(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: -)
مسائل حرب الكرماني كتاب الطهارة - ت عامر بهجت   (حرب الكرماني)

القسم: الفقه الحنبلي


الكتاب: مسائل حرب الكرماني للإمامين: أحمد بن حنبل وإسحاق بن راهويه، من قوله: (باب الماء الذي لا ينجسه شيء) إلى آخر كتاب الطهارة دراسةً وتحقيقًا

المؤلف: أبو محمد حرب بن إسماعيل بن خلف الكرماني (ت 280 هـ)

رسالة: دكتوراه للشيخ: عامر بن محمد فداء بن محمد عبد المعطي بهجت - الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة - كلية الشريعة - قسم الفقه

المشرف: أ. د. عبد الله بن معتق السهلي حفظه الله

العام: 1432 - 1433 هـ

عدد الصفحات: 637

مصدر الكتاب: إهداء من محققه الشيخ عامر بهجت للمكتبة الشاملة، جزاه الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للرسالة المطبوعة]

تاريخ النشر بالشاملة: 3 صفر 1437

হারব আল-কিরমানীর মাসায়েল পবিত্রতা অধ্যায় - সম্পাদনা: আমির বাহজাত   (হারব আল-কিরমানী)

বিভাগ: হাম্বলী ফিকহ


বই: দুই ইমাম: আহমদ ইবনে হাম্বল এবং ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ-এর হারব আল-কিরমানীর মাসায়েল, তাঁর কথা থেকে: (পরিচ্ছেদ: যে পানি কোনো কিছুতেই অপবিত্র হয় না) থেকে পবিত্রতা অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত গবেষণা ও তাহকীক

লেখক: আবু মুহাম্মদ হারব বিন ইসমাইল বিন খালাফ আল-কিরমানী (মৃত্যু ২৮০ হিজরি)

থিসিস: শেখ: আমির বিন মুহাম্মদ ফিদা বিন মুহাম্মদ আব্দুল মুতি বাহজাত-এর ডক্টরেট গবেষণাপত্র - মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - শরীয়াহ অনুষদ - ফিকহ বিভাগ

তত্ত্বাবধায়ক: প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ বিন মুতিক আল-সাহলি হাফিজাহুল্লাহ

বছর: ১৪৩২ - ১৪৩৩ হিজরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৩৭

বইয়ের উৎস: এর মুহাক্কিক শেখ আমির বাহজাতের পক্ষ থেকে মাকতাবা শামিলার জন্য উপহার, আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত থিসিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৩ সফর ১৪৩৭

(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
/بين بول الغلام والجارية فقد أخطأ وخالف الرسول صلى الله عليه وسلم، ولم نسمع عن النبي صلى الله عليه وسلم ولا عمن بعده إلى زمن التابعين أن أحدًا سوَّى بين بول الغلام والجارية؛ فاتباع السنن في ذلك أسلم.

 

1 - حدثنا إسحاق قال: ثنا معاذ بن هشام قال: حدثني أَبِيْ: عن قتادة، عن أبي حرب ابن أبي الأسود الديلي، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه، عن
বালক ও বালিকার প্রস্রাবের মধ্যে (পার্থক্য না করে সমান গণ্য করে), তবে সে ভুল করেছে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিরোধিতা করেছে। আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কিংবা তাঁর পরবর্তী তাবিঈদের যুগ পর্যন্ত কারো থেকে এমনটি শুনিনি যে, কেউ বালক ও বালিকার প্রস্রাবকে সমান গণ্য করেছেন; সুতরাং এ ক্ষেত্রে সুন্নাহর অনুসরণ করাই অধিক নিরাপদ।

 

১ - ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআয ইবনে হিশাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু হারব ইবনে আবিল আসওয়াদ আদ-দাইলি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবু তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি...
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
رسول. الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: «بول الغلام يُرَشُّ عَليْه، وبول الجارية يغسل». قال قتادة: وهذا ما لم يطعما الطعام، فإذا طعما غُسِلَ.

 

2 - وسمعت إسحاق يقول: إذا أَكَلَ الغلامُ الطعامَ غُسِلَ بولُه كما يُغسلُ بولُ الجارية قبل أن تَأكل، وما أشبهَ ذلك فليس من الطعام؛ لأنَّ الصبيَّ قبلَ أن يبلغ مبلغَ أن يطعم ربما ألعقته الأمُّ عسلًا وما أشبه ذلك لِقلَّةِ لبنِها، وأكلُ الصبي هو الطعام، إذا بلغ مبلغ ذلك، وأما سَلْحُهُ فلا نعلم في ذلك سنةً مسنونةً؛ فغسلُه -طَعِمَ أو لم يَطْعَمْ أحبُّ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "ছেলে শিশুর প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দিতে হবে এবং মেয়ে শিশুর প্রস্রাব ধুতে হবে।" কাতাদাহ বলেন: এটি ততক্ষণ পর্যন্ত প্রযোজ্য যতক্ষণ না তারা খাবার গ্রহণ করে; যখন তারা খাবার গ্রহণ করে, তখন তা ধুতে হবে।

 

২ - এবং আমি ইসহাককে বলতে শুনেছি: যখন ছেলে শিশু খাবার গ্রহণ করে, তখন তার প্রস্রাব ধুতে হবে যেমনটি খাবার গ্রহণের পূর্বে মেয়ে শিশুর প্রস্রাব ধোয়া হয়। আর এর সদৃশ বিষয়সমূহ খাবারের অন্তর্ভুক্ত নয়; কারণ শিশু খাবার খাওয়ার বয়সে পৌঁছানোর পূর্বে হয়তো তার মা দুধের স্বল্পতার কারণে তাকে মধু বা এই জাতীয় কিছু চেটে খাওয়ান। আর শিশুর খাবার গ্রহণ বলতে সেই প্রকৃত আহারকেই বোঝায় যখন সে সেই পর্যায়ে পৌঁছায়। তবে তার মলের বিষয়ে আমাদের জানা মতে কোনো সুন্নাহ বর্ণিত নেই; তাই সে খাবার গ্রহণ করুক বা না করুক—তা ধুয়ে ফেলাই অধিক পছন্দনীয়।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৬৭)
إلينا-، ولو كان الأمر بالقياس لكان سلحُه يشبَّهُ ببوله، ولكنَّ ترك القياس واتباع السنة أسلم.

 

3 - حدثنا عمرو بن عثمان: ثنا الوليد بن مسلم قال: قلت لأبي عمرو: قولهم: بول الجارية يغسل -أكلت الطعام أو لم تأكله-، وبول الغلام يرش عليه حتى يأكل ثم
...আমাদের নিকট—; আর বিষয়টি যদি কিয়াস (যৌক্তিক অনুমান) অনুযায়ী হতো, তবে তার মলকে তার প্রস্রাবের সদৃশ গণ্য করা হতো। কিন্তু কিয়াস বর্জন করা এবং সুন্নাহর অনুসরণ করাই অধিক নিরাপদ।

 

৩ - আমাদের নিকট আমর ইবন উসমান বর্ণনা করেছেন: ওয়ালিদ ইবন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমরকে জিজ্ঞেস করলাম: তাদের এই বক্তব্য সম্পর্কে যে—কন্যাশিশুর প্রস্রাব ধৌত করতে হবে, সে খাবার গ্রহণ করুক বা না করুক; আর পুত্রশিশুর প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দিতে হবে যতক্ষণ না সে খাবার গ্রহণ শুরু করে, অতঃপর...
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৬৮)
يُغسل؟ قال: هما سواء، يرش منهما حتى يأكلا الطعام. وأبو عمرو لم يَرَ السمنَ والعسلَ يلعقهُ الصبيُّ طعامًا حتى يستغنيَ به عن الرضاع.

[1/ب]

 

4 - حدثنا عمرو بن عثمان قال: ثنا الوليد بن مسلم، عن مالك بن أنس: في بول الصبيان: / الجارية والغلام سواء؛ ينضح عليه الماء ما لم يأكل. مثل قول الأوزاعي.
ধৌত করতে হবে কি? তিনি বললেন: তারা উভয়েই সমান, তারা খাবার গ্রহণ করা শুরু করার আগ পর্যন্ত উভয়ের ওপর পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। আর আবু আমর শিশুর ঘি ও মধু চেটে খাওয়াকে ‘খাদ্য’ হিসেবে গণ্য করেননি, যতক্ষণ না শিশু এর মাধ্যমে স্তন্যপান থেকে অমুখাপেক্ষী হয়।

[১/খ]

 

৪ - আমর ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস থেকে শিশুদের প্রস্রাব সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: কন্যাশিশু ও পুত্রশিশু সমান; খাবার না খাওয়া পর্যন্ত তার ওপর পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। এটি আওজায়ির মতের অনুরূপ।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৬৯)
‌‌[1] باب الماء الذي لا ينجسه شيء

5 - سمعت أبا عبد الله أحمدَ بنَ حنبل يقول في الماء: إذا كان قلتينِ لم ينجُسْ إلا أن يصير فيه شيءٌ يغيّر طعمَه أو ريحَه، أو يصيرَ فيه بولٌ أو عذرةٌ.
[১] অধ্যায়: এমন পানি যাকে কোনো কিছু অপবিত্র করতে পারে না

৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বলকে পানির বিষয়ে বলতে শুনেছি: যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্র হয় না; তবে যদি তাতে এমন কিছু নিপতিত হয় যা তার স্বাদ কিংবা ঘ্রাণ পরিবর্তন করে দেয়, অথবা তাতে প্রস্রাব কিংবা মল নিপতিত হয়।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭১)
6 - وسمعت أحمد مرة أخرى -وسئل عن القُلّة قدر كم هو؟ - قال: قربتين كل قلة. قيل أنتوضأ من القلتين؟ قال: إذا لم يتغير طعمه وريحه، فسئل: الرجل يرى ماء في الجباية قدر قلتين أيتوضأ منه؟ قال: إذا كان ماء السماء فنعم، وإن كان قليلًا.
৬ - আমি আহমদকে পুনরায় বলতে শুনেছি—এবং তাঁকে কুল্লা (পাত্র)-এর পরিমাণ কতটুকু তা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বললেন: প্রতিটি কুল্লা দুই মশক পরিমাণ। জিজ্ঞেস করা হলো: আমরা কি দুই কুল্লা পরিমাণ পানি থেকে অজু করব? তিনি বললেন: যদি এর স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তিত না হয়। অতঃপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: কোনো ব্যক্তি যদি জলাধারে দুই কুল্লা পরিমাণ পানি দেখে, তবে সে কি তা থেকে অজু করবে? তিনি বললেন: যদি তা আসমানের পানি (বৃষ্টির পানি) হয় তবে হ্যাঁ, যদিও তা পরিমাণে সামান্য হয়।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭২)
7 - وسئل أحمد مرة أخرى عن الفأرة تقع في البئر فلا يُغيَّر؟ إذا كان الماء أكثر من قلتين فأرجو أن لا يكون به بأس.

 

8 - وسئل إسحاق بن إبراهيم عن القلتين قال: أربع قرب إلى خمس قرب. قال: وأحبُّ إليَّ أن يكون حُبّين عظيمين، وأما ابنُ مهدي فيرى: لو كان الماء كفًا صارت فيه فأرةٌ فماتت رَمَى بالفارة وتوضأ؛ لقول النبي صلى الله عليه وسلم: «الماء لا ينجسه شيء».
৭ - আহমাদকে পুনরায় কূপে ইঁদুর পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলো যার (পানির) কোনো পরিবর্তন ঘটেনি? তিনি বললেন: যদি পানি দুই কুল্লার অধিক হয় তবে আমি আশা করি এতে কোনো সমস্যা নেই।

 

৮ - ইসহাক বিন ইবরাহিমকে দুই কুল্লা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন: চার থেকে পাঁচ মশক। তিনি বলেন: আমার নিকট অধিক পছন্দনীয় হলো দুটি বড় মটকা হওয়া। আর ইবনুল মাহদী মনে করেন: যদি পানি এক অঞ্জলি পরিমাণও হয় এবং তাতে ইঁদুর পড়ে মারা যায়, তবে তিনি ইঁদুরটি ফেলে দেবেন এবং তা দিয়ে অজু করবেন; কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করতে পারে না।"
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৩)
9 - وسمعت إسحاق يقول -مرة أخرى-: أما الذي نعتمد عليه: أن الماء إذا كان قدر القلتين -وهما نحو ستة قرب؛ لأن القُلّة نحو الخابية العظيمة، وهو نحو من أربعين دلوًا بالدلاء الصغار- فحينئذٍ لا يحمل النجاسةَ، ولا يفسده ما امتزج به من الأقذار إلا أن يغيِّر ذلك طعمَه أو ريحَه قال: وقال النضرُ: االقلتان الخابيتان العظيمتان.

[2/أ]
৯ - আমি ইসহাককে পুনরায় বলতে শুনেছি: আমরা যে বিষয়ের ওপর নির্ভর করি তা হলো, পানি যদি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়—আর তা হলো প্রায় ছয় মশক; কেননা এক কুল্লা হলো বিশাল জালার মতো, যা ছোট বালতির মাপে প্রায় চল্লিশ বালতির সমান—তখন তা আর অপবিত্রতা বহন করে না এবং এর সাথে মিশে যাওয়া কোনো নাপাকি একে দূষিত করে না, যতক্ষণ না তা পানির স্বাদ অথবা ঘ্রাণ পরিবর্তন করে দেয়। তিনি বলেন: নাদর বলেছেন: দুই কুল্লা হলো দুটি বিশাল জালা।

[২/আ]
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৪)
10 - / حدثنا محمد بن نصر بن سعيد قال: ثنا حسان بن إبراهيم، عن سلم بن نسطاس، عن سليمان بن عمرو، عن برد، عن راشد بن سعد، عن أبي أمامة رضي الله عنه قال: قال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا ينجس الماء إلا ما غير لونه أو ريحه».

 

11 - سألت إسحاقَ بنَ إبراهيم قلت: أَخْبِرْنِيْ عن نهرِ ماءٍ يجري في وسط قريةٍ، [فـ] سكن الماءُ طرفَ القريةِ، وبَقِيَ في المَثَاعِبِ والحياض والأنهار وماء في القرية -وليس يجري ولكنه راكد- هل يتوضأ به؟ قال: إذا كان قلتين فتوضَأْ بهِ واغتسلْ.
১০ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসসান ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন সালম ইবনে নাসতাস থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে আমর থেকে, তিনি বুরদ থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পানি অপবিত্র হয় না, কেবল সেই বস্তু ব্যতীত যা এর রঙ অথবা এর গন্ধ পরিবর্তন করে দেয়»।

 

১১ - আমি ইসহাক ইবনে ইব্রাহিমকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: আমাকে একটি পানির নদী সম্পর্কে সংবাদ দিন যা একটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হয়, [অতঃপর] পানি গ্রামের এক প্রান্তে এসে থেমে গেল এবং তা ড্রেন, হাউজ ও নালাগুলোতে রয়ে গেল - এবং গ্রামের সেই পানি যা প্রবাহিত নয় বরং স্থির - তা দিয়ে কি ওযু করা যাবে? তিনি বললেন: যদি তা দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তবে তা দিয়ে ওযু করো এবং গোসল করো।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৫)
12 - وسألت إسحاقَ -مرةً أخرى- عن ماء النهر إذا سكن طرف القرية وبقي في الأنهار في القرية ماءٌ راكدٌ لا يجري؟ قال: يغتسلُ فيه ويتوضأُ إذا كانَ قلتين.

 

13 - وسألت إسحاق مرة أخرى -وسأله رجلٌ- فقال: يكون وسَكَنَ الماءُ ويبقى في الأنهار ماء؟ قال: إذا كان قلتين فلا بأس بالوضوء من ذلك الماء.

 

14 - حدثنا محمود بن خالد قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: وأخبرني ابن لهيعة، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عمرو بن حريث، عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: (إذا بلغ الماء أربعين دلوًا لم ينجسه شيء، وإن اغتسل فيه جنب ثم أتبعه آخر).
১২ - এবং আমি ইসহাককে পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম নদীর পানি সম্পর্কে যখন তা গ্রামের পাশে থেমে যায় এবং গ্রামের নদীগুলোতে এমন বদ্ধ পানি রয়ে যায় যা প্রবাহিত হয় না? তিনি বললেন: তাতে গোসল করা যাবে এবং ওযু করা যাবে যদি তা দুই কুল্লাহ (পরিমাণ) হয়।

 

১৩ - এবং আমি ইসহাককে আরও একবার জিজ্ঞেস করলাম—জনৈক ব্যক্তিও তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন—তিনি বললেন: এমন যদি হয় যে পানি থেমে গেছে এবং নদীগুলোতে পানি অবশিষ্ট রয়ে গেছে? তিনি বললেন: যদি তা দুই কুল্লাহ হয় তবে সেই পানি দিয়ে ওযু করায় কোনো দোষ নেই।

 

১৪ - মাহমুদ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাকে ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আমর ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: (যখন পানি চল্লিশ বালতি পরিমাণ পৌঁছাবে, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করবে না, যদিও তাতে কোনো জুনুবি (জানাবাত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি) গোসল করে এবং এরপর অন্য একজন তার অনুসরণ করে গোসল করে)।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৬)
‌‌[2] باب الحياض في طريق مكة

15 - سألت أحمد عن الحياض التي في طريق مكة، يغتسل فيها الناس، ويُلقى فيها القذر؟ قال: هذه الحياض المحدثة، وماؤها كثير، ولم ير بذلك بأسًا.

[2/ب]

 

16 - حدثنا يحيى بن عبد الحميد قال: ثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، عن أبيه / عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن حياض
[২] মক্কার পথে হাউজসমূহের অধ্যায়

১৫ - আমি আহমাদকে মক্কার পথে অবস্থিত সেই হাউজগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যাতে মানুষ গোসল করে এবং তাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়? তিনি বললেন: এগুলো নবনির্মিত হাউজ, এর পানি অনেক বেশি, এবং তিনি এতে কোনো সমস্যা দেখেননি।

[২/খ]

 

১৬ - আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম তাঁর পিতা থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাউজসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল...
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৭)
بين مكة والمدينة يشرب منها الحُمُر والسباع، فكيف لهم بالطهور؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «لها ما حملت في بطونها، وما بقي فهو طهور».

 

17 - وسمعت رجلًا سأل أحمد رحمه الله قال: فإنّا توضأنا في طريق البادية من بئرٍ، فإذا فيه دجاجة ميتة. قال: كم الماء؟ قال: كثير. قال: أرجو أن لا يكون به بأس.

 

18 - وسألت إسحاق عن بئر فيها ماء كثير، فوقعت فيها فأرة فماتت وتفسخت وتغير طعم الماء وريحه. قال: لا تتوضأْ به، وكذلك الماء.

 

19 - وسألت إسحاق -مرةً أخرى- عن بئر انصب فيها خمرٌ، وفيها من الماء أكثر من قلتين؟ قال: إن صار فيها من غير تعمُّدٍ-إذا احتمله ولم يتغير- فلا بأس.

 

20 - حدثنا أحمد بن الأزهر قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: سئل الأوزاعي عن الماء البالغ، فقال: حدثني الزهري: أنه إذا كان قدر ما تقع فيه الميتة فلا تغيرُ طعمَه ولا ريحَه فلا بأس.
মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী স্থানে যেখান থেকে গাধা ও হিংস্র প্রাণীরা পান করে, এমতাবস্থায় তাদের জন্য পবিত্রতা কীভাবে হবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তারা তাদের পেটে যা বহন করে নিয়ে গেছে তা তাদের জন্য, আর যা অবশিষ্ট রইল তা পবিত্র।»

 

১৭ - এবং আমি এক ব্যক্তিকে আহমদ (রহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি, সে বলল: আমরা মরুভূমির পথে একটি কূপ থেকে ওযু করেছি, এমতাবস্থায় তাতে একটি মৃত মুরগি পাওয়া গেল। তিনি বললেন: পানির পরিমাণ কতটুকু? সে বলল: অনেক। তিনি বললেন: আমি আশা করি এতে কোনো সমস্যা হবে না।

 

১৮ - এবং আমি ইসহাককে এমন একটি কূপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাতে প্রচুর পানি ছিল, অতঃপর তাতে একটি ইঁদুর পড়ে মারা গেল এবং পচে-গলে গেল এবং পানির স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি বললেন: তা দিয়ে ওযু করো না, এবং অনুরূপ পানির ক্ষেত্রেও একই কথা।

 

১৯ - এবং আমি ইসহাককে পুনরায় এমন একটি কূপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাতে মদ পড়ে গিয়েছে, অথচ তাতে দুই কুল্লার অধিক পানি ছিল? তিনি বললেন: যদি তা অনিচ্ছাকৃতভাবে পড়ে থাকে—এবং পানি তা সহ্য করে নেয় ও পরিবর্তিত না হয়—তবে কোনো অসুবিধা নেই।

 

২০ - আহমাদ ইবনুল আযহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওযাঈ-কে অধিক পরিমাণ পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: যুহরী আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, পানির পরিমাণ যদি এমন হয় যাতে মৃত বস্তু পড়ার পরও তার স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তন না হয়, তবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৮)
21 - حدثنا أحمد بن نصر قال: ثنا حبان بن موسى قال: سئل عبد الله عن الماء الجاري القليل يبال فيه، ثم يجري حتى يجتمع في أزقة صغيرة؟ فلم ير بأسًا أن نغترف منه ونتوضأ، وكره أن نتوضأ -وإن كان الماء جاريًا كثيرًا- إذا رأيت البول في النهر لم يتغيّرْ.

 

‌‌[3] باب الشيء يقع في البئر فيغيِّر طعمَ الماء

[3/أ]

 

22 - وسئل أحمد مرةً أخرى عن الشيء يسقط في البئر فيغير طعم الماء قال: / تعاد الصلوات، ولا يؤكل الطعام الذي يعجن بذلك الماء.
২১ - আমাদের কাছে আহমদ ইবনে নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাব্বান ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহকে সেই অল্প বহমান পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যাতে প্রস্রাব করা হয়েছে এবং তা প্রবাহিত হয়ে সরু গলিতে একত্রিত হয়েছে। তিনি তা থেকে পানি সংগ্রহ করে অজু করাতে কোনো অসুবিধা দেখেননি। তবে তিনি অজু করা অপছন্দ করেছেন—যদিও পানি প্রচুর পরিমাণে বহমান হয়—যদি আপনি নদীতে প্রস্রাব দেখতে পান অথচ পানির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

 

‌‌[৩] পরিচ্ছেদ: কূপে কোনো কিছু পড়া এবং পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে

[৩/অ]

 

২২ - ইমাম আহমদকে পুনরায় কূপে কোনো কিছু পড়ে পানির স্বাদ পরিবর্তন হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: নামাজ পুনরায় পড়তে হবে, এবং সেই পানি দিয়ে মাখানো খামিরের তৈরি খাবার খাওয়া যাবে না।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৭৯)
23 - وسألت إسحاق قلت: بئر فيه ماء قليل -أقل من قلتين- سقطت فيها فأرة فماتت؟ قال: ما كان دون القلتين فإنها تحمل النجاسة. قلت: تعاد الصلوات وتغسل الثياب؟ قال: نعم.

 

‌‌[4] باب الوضوء من الماء القليل في الجنابة أو ماء الحمام

24 - سئل أبو عبد الله أحمدُ بنُ حنبل عن الرجل يرى الماء في الجنابة قليلًا، وليس معه ما يغرف به، أيأخذ بفمه، ويغسل يديه إذا كانتا غير طاهرتين؟ قال: نعم، إذا اضطر إليه، قيل: وكذلك الحمام؟ قال: نعم.

 

25 - وسألت إسحاق بن إبراهيم عن ماء قليل من ماء المطر؟ قال: يرفعه من موضعه أو يجعل خده يولي ذلك الماء ولا يتوضأ فيه.
২৩ - আমি ইসহাককে জিজ্ঞাসা করলাম: একটি কূয়ায় অল্প পানি আছে—দুই কুল্লা-র কম—তাতে একটি ইঁদুর পড়ে মারা গেছে? তিনি বললেন: যা দুই কুল্লা-র কম, তা নাপাকি বহন করে। আমি বললাম: সালাত কি পুনরায় আদায় করতে হবে এবং কাপড় ধুতে হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

 

‌‌[৪] অধ্যায়: জানাবাত অবস্থায় অল্প পানি অথবা গোসলখানার পানি দিয়ে ওযু করা

২৪ - আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বলকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে জানাবাত অবস্থায় অল্প পানি পায় এবং তার নিকট পানি তোলার মতো কোনো পাত্র নেই; এমতাবস্থায় তার হাত দুটি যদি পবিত্র না থাকে, তবে সে কি মুখ দিয়ে পানি নিয়ে তার হাত ধৌত করবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যদি সে নিরুপায় হয়। জিজ্ঞাসা করা হলো: গোসলখানার ক্ষেত্রেও কি একই হুকুম? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

 

২৫ - আমি ইসহাক ইবনে ইব্রাহীমকে বৃষ্টির সামান্য পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: সে যেন তা তার স্থান থেকে তুলে নেয় অথবা তার গালকে সেই পানির নিকটবর্তী করে (মুখ দিয়ে নিতে), কিন্তু তার ভেতরে (হাত ডুবিয়ে) ওযু করবে না।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮০)
‌‌[5] باب الوضوء من الماء الذي تغيَّرَ طعمُه أو ريحُه

26 - سئل أحمدُ -وأنا أسمعُ- عن الماء إذا تغيَّرَ طعمُه وريحُه؟ [قال: لا يتوضأ به ولا يشرب، وليس فيه حديث، ولكن الله تعالى حرم الميتة، فإذا صارت الميتة في الماء، فتغير طعمه أو ريحه] فذلك طعم الميتة وريحها، فلا يحل، وقال: [ذلك] أمرٌ ظاهر.

 

27 - حدثنا محمود قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: سمعت أبا عمرو وسعيد بن عبد العزيز يقولان: لا يصلح الوضوء من ماء خرج من نهر باب كيسان؛ لأنه قد غلب عليه ريحه وطعمه.
[৫] পরিচ্ছেদ: যে পানির স্বাদ অথবা ঘ্রাণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে তা দিয়ে ওজু করা

২৬ - আহমাদ (রহ.)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—আর আমি শুনছিলাম—এমন পানি সম্পর্কে যার স্বাদ ও ঘ্রাণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে? [তিনি বললেন: তা দিয়ে ওজু করা যাবে না এবং তা পানও করা যাবে না। এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট হাদিস নেই, তবে আল্লাহ তাআলা মৃত প্রাণীকে হারাম করেছেন। সুতরাং যখন মৃত প্রাণী পানির মধ্যে পড়ে এবং তার স্বাদ বা ঘ্রাণ পরিবর্তিত হয়ে যায়,] তবে তা মৃত প্রাণীরই স্বাদ ও ঘ্রাণ, তাই তা বৈধ নয়। তিনি আরও বলেন: এটি একটি সুস্পষ্ট বিষয়।

 

২৭ - মাহমুদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমর এবং সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজকে বলতে শুনেছি: 'বাব কিসান' নামক নদী থেকে নির্গত পানি দিয়ে ওজু করা শুদ্ধ নয়; কারণ তার ওপর (নাপাকির) ঘ্রাণ ও স্বাদ প্রবল হয়ে গিয়েছিল।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮১)
[3/ب]

 

28 - حدثنا محمود قال: ثنا الوليد قال: سمعت من أبي عمرو وسعيد بن عبد العزيز وابن جابر يقولون في الوضوء من ماء بظاهر دمشق والاغتسال من ماء حماماتها، / وهم يجيزون بما يلقى في قنواتها التي تفرغ في هذه المطاهر والحمامات من النُّشارة والزِّبْل، فيغيِّر لون الماء وطعمه وريحه، فيأمرون بالكف عن الوضوء ما كان متغيرًا، فإذا صفا وطاب ريحه وطعمه أمروا بالوضوء منه.
[3/ب]

 

২৮ - মাহমুদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমর, সাঈদ বিন আবদুল আজিজ এবং ইবনে জাবিরের নিকট থেকে দামেস্কের উপকণ্ঠের পানি দিয়ে ওযু করা এবং সেখানকার হাম্মামখানার পানি দিয়ে গোসল করা সম্পর্কে বলতে শুনেছি; / তাঁরা সেসব নালা বা খালের পানির ব্যবহার বৈধ মনে করতেন যা এই পবিত্রতা অর্জনের স্থান ও হাম্মামখানাগুলোতে গিয়ে পড়ে এবং যাতে কাঠের গুঁড়ো ও গোবর বা আবর্জনা নিক্ষিপ্ত হয়, যা পানির রঙ, স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তন করে দেয়। এমতাবস্থায় পানি যতক্ষণ পরিবর্তিত থাকত, তাঁরা তা দিয়ে ওযু করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিতেন। অতঃপর যখন পানি স্বচ্ছ হয়ে যেত এবং তার গন্ধ ও স্বাদ ভালো হয়ে যেত, তখন তাঁরা তা দিয়ে ওযু করার নির্দেশ দিতেন।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮২)
‌‌[6] باب العذرة تقع في البئر

29 - قلت لأحمد: بئر سقطت فيها عذرة يابسة فذابت. قال: تنزح. قلت: وإن كان الماء أكثر من قلتين؟ قال: نعم. قلت: حتى يغلبهم الماء؟ قال: نعم، إلا أن يكون مثل هذه البرك التي في طريق مكة فلا بأس.

 

30 - حدثنا عمرو بن عثمان قال: ثنا الوليد قال: ثنا علي بن حوشب قال: سمعت مكحولًا سئل عن نقاع ماء الطريق من المطر يرى فيه العذرة؟ قال: إن كان ما يرى من العذرة طافئًا عليه فاشرب وتوضأ، وإن كان قد لصق بالأرض فقد قل؛ فلا تقربه.

 

31 - سئل أحمد عن بئر بضاعة؟ فقال: هي بالمدينة، كنت مع ابن أبي فديك، فمر بباب دار، فقال: بئر بضاعة في هذه الدار. قال: وهي قريبة من سقيفة بني ساعدة.
[৬] পরিচ্ছেদ: কূপে বিষ্ঠা পড়া

২৯ - আমি আহমদকে বললাম: একটি কূপ যাতে শুষ্ক বিষ্ঠা পড়ে গলে গিয়েছে। তিনি বললেন: (পানি) সেচে ফেলে দিতে হবে। আমি বললাম: যদি পানির পরিমাণ দুই কুল্লার বেশি হয় তবুও? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: এমনকি যদি পানির প্রাচুর্য অনেক বেশি হয় তবুও? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তবে মক্কার রাস্তার এই পুকুরগুলোর মতো হলে কোনো অসুবিধা নেই।

 

৩০ - আমর ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে হাওশাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মাকহুলকে রাস্তার বৃষ্টির জমা পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি যাতে বিষ্ঠা দেখা যায়? তিনি বললেন: যদি দৃশ্যমান বিষ্ঠাটি উপরে ভাসমান থাকে তবে তা থেকে পান করো এবং অজু করো; আর যদি তা নিচে মাটির সাথে মিশে যায় তবে তা অল্প হয়ে গেছে; সুতরাং তার নিকটবর্তী হয়ো না।

 

৩১ - আহমদকে বিদা’আ কূপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বললেন: এটি মদিনায় অবস্থিত। আমি ইবনে আবি ফুদাইকের সাথে ছিলাম, তিনি একটি বাড়ির দরজার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: বিদা’আ কূপটি এই বাড়ির ভেতরে। তিনি বললেন: এটি বনি সায়েদার সাকিফার নিকটবর্তী।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৩)
32 - حدثنا محمد بن أبي بكر قال: ثنا فضيل، عن ابن أبي ذئب عن عبد الله بن عبد الرحمن، عن أبي سعيد الخدري قال: قيل لرسول الله [صلى الله عليه وسلم]: يُسْتَقَى لك من بئر بضاعة، وقد يلقى فيها لحوم الكلاب ومحائض النساء؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الماء لا ينجسه شيء».

 

‌‌[7] باب البول ينصب في البئر

[4/أ]

 

33 - / سئل أحمد عن بئر يُصَبُّ فيها بول؟ قال: تنزح؛ لأن النبي صلى الله عليه وسلم نهى أن يبال في
৩২ - মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফুদাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবু যিব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-কে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনার জন্য কি বুযাআহ কূপ থেকে পানি সংগ্রহ করা হবে? অথচ তাতে কুকুরের গোশত এবং ঋতুবতী নারীদের (ব্যবহৃত) কাপড় নিক্ষেপ করা হয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না।»

 

‌‌[৭] পরিচ্ছেদ: কূপে প্রস্রাব ঢালা প্রসঙ্গে

[৪/আ]

 

৩৩ - / ইমাম আহমাদকে এমন এক কূপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যাতে প্রস্রাব ঢালা হয়? তিনি বললেন: তা থেকে পানি সেচে ফেলতে হবে; কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যাতে প্রস্রাব করা না হয়
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৪)
الماء الدائم. قلت: وإن كان قليلًا؟ قال: لا أدري؛ قد نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يبال في الماء الدائم. قيل لأحمد: فإنا توضأنا منها أيامًا وصلينا؟ قال: تعاد الصلوات. قال: فإنا لا ندري كم يومًا صلينا؟ قال: تحرّوا. قيل: فالثياب؟ قال: تغسل الثياب.

 

34 - وسألت إسحاق قلت: لو أن صبيًا بال في بئر فيه ماء كثير راكد؟ قال: لا بأس، ولو أن الرجل بال فيه بنفسه. قلت: فحديث النبي صلى الله عليه وسلم: «لا يبال في الماء الراكد»؟ قال: الراكد هو ما دون القلتين.

 

35 - حدثنا محمود بن خالد قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: وأخبرني ابن لهيعة، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سليمان بن يسار، عن عبد الرحمن بن أبي هريرة، عن أبيه
স্থবির পানি। আমি বললাম: যদি তা অল্প হয়? তিনি বললেন: আমি জানি না; নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্থবির পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। আহমাদকে বলা হলো: আমরা কয়েক দিন তা দিয়ে অজু করেছি এবং সালাত আদায় করেছি? তিনি বললেন: সালাতগুলো পুনরায় আদায় করতে হবে। তিনি বললেন: আমরা জানি না কত দিন সালাত আদায় করেছি? তিনি বললেন: অনুসন্ধান করো। জিজ্ঞেস করা হলো: তবে পোশাকের কী হবে? তিনি বললেন: পোশাক ধৌত করতে হবে।

 

৩৪ - আর আমি ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম, আমি বললাম: যদি কোনো শিশু এমন কোনো কূপে প্রস্রাব করে যাতে প্রচুর স্থবির পানি রয়েছে? তিনি বললেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই, এমনকি কোনো ব্যক্তি নিজেও যদি সেখানে প্রস্রাব করে। আমি বললাম: তবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিস: «স্থবির পানিতে প্রস্রাব করা যাবে না»-এর কী হবে? তিনি বললেন: স্থবির পানি বলতে যা দুই কুল্লার কম।

 

৩৫ - আমাদের নিকট মাহমুদ ইবনে খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইবনে লাহিয়াহ সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবু হাবিব থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবু হুরায়রা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৫)
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: (إذا كان الماء أربعين قلة لم يحمل نجسًا)، قال الوليد: فذكرت ذلك لليث بن سعد قال: نحن نقول: إذا كان الماء أربعين قلة أو دلوًا أو نحوه دنسه الرجيع، إلا أن يكثر، ألا ترى إلى قول النبي صلى الله عليه وسلم: «لا يبولن أحدكم في الماء الراكد».

 

36 - حدثنا أحمد بن يونس قال: ثنا ليث بن سعد، عن أبي الزبير، عن جابرط، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: أنه نهى أن يبال في الماء الراكد.

[4/ب]

 

37 - حدثنا أبو بكر الحميدي قال: ثنا سفيان، ثنا أبو الزناد قال: أخبرني موسى بن أبي عثمان، عن أبيه / عن أبي هريرة: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يبولن أحدكم في الماء الراكد ثم يغتسل منه».
আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (যদি পানি চল্লিশ কুল্লা হয় তবে তা অপবিত্রতা বহন করে না)। ওয়ালিদ বলেন: আমি বিষয়টি লাইস বিন সাদ-এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: আমরা বলি: যখন পানি চল্লিশ কুল্লা বা বালতি বা তদ্রূপ হয় তখন মল তাকে অপবিত্র করে দেয়, যদি না তা পরিমাণে অনেক বেশি হয়। আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীর প্রতি লক্ষ্য করেন না: "তোমাদের কেউ যেন আবদ্ধ পানিতে অবশ্যই প্রস্রাব না করে।"

 

৩৬ - আহমাদ বিন ইউনুস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস বিন সাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন।

[৪/খ]

 

৩৭ - আবু বকর আল-হুমাইদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু যিনাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা বিন আবু উসমান আমাকে তাঁর পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন / তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন আবদ্ধ পানিতে অবশ্যই প্রস্রাব না করে, অতঃপর তা থেকে গোসল করে।"
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৬)
‌‌[8] باب الشاة تأكل العذرة ثم أدخلت فمها في الماء

38 - قلت لإسحاق بن إبراهيم: شاة أكلت عذرة ثم أدخلت فمها في ماء، هل أتوضأ به؟ قال: أكلت الشاة بعد ذلك شيئًا؟ قلت: لا. قال: إذا لم تكن أكلت بعد العذرة شيئًا فلا تتوضأ به.

 

39 - حدثنا محمود قال: ثنا الوليد قال: وأخبرني ابن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، وسأله عن الوضوء بسؤر الفرس والبرْذَون والبغل والبعير والثور والشاة؟ فقال: لا بأس
[৮] পরিচ্ছেদ: বকরি বিষ্ঠা খাওয়ার পর পানিতে মুখ দেওয়া

৩৮ - আমি ইসহাক ইবন ইব্রাহীমকে বললাম: একটি বকরি বিষ্ঠা খেলো, এরপর সে পানির মধ্যে মুখ দিল, আমি কি তা দিয়ে অজু করব? তিনি বললেন: বকরিটি কি এর পরে অন্য কিছু খেয়েছে? আমি বললাম: না। তিনি বললেন: যদি বিষ্ঠা খাওয়ার পর সে আর কিছু না খেয়ে থাকে, তবে তা দিয়ে অজু করো না।

 

৩৯ - মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন সাওবান আমাকে তাঁর পিতার সূত্রে মাকহুল থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁকে ঘোড়া, মালবাহী ঘোড়া, খচ্চর, উট, ষাঁড় এবং বকরির উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: এতে কোনো সমস্যা নেই।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৭)
به. قال الوليد: وأخبرني ابن حوشب: أنه سمع مكحولًا يقول: توضأ بفضل البهائم كلها.

 

‌‌[9] باب سؤر الدجاجة

40 - قلت لإسحاق: دجاجة أكلت عذرة، فصار أثرها على منقارها، ثم أدخلت منقارها في سطل فيه ماء، هل أتوضأ به؟ قال: إن كان في منقارها شيء فلا.

 

41 - وحدثنا عمرو بن عثمان قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: قال أبو عمرو الأوزاعي: يَتوضأ من سؤر الدجاج إن شاء ولا يتوضأ بسؤر القرد؛ فإنه أخبث السؤر.

 

‌‌[10] باب القرد والخنزير

42 - سألت إسحاق عن سؤر القرد، أيتوضأ به؟ قال: لا، ثم قال: سؤر الخنزير لا يحل، والقرد مثله أو شر منه.

[5/أ]

 

43 - حدثنا عمرو بن عثمان قال: ثنا الوليد، عن / الأوزاعي قال: لا بأس بأكل سؤر القرد من الفاكهة، وكره الوضوء بسؤره، وقال: هو أخبث السؤر.
এর দ্বারা। ওয়ালিদ বলেন: ইবনে হাওশাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি মাকহুলকে বলতে শুনেছেন: সকল চতুষ্পদ জন্তুর উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করো।

 

‌‌[৯] পরিচ্ছেদ: মুরগির উচ্ছিষ্ট

৪০ - আমি ইসহাককে বললাম: একটি মুরগি বিষ্ঠা খেয়েছে, ফলে তার ঠোঁটে তার চিহ্ন রয়ে গেছে। এরপর সে তার ঠোঁট পানিভর্তি একটি বালতিতে প্রবেশ করাল। আমি কি তা দিয়ে অজু করব? তিনি বললেন: যদি তার ঠোঁটে কোনো কিছু (নাপাকি) লেগে থাকে, তবে না।

 

৪১ - এবং আমর ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর আল-আওজায়ী বলেছেন: কেউ চাইলে মুরগির উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করতে পারে, কিন্তু বানরের উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করবে না; কেননা এটি সবচেয়ে নিকৃষ্ট উচ্ছিষ্ট।

 

‌‌[১০] পরিচ্ছেদ: বানর ও শুকর

৪২ - আমি ইসহাককে বানরের উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তা দিয়ে কি অজু করা যাবে? তিনি বললেন: না। এরপর তিনি বললেন: শুকরের উচ্ছিষ্ট বৈধ নয়, আর বানর তার অনুরূপ অথবা তার চেয়েও মন্দ।

[৫/ক]

 

৪৩ - আমর ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওজায়ী থেকে, তিনি বলেন: বানরের উচ্ছিষ্ট ফল খাওয়ায় কোনো সমস্যা নেই, তবে তিনি তার উচ্ছিষ্ট দ্বারা অজু করা অপছন্দ করেছেন এবং বলেছেন: এটি সবচেয়ে নিকৃষ্ট উচ্ছিষ্ট।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৮)
44 - حدثنا أبو معن قال: ثنا خالد بن الحارث قال: ثنا هشام، عن حماد، عن إبراهيم: أنه كان يكره أن يتوضأ بسؤر السباع. وقال حماد: إذا توضأ بسؤرهن فإنه يعيد الوضوء، ويعيد الصلاة.

 

‌‌[11] باب سؤر الفأر

45 - سألت إسحاق بن إبراهيم عن الوضوء بسؤر الفأر؟ فقال: سئل سفيان عن الوضوء بسؤر الفأر فكرهه.

 

46 - حدثنا أبو الأزهر قال: ثنا الفزاري قال: سئل الأوزاعي عن الوضوء من سؤر الفأرة؟ قال: لا بأس به.
৪৪ - আবু মা'ন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: খালিদ বিন আল-হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি হিংস্র প্রাণীর উচ্ছিষ্ট দিয়ে ওজু করা অপছন্দ করতেন। হাম্মাদ বলেছেন: যদি কেউ সেগুলোর উচ্ছিষ্ট দিয়ে ওজু করে, তবে সে ওজু পুনরায় করবে এবং সালাত পুনরায় আদায় করবে।

 

‌‌[১১] পরিচ্ছেদ: ইঁদুরের উচ্ছিষ্ট

৪৫ - আমি ইসহাক বিন ইব্রাহিমকে ইঁদুরের উচ্ছিষ্ট দিয়ে ওজু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: সুফিয়ানকে ইঁদুরের উচ্ছিষ্ট দিয়ে ওজু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি তা অপছন্দ করেছেন।

 

৪৬ - আবু আল-আযহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ফাযারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আওযায়িকে ইঁদুরের উচ্ছিষ্ট দিয়ে ওজু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: এতে কোনো সমস্যা নেই।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৮৯)
47 - قلت لإسحاق: أكل الجبن الذي قد بال عليه الفأر؟ قال: لا يعجبني إلا أن يغسل -إذا أمكن ذلك- أو يطرح موضع بوله من الجبن -إذا كان قد لطخه- ثم يأكل الباقي.

 

48 - حدثنا محمد بن آدم المصّيصي قال: ثنا سيف بن محمد، عن سفيان، عن من سمع سعيد بن المسيب قال: النسيان من أربع: الحجامة في القفا، وأكل التفاح، وسؤر الفأر، والبول في المغتسل.

 

‌‌[12] باب سؤر الكلب والخنزير

49 - سمعت إسحاق يقول: أما سؤر الكلب والخنزير فلا يتوضأ به المتوضئ؛ لقول النبي صلى الله عليه وسلم: «اغسل الإناء من الكلب سبعًا»، والخنزير مثله أو شر منه، ولكن يتيمم ويصلي، ولا إعادة عليه إذا وجد الماء.
47 - আমি ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম: আমি কি সেই পনির খেতে পারি যার উপর ইঁদুর প্রস্রাব করেছে? তিনি বললেন: আমার কাছে এটি পছন্দনীয় নয় যতক্ষণ না তা ধুয়ে নেওয়া হয় -যদি তা সম্ভব হয়- অথবা পনিরের যে অংশে প্রস্রাব লেগেছে তা ফেলে দেওয়া হয় -যদি তা পনিরে মাখামাখি হয়ে গিয়ে থাকে- এরপর বাকি অংশ খাওয়া যাবে।

 

48 - মুহাম্মাদ বিন আদম আল-মাসসীসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাইফ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট সুফিয়ান থেকে, তিনি এমন এক ব্যক্তির নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িবকে বলতে শুনেছেন: বিস্মৃতি (ভুলে যাওয়া) চারটি বিষয় থেকে সৃষ্টি হয়: ঘাড়ের পশ্চাৎভাগে হিজামা (শিঙা) লাগানো, আপেল খাওয়া, ইঁদুরের উচ্ছিষ্ট এবং গোসলখানায় প্রস্রাব করা।

 

‌‌[১২] অধ্যায়: কুকুর ও শূকরের উচ্ছিষ্ট

49 - আমি ইসহাককে বলতে শুনেছি: কুকুর ও শূকরের উচ্ছিষ্টের ক্ষেত্রে, ওজুকারী তা দিয়ে ওজু করবে না; কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: «কুকুরের কারণে পাত্রটি সাতবার ধৌত করো», আর শূকর তার মতোই অথবা তার চেয়েও নিকৃষ্ট। তবে সে তায়াম্মুম করবে এবং সালাত আদায় করবে, আর পানি পাওয়ার পর তাকে পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে না।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৯০)
[5/ب]

 

50 - / حدثنا يحيى بن عبد الحميد قال: ثنا شريك، عن جابر قال: سألت عامرًا عن رجل توضأ بسؤر الخنزير؟ قال: يعيد الوضوء، ويعيد الصلاة.

 

51 - وسئل أحمد عن الكلب يلغ في الإناء؟ قال: أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة «يغسل سبع مرار أولاهن بالتراب» قال أحمد: يغسل سبع مرار بالماء، والثامنة بالتراب، ذهب إلى حديث عبد الله بن مغفل رضي الله عنه.
[৫/খ]

 

৫০ - / ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির থেকে, তিনি বলেন: আমি আমিরকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে শুকরের উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করেছে? তিনি বললেন: সে ওজু পুনরায় করবে এবং সালাত পুনরায় আদায় করবে।

 

৫১ - এবং আহমাদকে সেই কুকুর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যা পাত্রে মুখ দেয়? তিনি বললেন: আবু যিনাদ আল-আ’রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «সাতবার ধৌত করতে হবে, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে»। আহমাদ বলেন: সাতবার পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে এবং অষ্টম বার হবে মাটি দিয়ে; তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিসের অভিমত গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৯১)
52 - حدثنا أحمد بن حنبل قال: ثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة قال: أنا أبو التياح، عن مطرف، عن ابن مغفل: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بقتل الكلاب، ثم قال: «ما لهم ولها» ورخص في كلب الصيد وكلب الغنم، «وإذا ولغ الكلب في الإناء فاغسله سبع مرار والثامنة عفّره بالتراب».

 

53 - حدثنا محمود بن خالد قال: ثنا الوليد بن مسلم قال: وأخبرني علي بن حوشب، عن مكحول قال: لا يتوضأ بسؤر الكلب.

 

54 - حدثنا محمود قال: ثنا الوليد قال: قيل لأبي عمرو الأوزاعي ومالك بن أنس: كلب معلّم ولغ في إناء، أيغسل منه سبع مرات كما يغسل من غير المعلّم؟ قالا: نعم.
৫২ - আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট শু'বাহ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল তায়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুতাররিফ হতে, তিনি ইবনে মুগাফফাল হতে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুকুর হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি বললেন: "তাদের সাথে কুকুরের কী সম্পর্ক (অর্থাৎ কুকুর পালনের কী প্রয়োজন)?" আর তিনি শিকারি কুকুর ও গবাদি পশুর পাহারাদার কুকুরের ব্যাপারে অনুমতি প্রদান করেছেন। (তিনি আরও বলেছেন) "আর কুকুর যখন কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তখন তা সাতবার ধৌত করো এবং অষ্টম বার মাটি দিয়ে মেজে দাও।"

 

৫৩ - মাহমুদ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন: আলী ইবনে হাওশাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মাকহুল হতে, তিনি বলেন: কুকুরের উচ্ছিষ্ট দ্বারা ওজু করা যাবে না।

 

৫৪ - মাহমুদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালীদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর আল-আওযায়ী এবং মালিক ইবনে আনাসকে জিজ্ঞেস করা হলো: প্রশিক্ষিত কুকুর কোনো পাত্রে মুখ দিলে কি তা সাতবার ধৌত করতে হবে যেমনটি অপ্রশিক্ষিত কুকুরের ক্ষেত্রে করা হয়? তাঁরা উভয়ে বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৯২)
55 - قال الوليد: قلت لمالك: أفيدخل كلبٌ معلمٌ المساجد؟ قال: لا.

 

56 - قلت: وكذلك البزاة والصقور لا يدخل بها المساجد؟ قال: لا.

 

57 - قال الوليد: قلت لأبي عمرو ومالك: فكلب يلغ في إناء تور أو غيره؟ فقالا: لا تتوضأ به. قلت لهما: فإن لم أجد غيره؟ قالا: توضأ به.

[6/أ]

 

58 - قال الوليد: وأخبرني أبو عمرو / عبد الرحمن بن نمر، عن الزهري: أنهما سمعاه يقول -في كلب ولغ في وضوء رجل-: أنه يتوضأ به.
55 - ওয়ালিদ বলেন: আমি মালিককে জিজ্ঞাসা করলাম: একটি প্রশিক্ষিত কুকুর কি মসজিদে প্রবেশ করতে পারে? তিনি বললেন: না।

 

56 - আমি বললাম: একইভাবে শিকরা ও বাজপাখিগুলোকেও কি মসজিদে প্রবেশ করানো যাবে না? তিনি বললেন: না।

 

57 - ওয়ালিদ বলেন: আমি আবু আমর এবং মালিককে বললাম: যদি কোনো কুকুর কোনো পাত্রে বা অন্য কিছুতে মুখ দেয়? তাঁরা বললেন: তা দিয়ে ওযু করবে না। আমি তাঁদের বললাম: যদি আমি তা ছাড়া অন্য কিছু না পাই? তাঁরা বললেন: তবে তা দিয়েই ওযু করো।

[৬/ক]

 

58 - ওয়ালিদ বলেন: এবং আমাকে আবু আমর / আবদুর রহমান ইবনে নামর, যুহরি থেকে সংবাদ দিয়েছেন: তাঁরা উভয়েই তাঁকে বলতে শুনেছেন—কোনো ব্যক্তির ওযুর পানিতে কুকুরের মুখ দেওয়ার বিষয়ে—যে: সে তা দিয়ে ওযু করবে।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৯৩)
59 - قال الوليد: فذكرت ذلك لأبي إسحاق الفزاري فقال: قد سمعت أبا عمرو يقول: يتوضأ به. قال الوليد: قال أبو إسحاق: فذكرت ذلك لسفيان الثوري فقال: كل ما في نفسك شيء لا تجد غيره فتوضأ به ثم تيمم بعده. قال الوليد: قيل لأبي عمر: فتوضأ بهذا الماء الذي قد ولغ فيه الكلب وصلى-وهو لا يجد غيره- ثم وجد الماء، أيعيد الوضوء والصلاة؟ قال: لا، ولكن أستحب أن يتوضأ لما يستقبل من صلاته. قال الوليد: وأقول: يتوضأ به إذا لم يجد غيره ويتيمم بعد الوضوء ويصلي، فإن أدرك الماء في الوقت أعاد الصلاة والوضوء في الوقت، فإن مضى الوقت لم يُعد.

 

‌‌[13] باب الكلب يلغ في سمن أو زيت

60 - سألت أحمد مرة أخرى قلت: كلب ولغ في سمن أو زيت؟ قال: إذا كان في آنية كبيرة-مثل حب أو نحو ذلك- رجوت أن لا يكون به بأس [و] يؤكل، فإذا كان في آنية صغيرة فلا يعجبني أن يؤكل.
59 - আল-ওয়ালীদ বলেন: আমি এটি আবু ইসহাক আল-ফাযারীর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: আমি আবু আমরকে বলতে শুনেছি: তা দিয়ে ওযু করা যাবে। আল-ওয়ালীদ বলেন: আবু ইসহাক বললেন: আমি এটি সুফিয়ান আস-সাওরীর নিকট উল্লেখ করলাম, তিনি বললেন: যখন তোমার মনে কোনো বিষয়ে সংশয় জাগে এবং তুমি বিকল্প কিছু না পাও, তখন তা দিয়ে ওযু করো এবং এরপর তায়াম্মুমও করো। আল-ওয়ালীদ বলেন: আবু আমরকে জিজ্ঞেস করা হলো: যদি কেউ সেই পানি দিয়ে ওযু করে যাতে কুকুর মুখ দিয়েছে এবং সে সালাত আদায় করে—এমতাবস্থায় যে সে অন্য কোনো পানি পাচ্ছিল না—অতঃপর সে পানি পেল, তবে সে কি ওযু ও সালাত পুনরায় করবে? তিনি বললেন: না, তবে তার পরবর্তী সালাতগুলোর জন্য পুনরায় ওযু করাকে আমি পছন্দনীয় মনে করি। আল-ওয়ালীদ বলেন: আমি বলি: যদি অন্য কোনো পানি না পাওয়া যায় তবে তা দিয়ে ওযু করবে এবং ওযুর পর তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। যদি ওয়াক্ত থাকতেই সে পানি পেয়ে যায়, তবে ওয়াক্তের মধ্যেই ওযু ও সালাত পুনরায় করবে। আর যদি ওয়াক্ত পার হয়ে যায়, তবে তাকে আর পুনরায় করতে হবে না।

 

‌‌[১৩] পরিচ্ছেদ: ঘি বা তেলের মধ্যে কুকুরের মুখ দেওয়া সম্পর্কে

60 - আমি আহমাদকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম। আমি বললাম: কুকুর যদি ঘি বা তেলের মধ্যে মুখ দেয়? তিনি বললেন: যদি তা বড় পাত্রে থাকে—যেমন মটকা বা অনুরূপ কিছু—তবে আমি আশা করি এতে কোনো সমস্যা নেই এবং তা খাওয়া যাবে। আর যদি তা ছোট পাত্রে হয়, তবে তা খাওয়া আমার নিকট পছন্দনীয় নয়।
(খণ্ড: ১) মাসাইলু হারব আল-কিরমানি কিতাবুত তাহারাহ - তাহকীক আমের বাহজাত (পৃষ্ঠা: ১৯৪)
[6/ب]

 

61 - حدثنا محمود بن خالد: ثنا الوليد قال: قال أبو عمرو: لا بأس بأكل سؤر الهر من الطعام والإدام، ولا تأكل سؤر الكلب من الطعام الرطب إلا ما غسلت اللحم، ولا تشرب سؤره من اللبن إلا إذا كان اللبن قليلًا -القُسط والاثنين إلى ما كان دون العشرة- فإن كثر فلا بأس. قيل لأبي عمرو: فكلب ولغ في خمسة أقساط / من لبن؟ فتهاونَ به.

 

‌‌[14] باب سؤر الهر

62 - سألت أحمد بن حنبل عن سؤر الهر، قال: لا بأس به.

 

63 - حدثنا عيسى بن محمد قال: ثنا محمد بن يوسف، عن سفيان عن حارثة بن أبي الرجال، عن عمرة، عن عائشة رضي الله عنها قالت: (كنت أتوضأ أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم من إناءٍ قد أصاب منه الهر قبل ذلك).
[৬/খ]

 

৬১ - মাহমুদ বিন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর বলেছেন: খাদ্য ও তরকারি থেকে বিড়ালের উচ্ছিষ্ট অংশ খাওয়ার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তবে আর্দ্র খাবার থেকে কুকুরের উচ্ছিষ্ট অংশ খেও না, যদি না তুমি গোশত ধুয়ে নাও। আর দুধের ক্ষেত্রেও কুকুরের উচ্ছিষ্ট পান করো না, যদি না দুধের পরিমাণ অল্প হয়—এক কিস্ত বা দুই কিস্ত থেকে শুরু করে দশের নিচ পর্যন্ত—আর যদি তা বেশি হয় তবে কোনো সমস্যা নেই। আবু আমরকে জিজ্ঞাসা করা হলো: যদি কুকুর পাঁচ কিস্ত দুধের মধ্যে মুখ দেয়? তিনি একে তুচ্ছজ্ঞান করলেন।

 

‌‌[১৪] পরিচ্ছেদ: বিড়ালের উচ্ছিষ্ট

৬২ - আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বিড়ালের উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: এতে কোনো সমস্যা নেই।

 

৬৩ - ঈসা বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে, তিনি হারিসা বিন আবি আল-রিজাল থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (আমি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পাত্র থেকে উযু করতাম যেখান থেকে তার আগে বিড়াল পান করেছিল)।