(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: -)
ليس في كلام العرب القسم: النحو والصرف
الكتاب: ليس في كلام العرب
المؤلف: الحسين بن أحمد بن خالويه، أبو عبد الله (ت 370هـ)
المحقق: أحمد عبد الغفور عطار
الطبعة: الثانية، مكة المكرمة، 1399هـ - 1979م
عدد الصفحات: 381
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 30 رجب 1435
লাইসা ফি কালামিল আরব বিভাগ: নাহু ও সরফ
কিতাব: লাইসা ফি কালামিল আরব
লেখক: আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে খালাওয়াইহ, আবু আব্দুল্লাহ (মৃত্যু ৩৭০ হি.)
গবেষক ও সম্পাদক: আহমদ আব্দুল গফুর আত্তার
সংস্করণ: দ্বিতীয়, মক্কা মুকাররমা, ১৩৯৯ হি. - ১৯৭৯ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮১
শামেলার জন্য প্রস্তুতকরণ: রাবিতাতুন নুসসাখ টিম, সৌজন্যে (মারকাযুন নুখাব আল-ইলমিয়্যাহ)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৩০ রজব ১৪৩৫
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله مُوجد الخلق ومبدئه ومبقيه ما شاء ومفنيه، وصلى الله على سيدنا محمد وأقربيه.
قال ابن خالويه: ليس في كلام العرب إنما هو على ما أحاط به حفظي، وفوق كل ذي علم عليم.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিজগতের অস্তিত্বদানকারী, এর সূচনাদানকারী এবং যতকাল ইচ্ছা একে টিকিয়ে রাখেন ও পরিশেষে এর বিনাশ ঘটান। আর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর।
ইবনে খালওয়াইহ বলেছেন: আরবি ভাষায় (এর বাইরে) আর কিছু নেই—বিষয়টি এমন নয়; বরং এটি কেবল আমার স্মৃতি যা আয়ত্ত করতে পেরেছে তার ওপর ভিত্তি করে রচিত। আর প্রত্যেক জ্ঞানীর ঊর্ধ্বে একজন মহাজ্ঞানী রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(1)بابليس في كلام العرب: فعل يفعل مما ليس فيه حرف الحلق عينًا ولا لامًا إلا عشرة أحرف: أبى يأبى،
(১)পরিচ্ছেদআরবদের বাচনে এমন কোনো 'ফা'আলা ইয়াফআলু' (فعل يفعل) ওজনের শব্দ নেই যার আইন (عين) কিংবা লাম (لام) বর্ণে কোনো কণ্ঠনালীয় বর্ণ (حرف الحلق) নেই, কেবল দশটি শব্দ ব্যতীত: আবা ইয়া'বা (أبى يأبى)،
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وقَلى يقلَى، وجبى يجبى: جمع الماء في الحوض، وسلى يسلى، وخظا يخظى، إذا سمن، من قولهم: لحمه خظًا بظًا كظًا، وغضضت تغض، وبضضت تبض، وقنط يقنط، وغسى الليل يغسى، إذا أظلم، وركن يركن، ولم يحك سيبويه إلا حرفًا واحدًا، وهو أبى يأبى، لأنه بلا خلاف، والبواقي مختلف فيها.
এবং 'কালা-ইয়াকলা' ও 'জাবা-ইয়াজবা'—যার অর্থ হাউজে পানি সংগ্রহ করা; 'সালা-ইয়াসলা' এবং 'খজা-ইয়াখজা'—যখন কেউ স্থূল বা মাংসল হয়; যেমন তাদের বক্তব্য: 'তার গোশত সুসংহত ও স্থূল'। আরও রয়েছে 'গাদাদতু-তাগাদদু', 'বাদ্দাদতু-তাবিদদু', 'কানাতা-ইয়াকনাতু', 'গাসা আল-লাইলু ইয়াগসা'—যখন রাত অন্ধকার হয়ে আসে—এবং 'রাকানা-ইয়ারকানু'। সিবওয়াইহ কেবল একটি শব্দই বর্ণনা (حكى) করেছেন, আর তা হলো 'আবা-ইয়াবা'; কারণ এটি সর্বসম্মত (بلا خلاف), তবে অবশিষ্টগুলোর ক্ষেত্রে মতভেদ (مختلف فيها) রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
(2)بابليس في كلام العرب: واوٌ وياءٌ يجتمعان، والأول ساكن في غير التصغير والمُلين من الهمزة إلا مدغمًا نحو قولهم: يوم وأيام، وأصله أيوامٌ، وكويت الدابة كيًّا، وأصله كويًا، إلا أربعة أحرف: خيوان: قبيلة، وحيوة: اسم رجل، وعوى الكلب عوية واحدة، وضَيونٌ؛ وهو الخيطل: ذكر السنانير.
فأما أُسيود في تصغير أسود فإنه يطرد في نظيره لعلة، وكذلك رويَا إذا لُينت همزتها، ومثله: رُوية.
(২)পরিচ্ছেদআরবদের বাচনভঙ্গিতে এমনটি ঘটে না যে: ওয়াও এবং ইয়া একত্রিত হয়েছে এবং প্রথমটি সুকুনযুক্ত (ساكن) হয়েছে; কেবল ক্ষুদ্রার্থ রূপ (تصغير) এবং হামজার সহজীকরণ ব্যতীত, যদি না তা একীভূত (مدغم) অবস্থায় থাকে। যেমন তাদের কথা: ‘ইয়াওম’ ও ‘আইয়্যাম’, যার মূল রূপ ছিল ‘আইওয়াম’; এবং ‘আমি পশুকে দাগ দিয়েছি’ বুঝাতে ‘কাইয়্যান’, যার মূল ছিল ‘কাইওয়ান’। তবে চারটি শব্দ এর ব্যতিক্রম: ‘খায়ওয়ান’ (একটি গোত্র), ‘হায়ওয়াহ’ (একজন ব্যক্তির নাম), ‘আওয়াতুল কালবি আওয়াতান ওয়াহিদাতান’ (কুকুরটি একবার ডেকে উঠল) এবং ‘দাইওয়ান’ যা হলো ‘আল-খাইতাল’ বা হুলো বিড়াল।
আর ‘আসওয়াদ’-এর ক্ষুদ্রার্থ রূপ (تصغير) ‘উসাইউয়িদ’-এর ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ ব্যাকরণগত কারণে তার সমগোত্রীয় শব্দে নিয়মিতভাবে ঘটে। অনুরূপভাবে ‘রুইয়া’ যদি তার হামজাকে সহজ করা হয়, এবং এর সদৃশ শব্দ হলো ‘রুইয়াহ’।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
(3)بابليس في كلام العرب: فعل يفعل فِعلاً إلا سحر يسحر سحرًا. والسحر يكون حلالًا وحرامًا، يقال: فلان ساحر العينين؛ أي فتان، وفلان يسحر الناس بظرفه، والساحر: العالم الفَهِمُ، كقوله تعالى: {يا أيها الساحر ادع لنا ربك} يعني: العالم الفهم.
(৩)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষাশৈলীতে ‘ফা‘আলা ইয়াফ‘ইলু ফি‘লান’ ওজনে ‘সাহারা ইয়াসহিরু সিহরান’ ব্যতীত আর কোনো শব্দের প্রয়োগ নেই। জাদু বৈধ এবং অবৈধ—উভয় প্রকারেরই হয়ে থাকে। বলা হয়: ‘অমুক জাদুকরী চোখের অধিকারী’; অর্থাৎ অত্যন্ত মোহনীয় বা বিভ্রান্তিকর। আবার বলা হয়: ‘অমুক ব্যক্তি তার চমৎকারিত্ব বা সৌজন্যবোধ দিয়ে মানুষকে বিমোহিত করে’। আর জাদুকর বলতে বিজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান আলেমকেও বোঝানো হয়, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {হে জাদুকর! আপনি আমাদের জন্য আপনার রবের কাছে প্রার্থনা করুন} অর্থাৎ: হে বিজ্ঞ ও বোধসম্পন্ন আলেম।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩২)
(4)بابليس في كلام العرب: اسمٌ على فعال ليس بمصدر إلا كلمة واحدة، وهي قولهم: أدخل الفعال في خرت الحدثان، والحدثان: فاس له رأس واحد، والفعال: خشبة الفأس، فأما المصادر فإنها تطرد على الفعال في باب فاعل، نحو: ضارب مُضاربة وضِرابًا.
(৪)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের বাকরীতিতে 'ফিয়াল' (فعال) ওজনে এমন কোনো বিশেষ্য (اسم) নেই যা ক্রিয়ামূল (مصدر) নয়, কেবল একটি শব্দ ব্যতীত; আর তা হলো তাদের উক্তি: "ফিয়াল (الفعال)-কে হাদাসান (الحدثان)-এর ছিদ্রে প্রবেশ করাও।" এখানে 'হাদাসান' (الحدثان) হলো একমুখী একটি কুঠার, আর 'ফিয়াল' (الفعال) হলো কুঠারের কাঠের হাতল। তবে ক্রিয়ামূলসমূহ (المصادر) 'ফায়া’লা' (فاعل) পরিচ্ছেদে (باب) 'ফিয়াল' (فعال) ওজনে নিয়মিতভাবে (تطرد) আসে; যেমন: 'দারাবা' (ضارب) থেকে 'মুদারাবাতান' (مضاربة) এবং 'দিরাবান' (ضرابا)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
(5)بابليس في كلام العرب: أصرفت إلا في موضع واحد، وهو قولك: أصرفت القوافي، إذا أقويتها، ويُنشد لجرير:
قصائد غير مُصرفة القوافي
… فلا عِيًّا بهن ولا اجتلابا
(৫)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের ভাষায় 'আচরাফতু' (أصرفت) শব্দটি কেবল একটি ক্ষেত্র ব্যতীত ব্যবহৃত হয় না, আর তা হলো আপনার কথা: 'আমি কবিতার অন্ত্যমিল বিচ্যুত করেছি' (أصرفت القوافي), যখন আপনি সেগুলোকে ত্রুটিযুক্ত করেছেন; আর (কবি) জারীরের পঙক্তি উদ্ধৃত করা হয়:
এমন সব কাসিদা যার অন্ত্যমিল বিচ্যুতিমুক্ত (غير مُصرفة القوافي)
… তাতে কোনো জড়তা নেই এবং নেই কোনো কৃত্রিমতা।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
فأما سائر الكلام فصرفت، قال الله تعالى: {ثم انصرفوا صرف الله قلوبهم} وصرف ناب البعير، والجمل يصرف نابه نشاطًا، والناقة كلالاً وإعياءً.
আর অবশিষ্ট আলোচনার ক্ষেত্রে আমি বিষয়ান্তর ঘটিয়েছি; মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {অতঃপর তারা প্রস্থান করল, আল্লাহ তাদের অন্তরসমূহকে সত্যবিমুখ করেছেন}। আর উটের দাঁত কিড়মিড় করার ক্ষেত্রেও এ শব্দের প্রয়োগ রয়েছে; পুরুষ উট তেজস্বিতার কারণে দাঁত ঘর্ষণ করে এবং মাদী উট ক্লান্তি ও অবসাদের দরুন তা করে থাকে।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
(6)بابليس في كلام العرب: المصدر للمرة إلا على فعلة، نحو: سجدت سجدة واحدة، وقمت قومة واحدة، إلا حرفين: حججت حجة واحدة، بالكسر ورأيته رُؤية واحدة، بالضم، وسائر الكلام بالفتح، فأما الحال فمكسور لا غير: ما أحسن عمته وركبته، وحدثني أبو عمر عن ثعلب عن ابن الأعرابي: رأيته رأية واحدة، بالفتح، فهذا على أصل ما يجب.
(৬)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষরীতিতে এককালীন বাচক মূলক্রিয়া (المصدر للمرة) কেবল 'ফালআতান' ওজনেই গঠিত হয়, যেমন: "আমি একবার সিজদাহ করলাম" এবং "আমি একবার দাঁড়ালাম"। কেবল দু’টি শব্দ ব্যতীত: "আমি একবার হজ করলাম" কাসরাহ (الكسر) যোগে এবং "আমি তাকে একবার দেখলাম" যম্মাহ (الضم) যোগে; এছাড়া অবশিষ্ট সকল শব্দ ফাতহাহ (الفتح) যোগে গঠিত হয়। তবে অবস্থা (الحال) বুঝাতে শব্দ কেবল কাসরাহ যোগেই হয়: "তার পাগড়ি বাঁধার ভঙ্গি এবং তার সওয়ার হওয়ার ভঙ্গি কতই না সুন্দর!" আবু আমর সালাব হতে এবং তিনি ইবনুল আরাবি হতে আমার নিকট বর্ণনা (حدثني) করেছেন: "আমি তাকে একবার দেখলাম" ফাতহাহ যোগে; আর এটিই মূল নিয়মানুযায়ী হওয়া আবশ্যক।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
(7)بابليس في كلام العرب: كلمة تامة حروفها كلها من جنس واحد فأدغم استقلالا، إلا حرفين، غلام بَبَّةٌ، أي سمين، وأنشد:
لأنكحن ببه
… جارية خدبه
تَبُذُ أهل الكعبه
(৭)পরিচ্ছেদআরবদের বাকরীতিতে এমন কোনো পূর্ণাঙ্গ শব্দ নেই যার প্রতিটি বর্ণ একই শ্রেণিভুক্ত এবং যাতে স্বতন্ত্রভাবে সন্ধি (إدغام) করা হয়েছে, কেবল দুটি শব্দ ব্যতীত।, বববাহ নামক বালক, অর্থাৎ স্থূলকায়; কবি আবৃত্তি করেছেন:
আমি অবশ্যই বববাহকে বিবাহ করাব
… এক সুঠামদেহী কিশোরীর সাথে
যে কাবার অধিবাসীদের ছাড়িয়ে যায়
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
والحرف الثاني: قول عمر بن الخطاب رضي الله عنه: (لئن بقيت إلى قابل لأجعلن الناس بَبَّابًا واحدًا).
এবং দ্বিতীয় বিষয়টি হলো: ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর উক্তি: (যদি আমি আগামী বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকি, তবে আমি অবশ্যই জনগণকে একই সমপর্যায়ে নিয়ে আসব)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
أساوي بينهم في الرزق والأعطيات.
আমি জীবিকা এবং অনুদানের ক্ষেত্রে তাদের মাঝে সমতা বিধান করি।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
(8)بابليس في كلام العرب: فعَل يفعُل، مما فاؤه واو، إلا حرفًا واحدًا ذكره سيبويه، وهو وَجَدَ يَجُد قال جرير:
لو شئت قد نقع الفؤاد بشربة
… تدع الصوادي لا يجدن غليلا
(৮)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষায় ‘ফা-আলা ইয়াফ-উলু’ রূপের এমন কোনো শব্দ নেই যার প্রথম বর্ণ (ফা-কালিমা) ‘ওয়াও’, কেবল একটি শব্দ ব্যতীত সিবওয়াইহি এটি উল্লেখ করেছেন, আর তা হলো ‘ওয়াজাদা ইয়াজুদু’। জারির বলেছেন:
আপনি চাইলে এক ঢোক পানীয়তেই হৃদয় সিক্ত হতে পারত
… যা তৃষ্ণার্তদের এমন অবস্থায় রেখে যায় যে তারা আর অন্তরের দহন অনুভব করে না।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪০)
فقال: وَجَدَ يَجُدُ، وقياسه أن يجيء على يفعل مثل: وزن يَزِنُ، ووعد يَعِدُ.
অতঃপর তিনি বললেন: ‘ওয়াজাদা’ এর বর্তমানকাল হলো ‘ইয়াজুদু’ (وَجَدَ يَجُدُ), অথচ এর নিয়মসিদ্ধ রূপ (قياس) হলো এটি ‘ইয়াফয়িলু’ (يَفْعِلُ) ওজনে আসা; যেমন: ‘ওয়াযানা-ইয়াযিনু’ (وَزَنَ يَزِنُ) এবং ‘ওয়াআদা-ইয়াঈদু’ (وَعَدَ يَعِدُ)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪১)
(9)بابليس في كلام العرب: واو وقعت بين ياء وفتحةٍ، وليس فيه حرف واحد من حروف الحلق فسقطت إلا حرفًا واحدًا وهو يَذَرُ، والأصل يَوْذَرُ.
وقياس الواو إذا وقعت بين ياء وفتحة أن تثبت، مثل: يوحل، ويَوْجَل، فإن وقعت بين ياء وكسرة سقطت، مثل: يزن، ويعد، وأصله يوزن، ويوعد، وإنما جاز ذلك لأنهم بنوا يذر على يدع، إذ كان لا ينطق منهما بفعل، ولا فاعل، ولا مفعول، ولا مصدر، فاعرف ذلك.
(৯)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষ্যমতে: এমন কোনো 'ওয়াও' নেই যা 'ইয়া' এবং 'ফাতহাহ'-এর মাঝে অবস্থিত হয়েছে এবং যাতে কণ্ঠনালীর কোনো বর্ণ বিদ্যমান নেই অথচ তা বিলুপ্ত হয়েছে—কেবল একটি শব্দ ব্যতীত আর তা হলো 'ইয়াজারু', যার মূল রূপ ছিল 'ইয়াওজারু'।
'ওয়াও' যখন 'ইয়া' এবং 'ফাতহাহ'-এর মাঝে পড়ে তখন তা বহাল থাকাই নিয়ম, যেমন: 'ইয়াওহালু' এবং 'ইয়াওজালু'। তবে যদি তা 'ইয়া' এবং 'কাসরাহ'-এর মাঝে পড়ে তবে তা বিলুপ্ত হয়ে যায়, যেমন: 'ইয়াজিনু' এবং 'ইয়া'ইদু', যেগুলোর মূল রূপ ছিল 'ইয়াওজিনু' এবং 'ইয়াও'ইদু'। এটি কেবল এজন্যই অনুমোদিত হয়েছে কারণ তারা 'ইয়াজারু' শব্দটিকে 'ইয়াদা'উ' শব্দের আদলে গঠন করেছে, যেহেতু এগুলোর ক্ষেত্রে কোনো ক্রিয়া, কর্তা, কর্ম কিংবা ক্রিয়ামূলের প্রয়োগ নেই। সুতরাং বিষয়টি জেনে রাখুন।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
(10)بابليس في كلام العرب: فَعِلَ يفعلُ بكسر العين في الماضي والمستقبل من الصحيح إلا ثلاثة أحرف:
(১০)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষায় সহিহ (الصحيح) ক্রিয়াগুলোর মধ্য থেকে মাজি এবং মুস্তাকবিল উভয় ক্ষেত্রে ‘আইন’ বর্ণে কাসরা বিশিষ্ট ‘ফায়িলা ইয়াফয়িলু’ ওজনের কোনো শব্দ নেই, কেবল তিনটি শব্দ ব্যতীত:
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
نَعِمَ ينعِمُ، ويبس ييبس، ويئس ييئس، وقد يجوز فيهن الفتح وسمع، فأما المعتل فيجيء كثيرًا، نحو: ورث يرث، وورم يرم، وومق يَمِقُ، ووفِق يفق، وولى يلى.
না’ইমা ইয়ান’ইমু (نَعِمَ ينعِمُ), ইয়াবিসা ইয়াইবিসু (يبس ييبس) এবং ইয়াইসা ইয়াইইসু (ويئس ييئس); এগুলোর ক্ষেত্রে ফাতহা (الفتح) হওয়াও বৈধ এবং তা ভাষাতাত্ত্বিকভাবে শ্রুত (سمع) হয়েছে। তবে বর্ণবিকৃতিসম্পন্ন (المعتل) ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রচুর পরিমাণে আসে, যেমন: ওয়ারিছা ইয়ারিছু (ورث يرث), ওয়ারিমা ইয়ারিমু (ورم يرم), ওয়ামিকা ইয়ামিকু (ومق يَمِقُ), ওয়াফিকা ইয়াফিকু (ووفِق يفق) এবং ওয়ালিয়া ইয়ালি (وولى يلى)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
(11)بابليس في كلام العرب: اسم جاء على ألفاظ الأفعال كلها إلا اسما واحدًا، وهو قولنا: إصبع، مثل: اذهب، وإصبِعٌ، مثل: اضرب، وأَصْبَع، مثل: أكرم، وأَصْبِعٌ، مثل أكْرمْ، وأُصبَعٌ، مثل أُكْرَمُ، وأصْبِعٌ، مثل: أُكْرِمً، وزاد سيبويه، إِصْبُعٌ، وهذا غريب، لأنه ليس في كلامهم إفعُلٌ غيره، ولله على فلان إصبع حسنة، أي نعمة ضافية، وأنشد:
من يجعل الله عليه إصبعا
… في الشر أو في الخير يلقاه معا
وأما قولهم: إن العبد بين إصبعين من أصابع الرحمن فمعناه: نِعَمُهُ وحُسْنُ آثاره.
(১১)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষায় এমন কোনো বিশেষ্য নেই যা সমস্ত ক্রিয়ার ওজনে গঠিত হয়, কেবল একটি বিশেষ্য ব্যতীত, আর তা হলো আমাদের শব্দ: ‘ইসবউ’ (আঙুল); যেমন: ‘ইসবয়ু’ যা ‘ইজহাব’ এর ওজনে, ‘ইসবয়িন’ যা ‘ইদরিব’ এর ওজনে, ‘আসবায়ুন’ যা ‘আকরামা’ এর ওজনে, ‘আসবয়িন’ যা ‘আকরিম’ এর ওজনে, ‘উসবায়ুন’ যা ‘উকরামু’ এর ওজনে এবং ‘আসবয়িন’ যা ‘উকরিমু’ এর ওজনে। সিবওয়াইহি ‘ইসবুউ’ শব্দটিকে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন, যা একটি বিরল (غريب) বিষয়; কেননা আরবদের ভাষায় ‘ইফউ’ ওজনে এটি ছাড়া অন্য কোনো শব্দ নেই। আর ‘অমুকের প্রতি আল্লাহর একটি সুন্দর ইসবউ রয়েছে’ এর অর্থ হলো একটি প্রশস্ত নেয়ামত। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:
আল্লাহ যাঁর প্রতি একটি ‘ইসবউ’ (নেয়ামত) নির্ধারণ করেন
… মন্দ হোক কিংবা ভালো, তিনি তার মুখোমুখি হন।
আর তাঁদের বক্তব্য: ‘নিশ্চয়ই বান্দা রহমানের আঙুলসমূহের মধ্য হতে দুটি আঙুলের মাঝে রয়েছে’—এর অর্থ হলো: তাঁর নেয়ামতসমূহ এবং তাঁর নিদর্শনের উত্তম প্রভাবসমূহ।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
(12)بابليس في كلام العرب: اسم على مَفْعُلِ إلا أربعة: مَكْرُمٌ ومعْوُن وميسر ومألك، وهي الرسالة.
قال عدي:
أبلغ النعمان عني مألكا
… أنه قد طال حبسي وانتظاري
لو بغير الماء حلقي شرق
… كنت كالغضبان بالماء اعتصاري
(১২)অধ্যায় (باب)আরবদের বাকরীতিতে ‘মাফউলি’ (مَفْعُلِ) ওজনে কোনো বিশেষ্য (اسم) নেই, কেবল চারটি ব্যতিরেকে: মাকরুম (مَكْرُمٌ), মাউন (معْوُن), মাইসুর (ميسر) এবং মালুক (مألك), আর তা হলো বার্তা (الرسالة)।
আদী বলেছেন:
নুমানকে আমার পক্ষ থেকে বার্তা পৌঁছে দাও
… যে আমার কারাবাস ও প্রতীক্ষা দীর্ঘায়িত হয়েছে
যদি পানি ব্যতীত অন্য কিছু আমার কণ্ঠে আটকে যেত
… তবে আমি বিষম খাওয়া ব্যক্তির মতো পানি পানের মাধ্যমে তা নিরসনের চেষ্টা করতাম।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
وزعم سيبويه أنه ليس في كلام العرب مَفْعُلٌ وقد حكيت هذه الأربعة، فلقائل أن يقول: ليست على مفعل، فمكرم جمع مُكْرُمَةٍ، ومعون جمع معونة، ومألك جمع مألكة، وميسر جمع ميسرة، ووجدت في القرآن حرفا، قرأ عطاء: (فنظرة إلى مَيْسُرِهِ) الهاء هاء كناية.
সিবওয়াইহ দাবি করেছেন যে, আরবদের কথাবার্তায় 'মাফ্-উ-ল' (مَفْعُلٌ) ওজনের কোনো শব্দ নেই। অথচ এই চারটি উদাহরণ বর্ণিত (حكيت) হয়েছে। এমতাবস্থায় কোনো বক্তা বলতে পারেন যে, এগুলো 'মাফ্-উ-ল' (مَفْعُلٌ) ওজনের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং 'মুকরুম' হলো 'মুকরুমাহ'-এর বহুবচন, 'মাউন' হলো 'মাউনাহ'-এর বহুবচন, 'মালুক' হলো 'মালুকাহ'-এর বহুবচন এবং 'মাইসুর' হলো 'মাইসারাহ'-এর বহুবচন। আমি কুরআনে একটি শব্দ (حرف) পেয়েছি যা আতা পাঠ করেছেন: "তবে সচ্ছলতা (مَيْسُرِهِ) আসা পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া।" এখানে 'হা' বর্ণটি সর্বনাম (كناية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
(13)بابليس في كلام العرب: أفعَلَ فهو مُفْعَلٌ إلا ثلاثة أحرف: أحصن فهو محصن، وألفج فهو مُلْفَجٌ؛
(১৩)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের ভাষায় এমন কোনো শব্দ নেই যা ‘আফআলা’ (أفعَلَ) ওজনে হওয়ার পর তা ‘মুফআল’ (مُفْعَلٌ) হয়, কেবল তিনটি শব্দ ব্যতীত: ‘আহসানা’ (أحصن) হলে সে ‘মুহসান’ (محصن), এবং ‘আলফাজা’ (ألفج) হলে সে ‘মুলফাজ’ (مُلْفَجٌ);
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫০)
أي أفلس، وفي الحديث: (ارحموا مُلْفَجيكُم) وأسهب فهو مسهب: بالغ.
هذا قول ابن دريد، وقال ثعلب: أسهب هو مسهَب في الكلام، وأسهب فهو مسهِبٌ إذا حفر بئرًا فبلغ الماء.
ووجدت حرفًا رابعًا: اجرأشت الإبل فهي مجْرَأشَّةٌ، بفتح الهمزة إذا سمنت وامتلأت بطونها.
অর্থাৎ নিঃস্ব হওয়া। হাদিসে এসেছে: (তোমরা তোমাদের নিঃস্বদের প্রতি দয়া করো)। আর সে অতিশয়োক্তি করল, ফলে সে অতিভাষী: অর্থাৎ যে সীমা অতিক্রমকারী বা অতিরঞ্জনকারী।
এটি ইবনে দুরাইদের উক্তি। ছালাব বলেছেন: সে কথাবার্তায় অতিভাষী (মুসহাব), আর সে 'মুসহিব' যখন সে কূপ খনন করে এবং পানির স্তরে পৌঁছে যায়।
আমি চতুর্থ একটি শব্দ পেয়েছি: উটগুলো স্থূলকায় হয়েছে, সুতরাং সেগুলো 'মুজরা-ইশশাহ', হামযাহ বর্ণে ফাতহা যোগে; যখন সেগুলো হৃষ্টপুষ্ট হয় এবং তাদের উদর পূর্ণ হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫১)
(14)بابليس في كلام العرب: اسم على مفعول إلا مغرود، وهي الكَمْأة، ومُعلُوقٌ: شجر، ومُنْخُورٌ: لغة في المنخر، ومغثور ومغفور من المغافير، صمغ حلو، والصعارير: الصمغ، وربما كانت صُعرورة مثل رأس الجمل.
(14)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের বাকরীতিতে ‘মাফউল’ (مفعول) ওজনে কোনো বিশেষ্য (اسم) নেই, নিম্নোক্ত শব্দগুলো ব্যতীত: মাগরুদ (مغرود), যা হলো এক প্রকার ভূ-ছত্রাক (الكمأة); মা’লুক (معلوق): এটি এক প্রকার বৃক্ষ; মুনখুর (منخور): এটি নাসারন্ধ্র (المنخر) শব্দের একটি ভাষাগত রূপান্তর (لغة); এবং মাগসুর (مغثور) ও মাগফুর (مغفور) যা মূলত মাগাফির (المغافير) নামক মিষ্ট আঠা বা নির্যাস; আর আস-সাআ’রির (الصعارير) হলো বৃক্ষ-নির্যাস বা আঠা, যা কখনও কখনও উটের মাথার ন্যায় দলাকৃতি (صعرورة) ধারণ করে।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫২)
(15)بابليس في كلام العرب: مصدر تفاعل إلا على التفاعل، بضم العين: تغافل تغافُلا، وتكاثر تكاثُرا: (ألهاكم التكاثر) إلا في حرف واحد جاء مفتوحًا ومكسورًا ومضمومًا قالوا: تفاوت، تفاوَتًا، وتفاوِتًا، وتفاوُتًا. وهذا غريب مليح حكاه أبو زيد.
(১৫)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষায় 'তাফাউলা' ছাঁচের ক্রিয়া বিশেষ্য কেবল 'আত-তাফাউল' ছাঁচেই হয়, 'আইন' বর্ণে দম্মা (পেশ) যোগে: 'তাগাফুলা' থেকে 'তাগাফুলান' এবং 'তাকাসুরা' থেকে 'তাকাসুরান': (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহগ্রস্ত করেছে); কেবল একটি শব্দের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায় যা ফাতহা (যবর), কাসরা (জের) এবং দম্মা (পেশ)—এই তিনভাবেই এসেছে। তারা বলেন: 'তাফাউতা' থেকে 'তাফাওয়াতান', 'তাফাওয়িতান' এবং 'তাফাওয়ুতান'। এটি একটি চমৎকার বিরল (غريب) বিষয়, যা আবু যাইদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
(16)بابليس في كلام العرب: فعل من المضاعف لم يُدغم وظهر التضعيف فيه إلا قولهم: لَحِحَتْ عَيْنُهُ، وضَبِبَ البلد: كثر ضبابه، وأرض مضبة بفتح الميم، وأرض مضبة بضم الميم: كثر ضبابها، وأَلِلَ السقاء: أنتن، ويَلِلَتْ أسنانه: تسكرت، ورجل أَيَلُّ، وامراة يلَاّءُ، والجمه يُلٌّ، ومَشِشَتْ الدابة.
(১৬)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের ভাষায় দ্বিত্ব (مضاعف) বিশিষ্ট এমন কোনো ক্রিয়া নেই যাতে মিলন (إدغام) ঘটেনি এবং দ্বিত্বতা (تضعيف) প্রকাশ পেয়েছে, কেবল এই শব্দগুলো ছাড়া: তাদের উক্তি: ‘ল্যাহিহাত আইনুহু’ (চোখ পিঁচুটি দিয়ে আটকে যাওয়া), এবং ‘দবিবাল বালাদ’: অর্থাৎ সেখানে কুয়াশা বৃদ্ধি পেয়েছে; এবং মীম বর্ণে ফাতহা যোগে ‘আরদুন মাদাব্বাহ’ ও মীম বর্ণে দম্মা যোগে ‘আরদুন মুদাব্বাহ’: অর্থাৎ সেখানের কুয়াশা বৃদ্ধি পেয়েছে; এবং ‘আলিলাস সিকাউ’: অর্থাৎ মশকটি দুর্গন্ধযুক্ত হয়েছে; এবং ‘ইয়ালিলত আসনানুহু’: অর্থাৎ তার দাঁতগুলো ভেঙে বা খাটো হয়ে গেছে; এবং এমন পুরুষকে ‘আইয়াল্লু’ ও নারীকে ‘ইয়াল্লাউ’ বলা হয়, আর এদের বহুবচন হলো ‘ইয়ুল্লুন’; এবং ‘মাশিশাত আদ-দাব্বাহ’ (পশুর পায়ে হাড় বা মাংসপিণ্ড বৃদ্ধি পাওয়া)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
(17)بابليس في كلام العرب: أفعل فهو فاعل إلا أعْشَبَتْ الأرض فهي عاشب، وأورس الرمث فهو وارس، وأيفع الغلام فهو يافع، وأبقلت الأرض فهي باقل، وأغضى الرجل فهو غاض، وأمحل البلد فهو مَاحِلٌ.
(১৭)পরিচ্ছেদআরবদের বাচনভঙ্গিতে 'আফ'আলা' (أفعل) ওজনের বিপরীতে 'ফায়িল' (فاعل) ওজনে শব্দ আসার কোনো দৃষ্টান্ত নেই, কেবল এগুলো ব্যতীত: ভূমি তৃণশোভিত হয়েছে, সুতরাং তা তৃণময় (عاشب); রিমস উদ্ভিদ পুষ্পিত হয়েছে, সুতরাং তা পুষ্পিত (وارس); বালকটি বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছেছে, সুতরাং সে কিশোর (يافع); ভূমি শাকসবজি উৎপন্ন করেছে, সুতরাং তা উদ্ভিদপূর্ণ (باقل); ব্যক্তিটি দৃষ্টি অবনত করেছে, সুতরাং সে অবনতচক্ষু (غاض); এবং জনপদটি অনাবৃষ্টির কবলে পড়েছে, সুতরাং তা দুর্ভিক্ষপীড়িত (ماحل)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
(18)بابليس في كلام العرب: تَمَفْعَلَ الرجل، إنما هو تفعل إلا تَمَدْرَعَ: ليس المدرعة، وتمسكن: صار مسكينًا، وتمندل بالمنديل، وتمغفر وتمغثر: من المغافير والمغاثير، وتمنطق.
(১৮)পরিচ্ছেদ (باب)আরবদের ভাষায় ‘তামাফ‘আলা’ (تَمَفْعَلَ) ছাঁচের কোনো শব্দের প্রয়োগ নেই, বরং তা ‘তাফাউল’ (تَفَعَّلَ) ছাঁচ; কেবল ‘তামাদরাআ’ (تَمَدْرَعَ): যার অর্থ জুব্বা পরিধান করা; এবং ‘তামাসকানা’ (تَمَسْকَنَ): অর্থাৎ অভাবী হওয়া (صار مسكينًا); এবং ‘তামানদালা’ (تَمَنْدَلَ): রুমাল (منديل) ব্যবহার করা; এবং ‘তামাগফারা’ (تَمَغْفَرَ) ও ‘তামাগথারা’ (تَمَغْثَرَ): যা মাগাফির (مغافير) ও মাগাথির (مغاثير) নামক আঠা থেকে উদ্ভূত; এবং ‘তামানতাকা’ (تَمَنْطَقَ)।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
(19)بابليس في كلام العرب: اسم ممدود وجمعه ممدود إلا حرفًا واحدًا، وهو: داءُ وأدواءٌ، وإنما صلح أن يكون ممدودًا في اللفظ وأصله القصر، لأنه في الأصل دَوَيٌ، فانقلبت الواو ألفا لتحركها وانفتاح ما قبلها، والألف متى أتى بعدها حرف لين همزه إذا كانت الألف زائدة ككساء، ورداء، فشبهوا وقوعها بعد الألف المنقلبة عن حرف أصلي بالألف الزائدة، فقلبوا الياء همزة فصار داءً.
(১৯)পরিচ্ছেদআরবদের ভাষাশৈলীতে এমন কোনো দীর্ঘস্বরযুক্ত বিশেষ্য নেই যার বহুবচনও দীর্ঘস্বরযুক্ত হয়, কেবল একটি শব্দ ব্যতীত। আর তা হলো: ‘দাউ’ এবং ‘আদওয়াউ’। এটি উচ্চারণে দীর্ঘস্বর হওয়া সংগত হয়েছে অথচ এর মূল রূপ ছিল হ্রস্বস্বর, কারণ মূলত এটি ছিল ‘দাওয়াইয়ুন’। এখানে ‘ওয়াও’ বর্ণটি হরকতযুক্ত এবং তার পূর্বের বর্ণটি ফাতহা বা জবরযুক্ত হওয়ায় তা আলিফে রূপান্তরিত হয়েছে। আর নিয়ম হলো, আলিফ যদি অতিরিক্ত হয়—যেমন: ‘কিসাউ’ এবং ‘রিদাউ’—এবং এর পরে কোনো কোমল বর্ণ আসে, তবে তা হামজায় রূপান্তরিত হয়। তারা মূল বর্ণ থেকে পরিবর্তিত আলিফের পরবর্তী অবস্থানকে অতিরিক্ত আলিফের পরবর্তী অবস্থানের সদৃশ মনে করেছেন; ফলে তারা ‘ইয়া’ বর্ণটিকে হামজায় রূপান্তর করেছেন এবং তা ‘দাউন’ শব্দে পরিণত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
লাইসা ফী কালামিল আরব
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
(20)بابليس في كلام العرب: مصدر على عشرة ألفاظ إلا مصدرًا واحدًا وهو لقيت زيدًا لقاء، ولقاءه، ولُقى، ولِقْيَانة، وَلُقِيا، ولِقِيا، ولُقيَة، ولِقْيَانا، ولِقَايَة، ولا يقال: لقاه، فألقيتها على قرموطة الكبرتك بحضرة سيف الدولة فلم يدر، ففهمته لأن المرة الواحدة
(২০)পরিচ্ছেদআরবি ভাষায় দশটি শব্দরূপবিশিষ্ট কোনো ক্রিয়ামূল (مصدر) নেই, কেবল একটি ক্রিয়ামূল (مصدر) ব্যতীত; আর তা হলো— আমি যায়িদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি (لقيت زيدًا) লিকা (لقاء), লিকাহু (لقاءه), লুকা (لُقى), লিকইয়ানা (لِقْيَانة), লুকিয়া (لُقِيا), লিকিয়া (لِقِيا), লুকইয়াহ (لُقيَة), লিকইয়ানা (لِقْيَانا) এবং লিকাইয়াহ (لِقَايَة)। তবে ‘লাকাহ’ (لقاه) বলা হয় না। সাইফ উদ-দাওলাহর উপস্থিতিতে আমি এটি কারমুতা আল-কিবরতকের সম্মুখে উপস্থাপন করলাম, কিন্তু তিনি তা অনুধাবন করতে পারেননি। অতঃপর আমি তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বললাম, কারণ ‘একবার সংঘটিত হওয়ার’ (المرة الواحدة) বিষয়টি...