(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: -)
مسند ابن أبي شيبة   (أبو بكر بن أبي شيبة)

القسم: كتب السنة

الكتاب: مسند ابن أبي شيبة

المؤلف: أبو بكر بن أبي شيبة، عبد الله بن محمد بن إبراهيم بن عثمان بن خواستي العبسي (ت 235هـ)

المحقق: عادل بن يوسف العزازي و أحمد بن فريد المزيدي

الناشر: دار الوطن - الرياض

الطبعة: الأولى، 1997م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুসনাদ ইবনে আবি শায়বা   (আবু বকর বিন আবি শায়বা)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: মুসনাদ ইবনে আবি শায়বা

লেখক: আবু বকর বিন আবি শায়বা، আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন উসমান বিন খাওস্তা আল-আবসি (মৃত্যু ২৩৫ হিজরি)

তাহকিককারী: আদিল বিন ইউসুফ আল-আযযাযি এবং আহমদ বিন ফরিদ আল-মাযিদি

প্রকাশক: দারুল ওয়াতান - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম، ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌أَبُو أَيُّوبَ خَالِدُ بْنُ زَيْدٍ
আবু আইয়ুব খালিদ বিন যায়েদ
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌1 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أُتِيَ بِطَعَامٍ فَأَصَابَ مِنْهُ شَيْئًا بَعَثَ بِهِ إِلَى أَبِي أَيُّوبَ، فَأُتِيَ بِطَعَامٍ فَلَمْ يُصِبْ مِنْهُ شَيْئًا، فَقَالَ لِلْمَرْأَةِ لَا تَعْجَلِي، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: «إِنَّ فِيهِ هَذِهِ الْبَقْلَةَ وَإِنِّي أَكْرَهُ رِيحَهَا» . فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ رضي الله عنه: «وَأَنَا أَكْرَهُ مَا كَرِهَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
১ - উমর আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল থেকে, জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে, আবু আইয়ুব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট যখন কোনো খাদ্য আনা হতো এবং তিনি তা থেকে কিছু আহার করতেন, তখন অবশিষ্ট অংশ আবু আইয়ুবের নিকট পাঠিয়ে দিতেন। একবার তাঁর নিকট এমন খাদ্য আনা হলো যেখান থেকে তিনি কিছুই আহার করলেন না। তখন তিনি (আবু আইয়ুব) জনৈক নারীকে বললেন, "তাড়াহুড়ো করো না।" অতঃপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং বিষয়টি তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এতে এই শাকটি রয়েছে এবং আমি এর ঘ্রাণ অপছন্দ করি।" তখন আবু আইয়ুব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা অপছন্দ করেন, আমিও তা অপছন্দ করি।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌2 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ ‌‌⦗ص: 28⦘ الْحَمْدُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ عَشْرَ مَرَّاتٍ، كُنَّ لَهُ كَعِدْلِ عَشْرِ رِقَابٍ أَوْ رَقَبَةٍ "
২ - ওমর, ইবনে আবি শায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ সকল প্রশংসা তাঁরই, তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান—দশবার; তবে তা তার জন্য দশজন দাস অথবা একজন দাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌3 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْجَعِيِّ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُزَيْنَةُ، وَجُهَيْنَةُ، وَغِفَارٌ، وَأَسْلَمُ، وَأَشْجَعُ، وَمَنْ كَانَ مِنْ بَنِي كَعْبٍ مَوَالٍ دُونَ النَّاسِ، وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ مَوْلَاهُمْ»
৩ - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, আবু মালিক আল-আশজায়ি থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মুজায়নাহ, জুহায়নাহ, গিফার, আসলাম, আশজা‘ এবং বনু কা‘ব থেকে যারা রয়েছে তারা অন্য লোকদের পরিবর্তে (আমার) ঘনিষ্ঠ মিত্র; আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাদের অভিভাবক।”
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌4 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا الْمُقْرِئُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سَعِيدٍ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ شَرِيكٍ الْمَعَافِرِيُّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أَيُّوبَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‌‌⦗ص: 29⦘: «غَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، أَوْ رَوْحَةٌ، خَيْرٌ مِمَّا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ وَغَرَبَتْ»
‌4 - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুকরি ইবন আবদুর রহমান, সাঈদ ইবন আবি আইয়ুব থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শারাহবিল ইবন শারীক আল-মাআফিরি বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু আইয়ুবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ‌‌⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘: «আল্লাহর পথে একটি সকাল বা একটি সন্ধ্যা অতিবাহিত করা সেই সব কিছু হতে উত্তম যার ওপর সূর্য উদিত হয় ও অস্ত যায়।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌5 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ تَعْلَى، قَالَ: غَزَوْنَا مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَعَلَى النَّاسِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ، فَأَمَرَهُمْ بِالنَّبْلِ حَتَّى قُتِلُوا صَبْرًا، فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيُّ: لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَنْهَى عَنْ صَبْرِ الدَّابَّةِ، وَمَا أُحِبُّ أَنِّي صَبَّرْتُ دَجَاجَةً»
৫ - ওমর, আমাদের নিকট ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রাহীম ইবন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি বুকাঈর ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল আশাজ্জ থেকে, তিনি উবাইদ ইবন তা’লা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবদুর রহমান আবু আইয়ুব আনসারীর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, আর তখন লোকদের নেতৃত্বে ছিলেন আবদুর রহমান ইবন খালিদ। তিনি তীরের মাধ্যমে (আক্রমণের) নির্দেশ দিলেন ফলে তাদেরকে আটকে রেখে (লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে) হত্যা করা হলো। তখন আবু আইয়ুব আনসারী বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “তিনি কোনো প্রাণীকে বেঁধে রেখে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন। আর আমি একটি মুরগীকেও এভাবে হত্যা করা পছন্দ করি না।”
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌6 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَوْتِرْ بِخَمْسٍ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَبِوَاحِدَةٍ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَأَوْمِئْ إِيمَاءً»
৬ - উমর বর্ণনা করেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বা, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াজিদ আল-লাইসী থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা পাঁচ রাকাতের মাধ্যমে বিতর আদায় করো, যদি তা না পারো তবে এক রাকাতের মাধ্যমে, আর যদি তাও করতে সক্ষম না হও তবে ইশারায় আদায় করো।”
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌7 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنْ رَبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ امْرَأَةٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَرَأَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ فَكَأَنَّمَا قَرَأَ ثُلُثَ الْقُرْآنِ»
৭ - উমর, আমাদের নিকট ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হুসাইন ইবনে আলী আল-জুফী বর্ণনা করেছেন যায়েদাহ থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি রবি ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি আমর ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আনসারদের জনৈক নারী থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠ করবে, সে যেন কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করল।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌8 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ، نَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي صِرْمَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ لَمْ تُذْنِبُوا لَجَاءَ اللَّهُ بِقَوْمٍ يُذْنِبُونَ فَيَغْفِرُ لَهُمْ»
‌8 - উমর, আমাদের নিকট ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট লাইস বিন সাদ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন কায়স থেকে, তিনি আবু সিরমাহ থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি তোমরা পাপ না করতে, তবে আল্লাহ এমন এক সম্প্রদায় নিয়ে আসতেন যারা পাপ করত এবং তিনি তাদের ক্ষমা করে দিতেন»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌9 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ رَافِعِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ، بِمِصْرَ يَقُولُ: مَا أَصْنَعُ بِهَذِهِ الْكَرَابِيسِ؟ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ أَوِ الْبَوْلَ، فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ - أَوْ قَالَ - الْكَعْبَةَ بِفَرْجٍ»
৯ - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবু শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবন হুবাব, মালিক ইবন আনাস থেকে, তিনি ইসহাক ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবু তালহা থেকে, তিনি রাফি ইবন ইসহাক ইবন তালহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মিসরে আবু আইয়ুব আল-আনসারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "আমি এই শৌচাগারগুলোর কী করব? অথচ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‘যখন তোমাদের কেউ মলত্যাগ বা প্রস্রাব করতে যায়, তখন সে যেন কিবলা - অথবা তিনি বলেছেন কাবা - অভিমুখে লজ্জাস্থান না রাখে’।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌10 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ وَاصِلِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي سَوْرَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا السَّلَامُ فَمَا الِاسْتِئْذَانُ؟ قَالَ: " يَتَكَلَّمُ الرَّجُلُ: تَسْبِيحَةً، وَتَكْبِيرَةً، وَتَحْمِيدَةً، وَيَتَنَحْنَحُ، وَيُؤْذِنُ أَهْلَ الْبَيْتِ "
১০ - উমর, ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাহীম ইবনে সুলাইমান আমাদের বর্ণনা করেছেন, ওয়াসিল ইবনে সাইব থেকে, তিনি আবু সাওরা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো হলো সালাম, কিন্তু অনুমতি প্রার্থনা (ইস্তিযান) কী? তিনি বললেন: "ব্যক্তি কথা বলবে: তাসবীহ, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ করবে, গলা খাঁকারি দিবে এবং এভাবে গৃহবাসীদের অবহিত করবে।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌11 - نا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ أَبِي رُهْمٍ السَّمَاعِيِّ، أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ، حَدَّثَهُ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فِي بَيْتِهِ الْأَسْفَلِ، وَكُنْتُ فِي الْغُرْفَةِ فَأُهْرِيقَ مَاءٌ فِي الْغُرْفَةِ، فَقُمْتُ أَنَا وَأُمُّ أَيُّوبَ بِقَطِيفَةٍ نَتَّبِعُ الْمَاءَ شَفَقَةً أَنْ يَخْلُصَ الْمَاءُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَنَزَلْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مُشْفِقٌ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ ‌‌⦗ص: 33⦘ اللَّهِ، لَيْسَ يَنْبَغِي أَنْ نَكُونَ فَوْقَكَ، انْتَقِلْ إِلَى الْغُرْفَةِ، فَأَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمَتَاعِهِ، وَمَتَاعُهُ قَلِيلٌ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنْتَ تُرْسِلُ إِلَيْنَا الطَّعَامَ فَأَنْظُرُ فَإِذَا رَأَيْتُ أَثَرَ أَصَابِعِكَ وَضَعْتُ يَدِي فِيهِ، حَتَّى كَانَ هَذَا الطَّعَامُ الَّذِي أَرْسَلْتَ بِهِ إِلَيَّ، فَنَظَرْتُ فِيهِ فَلَمْ أَرَ أَثَرَ أَصَابِعِكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَجَلْ إِنَّ فِيهِ بَصَلًا، فَكَرِهْتُ أَنْ آكُلَهُ مِنْ أَجْلِ الْمَلَكِ الَّذِي يَأْتِينِي، وَأَمَّا أَنْتُمْ فَكُلُوهُ»
১১ - ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লায়স ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, আবুল খায়ের থেকে, আবু রুহম আস-সামায়ী থেকে বর্ণিত যে, আবু আইয়ুব তাকে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরের নিচের তলায় অবস্থান করেছিলেন এবং আমি ছিলাম ওপরের কক্ষে। একদা ওপরের কক্ষে কিছু পানি পড়ে গেল, তখন আমি এবং উম্মে আইয়ুব একটি পশমি চাদর দিয়ে পানি মুছতে লাগলাম এই আশঙ্কায় যে, পানি যেন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর গিয়ে না পড়ে। অতঃপর আমি অত্যন্ত সংকুচিত অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নেমে এলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ রসূল, আপনার উপরে আমাদের থাকা সংগত নয়, আপনি ওপরের কক্ষে স্থানান্তরিত হন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন, আর তাঁর আসবাবপত্র ছিল যৎসামান্য। এরপর আমি বললাম: হে আল্লাহর রসূল, আপনি আমাদের নিকট খাবার পাঠাতেন এবং আমি লক্ষ্য করতাম, যদি আপনার আঙুলের ছাপ দেখতে পেতাম তবে আমি সেখানেই আমার হাত রাখতাম। কিন্তু এই যে খাবারটি আপনি আমার নিকট পাঠালেন, আমি তাতে তাকিয়ে আপনার আঙুলের কোনো ছাপ দেখতে পেলাম না। তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হ্যাঁ, এতে পেঁয়াজ ছিল, তাই আমার নিকট যে ফেরেশতা আসেন তাঁর কারণে আমি তা খাওয়া অপছন্দ করেছি। তবে তোমরা তা খাও।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌12 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ وَاصِلِ بْنِ السَّائِبِ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي سَوْرَةَ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ قَالَ اللَّهُ فِيهِمْ: {رِجَالٌ يُحِبُّونَ أَنْ يَتَطَهَّرُوا} [التوبة: 108] ؟ قَالَ: «كَانُوا يَسْتَنْجُونَ بِالْمَاءِ، وَكَانُوا لَا يَنَامُونَ اللَّيْلَ كُلَّهُ»
১২ - ওমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহীম ইবনে সুলাইমান, তিনি ওয়াসিল ইবনাস সাইব আর-রাকাশি থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবু সাওরাহ থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তারা কারা যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন: {এমন লোক যারা পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে} [আত-তাওবাহ: ১০৮]? তিনি বললেন: «তারা পানি দিয়ে ইস্তিনজা করতেন এবং তারা সারা রাত ঘুমাতেন না»।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌13 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ وَاصِلِ بْنِ السَّائِبِ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَبِي سَوْرَةَ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ ‌‌⦗ص: 34⦘، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «حَبَّذَا الْمُتَخَلِّلُونَ» ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْمُتَخَلِّلُونَ؟ قَالَ: " الْمُتَخَلِّلُ مِنَ الْوُضُوءِ: أَنْ تَتَخَلَّلَ أَصَابِعَكَ وَأَسْنَانَكَ، وَالْمُتَخَلِّلُ مِنَ الطَّعَامِ، فَإِنَّهُ لَيْسَ شَيْءٌ أَشَدَّ عَلَى الْمَلَكِ الَّذِي مَعَ الْعَبْدِ أَنْ يَجِدَ مِنْ أَحَدِكُمْ فَيْحَ الطَّعَامِ "
‌১৩ - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহিম বিন সুলাইমান, তিনি ওয়াহসিল বিন আস-সাইব আর-রাকাশি থেকে, তিনি আবু সাওরাহ থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে ‌⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «খেলালকারীরা কতই না চমৎকার!» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, খেলালকারী কারা? তিনি বললেন: "অজুর খেলাল হলো: তোমার আঙুলসমূহ ও দাঁতসমূহ খেলাল করা। আর খাবারের খেলাল। কেননা বান্দার সাথে থাকা ফেরেশতার নিকট তোমাদের কারো মুখ থেকে খাবারের দুর্গন্ধ পাওয়ার চেয়ে অধিক কষ্টদায়ক আর কিছুই নেই।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌مُسْنَدُ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ
খুজাইমা ইবনে সাবিত-এর মুসনাদ
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌14 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، وَخُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالُوا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الطَّاعُونُ رِجْزٌ أَوْ عَذَابٌ، عُذِّبَ بِهِ قَوْمٌ، فَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلَا تَخْرُجُوا مِنْهَا، وَإِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ بِأَرْضٍ فَلَا تَدْخُلُوهَا»
১৪ - উমর, আমাদের নিকট ইবনে আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ওকি‘ ইবনুল জাররাহ বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে সা‘দ থেকে, তিনি সা‘দ ইবনে মালিক, খুজাইমাহ ইবনে সাবিত এবং উসামাহ ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্লেগ হলো একটি শাস্তি বা আযাব, যা দ্বারা কোনো এক সম্প্রদায়কে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং যখন কোনো ভূখণ্ডে এর প্রাদুর্ভাব ঘটে এবং তোমরা সেখানে অবস্থান করো, তবে সেখান থেকে বের হয়ো না; আর যখন তোমরা কোনো ভূখণ্ডে এর কথা শোনো, তখন সেখানে প্রবেশ করো না।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌15 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ خُزَيْمَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ، عَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الِاسْتِنْجَاءِ ‌‌⦗ص: 36⦘: «ثَلَاثَةُ أَحْجَارٍ، لَيْسَ فِيهَا رَجِيعٌ»
১৫ - উমর, আমাদের নিকট ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদাহ বিন সুলায়মান বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি আমর বিন খুযায়মাহ থেকে, তিনি উমারাহ বিন খুযায়মাহ থেকে, তিনি খুযায়মাহ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইসতিনজা সম্পর্কে বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘: «তিনটি পাথর, যার মধ্যে কোনো বিষ্ঠা নেই»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
‌‌16 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، نَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ قَيْسٍ الْخَطْمِيِّ، عَنْ هَرَمِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ خُزَيْمَةَ بْنَ ثَابِتٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ، لَا تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَعْجَازِهِنَّ»
১৬ - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামাহ, ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হুসাইন, আব্দুল মালিক বিন কায়স আল-খাতমি থেকে, হারামি বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি খুজায়মাহ বিন সাবিতকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্য প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন না; তোমরা নারীদের গুহ্যদ্বারে উপগত হয়ো না।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
‌‌17 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيِّ، نَا حَمَّادٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي عَبْدَ اللَّهِ الْجَدَلِيِّ، عَنْ خُزَيْمَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ ‌‌⦗ص: 37⦘: «الْمَسْحُ لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَ لَيَالٍ، وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ»
১৭ - উমর বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি শাইবা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন ইবরাহীম ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-জাদালি থেকে, তিনি খুজাইমাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘: «মুসাফিরের জন্য মাসেহ তিন রাত, এবং মুকিমের জন্য একদিন ও এক রাত»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌18 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْخَطْمِيِّ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ خُزَيْمَةَ، رَأَى فِي الْمَنَامِ كَأَنَّهُ يَسْجُدُ عَلَى جَبِينِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «إِنَّ الرُّوحَ لَتَلْقَى الرُّوحَ» أَوْ «إِنَّ الرُّوحَ تَلْقَى الرُّوحَ» - شَكَّ يَزِيدُ - فَأَقْنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَرَهُ فَسَجَدَ مِنْ خَلْفِهِ عَلَى جَبِينِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৮ - ওমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে, আবু জাফর আল-খাতমি থেকে, উমারাহ ইবন খুজাইমাহ ইবন সাবিত থেকে, তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত যে, খুজাইমাহ স্বপ্নে দেখলেন যে তিনি যেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কপালে সাজদাহ করছেন। তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তা উল্লেখ করলাম, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই রুহ রুহের সাথে মিলিত হয়" অথবা "রুহ রুহের সাথে মিলিত হয়" - ইয়াজিদ শব্দটির ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন - অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা পেছনের দিকে হেলালেন এবং তাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে তিনি তাঁর পেছন দিক থেকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কপালে সাজদাহ করলেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌19 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ زُرَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، حَدَّثَنِي عُمَارَةُ بْنُ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اشْتَرَى فَرَسًا مِنْ سَوَّادِ بْنِ قَيْسٍ الْمُحَارِبِيِّ فَجَحَدَهُ فَشَهِدَ لَهُ خُزَيْمَةُ بْنُ ثَابِتٍ رضي الله عنه، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌⦗ص: 38⦘: «مَا حَمَلَكَ عَلَى الشَّهَادَةِ وَلَمْ تَكُنْ مَعَنَا حَاضِرًا؟» قَالَ: صَدَّقْتُكَ لِمَا جِئْتَ بِهِ، وَعَلِمْتُ أَنَّكَ لَا تَقُولُ إِلَّا حَقًّا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ شَهِدَ لَهُ خُزَيْمَةُ، أَوْ شَهِدَ عَلَيْهِ خُزَيْمَةُ فَحَسْبُهُ»
১৯ - উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়দ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন যুরারাহ বিন খুজাইমাহ বিন সাবিত আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারাহ বিন খুজাইমাহ বিন সাবিত আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাউওয়াদ বিন কাইস আল-মুহারিবির নিকট থেকে একটি ঘোড়া ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর সে তা অস্বীকার করল, তখন খুজাইমাহ বিন সাবিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য দিলেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘: "কোন বিষয়টি তোমাকে সাক্ষ্য দিতে উদ্বুদ্ধ করল অথচ তুমি আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলে না?" তিনি বললেন: "আপনি যা নিয়ে এসেছেন সে বিষয়ে আমি আপনাকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছি এবং আমি জানি যে আপনি সত্য ছাড়া আর কিছুই বলেন না।" তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "খুজাইমাহ যার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে অথবা যার বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য সেটিই যথেষ্ট।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
‌‌20 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْجَدَلِيِّ، عَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: «جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ لِلْمُسَافِرِ، وَيَوْمًا لِلْمُقِيمِ، وَلَوْ مَضَى السَّائِلُ فِي مَسْأَلَةٍ لَجَعَلَهَا خَمْسًا»
২০ - উমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি শায়বাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনে দাকাইন, সুফইয়ান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইব্রাহিম আত-তায়মি থেকে, তিনি আমর ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি আবু আবদুল্লাহ আল-জাদালি থেকে, তিনি খুজায়মাহ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজার ওপর মাসাহ করার সময়সীমা মুসাফিরের জন্য তিন দিন এবং মুকিমের জন্য এক দিন নির্ধারণ করেছেন। আর প্রশ্নকারী যদি তার প্রশ্ন চালিয়ে যেতেন, তবে তিনি তা পাঁচ দিন পর্যন্ত করে দিতেন।’»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
‌‌21 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ لَهِيعَةَ، نَا أَبُو الْأَسْوَدِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ ‌‌⦗ص: 39⦘ الزُّبَيْرِ، يُحَدِّثُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يَأْتِي الشَّيْطَانُ الْإِنْسَانَ فَيَقُولُ: مَنْ خَلَقَ السَّمَوَاتِ؟، فَيَقُولُ: اللَّهُ، فَيَقُولُ: مَنْ خَلَقَ الْأَرْضَ؟، فَيَقُولُ: اللَّهُ، حَتَّى يَقُولُ: فَمَنْ خَلَقَ اللَّهَ؟ فَإِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَقُلْ: آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ "
২১ - ওমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবি শাইবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে মুসা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে লাহিয়াহ, তিনি শুনেছেন আবুল আসওয়াদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে নাওফাল থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ জুবায়েরকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি উমারাহ ইবনে খুযাইমাহ ইবনে সাবিত আল-আনসারি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "শয়তান মানুষের কাছে আসে এবং বলে: আসমানসমূহ কে সৃষ্টি করেছেন? সে বলে: আল্লাহ। তখন সে বলে: জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? সে বলে: আল্লাহ। এমনকি শেষ পর্যন্ত সে বলে: তাহলে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন? তোমাদের মধ্যে কেউ যখন এমন কিছুর সম্মুখীন হয়, তখন সে যেন বলে: আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনলাম।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৩৯)
‌‌22 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنِ ابْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَصَابَ ذَنْبًا فَأَقَمْتُمْ عَلَيْهِ حَدَّ ذَلِكَ فَهُوَ كَفَّارَتُهُ»
২২ - ওমর, ইবনে আবি শায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসামা বিন যায়েদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি ইবনে খুজাইমা বিন সাবিত থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো পাপে লিপ্ত হয় এবং তোমরা তার ওপর সেই পাপের নির্ধারিত দণ্ডবিধি (হদ) কার্যকর করো, তবে তা-ই হবে তার কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত)।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌مَا رَوَاهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবু আদ-দারদা রাযিয়াল্লাহু আনহু যা বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌23 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا أَبُو الْأَحْوَصِ سَلَّامُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي حَبِيبَةَ، عَنِ الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَثَلُ الَّذِي يَعْتِقُ عِنْدَ الْمَوْتِ، كَالَّذِي يُهْدِي بَعْدَ الشِّبَعِ»
23 - উমর, আমাদের নিকট ইবন আবু শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-আহওয়াস সাল্লাম ইবন সুলাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু হাবিবাহ থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মৃত্যুর সময় যে ব্যক্তি (দাস) মুক্ত করে, তার দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির মতো যে পেট ভরে আহার করার পর উপহার প্রদান করে।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌24 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ، فَقَدْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ، وَمَنْ مُنِعَ ‌‌⦗ص: 42⦘ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ، مُنِعَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ»
২৪ - উমর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বা, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে মামলাক থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যাকে নম্রতার অংশ প্রদান করা হয়েছে, তাকে কল্যাণের অংশই প্রদান করা হয়েছে। আর যাকে ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাকে কল্যাণের অংশ থেকেই বঞ্চিত করা হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৪২)
‌‌25 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: قَدِمْتُ الشَّامَ فَأَتَى أَبُو الدَّرْدَاءِ فَقَالَ: " أَفِيكُمْ أَحَدٌ يَقْرَأُ عَلَيَّ قِرَاءَةَ عَبْدِ اللَّهِ؟ فَقُلْتُ: نَعَمْ أَنَا، قَالَ: فَكَيْفَ سَمِعْتَ عَبْدَ اللَّهِ يَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ: {وَاللَّيْلُ إِذَا يَغْشَى} [الليل: 1] ؟ قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقْرَأُ: {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} [الليل: 1] «وَالذِّكْرَ الْأُنْثَى» ، فَقَالَ: أَنَا وَاللَّهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا وَلَكِنَّ هَؤُلَاءِ يُرِيدُونَ أَنْ أَقْرَأَ {وَمَا خَلَقَ الذِّكْرَ وَالْأُنْثَى} [الليل: 3] فَلَا أُبَايِعُهُمْ
‌২৫ - উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আ'মাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আলক্বামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি শামে আসলাম, তখন আবু দারদা আসলেন এবং বললেন: "তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে আমার কাছে আব্দুল্লাহর পাঠরীতি অনুযায়ী তিলাওয়াত করবে?" আমি বললাম: "হ্যাঁ, আমি।" তিনি বললেন: "তুমি আব্দুল্লাহকে এই আয়াতটি কীভাবে পাঠ করতে শুনেছ: {শপথ রাতের, যখন তা আচ্ছন্ন হয়} [লাইল: ১]?" তিনি বললেন: আমি তাকে পাঠ করতে শুনেছি: {শপথ রাতের যখন তা আচ্ছন্ন হয়} [লাইল: ১] "এবং পুরুষ ও নারীর," তখন তিনি বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবেই এটি পাঠ করতে শুনেছি। কিন্তু এরা চায় যে আমি পাঠ করি {এবং শপথ তাঁর, যিনি পুরুষ ও নারী সৃষ্টি করেছেন} [লাইল: ৩], তবে আমি তাদের এই পাঠ মেনে নেব না।"
(খণ্ড: ১) মুসনাদু ইবনি আবী শায়বাহ (পৃষ্ঠা: ৪২)
‌‌26 - عُمَرُ، نا ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا وَكِيعٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ ‌‌⦗ص: 43⦘، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ رَجُلِ كَانَ بَيْتُهُ بِمِصْرَ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ، {لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ} [يونس: 64] ، فَقَالَ: مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ سَأَلْتُ عَنْهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ غَيْرُكَ مُنْذُ أُنْزِلَتْ، هِيَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُسْلِمُ أَوْ تُرَى لَهُ، وَفِي الْآخِرَةِ الْجَنَّةُ»
২৬ - উমর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি শায়বাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, মিশরে বসবাসকারী জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি আবু আদ-দারদাকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, {তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ পার্থিব জীবনে এবং পরকালে} [ইউনুস: ৬৪], তখন তিনি বললেন: তুমি ছাড়া আর কেউ আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেনি। আমি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনি বললেন: «এটি অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে তুমি ছাড়া আর কেউ আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেনি; তা হলো সৎ স্বপ্ন যা কোনো মুসলিম নিজে দেখে অথবা তার জন্য দেখানো হয়, আর পরকালে (সুসংবাদ) হলো জান্নাত।»