(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: -)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك   (مرتضى الزبيدي)

القسم: السيرة النبوية


الكتاب: إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك - سلسلة لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)

المؤلف: محمّد بن محمّد بن عبد الرزّاق الحسيني، أبو الفيض، الملقّب بمرتضى، الزَّبيدي (ت 1205 هـ)

اعتنى به: مساعد سالم العبد الجادر

الناشر: دار البشائر الإسلامية للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2000 م

عدد الصفحات: 43

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 صفر 1437

আওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতা সহজীকরণ   (মুরতাজা আয-যাবিদি)

বিভাগ: সীরাতুন নবী


বই:ওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতা সহজীকরণ - মসজিদে হারামে শেষ দশ দিনের বৈঠকের ধারাবাহিকতা (১৬)

লেখক: মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি, আবু আল-ফায়জ, মুরতাজা উপনামে পরিচিত, আয-যাবিদি (ওফাত ১২০৫ হিজরি)

সম্পাদনায়: মুসা’ইদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির

প্রকাশক: দার আল-বাশায়ির আল-ইসলামিয়া মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩

[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ সফর ১৪৩৭

(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)

 

إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك

 

تأليف

العلامة محمد مرتضى الزبيدي شارح القاموس (1145 - 1205 هـ)

 

بعناية

مساعد سالم العبد الجادر

 

ساهم بطبعه بعض أهل الخير من الحرمين الشريفين ومحبيهم

 

دار البشائر الإسلامية
মসজিদুল হারামে শেষ দশকের মিলনমেলা (১৬)

 

ইদাহুল মাদারিক ফি আল-ইফসাহ আনিল আওয়াতিক (আওয়াতিকদের বর্ণনায় বোধগম্যতার স্পষ্টীকরণ)

 

গ্রন্থনায়

আল্লামা মুহাম্মদ মুরতাজা আয-যাবিদী, কামুস গ্রন্থের ব্যাখ্যাকার (১১৪৫ - ১২০৫ হিজরি)

 

সম্পাদনায়

মুসাঈদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির

 

হারামাইন শরিফাইনের কতিপয় পুণ্যবান ব্যক্তি এবং তাঁদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদানে এটি মুদ্রিত হয়েছে

 

দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২)
إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك
আতিকাগণের বর্ণনায় উপলব্ধিসমূহের সুস্পষ্টকরণ
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৩)
جَميعُ الحُقُوقِ مَحْفُوظَةٌ

الطّبْعَةُ الأولى

1421 هـ - 2000 م

 

دَارُ البَشَائِر الإسْلَامِيَّة للطباعة والنشر والتوزيع

هاتف: 702857 - فاكس: 704963/ 009611

بيروت - لبنان ص. ب: 5955/ 14

 

e-mail: bashaer@cyberia.net.lb
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

 

দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়া মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ সংস্থা

টেলিফোন: ৭০২৮৫৭ - ফ্যাক্স: ৭০৪৯৬৩/ ০০৯৬১১

বৈরুত - লেবানন পোস্ট বক্স: ৫৯৫৫/ ১৪

 

ই-মেইল: bashaer@cyberia.net.lb
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة التحقيق

الحمد لله، والصَّلاة والسَّلام على أشرف الأنبياء والمرسلين سيِّدنا محمَّد وعلى آله وأصحابه أجمعين.

وبعد: فهذه رسالة لطيفة في تحقيق أُمَّهات رسولنا صلى الله عليه وسلم من العواتك من بني سليم، قال مؤلفها رحمه الله تعالى: "خدمت بذلك جنابه الشريف صلى الله عليه وسلم ومجَّد وعظَّم، رجاء أن أكون من جملة منسوبيه، وفي عداد الخدم في ضمن محسوبيه … " إلخ.

وأنا في عنايتي وإخراجي لهذه الرسالة ما أردتُ إلَاّ ذلك، ورغبةً في خدمته صلى الله عليه وسلم وقيل شفاعته صلوات ربِّي وسلامه عليه.

وقد قمتُ بضبط النص، وتخريج الأحاديث، وترجمة المؤلِّف، وترجمة مختصرة لبعض الأعلام عزوفًا عن التطويل.

وقد أهداني وحثَّني على العناية بهذه الرسالة شيخنا الشيخ/ نظام يعقوبي حفظه الله، فجزاه الله أوفى الجزاء.

والمخطوط الذي اعتمدتُ عليه من مخطوطات دار الكتب المصرية
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আম্বিয়া ও মুরসালিনদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর সকল পরিবারবর্গ ও সাহাবীবর্গের ওপর।

অতঃপর: এটি বনু সুলাইম গোত্রের ‘আওয়াতিক’ নামক আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মায়েদের পরিচয়ের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত ও চমৎকার পুস্তিকা। এর লেখক (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "আমি এর মাধ্যমে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্মানিত সান্নিধ্যে খিদমত পেশ করেছি এবং তাঁর মর্যাদা ও মহিমা বর্ণনা করেছি; এই আশায় যে আমি তাঁর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের দলভুক্ত হতে পারব এবং তাঁর সেবকদের তালিকায় গণ্য হব … " ইত্যাদি।

এই পুস্তিকাটির যত্ন ও প্রকাশের ক্ষেত্রে আমার উদ্দেশ্যও কেবল তাই এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতের প্রতি গভীর অনুরাগ ও আমার রবের সালাত ও সালাম যাঁর ওপর তাঁর শাফায়াত লাভের প্রত্যাশা।

আমি মূল পাঠের শুদ্ধি নিরূপণ, হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরীজ), লেখকের জীবনী এবং দীর্ঘসূত্রতা পরিহারকল্পে কতিপয় বিশিষ্ট ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রদান করেছি।

আমাদের শায়খ, শায়খ নিযাম ইয়াকুবী (হাফিযাহুল্লাহ) আমাকে এই পুস্তিকাটি উপহার দিয়েছেন এবং এর প্রতি বিশেষ মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করেছেন; আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।

আমি যে পাণ্ডুলিপিটির ওপর নির্ভর করেছি তা মিশরের ‘দারুল কুতুব’ (মিশরীয় জাতীয় গ্রন্থাগার)-এর পাণ্ডুলিপিসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৬)
برقم (20108)، وهي صحيحة النسبة لمؤلِّفها رحمه الله، خطُّها عادي، وعدد أوراقها (19) ورقة، قياس الورقة (23 × 15)، وعدد الأسطر (15).

أسألُ الله سبحانه وتعالى أن يَنفعني بها وينفع بها .. والحمد لله ربَّ العالمين.
(২০১০৮) নম্বরযুক্ত, এবং এটি এর লেখকের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) প্রতি এর নিসবত বা সম্বন্ধ হওয়া বিশুদ্ধ, এর হস্তলিপি সাধারণ, এর পত্র সংখ্যা (১৯) টি, পত্রের পরিমাপ (২৩ × ১৫), এবং পঙক্তি সংখ্যা (১৫)।

আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে আমাকে উপকৃত করেন এবং অন্যদেরকেও উপকৃত করেন.. আর সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌ترجمة المؤلف

هو محمَّد مرتضى بن محمَّد بن محمَّد بن عبد الرزاق الحسيني العلوي، الزَّبيدي النسب، وينتهي نسبه إلى الحسين بن عليّ رضي الله عنهما، العراقي أصلاً، الهندي مولدًا، الزَّبيدِيّ تعلُّمًا وشُهرة، المصريّ وفاةً، خاتمة الحفَّاظ بالدِّيار المصرية. وُلِد عام 1145 هـ، وتوفي عام 1205 هـ شهيدًا بالطاعون.

ليس له عقب من ذكر أو أنثى.

كان نادرة الدنيا في عصره ومصره، كاتب أهل الأقطار البعيدة بفاس وتونس والشام والعراق واليمن، وكاتبوه.

كما كاتبه ملوك النواحي من الترك والحجاز والهند واليمن والمغرب والسودان.

وممن أخذ عنه من ملوك الأرض: خليفة الإِسلام في وقته السلطان عبد الحميد، ووزيره الأكبر محمد باشا بالمكاتبة. واستُدعِي للآستانة للحضور فاعتذر، وكان يعرف اللسان الفارسي والتركي.

وقد حرص على جمع الفنون التي أغفلها المتأخِّرون، كعلم الإنساب، والأسانيد، وتَخاريج الأحاديث، واتِّصال طرائق المحدِّثين
লেখকের জীবনী

তিনি হলেন মুহাম্মদ মুরতাজা বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনী আল-আলাওয়ী, বংশগতভাবে জাবিদী। তাঁর বংশধারা হুসাইন বিন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনি মূলে ইরাকি, জন্মসূত্রে ভারতীয়, শিক্ষা ও খ্যাতির দিক থেকে জাবিদী এবং মৃত্যুকালে মিসরীয়। তিনি ছিলেন মিসরীয় ভূখণ্ডের সর্বশেষ হাফিজুল হাদিস। তিনি ১১৪৫ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২০৫ হিজরি সনে প্লেগ রোগে আক্রান্ত হয়ে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর পুত্র বা কন্যা কোনো সন্তানই ছিল না।

তিনি তাঁর যুগে ও তাঁর আবাসস্থলে পৃথিবীর এক বিরল প্রতিভা ছিলেন। তিনি ফাস, তিউনিসিয়া, শাম, ইরাক ও ইয়ামেনের মতো দূরবর্তী জনপদের অধিবাসীদের নিকট পত্র লিখতেন এবং তাঁরাও তাঁকে পত্র লিখতেন।

তেমনিভাবে তুর্কি, হিজাজ, ভারত, ইয়ামেন, মরক্কো ও সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলের বাদশাহগণও তাঁর সাথে পত্রবিনিময় করতেন।

পৃথিবীর যেসব শাসক তাঁর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তৎকালীন ইসলামের খলিফা সুলতান আব্দুল হামিদ এবং তাঁর প্রধান উজির মুহাম্মদ পাশা, যাঁদের সাথে পত্রবিনিময়ের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। তাঁকে ইস্তাম্বুলে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি ফারসি ও তুর্কি ভাষা জানতেন।

তিনি এমন সব শাস্ত্র সংকলনের প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন যা পরবর্তীকালের পণ্ডিতগণ উপেক্ষা করেছিলেন, যেমন: বংশতত্ত্ব বিদ্যা, সনদশাস্ত্র, হাদিসের উৎস বিশ্লেষণ (তাখরিজ) এবং মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতিসমূহের যোগসূত্রসমূহ।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৮)
المتأخِّرين بالمتقدمين. كما أحيا إملاء الحديث على طريق السلف في ذِكر الأسانيد والرُّواة والمخرِّجين من حفظه على طُرق مختلفة.

ووصلت أماليه إلى نحو أربعمائة مجلس، وكان يجلس كل اثنين وخميس.

أما شيوخه رحمه الله: فقد ذكرهم في معجمه الصغير، ونقلهم الكتاني، وهم يزيدون على مائة نفس، منهم: وليّ الله الدهلوي، وأحمد بن عبد اللطيف الحسني الشهير بزرّوق، والحافظ البابلي المتوفى عام 1078 هـ.

أما كتبه: فأكبرها معجمه الأكبر، وهو في مكتبة شيخ الإِسلام في المدينة المنورة، وألفية السند في ألف وخمسمائة بيت وشرحها، وعقد بالجوهر الثمين في الحديث المسلسل بالمحمَّدين، والعقد المكلَّل بالجوهر الثمين في طرق الإِلباس والذكر والتعليق، وعقد الجمان في أحاديث الجان، وحلاوة الفانيد في إرسال حلاوة الأسانيد، وإكليل الجواهر الغالية في رواية الأحاديث العالية، وقلنسوة التاج في بعض أحاديث صاحب المعراج، ومناقب أصحاب الحديث منظومة في مائتين وخمسين بيتًا، والجواهر المنيفة في أصول أدلَّة مذهب أبي حنيفة، والابتهاج بختم صحيح مسلم بن الحجاج، وتحفة الودود في ختم سنن أبي داود.

وله تآليف في فنون كثير غير الحديث، كاللغة، والفقه، والأنساب، وغيرها، منها: تاج العروس شرح القاموس، ورسالتنا هذه في العواتك، وغيرها.
পরবর্তীদের পূর্ববর্তীদের সাথে (সংযুক্ত করেছেন)। যেমন তিনি সালাফদের পদ্ধতিতে হাদীসের ইমলা (শ্রুতিলিপি) পুনর্জীবিত করেছেন, যেখানে তিনি বিভিন্ন সূত্রে নিজের মুখস্থ থেকে সনদ (সূত্র), বর্ণনাকারী এবং হাদীস চয়নকারীদের উল্লেখ করতেন।

তাঁর ইমলা মজলিসগুলো প্রায় চারশ মজলিস পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং তিনি প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার মজলিসে বসতেন।

তাঁর উস্তাদগণের (রহিমাহুল্লাহ) ব্যাপারে বলতে গেলে: তিনি তাঁর 'মু'জামুস সাগীর'-এ তাঁদের উল্লেখ করেছেন এবং কিত্তানী তাঁদের বর্ণনা করেছেন। তাঁদের সংখ্যা একশ'রও বেশি, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী, আহমদ বিন আব্দুল লতিফ আল-হাসানি (যিনি যাররূক নামে প্রসিদ্ধ) এবং হাফেজ আল-বাবিলি (মৃত্যু ১০৭৮ হিজরী)।

তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে: সবচেয়ে বড় হলো 'মু'জামুল আকবর', যা মদিনা মুনাওয়ারার শায়খুল ইসলাম লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া রয়েছে 'আলফিয়াতুস সানাদ' (যা দেড় হাজার পঙ্ক্তি বিশিষ্ট) এবং এর শারহ (ব্যাখ্যা), 'উকদুন বিল জাওহারিস সামীন ফিল হাদীসিল মুসালসাল বিল মুহাম্মাদীন', 'আল-উকদুল মুকাল্লাল বিল জাওহারিস সামীন ফী তুরুকিল ইলবাস ওয়ায যিকর ওয়াত তালীক', 'উকদুল জুমান ফী আহাদীসিল জান', 'হালাওয়াতুল ফানীদ ফী ইরসালি হালাওয়াতিল আসানীদ', 'ইকلیلুল জাওয়াহিরিল গালিয়াহ ফী রিওয়ায়াতিল আহাদীসিল আলিয়াহ', 'কালানসুয়াতুত তাজ ফী বা'দি আহাদীসি সাহিবিল মি'রাজ', 'মানাকিবু আসহাবিল হাদীস' (এটি ২৫০ পঙ্ক্তির একটি কবিতা), 'আল-জাওয়াহিরুল মুনীফাহ ফী উসূলি আদিল্লাতি মাযহাবি আবি হানীফাহ', 'আল-ইবতিহাজ বি-খাতমি সহীহ মুসলিম বিন হাজ্জাজ' এবং 'তুহফাতুল ওয়াদুদ ফী খাতমি সুনানি আবি দাউদ'।

হাদীস ছাড়াও ভাষা, ফিকহ, বংশবিদ্যা ইত্যাদি নানা বিষয়ে তাঁর রচনা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: 'তাজুল আরুস শারহুল কামুস', আল-আওয়াতিক বিষয়ক আমাদের এই রিসালাহটি এবং আরও অন্যান্য।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৯)
ولمَّا توفِّي السيِّد قُوِّمت مؤلَّفاته بخمسة وعشرين ألفًا، فبلغ الخبر إلى السلطان التركي فقال: لقد بخستموها، فجعل لها خمسة وسبعين ألفًا وجعلها حبسًا على طلبة العلم بمصر.

ومن مآثره: أنَّ سلطان المغرب بعث بصِلَة جزيلة مع شيخ الحجيج، فلمَّا بلغته الرسالة ومَكَّنه منها قال له: إني سائلك، هل علماء المغرب يستوفون حصَّتهم من بيت المال؟ قال: نعم، قال: فهل أشرافهم وضعفاءهم ليس بهم خصاصة؟ فسكت وقال: لا يحلُّ لي أخذ شيء من ذلك وإني في غير إيَّالته.

اهـ. بتصرف من فهرس الفهارس والإثبات، لعبد الحيّ بن عبد الكبير الكتاني (1/ 526 - 543).
যখন সায়্যিদ ইন্তেকাল করলেন, তখন তাঁর রচনাবলি পঁচিশ হাজার মুদ্রায় মূল্যায়ন করা হয়েছিল। এই সংবাদ তুর্কি সুলতানের নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: "তোমরা এর মূল্য অত্যন্ত কম করেছ।" এরপর তিনি সেগুলোর জন্য পঁচাত্তর হাজার নির্ধারণ করলেন এবং সেগুলো মিসরের ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য ওয়াকফ করে দিলেন।

তাঁর অন্যতম কীর্তি হলো: মরক্কোর সুলতান হাজিদের আমিরের মাধ্যমে একটি বিশাল উপঢৌকন প্রেরণ করেছিলেন। যখন বার্তাটি তাঁর নিকট পৌঁছাল এবং তিনি সেটি গ্রহণ করার সুযোগ পেলেন, তখন তিনি তাকে বললেন: "আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করছি, মরক্কোর আলিমগণ কি বায়তুল মাল থেকে তাঁদের প্রাপ্য অংশ পূর্ণরূপে পাচ্ছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তবে কি সেখানকার সম্ভ্রান্ত ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে কোনো দৈন্যদশা নেই?" তখন তিনি নীরব হয়ে গেলেন। তিনি (সায়্যিদ) বললেন: "এর থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করা আমার জন্য বৈধ নয়, যেহেতু আমি তাঁর শাসনভুক্ত এলাকার অন্তর্ভুক্ত নই।"

সমাপ্ত। আব্দুল হাই ইবনে আব্দুল কাবীর আল-কাত্তানীর 'ফিহরিসুল ফাহারিস ওয়াল ইসবাত' থেকে সংক্ষেপিত (১/ ৫২৬-৫৪৩)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১০)
صورة صفحة غلاف المخطوط
পাণ্ডুলিপির প্রচ্ছদ পৃষ্ঠার ছবি
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১১)
صورة الورقة الأولى
প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১২)
صورة الورقة الأخيرة
শেষ পৃষ্ঠার চিত্র
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (16)

 

إيضاح المدارك في الإفصاح عن العواتك

 

تأليف

العلامة محمد مرتضى الزبيدي شارح القاموس (1145 - 1205 هـ)

 

بعناية

مساعد سالم العبد الجادر
মসজিদুল হারামে শেষ দশকের মজলিস (১৬)

 

‘আওয়াতিিক’ (নামীয় নারী)গণের বর্ণনায় বোধগম্যতার স্পষ্টীকরণ

 

রচনা

আল্লামা মুহাম্মদ মুরতাজা আজ-জাবিদি, ‘আল-কামুস’ গ্রন্থের ব্যাখ্যাকার (১১৪৫ - ১২০৫ হিজরি)

 

সম্পাদনায়

মুসায়িদ সালিম আল-আবদ আল-জাদির
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌تمهيد

الحمدُ لله الذي اصطفى نبيَّه صلى الله عليه وسلم، واختار نسبه من بين الأنساب، وزاده سموًّا ورفعةً واعتلاءً وتشريفًا مدى الأحقاب.

ووصل حبل من اتصل به متمسكًا بعلِّي ذلك الجَناب.

فصلَّى الله عليه وعلى آله الأطهار، وأصحابه الأخيار الأنجاب، صلاةً وسلامًا دائمين متلازمين، ما اتصل حبل العترة بالكتاب حتى يرِدان الحوض في يوم المآب.

أمَّا بعد: فهذه نبذة حجمها صغير ولكن نفعها إن شاء الله كبير، تتضمَّن بيان أمهاته صلى الله عليه وسلم من العواتك من بني سُليم وغيرهم، خدمت بذلك جنابه الشَّريف صلى الله عليه وسلم وشرَّفَ ومَجَّدَ وعَظَّمَ؛ رجاء أن أكون من جملة منسوبيه وفي عِداد الخدم في ضمن محسوبيه.

ورَتَّبْتُها على: مقدِّمة، ومهمَّة، وخاتمة.

وسمَّيتها: "إيضاح المدارك في الِإفصاح عن العواتك". وعلى الله توكُّلي، ومنهُ أسأل الِإعانة والتوفيق؛ لسلوك سداد الطريق، وهو الله لا إله غيره، ولا خير إلَاّ خيره.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মনোনীত করেছেন, সকল বংশের মধ্য হতে তাঁর বংশধারাকে বেছে নিয়েছেন এবং কালান্তরে তাঁর মর্যাদা, মাহাত্ম্য, উচ্চতা ও সম্মানকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করেছেন।

আর তিনি সেই মহান সত্তার সাথে দৃঢ়ভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছেন।

অতঃপর তাঁর প্রতি এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গ ও পুণ্যবান অভিজাত সাহাবীগণের প্রতি চিরন্তন ও অবিচ্ছিন্ন রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক; যে পর্যন্ত কিতাবের সাথে তাঁর বংশধরগণের সম্পর্ক অটুট থাকবে, যতক্ষণ না তারা কিয়ামতের দিনে হাউজে কাউসারে উপনীত হন।

অতঃপর: এটি একটি নাতিদীর্ঘ পুস্তিকা, এর কলেবর ক্ষুদ্র হলেও ইনশাআল্লাহ এর উপকারিতা সুদূরপ্রসারী। এতে নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বনূ সুলাইম ও অন্যান্য গোত্রীয় 'আওয়াতিক' নাম্নী মাতাদের পরিচয় বিবৃত হয়েছে। এর মাধ্যমে আমি তাঁর সুমহান সত্তার খিদমত করার প্রয়াস পেয়েছি—আল্লাহ তাঁকে আরও সম্মানিত, গৌরবান্বিত ও মহান করুন—এই প্রত্যাশায় যেন আমি তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত হতে পারি এবং তাঁর খাদেমদের তালিকায় গণ্য হতে পারি।

আমি এই পুস্তিকাটিকে ভূমিকা, মূল আলোচ্য বিষয় এবং উপসংহার—এই বিন্যাসে সাজিয়েছি।

আর আমি এর নামকরণ করেছি: "ঈজাহুল মাদারিক ফি আল-ইফসাহ আনিল আওয়াতিক"। আল্লাহর উপরেই আমার ভরসা এবং আমি তাঁরই নিকট সঠিক পথে চলার জন্য সাহায্য ও তাওফীক প্রার্থনা করছি; তিনিই আল্লাহ, তিনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই এবং তাঁর কল্যাণ ব্যতিরেকে কোনো কল্যাণ নেই।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌المقدمة

أمَّا المقدِّمة، ففي تحقيق لفظ عاتكة واشتقاقه ومعناه:

قال أئمة اللُّغة: العَتْك بالفتح فسكون: الكرُّ والحملُ الشديد في القتال، والإِقدام على الشيء، والعصيانُ، والغلبةُ، والاشتدادُ، واليُبسُ، والميلُ، والترؤسُ، والاستقامةُ، والكرمُ، والخلوصُ، واللّجاج، كالعُتوك بالضم.

قال الأصمعي (1): في القتال كرٌّ.

وقال ابن دريد (2): عَتَكَ عليه: أرهقه.

--------------------------------------------

(1) الأصمعي: عبد الملك بن قريب بن علي الباهلي "أبو سعيد الأصمعي"، راوية العرب واحد أئمة العلم باللُّغة والشعر والبلدان. وُلِد وتوفي بالبصرة، كان يحفظ أكثر من عشرة آلاف أرجوزة. له: "الإِبل"، و"الأضداد"، و"المترادف"، و"الخيل"، وغيرها. توفي سنة 216 هـ. انظر: "بغية الوعاة في طبقات اللغويين والنحاة" (2/ 112)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (4/ 307).

(2) ابن دريد: محمد بن الحسن بن دريد الأزدي، من أزد عمان، أبو بكر، من أئمة اللغة والأدب. كانوا يقولون: إن ابن دريد أشعر العلماء وأعلم الشعراء. له: "الاشتقاق في الإنساب"، و"الجمهرة في اللغة"، و"ذخائر الحكمة"، و"أدب الكاتب"، وغيرها. توفي سنة 321 هـ. انظر: "بغية الوعاة" (1/ 76)، ومصادر ترجمته في: "الأعلام"، للزركلي (6/ 310).
ভূমিকা

ভূমিকা প্রসঙ্গে: এটি ‘আতিকাহ’ শব্দের বিশ্লেষণ, এর ব্যুৎপত্তি এবং এর অর্থ বর্ণনায়:

ভাষাতত্ত্বের ইমামগণ বলেছেন: ‘আল-আতক’ (প্রথম অক্ষরে ফাতহাহ এবং দ্বিতীয় অক্ষরে সুকুন যোগে): যুদ্ধের ময়দানে পুনঃপুন আক্রমণ এবং তীব্র অভিযান, কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া, অবাধ্য হওয়া, বিজয় লাভ করা, তীব্রতা, শুষ্কতা, ঝোঁক, নেতৃত্ব দান, অবিচলতা, উদারতা, বিশুদ্ধতা এবং জেদ; যেমন ‘আল-উতুক’ (প্রথম অক্ষরে দাম্মাহ যোগে)।

আসমায়ি (১) বলেন: যুদ্ধের ময়দানে পুনঃপুন আক্রমণ।

ইবনে দুরেদ (২) বলেন: ‘আতাকা আলাইহি’ অর্থাৎ সে তাকে ক্লান্ত বা দিশেহারা করে ফেলল।

--------------------------------------------

(১) আসমায়ি: আব্দুল মালেক ইবনে কুরাইব ইবনে আলী আল-বাহিলি ‘আবু সাঈদ আল-আসমায়ি’, আরবদের বর্ণনাকারী এবং ভাষা, কাব্য ও ভূগোল বিষয়ক জ্ঞানের অন্যতম ইমাম। তিনি বসরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দশ হাজারেরও বেশি আরজুযাহ (এক প্রকার কাব্যছন্দ) মুখস্থ রাখতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা: ‘আল-ইবিল’, ‘আল-আদদাদ’, ‘আল-মুতারািফ’, ‘আল-খাইল’ ইত্যাদি। তিনি ২১৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘বুগিয়াতুল উআত ফি তাবাকাতিল লুগাওয়িয়্যিন ওয়ান নুহাত’ (২/১১২), এবং আল-যিরিকলি রচিত ‘আল-আ’লাম’ (৪/৩০৭) গ্রন্থে তাঁর জীবনী সংক্রান্ত উৎসসমূহ।

(২) ইবনে দুরেদ: মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে দুরেদ আল-আযদি, ওমানের আযদ গোত্রীয়, আবু বকর; তিনি ভাষা ও সাহিত্যের ইমামগণের অন্যতম। সমকালে বলা হতো যে, ইবনে দুরেদ আলেমদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কবি এবং কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ আলেম। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা: ‘আল-ইশতিকাক ফিল আনসাব’, ‘আল-জামহারা ফিল লুগাহ’, ‘যাখায়িরুল হিকমাহ’, ‘আদাবুল কাতিব’ ইত্যাদি। তিনি ৩২১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘বুগিয়াতুল উআত’ (১/৭৬), এবং আল-যিরিকলি রচিত ‘আল-আ’লাম’ (৬/৩১০) গ্রন্থে তাঁর জীবনী সংক্রান্ত উৎসসমূহ।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১৭)
وقال الحِرمَازِيُّ (1): عَتَكَ إلى موضع كذا: مَالَ وعَدلَ.

وقال ابن الأعرابي (2): عَتَكَت المرأةُ على زَوجِها: نَشزَتْ، وعلى أَبيها: عَصَتْ.

وقال ابن دريد: عَتكَتْ القوسُ: قَلُمت فاحمارَّ عودها.

وقال أبو زيد (3): العاتِك من اللَّبن: الحازر (4).

--------------------------------------------

(1) الحِرمَازيُّ: هو الحسن بن علي الحرمازي، أبو علي، مولى لبني هاشم. نزل البصرة في بني حرماز فنسب إليهم، وكان شاعرًا راوية. وله من الكتب: كتاب "خلق الإِنسان". ولم يذكروا له وفاة. انظر: "بغية الوعاة" (1/ 515)، ومصادر ترجمته في: "معجم الأدباء"، لياقوت (2/ 931).

* قلت: ومن عجيب ما وقع لي وأنا أبحث في ترجمته، ما ذكره ابن منظور في "مختصر تاريخ دمشق"، حيث ذكر: زياد بن أسامة الحِرمَازِي البصري (9/ 64)، ويعني به زياد بن أبيه أو زياد بن عبيد (سميِّه)، وهو الذي ألحقه معاوية رضي الله عنه بنسبه لما ثبت ذلك، ولم ينسبه أحد من المترجمين إلى الحِرمَازِي غير ابن منظور!

(2) ابن الأعرابي: محمد بن زياد، أبو عبد الله. راوية ناسب، علَّامة باللغة، من أهل الكوفة. قال ثعلب: لزمته بضع عشرة سنة، ما رأيت بيده كتابًا قط. له: "أسماء الخيل وفرسانها"، و"تاريخ القبائل"، و"النوادر في الأدب"، وغيرها. توفي سنة 231 هـ. انظر: "بغية الوعاة" (1/ 105)، و"الأعلام"، للزركلي (6/ 366).

(3) أبو زيد: سعيد بن أوس الأنصاري، من صليبة الخزرج. عالم بالنحو. قال المبرِّد: أعلم من الأصمعي وأبي عبيدة بالنحو. ترك مصنفات كثيرة، منها: "النوادر"، و"إيمان عثمان"، و"المطر والمياه"، و"غريب الأسماء"، وغيرها. توفي سنة 215 هـ. انظر: "الفهرست" 86، و"هدية العارفين" (5/ 387).

(4) قلت: لا زال أهل الخليج يستعملونه، يقولون: (لبن حَزِر).
এবং আল-হিরমাযি (১) বলেছেন: সে অমুক স্থানের দিকে ঝুঁকেছে (আতাকা): অর্থাৎ সে ঝুঁকে পড়েছে এবং বিচ্যুত হয়েছে।

ইবনুল আ’রাবি (২) বলেছেন: নারীটি তার স্বামীর প্রতি অবাধ্য হয়েছে (আতাকাত); আর তার পিতার অবাধ্য হয়েছে।

ইবনু দুরাইদ বলেছেন: ধনুকটি পুরোনো ও লালচে হয়েছে (আতাকাত): অর্থাৎ তা জীর্ণ হয়েছে এবং এর কাঠ লাল হয়ে গেছে।

আবু যায়িদ (৩) বলেছেন: দুগ্ধের ক্ষেত্রে 'আল-আতিক' হলো: যা টক হয়ে গেছে (৪)।

--------------------------------------------

(১) আল-হিরমাযি: তিনি হলেন আল-হাসান বিন আলী আল-হিরমাযি, আবু আলী, বনু হাশিমের আযাদকৃত গোলাম। তিনি বনু হিরমায গোত্রে বসতি স্থাপন করার কারণে তাদের দিকে সম্বন্ধিত হন। তিনি একজন কবি ও বর্ণনাকারী ছিলেন। তার রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: 'খালকুল ইনসান' (মানুষের সৃষ্টি) নামক গ্রন্থ। জীবনীকারগণ তার মৃত্যু সন উল্লেখ করেননি। দেখুন: 'বুগইয়াতুল উ'আত' (১/৫১৫), এবং তার জীবনীর অন্যান্য উৎস: ইয়াকুত রচিত 'মু'জামুল উদাবা' (২/৯৩১)।

* আমি বলছি: তার জীবনী অনুসন্ধান করার সময় আমার সামনে আসা আশ্চর্যজনক বিষয়গুলোর একটি হলো যা ইবনু মানযুর 'মুখতাসার তারিখি দিমাস্ক' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি যিয়াদ বিন উসামা আল-হিরমাযি আল-বাসরি (৯/৬৪) এর কথা উল্লেখ করেছেন। এর দ্বারা তার উদ্দেশ্য হলো যিয়াদ বিন আবিহ অথবা যিয়াদ বিন উবাইদ (তার সমনাম), যাকে মুয়াবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নিজের বংশের সাথে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন যখন তা সাব্যস্ত হয়েছিল। ইবনু মানযুর ব্যতীত অন্য কোনো জীবনীকার তাকে আল-হিরমাযি বংশের দিকে সম্বন্ধ করেননি!

(২) ইবনুল আ’রাবি: মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আবু আব্দুল্লাহ। তিনি একজন বংশবিদ বর্ণনাকারী এবং ভাষাবিজ্ঞানের মহাজ্ঞানী ছিলেন। তিনি কুফাবাসী ছিলেন। সা’লাব বলেন: আমি প্রায় দশ বছরেরও বেশি সময় তার সান্নিধ্যে ছিলাম, কখনও তার হাতে কোনো বই দেখিনি। তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: 'আসমাউল খাইল ওয়া ফুরসানিহা' (ঘোড়াদের নাম ও তাদের আরোহীগণ), 'তারিখুল কাবাইল' (গোত্রসমূহের ইতিহাস), 'আন-নাওয়াদির ফিল আদাব' (সাহিত্যের দুর্লভ বিষয়াবলি) ইত্যাদি। তিনি ২৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'বুগইয়াতুল উ'আত' (১/১০৫), এবং যিরিকলি রচিত 'আল-আলাম' (৬/৩৬৬)।

(৩) আবু যায়িদ: সাঈদ বিন আউস আল-আনসারী, খাযরাজ গোত্রের বংশোদ্ভূত। তিনি নাহু বা ব্যাকরণ শাস্ত্রের পণ্ডিত ছিলেন। মুবাররাদ বলেন: তিনি নাহু শাস্ত্রে আসমায়ি এবং আবু উবাইদার চেয়েও অধিক জ্ঞানী ছিলেন। তিনি অনেক গ্রন্থ রেখে গেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: 'আন-নাওয়াদির', 'ঈমানু উসমান', 'আল-মাতারু ওয়াল মিয়াহ', 'গারিবুল আসমা' ইত্যাদি। তিনি ২১৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আল-ফিহরিস্ত' ৮৬, এবং 'হাদিয়াতুল আরিফিন' (৫/৩৮৭)।

(৪) আমি বলছি: উপসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ এখনও এটি ব্যবহার করে, তারা বলে: (লাবান হাযির)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১৮)
وقال ابن دريد: نبيذ عاتك: إذا صفا.

وقال ابن عباد (1): عَتكَت المرأة: شرفت ورأست. وقال: وأعتك بُنيَته: استقام لوجهِهِ. والعاتِكُ: الكريم من كل شيء، والخالص من كل لون.

وقال ابن الأعرابي: هو اللَّجُوج الذي لا ينثني عن الأمر.

وقال أبو مالك (2): هو الراجع من حال إلى حال.

وهذا خلاصة ما ذُكر في العتك، وما عداه من المعاني يرجع إليه.

--------------------------------------------

(1) ابن عباد: إسماعيل بن عباد بن العباس، الصاحب ابن عباد، استوزره مؤيد الدولة ابن بويه الديلمي. وُلِد في الطالقان وتوفي بالري. له: "المحيط في اللغة"، و"الوزراء"، و"عنوان المعارف"، و"ذكر الخلائف"، وغيرها. توفي سنة 385 هـ. انظر: "سير أعلام النبلاء" (17/ 527)، ومصادر ترجمته في "الأعلام"، للزركلي (1/ 312).

(2) أبو مالك: هو عمرو بن كركرة، أعرابي كان يعلِّم في البادية ويورّق في الحاضرة، مولى بني سعد، راوية أبي البيداء، يقال: كان يحفظ اللغة كلها. قال الجاحظ: أحد الطيَّاب، يزعم أن الأغنياء عند الله عز وجل أكرم من الفقراء، ويقول: إن فرعون عند الله أكرم من موسى!!

* قلت: إن يكن هو، وإن يكن النقل عنه صحيح؛ فما هو بخليق للنقل عنه، وما ذُكر عنه كفر وتكذيب للقرآن!.

له من الكتب: كتاب "خلق الإِنسان"، وكتاب "الخيل". انظر: "الفهرست" لابن النديم 69، و"هدية العارفين" (5/ 802)، و"بغية الوعاة" (2/ 233)، ولم يذكروا له وفاة.
ইবনে দুরাইদ বলেন: নাবিয (পানীয়) তখন 'আতিক' হয় যখন তা স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।

ইবনে আব্বাদ (১) বলেন: নারী 'আতিকাত' হয় যখন সে সম্মান ও নেতৃত্বের অধিকারী হয়। তিনি আরও বলেন: 'আ’তাকা বুনাইয়াহু' অর্থ সে তার লক্ষ্যের দিকে অবিচল ও সোজা হয়ে চলল। আর 'আতিক' হলো—যেকোনো জিনিসের উৎকৃষ্ট অংশ এবং যেকোনো রঙের বিশুদ্ধ রূপ।

ইবনে আরাবি বলেন: সে হলো এমন একগুঁয়ে যে কোনো কাজ থেকে পিছপা হয় না।

আবু মালিক (২) বলেন: সে হলো এমন ব্যক্তি যে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তিত হয়।

এটিই 'আতক' সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার সারসংক্ষেপ, আর এর বাইরে যত অর্থ রয়েছে তা এর দিকেই ফিরে আসে।

--------------------------------------------

(১) ইবনে আব্বাদ: তিনি হলেন ইসমাইল বিন আব্বাদ বিন আল-আব্বাস, যিনি 'সাহিব ইবনে আব্বাদ' নামে পরিচিত। মুয়াইয়্যিদুদ দাওলা ইবনে বুয়াইহ আদ-দাইলামি তাঁকে মন্ত্রী নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি তালকান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন এবং রাই শহরে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: 'আল-মুহিত ফিল লুগাহ', 'আল-উযারা', 'উনওয়ানুল মাআরিফ', 'যিকরুল খালাইফ' ইত্যাদি। তিনি ৩৮৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'সিয়ারু আ'লামিন নুবালা' (১৭/ ৫২৭), এবং যারকালি রচিত 'আল-আলাম' গ্রন্থে তাঁর জীবনীসূত্রসমূহ (১/ ৩১২)।

(২) আবু মালিক: তিনি হলেন আমর বিন কারকারাহ। তিনি একজন বেদুইন ছিলেন যিনি মরুভূমিতে শিক্ষা দান করতেন এবং লোকালয়ে পাণ্ডুলিপি লিখতেন। তিনি বনু সা’দ গোত্রের আযাদকৃত দাস এবং আবু আল-বায়দার বর্ণনাকারী ছিলেন। বলা হয় যে, তিনি সমগ্র ভাষা মুখস্থ রাখতেন। জাহিজ বলেন: তিনি অন্যতম আনন্দপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন, তিনি দাবি করতেন যে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালীর নিকট সম্পদশালীরা দরিদ্রদের চেয়ে বেশি সম্মানিত। এমনকি তিনি বলতেন: ফেরাউন আল্লাহর নিকট মূসার চেয়েও বেশি সম্মানিত!!

* আমি (গ্রন্থকার) বলছি: যদি এই ব্যক্তিটিই তিনি হন এবং তাঁর থেকে বর্ণিত এই উদ্ধৃতি যদি সঠিক হয়, তবে তিনি উদ্ধৃতি দেওয়ার যোগ্য নন। আর তাঁর সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা কুফরি এবং কুরআনের প্রতি মিথ্যাচার!

তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে: 'খালকুল ইনসান' এবং 'আল-খাইল'। দেখুন: ইবনে নাদিমের 'আল-ফিহরিস্ত' (৬৯), 'হাদিয়াতুল আরিফিন' (৫/ ৮০২), 'বুগইয়াতুল উয়াত' (২/ ২৩৩); তাঁরা তাঁর মৃত্যুর সাল উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ১৯)
والعاتكة من النخيل: التي لا تقبل الإِبار. عن اللَّحياني (1)

وقال غيره: هي الصّلود تحمل الشيص (2).

* * *

 

‌‌واختلف في اشتقاق العاتكة من النساء على أقوال:

قيل: سُمِّيت به؛ من قولهم: امرأة عاتكة، بها رِدْعُ طِيب.

قال السُّهَيْلي (3) في "الروض": عاتكة: اسم منقول من الصفات، يقال: امرأة عاتكة، وهي المصفرَّة من الزعفران.

وفي "القاموس": هي المحمرَّةُ من الطيبِ، أي: احْمَرَّ لونُها من كثرةِ استعمالِ الطيبِ.

--------------------------------------------

(1) اللحياني: هو علي بن الحسين، وقيل: ابن المبارك الختلي، أبو الحسن

البغدادي، المعروف باللحياني، من بني لحيان، غلام الكسائي. توفي في حدود

210 هـ. له: كتاب "النوادر المشهورة"، ذكره في "كشف الظنون" (5/ 668).

انظر مصادر ترجمته في: "الفهرست" (76)، و"معجم المؤلفين" (2/ 490).

(2) "الصلود": بمعنى الصلبة، و"الشيص": البلح الذي لا يؤكل لجفافه ويبسه، ولا زالت تُستعمل في وقتنا الحاضر.

(3) السُّهيلي: عبد الرحمن بن عبد الله بن أحمد الخثعمي السُّهيلي، حافظ عالم باللغة والسير. وُلِد في مالقة، وعمي وعمره 17 سنة. ومن لطيف شعره:

يا من يرى ما في الضمير ويسمع … أنت المعد لكل ما يتوقع

له: "الروض الأنف في شرح سيرة ابن هشام"، و"التعريف والإِعلام فيما أبهم من القرآن من الأسماء والأعلام"، وغيرها. وتُوُفي سنة 581 هـ. انظر مصادر ترجمته في: "الأعلام" للزركلي (4/ 86)، و"شذرات الذهب" (6/ 445).
খেজুর গাছের মধ্যে আতিকাহ হলো: যা পরাগায়ন গ্রহণ করে না। আল-লিহইয়ানি থেকে বর্ণিত (১)

এবং অন্যান্যগণ বলেছেন: এটি এমন শক্ত খেজুর গাছ যা শুষ্ক ও অখাদ্য খেজুর উৎপন্ন করে (২)।

* * *

 

‌‌নারীদের ক্ষেত্রে আতিকাহ নামের ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে:

বলা হয়ে থাকে: তাকে এই নামে নামকরণ করা হয়েছে তাদের এই কথা থেকে: আতিকাহ নারী, যার গায়ে সুগন্ধির দাগ রয়েছে।

আল-সুহাইলি (৩) 'আর-রাওদ' গ্রন্থে বলেছেন: আতিকাহ: গুণবাচক শব্দ থেকে গৃহীত একটি নাম, বলা হয়: আতিকাহ নারী, অর্থাৎ যে জাফরানের কারণে হলুদাভ হয়ে গেছে।

এবং 'আল-قاموس' (অভিধান)-এ রয়েছে: সে সুগন্ধির কারণে লালবর্ণ ধারণকারিণী, অর্থাৎ: অধিক সুগন্ধি ব্যবহারের ফলে তার গায়ের রঙ লাল হয়ে গেছে।

--------------------------------------------

(১) আল-লিহইয়ানি: তিনি হলেন আলী বিন আল-হুসাইন, এবং বলা হয়: ইবনুল মুবারক আল-খুতালি, আবু আল-হাসান

আল-বাগদাদি, যিনি আল-লিহইয়ানি নামে পরিচিত, বনু লিহইয়ান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, আল-কিসায়ীর ছাত্র। তিনি ২১০ হিজরির দিকে

মৃত্যুবরণ করেন। তার রচিত গ্রন্থ: 'কিতাব আল-নাওয়াদির আল-মাশহুরা', যা 'কাশফ আল-জুনুন' (৫/ ৬৬৮) গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।

তার জীবনী সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দেখুন: 'আল-ফিহরিস্ত' (৭৬), এবং 'মুজাম আল-মুআল্লিফিন' (২/ ৪৯০)।

(২) 'আল-সালুদ': শক্ত অর্থে ব্যবহৃত, এবং 'আশ-শিস': এমন খেজুর যা শুকিয়ে যাওয়ার ও শক্ত হওয়ার কারণে খাওয়া যায় না, এটি বর্তমান সময়েও ব্যবহৃত হয়।

(৩) আল-সুহাইলি: আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল-খাসআমি আল-সুহাইলি, একজন হাফেজ এবং ভাষা ও সীরাত শাস্ত্রের পণ্ডিত। তিনি মালাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭ বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যান। তার চমৎকার কিছু কবিতার পঙক্তি হলো:

হে সেই সত্তা যিনি অন্তরের বিষয়াবলী দেখেন এবং শোনেন … আপনিই প্রতিটি প্রত্যাশিত বিষয়ের জন্য প্রস্তুতকারী

তার রচিত গ্রন্থ: ইবনে হিশামের সীরাতের ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আর-রাওদ আল-উনুফ', এবং 'আত-তা'রিফ ওয়াল-ইলাম ফিমা উবঘিমা মিনাল কুরআন মিনাল আসমা ওয়াল আলাম' ইত্যাদি। তিনি ৫৮১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনী সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দেখুন: আল-জিরিকলির 'আল-আলাম' (৪/ ৮৬), এবং 'শাযারাতুজ জাহাব' (৬/ ৪৪৫)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২০)
ويؤيده قول ابن قتيبة (1): هي من عتكت القوس إذا احمرَّت.

وهذه الأقوال كلها راجعة إلى قول واحد، وهو: تغيير لونها من استعمال الطيب، سواء بصُفرة -كما قال السُّهيلي-، أو بحُمرة -كما قاله ابن قتيبة-، ولا تخالف فيها عند التأمُّل.

وقال ابن عباد في "المحيط": هو من عتكت المرأة؛ إذا شرفت ورأست، أي: على قومها وعشيرتها؛ فتسمَّوا بهذا الاسم تفاؤلًا على عادتهم.

وقيل: سُمِّيَت لصفائها، من قولهم: نبيذ عاتك؛ إذا صفا: وهو قول ابن دريد.

وقال ابن سعد (2) في "الطبقات" (3): العاتكة: الطاهرة، أي في

--------------------------------------------

(1) ابن قتيبة: عبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري "أبو حميد"، من أئمة الأدب ومن المصنفين المكثرين. وُلِد في بغداد، وسكن الكوفة، ولي قضاء الدينور ونسب إليها. توفي في بغداد. له: "تأويل مختلف الحديث"، و"أدب الكاتب"، و"عيون الأخبار"، و"الشعر والشعراء"، و"المشتبه في الحديث والقرآن"، وغيرها. توفي سنة 276 هـ. انظر مصادر ترجمته في: "الأعلام" للزركلي (4/ 280)، و"سير أعلام النبلاء" (14/ 565).

(2) ابن سعد: محمد بن سعد الزهري، أبو عبد الله. مؤرِّخ فقيه، من حفَّاظ الحديث. وُلِد في البصرة وسكن بغداد، وتوفي فيها. صحب الواقدي زمانًا فكتب له وروى عنه. له: "طبقات الصحابة" المعروف بـ "طبقات ابن سعد". توفي سنة 230 هـ. انظر: "كشف الظنون" (5/ 445)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (6/ 7).

(3) طبقات ابن سعد (1/ 60).
এবং ইবনে কুতায়বাহর (১) উক্তি একে সমর্থন করে: এটি ধনুকের লাল হওয়া থেকে এসেছে।

এবং এই সকল উক্তি মূলত একটি বক্তব্যের দিকেই ফিরে যায়, আর তা হলো: সুগন্ধি ব্যবহারের কারণে রঙের পরিবর্তন হওয়া, চাই তা হলুদ বর্ণের মাধ্যমে হোক—যেমনটি সুহায়লি বলেছেন—অথবা লাল বর্ণের মাধ্যমে হোক—যেমনটি ইবনে কুতায়বাহ বলেছেন। গভীরভাবে চিন্তা করলে এর মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

এবং ইবনে আব্বাদ ‘আল-মুহিত’ গ্রন্থে বলেছেন: এটি নারীর সম্মানিত হওয়া ও প্রধান হওয়া থেকে এসেছে, অর্থাৎ: তার সম্প্রদায় ও বংশের ওপর; তাই তারা তাদের প্রথা অনুযায়ী শুভ লক্ষণ হিসেবে এই নামে নামকরণ করত।

এবং বলা হয়েছে: স্বচ্ছতার কারণে এই নামকরণ করা হয়েছে, যেমন তাদের কথা: স্বচ্ছ পানীয়; যখন তা স্বচ্ছ হয়। এটি ইবনে দুরাইদের উক্তি।

এবং ইবনে সাদ (২) ‘আত-তবাকাত’ (৩) গ্রন্থে বলেছেন: আতিকাহ অর্থ হলো পবিত্রা, অর্থাৎ...

--------------------------------------------

(১) ইবনে কুতায়বাহ: আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতায়বাহ আদ-দিনাওয়ারি "আবু হামিদ", তিনি সাহিত্যের ইমামগণের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রচুর কিতাব রচয়িতাদের একজন। তিনি বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং কুফায় বসবাস করেন। তিনি দিনাওয়ারের কাজি হিসেবে নিযুক্ত হন এবং সেই অঞ্চলের দিকেই তাঁকে নিসবত করা হয়। তিনি বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: "তাওয়ীলু মুখতালিফিল হাদিস", "আদাবুল কাতিব", "উয়ূনুল আখবার", "আশ-শি'রু ওয়াশ-শুয়ারা", "আল-মুশতাবিহু ফিল হাদিসি ওয়াল কুরআন" ইত্যাদি। তিনি ২৭৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনীগ্রন্থের সূত্র দেখুন: জারকালির "আল-আলাম" (৪/ ২৮০) এবং "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৪/ ৫৬৫)।

(২) ইবনে সাদ: মুহাম্মদ বিন সাদ আজ-জুহরি, আবু আবদুল্লাহ। ঐতিহাসিক ও ফকিহ, হাদিস মুখস্থকারীদের (হাফেজ) অন্যতম। তিনি বসরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং বাগদাদে বসবাস করেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘকাল ওয়াক্বিদি-র সান্নিধ্যে ছিলেন, তাঁর জন্য লিখতেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করতেন। তাঁর রচিত গ্রন্থ: "তবাকাতুস সাহাবা", যা "তবাকাতু ইবনে সাদ" নামে পরিচিত। তিনি ২৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: "কাশফুজ জুনুন" (৫/ ৪৪৫) এবং তাঁর জীবনীর সূত্র জারকালির "আল-আলাম" (৬/ ৭) এ।

(৩) তবাকাতু ইবনে সাদ (১/ ৬০)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২১)
نسبها وحسبها. وكانت خديجة أم المؤمنين رضي الله عنها تُكْنَى في الجاهلية بالطَّاهرة؛ نظرًا لذلك.

وقيل: من عتكت على بعلها؛ إذا نشزت. وهذا قول ابن الأعرابي، وفيه بُعْد.

وأبعد من ذلك قول من قال: إنها من عتكت النخلة؛ إذا لم تقبل الإِبار.

فهذا مجموع ما يتعلَّق بتحقيق اللَّفظ.
তার বংশমর্যাদা এবং সম্মান। এ কারণেই জাহেলিয়াত যুগে উম্মুল মুমিনীন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে ‘তাহিরা’ (পবিত্রা) উপনামে ডাকা হতো।

কারো মতে, এটি ‘আতাকাত আলা বা’লিহা’ থেকে এসেছে; যখন স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্য হয়। এটি ইবনুল আরাবির বক্তব্য, তবে এতে দূরবর্তিতা (দুর্বলতা) রয়েছে।

এর চেয়েও দূরবর্তী হলো ঐ ব্যক্তির বক্তব্য যে বলেছে: এটি ‘আতাকাত আন-নাখলা’ থেকে গৃহীত; যখন খেজুর গাছ পরাগায়ন গ্রহণ করে না।

শব্দটির তাহকীক বা বিশ্লেষণ সংক্রান্ত আলোচনার সারসংক্ষেপ এটিই।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌[المهمَّة] (1)

وأمَّا المهمَّة ففيها ثلاثة مطالب:

 

‌‌المطلب الأول في بيان الحديث الذي ورد فيه هذا اللَّفظ

قال الحافظ جلال الدِّين السيوطي في "الجامع الصغير": أخرج الطبراني في "المعجم الكبير" عن سِيَابَة بن عاصم رضي الله عنه، رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال: "أنا ابن العواتك من سُليم" (2).

--------------------------------------------

(1) ليست في الأصل، وأضفتها لتمام الإِخراج والتقسيم. "المحقق".

(2) قال الشيخ مشهور حسن سلمان: (أخرجه ابن عساكر في "تاريخ دمشق" (ص 88 - 89/ ق 1 - "السيرة النبوية"، أو 3/ 157 - ط دار الفكر) من طريق المصنف، به).

والنص بتمامه في: "غريب الحديث" (2/ 67 - 68) لابن الجوزي، و"فيض القدير" (3/ 38) للمناوي، و"حياة الحيوان" (2/ 109 - 110) للدميري.

وأخرجه أيضًا كما في المتن: ابن أبي عاصم في "الجهاد" (2/ 605/ رقم 255)، و"الآحاد والمثاني" (3/ 95/ رقم 1413)، والطبراني في "المعجم الكبير" (7/ 201/ رقم 6724)، وأبو حاتم الرازي -كما في الإِصابة (3/ 234) -، وابن قانع في "معجم الصحابة" (1/ 302/ رقم 368)، =
[গুরুত্বপূর্ণ বিষয়] (১)

আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

 

প্রথম পরিচ্ছেদ: যে হাদিসে এই শব্দটির প্রয়োগ হয়েছে তার বর্ণনায়

হাফিজ জালালুদ্দিন সুয়ূতী "আল-জামি আস-সগির"-এ বলেছেন: তাবারানি "আল-মু'জাম আল-কাবির"-এ সিয়াবাহ বিন আসিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত মারফু সূত্রে পৌঁছিয়ে বলেছেন: "আমি বনু সুলাইমের আতিকাদের সন্তান" (২)।

--------------------------------------------

(১) এটি মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই, বিন্যাস ও বিভাজনের পূর্ণতার জন্য আমি এটি যুক্ত করেছি। "মুহাক্কিক (গবেষক)"।

(২) শেখ মাশহুর হাসান সালমান বলেছেন: (ইবনে আসাকির এটি "তারিখু দিমাশক" (পৃষ্ঠা ৮৮-৮৯/ খণ্ড ১ - "আস-সিরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ", অথবা ৩/১৫৭ - দারুল ফিকর সংস্করণ) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন)।

এবং পূর্ণাঙ্গ পাঠটি রয়েছে: ইবনুল জাওযির "গারিবুল হাদিস" (২/৬৭-৬৮), মুনাবির "ফায়জুল কাদির" (৩/৩৮) এবং দামিরির "হায়াতুল হাইওয়ান" (২/১০৯-১১০) গ্রন্থে।

এবং মতন বা মূল পাঠে যেভাবে রয়েছে তা আরও বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি আসিম "আল-জিহাদ" (২/৬০৫/ নম্বর ২৫৫) ও "আল-আহাদ ওয়াল মাসানি" (৩/৯৫/ নম্বর ১৪১৩)-তে, তাবারানি "আল-মু'জাম আল-কাবির" (৭/২০১/ নম্বর ৬৭২৪)-এ, আবু হাতেম আর-রাজি -যেমনটি "আল-ইসাবাহ" (৩/২৩৪)-তে রয়েছে-, এবং ইবনে কানি' "মু'জামুস সাহাবাহ" (১/৩০২/ নম্বর ৩৬৮)-তে, =
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৩)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

--------------------------------------------

= والبيهقي في "دلائل النبوة" (5/ 136)، وأبو نعيم في "الدلائل" أيضًا (1/ ق 311/ أ)؛ من طرق عن هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن سعيد بن العاص، عن سَيابة بن عاصم؛ قال: سمعتُ النبي صلى الله عليه وسلم يقول يوم حنين … وذكره.

وصرَّح هشيم بالتحديث عند الطبراني وفي "الآحاد والمثاني".

وتصحَّف "سيابة" في مطبوع "الدلائل" للبيهقي إلى: "شبابة"؛ فليصحَّح. وعزاه الدَّميري في "حياة الحيوان الكبرى" (2/ 109) لابن قانع في "معجمه"، وأبي طاهر السِّلفي، وقال: "سيانه"، وضبطها بقوله: "بسين مهملة ثم مثناة من تحت وبعد الألف نون ثم هاء"!! والصحيح أنه بباء موحدة لا بنون؛ كما في "الإِكمال" (5/ 14)، و "المشتبه" (2/ 387)، و "التبصير" (2/ 767)، و"التوضيح" (5/ 271)، و"أسد الغابة" (2/ 495)، و"الإِصابة" (3/ 233) وغيرها.

وقال البيهقي عقبه: "وقد فيل عن هشيم عن يحيى بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاص".

* قلت: نعم، رواه كذلك عن هشيم:

إسحاق بن إدريس -وهو ضعيف-، كما في "الإِصابة" (3/ 233 - 234).

ولوين محمد بن سليمان.

أخرجه البغوي -كما في "الإِصابة" (3/ 234) -، والعسكري في "تصحيفات المحدِّثين" (3/ 1375).

واختلف فيه على لوين.

أخرجه الدارقطني في "المؤتلف والمختلف" (3/ 1375)، فقال: حدَّثنا هشيم عن عمرو بن يحيى بن سعيد بن العاص، عن رجل، عن سيابة، فقال في هذه الرواية: "عمرو بن يحيى بن سعيد"، فخالف الروايتين السابقتين!!

وذكر ابن عبد البر طريقًا أخرى أغرب فيها على هشيم، وتعقَّبه ابن حجر في
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

--------------------------------------------

= এবং বাইহাকি তার "দালাইলুন নুবুওয়াহ" (৫/ ১৩৬) গ্রন্থে, এবং আবু নুয়াইমও তার "আদ-দালাইল" (১/ পৃষ্ঠা ৩১১/ ক) গ্রন্থে; হুশাইম থেকে প্রাপ্ত একাধিক সূত্রে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আমর ইবনে সাঈদ ইবনুল আস থেকে, তিনি সায়াবাহ ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আমি হুনাইনের যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি … এবং তিনি তা উল্লেখ করেছেন।

তাবারানি এবং "আল-আহাদ ওয়াল মাসানি" গ্রন্থে হুশাইম স্পষ্টভাবে শোনার (তাহদিস) কথা ব্যক্ত করেছেন।

বাইহাকির "আদ-দালাইল"-এর মুদ্রিত কপিতে "সায়াবাহ" শব্দটি ভুলবশত "শাবাবাহ" হয়ে গিয়েছে; সুতরাং এটি সংশোধন করা প্রয়োজন। আদ-দামিরি "হায়াতুল হায়াওয়ান আল-কুবরা" (২/ ১০৯) গ্রন্থে একে ইবনে কানি'র "মুজাম", এবং আবু তাহের আস-সিলাফির দিকে সম্বন্ধ করেছেন এবং সেখানে একে "সিয়ানাহ" বলেছেন। তিনি এর বানান স্পষ্ট করে বলেছেন: "সিন বর্ণের পর নিচে দুই নুক্তাবিশিষ্ট বর্ণ (ইয়া), এরপর আলিফ, এরপর নুন এবং সবশেষে হা"!! কিন্তু সঠিক হলো এটি এক নুক্তাবিশিষ্ট 'বা' যোগে হবে, 'নুন' নয়; যেমনটি "আল-ইকমাল" (৫/ ১৪), "আল-মুশতাবিহ" (২/ ৩৮৭), "আত-তাবসির" (২/ ৭৬৭), "আত-তাওদিহ" (৫/ ২৭১), "উসদুল গাবাহ" (২/ ৪৯৫), "আল-ইসাবাহ" (৩/ ২৩৩) এবং অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

বাইহাকি এর পরপরই বলেছেন: "হুশাইম থেকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে আমর ইবনে সাঈদ ইবনুল আস-এর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।"

* আমি বলছি: হ্যাঁ, হুশাইম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন:

ইসহাক ইবনে ইদরিস—যিনি দুর্বল—যেমনটি "আল-ইসাবাহ" (৩/ ২৩৩ - ২৩৪) গ্রন্থে রয়েছে।

এবং লুওয়াইন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান।

আল-বাগাউই—যেমনটি "আল-ইসাবাহ" (৩/ ২৩৪) গ্রন্থে আছে—এবং আসকারি "তাসহিফাতুল মুহাদ্দিসিন" (৩/ ১৩৭৫) গ্রন্থে তা বর্ণনা করেছেন।

লুওয়াইনের বর্ণনায় এক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গিয়েছে।

আদ-দারাকুতনি "আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ" (৩/ ১৩৭৫) গ্রন্থে তা উদ্ধৃত করেছেন। তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট আমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনুল আস থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি সায়াবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এই বর্ণনায় তিনি বলেছেন: "আমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ", যা পূর্বের দুটি বর্ণনার বিপরীত!!

এবং ইবনে আব্দুল বার হুশাইম থেকে আরেকটি সূত্র উল্লেখ করেছেন যা অত্যন্ত বিরল (গারিব), এবং ইবনে হাজার এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন...
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৪)
قال الشيخ: عبد الرؤوف المناوي في شرحه "الكبير": سيابة -بمهملة مكسورة ومثناة تحتية ثم باء موحدة، بضبط المصنِّف بخطه، تبعًا لابن حجر-[ابن عاصم] (1) ابن شيبان السلمي، له صحبة.

--------------------------------------------

= "الإِصابة" (3/ 233)، ورجح أبو حاتم في "العلل" (1/ 32/ رقم 963) رواية سعيد بن منصور، وقال عنها: "وهذا أشبه، وعل هذا الحديث بدليل أنَّ سيابة ليس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم.

وقال الهيثمي في "المجمع" (8/ 219): "ورجاله رجال الصحيح".

وأخرجه سعيد بن منصور في (سننه (رقم 2840)، والبيهقي في "الدلائل" (5/ 136) عن قتيبة بن سعيد، وابن عساكر في "تاريخ دمشق" (ص 88/ ق 1 - "السيرة النبوية") عن ليث بن حماد الصفار؛ ثلاثتهم عن أبي عوانة، عن قتادة رفعه.

قال قتيبة بن سعيد عقبه: "كان للنبي صلى الله عليه وسلم ثلاث جدَّات من سُليم، اسمهن عاتكة، فكان إذا افتخر قال: أنا ابن العواتك".

قال البيهقي عقبه: "قلت: بلغني أنَّ إحداهن أم عبد مناف، والأخرى أم هاشم، والثالثة جدَّته من قبل زهرة".

وأخرجه ابن وهب في "الجامع في الحديث" (1/ 43/ رقم 11) عن عقيل، عن ابن شهاب رفعه.

وأورد له شيخنا الألباني في "الصحيح" (رقم 1569) شاهدًا عن جابر رفعه عند ابن عساكر، وقال: "وبالجملة؛ فالحديث بهذه الطرق حسن على أقل الدرجات"!!

والخبر في "أنساب الأشراف" (2/ 195 - ط دار الفكر) للبلاذري.

انظر: "المجالسة وجواهر العلم" للدينوري، تحقيق الشيخ مشهور حسن 6/ 69 - 71.

(1) ساقطة ونقلتها من الأصل - فيض القدير بشرح الجامع الصغير 2/ 39.
শেখ আব্দুর রউফ আল-মুনাবি তাঁর "আল-কাবীর" নামক ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেছেন: সাইয়াবাহ—জের বিশিষ্ট 'সীন' (মুহমালাহ), নিচে দুই নুক্তা বিশিষ্ট বর্ণ (ইয়া), এরপর এক নুক্তা বিশিষ্ট 'বা' যোগে; গ্রন্থকারের নিজের হাতের লিখন অনুযায়ী এবং ইবনে হাজারকে অনুসরণ করে—[ইবনে আসিম] (১) ইবনে শায়বান আস-সুলামী, তিনি সাহাবী ছিলেন।

--------------------------------------------

= "আল-ইসাবাহ" (৩/ ২৩৩), এবং আবু হাতিম "আল-ইলাল" গ্রন্থে (১/ ৩২/ নং ৯৬৩) সাঈদ ইবনে মানসুরের বর্ণনাকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং সে সম্পর্কে বলেছেন: "এটিই অধিক সদৃশ, এবং এই হাদীসটির ত্রুটি এই কারণে যে, সাইয়াবাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত নন।"

আল-হাইসামি "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৮/ ২১৯) বলেছেন: "এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ (গ্রন্থের) বর্ণনাকারী।"

এটি সাঈদ ইবনে মানসুর তাঁর "সুনান"-এ (নং ২৮৪০), আল-বায়হাকী "আদ-দালাইল" গ্রন্থে (৫/ ১৩৬) কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ থেকে এবং ইবনে আসাকির "তারীখে দামেশক" গ্রন্থে (পৃ. ৮৮/ ক ১ - "আস-সীরাত আন-নাবাউইয়্যাহ") লাইস ইবনে হাম্মাদ আস-সাফফার থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনই আবু আওয়ানাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে মারফু সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ এর পরপরই বলেছেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুলাইম গোত্রের তিনজন দাদি/নানি ছিলেন যাঁদের নাম ছিল আতিকাহ। তাই তিনি যখন গর্ব করতেন তখন বলতেন: আমি আতিকাহগণের সন্তান।"

আল-বায়হাকী এর পরপরই বলেছেন: "আমি বলি: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, তাঁদের একজন হলেন আবদে মানাফের মা, অন্যজন হাশিমের মা এবং তৃতীয়জন হলেন যুহরার দিক থেকে তাঁর দাদি/নানি।"

ইবনে ওয়াহাব "আল-জামি ফিল হাদীস" গ্রন্থে (১/ ৪৩/ নং ১১) উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে মারফু সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আমাদের শায়খ আলবানী "আস-সহীহা" গ্রন্থে (নং ১৫৬৯) ইবনে আসাকিরের নিকট জাবের থেকে বর্ণিত একটি মারফু শাহেদ (সমর্থনমূলক বর্ণনা) উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "সারকথা হলো, এই সূত্রগুলোর মাধ্যমে হাদীসটি সর্বনিম্ন স্তরে হাসান (উত্তম)!!"

সংবাদটি বালাযুরীর "আনসাব আল-আশরাফ" (২/ ১৯৫ - দারুল ফিকর সংস্করণ) গ্রন্থে রয়েছে।

দেখুন: আদ-দিনাওয়ারীর "আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম", শায়খ মাশহুর হাসানের সম্পাদনা ৬/ ৬৯ - ৭১।

(১) এটি বাদ পড়েছিল এবং আমি মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তা উদ্ধৃত করেছি - ফায়দুল কাদির বি-শারহিল জামি আস-সগীর ২/ ৩৯।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৫)
قال الهيثمي: رجاله رجال الصحيح.

وقال الذهبي كابن عساكر [في التاريخ] (1): اختلف على هشيم فيه، انتهى.

قلت: مقتضى سياق الذهبي في كتابه "المشتبه" أن سيابة بالفتح كسحابة. ولكن في "التبصير" (2) للحافظ ابن حجر: أنه بالكسر، كما نقله السيوطي، فهو إذًا خالف شيخه في الضبط، أو أن الذهبي لم يضبطه لشهرته.

وفي "التجريد" للحافظ الذهبي و"معجم الصحابة" للحافظ تقي الدِّين ابن فهد ما نصّهما: سيابة بن عاصم بن شيبان السُّلمي، له وفادة. روى حديثه عن عمرو بن سعيد، قوله: "أنا ابن العواتك" (3).

وأما هُشيم الذي قال فيه الذهبي وابن عساكر: أنه اختلف عليه في هذا الحديث، فهو: أبو معاوية هُشيم بن بشر بن القاسم دينار السُّلمي (4). روى له الجماعة. وُلِد سنة خمس ومائة، وتوفي سنة ثلاث وثمانين ومائة. روى عن الزهري. وروى عنه من القدماء: الثوري، وشعبة، ومالك. وهو أثبت الناس في حديث منصور بن زاذان، ويونس وسيار وحصين.

--------------------------------------------

(1) ساقطة ونقلتها من الأصل - فيض القدير بشرح الجامع الصغير 2/ 39.

(2) التبصير لابن حجر 2/ 67.

(3) تجريد أسماء الصحابة للذهبي 1/ 250.

(4) قلت: هكذا جاء ضبطه في الأصل، ولكن في "تهذيب الكمال في أسماء الرجال" للمزي؛ ما نصه: (هشيم بن بشير بن القاسم بن دينار السلمي - أبو معاوية بن أبي حازم) (7/ 418).
হাইসামি বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ (গ্রন্থের) বর্ণনাকারী।

যুহাবি যেমনটি ইবনে আসাকির [তারিখ গ্রন্থে] (১) বলেছেন: এতে হুশাইমের ব্যাপারে মতভেদ হয়েছে, সমাপ্ত।

আমি বলছি: যুহাবি তার "আল-মুশতাবিহ" গ্রন্থে যা উল্লেখ করেছেন তার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী 'সাইয়াবাহ' শব্দটি ফাতহ (জবর) যোগে 'সাহাবাহ' শব্দের ওজনে। তবে হাফেজ ইবনে হাজার প্রণীত "আত-তাবসির" (২) গ্রন্থে রয়েছে: এটি কাসরা (যের) যোগে হবে, যেমনটি সুয়ুতি বর্ণনা করেছেন; সুতরাং তিনি এক্ষেত্রে তার উস্তাদের উচ্চারণ বিন্যাসের বিরোধিতা করেছেন, অথবা যুহাবি এটি অধিক প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণে এর স্বরচিহ্ন প্রদান করেননি।

হাফেজ যুহাবি রচিত "আত-তাজরিদ" এবং হাফেজ তাকিউদ্দিন ইবনে ফাহদ রচিত "মু'জামুস সাহাবাহ" গ্রন্থে যা বর্ণিত হয়েছে তা হলো: সাইয়াবাহ বিন আসিম বিন শাইবান আস-সুলামি, তার (রাসূলুল্লাহর নিকট) প্রতিনিধি হিসেবে আসার বর্ণনা রয়েছে। তার হাদিস আমর বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত হয়েছে, তার কথা: "আমি আওয়াতিকের সন্তান" (৩)।

আর হুশাইম, যার ব্যাপারে যুহাবি এবং ইবনে আসাকির বলেছেন যে, এই হাদিসের ক্ষেত্রে তার ওপর মতভেদ হয়েছে, তিনি হলেন: আবু মুয়াবিয়া হুশাইম বিন বিশর বিন কাসিম দিনার আস-সুলামি (৪)। সিত্তাহর সংকলকগণ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি একশত পাঁচ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একশত তিরাশি হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর প্রাচীনদের মধ্যে তার থেকে বর্ণনা করেছেন: সাওরি, শু'বাহ এবং মালিক। তিনি মানসুর বিন জাযান, ইউনুস, সাইয়্যার এবং হুসাইন-এর হাদিসের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে এটি বাদ পড়েছিল এবং আমি তা মূল উৎস হতে গ্রহণ করেছি - ফয়জুল কাদির বি-শারহিল জামিইস সাগির ২/৩৯।

(২) ইবনে হাজার রচিত আত-তাবসির ২/৬৭।

(৩) যুহাবি রচিত তাজরিদু আসমাইস সাহাবাহ ১/২৫০।

(৪) আমি বলছি: মূল গ্রন্থে এভাবেই এর স্বরচিহ্ন বিন্যাস এসেছে, তবে মিযযি রচিত "তাহযিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল" গ্রন্থে যা বর্ণিত হয়েছে তা হলো: (হুশাইম বিন বশির বিন কাসিম বিন দিনার আস-সুলামি - আবু মুয়াবিয়া বিন আবি হাযিম) (৭/৪১৮)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌المطلب الثاني في تأويل هذا الحديث وبيان نسب بني سُليم

قال المناوي: قال الحليمي (1): لم يُرِدْ بذلك فخرًا، بل تعريف منازل المذكورات، كمن يقول: "كان أبي فقيهًا"، لا يريد به إلَّا تعريف حاله. قال: ويمكن أنه أراد به الإِشارة بنعمة الله في نفسه وآبائه وأمهاته، انتهى.

قال بعضهم (2): وبنو سليم تفخر بهذه الولادة.

قلت (3): بنو سُليم، بالضَّم مصغَّر، قبيلة كبيرة من قبائل قيس بن عيلان من مضر (4).

--------------------------------------------

(1) الحليمي: الحسين بن الحسن بن محمد بن حليم البخاري الجرجاني، أبو عبد الله، فقيه شافعي، كان رئيس أهل الحديث فيما وراء النهر. مولده بجرجان ووفاته في بخارى. له: "المنهاج في شعب الإِيمان". توفي سنة 403 هـ. انظر مصادر ترجمته في: "الأعلام" للزركلي (2/ 253)، "سير أعلام النبلاء" (17/ 231).

(2) صنيع المصنف يُشعر بأنه ساقه أو نقله من كتاب آخر، أو أنَّ ما بعد قوله: "انتهى" من كلامه، مع أنه متصل بما قبله من كلام المناوي نفسه، كما هو في شرح الجامع بدون قوله: (انتهى)، فتأمل.

(3) أي: المؤلف الزبيدي.

(4) قال ابن حزم: "وقد قال قوم: قيس بن عيلان بن مضر. والصحيح: قيس عيلان".

قال نصر بن سيار:

أنا ابن خندف ينميني قبائلها … للصالحات وعمي قيس عيلان =
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এই হাদিসের ব্যাখ্যা এবং বনু সুলাইম গোত্রের বংশপরিচয় বর্ণনা প্রসঙ্গে

আল-মুনাউয়ী বলেন: আল-হালীমী (১) বলেছেন: এর দ্বারা তিনি অহংকার করা উদ্দেশ্য করেননি, বরং উল্লিখিত ব্যক্তিদের মর্যাদার পরিচয় প্রদান করেছেন; যেমন কেউ বলে: "আমার পিতা একজন ফকিহ ছিলেন", এর মাধ্যমে সে কেবল তাঁর অবস্থা পরিচয় করিয়ে দিতে চায়। তিনি বলেন: এটিও সম্ভব যে, তিনি এর মাধ্যমে নিজের প্রতি এবং নিজের পিতা ও মাতাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি ইঙ্গিত করার ইচ্ছা করেছেন। সমাপ্ত।

তাদের কেউ কেউ (২) বলেছেন: বনু সুলাইম গোত্র এই জন্মসূত্রের কারণে গর্ববোধ করে।

আমি (৩) বলছি: বনু সুলাইম—পেশ (যম্মাহ) সহযোগে ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ—মুদার গোত্রের কায়েস বিন আয়লান-এর অন্তর্ভুক্ত একটি বড় গোত্র (৪)।

--------------------------------------------

(১) আল-হালীমী: আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন হালীম আল-বুখারী আল-জুরজানী, আবু আব্দুল্লাহ, একজন শাফিয়ি ফকিহ, তিনি মা-ওয়ারাউন নাহার অঞ্চলে আহলে হাদিসগণের প্রধান ছিলেন। তাঁর জন্ম জুরজানে এবং মৃত্যু বুখারায়। তাঁর রচিত গ্রন্থ: "আল-মিনহাজ ফি শুয়াবিল ঈমান"। তিনি ৪০৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনীর উৎসসমূহের জন্য দেখুন: আয-যিরিকলীর "আল-আলাম" (২/২৫৩), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৭/২৩১)।

(২) গ্রন্থকারের কর্মপদ্ধতি ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি এটি অন্য কোনো গ্রন্থ থেকে বর্ণনা করেছেন বা উদ্ধৃত করেছেন, অথবা "সমাপ্ত" শব্দের পরের কথাটি তাঁর নিজস্ব বক্তব্য, যদিও এটি আল-মুনাউয়ীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথেই যুক্ত, যেমনটি শারহুল জামে গ্রন্থে "সমাপ্ত" শব্দ ছাড়াই বর্ণিত হয়েছে; বিষয়টি লক্ষ্যণীয়।

(৩) অর্থাৎ: গ্রন্থকার আয-যুবাইদী।

(৪) ইবনে হাযম বলেন: "একদল লোক বলেছে: কায়েস বিন আয়লান বিন মুদার। আর সঠিক হলো: কায়েস আয়লান"।

নাসর বিন সাইয়্যার বলেন:

আমি খিন্দিফের সন্তান, যাঁর গোত্রসমূহ আমাকে সৎকর্মের দিকে উন্নীত করে, এবং আমার চাচা হলো কায়েস আয়লান।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৭)
وعيلان اختلف فيه كثيرًا، فقيل: لقب، واسمه: الناس. وكان الوزير المغربي (1) يشدِّد السين. وقيل: اسم غلام لأبيه، حضنه؛ فيجعل قيسًا مضافًا إلى عيلان لا ابنًا له، وهذا بعيد جدًّا. والصحيح: ما اتفق عليه النسَّابة من أن قيسًا ولد لعيلان، وهو ولد لمضر. وقيل: سُمِّي بفرس له قد سابق عليه، أو بكلب له.

والصحيح ما قدَّمناه، ويدل له قول زهير بن أبي سُلمى:

إذا ابتدرتَ قيس بن عيلان غاية … من المجد من يسبق إليها يسبق (2)

فالعقب من قيس هذا في ثلاثة: خصفة -بالخاء المعجمة بحركة-، وسعد، وعمرو.

والعقب من خصفة من بطنين: عكرمة، ومحارب.

والعقب من عكرمة بن خصفة في: منصور بن عكرمة -وهو البيت الأول من قيس، وفيه العدد-، وسعد، وأبي مالك، وعامر.

--------------------------------------------

= "قلائد الذهب في جمهرة أنساب العرب" (ص 30) تحقيق الجبوري - المكتبة العلمية ببغداد.

(1) هو أبو القاسم الحسين بن علي بن محمد بن يوسف بن بحر، المعروف بابن المغربي أو الوزير المغربي. توفي سنة 418 هـ. له مؤلَّفات، منها: "رسالة القاضي والحاكم"، و"الإِيناس في علم الإنساب". انظر ترجمته في: سير أعلام النبلاء 17/ 394، معجم المؤلفين 1/ 624.

(2) لم أجده في ديوان زهير المطبوع.
আয়লান সম্পর্কে অনেক মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে: এটি একটি উপাধি, আর তার নাম হলো ‘নাস’। উজির মাগরিবী (১) ‘সীন’ বর্ণে তাশদীদ (দ্বিত্ব উচ্চারণ) দিতেন। আরও বলা হয়েছে: এটি তার পিতার এক দাসের নাম, যে তাকে লালন-পালন করেছিল; সে হিসেবে কায়সকে আয়লানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয় (কায়স-ই-আয়লান), তার পুত্র হিসেবে নয়। তবে এই বিষয়টি অত্যন্ত দূরহ। সঠিক অভিমত হলো তা-ই যার ওপর বংশবিদগণ একমত হয়েছেন যে, কায়স হলো আয়লানের পুত্র এবং সে (আয়লান) মুদারের পুত্র। আবার বলা হয়েছে: তার একটি ঘোড়ার নামে তার নামকরণ করা হয়েছে যার মাধ্যমে সে প্রতিযোগিতা করত, অথবা তার একটি কুকুরের নামে।

আর আমরা পূর্বে যা উল্লেখ করেছি সেটিই সঠিক, আর যুহাইর ইবনে আবি সুলমার এই উক্তিটি এর সপক্ষে দলিল:

যখন তুমি কায়স ইবনে আয়লানের সাথে শ্রেষ্ঠত্বের কোনো লক্ষ্যপানে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে … সম্মানের সেই শিখরে যে আগে পৌঁছাবে, সেই অগ্রগামী হবে (২)

এই কায়সের বংশধারা তিনজনের মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে: খাসাফাহ—নুক্তিযুক্ত ‘খা’ বর্ণের সাথে হরকত যোগে—, সা’দ এবং আমর।

আর খাসাফাহর বংশধারা দুটি শাখার মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে: ইকরিমা এবং মুহারিব।

আর ইকরিমা ইবনে খাসাফাহর বংশধারা এদের মধ্যে রয়েছে: মানসুর ইবনে ইকরিমা—যা কায়স গোত্রের প্রধান শাখা এবং এতেই বংশের লোকসংখ্যা অধিক—, সা’দ, আবু মালিক এবং আমির।

--------------------------------------------

= "কালাইদুজ জাহাব ফি জামহারতি আনসাবিল আরব" (পৃষ্ঠা ৩০) জাবুরীর সম্পাদনা - আল-মাকতাবাতুল ইলমিয়্যাহ, বাগদাদ।

(১) তিনি হলেন আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে বাহর, যিনি ইবনুল মাগরিবী বা উজির মাগরিবী নামে পরিচিত। ৪১৮ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বেশ কিছু রচনা রয়েছে, তন্মধ্যে রয়েছে: ‘রিসালাতুল কাদি ওয়াল হাকিম’ এবং ‘আল-ইনাস ফি ইলমিল আনসাব’। তাঁর জীবনী দেখুন: সিয়ারু আলামিন নুবালা ১৭/৩৯৪, মুজামুল মুয়াল্লিফিন ১/৬২৪।

(২) এটি আমি যুহাইরের মুদ্রিত দিওয়ানে পাইনি।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৮)
والعقب من منصور في: هوازن، وسليم، وسلامان، ومازن.

ومن سُليم في: بُهتة بن سليم، ومنه تفرَّعت القبائل على ما هو مشروح في كتب الإنساب.

ولبني سُليم مفاخر، منها: أنها ألَّفت (1) يوم فتح مكة، أي: شهده منهم ألف، وأنَّ النبي صلى الله عليه وسلم قدَّم لواءهم يومئذ على الألوية، وكان أحمرَ.

ومنها: أنَّ عمرًا رضي الله عنه (2) كتب إلى أهل الكوفة والبصرة ومصر والشام: أنِ ابعثوا إليَّ من كل بلد بأفضله رجلًا، فبعث أهل البصرة بمجاشع بن مسعود السُّلمي، وأهل الكوفة بعتبة بن فرقد السُّلمي، وأهل مصر بمعن بن يزيد بن الأخنس السُّلمي، وأهل الشام بأبي الأعور السُّلمي.

--------------------------------------------

(1) قال الدميري: روى عبد الباقي بن قانع في معجمه، والحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السِّلفي -وبعد أن ساق الحديث المذكور ومآثر بني سُليم-، قال: كذا قاله جماعة، والصواب: أن بني سُليم كانوا يوم الفتح تسعمائة، فقال لهم النبي صلى الله عليه وسلم: "هل لكم في رجل يعدل مائة فيوفيكم ألفًا"، قالوا: نعم. فوفاهم بالضحاك بن سفيان، وكان رئيسهم، وإنما جعله عليهم لأن جميعهم من قيس عيلان.

* حياة الحيوان (2/ 10).

(2) ذكره ابن عساكر في تاريخ مدينة دمشق (3/ 107).
মনসুরের বংশধরগণ হলেন: হাওয়াজিন, সুলাইম, সালামান এবং মাজিন গোত্রে।

আর সুলাইম থেকে: বুহতাহ বিন সুলাইম, এবং তার থেকেই গোত্রগুলো শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়েছে যেমনটি বংশলতিকার বইগুলোতে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।

বনু সুলাইমের অনেক গৌরবের বিষয় রয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো: মক্কা বিজয়ের দিন তারা সংখ্যায় হাজারে পৌঁছেছিল (১), অর্থাৎ: তাদের মধ্য থেকে এক হাজার ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিন তাদের পতাকাকে অন্যান্য পতাকার অগ্রভাগে রেখেছিলেন, আর তা ছিল লাল রঙের।

আরেকটি হলো: উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু (২) কুফা, বসরা, মিসর ও শামবাসীদের কাছে লিখেছিলেন যে: 'তোমরা প্রতিটি দেশ থেকে আমার কাছে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে পাঠাও।' ফলে বসরাবাসী মুজাশে' বিন মাসউদ আস-সুলামীকে, কুফাবাসী উতবাহ বিন ফারকাদ আস-সুলামীকে, মিসরবাসী মা'ন বিন ইয়াযিদ বিন আল-আখনাস আস-সুলামীকে এবং শামবাসী আবু আল-আওয়ার আস-সুলামীকে পাঠালো।

--------------------------------------------

(১) আদ-দামিরী বলেন: আবদুল বাকি বিন কানি' তাঁর মু'জামে এবং হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফী বর্ণনা করেছেন—উল্লিখিত হাদিস এবং বনু সুলাইমের গৌরবগাথা বর্ণনা করার পর তিনি বলেন: একদল আলেম এভাবেই বলেছেন, তবে সঠিক হলো: মক্কা বিজয়ের দিন বনু সুলাইম ছিল নয়শ জন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: "তোমাদের জন্য কি এমন একজন ব্যক্তি প্রয়োজন যে কি না একশ জনের সমান হয়ে তোমাদের সংখ্যা এক হাজার পূর্ণ করে দেবে?" তারা বললেন: "হ্যাঁ।" অতঃপর তিনি দাহহাক বিন সুফিয়ানকে দিয়ে তাদের সংখ্যা পূর্ণ করলেন, তিনি ছিলেন তাদের গোত্রপ্রধান। আর নবী (সা.) তাকে তাদের ওপর প্রধান নিযুক্ত করেছিলেন কারণ তারা সবাই ছিল কায়েস আয়লান বংশের।

* হায়াতুল হায়াওয়ান (২/১০)।

(2) ইবনে আসাকির এটি তারিখে মদিনাতু দিমাশক (৩/১০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌المطلب الثالث في تفصيل أسمائهن

قال الجوهري (1) في "الصَّحاح"، والصاغاني (2) في "العُباب": العواتك في جدَّات النبي صلى الله عليه وسلم تسع، وإياهم تبع صاحب "القاموس"، واقتصروا على ذلك.

--------------------------------------------

(1) الجوهري: صاحب الصَّحاح، إسماعيل بن حماد، أبو النصر. أول من حاول الطيران ومات في سبيله. لغوي من الأئمة. من أشهر كتبه: "الصَّحاح" في مجلدين، وله في العروض والنحو. ومات في نيسابور، وذلك أنه صنع جناحين من خشب، وربطهما بحبل، وصعد سطح داره ونادى في الناس: لقد صنعت ما لم أُسبق إليه، وسأطير الساعة. فازدحم أهل نيسابور ينظرون إليه، فتأبط الجناحين ونهض بهما، فخانه اختراعه فسقط إلى الأرض قتيلًا. توفي سنة 393 هـ. انظر: "بغية الوعاة" (1/ 446)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (1/ 309).

(2) الصاغاني: الحسن بن محمد بن الحسن العدوي العمري الصاغاني، نسبة إلى صاغان قرية بمرو. أعلم أهل عصره في اللغة، كان فقيهًا ومحدِّثًا. وُلِد في لاهور في الهند، وتوفي في بغداد. له تصانيف كثيرة، منها: "مجمع البحرين"، و"التكملة" في ستة مجلدات جعلها تكملة لـ "صَحاح" الجوهري، و"العباب" معجم في اللغة، وغيرها. انظر: "بغية الوعاة" (1/ 519)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (2/ 233).
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাদের নামের বিস্তারিত বিবরণ প্রসঙ্গে

আল-জাওহারী (১) 'আস-সিহাহ' গ্রন্থে এবং আস-সাগানী (২) 'আল-উবাব' গ্রন্থে বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাদি ও নানিদের মধ্যে 'আতিকাহ' নামধারী মহিলার সংখ্যা নয়জন। 'আল-কামুস' গ্রন্থের লেখকও তাদের অনুসরণ করেছেন এবং তারা এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।

--------------------------------------------

(১) আল-জাওহারী: 'আস-সিহাহ' গ্রন্থের রচয়িতা, ইসমাঈল বিন হাম্মাদ, আবু আন-নাসর। তিনি সর্বপ্রথম উড্ডয়নের চেষ্টা করেন এবং সেই পথেই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভাষাতত্ত্ববিদ ইমামদের অন্যতম। তাঁর প্রসিদ্ধ বইগুলোর মধ্যে রয়েছে: দুই খণ্ডে সমাপ্ত 'আস-সিহাহ'; ছন্দ ও ব্যাকরণ শাস্ত্রেও তাঁর অবদান রয়েছে। তিনি নিশাপুরে মারা যান। ঘটনাটি হলো, তিনি কাঠের দুটি ডানা তৈরি করেন এবং সেগুলোকে দড়ি দিয়ে বাঁধেন, এরপর নিজের ঘরের ছাদে উঠে লোকজনকে ডেকে বলেন: "আমি এমন এক জিনিস তৈরি করেছি যা আমার আগে কেউ করেনি, আর আমি এখনই উড়ব।" নিশাপুরের মানুষ তাঁকে দেখার জন্য ভিড় জমায়। তিনি ডানা দুটি বগলে চেপে ধরে ওড়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর উদ্ভাবন তাঁকে প্রতারিত করে এবং তিনি মাটিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ৩৯৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: 'বুগইয়াতুল উয়াত' (১/৪৪৬), এবং তাঁর জীবনীর অন্যান্য উৎস যিরিকলির 'আল-আ'লাম' (১/৩০৯)।

(২) আস-সাগানী: হাসান বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আল-আদাভী আল-উমারী আস-সাগানী। মার্ভ-এর 'সাগান' নামক গ্রামের দিকে সম্বন্ধ করে তাঁকে সাগানী বলা হয়। তিনি তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে ভাষাবিজ্ঞানে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ছিলেন। তিনি একজন ফকিহ এবং মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি ভারতের লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বহু গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: 'মাজমাউল বাহরাইন', জাওহারীর 'সিহাহ'-এর পরিপূরক হিসেবে ছয় খণ্ডে রচিত 'আত-তাকমিলাহ', এবং অভিধান গ্রন্থ 'আল-উবাব' ইত্যাদি। দেখুন: 'বুগইয়াতুল উয়াত' (১/৫১৯), এবং তাঁর জীবনীর অন্যান্য উৎস যিরিকলির 'আল-আ'লাম' (২/২৩৩)।
(খণ্ড: ১) ঈজাহুল মাদারিক ফিল ইফসাহ আনিল আউয়াতিক (পৃষ্ঠা: ৩০)
وقال ابن الأثير (1)، وابن بري (2) في "حاشية الصَّحاح": هن اثنتا عشرة نسوة.

وقال العتبي (3): قال أبو اليقظان (4): العواتك ثلاث نسوة من بني سُليم، تُسَمَّى كل واحدة منهن عاتكة.

إحداهن: عاتكة بنت هلال بن فالج -بالجيم- بن ذكوان بن

--------------------------------------------

(1) ابن الأثير: هو علي بن محمد بن عبد الكريم بن عبد الواحد الشيباني الجزري أبو الحسن. مؤرِّخ من علماء النسب، كان منزله مجمع الفضلاء. له: "الكامل"، و"أسد الغابة في معرفة الصحابة" و"اللباب مختصر أنساب السمعاني". توفي سنة 630 هـ. انظر: "سير أعلام النبلاء" (22/ 353)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (5/ 153).

(2) ابن برِّي: عبد الله بن برِّي بن عبد الجبار، المقدسي الأصل، المصري أبو محمد، من علماء العرب النابهين. وُلِد ونشأ وتوفي بمصر. له: "شرح شواهد الإِيضاح حواش على صَحاح الجوهري". توفي سنة 582 هـ. انظر: "بغية الوعاة" (2/ 34)، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (4/ 200).

(3) العتبي: هو محمد بن عبيد الله بن عمرو، أبو عبد الرحمن الأموي من بني عتبة بن أبي سفيان، أديب كثير الأخبار من أهل البصرة ووفاته بها. له: "الأخلاق"، و"أشعار الأعاريب"، و"الخيل". توفي في حدود 228 هـ. انظر ترجمته في: "الفهرست" لابن الندي، و"وفيات الأعيان" 1/ 522، و"الأعلام" للزركلي 7/ 139.

(4) أبو اليقظان: هو عامر بن حفص. عالم بالإنساب، يلقب بسحيم. له مصنفات، منها: "أخبار تميم"، وكتاب "النسب الكبير". توفي سنة 190 هـ. انظر: "الفهرست" لابن النديم (151) ولم يذكر له وفاة، ومصادر ترجمته في "الأعلام" للزركلي (4/ 17).
এবং ইবনে আল-আসির (১) এবং ইবনে বাররি (২) 'হাশিয়াতুস সাহাহ'-এ বলেছেন: তারা বারোজন নারী।

আল-উতবি (৩) বলেন: আবুল ইয়াকজান (৪) বলেছেন: আওয়াতিিকগণ হলেন বনু সুলাইম গোত্রের তিনজন নারী, তাদের প্রত্যেকের নাম ছিল আতিকাহ।

তাদের একজন হলেন: আতিকাহ বিনতে হিলাল বিন ফালিজ—'জীম' অক্ষর যোগে—বিন যাকওয়ান বিন...

--------------------------------------------

(১) ইবনে আল-আসির: তিনি হলেন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানি আল-জাজারি আবুল হাসান। তিনি বংশগতি বিদ্যার (নাসাব) আলেম ও ঐতিহাসিক ছিলেন; তাঁর বাসস্থান ছিল গুণীজনদের মিলনস্থল। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি: 'আল-কামিল', 'أسদুল গাবাহ ফি মারিফাতিস সাহাবাহ' এবং 'আল-লুবাব মুখতাসারু আনসাবিস সামআনি'। তিনি ৬৩০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' (২২/ ৩৫৩) এবং আল-জিরিকলির 'আল-আলাম'-এ তাঁর জীবনীসূত্রের উৎসসমূহ (৫/ ১৫৩)।

(২) ইবনে বাররি: আব্দুল্লাহ বিন বাররি বিন আব্দুল জব্বার, মূলগতভাবে মাকদিসি এবং মিসরীয় আবু মুহাম্মদ, তিনি প্রখ্যাত আরবীয় আলেমদের অন্যতম ছিলেন। তিনি মিসরে জন্মগ্রহণ করেন, সেখানেই বেড়ে ওঠেন এবং মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থ: 'শারহু সাওয়াহিদুল ইদাহ হাওয়াশি আলা সাহাহিল জাওহারি'। তিনি ৫৮২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: 'বুগইয়াতুল উয়াত' (২/ ৩৪) এবং আল-জিরিকলির 'আল-আলাম'-এ তাঁর জীবনীসূত্রের উৎসসমূহ (৪/ ২০০)।

(৩) আল-উতবি: তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আমর, আবু আব্দুর রহমান আল-উমাউয়ি, বনু উতবাহ বিন আবু সুফিয়ান বংশের লোক। তিনি বসরাবাসী একজন সাহিত্যিক ও বহু ঘটনার বর্ণনাকারী ছিলেন এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর রচিত গ্রন্থ: 'আল-আখলাক', 'আশআরুল আআরিব' এবং 'আল-খাইল'। তিনি আনুমানিক ২২৮ হিজরির দিকে ইন্তেকাল করেন। ইবনে নাদিমের 'আল-ফিহরিস্ত', 'ওয়াফায়াতুল আইয়ান' (১/ ৫২২) এবং আল-জিরিকলির 'আল-আলাম'-এ (৭/ ১৩৯) তাঁর জীবনী দেখুন।

(৪) আবুল ইয়াকজান: তিনি হলেন আমির বিন হাফস। বংশগতি বিদ্যায় (নাসাব) পারদর্শী আলেম, তাঁকে 'সুহাইম' উপাধিতে ডাকা হতো। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে: 'আখবারু তামিম' এবং 'আল-নাসাব আল-কাবির' অন্যতম। তিনি ১৯০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ইবনে নাদিমের 'আল-ফিহরিস্ত' (১৫১), তবে সেখানে তাঁর মৃত্যুর সাল উল্লেখ করা হয়নি, এবং আল-জিরিকলির 'আল-আলাম'-এ তাঁর জীবনীসূত্রের উৎসসমূহ (৪/ ১৭)।