(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: -)
مسند عائشة لابن أبي داود القسم: كتب السنة
الكتاب: مسند عائشة رضي الله عنها
المؤلف: أبو بكر بن أبي داود، عبد الله بن سليمان بن الأشعث الأزدي السجستاني (ت 316هـ)
المحقق: عبد الغفور عبد الحق حسين
الناشر: مكتبة الأقصى - الكويت
الطبعة: الأولى، 1405
عدد الصفحات: 92
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবন আবি দাউদ বিরচিত মুসনাদে আয়েশা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মুসনাদে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)
লেখক: আবু বকর ইবন আবি দাউদ, আবদুল্লাহ ইবন সুলায়মান ইবনুল আশ'আস আল-আযদী আস-সিজিস্তানী (মৃত্যু ৩১৬ হিজরি)
সম্পাদক: আবদুল গফুর আবদুল হক হুসাইন
প্রকাশক: মাকতাবাতুল আকসা - কুয়েত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯২
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
1 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الْمُؤَدِّبُ يَوْمَ الْخَمِيسِ التَّاسِعَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَسِتِّمِائَةٍ بِدَارِ الْقَزِّ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْبَنَّاءُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: أنبأ الْقَاضِي أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ ابْنُ الْفَرَّاءُ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنش مُحَمَّدِ بْنش حُبَابَةَ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْأَشْعَثِ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْبَلُ الْهَدِيَّةَ وَيُثِيبُ عَلَيْهَا»
১ - আমি আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা'মার আল-মুয়াদ্দিবের নিকট ৬০১ হিজরি সনের ৯ই জুমাদাল আখিরাত, বৃহস্পতিবার দারুল কায-এ পাঠ করেছি। আমি তাকে বললাম: আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান আল-বান্না কি আপনাদের নিকট পাঠ করেছিলেন এমতাবস্থায় যে আপনি তা শুনছিলেন? তিনি এটি স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফারা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে সুলাইমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুবাবাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশ'আস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে খাশরাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, «নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপহার গ্রহণ করতেন এবং তার বিনিময়ে প্রতিদান প্রদান করতেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
2 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، ثنا عِيسَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ، وَأُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ
২ - আমাদের নিকট আলী ইবনে খাশরাম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ঈসা হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয় এবং সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন তোমরা রাতের খাবার দ্বারা শুরু করো।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
3 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، ثنا عِيسَى، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُجَاوِرُ فِي الْمَسْجِدِ فَيُخْرِجُ إِلَيَّ رَأْسَهُ فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ
৩ - আলী ইবনে খাশরাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ঈসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে ইতিকাফে থাকতেন, তখন তিনি তাঁর মাথাটি আমার দিকে বের করে দিতেন এবং আমি তা ধুয়ে দিতাম; অথচ আমি ঋতুবতী অবস্থায় থাকতাম।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
4 - حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، ثنا عِيسَى، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَعَائِشَةُ يَغْتَسِلَانِ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ كِلَاهُمَا يَغْتَرِفُ مِنْهُ»
৪ - আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ঈসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আয়িশা একই পাত্র থেকে গোসল করতেন, তাঁরা উভয়েই তা থেকে পানি নিতেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
5 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَنْبَأَ عِيسَى، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَرْقُدْ حَتَّى يَذْهَبَ عَنْهُ النَّوْمُ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ وَهُوَ نَاعِسٌ لَعَلَّهُ يُرِيدُ أنْ يَسْتَغْفِرَ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ
৫ - আলী ইবনে খাশরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়, তখন সে যেন ঘুমিয়ে নেয় যতক্ষণ না তার ঘুম চলে যায়। কারণ তোমাদের কেউ তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় সম্ভবত ক্ষমা প্রার্থনা করতে চাইবে, কিন্তু (এর পরিবর্তে) সে নিজেকে গালি দিয়ে বসবে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
6 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ خَبُثَتْ نَفْسِي وَلَكِنْ لِيَقُلْ لَقِسَتْ
৬ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন কখনো না বলে যে, 'আমার নফস কলুষিত হয়েছে', বরং সে যেন বলে যে, 'আমার নফস অস্থির হয়েছে'।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
7 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، رضي الله عنهم يَقُولُ: إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ، فَقَالَتْ: وَيْلَ ابْنِ عُمَرَ إِنَّمَا كَانَ رَجُلًا خَبِيثًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ هَذَا لَيُعَذَّبُ وَأَهْلُهُ يَبْكُونَ عَلَيْهِ»
৭ - এবং একই সূত্রে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত যে, ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন: নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের কান্নাকাটির কারণে আযাব দেওয়া হয়। তখন আয়েশা (রা.) বললেন: ইবনে উমরের জন্য আফসোস! তিনি তো ছিলেন কেবল একজন অপবিত্র ব্যক্তি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন: «নিশ্চয়ই একে আযাব দেওয়া হচ্ছে, অথচ তার পরিবার তার জন্য কান্নাকাটি করছে»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
8 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْقِي: امْسَحِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ بِيَدِكَ الشِّفَاءُ لَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا أَنْتَ
8 - এবং তাঁর মাধ্যমেই আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রুকইয়াহ করতেন: "হে মানুষের প্রতিপালক! আপনি কষ্ট দূর করে দিন, আপনার হাতেই আরোগ্য রয়েছে, আপনি ব্যতীত তা দূর করার আর কেউ নেই।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
9 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كُنْتُ أَلْعَبُ فِي بَيْتِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْبَنَاتِ فَيَجِئْنَ صَوَاحِبِي فَيَنْقَمِعْنَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَيَخْرُجُ فَيَدْخُلْنَ عَلَيَّ
৯ - এবং উক্ত সনদে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর গৃহে পুতুল নিয়ে খেলা করতাম। আমার বান্ধবীরা আমার নিকট আসত, তবে তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখে সংকোচে আড়ালে চলে যেত। অতঃপর তিনি বেরিয়ে যেতেন এবং তারা আমার নিকট প্রবেশ করত।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
10 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ شَوْكَةٌ فَمَا فَوْقَهَا إِلَّا كَفَّرَ اللَّهُ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةً»
১০ - এবং একই সনদে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «এমন কোনো মুসলিম নেই যে কোনো বিপদে আক্রান্ত হয়—তা একটি কাঁটা বিঁধা হোক বা তার চেয়ে বড় কিছু—আল্লাহ এর বিনিময়ে তার পাপ মোচন করে দেন।’
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
11 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها فِي قَوْلِهِ عز وجل: {وَيَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ} [النساء: 127] قَالَتْ: نَزَلَتْ فِي الْمَرْأَةِ تَكُونُ عِنْدَ الرَّجُلِ وَهُوَ وَلِيُّهَا أَوْ لَعَلَّهَا أَنْ تَكُونَ شَرِيكَتَهُ فِي مَالِهِ وَيَكْرَهُ أَنْ يُزَوِّجُهَا فَيُشْرِكُهُ الرَّجُلُ فِي مَالِهِ كَمَا شَرِكَتْهُ فَيُعْضِلُهَا
১১ - এবং একই সূত্রে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে মহান আল্লাহর এই বাণীর বিষয়ে বর্ণিত: "এবং তারা আপনার কাছে নারীদের বিষয়ে বিধান জানতে চায়" [আন-নিসা: ১২৭]। তিনি বলেন: এটি অবতীর্ণ হয়েছে এমন এক নারী সম্পর্কে যে কোনো ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে এবং সে-ই তার অভিভাবক; অথবা সম্ভবত সে তার সম্পদের অংশীদার হয়, আর সে ব্যক্তি তাকে অন্য কারো সাথে বিয়ে দিতে অপছন্দ করে পাছে সেই লোক তার সম্পদের অংশীদার হয়ে যায় যেমন এই নারীটি তার অংশীদার ছিল; তাই সে তাকে বিয়ে দিতে বাধা প্রদান করে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
12 - وَبِهِ عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعْرِهِ، حَتَّى إِذَا رَأَى أَنْ قَدِ اسْتَبْرَأَ صَبَّ الْمَاءَ عَلَى رَأْسِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِلْءَ كَفَّيْهِ، ثُمَّ عَلَى سَائِرِ جَسَدِهِ
১২ - এবং একই সনদে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করতেন, তখন তিনি তাঁর উভয় হাত ধোয়ার মাধ্যমে শুরু করতেন। অতঃপর তিনি সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করতেন। এরপর তিনি তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে প্রবেশ করাতেন এবং তা দিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অবশেষে যখন তিনি নিশ্চিত হতেন যে (চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছেছে), তখন তিনি তাঁর উভয় অঞ্জলি ভরে মাথার উপর তিনবার পানি ঢালতেন। অতঃপর তাঁর শরীরের অবশিষ্ট অংশে (পানি ঢালতেন)।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
13 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مَعْبَدٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الْقُرَّاءُ، ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُقَبِّلُونَ الصِّبْيَانَ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا نُقَبِّلُهُمْ، قَالَ: وَمَا أَمْلِكُ إِنْ كَانَ اللَّهُ عز وجل نَزَعَ مِنْ قَلْبِكَ الرَّحْمَةَ "
১৩ - সুলাইমান ইবন মা'বাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম ইবন মূসা আল-কুররা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ঈসা ইবন ইউনুস আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মদিনার অধিবাসীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনারা কি শিশুদের চুমু দেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। সে বলল: আল্লাহর শপথ, আমরা তো তাদের চুমু দেই না। তিনি বললেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা যদি তোমার অন্তর থেকে রহমত ছিনিয়ে নিয়ে থাকেন, তবে তাতে আমার করার কিছুই নেই।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ
এবং সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
14 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّهُمْ لَيَعْلَمُونَ الْآنَ أَنَّ الَّذِيَ كُنْتُ أَقُولُ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا، وَقَدْ قَالَ اللَّهُ عز وجل {إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتَى} [النمل: 80]
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে আলী আল-জাহদামি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই তারা এখন জানতে পারছে যে, দুনিয়াতে আমি তাদের যা বলতাম তা সত্য ছিল।" অথচ মহান আল্লাহ বলেছেন: {নিশ্চয়ই আপনি মৃতদের শোনাতে পারবেন না} [আন-নামল: ৮০]।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَمْرَيْنِ إِلَّا اخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا»
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উয়ায়নাহ, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে যখনই দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তিনি সর্বদা তার মধ্যে সহজতরটিই গ্রহণ করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
يَونُسُ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجَلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُقَبِّلُونَ الصِّبْيَانَ؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا نُقَبِّلُهُمْ ، قَالَ: «وَمَا أَمْلِكُ إِنْ كَانَ اللَّهُ عز وجل نَزَعَ مِنْ قَلْبِكَ الرَّحْمَةَ»
ইউনুস, হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আয়িশাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মদিনার অধিবাসীদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসুল! আপনারা কি শিশুদের চুম্বন করেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। সে বলল: আল্লাহর শপথ, আমরা তো তাদের চুম্বন করি না। তিনি বললেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা যদি তোমার অন্তর থেকে দয়া ছিনিয়ে নিয়ে থাকেন, তবে আমার করার কী আছে?»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
16 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَتْ لِي عَائِشَةُ: كَانَ أَبَوَاكَ مِنَ {الَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِلَّهِ وَالرَّسُولِ مِنْ بَعْدِ مَا أَصَابَهُمُ الْقَرْحُ} [آل عمران: 172]
১৬ - আল-মুসাইয়াব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আয়িশা আমাকে বলেছিলেন: "তোমার পিতৃদ্বয় তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা {আহত হওয়ার পরও আল্লাহ ও রাসূলের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন} [আলে ইমরান: ১৭২]।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
17 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَهِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ يَسْتَأْذِنُ بَعْدَمَا ضُرِبَ الْحِجَابُ فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: هُوَ عَمُّكِ فَأْذَنِي لَهُ
১৭ - আমাদের নিকট হারুন ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি যুহরী ও হিশাম থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: পর্দার বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পর আমার দুগ্ধ-সম্পর্কীয় চাচা অনুমতি প্রার্থনা করতে আসলেন। আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম যতক্ষণ না নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন। অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: সে তোমার চাচা, সুতরাং তাকে অনুমতি দাও।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْأَذْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، تَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ»
১৮ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-আযরামী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছেছেন, তিনি বলেছেন: «যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয় এবং সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা রাতের খাবার দিয়েই শুরু করো»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
19 - حَدَّثَنَا عَمِّي، ثنا ابْنُ الْأَصْبَهَانِيِّ، أنبا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: إِنَّمَا نَزَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْأَبْطَحَ إِنَّهُ كَانَ أَسْمَحَ لِخُرُوجِهِ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল আসবাহানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু উইয়াইনাহ, হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-আবতাহ-এ অবতরণ করেছিলেন কেবল এজন্য যে, তা ছিল তাঁর প্রস্থানের জন্য অধিক সুবিধাজনক।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
20 - قُرِئَ عَلَى أَبِي مُوسَى وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَهُمْ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا جَاءَ إِلَى مَكَّةَ دَخَلَ مِنْ أَعْلَاهَا وَخَرَجَ مِنْ أَسْفَلِهَا»
২০ - আবু মুসার সম্মুখে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তাঁদের নিকট সুফইয়ান ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মক্কায় আসলেন, তখন তিনি এর উপরিভাগ দিয়ে প্রবেশ করলেন এবং এর নিম্নভাগ দিয়ে বের হলেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
21 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْمَكِّيُّ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو بَكْرٍ: سَقَطَ مِنْ كِتَابِي عَنْ أَبِيهِ -: «كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الْبِطِّيخِ وَالرُّطَبِ فَيَأْكُلُهُ»
২১ - আমাদের নিকট ইউসুফ বিন মূসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন যুবাইর আল-মক্কী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিশাম বিন উরওয়াহ বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) — আবু বকর বলেন: আমার পাণ্ডুলিপি থেকে ‘তাঁর পিতা থেকে’ অংশটি পড়ে গিয়েছিল — : «তিনি তরমুজ ও তাজা খেজুর একত্রে মিলিয়ে আহার করতেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
22 - حَدَّثَنَا عَمِّي، ثنا أَبُو غَسَّانَ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: سَأَلَ الْحَارِثُ بْنُ هِشَامٍ أَيْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: كَيْفَ يَأْتِيكَ الْوَحْي؟ قَالَ: فِي مِثْلِ صَلْصَلَةِ الْجَرَسِ، فَيَفْصِمُ عَنِّي أَحْيَانًا وَقَدْ وَعَيْتُ عَنْهُ مَا قَالَ، وَأَحْيَانًا يَأْتِينِي فِي مِثْلِ صُورَةِ الْفَتَى فَيَنْبِذُ إِلَيَّ
২২ - আমাদের নিকট আমার চাচা হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হারিস ইবন হিশাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনার নিকট ওহী কীভাবে আসে? তিনি বললেন: কখনো তা ঘণ্টার ঝনঝন শব্দের ন্যায় আসে, এরপর যখন ওহীর অবস্থা আমার থেকে শেষ হয় তখন তিনি যা বলেছেন আমি তা আয়ত্ত করে নিই। আবার কখনো ওহী (বাহক) আমার নিকট একজন যুবকের আকৃতিতে আসে এবং আমার নিকট (বাণী) পৌঁছে দেয়।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
23 - حَدَّثَنَا عَمِّي، ثنا أَبُو غَسَّانَ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُقَبِّلُ بَعْضَ نِسَائِهِ وَهُوَ صَائِمٌ. وَتَبَسَّمَتْ
২৩ - আমাদের কাছে আমার চাচা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে আবু গাসসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রোজা রাখা অবস্থায় তাঁর কোনো কোনো স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। আর আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) মুচকি হাসলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
24 - حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا الشَّافِعِيُّ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، وَهِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، وَعُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي لِإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ، وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ - زَادَ عُثْمَانُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: بِأَيِّ شَيْءٍ؟ قَالَتْ: بِأَطْيَبِ الطِّيبِ
২৪ - আর-রাবী ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আশ-শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব, হিশাম ইবনে উরওয়াহ এবং উসমান ইবনে উরওয়াহ থেকে, তারা উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে; এবং আব্দুর রহমান তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ইহরাম বাঁধার পূর্বে ইহরামের জন্য এবং (ইহরাম থেকে) হালাল হওয়ার পর বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করার পূর্বে আমার হাত দিয়ে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম। উসমান ইবনে উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে (বর্ণনায়) অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন, তিনি (উরওয়াহ) বললেন: কী দিয়ে? তিনি (আয়েশা) বললেন: সর্বোত্তম সুগন্ধি দিয়ে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
حَدِيثُ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ
হিশাম ইবনে উরওয়াহর সূত্রে জারীর ইবনে আব্দুল হামীদের বর্ণিত হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
25 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ وَعِكَ أَبُو بَكْرٍ وَبِلَالٌ، فَكَانَ أَبُو بَكْرٍ إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمَّى قَالَ:
[البحر البسيط]
كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي رَحْلِهِ
… وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ
⦗ص: 60⦘وَكَانَ بِلَالٌ إِذَا أَقْلَعَتْ عَنْهُ الْحُمَّى رَفَعَ إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى ثُمَّ قَالَ:
[البحر الطويل]
أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً
… بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ
وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجَنَّةٍ
… وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ
يَقُولُ: اللَّهُمَّ الْعَنْ عُتْبَةَ بْنَ رَبِيعَةَ، وَشَيْبَةَ بْنَ رَبِيعَةَ، وَأُمَيَّةَ بْنَ خَلَفٍ كَمَا أَخْرَجُونَا مِنَ الْأَرْضِ الصَّحِيحَةِ إِلَى أَرْضِ الْوَبَاءِ وَالْوَجَعِ، فَبَلَغَ رَسُولَ اللَّهِ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ، وَصَحِّحْهَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا، وَانْقُلْ حُمَّاهَا، وَاجْعَلْهَا فِي الْجُحْفَةِ»
২৫ - ইউসুফ ইবনে মূসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, জারীর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আসলেন, তখন আবু বকর ও বিলাল জ্বরে আক্রান্ত হলেন। আবু বকর যখন জ্বরে আক্রান্ত হতেন তখন বলতেন:
[আল-বাহরুল বাসীত]
প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ গৃহে সকাল অতিবাহিত করে
... অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী।
⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘আর বিলাল যখন জ্বর থেকে কিছুটা উপশম পেতেন, তখন তিনি তাঁর এক পা অপর পায়ের ওপর তুলতেন এবং বলতেন:
[আল-বাহরুত তওয়ীল]
হায়! আমি যদি জানতাম, আমি কি কোনো এক রাত অতিবাহিত করতে পারব
... এমন এক উপত্যকায় যেখানে আমার চারপাশে ইযখির ও জালীল ঘাস থাকবে?
আমি কি কোনোদিন মাজান্নাহর পানি ধারায় উপস্থিত হতে পারব?
... আর আমার সামনে কি শামাহ ও তাফীল পাহাড় দৃশ্যমান হবে?
তিনি বলতেন: হে আল্লাহ! আপনি উতবাহ ইবনে রবীআহ, শায়বাহ ইবনে রবীআহ এবং উমাইয়াহ ইবনে খালাফের ওপর অভিশাপ বর্ষণ করুন, যেমন তারা আমাদের সুস্থ ভূমি থেকে এই মহামারি ও ব্যধির ভূমিতে বহিষ্কার করেছে। অতঃপর এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন: «হে আল্লাহ! আমাদের নিকট মদীনাকে প্রিয় করে দিন যেমন মক্কা আমাদের নিকট প্রিয় অথবা তার চেয়েও বেশি। মদীনাকে রোগমুক্ত করুন, আমাদের জন্য এর সা’ ও মুদ-এ বরকত দান করুন এবং এর জ্বরকে সরিয়ে জুহফাতে স্থানান্তরিত করুন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদে আইশা লি-ইবনি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
26 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: وَجِعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: " مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ بِالنَّاسِ، فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ: إِنَّ أَبَا بَكْرٍ إِذَا قَامَ ⦗ص: 61⦘ مَقَامَكَ لَمْ يُسْمِعِ النَّاسَ مِنَ الْبُكَاءِ فَمُرْ عُمَرَ رضي الله عنه أَنْ يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ فَقَالَ: مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ بِالنَّاسِ فَقُلْتُ لَهُ مِثْلَهَا فَقَالَ: مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ بِالنَّاسِ. قَالَتْ: فَقُلْتُ لِحَفْصَةَ قُولِي لَهُ إِنَّ أَبَا بَكْرٍ إِذَا قَامَ مَقَامَكَ لَمْ يُسْمِعِ النَّاسَ مِنَ الْبُكَاءِ فَفَعَلَتْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ بِالنَّاسِ فَلَأَنْتُنَّ صَوَاحِبُ يُوسُفَ. قَالَتْ حَفْصَةُ لِعَائِشَةَ: مَا كُنْتُ لِأَرَى مِنْكِ خَيْرًا أَبَدًا، قَالَتْ: فَخَرَجَ أَبُو بَكْرٍ يَؤُمُّ النَّاسَ، فَلَمَّا كَبَّرَ أَبُو بَكْرٍ خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَآهُ أَبُو بَكْرٍ ذَهَبَ لِيَتَأَخَّرَ، فَأَشَارَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ مَكَانَكَ، قَالَ: فَمَكَثَ مَكَانَهُ فَجَلَسَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِحِذَائِهِ فَجَعَلَ أَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَيُصَلِّي النَّاسُ بِصَلَاةِ أَبِي بَكْرٍ حَتَّى قَضَوُا الصَّلَاةَ "
২৬ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জারীর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ হলেন এবং বললেন: "তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করে।" তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল: নিশ্চয়ই আবু বকর যখন ⦗পৃষ্ঠা: ৬১⦘ আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে মানুষকে (কিরাত) শুনাতে পারবেন না, তাই আপনি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নির্দেশ দিন যেন তিনি মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি বললেন: "তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করে।" আমি তাঁকে পুনরায় অনুরূপ বললাম। তখন তিনি বললেন: "তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করে।" তিনি (আয়েশা) বলেন: এরপর আমি হাফসাকে বললাম, তুমি তাঁকে বলো যে, নিশ্চয়ই আবু বকর যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে মানুষকে শুনাতে পারবেন না। তিনি তাই করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করে। নিশ্চয়ই তোমরা ইউসুফের সঙ্গিনীদের মতো।" হাফসা আয়েশাকে বললেন: "আমি তোমার থেকে কখনো কোনো কল্যাণ দেখিনি।" আয়েশা বলেন: এরপর আবু বকর মানুষের ইমামতি করতে বের হলেন। যখন আবু বকর তাকবীর দিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হলেন। আবু বকর যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি পেছনে সরতে চাইলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশারা করলেন যে, তুমি তোমার স্থানেই থাকো। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি স্বস্থানে অবস্থান করলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পাশে বসলেন। ফলে আবু বকর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত অনুসরণ করে সালাত আদায় করতে লাগলেন, আর মানুষ আবু বকরের সালাত অনুসরণ করে সালাত আদায় করতে লাগল, যতক্ষণ না তারা সালাত সম্পন্ন করলেন।