(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: -)
تسهيل الفوائد وتكميل المقاصد القسم: النحو والصرف
الكتاب: تسهيل الفوائد وتكميل المقاصد
المؤلف: محمد بن عبد الله، ابن مالك الطائي الجياني، أبو عبد الله، جمال الدين (ت 672 هـ)
المحقق: محمد كامل بركات
الناشر: دار الكاتب العربي للطباعة والنشر بالقاهرة
سنة النشر: 1387 هـ - 1967 م
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 338
تاريخ النشر بالشاملة: 30 رجب 1435
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ বিভাগ: নাহু (النحو) ও সরফ (الصرف)
গ্রন্থ: তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
লেখক: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ، ইবনে মালিক আত-তাঈ আল-জাইয়্যানী، আবু আব্দুল্লাহ، জামালুদ্দীন (মৃত্যু (ت) ৬৭২ হিজরি)
সম্পাদক (المحقق): মুহাম্মদ কামিল বারাকাত
প্রকাশক (الناشر): দারুল কাতিব আল-আরাবি লিত-তিবাআহ ওয়ান-নাশর, কায়রো
প্রকাশকাল: ১৩৮৭ হিজরি - ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ
শামেলা সংস্করণের প্রস্তুতি: রাবিতাতুন নুসসাখ দল, সৌজন্যে: (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৩৮
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৩০ রজব ১৪৩৫
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
قال الشيخ الامام العالم العلامة شيخُ النحاة والادباء جمالُ الدين ابوعبدالله محمد بن عبدالله ابن مالك الطائي الاندلسي الجياني مقيمُ دمشق رحمه الله حامداً لله رب العالمين. ومصلياً على محمد خاتم النبيين وعلى آله وصحبه أجمعين:
هذا كِتابٌ في النحو جعلتُه بعونِ الله مستوفياً لأصولهِ مستولياً على ابوابهِ وفصولهِ فسميتُهُ لذلك: تسهيلُ الفوائدِ وتكميلُ المقاصدِ " فهو جديرٌ بأن تلبي دعوته الالباء وتجتنب منابذته النجباء. ويعترف العارفون برشد المغرى
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ইমাম, প্রাজ্ঞ আলিম, মহাজ্ঞানী শায়খ, ব্যাকরণবিদ ও সাহিত্যিকদের শিরোমণি জামালুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক আত-তাঈ আল-আন্দালুসি আল-জায়ানি—যিনি দামেস্কে অবস্থান করতেন (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)—বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর প্রশংসা এবং সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ ও তাঁর সকল পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর দরুদ পাঠ করে বলেন:
এটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ওপর এমন একটি গ্রন্থ যা আমি আল্লাহর সাহায্যে এর মূলনীতিসমূহের (أصول) পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্বলিত এবং এর সকল অধ্যায় ও পরিচ্ছেদের ওপর নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে সংকলন করেছি। এ কারণে আমি এর নামকরণ করেছি: 'তাসহীলুল ফাওয়ায়েদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ'। এটি বুদ্ধিমানদের নিকট সমাদৃত হওয়ার এবং সজ্জন ব্যক্তিদের নিকট থেকে বিমুখতা বর্জন করার যোগ্য। আর বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ এর সঠিক পথনির্দেশনার কথা স্বীকার করেন।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২)
بتحصيله. وتأتلف قلوبهم على تقديمه وتفضيله. فليثق متأملُهُ ببلوغِ أمله وليتلقى بالقبول مايرد من قبله ولْيكن لحسن الظن آلفاً. ولدواعي الاستبعاد مخالفاً. فقلما خلي متحلٍ بالاستبعاد الابالخيبةِ والابعاد واذا كانت العلوم منحة الهية ومواهب اختصاصية فغير مستبعد أن يدخر لبعض المتاخرين ماعسُر على كثيرٍ من المتقدمين أعاذنا اللهُ مِنْ حَسَدٍ يسدّ باب الانصاف ويَصُد عن جميل الأوصاف وألهمنا شكراً يقتضي توالي الآلاء ويقضي بانقضاء اللأواء. وها أنا ساعٍ فيما انتدبتُ اليه مستعيناً بالله عليه. ختم اللهُ لي ولقارئيه بالحُسنى. وحتم لي ولهم الحظ الاوفى في المقر الاسنى بمنه وكرمه. آمين.
এটি অর্জনে। এবং তাদের অন্তরসমূহ একে অগ্রাধিকার দিতে ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রদানে ঐক্যবদ্ধ হয়। সুতরাং এর প্রতি নিবিষ্ট চিত্তে মনোনিবেশকারী ব্যক্তি যেন স্বীয় লক্ষ্য অর্জনে আশ্বস্ত থাকেন এবং এর পক্ষ থেকে যা পেশ করা হয় তা যেন গ্রহণ (قبول) করে নেন। তিনি যেন সুধারণার প্রতি অভ্যস্ত হন এবং অমূলক প্রত্যাখ্যানের কারণসমূহের বিরোধিতা করেন। কেননা, অমূলক প্রত্যাখ্যানের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ব্যর্থতা ও বিচ্যুতি ছাড়া আর কিছুই পায় না। যেহেতু জ্ঞান হলো ঐশী দান এবং বিশেষ অনুগ্রহ, তাই পরবর্তী যুগের আলেমদের (المتأخرين) জন্য এমন কিছু সংরক্ষিত থাকা অসম্ভব নয় যা পূর্ববর্তী যুগের অনেক আলেমদের (المتقدمين) জন্য কঠিন ছিল। আল্লাহ আমাদের এমন হিংসা থেকে রক্ষা করুন যা ন্যায়নিষ্ঠার (إنصاف) পথ রুদ্ধ করে এবং সুন্দর গুণাবলী অর্জনে বাধা দেয়। তিনি আমাদের এমন কৃতজ্ঞতা প্রকাশের তাওফিক দিন যা নেয়ামতের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে এবং দুঃখ-কষ্টের পরিসমাপ্তি ঘটায়। আর আমি যে কার্যে ব্রতী হয়েছি, আল্লাহর সাহায্য কামনার মাধ্যমে তাতে সচেষ্ট আছি। আল্লাহ আমার এবং এর পাঠকদের উত্তম পরিণাম দান করুন; এবং তাঁর অনুগ্রহ ও করুণায় আমাদের সবার জন্য জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ স্থানে মহাভাগ্যের ফয়সালা করুন। আমিন।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بابشرح الكلمة والكلام وما يتعلق بهالكلمةُ لفظٌ مستقل دالٌ بالوضع تحقيقاً أوتقديراً اومنوي معه كذلك. وهي اسمٌ وفعلٌ وحرفٌ. والكلامُ ماتضمّن مِنَ الكلم اسناداً مفيدا مقصوداً. لذاته. فالاسم كلمة يسند مالمعناها الى نفسها اونظيرها. والفعل كلمة تسند ابداً. قابلة لعلامة فرعية المسند اليه. والحرف كلمة لاتقبل اسناداً وضعيا بنفسها ولابنظيرٍ. ويعتبرُ الاسمُ بندائِهِ وتَنوينِهِ في غيرِ رَوِيِّ. وبتعريفه. وصلاحيته بلا تأويلٍ لاخبارٍ عنه. أواضافةٍ اليه. اوعودِ ضميرٍ عليه. اوابدال اسمٍ صريحٍ منه. وبالاخبار به مع مباشرة
পরিচ্ছেদকালিমা (الكلمة), কালাম (الكلام) এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির ব্যাখ্যাকালিমা (الكلمة) হলো এমন একটি স্বতন্ত্র শব্দ (لفظ), যা আভিধানিক বা পারিভাষিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে (تحقيقاً), অপ্রকাশ্যভাবে (تقديراً) অথবা এর সাথে উহ্য (منوي) থাকা কোনো অর্থের ওপর নির্দেশ করে। আর তা হলো বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অব্যয় (حرف)। কালাম (الكلام) হলো সেই শব্দসমষ্টি যা শব্দাবলির মধ্য হতে এমন একটি ফলপ্রসূ ও উদ্দেশ্যমূলক সম্বন্ধকে (اسناداً) অন্তর্ভুক্ত করে, যা স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কাঙ্ক্ষিত। সুতরাং বিশেষ্য (الاسم) এমন একটি শব্দ (كلمة) যার অর্থের সম্বন্ধ (يسند) নিজের প্রতি অথবা তার অনুরূপ কোনো শব্দের প্রতি করা সম্ভব হয়। আর ক্রিয়া (الفعل) এমন একটি শব্দ (كلمة) যা সর্বদা অন্য কিছুর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত হয় এবং যা ‘মুসনাদ ইলাইহি’ (المسند اليه)-এর শাখা চিহ্নসমূহ গ্রহণের যোগ্যতা রাখে। আর অব্যয় (الحرف) এমন একটি শব্দ (كلمة) যা স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কিংবা সদৃশ কোনো কিছুর মাধ্যমে ভাষাগত সম্বন্ধ (اسناداً) গ্রহণ করে না। বিশেষ্য (الاسم) তার আহ্বান (نداء), তানভীন (تنوين) —যা কবিতার অন্ত্যমিল (روي) ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে আসে— এবং নির্দিষ্টকরণ (تعريف)-এর মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। তদ্রূপ কোনো প্রকার ব্যাখ্যা ছাড়াই এর সম্পর্কে সংবাদ (اخبار) প্রদান করার যোগ্যতা থাকা, এর দিকে সম্বন্ধ (اضافة) করা, এর দিকে সর্বনামের (ضمير) প্রত্যাবর্তন ঘটা, এর পরিবর্তে কোনো সুস্পষ্ট বিশেষ্য (اسم صريح) স্থলাভিষিক্ত হওয়া এবং সরাসরি এর মাধ্যমে সংবাদ প্রদান করার যোগ্যতা দ্বারাও বিশেষ্যকে চেনা যায়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৪)
الفعلِ. وبموافقة ثابت الاسميِّة في لفظ اومعنى دون معارض. وهولِعيْنٍ اومعنىً اسماً أووصْفاً. ويُعتبرُ الفعلُ بتاءِ التانيثِ الساكنةِ ونونِ التوكيدِ الشائع. ولزومه مع ياء المتكلم نون الوقاية. وباتصاله بضميرِ الرفعِ البارز. واقسامُهُ: ماضٍ وامْرٌ ومُضارعٌ. فيُميزُ الماضي التاءُ المذكورةُ، والامرُ: معناهُ ونونُ التوكيدِ والمضارعَ: افتتاحُهُ بهمزةِ للمُتكلَّم مفرداً. أوبنونٍ له عظيماً اومشاركاً. اوبتاء للمخاطب مطلقاً. وللغائبة والغائبتين. اوبياء للمذكر الغائب مطلقاً. والغائبات والامرُ مستقبلٌ ابداً. والمضارعُ صالحٌ له وللحال. ولو نفي بـ "لا" خلافاً لمن خصها
ক্রিয়া (الفعل)। এটি শব্দগত (لفظ) বা অর্থগতভাবে (معنى) কোনো বিরোধ ছাড়াই স্থির বিশেষ্যধর্মী (الاسمية) রূপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া। এটি সত্তাগতভাবে বা অর্থগতভাবে বিশেষ্য (اسم) অথবা বিশেষণ (وصف) হিসেবে গণ্য হয়। ক্রিয়াকে স্থির তা-এ-তানিছ (تاء التأنيث الساكنة) এবং বহুল প্রচলিত গুরুত্বজ্ঞাপক নুন (نون التوكيد) দ্বারা শনাক্ত করা হয়। এছাড়া উত্তম পুরুষের ‘ইয়া’-এর সাথে সুরক্ষামূলক নুন (نون الوقاية) থাকা এবং স্পষ্ট কর্তৃবাচক সর্বনাম (ضمير الرفع البارز)-এর সাথে যুক্ত হওয়াও এর বৈশিষ্ট্য। ক্রিয়ার প্রকারসমূহ হলো: অতীতকাল (ماض), আদেশসূচক (أمر) এবং বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (مضارع)। উল্লিখিত ‘তা’ দ্বারা অতীতকাল (ماض)-কে পৃথক করা যায়। আদেশসূচক (أمر) ক্রিয়ার পরিচয় হলো এর অর্থ এবং গুরুত্বজ্ঞাপক নুন (نون التوكيد)। আর বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (مضارع)-এর আলামত হলো এর শুরুতে একবচন উত্তম পুরুষের (المتكلم) জন্য হামজাহ থাকা; অথবা সম্মানসূচক বা বহুত্বের ক্ষেত্রে ‘নুন’ থাকা; অথবা সাধারণভাবে মধ্যম পুরুষের (المخاطب) জন্য এবং নাম পুরুষের একবচন ও দ্বিবচন স্ত্রীলিঙ্গের জন্য ‘তা’ থাকা; অথবা সাধারণভাবে নাম পুরুষ (الغائب) পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচনের জন্য ‘ইয়া’ থাকা। আদেশসূচক (أمر) ক্রিয়া সর্বদা ভবিষ্যৎ (مستقبل) অর্থ প্রদান করে। বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল (مضارع) বর্তমান (حال) ও ভবিষ্যৎ (مستقبل) উভয় সময়ের জন্যই উপযোগী। যদিও একে না-বোধক ‘লা’ (لا) দ্বারা ব্যবহার করা হয়, তবুও এটি উভয় কালের সম্ভাবনা রাখে—যা ওই সকল ব্যাকরণবিদের মতের পরিপন্থী যারা একে কেবল একটি কালের জন্য নির্দিষ্ট করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بمستقبل ويترجح الحال مع التجريد. ويتعين عند الاكثر بمصاحبة " الآن " ومافي معناه. وبلام الابتداء ونفيه بليس و "ما " و "إن " وتخلص للاستقبال بظرف مستقبل. وباسناده الى متوقع وباقتضاءه طلباً اووعداً. وبمصاحبة ناصب اواداة ترجٍ أواشفاق أومجازاة أو " لو" المصدرية اونون التوكيد اوحرف تنفيس وهو السين أو"سوف" او"سو" او " سف" او " سى " وينصرف الى المضي بلم و"لما" الجازمة و"لو" الشرطية غالباً. وبـ " إذْ " و"ربما" و"قد" في بعض المواضع. وينصرف الماضي الى الحال بالانشاء. والى الاستقبال بالطلب والوعد. وبالعطف على ماعلم استقباله. وبالنفي بـ "لا"
এটি ভবিষ্যৎ (مستقبل) অর্থ প্রদান করে এবং চিহ্নমুক্ত (تجريد) অবস্থায় বর্তমানকাল (حال) হওয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত। অধিকাংশ ব্যাকরণবিদের মতে, 'এখন' (الآن) এবং এর সমার্থবোধক শব্দের অনুষঙ্গে এটি বর্তমানকালের জন্য সুনির্দিষ্ট হয়। এছাড়া প্রারম্ভিক লাম (لام الابتداء) এবং 'লাইসা' (ليس), 'মা' (ما) ও 'ইন' (إن) এর মাধ্যমে না-বোধক (نفي) হওয়ার ফলে এটি বর্তমানকাল নির্দেশ করে। ভবিষ্যৎ নির্দেশক অব্যয় (ظرف مستقبل) যুক্ত হলে তা ভবিষ্যতের (استقبال) জন্য সুনির্দিষ্ট হয়। কোনো প্রত্যাশিত বিষয়ের দিকে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এবং নির্দেশ (طلب) বা প্রতিশ্রুতির (وعد) দাবি রাখলে তা ভবিষ্যৎ অর্থ প্রদান করে। এছাড়া নসব প্রদানকারী (ناصب) অব্যয়, আকাঙ্ক্ষা (ترج), আশঙ্কা (إشفاق), বিনিময় (مجازاة), মাসদারী 'লাউ' (لو المصدرية), তাকিদযুক্ত নুন (نون التوكيد) কিংবা প্রশস্ততাসূচক বর্ণ (حرف تنفيس)—যা হলো সিন (س), সাওফা (سوف), সাও (سو), সাফ (سف) বা সী (سى)—যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট হয়। জযম প্রদানকারী (جازمة) 'লাম' (لم) ও 'লাম্মা' (لما) এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে শর্তবোধক 'লাউ' (لو الشرطية) এর মাধ্যমে এটি প্রায়শই অতীতকাল (مضي) নির্দেশ করে। কিছু ক্ষেত্রে 'ইয' (إذْ), 'রুব্বামা' (ربما) এবং 'কাদ' (قد) এর মাধ্যমেও এটি অতীত অর্থ প্রদান করে। সৃজনমূলক বাক্য (إنشاء) এর মাধ্যমে অতীতকাল (ماضي) বর্তমানের (حال) অর্থ প্রদান করে। আর নির্দেশ (طلب) ও প্রতিশ্রুতির (وعد) মাধ্যমে, যা ভবিষ্যৎ হওয়া নিশ্চিত এমন পদের ওপর সংযুক্তি (عطف) হওয়ার ফলে এবং 'লা' (لا) এর মাধ্যমে না-বোধক (نفي) হওয়ার দ্বারা তা ভবিষ্যৎ (استقبال) অর্থ প্রকাশ করে।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
و"إن" بعدَ القَسمِ. ويَحتمل المُضيَّ والاستقبالَ بعْد همزةِ التسويةِ وحَرْف التحضيض. وكُلما وحيثُ وبكونه صلةً أوصفةً لنكرةٍ عامةٍ.
এবং শপথের (قسم) পর 'ইন' (إن) শব্দ। এটি সমতাসূচক হামযাহ (همزة التسوية) এবং উৎসাহব্যঞ্জক অব্যয়ের (حرف التحضيض) পরে অতীত (مضي) ও ভবিষ্যৎ (استقبال) হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এবং 'যখনই' (كلما) ও 'যেখানে' (حيث) শব্দসমূহ; এবং এটি সাধারণ অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (نكرة عامة) জন্য সংবদ্ধ অংশ (صلة) অথবা বিশেষণ (صفة) হওয়ার মাধ্যমেও (একই অর্থ প্রকাশের সম্ভাবনা রাখে)।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
باباعراب الصحيح الاخرالاعرابُ: ماجِئ بهِ لبيان مُقتضى العامل منْ حركةٍ. أوحرف أوسكونٍ أوحذفٍ. وهو في الاسم اصلٌ لوجوب قبوله بصيغةٍ واحدةٍ معاني مختلفة والفعل والحرف ليسا كذلك فبُنيا الا المضارع فانه شابه الاسمَ بجوازِ شَبهِ ماوجب له. فأعرب مالم يتصل به نونُ توكيدٍ أو إناثٍ. ويمنعُ اعرابَ الاسم مشابهةُ الحرفِ بلامعارض. والسلامةُ منها تمكنٌ.
وانواعُ الاعرابِ: رفعٌ ونصبٌ وجرٌ وجزمٌ.
পরিচ্ছেদশেষাক্ষর সুস্থ (صحيح الآخر) শব্দের ব্যাকরণিক রূপান্তর (إعراب)ব্যাকরণিক রূপান্তর (إعراب) হলো: যা আমেল (عامل)-এর চাহিদা প্রকাশের উদ্দেশ্যে কোনো হরকত (حركة), হরফ (حرف), সুকুন (سكون) অথবা বিলুপ্তিকরণের (حذف) মাধ্যমে আনীত হয়। ইসম (اسم)-এর ক্ষেত্রে এটিই মূল ভিত্তি, কারণ একক শব্দ কাঠামোয় বিভিন্ন অর্থ গ্রহণ করা এর জন্য আবশ্যক। পক্ষান্তরে ফেয়াল (فعل) ও হরফ (حرف) এমন নয়, ফলে সেগুলো মাবনি (مبني) বা অপরিবর্তনীয়; তবে ফেয়ালে মুদারে (مضارع) এর ব্যতিক্রম, কারণ তা ইসমের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে তার বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। সুতরাং মুদারে ততক্ষণ পর্যন্ত মুরাব (معرب) হবে যতক্ষণ না তার সাথে তাকিদ (توكيد)-এর নূন অথবা স্ত্রীলিঙ্গবাচক (إناث) নূন যুক্ত হয়। কোনো প্রতিবন্ধক ছাড়াই হরফের সাথে সাদৃশ্য থাকা ইসমের ব্যাকরণিক রূপান্তর (إعراب) গ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করে। আর এই সাদৃশ্য থেকে মুক্ত থাকাকেই তামাক্কুন (تمكن) বলা হয়।
ব্যাকরণিক রূপান্তর (إعراب)-এর প্রকারসমূহ হলো: রাফা (رفع), নাসব (নصب), জার (جر) এবং জাজম (جزم)।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
وخُص الجرُ بالاسم لان عامله لايستقل فيحمل غيرهُ عليه بِخلاف الرفعِ والنصبِ. وخُصَّ الجزمُ بالفعلِ لكونِهِ فيه كالعوض مِنَ الجرِّ. والاعراب بالحركة والسكون اصلٌ وينوبُ عنهما الحرفُ والحذفُ. فارفع بضمةٍ وانصب بفتحةٍ وجُرَّ بكسرة واجزم بسكون إلافي مواضع النيابة. وتنوب الفتحةُ عن الكسرة في جر مالاينصرف إلا أن يضاف اويصحب الالف واللام أوبدلها، والكسرةُ عن الفتحة في نصب “اولات” والجمعُ بزيادةِ الفٍ وتاءٍ وإن سُمِّي به فكذلك. والأعرفُ حينئذٍ بقاءُ تنوينه وقد يُجعل كأرطاة علماً. وتنوبُ الواوُ عن الضمة والالفُ عن الفتحة. والياءُ عن الكسرة فيما أضيف الى غير ياء المتكلم من: أب واخ وحمو. غير مماثل: قرْوَاً وقُرءاً وخطأ. وفم بلاميم وفي ذي بمعنى: صاحب والتزامُ نقص هَنٍ أعْرف
বিশেষ্যের (اسم) জন্য জর (جر) সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে, কারণ এর আমিল (عامل) স্বতন্ত্র নয়, ফলে রফ (رفع) ও নসবের (نصب) বিপরীত হওয়ার কারণে অন্যকে এর ওপর ন্যস্ত করা যায় না। আর ক্রিয়ার (فعل) জন্য জজম (جزم) নির্দিষ্ট করা হয়েছে, কারণ এটি ক্রিয়ার মধ্যে জরের (جر) বিনিময়ের মতো। হরকত (حركة) ও সুকুন (سكون) দ্বারা ইরাব (اعراب) প্রদান করাই হলো মূল নীতি এবং হরফ (حرف) ও বিলোপ (حذف) এই দুটির স্থলাভিষিক্ত হয়। অতএব, পেশ (ضمة) দিয়ে রফ (رفع), জবর (فتحة) দিয়ে নসব (نصب), যের (كسرة) দিয়ে জর (جر) এবং সুকুন (سكون) দিয়ে জজম (جزم) করুন, কেবল স্থলাভিষিক্ত হওয়ার স্থানগুলো ব্যতীত। রূপান্তরিত না হওয়া বিশেষ্যের (مالاينصرف) জরের (جر) ক্ষেত্রে জবর (فتحة) যেরের (كسرة) স্থলাভিষিক্ত হয়, যদি না তা ইদাফাত (يضاف) হয় অথবা তাতে আলিফ ও লাম (الالف واللام) বা তার স্থলাভিষিক্ত কিছু যুক্ত হয়। আর ‘উলাত’ (اولات) এবং অতিরিক্ত আলিফ ও তা (الف وتاء) সহযোগে গঠিত বহুবচনের নসবের (نصب) ক্ষেত্রে যের (كسرة) জবরের (فتحة) স্থলাভিষিক্ত হয়; যদিও তা কোনো নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় তবুও একই নিয়ম। এমতাবস্থায় এর তানউইন (تنوين) বহাল রাখাই অধিক বিশুদ্ধ বা পরিচিত মত, এবং কখনো একে ‘আরতাহ’ (أرطاة) এর ন্যায় আলম (علم) বা সংজ্ঞাবাচক নাম হিসেবে গণ্য করা হয়। মুতাকাল্লিমের ইয়া (ياء المتكلم) ব্যতীত অন্য কিছুর সাথে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ‘আবু’ (أب), ‘আখু’ (أخ) এবং ‘হামু’ (حمو)-এর ক্ষেত্রে পেশের (ضمة) পরিবর্তে ওয়াও (واو), জবরের (فتحة) পরিবর্তে আলিফ (الف) এবং যেরের (كسرة) পরিবর্তে ইয়া (ياء) স্থলাভিষিক্ত হয়। এগুলোর অসদৃশ হলো: কারওয়ান (قرواً), কুরআন (قرءاً) এবং খাতাউন (خطأ)। আর ‘ফাম’ (فم) শব্দের ক্ষেত্রে ‘মীম’ (ميم) মুক্ত হওয়া এবং ‘যু’ (ذي) শব্দটি ‘সাহিব’ বা মালিক অর্থে ব্যবহৃত হওয়া শর্ত; আর ‘হান’ (هن) শব্দের ক্ষেত্রে নুকসান (نقص) বা হরফ বিলোপের নীতি অনুসরণ করাই অধিক পরিচিত।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
من الحاقه بهنَّ. وقد تشدد نونه وخاءُ أخ وباء أب. وقد يُقال أخْوٌ. وقد يُقصر حَمٌ، وهما. أويلزمها النقص كيَدٍ ودَمٍ. وربما قصراً. أوضُعِّف دمٌ وقد يثلث فاء فم منقوصاً اومقصوراً أويضعف مفتوح الفاء اومضمومها اويتبع فاؤه حرف اعرابه في الحركات كما فعل بفاء امرء وعيني امرئ وابنم ونحوهما فوك واخوانه على الاصح وربما قيل “فا” دون اضافةٍ صريحةٍ نصباً. ولايُخصُّ بالضرورة نحو: يصبح ظمآن وفي البحر فمه. خلافاً لابي علي. وتنوب النونُ عن الضمة في فعل اتصل به الف اثنين اوواو جمع اوياء مخاطبةٍ مكسورةٍ بعدالالف غالباً مفتوحةٌ بعد اختيها. وليست دليل الاعراب خلافاً للاخفش.
তাকে এগুলোর অন্তর্ভুক্ত করার কারণে। কখনো কখনো এর ‘নূন’ বর্ণটি এবং ‘আখ’ শব্দের ‘খা’ ও ‘আব’ শব্দের ‘বা’ বর্ণটি তাশদীদযুক্ত করা হয়। কখনো ‘আখ্উন’ বলা হয়। কখনো ‘হামুন’ এবং এই দুটি শব্দকে হ্রস্ব (قصر) করে পড়া হয়। অথবা ‘ইয়াদ’ ও ‘দাম’ শব্দের ন্যায় এগুলোতে সংক্ষেপণ বা বিলোপ (نقص) অপরিহার্য হয়। কখনো হ্রস্ব (قصر) রূপও ব্যবহৃত হয়। অথবা ‘দাম’ শব্দটিকে দ্বিত্ব করা হয়। কখনো ‘ফাম’ শব্দের ‘ফা’ বর্ণটিকে মানকুস (منقوص) বা মাকসুর (مقصور) অবস্থায় তিন হরকতেই পড়া হতে পারে। অথবা এর ‘ফা’ বর্ণটি ফাতহা বা যবরযুক্ত অবস্থায় কিংবা দম্মা বা পেশযুক্ত অবস্থায় দ্বিত্ব করা হয়। অথবা এর ‘ফা’ বর্ণটি হরকতের ক্ষেত্রে ই’রাবের (إعراب) বর্ণকে অনুসরণ করে, যেমনটি ‘ইমরু’ শব্দের ‘ফা’ এবং ‘ইমরিন’ ও ‘ইবনুম’ এবং এই জাতীয় শব্দদ্বয়ের ক্ষেত্রে করা হয়। বিশুদ্ধতম (الأصح) মত অনুযায়ী ‘ফূকা’ এবং তার সমগোত্রীয় শব্দাবলিও এমন। কখনো সুস্পষ্ট সম্বন্ধ (إضافة) ছাড়াই নসব (نصب) অবস্থায় ‘ফা’ বলা হয়। এটি কাব্যিক প্রয়োজনের (ضرورة) সাথে সুনির্দিষ্ট (خاص) নয়, যেমন: “সে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ভোরে উপনীত হয় অথচ সমুদ্রে তার মুখ।” এটি আবু আলীর মতের পরিপন্থী। ‘নূন’ বর্ণটি সেই ক্রিয়াপদে দম্মা (ضمة)-এর স্থলাভিষিক্ত হয় যার সাথে দ্বিবচনের আলিফ, বহুবচনের ওয়াও অথবা সম্বোধনসূচক ‘ইয়া’ যুক্ত হয়; যা আলিফের পরে সাধারণত কাসরা বা যেরযুক্ত এবং অন্য দুটির পরে ফাতহা বা যবরযুক্ত হয়। এটি ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের (إعراب) মানদণ্ড নয়, যা আল-আখফাশের মতের পরিপন্থী।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
وتُحذفَ جَزْماً ونصباً ولنون التوكيد. وقد تُحذفُ لنون الوقاية اوتُدغم فيها. ونَدرَ حذفُها مفردة في الرفع نظماً ونثراً. وماجئ به لالبيان مقتضى العامل من شبه الاعراب وليس حكاية اواتباعاً اونقلاً اوتخلصاً من سكونين فهو بناء. وانواعه ضم وفتح وكسر ووقف.
এবং এটি জযম (جزم) ও নসব (نصب) অবস্থায় এবং নুনে তাকিদ (نون التوكيد)-এর কারণে আবশ্যিকভাবে বিলুপ্ত হয়। কখনো কখনো এটি নুনে বিকায়া (نون الوقاية)-এর কারণে বিলুপ্ত হয় অথবা তাতে ইদগাম (إدغام) করা হয়। আর গদ্য ও পদ্যে রফ (رفع) অবস্থায় এটি এককভাবে বিলুপ্ত হওয়া বিরল (نادر)। আমেলের চাহিদা (مقتضى العامل) প্রকাশের জন্য যা আনা হয়নি—এমনকি তা এরাব-সদৃশ (شبه الإعراب) হলেও এবং তা হিকায়াত (حكاية), ইত্তিবা (إتباع), নকল (نقل) কিংবা দুই সাকিনের মিলন থেকে নিষ্কৃতি (تخلصاً من سكونين) পাওয়ার জন্য না হলে, তাকে মাবনি (بناء) বলা হয়। এর প্রকারগুলো হলো দম (ضم), ফাতহ (فتح), কাসর (كسর) এবং ওয়াকফ (وقف)।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
باباعراب المعتل الاخريظهر الاعراب بالحركة والسكون اويقدر في حرفه وهو اخر المعرب فان كان الفاً قدر فيه غير الجزم وان كان ياءً اوواواً يشبهانه قدر فيهما الرفع وفي الياء الجر وينوب حذف الثلاثة عن السكون الا في الضرورة فيقدر لاجلها جزمها ويظهر لاجلها جر الياء ورفع الواو ويقدر لاجلها كثيراً وفي السعة قليلاً نصبهما ورفع الحرف الصحيح وجره وربما قدر جزم الياء في السعة.
পরিচ্ছেদ (باب)শেষ বর্ণে হরফে ইল্লত বিশিষ্ট শব্দের ইরাব (إعراب المعتل الآخر)ইরাব (إعراب) হরকত (حركة) ও সুকুন (سكون) এর মাধ্যমে প্রকাশ পায় অথবা এর বর্ণে উহ্য (مقدر) থাকে, আর তা হলো মুরিব (معرب) শব্দের শেষ ভাগ। যদি শেষ বর্ণটি আলিফ হয়, তবে তাতে জজম (جزم) ব্যতীত সকল অবস্থা উহ্য (مقدر) থাকে। আর যদি তা ইয়া কিংবা ওয়াও হয় এবং তারা আলিফের সদৃশ হয়, তবে উভয় ক্ষেত্রে রফ (رفع) উহ্য (مقدر) থাকে এবং ইয়া-এর ক্ষেত্রে জর (جر) উহ্য (مقدر) থাকে। আর সুকুন-এর পরিবর্তে উক্ত তিনটি বর্ণ বিলুপ্ত হওয়া স্থলাভিষিক্ত হয়; তবে কাব্যিক প্রয়োজনের (ضرورة) ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটে এবং সেই কারণে জজম (جزم) উহ্য (مقدر) রাখা হয়। কাব্যিক প্রয়োজনের কারণে ইয়া-এর জর (جر) এবং ওয়াও-এর রফ (رفع) প্রকাশ পায়। অনেক ক্ষেত্রে কাব্যিক প্রয়োজনে এবং সাধারণ গদ্যে (سعة) খুব অল্প ক্ষেত্রে এ দুটির নসব (نصب) এবং সহিহ (صحيح) বর্ণের রফ (رفع) ও জর (جر) উহ্য (مقدر) রাখা হয়। এমনকি কখনো কখনো গদ্যের ক্ষেত্রেও ইয়া-এর জজম (جزم) উহ্য (مقدر) রাখা হয়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
باباعراب المثنى والمجموع على حدهالتثنيةُ جَعْلُ الاسمِ القابلِ دليلَ اثنين متفقين في اللفظ غالباً وفي المعنى على رأي بزيادة الف في اخره رفعاً وياء مفتوح ماقبلها جراً ونصباً. تليهما نون مكسورة فتحها لغة. وقد تضم وتسقط للاضافة أوللضرورة أولتقصير صلة ولزوم الالف لغة حارثية. وما اعرب اعراب المثنى مخالفاً لمعناه أوغير صالح للتجريد وعطف مثله عليه. فلحق به وكذا "كلا وكلتا" مضافين الى مضمر. ومطلقاً على لغة كنانة، ولايُغني العطف عن التثنية دون شذوذ اواضطراراً الامع قصد التكثير. اوفصل ظاهر اومقدر. والجمع جعل الاسم القابل دليل مافوق اثنين كما سبق
পরিচ্ছেদদ্বিবচন (تثنية) এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতির বহুবচন (جمع) এর রূপান্তর (إعراب) প্রসঙ্গেদ্বিবচন (تثنية) হলো কোনো উপযোগী বিশেষ্যকে এমন রূপ দান করা যা সাধারণত শব্দগতভাবে এবং কোনো কোনো মতে অর্থগতভাবেও অভিন্ন দুই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে; যার শেষে ‘রাফ’ (رفع) অবস্থায় আলিফ এবং ‘জর’ (جر) ও ‘নসব’ (نصب) অবস্থায় পূর্ববর্তী বর্ণে ফাতহাযুক্ত ‘ইয়া’ যুক্ত করা হয়। এ দুটির পরে একটি কাসরাযুক্ত ‘নুন’ থাকে, যাতে ফাতহা প্রদান করা একটি ভাষাগত রীতি (لغة)। কখনো কখনো এটি পেশযুক্ত (তম্মাহ) হয় এবং ইদাফাত (إضافة), কাব্যিক আবশ্যকতা কিংবা সিলাহ-কে সংক্ষিপ্ত করার কারণে বিলুপ্ত হয়ে যায়। আর সব অবস্থায় আলিফ অপরিহার্য রাখা হারিছি গোত্রের একটি ভাষা (لغة)। যেসব শব্দ দ্বিবচনের অর্থগত বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও দ্বিবচনের ন্যায় রূপ লাভ করে অথবা যা পৃথক করার এবং অনুরূপ শব্দকে তার সাথে আতফ (عطف) করার উপযোগী নয়, সেগুলোকে দ্বিবচনের অনুগামী (ملحق) হিসেবে গণ্য করা হয়। অনুরূপভাবে ‘কিলা’ ও ‘কিলতা’ যখন সর্বনামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হয়; আর কিনানাহ গোত্রের ভাষায় এগুলো সর্বাবস্থায় এমন হয়। আধিক্য প্রকাশের উদ্দেশ্য অথবা দৃশ্যমান কিংবা উহ্য পার্থক্য ব্যতিরেকে বিরল বা আবশ্যিক ক্ষেত্র ছাড়া আতফ (عطف) দ্বিবচনের (تثنية) অভাব পূরণ করে না। আর বহুবচন (جمع) হলো পূর্বোক্ত নিয়মানুসারে কোনো উপযোগী বিশেষ্যকে দুইয়ের অধিক নির্দেশক রূপ দান করা।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بتغييرٍ ظاهرٍ اومقدرٍ وهو التكسير أوبزيادة في الاخر مقدر انفصالها لغير تعويض وهوالتصحيح فان كان لمذكر فالمزيد في الرفع واوٌ بعد ضمة. وفي الجر والنصب ياء بعد كسرة تليهما نون مفتوحة تكسر ضرورةً وتسقط للاضافة. اوللضرورة اولتقصير صلة. وربما سقطت اختياراً قبل لام ساكنة غالباً. وليس الاعراب انقلاب الالف والواو ياءً ولامقدراً في الثلاثة ولامدلولاً بها عليه مقدراً في متلوها ولاالنون عوضاً من حركة الواحد ولامن تنوينه ولامنهما. ولامن تنوينين فصاعداً. خلافاً لزاعمي ذلك. بل الاحرف الثلاثة اعراب والنون لرفع توهم الاضافة اوالافراد. وان كان التصحيح بمؤنث اومحمول عليه فالمزيد الف وتاء. وتصحيح المذكر نشروط بالخلو من تاء التانيث المغايرة لما في نحو: عِدة وثُبة علمين. ومن اعراب بحرفين ونم تركيب اسناد اومزج وبكونه لمن يعقل اومشبه
দৃশ্যমান অথবা উহ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে যা সাধিত হয় তা হলো ভগ্ন বহুবচন (تكسير); অথবা শেষে এমন অতিরিক্ত অংশ যুক্ত করার মাধ্যমে যার বিচ্ছিন্ন হওয়া সম্ভাব্য এবং যা কোনো কিছুর স্থলাভিষিক্ত নয়, তাকে বলা হয় নিরবচ্ছিন্ন বহুবচন (تصحيح)। যদি তা পুংলিঙ্গের জন্য হয়, তবে রফ (رفع) অবস্থায় পেশের পরবর্তী ওয়াও অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হবে। আর জর (جر) ও নসব (نصب) অবস্থায় তা হবে জেরের পরবর্তী ইয়া; যেগুলোর পরে একটি জবরযুক্ত নুন থাকে যা কাব্যিক প্রয়োজনের খাতিরে জেরযুক্ত হতে পারে এবং ইদাফাত (إضافة) এর কারণে বিলুপ্ত হয়ে যায়। অথবা এটি বিলুপ্ত হয় ছন্দের প্রয়োজনে কিংবা সংযোগকে সংক্ষিপ্ত করার জন্য। এবং কখনো কখনো সাকিনযুক্ত লামের পূর্বে এটি সাধারণভাবে স্বেচ্ছায় বিলুপ্ত হয়। আলিফ এবং ওয়াও বর্ণ ইয়া-তে রূপান্তরিত হওয়া ইরাব (إعراب) নয়, আর না এটি তিনটি অবস্থায় উহ্য থাকে, আর না পরবর্তী হরফের মাধ্যমে এর উহ্য হওয়া নির্দেশ করা হয়। আর নুন বর্ণটি একবচনের হরকতের পরিবর্তে নয়, কিংবা তার তানভীনের পরিবর্তে নয় এবং উভয়টির পরিবর্তে নয়; এমনকি যারা দাবি করেন এটি দুই বা ততোধিক তানভীনের স্থলাভিষিক্ত, তাদের দাবিও সঠিক নয়। বরং এই তিনটি হরফই হলো ইরাব (إعراب) এবং নুন ব্যবহার করা হয় ইদাফাত (إضافة) বা একবচন হওয়ার সংশয় দূর করার জন্য। আর যদি নিরবচ্ছিন্ন বহুবচন (تصحيح) স্ত্রীলিঙ্গের জন্য হয় কিংবা তার সমগোত্রীয় হয়, তবে অতিরিক্ত হিসেবে আলিফ এবং তা যুক্ত হবে। পুংলিঙ্গের নিরবচ্ছিন্ন বহুবচন হওয়ার জন্য শর্ত হলো তা স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশক তা (تاء التانيث) থেকে মুক্ত হওয়া, যা 'ইদাহ' ও 'সুবাহ' এর মতো নামবাচক শব্দের বিপরীত। আরও শর্ত হলো তা দুই হরফ বিশিষ্ট ইরাব (إعراب) থেকে মুক্ত হওয়া, এবং তা অ্যাট্রিবিউটিভ কম্পজিশন (تركيب اسناد) বা মিশ্র যৌগ (مزج) না হওয়া এবং তা বিবেকসম্পন্ন (يعقل) বা তার সদৃশ সত্তার জন্য হওয়া।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
علماً اومصغراً أوصفة تقبل تاء التانيث ان قصد معناه خلافاً للكوفيين في الاول والاخر. وكون العقل لبعض مثنى اومجموع كافٍ وكذا التذكير مع اتحاد المادة وشذّ ضَبُعان في ضبُع وضِبعان. وما اعرب مثل هذا الجمع غير مستوف للشروط فمسموع كـ “ نحنُ الوارثون “ واولى وعليين وعالمين واهلين وارضين وعشرين الى تسعين. وشاع هذا الاستعمال فيما لم يكسّر من المعوض من لامه هاء التأنيث بسلامة في المكسورها. وبكسر المفتوحها وبالوجهين في المضمومها. وربما نال هذا الاستعمال ماكُسّر نحو: رقة واحرة وأضاة.
এটি যদি নামবাচক বিশেষ্য (عَلَم), ক্ষুদ্রতা প্রকাশক শব্দ (مُصَغَّر) অথবা এমন গুণবাচক শব্দ (صِفَة) হয় যা স্ত্রীলিঙ্গজ্ঞাপক তা (تاء التأنيث) গ্রহণ করে, তবে তার অর্থই উদ্দেশ্য হবে; এক্ষেত্রে প্রথম এবং শেষোক্ত বিষয়ে কুফাবাসীদের (الكوفيين) ভিন্নমত রয়েছে। বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তা হওয়ার ক্ষেত্রে কতিপয় শব্দের দ্বিবচন (مُثَنَّى) বা বহুবচন (مَجْمُوع) হওয়াই যথেষ্ট, তেমনি মূল রূপ বা মাদ্দা (مادة) এক হওয়ার সাথে পুংলিঙ্গকরণ (تذكير)-ও যথেষ্ট। তবে 'দবুউন' এর বহুবচনে 'দবুয়ানি' এবং 'দিবআনি' শব্দদ্বয়ের ব্যবহার বিরল বা অনিয়মিত (شذّ)। যেসব শব্দ এই বহুবচন (جمع)-এর ন্যায় রূপান্তরযোগ্য (أُعْرِبَ) হয় কিন্তু শর্তাবলী (شروط) পূর্ণ করে না, সেগুলো শ্রুত বা লোকমুখে প্রচলিত (مسموع) হিসেবে গণ্য; যেমন: "আমরাই উত্তরাধিকারী (নাহনু আল-ওয়ারিসুন)", এবং 'উলু', 'ইল্লিয়্যিন', 'আলামিন', 'আহলিন', 'আরদিন' এবং 'ইশরুন' (বিশ) থেকে 'তিসঊন' (নব্বই) পর্যন্ত সংখ্যাগুলো। এই ব্যবহারটি সেসব শব্দের ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ হয়েছে যার 'লাম' বর্ণ (لام)-এর পরিবর্তে স্ত্রীলিঙ্গজ্ঞাপক হা (هاء التأنيث) এসেছে এবং যা ভগ্ন বহুবচন (تكسير)-এ রূপান্তরিত হয়নি; এক্ষেত্রে যার শেষ বর্ণ কাসরা বা যেরযুক্ত সেখানে শব্দমূলের সুস্থতা বজায় থাকে। আর যার শেষ বর্ণ ফাতহা বা জবরযুক্ত সেখানে কাসরা এবং দাম্মা বা পেশযুক্ত বর্ণে উভয় পদ্ধতিই অনুমোদিত। কখনও কখনও এই ব্যবহারটি এমন শব্দের ক্ষেত্রেও ঘটে থাকে যা ভগ্ন বহুবচন (مكسّر)-এ রূপান্তরিত হয়েছে, যেমন: 'রিকাতুন', 'ইহরাতুন' এবং 'আদাতুন' ।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وقد يجعل اعراب المعتل اللام في النون منونة غالباً ولاتسقطها الاضافة. وتلزمه الياء وينصب كائناً بالالف. والتاء بالفتحة على لغة. مالم يرد اليه المحذوف وليس الوارد من ذلك واحداً مردود اللام خلافاً لأبي علي،
কখনও কখনও 'লাম' বর্ণে দুর্বল (معتل اللام) শব্দের বিভক্তি অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুন বর্ণের ওপর তানউইনযুক্ত অবস্থায় প্রদান করা হয় এবং সম্বন্ধের (إضافة) কারণেও তা বিলুপ্ত হয় না। এর সাথে 'ইয়া' বর্ণটি অপরিহার্য থাকে এবং নসব (نصب) অবস্থায় এটি 'আলিফ' দ্বারা গঠিত হয়। একটি ভাষাগত রীতি অনুযায়ী 'তা' বর্ণটি ফাতহা (فتحة) বিশিষ্ট হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত বিলুপ্ত অংশটি এতে ফিরিয়ে আনা না হয়। আর এই ক্ষেত্রে যা বর্ণিত হয়েছে, তার একটিও 'লাম' বর্ণ ফিরিয়ে আনা (مردود اللام) এর অন্তর্ভুক্ত নয়, যা আবু আলীর মতের পরিপন্থী।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
بابكيفية التثنية وجمعي التصحيحالاسم الذي حرف اعرابه الف لازمة مقصورٌ. فان كان ياءً لازمة تلي كسرة فنمقوص وإن كان همزة تلي الفاً زائدة فممدود.
فإذا ثني غير المقصور والممدود الذي همزته بدل من اصل او زائدة لحقت العلامة دون تغيير ما لم تنب عن تثنيته تثنية غيره.
واذا ثني المقصورُ قُلِبتْ الفه " واواً " إن كانت ثالثة بدلاً منها او أصلاً أو مجهولة ولم تُمَلْ و " ياءً " إن كانت بخلاف ذلك ، لا إن كانت ثالثة واويٍّ مكسور الاول أو مضمومه خلافا للكسائي ، والياء في رأي أوْلى بالاصل والمجهولةُ مطلقاً.
পরিচ্ছেদদ্বিবচন (تثنية) এবং উভয় প্রকার শুদ্ধ বহুবচন (جمعي التصحيح) করার পদ্ধতিযে বিশেষ্যের শেষে একটি আবশ্যকীয় আলিফ থাকে তাকে মাকসুর (مقصور) বলা হয়। যদি শেষে একটি আবশ্যকীয় ইয়া থাকে যা কাসরাহ (জের)-এর পরে আসে, তবে তাকে মানকুস (منقوص) বলা হয়। আর যদি শেষে একটি হামযাহ থাকে যা অতিরিক্ত আলিফের পরে আসে, তাকে মামদুদ (ممدود) বলা হয়।
যখন মাকসুর এবং এমন মামদুদ (যার হামযাহ মূল অক্ষরের স্থলাভিষিক্ত বা অতিরিক্ত) ব্যতীত অন্য কোনো শব্দকে দ্বিবচন (تثنية) করা হয়, তখন কোনো পরিবর্তন ছাড়াই দ্বিবচনের চিহ্ন যুক্ত হয়, যতক্ষণ না তা অন্য কোনো শব্দের দ্বিবচনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
যখন মাকসুর (مقصور) শব্দকে দ্বিবচন (تثنية) করা হয়, তখন তার আলিফটি "ওয়াও (واو)" বর্ণে রূপান্তরিত হয় যদি সেটি তৃতীয় বর্ণ হয় এবং ওয়াও-এর স্থলাভিষিক্ত হয়, অথবা সেটি মূল বর্ণ হয় কিংবা অজ্ঞাত হয় এবং তাতে ইমালাহ করা না হয়। আর এর বিপরীত অবস্থায় তা "ইয়া (ياء)" বর্ণে রূপান্তরিত হয়। তবে যদি তৃতীয় বর্ণটি ওয়াও-ভিত্তিক শব্দের হয় এবং যার প্রথম বর্ণ কাসরাহ বা দাম্মাহ বিশিষ্ট হয়, তবে ইমাম কিসায়ীর ভিন্নমতের বিপরীতে তা ইয়া হবে না। আর একটি মতানুসারে, মূল বর্ণ এবং অজ্ঞাত শব্দের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায় ইয়া (ياء) হওয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وتُبدل واواً همزةُ الممدود المُبْدلة من ألفِ التأنيثِ ورُبّما صُحِّحتْ أو قُلبت ياءً وربما قُلبت الاصليةُ واواً. وفِعْلُ ذلك بالملحقة أوْلى مِنْ تصحيحها ، والمُبدلةُ من أصل بالعكس وقد تقلب ياءً ، ولا يُقاس عليه خلافاً للكسائي.
وصَحّحوا مِذْرَوَين وثِنايَيْن تصحيح شَقَاوَة وسِقاية للزوم عَلَمَي التثنية والتأنيث وحكم ما الحق به علامة جمع التصحيح القياسية حكم ما الحق به علامة التثنية؛ الا أن آخر المقصور والمنقوص يُحذف في جمع التذكير، وتلي علامتاه فتحة المقصور مطلقاً؛ خلافاً للكوفيين في إلحاق ذي الالف الزائدة بالمنقوص. وربما حذفت خامسة فصاعدا في التثنية والجمع بالالف والتاء ، وكذا الالف والهمزة من قاصعاء ونحوه، ولا يقاس على ذلك؛ خلافا للكوفيين.
وتُحذف تاءُ التأنيث عند تصحيح ما هي فيه؛ فيعامل معاملة مؤنث عارٍ منها لو صُحِّح،
স্ত্রীলিঙ্গ জ্ঞাপক আলিফ (ألف التأنيث) থেকে পরিবর্তিত হামজায়ে মামদুদা (همزة الممدود)-কে 'ওয়াও' দ্বারা স্থলাভিষিক্ত করা হয়। কখনো কখনো একে মূল রূপে বহাল (تصحيح) রাখা হয় অথবা 'ইয়া' দ্বারা পরিবর্তন করা হয়; আবার কখনো মূল বর্ণকেও 'ওয়াও' দ্বারা পরিবর্তন করা হয়। সংযুক্ত (الملحقة) শব্দের ক্ষেত্রে এরূপ করা একে মূল রূপে বহাল রাখার চেয়ে উত্তম। আর যা মূল বর্ণ হতে পরিবর্তিত হয়েছে তার বিধান এর বিপরীত এবং কখনো তা 'ইয়া' দ্বারা পরিবর্তিত হয়; ইমাম কিসায়ীর মতের বিপরীতে একে সাধারণ নিয়মের (قياس) অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
তারা 'মিজরাওয়াইন' এবং 'ছিনাইয়াইন' শব্দদ্বয়কে 'শাক্বাওয়াহ' ও 'সিক্বায়াহ'-এর ন্যায় মূল রূপেই বহাল (تصحيح) রেখেছেন, কারণ দ্বিবচন (تثنية) ও স্ত্রীলিঙ্গের আলামত অপরিহার্য ছিল। আর যার সাথে নিয়মিত (قياسية) বহুবচনের আলামত যুক্ত হয়, তার বিধান দ্বিবচনের (تثنية) আলামত যুক্ত শব্দের বিধানের অনুরূপ; তবে মাক্বসুর (مقصور) ও মানকুস (منقوص) শব্দের শেষাক্ষর পুংলিঙ্গ বহুবচনের ক্ষেত্রে বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং মাক্বসুরের ফাতহা সর্বাবস্থায় বহুবচনের আলামতের অনুগামী হয়; অতিরিক্ত আলিফ যুক্ত শব্দকে মানকুসের (منقوص) অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কুফী ব্যাকরণবিদদের মত ভিন্ন। কখনো কখনো দ্বিবচন (تثنية) এবং আলিফ ও তা যোগে গঠিত বহুবচনের ক্ষেত্রে পঞ্চম বা তদূর্ধ্ব বর্ণটি বিলুপ্ত হয়; তদ্রূপ 'কাসিআ' ও এই জাতীয় শব্দের আলিফ ও হামজাও বিলুপ্ত হয়। কুফী ব্যাকরণবিদদের ভিন্নমতের বিপরীতে একে সাধারণ নিয়মের (قياس) অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
নিয়মিত বহুবচন গঠনের সময় শব্দের শেষে থাকা স্ত্রীলিঙ্গ জ্ঞাপক 'তা' (تاء التأنيث) বিলুপ্ত হয়ে যায়; এমতাবস্থায় শব্দটি এমন স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের ন্যায় আচরণ করে যা উক্ত 'তা' থেকে মুক্ত, যদি তার বহুবচন শুদ্ধ (صُحِّح) হয়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ويُقال في المراد به مَنْ يعقل مِنْ: ابن وأب واخ وهَن وذي: بنون وأخون وهَنون وذوو، وفي بنت وابنة وأخت وهنت وذات: بنات وأخوات وهنات وهنوات وذوات؛ وامهات في الام من الناس اكثر من امات وغيرها بالعكس. والمؤنث بهاء او مجردا ثلاثيا صحيح العين ساكنة غير مضعفة، ولا صفة تتبع عينه فاءه في الحركة مطلقا، وتفتح وتسكن بعد الضمة والكسرة، وتمنع الضمة قبل الياء والكسرة قبل الواو باتفاق وقبل الياء بخلف، ومطلقا عند الفراء فيما لم يسمع. وشذ جروات والتزم فعلات في لجبة؛ وغلب في ربعة؛ لقول بعضهم: لجبة وربعة؛ ولا يقاس على ما ندر من كهلات خلافا لقطرب. ويسوغ في لجبة القياس، وفاقا لأبي العباس، ولا يقال فعلات اختيارا فيما استحق فعلات الا لاعتلال اللام او
বুদ্ধিমান (عاقل) সত্তা দ্বারা উদ্দেশ্যকৃত শব্দসমূহের ক্ষেত্রে ‘ইবন’ (পুত্র), ‘আব’ (পিতা), ‘আখ’ (ভাই), ‘হান’ এবং ‘যু’-এর বহুবচন হিসেবে ‘বানুন’, ‘আখুন’, ‘হানুন’ এবং ‘যুউ’ বলা হয়। ‘বিনত’ (কন্যা), ‘ইবনাহ’ (কন্যা), ‘উখত’ (বোন), ‘হানাত’ ও ‘যাত’-এর ক্ষেত্রে ‘বানাত’, ‘আখাওয়াত’, ‘হানাত’, ‘হানাওয়াত’ এবং ‘যাওয়াত’ ব্যবহৃত হয়। মানুষের ক্ষেত্রে ‘উম্ম’ (মাতা)-এর বহুবচন হিসেবে ‘উম্মাহাত’ শব্দটি ‘আম্মাত’ অপেক্ষা অধিক প্রচলিত, আর অন্যান্য ক্ষেত্রে এর বিপরীতটিই অধিক। এমন স্ত্রীবাচক (مؤنث) শব্দ যা ‘হা’ যুক্ত অথবা ‘হা’ মুক্ত এবং যা তিন অক্ষরবিশিষ্ট (ثلاثي), যার মধ্যাক্ষর সহীহ (صحيح العين), সাকিনযুক্ত (ساكنة) এবং দ্বিত্বহীন (غير مضعفة) ও যা গুণবাচক (صفة) নয়, সেক্ষেত্রে তার মধ্যাক্ষরটির হরকত ঢালাওভাবে তার প্রথম অক্ষরকে (فاء) অনুসরণ করবে। পেশ (ضمة) ও যের (كسرة)-এর পরে তা ফাতহা (যবর) অথবা সাকিন হতে পারে। ‘ইয়া’ (ياء)-এর আগে পেশ এবং ‘ওয়াও’ (واو)-এর আগে যের হওয়া সর্বসম্মতভাবে নিষিদ্ধ; আর ‘ইয়া’-এর আগে যের হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ (خلف) রয়েছে। আর ইমাম আল-ফাররা-এর মতে যা শ্রুত নয় (অপ্রচলিত), সে ক্ষেত্রে এটি ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ। ‘জারওয়াত’ শব্দটি ব্যতিক্রম (شاذ) হিসেবে গণ্য এবং ‘লাজবাহ’ শব্দের ক্ষেত্রে ‘ফা’লাত’ (فعلات) ওযনটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; এবং ‘রাব’আহ’ শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রাধান্য পেয়েছে; এর কারণ হলো কারও কারও মতে এটি ‘লাজবাহ’ ও ‘রাব’আহ’ হিসেবে পঠিত হয়। কুতরুব-এর মতের বিপরীতে ‘কাহলাত’-এর ন্যায় বিরল (نادر) শব্দের ওপর ভিত্তি করে কিয়াস (قياس) করা যাবে না। আবু আল-আব্বাস-এর সাথে একমত পোষণ করে ‘লাজবাহ’ শব্দের ক্ষেত্রে কিয়াস (قياس) করা বৈধ। স্বেচ্ছায় কোনো শব্দকে ‘ফা’লাত’ (فعلات) ওযনে বলা যাবে না যদি সেটি ‘ফা’আলাত’ (فعلات) ওযনের উপযুক্ত হয়, তবে তার শেষ বর্ণে রুগ্নতা (إعلال) থাকা অথবা
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
سبه الصفة. وتفتح هذيل عين جوزات وبيضات ونحوهما واتفق على عيرات شذوذاً.
فصل:
يُتَمُّ في التثنية من المحذوفِ اللامِ ما يُتم في الاضافة لا غير ، ورُبَّما قيل: أبان وأخان ويَدَيان ودَمَيان ودَمَوان وفميان وفموان. وقالوا في ذات: ذاتا على اللفظ وذواتا على الأصل. ويثنى اسم الجمع والمكسر بغير زنة منتهاه.
… ويختار في المضافين لفظاً أو معنى الى مُتضمِّنيهما لفظُ الافراد على لفظ التثنية ولفظُ الجمعِ على لفظِ الافرادِ، فإن فُرِّق متضمناهما اختير الافراد، وربما جُمِع المنفصلان إن أُمن اللبسُ، ويُقاس عليه وفاقاً للفراء. ومطابقةُ ما لهذا الجمْع لمعناه أو لفظه جائزةٌ.
ويعاقب الافرادُ التثنيةَ في كل اثنين لا يغني احدهما عن الاخر. وربما تعاقبا مطلقا، وقد يقع افعلا ونحوه موقع افعل ونحوه. وقد تقدر تسمية جزء باسم كل، فيقع الجمع موقع واحد او مثناه.
গুণবাচক শব্দের সদৃশ। আর হুদাইল গোত্র 'জাওজাত' ও 'বাইদাত' এবং এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে 'আইন' বর্ণে ফাতহা প্রদান করে, আর 'আইরাত' শব্দের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি (شذوذ) হিসেবে এটি ঐক্যমত পোষণ করা হয়েছে।
পরিচ্ছেদ:
যেসব শব্দের 'লাম' বর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে, সেগুলোকে দ্বিবচন (تثنية) করার ক্ষেত্রে কেবল তা-ই পূর্ণ করা হয় যা সম্বন্ধ (إضافة) করার ক্ষেত্রে করা হয়ে থাকে। কখনো কখনো বলা হয়: আবান, আখান, ইয়াদায়ান, দামায়ান, দামাওয়ান, ফামাইয়ান এবং ফামাওয়ান। 'জাত' শব্দের ক্ষেত্রে তারা উচ্চারণ অনুযায়ী 'জাতা' এবং মূল ভিত্তি অনুযায়ী 'জাওয়াতা' বলে থাকে। সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (اسم الجمع) এবং এমন ভগ্ন বহুবচন (مكسر) যা তার চূড়ান্ত ওজনে নেই, সেগুলোকে দ্বিবচন করা হয়।
… শব্দগত বা অর্থগতভাবে দুটি সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) পদের ক্ষেত্রে যখন তাদের মূল অন্তর্ভুক্তকারী বিষয়ের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, তখন দ্বিবচন (تثنية) শব্দের পরিবর্তে একবচন (إفراد) শব্দ ব্যবহার এবং একবচন (إفراد) শব্দের পরিবর্তে বহুবচন (جمع) শব্দ ব্যবহার করাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। যদি তাদের অন্তর্ভুক্তকারী শব্দ দুটিকে পৃথক করে দেওয়া হয়, তবে একবচন (إفراد) নির্বাচন করা হয়। বিভ্রান্তির সম্ভাবনা না থাকলে কখনো কখনো পৃথক দুটি শব্দকেও বহুবচন (جمع) করা হয় এবং আল-ফাররার মতানুসারে একে কিয়াস (قياس) করা হয়। এই বহুবচন (جمع) এর বিধান তার অর্থের সাথে বা শব্দের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া বৈধ।
এমন প্রতিটি দ্বৈত বিষয়ের ক্ষেত্রে যেখানে একটি অন্যটির বিকল্প হতে পারে না, সেখানে একবচন (إفراد) দ্বিবচন (تثنية) এর স্থলাভিষিক্ত হয়। আবার কখনো তারা সাধারণভাবে একে অপরের স্থলাভিষিক্ত হয়। অনেক সময় 'আফ'আলা' বা এর সদৃশ শব্দ 'আফ'আলু' বা এর সদৃশ শব্দের স্থলাভিষিক্ত হয়। কখনো কখনো কোনো অংশের নামকরণ করা হয় পূর্ণের নামে, যার ফলে বহুবচন (جمع) একবচন বা দ্বিবচন (تثنية) এর স্থলাভিষিক্ত হয়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
فصل:
يُجمع بالالف والتاء قياساً ذو تاء التأنيث مطلقاً، وعَلَمُ المؤنث مطلقاً، وصفة المذكر الذي لا يعقل، ومصغره، واسم الجنس المؤنث بالالف ان لم يكن فعلى فعلان او فعلاء افعل غير منقولين الى الاسمية حقيقة او حكما وما سوى ذلك مقصور على السماع.
পরিচ্ছেদ:
আলিফ এবং তা যোগে নিয়ম অনুযায়ী (قيাসاً) বহুবচন করা হয়—সাধারণভাবে (مطلقاً) স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘তা’ (تاء التأنيث) যুক্ত শব্দ, সাধারণভাবে (مطلقاً) স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিশেষ্য (علم المؤنث), বিবেকহীন পুংলিঙ্গবাচক শব্দের বিশেষণ (صفة) ও তার ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ (مصغر), এবং আলিফ দ্বারা গঠিত স্ত্রীলিঙ্গবাচক জাতীয় বিশেষ্য (اسم الجنس); যদি সেগুলো ‘ফালান-ফা’লা’ (فعلان-فعلى) অথবা ‘আফ’আল-ফাউ’লা’ (افعل-فعلاء) ওজনে না হয়ে থাকে এবং প্রকৃতপক্ষে বা বিধানগতভাবে বিশেষ্য (اسمية) হিসেবে রূপান্তরিত না হয়। এছাড়া অন্য যা কিছু আছে তা কেবল শ্রবণনির্ভর (سماع) হওয়ার ওপরই সীমাবদ্ধ।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
الاسمُ معرفةٌ ونكرةٌ؛ فالمعرفةُ مضمرٌ وعلمٌ ومشارٌ به ومنادى وموصول ومضاف وذو أداة. وأعْرَفُها ضميرُ المتكلم، ثم ضميرُ المخاطب. ثم العلم، ثم ضمير الغائب السالم عن ابهام، ثم المشار به، ثم المنادى، والموصول به وذو الاداة، والمضاف بحسب المضاف اليه. وقد يعرض للمفوق ما يجعله مساويا او فائقا.
وليس ذو الاشارة قبل العلم، خلافاً؛ للكوفيين؛ ولا ذو الاداة قبل الموصول؛ ولا من ولا للمستفهم بهما معرفتين؛ خلافاً لأبن كيسان في المسألتين.
বিশেষ্য (اسم) নির্দিষ্ট (معرفة) ও অনির্দিষ্ট (نكرة) হয়ে থাকে; নির্দিষ্ট (معرفة) বিশেষ্যগুলো হলো— সর্বনাম (مضمر), নামবাচক বিশেষ্য (علم), নির্দেশক শব্দ (مشار به), সম্বোধিত (منادى), সংযোগকারী (موصول), সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) এবং পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত (ذو أداة) বিশেষ্য। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্দিষ্ট হলো উত্তম পুরুষের (متكلم) সর্বনাম, অতঃপর মধ্যম পুরুষের (مخاطب) সর্বনাম। এরপর নামবাচক বিশেষ্য (علم), তারপর অস্পষ্টতা (ابهام) থেকে মুক্ত নাম পুরুষের (غائب) সর্বনাম, এরপর নির্দেশক শব্দ (مشار به), অতঃপর সম্বোধিত (منادى), সংযোগকারী (موصول) ও পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত (ذو أداة) শব্দ এবং সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) শব্দটি তার সম্বন্ধপদের (مضاف اليه) পর্যায় অনুযায়ী নির্দিষ্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। কখনও কখনও নিম্ন পর্যায়ের বিশেষ্যের ক্ষেত্রে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় যা তাকে উচ্চতর পর্যায়ের সমতুল্য বা তার চেয়েও বেশি নির্দিষ্ট করে তোলে।
নির্দেশক শব্দ (مشار به) নামবাচক বিশেষ্যের (علم) আগে নয় (অর্থাৎ অধিক নির্দিষ্ট নয়), এ বিষয়ে কুফাবাসীদের (كوفيين) মত ভিন্ন। পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত (ذو أداة) শব্দও সংযোগকারীর (موصول) পূর্বে নয়। প্রশ্নবোধক (مستفهم) হিসেবে ব্যবহৃত 'মান' ও 'মা' নির্দিষ্ট (معرفة) নয়; উভয় মাসআলার ক্ষেত্রে ইবনে কায়সানের মত এর বিপরীত।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
وهو الموضوع لتعيين مسماه مشعراً بتكلمه او خطابه او غيبته.
فمنه واجب الخفاء وهو المرفوع بالمضارع ذي الهمزة او النون، وبفعل امر المخاطب، ومضارعه، واسم فعل الامر مطلقا.
ومنه جائزُ الخفاءِ ، وهو المرفوع بفعلِ الغائبِ والغائبة أو معناه من اسم وفعل وصفة وظرف وشبهه.
ومِنْه بارزٌ مُتَّصلٌ: وهو إن عُنِي به المَعْنِيُّ بنَفْعل “ نا “ في الاعراب كله، وان رفع بفعل ماض فتاء تضم للمتكلم، وتفتح للمخاطب، وتكسر للمخاطبة، وتوصل مضمومة بميم والف والمخاطبتين، وبميم مضمومة ممدودة للمخاطبين، وبنون مشددة للمخاطبات. وتسكين ميم الجمع
এটি এমন একটি শব্দ যা তার উদ্দিষ্ট সত্তাকে নির্দিষ্ট করার জন্য গঠিত, যা বক্তার উপস্থিতি (تكلم), সম্বোধন (خطاب) অথবা অনুপস্থিতির (غيبة) ইঙ্গিত প্রদান করে।
তার একটি প্রকার হলো আবশ্যিকভাবে উহ্য (واجب الخفاء); এটি এমন যা হামযাহ (همزة) অথবা নুন (نون) বিশিষ্ট মুজারে (مضارع) ক্রিয়া, সম্বোধিত ব্যক্তির (مخاطب) আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل امر), তার মুজারে (مضارع) এবং সাধারণভাবে আদেশসূচক ক্রিয়াবিশেষ্য (اسم فعل امر) দ্বারা মারফু (مرفوع) হয়।
আরেকটি প্রকার হলো বৈধভাবে উহ্য (جائز الخفاء); এটি এমন যা অনুপস্থিত পুরুষ (غائب) ও অনুপস্থিত স্ত্রী (غائبة) বাচক ক্রিয়া অথবা বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل), বিশেষণ (صفة), অধিকরণ (ظرف) ও এর সদৃশ অর্থবোধক শব্দ দ্বারা মারফু (مرفوع) হয়।
এবং তার মধ্যে রয়েছে প্রকাশ্য সংযুক্ত (بارز متصل): যদি এর দ্বারা ‘নাফআলু’ ক্রিয়ার অর্থবোধক ‘না’ (نا) উদ্দেশ্য হয়, তবে তা সকল ই’রাবের (اعراب) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। আর যদি এটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض) দ্বারা মারফু (مرفوع) হয়, তবে বক্তার (متكلم) ক্ষেত্রে পেশযুক্ত ‘তা’, সম্বোধিত পুরুষের (مخاطب) জন্য জবরযুক্ত এবং সম্বোধিত স্ত্রীর (مخاطبة) জন্য জেরযুক্ত (تكسر) হবে। দ্বিবচন সম্বোধিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি পেশযুক্ত হয়ে মিম ও আলিফের সাথে যুক্ত হয়, বহুবচন সম্বোধিত পুরুষদের ক্ষেত্রে পেশযুক্ত মিম ও দীর্ঘ আলিফের সাথে যুক্ত হয় এবং বহুবচন সম্বোধিত নারীদের ক্ষেত্রে তাসদীদযুক্ত নুনের (نون مشددة) সাথে যুক্ত হয়। আর বহুবচনের মিমকে (ميم الجمع) সাকিন করা (تسكين)।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
إن لم يلها ضمير متصل أعرف، وان وليها لم يجز التسكين، خلافاً ليونس.
وإن رُفع بفعل غيره فهو نون مفتوحة للمخاطبات، أو الغائبات، وألف التثنية في غير المتكلم، وواو للمخاطبين او الغائبين، وياء للمخاطبة، وللغائب مطلقا مع الماضي ما له مع المضارع، وربما استغني معه بالضمة عن الواو، وليس الاربع علامات، والفاعل مستكن خلافاً للمازني فيهن، وللاخفش في الياء.
ويُسكن اخر المسند الى التاء والنون و “ نا “، ويحذف ما قبله من معتل، وتُنقل حركته الى فاء الماضي الثلاثي، وإن كانت فتحة ابدلت بمجانسة المحذوف ونقلت؛ وربما نقل دون اسناد الى احد الثلاثة في زال وكاد اختي كان وعسى، وحركة ما قبل الواو والياء مجانسة، فان ماثلها او كان الفاً حذف وولي ما قبله بحاله، وان كان الضمير واواً والاخِرُ ياءً أو بالعكس، حذف الاخر وجعلت الحركة المجانسة على ما قبله.
যদি এর পরে এমন কোনো সংযুক্ত সর্বনাম (ضمير متصل) না থাকে যা অধিকতর পরিচিত, আর যদি তা পরে থাকে তবে সাকিন করা (تسكين) জায়েজ নয়, যা ইউনুসের মতের পরিপন্থী।
আর যদি অন্যের ক্রিয়া দ্বারা রফাপ্রাপ্ত (مرفوع) হয়, তবে তা সম্বোধনকৃত স্ত্রীবাচক বহুবচন বা অনুপস্থিত স্ত্রীবাচক বহুবচনের জন্য জবরযুক্ত নুন (نون مفتوحة), মুতাকাল্লিম ব্যতীত অন্যদের জন্য দ্বিবচনের আলিফ (ألف التثنية), সম্বোধনকৃত বা অনুপস্থিত পুরুষবাচক বহুবচনের জন্য ওয়াও (واو) এবং সম্বোধনকৃত স্ত্রীবাচক একবচনের জন্য ইয়া (ياء)। অতীতকালীন ক্রিয়ার (ماضي) ক্ষেত্রে অনুপস্থিতের জন্য যা প্রযোজ্য, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ার (مضارع) ক্ষেত্রেও তা-ই প্রযোজ্য। কখনও কখনও ওয়াও-এর পরিবর্তে পেশ (ضمة) দ্বারাই প্রয়োজন পূরণ করা হয়। এগুলো চারটি চিহ্ন (علامات) নয়, বরং এগুলোর মধ্যে কর্তা (فاعل) উহ্য থাকে—যা এগুলোর ক্ষেত্রে মাযিনীর মতের পরিপন্থী এবং ইয়া-এর ক্ষেত্রে আখফাশের মতের পরিপন্থী।
আর যা 'তা', 'নুন' এবং 'না'-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয় তার শেষ বর্ণকে সাকিন করা হয়, এবং এর পূর্বের দুর্বল বর্ণ (معتل) বিলুপ্ত করা হয়। তার হরকতটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট অতীতকালীন ক্রিয়ার (ماضي ثلاثي) প্রথম অক্ষরে স্থানান্তরিত করা হয়। যদি তা জবর (فتحة) হয়, তবে বিলুপ্ত বর্ণের সমগোত্রীয় হরকতে রূপান্তরিত করে তা স্থানান্তর করা হয়। কখনও কখনও 'যালা' ও 'কাদা' — যা 'কানা' ও 'আসা'-র সমগোত্রীয় — শব্দদ্বয়ে এই তিনটির কোনোটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা ছাড়াই হরকত স্থানান্তর করা হয়। ওয়াও এবং ইয়া-এর পূর্বের হরকতটি সমগোত্রীয় হয়। যদি তা সমরূপ হয় অথবা আলিফ (ألف) হয়, তবে তা বিলুপ্ত হবে এবং তার পূর্বের বর্ণটি নিজ অবস্থায় থাকবে। আর যদি সর্বনামটি (ضمير) ওয়াও হয় এবং শেষ বর্ণটি ইয়া হয় অথবা এর বিপরীত হয়, তবে শেষ বর্ণটি বিলুপ্ত হবে এবং পূর্বের বর্ণে সমগোত্রীয় হরকত প্রদান করা হবে।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ويأتي ضميرُ الغائبين كضمير الغائبة كثيراً، لتأوّلهم بجماعة وكضمير الغائب قليلا؛ لتأولهم بواحد يفهم الجمع او لسد واحد مسدهم. ويعامل بذلك ضمير الاثنين وضمير الاناث بعد افعل التفضيل كثير ودونه قليلا.
ولجمع الغائب غير العاقل ما للغائبة او الغائبات وفعلت ونحوه اولى من فعلن ونحوه بأكثر جمعه واقله والعاقلات مطلقا بالعكس. وقد يوقع فعلن موقع فعلوا؛ طلبا التشاكل كما قد يسوغ لكلمات. اخر غير ما لها من حكم ووزن.
ومن البارز المتصل في الجر والنصب ياء للمتكلم، وكاف مفتوحة للمخاطب، ومكسورة للمخاطبة، وها للغائبة، وهاء مضمومة للغائب، وان وليت ياء ساكنة او كسرة كسرها غير الحجازين، وتشبع حركتها بعد متحرك، ويختار الاختلاس بعد ساكن مطلقا وفاقا لأبي العباس، وقد تسكن او تختلس الحركة بعد متحرك عند بني عقيل وبني كلاب اختيارا وعند غيرهم اضطرارا. وان فصل
পুংলিঙ্গ বহুবচন নামপুরুষের সর্বনাম (ضمير الغائبين) প্রায়শই স্ত্রীলিঙ্গ একবচন নামপুরুষের সর্বনামের (ضمير الغائبة) ন্যায় ব্যবহৃত হয়; তাদেরকে একটি সমষ্টি (جماعة) হিসেবে গণ্য করার কারণে। আর খুব অল্প ক্ষেত্রে তা একবচন পুংলিঙ্গ নামপুরুষের সর্বনামের (ضمير الغائب) ন্যায় আসে; কারণ তাদেরকে এমন এক হিসেবে গণ্য করা হয় যা বহুবচনের অর্থ প্রদান করে অথবা একজনকে অন্যদের স্থলাভিষিক্ত ধরা হয়। ইসমে তাফদীল (افعل التفضيل)-এর পরে দ্বিবচন ও স্ত্রীবাচক সর্বনামের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রায়ই প্রযোজ্য হয়, তবে এর ব্যতিক্রমও অল্প দেখা যায়।
বিবেচনাশক্তিহীন (غير العاقل) বস্তুর বহুবচন নামপুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ একবচন (الغائبة) অথবা স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচনের (الغائبات) নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এক্ষেত্রে ‘ফায়ালাত’ (فعلت) এবং এই জাতীয় রূপগুলো ‘ফায়ালনা’ (فعلن) অপেক্ষা অধিকতর উপযোগী, চাই তা বহুবচনের আধিক্য বা স্বল্পতা যাই বুঝাক না কেন। তবে বিবেকসম্পন্ন স্ত্রীবাচক (العاقلات) শব্দের ক্ষেত্রে বিষয়টি এর বিপরীত। কখনও কখনও সামঞ্জস্য রক্ষার (التشاكل) উদ্দেশ্যে ‘ফায়ালু’ (فعلوا)-এর স্থলে ‘ফায়ালনা’ (فعلن) ব্যবহৃত হয়; যেমনটি অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রেও তাদের নির্দিষ্ট বিধান ও ওজনের (وزن) বাইরে প্রয়োগ অনুমোদিত হয়।
জের (الجر) এবং নসব (النصب) অবস্থায় সংযুক্ত প্রকাশ্য সর্বনামগুলোর (البارز المتصل) মধ্যে রয়েছে: উত্তম পুরুষের (متكلم) জন্য ‘ইয়া’, পুংলিঙ্গ মধ্যম পুরুষের (مخاطب) জন্য জবরযুক্ত ‘কাফ’, স্ত্রীলিঙ্গ মধ্যম পুরুষের (مخاطبة) জন্য জেরযুক্ত ‘কাফ’, স্ত্রীলিঙ্গ নামপুরুষের (غائبة) জন্য ‘হা’ (হা-আলফে মাকসুরা) এবং পুংলিঙ্গ নামপুরুষের (غائب) জন্য পেশযুক্ত ‘হা’। যদি এই ‘হা’ সাকিনযুক্ত ‘ইয়া’ অথবা জেরের পরে আসে, তবে হিজাজবাসীগণ ব্যতীত অন্যান্যেরা একে জের প্রদান করেন। হরকতযুক্ত বর্ণের পরে আসলে এই হরকতকে পূর্ণ ধ্বনিসহ (تشبع) উচ্চারণ করা হয়। আর সাকিনযুক্ত বর্ণের পরে আসলে আবু আব্বাস-এর মতানুসারে সর্বদা দ্রুত উচ্চারণ (الاختلاس) করাই পছন্দনীয়। বনু আকিল ও বনু কিলাব গোত্রের নিকট হরকতযুক্ত বর্ণের পরে এটি সাকিন করা বা দ্রুত উচ্চারণ করা ঐচ্ছিক বিষয়, তবে অন্যদের নিকট এটি কেবল বাধ্যবাধকতার (اضطرارا) ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। আর যদি এটি বিচ্ছিন্ন হয়...
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
المتحرك في الاصل ساكن حذف جزما او وقفا جازت الاوجه الثلاثة.
ويلي الكاف والهاء في التثنية والجمع ما ولي التاء، وربما كسرت الكاف فيهما بعد ياء ساكنة او كسرة، وكسر ميم الجمع بعد الهاء المكسورة باختلاس قبل ساكن وبإشباع دونه اقيس، وضمها قبل ساكن واسكانها قبل متحرك اشهر. وربما كسرت قبل ساكن مطلقا.
فصل:
تلحق قبل ياء المتكلم ان نصب بغير صفة، او جر بمن او عن او قد او قط او بجل او لدن نون مكسورة للوقاية، وحذفها مع لدن واخوات ليت جائز، وهو مع بجل ولعل اعرف من الثبوت، ومع ليس وليت ومن وعن وقد وقط بالعكس، وقد تلحق مع اسم الفاعل وافعل التفضيل، وهي الباقية في فليني لا الاولى وفاقا لسيبويه.
فصل:
من المضمر منفصل في الرفع منه للمتكلم انا محذوف الالف في وصل عند غير تميم، وقد يقال: هنا وان، ويتلوه في الخطاب تاء حرفية كالاسمية لفظا وتصرفا
মূলগতভাবে সচল (متحرك) বর্ণ যা জযম (جزم) বা বিরতি (وقف) দেওয়ার কারণে বিলুপ্ত হয়েছে, তাতে তিনটি পদ্ধতিই বৈধ।
দ্বিবচন (تثنية) ও বহুবচনের (جمع) ক্ষেত্রে 'কাফ' এবং 'হা' বর্ণের পরে সেই বর্ণটিই আসে যা 'তা' বর্ণের পরে আসে। স্থির ইয়া (ياء ساكنة) অথবা কাসরা (كسرة)-র পরে উক্ত বর্ণদ্বয়ের 'কাফ' বর্ণটিতে কখনও কাসরা প্রদান করা হয়। সাকিন (ساكن) বর্ণের পূর্বে কাসরাযুক্ত 'হা' এর পরবর্তী মিম আল-জম (ميم الجمع)-কে সংক্ষিপ্ত উচ্চারণের (اختلاس) সাথে কাসরা প্রদান করা এবং সাকিন বিহীন অবস্থায় পূর্ণ উচ্চারণের (إشباع) সাথে কাসরা প্রদান করা অধিক নিয়মসিদ্ধ। সাকিনের পূর্বে পেশ (ضم) প্রদান করা এবং সচল (متحرك) বর্ণের পূর্বে সাকিন (إسكان) রাখা অধিক প্রসিদ্ধ। কখনও সাকিনের পূর্বে সাধারণভাবে কাসরা প্রদান করা হয়।
অনুচ্ছেদ:
যদি 'ইয়া আল-মুতাকাল্লিম' সিফাত (صفة) ব্যতীত অন্য কিছুর মাধ্যমে নসব (نصب) প্রাপ্ত হয়, অথবা 'মিন', 'আন', 'কাদ', 'কাত', 'বাজাল' বা 'লাদুন' দ্বারা জর (جر) প্রাপ্ত হয়, তবে তার পূর্বে একটি কাসরাযুক্ত নুন আল-বিকায়া (نون الوقاية) যুক্ত হয়। 'লাদুন' এবং 'লাইতা'-র সমগোত্রীয় শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিলুপ্ত করা বৈধ। 'বাজাল' এবং 'লাআল্লা'-র ক্ষেত্রে এটি বহাল রাখার চেয়ে বিলুপ্ত করাই অধিক পরিচিত। তবে 'লাইসা', 'লাইতা', 'মিন', 'আন', 'কাদ' ও 'কাত'-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি এর বিপরীত। কখনও কখনও এটি কর্তৃবাচক বিশেষ্য (اسم الفاعل) এবং আতিশয্যবাচক বিশেষ্য (أفعل التفضيل)-এর সাথেও যুক্ত হয়। সিবাহওয়াই-এর মতানুসারে, 'ফাল ইয়ানি' শব্দের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি অবশিষ্ট থাকে, প্রথমটি নয়।
অনুচ্ছেদ:
বিচ্ছিন্ন সর্বনাম (المضمر المنفصل)-এর মধ্যে রফ (رفع) অবস্থায় উত্তম পুরুষের জন্য ব্যবহৃত হয় 'আনা'। তামীম গোত্র ব্যতীত অন্যদের নিকট মিলন (وصل) বা যুক্ত করে পড়ার সময় এর 'আলিফ' বিলুপ্ত হয়। কখনও কখনও একে 'হানা' বা 'আন' বলা হয়। মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে এর পরে একটি হরফী 'তা' আসে যা শব্দগত ও রূপান্তরগত দিক থেকে ইসমী 'তা'-এর ন্যায়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
، ولفاعل نفعل نحن، وللغيبة هو وهي وهم وهن، ولميم الجمع في الانفصال ما لها في الاتصال.
وتسكين هاء “هو” و”هي “ بعد الفاء والواو واللام وثم جائز. وقد تسكت بعد همزة الاستفهام وكاف الجر، وتحذف الواو والياء واضطرار وتُسكنهما قيسٌ وأسد وتشددهما همدان.
ومن المضمرات “ إيَّا “ خِلافاً للزجاج. وهو في النصب كأنا في الرفع، لكن يليه دليل ما يراد به من متكلم او غيره، اسما مضافا اليه وفاقا للخليل والاخفش والمازني، لا حرفا خلافا لسيبويه ومن وافقه. ويقال: اياك واياك وهياك وهياك.
فصل:
يتعين انفصال الضمير إن حُصِرَ بإنما، او رُفع بمصدرٍ مُضاف الى المنصوب، او بصفة جرت على غير صاحبها، او اضمر العامل، او أُخِّر، أو كان حرف نفي أو فَصَلَهُ متبوع، او ولي واو المصاحبة، او إلا، او ما، او اللام الفارقة، او نصبه عامل في مضمر قبله
এবং ‘নাফআলু’ (نفعل) ক্রিয়ার কর্তার (فاعل) জন্য ‘নাহনু’ (نحن), নামপুরুষের (الغيبة) জন্য ‘হুয়া’ (هو), ‘হিয়া’ (هي), ‘হুম’ (هم) ও ‘হুন্না’ (هن) ব্যবহৃত হয়। পৃথক সর্বনামের (انفصال) ক্ষেত্রে বহুবচনের ‘মিম’ (ميم الجمع)-এর বিধান সেটিই, যা যুক্ত সর্বনামের (اتصال) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
‘ফা’ (الفاء), ‘ওয়াও’ (الواو), ‘লাম’ (اللام) এবং ‘ছুম্মা’ (ثم)-এর পরে ‘হুয়া’ (هو) ও ‘হিয়া’ (هي)-এর ‘হা’ (هاء) বর্ণটিকে সাকিন করা বৈধ। কখনো কখনো প্রশ্নবোধক হামযাহ (همزة الاستفهام) এবং ‘কাফ-এ-জর’ (كاف الجر)-এর পরেও এটি সাকিন করা হয়। ছন্দের প্রয়োজনে (اضطرار) ‘ওয়াও’ (الواو) ও ‘ইয়া’ (الياء) বিলুপ্ত করা হয়। কায়স (قيس) ও আসাদ (أسد) গোত্র এই উভয়কে সাকিন করে পড়ে এবং হামদান (همদান) গোত্র এগুলোকে তাশদীদযুক্ত করে পাঠ করে।
যাজ্জাজ (الزجاج)-এর ভিন্নমতের বিপরীতে ‘ইইয়্যা’ (إيَّا) একটি সর্বনাম (المضمرات)। এটি নসবের (النصب) ক্ষেত্রে সেরূপ যেমন রাফ’র (الرفع) ক্ষেত্রে ‘আনা’ (أنا)। তবে এর পরে এমন একটি চিহ্ন যুক্ত হয় যা দ্বারা বক্তা বা অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করা হয়। খলিল (الخليل), আখফাশ (الأخفش) ও মাযিনি (المازني)-এর ঐকমত্য অনুযায়ী এটি একটি মুদাফ ইলাইহি (اسم مضاف اليه) বিশেষ্য; সিবওয়াইহ (سيبويه) ও তাঁর অনুসারীদের মতানুসারে এটি কোনো হরফ (حرف) নয়। বলা হয়ে থাকে: ‘ইয়্যাকা’ (اياك), ‘ইয়্যাকি’ (اياك), ‘হিয়্যাকা’ (هياك) ও ‘হিয়্যাকি’ (هياك)।
পরিচ্ছেদ:
সর্বনাম পৃথক হওয়া (انفصال) অত্যাবশ্যক হয় যদি তা ‘ইন্নামা’ (إنما) দ্বারা সীমাবদ্ধ করা হয়, অথবা যদি এমন কোনো মাসদার (مصدر) দ্বারা রাফ’ (رفع) প্রদান করা হয় যা মানসুবের (المنصوب) দিকে মুদাফ হয়েছে, অথবা এমন কোনো সিফাত (صفة) দ্বারা যা তার প্রকৃত মালিক (صاحبها) ব্যতিরেকে অন্যের ওপর প্রযুক্ত হয়েছে, অথবা আমিল (العامل) উহ্য থাকলে, অথবা আমিল পরে আসলে, অথবা কোনো না-বোধক হরফ (حرف نفي) থাকলে, অথবা অনুগামী পদ (متبوع) তাকে পৃথক করলে, অথবা এটি ‘ওয়াও-এ-মুসাহাবাত’ (واو المصاحبة), ‘ইল্লা’ (إلا), ‘মা’ (ما) কিংবা ‘লাম-এ-ফারিক্বাহ’ (اللام الفارقة)-এর পরে আসলে, অথবা কোনো আমিল (عامل) তাকে তার পূর্ববর্তী কোনো সর্বনামের (مضمر) কারণে নসব (نصب) প্রদান করলে।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
غير مرفوع ان اتفقا رتبة، وربما اتصلا غائبين ان لم يشتبها لفظا.
وإن اختلفا رُتبة جاز الامران، ووجب في غير ندور تقديم الاسبق رتبة مع الاتصال؛ خلافا للمبرد ولكثير من القدماء، وشذ الاك فا يقاس عليه.
ويختار اتصال نحو هاء اعطيتكه، وانفصال الاخرمن نحو: فراقيها ومنعكها وخلتكه. وكهاء اعطيتكه هاء كنته، وخلف ثاني مفعولي نحو: اعطيت زيدا درهما في باب الاخبار. ونحو: ضَمِنَتْ ايَّاهُمُ الأرضُ، ويزيدُهُم حُبَّاً إليَّ هُمُ ـ مِنَ الضرورات.
فصل:
الاصلُ تقديم مُفسِّرِ ضميرِ الغائبِ، ولا يكون غيرَ الاقرب الا بدليل، وهو إما مصرح بلفظه، او مُستغنىً عنه بحضور مدلوله حسا او علما او بذكر ما هو جزء او كل او نظير او مصاحب بوجه ما.
মর্যাদায় সমান হলে এটি মারফু (مرفوع) নয়, এবং উচ্চারণে বিভ্রান্তি না ঘটলে সম্ভবত তারা অনুপস্থিত সর্বনাম হিসেবে সংযুক্ত (اتصال) অবস্থায় আসবে।
যদি তারা মর্যাদায় ভিন্ন হয় তবে উভয় পদ্ধতিই বৈধ, এবং বিরল ক্ষেত্র ব্যতীত মর্যাদাগতভাবে অগ্রগামীটিকে সংযুক্ত (اتصال) অবস্থায় আগে আনা আবশ্যক; যা মুবাররাদ এবং প্রাচীন পণ্ডিতদের অনেকের মতের পরিপন্থী, আর 'ইল্লাকা' শব্দটি ব্যতিক্রম (شاذ) যার ওপর ভিত্তি করে কিয়াস করা চলবে না।
'আ'তাইতুকাহু'-এর 'হা'-এর ন্যায় ক্ষেত্রে সংযুক্ত (اتصال) হওয়াকে প্রাধান্য দেওয়া হয় এবং 'ফিরাকিহা', 'মান'আকাহা' ও 'খালাততুকা'-এর ন্যায় শব্দে অন্যটির বিচ্ছিন্ন (انفصال) হওয়াকে। 'আ'তাইতুকাহু'-এর 'হা'-এর ন্যায় 'কুনতুহু'-এর 'হা'-এর হুকুম; এবং সংবাদ প্রদানের অধ্যায়ে 'আ'তাইতু যাইদান দিরহামান'-এর মতো দ্বিতীয় কর্মের ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে। আর 'দামিনাত ইয়াহুমুল আরদু' এবং 'ইয়াযিদুহুম হুব্বান ইলাইয়্যা হুম'-এর মতো উদাহরণগুলো কাব্যিক প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত।
পরিচ্ছেদ:
মূলনীতি হলো অনুপস্থিত সর্বনামের ব্যাখ্যা প্রদানকারীকে অগ্রে রাখা, এবং কোনো প্রমাণ ব্যতিরেকে এটি নিকটবর্তী শব্দ ছাড়া অন্য কিছু হবে না। সেই প্রমাণটি হয় শব্দে স্পষ্টভাবে উল্লিখিত থাকবে, অথবা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য উপস্থিতি বা জ্ঞানের মাধ্যমে তা সুস্পষ্ট হবে, কিংবা এমন কিছু উল্লেখ করার মাধ্যমে যা তার অংশ, পূর্ণতা, সদৃশ বা কোনোভাবে তার সাথে সংশ্লিষ্ট।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وقد يقدم الضمير المكمل معمول فعل او شبهه على مفسر صريح كثيرا ان كان المعمول مؤخر الرتبة، وقليلا ان كان مقدمها، وشاركه صاحب الضمير في عامله.
1/ 554
ويتقدم أيضاً غير منوي التأخير ان جُرَّ بِرُبَّ، او رُفِع بنِعْمَ، او شِبْهها، او بأول المتنازعين، أو أبدل منه المفسر، او جُعِل خَبَرُهُ، او كان المسمى ضميرَ الشأن عند البصريين، وضميرَ المجهول عند الكوفيين.
ولا يُفسَّر الا بجملة خبرية مصرح بجزأيها؛ خلافاً للكوفيين في نحو: ظننته قائماً زيدٌ، وإنَّه ضُرِبَ أو قام.
وافراده لازم وكذا تذكيره مالم يَلِهِ مُؤنث، او مُذكر شبيهٌ به مؤنثٌ، أو فعل بعلامة تأنيث، فيرجح تعبيره باعتبار القصة على تذكيره باعتبار الشأن.
কখনও কখনও কোনো ক্রিয়া বা তদ্রূপ শব্দের আমলযোগ্য (معمول) পরিপূরক সর্বনামকে তার স্পষ্ট ব্যাখ্যাকারীর (مفسر) পূর্বে উল্লেখ করা হয়। এটি অধিক হারে ঘটে যদি আমলযোগ্য পদটি পদমর্যাদার দিক থেকে পশ্চাদবর্তী হয়, আর অল্প ক্ষেত্রে ঘটে যদি তা অগ্রবর্তী হয় এবং সর্বনামের অধিকারী ব্যক্তি তার আমল প্রদানকারীর (عامل) ক্ষেত্রে অংশীদার হয়।
1/ 554
এমন সর্বনামকেও অগ্রবর্তী করা হয় যা বিলম্বিত হওয়ার সংকল্পে থাকে না, যদি তা 'রুব্বা' (رُبَّ) দ্বারা মাজরুর (مجرور) হয়, অথবা 'নি'মা' (نِعْمَ) বা তদ্রূপ শব্দ দ্বারা মারফু (مرفوع) হয়, অথবা বিবাদমান আমল প্রদানকারীদের (متنازعين) প্রথমটি দ্বারা মারফু (مرفوع) হয়, অথবা যদি ব্যাখ্যাকারী (مفسر) তার থেকে স্থলাভিষিক্ত (بدل) হিসেবে আসে, কিংবা যদি তাকে সংবাদ (خبر) বানানো হয়, অথবা যদি তা বসরী ব্যাকরণবিদদের নিকট শান বিষয়ক সর্বনাম (ضمير الشأن) এবং কুফী ব্যাকরণবিদদের নিকট অজ্ঞাত সর্বনাম (ضمير المجهول) হিসেবে অভিহিত হয়।
আর এটি কেবল এমন সংবাদসূচক বাক্য (جملة خبرية) দ্বারাই ব্যাখ্যা করা হয় যার উভয় অংশ স্পষ্টভাবে ব্যক্ত থাকে; কুফী ব্যাকরণবিদদের মতের বিপরীতে যেমন: 'আমি তাকে দণ্ডায়মান ভেবেছিলাম অর্থাৎ জায়েদ' (ظننته قائماً زيدٌ), এবং 'নিশ্চয় বিষয়টি হলো এই যে তাকে প্রহার করা হয়েছে' (إنَّه ضُرِبَ) বা 'সে দাঁড়িয়েছে' (قام)।
এর একবচন (إفراد) হওয়া আবশ্যক এবং তদ্রূপ পুংলিঙ্গ (تذكير) হওয়াও জরুরি, যতক্ষণ না এর পরে কোনো স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث) শব্দ আসে, অথবা স্ত্রীলিঙ্গসদৃশ কোনো পুংলিঙ্গ শব্দ আসে, কিংবা স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্নযুক্ত কোনো ক্রিয়া (فعل) আসে; এমতাবস্থায় ঘটনার (قصة) বিচারে স্ত্রীলিঙ্গ রূপে ব্যক্ত করাকে বিষয়ের (শান) বিচারে পুংলিঙ্গ করার ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়।
(খণ্ড: ১)
তাসহীলুল ফাওয়াইদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
ويَبرزُ مبتدًأ واسم “ما “، ومنصوباً في بابي “إنَّ وظنَّ”، ويستكن في بابَيْ كان وكاد.
وبني المضمر لشبهه بالحرف وضعا، وافتقاراً، وجموداً، أو للاستغناء باختلاف صيغه لاختلاف المعاني. واعلاها اختصاصا ما للمتكلم وادناها ما للغائب، ويغلب الاخص في الاجتماع.
من المضمرات المسمى عند البصريين “فصلاً “، وعند الكوفيين “عماداً “، ويقع بلفظ المرفوع المنفصل مطابقا لمعرفة قبل ـ باقي الابتداء او منسوخه ـ ذي خبر بعد، معرفة او كمعرفة في امتناع دخول الالف واللام عليه.
وأجاز بعضهم وقوعه بين نكرتين كمعرفتين، وربما وقع بين حال وصاحبها، وربما وقع بلفظ الغيبة بعد حاضر قائم مقام مضاف. ولا يتقدم مع الخبر المقدم خلافا للكسائي، ولا موضع له من الاعراب على الاصح، وانما يتعين فصليته اذا وليه منصوب وقرن باللام، او ولي ظاهرا وهو مبتدأ مخبر عنه بما بعده عند كثير من العرب.
এটি মুক্তাদা (مبتدأ) এবং ‘মা’ (ما) এর ইসিম (اسم) হিসেবে প্রকাশ্য হয়, এবং ‘ইন্না’ (إنَّ) ও ‘জন্না’ (ظنَّ) এর পরিচ্ছেদে মানসুব (منصوب) হিসেবে আসে; আর ‘কানা’ (كان) ও ‘কাদা’ (كাদ) এর পরিচ্ছেদে এটি উহ্য (مستتر) থাকে।
সর্বনাম (ضمير) শব্দগঠন (وضعا), মুখাপেক্ষিতা (افتقاراً) এবং স্থবিরতা বা পরিবর্তনহীনতা (جموداً)-এর দিক থেকে হারফ (حرف)-এর সদৃশ হওয়ার কারণে মাবনি (مبني) হয়; অথবা বিভিন্ন অর্থের পার্থক্যের কারণে এর রূপভেদের দ্বারা প্রয়োজন পূরণ হয়ে যাওয়ার কারণেও এটি মাবনি হয়। বিশিষ্টতার দিক থেকে উত্তম পুরুষ (متكلم) এর সর্বনাম সর্বোচ্চ এবং নাম পুরুষ (غائب) এর সর্বনাম সর্বনিম্ন স্তরের; আর যখন এগুলোর সংমিশ্রণ ঘটে তখন অধিকতর বিশিষ্টটিই প্রাধান্য পায়।
সর্বনামগুলোর মধ্যে এমন একটি প্রকার রয়েছে যাকে বসরার বৈয়াকরণগণ ‘ফাসল’ (فصل) এবং কুফাবাসীরা ‘ইমাদ’ (عماد) নামে অভিহিত করেন। এটি পূর্ববর্তী একটি মারেফা (معرفة) বা নির্দিষ্ট বিশেষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মারফু মুনফাসিল (مرفوع منفصل) বা পৃথক কর্তৃকারক সর্বনামের রূপে আসে—চাই সেটি মৌলিক ইবতিদা (ابتداء) অবস্থায় থাকুক বা মানসুখ (منسوخ) হয়ে যাক—যার পরে একটি খবর (خبر) থাকে যা মারেফা (معرفة) অথবা মারেফার ন্যায় যাতে আলিফ-লাম (ال) প্রবেশ করা অসম্ভব।
তাদের কেউ কেউ দুটি মারেফা (معرفة) এর ন্যায় দুটি নাকেরা (نكرة) এর মাঝেও এর অবস্থানকে বৈধ বলেছেন। কখনো এটি হাল (حال) এবং সাহিবুল হাল (صاحب الحال) এর মাঝেও আসে। আবার কখনো এটি মুদাফ (مضاف) এর স্থলাভিষিক্ত হাজির (حاضر) বা উপস্থিত ব্যক্তির পরে গায়েব (غيبة) বা অনুপস্থিতের শব্দরূপে ব্যবহৃত হয়। ইমাম কিসায়ীর মতের বিপরীতে এটি মুকাদ্দাম খবর (خبر مقدم) এর আগে আসে না। সঠিক মতানুসারে ইরাব (إعراب) এর ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই। এর ‘ফাসল’ হওয়া তখনই সুনির্দিষ্ট হয় যখন এর পরে কোনো মানসুব (منصوب) শব্দ আসে এবং সেটি ‘লাম’ (لام) এর সাথে যুক্ত থাকে; অথবা অনেক আরবের নিকট এটি যখন কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্যের (ظاهر) অনুগামী হয় এমতাবস্থায় যে সেটি হবে একটি মুক্তাদা (مبتدأ) এবং তার পরবর্তী অংশ দ্বারা তার খবর (خبر) প্রদান করা হবে।