(খণ্ড: ১) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: -)
الآثار لمحمد بن الحسن   (محمد بن الحسن الشيباني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الآثار لمحمد بن الحسن.

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن الحسن الشيباني (ت 189 هـ)

عني بتصحيحه وعلق عليه: أبو الوفا الأفغاني، رئيس لجنة إحياء المعارف النعمانية بحيدر آباد الدكن، الهند [ت 1395 هـ]

دار النشر: لجنة إحياء المعارف النعمانية بحيدر آباد - الدكن (وصورته دار الكتب العلمية - بيروت)

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুহাম্মদ ইবনে হাসানের আল-আসার   (মুহাম্মদ ইবনে হাসান আশ-শায়বানি)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: মুহাম্মদ ইবনে হাসানের আল-আসার.

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে হাসান আশ-শায়বানি (মৃত্যু ১৮৯ হিজরি)

সম্পাদনা ও টীকা প্রদান: আবুল ওয়াফা আল-আফগানি، লজনাতু ইহয়াউল মাআরিফ আন-নুমানিয়্যাহ, হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্য, ভারত-এর প্রধান [মৃত্যু ১৩৯৫ হিজরি]

প্রকাশনী: লজনাতু ইহয়াউল মাআরিফ আন-নুমানিয়্যাহ, হায়দ্রাবাদ - দাক্ষিণাত্য (অনুলিপি: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত)

খণ্ড সংখ্যা: ২

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١)
‌‌بَابُ الْوُضُوءِ
ওযুর অধ্যায়
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١)
1 - قَالَ مُحَمَّد أَبُو الْحَسن، أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ «تَوَضَّأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ مَثْنَى، وَتَمَضْمَضَ مَثْنَى، وَاسْتَنْشَقَ مَثْنَى، وَغَسَلَ وَجْهَهُ مَثْنَى، وَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ مَثْنَى، مُقْبِلًا وَمُدْبِرًا، وَمَسَحَ رَأْسَهُ مَثْنَى، وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ مَثْنَى» وَقَالَ حَمَّادٌ: الْوَاحِدَةُ تُجْزِئُ إِذَا اسُبِغَتْ ⦗ص: 2⦘ قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ
১ - মুহাম্মদ আবুল হাসান বলেছেন, আবু হানিফা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ওজু করলেন; ফলে তিনি তাঁর উভয় হাত দুই বার করে ধুলেন, কুলি করলেন দুই বার, নাকে পানি দিলেন দুই বার, তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন দুই বার, তাঁর উভয় বাহু ধুলেন দুই বার—সামনে ও পেছনে হাত বুলিয়ে, তাঁর মাথা মাসাহ করলেন দুই বার এবং তাঁর উভয় পা ধুলেন দুই বার। হাম্মাদ বলেন: একবার ধোয়াও যথেষ্ট হবে যদি তা পূর্ণাঙ্গভাবে সম্পাদন করা হয়। ⦗পৃষ্ঠা: ২⦘ মুহাম্মদ বলেন: আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢)
2 - مُحَمَّد قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «اغْسِلْ مُقَدَّمَ ⦗ص: 3⦘ أُذُنَيْكَ مَعَ الْوَجْهِ، وَامْسَحْ مُؤَخَّرَ أُذُنَيْكَ مَعَ الرَّأْسِ» .

 

3 - قَالَ مُحَمَّد: قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ رضي الله عنه: بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلّى الله ⦗ص: 4⦘ عليه وسلم قَالَ: «الْأُذُنَانِ مِنَ الرَّأْسِ» قَالَ مُحَمَّدٌ رحمه الله: يُعْجِبُنَا أَنْ ⦗ص: 5⦘ نَمْسَحَ مُقَدَّمَهمَا، وُمُؤَخَّرَهمَا مَعَ الرَّأْسِ، وَبِهِ نَأْخُذُ
২ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তোমার কানের সম্মুখভাগ ⦗পৃষ্ঠা: ৩⦘ চেহারার সাথে ধৌত করো এবং কানের পশ্চাৎভাগ মাথার সাথে মাসেহ করো»।

 

৩ - মুহাম্মদ বলেন: আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ⦗পৃষ্ঠা: ৪⦘ আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কান দুটি মাথারই অন্তর্ভুক্ত»। মুহাম্মদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: আমাদের নিকট এটিই পছন্দনীয় যে ⦗পৃষ্ঠা: ৫⦘ আমরা কানের সম্মুখভাগ ও পশ্চাৎভাগ মাথার সাথেই মাসেহ করব, আর আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلّى الله ⦗ص: 6⦘ عليه وسلم قَالَ: «الْوُضُوءُ مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ، وَالتَّكْبِيرُ تَحْرِيمُهَا، وَالتَّسْلِيمُ ⦗ص: 7⦘ تَحْلِيلُهَا، وَلَا تُجْزِئُ صَلَاةٌ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ، وَمَعَهَا ⦗ص: 8⦘ غَيْرُهَا، وَفِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، فَسَلِّمْ» يَعْنِي فَتَشَهَّدْ قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهِ نَأْخُذُ، وَإِنْ قَرَأَ ⦗ص: 9⦘ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَحْدَهَا فَقَدْ أَسَاءَ وَتُجْزِيهِ
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হানিফা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু সুফিয়ান, আবু নাদরাজা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘ ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «অজু হলো সালাতের চাবিকাঠি, তাকবির হলো একে হারামকারী (সালাত বহির্ভূত কাজ নিষিদ্ধকারী), আর সালাম হলো ⦗পৃষ্ঠা: ৭⦘ একে হালালকারী (সালাত বহির্ভূত কাজ পুনরায় বৈধকারী)। ফাতিহাতুল কিতাব এবং এর সাথে ⦗পৃষ্ঠা: ৮⦘ অন্য কিছু (অন্য সুরা) ব্যতীত কোনো সালাত যথেষ্ট হয় না। আর প্রতি দুই রাকাআতে সালাম ফিরাও» অর্থাৎ তাশাহহুদ পাঠ করো। ইমাম মুহাম্মাদ বলেন: আমরা এটিই গ্রহণ করি। আর যদি কেউ ⦗পৃষ্ঠা: ৯⦘ কেবল উম্মুল কুরআন (সুরা ফাতিহা) পাঠ করে, তবে সে মন্দ কাজ করল, তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٠)
5 - قَالَ مُحَمَّدٌ قَالَ مُحَمَّدٌ: بَلَغَنَا أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما سُئِلَ عَنِ الْقِرَاءَةِ فِي الصَّلَاةِ، فَقَالَ: «هُوَ إِمَامُكَ إِنْ شِئْتَ فَأَقْلِلْ مِنْهُ، وَإِنْ شِئْتَ فَأَكْثِرْ» وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
৫ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমাকে সালাতে কিরাত পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, “তিনি তোমার ইমাম; তুমি চাইলে তা (কিরাত) কম করতে পারো, আর চাইলে বেশি করতে পারো।” আর এটিই ইমাম আবূ হানীফা রাদিয়াল্লাহু আনহুর অভিমত।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌بَابُ مَا يُجْزِي فِي الْوُضُوءِ مِنْ سُؤْرِ الْفَرَسِ وَالْبَغْلِ وَالْحِمَارِ وَالسِّنَّوْرِ
পরিচ্ছেদ: ঘোড়া, খচ্চর, গাধা এবং বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পানি দ্বারা অজু করার ক্ষেত্রে যা যথেষ্ট হয়
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١١)
6 - مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي السِّنَّوْرِ تَشْرَبُ مِنَ الْإِنَاءِ، قَالَ: «هِيَ مِنْ أَهْلِ الْبَيْتِ لَا بَأْسَ بِشُرْبِ فَضْلِهَا» فَسَأَلْتُهُ: أَيُتَطَهَّرُ بِفَضْلِهَا لِلصَّلَاةِ؟ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَرْخَصَ الْمَاءَ، وَلَمْ يَأْمُرْهُ، وَلَمْ يَنْهَهُ»

⦗ص: 12⦘

 

7 - قَالَ مُحَمَّدٌ: قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ: غَيْرُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ، وَإِنْ تَوَضَّأَ مِنْهُ أَجْزَأَهُ، قَالَ، وَكَذَلِكَ شُرْبُ غَيْرِهِ أَحَبُّ إِلَيَّ، وَإِنْ شَرِبَهُ فَلَا بَأْسَ بِهِ، قَالَ مُحَمَّدٌ ⦗ص: 13⦘: وَبِقَوْلِ أَبِي حَنِيفَةَ نَأْخُذُ
৬ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে সেই বিড়াল সম্পর্কে বর্ণনা করেন যা পাত্র থেকে পান করে। তিনি বলেন: «সে গৃহপালিতদের অন্তর্ভুক্ত, তার উচ্ছিষ্ট পানে কোনো অসুবিধা নেই» অতঃপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: তার উচ্ছিষ্ট দ্বারা কি সালাতের জন্য পবিত্রতা অর্জন করা যাবে? তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ পানিকে সহজলভ্য করেছেন, তিনি এ বিষয়ে (মানুষকে) আদেশও করেননি, আবার নিষেধও করেননি»

⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘

 

৭ - মুহাম্মদ বলেন: আবু হানিফা বলেছেন: এটি ছাড়া অন্য পানি আমার নিকট এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়, তবে যদি কেউ তা দিয়ে অজু করে তবে তা যথেষ্ট হবে। তিনি বলেন: তদ্রূপ অন্য কিছু পান করা আমার নিকট অধিক প্রিয়, তবে কেউ যদি এটি পান করে তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই। মুহাম্মদ বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩⦘: এবং আমরা আবু হানিফার বক্তব্যই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٣)
8 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: " لَا خَيْرَ فِي سُؤْرِ الْبَغْلِ وَالْحِمَارِ، وَلَا يُتَوَضَّأُ بِسُؤْرِ الْبَغْلِ وَالْحِمَارِ، وَيُتَوَضَّأُ مِنْ سُؤْرِ الْفَرَسِ، وَالْبِرْذَوْنِ وَالشَّاةِ وَالْبَعِيرِ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
৮ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "খচ্চর ও গাধার উচ্ছিষ্টে কোনো কল্যাণ নেই এবং খচ্চর ও গাধার উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করা যাবে না। তবে ঘোড়া, মালবাহী ঘোড়া, বকরি ও উটের উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে অজু করা যাবে।" মুহাম্মদ বলেন: এটিই আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর অভিমত এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌بَابُ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ
মোজাদ্বয়ের ওপর মাসেহ করার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٣)
9 - مُحَمَّدُ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْجَهْمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالَ: قَدِمْتُ الْعِرَاقَ لِغَزْوَةِ جَلُولَاءَ فَرَأَيْتُ ⦗ص: 14⦘ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ، فَقُلْتُ: مَا هَذَا يَا سَعْدُ؟ قَالَ: إِذَا لَقِيتَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرَ رضي الله عنه فَسَلْهُ، قَالَ: فَلَقِيتُ عُمَرَ، فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا صَنَعَ سَعْدٌ، قَالَ عُمَرُ: «صَدَقَ سَعْدٌ، رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُهُ فَصَنَعْنَاهُ» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
৯ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবদুল্লাহ বিন আবিল জাহম, আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি জালুলার যুদ্ধের উদ্দেশ্যে ইরাকে আগমন করলাম এবং দেখলাম ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-কে, তিনি চামড়ার মোজাদ্বয়ের ওপর মাসেহ করছেন। তখন আমি বললাম: হে সা'দ, এটি কী? তিনি বললেন: যখন তুমি আমিরুল মুমিনীন উমর (রা.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো। রাবী বলেন: অতঃপর আমি উমরের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং সা'দ যা করেছেন তা তাঁকে অবহিত করলাম। উমর (রা.) বললেন: «সা'দ সত্য বলেছে। আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে এটি করতে দেখেছি, তাই আমরাও তা করেছি।» মুহাম্মদ বলেন: এটিই আবু হানিফা (রা.)-এর অভিমত এবং আমরা এটিই অনুসরণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٥)
10 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ نُبَاتَةَ الْجُعْفِيِّ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، قَالَ: «الْمَسْحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ لِلْمُقِيمِ يَوْمًا ⦗ص: 16⦘ وَلَيْلَةً، وَلِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ إِذَا لَبِسْتَهُمَا وَأَنْتَ طَاهِرٌ» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
১০ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি হানজালা ইবনে নুবাতা আল-জু'ফি থেকে যে, উমর ইবনে আল-খাত্তাব (রা.) বলেন: “মোজার (খুফফাইন) ওপর মাসেহ করার সময়সীমা মুকিমের জন্য এক দিন ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ ও এক রাত, এবং মুসাফিরের জন্য তিন দিন ও তিন রাত, যখন আপনি তা পবিত্র অবস্থায় পরিধান করবেন।” মুহাম্মদ বলেন: এটিই আবু হানিফা (রা.)-এর অভিমত এবং আমরা এটিই অনুসরণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٧)
مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهم قَالَ: اخْتَلَفَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَسَعْدُ بْنُ وَقَّاصٍ رضي الله عنهم فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، فَقَالَ سَعْدٌ أَمْسَحُ، وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ مَا يُعْجِبُنِي، فَأَتَيَا عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابٍ رضي الله عنه، فَقَصَّا عَلَيْهِ الْقِصَّةَ، فَقَالَ عُمَرُ: «عَمُّكَ أَفْقَهُ مِنْكَ»
মুহাম্মাদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি বলেন: হাম্মাদ আমাদের নিকট সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উমর এবং সাদ ইবনে ওয়াক্কাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) চামড়ার মোজার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে মতভেদ করলেন। সাদ বললেন, “আমি মাসাহ করি”, আর আব্দুল্লাহ বললেন, “এটি আমার নিকট পছন্দনীয় নয়।” অতঃপর তাঁরা উভয়ে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আসলেন এবং তাঁর নিকট বিষয়টি বর্ণনা করলেন। তখন উমর বললেন: “তোমার চাচা তোমার চেয়ে অধিক ফকীহ।”
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ١٧)
11 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ رضي الله عنه أَنَّهُ خَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلّى الله ⦗ص: 18⦘ عليه وسلم فِي سَفَرٍ، فَانْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ رَجَعَ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ رُومِيَّةٌ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ، فَرَفَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ضِيقِ ⦗ص: 19⦘ كُمَّيْهَا، قَالَ الْمُغِيرَةُ: فَجَعَلْتُ أَصُبُّ عَلَيْهِ الْمَاءَ مِنْ إِدَاوَةٍ مَعِي، فَتَوَضَّأَ وضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، وَلَمْ يَنْزِعْهُمَا، ثُمَّ تَقَدَّمَ فَصَلَّى "
১১ - মুহাম্মাদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি শাবী থেকে, তিনি ইবরাহিম বিন আবি মুসা আল-আশআরি থেকে, তিনি মুগিরা বিন শুবা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এক সফরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বের হয়েছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একান্তে) গেলেন এবং তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন, তারপর ফিরে আসলেন। সে সময় তাঁর পরনে সংকীর্ণ আস্তিনবিশিষ্ট একটি রোমীয় জুব্বা ছিল। আস্তিন সংকীর্ণ হওয়ার কারণে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ তা উপরে উঠিয়ে নিলেন। মুগিরা বলেন: তখন আমি আমার সাথে থাকা পানির পাত্র থেকে তাঁর ওপর পানি ঢালতে লাগলাম, তিনি নামাজের ওজুর ন্যায় ওজু করলেন এবং তাঁর চামড়ার মোজা দুটির ওপর মাসেহ করলেন, সেগুলো খুললেন না। এরপর তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং নামাজ আদায় করলেন।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٠)
12 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَمَّنْ رَأَى جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه، يَوْمًا تَوَضَّأَ وَمَسَحَ خُفَّيْهِ، فَسَأَلَهُ سَائِلٌ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُهُ، وَإِنَّمَا صَحِبْتُهُ بَعْدَمَا نَزَلَتْ سُورَةُ الْمَائِدَةِ "
১২ - মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি এমন এক ব্যক্তি থেকে যিনি জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে দেখেছিলেন যে, তিনি একদিন ওযু করলেন এবং তাঁর মোজা দুটির ওপর মাসেহ করলেন। তখন এক প্রশ্নকারী তাঁকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এমনটি করতে দেখেছি; আর আমি তাঁর সাহচর্য লাভ করেছি সূরা আল-মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পর।"
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢١)
13 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو ⦗ص: 22⦘ بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ضِرَارٍ صَحِبَ ابْنَ مَسْعُودٍ رضي الله عنه ⦗ص: 23⦘ فِي سَفَرٍ، فَأَتَتْ عَلَيْهِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهَا لَا يَنْزِعُ خُفَّيْهِ "
১৩ - মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ ইবনুল হারিস থেকে বর্ণনা করেন যে, আমর ইবনুল হারিস ইবনে আবি জিরার এক সফরে ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ এর সঙ্গী ছিলেন; এমতাবস্থায় তাঁর ওপর তিন দিন এবং তিন রাত অতিবাহিত হয়ে গেল অথচ তিনি তাঁর মোজা জোড়া খুললেন না।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٤)
14 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّهُ كَانَ يَمْسَحُ عَلَى الْجُرْمُوقَيْنِ " قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
১৪ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি জুর্মুকাইনের (মোজার ওপর পরিহিত চামড়ার মোজা) ওপর মাসাহ করতেন। মুহাম্মদ বলেন: এটিই আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর অভিমত এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٤)
15 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «إِذَا كُنْتَ عَلَى مَسْحٍ، وَأَنْتَ عَلَى وُضُوءٍ، فَنَزَعْتَ خُفَّيْكَ فَاغْسِلْ قَدَمَيْكَ» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَبِهِ نَأْخُذُ
১৫ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যদি আপনি মাসাহ্ করা অবস্থায় থাকেন এবং আপনি অজু অবস্থায় থাকেন, অতঃপর আপনার চামড়ার মোজা জোড়া খুলে ফেলেন, তবে আপনার দুই পা ধৌত করুন।" মুহাম্মদ বলেন: এটিই আবু হানিফার অভিমত এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٥)
‌‌بَابُ الْوُضُوءِ مِمَّا غَيَّرَتِ النَّارُ
অগ্নি-পক্ক বস্তু আহারের কারণে ওযুর অধ্যায়
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٥)
16 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، أَنَّهُ قَالَ: «لَوْ أُتِيتُ بِجَفْنَةٍ مِنْ خُبْزٍ وَلَحْمٍ، فَأَكَلْتُ مِنْهَا حَتَّى أَشْبَعَ، وَبِعُسٍّ مِنْ لَبَنِ إِبِلٍ فَشَرِبْتُ مِنْهُ حَتَّى أَتَضَلَّعَ، وَأَنَا عَلَى وُضُوءٍ لَا أُبَالِي أَنْ لَا أَمَسَّ مَاءً، أَأَتَوَضَّأُ مِنَ الطَّيِّبَاتِ؟» قَالَ ⦗ص: 26⦘ مُحَمَّدٌ: وَهَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ؛ لَا وُضُوءَ مِمَّا غَيَّرَتِ النَّارُ، وَإِنَّمَا الْوُضُوءُ مِمَّا خَرَجَ، وَلَيْسَ مِمَّا دَخَلَ
১৬ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুররাহ, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "যদি আমার নিকট রুটি ও গোশতের একটি বড় পাত্র আনা হয় এবং আমি তা থেকে তৃপ্ত হওয়া পর্যন্ত আহার করি, আর উটের দুধের একটি বড় পেয়ালা আনা হয় এবং আমি তা থেকে পেট পুরে পান করি, এমতাবস্থায় আমি ওজু অবস্থায় থাকি, তবে আমি (পুনরায়) পানি স্পর্শ না করার পরোয়া করব না। আমি কি পবিত্র বস্তুসমূহ আহার করার কারণে ওজু করব?" ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ মুহাম্মদ বলেন: এটিই ইমাম আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বক্তব্য এবং আমরা একেই গ্রহণ করি; আগুন যা পরিবর্তন করেছে (অর্থাৎ রান্না করা খাবার) তার কারণে ওজু নেই, বরং ওজু তো কেবল তা থেকে করতে হয় যা শরীর থেকে নির্গত হয়, যা ভেতরে প্রবেশ করে তার কারণে নয়।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٧)
17 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَاذَانَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 28⦘ بَيْتِي، فَأَتَيْتُهُ بِلَحْمٍ قَدْ شُوِيَ، فَطَعِمَ مِنْهُ، فَدَعَا بِمَاءٍ، فَغَسَلَ كَفَّيْهِ، وَمَضْمَضَ ثُمَّ صَلَّى، وَلَمْ يُحْدِثْ وُضُوءًا "
১৭ - মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে জাযান, শুরাহবিল থেকে বর্ণিত, আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ আমার ঘরে প্রবেশ করলেন, তখন আমি তাঁর নিকট কিছু ভাজা গোশত নিয়ে আসলাম। তিনি তা থেকে আহার করলেন, এরপর তিনি পানি চাইলেন এবং তাঁর উভয় হাতের কবজি ধৌত করলেন ও কুলি করলেন। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং নতুন করে অজু করলেন না। "
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٢٩)
18 - مُحَمَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا شَيْبَةُ بْنُ مُسَاوِرٍ، قَالَ: كُنْتُ قَاعِدًا عِنْدَ عَدِيِّ بْنِ أَرْطَأَةَ إِذْ سُئِلَ الْحَسَنُ الْبَصْرِيَّ: أَتَوَضَّأُ مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ؟ فَقَالَ ⦗ص: 30⦘: «نَعَمْ» فَقَالَ بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ: «دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى عَمَّتِهِ صَفِيَّةَ بِنْتِ عَبْدِ الْمُطَّلِبٍ رضي الله عنها، فَنَتَفَتْ لَهُ مِنْ كَتِفٍ بَارِدَةٍ، فَطَعِمَ مِنْهَا وَلَمْ يُحْدِثْ وُضُوءًا» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِقَوْلِ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
১৮ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের কাছে আবু হানিফা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে শায়বা ইবনে মুসাবির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আদি ইবনে আরতা’র নিকট বসা ছিলাম, তখন হাসান বসরীকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আগুনের স্পর্শ লেগেছে (রান্না করা হয়েছে) এমন কিছু ভক্ষণ করলে কি আমি অজু করব? তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘: «হ্যাঁ»। তখন বকর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুযানী বললেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ফুফু সাফিয়্যাহ বিনতে আব্দুল মুত্তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলেন, তখন তিনি নবীজীর জন্য (রান্না করা) একটি ঠান্ডা কাঁধের গোশত থেকে কিছু অংশ ছিঁড়ে দিলেন। তিনি তা থেকে আহার করলেন এবং নতুন করে অজু করেননি»। মুহাম্মদ বলেন: আমরা বকর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুযানীর এই বক্তব্যটিই গ্রহণ করি এবং এটিই আবু হানিফা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর অভিমত।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣١)
19 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي مَاجِدٍ الْحَنَفِيِّ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: بَيْنَمَا نَحْنُ فِي الْمَسْجِدِ قُعُودًا مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ إِذْ أَقْبَلُوا بِحَفْنَةٍ وَقُلَّةٍ مِنْ مَاءٍ مِنْ بَابِ الْفِيلِ نَحْوَنَا، فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنه: إِنِّي لَأَرَاكُمْ تُرَادُونَ بِهَذِهِ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: أَجَلْ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَأْدُبَةٌ كَانَتْ فِي الْحَيِّ فَوُضِعَتْ، فَطَعِمَ مِنْهَا وَشَرِبَ مِنَ الْمَاءِ، ثُمَّ صَبَّ عَلَى يَدَيْهِ، فَغَسَلَهُمَا، وَمَسَحَ وَجْهَهُ وَذِرَاعَيْهِ بِبَلَلِ يَدَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: هَذَا وُضُوءُ مَنْ لَمْ يُحْدِثْ " ⦗ص: 32⦘ قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَبِهِ نَأْخُذُ، وَلَا بَأْسَ بِالْوُضُوءِ فِي الْمَسْجِدِ إِذَا كَانَ مِنْ غَيْرِ قَذَرٍ
১৯ - মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদেরকে অবহিত করেছেন আবু হানিফা, তিনি বলেছেন যে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাজিদ আল-হানাফি থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদা আমরা যখন মসজিদে ইবনে মাসউদের সাথে বসা ছিলাম, তখন লোকজন ‘বাবুল ফিল’ (হস্তীদ্বার) দিয়ে কিছু খাদ্য ও এক পাত্র পানি নিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে এল। তখন ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: আমি মনে করছি তোমাদেরকে এর দ্বারা আপ্যায়নের ইচ্ছা করা হয়েছে। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে একজন বললেন: হ্যাঁ, হে আবু আব্দুর রহমান! মহল্লায় একটি ভোজের আয়োজন ছিল, তাই এটি এখানে আনা হয়েছে। অতঃপর তিনি তা থেকে আহার করলেন এবং পানি পান করলেন। এরপর তিনি তাঁর উভয় হাতে পানি ঢাললেন এবং হাত দুটি ধৌত করলেন, আর হাতের সিক্ততা দিয়ে নিজের মুখমণ্ডল ও উভয় বাহু মাসেহ করলেন। অতঃপর বললেন: এটি ঐ ব্যক্তির ওজু যার ওজু ভঙ্গ হয়নি। ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ মুহাম্মদ বলেন: এটিই ইমাম আবু হানিফার অভিমত এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি। আর মসজিদে ওজু করায় কোনো দোষ নেই যদি তা নোংরামি বা অপবিত্রতা থেকে মুক্ত থাকে।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٣)
‌‌بَابُ مَا يَنْقُضُ الْوُضُوءَ مِنَ الْقُبْلَةِ وَالْقَلْسِ
চুম্বন এবং বমির কারণে ওযু ভঙ্গ হওয়া বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٣)
20 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «إِذَا قَلَسْتَ مِلْءَ فِيكَ فَأَعِدْ وُضُوءَكَ، وَإِذَا كَانَ أَقَلَّ مِنْ مِلْءِ فِيكَ فَلَا تُعِدْ وُضُوءَكَ» ⦗ص: 34⦘ قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
২০ - মুহাম্মাদ বলেছেন: আমাদেরকে আবু হানিফা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যদি তোমার মুখভর্তি বমি হয় তবে তোমার অজু পুনরায় করো, আর যদি তা মুখভর্তির চেয়ে কম হয় তবে তোমার অজু পুনরায় করো না» ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ মুহাম্মাদ বলেছেন: এটিই আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বক্তব্য এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٤)
21 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الرَّجُلِ يَقْدَمُ مِنْ سَفَرٍ فَتُقَبِّلُهُ خَالَتُهُ أَوْ عَمَّتُهُ، أَوِ امْرَأَةٌ مِمَّنْ يَحْرُمُ عَلَيْهِ نِكَاحُهَا، قَالَ: «لَا يَجِبُ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ إِذَا قَبَّلَ مَنْ يَحْرُمُ عَلَيْهِ نِكَاحُهَا، وَلَكِنْ إِذَا قَبَّلَ مَنْ يَحِلُّ لَهُ نِكَاحُهَا وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ، وَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْحَدَثِ» قَالَ مُحَمَّدٌ ⦗ص: 35⦘: وَهَذَا قَوْلُ إِبْرَاهِيمَ، وَلَسْنَا نَأْخُذُ بِهَذَا وَلَا نَرَى فِي الْقُبْلَةِ وُضُوءًا عَلَى حَالٍ إِلَّا أَنْ يَمْذِيَ فَيَجِبُ عَلَيْهِ لِلْمَذْيِ الْوُضُوءُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
২১ - মুহাম্মদ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে সফর থেকে ফিরে এসেছে এবং তার খালা বা ফুফু অথবা এমন কোনো নারী যাকে বিবাহ করা তার জন্য হারাম, সে তাকে চুম্বন করেছে। তিনি (ইবরাহিম) বলেছেন: «যাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ তাকে চুম্বন করলে তার ওপর অজু ওয়াজিব হয় না, কিন্তু যাকে বিবাহ করা বৈধ তাকে চুম্বন করলে তার ওপর অজু ওয়াজিব হয় এবং তা হাদাছ (অজু ভঙ্গের কারণ) এর সমপর্যায়ের।» মুহাম্মদ বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘: এটি ইবরাহিমের অভিমত, কিন্তু আমরা এটি গ্রহণ করি না। আমরা কোনো অবস্থাতেই চুম্বনের কারণে অজু ওয়াজিব মনে করি না, যদি না মজি নির্গত হয়; মজি নির্গত হলে তার কারণে অজু ওয়াজিব হবে। এটিই আবু হানিফা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর অভিমত।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٥)
‌‌بَابُ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ
লিঙ্গ স্পর্শ করার কারণে উযু করার অধ্যায়
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٥)
22 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلِيِّ ⦗ص: 36⦘ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه فِي مَسِّ الذَّكَرِ أَنَّهُ قَالَ: «مَا أُبَالِي أَمَسِسْتُهُ أَمْ طَرَفَ أَنْفِي» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رضي الله عنه، وَبِهِ نَأْخُذُ
২২ - মুহাম্মাদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানিফা, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলী ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে লিঙ্গ স্পর্শ করার বিষয়ে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমি পরোয়া করি না যে আমি এটি স্পর্শ করলাম নাকি আমার নাকের অগ্রভাগ।" মুহাম্মাদ বলেন: এটিই আবু হানিফা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর অভিমত এবং আমরা এটিই গ্রহণ করি।
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٦)
23 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ رضي الله عنه سُئِلَ عَنِ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ، فَقَالَ: «إِنْ كَانَ نَجِسًا فَاقْطَعْهُ، يَعْنِي أَنَّهُ لَا بَأْسَ بِهِ»
২৩ - মুহাম্মদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানীফা, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে যে, ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লিঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: "যদি এটি অপবিত্র হতো তবে তা কেটে ফেলো; অর্থাৎ এতে কোনো সমস্যা নেই।"
(খণ্ড: ١) আল-আসার লি মুহাম্মাদ বিন হাসান (পৃষ্ঠা: ٣٧)
24 - مُحَمَّدٌ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه مَرَّ بِرَجُلٍ يَغْسِلُ ذَكَرَهُ فَقَالَ: «مَا تَصْنَعُ وَيْحَكَ إِنَّ هَذَا ⦗ص: 38⦘ لَمْ يُكْتَبْ عَلَيْكَ» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَغَسْلُهُ أَحَبُّ إِلَيْنَا إِذَا بَالَ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
২৪ - মুহাম্মাদ বলেন: আমাদেরকে আবু হানিফা সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাদ থেকে, ইবরাহিম থেকে যে, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে তার লিঙ্গ ধৌত করছিল। তখন তিনি বললেন: «তোমার প্রতি আফসোস! তুমি কী করছ? নিশ্চয় এটি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ তোমার ওপর আবশ্যক করা হয়নি» মুহাম্মাদ বলেন: আর প্রস্রাব করার পর তা ধৌত করা আমাদের নিকট অধিক প্রিয়, এবং এটিই আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বক্তব্য।