(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: -)
الإفهام في شرح عمدة الأحكام القسم: شروح الحديث
الكتاب: الإفهام في شرح عمدة الأحكام (شرح على متن عمدة الأحكام لشيخ الإسلام الإمام عبد الغني المقدسي - رحمه الله - (541 - 600هـ))
المؤلف: عبد العزيز بن عبد الله بن باز (ت 1420هـ)
حققه واعتنى به وخرج أحاديثه: د. سعيد بن علي بن وهف القحطاني
الناشر: توزيع مؤسسة الجريسي
عدد الصفحات: 896
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 9 رمضان 1435
‘উমদাতুল আহকাম’-এর ব্যাখ্যায় ‘আল-ইফহাম’ বিভাগ: হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ
বই: ‘উমদাতুল আহকাম’-এর ব্যাখ্যায় ‘আল-ইফহাম’ (শাইখুল ইসলাম ইমাম আব্দুল গনী আল-মাকদিসী - রহিমাহুল্লাহ - (৫৪১ - ৬০০ হিজরি) এর রচিত ‘উমদাতুল আহকাম’ মূলগ্রন্থের ব্যাখ্যা)
লেখক: আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (মৃত্যু ১৪২০ হিজরি)
তাহকীক, সম্পাদনা এবং হাদিস তাখরীজ করেছেন: ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতাহনী
প্রকাশক: আল-জুরাইসী ফাউন্ডেশন কর্তৃক বিতরিত
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৯৬
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৯ রমজান ১৪৩৫
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١)
الإفهام
في شرح عمدة الأحكام لسماحة الشيخ الإمام
عبدالعزيز بن عبداللَّه بن باز رحمه الله
(1330 - 1420هـ)
شرح على متن عمدة الأحكام لشيخ الإسلام الإمام عبد الغني المقدسي رحمه الله
(541 - 600هـ)
حققه واعتنى به وخرج أحاديثه
الفقير إلى الله تعالى
د. سعيد بن علي بن وهف القحطاني
আল-ইফহাম
উমদাতুল আহকামের ব্যাখ্যায়: মান্যবর শাইখ ইমাম
আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (রাহিমাহুল্লাহ)
(১৩৩০ - ১৪২০ হিজরি)
শাইখুল ইসলাম ইমাম আব্দুল গনি আল-মাকদিসি (রাহিমাহুল্লাহ) (৫৪১ - ৬০০ হিজরি)-এর উমদাতুল আহকাম মূলগ্রন্থের ব্যাখ্যা
তাহকিক, সম্পাদনা ও হাদিসসমূহের তাখরিজ করেছেন
মহান আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী
ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহত্বানি
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
من عبد العزيز بن عبد اللَّه بن محمد آل الشيخ إلى حضرة الأخ المكرم/ د. سعيد بن علي بن وهف القحطاني سلمه اللَّه.
سلام عليكم ورحمة اللَّه وبركاته
… أما بعد:
فأشير إلى خطابكم المؤرخ في 2/ 4/1434هـ ومشفوعه نسخة من شرح سماحة الإمام الشيخ عبد العزيز بن عبد اللَّه بن باز رحمه الله على كتاب عمدة الأحكام للإمام: عبد الغني المقدسي رحمه الله المعنون بـ «الإفهام في شرح عمدة الأحكام»، والذي قمتم بالاعتناء به، وتخريج أحاديثه، ورغبتكم الإذن بطبعه.
نفيدكم أنه لا مانع لدينا من طباعة الكتاب المذكور، ونعيد لكم مسودة الكتاب المشار له بعاليه، وفقكم اللَّه وأعانكم.
والسلام عليكم ورحمة اللَّه وبركاته.
المفتي العام للمملكة العربية السعودية
ورئيس هيئة كبار العلماء وإدارة البحوث العلمية والإفتاء
حرر في 6/ 3/ 1435هـ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-শেখ-এর পক্ষ থেকে সম্মানীয় ভ্রাতা ডক্টর সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহতাহনী (আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ রাখুন)-এর প্রতি।
আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক
... অতঃপর:
আমি ২/৪/১৪৩৪ হিজরি তারিখের আপনাদের পত্র এবং তার সাথে সংযুক্ত ইমাম আব্দুল গনী আল-মাকদিসী (রহিমাহুল্লাহ)-এর কিতাব ‘উমদাতুল আহকাম’-এর ওপর মহামান্য ইমাম শেখ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ—যার শিরোনাম ‘আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম’—তার একটি পাণ্ডুলিপির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যা আপনি সম্পাদনা ও হাদিসসমূহের তাখরীজ করেছেন এবং এটি মুদ্রণের অনুমতির আবেদন করেছেন।
আমরা আপনাকে জানাচ্ছি যে, উল্লিখিত বইটি মুদ্রণে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই। আমরা উপরোক্ত কিতাবটির পাণ্ডুলিপি আপনাদের নিকট ফেরত পাঠাচ্ছি। আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুন এবং আপনার সহায় হোন।
আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
সৌদি আরব রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতি
এবং সিনিয়র উলামা কাউন্সিল ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ইফতা বিভাগের প্রধান
সম্পাদিত হয়েছে ৬/৩/১৪৩৫ হিজরিতে
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[مقدمة مؤسسة عبد العزيز بن باز الخيرية]ـ
الحمد للَّه وحده، والصلاة والسلام على من لا نبي بعده، أما بعد:
فيطيب «لمؤسسة الشيخ عبد العزيز بن باز الخيرية» أن تضع بين يدي القارئ الكريم هذا الشرح النافع الماتع لسماحة شيخنا الشيخ: عبد العزيز بن عبد اللَّه بن باز رحمه الله على كتاب (عمدة الأحكام للإمام عبد الغني بن عبد الواحد المقدسي رحمه الله)، وقد تولّى
-مشكوراً- خدمة هذا الشرح فضيلة أخينا الشيخ/ د. سعيد بن علي بن وهف القحطاني -وفقه اللَّه وسدّده-، حيث بذل جهداً طيباً في تفريغ المادة الصوتية، وضبطها وفق القواعد العلمية المقررة في المؤسسة، إضافة إلى خدمات العزو، والتخريج، والتبويب، نسأل اللَّه تعالى أن يجزل له الأجر والمثوبة.
كما نسأله سبحانه أن يضاعف الأجر والمثوبة لسماحة شيخنا: عبد العزيز بن باز رحمه الله، وأن يجعل هذا الشرح من العلم النافع الذي يجري عليه أجره في قبره، وأن يجمعنا به في دار كرامته مع الأحبة محمد صلى الله عليه وسلم وصحبه.
وصلى اللَّه وسلّم على نبيّنا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين،،
مؤسسة الشيخ عبد العزيز بن باز الخيرية
[আবদুল আজিজ বিন বাজ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের ভূমিকা]
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সেই সত্তার ওপর যাঁর পরে আর কোনো নবী নেই। অতঃপর:
“শেখ আবদুল আজিজ বিন বাজ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন” সম্মানিত পাঠকের সামনে আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় শায়খ, শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন বাজ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর এই উপকারী ও চমৎকার ব্যাখ্যাগ্রন্থটি উপস্থাপন করতে পেরে আনন্দিত, যা ইমাম আবদুল গনি বিন আবদুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর লিখিত গ্রন্থ ‘উমদাতুল আহকাম’-এর ওপর প্রদান করা হয়েছে। এবং
—কৃতজ্ঞতাভাজন হয়ে— আমাদের সম্মানিত ভাই শায়খ ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহতানি (আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দান করুন ও সঠিক পথে রাখুন) এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটির খেদমতের জিম্মাদারি পালন করেছেন; যেখানে তিনি অডিও রেকর্ড থেকে অনুলিখন এবং ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত ইলমি নীতিমালা অনুযায়ী তা বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি উদ্ধৃতি প্রদান, তাখরিজ এবং অধ্যায় বিন্যাসের কাজও সম্পন্ন করেছেন। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁকে এর জন্য মহা প্রতিদান ও সওয়াব দান করেন।
সেই সাথে আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের শায়খ আবদুল আজিজ বিন বাজ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর নেকি ও প্রতিদান বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন এবং এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটিকে এমন উপকারী জ্ঞান হিসেবে কবুল করেন যার সওয়াব তাঁর কবরে জারি থাকে, আর তাঁরই মর্যাদাপূর্ণ আবাসে প্রিয়তম মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীদের সাথে আমাদের একত্রিত করেন।
আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার এবং তাঁর সকল সাহাবীদের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
শেখ আবদুল আজিজ বিন বাজ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة المحققإن الحمد للَّه، نحمده، ونستعينه، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، صلّى اللَّه عليه وعلى آله، وأصحابه، وسلّم تسليماً كثيراً، أما بعد:
فهذا شرح مُيَسَّر لكتاب «عمدة الأحكام» للإمام المحدث عبدالغني بن عبد الواحد المقدسي رحمه الله، شرحه: شيخ الإسلام في عصره، المجدِّد شيخنا: عبد العزيز بن عبد اللَّه بن باز رحمه الله، وذلك بين أذان العشاء، والإقامة في مسجده الذي بجوارِ منزله، في مدينة الرياض، حي البديعة، يقرؤه عليه إمام مسجده الشيخ محمد إلياس بن عبد القادر الهندي، وذلك عام 1409هـ، وكان شرح سماحة الشيخ مميزاً جداً، ومختصراً، ومحققاً، ومحكماً، وهو إلهام من اللَّه تعالى، فقد كان الشيخ في هذا الشرح المبارك يشرح في كل جلسة: ثلاثة أحاديث، وأحياناً أربعة، وأحياناً خمسة أحاديث، وفي بعض الأحيان حديثين، وفي بعض الأحيان حديثاً واحداً فقط، ويستشهد في شرحه بأحاديث كثيرة جداً، ومختصرة، وصحيحة، وكان يقتصر على القول الصحيح الذي تشهد له الأدلة من الكتاب والسنة، و {ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ} (1).
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
মুহাক্কিকের ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর:
এটি ইমাম মুহাদ্দিস আব্দুল গণি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী (রাহিমাহুল্লাহ) বিরচিত ‘উমদাতুল আহকাম’ গ্রন্থের একটি সহজবোধ্য ব্যাখ্যা। এর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তাঁর সময়ের শায়খুল ইসলাম, মুজাদ্দিদ, আমাদের শায়খ: আব্দুল আজীজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ)। রিয়াদ শহরের আল-বাদিয়া মহল্লায় অবস্থিত তাঁর বাড়ির পার্শ্ববর্তী মসজিদে এশা’র আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে এই ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছিল। তাঁর নিকট এটি পাঠ করতেন তাঁর মসজিদের ইমাম শায়খ মুহাম্মদ ইলিয়াস ইবনে আব্দুল কাদির আল-হিন্দি, আর এটি ছিল ১৪০৯ হিজরীর ঘটনা। শায়খের এই ব্যাখ্যাটি ছিল অত্যন্ত অনন্য, সংক্ষিপ্ত, গবেষণালব্ধ ও সুসংহত। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ ইলহাম (অনুপ্রেরণা) ছিল। শায়খ এই বরকতময় ব্যাখ্যায় প্রতিটি মজলিসে তিনটি হাদিস, কখনো চারটি, কখনো পাঁচটি, কখনো দুটি, আবার কখনো কখনো মাত্র একটি হাদিস ব্যাখ্যা করতেন। তিনি তাঁর ব্যাখ্যায় প্রচুর পরিমাণে সংক্ষিপ্ত ও সহীহ হাদিস উদ্ধৃত করতেন। তিনি কেবলমাত্র কিতাব ও সুন্নাহর দলীল দ্বারা সমর্থিত সঠিক মতটির ওপরই সীমাবদ্ধ থাকতেন; এবং {এটি আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা এটি দান করেন, আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল} (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٦)
وقد بقي هذا الشرح لم يخدم من عام 1409هـ إلى هذا العام 1434هـ، وقد حَصَلْتُ على نسخة خطية مفرّغة عن طريق الشيخ عبد العزيز بن ناصر بن باز، ابن عم سماحة شيخنا ابن باز رحمه الله، وذلك عام 1415هـ، وقال: إنه حصل عليها من قِبَلِ الشيخ الدكتور عمر بن سعود العيد، واتصلت بالشيخ عمر، فسألته من فرّغها؟ فقال: فرغها بعض الطالبات في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، ولكن كان التفريغ ناقصاً، فهو من أول الكتاب إلى الحديث رقم 391 من كتاب الأطعمة، وكانت جميع الأشرطة عندي «عشرون شريطاً»، فدفعتُ الأشرطة كلها للشيخ عيد بن محمد الرميح، وهو من تلاميذ شيخنا ابن باز، ففرَّغ الناقص من أول باب الصيد إلى نهاية الكتاب من الحديث رقم 392 إلى الحديث رقم 430، «ثمانية وثلاثين حديثاً»، ثم دفعه إليَّ - جزاه اللَّه خيراً- وبقي هذا التفريغ عندي سنين عديدة، وقد مضى على تسجيل درس الشيخ رحمه الله لهذا الكتاب ست وعشرون سنة، ولم يُخرج من أي جهة علمية، والتفريغ لا يعتمد عليه؛ لأن الذي فرَّغ ثلاثمائة واثنين وتسعين حديثاً لا يُعرف بعينه، فشرح اللَّه صدري لتحقيقه، فأخذت النسخة المفرَّغة، وطبعتها، ثم صححناها ثلاث مرات، فوجدنا فيها أخطاء كثيرة جداً من المفرِّغين للأشرطة، فما كان منِّي إلا العزم على التحقيق فأخذت أطابق، وأقابل بين كلام سماحة الشيخ رحمه الله، وبين المفرَّغ: كلمة كلمة -وللَّه الحمد- وكان التسجيل رديئاً جداً، ولكن أعانني اللَّه على ذلك، فله الحمد حتى يرضى، وله الحمد بعد الرضى.
এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি ১৪০৯ হিজরি থেকে এই ১৪৩৪ হিজরি পর্যন্ত কোনো প্রকার তাত্ত্বিক সেবা বা সম্পাদনা ছাড়াই পড়ে ছিল। আমি ১৪১৫ হিজরিতে আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় শাইখ ইবনে বাজ (আল্লাহ তাকে রহমত করুন)-এর চাচাতো ভাই শাইখ আব্দুল আজিজ বিন নাসের বিন বাজের মাধ্যমে অডিও থেকে অনুলিপি করা একটি পাণ্ডুলিপি লাভ করি। তিনি বলেছিলেন যে, তিনি এটি শাইখ ডক্টর উমর বিন সাউদ আল-ঈদের নিকট থেকে পেয়েছেন। আমি শাইখ উমরের সাথে যোগাযোগ করলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এটি কে অনুলিখন করেছে? তিনি বললেন: ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রী এটি অনুলিখন করেছে; কিন্তু অনুলিখনটি অসম্পূর্ণ ছিল, যা কিতাবের শুরু থেকে ‘কিতাবুল আতিমাহ’ (খাদ্যদ্রব্য অধ্যায়)-এর ৩৯১ নম্বর হাদিস পর্যন্ত ছিল। আমার কাছে মোট বিশটি অডিও ক্যাসেট ছিল, তাই আমি সবকটি ক্যাসেট শাইখ ঈদ বিন মুহাম্মদ আল-রুমাইহের নিকট হস্তান্তর করলাম, যিনি আমাদের শাইখ ইবনে বাজের অন্যতম ছাত্র। অতঃপর তিনি ‘বাবুল সাইদ’ (শিকার অধ্যায়)-এর শুরু থেকে কিতাবের শেষ পর্যন্ত ৩৯২ নম্বর হাদিস থেকে ৪৩০ নম্বর হাদিস পর্যন্ত মোট আটত্রিশটি হাদিসের অসম্পূর্ণ অংশ অনুলিখন সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি তা আমার কাছে ফেরত দেন—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন—এবং এই অনুলিপিটি আমার কাছে দীর্ঘ বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল। শাইখ (আল্লাহ তাকে রহমত করুন)-এর এই কিতাবের পাঠদানের রেকর্ডিংয়ের পর ইতোমধ্যে ছাব্বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে, অথচ কোনো বৈজ্ঞানিক বা তাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান থেকে এটি প্রকাশিত হয়নি। আর এই অনুলিপিটির ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা সম্ভব ছিল না; কারণ ৩৯২টি হাদিস যিনি অনুলিখন করেছেন, তার পরিচয় সুনির্দিষ্টভাবে জানা ছিল না। অতঃপর আল্লাহ তাআলা এই কিতাবটির তাহকিক বা সম্পাদনার জন্য আমার বক্ষ উন্মুক্ত করে দিলেন। তাই আমি অনুলিপিটি নিলাম এবং তা মুদ্রণ করলাম। এরপর আমরা এটি তিনবার সংশোধন করলাম এবং এতে ক্যাসেট থেকে অনুলিখনকারীদের পক্ষ থেকে প্রচুর ভুল দেখতে পেলাম। ফলে আমি এটি তাহকিক করার দৃঢ় সংকল্প করলাম এবং পরম শ্রদ্ধেয় শাইখ (আল্লাহ তাকে রহমত করুন)-এর মূল বক্তব্য ও অনুলিপিটির মধ্যে শব্দে শব্দে মিলিয়ে দেখতে শুরু করলাম—সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। অডিও রেকর্ডিংটি অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল, কিন্তু আল্লাহ আমাকে এ কাজে সাহায্য করেছেন। সুতরাং তাঁরই প্রশংসা যতক্ষণ না তিনি সন্তুষ্ট হন এবং তাঁরই প্রশংসা সন্তুষ্টির পরেও।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٧)
وكان عملي على النحو الآتي:1 - مقابلة المسموع على المخطوط المفرَّغ للأحاديث والشرح باستماع ذلك كلِّه من كلام الشيخ رحمه الله مباشرة عن طريق صوته المسجَّل مقابلة على التفريغ المذكور كلمة كلمة.
2 - اعتمدت نسخة عمدة الأحكام التي حققها محمود الأرناؤوط، وراجعها والده عبد القادر الأرناؤوط، وقد اعتمد في تحقيقه على نسخة خطية، وعلى نسخة الفقي المطبوعة، ونسخة محب الدين الخطيب المطبوعة، وجعلتها الأصل، وقابلتها أربع مرات، على نسخة عمدة الأحكام التي حققها سمير الزهيري التي اعتمد فيها على ثلاث نسخ خطية، وإذا اختلفت الألفاظ أشرت في الحاشية إلى الفروق بين النسختين، وأحلت إلى مواضع هذه الفروق في صحيح البخاري، ومسلم، أو أحدهما، إن وجدت، برقم الحديث فيهما، أو في أحدهما، ورمزت لتحقيق سمير الزهيري بـ: نسخة الزهيري.
3 - قابلت أحاديث عمدة الأحكام على أصولها من صحيح الإمام البخاري رحمه الله، وصحيح الإمام مسلم رحمه الله، كلمة كلمة، والحمد لله، وإذا وجدت بعض الفروق بين ما في كتاب العمدة، وبين ما في الصحيحين ذكرت في الحاشية لفظ الحديث عند البخاري، ومسلم، أو عند أحدهما، ولم أغيِّر شيئاً من متن العمدة؛ لأن المؤلف قد يكون عنده نسخ أخرى من الصحيحين، وقد يكون نقل الحديث من كتاب الجمع بين الصحيحين للحميدي.
4 - عزو أحاديث المتن إلى مواضعها في الصحيحين مع ذكر:
আমার কর্মপদ্ধতি ছিল নিম্নরূপ:১ - শেখের (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) রেকর্ডকৃত অডিও সরাসরি শোনার মাধ্যমে প্রতিটি হাদীস এবং তার ব্যাখ্যার শ্রুত পাঠকে লিখিত পাণ্ডুলিপির সাথে শব্দে শব্দে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
২ - আমি মাহমুদ আল-আরনাউত কর্তৃক সম্পাদিত এবং তাঁর পিতা আব্দুল কাদির আল-আরনাউত কর্তৃক পর্যালোচিত 'উমদাতুল আহকাম'-এর সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি। তিনি তাঁর সম্পাদনায় একটি পাণ্ডুলিপি এবং আল-ফিকী ও মুহিব্বুদ্দীন আল-খতীবের মুদ্রিত সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছেন। আমি এটিকে মূল হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং সমীর আল-জুহাইরী কর্তৃক সম্পাদিত 'উমদাতুল আহকাম'-এর সংস্করণের সাথে চারবার মিলিয়ে দেখেছি, যেখানে তিনি তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছিলেন। যদি শব্দে কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে আমি টীকায় উভয় সংস্করণের মধ্যকার পার্থক্য নির্দেশ করেছি। এছাড়া বুখারী ও মুসলিম অথবা উভয়ের হাদীস নম্বর উল্লেখ করে সেই পার্থক্যের স্থানগুলোর উদ্ধৃতি দিয়েছি। সমীর আল-জুহাইরীর সংস্করণকে আমি 'জুহাইরী সংস্করণ' নামে সংকেতবদ্ধ করেছি।
৩ - আমি 'উমদাতুল আহকাম'-এর হাদীসগুলোকে ইমাম বুখারী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) এবং ইমাম মুসলিম (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর মূল সহীহ গ্রন্থের সাথে শব্দে শব্দে মিলিয়েছি, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। যদি 'উমদাতুল আহকাম' এবং 'সহীহাইন'-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য পাওয়া গিয়েছে, তবে আমি টীকায় বুখারী ও মুসলিম অথবা তাঁদের কোনো একজনের বর্ণিত হাদীসের পাঠ উল্লেখ করেছি। তবে আমি 'উমদা'-এর মূল পাঠে কোনো পরিবর্তন করিনি; কারণ হতে পারে লেখকের নিকট 'সহীহাইন'-এর অন্য কোনো পাণ্ডুলিপি ছিল অথবা তিনি সম্ভবত হুমাইদীর 'আল-জামউ বাইনাস সহীহাইন' গ্রন্থ থেকে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন।
৪ - মূল পাঠের হাদীসসমূহকে সহীহাইনে তাদের অবস্থানের উদ্ধৃতি প্রদান এবং সেই সাথে:
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٨)
الكتاب، والباب، ورقم الحديث على ترقيم محمد فؤاد عبد الباقي رحمه الله.
5 - إذا كانت ألفاظ الحديث في متن عمدة الأحكام مجمعة ملفقة من أكثر من حديث في صحيح البخاري، عزوت الحديث إلى هذه المواضع كلها، وحتى لو كان الحديث كاملاً في صحيح مسلم.
6 - تخريج أحاديث وآثار الشرح التي استشهد بها سماحة شيخنا، ونقلت الحكم عليها من أهل العلم.
7 - إذا وضعت تعداداً لبعض الفوائد التي يذكرها شيخنا في الشرح جعلتها بين معقوفين.
8 - إذا لم تُفهم بعض الكلمات في التسجيل ذكرت في الحاشية بقولي: «والذي يظهر أنه كذا»؛ وهي كلمات يسيرة جداً.
9 - التزمت بألفاظ شيخنا الشارح، فذكرتها كما هي على حسب الاستطاعة، والتوفيق بيد اللَّه.
10 - بينت في الحاشية شرح بعض الكلمات الغريبة.
11 - إذا سقطت كلمة من التسجيل جعلت الساقط بين معقوفين، وبينها ثلاث نقاط، ثم ذكرت في الحاشية: «والذي يظهر أنها كذا، أو قلت: منهج الشيخ في الشرح هكذا»، وهذا قليل جداً، والحمد للَّه.
12 - سقط من الشرح بعض الأحاديث، فبحثت عنها في مؤسسة سماحة الشيخ ابن باز، ففرغتها، وأدخلتها في أماكنها، إلا أني لم أجد شرحاً لأربعة وعشرين حديثاً، من حديث رقم 62 إلى حديث رقم 85، واللَّه المستعان.
13 - عملت ترجمة مختصرة لصاحب العمدة: الإمام عبد الغني المقدسي رحمه الله.
গ্রন্থ, অধ্যায় এবং হাদীস নম্বর মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী (রহিমাহুল্লাহ)-এর গণনাক্রম অনুযায়ী প্রদান করা হয়েছে।
5 - যদি ‘উমদাতুল আহকাম’-এর মূল পাঠে হাদীসের শব্দাবলি সহীহ বুখারীর একাধিক হাদীস থেকে সংকলিত ও একত্রিত করা হয়ে থাকে, তবে আমি হাদীসটিকে সেই সকল স্থানের দিকে সম্পৃক্ত করেছি; এমনকি হাদীসটি সহীহ মুসলিমে পূর্ণাঙ্গভাবে থাকলেও।
6 - আমাদের সম্মানিত শাইখ ব্যাখ্যায় যেসব হাদীস ও আসার দ্বারা দলিল পেশ করেছেন সেগুলোর তাখরীজ (উৎস নির্ণয়) করা এবং সেগুলোর ব্যাপারে উলামায়ে কিরামের হুকুম বা সিদ্ধান্ত উদ্ধৃত করা।
7 - শাইখ ব্যাখ্যায় যেসব ফায়েদা বা উপকারিতা উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর জন্য যদি আমি কোনো সংখ্যা বা ক্রম নির্ধারণ করি তবে তা থার্ড ব্র্যাকেটের [ ] মধ্যে রেখেছি।
8 - যদি রেকর্ডিংয়ে কোনো শব্দ বোঝা না যায়, তবে আমি ফুটনোটে আমার এই উক্তির মাধ্যমে তা উল্লেখ করেছি যে: “প্রকাশ্যত শব্দটি এমন হতে পারে”; আর এমন শব্দ খুবই সামান্য।
9 - আমি ব্যাখ্যাকারী শাইখের শব্দাবলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেছি এবং সাধ্যানুযায়ী সেগুলো অবিকল উল্লেখ করেছি; আর তাওফীক আল্লাহর হাতেই।
10 - আমি ফুটনোটে কিছু অপরিচিত বা কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা প্রদান করেছি।
11 - যদি রেকর্ডিং থেকে কোনো শব্দ বাদ পড়ে থাকে, তবে আমি সেই বাদ পড়া অংশটুকু থার্ড ব্র্যাকেটের [ ] মধ্যে রেখেছি এবং তার মাঝে তিনটি বিন্দু (...) দিয়েছি, অতঃপর ফুটনোটে উল্লেখ করেছি: “প্রকাশ্যত শব্দাংশটি এমন”, অথবা আমি বলেছি: “ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে শাইখের পদ্ধতি এমনই”; আর এটি খুবই কম ঘটেছে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
12 - ব্যাখ্যার কিছু হাদীস বাদ পড়ে গিয়েছিল, ফলে আমি সেগুলো ‘সামাহাতুশ শাইখ ইবনে বায ফাউন্ডেশন’-এ অনুসন্ধান করেছি, এরপর সেগুলো শ্রুতিলিপি করে যথাস্থানে সন্নিবেশিত করেছি। তবে আমি ২৪টি হাদীসের কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাইনি, যা ৬২ নম্বর হাদীস থেকে ৮৫ নম্বর হাদীস পর্যন্ত; আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
13 - আমি ‘উমদাতুল আহকাম’ প্রণেতা ইমাম আব্দুল গনি আল-মাকদিসী (রহিমাহুল্লাহ)-এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী তৈরি করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٩)
14 - عملت ترجمة مختصرة لصاحب الشرح: الإمام شيخنا ابن باز رحمه الله.
15 - عملت فهارس علمية تفصيلية للآيات القرآنية، وفهارس لجميع الأحاديث، والآثار في متن عمدة الأحكام، والشرح، والحواشي، وميّزت الأثر بذكر اسم صاحبه أمامه بين معقوفين، وميزت حديث المتن بكلمة [متن] بين معقوفين، وفهارس للألفاظ الغريبة، وفهارس للأشعار، والمصادر والمراجع على حسب الأحرف.
16 - سميته: «الإفهام في شرح عمدة الأحكام».
17 - راجعت الكتاب بعد الصف ثلاث مرات بنفسي، ودفعته إلى غيري، فروجع سبع مرات.
واللَّه أسأل أن يجعل هذا العمل خالصاً لوجهه الكريم، وأن يجعله نافعاً مباركاً، وأن ينفع به شيخنا، ويجعله رفعةً في درجاته في جنات النعيم، وأن ينفعني به في حياتي، وبعد مماتي، وأن ينفع به من انتهى إليه؛ فإنه خير مسؤول، وأكرم مأمول، وهو حسبنا، ونعم الوكيل، ولا حول ولا قوة إلا باللَّه العلي العظيم.
وصلى اللَّه، وسلَّم، وبارك على نبينا محمد، وعلى آله، وأصحابه أجمعين.
كتبه
سعيد بن علي بن وهف القحطاني
حرر بعد عصر يوم الخميس الموافق 2/ 2/ 1435هـ
১৪ - আমি ব্যাখ্যাকারক: আমাদের শাইখ ইমাম ইবনে বায (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী তৈরি করেছি।
১৫ - আমি কুরআনের আয়াতসমূহের বিস্তারিত ইলমী নির্ঘণ্ট এবং 'উমদাতুল আহকাম'-এর মূল পাঠ, ব্যাখ্যা ও টীকাগুলোতে উল্লিখিত সকল হাদিস ও আছারসমূহের নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করেছি। আমি আছারগুলোকে তার প্রবক্তার নাম থার্ড ব্র্যাকেটের মধ্যে উল্লেখ করে চিহ্নিত করেছি এবং মূল পাঠের হাদিসগুলোকে থার্ড ব্র্যাকেটের মধ্যে [মূল পাঠ] শব্দ লিখে পৃথক করেছি। এছাড়াও দুষ্প্রাপ্য শব্দাবলির নির্ঘণ্ট, কবিতা এবং বর্ণানুক্রমিক গ্রন্থপঞ্জি ও তথ্যসূত্র তৈরি করেছি।
১৬ - আমি এর নামকরণ করেছি: «আল-ইফহাম ফি শারহি উমদাতিল আহকাম»।
১৭ - কম্পোজ করার পর আমি নিজে বইটি তিনবার নিরীক্ষণ করেছি এবং অন্যদের কাছে দিয়েছি, ফলে এটি সাতবার নিরীক্ষিত হয়েছে।
আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এই কাজটিকে একমাত্র তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন, একে উপকারী ও বরকতময় করেন এবং এর মাধ্যমে আমাদের শাইখকে উপকৃত করেন ও জান্নাতুন নাঈমে তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তিনি যেন আমাকে আমার জীবনে ও মৃত্যুর পরে এর দ্বারা উপকৃত করেন এবং যার নিকট এটি পৌঁছাবে তাকেও উপকৃত করেন; নিশ্চয়ই তিনি শ্রেষ্ঠ প্রার্থিত সত্তা এবং সর্বোত্তম আশার স্থল। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। আর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।
এবং আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীদের ওপর দরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন।
এটি লিখেছেন
সাঈদ বিন আলী বিন ওয়াহফ আল-কাহত্বানী
২/ ২/ ১৪৩৫ হিজরি, বৃহস্পতিবার আসরের পর লিখিত।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٠)
نبذة عن حياة مؤلف العمدة: الإمام عبد الغني بن عبد الواحد المقدسي
أولاً: نسبه، ومولده، ونشأته، ومكانته العلمية:هو الإمام المحدّث المحقّق المؤرِّخ حافظ عصره، تقي الدين أبو محمد عبد الغني بن عبد الواحد بن علي بن سرور بن رافع بن حسن بن جعفر الجَمَّاعيلي المقدسي، ثم الدمشقي (1).
ولد سنة إحدى وأربعين وخمسمائة بجمَّاعيل (2)، وكان قدومه مع أسرته من بيت المقدس إلى مسجد أبي صالح خارج الباب الشرقي لمدينة دمشق أولاً، ثم انتقلت أسرته إلى سفح جبل قاسيون، فبنوا داراً تحتوي على عَدَدٍ كبيرٍ من الحجرات، دُعيت بدار الحنابلة، ثم شرعوا في بناء أول مدرسة في جبل قاسيون، وهي المعروفة بـ «المدرسة العُمرية»، وقد عُرفت تلك الضاحية التي سكنوها بالصالحيّة فيما بعد نسبة إليهم؛ لأنهم كانوا من أهل العلم والصلاح.
وقد نَشَرَتْ هذه الأسرة الجليلة المذهب الحنبلي في الشام، فانتشرت مدارس المذهب لا في الصالحية فحسب، بل في دمشق ذاتها، وكثر أتباع هذا المذهب في ضواحيها كدومة، والرحيبة، والضمير، وبعلبك، وأثرت هجرتهم في مذهب الإمام أحمد، فقد استطاعوا بدراساتهم، وتآليفهم الفقهية أن يوجدوا كتباً قيّمة في مذهب الإمام أصبحت عمدة المذهب الحنبلي إلى أيامنا، وأثّروا
--------------------------------------------
উমদাহ গ্রন্থের লেখকের জীবনীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: ইমাম আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসিপ্রথমত: তাঁর বংশপরিচয়, জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং ইলমি মর্যাদা:তিনি হলেন ইমাম, মুহাদ্দিস, গবেষক, ঐতিহাসিক এবং নিজ যুগের হাফিজ; তাকিউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরূর বিন রাফে বিন হাসান বিন জাফর আল-জাম্মাইলি আল-মাকদিসি, অতঃপর আদ-দামিশকি (১)।
তিনি ৫৪১ হিজরিতে জাম্মাইলে (২) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর পরিবারের সাথে বাইতুল মাকদিস থেকে প্রথমে দামেস্ক শহরের পূর্ব দরজার (বাব-শারকি) বাইরে অবস্থিত মসজিদে আবু সালেহে আগমন করেন। অতঃপর তাঁর পরিবার কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে অনেকগুলো কক্ষ সংবলিত একটি বাড়ি নির্মাণ করেন, যাকে ‘দারুল হানাবিলা’ বলা হতো। এরপর তারা কাসিয়ুন পাহাড়ে প্রথম মাদরাসা নির্মাণ শুরু করেন, যা ‘আল-মাদরাসাতুল উমারিয়্যাহ’ নামে পরিচিত। তারা যে উপশহরে বসবাস করতেন তা পরবর্তীতে তাঁদের সম্মানে ‘আস-সালিহিয়্যাহ’ নামে পরিচিতি লাভ করে; কারণ তাঁরা ছিলেন ইলম ও তাকওয়াসম্পন্ন (সালেহ) লোক।
এই মহৎ পরিবারটি সিরিয়ায় (শাম) হাম্বলি মাজহাব প্রচার করেছিলেন। ফলে হাম্বলি মাজহাবের মাদরাসাগুলো কেবল সালিহিয়্যাহতেই নয়, বরং খোদ দামেস্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর পার্শ্ববর্তী এলাকা যেমন দুমা, রুহাইবাহ, দ্বুমাইর এবং বালবাক-এ এই মাজহাবের অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তাঁদের হিজরত ইমাম আহমদের মাজহাবের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তাঁরা তাঁদের জ্ঞানতাত্ত্বিক গবেষণা ও ফিকহ শাস্ত্রীয় রচনার মাধ্যমে ইমামের মাজহাবের এমন সব মূল্যবান গ্রন্থ প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছিলেন যা বর্তমান সময় পর্যন্ত হাম্বলি মাজহাবের নির্ভরযোগ্য ভিত্তি (উমদাহ) হিসেবে গণ্য হয়। এবং তাঁরা প্রভাব বিস্তার করেছিলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١١)
أيضاً في علم الحديث، وظلّوا نحو مائة عام يعدّون من فطاحل علماء الحديث، وانتشرت في عصرهم دور الحديث في الصالحيّة ودمشق، وأدخلوا على هذا العلم اتجاهات جديدة كان لها أكبر الأثر في تنسيق علوم الحديث، وتصنيف أبحاثه المتعددة.
وقد تتلمذ الحافظ عبد الغني في صغره على عميد أسرته العلاّمة الفاضل الشيخ أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي، ثم تتلمذ على شيوخ دمشق وعلمائها، فأخذ عنهم الفقه، وغيره من العلوم، ثم قصد بغداد سنة (560 هـ)، ونزل عند الإمام الشيخ عبدالقادر الجيلاني، فقرأ عليه شيئاً من الفقه، والحديث، وأقام عنده نحو أربعن يوماً، بعدها مات الشيخ الجيلاني، فأخذ عن الشيخ أبي الفتح بن المني الفقه والخلاف، ثم رحل إلى أصبهان، فمكث فيها وقتاً طويلاً يدرُس، ويُدرِّس، إلى أن عاد إلى بغداد مرة ثانية سنة (578هـ)، فحدّث بها، وانتقل من ثم إلى دمشق، فأخذ يقرأ الحديث في رواق الحنابلة من مسجد دمشق الأموي، فاجتمع الناس عليه، وكان رقيق القلب، سريع الدمعة، فحصل له قبول من الناس عظيم، فحسده بنو الزكي، وبنو الدَّوْلعي، وجهزوا الناصح ابن الحنبلي، فتكلم تحت قبة النسر في المسجد الأموي، وأمروه أن يجهر بصوته ما أمكنه حتى يشوش على الحافظ عبد الغني، وعند ذلك حوّل الحافظ ميعاد درسه إلى ما بعد العصر، فذكر يوماً عقيدته، فثار عليه القاضي ابن زكيّ الدِّين، وضياء الدين الدَّوْلعي، فعقدا له مجلساً في
হাদিসশাস্ত্রেও তাঁরা প্রায় একশত বছর যাবৎ প্রথিতযশা হাদিস বিশারদদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁদের যুগে সালিহিয়া ও দামেস্কে দারুল হাদিসসমূহ বিস্তৃত হয়। তাঁরা এই শাস্ত্রে নতুন নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যা হাদিসশাস্ত্রের বিন্যাস এবং এর বহুমুখী গবেষণাগুলোর শ্রেণিবিন্যাসে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
হাফেজ আব্দুল গণি শৈশবে তাঁর পরিবারের প্রধান, বিজ্ঞ আলেম শায়খ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসির নিকট শিক্ষালাভ করেন। অতঃপর তিনি দামেস্কের শায়খ ও উলামায়ে কেরামের নিকট শিক্ষাগ্রহণ করেন এবং তাঁদের কাছ থেকে ফিকহ ও অন্যান্য শাস্ত্র অর্জন করেন। এরপর ৫৬০ হিজরি সনে তিনি বাগদাদ অভিমুখে যাত্রা করেন এবং ইমাম শায়খ আব্দুল কাদির জিলানির নিকট অবস্থান করেন। তিনি তাঁর কাছে ফিকহ ও হাদিসের কিছু অংশ পাঠ করেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে প্রায় চল্লিশ দিন অবস্থান করেন। এরপর শায়খ জিলানি ইন্তেকাল করেন। এরপর তিনি শায়খ আবুল ফাতহ বিন আল-মান্নির নিকট থেকে ফিকহ ও খিলাফ (মতপার্থক্যীয় শাস্ত্র) অর্জন করেন। অতঃপর তিনি ইসফাহান সফর করেন এবং সেখানে দীর্ঘকাল অধ্যয়ন ও অধ্যাপনায় নিয়োজিত থাকেন। পরিশেষে ৫৭৮ হিজরি সনে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো বাগদাদে ফিরে আসেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন। এরপর তিনি দামেস্কে চলে যান এবং সেখানে দামেস্কের উমাইয়্যা মসজিদের হানবালি বারান্দায় হাদিস পাঠ শুরু করেন। ফলে মানুষ তাঁর নিকট সমবেত হতে থাকে। তিনি অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের অধিকারী ও ক্রন্দনশীল ছিলেন; তাই মানুষের নিকট তিনি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেন। এতে বনু জাকি ও বনু দাওলাই তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে এবং তারা নাসিহ ইবনুল হানবালিকে প্ররোচিত করে। সে উমাইয়্যা মসজিদের 'কুব্বাতুন নাসর'-এর নিচে আলোচনা শুরু করে এবং তারা তাকে নির্দেশ দেয় যেন সে যথাসম্ভব উচ্চস্বরে কথা বলে, যাতে হাফেজ আব্দুল গণির পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে। এমতাবস্থায় হাফেজ তাঁর পাঠদানের সময় পরিবর্তন করে আসরের পরে নির্ধারণ করেন। একদিন তিনি তাঁর আকিদা বর্ণনা করেন; এতে কাজি ইবনে জাকিউদ্দিন ও জিয়াউদ্দিন দাওলাই তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং তারা তাঁর বিচারের জন্য একটি সভার আয়োজন করেন...
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٢)
قلعة دمشق يوم الإثنين الرابع والعشرين من ذي القعدة سنة (595هـ)، وتكلموا معه في مسألة العلو، ومسألة النزول، ومسألة الحرف والصوت، وطال الكلام، فظهر عليهم الحافظ عبد الغني بالحجة، فقال له الصارم برغش والي القلعة: كل هؤلاء على ضلال، وأنت على حق؟ فقال: نعم، فأرسلوا من كسر منبره في الجامع، ومنعوه من الجلوس فيه، فضاق ذَرعاً، ورحل إلى بعلبك، ومنها إلى مصر، فنزل عند الطحانين، وصار يقرأ الحديث، فنفق بها سوقه، وصار له حشد وأصحاب، فثار عليه الفقهاء بمصر أيضاً، وكتبوا إلى الوزير صفي الدين بن شُكر، فأقر نفيه إلى المغرب، غير أن الحافظ عبد الغني مات قبل وصول كتاب النفي إليه (1).
ثانياً: عبادته وتضرعه، وأوقاته:كان لا يضيّع شيئاً من وقته، يصلي الفجر، ويقرأ القرآن أو الحديث، ثم يتوضأ، ويصلي الكثير من النفل إلى قبيل الظهر، ثم ينام سويعة، ثم يصلي الظهر، ويقبل على التسميع، والتسبيح إلى صلاة العصر فيصليها، ويتابع ما كان عليه إلى الغروب، فيفطر إن كان صائماً، ويصلي المغرب، وينتقل إلى العشاء فيصليها، وينام إلى نصف الليل، ثم يستيقظ فيتوضأ، ويصلي إلى قبيل الفجر، فينام قليلاً، ثم يستيقظ لصلاة الفجر، وهكذا دواليك (2).
--------------------------------------------
৫৯৫ হিজরীর যিলকদ মাসের চব্বিশ তারিখ সোমবার দামেস্কের দুর্গে [এ ঘটনা ঘটে]। তারা তাঁর সাথে আল্লাহর উচ্চতা (উলু), অবতরণ (নুযুল), এবং অক্ষর ও শব্দ (হারফ ও সাওত) সংক্রান্ত মাসআলা নিয়ে বিতর্ক করে। দীর্ঘ আলোচনার পর হাফেয আব্দুল গনি দলীল-প্রমাণের মাধ্যমে তাদের ওপর বিজয়ী হন। তখন দুর্গের গভর্নর সারিম বারগাশ তাঁকে বলেন: "এই সবাই কি ভ্রান্তিতে আছে আর আপনি একাই হকের ওপর আছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ"। অতঃপর তারা লোক পাঠিয়ে জামে মসজিদে তাঁর মিম্বরটি ভেঙে ফেলে এবং তাঁকে সেখানে বসতে নিষেধ করে। এতে তিনি অত্যন্ত সংকুচিত হয়ে পড়েন এবং বালবাক অভিমুখে যাত্রা করেন। সেখান থেকে তিনি মিশরে পৌঁছান এবং আত্তাহানিন নামক স্থানে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি হাদীস পাঠ করাতে শুরু করেন এবং সেখানে তাঁর কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটে, ফলে অনেক লোক ও অনুসারী তাঁর কাছে সমবেত হন। মিশরেও ফকীহরা তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন এবং উজির সফিউদ্দীন বিন শুকর-এর কাছে পত্র লেখেন। উজির তাঁকে মরক্কোতে নির্বাসনের আদেশ দেন, কিন্তু নির্বাসনের সেই আদেশনামা পৌঁছানোর পূর্বেই হাফেয আব্দুল গনি মৃত্যুবরণ করেন (১)।
দ্বিতীয়ত: তাঁর ইবাদত, কাতর প্রার্থনা এবং সময়ানুবর্তিতা:তিনি তাঁর সময়ের বিন্দুমাত্র অপচয় করতেন না। তিনি ফজরের সালাত আদায় করতেন এবং কুরআন অথবা হাদীস পাঠ করতেন। এরপর উযু করে যোহরের পূর্ব পর্যন্ত প্রচুর নফল সালাত আদায় করতেন। এরপর কিছুক্ষণ ঘুমাতেন, তারপর যোহরের সালাত আদায় করে আসর পর্যন্ত হাদীস শ্রবণ করানো এবং তসবীহ পাঠে মগ্ন থাকতেন। এরপর আসর আদায় করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তাঁর পূর্ববর্তী রুটিন অনুযায়ী কাজ করে যেতেন। যদি রোযা থাকতেন তবে ইফতার করতেন। মাগরিবের সালাত আদায় করে এশার সালাত পর্যন্ত সময় অতিবাহিত করতেন, অতঃপর এশা আদায় করে মধ্যরাত পর্যন্ত ঘুমাতেন। এরপর জেগে উঠে উযু করতেন এবং ফজরের পূর্ব পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন। তারপর সামান্য সময় ঘুমিয়ে ফজরের সালাতের জন্য পুনরায় জেগে উঠতেন। এভাবেই নিয়মিত তাঁর দিনকাল অতিবাহিত হতো (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٣)
ثالثاً: شيوخه:أخذ العلم عن الشيخ أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي، وأبي المكارم ابن هلال، وغيرهما في الشام، وعن الشيخ عبد القادر الجيلاني، وأبي الفتح بن المني، وهبة اللَّه بن هلال، وابن البطي ببغداد، وأبي طاهر السِّلَفي في الإسكندرية، وأقام عليه ثلاثة أعوام، وكتب عنه الكثير، وعن أبي محمد بن برِّي النحوي في مصر، وأبي الفضل الطوسي بالموصل، وعبد الرزاق بن إسماعيل القُومساني بهَمَذان، والحافظ أبي موسى المَدِيني، وأقرانه بأصبهان، وغيرهم من الأئمة الأعلام المشهود لهم بالعلم، والفضل (1).
رابعاً: تلامذته:أخذ العلم عنه ولداه: أبو الفتح، وأبو موسى، وعبد القادر الرُّهاوي، وموفّق الدين بن قدامة المقدسي، وابن خليل، واليُونيني، وابن عبد الدائم، وعثمان بن مكي الشارعي، وأحمد بن حامد الأرتاحي، وإسماعيل بن عزُّون، وعبد اللَّه بن علاّق، ومحمد بن مهلهل الجينيّ، وهو آخر من سمع منه، وغيرهم كثير (2).
خامساً: أقوال العلماء فيه:لقد وصفه جمع من مشاهير العلماء بأوصاف كثيرة تنبئ عن
--------------------------------------------
তৃতীয়: তাঁর শায়খগণ:তিনি ইলম অর্জন করেছেন শায়খ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি, আবুল মাকারিম ইবনে হিলাল এবং শামে অন্যদের নিকট। এছাড়া বাগদাদে শায়খ আব্দুল কাদির আল-জিলানি, আবুল ফাতহ বিন আল-মান্নি, হিবাতুল্লাহ বিন হিলাল ও ইবনুল বাত্তি’র নিকট; ইস্কান্দারিয়ায় আবু তাহির আস-সিলাফির নিকট (সেখানে তিনি তিন বছর অবস্থান করেন এবং তাঁর থেকে প্রচুর ইলম লিপিবদ্ধ করেন); মিশরে আবু মুহাম্মাদ বিন বাররি আল-নাহউয়ি; মোসেলে আবুল ফাদল আত-তুসি; হামাদানে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইসমাইল আল-কূমাসানি এবং আসফাহানে হাফেজ আবু মুসা আল-মাদিনি ও তাঁর সমসাময়িকদের নিকট এবং ইলম ও শ্রেষ্ঠত্বের জন্য স্বীকৃত আরও অনেক প্রখ্যাত ইমামদের নিকট ইলম শিক্ষা করেছেন (১)।
চতুর্থ: তাঁর ছাত্রগণ:তাঁর দুই পুত্র: আবুল ফাতহ ও আবু মুসা তাঁর নিকট ইলম শিক্ষা করেছেন। এছাড়া আব্দুল কাদির আল-রুহাভি, মুওয়াফফাকুদ্দীন ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি, ইবনে খলিল, আল-ইউনিনি, ইবনে আব্দুল দায়িম, উসমান বিন মাক্কি আল-শারেয়ি, আহমাদ বিন হামিদ আল-আর্তাহি, ইসমাইল বিন আজজুন, আব্দুল্লাহ বিন আল্লাক এবং মুহাম্মাদ বিন মুহালহাল আল-জিনি (যিনি তাঁর নিকট থেকে শ্রবণকারী সর্বশেষ ব্যক্তি ছিলেন) এবং আরও অনেকে তাঁর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন (২)।
পঞ্চম: তাঁকে নিয়ে আলেমদের উক্তি:প্রসিদ্ধ আলেমদের একটি জামাত তাঁকে এমন অনেক বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন যা নির্দেশ করে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٤)
تمكُّنه من علم الحديث، وتحليقه في إطار علم الرجال، وصفاء سريرته، وقوة اعتقاده، وأمره بالمعروف، ونهيه عن المنكر، وغضبه لانتهاك حدود اللَّه عز وجل (1).
قال ضياء الدين المقدسي: «كان لا يُسْأَلُ عَنْ حَدِيْثٍ إِلَاّ ذَكَرَهُ وَبَيَّنَهُ، وَذَكَرَ صِحَّتَهُ، أَوْ سقمَهُ، وَكَانَ يُقال: هو أَمِيْرَ المُؤْمِنِيْنَ فِي الحَدِيْثِ، جاء إليه رجل فقال: رجلٌ حلف بالطلاق أنك تحفظ مائة ألف حديث، فقال: لو قال أكثر من هذا العدد لصدق» (2).
وقال أيضاً: «رأيت فيما يرى النائم- وأنا بمَرْو- كأن الحافظ عبد الغني جالس، والإِمام البخاري يقرأ عليه من جزء، أو كتاب، وكان الحافظ يرد عليه شيئاً» (3).
وقال تاج الدين الكندي: «لَمْ يَرَ الحَافِظُ مِثْلَ نَفْسِهِ، ولَمْ يَكُنْ بَعْدَ الدَّارَقُطْنِيِّ مِثْلُ الحَافِظِ عَبْدِ الغَنِيِّ» (4).
وقال ابن النجار في تاريخه: «حدّث بالكثير، وصنّف تصانيف حسنة في الحديث، وكان غزير الحفظ، من أهل الإتقان والتجويد، قيّماً بجميع فنون الحديث» (5).
--------------------------------------------
হাদিস শাস্ত্রে তাঁর পারদর্শিতা, রিজাল শাস্ত্রে (বর্ণনাকারী বিষয়ক জ্ঞান) তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব, তাঁর অন্তরের পরিচ্ছন্নতা, তাঁর সুদৃঢ় আকিদা, তাঁর সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ এবং মহান আল্লাহর সীমানা লঙ্ঘিত হলে তাঁর ক্রোধ প্রকাশ (১)।
জিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি বলেন: “তাঁকে কোনো হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলেই তিনি সেটি বর্ণনা করতেন ও ব্যাখ্যা করতেন এবং তার বিশুদ্ধতা কিংবা দুর্বলতা উল্লেখ করতেন। তাঁর সম্পর্কে বলা হতো: তিনি হাদিস শাস্ত্রে আমিরুল মুমিনিন। জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল: এক ব্যক্তি তালাকের কসম খেয়ে বলেছে যে, আপনি এক লক্ষ হাদিস মুখস্থ জানেন। তিনি বললেন: সে যদি এর চেয়ে বেশি সংখ্যার কথা বলত, তবে সে সত্যই বলত” (২)।
তিনি আরও বলেন: “আমি স্বপ্নে দেখেছি—যখন আমি মার্ভ শহরে ছিলাম—যেন হাফেজ আব্দুল গণি বসে আছেন এবং ইমাম বুখারি তাঁর নিকট কোনো একটি পাণ্ডুলিপি বা কিতাব থেকে পড়ে শোনাচ্ছেন, আর হাফেজ (আব্দুল গণি) তাঁকে কিছু সংশোধন করে দিচ্ছেন” (৩)।
তাজউদ্দীন আল-কিন্দি বলেন: “হাফেজ (আব্দুল গণি) নিজের মতো কাউকে দেখেননি এবং ইমাম দারা কুতনির পর হাফেজ আব্দুল গণির মতো আর কেউ ছিলেন না” (৪)।
ইবনে নাজ্জার তাঁর ইতিহাসে বলেন: “তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং হাদিস শাস্ত্রে চমৎকার সব কিতাব রচনা করেছেন। তিনি ছিলেন প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী, অত্যন্ত নির্ভুল ও দক্ষ এবং হাদিসের সকল শাখায় পারদর্শী” (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٥)
وقال الشيخ موفق الدين بن قدامة المقدسي: «كان رفيقي، وما كنا نستبق إلى خير إلا سبقني إليه، إلاّ القليل، وكمل اللَّه فضيلته بابتلائه بأذى أهل البدعة، وقيامهم عليه، ورُزق العلم، وتحصيل الكتب الكثيرة، إلَاّ أنّه لم يعمَّر حتى يبلغ غرضه في روايتها ونشرها» (1).
وقال سبط ابن الجوزي: «كان ورِعاً، زاهداً، عابداً، يقوم أكثر الليل، وكان كريماً جواداً، لا يدَّخِر شيئاً، يتصدق على الأرامل والأيتام، حيث لا يراه أحد، وكان يرقع ثوبه، ويؤثر بثمن الجديد، وكان قد ضعف بصره من كثرة المطالعة والبكاء، وكان أوحد زمانه في علم الحديث والحفظ.
قال الحرّاني: «كان يخرج من بيته فيصطف الناس في السوق ينظرون إليه؛ ولو أقام بأصبهان مدة، وأراد أن يملكها لملكها» (2).
وقال الإمام ابن كثير عنه وعن الحافظ المزي: «رحمهما اللَّه، فلقد كانا نادرين في زمانهما في أسماء الرجال حفظاً، وإتقاناً، وسماعاً، وإسماعاً، وسرداً للمتون، وأسماء الرجال» (3).
وقال الإمام الذهبي: «وكان غزير الحفظ من أهل الإتقان والتجويد، قيمًا بجميع فنون الحديث، إلى أن قال: وكان كثير
--------------------------------------------
এবং শায়খ মুওয়াফ্ফাকুদ্দীন ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি বলেন: «তিনি আমার সঙ্গী ছিলেন, আর আমরা যখনই কোনো কল্যাণের পথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতাম, খুব অল্প ক্ষেত্র ছাড়া তিনি আমার আগেই তাতে পৌঁছে যেতেন। আর আল্লাহ বিদআতিদের পক্ষ থেকে আসা কষ্ট এবং তাঁর বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানের পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর মর্যাদা পূর্ণ করেছেন। তাঁকে ইলম এবং প্রচুর কিতাব সংগ্রহের তাওফিক দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি দীর্ঘায়ু লাভ করেননি যাতে সেগুলোর বর্ণনা ও প্রচারের ক্ষেত্রে তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করতে পারেন» (১)।
এবং সিবত ইবনুল জাওযী বলেন: «তিনি ছিলেন পরহেযগার, দুনিয়াবিমুখ ও ইবাদতগুজার; রাতের অধিকাংশ সময় দাঁড়িয়ে ইবাদত করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানশীল ও উদার, কোনো কিছু জমা করে রাখতেন না। কেউ দেখতে না পায় এমনভাবে তিনি বিধবা ও এতিমদের সদকা করতেন। তিনি নিজের কাপড়ে তালি লাগাতেন এবং নতুনের দাম (অন্যকে) দান করে অগ্রাধিকার দিতেন। অতিরিক্ত পড়াশোনা ও কান্নার কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। ইলমে হাদিস ও মুখস্থ করার ক্ষেত্রে তিনি তাঁর সময়ের অদ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন।
হাররানি বলেন: «তিনি যখন ঘর থেকে বের হতেন, বাজারে মানুষ তাঁকে দেখার জন্য সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে যেত; তিনি যদি ইসফাহানে কিছুকাল অবস্থান করতেন এবং তা অধিকার করতে চাইতেন, তবে তিনি অবশ্যই তার মালিক হয়ে যেতেন» (২)।
এবং ইমাম ইবনে কাসীর তাঁর সম্পর্কে এবং হাফেজ মিয্যি সম্পর্কে বলেন: «আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন, তাঁরা দুজনেই তাঁদের সময়ে রাবীদের নাম মুখস্থ রাখা, নির্ভুলতা, শ্রবণ, পাঠদান এবং মূল মতন ও রাবীদের নাম অনর্গল বর্ণনার ক্ষেত্রে বিরল ব্যক্তিত্ব ছিলেন» (৩)।
এবং ইমাম যাহাবী বলেন: «তিনি ছিলেন প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী এবং পারদর্শিতা ও নিপুণতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত, হাদিসের সকল শিল্পে দক্ষ, এমনকি তিনি বলেন: এবং তিনি ছিলেন অনেক...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٦)
العبادة، ورعًا، متمسكًا بالسنة على قانون السلف» (1).
وقال الإمام الذهبي أيضاً: «كانَ شَيْخُنَا الحَافِظُ لَا يَكَادُ يُسْأَلُ عَنْ حَدِيْثٍ إِلَاّ ذَكَرَهُ وَبَيَّنَهُ، وَذَكَرَ صِحَّتَهُ أَوْ سقمَهُ، وَلَا يُسْأَلُ عَنْ رَجُلٍ إِلَاّ قَالَ: هُوَ فُلَانُ بنُ فُلَانٍ الفُلَانِيُّ، وَيذكرُ نسبَهُ» (2).
سادساً: أمره بالمعروف ونهيه عن المنكر:كان لا يرى منكرًا إلا غيره بيده أو بلسانه، وكان لا تأخذه في الله لومة لائم، وقد أراق مرة خمرًا فسل صاحبه السيف فلم يخف وكان قويًّا فأخذ السيف من يد الرجل وكان يكسر الشبابات والطنابير» (3).
سابعاً: جوده وكرمه:قال الحافظ الذهبي رحمه الله: «وكان جوادًا كريمًا، لا يدّخر شيئًا، ولا درهمًا، وقيل: كان يخرج في الليل بقفات (4) الدقيق، فإذا فتحوا ترك ما معه، ومضى لئلا يعرف، وربما كان عليه ثوب مرقع» (5).
فجمع إلى السخاء بالعلم السخاء بالمال، ولذا كان محبَّباً عند الناس جميعاً (6).
--------------------------------------------
ইবাদতকারী, পরহেযগার, সালাফদের অনুসৃত নীতি অনুযায়ী সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন» (১)।
এবং ইমাম আয-যাহাবী আরও বলেছেন: «আমাদের শায়খ হাফিজ (আবদুল গনি) এমন ছিলেন যে, তাঁকে কোনো হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা বর্ণনা করতেন ও ব্যাখ্যা করতেন এবং তার শুদ্ধতা বা দুর্বলতা উল্লেখ করতেন; আর কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন: সে অমুকের পুত্র অমুক, এবং তাঁর বংশপরম্পরা উল্লেখ করতেন» (২)।
ষষ্ঠত: সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ:তিনি কোনো মন্দ কাজ দেখলে তা নিজ হাত অথবা জিহ্বা দিয়ে পরিবর্তন না করে ছাড়তেন না, এবং আল্লাহর পথে তিনি কোনো নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করতেন না। একবার তিনি মদ ঢেলে ফেলে দিয়েছিলেন, তখন মদের মালিক তরবারি বের করেছিল কিন্তু তিনি ভয় পাননি; তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিলেন, ফলে তিনি লোকটির হাত থেকে তরবারিটি কেড়ে নিয়েছিলেন এবং তিনি বাঁশি ও বাদ্যযন্ত্র ভেঙে ফেলতেন» (৩)।
সপ্তমত: তাঁর উদারতা ও দানশীলতা:হাফিজ আয-যাহাবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «তিনি অত্যন্ত দানশীল ও উদার ছিলেন, কোনো কিছুই জমা রাখতেন না, এমনকি একটি দিরহামও না। বলা হয়ে থাকে যে: তিনি রাতে আটার ঝুড়ি (৪) নিয়ে বের হতেন, যখন তারা দরজা খুলত তখন তিনি সাথে যা থাকত তা রেখে চলে আসতেন যাতে তাঁকে চেনা না যায়; কখনও কখনও তাঁর পরনে তালি দেওয়া কাপড় থাকত» (৫)।
এভাবে তিনি ইলমের বদান্যতার সাথে মালের বদান্যতাকেও একত্রিত করেছিলেন, আর এ কারণেই তিনি সকল মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন (৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٧)
ثامناً: تصانيفه:صنّف تصانيف كثيرة في مختلف العلوم والفنون، منها ما هو كبير في عدة مجلدات، ومنها ما هو صغير في مجلد واحد، أو رسالة صغيرة، وجميعها مفيدة نافعة، منها: كِتَابُ المِصْبَاح فِي عُيونِ الأَحَادِيْثِ الصِّحَاحِ، وهو مشتملٌ عَلَى أَحَادِيْثِ الصَّحِيْحَيْنِ، فَهُوَ مُسْتخرَجٌ عَلَيْهِمَا بِأَسَانِيْدِهِ، فِي ثَمَانِيَةٍ وَأَرْبَعِيْنَ جُزْءاً، وكِتَابُ: نِهَايَة المُرَادِ فِي السُّنَنِ نَحْوُ مائَتَيْ جزءٍ لَمْ يَبَيِّضْهُ، وكِتَابُ: اليَواقيت مُجَلَّدٌ، وكِتَابُ: تُحْفَة الطَّالبينَ فِي الجِهَادِ وَالمُجَاهِدِيْنَ مُجَلَّدٌ، وكِتَابُ: فَضَائِل خَيْرِ البرِيَّةِ أَرْبَعَةُ أَجزَاءٍ، وكِتَابُ: الرَّوْضَة مُجَلَّدٌ، وكِتَابُ: التَّهجُّد جُزْآنِ، وكِتَابُ: الفَرَج جزآنِ، وكِتَابُ: الصِّلَات إِلَى الأَمْوَاتِ جزآنِ، وكتاب: الصِّفَات جزآنِ، وكتاب: مِحْنَة الإِمَامِ أَحْمَدَ جُزْآنِ، وكتاب: ذَمّ الرِّيَاءِ جُزْء، وكتاب: ذَمّ الغِيبَةِ جُزْء، وكتاب: التَّرغِيب فِي الدُّعَاءِ جُزْء، وكتاب: فَضَائِل مَكَّةَ أَرْبَعَةُ أَجزَاءٍ، وكتاب: الأَمْر بِالمَعْرُوفِ جزءٌ، وكتاب: فَضل رَمَضَانَ جُزْء، وكتاب: فَضل الصَّدَقَةِ جُزْء، وكتاب: فَضل عَشْرِ ذِي الحِجَّةِ جزءٌ، وكتاب: فَضَائِل الحَجِّ جزءٌ، وكتاب: فَضل رَجَب، وكتاب: وَفَاة النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جزءٌ، وكتاب: الأَقسَام الَّتِي أَقسمَ بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، وكِتَابُ الأَرْبَعِيْنَ بِسندٍ وَاحِدٍ، وأَرْبَعِيْنَ مِنْ كَلَامِ رَبِّ العَالِمِينَ، وكِتَابُ: الأَرْبَعِيْنَ آخرُ، وكِتَابُ: الأَرْبَعِيْنَ رَابعُ، واعْتِقَاد الشَّافِعِيِّ جزءٌ، وكِتَابُ: الحِكَايَاتِ سَبْعَةُ أَجزَاءٍ، وتَحَقِيْق مُشْكِلِ الأَلْفَاظِ في مجلَّدَيْنِ،
অষ্টম: তাঁর রচনাবলি:তিনি বিভিন্ন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলায় অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে কোনটি কয়েক খণ্ডে সমাপ্ত বিশাল গ্রন্থ, আবার কোনটি এক খণ্ডের ছোট গ্রন্থ বা ছোট পুস্তিকা। এর প্রতিটিই অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও উপকারী। তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে: 'কিতাবুল মিসবাহ ফি উয়ুনিল আহাদিসিস সিহাহ' (সহীহ হাদিসসমূহের মৌলিক সংকলন বিষয়ক প্রদীপ), এটি বুখারি ও মুসলিমের সহীহ হাদিসসমূহের সংকলন এবং তিনি নিজের সনদসহ এই দুই গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে এটি একটি 'মুস্তাখরাজ' হিসেবে ৪৮ জুযে (খণ্ডে) রচনা করেছেন। আরও রয়েছে: 'নিহায়াতুল মুরাদ ফিস সুনান' (সুনান শাস্ত্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য) গ্রন্থটি যা প্রায় দুইশ জুয, কিন্তু তিনি এর চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি তৈরি করে যেতে পারেননি; 'আল-ইয়াওয়াকিত' (পদ্মরাজ মণি) এক খণ্ডে; 'তুহফাতুত তালিবীন ফিল জিহাদি ওয়াল মুজাহিদীন' (জিহাদ ও মুজাহিদদের বিষয়ে জ্ঞানান্বেষীদের জন্য উপহার) এক খণ্ডে; 'ফাদায়িলু খাইরিল বারিয়্যাহ' (সৃষ্টি জগতের শ্রেষ্ঠতম সত্তার গুণাবলি) চার জুযে; 'আর-রাওদাহ' (উদ্যান) এক খণ্ডে; 'আত-তাহাজ্জুদ' (রাত্রিকালীন নামাজ) দুই জুযে; 'আল-ফারাজ' (বিপদমুক্তি) দুই জুযে; 'আস-সিলাতু ইলাল আমওয়াত' (মৃতদের নিকট পৌঁছানো হাদিয়া) দুই জুযে; 'আস-সিফাত' (আল্লাহর গুণাবলি) দুই জুযে; 'মিহনাতুল ইমাম আহমাদ' (ইমাম আহমাদের পরীক্ষা) দুই জুযে; 'যামমুর রিয়া' (লোক দেখানো ইবাদতের নিন্দা) এক জুযে; 'যামমুল গীবাহ' (পরনিন্দার সমালোচনা) এক জুযে; 'আত-তারগীব ফিদ দুআ' (দোয়া করার প্রতি উৎসাহ প্রদান) এক জুযে; 'ফাদায়িলু মক্কাহ' (মক্কার ফজিলত) চার জুযে; 'আল-আমর বিল মা'রুফ' (সৎ কাজের আদেশ) এক জুযে; 'ফাদলু রমাদান' (রমজানের ফজিলত) এক জুযে; 'ফাদলুস সাদাকাহ' (দান-সদকার ফজিলত) এক জুযে; 'ফাদলু আশরি যিলহিজ্জাহ' (জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের ফজিলত) এক জুযে; 'ফাদায়িলুল হাজ্জ' (হজের ফজিলত) এক জুযে; 'ফাদলু রাজাব' (রজব মাসের ফজিলত) গ্রন্থটি; 'ওয়াফাতুন নবী' (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (নবীর ওফাত) এক জুযে; 'আল-আকসামুল্লাতি আকসামা বিহান নবী' (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব বিষয়ের শপথ করেছেন) গ্রন্থটি; 'আল-আরবাঈন বি-সানাদিন ওয়াহিদ' (একই সনদে বর্ণিত চল্লিশ হাদিস); 'রব্বুল আলামীনের বাণী থেকে সংকলিত চল্লিশ হাদিস'; 'চল্লিশ হাদিস'-এর অন্য একটি গ্রন্থ; চতুর্থ আরও একটি 'চল্লিশ হাদিস'-এর গ্রন্থ; 'ইতিকাদুশ শাফিয়ী' (ইমাম শাফিয়ীর আকিদা) এক জুযে; 'আল-হিকায়াত' (উপাখ্যানসমূহ) সাত জুযে; এবং 'তাহকীকু মুশকিলিল আলফাজ' (জটিল শব্দাবলির বিশ্লেষণ) দুই খণ্ডে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٨)
والجَامِعُ الصَّغِيْرُ فِي الأَحكَامِ لَمْ يَتِمَّ، وذِكْر القُبُوْرِ جزءٌ، والأَحَادِيْث
وَالحِكَايَات كان يَقرؤهَا لِلْعَامَّةِ، مائَة جزءٍ، ومَنَاقِب عُمَرَ بنِ عَبْدِ العَزِيْزِ جزءٌ، وَعِدَّةُ أَجزَاءٍ فِي مَنَاقِبِ الصَّحَابَةِ، وَأَشيَاءَ كَثِيْرَةً جِدّاً مَا تَمَّتْ، وَالجَمِيْعُ بِأَسَانِيْدِهِ، بِخَطِّهِ المَلِيْحِ الشَّدِيدِ السُّرعَةِ، وَأَحكَامه الكُبْرَى مُجَلَّدٌ، وَالصَّغرَى مُجَيْلِيْدٌ، وكِتَابُ: دُرَر الأَثرِ مُجَلَّدٌ، وكِتَابُ: السِّيرَة جزءٌ كَبِيْرٌ، والأَدعيَة الصَّحيحَة جزءٌ، وتَبيين الإِصَابَةِ لأَوهَامٍ حصلَتْ لأَبِي نُعَيْمٍ فِي مَعْرِفَةِ الصَّحَابَةِ جُزْآنِ، تَدُلُّ عَلَى برَاعتِهِ وَحفظِهِ، وكِتَابُ: الكَمَال فِي مَعْرِفَةِ رِجَالِ الكُتُبِ السِّتَّةِ فِي أَرْبَعَةِ أَسفَارٍ، يَرْوِي فِيْهِ بِأَسَانِيْدِهِ (1).
تاسعاً: وفاته:وما زال يُتحف الأمة بعلومه الزاخرة، وكتبه، ورسائله القيّمة، ويعبد اللَّه عز وجل، ويدعو الناس إلى دينه، حتى توفَّاه اللَّه في يوم الإثنين الثالث والعشرين من شهر ربيع الأول سنة ستمائة من الهجرة، وله تسع وخمسون سنة، فزفّت روحه الطاهرة إلى خالقها، ودفن بمقبرة القرافة بمصر إلى جوار الشيخ أبي عمرو بن مرزوق، رحمه الله برحمته الواسعة، وأسكنه فسيح جنانه (2).
--------------------------------------------
বিধানাবলির সংক্ষিপ্ত সংকলন যা সমাপ্ত হয়নি, কবরের আলোচনা এক খণ্ড, এবং হাদিসসমূহ
ও উপাখ্যানসমূহ যা তিনি সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে পাঠ করতেন তা ছিল একশত খণ্ড, ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের গুণাবলি এক খণ্ড, সাহাবীগণের গুণাবলি বিষয়ে বেশ কিছু খণ্ড এবং আরও অনেক বিষয় যা সমাপ্ত হয়নি; এই সব কিছুই তিনি তাঁর নিজস্ব সনদসহ তাঁর অত্যন্ত দ্রুতগতির সুন্দর হস্তাক্ষরে লিখেছিলেন। তাঁর ‘আহকামুল কুবরা’ এক বিশাল খণ্ডে, ‘আহকামুস সুগরা’ ছোট এক খণ্ডে, ‘দুরারুল আসার’ কিতাব এক খণ্ডে, ‘আস-সিরাত’ কিতাবটি বড় এক খণ্ডে, ‘সহিহ দোয়াসমূহ’ এক খণ্ডে এবং আবু নুয়াইমের ‘মারিফাতুস সাহাবা’ গ্রন্থে সংঘটিত ভুলসমূহের বর্ণনায় ‘তাবয়িনুল ইসাবাহ’ দুই খণ্ডে রচিত, যা তাঁর পাণ্ডিত্য ও মুখস্থশক্তির প্রমাণ দেয়। ছয় কিতাবের বর্ণনাকারীদের পরিচিতি বিষয়ক ‘আল-কামাল’ কিতাবটি চার খণ্ডে বিভক্ত, যাতে তিনি স্বীয় সনদসহ বর্ণনা করেছেন (১)।
নবম: তাঁর মৃত্যু:তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে উম্মাহকে তাঁর অগাধ ইলম, মূল্যবান গ্রন্থাবলি ও রিসালাহসমূহ উপহার দিয়ে যাচ্ছিলেন, মহান আল্লাহর ইবাদত করছিলেন এবং মানুষকে তাঁর দ্বীনের দিকে আহ্বান জানাচ্ছিলেন; অবশেষে হিজরি ৬০০ সনের রবিউল আউয়াল মাসের ২৩ তারিখ সোমবার আল্লাহ তাআলা তাঁকে মৃত্যু দান করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। অতঃপর তাঁর পবিত্র আত্মা তাঁর স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যায় এবং মিশরের আল-কারাফা কবরস্থানে শেখ আবু আমর বিন মারজুকের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। আল্লাহ তাঁর ওপর তাঁর প্রশস্ত রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ মকামে স্থান দান করুন (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ١٩)
نبذة عن حياة الشارح الإمام عبد العزيز بن عبد الله بن باز رحمه الله
أولاً: ما قال سماحته عن نفسه (1):
أنا عبد العزيز بن عبد اللَّه بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد اللَّه آل باز.
ولدت بمدينة الرياض في ذي الحجة سنة 1330 هـ. وكنت بصيراً في أول الدراسة، ثم أصابني المرض في عينيّ عام 1346هـ، فضعف بصري بسبب ذلك، ثم ذهب بالكلية في مستهلّ مُحرّم من عام 1350هـ، والحمد للَّه على ذلك، وأسأل اللَّه جلّ وعلا أن يعوضني عنه بالبصيرة في الدنيا، والجزاء الحسن في الآخرة، كما وعد بذلك سبحانه على لسان نبيه محمّد صلى الله عليه وسلم ، كما أسأله سبحانه أن يجعل العاقبة حميدة في الدنيا والآخرة.
وقد بدأت الدراسة منذ الصغر، وحفظت القرآن الكريم قبل البلوغ، ثم بدأت في تلقي العلوم الشرعية، والعربية على أيدي كثير من علماء الرياض، من أعلامهم:
1 - الشيخ محمد بن عبد اللطيف بن عبد الرحمن بن حسن ابن الشيخ محمد بن عبد الوهاب رحمهم الله.
2 - الشيخ صالح بن عبد العزيز بن عبد الرحمن بن حسين ابن
--------------------------------------------
ব্যাখ্যাকারক ইমাম আবদুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বাজ-এর জীবনীর সংক্ষিপ্তসার আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন
প্রথমত: মহামান্য নিজ সম্পর্কে যা বলেছেন (১):
আমি আবদুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল বাজ।
আমি ১৩৩০ হিজরি সালের জিলহজ মাসে রিয়াদ শহরে জন্মগ্রহণ করি। পড়াশোনার শুরুতে আমি দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন ছিলাম। এরপর ১৩৪৬ হিজরি সালে আমার চোখে রোগাক্রান্ত হয়, যার ফলে আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। অতঃপর ১৩৫০ হিজরি সালের মহররম মাসের শুরুতে তা পুরোপুরি চলে যায়। এর জন্য আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা। আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে এর বিনিময়ে দুনিয়াতে অন্তর্দৃষ্টি দান করেন এবং আখেরাতে উত্তম প্রতিদান দান করেন, যেমনটি মহান আল্লাহ তাঁর নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যবানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই সাথে আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন দুনিয়া ও আখেরাতে আমার শেষ পরিণাম কল্যাণময় করেন।
আমি ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনা শুরু করি এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করি। এরপর রিয়াদের অনেক বরেণ্য আলেমদের সান্নিধ্যে থেকে শরয়ী এবং আরবি ভাষা সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জন করতে শুরু করি। তাঁদের মধ্যে প্রথিতযশা কয়েকজন হলেন:
১ - শাইখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল লতিফ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে হাসান ইবনে শাইখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)।
২ - শাইখ সালেহ ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে হুসাইন ইবনে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الشيخ محمد بن عبد الوهاب (قاضي الرياض) رحمهم الله.
3 - الشيخ سعد بن حمد بن عتيق (قاضي الرياض) رحمه الله.
4 - الشيخ حمد بن فارس (وكيل بيت المال بالرياض) رحمه الله.
5 - الشيخ سعد وقاص البخاري (من علماء مكة المكرمة) رحمه الله، أخذت عنه علم التجويد في عام 1355 هـ.
6 - سماحة الشيخ محمد بن إبراهيم بن عبد اللطيف آل الشيخ رحمه الله، وقد لازمت حلقاته نحواً من عشر سنوات، وتلقيت عنه جميع العلوم الشرعية ابتداء من سنة 1347 هـ إلى سنة 1357 هـ؛ حيث رُشّحت للقضاء من قبل سماحته.
جزى اللَّه الجميع أفضل الجزاء، وأحسنه، وتغمّدهم جميعاً برحمته، ورضوانه.
وقد توليت عدة أعمال هي:
1 - القضاء في منطقة الخرج مدة طويلة استمرّت أربعةَ عشرَ عاماً وأشهراً، وامتدت بين سنتي 1357هـ إلى عام 1371هـ، وقد كان التعيين في جمادى الآخرة من عام 1357 هـ، وبقيت إلى نهاية عام 1371 هـ.
2 - التدريس في المعهد العلمي بالرياض سنة 1372 هـ، وكلية الشريعة بالرياض بعد إنشائها سنة 1373 هـ في علوم الفقه
শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রিয়াদের বিচারক), আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন।
৩ - শায়খ সাদ বিন হামাদ বিন আতিক (রিয়াদের বিচারক), আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
৪ - শায়খ হামাদ বিন ফারিস (রিয়াদের বাইতুল মালের প্রতিনিধি), আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
৫ - শায়খ সাদ ওয়াক্কাস আল-বুখারি (মক্কা মুকাররমার আলিমগণের অন্তর্ভুক্ত), আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন; তাঁর নিকট আমি ১৩৫৫ হিজরিতে তাজবিদ শাস্ত্র শিক্ষা লাভ করেছি।
৬ - সামাহাতুশ শায়খ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল লতিফ আল-শেখ, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন; আমি প্রায় দশ বছর যাবৎ তাঁর ইলমি মজলিসসমূহে উপস্থিত ছিলাম এবং ১৩৪৭ হিজরি থেকে ১৩৫৭ হিজরি পর্যন্ত তাঁর নিকট থেকে সকল শারয়ী ইলম অর্জন করেছি; পরবর্তীতে তাঁর মাধ্যমেই আমি বিচারক পদের জন্য মনোনীত হই।
আল্লাহ তাঁদের সকলকে সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিদান দান করুন এবং তাঁদের সকলকে তাঁর রহমত ও সন্তুষ্টির চাদরে আবৃত করুন।
আমি বেশ কিছু পদের দায়িত্ব পালন করেছি, সেগুলো হলো:
১ - আল-খারজ অঞ্চলে দীর্ঘ সময় যাবত বিচারকের দায়িত্ব পালন, যা চৌদ্দ বছর কয়েক মাস স্থায়ী ছিল। এর সময়কাল ছিল ১৩৫৭ হিজরি থেকে ১৩৭১ হিজরি পর্যন্ত। ১৩৫৭ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে আমার নিয়োগ হয়েছিল এবং আমি ১৩৭১ হিজরির শেষ পর্যন্ত সেখানে বহাল ছিলাম।
২ - ১৩৭২ হিজরিতে রিয়াদের আল-মা'হাদ আল-ইলমিতে শিক্ষকতা এবং ১৩৭৩ হিজরিতে রিয়াদের শরিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেখানে ফিকহ শাস্ত্রের শিক্ষকতা।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢١)
والتوحيد والحديث، واستمرّ عملي على ذلك تسع سنوات انتهت في عام 1380 هـ.
3 - عُيّنت في عام 1381 هـ نائباً لرئيس الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة، وبقيت في هذا المنصب إلى عام 1390 هـ.
4 - توليت رئاسة الجامعة الإسلامية في سنة 1390 هـ بعد وفاة رئيسها شيخنا الشيخ محمد بن إبراهيم آل الشيخ رحمه الله في رمضان عام 1389هـ، وبقيت في هذا المنصب إلى سنة 1395 هـ.
5 - وفي 14/ 10/ 1395 هـ صدر الأمر الملكي بتعييني في منصب الرئيس العام لإدارات البحوث العلمية والإفتاء والدعوة والإرشاد، وبقيت في هذا المنصب إلى سنة 1414 هـ.
6 - وفي 20/ 1/ 1414 هـ صدر الأمر الملكي بتعييني في منصب المفتي العام للمملكة، ورئيس هيئة كبار العلماء، ورئيس إدارة البحوث العلمية والإفتاء، ولا أزال إلى هذا الوقت في هذا العمل (1).
أسأل اللَّه العون والتوفيق والسداد.
ولي إلى جانب هذا العمل في الوقت الحاضر عضوية في كثير من المجالس العلمية والإسلامية من ذلك:
--------------------------------------------
এবং তাওহীদ ও হাদীস; আর আমার এই কাজ নয় বছর অব্যাহত ছিল যা ১৩৮০ হিজরি সালে শেষ হয়।
৩ - ১৩৮১ হিজরি সালে আমি মদীনা মুনাওয়ারার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হই এবং ১৩৯০ হিজরি সাল পর্যন্ত এই পদে আসীন থাকি।
৪ - ১৩৯০ হিজরি সালে আমি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করি, যখন এর পূর্ববর্তী সভাপতি আমাদের শাইখ, শাইখ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-শাইখ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) ১৩৮৯ হিজরি সালের রমযান মাসে ইন্তেকাল করেন। আমি ১৩৯৫ হিজরি সাল পর্যন্ত এই পদে বহাল ছিলাম।
৫ - অতঃপর ১৪/১০/১৩৯৫ হিজরি তারিখে রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আমাকে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইফতা, দাওয়াত ও ইরশাদ বিভাগসমূহের জেনারেল প্রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং আমি ১৪১৪ হিজরি সাল পর্যন্ত এই পদে আসীন থাকি।
৬ - এরপর ২০/১/১৪১৪ হিজরি তারিখে রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আমাকে রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতি, সিনিয়র উলামা পরিষদের প্রধান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ইফতা বিভাগের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত আমি এই দায়িত্বে নিয়োজিত আছি (১)।
আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য, তাওফিক এবং সঠিক পথের ওপর অটল থাকার প্রার্থনা করছি।
বর্তমান সময়ে এই কাজের পাশাপাশি আমি আরও অনেক বৈজ্ঞানিক ও ইসলামি পরিষদের সদস্য হিসেবেও যুক্ত আছি, যার মধ্যে রয়েছে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
1 - رئاسة هيئة كبار العلماء بالمملكة.
2 - رئاسة اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء في الهيئة المذكورة.
3 - عضوية ورئاسة المجلس التأسيسي لرابطة العالم الإسلامي.
4 - رئاسة المجلس الأعلى العالمي للمساجد.
5 - رئاسة المجمع الفقهي الإسلامي بمكة المكرمة التابع لرابطة العالم الإسلامي.
6 - عضوية المجلس الأعلى للجامعة الإسلامية في المدينة المنورة.
7 - عضوية الهيئة العليا للدعوة الإسلامية في المملكة.
أما مؤلفاتي، فمنها:
1 - الفوائد الجلية في المباحث الفرضية (1).
2 - التحقيق والإيضاح لكثير من مسائل الحج والعمرة والزيارة (2) (توضيح المناسك).
3 - التحذير من البدع، ويشتمل على أربع مقالات مفيدة:
--------------------------------------------
১ - বাদশাহীর (সৌদি আরবের) জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের সভাপতিত্ব।
২ - উল্লিখিত পরিষদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ইফতা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতিত্ব।
৩ - রাবেতাতুল আলম আল-ইসলামী (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ)-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিষদের সদস্যপদ ও সভাপতিত্ব।
৪ - মসজিদের জন্য বিশ্ব উচ্চতর পরিষদের সভাপতিত্ব।
৫ - রাবেতাতুল আলম আল-ইসলামীর অধীনে মক্কা মুকাররমায় অবস্থিত ইসলামি ফিকহ একাডেমির সভাপতিত্ব।
৬ - মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর পরিষদের সদস্যপদ।
৭ - বাদশাহীর ইসলামি দাওয়াহ বিষয়ক উচ্চতর পরিষদের সদস্যপদ।
আর আমার রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:
১ - আল-ফাওয়াইদ আল-জালিয়্যাহ ফিল মাবাহিস আল-ফারদিয়্যাহ (উত্তরাধিকার শাস্ত্রের আলোচনা প্রসঙ্গে সুস্পষ্ট উপকারিতা) (১)।
২ - হজ্জ, উমরাহ ও যিয়ারতের অনেক মাসআলার বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা (২) (মানাসিক বা হজ্জের নিয়মাবলীর ব্যাখ্যা)।
৩ - বিদআত সম্পর্কে সতর্কতা, যা চারটি উপকারী প্রবন্ধের সমন্বয়:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
- حكم الاحتفال بالمولد النبوي.
- حكم الاحتفال بليلة الإسراء والمعراج.
- حكم الاحتفال بليلة النصف من شعبان.
- تكذيب الرؤيا المزعومة من خادم الحجرة النبوية المسمى الشيخ أحمد (1).
4 - رسالتان موجزتان في الزكاة والصيام (2).
5 - العقيدة الصحيحة وما يضادها (3).
6 - وجوب العمل بسنة الرسول صلى الله عليه وسلم وكفر من أنكرها (4).
7 - الدعوة إلى اللَّه وأخلاق الدعاة (5).
8 - وجوب تحكيم شرع اللَّه ونبذ ما خالفه (6).
9 - حكم السفور والحجاب ونكاح الشغار (7).
--------------------------------------------
- ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের বিধান।
- লাইলাতুল ইসরা ও মিরাজ পালনের বিধান।
- শাবান মাসের মধ্যরাত্রি (শবে বরাত) পালনের বিধান।
- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কক্ষের খাদেম শেখ আহমদ নামধারী ব্যক্তির কথিত স্বপ্নের অসত্যতা প্রতিপন্নকরণ (১)।
৪ - জাকাত ও সিয়াম সম্পর্কে দুটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা (২)।
৫ - সঠিক আকিদাহ ও এর পরিপন্থী বিষয়সমূহ (৩)।
৬ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব হওয়া এবং তা অস্বীকারকারীর কুফরি (৪)।
৭ - আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং দাঈদের চারিত্রিক গুণাবলি (৫)।
৮ - আল্লাহর শরিয়ত অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করা ওয়াজিব হওয়া এবং এর পরিপন্থী বিষয়গুলো বর্জন করা (৬)।
৯ - বেপর্দা হওয়া, হিজাব এবং নিকাহে শিগারের বিধান (৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
10 - نقد القومية العربية (1).
11 - الجواب المفيد في حكم التصوير (2).
12 - الشيخ محمد بن عبد الوهاب (دعوته وسيرته) (3).
13 - ثلاث رسائل في الصلاة:
- كيفية صلاة النبي صلى الله عليه وسلم.
- وجوب أداء الصلاة في جماعة.
- أين يضع المصلي يديه حين الرفع من الركوع؟ (4).
--------------------------------------------
১০ - আরব জাতীয়তাবাদের সমালোচনা (১)।
১১ - চিত্রাঙ্কন ও ছবির বিধান সম্পর্কে ফলপ্রসূ উত্তর (২)।
১২ - শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব (তাঁর দাওয়াত ও জীবনী) (৩)।
১৩ - সালাত বিষয়ক তিনটি পুস্তিকা:
- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি।
- জামাতে সালাত আদায় করার আবশ্যকতা।
- রুকু থেকে ওঠার সময় মুসল্লি তাঁর হাত দুটি কোথায় রাখবেন? (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
14 - حكم الإسلام فيمن طعن في القرآن أو في رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم (1).
15 - حاشية مفيدة على فتح الباري، وصلتُ فيها إلى كتاب الحج (2).
16 - رسالة الأدلة النقلية والحسية على جريان الشمس وسكون الأرض، وإمكان الصعود إلى الكواكب (3).
17 - إقامة البراهين على حكم من استغاث بغير اللَّه، أو صدّق الكهنة والعرافين (4).
18 - الجهاد في سبيل اللَّه (5).
19 - الدروس المهمة لعامة الأمة (6).
20 - فتاوى تتعلق بأحكام الحج والعمرة والزيارة (7).
21 - وجوب لزوم السنة، والحذر من البدعة (8).
--------------------------------------------
১৪ - কুরআনের প্রতি বা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি কটাক্ষকারীর ব্যাপারে ইসলামের বিধান (১)।
১৫ - ফাতহুল বারীর ওপর একটি উপকারী টীকা, যাতে আমি হজ্জ অধ্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছি (২)।
১৬ - সূর্যের গতিশীলতা, পৃথিবীর স্থিরতা এবং গ্রহসমূহে আরোহণের সম্ভাব্যতা বিষয়ে শরয়ি ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য দলীলসমূহ সংক্রান্ত পুস্তিকা (৩)।
১৭ - আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা অথবা গণক ও জ্যোতিষীদের বিশ্বাস করার বিধানের ওপর প্রমাণাদি উপস্থাপন (৪)।
১৮ - আল্লাহর পথে জিহাদ (৫)।
১৯ - সাধারণ উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঠসমূহ (৬)।
২০ - হজ্জ, উমরাহ এবং যিয়ারতের বিধানাবলী সংক্রান্ত ফাতাওয়া (৭)।
২১ - সুন্নাহ আঁকড়ে ধরা এবং বিদআত থেকে সতর্ক থাকার আবশ্যকতা (৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
هذا آخر ما ذكر سماحته عن مؤلفاته.
وله: مؤلفات أخرى لم يذكرها، ومنها:
22 - الأجوبة المفيدة عن بعض مسائل العقيدة: طُبعت في مطابع الحميضي بالرياض، الطبعة الثانية سن 1418هـ.
23 - الأدلة الكاشفة لأخطاء بعض الكتّاب: طبعته مؤسسة النور للطباعة والتجليد بالرياض، دون تاريخ.
24 - التبرج وخطر مشاركة المرأة للرجل في ميدان عمله: نشرته الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة سنة 1408هـ، وطُبع بعد ذلك عدة مرات.
25 - التحذير من الإسراف والتبذير: نشرته دار الذخائر بالدمام مع دار المجتمع بالخبر سنة 1417هـ.
26 - التحذير من القمار وشرب المسكر: نشرته إدارة البحوث العلمية والإفتاء والدعوة والإرشاد سنة 1408هـ.
27 - التحذير من المغالاة في المهور والإسراف في حفلات الزواج: طبع سنة 1407 هـ دون ذكر للناشر.
28 - تحفة الإخوان بأجوبة مهمة تتعلق بأركان الإسلام: نشرته دار الفائزين للنشر بالرياض، الطبعة الأولى سنة 1415هـ
29 - تحفة الأخيار ببيان جملة نافعة مما ورد في الكتاب والسنّة من الأدعية والأذكار: نشرته الرئاسة العامة لإدارات البحوث العلمية
তার গ্রন্থাবলী সম্পর্কে মহামান্য যা উল্লেখ করেছেন এটিই তার শেষ অংশ।
তার আরও কিছু গ্রন্থ রয়েছে যা তিনি উল্লেখ করেননি, তার মধ্যে রয়েছে:
২২ - আকীদাহর কিছু মাসআলা সম্পর্কে উপকারী উত্তরসমূহ: রিয়াদের আল-হুমাইদি প্রেসে মুদ্রিত হয়েছে, দ্বিতীয় সংস্করণ ১৪১৮ হিজরী।
২৩ - কিছু লেখকের ভুলত্রুটি উন্মোচনকারী প্রমাণসমূহ: রিয়াদের আল-নূর প্রিন্টিং অ্যান্ড বাইন্ডিং ফাউন্ডেশন এটি মুদ্রণ করেছে, কোনো তারিখ উল্লেখ নেই।
২৪ - পর্দার বরখেলাপ করা এবং কর্মক্ষেত্রে পুরুষের সাথে নারীর অংশগ্রহণের ঝুঁকি: মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এটি ১৪০৮ হিজরীতে প্রকাশ করেছে এবং এরপর কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
২৫ - অপচয় ও অপব্যয় সম্পর্কে সতর্কীকরণ: দাম্মামের দারুজ জাখায়ের এবং খোবরের দারুল মুজতামি' যৌথভাবে এটি ১৪১৭ হিজরীতে প্রকাশ করেছে।
২৬ - জুয়া এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য পান সম্পর্কে সতর্কীকরণ: ইলমি গবেষণা, ইফতা, দাওয়াহ ও ইরশাদ বিভাগ ১৪০৮ হিজরীতে এটি প্রকাশ করেছে।
২৭ - মোহরের আধিক্য এবং বিবাহ অনুষ্ঠানে অপচয় সম্পর্কে সতর্কীকরণ: প্রকাশকের নাম উল্লেখ ছাড়াই ১৪০৭ হিজরীতে এটি মুদ্রিত হয়েছে।
২৮ - ইসলামের রুকনসমূহ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ উত্তর সংবলিত ভাইদের জন্য উপহার: রিয়াদের দারুল ফাইযীন এটি প্রকাশ করেছে, প্রথম সংস্করণ ১৪১৫ হিজরী।
২৯ - কুরআন ও সুন্নাহ থেকে বর্ণিত উপকারী দোয়া ও জিকিরসমূহের বর্ণনায় নেককারদের জন্য উপহার: ইলমি গবেষণা বিভাগসমূহের জেনারেল প্রেসিডেন্সি এটি প্রকাশ করেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
والإفتاء والدعوة والإرشاد سنة 1409هـ، ثم طُبع بعد ذلك عدة مرات.
30 - التحفة الكريمة في بيان كثير من الأحاديث الموضوعة والسقيمة: نشرته دار أصالة الحاضر بالرياض، الطبعة الأولى سنة 1430هـ، اعتنى به فضيلة الشيخ عبد العزيز بن إبراهيم بن قاسم.
31 - تعليق على العقيدة الطحاوية: نشرته الرئاسة العامة لإدارات البحوث العلمية والإفتاء والدعوة والإرشاد سنة 1409هـ.
32 - تعليقات على الحواشي التي وضعها الشيخ محمد حامد الفقي: على كتاب «فتح المجيد شرح كتاب التوحيد» للشيخ عبدالرحمن بن حسن ابن الشيخ الإمام محمد بن عبد الوهاب رحمهم الله، طُبعت مع «فتح المجيد» وتعليقات الشيخ محمد حامد الفقي عليه عدة مرات، منها سنة 1397هـ، نشر المكتبة السلفية بالمدينة المنورة.
33 - تنبيهات هامة على ما كتبه محمد علي الصابوني في صفات اللَّه عز وجل: نشرته الدار السلفية بالكويت سنة 1404هـ.
34 - الجواب الصحيح من أحكام صلاة الليل والتراويح: نشرته دار الوطن دون تاريخ.
35 - حاشية على بلوغ المرام: للحافظ ابن حجر:، راجعها واعتنى بها فضيلة الشيخ عبد العزيز بن إبراهيم بن قاسم، نشر دار الامتياز للنشر بالرياض سنة 1424 هـ، وطبعتها الدارالمذكورة ثانية سنة 1425هـ.
36 - حكم الغناء: نشرته الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة سنة
এবং ফতোয়া, দাওয়াহ ও ইরশাদ বিভাগ কর্তৃক ১৪০৯ হিজরি সনে প্রকাশিত হয়েছে, অতঃপর এটি এরপর কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
৩০ - আত-তুহফাতুল কারীমা ফি বায়ানি কাছিরিম মিনাল আহাদিসিল মাওদুআ ওয়াস সাকিমাহ: রিয়াদের দারু আসালতিল হাদির এটি প্রকাশ করেছে, প্রথম সংস্করণ ১৪৩০ হিজরি সন, এর যত্ন নিয়েছেন ফযীলাতুশ শাইখ আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম বিন কাসিম।
৩১ - তালীক আলাল আকিদাতিত তাহাবিয়্যাহ: বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ফতোয়া, দাওয়াহ ও ইরশাদ বিষয়ক সাধারণ প্রেসিডেন্সি এটি ১৪০৯ হিজরি সনে প্রকাশ করেছে।
৩২ - শাইখ মুহাম্মাদ হামিদ আল-ফিকি প্রণীত টীকাগুলোর ওপর মন্তব্য: শাইখ আব্দুর রহমান বিন হাসান ইবনে শাইখুল ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন) এর গ্রন্থ ‘ফাতহুল মাজিদ শারহু কিতাবিত তাওহিদ’-এর ওপর লিখিত, এটি ‘ফাতহুল মাজিদ’ এবং এর ওপর শাইখ মুহাম্মাদ হামিদ আল-ফিকির মন্তব্যসহ বেশ কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি ১৩৯৭ হিজরি সনে মদিনা মুনাওয়ারার মাকতাবাতুস সালাফিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত।
৩৩ - মহান আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে মুহাম্মাদ আলি আস-সাবোনি যা লিখেছেন তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা: কুয়েতের আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ এটি ১৪০৪ হিজরি সনে প্রকাশ করেছে।
৩৪ - আল-জাওয়াবুস সহিহ মিন আহকামি সালাতিল লাইলি ওয়াত তারাবিহ: দারুল ওয়াতান এটি প্রকাশ করেছে, প্রকাশের তারিখ বিহীন।
৩৫ - হাফেজ ইবনে হাজার রচিত বুলুগুল মারাম-এর ওপর টীকা: এটি পর্যালোচনা ও বিন্যাস করেছেন ফযীলাতুশ শাইখ আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম বিন কাসিম, রিয়াদের দারুল ইমতিয়াজ প্রকাশনী এটি ১৪২৪ হিজরি সনে প্রকাশ করেছে এবং উক্ত প্রকাশনী এটি দ্বিতীয়বার ১৪২৫ হিজরি সনে মুদ্রণ করেছে।
৩৬ - গান-বাজনার বিধান: মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এটি প্রকাশ করেছে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
1410 - هـ، ثم طبع بعد ذلك مراراً.
37 - حواشي على تقريب التهذيب: اعتنى بها الشيخ الدكتور عبداللَّه بن فوزان الفوزان، وطبعها باسم «النكت على تقريب التهذيب»، نشر مكتبة دار المنهاج بالرياض سنة 1426هـ.
38 - رسائل في الطهارة والصلاة: نشرتها دار البخاري للنشر والتوزيع سنة 1412هـ.
39 - رسالة في حكم السحر والكهانة: طبعتها الرئاسة العامة لإدارات البحوث العلمية والإفتاء والدعوة والإرشاد سنة 1408هـ، ثم طُبعت بعد ذلك مراراً.
40 - شرح ثلاثة الأصول، اعتنى به وخرج أحاديثه الشيخ علي بن صالح المري، والشيخ أحمد ابن سماحة الشيخ عبد العزيز ابن باز: نشرته دار الفتح بالمدينة المنورة سنة 1416هـ.
41 - مع بعض الكتّاب في بيان حكم إعفاء اللحية وخبر الآحاد: حرره سماحته بتاريخ 21/ 9/ 1411هـ، طُبع عدة مرات.
42 - القوادح في العقيدة ووسائل السلامة منها: نشرتها دار بلنسية بالرياض، الطبعة الأولى سنة 1416هـ، وأصلها محاضرة ألقاها سماحته في الجامع الكبير بالرياض في شهر صفر سنة 1403هـ، أعدها للنشر، وعلق عليها الشيخ خالد بن عبدالرحمن الشايع.
43 - ما هكذا تعظم الآثار: وهو عبارة عن ردّين على مقالين نشرا
১৪১০ - হিজরি, এরপর তা কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
৩৭ - তাকরিবুত তাহজিব-এর ওপর টীকা: এটি শাইখ ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান সম্পাদনা করেছেন এবং রিয়াদের মাকতাবাতু দারিল মিনহাজ ১৪২৬ হিজরিতে ‘আন-নুকাত আলা তাকরিবিত তাহজিব’ নামে এটি প্রকাশ করেছে।
৩৮ - পবিত্রতা ও সালাত বিষয়ক পত্রাবলি: এটি ১৪১২ হিজরিতে দারুল বুখারি প্রকাশনা ও বিতরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
৩৯ - জাদু ও গণকগিরির বিধান বিষয়ক পুস্তিকা: এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ফতোয়া, দাওয়াহ এবং নির্দেশনা বিষয়ক সাধারণ প্রেসিডেন্সি কর্তৃক ১৪০৮ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে, এরপর তা বারবার মুদ্রিত হয়েছে।
৪০ - শারহু সালাাসাতিল উসুল (তিনটি মূলনীতির ব্যাখ্যা), এটি সম্পাদনা ও এর হাদিসসমূহ যাচাই করেছেন শাইখ আলি বিন সালিহ আল-মাররি এবং সমাহাতুশ শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বায-এর পুত্র শাইখ আহমাদ: এটি মদিনা মুনাওয়ারার দারুল ফাতহ ১৪১৬ হিজরিতে প্রকাশ করেছে।
৪১ - দাড়ি রাখার বিধান এবং খবরে আহাদ বর্ণনার বিষয়ে কয়েকজন লেখকের সাথে: এটি সমাহাতুশ শাইখ ২১/৯/১৪১১ হিজরি তারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন এবং কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
৪২ - আক্বিদার ত্রুটিসমূহ এবং তা থেকে নিরাপত্তার উপায়: এটি রিয়াদের দারু বালানসিয়াহ কর্তৃক ১৪১৬ হিজরিতে প্রথম সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। এর মূল বিষয়বস্তু হলো রিয়াদের জামে আল-কাবিরে ১৪০৩ হিজরির সফর মাসে সমাহাতুশ শাইখ প্রদত্ত একটি ভাষণ। এটি প্রকাশের জন্য প্রস্তুত এবং এতে টীকা প্রদান করেছেন শাইখ খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-শায়ি।
৪৩ - নিদর্শনসমূহকে এভাবে সম্মান করা হয় না: এটি মূলত প্রকাশিত দুটি নিবন্ধের দুটি খণ্ডনমূলক জবাব- যা প্রকাশিত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
في جريدة الندوة، الأول بتاريخ 24/ 6/ 1380هـ، والثاني بتاريخ 24/ 5/ 1387هـ فيهما الدعوة إلى تعظيم بعض الآثار، وقد ردّ عليهما سماحته في حينه، ثم رأى سماحته طبع الردّين في رسالة مستقلة، وتم ذلك سنة 1389هـ، كما طبعا ضمن المجموع المفيد المسمى «الجامع الفريد» ص 545.
44 - مجموع فتاوى في الحج والعمرة: مجلدان، إعداد الشيخ الدكتور عبد اللَّه بن محمدالطيار والشيخ أحمد بن عبد العزيز ابن باز، نشرتهما دار الوطن بالرياض، الأول سنة 1414هـ، والثاني سنة 1415هـ.
45 - مسألة دخول الجني في بدن المصروع، وجواز مخالطة الجن للإنس: طبعت عدة مرات، منها طبعة مكتبة دار السلام سنة 1411هـ، ومعها رسالة أخرى لسماحة الشيخ بعنوان:
46 - العلاج عن طريق السحر أو الكهانة خطر عظيم على الإسلام والمسلمين.
47 - منتخبات من تقارير سماحته على العقيدة الواسطية: طبعت مع كتاب: «التنبيهات اللطيفة فيما احتوت عليه الواسطية من المباحث المنيفة» للشيخ عبد الرحمن بن ناصر السعدي: سنة 1369 هـ، ثم طُبعت بعد ذلك مراراً.
48 - نصيحة هامة في التحذير من المعاملات الربوية، ويليها الرد على الدكتور إبراهيم بن عبد اللَّه الناصر في البحث الذي أعده بعنوان: موقف الشريعة الإسلامية من المصارف: نشرا عدة مرات، منها نشرة
আল-নাদওয়াহ পত্রিকায়, প্রথমটি ২৪/৬/১৩৮০ হিজরি তারিখে এবং দ্বিতীয়টি ২৪/৫/১৩৮৭ হিজরি তারিখে প্রকাশিত হয়। এ দুটিতে কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে মহিমান্বিত করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। মহামান্য শাইখ সেই সময় এ দুটির জবাব দেন। অতঃপর মহামান্য দুই জবাবকে একটি স্বতন্ত্র পুস্তিকায় ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেন এবং এটি ১৩৮৯ হিজরিতে সম্পন্ন হয়। এছাড়াও এগুলো ‘আল-জামি আল-ফারিদ’ নামক সংকলনের ৫৪৫ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হয়েছে।
৪৪ - হজ ও উমরা সংক্রান্ত ফতোয়া সমগ্র: দুই খণ্ড, শাইখ ডক্টর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-তাইয়্যার এবং শাইখ আহমাদ বিন আবদুল আজিজ বিন বাজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত। রিয়াদের দারুল ওয়াতান কর্তৃক প্রকাশিত; প্রথমটি ১৪১৪ হিজরিতে এবং দ্বিতীয়টি ১৪১৫ হিজরিতে।
৪৫ - মৃগীরোগীর শরীরে জিনের প্রবেশ এবং মানুষের সাথে জিনের মেলামেশার বৈধতার মাসআলা: এটি বেশ কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে, যার মধ্যে ১৪১১ হিজরিতে মাকতাবাতু দারিস সালামের সংস্করণ অন্যতম। এর সাথে মহামান্য শাইখের নিম্নোক্ত শিরোনামের আরেকটি পুস্তিকা রয়েছে:
৪৬ - জাদু বা গণকগিরির মাধ্যমে চিকিৎসা ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য এক বিরাট বিপদ।
৪৭ - আল-আকিদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহর উপর মহামান্যের টীকাসমূহ থেকে নির্বাচিত অংশ: এটি শাইখ আবদুর রহমান বিন নাসির আল-সাদির রচিত ‘আত-তানবিহাতুল লাতিফাহ ফীমা ইহতাওয়াত আলাইহিল ওয়াসিতিয়্যাহ মিনাল মাবাহিছিল মুনিফাহ’ বইটির সাথে ১৩৬৯ হিজরিতে মুদ্রিত হয় এবং এরপর আরও কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে।
৪৮ - সুদী লেনদেন থেকে সতর্ক করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ, এবং এর পরে ডক্টর ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আল-নাসিরের প্রস্তুতকৃত ‘ব্যাংকসমূহের প্রতি ইসলামি শরীয়াহর অবস্থান’ শীর্ষক গবেষণাপত্রের জবাব। এগুলো বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি প্রকাশনা হলো:
(খণ্ড: ১)
আল-ইফহাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
رئاسة إدارات البحوث العلمية والإفتاء سنة 1417هـ.
49 - وجوب التوبة إلى اللَّه والضراعة إليه عند نزول المصائب: نشر في مجلة البحوث الإسلامية، عدد (11) ص 7 سنة 1404 هـ، وفي مجموع فتاوى ومقالات متنوعة 2/ 126 كما طبع مفرداً ومع غيره مراراً.
50 - تحفة أهل العلم والإيمان بمختارات من الأحاديث الصحيحة والحسان: اعتنى به فضيلة الشيخ عبد العزيز بن إبراهيم بن قاسم.
51 - تحفة الإخوان بتراجم بعض الأعيان: اعتنى به فضيلة الشيخ عبد العزيز بن إبراهيم بن قاسم، ووثق تراجمه محمد زياد بن عمر التكلة.
52 - الفوائد المتنوعة في العقائد والتفسير والحديث والتاريخ وغير ذلك: رتبها واعتنى بها فضيلة الشيخ عبد العزيز بن إبراهيم بن قاسم.
53 - وقد قام غير واحد بجمع فتاوى سماحته في موضوع واحد أو أكثر، وجمع الدكتور محمد بن سعد الشويعر أكثر مقالات رسائله وفتاويه في «مجموع فتاوى ومقالات متنوعة»، في ثلاثين مجلداً، وألحق بها فهارس مفصلة في مجلد مستقل.
54 - وقام الشيخ أحمد بن عبد الرزاق الدويش بجمع وترتيب فتاوى اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء، وجزء كبير منها برئاسة سماحة الشيخ، وصدر منها المجموعة الأولى في ستة وعشرين مجلداً، والمجموعة الثانية في أحد عشر مجلداً.
55 - وهناك فتاوى خاصة مكتوبة، وإملاءات كثيرة.
56 - كما قدم سماحته لعدد من الكتب والرسائل.
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ইফতা বিভাগসমূহের সভাপতিত্ব, ১৪১৭ হিজরি সাল।
৪৯ - আল্লাহর নিকট তওবা করা এবং বিপদাপদ অবতরণের সময় তাঁর কাছে বিনীত হওয়া ওয়াজিব হওয়া: এটি 'মাজাল্লাতুল বুহুস আল-ইসলামিয়্যাহ' (ইসলামি গবেষণা পত্রিকা), সংখ্যা (১১), পৃষ্ঠা ৭, ১৪০৪ হিজরি সালে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও 'মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাت মুতানাওয়্যিআহ' (ফাতাওয়া ও বিবিধ প্রবন্ধাবলির সংকলন) ২/১২৬-এ স্থান পেয়েছে এবং স্বতন্ত্রভাবে ও অন্যান্য বিষয়ের সাথে বহুবার মুদ্রিত হয়েছে।
৫০ - তুহফাতু আহলিল ইলমি ওয়াল ইমান বি মুখতারাত মিনা আল-আহাদিস আস-সহিহা ওয়াল হিসান (সহিহ ও হাসান হাদিসের সংকলনের মাধ্যমে জ্ঞান ও ইমানদারদের উপহার): এটি সম্পাদনা করেছেন সম্মানিত শায়খ আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম বিন কাসিম।
৫১ - তুহফাতুল ইখওয়ান বি তারাজিম বাদিল আইয়ান (বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী নিয়ে ভাইদের প্রতি উপহার): এটি সম্পাদনা করেছেন সম্মানিত শায়খ আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম বিন কাসিম এবং এর জীবনীসমূহ যাচাই করেছেন মুহাম্মদ যিয়াদ বিন উমর আত-তিকলাহ।
৫২ - আল-ফাওয়ায়েদ আল-মুতানাওয়্যিআহ ফিল আকাইদ ওয়াত তাফসির ওয়াল হাদিস ওয়াত তারিখ ওয়া গইরি যালিক (আকিদাহ, তাফসির, হাদিস, ইতিহাস ও অন্যান্য বিষয়ের বিবিধ শিক্ষা): এটি বিন্যস্ত ও সম্পাদনা করেছেন সম্মানিত শায়খ আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম বিন কাসিম।
৫৩ - তাঁর মহাসম্মানের (সামাহাতুহু) ফাতাওয়াগুলো এক বা একাধিক বিষয়ে একাধিক ব্যক্তি সংগ্রহ করেছেন। ডক্টর মুহাম্মদ বিন সাদ আশ-শুওয়াইয়ির তাঁর অধিকাংশ প্রবন্ধ, রিসালাহ ও ফাতাওয়া 'মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত মুতানাওয়্যিআহ' গ্রন্থে ত্রিশটি খণ্ডে সংগ্রহ করেছেন এবং একটি স্বতন্ত্র খণ্ডে এর বিস্তারিত সূচিপত্র যুক্ত করেছেন।
৫৪ - শায়খ আহমদ বিন আব্দুল রাজ্জাক আদ-দুওয়িশ 'বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ইফতা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি'র (আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ) ফাতাওয়াগুলো সংগ্রহ ও বিন্যস্ত করেছেন, যার একটি বড় অংশই ছিল তাঁর মহাসম্মানের (শায়খের) সভাপতিত্বে। এর প্রথম সংকলনটি ২৬টি খণ্ডে এবং দ্বিতীয় সংকলনটি ১১টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
৫৫ - এছাড়া কিছু বিশেষ লিখিত ফাতাওয়া এবং অসংখ্য শ্রুতিলিপি রয়েছে।
৫৬ - এছাড়াও তাঁর মহাসম্মান (শায়খ) বেশ কিছু বই ও রিসালাহর ভূমিকা লিখেছেন।