(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: -)
مسند الشاميين للطبراني (الطبراني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مسند الشاميين
المؤلف: سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي، أبو القاسم الطبراني (ت 360 هـ)
المحقق: حمدي بن عبدالمجيد السلفي [ت 1433 هـ]
الناشر: مؤسسة الرسالة - بيروت
الطبعة: الأولى، 1405 - 1984
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তাবারানির মুসনাদুশ শামিয়্যীন (তাবারানি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুসনাদুশ শামিয়্যীন
লেখক: সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব বিন মুতায়ের আল-লাখমি আশ-শামি, আবুল কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হি.)
গবেষক: হামদি বিন আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হি.]
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫ - ১৯৮৪
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: -)
فَضَائِلُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ وَأَخْبَارُهُ
ইবরাহিম ইবনে আবি আবলাহ-র মর্যাদা ও তাঁর বৃত্তান্ত
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْصُورٍ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْعَلاءِ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَطَّارُ، قَالَ: أَبَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، قَالَ: أَبَنَا أَبُو النُّعَيْمِ، قَالَ: أَبَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ:⦗ص: 26⦘ 1 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ آدَمَ، ثنا أَبُو عُمَيْرِ بْنُ النَّحَّاسِ ، ثنا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: قَامَ الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ فَأَمَرَنِي فَتَكَلَّمْتُ فَلَقِيَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، فَقَالَ: «يَا إِبْرَاهِيمُ لَقَدْ وَعَظْتَ مَوْعِظَةً وَقَعَتْ مِنَ الْقُلُوبِ»
সৎকর্মপরায়ণ শায়খ, মুসনিদ আবুল হাসান আলী বিন আবু আব্দুল্লাহ বিন মনসুর আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফেজ আবুল আলা হাসান বিন আহমদ বিন হাসান বিন আহমদ আল-আত্তার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ ১ - মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমাইর বিন আন-নাহহাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরাহ বিন রাবিআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন আবু আবলাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক দণ্ডায়মান হলেন এবং আমাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে আমি বক্তব্য প্রদান করলাম। অতঃপর ওমর বিন আব্দুল আজিজ আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: «হে ইবরাহিম! তুমি এমন এক উপদেশ প্রদান করেছ যা হৃদয়ে রেখাপাত করেছে»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
2 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ الْمُنْذِرِ ، ثنا أَبِي، ثنا بَقِيَّةُ ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَبْلَةَ ، قَالَ: " أَدْرَكْتُ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُقَالُ لَهُ: الْأَفْطَسُ فَرَأَيْتُ عَلَيْهِ ثَوْبَ خَزٍّ "
2 - মুসা ইবনে ঈসা ইবনুল মুনযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি আবলাহ থেকে, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে এমন এক ব্যক্তিকে পেয়েছি যাকে আল-আফতাস বলা হতো; আমি তাঁকে রেশমি বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় দেখেছি।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
3 - وَعَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: مَرِضَ أَهْلِي فَكَانَتْ أُمُّ الدَّرْدَاءِ تَصْنَعُ لِي الطَّعَامَ ، فَلَمَّا بَرِئُوا ، قَالَتْ: «إِنَّمَا كُنَّا نَصْنَعُ طَعَامَكَ إِذَا كَانَ أَهْلُكَ مَرْضَى فَأَمَّا إِذَا بَرِئُوا فَلَا»
৩ - ইবরাহীম ইবনে আবি আবলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ল, তখন উম্মুদ দারদা আমার জন্য খাবার তৈরি করে দিতেন। অতঃপর যখন তারা সুস্থ হলেন, তখন তিনি বললেন: «আমরা কেবল তখনই তোমার খাবার তৈরি করতাম যখন তোমার পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ থাকত; কিন্তু এখন যেহেতু তারা সুস্থ হয়ে গেছে, তাই আর নয়»।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ آدَمَ ، ثنا أَبُو عُمَيْرِ بْنُ النَّحَّاسِ، ثنا ضَمْرَةُ، قَالَ: قَالَ لِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ: قَالَ لِي الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ: «فِي كَمْ تَخْتِمُ الْقُرْآنَ» ؟ قُلْتُ: «فِي كَذَا وَكَذَا» ، فَقَالَ: «أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى شُغْلِهِ يَخْتِمُ فِي كُلِّ سَبْعٍ أَوْ فِي كُلِّ ثَلَاثٍ»
৪ - মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমাইর ইবনুন নাহহাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ আমাকে বলেছেন: আল-ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক আমাকে বলেছেন: «তুমি কত দিনে কুরআন খতম করো?» আমি বললাম: «এত এত দিনে», তখন তিনি বললেন: «আমীরুল মুমিনীন নিজের ব্যস্ততা সত্ত্বেও প্রতি সাত দিনে অথবা প্রতি তিন দিনে খতম করেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ آدَمَ، ثنا أَبُو عُمَيْرِ بْنُ النَّحَّاسِ ، ثنا ضَمْرَةُ، قَالَ: قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ: «كَانَ الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ يَبْعَثُ مَعِي بِقِصَاعِ الْفِضَّةِ إِلَى أَهْلِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَأُقَسِّمُهَا بَيْنَهُمْ»
৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে আদম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমায়ের ইবনুন নাহহাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট দামরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহীম ইবনে আবি আবলাহ বলেছেন: "ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক আমার সাথে বাইতুল মাকদিসের অধিবাসীদের নিকট রৌপ্যপাত্র পাঠাতেন, অতঃপর আমি সেগুলো তাদের মধ্যে বণ্টন করে দিতাম।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَيْرِ بْنُ النَّحَّاسِ، قَالَ: سَمِعْتُ كَثِيرَ بْنَ الْوَلِيدِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي عَبْلَةَ، يَقُولُ لِيَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو السَّيْبَانِيِّ ، وَعَلِيِّ بْنِ أَبِي حَمَلَةَ: «أَنَا أَسَنُّ، مِنْكُمَا» 7 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ صَدَقَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْعَبَّاسَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يَحْيَىَ بْنَ مَعِينٍ، يَقُولُ: إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ ثِقَةٌ 8 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ صَدَقَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ يُسْأَلُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، فَقَالَ: كَانَ أَحَدَ الثِّقَاتِ
৬ - মুহাম্মদ বিন উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উমাইর বিন আন-নাহহাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কাসীর বিন আল-ওয়ালীদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবরাহীম বিন আবি আবলাহকে ইয়াহইয়া বিন আবি আমর আস-সাইবানী এবং আলী বিন আবি হামালাহ-কে বলতে শুনেছি: «আমি তোমাদের দুজনের চেয়ে বয়সে বড়।» ৭ - আবু বকর বিন সাদাকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি: ইবরাহীম বিন আবি আবলাহ নির্ভরযোগ্য। ৮ - আবু বকর বিন সাদাকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি শাইবাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী বিন আল-মাদিনীকে ইবরাহীম বিন আবি আবলাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি, তখন তিনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্যদের অন্যতম ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
مَا انْتَهَى إِلَيْنَا مِنْ مُسْنَدِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ وَأَرَادَ بِأَبِي عَبْلَةَ شِمْرَ بْنَ يَقْظَانَ ، وَيُكْنَى أَبَا سَعْدٍ
ইব্রাহীম বিন আবী আবলাহ-এর মুসনাদ থেকে আমাদের নিকট যা পৌঁছেছে; আর আবী আবলাহ বলতে তিনি শিমর বিন ইয়াকযানকে বুঝিয়েছেন, এবং তাঁর উপনাম হলো আবু সাদ।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
مَا رَوَى إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ
ইবরাহীম ইবনে আবি আবলা আনাস ইবনে মালিক থেকে যা বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَبِيبٍ الطَّرَائِفِيُّ ، ثنا الزُّبَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّهَاوِيُّ ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ بْنُ الْفُضَيْلِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ كَيْفَ رَأَيْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ؟ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ ثَلَاثًا ثَلَاثًا
৯ - মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হাবীব আত-তরাইফি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যুবায়ের ইবনে মুহাম্মদ আর-রাহাউয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ ইবনুল ফুদায়েল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে ওযু করতে দেখেছেন? তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিন বার করে (প্রতিটি অঙ্গ ধৌত করে) ওযু করতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
10 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مُسَرِّحٍ الْحَرَّانِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْأَبَّارُ قَالَا: ثَنَا مُعَلَّلُ بْنُ نُفَيْلٍ الْحَرَّانِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مِحْصَنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اتَّخِذُوا الدِّيكَ الْأَبْيَضَ فَإِنَّهُ صَدِيقِي وَعَدُوُّ عَدُوِّ اللَّهِ ، وَإِنَّ دَارًا فِيهِ دِيكٌ أَبْيَضُ لَا يَقْرَبُهَا شَيْطَانٌ وَلَا سَاحِرٌ وَلَا الدُّوَيْرَاتُ حَوْلَهَا» قَالَ أَنَسٌ: مَا فَارَقَ عِنْدِي دِيكٌ أَبْيَضُ مُنْذُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُهُ
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে খালিদ ইবনে মুসাররিহ আল-হাররানি এবং আহমাদ ইবনে আলী আল-আব্বারা, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআল্লাল ইবনে নুফাইল আল-হাররানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মিহসান, ইবরাহীম ইবনে আবি আবলাহ হতে, তিনি আনাস ইবনে মালিক হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সাদা মোরগ লালন-পালন করো; কেননা এটি আমার বন্ধু এবং আল্লাহর শত্রুর শত্রু। আর যে ঘরে সাদা মোরগ থাকে, সেখানে কোনো শয়তান বা জাদুকর নিকটবর্তী হয় না এবং তার চারপাশের ঘরবাড়িগুলোর নিকটেও নয়।» আনাস বলেন: যখন থেকে আমি আল্লাহর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথা বলতে শুনেছি, তখন থেকে আমার নিকট থেকে কখনো সাদা মোরগ পৃথক হয়নি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
11 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِرْقٍ الْحِمْصِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، ثنا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ عَبْدِ الْقُدُّوسِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ تَزَوَّجَ امْرَأَةً لِعِزِّهَا لَمْ يُزِدْهُ اللَّهُ إِلَّا ذُلًّا ، وَمَنْ تَزَوَّجَهَا لِمَالِهَا لَمْ يُزِدْهُ اللَّهُ إِلَّا فَقْرًا ، وَمَنْ تَزَوَّجَهَا لِحُسْنِهَا لَمْ يُزِدْهُ اللَّهُ إِلَّا دَنَاءَةً ، وَمَنْ تَزَوَّجَهَا لَمْ يَتَزَوَّجْهَا إِلَّا لِيَغُضَّ بَصَرَهُ وَيُحْصِنَ فَرْجَهُ أَوْ يَصِلَ رَحِمَهُ بَارَكَ اللَّهُ لَهُ فِيهَا وَبَارَكْ لَهَا فِيهِ "
১১ - ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইর্ক আল-হিমসি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে উসমান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুস সালাম ইবনে আব্দুল কুদ্দুস ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি কোনো নারীকে তার আভিজাত্যের জন্য বিবাহ করে, আল্লাহ তার লাঞ্ছনাই কেবল বৃদ্ধি করেন; যে ব্যক্তি তাকে তার সম্পদের জন্য বিবাহ করে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যই কেবল বৃদ্ধি করেন; এবং যে ব্যক্তি তাকে তার সৌন্দর্যের জন্য বিবাহ করে, আল্লাহ তার হীনতাই কেবল বৃদ্ধি করেন। আর যে ব্যক্তি কেবল নিজের দৃষ্টি অবনত রাখা ও লজ্জাস্থান হেফাজত করার জন্য অথবা আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার উদ্দেশ্যে তাকে বিবাহ করে, আল্লাহ তার জন্য সেই নারীতে বরকত দান করেন এবং সেই নারীর জন্য তার স্বামীতে বরকত দান করেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ أَبِي أُبَيٍّ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ أُمِّ حَرَامِ ابْنِ امْرَأَةِ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ وَلَهُ صُحْبَةٌ
ইব্রাহিম বিন আবি আবলাহ, আবু উবায় আব্দুল্লাহ বিন উম্মে হারাম থেকে, যিনি উবাদাহ বিন আস-সামিতের স্ত্রীর পুত্র; এবং তিনি সাহাবিত্ব লাভ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامِ بْنِ أَبِي الدَّمِيكِ الْمُسْتَمْلِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْفِهْرِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: «رَأَيْتَ عَبْدَ اللَّهِ ابْنَ أُمِّ حَرَامٍ وَأَخْبَرَنِي أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقِبْلَتَيْنِ»
১২ - মুহাম্মদ ইবনে হিশাম ইবনে আবিদ দামিক আল-মুস্তামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আল-ফিহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে আবি আবলাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে হারামকে দেখেছি এবং তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে উভয় কিবলার দিকেই সালাত আদায় করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
13 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي، ثنا إِدْرِيسُ بْنُ أَبِي الرَّبَابِ، ثنا رُدَيْحُ بْنُ عَطِيَّةَ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: «رَأَيْتُ أَبَا أُبَيِّ ابْنِ أُمِّ حَرَامٍ وَأَخْبَرَنِي أَنَّهُ، صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقِبْلَتَيْنِ وَعَلَيْهِ كِسَاءُ خَزٍّ أَغْبَرَ»
১৩ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল বাকি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইদ্রিস ইবনে আবু রাবাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট রুদাইহ ইবনে আতিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে আবু আবলাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি উম্মে হারামের পুত্র আবু উবাইকে দেখেছি এবং তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে উভয় কিবলার দিকে সালাত আদায় করেছেন এবং তাঁর পরিধানে ছিল ধূসর বর্ণের একটি পশমী চাদর।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ آدَمَ بْنِ أَبِي إِيَاسَ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ بَكْرٍ السَّكْسَكِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُبَيِّ ابْنِ أُمِّ حَرَامٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيْكُمْ بِالسَّنَا وَالسَّنُّوتِ ، فَإِنَّ فِيهِمَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا السَّامُ؟ قَالَ: " السَّامُ: الْمَوْتُ" قُلْنَا لِعَمْرِو بْنِ بَكْرٍ: وَمَا السَّنُّوتُ؟ قَالَ: أَمَّا فِي مَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ فَهُوَ الْعَسَلُ وَأَمَّا فِي غَرِيبِ كَلَامِ الْعَرَبِ فَهُوَ رُبُّ عُكَّةِ السَّمْنِ ، وَقَالَ الشَّاعِرُ:[البحر الطويل]هُمُ السَّمْنُ بِالسَّنُّوتِ لَا أَلْسَ بَيْنَهُمْ … وَهُمْ يَمْنَعُونَ جَارَهُمْ أَنْ يُقَرَّدَا
১৪ - মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন আদম বিন আবু ইয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদ বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন বকর আস-সাকসাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন আবু আবলাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু উবাই ইবনে উম্মে হারামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা সানা এবং সান্নুত ব্যবহার করো, কেননা এই দুটিতে মৃত্যু ব্যতীত প্রতিটি রোগের আরোগ্য রয়েছে» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সাম কী? তিনি বললেন: "সাম হলো মৃত্যু।" আমরা আমর বিন বকরকে জিজ্ঞেস করলাম: সান্নুত কী? তিনি বললেন: এই হাদিসের অর্থের ক্ষেত্রে তা হলো মধু, আর আরবদের বিরল শব্দপ্রয়োগে তা হলো ঘিয়ের পাত্রের তলানি বা ঘন নির্যাস। জনৈক কবি বলেছেন:[বাহরুত তওয়ীল]তারা হলো সান্নুত (মধু) মিশ্রিত ঘি, তাদের মাঝে কোনো শঠতা নেই ... এবং তারা তাদের প্রতিবেশীকে লাঞ্ছিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، ثنا غِيَاثُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ ابْنَ أُمِّ حَرَامٍ الْأَنْصَارِيَّ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكْرِمُوا الْخُبْزَ فَإِنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ بِهِ بَرَكَاتِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ»
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন জাফর আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী বিন আল-জা'দ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট গিয়াছ বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন আবি আবলাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে হারাম আল-আনসারীকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা রুটিকে সম্মান করো, কেননা নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মাধ্যমে তোমাদের জন্য আসমান ও জমিনের বরকতসমূহকে নিয়োজিত করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ
ইবরাহিম ইবনে আবি আবলাহ, আবু উমামাহ থেকে
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ النَّضْرِ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ حَفْصٍ النُّفَيْلِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مِحْصَنٍ الْعُكَّاشِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي سُحُورِهَا ، تَسَحَّرُوا وَلَوْ بِشَرْبَةٍ مِنْ مَاءٍ ، وَلَوْ بِتَمْرَةٍ ، وَلَوْ بِحَبَّاتِ زَبِيبٍ ، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تُصَلِّي عَلَيْكُمْ»
১৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে নাদর আল-আসকারি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে হাফস আন-নুফাইলি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মিহসান আল-উককাশি, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে, তিনি আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “হে আল্লাহ, আপনি আমার উম্মতের জন্য তাদের সাহরিতে বরকত দান করুন। তোমরা সাহরি করো, তা এক ঢোক পানির মাধ্যমে হলেও, কিংবা একটি খেজুরের মাধ্যমে হলেও, অথবা কিসমিসের কয়েকটি দানার মাধ্যমে হলেও; কেননা ফেরেশতারা তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।”
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ غَزْوَانَ السُّلَمِيِّ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ
ইবরাহীম বিন আবী আবলাহ, উতবাহ বিন গাজওয়ান আস-সুলামী থেকে (বর্ণনা করেছেন), তবে তিনি তাঁর থেকে সরাসরি শ্রবণ করেননি
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
17 - حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، ثنا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ صُبَيْحٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ عُتْبَةَ بْنِ غَزْوَانَ، أَخِي بَنِي مَازِنٍ وَكَانَ مِنَ الصَّحَابَةِ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ [مِنْ] وَرَاءِكُمْ أَيَّامَ الصَّبْرِ ، الْمُتَمَسِّكُ فِيهِنَّ يَوْمَئِذٍ بِمَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ لَهُ كَأَجْرِ خَمْسِينَ مِنْكُمْ» قَالُوا: يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَوْ مِنْهُمْ؟ قَالَ: «لَا بَلْ مِنْكُمْ» ثَلَاثَ مَرَّاتٍ أَوْ أَرْبَعَ
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে সাহল, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে সুবাইহ থেকে, ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলা থেকে, তিনি বনু মাযিন গোত্রের ভ্রাতা এবং সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত উতবাহ ইবনে গাযওয়ান থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে ধৈর্যের দিনগুলো আসছে। সে সময়ে তোমরা বর্তমানে যে আদর্শের ওপর আছ, তা যে ব্যক্তি মজবুতভাবে ধারণ করবে, তার জন্য তোমাদের মধ্যকার পঞ্চাশ জনের সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে»। তারা আরজ করলেন: হে আল্লাহর নবী, তাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জন? তিনি বললেন: «না, বরং তোমাদের মধ্য থেকেই»। তিনি এ কথাটি তিনবার বা চারবার বললেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ
ইবরাহীম বিন আবী আবলাহ, উবাদাহ বিন আস-সামিতের সূত্রে, এবং তিনি তাঁর থেকে শোনেননি
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا عِرَاكُ بْنُ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي عَبْلَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ: أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَاعِدٌ فِي الْحَطِيمِ بِمَكَّةَ ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَى عَلَى مَالِ فُلَانٍ نَسِيفُ الْبَحْرِ فَذَهَبَ بِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا تَلَفَ مَالٌ فِي بَحْرٍ وَلَا بَرٍّ إِلَّا بِمَنْعِ الزَّكَاةِ فَحَرِّزُوا أَمْوَالَكُمْ بِالزَّكَاةِ ، وَدَاوُوا مَرْضَاكُمْ بِالصَّدَقَةِ ، وَادْفَعُوا عَنْكُمْ طَوَارِقَ الْبَلَاءِ بِالدُّعَاءِ ، فَإِنَّ الدُّعَاءَ يَنْفَعُ مِمَّا نَزَلَ وَمِمَّا لَمْ يَنْزِلْ ، مَا نَزَلَ يَكْشِفُهُ وَمَا لَمْ يَنْزِلْ يَحْبِسُهُ»
১৮ - মুহাম্মদ ইবনে আবু জুরআ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইরাক ইবনে খালিদ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবরাহিম ইবনে আবু আবলাহকে উবাদাহ ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার হাতীমে উপবিষ্ট থাকাকালীন তাঁর নিকট আসা হলো এবং বলা হলো: হে আল্লাহর রাসুল! অমুক ব্যক্তির সম্পদের ওপর সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস আছড়ে পড়েছে এবং তা নিয়ে গেছে। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "স্থলে বা জলে কোনো সম্পদই নষ্ট হয় না যাকাত প্রদান না করার কারণ ব্যতীত। সুতরাং তোমরা যাকাতের মাধ্যমে তোমাদের সম্পদকে সুরক্ষিত করো, সদকার মাধ্যমে তোমাদের অসুস্থদের চিকিৎসা করো এবং দোয়ার মাধ্যমে তোমাদের ওপর আপতিত বিপদসমূহকে প্রতিহত করো। কেননা দোয়া সেই বিপদের ক্ষেত্রেও উপকারে আসে যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা এখনও অবতীর্ণ হয়নি। যা অবতীর্ণ হয়েছে তা দোয়া দূর করে দেয় এবং যা অবতীর্ণ হয়নি দোয়া তাকে আটকে রাখে।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
19 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا عِرَاكُ بْنُ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي عَبْلَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ: " إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى إِذَا أَرَادَ بِقَوْمٍ بَقَاءً أَوْ نَمَاءً رَزَقَهُمُ السَّمَاحَةَ وَالْعَفَافَ ، وَإِذَا أَرَادَ بِقَوْمٍ اقْتِطَاعًا فَتْحَ عَلَيْهِمْ بَابَ خِيَانَةٍ ثُمَّ قَرَأَ {حَتَّى إِذَا فَرِحُوا بِمَا أُوتُوا أَخَذْنَاهُمْ بَغْتَةً فَإِذَا هُمْ مُبْلِسُونَ} [الأنعام: 44] "
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি জুরআহ আদ-দিমাশকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইরাক ইবনে খালিদ ইবনে ইয়াজিদ, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহকে উবাদাহ ইবনুস সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কোনো জাতির স্থায়িত্ব বা প্রবৃদ্ধি চান, তখন তাদেরকে উদারতা ও পবিত্রতা দান করেন। আর যখন কোনো জাতির বিনাশ চান, তখন তাদের জন্য খিয়ানত বা বিশ্বাসঘাতকতার দরজা খুলে দেন।" অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {অবশেষে যখন তারা সেই বস্তুসমূহ নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠল যা তাদেরকে প্রদান করা হয়েছিল, তখন আমি আকস্মিকভাবে তাদেরকে পাকড়াও করলাম, ফলে তখনই তারা হতাশ হয়ে পড়ল} [আল-আনআম: ৪৪]।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ.
ইবরাহিম ইবনে আবি আবলাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
20 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي الطَّاهِرِ بْنُ السَّرْحِ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ رَبَاحٍ الذِّمَارِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: «رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَحْتَبِي يَوْمَ الْجُمُعَةِ ، وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَيَخْفِقُ الْخَفَقَاتِ وَهُوَ مُحْتَبٌ»
২০ - আমাদের নিকট আমর ইবন আবু তাহির ইবনুল সারহ বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবন মুসাফির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন হাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ ইবন রাবাহ আদ-জিমারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম ইবন আবু আবলা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি ইবন উমরকে জুমার দিনে ইহতিবা অবস্থায় (দুই হাঁটু পেটের সাথে মিলিয়ে হাত বা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে বসা) দেখেছি যখন ইমাম খুতবা দিচ্ছিলেন, আর তিনি ইহতিবা ভঙ্গিতে থাকা অবস্থায় তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে ঝিমুচ্ছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ
উম্মুদ দারদা হতে ইবরাহীম ইবন আবি আবলাহ্
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَفْصٍ الْوُصَابِيُّ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حِمْيَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أُمَّ الدَّرْدَاءِ، تُحَدِّثُ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ دُلَّنِي عَلَى عَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَغْضَبْ ، وَلَكَ الْجَنَّةُ»
২১ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাফস আল-ওয়ুসাবি আল-হিমসি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে হিমইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি উম্মুদ দারদাকে আবু দারদা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছিলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি আমলের পথপ্রদর্শন করুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «রাগ করো না, তাহলে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদুশ শামিয়্যীন লিত-তবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ الْعَسْقَلَانِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ، وعَبْدُوسُ بْنُ دِيزَوَيْهِ الرَّازِيَانِ ، وَسَلَامَةُ بْنُ نَاهِضٍ الْمَقْدِسِيُّ ، قَالُوا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَانِئِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَصْبَحَ مُعَافًى فِي بَدَنِهِ آمِنًا فِي سِرْبِهِ ، عِنْدَهُ قُوتُ يَوْمِهِ ، فَكَأَنَّمَا حِيزَتْ لَهُ الدُّنْيَا ، يَا ابْنَ جُعْشُمَ يَكْفِيكَ مِنْهَا مَا سَدَّ جُوعَكَ وَوَارَى عَوْرَتَكَ ، وَإِنْ كَانَ بَيْتًا يُوَارِيكَ فَذَاكَ ، وَإِنْ كَانَتْ دَابَّةً فَتَرْكَبُهَا فَبَخٍ ، فَلَقُ الْخُبْزِ [وَمَاءُ الْجَرِّ] وَمَا فَوْقَ الْإِزَارِ فَحِسَابٌ عَلَيْكَ»
২২ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতাইবা আল-আসকালানি, আলি ইবনে সাঈদ, আবদুস ইবনে দিজাওয়াইহ আর-রাজিইয়ান এবং সালামাহ ইবনে নাহিদ আল-মাকদিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে হানি ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি আবলাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উম্মুদ দারদা থেকে বর্ণিত, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি সুস্থ শরীরে, নিজ পরিবারে নিরাপদ থেকে এবং একদিনের খাদ্যের সংস্থান থাকা অবস্থায় প্রভাত করল, সে যেন সমগ্র পৃথিবীই লাভ করল। হে ইবনে জু'শুম! তোমার জন্য দুনিয়া থেকে ততটুকুই যথেষ্ট যা তোমার ক্ষুধা নিবারণ করবে এবং তোমার সতর আবৃত করবে। যদি তোমার একটি ঘর থাকে যা তোমাকে আশ্রয় দেয় তবে তাই যথেষ্ট। আর যদি কোনো বাহন থাকে যাতে তুমি আরোহণ করতে পার, তবে তো চমৎকার! এক টুকরো রুটি, [কলসির পানি] এবং পরনের কাপড়ের অতিরিক্ত যা কিছু আছে, তা তোমার জন্য হিসাবের বিষয় হবে।»