(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: -)
نهج الرشاد في نظم الاعتقاد القسم: العقيدة
الكتاب: نهج الرشاد في نظم الاعتقاد
المؤلف: يوسف بن محمد بن مسعود بن محمد العبادي العقيلي، جمال الدين السرمري (ت 776هـ)
المحقق: أبو المنذر المنياوي
الناشر: أرسله محققه للمكتبة الشاملة
الطبعة: الأولى، 1435 هـ - 2014 م
عدد الصفحات: 128
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 6 ذو الحجة 1435
নাহজুল রাশাদ ফি নাজমিল ই'তিকাদ বিভাগ: আকিদাহ
বই: নাহজুল রাশাদ ফি নাজমিল ই'তিকাদ
লেখক: ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন মাসউদ বিন মুহাম্মদ আল-আব্বাদি আল-উকায়লি, জামালুদ্দিন আস-সারমারী (মৃত্যু ৭৭৬ হিজরি)
সম্পাদক: আবু আল-মুনজির আল-মিনইয়াউই
প্রকাশক: এর সম্পাদক এটি মাকতাবাতুশ শামিলার কাছে পাঠিয়েছেন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৫ হিজরি - ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩৫
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ}
{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً}
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً}
أما بعد ..
فإنه مما يمتن به المولى عز وجل على الإنسان أن ييسر له طرقَ الخير، فأحمد الله للعلي الكبير أن يسر لي الوقوف على هذا المخطوط ضمن مجموعة أخرى من المخطوطات التي قام بتصويرها عن طريق الحاسب الآلي، ونشرها بين طلاب العلم بعض الإخوة المحبين لنشر العلم - فجزاهم الله خيراً- وكان هذا المخطوط هو أول ما لفت نظري من بينهم، فأخذت في قراءته، فألفيته رائعة من روائع السلف، ينم على غزارة علم ناظمها، فاستعنت بالله عز وجل متطفلاً على موائد المحققين، وأخذت في بذل الوسع لتحقيقه، والتعليق عليه، لإخراجه في أفضل صورة أستطيعها، فلله الفضل، والمنة.
سبب اختيار هذا المخطوط:1 - تعلقه بأشرف العلوم، وهو علم العقيدة.
2 - تضمين الناظم فيه لبعض القضايا الفقهية الهامة كبيان: تحريم المسكرات، والمعازف والغناء، وربا الفضل، والحيل المذمومة، وبذلك تحققت فيه شمولية، وتنوع مواده.
3 - اشتمال المنظومة على بيان عقيدة السلف، والرد على المخالفين، وبيان زيف منهجهم بأسلوب رائع، وحجة قوية.
4 - تعريف الناس بهذا العلم الجهبذ، فإنه مع كثرة تصانيفه، وسلامة منهجه، وثناء العلماء
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা চাই। আর আমরা আমাদের নফসের মন্দ কাজ ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথপ্রদর্শক হতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।}
{হে মানুষ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের দু’জন থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে সাহায্য চাও এবং রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়স্বজনদের ব্যাপারে (সতর্ক থাকো)। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।}
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।}
অতঃপর ..
নিশ্চয় মহান আল্লাহ মানুষের প্রতি যে অনুগ্রহগুলো করেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো তার জন্য কল্যাণের পথসমূহ সহজ করে দেওয়া। তাই আমি সেই সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর প্রশংসা করছি যে, তিনি আমাকে এই পাণ্ডুলিপিটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন সেই পাণ্ডুলিপিসমূহের মধ্য থেকে যা ইলম প্রচারে আগ্রহী কিছু ভাই কম্পিউটারের মাধ্যমে ছবি তুলেছেন এবং ইলম অন্বেষণকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন - আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। এই পাণ্ডুলিপিসমূহর মধ্যে এটিই সর্বপ্রথম আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তাই আমি এটি পড়া শুরু করি এবং আমি একে সালাফদের অনন্য রত্নসমূহের একটি হিসেবে দেখতে পাই, যা এর রচয়িতার জ্ঞানের গভীরতাকে নির্দেশ করে। এরপর আমি মহান আল্লাহর সাহায্য চেয়ে গবেষকদের মজলিসের একজন নগণ্য ব্যক্তি হিসেবে এর তাহকীক ও টীকা প্রদানের জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা শুরু করি, যেন একে আমার সাধ্য অনুযায়ী সর্বোত্তম রূপে প্রকাশ করতে পারি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ কেবল আল্লাহরই জন্য।
এই পাণ্ডুলিপিটি নির্বাচনের কারণ:১ - এটি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ইলম বা বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট, আর তা হলো আকীদা শাস্ত্র।
২ - কাব্য রচয়িতা এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিকহী মাসআলা অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যেমন: মাদকদ্রব্য, বাদ্যযন্ত্র ও গান, রিবাল ফজল এবং নিন্দনীয় কৌশলের নিষিদ্ধতার বর্ণনা। এর ফলে এর মধ্যে ব্যাপকতা ও বিষয়ের বৈচিত্র্য অর্জিত হয়েছে।
৩ - এই কাব্যগ্রন্থে সালাফদের আকীদার বর্ণনা, বিরোধীদের খণ্ডন এবং চমৎকার শৈলী ও জোরালো প্রমাণের মাধ্যমে তাদের মানহাজের অসারতা ফুটে উঠেছে।
৪ - মানুষকে এই বিজ্ঞ পণ্ডিতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, কেননা তাঁর অসংখ্য রচনা, মানহাজের বিশুদ্ধতা এবং আলেমদের উচ্চ প্রশংসা সত্ত্বেও...
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৪)
عليه، إلا أنه لم يطبع له رحمه الله سوى نظم: "الحمية الإسلامية للانتصار لمذهب ابن تيمية" - وهو غير مشهور -.
عملي في المخطوط:1 - قمت بنسخه، وتصحيحه.
2 - قمت بإثبات ما وجدته من تصويبات على هامش المخطوط، وأشرت في هامش التحقيق إلى الفروق بين الأصل، والتصويب.
3 - قمت بوضع عناوين، وتقاسيم للمنظومة لتقريبها للقارئ، وتيسيراً للإفادة منها.
4 - ضبط، وشكل ألفاظه (1)، مع ترقيم الأبيات؛ ليسهل تناولها على القارئ.
5 - التعليق، والتوضيح لما أشكل، أو استغلق من ألفاظه، وذلك بإتباع ما يلي:
أ - ذكر الأدلة الشرعية التي تعضد ما ذهب إليه الناظم.
ب - شرح غريب الألفاظ بالرجوع إلى كتب المعاجم، والغريب.
ج - تقريب المعنى الذي يقصده الناظم فيما أشكل من أبيات، مع البعد عن التكلف، والغلو.
د - التعليق على ما يظهر أن الناظم قد جانبه فيه الصواب، مع محاولة تحميل كلام الناظم على أفضل محامله، على أن يكون ذلك مدعوماً بالأدلة الشرعية، ومشفوعاً بكلام أهل العلم.
هـ - وقد راعيت أثناء كتابتي للتعليقات عدم الإسهاب الممل، وعدم التعليق إلا عند
الحاجة؛ حتى لا يطول الكتاب بما لا فائدة فيه، أو بما يستغنى عنه.
--------------------------------------------
তাঁর উপরে, তবে তাঁর (রাহিমাহুল্লাহ) 'আল-হামিয়্যাহ আল-ইসলামিয়্যাহ লিল-ইনতিসার লি-মাযহাবি ইবনু তাইমিয়্যাহ' কাব্যটি ছাড়া আর কিছুই মুদ্রিত হয়নি -যা তেমন প্রসিদ্ধ নয়-।
পাণ্ডুলিপিতে আমার কাজ:১ - আমি এটি অনুলিপি এবং সংশোধন করেছি।
২ - পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় আমি যে সংশোধনগুলো পেয়েছি তা মূল পাঠে অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং সম্পাদনার টীকায় মূল ও সংশোধিত পাঠের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করেছি।
৩ - আমি কাব্যটিকে পাঠকের নিকট সহজবোধ্য করার জন্য এবং তা থেকে উপকার গ্রহণ সহজ করার লক্ষ্যে এর শিরোনাম ও বিভাজন নির্ধারণ করেছি।
৪ - পংক্তিগুলোর নম্বর প্রদানের পাশাপাশি শব্দসমূহে হরকত ও সঠিক রূপ (১) প্রদান করেছি, যাতে পাঠকের জন্য তা পাঠ করা সহজ হয়।
৫ - জটিল বা অস্পষ্ট শব্দগুলোর ব্যাখ্যা ও টীকা প্রদান করেছি, আর তা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অনুসরণের মাধ্যমে:
ক - কাব্য রচয়িতা যে মত গ্রহণ করেছেন তার সমর্থনে শরয়ী দলীলসমূহ উল্লেখ করা।
খ - অভিধান ও দুষ্পাপ্য শব্দকোষের কিতাবসমূহের সহায়তায় কঠিন শব্দাবলির ব্যাখ্যা প্রদান।
গ - জটিল পংক্তিগুলোতে রচয়িতা যা বুঝাতে চেয়েছেন তা সহজবোধ্য করা, সাথে সাথে কৃত্রিমতা ও অতিরঞ্জন থেকে দূরে থাকা।
ঘ - রচয়িতা যেখানে সঠিক মত থেকে বিচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে সেখানে টীকা প্রদান করা, পাশাপাশি রচয়িতার বক্তব্যকে যথাসম্ভব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করা, যা শরয়ী দলীল এবং বিশেষজ্ঞ আলেমদের বক্তব্যের মাধ্যমে সমর্থিত হবে।
ঙ - টীকা লেখার সময় আমি বিরক্তিকর দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করেছি এবং প্রয়োজন ছাড়া কোনো টীকা দিইনি; যাতে অপ্রয়োজনীয় বা গুরুত্বহীন কথার কারণে বইটি দীর্ঘ না হয়ে যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
6 - قمت بالترجمة للمؤلف رحمه الله.
7 - قمت بإعداد فهرس شامل لموضوعات ومسائل المنظومة والتعليق.
وصف النسخة الخطية:
ذكرت فيما سبق أنني حصلت على هذه المخطوطة مصورة عن طريق الحاسب الآلي، وقد وجدت على الصفحة الصفحة الأولى منها:
أصل رقم = 154
عدد الأوراق = 9 ق
رقم المصورة = 952
وعلى الأخيرة من المخطوطة: خاتم دار الكتب الأهلية.
والمخطوطة مكتوبة بخط جيد ومقروء، وعليها تصويبات قراءة على الناظم، وسماعات.
صورة الصفحة الأولى من المخطوط
৬ - আমি লেখকের (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন) জীবনী প্রস্তুত করেছি।
৭ - আমি এই কাব্য এবং এর টীকার বিষয়বস্তু ও মাসআলাসমূহের একটি পূর্ণাঙ্গ নির্ঘণ্ট তৈরি করেছি।
পাণ্ডুলিপির বিবরণ:
আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি যে, আমি কম্পিউটারের মাধ্যমে এই পাণ্ডুলিপিটির একটি চিত্রায়িত কপি লাভ করেছি এবং এর প্রথম পৃষ্ঠায় আমি যা পেয়েছি:
মূল নম্বর = ১৫৪
পত্র সংখ্যা = ৯টি পাতা
চিত্র নম্বর = ৯৫২
এবং পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠায় রয়েছে: দারুল কুতুব আল-আহলিইয়ার সিলমোহর।
পাণ্ডুলিপিটি সুন্দর এবং পাঠযোগ্য হস্তাক্ষরে লিখিত, আর এতে মূল রচয়িতার নিকট পাঠ করার সংশোধনী এবং শ্রবণের প্রমাণপত্রাদি (সামা‘আত) রয়েছে।
পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার ছবি
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
صورة الصفحة الثانية من المخطوط
صورة الصفحة قبل الأخيرة من المخطوط
পাণ্ডুলিপির দ্বিতীয় পৃষ্ঠার ছবি
পাণ্ডুলিপির শেষ পূর্ববর্তী পৃষ্ঠার ছবি
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
صورة الصفحة الأخيرة من المخطوط
توثيق اسم المنظومة:اسم المنظومة: نهج الرشاد في نظم الاعتقاد - كما هو مذكور على الصفحة الأولى منها.
وأيضاً قال الناظم في آخرها:
142 - وَسَمَّيْتُهَا نَهْجَ الرَّشَادِ لِكَوْنِهَا
… تَفُوقُ بِنَظْمِ الْاِعْتِقَادِ عِلِى الدُّرِّ
بالإضافة إلى أن كل من ذكرها من أهل العلم، سماها بهذا الاسم.
توثيق نسبتها للناظم:ناظمها هو: جمال الدين أبي المظفر يوسف بن محمد بن مسعود بن محمد بن علي بن إبراهيم العبادي السرمري - كما هو مذكور على الصفحة الأولى منها، وفي بدايتها.
وأيضاً قال الناظم في آخرها:
151 - مُؤَلِّفُهَا نَجْلُ الْعَبادِيِّ يُوسُفُ
… وَخَاتِمُهَا بِالْحَمْدِ لِلَّهِ وَالشُّكْرِ
بالإضافة إلى أن كل من ترجم للناظم ذكرها ضمن مؤلفاته.
পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠার চিত্র
মানজুমার নামের প্রামাণিকতা:মানজুমার নাম: নাহজুল রাশাদ ফি নাযমিল ই'তিকাদ - যেমনটি এর প্রথম পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও নাযিম (কাব্যকার) এর শেষে বলেছেন:
১৪২ - আর আমি এর নামকরণ করেছি নাহজুল রাশাদ, যেহেতু এটি
… আকিদাহর বিন্যাসে মুক্তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
অধিকন্তু ইলম অন্বেষণকারীদের মধ্যে যারা এটি উল্লেখ করেছেন, তারা সকলেই একে এই নামেই অভিহিত করেছেন।
নাযিমের প্রতি এর সম্বন্ধের প্রামাণিকতা:এর নাযিম হলেন: জামালুদ্দিন আবু আল-মুজাফফর ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ বিন মাসউদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন ইবরাহিম আল-আব্বাদী আল-সারমারী - যেমনটি এর প্রথম পৃষ্ঠায় এবং এর শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও নাযিম এর শেষে বলেছেন:
১৫১ - এর রচয়িতা আল-আব্বাদীর পুত্র ইউসুফ
… আর আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়ার মাধ্যমে তিনি এটি সমাপ্ত করেছেন।
পাশাপাশি যারা নাযিমের জীবনী লিখেছেন, তারা সকলেই এটি তাঁর গ্রন্থাবলীর অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
ترجمة الناظم (1):
اسمه، ونسبه، وكنيته:هو: جمال الدين أبو المظفر يوسف بن محمد بن مسعود بن محمد بن علي بن إبراهيم العبادي - بالتخفيف - ثم العقيلي السرمري نزيل دمشق الحنبلي.
مولده:قال ابن ناصر الدين الدمشقي في الرد الوافر: (مولده فيما وجدته بخطه في سابع عشر رجب من سنة ست وتسعين وستمائة بسر من رأى).
وسر من رأى هي مدينة سامراء، قال الحموي في معجم البلدان (3/ 173): [سامراء لغة في سر من رأى، مدينة كانت بين بغداد، وتكريت على شرقي دجلة، وقد خربت، وفيها لغات: سامراء ممدود، وسامرا مقصور، وسر من رأ مهموز الآخر، وسر من را مقصور الآخر
… وبها السرداب المعروف في جامعها الذي تزعم الشيعة أن مهديهم يخرج منه، وقد ينسبون إليها بالسرمري
… وذكر محمد بن أحمد البشاري نكتة حسنة فيها قال: لما عمرت سامراء، وكملت، واتسق خيرها، واحتفلت سميت: سرور من رأى، ثم اختصرت فقيل: سر من رأى، فلما خربت، وتشوهت خلقتها، واستوحشت سميت: ساء من رأى، ثم اختصرت فقيل: سامراء
…].
طلبه للعلم، ورحلاته، وشيوخه:أخذ الناظم رحمه الله العلم عن الأئمة، والمسندين من شيوخ العراق كالصفي عبد المؤمن بن عبد الحق، وأبي الثناء محمود بن علي الدقوقي، وغيرهما، ورحل إلى دمشق فسمع من أصحاب ابن
--------------------------------------------
নাযিমের জীবনী (১):
তাঁর নাম, বংশপরিচয় এবং উপনাম:তিনি হলেন: জামালুদ্দিন আবু আল-মুজাফফর ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাসউদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে ইব্রাহিম আল-আবাদি —লঘূচ্চারণে— অতঃপর আল-উকাইলি আস-সারমারি, দামেশকের অধিবাসী, হাম্বলি।
তাঁর জন্ম:ইবনে নাসিরুদ্দিন আদ-দিমাশকি 'আর-রাদ্দুল ওয়াফির' গ্রন্থে বলেছেন: (তাঁর নিজের হস্তাক্ষরে আমি যা পেয়েছি সে অনুযায়ী তাঁর জন্ম ৬৯৬ হিজরির ১৭ই রজব 'সুররা মান রাআ' নামক স্থানে)।
আর 'সুররা মান রাআ' হলো সামাররা শহর। আল-হামাউয়ি 'মুজামুল বুলদান' (৩/১৭৩) গ্রন্থে বলেছেন: [সামাররা হলো 'সুররা মান রাআ' এর ভাষাগত রূপ। এটি দজলা নদীর পূর্ব তীরে বাগদাদ ও তিকরিতের মধ্যবর্তী একটি শহর ছিল, যা বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত। এর উচ্চারণে বিভিন্ন রূপ রয়েছে: সামাররা (দীর্ঘায়িত), সামারা (সংক্ষিপ্ত), সুররা মান রা' (হামযা সহকারে), এবং সুররা মান রা (হামযা ছাড়া) ... সেখানে তাঁর জামে মসজিদে একটি সুপরিচিত সুড়ঙ্গপথ (সারদাব) রয়েছে, যেখান থেকে শিয়ারা দাবি করে যে তাদের মাহদি বের হবে। কখনও কখনও এই শহরের সাথে সম্পৃক্ত করে 'আস-সারমারি' বলা হয় ... মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বাশারি এতে একটি চমৎকার কৌতুকপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: যখন সামাররা আবাদ করা হলো, পূর্ণতা পেল, সেখানকার মঙ্গলধারা সুশৃঙ্খল হলো এবং জমকালো রূপ নিল, তখন এর নাম দেওয়া হলো: 'সুরূরা মান রাআ' (যে এটি দেখবে সে আনন্দিত হবে), অতঃপর তা সংক্ষিপ্ত করে বলা হলো: 'সুররা মান রাআ'। আর যখন এটি ধ্বংস হয়ে গেল, এর চেহারা কদর্য হয়ে গেল এবং এটি নির্জন হয়ে পড়ল, তখন এর নাম দেওয়া হলো: 'সাআ মান রাআ' (যে এটি দেখবে সে ব্যথিত হবে), অতঃপর তা সংক্ষিপ্ত করে বলা হলো: 'সামাররা' ...]।
তাঁর ইলম অর্জন, সফরসমূহ এবং উস্তাদগণ:নাযিম (রাহিমাহুল্লাহ) ইরাকের শায়খদের মধ্য থেকে ইমামগণ এবং মুসনিদদের (সনদধারী আলেম) নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন, যেমন আস-সাফি আব্দুল মুমিন ইবনে আব্দুল হক, আবুল সানা মাহমুদ ইবনে আলি আদ-দাকুকি এবং আরও অনেকে। তিনি দামেশকে সফর করেন এবং ইবনে (এর সঙ্গীদের নিকট থেকে শ্রবণ করেন)...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
عبد الدائم، وجماعة غيرهم، وأجاز له أبو العباس أحمد بن أبي طالب الحجار وعدة سواه.
وأخذ الفقه عن سراج الدين حسين بن يوسف بن أبي السري التستري، ثم انتقل إلى بغداد سنة تسع وعشرين، وأجاز له ابن الشحنة، وابن الدواليبي، وغيرهما.
برع الناظم في علوم كثيرة منها: العربية، والفرائض. ونظم، وخرج، وحدث، واقعد بأخرة، وقد جاز الثمانين.
وقد ذكره أيضاً الذهبي في المعجم المختص فقال: قدم علينا سنة ست وأربعين وقرأ عليَّ.
ومن شيوخهم (1) الذين أثنى عليهم، وامتدحهم كثيراً: الشيخ حسان حيث قال عنه في منظومتنا هذه:
8 - فَلَوْلَا مَكَانُ الشَّيخِ حَسَّانِ أَصْبَحَتْ
… مَدِينَةُ سَامَّرَاءَ فِي غَايَةِ الضُّرِ
9 - وَلَوْلَا خِلَالٌ شَدَّهَا لَتَعَطَّلَتْ
… رُسُومُ الْهُدَى وَاسْتَوْسَقَتْ دَوْلَةُ الشِّرِ
10 - هَوُ الْعَالِمُ الْمَرْضِيُّ وَالقُثَمُ الذي
… يَفَتِّحُ أَقْفَالَ الْمَسَائِلِ بِالسَّبْرِ
11 - إِذَا سَأَلُوهُ عَنْ دَلِيلِ مَقَالِةِ
… أَجَابَ بِقَوْلِ اللهِ فِي مُحْكَمِ الذِّكْرِ
12 - وَإِنْ يَسْتَزِيدُوا قَالَ قَالَ مُحَمَّدٌ
… وَإِن يَسْتَزِيدُوا قَالَ قَالَ أَبُو بَكْرِ
13 - كَفَانِي أَنِّي أَنْتَمِي بِعَقِيَدتيِ
… إِلَيْهِ وَإِنِّي فِي طَرِيقَتَهِ أَجْرِي
تقدير الناظم لتقي الدين ابن تيمية ووصفه بأنه شيخ الإسلام:قال ابن ناصر الدين الدمشقي في الرد الوافر: [وترجم - أي الناظمُ - الشيخ تقي الدين بشيخ الإسلام فيما كتبه بخطه، وجمع في شمائله اللطيفة ترجمة مونقة منيفة إعلاما بقدره، وتنبيها قال فيما وجدته بخطه فيها: حدثني غير واحد من العلماء الفضلاء، والأئمة النبلاء، الممعنين في الخوض في أقاويل المتكلمين، لإصابة الصواب، وتمييز القشر من اللباب: أن كلا منهم لم يزل حائرا في تجاذب أقوال الأصوليين، ومعقولاتهم، وأنه لم يستقر في قلبه منها قول، ولم يبن له من مضمونها حق بل رآها كلها موقعة في الحيرة، والتضليل، وجلها ممعن يتكلف الأدلة، والتعليل، وأنه كان خائفا على نفسه من الوقوع بسببها في التشكيك، والتعطيل، حتى مَنَّ الله سبحانه، وتعالى عليه بمطالعة مؤلفات هذا الإمام ابن تيمية، شيخ الإسلام، مما أورده من النقليات، والعقليات في هذا النظام، فما هو إلا أن
--------------------------------------------
عبد الدائم এবং তাদের আরও একদল; আর তাকে অনুমতি (ইজাজাহ) দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবি তালিব আল-হাজ্জার এবং তিনি ছাড়া আরও অনেকে।
তিনি সিরাজুদ্দীন হুসাইন ইবনে ইউসুফ ইবনে আবিস সানি আত-তুস্তারি থেকে ফিকহ শিক্ষা করেছেন। এরপর তিনি সাতশ উনত্রিশ হিজরি সনে বাগদাদে চলে যান। সেখানে তাকে ইবনে আশ-শুহনা, ইবনে আদ-দাওয়ালিবি এবং আরও অনেকে ইজাজাহ প্রদান করেন।
নাজিম (কাব্য রচয়িতা) অনেক বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে: আরবি ভাষা এবং ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন)। তিনি কবিতা রচনা করেছেন, হাদিস সংকলন করেছেন, বর্ণনা করেছেন এবং শেষ জীবনে তিনি বার্ধক্যের কারণে আসীন অবস্থায় পাঠদান করতেন; তিনি আশি বছর বয়স অতিক্রম করেছিলেন।
ইমাম যাহাবিও 'আল-মুজামুল মুখতাস' গ্রন্থে তার উল্লেখ করে বলেছেন: তিনি সাতশ ছেচল্লিশ হিজরি সনে আমাদের নিকট আসেন এবং আমার কাছে পাঠ গ্রহণ করেন।
আর তাদের উস্তাদদের (১) মধ্যে একজন, যাঁর তিনি প্রশংসা করেছেন এবং অনেক গুণগান করেছেন: শায়খ হাসসান। তিনি তাঁর সম্পর্কে আমাদের এই কাব্যে বলেছেন:
৮ - শায়খ হাসসানের মর্যাদা না থাকলে
… সামাররা শহর চরম দুর্দশার মধ্যে নিপতিত হতো।
৯ - যদি তাঁর সংস্কারসমূহ না থাকত, তবে
… হেদায়াতের চিহ্নসমূহ বিলুপ্ত হতো এবং অকল্যাণের রাজত্ব সুসংহত হতো।
১০ - তিনি সেই সন্তোষভাজন আলিম এবং উদারমনা ব্যক্তি যিনি
… গভীর গবেষণার মাধ্যমে কঠিন মাসআলাসমূহের তালা উন্মুক্ত করেন।
১১ - যখন তারা তাঁকে কোনো বক্তব্যের দলিল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে
… তিনি পবিত্র কুরআনের সুস্পষ্ট বাণীর মাধ্যমে উত্তর দেন।
১২ - তারা যদি আরও দলিলের আকাঙ্ক্ষা করে, তিনি বলেন: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন
… আর যদি আরও আকাঙ্ক্ষা করে, তবে তিনি বলেন: আবু বকর (রা.) বলেছেন।
১৩ - আমার জন্য এটিই যথেষ্ট যে, আমি আমার আকিদায়
… তাঁরই অনুসারী এবং আমি তাঁর দেখানো পথেই চলি।
তাকিউদ্দীন ইবনে তাইমিয়ার প্রতি নাজিমের শ্রদ্ধা এবং তাঁকে শাইখুল ইসলাম হিসেবে অভিহিত করা:ইবনে নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকি 'আর-রাদ্দ আল-ওয়াফির' গ্রন্থে বলেছেন: [আর নাজিম—অর্থাৎ কবিতা রচয়িতা—শায়খ তাকিউদ্দীনকে তাঁর নিজ হাতে লিখিত লিপিতে 'শাইখুল ইসলাম' হিসেবে জীবনী উল্লেখ করেছেন। তিনি তাঁর মর্যাদাকে তুলে ধরতে এবং মানুষকে সচেতন করতে তাঁর সুন্দর গুণাবলি নিয়ে একটি চমৎকার ও উচ্চাঙ্গের জীবনী সংকলন করেছেন। তিনি তাঁর নিজ হাতে যা লিখেছেন তার মধ্যে বলেছেন: আমাকে অনেক বিদগ্ধ আলিম এবং প্রাজ্ঞ ইমামগণ বর্ণনা করেছেন, যারা সত্যের সন্ধান পেতে এবং অসার থেকে সারবস্তুকে পৃথক করার জন্য মুতাকাল্লিমদের (কালামশাস্ত্রবিদ) বক্তব্যের গভীর অনুসন্ধানে নিমগ্ন ছিলেন: তাদের প্রত্যেকেই উসুলবিদদের বক্তব্যের পারস্পরিক বিরোধ এবং তাদের যুক্তিসমূহ নিয়ে সব সময় বিভ্রান্তিতে থাকতেন। তাদের কারও মনেই কোনো নির্দিষ্ট বক্তব্যের ওপর স্থিরতা আসত না এবং তাদের কাছে কোনো হক বা সত্য প্রকাশিত হতো না। বরং তারা সেগুলোর সবটুকুই বিভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে দেখতেন। তাদের অধিকাংশই কষ্টসাধ্য দলিল এবং ব্যাখ্যার আশ্রয় নিতেন। তারা ভয় পেতেন যে, এর কারণে হয়তো তারা সন্দেহবাদ এবং আল্লাহর গুণাবলি অস্বীকার করার (তাতিল) মধ্যে নিপতিত হবেন। অবশেষে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এই ইমাম ইবনে তাইমিয়া, শাইখুল ইসলাম-এর রচিত গ্রন্থসমূহ অধ্যয়নের মাধ্যমে তাদের ওপর অনুগ্রহ করেন। যেখানে তিনি বর্ণনামূলক (নকলিয়া) এবং যৌক্তিক (আকলিয়া) বিষয়সমূহকে এই সুশৃঙ্খল ধারায় উপস্থাপন করেছেন। আর ফলাফল এই যে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
وقف عليها، وفهمها فرآها موافقة للعقل السليم، وعلمها حتى انجلى ما كان قد غشيه في أقوال المتكلمين من الظلام، وزال عنه ما خاف أن يقع فيه من الشك، وظفر بالمرام.
ومن أراد اختبار صحة ما قلته فليقف بعين الإنصاف العرية عن الحسد، والانحراف أن شاء على مختصراته في هذا الشأن كـ: شرح العقيدة الاصبهانية، ونحوها، وإن شاء على مطولاته كـ: تخليص التلبيس من تأسيس التقديس، والموافقة بين العقل والنقل، ومنهاج الاستقامة والاعتدال، فإنه - والله - يظفر بالحق، والبيان، ويستمسك بأوضح برهان، ويزن حينئذ في ذلك بأصح ميزان
…].
تلاميذه:وقد أخذ عن الناظم - رجمه الله - ابن رافع مع تقدمه، وذكره في معجمه، وحدث عنه، ومات قبله.
وروى عن أيضاً جماعة منهم ابنه إبراهيم.
ثناء العلماء عليه:قال ابن ناصر الدين في الرد الوافر: الشيخ الامام العلامة الحافظ البركة القدوة ذو الفنون البديعة والمصنفات النافعة
… وكان إماما ثقة عمدة زاهدا عابدا محسنا جهده، صنف في أنواع كثيرة نثرا ونظما وخرج وأفاد وأملى رواية وعلما
… وكان عمدة في نقد رجال الحديث وضبطه.
وقال الذهبي: وله معرفة بالمذهب، ونظم جيد في علوم الحديث، وغيرها.
وقال ابن العماد في شذرات الذهب: الشيخ العالم المفنن الحافظ.
وقال أبو المحاسن الحسيني في ذيل تذكرة الحفاظ: الإمام العلامة الحافظ جمال الدين أبو المظفر
… وكان عمدة ثقة ذا فنون إماما علامة له مصنفات عدة في أنواع كثيرة نثراً، ونظماً خرج، وأفاد، وأملي رواية، وعلما.
وقال كحالة في معجم المؤلفين: محدث، حافظ، فقيه، فرضي، نحوي، ناظم، مشارك في غير ذلك.
وقال الزركلي في الأعلام: حافظ للحديث، من علماء الحنابلة.
مصنفاته (1):
--------------------------------------------
তিনি এগুলোর ওপর নিবিষ্ট হলেন এবং এগুলো অনুধাবন করলেন, ফলে তিনি এগুলোকে সুস্থ বিবেকের অনুকূল পেলেন। তিনি এগুলো অধ্যয়ন করলেন, এমনকি মুতাকাল্লিমদের বক্তব্যের যে অন্ধকার তাকে আচ্ছন্ন করেছিল তা দূরীভূত হলো, সংশয়ে পড়ার যে ভয় তাঁর ছিল তা দূর হয়ে গেল এবং তিনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে উপনীত হলেন।
আর যে ব্যক্তি আমি যা বলেছি তার সত্যতা পরীক্ষা করতে চায়, সে যেন হিংসা ও বিচ্যুতিমুক্ত নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে এই বিষয়ে তাঁর সংক্ষিপ্ত গ্রন্থগুলো দেখে—যেমন: শারহুল আকিদাহ আল-আসফাহানিয়্যাহ এবং অনুরূপ গ্রন্থগুলো। আর চাইলে তাঁর দীর্ঘ গ্রন্থগুলোও দেখতে পারে—যেমন: তাখলিসুত তালবিস মিন তাসিসিত তাকদিস, আল-মুয়াফাকাতু বাইনাল আকলি ওয়ান নাকলি, এবং মিনহাজুল ইস্তিকামাতি ওয়াল ইতিদাল। আল্লাহর কসম, তবে সে সত্য ও সুস্পষ্ট বর্ণনা লাভ করবে, অত্যন্ত স্পষ্ট প্রমাণের ওপর সুদৃঢ় হবে এবং তখন এই বিষয়ে সঠিক দাঁড়িপাল্লায় পরিমাপ করতে পারবে
…]।
তাঁর ছাত্রগণ:কাব্য রচয়িতার—আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন—নিকট থেকে ইবন রাফে ইলম অর্জন করেছেন, যদিও তিনি বয়সে বড় ছিলেন। তিনি তাঁর ‘মু’জাম’ গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন, তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
এছাড়াও তাঁর থেকে একদল ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে অন্যতম তাঁর পুত্র ইব্রাহিম।
তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:ইবন নাসিরুদ্দিন ‘আর-রাদ্দ আল-ওয়াফির’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি হলেন ইমাম, আল্লামা, হাফিজ, বরকতময় শাইখ, অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, চমৎকার বহু শাস্ত্রের অধিকারী এবং উপকারী রচনাবলির প্রণেতা
… তিনি ছিলেন একজন নির্ভরযোগ্য ইমাম, প্রধান অবলম্বন, দুনিয়াবিমুখ, ইবাদতগুজার এবং যথাসাধ্য সৎকর্মশীল। তিনি গদ্য ও পদ্যে বহু বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, হাদিস চয়ন করেছেন, উপকৃত করেছেন এবং বর্ণনা ও ইলম হিসেবে তা লিখে দিয়েছেন
… তিনি হাদিসের রাবিদের সমালোচনা ও তা নিখুঁতভাবে সংরক্ষণে প্রধান ব্যক্তি ছিলেন।
আয-যাহাবি বলেছেন: মাজহাব সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল এবং হাদিসশাস্ত্র ও অন্যান্য বিষয়ে তাঁর চমৎকার কাব্য রয়েছে।
ইবনুল ইমাদ ‘শাযারাতুয যাহাব’ গ্রন্থে বলেছেন: বিজ্ঞ আলেম, বহুশাস্ত্রে পণ্ডিত শাইখ ও হাফিজ।
আবু মহসিন আল-হুসাইনি ‘যাইলু তাযকিরাতিল হাফফায’ গ্রন্থে বলেছেন: ইমাম, আল্লামা, হাফিজ জামালুদ্দিন আবু মুজাফফর
… তিনি ছিলেন প্রধান নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি, বহু শাস্ত্রে অভিজ্ঞ, ইমাম ও আল্লামা। গদ্য ও পদ্যে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বহু গ্রন্থ রয়েছে। তিনি হাদিস চয়ন করেছেন, জ্ঞান দান করেছেন এবং বর্ণনা ও ইলম হিসেবে তা লিখে দিয়েছেন।
কাহহালা ‘মু’জামুল মুআল্লিফিন’ গ্রন্থে বলেছেন: মুহাদ্দিস, হাফিজ, ফকিহ, ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ, ব্যাকরণবিদ, কবি এবং আরও অন্যান্য শাস্ত্রেও তাঁর পদচারণা ছিল।
যিরিকলি ‘আল-আ’লাম’ গ্রন্থে বলেছেন: হাদিসের হাফিজ, হাম্বলি আলেমদের অন্যতম।
তাঁর রচনাবলি (১):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
قال ابن حجي رأيت بخطه ما صورته: مؤلفاتي تزيد على مائة مصنف كبار، وصغار في بضعة، وعشرين علماً، ذكرتها على حرف المعجم في "الروضة المورقة في الترجمة المونقة".
ومن مصنفاته:
1 - إحكام الذريعة، إلى أحكام الشريعة.
2 - الأربعين الصحيحة في الحديث.
3 - الأربعين الصحيحة فيما دون أجر المنيحة.
4 - الأرجوزة الجلية في الفرائد الحنبلية.
5 - الإفادات المنظومة في العبادات المختومة.
6 - تخريج الأحاديث الثمانيات.
7 - الثمانيات.
8 - الحمية الإسلامية في الانتصار لمذهب ابن تيمية (نظم).
9 - الخصائص والمفاخر لمعرفة الأوائل والأواخر.
10 - ذكر القلب الميت بفضائل أهل البيت.
11 - رسالة الجراد وما في شانه من الصلاح والفساد.
12 - شرح اللؤلؤة في علم العربية.
13 - شفاء الآلام في طب أهل الإسلام.
14 - صحاح الأحكام وسلاح الحكام. قال حاجي خليفة في كشف الظنون: قد
… جمعه: في قوله عليه الصلاة والسلام: (بني الإسلام على خمس
… الخ).
15 - عجائب الاتفاق وغرائب ما وقع في الآفاق.
16 - عجايب الآفاق (1).
17 - عقود (2) اللآلي في الأمالي.
--------------------------------------------
ইবনে হাজ্জি বলেছেন, আমি তাঁর স্বহস্তে লিখিত বর্ণনায় যা দেখেছি তার অনুলিপি হলো: আমার বড় ও ছোট গ্রন্থ মিলিয়ে রচনার সংখ্যা একশরও বেশি যা বিশটিরও বেশি জ্ঞানশাখায় বিস্তৃত, আমি সেগুলোকে 'আর-রওজাতুল মুরিকাহ ফিত তারজামাতিল মুনকাহ' গ্রন্থে বর্ণানুক্রমিকভাবে উল্লেখ করেছি।
এবং তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:
১ - ইহকামুজ যারীআ ইলা আহকামিশ শারীআ (শারীআতের বিধানাবলির মাধ্যমসমূহের সুদৃঢ়করণ)।
২ - আল-আরবাঈন আস-সহীহা ফিল হাদীস (হাদীস শাস্ত্রের চল্লিশটি সহীহ হাদীস)।
৩ - আল-আরবাঈন আস-সহীহা ফীমা দুনা আজরিল মানীহা (উপহারের সওয়াবের চেয়ে কম সওয়াব সংক্রান্ত চল্লিশটি সহীহ হাদীস)।
৪ - আল-উরজুযাতুল জালিইয়াহ ফিল ফারায়েদিল হাম্বলিইয়াহ (হাম্বলী মাযহাবের অনন্য মাসআলাসমূহ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট কবিতা)।
৫ - আল-ইফাদাতুল মানযুমাহ ফিল ইবাদাতিল মাখতুমা (মোহরাঙ্কিত ইবাদতসমূহ সংক্রান্ত কাব্যিক উপকারিতা)।
৬ - তাখরীজুল আহাদীস আস-সুমানিইয়াত (আটজন রাবী বিশিষ্ট হাদীসসমূহের তাখরীজ)।
৭ - আস-সুমানিইয়াত (আটজন রাবী বিশিষ্ট হাদীসসমূহ)।
৮ - আল-হামিইয়াতুল ইসলামিইয়াহ ফিল ইনতিসার লি-মাযহাবি ইবনে তাইমিয়্যাহ (ইবনে তাইমিয়্যাহর মাযহাবের সমর্থনে ইসলামী আত্মমর্যাদাবোধ - কাব্য)।
৯ - আল-খাসায়িস ওয়াল মাফাখির লি-মা'রিফাতিল আওয়াইল ওয়াল আওয়াখির (আদি ও অন্ত জানার জন্য বৈশিষ্ট্য ও গৌরবসমূহ)।
১০ - যিকরুল কালবিল মাইয়্যিত বি-ফাযায়িল আহলিল বাইত (আহলে বাইতের ফযীলতের মাধ্যমে মৃত হৃদয়ের স্মরণ)।
১১ - রিসালাতুল জারাদ ওয়া মা ফী শানিহি মিনাস সালাহি ওয়াল ফাসাদ (পঙ্গপাল এবং এর কল্যাণ ও অকল্যাণ সংক্রান্ত পুস্তিকা)।
১২ - শারহুল লু'লুয়াহ ফী ইলমিল আরাবিইয়াহ (আরবী ভাষা শিক্ষায় আল-লু'লুয়াহ নামক গ্রন্থের ব্যাখ্যা)।
১৩ - শিফাউল আলাম ফী তিব্বি আহলিল ইসলাম (ইসলামের অনুসারীদের চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যথার উপশম)।
১৪ - সিহাহুল আহকাম ওয়া সিলাহুল হুক্কাম (বিধিবিধানের বিশুদ্ধতা এবং বিচারকদের হাতিয়ার)। হাজি খলিফা 'কাশফুয যুনুন' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি তাঁর সংকলনে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই বাণীতে একত্রিত করেছেন: (ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত... ইত্যাদি)।
১৫ - আজায়িবুল ইত্তিফাক ওয়া গারায়িবু মা ওয়াকাআ ফিল আফাক (দৈবক্রমে মিলে যাওয়া বিস্ময়কর বিষয় এবং দিগন্তজুড়ে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত ঘটনাবলি)।
১৬ - আজায়িবুল আফাক (১) (দিগন্তের বিস্ময়সমূহ)।
১৭ - উকুদ (২) আল-লাআলী ফিল আমালী (মজলিসের আলোচনা সমূহের মুক্তামালা)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
18 - عمدة الدين في فضل الخلفاء الراشدين.
19 - غيث السحابة في فضل الصحابة.
20 - الفوائد السرمرية.
21 - نشر القلب الميت بنشر فضل أهل البيت.
22 - نظم الغريب في علوم الحديث لأبيه نحو من ألف بيت.
23 - نظم مختصر ابن رزين في الفقه.
24 - نهج الرشاد في نظم الاعتقاد. وهو النظم الذي بين أيدينا موضوع التحقيق.
وغير ذلك.
وفاته:وتوفي يوم السبت الحادي والعشرين من جمادى الأولى سنة ست وسبعين وسبعمائة، بدمشق وقد جاوز الثمانين، ودفن بمقبرة الصوفية جوار تربة الشيخ تقي الدين ابن تيمية - رحمهما الله -.
وبعد
…ولا يسعني في ختام هذه المقدمة، وقبل أن أبدأ في عرض منظومتنا موضوع التحقيق، إلا أن أقول كما قال الناظم رحمه الله:
147 - فَيَا نَاظِرَاً فِيهَا تَدَارَكْ لِمَا عَسَى
… يَكُونُ بِهَا مِنْ خَافِيَ الْوَهْنِ بِالْجَبْرِ
148 - فَقَدْ خُلِقَ التَّقْصِيرُ وَالنَّقْصُ فِي الْوَرَى
… لِيَنْفَرِدَ الْبَارِي عَلَا بِاسْمِهِ الْوِتْرِ
149 - وَقُلْ رَبِّ سَامِحْ مَنْ تَكَلَّفَ نَظْمِهَا
… وَقَارِئَهَا وَالسَّامِعِيَن وَمَنْ يُقْرِى
والله عز وجل أسأل أن يجعل هذا العمل خالصاً لوجهه الكريم، وأن يجعله في ميزان حسناتي، وميزان حسنات كل من شارك فيه بنصح ومشورة، أو مراجعة.
وهذا أوان الشروع في المقصود، والله المستعان، وعليه البلاغ، ولا حول، ولا قوة إلا بالله العلي العظيم.
أبو المنذر محمود بن محمد بن مصطفى المنياوي
غفر الله له، ولوالديه .. أمين
১৮ - খুলাফায়ে রাশেদীনের ফযীলত বর্ণনায় উমদাতুদ্দীন।
১৯ - সাহাবায়ে কেরামের ফযীলত বর্ণনায় গাইসুস সাহাবাহ।
২০ - আল-ফাওয়ায়িদুস সারমারিয়্যাহ।
২১ - আহলে বায়তের ফযীলত প্রচারের মাধ্যমে মৃত অন্তরকে সঞ্জীবিত করা।
২২ - তাঁর পিতার রচিত উলূমুল হাদীসের ওপর 'আল-গারীব' এর কাব্যিক রূপ, যা প্রায় এক হাজার পঙক্তি বিশিষ্ট।
২৩ - ফিকহ শাস্ত্রে মুখতাসার ইবনু রাযীনের কাব্যিক রূপ।
২৪ - নাহজুল রাশাদ ফী নাযমিল ই'তিকাদ (আকীদাহর পদ্যরূপ)। এটিই সেই পদ্য যা বর্তমানে আমাদের এই সম্পাদনার বিষয়বস্তু।
এবং এ ছাড়াও অন্যান্য।
তাঁর মৃত্যু:তিনি ৭৭৬ হিজরী সনের ২১শে জুমাদাল উলা, রোজ শনিবার দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। সে সময় তাঁর বয়স আশি বছর অতিক্রম করেছিল। তাঁকে সুফিয়া কবরস্থানে শাইখ তাকীউদ্দীন ইবনে তাইমিয়ার (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন) কবরের পাশে দাফন করা হয়।
অত:পর
…এই ভূমিকার শেষে এবং আমাদের সম্পাদনার বিষয়বস্তু এই পদ্যটি উপস্থাপনের পূর্বে নাযিম (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) যা বলেছেন, আমি তাই বলা ছাড়া আর কিছু করার সামর্থ্য রাখি না:
১৪৭ - হে পাঠক! এতে যে দুর্বলতা বা ত্রুটি আপনার চোখে পড়বে, মেহেরবানী করে সংশোধনের মাধ্যমে তা পূর্ণ করে দেবেন।
১৪৮ - কেননা সৃষ্টিজগতে অপূর্ণতা ও সীমাবদ্ধতা সৃষ্টিই করা হয়েছে যেন মহান স্রষ্টা তাঁর একক নামে অদ্বিতীয় ও অনন্য থাকতে পারেন।
১৪৯ - আর আপনি বলুন: হে রব! ক্ষমা করুন তাকে যে এই পদ্য রচনার শ্রম স্বীকার করেছে এবং এর পাঠককে, শ্রবণকারীকে ও যে এটি পাঠ করায় তাকে।
আর আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এই আমলটিকে কেবলমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং একে আমার নেক আমলের পাল্লায় এবং যারা উপদেশ, পরামর্শ বা পর্যালোচনার মাধ্যমে এতে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের সবার নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করেন।
আর এটাই মূল বিষয়ে শুরু করার উপযুক্ত সময়। আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করছি, সফল পরিণাম তাঁরই হাতে, আর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর শক্তি ও সামর্থ্য ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আবু আল-মুনযির মাহমুদ বিন মুহাম্মদ বিন মুস্তফা আল-মিনিয়াউয়ী
আল্লাহ তাঁকে এবং তাঁর পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন.. আমীন।
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
قال الفقير إلى الله - تعالى -: يوسف بن محمد بن مسعود بن محمد السرمري، عفا الله - تعالى - عنه:
المقدمة (1)
1 - بَدَاتُ اعْتِقَادِي بِاسْمِ ذِي الْعَفْوِ وَالْغُفْرِ (2)
… . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আল্লাহ তাআলার মুখাপেক্ষী ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন মাসউদ বিন মুহাম্মদ আস-সারমারী (আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করুন) বলেছেন:
ভূমিকা (১)
১ - আমি আমার আকিদা বর্ণনা শুরু করছি ক্ষমা ও মার্জনার অধিকারীর নামে (২)
… . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
. . . . . . . . . . . . . . . .
… وثَنَّيْتُ أَنَّ الْحَمْدَ لِلْوَاحِدِ الْبَرِّ (1)
2 - وَأَنْ لَاِ إِلَهَ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَالْخَفَا
… سَوَى بِارِئِ خَلْقِهِ مُنَزِّلِ الْقَطْرِ (2)
3 - وَأَهْدَيْتُ مِنّيِ لِلْحَبِيبِ مُحَمَّدٍ
… صَلَاةً كَمَا مَرَّ النَّسِيمُ (3) عَلَى الزَّهْرِ (4)
4 - وَعِتْرَتِهِ (5). . . . . . . . . .
… . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . .
… আমি দ্বিতীয়ত প্রশংসা নিবেদন করছি সেই এক ও মহানুভব সত্তার প্রতি (১)
২ - এবং আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি প্রকাশ্য ও গোপন সব পরিজ্ঞাত
… তিনি ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির কোনো স্রষ্টা নেই এবং তিনিই বৃষ্টি বর্ষণকারী (২)
৩ - এবং আমি আমার পক্ষ থেকে প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি উপহার দিচ্ছি
… দরুদ, যেমন মৃদু বাতাস প্রবাহিত হয় (৩) ফুলের ওপর (৪)
৪ - এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে (৫). . . . . . . . . .
… . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الآخر، كتاب الله حبل ممدود من السماء إلى الأرض، وعترتي أهل بيتي، ولن يتفرقا حتى يردا علي الحوض، فانظروا كيف تخلفوني فيهما] وقال: وهذا حديث حسن غريب.
وقد اختلف العلماء في بيان درجة هذا الحديث، وفقهه اختلافاً كثيراً، فقد ضعفه الإمام أحمد، وغيره. قال شيخ الإسلام في منهاج السنة (7/ 394): [أما قوله: [وعترتي أهل بيتي وأنهما لن يفترقا حتى يردا على الحوض] فهذا رواه الترمذي وقد سئل عنه احمد بن حنبل، فضعفه، وضعفه غير واحد من أهل العلم، وقالوا: لا يصح، وقد أجاب عنه طائفة بما يدل على أن أهل بيته كلهم لا يجتمعون على ضلالة، قالوا: ونحن نقول بذلك كما ذكر القاضي أبو يعلي، وغيره. ولكن أهل البيت لم يتفقوا، ولله الحمد على شيء من خصائص مذهب الرافضة، بل هم المبرؤون المنزهون عن التدنس بشيء منه].
وهذا الحديث قد ورد من طرق أخرى كثيرة عن جابر بن عبد الله، أبي هريرة، وابن عباس، وعلي، وزيد بن ثابت، وغيرهم، وقد تتبع الشيخ الألباني طرق الحديث، وصححه بالشواهد، وكذا فعل الشيخ الأرناؤوط في تحقيق المسند حيث صححه بالشواهد، ما عدا قوله: [ولن يتفرقا حتى يردا علي الحوض].
وسوف أنقل هنا ما وجه به الشيخ الألباني الحديث بعد تصحيحه، وما ردَّ به على الشيعة في تفسيرهم المنحرف له، قال رحمه الله في "السلسلة الصحيحة" (4/ 359): [من المعروف أن الحديث مما يحتج به الشيعة ، ويلهجون بذلك كثيرا، حتى يتوهم أهل السنة أنهم مصيبون في ذلك ، وهم جميعا واهمون في ذلك ، وبيانه من وجهين: الأول: أن المراد من الحديث في قوله صلى الله عليه وسلم: " عترتي " أكثر مما يريده الشيعة ، ولا يَرُدَّه أهل السنة بل هم مستمسكون به ، ألا وهو أن: العترة فيهم هم أهل بيته صلى الله عليه وسلم وقد جاء ذلك موضحا في بعض طرقه كحديث الترجمة: " عترتي أهل بيتي " وأهل بيته في الأصل هم: نساؤه صلى الله عليه وسلم وفيهن الصديقة عائشة رضي الله عنهن جميعا - كما هو صريح قوله تعالى في (الأحزاب): (إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرا) بدليل الآية التي قبلها والتي بعدها: (يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلاً مَعْرُوفاً. وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلاةَ وَآتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيراً. وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَالْحِكْمَةِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ لَطِيفاً خَبِيراً) ، وتخصيص الشيعة (أهل البيت) في الآية بعلي، وفاطمة، والحسن، والحسين رضي الله عنهم دون نسائه صلى الله عليه وسلم من تحريفهم لآيات الله تعالى انتصاراً لأهوائهم كما هو مشروح في موضعه، وحديث الكساء، وما في معناه غاية ما فيه: توسيع دلالة الآية، ودخول علي وأهله فيها، كما بينه الحافظ ابن كثير وغيره،
অপরটি হলো আল্লাহর কিতাব, যা আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত প্রলম্বিত একটি রশি, এবং আমার বংশধর আমার আহলে বাইত। তারা হাউজে আমার কাছে আসার আগ পর্যন্ত একে অপর থেকে পৃথক হবে না। সুতরাং দেখো, তোমরা আমার পরে তাদের সাথে কেমন আচরণ করো। এবং তিনি বলেছেন: এটি একটি হাসান গরীব হাদিস।
এই হাদিসের মান এবং এর মর্মার্থ বর্ণনায় ওলামায়ে কেরামের মধ্যে অনেক মতভেদ রয়েছে। ইমাম আহমাদ এবং অন্যান্যরা একে জয়িফ বা দুর্বল বলেছেন। শাইখুল ইসলাম মিনহাজুস সুন্নাহ গ্রন্থে (৭/৩৯৪) বলেছেন: [আর তাঁর এই উক্তি: "এবং আমার বংশধর আমার আহলে বাইত, তারা হাউজে আমার সাথে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হবে না"—এটি তিরমিজি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বলকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি একে দুর্বল বলেছেন এবং একাধিক আলেম একে দুর্বল বলেছেন। তারা বলেছেন: এটি সহিহ নয়। একদল আলেম এর এমন জবাব দিয়েছেন যা নির্দেশ করে যে, তাঁর আহলে বাইত সম্মিলিতভাবে পথভ্রষ্টতার ওপর একমত হবে না। তারা বলেছেন: আমরাও তাই বলি, যেমনটি কাজী আবু ইয়ালা এবং অন্যান্যরা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আহলে বাইত—সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর—রাফেজি মাযহাবের কোনো বৈশিষ্ট্যের ওপর একমত হননি, বরং তারা এই সবের কলুষতা থেকে মুক্ত ও পবিত্র।]
এই হাদিসটি জাবির বিন আবদুল্লাহ, আবু হুরায়রা, ইবনে আব্বাস, আলী, যায়েদ বিন সাবিত এবং অন্যান্যদের থেকে আরও অনেক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। শাইখ আলবানী হাদিসটির সূত্রগুলো অনুসন্ধান করেছেন এবং সমর্থক বর্ণনার ভিত্তিতে একে সহিহ বলেছেন। শাইখ আরনাউতও মুসনাদে আহমাদ-এর তাহকিকে অনুরূপ করেছেন; তিনি সমর্থক বর্ণনার ভিত্তিতে একে সহিহ বলেছেন, তবে কেবল "তারা হাউজে আমার কাছে আসার আগ পর্যন্ত পৃথক হবে না" অংশটুকু ব্যতীত।
শাইখ আলবানী হাদিসটিকে সহিহ বলার পর এর যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং শিয়াদের বিকৃত ব্যাখ্যার যে জবাব দিয়েছেন, তা আমি এখানে উদ্ধৃত করব। তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) "সিলসিলাতুস সহিহাহ" (৪/৩৫৯) গ্রন্থে বলেছেন: [এটি সুপরিচিত যে, এই হাদিসটি শিয়ারা দলিল হিসেবে পেশ করে এবং তারা এ নিয়ে এতো বেশি চর্চা করে যে, আহলে সুন্নাতের অনেকেও ধারণা করে বসে যে তারা হয়তো এ ক্ষেত্রে সঠিক; অথচ তারা সকলেই ভুলের মধ্যে রয়েছে। এর ব্যাখ্যা দুটি দিক থেকে: প্রথমত: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী "আমার বংশধর" দ্বারা যা উদ্দেশ্য, তা শিয়ারা যা বোঝাতে চায় তার চেয়েও ব্যাপক। আহলে সুন্নাত একে প্রত্যাখ্যান করে না, বরং তারা একে আঁকড়ে ধরে। আর তা হলো: বংশধরদের মধ্যে তাঁর আহলে বাইতও অন্তর্ভুক্ত। কিছু সূত্রে এটি স্পষ্টভাবে এসেছে, যেমন আলোচিত হাদিসটিতে আছে: "আমার বংশধর আমার আহলে বাইত"। আর মূলত তাঁর আহলে বাইত হলেন তাঁর স্ত্রীগণ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), যাদের মধ্যে সিদ্দিকা আয়েশাও (রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না জামিআন) অন্তর্ভুক্ত—যেমনটি সূরা আহজাবে মহান আল্লাহর বাণীর সুস্পষ্ট ভাষ্য: (হে নবী-পরিবার! আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করতে) এর প্রমাণ হলো এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আয়াতসমূহ: (হে নবী-পত্নীগণ! তোমরা অন্য কোনো নারীর মতো নও; যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল কণ্ঠে কথা বলো না, পাছে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলো। আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করো এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের যুগের মতো নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না। তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো। হে নবী-পরিবার! আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করতে। আর তোমাদের ঘরে আল্লাহর যে আয়াতসমূহ ও হিকমত পঠিত হয়, তা তোমরা স্মরণ রেখো। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি সূক্ষ্মদর্শী, সর্ববিষয়ে অবহিত।)। শিয়াদের পক্ষ থেকে এই আয়াতে "আহলে বাইত"-কে কেবল আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ করা এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রীদের বাদ দেওয়া হলো তাদের নিজেদের প্রবৃত্তির সমর্থনে আল্লাহর আয়াতসমূহের বিকৃতি সাধন, যা সংশ্লিষ্ট স্থানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর চাদরের হাদিস এবং এ জাতীয় হাদিসগুলোর সর্বোচ্চ অর্থ হলো আয়াতের মর্মার্থকে সম্প্রসারিত করা এবং এতে আলী ও তাঁর পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা, যেমনটি হাফেজ ইবনে কাসির এবং অন্যান্যরা স্পষ্ট করেছেন।]
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وكذلك حديث " العترة " قد بيَّن النبي صلى الله عليه وسلم أن المقصود أهل بيته صلى الله عليه وسلم بالمعنى الشامل لزوجاته - قلت: أي بطريق التبعية، لا الأصالة -، وعلي، وأهله. ولذلك قال التوربشتي - كما في " المرقاة " (5/ 600): " عترة الرجل: أهل بيته، ورهطه الأدنون، ولاستعمالهم " العترة " على أنحاء كثيرة بينها رسول الله صلى الله عليه وسلم بقوله: " أهل بيتي " ليعلم أنه أراد بذلك نسله، وعصابته الأدنين، وأزواجه ".
والوجه الآخر: أن المقصود من " أهل البيت ": إنما هم العلماء الصالحون منهم، والمتمسكون بالكتاب، والسنة ، قال الإمام أبو جعفر الطحاوي رحمه الله تعالى: " (العترة) هم أهل بيته صلى الله عليه وسلم الذين هم على دينه، وعلى التمسك بأمره ". وذكر نحوه الشيخ علي القاريء في الموضع المشار إليه آنفا. ثم استظهر أن الوجه في تخصيص أهل البيت بالذكر ما أفاده بقوله: " إن أهل البيت غالبا يكونون أعرف بصاحب البيت، وأحواله ، فالمراد بهم أهل العلم منهم المطلعون على سيرته، الواقفون على طريقته، العارفون بحكمه، وحكمته. وبهذا يصلح أن يكون مقابلا لكتاب الله سبحانه كما قال: (وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَة). قلت: ومثله قوله تعالى في خطاب أزواجه صلى الله عليه وسلم في آية التطهير المتقدمة: (وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَالْحِكْمَةِ). فتبين أن المراد بـ (أهل البيت) المتمسكين منهم بسنته صلى الله عليه وسلم فتكون هي المقصود بالذات في الحديث ولذلك جعلها أحد (الثقلين) في حديث زيد بن أرقم المقابل للثقل الأول وهو القرآن ، وهو ما يشير إليه قول ابن الأثير في " النهاية ": " سماهما (ثقلين) لأن الآخذ بهما (يعني الكتاب والسنة) والعمل بهما ثقيل ، ويقال لكل خطير نفيس (ثقل) ، فسماهما (ثقلين) إعظاما لقدرهما وتفخيما لشأنهما ".
قلت: والحاصل أن ذكر أهل البيت في مقابل القرآن في هذا الحديث كذكر سنة الخلفاء الراشدين مع سنته صلى الله عليه وسلم في قوله: " فعليكم بسنتي، وسنة الخلفاء الراشدين
… ". قال الشيخ القاريء (1/ 199): " فإنهم لم يعملوا إلا بسنتي، فالإضافة إليهم، إما لعملهم بها، أو لاستنباطهم واختيارهم إياها ". إذا عرفت ما تقدم فالحديث شاهد قوي لحديث " الموطأ " بلفظ: " تركت فيكم أمرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما ، كتاب الله وسنة رسوله ". وهو في "المشكاة" (186). وقد خفي وجه هذا الشاهد على بعض من سود صفحات من إخواننا الناشئين اليوم في تضعيف حديث الموطأ. والله المستعان
…].
وقد بيَّن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الحديث أن المراد بعترته: أهل بيته، وسوف يأتي في التعليق التالي - بمشيئة الله - زيادة بيان للمراد بالأهل.
একইভাবে "ইতরাহ" সম্পর্কিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করেছেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাঁর আহলে বায়ত বা পরিবারবর্গ, যা তাঁর স্ত্রীদেরও সামগ্রিক অর্থে অন্তর্ভুক্ত করে—আমি বলছি: অর্থাৎ অনুগামী হিসেবে, মূল সত্তা হিসেবে নয়—এবং আলী ও তাঁর পরিবার। এই কারণেই আত-তুরবাশতী বলেছেন—যেমনটি "আল-মিরকাত" (৫/৬০০)-এ বর্ণিত হয়েছে: "একজন ব্যক্তির 'ইতরাহ' হলো তার পরিবারের সদস্য এবং তার নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজন। যেহেতু তারা 'ইতরাহ' শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করত, তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে তা স্পষ্ট করেছেন: 'আমার আহলে বায়ত', যাতে এটি জানা যায় যে তিনি এর দ্বারা তাঁর বংশধর, নিকটবর্তী আত্মীয় এবং তাঁর স্ত্রীদের বুঝিয়েছেন।"
আর দ্বিতীয় দিকটি হলো: "আহলে বায়ত" দ্বারা মূলত তাঁদের মধ্য থেকে ঐসব আলেম ও সৎকর্মশীলদের বোঝানো হয়েছে, যারা কিতাব ও সুন্নাহকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে থাকেন। ইমাম আবু জাফর আত-তাহাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন: "(ইতরাহ) হলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারের ঐসব সদস্য যারা তাঁর দ্বীনের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর আদেশ পালনে অবিচল।" শায়খ আলী আল-কারীও পূর্বে উল্লিখিত স্থানে অনুরূপ কথা উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি এই মত প্রকাশ করেছেন যে, আহলে বায়তকে বিশেষভাবে উল্লেখ করার কারণ হলো তাঁর এই বক্তব্য: "নিশ্চয়ই ঘরের অধিবাসীরা সাধারণত ঘরের মালিক এবং তাঁর অবস্থা সম্পর্কে অধিক পরিজ্ঞাত হয়ে থাকে। সুতরাং তাঁদের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাঁদের মধ্যকার আলেম সমাজ, যারা তাঁর জীবনী সম্পর্কে অবগত, তাঁর পদ্ধতির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর বিধান ও হিকমত সম্পর্কে অভিজ্ঞ। এই অর্থেই তাঁরা মহান আল্লাহর কিতাবের সমান্তরাল হওয়ার যোগ্য, যেমনটি তিনি বলেছেন: (এবং তিনি তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেন)।" আমি বলছি: এর অনুরূপ হলো পবিত্রতার আয়াতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের সম্বোধন করে মহান আল্লাহর বাণী: (এবং তোমাদের ঘরে আল্লাহর যে আয়াতসমূহ ও হিকমত পঠিত হয় তা স্মরণ করো)। সুতরাং এটি স্পষ্ট হলো যে, 'আহলে বায়ত' দ্বারা তাঁদের মধ্য থেকে যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর অনুসারী তাঁদেরই বোঝানো হয়েছে। ফলে এই হাদীসে সুন্নাহই মূলত উদ্দেশ্য। এই কারণেই জায়েদ ইবনে আরকাম বর্ণিত হাদীসে সুন্নাহকে 'দুটি ভারী বস্তুর' (সাকলাইন) একটি সাব্যস্ত করা হয়েছে, যা প্রথম ভারী বস্তু অর্থাৎ কুরআনের সমান্তরাল। ইবনুল আসীর 'আন-নিহায়া' গ্রন্থে একথারই ইঙ্গিত দিয়েছেন: "তিনি এ দুটিকে 'সাকলাইন' (দুটি ভারী বস্তু) নামকরণ করেছেন কারণ এ দুটিকে আঁকড়ে ধরা (অর্থাৎ কিতাব ও সুন্নাহ) এবং তদনুসারে আমল করা বেশ কঠিন। আর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান বস্তুকে 'সাকল' (ভারী বস্তু) বলা হয়। অতএব তিনি এ দুটির মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রকাশের উদ্দেশ্যে এদের 'সাকলাইন' নামকরণ করেছেন।"
আমি বলছি: সারকথা হলো, এই হাদীসে কুরআনের বিপরীতে আহলে বায়তের উল্লেখ করা ঠিক তেমনি, যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাজ্জামের নিজের সুন্নাহর সাথে খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহর উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর এই বাণীতে: "সুতরাং তোমাদের জন্য আবশ্যক হলো আমার সুন্নাহ এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহ অনুসরণ করা
… "। শায়খ আল-কারী বলেছেন (১/১৯৯): "কেননা তাঁরা আমার সুন্নাহ ব্যতীত অন্য কিছুর ওপর আমল করেননি। সুতরাং তাঁদের দিকে যে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, তা হয় তাঁদের সেই অনুযায়ী আমল করার কারণে, অথবা তা থেকে বিধান আহরণ ও সেটি গ্রহণ করার কারণে।" আপনি যদি পূর্বোক্ত বিষয়গুলো বুঝে থাকেন, তবে এই হাদীসটি 'আল-মুয়াত্তা' এর সেই হাদীসের জন্য একটি শক্তিশালী সমর্থক যা এই শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "আমি তোমাদের মাঝে দুটি বিষয় রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ তোমরা তা আঁকড়ে থাকবে ততক্ষণ তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না: আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাহ।" আর এটি 'আল-মিশকাত' (১৮৬)-এ রয়েছে। আমাদের বর্তমান সময়ের কিছু নবীন ভাইয়েরা যারা মুয়াত্তার হাদীসটিকে দুর্বল সাব্যস্ত করতে গিয়ে অনেক পাতা কালো করেছেন, তাঁদের কাছে এই সমর্থক প্রমাণের দিকটি অস্পষ্ট থেকে গেছে। আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি
…]।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই হাদীসে স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁর ইতরাহ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাঁর আহলে বায়ত বা পরিবারবর্গ। আর 'আহল' দ্বারা কী উদ্দেশ্য, সে সম্পর্কে পরবর্তী টীকায়—ইনশাআল্লাহ—বিস্তারিত আলোচনা আসবে।
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وِالْأَهْلِ (1) وَالصَّحْب والذي
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
এবং পরিবার (১) ও সঙ্গীগণ এবং যিনি
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
. . . . . . . . . . . . . .
… تَلَاهُمْ بِإِحْسَانٍ (1) إِلَى آَخِرِ الدَّهْرِ
دواعي تأليف المنظومة5 - وَبَعْدُ فَدَاعِ النَّظْمِ أَشْيَاءُ غَادَرَتْ
… سَوَامِ الْكَرَى (2) فِي مُقْلَتَيَّ عَلَى ذُعْرِ (3)
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . .
… যারা ইহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করেছে (১) শেষ কাল পর্যন্ত।
মনযূমাহ (কাব্যগ্রন্থ) রচনার প্রেক্ষাপট৫ - অতঃপর, কাব্য রচনার কারণসমূহ এমন কিছু যা অবশিষ্ট রেখেছে
… আমার দুই চোখে ভয়ের সাথে তন্দ্রার বিচরণকে (২) (৩)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
6 - وَرُبَّ حَدِيثٍ أَذْهَلَ الْقَلْبَ ذِكْرُهُ
… عَنِ الْبِحْثِ وَالّتِكَرارِ وَالدَّرْسِ لِلّذِكْرِ (1)
7 - وَأَوْبَاشُ (2) نَاسٍ أَضْرَمُوا نَارَ بِدْعَةٍ
… يُؤَجِّجُهَا ذُو الطَّعْنِ مِنْهُمْ وُذُو الْغِمْرِ (3)
الباب الأولمحاربة شيخه للبدع بالاعتماد على الأدلة الشرعية8 - فَلَوْلَا مَكَانُ الشَّيخِ حَسَّانِ (4) أَصْبَحَتْ
… . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . .
--------------------------------------------
৬ - অনেক কথাই এমন রয়েছে যার স্মরণ হৃদয়কে উদাসীন করে দেয়
… সেই স্মরণের নিমিত্তে গবেষণা, পুনরাবৃত্তি এবং পাঠ করা হতে (১)
৭ - আর একদল নিচ ও হীন লোক বিদআতের আগুন প্রজ্বলিত করেছে
… যা তাদের মধ্যকার নিন্দুক ও বিদ্বেষ পোষণকারীরা উসকে দিচ্ছে (৩)
প্রথম অধ্যায়শরয়ি দলিলের ওপর ভিত্তি করে তার শাইখ কর্তৃক বিদআতের বিরুদ্ধে সংগ্রাম৮ - যদি শাইখ হাসানের (৪) মর্যাদা না থাকত, তবে তা হয়ে যেত
… . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
… مَدِينَةُ سَامَّرَاءَ (1) فِي غَايَةِ الضُّرِ
9 - وَلَوْلَا خِلَالٌ شَدَّهَا (2) لَتَعَطَّلَتْ
… رُسُومُ الْهُدَى وَاسْتَوْسَقَتْ (3) دَوْلَةُ الشِّرِ
10 - هَوُ الْعَالِمُ الْمَرْضِيُّ وَالقُثَمُ (4) الذي
… يَفَتِّحُ أَقْفَالَ الْمَسَائِلِ بِالسَّبْرِ (5)
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
… সামাররা শহর (১) চরম দুর্দশার মধ্যে
৯ - আর যদি এমন কিছু গুণাবলি না থাকত যা তিনি সুদৃঢ় করেছেন (২), তবে হেদায়াতের নিদর্শনগুলো বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং মন্দের (৩) রাজত্ব সুসংহত হতো।
১০ - তিনি হলেন সেই পছন্দনীয় আলেম এবং গুণাবলির আধার (৪) যিনি
… সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের (৫) মাধ্যমে মাসআলাসমূহের তালাগুলো উন্মুক্ত করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
11 - إِذَا سَأَلُوهُ عَنْ دَلِيلِ مَقَالِةِ
… أَجَابَ بِقَوْلِ اللهِ فِي مُحْكَمِ الذِّكْرِ
12 - وَإِنْ يَسْتَزِيدُوا قَالَ قَالَ مُحَمَّدٌ
… وَإِن يَسْتَزِيدُوا قَالَ قَالَ أَبُو بَكْرِ (1)
13 - كَفَانِي أَنِّي أَنْتَمِي بِعَقِيَدتيِ
… إِلَيْهِ وَإِنِّي فِي طَرِيقَتَهِ أَجْرِي (2)
الباب الثانيمنهج الفرق الضالة في الاستدلال14 - وَيَكْفِي سِوَايَ أَنَّهُ مُتَمَسِّكٌ
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
১১ - যখন তারা তাঁকে তাঁর বক্তব্যের দলীল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে
… তিনি মহাগ্রন্থের (কুরআনের) সুদৃঢ় বাণীর মাধ্যমে তার উত্তর দেন।
১২ - আর যদি তারা আরও বেশি জানতে চায়, তবে তিনি বলেন: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন
… আর যদি তারা আরও চায়, তবে তিনি বলেন: আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন (১)।
১৩ - আমার জন্য এটিই যথেষ্ট যে আমি আমার আকীদার ক্ষেত্রে তাঁর সাথে সম্বন্ধযুক্ত হই
… এবং আমি তাঁরই পদ্ধতিতে পরিচালিত হই (২)।
দ্বিতীয় অধ্যায়পথভ্রষ্ট দলসমূহের দলীল গ্রহণের পদ্ধতি১৪ - আর আমার ব্যতিরেকে অন্যের জন্য এটিই যথেষ্ট যে সে আঁকড়ে ধরে আছে
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
. . . . . . . . . . . . . . . .
… بِتَعْلِيمِ عِلْم الْمَنْطِقِ (1) السَّيئِ النَّشْرِ (2)
15 - عَقِيدَتُهُ أَنَّ الْكِتَابَ وَسُنَّةَ الْـ
… نَبِيِّ مَعَاً لَيْسَا دَلِيلَاً عَلَى أَمْرِ
16 - وَلَكِنْ دَلِيلُ الْأَمْرِ وَالنَّهْيِ عِنْدَهُ
… نَتَائِجُ (3) أَفْكَارٍ عَلَى عَقْلِهِ تَجْرِي
17 - وَذَاكَ دَلِيلٌ فِي الشَّرِيعَةِ بَاطِلٌ (4)
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . .
… তর্কশাস্ত্র শিক্ষার মাধ্যমে (১), যার উৎস অত্যন্ত মন্দ (২)
১৫ - তার আকিদা হলো যে, কিতাব ও নবীর সুন্নাহ একত্রে কোনো বিষয়ের ওপর দলিল নয়
১৬ - বরং তার নিকট আদেশ ও নিষেধের দলিল হলো তার বিবেকের ওপর প্রবাহিত চিন্তাধারার ফলাফলসমূহ (৩)
১৭ - আর শরিয়তের দৃষ্টিতে তা এক বাতিল দলিল (৪) . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
. . . . . . . . . . . . . . . . .
… لَأَنَّا عَرَفْنَا اللهَ بِالنَّقْلِ لَا الْفِكْرِ (1)
18 - وَمَعْرِفَةُ الرَّحَمَنِ بِالْعَقْلِ فِرْيَةٌ
… عَلَيْهِ وَلَيْسَ الْعُرْفُ بِالشَّيءِ كَالنّكْرِ
19 - وَلَا خَيْرَ فِي عِلْمِ الْكَلَامِ (2) لَأَنَّهُ
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . .
… কারণ আমরা আল্লাহকে চিনেছি দলিলের (নকল) মাধ্যমে, চিন্তার (ফিকর) মাধ্যমে নয় (১)
১৮ - আর বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে দয়াময়কে চেনা তাঁর ওপর একটি অপবাদ
… আর কোনো বিষয় সম্পর্কে পরিচিতি তার অপরিচিত হওয়ার মতো নয়
১৯ - আর ইলমুল কালামের (২) মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, কারণ এটি
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . .
… خِلَافُ كَلَامِ الْمُصْطَفَى الطَّاهِرِ الطُّهرِ
20 - أَدِلَّتُهُ لَا مِنْ كِتَابٍ وَسُنَّةٍ
… بَلَى (1) مِنْ كَلَامِ الْأَخْطَلِ (2) الْفَاجِرِ الْعِرِّ (3)
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . .
… যা পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন আল-মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীর বিপরীত।
২০ - তার দলিলসমূহ কিতাব ও সুন্নাহ থেকে নয়
… বরং (১) পাপাচারী ও দুষ্ট আখতালের (২) কথা থেকে। (৩)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
21 - بِدَوْرٍ عَلَى التَّعْطِيلِ (1) لَا دَرَّ دَرَّهُ (2)
… بِتَمْوِيهِ (3) قَوْلٍ فِي الْمَخَارِجِ مُزَوَّرِ (4)
22 - وَمَا قَصْدُهُ نَفْيُ الْمَخَارِجِ وَيْلَهُ (5)
… بَلَى قَصْدُهُ نُفْيُ الْكَلَامِ مِنَ السِّفْرِ (6)
23 - فَنْيَاً (7) لِهَذا الْمَذْهَبِ الْمُذْهِبِ الَّذِي
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
২১ - তা'তীলের (গুণাবলী অস্বীকারের) আবর্তে (১), তার কল্যাণ না হোক (২)
… উচ্চারণস্থলের ব্যাপারে মিথ্যাচারপূর্ণ (৪) বিভ্রান্তিকর (৩) কথার মাধ্যমে।
২২ - তার উদ্দেশ্য উচ্চারণস্থল অস্বীকার করা নয়, তার দুর্ভোগ হোক (৫)
… বরং তার উদ্দেশ্য হলো আসমানী কিতাব থেকে (আল্লাহর) কালামকে অস্বীকার করা (৬)।
২৩ - ধ্বংস আসুক (৭) সেই ধ্বংসাত্মক মতবাদের জন্য যা
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
. . . . . . . . . . . .
… أَقَلُّ أَذَىً فِيهِ بِصَاحِبِهِ يُزْرِي (1)
الباب الثالثمنزلة السنة24 - رَعَى السُّنَّةَ الْبَيْضَاءَ رَبِّي لَأَنَّهَا
… كَشَمْسِ الضُّحَى أَوْ فِي الدُّجَنَّةِ (2) كَالْبَدْرِ
25 - وَمَا السُّنَّةُ الْبَيْضَاءُ (3) إِلَّا الَّتِي قُضِى
… عَلَيْهَا (4) رَسُولُ اللهِ مَعْ صَحْبِهِ الْغُرِّ (5)
26 - وَتَابَعَهُمْ فِيهَا بِإِحَسَانٍ الْأُولَى (6)
… رَضُوا فَرَضِي (7) عَنْهُمْ بِهَا عَالِمُ السِّرِ
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . .
… সামান্যতম ক্ষতিও তার সঙ্গীকে অপদস্থ ও তুচ্ছ করে তোলে (১)
তৃতীয় অধ্যায়সুন্নাহর মর্যাদা২৪ - আমার প্রতিপালক এই উজ্জ্বল সুন্নাহর হিফাযত করেছেন, কারণ এটি
… পূর্বাহ্নের সূর্যের ন্যায় অথবা অন্ধকারের মাঝে (২) পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায়
২৫ - আর এই উজ্জ্বল সুন্নাহ (৩) তো কেবল সেটিই, যার ওপর অটল থেকে জীবন অতিবাহিত করেছেন (৪)
… আল্লাহর রাসূল এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ ও উজ্জ্বল সাহাবীগণ (৫)
২৬ - আর তাঁদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করেছেন প্রথম যুগের সেই সকল লোক (৬)
… তাঁরা সন্তুষ্ট ছিলেন, ফলে গোপন বিষয় সম্পর্কে পরিজ্ঞাত (আল্লাহ) তাঁদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন (৭)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
الباب الرابععقيدة الناظم27 - وَإِنِّي عَلَى مَا مَاتَ عَنْهُ مُحَمَّدٌ
… وَأَصْحَابُهُ وَالتَّابِعُونَ إِلَى حَشْرِي
الفصل الأولالأسماء والصفات28 - أُقِرُّ بِأَنَّ اللهَ جل جلاله
… تَعَالَى عَنِ التَّشْبِيهِ (1). . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
চতুর্থ অধ্যায়কাব্যকারের আকিদা২৭ - মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে আকিদার ওপর মৃত্যুবরণ করেছেন, আমি আমার পুনরুত্থান পর্যন্ত সেই আকিদার ওপর এবং তাঁর সাহাবী ও তাবিঈগণের আকিদার ওপর অটল থাকব।
প্রথম পরিচ্ছেদনামসমূহ ও গুণাবলী২৮ - আমি স্বীকৃতি দিচ্ছি যে, আল্লাহ সুমহান... তিনি সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য প্রদান থেকে পবিত্র (১)। . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নাহজুর রাশাদ ফি নাযমিল ইতিকাদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
. . . . . . . . . . وَالْوَصْفِ (1) وَالْحَصْرِ (2)
29 - سَمِيعٌ بَصِيرٌ لَّيْسَ شَيءٌ كَمِثْلِهِ
… كَمَا جَاءَ فِي الْقُرآَنِ إِنْ كَنْتَ مَنْ تَدْرِي
30 - فَسُبْحَانَهُ مِنْ مَالِكٍ مُتَكَبِّرٍ
… تَفَرَّدَ دُونَ الْخَلْقِ بِالْعِزِّ وَالْقَهْرِ
31 - وَيَنْزِلُ لَا تَكْيِيفَ لِي فِي نُزُولِهِ (3)
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . এবং গুণাবলী (১) এবং সীমাবদ্ধতা (২)
২৯ - তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা, তাঁর সদৃশ কিছুই নেই
… যেমনটি কুরআনে এসেছে যদি তুমি তা অনুধাবন করতে পারো।
৩০ - সুতরাং তিনি মহাপবিত্র, এমন এক মালিক যিনি অতীব মহান
… সৃষ্টিজগত ব্যতিরেকে তিনি একাই প্রতাপ ও ক্ষমতার অধিকারী।
৩১ - এবং তিনি অবতরণ করেন, তাঁর অবতরণের ধরন বর্ণনায় আমার কোনো সাধ্য নেই (৩)
… . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------