(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: -)
الأنشوطة في النحو   (حازم خنفر)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الأنشوطة في النحو

المؤلف: حازم خنفر

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للأصل]

تاريخ النشر بالشاملة: 9 صفر 1440

আল-আনশুতাহ ফিন নাহু   (হাজেম খানফার)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আল-আনশুতাহ ফিন নাহু

লেখক: হাজেম খানফার

খণ্ড সংখ্যা: ১

[গ্রন্থের নম্বর মূল কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৯ সফর ১৪৪০

(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১)
الأُنْشُوطَةُ

فِي النَّحْوِ

 

(النُّسْخَة المُنَقَّحَة)

 

تَألِيف

حَازِم خَنْفَر

 

قَدَّمَ لَهُ

أ. د. عَبْدُ العَزِيز بْن عَلِي الحَرْبِي

 

رَئِيسُ مَجْمَعِ اللُّغَةِ العَرَبِيَّةِ عَلَى الشَّبَكَةِ العَالَمِيَّةِ

وَعضْو هيْئَة التَّدْرِيس بِجَامِعَة أم القرَى بِمَكَّةَ
আল-উনশুতাহ

নাহু শাস্ত্রে

 

(পরিমার্জিত সংস্করণ)

 

রচনায়

হাজিম খানফার

 

ভূমিকা লিখেছেন

প্রফেসর ড. আব্দুল আজিজ বিন আলী আল-হারবী

 

ইন্টারন্যাশনাল অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমির সভাপতি

এবং মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলীর সদস্য
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌تَقْدِيم

الحَمْدُ للهِ، خَلَقَ الإِنْسَان، عَلَّمَهُ البَيَان، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى سَيِّدِ وَلَدِ عَدْنَان.

«الأُنْشُوطَةُ فِي النَّحْوِ» لِلأُسْتَاذ حَازِم خَنْفَر؛ مَتْنٌ سَهْلُ العِبَارَةِ، لَطِيفُ المَأْخَذِ، جَيِّدُ السَّبْكِ.

هَكَذَا بَدَا لِي حِينَ طَالَعْتُهُ عَلَى عَجَلٍ، وَعَلَى ثِقَةٍ بِكَاتِبِهِ، الَّذِي بَانَ لِي مِنْهُ العَمَلُ الدَّقِيق، وَتَمَيُّزُ الحِسِّ الرَّقِيق، مُنْذُ بِضْعِ سِنِين.

وَنَحْنُ فِي زَمَانٍ لَا نَشْكُو فِيهِ مِنْ قِلَّةِ التَّصَانِيفِ؛ بَلْ نَشْكُو مِنْ كَثْرَتِهَا.

وَأَكْثَرُ مَا نَحْتَاجُ إِلَيْهِ: التَّيْسِيرُ وَالتَّقْرِيبُ وَالتَّشْوِيقُ؛ لَا سِيَّمَا عِلْمُ النَّحْوِ الَّذِي ضَيَّعَ مَفَاتِحَهُ أَسَاتِذَةُ التَّعْلِيمِ، وَأَدْنَوا طَالِبِيهِ إِلَى أَسْوَارِهِ العَالِيَةِ، وَظَنُّوا أَنَّهُمْ قَدْ دَخَلُوا بِبَعْضِهِ، وَهُمْ قَدْ خَرَجُوا بِبُغْضِهِ، وَبِأُمُورٍ أُخْرَى أَشَرْتُ إِلَيْهَا فِي آخِرِ العَدَدِ الأَوَّلِ مِنْ مَجَلَّةِ المَجْمَعِ.

وَأَسْأَلُ اللهَ أَنْ يَنْفَعَ بِهَذَا المَتْنِ اللَّطِيفِ، وَأَنْ يَكُونَ مُرْتَقًى سَهْلًا إِلَى سَمَاءِ النَّحْوِ، وَأَنْ يُؤْتِيَ كَاتِبَهُ ثَوَابَهُ، وَثَوَابَ مَقْصَدِهِ.

 

ا. د. عَبْدُالعَزِيز بْن عَلي الحَرْبِي

24/ 2/2016 م

15/ 5/1437 هـ
উপস্থাপনা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে ভাব প্রকাশের ভাষা শিক্ষা দিয়েছেন। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আদনান-সন্তানদের সরদারের ওপর।

উস্তাদ হাযেম খানফার রচিত ‘আল-উনশুতাহ ফিন নাহু’ গ্রন্থটি সহজবোধ্য ভাষায় রচিত একটি চমৎকার মূলপাঠ (متن), যা অত্যন্ত সাবলীল এবং সুবিন্যস্ত।

দ্রুততার সাথে এটি পাঠ করার সময় আমার কাছে এমনই প্রতীয়মান হয়েছে। এছাড়া এর লেখকের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা (ثقة) রয়েছে, যাঁর কর্মতৎপরতার সূক্ষ্মতা এবং রসবোধের অনন্য স্বাতন্ত্র্য কয়েক বছর আগে থেকেই আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে।

আমরা এমন এক যুগে অবস্থান করছি যেখানে রচনার স্বল্পতা নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই; বরং আমাদের অভিযোগ এর আধিক্য নিয়ে।

আমাদের বর্তমানে সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন তা হলো: সহজিকরণ, নিকটবর্তী করা এবং বিষয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা; বিশেষ করে নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রের ক্ষেত্রে, যার চাবিকাঠিগুলো বর্তমান যুগের শিক্ষকরা হারিয়ে ফেলেছেন। তারা শিক্ষার্থীদের এর সুউচ্চ প্রাচীরের সামনে নিয়ে দাঁড় করিয়েছেন; ফলে শিক্ষার্থীরা মনে করেছে যে তারা এর কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে পেরেছে, অথচ বাস্তবে তারা এর প্রতি বিদ্বেষ নিয়ে বের হয়ে গেছে। এই বিষয়গুলো এবং অন্যান্য আরও কিছু প্রসঙ্গে আমি ‘মাজাল্লাতুল মাজমা’র প্রথম সংখ্যার শেষে ইঙ্গিত করেছি।

আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই চমৎকার মূলপাঠ (متن) দ্বারা সকলকে উপকৃত করেন এবং এটি যেন নাহু বা ব্যাকরণের আকাশে আরোহণের এক সহজ সোপান হয়ে ওঠে। আল্লাহ এর লেখককে তাঁর প্রতিদান এবং তাঁর মহৎ উদ্দেশ্যের সওয়াব দান করুন।

 

প্রফেসর ড. আব্দুল আজিজ বিন আলী আল-হারবী

২৪/ ০২/ ২০১৬ খ্রি.

১৫/ ০৫/ ১৪৩৭ হিজরী
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌تَمْهِيد

الحَمْدُ للهِ، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلامُ عَلَى رَسُولِ اللهِ، وَعَلَى آلِهِ، وَصَحْبِهِ، وَمَنْ وَالَاهُ.

أَمَّا بَعْدُ:

فَهَذَا مَتْنٌ فِي النَّحْوِ، أَرْدَتُ بِهِ تَقْوِيمَ اللِّسَانِ العَرَبِيِّ، فَجَمَعْتُ فِيهِ القَوَاعِدَ وَالبَيَانَ وَالأَمْثِلَةَ وَالتَّقْرِيبَ، دُونَ تَطْوِيلٍ مُمِلٍّ أَوْ إِيجَازٍ مُخِلٍّ.

وَسَمَّيْتُهُ: «الأُنْشُوطَةَ فِي النَّحْوِ».

وَالأُنْشُوطَةُ: هِيَ الرَّبْطَةُ فِي الخَيْطِ بِطَرَفَيْنِ، تَنْفَكُّ بِمَدِّ أَحَدِهِمَا مِنْ غَيْرِ عَنَاءٍ، وَهِيَ دُونَ العُقْدَةِ، فَشَبَّهْتُ كُتُبَ النَّحْوِ بِالعُقَدِ، وَأَنَّ هَذَا المَتْنَ هُوَ الرَّبْطَةُ الَّتِي بِهَا يَنْفَكُّ النَّحْوُ دُونَ مَشَقَّةٍ.

وَاخْتَصَرْتُ مِنْهُ مَتْنًا صَغِيرًا سَمَّيْتُهُ: «البُرْعُومَةَ فِي النَّحْوِ»، وَحَجْمُهَا بِحَجْمِ «الآجُرُّومِيَّةِ»، وَهِيَ عَلَى النِّصْفِ مِنَ «الأُنْشُوطَةِ»، جَعَلْتُهَا لِلْمُبْتَدِئِ.

وَالبُرْعُومَةُ: هِيَ الزَّهْرَةُ قَبْلَ أَنْ تَتَفَتَّحَ، فَشَّبَهْتُ العُلُومَ بِالزَّهْرِ، وَأَنَّ هَذَا المَتْنَ بِدَايَةُ الطَّلَبِ فِي فَنِّ النَّحْوِ.

فَاللهَ أَسْأَلُ أَنْ تَكُونَا عَلَى اسْمَيْهِمَا، وَمَا التَّوْفِيقُ وَالقَبُولُ إِلَّا مِنْ عِنْدِهِ سُبْحَانَهُ.

 

حَازِم خَنْفَر

10/ 2/2016 م

1/ 5/1437 هـ
ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসুলের ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং যারা তাঁকে অনুসরণ করেন তাদের ওপর।

অতঃপর:

এটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের একটি মূলপাঠ (متن), যার মাধ্যমে আমি আরবি ভাষাকে পরিশীলিত করতে চেয়েছি। এতে আমি নিয়মাবলি, বিশদ ব্যাখ্যা, উদাহরণ এবং সহজবোধ্য উপস্থাপনা যুক্ত করেছি; যা বিরক্তিকর দীর্ঘসূত্রতা কিংবা ত্রুটিপূর্ণ সংক্ষিপ্ততা থেকে মুক্ত।

আমি এর নামকরণ করেছি: «আল-উনশুতাহ ফি আন-নাহু»।

আর 'উনশুতাহ' হলো সুতার এমন একটি গিঁট যার দুই প্রান্ত থাকে এবং কোনো প্রকার ক্লেশ ছাড়াই যেকোনো এক প্রান্ত টান দিলে যা খুলে যায়; এটি সাধারণ গিঁটের চেয়েও শিথিল। আমি ব্যাকরণ শাস্ত্রের কিতাবসমূহকে জটিল গিঁটের সাথে তুলনা করেছি, আর এই মূলপাঠটি (متن) হলো সেই সহজ বন্ধন যার মাধ্যমে কোনো প্রকার কষ্ট ছাড়াই ব্যাকরণ উন্মোচিত হয়।

আমি এটি থেকে একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ তৈরি করেছি এবং তার নাম দিয়েছি: «আল-বুরউমাহ ফি আন-নাহু»; এর কলেবর «আল-আজরুমিয়্যাহ» কিতাবের সমপরিমাণ এবং এটি «আল-উনশুতাহ»-র অর্ধেক। আমি এটি নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য সংকলন করেছি।

আর 'বুরউমাহ' হলো প্রস্ফুটিত হওয়ার পূর্বের মুকুল। আমি জ্ঞানসমূহকে ফুলের সাথে তুলনা করেছি এবং এই মূলপাঠটি (متن) হলো ব্যাকরণ শাস্ত্রে জ্ঞান অন্বেষণের সূচনা।

আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন গ্রন্থ দুটি তাদের নাম অনুসারে সার্থক হয়; আর তাওফিক ও কবুলিয়ত কেবল তাঁর পক্ষ থেকেই আসে, তিনি মহাপবিত্র।

 

হাযেম খানফার

১০/ ০২/ ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ

০১/ ০৫/ ১৪৩৭ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌أَنْوَاعُ الكَلِمَةِ

الكَلِمَةُ: اسْمٌ، وَفِعْلٌ، وَحَرْفُ مَعْنًى.

فَالاسْمُ: الكَلِمَةُ الَّتِي لَهَا مَعْنًى، وَلَمْ تَقْتَرِنْ بِزَمَنٍ.

وَالفِعْلُ: الكَلِمَةُ الَّتِي لَهَا مَعْنًى، وَاقْتَرَنَتْ بِزَمَنٍ مَاضٍ أَوْ حَاضِرٍ أَوْ مُسْتَقْبَلٍ.

وَالحَرْفُ: الكَلِمَةُ الَّتِي لَا يَظْهَرُ مَعْنَاهَا كَامِلًا إِلَّا مَعَ غَيْرِهَا.

فَمِثَالُ الاسْمِ: (رَجُلٌ)، وَ (شَجَرَةٌ)، وَ (المَدْرَسَةُ)، وَ (الكَرَمُ)، وَ (مُحَمَّدٌ).

وَمِثَالُ الفِعْلِ بِأَزْمَانِهِ الثَّلَاثَةِ:

1 - (كَتَبَ) لِزَمَنٍ مَضَى، وَهُوَ المَاضِي.

2 - وَ (يَكْتُبُ) لِزَمَنِ الحَاضِرِ أَوِ المُسْتَقْبَلِ، وَهُوَ المُضَارِعُ.

3 - وَ (اكْتُبْ) لِزَمَنِ المُسْتَقْبَلِ فَقَطْ، وَهُوَ الأَمْرُ.

وَمِثَالُ الحَرْفِ: (بَاءُ الجَرِّ)، وَ (عَنْ)، وَ (ثُمَّ)، وَ (لَعَلَّ)، وَ (لَكِنَّ) - وَغَيْرُهَا -.

 

‌‌الإِعْرَابُ وَالبِنَاءُ

وَالإِعْرَابُ: عَدَمُ لُزُومِ آخِرِ الكَلِمَةِ عَلَامَةً وَاحِدَةً.

مِثَالُهُ: (خَالِدٌ) فِي: (جَاءَ خَالِدٌ)، وَ (رَأَيْتُ خَالِدًا)، وَ (مَرَرْتُ بِخَالِدٍ).

وَكُلُّ لَفْظٍ دَخَلَهُ الإِعْرَابُ فَهُوَ: المُعْرَبُ.

وَالبِنَاءُ: لُزُومُ آخِرِ الكَلِمَةِ عَلَامَةً وَاحِدَةً.

مِثَالُهُ: (هَؤُلَاءِ) فِي: (جَاءَ هَؤُلَاءِ)، وَ (رَأَيْتُ هَؤُلَاءِ)، وَ (مَرَرْتُ بِهَؤُلَاءِ).

وَكُلُّ لَفْظٍ دَخَلَهُ البِنَاءُ فَهُوَ: المَبْنِيُّ.

وَأَقْسَامُ الإِعْرَابِ وَالبِنَاءِ: أَرْبَعَةٌ.

فَتُسَمَّى فِي الإِعْرَابِ: رَفْعًا، وَنَصْبًا، وَجَرًّا، وَجَزْمًا.

وَتُسَمَّى فِي البِنَاءِ: ضَمًّا، وَفَتْحًا، وَكَسْرًا، وَسُكُونًا.
‌‌শব্দের প্রকারভেদ (أَنْوَاعُ الكَلِمَةِ)

শব্দ (الكَلِمَةُ): বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অর্থবোধক অব্যয় (حرف معنى)।

বিশেষ্য (الاسم): এমন শব্দ যার নিজস্ব অর্থ আছে এবং যা কোনো কালের (সময়ের) সাথে যুক্ত নয়।

ক্রিয়া (الفعل): এমন শব্দ যার নিজস্ব অর্থ আছে এবং যা অতীত, বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ কালের সাথে যুক্ত।

অব্যয় (الحرف): এমন শব্দ যার পূর্ণ অর্থ অন্য শব্দ ব্যতীত স্পষ্ট হয় না।

বিশেষ্যের উদাহরণ: (رَجُلٌ) ‘পুরুষ’, (شَجَرَةٌ) ‘গাছ’, (المَدْرَسَةُ) ‘বিদ্যালয়’, (الكَرَمُ) ‘বদান্যতা’ এবং (مُحَمَّدٌ) ‘মুহাম্মদ’।

তিনটি কালভেদে ক্রিয়ার উদাহরণ:

1 - (كَتَبَ) অতীত কালের জন্য, যা হলো অতীতকালীন ক্রিয়া (المَاضِي)।

2 - (يَكْتُبُ) বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কালের জন্য, যা হলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (المُضَارِعُ)।

3 - (اكْتُبْ) শুধুমাত্র ভবিষ্যৎ কালের জন্য, যা হলো আদেশসূচক ক্রিয়া (الأَمْرُ)।

অব্যয়ের উদাহরণ: ‘বা’ হরফে জর (بَاءُ الجَرِّ), (عَنْ), (ثُمَّ), (لَعَلَّ), (لَكِنَّ) এবং অন্যান্য।

 

‌‌ই’রাব (الإِعْرَابُ) ও বিনা (البِنَاءُ)

ই’রাব (الإِعْرَابُ) হলো: শব্দের শেষ অবস্থা একটি নির্দিষ্ট চিহ্নের ওপর স্থায়ী না থাকা।

এর উদাহরণ: (خَالِدٌ) শব্দটির প্রয়োগ— (جَاءَ خَالِدٌ), (رَأَيْتُ خَالِدًا) এবং (مَرَرْتُ بِخَالِدٍ) বাক্যে।

আর প্রতিটি শব্দ যাতে ই’রাব প্রবেশ করে, তা হলো: মু’রাব (المُعْرَبُ)।

বিনা (البِنَاءُ) হলো: শব্দের শেষ অবস্থা একটি নির্দিষ্ট চিহ্নের ওপর স্থায়ী বা অপরিবর্তনীয় থাকা।

এর উদাহরণ: (هَؤُلَاءِ) শব্দটির প্রয়োগ— (جَاءَ هَؤُلَاءِ), (رَأَيْتُ هَؤُلَاءِ) এবং (مَرَرْتُ بِهَؤُلَاءِ) বাক্যে।

আর প্রতিটি শব্দ যাতে বিনা প্রবেশ করে, তা হলো: মাবনি (المَبْنِيُّ)।

ই’রাব ও বিনার প্রকারভেদ: চারটি।

ই’রাবের ক্ষেত্রে এগুলোকে বলা হয়: রফ (رَفْعًا), নসব (نَصْبًا), জর (جَرًّا) এবং জজম (جَزْمًا)।

বিনার ক্ষেত্রে এগুলোকে বলা হয়: দম্ম (ضَمًّا), ফাতহ (فَتْحًا), কাসর (كَسْرًا) এবং সুকুন (سُكُونًا)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ৮)
فَالرَّفْعُ وَالنَّصْبُ مُشْتَرَكٌ فِي الأَسْمَاءِ وَالأَفْعَالِ.

وَالجَرُّ فِي الأَسْمَاءِ دُونَ الأَفْعَالِ.

وَالجَزْمُ فِي الأَفْعَالِ دُونَ الأَسْمَاءِ.

وَالحُرُوفُ: كُلُّهَا مَبْنِيَّةٌ.

وَالأَسْمَاءُ: مُعْرَبَةٌ، وَمِنْهَا المَبْنِيُّ.

والفِعْلُ المَاضِي وَالأَمْرُ: مَبْنِيَّانِ دَائِمًا.

وَالمُضَارِعُ: مُعْرَبٌ، وَمِنْهُ المَبْنِيُّ.

 

‌‌أَحْوَالُ بِنَاءِ الأَفْعَالِ

وَالمَاضِي: مَبْنِيٌّ عَلَى الفَتْحِ؛ إِلَّا فِي مَوْضِعَيْنِ:

الأوَّلُ: المَاضِي إِذَا اتَّصَلَتْ بِهِ (تَاءُ) الفَاعِلِ، وَ (نَا) الفَاعِلِينَ، وَنُونُ النِّسْوَةِ.

مِثَالُهُ: (أَكْرَمْتُ)، وَ (خَرَجْنَا)، وَ (رَكِبْنَ).

فَيُبْنَى عَلَى السُّكُونِ فِي آخِرِهِ.

وَالثَّانِي: المَاضِي إِذَا اتَّصَلَتْ بِهِ وَاوُ الجَمَاعَةِ.

مِثَالُهُ: (خَرَجُوا).

فَيُبْنَى عَلَى الضَّمِّ فِي آخِرِهِ.

وَالأَمْرُ: مَبْنِيٌّ عَلَى السُّكُونِ؛ إِلَّا فِي ثَلَاثَةِ مَوَاضِعَ:

الأَوَّلُ: الأَمْرُ إِذَا اتَّصَلَتْ بِهِ نُونُ التَّوْكِيدِ الخَفِيفَةُ أَوِ الثَّقِيلَةُ.

مِثَالُهُ: (صَاحِبَنْ كَرِيمَ الأَخْلَاقِ)، وَ (اهْجُرَنَّ السَّفِيهَ).

فَيُبْنَى عَلَى فَتْحِ آخِرِهِ.

وَالثَّانِي: الأَمْرُ إِذَا كَانَ آخِرُهُ مُعْتَلًّا.

مِثَالُهُ: (اسْعَ)، وَ (ادْعُ)، وَ (اقْضِ).

فَيُبْنَى عَلَى حَذْفِ حَرْفِ العِلَّةِ.

وَالثَّالِثُ: الأَمْرُ إِذَا اتَّصَلَ بِآخِرِهِ: أَلِفُ الاثْنَيْنِ، أَوْ وَاوُ الجَمَاعَةِ، أَوْ يَاءُ المُخَاطَبَةِ.

مِثَالُهُ: (اخْرُجَا)، وَ (اخْرُجُوا)، وَ (اخْرُجِي).
সুতরাং রফ ও নসব বিশেষ্য (ইসম) ও ক্রিয়া (ফে’ল) উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আর জর শুধুমাত্র বিশেষ্যের জন্য নির্দিষ্ট, ক্রিয়ার জন্য নয়।

আর জজম শুধুমাত্র ক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট, বিশেষ্যের জন্য নয়।

আর অব্যয়সমূহ (হরফ): এর সবগুলোই অপরিবর্তনীয় (মাবনি)।

আর বিশেষ্যসমূহ: এগুলো পরিবর্তনশীল (মু’রব), তবে এগুলোর মধ্যে কিছু অপরিবর্তনীয়ও (মাবনি) রয়েছে।

অতীতকালীন ক্রিয়া ও নির্দেশসূচক ক্রিয়া: এই উভয়ই সর্বদা অপরিবর্তনীয় (মাবনি)।

আর বর্তমান-ভবিষ্যতকালীন ক্রিয়া: এটি পরিবর্তনশীল (মু’রব), তবে এর মধ্যে কিছু অপরিবর্তনীয়ও (মাবনি) রয়েছে।

 

‌ক্রিয়াসমূহ অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হওয়ার অবস্থাসমূহ

অতীতকালীন ক্রিয়া: এটি ফাতহা-র ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়; তবে দুটি ক্ষেত্র ব্যতীত:

প্রথমত: অতীতকালীন ক্রিয়ার সাথে যখন কর্তা-বাচক ‘তা’ (তাউল ফায়িল), বহুবচন কর্তা-বাচক ‘না’ (না-ল ফায়িলীন) এবং স্ত্রীবাচক ‘নুন’ (নুনুন নিসওয়াহ) যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (আকরামতু), (খারাজনা), এবং (রাকিবনা)।

তখন এর শেষাক্ষর সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়।

দ্বিতীয়ত: অতীতকালীন ক্রিয়ার সাথে যখন বহুবচনবাচক ‘ওয়াও’ (ওয়াউল জামাআহ) যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (খারাজু)।

তখন এর শেষাক্ষর দম্মা-র ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়।

আর নির্দেশসূচক ক্রিয়া: এটি সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়; তবে তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত:

প্রথমত: নির্দেশসূচক ক্রিয়ার সাথে যখন হালকা বা ভারী তাকিদসূচক ‘নুন’ যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (সহিবান কারীমাল আখলাক) এবং (উহজুরাননাস সাফীহ)।

তখন এটি শেষাক্ষরে ফাতহা-র ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়।

দ্বিতীয়ত: নির্দেশসূচক ক্রিয়ার শেষাক্ষরটি যদি ইল্লত-যুক্ত (হরফে ইল্লত বিশিষ্ট) হয়।

এর উদাহরণ: (ইসআ), (উদু), এবং (ইকদি)।

তখন এটি ইল্লত বর্ণ বিলোপের (হাজফে হরফে ইল্লত) ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয় (মাবনি) হয়।

তৃতীয়ত: নির্দেশসূচক ক্রিয়ার শেষে যখন দ্বিবচনবাচক আলিফ, বহুবচনবাচক ওয়াও অথবা সম্বোধনসূচক স্ত্রীবাচক ইয়া যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (উখরুজা), (উখরুজু), এবং (উখরুজী)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ৯)
فَيُبْنَى عَلَى حَذْفِ النُّونِ.

وَأَحْوَالُ بِنَاءِ المُضَارِعِ اثْنَانِ:

الأَوَّلُ: المُضَارِعُ إِذَا اتَّصَلَتْ مُبَاشَرَةً بِآخِرِهِ: نُونُ التَّوْكِيدِ الخَفِيفَةُ أَوِ الثَّقِيلَةُ.

مِثَالُهُ: (لَأَقُومَنْ) وَ (لَأَفْعَلَنَّ).

فَيُبْنَى عَلَى الفَتْحِ.

وَالثَّانِي: المُضَارِعُ إِذَا اتَّصَلَتْ بِهِ نُونُ النِّسْوَةِ.

مِثَالُهُ: (يَبْذُلْنَ).

فَيُبْنَى عَلَى السُّكُونِ.

 

‌‌أَحْوَالُ إِعْرَابِ الأَسْمَاءِ

وَأَحْوَالُ إِعْرَابِ الأَسْمَاءِ فِي سِتَّةِ مَوَاضِعَ: المُفْرَدِ، وَالمُثَنَّى، وَجَمْعِ المُذَكَّرِ السَّالِمِ، وَجَمْعِ المُؤَنَّثِ السَّالِمِ، وَالأَسْمَاءِ الخَمْسَةِ، وَالمَمْنُوعِ مِنَ الصَّرْفِ.

1 - فَالمُفْرَدُ: الاسْمُ الَّذِي دَلَّ عَلَى الوَاحِدِ وَالفَرْدِ.

فَيُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ، وَيُنْصَبُ بِالفَتْحَةِ، وَيُجَرُّ بِالكَسْرَةِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ زَيْدٌ)، وَ (رَأَيْتُ زَيْدًا)، وَ (مَرَرْتُ بِزَيْدٍ).

2 - وَالمُثَنَّى: الاسْمُ الَّذِي دَلَّ عَلَى الاثْنَيْنِ بِزِيَادَةِ: الأَلِفِ وَالنُّونِ، أَوِ اليَاءِ وَالنُّونِ.

فَيُرْفَعُ بِالأَلِفِ، وَيُنْصَبُ وَيُجَرُّ بِاليَاءِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ الصَّدِيقَانِ)، وَ (رَأَيْتُ الصَّدِيقَيْنِ)، وَ (مَرَرْتُ بِالصَّدِيقَيْنِ).

3 - وَجَمْعُ المُذَكَّرِ السَّالِمُ: الاسْمُ الَّذِي دَلَّ عَلَى أَكْثَرَ مِنِ اثْنَيْنِ بِزِيَادَةِ: الوَاوِ وَالنُّونِ، أَوِ اليَاءِ وَالنُّونِ.

فَيُرْفَعُ بِالوَاوِ، وَيُنْصَبُ وَيُجَرُّ بِاليَاءِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ الصَّالِحُونَ)، وَ (رَأَيْتُ الصَّالِحِينَ)، وَ (مَرَرْتُ بِالصَّالِحِينَ).

4 - وَجَمْعُ المُؤَنَّثِ السَّالِمُ: الاسْمُ الَّذِي دَلَّ عَلَى أَكْثَرَ مِنِ اثْنَيْنِ بِزِيَادَةِ أَلِفٍ وَتاءٍ.

فَيُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ، وَيُنْصَبُ وَيُجَرُّ بِالكَسْرَةِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَتِ الطَّالِبَاتُ)، وَ (رَأَيْتُ الطَّالِبَاتِ)، وَ (مَرَرْتُ بِالطَّالِبَاتِ).
সুতরাং এটি ‘নুন’ বিলোপের ওপর ভিত্তি করে মাবনি হবে।

মুদারে ক্রিয়া মাবনি হওয়ার অবস্থা দুইটি:

প্রথমটি: মুদারে ক্রিয়ার শেষে যখন সরাসরি লঘু দৃঢ়তাসূচক ‘নুন খফিফাহ’ অথবা গুরু দৃঢ়তাসূচক ‘নুন সাকিলাহ’ যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (লা-আকুমান) এবং (লা-আফআলান্না)।

তখন তা ফাতহাহ-র ওপর ভিত্তি করে মাবনি হয়।

দ্বিতীয়টি: মুদারে ক্রিয়ার সাথে যখন স্ত্রীবাচক ‘নুন’ যুক্ত হয়।

এর উদাহরণ: (ইয়াবযুলনা)।

তখন তা সুকুন-এর ওপর ভিত্তি করে মাবনি হয়।

 

‌‌বিশেষ্যের ই’রাব পরিবর্তনের অবস্থাসমূহ

বিশেষ্যের ই’রাব বা রূপান্তরের অবস্থা ছয়টি ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়: একবচন, দ্বিবচন, সুস্থ পুরুষবাচক বহুবচন, সুস্থ স্ত্রীবাচক বহুবচন, আসমাউল খামসাহ (পাঁচটি বিশেষ্য) এবং গায়রে মুনসারিফ (অপরিবর্তনীয় বিশেষ্য)।

১ - একবচন: এমন বিশেষ্য যা একক বা একজনকে বোঝায়।

এটি দম্মাহ (পেশ) দ্বারা রফ’, ফাতহাহ (যবর) দ্বারা নসব এবং কাসরাহ (যের) দ্বারা জর প্রাপ্ত হয়।

এর উদাহরণ: (জায়েদ এসেছে), (আমি জায়েদকে দেখেছি) এবং (আমি জায়েদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)।

২ - দ্বিবচন: এমন বিশেষ্য যা শেষে আলিফ ও নুন অথবা ইয়া ও নুন অতিরিক্ত যোগ করার মাধ্যমে দুইজনকে বোঝায়।

এটি আলিফ দ্বারা রফ’ এবং ইয়া দ্বারা নসব ও জর প্রাপ্ত হয়।

এর উদাহরণ: (দুই বন্ধু এসেছে), (আমি দুই বন্ধুকে দেখেছি) এবং (আমি দুই বন্ধুর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)।

৩ - সুস্থ পুরুষবাচক বহুবচন: এমন বিশেষ্য যা শেষে ওয়াও ও নুন অথবা ইয়া ও নুন অতিরিক্ত যোগ করার মাধ্যমে দুইয়ের অধিক পুরুষবাচক সত্তাকে বোঝায়।

এটি ওয়াও দ্বারা রফ’ এবং ইয়া দ্বারা নসব ও জর প্রাপ্ত হয়।

এর উদাহরণ: (নেককার লোকেরা এসেছে), (আমি নেককার লোকেদের দেখেছি) এবং (আমি নেককার লোকেদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)।

৪ - সুস্থ স্ত্রীবাচক বহুবচন: এমন বিশেষ্য যা শেষে আলিফ ও তা অতিরিক্ত যোগ করার মাধ্যমে দুইয়ের অধিক স্ত্রীবাচক সত্তাকে বোঝায়।

এটি দম্মাহ দ্বারা রফ’ এবং কাসরাহ দ্বারা নসব ও জর প্রাপ্ত হয়।

এর উদাহরণ: (ছাত্রীরা এসেছে), (আমি ছাত্রীদের দেখেছি) এবং (আমি ছাত্রীদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১০)
5 - وَالأَسْمَاءُ الخَمْسَةُ: (أَبٌ)، وَ (أَخٌ)، وَ (حَمٌ)، وَ (فُو)، وَ (ذُو).

فَتُرْفَعُ بِالوَاوِ، وتُنْصَبُ بِالأَلِفِ، وَتُجَرُّ بِاليَاءِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ أَبُوكَ)، وَ (رَأَيْتُ أَبَاكَ)، وَ (مَرَرْتُ بِأَبِيكَ).

6 - وَالمَمْنُوعُ مِنَ الصَّرْفِ هُوَ: الاسْمُ المُعْرَبُ مِنْ غَيْرِ تَنْوِينٍ.

فَيُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ، وَيُنْصَبُ بِالفَتْحَةِ، وَيُجَرُّ بِالفَتْحَةِ، ثَلَاثَتُهُمْ مِنْ غَيْرِ تَنْوِينٍ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ أَحْمَدُ)، وَ (وَرَأَيْتُ أَحْمَدَ)، وَ (مَرَرْتُ بِأَحْمَدَ).

وَالحَرَكَةُ فِيهِ: قَدْ تَكُونُ مُقَدَّرَةً.

مِثَالُهُ: (جَاءَتْ لَيْلَى)، وَ (رَأَيْتُ لَيْلَى)، وَ (مَرَرْتُ بِلَيْلَى).

 

‌‌فَصْلٌ فِي أَقْسَامِ المَمْنُوعِ مِنَ الصَّرْفِ

وَالمَمْنُوعُ مِنَ الصَّرْفِ أَرْبَعَةُ أَقْسَامٍ: عَلَمٌ، وَصِفَةٌ، وَالاسْمُ المَخْتُومُ بِأَلِفِ

التَّأْنِيثِ، وَصِيغَةُ مُنْتَهَى الجُمُوعِ.

فَالأَوَّلُ: العَلَمُ؛ فَيُمْنَعُ إِذَا كَانَ:

1 - أَعْجَمِيًّا؛ مِثْلُ: (إِبْرَاهِيمَ) وَ (إِسْمَاعِيلَ).

إِلَّا إِذَا كَانَ ثُلَاثِيًّا، فَيُصْرَفُ؛ مِثْلُ: (نُوحٍ) وَ (لُوطٍ).

2 - أَوْ مُؤَنَّثًا - لَفْظِيًّا أَوْ مَعْنَوِيًّا -؛ مِثْلُ: (زَيْنَبَ) وَ (سُعَادَ) وَ (حَمْزَةَ) وَ (عَائِشَةَ).

إِلَّا إِذَا كَانَ ثُلَاثِيًّا سَاكِنَ الوَسَطِ، فَيَجُوزُ الصَّرْفُ وَالمَنْعُ؛ مِثْلُ: (هِنْدَ) وَ (هِنْدٍ).

3 - أَوْ عَلَى وَزْنِ (فُعَلَ)؛ مِثْلُ: (عُمَرَ) وَ (زُفَرَ).

4 - أَوْ عَلَى وَزْنِ فِعْلٍ؛ مِثْلُ: (يَزِيدَ) وَ (أَحْمَدَ) وَ (تَغْلِبَ).

5 - أَوْ مَخْتُومًا بِأَلِفٍ وَنُونٍ زَائِدَتَيْنِ؛ مِثْلُ: (عُثْمَانَ)، وَ (عِمْرَانَ)، وَ (سَلْمَانَ).

6 - أَوْ مُرَكَّبًا مَزْجِيًّا؛ مِثْلُ: (مَعْدِيكَرِبَ)، وَ (حَضْرَمَوْتَ)، وَ (بَعْلَبَكَّ).

وَالثَّانِي: الصِّفَةُ، فَتُمْنَعُ إِذَا كَانَتْ:

1 - عَلَى وَزْنِ (أَفْعَلَ)؛ مِثْلُ: (أَبْيَضَ)، وَ (أَسْوَدَ)، وَ (أَحْسَنَ)، وَ (أَفْضَلَ)، وَ (آخَرَ).

إِلَّا إِذَا كَانَ مُؤَنَّثُهُ يَقْبَلُ التَّاءَ، فَيُصْرَفُ؛ مِثْلُ (أَرْمَلٍ)، فَمُؤَنَّثُهُ: (أَرْمَلَةٌ).

2 - أَوْ عَلَى وَزْنِ (فَعْلَانَ) الَّذِي مُؤَنَّثُهُ عَلَى وَزْنِ (فَعْلَى)؛ مِثْلُ (عَطْشَانَ وَعَطْشَى).
৫ - এবং আসমায়ে খামসাহ (পাঁচটি বিশেষ্য) হলো: (আবন), (আখন), (হামুন), (ফুন) এবং (যু)।

এগুলো 'ওয়াও' দ্বারা মারফু হয়, 'আলিফ' দ্বারা মানসুব হয় এবং 'ইয়া' দ্বারা মাজরুর হয়।

এর উদাহরণ: (জাআ আবূকা), (রাআইতু আবাকা) এবং (মারারতু বি-আবীকা)।

৬ - এবং গায়র মুনসারিফ (তানউইন-বর্জিত বিশেষ্য) হলো: তানউইন ব্যতীত মু'রাব বিশেষ্য।

তা যম্মাহ (পেশ) দ্বারা মারফু হয়, ফাতহা (যবর) দ্বারা মানসুব হয় এবং ফাতহা দ্বারাই মাজরুর হয়; এই তিনটি অবস্থাই তানউইন ব্যতিরেকে হয়ে থাকে।

এর উদাহরণ: (জাআ আহমাদু), (ওয়া রাআইতু আহমাদা) এবং (মারারতু বি-আহমাদা)।

আর এর হরকত কখনো কখনো উহ্য (মুকান্দারাহ) থাকতে পারে।

এর উদাহরণ: (জাআত লায়লা), (রাআইতু লায়লা) এবং (মারারতু বি-লায়লা)।

 

‌‌গায়র মুনসারিফের প্রকারভেদ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

গায়র মুনসারিফ চার প্রকার: আলম (সংজ্ঞা), সিফাত (গুণবাচক শব্দ), আলিফে তানিছ (স্ত্রীলিঙ্গবাচক আলিফ) দ্বারা সমাপ্ত বিশেষ্য এবং সিগাতু মুনতাহাল জুমু (বহুবচনের চূড়ান্ত রূপ)।

প্রথম প্রকার: আলম (সংজ্ঞা); এটি গায়র মুনসারিফ হবে যখন তা হবে:

১ - আজমি (অনারব নাম); যেমন: (ইবরাহীম) এবং (ইসমাঈল)।

তবে যদি তা তিন বর্ণবিশিষ্ট হয়, তবে তা মুনসারিফ হবে; যেমন: (নূহিন) এবং (লুতিন)।

২ - অথবা মুয়ান্নাছ (স্ত্রীবাচক)—শব্দগত হোক বা অর্থগত; যেমন: (যায়নাব), (সুআদ), (হামযাহ) এবং (আয়েশা)।

তবে যদি তা তিন বর্ণবিশিষ্ট হয় এবং মধ্যবর্ণটি সাকিন (স্থির) হয়, তবে তা মুনসারিফ হওয়া এবং গায়র মুনসারিফ হওয়া উভয়ই বৈধ; যেমন: (হিনদা) এবং (হিনদিন)।

৩ - অথবা 'ফুআলু' ওজনে হয়; যেমন: (উমর) এবং (যুফার)।

৪ - অথবা ক্রিয়ার ওজনে হয়; যেমন: (ইয়াযিদ), (আহমাদ) এবং (তাগলিব)।

৫ - অথবা অতিরিক্ত আলিফ ও নুন দ্বারা সমাপ্ত হয়; যেমন: (উসমান), (ইমরান) এবং (সালমান)।

৬ - অথবা মুরাক্কাবে মাজজি (মিশ্রিত যৌগিক শব্দ) হয়; যেমন: (মাদিকারিব), (হাদরামাউত) এবং (বালবাক)।

দ্বিতীয় প্রকার: সিফাত (গুণবাচক শব্দ); এটি গায়র মুনসারিফ হবে যখন তা হবে:

১ - 'আফআলু' ওজনে; যেমন: (আবইয়ায), (আসওয়াদ), (আহসান), (আফযাল) এবং (আখার)।

তবে এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ যদি 'তা' গ্রহণ করে, তবে তা মুনসারিফ হবে; যেমন: (আরমালুন), কেননা এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো: (আরমালাতুন)।

২ - অথবা 'ফালানু' ওজনে যার স্ত্রীলিঙ্গ রূপ 'ফালা' ওজনে আসে; যেমন: (আতাশান) এবং (আতাশা)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১১)
3 - أَوْ مِنَ الأَلْفَاظِ المَعْدُولَةِ؛ عَلَى وَزْنِ (فُعَلَ) وَ (مَفْعَلَ) وَ (فُعَالَ)؛ مِثْلُ: (أُخَرَ) (وَمَثْنَى) وَ (ثُلَاثَ وَرُبَاعَ).

وَالثَّالِثُ: الاسْمُ المَخْتُومُ بِأَلِفِ التَّأْنِيثِ - المَمْدُودَةِ وَالمَقْصُورَةِ -، وَمِنْ أَوْزَانِهِ:

1 - (أَفْعِلَاءُ)؛ مِثْلُ: (أَصْدِقَاءَ)، وَ (أَنْبِيَاءَ)، وَ (أَوْلِيَاءَ).

2 - وَ (فُعَلَاءُ)؛ مِثْلُ: (عُقَلَاءَ)، وَ (فُقَهَاءَ)، وَ (عُلَمَاءَ).

3 - وَ (فَعْلَاءُ)؛ مِثْلُ: (بَيْضَاءَ)، وَ (صَحْرَاءَ).

4 - وَ (فَعْلَى)؛ مِثْلُ: (مَرْضَى)، وَ (قَتْلَى).

5 - وَ (فُعْلَى)؛ مِثْلُ: (حُبْلَى)، وَ (بُشْرَى).

6 - وَ (فِعْلَى)؛ مِثْلُ: (ذِكْرَى)، وَ (إِحْدَى).

وَالرَّابِعُ: صِيغَةُ مُنْتَهَى الجُمُوعِ: (مَفَاعِلُ) وَ (مَفَاعِيلُ)؛ مِثْلُ: (مَسَاجِدَ) وَ (مَفَاتِيحَ).

وَيُصْرَفُ المَمْنُوعُ مِنَ الصَّرْفِ إِذَا: 1 - عُرِّفَ بِـ (أل)، 2 - أَوْ بِالإضَافَةِ.

فَمِثَالُ الأَوَّلِ: (فِي المَدَارِسِ الَّتِي فِي المَدِينَةِ طُلَّابٌ كَثِيرٌ).

وَمِثَالُ الثَّانِي: (فِي مَدَارِسِ المَدِينَةِ طُلَّابٌ كَثِيرٌ).

فَـ (مَدَارِسُ): مَمْنُوعَةٌ مِنَ الصَّرْفِ؛ لأَنَّهَا عَلَى وَزْنِ (مَفَاعِلَ).

وَصُرِفَتْ فِي المِثَالِ الأَوَّلِ بِـ (أل)، وَالثَّانِي بِالإِضَافَةِ.

 

‌‌أَحْوَالُ إِعْرَابِ الفِعْلِ المُضَارِعِ

وَأَحْوَالُ إِعْرَابِ المُضَارِعِ فِي ثَلَاثَةِ مَوَاضِعَ: المُضَارِعِ الصَّحِيحِ، وَالمُضَارِعِ مُعْتَلِّ الآخِرِ، وَالأَفْعَالِ الخَمْسَةِ.

1 - فَالمُضَارِعُ الصَّحِيحُ:

يُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ، وَيُنْصَبُ بِالفَتْحَةِ، وَيُجْزَمُ بِالسُّكُونِ.

مِثَالُهُ: (يَكْتُبُ)، وَ (لَنْ يَكْتُبَ)، وَ (لَمْ يَكْتُبْ).

2 - وَمُعْتَلُّ الآخِرِ: مُعَتَّلُ: أَلِفٍ، وَوَاوٍ، وَيَاءٍ.

فَمُعْتَلُّ الأَلِفِ: يُرْفَعُ بِضَمَّةٍ مُقَدَّرَةٍ عَلَى الأَلِفِ، وَيُنْصَبُ بِفَتْحَةٍ مُقَدَّرَةٍ عَلَيْهَا،
৩ - অথবা রূপান্তরিত (معدول) শব্দসমূহ থেকে; যা (ফু’আলা), (মাফ’আলা) এবং (ফু’আলা) ওজনের হয়ে থাকে; যেমন: (উখার), (মাছনা) এবং (ছুলাছা ও রুবা’)।

তৃতীয়ত: সেই বিশেষ্য যা স্ত্রীলিঙ্গবাচক আলিফ—প্রলম্বিত (الممدودة) এবং সংক্ষিপ্ত (المقصورة)—দ্বারা সমাপ্ত হয়েছে এবং এর ওজনসমূহ হলো:

১ - (আফ’ইলা-উ); যেমন: (আসদিকা-আ), (আনবিয়া-আ) এবং (আউলিয়া-আ)।

২ - এবং (ফু’আলা-উ); যেমন: (উকালা-আ), (ফুকাহা-আ) এবং (উলামা-আ)।

৩ - এবং (ফায়লা-উ); যেমন: (বায়দা-আ) এবং (সাহরা-আ)।

৪ - এবং (ফায়লা); যেমন: (মারদা) এবং (কাতলা)।

৫ - এবং (ফু’লা); যেমন: (হুবলা) এবং (বুশরা)।

৬ - এবং (ফি’লা); যেমন: (জিকরা) এবং (ইহদা)।

চতুর্থত: বহুবচনের চূড়ান্ত রূপ (صيغة منتهى الجموع): (মাফা’ইলু) এবং (মাফা’ঈলু); যেমন: (মাসাজিদা) এবং (মাফাতিহা)।

রূপান্তরহীন (ممنوع من الصرف) শব্দগুলো পূর্ণ রূপান্তরযোগ্য হয় যদি: ১ - ‘আল’ (أل) দ্বারা নির্দিষ্ট (معرف) হয়, ২ - অথবা সম্বন্ধ (إضافة) যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে।

প্রথমটির উদাহরণ: (শহরের বিদ্যালয়গুলোতে অনেক ছাত্র রয়েছে)।

দ্বিতীয়টির উদাহরণ: (মদিনার বিদ্যালয়গুলোতে অনেক ছাত্র রয়েছে)।

এখানে (মাদারিসু) শব্দটি রূপান্তরহীন (ممنوع من الصرف); কারণ এটি (মাফা’ইলু) ওজনের অন্তর্ভুক্ত।

তবে প্রথম উদাহরণে ‘আল’ (أل) এর কারণে এবং দ্বিতীয়টিতে সম্বন্ধ (إضافة) হওয়ার কারণে তা পূর্ণ রূপান্তরযোগ্য হয়েছে।

 

‌‌বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ার (الفعل المضارع) ই’রাবের অবস্থাসমূহ

মুদারি ক্রিয়ার ই’রাবের অবস্থা তিনটি ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়: সহিহ (صحيح) মুদারি, শেষাক্ষর দুর্বল (معتل الآخر) মুদারি এবং পাঁচটি ক্রিয়া (الأفعাল الخمسة) সমূহে।

১ - সহিহ (صحيح) মুদারি:

এটি পেশ (ضمة) দ্বারা মারফু (مرفوع), জবর (فتحة) দ্বারা মানসুব (منصوب) এবং সুকুন (سكون) দ্বারা মাজযুম (مجزوم) হয়।

এর উদাহরণ: (য়াক্তুবু), (লান য়াক্তুবা) এবং (লাম য়াক্তুব)।

২ - এবং শেষাক্ষর দুর্বল (معتل الآخر): এর অসুস্থ বা দুর্বল হরফগুলো হলো: আলিফ, ওয়াও এবং ইয়া।

আলিফযুক্ত দুর্বল ক্রিয়া (معتل الألف): এটি আলিফের ওপর উহ্য পেশ (ضمة مقدرة) দ্বারা মারফু (مرفوع) হয় এবং এর ওপর উহ্য জবর (فتحة مقدرة) দ্বারা মানসুব (منصوب) হয়,
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১২)
وَيُجْزَمُ بِحَذْفِهَا.

مِثَالُهُ: (يَرْقَى)، وَ (لَنْ يَرْقَى)، وَ (لَمْ يَرْقَ).

وَمُعْتَلُّ الوَاوِ: يُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ المُقَدَّرَةِ عَلَى الوَاوِ، وَيُنْصَبُ بِالفَتْحَةِ الظَّاهِرَةِ عَلَيْهَا، وَيُجْزَمُ بِحَذْفِهَا.

مِثَالُهُ: (يَبْدُو)، وَ (لَنْ يَبْدُوَ)، وَ (لَمْ يَبْدُ).

وَمُعْتَلُّ اليَاءِ: يُرْفَعُ بِالضَّمَّةِ المُقَدَّرَةِ عَلَى اليَاءِ، وَيُنْصَبُ بِالفَتْحَةِ الظَّاهِرَةِ عَلَيْهَا، وَيُجْزَمُ بِحَذْفِهَا.

مِثَالُهُ: (يَرْمِي)، وَ (لَنْ يَرْمِيَ)، وَ (لَمْ يَرْمِ).

3 - وَالأَفْعَالُ الخَمْسَةُ: كُلُّ مُضَارِعٍ اتَّصَلَ بِآخِرِهِ: أَلِفُ الاثْنَيْنِ، أَوْ وَاوُ الجَمَاعَةِ، أَوْ يَاءُ المُخَاطَبَةِ.

مِثْلُ: (يَتَكَلَّمَانِ)، وَ (تَتَكَلَّمَانِ)، وَ (يَتَكَلَّمُونَ)، وَ (تَتَكَلَّمُونَ)، وَ (تَتَكَلَّمِينَ).

فَتُرْفَعُ بِثُبُوتِ النُّونِ، وَتُنْصَبُ وَتُجْزَمُ بِحَذْفِهِا.

وَالنُّونُ عِنْدَ ظُهُورِها: مَكْسُورَةٌ بَعْدَ أَلِفِ الاثْنَيْنِ، وَمَفْتُوحَةٌ فِي غَيْرِهَا.

فَمِثَالُ الرَّفْعِ: (يَتَكَلَّمَانِ)، وَ (تَتَكَلَّمَانِ)، وَ (يَتَكَلَّمُونَ)، وَ (تَتَكَلَّمُونَ)، وَ (تَتَكَلَّمِينَ).

وَمِثَالُ النَّصْبِ: لَنْ: (يَتَكَلَّمَا)، وَ (تَتَكَلَّمَا)، وَ (يَتَكَلَّمُوا)، وَ (تَتَكَلَّمُوا)، وَ (تَتَكَلَّمِي).

وَمِثَالُ الجَزْمِ: لَمْ: (يَتَكَلَّمَا)، وَ (تَتَكَلَّمَا)، وَ (يَتَكَلَّمُوا)، وَ (تَتَكَلَّمُوا)، وَ (تَتَكَلَّمِي).

 

‌‌نَوَاصِبُ الفِعْلِ المُضَارِعِ

وَنَوَاصِبُ المُضَارِعِ: (أَنْ)، وَ (لَنْ)، وَ (إِذَنْ)، وَ (كَيْ)، وَ (لَامُ التَّعْلِيلِ)، وَ (لَامُ الجُحُودِ)، وَ (حَتَّى)، وَ (الفَاءُ السَّبَبِيَّةُ)، وَ (وَاوُ المَعِيَّةِ)، وَ (أَوْ) الَّتِي بِمَعْنَى (حَتَّى).

وَعَمَلُهَا: نَصْبُ المُضَارِعِ بَعْدَهَا.

مِثَالُهُ: (ذَهَبَ زَيْدٌ إِلَى البَيْتِ لِيَنَامَ).

فَأَدَاةُ النَّصْبِ: (لَامُ التَّعْلِيلِ) فِي: (لِيَنَامَ).

وَالمُضَارِعُ المَنْصُوبُ: (يَنَامَ)؛ لأَنَّهُ سُبِقَ بِحَرْفِ نَصْبٍ.

وَفِي عَمَلِ (إِذَنْ) ثَلَاثَةُ شُرُوطٍ:
এবং তা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে জযম প্রদান করা হয়।

এর উদাহরণ: (ইয়ারকা), (লান ইয়ারকা), এবং (লাম ইয়ারক)।

ওয়াও দ্বারা মু’তাল (দুর্বল বর্ণ সংবলিত ক্রিয়া): এটি ওয়াও-এর উপর উহ্য যম্মাহ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়, এর উপর দৃশ্যমান ফাতহাহ দ্বারা নাসব প্রাপ্ত হয় এবং তা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে জযম প্রদান করা হয়।

এর উদাহরণ: (ইয়াবদু), (লান ইয়াবদুয়া), এবং (লাম ইয়াবদু)।

ইয়া দ্বারা মু’তাল (দুর্বল বর্ণ সংবলিত ক্রিয়া): এটি ইয়া-এর উপর উহ্য যম্মাহ দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়, এর উপর দৃশ্যমান ফাতহাহ দ্বারা নাসব প্রাপ্ত হয় এবং তা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে জযম প্রদান করা হয়।

এর উদাহরণ: (ইয়ারমি), (লান ইয়ারমিয়া), এবং (লাম ইয়ারমি)।

৩ - আল-আফআলুল খামসাহ (পাঁচটি বিশেষ ক্রিয়া): প্রত্যেক সেই মুদারে (বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন) ক্রিয়া, যার শেষে দ্বিবচনের আলিফ, অথবা বহুবচনের ওয়াও, অথবা সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ইয়া যুক্ত হয়।

যেমন: (ইয়াতাকাল্লামানি), (তাতাকাল্লামানি), (ইয়াতাকাল্লামুনা), (তাতাকাল্লামুনা), এবং (তাতাকাল্লামিনা)।

অতঃপর এগুলো ‘নুন’ অটুট থাকার মাধ্যমে রফ প্রাপ্ত হয় এবং ‘নুন’ বিলুপ্ত করার মাধ্যমে নাসব ও জযম প্রাপ্ত হয়।

আর ‘নুন’ যখন দৃশ্যমান হয়: তখন তা দ্বিবচনের আলিফ-এর পরে কাসরাহ (জের) যুক্ত হয় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ফাতহাহ (যবর) যুক্ত হয়।

রফ-এর উদাহরণ: (ইয়াতাকাল্লামানি), (তাতাকাল্লামানি), (ইয়াতাকাল্লামুনা), (তাতাকাল্লামুনা), এবং (তাতাকাল্লামিনা)।

নাসব-এর উদাহরণ: ‘লান’ যোগে: (ইয়াতাকাল্লামা), (তাতাকাল্লামা), (ইয়াতাকাল্লামু), (তাতাকাল্লামু), এবং (তাতাকাল্লামি)।

জযম-এর উদাহরণ: ‘লাম’ যোগে: (ইয়াতাকাল্লামa), (তাতাকাল্লামা), (ইয়াতাকাল্লামু), (তাতাকাল্লামু), এবং (তাতাকাল্লামি)।

 

মুদারে ক্রিয়াকে নাসব প্রদানকারী অব্যয়সমূহ

মুদারে ক্রিয়াকে নাসব প্রদানকারী অব্যয়সমূহ হলো: (আন), (লান), (ইযান), (কাই), (লামুত তায়লীল), (লামুল জুহুদ), (হাত্তা), (ফাউস সাবাবিয়্যাহ), (ওয়াওউল মায়িয়্যাহ), এবং সেই (আও) যা (হাত্তা)-এর অর্থ প্রদান করে।

এগুলোর কাজ হলো: এদের পরবর্তী মুদারে ক্রিয়াকে নাসব প্রদান করা।

এর উদাহরণ: (যাহাবা যাইদুন ইলাল বাইতি লিয়ানামা) অর্থাৎ— ‘যাইদ বাড়িতে গেল যাতে সে ঘুমাতে পারে’।

এখানে নাসব প্রদানকারী অব্যয় হলো: (লিয়ানামা)-এর মধ্যে বিদ্যমান ‘লামুত তায়লীল’।

আর নাসবপ্রাপ্ত মুদারে ক্রিয়াটি হলো: (ইয়ানামা); কারণ এটি একটি নাসব প্রদানকারী অব্যয়ের পরে এসেছে।

(ইযান) অব্যয়টি আমল করার জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৩)
1 - أَنْ تَكُونَ فِي أَوَّلِ الجُمْلَةِ.

2 - وَأَنْ تَكُونَ مُتَّصِلَةً بِالمُضَارِعِ؛ أَوْ وَقَعَ بَعْدَهَا حَرْفُ قَسَمٍ أَوْ (لَا) النَّافِيَةُ.

3 - وَأَنْ يَكُونَ المُضَارِعُ دَالًّا عَلَى المُسْتَقْبَلِ.

مِثَالُهُ: (إِذَنْ أُكْرِمَكَ)؛ جَوَابًا لِمَنْ قَالَ لَكَ: (أَزُورُكَ غَدًا).

وَمِثْلُهُ: (إِذَنْ وَاللهِ أُكْرِمَكَ) وَ (إِذَنْ لَا أُقَصِّرَ فِي إِكْرَامِكَ).

وَمِثَالُ (أَوْ) - الَّتِي بِمَعْنَى (حَتَّى) -: (لَا أُكْرِمُكَ أَوْ تُعْطِيَنِي نَصِيبًا).

نَصَبْتُ (تُعْطِيَنِي) بِتَقْدِيرِ: (لَا أُكْرِمُكَ حَتَّى تُعْطِيَنِي نَصِيبًا).

وَالفَاءُ السَّبَبِيَّةُ:

فَاءٌ تَدْخُلُ عَلَى المُضَارِعِ، فَيَكُونُ مَا قَبْلَهَا سَبَبًا لِمَا بَعْدَهَا.

وَمُضَارِعُهَا: مَنْصُوبٌ.

وَيُشْتَرَطُ أَنْ تَكُونَ مَسْبُوقَةً: بِنَفْيٍ، أَوْ أَمْرٍ، أَوْ نَهْيٍ، أَوِ اسْتِفْهَامٍ، أَوْ دُعَاءٍ، أَوْ تَحْضِيضٍ، أَوْ تَمَنٍّ، أَوْ تَرَجٍّ، أَوْ عَرْضٍ.

1 - فَمِثَالُ الأَمْرِ: (زُرْنِي فَأُحْسِنَ إِلَيْكَ).

2 - وَمِثَالُ النَّفْيِ: (لَمْ يَزُرْنِي فَأُكْرِمَهُ).

3 - وَمِثَالُ النَّهْيِ: (لَا تَهْجُرْنِي فَأُسِيءَ إِلَيْكَ).

4 - وَمِثَالُ الاسْتِفْهَامِ: (أَيْنَ زَيْدٌ فَنُحَدِّثَهُ).

5 - وَمِثَالُ الدُّعَاءِ: (رَزَقَكَ اللهُ مَالًا فَتَتَّسِعَ بِهِ).

6 - وَمِثَالُ التَّحْضِيضِ: (لَوْلَا أَتَيْتَنِي فَأُكْرِمَكَ).

7 - وَمِثَالُ التَّمَنِّي: (لَيْتَ زَيْدًا عِنْدَنَا فَنُكْرِمَهُ).

8 - وَمِثَالُ التَّرَجِّي: (لَعَلِّي أَزُورُهُ فَيُكْرِمَنِي).

9 - وَمِثَالُ العَرْضِ: (أَلَا تَأْتِينِي فَأُكْرِمَكَ).

وَوَاوُ المَعِيَّةِ: شَرْطُهَا شَرْطُ الفَاءِ السَّبَبِيَّةِ.

وَمِنْ أَمْثِلَتِهَا: (لَا تَضْرِبْ زَيْدًا وَتَأَخُذَ مَالَهُ).
1 - এটি বাক্যের শুরুতে হতে হবে।

2 - এবং এটি মুদারি (المضارع) এর সাথে সরাসরি যুক্ত হতে হবে; অথবা এর মাঝে কোনো শপথের বর্ণ (حرف قسم) কিংবা না-বোধক লা (لا النافية) থাকতে হবে।

3 - এবং মুদারি (المضارع) ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশক হতে হবে।

এর উদাহরণ হলো: (তাহলে আমি তোমাকে সম্মানিত করব); এটি সেই ব্যক্তির উত্তরে বলা হবে যে তোমাকে বলেছে: (আমি আগামীকাল তোমার সাথে সাক্ষাৎ করব)।

অনুরূপ উদাহরণ হলো: (তাহলে আল্লাহর শপথ, আমি তোমাকে সম্মানিত করব) এবং (তাহলে আমি তোমাকে সম্মানিত করতে কোনো ত্রুটি করব না)।

এবং (أو) এর উদাহরণ—যা পর্যন্ত (حتى) অর্থে ব্যবহৃত হয়—: (আমি তোমাকে সম্মানিত করব না যতক্ষণ না তুমি আমাকে আমার প্রাপ্য অংশ দাও)।

এখানে (তুতিনি) শব্দটিকে আমি নসবযুক্ত (منصوب) করেছি এই উজ্জ্ব অর্থের ভিত্তিতে: (আমি তোমাকে সম্মানিত করব না যতক্ষণ না তুমি আমাকে আমার প্রাপ্য অংশ দাও)।

এবং ফা-য়ে সাবাবিয়্যাহ (الفاء السببية):

এটি এমন একটি ‘ফা’ যা মুদারি (المضارع) এর শুরুতে আসে, ফলে এর পূর্ববর্তী অংশটি পরবর্তী অংশের কারণ (سبب) হয়ে থাকে।

এবং এর পরবর্তী মুদারি (المضارع) ক্রিয়াটি নসবযুক্ত (منصوب) হয়।

এর জন্য শর্ত হলো যে, এর পূর্বে থাকতে হবে: না-বোধক (نفي), আদেশ (أمر), নিষেধ (نهي), প্রশ্ন (استفهام), দুয়া (دعاء), তীব্র উৎসাহদান (تحضيض), অসম্ভব আকাঙ্ক্ষা (تمنٍّ), প্রত্যাশা (ترجٍّ), অথবা প্রস্তাব (عرض)।

1 - আদেশের উদাহরণ: (তুমি আমার সাথে সাক্ষাৎ করো, তবে আমি তোমার প্রতি অনুগ্রহ করব)।

2 - না-বোধকের উদাহরণ: (সে আমার সাথে সাক্ষাৎ করেনি যে আমি তাকে সম্মানিত করব)।

3 - নিষেধের উদাহরণ: (তুমি আমাকে ত্যাগ করো না, তবে আমি তোমার প্রতি মন্দ আচরণ করব)।

4 - প্রশ্নের উদাহরণ: (জায়েদ কোথায় যে আমরা তার সাথে কথা বলব?)।

5 - দুয়ার উদাহরণ: (আল্লাহ তোমাকে সম্পদ দান করুন যেন তুমি এর দ্বারা সচ্ছলতা লাভ করতে পারো)।

6 - তীব্র উৎসাহদানের উদাহরণ: (তুমি কেন আমার নিকট আসলে না যে আমি তোমাকে সম্মানিত করতাম?)।

7 - অসম্ভব আকাঙ্ক্ষার উদাহরণ: (হায়! জায়েদ যদি আমাদের কাছে থাকত তবে আমরা তাকে সম্মানিত করতাম)।

8 - প্রত্যাশার উদাহরণ: (সম্ভবত আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করব ফলে সে আমাকে সম্মানিত করবে)।

9 - প্রস্তাবের উদাহরণ: (তুমি কি আমার কাছে আসবে না যে আমি তোমাকে সম্মানিত করব?)।

এবং ওয়াও-উল মায়িয়্যাহ (واو المعية): এর শর্তাবলি ফা-য়ে সাবাবিয়্যাহ (الفاء السببية) এর শর্তাবলির অনুরূপ।

এর উদাহরণসমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো: (তুমি জায়েদকে প্রহার করো না এবং একই সাথে তার সম্পদও হরণ করো না)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌جَوَازِمُ الفِعْلِ المُضَارِعِ

وَجَوَازِمُ المُضَارِعِ قِسْمَانِ:

الأَوَّلُ: قِسْمٌ يَجْزِمُ مُضَارِعًا وَاحِدًا، وَهِيَ: (لَمْ)، وَ (لَمَّا)، وَ (لَامُ الطَّلَبِ)، وَ (لَا الطَّلَبِيَّةُ).

وَعَمَلُهَا: جَزْمُ المُضَارِعِ بَعْدَهَا.

وَالثَّانِي: قِسْمٌ يَجْزِمُ مُضَارِعَيْنِ، وَهِيَ: (إِنْ)، وَ (مَا)، وَ (مَنْ)، وَ (مَهْمَا)، (وَإِذْمَا)، وَ (أَيُّ)، وَ (مَتَى)، وَ (أَيَّانَ)، وَ (أَيْنَ)، وَ (أَنَّى)، وَ (حَيْثُمَا)، وَ (كَيْفَمَا).

وَعَمَلُهَا: جَزْمُ مُضَارِعَيْنِ بَعْدَهَا، الأَوَّلُ: شَرْطٌ، وَالثَّانِي: جَوَابُهُ.

فَمِثَالُ جَزْمِ المُضَارِعِ الوَاحِدِ: (زَيْدٌ لَمْ يَذْهَبْ إِلَى المَدْرَسَةِ).

فَأَدَاةُ الجَزْمِ: (لَمْ).

وَالمُضَارِعُ المَجْزُومُ: (يَذْهَبْ)؛ لأَنَّهُ سُبِقَ بِأَدَاةِ جَزْمٍ.

وَمِثَالُ جَزْمِ المُضَارِعَيْنِ: (مَنْ يَدْرُسْ يَنْجَحْ).

فَأَدَاةُ الجَزْمِ: (مَنْ).

وَالمُضَارِعَانِ المَجْزُومَانِ: (يَدْرُسْ) وَ (يَنْجَحْ)؛ لأَنَّهُمَا سُبِقَا بِأَدَاةِ جَزْمٍ لِمُضَارِعَيْنِ.

وَقَدْ يَقَعُ الجَزْمُ فِي الجَوَابِ دُونَ أَدَاةِ جَزْمٍ: إِذَا سَبَقَهُ فِعْلُ أَمْرٍ.

مِثَالُهُ: (ادْرُسْ تَنْجَحْ).

 

‌‌جَرُّ الأَسْمَاءِ بِالحُرُوفِ

وَحُرُوفُ الجَرِّ: هِيَ الَّتِي تَجُرُّ الاسْمَ بَعْدَهَا.

وَهِيَ: (مِنْ)، وَ (إِلَى)، وَ (عَنْ)، وَ (عَلَى)، وَ (فِي)، وَ (البَاءُ)، وَ (الكَافُ)، وَ (اللَّامُ)، وَ (مُنْذُ)، وَ (مُذْ)، وَ (رُبَّ)، وَ (حَتَّى) الغَائِيَّةُ، وَحُرُوفُ القَسَمِ (الوَاوُ وَالبَاءُ وَالتَّاءُ).

مِثَالٌ: (ذَهَبَ الطَّالِبُ إِلَى المَدْرَسَةِ).

فَحَرْفُ الجَرِّ: (إِلَى).

وَالمَجْرُورُ: (المَدْرَسَةِ).
ফে'ল মুদারে-র জজম প্রদানকারী হরফসমূহ

ফে'ল মুদারে-কে জজম প্রদানকারী হরফসমূহ দুই প্রকার:

প্রথম প্রকার: যা একটি মাত্র মুদারে ফে'লকে জজম প্রদান করে; আর সেগুলো হলো: (লম), (লাম্মা), (আদেশসূচক লাম), এবং (নিষেধসূচক লা)।

এগুলোর কাজ হলো: পরবর্তী মুদারে ফে'লকে জজম প্রদান করা।

দ্বিতীয় প্রকার: যা দুটি মুদারে ফে'লকে জজম প্রদান করে; আর সেগুলো হলো: (ইন), (মা), (মান), (মাহমা), (ইযমা), (আইয়্যু), (মাতা), (আইয়্যানা), (আইনা), (আন্না), (হাইসুমা), এবং (কাইফামা)।

এগুলোর কাজ হলো: পরবর্তী দুটি মুদারে ফে'লকে জজম প্রদান করা, যার প্রথমটি হলো শর্ত এবং দ্বিতীয়টি হলো তার উত্তর বা প্রতিদান।

একটি মুদারে ফে'লকে জজম প্রদানের উদাহরণ: (জায়েদ মাদরাসায় যায়নি)।

এখানে জজম প্রদানকারী হরফ হলো: (লম)।

আর মজজুম মুদারে হলো: (ইয়াজহাব); কারণ এর পূর্বে একটি জজম প্রদানকারী হরফ এসেছে।

দুটি মুদারে ফে'লকে জজম প্রদানের উদাহরণ: (যে অধ্যয়ন করবে, সে সফল হবে)।

এখানে জজম প্রদানকারী হরফ হলো: (মান)।

আর মজজুম মুদারে ফে'ল দুটি হলো: (ইয়াদরুস) এবং (ইয়ানজাহ); কারণ এ দুটির পূর্বে এমন একটি হরফ এসেছে যা দুটি মুদারে ফে'লকে জজম প্রদান করে।

কখনো কখনো জজম প্রদানকারী হরফ ছাড়াই উত্তরে জজম হতে পারে: যখন তার পূর্বে আমরের ফে'ল (আদেশসূচক ক্রিয়া) থাকে।

এর উদাহরণ: (অধ্যয়ন করো, সফল হবে)।

 

হরফের মাধ্যমে ইসিমসমূহের জার (যের) হওয়া

হরফে জর হলো সেই সমস্ত হরফ বা অব্যয় যা তার পরবর্তী ইসিমকে জার বা যের প্রদান করে।

আর সেগুলো হলো: (মিন), (ইলা), (আন), (আলা), (ফি), (বা), (কাফ), (লাম), (মুনযু), (মুয), (রুব্বা), (হাত্তা) যা সমাপ্তি বুঝায়, এবং শপথসূচক হরফসমূহ (ওয়াও, বা এবং তা)।

উদাহরণ: (ছাত্রটি মাদরাসায় গেল)।

এখানে হরফে জর হলো: (ইলা)।

আর মাজরুর (যেরপ্রাপ্ত শব্দ) হলো: (আল-মাদরাসা)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌جَرُّ الأَسْمَاءِ بِالإِضَافَةِ (المُضَافُ وَالمُضَافُ إِلَيْهِ)

وَالمُضَافُ: اسْمٌ أُضِيفَ إِلَى اسْمٍ بَعْدَهُ.

فَالمُضَافُ: الاسْمُ الأَوَّلُ.

وَالمُضَافُ إِلَيْهِ: الاسْمُ الثَّانِي، وَهُوَ: مَجْرُورٌ.

مِثَالُهُ: (هَذَا فَرَسُ زَيْدٍ).

فَالمُضَافُ: (فَرَسُ).

وَالمُضَافُ إِلَيْهِ: (زَيْدٍ)، مَجْرُورٌ بِالإِضَافَةِ.

وَالمُضَافُ يُحْذَفُ فِيهِ: التَّنْوِينُ، وَنُونُ المُثَنَّى، وَنُونُ جَمْعِ المُذَكَّرِ السَّالِمِ.

وَأَمْثِلَتُهُ:

قَبْلَ الإِضَافَةِ: (مُدَرِّسٌ)، وَ (مُدَرِّسَانِ)، وَ (مُدَرِّسُونَ).

وَبَعْدَ الإِضَافَةِ: (مُدَرِّسُ النَّحْوِ)، وَ (مُدَرِّسَا النَّحْوِ)، وَ (مُدَرِّسُو النَّحْوِ).

 

‌‌النَّكِرَةُ وَالمَعْرِفَةُ

وَالنَّكِرَةُ: اسْمٌ يَدُلُّ عَلَى غَيْرِ مُعَيَّنٍ.

وَالمعَرْفِةُ: اسْمٌ يَدُلُّ عَلَى مُعَيَّنٍ.

فَالأَوَّلُ مِثْلُ: (رَجُلٍ)، وَ (طَالِبٍ)، وَ (كِتَابٍ)، وَ (بَحْرٍ).

وَالثَّانِي مِثْلُ: (الرَّجُلِ)، وَ (أَنَا)، وَ (هَذَا)، وَ (عَلِيٍّ)، وَ (البَحْرِ).

وَعَلَامَةُ النَّكِرَةِ: قَبُولُ: (ألْ)، أَوْ (رُبَّ).

وَالمَعَارِفُ سَبْعَةٌ: الضَّمَائِرُ، وَالعَلَمُ، وَأَسْمَاءُ الإِشَارَةِ، وَالأَسْمَاءُ المَوْصُولَةُ، وَالمَبْدُوءُ بِـ (أل) التَّعْرِيفِ، وَالمُضَافُ إِلَى وَاحِدٍ مِمَّا ذُكِرَ مِنَ المَعَارِفِ، وَالنَّكِرَةُ المَقْصُودَةُ.

1 - فَالضَّمِيرُ: اسْمٌ يَنُوبُ عَنِ الاسْمِ الظَّاهِرِ عَلَى سَبِيلِ الإِضْمَارِ.

وَيَدُلُّ عَلَى مُتَكَلِّمٍ، أَوْ مُخَاطَبٍ، أَوْ غَائِبٍ.

وَمِنْهُ: البَارِزُ المُتَّصِلُ وَالمُنْفَصِلُ، أَوِ المُسْتَتِرُ.

فَالمُتَكَلِّمُ: (أَنَا)، وَ (نَحْنُ)، وَ (يَاءُ المُتَكَلِّمِ)، وَ (تَاءُ المُتَكَلِّمِ)، وَ (نَا المُتَكَلِّمِينَ)،
সম্বন্ধযুক্ত করার (ইদাফাত) মাধ্যমে বিশেষ্যের মাজরুর হওয়া (মুদাফ ও মুদাফ ইলাইহি)

মুদাফ হলো: এমন একটি বিশেষ্য যাকে তার পরবর্তী একটি বিশেষ্যের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে।

মুদাফ হলো: প্রথম বিশেষ্যটি।

মুদাফ ইলাইহি হলো: দ্বিতীয় বিশেষ্যটি, এবং তা: মাজরুর।

এর উদাহরণ: (এটি জায়েদের ঘোড়া)।

এখানে মুদাফ হলো: (ঘোড়া)।

আর মুদাফ ইলাইহি হলো: (জায়েদ), যা ইদাফাত বা সম্বন্ধের কারণে মাজরুর হয়েছে।

মুদাফ থেকে যা বিলুপ্ত হয়: তানউইন, দ্বিবচনের নুন এবং জমা মুজাক্কার সালেমের নুন।

এর উদাহরণসমূহ:

ইদাফাতের পূর্বে: (শিক্ষক), (দুইজন শিক্ষক), এবং (শিক্ষকগণ)।

ইদাফাতের পরে: (নাহুর শিক্ষক), (নাহুর দুইজন শিক্ষক), এবং (নাহুর শিক্ষকগণ)।

 

‌নাকিরাহ ও মা’রিফাহ

নাকিরাহ হলো: এমন বিশেষ্য যা অনির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে বোঝায়।

মা’রিফাহ হলো: এমন বিশেষ্য যা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে বোঝায়।

প্রথমটির উদাহরণ যেমন: (ব্যক্তি), (ছাত্র), (বই), এবং (সমুদ্র)।

দ্বিতীয়টির উদাহরণ যেমন: (ব্যক্তিটি), (আমি), (এটি), (আলী), এবং (সমুদ্রটি)।

নাকিরাহ হওয়ার চিহ্ন হলো: আলিফ-লাম অথবা রুব্বা গ্রহণ করা।

মা’রিফাহ সাত প্রকার: সর্বনাম (দমির), ব্যক্তিনাম (আলম), ইশারা সূচক বিশেষ্য (ইসমে ইশারা), সম্বন্ধসূচক বিশেষ্য (ইসমে মাওসুল), আলিফ-লাম সম্বলিত শব্দ, উল্লেখিত মা’রিফাহগুলোর কোনো একটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মুদাফ) শব্দ এবং নাকিরাহ মাকসুদাহ।

১ - সর্বনাম (দমির) হলো: এমন বিশেষ্য যা প্রচ্ছন্নতার ভিত্তিতে প্রকাশ্য বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়।

এটি উত্তম পুরুষ (মুতাকাল্লিম), মধ্যম পুরুষ (মুখাতাব) অথবা নাম পুরুষ (গায়েব)-এর অর্থ প্রদান করে।

এর প্রকারভেদের মধ্যে রয়েছে: প্রকাশ্য (বারিজ) যা সংযুক্ত (মুত্তাসিল) বা বিযুক্ত (মুনফাসিল) হতে পারে, অথবা প্রচ্ছন্ন (মুসতাদির)।

উত্তম পুরুষ হলো: (আমি), (আমরা), (মুতাকাল্লিমের ইয়া), (মুতাকাল্লিমের তা), এবং (মুতাকাল্লিমিন-এর না),
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৬)
وَ (إِيَّايَ)، وَ (إِيَّانَا).

وَالمُخَاطَبُ: (أَنْتَ) وَفُرُوعُهَا، وَ (إِيَّاكَ) وَفُرُوعُهَا، وَ (يَاءُ المُخَاطَبَةِ)، وَ (تَاءُ الخِطَابِ) وَفُرُوعُهَا، وَ (كَافُ الخِطَابِ) وَفُرُوعُهَا.

وَالغَائِبُ: (هُوَ) وَفُرُوعُهَا، وَ (إِيَّاهُ) وَفُرُوعُهَا، وَ (هَاءُ الغَائِبِ) وَفُرُوعُهَا.

وَالمُخَاطَبُ أَوِ الغَائِبُ: أَلِفُ الاثْنَيْنِ، وَوَاوُ الجَمَاعَةِ، وَنُونُ النِّسْوَةِ.

فَمِثَالُ أَلِفِ الاثْنَيْنِ: (اكْتُبَا) وَ (كَتَبَا).

وَمِثَالُ وَاوِ الجَمَاعَةِ: (اكْتُبُوا)، وَ (كَتَبُوا).

وَمِثَالُ نُونِ النِّسْوَةِ: (اكْتُبْنَ)، وَ (كَتَبْنَ).

وَلِكُلٍّ مِنَ الضَّمَائِرِ مَوْقِعُهُ مِنَ الإِعْرَابِ.

وَتَقْرِيبُ إِعْرَابِهِ: بِتَقْدِيرِ اسْمٍ ظَاهِرٍ مَكَانَهُ.

مِثَالُهُ: (أَنْتَ طَوِيلٌ)، وَتَقْدِيرُهُ: (زَيْدٌ طَوِيلٌ)، فَيَكُونُ: فِي مَحَلِّ رَفْعِ مُبْتَدَإٍ.

2 - وَالعَلَمُ: اسْمُ الشَّيْءِ؛ مِثْلُ: (عَلِيٍّ)، وَ (عَائِشَةَ)، وَ (مَكَّةَ).

3 - وَاسْمُ الإِشَارَةِ: اسْمٌ يَنُوبُ عَنِ الاسْمِ الظَّاهِرِ بِالإِشَارَةِ إِلَيْهِ.

مِنْهَا: (هَذَا)، وَ (هَذِهِ)، وَ (هَذَانِ) وَ (هَذَيْنِ)، وَ (هَاتَانِ) وَ (هَاتَيْنِ)، وَ (هَؤُلَاءِ).

وَ (هَا) فِيهَا: حَرْفُ تَنْبِيهٍ.

4 - والاسْمُ المَوْصُولُ: اسْمٌ يَنُوبُ عَنِ الاسْمِ الظَّاهِرِ بِالصِّلَةِ.

وَهِيَ: (الَّذِي)، وَ (الَّتِي)، وَ (اللَّذَانِ) وَ (اللَّذَيْنِ)، وَ (اللَّتَانِ) وَ (اللَّتَيْنِ)، وَ (الَّذِينَ) وَ (الأُلَى)، وَ (اللَّاتِي) وَ (اللَّوَاتِي) وَ (اللَّائِي)، وَ (مَنْ)، وَ (مَا)، وَ (ذَا) الَّتِي تَقَعُ بَعْدَ (مَنْ) وَ (مَا)، وَ (أَيُّ) مِنْ (يَسُرُّنِي أَيُّهُمْ قَامَ).

5 - وَالمَبْدُوءُ بِـ (أل)؛ مِثْلُ: (الكِتَابِ)، وَ (القَلَمِ).

6 - وَالمُضَافُ إِلَى وَاحِدٍ مِمَّا ذُكِرَ مِنَ المَعَارِفِ:

مِثَالُهُ: (دَارُ زَيْدٍ).

فَـ (دَارُ) - هُنَا -: مَعْرِفَةٌ؛ لأَنَّهَا أُضِيفَتْ إِلَى عَلَمٍ، وَهُوَ: (زَيْدٌ).

وَالكَلِمَةُ (دَارٌ) كَانَتْ نَكِرَةً قَبْلَ إِضَافَتِهَا إِلَى (زَيْدٍ).
এবং (ইয়্যা-ইয়া) ও (ইয়্যা-না)।

এবং মধ্যম পুরুষ: (আন্তা) ও এর রূপান্তরসমূহ, (ইয়্যাকা) ও এর রূপান্তরসমূহ, (ইয়াউল মুখাতাবাহ), (তাউল খিতাব) ও এর রূপান্তরসমূহ এবং (কাফুল খিতাব) ও এর রূপান্তরসমূহ।

এবং নাম পুরুষ: (হুয়া) ও এর রূপান্তরসমূহ, (ইয়্যাহু) ও এর রূপান্তরসমূহ এবং (হাউল গায়িব) ও এর রূপান্তরসমূহ।

এবং মধ্যম পুরুষ অথবা নাম পুরুষ: দ্বিবচনের আলিফ, বহুবচনের ওয়াও এবং স্ত্রীলিঙ্গের নুন।

দ্বিবচনের আলিফ-এর উদাহরণ: (উক্তুবা) এবং (কাতাবা)।

বহুবচনের ওয়াও-এর উদাহরণ: (উক্তুবু) এবং (কাতাবু)।

স্ত্রীলিঙ্গের নুন-এর উদাহরণ: (উক্তুবনা) এবং (কাতাবনা)।

এবং প্রতিটি সর্বনামেরই ই'রাব বা বাক্যে অবস্থানের নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে।

এর ই'রাব বোঝার সহজ পদ্ধতি হলো: তার স্থলে একটি প্রকাশ্য বিশেষ্য কল্পনা করা।

এর উদাহরণ: (আন্তা তবিলুন), আর এর প্রাক্কলিত রূপ: (যাইদুন তবিলুন); এক্ষেত্রে এটি হবে: মুবতাদা হিসেবে রফ-এর স্থলে।

২ - সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য (আল-আলাম): কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর নাম; যেমন: (আলী), (আয়িশা) এবং (মক্কা)।

৩ - নির্দেশক বিশেষ্য (ইসমে ইশারা): এমন বিশেষ্য যা ইশারার মাধ্যমে কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে: (হাযা), (হাযিহি), (হাযানি) ও (হাযাইনি), (হাতানি) ও (হাতাইনি) এবং (হাউলায়ি)।

এবং এগুলোর মধ্যে থাকা (হা) হলো: সতর্কীকরণ অব্যয়।

৪ - সম্বন্ধবাচক বিশেষ্য (ইসমে মাওসুল): এমন বিশেষ্য যা পরবর্তী বাক্যাংশের (সিলাহ) মাধ্যমে প্রকাশ্য বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়।

সেগুলো হলো: (আল্লাযি), (আল্লাতি), (আল্লাযানি) ও (আল্লাযাইনি), (আল্লাতানি) ও (আল্লাতাইনি), (আল্লাযিনা) ও (আল-উলা), (আল-লাতি), (আল-লাওয়াতি) ও (আল-লায়ি), (মান), (মা), এবং (যা) যা (মান) ও (মা) এর পরে আসে, এবং (আইয়্যু) যেমন: (ইয়াসুররুনি আইয়্যুহুম কমা)।

৫ - (আল) যুক্ত বিশেষ্য; যেমন: (আল-কিতাব) এবং (আল-কালাম)।

৬ - উল্লিখিত নির্দিষ্ট বিশেষ্যগুলোর কোনো একটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মুদাফ) শব্দ:<

এর উদাহরণ: (দারু যাইদিন)।

এখানে (দারু) শব্দটি নির্দিষ্ট (মারেফা); কারণ একে একটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, আর তা হলো: (যাইদ)।

অথচ (দারুন) শব্দটি (যাইদ)-এর দিকে সম্বন্ধ করার পূর্বে অনির্দিষ্ট (নাকিরা) ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৭)
وَمِثْلُهُ: (دَارُ النَّشْرِ)، وَ (دَارُ هَذَا الطَّالِبِ)، وَ (دَارِي).

7 - وَالنَّكِرَةُ المَقْصُودَةُ؛ مِثْلُ: (يَا شُرْطِيُّ)، وَبَابُهَا: النِّدَاءُ.

 

‌‌الفَاعِلُ وَالمَفْعُولُ بِهِ

وَالفَاعِلُ: هُوَ الَّذِي فَعَلَ الفِعْلَ.

وَلَا بُدَّ مِنْ ذِكْرِ الفِعْلِ قَبْلَهُ وَلَيْسَ بَعْدَهُ.

وَالمَفْعُولُ بِهِ: هُوَ الَّذِي وَقَعَ عَلَيْهِ الفِعْلُ.

وَالفَاعِلُ: مَرْفُوعٌ، وَالمَفْعُولُ بِهِ: مَنْصُوبٌ.

مِثَالُهُ: (رَكِبَ زَيْدٌ الفَرَسَ).

فَالفِعْلُ: (رَكِبَ).

وَالفَاعِلُ: (زَيْدٌ)؛ لأَنَّهُ الرَّاكِبُ.

وَالمَفْعُولُ بِهِ: (الفَرَسَ)؛ لأَنَّهُ المَرْكُوبُ.

وَقَدْ يَدْخُلُ أَكْثَرُ مِنْ مَفْعُولٍ مَعَ فِعْلٍ وَفَاعِلٍ.

مِثَالُهُ: (مَنَحَ خَالِدٌ زَيْدًا دِرْهَمًا).

فَالفِعْلُ: (مَنَحَ).

وَالفَاعِلُ: (خَالِدٌ)؛ لأَنَّهُ المَانِحُ.

وَالمَفْعُولُ بِهِ الأَوَّلُ: (زَيْدًا)؛ لأَنَّهُ المَمْنُوحُ.

وَالمَفْعُولُ بِهِ الثَّانِي: (دِرْهَمًا)؛ لأَنَّهُ المَمْنُوحُ لِزَيْدٍ.

 

‌‌نَائِبُ الفَاعِلِ

وَنَائِبُ الفَاعِلِ: هُوَ المَفْعُولُ بِهِ الَّذِي قَامَ مَقَامَ الفَاعِلِ المَحْذُوفِ.

وَهُوَ: مَرْفُوعٌ.

وَتَقْرِيبُهُ: بِتَقْدِيرِ الفَاعِلِ المَحْذُوفِ.

مِثَالُهُ: (شُرِبَ اللَّبَنُ).

فَنَائِبُ الفَاعِلِ: (اللَّبَنُ)، مَرْفُوعٌ.

فَتَقْدِيرُهُ دُونَ حَذْفٍ: (شَرِبَ زَيْدٌ اللَّبَنَ).
এবং এর উদাহরণ: (প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান), এবং (এই ছাত্রের বাড়ি), এবং (আমার বাড়ি)।

৭ - এবং নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (النكرة المقصودة); যেমন: (হে পুলিশ), এবং এর অধ্যায় হলো: সম্বোধন (النداء)।

 

‌‌কর্তা (الفاعل) ও কর্ম (المفعول به)

আর কর্তা (الفاعل): তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ক্রিয়া (الفعل) সম্পাদন করেছেন।

আর তার পূর্বে ক্রিয়া (الفعل) উল্লেখ করা আবশ্যক, পরে নয়।

আর কর্ম (المفعول به): এটি হলো যার ওপর ক্রিয়া (الفعل) পতিত হয়।

আর কর্তা (الفاعل) হলো: পেশযুক্ত (مرفوع), এবং কর্ম (المفعول به) হলো: জবরযুক্ত (منصوب)।

এর উদাহরণ: (যায়েদ ঘোড়ায় চড়েছে)।

এখানে ক্রিয়া (الفعل) হলো: (চড়েছে)।

আর কর্তা (الفاعل) হলো: (যায়েদ); কারণ সে আরোহণকারী।

আর কর্ম (المفعول به) হলো: (ঘোড়া); কারণ এটি আরোহণকৃত।

কখনও কখনও একটি ক্রিয়া (الفعل) ও কর্তার (الفاعل) সাথে একাধিক কর্ম (المفعول به) অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

এর উদাহরণ: (খালেদ যায়েদকে একটি দিরহাম প্রদান করেছে)।

এখানে ক্রিয়া (الفعل) হলো: (প্রদান করেছে)।

আর কর্তা (الفاعل) হলো: (খালেদ); কারণ সে প্রদানকারী।

আর প্রথম কর্ম (المفعول به الأول) হলো: (যায়েদ); কারণ সে যাকে প্রদান করা হয়েছে।

আর দ্বিতীয় কর্ম (المفعول به الثاني) হলো: (দিরহাম); কারণ তা যায়েদকে প্রদান করা হয়েছে।

 

‌‌কর্তার স্থলাভিষিক্ত (نائب الفاعل)

আর কর্তার স্থলাভিষিক্ত (نائب الفاعل) হলো: সেই কর্ম (المفعول به) যা উহ্য কর্তার (الفاعل المحذوف) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।

আর এটি হলো: পেশযুক্ত (مرفوع)।

আর একে সহজভাবে বোঝার উপায় হলো: উহ্য কর্তাকে (الفاعل المحذوف) অনুমিত ধরে নেওয়া।

এর উদাহরণ: (দুধ পান করা হয়েছে)।

এখানে কর্তার স্থলাভিষিক্ত (نائب الفاعل) হলো: (দুধ), যা পেশযুক্ত (مرفوع)।

সুতরাং বিলুপ্তি ছাড়া এর মূল রূপ বা অনুমান হলো: (যায়েদ দুধ পান করেছে)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৮)
فَإِذَا دَخَلَ أَكْثَرُ مِنْ مَفْعُولٍ: نَابَ عَنْهُ الأَوَّلُ، وَلَزِمَ الثَّانِي النَّصْبَ عَلَى المَفْعُولِيَّةِ.

مِثَالُهُ: (كُسِيَ زَيْدٌ ثَوْبًا)، وَتَقْدِيرُهُ قَبْلَ حَذْفِ الفَاعِلِ: (كَسَى خَالِدٌ زَيْدًا ثَوْبًا).

 

‌‌المُبْتَدَأُ وَالخَبَرُ

وَالمُبْتَدَأُ: هُوَ الاسْمُ المُتَحَدَّثُ عَنْهُ بِأَمْرٍ.

وَالخَبَرُ: هُوَ الأَمْرُ المُتَحَدَّثُ بِهِ عَنْ هَذَا الاسْمِ.

وَالمُبْتَدَأُ: مَرْفُوعٌ، وَالخَبَرُ: مَرْفُوعٌ.

مِثَالُهُ: (المَدْرَسَةُ مُغْلَقَةٌ).

فَالمُبْتَدَأُ: (المَدْرَسَةُ)؛ لأَنَّهُ الاسْمُ المُتَحَدَّثُ عَنْهُ بِالإِغْلَاقِ.

وَالخَبَرُ: (مُغْلَقَةٌ)؛ لأَنَّهُ الأَمْرُ المُتَحَدَّثُ بِهِ عَنِ المَدْرَسَةِ.

فَالمُتَكَلِّمُ تَحَدَّثَ عَنِ (المَدْرَسَةِ) بِأَنَّهَا (مُغْلَقَةٌ).

 

‌‌كَ‌‌انَ وَأَخَوَاتُهَا

وَكَانَ وَأَخَوَاتُهَا: كَلِمَاتٌ تَدْخُلُ عَلَى المُبْتَدَإِ وَالخَبَرِ، فَتَرْفَعُ الأَوَّلَ وَتَنْصِبُ الثَّانِيَ.

وَيَصِيرُ المُبْتَدَأُ: اسْمَهَا، وَالخَبَرُ: خَبَرَهَا.

وَهِيَ: (كَانَ)، وَ (أَمْسَى)، وَ (أَصْبَحَ)، وَ (أَضْحَى)، وَ (ظَلَّ)، وَ (بَاتَ)، وَ (صَارَ)، وَ (لَيْسَ)، وَ (مَا زَالَ)، وَ (مَا انْفَكَّ)، وَ (مَا فَتِئَ)، وَ (مَا بَرِحَ)، وَ (مَا دَامَ).

مِثَالُ البَابِ: (كَانَتِ المَدْرَسَةُ مُغْلَقَةً).

اسْمُ (كَانَ): (المَدْرَسَةُ)؛ لأَنَّهَا المُبْتَدَأُ قَبْلَ دُخُولِ (كَانَ).

وَخَبَرُ (كَانَ): (مُغْلَقَةً)؛ لأَنَّهَا خَبَرُ المُبْتَدإِ قَبْلَ دُخُولِ (كَانَ).

فَأَصْلُ الكَلَامِ: المَدْرَسَةُ مُغْلَقَةٌ.

وَمَا تَصَرَّفَ مِنْهَا مِنْ مُضَارِعٍ وَأَمْرٍ فَيَعْمَلُ عَمَلَهَا؛ مِثْلُ: (يَكُونُ) (وَكُنْ).

 

إِنَّ وَأَخَوَاتُهَا

وَإِنَّ وَأَخَوَاتُهَا: كَلِمَاتٌ تَدْخُلُ عَلَى المُبْتَدَإِ وَالخَبَرِ، فَتَنْصِبُ الأَوَّلَ وَتَرْفَعُ الثَّانِيَ.

وَيَصِيرُ المُبْتَدَأُ: اسْمَهَا، وَالخَبَرُ: خَبَرَهَا.

وَهِيَ: (إِنَّ)، و (أَنَّ)، و (لَكِنَّ)، و (كَأَنَّ)، وَ (لَيْتَ)، وَ (لَعَلَّ).
যখন একাধিক কর্মপদ (مفعول) প্রবেশ করে: তখন প্রথমটি তার স্থলাভিষিক্ত হয় এবং দ্বিতীয়টির জন্য কর্মপদ (مفعولية) হিসেবে নসব বা জবর (النصب) হওয়া আবশ্যক হয়ে যায়।

এর উদাহরণ: (যায়েদকে একটি কাপড় পরানো হয়েছে), আর কর্তা (فاعل) বিলুপ্ত করার পূর্বে এর মূল রূপ ছিল: (খালেদ যায়েদকে একটি কাপড় পরিয়েছে)।

 

‌‌উদ্দেশ্য (المبتدأ) ও বিধেয় (الخبر)

মুবতাদা বা উদ্দেশ্য (المبتدأ): এটি হলো সেই বিশেষ্য (اسم) যার সম্পর্কে কোনো বিষয় সংবাদ হিসেবে বলা হয়।

খবর বা বিধেয় (الخبر): এটি হলো সেই সংবাদ বা বিষয় যা এই বিশেষ্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়।

আর মুবতাদা বা উদ্দেশ্য (المبتدأ): রফ' বা পেশযুক্ত (مرفوع) হয়, এবং খবর বা বিধেয় (الخبر) ও রফ' বা পেশযুক্ত (مرفوع) হয়।

এর উদাহরণ: (বিদ্যালয়টি বন্ধ)।

এখানে মুবতাদা বা উদ্দেশ্য (المبتدأ) হলো: (বিদ্যালয়টি); কারণ এটি এমন একটি বিশেষ্য যার সম্পর্কে 'বন্ধ' থাকার সংবাদ দেওয়া হয়েছে।

এবং খবর বা বিধেয় (الخبر) হলো: (বন্ধ); কারণ এটি সেই বিষয় যা বিদ্যালয় সম্পর্কে সংবাদ হিসেবে বলা হয়েছে।

সুতরাং বক্তা (বিদ্যালয়টি) সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন যে তা (বন্ধ)।

 

‌‌কানা (كَانَ) ও তার সমগোত্রীয় শব্দসমূহ

কানা (كَانَ) ও তার সমগোত্রীয় শব্দসমূহ: এগুলো এমন কতগুলো শব্দ যা মুবতাদা (المبتدأ) ও খবর-এর (الخبر) শুরুতে আসে, অতঃপর প্রথমটিকে রফ' বা পেশ (رفع) প্রদান করে এবং দ্বিতীয়টিকে নসব বা জবর (نصب) প্রদান করে।

এবং মুবতাদা তখন তার ইসিম (اسمها) এবং খবর তখন তার খবর (خبرها) হিসেবে গণ্য হয়।

সেগুলো হলো: (كَانَ), (أَمْسَى), (أَصْبَحَ), (أَضْحَى), (ظَلَّ), (بَاتَ), (صَارَ), (لَيْسَ), (مَا زَالَ), (مَا انْفَكَّ), (مَا فَتِئَ), (مَا بَرِحَ), এবং (مَا دَامَ)।

এই পরিচ্ছেদের উদাহরণ: (বিদ্যালয়টি বন্ধ ছিল)।

কানা-এর ইসিম (اسم كان) হলো: (বিদ্যালয়টি); কারণ 'কানা' (كَانَ) প্রবেশের পূর্বে এটি মুবতাদা (المبتدأ) ছিল।

এবং কানা-এর খবর (خبر كان) হলো: (বন্ধ); কারণ এটি 'কানা' (كَانَ) প্রবেশের পূর্বে মুবতাদার খবর (خبر المبتدأ) ছিল।

বাক্যের মূল রূপ ছিল: (বিদ্যালয়টি বন্ধ)।

আর এগুলোর মধ্য থেকে যেগুলোর বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (مضارع) এবং অনুজ্ঞাসূচক (أمر) রূপান্তর হয়, সেগুলোও একই কাজ বা আমল করে; যেমন: (يَكُونُ) এবং (كُنْ)।

 

ইন্না (إِنَّ) ও তার সমগোত্রীয় শব্দসমূহ

ইন্না (إِنَّ) ও তার সমগোত্রীয় শব্দসমূহ: এগুলো এমন শব্দ যা মুবতাদা (المبتدأ) ও খবরের (الخبر) শুরুতে আসে, অতঃপর প্রথমটিকে নসব বা জবর (نصب) প্রদান করে এবং দ্বিতীয়টিকে রফ' বা পেশ (رفع) প্রদান করে।

এবং মুবতাদা তখন তার ইসিম (اسمها) এবং খবর তখন তার খবর (خبرها) হিসেবে গণ্য হয়।

সেগুলো হলো: (إِنَّ), (أَنَّ), (لَكِنَّ), (كَأَنَّ), (لَيْتَ), এবং (لَعَلَّ)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ১৯)
مِثَالُ البَابِ: (إِنَّ المَدْرَسَةَ مُغْلَقَةٌ).

اسْمُ (إِنَّ): (المَدْرَسَةَ)؛ لأَنَّهَا المُبْتَدَأُ قَبْلَ دُخُولِ (إِنَّ).

وَخَبَرُ (إِنَّ): (مُغْلَقَةٌ)؛ لأَنَّهَا خَبَرُ المُبْتَدإِ قَبْلَ دُخُولِ (إِنَّ).

فَأَصْلُ الكَلَامِ: المَدْرَسَةُ مُغْلَقَةٌ.

 

‌‌ظَنَّ وَأَخَوَاتُهَا

وَظَنَّ وَأَخَوَاتُهَا: كَلِمَاتٌ تَدْخُلُ عَلَى المُبْتَدَإِ وَالخَبَرِ، فَتَنْصِبُ الأَوَّلَ وَالثَّانِيَ.

وَيَصِيرُ المُبْتَدَأُ وَالخَبَرُ: مَفْعُولَيْنِ لَهَا.

وَهِيَ: (ظَنَّ)، وَ (حَسِبَ)، وَ (خَالَ)، وَ (زَعَمَ)، وَ (رَأَى)، وَ (عَلِمَ)، وَ (وَجَدَ)، وَ (اتَّخَذَ)، وَ (جَعَلَ).

مِثَالُ البَابِ: (ظَنَنْتُ المَدْرَسَةَ مُغْلَقَةً).

فَالمَفْعُولُ الأَوَّلُ: (المَدْرَسَةَ)؛ لأَنَّهَا المُبْتَدَأُ قَبْلَ دُخُولِ (ظَنَّ).

وَالمَفْعُولُ الثَّانِي: (مُغْلَقَةً)؛ لأَنَّهَا خَبَرُ المُبْتَدإِ قَبْلَ دُخُولِ (ظَنَّ).

فَأَصْلُ الكَلَامِ قَبْلَ دُخُولِ (ظَنَّ): المَدْرَسَةُ مُغْلَقَةٌ.

 

‌‌المَفْعُولُ المُطْلَقُ

وَالمَفْعُولُ المُطْلَقُ: اسْمٌ مُوَافِقٌ لِلْفِعْلِ فِي لَفْظِهِ؛ لِتَأْكِيدِهِ أَوْ بَيَانِ نَوْعِهِ أَوْ عَدَدِهِ.

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ.

1 - فَمِثَالُ التَّوْكِيدِ: (أَكْلًا) فِي: (أَكَلَ الوَلَدُ أَكْلًا).

2 - وَمِثَالُ بَيَانِ النَّوْعِ: (جَرْيَ) فِي: (جَرَى الوَلَدُ جَرْيَ الفَهْدِ).

3 - وَمِثَالُ العَدَدِ: (أَكْلَتَيْنِ): فِي: (أَكَلَ الوَلَدُ أَكْلَتَيْنِ).

وَيَقَعُ مَعْنَوِيًّا.

مِثَالُهُ: (جَلَسْتُ قُعُودًا)، وَ (قُمْتُ وُقُوفًا).

 

‌‌المَفْعُولُ لِأَجْلِهِ (أَوْ لَهُ)

وَالمَفْعُولُ لِأَجْلِهِ: اسْمٌ يُبَيِّنُ سَبَبَ الفِعْلِ.

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ.
অধ্যায়ের উদাহরণ: (নিশ্চয়ই বিদ্যালয়টি বন্ধ)।

'ইন্না'-র ইসিম হলো: (বিদ্যালয়টি); কারণ এটি 'ইন্না' প্রবেশের পূর্বে মুক্তাদা ছিল।

'ইন্না'-র খবর হলো: (বন্ধ); কারণ এটি 'ইন্না' প্রবেশের পূর্বে মুক্তাদার খবর ছিল।

বাক্যের মূল রূপ ছিল: বিদ্যালয়টি বন্ধ।

 

‌‌জান্না এবং তার সমজাতীয় ক্রিয়াসমূহ

জান্না এবং তার সমজাতীয় শব্দগুলো হলো এমন শব্দ যা মুক্তাদা ও খবরের পূর্বে আসে এবং প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় পদকেই নসব প্রদান করে।

তখন মুক্তাদা ও খবর এর দুটি মাফউলে (কর্মে) পরিণত হয়।

সেগুলো হলো: 'জান্না', 'হাসিবা', 'খালা', 'যায়ামা', 'রাআ', 'আলিমা', 'ওয়াজাদা', 'ইত্তাখাযা' এবং 'জাআলা'।

অধ্যায়ের উদাহরণ: (আমি বিদ্যালয়টিকে বন্ধ মনে করলাম)।

প্রথম মাফউল হলো: (বিদ্যালয়টি); কারণ এটি 'জান্না' প্রবেশের পূর্বে মুক্তাদা ছিল।

দ্বিতীয় মাফউল হলো: (বন্ধ); কারণ এটি 'জান্না' প্রবেশের পূর্বে মুক্তাদার খবর ছিল।

'জান্না' প্রবেশের পূর্বে বাক্যের মূল রূপ ছিল: বিদ্যালয়টি বন্ধ।

 

‌‌মাফউল মুতলাক

মাফউল মুতলাক হলো এমন একটি ইসিম যা শব্দের দিক থেকে তার ক্রিয়ার অনুরূপ হয়; যা উক্ত ক্রিয়াকে তাকিদ (দৃঢ়তা) প্রদান করার জন্য অথবা তার প্রকার কিংবা সংখ্যা বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

আর এটি সর্বদা মানসুব (নসবযুক্ত) হয়।

1 - তাকিদ বা দৃঢ়তা প্রদানের উদাহরণ: (আহার করা) এই বাক্যে: (বালকটি আহার করল)।

2 - প্রকার বর্ণনার উদাহরণ: (দৌড়ানোর ধরন) এই বাক্যে: (বালকটি চিতার ন্যায় দৌড়াল)।

3 - সংখ্যা বর্ণনার উদাহরণ: (দুই বার আহার) এই বাক্যে: (বালকটি দুই বার আহার করল)।

এটি অর্থগতভাবেও হতে পারে।

এর উদাহরণ: (আমি বসলাম), এবং (আমি দাঁড়ালাম)।

 

‌‌মাফউল লি-আজলিহি (বা মাফউল লাহূ)

মাফউল লি-আজলিহি হলো এমন একটি ইসিম যা ক্রিয়ার কারণ বর্ণনা করে।

আর এটি মানসুব হয়।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২০)
وَتَقْرِيبُهُ: بِتَقْدِيرِ (لِأَجْلِ) أَوْ (لِـ) قَبْلَهُ.

مِثَالُهُ: (سَافَرَ زَيْدٌ طَلَبًا لِلرِّزْقِ).

فَالمَفْعُولُ لِأَجْلِهِ: (طَلَبًا).

وَالتَّقْدِيرُ الأَوَّلُ: (سَافَرَ زَيْدٌ لِأَجْلِ طَلَبِ الرِّزْقِ).

وَالتَّقْدِيرُ الثَّانِي: (سَافَرَ زَيْدٌ لِطَلَبِ الرِّزْقِ).

 

‌‌المَفْعُولُ فِيهِ (ظَرْفُ الزَّمَانِ وَالمَكَانِ)

وَالظَّرْفُ: اسْمٌ يُبَيِّنُ الزَّمَانَ أَوِ المَكَانَ الَّذِي حَصَلَ فِيهِ الفِعْلُ.

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ إِذَا جَاءَ فِي مَوْضِعِهِ ظَرْفًا.

فَمِنْ ظُرُوفِ الزَّمَانِ: (اليَوْمَ، وَاللَّيْلَةَ، وَالسَّاعَةَ، وَالشَّهْرَ، وَالسَّنَةَ، وَقَبْلَ، وَبَعْدَ، وَصَبَاحًا، وَمَسَاءً، وَغَدًا).

وَمِنْ ظُرُوفِ المَكَانِ: (خَلْفَ، وَأَمَامَ، وَفَوْقَ، وَتَحْتَ، وَعِنْدَ، وَحَوْلَ).

فَمَثِالُ ظَرْفِ الزَّمَانِ: (سَيُسَافِرُ زَيْدٌ اللَّيْلَةَ).

فَـ (اللَّيْلَةَ): ظَرْفُ زَمَانٍ؛ لأَنَّهَا اسْمٌ بَيَّنَ زَمَنَ السَّفَرِ.

وَمِثَالُ ظَرْفِ المَكَانِ: (جَلَسْتُ أَمَامَ زَيْدٍ).

فَـ (أَمَامَ): ظَرْفُ مَكَانٍ؛ لأَنَّهَا اسْمٌ بَيَّنَ مَكَانَ الجُلُوسِ.

فَإِنْ لَمْ يَأْتِ الاسْمُ مُبَيِّنًا زَمَنَ الفِعْلِ أَوْ مَكَانَهُ: فَلَا يَكُونُ ظَرْفًا.

مِثَالُهُ: (يَخْشَى المُؤْمِنُ يَوْمَ القِيَامَةِ).

 

‌‌المَفْعُولُ مَعَهُ

وَالمَفْعُولُ مَعَهُ: اسْمٌ قَبْلَهُ وَاوٌ تَأْتِي بِمَعْنَى (مَعَ).

وَتُسَمَّى الوَاوُ: بِوَاوِ المَعِيَّةِ.

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ.

وَتَقْرِيبُهُ: بِتَقْدِيرِ (مَعَ) بَدَلَ (الوَاوِ).

مِثَالُهُ: (اسْتَيْقَظَ زَيْدٌ وَالغُرُوبَ).

فَالمَفْعُولُ مَعَهُ: (الغُرُوبَ)؛ لأَنَّ التَّقْدِيرَ: (اسْتَيْقَظَ خَالِدٌ مَعَ الغُرُوبِ) صَحِيحٌ.
এবং এটি অনুধাবনের পদ্ধতি হলো: এর পূর্বে ‘(জন্য)’ অথবা ‘(জন্য)’ উহ্য ধরা।

এর উদাহরণ: ‘(জায়েদ জীবিকার অন্বেষণে সফর করেছে)’।

এখানে মফউল লাহু (মফউল লি-আজলিহি) হলো: ‘(অন্বেষণে)’।

প্রথম উহ্য রূপটি হলো: ‘(জায়েদ জীবিকা অন্বেষণের জন্য সফর করেছে)’।

দ্বিতীয় উহ্য রূপটি হলো: ‘(জায়েদ জীবিকা অন্বেষণের নিমিত্তে সফর করেছে)’।

 

‌‌মফউল ফিহি (সময়ের আধার ও স্থানের আধার)

যরফ হলো: এমন এক বিশেষ্য যা সেই সময় বা স্থানকে বর্ণনা করে যার মধ্যে ক্রিয়াটি সংঘটিত হয়েছে।

আর এটি: নসব বিশিষ্ট হয় যখন তা বাক্যে যরফ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সময়ের আধারের (যরফে যামান) অন্তর্ভুক্ত হলো: (আজ, রাত, মুহূর্ত/সময়, মাস, বছর, পূর্বে, পরে, সকালে, সন্ধ্যায়, আগামীকাল)।

স্থানের আধারের (যরফে মকান) অন্তর্ভুক্ত হলো: (পেছনে, সামনে, উপরে, নিচে, নিকটে, চারপাশে)।

সময়ের আধারের উদাহরণ: (জায়েদ আজ রাতে সফর করবে)।

এখানে (রাত): এটি সময়ের আধার; কারণ এটি এমন এক বিশেষ্য যা সফরের সময়কে স্পষ্ট করেছে।

স্থানের আধারের উদাহরণ: (আমি জায়েদের সামনে বসলাম)।

এখানে (সামনে): এটি স্থানের আধার; কারণ এটি এমন এক বিশেষ্য যা বসার স্থানকে স্পষ্ট করেছে।

যদি বিশেষ্যটি ক্রিয়ার সময় বা স্থানকে বর্ণনাকারী হিসেবে না আসে, তবে সেটি যরফ হবে না।

এর উদাহরণ: (মুমিন কিয়ামত দিবসকে ভয় পায়)।

 

‌‌মফউল মাআহু

মফউল মাআহু হলো: এমন এক বিশেষ্য যার পূর্বে ‘ওয়াও’ আসে যা ‘সাথে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

এবং এই ‘ওয়াও’-কে বলা হয়: ওয়াও আল-মায়িয়্যাহ।

আর এটি: নসব বিশিষ্ট হয়।

এটি অনুধাবনের পদ্ধতি হলো: ‘ওয়াও’-এর পরিবর্তে ‘সাথে’ উহ্য ধরা।

এর উদাহরণ: (জায়েদ সূর্যাস্তের সময় জাগ্রত হলো)।

এখানে মফউল মাআহু হলো: (সূর্যাস্ত); কারণ এর উহ্য রূপ: ‘(খালিদ সূর্যাস্তের সাথে জাগ্রত হলো)’ কথাটি সঠিক (صحيح)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২১)
وَبِالتَّقْدِيرِ يُفَرَّقُ بَيْنَهَا وَبَيْنَ وَاوِ العَطْفِ.

فَبِتَقْدِيرِ وَاوِ العَطْفِ: (اسْتَيْقَظَ خَالِدٌ وَاسْتَيْقَظَ الغُرُوبُ)، فَلَا يَصِحُّ المَعْنَى.

وَقَدْ تَصْلُحُ الوَاوُ مَعِيَّةً وَعَطْفًا.

مِثَالُهُ:

1 - (سَافَرُ زَيْدٌ وَخَالِدًا) بِتَقْدِيرِ: (سَافَرَ زَيْدٌ مَعَ خَالِدٍ).

2 - وَ (سَافَرَ زَيْدٌ وَخَالِدٌ) بِتَقْدِيرِ: (سَافَرَ زَيْدٌ وَسَافَرَ خَالِدٌ).

 

‌‌الصِّفَةُ (أَوِ النَّعْتُ)

وَالصِّفَةُ: اسْمٌ تَابِعٌ يُذْكَرُ لِوَصْفِ اسْمٍ آخَرَ قَبْلَهُ.

وَهِيَ: تَتَبْعُ المَوْصُوفَ فِي الإِعْرَابِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ زَيْدٌ الكَرِيمُ).

فَالصِّفَةُ: (الكَرِيمُ)، مَرْفُوعَةٌ.

وَالسَّبَبُ: لِأَنَّهَا وَصْفٌ لِزَيْدٍ بِالكَرَمِ.

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لأَنَّ المَوْصُوفَ (زَيْدٌ) مَرْفُوعٌ.

مِثَالٌ آخَرُ: (جَاءَ إِمَامُ المَسْجِدِ الصَّالِحُ).

فَالصِّفَةُ: (الصَّالِحُ)، مَرْفُوعَةٌ.

وَالسَّبَبُ: لِأَنَّهَا وَصْفٌ لِلإِمَامِ بِالصَّلَاحِ.

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لأَنَّ المَوْصُوفَ (إِمَامُ) مَرْفُوعٌ.

وَالصِّفَةُ تَتْبَعُ المَوْصُوفَ فِي:

1 - التَّذْكِيرِ وَالتَّأْنِيثِ.

2 - وَالتَّعْرِيفِ وَالتَّنْكِيرِ.

3 - وَالإِفْرَادِ وَالتَّثْنِيَةِ وَالجَمْعِ.

 

‌‌التَّوْكِيدُ

وَالتَّوْكِيدُ: اسْمٌ تَابِعٌ يُذْكَرُ لِتَأْكِيدِ اسْمٍ آخَرَ قَبْلَهُ.

وَهُوَ: يَتْبَعُ المُؤَكَّدَ فِي الإِعْرَابِ.
উহ্য অর্থের (بالتقدير) মাধ্যমে এটি এবং সংযোজক ওয়াও-এর (واو العطف) মধ্যে পার্থক্য করা হয়।

যদি সংযোজক ওয়াও (واو العطف) উহ্য ধরা হয়, তবে বাক্যটি হয়: (খালেদ জাগ্রত হয়েছে এবং সূর্যাস্ত জাগ্রত হয়েছে), যার অর্থ সঠিক (يصح) হয় না।

কখনও কখনও ওয়াও বর্ণটি ‘সাথে থাকা’ অর্থে (معية) এবং ‘সংযোজক’ (عطف) উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হতে পারে।

এর উদাহরণ:

১ - (যাইদ ও খালেদ সফর করেছে - খালেদ শব্দটির শেষে যবর দিয়ে) যার উহ্য অর্থ: (যাইদ খালেদের সাথে সফর করেছে)।

২ - এবং (যাইদ ও খালেদ সফর করেছে - খালেদ শব্দটির শেষে পেশ দিয়ে) যার উহ্য অর্থ: (যাইদ সফর করেছে এবং খালেদও সফর করেছে)।

 

‌‌গুণ বা বিশেষণ (الصفة أو النعت)

সিফাত বা গুণ (الصفة): এটি এমন একটি অনুগামী বিশেষ্য (اسم تابع) যা তার পূর্ববর্তী অন্য একটি বিশেষ্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য বর্ণনার জন্য উল্লেখ করা হয়।

আর এটি: বিভক্তির (الإعراب) ক্ষেত্রে মউসুফ বা বিশেষ্যকে (الموصوف) অনুসরণ করে।

এর উদাহরণ: (সম্মানী যাইদ এসেছে)।

এখানে গুণবাচক শব্দটি (الصفة) হলো: (আল-কারীমু), যা পেশযুক্ত (مرفوعة)।

এর কারণ: এটি যাইদকে মহানুভবতার গুণে গুণান্বিত করছে।

আর পেশযুক্ত হওয়ার কারণ হলো: এখানে মউসুফ (الموصوف) অর্থাৎ যাইদ পেশযুক্ত (مرفوع)।

অন্য একটি উদাহরণ: (মসজিদের নেককার ইমাম সাহেব এসেছেন)।

এখানে গুণবাচক শব্দটি (الصفة) হলো: (আস-সালিহু), যা পেশযুক্ত (مرفوعة)।

এর কারণ: এটি ইমামকে সৎ বা নেককার হওয়ার গুণে গুণান্বিত করছে।

আর পেশযুক্ত হওয়ার কারণ হলো: এখানে মউসুফ (الموصوف) অর্থাৎ ‘ইমাম’ শব্দটি পেশযুক্ত (مرفوع)।

গুণবাচক শব্দ (الصفة) মউসুফকে (الموصوف) নিচের বিষয়গুলোতে অনুসরণ করে:

১ - পুংলিঙ্গ (التذكير) ও স্ত্রীলিঙ্গ (التأنيث) হওয়ার ক্ষেত্রে।

২ - নির্দিষ্টতা (التَعْرِيف) ও অনির্দিষ্টতা (التنكير) হওয়ার ক্ষেত্রে।

৩ - একবচন (الإفراد), দ্বিবচন (التثنية) ও বহুবচন (الجمع) হওয়ার ক্ষেত্রে।

 

‌‌তাকিদ বা সুদৃঢ়করণ (التوكيد)

তাকিদ (التوكيد): এটি এমন একটি অনুগামী বিশেষ্য (اسم تابع) যা তার পূর্ববর্তী অন্য একটি বিশেষ্যকে সুদৃঢ় বা জোরালো করার জন্য উল্লেখ করা হয়।

আর এটি: বিভক্তির (الإعراب) ক্ষেত্রে মুআক্কাদ বা যাকে সুদৃঢ় করা হয়েছে (المؤكد) তাকে অনুসরণ করে।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২২)
وَأَلْفَاظُ التَّوْكِيدِ: النَّفْسُ، وَالعَيْنُ، وَذَاتُ، وَكُلُّ، وَجَمِيعُ، وَأَجْمَعُ.

مِثَالُهُ: (كَتَبَ زَيْدٌ نَفْسُهُ المَقَالَةَ).

فَالتَّوْكِيدُ: (نَفْسُ)، مَرْفُوعٌ.

وَالسَّبَبُ: لِأَنَّهَا تَوْكِيدٌ عَلَى أَنَّ زَيْدًا كَتَبَ المَقَالَةَ، وَلَيْسَ فِي الكَلَامِ: سَهْوٌ أَوْ خَطَأٌ.

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لأَنَّ المُؤَكَّدَ (زَيْدٌ) مَرْفُوعٌ.

مِثَالٌ آخَرُ: (جَاءَ القَوْمُ كُلُّهُمْ).

فَالتَّوْكِيدُ: (كُلُّ)، مَرْفُوعٌ.

وَالسَّبَبُ: لأَنَّهَا تَوْكِيدٌ عَلَى أَنَّ القَوْمَ جَاءُوا، وَلَمْ يَتَخَلَّفْ مِنْهُمْ أَحَدٌ.

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لأَنَّ المُؤَكَّدَ (القَوْمُ) مَرْفُوعٌ.

وَ (نَفْسُ) وَ (عَيْنُ): مُثَنَّاهُمَا وَجَمْعُهُمَا: بِزِيَادَةِ الأَلِفِ عَلَى وَزْنِ (أَفْعُل).

مِثَالُهُ: (أَنْفُسُهُمَا وَأَعْيُنُهُمَا) وَ (أَنْفُسُهُمْ وَأَعْيُنُهُمْ) وَ (أَنْفُسُهُنَّ وَأَعْيُنُهُنَّ).

وَمُثَنَّى (كُلُّ): (كِلَا) لِلْمُذَكَّرِ، وَ (كِلْتَا) لِلْمُؤَنَّثِ.

وَتُعْرَبَانِ إِعْرَابَ المُثَنَّى عِنْدَ التَّوْكِيدِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ الطَّالِبَانِ كِلَاهُمَا)، وَ (جَاءَتِ الطَّالِبَتَانِ كِلْتَاهُمَا).

وَ (أَجْمَعُونَ): تُعْرَبُ إِعْرَابَ جَمْعِ المُذَكَّرِ السَّالِمِ.

 

‌‌البَدَلُ

وَالبَدَلُ: اسْمٌ تَابِعٌ يَصْلُحُ أَنْ يَقُومَ مَقَامَ اسْمٍ قَبْلَهُ.

وَهُوَ: يَتْبَعُ مَتْبُوعَهُ فِي الإِعْرَابِ.

وَتَقْرِيبُهُ: بِحَذْفِ المَتْبُوعِ وَوَضْعِ البَدَلِ مَكَانَهُ.

مِثَالُهُ: (ذَهَبَ التَّاجِرُ زَيْدٌ).

فَالبَدَلُ: (زَيْدٌ)، مَرْفُوعٌ.

وَالسَّبَبُ: لأَنَّ كَلِمَةَ (زَيْدٌ) صَلَحَتْ بَدِيلًا مِنَ (التَّاجِرُ).

فَالتَّقْدِيرُ: (ذَهَبَ زَيْدٌ).

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لِأَنَّ مَتْبُوعَهُ (التَّاجِرُ) فَاعِلٌ مَرْفُوعٌ.
তাকিদ (التوكيد)-এর শব্দগুলো হলো: নাফস, আইন, জাত, কুল্লু, জামি’ এবং আজমা’।

এর উদাহরণ: (যায়েদ নিজেই প্রবন্ধটি লিখেছে)।

এখানে তাকিদ (التوكيد) হলো: (নাফস), যা রফ’যুক্ত (مرفوع)।

এর কারণ: যেহেতু এটি যায়েদ প্রবন্ধটি লিখেছে—এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তাকিদ (التوكيد) হিসেবে এসেছে, এবং এই বক্তব্যে কোনো ভুল বা বিভ্রম নেই।

আর রফ’ (الرفع) হওয়ার কারণ: যেহেতু মুআক্কাদ (المؤكد) তথা যার তাকিদ দেওয়া হয়েছে (যায়েদ), সেটি রফ’যুক্ত (مرفوع) অবস্থায় আছে।

অন্য একটি উদাহরণ: (কওমের সবাই এসেছে)।

এখানে তাকিদ (التوكيد) হলো: (কুল্লু), যা রফ’যুক্ত (مرفوع)।

এর কারণ: এটি কওম বা জাতির সবাই এসেছে—এই বিষয়ের ওপর তাকিদ (التوكيد), এবং তাদের মধ্য থেকে কেউ বাদ পড়েনি।

আর রফ’ (الرفع) হওয়ার কারণ: যেহেতু মুআক্কাদ (المؤكد) (কওম) রফ’যুক্ত (مرفوع) অবস্থায় আছে।

নাফস এবং আইন শব্দের দ্বিবচন (مثنى) ও বহুবচন (جمع) করার নিয়ম হলো: (আফউল) ওজনে শুরুতে আলিফ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে।

এর উদাহরণ: (তাদের উভয়ের প্রাণ ও তাদের উভয়ের চোখ), (তাদের সবার প্রাণ ও তাদের সবার চোখ) এবং (সেই নারীদের সবার প্রাণ ও তাদের সবার চোখ)।

আর কুল্লু শব্দের দ্বিবচন (مثنى) হলো: পুংলিঙ্গের (مذكر) ক্ষেত্রে ‘কিলা’ এবং স্ত্রীলিঙ্গের (مؤنث) ক্ষেত্রে ‘কিলতা’।

তাকিদ (التوكيد) হিসেবে ব্যবহারের সময় এ দুটি দ্বিবচন (مثنى)-এর ন্যায় ইরাব (إعراب) গ্রহণ করে।

এর উদাহরণ: (ছাত্র দুইজন উভয়েই এসেছে) এবং (ছাত্রী দুইজন উভয়েই এসেছে)।

আর ‘আজমাউন’ শব্দটি জমা মুযাক্কার সালেম (جمع المذكر السالم)-এর ন্যায় ইরাব (إعراب) প্রাপ্ত হয়।

 

‌বদল (البدل)

বদল (البدل) হলো: এমন একটি অনুগামী (تابع) বিশেষ্য, যা তার পূর্ববর্তী পদের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

এটি ইরাব (إعرাব)-এর ক্ষেত্রে তার অনুসৃত পদের অনুসরণ করে।

এটি বোঝার সহজ উপায় হলো: পূর্ববর্তী পদটিকে বিলুপ্ত করে তার স্থলে বদল (البدل)-কে স্থাপন করা।

এর উদাহরণ: (ব্যবসায়ী যায়েদ চলে গেছে)।

এখানে বদল (البدل) হলো: (যায়েদ), যা রফ’যুক্ত (مرفوع)।

এর কারণ: কারণ (যায়েদ) শব্দটি (ব্যবসায়ী) শব্দের বিকল্প বা স্থলাভিষিক্ত হওয়ার যোগ্য।

সুতরাং মূল কথা হলো: (যায়েদ চলে গেছে)।

আর রফ’ (الرفع) হওয়ার কারণ: যেহেতু তার অনুসৃত পদ (ব্যবসায়ী) শব্দটি এখানে রফ’যুক্ত (مرفوع) ফায়েল (فاعل)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৩)
وَيَقَعُ البَدَلُ: لِشَيْءٍ مِنْ شَيْءٍ، أَوْ لِبَعْضٍ مِنْ كُلٍّ، أَوْ لِاشْتِمَالٍ، أَوْ لِتصْحِيحِ غَلَطٍ.

فَمِثَالُ الأَوَّلِ: (جَاءَ الأُسْتَاذُ زَيْدٌ).

وَتَقْدِيرُهُ: (جَاءَ زَيْدٌ).

وَمِثَالُ الثَّانِي: (قَرَأْتُ الكِتَابَ نِصْفَهُ).

وَتَقْدِيرُهُ: (قَرَأْتُ نِصْفَهُ)؛ أَيْ: نِصْفَ الكِتَابِ.

وَمِثَالُ الثَّالِثِ: (يُعْجِبُنِي زَيْدٌ عَقْلُهُ).

وَتَقْدِيرُهُ: (يُعْجِبُنِي عَقْلُهُ)؛ أَيْ: عَقْلُ زَيْدٍ.

وَمِثَالُ الرَّابِعِ: (جَاءَ زَيْدٌ خَالِدٌ).

وتَقْدِيرُهُ: (جَاءَ خَالِدٌ).

 

‌‌العَطْفُ

وَحُرُوفُ العَطْفِ: هِيَ حُرُوفٌ تُغْنِي عَنْ إِعَادَةِ الكَلَامِ المُكَرَّرِ.

وَهِيَ: (الوَاوُ)، وَ (الفَاءُ)، وَ (ثُمَّ)، وَ (أَوْ)، وَ (أَمْ)، وَ (إِمَّا)، وَ (بَلْ)، وَ (لَا)، وَ (لَكِنْ)، وَ (حَتَّى).

وَالمَعْطُوفُ - أَوِ العَطْفُ -: هُوَ التَّابِعُ الَّذِي يَكُونُ بَعْدَ حَرْفِ العَطْفِ.

وَهُوَ: يَتْبَعُ مَتْبُوعَهُ فِي الإِعْرَابِ.

وَتَقْرِيبُ إِعْرَابِهِ وَمَتْبُوعِهِ: بِإِعَادَةِ الكَلَامِ المُكَرَّرِ المَحْذُوفِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ زَيْدٌ وَخَالِدٌ).

فَحَرْفُ العَطْفِ: الوَاوُ.

وَالمَعْطُوفُ: (خَالِدٌ)، مَرْفُوعٌ.

وَسَبَبُ الرَّفْعِ: لأَنَّ مَتْبُوعَهُ (زَيْدٌ) مَرْفُوعٌ.

وَالتَقْدِيرُ: (جَاءَ زَيْدٌ وَجَاءَ خَالِدٌ).

مِثَالٌ آخَرُ: (قَرَأْتُ أُصُولَ الفِقْهِ وَفُرُوعَهُ).

فَحَرْفُ العَطْفِ: الوَاوُ.

وَالمَعْطُوفُ: (فُرُوعَ)، مَنْصُوبٌ.
স্থলাভিষিক্তকরণ (بدل) সাধারণত চারটি ক্ষেত্রে ঘটে: কোনো কিছুর পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ স্থলাভিষিক্ত (بدل شيء من شيء), সমগ্রের অংশবিশেষ স্থলাভিষিক্ত (بدل البعض من كل), অন্তর্ভুক্তিমূলক গুণ প্রকাশে স্থলাভিষিক্ত (بدل اشتمال), অথবা ভুল সংশোধনের জন্য স্থলাভিষিক্ত (بدل الغلط)।

প্রথমটির উদাহরণ: (উস্তাদ জায়েদ এসেছেন)।

এর ব্যাখ্যা হলো: (জায়েদ এসেছেন)।

দ্বিতীয়টির উদাহরণ: (আমি বইটি পড়েছি, তার অর্ধেক)।

এর ব্যাখ্যা হলো: (আমি তার অর্ধেক পড়েছি); অর্থাৎ: বইটির অর্ধেক।

তৃতীয়টির উদাহরণ: (জায়েদ, তার বুদ্ধি আমাকে মুগ্ধ করেছে)।

এর ব্যাখ্যা হলো: (তার বুদ্ধি আমাকে মুগ্ধ করেছে); অর্থাৎ: জায়েদের বুদ্ধি।

চতুর্থটির উদাহরণ: (জায়েদ এসেছে, খালেদ)।

এর ব্যাখ্যা হলো: (খালেদ এসেছে)।

 

‌‌সংযোজন (العطف)

সংযোজক অব্যয়সমূহ (حروف العطف) হলো এমন কিছু অক্ষর যা বাক্যের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর প্রয়োজনীয়তা মিটিয়ে দেয়।

সেগুলো হলো: (ওয়াও), (ফা), (সুম্মা), (আউ), (আম), (ইম্মা), (বাল), (লা), (লাকিন), এবং (হাত্তা)।

সংযোজিত পদ (المعطوف) —বা সংযোজন— হলো সেই অনুগামী পদ (تابع) যা সংযোজক অব্যয়ের (حرف العطف) পরে আসে।

এটি কারক বিভক্তির (الإعراب) ক্ষেত্রে তার অনুসরিত পদের (المتبوع) অনুসরণ করে।

সংযোজিত পদ ও তার অনুসরিত পদের বিভক্তি নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি হলো উহ্য থাকা পুনরাবৃত্ত কথাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা।

উদাহরণ: (জায়েদ ও খালেদ এসেছে)।

এখানে সংযোজক অব্যয় (حرف العطف) হলো: 'ওয়াও'।

আর সংযোজিত পদ (المعطوف) হলো: (খালেদ), যা পেশযুক্ত (مرفوع)।

পেশযুক্ত (مرفوع) হওয়ার কারণ হলো: তার অনুসরিত পদ (المتبوع) (জায়েদ) পেশযুক্ত (مرفوع)।

এর ব্যাখ্যা হলো: (জায়েদ এসেছে এবং খালেদ এসেছে)।

অন্য একটি উদাহরণ: (আমি উসুল আল-ফিকহ এবং এর শাখা-প্রশাখা পড়েছি)।

এখানে সংযোজক অব্যয় (حرف العطف) হলো: 'ওয়াও'।

আর সংযোজিত পদ (المعطوف) হলো: (ফুরু বা শাখা-প্রশাখা), যা জবরযুক্ত (منصوب)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৪)
وَسَبَبُ النَّصْبِ: لأَنَّ مَتْبُوعَهُ (أُصُولَ) مَنْصُوبٌ.

وَالتَّقْدِيرُ: (قَرَأْتُ أُصُولَ الفِقْهِ، وَقَرَأْتُ فُرُوعَ الفِقْهِ).

 

‌‌الحَالُ

وَالحَالُ: اسْمٌ يُذْكَرُ لِوَصْفِ حَالِ صَاحِبِهِ.

وَيُعْرَفُ بِأَنَّهُ: جَوَابُ (كَيْفَ).

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ.

وَلَا يَكُونُ إِلَّا: نَكِرَةً، وَفَضْلَةً (أَيْ لَيْسَ مِنْ تَمَامِ الكَلَامِ).

وَتَمَامُ الكَلَامِ: أَنْ يَكُونَ مَعَ الفِعْلِ فَاعِلُهُ، وَمَعَ المُبْتَدَإِ خَبَرُهُ.

وَتَقْرِيبُ الحَالِ: بِتَقْدِيرِ ضَمِيرِ رَفْعٍ مُنَاسِبٍ قَبْلَهُ يَعُودُ إِلَى صَاحِبِ الحَالِ.

مِثَالُهُ: (جَاءَ زَيْدٌ رَاكِبًا).

فَالحَالُ: (رَاكِبًا):

1 - لِأَنَّهَا فَضْلَةٌ فِي الكَلَامِ - فَالكَلَامُ التَّامُّ: (جَاءَ زَيْدٌ): فِعْلٌ وَفَاعِلٌ -.

2 - وَلِأَنَّهَا وَصْفٌ لِحَالِ زَيْدٍ.

3 - وَلِأَنَّ تَقْدِيرَهَا صَحِيحُ المَعْنَى؛ بِـ: (جَاءَ زَيْدٌ وَهُوَ رَاكِبٌ).

مِثَالٌ آخَرُ: (المِيَاهُ بَارِدَةً مُنْعِشَةٌ).

فَالحَالُ: (بَارِدَةً):

1 - لأَنَّهَا فَضْلَةٌ فِي الكَلَامِ - فَالكَلَامُ التَّامُّ: (المِيَاهُ مُنْعِشَةٌ): مُبْتَدَأٌ وَخَبَرٌ -.

2 - وَلِأَنَّهَا وَصْفٌ لِحَالِ المَاءِ.

3 - وَلِأَنَّ تَقْدِيرَهَا صَحِيحُ المَعْنَى؛ بِـ: (المِيَاهُ وَهِيَ بَارِدَةٌ مُنْعِشَةٌ).

 

‌‌التَّمْيِيزُ

وَالتَّمْيِيزُ: اسْمٌ يُذْكَرُ لِتَمْيِيزِ نَوْعِ اسْمٍ قَبْلَهُ يَصْلُحُ لِأَنْوَاعٍ مِنَ الأَشْيَاءِ.

وَهُوَ: مَنْصُوبٌ.

وَلَا يَكُونُ إِلَّا نَكِرَةً.

وَتَقْرِيبُهُ: بِتَقْدِيرِ (مِنْ) قَبْلَهُ.
নসব (نصب) হওয়ার কারণ হলো: যেহেতু তার অনুগামী পদ (উসুল) মানসুব (منصوب)।

আর মূল বাক্যটি হলো: (আমি উসুলুল ফিকহ পড়েছি এবং ফুরুউল ফিকহ পড়েছি)।

 

‌‌অবস্থা (الحال)

অবস্থা (الحال): এমন একটি বিশেষ্য (اسم) যা তার অবস্থার অধিপতির (صاحب الحال) অবস্থা বর্ণনা করার জন্য উল্লেখ করা হয়।

আর এটি চেনার উপায় হলো: এটি (কেমন?) প্রশ্নের উত্তর হয়ে থাকে।

আর এটি: মানসুব (منصوب) হয়।

আর এটি কেবল: অনির্দিষ্ট (نكرة) এবং অতিরিক্ত অংশ (فضلة) (অর্থাৎ যা বাক্যের মূল স্তম্ভের অংশ নয়) হিসেবেই হয়ে থাকে।

আর বাক্যের পূর্ণতা হলো: ক্রিয়ার (فعل) সাথে তার কর্তা (فاعل) থাকা এবং মুক্তাদা (مبتدأ)-এর সাথে তার সংবাদ (خبر) থাকা।

অবস্থা (الحال) চেনার সহজ উপায় হলো: এর পূর্বে একটি উপযুক্ত মারফু সর্বনাম (ضمیر رفع) ধরে নেওয়া যা অবস্থার অধিপতির (صاحب الحال) দিকে ফিরে যায়।

এর উদাহরণ: (জায়েদ আরোহী অবস্থায় এসেছে)।

এখানে অবস্থা (الحال) হলো: (আরোহী অবস্থায়):

১ - কারণ এটি বাক্যে একটি অতিরিক্ত অংশ (فضلة) - আর পূর্ণ বাক্যটি হলো: (জায়েদ এসেছে): ক্রিয়া (فعل) ও কর্তা (فاعل) -।

২ - এবং কারণ এটি জায়েদের অবস্থার বিবরণ।

৩ - এবং কারণ এর মাধ্যমে অর্থটি সঠিক হয়; যেমন: (জায়েদ এসেছে এমতাবস্থায় যে সে আরোহী)।

অন্য একটি উদাহরণ: (পানি শীতল অবস্থায় সতেজকারী)।

এখানে অবস্থা (الحال) হলো: (শীতল অবস্থায়):

১ - কারণ এটি বাক্যে অতিরিক্ত অংশ (فضلة) - আর পূর্ণ বাক্যটি হলো: (পানি সতেজকারী): মুক্তাদা (مبتدأ) ও সংবাদ (خبر) -।

২ - এবং কারণ এটি পানির অবস্থার বিবরণ।

৩ - এবং কারণ এর মাধ্যমে অর্থটি সঠিক হয়; যেমন: (পানি যখন শীতল অবস্থায় থাকে তখন তা সতেজকারী)।

 

‌‌পার্থক্যকারী (التمييز)

পার্থক্যকারী (التمييز): এমন একটি বিশেষ্য (اسم) যা তার পূর্ববর্তী এমন একটি বিশেষ্যের (اسم) ধরন স্পষ্ট করার জন্য উল্লেখ করা হয় যা একাধিক বিষয়ের সম্ভাবনা রাখে।

আর এটি: মানসুব (منصوب) হয়।

আর এটি কেবল অনির্দিষ্ট (نكرة) হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।

আর এটি চেনার সহজ উপায় হলো: এর পূর্বে (হতে - من) অব্যয়টি ধরে নেওয়া।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৫)
مِثَالُهُ: (اشْتَرَيْتُ عِشْرِينَ تُفَّاحَةً).

فَالتَّمْيِيزُ: (تُفَّاحَةً):

1 - لأَنَّهَا تَمْيِيزٌ لِنَوْعِ العِشْرِينَ.

2 - وَلِأَنَّ التَّقْدِيرَ صَحِيحُ المَعْنَى بِـ: (اشْتَرَيْتُ عِشْرِينَ مِنَ التُّفَّاحِ).

مِثَالٌ آخَرُ: (زَيْدٌ أَكْثَرُهُمْ مَالًا).

فَالتَّمْيِيزُ: (مَالًا):

1 - لأَنَّهَا تَمْيِيزٌ لِنَوْعِ الكَثْرَةِ.

2 - وَلِأَنَّ التَّقْدِيرَ صَحِيحُ المَعْنَى بِـ: (مَالُ زَيْدٍ أَكْثَرُ مِنْ مَالِهِمْ).

 

‌‌النِّدَاءُ

وَالنِّدَاءُ هُوَ: طَلَبُ إِقْبَالِ المُنَادَى بِحَرْفٍ مِنْ حُرُوفِ النِّدَاءِ.

وَأَدَوَاتُهُ: (يَا)، وَالهَمْزَةُ، وَ (أَيَا)، وَ (أَيْ).

وَأَسَالِيبُ النِّدَاءِ خَمْسَةٌ: العَلَمُ غَيْرُ المُضَافِ، وَالنَّكِرَةُ المَقْصُودَةُ، وَالنَّكِرَةُ غَيْرُ المَقْصُودَةِ، وَالمُضَافُ، وَالشَّبِيهُ بِالمُضَافِ.

فَالمُنَادَى فِي الأَوَّلِ وَالثَّانِي: مَبْنِيٌّ عَلَى الضَّمِّ - بِدُونِ تَنْوِينٍ -.

وَالثَّالِثُ وَالرَّابِعُ وَالخَامِسُ: مَنْصُوبٌ.

1 - فَمِثَالُ العَلَمِ غَيْرِ المُضَافِ: (يَا زَيْدُ).

2 - وَمِثَالُ النَّكِرَةِ المَقْصُودَةِ: (يَا رَجُلُ).

وَهِيَ: الَّتِي يَقْصِدُ بِهَا المُنَادِي مُعَيَّنًا.

3 - وَمِثَالُ النَّكِرَةِ غَيْرِ المَقْصُودَةِ: (يَا رَجُلًا).

وَهِيَ: الَّتِي لَا يَقْصِدُ المُنَادِي بِهَا مُعَيَّنًا.

4 - وَمِثَالُ المُضَافِ: (يَا صَاحِبَ الدَّارِ) وَ (يَا عَبْدَ اللهِ).

5 - وَمِثَالُ شَبِيهِ المُضَافِ: (يَا طَالِعًا جَبَلًا)؛ فَكَأَنَّ المَعْنَى: (يَا طَالِعَ الجَبَلِ).

وَيَجُوزُ فِي أَسَالِيبِ النِّدَاءِ: حَذْفُ حَرْفِهِ.
এর উদাহরণ: (আমি বিশটি আপেল কিনেছি)।

সুতরাং বৈশিষ্ট্যজ্ঞাপক পদ (تمييز) হলো: (আপেল):

১ - কারণ এটি বিশ সংখ্যার ধরন স্পষ্টকারী (تمييز)।

২ - এবং যেহেতু এর অনুমিত রূপ (تقدير) সঠিক অর্থ প্রদান করে এভাবে: (আমি আপেলের মধ্য থেকে বিশটি কিনেছি)।

অন্য একটি উদাহরণ: (যায়দ তাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদের অধিকারী)।

সুতরাং বৈশিষ্ট্যজ্ঞাপক পদ (تمييز) হলো: (সম্পদ):

১ - কারণ এটি আধিক্যের ধরন স্পষ্টকারী (تمييز)।

২ - এবং যেহেতু এর অনুমিত রূপ (تقدير) সঠিক অর্থ প্রদান করে এভাবে: (যায়দের সম্পদ তাদের সম্পদের চেয়ে বেশি)।

 

‌‌সম্বোধন (نداء)

সম্বোধন (نداء) হলো: সম্বোধনসূচক অব্যয় (حرف)-এর মধ্য থেকে কোনো একটি অব্যয়ের মাধ্যমে সম্বোধিত ব্যক্তির (منادى) মনোযোগ আকর্ষণ করা।

এর উপকরণসমূহ (أدوات) হলো: (ইয়া), হামযাহ, (আয়া) এবং (আই)।

সম্বোধনের পদ্ধতি পাঁচটি: সম্বন্ধহীন বিশেষ্য (العلم غير المضاف), নির্দিষ্ট অনির্দিষ্টবাচক পদ (النكرة المقصودة), অনির্দিষ্ট অনির্দিষ্টবাচক পদ (النكرة غير المقصودة), সম্বন্ধযুক্ত পদ (المضاف) এবং সম্বন্ধযুক্ত পদের সদৃশ (الشبيه بالمضاف)।

প্রথম ও দ্বিতীয় প্রকারের ক্ষেত্রে সম্বোধিত পদটি (منادى): পেশ বা যম্মাহর ওপর অপরিবর্তনীয় (مبني) থাকে - তানউইন (تنوين) ব্যতীত -।

এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম প্রকার হলো: নসব বা জবরযুক্ত (منصوب)।

১ - সম্বন্ধহীন বিশেষ্যের উদাহরণ: (হে যায়দ)।

২ - নির্দিষ্ট অনির্দিষ্টবাচক পদের উদাহরণ: (হে ব্যক্তি)।

এটি হলো: যার মাধ্যমে সম্বোধনকারী নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে।

৩ - অনির্দিষ্ট অনির্দিষ্টবাচক পদের উদাহরণ: (হে কোনো এক ব্যক্তি)।

এটি হলো: যার মাধ্যমে সম্বোধনকারী নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে না।

৪ - সম্বন্ধযুক্ত পদের উদাহরণ: (হে গৃহস্বামী) এবং (হে আল্লাহর বান্দা)।

৫ - সম্বন্ধযুক্ত পদের সদৃশের উদাহরণ: (হে পাহাড় আরোহী); এর অর্থ যেন এমন: (হে পাহাড়ের আরোহী)।

সম্বোধনের পদ্ধতিসমূহের ক্ষেত্রে বৈধ: এর অব্যয় (حرف) বিলুপ্ত করা।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌الاسْتِثْنَاءُ

وَالاسْتِثْنَاءُ: إِخْرَاجُ اسْمٍ مِنْ آخَرَ بِوَاسِطَةِ أَدَاةٍ مِنْ أَدَوَاتِ الاسْتِثْنَاءِ.

وَأَدَوَاتُهُ: (إِلَّا) وَ (غَيْرُ) وَ (سِوَى) وَ (عَدَا) وَ (خَلَا) وَ (حَاشَا) وَ (مَا عَدَا) وَ (مَا خَلَا) وَ (مَا حَاشَا).

وَالمُسْتَثْنَى: هُوَ المُخْرَجُ، وَهُوَ الَّذِي يَقَعَ بَعْدَ أَدَاةِ الاسْتِثْنَاءِ.

وَالمُسْتَثْنَى مِنْهُ: هُوَ المُخْرَجُ مِنْهُ، وَهُوَ الَّذِي يَقَعُ قَبْلَ أَدَاةِ الاسْتِثْنَاءِ.

مِثَالُهُ: (ذَهَبَ القَوْمُ إِلَّا زَيْدًا).

فَأَدَاةُ الاسْتِثْنَاءِ: (إِلَّا)، وَالمُسْتَثْنَى مِنْهُ: (القَوْمُ)، وَالمُسْتَثْنَى: (زَيْدًا).

وَحُكْمُ المُسْتَثْنَى بِـ (إِلَّا):

1 - النَّصْبُ إِنْ كَانَ الكَلَامُ تَامًّا مُوجَبًا (أَيْ غَيْرَ مَسْبُوقٍ بِنَفْيٍ أَوْ نَهْيٍ أَوِ اسْتِفْهَامٍ).

2 - وَالنَّصْبُ أَوِ البَدَلِيَّةُ إِنْ كَانَ الكَلَامُ تَامًّا جَحْدًا (أَيْ: مَسْبُوقًا بِمَا سَبَقَ).

3 - وَالإِعْرَابُ إِنْ كَانَ الكَلَامُ نَاقِصًا غَيْرَ تَامٍّ (أَيْ لَمْ يُذْكَرْ فِيهِ المُسْتَثْنَى مِنْهُ).

فَمِثَالُ التَّامِّ المُوجَبِ: (قَامَ القَوْمُ إِلَّا زَيْدًا).

فَالكَلَامُ قَبْلَ (إِلَّا) تَامٌّ؛ لأَنَّ المُسْتَثْنَى مِنْهُ (القَوْمُ) مَذْكُورٌ.

وَ (زَيْدًا): المُسْتَثْنَى؛ لأَنَّ القَوْمَ قَامُوا، وَزَيْدًا لَمْ يَقُمْ.

وَمِثَالُ التَّامِّ الجَحْدِ: (مَا قَامَ القَوْمُ إِلَّا زَيْداً)، أَوْ (مَا قَامَ القَوْمُ إِلَّا زَيْدٌ).

فَالكَلَامُ قَبْلَ (إِلَّا) تَامٌّ؛ لأَنَّ المُسْتَثْنَى مِنْهُ (القَوْمُ) مَذْكُورٌ.

وَالكَلَامُ مَنْفِيٌّ بِوُقُوعِ (مَا) فِي أَوَّلِهِ، وَمِثْلُهُ: إِنْ جَاءَ مَنْهِيًّا أَوِ اسْتِفْهَامًا.

وَ (زَيْدًا) وَ (زَيْدٌ): المُسْتَثْنَى؛ لأَنَّ القَوْمَ لَمْ يَقُومُوا، وَزَيْدًا قَامَ.

وَمِثَالُ النَّاقِصِ: (مَا قَامَ إِلَّا زَيْدٌ).

فَالكَلَامُ قَبْلَ (إِلَّا) نَاقِصٌ؛ لأَنَّ المُسْتَثْنَى مِنْهُ غَيْرُ مَذْكُورٍ.

وَ (زَيْدٌ): المُسْتَثْنَى؛ لأَنَّ زَيْدًا قَامَ، وَلَمْ يَقُمْ أَحَدٌ غَيْرُهُ.

فَـ (زَيْدٌ) - هُنَا -: مَرْفُوعٌ؛ لأَنَّهُ فَاعِلٌ؛ بِتَقْدِيرِ حَذْفِ الأَدَاةِ، فَتُصْبِحُ: (قَامَ زَيْدٌ).

وَالمُسْتَثْنَى بِـ (غَيْرَ)، وَ (سِوَى): مَجْرُورٌ.
ব্যতিক্রম (الاستثناء)

আর ব্যতিক্রম (الاستثناء) হলো: ব্যতিক্রমের কোনো অব্যয়ের (أداة) মাধ্যমে একটি বিশেষ্যকে (ইসিম) অন্যটি থেকে পৃথক করা।

আর এর অব্যয়গুলো (أدوات) হলো: (ইল্লা), (গাইরু), (সিওয়া), (আদা), (খালা), (হাশা), (মা আদা), (মা খালা) এবং (মা হাশা)।

আর মুসতাসনা (المستثنى) হলো: যাকে পৃথক করা হয়েছে, এবং এটি সেই শব্দ যা ব্যতিক্রমের অব্যয়ের (أداة الاستثناء) পরে অবস্থিত হয়।

আর মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) হলো: যা থেকে পৃথক করা হয়েছে, এবং এটি সেই শব্দ যা ব্যতিক্রমের অব্যয়ের (أداة الاستثناء) পূর্বে অবস্থিত হয়।

এর উদাহরণ: (জাহাবাল কাওমু ইল্লা জাইদান)।

এখানে ব্যতিক্রমের অব্যয় (أداة الاستثناء) হলো: (ইল্লা), আর মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) হলো: (আল-কাওমু), এবং মুসতাসনা (المستثنى) হলো: (জাইদান)।

আর 'ইল্লা' (إلا) এর মাধ্যমে মুসতাসনা (المستثنى) হওয়ার বিধান:

1 - নসব (النصب) হওয়া, যদি বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ (تام) ও ইতিবাচক (موجب) হয় (অর্থাৎ যার পূর্বে কোনো না-বোধক, নিষেধবাচক বা প্রশ্নবোধক অব্যয় না থাকে)।

2 - নসব (النصب) হওয়া অথবা স্থলাভিষিক্ততা (البدلية) হওয়া, যদি বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ (تام) ও নেতিবাচক (جحد) হয় (অর্থাৎ পূর্বে উল্লিখিত বিষয়গুলো দ্বারা অতিক্রান্ত হয়)।

3 - আর আমিল অনুযায়ী ই’রাব (إعراب) হওয়া, যদি বাক্যটি অসম্পূর্ণ (ناقص) ও অপূর্ণাঙ্গ হয় (অর্থাৎ যাতে মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) উল্লেখ করা না হয়)।

পূর্ণাঙ্গ (تام) ও ইতিবাচক (موجب) এর উদাহরণ: (ক্বামাল কাওমু ইল্লা জাইদান)।

এখানে 'ইল্লা' (إلا) এর পূর্বের বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ (تام); কারণ মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) তথা 'আল-কাওমু' উল্লিখিত হয়েছে।

আর 'জাইদান' হলো মুসতাসনা (المستثنى); কারণ কওম দাঁড়িয়েছে, কিন্তু জায়েদ দাঁড়ায়নি।

পূর্ণাঙ্গ (تام) ও নেতিবাচক (جحد) এর উদাহরণ: (মা ক্বামাল কাওমু ইল্লা জাইদান), অথবা (মা ক্বামাল কাওমু ইল্লা জাইদুন)।

এখানে 'ইল্লা' (إلا) এর পূর্বের বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ (تام); কারণ মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) তথা 'আল-কাওমু' উল্লিখিত হয়েছে।

আর বাক্যটি নেতিবাচক (منفي), যেহেতু এর শুরুতে 'মা' এসেছে; অনুরূপ বিধান প্রযোজ্য হবে যদি তা নিষেধবাচক বা প্রশ্নবোধক হিসেবে আসে।

আর 'জাইদান' ও 'জাইদুন' হলো মুসতাসনা (المستثنى); কারণ কওম দাঁড়ায়নি, কিন্তু জায়েদ দাঁড়িয়েছে।

অসম্পূর্ণ (ناقص) এর উদাহরণ: (মা ক্বামা ইল্লা জাইদুন)।

এখানে 'ইল্লা' (إلا) এর পূর্বের বাক্যটি অসম্পূর্ণ (ناقص); কারণ মুসতাসনা মিনহু (المستثنى منه) উল্লিখিত হয়নি।

আর 'জাইদুন' হলো মুসতাসনা (المستثنى); কারণ জায়েদ দাঁড়িয়েছে এবং সে ছাড়া অন্য কেউ দাঁড়ায়নি।

সুতরাং 'জাইদুন' এখানে মারফু (مرفوع); কারণ অব্যয়টি উহ্য ধরার ভিত্তিতে এটি হলো কর্তা (فاعل), ফলে বাক্যটি হয়: (ক্বামা জাইদুন)।

আর 'গাইরু' এবং 'সিওয়া' এর মাধ্যমে মুসতাসনা (المستثنى) সর্বদা মাজরুর (مجرور) হয়।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৭)
مِثَالُهُ: (قَامَ القَوْمُ غَيْرَ زَيْدٍ)، وَ (قَامَ القَوْمُ سِوَى زَيْدٍ).

وَالمُسْتَثْنَى بِـ (حَاشَا)، وَ (خَلَا)، وَ (عَدَا): مَجْرُورٌ أَوْ مَنْصُوبٌ.

مِثَالُهُ: (قَامَ القَوْمُ عَدَا زَيْدٍ)، وَ (قَامَ القَوْمُ عَدَا زَيْدًا).

وَالمُسْتَثْنَى بِـ (مَا عَدَا) وَ (مَا خَلَا) (وَمَا حَاشَا): مَنْصُوبٌ.

مِثَالُهُ: (قَامَ القَوْمُ مَا عَدَا زَيْدًا).

 

‌‌العَدَدُ

وَالعَدَدُ: مُفْرَدٌ، وَمُرَكَّبٌ، وَعُقُودٌ، وَمَعْطُوفٌ.

1 - فَالمُفْرَدُ: مِنَ الوَاحِدِ إِلَى العَشَرَةِ، وَمِئَةٌ، وَأَلْفٌ.

2 - وَالمُرَكَّبُ: مِنْ أَحَدَ عَشَرَ إِلَى تِسْعَةَ عَشَرَ.

3 - وَالعُقُودُ: عِشْرُونَ وَثَلَاثُونَ إِلَى تِسْعِينَ.

4 - وَالمَعْطُوفُ: مِنْ وَاحِدٍ وَعِشْرِينَ إِلَى تِسْعَةٍ وَتِسْعِينَ.

وَالأَعْدَادُ مِنْ حَيْثُ مُوَافَقَتُهَا لِلْمَعْدُودِ تَذْكِيرًا وَتَأْنِيثًا: عَلَى أَقْسَامٍ:

1 - فَوَاحِدٌ: مُطَابِقٌ لِلْمَعْدُودِ - مُفْرَدًا أَوْ مُرَكَّبًا أَوْ مَعْطُوفًا عَلَيْهِ -.

مِثَالُ المُفْرَدِ: (جَاءَ طَالِبٌ وَاحِدٌ)، وَ (طَالِبَةٌ وَاحِدَةٌ).

وَمِثَالُ المُرَكَّبِ: (جَاءَ أَحَدَ عَشَرَ طَالِبًا)، وَ (إِحْدَى عَشْرَةَ طَالِبَةً).

وَمِثَالُ المَعْطُوفِ: (جَاءَ وَاحِدٌ وَعِشْرُونَ طَالِبًا)، وَ (إِحْدَى وَعِشْرُونَ طَالِبَةً).

2 - وَاثْنَانِ: مُطَابِقٌ لِلْمَعْدُودِ - مُفْرَدًا أَوْ مُرَكَّبًا أَوْ مَعْطُوفًا عَلَيْهِ -.

مِثَالُ المُفْرَدِ: (جَاءَ طَالِبَانِ اثْنَانِ)، وَ (طَالِبَتَانِ اثْنَتَانِ).

وَمِثَالُ المُرَكَّبِ: (جَاءَ اثْنَا عَشَرَ رَجُلًا)، وَ (اثْنَتَا عَشْرَةَ امرَأَةً).

وَمِثَالُ المَعْطُوفِ: (جَاءَ اثْنَانِ وَعِشْرُونَ طَالِبًا)، وَ (اثْنَتَانِ وَعِشْرُونَ طَالِبَةً).

3 - وَمِنْ ثَلَاثَةٍ إِلَى تِسْعَةٍ: مُعَاكِسٌ لِلْمَعْدُودِ - مُفْرَدَةً أَوْ مُرَكَّبَةً أَوْ مَعْطُوفَةً عَلَيْهَا -:

مِثَالُ المُفْرَدِ: (جَاءَ ثَلَاثَةُ طُلَّابٍ)، وَ (ثَلَاثُ طَالِبَاتٍ).

وَمِثَالُ المُرَكَّبِ: (جَاءَ ثَلَاَثَةَ عَشَرَ طَالِبًا)، وَ (ثَلَاثَ عَشْرَةَ طَالِبَةً).

وَمِثَالُ المَعْطُوفِ: (جَاءَ ثَلَاثَةٌ وَخَمْسُونَ طَالِبًا)، وَ (ثَلَاثٌ وَخَمْسُونَ طَالِبَةً).
এর উদাহরণ: (যায়েদ ব্যতীত জনতা দণ্ডায়মান হয়েছে), এবং (যায়েদ ব্যতীত জনতা দণ্ডায়মান হয়েছে)।

এবং (হাশা), (খালা) ও (আদা) দ্বারা পৃথকীকৃত শব্দ: মাজরুর (জেরবিশিষ্ট) অথবা মানসুব (জবরবিশিষ্ট)।

এর উদাহরণ: (যায়েদ ব্যতীত জনতা দণ্ডায়মান হয়েছে - মাজরুর হিসেবে), এবং (যায়েদ ব্যতীত জনতা দণ্ডায়মান হয়েছে - মানসুব হিসেবে)।

এবং (মা আদা), (মা খালা) এবং (মা হাশা) দ্বারা পৃথকীকৃত শব্দ: মানসুব (জবরবিশিষ্ট)।

এর উদাহরণ: (যায়েদ ব্যতীত জনতা দণ্ডায়মান হয়েছে)।

 

‌‌সংখ্যা

সংখ্যা চার প্রকার: একক, যৌগিক, দশক এবং সংযোজিত।

১ - একক সংখ্যা: এক থেকে দশ পর্যন্ত, এবং একশত ও এক হাজার।

২ - যৌগিক সংখ্যা: এগারো থেকে ঊনিশ পর্যন্ত।

৩ - দশক: বিশ, ত্রিশ থেকে নব্বই পর্যন্ত।

৪ - সংযোজিত সংখ্যা: একুশ থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত।

গণনাকৃত বস্তুর (মাদুদ) সাথে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক হওয়ার ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যের বিচারে সংখ্যাসমূহ কয়েক ভাগে বিভক্ত:

১ - এক: গণনাকৃত বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে—চাই তা একক হোক, যৌগিক হোক বা সংযোজিত হোক।

একক সংখ্যার উদাহরণ: (একজন ছাত্র এসেছে), এবং (একজন ছাত্রী এসেছে)।

যৌগিক সংখ্যার উদাহরণ: (এগারোজন ছাত্র এসেছে), এবং (এগারোজন ছাত্রী এসেছে)।

সংযোজিত সংখ্যার উদাহরণ: (একুশজন ছাত্র এসেছে), এবং (একুশজন ছাত্রী এসেছে)।

২ - দুই: গণনাকৃত বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে—চাই তা একক হোক, যৌগিক হোক বা সংযোজিত হোক।

একক সংখ্যার উদাহরণ: (দুইজন ছাত্র এসেছে), এবং (দুইজন ছাত্রী এসেছে)।

যৌগিক সংখ্যার উদাহরণ: (বারোজন পুরুষ এসেছে), এবং (বারোজন মহিলা এসেছে)।

সংযোজিত সংখ্যার উদাহরণ: (বাইশজন ছাত্র এসেছে), এবং (বাইশজন ছাত্রী এসেছে)।

৩ - তিন থেকে নয় পর্যন্ত: গণনাকৃত বস্তুর বিপরীত হবে—চাই তা একক হোক, যৌগিক হোক বা সংযোজিত হোক:

একক সংখ্যার উদাহরণ: (তিনজন ছাত্র এসেছে), এবং (তিনজন ছাত্রী এসেছে)।

যৌগিক সংখ্যার উদাহরণ: (তেরোজন ছাত্র এসেছে), এবং (তেরোজন ছাত্রী এসেছে)।

সংযোজিত সংখ্যার উদাহরণ: (তিপ্পান্নজন ছাত্র এসেছে), এবং (তিপ্পান্নজন ছাত্রী এসেছে)।
(খণ্ড: ১) আল-উনশুতাহ ফিন নাহওয়ি (পৃষ্ঠা: ২৮)
4 - وَالعَدَدُ (عَشَرَةٌ): مُعَاكِسٌ لِلْمَعْدُودِ مُفْرَدًا، وَمُوَافِقٌ لَهُ مُرَكَّبًا.

مِثَالُ المُفْرَدِ: (جَاءَ عَشَرَةُ طُلَّابٍ)، وَ (عَشْرُ طَالِبَاتٍ).

وَمِثَالُ المُرَكَّبِ: (جَاءَ أَحَدَ عَشَرَ طَالِبًا) وَ (جَاءَتْ إِحْدَى عَشْرَةَ طَالِبَةً).

5 - وَالعَدَدُ (مِئَةٌ)، وَ (أَلْفٌ)، وَأَلفَاظُ العُقُودِ: لَهَا صُورَةٌ وَاحِدَةٌ - تَذْكِيرًا أَوْ تَأْنِيثًا -.

مِثَالُ (المِئَةِ): (جَاءَ مِئَةُ طَالِبٍ) وَ (مِئَةُ طَالِبَةٍ).

وَمِثَالُ (الأَلْفِ): (جَاءَ أَلْفُ طَالِبٍ) وَ (أَلْفُ طَالِبَةٍ).

وَمِثَالُ (العُقُودِ): (جَاءَ عِشْرُونَ طَالِبًا) وَ (عِشْرُونَ طَالِبَةً).

وَيُلْحَقُ (اثْنَانِ): بِالمثَنَّى.

وَتُلْحَقُ العُقُودُ: بِجَمْعِ المُذَكَّرِ السَّالِمِ.

وَالشِّينُ فِي (عَشْرٍ) (وَعَشَرَةٍ): تُفْتَحُ مَعَ المَعْدُودِ المُذَكَّرِ.

وَحُكْمُ التَّذْكِيرِ وَالتَّأْنِيثِ: عَلَى مُفْرَدِ المَعْدُودِ، لَا جَمْعِهِ.
৪ - সংখ্যা (দশ): এটি একক (مفرد) অবস্থায় গণনাকৃত বস্তুর বিপরীত হয়, এবং যৌগিক (مركب) অবস্থায় তার অনুরূপ হয়।

একক ব্যবহারের উদাহরণ: (দশজন ছাত্র এসেছে), এবং (দশজন ছাত্রী এসেছে)।

যৌগিক ব্যবহারের উদাহরণ: (এগারোজন ছাত্র এসেছে) এবং (এগারোজন ছাত্রী এসেছে)।

৫ - সংখ্যা (একশ), (এক হাজার), এবং দশকের শব্দাবলি (عقود): পুংলিঙ্গ বা স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই এগুলোর রূপ অভিন্ন থাকে।

(একশ)-এর উদাহরণ: (একশ ছাত্র এসেছে) এবং (একশ ছাত্রী এসেছে)।

(এক হাজার)-এর উদাহরণ: (এক হাজার ছাত্র এসেছে) এবং (এক হাজার ছাত্রী এসেছে)।

(দশকের শব্দাবলি)-এর উদাহরণ: (বিশজন ছাত্র এসেছে) এবং (বিশজন ছাত্রী এসেছে)।

(দুই) শব্দটি দ্বিবচন (مثنى)-এর অনুগামী হয়।

আর দশকের শব্দাবলিগুলো নিরাপদ পুংলিঙ্গ বহুবচন (جمع المذكر السالم)-এর অনুগামী হয়।

‘দশ’ শব্দের ‘শিন’ অক্ষরটি গণনাকৃত বস্তু পুংলিঙ্গ (مذكر) হলে ফাতহাহ যুক্ত হয়।

পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ হওয়ার বিধানটি গণনাকৃত বস্তুর একবচনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, বহুবচনের ওপর নয়।