(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: -)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك القسم: السيرة النبوية
الكتاب: إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك - سلسلة لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)
المؤلف: محمّد بن محمّد بن عبد الرزّاق الحسيني، أبو الفيض، الملقّب بمرتضى، الزَّبيدي (ت 1205 هـ)
اعتنى به: مساعد سالم العبد الجادر
الناشر: دار البشائر الإسلامية للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2000 م
عدد الصفحات: 43
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 صفر 1437
আওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতা সহজীকরণ বিভাগ: সীরাতুন নবী
বই:ওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতা সহজীকরণ - মসজিদে হারামে শেষ দশ দিনের বৈঠকের ধারাবাহিকতা (১৬)
লেখক: মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি, আবু আল-ফায়জ, মুরতাজা উপনামে পরিচিত, আয-যাবিদি (ওফাত ১২০৫ হিজরি)
সম্পাদনায়: মুসা’ইদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির
প্রকাশক: দার আল-বাশায়ির আল-ইসলামিয়া মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ সফর ১৪৩৭
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك
تأليف
العلامة محمد مرتضى الزبيدي شارح القاموس (1145 - 1205 هـ)
بعناية
مساعد سالم العبد الجادر
ساهم بطبعه بعض أهل الخير من الحرمين الشريفين ومحبيهم
دار البشائر الإسلامية
মসজিদুল হারামে শেষ দশকের মিলনমেলা (১৬)
ইদাহুল মাদারিক ফি আল-ইফসাহ আনিল আওয়াতিক (আওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতার স্পষ্টীকরণ)
গ্রন্থনায়
আল্লামা মুহাম্মদ মুরতাজা আয-যাবিদী, কামুস গ্রন্থের ব্যাখ্যাকার (১১৪৫ - ১২০৫ হিজরি)
সম্পাদনায়
মুসাঈদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির
হারামাইন শরিফাইনের কতিপয় পুণ্যবান ব্যক্তি এবং তাঁদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদানে এটি মুদ্রিত হয়েছে
দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك
আতিকাগণের বর্ণনায় উপলব্ধিসমূহের সুস্পষ্টকরণ
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৩)
جَميعُ الحُقُوقِ مَحْفُوظَةٌ
الطّبْعَةُ الأولى
1421 هـ - 2000 م
دَارُ البَشَائِر الإسْلَامِيَّة للطباعة والنشر والتوزيع
هاتف: 702857 - فاكس: 704963/ 009611
بيروت - لبنان ص. ب: 5955/ 14
e-mail: bashaer@cyberia.net.lb
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়া মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ সংস্থা
টেলিফোন: ৭০২৮৫৭ - ফ্যাক্স: ৭০৪৯৬৩/ ০০৯৬১১
বৈরুত - লেবানন পোস্ট বক্স: ৫৯৫৫/ ১৪
ই-মেইল: bashaer@cyberia.net.lb
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة التحقيقالحمد لله، والصَّلاة والسَّلام على أشرف الأنبياء والمرسلين سيِّدنا محمَّد وعلى آله وأصحابه أجمعين.
وبعد: فهذه رسالة لطيفة في تحقيق أُمَّهات رسولنا صلى الله عليه وسلم من العواتك من بني سليم، قال مؤلفها رحمه الله تعالى: "خدمت بذلك جنابه الشريف صلى الله عليه وسلم ومجَّد وعظَّم، رجاء أن أكون من جملة منسوبيه، وفي عداد الخدم في ضمن محسوبيه
… " إلخ.
وأنا في عنايتي وإخراجي لهذه الرسالة ما أردتُ إلَاّ ذلك، ورغبةً في خدمته صلى الله عليه وسلم وقيل شفاعته صلوات ربِّي وسلامه عليه.
وقد قمتُ بضبط النص، وتخريج الأحاديث، وترجمة المؤلِّف، وترجمة مختصرة لبعض الأعلام عزوفًا عن التطويل.
وقد أهداني وحثَّني على العناية بهذه الرسالة شيخنا الشيخ/ نظام يعقوبي حفظه الله، فجزاه الله أوفى الجزاء.
والمخطوط الذي اعتمدتُ عليه من مخطوطات دار الكتب المصرية
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সম্পাদকের ভূমিকাসকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আম্বিয়া ও মুরসালিনদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর সকল পরিবারবর্গ ও সাহাবীবর্গের ওপর।
অতঃপর: এটি বনু সুলাইম গোত্রের ‘আওয়াতিক’ নামক আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মায়েদের পরিচয়ের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত ও চমৎকার পুস্তিকা। এর লেখক (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "আমি এর মাধ্যমে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্মানিত সান্নিধ্যে খিদমত পেশ করেছি এবং তাঁর মর্যাদা ও মহিমা বর্ণনা করেছি; এই আশায় যে আমি তাঁর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের দলভুক্ত হতে পারব এবং তাঁর সেবকদের তালিকায় গণ্য হব … " ইত্যাদি।
এই পুস্তিকাটির যত্ন ও প্রকাশের ক্ষেত্রে আমার উদ্দেশ্যও কেবল তাই এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতের প্রতি গভীর অনুরাগ ও আমার রবের সালাত ও সালাম যাঁর ওপর তাঁর শাফায়াত লাভের প্রত্যাশা।
আমি মূল পাঠের শুদ্ধি নিরূপণ, হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরীজ), লেখকের জীবনী এবং দীর্ঘসূত্রতা পরিহারকল্পে কতিপয় বিশিষ্ট ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রদান করেছি।
আমাদের শায়খ, শায়খ নিযাম ইয়াকুবী (হাফিযাহুল্লাহ) আমাকে এই পুস্তিকাটি উপহার দিয়েছেন এবং এর প্রতি বিশেষ মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করেছেন; আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
আমি যে পাণ্ডুলিপিটির ওপর নির্ভর করেছি তা মিশরের ‘দারুল কুতুব’ (মিশরীয় জাতীয় গ্রন্থাগার)-এর পাণ্ডুলিপিসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৬)
برقم (20108)، وهي صحيحة النسبة لمؤلِّفها رحمه الله، خطُّها عادي، وعدد أوراقها (19) ورقة، قياس الورقة (23 × 15)، وعدد الأسطر (15).
أسألُ الله سبحانه وتعالى أن يَنفعني بها وينفع بها .. والحمد لله ربَّ العالمين.
(২০১০৮) নম্বরযুক্ত, এবং এটি এর লেখকের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) প্রতি এর নিসবত বা সম্বন্ধ হওয়া বিশুদ্ধ, এর হস্তলিপি সাধারণ, এর পত্র সংখ্যা (১৯) টি, পত্রের পরিমাপ (২৩ × ১৫), এবং পঙক্তি সংখ্যা (১৫)।
আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে আমাকে উপকৃত করেন এবং অন্যদেরকেও উপকৃত করেন.. আর সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৭)
ترجمة المؤلفهو محمَّد مرتضى بن محمَّد بن محمَّد بن عبد الرزاق الحسيني العلوي، الزَّبيدي النسب، وينتهي نسبه إلى الحسين بن عليّ رضي الله عنهما، العراقي أصلاً، الهندي مولدًا، الزَّبيدِيّ تعلُّمًا وشُهرة، المصريّ وفاةً، خاتمة الحفَّاظ بالدِّيار المصرية. وُلِد عام 1145 هـ، وتوفي عام 1205 هـ شهيدًا بالطاعون.
ليس له عقب من ذكر أو أنثى.
كان نادرة الدنيا في عصره ومصره، كاتب أهل الأقطار البعيدة بفاس وتونس والشام والعراق واليمن، وكاتبوه.
كما كاتبه ملوك النواحي من الترك والحجاز والهند واليمن والمغرب والسودان.
وممن أخذ عنه من ملوك الأرض: خليفة الإِسلام في وقته السلطان عبد الحميد، ووزيره الأكبر محمد باشا بالمكاتبة. واستُدعِي للآستانة للحضور فاعتذر، وكان يعرف اللسان الفارسي والتركي.
وقد حرص على جمع الفنون التي أغفلها المتأخِّرون، كعلم الإنساب، والأسانيد، وتَخاريج الأحاديث، واتِّصال طرائق المحدِّثين
লেখকের জীবনীতিনি হলেন মুহাম্মদ মুরতাজা বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনী আল-আলাওয়ী, বংশগতভাবে জাবিদী। তাঁর বংশধারা হুসাইন বিন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনি মূলে ইরাকি, জন্মসূত্রে ভারতীয়, শিক্ষা ও খ্যাতির দিক থেকে জাবিদী এবং মৃত্যুকালে মিসরীয়। তিনি ছিলেন মিসরীয় ভূখণ্ডের সর্বশেষ হাফিজুল হাদিস। তিনি ১১৪৫ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২০৫ হিজরি সনে প্লেগ রোগে আক্রান্ত হয়ে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর পুত্র বা কন্যা কোনো সন্তানই ছিল না।
তিনি তাঁর যুগে ও তাঁর আবাসস্থলে পৃথিবীর এক বিরল প্রতিভা ছিলেন। তিনি ফাস, তিউনিসিয়া, শাম, ইরাক ও ইয়ামেনের মতো দূরবর্তী জনপদের অধিবাসীদের নিকট পত্র লিখতেন এবং তাঁরাও তাঁকে পত্র লিখতেন।
তেমনিভাবে তুর্কি, হিজাজ, ভারত, ইয়ামেন, মরক্কো ও সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলের বাদশাহগণও তাঁর সাথে পত্রবিনিময় করতেন।
পৃথিবীর যেসব শাসক তাঁর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তৎকালীন ইসলামের খলিফা সুলতান আব্দুল হামিদ এবং তাঁর প্রধান উজির মুহাম্মদ পাশা, যাঁদের সাথে পত্রবিনিময়ের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। তাঁকে ইস্তাম্বুলে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি ফারসি ও তুর্কি ভাষা জানতেন।
তিনি এমন সব শাস্ত্র সংকলনের প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন যা পরবর্তীকালের পণ্ডিতগণ উপেক্ষা করেছিলেন, যেমন: বংশতত্ত্ব বিদ্যা, সনদশাস্ত্র, হাদিসের উৎস বিশ্লেষণ (তাখরিজ) এবং মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতিসমূহের যোগসূত্রসমূহ।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৮)
المتأخِّرين بالمتقدمين. كما أحيا إملاء الحديث على طريق السلف في ذِكر الأسانيد والرُّواة والمخرِّجين من حفظه على طُرق مختلفة.
ووصلت أماليه إلى نحو أربعمائة مجلس، وكان يجلس كل اثنين وخميس.
أما شيوخه رحمه الله: فقد ذكرهم في معجمه الصغير، ونقلهم الكتاني، وهم يزيدون على مائة نفس، منهم: وليّ الله الدهلوي، وأحمد بن عبد اللطيف الحسني الشهير بزرّوق، والحافظ البابلي المتوفى عام 1078 هـ.
أما كتبه: فأكبرها معجمه الأكبر، وهو في مكتبة شيخ الإِسلام في المدينة المنورة، وألفية السند في ألف وخمسمائة بيت وشرحها، وعقد بالجوهر الثمين في الحديث المسلسل بالمحمَّدين، والعقد المكلَّل بالجوهر الثمين في طرق الإِلباس والذكر والتعليق، وعقد الجمان في أحاديث الجان، وحلاوة الفانيد في إرسال حلاوة الأسانيد، وإكليل الجواهر الغالية في رواية الأحاديث العالية، وقلنسوة التاج في بعض أحاديث صاحب المعراج، ومناقب أصحاب الحديث منظومة في مائتين وخمسين بيتًا، والجواهر المنيفة في أصول أدلَّة مذهب أبي حنيفة، والابتهاج بختم صحيح مسلم بن الحجاج، وتحفة الودود في ختم سنن أبي داود.
وله تآليف في فنون كثير غير الحديث، كاللغة، والفقه، والأنساب، وغيرها، منها: تاج العروس شرح القاموس، ورسالتنا هذه في العواتك، وغيرها.
পরবর্তীদের পূর্ববর্তীদের সাথে (সংযুক্ত করেছেন)। যেমন তিনি সালাফদের পদ্ধতিতে হাদীসের ইমলা (শ্রুতিলিপি) পুনর্জীবিত করেছেন, যেখানে তিনি বিভিন্ন সূত্রে নিজের মুখস্থ থেকে সনদ (সূত্র), বর্ণনাকারী এবং হাদীস চয়নকারীদের উল্লেখ করতেন।
তাঁর ইমলা মজলিসগুলো প্রায় চারশ মজলিস পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং তিনি প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার মজলিসে বসতেন।
তাঁর উস্তাদগণের (রহিমাহুল্লাহ) ব্যাপারে বলতে গেলে: তিনি তাঁর 'মু'জামুস সাগীর'-এ তাঁদের উল্লেখ করেছেন এবং কিত্তানী তাঁদের বর্ণনা করেছেন। তাঁদের সংখ্যা একশ'রও বেশি, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী, আহমদ বিন আব্দুল লতিফ আল-হাসানি (যিনি যাররূক নামে প্রসিদ্ধ) এবং হাফেজ আল-বাবিলি (মৃত্যু ১০৭৮ হিজরী)।
তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে: সবচেয়ে বড় হলো 'মু'জামুল আকবর', যা মদিনা মুনাওয়ারার শায়খুল ইসলাম লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া রয়েছে 'আলফিয়াতুস সানাদ' (যা দেড় হাজার পঙ্ক্তি বিশিষ্ট) এবং এর শারহ (ব্যাখ্যা), 'উকদুন বিল জাওহারিস সামীন ফিল হাদীসিল মুসালসাল বিল মুহাম্মাদীন', 'আল-উকদুল মুকাল্লাল বিল জাওহারিস সামীন ফী তুরুকিল ইলবাস ওয়ায যিকর ওয়াত তালীক', 'উকদুল জুমান ফী আহাদীসিল জান', 'হালাওয়াতুল ফানীদ ফী ইরসালি হালাওয়াতিল আসানীদ', 'ইকلیلুল জাওয়াহিরিল গালিয়াহ ফী রিওয়ায়াতিল আহাদীসিল আলিয়াহ', 'কালানসুয়াতুত তাজ ফী বা'দি আহাদীসি সাহিবিল মি'রাজ', 'মানাকিবু আসহাবিল হাদীস' (এটি ২৫০ পঙ্ক্তির একটি কবিতা), 'আল-জাওয়াহিরুল মুনীফাহ ফী উসূলি আদিল্লাতি মাযহাবি আবি হানীফাহ', 'আল-ইবতিহাজ বি-খাতমি সহীহ মুসলিম বিন হাজ্জাজ' এবং 'তুহফাতুল ওয়াদুদ ফী খাতমি সুনানি আবি দাউদ'।
হাদীস ছাড়াও ভাষা, ফিকহ, বংশবিদ্যা ইত্যাদি নানা বিষয়ে তাঁর রচনা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: 'তাজুল আরুস শারহুল কামুস', আল-আওয়াতিক বিষয়ক আমাদের এই রিসালাহটি এবং আরও অন্যান্য।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৯)
ولمَّا توفِّي السيِّد قُوِّمت مؤلَّفاته بخمسة وعشرين ألفًا، فبلغ الخبر إلى السلطان التركي فقال: لقد بخستموها، فجعل لها خمسة وسبعين ألفًا وجعلها حبسًا على طلبة العلم بمصر.
ومن مآثره: أنَّ سلطان المغرب بعث بصِلَة جزيلة مع شيخ الحجيج، فلمَّا بلغته الرسالة ومَكَّنه منها قال له: إني سائلك، هل علماء المغرب يستوفون حصَّتهم من بيت المال؟ قال: نعم، قال: فهل أشرافهم وضعفاءهم ليس بهم خصاصة؟ فسكت وقال: لا يحلُّ لي أخذ شيء من ذلك وإني في غير إيَّالته.
اهـ. بتصرف من فهرس الفهارس والإثبات، لعبد الحيّ بن عبد الكبير الكتاني (1/ 526 - 543).
যখন সায়্যিদ ইন্তেকাল করলেন, তখন তাঁর রচনাবলি পঁচিশ হাজার মুদ্রায় মূল্যায়ন করা হয়েছিল। এই সংবাদ তুর্কি সুলতানের নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: "তোমরা এর মূল্য অত্যন্ত কম করেছ।" এরপর তিনি সেগুলোর জন্য পঁচাত্তর হাজার নির্ধারণ করলেন এবং সেগুলো মিসরের ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য ওয়াকফ করে দিলেন।
তাঁর অন্যতম কীর্তি হলো: মরক্কোর সুলতান হাজিদের আমিরের মাধ্যমে একটি বিশাল উপঢৌকন প্রেরণ করেছিলেন। যখন বার্তাটি তাঁর নিকট পৌঁছাল এবং তিনি সেটি গ্রহণ করার সুযোগ পেলেন, তখন তিনি তাকে বললেন: "আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করছি, মরক্কোর আলিমগণ কি বায়তুল মাল থেকে তাঁদের প্রাপ্য অংশ পূর্ণরূপে পাচ্ছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তবে কি সেখানকার সম্ভ্রান্ত ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে কোনো দৈন্যদশা নেই?" তখন তিনি নীরব হয়ে গেলেন। তিনি (সায়্যিদ) বললেন: "এর থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করা আমার জন্য বৈধ নয়, যেহেতু আমি তাঁর শাসনভুক্ত এলাকার অন্তর্ভুক্ত নই।"
সমাপ্ত। আব্দুল হাই ইবনে আব্দুল কাবীর আল-কাত্তানীর 'ফিহরিসুল ফাহারিস ওয়াল ইসবাত' থেকে সংক্ষেপিত (১/ ৫২৬-৫৪৩)।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১০)
صورة صفحة غلاف المخطوط
পাণ্ডুলিপির প্রচ্ছদ পৃষ্ঠার ছবি
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১১)
صورة الورقة الأولى
প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১২)
صورة الورقة الأخيرة
শেষ পৃষ্ঠার চিত্র
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك
تأليف
العلامة محمد مرتضى الزبيدي شارح القاموس (1145 - 1205 هـ)
بعناية
مساعد سالم العبد الجادر
মসজিদুল হারামে শেষ দশকের মজলিস (১৬)
‘আওয়াতিিক’ (নামীয় নারী)গণের বর্ণনায় বোধগম্যতার স্পষ্টীকরণ
রচনা
আল্লামা মুহাম্মদ মুরতাজা আজ-জাবিদি, ‘আল-কামুস’ গ্রন্থের ব্যাখ্যাকার (১১৪৫ - ১২০৫ হিজরি)
সম্পাদনায়
মুসায়িদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
تمهيدالحمدُ لله الذي اصطفى نبيَّه صلى الله عليه وسلم، واختار نسبه من بين الأنساب، وزاده سموًّا ورفعةً واعتلاءً وتشريفًا مدى الأحقاب.
ووصل حبل من اتصل به متمسكًا بعلِّي ذلك الجَناب.
فصلَّى الله عليه وعلى آله الأطهار، وأصحابه الأخيار الأنجاب، صلاةً وسلامًا دائمين متلازمين، ما اتصل حبل العترة بالكتاب حتى يرِدان الحوض في يوم المآب.
أمَّا بعد: فهذه نبذة حجمها صغير ولكن نفعها إن شاء الله كبير، تتضمَّن بيان أمهاته صلى الله عليه وسلم من العواتك من بني سُليم وغيرهم، خدمت بذلك جنابه الشَّريف صلى الله عليه وسلم وشرَّفَ ومَجَّدَ وعَظَّمَ؛ رجاء أن أكون من جملة منسوبيه وفي عِداد الخدم في ضمن محسوبيه.
ورَتَّبْتُها على: مقدِّمة، ومهمَّة، وخاتمة.
وسمَّيتها: "إيضاح المدارك في الِإفصاح عن العواتك". وعلى الله توكُّلي، ومنهُ أسأل الِإعانة والتوفيق؛ لسلوك سداد الطريق، وهو الله لا إله غيره، ولا خير إلَاّ خيره.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মনোনীত করেছেন, সকল বংশের মধ্য হতে তাঁর বংশধারাকে বেছে নিয়েছেন এবং কালান্তরে তাঁর মর্যাদা, মাহাত্ম্য, উচ্চতা ও সম্মানকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করেছেন।
আর তিনি সেই মহান সত্তার সাথে দৃঢ়ভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছেন।
অতঃপর তাঁর প্রতি এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গ ও পুণ্যবান অভিজাত সাহাবীগণের প্রতি চিরন্তন ও অবিচ্ছিন্ন রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক; যে পর্যন্ত কিতাবের সাথে তাঁর বংশধরগণের সম্পর্ক অটুট থাকবে, যতক্ষণ না তারা কিয়ামতের দিনে হাউজে কাউসারে উপনীত হন।
অতঃপর: এটি একটি নাতিদীর্ঘ পুস্তিকা, এর কলেবর ক্ষুদ্র হলেও ইনশাআল্লাহ এর উপকারিতা সুদূরপ্রসারী। এতে নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বনূ সুলাইম ও অন্যান্য গোত্রীয় 'আওয়াতিক' নাম্নী মাতাদের পরিচয় বিবৃত হয়েছে। এর মাধ্যমে আমি তাঁর সুমহান সত্তার খিদমত করার প্রয়াস পেয়েছি—আল্লাহ তাঁকে আরও সম্মানিত, গৌরবান্বিত ও মহান করুন—এই প্রত্যাশায় যেন আমি তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত হতে পারি এবং তাঁর খাদেমদের তালিকায় গণ্য হতে পারি।
আমি এই পুস্তিকাটিকে ভূমিকা, মূল আলোচ্য বিষয় এবং উপসংহার—এই বিন্যাসে সাজিয়েছি।
আর আমি এর নামকরণ করেছি: "ঈজাহুল মাদারিক ফি আল-ইফসাহ আনিল আওয়াতিক"। আল্লাহর উপরেই আমার ভরসা এবং আমি তাঁরই নিকট সঠিক পথে চলার জন্য সাহায্য ও তাওফীক প্রার্থনা করছি; তিনিই আল্লাহ, তিনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই এবং তাঁর কল্যাণ ব্যতিরেকে কোনো কল্যাণ নেই।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১৬)
المقدمةأمَّا المقدِّمة، ففي تحقيق لفظ عاتكة واشتقاقه ومعناه:
قال أئمة اللُّغة: العَتْك بالفتح فسكون: الكرُّ والحملُ الشديد في القتال، والإِقدام على الشيء، والعصيانُ، والغلبةُ، والاشتدادُ، واليُبسُ، والميلُ، والترؤسُ، والاستقامةُ، والكرمُ، والخلوصُ، واللّجاج، كالعُتوك بالضم.
قال الأصمعي (1): في القتال كرٌّ.
وقال ابن دريد (2): عَتَكَ عليه: أرهقه.
--------------------------------------------
ভূমিকাভূমিকা প্রসঙ্গে: এটি ‘আতিকাহ’ শব্দের বিশ্লেষণ, এর ব্যুৎপত্তি এবং এর অর্থ বর্ণনায়:
ভাষাতত্ত্বের ইমামগণ বলেছেন: ‘আল-আতক’ (প্রথম অক্ষরে ফাতহাহ এবং দ্বিতীয় অক্ষরে সুকুন যোগে): যুদ্ধের ময়দানে পুনঃপুন আক্রমণ এবং তীব্র অভিযান, কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া, অবাধ্য হওয়া, বিজয় লাভ করা, তীব্রতা, শুষ্কতা, ঝোঁক, নেতৃত্ব দান, অবিচলতা, উদারতা, বিশুদ্ধতা এবং জেদ; যেমন ‘আল-উতুক’ (প্রথম অক্ষরে দাম্মাহ যোগে)।
আসমায়ি (১) বলেন: যুদ্ধের ময়দানে পুনঃপুন আক্রমণ।
ইবনে দুরেদ (২) বলেন: ‘আতাকা আলাইহি’ অর্থাৎ সে তাকে ক্লান্ত বা দিশেহারা করে ফেলল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وقال الحِرمَازِيُّ (1): عَتَكَ إلى موضع كذا: مَالَ وعَدلَ.
وقال ابن الأعرابي (2): عَتَكَت المرأةُ على زَوجِها: نَشزَتْ، وعلى أَبيها: عَصَتْ.
وقال ابن دريد: عَتكَتْ القوسُ: قَلُمت فاحمارَّ عودها.
وقال أبو زيد (3): العاتِك من اللَّبن: الحازر (4).
--------------------------------------------
এবং আল-হিরমাযি (১) বলেছেন: সে অমুক স্থানের দিকে ঝুঁকেছে (আতাকা): অর্থাৎ সে ঝুঁকে পড়েছে এবং বিচ্যুত হয়েছে।
ইবনুল আ’রাবি (২) বলেছেন: নারীটি তার স্বামীর প্রতি অবাধ্য হয়েছে (আতাকাত); আর তার পিতার অবাধ্য হয়েছে।
ইবনু দুরাইদ বলেছেন: ধনুকটি পুরোনো ও লালচে হয়েছে (আতাকাত): অর্থাৎ তা জীর্ণ হয়েছে এবং এর কাঠ লাল হয়ে গেছে।
আবু যায়িদ (৩) বলেছেন: দুগ্ধের ক্ষেত্রে 'আল-আতিক' হলো: যা টক হয়ে গেছে (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وقال ابن دريد: نبيذ عاتك: إذا صفا.
وقال ابن عباد (1): عَتكَت المرأة: شرفت ورأست. وقال: وأعتك بُنيَته: استقام لوجهِهِ. والعاتِكُ: الكريم من كل شيء، والخالص من كل لون.
وقال ابن الأعرابي: هو اللَّجُوج الذي لا ينثني عن الأمر.
وقال أبو مالك (2): هو الراجع من حال إلى حال.
وهذا خلاصة ما ذُكر في العتك، وما عداه من المعاني يرجع إليه.
--------------------------------------------
ইবনে দুরাইদ বলেন: নাবিয (পানীয়) তখন 'আতিক' হয় যখন তা স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।
ইবনে আব্বাদ (১) বলেন: নারী 'আতিকাত' হয় যখন সে সম্মান ও নেতৃত্বের অধিকারী হয়। তিনি আরও বলেন: 'আ’তাকা বুনাইয়াহু' অর্থ সে তার লক্ষ্যের দিকে অবিচল ও সোজা হয়ে চলল। আর 'আতিক' হলো—যেকোনো জিনিসের উৎকৃষ্ট অংশ এবং যেকোনো রঙের বিশুদ্ধ রূপ।
ইবনে আরাবি বলেন: সে হলো এমন একগুঁয়ে যে কোনো কাজ থেকে পিছপা হয় না।
আবু মালিক (২) বলেন: সে হলো এমন ব্যক্তি যে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তিত হয়।
এটিই 'আতক' সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার সারসংক্ষেপ, আর এর বাইরে যত অর্থ রয়েছে তা এর দিকেই ফিরে আসে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ১৯)
والعاتكة من النخيل: التي لا تقبل الإِبار. عن اللَّحياني (1)
وقال غيره: هي الصّلود تحمل الشيص (2).
* * *
واختلف في اشتقاق العاتكة من النساء على أقوال:قيل: سُمِّيت به؛ من قولهم: امرأة عاتكة، بها رِدْعُ طِيب.
قال السُّهَيْلي (3) في "الروض": عاتكة: اسم منقول من الصفات، يقال: امرأة عاتكة، وهي المصفرَّة من الزعفران.
وفي "القاموس": هي المحمرَّةُ من الطيبِ، أي: احْمَرَّ لونُها من كثرةِ استعمالِ الطيبِ.
--------------------------------------------
খেজুর গাছের মধ্যে আতিকাহ হলো: যা পরাগায়ন গ্রহণ করে না। আল-লিহইয়ানি থেকে বর্ণিত (১)
এবং অন্যান্যগণ বলেছেন: এটি এমন শক্ত খেজুর গাছ যা শুষ্ক ও অখাদ্য খেজুর উৎপন্ন করে (২)।
* * *
নারীদের ক্ষেত্রে আতিকাহ নামের ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে:বলা হয়ে থাকে: তাকে এই নামে নামকরণ করা হয়েছে তাদের এই কথা থেকে: আতিকাহ নারী, যার গায়ে সুগন্ধির দাগ রয়েছে।
আল-সুহাইলি (৩) 'আর-রাওদ' গ্রন্থে বলেছেন: আতিকাহ: গুণবাচক শব্দ থেকে গৃহীত একটি নাম, বলা হয়: আতিকাহ নারী, অর্থাৎ যে জাফরানের কারণে হলুদাভ হয়ে গেছে।
এবং 'আল-قاموس' (অভিধান)-এ রয়েছে: সে সুগন্ধির কারণে লালবর্ণ ধারণকারিণী, অর্থাৎ: অধিক সুগন্ধি ব্যবহারের ফলে তার গায়ের রঙ লাল হয়ে গেছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২০)
ويؤيده قول ابن قتيبة (1): هي من عتكت القوس إذا احمرَّت.
وهذه الأقوال كلها راجعة إلى قول واحد، وهو: تغيير لونها من استعمال الطيب، سواء بصُفرة -كما قال السُّهيلي-، أو بحُمرة -كما قاله ابن قتيبة-، ولا تخالف فيها عند التأمُّل.
وقال ابن عباد في "المحيط": هو من عتكت المرأة؛ إذا شرفت ورأست، أي: على قومها وعشيرتها؛ فتسمَّوا بهذا الاسم تفاؤلًا على عادتهم.
وقيل: سُمِّيَت لصفائها، من قولهم: نبيذ عاتك؛ إذا صفا: وهو قول ابن دريد.
وقال ابن سعد (2) في "الطبقات" (3): العاتكة: الطاهرة، أي في
--------------------------------------------
এবং ইবনে কুতায়বাহর (১) উক্তি একে সমর্থন করে: এটি ধনুকের লাল হওয়া থেকে এসেছে।
এবং এই সকল উক্তি মূলত একটি বক্তব্যের দিকেই ফিরে যায়, আর তা হলো: সুগন্ধি ব্যবহারের কারণে রঙের পরিবর্তন হওয়া, চাই তা হলুদ বর্ণের মাধ্যমে হোক—যেমনটি সুহায়লি বলেছেন—অথবা লাল বর্ণের মাধ্যমে হোক—যেমনটি ইবনে কুতায়বাহ বলেছেন। গভীরভাবে চিন্তা করলে এর মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।
এবং ইবনে আব্বাদ ‘আল-মুহিত’ গ্রন্থে বলেছেন: এটি নারীর সম্মানিত হওয়া ও প্রধান হওয়া থেকে এসেছে, অর্থাৎ: তার সম্প্রদায় ও বংশের ওপর; তাই তারা তাদের প্রথা অনুযায়ী শুভ লক্ষণ হিসেবে এই নামে নামকরণ করত।
এবং বলা হয়েছে: স্বচ্ছতার কারণে এই নামকরণ করা হয়েছে, যেমন তাদের কথা: স্বচ্ছ পানীয়; যখন তা স্বচ্ছ হয়। এটি ইবনে দুরাইদের উক্তি।
এবং ইবনে সাদ (২) ‘আত-তবাকাত’ (৩) গ্রন্থে বলেছেন: আতিকাহ অর্থ হলো পবিত্রা, অর্থাৎ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২১)
نسبها وحسبها. وكانت خديجة أم المؤمنين رضي الله عنها تُكْنَى في الجاهلية بالطَّاهرة؛ نظرًا لذلك.
وقيل: من عتكت على بعلها؛ إذا نشزت. وهذا قول ابن الأعرابي، وفيه بُعْد.
وأبعد من ذلك قول من قال: إنها من عتكت النخلة؛ إذا لم تقبل الإِبار.
فهذا مجموع ما يتعلَّق بتحقيق اللَّفظ.
তার বংশমর্যাদা এবং সম্মান। এ কারণেই জাহেলিয়াত যুগে উম্মুল মুমিনীন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে ‘তাহিরা’ (পবিত্রা) উপনামে ডাকা হতো।
কারো মতে, এটি ‘আতাকাত আলা বা’লিহা’ থেকে এসেছে; যখন স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্য হয়। এটি ইবনুল আরাবির বক্তব্য, তবে এতে দূরবর্তিতা (দুর্বলতা) রয়েছে।
এর চেয়েও দূরবর্তী হলো ঐ ব্যক্তির বক্তব্য যে বলেছে: এটি ‘আতাকাত আন-নাখলা’ থেকে গৃহীত; যখন খেজুর গাছ পরাগায়ন গ্রহণ করে না।
শব্দটির তাহকীক বা বিশ্লেষণ সংক্রান্ত আলোচনার সারসংক্ষেপ এটিই।
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২২)
[المهمَّة] (1)
وأمَّا المهمَّة ففيها ثلاثة مطالب:
المطلب الأول في بيان الحديث الذي ورد فيه هذا اللَّفظقال الحافظ جلال الدِّين السيوطي في "الجامع الصغير": أخرج الطبراني في "المعجم الكبير" عن سِيَابَة بن عاصم رضي الله عنه، رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال: "أنا ابن العواتك من سُليم" (2).
--------------------------------------------
[গুরুত্বপূর্ণ বিষয়] (১)
আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: যে হাদিসে এই শব্দটির প্রয়োগ হয়েছে তার বর্ণনায়হাফিজ জালালুদ্দিন সুয়ূতী "আল-জামি আস-সগির"-এ বলেছেন: তাবারানি "আল-মু'জাম আল-কাবির"-এ সিয়াবাহ বিন আসিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত মারফু সূত্রে পৌঁছিয়ে বলেছেন: "আমি বনু সুলাইমের আতিকাদের সন্তান" (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৩)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৪)
قال الشيخ: عبد الرؤوف المناوي في شرحه "الكبير": سيابة -بمهملة مكسورة ومثناة تحتية ثم باء موحدة، بضبط المصنِّف بخطه، تبعًا لابن حجر-[ابن عاصم] (1) ابن شيبان السلمي، له صحبة.
--------------------------------------------
শেখ আব্দুর রউফ আল-মুনাবি তাঁর "আল-কাবীর" নামক ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেছেন: সাইয়াবাহ—জের বিশিষ্ট 'সীন' (মুহমালাহ), নিচে দুই নুক্তা বিশিষ্ট বর্ণ (ইয়া), এরপর এক নুক্তা বিশিষ্ট 'বা' যোগে; গ্রন্থকারের নিজের হাতের লিখন অনুযায়ী এবং ইবনে হাজারকে অনুসরণ করে—[ইবনে আসিম] (১) ইবনে শায়বান আস-সুলামী, তিনি সাহাবী ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قال الهيثمي: رجاله رجال الصحيح.
وقال الذهبي كابن عساكر [في التاريخ] (1): اختلف على هشيم فيه، انتهى.
قلت: مقتضى سياق الذهبي في كتابه "المشتبه" أن سيابة بالفتح كسحابة. ولكن في "التبصير" (2) للحافظ ابن حجر: أنه بالكسر، كما نقله السيوطي، فهو إذًا خالف شيخه في الضبط، أو أن الذهبي لم يضبطه لشهرته.
وفي "التجريد" للحافظ الذهبي و"معجم الصحابة" للحافظ تقي الدِّين ابن فهد ما نصّهما: سيابة بن عاصم بن شيبان السُّلمي، له وفادة. روى حديثه عن عمرو بن سعيد، قوله: "أنا ابن العواتك" (3).
وأما هُشيم الذي قال فيه الذهبي وابن عساكر: أنه اختلف عليه في هذا الحديث، فهو: أبو معاوية هُشيم بن بشر بن القاسم دينار السُّلمي (4). روى له الجماعة. وُلِد سنة خمس ومائة، وتوفي سنة ثلاث وثمانين ومائة. روى عن الزهري. وروى عنه من القدماء: الثوري، وشعبة، ومالك. وهو أثبت الناس في حديث منصور بن زاذان، ويونس وسيار وحصين.
--------------------------------------------
হাইসামি বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ (গ্রন্থের) বর্ণনাকারী।
যুহাবি যেমনটি ইবনে আসাকির [তারিখ গ্রন্থে] (১) বলেছেন: এতে হুশাইমের ব্যাপারে মতভেদ হয়েছে, সমাপ্ত।
আমি বলছি: যুহাবি তার "আল-মুশতাবিহ" গ্রন্থে যা উল্লেখ করেছেন তার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী 'সাইয়াবাহ' শব্দটি ফাতহ (জবর) যোগে 'সাহাবাহ' শব্দের ওজনে। তবে হাফেজ ইবনে হাজার প্রণীত "আত-তাবসির" (২) গ্রন্থে রয়েছে: এটি কাসরা (যের) যোগে হবে, যেমনটি সুয়ুতি বর্ণনা করেছেন; সুতরাং তিনি এক্ষেত্রে তার উস্তাদের উচ্চারণ বিন্যাসের বিরোধিতা করেছেন, অথবা যুহাবি এটি অধিক প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণে এর স্বরচিহ্ন প্রদান করেননি।
হাফেজ যুহাবি রচিত "আত-তাজরিদ" এবং হাফেজ তাকিউদ্দিন ইবনে ফাহদ রচিত "মু'জামুস সাহাবাহ" গ্রন্থে যা বর্ণিত হয়েছে তা হলো: সাইয়াবাহ বিন আসিম বিন শাইবান আস-সুলামি, তার (রাসূলুল্লাহর নিকট) প্রতিনিধি হিসেবে আসার বর্ণনা রয়েছে। তার হাদিস আমর বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত হয়েছে, তার কথা: "আমি আওয়াতিকের সন্তান" (৩)।
আর হুশাইম, যার ব্যাপারে যুহাবি এবং ইবনে আসাকির বলেছেন যে, এই হাদিসের ক্ষেত্রে তার ওপর মতভেদ হয়েছে, তিনি হলেন: আবু মুয়াবিয়া হুশাইম বিন বিশর বিন কাসিম দিনার আস-সুলামি (৪)। সিত্তাহর সংকলকগণ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি একশত পাঁচ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একশত তিরাশি হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর প্রাচীনদের মধ্যে তার থেকে বর্ণনা করেছেন: সাওরি, শু'বাহ এবং মালিক। তিনি মানসুর বিন জাযান, ইউনুস, সাইয়্যার এবং হুসাইন-এর হাদিসের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৬)
المطلب الثاني في تأويل هذا الحديث وبيان نسب بني سُليمقال المناوي: قال الحليمي (1): لم يُرِدْ بذلك فخرًا، بل تعريف منازل المذكورات، كمن يقول: "كان أبي فقيهًا"، لا يريد به إلَّا تعريف حاله. قال: ويمكن أنه أراد به الإِشارة بنعمة الله في نفسه وآبائه وأمهاته، انتهى.
قال بعضهم (2): وبنو سليم تفخر بهذه الولادة.
قلت (3): بنو سُليم، بالضَّم مصغَّر، قبيلة كبيرة من قبائل قيس بن عيلان من مضر (4).
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এই হাদিসের ব্যাখ্যা এবং বনু সুলাইম গোত্রের বংশপরিচয় বর্ণনা প্রসঙ্গেআল-মুনাউয়ী বলেন: আল-হালীমী (১) বলেছেন: এর দ্বারা তিনি অহংকার করা উদ্দেশ্য করেননি, বরং উল্লিখিত ব্যক্তিদের মর্যাদার পরিচয় প্রদান করেছেন; যেমন কেউ বলে: "আমার পিতা একজন ফকিহ ছিলেন", এর মাধ্যমে সে কেবল তাঁর অবস্থা পরিচয় করিয়ে দিতে চায়। তিনি বলেন: এটিও সম্ভব যে, তিনি এর মাধ্যমে নিজের প্রতি এবং নিজের পিতা ও মাতাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি ইঙ্গিত করার ইচ্ছা করেছেন। সমাপ্ত।
তাদের কেউ কেউ (২) বলেছেন: বনু সুলাইম গোত্র এই জন্মসূত্রের কারণে গর্ববোধ করে।
আমি (৩) বলছি: বনু সুলাইম—পেশ (যম্মাহ) সহযোগে ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ—মুদার গোত্রের কায়েস বিন আয়লান-এর অন্তর্ভুক্ত একটি বড় গোত্র (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وعيلان اختلف فيه كثيرًا، فقيل: لقب، واسمه: الناس. وكان الوزير المغربي (1) يشدِّد السين. وقيل: اسم غلام لأبيه، حضنه؛ فيجعل قيسًا مضافًا إلى عيلان لا ابنًا له، وهذا بعيد جدًّا. والصحيح: ما اتفق عليه النسَّابة من أن قيسًا ولد لعيلان، وهو ولد لمضر. وقيل: سُمِّي بفرس له قد سابق عليه، أو بكلب له.
والصحيح ما قدَّمناه، ويدل له قول زهير بن أبي سُلمى:
إذا ابتدرتَ قيس بن عيلان غاية
… من المجد من يسبق إليها يسبق (2)
فالعقب من قيس هذا في ثلاثة: خصفة -بالخاء المعجمة بحركة-، وسعد، وعمرو.
والعقب من خصفة من بطنين: عكرمة، ومحارب.
والعقب من عكرمة بن خصفة في: منصور بن عكرمة -وهو البيت الأول من قيس، وفيه العدد-، وسعد، وأبي مالك، وعامر.
--------------------------------------------
আয়লান সম্পর্কে অনেক মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে: এটি একটি উপাধি, আর তার নাম হলো ‘নাস’। উজির মাগরিবী (১) ‘সীন’ বর্ণে তাশদীদ (দ্বিত্ব উচ্চারণ) দিতেন। আরও বলা হয়েছে: এটি তার পিতার এক দাসের নাম, যে তাকে লালন-পালন করেছিল; সে হিসেবে কায়সকে আয়লানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয় (কায়স-ই-আয়লান), তার পুত্র হিসেবে নয়। তবে এই বিষয়টি অত্যন্ত দূরহ। সঠিক অভিমত হলো তা-ই যার ওপর বংশবিদগণ একমত হয়েছেন যে, কায়স হলো আয়লানের পুত্র এবং সে (আয়লান) মুদারের পুত্র। আবার বলা হয়েছে: তার একটি ঘোড়ার নামে তার নামকরণ করা হয়েছে যার মাধ্যমে সে প্রতিযোগিতা করত, অথবা তার একটি কুকুরের নামে।
আর আমরা পূর্বে যা উল্লেখ করেছি সেটিই সঠিক, আর যুহাইর ইবনে আবি সুলমার এই উক্তিটি এর সপক্ষে দলিল:
যখন তুমি কায়স ইবনে আয়লানের সাথে শ্রেষ্ঠত্বের কোনো লক্ষ্যপানে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে
… সম্মানের সেই শিখরে যে আগে পৌঁছাবে, সেই অগ্রগামী হবে (২)
এই কায়সের বংশধারা তিনজনের মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে: খাসাফাহ—নুক্তিযুক্ত ‘খা’ বর্ণের সাথে হরকত যোগে—, সা’দ এবং আমর।
আর খাসাফাহর বংশধারা দুটি শাখার মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে: ইকরিমা এবং মুহারিব।
আর ইকরিমা ইবনে খাসাফাহর বংশধারা এদের মধ্যে রয়েছে: মানসুর ইবনে ইকরিমা—যা কায়স গোত্রের প্রধান শাখা এবং এতেই বংশের লোকসংখ্যা অধিক—, সা’দ, আবু মালিক এবং আমির।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৮)
والعقب من منصور في: هوازن، وسليم، وسلامان، ومازن.
ومن سُليم في: بُهتة بن سليم، ومنه تفرَّعت القبائل على ما هو مشروح في كتب الإنساب.
ولبني سُليم مفاخر، منها: أنها ألَّفت (1) يوم فتح مكة، أي: شهده منهم ألف، وأنَّ النبي صلى الله عليه وسلم قدَّم لواءهم يومئذ على الألوية، وكان أحمرَ.
ومنها: أنَّ عمرًا رضي الله عنه (2) كتب إلى أهل الكوفة والبصرة ومصر والشام: أنِ ابعثوا إليَّ من كل بلد بأفضله رجلًا، فبعث أهل البصرة بمجاشع بن مسعود السُّلمي، وأهل الكوفة بعتبة بن فرقد السُّلمي، وأهل مصر بمعن بن يزيد بن الأخنس السُّلمي، وأهل الشام بأبي الأعور السُّلمي.
--------------------------------------------
মনসুরের বংশধরগণ হলেন: হাওয়াজিন, সুলাইম, সালামান এবং মাজিন গোত্রে।
আর সুলাইম থেকে: বুহতাহ বিন সুলাইম, এবং তার থেকেই গোত্রগুলো শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়েছে যেমনটি বংশলতিকার বইগুলোতে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।
বনু সুলাইমের অনেক গৌরবের বিষয় রয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো: মক্কা বিজয়ের দিন তারা সংখ্যায় হাজারে পৌঁছেছিল (১), অর্থাৎ: তাদের মধ্য থেকে এক হাজার ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিন তাদের পতাকাকে অন্যান্য পতাকার অগ্রভাগে রেখেছিলেন, আর তা ছিল লাল রঙের।
আরেকটি হলো: উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু (২) কুফা, বসরা, মিসর ও শামবাসীদের কাছে লিখেছিলেন যে: 'তোমরা প্রতিটি দেশ থেকে আমার কাছে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে পাঠাও।' ফলে বসরাবাসী মুজাশে' বিন মাসউদ আস-সুলামীকে, কুফাবাসী উতবাহ বিন ফারকাদ আস-সুলামীকে, মিসরবাসী মা'ন বিন ইয়াযিদ বিন আল-আখনাস আস-সুলামীকে এবং শামবাসী আবু আল-আওয়ার আস-সুলামীকে পাঠালো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ২৯)
المطلب الثالث في تفصيل أسمائهنقال الجوهري (1) في "الصَّحاح"، والصاغاني (2) في "العُباب": العواتك في جدَّات النبي صلى الله عليه وسلم تسع، وإياهم تبع صاحب "القاموس"، واقتصروا على ذلك.
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাদের নামের বিস্তারিত বিবরণ প্রসঙ্গেআল-জাওহারী (১) 'আস-সিহাহ' গ্রন্থে এবং আস-সাগানী (২) 'আল-উবাব' গ্রন্থে বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাদি ও নানিদের মধ্যে 'আতিকাহ' নামধারী মহিলার সংখ্যা নয়জন। 'আল-কামুস' গ্রন্থের লেখকও তাদের অনুসরণ করেছেন এবং তারা এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وقال ابن الأثير (1)، وابن بري (2) في "حاشية الصَّحاح": هن اثنتا عشرة نسوة.
وقال العتبي (3): قال أبو اليقظان (4): العواتك ثلاث نسوة من بني سُليم، تُسَمَّى كل واحدة منهن عاتكة.
إحداهن: عاتكة بنت هلال بن فالج -بالجيم- بن ذكوان بن
--------------------------------------------
এবং ইবনে আল-আসির (১) এবং ইবনে বাররি (২) 'হাশিয়াতুস সাহাহ'-এ বলেছেন: তারা বারোজন নারী।
আল-উতবি (৩) বলেন: আবুল ইয়াকজান (৪) বলেছেন: আওয়াতিিকগণ হলেন বনু সুলাইম গোত্রের তিনজন নারী, তাদের প্রত্যেকের নাম ছিল আতিকাহ।
তাদের একজন হলেন: আতিকাহ বিনতে হিলাল বিন ফালিজ—'জীম' অক্ষর যোগে—বিন যাকওয়ান বিন...
--------------------------------------------