(খণ্ড: ১) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: -)
المعجم الكبير للطبراني جـ 13، 14   (الطبراني)

القسم: كتب السنة

الكتاب: المُعْجَمُ الكَبِير للطبراني المُجَلَّدان الثَّالِثَ عَشَرَ والرابع عشر

المؤلف: سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي، أبو القاسم الطبراني (ت 360هـ)

تحقيق: فريق من الباحثين بإشراف وعناية د/ سعد بن عبد الله الحميد و د/ خالد بن عبد الرحمن الجريسي

عدد الأجزاء: 2 (تقابل جـ 13، 14 من المعجم الكبير)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাবারানির আল-মুজামুল কাবির খণ্ড ১৩, ১৪   (আত-তাবারানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

গ্রন্থ: তাবারানির আল-মুজামুল কাবির, ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ খণ্ড

লেখক: সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব বিন মুতাইর আল-লাখমি আশ-শামি, আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হিজরি)

সম্পাদনা: ড. সাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুমাইদ এবং ড. খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরাইসি-এর তত্ত্বাবধান ও যত্নে একদল গবেষক

খণ্ডের সংখ্যা: ২ (আল-মুজামুল কাবির-এর ১৩ ও ১৪ খণ্ডের অনুরূপ)

[গ্রন্থের সংখ্যাবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১)
المُعْجَمُ الكَبِير

للحافظ أبي القاسم سُلَيْمان بن أحمد الطَّبَرَاني

(260 - 360هـ)

المُجَلَّدُ الثَّالِثَ عَشَرَ

تحقيق

فريق من الباحثين

بإشراف وعناية

د/ سعد بن عبد الله الحميد

ود/ خالد بن عبد الرحمن الجريسي
আল-মু'জামুল কাবীর

হাফেজ আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি রচিত

(২৬০ - ৩৬০ হিজরি)

ত্রয়োদশ খণ্ড

তাহকিক ও সম্পাদনা

একদল গবেষক

তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায়

ড. সাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুমাইদ

এবং ড. খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরাইসি
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمدُ للهِ وكفى، وصلواتُ اللهِ وسلامُهُ على عبدِهِ المصطفَى، نبيِّنا محمدٍ وعلى آلِهِ وصحبِهِ أهلِ الوفَا، أما بعد:

فإنَّ كتابَ «المعجمِ الكبيرِ» للإمامِ أبي القاسمِ سليمانَ بنِ أحمدَ الطبرانيِّ (ت360هـ) من أُمَّاتِ الكتبِ الحديثيةِ المشهورةِ، وقد كان حقَّقه وأخرج ما وقف عليه من أصولِهِ الخطيةِ الشيخُ حمدي بنُ عبد المجيدِ السلفيُّ- حفظه الله- وبَقِيَ في الكتابِ نقصٌ لم يقفِ الشيخُ- آنذاك- على أصولِهِ مع كثرةِ البحثِ وطولِ التفتيشِ، وطُبع أولَ مرةٍ من زهاء ثلاثينَ سنةً؛ في خمسةٍ وعشرينَ مجلدًا، مع نقصِ المجلداتِ ذات الأرقام: (13، 14، 15، 16، 21) ، ثم عثر الشيخُ بعدَ ذلك على قطعةٍ من المجلدِ الثالثَ عشرَ؛ فأخرجها اعتمادًا على نسختينِ تكملُ كلٌّ منهما نقصَ الأخرى، وتتضمنُ هذه القطعةُ عدةَ مسانيدَ؛ وهي:

1) جزءٌ من مسندِ عبدِاللهِ بنِ عمر بنِ الخطاب رضي الله عنهما.

2) مسند عبدِاللهِ بنِ عمرِو بنِ العاصِ رضي الله عنهما.

3) مسندُ عبدِاللهِ بنِ جعفرِ بنِ أبي طالبٍ رضي الله عنهما.

4) مسندُ عبدِاللهِ بنِ الزبيرِ بنِ العوامِ رضي الله عنهما.

5) مسندُ عبدِاللهِ بنِ أبي بكرٍ الصديقِ رضي الله عنهما، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.

6) مسندُ عبدِاللهِ بنِ أبي أُميّةَ بن المغيرةِ المخزوميِّ رضي الله عنه، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনিই যথেষ্ট। আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর মনোনীত বান্দা, আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও বিশ্বস্ত সাথীবর্গের উপর। অতঃপর:

ইমাম আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমাদ তাবারানি (মৃত্যু: ৩৬০ হিজরি) রচিত 'আল-মু'জামুল কাবির' গ্রন্থটি হাদিসের সুপ্রসিদ্ধ মূল গ্রন্থসমূহের অন্তর্ভুক্ত। শাইখ হামদি ইবনে আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি—আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন—এর পাণ্ডুলিপিগুলো যা তিনি পেয়েছিলেন, তা সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন। তবে অনেক অনুসন্ধান ও দীর্ঘ তল্লাশি সত্ত্বেও শাইখ তখন পাণ্ডুলিপি না পাওয়ার কারণে গ্রন্থটির কিছু অংশ অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছিল। এটি প্রথমবার প্রায় ত্রিশ বছর আগে পঁচিশ খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছিল, যেখানে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ এবং ২১ নম্বর খণ্ডগুলো অসম্পূর্ণ ছিল। পরবর্তীতে শাইখ ১৩তম খণ্ডের একটি অংশ খুঁজে পান এবং দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে তা প্রকাশ করেন, যেখানে একটির অভাব অন্যটি দিয়ে পূরণ করা হয়েছে। এই অংশটিতে বেশ কয়েকটি মুসনাদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; সেগুলো হলো:

১) আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের একটি অংশ।

২) আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ।

৩) আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ।

৪) আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ।

৫) আবদুল্লাহ ইবনে আবি বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ, এতে কেবল একটি হাদিস রয়েছে।

৬) আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমাইয়া ইবনে মুগিরা আল-মাখজুমি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ, এতে কেবল একটি হাদিস রয়েছে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৬)
7) مسندُ عبدِاللهِ بنِ حارثةَ بنِ النعمانِ الأنصاريِّ رضي الله عنه، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.

8) مسندُ عبدِاللهِ بن أُنَيسٍ الأنصاريِّ رضي الله عنه.

9) مسندُ عبدِاللهِ بن أُنَيسٍ الجُهنيِّ رضي الله عنه.

10) مسندُ عبدِاللهِ بنِ سَلَامٍ رضي الله عنه.

11) مسندُ عبد اللهِ بنِ رواحةَ رضي الله عنه.

12) مسندُ عبدِاللهِ بنِ زمعةَ بنِ الأسودِ رضي الله عنه.

13) مسندُ عبدِاللهِ بنِ أبي حبيبةَ الأشهليِّ رضي الله عنه.

14) مسندُ عبدِاللهِ بنِ الأرقمِ الزهريِّ رضي الله عنه.

15) مسندُ عبدِاللهِ بنِ أقرمَ الخزاعيِّ رضي الله عنه، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.

16) مسندُ عبدِاللهِ بنِ جابرٍ العبديِّ رضي الله عنه، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.

17) مسندُ أبي علقمةَ عبدِاللهِ المزنيِّ رضي الله عنه.

18) مسندُ أبي يزيدَ عبدِاللهِ المزنيِّ رضي الله عنه، وليس له إلا حديثٌ واحدٌ.

وقد أخرج هذه القطعةَ أيضًا الشيخُ طارقُ بنُ عوض الله، اعتمادًا على نسخةٍ واحدةٍ ينقصُها الجزءُ المذكورُ من مسندِ عبد اللهِ بنِ عمرٍو، ومسندُ عبد اللهِ بنِ جعفرٍ، وأولُ مسندِ عبد اللهِ بنِ الزبيرِ رضي الله عنهما، وقد بلغ عددُ الأحاديثِ في نشرةِ الشيخِ حمدي: (475) حديثًا، وفي نشرة الشيخِ طارقٍ: (242) حديثًا.
7) আবদুল্লাহ ইবনে হারিসাহ ইবনে আন-নুমান আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ, তাঁর কেবল একটি হাদীস রয়েছে।

8) আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

9) আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস আল-জুহানী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

10) আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

11) আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

12) আবদুল্লাহ ইবনে জামআহ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

13) আবদুল্লাহ ইবনে আবি হাবিবা আল-আশহালী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

14) আবদুল্লাহ ইবনুল আরকাম আজ-জুহরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

15) আবদুল্লাহ ইবনে আকরাম আল-খুজায়ী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ, তাঁর কেবল একটি হাদীস রয়েছে।

16) আবদুল্লাহ ইবনে জাবির আল-আবদী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ, তাঁর কেবল একটি হাদীস রয়েছে।

17) আবু আলকামা আবদুল্লাহ আল-মুযানী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ।

18) আবু ইয়াযিদ আবদুল্লাহ আল-মুযানী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ, তাঁর কেবল একটি হাদীস রয়েছে।

শায়খ তারিক বিন আউয়াদুল্লাহও এই অংশটি প্রকাশ করেছেন একটি মাত্র পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে, যেখানে আবদুল্লাহ ইবনে আমর-এর মুসনাদের উল্লিখিত অংশ, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর-এর মুসনাদ এবং আবদুল্লাহ ইবনে আজ-জুবায়ের (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের শুরুর অংশটি অনুপস্থিত ছিল। শায়খ হামদির সংস্করণে হাদীস সংখ্যা ৪৭৫টি এবং শায়খ তারিকের সংস্করণে হাদীস সংখ্যা ২৪২টি।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৭)
وقد عزمنا على تحقيقِ المجلدين (الثالث عشر والرابع عشر) (1) ؛ معتمدين على ثلاثِ نسخٍ خطيةٍ تكملُ كلٌّ منها نقصَ أختَيْها (2) ، وهذا وصفُ النسخِ الثلاثِ:

النسخة الأولى: نسخةُ مكتبة خسرو باشا بتركيا (بالرقم 67) (3) ، وأسميناها (خ) ، وتقع ضمن مجلدٍ عددُ أوراقِهِ (337) ورقةً، وأوَّلُهُ الحديث (8992) من مسندِ عبدِ الله بنِ مسعودٍ في المجلد التاسع من طبعةِ الشيخِ حمدي السلفيِّ، وجاء في بدايةِ المجلدِ المخطوطِ قولُه: «بسم الله الرحمن الرحيم» ، ثم طَمْسٌ (4) بمقدارِ أربعِ كلماتٍ، ثم: «صلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم تسليمًا» ، وفي أسفلِ الطمسِ بخطٍّ مغايرٍ كُتِبَ: «الحمد لله رب العالمين» . وقد ذهب عنوانُ

--------------------------------------------

(1) ليس من المؤكد أن يكون هذان المجلدان (13، 14) كاملين؛ فليس في النسخ الخطية ما يمكن الاعتماد عليه في هذا التقسيم، ومن المعلوم أن الشيخ حمدي السلفي، حفظه الله، بنى تقسيمه- كما بينه في مقدمته (1 / 20 - 21) - على نسخة أحمد الثالث؛ فقد جعل كل مجلد مخطوط منها في مجلدين مطبوعين، وكان ينقصه منها المجلدان السابع والثامن اللذان يقابلان المجلدات (13، 14، 15، 16) من المطبوع، كما ينقصه منها المجلد الحادي عشر فما بعده، ويقابل المجلد الحادي والعشرين فما بعده من المطبوع.

‌‌(2) بلغ عدد الأحاديث في طبعتنا هذه 1406 أحاديث، وتشمل جميع الأحاديث التي في طبعتي الشيخين حمدي وطارق، وتزيد على طبعتيهما 931 حديثاً، كما تضمنت طبعة الشيخ حمدي جميع أحاديث طبعة الشيخ طارق وزادت عليها 233 حديثاً.

تنبيه: في أثناء العمل في الكتاب سقط حديثٌ بعد الحديثِ [13917] ، وحين استدركناه لم نستطع ترقيمه بـ[13918] ؛ لئلا تختل إحالات التخريج وغيره في الكتاب، فأعطيناه الرقم [13917/ م] .

‌‌(3) وقد اشترينا هذه النسخة من الشيخ حمدي السلفي، حفظه الله.

‌‌(4) هذا الطمس يقابل التعديل الذي جاء على صفحة العنوان كما ستأتي الإشارة إليه.
আমরা (ত্রয়োদশ এবং চতুর্দশ) (১) খণ্ডদ্বয় সম্পাদনা করার সংকল্প করেছি; এক্ষেত্রে আমরা তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি যার প্রতিটিই অপরগুলোর অপূর্ণতা পূরণ করে (২), এবং এই হলো তিনটি পাণ্ডুলিপির বিবরণ:

প্রথম পাণ্ডুলিপি: তুরস্কের খসরু পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি (নম্বর ৬৭) (৩), আমরা এর নাম দিয়েছি (খা), এটি একটি খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত যার পাতা সংখ্যা (৩৩৭) টি, এর শুরু হয়েছে শায়খ হামদি আস-সালাফি সম্পাদিত সংস্করণের নবম খণ্ডে বিদ্যমান আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ-এর মুসনাদ-এর (৮৯৯২) নম্বর হাদীস থেকে। পাণ্ডুলিপি খণ্ডটির শুরুতে রয়েছে: «পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে», এরপর প্রায় চারটি শব্দ পরিমাণ অংশ মুছে ফেলা হয়েছে (৪), তারপর: «আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও প্রচুর শান্তি বর্ষিত হোক», এবং মুছে ফেলা অংশের নিচে ভিন্ন হাতের লেখায় লেখা হয়েছে: «সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য»। আর শিরোনামটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে...

--------------------------------------------

(১) এটা নিশ্চিত নয় যে এই খণ্ড দুটি (১৩, ১৪) পূর্ণাঙ্গ; কেননা পাণ্ডুলিপিগুলোতে এমন কিছু নেই যার ওপর ভিত্তি করে এই বিভাজন করা যায়। এটা সুবিদিত যে, শায়খ হামদি আস-সালাফি (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন), তার বিভাজনটি সাজিয়েছেন—যেমনটি তিনি তার ভূমিকার (১/ ২০ - ২১) পাতায় বর্ণনা করেছেন—আহমদ আস-সালিদ পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে; তিনি এর প্রতিটি পাণ্ডুলিপি খণ্ডকে দুটি করে মুদ্রিত খণ্ডে রূপান্তর করেছেন। তার কাছে এর সপ্তম ও অষ্টম খণ্ডটি নিখোঁজ ছিল, যা মুদ্রিত সংস্করণের (১৩, ১৪, ১৫, ১৬) খণ্ডগুলোর মোকাবিলায় আসে। অনুরূপভাবে তার কাছে একাদশ খণ্ড ও তার পরবর্তী অংশগুলোও ছিল না, যা মুদ্রিত সংস্করণের একুশতম খণ্ড ও তার পরবর্তী খণ্ডগুলোর সমতুল্য।

‌‌(২) আমাদের এই সংস্করণে হাদীস সংখ্যা ১৪০৬ টিতে পৌঁছেছে, এবং এটি শায়খ হামদি ও শায়খ তারিক—উভয়ের সংস্করণে বিদ্যমান সকল হাদীসকে অন্তর্ভুক্ত করে। এটি তাঁদের উভয় সংস্করণ থেকে ৯৩১টি হাদীস বেশি সংবলিত। অনুরূপভাবে শায়খ হামদির সংস্করণটি শায়খ তারিকের সংস্করণের সকল হাদীসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং তার ওপর ২২৩টি হাদীস বৃদ্ধি করেছে।

সতর্কবার্তা: কিতাবের কাজ চলাকালীন [১৩৯১৭] নম্বর হাদীসের পরে একটি হাদীস বাদ পড়ে গিয়েছিল। যখন আমরা তা পুনরায় সংযোজন করলাম, তখন আমরা সেটিকে [১৩৯১৮] নম্বর দিতে পারিনি; যাতে কিতাবের তথ্যসূত্র (তাখরীজ) ও অন্যান্য উদ্ধৃতি বিঘ্নিত না হয়। তাই আমরা সেটিকে [১৩৯১৭/ ম] নম্বর প্রদান করেছি।

‌‌(৩) আমরা এই পাণ্ডুলিপিটি শায়খ হামদি আস-সালাফি (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)-এর নিকট থেকে সংগ্রহ করেছি।

‌‌(৪) এই মুছে ফেলা অংশটি শিরোনাম পৃষ্ঠায় আসা পরিবর্তনের সমান্তরাল, যা সামনে উল্লেখ করা হবে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৮)
الكتابِ وبعضُ إسنادِهِ بسببِ تلفٍ أو طمسٍ في صفحةِ العنوانِ؛ كان من نتيجتِه أن أُثبت اسمُ الكتابِ على صفحةِ غلافِهِ هكذا: «المختصرُ من الصحيحين، تأليفُ الشيخِ جمال … » ، وبقي من إسنادِ الكتابِ بعد الطمسِ المذكورِ قولُهُ: «روايةُ الشيخِ أبي … الأشقر الصيرفي (1) ، عن أبي الحسينِ … (2) ، عنه (3) ، رحمه الله» (4) .

ويبقى السؤالُ: هل هذا التلفُ الذي لحق صفحةَ العنوانِ كغيرِهِ من التلفِ المعتادِ الذي يطرأُ بسببِ الأرضةِ، أو الرطوبةِ، أو سوءِ

--------------------------------------------

(1) هو: أبو منصور محمود بن إسماعيل بن محمد بن محمد بن عبد الله الأصبهاني الصيرفي الأشقر، راوي "المعجم الكبير" للطبراني عن أبي الحسين أحمد بن محمد بن فاذشاه، عن مؤلفه الطبراني. كان رجلاً صالحاً، وقال الذهبي: الشيخ الجليل الثقة. توفي سنة أربع عشرة وخمس مئة.

ترجمته في: "التحبير في المعجم الكبير" (2 / 275) ، و"التقييد" (1 / 443) ، و"سير أعلام النبلاء" (19 / 428) ، و"تاريخ الإسلام" (35 / 375) ، و" العبر في خبر من غبر" (4 / 34) ، و"شذرات الذهب" (4 / 46) .

‌‌(2) هو: أبو الحسين أحمد بن محمد بن الحسين بن محمد بن فاذشاه الأصبهاني التاني (التاجر) ، صاحب الطبراني وراوي "معجمه الكبير"، صحيح السماع، رديء المذهب، رمي بالتشيع والاعتزال، ذكر الذهبي في "تاريخ الإسلام" أنه حكَّ أشياء مما رواه مسروق، عن ابن مسعود، في الصفات في حال القيامة، ونص ابن حجر في "لسان الميزان" على أنها من "المعجم". توفي سنة ثلاث وثلاثين وأربع مئة.

ترجمته في: الأنساب" (4 / 330) ، و"التقييد" (1 / 172) ، و"تكملة الإكمال" (1 / 359) ، و"العبر في خبر من غبر" (3 / 180) ، و"المغني في الضعفاء" (1/ 54) ، و"سير أعلام النبلاء" (7 / 515) ، و"تاريخ الإسلام" (29 / 280) ، و"ميزان الاعتدال في نقد الرجال" (1/ 280) ، و"تبصير المنتبه بتحرير المشتبه" (1 / 115) ، و"لسان الميزان" (1 / 262) ، و"شذرات الذهب" (3 / 250) .

‌‌(3) أي: عن الطبراني.

‌‌(4) وهذا الإسناد هو الإسناد نفسه الموجود في بداية كتاب "الدعاء" للطبراني.
গ্রন্থটি এবং এর সনদের কিছু অংশ শিরোনামের পাতায় নষ্ট হয়ে যাওয়া বা মুছে যাওয়ার কারণে; এর ফলে গ্রন্থের মলাটে বইটির নাম এভাবে সাব্যস্ত করা হয়েছে: «আল-মখতাসার মিনাস সহিহাইন, রচনায় শেখ জামাল … » , এবং মুছে যাওয়ার পর গ্রন্থের সনদের যে অংশটুকু অবশিষ্ট রয়েছে তা হলো: «শেখ আবু … আল-আশকার আস-সাইরাফি (১) এর বর্ণনা, তিনি আবু আল-হুসাইন … (২) থেকে, তিনি তাঁর (৩) থেকে, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন» (৪)।

প্রশ্ন থেকে যায়: শিরোনামের পাতায় যে ক্ষয় হয়েছে তা কি ঘুণপোকা, আর্দ্রতা বা অব্যবস্থাপনার কারণে ঘটা অন্যান্য স্বাভাবিক ক্ষয়ের মতোই?

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: আবু মনসুর মাহমুদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানি আস-সাইরাফি আল-আশকার, তাবারানির "আল-মু'জাম আল-কবির"-এর বর্ণনাকারী, যা তিনি বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ফাদশাহ থেকে, আর তিনি এর রচয়িতা তাবারানি থেকে। তিনি একজন নেককার ব্যক্তি ছিলেন এবং যাহাবি বলেছেন: মহান নির্ভরযোগ্য শায়খ। তিনি ৫১৪ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

তাঁর জীবনী দেখুন: "আত-তাহবির ফিল মু'জামিল কাবির" (২ / ২৭৫), "আত-তাকিদ" (১ / ৪৪৩), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৯ / ৪২৮), "তারিখুল ইসলাম" (৩৫ / ৩৭৫), "আল-ইবার ফি খবর মান গাবার" (৪ / ৩৪), "শাযারাতুয যাহাব" (৪ / ৪৬)।

‌‌(২) তিনি হলেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন ফাদশাহ আল-আসফাহানি আত-তানি (ব্যবসায়ী), তাবারানির সহচর এবং তাঁর "মু'জাম আল-কবির"-এর বর্ণনাকারী। তাঁর শ্রুত বর্ণনা সঠিক হলেও তাঁর আকিদাগত মতবাদ ছিল মন্দ, তাঁর বিরুদ্ধে শিয়া ও মু'তাযিলা হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। যাহাবি "তারিখুল ইসলাম"-এ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মাসরুক কর্তৃক ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত কিয়ামত দিবসের আল্লাহর গুণাবলি (সিফাত) সংক্রান্ত কিছু বর্ণনা ঘষে মুছে ফেলেছিলেন। ইবনে হাজার "লিসানুল মিজান"-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, সেগুলো "মু'জাম" গ্রন্থের অংশ ছিল। তিনি ৪৩৩ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

তাঁর জীবনী দেখুন: "আল-আনসাব" (৪ / ৩৩০), "আত-তাকিদ" (১ / ১৭২), "তাকমিলাতুল ইকমাল" (১ / ৩৫৯), "আল-ইবার ফি খবর মান গাবার" (৩ / ১৮০), "আল-মুগনি ফিজ যুয়াফা" (১ / ৫৪), "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (৭ / ৫১৫), "তারিখুল ইসলাম" (২৯ / ২৮০), "মিযানুল ইতিদাল ফি নাকদির রিজাল" (১ / ২৮০), "তাবসিরুল মুনতাব্বিহ বিতাহরিরিল মুশতাবিহ" (১ / ১১৫), "লিসানুল মিজান" (১ / ২৬২), "শাযারাতুয যাহাব" (৩ / ২৫০)।

‌‌(৩) অর্থাৎ: তাবারানি থেকে।

‌‌(৪) আর এই সনদটি ঠিক সেই সনদ যা তাবারানির "আদ-দোয়া" গ্রন্থের শুরুতে রয়েছে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৯)
الاستعمالِ ونحوِه، ثم كُتِبَ عنوانُ الكتابِ خطأً؛ نتيجةَ اجتهادٍ خاطئٍ ممن كتب هذا العنوان؟! أو هو طمسٌ متعمَّدٌ بسببِ أنَّ هذا المجلدَ كان: إما وقفًا، أو مملوكًا لشخصٍ آخرَ، فسُرق وزُوِّر حتى لا يُعرفَ؟!.

ولعل مما يزيدُ الأمرَ ريبةً: أن في نهايةِ الكتابِ- في آخرِ الوجهِ الأولِ من الورقةِ الأخيرةِ منه- أثرًا يشبهُ أن يكونَ أثرَ حكٍّ لكلامٍ كان مكتوبًا، وكُتب في موضعِهِ ما نصُّه: « … بحمدِ الله، وحسنِ عونِه وتوفيقِه، والحمدُ للهِ وحدَه، وصلى الله على سيدنا محمد وآله وسلم» ، وكُتب أعلاه: «وكان الفراغُ في غُرَّةِ شوالٍ سنةَ 959» (1) ، ثم بحذائِهِ على الجهةِ اليسرى: «طالع هذا الكتابَ والذي قبلَهُ والأولَ مُسطِّرُه أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عثمانَ في سنةِ إحدى وأربعين وسبعِ مئةٍ، أحسن الله … » (2) .

--------------------------------------------

(1) ويحتمل أن تكون (459) كما توقعه الدكتور أحمد معبد، أو تكون (559) ، وفيهما بُعْدٌ فيما نرى، والله أعلم. وانظر التعليق التالي.

‌‌(2) وقد استشرنا الأستاذ الدكتور أحمد معبد عبد الكريم في هذا الخلل الذي لحق النسخة، فأبدى رأيه في ذلك بقوله: "الذي يظهر بخصوص العنوان: أن عبارة "المختصر من الصحيحين، تأليف الشيخ جمال" قد كتبت على وريقة منفصلة ملصقة على موضع عنوان الكتاب، كما أن هناك وريقة أخرى طولية ملصقة طَمَسَتْ بعضَ السطرين الباقيين من عنوان الكتاب، وكذلك طُمس النصف الأول للسطور الأربعة المكتوبة على صفحة العنوان أيضًا بخط مغاير.

أما ما جاء بآخر النسخة: فيظهر أنه أصاب آخر الورقة رطوبة جعلت بعض الحروف تَمَّحِي ويظهر باقي الكلمات وهي بخط مغاير لخط النسخة. فعبارة: "وكان الفراغ في غرة شوال" خطها مشابه لخط النسخة، وما بعده يظهر أنه بخط آخر أحدث

زمنًا، وعبارة: " سنة 959" يمكن قراءتها: (459) ، وعلى أي القراءتين فهذا ‌‌⦗ص: 10⦘ لا يناسب بقية ما ذكر على النسخة؛ وذلك لأننا لو جعلنا تاريخ النسخ سنة 459هـ لم يناسب ذلك ما كتب في عنوان النسخة أنها من رواية الشيخ أبي منصور الأشقر الصيرفي وهو متوفًّى سنة 514هـ، ولو جعلنا تاريخ النسخ سنة 959هـ لم يتناسب مع تاريخ المطالعة للكتاب المثبت بعد هذا وهو سنة 741هـ، وهذا يوحي بأن كاتب ما جاء في آخر النسخة غير خبير بمثل هذا التضارب التاريخي". اهـ.
ব্যবহার এবং অনুরূপ কিছু, এরপর বইয়ের শিরোনাম ভুলভাবে লেখা হয়েছে; এটি কি শিরোনাম লেখকের ভুল ইজতিহাদ বা প্রচেষ্টার ফল?! অথবা এটি কি ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা হয়েছে কারণ এই খণ্ডটি হয়তো ওয়াকফ ছিল, অথবা অন্য কারও মালিকানাধীন ছিল, যা চুরি করা হয়েছে এবং পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে এটি চেনা না যায়?!

সম্ভবত বিষয়টি যে কারণে আরও সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে তা হলো: বইয়ের শেষে—এর শেষ পৃষ্ঠার প্রথম পিঠের অন্তিম ভাগে—এমন একটি চিহ্ন রয়েছে যা কোনো লিখিত কথা ঘষে মুছে ফেলার চিহ্নের মতো মনে হয়, এবং তার স্থানে যা লেখা হয়েছে তা হলো: « … আল্লাহর প্রশংসায়, এবং তাঁর উত্তম সাহায্য ও তাওফিকে, এবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন», এবং এর ওপরে লেখা হয়েছে: «এবং সমাপ্তি হয়েছিল ৯৫৯ হিজরি সালের শাওয়াল মাসের শুরুতে» (১), এরপর এর পাশেই বাম দিকে: «এই বইটি এবং এর পূর্বেরটি এবং প্রথমটি পাঠ করেছেন এর লেখক আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উসমান সাতশত একচল্লিশ সালে, আল্লাহ উত্তম করুন … » (২)।

--------------------------------------------

(১) এবং সম্ভাবনা আছে যে এটি (৪৫৯) হবে যেমনটি ডক্টর আহমদ মাবাদ ধারণা করেছেন, অথবা (৫৫৯) হবে, আর আমাদের মতে এ দুটির মধ্যেই অসম্ভাব্যতা রয়েছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন। এবং পরবর্তী টীকাটি দেখুন।

‌‌(২) পাণ্ডুলিপিতে ঘটা এই ত্রুটি সম্পর্কে আমরা প্রফেসর ডক্টর আহমদ মাবাদ আব্দুল করিমের সাথে পরামর্শ করেছি, তখন তিনি এই বিষয়ে তার মতামত ব্যক্ত করে বলেছেন: "শিরোনামের ক্ষেত্রে যা প্রতীয়মান হয় তা হলো: 'আল-মুখতাসার মিনাস সহীহাইন, শায়খ জামালের রচনা' এই বাক্যটি একটি পৃথক ছোট কাগজে লিখে বইয়ের শিরোনামের স্থানে আঠা দিয়ে লাগানো হয়েছে। তেমনি অন্য একটি লম্বাটে ছোট কাগজ আঠা দিয়ে লাগানো আছে যা বইয়ের শিরোনামের অবশিষ্ট দুই লাইনের কিছু অংশ মুছে দিয়েছে। একইভাবে শিরোনামের পাতায় ভিন্ন হস্তাক্ষরে লেখা অন্য চারটি লাইনের প্রথম অর্ধাংশও মুছে ফেলা হয়েছে।

আর পাণ্ডুলিপির শেষে যা এসেছে: তাতে বোঝা যায় যে পৃষ্ঠার শেষে আর্দ্রতা লেগেছিল যার ফলে কিছু অক্ষর মুছে গেছে এবং বাকি শব্দগুলো দৃশ্যমান রয়েছে যা পাণ্ডুলিপির মূল হস্তাক্ষর থেকে ভিন্ন। সুতরাং: 'এবং সমাপ্তি ছিল শাওয়ালের শুরুতে' বাক্যটির হস্তাক্ষর পাণ্ডুলিপির হস্তাক্ষরের সদৃশ, আর এর পরের অংশটুকু দেখে মনে হয় তা সময়ের দিক থেকে আধুনিক অন্য কোনো হাতের লেখা।

আর '৯৫৯ সাল' বাক্যটিকে (৪৫৯) হিসেবেও পড়া সম্ভব, তবে যেভাবেই পড়া হোক না কেন, এটি ‌‌⦗পৃষ্ঠা: ১০⦘ পাণ্ডুলিপিতে উল্লিখিত অন্যান্য তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; কারণ আমরা যদি পাণ্ডুলিপি তৈরির তারিখ ৪৫৯ হিজরি ধরি, তবে তা পাণ্ডুলিপির শিরোনামে যা লেখা আছে তার সাথে মিলে না যে, এটি শায়খ আবু মানসুর আল-আশকার আস-সাইরাফি-এর বর্ণনা থেকে প্রাপ্ত, অথচ তিনি ৫১৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। আবার আমরা যদি পাণ্ডুলিপি তৈরির তারিখ ৯৫৯ হিজরি ধরি, তবে তা এর পরে উল্লেখ করা বই পাঠের তারিখের সাথে মিলে না যা ছিল ৭৪১ হিজরি। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, পাণ্ডুলিপির শেষে যা কিছু লেখা হয়েছে তার লেখক এই জাতীয় ঐতিহাসিক বৈপরীত্য সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন না।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১০)
ثم يلي ذلك في الوجهِ الثاني من الورقةِ الأخيرةِ من هذه النسخة: سماعٌ منقولٌ، وهذا نصُّه: «سمع عليَّ هذه المجلدةَ من أولها إلى آخرِها، بسماعي من أبي عبدِاللهِ محمدِ بن أبي زيدِ بنِ أحمدَ الكرانيِّ وغيره- كما بين في الأصلِ- بقراءةِ الإمامِ شرفِ الدينِ أبي العباسِ أحمدَ بنِ محمودِ بنِ إبراهيمَ بنِ الجوهريِّ: صاحبُها الزاهدُ العابدُ غرسُ الدينِ أبو الفضلِ يمنُ بنُ عبد اللهِ العريري، والإمامُ الزاهدُ شمسُ الدينِ أبو الطاهرِ إسماعيلُ بنُ سودكينَ بنِ عبد اللهِ النوريُّ، وولدُه أبو الفتحِ أحمدُ، وجمالُ الدينِ أبو عبد اللهِ الحسينُ بنُ محمدِ بنِ الحسينِ بنِ العجميِّ، وولدُهُ أبو المعالي محمدٌ، وقطبُ الدينِ أبو عبد اللهِ محمدُ بنُ عبد الصمدِ بنِ محمدِ بنِ العجميِّ، وعزُّ الدولةِ ريحانُ بنُ عبد اللهِ الشيزريُّ، وأبو محمدٍ عبدُالواحدِ بنُ عبد اللهِ بنِ عبد الصمدِ بنِ أبي جرادةَ الحلبيُّ، وأبو العباسِ أحمدُ بنُ عبد الرحمنِ بنِ عبد الأحدِ الحرانيُّ، وإبراهيمُ بنُ عبد اللهِ بنِ محمدِ بنِ العجميِّ، وأبو محمدٍ عبدُاللهِ بنُ صدرِ الدينِ أبي القاسمِ عمرَ بنِ سعيدِ بنِ عبد الواحدِ بنِ يحمس، حضر وهو في السنةِ الخامسةِ، وفتاه ياقوتُ بنُ عبد اللهِ الأرمنيُّ، ويعقوبُ بنُ سليمانَ بنِ عبد اللهِ عتيق عبد الصمدِ بنِ العجميِّ، وفتاي أزبكُ بنُ عبد اللهِ التركيُّ، وسمع بعضَه بهذه القراءةِ، وبعضَه
এরপর এই পাণ্ডুলিপির শেষ পত্রের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত শ্রুতলিপিটি (সামাউ) বর্ণিত হয়েছে, যার পাঠ নিম্নরূপ: «আমার নিকট এই সম্পূর্ণ খণ্ডটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শ্রবণ করা হয়েছে, যা আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি যাইদ ইবনে আহমাদ আল-কাররানি ও অন্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছি—যেভাবে মূল কপিতে বর্ণিত হয়েছে। এটি পাঠ করেছেন ইমাম শরাফুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মাহমুদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল জাওহারি। (শ্রবণ করেছেন:) এই পাণ্ডুলিপির স্বত্বাধিকারী যাহিদ ও আবিদ গারসুদ্দীন আবুল ফাদল ইয়ামান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আরিরি, ইমাম যাহিদ শামসুদ্দীন আবু তাহির ইসমাইল ইবনে সুদকিন ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নুরি এবং তাঁর পুত্র আবুল ফাতাহ আহমাদ, জামালুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনুল আজামি এবং তাঁর পুত্র আবুল মাআলি মুহাম্মাদ, কুতুবুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আজামি, ইযযুদ্দাওলা রাইহান ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাইযারি, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আবি জারাদাহ আল-হালাবি, আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল আহাদ আল-হাররানি, ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আজামি এবং আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে সাদরুদ্দীন আবুল কাসিম উমর ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে ইয়াহমাস—যিনি তাঁর বয়সের পঞ্চম বর্ষে উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁর সেবক ইয়াকুত ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আরমানি, এবং আব্দুস সামাদ ইবনুল আজামির মুক্তদাস ইয়াকুব ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল্লাহ, এবং আমার সেবক ওযবেক ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি। তিনি এই পাঠের মাধ্যমে এর কিছু অংশ শ্রবণ করেছেন এবং কিছু অংশ...»
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১১)
بغيرِ هذه القراءةِ: الإمامُ محيي الدينِ أبو المعالي محمدُ بنُ الإمامِ شرفِ الدينِ أبي طالبٍ عبدِالرحمنِ بنِ عبد الرحيمِ بنِ العجميِّ، وسيفُ الدينِ أبو بكرِ بنُ محمدِ بنِ مرزبانَ الهكاريُّ، وآخرونَ بفوات، أسماؤهم على الأصلِ، وذلك في مجالسَ آخرُها يوم [.......] (1) من جمادى الأولى، من سنةِ ثمانٍ وثلاثين وستِّ مئةٍ بحلبَ المحروسةِ، وكتب: يوسفُ بنُ خليلِ بنِ عبد اللهِ الدمشقيُّ، وصح» .

وتبدأُ هذه النسخةِ من الورقة [284 / أ] من هذا المجلد إلى نهايته؛ وأولُها الحديثُ [13655]- متابعةً لترقيمِ الجزءِ الثاني عَشَرَ في نشرةِ الشيخِ حمدي السَّلفيِّ- وتنتهي عندَ نهايةِ الحديثِ [14584] .

والنسخةُ الثانيةُ: نسخةُ باريس، وأسميناها (س) ، وتقع ضمن مجلدٍ ضخمٍ من محفوظاتِ المكتبةِ الوطنيةِ في باريس، بالرقم (2011) ، وجاء على صفحةِ غلافِهِ ما نصُّه: «الجزءُ الرابعُ من كتابِ المعجمِ الكبيرِ، تأليفُ الإمامِ الحافظِ أبي القاسمِ سليمانَ بنِ أحمدَ بنِ أيوبَ الطبرانيِّ رحمه الله» ، وعليه وقفٌ وتملكٌ، ولكن ضرب عليه كما يَتضحُ من مصوَّرتِهِ.

وتبدأُ هذه النسخةُ بالحديثِ [14585] من هذه الطبعةِ، ويوافقُ بدايةَ القطعةِ التي نشرها الشيخُ حمدي السلفيُّ من المجلدِ الثالثَ عشرَ من «المعجمِ الكبيرِ» ، وهو بقيةُ مسندِ عبد اللهِ بنِ عمرِو بنِ العاصِ رضي الله عنهما،

--------------------------------------------

(1) بياض في الأصل بمقدار أربع كلمات تقريبًا.
এই পাঠ ছাড়া অন্যান্যরা হলেন: ইমাম মুহিউদ্দীন আবুল মাআলি মুহাম্মাদ ইবন ইমাম শারাফুদ্দীন আবু তালিব আব্দুর রহমান ইবন আব্দুর রহীম ইবনুল আজামি, এবং সাইফুদ্দীন আবু বকর ইবন মুহাম্মাদ ইবন মারজুবান আল-হাক্কারি, এবং আরও অনেকে যারা কিছু অংশ শুনতে পাননি, যাদের নাম মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে। এটি কয়েকটি মজলিসে সম্পন্ন হয়েছে যার শেষটি ছিল সংরক্ষিত হালব শহরে ছয়শ ৩৮ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসের [.......] (১) তারিখে। এটি লিখেছেন: ইউসুফ ইবন খলীল ইবন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি, এবং এটি সঠিক সাব্যস্ত হয়েছে।

এই পাণ্ডুলিপিটি এই খণ্ডের [২৮৪ / ক] পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়ে শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত; এর শুরুতে রয়েছে [১৩৬৫৫] নং হাদিস—যা শাইখ হামদি আস-সালাফির সংস্করণের দ্বাদশ খণ্ডের ক্রমধারার অনুগামী—এবং এটি [১৪৫৮৪] নং হাদিসের শেষে সমাপ্ত হয়েছে।

দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপিটি হলো: প্যারিস পাণ্ডুলিপি, যাকে আমরা (সীন) নামকরণ করেছি। এটি প্যারিসের ন্যাশনাল লাইব্রেরির সংরক্ষিত সংগ্রহশালার একটি বিশাল খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, যার নম্বর (২০১১)। এর প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় যা লিখিত আছে তা হলো: «আল-মুজামুল কাবীর কিতাবের চতুর্থ খণ্ড, ইমাম হাফিয আবুল কাসিম সুলাইমান ইবন আহমাদ ইবন আইয়ুব আত-তাবারানি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর রচনা», এবং এর উপর ওয়াকফ ও মালিকানার বিবরণ রয়েছে, তবে এর ছবির কপি থেকে যেমনটি স্পষ্ট হয় যে, সেটির ওপর দাগ টেনে কেটে দেওয়া হয়েছে।

এই পাণ্ডুলিপিটি এই সংস্করণের [১৪৫৮৫] নং হাদিস থেকে শুরু হয়েছে, যা শাইখ হামদি আস-সালাফি কর্তৃক প্রকাশিত «আল-মুজামুল কাবীর»-এর ত্রয়োদশ খণ্ডের অংশের শুরুর সাথে মিলে যায়। আর এটি হলো আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের অবশিষ্টাংশ।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে প্রায় চারটি শব্দ পরিমাণ শূন্যস্থান রয়েছে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১২)
يلي ذلك مسندُ عبد اللهِ بنِ جعفرِ بنِ أبي طالبٍ رضي الله عنهما، ثم قطعةٌ من مسندِ عبد اللهِ بنِ الزبيرِ بنِ العوَّامِ رضي الله عنهما، وتنتهي القطعةُ الموجودةُ في هذا المجلد ببدايةِ متنِ الحديثِ [14817] من هذه الطبعةِ، ويوافقُ الحديثَ (234) من القطعةِ التي نشرها الشيخُ حمدي السلفيُّ من المجلدِ الثالثَ عشرَ من «المعجمِ الكبيرِ» .

ثم ينخرمُ باقي مسندِ عبد اللهِ بنِ الزبيرِ من هذه النسخةِ، مع ما بعدَه، حيث يبدأُ جزءٌ من مسندِ النعمانِ بنِ بشيرٍ رضي الله عنهما بحديثٍ ذهب سندُه، وبقي متنُه، ثم يتلوه باقي مسندِ النعمانِ إلى نهايتِه (1) ، ويبدأُ بعدَه مسندُ وائلِ بنِ حُجْرٍ رضي الله عنه وهو بدايةُ المجلد الثاني والعشرينَ من نشرةِ الشيخِ حمدي السلفيِّ لـ «المعجمِ الكبيرِ» ، ثم يتلوه باقي الكتابِ إلى خاتمتِهِ.

وتقع هذه النسخةُ في (337) ورقةً، في كلِّ ورقةٍ صفحتانِ، وفي الصفحة (29) سطرًا، وهي بخطٍّ نسخيٍّ جيدٍ مقروءٍ، وناسخُها هو أبو بكرِ بنُ عليٍّ الأنصاريُّ البهنسيُّ الشافعيُّ، وقد فرغ من نسخِها في يومِ الإثنينِ الرابعَ عشرَ من المحرَّمِ، سنةَ ثمانٍ وعشرينَ وسبعِ مئةٍ؛ فقد جاء في آخرِه ما نصُّه: «والله أعلمُ، وصلى الله على سيدِنا محمدٍ، وآله وصحبِه وسلَّم. آخرُ كتابِ «المعجمِ» للطبرانيِّ رحمه الله، نَسَخَه من أولِهِ إلى آخرِهِ في ستةِ أجزاءٍ: العبدُ الفقيرُ إلى الله تعالى، أبو بكرِ بنُ

--------------------------------------------

(1) انظر مقدمة تحقيقنا لهذا الجزء من مسند النعمان بن بشير رضي الله عنهما في نشرتنا للمجلد الحادي والعشرين من "المعجم الكبير".
এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ। এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর ইবনে আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের একটি অংশ। এই খণ্ডে বিদ্যমান অংশটি এই সংস্করণের [১৪৮১৭] নম্বর হাদিসের মূল পাঠের শুরুর মাধ্যমে শেষ হয়েছে, যা শায়খ হামদি সালাফি কর্তৃক প্রকাশিত «আল-মুজামুল কাবির»-এর ১৩তম খণ্ডের (২৩৪) নম্বর হাদিসের সাথে মিলে যায়।

এরপর এই পাণ্ডুলিপি থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইরের মুসনাদের অবশিষ্টাংশ এবং তার পরবর্তী অংশটুকু বিলুপ্ত হয়ে গেছে, যেখানে নুমান ইবনে বশির (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের একটি অংশ এমন একটি হাদিস দিয়ে শুরু হয়েছে যার সনদ হারিয়ে গেছে এবং কেবল মূল পাঠ অবশিষ্ট আছে। এরপর নুমানের মুসনাদের অবশিষ্টাংশ তার শেষ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে (১)। এরপর ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ শুরু হয়েছে, যা শায়খ হামদি সালাফি সম্পাদিত «আল-মুজামুল কাবির»-এর ২২তম খণ্ডের শুরু। এরপর বইটির অবশিষ্টাংশ এর সমাপ্তি পর্যন্ত এসেছে।

এই পাণ্ডুলিপিটি (৩৩৭)টি পত্রে বিন্যস্ত, প্রতি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা এবং প্রতি পৃষ্ঠায় (২৯)টি করে লাইন রয়েছে। এটি উন্নত ও পাঠযোগ্য নাসখ লিপিতে লিখিত। এর অনুলিপিকারক হলেন আবু বকর ইবনে আলী আল-আনসারি আল-বাহনাসি আশ-শাফেয়ি। তিনি ৭২৮ হিজরির ১৪ই মহরম, সোমবার দিন এটি অনুলিপি করার কাজ শেষ করেন। এর শেষে নিম্নরূপ পাঠ এসেছে: "আল্লাহই সর্বজ্ঞ, এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। ইমাম তাবারানি (রহিমাহুল্লাহ)-এর «আল-মুজাম» গ্রন্থের সমাপ্তি, যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছয়টি খণ্ডে অনুলিপি করেছেন মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা আবু বকর ইবনে..."

--------------------------------------------

(১) «আল-মুজামুল কাবির»-এর ২১তম খণ্ডে আমাদের সম্পাদিত সংস্করণে নুমান ইবনে বশির (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের এই অংশের সম্পাদনা সংক্রান্ত ভূমিকাটি দেখুন।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৩)
عليٍّ الأنصاريُّ البهنسيُّ الشافعيُّ؛ عفا الله عنه، وغفر له ولوالديه ولذريتِهِ ولجميعِ المسلمين، ووافق فراغُه من تكملتِهِ صبيحةَ الإثنينِ رابعَ عشرَ شهرِ اللهِ المحرَّمِ، غرةَ عامِ ثمانٍ (1) وعشرينَ وسبعِ مئةٍ» .

وفي آخرِ المجلدِ سماعاتٌ لحقها التلفُ، وبقي جزءٌ منها.

النسخةُ الثالثةُ: نسخةُ المكتبةِ الظاهريّةِ، وأسميناها (ظ) ، وهي قطعةٌ تقعُ ضمنَ المجموعِ ذي الرقم (89) من مجاميعِ الظاهريةِ؛ من الورقةِ (204) إلى الورقةِ (234) ، وتبدأُ هذه القطعة في أثناءِ مسندِ عبد اللهِ بنِ الزبيرِ رضي الله عنهما؛ مما يدلُّ على أنّ الساقطَ من مسندِهِ قليلٌ؛ لأنّ القطعةَ السابقةَ تنتهي في أثناءِ مسندِهِ أيضًا، وهو ليس بالمكثرِ. وبدايتُها تحديدًا: عندَ قولِ شيخِ الطبرانيِّ: «حدثني أبي» ، وذلك في إسنادِ الحديثِ [14818] من هذه الطبعةِ، ويُوافقُ الحديثَ (235) من القطعةِ التي نشرها الشيخُ حمدي السلفيُّ من المجلدِ الثالثَ عشرَ من «المعجمِ الكبيرِ» ، وهو الحديثُ الأولُ من القطعةِ التي نشرها الشيخُ طارق بن عوض اللهِ.

وفي أعلى الصفحةِ الأولى من هذه النسخةِ كُتب ما نَصُّه: «سمعه جميعَهُ الحسينُ بنُ محمدِ بنِ خسرو البلخيُّ (2) . وهو الجزءُ التاسعُ

--------------------------------------------

(1) كذا والجادَّة: "ثمانية".

‌‌(2) هو: أبو عبد الله البلخي، ثم البغدادي، السمسار، مفيد أهل بغداد، ومحدث مكثر. قال السمعاني: سألت عنه ابن ناصر؟ فقال: فيه لين، يذهب إلى الاعتزال، وكان حاطب ليل يسمع من كل أحد. وسألت عنه ابن عساكر، فقال: ما كان يعرف شيئا. اهـ. توفي سنة ست وعشرين وخمس مئة. ‌‌⦗ص: 14⦘ ترجمته في: "سير أعلام النبلاء" (19 / 592 - 593) ، و"تاريخ الإسلام" (36 / 305) ، و"المغني في الضعفاء" (1 / 175) ، و"ميزان الاعتدال في نقد الرجال" (2 / 305) ، و" طبقات الحنفية" (1 / 218) ، و" لسان الميزان" (2 / 312 - 313) ، و"كشف الظنون" (2 / 1681) .
আলী আল-আনসারী আল-বাহনাসী আশ-শাফিঈ; আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং তাঁকে, তাঁর পিতামাতাকে, তাঁর সন্তানদের ও সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন। এর সম্পূরক অংশ সমাপ্ত করার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে সাতশ আটাশ হিজরি সনের মহররম মাসের চৌদ্দ তারিখ সোমবার সকালে।

আর খণ্ডের শেষে কিছু শ্রবণের বিবরণ রয়েছে যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে।

তৃতীয় পাণ্ডুলিপি: এটি জাহিরিয়্যাহ লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, যেটিকে আমরা (যা) নামকরণ করেছি। এটি জাহিরিয়্যাহর সংকলনসমূহের ৮৯ নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অংশ; যা ২০৪ নম্বর পৃষ্ঠা থেকে ২৩৪ নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অংশটি আব্দুল্লাহ ইবনুল জুবাইর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের মধ্যভাগ থেকে শুরু হয়েছে; যা নির্দেশ করে যে তাঁর মুসনাদ থেকে খুব সামান্য অংশই বাদ পড়েছে; কারণ পূর্ববর্তী অংশটিও তাঁর মুসনাদের মাঝখানেই শেষ হয়েছিল, আর তিনি অধিক হাদিস বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত নন। এর শুরুটি সুনির্দিষ্টভাবে তাবারানির উস্তাদের এই উক্তি থেকে: «আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন», যা এই সংস্করণের [১৪৮১৮] নম্বর হাদিসের সনদে রয়েছে। এটি 'আল-মু'জাম আল-কাবির'-এর ত্রয়োদশ খণ্ড থেকে শায়খ হামদি আস-সালাফি কর্তৃক প্রকাশিত অংশের ২৩৫ নম্বর হাদিসের সাথে মিলে যায়, যা শায়খ তারিক বিন আওয়াদুল্লাহ প্রকাশিত অংশের প্রথম হাদিস।

এই পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার উপরের দিকে যা লেখা আছে তার পাঠ হলো: «এটি পূর্ণাঙ্গরূপে শ্রবণ করেছেন আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খুসরো আল-বালখি (২)। এটি নবম খণ্ড।

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে এভাবেই আছে, তবে শুদ্ধরূপ হলো: "সামানিয়াহ" (আট)।

‌‌(২) তিনি হলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-বালখি, পরবর্তীতে আল-বাগদাদি, আস-সামসার; তিনি বাগদাদবাসীদের জন্য উপকারী ব্যক্তি এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারী মুহাদ্দিস ছিলেন। আস-সামআনি বলেন: আমি তাঁর সম্পর্কে ইবনে নাসিরের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: তাঁর মধ্যে শিথিলতা আছে, তিনি মুতাযিলা মতবাদের দিকে ঝুঁকেছিলেন এবং তিনি ছিলেন সংগ্রাহকের মতো (যাচাই-বাছাইহীন), যিনি সবার কাছ থেকেই হাদিস শ্রবণ করতেন। আমি ইবনে আসাকিরের কাছে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি কিছুই জানতেন না। সমাপ্ত। তিনি পাঁচশ ছাব্বিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‌‌⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ তাঁর জীবনী রয়েছে: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৯ / ৫৯২ - ৫৯৩), "তারিখুল ইসলাম" (৩৬ / ৩০৫), "আল-মুগনি ফিজ যুআফা" (১ / ১৭৫), "মিযানুল ই'তিদাল ফি নাকদির রিজাল" (২ / ৩০৫), "তাবাকাতুল হানাফিয়্যাহ" (১ / ২১৮), "লিসানুল মিযান" (২ / ৩১২ - ৩১৩), এবং "কাশফুয যুনুন" (২ / ১৬৮১)।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৪)
والستونَ من المعجمِ الكبيرِ … » ، ثم كُتب في الهامشِ الأيسرِ: «عبد الله بن الزبيرِ وغيره من العبادلةِ» ، وكُتب أسفل منه: «وقف» ، ثم: «الجزءُ التاسعُ والستونَ من المعجمِ الكبيرِ» .

وفي نهايتِها ما نصُّه: «يتلوه عبدُاللهِ بن حبشيٍّ الخثعميُّ. بلغت السماع بحمدِ الله، وصلى الله على محمد وآله أجمعين. مَن استغفرَ لكاتِبِه وصاحبِهِ غُفِرَ له. سمع هذا الكتابَ كلَّه صاحبُه سنةَ أربعٍ وأربعِ مئةٍ. سمعه جميعَه بقراءتِهِ من ابن رِيذةَ (1) : الحسينُ بنُ محمدِ بنِ خسرو البلخيُّ. وسمع جميعَ الأجزاءِ المتقدمةِ من أولِ الكتابِ على الوِلاءِ (2) في تواريخَ عدةٍ، ولله الحمدُ والمنةُ» . وبحذاءِ هذه الخاتمةِ كُتب في الهامشِ: «قُوبل بالأصلِ» .

--------------------------------------------

(1) هو: أبو بكر محمد بن عبد الله بن أحمد بن إبراهيم بن إسحاق بن زياد الأصبهاني التاني (التاجر) ، المشهور بابن ريذة، صاحب الطبراني، وراوي معجميه: "الصغير"، و"الكبير". سمع منه خلق كثير، وكان ثقةً أمينًا. توفي سنة أربعين وأربع مئة.

ترجمته في: "الإكمال" (4 / 175) ، و"الأنساب" (1 / 443) ، و"التقييد" (1 / 72 - 73) ، و"اللباب في تهذيب الأنساب" (1 / 204 - 205) ، و" العبر في خبر من غبر" (3 / 195) ، و"المعين في طبقات المحدثين" (1 / 127) ، و"سير أعلام النبلاء" (17 / 595 - 596) ، و"تاريخ الإسلام" (29 / 596) .

تنبيه: قوله: "من ابن ريذة" كتب فوق كلمة "بقراءته" بخط صغير مغاير. ولم نقف على نص بسماع الحسين بن خسرو من ابن ريذة.

‌‌(2) رسمها في الأصل: "الولى".
...এবং আল-মু'জাম আল-কাবীরের ষাটতম [অংশ] … » , এরপর বাম পাশের টীকায় লেখা হয়েছে: «আবদুল্লাহ বিন আয-যুবাইর এবং অন্যান্য আবাদিলাহ (যাঁদের নামের শুরুতে আবদুল্লাহ রয়েছে)» , আর তার নিচে লেখা হয়েছে: «ওয়াকফ» , এরপর: «আল-মু'জাম আল-কাবীরের ঊনসত্তরতম খণ্ড» ।

আর এর শেষে যা রয়েছে তার পাঠ নিম্নরূপ: «এরপর আসবে আবদুল্লাহ বিন হাবশি আল-খাস'আমি। আল্লাহর প্রশংসাসহ শ্রবণ সমাপ্ত হলো, এবং আল্লাহ মুহাম্মদ ও তাঁর সকল পরিবারের ওপর দরুদ বর্ষণ করুন। যে ব্যক্তি এর লেখক এবং মালিকের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তাকে ক্ষমা করা হবে। এই কিতাবটির মালিক এটি সম্পূর্ণ শ্রবণ করেছেন চারশত চার হিজরি সনে। তিনি এটি সম্পূর্ণ ইবনে রিযাহর (১) নিকট পাঠের মাধ্যমে শ্রবণ করেছেন: আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন খুসরো আল-বালখি। তিনি কিতাবের শুরু থেকে পূর্ববর্তী সকল খণ্ড ধারাবাহিকভাবে (২) বিভিন্ন তারিখে শ্রবণ করেছেন, আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই জন্য» । এই সমাপ্তি ঘোষণার পাশে পার্শ্বটীকায় লেখা হয়েছে: «মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে» ।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ইসহাক বিন যিয়াদ আল-আসবাহানি আত-তানি (ব্যবসায়ী), যিনি ইবনে রিযাহ নামে পরিচিত, তাবারানির ছাত্র এবং তাঁর দুই মু'জাম: "আস-সাগির" এবং "আল-কাবীর"-এর বর্ণনাকারী। তাঁর কাছ থেকে অসংখ্য সৃষ্টি (মানুষ) শ্রবণ করেছেন, এবং তিনি বিশ্বস্ত ও আমানতদার ছিলেন। তিনি চারশত চল্লিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর জীবনী রয়েছে: "আল-ইকমাল" (৪ / ১৭৫), "আল-আনসাব" (১ / ৪৪৩), "আত-তাকিয়িদ" (১ / ৭২ - ৭৩), "আল-লুবাব ফি তাহযিব আল-আনসাব" (১ / ২০৪ - ২০৫), "আল-ইবার ফি খবর মান গাবার" (৩ / ১৯৫), "আল-মুইন ফি তাবাকাত আল-মুহাদ্দিসিন" (১ / ১২৭), "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা" (১৭ / ৫৯৫ - ৫৯৬), "তারিখুল ইসলাম" (২৯ / ৫৯৬)।

সতর্কবার্তা: তাঁর কথা: "ইবনে রিযাহর নিকট থেকে" অংশটি "পাঠের মাধ্যমে" শব্দটির উপরে ভিন্ন হাতের ছোট লেখায় লেখা হয়েছে। আর আল-হুসাইন বিন খুসরো কর্তৃক ইবনে রিযাহর নিকট শ্রবণ করার কোনো বর্ণনা আমাদের হস্তগত হয়নি।

‌‌(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এর লিখনরূপ ছিল: "আল-উলা"।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৫)
وهذه النسخةُ جيدةٌ، وعليها تصويباتٌ بخطٍّ مُغايرٍ لخطِّ النَّاسخِ يَبدو أنّها لأحدِ العلماءِ؛ لأنّ المواضعَ التي يُعلِّقُ عليها لا يَختارُها إلا مَن كانت عندَهُ مَلَكةٌ عِلميةٌ. ويضعُ بجانبِ الكلمةِ أو العبارةِ التي يكتبُها- أو فوقَها- حرفَ الحاءِ المهملةِ: (ح) ، وتَبيَّن لنا من مجموعِ المواضعِ التي وَضع فيها هذا الحرفَ أنّه اختصارٌ لعلامةِ التّصحيحِ التي عادةً ما تُكتبُ هكذا: (صح) ، وقد ذكر ابنُ الصّلاحِ في «مقدّمتِهِ» (ص 312) ؛ أنّ هناك مَن يَجعلُ كلمةَ (صح) في موضعِ حرفِ الحاءِ (ح) الدَّالِّ على تحويلِ السندِ، ثم قال: «وهذا يشعر بكونها (أي الحاء المفردة) رمزًا لـ"صح"» . وقد اعتمدنا هذه التصويباتِ في معظمِ المواضعِ التي وردت فيها، وأهملناها في مواضعَ ترجَّحَ لنا أنّ الصوابَ بِخلافِها، والله أعلم.

এই পাণ্ডুলিপিটি উৎকৃষ্ট মানের এবং এতে মূল লিপিকারের হস্তলিপি থেকে ভিন্ন হস্তলিপিতে কিছু সংশোধন রয়েছে যা দেখে মনে হয় যে এটি কোনো একজন আলেমের কাজ; কারণ তিনি মন্তব্যের জন্য যে স্থানগুলো নির্বাচন করেছেন তা কেবল গভীর ইলমী যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব। তিনি যে শব্দ বা বাক্যাংশটি লিখতেন, তার পাশে অথবা উপরে নুকতাহীন 'হা' বর্ণটি বসাতেন। যে সকল স্থানে তিনি এই বর্ণটি ব্যবহার করেছেন তার সামগ্রিক পর্যালোচনায় আমাদের নিকট এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এটি মূলত সংশুদ্ধির চিহ্ন 'সাহ'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা সাধারণত এভাবেই লেখা হয়ে থাকে। ইবনুস সালাহ তাঁর 'মুকাদ্দিমাহ' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৩১২) উল্লেখ করেছেন যে, এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যারা সনদের রূপান্তর নির্দেশক 'হা' বর্ণের স্থলে 'সাহ' শব্দটি ব্যবহার করেন। অতঃপর তিনি বলেন: "আর এটি একক 'হা' বর্ণটি 'সাহ' শব্দের প্রতীক হওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত প্রদান করে"। আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সংশোধনগুলোর ওপর নির্ভর করেছি এবং এমন কিছু স্থানে তা বর্জন করেছি যেখানে আমাদের নিকট এর বিপরীতটিই সঠিক বলে প্রবলভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। আর আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌خِطَّةُ العملِ في الكتابِ

اتبعنا في تحقيقِ الكتابِ وإخراجِهِ الخِطَّةَ التاليةَ:

أولاً: حافظْنا على رسمِ الناسخِ ما أمكنَ، إلا ما رأينا تعديلَهُ؛ إما لكونِهِ خطأً من الناسخِ، أو لمخالفتِهِ ما استقرَّ عليه الاصطلاحُ في الرسمِ الإملائيِّ الحديثِ؛ على ما هو مقررٌ عند المحقِّقينَ (1) .

ثانيًا: عَزونا الآياتِ إلى سورِها، بذكرِ رقمِ الآيةِ، واسمِ السورةِ، وجعلنا ذلك في الحاشيةِ.

ثالثًا: وثَّقنا نصَّ المصنِّفِ من كتبِ العلماءِ الذين نقلوه عنه وعزوه إليه؛ كالمنذريِّ في «الترغيبِ والترهيبِ» ، وابنِ كثيرٍ في «تفسيرِه» وفي «جامعِ المسانيدِ» ، والهيثميِّ في «مجمعِ الزوائدِ» والسيوطيِّ في «اللآلئِ المصنوعةِ» ، والمتقي الهنديِّ في «كنزِ العمالِ» ، وغيرِهم، وكان جلُّ تركيزِنا في ذلك على «مجمعِ الزوائدِ» و «جامعِ المسانيدِ» ، وقد أحلْنا في «جامعِ المسانيدِ» على طبعتَيْهِ: طبعةِ الدكتور عبد المعطي أمين قلعجي، وطبعةِ الدكتور عبد الملك بن عبد الله ابن دهيش؛ أما طبعةُ قلعجي: فكانت إحالتنا فيها على أرقامِ الأحاديثِ، وأما طبعةُ ابنِ دهيش: فأحلْنا فيها على الجزءِ والصفحةِ. مميِّزين بين الطبعتينِ هكذا مثلاً: (5646 / قلعجي) ، و (4 / 99 - 100 / ابن دهيش) ، إلا أنّ مسندَ ابنِ عمرَ رضي الله عنهما في طبعةِ قلعجي فقط، وليس في طبعةِ ابنِ دهيشِ، فاكتفيْنا في الإحالةِ عليه بالرقمِ مع ذكرِ أنه من

--------------------------------------------

(1) انظر التعليق على ما سيأتي في آخر الفقرة: "تاسعًا".
গ্রন্থের কর্মপরিকল্পনা

গ্রন্থটির সম্পাদনা ও প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্ত কর্মপন্থা অনুসরণ করেছি:

প্রথমত: আমরা যথাসম্ভব পাণ্ডুলিপি লিপিকারের লিখনশৈলী বজায় রেখেছি, তবে যেটুকু সংশোধন করা আবশ্যক মনে হয়েছে তা করেছি; তা চাই লিপিকারের ভুল হওয়ার কারণে হোক অথবা আধুনিক বানানরীতির প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী হওয়ার কারণে হোক; মুহাক্কিকগণের নিকট যেভাবে নির্ধারিত রয়েছে (১)।

দ্বিতীয়ত: আমরা আয়াতগুলোকে সেগুলোর সূরার সাথে সংশ্লিষ্ট করেছি—আয়াত নম্বর ও সূরার নাম উল্লেখ করার মাধ্যমে—এবং তা পাদটীকায় স্থাপন করেছি।

তৃতীয়ত: আমরা লেখকের মূল পাঠকে (নস) এমন সব আলেমদের গ্রন্থ থেকে সত্যায়ন করেছি যারা তাঁর থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং তা তাঁর দিকেই নিসবত করেছেন; যেমন: 'আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব' গ্রন্থে মুনজিরী, 'তাফসীর' এবং 'জামেউল মাসানিদ' গ্রন্থে ইবনে কাসীর, 'মাজমাউয যাওয়ায়েদ' গ্রন্থে হাইসামী, 'আল-লাআলি আল-মাসনুআহ' গ্রন্থে সুয়ূতী, 'কানযুল উম্মাল' গ্রন্থে মুত্তাকী আল-হিন্দি এবং অন্যান্যরা। এক্ষেত্রে আমাদের মূল মনোযোগ ছিল 'মাজমাউয যাওয়ায়েদ' এবং 'জামেউল মাসানিদ'-এর ওপর। 'জামেউল মাসানিদ'-এর ক্ষেত্রে আমরা এর দুটি সংস্করণের উদ্ধৃতি দিয়েছি: ড. আব্দুল মুতি আমীন কালআজি-এর সংস্করণ এবং ড. আব্দুল মালিক বিন আব্দুল্লাহ ইবনে দুহায়শ-এর সংস্করণ। কালআজি-এর সংস্করণের ক্ষেত্রে আমরা হাদিস নম্বরের উদ্ধৃতি দিয়েছি, আর ইবনে দুহায়শ-এর সংস্করণের ক্ষেত্রে আমরা খণ্ড ও পৃষ্ঠার উদ্ধৃতি দিয়েছি। উভয় সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য করার পদ্ধতি ছিল এমন, যেমন: (৫৬৪৬ / কালআজি), এবং (৪ / ৯৯ - ১০০ / ইবনে দুহায়শ)। তবে ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদটি কেবল কালআজি-এর সংস্করণেই রয়েছে, ইবনে দুহায়শ-এর সংস্করণে নেই; তাই আমরা এর ক্ষেত্রে শুধু নম্বর উল্লেখ করে উদ্ধৃতি দেওয়াই যথেষ্ট মনে করেছি এবং সাথে এটি উল্লেখ করেছি যে এটি

--------------------------------------------

(১) "নবম" অনুচ্ছেদের শেষে যা আসবে সে বিষয়ে মন্তব্য দেখুন।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৭)
مسندِ ابنِ عمرَ هكذا- مثلاً-: (93 / مسند ابن عمر) .

رابعًا: خرَّجنا الأحاديثَ والآثارَ حسبَ الطاقةِ، من غيرِ حكمٍ عليها من حيث الصحةُ والضعفُ؛ لئلا نُؤخِّرَ صُدورَ الكتابِ. وكانت طريقةٌ التخريجِ كما يلي:

أ- نُقدِّمُ مَن وجدْناه نقلَ الحديثَ عن المصنِّفِ؛ كابنِ كثيرٍ والهيثميِّ وغيرِهما؛ توثيقًا للنصِّ كما تقدَّم.

ب- ثم نُعقِّبُ ذلك بذِكرِ مَن روى الحديثَ من طريقِ المصنِّف؛ كأبي نُعَيْمٍ والمِزِّي وغيرِهما.

ج- نُراعي الإسنادِ؛ فالحديثُ الذي يُوردُه الطبرانيُّ من أكثرَ من طريقٍ، نخرجُ كلَّ طريقٍ منه على حدةِ؛ مقدِّمينَ المتابعةَ التامةَ، ثم القاصرةَ، إلى آخرِه.

خامسًا: نقلْنا كلامَ الهيثميِّ في «مجمعِ الزوائدِ» على الأحاديث التي عزاها للطبرانيِّ وتقعُ في طبعتِنا هذه، ولم نتعقَّبْهُ في أحكامِهِ عليها، لا إقرارًا ولا إنكارًا، ولكنّا نقلْناها من بابِ إثباتِ نصِّه الذي أفدنا منه كثيرًا في تصحيحِ الكتابِ.

سادسًا: ميَّزْنا الرواةَ الذين قد يَلْتبسون بغيرِهم؛ بسببِ عدمِ نسبتِهم، أو لكونِهم ذُكروا بكُناهم، أو بألقابِهم، أو غيرِ ذلك.

سابعًا: فسَّرنا الألفاظَ الغريبةَ؛ بالرجوعِ إلى كتبِ اللغةِ وغريبِ الحديثِ وشروحِ كتبِ السنةِ.
মুসনাদে ইবনে উমর এভাবে—উদাহরণস্বরূপ: (৯৩ / মুসনাদে ইবনে উমর)।

চতুর্থত: আমরা সাধ্যানুযায়ী হাদিস ও আসারসমূহ তাখরিজ করেছি, সেগুলোর শুদ্ধাশুদ্ধির ওপর কোনো মন্তব্য না করেই; যাতে কিতাবটি প্রকাশে বিলম্ব না হয়। তাখরিজের পদ্ধতি ছিল নিম্নরূপ:

ক- যারা গ্রন্থকারের থেকে হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন তাদের আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি; যেমন ইবনে কাসির, হাইসামি ও অন্যান্যগণ; যা পূর্বে বর্ণিত নিয়মানুযায়ী মূল পাঠের প্রামাণ্যতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে।

খ- এরপর আমরা তাদের কথা উল্লেখ করেছি যারা গ্রন্থকারের সূত্রের মাধ্যমে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন; যেমন আবু নুআইম, মিযযি ও অন্যান্যগণ।

গ- আমরা সনদের বিন্যাসের প্রতি লক্ষ রেখেছি; সুতরাং তাবারানি যে হাদিসটি একাধিক সূত্রে উল্লেখ করেছেন, আমরা তার প্রতিটি সূত্রকে পৃথকভাবে বের করেছি; যেখানে পূর্ণ অনুসরণকে (মুতাবায়া তাম্মাহ) আগে রেখেছি, এরপর আংশিক বা অপূর্ণ অনুসরণকে (মুতাবায়া কাসিরাহ), এভাবে শেষ পর্যন্ত।

পঞ্চমত: হাইসামি তাঁর ‘মাজমাউয যাওয়াইদ’ গ্রন্থে তাবারানির দিকে সম্বন্ধযুক্ত যেসব হাদিসের ওপর মন্তব্য করেছেন এবং যা আমাদের এই সংস্করণে রয়েছে, তা আমরা উদ্ধৃত করেছি। তাঁর দেওয়া হুকুম বা সিদ্ধান্তের ওপর আমরা কোনো বিচার-বিশ্লেষণ করিনি—স্বীকৃতি বা প্রত্যাখ্যান কোনো অর্থেই নয়; বরং তাঁর সেই মূল বক্তব্যটি সংরক্ষণের খাতিরে আমরা তা উল্লেখ করেছি যা কিতাবটির সংশোধনে আমাদের প্রভূত সাহায্য করেছে।

ষষ্ঠত: যেসব বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে অন্যদের সাথে বিভ্রান্তি ঘটার সম্ভাবনা ছিল, তাদের আমরা পৃথকভাবে চিহ্নিত করেছি; তাদের বংশপরিচয় উল্লেখ না থাকার কারণে, অথবা তাদের উপনাম বা উপাধিতে উল্লেখ করার কারণে কিংবা অন্য কোনো সংগত কারণে।

সপ্তমত: আমরা দুর্বোধ্য শব্দগুলোর ব্যাখ্যা করেছি; এক্ষেত্রে অভিধান, গরিবুল হাদিস বিষয়ক গ্রন্থ এবং হাদিসগ্রন্থের ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৮)
ثامنًا: خَرَّجنا الأشعارَ والأمثالَ على قِلَّتها.

تاسعًا: وجدْنا في الكتابِ بعضَ العباراتِ التي جاءتْ على خلافِ المشهورِ من قواعدِ اللغةِ والنحوِ؛ مما يَتَوَهَّمُه المتوهِّمُ لحنًا وخطأً- وقد وقع ذلك في المتونِ وفي الأسانيدِ- فأثبتناه في صلبِ الكتابِ كما هو، وقد اجتهدنا في ألاَّ نُغَيِّرَ منه شيئًا، وفي توجيهِ ما وقع من ذلك وتخريجِهِ على ما اقتضتْهُ صناعةُ العربيةِ، مع بيانِ ما في مصادرِ التخريجِ غالبًا، وهذا المنهجُ- وهو الإبقاءُ على ما في الأصولِ الخطيةِ كما هو، مع توجيهِهِ من جهةِ الروايةِ والعربيةِ- هو طريقةُ المحقِّقين من المتقدِّمينَ والمتأخِّرينَ؛ وهو المنهجُ المرضيُّ الذي جرى عليه أهلُ العلمِ، وطبَّقوه في مؤلَّفاتِهم وتَحقيقاتِهم، على اختلافِ الفنونِ والعلومِ (1) .

وهناك مسائلٌ- أكثرها إملائيةٌ- تَكرَّرتْ كثيرًا في النسخِ الثلاثِ أو في إحداها، أثبتناها على الجادةِ ولم نعلِّقْ عليها؛ اكتفاءً بالإشارةِ إليها هنا في هذه المقدمةِ (2) .

--------------------------------------------

(1) انظر في ذلك: مقدمة تحقيقنا لـ"كتاب العلل" لابن أبي حاتم، التنبيهات: التنبيه الثامن.

‌‌(2) من ذلك:

‌‌1- أن ناسخ نسخة مكتبة خسرو باشا (خ) غالبًا ما يكتفي في الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم بقوله: "صلى الله عليه"، فأثبتناها كاملة بلا تعليق.

‌‌2- أحيانًا يُكتب قوله: "يا أبا بكر"، و"يا أبا عبد الرحمن"، و"يا أبا إسماعيل"، و"يا أبا وهب"، ونحوه؛ هكذا: "يابا بكر"، و"يابا عبد الرحمن"، إلخ. وقد أثبتناها على الجادة: "يا أبا … "، وفي تخريج رسمها "يابا" وجهان: ‌‌⦗ص: 19⦘

أ- أنه حذف ألف "يا" خطًّا لا لفظًا كما تحذف مع ما أوله همزة من الأعلام؛ كـ"إبراهيم" و"إسماعيل". وقد اختلف في المحذوف هنا: أهو ألف "يا" أم همزة العلم. قال الشيخ نصر الهويرني: "وقد رأيتها محذوفة من "يا رسول الله" وأكثر ما رأيتها هكذا: "يرسول الله" كثيرًافي نسخة قديمة من تاريخ الحافظ الذهبي".اهـ. وقد وقعت عندنا أيضًا في أحد المواضع: "يرسول الله". وانظر: "أدب الكاتب" لابن قتيبة (ص 226 - 227) ، و"همع الهوامع" للسيوطي (3 / 523) ، و"المطالع النَّصْرية، للمطابع المِصْرية، في الأصول الخطية "للشيخ نصر الهوريني (ص 234 - 235) .

ب- والثاني: أنه حذف همزة "أبا" خطَّا ولفظًا على القول المشار إليه آنفًا بحذف همزة العلم لا ألف "يا" إذا اجتمعتا، وإما على حذف همزة "أبا" تخفيفًا - ولو لم تكن معها "يا" - وهي لغة لبعض العرب؛ يقولون" "لاب لك". وانظر: "الخصائص" لابن جني (3 / 149 - 151) .

‌‌3- كتابة "يبدو" ونحوه من الأفعال المعتلة الآخر بالواو حال إسنادها لغير جمع المذكرين؛ بزيادة الألف التي تفرق بين واو العطف وواو الضمير، فيكتبون الفعل السابق هكذا: "يبدوا"، على طريقة الكتاب المتقدمين، والمتأخرون يحذفون هذه الألف. وانظر: "أدب الكاتب" (ص 225 - 226) ، و"شرح النووي على صحيح مسلم" (1 / 179) ، و" المطالع النصرية" (ص 189 - 193) .

‌‌4- رسم الكلمات "ذا" و"كذا" و"هكذا"، بالياء: "ذى" و"كذى" و"هكذى"، ووجهها أنهم أمالوا الألف فرسموها ياء، ومع أنَّ الإمالةَ لا تدخُلُ في الأسماء المبنيَّة غير المتمكِّنة، ولا الحروف؛ لعدم تصرُّفها واشتقاقها، فقد سُمِعَ عن العرب إمالةُ بعض الأسماء المبنيَّة، وبعضِ الحروف؛ فمن الأسماء المبنيَّة: "ذا" الإشاريَّة، و"مَتَى"، وغيرهما. ومن الحروف: "بَلَى"، و"يا" في النداء، و"لا" في الجواب. وانظر: "شرح الأُشْموني على ألفية ابن مالك" (4 / 396 - 397) .
অষ্টম: আমরা কবিতা এবং প্রবাদ-প্রবচনগুলোর উৎস নির্দেশ করেছি, যদিও তার সংখ্যা সামান্য।

নবম: আমরা কিতাবটিতে এমন কিছু বাক্যাংশ পেয়েছি যা ভাষা ও ব্যাকরণের (নাহু) প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী; যা কোনো বিভ্রান্ত ব্যক্তির কাছে ভুল বা অশুদ্ধ মনে হতে পারে—এটি মূল পাঠ (মতন) এবং সনদ উভয় ক্ষেত্রেই ঘটেছে। আমরা সেগুলোকে কিতাবের মূল পাঠে যেমন ছিল তেমনই বহাল রেখেছি এবং আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি যাতে এর কোনো কিছুই পরিবর্তন না হয়। সেই সাথে আরবি ভাষাতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান ও উৎস নির্দেশ করার চেষ্টা করেছি এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তথ্যসূত্রগুলোতে যা আছে তা বর্ণনা করেছি। এই পদ্ধতিটি—অর্থাৎ পাণ্ডুলিপির মূল পাঠকে অবিকৃত রাখা এবং বর্ণনা (রিওয়ায়াত) ও আরবি ভাষার দিক থেকে সেটির ব্যাখ্যা দেওয়া—হলো পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গবেষকগণের (মুহাক্কিক) অনুসৃত পথ; এবং এটিই মনোনীত পদ্ধতি যা উলামায়ে কেরাম অনুসরণ করেছেন এবং বিভিন্ন শাস্ত্র ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁদের গ্রন্থনা ও গবেষণায় তা প্রয়োগ করেছেন (১)।

এছাড়া কিছু বিষয় রয়েছে—যার অধিকাংশই বানান সংক্রান্ত—যা তিনটি পাণ্ডুলিপিতে অথবা কোনো একটিতে বারবার এসেছে, সেগুলো আমরা প্রমিত নিয়মে লিখেছি এবং সেগুলোর উপর কোনো টীকা প্রদান করিনি; এই ভূমিকার এখানেই সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করাকে যথেষ্ট মনে করে (২)।

--------------------------------------------

(১) এই বিষয়ে দেখুন: ইবনে আবি হাতিমের "কিতাবুল ইলাল"-এর আমাদের তাহকিকের ভূমিকা, সতর্কীকরণসমূহ: অষ্টম সতর্কীকরণ।

‌‌(২) এর মধ্যে রয়েছে:

‌‌১- খুসরু পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির (খ) লিপিকার প্রায়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর দরুদ পড়ার ক্ষেত্রে শুধু "সাল্লাল্লাহু আলাইহি" লিখে ক্ষান্ত হয়েছেন, আমরা তা কোনো মন্তব্য ছাড়াই পূর্ণাঙ্গরূপে লিখেছি।

‌‌২- কখনো কখনো তাঁর কথা: "ইয়া আবা বকর", "ইয়া আবা আবদির রহমান", "ইয়া আবা ইসমাইল", "ইয়া আবা ওয়াহাব" এবং এই জাতীয় শব্দগুলো এভাবে লেখা হয়েছে: "ইয়াবা বকর", "ইয়াবা আবদির রহমান" ইত্যাদি। আমরা এগুলোকে প্রমিত নিয়মে "ইয়া আবা..." হিসেবে লিখেছি। আর "ইয়াবা" লেখার লিপিশৈলীর দুটি ব্যাখ্যা রয়েছে: ‌‌⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘

ক- 'ইয়া'-এর আলিফটি লেখার ক্ষেত্রে বিলুপ্ত করা হয়েছে, উচ্চারণের ক্ষেত্রে নয়; যেমনটি সেই সমস্ত নামের শুরুতে বিলুপ্ত করা হয় যার শুরুতে হামজা থাকে, যেমন "ইবরাহিম" এবং "ইসমাইল"। এখানে কোনটি বিলুপ্ত হয়েছে তা নিয়ে মতভেদ আছে: সেটি কি 'ইয়া'-এর আলিফ নাকি নামের হামজা। শেখ নাসর আল-হুরিনি বলেন: "আমি এটি 'ইয়া রাসুলুল্লাহ' থেকে বিলুপ্ত অবস্থায় দেখেছি এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমি একে এভাবেই দেখেছি: 'ইয়ারাসুলুল্লাহ'—হাফিজ যাহাবীর ইতিহাসের একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপিতে এটি প্রচুর দেখা যায়।" সমাপ্ত। আমাদের কাছেও একটি স্থানে "ইয়ারাসুলুল্লাহ" এসেছে। দেখুন: ইবনে কুতাইবার "আদাবুল কাতিব" (পৃ. ২২৬ - ২২৭), সুয়ুতির "হামউল হাওয়া মি" (৩ / ৫২৩) এবং শেখ নাসর আল-হুরিনির "আল-মাতালিউন নাসরিয়্যাহ লিল-মাতাবিউল মিসরিয়্যাহ ফিল-উসুলিল খাত্তিয়্যাহ" (পৃ. ২৩৪ - ২৩৫)।

খ- দ্বিতীয়টি হলো: "আবা"-এর হামজাটি লেখা এবং উচ্চারণ উভয় ক্ষেত্র থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছে—পূর্বোল্লিখিত মতানুসারে যখন আলিফ ও হামজা একত্রিত হয় তখন নামের হামজাটি বিলুপ্ত করার নিয়মে; অথবা সহজ করার জন্য "আবা"-এর হামজা বিলুপ্ত করা হয়েছে—যদিও তার সাথে "ইয়া" নেই—আর এটি আরবদের কোনো কোনো গোত্রের ভাষা; তারা বলে: "লাবা লাকা"। দেখুন: ইবনে জিন্নির "আল-খাসাইস" (৩ / ১৪৯ - ১৫১)।

‌‌৩- "ইয়াবদু" এবং এই জাতীয় শব্দগুলো যা শেষে ওয়াও-যুক্ত ক্রিয়া, যখন সেগুলো পুরুষবাচক বহুবচন ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন সেখানে একটি অতিরিক্ত আলিফ লেখা হয়েছে যা সংযোজক ওয়াও এবং সর্বনামের ওয়াও-এর মধ্যে পার্থক্য করে। প্রাচীন লেখকদের পদ্ধতিতে তারা পূর্বোক্ত ক্রিয়াটিকে এভাবে লিখতেন: "ইয়াবদুয়া" (শেষে আলিফসহ), আর বর্তমানকালের লেখকরা এই আলিফটি বাদ দিয়ে থাকেন। দেখুন: "আদাবুল কাতিব" (পৃ. ২২৫ - ২২৬), "সহিহ মুসলিমের ওপর ইমাম নববীর শরহ" (১ / ১৭৯) এবং "আল-মাতালিউন নাসরিয়্যাহ" (পৃ. ১৮৯ - ১৯৩)।

‌‌৪- "যা", "কাযা" এবং "হাকাজা" শব্দগুলোকে 'ইয়া' দিয়ে "যী", "কাযী" এবং "হাকযী" হিসেবে লেখা হয়েছে। এর কারণ হলো তারা আলিফটিকে ইমালা (স্বরধ্বনি পরিবর্তন) করেছেন, তাই সেটিকে 'ইয়া' হিসেবে লিখেছেন। যদিও ইমালা অপরিবর্তনীয় (মাবনি) বিশেষ্য এবং অব্যয়ের (হরফ) ক্ষেত্রে সাধারণত হয় না, কারণ এগুলোর রূপান্তর বা ব্যুৎপত্তি হয় না, তথাপি আরবদের থেকে কিছু মাবনি বিশেষ্য এবং অব্যয়ের ইমালা করার কথা শোনা গেছে। মাবনি বিশেষ্যের মধ্যে রয়েছে: নির্দেশক বিশেষ্য "যা" এবং "মাতা" ইত্যাদি। আর অব্যয়ের মধ্যে রয়েছে: "বালা", আহ্বানের জন্য "ইয়া" এবং উত্তরের জন্য "লা"। দেখুন: ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহর ওপর আশমুনির শরহ (৪ / ৩৯৬ - ৩৯৭)।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ১৯)
عاشرًا: رَقَمْنَا أحاديثَ هذا المجلدِ ترقيمًا متسلسلاً، متابعًا لرقمِ آخرِ حديثٍ في المجلدِ الثاني عشرَ.

حاديَ عشَرَ: وضعْنا أرقامَ أوراقِ المخطوطِ في حاشيةِ الكتابِ على يسارِ الصفحةِ الفرديةِ ويمينِ الصفحةِ الزوجيةِ من المطبوعِ، مشيرين إلى موضعِ بدايةِ وجهِ الورقةِ بالمتنِ بخطٍّ مائلٍ (/) ؛ فمثلاً عندَ
দশম: আমরা এই খণ্ডের হাদিসসমূহকে ধারাবাহিকভাবে নম্বর প্রদান করেছি, যা দ্বাদশ খণ্ডের সর্বশেষ হাদিসের নম্বরের অনুবর্তী।

একাদশ: আমরা মুদ্রিত কপির বিজোড় পৃষ্ঠার বাম পাশে এবং জোড় পৃষ্ঠার ডান পাশে পাণ্ডুলিপির পত্র-সংখ্যাগুলো কিতাবের পার্শ্বটীকায় প্রদান করেছি; এবং মূল পাঠের মধ্যে পত্রের পৃষ্ঠার শুরুর স্থানটি একটি তীর্যক রেখা (/) দ্বারা নির্দেশ করেছি; যেমন যখন...
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২০)
بدايةِ الوجهِ الأولِ من الورقةِ العاشرةِ من نسخةِ مكتبةِ خسرو باشا نكتبُ في الحاشيةِ: [خ: 10 / أ] ، والرمزُ (أ) نعني به الوجهَ الأولَ من الورقةِ، أما الوجهُ الثاني منها فرمزه (ب) .

ثانيَ عشَرَ: قدَّمنا للكتابِ بهذه المقدمةِ المختصرةِ؛ وقد ذَكرنا فيها وصفَ النسخِ المعتمدةِ في التحقيقِ، وخِطَّةَ العملِ في تحقيق هذين المجلدين، ووضعْنا في نهايتِها صورًا لنماذجَ من النسخِ الخطيةِ.

ثالثَ عشَرَ: صنعْنا فهارسَ تُعينُ الباحثَ على الوقوفِ على بغيتِهِ من الكتابِ، وجعلْنا الإحالاتِ فيها على أرقامِ الأحاديثِ، عدا فهرسَ الموضوعاتِ؛ فقد أحلْنا فيه على أرقامِ الصفحاتِ؛ وهذه الفهارسُ هي:

‌‌1- فِهْرِسُ الآياتِ القرآنيَّةِ.

‌‌2- فِهْرِسُ القِراءَات القرآنيَّةِ.

‌‌3- فِهْرِسُ الأحاديثِ والآثارِ.

‌‌4- فِهْرِسُ المَسَانِيدِ.

‌‌5- فِهْرِسُ البلدانِ والأماكنِ والبقاعِ والجبالِ والمياهِ.

‌‌6- فِهْرِسُ القبائلِ والبُطُونِ والأفخاذِ والأممِ والجَمَاعَاتِ والفِرَقِ.

‌‌7- فِهْرِسُ الغَزَواتِ والمعاركِ والحُرُوبِ والأيامِ.

‌‌8- فِهْرِسُ غَرِيبِ اللُّغَةِ: المفردات والتراكيب.

‌‌9- فِهْرِسُ مَسَائِلِ العَرَبِيَّةِ (في النحو، والصرف، والعروض،
খুসরো পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির দশম পাতার প্রথম পৃষ্ঠার শুরুতে আমরা পার্শ্বটীকায় লিখেছি: [খ: ১০ / ক], আর (ক) প্রতীক দ্বারা আমরা পাতার প্রথম পৃষ্ঠাকে বুঝিয়েছি, আর এর দ্বিতীয় পৃষ্ঠার প্রতীক হলো (খ)।

দ্বাদশ: আমরা এই সংক্ষিপ্ত ভূমিকার মাধ্যমে গ্রন্থটির অবতারণা করেছি; এতে আমরা সম্পাদনায় (তাহকীক) নির্ভরকৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ এবং এই দুই খণ্ডের সম্পাদনার কর্মপরিকল্পনা উল্লেখ করেছি এবং এর শেষে পাণ্ডুলিপিগুলোর নমুনার কিছু ছবি যুক্ত করেছি।

ত্রয়োদশ: আমরা এমন কিছু নির্ঘণ্ট বা সূচিপত্র তৈরি করেছি যা গবেষককে বইটির মধ্যে তার কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। বিষয়ভিত্তিক সূচি বাদে বাকি সবগুলোতে আমরা হাদিস নম্বরের ভিত্তিতে উদ্ধৃতি প্রদান করেছি; আর বিষয়ভিত্তিক সূচিতে আমরা পৃষ্ঠা নম্বরের ভিত্তিতে উদ্ধৃতি প্রদান করেছি। এই সূচিগুলো হলো:

‌‌১- কুরআনের আয়াতের সূচি।

‌‌২- কুরআনের কিরাতসমূহের সূচি।

‌‌৩- হাদিস ও আছারসমূহের সূচি।

‌‌৪- মাসানিদসমূহের সূচি।

‌‌৫- দেশ, স্থান, ভূখণ্ড, পাহাড় ও জলাশয়ের সূচি।

‌‌৬- গোত্র, বংশ, শাখা-গোত্র, জাতি, দল ও ফিরকাসমূহের সূচি।

‌‌৭- যুদ্ধ, সমরাঙ্গন, লড়াই ও গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহের সূচি।

‌‌৮- অপ্রচলিত শব্দের সূচি: শব্দ ও বাক্য গঠন।

‌‌৯- আরবি ভাষাগত মাসআলাসমূহের সূচি (নাহু, সরফ এবং ছন্দপ্রকরণ সংক্রান্ত)
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২১)
والبلاغةِ) .

‌‌10- فِهْرِسُ الأشعارِ والأرجازِ.

‌‌11- فِهْرِسُ مَرَاجعِ التحقيقِ.

‌‌12- فِهْرِسُ المَوْضُوعَاتِ.

‌‌13- فِهْرِسُ الفهارسِ.

وآخر دعواناأن الحمد لله رب العالمين

* * * * *
এবং অলঙ্কারশাস্ত্র) ।

‌‌১০- কবিতা ও ছন্দমালার নির্ঘণ্ট।

‌‌১১- সম্পাদনার তথ্যসূত্রসমূহের নির্ঘণ্ট।

‌‌১২- বিষয়সূচি।

‌‌১৩- নির্ঘণ্টসমূহের নির্ঘণ্ট।

এবং আমাদের সর্বশেষ প্রার্থনা এই যে, সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

* * * * *
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌نَمَاذِجُ مِنَ النُّسَخِ الخَطِّيَّةِ

صفحة العنوان من نسخة مكتبة خسرو باشا، ويظهر فيها التلف أو الطمس الذي لحقها وأدَّى لذهاب اسم الكتاب
পাণ্ডুলিপির কিছু নমুনা

খুসরো পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি থেকে শিরোনামের পৃষ্ঠা; এতে স্পষ্টত সেই ক্ষয়ক্ষতি বা মুছে ফেলার চিহ্ন পরিলক্ষিত হয় যা এর ওপর ঘটেছিল এবং যার ফলে কিতাবটির নাম বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৪)
بداية مكتبة خسرو باشا، وأولها الحديث رقم [8992] من مسند عبد الله بن مسعود رضي الله عنه
খসরু পাশা লাইব্রেরির প্রারম্ভ, এবং এর প্রথমটি হলো আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ থেকে হাদিস নম্বর [৮৯৯২] উত্তীর্ণ।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৫)
الورقة (284) من نسخة مكتبة خسرو باشا وبدايتها نهاية الجزء (12) من المطبوع، وبداية الجزء (13) من هذه الطبعة
খসরু পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা; এর প্রারম্ভটি মুদ্রিত কপির ১২তম খণ্ডের সমাপ্তি এবং এই সংস্করণের ১৩তম খণ্ডের সূচনা।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৬)
نهاية مسند عبد الله بن عمر رضي الله عنهما وبداية مسند عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما من نسخة مكتبة خسرو باشا
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের সমাপ্তি এবং খুসরো পাশা লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি হতে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের প্রারম্ভ।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৭)
نهاية نسخة مكتبة خسرو باشا، وتظهر فيها الآثار التي يشبه أن تكون آثار حَكٍّ
খোসরো পাশা গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপির সমাপ্তি অংশ, এতে এমন কিছু চিহ্ন পরিলক্ষিত হচ্ছে যা ঘর্ষণের চিহ্নের সদৃশ।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৮)
صفحة العنوان من نسخة باريس
প্যারিস পাণ্ডুলিপির শিরোনাম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ২৯)
بداية نسخة مكتبة باريس، وأولها الحديث [14585] من هذه الطبعة، ويوافق بداية القطعة التي نشرها الشيح حمدي السلفي من الجزء (13)
প্যারিস লাইব্রেরি পাণ্ডুলিপির সূচনা, এবং এর প্রারম্ভিক অংশটি এই সংস্করণের [১৪৫৮৫] নম্বর হাদিস, যা শেখ হামদি আস-সালাফি কর্তৃক প্রকাশিত (১৩) নম্বর খণ্ডের অংশের শুরুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৩০)
بداية مسند عبد الله بن الزبير رضي الله عنهما من نسخة باريس
প্যারিস পাণ্ডুলিপি অবলম্বনে আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর মুসনাদের সূচনা।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৩১)
نهاية الموجود من مسند عبد الله بن الزبير رضي الله عنهما من نسخة باريس، وهو الحديث [14817] من هذه الطبعة، ويوافق الحديث [234] من القطعة التي نشرها الشيح حمدي السلفي من الجزء (13) ، ويليه بداية القطعة التي وجدت مِن مسند النعمان بن بشير رضي الله عنهما
প্যারিস পাণ্ডুলিপি থেকে প্রাপ্ত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ-এর বিদ্যমান অংশের সমাপ্তি; এটি এই সংস্করণের [১৪৮১৭] নং হাদিস এবং শেখ হামদি আস-সালাফি কর্তৃক প্রকাশিত ১৩তম খণ্ডের [২৩৪] নং হাদিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর পরেই নুমান ইবনে বশির (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ থেকে প্রাপ্ত অংশের সূচনা।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৩২)
بداية الموجود من النسخة الظاهرية، وأولها الحديث [14818] من هذه الطبعة، ويوافق الحديث [235] من القطعة التي نشرها الشيح حمدي السلفي من الجزء (13) ، وهو الحديث الأول من القطعة التي نشرها الشيخ طارق عوض الله
যাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি থেকে বিদ্যমান অংশের শুরু, এবং এর প্রথম হাদিসটি হলো এই মুদ্রণের [১৪৮১৮] নম্বর হাদিস। এটি শেখ হামদি আস-সালাফি কর্তৃক (১৩) খণ্ড থেকে প্রকাশিত অংশের [২৩৫] নম্বর হাদিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং শেখ তারিক আওয়াদুল্লাহ কর্তৃক প্রকাশিত অংশের প্রথম হাদিস।
(খণ্ড: ১৩১৪১৩) আল-মু’জামুল কাবীর লিত-তবারানী খণ্ড ১৩, ১৪ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
نهايةُ مسند عبد الله بن الزبير رضي الله عنهما من نسخة باريس وبداية مسند عبد الله بن أبي بكر الصديق رضي الله عنهما
প্যারিস পাণ্ডুলিপি হতে আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের সমাপ্তি এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদের প্রারম্ভ।