(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: -)
سنن النسائي - ط الرسالة   (النسائي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: سنن النسائي المجتبى

المؤلف: أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي (ت 303 هـ)

المحقق: محمد رضوان عرقسوسي (جـ 1،2، 5، 6)، محمد أنس مصطفى الخن (جـ 3، 4، 7، 8)

شارك في التحقيق: محمد معتز كريم الدين (جـ 2: 8)، عمار ريحاوي (جـ 2: 8)، كامل الخراط (جـ 3: 8)

ترقيم الأحاديث: [ذكر المحققون أنهم تابعوا الترقيم الذي وضعه عبد الفتاح أبو غدة رحمه الله]

الناشر: دار الرسالة العالمية

الطبعة: الأولى، 1439 هـ - 2018 م

عدد الأجزاء: 9 (8 والفهارس)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 رمضان 1445

সুনান আন-নাসাঈ - আর-রিসালাহ সংস্করণ   (আন-নাসাঈ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: সুনান আন-নাসাঈ আল-মুজতাবা

লেখক: আবু আবদুর রহমান আহমদ বিন শুআইব আন-নাসাঈ (মৃত্যু ৩০৩ হিজরী)

গবেষক ও সম্পাদক: মুহাম্মদ রিদওয়ান আরকাসুসী (খণ্ড ১, ২, ৫, ৬), মুহাম্মদ আনাস মুস্তফা আল-খান (খণ্ড ৩, ৪, ৭, ৮)

সম্পাদনায় অংশগ্রহণ করেছেন: মুহাম্মদ মুতায কারীমুদ্দীন (খণ্ড ২: ৮), আম্মার রিহাওয়ী (খণ্ড ২: ৮), কামিল আল-খাররাত (খণ্ড ৩: ৮)

হাদিস নম্বরবিন্যাস: [গবেষকগণ উল্লেখ করেছেন যে, তারা আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক নির্ধারিত নম্বরবিন্যাস অনুসরণ করেছেন]

প্রকাশক: দারুর রিসালাহ আল-আলামিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৯ হিজরী - ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৯ (৮টি এবং নির্ঘণ্ট)

[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাহ-তে প্রকাশের তারিখ: ২ রমজান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌1 - [كتاب الطهارة](1)

‌‌1 - باب تأويل قوله عز وجل: {إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ}

1 - أخبرنا قُتيبةُ بنُ سعيد قال: حدَّثنا سفيان، عن الزُّهْرِيّ، عن أبي سَلَمة

عن أبي هريرة، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قال: "إذا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ من نَوْمِه، فلا يَغْمِسْ يَدَهُ في وَضُوئِهِ(2) حتى يَغسِلَها ثلاثًا، فإنَّ أحَدَكُمْ(3) لا يدري أينَ باتَتْ يَدُه"(4).

--------------------------------------------

* جاء بعد البسملة في (ك) ما صورتُه: وصلَّى الله على سيِّدنا محمد وآله وسلَّم، قال الإمام أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب بن علي بن بحر النَّسائي رحمه الله تعالى: تأويل قوله … إلخ، وبنحوه في (هـ)، وجاء بعد البسملة في (م): ربّ يسّر وأعن ووفّق لإتمامه، وجاء بعد البسملة في (ر): وبه نستعين، وفي هامشها: وهو حسبي وكفى.

(1) زيادة مقتبسة من كتب السنن، وهي ضرورية لاندراج الأبواب الآتية في الطهارة.

(2) في (م) وهامشي (ك) و (هـ): الإناء. وسيأتي بهذه الرواية برقمي (161) و (441).

(3) في هامش (هـ): فإنه. (نسخة).

(4) إسناده صحيح. سفيان: هو ابنُ عُيينة، والزُّهري: هو محمد بن مسلم بن شِهاب، وأبو سَلَمة: هو ابنُ عبد الرحمن بن عوف. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (1).

وأخرجه أحمد (7282)، ومسلم (278)، وابن حبان (1062) من طريق سفيان بن عُيينة، بهذا الإسناد.

وأخرجه الترمذي (24)، وابنُ ماجه (393) من طريق الأوزاعي، عن الزُّهري، به، وقرنَ مع أبي سلمة سعيد بن المسيِّب. وفيهما: مرّتين أو ثلاثًا. قال الترمذي: حديث حسن صحيح. وسيأتي من هذه الطريق دون ذكر أبي سَلَمة برقم (441).

وأخرجه البخاري (162) بأطولَ منه، ومسلم (278)، وأبو داود (103) و (104) و (105)، وابن حبان (1061) من طرق عن أبي هريرة، به، وليس في بعضها ذكر =
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌১ - [পবিত্রতা অধ্যায়](১)

‌‌১ - পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী: {যখন তোমরা সালাতের জন্য দণ্ডায়মান হও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধৌত করো}-এর ব্যাখ্যা।

১ - কুতায়বাহ ইবন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে,

তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন তার ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, সে যেন তার হাত ওযুর পানির পাত্রে না ডুবায়(২) যতক্ষণ না তা তিনবার ধৌত করে। কেননা তোমাদের কেউ(৩) জানে না তার হাত কোথায় রাত কাটিয়েছে।"(৪).

--------------------------------------------

* (ক) পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর যা বর্ণিত হয়েছে তার চিত্ররূপ হলো: এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। ইমাম আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবন শুআইব ইবন আলী ইবন বাহর আন-নাসাঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: তাঁর বাণী … ইত্যাদির ব্যাখ্যা; এবং (হ) পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ রয়েছে। (ম) পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে: হে রব, সহজ করুন, সাহায্য করুন এবং এটি সম্পন্ন করার তৌফিক দিন। (র) পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে: এবং তাঁর কাছেই আমরা সাহায্য চাই, আর তার হাশিয়াতে (পার্শ্বটীকা) আছে: তিনি আমার জন্য যথেষ্ট এবং উত্তম কর্মবিধায়ক।

(১) সুনান গ্রন্থসমূহ থেকে সংগৃহীত অতিরিক্ত অংশ, যা পরবর্তী পরিচ্ছেদগুলোকে পবিত্রতা অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয়।

(২) (ম) পাণ্ডুলিপি এবং (ক) ও (হ)-এর হাশিয়াতে রয়েছে: পাত্র। এই বর্ণনায় এটি ১৬১ এবং ৪৪১ নং হাদিসে আসবে।

(৩) (হ)-এর হাশিয়াতে রয়েছে: কেননা তা (পাণ্ডুলিপিান্তর)।

(৪) এর সনদ সহীহ। সুফিয়ান: তিনি হলেন ইবন উয়ায়নাহ। যুহরী: তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন শিহাব। আবু সালামাহ: তিনি হলেন ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ। এটি "আস-সুনান আল-কুবরা"-তে ১ নং ক্রমিকে রয়েছে।

আহমদ (৭২৮২), মুসলিম (২৭৮), ইবন হিব্বান (১০৬২) সুফিয়ান ইবন উয়ায়নাহর সূত্রে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী (২৪), ইবন মাজাহ (৩৯৩) আওযাঈর সূত্রে যুহরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আবু সালামাহর সাথে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে যুক্ত করেছেন। তাতে আছে: দুইবার বা তিনবার। তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহীহ। এই সূত্র থেকে আবু সালামাহর উল্লেখ ব্যতীত এটি ৪৪১ নং ক্রমিকে আসবে।

বুখারী (১৬২) এর চেয়ে দীর্ঘতর পাঠে এবং মুসলিম (২৭৮), আবু দাউদ (১০৩), (১০৪) ও (১০৫), ইবন হিব্বান (১০৬১) আবু হুরায়রা থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের কারো কারো বর্ণনায় উল্লেখ নেই যে =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
‌‌2 - باب السواك إذا قام من اللَّيل

2 - أخبرنا إسحاقُ بنُ إبراهيم وقُتيبةُ بنُ سعيد، عن جَرِير، عن منصور، عن أبي وائل

عن حُذيفةَ قال: كان رسولُ الله صلى الله عليه وسلم إذا قامَ من اللَّيل يَشُوصُ فاهُ بالسِّواك(1).

 

‌‌3 - باب كيف يَستاك

3 - أخبرنا أحمدُ بنُ عَبْدة قال: حدَّثنا حمَّادُ بنُ زِيدٍ قال: أخبرنا غَيْلانُ بنُ جَرِيرٍ، عن أبي بُرْدَة

--------------------------------------------

= الثلاث، وقد فصَّلها مسلم في "صحيحه".

وسيأتي من طريق مَعْمَر عن الزُّهري، به، برقم (161).

قوله: "في وَضُوئه"؛ قال السِّندي: بفتح الواو، أي: الماء المُعَدّ للوُضوء، وفي رواية: "في الإناء" أي: الظرف الذي فيه الماء؛ قالوا: هو نهيُ أدب، وتركُهُ إساءة، ولا يفسد الماء، وجعله أحمد للتحريم. انتهى. وينظر كلامه حول مناسبة ذكر المصنِّف الآية ترجمة للحديث.

(1) إسناده صحيح. إسحاق بن إبراهيم: هو المعروف بابن راهويه، وجرير: هو ابنُ عبد الحميد الرازي، ومنصور: هو ابنُ المعتمر، وأبو وائل: هو شقيق بن سَلَمة. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (2).

وأخرجه مسلم (255) عن إسحاق بن إبراهيم، بهذا الإسناد.

وأخرجه البخاري (245) عن عثمان بن أبي شيبة، عن جرير، به.

وأخرجه أحمد (23242) و (23461) من طريقين، عن منصور، به.

وسيأتي من طريق سفيان الثوري، عن منصور والأعمش وحُصين بن عبد الرحمن السُّلَميّ، عن أبي وائل، به برقم (1621)، ومن طريق خالد بن الحارث، عن شعبة، عن حُصين، عن أبي وائل، به، برقم (1622).

قوله: يَشُوص فاه بالسِّواك؛ قال السِّندي: بفتح الياء وضمّ الشين المعجمة والصاد المهملة، أي: يَدْلُكُ الأسنانَ بالسِّواك عَرْضًا.
২ - পরিচ্ছেদ: যখন রাতে (ঘুম থেকে) জাগে তখন মিসওয়াক করা

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবন ইব্রাহিম এবং কুতায়বা ইবন সাঈদ, জারীর হতে, তিনি মানসুর হতে, তিনি আবু ওয়াইল হতে

হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে (ঘুম থেকে) উঠতেন, তখন তিনি মিসওয়াক দিয়ে তাঁর মুখ ঘষতেন(১)।

 

‌৩ - পরিচ্ছেদ: কীভাবে মিসওয়াক করতে হয়

৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন আবদাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়দ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গায়লান ইবন জারীর, আবু বুরদাহ হতে

--------------------------------------------

= তিন (বার ধোয়া), এবং মুসলিম তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে এর বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

আর এটি সামনে মা'মার-এর সূত্রে যুহরী হতে আসবে, নং (১৬১)।

তাঁর কথা: "তার উযুতে"; সিনদী বলেছেন: ওয়াও-এর উপরে ফাতহা (যবর) সহকারে, অর্থাৎ: উযুর জন্য প্রস্তুতকৃত পানি। এবং এক বর্ণনায় রয়েছে: "পাত্রের মধ্যে" অর্থাৎ: পানি রাখা পাত্রে; তাঁরা বলেছেন: এটি আদবগত নিষেধ, আর তা বর্জন করা অনুচিত, কিন্তু এর দ্বারা পানি অপবিত্র হয় না। আহমাদ একে হারামের জন্য সাব্যস্ত করেছেন। সমাপ্ত। হাদীসের অনুচ্ছেদে গ্রন্থকারের আয়াত উল্লেখ করার যৌক্তিকতা নিয়ে তাঁর বক্তব্য সামনে আসবে।

(১) এর সনদ সহীহ। ইসহাক ইবন ইব্রাহিম: তিনি ইবন রাহওয়াইহ নামে পরিচিত। জারীর: তিনি হলেন ইবন আব্দুল হামীদ আর-রাযী। মানসুর: তিনি হলেন ইবনুল মু'তামির। আবু ওয়াইল: তিনি হলেন শাকীক ইবন সালামাহ। এবং এটি "আস-সুনানুল কুবরা" গ্রন্থে ২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

মুসলিম (২৫৫) এটি ইসহাক ইবন ইব্রাহিম হতে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন।

বুখারী (২৪৫) এটি উসমান ইবন আবু শায়বাহ হতে জারীরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (২৩২৪২) ও (২৩৪৬১) নম্বর হাদীসে এটি মানসুরের সূত্রে দুটি পথে বর্ণনা করেছেন।

এটি সামনে সুফিয়ান সাওরী হতে মানসুর, আমাশ এবং হুসাইন ইবন আব্দুর রহমান আস-সুলামীর সূত্রে আবু ওয়াইল হতে আসবে, নং (১৬২১) এ। এবং খালিদ ইবনুল হারিস হতে শু'বা, তিনি হুসাইন হতে, তিনি আবু ওয়াইল হতে, নং (১৬২২) এ।

তাঁর কথা: "ইয়াশুসু ফাহু বিস-সিওয়াক"; সিনদী বলেন: ইয়া-এর উপরে ফাতহা, শীন-এর উপরে পেশ এবং সদ-এর উপরে পেশ সহকারে। অর্থাৎ: দাঁতগুলোকে আড়াআড়িভাবে মিসওয়াক দিয়ে ঘষতেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
عن أبي موسى قال: دخلتُ على رسولِ الله صلى الله عليه وسلم وهو يَسْتَنُّ(1) وطَرَفُ السِّواكِ على لسانِه وهو يقول: عَأْ عَأْ(2).

 

‌‌4 - باب هل يستاكُ الإمامُ بحضرة رَعيَّته

4 - أخبرنا عَمْرُو بنُ عليٍّ قال: حدَّثنا يحيى - وهو ابنُ سعيد - قال: حدَّثنا قُرَّةُ بنُ خالدٍ قال: حدَّثنا حُمَيْدُ بنُ هلال قال: حدَّثني أبو بُرْدةَ

عن أبي موسى قال: أقْبَلْتُ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم معي رجلانِ من الأشعريِّين: أحدُهما عن يميني، والآخَرُ عن يساري، ورسولُ الله صلى الله عليه وسلم يَسْتَاكُ، فكلاهما سألَ العملَ. قلتُ: والذي بَعَثَكَ بالحَقِّ(3) ما أَطْلَعَاني على ما في أنفسِهِما، وما شعرتُ أنهما يطلبانِ العملَ. فكأنِّي أنظرُ إِلى سِواكِهِ تَحتَ شَفَتِهِ قَلَصَتْ، فقال: "إِنَّا لا - أو: لَنْ - نستعينُ على العملِ(4) مَنْ أرادَهُ،

--------------------------------------------

(1) في (م) و (هـ) و (يه) وهامش (ك): يستاك، وفي هامشي (هـ) و (يه): يستنّ.

(2) إسناده صحيح. أبو بُرْدَة: هو ابن أبي موسى الأشعري. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (3).

وأخرجه ابن حبان (1073) من طريق أحمد بن عَبْدَة، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (19737)، والبخاري (244)، ومسلم (254)، وأبو داود (49) من طرق عن حمَّاد بن زيد، به.

وفي "صحيح البخاري": يقول: أع أع والسِّواك في فيه كأنه يتهوَّع، وفي "سنن أبي داود": يقول: أه أه، يعني يتهوَّع.

قال السِّندي: قولُه: "وهو يستنُّ": الاستنان استعمالُ السِّواك … أي: يُمِرُّه عليها.

"عأ عأ" بتقديم العين المفتوحة على الهمزة الساكنة، وفي رواية البخاري: أُع أُع، بتقديم الهمزة المضمومة على العين الساكنة، وفي رواية: إخ، بكسر الهمزة وخاء معجمة، وإنما اختلفت الرواة لتقارب مخارج هذه الحروف، وكلها ترجع إلى حكاية صوته صلى الله عليه وسلم، إذ جعل السِّواك على طرف اللسان يستاك إلى فوق. انتهى كلامه، وينظر الحديث الآتي بعده.

(3) بعدها في (هـ) وهامش (ك): نبيًّا، وعليها فيهما علامة نسخة.

(4) في (م) وهامشي (ك) و (هـ): عملنا.
আবু মুসা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি মিসওয়াক করছিলেন(১) এবং মিসওয়াকের এক প্রান্ত তাঁর জিহ্বার ওপর ছিল এবং তিনি 'আ’ আ’'(২) শব্দ করছিলেন।

 

‌‌৪ - অনুচ্ছেদ: ইমাম কি তাঁর প্রজাদের উপস্থিতিতে মিসওয়াক করবেন?

৪ - আমর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া—যিনি ইবনে সাঈদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুররাহ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমাইদ ইবনে হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বুরদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন

আবু মুসা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং আমার সাথে আশআরী গোত্রের দুইজন লোক ছিল: তাদের একজন আমার ডানে এবং অন্যজন আমার বামে ছিল, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিসওয়াক করছিলেন। তারা উভয়েই কাজের (পদের) প্রার্থনা করল। আমি বললাম: সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহকারে(৩) পাঠিয়েছেন, তারা তাদের মনে কী আছে সে সম্পর্কে আমাকে কিছু জানায়নি এবং আমি বুঝতে পারিনি যে তারা কাজ (পদ) প্রার্থনা করবে। আমি যেন এখনও তাঁর ঠোঁটের নিচে তাঁর মিসওয়াকের দিকে তাকাচ্ছি যা (ওপরের দিকে) সংকুচিত হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমরা কাজের (দায়িত্ব পালনের) জন্য এমন কাউকে সাহায্য গ্রহণ করি না—বা: করব না—(৪) যে তা পেতে চায়।"

--------------------------------------------

(১) (মীম), (হা) এবং (ইয়া) পাণ্ডুলিপিতে এবং (কাফ) এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'ইয়াসতাকু' (মিসওয়াক করছিলেন), এবং (হা) ও (ইয়া) এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'ইয়াসতান্নু'।

(২) এর সনদ সহীহ। আবু বুরদাহ: তিনি হলেন আবু মুসা আল-আশআরীর পুত্র। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে ৩ নং ক্রমে রয়েছে।

এবং ইবনে হিব্বান (১০৭৩) আহমদ ইবনে আবদাহর সূত্রে এই সনদেই এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ (১৯৭৩৭), বুখারী (২৪৪), মুসলিম (২৫৪) এবং আবু দাউদ (৪৯) হাম্মাদ ইবনে যাইদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং 'সহীহ বুখারী'তে রয়েছে: তিনি বলছেন: 'আ’ আ’' এবং মিসওয়াক তাঁর মুখে ছিল যেন তিনি বমি করছেন, এবং 'সুনান আবু দাউদ'-এ রয়েছে: তিনি বলছেন: 'আহ্ আহ্', অর্থাৎ বমি করার ভাব করছেন।

সিন্দি বলেছেন: তাঁর উক্তি: "তিনি মিসওয়াক করছিলেন": আল-ইস্তিনান অর্থ মিসওয়াক ব্যবহার করা... অর্থাৎ: তিনি তা (জিহ্বার) ওপর দিয়ে পরিচালনা করছিলেন।

'আ’ আ’' এখানে ফাতাহযুক্ত 'আইন' বর্ণকে সুকুনযুক্ত হামজার আগে আনা হয়েছে, এবং বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে: 'উ’ উ’', এখানে পেশযুক্ত হামজাকে সুকুনযুক্ত আইনের আগে আনা হয়েছে, এবং এক বর্ণনায় রয়েছে: 'ইখ', হামজায় কাসরা এবং নুকতাহযুক্ত 'খা' বর্ণসহ। বর্ণনাকারীদের মধ্যে এই মতপার্থক্য কেবল এই বর্ণগুলোর মাখরাজ (উচ্চারণস্থল) কাছাকাছি হওয়ার কারণে, আর এর সবই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই আওয়াজের অনুকরণ যা জিহ্বার উপরিভাগে মিসওয়াক করার সময় সৃষ্টি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য শেষ হলো, পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

(৩) (হা) পাণ্ডুলিপিতে এবং (কাফ) এর পার্শ্বটীকায় এর পরে 'নাবিয়্যান' (নবী হিসেবে) শব্দটি রয়েছে এবং উভয়টিতে এর ওপর অন্য পাণ্ডুলিপির চিহ্ন দেওয়া আছে।

(৪) (মীম) পাণ্ডুলিপিতে এবং (কাফ) ও (হা) এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'আমাদের কাজে'।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
ولكنِ اذهَبْ أنتَ". فبعثَه(1) على اليمن، ثمَّ أَرْدَفَهُ معَاذَ بنَ جَبَلٍ، رضي الله عنهما(2).

 

‌‌5 - باب التَّرغيب في السِّواك

5 - أخبرنا حُمَيْدُ بنُ مَسْعَدَةَ ومحمدُ بنُ عبد الأعلى، عن يزيد - وهو ابنُ زُرَيع - قال: حدَّثني عبد الرَّحمن بن أبي عَتيق قال: حدَّثني أبي قال:

سمعتُ عائشةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: "السَّواكُ مَظْهَرَةٌ للفَمِ، مَرْضاةٌ للرَّبِّ"(3).

--------------------------------------------

(1) في هامشي (ك) و (هـ): فبعثني (نسخة).

(2) إسناده صحيح. يحيى بنُ سعيد: هو القطَّان، وأبو بُرْدَة: هو ابنُ أبي موسى الأشعري. وهو في "السُّنن الكبرى" برقمي (8) و (5900).

وأخرجه ابنُ حبان (1071) من طريق عَمرو بن علي، بهذا الإسناد.

وأخرجه بأطولَ منه ومختصرًا بذكر العمل فحسب: أحمد (19666)، والبخاري (2261) و (6923)، ومسلم (1733): (15) بعد (1823)، وأبو داود (3579) و (4354) من طريق يحيى بن سعيد القطَّان، به.

وأخرجه أحمد (19508)، والبخاري (7149)، ومسلم (1733): (14) بعد (1823)، وأبو داود (2930) من طريقين عن أبي بُرْدَة، بنحوه، دون ذكر السِّواك، وينظر التعليق على حديث أحمد.

وسيأتي من طريق سعيد بن أبي بُرْدَة، عن أبيه أبي بُرْدَة به، دون ذكر السِّواك برقم (5382)، ومن طريق حمَّاد بن مسعدة، عن قُرَّة بن خالد به بطرف آخر منه، برقم (4066).

قوله: قَلَصَتْ، قال السِّنديّ: أي: ارتفعت بوضع السِّواك تحتَها.

(3) حديث صحيح، وهذا إسناد حسن من أجل عبد الرحمن بن أبي عَتيق. وهو عبد الرحمن بن عبد الله بن أبي عتيق محمد بن عبد الرحمن بن أبي بكر الصدِّيق رضي الله عنه. فقد روى عنه جمع، وذكره ابن حبان في "الثقات" 7/ 65، وقال: أحمد: لا أعلم إلا خيرًا. والحديث في "السُّنن الكبرى" برقم (4).

وأخرجه أحمد (24925)، وابن حبان (1067) من طريقين عن يزيد بن زُرَيْع، بهذا الإسناد. قال ابن حبَّان: أبو عَتِيق هذا هو محمد بن عبد الرحمن بن أبي بكر. وتعقَّبه الحافظ ابن حجر في "التلخيص الحبير" 1/ 60 بقوله: هو كما قال، لكن الحديث من رواية ابنه عبد الله … وكلامُ ابن حبان يُوهم أنه من رواية أبي عَتِيق نفسه، وليس كذلك. =
বরং তুমিই যাও।" অতঃপর তিনি তাঁকে(১) ইয়ামেনে পাঠালেন, এরপর তাঁর পেছনে মুআয ইবনে জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে পাঠালেন।

 

‌‌৫ - অধ্যায়: মিসওয়াক করার প্রতি উৎসাহিত করা

৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমায়দ ইবনে মাসআদাহ এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আ'লা, ইয়াযীদ—যিনি ইবনে যুরায়'—থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি আতীক, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন:

আমি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা এবং রবের সন্তুষ্টির মাধ্যম"(৩)।

--------------------------------------------

(১) (কাফ) এবং (হা) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় রয়েছে: অতঃপর তিনি আমাকে পাঠালেন (একটি পাঠভেদ)।

(২) এর সনদ সহীহ। ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ হলেন আল-কাত্তান, এবং আবু বুরদাহ হলেন ইবনে আবি মুসা আল-আশআরি। এটি "আস-সুনানুল কুবরা" গ্রন্থে ৮ ও ৫৯০০ নম্বরে রয়েছে।

এবং ইবনে হিব্বান (১০৭১) আমর ইবনে আলী-র সূত্রে এই সনদেই এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি আরও বিস্তারিতভাবে এবং সংক্ষেপে শুধুমাত্র আমলের বর্ণনাসহ বর্ণনা করেছেন: আহমাদ (১৯৬৬৬), বুখারি (২২৬১) ও (৬৯২৩), মুসলিম (১৭৩৩): (১৫) (১৮২৩ এর পরে), আবু দাউদ (৩৫৭৯) ও (৪৩৫৪), ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান-এর সূত্রে।

এবং আহমাদ (১৯৫০৮), বুখারি (৭১৪৯), মুসলিম (১৭৩৩): (১৪) (১৮২৩ এর পরে), আবু দাউদ (২৯৩০) আবু বুরদাহ-র সূত্রে দুই তরীকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে সেখানে মিসওয়াকের উল্লেখ নেই; আহমাদ-এর হাদিসের টীকা দ্রষ্টব্য।

এবং অচিরেই সাঈদ ইবনে আবি বুরদাহ-র সূত্রে তাঁর পিতা আবু বুরদাহ থেকে মিসওয়াকের উল্লেখ ব্যতীত ৫৩৮২ নম্বরে আসবে, এবং হাম্মাদ ইবনে মাসআদাহ-র সূত্রে কুররাহ ইবনে খালিদ থেকে এর অন্য একটি অংশ ৪০৬৬ নম্বরে আসবে।

তাঁর উক্তি: কুঁচকে গিয়েছিল, আস-সিন্দি বলেছেন: অর্থাৎ মিসওয়াক নিচে রাখার কারণে তা উপরে উঠেছিল।

(৩) হাদিসটি সহীহ, আর আব্দুর রহমান ইবনে আবি আতীকের কারণে এই সনদটি হাসান। তিনি হলেন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আতীক মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)। একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান "আস-সিকাত" ৭/৬৫ গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং আহমাদ বলেছেন: আমি তাঁর সম্পর্কে কল্যাণ ছাড়া আর কিছু জানি না। হাদিসটি "আস-সুনানুল কুবরা" গ্রন্থে ৪ নম্বরে রয়েছে।

এবং আহমাদ (২৪৯২৫), ইবনে হিব্বান (১০৬৭) ইয়াযীদ ইবনে যুরায়'-এর সূত্রে দুই তরীকে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: এই আবু আতীক হলেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি বকর। হাফিজ ইবনে হাজার "আত-তালখীসুল হাবীর" ১/৬০ গ্রন্থে এর সমালোচনা করে বলেছেন: তিনি যেমনটি বলেছেন বিষয়টি তেমনই, তবে হাদিসটি তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহর বর্ণনা থেকে... আর ইবনে হিব্বানের কথা থেকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় যে এটি স্বয়ং আবু আতীকের বর্ণনা, কিন্তু বিষয়টি তেমন নয়। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌6 - باب الإكثار في السِّواك

6 - أخبرنا حُمَيْدُ بنُ مَسْعَدَةَ وعِمْرانُ بنُ موسى قالا: حدَّثنا عبدُ الوارث، حدَّثنا شعيبُ بنُ الحَبْحَاب

عن أنس بن مالك قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "قد أَكْثَرْتُ عليكم(1) في السِّواك"(2).

 

‌‌7 - باب الرُّخصة في السِّواك بالعَشِيِّ للصَّائم

7 - أخبرنا قُتيبةُ بنُ سعيد، عن مالك، عن أبي الزِّناد، عن الأعرج

--------------------------------------------

= وأخرجه أحمد (24203) من طريق محمد بن إسحاق، حدثني عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن، به. وهذا إسناد حسن من أجل ابن إسحاق، وقد صرَّح بالتحديث، فانتفت شبهة تدليسه.

وعلَّقه البخاري بصيغة الجزم عن عائشة رضي الله عنها قبل (1934) باب سواك الرَّطْب واليابس للصائم.

وأخرجه أحمد (7) و (62) من طريق حمَّاد بن سَلَمة، عن ابن أبي عَتِيق، عن أبيه، عن أبي بكر، والصواب: عن عائشة، كما ذكر الدارقطني في "العلل" 1/ 76.

(1) في (ر) و (ك) و (م) و (يه) وهامش (هـ): أكثرتُم عليَّ، والمثبت من (هـ) وهوامش (ر) و (ك) و (يه)؛ وهو كذلك في "السنن الكبرى" (5) ومصادر الحديث، وهو المناسب لما ترجمَ له المصنِّف، وعليه شَرَحَ السِّندي ابتداءً، ثم ذكرَ النسخة الأخرى، كما سيأتي.

(2) إسناده صحيح عبد الوارث: هو ابنُ سعيد. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (5).

وأخرجه أحمد (12459) و (13598)، والبخاري (888)، وابن حبان (1066) من طرق، عن عبد الوارث، بهذا الإسناد.

قوله: "قد أكثرتُ عليكم" قال السِّندي: أي: بالغتُ في تكرير طلبه منكم، وفي هذا الإخبار ترغيبٌ فيه، وهذا بمنزلة التأكيد لما سبق من التكرير لمن علم به سابقًا، وبمنزلة التكرير والتأكيد جميعًا لمن لم يعلم به. وفي بعض النسخ: "قد أكثرتم عليَّ في السواك". وهذا يقتضي أنهم طلبوا منه إيجابَه أو تخفيفَه بأن يرفع تأكُّد ندبه عنهم، أو أنهم عدُّوا ما قاله في شأنه كثيرًا، فقال لهم ذلك إنكارًا عليهم ذلك. والله تعالى أعلم.
৬ - মিসওয়াকের প্রতি অধিক গুরুত্বারোপের অধ্যায়

৬ - হুমায়দ ইবনে মাসআদাহ এবং ইমরান ইবনে মূসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবদুল ওয়ারিস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শুআইব ইবনে হাবহাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি তোমাদের কাছে মিসওয়াকের ব্যাপারে অনেক বেশি গুরুত্বারোপ করেছি।"

 

‌৭ - রোযাদারের জন্য শেষ বিকেলে মিসওয়াক করার অনুমতির অধ্যায়

৭ - কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক থেকে, তিনি আবু যিনাদ থেকে, তিনি আরায থেকে—

--------------------------------------------

= আর আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন (২৪২০৩) মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে; তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাকে হাদীসটি শুনিয়েছেন—এই সনদে। এবং ইবনে ইসহাকের কারণে এই সনদটি হাসান, তিনি সরাসরি শোনার কথা ব্যক্ত করেছেন, ফলে তাঁর 'তাদলিস' করার সন্দেহ নিরসন হয়েছে।

এবং ইমাম বুখারী এটি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন (১৯৩৪) 'রোযাদারের জন্য কাঁচা ও শুকনো মিসওয়াক' অধ্যায়ের পূর্বে।

আর আহমাদ (৭) ও (৬২) বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহর সূত্রে, তিনি ইবনে আবি আতিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু বকর থেকে। আর সঠিক হলো: আয়েশা থেকে, যেমনটি দারাকুতনী 'আল-ইলাল' ১/৭৬-এ উল্লেখ করেছেন।

(১) পান্ডুলিপি (র), (ক), (ম), (য়াহ) এবং (হা) এর টীকাতে রয়েছে: 'তোমরা আমার ওপর অধিক করেছো'। তবে মূল পাঠে যা রাখা হয়েছে তা (হা) এবং (র), (ক), (য়াহ)-এর টীকা থেকে সংগৃহীত; আর 'আস-সুনানুল কুবরা' (৫) এবং হাদীসের অন্যান্য উৎসগুলোতেও এভাবেই রয়েছে। এটি গ্রন্থকারের অধ্যায় বিন্যাসের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। আর সিন্দী শুরুতেই এই পাঠের ব্যাখ্যা করেছেন, এরপর তিনি অন্য পাঠটিও উল্লেখ করেছেন, যা সামনে আসবে।

(২) এর সনদটি সহীহ। আব্দুল ওয়ারিস হলেন ইবনে সাঈদ। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে ৫ নং হাদীস হিসেবে রয়েছে।

আর আহমাদ (১২৪৫৯) ও (১৩৫৯৮), বুখারী (৮৮৮) এবং ইবনে হিব্বান (১০৬৬) বিভিন্ন সূত্রে আব্দুল ওয়ারিস থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর বাণী: "আমি তোমাদের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বারোপ করেছি" সম্পর্কে সিন্দী বলেছেন: অর্থাৎ, আমি তোমাদের কাছে এটি বারবার চাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি তাগিদ দিয়েছি। এই সংবাদের মধ্যে মিসওয়াকের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। যারা এটি আগে জানতেন তাদের জন্য এটি বারবার তাগিদ দেওয়ার স্থলাভিষিক্ত, আর যারা জানতেন না তাদের জন্য এটি তাগিদ ও বারংবার বলার স্থলাভিষিক্ত। কোনো কোনো কপিতে রয়েছে: "তোমরা মিসওয়াকের ব্যাপারে আমার ওপর অধিক করেছো"। এটি দাবি করে যে, তারা এটি ওয়াজিব করার অথবা এর তাকিদ কমিয়ে সহজ করার আবেদন করেছিলেন, অথবা তাঁরা এটি নিয়ে তাঁর বলা কথাগুলোকে অনেক বেশি মনে করেছিলেন, তাই তিনি তাদের প্রতি অস্বীকৃতি জানিয়ে এটি বলেছিলেন। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
عن أبي هريرةَ، أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم قال: "لولا أَنْ أَشُقَّ على أمَّتي(1) لأمَرْتُهُمْ بالسِّواك عندَ كلِّ صلاة"(2).

--------------------------------------------

(1) في "السُّنن الكبرى" (6) كما في حواشيه: المؤمنين.

(2) إسناده صحيح. أبو الزِّناد: هو عبد الله بنُ ذكوان، والأعرج: هو عبد الرحمن بن هُرْمُز. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (6).

وأخرجه البخاري (887)، وابن حبان (1068) من طريق الإمام مالك، بهذا الإسناد. وهو في "الموطأ" 1/ 66 دون قوله: عند كلِّ صلاة.

وأخرجه أحمد (10868) من طريق ورقاء، عن أبي الزِّناد، به.

وأخرجه البخاري (7240) من طريق جعفر بن رَبيعة، عن الأعرج، به، دون قوله: عند كلِّ صلاة.

وأخرجه أحمد (7854)، والمصنِّف في "السُّنن الكبرى" (3022) و (3023) و (3024)، وابن ماجه (287) من طريق سعيد المَقْبُري، عن أبي هريرة، به.

ورواه أبو سَلَمة بن عبد الرحمن بن عَوف عن أبي هريرة، واختُلف عليه فيه:

فأخرجه أحمد (7853) و (9179) و (9549)، والترمذي (22) من طريق محمد بن عَمرو ابن علقمة، عن أبي سَلَمة، عن أبي هريرة، به.

وأخرجه أحمد (17048) و (21684)، وأبو داود (47)، والترمذي (23)، والمصنِّف في "السُّنن الكبرى" (3029) من طريق محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم التَّيمي، عن أبي سَلَمة، عن زيد بن خالد الجُهَني، به.

قال الترمذي: كلاهما عندي صحيح … وأما محمد بنُ إسماعيل (يعني البخاري) فزعمَ أَنَّ حديث أبي سَلَمة عن زيد بن خالد أصحّ. انتهى. وأما المصنِّف فقال في "السنن الكبرى": كان يحيى القطَّان يقول: محمد بن عَمرو أصلحُ من محمد بن إسحاق في الحديث.

وسيأتي الحديث من طريق سفيان بن عُيينة، عن أبي الزِّناد، به، برقم (534) بلفظ: "لأمرتُهُم بتأخير العِشاء وبالسِّواك عند كلِّ صلاة". وانظر أيضًا "مسند" أحمد (967) و (17032).

قال السِّندي: فيه دلالةٌ على أنه لا مانعَ من إيجاب السِّواك عند كلِّ صلاة إلا ما يُخاف من لُزوم المشقَّة على الناس، ويلزمُ منه أن يكون الصومُ غيرَ مانع من ذلك، ومنه يؤخذ ما ذكره المصنِّف من الترجمة.
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "আমি যদি আমার উম্মতের(১) ওপর কষ্টসাধ্য মনে না করতাম, তবে আমি তাদের প্রতি প্রত্যেক নামাজের সময় মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম"(২)।

--------------------------------------------

(১) 'আস-সুনানুল কুবরা' (৬) গ্রন্থে এবং এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: মুমিনদের।

(২) এর সনদ সহিহ। আবুয যিনাদ হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে যাকওয়ান এবং আল-আ’রাজ হলেন আব্দুর রহমান ইবনে হুরমুয। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে ৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

ইমাম বুখারি (৮৮৭) ও ইবনে হিব্বান (১০৬৮) ইমাম মালিকের সূত্রে এই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। এটি 'আল-মুয়াত্তা' (১/৬৬) গ্রন্থে 'প্রত্যেক নামাজের সময়' কথাটি ব্যতিরেকে বর্ণিত হয়েছে।

আহমাদ (১০৮৬৮) ওয়ারকা-এর সূত্রে আবুয যিনাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

বুখারি (৭২৪০) জাফর ইবনে রাবিয়ার সূত্রে আল-আ’রাজ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে 'প্রত্যেক নামাজের সময়' কথাটি ব্যতীত।

আহমাদ (৭৮৫৪), গ্রন্থকার 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে (৩০২২), (৩০২৩) ও (৩০২৪) এবং ইবনে মাজাহ (২৮৭) সাঈদ আল-মাকবুরির সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ এটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে:

আহমাদ (৭৮৫৩), (৯১৭৯) ও (৯৫৪৯) এবং তিরমিজি (২২) মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আলকামা-এর সূত্রে আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (১৭০৪৮) ও (২১৬৮৪), আবু দাউদ (৪৭), তিরমিজি (২৩) এবং গ্রন্থকার 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে (৩০২৯) মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক-এর সূত্রে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি বলেন: আমার নিকট উভয়টিই সহিহ … আর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল (অর্থাৎ বুখারি) ধারণা পোষণ করেছেন যে, আবু সালামাহ সূত্রে যায়েদ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহিহ। (তিরমিজির বক্তব্য সমাপ্ত)। অন্যদিকে গ্রন্থকার 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে বলেছেন: ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলতেন: হাদিসের ক্ষেত্রে মুহাম্মদ ইবনে আমর, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের চেয়ে অধিক গ্রহণযোগ্য।

অচিরেই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনার সূত্রে আবুয যিনাদ থেকে (৫৩৪) নম্বর ক্রমিকে হাদিসটি এই শব্দে আসবে: "আমি তাদের এশার নামাজ বিলম্বে পড়তে এবং প্রত্যেক নামাজের সময় মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম।" আরও দেখুন 'মুসনাদে আহমাদ' (৯৬৭) ও (১৭০৩২)।

সিন্দি বলেন: এতে এই প্রমাণ রয়েছে যে, মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য হওয়ার ভয় ছাড়া প্রত্যেক নামাজের সময় মিসওয়াক ওয়াজিব করার ক্ষেত্রে অন্য কোনো বাধা নেই। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, রোজা রাখা এর জন্য কোনো বাধা নয় এবং এ থেকেই গ্রন্থকার যে শিরোনাম (অধ্যায়) উল্লেখ করেছেন তা গ্রহণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌8 - باب السِّواك في كلِّ حين

8 - أخبرنا عليُّ بنُ خَشْرَم قال: حدَّثنا عيسى - وهو ابنُ يونس - عن مِسْعَر، عن المِقْدَام - وهو ابنُ شُريح - عن أبيه قال:

قلتُ لعائشة: بأيِّ شيءٍ كان يبدأُ النبيُّ صلى الله عليه وسلم إذا دَخَلَ بيتَه؟ قالت: بالسِّواك(1).

 

‌‌9 - باب ذكر الفِطرة: الاخْتِتان

9 - أخبرنا الحارثُ بنُ مِسْكِين قراءةً عليه وأنا أسمع، عن ابن وَهْبٍ، عن يُونَس، عن ابن شِهاب، عن سعيد بن المسيِّب

عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "الفِطْرَةُ خَمس: الاختتانُ(2)، والاسْتِحْدادُ، وقَصُّ الشَّارب، وتقليمُ الأظفار، ونَتْفُ الإبْط"(3).

--------------------------------------------

(1) إسناده صحيح. عيسى بنُ يونس: هو ابنُ أبي إسحاق السَّبِيعي، ومِسْعَر: هو ابن كِدام، وشُريح: هو ابنُ هانئ الحارثي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (7).

وأخرجه أبو داود (51) عن إبراهيم بن موسى الرازي، عن عيسى بن يونس، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (24144)، ومسلم (253): (43) من طريقين عن مسعر، به.

وأخرجه أحمد (25553) و (25592)، ومسلم (253): (44)، وابن حبان (1074) من طريق سفيان الثوري، وأحمد (24795)، وابن ماجه (290)، وابن حبان (2514) من طريق شَريك، كلاهما عن المقدام بن شُريح، به. ولفظُه عند أحمد (24795): كان أوَّل ما يبدأُ به إذا دخلَ بيتَه السِّواك، وآخره إذا خرج من بيته الرَّكعتين قبل الفجر.

(2) في هامشي (ك) و (يه): الخِتان. نسخة.

(3) إسناده صحيح. ابنُ وَهْب: هو عبد الله المِصريّ، ويونُس: هو ابنُ يزيد الأَيلي، وابنُ شِهاب: هو الزُّهْري. وهو في "السنن الكبرى" برقم (10) وفيه: قُرئ على الحارث .... إلخ، وهو الصواب في صيغة تحمُّل النِّسائي عنه؛ قالوا: كان يستترُ منه في مجلسه لجفاءٍ بينهما.

وأخرجه مسلم (257): (50)، وابن حبَّان (5480) من طريقين عن ابن وَهْب، بهذا الإسناد.

وأخرجه البخاري (5891) و (6297) من طريق إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، به. =
৮ - অনুচ্ছেদ: সর্বাবস্থায় মেসওয়াক করা

৮ - আলী ইবনে খাশরাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ঈসা - তিনি ইবনে ইউনুস - আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মিসআর থেকে, তিনি মিকদাম - তিনি ইবনে শুরাইহ - থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আয়েশাকে জিজ্ঞাসা করলাম: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে প্রবেশ করতেন, তখন সর্বপ্রথম কোন কাজ শুরু করতেন? তিনি বললেন: মেসওয়াক করা দিয়ে।(১)

 

‌৯ - অনুচ্ছেদ: ফিতরাতের বর্ণনা: খতনা করা

৯ - হারিস ইবনে মিসকিন তাঁর ওপর কিরাত পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আমি তা শুনছিলাম, ইবনে ওয়াহব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে,

তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ফিতরাত পাঁচটি: খতনা করা(২), নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করা, গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা এবং বগলের পশম উপড়ে ফেলা।"(৩)

--------------------------------------------

(১) এর সনদ সহিহ। ঈসা ইবনে ইউনুস: তিনি হলেন ইবনে আবি ইসহাক আস-সাবিঈ; মিসআর: তিনি হলেন ইবনে কিদাম; এবং শুরাইহ: তিনি হলেন ইবনে হানি আল-হারিসি। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' গ্রন্থে ৭ নম্বর হাদিসে রয়েছে।

আবু দাউদ (৫১) ইব্রাহিম ইবনে মুসা আর-রাজি থেকে, তিনি ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে এই সনদেই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (২৪১৪৪) এবং মুসলিম (২৫৩): (৪৩) মিসআর থেকে দুটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (২৫৫৫৩) ও (২৫৫৯২), মুসলিম (২৫৩): (৪৪) এবং ইবনে হিব্বান (১০৭৪) সুফিয়ান সাওরির সূত্রে; এবং আহমাদ (২৪৭৯৫), ইবনে মাজাহ (২৯০) ও ইবনে হিব্বান (২৫১৪) শারিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই মিকদাম ইবনে শুরাইহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আহমাদের (২৪৭৯৫) শব্দ নিম্নরূপ: যখন তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন তখন সর্বপ্রথম মেসওয়াক দিয়ে শুরু করতেন এবং ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সর্বশেষ কাজ ছিল ফজরের পূর্বের দুই রাকাত সালাত আদায় করা।

(২) (কাফ) ও (ইয়া) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'আল-খিতান'। এটি একটি সংস্করণগত ভিন্নতা।

(৩) এর সনদ সহিহ। ইবনে ওয়াহব: তিনি হলেন আবদুল্লাহ আল-মিসরি; ইউনুস: তিনি হলেন ইবনে ইয়াজিদ আল-আইলি; এবং ইবনে শিহাব: তিনি হলেন আয-যুহরি। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' গ্রন্থে ১০ নম্বর হাদিসে রয়েছে এবং তাতে রয়েছে: 'হারিসের ওপর পাঠ করা হয়েছে...' ইত্যাদি। নাসায়ি তাঁর থেকে হাদিস গ্রহণের ক্ষেত্রে এটিই সঠিক শব্দপ্রয়োগ; তাঁরা বলেন: তাঁদের উভয়ের মনোমালিন্যের কারণে তিনি তাঁর মজলিসে নিজেকে আড়ালে রাখতেন।

মুসলিম (২৫৭): (৫০) এবং ইবনে হিব্বান (৫৪৮০) ইবনে ওয়াহবের দুটি সূত্রে এই সনদেই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

বুখারি (৫৮৯১) ও (৬২৯৭) ইব্রাহিম ইবনে সা'দের সূত্রে ইবনে শিহাব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌10 - باب تقليم الأظفار

10 - أخبرنا محمدُ بنُ عبد الأعلى قال: حدَّثنا المُعْتَمِرُ قال: سمعتُ مَعْمَرًا، عن الزُّهْريّ، عن سعيد بن المسيِّب

عن أبي هريرةَ قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "خمسٌ من الفِطْرَة: قَصُّ الشَّارب، ونَتْفُ الإبْط، وتقليمُ الأظفار، والاسْتِحْدادُ، والخِتان"(1).

 

‌‌11 - باب نتف الإبْط

11 - أخبرنا محمدُ بنُ عبد الله بن يزيد قال: حدَّثنا سفيان عن الزُّهريّ، عن سعيد ابن المسيِّب

عن أبي هريرة، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: "الفِطْرَةُ خمسٌ(2): الخِتان، وحَلْقُ العانة، ونَتْفُ الإبْط، وتقليمُ الأظفار، وحَلْقُ(3) الشّارب"(4).

--------------------------------------------

= وسيأتي بعده وبرقم (5225) من طريق معمر، وبرقم (11) من طريق ابن عُيينة، كلاهما عن الزُّهري، به وسيأتي من طريق المَقْبُري عن أبي هريرة برقمي: (5043) و (5044 موقوفًا).

قال السِّندي: الفِطْرة - بكسر الفاء - بمعنى الخِلْقَة، والمرادُ هاهنا السُّنَّة القديمة التي اختارها الله تعالى للأنبياء، فكأنها أمرٌ جِبلِّي، فُطِرُوا عليها، وليس المرادُ الحصر، فقد جاء: "عَشْرٌ من الفِطْرة". فالحديثُ من أدلةِ أنَّ مفهوم العدد غيرُ معتبر.

(1) إسناده صحيح: مُعتمر: هو ابنُ سُليمان، ومَعْمَر: هو ابنُ راشد. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (11).

وأخرجه ابنُ حبان (5479) من طريق محمد بن عبد الأعلى، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (7139) عن مُعتمر بن سُليمان، به.

وأخرجه أحمد (7813) و (9321)، والترمذي (2756) من طريقين، عن مَعمر بن راشد، به.

وسيتكرَّر الحديث برقم (5225)، وينظر الحديث السالف قبله، والآتي بعده.

(2) في (م) و (هـ) و (يه) وهامش (ك): خمسٌ من الفطرة، وفي هامش (يه): الفطرة خمس.

(3) في (م) و (هـ) و (يه) وهامش (ك): وأَخْذ. والمثبت من (ر) و (ك)، وهو كذلك في "السُّنن الكبرى".

(4) إسناده صحيح غير أن شيخ المصنِّف خالفَ في قوله: وحلق الشارب، كما سيأتي. =
১০ - নখ কাটার অধ্যায়

১০ - মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আ’লা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি মা’মারকে যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি

আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "পাঁচটি বিষয় ফিতরাতের (স্বভাবজাত সুন্নাতের) অন্তর্ভুক্ত: গোঁফ ছোট করা, বগলের পশম উপড়ানো, নখ কাটা, নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করা এবং খতনা করা।"(১)

 

‌১১ - বগলের পশম উপড়ানোর অধ্যায়

১১ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন

আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "ফিতরাত পাঁচটি(২): খতনা করা, নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করা, বগলের পশম উপড়ানো, নখ কাটা এবং গোঁফ মুণ্ডন(৩) করা।"(৪)

--------------------------------------------

= এটি সামনে ৫২২৫ নম্বরে মা’মারের সূত্রে এবং ১১ নম্বরে ইবনে উইয়ায়নার সূত্রে আসবে, তাঁরা উভয়ে যুহরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়া মাকবুরির সূত্রে আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে ৫০৪৩ এবং ৫০৪৪ (মাওকুফ হিসেবে) নম্বরে সামনে আসবে।

আস-সিন্দি বলেন: ফিতরাত — 'ফা' বর্ণে কাসরা (যের) যোগে — এর অর্থ হলো সৃষ্টিগত স্বভাব। আর এখানে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সেই প্রাচীন সুন্নাত যা মহান আল্লাহ নবীগণের জন্য পছন্দ করেছেন; ফলে এটি যেন একটি প্রকৃতিগত বিষয় যার ওপর তাঁদের সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ করা উদ্দেশ্য নয়, কারণ অন্য বর্ণনায় এসেছে: "দশটি বিষয় ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত।" সুতরাং এই হাদিসটি এই কথার দলিল যে, সংখ্যার উল্লেখ এখানে সীমাবদ্ধতা বুঝায় না।

(১) এর সনদ সহিহ: মুতামির হলেন ইবনে সুলাইমান, এবং মা’মার হলেন ইবনে রাশিদ। এটি "আস-সুনানুল কুবরা" গ্রন্থে ১১ নম্বরে রয়েছে।

ইবনে হিব্বান এটি ৫৪৭৯ নম্বরে মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আ’লার সূত্রে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন।

আহমদ এটি ৭১৩৯ নম্বরে মুতামির ইবনে সুলাইমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আহমদ ৭৮১৩ ও ৯৩২১ নম্বরে এবং তিরমিজি ২৭৫৬ নম্বরে দুটি সূত্রে মা’মার ইবনে রাশিদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

হাদিসটি সামনে ৫২২৫ নম্বরে পুনরায় আসবে এবং এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী হাদিসগুলো দ্রষ্টব্য।

(২) (মীম), (হা), (ইয়া) পাণ্ডুলিপিতে এবং (কাফ) এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: "পাঁচটি বিষয় ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত", আর (ইয়া) এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: "ফিতরাত পাঁচটি"।

(৩) (মীম), (হা), (ইয়া) পাণ্ডুলিপিতে এবং (কাফ) এর পার্শ্বটীকায় "নেওয়া" (কর্তন করা) শব্দ রয়েছে। মূল পাঠে (রা) ও (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে যা নেওয়া হয়েছে তা-ই সঠিক এবং "আস-সুনানুল কুবরা" গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে।

(৪) এর সনদ সহিহ, তবে গ্রন্থকারের উস্তাদ "গোঁফ মুণ্ডন করা" কথাটির ক্ষেত্রে ভিন্নমত পোষণ করেছেন, যা সামনে বর্ণিত হবে। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌12 - باب حَلْق العانة

12 - أخبرنا الحارثُ بنُ مِسكين قراءةً عليه وأنا أسمع، عن ابن وَهْب، عن حَنظلةَ ابن أبي سفيان، عن نافع

عن ابن عمر، أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم قال: "الفِطْرةُ قَصُّ الأظفار، وأخْذُ الشَّارب، وحَلْقُ العانة"(1).

 

‌‌13 - باب قَصَّ الشَّارب

13 - أخبرنا عليُّ بنُ حُجْر قال: أخبرنا عَبِيدةُ بنُ حُمَيْد، عن يوم يوسُفَ بنِ صُهَيب، عن حَبيب بن يَسار

عن زيدِ بن أَرْقَمَ قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "مَنْ لم يأخُذْ شاربَه فليس منَّا"(2).

--------------------------------------------

= سفيان: هو ابنُ عُيينة. وهو في "السنن الكبرى" برقم (9).

وأخرجه أحمد (7261)، والبخاري (5889)، ومسلم (257): (49)، وأبو داود (4198)، وابن ماجه (292)، وابن حبان (5481) و (5482) من طريق سفيان بن عُيينة، بهذا الإسناد، وعندهم جميعًا: وقصُّ الشارب، وأما الرواية أعلاه: "وحَلْق الشارب" فقد خالفَ فيها شيخُ المصنِّف الرواةَ عن سفيان، قال الحافظ ابن حجر في "فتح الباري" 10/ 346: رواه جمهور أصحاب ابن عُيينة بلفظ القصّ، وكذا سائر الروايات عن شيخه الزُّهري.

(1) إسناده صحيح. ابن وَهْب: هو عبدُ الله المِصري. وهو في "الكبرى" (12)، وفيه: قُرئ على الحارث … وهو الصواب في رواية النِّسائي عنه كما سلف الكلام برقم (9).

وأخرجه أحمد (5988)، والبخاري (5890)، وابن حبان (5478) من طريقين عن حنظلة ابن أبي سفيان، بهذا الإسناد، وعند أحمد والبخاري: "من الفطرة … "، وعندهما وعند ابن حبان: "تقليم الأظفار وقصُّ الشَّارب".

وأخرجه البخاري (5888) عن المكِّيّ بن إبراهيم، عن حنظلة، عن نافع، عن النبيّ صلى الله عليه وسلم مرسلًا، وقال: قال أصحابنا عن المكِّيّ: عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "من الفطرة قصّ الشارب". اهـ. وقول البخاري: قال أصحابنا … الخ. يعني أن غيره حدَّث به عن المكِّيّ موصولًا بذكر ابن عمر فيه، وقيل غير ذلك، ينظر "الفتح" 10/ 335.

(2) صحيح. وهذا إسناد حسن من أجل عَبيدة بن حُميد، وقد توبع. =
১২ - নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করা সম্পর্কিত অধ্যায়

১২ - আল-হারিস ইবনে মিসকীন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পঠিত হওয়ার মাধ্যমে এবং আমি তখন শ্রবণ করছিলাম, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ান থেকে, তিনি নাফে থেকে (বর্ণনা করেছেন)

তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ফিতরাত বা স্বভাবজাত বিষয়সমূহ হলো নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা এবং নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করা"(১)।

 

‌১৩ - গোঁফ ছাঁটা সম্পর্কিত অধ্যায়

১৩ - আলী ইবনে হুজর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবীদা ইবনে হুমাইদ, তিনি ইউসুফ ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি হাবীব ইবনে ইয়াসার থেকে (বর্ণনা করেছেন)

তিনি যায়েদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার গোঁফ ছাঁটে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়"(২)।

--------------------------------------------

= সুফিয়ান: তিনি হলেন ইবনে উয়াইনা। এটি "আস-সুনানুল কুবরা"-তে ৯ নং ক্রমে বর্ণিত হয়েছে।

এটি আরও বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৭২৬১), বুখারী (৫৮৮৯), মুসলিম (২৫৭): (৪৯), আবু দাউদ (৪১৯৮), ইবনে মাজাহ (২৯২), ইবনে হিব্বান (৫৪৮১) ও (৫৪৮২) সুফিয়ান ইবনে উয়াইনার সূত্র ধরে, এই সনদে। তাদের সকলের বর্ণনাতেই "গোঁফ ছাঁটা" (কাস্ব) শব্দ রয়েছে। কিন্তু উপরের বর্ণনায় "গোঁফ মুণ্ডন করা" (হালক) শব্দ এসেছে, যা গ্রন্থকারের উস্তাদ সুফিয়ান থেকে বর্ণনাকারী অন্যান্যদের বিপরীত বর্ণনা করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার "ফাতহুল বারী" ১০/৩৪৬-এ বলেছেন: ইবনে উয়াইনার অধিকাংশ ছাত্র এটি "কাস্ব" (ছাঁটা) শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর উস্তাদ জুহরী থেকে বর্ণিত অন্যান্য সকল বর্ণনাও তদ্রূপ।

(১) এর সনদ সহীহ। ইবনে ওয়াহাব: তিনি হলেন আব্দুল্লাহ আল-মিসরী। এটি "আল-কুবরা" (১২)-তে রয়েছে, যেখানে উল্লেখ আছে: আল-হারিসের নিকট পাঠ করা হয়েছে... এবং নাসায়ীর বর্ণনায় এটিই সঠিক যেমনটি ৯ নং ক্রমের আলোচনায় গত হয়েছে।

এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৫৯৮৮), বুখারী (৫৮৯০), ইবনে হিব্বান (৫৪৭৮) হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ানের মাধ্যমে দুই সূত্রে, এই সনদে। আহমাদ ও বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে: "ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত...", এবং তাদের নিকট ও ইবনে হিব্বানের নিকট শব্দগুলো হলো: "নখ কাটা ও গোঁফ ছাঁটা"।

বুখারী (৫৮৮৮) এটি মাক্কী ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি হানজালা থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আমাদের সাথীরা মাক্কী থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে: "ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত হলো গোঁফ ছাঁটা।" সমাপ্ত। ইমাম বুখারীর উক্তি: "আমাদের সাথীরা বলেছেন..." এর অর্থ হলো অন্য বর্ণনাকারীগণ মাক্কী থেকে এটি ইবনে উমরের নাম উল্লেখ করে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) ভাবে বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে আরও মত রয়েছে, যা "আল-ফাতহ" ১০/৩৩৫-এ দেখা যেতে পারে।

(২) সহীহ। আবীদা ইবনে হুমাইদের কারণে এই সনদটি হাসান, এবং এর সমর্থক বর্ণনা (মুতাবায়াত) রয়েছে। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌14 - باب التَّوقيت في ذلك

14 - أخبرنا قُتيبةُ قال: حدَّثنا جعفرٌ - هو ابنُ سُليمان - عن أبي عِمْرانِ الجَوْنيّ عن أنس بن مالك قال: وُقِّتَ لنا في قصِّ الشَّارب(1)، وتقليمِ الأظفار، وحَلْقِ العانة، ونَتْفِ الإِبْط؛ أنْ لا نَتْرُكَ أكثرَ من أربعين يومًا. وقال مرَّةً أخرى: أربعين ليلةً(2).

--------------------------------------------

= وأخرجه الترمذي (2761)، وابن حبان (5477) من طريقين عن عَبِيدة بن حُميد، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (19263) و (19273)، والترمذي بإثر (2761)، والمصنِّف في "السُّنن الكبرى" (14) من طريق يحيى بن سعيد القطَّان، عن يوسف بن صُهيب، به.

وسيأتي الحديث من طريق مُعتمر بن سُليمان، عن يوسف بن صُهيب، برقم (5047).

(1) في النُّسخ الخطيَّة: وَقَّتَ لنا رسول الله في قَصِّ الشارب … إلخ، بصيغة المبني للمعلوم، والمثبت من "السُّنن الكبرى" (15) للمصنِّف، وهو بصيغة المبني للمجهول، وهو المعروف من رواية جعفر بن سليمان كما صرَّح به أبو داود في "سننه" (كما سيرد)، وأشار إليه الترمذي، وذكره المزِّيّ في "تُحفة الأشراف" 1/ 283 عن النَّسائي، ونَبَّه عليه ابنُ حجر في "النُّكَت الظِّراف" (بهامش التُّحفة).

(2) إسناده صحيح. قُتيبة: هو ابنُ سعيد، وأبو عِمران الجَوْني: هو عبد الملك بنُ حبيب. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (15).

وأخرجه مسلم (258)، والترمذي (2759) عن قتيبة بن سعيد، بهذا الإسناد.

ولفظُه عند مسلم: "وُقِّتَ لنا" بصيغة المبني للمجهول، ولفظُه عند الترمذيّ: وَقَّتَ لنا رسولُ الله صلى الله عليه وسلم، والظاهر أن زيادة لفظ "رسول الله" فيها من النُّسَّاخ، فإن رواية جعفر بن سليمان هي بصيغة المبنيّ للمجهول، كما سلف في التعليق قبله، ولتصريح الترمذي أنَّ رواية جعفر أصحّ من رواية صدقة بن موسى، الآتي ذكرها، التي هي بصيغة المبنيّ للمعلوم.

وأخرجه مسلم (258) أيضًا، وابن ماجه (295) من طريقين عن جعفر، بهذا الإسناد، بلفظ المبني للمجهول: وُقِّتَ، وعلَّقه أبو داود عن جعفر بصيغة الجزم بإثر الحديث (4200).

وأخرجه أحمد (12232) و (13111) و (13677)، وأبو داود (4200)، والترمذي (2758) من طرق عن صَدَقة بن موسى الدقيقي، عن أبي عِمران الجَوْني، به، بلفظ: وَقَّتَ لنا =
‌১৪ - এই বিষয়ে সময়সীমা নির্ধারণের অধ্যায়

১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর —তিনি ইবনে সুলাইমান— আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা, নাভির নিচের পশম মুণ্ডানো এবং বগলের পশম উপড়ে ফেলার বিষয়ে আমাদের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে; যেন আমরা এগুলো চল্লিশ দিনের বেশি ছেড়ে না রাখি। তিনি অন্য এক বর্ণনায় বলেছেন: চল্লিশ রাত।

--------------------------------------------

= এটি তিরমিযী (২৭৬১) এবং ইবনে হিব্বান (৫৪৭৭) আবিদাহ ইবনে হুমাইদের সূত্রে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

এটি আহমাদ (১৯২৬৩) ও (১৯২৭৩), তিরমিযী (২৭৬১) এর পর, এবং গ্রন্থকার 'আস-সুনান আল-কুবরা' (১৪)-তে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানের সূত্রে ইউসুফ ইবনে সুহাইব থেকে বর্ণনা করেছেন।

মু'তামার ইবনে সুলাইমানের সূত্রে ইউসুফ ইবনে সুহাইব থেকে এই হাদীসটি সামনে (৫০৪৭) নম্বরে আসবে।

(১) পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ আমাদের জন্য গোঁফ ছাঁটার ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন ... ইত্যাদি, কর্তৃবাচ্য রূপে। তবে গ্রন্থকারের 'আস-সুনান আল-কুবরা' (১৫) থেকে যা সাব্যস্ত হয়েছে তা হলো কর্মবাচ্য রূপে (নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে), যা জাফর ইবনে সুলাইমানের বর্ণনায় সুপরিচিত, যেমনটি আবু দাউদ তাঁর 'সুনানে' স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (যেমনটি সামনে আসবে), এবং তিরমিযী সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন, এবং আল-মিযযী 'তুহফাতুল আশরাফ' ১/২৮৩-তে নাসাঈর সূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন, এবং ইবনে হাজার 'আন-নুকাতুজ জিরাফ'-এ (তুহফার টীকায়) এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

(২) এর সনদ সহীহ। কুতাইবাহ: তিনি ইবনে সাঈদ, এবং আবু ইমরান আল-জাওনি: তিনি আব্দুল মালিক ইবনে হাবীব। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' গ্রন্থে (১৫) নম্বরে রয়েছে।

এটি মুসলিম (২৫৮) ও তিরমিযী (২৭৫৯) কুতাইবাহ ইবনে সাঈদের সূত্রে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

মুসলিমের শব্দ হলো: "আমাদের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে" কর্মবাচ্য রূপে। আর তিরমিযীর শব্দ হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। প্রকাশ্যত "রাসূলুল্লাহ" শব্দটি বৃদ্ধি পাওয়া লেখকদের পক্ষ থেকে হতে পারে, কারণ জাফর ইবনে সুলাইমানের বর্ণনাটি কর্মবাচ্য রূপেই, যেমনটি পূর্বের টীকায় গত হয়েছে। আর একারণেই তিরমিযী স্পষ্ট করেছেন যে, জাফরের বর্ণনাটি সাদাকাহ ইবনে মূসার বর্ণনার চেয়ে অধিক সহীহ, যা সামনে আসবে এবং তা কর্তৃবাচ্য রূপে।

এটি মুসলিম (২৫৮) এবং ইবনে মাজাহ (২৯৫)-ও জাফরের সূত্রে দুই দিক থেকে কর্মবাচ্য শব্দে বর্ণনা করেছেন: "নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে", আর আবু দাউদ (৪২০০) নং হাদীসের পর জাফরের সূত্রে এটি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন।

এটি আহমাদ (১২২৩২), (১৩১১১) ও (১৩৬৭৭), আবু দাউদ (৪০০) এবং তিরমিযী (২৭৫৮) বিভিন্ন সূত্রে সাদাকাহ ইবনে মূসা আদ-দাকিকী থেকে, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দ হলো: তিনি আমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌15 - باب إحفاء الشَّارب وإعِفاء اللِّحَى

15 - أخبرنا عُبيدُ الله بنُ سعيد قال: حدَّثنا يحيى - هو ابنُ سعيد - عن عُبيد الله قال: أخبرني نافع

عن ابن عُمر، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: "أَحْفُوا الشَّواربَ(1)، وأَعْفُوا اللِّحَى(2).

--------------------------------------------

= رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعند الترمذي: عن النبيّ صلى الله عليه وسلم أنه وقَّت لهم … وذكر أبو داود والترمذي أن رواية جعفر أصحّ من رواية صدقة، وقال الترمذي: وصدقة بن موسى ليس عندهم بالحافظ.

قال النوويّ في "شرح مسلم" 3/ 150: قوله: وُقِّتَ لنا، هو من الأحاديث المرفوعة، مثل قوله: أُمِرْنا بكذا. وينظر "الاستذكار" 26/ 242 - 243، و "فتح الباري" 10/ 346.

(1) في (ر) و (هـ): الشَّارب.

(2) إسناده صحيح. عُبيد الله بن سعيد: هو اليَشْكُري أبو قُدامة السَّرَخْسِي، ويحيى بن سعيد: هو القطَّان، وعُبيد الله: هو ابن عُمر العُمريّ، ونافع: هو مولى ابن عُمر رضي الله عنهما. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (13).

وأخرجه أحمد (4654)، ومسلم (259): (52) من طريق يحيى بن سعيد القطَّان، بهذا الإسناد.

وأخرجه البخاري (5893)، ومسلم (259): (52)، والترمذي (2763) من طريقين، عن عُبيد الله العُمري، به. ولفظ البخاري: "انهكوا الشوارب، وأعفوا اللحى".

وأخرجه البخاري (5892)، ومسلم (259): (54) من طريق عمر بن محمد، عن نافع، به، بلفظ: "خالفُوا المشركين، وفِّرُوا اللِّحَى وأَحْفُوا الشوارب". وعند مسلم: وأوفوا اللِّحى.

وأخرجه مسلم (259): (53)، وأبو داود (4199)، والترمذي (2764)، وابن حبان (5475) من طريق مالك، عن أبي بكر بن نافع عن أبيه، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرَ بإحفاء الشوارب وإعفاء اللحى. ولفظ مسلم: وإعفاء اللحية.

وسيأتي الحديث من طريق عبد الرحمن بن مَهْدِي، عن سفيان الثوري، عن عبد الرحمن بن علقمة، عن ابن عمر، برقمي (5045) و (5046)، وسيتكرر سندًا ومتنًا برقم (5226).

قوله: "أحْفُوا الشوارب وأعْفُوا اللِّحى"؛ قال السِّندي: المشهور قطع الهمزة فيهما، وقيل: وجاء: حفا الرجلُ شاربه يحفُوه، كأحفَى: إذا استأصل أخذ شعره، وكذلك جاء: عفوتُ الشعرَ وأعفيتُه، لغتان. فعلى هذا يجوز أن تكون همزةَ وصل.
১৫ - গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করার অধ্যায়

১৫ - উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া—যিনি ইবনে সাঈদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি বলেন: নাফে’ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন

ইবনে উমর (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “তোমরা গোঁফ খুব ছোট করো এবং দাড়ি লম্বা হতে দাও।”

--------------------------------------------

= রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), এবং তিরমিযীতে রয়েছে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাদের জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন... এবং আবু দাউদ ও তিরমিযী উল্লেখ করেছেন যে, জাফরের বর্ণনা সাদাকার বর্ণনার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ। তিরমিযী বলেন: সাদাকা ইবনে মুসা তাদের (মুহাদ্দিসদের) নিকট হাফেয (নির্ভরযোগ্য মুখস্থকারী) নন।

ইমাম নববী 'শরহ মুসলিম' ৩/১৫০-এ বলেছেন: তাঁর কথা ‘আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে’—এটি মারফূ হাদিসের অন্তর্ভুক্ত, যেমন তাঁর কথা: ‘আমাদেরকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’। দ্রষ্টব্য: ‘আল-ইস্তিযকার’ ২৬/২৪২-২৪৩, এবং ‘ফাতহুল বারী’ ১০/৩৪৬।

(১) পাণ্ডুলিপি (রা) এবং (হা)-তে রয়েছে: গোঁফ (একবচনে)।

(২) এর সনদ সহীহ। উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ: তিনি আল-ইয়াশকরী আবু কুদামা আস-সারখসী। ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ: তিনি আল-কাত্তান। উবাইদুল্লাহ: তিনি ইবনে উমর আল-উমরী। নাফে’: তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুক্তদাস। এটি ‘আস-সুনানুল কুবরা’-তে ১৩ নম্বরে বর্ণিত হয়েছে।

এটি ইমাম আহমাদ (৪৬৫৪) এবং মুসলিম (২৫৯): (৫২) ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানের সূত্রে এই একই সনদে বর্ণনা করেছেন।

এটি ইমাম বুখারী (৫৮৯৩), মুসলিম (২৫৯): (৫২) এবং তিরমিযী (২৭৬৩) উবাইদুল্লাহ আল-উমরীর সূত্রে দুটি পথে বর্ণনা করেছেন। বুখারীর শব্দ হলো: “তোমরা গোঁফ খুব বেশি ছোট করো এবং দাড়ি ছেড়ে দাও।”

এটি ইমাম বুখারী (৫৮৯২) এবং মুসলিম (২৫৯): (৫৪) উমর ইবনে মুহাম্মদের সূত্রে নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন। এর শব্দ হলো: “তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা করো, দাড়ি পর্যাপ্ত পরিমাণ রাখো এবং গোঁফ ছোট করো।” মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে: “আর দাড়ি পূর্ণ করো।”

এটি ইমাম মুসলিম (২৫৯): (৫৩), আবু দাউদ (৪১৯৯), তিরমিযী (২৭৬৪) এবং ইবনে হিব্বান (৫৪ ৭৫) মালেকের সূত্রে আবু বকর ইবনে নাফে’ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গোঁফ ছোট করার এবং দাড়ি লম্বা করার নির্দেশ দিয়েছেন। মুসলিমের শব্দ হলো: “আর দাড়ি লম্বা করার (একবচনে)।”

এই হাদিসটি সামনে আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী, সুফিয়ান আস-সাওরী এবং আব্দুর রহমান ইবনে আলকামা’র সূত্রে ইবনে উমর থেকে ৫০৪৫ ও ৫০৪৬ নম্বরে আসবে এবং ৫২২৬ নম্বরে সনদ ও মূলপাঠসহ পুনরায় আসবে।

তাঁর উক্তি: “তোমরা গোঁফ ছোট করো এবং দাড়ি লম্বা হতে দাও”; ইমাম সিন্ধী বলেন: প্রসিদ্ধ মত হলো উভয়ের ক্ষেত্রেই শুরুতে ‘হামজা’ ক্বতয়ী (উচ্চারিত) হবে। কেউ কেউ বলেন: ‘হাফা’ শব্দটি ‘আহফা’ এর মতোই ব্যবহৃত হয়—যার অর্থ চুলের গোড়া থেকে নেওয়া বা নিংড়ে ফেলা। একইভাবে চুলের ক্ষেত্রে ‘আফাওতু’ এবং ‘আ’ফাইতু’ উভয়টি ব্যবহৃত হয়। এই হিসেবে এগুলো ‘হামজায়ে ওয়াসল’ (অনুচ্চারিত হামজা) হওয়ার অবকাশ রাখে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌16 - باب الإبعاد عند إرادة الحاجة

16 - أخبرنا عَمْرُو بنُ عليٍّ قال: حدَّثنا يحيى بنُ سعيد قال: حدَّثنا أبو جعفر الخَطْمِيُّ عُميرُ بنُ يزيدَ قال: حدَّثني الحارثُ بنُ فُضيل وعُمارةُ بنُ خُزيمةَ بن ثابت

عن عبد الرَّحمن بن أبي قُرَاد قال: خرجتُ مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الخَلاء، وكان إذا أرادَ الحاجةَ أبْعَدَ(1).

 

17 - أخبرنا عليُّ بنُ حُجْر قال: حدَّثنا إسماعيل، عن محمد بن عَمْرو، عن أبي سَلَمة عن المُغيرةِ بن شعبة، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم مكان إذا ذهبَ المَذْهَبَ أبعدَ. قال: فذهبَ لحاجته وهو في بعض أسفاره، فقال: "ائْتِني بوَضُوء". فأتيتُه بوَضُوء، فتوضَّأ ومَسَحَ على الخُفَّين(2). قال الشيخ: إسماعيلُ هو ابنُ جعفر ابن أبي كثير القارئ(3).

--------------------------------------------

(1) إسناده صحيح. يحيى بن سعيد: هو القطان. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (17).

وأخرجه أحمد (15660)، وابن ماجه (334) من طرق عن يحيى القطَّان، بهذا الإسناد.

وعند أحمد: خرجتُ مع النبي صلى الله عليه وسلم حاجًّا، وعند ابن ماجه: حججتُ .... الخ. وينظر حديث القيسيّ الآتي برقم (113).

(2) في (م) وهامشي (ك) و (هـ): خفيه.

(3) حديث صحيح، وهذا إسناد حسن من أجل محمد بن عمرو، وهو ابن علقمة بن وقَّاص. وبقية رجاله ثقات، أبو سَلَمَة: هو ابن عبد الرحمن بن عوف، وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (16).

وأخرجه أحمد (18171)، وأبو داود (1)، والترمذي (20)، وابن ماجه (331) من طرق عن محمد بن عَمرو، بهذا الإسناد.

وسيأتي بنحوه أطولَ منه بالأرقام: (79) و (82) و (107) و (108) و (109) و (123) و (124) و (125). وينظر الحديث السالف قبله.

قوله: المذهب؛ قال السِّندي: المراد محلُّ التخلِّي، أو الذهاب إليه؛ بقرينة "أبْعَدَ"، فإنه اللائق بالإبعاد، وقيل: بل صار في العُرف اسمًا لموضع التغوُّط، كالخلاء.
‌১৬ - অধ্যায়: প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় দূরে যাওয়া

১৬ - আমর ইবন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আল-খাতমী উমায়ের ইবন ইয়াযিদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হারিস ইবন ফুযাইল এবং উমারা ইবন খুযাইমা ইবন সাবিত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন

আবদুর রহমান ইবন আবি কুরাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নির্জন স্থানের উদ্দেশ্যে বের হলাম; তিনি যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের ইচ্ছা করতেন, তখন দূরে চলে যেতেন।(১)

 

১৭ - আলী ইবন হুজর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আমর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি মুগীরা ইবন শুবা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচকার্যে যেতেন তখন দূরে যেতেন। তিনি বলেন: তিনি তাঁর এক সফরে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে গেলেন, এরপর বললেন: "আমার জন্য ওযুর পানি নিয়ে এসো।" আমি তাঁর জন্য ওযুর পানি নিয়ে এলাম, অতঃপর তিনি ওযু করলেন এবং দুই মোজার ওপর মাসাহ করলেন।(২) শাইখ বলেন: ইসমাইল হলেন ইবন জাফর ইবন আবি কাসীর আল-কারি।(৩)

--------------------------------------------

(১) এর সনদ সহীহ। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ: তিনি হলেন আল-কাত্তান। এটি "আস-সুনান আল-কুবরা" গ্রন্থে (১৭) নম্বরে রয়েছে।

এটি আহমাদ (১৫৬৬০) এবং ইবন মাজাহ (৩৩৪) বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাজ্জকারী হিসেবে বের হলাম; আর ইবন মাজাহর বর্ণনায় রয়েছে: আমি হাজ্জ করলাম... ইত্যাদি। সামনে ১১৩ নম্বরে কায়সীর হাদিসটি দ্রষ্টব্য।

(২) (ম) পাণ্ডুলিপিতে এবং (ক) ও (হ) এর পার্শ্বটিকায় রয়েছে: "খুফ্ফাইহি" (তাঁর দুই মোজা)।

(৩) হাদিসটি সহীহ, আর এই সনদটি মুহাম্মদ ইবন আমরের কারণে হাসান, তিনি হলেন ইবন আলকামা ইবন ওয়াক্কাস। এর বাকি বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আবু সালামা: তিনি হলেন আবদুর রহমান ইবন আউফের পুত্র। এটি "আস-সুনান আল-কুবরা" গ্রন্থে (১৬) নম্বরে রয়েছে।

এটি আহমাদ (১৮১৭১), আবু দাউদ (১), তিরমিযী (২০) ও ইবন মাজাহ (৩৩১) বিভিন্ন সূত্রে মুহাম্মদ ইবন আমর থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

সামনে এর সমার্থবোধক দীর্ঘ হাদিস আসবে: (৭৯), (৮২), (১০৭), (১০৮), (১০৯), (১২৩), (১২৪) ও (১২৫) নম্বরে। এর পূর্ববর্তী হাদিসটিও দ্রষ্টব্য।

তাঁর উক্তি: "আল-মাযহাব"; সিন্দি বলেন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মলত্যাগের স্থান অথবা সেখানে যাওয়া; "দূরে যেতেন" কথাটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এটাই উপযুক্ত অর্থ। আবার বলা হয়েছে: এটি প্রচলিত ব্যবহারে মলত্যাগের স্থানের নাম হয়ে গেছে, যেমন "আল-খালা" (নিভৃত স্থান)।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌17 - باب الرُّخصة في ترك ذلك

18 - أخبرنا إسحاقُ بنُ إبراهيم، أخبرنا عيسى بنُ يونس، حدَّثنا الأعمش، عن شقيق عن حُذيفةَ قال: كنتُ أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، فانْتَهَى إلى سُباطَةِ قوم، فبالَ قائمًا، فتَنَجَّيْتُ عنه، فدَعاني، وكنتُ عند عَقِبَيْهِ حَتَّى فَرَغَ، ثم توضَّأ ومَسَحَ على خُفَّيْه(1).

--------------------------------------------

(1) إسناده صحيح، إسحاق بن إبراهيم: هو المعروف بابن راهويه، وعيسى بن يونس: هو ابن أبي إسحاق السَّبِيعي، والأعمش: هو سليمان بن مِهْران، وشقيق: هو ابن سَلَمة أبو وائل الأسدي الكوفي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (18).

وأخرجه ابن عبد البَرِّ في "التمهيد" 11/ 145 من طريق عيسى بن يونس، به وزاد: بالمدينة؛ وينظر الكلام فيه وفي "الفتح" 1/ 328.

وأخرجه أحمد (23241) و (23246) و (23414)، ومسلم (273): (73)، وأبو داود (23)، والترمذي، (13)، وابن ماجه (305)، وابن حبان (1425) و (1427) و (1428) من طرق، عن الأعمش، به.

وأخرجه أحمد (23345) من طريق يونس بن أبي إسحاق، عن أبي إسحاق، عن نَهِيك السَّلُولي، عن حذيفة، به، مختصرًا.

وسيأتي مختصرًا من طريق شعبة، عن سليمان الأعمش، به برقم (26)، ومن طريق شعبة، عن منصور، عن أبي وائل، به، برقم (27)، ومن طريق شعبة، عن سليمان الأعمش ومنصور، عن أبي وائل برقم (28).

قال السِّندي: السُّبَاطة، بضم السين المهملة وتخفيف الموحَّدة: هي الموضع الذي يُرمى فيه الترابُ والأوساخُ وما يُكنس من المنازل، وقيل: هي الكُناسة نفسُها، وإضافتُها إلى القوم إضافةُ اختصاصِ لا مِلْك، فهي كانت مباحة، ويَحتمل المِلْك، ويكون الإذن منهم ثابتًا صريحًا أو دلالة، وقد اتفقوا على أنَّ عادتَه صلى الله عليه وسلم في حالة البول القعودُ كما يدلُّ عليه حديث عائشة [سيأتي برقم (29)] فلا بدّ أن يكون القيام في هذا الوقت لسبب دعا إلى ذلك، وقد عيَّنوا بعض الأسباب بالتخمين، والله تعالى أعلم بالتحقيق.
১৭ - এটি পরিত্যাগ করার অনুমতির অধ্যায়

১৮ - ইসহাক ইবন ইবরাহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা ইবন ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আ’মাশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শাকীক থেকে, তিনি হুযাইফাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হাঁটছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি একটি সম্প্রদায়ের ময়লা ফেলার স্থানে পৌঁছালেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন। আমি তাঁর থেকে দূরে সরে গেলাম, কিন্তু তিনি আমাকে ডাকলেন, ফলে আমি তাঁর গোড়ালির নিকট অবস্থান করলাম যতক্ষণ না তিনি অবসর হলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং তাঁর মোজাদ্বয়ের ওপর মাসাহ করলেন।

--------------------------------------------

(১) এর সনদ সহীহ। ইসহাক ইবন ইবরাহীম: তিনি ইবন রাহওয়াইহ হিসেবে পরিচিত। ঈসা ইবন ইউনুস: তিনি হলেন ইবন আবী ইসহাক আস-সাবীয়ী। আ’মাশ: তিনি হলেন সুলাইমান ইবন মিহরান। শাকীক: তিনি হলেন ইবন সালামাহ আবু ওয়াইল আল-আসাদী আল-কুফী। এটি ‘আস-সুনান আল-কুবরা’-তে ১৮ নং ক্রমিকে রয়েছে।

ইবন আব্দুল বার এটি ‘আত-তামহীদ’ ১১/১৪৫-এ ঈসা ইবন ইউনুসের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বর্ধিত অংশ রয়েছে: ‘মদীনায়’; এ বিষয়ে এবং ‘আল-ফাতহ’ ১/৩২৮-এ আলোচনা দ্রষ্টব্য।

আহমাদ (২৩২৪১), (২৩২৪৬) ও (২৩৪১৪), মুসলিম (২৭৩): (৭৩), আবু দাউদ (২৩), তিরমিযী (১৩), ইবন মাজাহ (৩০৫), ইবন হিব্বান (১৪২৫), (১৪২৭) ও (১৪২৮) বিভিন্ন সূত্রে আ’মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (২৩৩৪৫) ইউনুস ইবন আবী ইসহাক থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি নাহীফ আস-সালূলী থেকে, তিনি হুযাইফাহ থেকে সংক্ষিপ্তভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

সামনে শু'বাহ-এর সূত্রে সুলাইমান আ'মাশ থেকে ২৬ নং ক্রমিকে, শু'বাহ-এর সূত্রে মানসূর থেকে আবু ওয়াইল থেকে ২৭ নং ক্রমিকে এবং শু'বাহ-এর সূত্রে সুলাইমান আ'মাশ ও মানসূর থেকে আবু ওয়াইল থেকে ২৮ নং ক্রমিকে এটি সংক্ষিপ্তভাবে আসবে।

সিনদী বলেন: ‘আস-সুবাতাহ’ (সীন বর্ণে পেশ এবং বা বর্ণে সহজ উচ্চারণ সহ): এটি এমন স্থান যেখানে মাটি, ময়লা-আবর্জনা এবং ঘর ঝাড়ু দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা ফেলা হয়। কেউ বলেছেন: এটি স্বয়ং ময়লার স্তূপ। ‘সম্প্রদায়ের’ দিকে এর সম্বন্ধটি মালিকানা বোঝানোর জন্য নয় বরং সংশ্লিষ্টতা বোঝানোর জন্য, তাই এটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত ছিল। অথবা মালিকানা হওয়াও সম্ভব, সেক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বা ইঙ্গিতসূচক অনুমতি বিদ্যমান ছিল। উলামাগণ একমত যে, প্রস্রাব করার ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাধারণ অভ্যাস ছিল বসে করা, যেমনটি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত [যা ২৯ নং ক্রমিকে সামনে আসবে]। সুতরাং এই সময়ে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাটি অবশ্যই কোনো বিশেষ কারণবশত ছিল যা তাঁকে এটি করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। উলামাগণ অনুমানের ভিত্তিতে কিছু কারণ নির্দিষ্ট করেছেন, আর প্রকৃত সত্য আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌18 - باب القول عند دخول الخلاء

19 - أخبرنا إسحاقُ بنُ إبراهيم، أخبرنا إسماعيل، عن عبد العزيز بن صُهَيْب عن أنس بن مالك قال: كان رسولُ الله صلى الله عليه وسلم إذا دخلَ الخَلاءَ قال: "اللَّهُمَّ إنِّي أعوذُ بك من الخُبُثِ والخَبائث"(1).

 

‌‌19 - باب النَّهي عن استقبال القِبلة عند الحاجة

20 - أخبرنا محمدُ بنُ سَلَمَةَ والحارثُ بنُ مسكين قراءةً عليه وأنا أسمع واللَّفظُ له، عن ابن القاسم قال: حدَّثني مالك عن إسحاقَ بن عبد الله بنِ أبي طلحة، عن رافع بن إسحاق أنَّه سمع أبا أيوبَ الأنصاريَّ وهو بمصرَ يقول: واللهِ ما أدري كيف أصْنَعُ بهذه الكَراييس وقد قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إذا ذَهَبَ أحدُكم إلى الغائط أو البول فلا يستقبلِ القِبْلةَ ولا يَسْتَدْبِرْها"(2).

--------------------------------------------

(1) إسناده صحيح. إسماعيل: هو ابنُ إبراهيم بن مِقْسَم المعروف بابن عُليَّة. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (19).

وأخرجه أحمد (11983)، وابن ماجه (298) من طريق إسماعيل ابن عُلَيَّة، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (11947)، والبخاري (142) و (6322)، ومسلم (375): (122)، وأبو داود (4) و (5)، والترمذي (5) و (6)، وابن حبان (1407) من طرق عن عبد العزيز بن صُهيب، به.

قوله: "الخُبُث"؛ قال السِّندي: بضمتين، جمع خبيث، والخبائث جمع خبيثة، والمراد ذُكْران الشياطينِ وإناثُهم. وقد جاءت الرواية بإسكان الباء في "الخبث" أيضًا، إمَّا على التخفيف، أو على أنه اسم بمعنى الشّرّ، وحينئذ؛ فالخبائث صفة النفوس، فيشملُ ذكورَ الشياطين وإناثَهم، والمراد التعوُّذُ من الشرِّ وأصحابه.

(2) إسناده صحيح. محمد بن سَلَمة: هو المُراديّ، وابنُ القاسم: هو عبد الرحمن المصريّ.

وهو في "الموطأ" 1/ 193، وفيه: "ولا يستدبرها بفرجه".

وأخرجه أحمد (23514) عن إسحاق بن عيسى، عن مالك، بهذا الإسناد. =
১৮ - পরিচ্ছেদ: শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলতে হয়

১৯ - ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল, আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট পুরুষ শয়তান এবং নারী শয়তানদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।"

 

‌‌১৯ - পরিচ্ছেদ: প্রাকৃতিক প্রয়োজনে কিবলার দিকে মুখ করার নিষেধাজ্ঞা

২০ - মুহাম্মাদ ইবনে সালামাহ এবং আল-হারিস ইবনে মিসকিন আমাদের পাঠ করে জানিয়েছেন—আমি শুনছিলাম এবং শব্দসমূহ তার (হারিসের)—ইবনুল কাসিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মালিক আমাদের কাছে ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি রাফে ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারিকে মিশরে থাকা অবস্থায় বলতে শুনেছেন: আল্লাহর কসম, আমি জানি না এই শৌচাগারগুলোর (টয়লেটগুলো যা কিবলার দিকে মুখ করে বানানো) ক্ষেত্রে আমি কী করব! অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মল-মূত্র ত্যাগের জন্য যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়।"

--------------------------------------------

(১) এর সনদ সহীহ। ইসমাইল হলেন ইবনে ইবরাহিম ইবনে মিকসাম, যিনি ইবনে উলাইয়্যাহ নামে পরিচিত। এটি "আস-সুনান আল-কুবরা" গ্রন্থে ১৯ নম্বরে রয়েছে।

এবং আহমদ (১১৯৮৩), ইবনে মাজাহ (২৯৮) এই সনদে ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমদ (১১৯৪৭), বুখারী (১৪২) ও (৬৩২২), মুসলিম (৩৭৫): (১২২), আবু দাউদ (৪) ও (৫), তিরমিজি (৫) ও (৬), ইবনে হিব্বান (১৪০৭) আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইবের বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

তার উক্তি: "আল-খুবুছ"; আস-সিন্দি বলেন: দুই পেশ (যাম্মাহ) সহকারে এটি 'খাবিছ'-এর বহুবচন, আর 'আল-খাবাইছ' হলো 'খাবিছাহ'-এর বহুবচন। এর দ্বারা উদ্দেশ্য পুরুষ শয়তান ও নারী শয়তান। "আল-খুবুছ" শব্দটিতে 'বা' অক্ষরে সুকুন দিয়েও বর্ণনা এসেছে, হয় উচ্চারণ সহজ করার জন্য, অথবা এটি অনিষ্ট অর্থে একটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; সেক্ষেত্রে 'খাবাইছ' হবে অনিষ্ট আত্মার গুণাবলী, যা পুরুষ ও নারী উভয় শয়তানকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো অনিষ্ট এবং অনিষ্টকারীদের থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

(২) এর সনদ সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনে সালামাহ হলেন আল-মুরাদি এবং ইবনুল কাসিম হলেন আব্দুর রহমান আল-মিসরি।

এটি "আল-মুওয়াত্তা" ১/১৯৩-এ রয়েছে, যেখানে বর্ণিত হয়েছে: "এবং কিবলার দিকে যেন পিঠ না দেয় নিজের লজ্জাস্থান সহ।"

আহমদ (২৩৫১৪) এই সনদে ইসহাক ইবনে ঈসা থেকে, তিনি মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌20 - باب النَّهي عن استدبار القِبلة عند الحاجة

21 - أخبرنا محمدُ بنُ منصور قال: حدَّثنا سفيان، عن الزُّهريّ، عن عطاء بن يزيد عن أبي أيوب، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قال: "لا تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ ولا تَسْتَدْبِرُوها بغائطٍ(1) أو بَوْل، ولكن شَرِّقُوا أو غَرِّبُوا"(2).

--------------------------------------------

= وأخرجه أحمد (23519) و (23559) من طريقين عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، وليس في الرواية (23559) ذكر الكراييس، ولفظ الرواية (23519): نهانا رسولُ الله صلى الله عليه وسلم أن نستقبلَ القبلتَيْنِ ونستدبرَهما.

وسيأتي في الحديثين بعده.

قوله: الكراييس؛ قال السِّندي: بياءين مثنَّاتين من تحت، يعني بيوتَ الخلاء. قيل: ويُفهم من كلام بعض أهل اللغة أنه بالنون، ثم الياء، وكانت تلك الكراييس بُنيت إلى جهة القِبلة، فثقُل عليه ذلك، ورأى أنه خلافُ ما يُفيده الحديث بناءً على أنه فهم الإطلاق، لكن يمكن أن يكون محمل الحديث الصحراء، وإطلاق اللفظ جاء على ما كان عليه العادة يومئذ، إذ لم يكن لهم كُنُفٌ في البيوت في أول الأمر … والمسألة مختلف فيها بين العلماء، والاحتراز عن الاستقبال والاستدبار في البيوت أحوط.

(1) في (م) و (هـ): الغائط. وجاء في هامش (هـ): بغائط (نسخة).

(2) إسناده صحيح. سفيان: هو ابن عُيينة. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (20).

وأخرجه أحمد (23579)، والبخاري (394)، ومسلم (264)، وأبو داود (9)، والترمذي (8) من طريق سفيان بن عُيينة، بهذا الإسناد. وعندهم زيادة: قال أبو أيوب: فقدمنا الشام، فوجدنا مراحيضَ بُنيت قِبَلَ القِبلة، فننحرفُ ونستغفرُ اللهَ تعالى.

وأخرجه البخاري (144)، وابن ماجه (318) من طريقين عن الزُّهري، به.

قال الترمذي: حديث أبي أيوب أحسنُ شيء في هذا الباب وأصحّ. ونقل عن الشافعي قولَه: إنما معنى قول النبي صلى الله عليه وسلم: "لا تستقبلوا القبلة بغائط … " إنما هذا في الفيافي، فأمَّا في الكُنُف المبنيَّة؛ له رُخصةٌ في أن يستقبلَها.

وسلف قبله وينظر ما بعده.

قوله: "ولكن شرِّقوا أو غرِّبوا"؛ قال السِّندي: هذا خطابٌ لأهل المدينة ومَنْ قِبلتُه على ذلك السَّمْت، والمقصود الإرشاد إلى جهة أخرى لا يكون فيها استقبالُ القبلة ولا استدبارُها، وهذا مختلِف بحسب البلاد.
২০ - পরিচ্ছেদ: প্রয়োজন পূরণকালে কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে বসা নিষেধ

২১ - মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু আইয়ুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমরা মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করো না এবং কিবলার দিকে পিঠ দিও না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো।"

--------------------------------------------

= এটি আহমদ (২৩৫১৯) ও (২৩৫৫৯) গ্রন্থে ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি তালহার সূত্রে দুটি পথে বর্ণনা করেছেন। (২৩৫৫৯) নং বর্ণনায় 'কারাইস' (শৌচাগারসমূহ) এর উল্লেখ নেই। (২৩৫১৯) নং বর্ণনার শব্দগুলো হলো: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উভয় কিবলার দিকে মুখ করতে বা পিঠ দিতে নিষেধ করেছেন।

আর এটি পরবর্তী দুটি হাদিসেও আসবে।

তাঁর উক্তি: 'আল-কারাইস'; সিন্দি বলেন: এটি নিচ থেকে দুটি 'ইয়া' যোগে, যার অর্থ শৌচাগারসমূহ। বলা হয়েছে যে, কোনো কোনো ভাষা বিশেষজ্ঞের বক্তব্য থেকে বোঝা যায় এটি 'নূন' এবং এরপর 'ইয়া' যোগে। সেই শৌচাগারগুলো কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছিল, যা তাঁর নিকট কষ্টকর মনে হয়েছিল এবং তিনি মনে করতেন যে এটি হাদিসের নির্দেশের পরিপন্থী, কারণ তিনি হাদিসটিকে সাধারণভাবে বুঝেছিলেন। তবে সম্ভব যে, হাদিসের প্রয়োগ খোলা মাঠের ক্ষেত্রে, আর সাধারণ শব্দের ব্যবহার তৎকালীন অভ্যাসের ভিত্তিতে হয়েছিল, কেননা শুরুর দিকে ঘরগুলোতে কোনো শৌচাগার ছিল না… বিষয়টি আলেমদের মাঝে মতভেদপূর্ণ, তবে ঘরেও কিবলার দিকে মুখ করা বা পিঠ দেওয়া থেকে বেঁচে থাকা অধিকতর সতর্কতামূলক।

(১) 'মীম' এবং 'হা' পাণ্ডুলিপিতে: 'আল-গাইত'। 'হা' পাণ্ডুলিপির টীকায় এসেছে: 'বি-গাইতিন' (পাঠান্তর)।

(২) এর সনদ সহিহ। সুফিয়ান হলেন ইবনে উয়াইনাহ। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' এর ২০ নং হাদিসে রয়েছে।

আহমদ (২৩৫৭৯), বুখারি (৩৯৪), মুসলিম (২৬৪), আবু দাউদ (৯) এবং তিরমিজি (৮) সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহর সূত্রে এই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের বর্ণনায় অতিরিক্ত অংশ রয়েছে: আবু আইয়ুব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: অতঃপর আমরা শামে (সিরিয়া) আসলাম এবং সেখানে কিবলার দিকে মুখ করে নির্মিত কিছু শৌচাগার পেলাম, তাই আমরা কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতাম।

বুখারি (১৪৪) ও ইবনে মাজাহ (৩১৮) যুহরির সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি বলেন: আবু আইয়ুবের হাদিসটি এই অধ্যায়ে সবচেয়ে চমৎকার ও বিশুদ্ধতম। তিনি শাফেয়ি থেকে তাঁর এই বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণীর অর্থ—"মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করো না..." এটি কেবল খোলা মাঠের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে নির্মিত শৌচাগারের ক্ষেত্রে কিবলার দিকে মুখ করার অবকাশ রয়েছে।

এর পূর্বেও অতিক্রান্ত হয়েছে এবং পরবর্তীতে যা আসবে তা দ্রষ্টব্য।

তাঁর বাণী: "বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো"; সিন্দি বলেন: এটি মদিনাবাসী এবং যাদের কিবলা ওই বরাবর তাদের প্রতি সম্বোধন। এর উদ্দেশ্য হলো এমন একটি দিকের নির্দেশনা দেওয়া যেখানে কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করা হয় না। এটি দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌21 - باب الأمر باستقبال المشرق أو المغرب عند الحاجة

22 - أخبرنا يعقوبُ بنُ إبراهيمَ قال: حدَّثنا غُنْدَرٌ قال: حدَّثنا مَعْمَرٌ قال: أخبرنا ابنُ شِهاب، عن عطاء بن يزيد عن أبي أيوبَ الأنصاريِّ قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إذا أتى أحدُكُمُ الغائطَ، فلا يستقبل القِبْلَةَ، ولكن ليُشَرِّق أو ليُغَرِّبْ"(1).

 

‌‌22 - الرُّخْصة في ذلك في البيوت

23 - أخبرنا قُتيبةُ بنُ سعيد، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى ابن حَبَّان، عن عمِّه واسع بن حَبَّان

عن عبد الله بن عُمر قال: لقد ارْتَقَيْتُ على ظَهْرِ بَيْتِنا، فرأيتُ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم على لَبِنَتَيْنِ مُستقبِلَ بيتِ المَقْدِسِ لِحاجَتِه(2).

--------------------------------------------

(1) إسناده صحيح. غُندر: هو محمد بن جعفر، ومَعمر: هو ابنُ راشد وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (21).

وأخرجه أحمد (23536) و (23577)، وابن حبان (1416) و (1417) من طرق عن مَعمر ابن راشد، بهذا الإسناد. وقرنَ ابنُ حبان في الرواية (1417) بمعمر النعمانَ بنَ راشد.

وجاء في آخر هذه الروايات قولُ أبي أيوب: فلما قدمنا الشام … الخ، المذكور في التعليق على الحديث قبله.

(2) إسناده صحيح. يحيى بن سعيد: هو الأنصاري. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (22).

وهو في "موطأ" مالك 1/ 193 - 194 بأطولَ منه، ومن طريقه أخرجه البخاري (145) وأبو داود (12)، وابن حبان (1421).

وأخرجه أحمد (4991)، والبخاري (149)، ومسلم (266): (61)، وابن ماجه (322)، وابن حبان (1418) من طرق، عن يحيى بن سعيد الأنصاري، به. ووقع عند ابن حبان: مستقبل القبلة مستدبر الشام، وهو خطأ. قال الحافظ ابن حجر في "التلخيص الحبير" 1/ 104: تعدّ من قسم المقلوب في المتن.

وأخرجه أحمد (4617)، والبخاري (148)، ومسلم (266): (62)، والترمذي (11)، وابن حبان (1418، ومتنُه مقلوب)، من طريق عُبيد الله بن عمر، عن محمد بن يحيى بن حَبَّان، به.
‌‌২১ - প্রয়োজন মেটানোর সময় পূর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ করার নির্দেশ বিষয়ক অধ্যায়

২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ঘুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মা'মার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব, আতা ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন পায়খানায় যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে, বরং সে যেন পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ ফেরে।"(১).

 

‌‌২২ - ঘরের ভেতরে এর অনুমতি প্রসঙ্গে

২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, মালিক থেকে, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান থেকে, তিনি তাঁর চাচা ওয়াসি' ইবনে হাব্বান থেকে

তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমাদের ঘরের ছাদের ওপর উঠেছিলাম, তখন আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দুটি ইটের ওপর বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে তাঁর প্রয়োজন মেটানোর অবস্থায় দেখেছি।(২).

--------------------------------------------

(১) এর সনদ সহিহ। ঘুন্দার হলেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর, এবং মা'মার হলেন ইবনে রাশিদ। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' গ্রন্থে ২১ নং হাদিসে রয়েছে।

এটি আহমদ (২৩৫৩৬) ও (২৩৫৭৭), ইবনে হিব্বান (১৪১৬) ও (১৪১৭) মা'মার ইবনে রাশিদ থেকে বিভিন্ন সূত্রে এই সনদে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ১৪১৭ নম্বর বর্ণনায় মা'মারের সাথে নুমান ইবনে রাশিদকে যুক্ত করেছেন।

এই বর্ণনাসমূহের শেষে আবু আইয়ুবের এই উক্তিটি এসেছে: "যখন আমরা সিরিয়ায় পৌঁছালাম..." ইত্যাদি, যা এর পূর্ববর্তী হাদিসের টিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

(২) এর সনদ সহিহ। ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ হলেন আল-আনসারী। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা' গ্রন্থে ২২ নং হাদিসে রয়েছে।

এটি মালিকের 'মুয়াত্তা' ১/১৯৩-১৯৪ গ্রন্থে এর চেয়ে দীর্ঘভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং তাঁর সূত্র থেকে এটি বুখারি (১৪৫), আবু দাউদ (১২) এবং ইবনে হিব্বান (১৪২১) বর্ণনা করেছেন।

এটি আহমদ (৪৯৯১), বুখারি (১৪৯), মুসলিম (২৬৬): (৬১), ইবনে মাজাহ (৩২২) এবং ইবনে হিব্বান (১৪১৮) বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আনসারী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বানের বর্ণনায় এসেছে: "কিবলার দিকে মুখ করে এবং সিরিয়ার দিকে পিঠ দিয়ে", যা ভুল। হাফেজ ইবনে হাজার 'আত-তালখিস আল-হাবির' ১/১০৪ গ্রন্থে বলেছেন: এটি মতনের (মূল পাঠের) ক্ষেত্রে 'মাকলুব' (উল্টে যাওয়া) প্রকারের অন্তর্ভুক্ত।

আহমদ (৪৬১৭), বুখারি (১৪৮), মুসলিম (২৬৬): (৬২), তিরমিজি (১১) এবং ইবনে হিব্বান (১৪১৮, এর মতনটি মাকলুব) উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌23 - باب النَّهي عن مَسِّ الذَّكَر باليمين عند الحاجة (1)

24 - أخبرنا يحيى بن دُرُسْت قال: أخبرنا أبو إسماعيل - وهو القَنَّاد - قال: حدَّثني يحيى بنُ أبي كثير، أنَّ عبد الله بنَ أبي قَتادةَ حدَّثه عن أبيه، أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم قال: "إذا بالَ أحدُكم فلا يأخُذْ ذَكَرَهُ بيمينه"(2).

 

25 - أخبرنا هنَّادُ بنُ السَّريّ، عن وكيع، عن هشام، عن يحيى - هو ابنُ أبي كثير - عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: "إذا دَخَلَ أحدُكُم الخَلاءَ فلا يَمَسَّ ذَكَرَهُ بِيَمِينِه"(3).

--------------------------------------------

(1) في (م) وهامش (ر): البول.

(2) حديث صحيح، وهذا إسناد حسن من أجل أبي إسماعيل القَنّاد، وهو إبراهيم بن عبد الملك البصري، وأبو قتادة: هو الحارث - ويقال عمرو، أو النعمان - بن رِبْعيّ الأنصاري. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (28).

وأخرجه أحمد (19419) و (22565) و (22638) و (22655)، والبخاري (154) و (5630)، ومسلم (267): (63)، وأبو داود (31)، والترمذي (15)، وابن حبان (1434) من طرق، عن يحيى بن أبي كثير، بهذا الإسناد.

وعند بعضهم زيادة النهي عن التمسُّح باليمين وعن التنفس في الإناء. وسيأتي الحديث بهذه الزيادة من طريق هشام الدَّستوائي برقم (47)، ومن طريق عبد الوهَّاب الثقفي عن أيوب برقم (48)، كلاهما عن يحيى بن أبي كثير، به. وانظر ما بعده.

(3) إسناده صحيح. وكيع: هو ابن الجرَّاح، وهشام: هو ابنُ أبي عبد الله الدَّسْتُوائي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (29).

وأخرجه مسلم (267): (64) عن يحيى بن يحيى، عن وكيع، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (22534) و (22647)، والبخاري (153) من طرق عن هشام الدَّسْتُوائي، به بزيادة النهي عن التمسُّح باليمين والتنفس في الإناء. =
২৩ - অধ্যায়: প্রয়োজন পূরণকালে ডান হাত দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ করার নিষেধাজ্ঞা (১)

২৪ - ইয়াহইয়া ইবনে দুরুস্ত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইসমাঈল —যিনি আল-কান্নদ নামে পরিচিত— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা তাঁর পিতা থেকে তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, তখন সে যেন তার ডান হাত দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ না করে"(২)।

 

২৫ - হান্নাদ ইবনাস সারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে —যিনি ইবনে আবি কাসির— তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে প্রবেশ করে, তখন সে যেন তার ডান হাত দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ না করে"(৩)।

--------------------------------------------

(১) (ম) পাণ্ডুলিপিতে এবং (র) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় রয়েছে: প্রস্রাব।

(২) হাদীসটি সহীহ, আর আবু ইসমাঈল আল-কান্নাদের কারণে এই সনদটি হাসান। তিনি হলেন ইবরাহীম ইবনে আব্দুল মালিক আল-বাসরী। আর আবু কাতাদা হলেন: আল-হারিস —বলা হয় আমর অথবা নুমান— ইবনে রিবয়ী আল-আনসারী। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা'-তে ২৮ নম্বর অধীনে রয়েছে।

আর এটি আহমদ (১৯৪১৯), (২২৫৬৫), (২২৬৩৮) ও (২২৬৫৫), বুখারী (১৫৪) ও (৫৬৩০), মুসলিম (২৬৭): (৬৩), আবু দাউদ (৩১), তিরমিজি (১৫), এবং ইবনে হিব্বান (১৪৩৪) বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

তাঁদের কারো বর্ণনায় ডান হাত দিয়ে মোছার (পবিত্রতা অর্জনের) এবং পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলার নিষেধাজ্ঞার কথা অতিরিক্ত রয়েছে। অচিরেই হিশাম আদ-দস্তুয়ায়ী-এর সূত্র ধরে ৪৭ নম্বর হাদীসে এবং আইয়ুব থেকে আবদুল ওয়াহাব আস-সাকাফীর সূত্র ধরে ৪৮ নম্বর হাদীসে এই অতিরিক্ত অংশসহ হাদীসটি আসবে, তাঁরা উভয়ই ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এর পরবর্তী হাদীসগুলো দেখুন।

(৩) এর সনদ সহীহ। ওয়াকি হলেন ইবনুল জাররাহ এবং হিশাম হলেন ইবনে আবি আব্দুল্লাহ আদ-দস্তুয়ায়ী। এটি 'আস-সুনান আল-কুবরা'-তে ২৯ নম্বর অধীনে রয়েছে।

ইমাম মুসলিম (২৬৭): (৬৪) এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আহমদ (২২৫৩৪) ও (২২৬৪৭) এবং বুখারী (১৫৩) হিশাম আদ-দস্তুয়ায়ী থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, যাতে ডান হাত দিয়ে মোছার এবং পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলার নিষেধাজ্ঞার অতিরিক্ত অংশ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌24 - باب الرُّخصة في البول في الصَّحراء قائمًا

26 - أخبرنا مؤمَّلُ بنُ هشام قال: حدَّثنا إسماعيلُ قال: حدَّثنا شعبة، عن سُليمان، عن أبي وائل عن حذيفة، أن رسولَ الله صلى الله عليه وسلم أتى سُبَاطَةَ قوم فبالَ قائمًا(1).

 

27 - أخبرنا محمدُ بنُ بشَّار قال: حدَّثنا محمدٌ قال: حدَّثنا شعبة، عن منصور قال: سمعتُ أبا وائل

أنَّ حذيفةَ قال: إنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم أتَى سُبَاطَةَ قوم فبال قائمًا(2).

 

28 - أخبرنا سليمانُ بنُ عُبيد الله، حدَّثنا بَهْزٌ، حدَّثنا شعبة، عن سليمانَ ومنصور، عن أبي وائل عن حذيفة، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم مَشَى إلى سُبَاطَةِ قوم، فبالَ قائمًا(3).

--------------------------------------------

= وسيأتي الحديث بهذه الزيادة برقم (47). وانظر ما قبله.

(1) إسناده صحيح. إسماعيل: هو ابن إبراهيم بن مِقْسَم المعروف بابن عُليَّة، وسليمان: هو الأعمش، وأبو وائل: هو شقيق بن سلمة. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (24).

وأخرجه البخاري (224)، وابن حبان (1424)، من طريقين، عن شعبة، بهذا الإسناد.

وسلف من طريق عيسى بن يونس، عن الأعمش، به، برقم (18) وفيه ذكر المسح على الخُفَّين، وسيأتي في الحديثين بعده.

(2) إسناده صحيح. محمد: هو ابنُ جعفر، ومنصور: هو ابنُ المعتمر.

وأخرجه أحمد (23422) عن محمد بن جعفر، بهذا الإسناد، وفيه ذكر تشديد أبي موسى الأشعري في البول.

وأخرجه البخاري (226) و (2471) من طريقين عن شعبة به. وفي الأول منهما ذكر تشديد أبي موسى الأشعري في البول.

وانظر الحديث السالف قبله، والآتي بعده.

(3) إسناده صحيح بَهْزٌ: هو ابنُ أسد العَمِّي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (23).

وسلف في الحديثين قبله، وسلف بأطول منه برقم (18).
‌‌২৪ - অনুচ্ছেদ: মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার বৈধতা

২৬ - মুআম্মাল ইবনে হিশাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কওমের আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন(১)।

 

২৭ - মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা আমাদের নিকট মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু ওয়ায়েলকে বলতে শুনেছি

যে, হুযাইফা বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কওমের আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন(২)।

 

২৮ - সুলায়মান ইবনে উবায়দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাহজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুবা আমাদের নিকট সুলায়মান ও মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কওমের আবর্জনা ফেলার স্থানে হেঁটে গেলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন(৩)।

--------------------------------------------

= এবং এই অতিরিক্ত অংশসহ হাদীসটি সামনে ৪৭ নম্বরে আসবে। আর এর পূর্ববর্তী অংশ দেখুন।

(১) এর সনদ সহীহ। ইসমাঈল: তিনি হলেন ইবনে ইবরাহীম ইবনে মিকসাম, যিনি ইবনে উলাইয়্যাহ নামে পরিচিত। সুলায়মান: তিনি হলেন আল-আমাশ। আবু ওয়ায়েল: তিনি হলেন শাকীক ইবনে সালামাহ। এটি "আস-সুনানুল কুবরা"-তে ২৪ নম্বরে রয়েছে।

আর এটি ইমাম বুখারী (২২৪) এবং ইবনে হিব্বান (১৪২৪) দুটি সূত্রে শুবা থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

এবং পূর্বে ঈসা ইবনে ইউনুসের সূত্রে আমাশ থেকে এই হাদীসটি ১৮ নম্বরে অতিক্রান্ত হয়েছে, আর তাতে মোজার ওপর মাসেহ করার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা পরবর্তী দুটি হাদীসেও আসবে।

(২) এর সনদ সহীহ। মুহাম্মাদ: তিনি হলেন ইবনে জাফর। মানসুর: তিনি হলেন ইবনে মুতামির।

আর এটি আহমাদ (২৩৪২২) মুহাম্মাদ ইবনে জাফর থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন, এবং তাতে প্রস্রাবের ক্ষেত্রে আবু মুসা আল-আশআরীর কঠোরতার কথা উল্লেখ আছে।

আর এটি ইমাম বুখারী (২২৬) এবং (২৪৭১) দুটি সূত্রে শুবা থেকে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে প্রথমটিতে প্রস্রাবের ক্ষেত্রে আবু মুসা আল-আশআরীর কঠোরতার কথা উল্লেখ আছে।

আর এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী হাদীস দেখুন।

(৩) এর সনদ সহীহ। বাহজ: তিনি হলেন ইবনে আসাদ আল-আম্মী। এটি "আস-সুনানুল কুবরা"-তে ২৩ নম্বরে রয়েছে।

এবং এটি পূর্ববর্তী দুটি হাদীসে অতিক্রান্ত হয়েছে, আর এর চেয়ে দীর্ঘ আকারে ১৮ নম্বরে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
قال سليمانُ في حديثهِ: ومَسَحَ على خُفَّيْه. ولم يذكر منصورٌ المَسْحَ.

 

‌‌25 - باب البول في البيت جالسًا

29 - أخبرنا عليُّ بنُ حُجْر، أخبرنا شَرِيك، عن المِقْدَام بن شُريح، عن أبيه

عن عائشةَ قالت: مَنْ حَدَّثَكُمْ أَنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم بالَ قائمًا فلا تُصَدِّقُوه؛ ما كان يَبُولُ إلا جالسًا(1).

 

‌‌26 - باب البول إلى السُّتْرَة يَستتر بها

30 - أخبرنا هنَّادُ بنُ السَّرِيِّ، عن أبي معاوية، عن الأعمش، عن زيد بن وَهْب

عن عبد الرَّحمن بنِ حَسَنَةَ قال: خرجَ علينا رسولُ الله صلى الله عليه وسلم وفي يده كهيئة الدَّرَقَة، فوَضَعَها ثم جَلَسَ خلفَها، فبالَ إليها. فقال بعضُ القوم: انْظُرُوا، يبولُ كما تَبُولُ المرأة! فَسَمِعَهُ فقال: "أَوَمَا عَلِمْتَ ما أصابَ صاحبَ بني

--------------------------------------------

(1) حديث صحيح. شَريك - وهو ابن عبد الله النَّخَعي، وإن كان في حفظه شيء - تُوبع. وشُريح: هو ابنُ هانئ. والحديث في "السُّنن الكبرى" برقم (25).

وأخرجه الترمذي (12) عن علي بن حُجْر، بهذا الإسناد. وقال: وفي الباب عن عُمر وبُريدة وعبد الرحمن بن حَسَنة، وحديثُ عائشة أحسنُ شيء في الباب وأصحّ.

وأخرجه ابن ماجه (307)، وابن حبان (1430) من طرق، عن شَريك، به.

وأخرجه أحمد (25045) و (25596) عن وكيع، و (25787) عن وكيع وعبد الرحمن، عن سفيان الثوري، عن المِقدام، به. وهذا إسناد صحيح.

قال السِّندي: قوله: بالَ قائمًا: اعتادَ البولَ قائمًا، ويؤيِّدُه روايةُ الترمذي: مَن حدَّثكم أنه كان يبول قائمًا. وكذا التعليل بقولها: ما كان يبولُ إلا جالسًا، أي: ما كان يعتادُ البولَ إلا جالسًا، فلا ينافي هذا الحديثُ حديث حُذيفة، وذلك لأن ما وقع منه قائمًا كان نادرًا جدًا، والمعتاد خلافُه، ويمكن أن يكون هذا مبنيًّا على عدم علم عائشة بما وقع منه قائمًا … والمصنِّف أشار إلى الجواب بوجه آخر، وهو أن يُحمل حديث عائشة على البيت، فإنها كانت عالمةً بأحواله صلى الله عليه وسلم في البيت … ومعلومٌ أن حديث حذيفة كان خارجَ البيت، وهو مرادُه بالصحراء في الترجمة. انتهى، وسلف حديثُ حُذيفةَ قبلَه.
সুলাইমান তার বর্ণিত হাদিসে বলেছেন: এবং তিনি তার মোজা দুটির উপর মাসাহ করেছেন। আর মানসুর মাসাহ করার বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

 

‌‌২৫ - অনুচ্ছেদ: ঘরে বসে প্রস্রাব করা

২৯ - আলী ইবনে হুজর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শারীক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আল-মিকদাম ইবনে শুরাইহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে,

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যদি কেউ তোমাদের কাছে বর্ণনা করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, তবে তাকে বিশ্বাস করো না; তিনি বসে ছাড়া প্রস্রাব করতেন না(১)।

 

‌‌২৬ - অনুচ্ছেদ: আড়াল গ্রহণ করার জন্য সুতরা (আড়াল)-এর দিকে মুখ করে প্রস্রাব করা

৩০ - হান্নাদ ইবনুস সারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে ওয়াহাব থেকে,

আবদুর রহমান ইবনে হাসানা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন এবং তাঁর হাতে চামড়ার ঢালের মতো একটি বস্তু ছিল। তিনি সেটি রাখলেন, এরপর সেটির পেছনে বসলেন এবং তার দিকে মুখ করে প্রস্রাব করলেন। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে কেউ একজন বলল: দেখো, তিনি এমনভাবে প্রস্রাব করছেন যেমন একজন নারী প্রস্রাব করে! তিনি (রাসূলুল্লাহ) তা শুনতে পেলেন এবং বললেন: "তুমি কি জানো না বনী (ইসরাঈল)-এর সেই ব্যক্তির ওপর কী বিপদ আপতিত হয়েছিল..."

--------------------------------------------

(১) এটি একটি সহিহ হাদিস। শারীক — যিনি ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি, যদিও তার মুখস্থ শক্তিতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল — তাকে সমর্থন করা হয়েছে (তাবে করা হয়েছে)। আর শুরাইহ হলেন ইবনে হানি। হাদিসটি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে ২৫ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

আত-তিরমিজি (১২) এটি আলী ইবনে হুজর থেকে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: এই বিষয়ে উমর, বুরাইদাহ এবং আবদুর রহমান ইবনে হাসানা থেকেও বর্ণনা রয়েছে; এবং এই বিষয়ে আয়েশার হাদিসটি সবচেয়ে উত্তম ও সহিহ।

ইবনে মাজাহ (৩০৭) এবং ইবনে হিব্বান (১৪৩০) বিভিন্ন সূত্রে শারীক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমদ (২৫০৪৫) ও (২৫৫৯৬) ওয়াকী থেকে, এবং (২৫৭৮৭) ওয়াকী ও আবদুর রহমান থেকে, তারা সুফিয়ান সাওরী থেকে, তিনি মিকদাম থেকে — এটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদ সহিহ।

আস-সিন্দি বলেছেন: তাঁর উক্তি: 'দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন' — অর্থাৎ দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে অভ্যাসে পরিণত করেছেন। তিরমিজির বর্ণনা একে সমর্থন করে: 'কে তোমাদের নিকট বর্ণনা করেছে যে তিনি দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতেন।' একইভাবে তাঁর কারণ দর্শানো: 'তিনি বসে ছাড়া প্রস্রাব করতেন না' — অর্থাৎ তিনি বসে ছাড়া প্রস্রাব করতে অভ্যস্ত ছিলেন না। সুতরাং এই হাদিসটি হুযায়ফা (রা.) বর্ণিত হাদিসের বিরোধী নয়। কারণ যা দাঁড়িয়ে সংঘটিত হয়েছে তা ছিল অত্যন্ত বিরল, আর অভ্যস্ত আমল ছিল এর বিপরীত। অথবা এটি হতে পারে আয়েশা (রা.)-এর জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে যে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ঘটনাটি তাঁর অগোচরে ঘটেছিল... এবং গ্রন্থকার (নাসায়ি) অন্যভাবে এর উত্তর দেওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, আর তা হলো আয়েশার হাদিসটিকে ঘরের অবস্থার ওপর প্রয়োগ করা, কেননা তিনি ঘরের ভেতর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলেন... আর এটি সুপরিচিত যে, হুযায়ফা (রা.)-এর বর্ণিত হাদিসটি ছিল ঘরের বাইরে, যা তিনি শিরোনামে 'মরুভূমি' দ্বারা বুঝিয়েছেন। সমাপ্ত। এর আগে হুযায়ফার হাদিসটি অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
إسرائيل؟ كانوا إذا أصابَهُم شيءٌ من البَوْل قَرَضُوه بالمَقَاريض(1)، فنَهاهُم صاحبُهم، فعُذِّبَ في قبره"(2).

 

‌‌27 - باب التَّنزُّه عن(3) البول

31 - أخبرنا هنَّادُ بنُ السَّريّ، عن وكيع، الأعمش قال: سمعتُ مجاهدًا يُحَدِّثُ، عن طاوس

عن ابن عبَّاس قال: مَرَّ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم على قَبْرَيْن، فقال: "إنَّهما يُعَذَّبان(4)، وما يُعَذَّبانِ في كبير، أمَّا هذا فكان لا يَسْتَنْزِهُ(5) مِن بَوْلِهِ، وأَمَّا

--------------------------------------------

(1) في (م): بالمقارض.

(2) إسناده صحيح. أبو معاوية: هو محمد بنُ خازم الضرير. والأعمش: هو سُليمان بن مِهْران. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (26).

وأخرجه أحمد (17758)، وابن ماجه (346)، وابن حبان (3127) من طريق أبي معاوية الضَّرير، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (17760)، وأبو داود (22) من طريقين عن الأعمش، به، وفيهما عن عبد الرحمن بن حسنة قال: (وهذا لفظ أحمد): كنت أنا وعمرو بن العاص جالسَيْن، فخرج علينا رسولُ الله صلى الله عليه وسلم ومعه دَرَقَة … الخ.

قال السِّندي: الدَّرَقَة؛ بدال وراء مهملتين مفتوحتين: التُّرس إذا كان من جُلود ليس فيه خَشَب ولا عَصَب. وقوله: كما تبولُ المرأة، أي: في التستُّر، وعليه حملَه النووي، فقال: إنهم كرهوا ذلك، وزعموا أن شَهامة الرِّجال لا تقتضي التستُّر على هذا الحال، وقيل: أو في الجلوس، أو فيهما. وكان شأن العرب البول قائمًا. وجاء في بعض الروايات ما يفيد تعجُّبهم من القعود، نعم، ذِكْرُ ما أصابَ صاحب بني إسرائيل أنسبُ بالتستُّر. انتهى. وصاحبُ بني إسرائيل أي: واحدٌ منهم، نهاهم عن القطع المأمور به في دينهم، فعُذِّب، ينظر "عون المعبود" 1/ 43.

(3) فوقها في (م): من.

(4) في هامش (ك): ليعذبان. (نسخة).

(5) في "السنن الكبرى" (11549): لا يستتر، وهي رواية هنَّاد (شيخ المصنِّف) كما سيأتي.
ইসরাঈল? যখন তাদের শরীরের কোথাও প্রস্রাব লাগত, তখন তারা তা কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলত(১)। অতঃপর তাদের এক সাথী তাদের তা থেকে নিষেধ করলেন, ফলে তাকে তার কবরে আজাব দেওয়া হচ্ছে"(২)।

 

‌২৭ - পরিচ্ছেদ: প্রস্রাব থেকে(৩) পবিত্রতা অর্জন করা

৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হান্নাদ ইবনুল সারী, ওকী' থেকে, তিনি আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুজাহিদকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি তাউস থেকে বর্ণনা করেছেন,

তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তাদের উভয়কে আজাব দেওয়া হচ্ছে(৪), আর কোনো বড় বিষয়ের কারণে তাদের আজাব দেওয়া হচ্ছে না। তাদের একজন প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জন করত না(৫), আর অন্যজন...

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি (মীম)-এ রয়েছে: 'বিল-মাকারিয' (একবচন অর্থে)।

(২) এর সনদ সহীহ। আবু মুয়াবিয়া: তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনু খাযিম আদ-দারীর। আল-আ'মাশ: তিনি হলেন সুলায়মান ইবনু মিহরান। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে ২৬ নং হাদিস হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

আহমদ (১৭৭৫৮), ইবনে মাজাহ (৩৪৬) এবং ইবনে হিব্বান (৩১২৭) আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীরের সূত্রে এই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

আহমদ (১৭৭৬০) এবং আবু দাউদ (২২) আ'মাশ থেকে দুটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। সেখানে আব্দুর রহমান ইবনু হাসানা থেকে বর্ণিত আছে (আহমদের শব্দ অনুযায়ী): আমি এবং আমর ইবনুল আস বসে ছিলাম, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেন এবং তার হাতে একটি চামড়ার ঢাল ছিল... শেষ পর্যন্ত।

আস-সিনদী বলেন: 'দারাক্বাহ' শব্দটি দাল এবং রা-এর ফাতাহ (যবর) যোগে; এটি এমন ঢাল যা কেবল চামড়া দিয়ে তৈরি, যাতে কাঠ বা রগ নেই। আর তাঁর উক্তি: 'যেমন মহিলারা প্রস্রাব করে', অর্থাৎ: পর্দা বা আড়াল করার ক্ষেত্রে। ইমাম নববী একে এভাবেই গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন যে তারা এটি অপছন্দ করত এবং মনে করত যে পুরুষদের মর্যাদা এই অবস্থায় পর্দা করার দাবি রাখে না। কেউ কেউ বলেছেন: এর অর্থ বসে প্রস্রাব করা, আবার কেউ বলেছেন: উভয়টিই উদ্দেশ্য। আরবদের সাধারণ অভ্যাস ছিল দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা। কিছু বর্ণনায় তাদের বসে প্রস্রাব করার কারণে আশ্চর্যান্বিত হওয়ার বিষয়টি এসেছে। হ্যাঁ, বনী ইসরাঈলের সেই ব্যক্তির ঘটনা উল্লেখ করা পর্দা করার বিষয়ের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। সমাপ্ত। বনী ইসরাঈলের সাথী বলতে তাদেরই একজন, যিনি তাদের শরীয়তে নির্দেশিত সেই অংশ কেটে ফেলা থেকে বারণ করেছিলেন, ফলে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। দেখুন 'আওনুল মাবুদ' ১/৪৩।

(৩) পাণ্ডুলিপি (মীম)-এ এর উপরে 'মিন' (থেকে) শব্দটিও রয়েছে।

(৪) পাণ্ডুলিপি (কাফ)-এর হাশিয়ায় বা পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'লা-ইউআযযাবানি' (অবশ্যই আজাব দেওয়া হচ্ছে)। (نسخة বা একটি সংস্করণ)।

(৫) 'আস-সুনানুল কুবরা' (১১৫৪৯)-তে রয়েছে: 'লা ইয়াসতাতিতু' (পর্দা করত না), এটি হান্নাদ-এর (মুসান্নিফের উস্তাদ) বর্ণনা, যেমনটি সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
هذا فإنَّه كان يمشي بالنَّمِيمَة". ثم دعا بعَسِيبٍ رَطْب، فشَقَّه باثْنَيْن، فغَرَسَ(1) على هذا واحدًا، وعلى هذا واحدًا، ثم قال: "لعلَّه(2) يُخَفِّفُ عنهما ما لم يَيْبَسا"(3).

خالفَه منصور؛ رواه عن مجاهد، عن ابن عبَّاس، ولم يذكر طاوسًا(4).

 

‌‌28 - باب البول في الإناء

32 - أخبرنا أيوبُ بنُ محمد الوزَّان قال: حدَّثنا حجَّاجٌ قال: قال ابنُ جُريج: أَخْبَرَتْنِي حُكَيْمَةُ بنتُ أُمَيْمَةَ

--------------------------------------------

(1) في هامشي (ك) و (يه): باثنتين، وفي (يه) أيضًا: فغرز، وستأتي برقم (2207).

(2) في (ر): لعلهما. ولم أقف على هذه اللفظة في روايات الحديث.

(3) إسناده صحيح. وكيع: هو ابنُ الجرَّاح، والأعمش: هو سليمان بن مِهْران، ومجاهد: هو ابنُ جَبْر، وطاوُس: هو ابنُ كَيْسَان، وهو في "السُّنن الكبرى" برقمي (27) (11549).

وأخرجه أبو داود (20)، والترمذي (70) عن هنَّاد وغيره، عن وكيع، بهذا الإسناد. وعند الترمذي: لا يستتر، قال أبو داود: قال هنَّاد: "يستتر"، مكان: "يستنزه".

وأخرجه أحمد (1980)، والبخاري (6052)، ومسلم (292)، وأبو داود (20)، والترمذي (70)، وابن ماجه (347)، من طريق وكيع، به، وقرنَ أحمد وابنُ ماجه بوكيع أبا معاوية.

وأخرجه البخاري (1378)، وابن حبان (3128) من طريق جرير، عن الأعمش، به.

وسيأتي الحديث من طريق أبي معاوية، عن الأعمش، به، برقم (2069).

ومن طريق جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن ابن عباس، دون ذكر طاوس، برقم (2068).

قال السِّنْديّ: قوله: "في كبير" أي في أمر يَشُقُّ عليهما الاحترازُ منه.

"يُخَفَّفُ" على بناء المفعول، أو لعله - أي ما فعلتُ - يخفِّفُ، على بناء الفاعل، والمفعول محذوف، أي: العذابَ.

(4) هي مخالفةٌ لا تضرّ، فقد أخرج البخاري الروايتين، وستأتي رواية منصور برقم (2068).

وقال ابن حبان بإثر الحديث (3129): سمع هذا الخبر مجاهدٌ عن ابن عباس، وسمعَه عن طاوس عن ابن عباس، فالطريقان جميعًا محفوظان.
"এটি (অর্থাৎ এই ব্যক্তি), সে চোগলখুরি করত।" তারপর তিনি একটি তাজা খেজুরের ডাল আনালেন এবং তা দুই ভাগে চিরে ফেললেন। এরপর এর একটির উপর একটি এবং অন্যটির উপর একটি গেড়ে দিলেন(১) এবং বললেন: "সম্ভবত(২) যতক্ষণ এই দুটি শুকিয়ে না যাবে, ততক্ষণ তাদের উভয়ের আযাব লাঘব করা হবে।"(৩).

মানসুর তার বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাউসের কথা উল্লেখ করেননি(৪)।

 

‌‌২৮ - পরিচ্ছেদ: পাত্রে প্রস্রাব করা

৩২ - আইয়ুব ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াযযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুরাইজ বলেছেন: হুকাইমাহ বিনতে উমাইমাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন

--------------------------------------------

(১) (কাফ) ও (ইয়া) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা অনুসারে: ‘দুই ভাগে’, এবং (ইয়া) পাণ্ডুলিপিতে ‘গেড়ে দেওয়া’ শব্দটিও রয়েছে। এটি সামনে ২২০৭ নম্বরে আসবে।

(২) (রা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘সম্ভবত তারা দুজন’। তবে আমি হাদিসের বর্ণনাগুলোতে এই শব্দটি পাইনি।

(৩) এর সনদ সহীহ। ওয়াকি: তিনি হলেন ইবনুল জাররাহ; আমাশ: তিনি হলেন সুলাইমান ইবনে মিহরান; মুজাহিদ: তিনি হলেন ইবনে জাবর এবং তাউস: তিনি হলেন ইবনে কায়সান। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে ২৭ ও ১১৫৪৯ নম্বরে রয়েছে।

আবু দাউদ (২০) এবং তিরমিযী (৭০) এটি হান্নাদ ও অন্যান্যদের থেকে, তারা ওয়াকি থেকে, এই সনদে বর্ণনা করেছেন। তিরমিযীর বর্ণনায় রয়েছে: ‘সে আড়াল করত না’। আবু দাউদ বলেন: হান্নাদ ‘পবিত্রতা অর্জন করত না’ এর স্থলে ‘আড়াল করত না’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

আহমাদ (১৯৮০), বুখারী (৬০৫২), মুসলিম (২৯২), আবু দাউদ (২০), তিরমিযী (৭০) এবং ইবনে মাজাহ (৩৪৭) এটি ওয়াকির সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ও ইবনে মাজাহ ওয়াকির সাথে আবু মুয়াবিয়াকেও উল্লেখ করেছেন।

বুখারী (১৩৭৮) ও ইবনে হিব্বান (৩১২৮) জারীরের সূত্রে আমাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

হাদিসটি সামনে ২০৬৯ নম্বরে আবু মুয়াবিয়ার সূত্রে আমাশ থেকে বর্ণিত হবে।

আর জারীরের সূত্রে মানসুর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে (তাউসের উল্লেখ ছাড়া) ২০৬৮ নম্বরে বর্ণিত হবে।

সিন্ধি বলেন: তাঁর কথা "বড় কোনো বিষয়ে নয়" অর্থাৎ এমন কোনো বিষয় নয় যা থেকে বেঁচে থাকা তাদের জন্য কঠিন ছিল।

"লাঘব করা হবে" শব্দটি কর্মবাচ্য হিসেবে, অথবা সম্ভবত এটি -অর্থাৎ আমি যা করেছি- লাঘব করবে, এখানে শব্দটি কর্তৃবাচ্য হিসেবে এবং এর কর্মটি ঊহ্য রয়েছে, অর্থাৎ: ‘আযাব’।

(৪) এটি এমন এক বৈসাদৃশ্য যা কোনো ক্ষতি করে না, কেননা ইমাম বুখারী উভয় বর্ণনাই উল্লেখ করেছেন। মানসুরের বর্ণনাটি সামনে ২০৬৮ নম্বরে আসবে।

ইবনে হিব্বান হাদিসটির (৩১২৯) পরে বলেছেন: মুজাহিদ এই সংবাদটি ইবনে আব্বাস থেকে সরাসরি শুনেছেন এবং তিনি এটি তাউসের মাধ্যমেও ইবনে আব্বাস থেকে শুনেছেন। সুতরাং উভয় সূত্রই সংরক্ষিত।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
عن أمِّها أُميمةَ بنتِ رُقَيقةَ قالت: كان للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قَدَحٌ مِن عَيْدَانٍ يَبُولُ فيه، ويَضَعُه تحتَ السَّرير(1).

 

‌‌29 - باب البول في الطَّسْت

33 - أخبرنا عَمْرُو بن عليٍّ، حدَّثنا أَزْهَرُ قال: أخبرنا ابنُ عَوْن، عن إبراهيم، عن الأسود

عن عائشةَ قالت: يقولون: إنّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم أَوْصَى إلى عليٍّ، لقد دَعَا بالطَّسْتِ لِيَبُولَ فيها، فانْخَتَثَتْ نفسُه وما أشعر، فإلى مَنْ أوْصَى؟!

قال الشيخ: أزْهَرُ هو ابنُ سَعْد السَّمَّان(2).

--------------------------------------------

(1) إسناده ضعيف لجهالة حُكيمة بنت أُميمة، فقد تفرَّد بالرواية عنها ابنُ جُريج فيما ذكر الذهبي في "الميزان"، وقال: غير معروفة، وكذا قال ابن حجر في "التقريب". حجَّاج: هو ابنُ محمد المِصِّيصِي، وابنُ جُريج: هو عبدُ الملك بن عبد العزيز، وقد فاتَ الذهبيَّ في ترجمتها في "الميزان" أن يشير إلى تصريح ابن جُريج بالتحديث في رواية النَّسَائِي هذه، فقال: روى عنها هذا ابنُ جُريج بصيغة "عن". انتهى. والحديث في "السُّنن الكبرى" برقم (31).

وأخرجه أبو داود (24)، وابن حبان (1426) من طريقين عن حجَّاج بن محمد المِصِّيصي، بهذا الإسناد.

قوله: عَيْدَان؛ قال السِّندي: اختُلف في ضبطه أهو بالكسر والسكون جمع عُود، أو بالفتح والسكون جمع عَيْدانة بالفتح، وهي النخلة الطويلة المتجرّدة من السَّعَف من أعلاه إلى أسفله، وقيل: الكسر أشهر روايةً، ورُدَّ بأنه خطأ معنًى؛ لأنَّه جمع عُود، وإذا اجتمعت الأعواد لا يتأتَّى منها قَدَحٌ لحفظ الماء، بخلاف من فتحَ العين، فإنَّ المراد حينئذ قَدَحٌ من خشب هذه صفتُه، يُنقر ليُحفظ ما يُجعل فيه.

(2) إسناده صحيح، عَمرو بن علي هو الفلَّاس، وابن عَوْن، هو عبد الله، وإبراهيم: هو ابن يزيد النَّخَعي، والأسود: هو ابن يزيد النَّخَعي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (6418).

وأخرجه البخاري (4459) عن عبد الله بن محمد، عن أزهر، بهذا الإسناد، دون قوله: ليبولَ فيها.

وأخرجه ابن حبان (6603) من طريق نصر بن علي الجَهْضَمي، عن أزهر، به. وفيه: دعا بطَست، فبالَ فيه. والترمذي في "الشمائل" (368) من طريق سُليم بن أخضر، عن ابن عَون، =
তাঁর মা উমাইমা বিনতে রুকাইকা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাঠের একটি পাত্র ছিল যাতে তিনি প্রস্রাব করতেন এবং সেটি তিনি খাটের নিচে রাখতেন(১).

 

‌‌২৯ - পরিচ্ছেদ: গামলায় প্রস্রাব করা

৩৩ - আমর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আযহার আমাদের বলেছেন: ইবনে আওন আমাদের ইবরাহীম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, আয়েশা (রা.) বলেন: তারা বলে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীর (রা.) প্রতি অসিয়ত করে গেছেন। অথচ তিনি প্রস্রাব করার জন্য একটি গামলা আনালেন, এরপর তাঁর প্রাণবায়ু বের হয়ে গেল এবং আমি তা টেরও পেলাম না, তাহলে তিনি কার প্রতি অসিয়ত করে গেলেন?!

শায়খ বলেন: আযহার হলেন ইবনে সা’দ আস-সাম্মান(২).

--------------------------------------------

(১) হুকায়মা বিনতে উমাইমা অপরিচিত (মাঝহুল) হওয়ার কারণে এর সনদটি দুর্বল। যাহাবী ‘আল-মিজান’ গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন যে, তার থেকে একমাত্র ইবনে জুরাইজই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাকে ‘অপরিচিত’ বলেছেন; ইবনে হাজার ‘আত-তাকরীব’ গ্রন্থেও অনুরূপ বলেছেন। হাজ্জাজ হলেন ইবনে মুহাম্মদ আল-মিসসীসী এবং ইবনে জুরাইজ হলেন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ। যাহাবী ‘আল-মিজান’ গ্রন্থে তার জীবনীতে ইবনে জুরাইজ যে নাসায়ীর এই রেওয়ায়েতে সরাসরি শ্রবণের কথা (তাহদীস) ব্যক্ত করেছেন তা উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন, তিনি সেখানে বলেছিলেন: ইবনে জুরাইজ তার থেকে ‘আন’ (সূত্র) শব্দে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত। হাদীসটি ‘আস-সুনান আল-কুবরা’ এর ৩১ নং ক্রমিকে রয়েছে।

আবু দাউদ (২৪) এবং ইবনে হিব্বান (১৪২৬) এই সনদে হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ আল-মিসসীসী থেকে দুটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

তাঁর বক্তব্য: 'আইদান' (কাঠ); সিন্দি বলেন: এর উচ্চারণে মতভেদ রয়েছে—এটি কি ‘আইদান’ (আইন বর্ণে কাসরা ও ইয়া সাকিন) যা ‘উদ’ (কাঠের টুকরো) এর বহুবচন, নাকি ‘আইদান’ (আইন বর্ণে ফাতহা ও ইয়া সাকিন) যা ‘আইদানাহ’ এর বহুবচন, আর তা হলো লম্বা ও শাখা-প্রশাখাহীন খেজুর গাছ। বলা হয়েছে: কাসরা দিয়ে পড়াটাই বর্ণনার দিক থেকে অধিক প্রসিদ্ধ, তবে অর্থের দিক থেকে তা ভুল বলে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে; কারণ এটি ‘উদ’ এর বহুবচন, আর অনেকগুলো কাঠের টুকরো একত্রিত করলে তা পানি ধরে রাখার পাত্র হিসেবে উপযুক্ত হয় না। পক্ষান্তরে যারা আইন বর্ণে ফাতহা দিয়ে পড়েন, তখন এর অর্থ হয় এমন বৈশিষ্ট্যের কাঠ দিয়ে তৈরি পাত্র যা খোদাই করে পানি ধরে রাখার উপযুক্ত করা হয়েছে।

(২) এর সনদটি সহীহ। আমর ইবনে আলী হলেন আল-ফাল্লাস, ইবনে আওন হলেন আব্দুল্লাহ, ইবরাহীম হলেন ইবনে ইয়াযিদ আন-নাখায়ী এবং আসওয়াদ হলেন ইবনে ইয়াযিদ আন-নাখায়ী। এটি ‘আস-সুনান আল-কুবরা’ এর ৬৪১৮ নং ক্রমিকে রয়েছে।

বুখারী (৪৪৫৯) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আযহার থেকে—এই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তবে সেখানে ‘তাতে প্রস্রাব করার জন্য’ অংশটুকু নেই।

ইবনে হিব্বান (৬৬০৩) নাসর ইবনে আলী আল-জাহদামী থেকে, তিনি আযহার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছে: ‘তিনি গামলা আনালেন এবং তাতে প্রস্রাব করলেন’। তিরমিযী ‘আশ-শামায়েল’ (৩৬৮) গ্রন্থে সুলাইম ইবনে আখদার থেকে, তিনি ইবনে আওন থেকে... সূত্র দিয়ে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌30 - باب كراهية البول في الجُحْر

34 - أخبرنا عُبيدُ الله بنُ سعيد قال: أخبرنا معاذُ بنُ هشام قال: حدَّثني أبي، عن قتادة عن عبد الله بن سَرْجِس، أنَّ نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم قال: "لا يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ في جُحْر". قالوا لقتادة: وما يُكْرَهُ من البول في الجُحْر؟ قال: يُقال: إنَّها مساكنُ الجِنِّ(1).

--------------------------------------------

= به، وفيه: ثم بالَ فمات. وهو مخالفٌ لما يُفيد حديثُ البخاري (4451) أَنَّ آخِرَ عَهْدِهِ بالدُّنيا السِّواك.

وأخرجه أحمد (24039)، والبخاري (2741)، ومسلم (1636)، وابن ماجه (1626) من طريق إسماعيل ابن عُلَيَّة، عن ابن عون، به، دون قوله: ليبولَ فيها.

وسيأتي من طريق حمَّاد بن زيد، عن ابن عَوْن بنحوه مختصرًا برقم (3625).

وسيتكرَّر سندًا ومتنًا برقم (3624).

قوله: انْخَنَثَتْ نفسُه، قال السِّندي (عن النهاية): أي: انكسرَ وانْثَنَى لاسترخاء أعضائه عند الموت.

(1) رجاله ثقات غير معاذ بن هشام - وهو الدَّسْتُوائي - فصدوق، وإسناده متصل إن ثبتَ سماعُ قتادة من عبد الله بن سَرْجِس، فقد أثبته أبو زُرعة وابنُ المديني كما ذكر العلائي في "جامع التحصيل" ص 255، واختلف فيه قولُ أحمد، فأثبتَ سماعه منه ابنُه كما في روايته في "العلل" (5264)، ونفاه عنه حَرْب كما في "المراسيل" لابن أبي حاتم (619)، وقد صحَّح الحديثَ ابنُ خزيمة وابنُ السكَن فيما ذكر الحافظ ابنُ حجر في "التلخيص الحبير" 1/ 106. والحديثَ في "السُّنن الكبرى" برقم (30).

وأخرجه أحمد (20775)، وأبو داود (29) من طريق معاذ بن هشام، بهذا الإسناد.

وعند أحمد زيادة الأمر بإطفاء السِّراج عند النَّوم، وإيكاء الأسقية، وتخمير الشراب، وتغليق الأبواب بالليل.

قوله: جُحْر؛ قال السِّندي: بضم جيم وسكون حاء مهملة، وهو ما يحتفرُه الهوامُّ والسِّباعُ لأنفسها؛ لأنَّه قد يكون فيه ما يؤذي صاحبَه من حيَّة، أو جنّ، أو غيرهما. انتهى كلامه. وقول قتادة: إنّها مساكنُ الجِنّ، لم يؤثر عن أحد، والله أعلم.
৩০ - গর্তে প্রস্রাব করার অপছন্দনীয়তা বিষয়ক অনুচ্ছেদ

৩৪ - ওবায়দুল্লাহ ইবন সাঈদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: মুয়াজ ইবন হিশাম আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন সারজিস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন গর্তে প্রস্রাব না করে।" তারা কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করলেন: গর্তে প্রস্রাব করা কেন অপছন্দনীয়? তিনি বললেন: বলা হয়ে থাকে যে, এগুলো জিনের বাসস্থান(১)।

--------------------------------------------

= এটি দ্বারা, এবং এতে রয়েছে: এরপর তিনি প্রস্রাব করলেন এবং মারা গেলেন। এটি বুখারি (৪৪৫১)-এর হাদিসের বিপরীত মর্ম প্রদান করে যা নির্দেশ করে যে, দুনিয়াতে তাঁর শেষ কাজ ছিল মিসওয়াক করা।

এটি আহমদ (২৪০৩৯), বুখারি (২৭৪১), মুসলিম (১৬৩৬), এবং ইবন মাজাহ (১৬২৬) ইসমাঈল ইবন উলাইয়্যাহ-এর সূত্রে ইবন আউন থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে 'তাতে প্রস্রাব করার জন্য' কথাটি ছাড়া।

এবং এটি হাম্মাদ ইবন যায়দ-এর সূত্রে ইবন আউন থেকে অনুরূপ সংক্ষিপ্তভাবে ৩৬২৫ নম্বরে সামনে আসবে।

এটি সনদ ও মতনসহ ৩৬২৪ নম্বরে পুনরায় আসবে।

তাঁর কথা: 'তার প্রাণ নিস্তেজ হয়ে গেল', সিন্দি (নিহায়া থেকে) বলেন: অর্থাৎ, মৃত্যুর সময় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শিথিল হয়ে যাওয়ার কারণে ভেঙে পড়া ও নুইয়ে পড়া।

(১) এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে মুয়াজ ইবন হিশাম আদ-দাসতুওয়াঈ সত্যবাদী (সাদুক)। এর সনদ সংযুক্ত যদি আবদুল্লাহ ইবন সারজিস থেকে কাতাদাহর শ্রবণ সাব্যস্ত হয়। আবু যুরআ ও ইবনুল মাদিনী এটি সাব্যস্ত করেছেন যেমনটি আলাইয়্যী 'জামিুত তাহসীল' পৃষ্ঠা ২৫৫-তে উল্লেখ করেছেন। আহমদের এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য রয়েছে, তাঁর পুত্র তাঁর থেকে শ্রবণ সাব্যস্ত করেছেন যেমনটি 'আল-ইলাল' (৫২৬৪) এর বর্ণনায় রয়েছে, আর হারব তা অস্বীকার করেছেন যেমনটি ইবন আবি হাতিমের 'আল-মারাসীল' (৬১৯) গ্রন্থে রয়েছে। ইবন খুজাইমাহ ও ইবনুস সাকান হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন যেমনটি হাফেজ ইবন হাজার 'আত-তালখীসুল হাবীর' ১/১০৬-এ উল্লেখ করেছেন। হাদিসটি 'আস-সুনানুল কুবরা'র ৩০ নম্বরে রয়েছে।

এটি আহমদ (২০৭৭৫) ও আবু দাউদ (২৯) মুয়াজ ইবন হিশামের সূত্রে এই সনদেই এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমদের বর্ণনায় ঘুমের সময় চেরাগ নেভানো, মশকের মুখ বাঁধা, পানপাত্র ঢেকে রাখা এবং রাতে দরজা বন্ধ করার নির্দেশের অতিরিক্ত অংশ রয়েছে।

তাঁর কথা: 'জুহর' (গর্ত); সিন্দি বলেন: জিম বর্ণে পেশ এবং হা বর্ণে সুকুন দিয়ে, যা কীটপতঙ্গ ও হিংস্র পশুরা নিজেদের জন্য খনন করে; কারণ তাতে সাপ, জিন বা অন্য কিছু থাকতে পারে যা প্রস্রাবকারীর ক্ষতি করতে পারে। তাঁর কথা সমাপ্ত। আর কাতাদাহর কথা: 'নিশ্চয়ই এগুলো জিনের বাসস্থান', এটি কারো থেকে বর্ণিত হয়েছে বলে জানা যায় না, আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌31 - باب النَّهي عن البول في الماء الرَّاكد

35 - أخبرنا قُتيبةُ بن سعيدٍ قال: حدَّثنا اللَّيث، عن أبي الزُّبير

عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عن البَوْل في الماء الرَّاكد(1).

 

‌‌32 - باب كراهية البول في المُسْتَحَمّ

36 - أخبرنا عليُّ بنُ حُجْر قال: أخبرنا ابنُ المبارك، عن مَعْمَر، عن الأشعث بنِ عبد الله(2)، عن الحسن

عن عبد الله بن مُغَفَّل، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: "لا يَبُولَنَّ أحدُكُم في مُسْتَحَمِّه؛ فإنَّ عامَّةَ الوَسْوَاسِ منه"(3).

--------------------------------------------

(1) حديث صحيح. اللَّيث: هو ابنُ سعد، وأبو الزُّبير: هو محمد بنُ مسلم بن تَدْرُس، وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (32).

وأخرجه مسلم (281) عن قُتيبة، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد (14777)، ومسلم (281)، وابن ماجه (343)، وابن حبان (1250) من طرق، عن اللَّيث، به.

وأخرجه بنحوه أحمد (14668) من طريق ابن لَهِيعة، عن أبي الزُّبير، به.

(2) في (ر) و (ك) و (م) و (هـ): عبد الملك، وهو، وضُبِّبَ عليها في (ك)، والمثبت من (يه) وهامشي (ك) و (هـ) (وعليها علامة الصِّحَّة) و"السُّنن الكبرى" (33) و"تحفة الأشراف" 7/ 173 (9648)، وهو كذلك في مصادر الحديث.

(3) صحيح لغيره، دون قوله: فإنَّ عامَّةَ الوَسْوَاس منه، فموقوف، وهذا إسنادٌ رجالُه ثقات، غير أنَّ الحَسَن - وهو البصري - لم يصرّح بسماعه من عبد الله بن مغفَّل. ابنُ المبارك: هو عبد الله، ومَعْمَر: هو ابنُ راشد، والأشعث بنُ عبد الله: هو ابن جابر، وقد يُنسب إلى جدّه. والحديث في "السُّنن الكبرى" برقم (33).

وأخرجه الترمذي (21) عن علي بن حُجْر، بهذا الإسناد، وقرن بعليّ أحمدَ بنَ محمد بن موسى، وقال: هذا حديث غريب، لا نعرفه مرفوعًا إلا من حديث أشعث بن عبد الله.

وأخرجه أحمد (20563)، وابن حبان (1255) من طريقين، عن عبد الله بن المُبارك، به. =
৩১ - অধ্যায়: স্থির পানিতে প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞা

৩৫ - কুতায়বা ইবন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট লায়স হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যুবায়র থেকে,

তিনি জাবির থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি স্থির পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন।

 

‌৩২ - অধ্যায়: গোসলখানায় প্রস্রাব করার অপছন্দনীয়তা

৩৬ - আলী ইবন হুজর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মা’মার থেকে, তিনি আশ’আস ইবন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে,

তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফফাল থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন তার গোসলখানায় প্রস্রাব না করে; কেননা সাধারণত ওয়াসওয়াসা (মানসিক দ্বিধা-দ্বন্দ্ব) এখান থেকেই সৃষ্টি হয়।"

--------------------------------------------

(১) সহীহ হাদীস। লায়স: তিনি হলেন ইবন সা’দ, এবং আবু যুবায়র: তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবন মুসলিম ইবন তাদরুস। এটি ‘আস-সুনানুল কুবরা’-তে ৩২ নম্বরে রয়েছে।

এবং মুসলিম (২৮১) কুতায়বা থেকে এই সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি আহমাদ (১৪৭৭৭), মুসলিম (২৮১), ইবন মাজাহ (৩৪৩) এবং ইবন হিব্বান (১২৫০) বিভিন্ন সূত্রে লায়স থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি আহমাদ (১৪৬৬৮) ইবন লাহীআহ-এর সূত্রে আবু যুবায়র থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

(২) (র), (কাফ), (মীম) এবং (হা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আব্দুল মালিক; এবং এটিই (কাফ)-এ চিহ্নিত করা হয়েছে। আর (ইয়া-হা), (কাফ) ও (হা) এর পার্শ্বটীকা (যেখানে সহীহ হওয়ার চিহ্ন রয়েছে), ‘আস-সুনানুল কুবরা’ (৩৩) এবং ‘তুহফাতুল আশরাফ’ ৭/১৭৩ (৯৬৪৮) অনুযায়ী যা সাব্যস্ত হয়েছে তা-ই এখানে রাখা হয়েছে। হাদীসের অন্যান্য উৎসগুলোতেও এভাবেই রয়েছে।

(৩) হাদীসটি লি-গাইরিহি সহীহ, তবে "কেননা সাধারণত ওয়াসওয়াসা এখান থেকেই সৃষ্টি হয়" কথাটি বাদে, এটি মাওকুফ। এই সানাদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে হাসান -যিনি বসরী- আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফফাল থেকে সরাসরি শোনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। ইবনুল মুবারক: তিনি হলেন আব্দুল্লাহ, এবং মা’মার: তিনি হলেন ইবন রাশিদ, এবং আশ’আস ইবন আব্দুল্লাহ: তিনি হলেন ইবন জাবির, তাকে অনেক সময় তার দাদার দিকেও সম্বন্ধ করা হয়। হাদীসটি ‘আস-সুনানুল কুবরা’-তে ৩৩ নম্বরে রয়েছে।

এবং তিরমিযী (২১) আলী ইবন হুজর থেকে এই সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন এবং আলী-এর সাথে আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন মূসাকেও উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এটি একটি গারীব হাদীস, আমরা এটিকে আশ’আস ইবন আব্দুল্লাহ-এর হাদীস ছাড়া মারফূ’ হিসেবে জানি না।

এবং এটি আহমাদ (২০৫৬৩) ও ইবন হিব্বান (১২৫৫) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে দুই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌33 - باب السّلام على مَنْ يبول

37 - أخبرنا محمودُ بنُ غَيْلان، حدَّثنا زيدُ بنُ الحُباب وقَبِيصةُ قالا: حدَّثنا سفيان، عن الضَّحَّاك بن عثمان، عن نافع

عن ابن عُمَرَ قال: مَرَّ رجلٌ على النبيِّ صلى الله عليه وسلم وهو يَبُول، فَسَلَّمَ عليه، فلم يَرُدُّ عليه السَّلام(1).

 

‌‌34 - باب ردّ السّلام بعد الوُضوء

38 - أخبرنا محمدُ بنُ بَشَّار قال: حدَّثنا معاذُ بنُ معاذٍ قال: أخبرنا سعيد(2)، عن

--------------------------------------------

= وأخرجه أحمد (20569)، وأبو داود (27)، وابن ماجه (304) من طريق عبد الرزاق، عن معمر، به. وعند أحمد زيادة: ثم يتوضَّأ فيه، وعند أبي داود زيادة: ثم يغتسل فيه.

وأخرج البخاري في "التاريخ الكبير" 6/ 431، والعُقيلي في "الضعفاء" 1/ 29 من طريق شعبة، عن قَتادة، عن عُقبة بن صُهْبَان، عن عبد الله بن مغفَّل قال: البولُ في المغتسل يأخذ منه الوَسواس. قال العُقيلي: حديث شعبة أولى.

وللحديث شاهد عند أحمد (17011) (دون قوله: فإنَّ عامَّة الوَسواس منه) عن رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في النهي عن ثلاثة أشياء، منها النهي عن بول الرجل في مغتسله. وإسنادُه صحيح.

قال السِّندي في معنى الحديث: المرادُ أنه إذا بال ثم اغتسلَ فكثيرًا ما يتوهَّم أنه أصابه شيء الماء النَّجس، فذلك يؤدي إلى تطرُّق الشيطان إليه بالأفكار الرديئة. والمرادُ بعامَّة الوَسواس معظمُه وغالبُه. وقد حمل العلماء الحديث على ما إذا استقرَّ البول في ذلك المحلّ، وأما إذا كان بحيث يجري عليه البول ولا يستقرّ، أو كان فيه منفذ كالبالوعة، فلا نَهي. والله تعالى أعلم.

(1) إسناده صحيح. قَبِيصَة: هو ابنُ عُقبة، وسفيان: هو الثَّوري.

وأخرجه مسلم (370)، وأبو داود (16)، والترمذي (90) و (2720)، وابن ماجه (353) من طرق، عن سفيان، بهذا الإسناد.

قال السِّندي: قوله: فلم يردَّ عليه السلام؛ تأديبًا له، والمراد: أخَّر الرد كما في الحديث الآتي، والتأخير يكفي في التأديب. ويحتمل أنه تركَ الردَّ أحيانًا وأخره أحيانًا على حسب اختلاف الناس في التأديب وغيره، والله تعالى أعلم.

(2) في (هـ) وهامش (ك): شعبة، وهو خطأ.
৩৩ - প্রস্রাবকারীর ওপর সালাম প্রদান অধ্যায়

৩৭ - মাহমুদ ইবন গায়লান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: যায়দ ইবনুল হুবাব এবং কাবিযা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যাহহাক ইবন উসমান থেকে, তিনি নাফি’ থেকে,

তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তিনি প্রস্রাব করছিলেন। লোকটি তাঁকে সালাম দিল, কিন্তু তিনি তার সালামের উত্তর দিলেন না(১)।

 

‌৩৪ - ওযুর পর সালামের উত্তর প্রদান অধ্যায়

৩৮ - মুহাম্মদ ইবন বাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুআয ইবন মুআয আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন(২), ... থেকে।

--------------------------------------------

= এটি আহমাদ (২০৫৬৯), আবু দাউদ (২৭) এবং ইবন মাজাহ (৩০৪) রিওয়ায়াত করেছেন আবদুর রাজ্জাক-এর সূত্র ধরে মা’মার থেকে। আহমাদের বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে: "তারপর সে তাতে ওযু করে", এবং আবু দাউদের বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে: "তারপর সে তাতে গোসল করে"।।

বুখারি তার ‘আত-তারিখুল কাবীর’ ৬/৪৩১ গ্রন্থে এবং উকায়লি ‘আদ-দুয়াফা’ ১/২৯ গ্রন্থে শুবা-এর সূত্র ধরে কাতাদাহ থেকে, তিনি উকবা ইবন সুহবান থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "গোসলের স্থানে প্রস্রাব করা থেকে কুমন্ত্রণা (ওয়াসওয়াসা) সৃষ্টি হয়।" উকায়লি বলেন: শুবা-এর হাদিসটি অধিকতর উত্তম।

হাদিসটির স্বপক্ষে আহমাদের গ্রন্থে (১৭০১১) একটি শাহেদ (সমর্থনকারী বর্ণনা) রয়েছে (তবে "কেননা অধিকাংশ কুমন্ত্রণা এ থেকেই হয়" এই অংশটুকু ব্যতীত), যা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এক সাহাবি থেকে তিনটি বিষয় নিষেধ করার ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো গোসলের স্থানে প্রস্রাব করা। আর এর সনদ সহিহ।

সিন্দি হাদিসের অর্থ সম্পর্কে বলেছেন: এর উদ্দেশ্য হলো—যখন কেউ প্রস্রাব করে এবং পরে সেখানে গোসল করে, তখন অনেক সময় তার মনে এই সন্দেহ জাগে যে অপবিত্র পানি তাকে স্পর্শ করেছে। এটি শয়তান কর্তৃক তার মনে খারাপ চিন্তার উদ্রেক করার পথ খুলে দেয়। আর ‘আম্মাতুল ওয়াসওয়াসা’ (অধিকাংশ কুমন্ত্রণা) বলতে এর অধিকাংশ ও ব্যাপকতা বোঝানো হয়েছে। উলামায়ে কেরাম এই হাদিসটিকে সেই ক্ষেত্রের জন্য নির্দিষ্ট করেছেন যেখানে প্রস্রাব সেই স্থানে জমে থাকে। তবে যদি প্রস্রাব প্রবাহিত হয়ে চলে যায় এবং সেখানে স্থির না থাকে, অথবা যদি সেখানে ড্রেনের মতো নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকে, তবে তা নিষেধ নয়। আল্লাহ তাআলাই অধিক জ্ঞাত।

(১) এর সনদ সহিহ। কাবিযা হলেন ইবন উকবা এবং সুফিয়ান হলেন আস-সাওরি।

এটি মুসলিম (৩৭০), আবু দাউদ (১৬), তিরমিযি (৯০) ও (২৭২০) এবং ইবন মাজাহ (৩৫৩) বিভিন্ন সূত্রে সুফিয়ান থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

সিন্দি বলেন: তাঁর উক্তি "তিনি তার সালামের উত্তর দিলেন না"—এটি তাকে শিষ্টাচার শেখানোর উদ্দেশ্যে। এর অর্থ হলো: তিনি উত্তর দিতে দেরি করেছিলেন যেমনটি পরবর্তী হাদিসে আসছে; আর শিষ্টাচার শেখানোর জন্য দেরিতে উত্তর দেওয়াই যথেষ্ট। আবার এটাও হতে পারে যে, তিনি কখনো উত্তর দেওয়া বর্জন করতেন এবং কখনো শিষ্টাচার ও অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্যের ভিত্তিতে দেরিতে উত্তর দিতেন। আল্লাহ তাআলাই অধিক জ্ঞাত।

(২) (হ) পাণ্ডুলিপিতে এবং (ক) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় ‘শুবা’ রয়েছে, যা ভুল।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
قتادة، عن الحسن، عن حُضَيْن بن المنذر أبي ساسان

عن المُهاجر بن قُنْفُذ، أنّه سَلَّمَ على النبيِّ صلى الله عليه وسلم وهو يَبُول، فلم يَرُدَّ عليه(1) حتَّى توضَّأ، فلمَّا توضَّأَ رَدَّ عليه(2).

 

‌‌35 - باب النَّهي عن الاستطابة بالعَظم

39 - أخبرنا أحمدُ بنُ عَمْرو بن السَّرْح قال: أخبرنا ابنُ وَهْب قال: أخبرني يونُس، عن ابن شِهاب، عن أبي عثمانَ بن سَنَّة الخُزاعيّ

--------------------------------------------

(1) عليها علامة الصِّحة في (ك)، وبعدها في (يه) كلمة: السلام، وضُبِّبَ عليها.

(2) حديث صحيح. سعيد - وهو ابن أبي عَرُوبة - اختلط بأخَرَة، وقد توبع معاذ بن معاذ - وهو العنبري - في روايته هذه عن سعيد، وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (34).

وأخرجه أحمد (20760)، وابن ماجه (350) من طريق رَوْح بن عُبادة. وأخرجه أحمد أيضًا (20761) عن عبد الوهَّاب بن عطاء الخفَّاف ومحمد بن جعفر. وأخرجه أبو داود (17)، وابن حبان (803) و (806) من طريق عبد الأعلى بن عبد الأعلى. أربعتُهم عن سعيد بن أبي عَروبة، بهذا الإسناد. وروح وعبد الوهَّاب وعبد الأعلى رَوَوْا عن سعيد قبل اختلاطه.

ورواية أبي داود وابن حبان (806): وهو يبول مثل رواية المصنِّف، ورواية أحمد وابن ماجه وابن حبان (803): وهو يتوضأ.

وعند أبي داود وابن حبان زيادة قوله صلى الله عليه وسلم: "إني كرهتُ أن أذكر الله إلا على طُهْر" وبنحوها عند أحمد وابن ماجه.

وأخرجه أحمد أيضًا (20762) من طريق حُميد الطويل، عن الحسن، عن المهاجر، به. لم يذكر حُضينًا بين الحسن والمهاجر.

وأورد الدارقطني في "العلل" 8/ 72 روايتي قتادة وحُميد عن الحسن، وزاد روايةً لأبي الأشعث عن الحسن، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم مرسلة. ثم قال: وحديثُ قتادة أصحُّها.

وقد نقل الزَّيلعيّ في "نصب الراية" 1/ 5 عن ابن دقيق العيد إعلالَهُ للحديث بسعيد وبالرواية المنقطعة، وذكر أنه معارَضٌ بحديث ابن عبَّاس في الصحيحين في خبر مَبِيتِهِ عند خالته ميمونة، وفيه أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم استيقظَ فجعلَ يمسحُ النومَ عن وجهه بيده، ثم قرأ العشر الخواتيم من سورة آل عمران. قال الزَّيلعي: ففي هذا ما يدلُّ على جواز ذكر اسم الله وقراءة القرآن مع الحَدَث. اهـ. =
কাতাদা, হাসান থেকে, তিনি হুদাইন ইবনুল মুনযির আবু সাসান থেকে

তিনি মুহাজির ইবনুল কুনফুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাম দিলেন যখন তিনি প্রস্রাব করছিলেন। ফলে তিনি তার সালামের উত্তর দিলেন না(১) যতক্ষণ না তিনি ওযু করলেন। অতঃপর যখন তিনি ওযু করলেন, তখন তার সালামের উত্তর দিলেন(২)।

 

‌‌৩৫ - পরিচ্ছেদ: হাড় দিয়ে শৌচকার্য করতে নিষেধ করা প্রসঙ্গে

৩৯ - আহমাদ ইবনে আমর ইবনুস সারহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাকে ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু উসমান ইবনে সান্নাহ আল-খুজায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) (ক) পাণ্ডুলিপিতে এর ওপর বিশুদ্ধতার চিহ্ন রয়েছে, এবং (ইহ) পাণ্ডুলিপিতে এর পরে 'আস-সালাম' শব্দটি রয়েছে এবং এর ওপর অস্পষ্টতার চিহ্ন দেওয়া হয়েছে।

(২) সহিহ হাদিস। সাঈদ—যিনি ইবনে আবি আরুবাহ—শেষ বয়সে স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে মুয়াজ ইবনে মুয়াজ—যিনি আল-আনবারি—সাঈদ থেকে তার এই বর্ণনায় সমর্থিত হয়েছেন। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা'র ৩৪ নম্বর হাদিসে রয়েছে।

আহমাদ (২০৭৬০) এবং ইবনে মাজাহ (৩৫০) রওহ ইবনে উবাদাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (২০৭৬১) আব্দুল ওয়াহাব ইবনে আতা আল-খাফফাফ ও মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকেও এটি বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ (১৭) এবং ইবনে হিব্বান (৮০৩) ও (৮০৬) আব্দুল আলা ইবনে আব্দুল আলার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তারা চারজনই এই সনদে সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। রওহ, আব্দুল ওয়াহাব ও আব্দুল আলা—সাঈদের স্মৃতিভ্রম ঘটার আগেই তার থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।

আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বানের (৮০৬) বর্ণনাটি হলো: 'এমতাবস্থায় যে তিনি প্রস্রাব করছিলেন', যা গ্রন্থকারের বর্ণনার অনুরূপ। আর আহমাদ, ইবনে মাজাহ ও ইবনে হিব্বানের (৮০৩) বর্ণনা হলো: 'এমতাবস্থায় যে তিনি ওযু করছিলেন'।

আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বানের বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই উক্তিটি অতিরিক্ত রয়েছে: "আমি পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত আল্লাহর জিকির করা অপছন্দ করেছি।" আহমাদ ও ইবনে মাজাহতেও অনুরূপ রয়েছে।

আহমাদ (২০৭৬২) হুমাইদ আত-তবীলের সূত্রে হাসান থেকে, তিনি মুহাজির থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। সেখানে হাসান ও মুহাজিরের মাঝে হুদাইনকে উল্লেখ করা হয়নি।

আদ-দারাকুতনি 'আল-ইলাল' গ্রন্থে (৮/৭২) হাসানের সূত্রে কাতাদা ও হুমাইদের দুটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন এবং সাথে আবু আশ'আসের সূত্রে হাসান থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুরসাল বর্ণনা যোগ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: কাতাদার হাদিসটিই সবচেয়ে বিশুদ্ধ।

আয-যাইলায়ী 'নাসবুর রায়াহ' গ্রন্থে (১/৫) ইবনে দাকীক আল-ঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সাঈদের কারণে এবং বিচ্ছিন্ন বর্ণনার কারণে এই হাদিসটিকে ত্রুটিপূর্ণ বলেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এটি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ ইবনে আব্বাসের সেই হাদিসের বিরোধী যাতে তার খালা মায়মুনার ঘরে রাত যাপনের খবর রয়েছে। সেখানে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জেগে হাত দিয়ে মুখ থেকে ঘুমের রেশ মুছতে থাকলেন এবং অতঃপর সূরা আলে-ইমরানের শেষ দশ আয়াত তিলাওয়াত করলেন। যাইলায়ী বলেন: এতে অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহর নাম নেওয়া ও কুরআন পড়ার বৈধতার প্রমাণ পাওয়া যায়। সমাপ্ত। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
عن عبد الله بن مسعود، أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم نَهَى أن يستطيبَ أحدُكم بعَظْمٍ أو رَوْث(1).

--------------------------------------------

= وقال ابن حبان: في هذا الخبر بيانٌ واضحٌ أنَّ كراهيةَ المصطفى صلى الله عليه وسلم ذِكْرَ الله إلا على طهارة؛ كان ذلك لأن الذِّكر على طهارة أفضل، لا أنَّ ذِكْرَ المرءِ ربَّه على غير طهارة غيرُ جائز، لأنَّه صلى الله عليه وسلم كان يذكرُ الله على أحيانه. اهـ.

وأما اختلاف اللفظ في قوله: وهو يبول، وفي روايات أخرى (كما سلف): وهو يتوضَّأ، فكلا اللفظين مرويَّان عن سعيد قبل اختلاطه، وقد صحَّح ابنُ حبان الروايتين كما سلف، وروى ابن ماجه الحديث بلفظ: وهو يتوضَّأ، وترجم له بقوله: باب الرجل يسلَّم عليه وهو يبول، وجمع صاحب "مرعاة المفاتيح" 2/ 162 بين اللفظين، فقال: أي: وهو في مقدِّمات الوضوء. انتهى. ولعلَّ رواية ابن عمر السالفة قبلَها ترجِّح لفظ: وهو يبول، والله أعلم.

(1) حديث صحيح، وهذا إسناد ضعيف لجهالة أبي عثمان بن سَنَّة، فلم يروِ عنه غير الزُّهري. وبقية رجاله ثقات. ابنُ وَهْب: هو عبد الله أبو محمد المصري، ويونس: هو ابن يزيد الأيلي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (38).

والحديث من أفراد النَّسَائِي، ونسبه المِزِّي في "تهذيب الكمال" 34/ 67 أيضًا لابن ماجه في التفسير.

وأخرجه مطوَّلًا بقصَّة لقائِه الجنّ ومختصرًا: أحمد (4149)، ومسلم (450)، والترمذي (18) و (3258)، وابن حبان (1432) من طريق داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن علقمة، عن ابن مسعود، بمعناه، وجاء في بعض طرقه النهيُ عن الاستطابة بالرَّوث أو العظم عن الشعبي مرسلًا، وصحَّح الدارقطنيّ المرسلَ في "العلل" 2/ 352 - 353.

وسيأتي في الحديث (42) أنه صلى الله عليه وسلم أخذَ حَجَرَيْن وألقى الرَّوْثة وقال: "هذه رِكْس".

وأخرج مسلم (263) عن جابر قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أَنْ يُتَمسَّحَ بعظم أو ببعر، وبنحوه في حديث سلمان (262).

وبنحوه عن أبي هريرة أخرجه الدارقطني في "السُّنن" (152) وقال: إسناده صحيح.

وعن أبي هريرة أيضًا عند البخاري (155) قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: "اِبْغني أحجارًا أسْتَنْفِضُ بها، ولا تأتني بعظم ولا رَوْث". وينظر ما بعده.
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমাদের কাউকে হাড় বা গোবর দিয়ে শৌচকার্য করতে নিষেধ করেছেন(১)।

--------------------------------------------

= ইবনে হিব্বান বলেছেন: এই সংবাদে একটি স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পবিত্রতা ব্যতীত আল্লাহর জিকির করাকে অপছন্দ করা এই কারণে ছিল যে, পবিত্রতার সাথে জিকির করা উত্তম; এমন নয় যে পবিত্রতা ছাড়া কোনো ব্যক্তির তার রবের জিকির করা নাজায়েজ, কারণ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সব অবস্থাতেই আল্লাহর জিকির করতেন। সমাপ্ত।

আর তার বক্তব্য 'তিনি প্রস্রাব করছিলেন' এবং অন্য বর্ণনায় (যেমন পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে) 'তিনি অজু করছিলেন'—এই শব্দগত পার্থক্যের ব্যাপারে কথা হলো, উভয় শব্দই সাঈদ থেকে তার স্মৃতিভ্রম ঘটার পূর্বেই বর্ণিত হয়েছে। ইবনে হিব্বান উভয় বর্ণনাকেই সহিহ বলেছেন যেমনটি পূর্বে গত হয়েছে। ইবনে মাজাহ হাদিসটি 'তিনি অজু করছিলেন' শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং এর শিরোনাম দিয়েছেন: 'অনুচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি প্রস্রাব করা অবস্থায় তাকে সালাম দেওয়া'। আর 'মিরআতুল মাফাতিহ' (২/১৬২) এর লেখক উভয় শব্দের মধ্যে সমন্বয় করে বলেছেন: অর্থাৎ, তিনি অজুর প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলেন। সমাপ্ত। সম্ভবত ইবনে ওমরের পূর্বোক্ত বর্ণনাটি 'তিনি প্রস্রাব করছিলেন' শব্দটিকে প্রাধান্য দেয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

(১) হাদিসটি সহিহ, তবে এই সনদটি আবু উসমান ইবনে সান্নাহ-এর পরিচয় অজ্ঞাত হওয়ার কারণে দুর্বল; কেননা জুহরি ছাড়া অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ইবনে ওয়াহাব হলেন: আবদুল্লাহ আবু মুহাম্মদ আল-মিসরি এবং ইউনুস হলেন: ইবনে ইয়াজিদ আল-আয়লি। এটি 'আস-সুনানুল কুবরা' গ্রন্থে ৩৮ নম্বর হাদিসে রয়েছে।

হাদিসটি নাসায়ির একক বর্ণনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত এবং আল-মিজ্জি 'তাহজিবুল কামাল' (৩৪/৬৭) গ্রন্থে এটিকে ইবনে মাজাহ-এর তাফসির অংশের দিকেও সম্পৃক্ত করেছেন।

এটি জিনদের সাথে তার সাক্ষাতের ঘটনাসহ বিস্তারিতভাবে এবং সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন: আহমদ (৪১৪৯), মুসলিম (৪৫০), তিরমিজি (১৮) ও (৩২৫৮) এবং ইবনে হিব্বান (১৪৩২); দাউদ ইবনে আবি হিন্দ-এর সূত্রে, তিনি শা’বি থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে একই অর্থে এটি বর্ণনা করেছেন। এর কোনো কোনো সূত্রে শা’বি থেকে মুরসাল হিসেবে গোবর বা হাড় দিয়ে শৌচকার্য করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং দারাকুতনি 'আল-ইলাল' (২/৩৫২-৩৫৩) গ্রন্থে এই মুরসাল বর্ণনাটিকে সহিহ বলেছেন।

সামনে ৪২ নম্বর হাদিসে আসবে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুটি পাথর নিয়েছিলেন এবং গোবরটি ফেলে দিয়ে বলেছিলেন: "এটি অপবিত্র"।

মুসলিম (২৬৩) জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাড় বা লাদি দিয়ে মোছা হতে নিষেধ করেছেন। সালমানের হাদিসেও (২৬২) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

আবু হুরায়রা থেকেও অনুরূপ বর্ণনা দারাকুতনি তার 'আস-সুনান' (১৫২) গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন এবং বলেছেন: এর সনদ সহিহ।

আবু হুরায়রা থেকে বুখারিতেও (১৫৫) বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বলেছিলেন: "আমার জন্য কিছু পাথর খুঁজে আনো যা দিয়ে আমি পবিত্রতা অর্জন করব, আর আমার কাছে কোনো হাড় বা গোবর আনবে না।" এর পরবর্তী অংশ দ্রষ্টব্য।
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌36 - باب النّهي عن الاستطابة بالرَّوْث

40 - أخبرنا يعقوبُ بنُ إبراهيم قال: حدَّثنا يحيى - يعني ابنَ سعيد - عن محمد ابن عَجْلانَ قال: أخبرني القَعْقَاع، عن أبي صالح

عن أبي هريرة، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قال: "إنَّما أنا(1) لكم مِثْلُ الوالد أُعَلِّمُكُم؛ إذا ذَهَبَ أحدُكُم إلى الخَلاء(2) فلا يَسْتَقْبِلِ القِبْلَةَ ولا يَسْتَدْبِرْهَا، ولا يَسْتَنْجِي(3) بيَمِينِه". وكان يأمرُ بثلاثةِ أحجار، ونَهَى(4) عن الرَّوْثِ والرِّمَّة(5).

--------------------------------------------

(1) لفظة "إنما" ليست في (ك). وفي هامشها: إنما أنا. (نسخة).

(2) في (ر) وهامش كل من (م) و (هـ): الغائط.

(3) كذا في النسخ الخطية، وهو نفي بمعنى النَّهي، وجاء في هامشي (ك) و (هـ): يستنج. (نسخة).

(4) في (م) و (هـ) وهامش (ك): ينهى.

(5) إسناده حسن، رجاله ثقات غير محمد بن عَجْلان، فهو صدوق، يعقوب بن إبراهيم: هو الدورقي، ويحيى بن سعيد: هو القطَّان، والقَعقاع: هو ابن حكيم الكِناني، وأبو صالح: هو ذكوان السمَّان.

وأخرجه أحمد (7409)، وابن حبان (1440) من طريق يحيى بن سعيد القطان، بهذا الإسناد.

وأخرجه أحمد أيضًا (7368)، وابن ماجه (313) من طريق سفيان بن عُيينة، وأبو داود (8) من طريق عبد الله بن المبارك، وابن ماجه أيضًا (312) (مختصرًا) من طريق المغيرة بن عبد الرحمن وعبد الله بن رجاء، وابنُ حبان (1431) من طريق وُهيب، خمستُهم عن ابن عَجلان، به.

وأخرجه مسلم (265) من طريق عُمر بن عبد الوهَّاب الرِّياحي، عن يزيد بن زُريع، عن رَوْح ابن القاسم، عن سهيل بن أبي صالح، عن القعقاع، به. جعله الرِّياحي من حديث سهيل عن القعقاع، وهو من أوهامه كما ذكر المِزِّي في "تحفة الأشراف" 9/ 441 - 442، وذكر أنَّ الحديث محفوظ من رواية محمد بن عَجْلان عن القعقاع، رواه عنه جماعة … وذكرَهم. وقد سلف ذكرُهم في الكلام قبلَه. =
৩৬ - অনুচ্ছেদ: গোবর দ্বারা শৌচকার্য করার নিষেধাজ্ঞা

৪০ - ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া—অর্থাৎ ইবনে সাঈদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আল-কাকা সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ থেকে

তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য কেবল একজন পিতার মতো, আমি তোমাদের শিক্ষা দেই; যখন তোমাদের কেউ শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়, আর সে যেন তার ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য না করে।" তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের আদেশ দিতেন এবং গোবর ও পুরনো হাড় দ্বারা শৌচকার্য করতে নিষেধ করতেন।

--------------------------------------------

(১) "ইন্নামা" শব্দটি (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে নেই। তবে এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: "ইন্নামা আনা" (আমি কেবল)। (অন্য কপি)।

(২) (রা) এবং (মীম) ও (হা)-এর পার্শ্বটীকায় "আল-গাইত" (মলত্যাগ) শব্দ রয়েছে।

(৩) পাণ্ডুলিপিগুলোতে এভাবেই এসেছে, এটি মূলত নিষেধাজ্ঞার অর্থবোধক না-বাচক শব্দ। (কাফ) ও (হা)-এর পার্শ্বটীকায় "ইয়াসতাঞ্জি" (নিষেধসূচক রূপ) এসেছে। (অন্য কপি)।

(৪) (মীম), (হা) এবং (কাফ)-এর পার্শ্বটীকায় "ইউনহা" (নিষেধ করছেন) শব্দ রয়েছে।

(৫) এর সনদ হাসান, মুহাম্মাদ ইবনে আজলান ব্যতীত এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য, আর তিনি সত্যবাদী। ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম হলেন আদ-দাওরাকী; ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ হলেন আল-কাত্তান; আল-কাকা হলেন ইবনে হাকিম আল-কিনানী; এবং আবু সালিহ হলেন যাকওয়ান আস-সাম্মান।

আহমদ (৭৪০৯) ও ইবনে হিব্বান (১৪৪০) ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানের সূত্রে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমদ (৭৩৬৮) ও ইবনে মাজাহ (৩১৩) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনার সূত্রে; আবু দাউদ (৮) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারকের সূত্রে; ইবনে মাজাহ (৩১২, সংক্ষিপ্তভাবে) আল-মুগীরা ইবনে আব্দুর রহমান ও আব্দুল্লাহ ইবনে রাজার সূত্রে এবং ইবনে হিব্বান (১৪৩১) উহাইবের সূত্রে—তাঁরা পাঁচজনই ইবনে আজলান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

মুসলিম (২৬৫) ওমর ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আর-রিয়াহীর সূত্রে ইয়াজীদ ইবনে জুরাই' থেকে, তিনি রাওহ ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবু সালিহ থেকে, তিনি আল-কাকা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর-রিয়াহী একে সুহাইলের বর্ণনা হিসেবে আল-কাকা থেকে উল্লেখ করেছেন, যা তাঁর বিভ্রান্তিগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি আল-মিযযী 'তুহফাতুল আশরাফ' (৯/৪৪১-৪৪২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, হাদিসটি মুহাম্মাদ ইবনে আজলান কর্তৃক আল-কাকা থেকে বর্ণিত হিসেবে সংরক্ষিত, তাঁর থেকে একদল বর্ণনাকারী এটি বর্ণনা করেছেন... তিনি তাঁদের নাম উল্লেখ করেছেন। ইতিপূর্বেই তাঁদের আলোচনা অতিক্রান্ত হয়েছে। =
(খণ্ড: ১) সুনানুন নাসাঈ - ত্বর রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌37 - باب النَّهي عن الاكتفاء في الاستطابة بأقلَّ من ثلاثةِ أحجار

41 - أخبرنا إسحاقُ بنُ إبراهيمَ قال: أخبرنا أبو معاويةَ قال: حدَّثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن عبد الرَّحمن بن يزيد

عن سَلْمَانَ قال وقال له رجل: إنَّ صاحِبَكُم لَيُعَلِّمُكُمْ حَتَّى الخِرَاءة! قال: أَجَلْ، نَهانا أنْ نَسْتَقْبِلَ القِبْلَةَ بغائطٍ أو بَوْل، أو نَسْتَنْجِيَ بِأَيْمَانِنا، أو نَكْتَفِيَ بأقلَّ من ثلاثةِ أحْجَار(1).

 

‌‌38 - باب الرُّخصة في الاستطابةِ بِحَجَرَين

42 - أخبرنا أحمدُ بنُ سليمانَ قال: حدَّثنا أبو نُعيم، عن زُهير، عن أبي إسحاقَ قال: ليس أبو عُبيدة ذكرَهُ، ولكنْ عبدُ الرَّحمن بنُ الأسود، عن أبيه

أنّه سمعَ عبد الله يقول: أتَى النبيُّ صلى الله عليه وسلم الغائطَ، وأمَرَني أَنْ آتِيَهُ بثلاثةِ أحْجَار، فوجدتُ حَجَرَيْنِ، والْتَمَسْتُ الثَّالثَ فلم أجِدْهُ، فَأَخَذْتُ رَوْثَةً،

--------------------------------------------

= قال السِّندي: قوله: يأمرُ بثلاثة أحجار؛ إمَّا لأنَّ المطلوب الإنْقاء والإيتار، وهما يحصلان غالبًا بثلاثة أحجار، أو الإنْقاء فقط، وهو يحصل غالبًا بها.

و "الرِّمَّة" بكسر الراء وتشديد الميم: هي العَظْم البالي، والمرادُ هاهنا مطلق العَظْم كما سبق، ويحتمل أن يقال: العَظْم البالي لا يُنتفع به؛ فإذا منع عن تلويثه؛ فغيرُه بالأَولى.

(1) إسناده صحيح. أبو معاوية: هو محمد بنُ خازم الضَّرير، والأعمش: هو سليمان بن مِهْران وإبراهيم: هو ابن يزيد النَّخَعي، وعبد الرحمن بن يزيد: هو النَّخَعي. وهو في "السُّنن الكبرى" برقم (40).

وأخرجه أحمد (23719)، ومسلم (262)، وأبو داود (7)، والترمذي (16) من طريق أبي معاوية، بهذا الإسناد. وعندهم زيادة: أو أن نستنجيَ برَجيع أو بعظم.

وأخرجه أحمد (23703) و (23713)، ومسلم (262)، وابن ماجه (316) من طرق عن الأعمش، به. وعندهم أيضًا زيادة النهي عن الاستنجاء بالرَّجيع أو العظم.

وسيأتي الحديث من طريق عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان الثوري، عن منصور والأعمش برقم (49).
‌৩৭ - পরিচ্ছেদ: শৌচকার্যে তিনটির কম পাথর ব্যবহার করে যথেষ্ট মনে করার নিষেধ

৪১ - ইসহাক ইবন ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-আ'মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন ইয়াজিদ থেকে,

সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তাকে বলল: তোমাদের সাথী (নবী) তো তোমাদের এমনকি মলত্যাগ করার পদ্ধতি পর্যন্ত শিক্ষা দেন! তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি আমাদের পায়খানা বা প্রস্রাবের সময় কিবলার দিকে মুখ করতে, ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করতে অথবা তিনটির কম পাথর দিয়ে শৌচকার্য করতে নিষেধ করেছেন।(১)।

 

‌৩৮ - পরিচ্ছেদ: দুটি পাথর দিয়ে শৌচকার্য করার অনুমতি

৪২ - আহমাদ ইবন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবু ইসহাক) বলেন: আবু উবায়দা এটি উল্লেখ করেননি, বরং আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন,

যে তিনি আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মলত্যাগের জন্য গেলেন এবং আমাকে তিনটি পাথর নিয়ে আসতে নির্দেশ দিলেন। আমি দুটি পাথর পেলাম এবং তৃতীয়টি খুঁজলাম কিন্তু তা পেলাম না। অতঃপর আমি একখণ্ড গোবর নিলাম,

--------------------------------------------

= আস-সিন্দি বলেন: তাঁর কথা: "তিনটি পাথরের নির্দেশ দেন"; এর কারণ হয় তো এই যে, উদ্দেশ্য হলো পরিচ্ছন্নতা অর্জন এবং বিজোড় সংখ্যা রক্ষা করা, যা সাধারণত তিনটি পাথরে অর্জিত হয়; অথবা শুধুমাত্র পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা, যা সাধারণত এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।

এবং "রিম্মাহ" (র-এ কাসরা ও মিম-এ তাশদিদ যোগে): এর অর্থ জরাজীর্ণ হাড়, আর এখানে সাধারণভাবে হাড় উদ্দেশ্য যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। এটাও বলা সম্ভব যে: জরাজীর্ণ হাড় যেহেতু কোনো উপকারে আসে না, তাই তা অপবিত্র করতে নিষেধ করা হলে অন্যান্য হাড় অপবিত্র করা আরও বেশি আপত্তিকর হবে।

(১) এর সনদ সহিহ। আবু মুয়াবিয়া: তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবন খাযিম আদ-দারির। আল-আ'মাশ: তিনি হলেন সুলাইমান ইবন মিহরান। ইবরাহিম: তিনি হলেন ইবন ইয়াজিদ আন-নাখায়ি। আবদুর রহমান ইবন ইয়াজিদ: তিনি হলেন আন-নাখায়ি। এটি "আস-সুনানুল কুবরা"-তে ৪০ নম্বর ক্রমে রয়েছে।

আহমাদ (২৩৭১৯), মুসলিম (২৬২), আবু দাউদ (৭) এবং তিরমিজি (১৬) আবু মুয়াবিয়ার সূত্রে এই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে: "অথবা আমরা যেন গোবর বা হাড় দিয়ে শৌচকার্য না করি"।

আহমাদ (২৩৭০৩) ও (২৩৭১৩), মুসলিম (২৬২) এবং ইবন মাজাহ (৩১৬) আল-আ'মাশের সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনায় গোবর বা হাড় দিয়ে শৌচকার্য করার নিষেধাজ্ঞার অংশটুকু অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে।

সামনে আবদুর রহমান ইবন মাহদি, সুফিয়ান সাওরি, মনসুর ও আল-আ'মাশ সূত্রে ৪৯ নম্বর হাদিসে এটি আসবে।