(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: -)
القراءة خلف الإمام للبيهقي   (أبو بكر البيهقي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: كتاب القراءة خلف الإمام

المؤلف: أحمد بن الحسين بن علي بن موسى الخُسْرَوْجِردي الخراساني، أبو بكر البيهقي (ت 458هـ)

المحقق: محمد السعيد بن بسيوني زغلول

الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1405

عدد الصفحات: 223

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বায়হাক্বী রচিত ইমামের পেছনে কিরাত পাঠ   (আবু বকর আল-বায়হাক্বী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: কিতাবুল কিরাত খালাফাল ইমাম (ইমামের পেছনে কিরাত পাঠের কিতাব)

লেখক: আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন মুসা আল-খুসরওজিরদি আল-খুরাসানি، আবু বকর আল-বায়হাক্বী (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)

গবেষক: মুহাম্মাদ আস-সাঈদ বিন বাসইউনি যাগলুল

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৫

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২৩

[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌جُمَّاعُ أَبْوَابِ وُجُوبِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ فِي الصَّلَاةِ عَلَى الْإِمَامِ وَالْمَأْمُومِ وَالْمُنْفَرِدِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ مِنْهَا وَبَيَانِ تَعَيُّنِهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ
ইমাম, মুক্তাদী এবং একাকী সালাত আদায়কারীর ওপর সালাতের প্রতিটি রাকাতে কুরআন তিলাওয়াত ওয়াজিব হওয়া এবং সূরা ফাতিহার মাধ্যমে তা সুনির্দিষ্ট হওয়ার বর্ণনার পরিচ্ছেদসমূহের সমষ্টি
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١١)
بَابُ الدَّلِيلِ عَلَى أَنَّ قِرَاءَةَ الْقُرْآنِ رُكْنٌ فِي الصَّلَاةِ وَأَنَّهَا وَاجِبَةٌ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ مِنْهَا قَالَ اللَّهُ تبارك وتعالى: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ {يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيلًا نِصْفَهُ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيلًا أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا} [المزمل: 2] إِلَى قَوْلِهِ: {عَلِمَ أَنْ لَنْ تُحْصُوهُ فَتَابَ عَلَيْكُمْ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ} وَهَذِهِ الْآيَةُ نَزَلَتْ فِي نَسْخِ وُجُوبِ قِيَامِ مَا أَمَرَ اللَّهُ تبارك وتعالى بِهِ مِنَ اللَّيْلِ فِي أَوَّلِ هَذِهِ السُّورَةِ بِمَا تَيَسَّرَ
পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াত সালাতের একটি রুকন এবং তা প্রতিটি রাকাতে ওয়াজিব হওয়ার দলিলের বর্ণনা। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেন: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। {হে বস্ত্রাবৃত! রাতে সালাতে দাঁড়াও সামান্য অংশ ছাড়া—অর্ধেক রাত কিংবা তার চেয়ে কিছু কম করো, অথবা তার চেয়ে কিছুটা বাড়াও; আর কুরআন তিলাওয়াত করো সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে।} [আল-মুযযাম্মিল: ২] তাঁর এই বাণী পর্যন্ত: {তিনি জানেন যে, তোমরা এর সঠিক হিসাব রাখতে পারবে না, তাই তিনি তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হয়েছেন। অতএব, তোমরা কুরআনের যতটুকু সহজসাধ্য ততটুকু পাঠ করো।} আর এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে এই সূরার শুরুতে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা রাতে সালাতে দণ্ডায়মান হওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা সহজসাধ্য অংশ পাঠের নির্দেশের মাধ্যমে রহিত করার জন্য।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١١)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ رحمه الله ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ⦗ص: 12⦘ الْعَبْدِيُّ ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ ، ثنا قَتَادَةُ ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها فَقَالَ: يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ ، أَنْبِئِينِي عَنْ قِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَتْ: " أَلَسْتَ تَقْرَأُ: {يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ} [المزمل: 1] ؟ ". قَالَ: قُلْتُ: بَلَى. قَالَتْ: «فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل افْتَرَضَ الْقِيَامَ فِي أَوَّلِ هَذِهِ السُّورَةِ ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ حَوْلًا حَتَّى انْتَفَخَتْ أَقْدَامُهُمْ ، وَأَمْسَكَ اللَّهُ خَاتَمَهَا اثْنَيْ عَشَرَ شَهْرًا فِي السَّمَاءِ ، ثُمَّ أَنْزَلَ اللَّهُ التَّخْفِيفَ فِي آخِرِ هَذِهِ السُّورَةِ ، فَصَارَ قِيَامُ اللَّيْلِ تَطَوُّعًا بَعْدَ فَرِيضَةٍ» رَوَاهُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ رحمه الله فِي الصَّحِيحِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ وَفِي الْآيَةِ دَلَالَةٌ عَلَى أَنَّهُ سَمَّى مَا تَيَسَّرَ مِنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ قُرْآنًا حَيْثُ قَالَ: {فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ} يُرِيدُ مَا تَيَسَّرَ مِنَ الصَّلَاةِ الَّتِي يُقْرَأُ فِيهَا الْقُرْآنُ وَهُوَ كَمَا سَمَّى فِي آيَةٍ أُخْرَى صَلَاةَ الْفَجْرِ قُرْآنًا؛ لِأَنَّ الْقُرْآنَ يُتْلَى فِيهَا ، قَالَ اللَّهُ: عز وجل: {وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا} [الإسراء: 78]
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ (রাহিমাহুল্লাহ), আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আলী বিন আফফান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন বিশর ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘ আল-আবদী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবু আরুবাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, জুরারাহ বিন আওফা থেকে, তিনি সা'দ বিন হিশাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলেন এবং বললেন: হে উম্মুল মুমিনীন, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাতের সালাত (কিয়াম) সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন: "আপনি কি {হে চাদরাবৃত} [আল-মুযযাম্মিল: ১] পাঠ করেন না?" তিনি বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা এই সূরার শুরুতে কিয়াম (রাতের সালাত) ফরয করেছিলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সঙ্গীগণ এক বছর পর্যন্ত কিয়াম পালন করেছিলেন, এমনকি তাদের পা ফুলে গিয়েছিল। আর আল্লাহ এর সমাপ্তি বারো মাস আসমানে স্থগিত রাখেন। এরপর আল্লাহ এই সূরার শেষে শিথিলতা অবতীর্ণ করেন, ফলে রাতের সালাত ফরয হওয়ার পর তা নফল (ঐচ্ছিক) হয়ে গেল।" এটি আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে আবু বকর বিন আবু শাইবা হতে মুহাম্মদ বিন বিশর-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর এই আয়াতে দলিল রয়েছে যে, তিনি রাতের সালাতের সহজসাধ্য অংশকে 'কুরআন' হিসেবে অভিহিত করেছেন যখন তিনি বলেছেন: {অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজসাধ্য ততটুকু পাঠ করো}। এর দ্বারা তিনি সেই সালাতের সহজসাধ্য অংশ উদ্দেশ্য নিয়েছেন যাতে কুরআন পাঠ করা হয়। আর এটি তেমন যেমন তিনি অন্য আয়াতে ফজরের সালাতকে 'কুরআন' হিসেবে অভিহিত করেছেন; কারণ তাতে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেছেন: {এবং ফজরের কুরআন (তিলাওয়াত), নিশ্চয় ফজরের কুরআন (তিলাওয়াত) প্রত্যক্ষ করা হয়} [আল-ইসরা: ৭৮]
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٢)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى ، ثنا أَبُو الْيَمَانِ ، أَخْبَرَنِي شُعَيْبٌ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ ، وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «تَفْضُلُ صَلَاةُ الْجَمِيعِ صَلَاةَ أَحَدِكُمْ وَحْدَهُ بِخَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا ، وَتَجْتَمِعُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ وَمَلَائِكَةُ النَّهَارِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ» ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ: اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ: {وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا} [الإسراء: 78] " رَوَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجُعْفِيُّ الْبُخَارِيُّ رَحِمَهُ ⦗ص: 13⦘ اللَّهُ فِي الصَّحِيحِ عَنْ أَبِي الْيَمَانِ ، وَرَوَاهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ رحمه الله عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْيَمَانِ وَالْأَشْبَهُ وَاللَّهُ أَعْلَمُ أَنَّهُ سَمَّاهَا قُرْآنًا تَنْبِيهًا عَلَى كَوْنِ الْقِرَاءَةِ رُكْنًا مِنْ أَرْكَانِهَا الَّتِي لَا تَكُونُ دُونَهَا عِنْدَ الْقُدْرَةِ عَلَيْهَا ، وَقَدْ سَمَّى فَاتِحَةَ الْكِتَابِ صَلَاةً فِي حَدِيثٍ آخَرَ، وَفِي ذَلِكَ دَلَالَةٌ عَلَى كَوْنِ الْقِرَاءَةِ مُتَعَيَّنَةً بِهَا لَا يَقُومُ غَيْرُهَا فِيهَا مَقَامَهَا مَعَ الْقُدْرَةِ عَلَى قِرَاءَتِهَا وَهُوَ مَذْكُورٌ فِي مَوْضِعِهِ وَقَدْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقِرَاءَةِ مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ مِنْ رَكَعَاتِ الصَّلَاةِ فِيمَا أَمَرَ بِهِ مِنْ أَرْكَانِ الصَّلَاةِ، وَذَلِكَ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ وَرِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ الْبَدْرِيِّ رضي الله عنهما، فَأَمَّا حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুজানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শুয়াইব, তিনি যুহরী থেকে, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব ও আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান যে, আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমাদের কারো একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে জামাতে সালাত আদায়ের ফজিলত পঁচিশ গুণ বেশি, আর ফজরের সালাতে রাতের ফেরেশতাগণ ও দিনের ফেরেশতাগণ সমবেত হন।" এরপর আবু হুরাইরা বলতেন: তোমরা চাইলে তিলাওয়াত করো: {আর ফজরের কুরআন (তিলাওয়াত), নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন তিলাওয়াত ফেরেশতাদের উপস্থিতির সময়} [সূরা আল-ইসরা: ৭৮]। এটি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-জুফী আল-বুখারী রহিমাহুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১৩⦘ তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং মুসলিম বিন হাজ্জাজ রহিমাহুল্লাহ এটি আবু বকর বিন ইসহাক থেকে, তিনি আবুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয়—এবং আল্লাহই ভালো জানেন—তা হলো তিনি সালাতকে ‘কুরআন’ নামে অভিহিত করেছেন এই বিষয়ে সতর্ক করার জন্য যে, কিরাআত বা পাঠ করা সালাতের এমন একটি রুকন (অপরিহার্য অংশ) যা ছাড়া সক্ষমতা থাকা অবস্থায় সালাত সম্পন্ন হয় না। অন্য একটি হাদীসে তিনি ‘ফাতিহাতুল কিতাব’কে (সূরা ফাতিহা) ‘সালাত’ হিসেবে নামকরণ করেছেন, আর এর মধ্যে এই প্রমাণ রয়েছে যে কিরাআত কেবল সূরা ফাতিহার মাধ্যমেই সুনির্দিষ্ট হয় এবং সক্ষমতা থাকা অবস্থায় অন্য কিছু তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না; এটি তার নিজ স্থানে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের রুকনসমূহের নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে সালাতের প্রতি রাকাতে কুরআনের যতটুকু সহজ হয় ততটুকু পাঠ করার আদেশ দিয়েছেন। আর তা আবু হুরাইরা ও রিফাআ বিন রাফে আল-বাদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীসে রয়েছে। তবে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিষয়টি হলো...
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٣)
3 - فَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمُقْرِئُ الِاسْفَرَائِينِيُّ بِهَا ، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، نا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْمَسْجِدَ ، فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى ، ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «وَعَلَيْكَ السَّلَامُ ، ارْجِعْ فَصَلِّ؛ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ» حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، فَقَالَ الرَّجُلُ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ ، لَا أُحْسِنُ غَيْرَ هَذَا ، فَأَرِنِي وَعَلِّمْنِي قَالَ: صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلَاةِ فَكَبِّرْ ، ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ، ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا ، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ، ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِي صَلَاتِكَ كُلِّهَا» أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ ، وَمُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى الْقَطَّانِ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হুসাইন আল-মুকরি আল-ইসফারায়িনী সেখানে, আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাজী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, উবাইদুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবু সাঈদ, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে প্রবেশ করলেন, এরপর একজন লোক প্রবেশ করে সালাত আদায় করল। তারপর সে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সালাম দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: «তোমার ওপরও শান্তি বর্ষিত হোক, ফিরে যাও এবং পুনরায় সালাত আদায় করো; কেননা তুমি সালাত আদায় করোনি» এভাবে সে তিনবার করল। এরপর লোকটি বলল: সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি এর চেয়ে উত্তমভাবে সালাত আদায় করতে জানি না, তাই আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে তখন তাকবীর দেবে, এরপর কুরআনের যা তোমার পক্ষে সহজ হয় তা পাঠ করবে, তারপর রুকু করবে যতক্ষণ না স্থিরভাবে রুকু সম্পন্ন হয়, এরপর মাথা ওঠাবে যতক্ষণ না সোজা হয়ে দাঁড়াও, এরপর সিজদা করবে যতক্ষণ না স্থিরভাবে সিজদা সম্পন্ন হয়, এরপর মাথা ওঠাবে যতক্ষণ না স্থিরভাবে বসো, এরপর তোমার পুরো সালাতে অনুরূপ করবে» এটি বুখারী ও মুসলিম তাঁদের সহীহ গ্রন্থে ইয়াহইয়া আল-কাত্তানের হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٣)
4 - وَأَمَّا حَدِيثُ رِفَاعَةَ رضي الله عنه: فَأَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْحَاكِمُ الِاسْفَرَائِنِيُّ أَنْبَأَ أَبُو بَحْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ كَوْثَرٍ ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ثنا الْحُمَيْدِيُّ ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَخْزُومِيُّ ثنا دَاوُدُ ⦗ص: 14⦘ بْنُ قَيْسٍ الْفَرَّاءُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلَّادٍ عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَمِّ أَبِيهِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لِرَجُلٍ: «إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلَاةِ فَكَبِّرْ ، ثُمَّ اقْرَأْ ، ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى يَطْمَئِنَّ كُلُّ شَيْءٍ مِنْكَ ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ ، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى يَطْمَئِنَّ كُلُّ شَيْءٍ مِنْكَ ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ ، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى يَطْمَئِنَّ كُلُّ شَيْءٍ مِنْكَ ، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ ، فَإِذَا تَمَّتْ صَلَاتُكَ عَلَى هَذَا فَقَدْ تَمَّتْ وَمَا نَقَصْتَ، فَإِنَّمَا هُوَ شَيْءٌ تُنْقِصَهُ مِنْ صَلَاتِكَ» وَقَدْ رُوِيَ فِي حَدِيثِ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا تَعْيِينُ هَذِهِ الْقِرَاءَةِ بِالْفَاتِحَةِ
4 - আর রিফাআহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসের ব্যাপারে (বিবরণ): আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হাকিম আল-ইসফারায়িনি, আমাদের জানিয়েছেন আবু বাহর মুহাম্মাদ ইবনে হাসান ইবনে কাওসার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মালিক আল-মাখজুমি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ ইবনে কায়স আল-ফাররা, তিনি আলি ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে খাল্লাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর পিতার চাচা রিফাআহ ইবনে রাফে আল-আনসারি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে বললেন: «যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে তখন তাকবীর দাও, এরপর কিরাত পাঠ করো, তারপর রুকু করো যতক্ষণ না তোমার প্রতিটি অঙ্গ স্থির হয়, তারপর মাথা তোলো যতক্ষণ না তুমি সোজা হয়ে দাঁড়াও, তারপর সিজদাহ করো যতক্ষণ না তোমার প্রতিটি অঙ্গ স্থির হয়, তারপর মাথা তোলো যতক্ষণ না তুমি সোজা হয়ে বসো, তারপর সিজদাহ করো যতক্ষণ না তোমার প্রতিটি অঙ্গ স্থির হয়, তারপর মাথা তোলো যতক্ষণ না তুমি সোজা হও। যখন এভাবে তোমার সালাত সম্পন্ন হবে, তখন তা পূর্ণাঙ্গ হলো এবং তুমি কোনো ঘাটতি করলে না। আর যদি তুমি এর কোনো কিছুতে কম করো, তবে তা তুমি তোমার সালাত থেকেই কমিয়ে দিলে।» আর তাদের প্রত্যেকের বর্ণিত হাদীসেই এই কিরাতকে সূরা ফাতিহা হিসেবে নির্দিষ্ট করার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٤)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ قَالَا: ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ وَهْبٍ: أَخْبَرَكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلًا يُصَلِّي يَوْمًا وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ ، فَلَمَّا فَرَغَ الرَّجُلُ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «وَعَلَيْكَ السَّلَامُ ، ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ» فَرَجَعَ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ مِثْلَ مَا قَالَ ، فَرَجَعَ فَصَلَّى مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا ثُمَّ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَا أُحْسِنُ غَيْرَ مَا تَرَى فَعَلِّمْنِي كَيْفَ أُصَلِّي فَقَالَ لَهُ: " إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوءَ ، ثُمَّ كَبِّرْ ، فَإِذَا اسْتَوَيْتَ قَائِمًا قَرَأْتَ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ، ثُمَّ قَرَأْتَ بِمَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ، ثُمَّ رَكَعْتَ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا ، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا وَتَقُولُ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ، ثُمَّ تَسْجُدُ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ حَتَّى تَطْمَئِنَّ قَاعِدًا ، ثُمَّ تَفْعَلُ مِثْلَ ذَلِكَ فِي صَلَاتِكَ كُلِّهَا " ⦗ص: 15⦘

 

6 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا ، وَأَبُو بَكْرٍ قَالَا: ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ ، ثنا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ وَهْبٍ: أَخْبَرَكَ دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ الْمَدِينِيُّ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلَّادٍ الزُّرَقِيِّ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، عَنْ عَمٍّ لَهُ بَدْرِيٍّ أنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَالِسًا فِي الْمَسْجِدِ ، قَالَ: ثُمَّ ذَكَرَ هَذَا ، وَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فَإِذَا أَتْمَمْتَ صَلَاتَكَ عَلَى نَحْوِ هَذَا فَقَدْ تَمَّتْ صَلَاتُكَ ، وَمَا نَقَصْتَ مِنْ هَذَا فَإِنَّمَا تُنْقِصُهُ مِنْ صَلَاتِكَ» وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ قَيْسٍ، وَسَاقَ مَتْنَ الْحَدِيثِ نَحْوَ سِيَاقِ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ وَذَكَرَ فِيهِ: أُمَّ الْقُرْآنِ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া এবং আবু বকর আহমাদ বিন আল-হুসাইন, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাহর বিন নাসর, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাবের নিকট পাঠ করা হয়েছে: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন উমর, সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন মসজিদে এক ব্যক্তিকে সালাত আদায় করতে দেখলেন। যখন লোকটি সালাত শেষ করল, সে এসে আল্লাহর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম দিল। তিনি বললেন: "ওয়া আলাইকাস সালাম, ফিরে যাও এবং পুনরায় সালাত আদায় করো, কেননা তুমি সালাত আদায় করোনি।" সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করল, অতঃপর পুনরায় এসে নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম দিল। তিনি তাকে আবারও আগের মতো বললেন। সে দুই বা তিনবার ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করল। অতঃপর সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যা দেখছেন তার চেয়ে উত্তমভাবে আমি করতে পারি না, তাই আমাকে শিখিয়ে দিন আমি কীভাবে সালাত আদায় করব। তিনি তাকে বললেন: "যখন তুমি সালাতের জন্য দাঁড়াবে, তখন পূর্ণভাবে অজু করবে। অতঃপর তাকবীর বলবে। তারপর যখন সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তখন উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে এবং কুরআনের যতটুকু তোমার কাছে (মুখস্থ) আছে তা পাঠ করবে। অতঃপর রুকু করবে যতক্ষণ না রুকুতে স্থির হও। তারপর মাথা তুলবে যতক্ষণ না সোজা হয়ে দাঁড়াও এবং বলবে: 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ'। অতঃপর সিজদা করবে যতক্ষণ না সিজদাতে স্থির হও। তারপর মাথা তুলবে যতক্ষণ না বসা অবস্থায় স্থির হও। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে।" ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘

 

৬ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া ও আবু বকর, তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাহর বিন নাসর, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাবের নিকট পাঠ করা হয়েছে: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন দাউদ বিন কায়স আল-মাদিনি, আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ আল-জুরাকি থেকে, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন তার এক বদরী চাচার সূত্রে যে, তিনি মসজিদে আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বসা ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি এই ঘটনা উল্লেখ করেন। আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেছিলেন: "যখন তুমি এভাবে তোমার সালাত পূর্ণ করবে, তখন তোমার সালাত পূর্ণ হলো। আর যা তুমি এখান থেকে কমিয়ে দেবে, তা মূলত তোমার সালাত থেকেই কমিয়ে দিলে।" এবং এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমাহ, ইউনুস বিন আব্দুল আ'লা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি দাউদ বিন কায়স থেকে। তিনি হাদীসের মূল অংশ আবু হুরায়রার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তাতে 'উম্মুল কুরআন' এর কথা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
7 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الرَّوْذَبَارِيُّ ، أنا أَبُو بَكْرِ بْنُ دَاسَةَ ، نا أَبُو دَاوُدَ ، نا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلَّادٍ ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ: «إِذَا قُمْتَ فَتَوَجَّهْتَ إِلَى الْقِبْلَةِ فَكَبِّرْ ، ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ تَقْرَأَ ، وَإِذَا رَكَعْتَ فَضَعْ رَاحَتَيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ» ، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ، وَرَوَى الْقِرَاءَةَ بِالْفَاتِحَةِ فِي أَخْبَارٍ كَثِيرَةٍ سَنَأْتِي عَلَى بَعْضِهَا إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى، وَفِي نَقْلِ الْعَامَّةِ فِيهِ لَغُنْيَةٌ عَنْ نَقْلِ الْخَاصَّةِ، فَالْمُسْلِمُونَ مِنْ لَدُنْ عَصْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى عَصْرِنَا هَذَا يَفْتَتِحُونَ الْقِرَاءَةَ فِي الصَّلَاةِ بِالْفَاتِحَةِ، وَلَيْسَ فِي إِيجَابِ قِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ بِعَيْنِهَا نَسْخٌ لِقَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ} فَقَدْ ذَكَرْنَا أَنَّ الْآيَةَ وَرَدَتْ فِي نَسْخِ الْقِيَامِ الْمَفْرُوضِ فِي أَوَّلِ ⦗ص: 16⦘ السُّورَةِ بِمَا تَيَسَّرَ،

 

8 - وَقَدْ رُوِّينَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه أَنَّهُ حَمَلَ {مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ} [المزمل: 20] عَلَى مَا بَعْدَ الْفَاتِحَةِ وَذَلِكَ فِيمَا
৭ - আবু আলী আর-রাওজাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন দাসাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালিদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ অর্থাৎ ইবনে আমর থেকে, তিনি আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ থেকে, তিনি রিফাহ বিন রাফি থেকে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন তুমি দাঁড়াবে এবং কিবলার দিকে মুখ করবে তখন তাকবীর দিবে, এরপর উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) এবং আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা থেকে পাঠ করবে। আর যখন রুকু করবে তখন তোমার উভয় হাতের তালু উভয় হাঁটুর ওপর রাখবে।" এবং তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। আর সূরা ফাতিহা পাঠের বিষয়টি অনেকগুলো বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যার কিছু অংশ ইনশাআল্লাহ তাআলা আমরা সামনে উল্লেখ করব। আর এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নিরবচ্ছিন্ন আমল বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বর্ণনা থেকে অমুখাপেক্ষী করে দেয়। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ থেকে আমাদের এই যুগ পর্যন্ত মুসলিমগণ সালাতে কিরাত সূরা ফাতিহার মাধ্যমে শুরু করে আসছেন। আর নির্দিষ্টভাবে সূরা ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করা ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টি মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর তোমরা কুরআনের যতটুকু সহজসাধ্য ততটুকু পাঠ করো} এর জন্য কোনো রহিতকরণ নয়। আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, এই আয়াতটি সূরার শুরুতে ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ উল্লিখিত ফরজ কিয়ামের পরিবর্তে সহজসাধ্য অংশ পাঠ করার বিধান দিতে অবতীর্ণ হয়েছে।

 

৮ - এবং আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি {তার মধ্য থেকে যা সহজসাধ্য} [আল-মুজ্জাম্মিল: ২০] আয়াতটিকে সূরা ফাতিহার পরবর্তী কিরাতের ওপর প্রয়োগ করেছেন এবং তা সেই বিষয়ে যা...
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٦)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ السُّلَمِيُّ رحمه الله أنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ نا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ثنا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ الْأَوْدِيُّ نا سَهْلُ بْنُ عَامِرٍ الْبَجَلِيُّ نا هُرَيْمُ بْنُ سُفْيَانَ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ: صَلَّيْتُ خَلْفَ ابْنِ عَبَّاسٍ بِالْبَصْرَةِ فَقَرَأَ فِي أَوَّلِ رَكْعَةٍ بِـ الْحَمْدُ وَأَوَّلِ آيَةٍ مِنَ الْبَقَرَةِ ، ثُمَّ قَامَ فِي الثَّانِيَةِ فَقَرَأَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ وَالْآيَةَ الثَّانِيَةَ ، ثُمَّ رَكَعَ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا فَقَالَ: " إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ} " قَالَ عَلِيٌّ: هَذَا إِسْنَادٌ حَسَنٌ قَالَ الْإِمَامُ أَحْمَدُ: ثُمَّ قِرَاءَةُ الْفَاتِحَةِ أَوْلَى السُّوَرِ وَالْآيَاتِ بِوُقُوعِ {مَا تَيَسَّرَ} [المزمل: 20] عَلَيْهَا؛ لِسُهُولَتِهَا عَلَى الْأَلْسُنِ، وَابْتِدَاءِ الْمُتَعَلِّمِينَ بِتَعَلُّمِهَا، وَاسْتِفْتَاحِ الْمُصَلِّينَ صَلَوَاتِهِمْ بِقِرَاءَتِهَا، حَتَّى لَا يَكَادُ يُوجَدُ مُصَلٍّ يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ مِنْ صَلَاتِهِ غَيْرَ الْفَاتِحَةِ، فَإِنْ أَرَادَ أَنْ يَقْرَأَ غَيْرَهَا بَدَأَ بِهَا ، ثُمَّ لَيْسَ هَذِهِ أَوَّلَ جُمْلَةٍ وَرَدَتْ فِي الْقُرْآنِ غَيْرَ مُفَسَّرَةٍ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَّرَهَا وَعَيَّنَهَا وَقَدَّرَهَا؛ حَتَّى لَا يَجُوزُ غَيْرُ مَا حَكَمَ بِهِ، وَإِنْ كَانَ الِاسْمُ يَقَعُ عَلَى مَا دُونِهِ، وَلَا يَكُونُ تَفْسِيرُهُ وَتَعْيِينُهُ وَتَقْدِيرُهُ نَسْخًا لِلْكِتَابِ كَالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ وَالدِّيَاتِ وَغَيْرِهَا وَفِي الْآيَةِ ، ثُمَّ فِيمَا رَوَيْنَا دَلِيلٌ عَلَى وُجُوبِ الْقِرَاءَةِ عَلَى كُلِّ مُصَلٍّ إِمَامًا كَانَ أَوْ مَأْمُومًا أَوْ مُنْفَرِدًا

আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আস-সুলামী (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আলী ইবনে উমর আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আমাদের বলেছেন, আহমাদ ইবনে উসমান ইবনে হাকিম আল-আওদি আমাদের বলেছেন, সাহল ইবনে আমির আল-বাজালি আমাদের বলেছেন, হুরাইম ইবনে সুফিয়ান আমাদের বলেছেন ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়েস ইবনে আবি হাজিম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "আমি বসরায় ইবনে আব্বাসের পিছনে সালাত আদায় করেছি। তিনি প্রথম রাকাতে আল-হামদু (সূরা ফাতিহা) এবং সূরা বাকারার প্রথম আয়াত পাঠ করলেন। এরপর তিনি দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়ালেন এবং আল-হামদুলিল্লাহ (সূরা ফাতিহা) ও দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করলেন, তারপর রুকু করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, আমাদের দিকে ফিরে বললেন: 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা বলেন: {অতএব তোমরা কুরআন থেকে যা সহজ হয় তা পাঠ করো}।' আলী বলেন: এই সনদটি হাসান (উত্তম)। ইমাম আহমাদ বলেন: অতঃপর সূরা ফাতিহা পাঠ করা সমস্ত সূরা ও আয়াতের মধ্যে 'যা সহজ হয়' (সূরা আল-মুজ্জাম্মিল: ২০) এই আয়াতাংশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অধিক অগ্রগণ্য; কারণ এটি মুখে উচ্চারণ করা সহজ, শিক্ষার্থীরা এটি শেখার মাধ্যমেই পড়াশোনা শুরু করে এবং মুসল্লিরা তাদের সালাত এটি পাঠের মাধ্যমে শুরু করে। এমনকি এমন কোনো মুসল্লি পাওয়া দুষ্কর যে তার সালাতের প্রতি রাকাতে ফাতিহা ব্যতীত অন্য কিছু পাঠ করে। যদি সে অন্য কিছু পড়তে চায়, তবে এটি দিয়েই শুরু করে। তদুপরি, কুরআনে এটিই প্রথম অস্পষ্ট বাক্য নয় যা ব্যাখ্যা ছাড়া এসেছে; বরং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটিকে ব্যাখ্যা করেছেন, নির্দিষ্ট করেছেন এবং এর পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন; ফলে তিনি যা ফয়সালা করেছেন তা ব্যতীত অন্য কিছু বৈধ নয়, যদিও শাব্দিক অর্থ এর চেয়ে কমের ওপরও প্রযোজ্য হতে পারে। আর তাঁর এই ব্যাখ্যা, নির্ধারণ ও পরিমাণ স্থির করা কিতাবের (কুরআনের) কোনো নির্দেশ রহিত করা নয়, যেমনটা সালাত, জাকাত, দিয়াত (রক্তপণ) ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও হয়েছে। এই আয়াতে এবং আমরা যা বর্ণনা করেছি তাতে প্রত্যেক মুসল্লির ওপর কিরাত পাঠ ওয়াজিব হওয়ার দলিল রয়েছে, চাই সে ইমাম হোক, মুক্তাদি হোক কিংবা একাকী সালাত আদায়কারী হোক।"

(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌بَابُ الدَّلِيلِ عَلَى أَنَّ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِقِرَاءَةٍ وَأَنَّهُ إِذَا انْتَهَى إِلَى أُمِّ الْقُرْآنِ أَجْزَأَتْ عَنْهُ لَا فَرْقَ فِي ذَلِكَ بَيْنَ الْإِمَامِ وَالْمَأْمُومِ وَالْمُنْفَرِدِ
পরিচ্ছেদ: কিরাত ব্যতীত সালাত না হওয়ার দলীল এবং উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করলে তা যথেষ্ট হওয়ার বর্ণনা; এক্ষেত্রে ইমাম, মুক্তাদী এবং একাকী সালাত আদায়কারীর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ نا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْعَلَاءِ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ ، ثنا أَبُو أُمَامَةَ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا صَلَاةَ إِلَّا بِقِرَاءَةٍ» قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَمَا أَعْلَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَعْلَنَّاهُ لَكُمْ وَمَا أَخْفَاهُ أَخْفَيْنَاهُ لَكُمْ رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আল-আলা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন নুমাইর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমামাহ, হাবীব বিন আশ-শাহীদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আতা-কে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «কিরাত (কুরআন পাঠ) ব্যতীত কোনো সালাত নেই»। আবু হুরায়রা বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা আমাদের নিকট উচ্চস্বরে প্রকাশ করেছেন, আমরাও তা তোমাদের নিকট উচ্চস্বরে প্রকাশ করছি, আর যা তিনি আমাদের নিকট অনুচ্চস্বরে রেখেছেন, আমরাও তা তোমাদের নিকট অনুচ্চস্বরে রাখছি। ইমাম মুসলিম এটি তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
10 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ الْفَقِيهُ ، أَنْبَأَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ قُتَيْبَةَ ، حَ

 

11 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرِ بْنُ قَتَادَةَ ، أَنْبَأَ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِةَ ثنا أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ قَالَا: ثنا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى ، أنا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ ، عَنْ حَبِيبٍ الْمُعَلِّمِ ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ: قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: «فِي كُلِّ صَلَاةٍ قِرَاءَةٌ ، فَمَا أَسْمَعَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَسْمَعْنَاكُمْ ، وَمَا أَخْفَى مِنَّا أَخْفَيْنَاهُ مِنْكُمْ ، ⦗ص: 18⦘ مَنْ قَرَأَ بِأُمِّ الْكِتَابِ فَقَدْ أَجْزَأَتْ عَنْهُ وَمَنْ زَادَ فَهُوَ أَفْضَلُ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى
১০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন ইসহাক আল-ফকিহ, সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন কুতাইবা, হা।

 

১১ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর বিন কাতাদা, সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আবদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফদল জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযিদ বিন যুরাই, হাবীব আল-মুয়াল্লিম থেকে, আতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: «প্রত্যেক সালাতেই কিরাত (পাঠ) রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যা শুনিয়েছেন, আমরাও তোমাদের তা শুনাই এবং যা তিনি আমাদের নিকট নিচু স্বরে পড়েছেন, আমরাও তোমাদের নিকট তা নিচু স্বরে পড়ি। ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ যে ব্যক্তি উম্মুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল, তা তার জন্য যথেষ্ট হলো এবং যে ব্যক্তি তার অতিরিক্ত পাঠ করল, তা অধিক উত্তম»। ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْأَصَمُّ ، ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ ، نا مُحَاضِرُ بْنُ الْمُوَرِّعِ ، نا ابْنُ أَبِي لَيْلَى ، عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَؤُمُّنَا فَيَجْهَرُ وَيُخَافِتُ ، قَالَ: فَجَهَرْنَا فِيمَا جَهَرَ وَنُخَافِتُ فِيمَا خَافَتَ فِيهِ ، وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: «لَا صَلَاةَ إِلَّا بِقِرَاءَةٍ»
১২ - আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান আল-কাজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাদির ইবনুল মুওয়াররি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি লায়লা আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ইমামতি করতেন, তখন তিনি উচ্চস্বরে এবং নিঃশব্দে কিরাআত পাঠ করতেন। তিনি বলেন: সুতরাং তিনি যেগুলোতে উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন আমরাও সেগুলোতে উচ্চস্বরে পাঠ করেছি এবং যেগুলোতে তিনি নিঃশব্দে পাঠ করেছেন আমরাও সেগুলোতে নিঃশব্দে পাঠ করেছি। আর আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «কিরাআত ব্যতীত কোনো সালাত নেই»।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَالِينِيُّ أَنْبَأَ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ ، ثنا عُمَرُ بْنُ سِنَانٍ ، ثنا سُحَيْمٌ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ قَائِلٌ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَفِي كُلِّ صَلَاةٍ قِرَاءَةٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ ذَلِكَ وَاجِبٌ» وَهَذَا شَاهِدٌ لِرِوَايَةِ أَبِي أُسَامَةَ فِي رَفَعِ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিনী, আমাদের জানিয়েছেন আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-হাফিজ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওমর ইবনে সিনান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুহাইম মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, জাফর ইবনে যুবায়ের থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-কে জিজ্ঞেস করলেন: প্রত্যেক সালাতেই কি কিরাত রয়েছে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, তা ওয়াজিব»। আর এটি আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীসটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনাকারী আবু উসামার বর্ণনার পক্ষে একটি সমর্থনকারী বর্ণনা (শাহেদ)।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ بْنُ الْحِمَامِيِّ بِبَغْدَادَ أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ ، أنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّائِغُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ثنا عَفَّانُ ، نا عَبْدُ الْوَارِثِ ، نا حَنْظَلَةُ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَمْ يَقْرَأْ فِيهِمَا إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ»
১৪ - বাগদাদে আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ আল-মুকরি বিন আল-হিমামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আহমাদ বিন সালমান আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মাদ আস-সাইগ আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে জানিয়েছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হানজালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমা থেকে, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন যাতে তিনি ফাতিহাতুল কিতাব ব্যতীত অন্য কিছু পাঠ করেননি।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، وَأَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ ⦗ص: 19⦘ قَالَا: ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ ثنا أُسَيْدُ بْنُ عَاصِمٍ ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ حَفْصٍ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: «يُجْزَى فِي الصَّلَاةِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَإِنْ زَادَ فَهُوَ أَفْضَلُ»
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয এবং আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনুল ফযল ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসাইদ ইবনে আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে হাফস, সুফইয়ান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নামাজে ফাতিহাতুল কিতাবই যথেষ্ট হয়, আর যদি বৃদ্ধি করা হয় তবে তা অধিক উত্তম।»
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ١٩)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَالِينِيُّ أَنْبَأَ أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ ، أنا يُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ ، أَنْبَأَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ المُحَارِبِيُّ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْفَضْلِ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الرَّكْعَتَانِ اللَّتَانِ لَا يُقْرَأُ فِيهِمَا خِدَاجٌ» فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَرَأَيْتَ إِنْ لَمْ يَكُنْ مَعِي إِلَّا أُمُّ الْقُرْآنِ قَالَ: «هِيَ حَسْبُكَ، هِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-মালিনী, আমাদের জানিয়েছেন আবু আহমাদ বিন আদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল মুমিন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ বিন হাম্মাদ, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-মুহারিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আল-ফাদল, তিনি সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে দুই রাকাতে কোনো কিছু পাঠ করা হয় না, তা অপূর্ণাঙ্গ»। তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার অভিমত কী যদি আমার নিকট উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) ব্যতীত অন্য কিছু না থাকে? তিনি বললেন: «এটিই তোমার জন্য যথেষ্ট, এটিই হলো সাবউল মাছানি (বারবার পঠিত সাতটি আয়াত)»।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌بَابُ الدَّلِيلِ عَلَى أَنْ لَا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ يَجْمَعُ الْإِمَامَ وَالْمَأْمُومَ وَالْمُنْفَرِدَ
পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা পাঠ ব্যতীত কোনো সালাত না হওয়ার প্রমাণ, যা ইমাম, মুক্তাদী এবং একাকী সালাত আদায়কারী সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ بْنِ أَحْمَدَ الْأَصْبَهَانِيُّ إِمْلَاءً، أَنْبَأَ أَبُو سَعِيدِ بْنُ الْأَعْرَابِيِّ ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ»
১৭ - আমাদের কাছে আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমদ আল-আসবাহানি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আবু সাঈদ ইবনুল আরাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে মুহাম্মদ আয-যাফরানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে রাবি থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে সামিত থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সেই ব্যক্তির কোনো সালাত নেই, যে কিতাবের ফাতেহা (সূরা আল-ফাতিহা) পাঠ করে না।»
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
18 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ بِبَغْدَادَ أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دُرُسْتَوَيْهِ ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ عَنِ الْحُمَيْدِيِّ ، حَ

 

19 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمَشٍ الْفَقِيهُ، ثنا عَلِيُّ بْنُ حَمْشَاذَ الْعَدْلُ ، ثنا أَبُو عَلِيٍّ بِشْرُ بْنُ مُوسَى بْنِ صَالِحِ بْنِ شَيْخِ بْنِ عُمَيْرَةَ الْجَوْهَرِيُّ الْأَسَدِيُّ نا الْحُمَيْدِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، نا الزُّهْرِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ مَحْمُودَ بْنَ الرَّبِيعِ ، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ ⦗ص: 21⦘ لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ» رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَغَيْرُهُ كُلُّهُمْ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ
১৮ - এবং বাগদাদে আবুল হোসেন মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দুরুস্তাওয়াইহ আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-হুমায়দী থেকে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। (সনদ পরিবর্তন)

 

১৯ - এবং ফকিহ আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমাশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে হামশাজ আল-আদল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আলী বিশর ইবনে মুসা ইবনে সালেহ ইবনে শাইখ ইবনে উমাইরা আল-জাওহারী আল-আসাদী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-হুমায়দী আমাদের জানিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের জানিয়েছেন, যুহরী আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মাহমুদ ইবনুর রবি'কে উবাদা ইবনুস সামিত থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তাতে (নামাজে) ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ কিতাবের প্রারম্ভিকা (সূরা ফাতেহা) পাঠ করে না, তার কোনো নামাজ নেই» এটি বুখারী তার সহীহ গ্রন্থে আলী ইবনুল মাদীনী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা সকলেই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে (এটি বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ التَّمِيمِيُّ الْفَقِيهُ، أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، نا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ ، نا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ: فِي مَتْنِهِ: «لَا تَجْزِي صَلَاةٌ لَا يَقْرَأُ الرَّجُلُ فِيهَا فَاتِحَةَ الْكِتَابِ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হারিস আত-তামিমি আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি ইবনে উমর আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জিয়াদ ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ, অতঃপর তিনি এটি তাঁর সনদের সাথে উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এর মূল পাঠে বলেছেন: «এমন সালাত যথেষ্ট হবে না যাতে কোনো ব্যক্তি ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করে না»।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢١)
21 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَحْبُوبِيُّ بِمَرْوٍ لَفْظًا غَيْرَ مَرَّةٍ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ سِيَادٍ الْمَرْوَزِيُّ نا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَّادٍ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ ، ثنا أَشْهَبُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، حَدَّثَنِي سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أُمُّ الْقُرْآنِ عِوَضٌ مِنْ غَيْرِهَا، وَلَيْسَ غَيْرُهَا مِنْهَا عِوَضًا» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: رُوَاتُهُ كُلُّهُمْ ثِقَةٌ
২১ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাহবুবি মার্ভ শহরে মৌখিকভাবে আমাদের নিকট একাধিকবার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে সিয়াদ আল-মারওয়াজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খাল্লাদ আল-ইস্কান্দারানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আশহাব ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে আল-রাবি' থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "উম্মুল কুরআন (সূরা আল-ফাতিহা) অন্য সূরার বিকল্প হয়, কিন্তু অন্য কোনো সূরা এর বিকল্প হয় না।" আবু আব্দুল্লাহ বলেন: এর বর্ণনাকারীদের সকলেই নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢١)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، وَأَبُو زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ ، وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ قَالُوا: ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ وَهْبٍ: أَخْبَرَكَ يُونُسُ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ ⦗ص: 22⦘ الْقُرْآنِ» رَوَاهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ فِي الصَّحِيحِ عَنْ أَبِي الطَّاهِرِ عَنْ حَرْمَلَةَ عَنِ ابْنِ وَهْبٍ
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আবু জাকারিয়া বিন আবি ইসহাক এবং আবু বকর আহমদ বিন আল-হাসান; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর বিন নাসর, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহবের নিকট পাঠ করা হয়েছে: আপনাকে ইউনুস সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, আমাকে মাহমুদ বিন রবী’ সংবাদ দিয়েছেন উবাদাহ বিন সামিত থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি উম্মুল ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ কুরআন পাঠ করে না, তার কোনো সালাত নেই।’ এটি মুসলিম বিন হাজ্জাজ সহীহ গ্রন্থে আবু তাহির থেকে, তিনি হারমালাহ থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহব থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
23 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي أنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْأَصَمُّ ، أنا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ ، أنا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ ، نا يُونُسُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ»
২৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান আল-কাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আল-আসাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন মুকরাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস, যুহরী থেকে, তিনি মাহমুদ বিন আল-রাবী থেকে, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল না, তার কোনো সালাত নেই»।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
24 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، نا أَبُو الْوَلِيدِ الْفَقِيهُ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ جَمِيلَةَ الْحُلْوَانِيُّ ، نا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نا أَبِي، عن صَالِحٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ الَّذِي مَجَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي وَجْهِهِ مِنْ بِئْرِهِمْ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ» رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيِّ
২৪ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়ালিদ আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে জামিলাহ আল-হুলওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সালিহ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে রাবী‘ থেকে—যার চেহারায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কূপের পানি দ্বারা কুলি করে দিয়েছিলেন। তিনি তাকে সংবাদ দেন যে, উবাদাহ ইবনে সামিত তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করে না, তার কোনো সালাত নেই।’ মুসলিম এটি তার সহিহ গ্রন্থে হাসান ইবনে আলি আল-হুলওয়ানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أَنْبَأَ أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَافِظُ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حُرَيْثٍ السِّنْجَرِيُّ ، ثنا عَتَّابُ بْنُ الْخَلِيلِ الْأَيْلِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَثْمَةَ ، نا مَالِكٌ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: قَالَ أَبُو عَلِيٍّ: مَا كَتَبْنَاهُ مِنْ حَدِيثِ مَالِكٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، ⦗ص: 23⦘ وَمُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَثْمَةَ بَصْرِيٌّ ثِقَةٌ
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন আলী আল-হাফিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হুরয়াইস আস-সিনজারী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আত্তাব বিন আল-খালীল আল-আইলী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন আসমাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক, ইবনে শিহাব থেকে, মাহমুদ বিন আর-রাবী থেকে, উবাদাহ বিন আস-সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করে না, তার সালাত হয় না» আবু আব্দুল্লাহ বলেন: আবু আলী বলেছেন: আমরা ইমাম মালিকের বর্ণনা থেকে এটি শুধুমাত্র এই সনদেই লিখেছি, ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ এবং মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন আসমাহ একজন নির্ভরযোগ্য বসরী।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ بِشْرَانَ ، أَنْبَأَ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِصْرِيُّ ثنا أَحْمَدُ بْنُ رِشْدِينَ ، نا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ ، نا رِشْدِينُ ، عَنْ قُرَّةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، وَعُقَيْلٌ ، وَيُونُسُ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ»
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন বিন বিশরান, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-মিসরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন রুশদিন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রুশদিন, তিনি কুররাহ বিন আব্দুর রহমান, উকাইল এবং ইউনুস থেকে, তাঁরা ইবনে শিহাব থেকে, মাহমুদ বিন রবী' আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উবাদাহ ইবনুস সামিত থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করেনি তার সালাত হয় না।»
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ بْنِ أَحْمَدَ الْأَصْبَهَانِيُّ ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، أنا مَعْمَرٌ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَصَاعِدًا»

 

28 - وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ ، أَنْبَأَ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْقِلٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ ، نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَوَيْهِ وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، وَقَالَ الْبُخَارِيُّ فِي كِتَابِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الْإِمَامِ: عَامَّةُ الثِّقَاتِ لَمْ يُتَابِعْ مَعْمَرًا فِي قَوْلِهِ: «فَصَاعِدًا» ثُمَّ قَالَ: وَيُقَالُ إِنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ إِسْحَاقَ تَابَعَ مَعْمَرًا وَهُوَ كَمَا قَالَ،

 

29 - فَقَدْ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ أنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، نا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ ، نا بِشْرُ بْنُ ⦗ص: 24⦘ الْمُفَضَّلِ ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، فَذَكَرَهُ نَحْوَ حَدِيثِ مَعْمَرٍ، قَالَ الْبُخَارِيُّ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ رُبَّمَا أَدْخَلَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الزُّهْرِيِّ غَيْرَهُ، وَلَا نَعْلَمُ أَنَّ هَذَا مِنْ صَحِيحِ حَدِيثِهِ أَمْ لَا ، ثُمَّ شَبَهُهُ أَنْ ثَبَتَ بِقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقْطَعُ الْيَدُ إِلَّا فِي رُبُعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا» ، فَتُقْطَعُ الْيَدُ فِي دِينَارٍ وَفِي أَكْثَرَ مِنْ دِينَارٍ، قَالَ ابْنُ خُزَيْمَةَ كَذَلِكَ: هَذِهِ اللَّفْظَةُ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَصَاعِدًا» ، أَيْ: لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ أَوْ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَزِيَادَةٌ، كَخَبَرِ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আহমদ আল-আসবাহানি, তিনি জানিয়েছেন যে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-কাত্তান তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, আমাদের জানিয়েছেন মা’মার, তিনি যুহরি থেকে, তিনি মাহমুদ বিন আর-রাবি’ থেকে, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) এবং তার অতিরিক্ত কিছু পাঠ করে না, তার সালাত হয় না।”

 

২৮ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আল-হাসান, তিনি জানিয়েছেন যে আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মাকিল তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, অতঃপর তিনি পূর্বের ন্যায় একই সনদে এটি উল্লেখ করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি তার সহীহ গ্রন্থে ইসহাক বিন রাহওয়াইহ ও আবদ বিন হুমাইদ থেকে, তারা আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী ‘কিতাবুল কিরাআতি খালাফাল ইমাম’ গ্রন্থে বলেন: অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী মা’মারকে তার “এবং তার অধিক” (ফা-সা’ইদান) কথাটিতে অনুসরণ করেননি। অতঃপর তিনি বলেন: বলা হয়ে থাকে যে, আবদুর রহমান বিন ইসহাক মা’মারকে অনুসরণ করেছেন এবং বিষয়টি তেমনই যেমন তিনি বলেছেন।

 

২৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-মুকরি, তিনি জানিয়েছেন যে হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ আল-মুফাদ্দাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন ইসহাক, তিনি যুহরি থেকে, অতঃপর তিনি মা’মারের হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী বলেন: আবদুর রহমান সম্ভবত তার ও যুহরির মাঝে অন্য কাউকে প্রবেশ করাতেন এবং আমরা জানি না যে এটি কি তার সহীহ হাদীস সমূহের অন্তর্ভুক্ত কি না। অতঃপর এর সাদৃশ্য হলো—যদি তা সাব্যস্ত হয়—নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “এক চতুর্থাংশ দিনার বা তার অধিক পরিমাণ (মূল্য) ছাড়া হাত কাটা যাবে না।” সুতরাং এক দিনার বা এক দিনারের বেশিতেও হাত কাটা যাবে। ইবনে খুজাইমাও তদ্রূপ বলেছেন: এই শব্দসমষ্টি: “যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন এবং তার অতিরিক্ত কিছু পাঠ করে না, তার সালাত হয় না” এর অর্থ হলো: যে ব্যক্তি কেবল উম্মুল কুরআন পাঠ করে না অথবা যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন এবং তার সাথে অতিরিক্ত কিছু পাঠ করে না; যেমনটি কাতাদাহ-এর হাদীস যা আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-কিরাআতু খলফাল ইমাম লিল-বাইহাকী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
30 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَافِظُ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرِ بْنِ صَالِحٍ الدَّيْنَوَرِيُّ الْحَافِظُ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ هَارُونَ الْمُسْتَمْلِيُّ الْمِصِّيصِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ ، ثنا الْأَوْزَاعِيُّ ، وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَصَاعِدًا» كَذَا أَتَى بِهَذِهِ الزِّيَادَةِ
৩০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন আলী আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন বিশর বিন সালিহ আদ-দায়নাওয়ারী আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হারুন আল-মুস্তামলি আল-মিসসিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওজাঈ এবং শুআইব বিন আবি হামজাহ, তাঁরা আজ-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন আর-রাবী, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ঐ ব্যক্তির সালাত হয় না যে কিতাবের প্রারম্ভিকা (সূরা ফাতিহা) এবং তার অতিরিক্ত কিছু পাঠ করে না» এই বর্ধিতাংশটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।