(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: -)
ضعيف الأدب المفرد   (ناصر الدين الألباني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ضعيف الأدب المفرد للإمام البخاري

المؤلف: محمد ناصر الدين الألباني

الناشر: دار الصديق للنشر والتوزيع

الطبعة: الرابعة، 1419 هـ - 1998 م

عدد الصفحات: 119

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

যয়ীফ আল-আদাবুল মুফরাদ   (নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইমাম বুখারীর যয়ীফ আল-আদাবুল মুফরাদ

লেখক: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী

প্রকাশক: দারুস সিদ্দিক প্রকাশনা ও বিতরণ

সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৯

[বইয়ের নম্বরকরণ মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌1 - بَابُ بِرِّ وَالِدَيْهِ وَإِنْ ظَلَمَا - 4

1/7- (ضعيف) عَنْ سَعِيدٍ الْقَيْسِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: … مَا مِنْ مُسْلِمٍ لَهُ وَالِدَانِ مُسْلِمَانِ، يُصبح إِلَيْهِمَا محتسباً، إلا فتح اللَّهُ بَابَيْنِ - يَعْنِي: مِنَ الْجَنَّةِ -، وَإِنْ كَانَ وَاحِدًا فَوَاحِدٌ، وَإِنْ أَغْضَبَ أَحَدَهُمَا لَمْ يَرْضَ اللَّهُ عَنْهُ حَتَّى يَرْضَى عَنْهُ. قِيلَ: وَإِنْ ظَلَمَاهُ؟ قَالَ: وَإِنْ ظَلَمَاهُ.

 

‌‌2 = باب جزاء الوالدين - 6

2/12- (ضعيف) عَنْ أَبِي مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلٍ؛ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَسْتَخْلِفُهُ مَرْوَانُ، وَكَانَ يَكُونُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ، فَكَانَتْ أُمُّهُ فِي بَيْتٍ وَهُوَ فِي آخَرَ. قَالَ: فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ وَقَفَ عَلَى بَابِهَا فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكِ يَا أُمَّتَاهُ! وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ.

فَتَقُولُ: وَعَلَيْكَ [السَّلَامُ] يَا بُني وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ. فَيَقُولُ: رَحِمَكِ اللَّهُ كَمَا رَبَّيْتِنِي صَغِيرًا. فَتَقُولُ: رَحِمَكَ اللَّهُ كَمَا بَرَرْتَنِي كَبِيرًا، ثُمَّ إِذَا أراد أن يدخل صنع مثله.

 

‌‌3= بَابُ مَنْ بَرَّ وَالِدَيْهِ زَادَ الله في عمره - 11

3/22- (ضعيف) عن معاذ [بن أَنَسٍ] قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:
১ - অধ্যায়: পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করা, যদিও তারা জুলুম করে - ৪

১/৭- (দুর্বল) সাঈদ আল-কায়সী থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ... কোনো মুসলিমের যদি দুইজন মুসলিম পিতা-মাতা থাকে, আর সে সওয়াবের আশায় তাদের সেবায় সকাল অতিবাহিত করে, তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দুটি দরজা খুলে দেন। আর যদি একজন থাকে তবে একটি। আর যদি সে তাদের একজনকে রাগান্বিত করে, তবে আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন না যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়। জিজ্ঞেস করা হলো: যদিও তারা তার ওপর জুলুম করে? তিনি বললেন: যদিও তারা তার ওপর জুলুম করে।

 

২ - অধ্যায়: পিতা-মাতার প্রতিদান - ৬

২/১২- (দুর্বল) আকীলের মুক্ত দাস আবু মুররাহ থেকে বর্ণিত; মারওয়ান আবু হুরায়রাকে স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করতেন, আর তিনি যুল-হুলাইফায় অবস্থান করতেন। তার মা এক ঘরে থাকতেন এবং তিনি অন্য ঘরে থাকতেন। তিনি বলেন: যখন তিনি বের হওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন তার মায়ের দরজায় এসে দাঁড়াতেন এবং বলতেন: হে আম্মাজান! আপনার ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত বর্ষিত হোক। তখন তিনি বলতেন: হে বৎস! তোমার ওপরও [শান্তি], আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত বর্ষিত হোক। এরপর তিনি বলতেন: আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন যেমনটি আপনি আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন। তখন তিনি বলতেন: আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন যেমনটি তুমি আমার বার্ধক্যে আমার সাথে সদাচরণ করেছ। এরপর যখন তিনি প্রবেশ করতে চাইতেন, তখন অনুরূপ করতেন।

 

৩ - অধ্যায়: যে ব্যক্তি পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করে আল্লাহ তার আয়ু বৃদ্ধি করে দেন - ১১

৩/২২- (দুর্বল) মুয়াজ [ইবনে আনাস] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২২)
" مَنْ بَرَّ وَالِدَيْهِ طُوبَى لَهُ، زَادَ اللَّهُ عز وجل فِي عمره ".

 

‌‌4= باب عقوبة عقوق الوالدين - 15

4/30- (ضعيف) عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَا تَقُولُونَ فِي الزِّنَا، وَشُرْبِ الْخَمْرِ، وَالسَّرِقَةِ"؟ قُلْنَا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: "هُنَّ الْفَوَاحِشُ، وَفِيهِنَّ الْعُقُوبَةُ، أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ؟ الشِّرْكُ بِاللَّهِ عز وجل، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ". وَكَانَ مُتَّكِئًا، فاحتفز قال: "والزور".

 

‌‌5 = بَابُ بِرِّ الْوَالِدَيْنِ بَعْدَ مَوْتِهِمَا -19

5/35- (ضعيف) عن أبي أسيد [مالك بن ربيعة] قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! هَلْ بَقِيَ مِنْ بِرِّ أَبَوَيَّ شَيْءٌ بَعْدَ مَوْتِهِمَا أَبَرُّهُمَا؟ قَالَ: "نَعَمْ. خصالٌ أَرْبَعٌ: الدُّعَاءُ لَهُمَا، وَالِاسْتِغْفَارُ لَهُمَا، وإنفاذ عهدهما،
"যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করে, তার জন্য সুসংবাদ; মহান আল্লাহ তার হায়াত বৃদ্ধি করে দেন।"

 

‌‌৪= পরিচ্ছেদ: পিতা-মাতার অবাধ্যতার শাস্তি - ১৫

৪/৩০- (দুর্বল) ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "ব্যভিচার, মদ্যপান এবং চুরি সম্পর্কে তোমরা কী বলো?" আমরা বললাম: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন: "এগুলো অশ্লীল কাজ এবং এগুলোতে শাস্তির বিধান রয়েছে। আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহসমূহ সম্পর্কে অবহিত করব না? তা হলো মহান আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া।" তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন, অতঃপর সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন: "আর মিথ্যা কথা।"

 

‌‌৫ = পরিচ্ছেদ: পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদ্ব্যবহার - ১৯

৫/৩৫- (দুর্বল) আবু উসাইদ [মালিক ইবনে রাবিআ] (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী (সা.)-এর নিকট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর কি তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার করার মতো আর কিছু অবশিষ্ট আছে যা আমি করতে পারি? তিনি বললেন: "হ্যাঁ। চারটি কাজ: তাদের জন্য দোয়া করা, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাদের অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়ন করা,
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
وَإِكْرَامُ صَدِيقِهِمَا، وَصِلَةُ الرَّحِمِ الَّتِي لَا رَحِمَ لَكَ إِلَّا مِنْ قبلهما".

 

‌‌6 = باب - ك البر والصلة والآداب، ح] . من كان يصله أبوه- 20

6/40- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عُمَرَ: مَرَّ أَعْرَابِيٌّ في سفرٍ فكان أبو لأعرابي صَدِيقًا لِعُمَرَ رضي الله عنه، فَقَالَ لِلْأَعْرَابِيِّ: أَلَسْتَ ابْنَ فُلَانٍ؟ قَالَ: بَلَى، فَأَمَرَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ بِحِمَارٍ كَانَ يَسْتَعْقِبُ، وَنَزَعَ عِمَامَتَهُ عَنْ رَأْسِهِ فَأَعْطَاهُ. فَقَالَ بَعْضُ مَنْ مَعَهُ: أَمَا يَكْفِيهِ درهمان؟ فقال: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " احفظ ودك أبيك لا تقطعه، فيطفيء الله نورك".

 

‌‌7 = بَابُ لَا تَقْطَعْ مَنْ كَانَ يصل أباك فيُطفأ نورك - 21

7/42- (ضعيف) عن سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ الزُّرَقِيُّ، أَنَّ أَبَاهُ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ مَعَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، فَمَرَّ بِنَا عَبْدُ اللَّهِ بن
এবং তাদের বন্ধুদের সম্মান করা এবং সেই আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা যার উৎস কেবল তারাই।"

 

‌‌৬ = পরিচ্ছেদ - সদাচরণ, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা এবং শিষ্টাচার, হা.] যার সাথে তার পিতা সম্পর্ক বজায় রাখতেন - ২০

৬/৪০- (দুর্বল) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত: সফরে থাকাকালীন এক বেদুইন ব্যক্তি অতিক্রম করছিল। ওই বেদুইনের পিতা উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বন্ধু ছিলেন। ইবনে উমর তাকে জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি অমুকের পুত্র নও?" সে বলল: "হ্যাঁ।" তখন ইবনে উমর তাকে একটি গাধা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন যা পর্যায়ক্রমে আরোহণের কাজে ব্যবহৃত হতো এবং নিজের মাথা থেকে পাগড়ি খুলে তাকে দিয়ে দিলেন। তাঁর সাথে থাকা কেউ কেউ বললেন: "তার জন্য কি দুই দিরহাম যথেষ্ট ছিল না?" তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমার পিতার বন্ধুত্ব রক্ষা করো এবং তা ছিন্ন করো না, অন্যথায় আল্লাহ তোমার নূর নিভিয়ে দেবেন।"

 

‌‌৭ = পরিচ্ছেদ - যার সাথে তোমার পিতা সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না, অন্যথায় তোমার নূর নিভিয়ে দেওয়া হবে - ২১

৭/৪২- (দুর্বল) সা'দ ইবন উবাদাহ আল-জুরাকী থেকে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা বলেছেন: আমি মদীনার মসজিদে আমর ইবন উসমানের সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় আব্দুল্লাহ ইবন আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন...
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৪)
سَلَّامٍ مُتَّكِئًا عَلَى ابْنِ أَخِيهِ، فَنَفَذَ عَنِ الْمَجْلِسِ، ثُمَّ عَطَفَ عَلَيْهِ فَرَجَعَ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ: مَا شِئْتَ عَمْرَو بْنَ عُثْمَانَ؟ (مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا) ، فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم بِالْحَقِّ! إِنَّهُ لَفِي كِتَابِ اللَّهِ عز وجل (مَرَّتَيْنِ) : لَا تَقْطَعْ مَنْ كَانَ يَصِلُ أَبَاكَ، فَيُطْفَأَ بِذَلِكَ نورك.

 

‌‌8= باب الود يتوارث - 22

8/43- (ضعيف) عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: كَفَيْتُكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ الود يتوارث".

 

‌‌9 = باب هل يكني أباه؟ - 24

9/45- (ضعيف) عن هشر بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ ابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ لَهُ سَالِمٌ: "الصَّلَاةَ! يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ".
সালাম তার ভাতিজার ওপর ভর দিয়ে হেলান দিয়ে ছিলেন, অতঃপর তিনি মজলিস অতিক্রম করে গেলেন। তারপর তিনি আবার তাদের দিকে ফিরে আসলেন এবং বললেন: হে আমর ইবন উসমান! তোমার কী হয়েছে? (দুই বা তিনবার বললেন)। সেই সত্তার কসম, যিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! নিশ্চয়ই এটি মহামহিম আল্লাহর কিতাবে রয়েছে (দুইবার বললেন): যে ব্যক্তি তোমার পিতার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখত, তুমি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না, নতুবা এর ফলে তোমার নূর নিভে যাবে।

 

‌‌৮= পরিচ্ছেদ: ভালোবাসা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয় - ২২

৮/৪৩- (যয়িফ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তোমার জন্য যথেষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই ভালোবাসা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়।"

 

‌‌৯ = পরিচ্ছেদ: পিতাকে কি তার উপনাম ধরে ডাকা যাবে? - ২৪

৯/৪৫- (যয়িফ) শাহর ইবন হাওশাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা ইবন উমরের সাথে বের হলাম, তখন সালিম তাকে বললেন: "নামায! হে আবু আবদুর রহমান।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌10= باب وجوب صلة الرحم - 25

10/47- (ضعيف) عن كُلَيْبُ بْنُ مَنْفَعَةَ قَالَ: قَالَ جَدِّي: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: "أُمَّكَ وَأَبَاكَ، وَأُخْتَكَ وَأَخَاكَ، وَمَوْلَاكَ الَّذِي يَلِي ذَاكَ، حق واجب، ورحمٌ موصولة".

 

‌‌11= باب صلة الرحم- 26

11/51- (ضعيف) عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عن ابن عباس قال: {وءاتِ ذَا الْقُرْبَى حَقَّهُ وَالْمِسْكِينَ وَابْنَ والسبيل … } الآية [الإسراء: 26] قَالَ: بَدَأَ فَأَمَرَهُ بِأَوْجَبِ الْحُقُوقِ، وَدَلَّهُ عَلَى أَفْضَلِ الْأَعْمَالِ إِذَا كَانَ عِنْدَهُ شَيْءٌ فَقَالَ: {وءاتِ ذَا الْقُرْبَى حَقَّهُ وَالْمِسْكِينَ وَابْنَ السبيل} وَعَلَّمَهُ إِذَا لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ شَيْءٌ كَيْفَ يَقُولُ، فَقَالَ: {وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ابْتِغَاءَ رحمةٍ مِنْ رَبِّكَ تَرْجُوهَا فَقُلْ لَهُمْ قَوْلًا مَيْسُورًا} [الإسراء: 28] عِدَّةً حَسَنَةً كَأَنَّهُ قَدْ كَانَ، وَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ: {وَلَا تَجْعَلْ يدك مغلولة إلى عنقك} لَا تُعْطِي شَيْئًا: {وَلَا تَبْسُطْهَا كل البسط} تُعْطِي مَا عِنْدَكَ: {فَتَقْعُدَ مَلُومًا} يَلُومُكَ مَنْ يَأْتِيكَ بَعْدُ، وَلَا يَجِدُ عِنْدَكَ شَيْئًا: {مَحْسُورًا} [الإسراء: 29] قال:
‌‌১০= আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার আবশ্যকতা অধ্যায় - ২৫

১০/৪৭- (দুর্বল) কুলায়ব ইবনে মানফায়াহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার দাদা বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার সাথে সদ্ব্যবহার করব? তিনি বললেন: "তোমার মা, তোমার বাবা, তোমার বোন এবং তোমার ভাইয়ের সাথে, এবং তোমার সেই নিকটবর্তী মুক্ত হওয়া গোলাম বা আত্মীয়ের সাথে যে এর পরে আসে; এটি একটি ওয়াজিব হক এবং রক্ষা করার মতো একটি আত্মীয়তার বন্ধন।"

 

‌‌১১= আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা অধ্যায় - ২৬

১১/৫১- (দুর্বল) মুহাম্মদ ইবনে আবু মুসা থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে {আর আত্মীয়-স্বজনকে তার হক প্রদান করো এবং মিসকিন ও মুসাফিরকেও...} আয়াতটি [আল-ইসরা: ২৬] সম্পর্কে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে আবশ্যিক অধিকারগুলো দিয়ে নির্দেশ শুরু করেছেন এবং যখন কোনো ব্যক্তির কাছে কিছু থাকে, তখন সর্বোত্তম আমল কী হবে তার পথ দেখিয়েছেন। তাই তিনি বলেছেন: {আর আত্মীয়-স্বজনকে তার হক প্রদান করো এবং মিসকিন ও মুসাফিরকেও।} আর যখন তার কাছে কিছু না থাকে, তখন সে কীভাবে কথা বলবে তাও তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন। তাই তিনি বলেছেন: {আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে রহমতের অন্বেষণে—যার প্রত্যাশা তুমি করো—তাদের থেকে বিমুখ হতে হয়, তবে তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বলো।} [আল-ইসরা: ২৮] অর্থাৎ একটি সুন্দর প্রতিশ্রুতি প্রদান করো, যা যেন ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে এবং ইনশাআল্লাহ অদূর ভবিষ্যতে তা হতে পারে। (আল্লাহ আরও বলেছেন:) {এবং তুমি তোমার হাত তোমার ঘাড়ের সাথে আবদ্ধ করে রেখো না} অর্থাৎ তুমি কিছুই দিচ্ছ না; {এবং তা (হাত) পুরোপুরি প্রসারিত করো না} অর্থাৎ তোমার কাছে যা আছে তার সবকিছুই দিয়ে দিচ্ছ; {ফলে তুমি নিন্দিত হয়ে বসে পড়বে} অর্থাৎ যে তোমার পরে আসবে সে তোমাকে নিন্দা করবে যেহেতু সে তোমার কাছে কিছুই পাবে না; {নিঃস্ব হয়ে।} [আল-ইসরা: ২৯] তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৬)
قَدْ حَسَّرَكَ مَنْ قَدْ أَعْطَيْتَهُ.

 

‌‌12= باب برّ الأقرب فالأقرب- 30

12/61- (ضعيف) عن أبي أَيُّوبَ؛ سُلَيْمَانُ - مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ- قَالَ: جَاءَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَشِيَّةَ الْخَمِيسِ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ: أُحرّج عَلَى كُلِّ قَاطِعِ رَحِمٍ لَمَا قَامَ مِنْ عِنْدِنَا، فَلَمْ يَقُمْ أحدٌ، حَتَّى قَالَ ثَلَاثًا: فَأَتَى فَتًى عَمَّةً لَهُ قَدْ صَرَمَهَا مُنْذُ سَنَتَيْنِ، فَدَخَلَ عَلَيْهَا. فَقَالَتْ لَهُ: يَا ابْنَ أَخِي! مَا جَاءَ بِكَ؟ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ كَذَا وَكَذَا. قَالَتِ: ارْجِعْ إِلَيْهِ، فَسَلْهُ: لِمَ قَالَ ذَاكَ؟ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِنَّ أَعْمَالَ بَنِي آدَمَ تُعْرَضُ عَلَى اللَّهِ تبارك وتعالى عَشِيَّةَ كُلِّ خَمِيسٍ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ، فَلَا يقبل عمل قاطع رحم".

13/62- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عُمَرَ: "مَا أَنْفَقَ الرَّجُلُ عَلَى نَفْسِهِ وَأَهْلِهِ يَحْتَسِبُهَا إِلَّا آجَرَهُ اللَّهُ تَعَالَى فِيهَا، وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ، فَإِنْ كَانَ فَضْلًا فَالْأَقْرَبَ الْأَقْرَبَ، وَإِنْ كَانَ فضلاً فناول".
যাকে আপনি দান করেছেন, সে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

 

‌‌১২- পরিচ্ছেদ: নিকটাত্মীয়ের সাথে সদাচরণ, অতঃপর ক্রমানুসারে তার পরবর্তী নিকটাত্মীয় - ৩০

১২/৬১- (দুর্বল) আবু আইয়ুব সুলাইমান —যিনি উসমান ইবন আফফানের আযাদকৃত দাস— হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা (রা.) আমাদের নিকট বৃহস্পতিবার বিকেলে তথা জুমার রাতে আসলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি প্রত্যেক আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীর প্রতি দায়বদ্ধতা আরোপ করছি যে, সে যেন আমাদের নিকট থেকে উঠে যায়। কিন্তু কেউ উঠল না, এমনকি তিনি তিনবার এ কথা বললেন। অতঃপর এক যুবক তার এক ফুফুর নিকট গেল, যার সাথে সে দুই বছর ধরে সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছিল এবং তার নিকট প্রবেশ করল। তিনি তাকে বললেন: হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তোমার আসার কারণ কী? সে বলল: আমি আবু হুরায়রা (রা.)-কে এমন এমন বলতে শুনেছি। তিনি বললেন: তুমি তার কাছে ফিরে যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস করো তিনি কেন এ কথা বলেছেন? তিনি (আবু হুরায়রা) বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই বনী আদমের আমলসমূহ প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে তথা জুমার রাতে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার নিকট পেশ করা হয়। তখন কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীর আমল কবুল করা হয় না।"

১৩/৬২- (দুর্বল) ইবন উমর (রা.) হতে বর্ণিত: "কোনো ব্যক্তি সওয়াবের আশায় নিজের এবং নিজের পরিবার-পরিজনের জন্য যা কিছু ব্যয় করে, আল্লাহ তায়ালা তাকে অবশ্যই তার প্রতিদান দান করেন। আর তুমি তাদের মাধ্যমেই শুরু করো যাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব তোমার ওপর। এরপর যদি অতিরিক্ত থাকে তবে পর্যায়ক্রমে নিকটাত্মীয়দের দাও, আর এরপরও যদি অতিরিক্ত থাকে তবে অন্যদের প্রদান করো।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌13= بَابُ لَا تَنْزِلُ الرَّحْمَةُ عَلَى قوم فيهم قاطع رحم- 31

14/63- (ضعيف) عن عبد الله بْنَ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ الرَّحْمَةَ لَا تَنْزِلُ عَلَى قَوْمٍ فِيهِمْ قَاطِعُ رَحِمٍ".

 

‌‌14= بَابُ إثم قاطع الرحم- 32

15/66- (ضعيف إلا جملة التعوذ) عن سَعِيدُ بْنُ سَمْعَانَ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَتَعَوَّذُ مِنْ إِمَارَةِ الصِّبْيَانِ وَالسُّفَهَاءِ. فَقَالَ سَعِيدُ بْنُ سَمْعَانَ: فَأَخْبَرَنِي ابْنُ حَسَنَةَ الْجُهَنِيُّ، أَنَّهُ قَالَ لِأَبِي هُرَيْرَةَ: مَا آيَةُ ذَلِكَ؟ قَالَ: "أَنْ تُقْطَعَ الْأَرْحَامُ، وَيُطَاعَ الْمُغْوِي وَيُعْصَى الْمُرْشِدُ".
১৩= পরিচ্ছেদ: যে সম্প্রদায়ের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী রয়েছে, তাদের ওপর রহমত বর্ষিত হয় না- ৩১

১৪/৬৩- (যয়ীফ) আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফা থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই এমন সম্প্রদায়ের ওপর রহমত বর্ষিত হয় না যাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী রয়েছে।"

 

১৪= পরিচ্ছেদ: আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীর গুনাহ- ৩২

১৫/৬৬- (আশ্রয় প্রার্থনার বাক্যটি ব্যতীত যয়ীফ) সাঈদ ইবনে সামআন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে কিশোর এবং নির্বোধদের নেতৃত্ব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। অতঃপর সাঈদ ইবনে সামআন বলেন: ইবনে হাসানা আল-জুহানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: এর নিদর্শন কী? তিনি বললেন: "আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে, পথভ্রষ্টকারীর আনুগত্য করা হবে এবং সঠিক পথপ্রদর্শকের অবাধ্যতা করা হবে।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌15= بَابُ هَلْ يَقُولُ الْمَوْلَى: إِنِّي من فلان؟ - 39

16/74- (ضعيف) عن عبد الرحمن بن حَبِيبٍ قَالَ: قَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: "مِمَّنْ أَنْتَ؟ ". قُلْتُ: مِنْ تَيْمِ تَمِيمٍ. قَالَ: "مِنْ أَنْفُسِهِمْ أَوْ مِنْ مَوَالِيهِمْ؟ " قُلْتُ: مِنْ مَوَالِيهِمْ، قَالَ: "فَهَلَّا قُلْتَ: مِنْ مَوَالِيهِمْ إِذًا؟ ".

 

‌‌16= بَابُ فَضْلِ مَنْ عَالَ ابْنَتَهُ الْمَرْدُودَةَ- 43

17/80- (ضعيف) عن علي [بن رباح] ؛ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِسُرَاقَةَ بْنِ جُعشم: "أَلَا أَدُلُّكَ عَلَى أَعْظَمِ الصَّدَقَةِ، أَوْ مِن أَعْظَمِ الصَّدَقَةِ "، قَالَ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ! قَالَ: " ابْنَتُكَ مَرْدُودَةٌ إِلَيْكَ، لَيْسَ لَهَا كاسبٌ غيرك".

18/81- (ضعيف) عَنْ سُراقة بْنِ جُعشم؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " يَا سُرَاقَةُ … ". مِثْلَهُ.

 

‌‌17= بَابُ مَنْ كَرِهَ أَنْ يَتَمَنَّى موت البنات- 44

19/83- (ضعيف) عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ، أَبِي الرواع، عن ابن عمر:
১৫= পরিচ্ছেদ: আযাদকৃত দাস কি বলবে যে, আমি অমুক গোত্রের লোক? - ৩৯

১৬/৭৪- (দুর্বল) আবদুর রহমান ইবনে হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে বললেন: "তুমি কার অন্তর্ভুক্ত?" আমি বললাম: "তাইমে তামীম গোত্রের।" তিনি বললেন: "তাদের মূল বংশীয়দের অন্তর্ভুক্ত নাকি তাদের আযাদকৃত দাসদের অন্তর্ভুক্ত?" আমি বললাম: "তাদের আযাদকৃত দাসদের অন্তর্ভুক্ত।" তিনি বললেন: "তবে কেন তখন বললে না যে: তাদের আযাদকৃত দাসদের অন্তর্ভুক্ত?"

 

১৬= পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তার ফিরে আসা (তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবা) কন্যার ভরণপোষণ করে তার ফজিলত- ৪৩

১৭/৮০- (দুর্বল) আলী [ইবনে রাবাহ] থেকে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুরাকাহ ইবনে জু’শামকে বললেন: "আমি কি তোমাকে সর্বোত্তম সাদাকা সম্পর্কে, অথবা সর্বোত্তম সাদাকাসমূহের কোনো একটি সম্পর্কে অবহিত করব না?" তিনি বললেন: "অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল!" তিনি বললেন: "তোমার সেই কন্যা যে তোমার কাছে ফিরে এসেছে, তুমি ছাড়া যার আর কোনো উপার্জনকারী নেই।"

১৮/৮১- (দুর্বল) সুরাকাহ ইবনে জু’শাম থেকে বর্ণিত; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "হে সুরাকাহ … "। পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ।

 

১৭= পরিচ্ছেদ: কন্যাদের মৃত্যু কামনা করাকে যারা অপছন্দ করেছেন- ৪৪

১৯/৮৩- (দুর্বল) উসমান ইবনে হারিস আবুুর রাওয়া’ থেকে বর্ণিত, ইবনে উমর থেকে:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ২৯)
أَنَّ رَجُلًا كَانَ عِنْدَهُ؛ وَلَهُ بَنَاتٌ فَتَمَنَّى مَوْتَهُنَّ، فَغَضِبَ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ: "أَنْتَ تَرْزُقُهُنَّ؟! ".

 

‌‌18= بَابُ أدب الوالد وبرّه لولده- 51

20/92- (ضعيف) عن نُمير بن أوس قال: كَانُوا يَقُولُونَ: "الصَّلَاحُ مِنَ اللَّهِ، والأدب من الآباء".

 

‌‌19= باب برّ الأب لولده -52

21/94- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: " إِنَّمَا سَمَّاهُمُ اللَّهُ أَبْرَارًا؛ لِأَنَّهُمْ بَرُّوا الْآبَاءَ وَالْأَبْنَاءَ، كَمَا أَنَّ لِوَالِدِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، كَذَلِكَ لِوَلَدِكَ عَلَيْكَ حق".

 

‌‌20= بَابُ الْأَدْنَى فَالْأَدْنَى مِنَ الْجِيرَانِ- 59

22/110- (ضعيف) عن عَلْقَمَةُ بْنُ بَجَالَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ: " وَلَا يَبْدَأُ بِجَارِهِ الْأَقْصَى قَبْلَ الْأَدْنَى، وَلَكِنْ يَبْدَأُ بِالْأَدْنَى قَبْلَ الأقصى".
জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট অবস্থান করছিল; তার কন্যা সন্তান ছিল এবং সে তাদের মৃত্যু কামনা করল। তখন ইবনে ওমর (রা.) রাগান্বিত হয়ে বললেন: "তুমি কি তাদের রিযিক দাও?!"

 

‌‌১৮= পরিচ্ছেদ: পিতার শিষ্টাচার এবং সন্তানের প্রতি তাঁর সদাচরণ- ৫১

২০/৯২- (দুর্বল) নুমাইর ইবনে আউস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তাঁরা বলতেন: "সদাচার আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং আদব বা শিষ্টাচার পিতাদের পক্ষ থেকে।"

 

‌‌১৯= পরিচ্ছেদ: সন্তানের প্রতি পিতার সদাচরণ- ৫২

২১/৯৪- (দুর্বল) ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদেরকে 'আবরার' (পূণ্যবান) নামকরণ করেছেন; কেননা তাঁরা পিতামাতার সাথে এবং সন্তানদের সাথে সদাচরণ করেছেন। যেমন তোমার ওপর তোমার পিতার অধিকার রয়েছে, তেমনি তোমার ওপর তোমার সন্তানেরও অধিকার রয়েছে।"

 

‌‌২০= পরিচ্ছেদ: প্রতিবেশীদের মধ্যে নিকটবর্তী ও তারপর নিকটবর্তী- ৫৯

২২/১১০- (দুর্বল) আলকামা ইবনে বাজলাহ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রা (রা.)-কে বলতে শুনেছি: "সে দূরের প্রতিবেশীকে দিয়ে শুরু করবে না নিকটবর্তীর আগে, বরং নিকটবর্তীকে দিয়ে শুরু করবে দূরের জনের আগে।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌21= باب لا يُؤذي جاره- 66

23/120- (ضعيف) عن عُمَارَةُ بْنُ غُراب؛ أَنَّ عَمَّةً لَهُ حَدَّثَتْهُ: أَنَّهَا سَأَلَتْ عَائِشَةَ أم المؤمنين رضي الله عنه فَقَالَتْ: إِنَّ زَوْجَ إِحْدَانَا يُرِيدُهَا فَتَمْنَعُهُ نَفْسَهَا، إِمَّا أَنْ تَكُونَ غَضَبَى أَوْ لَمْ تَكُنْ نَشِيطَةً، فَهَلْ عَلَيْنَا فِي ذَلِكَ مِنْ حَرَجٍ؟

قَالَتْ: نَعَمْ. إِنَّ مِنْ حَقِّهِ عَلَيْكِ أَنْ لَوْ أَرَادَكِ وَأَنْتِ عَلَى قَتَبٍ، لَمْ تَمْنَعِيهِ. قَالَتْ:

قُلْتُ لَهَا: إِحْدَانَا تَحِيضُ، وَلَيْسَ لَهَا وَلِزَوْجِهَا إِلَّا فِرَاشٌ واحدٌ أَوْ لِحَافٌ وَاحِدٌ، فَكَيْفَ تَصْنَعُ؟ قَالَتْ: لِتَشُدَّ عَلَيْهَا إِزَارَهَا ثُمَّ تَنَامُ مَعَهُ، فَلَهُ مَا فَوْقَ ذَلِكَ، مَعَ أَنِّي سَوْفَ أُخْبِرُكِ مَا صَنَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّهُ كَانَ لَيْلَتِي مِنْهُ، فَطَحَنْتُ شَيْئًا مِنْ شَعِيرٍ، فَجَعَلْتُ لَهُ قُرْصًا فَدَخَلَ فردّ الباب، ودخل الْمَسْجِدِ- وَكَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ أَغْلَقَ الْبَابَ، وَأَوْكَأَ الْقِرْبَةَ، وَأَكْفَأَ الْقَدَحَ، وَأطْفَأَ الْمِصْبَاحَ- فَانْتَظَرْتُهُ أَنْ يَنْصَرِفَ فأطعمُهُ الْقُرْصَ، فَلَمْ يَنْصَرِفْ؛ حَتَّى غَلَبَنِي النَّوْمُ، وَأَوْجَعَهُ البردُ، فَأَتَانِي فَأَقَامَنِي. ثُمَّ قَالَ: " أَدْفِئِينِي. أَدْفِئِينِي". فَقُلْتُ لَهُ: إِنِّي حَائِضٌ. فَقَالَ: "وَإِنْ. اكْشِفِي عَنْ فَخِذَيْكِ". فَكَشَفْتُ لَهُ عَنْ فَخِذَيَّ، فَوَضَعَ خَدَّهُ وَرَأْسَهُ عَلَى فَخِذَيَّ، حتى دفئ.
‌২১= পরিচ্ছেদ: প্রতিবেশী যেন কষ্ট না দেয়- ৬৬

২৩/১২০- (যঈফ) উমারা ইবনে গুরাব থেকে বর্ণিত; তাঁর এক ফুফু তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে জিজ্ঞাসা করে বললেন: আমাদের কারো স্বামী যদি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গ চায় আর স্ত্রী নিজেকে বিরত রাখে—হয়তো সে রাগান্বিত হওয়ার কারণে অথবা আগ্রহী না হওয়ার কারণে—তবে কি এতে আমাদের কোনো গুনাহ হবে?

তিনি বললেন: হ্যাঁ। তোমার ওপর তাঁর হক হলো, এমনকি তুমি যদি উটের জিনের ওপরও থাকো আর তিনি তোমাকে চান, তবে তুমি তাঁকে বাধা দিয়ো না। তিনি (ফুফু) বললেন:

আমি তাঁকে বললাম: আমাদের কারো যদি ঋতুস্রাব হয় অথচ তাঁর ও তাঁর স্বামীর জন্য কেবল একটি বিছানা অথবা একটি লেপ থাকে, তবে সে কী করবে? তিনি বললেন: সে যেন তার লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নেয়, অতঃপর তাঁর সাথে ঘুমায়; তবে লুঙ্গির উপরের অংশ তাঁর (স্বামীর) জন্য বৈধ। আর আমি তোমাকে বলব নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী করেছিলেন: সেটি ছিল আমার সাথে তাঁর রাত কাটানোর পালা। আমি কিছু যব পেষণ করলাম এবং তাঁর জন্য একটি রুটি তৈরি করলাম। তিনি এসে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলেন। আর তিনি যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন দরজা বন্ধ করতেন, মশক বা পানির পাত্রের মুখ বেঁধে রাখতেন, পেয়ালা উল্টে রাখতেন এবং প্রদীপ নিভিয়ে দিতেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম যে তিনি ফিরে এলে আমি তাঁকে রুটিটি খেতে দেব। কিন্তু তিনি ফিরলেন না, একপর্যায়ে আমি ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম। আর তীব্র শীত তাঁকে কষ্ট দিচ্ছিল। তিনি আমার কাছে আসলেন এবং আমাকে জাগালেন। অতঃপর তিনি বললেন: "আমাকে উষ্ণতা দাও, আমাকে উষ্ণতা দাও।" আমি তাঁকে বললাম: আমি তো ঋতুবতী। তিনি বললেন: "তাতে কী হয়েছে, তোমার উরুদ্বয় উন্মুক্ত করো।" অতঃপর আমি তাঁর জন্য আমার উরুদ্বয় উন্মুক্ত করে দিলাম, আর তিনি তাঁর গাল ও মাথা আমার উরুর ওপর রাখলেন যতক্ষণ না তিনি উষ্ণতা অনুভব করলেন।
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩১)
فَأَقْبَلَتْ شَاةٌ لِجَارِنَا دَاجِنَةٌ، فَدَخَلَتْ، ثُمَّ عَمَدَتْ إِلَى الْقُرْصِ فَأَخَذَتْهُ، ثُمَّ أَدْبَرَتْ بِهِ. قَالَتْ: وَقَلِقْتُ عَنْهُ وَاسْتَيْقَظَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فبادرتُها إِلَى الْبَابِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "خُذِي مَا أدركتِ مِنْ قرصِكِ، وَلَا تُؤْذِي جَارَكِ فِي شاتِهِ".

 

‌‌22= باب شكاية الجار- 68

24/126- (ضعيف) عن الْفَضْلُ - يَعْنِي: ابْنَ مُبَشِّرٍ - قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ: جَاءَ رجلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَعْدِيهِ (عَلَى جَارِهِ، فَبَيْنَا هُوَ قاعدٌ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ، إذا أَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَرَآهُ الرَّجُلُ وَهُوَ مُقاوم رجلاً عليه ثياب بياض عندالمقام، حَيْثُ يُصَلُّونَ عَلَى الْجَنَائِزِ، فَأَقْبَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَنِ الرَّجُلُ الَّذِي رأيت معك مقاوم عَلَيْهِ ثِيَابٌ بِيضٌ؟ قَالَ: " أَقَدْ رَأَيْتَهُ؟ ". قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: " رَأَيْتَ خَيْرًا كَثِيرًا، ذَاكَ جِبْرِيلُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ [وَسَلَّمَ] رسولُ رَبِّي، مَا زَالَ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ جَاعِلٌ لَهُ مِيرَاثًا".
আমাদের প্রতিবেশীর একটি গৃহপালিত ছাগল এল এবং ভেতরে প্রবেশ করল। এরপর সেটি রুটির দিকে এগিয়ে গিয়ে তা নিয়ে চলে গেল। তিনি (আয়েশা রা.) বললেন: আমি এ নিয়ে বিচলিত হয়ে পড়লাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জেগে উঠলেন। আমি ছাগলটিকে ধরার জন্য দরজার দিকে দৌড়ে গেলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমার রুটির যতটুকু অবশিষ্ট পেয়েছ তা নিয়ে নাও, আর তোমার প্রতিবেশীকে তার ছাগলের ব্যাপারে কষ্ট দিও না।"

 

‌‌২২= প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অধ্যায়- ৬৮

২৪/১২৬- (যয়ীফ) ফজল—অর্থাৎ ইবনে মুবাশশির—থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি জাবিরকে বলতে শুনেছি: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে এল। সে যখন রুকন ও মাকামে ইবরাহিমের মাঝে বসে ছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন। লোকটি তাঁকে মাকামের কাছে সাদা পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির সাথে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল, যেখানে জানাজার সালাত আদায় করা হয়। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এগিয়ে এলেন, তখন লোকটি বলল: হে আল্লাহর রাসুল, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গিত হোক! আপনার সাথে যে সাদা পোশাক পরিহিত ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম তিনি কে? তিনি বললেন: "তুমি কি তাকে দেখেছ?" সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তুমি অনেক বড় কল্যাণ দেখেছ। তিনি ছিলেন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম, আমার রবের প্রেরিত দূত। তিনি আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে অবিরত উপদেশ দিচ্ছিলেন, এমনকি আমার মনে হলো যে তিনি হয়তো তাকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেবেন।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌23= بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا من أبويه- 75

25/134- (ضعيف) عَنِ الْحَسَنِ: أَنَّ يَتِيمًا كَانَ يُحضرُ طَعَامَ ابْنِ عُمَرَ، فَدَعَا بِطَعَامٍ ذَاتَ يَوْمٍ، فَطَلَبَ يَتِيمَهُ فَلَمْ يَجِدْهُ، فَجَاءَ بَعْدَمَا فَرَغَ ابْنُ عُمَرَ، فَدَعَا لَهُ ابْنُ عمر بطعام، فلم يَكُنْ عِنْدَهُمْ، فَجَاءَه بِسَوِيقٍ وَعَسَلٍ. فَقَالَ: "دُونَكَ هَذَا فَوَاللَّهِ! مَا غُبِنْتَ". يَقُولُ الْحَسَنُ: "وَابْنُ عُمَرَ والله! ما غُبن".

 

‌‌24= بَابُ خَيْرُ بَيْتٍ بيتٌ فِيهِ يتيم يُحسن إليه -76

26/137- (ضعيف) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " خَيْرُ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بيتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحسن إِلَيْهِ، وَشَرُّ بيتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بيتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُساء إِلَيْهِ، أَنَا وكافلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ" يُشير بِإِصْبَعَيْهِ".

 

‌‌25= بَابُ كُنَّ لِلْيَتِيمِ كالأب الرحيم- 77

27/139- (ضعيف) عن حمزة بن نُجيح أبي عُمَارَةَ قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ: "لَقَدْ عهدتُ الْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّ الرَّجُلَ مِنْهُمْ ليُصبح فَيَقُولُ: يَا أَهْلِيَهْ! يا
‌২৩= অনুচ্ছেদ: পিতা-মাতার (মৃত্যুর পর) এতিম লালন-পালনকারীর মর্যাদা- ৭৫

২৫/১৩৪- (যঈফ) হাসান থেকে বর্ণিত: জনৈক এতিম ইবনে উমরের আহারের সময় উপস্থিত থাকত। একদিন তিনি খাবার চাইলেন এবং সেই এতিম ছেলেটিকে খুঁজলেন কিন্তু তাকে পেলেন না। ইবনে উমরের আহার শেষ হওয়ার পর সে উপস্থিত হলো। ইবনে উমর তার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে বললেন কিন্তু তাঁদের নিকট তখন কোনো খাবার অবশিষ্ট ছিল না। ফলে তিনি তার জন্য ছাতু ও মধু নিয়ে এলেন এবং বললেন: "এটি গ্রহণ করো। আল্লাহর শপথ! তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হওনি।" হাসান বলেন: "আর আল্লাহর শপথ! ইবনে উমরও ক্ষতিগ্রস্ত হননি।"

 

‌‌২৪= অনুচ্ছেদ: মুসলিমদের সেই ঘরই সর্বোত্তম যাতে এমন এতিম আছে যার সাথে সদাচরণ করা হয়- ৭৬

২৬/১৩৭- (যঈফ) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মুসলিমদের ঘরগুলোর মধ্যে সেই ঘরটিই সর্বোত্তম যাতে কোনো এতিম রয়েছে এবং তার সাথে সদাচরণ করা হয়। আর মুসলিমদের ঘরগুলোর মধ্যে সেই ঘরটিই সর্বনিকৃষ্ট যাতে কোনো এতিম রয়েছে এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। আমি এবং এতিমের লালন-পালনকারী জান্নাতে এই দুটির ন্যায় থাকব," এই বলে তিনি তাঁর দুই আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন।

 

‌‌২৫= অনুচ্ছেদ: এতিমের প্রতি দয়ালু পিতার ন্যায় হও- ৭৭

২৭/১৩৯- (যঈফ) হামজাহ বিন নুযাইহ আবু উমারাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: "আমি এমন মুসলিমদের পেয়েছি যাঁদের অবস্থা এই ছিল যে, তাঁদের কোনো ব্যক্তি সকালে জাগ্রত হয়ে বলতেন: হে আমার পরিজন! হে...
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
أهليَه! يَتِيمَكُمْ يَتِيمَكُمْ، يَا أهليَهْ! يَا أهليَهْ! مِسْكِينَكُمْ مِسْكِينَكُمْ، يَا أهليَهْ! يَا أهليَهْ!، جارَكم جارَكم، وأسرعَ بِخِيَارِكُمْ وَأَنْتُمْ كُلَّ يَوْمٍ تَرْذُلُونَ". وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: " وَإِذَا شِئْتَ رَأَيْتَهُ فَاسِقًا يَتَعَمَّقُ بِثَلَاثِينَ أَلْفًا إِلَى النَّارِ مَا لَهُ قَاتَلَهُ اللَّهُ؟ بَاعَ خَلَاقَهُ مِنَ اللَّهِ بثمن عنزٍ! وإن شئت رأتيه مُضَيِّعًا مُرْبَدًّا فِي سَبِيلِ الشَّيْطَانِ، لَا وَاعِظَ لَهُ مِنْ نَفْسِهِ ولا من الناس".

 

‌‌26= بَابُ فَضْلِ الْمَرْأَةِ إِذَا تَصَبَّرَتْ على ولدها ولم تتزوج -78

28/141- (ضعيف) عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "أَنَا وَامْرَأَةٌ سَفْعَاءُ الْخَدَّيْنِ؛ امرأة أإمت مِنْ زَوْجِهَا فصبرتْ عَلَى وَلَدِهَا، كهاتين في الجنة".
হে আমার পরিজন! তোমাদের এতিমদের প্রতি খেয়াল রাখো, তোমাদের এতিমদের প্রতি খেয়াল রাখো। হে আমার পরিজন! হে আমার পরিজন! তোমাদের মিসকিনদের প্রতি খেয়াল রাখো, তোমাদের মিসকিনদের প্রতি খেয়াল রাখো। হে আমার পরিজন! হে আমার পরিজন! তোমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি খেয়াল রাখো, তোমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি খেয়াল রাখো। তোমাদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা দ্রুত চলে যাচ্ছেন, আর তোমরা প্রতিদিন নিকৃষ্টতর হচ্ছো। আমি তাকে বলতে শুনেছি: "তুমি চাইলে তাকে পাপাচারী হিসেবে দেখতে পাবে, যে ত্রিশ হাজার (পরিমাণ) জাহান্নামের গভীরে তলিয়ে যাচ্ছে। তার কী হয়েছে? আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন! সে আল্লাহর কাছে তার প্রাপ্য অংশ একটি ছাগলের মূল্যে বিক্রি করে দিয়েছে! আর যদি চাও তবে তাকে শয়তানের পথে দিশেহারা ও বিমূঢ় অবস্থায় দেখতে পাবে, যার নিজের অন্তরেও কোনো উপদেশদাতা নেই এবং মানুষের মাঝেও কোনো হিতাকাঙ্ক্ষী নেই।"

 

‌‌২৬= পরিচ্ছেদ: যে নারী তার সন্তানদের জন্য ধৈর্য ধারণ করে এবং বিবাহ করে না তার ফজিলত -৭৮

২৮/১৪১- (যঈফ) আউফ ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি এবং বিবর্ণ গালবিশিষ্ট সেই নারী—যে তার স্বামীর মৃত্যুতে বিধবা হয়েছে এবং সন্তানদের লালন-পালনে ধৈর্য ধারণ করেছে—জান্নাতে এই দুইটির মতো (একত্রে) থাকব।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
‌‌27= بَابُ مَنْ مَاتَ لَهُ سَقْطٌ- 81

29/152- (ضعيف) عَنْ سَهْلِ بْنِ الْحَنْظَلِيَّةِ- وَكَانَ لَا يُولَدُ لَهُ- فَقَالَ: "لِأَنْ يُولَدَ لِي فِي الْإِسْلَامِ وَلَدٌ سِقْطٌ فاحتسبُهُ، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ يكُونَ لِيَ الدُّنْيَا جَمِيعًا وَمَا فِيهَا". وَكَانَ ابْنُ الْحَنْظَلِيَّةِ ممن بايع تحت الشجرة.

 

‌‌28= باب حسن الملكة -82

30/156- (ضعيف) عن نُعيم بْنُ يَزِيدَ قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا ثَقُلَ قَالَ: "يَا عَلِيُّ! اِئتني بِطَبَقٍ؛ أَكْتُبْ فِيهِ مَا لَا تَضِلُّ أُمَّتِي [بَعْدِي] ". فَخَشِيتُ أَنْ يَسْبِقَنِي. فَقُلْتُ: إِنِّي لَأَحْفَظُ مِنْ ذِرَاعَيِ الصَّحِيفَةِ، وَكَانَ رَأْسُهُ بَيْنَ ذِرَاعِي وَعَضُدِي. [فَجَعَلَ] يُوصي بِالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ وما ملكت أيمانكم، وقال كذلك حَتَّى فَاضَتْ نَفْسُهُ، وَأَمَرَهُ بِشَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وأن
২৭= অধ্যায়: যার গর্ভপাতকৃত সন্তান মারা যায়- ৮১

২৯/১৫২- (যয়ীফ) সাহল ইবনুল হানজালিয়া থেকে বর্ণিত—তাঁর কোনো সন্তান হতো না—তিনি বলেন: "ইসলামে আমার এমন একটি গর্ভপাতকৃত সন্তান জন্ম নেওয়া যার বিনিময়ে আমি সওয়াব প্রত্যাশা করি, তা আমার কাছে সমগ্র দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও বেশি প্রিয়।" ইবনুল হানজালিয়া সেই সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা গাছের নিচে বায়াত গ্রহণ করেছিলেন।

 

২৮= অধ্যায়: অধীনস্তদের প্রতি সদাচরণ -৮২

৩০/১৫৬- (যয়ীফ) নুয়াইম ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব (আলাইহিস সালাম) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন অসুস্থতায় কাতর হয়ে পড়লেন, তখন তিনি বললেন: "হে আলী! আমার কাছে একটি পাত্র (বা লিখার সরঞ্জাম) নিয়ে এসো; আমি তাতে এমন কিছু লিখে দেব যার ফলে [আমার পর] আমার উম্মত পথভ্রষ্ট হবে না।" তখন আমি আশঙ্কা করলাম যে তিনি (আমার সরঞ্জাম আনার পূর্বেই) ইন্তেকাল করবেন। তখন আমি বললাম: আমি কাগজের চেয়েও ভালো স্মরণ রাখতে পারি। আর তখন তাঁর মাথা ছিল আমার বাহু ও কবজির মধ্যবর্তী স্থানে। [অতঃপর তিনি] সালাত, যাকাত এবং তোমাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে (অধীনস্ত দাস-দাসী) তাদের ব্যাপারে ওসিয়ত করতে থাকলেন। তিনি একইভাবে বলতে থাকলেন যতক্ষণ না তাঁর প্রাণ বিয়োগ হলো। আর তিনি তাঁকে সাক্ষ্য প্রদানের নির্দেশ দিলেন যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং...
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
محمداً عبده ورسوله، [وقال] : "مَنْ شَهِدَ بِهِمَا حُرِّمَ عَلَى النار".

 

‌‌29= باب سوء الملكة- 83

31/160- (ضعيف) عَنِ ابْنِ هَانِئٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: "الْكَنُودُ: الَّذِي يَمْنَعُ رِفدَه، وَيَنْزِلُ وَحْدَهُ، ويضربُ عبده".

32/161- (ضعيف) عَنِ الْحَسَنِ: "أَنَّ رَجُلًا أَمَرَ غُلَامًا لَهُ أَنْ يَسْنُوَ عَلَى بَعِيرٍ لَهُ، فَنَامَ الْغُلَامُ، فَجَاءَ بِشُعْلَةٍ مِنْ نَارٍ فَأَلْقَاهَا فِي وَجْهِهِ، فَتَرَدَّى الْغُلَامُ فِي بِئْرٍ، فَلَمَّا أَصْبَحَ أَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، فَرَأَى الَّذِي فِي وَجْهِهِ، فَأَعْتَقَهُ".

 

‌‌30= بَابُ إذا سرق العبد- 86

33/165- (ضعيف) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল, [এবং তিনি বলেছেন] : "যে ব্যক্তি এ দুটির সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য জাহান্নাম হারাম করা হয়েছে।"

 

‌‌২৯= অনুচ্ছেদ: অধীনস্থদের সাথে অসদাচরণ- ৮৩

৩১/১৬০- (যয়ীফ) ইবনে হানি থেকে বর্ণিত, তিনি আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "কানুদ (অকৃতজ্ঞ) সে ব্যক্তি, যে তার দান বা সাহায্য আটকে রাখে, একাকী অবস্থান করে এবং তার দাসকে প্রহার করে।"

৩২/১৬১- (যয়ীফ) হাসান (রহ.) থেকে বর্ণিত: "এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে উটের সাহায্যে পানি সেচ করার আদেশ দিল। গোলামটি ঘুমিয়ে পড়লে লোকটি আগুনের একটি শিখা নিয়ে এসে তার মুখে ছুঁড়ে মারল। এতে গোলামটি একটি কূপে পড়ে গেল। সকাল হলে সে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নিকট উপস্থিত হল। তিনি তার মুখের অবস্থা দেখে তাকে মুক্ত করে দিলেন।"

 

‌‌৩০= অনুচ্ছেদ: যখন দাস চুরি করে- ৮৬

৩৩/১৬৫- (যয়ীফ) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
" إِذَا سَرَقَ الْمَمْلُوكُ بعهُ وَلَوْ بِنَشٍّ ".

قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: النَّشُّ عِشْرُونَ. وَالنَّوَاةُ: خَمْسَةٌ. وَالْأُوقِيَّةُ: أربعون.

 

‌‌31= باب قصاص العبد- 94

34/184- (ضعيف) عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي بَيْتِهَا، فَدَعَا وَصِيفَةً - لَهُ أَوْ لَهَا - فَأَبْطَأَتْ، فَاسْتَبَانَ الْغَضَبُ فِي وَجْهِهِ، فَقَامَتْ أُمُّ سَلَمَةَ إِلَى الْحِجَابِ، فَوَجَدَتِ الْوَصِيفَةَ تَلْعَبُ [ببهيمة، قالت: فَلَمَّا أَتَيْتُ بِهَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قلتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّهَا لتحلِفُ مَا سمعتْكَ، قالت:] ، ومعه [وفي رواية: وفي يده] سِوَاكٌ. فَقَالَ: "لَوْلَا خَشْيَةُ الْقَوَدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، لَأَوْجَعْتُكِ بِهَذَا السِّوَاكِ".

 

‌‌32= باب هل يُعين عبده؟ - 97

35/190- (ضعيف) عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " أرقّائكم إِخْوَانُكُمْ، فَأَحْسِنُوا إِلَيْهِمْ، اسْتَعِينُوهُمْ عَلَى مَا غَلَبَكُمْ، وَأَعِينُوهُمْ عَلَى مَا غلبوا".
"যদি কোনো দাস চুরি করে, তবে তাকে বিক্রি করে দাও, এমনকি যদি তার মূল্য এক নাশও হয়।"

আবু আব্দুল্লাহ বলেন: নাশ হলো বিশ (দিরহাম)। নাওয়াহ হলো পাঁচ (দিরহাম)। আর উকিয়্যাহ হলো চল্লিশ (দিরহাম)।

 

‌‌৩১= পরিচ্ছেদ: দাসের কিসাস- ৯৪

৩৪/১৮৪- (যয়ীফ) উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে ছিলেন, তিনি এক দাসীকে—তাঁর নিজের অথবা উম্মে সালামার—ডাকলেন। সে আসতে দেরি করল, ফলে তাঁর চেহারায় রাগের চিহ্ন প্রকাশ পেল। উম্মে সালামা পর্দার আড়ালে গেলেন এবং দেখলেন যে দাসীটি একটি পশুর সাথে খেলা করছে। তিনি বলেন: যখন আমি তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিয়ে এলাম, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সে শপথ করে বলছে যে সে আপনার ডাক শোনেনি। তিনি বলেন: নবীজির সাথে [অন্য বর্ণনায়: তাঁর হাতে] একটি মিসওয়াক ছিল। তখন তিনি বললেন: "যদি কিয়ামতের দিন কিসাসের (প্রতিশোধের) ভয় না থাকত, তবে আমি তোমাকে এই মিসওয়াক দিয়ে প্রহার করতাম।"

 

‌‌৩২= পরিচ্ছেদ: সে কি তার দাসকে সাহায্য করবে? - ৯৭

৩৫/১৯০- (যয়ীফ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের দাসরা তোমাদেরই ভাই, সুতরাং তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার করো। যেসব কাজ তোমাদের সাধ্যাতীত সেগুলোতে তাদের সাহায্য নাও, আর যেসব কাজে তারা অক্ষম হয়ে পড়ে তাতে তাদের সাহায্য করো।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌33= باب نفقة الرل على عبده وخادمه صدقة- 99

36/196- (ضعيف) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " خيرُ الصدقة … تَقُولُ امْرَأَتُكَ: أَنْفِقْ عَلَيَّ أَوْ طلقني، ويقول مملوك: أَنْفِقْ عَلَيَّ أَوْ بِعْنِي، وَيَقُولُ ولدك: إلى من تكلنا؟ ".

 

‌‌34= باب العبد راعٍ- 104

37/207- (ضعيف) عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ مَوْلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: "الْعَبْدُ إِذَا أَطَاعَ سَيِّدَهُ، فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ عز وجل، فَإِذَا عَصَى سَيِّدَهُ، فَقَدْ عَصَى اللَّهَ عز وجل".
‌৩৩= পরিচ্ছেদ: দাসের জন্য এবং খাদেমের জন্য ব্যক্তির ব্যয় করা সদকা - ৯৯

৩৬/১৯৬- (দুর্বল) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "উত্তম সদকা ... তোমার স্ত্রী বলে: আমার জন্য ব্যয় করো অথবা আমাকে তালাক দাও; দাস বলে: আমার জন্য ব্যয় করো অথবা আমাকে বিক্রি করো; আর তোমার সন্তান বলে: আপনি আমাদের কার নিকট ছেড়ে যাচ্ছেন?"

 

‌৩৪= পরিচ্ছেদ: দাস একজন দায়িত্বশীল - ১০৪

৩৭/২০৭- (দুর্বল) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রা.)-এর আযাদকৃত দাস আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রা (রা.)-কে বলতে শুনেছি: "দাস যখন তার মালিকের আনুগত্য করে, তখন সে মহান আল্লাহরই আনুগত্য করল; আর যখন সে তার মালিকের অবাধ্য হয়, তখন সে মহান আল্লাহরই অবাধ্য হলো।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
‌‌35= بَابُ أَهْلُ الْمَعْرُوفِ فِي الدُّنْيَا أهل المعروف في الآخرة - 114

38/222- (ضعيف) عَنْ حَرْمَلَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّهُ خَرَجَ حَتَّى أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَكَانَ عِنْدَهُ حَتَّى عَرَفَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا ارْتَحَلَ قلتُ فِي نَفْسِي: وَاللَّهِ لَآتِيَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَزْدَادَ مِنَ الْعِلْمِ، فَجِئْتُ أَمْشِي حَتَّى قُمْتُ بَيْنَ يَدَيْهِ، فَقُلْتُ: مَا تَأْمُرُنِي أَعْمَلُ؟ قَالَ: "يَا حَرْمَلَةُ! ائْتِ الْمَعْرُوفَ، وَاجْتَنَبِ الْمُنْكَرَ". ثُمَّ رَجَعْتُ، حَتَّى جِئْتُ الراحلة، ثم أقبلت حتى مَقَامِي قَرِيبًا مِنْهُ. فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا تَأْمُرُنِي أَعْمَلُ؟ قال: "يا حرملة! ائت المعرف، وَاجْتَنَبِ الْمُنْكَرَ، وَانْظُرْ مَا يعُجبُ أُذُنَكَ أَنْ يَقُولَ لَكَ الْقَوْمُ إِذَا قُمْتَ مِنْ عِنْدِهِمْ فَأْتِهِ، وَانْظُرِ الَّذِي تَكْرَهُ أَنْ يَقُولَ لَكَ الْقَوْمُ إِذَا قُمْتَ مِنْ عِنْدِهِمْ فَاجْتَنِبْهُ". فَلَمَّا رَجَعْتُ تَفَكَّرْتُ، فَإِذَا هُمَا لَمْ يَدَعَا شَيْئًا.

 

‌‌36= بَابُ الْخُرُوجِ إِلَى الْمَبْقَلَةِ وَحَمَلِ الشَّيْءِ عَلَى عَاتِقِهِ إِلَى أَهْلِهِ بالزّبيل - 118

39/235- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ عمر رضي الله عنه: "
৩৫= অনুচ্ছেদ: দুনিয়াতে সৎকর্মশীল ব্যক্তিরাই আখিরাতেও সৎকর্মশীল - ১১৪

৩৮/২২২- (দুর্বল) হরমলা ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত: তিনি বের হলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তিনি তাঁর নিকট অবস্থান করলেন যতক্ষণ না নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে চিনে নিলেন। যখন তিনি প্রস্থানের প্রস্তুতি নিলেন, তখন আমি মনে মনে বললাম: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পুনরায় আসব যাতে জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারি। অতঃপর আমি হেঁটে আসলাম এবং তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে গেলাম। আমি বললাম: আপনি আমাকে কী আমল করার নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: "হে হরমলা! সৎকাজ করো এবং অসৎকাজ বর্জন করো।" অতঃপর আমি ফিরে আসলাম এবং নিজের সওয়ারির নিকট পৌঁছালাম। পুনরায় আমি ফিরে এলাম এবং তাঁর নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ালাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে কী আমল করার নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: "হে হরমলা! সৎকাজ করো এবং অসৎকাজ বর্জন করো। আর লক্ষ্য করো, তুমি যখন মানুষের নিকট থেকে উঠে চলে যাও, তখন তারা তোমার সম্পর্কে যা বলা তুমি পছন্দ করো, তুমি তাই করো। আর তুমি যখন তাদের নিকট থেকে উঠে যাও, তখন তারা তোমার সম্পর্কে যা বলা তুমি অপছন্দ করো, তা বর্জন করো।" যখন আমি ফিরে আসলাম এবং চিন্তা করলাম, তখন দেখলাম যে, এই কথা দুটি কোনো কিছুই বাকি রাখেনি।

 

৩৬= অনুচ্ছেদ: সবজি বাগানে যাওয়া এবং ঝুড়িতে করে পরিবারের জন্য কাঁধে কিছু বহন করে আনা - ১১৮

৩৯/২৩৫- (দুর্বল) ইবনে আব্বাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: "
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৩৯)
اخْرُجُوا بِنَا إِلَى أَرْضِ قَوْمِنَا". فَخَرَجْنَا، فكنتُ أَنَا وأُبيّ بْنُ كَعْبٍ فِي مُؤَخَّرِ النَّاسِ، فَهَاجَتْ سَحَابَةٌ فَقَالَ أُبيّ: "اللَّهُمَّ اصْرِفْ عَنَّا أَذَاهَا". فَلَحِقْنَاهُمْ، وَقَدِ ابْتَلَّتْ رِحَالُهُمْ. فَقَالُوا: مَا أَصَابَكُمُ الَّذِي أَصَابَنَا؟ قُلْتُ: إِنَّهُ دَعَا اللَّهَ عز وجل أَنْ يَصْرِفَ عَنَّا أَذَاهَا. فَقَالَ عُمَرُ: "أَلَا دَعَوْتُمْ لنا معكم؟ ".

 

‌‌37= باب الانبساط إلى الناس- 124

40/249- (ضعيف) عن أبي هريرة قال: سَمِعَ أُذناي هَاتَانِ وبصرَ عَيْنَايَ هَاتَانِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ بِيَدَيْهِ جَمِيعًا بِكَفَّيِّ الْحَسَنِ أَوِ الْحُسَيْنِ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا، وَقَدَمَيهِ عَلَى قَدَمِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ورَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول: " ارقَهْ (وفي لفظ: ترَقّ/270) " قَالَ: فَرَقِيَ الْغُلَامُ، حَتَّى وَضَعَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "افْتَحْ فَاكَ" ثُمَّ قَبَّلَهُ. ثُمَّ قَالَ: "اللَّهُمَّ أحبّهُ؛ فإني أحبه".
"আমাদেরকে আমাদের কওমের ভূমির দিকে নিয়ে বের হও।" অতঃপর আমরা বের হলাম। আমি ও উবাই ইবনুল কাব মানুষের পেছনের সারিতে ছিলাম। এরপর একখণ্ড মেঘ ঘনিয়ে এল। তখন উবাই বললেন: "হে আল্লাহ! এর কষ্টদায়ক দিকটি আমাদের থেকে সরিয়ে দিন।" অতঃপর আমরা তাদের সাথে গিয়ে মিলিত হলাম, এমতাবস্থায় তাদের সওয়ারিগুলো ভিজে গিয়েছিল। তারা বলল: "আমাদের যা আক্রান্ত করেছে তা কি তোমাদের আক্রান্ত করেনি?" আমি বললাম: "নিশ্চয়ই তিনি মহান আল্লাহর নিকট এর কষ্টদায়ক দিকটি আমাদের থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য দোয়া করেছেন।" তখন উমর বললেন: "তোমরা কি তোমাদের সাথে আমাদের জন্যও দোয়া করতে পারতে না?"

 

‌‌৩৭= অধ্যায়: মানুষের সাথে সাবলীল ও অমায়িক হওয়া- ১২৪

৪০/২৪৯- (দুর্বল) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার এই দুই কান শুনেছে এবং এই দুই চোখ দেখেছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উভয় হাত দিয়ে হাসান অথবা হুসাইন (তাঁদের উভয়ের প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)-এর দুই হাতের কবজি ধরলেন এবং বালকটির দুই পা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পায়ের ওপর ছিল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন: "উপরে চড়ো (অন্য শব্দে: উপরে উঠো/২৭০)"। বর্ণনাকারী বলেন: বালকটি উপরে উঠল, এমনকি সে তার দুই পা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বুকের ওপর রাখল। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "তোমার মুখ খোলো।" অতঃপর তিনি তাকে চুম্বন করলেন। এরপর বললেন: "হে আল্লাহ! একে ভালোবাসুন; কেননা আমি একে ভালোবাসি।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪০)
‌‌38= بَابُ إِثْمِ مَنْ أَشَارَ عَلَى أخيه بغير رشد- 130

41/259- (ضعيف) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: " … وَمَنِ استشارهُ أَخُوهُ الْمُسْلِمُ، فَأَشَارَ عَلَيْهِ بِغَيْرِ رُشْدٍ، فَقَدْ خَانَهُ، ومن أفتي بِغَيْرِ ثَبْتٍ، فَإِثْمُهُ عَلَى مَنْ أفتاه".

 

‌‌39= باب الألفة -132

42/261- (ضعيف) عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو بْنِ الْعَاصِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ روحي الْمُؤْمِنَيْنِ لَيَلْتَقِيَانِ فِي مَسِيرَةِ يومٍ، وما رأى أحدهما صاحبه".

43/263- (ضعيف) عَنْ عُمَيْرِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ: " كُنَّا نَتَحَدَّثُ: إِنَّ أَوَّلَ مَا يُرْفَعُ مِنَ النَّاسِ الْأُلْفَةُ".

 

‌‌40= بَابُ المزاح - 133

44/267- (ضعيف) عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ: مَزَحَتْ عَائِشَةُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ أُمُّهَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! بَعْضُ
‌৩৮= পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তার ভাইকে সঠিক পথ ব্যতীত ভিন্ন পরামর্শ দেয় তার পাপ- ১৩০

৪১/২৫৯- (দুর্বল) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সা.) বলেছেন: " ... এবং যার নিকট তার মুসলিম ভাই পরামর্শ চায়, আর সে তাকে সঠিক পথ ব্যতীত ভিন্ন পরামর্শ দেয়, তবে সে তার সাথে খিয়ানত করল। আর যাকে সুনিশ্চিত প্রমাণ ছাড়াই ফতোয়া দেওয়া হলো, তবে তার পাপ সেই ফতোয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে।"

 

‌‌৩৯= পরিচ্ছেদ: হৃদ্যতা - ১৩২

৪২/২৬১- (দুর্বল) আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই দুই মুমিনের রূহ একদিনের দূরত্বের পথ চলাকালেও একে অপরের সাথে মিলিত হয়, অথচ তাদের একজন অন্যজনকে দেখেনি।"

৪৩/২৬৩- (দুর্বল) উমাইর ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমরা আলোচনা করতাম যে, মানুষের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম যা উঠিয়ে নেওয়া হবে তা হলো হৃদ্যতা।"

 

‌‌৪০= পরিচ্ছেদ: রসিকতা - ১৩৩

৪৪/২৬৭- (দুর্বল) ইবনে আবি মুলাইকা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আয়েশা (রা.) আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নিকট রসিকতা করলেন, তখন তাঁর মা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! কিছু...
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪১)
دُعَابَاتِ هَذَا الْحَيِّ مِنْ كِنَانَةَ. قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " بَلْ بَعْضُ مزحِنا؛ هَذَا الحي".

 

‌‌41= باب الشح- 137

45/282- (ضعيف) عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " خَصْلَتَانِ لَا يَجْتَمِعَانِ فِي مؤمن: البخل، وسوء الخلق".

 

‌‌42= بَابُ حُسْنِ الْخُلُقِ إِذَا فَقِهُوا - 138

46/290- (ضعيف) عَنْ شَهْرٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ قَالَتْ: قَامَ أَبُو الدَّرْدَاءِ لَيْلَةً يُصَلِّي، فَجَعَلَ يَبْكِي وَيَقُولُ: "اللَّهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِي فَحَسِّنْ خُلُقِي"، حَتَّى أصبح. فقلت: يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ! مَا كَانَ دعاءك اللَّيْلَةِ إِلَّا فِي حُسْنِ الْخُلُقِ؟ فَقَالَ: يَا أُمَّ الدَّرْدَاءِ إِنَّ الْعَبْدَ الْمُسْلِمَ يَحْسُنُ خُلُقُهُ، حَتَّى يُدخله حُسْنُ خُلقِهِ الْجَنَّةَ، وَيَسِيءُ خُلُقُهُ، حَتَّى يُدْخِلَهُ سُوءُ خُلُقِهِ النَّارَ، وَالْعَبْدُ الْمُسْلِمُ يُغْفَرُ لَهُ وهو نائم.
কেনানা গোত্রের এই কৌতুকগুলো। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "বরং আমাদের কিছু কৌতুক ছিল; এই গোত্রের সাথে।"

 

‌‌৪১= কৃপণতা অধ্যায়- ১৩৭

৪৫/২৮২- (যঈফ) আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "দুটি বৈশিষ্ট্য একজন মুমিনের মাঝে একত্রিত হয় না: কৃপণতা এবং দুশ্চরিত্র।"

 

‌‌৪২= যখন তারা দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করে তবে সচ্চরিত্রতা অধ্যায় - ১৩৮

৪৬/২৯০- (যঈফ) শাহর থেকে বর্ণিত, উম্মুদ দারদা (রা.) বলেন: আবু দারদা (রা.) এক রাতে সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন: "হে আল্লাহ! আপনি আমার শারীরিক গঠন সুন্দর করেছেন, সুতরাং আমার চরিত্রকেও সুন্দর করে দিন।" ভোর হওয়া পর্যন্ত তিনি এভাবেই দুআ করতে থাকলেন। আমি বললাম: হে আবু দারদা! আজ রাতে আপনার সবটুকু দুআ কেবল সচ্চরিত্রতা লাভের জন্যই ছিল কেন? তিনি বললেন: হে উম্মুদ দারদা! নিশ্চয়ই মুসলিম বান্দার চরিত্র যখন সুন্দর হয়, তখন তার সেই সচ্চরিত্র তাকে জান্নাতে প্রবেশ করায়। আর যখন তার চরিত্র মন্দ হয়, তখন সেই দুশ্চরিত্র তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করায়। আর মুসলিম বান্দাকে এমন অবস্থায়ও ক্ষমা করে দেওয়া হয় যখন সে ঘুমিয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪২)
قُلْتُ: يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ! كَيْفَ يُغْفَرُ لَهُ وَهُوَ نَائِمٌ؟ قَالَ: يَقُومُ أَخُوهُ مِنَ اللَّيْلِ فَيَجْتَهِدُ فَيَدْعُو اللَّهَ عز وجل فَيَسْتَجِيبُ لَهُ، وَيَدْعُو لِأَخِيهِ فَيَسْتَجِيبُ لَهُ فيه.

 

‌‌43= بَابُ مَنْ دَعَا اللَّهَ أَنْ يحسن خُلُقه -144

47/307- (ضعيف) عن عبد الله بْنِ عَمْرٍو؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُكْثِرُ أَنْ يَدْعُوَ: "اللَّهُمَّ! إِنِّي أَسْأَلُكَ الصِّحَّةَ، وَالْعِفَّةَ، وَالْأَمَانَةَ، وَحُسْنَ الخلق، والرضا بالقدر".

48/308- (ضعيف) عَنْ يَزِيدَ بْنِ بَابَنُوسَ قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْنَا: يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ! مَا كَانَ خُلق رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَتْ: "كَانَ خُلُقُه الْقُرْآنَ، تَقْرَؤُونَ سُورَةَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَتِ: اقْرَأْ: {قد أفلح المؤمنون} . قال يزيد: فقرأ: {قد أفلح المؤمنون} … إِلَى: {لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ} [المؤمنون: 1- 5] . قَالَتْ: [هَكَذَا] كَانَ خُلُقُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم".
আমি বললাম: হে আবু দারদা! তিনি ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় কীভাবে তাকে ক্ষমা করা হবে? তিনি বললেন: তার ভাই রাতে দাঁড়িয়ে ইবাদতে মশগুল হন এবং আল্লাহ عز وجل-এর কাছে প্রার্থনা করেন, তখন আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন। তিনি তাঁর ভাইয়ের জন্যও দোয়া করেন, তখন আল্লাহ তাঁর ভাইয়ের ব্যাপারেও সেই দোয়া কবুল করেন।

 

‌‌৪৩= পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে নিজের চরিত্র সুন্দর করার জন্য দোয়া করে - ১৪৪

৪৭/৩০৭- (যঈফ) আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক পরিমাণে এই দোয়াটি করতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্বাস্থ্য, পবিত্রতা, আমানতদারিতা, উত্তম চরিত্র এবং তাকদীরের ওপর সন্তুষ্টি প্রার্থনা করছি।"

৪৮/৩০৮- (যঈফ) ইয়াজিদ ইবনে বাবানুস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা আয়েশা (রা.)-এর নিকট প্রবেশ করে বললাম: হে উম্মুল মুমিনীন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র কেমন ছিল? তিনি বললেন: "কুরআনই ছিল তাঁর চরিত্র। তোমরা কি সূরা আল-মুমিনুন পাঠ করো?" আয়েশা (রা.) বললেন: "পাঠ করো: {মুমিনগণ অবশ্যই সফলকাম হয়েছে}।" ইয়াজিদ বলেন: এরপর তিনি পাঠ করলেন: {মুমিনগণ অবশ্যই সফলকাম হয়েছে}... {যারা নিজেদের লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে} [সূরা মুমিনুন: ১-৫] পর্যন্ত। আয়েশা (রা.) বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র [এরূপই] ছিল।
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
‌‌44= باب ليس المؤمن بالطعان- 145

49/310- (ضعيف) عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ، وَلَا الصيّاح في الأسواق".

50/315- (ضعيف) عن مُحَمَّدُ بْنُ عُبيد الْكِنْدِيُّ الْكُوفِيُّ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ يَقُولُ: "لُعن اللَّعَّانُونَ". قَالَ مَرْوَانُ: الَّذِينَ يَلْعَنُونَ النَّاسَ.

 

‌‌45= بَابُ التَّلَاعُنِ بِلَعْنَةِ اللَّهِ وَبِغَضَبِ اللَّهِ وبالنار- 148

51/320- (ضعيف) عَنْ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَا تَتَلَاعَنُوا بِلَعْنَةِ اللَّهِ، وَلَا بغضب الله، ولا بالنار".
৪৪- অধ্যায়: মুমিন খোঁটাদানকারী হয় না - ১৪৫

৪৯/৩১০- (দুর্বল) জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ অশ্লীলতা ও কটুভাষাকে পছন্দ করেন না এবং বাজারে উচ্চস্বরে চিৎকার বা শোরগোলকারীকেও পছন্দ করেন না।"

৫০/৩১৫- (দুর্বল) মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-কিন্দি আল-কুফি থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলী বিন আবু তালিব (আলাইহিস সালাম)-কে বলতে শুনেছি: "অভিশাপদানকারীরা অভিশপ্ত হয়েছে।" মারওয়ান বলেন: (এর অর্থ) যারা মানুষকে অভিশাপ দেয়।

 

৪৫- অধ্যায়: আল্লাহর লানত, আল্লাহর ক্রোধ এবং জাহান্নামের আগুনের মাধ্যমে পরস্পরকে অভিশাপ প্রদান - ১৪৮

৫১/৩২০- (দুর্বল) সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা আল্লাহর লানত, আল্লাহর ক্রোধ অথবা জাহান্নামের আগুনের দোহাই দিয়ে একে অপরকে অভিশাপ দিও না।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৪)
‌‌46= باب العيّاب- 152

52/328- (ضعيف) عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: " إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَذْكُرَ عُيُوبَ صَاحِبِكَ، فاذكر عيوب نفسك".

53/329- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: فِي قَوْلِهِ عز وجل: {وَلَا تَلْمِزُوا أَنْفُسَكُمْ} .

[الحجرات: 11] . قَالَ: "لَا يَطْعَنُ بَعْضُكُمْ على بعض".

 

‌‌47= بَابُ مَنْ أَثْنَى عَلَى صَاحِبِهِ إن كان آمناً به -154

54/338- (ضعيف) عن عَائِشَةَ قَالَتِ: اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "بِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ" فَلَمَّا دَخَلَ هَشَّ لَهُ وَانْبَسَطَ إِلَيْهِ، فَلَمَّا خَرَجَ الرَّجُلُ اسْتَأْذَنَ آخَرُ. قَالَ: "نِعْمَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ" فَلَمَّا دَخَلَ لَمْ يَنْبَسِطْ إِلَيْهِ كَمَا انْبَسَطَ إِلَى الْآخَرِ. وَلَمْ يَهِشَّ إِلَيْهِ كَمَا هَشَّ لِلْآخَرِ، فَلَمَّا خَرَجَ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! قُلْتُ لِفُلَانٍ [مَا قُلْتَ] ثُمَّ هَشَشْتَ إِلَيْهِ، وَقُلْتَ لِفُلَانٍ [مَا قُلْتَ] (1) وَلَمْ أَرَكَ صنعت مثله؟ قال:
৪৬= অনুচ্ছেদ: দোষ অন্বেষণকারী - ১৫২

৫২/৩২৮- (যঈফ) আবু ইয়াহইয়া হতে বর্ণিত, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যখন তুমি তোমার সাথীর দোষ উল্লেখ করতে চাও, তখন নিজের দোষগুলো স্মরণ করো।"

৫৩/৩২৯- (যঈফ) ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত: মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা একে অপরের নিন্দা করো না}।

[আল-হুজুরাত: ১১]। তিনি বলেন: "তোমরা একে অপরের প্রতি কটাক্ষ করো না।"

 

৪৭= অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তার সাথীর প্রশংসা করে যদি তার বিষয়ে আশঙ্কামুক্ত থাকে - ১৫৪

৫৪/৩৩৮- (যঈফ) আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসার অনুমতি চাইল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "সে তার গোত্রের কতই না মন্দ সন্তান!" এরপর যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার প্রতি প্রফুল্ল হলেন এবং তার সাথে সহজভাবে মিশলেন। তারপর যখন ওই ব্যক্তি চলে গেল, অন্য এক ব্যক্তি অনুমতি চাইল। তিনি বললেন: "সে তার গোত্রের কতই না উত্তম সন্তান!" কিন্তু যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সাথে সেভাবে সহজ হলেন না যেভাবে আগের জনের সাথে হয়েছিলেন এবং তাকে দেখে সেভাবে প্রফুল্লতাও দেখালেন না যেভাবে অন্যের ক্ষেত্রে দেখিয়েছিলেন। যখন সে চলে গেল, তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অমুক সম্পর্কে যা বলার বললেন, আবার তার সামনে প্রফুল্লতা প্রকাশ করলেন; আবার অমুক সম্পর্কে যা বলার বললেন (১) কিন্তু আমি আপনাকে তার সাথে তেমনটি করতে দেখলাম না? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৫)
"يَا عَائِشَةُ! إِنَّ مِنْ شَرِّ النَّاسِ مَنِ اتُّقي لِفُحْشِهِ".

 

‌‌48= بَابُ من مدح في الشعر - 156

55/342- (ضعيف) عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ سَرِيعٍ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم. فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! قَدْ مَدَحْتُ اللَّهَ بِمَحَامِدَ وَمِدَحٍ، وَإِيَّاكَ. فَقَالَ: "أَمَا إِنَّ رَبَّكَ يُحِبُّ الْحَمْدَ". فَجَعَلْتُ أُنْشِدُهُ، فَاسْتَأْذَنَ رَجُلٌ طُوَالٌ أَصْلَعُ، فَقَالَ لِيَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: "اسْكُتْ" فَدَخَلَ، فَتَكَلَّمَ سَاعَةً، ثُمَّ خَرَجَ، فَأَنْشَدْتُهُ، ثُمَّ جَاءَ، فَسَكَّتَنِي، ثُمَّ خَرَجَ، فَعَلَ ذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا. فَقُلْتُ: مَنْ هَذَا الَّذِي سَكَّتَّنِي لَهُ؟ قَالَ: "هَذَا رجل لا يُحبّ الباطل".
"হে আয়েশা! নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যাকে তার অশ্লীল আচরণের ভয়ে মানুষ পরিহার করে।"

 

‌‌৪৮= অধ্যায়: কবিতার মাধ্যমে প্রশংসা করা - ১৫৬

৫৫/৩৪২- (দুর্বল) আসওয়াদ ইবন সারী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। অতঃপর আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি মহান আল্লাহর জন্য অনেক হামদ ও প্রশংসা এবং আপনার জন্যও (প্রশংসা) রচনা করেছি। তিনি বললেন: "জেনে রেখো, তোমার প্রতিপালক প্রশংসা পছন্দ করেন।" অতঃপর আমি তাঁকে তা আবৃত্তি করে শোনাতে লাগলাম। এমতাবস্থায় একজন দীর্ঘদেহী ও টেকো মাথার লোক আসার অনুমতি চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন: "চুপ করো।" লোকটি ভেতরে প্রবেশ করল এবং কিছুক্ষণ কথা বলল, তারপর বেরিয়ে গেল। আমি পুনরায় আবৃত্তি শুরু করলাম। সে আবার আসলে তিনি আমাকে থামিয়ে দিলেন। তারপর সে বেরিয়ে গেল। তিনি এরূপ দুই বা তিনবার করলেন। আমি বললাম: এই ব্যক্তি কে, যার কারণে আপনি আমাকে চুপ করিয়ে দিলেন? তিনি বললেন: "এই ব্যক্তি অসার (বাতিল) বিষয় পছন্দ করে না।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
‌‌49= بَابُ إِعْطَاءِ الشَّاعِرِ إِذَا خَافَ شره- 157

56/343- (ضعيف) عن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَيْدِ بْنِ عمران بن حصين الخزاعي [عن أبيه] قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي؛ نُجيد: أَنَّ شَاعِرًا جَاءَ إِلَى عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، فَأَعْطَاهُ. فَقِيلَ لَهُ: تُعْطِي شَاعِرًا؟! فَقَالَ: "أُبقي عَلَى عِرضي".

 

‌‌50= بَابُ إِذَا كَذَبْتَ لِرَجُلٍ هُوَ لك مصدق- 184

57/393- (ضعيف) عن سفيان بن أسيد الحضرمي: أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: "كَبُرَتْ خِيَانَةً أَنْ تُحَدِّثَ أَخَاكَ حَدِيثًا هُوَ لَكَ مصدقٌ، وَأَنْتَ لَهُ كَاذِبٌ".
‌৪৯= পরিচ্ছেদ: কবিকে দান করা যখন তার অনিষ্টের ভয় থাকে- ১৫৭

৫৬/৩৪৩- (দুর্বল) আবদুল্লাহ ইবনে নুজাইদ ইবনে ইমরান ইবনে হুসাইন আল-খুজাঈ [তার পিতা থেকে] বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার পিতা নুজাইদ আমাকে বর্ণনা করেছেন যে: একজন কবি ইমরান ইবনে হুসাইন-এর নিকট আসলেন, তখন তিনি তাকে দান করলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: "আপনি কি কবিকে দান করছেন?!" তিনি বললেন: "আমি আমার সম্মান রক্ষা করছি।"

 

‌‌৫০= পরিচ্ছেদ: যখন তুমি এমন ব্যক্তির কাছে মিথ্যা বল যে তোমাকে সত্যবাদী মনে করে- ১৮৪

৫৭/৩৯৩- (দুর্বল) সুফিয়ান ইবনে আসীদ আল-হাদরামি থেকে বর্ণিত: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "এটি এক বড় ধরনের খেয়ানত যে, তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে এমন কোনো কথা বলছ যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করছে, অথচ তুমি তার কাছে মিথ্যা বলছ।"
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
‌‌51= بَابُ لَا تَعِدْ أَخَاكَ شَيْئًا فتخلفه- 185

58/394- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "لَا تُمار أَخَاكَ، وَلَا تُمَازِحْهُ، وَلَا تَعِدْهُ مَوْعِدًا فَتُخْلِفَهُ".

 

‌‌52= باب حبّ الرجل قومه -187

59/396- (ضعيف) عن امْرَأَةٌ يُقَالُ لَهَا: فُسَيْلَةُ قَالَتْ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أمِنَ الْعَصَبِيَّةِ أَنْ يُعين الرَّجُلُ قَوْمَهُ عَلَى ظُلم؟. قال: "نعم".

 

‌‌53= باب الشحناء- 192

60/413- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "ثَلَاثٌ مَنْ لَمْ يَكُنَّ فِيهِ، غُفر لَهُ مَا سِوَاهُ لِمَنْ شَاءَ؛ مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا، وَلَمْ يَكُنْ سَاحِرًا يَتَّبِعُ السَّحَرَةَ، وَلَمْ يَحْقِدْ عَلَى أَخِيهِ".

 

‌‌54= بَابُ إِنَّ السَّلَامَ يُجزئُ من الصّرم- 193

61/414- (ضعيف) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يقول:
৫১= পরিচ্ছেদ: তোমার ভাইকে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিও না যা তুমি ভঙ্গ করবে- ১৮৫

৫৮/৩৯৪- (দুর্বল) ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করো না, তার সাথে (অশোভন) ঠাট্টা-তামাশা করো না এবং তাকে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিও না যা তুমি ভঙ্গ করবে।"

 

‌৫২= পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তির নিজ কওমের প্রতি ভালোবাসা - ১৮৭

৫৯/৩৯৬- (দুর্বল) ফুসাইলাহ নাম্নী জনৈক মহিলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! কোনো ব্যক্তি তার নিজ কওমকে অন্যায় কাজে সাহায্য করা কি আসাবিয়্যাহ (উগ্র গোত্রবাদ)-এর অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

 

‌৫৩= পরিচ্ছেদ: বিদ্বেষ - ১৯২

৬০/৪১৩- (দুর্বল) ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তিনটি বিষয় এমন যে, যার মধ্যে এগুলোর কোনোটি নেই, আল্লাহ চাইলে তার অন্য সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন; যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক না করে মৃত্যুবরণ করেছে, যে জাদুকর ছিল না এবং জাদুকরদের অনুসরণ করত না এবং যে তার ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেনি।"

 

‌৫৪= পরিচ্ছেদ: সালাম প্রদানই সম্পর্কহীনতা অবসানের জন্য যথেষ্ট - ১৯৩

৬১/৪১৪- (দুর্বল) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
"لَا يَحِلُّ لِرَجُلٍ أَنْ يَهْجُرَ مُؤْمِنًا فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ، فَإِذَا مرت به ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، فَلْيَلْقَهُ، فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ؛ فإن رد السَّلَامَ فقدِ اشْتَرَكَا فِي الْأَجْرِ، وَإِنْ لَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ فَقَدْ بَرِئ الْمُسْلِمُ مِنَ الْهِجْرَةِ".

 

‌‌55= بَابُ التفرقة بين الأحداث- 194

62/415- (ضعيف) عن عبد الله، كَانَ عُمَرُ يَقُولُ لِبَنِيهِ: "إِذَا أَصْبَحْتُمْ فَتَبَدَّدُوا، وَلَا تَجْتَمِعُوا فِي دَارٍ وَاحِدَةٍ؛ فَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ أَنْ تَقَاطَعُوا، أَوْ يَكُونَ بَيْنَكُمْ شرّ".

 

‌‌56= باب السباب- 198

63/419- (ضعيف) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: اسْتَبَّ رَجُلَانِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَبَّ أحدهما، والآخر ساكت- والنَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَالِسٌ- ثُمَّ رَدَّ الْآخَرُ. فَنَهَضَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقِيلَ: نهضتَ؟ قَالَ: "نَهَضَتِ الْمَلَائِكَةُ فَنَهَضْتُ مَعَهُمْ، إِنَّ هَذَا، مَا كان ساكتاً ردّت الملائكة
"কোনো ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে সে তার মুমিন ভাইকে তিন দিনের অধিক সময় বর্জন করে থাকবে। যখন তিন দিন অতিক্রান্ত হবে, তখন সে যেন তার সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তাকে সালাম দেয়। যদি সে সালামের উত্তর দেয়, তবে তারা উভয়েই সওয়াবে অংশীদার হবে। আর যদি সে উত্তর না দেয়, তবে সেই মুসলিম ব্যক্তি বর্জন করার গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।"

 

‌‌৫৫= অনুচ্ছেদ: সন্তানদের মাঝে পৃথকিকরণ- ১৯৪

৬২/৪১৫- (যঈফ) আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, উমর (রা.) তার সন্তানদের বলতেন: "যখন তোমরা সকালে উঠবে তখন ছড়িয়ে পড়বে, এবং একই বাড়িতে একত্রিত হবে না; কারণ আমি তোমাদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া অথবা বিবাদের আশঙ্কা করি।"

 

‌‌৫৬= অনুচ্ছেদ: গালিগালাজ- ১৯৮

৬৩/৪১৯- (যঈফ) ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে দুই ব্যক্তি পরস্পরকে গালি দিচ্ছিল। তাদের একজন গালি দিচ্ছিল এবং অন্যজন চুপ ছিল—আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপবিষ্ট ছিলেন—অতঃপর অন্যজনও উত্তর দিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন। জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কি উঠে গেলেন? তিনি বললেন: "ফেরেশতারা উঠে যাচ্ছিলেন, তাই আমিও তাদের সাথে উঠে গেলাম। নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি যতক্ষণ চুপ ছিল, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার পক্ষ থেকে উত্তর দিচ্ছিল..."
(খণ্ড: ১) যঈফুল আদাবুল মুফরাদ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
عَلَى الَّذِي سَبَّهُ، فَلَمَّا رَدَّ نهضت الملائكة".

 

‌‌57= باب سباب المسلم فسوق- 202

64/435- (ضعيف) عن عبد الله [ابن مسعود] ، قَالَ: "مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ إِلَّا بَيْنَهُمَا مِنَ اللَّهِ عز وجل سِتْرٌ، فَإِذَا قَالَ أَحَدُهُمَا لِصَاحِبِهِ كَلِمَةَ هَجْرٍ فَقَدْ خَرَقَ سِتْرَ اللَّهِ، وَإِذَا قَالَ أَحَدُهُمَا لِلْآخَرِ: أَنْتَ كَافِرٌ، فَقَدْ كَفَرَ أَحَدُهُمَا".

 

‌‌58= بَابُ مَنْ لَمْ يُوَاجِهِ النَّاسَ بكلامه - 203

65/437- (ضعيف) عَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَلَّ مَا يُوَاجِهُ الرَّجُلَ بِشَيْءٍ يَكْرَهُهُ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ يَوْمًا رجلٌ - وَعَلَيْهِ أثرُ صُفْرَةٍ- فَلَمَّا قَامَ، قَالَ لِأَصْحَابِهِ: "لَوْ غَيَّرَ- أَوْ نَزَعَ- هذه الصفرة".
সেই ব্যক্তির ওপর যে তাকে গালি দিচ্ছিল, কিন্তু যখন সে উত্তর দিল, তখন ফেরেশতারা উঠে চলে গেলেন।"

 

‌‌৫৭= পরিচ্ছেদ: মুসলিমকে গালি দেওয়া পাপাচার - ২০২

৬৪/৪৩৫- (যয়ীফ) আবদুল্লাহ [ইবনে মাসউদ] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "এমন কোনো দুই মুসলিম নেই যাদের মাঝে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পর্দা বিদ্যমান থাকে না; অতঃপর যখন তাদের একজন তার সাথীকে কটু কথা বলে, তখন সে আল্লাহর পর্দা ছিঁড়ে ফেলে। আর যখন তাদের একজন অপরজনকে বলে: ‘তুমি কাফির’, তখন তাদের একজনের ওপর কুফর আপতিত হয়।"

 

‌‌৫৮= পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি মানুষের সামনে সরাসরি (অপ্রীতিকর) কথা বলতেন না - ২০৩

৬৫/৪৩৭- (যয়ীফ) আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুব কমই কোনো ব্যক্তির সামনে সরাসরি এমন কিছু বলতেন যা সে অপছন্দ করে। একদিন তাঁর কাছে এক ব্যক্তি প্রবেশ করল যার গায়ে হলুদ রঙের চিহ্ন ছিল। যখন সে উঠে চলে গেল, তখন তিনি তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বললেন: "যদি সে এই হলুদ রঙ পরিবর্তন করত -অথবা দূর করত-।"