القسم: علوم القرآن وأصول التفسير
الكتاب: الناسخ والمنسوخ في القرآن الكريم
المؤلف: أبو بكر بن العربي المعافري
المحقق: الدكتور عبد الكبير العلوي المدغري
تقديم: د عائشة عبد الرحمن (بنت الشاطئ)
أصل التحقيق: رسالة دكتوراة للمحقق
الناشر: مكتبة الثقافة الدينية
الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1992 م
عدد الأجزاء: 2
أعده للشاملة: رابطة النساخ، تنفيذ (مركز النخب العلمية)، وبرعاية (أوقاف عبد الله بن تركي الضحيان الخيرية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1440
বিভাগ: উলূমুল কুরআন এবং উসূলুত তাফসির
বই: আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ ফিল কুরআনিল কারীম
লেখক: আবু বকর বিন আল-আরাবি আল-মা'আফিরি
সম্পাদক: ডক্টর আব্দুল কাবীর আল-আলাউয়ি আল-মাদাগরি
উপস্থাপনা: ড. আয়েশা আব্দুর রহমান (বিনতুশ শাতি)
সম্পাদনার উৎস: সম্পাদকের পিএইচডি থিসিস
প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাকাফাহ আদ-দীনিয়্যাহ
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৩ হিজরি - ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ، বাস্তবায়নে (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)، এবং পৃষ্ঠপোষকতায় (আওকাফ আব্দুল্লাহ বিন তুর্কি আদ-দাহইয়ান আল-খাইরিয়্যাহ)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
আমাদের বিশেষজ্ঞ আলেমগণ এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, ইজমা (الإجماع) কোনো বিধানকে রহিত (ينسخ) করে না; কারণ এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওফাতের পর সংঘটিত হয় এবং তাঁর পরে নতুন শরিয়ত প্রবর্তন কল্পনা করা যায় না। এটি বাহ্যিকভাবে মোটের ওপর সঠিক, তবে এর মধ্যে একটি চমৎকার বিশ্লেষণ রয়েছে: আর তা হলো এই যে, ইজমা (الإجماع) কোনো বর্ণনা (أثر) এবং গবেষণালব্ধ অন্তর্দৃষ্টির (نظر) ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং যদি কোনো ক্ষেত্রে একে রহিতকারী (ناسخ) মনে করা হয়, তবে মূলত সেই খবর বা বর্ণনাটিই (الخبر) রহিতকারী (الناسخ) হবে যার ওপর ইজমা (الإجماع) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটিই আমাদের নির্দিষ্ট আলোচনার বিষয়। কেননা উম্মত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীর পরিপ্রেক্ষিতেই পিতামাতার অনুকূলে অসিয়ত করার বিধান বাতিলের বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছে; তবে সেই মূল বর্ণনাটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ও অকাট্য বিশুদ্ধ (المقطوع بصحته) হিসেবে পরিগণিত ইজমাটি (الإجماع) অবশিষ্ট রয়েছে। তবে সহিহ (صحيح) হাদিসে এর স্বপক্ষে প্রমাণ অবশিষ্ট রয়েছে, আর তা হলো নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী: "তোমরা নির্ধারিত অংশগুলো (ফারায়েজ) তার হকদারদের নিকট পৌঁছে দাও, অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকবে তা সবচেয়ে নিকটবর্তী পুরুষ আত্মীয়ের জন্য।"
পরিশিষ্ট:যখন মিরাস বা উত্তরাধিকার আইনের মাধ্যমে পিতামাতার অনুকূলে অসিয়তের বিধান রহিত (نسخت) করা হলো, তখন নিকটাত্মীয়দের মধ্যে যারা উত্তরাধিকারী নয় তাদের জন্য অসিয়ত করার বিষয়টি পছন্দনীয় (مندوبا) হিসেবে থেকে গেল। সুতরাং সংশ্লিষ্ট আয়াতটি থেকে নিকটাত্মীয়দের জন্য সম্পদের অসিয়ত করার আবশ্যকতা রহিত (نسخ) করা হয়েছে এবং যারা উত্তরাধিকারী হবে তাদের জন্য অসিয়তের বৈধতাকেও সমূলে রহিত (نسخ) করা হয়েছে। আর যারা উত্তরাধিকারী নয়, তাদের জন্য এর পছন্দনীয়তা (ندب) বহাল রয়ে গেছে। এটি একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও চূড়ান্ত বিশ্লেষণ। আর মুসলমানদের ওপর অসিয়তের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট স্থানে বর্ণনা করেছি। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।