সীমাসমূহ হলো সংরক্ষিত চারণভূমি। সুতরাং যে ব্যক্তি সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়
(৫), সে এর ভেতরে ঢুকে পড়ার নিকটবর্তী
(৬) হয়»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
10 - حدَّثنا مُعاذُ بنُ المُثَنَّى وأحمدُ بنُ داودَ المَكيُّ، قالا: ثنا محمدُ بن كَثيرٍ، قال: ثنا سفيانُ الثوريُّ، عن أبي فَرْوة الهَمْدانيِّ
(1) ، عن الشَّعبيِّ، عن النُّعمانِ بنِ بَشيرٍ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم، بمثلِه.
--------------------------------------------
১০ - আমাদের কাছে মুয়াজ ইবনুল মুসান্না এবং আহমাদ ইবনে দাউদ আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে কাসির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান আস-সাওরি বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ফারওয়া আল-হামদানি
(১) থেকে, তিনি আশ-শা'বি থেকে, তিনি নুমান ইবনে বাশির থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
11 - حدَّثنا بِشرُ بنُ موسى، ثنا الحُميديُّ، ثنا سفيانُ، ثنا أبو فَرْوة الهَمْدانيُّ
(1) ، قال: سمعتُ الشعبيَّ، قال: سمعتُ النُّعمانَ بنَ بَشيرٍ على المنبرِ يقولُ: سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «حَلالٌ بَيِّنٌ، وَحَرَامٌ بَيِّنٌ
(2) ، وَشُبُهَاتٌ بَيْنَ ذَلِكَ، مَنْ تَرَكَ مَا اشْتَبَهَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ كَانَ لِمَا اسْتَبَانَ لَهُ أَتْرَكَ، وَمَنِ اجْتَرَأَ عَلَى مَا يَشُكُّ فِيهِ يُوشِكْ ُأَنْ يُوَاقِعَ
⦗ص: 34⦘ الْحَرَامَ، وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، وَحِمَى اللهِ فِي الأَرْضِ مَعَاصِيهِ» .
--------------------------------------------
১১ - আমাদের নিকট বিশর বিন মূসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হুমাইদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ফারওয়াহ আল-হামদানী
(১) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আশ-শা’বীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নু’মান বিন বাশীরকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট
(২), আর এ দুয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহযুক্ত বিষয়সমূহ। যে ব্যক্তি গুনাহ হওয়ার আশঙ্কায় সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো বর্জন করবে, সে যা স্পষ্ট (গুনাহ) তা আরও অধিক বর্জনকারী হবে। আর যে ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়ে লিপ্ত হওয়ার সাহস করবে, অচিরেই সে
⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ হারামে পতিত হবে। জেনে রেখো, প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে, আর জমিনে আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নাফরমানি বা নিষিদ্ধ কার্যাবলি»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٢١٢١)
আল-মুজামুল কাবীর লিত-তাবারানী মিন জুয ২১
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
12 - حدَّثنا أبو زُرعةَ عبدُالرحمنِ بنُ عَمرٍو الدِّمشقيُّ وأحمدُ بنُ عبدِالقاهرِ بنِ الخَيْبَريِّ، اللَّخْميُّ، الدمشقيان
(1) ؛ قَالَ
(2) : ثنا مُنبِّهُ بنُ عثمانَ، قال: حدثني ثَورُ بنُ يزيدَ، قال: حدثني مُجالِدُ بنُ سعيدٍ، قال: حَدَّثني عامرٌ الشَّعبيُّ، قال: سمعتُ النعمانَ بنَ بَشيرٍ يقولُ: سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «الْحَلالُ بَيِّنٌ، والْحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَ الْحَلالِ وَالْحَرَامِ أُمُورٌ مُشْتَبِهَاتٌ لا يَدْرِي كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ أَمِنَ الْحَلالِ هِيَ أَمْ مِنَ الْحَرَامِ هِيَ، فَمَتَى يَدَعْهُنَّ الْمَرْءُ يَكُونُ
(3) أَشَدَّ اسْتِبْرَاءً
⦗ص: 35⦘ لِعِرْضِهِ وَدِينِهِ، وَمَتَى يَقَعْ فِيهِنَّ يُوشِكْ أَنْ يَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَمَنْ يُرْتِعُ إِلَى جَانِبِ الْحِمَى يُوشِكُ أَنْ يُرْتِعَ فِي الْحِمَى، أَلا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، وَإِنَّ حِمَى اللهِ مَحَارِمُهُ» .
--------------------------------------------
১২ - আমাদের নিকট আবু জুরআ আবদুর রহমান বিন আমর আদ-দিমাশকি এবং আহমাদ বিন আবদুল কাহির বিন আল-খায়বারি আল-লাখমি বর্ণনা করেছেন, তারা দুজনেই দামেস্কি
(১); তিনি বলেছেন
(২): আমাদের নিকট মুনাব্বিহ বিন উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সাওরের বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুজালিদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আমির আশ-শাবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নুমান বিন বাশিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট; আর এ দুটির মাঝে রয়েছে অনেক অস্পষ্ট বিষয়, যা অধিকাংশ মানুষ জানে না যে সেগুলো হালাল নাকি হারাম। সুতরাং যে ব্যক্তি সেগুলো বর্জন করে, সে নিজের সম্মান ও দ্বীনকে অধিকতর পবিত্র রাখে
⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘। আর যে ব্যক্তি সেগুলোতে লিপ্ত হয়, সে হারামে লিপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়; যেমন সেই রাখাল যে সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়, অচিরেই তার পশু সেই সংরক্ষিত চারণভূমিতে প্রবেশ করার উপক্রম হয়। সাবধান! প্রত্যেক বাদশাহর একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে, আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ»।
--------------------------------------------