(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: -)
الجامع - ابن وهب - ت مصطفى أبو الخير القسم: كتب السنة
الكتاب: الجامع في الحديث
المؤلف: عبد الله بن وهب بن مسلم القرشي، أبو محمد المصري (ت 197 هـ)
ضبط وتخريج وتحقيق: د مصطفى حسن حسين محمد أبو الخير، أستاذ الحديث وعلومه المساعد - كلية أصول الدين - القاهرة
الناشر: دار ابن الجوزي - الرياض
الطبعة: الأولى، 1416 هـ - 1995 م
عدد الصفحات: 794
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-জামি - ইবন ওয়াহাব - তাহকিক: মুস্তফা আবু আল-খাইর বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-জামি ফিল হাদিস
লেখক: আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব বিন মুসলিম আল-কুরাশি, আবু মুহাম্মদ আল-মিসরি (মৃত্যু ১৯৭ হি.)
বিন্যাস, তাখরিজ ও তাহকিক: ড. মুস্তফা হাসান হুসাইন মুহাম্মদ আবু আল-খাইর, হাদিস ও হাদিস বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক - উসুল আদ-দীন অনুষদ - কায়রো
প্রকাশক: দার ইবনুল জাওজি - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৬ হি. - ১৯৯৫ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯৪
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
1 - عُتْبَةُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ الْهَمْدَانِيُّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، يَرْفَعُهُ، قَالَ: «أَكْثَرُ الْقَبَائِلِ فِي الْجَنَّةِ مَذْحِجُ»
⦗ص: 35⦘، قَالَ:
2 - وَأَخْبَرَنِي غَيْرُهُ مِثْلَهُ
১ - উতবাহ বিন আবি হাকিম আল-হামদানি, ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি (রাসূলুল্লাহর প্রতি) উন্নীত করেছেন, তিনি বলেন: «জান্নাতে সর্বাধিক গোত্র হলো মাজহিজ»
⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘, তিনি বলেন:
২ - এবং অন্য একজনও আমাকে অনুরূপ সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
3 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: أَهْلُ الْكِتَابِ يَقُولُونَ: " حَضْرَمَوْتُ ⦗ص: 36⦘ بْنُ قَحْطَانَ بْنِ عَابِرٍ، وَهُوَ هُودٌ، وَيَقُولُونَ: سَبَأُ بْنُ قَحْطَانَ بْنِ عَابِرٍ، وَهُوَ هُودٌ "
৩ - ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহলে কিতাবগণ বলেন: "হাযরামাউত ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ বিন কাহতান বিন আবির, আর তিনি হলেন হুদ; এবং তারা আরও বলেন: সাবা বিন কাহতান বিন আবির, আর তিনি হলেন হুদ।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
4 - قَالَ: فَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ إِذَا. . . . . . الرَّجُلُ فَسَأَلَهُ مِمَّنْ هُوَ، فَقَالَ لَهُ: " مِنْ جُذَامٍ، فَقَالَ: «مَرْحَبًا بِأَصْهَارِ مُوسَى، وَقَوْمِ شُعَيْبٍ»
৪ - তিনি বললেন: ইবনে লাহিয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা (রা.) যখন . . . . . . কোনো ব্যক্তি [আসত], তখন তাকে জিজ্ঞাসা করতেন সে কার পক্ষ থেকে। সে তাকে বলত: "জুজাম গোত্র থেকে।" তখন তিনি বলতেন: "মুসার শ্বশুরকুলের আত্মীয় এবং শুআইবের কওমকে স্বাগতম।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
5 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ جَابِرٍ الْحَضْرَمِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ، صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَلْعَنُوا تُبَّعًا؛ فَإِنَّهُ قَدْ كَانَ أَسْلَمَ»
৫ - তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে জাবির আল-হাদরামি তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাহাবী সাহল ইবনে সা’দ আস-সাঈদীকে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা তুব্বাকে গালি দিও না; কেননা তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।’»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
6 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ يَقُولُ: «مَا وَجَدْنَا أَحَدًا يَعْرِفُ مَا وَرَاءَ مَعْدِ بْنِ عَدْنَانَ»
৬ - তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি বলেন: আমি উরওয়াহ ইবনুল জুবাইরকে বলতে শুনেছি: "মাআদ ইবনে আদনানের ঊর্ধ্বের বংশধারা সম্পর্কে অবগত এমন কাউকে আমরা খুঁজে পাইনি।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
7 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ يَقُولُ: «مَا وَجَدْنَا فِي عِلْمِ عَالِمٍ، وَلَا شِعْرِ شَاعِرٍ أَحَدًا ⦗ص: 40⦘ يَعْرِفُ مَا وَرَاءَ مَعْدِ بْنِ عَدْنَانَ»
৭ - তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু বকর বিন সুলাইমান বিন আবি হাথমাকে বলতে শুনেছি: “আমরা কোনো আলেমের জ্ঞানে এবং কোনো কবির কবিতায় এমন কাউকে পাইনি ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ যে মা'দ বিন আদনানের ঊর্ধ্বের (বংশধারা) সম্পর্কে জানে।”
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
8 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، وَغَيْرِهِ عَنْ نِسْبَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ هَاشِمِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ قُصَيِّ بْنِ كِلَابِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ كَعْبِ بْنِ لُؤَيِّ بْنِ غَالِبِ بْنِ فِهْرِ بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّضْرِ بْنِ كِنَانَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ مُدْرِكَةَ بْنِ خِنْدِفَ بْنِ مُضَرَ بْنِ نِزَارِ بْنِ مَعْدِ بْنِ عَدْنَانَ بْنِ أَوْدَدَ»
৮ - তিনি বলেন: ইবনু লাহিয়া আবুল আসওয়াদ এবং অন্যদের থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধারা সম্পর্কে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: «মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুল মুত্তালিব ইবনু হাশিম ইবনু আব্দু মানাফ ইবনু কুসাই ইবনু কিলাব ইবনু মুররাহ ইবনু কা’ব ইবনু লুয়াই ইবনু গালিব ইবনু ফিহর ইবনু মালিক ইবনু আন-নাদর ইবনু কিনানাহ ইবনু খুজাইমাহ ইবনু মুদরিকাহ ইবনু খিনদিফ ইবনু মুদার ইবনু নিজার ইবনু মা’আদ ইবনু আদনান ইবনু আওদাদ»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤١)
9 - قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ عليه السلام قَالَتْ: «مَا وَجَدْنَا أَحَدًا يَعْرِفُ مَا وَرَاءَ مَعْدِ بْنِ عَدْنَانَ، وَلَا مَا وَرَاءَ قَحْطَانُ إِلَّا مُتَخَرِّصًا»
৯ - তিনি বললেন: ইবনে লাহিয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (আলাইহিস সালাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা.) বলেছেন: «আমরা এমন কাউকে পাইনি যে মা’দ ইবনে আদনানের ঊর্ধ্বপুরুষদের সম্পর্কে জানে, আর না কাহতানের ঊর্ধ্বপুরুষদের সম্পর্কে জানে; যারা এ বিষয়ে কিছু বলে তারা কেবল অনুমানের ভিত্তিতেই বলে।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
10 - قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ السَّائِبِ الْكِنَانِيِّ، قَالَ حُمَيْدٌ: «هُودٌ، وَشُعَيْبٌ، وَصَالِحٌ، وَإِسْمَاعِيلُ، وَمُحَمَّدٌ النَّبِيُّ، أَنْبِيَاءُ مِنَ الْعَرَبِ»
১০ - তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাকে হাম্মাদ বিন আস-সাইব আল-কিনানি থেকে সংবাদ দিয়েছেন, হুমাইদ বলেন: "হুদ, শুআইব, সালিহ, ইসমাইল এবং নবী মুহাম্মদ হলেন আরবদের মধ্য থেকে আসা নবীগণ।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
11 - عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي غَزْوَةِ حُنَيْنٍ: «أَنَا ابْنُ الْعَوَاتِكِ مِنْ سُلَيْمٍ»
১১ - উকাইল থেকে বর্ণিত, ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুনায়নের যুদ্ধে বলেছেন: «আমি সুলাইম গোত্রের আওয়াতিকগণের সন্তান।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
12 - قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: بَلَغَنِي، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ عليه السلام قَالَ: «قَبِيلَانُ بْنُ عُمَانَ إِنَّهُمَا مِنْ وَلَدِ إِبْرَاهِيمَ، وَهُمَا أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ» ، فَقِيلَ: وَمَنْ هُمَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ: «النَّخَعُ وَثَقِيفُ النَّخَعُ مِنْ مَذْحِجَ»
⦗ص: 45⦘ قَالَ:
13 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: عَامِرُ بْنُ فُهَيْرَةَ مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنَّهُ مِنَ الا. . . . . .
১২ - তিনি বললেন: এবং ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «উমানের দুটি গোত্র, নিশ্চয়ই তারা ইব্রাহিমের বংশধর থেকে, এবং তারা এর চেয়েও অধিক», অতঃপর জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, তারা কারা? তিনি বললেন: «নাখা’ এবং সাকীফ; নাখা’ হলো মাজহিজ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত»
⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ তিনি বললেন:
১৩ - এবং ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর সিদ্দিকের আযাদকৃত দাস আমির ইবনে ফুহাইরাহ নিশ্চয়ই আল- . . . . . . থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
14 - قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ الْجُذَامِيِّ، قَالَ: " أَتَى رَجُلٌ مِنْ عَادٍ إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ فَقَالَ لَهُ: مِمَّنْ أَنْتَ؟ فَقَالَ: مِنْ مَهْرَةَ، فَقَالَ عَلِيٌّ: " {وَاذْكُرْ أَخَا عَادٍ إِذْ أَنْذَرَ قَوْمَهُ بِالْأَحْقَافِ} [الأحقاف: 21] " قَالَ ابْنُ لَهِيعَةَ: قَبْرُ هُودٍ فِي مَهْرَةَ
১৪ - তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া বকর বিন সাওয়াদাহ আল-জুযামী থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: "আদ বংশের এক ব্যক্তি আলী বিন আবি তালিবের নিকট আসলেন। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কোন বংশের? তিনি বললেন: মাহরাহ গোত্রের। তখন আলী বললেন: "{আর স্মরণ করুন আদ-এর ভাইয়ের কথা, যখন তিনি আহকাফে স্বীয় সম্প্রদায়কে সতর্ক করেছিলেন} [আল-আহকাফ: ২১]।" ইবনে লাহিয়া বলেন: হুদের কবর মাহরাহ-তে অবস্থিত।
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
15 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، أَنَّ جُبَيْرَ بْنَ مُطْعِمٍ، أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ، سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَهُوَ قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: «تَعَلَّمُوا أَنْسَابَكُمْ، وَصِلُوا أَرْحَامَكُمْ، وَاللَّهِ إِنَّهُ لَيَكُونَ بَيْنَ الرَّجُلِ وَأَخِيهِ الشَّيْءُ وَلَوْ عَلِمَ الَّذِي بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ مِنْ دُخْلَةِ الرَّحِمِ ⦗ص: 47⦘ لَوَزِعَهُ ذَلِكَ عَنِ التَّهْلُكَةِ»
১৫ - এবং ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম থেকে, যে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম তাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাবকে মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: «তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় শিক্ষা করো এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখো। আল্লাহর কসম, নিশ্চয় কোনো ব্যক্তি ও তার ভাইয়ের মধ্যে কোনো বিবাদ ঘটে থাকে; অথচ যদি সে তাদের মধ্যকার বিদ্যমান নিকটাত্মীয়তার সম্পর্কের গভীরতা সম্পর্কে জানত ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ তবে তা অবশ্যই তাকে ধ্বংসের পথ থেকে বিরত রাখত।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
قَالَ:
16 - وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ تَبَرَّأَ مِنْ وَلَدِهِ أَتَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعْقُودًا بَيْنَ طَرَفَيْهِ»
তিনি বললেন:
১৬ - লাইস ইবনে সাদ আমাকে অবহিত করেছেন উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "যে ব্যক্তি নিজের সন্তানকে অস্বীকার করে, সে কিয়ামতের দিন তার দুই প্রান্তের মাঝখানে (লাঞ্ছনার চিহ্ন) বাঁধা অবস্থায় উপস্থিত হবে।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
بَابُ النَّسَبِ
বংশপরিচয় অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
قَالَ:
17 - وَأَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَعْدٍ، وَأَبِي بَكَرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّ أَبَاهُ غَيْرُهُ، حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ»
তিনি বললেন:
১৭ - আল-হারিস ইবনে নাবহান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি সাদ এবং আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে নিজের পিতা ব্যতীত অন্য কারো সন্তান বলে দাবি করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
قَالَ:
18 - وَأَخْبَرَنِي مَنْ، سَمِعَ الْأَوْزَاعِيَّ، يَقُولُ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: «لَوَدِدْتُ أَنَّ أَبِي مِثْلُ أَبِي بِلَالٍ، وَأُمِّي مِثْلُ أُمِّ بِلَالٍ، وَأَنَا مِثْلُ بِلَالٍ، قَضَى كَذَلِكَ»
তিনি বললেন:
১৮ - এবং আমাকে এমন এক ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন যিনি আওযায়ীকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: "আমি অবশ্যই আকাঙ্ক্ষা করি যে আমার পিতা যদি বিলালের পিতার মতো হতেন, আমার মাতা যদি বিলালের মাতার মতো হতেন এবং আমি যদি বিলালের মতো হতাম; তিনি এভাবেই বিষয়টি ব্যক্ত করেছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
قَالَ:
19 - وَأَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانَ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مِنَ الْعِبَادِ عِبَادٌ لَا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَا يُزَكِّيهِمْ، وَلَا يُطَهِّرُهُمْ، وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ» ، قَالُوا: مَنْ أُولَئِكِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟، قَالَ: «الْمُتَبَرِّئُ مِنْ وَالِدَيْهِ رَغْبَةً عَنْهُمَا، وَالْمُتَبَرِّئُ مِنْ وَلَدِهِ، وَرَجُلٌ أَنْعَمَ عَلَيْهِ قَوْمٌ فَكَفَرَ نِعْمَتَهُمْ وَتَبَرَّأَ مِنْهُمْ»
তিনি বলেন:
১৯ - ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যাব্বান ইবনে ফায়েদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুআজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "বান্দাদের মধ্যে এমন কিছু বান্দা রয়েছে যাদের সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না, তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না।" তারা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! তারা কারা?" তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি তার পিতামাতা থেকে বিমুখ হয়ে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, যে ব্যক্তি তার সন্তান থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং সেই ব্যক্তি যাকে কোনো সম্প্রদায় অনুগ্রহ করেছে কিন্তু সে তাদের অনুগ্রহ অস্বীকার করেছে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
قَالَ:
20 - وَأَخْبَرَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَخْبَرَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، أَنَّهُ قَالَ: «كَفَرَ بِاللَّهِ مَنْ تَبَرَّأَ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ، وَكَفَرَ بِاللَّهِ مَنِ ادَّعَى عَلَى نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ»
তিনি বলেন:
২০ - এবং আমাকে জারীর ইবনে হাযিম সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে উমারাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সাখবারাহ থেকে, তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের বংশ পরিচয় অস্বীকার করল যদিও তা সামান্য হয়, সে আল্লাহর সাথে কুফরি করল; আর যে ব্যক্তি এমন বংশের দাবি করল যা (তার বংশ হিসেবে) পরিচিত নয়, সে আল্লাহর সাথে কুফরি করল।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
قَالَ:
21 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ. . . . . .، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ عليه السلام سُئِلَ عَنْ سَبَأ مَا هُوَ، أَبَلَدٌ، أَمْ رَجُلٌ، أَوِ امْرَأَةٌ؟، فَقَالَ: «بَلْ هُوَ رَجُلٌ وَلَدَ عَشَرَةً فَسَكَنَ الْيَمَنَ مِنْهُمْ سِتَّةٌ، وَالشَّامَ أَرْبَعَةٌ، أَمَّا الْيَمَانِيُّونَ، فَمَذْحِجُ، وَكِنْدَةُ، وَالْأَزْدُ، وَالْأَشْعَرِيُّونَ، وَأَنْمَارُ، وَحِمْيَرُ عُمُومًا كُلُّهَا، وَأَمَّا الشَّامِيَّةُ فَلَخْمُ، وَجُذَامُ، وَغَسَّانُ، وَعَامِلَةُ»
তিনি বললেন:
২১ - এবং ইবনে লাহিয়া আমাকে ইবনে হুবায়রা থেকে, তিনি আলকামা ইবনে . . . . . . থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাবা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে তা কী—কোনো দেশ, নাকি কোনো পুরুষ, নাকি কোনো নারী? তিনি বললেন: «বরং তিনি একজন পুরুষ ছিলেন যার দশটি সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল। তাদের মধ্যে ছয়জন ইয়ামেনে এবং চারজন শামে (সিরিয়া) বসতি স্থাপন করে। যারা ইয়ামেনী তারা হলো: মাজহিজ, কিন্দাহ, আল-আযদ, আল-আশআরিয়্যুন, আনমার এবং সামগ্রিকভাবে পুরো হিময়ার। আর যারা শামীয় তারা হলো: লাখাম, জুযাম, গাসসান এবং আমিলাহ।»"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
قَالَ:
22 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ تَوْبَةَ. . . . . .، أَخْبَرَهُ وَكُنَّا، عِنْدَ
⦗ص: 60⦘ عُبَيْدَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِإِفْرِيقِيَةَ، فَقَالَ يَوْمًا: " مَا أَطَرَ قَوْمٌ بِأَرْضٍ إِلَّا وَهُمْ مِنْ أَهْلِهَا، فَقَالَ عُلَيُّ بْنُ رَبَاحٍ: كَلَّا قَدْ حَدَّثَنِي فُلَانٌ، أَنَّ فَرْوَةَ بْنَ مُسَيْكٍ الْغُطَيْفِيَّ، " قَدِمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَبَايَعَهُ عَلَى الْإِسْلَامِ، وَعَقَدَ لَهُ رَايَةً، فَبَايَعَهُ فَرْوَةُ عَلَى أَنْ يُقَاتِلَ مَنْ أَدْبَرَ. ثُمَّ إِنَّ فَرْوَةَ رَجَعَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنَّ سَبَأَ قَوْمٌ كَانَ لَهُمْ عِزٌّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَإِنِّي أَخْشَى أَنْ يُدْبِرُوا عَن الْإِسْلَامِ، أَفَأُقَاتِلُهُمْ؟ فَقَالَ: " مَا أُمِرْتُ فِيهِمْ بِشَيْءٍ بَعْدُ، فَأُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {لَقَدْ كَانَ لِسَبَإٍ فِي مَسْكَنِهِمْ آيَةٌ جَنَّتَانِ} [سبأ: 15] الْآيَاتُ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا سَبَأٌ؟ " ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ ابْنِ هُبَيْرَةَ
তিনি বলেন:
২২ - এবং আমাকে ইবনে লাহিয়াহ সংবাদ দিয়েছেন তাওবাহ থেকে... তিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমরা
⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ ইবরিফিয়ায় উবাইদাহ বিন আবদুর রহমানের নিকট ছিলাম। তখন একদিন তিনি বললেন: "কোনো জাতি কোনো ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি তবে তারা সেখানকারই মূল অধিবাসী।" তখন উলাই বিন রাবাহ বললেন: "কখনোই নয়, আমাকে অমুক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, ফারওয়াহ বিন মুসাইক আল-গুতাফি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করলেন এবং ইসলামের ওপর তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য একটি পতাকা বেঁধে দিলেন এবং ফারওয়াহ তাঁর নিকট এই মর্মে বায়আত হলেন যে, যারা ইসলাম ত্যাগ করে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন। অতঃপর ফারওয়াহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পুনরায় ফিরে আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর নবী, নিশ্চয়ই সাবা এমন এক জাতি যাদের জাহেলি যুগে অত্যন্ত প্রতাপ ছিল, আর আমি আশঙ্কা করছি যে তারা ইসলাম থেকে বিমুখ হয়ে যাবে; আমি কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব? তিনি বললেন: "তাদের ব্যাপারে আমাকে এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।" অতঃপর এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {অবশ্যই সাবা সম্প্রদায়ের জন্য তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন; দুটি উদ্যান} [সাবা: ১৫] আয়াতসমূহ। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, সাবা কী? অতঃপর তিনি ইবনে হুবাইরার বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
قَالَ:
23 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ مَعْرُوفِ بْنِ سُوَيْدٍ الْجُذَامِيِّ، عَنْ أَبِي عُشَّانَةَ، صَاحِبِ ابْنِ وَهْبٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ، يَقُولُ: " كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَقَالَ: «مَنْ كَانَ هَاهُنَا مِنْ مَعْدٍ فَلْيَقُمْ» ، قَالَ: فَقُمْتُ، فَقَالَ: «اقْعُدْ» ، قَالَ ذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، فَقُلْتُ: فَمِنْ مَنْ نَحْنُ يَا
⦗ص: 63⦘ رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَنْتُمْ مِنْ قُضَاعَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ حِمْيَرَ»
তিনি বললেন:
২৩ - ইবন লাহিআহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মারুফ ইবন সুওয়াইদ আল-জুযামী থেকে, তিনি ইবন ওয়াহাবের সাথী আবু উশানাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি উকবাহ ইবন আমিরকে বলতে শুনেছেন: "আমি একদিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি বললেন: «এখানে মা’দ গোত্রের যারা আছ, তারা দাঁড়াও»। তিনি (উকবাহ) বললেন: তখন আমি দাঁড়ালাম। তিনি বললেন: «বসো»। তিনি এটি দুই বা তিনবার বললেন। তখন আমি আরজ করলাম: হে
⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ আল্লাহর রাসুল! তবে আমরা কার বংশোদ্ভূত? তিনি বললেন: «তোমরা কুযাআহ ইবন মালিক ইবন হিমইয়ার-এর বংশোদ্ভূত»।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
24 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ سَبْرَةَ الْجُهَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ الْجُهَنِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ذَاتَ يَوْمٍ: «مَنْ كَانَ هَاهُنَا مِنْ مَعْدٍ فَلْيَقُمْ» فَقُمْتُ، فَقَالَ: «اقْعُدْ» ، فَقَالَ ذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، قُلْتُ: فَمَنْ نَحْنُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: «أَنْتُمْ مِنْ حِمْيَرَ»
২৪ - এবং আমাকে ইবনে লাহিয়াহ সংবাদ দিয়েছেন রাবী ইবনে সাবরা আল-জুহানি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররা আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন বললেন: «এখানে মা'দ গোত্রের যারা আছে তারা যেন দাঁড়ায়», তখন আমি দাঁড়ালাম। তিনি বললেন: «বসো»। তিনি দুই বা তিনবার এরূপ বললেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমরা কারা? তিনি বললেন: «তোমরা হিমইয়ার গোত্রভুক্ত»।
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
قَالَ:
25 - وَأَخْبَرَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: " وَلَدَ نُوحٌ ثَلَاثَةً: سَامَ، وَحَامَ، وَيَافِثَ، فَوَلَدَ سَامُ الْعَرَبَ وَفَارِسَ، وَالرُّومَ، وَفِي كُلِّ هَؤُلَاءِ خَيْرٌ، وَوَلَدَ حَامَ: السُّودَانَ، وَالْبَرْبَرَ، وَالْقِبْطَ، وَوَلَدَ يَافِثُ التُّرْكَ، وَالصَّقَالِبَةَ، وَيَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ "
তিনি বললেন:
২৫ - মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "নূহের তিন সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল: সাম, হাম এবং ইয়াফিস। সামের বংশধর হলো আরব, পারস্য এবং রোমীয়রা, আর এদের প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। হামের বংশধর হলো সুদান, বারবার এবং কিবতী জাতি। আর ইয়াফিসের বংশধর হলো তুর্কি, সাকালেবা এবং ইয়াজুজ ও মাজুজ।"
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
26 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: «يُقَالُ فَارِسُ وَالرُّومُ قُرَيْشُ الْعَجَمِ»
২৬ - তিনি বলেন: ইবনু লাহিয়াহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «বলা হয় যে, পারস্য ও রোম হলো অনারবদের কুরাইশ।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
قَالَ:
27 - وَأَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ شَرِيكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ رَبَاحٍ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مَثَلَ الْأَشْعَرِيِّينَ فِي النَّاسِ كِصِرَارِ الْمِسْكِ»
তিনি বললেন:
২৭ - এবং আমাকে সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব সংবাদ দিয়েছেন, শুরাহবিল ইবনে শারিক থেকে, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে রাবাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে আশআরিদের উদাহরণ হলো কস্তুরীর থলির মতো»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
28 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ: «لَوَدِدْتُ أَنَّ اللَّهَ غَفَرَ لِي ذَنْبًا مِنْ ذُنُوبِي أَوْ خَطِيَّةً مِنْ خَطَايَايَ، وَأَنَّهُ لَمْ يُعْرَفْ لِي نَسَبٌ»
২৮ - তিনি বলেন: এবং আমার নিকট আবদুর রহমান ইবনে মাহদী বর্ণনা করেছেন শুবা ইবনুল হাজ্জাজ হতে, তিনি আবু সিনান হতে, তিনি আবু ওয়ায়েল হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদকে বলতে শুনেছি: «আমি যদি আকাঙ্ক্ষা করতাম যে, আল্লাহ আমার পাপসমূহের মধ্য হতে কোনো একটি পাপ অথবা আমার ভুলসমূহের মধ্য হতে কোনো একটি ভুল ক্ষমা করে দিতেন এবং আমার কোনো বংশপরিচয় কারো জানা না থাকত।»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
29 - قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، وَحَدَّثَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ ⦗ص: 70⦘ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَسْلَمَ قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ: «لَوْ تَعْلَمُونَ ذُنُوبِي مَا وَطِئَ عَقِبِي مِنْكُمْ رَجُلَانِ، وَلَحَثَيْتُمْ عَلَى رَأْسِيَ التُّرَابَ، لَوَدِدْتُ أَنَّ اللَّهَ غَفَرَ لِي ذَنْبًا مِنْ ذُنُوبِي، وَأَنِّي دُعِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ رَوْثَةَ»
২৯ - আব্দুর রহমান ইবন মাহদী বলেছেন, আর সুফিয়ান আস-সাওরী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৭০⦘ আল-আ'মাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম আত-তায়মী থেকে, তিনি আসলাম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ বলেছেন: «তোমরা যদি আমার গুনাহসমূহ জানতে, তবে তোমাদের মধ্য থেকে দুইজন লোকও আমার পিছু হাঁটত না, এবং তোমরা অবশ্যই আমার মাথায় মাটি নিক্ষেপ করতে। আমি অবশ্যই কামনা করতাম যে, আল্লাহ যদি আমার গুনাহসমূহের মধ্য থেকে একটি গুনাহ ক্ষমা করে দিতেন, আর আমাকে যদি 'আবদুল্লাহ ইবন রওসাহ' (গোবরের পুত্র আবদুল্লাহ) বলে ডাকা হতো!»
(খণ্ড: ১)
আল-জামে - ইবনু ওয়াহাব - তাহকীক মুস্তফা আবু খাইর
(পৃষ্ঠা: ٧١)
30 - قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: حَدَّثَنِي هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَذْهَبَ عَنْكُمْ عُبِّيَّةَ الْجَاهِلِيَّةِ وَفَخْرَهَا بِالْآبَاءِ، مُؤْمِنٌ تَقِيٌّ أَوْ فَاجِرٌ شَقِيٌّ، أَنْتُمْ بَنُو آدَمَ، وَآدَمُ مِنْ تُرَابٍ، لَيَدَعَنَّ رِجَالٌ فَخْرَهُمْ بِأَقْوَامٍ إِنَّمَا هُمْ فَحْمٌ مِنْ فَحْمِ جَهَنَّمَ، أَوْ لَيَكُونُنَّ أَهْوَنَ عِنْدَ اللَّهِ مِنَ الْجِعْلَانِ الَّتِي تَدْفَعُ بِأَنْفِهَا النَّتْنَ»
৩০ - ইবন ওয়াহব বলেন: হিশাম ইবন সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের থেকে জাহিলিয়াতের অহংকার এবং পূর্বপুরুষদের নিয়ে গৌরব করা দূরীভূত করেছেন। (মানুষ হয়) মুত্তাকি মুমিন অথবা পাপিষ্ঠ হতভাগ্য। তোমরা সবাই আদমের সন্তান, আর আদম মাটি থেকে সৃষ্ট। লোকেরা যেন অবশ্যই তাদের কওম নিয়ে অহংকার করা বর্জন করে, তারা তো কেবল জাহান্নামের কয়লা। অন্যথায় তারা আল্লাহর নিকট সেই গোবরে পোকার চেয়েও অধিক তুচ্ছ হবে, যে তার নাক দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু (নাপাকি) ঠেলে নিয়ে যায়।»