(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: -)
مسند ابن أبي أوفى ليحيى بن محمد بن صاعد (ابن صاعد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مسند عبد الله بن أبي أوفى
المؤلف: أبو محمد يحيى بن محمد بن صاعد بن كاتب الهاشمي البغدادي (ت 318هـ)
المحقق: سعد بن عبد الله آل الحميد
الناشر: مكتبة الرشد - الرياض
عدد الصفحات: 143
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ কর্তৃক বর্ণিত মুসনাদে ইবনে আবি আওফা (ইবনে সাঈদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুসনাদে আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা
লেখক: আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন কাতিব আল-হাশিমি আল-বাগদাদি (ওফাত ৩১৮ হিজরি)
মুহাক্কিক: সাদ বিন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৩
[গ্রন্থটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
حَدِيثُ الْقَاسِمِ بْنِ عَوْفٍ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى
আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা হতে আল-কাসিম ইবনে আওফ আশ-শাইবানি বর্ণিত হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
1 - أَخْبَرَنَا شَيْخُنَا الصَّاحِبُ الْأَوْحَدُ الصَّدْرُ الْكَبِيرُ نَجِيبُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ ابْنُ الْإِمَامُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ الصَّيْقَلِ الْحَرَّانِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ قَالَ: أنا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ ابْنُ الْجَوْزِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرٍ الزَّاغُونِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أنا الشَّرِيفُ أَبُو الْغَنَائِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الْمَأْمُونِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ سُلَيمَانَ بْنِ مَخْلَدِ بْنِ حُبَابَةَ الْبَزَّارُ قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، فِيمَا حَفِظْنَاهُ عَنْهُ عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ»
১ - আমাদের শাইখ, অদ্বিতীয় সুহৃদ, মহান নেতা নাজীবুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনুল ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুনইম ইবনে আলী ইবনে নাসর ইবনুল সাইকাল আল-হাররানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমরা কায়রোতে তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি বাগদাদে তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে নাসর আয-যাগুনী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আশ-শরীফ আবুল গানাইম আব্দুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনুল ফজল ইবনুল মামুন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়—তিনি বলেন: আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে সুলাইমান ইবনে মাখলাদ ইবনে হুবাবাহ আল-বাযযার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল জাব্বার ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আইয়ুব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—যা আমরা তাঁর থেকে মুখস্থ করেছি—তিনি কাসিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আওয়াবীনদের সালাত হলো সেই সময়, যখন উটের শাবকের পা তপ্ত বালিতে গরম হয় (পুড়ে যায়)»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
2 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ الْمَخْزُومِيُّ، قَالَ ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ»
২ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সাঈদ বিন আবদুর রহমান আবু উবাইদুল্লাহ আল-মাখজুমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আউওয়াবীনদের সালাত তখন, যখন উটের শাবকদের পা (তপ্ত বালুতে) পুড়তে শুরু করে»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
3 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، نا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ»
৩ - আমাদের ইয়াহইয়া সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মানসুর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-ফাদল ইবনে দুকাইন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি ইবনে আবি আওফা থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আওয়াবিনদের সালাত সেই সময়ে, যখন (তপ্ত বালুর কারণে) উটের বাচ্চার পা পুড়তে শুরু করে।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
4 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، وَزِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، قَالَا ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ ثنا أَيُّوبُ، عَنِ الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، قَدِمَ الْيَمَنَ أَوْ قَالَ الشَّامَ فَرَأَى النَّصَارَى يَسْجُدُونَ لِبَطَارِقَتِهَا وَأَسَاقِفَتِهَا فَرَأَى فِي نَفْسِهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَقُّ أَنْ يُعَظَّمَ، قَالَ يَعْقُوبُ: سَجَدَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «يَا مُعَاذُ مَا هَذَا؟» قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي رَأَيْتُ النَّصَارَى تَسْجُدُ لِبَطَارِقَتِهَا وَأَسَاقِفَتِهَا، فرَأَيْتُ فِي نَفْسِي أَنَّكَ أَحَقُّ أَنْ تُعَظَّمَ، فَقَالَ: «لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَا تُؤَدِّي الْمَرْأَةُ حَقَّ اللَّهِ عز وجل عَلَيْهَا حَتَّى تُؤَدِّيَ حَقَّ زَوْجِهَا كُلَّهُ عَلَيْهَا، حَتَّى لَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِيَ عَلَى ظَهْرِ قَتَبٍ لَأَعْطَتْهُ إِيَّاهَا»
৪ - আমাদের ইয়াহইয়া সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াকূব ইবনু ইবরাহীম আদ-দাওরাকী এবং যিয়াদ ইবনু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আইয়ুব আল-কাসিম আশ-শাইবানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আবী আওফা থেকে বর্ণনা করেন যে, মুআয ইবনু জাবাল ইয়ামানে কিংবা সিরিয়ায় (শাম) গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি খ্রিস্টানদের তাদের প্রধান যাজক ও পাদ্রীদের সিজদা করতে দেখেন। তখন তিনি মনে মনে উপলব্ধি করলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্মান পাওয়ার অধিক হকদার। ইয়াকূব বর্ণনা করেন: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সিজদা করলেন। তখন তিনি বললেন: «হে মুআয! এটি কী?» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি খ্রিস্টানদের তাদের প্রধান যাজক ও পাদ্রীদের সিজদা করতে দেখেছি। তখন আমি মনে মনে ভাবলাম যে আপনি সম্মান পাওয়ার অধিক হকদার। তখন তিনি বললেন: «আমি যদি কাউকে অন্য কারও প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে আমি স্ত্রীকে তার স্বামীকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, একজন নারী তার ওপর আল্লাহর হক আদায় করতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার স্বামীর পূর্ণ হক আদায় করে। এমনকি স্বামী যদি তাকে নিজের জন্য আহ্বান করে আর সে উটের পিঠের জিনের ওপরও থাকে, তবুও তার তা মেনে নেওয়া উচিত।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
5 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ سَيَّارٍ، قَالَ ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ مُعَاذًا، قَدِمَ الشَّامَ فَرَآهُمْ يَسْجُدُونَ لِبَطَارِقَتِهِمْ وَأَسَاقِفَتِهِمْ فَرَمَى فِي نَفْسِهِ أَنْ يَفْعَلَ ذَلِكَ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا قَدِمَ سَجَدَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي قَدِمْتُ الشَّامَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِبَطَارِقَتِهِمْ وَأَسَاقِفَتِهِمْ، فَرَوَيْتُ فِي نَفْسِي أَنْ أَفْعَلَ ذَلِكَ بِكَ، قَالَ: «لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَا تُؤَدِّي الْمَرْأَةُ حَقَّ اللَّهِ حَتَّى تُؤَدِّيَ حَقَّ زَوْجِهَا، وَلَوْ أَرَادَهَا وَهِيَ عَلَى قَتَبٍ أَعْطَتْهُ، أَوْ قَالَ لَمْ تَمْنَعْهُ» . 6 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَبُو عُثْمَانَ الْمُقَدَّمِيُّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ثنا سُلَيْمَانُ، وَأَبِي، قَالَا ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ
৫ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন মানসুর ইবন সাইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন যায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইউব থেকে, তিনি আল-কাসিম আশ-শাইবানি থেকে, তিনি ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন যে, মুয়াজ (রা.) শাম দেশে আগমন করলেন এবং তাদের পাদ্রি ও বিশপদের সিজদা করতে দেখলেন। তখন তিনি মনে মনে আকাঙ্ক্ষা করলেন যে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতিও এমনটি করবেন। অতঃপর তিনি যখন ফিরে এলেন, তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে সিজদা করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিবাদ করলেন। তখন মুয়াজ (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমি শাম দেশে গিয়েছিলাম এবং তাদের পাদ্রি ও বিশপদের সিজদা করতে দেখেছি। তাই আমি মনে মনে ইচ্ছা পোষণ করেছিলাম যে আপনার প্রতিও এমনটি করব। তিনি (রাসুল) বললেন: “আমি যদি কাউকে অন্য কারো প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে অবশ্যই স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, কোনো নারী আল্লাহর হক পূর্ণরূপে আদায় করতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার স্বামীর হক আদায় করে; এমনকি স্বামী যদি তাকে উটের জিনের ওপর থাকা অবস্থায় পেতে চায়, তবুও সে নিজেকে বিলিয়ে দেবে (অথবা তিনি বলেছিলেন: তাকে বাধা দেবে না)।” ৬ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান আল-মুকাদ্দামি আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবি বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান এবং আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: হাম্মাদ ইবন যায়িদ তাঁর সনদে অনুরূপ হাদিস আমাদের শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০০)
حَدِيثُ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى
আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণিত আমির আশ-শাবির হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০০)
7 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ بَزِيعٍ الْخَصَّافُ، بِالرَّقَّةَ ثنا سَعِيدُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْأُمَوِيُّ، ثنا لَيْثٌ، عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ: لَمْ يَكُونُوا يُصَلُّونَ قَبْلَ الْعِيدَيْنِ وَلَا بَعْدَهُمَا
৭ - ইয়াহইয়া আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন বাযী' আল-খাসসাফ রাক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবন মাসলামাহ আল-উমাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমির আশ-শা'বী থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাঁরা দুই ঈদের আগে কিংবা পরে কোনো সালাত আদায় করতেন না।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০১)
8 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْمُحَيَّاةِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ كَامِلٍ، قَالَا ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ الْخَرَّازُ، ثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، ثنا إِسْمَاعِيلُ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ شَكَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا خَالِدُ لِمَ تُؤْذِي رَجُلًا مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ؟ لَوْ أَنْفَقْتَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا لَمْ تَبْلُغْ عَمَلَهُ» فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ يَقَعُونَ فِيَّ فَأَرُدُّ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تُؤْذُوا خَالِدًا؛ فَإِنَّهُ سَيْفٌ صَبَّهُ اللَّهُ عَلَى الْكُفَّارِ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আবিল মুহায়্যাহ এবং মুহাম্মাদ ইবন কামিল, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আউন আল-খাররাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাঈল আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল, তিনি আশ-শা'বী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবন আউফ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «হে খালিদ! তুমি কেন বদরবাসীদের একজন ব্যক্তিকে কষ্ট দিচ্ছ? যদি তুমি উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবুও তুমি তার আমলের স্তরে পৌঁছাতে পারবে না।’ তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! তারা আমার সমালোচনা করে, তাই আমি তাদের প্রতিউত্তর দিই। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «তোমরা খালিদকে কষ্ট দিও না; কেননা সে আল্লাহর এমন এক তলোয়ার, যা আল্লাহ কাফিরদের ওপর বর্ষণ করেছেন।’
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
حَدِيثٌ آخَرُ
অন্য একটি হাদীস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
9 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْغَنِيِّ، ثنا الرَّبِيعُ بْنُ ثَعْلَبٍ، ثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ مَنْ يُعْطَ الرِّفْقَ فِي الدُّنْيَا يَنْفَعُهُ فِي الْآخِرَةِ
৯ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম বিন আব্দুল গণি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর-রাবি বিন ছালাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি কাইস বিন আবি হাজিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যাকে দুনিয়াতে নম্রতা দান করা হয়েছে, তা আখেরাতে তার উপকারে আসবে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
10 - قَالَ: وَثنا الرَّبِيعُ بْنُ ثَعْلَبٍ، ثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، نَحْوَهُ وَقَالَ: اشْتَكَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «يَا خَالِدُ، لَا تُؤْذِ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ، لَوْ أَنْفَقْتَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا لَمْ تُدْرِكْ عَمَلَهُ» قَالَ: يَقَعُونَ فِيَّ فَأَرُدُّ عَلَيْهِمْ فَقَالَ: لَا تُؤْذُوا خَالِدًا؛ فَإِنَّهُ سَيْفُ اللَّهِ عز وجل، صَبَّهُ اللَّهُ عَلَى الْكُفَّارِ "
১০ - তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন রাবী ইবনে সা’লাব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাঈল আল-মুয়াদ্দিব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ, তিনি শাবি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: আব্দুর রহমান ইবনে আউফ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ সম্পর্কে অভিযোগ করলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে খালিদ, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তিকে কষ্ট দিও না; তুমি যদি উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণও দান করো, তবুও তুমি তাদের আমলের নাগাল পাবে না।» তিনি (খালিদ) বললেন: তারা আমার সমালোচনা করে, তাই আমি তাদের পাল্টা জবাব দেই। তখন তিনি (নবী) বললেন: «তোমরা খালিদকে কষ্ট দিও না; কেননা সে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর তলোয়ার, যাকে আল্লাহ কাফিরদের ওপর বর্ষণ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
حَدِيثُ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى
আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফা থেকে বর্ণিত মুদরিক ইবনে উমারার হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
11 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَزْنِي امْرُؤٌ حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُ الْخَمْرَ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ شَرَفٍ يَرْفَعُ إِلَيْهَا الْمُسْلِمُونَ رُؤُوسَهُمْ حِينَ يَنْتَهِبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন মুসা আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, তিনি লাইস বিন আবি সুলাইম থেকে, তিনি মুদরিক বিন উমারা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না, সে যখন চুরি করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না, সে যখন মদ পান করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না এবং সে যখন কোনো মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে যার দিকে মুসলিমরা মাথা তুলে তাকিয়ে থাকে, তখন লুণ্ঠনকালে সে মুমিন অবস্থায় থাকে না।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
12 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ثنا شُعْبَةُ، حَدَّثَنِي فِرَاسٌ، عَنِ ابْنِ عُمَارَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 107⦘ قَالَ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ شَرَفٍ أَوْ ذَاتَ سَرَفٍ وَهُوَ مُؤْمِنٌ»
১২ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবন আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শুবা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ফিরাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন উমারা থেকে, তিনি ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ⦗পৃষ্ঠা: ১০৭⦘ বলেছেন: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না, চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না এবং কোনো লুণ্ঠনকারী যখন মূল্যবান অথবা বড় ধরনের কোনো সম্পদ লুণ্ঠন করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
13 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا بُنْدَارٌ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ وَاللَّفْظُ لَهُ قَالَا ثنا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ فِرَاسٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُدْرِكَ بْنَ عُمَارَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ سَرَفٍ حِينَ يَنْتَهِبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ» .⦗ص: 108⦘ 14 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى الْأَشْيَبُ، ثنا شُعْبَةُ. 15 - وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْوَرَّاقُ، ثنا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنْ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ
১৩ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বুন্দার মুহাম্মদ বিন বাশশার এবং আহমাদ বিন মানসূর বর্ণনা করেছেন—এবং শব্দবিন্যাস তাঁর—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ আত-তায়ালিসি বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন ফিরাস থেকে, তিনি বলেন: আমি মুদরিক বিন উমারাহকে আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না, চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না, মদ পানকারী যখন মদ পান করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না এবং লুণ্ঠনকারী যখন মূল্যবান কোনো সম্পদ লুণ্ঠন করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না।» .⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ ১৪ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন মানসূর বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মূসা আল-আশইয়াব বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন। ১৫ - এবং আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আলী আল-ওয়াররাক বর্ণনা করেছেন, আমর বিন মারযূক বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন ফিরাস থেকে, তিনি মুদরিক বিন উমারাহ থেকে, তিনি ইবনে আবি আওফা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
16 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا بُنْدَارٌ، ثنا مُحَمَّدٌ، يَعْنِي غُنْدَرًا، ثنا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «لَا يَزْنِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ» . 17 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَمَّنْ سَمِعَ ابْنَ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ» ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ.⦗ص: 109⦘ 18 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى الْأَشْيَبُ، ثنا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَمَّنْ سَمِعَ ابْنَ أَوْفَى، يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ» ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ، وَرَوَاهُ ابْنُ أَبِي مَطَرٍ عَنْ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ عَنْ رَبَاحِ بْنِ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، يَأْتِي بَعْدُ. وَرَوَاهُ مُدْرِكُ بْنُ عُمَارَةَ عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ—অর্থাৎ গুন্দার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাকাম হতে, তিনি এক ব্যক্তি হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন থাকে না, এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন থাকে না।» . ১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসলিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, শু'বাহ হতে, তিনি হাকাম হতে, তিনি এমন এক ব্যক্তি হতে যিনি ইবনে আবি আওফাকে বলতে শুনেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন থাকে না» অতঃপর তিনি হাদিসটির অবশিষ্টাংশ উল্লেখ করেন।⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ ১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুসা আল-আশইয়াব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাকাম হতে, তিনি এমন এক ব্যক্তি হতে যিনি ইবনে আওফাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন থাকে না» অতঃপর তিনি এর অনুরূপ বর্ণনা করেন। ইবনে আবি মাতার এটি মুদরিক ইবনে উমারা হতে, তিনি রাবাহ ইবনে আল-হারিস হতে, তিনি ইবনে আবি আওফা হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, যা সামনে আসবে। এবং মুদরিক ইবনে উমারা এটি ইবনে আবি আওফা হতেও বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১১)
حَدِيثٌ آخَرُ
অন্য একটি হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১১)
19 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُدْرِكٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَدْعُو فَيَقُولُ: «اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ، اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا طَهَّرْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ ذُنُوبِي كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَنَفَسٍ لَا تَشْبَعُ، وَدُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ، وَعِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَؤُلَاءِ الْأَرْبَعِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِيشَةً تَقِيَّةً، وَمِيتَةً سَوِيَّةً، وَمَرَدًّا غَيْرَ مُخْزٍ»
১৯ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুআম্মাল ইবনে হিশাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লাইস থেকে, তিনি মুদরিক থেকে, তিনি ইবন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করতেন এবং বলতেন: «হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, শিলা এবং শীতল পানি দ্বারা পবিত্র করুন। হে আল্লাহ! আমাকে গুনাহসমূহ থেকে এমনভাবে পবিত্র করুন যেমন আপনি সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পবিত্র করেন। এবং আমার ও আমার পাপের মধ্যে এমন দূরত্ব তৈরি করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন অন্তর থেকে আশ্রয় চাই যা বিনীত হয় না, এমন নফস থেকে যা তৃপ্ত হয় না, এমন দুআ থেকে যা শোনা হয় না এবং এমন ইলম থেকে যা উপকার দেয় না। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এই চারটি বিষয় থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মুত্তাকি সুলভ জীবন, সম্মানজনক মৃত্যু এবং এমন প্রত্যাবর্তনস্থল কামনা করি যা অপমানজনক হবে না»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
حَدِيثُ رَبَاحِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى
আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে রাবাহ ইবনুল হারিসের বর্ণিত হাদীস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
20 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ الْعِجْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ سَيَّارٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ الْأَوْدِيُّ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ، وَاللَّفْظُ لِأَحْمَدَ بْنِ مَنْصُورٍ قَالَ ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ، عَنْ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ شَرَفٍ يَرْفَعُ النَّاسُ إِلَيْهَا أَعْيُنَهُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন কারামাহ আল-ইজলি, আহমাদ বিন মানসুর বিন সাইয়্যার, আহমাদ বিন উসমান বিন হাকিম আল-আওদি এবং হাসান বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরি—আর শব্দগুলো আহমাদ বিন মানসুরের—তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুসা, হুরাইছ বিন আবি মাতার থেকে, তিনি মুদরিক বিন উমারাহ থেকে, তিনি রাবাহ বিন হারিস থেকে। তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন থাকে না, চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন থাকে না এবং কোনো ব্যক্তি যখন এমন কোনো মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে যার দিকে মানুষ চোখ তুলে তাকিয়ে থাকে, তখন সে মুমিন থাকে না।”
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
21 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَسْلَمُ بْنُ سَهْلٍ الْوَاسِطِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ، عَنْ مُدْرِكِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ رِيَاحِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ سَرَفٍ يَرْفَعُ النَّاسُ إِلَيْهِ رُءُوسَهُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌ»
২১ - ইয়াহিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আসলাম ইবনে সাহল আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবান আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুরাইস ইবনে আবি মাতার থেকে, তিনি মুদরিক ইবনে উমারাহ থেকে, তিনি রিয়াহ ইবনে আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি আওফাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না; চোর যখন চুরি করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না; এবং কোনো ব্যক্তি যখন এমন কোনো মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে যার দিকে মানুষ তাদের মাথা তুলে তাকিয়ে থাকে, তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না।»
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৬)
حَدِيثُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى
আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা হতে বর্ণিত উবাইদুল্লাহ বিন মা'মারের হাদীস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৬)
22 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ سَيَّارٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بُكَيْرٍ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ: وَهُوَ أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ، كَذَا قَالَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُحِبُّ أَنْ يَنْهَضَ إِلَى الْعَدُوِّ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: لَمْ يَذْكُرْ بَيْنَ أَبِي حَيَّانَ التَّيْمِيِّ وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنُ مَعْمَرٍ أَحَدًا، وَقَدْ رَوَاهُ إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ أَبِي حَيَّانَ التَّيْمِيِّ وَقَالَ عَنْ شَيْخٍ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَنْ كَاتَبِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে মানসূর ইবনে সাইয়্যার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে বুকাইর আল-হাদরামি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন রুশদীন ইবনে সা'দ, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে; আহমদ ইবনে মানসূর বলেন: তিনি হলেন আবু হাইয়ান আত-তায়মি, উবায়দুল্লাহ ইবনে মা'মার থেকে, তিনি এভাবে আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্য ঢলে পড়ার সময় শত্রুর দিকে অগ্রসর হতে পছন্দ করতেন।’ আবু মুহাম্মাদ বলেন: তিনি আবু হাইয়ান আত-তায়মি এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে মা'মারের মাঝে কাউকে উল্লেখ করেননি; অথচ ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ এটি আবু হাইয়ান আত-তায়মি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি মদীনার জনৈক শায়খ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে মা'মারের লেখকের থেকে বর্ণনা করার কথা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
حَدِيثُ كَاتَبِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ التَّيْمِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ
আবদুল্লাহ হতে উবাইদুল্লাহ বিন মা’মার আত-তাইমির লেখকের বর্ণিত হাদিস
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
23 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، وَيَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَاللَّفْظُ، لِيَعْقُوبَ ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ شَيْخًا، بِالْمَدِينَةِ يُحَدِّثُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى، كَتَبَ إِلَى عُبَيْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ مَعْمَرٍ حِينَ أَرَادَ أَنْ يَغْزُوَ الْحَرُورِيَّةَ، فَقُلْتُ لِكَاتِبِهِ وَكَانَ صَدِيقًا لِي: انْسَخْهُ لِي، فَفَعَلَ، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ: «لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَاسْأَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةِ، فَإِنْ لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ» ثُمَّ يَنْتَظِرُ فَإِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ نَهَدَهُ إِلَى غَزْوِهِ ثُمَّ يَقُولُ: " اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، وَمُجْرِيَ السَّحَابِ، وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ
২৩ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুআম্মাল ইবনে হিশাম এবং ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর শব্দবিন্যাস ইয়াকুবের—তাঁরা বলেন: ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাইয়ান আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মদিনার একজন বৃদ্ধকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা যখন হারুরিয়াদের (খারেজিদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সংকল্প করলেন তখন উবাইদুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে মামারের নিকট একটি পত্র লিখলেন। আমি তাঁর লেখকের নিকট—যিনি আমার বন্ধু ছিলেন—বললাম: এটি আমার জন্য অনুলিপি করে দাও। তিনি তা করলেন। (তাতে বর্ণিত ছিল যে) নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: «তোমরা শত্রুর সাথে যুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা করো না এবং আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা (আফিয়াত) প্রার্থনা করো। তবে যখন তোমরা তাদের সম্মুখীন হও, তখন ধৈর্য ধারণ করো এবং জেনে রেখো যে, জান্নাত তলোয়ারের ছায়ার নিচে।» এরপর তিনি অপেক্ষা করতেন, অতঃপর যখন সূর্য ঢলে পড়ত তখন তিনি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতেন এবং বলতেন: "হে আল্লাহ! হে কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা চালনাকারী এবং সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিতকারী! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
24 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، ثنا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، ثنا أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ، عَنْ شَيْخٍ، مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ قَالَ كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَ كَاتَبِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ مَعْرِفَةٌ وَصَدَاقَةٌ فَطَلَبْتُ إِلَيْهِ أَنْ يَنْسَخَ لِي رِسَالَةَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى إِلَى عُبَيْدِ اللَّهِ فَنَسَخَهَا لِي فَكَانَ فِيهَا إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى رَوَى لِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: " لَا تَسْأَلُوا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَإِنْ لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ، وَيَقُولُ: اللَّهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ " قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: هَذَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ مَعْمَرٍ قَدْ ذَكَرَ ذَلِكَ عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى.⦗ص: 118⦘ 25 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ التَّيْمِيِّ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ. قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: هَكَذَا حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى فِي مُسْنَدِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى فَقَالَ بِنَحْوِ حَدِيثِ يَعْلَى. وَرَوَاهُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي حَيَّانَ
24 - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহলা ইবনে উবাইদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হাইয়্যান আত-তাইমি, মদীনার জনৈক শাইখ থেকে; তিনি বলেন: আমার এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে মামারের লেখকের মধ্যে জানাশোনা ও বন্ধুত্ব ছিল। আমি তার কাছে অনুরোধ করলাম যেন সে উবাইদুল্লাহর কাছে পাঠানো আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফার পত্রটি আমাকে নকল করে দেয়। সে আমার জন্য তা নকল করে দিল, যাতে বর্ণিত ছিল যে, আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা আমার কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "তোমরা শত্রুর সাথে মুকাবিলার আকাঙ্ক্ষা করো না, তবে যদি তাদের সম্মুখীন হও তবে ধৈর্য ধারণ করো। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তলোয়ারের ছায়ার নিচে।" এবং তিনি বলতেন: "হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাজিত করুন এবং আমাদের তাদের ওপর বিজয় দান করুন।" আবু মুহাম্মদ বলেন: এটি প্রমাণ করে যে, উবাইদুল্লাহ ইবনে মামার ইবনে আবি আওফা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ 25 - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জারীর, আবু হাইয়্যান আত-তাইমি থেকে, তিনি এমন এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি তার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু মুহাম্মদ বলেন: ইউসুফ ইবনে মুসা 'মুসনাদে ইবনে আবি আওফা'-তে আমাদের নিকট এভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ইয়াহলার হাদিসের অনুরূপ বলেছেন। আর আস-সাওরি এটি আবু হাইয়্যান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৮)
26 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَاهُ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْأَسْوَدِ الْعِجْلِيُّ فِي كِتَابِ السِّيَرِ عَنْ وَكِيعٍ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، عَنْ شَيْخٍ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَنْ كَاتِبِ، عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ قَالَ: كَتَبَ إِلَيْهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أَوْفَى إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِنْ أَجْبلُوا عَلَيْكُمْ وَصَبَّحُوا فَعَلَيْكُمْ بِالصَّمْتِ، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ» فَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَنْهَدُ إِلَى عَدُوِّهِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ.⦗ص: 119⦘ 27 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، ثنا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، ثنا شَيْخٌ، قَالَ سُفْيَانُ أَظُنُّهُ سَالِمًا أَبَا النَّضْرِ قَالَ ثنا كَاتِبُ، عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ قَالَ كَتَبْتُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى مَتَى كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَدُ إِلَى عَدُوِّهِ قَالَ فَذَكَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ. 28 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا يُوسُفُ، فِي مُسْنَدِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى فَقَالَ نَحْوَهُ إِلَّا أَنَّ قَبِيصَةَ، سَمَّى فِي حَدِيثِهِ الشَّيْخَ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ وَذَكَرَ أَنَّهُ سَالِمٌ أَبُو النَّضْرِ مَوْلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ وَهَذَا سَبِيلُهُ لِأَنَّهُ مِنْ حَدِيثِهِمْ
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনুল আসওয়াদ আল-ইজলি তাঁর কিতাবুস সিয়ার-এ ওয়াকি'র সূত্রে, তিনি ওয়াকি' ইবনুল জাররাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু হাইয়ান থেকে, তিনি মদিনার জনৈক শায়খের সূত্রে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে মামারের লেখকের সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা তাঁর কাছে লিখে পাঠিয়েছিলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা শত্রুর সাথে মুকাবিলার আকাঙ্ক্ষা করো না এবং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। যদি তারা তোমাদের ওপর চড়াও হয় এবং সকালবেলা উপনীত হয়, তবে তোমরা নীরবতা অবলম্বন করো। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তলোয়ারের ছায়ার নিচে»। আর সূর্য ঢলে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শত্রুর দিকে অগ্রসর হতেন।⦗পৃষ্ঠা: ১১৯⦘ ২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান, তিনি কাবিদাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু হাইয়ান থেকে, তিনি জনৈক শায়খ থেকে। সুফিয়ান বলেন, আমি মনে করি তিনি সালিম আবু আন-নাদর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে মামারের লেখক, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফার নিকট লিখে পাঠালাম যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখন শত্রুর দিকে অগ্রসর হতেন? তিনি বলেন, অতঃপর তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: ইউসুফ আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন এবং এর অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। তবে কাবিদাহ তাঁর বর্ণিত হাদিসে মদিনার সেই শায়খের নাম উল্লেখ করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে মামারের মুক্তদাস সালিম আবু আন-নাদর। আর এটাই এর সূত্র, কারণ এটি তাঁদেরই বর্ণিত হাদিস।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু ইবনি আবী আওফা লি-ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সাঈদ
(পৃষ্ঠা: ১১৯)
29 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الْأُمَوِيُّ، فِي كِتَابِ الْمَغَازِي ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو ⦗ص: 120⦘، وَثَنَاهُ، مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، وَثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، ثنا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ الْيَرْبُوعِيُّ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ وَكَانَ كَاتِبًا لَهُ قَالَ كَتَبَ إِلَيْهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أَوْفَى حِينَ خَرَجَ إِلَى الْحَرُورِيَّةَ فَقَرَأْتُهُ فَإِذَا فِيهِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَيَّامِهِ الَّتِي لَقِيَ فِيهَا الْعَدُوَّ انْتَظَرَ حَتَّى مَالَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ قَامَ فِي النَّاسِ فَقَالَ: " أَيُّهَا النَّاسُ لَا تَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ، ثُمَّ قَالَ: اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، وَمُجْرِيَ السَّحَابِ، وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ ". هَذَا لَفْظُ حَدِيثِ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَمْرٍو، وَقَالَ يُوسُفُ: قَالَ: كُنْتُ كَاتِبًا لِعُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ فَأَتَاهُ كِتَابُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ» ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ
২৯ - ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আল-উমাবী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কিতাবুল মাগাজিতে মুআবিয়া বিন আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১২০⦘, এবং এটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক, মুআবিয়া বিন আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আল-ফাজারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, এবং ইউসুফ বিন মুসা আল-কাত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আসিম বিন ইউসুফ আল-ইয়ারবুয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আল-ফাজারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন উকবাহ থেকে, তিনি সালিম আবু আন-নাদর থেকে, যিনি উমর বিন উবায়দুল্লাহর মুক্ত দাস এবং তাঁর লেখক ছিলেন। তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা তাঁর কাছে পত্র লিখলেন যখন তিনি হারুরিয়্যাহদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হলেন। আমি সেটি পাঠ করলাম, তাতে ছিল: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর যুদ্ধের দিনগুলোর কোনো একদিনে শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার সময় সূর্য ঢলে পড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। অতঃপর তিনি মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন: "হে লোকসকল! তোমরা শত্রুর সাথে মুকাবিলার আকাঙ্ক্ষা করো না এবং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। কিন্তু যখন তোমরা তাদের মুখোমুখি হও, তখন ধৈর্য ধারণ করো; আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তলোয়ারের ছায়ার নিচে।" অতঃপর তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শত্রুবাহিনীকে পরাজিতকারী! আপনি তাদের পরাজিত করুন এবং আমাদের তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।" এটি মুআবিয়া বিন আমরের বর্ণিত হাদিসের শব্দ। আর ইউসুফ বলেন: তিনি বলেছেন: আমি উমর বিন উবায়দুল্লাহর লেখক ছিলাম, তখন তাঁর কাছে আবদুল্লাহ বিন আবি আওফার পক্ষ থেকে পত্র এল যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না" এরপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।