(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: -)
نسخة أبي مسهر وغيره (أبو مسهر الغساني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: نسخة أبي مسهر
المؤلف: أبو مسهر عبد الأعلى بن مسهر بن عبد الأعلى بن أبي ذرمة الغساني الدمشقي (ت 218هـ) ، ونُسخ أخرى لغيره من أهل العلم
المحقق: مجدي فتحي السيد
الناشر: دار الصحابة للتراث - طنطا
الطبعة: الأولى، 1410
عدد الصفحات: 69
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু মুশহির ও অন্যদের পাণ্ডুলিপি (আবু মুশহির আল-গাসসানি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু মুশহিরের পাণ্ডুলিপি
লেখক: আবু মুশহির আবদুল আ'লা বিন মুশহির বিন আবদুল আ'লা বিন আবি যারমাহ আল-গাসসানি আদ-দিমাশকি (মৃত্যু ২১৮ হি.) , এবং অন্যান্য আলেমদের রচিত আরও কিছু পাণ্ডুলিপি
সম্পাদক: মাজদি ফাতহি আস-সাইয়িদ
প্রকাশক: দারুস সাহাবাহ লিত-তুরাস - তান্তা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৯
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
1 - أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ، عَنْ جِبْرِيلَ، عَنِ اللَّهِ تبارك وتعالى أَنَّهُ قَالَ: «يَا عِبَادِي، إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا؛ فَلَا تَظَالَمُوا، يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ ضَالٌّ إِلَّا مَنْ هَدَيْتُهُ فَاسْتَهْدُونِي أَهْدِكُمْ، يَا عِبَادِي إِنَّكُمُ الَّذِينَ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا الَّذِي أَغْفِرُ الذُّنُوبَ وَلَا أُبَالِي؛ فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ، يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلَّا مَنْ أَطْعَمْتُهُ فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ، يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ عَارٍ إِلَّا مَنْ كَسَوْتُهُ فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَزِدْ ذَلِكَ فِي مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ قَامُوا فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَسَأَلُونِي فَأَعْطَيْتُ كُلَّ إِنْسَانٍ مِنْهُمْ مَسْأَلَتَهُ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا إِلَّا كَمَا يَنْقُصُ الْبَحْرُ أَنْ يُغْمَسَ الْمِخْيَطُ غَمْسَةً وَاحِدَةً، يَا عِبَادِي إِنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أُحْصِيهَا عَلَيْكُمْ فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ، وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلَا يَلُومَنَّ إِلَّا نَفْسَهُ» . قَالَ أَبُو مِسْهِرٍ: قَالَ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: كَانَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ جَثَا عَلَى رُكْبَتَيْهِ
১ - আবু বকর আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফারাজ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মিসহার আল-গাসসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন রাবিয়াহ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু যার (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) থেকে, তিনি জিবরাঈল থেকে, আর তিনি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «হে আমার বান্দারা, নিশ্চয়ই আমি নিজের ওপর জুলুমকে হারাম করেছি এবং তোমাদের মধ্যেও একে হারাম করে দিয়েছি; সুতরাং তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম করো না। হে আমার বান্দারা, তোমরা সবাই পথভ্রষ্ট, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি পথ দেখিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে হেদায়েত চাও, আমি তোমাদের হেদায়েত দান করব। হে আমার বান্দারা, নিশ্চয়ই তোমরা রাত-দিন গুনাহ করে থাকো, আর আমিই সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করি এবং আমি এতে কোনো পরোয়া করি না; সুতরাং তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দারা, তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি অন্ন দান করেছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে খাবার চাও, আমি তোমাদের খাবার দেব। হে আমার বান্দারা, তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি বস্ত্র দান করেছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে পোশাক চাও, আমি তোমাদের পোশাক পরিধান করাব। হে আমার বান্দারা, তোমাদের আদি ও অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি যদি তোমাদের মধ্য থেকে সবচাইতে পাপিষ্ঠ হৃদয়ের কোনো ব্যক্তির ন্যায় হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বের সামান্যতম অংশও হ্রাস করবে না। হে আমার বান্দারা, তোমাদের আদি ও অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি যদি তোমাদের মধ্য থেকে সবচাইতে পরহেজগার হৃদয়ের কোনো ব্যক্তির ন্যায় হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই বৃদ্ধি করবে না। হে আমার বান্দারা, তোমাদের আদি ও অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতি যদি সবাই এক প্রান্তরে দাঁড়িয়ে আমার কাছে প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের প্রত্যেক মানুষের চাওয়া পূরণ করে দেই, তবে তা আমার মালিকানাধীন বস্তু থেকে ততটুকুই কমাতে পারবে যতটুকু সমুদ্রের পানিতে একবার সুঁই ডুবালে (পানি) হ্রাস পায়। হে আমার বান্দারা, এগুলো কেবল তোমাদেরই আমল যা আমি তোমাদের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব রাখি; সুতরাং যে ব্যক্তি উত্তম কিছু লাভ করবে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে, আর যে এর ব্যতিক্রম কিছু পাবে সে যেন নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে তিরস্কার না করে»। আবু মিসহার বলেন: সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ বলেছেন: আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী যখনই এই হাদিসটি বর্ণনা করতেন, তখন তিনি হাঁটু গেড়ে বসে পড়তেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ الْهَاشِمِيُّ رحمه الله، حَدَّثَنَا أَبُو مِسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ الْأَزْدِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّكُمْ سَتُجَنَّدُونَ أَجْنَادًا: جُنْدٌ بِالشَّامِ، وَجُنْدٌ بِالْعِرَاقِ، وَجُنْدٌ بِالْيَمَنِ "، فَقَالَ الْحَرَّانِيُّ: خِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ، فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ، وَيَسْقِ مِنْ غُدُرِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ تَكَفَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ» فَكَانَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ الْتَفَتَ إِلَى ابْنِ عَامِرٍ فَقَالَ: مَنْ تَكَفَّلَ اللَّهُ بِهِ فَلَا ضَيْعَةَ عَلَيْهِ
২ - আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম আল-হাশিমী (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মিসহার আব্দুল আলা বিন মিসহার আল-গাসসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাবিয়া বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন হাওয়ালা আল-আজদী থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই তোমরা অচিরেই একাধিক সেনাদলে বিভক্ত হয়ে পড়বে: এক দল শামে, এক দল ইরাকে এবং এক দল ইয়ামেনে।" তখন হাররানী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার জন্য (একটি স্থান) পছন্দ করে দিন। তিনি বললেন: "তোমরা শামের ওপর থাকো। আর যে ব্যক্তি তাতে অসম্মতি জানায়, সে যেন ইয়ামেনের সাথে যুক্ত হয় এবং তার জলাধার থেকে পানি পান করে। কেননা আল্লাহ তাআলা আমার খাতিরে শাম এবং তার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।" আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী যখনই এই হাদিস বর্ণনা করতেন, তখন ইবনে আমিরের দিকে ফিরে বলতেন: "আল্লাহ যার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তার কোনো ধ্বংস বা বিনাশ নেই।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
3 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو مِسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَمَاعَةَ، أنا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي أُسَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي صَالِحُ بْنُ جُبَيْرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو جُمُعَةَ قَالَ: تَغَدَّيْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ وَمَعَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلْ أَحَدٌ خَيْرٌ مِنَّا، أَسْلَمْنَا مَعَكَ وَجَاهَدْنَا مَعَكَ؟ قَالَ: «نَعَمْ، قَوْمٌ يَكُونُونَ مِنْ بَعْدِكُمْ يُؤْمِنُونَ بِي وَلَمْ يَرَوْنِي»
৩ - আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম আল-হাশেমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মিসহার আবদিল আলা ইবনে মিসহার আল-গাসসানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সামায়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আওযায়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসাইদ ইবনে আবদুর রহমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, সালেহ ইবনে জুবায়ের আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু জুমুআহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের সাথে দুপুরের আহার গ্রহণ করেছি এবং আমাদের সাথে আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ ছিলেন। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের চেয়ে উত্তম কি কেউ আছে? আমরা আপনার সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং আপনার সাথে জিহাদ করেছি। তিনি বললেন: «হ্যাঁ, এমন এক জাতি যারা তোমাদের পরে আসবে, তারা আমার প্রতি ঈমান আনবে অথচ আমাকে দেখেনি»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
4 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ الْهَاشِمِيُّ ثنا أَبُو مِسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أُمِّ أَيْمَنَ قَالَتْ: أَوْصَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ بَعْضَ أَهْلِهِ: «لَا تُشْرِكْ بِاللَّهِ شَيْئًا وَإِنْ عُذِّبْتَ وَحُرِّقْتَ، أَطِعْ وَالِدَيْكَ وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ هُوَ لَكَ فَاخْرُجْ مِنْهُ، لَا تَتْرُكِ الصَّلَاةَ عَمْدًا، فَإِنَّ مَنْ تَرَكَ الصَّلَاةَ عَمْدًا فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ ذَمَّةُ اللَّهِ، إِيَّاكَ وَالْخَمْرَ فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ، إِيَّاكَ وَالْمَعْصِيَةَ فَإِنَّهَا تُسْخِطُ اللَّهَ، لَا تَفِرَّ يَوْمَ الزَّحْفِ، وَإِنْ أَصَابَ النَّاسَ مَوْتَانِ، لَا تُنَازِعِ الْأَمْرَ أَهْلَهُ، وَإِنْ رَأَيْتَ أَنْ لَكَ، أَنْفِقْ مِنْ طَوْلِكَ عَلَى أَهْلِ بَيْتِكَ، وَلَا تَرْفَعْ عَصَاكَ عَنْهُمْ، أَخِفْهُمْ فِي اللَّهِ عز وجل»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম আল-হাশিমী, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মিসহার আবদুল আ'লা ইবনে মিসহার আল-গাসসানী, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ, মাকহুল থেকে, তিনি উম্মে আয়মান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পরিবারের কোনো এক সদস্যকে অসিয়ত করেছেন: «আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না, যদিও তোমাকে আজাব দেওয়া হয় এবং পুড়িয়ে ফেলা হয়। তোমার পিতা-মাতার আনুগত্য করো, এমনকি যদি তারা তোমাকে তোমার মালিকানাধীন সবকিছু ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন, তবে তুমি তা থেকে বেরিয়ে যাও। ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করো না, কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করে, নিশ্চয়ই তার ওপর থেকে আল্লাহর জিম্মাদারি বা নিরাপত্তা উঠে যায়। মদ থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা সকল মন্দের চাবিকাঠি। আল্লাহর নাফরমানি বা পাপ থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা আল্লাহর ক্রোধের কারণ হয়। যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করো না, যদিও মানুষের মধ্যে মহামারি বা ব্যাপক মৃত্যু ছড়িয়ে পড়ে। নেতৃত্বের অধিকারীদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়ো না, যদিও তুমি মনে করো যে তুমিই তার যোগ্য। তোমার সামর্থ্য অনুযায়ী তোমার পরিবারের জন্য ব্যয় করো, তাদের ওপর থেকে তোমার শাসনের লাঠি সরিয়ে নিও না এবং মহান আল্লাহর ব্যাপারে তাদের মনে ভয় বজায় রাখো।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ الْهَاشِمِيُّ ثنا أَبُو مِسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مِسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ لَا يَرْحَمِ النَّاسَ لَا يَرْحَمْهُ اللَّهُ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম আল-হাশিমী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মিসহার আবদুল আ'লা বিন মিসহার আল-গাসসানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইউনুস, আল-আমাশ থেকে, তিনি যায়িদ বিন ওয়াহাব থেকে, তিনি জারীর বিন আবদুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন না।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
6 - حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، ثنا الْأَحْوَصُ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «الْمَاءُ لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ إِلَّا مَا غَلَبَ عَلَيْهِ رِيحُهُ أَوْ طَعْمُهُ»
৬ - আমাদের নিকট ঈসা ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-আহওয়াস বর্ণনা করেছেন রাশিদ ইবনে সা'দ থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «পানিকে কোনো কিছু অপবিত্র করে না, তবে যা এর ঘ্রাণ অথবা এর স্বাদের ওপর প্রবল হয়ে যায় (অর্থাৎ তা পরিবর্তন করে ফেলে)»।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو نَوْفَلٍ، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «فَضْلُ الْعِلْمِ كَفَضْلِ الْعِبَادَةِ، وَخَيْرُ دِينِكُمُ الْوَرَعُ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নাওফাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ, আবু কিলাবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব ইবাদতের শ্রেষ্ঠত্বের ন্যায়, আর তোমাদের দ্বীনের সর্বোত্তম বিষয় হলো আল্লাহভীতি (ওয়ারা)»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
8 - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ يَمْشُونَ أَمَامَ الْجِنَازَةِ
৮ - সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আল-খাত্তাব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম, আবু বকর ও উমর জানাযার সামনে হাঁটতেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
9 - حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ إِذَا اطَّلَى حَلَقَ عَانَتَهُ بِيَدِهِ
৯ - ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম যখন লোমনাশক প্রলেপ লাগাতেন, তখন তিনি নিজ হাতে তাঁর নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করতেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
10 - حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ شَرَاحِيلَ، عَنْ بِلَالِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ أُمَّتِكَ خَيْرٌ؟ قَالَ: «أَنَا وَأَقْرَانِي» قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «ثُمَّ الْقَرْنُ الثَّانِي» قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «ثُمَّ الْقَرْنُ الثَّالِثُ» قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «ثُمَّ يَكُونُ قَوْمٌ يَشْهَدُونَ وَلَا يُسْتَشْهَدُونَ، وَيَحْلِفُونَ وَلَا يُسْتَحْلَفُونَ، يُؤْتَمَنُونَ وَلَا يُؤَدُّونَ»
১০ - সাদাকা ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে শারাহিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিলাল ইবনে সাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উম্মতের মধ্যে কারা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: «আমি এবং আমার সমসাময়িকগণ (যুগ)»; তিনি বললেন: তারপর কারা? তিনি বললেন: «তারপর দ্বিতীয় প্রজন্ম»; তিনি বললেন: তারপর কারা? তিনি বললেন: «তারপর তৃতীয় প্রজন্ম»; তিনি বললেন: তারপর কী হবে? তিনি বললেন: «তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষ্য দেবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য চাওয়া হবে না, তারা শপথ করবে অথচ তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না, এবং তাদের নিকট আমানত রাখা হবে অথচ তারা তা আদায় করবে না (খেয়ানত করবে)»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
11 - حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلَّامٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَدِّي أَبَا سَلَّامٍ، يُحَدِّثُ عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قَالَ فِي يَوْمِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ مِائَةَ مَرَّةٍ غُفِرَتْ ذُنُوبُهُ وَإِنْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ»
১১ - মুআবিয়া ইবনে সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার দাদা আবু সাল্লামকে কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি দিনে একশ বার বলবে ‘আল্লাহ অতি পবিত্র এবং সকল প্রশংসা তাঁরই’, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার ন্যায় বিপুল হয়।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي الْمُحَبَّرِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْمِقْدَادِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ كَانَ فِي مِصْرٍ مِنَ الْأَمْصَارِ يَسْعَى عَلَى عِيَالِهِ فِي عُسْرَةٍ وَيُسْرَةٍ، جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ النَّبِيِّينَ، أَمَا إِنِّي لَا أَقُولُ يَمْشِي مَعَهُمْ وَلَكِنْ فِي مَنْزِلَتِهِمْ»
১২ - আবু সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আল-মুহাব্বার থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মিকদাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি শহরসমূহের কোনো এক শহরে স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য অভাব-অনটন কিংবা সচ্ছলতা—উভয় অবস্থায়ই জীবনোপজীবিকা অর্জনে সচেষ্ট থাকে, সে কিয়ামতের দিন নবীগণের সাথে উপস্থিত হবে। সাবধান! আমি বলছি না যে সে তাঁদের সাথে হেঁটে বেড়াবে, বরং সে তাঁদের সুউচ্চ মর্যাদায় অবস্থান করবে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
13 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: قَالَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ رحمه الله: الْمَسَاجِدُ مَجَالِسُ الْكِرَامِ
১৩ - আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) বলেছেন: মসজিদসমূহ হলো সম্মানিত ব্যক্তিদের মজলিস।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
14 - حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ صَالِحِ بْنِ صُبَيْحٍ، ثنا حَبِيبٌ الْوُصَابِيُّ، وَعُمَيْرُ بْنُ رَبِيعَةَ، أَنَّ كَعْبَ الْأَحْبَارِ كَانَ يَقُولُ فِي مَقْبَرَةِ بَابِ الْفَرَادِيسِ: «يُبْعَثُ مِنْهَا سَبْعُونَ أَلْفَ شَهِيدٍ يَشْفَعُونَ فِي سَبْعِينَ، كُلُّ إِنْسَانٍ فِي سَبْعِينَ»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন ইয়াজিদ বিন সালিহ বিন সুবাইহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব আল-উসাবি এবং উমাইর বিন রাবিয়াহ যে, কাব আল-আহবার বাবু আল-ফারাদিস কবরস্থান সম্পর্কে বলতেন: "সেখান থেকে সত্তর হাজার শহীদকে পুনরুত্থিত করা হবে, যারা সত্তর জনের জন্য সুপারিশ করবেন, অর্থাৎ প্রত্যেক ব্যক্তি সত্তর জনের জন্য।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
15 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ، عَنْ مَيْمُونَةَ مَوْلَاةٍ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ: أَفْتِنَا فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ قَالَ: «ائْتُوهُ فَصَلُّوا فِيهِ» قَالَتْ: فَكَيْفَ وَالرُّومُ إِذْ ذَاكَ فِيهِ؟ قَالَ: «فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِيعُوا فَابْعَثُوا بِزَيْتٍ يُسْرَجُ فِي قَنَادِيلِهِ»
১৫ - সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে আবী সাওদাহ থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের মুক্তদাসী মায়মুনাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! বায়তুল মাকদিস সম্পর্কে আমাদের বিধান দিন। তিনি বললেন: «তোমরা সেখানে যাও এবং তাতে সালাত আদায় করো।’ তিনি বললেন: কিন্তু তখন যদি রোমানরা সেখানে অবস্থানরত থাকে তবে কীভাবে সম্ভব? তিনি বললেন: «যদি তোমরা সেখানে যেতে সক্ষম না হও, তবে তার প্রদীপগুলো প্রজ্বলনের জন্য তেল পাঠিয়ে দাও।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
16 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ قَالَ: رَأَيْتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ رضي الله عنه وَهُوَ عَلَى سُورِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ الشَّرْقِيِّ، وَهُوَ يَبْكِي قَالَ: فَقُلْتُ مَا يُبْكِيكَ يَا أَبَا الْوَلِيدِ؟ قَالَ: «مِنْ هَاهُنَا أَخْبَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ رَأَى جَهَنَّمَ»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয, যিয়াদ ইবনে আবী সাওদাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি উবাদাহ ইবনে সামিত (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন)-কে বাইতুল মাকদিসের পূর্ব প্রাচীরের ওপর এমতাবস্থায় দেখলাম যে তিনি কাঁদছেন। তিনি (যিয়াদ) বলেন: আমি বললাম, হে আবু আল-ওয়ালীদ! আপনাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন: “এখান থেকেই আল্লাহর রাসূল (তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি জাহান্নাম দেখেছিলেন।”
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
17 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، ثنا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا زِيَادُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضي الله عنه يَقُولُ: «مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَشْبَهَ صَلَاةً بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ مِنْ هَذَا الْفَتَى، يَعْنِي عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَهُوَ عَلَى الْمَدِينَةِ»
১৭ - আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন আইয়াশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উমর ইবন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট যিয়াদ ইবন আবি যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, আমি আনাস ইবন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি এই যুবক—অর্থাৎ উমর ইবন আবদুল আজিজ—অপেক্ষা আর কাউকে দেখিনি যার সালাত আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক)-এর সালাতের অধিকতর সদৃশ; আর তখন তিনি মদিনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩২)
18 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ حَارِثَةَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ نَفَّلَ الثُّلُثَ
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি যিয়াদ বিন হারিসাহ থেকে, তিনি হাবীব বিন মাসলামাহ (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের গনীমতের এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত হিসেবে প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩২)
19 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ جَارِيَةَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ نَفَّلَ فِي الْبَدَاءَةِ الرُّبُعَ، وَفِي الرَّجْعَةِ الثُّلُثَ
১৯ - আমাদের নিকট সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান বিন মুসা থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি যিয়াদ বিন জারিয়াহ থেকে, তিনি হাবিব বিন মাসলামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক) অভিযানের শুরুতে এক-চতুর্থাংশ এবং ফেরার পথে এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত যুদ্ধলব্ধ সম্পদ প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
20 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: قَالَ لِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ حِينَ هَلَكَ أَخِي: عَادَ أَبُو مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيُّ أَبَا الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه فِي مَرَضِهِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ، فَلَمَّا رَآهُ أَبُو مُسْلِمٍ كَبَّرَ، فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: هَكَذَا تَقُولُ إِنَّ اللَّهَ إِذَا قَضَى قَضَاءً أَحَبَّ أَنْ يَرْضَاهُ "
২০ - সাঈদ ইবনু আব্দুল আজীজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার ভাই যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন ইসমাঈল ইবনু উবাইদুল্লাহ আমাকে বলেছিলেন: আবু মুসলিম আল-খাওলানী আবুদ্দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তাঁর সেই অসুস্থতার সময় দেখতে গিয়েছিলেন যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। আবু মুসলিম যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি তাকবীর পাঠ করলেন। তখন আবুদ্দারদা বললেন: "তুমি এভাবেই বলবে; নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো ফয়সালা করেন, তখন তিনি পছন্দ করেন যে, সেটির প্রতি সন্তুষ্ট থাকা হোক।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
آخِرُ حَدِيثِ أَبِي مِسْهِرٍ
আবু মিসহারের সর্বশেষ হাদিস
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ تَمَّامِ بْنِ صَالِحٍ أَبُو بَكْرٍ الْحِمْصِيُّ، ثنا مُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «الْمُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَالْقَائِمِ الصَّائِمِ الَّذِي لَا يَفْتُرُ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى أَهْلِهِ بِمَا رَجَعَ مِنْ أَجْرٍ أَوْ غَنِيمَةٍ، أَوْ يَتَوَفَّاهُ اللَّهُ فَيَدْخُلَ الْجَنَّةَ»
২১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন তাম্মাম ইবন সালিহ আবু বকর আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুসাইয়িব ইবন ওয়াদিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু ইসহাক আল-ফাযারি বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর পথে জিহাদকারী ব্যক্তি সেই কিয়ামকারী (সালাত আদায়কারী) ও সিয়াম পালনকারীর ন্যায় যে (ইবাদতে) কোনো প্রকার শিথিলতা প্রদর্শন করে না, যতক্ষণ না সে যা অর্জন করেছে সেই সওয়াব বা গনিমত নিয়ে নিজ পরিবারের নিকট ফিরে আসে; অথবা আল্লাহ তাকে মৃত্যু দান করেন এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ تَمَّامٍ، ثنا مُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ أَبَانَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ تَبَاعَدَتْ مِنْهُ جَهَنَّمُ مَسِيرَةَ خَمْسِمِائَةِ عَامٍ»
২২ - মুহাম্মাদ ইবনে তাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসাইয়্যাব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাইদাহ থেকে, তিনি আবান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তির আল্লাহর পথে একটি চুল পেকেছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একদিন রোজা রাখবে, জাহান্নাম তার থেকে পাঁচশত বছরের রাস্তার দূরত্বে সরে যাবে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ تَمَّامٍ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ شِمْرِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه قَالَ: «مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّارِ خَنْدَقًا كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ»
২৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন তাম্মাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-মুসাইয়্যাব বিন ওয়াদিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু ইসহাক আল-ফাযারি বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ থেকে, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি শিমর বিন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে এবং তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একদিন রোজা রাখবে, তার এবং জাহান্নামের আগুনের মাঝে আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের ন্যায় একটি পরিখা তৈরি হবে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
24 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ تَمَّامٍ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ يَزِيدَ، عَنِ النُّعْمَانِ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ: قَالَ عَمْرٌو السُّلَمِيُّ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَبَلَغَ، أَصَابَ أَوْ أَخْطَأَ، فَلَهُ مِثْلُ عِتْقِ رَقَبَةٍ»
২৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন তাম্মাম হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-মুসাইয়্যাব বিন ওয়াদিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আল-ফাজারি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ থেকে, তিনি নুমান থেকে, তিনি মাকহুল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমর আস-সুলামী বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি তীর নিক্ষেপ করল এবং তা পৌঁছাল, চাই তা লক্ষ্যভেদ করুক বা লক্ষ্যভ্রষ্ট হোক, তার জন্য একটি দাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
25 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ تَمَّامٍ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: «صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ فِي السَّفَرِ وَأَفْطَرَ، فَمَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন তাম্মাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়্যিব বিন ওয়াদিহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-ফাযারি, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক) সফরে রোজা রেখেছেন এবং রোজা ভঙ্গও করেছেন। সুতরাং যে চায় সে রোজা রাখবে এবং যে চায় সে রোজা ভঙ্গ করবে।"
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ الْمَقْدِسِيُّ إِمْلَاءً، ثنا مُوسَى بْنُ سَهْلٍ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ شُرَحْبِيلَ، مَوْلَى الْأَنْصَارِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ اشْتَرَى سَرَقَةً وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهَا سَرِقَةٌ فَقَدْ شَرِكَ فِي عَارِهَا وَإِثْمِهَا»
২৬ - আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনুল ওয়ালিদ আল-মাকদিসি আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনু সাহল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনু দাউদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবনু খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবনু মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আনসারদের মুক্তদাস শুরাহবীল থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো চুরিকৃত বস্তু ক্রয় করল অথচ সে জানে যে তা চুরিকৃত, তবে সে তার লজ্জা ও পাপের অংশীদার হলো।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ الْوَلِيدِ الْقُرَشِيُّ إِمْلَاءً، ثنا مُوسَى بْنُ سَهْلٍ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا مِنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ زِيَادٍ، عَنِ السَّرِيِّ، ثنا شَرَاحِيلُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مِينَاءَ، قَالَ سَمِعْتُ سَلْمَانَ الْفَارِسِيَّ رضي الله عنه يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ أَنْ يَرْتَبِطَ فَرَسًا إِذَا أَطَاقَ ذَلِكَ»
২৭ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ আল-কুরাশি আমাদের নিকট শ্রুতলিপি (ইমলা) হিসেবে বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনদাল বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন যিয়াদ থেকে বর্ণিত, আস-সাররি থেকে বর্ণিত, শারাহিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কায়স বিন মিনা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি সালমান আল-ফারসি (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এটি আবশ্যক যে সে যেন একটি ঘোড়া পালন করে, যদি সে তার সামর্থ্য রাখে।»
(খণ্ড: ১)
নুসখাতু আবি মুসহির ওয়া গাইরিহি
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
28 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ الْوَلِيدِ الْمَقْدِسِيُّ إِمْلَاءً، ثنا مُوسَى بْنُ سَهْلٍ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ إِذَا آوَى إِلَى فِرَاشِهِ قَالَ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا، وَسَقَانَا، وَكَفَانَا، وَآوَانَا، فَكَمْ مِمَّنْ لَا كَافِيَ لَهُ وَلَا مُؤْوِيَ»
২৮ - আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আল-মাকদিসি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে সাহল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, সাবিত থেকে বর্ণিত, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) যখন নিজের বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতেন তখন বলতেন: «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের আহার করিয়েছেন, পান করিয়েছেন, আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছেন এবং আমাদের আশ্রয় দান করেছেন; কেননা এমন কত মানুষ রয়েছে যাদের জন্য কোনো যথেষ্টকারী নেই এবং কোনো আশ্রয়দাতাও নেই।»