(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: -)
مناقب الإمام أحمد القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: مناقب الإمام أحمد
المؤلف: جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد الجوزي (ت 597هـ)
المحقق: د. عبد الله بن عبد المحسن التركي
الناشر: دار هجر
الطبعة: الثانية، 1409 هـ
عدد الصفحات: 709
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 9 شعبان 1435
ইমাম আহমদের মানাকিব (গুণাবলী) বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
কিতাব: ইমাম আহমদের মানাকিব
লেখক: জামালুদ্দিন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওযী (মৃত ৫৯৭ হিজরি)
গবেষক ও সম্পাদক: ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কী
প্রকাশক: দার হাজার
সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪০৯ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০৯
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: রাবিতাতুন নুসসাখ টিম, তত্ত্বাবধানে (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৯ শাবান ১৪৩৫
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١)
مناقب
الإمام أحمد بن حنبل
للحافظ أبي الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد بن الجوزي
"510 - 597هـ"
تحقيق
الدكتور عبد الله بن عبد المحسن التركي
মর্যাদা
ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল
হাফেজ আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী কর্তৃক
"৫১০ - ৫৯৭ হিজরি"
সম্পাদনা
ডক্টর আবদুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আল-তুর্কী
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة المؤلفقال الشيخ الإمام العالم الأوحد الصدر الكبير جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد بن الجوزي رحمة الله عليه:
الحمد لله الذي أنشأ فأحسن الإنشاء، ثم قدَّم وأَخر كما شاءَ، اختار من العالم الإنسي المرسلين والأنبياء، ثم ورثتهم الصالحين العلماء، ثم أَجزل لبعضهم من الفضل العطاء، وصلى الله على محمد أشرف راكب نزل البيداء، وعلى أصحابه الذين نالوا بصحبته العلاء، وعلى التابعين لهم بإحسان إلى أَن يعيد الناقض البناء، وسلم تسليماً كثيراً.
اعلموا إخواني- وفقكم الله- أن الله عز وجل فضل محمداً- صلى الله عليه وسلم على سائر الخلق، وقدم أُمته على جميع الأمم، وجعل سبب التفضيل العلم والعمل به، فمن سير حال نبينا عليه السلام علم فضله على جميع الأنبياء في العلم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
লেখকের ভূমিকাঅনন্য ইমাম, আলিম, উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন শায়খ, জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন:
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সৃষ্টিকে সুন্দর করেছেন। অতঃপর তিনি যা ইচ্ছা করেছেন তা অগ্রে পাঠিয়েছেন এবং যা ইচ্ছা করেছেন তা পশ্চাতে রেখেছেন। তিনি মানবজাতি থেকে রাসুল ও নবীদের মনোনীত করেছেন, অতঃপর তাদের উত্তরসূরি হিসেবে নেককার আলেমদের মনোনীত করেছেন। তারপর তাদের কাউকে কাউকে শ্রেষ্ঠত্বের অফুরন্ত দান প্রদান করেছেন। আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক মুহাম্মাদের ওপর, যিনি মরুভূমিতে অবতীর্ণ হওয়া শ্রেষ্ঠতম আরোহী, এবং তাঁর সাহাবীদের ওপর, যারা তাঁর সাহচর্য লাভের মাধ্যমে উচ্চমর্যাদা লাভ করেছেন, আর কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন তাদের ওপর। আর তাঁর ওপর বর্ষিত হোক অফুরন্ত সালাম।
হে আমার ভাইগণ—আল্লাহ আপনাদের তাওফিক দান করুন—জেনে রাখুন যে, আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সকল সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং তাঁর উম্মতকে সকল উম্মতের ওপর অগ্রগণ্য করেছেন। আর তিনি এই শ্রেষ্ঠত্বের কারণ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন জ্ঞান এবং সেই অনুযায়ী আমলকে। সুতরাং যে ব্যক্তি আমাদের নবী (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনী পর্যালোচনা করবে, সে জ্ঞানের ক্ষেত্রে সকল নবীর ওপর তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٤)
والعمل، ومن نظر في علوم أئمتنا رأي من علوم علمائهم ما يعجز عنه الأَحبار، ومن عبادة متعبديهم ما يقصر عنه الرهبان، ولا نظر إلى صورة الترهبن، فإن التعبد بموافقة المشروع ومخالفة الهوى أَشد وأَعظم. فالعلم والعمل بحمد الله في أُمتنا فاش كثير غير أَني بحثت عن نائلي مرتبة الكمال في الأَمرين- أَعني العلم والعمل- من التابعين ومن بعدهم، فلم أَجد من ثمَّ له الأَمران على الغاية التي لا يخدش وجه كمالها نَوع نقص، سوى ثلاثة أَشخاص: الحسن البصري، وسُفيان الثوري، وأحمد بن حنبل. وقد جمعتُ كتاباً يحوي مناقب الحسن، وكتاباً يجمع فضائل سفيان، ثم رأَيت أَحمد بن حنبل أَولى بذلك منهما لأنه جمع من العلوم ما لم يجمعا، وحمل من الصبر على إقامة الحق ما لم يحملا، وإني رأَيت جماعة قد جمعوا مناقبه؛ فمنهم من قصر فيما نقل، ومنهم من لم يرتب ما حَصّل، فرأَيت أَن أصرف بعض زمني إلى تهذيب كتاب يشتمل على مناقبه وآدابه، ليعرف المقتدي قدر من اقتدى به، والله الموفق.
এবং আমল। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামগণের জ্ঞানসমূহের দিকে দৃষ্টিপাত করবে, সে তাঁদের আলেমগণের ইলমের মধ্যে এমন কিছু দেখতে পাবে যা দেখে বড় বড় ধর্মতাত্ত্বিক পণ্ডিতরাও অক্ষম হয়ে পড়বে; এবং তাঁদের ইবাদতকারীদের ইবাদতের মধ্যে এমন কিছু দেখবে যার কাছে সংসারত্যাগী সন্ন্যাসীরাও তুচ্ছ হয়ে পড়বে। আর সন্ন্যাসবাদের বাহ্যিক রূপের দিকে তাকাবেন না, কারণ শরীয়তসম্মত বিষয়ের অনুসরণ এবং কুপ্রবৃত্তির বিরোধিতা করে ইবাদত করা অনেক বেশি কঠিন ও মহিমান্বিত। আল্লাহর শুকরিয়া যে, আমাদের উম্মতের মধ্যে ইলম ও আমল ব্যাপকভাবে বিদ্যমান। তবে আমি তাবেয়ীন এবং তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের মধ্য থেকে ইলম ও আমল—এই উভয় বিষয়ে পূর্ণতার শিখরে পৌঁছেছেন এমন ব্যক্তিদের অনুসন্ধান করেছি; কিন্তু আমি এমন কাউকে পাইনি যাঁর মধ্যে এই দুটি গুণ এমন চূড়ান্ত পর্যায়ে বিদ্যমান ছিল যে কোনো ধরণের ত্রুটি তার পূর্ণতার সৌন্দর্যকে কলঙ্কিত করতে পারে না, কেবল তিনজন ব্যক্তি ব্যতীত: হাসান বসরী, সুফিয়ান সাওরী এবং আহমাদ বিন হাম্বল। আমি হাসান বসরীর জীবনচরিত নিয়ে একটি কিতাব এবং সুফিয়ানের ফযীলতসমূহ নিয়ে একটি কিতাব সংকলন করেছি। অতঃপর আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে তাঁদের দুজনের তুলনায় এই আলোচনার জন্য অধিকতর যোগ্য মনে করলাম; কারণ তিনি এমন সব ইলম অর্জন করেছিলেন যা তাঁরা করেননি এবং সত্য প্রতিষ্ঠায় এমন ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন যা তাঁরা দিতে পারেননি। আমি দেখেছি যে একদল মানুষ তাঁর জীবনচরিত সংকলন করেছেন; কিন্তু তাঁদের কেউ কেউ বর্ণনার ক্ষেত্রে ঘাটতি রেখেছেন, আবার কেউ কেউ যা সংগ্রহ করেছেন তা যথাযথভাবে বিন্যস্ত করেননি। তাই আমি আমার সময়ের কিছু অংশ এমন একটি কিতাব পরিমার্জনের পেছনে ব্যয় করার সংকল্প করলাম যা তাঁর জীবনচরিত ও আদব-শিষ্টাচারকে অন্তর্ভুক্ত করবে, যেন অনুসারী ব্যক্তি তার অনুসৃত ব্যক্তিত্বের মর্যাদা সম্পর্কে অবগত হতে পারে। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٥)
فصل
وقد جعلت هذا الكتاب مئة باب وهذه
تراجم الأبواب والله مُلهِم الصواب:
الباب الأول: في ذكر مولده وأصله.
الباب الثاني: في ذكر نَسبه.
الباب الثالث: في ذكر مَنشئه في صباه.
الباب الرابع: في ذكر ابتدائه في طَلب العلم ورحلته فيه.
الباب الخامس: في تَسمية من لقي من كبار العلماءِ وروى عنهم.
الباب السادس: في ذكر تأَدبه عند مشايخه احتراماً للعلم.
الباب السابع: في ذكر إقباله على العلم واشتغاله به.
الباب الثامن: في ذكر حِفظه وقَدر ما كان يحفظ.
الباب التاسع: في بَيان غزارة علمه وقوة فهمه وفقهه.
الباب العاشر: في ذكر ثَناء مشايخه عليه.
الباب الحادي عشر: في ذكر من حدَّث عنه من مشايخه ومن الأكابر.
الباب الثاني عشر: في ذكر من حدَّث عن أَحمد على الإطلاق من الشيوخ والأَصحاب.
পরিচ্ছেদ
আমি এই গ্রন্থটিকে একশতটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছি এবং এগুলো হলো
অধ্যায়সমূহের শিরোনাম; আর আল্লাহই সঠিক বিষয়ের অনুপ্রেরণাদানকারী:
প্রথম অধ্যায়: তাঁর জন্ম ও মূল পরিচয় প্রসঙ্গে।
দ্বিতীয় অধ্যায়: তাঁর বংশপরম্পরা প্রসঙ্গে।
তৃতীয় অধ্যায়: শৈশবে তাঁর বেড়ে ওঠা প্রসঙ্গে।
চতুর্থ অধ্যায়: তাঁর জ্ঞান অর্জনের সূচনা ও এ উদ্দেশ্যে তাঁর সফর প্রসঙ্গে।
পঞ্চম অধ্যায়: তিনি যে সকল বড় বড় আলেমদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং যাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের নামকরণে।
ষষ্ঠ অধ্যায়: জ্ঞানের সম্মানে তাঁর শায়খদের নিকট তাঁর আদব ও শিষ্টাচার প্রদর্শন প্রসঙ্গে।
সপ্তম অধ্যায়: জ্ঞানের প্রতি তাঁর একাগ্রতা ও তাতে নিমগ্ন থাকা প্রসঙ্গে।
অষ্টম অধ্যায়: তাঁর মুখস্থশক্তি এবং তিনি কী পরিমাণ মুখস্থ রাখতেন সে প্রসঙ্গে।
নবম অধ্যায়: তাঁর জ্ঞানের প্রাচুর্য এবং তাঁর বোধশক্তি ও ফিকহী প্রজ্ঞার বর্ণনায়।
দশম অধ্যায়: তাঁর সম্পর্কে তাঁর শায়খদের প্রশংসার বর্ণনায়।
একাদশ অধ্যায়: তাঁর শায়খ ও বড়দের মধ্যে যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁদের বর্ণনায়।
দ্বাদশ অধ্যায়: সাধারণভাবে শায়খ এবং সাথীদের মধ্যে যারা আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁদের বর্ণনায়।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٦)
الباب الثالث عشر: في ذكر ثناء نُظرائه وأَقرانه ومقاربيه في السن عليه.
الباب الرابع عشر: في ذكر ثناءِ كبار أَتباعه عليه بما عرفوه منه.
الباب الخامس عشر: فيما يذكر من إنفاذ إلياس إليه السلام.
الباب السادس عشر: فيما يذكر من ثناءِ الخضر عليه.
الباب السابع عشر: في ذكر ثناءِ غرباءِ العبّاد والأَولياءِ عليه.
الباب الثامن عشر: في ذكر تبرك الأَولياءِ به وزيارتهم له.
الباب التاسع عشر: في ذكر تنويه ذكر.
الباب العشرون: في ذكر اعتقاده في الأُصول.
الباب الحادي والعشرون: في ذكر تمسكه بالسنة والأثر.
الباب الثاني والعشرون: في ذكر تعظيمه لأهل السنة والنقل.
الباب الثالث والعشرون: في ذكر إعراضه عن أهل البدع ونهيه عن كلامهم وقدحه فيهم.
الباب الرابع والعشرون: في ذكر تبركه واستشفائه بالقرآن وماءِ زمزم وشعر الرسول وقصعته.
الباب الخامس والعشرون: في ذكر الوقت الذي ابتدأَ فيه بالتحديث والفتوى.
তেরোতম অধ্যায়: তাঁর সমকক্ষ, সমসাময়িক এবং সমবয়সীদের কর্তৃক তাঁর প্রশংসার বিবরণ।
চৌদ্দতম অধ্যায়: তাঁর প্রধান অনুসারীদের নিকট তাঁর যে গুণাবলী পরিচিত ছিল, সে অনুযায়ী তাঁদের করা তাঁর প্রশংসার বিবরণ।
পনেরোতম অধ্যায়: ইলিয়াস (আলাইহিস সালাম)-কে তাঁর নিকট প্রেরণের বর্ণনায়।
ষোলোতম অধ্যায়: তাঁর সম্পর্কে খিদির (আলাইহিস সালাম)-এর প্রশংসার বর্ণনায়।
সতেরোতম অধ্যায়: দূর-দূরান্তের ইবাদতগুজার ও আউলিয়াগণের কর্তৃক তাঁর প্রশংসার বিবরণ।
আঠারোতম অধ্যায়: আউলিয়াগণের তাঁর মাধ্যমে বরকত গ্রহণ এবং তাঁদের পক্ষ থেকে তাঁকে জিয়ারত করার বিবরণ।
উনিশতম অধ্যায়: তাঁর সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ার বর্ণনায়।
বিশতম অধ্যায়: উসূল বা আকিদাগত বিষয়ে তাঁর বিশ্বাসের বিবরণ।
একুশতম অধ্যায়: সুন্নাহ ও আসারের প্রতি তাঁর দৃঢ়ভাবে অবিচল থাকার বিবরণ।
বাইশতম অধ্যায়: আহলে সুন্নাত ও বর্ণনাকারীদের প্রতি তাঁর সম্মান প্রদর্শনের বিবরণ।
তেইশতম অধ্যায়: বিদআতপন্থীদের থেকে তাঁর বিমুখতা, তাঁদের কথা শুনতে নিষেধ করা এবং তাঁদের সমালোচনা করার বিবরণ।
চব্বিশতম অধ্যায়: কুরআন, যমযমের পানি এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চুল ও পেয়ালার মাধ্যমে তাঁর বরকত লাভ ও আরোগ্য কামনার বিবরণ।
পঁচিশতম অধ্যায়: যে সময় থেকে তিনি হাদীস বর্ণনা ও ফতোয়া প্রদান শুরু করেছিলেন তার বিবরণ।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٧)
الباب السادس والعشرون: في ذكر بذله للعلم واحتسابه في ذلك.
الباب السابع والعشرون: في ذكر مصنفاته.
الباب الثامن والعشرون: في ذكر كراهيته وضع الكتب المشتملة على الرأي ليتوفر الالتفات إلى النقل.
الباب التاسع والعشرون: في ذكر نهيه أَن يكتب كلامه أَو أني روي.
الباب الثلاثون: في ذكر كلامه في الإخلاص والرياءِ وستر التعبد.
الباب الحادي والثلاثون: في ذكر كلامه في الزهد والرقائق.
الباب الثاني والثلاثون: في ذكر كلامه في فنون مختلفة.
الباب الثالث والثلاثون: في ذكر ما أَنشده من الشعر أو نُسب إليه.
الباب الرابع والثلاثون: في ذكر مكاتباته.
الباب الخامس والثلاثون: في ذكر صفته وهيئته وسمته.
الباب السادس والثلاثون: في ذكر هيبته.
الباب السابع والثلاثون: في ذكر نظافته وطهارته.
الباب الثامن والثلاثون: في ذكر سهولة أَخلاقه وحسن معاشرته.
الباب التاسع والثلاثون: في ذكر حلمه وعفوه.
الباب الأربعون: في ذكر ماله ومعاشه.
الباب الحادي والأربعون: في ذكر تعففه عن أموال الناس وظلف نفسه عنها وقطع طمعه منها.
২৬তম অধ্যায়: তাঁর ইলম দান করা এবং এ ক্ষেত্রে সওয়াবের আশা করা প্রসঙ্গে।
২৭তম অধ্যায়: তাঁর রচনাবলি প্রসঙ্গে।
২৮তম অধ্যায়: রায় (ব্যক্তিগত মতামত) সম্বলিত গ্রন্থ রচনার প্রতি তাঁর অনীহা প্রসঙ্গে, যাতে নকলের (বর্ণিত বিষয়ের) প্রতি পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ থাকে।
২৯তম অধ্যায়: তাঁর কথা লিখে রাখা অথবা তা বর্ণনা করা হতে তাঁর নিষেধ করা প্রসঙ্গে।
৩০তম অধ্যায়: ইখলাস, রিয়া এবং ইবাদত গোপন রাখা বিষয়ে তাঁর বক্তব্য প্রসঙ্গে।
৩১তম অধ্যায়: যুহদ এবং রাকায়েক (হৃদয় বিগলনকারী বিষয়) বিষয়ে তাঁর বক্তব্য প্রসঙ্গে।
৩২তম অধ্যায়: বিভিন্ন শাস্ত্র বিষয়ে তাঁর বক্তব্য প্রসঙ্গে।
৩৩তম অধ্যায়: তাঁর আবৃত্তিকৃত কবিতা অথবা তাঁর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা কবিতা প্রসঙ্গে।
৩৪তম অধ্যায়: তাঁর পত্রালাপ প্রসঙ্গে।
৩৫তম অধ্যায়: তাঁর শারীরিক বৈশিষ্ট্য, অবয়ব এবং চালচলন প্রসঙ্গে।
৩৬তম অধ্যায়: তাঁর গাম্ভীর্য ও প্রভাব প্রসঙ্গে।
৩৭তম অধ্যায়: তাঁর পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা প্রসঙ্গে।
৩৮তম অধ্যায়: তাঁর চরিত্রের কোমলতা এবং উত্তম সামাজিক মেলামেশা প্রসঙ্গে।
৩৯তম অধ্যায়: তাঁর সহনশীলতা ও ক্ষমাশীলতা প্রসঙ্গে।
৪০তম অধ্যায়: তাঁর ধন-সম্পদ ও জীবিকা প্রসঙ্গে।
৪১তম অধ্যায়: মানুষের ধন-সম্পদ থেকে তাঁর বিমুখতা, তা থেকে নিজেকে পবিত্র রাখা এবং সে বিষয়ে তাঁর লালসা বর্জন করা প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٨)
الباب الثاني والأَربعون: في ذكر كرمه وجوده.
الباب الثالث والأَربعون: في ذكر قبوله الهدية ومكافأته عليها.
الباب الرابع والأَربعون: في ذكر زهده.
الباب الخامس والأربعون: في ذكر صفة بيته وآلاته.
الباب السادس والأَربعون: في ذكر مطعمه.
الباب السابع والأَربعون: في ذكر رفقه بنفسه.
الباب الثامن والأَربعون: في ذكر ملبسه.
الباب التاسع والأَربعون: في ذكر وَرعه.
الباب الخمسون: في ذكر إعراضه عن الولايات.
الباب الحادي والخمسون: في ذكر حُبه للفقر والفقراءِ.
الباب الثاني والخمسون: في ذكر تواضعه.
الباب الثالث والخمسون: في ذكر إجابته الدعوة وخروجه لرؤية المنكر.
الباب الرابع والخمسون: في ذكر إيثاره العُزلة والوحدة.
الباب الخامس والخمسون: في ذكر إيثاره خمول الذكر واجتهاده في ستر الحال.
الباب السادس والخمسون: في ذكر خوفه من الله عز وجل.
الباب السابع والخمسون: في ذكر غَلبة الفكر والهم على قلبه.
বিয়াল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর দানশীলতা ও মহানুভবতা বর্ণনায়।
তেতাল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর উপহার গ্রহণ ও তার প্রতিদান প্রদান বর্ণনায়।
চুয়াল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর দুনিয়াবিমুখতা (যুহদ) বর্ণনায়।
পঁয়তাল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর ঘর ও আসবাবপত্রের বিবরণ বর্ণনায়।
ছেচল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর আহার্য বর্ণনায়।
সাতচল্লিশতম অধ্যায়: নিজের প্রতি তাঁর কোমলতা বর্ণনায়।
আটচল্লিশতম অধ্যায়: তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ বর্ণনায়।
উনপঞ্চাশতম অধ্যায়: তাঁর খোদাভীতি ও সতর্কতা (ওয়ারা‘) বর্ণনায়।
পঞ্চাশতম অধ্যায়: প্রশাসনিক পদ গ্রহণ থেকে তাঁর বিমুখতা বর্ণনায়।
একান্নতম অধ্যায়: দারিদ্র্য ও দরিদ্রদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা বর্ণনায়।
বাহান্নতম অধ্যায়: তাঁর বিনয় বর্ণনায়।
তিপান্নতম অধ্যায়: তাঁর দাওয়াত কবুল করা এবং মন্দ বিষয় পরিবর্তন করতে বের হওয়া বর্ণনায়।
চুয়ান্নতম অধ্যায়: নির্জনতা ও একাকীত্বকে প্রাধান্য দেওয়া বর্ণনায়।
পঞ্চান্নতম অধ্যায়: আত্মগোপন থাকাকে প্রাধান্য দেওয়া এবং নিজের অবস্থা গোপন রাখতে তাঁর প্রচেষ্টা বর্ণনায়।
ছাপ্পান্নতম অধ্যায়: মহান আল্লাহকে তাঁর ভয় করা বর্ণনায়।
সাতান্নতম অধ্যায়: তাঁর হৃদয়ে চিন্তা ও উদ্বেগের আধিক্য বর্ণনায়।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٩)
الباب الثامن والخمسون: في ذكر تَعبده.
الباب التاسع والخمسون: في ذكر عدد حجاته.
الباب الستون: في ذكر دُعائه ومُناجاته.
الباب الحادي والستون: في ذكر كراماته وإجابة سؤاله.
الباب الثاني والستون: في ذكر عدد زوجاته.
الباب الثالث والستون: في ذكر سراريه.
الباب الرابع والستون: في ذكر عدد أَولاده.
الباب الخامس والستون: في ذكر أخبار أَولاده وعقبه.
الباب السادس والستون: في ذكر ابتداء المحنة وسببها.
الباب السابع والستون: في ذكر قصته مع المأمون.
الباب الثامن والستون: في ذكر ما جَرى له بعد موت المأمون.
الباب التاسع والستون: في ذكر قصته مع المعتصم.
الباب السبعون: في ذكر تَلقي المشايخ إياه بعد انقضاءِ المحنة ودعائهم له.
الباب الحادي والسبعون: في ذكر تحديثه بعد المعتصم.
الباب الثاني والسبعون: في ذكر قصته مع الواثق.
الباب الثالث والسبعون: في ذكر قصته مع المتوكل.
الباب الرابع والسبعون: في ذكر ما جرى له مع ابن طاهر من طلب استزارته وامتناعه عليه.
৫৮তম অধ্যায়: তাঁর ইবাদত-বন্দেগির বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৫৯তম অধ্যায়: তাঁর হজের সংখ্যার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬০তম অধ্যায়: তাঁর দোয়া ও মোনাজাতের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬১তম অধ্যায়: তাঁর কারামত এবং তাঁর প্রার্থনা কবুল হওয়ার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬২তম অধ্যায়: তাঁর স্ত্রীদের সংখ্যার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৩তম অধ্যায়: তাঁর দাসীদের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৪তম অধ্যায়: তাঁর সন্তানের সংখ্যার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৫তম অধ্যায়: তাঁর সন্তান ও বংশধরদের সংবাদ বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৬তম অধ্যায়: পরীক্ষার (মিহনার) সূচনা ও তার কারণ বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৭তম অধ্যায়: আল-মামুনের সাথে তাঁর ঘটনার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৮তম অধ্যায়: আল-মামুনের মৃত্যুর পর তাঁর সাথে যা ঘটেছিল তার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৬৯তম অধ্যায়: আল-মু’তাসিমের সাথে তাঁর ঘটনার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৭০তম অধ্যায়: পরীক্ষা (মিহনা) শেষ হওয়ার পর মাশায়েখদের তাঁর সাথে সাক্ষাৎ ও তাঁদের দোয়ার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৭১তম অধ্যায়: আল-মু’তাসিমের পর তাঁর হাদিস পাঠদানের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৭২তম অধ্যায়: আল-ওয়াসিকের সাথে তাঁর ঘটনার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৭৩তম অধ্যায়: আল-মুতাওয়াক্কিলের সাথে তাঁর ঘটনার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
৭৪তম অধ্যায়: ইবনে তাহিরের সাথে তাঁর যা ঘটেছিল—তাঁর সাথে দেখা করার আবেদন এবং তাঁর অস্বীকৃতি জানানোর বর্ণনা প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الباب الخامس والسبعون: في ذكر ما جرى له مع ولديه وعمه حين قبلوا صلة السلطان.
الباب السادس والسبعون: في ذكر جماعة من كبار الذين أَجابوا في المحنة.
الباب السابع والسبعون: في ذكر كلامه فيمن أَجاب في المحنة.
الباب الثامن والسبعون: في ذكر جماعة ممن لم يجب في المحنة.
الباب التاسع والسبعون: في ذكر مرضه الذي مات فيه.
الباب الثمانون: في ذكر تاريخ موته ومَبلغ سنه.
الباب الحادي والثمانون: في ذكر غَسله وكفنه.
الباب الثاني والثمانون: في ذكر المتقدم للصلاة عليه.
الباب الثالث والثمانون: في ذكر كثرة الجمع الذين صلوا عليه.
الباب الرابع والثمانون: في ذكر ما جرى عند حمل جنازته من مَدح السنة وذم البِدعة.
الباب الخامس والثمانون: في ذكر ازدحام الناس على قبره بعد دفنه.
الباب السادس والثمانون: في ذكر ما خلَّف من التركة.
الباب السابع والثمانون: في ذكر تأثير موته عند جميع الناس.
الباب الثامن والثمانون: في ذكر تأثير موته عند الجن.
পঁচাত্তরতম অধ্যায়: সুলতানের উপঢৌকন গ্রহণ করার সময় তাঁর দুই পুত্র ও চাচার সাথে তাঁর যা ঘটেছিল সেই প্রসঙ্গে।
ছিয়াত্তরতম অধ্যায়: মহা-পরীক্ষায় (মিহনা) যারা নতিস্বীকার করেছিলেন, এমন কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রসঙ্গে।
সাতাত্তরতম অধ্যায়: মহা-পরীক্ষায় (মিহনা) যারা নতিস্বীকার করেছিলেন, তাদের সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য প্রসঙ্গে।
আটাত্তরতম অধ্যায়: মহা-পরীক্ষায় (মিহনা) যারা নতিস্বীকার করেননি, এমন একদল ব্যক্তি প্রসঙ্গে।
ঊনআশিতম অধ্যায়: তাঁর সেই অসুস্থতার বর্ণনা যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন।
আশিতম অধ্যায়: তাঁর মৃত্যুর তারিখ এবং তাঁর বয়সের পরিমাণ প্রসঙ্গে।
একাশিতম অধ্যায়: তাঁর গোসল ও কাফন প্রদান প্রসঙ্গে।
বিরাশিতম অধ্যায়: তাঁর জানাজার নামাজে যিনি ইমামতি করেছিলেন তাঁর প্রসঙ্গে।
তিরাশিতম অধ্যায়: তাঁর জানাজার নামাজে অংশগ্রহণকারী বিশাল জনসমাগম প্রসঙ্গে।
চুরাশিতম অধ্যায়: তাঁর জানাজা বহনের সময় সুন্নাহর প্রশংসা এবং বিদআতের নিন্দা বিষয়ে যা ঘটেছিল সেই প্রসঙ্গে।
পঁচাশিতম অধ্যায়: দাফনের পর তাঁর কবরের পাশে মানুষের ভিড় প্রসঙ্গে।
ছিয়াশিতম অধ্যায়: তাঁর রেখে যাওয়া পরিত্যক্ত সম্পত্তি (উত্তরাধিকার) প্রসঙ্গে।
সাতাশিতম অধ্যায়: সর্বসাধারণের মাঝে তাঁর মৃত্যুর প্রভাব প্রসঙ্গে।
আটাশিতম অধ্যায়: জিনদের মাঝে তাঁর মৃত্যুর প্রভাব প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١)
الباب التاسع والثمانون: في ذكر التعازي به.
الباب التسعون: في ذكر المنتخب من الأشعار التي مُدح بها في حياته ورثي بها بعد وفاته.
الباب الحادي والتسعون: في ذكر المنامات التي رآها أحمد.
الباب الثاني والتسعون: في ذكر المنامات التي رئي فيها أحمد.
الباب الثالث والتسعون: في ذكر المنامات التي رئيت له.
الباب الرابع والتسعون: في فَضيلة زيارة قبره.
الباب الخامس والتسعون: في فضيلة مجاورته.
الباب السادس والتسعون: في ذكر عقوبة من آذاه.
الباب السابع والتسعون: في ذكر ما قيل فيمن يتنقَّصه.
الباب الثامن والتسعون: في سبب اختيارنا لمذهبه على مذهب غيره.
الباب التاسع والتسعون: في فَضل أَصحابه وأَتباعه.
الباب المئة: في ذكر أعيان أصحابه وأَتباعه من زمانه إلى زماننا.
ঊননব্বইতম অধ্যায়: তাঁর ইন্তেকালে শোক প্রকাশের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
নব্বইতম অধ্যায়: তাঁর জীবদ্দশায় প্রশংসামূলক এবং মৃত্যুর পর শোকগাথা হিসেবে রচিত নির্বাচিত কবিতাবলির বর্ণনা প্রসঙ্গে।
একানব্বইতম অধ্যায়: আহমদ যে সকল স্বপ্ন দেখেছিলেন তার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
বিরানব্বইতম অধ্যায়: যে সকল স্বপ্নে আহমদকে দেখা গিয়েছে তার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
তিরানব্বইতম অধ্যায়: তাঁর অনুকূলে বা তাঁর সম্পর্কে দেখা স্বপ্নসমূহের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
চুরানব্বইতম অধ্যায়: তাঁর কবর যিয়ারতের ফযীলত প্রসঙ্গে।
পঁচানব্বইতম অধ্যায়: তাঁর সান্নিধ্যে বা তাঁর কবরের পাশে অবস্থানের ফযীলত প্রসঙ্গে।
ছিয়ানব্বইতম অধ্যায়: তাঁকে কষ্টদানকারীর শাস্তির বর্ণনা প্রসঙ্গে।
সাতানব্বইতম অধ্যায়: যে ব্যক্তি তাঁর অবমাননা করে, তার সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার বর্ণনা প্রসঙ্গে।
আটানব্বইতম অধ্যায়: অন্যের মাযহাবের পরিবর্তে আমরা কেন তাঁর মাযহাবকে বেছে নিয়েছি, তার কারণ প্রসঙ্গে।
নিরানব্বইতম অধ্যায়: তাঁর সঙ্গী ও অনুসারীদের ফযীলত প্রসঙ্গে।
একশততম অধ্যায়: তাঁর সময়কাল থেকে আমাদের সময় পর্যন্ত তাঁর বিশিষ্ট সঙ্গী ও অনুসারীদের বর্ণনা প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الباب الأولفي ذكر مولده وأصلهأخبرنا عبد الملك بن أبي القاسم الكَرُوخِي، قال: أخبرنا عبدُ الله بن محمد الأنصاري، قال: أخبرنا أبو يعقوب الحافظ، قال: أخبرنا أَبو بكر بن أبي الفضل المُعدَّل، قال: حدثنا محمد بن إبراهيم الصرَّام (ح) وأخبرنا عبدُ الملك، قال: أخبرنا عبد الله بن محمد، قال: أخبرنا أحمد بن محمد بن إسماعيل الهَرَوي قال: حدثنا محمد بن محمد بن يعقوب العَدْل. البُوشَنْجيُّ قال: حَدثنا محمد بن الطَّيِّب بن العباس، قالا: أخبرنا إبراهيم بن إسحاق الغَسِيلي قال: سمعت صالح بن أحمد يقول: وُلِد- يعني أَباه- في سنة أَربعٍ
প্রথম অধ্যায়তাঁর জন্ম এবং বংশপরিচয় বর্ণনায়আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক ইবনে আবুল কাসিম আল-কারুখি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াকুব আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবুল ফজল আল-মুয়াদ্দাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আস-সাররাম (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-হারাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আদল আল-বুশাঞ্জি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আত-তাইয়িব ইবনুল আব্বাস, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আল-গাসিলি, তিনি বলেন: আমি সালেহ ইবনে আহমদকে বলতে শুনেছি: তিনি—অর্থাৎ তাঁর পিতা—জন্মগ্রহণ করেছেন চার সালে...
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
وستين ومئة في ربيع الأول وجيءَ به من مَرو حملاً.
أخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا المبارك بن عبد الجبار، قال: أخبرنا أبو الحسن محمد بن عبد الواحد الحريري، قال: أخبرنا أبو عمر بن حَيُّويَه، قال: أخبرنا أبو مُزاحم الخاقاني، قال: حدثني عبد الله بن أحمد، قال: سمعتُ أبي يقول: ولدتُ في شهر ربيع الأَول سنة أَربع وستين ومئة.
أخبرنا إسماعيل بن أحمد السَّمَرْقَنْدي، قال: أخبرنا عمر بن عبيد الله البَقّال، قال: أخبرنا أبو الحسين بن بِشْران، قال: أخبرنا عثمان بن أحمد الدقّاق، قال: حدثنا حنبلُ بن إسحاق، قال: سمعتُ أَبا عبد الله أحمد بن حنبل يقول: ولدتُ سنة أَربع وستين ومئة.
أخبرنا عبد الرحمن بن محمد القزَّاز، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال: أخبرنا حمزة بن محمد بن طاهر الدقاق، قال: حدثنا الوليد بن بكر الأندلسي، قال: حدثنا علي بن أحمد الهاشمي، قال: حدثنا أبو مسلم صالح ابن أحمد بن عبد الله بن صالح العِجْلي، قال: حدثني أبي، قال: وأحمد بن محمد بن حنبل يُكنى أبا عبد الله، سَدوسي من أنفسهم، بَصري من أهل خُراسان، ولد ببغداد ونشأ بها، ثقة ثَبْت في الحديث، فقيه في الحديث، مُتبع للآثار، صاحبُ سنة وخير، نَزِهُ النفس.
أنبانا محمد بن أبي مَنصور، قال: أخبرنا المبارك بن عبد الجبار، قال:
একশত চৌষট্টি হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে এবং তাঁকে মার্ভ থেকে গর্ভস্থ অবস্থায় বহন করে আনা হয়েছিল।
মুহাম্মদ ইবন আবু মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুবারাক ইবন আব্দুল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আল-হারিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমর ইবন হাইউইয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুজাহিম আল-খাকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি একশত চৌষট্টি হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছি।
ইসমাইল ইবন আহমাদ আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবন উবাইদুল্লাহ আল-বাক্কাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন ইবন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবন আহমাদ আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্বল ইবন ইসহাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আমি একশত চৌষট্টি হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেছি।
আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-কায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন আলী ইবন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হামযাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন তাহির আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবন বাকর আল-আন্দালুসি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন আহমাদ আল-হাশেমি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসলিম সালিহ ইবন আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-ইজলি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন হাম্বলের কুনিয়া (উপনাম) হলো আবু আব্দুল্লাহ; তিনি বংশগতভাবে বানু সাদূস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, বসরার সাথে তাঁর বংশীয় সম্পর্ক থাকলেও তিনি খোরাসানবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি হাদিস শাস্ত্রে নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় (সিকাহ ও সাবত), হাদিসের ফকিহ (গভীর সমঝদার), আসারের (পূর্বসূরিদের বর্ণনা) একনিষ্ঠ অনুসারী, সুন্নাহ ও কল্যাণের অধিকারী এবং অত্যন্ত পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন স্বভাবের মানুষ ছিলেন।
মুহাম্মদ ইবন আবু মানসুর আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: মুবারাক ইবন আব্দুল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
أخبرنا عُبيد الله بن عمر بن شاهين، قال: حدثني أبي، قال: سمعتُ محمد بن العباس النحوي يقول: سمعتُ عبد الله بن أحمد بن حنبل يقول: سمعت أبي يقول: قَدِمَتْ بي أُمي حاملاً من خراسان، وولدت سنة أَربع وستين ومئة.
أَخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد، قال: أخبرنا إبراهيمُ بن عمر البَرْمَكي، وأَخبرنا عبد الله بن علي المقرئ، قال: أخبرنا عبد الملك بن أَحمد السُّيُوري، قال: أخبرنا عبد العزيز بن علي بن أحمد بن الفضل، قالا: حدثنا علي بن عبد العزيز بن مَرْدَك، قال: حدثنا عبد الرحمن بن أبي حاتم، قال: حدثنا أبو زُرْعَة قال: أحمد بن حنبل أصله بَصري، وخِطته بمرو.
قال ابن أبي حاتم: وحدثنا صالح بن أحمد، قال: سمعت أبي يقول: ولدت في سنة أَربع وستين في أَولها في ربيع الأول. قال صالح: وجيء به حملاً من مَرْوَ، وتوفي أَبو أَحمد بن حنبل وله ثلاثون سنة فوليته أُمه- أراد كان عمر أبي أحمد ثلاثين سنة ثم مات وأحمد طفل- يدل عليه ما أَخبرنا به محمد بن أَبي
উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে শাহীন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস আন-নাহবীকে বলতে শুনেছি: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমার মা আমাকে গর্ভস্থ অবস্থায় খোরাসান থেকে নিয়ে এসেছিলেন এবং আমি একশত চৌষট্টি সালে জন্মগ্রহণ করেছি।
মুহাম্মদ ইবনে আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে উমর আল-বারমাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং আবদুল্লাহ ইবনে আলি আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল মালিক ইবনে আহমাদ আস-সুয়ুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল আজিজ ইবনে আলি ইবনে আহমাদ ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আলি ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে মারদাক আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবনে হাম্বলের মূল বংশধারা বসরা থেকে, আর তার বসতি ছিল মার্ভে।
ইবনে আবি হাতিম বলেন: সালিহ ইবনে আহমাদ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি একশত চৌষট্টি সালের শুরুর দিকে রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছি। সালিহ বলেন: তাকে মার্ভ থেকে গর্ভস্থ অবস্থায় আনা হয়েছিল, এবং আহমাদ ইবনে হাম্বলের পিতা ত্রিশ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন, ফলে তার মা তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন—এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো (আহমাদের পিতা) আবু আহমাদের বয়স ছিল ত্রিশ বছর যখন তিনি মারা যান এবং আহমাদ তখন শিশু ছিলেন—মুহাম্মদ ইবনে আবি আমাদের যা সংবাদ দিয়েছেন তা এটিই নির্দেশ করে।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد، قال: أَنبأَنا إبراهيم بن عمر البَرْمَكي، قال: أَنبأَنا عبد العزيز بن جعفر، قال: حدثنا أَبو بكر الخلال، قال: حدثنا أَبو بكر المرُّوذي: أَن أَبا عبد الله قال له: قُدم بي من خُراسان وأَنا حَملٌ، وولدت هاهنا، ولم أَرَ جدي ولا أبي.
أَخبرنا عبد الرحمن بن محمد القزاز، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال: أَخبرني عبد الغفار بن محمد بن جَعفر المؤدِّب، قال: حدثنا عثمان بن أحمد بن عثمان الواعظ، قال: حدثنا أَحمد بن محمد بن عصمة الخُراساني، قال: حدثنا أحمد بن الخَضِر، قال: سمعتُ محمد بن حاتم يقول: أَحمد بن محمد بن حنبل أصله من مَرْوَ، حُمل من مَرْوَ وأُمه به حامل، وجدُّه حنبل بن هلال ولي سَرخس، وكان من أَبناءِ الدعوة.
أخبرنا هبة الله بن محمد بن الحُصين، قال: أخبرنا أَبو علي الحسن بن علي بن المُذْهِب، قال: أخبرنا أَحمد بن جعفر بن حمدان، قال: أخبرنا عبد الله ابن أَحمد بن حنبل، قال: حدثني أَبي، قال: حدثني الحسن بن يحيى من أهل مَرْوَ، قال: حدثنا أَوس بن عبد الله بن بُرَيْدة، قال: أَخبرني أَخي سهل بن عبد الله بن بُرَيْدة عن أبيه عن جده بُريدة، قال: سمعتُ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم يقول: "سَيكونُ بَعدي بُعوثٌ كَثيرةٌ، فكونوا في بَعثِ خُراسان، ثم انزِلُوا مدينة مَرْوَ، فإنه بَناها ذو القَرنين، ودَعا لها بالبركَة، ولا يَضُرُّ أَهْلَها سوءٌ".
মানসূর বলেন: আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন উমর আল-বারমাকি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ বিন জাফর আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-খাল্লাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-মাররূযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ তাকে বলেছেন: "আমি গর্ভস্থ ভ্রূণ থাকা অবস্থায় আমাকে খুরাসান থেকে আনা হয়েছিল এবং আমি এখানেই জন্মগ্রহণ করেছি। আমি আমার দাদাকে বা আমার পিতাকে দেখিনি।"
আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-মুয়াদ্দিব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন আহমাদ বিন উসমান আল-ওয়ায়িয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাহ আল-খুরাসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আল-খাদির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন হাতিমকে বলতে শুনেছি: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বলের মূল নিবাস মারউ। তাকে মারউ থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল এমতাবস্থায় যে তার মা তাকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন। তার দাদা হাম্বল বিন হিলাল সারাখসের গভর্নর ছিলেন এবং তিনি ছিলেন দাওয়াতের সন্তানদের (আব্বাসীয় আন্দোলনের সমর্থকদের) অন্তর্ভুক্ত।
হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-হাসান বিন আলী বিন আল-মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারউ-এর অধিবাসী আল-হাসান বিন ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওস বিন আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার ভাই সাহল বিন আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদাহ তার পিতা থেকে এবং তিনি তার দাদা বুরাইদাহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমার পরে বহু সেনাদল প্রেরিত হবে, সুতরাং তোমরা খুরাসান অভিযানে অংশগ্রহণ করো। অতঃপর মারউ শহরে বসতি স্থাপন করো, কারণ যুল-কারনাইন এটি নির্মাণ করেছিলেন এবং এর বরকতের জন্য দুয়া করেছিলেন; এর অধিবাসীদের কোনো অনিষ্ট ক্ষতি করতে পারবে না।"
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الباب الثانيفي ذكر نَسَبهأخبرنا أبو منصور عبد الرحمن بن محمد القزَّاز، قال: أخبرنا أبو بكر أَحمد بن علي بن ثابت. وأَخبرنا إسماعيل بن أحمد السَّمَرْقَنْدي، ومحمد بن أبي القاسم البغدادي، قالا: أخبرنا حَمْد بن أحمد، قالا: أخبرنا أبو نُعَيْم الحافظ، قال: حدثنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حَمدان، قال: حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: حدثنا أبي أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال ابن أسد بن إدريس بن عَبد الله بن حَيّان بن عَبد الله بن أنس بن عوف بن قاسِط ابن مازِن بن شَيْبان بن ذُهْل بن ثَعلبة بن عُكَابَةَ بن صَعْب بن علي بن بكر بن وائل بن قاسط بن هِنْب بن أَفْصى بن دُعْمِيّ بن جَدِيلة بن أَسَد بن رَبيعة بن نزار بن مَعدٌ بن عَدنان بن أُد بن أُدَد بن الهَمَيْسع بن حمل بن النَّبْت بن قَيْذار ابن إسماعيل بن إبراهيم الخليل عليه السلام.
أَنبأَنا محمد بن أبي طاهر، عن أبي إسحاق إبراهيم بن عمر البَرْمَكي عن أبي بكر عبد العزيز بن جعفر، قال: أخبرنا أحمد بن محمد بن هارون الخلال،
দ্বিতীয় অধ্যায়তাঁর বংশপরিচয় বর্ণনায়আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আহমাদ আস-সামারকান্দি ও মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম আল-বাগদাদী, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামদ বিন আহমাদ, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমার পিতা আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরিস বিন আবদুল্লাহ বিন হাইয়ান বিন আবদুল্লাহ বিন আনাস বিন আওফ বিন কাসিত বিন মাযিন বিন শায়বান বিন যুহল বিন সা’লাবাহ বিন উকাবাহ বিন সা’ব বিন আলী বিন বকর বিন ওয়াইল বিন কাসিত বিন হিনব বিন আফসা বিন দু’মী বিন জাদিলাহ বিন আসাদ বিন রাবিআহ বিন নিযার বিন মা’আদ বিন আদনান বিন উদ বিন উদাদ বিন আল-হামায়সা’ বিন হামাল বিন আন-নাবত বিন কায়দার বিন ইসমাঈল বিন ইবরাহীম আল-খলীল আলাইহিস সালাম।
আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবু তাহির, আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন উমর আল-বারমাকী থেকে, তিনি আবু বকর আব্দুল আজিজ বিন জাফর থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হারুন আল-খাল্লাল,
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
قال: حدثنا عصمة بن عصام العُكْبَري، قال: حدثنا حنبل، قال: سمعتُ أَبا عبد الله وجاءَه رجل، فقال: يا أبا عبد الله، أَمِلَّ عَليّ نسبك. قال: قُم إلى عمي حتى يملي عليك نسبي، قال عِصمة: أَملى علينا حنبل فقال: أحمدُ ابن محمد بن حَنبل بن هِلال بن أَسد بن إدريس بن عبد الله بن حَيّان بن عبد الله ابن أَنس بن عَوف بن قاسِط بن مازن بن شَيبان بن ذُهْل بن ثَعلبة بن عُكَابةَ بن صَعْب بن عَليّ بن بَكر بن وائل بن قاسِط بن هِنْب بن أَفْصى بن دُعْمِيّ بن جَدِيلة بن أَسَد بن رَبيعة بن نزار.
قال الخلال: وحدثنا الحسن بن عبد الوهَّاب، قال: حدثنا الفضل بن زياد، قال: حدثنا أَحمد بن محمد بن حنبل، فذكره إلى آخره. وزاد: فقال: نزار بن مَعَدّ بن عَدنان بن أُد بن أُدَد بن الهَمَيْسع بن مليح بن النَّبْت بن قَيْذار بن إسماعيل بن إبراهيم عليه السلام. فقد وقعت الموافقة في هاتين الروايتين، إلا أَن في هذه الرواية "مليح" مكان "حمل".
وأَنبأَنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا المبارك بن عبد الجبار، قال: أخبرنا عُبيد الله بن عمر بن شاهين، قال: حدثني أَبي قال: هو أَحمد بن محمد ابن حَنبل بن هِلال، فذكر مثل ما ذكرنا في الروايتين إلى الهَمَيْسع.
وقد بان بهذه الروايات أن أحمد- رضي الله عنه من ولد شَيبان بن ذُهل بن ثَعلبة، لا من ولد ذُهل بن شَيبان. وذُهل بن ثعلبة؛ هو عَم ذُهل بن شيبان. وقد غَلط أَقوام، فجعلوه من ولد ذهل بن شيبان، فأَخبرنا عبد الرحمن بن محمد
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাহ ইবনে ইসাম আল-উকবারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্বল, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমদ) বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল: হে আবু আব্দুল্লাহ, আপনার বংশপরম্পরা আমাকে বলে দিন (যাতে আমি লিখে নিতে পারি)। তিনি বললেন: তুমি আমার চাচার কাছে যাও যাতে তিনি তোমাকে আমার বংশপরম্পরা বলে দেন। ইসমাহ বলেন: হাম্বল আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল ইবনে হিলাল ইবনে আসাদ ইবনে ইদরিস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাইয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনাস ইবনে আউফ ইবনে কাসিত ইবনে মাজিন ইবনে শায়বান ইবনে যুহাল ইবনে সালাবা ইবনে উকাবাহ ইবনে সাব ইবনে আলী ইবনে বকর ইবনে ওয়াইল ইবনে কাসিত ইবনে হিনব ইবনে আফসা ইবনে দু'মি ইবনে জাদিলা ইবনে আসাদ ইবনে রাবিয়া ইবনে নিজার।
আল-খাল্লাল বলেন: এবং আমাদের নিকট হাসান ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাদল ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি শেষ পর্যন্ত তা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বর্ধিতভাবে বলেন: নিজার ইবনে মা'আদ ইবনে আদনান ইবনে উদ ইবনে উদাদ ইবনে আল-হামাইসা ইবনে মালিহ ইবনে আন-নাবত ইবনে কায়দার ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)। এই দুই বর্ণনার মধ্যে সামঞ্জস্য পাওয়া যায়, তবে এই বর্ণনায় 'হামল' এর স্থলে 'মালিহ' নাম এসেছে।
মুহাম্মদ ইবনে আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে শাহীন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে: তিনি হলেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল ইবনে হিলাল, এরপর তিনি আল-হামাইসা পর্যন্ত পূর্বোক্ত দুই বর্ণনার অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
এই বর্ণনাসমূহ থেকে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে আহমদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) শায়বান ইবনে যুহাল ইবনে সালাবার বংশধর, যুহাল ইবনে শায়বানের বংশধর নন। আর যুহাল ইবনে সালাবা হলেন যুহাল ইবনে শায়বানের চাচা। কিছু লোক ভুল করে তাঁকে যুহাল ইবনে শায়বানের বংশধর বলে গণ্য করেছেন। এরপর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
القزَّاز، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال: أخبرنا محمد بن موسى الصَّيرفي، قال: حدثنا أَبو العباس الأصم، قال: سمعت العباس بن محمد الدُّوري، قال: كان أحمد رجلاً من العَرب من بني ذُهل بن شَيبان.
وأخبرنا عبد الرحمن بن محمد، قال: أخبرنا أحمد بن علي، قال: أخبرنا عبيد الله بن أبي الفَتح، قال: أخبرنا علي بن أحمد الوَرّاق، قال: أخبرنا عبد الله بن أبي داود قال: أَحمد بن حنبل من بني مازن بن ذُهل بن شيبان بن ثعلبة.
وأخبرنا عبد الله بن علي المقرئ، قال: أخبرنا عبد الملك بن أحمد السيوري، قال: أخبرنا عبد العزيز بن علي بن أحمد. وأخبرنا محمد بن أبي منصور قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد بن يوسف قال: أخبرنا أبو إسحاق البرمكي، قالا: أخبرنا علي بن عبد العزيز بن مَرْدك البَرْذَعي، قال: حدثنا عبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي، قال: حدثنا صالح بن أحمد بن حنبل، قال: وَجدتُ في بعض كتب أبي نسبه: أحمد بن محمد بن حنبل بن هِلال بن أَسد بن إدريس بن عبد الله بن حَيان بن أسير بن عَوف بن قاسِط بن مازن بن ذُهل بن شَيبان بن ثَعلبة، فذكره. وهذا فيه غلط، فإن حيان هو ابن عبد الله، وما ذكره. وأُسير ليس في الأسماء، وإنما هو أنس، فقد وقع فيه تَصحيف وغلط، وقد انقلب الاسم، فإنه شيبان بن ذُهل بن ثَعلبة. فقالوا: ذُهل بن شَيبان بن ثعلبة، ولا أحسب هذا إلا أن بعض الرواة لم يضبِط، وسمع الناس يقولون ذُهل
আল-কায্যায বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন মূসা আস-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্বাস বিন মুহাম্মাদ আদ-দূরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আহমাদ ছিলেন বানু যুহুল বিন শাইবান গোত্রের একজন আরব ব্যক্তি।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ বিন আবুল ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আহমাদ আল-ওয়াররাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আবী দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল হলেন বানু মাযিন বিন যুহুল বিন শাইবান বিন সা'লাবা গোত্রভুক্ত।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-মুকরী, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক বিন আহমাদ আস-সিয়ূরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আযীয বিন আলী বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আবী মানসুর, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক আল-বারমাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আলী বিন আব্দুল আযীয বিন মারদাক আল-বারযাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আবী হাতিম আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার কিছু কিতাবে তাঁর বংশপরম্পরা এভাবে পেয়েছি: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরীস বিন আব্দুল্লাহ বিন হাইয়ান বিন আসীর বিন আওফ বিন কাসিত বিন মাযিন বিন যুহুল বিন শাইবান বিন সা'লাবা—অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেন। আর এতে ভুল রয়েছে; কেননা হাইয়ান হলো আব্দুল্লাহর পুত্র, তিনি যা উল্লেখ করেছেন তা নয়। আর ‘আসীর’ কোনো নাম নয়, বরং তা হলো ‘আনাস’; এতে মূলত বর্ণবিভ্রাট ও ভুল ঘটেছে। এছাড়া নামটিও উল্টে গেছে, কারণ মূলত সেটি হলো শাইবান বিন যুহুল বিন সা'লাবা। অথচ তাঁরা বলেছেন: যুহুল বিন শাইবান বিন সা'লাবা। আমার ধারণা মতে এটি কেবল একারণেই হয়েছে যে, কোনো কোনো বর্ণনাকারী বিষয়টি সঠিকভাবে হেফজ করতে পারেননি এবং তিনি লোকজনকে ‘যুহুল’ বলতে শুনেছেন...
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
ابن شيبان فقاله، كما قال الشاعر:
لَوْ كُنْتُ مِنْ مَازِنٍ لَمْ تَسْتَبِحْ إِبلي بَنُوا اللَّقِيطَة من ذُهْلِ بنِ شَيْبَانا
ولا يكاد يذكر شَيبان بن ذهل. ويدل على أنه من بَعض الرواة أَن هذه الرواية عن صالح رُوِيَتْ لنا على الصحة؛ فأخبرنا إسماعيل بن أحمد السمرقندي، قال: أخبرنا حَمْد بن أحمد، قال: حدثنا أبو نُعَيْم أحمد بن عبد الله الحافظ، قال: حدثنا أبو بكر محمد بن جعفر بن يوسف، والحسن بن محمد بن علي، وعلي بن أحمد بن يزداد، قالوا: حدثنا محمد بن إسماعيل بن أحمد المديني، قال: حدثنا صالح بن أحمد بن حنبل، قال: وجدت في بعض كتب أبي رحمه الله نسبه وهو: أحمد بن محمد بن حَنبل، فذكره إلى أن قال: ابن مازن بن شيبان بن ذُهل بن ثَعلبة.
وكذلك روي لنا عن أبي الحُسين أحمد بن جَعفر بن المنادي فيما نقله عن صالح قال فيه: ابنُ شَيبان بن ذهل، فهذا يدل على أن تلك الرواية عن صالح غلط من الناقل عنه.
وقد اجتمع فيما نصرناه ضبطُ هذا الراوي عن صالح بما يوافق الناس، وضبط عبد الله بن أحمد، وهو متقن، وضبط أَبي بكر الخَلّال وهو أَعلم الناس بما يتعلق بأحمد- رضي الله عنه وضبط أَبي الحُسين بن المنادي، وأبي بكر عبد العزيز، وابن شاهين، وأبي نُعيم، وأَبي بَكر الخطيب. فدل على أنه الصحيح.
أخبرنا أَبو منصور القزاز، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال:
ইবনে শায়বান, তাই তিনি তা বলেছেন, যেমন কবি বলেছেন:
"আমি যদি মাযিন গোত্রের হতাম, তবে যুহল বিন শায়বানের বংশধর লাকিতার সন্তানরা আমার উটগুলোকে লুণ্ঠন করা বৈধ মনে করত না।"
আর শায়বান বিন যুহলের কথা খুব একটা উল্লেখ করা হয় না। এটি নির্দেশ করে যে, সালেহ থেকে প্রাপ্ত এই বর্ণনাটি যে বিশুদ্ধভাবে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে তা কিছু বর্ণনাকারীর মাধ্যমেই হয়েছে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন আহমাদ আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামদ বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন ইউসুফ, আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আলী এবং আলী বিন আহমাদ বিন ইয়াযদাদ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন আহমাদ আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালেহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) কোনো এক কিতাবে তাঁর বংশতালিকা পেয়েছি, আর তা হলো: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল; অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করে বলেন: ইবনে মাযিন বিন শায়বান বিন যুহল বিন সা'লাবা।
অনুরূপভাবে আবুল হুসাইন আহমাদ বিন জাফর বিন আল-মুনাদি সালেহ থেকে যা নকল করেছেন তাতে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে, তিনি তাতে বলেছেন: ইবনে শায়বান বিন যুহল। এটি প্রমাণ করে যে, সালেহ থেকে বর্ণিত সেই বর্ণনাটি বর্ণনাকারীর ভুলের কারণে হয়েছে।
আমরা যা সমর্থন করেছি তাতে সালেহ থেকে বর্ণিত এই বর্ণনাকারীর নির্ভুলতা অন্যান্যদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে; সাথে আব্দুল্লাহ বিন আহমাদের নির্ভুল বর্ণনা—যিনি অত্যন্ত প্রাজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য—এবং আবু বকর আল-খলাল-এর নির্ভুল বর্ণনা—যিনি ইমাম আহমাদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সংক্রান্ত বিষয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী—এবং আবুল হুসাইন বিন আল-মুনাদি, আবু বকর আব্দুল আজিজ, ইবনে শাহীন, আবু নুয়াইম এবং আবু বকর আল-খাতিব-এর নির্ভুল বর্ণনাও একত্রিত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে এটিই সঠিক।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আল-কাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
حدثني من أثق به من العلماءِ بالنسب، قال: مازِن بن ذُهْل بن ثَعلبة- هو ابن عُكَابةَ بن صَعب- وهي قبيلة أبي عبد الله، أحمد بن حنبل، وهذا هو ذُهل الذي منه دَغْفَل بن حَنْظلَة، والقَعْقَاع بن شَوْر، ومُحارب بن دِثار، وعِمران ابن حِطَّان. وهو بَطن كثيرُ العلماءِ والخُطباءِ والشعراءِ والنسّابين.
قال: وذهل الأكبر هو ابن أخي هذا، وسمي الأكبر، لأن العدد في ولده، وهو ذهل بن شيبان بن ثعلبة. ومنه المُثنّى بن حارثة، وفي ولده العدد والشرف والفخر.
قلت: كذا حكى الخطيب، والصواب ذهل الأصغر هو ابن أَخي ذهل الأكبر، وقد ذكره على الصحة فقال: ذهل بن ثعلبة هو عم ذهل بن شيبان.
أنبأَنا محمد بن عُبيد الله البغدادي، قال: أخبرنا عبد الله بن عطاء، قال: قد اجتمع أحمد بن حنبل والنبي صلى الله عليه وسلم في نِزار، لأن النبي صلى الله عليه وسلم مُضَري، من وَلد مُضَر بن نزار، وكل قُريش من مُضر. وأَحمد بن حنبل رَبعي من ولد ربيعة بن نِزار، وهو أخو مُضر بن نزار، وولد نزار أربعة: مضر بن نزار، وربيعة بن نزار، وإياد بن نزار، وأنمار بن نِزار. ومن هؤلاءِ الأربعة تَشعبت بطونُ العرب كلها.
أخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد، قال: أَنبأَنا أَبو إسحاق البَرْمَكي، قال: أَنبأَنا عبد العزيز بن جَعفر، قال: حدثنا أَبو بكر الخلال، قال: حدثنا زكريا بن يحيى الناقد، قال: سمعتُ أَبا بكر
বংশবিদ্যা বিশারদদের মধ্যে আমার নির্ভরযোগ্য একজন আলেম আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: মাযিন ইবনে যুহল ইবনে ছা'লাবাহ—তিনি হলেন উকাবাহ ইবনে সা'ব-এর পুত্র—এটি আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে হাম্বলের গোত্র। আর এই সেই যুহল যার বংশে দাগফাল ইবনে হানযালাহ, আল-কা'কা ইবনে শাওর, মুহারিব ইবনে দিসার এবং ইমরান ইবনে হিত্তান জন্মগ্রহণ করেছেন। এটি এমন এক শাখা যাতে বহু আলেম, বাগ্মী, কবি এবং বংশবিশারদ রয়েছেন।
তিনি বলেন: আর যুহল আল-আকবার হলেন এর ভাতিজা; তাকে 'আল-আকবার' (বড়) নামকরণ করা হয়েছে কারণ তার বংশধরদের সংখ্যা ছিল অধিক। তিনি হলেন যুহল ইবনে শায়বান ইবনে ছা'লাবাহ। আল-মুসান্না ইবনে হারিসা তার বংশধর। তার সন্তানদের মধ্যেই সংখ্যাধিক্য, শ্রেষ্ঠত্ব এবং গৌরব নিহিত রয়েছে।
আমি বলি: আল-খতিব এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তবে সঠিক হলো—যুহল আল-আসগার (ছোট যুহল) হলেন যুহল আল-আকবারের ভাতিজা। তিনি বিষয়টি সঠিকভাবে উল্লেখ করে বলেছেন: যুহল ইবনে ছা'লাবাহ হলেন যুহল ইবনে শায়বানের চাচা।
মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আতা আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে হাম্বল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিযার-এর বংশতালিকায় একত্রিত হয়েছেন। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলেন মুদরি, যিনি নিযারের পুত্র মুদারের বংশধর; আর সকল কুরাইশই মুদার বংশোদ্ভূত। অন্যদিকে আহমদ ইবনে হাম্বল হলেন রাবঈ, যিনি নিযারের পুত্র রাবিয়ার বংশধর। রাবিয়া হলেন মুদার ইবনে নিযারের ভাই। নিযারের পুত্র চারজন: মুদার ইবনে নিযার, রাবিয়া ইবনে নিযার, ইয়াদ ইবনে নিযার এবং আনমার ইবনে নিযার। এই চারজন থেকেই আরবের সকল শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত হয়েছে।
মুহাম্মাদ ইবনে আবি মানসুর আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক আল-বারমাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-খলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাক্বিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকরকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الأعين، قال: سمعتُ الأَصمعي يقول: أبو عبد الله أحمد بن حنبل من ذُهل، وكان أبوه قائداً.
قال الخلال: وحدثنا علي بن عبد الله بالبصرة، قال: حدثني إبراهيم بن فهر، قال: حدثنا عبد الله بن الرومي، قال: كنت كثيراً ما أرى أبا عبد الله أحمد بن حنبل وهو بالبصرة يأتي مسجد بني مازن فيصلي فيه، فقلت له: يا أبا عبد الله، إني أراك كثيراً ما تصلي في هذا المسجد! فقال: إنه مسجد آبائي.
أنبأَنا علي بن عبيد الله، عن أبي القاسم بن البُسري، عن أبي عبد الله بن بَطَّة قال: كانت أم أَبي عبد الله أَحمد شَيبانية، واسمها صفية بنت مَيمونة بنت عبد الملك الشيباني من بني عامر، كان أَبوه نزل بهم وتزوج بها، وكان جدها عبد الملك بن سوادة بن هند الشيباني من وجوه بني شيبان، وكان ينزل عليه قبائل العرب فيضيفهم.
আল-আ’ইয়ুন বলেন: আমি আসমায়ী-কে বলতে শুনেছি: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বল ছিলেন যুহল গোত্রের, এবং তাঁর পিতা একজন সেনাপতি ছিলেন।
আল-খাল্লাল বলেন: আমাদের কাছে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ বসরায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে ফিহর আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে রুমি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি প্রায়ই আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বলকে দেখতাম যখন তিনি বসরায় ছিলেন, তিনি বনু মাজিন মসজিদে আসতেন এবং সেখানে সালাত আদায় করতেন। আমি তাঁকে বললাম: হে আবু আব্দুল্লাহ, আমি আপনাকে প্রায়ই এই মসজিদে সালাত আদায় করতে দেখি! তিনি বললেন: এটি আমার পূর্বপুরুষদের মসজিদ।
আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি আবুল কাসিম ইবনুল বুসরি থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে বাত্তাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদের মা ছিলেন শায়বানি গোত্রের, এবং তাঁর নাম ছিল সাফিয়া বিনতে মায়মুনা বিনতে আব্দুল মালিক আশ-শায়বানি যিনি বনু আমির গোত্রের ছিলেন। তাঁর পিতা তাঁদের নিকট অবস্থান করেছিলেন এবং তাঁকে বিবাহ করেছিলেন। তাঁর (মায়ের) দাদা আব্দুল মালিক ইবনে সাওয়াদাহ ইবনে হিন্দ আশ-শায়বানি ছিলেন বনু শায়বান গোত্রের অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তি, এবং আরবের বিভিন্ন গোত্র তাঁর নিকট আসত আর তিনি তাদের আতিথেয়তা করতেন।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
الباب الثالِثفي ذكر مَنْشئه في صباهقد ذكرنا أن الإِمام أَحمد- رضي الله عنه ولد ببغداد، وبها نشأَ، وطلب العلم والحديث بها من شيوخها، ثم رَحل بعد ذلك في طلب العلم إلى البلاد.
قرأتُ على محمد بن أَبي مَنصور، عن أبي القاسم بن البُسْري، عن أَبي عبد الله بن بَطَّة، قال: أخبرنا أَبو بكر الآجُري، قال: أخبرنا أبو نصر بن كُردي، قال: دِجلة العَوْراء خلف مَنزل أحمد بن حنبل.
أخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد بن يوسف، قال: أَنبأَنا إبراهيم بن عُمر البَرْمَكي، قال: أَنبأَنا عبد العزيز بن جعفر، قال: أخبرنا أبو بكر الخلّال، قال: أخبرني محمد بن الحسين قال: حدثنا أَبو بكر المروذي، قال: قال لي أَبو عفيف- وذكر أَبا عبد الله أحمد بن حنبل- فقال: كان في الكتّاب معنا وهو غَلَيّم نَعرف فضله، وكان الخليفة بالرقة، فيكتب الناس إلى منازلهم الكتب، فيبعث نساؤهم إلى المعلم: ابعث إلينا بأحمد بن حنبل، ليكتب لهم جواب كتبهم، فيبعثه فكان يجيء إليهن
তৃতীয় পরিচ্ছেদতাঁর শৈশবের বেড়ে ওঠার বর্ণনা প্রসঙ্গেআমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, ইমাম আহমাদ—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি সেখানকার শাইখদের নিকট থেকে ইলম ও হাদীস অন্বেষণ করেন, অতঃপর জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জনপদে সফর করেন।
আমি মুহাম্মদ ইবনে আবি মানসুরের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুল কাসিম ইবনে বুসরি থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে বাত্তাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-আজুরি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর ইবনে কুরদি; তিনি বলেন: দিজলা আল-আওরা জলাশয়টি আহমাদ ইবনে হাম্বলের বাসভবনের পেছনে অবস্থিত ছিল।
মুহাম্মদ ইবনে আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে উমর আল-বারমাকি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আযীয ইবনে জাফর আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-খাল্লাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-মারওয়াযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আফীফ আমাকে বলেছেন—এবং তিনি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বলের কথা উল্লেখ করে বললেন: তিনি আমাদের সাথে মক্তবে ছিলেন এবং তখন তিনি কিশোর বালক ছিলেন, আমরা তাঁর মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব বুঝতে পারতাম। তখন খলিফা রাক্কায় অবস্থান করছিলেন, তাই লোকেরা তাদের বাড়িঘরে চিঠি লিখে পাঠাতেন। তখন তাদের পরিবারের মহিলারা শিক্ষকের কাছে লোক পাঠিয়ে বলতেন: "আহমাদ ইবনে হাম্বলকে আমাদের কাছে পাঠান," যাতে তিনি তাদের চিঠির উত্তর লিখে দিতে পারেন। ফলে শিক্ষক তাঁকে পাঠাতেন এবং তিনি তাঁদের কাছে যেতেন।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
مطأطئ الرأس، فيكتب جواب كتبهم، فربما أَملين عليه الشيءَ من المنكر، فلا يكتبه لهن.
قال المرُّوذي: قال لي أبو سِراج بن خُزيمة: كنا مع أبي عبد الله في الكتّاب، فكان النساء يبعثن إلى المعلم: ابعث إلينا بابن حنبل ليكتب جوابَ كتبهم، فكان إذا دخل إليهن لا يرفع رأسه ينظر إليهن. قال أبو سراج: فقال أبي- وذكره- فجعل يعجب من أدبه، وحسن طريقته. فقال لنا ذات يوم: أنا أُنفق على ولدي وأجيئُهم بالمؤدبين على أن يتأَدبوا فما أراهم يُفلِحون، وهذا أَحمد بن حنبل غلام يتيم، انظر كيف يخرج!! وجعل يعجب.
قال أبو بكر المرُّوذي: وقال لي أبو عبد الله: كنتُ وأنا غُليم أختلف إلى الكتّاب، ثم اختلفت إلى الديوان وأَنا ابن أَربع عشرة سنة.
قال الخلال: وحدثنا محمد بن علي، قال: حدثني أبو المُنَبِّه جارنا: قال: أول شيءٍ عُرف من أحمد بن حنبل، أن عمه كتب جواب كتاب بعث به السلطان، فدفعه إلى أحمد بن حنبل يدفعه إلى الرسول، فلم يدفعه أَحمد
মাথা নত করে থাকতেন এবং তাদের চিঠির উত্তর লিখে দিতেন। অনেক সময় তারা তাঁকে কোনো আপত্তিকর বিষয় লিখে দেওয়ার জন্য বলত, কিন্তু তিনি তাদের জন্য তা লিখতেন না।
মাররুজী বলেন: আবু সিরাজ ইবনে খুযাইমাহ আমাকে বলেছেন: আমরা মক্তবে আবু আব্দুল্লাহর সাথে ছিলাম। মহিলারা শিক্ষকের কাছে বার্তা পাঠাত: ইবনে হাম্বলকে আমাদের নিকট পাঠান যাতে তিনি তাদের চিঠির উত্তর লিখে দিতে পারেন। তিনি যখন তাদের নিকট প্রবেশ করতেন, তখন তাদের দিকে তাকানোর জন্য মাথা তুলতেন না। আবু সিরাজ বলেন: আমার পিতা তাঁর কথা উল্লেখ করে তাঁর শিষ্টাচার ও সুন্দর আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করতে লাগলেন।
তিনি একদিন আমাদের বললেন: "আমি আমার সন্তানদের জন্য ব্যয় করি এবং তাদের শিষ্টাচার শিখানোর জন্য গৃহশিক্ষক নিয়ে আসি যাতে তারা আদব-কায়দা শেখে, কিন্তু আমি তাদের সফল হতে দেখছি না। আর এই আহমাদ বিন হাম্বল একজন এতিম বালক, দেখো সে কীভাবে গড়ে উঠছে!!" এবং তিনি বিস্ময় প্রকাশ করতে লাগলেন।
আবু বকর মাররুজী বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আমাকে বলেছেন: আমি যখন ছোট বালক ছিলাম তখন মক্তবে যাতায়াত করতাম, এরপর চৌদ্দ বছর বয়সে আমি দিওয়ানে (সরকারি দপ্তরে) যাতায়াত শুরু করি।
খাল্লাল বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের প্রতিবেশী আবু মুনাব্বিহ আমাকে বলেছেন: আহমাদ বিন হাম্বল সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি জানা যায় তা হলো, তাঁর চাচা সুলতানের পাঠানো একটি চিঠির উত্তর লিখেছিলেন এবং সেটি আহমাদ বিন হাম্বলের হাতে দিয়েছিলেন দূতের নিকট পৌঁছে দেওয়ার জন্য, কিন্তু আহমাদ তা পৌঁছে দেননি।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
إليه، ووضعه في طاقٍ في منزلهم، وطلب الرسول الجواب. فقال عمه: قد وجهت به إليك. ثم قال لأَحمد: أَين الكتاب الذي أَمرتك أن تدفعه إلى الرسول على الباب؟ فقال له: كان عليه قَباء، وهو ذا الكتاب في الطاق.
قال الخلال: وحدثنا أَبو بكر المَرُّوذي، قال: أُخبرت عن العباس بن عبيد الله قال: قال لي داود بن بسطام: أَبطأتْ عليَّ أخبار بغداد، فوجهت إلى عم أبي عبد الله بن حنبل: لم تصل إلينا الأخبار اليوم! وكنت أُريد أَن أحرِّرها وأوصِلها إلى الخليفة. فقال لي: قد بعثت بها مع أحمد ابن أخي. قال: فبعث عمه، فأحضر أبا عبد الله وهو غلام. فقال: أَليسَ بعثتُ معك الأَخبار؟ قال: نعم، قال: فلأَي شيءٍ لم توصلها؟ قال: أنا كنتُ أَرفع تلك الأخبار! رميتُ بها في الماءِ. قال: فجعل ابن بسطام يسترجع ويقول: هذا غلام يتورَّع، فكيف نحن.
قال المرُّوذي: وحدثني حَرَمِي بن يونس المؤدّب، قال: سمعتُ أَبي يقول: رأيت أَحمد بن حنبل في أيام هُشَيم وله قدر. قال المَرُّوذي: وسمعت أَبا عَبد الله يقول: ماتَ هُشَيم ولي عشرون سنة.
أَخبرنا محمد بن ناصر، قال: أخبرنا محمد بن عبد الملك بن عبد القاهر، قال: أَنبأَنا عُبيد الله بن أحمد بن عثمان، قال: حدثنا محمد بن إسماعيل الورّاق؛ أن يحيى بن صاعد حدثهم، قال: حدثنا أبو بكر الأَثرم، قال:
তার কাছে দেওয়া হলো, এবং তিনি তা তাদের বাড়ির একটি তাকে রেখে দিলেন, এবং বার্তাবাহক উত্তরের প্রতীক্ষায় ছিল। তার চাচা বললেন: আমি তো তা তোমার নিকট পাঠিয়েছি। এরপর তিনি আহমদকে বললেন: সেই চিঠিটি কোথায় যা আমি তোমাকে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা বার্তাবাহকের নিকট পৌঁছে দিতে বলেছিলাম? তিনি তাকে বললেন: তার গায়ে একটি কাবা (এক ধরণের পোশাক) ছিল, আর ঐ যে চিঠিটি তাকে রাখা আছে।
আল-খাল্লাল বলেন: আবু বকর আল-মাররুযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাস ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে আমাকে জানানো হয়েছে, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে বিস্তাম আমাকে বলেছেন: বাগদাদের সংবাদসমূহ আমার নিকট পৌঁছাতে বিলম্ব হয়ে গিয়েছিল, তাই আমি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে হাম্বলের চাচার নিকট সংবাদ পাঠালাম যে: আজ আমাদের নিকট সংবাদসমূহ পৌঁছেনি! অথচ আমি সেগুলো বিন্যস্ত করে খলিফার নিকট পৌঁছাতে চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে বললেন: আমি তো সেগুলো আমার ভাতিজা আহমদের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন: তখন তার চাচা লোক পাঠিয়ে আবু আব্দুল্লাহকে উপস্থিত করলেন, তখন তিনি কিশোর ছিলেন। তিনি বললেন: আমি কি তোমার সাথে সংবাদগুলো পাঠিয়ে দিইনি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তবে কেন তুমি সেগুলো পৌঁছে দাওনি? তিনি বললেন: আমি সেই সংবাদগুলোকে সরিয়ে দিয়েছি! আমি সেগুলো পানিতে ফেলে দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন: তখন ইবনে বিস্তাম 'ইন্না লিল্লাহ' পড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন: এই কিশোরই যদি এমন পরহেযগারিতা অবলম্বন করে, তবে আমাদের কী অবস্থা!
আল-মাররুযী বলেন: হারামী ইবনে ইউনুস আল-মুয়াদ্দিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি হুশাইমের যুগে আহমদ ইবনে হাম্বলকে দেখেছি এবং তখনও তার এক বিশেষ মর্যাদা ছিল। আল-মাররুযী বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: যখন হুশাইম মৃত্যুবরণ করেন তখন আমার বয়স ছিল বিশ বছর।
মুহাম্মাদ ইবনে নাসির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল কাহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-আছরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
أخبرني بعض من كان يَطلب الحديث مع أبي عبد الله أحمد بن حنبل، قال: ما زال أَبو عبد الله بائناً من أصحابه، قال: ولقد فَقدته يوماً عند إسماعيل ابن عُلَيّة، فدخل وهو ابنُ أَقل من ثلاثين سنة، فما بقي في البيت أحدإلا وسَّع له، وقال: ها هنا ها هنا.
আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বলের সান্নিধ্যে হাদীস অন্বেষণকারীদের একজন আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ সর্বদা তাঁর সঙ্গীদের মাঝে স্বতন্ত্র ও অনন্য ছিলেন। তিনি বলেন: একদিন ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহর নিকট আমি তাঁকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না, অতঃপর তিনি প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর বয়স তখন ত্রিশ বছরেরও কম; তখন মজলিসে উপস্থিত এমন কেউ ছিলেন না যে তাঁর বসার জন্য স্থান প্রশস্ত করে দেয়নি এবং সকলে বলছিলেন: এখানে (আসুন), এখানে (আসুন)।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الباب الرابعفي ذكر ابتدائه في طلب العلم ورحلته فيهابتدأ أحمد- رضي الله عنه في طلب العلم من شيوخ بغداد، ثم رحل إلى الكوفة والبصرة ومكة والمدينة واليمن والشام والجزيرة، وكتب عن علماءِ كل بلد.
أخبرنا أبو منصور عبد الرحمن بن محمد القزَّاز، قال: أخبرنا أبو بكر أحمد ابن علي بن ثابت: أخبرنا الأزهري، قال: حدثنا عبد الرحمن بن عمر، قال: حدثنا محمد بن أحمد بن يعقوب، قال: حدثنا جدي، قال: سمعتُ أَحمد بن حنبل يقول: أول من كتبتُ عنه الحديث أبو يوسف.
وأخبرنا إسماعيل بن أحمد، قال: أخبرنا حَمْد بن أحمد، قال: أخبرنا أحمد ابن عبد الله الحافظ، قال: حدثنا سليمان بن أحمد، قال: حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: قال أبي: طلبتُ الحديثَ وأنا ابن ستّ عشرةَ سنة، ومات هُشيم وأنا ابنُ عشرين سنة، وأول سماعي من هُشيم سنة تسع وسَبعين ومئة.
أخبرنا إسماعيل بن أحمد السَّمَرْقَنْدي، قال: أخبرنا عمر بن عبيد الله البقَّال، قال: أخبرنا أبو الحسين بن بِشْران، قال: أخبرنا عثمان بن أحمد الدَّقاق، قال: حدثنا حنبل بن إسحاق، قال: قال أبو عبد الله- يعني أحمد
চতুর্থ অধ্যায়তাঁর ইলম অন্বেষণের সূচনা এবং এই উদ্দেশ্যে তাঁর সফরের বিবরণ প্রসঙ্গেআহমদ—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—বাগদাদের শায়খদের নিকট ইলম অর্জন শুরু করেন, অতঃপর তিনি কুফা, বসরা, মক্কা, মদিনা, ইয়ামেন, শাম এবং জাজিরা সফর করেন এবং প্রতিটি অঞ্চলের আলেমদের থেকে (হাদিস) লিপিবদ্ধ করেন।
আবু মনসুর আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-আযহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আমি যাঁর নিকট থেকে সর্বপ্রথম হাদিস লিখেছি তিনি হলেন আবু ইউসুফ।
এবং ইসমাইল ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হামদ ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি ষোলো বছর বয়সে হাদিস অন্বেষণ শুরু করি, এবং হুশাইম যখন ইন্তেকাল করেন তখন আমার বয়স ছিল বিশ বছর। আর হুশাইমের নিকট থেকে আমার প্রথম শ্রবণের সূচনা হয়েছিল একশত ঊনআশি হিজরি সনে।
ইসমাইল ইবনে আহমদ আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-বাক্কাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন ইবনে বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে আহমদ আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্বল ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ আহমদ—বলেছেন—
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
ابن حنبل-: طلبتُ الحديث في سنة تسع وسبعين وأنا ابن ستَّ عشرة سنة، وهي أَول سنة طلبتُ الحديث، فجاءَنا رجل فقال: مات حماد بن زيد. ومات مالك بن أَنس في تلك السنة. وكنا عند عبد الرزاق باليمن، فجاءَنا موت سفيان بن عُيَيْنَة، وعبد الرحمن بن مَهدي، ويحيى بن سعيد سنة ثمان وتسعين ومئة. قال: وسمعت أبا عبد الله يقول: سمعت من سليمان بن حرب بالبصرة سنة أَربع وتسعين، ومن أَبي النُّعمان عارِم في تلك السنة، ومن أَبي عُمر الحَوْضي أَيضاً.
أَخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: قرأت في كتاب أبي الحسن بن الفرات بخطه، أخبرنا أبو مُسلم عبد الرحمن بن مِهْران، قال: أخبرنا محمد بن قارن، حدثنا علي بن الحسن الهِسِنْجانِي قال: قال أحمد بن حنبل: طلبتُ الحديث سَنة تسعٍ وسَبعين.
أخبرنا إسماعيل بن أحمد، قال: أخبرنا حَمْد بن أحمد، قال: أخبرنا أحمد ابن عبد الله، قال: حدثنا إبراهيم بن عبد الله بن إسحاق، قال: حدثنا محمد ابن إسحاق الثَّقفي، قال: سمعت زياد بن أيوب يقول: سمعت أحمد بن حنبل يقول: طلبتُ الحديث سنة تسع وسَبعين، وأتيتُ مجلس ابن المبارك وقَد قام، وقدم علينا سنة تسع وسبعين.
ইবনে হাম্বল বলেন: আমি একশত উনআশি হিজরিতে হাদিস অন্বেষণ শুরু করি যখন আমার বয়স ছিল ষোলো বছর। এটিই ছিল আমার হাদিস অন্বেষণের প্রথম বছর। তখন এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে সংবাদ দিলেন যে, হাম্মাদ বিন যায়েদ ইন্তেকাল করেছেন। সেই একই বছর মালেক বিন আনাসও ইন্তেকাল করেন। আমরা যখন ইয়ামেনে আব্দুর রাজ্জাকের নিকট ছিলাম, তখন আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আব্দুর রহমান বিন মাহদী এবং ইয়াহইয়া বিন সাঈদের মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছাল একশত আটানব্বই হিজরিতে। তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, আমি একশত চুরানব্বই হিজরিতে বসরায় সুলাইমান বিন হারব থেকে হাদিস শুনেছি এবং সেই একই বছর আবু নুমান আরিম ও আবু উমর আল-হাওদী থেকেও হাদিস শ্রবণ করেছি।
মুহাম্মদ বিন আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হাসান বিন আল-ফুরাতের কিতাবে তার স্বহস্তে লিখিত অবস্থায় পড়েছি যে, আবু মুসলিম আব্দুর রহমান বিন মিহরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন কারিন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হাসান আল-হিসিনজানি, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: আমি একশত উনআশি হিজরিতে হাদিস অন্বেষণ শুরু করেছি।
ইসমাইল বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হামদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাকাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি যিয়াদ বিন আইয়ুবকে বলতে শুনেছি, তিনি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছেন: আমি একশত উনআশি হিজরিতে হাদিস অন্বেষণ শুরু করি এবং আমি ইবনুল মুবারকের মজলিসে উপস্থিত হলাম যখন তিনি মজলিস শেষ করে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন, আর তিনি একশত উনআশি হিজরিতেই আমাদের নিকট এসেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
أخبرنا عبد الرحمن بن محمد القزَّاز، قال: أخبرنا أَحمد بن علي بن ثابت، قال: اخبرنا محمد بن أحمد بن رزق، قال: أخبرنا إسماعيل بن علي الخُطَبِي، وأَبو علي بن الصواف، وأحمد بن جعفر بن حَمدان، قالوا: حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: قال أبي: سمعتُ من علي بن هاشم ابن البَرِيد سنة تسع وسبعين في أول سنة طلبت الحديث، ثم عدت إليه في المجلس الآخر وقد مات، وهي السنة التي مات فيها مالك بن أَنس.
أَخبرنا ابن الحُصَين، قال: أخبرنا ابن المُذْهِب، قال: أخبرنا أحمد بن جعفر قال: حدثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، قال: حدثنا أَبي، قال: مات خالد بن عبد الله- يعني الطحان- وأبو الأحوص، ومالك بن أَنس، وحماد ابن زيد، في سنة تسع وسَبعين، إلا أَن مالكاً مات قبل حماد بقليل، وفي تلك السنة طلبتُ الحديث. كنا على باب هُشيم وهو يُملي علينا إما قال: الجنائز، أَو: المناسك. فجاءَ رجل بصري، فقال: مات حماد بن زيد.
أَخبرنا محمد بن أبي منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد بن يوسف، قال: أخبرنا إبراهيم بن عمر البَرْمَكي. وأخبرنا عبد الله بن علي المقرئ، قال: أخبرنا عبد الملك بن أحمد السيوري، قال: حدثنا عبد العزيز
আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন রিযক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন আলী আল-খুতাবী, আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ এবং আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি একশ উনআশি হিজরি সনে আলী বিন হাশিম ইবনুল বারীদ-এর নিকট থেকে হাদিস শুনেছি, এটিই ছিল আমার হাদিস অন্বেষণের প্রথম বছর। এরপর আমি অন্য এক মজলিসে তাঁর কাছে ফিরে আসি, ততক্ষণে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। আর এটি সেই বছর, যে বছর মালিক বিন আনাস ইন্তেকাল করেছিলেন।
ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ বিন আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ আত-তাহহান—এবং আবু আহওয়াস, মালিক বিন আনাস ও হাম্মাদ বিন যায়েদ একশ উনআশি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তবে মালিক হাম্মাদের সামান্য কিছুকাল আগে ইন্তেকাল করেন। আর সেই বছরেই আমি হাদিস অন্বেষণ শুরু করি। আমরা হুশাইমের দরজায় ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি আমাদের কাছে পাঠ লিখিয়ে দিচ্ছিলেন; বর্ণনাকারী বলেন, তিনি হয়তো 'জানাজা' অথবা 'মানাসিক' (হজ) অধ্যায় পড়াচ্ছিলেন। তখন বসরার এক ব্যক্তি এসে বললেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ ইন্তেকাল করেছেন।
মুহাম্মাদ বিন আবি মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন উমর আল-বারমাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক বিন আহমাদ আস-সাইয়ূরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
ابن علي بن أَحمد قالا: أخبرنا علي بن عبد العزيز بن مَرْدَك، قال: حدثنا عبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي، قال: حدثنا صالح بن أَحمد بن حنبل، قال: سمعت أَبي يقول: طلبتُ العلم وأَنا ابن ستَّ عشرة سنة، وأَول سَماعي من هُشَيْم سنة تسع وسبعين، وكان ابنُ المبارك قدم في هذه السنة، وهي آخر قَدْمةٍ قدمها. وذهبت إلى مجلسه، فقال: قد خرج إلى طَرَسوس وتوفي سنة إحدى وثمانين، وكتبت عن هُشيم سنة تسع وسبعين، ولزمناه سنة ثمانين وإحدى وثمانين وثنتين وثلاث، ومات في سنة ثلاث وثمانين، كتبنا عنه كتاب "الحج" نحواً من ألف حديث، وبعض التفسير، وكتاب "القضاء" وكتباً صغاراً. قلت: تكون ثلاثة آلاف؟ قال: أكثر، وجاءَنا موتُ حماد بن زيد ونحن على باب هشيم، وهشيم يملي علينا "الجنائز" فقالوا: ماتَ حماد بن زيد. وسمعت من عبد المؤمن بن عبد الله بن خالد أبي الحسن العبسي سنة ثنتين وثمانين قَبل موت هُشيم، وحدثنا علي بن مجاهد الكابُلي في سنة ثنتين وثمانين- من أهل الري أَبو مجاهد- وهي أول سنة سافرت فيها، وقدم عيسى بن يونس الكوفة بعدي بأيام، وأول خَرجةٍ خرجت إلى البصرة سنة ست وثمانين، وخرجت إلى سُفيان بن عُيَيْنَة في سنة سبع وثمانين. قدمنا وقد مات فُضَيل بن عياض، وهي أَول سنة حججتُ، وكتبت عن إبراهيم بن سَعد وصليت خلفه غيرَ مرة، وكان يُسلم واحدةً. ولو كانَ عندي خمسون درهماً كنت قد خرجت إلى الرَّي إلى جَرير بن عبد الحميد، فخرج بعضُ أصحابنا ولم يمكني الخروج. قال: وخرجت إلى الكوفة فكنت في بيت وتحت رأسي لبنة، فحُمِمت، فرجعت إلى أُمي رحمها الله.
ইবনে আলী ইবনে আহমদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মারদাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালেহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি যখন ইলম অন্বেষণ শুরু করি তখন আমার বয়স ছিল ষোলো বছর। হুশাইম থেকে আমার প্রথম শ্রবণ ছিল উনআশি সালে। এই বছরই ইবনুল মুবারক এসেছিলেন, আর এটিই ছিল তাঁর শেষ আগমন। আমি তাঁর মজলিসে গিয়েছিলাম, তখন বলা হলো: তিনি তারসুসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছেন এবং একাশী সালে ইন্তেকাল করেন। আমি উনআশি সালে হুশাইমের নিকট থেকে লিখেছি এবং আশি, একাশী, বিরাশি ও তিরাশি সাল পর্যন্ত তাঁর সান্নিধ্যে ছিলাম। তিনি তিরাশি সালে মৃত্যুবরণ করেন। আমরা তাঁর থেকে প্রায় এক হাজার হাদিস সম্বলিত 'কিতাবুল হজ', তাফসিরের কিছু অংশ, 'কিতাবুল কাজা' এবং ছোট ছোট আরও কিছু কিতাব লিখেছি। আমি বললাম: (সব মিলিয়ে কি) তিন হাজার হবে? তিনি বললেন: তার চেয়েও বেশি। আমরা যখন হুশাইমের দরজায় ছিলাম, তখন আমাদের কাছে হাম্মাদ ইবনে যাইদের মৃত্যুর সংবাদ এল; তখন হুশাইম আমাদের নিকট 'জানাজা' অধ্যায় শ্রুতিলিপি করাচ্ছিলেন। লোকেরা বলল: হাম্মাদ ইবনে যাইদ মারা গেছেন। আমি বিরাশি সালে হুশাইমের মৃত্যুর পূর্বে আব্দুল মুমিন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ আবুল হাসান আল-আবসির নিকট থেকে শুনেছি। আর বিরাশি সালেই আলী ইবনে মুজাহিদ আল-কাবুলি—যিনি রাই শহরের অধিবাসী আবু মুজাহিদ—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; এটিই ছিল প্রথম বছর যে বছর আমি সফর করেছি। আমার পৌঁছানোর কয়েকদিন পর ঈসা ইবনে ইউনুস কুফায় আগমন করেন। আর আমি প্রথম বসরায় সফর করি ছিয়াশি সালে, এবং সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনার নিকট গিয়েছিলাম সাতাশি সালে। আমরা যখন পৌঁছলাম তখন ফুদাইল ইবনে আইয়াজ ইন্তেকাল করেছিলেন। এটিই ছিল আমার প্রথম হজের বছর। আমি ইব্রাহিম ইবনে সা’দ থেকে লিখেছি এবং তাঁর পেছনে একাধিকবার সালাত আদায় করেছি; তিনি এক দিকে সালাম ফিরাতেন। যদি আমার কাছে পঞ্চাশ দিরহাম থাকত, তবে আমি রাই শহরে জারির ইবনে আব্দুল হামিদের কাছে যেতাম। আমাদের কিছু সঙ্গী বেরিয়ে পড়ল কিন্তু আমার পক্ষে বের হওয়া সম্ভব হলো না। তিনি বলেন: আমি কুফায় গেলাম এবং একটি ঘরে থাকতাম যেখানে মাথার নিচে ইট (বালিশ হিসেবে) ব্যবহার করতাম। সেখানে আমি জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়ি, তাই আমার মায়ের কাছে ফিরে আসি; আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
মানাকিবুল ইমাম আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
وأخبرنا المبارك بن أحمد الأنصاري، قال: أخبرنا عبد الله بن أحمد السَّمَرْقَنْدِي، قال: أخبرنا أحمد بن علي بن ثابت، قال: أخبرنا أحمد بن أَبي جعفر القَطيعي، وعلي بن أَبي علي البَصري، قالا: أخبرنا علي بن عبد العزيز البَرْذَعي، قال: أخبرنا عبد الرحمن بن أبي حاتم، قال: أخبرني صالح بن أحمد بن حنبل، قال: قال أَبي: لو كان عندي خمسون درهماً كنت قد خرجت إلى الرَّي، إلى جَرير بن عبد الحميد، فخرج بعض أَصحابنا ولم يمكني الخروج، لأنه لم يكن عندي شيء.
أخبرنا محمد بن أَبي منصور، قال: أخبرنا عبد القادر بن محمد، قال: أَنبأَنا أبو إسحاق البَرْمَكي، قال: أَنبأَنا عبدُ العزيز بن جعفر، قال: أخبرنا أبو بَكر الخلّال، قال: حدثنا زُهير بن صالح بن أَحمد بن حنبل، قال: سمعتُ أَبي يَقول: قال أَبي: خرجتُ إلى الكوفة فكنت في بيت تحت رأسي لَبِنة فحممتُ، فرجعت إلى أُمي ولم أَكن استأذنتها.
أخبرنا عبد الله بن علي، قال: أخبرنا عبد الملك السُّيُوري، قال: أخبرنا عبد العزيز بن علي، قال: أخبرنا ابن مَرْدَك، قال: حدثنا ابن أَبي حاتم، قال: حدثنا عبد الصمد بن محمد العَبّاداني، قال: سمعتُ أَحمد بن حنبل يقول: دخلتُ عَبّادان سنة ست وثمانين في العشر الأواخر من رجب، وكنت رحلت إلى المُعْتَمِرِ تلك السنة، وكان بها رجل يتكلم، قلت له: هَدَّاب.
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক বিন আহমদ আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন সাবিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবি জাফর আল-কাতিয়ি ও আলী বিন আবি আলী আল-বাসরি, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আবদুল আজিজ আল-বারযায়ি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন আবি হাতিম, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সালিহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: যদি আমার কাছে পঞ্চাশ দিরহাম থাকত, তবে আমি জারীর বিন আবদুল হামিদের নিকট যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাই শহরের পথে বেরিয়ে পড়তাম। আমাদের কিছু সঙ্গী বের হয়েছিলেন কিন্তু আমার পক্ষে বের হওয়া সম্ভব হয়নি, কারণ আমার কাছে কিছুই ছিল না।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবি মানসুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক আল-বারমাকি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ বিন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-খাল্লাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর বিন সালিহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার পিতা (ইমাম আহমদ) বলেছেন: আমি কুফার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম এবং সেখানে একটি ঘরে অবস্থান করছিলাম যেখানে আমার মাথার নিচে একটি ইট ছিল; এরপর আমি জ্বরে আক্রান্ত হই। তখন আমি আমার মায়ের নিকট ফিরে আসি, অথচ আমি তাঁর থেকে অনুমতি গ্রহণ করিনি।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আলী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক আস-সুয়ুরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ বিন আলী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে মারদাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি হাতিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ আল-আব্বাদানি, তিনি বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি একশ ছিয়াশি হিজরীর রজব মাসের শেষ দশ দিনে আব্বাদান শহরে প্রবেশ করি। আমি সেই বছর মুতামিরের উদ্দেশ্যে সফর করেছিলাম। সেখানে একজন লোক কথা বলছিলেন, আমি তাকে বললাম: হাদ্দাব।