(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: -)
مداراة الناس لابن أبي الدنيا   (ابن أبي الدنيا)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مداراة الناس

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)

المحقق: محمد خير رمضان يوسف

الناشر: دار ابن حزم - بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1418هـ - 1998م

عدد الصفحات: 147

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবিদ দুনিয়ার মানুষের সাথে সদয় আচরণ   (ইবনে আবিদ দুনিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুদারাওয়াতুন নাস (মানুষের সাথে সদয় আচরণ)

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান বিন কায়েস আল-বাগদাদি আল-উমাওয়ি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)

তাহকীককারী: মুহাম্মদ খায়র রমাদান ইউসুফ

প্রকাশক: দার ইবনে হাযম - বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৭

[কিতাবের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণ কপির সাথে মিল রাখা হয়েছে]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌بَابُ مُدَارَاةِ النَّاسِ وَالصَّبْرِ عَلَى أَذَاهُمْ
মানুষের সাথে নমনীয় ব্যবহার এবং তাদের দেওয়া কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণ করার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২১)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْأَمِينُ الثِّقَةُ الصَّالِحُ الْمُعَمَّرُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُقِيرِ الْبَغْدَادِيُّ الْمُؤَدِّبُ أَثَابَهُ اللَّهُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ مِنْ شَهْرِ ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ وَسِتِّمِائَةٍ بِمَقْعَدِهِ مِنَ الْجَامِعِ الْمَعْمُورِ بِمَدِينَةِ دِمِشْقَ عَمَّرَهُ اللَّهُ بِتِلَاوَةِ ذِكْرِهِ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخَانِ أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ إِجَازَةً قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَاصِمُ بْنُ الْحَسَنِ الْأَدِيبُ ح وَأَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارٍ الْبَقَّالُ إِجَازَةً قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمِّدٍ الزَّيْنَبِيُّ قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَيْرِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا:

 

1 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ وَثَّابٍ، عَنْ شَيْخٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَحْسَبُهُ قَالَ: قُلْتُ: مَنْ هُوَ؟ قَالَ: ابْنُ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الْمُسْلِمُ الَّذِي يُخَالِطُ النَّاسَ وَيَصْبِرُ عَلَى أَذَاهُمْ أَفْضَلُ مِنَ الَّذِي لَا يُخَالِطُهُمْ وَلَا يَصْبِرُ عَلَى أَذَاهُمْ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমানতদার, নির্ভরযোগ্য, নেককার ও দীর্ঘজীবী শায়খ আবুল হাসান আলী ইবনে আবু আবদুল্লাহ ইবনে আবুল হাসান ইবনুল মুক্বীর আল-বাগদাদী আল-মুয়াদ্দিব — আল্লাহ তাকে প্রতিদান দান করুন — দামেস্ক শহরের আবাদকৃত জামে মসজিদে তাঁর বসার স্থানে, ৬৩৩ হিজরি সালের জিলহজ মাসের এক জুমুআর দিনে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আল্লাহ তাআলা এই মসজিদকে তাঁর যিকিরের তিলাওয়াতের মাধ্যমে আবাদ রাখুন। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের নিকট ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবু আল-কারাম আল-মুবারাক ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে শাহরাযূরী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আসিম ইবনুল হাসান আল-আদীব (হ) এবং আবু আল-কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত ইবনে বুন্দার আল-বাক্কাল ইজাজতসূত্রে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শরীফ আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ ইবনে মুহাম্মাদ আয-যাইনাবী; তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাইর আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বিশরান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিদ দুনইয়া:

 

১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াসসাব থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন — আমার ধারণা তিনি বলেছেন: আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কে? তিনি বললেন: ইবনে উমর — তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে মুসলিম মানুষের সাথে মেলামেশা করে এবং তাদের দেওয়া কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে, সে ওই ব্যক্তির চেয়ে উত্তম যে মানুষের সাথে মেলামেশা করে না এবং তাদের কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে না।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২২)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي رحمه الله، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 23⦘: «رَأْسُ الْعَقْلِ بَعْدَ الْإِيمَانِ بِاللَّهِ مُدَارَاةُ النَّاسِ، وَأَهْلُ الْمَعْرُوفِ فِي الدُّنْيَا أَهْلُ الْمَعْرُوفِ فِي الْآخِرَةِ»
২ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) আমাকে বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুশাইম, আলী ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘: «আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার পর বুদ্ধিমত্তার মূল বিষয় হলো মানুষের সাথে নম্র আচরণ করা; আর যারা দুনিয়াতে সৎকর্মশীল, আখেরাতে তারাই সৎকর্মশীল হবে।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৩)
3 - حَدَّثَنِي الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ ⦗ص: 24⦘، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُدَارَاةُ النَّاسِ صَدَقَةٌ»
৩ - আল-ফজল ইবনে জাফর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুসাইয়্যাব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘, ইউসুফ ইবনে আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষের সাথে নমনীয় আচরণ করা সদকা স্বরূপ।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৫)
4 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى الشَّيْبَانِيُّ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ ظُهَيْرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ رُفَيْعٍ، رَفَعَهُ قَالَ: «أُمِرْتُ بِمُدَارَاةِ النَّاسِ كَمَا أُمِرْتُ بِالصَّلَاةِ الْمَفْرُوضَةِ»
৪ - আহমাদ ইবন আবদিল আলা আশ-শায়বানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম ইবন যুহায়র থেকে, তিনি যায়দ ইবন রুফাই' থেকে, তিনি এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «আমাকে মানুষের সাথে নম্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেভাবে আমাকে ফরয সালাতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৫)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ الْأَزْدِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جُنَادٍ الْجُهَنِيُّ، عَنْ حَفْصٍ شَيْخٍ لَهُ قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّعْبِيُّ، عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ، رَفَعَهُ قَالَ: " ثَلَاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ بَدَنُهُ فِي رَاحَةٍ: عِلْمٌ يَرُدُّ بِهِ جَهْلَ ⦗ص: 26⦘ الْجَاهِلِ، وَعَقْلٌ يُدَارِي بِهِ النَّاسَ، وَوَرَعٌ يَحْجِزُهُ عَنْ مَعَاصِي اللَّهِ عز وجل "
5 - আব্দুর রহমান বিন সালিহ আল-আজদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন জুনাদ আল-জুহানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তার জনৈক উস্তাদ হাফস থেকে, তিনি বলেন: আশ-শাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আন-নাজ্জাল বিন সাবরা থেকে, তিনি হাদিসটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "তিনটি বিষয় যার মধ্যে বিদ্যমান থাকবে, তার শরীর প্রশান্তিতে থাকবে: এমন জ্ঞান যার মাধ্যমে সে মূর্খের ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ মূর্খতাকে প্রতিহত করবে, এমন প্রজ্ঞা যার দ্বারা সে মানুষের সাথে নম্রভাবে মানিয়ে চলবে এবং এমন খোদাভীতি যা তাকে মহান আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখবে।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৬)
6 - حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، قَالَ: قَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ: «لَيْسَ الْحَلِيمُ مَنْ يَحْلُمُ عَمَّنْ يَحْلُمُ عَنْهُ وَيُجَاهِلُ مَنْ جَاهَلَهُ، وَلَكِنَّ الْحَلِيمَ مَنْ يَحْلُمُ عَمَّنْ يَحْلُمُ عَنْهُ وَيَحْلُمُ عَمَّنْ جَاهَلَهُ»
৬ - আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-জুরায়রী থেকে, তিনি আবু আস-সালীল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস বলেছেন: "সেই ব্যক্তি ধৈর্যশীল নয় যে কেবল তার সাথেই সহনশীলতা প্রদর্শন করে যে তার প্রতি সহনশীল এবং যে তার সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করে তার সাথে সে মূর্খতা প্রদর্শন করে। বরং প্রকৃত ধৈর্যশীল সেই, যে তার প্রতিও সহনশীল থাকে যে তার সাথে সহনশীল আচরণ করে এবং তার প্রতিও সহনশীল থাকে যে তার সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করে।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৬)
7 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ سَلْمِ بْنِ عَطِيَّةَ، قَالَ: قَالَ الرَّبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ ⦗ص: 27⦘: " النَّاسُ رَجُلَانِ: مُؤْمِنٌ وَجَاهِلٌ. فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ فَلَا تُؤْذِهِ، وَأَمَّا الْجَاهِلُ فَلَا تُجَارِهِ "
৭ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইসমাইল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জারির বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি সালম ইবনে আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাবি ইবনে খুসাইম বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘: "মানুষ দুই প্রকার: মুমিন এবং জাহিল। মুমিনকে কষ্ট দিও না, আর জাহিলের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়ো না।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৭)
8 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدَةُ أَبُو سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُيَيْنَةَ، حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «الْمُؤْمِنُ مُلْجَمٌ بِلِجَامٍ، فَلَا يَبْلُغُ حَقِيقَةَ الْإِيمَانِ حَتَّى يَجِدَ طَعْمَ الذُّلِّ»
৮ - আমার নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদাহ আবু সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সালিহ ইবনে হাসসান বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাব আল-কুরাজি হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «মুমিন ব্যক্তি লাগাম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত; সে ঈমানের প্রকৃত হাকিকত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না যতক্ষণ না সে দীনতা বা বিনয়ের স্বাদ আস্বাদন করে।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৭)
9 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ الطَّوِيلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْسٍ الْحَارِثِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ⦗ص: 28⦘ جَدِّهِ، قَالَ: حَضَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الصَّدَقَةِ، فَقَالَ عُلْبَةُ بْنُ زَيْدٍ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ: اللَّهُمَّ إِنِّي لَيْسَ لِي مَالٌ أَتَصَدَّقُ بِهِ، فَأَيُّمَا رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ نَالَ مِنْ عِرْضِي شَيْئًا فَهُوَ عَلَيْهِ صَدَقَةٌ فَلَمَّا كَانَ مِنْ غَدٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيْنَ الْمُتَصَدِّقُ بِعِرْضِهِ الْبَارِحَةَ» ؟ فَقَامَ عُلْبَةُ بْنُ زَيْدٍ فَقَالَ: أَنَا. فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «قَدْ قَبِلَ اللَّهُ صَدَقَتَكَ»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনুল মুনজির আল-হিযামি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে তালহা আত-তওয়ীল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল মাজিদ ইবনে আবস আল-হারিসি, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দান-সদকা করার জন্য উৎসাহিত করলেন। তখন আনসারদের মধ্য থেকে উলবাহ ইবনে যায়েদ নামক এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহ! আমার নিকট এমন কোনো সম্পদ নেই যা আমি সদকা করব। অতএব কোনো মুসলিম যদি আমার সম্মানহানি করে কোনো কিছু করে, তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য। যখন পরদিন হলো, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «গত রাতে নিজের সম্মান সদকা দানকারী ব্যক্তিটি কোথায়?» তখন উলবাহ ইবনে যায়েদ দাঁড়িয়ে বললেন: আমি। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আল্লাহ তোমার সদকা কবুল করেছেন»।
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৮)
10 - حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ ⦗ص: 29⦘ عَثْمَةَ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اغْدُوا عَلَيَّ بِصَدَقَاتِكُمْ» فَغَدَوْا عَلَيْهِ بِصَدَقَاتِهِمْ فَقَالَ عُلْبَةُ بْنُ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ: أَيْ رَبِّ إِنَّكَ تَعْلَمُ أَنَّ رَسُولَكَ قَدْ أَمَرَنَا أَنْ نَتَصَدَّقَ، وَلَيْسَ عِنْدِي شَيْءٌ أَتَصَدَّقُ بِهِ، وَإِنِّي قَدْ تَصَدَّقْتُ بِعِرْضِي فَغَدَا النَّاسُ بِصَدَقَاتِهِمْ، وَدَخَلَ مَعَهُمْ عُلْبَةُ بْنُ زَيْدٍ فَقَالَ عليه الصلاة والسلام: «أَيْنَ الْمُتَصَدِّقُ بِعِرْضِهِ الْبَارِحَةَ» ؟ فَلَمْ يَتَكَلَّمْ أحَدٌ قَالَهَا ثَلَاثًا. فَقَامَ عُلْبَةُ فَقَالَ: هَا أَنَذَا بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ سَمِعْتُ قَوْلَكَ وَلَمْ أَكُنْ تَصَدَّقْتُ بِشَيْءٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بَلَى بِعِرْضِكَ فَقَبِلَهُ اللَّهُ مِنْكَ، بَلَى بِعِرْضِكَ فَقَبِلَهُ اللَّهُ مِنْكَ، بَلَى بِعِرْضِكَ فَقَبِلَهُ اللَّهُ مِنْكَ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার মুহাম্মাদ ইবন বাশশার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন খালিদ ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ আসমাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসীর ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আওফ আল-মাদানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আগামীকাল ভোরে তোমাদের সদাকা নিয়ে আমার নিকট উপস্থিত হও।» অতঃপর তারা ভোরবেলা তাদের সদাকা নিয়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। তখন উলাবাহ ইবন যাইদ আল-আনসারী বললেন: হে আমার রব! নিশ্চয়ই আপনি জানেন যে, আপনার রাসূল আমাদের সদকা করার নির্দেশ দিয়েছেন, অথচ আমার নিকট সদকা করার মতো কোনো কিছুই নেই। আমি আমার সম্মানকে সদকা হিসেবে দান করলাম। অতঃপর মানুষ তাদের সদাকা নিয়ে ভোরবেলা উপস্থিত হলো এবং উলাবাহ ইবন যাইদও তাদের সাথে প্রবেশ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বললেন: «গত রাতে যে ব্যক্তি নিজের সম্মান সদকা করেছিল, সে কোথায়?» কেউ কোনো কথা বললেন না, তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। তখন উলাবাহ দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, আমি এই তো এখানে। আমি আপনার কথা শুনেছি অথচ আমার সদকা করার মতো কিছুই ছিল না। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «হ্যাঁ, তোমার সম্মানের মাধ্যমেই সদকা হয়েছে এবং আল্লাহ তোমার থেকে তা কবুল করেছেন; হ্যাঁ, তোমার সম্মানের মাধ্যমেই এবং আল্লাহ তোমার থেকে তা কবুল করেছেন; হ্যাঁ, তোমার সম্মানের মাধ্যমেই এবং আল্লাহ তোমার থেকে তা কবুল করেছেন।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ২৯)
11 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُطَرِّفِ مُغِيرَةُ ⦗ص: 30⦘ الشَّامِيُّ، عَنِ الْعَرْزَمِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا جَمَعَ اللَّهُ الْخَلَائِقَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ نَادَى مُنَادٍ: أَيْنَ أَهْلُ الْفَضْلِ؟ قَالَ: فَيَقُومُ نَاسٌ - وَهُمْ يَسِيرٌ - فَيَنْطَلِقُونَ سِرَاعًا إِلَى الْجَنَّةِ، فَتَلْقَاهُمُ الْمَلَائِكَةُ فَيَقُولُونَ: إِنَّا نَرَاكُمْ سِرَاعًا إِلَى الْجَنَّةِ، فَمَنْ أَنْتُمْ؟ فَيَقُولُونَ: نَحْنُ أَهْلُ الْفَضْلِ. فَيَقُولُونَ: وَمَا فَضْلُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: إِذَا ظُلِمْنَا صَبَرْنَا، وَإِذَا أُسِيءَ إِلَيْنَا غَفَرْنَا، وَإِذَا جُهِلَ عَلَيْنَا حَلِمْنَا، فَيُقَالَ لَهُمُ: ادْخُلُوا الْجَنَّةَ فَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ "
১১ - খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-মুতাররিফ মুগীরাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ আশ-শামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আরজামী থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টিজগতকে একত্রিত করবেন, তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারীগণ কোথায়? তিনি বলেন: তখন কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে যাবে—যাদের সংখ্যা হবে অল্প—তারা দ্রুত জান্নাতের দিকে অগ্রসর হবে। পথিমধ্যে ফেরেশতারা তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে বলবে: আমরা তোমাদের দ্রুত জান্নাতের দিকে যেতে দেখছি, তোমরা কারা? তারা বলবে: আমরা শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। ফেরেশতারা বলবে: তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব কী ছিল? তারা বলবে: যখন আমাদের ওপর জুলুম করা হতো আমরা ধৈর্য ধারণ করতাম, যখন আমাদের সাথে মন্দ আচরণ করা হতো আমরা ক্ষমা করে দিতাম এবং যখন আমাদের সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করা হতো আমরা সহনশীলতা প্রদর্শন করতাম। তখন তাদের বলা হবে: তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো, আমলকারীদের এই প্রতিদান কতই না চমৎকার!"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩০)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ⦗ص: 31⦘ سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: اللَّهُمَّ لَيْسَ لِي مَالٌ أتَصَدَّقُ مِنْ مَالِي فَمَنْ أَصَابَ مِنْ عِرْضِي شَيْئًا فَهُوَ لَهُ، فَأُوحِيَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَدْ غُفِرَ لَهُ
১২ - আবু মুসলিম আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহ! আমার নিকট এমন কোনো সম্পদ নেই যা আমি সদকা করতে পারি; সুতরাং যে ব্যক্তি আমার সম্মানহানি করবে, তা তার জন্য (ক্ষমা হিসেবে নির্ধারিত)। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি ওহি অবতীর্ণ হলো যে, তাকে নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩১)
13 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: أدْرَكْتُ النَّاسَ وَرَقًا لَا شَوْكَ فِيهِ، فَأَصْبَحُوا شَوْكًا لَا وَرَقَ فِيهِ، إِنْ نَقَدْتَهُمْ نَقَدُوكَ، وَإِنْ تَرَكْتَهُمْ لَا يَتْرُكُوكَ قَالُوا: فَكَيْفَ نَصْنَعُ؟ ⦗ص: 32⦘ قَالَ: تُقْرِضْهُمْ مِنْ عِرْضِكَ لِيَوْمِ فَقْرِكَ
১৩ - ইবরাহিম ইবনে মুনজির আল-হিযামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দামরা আনাস ইবনে ইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বলেন: আবু দারদা (রা.) বলেছেন: আমি মানুষকে এমন অবস্থায় পেয়েছিলাম যে তারা ছিল কাঁটাহীন পাতার ন্যায়, কিন্তু বর্তমানে তারা এমন কাঁটায় পরিণত হয়েছে যাতে কোনো পাতা নেই। তুমি যদি তাদের সমালোচনা করো তবে তারাও তোমার সমালোচনা করবে, আর যদি তুমি তাদের ছেড়ে দাও তবে তারা তোমাকে ছাড়বে না। তারা বলল: এমতাবস্থায় আমরা কী করব? ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ তিনি বললেন: তোমার চরম অভাবের দিনের জন্য নিজের সম্মান হতে তাদের ঋণ প্রদান করো।
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩২)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ: حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ أَنَّ رَجُلًا اسْتَأْذَنَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «ائْذَنُوا لَهُ فَبِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ، أَوْ بِئْسَ رَجُلُ الْعَشِيرَةِ» فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ أَلَانَ لَهُ الْقَوْلَ. قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قُلْتَ الَّذِي قُلْتَ، ثُمَّ أَلَنْتَ لَهُ الْقَوْلَ؟ قَالَ: «يَا عَائِشَةُ إِنَّ شَرَّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ ⦗ص: 33⦘ وَدَعَهُ النَّاسُ، أَوْ تَرَكَهُ النَّاسُ اتِّقَاءَ فُحْشِهِ»
১৪ - আমাদের নিকট আবু খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুয যুবায়রকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আয়েশা (রা.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেন: «তাকে অনুমতি দাও; সে তার গোত্রের কতই না নিকৃষ্ট সন্তান, অথবা (বললেন) সে তার গোত্রের কতই না নিকৃষ্ট ব্যক্তি!» অতঃপর যখন সে তাঁর নিকট প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সাথে নরমভাবে কথা বললেন। আয়েশা (রা.) বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তার সম্পর্কে যা বলার বললেন, আবার তার সাথে নরম ভাষায় কথা বললেন? তিনি বললেন: «হে আয়েশা! কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট মর্যাদার দিক থেকে সেই ব্যক্তি সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে, যাকে মানুষ ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ তার অশালীনতার ভয়ে ত্যাগ করেছে বা বর্জন করেছে।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৩)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ يَحْيَى بْنُ حَبِيبِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ ⦗ص: 34⦘ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ الْأَسَدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: جَاءَ رَجُلٌ يَسْتَأْذِنُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «بِئْسَ أَخُو الْعَشِيرَةِ» فَدَخَلَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَشَّ بِهِ، فَقَالَتْ: فَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفُحْشَ وَلَا التَّفَحُّشَ»
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আকিল ইয়াহইয়া ইবনে হাবীব ইবনে ইসমাইল ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ আবদুল্লাহ ইবনে হাবীব ইবনে আবু সাবিত আল-আসাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামাহ, মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করল, তখন তিনি বললেন: «সে তার গোত্রের কতই না মন্দ ভাই!» অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে হাসিমুখে কথা বললেন। আয়িশা বলেন: অতঃপর তিনি বললেন: «হে আয়িশা, নিশ্চয়ই আল্লাহ অশ্লীলতা ও কদর্যতাকে পছন্দ করেন না।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৪)
16 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ مَطَرٍ الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَجُلًا أقْبَلَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي حَلْقَةٍ، فَأَثْنَوْا عَلَيْهِ شَرًّا ⦗ص: 35⦘، فَرَحَّبَ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا قَفَّى قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ شَرَّ النَّاسِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ يُخَافُ لِسَانُهُ أَوْ يُخَافُ شَرُّهُ»
১৬ - আলী ইবনুল জাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে মাতার আশ-শায়বানী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সাবিত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন যখন তিনি একটি মজলিসে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন উপস্থিত লোকজন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে মন্দ আলোচনা করল ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে স্বাগত জানালেন। অতঃপর যখন সে চলে গেল, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন মর্যাদার দিক থেকে সেই ব্যক্তি মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট হবে, যার জিহ্বাকে অথবা যার অনিষ্টকে ভয় করা হয়»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৫)
17 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ بَعْضَ الْمَشْيَخَةِ، يَذْكُرُ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نِيَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «شِرَارُ النَّاسِ مَنْ يُتَّقَى مَجْلِسُهُ لِفُحْشِهِ»
১৭ - আবদুর রহমান ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কয়েকজন শায়খকে উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে নিয়ার থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম সেই ব্যক্তি, যার অশ্লীল আচরণের ভয়ে তার মজলিস বা সান্নিধ্য পরিহার করা হয়»।
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৫)
18 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بَكِيرٍ، عَنْ ⦗ص: 36⦘ أَبِي شُعْبَةَ الطَّحَانِ، قَالَ: سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: «إِنَّ مِنِ ابْتِغَاءِ الْخَيْرِ اتِّقَاءَ الشَّرِّ»
১৮ - আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে বুকায়র বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ আবু শুবা আল-তাহহান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "নিশ্চয়ই মন্দ থেকে বেঁচে থাকা কল্যাণ অন্বেষণের অন্তর্ভুক্ত।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৬)
19 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْأَحْوَصُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: «إِنَّا لَنَكْشِرُ فِي وُجُوهِ أَقْوَامٍ وَنَضْحَكُ إِلَيْهِمْ، وَإِنَّ قُلُوبَنَا لَتَلْعَنُهُمْ»
১৯ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়ালীদ ইবনুল কাসিম ইবনুল ওয়ালীদ আল-হামদানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আহওয়াস ইবনে হাকীম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুয যাহিরিয়্যাহ থেকে, তিনি জুবাইর ইবনে নুফাইর থেকে, আর তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই আমরা কিছু সম্প্রদায়ের মুখের সামনে মুচকি হাসি দেই এবং তাদের দেখে হাসি, অথচ আমাদের অন্তর অবশ্যই তাদের অভিশাপ দেয়।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৬)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيُّ، عَنْ مُنْذِرٍ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَنَفِيَّةِ، قَالَ ⦗ص: 37⦘: " لَيْسَ بِحَلِيمٍ مَنْ لَمْ يُعَاشِرْ بِالْمَعْرُوفِ مَنْ لَا يَجِدُ مِنْ مُعَاشَرَتِهِ بُدًّا، حَتَّى يَجْعَلَ اللَّهُ لَهُ فَرَجًا، أَوْ قَالَ: مَخْرَجًا " قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ: لَوْلَا هَذَا الْحَدِيثُ مَا جَمَعَنِي وَإِيَّاكُمْ عَلَى حَدِيثٍ
২০ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন আমর আল-ফুকাইমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুনযির আস-সাওরী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘: "সে ব্যক্তি সহনশীল নয় যে এমন ব্যক্তির সাথে সদ্ব্যবহার করে না যার সাথে মেলামেশা করা ছাড়া তার কোনো গত্যন্তর নেই, যতক্ষণ না আল্লাহ তার জন্য কোনো প্রশান্তি অথবা তিনি বললেন: উত্তরণের পথ তৈরি করে দেন।" ইবনুল মুবারক বলেন: "যদি এই হাদিসটি না হতো, তবে কোনো হাদিস বর্ণনার উপলক্ষে আমার ও তোমাদের মাঝে সমাবেশ ঘটত না।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৭)
21 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ: «خَالِطُوا النَّاسَ بِالْأَخْلَاقِ وَزَايِلُوهُمْ بِالْأَعْمَالِ»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ, ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: «তোমরা আচরণের মাধ্যমে মানুষের সাথে মেলামেশা করো এবং কর্মের মাধ্যমে তাদের থেকে পৃথক থাকো।»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৮)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الرَّبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ نُسَيْرِ بْنِ ذُعْلُوقٍ، عَنْ بَكْرِ بْنِ مَاعِزٍ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ، قَالَ: " النَّاسُ رَجُلَانِ: مُؤْمِنٌ وَجَاهِلٌ. فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ فَلَا تُؤْذِهِ، وَأَمَّا الْجَاهِلُ فَلَا تُجَاهِلُهُ "
২২ - আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আর-রাবি ইবনে খুসাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি নুসাইর ইবনে জু'লুক থেকে, তিনি বকর ইবনে মায়িজ থেকে, আর তিনি আর-রাবি ইবনে খুসাইম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মানুষ দুই প্রকার: মুমিন ও জাহেল। মুমিনকে তুমি কষ্ট দিও না, আর জাহেলের সাথে মূর্খতা প্রদর্শন করো না।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৮)
23 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَ عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: قَالَ ابْنُ صَوْحَانَ لِابْنِ زَيْدٍ: أَنَا كُنْتُ أَحَبُّ إِلَى أَبِيكَ مِنْكَ، وَأَنْتَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنِ ابْنِي، خَصْلَتَانِ أُوصِيكَ بِهِمَا احْفَظْهُمَا مِنِّي: «خَالِقِ الْفَاجِرَ، وَخَالِصِ الْمُؤْمِنَ، فَإِنَّ الْفَاجِرَ يَرْضَى مِنْكَ بِالْخُلُقِ الْحَسَنِ، وَإِنَّهُ يَحِقُّ عَلَيْكَ أَنْ تُخَالِصَ الْمُؤْمِنَ»
২৩ - ইসহাক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুরের সূত্রে, তিনি আশ-শা'বী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে সাওহান ইবনে যাইদকে বললেন: আমি তোমার চেয়ে তোমার পিতার নিকট অধিক প্রিয় ছিলাম, আর তুমি আমার নিকট আমার নিজের পুত্রের চেয়েও অধিক প্রিয়। আমি তোমাকে দুটি বিষয়ের অছিয়ত করছি, তা আমার থেকে মুখস্থ করে নাও: "পাপাচারীর সাথে উত্তম আচরণ করো এবং মুমিনের সাথে একনিষ্ঠ থেকো। কেননা পাপাচারী তোমার থেকে উত্তম আচরণ পেলেই সন্তুষ্ট হয়ে যায়, আর মুমিনের সাথে একনিষ্ঠতা বজায় রাখা তোমার জন্য আবশ্যক।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৯)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: وَاللَّهِ مَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِنَفْسِهِ مِنْ شَيْءٍ يُؤْتَى إِلَيْهِ حَتَّى يُنْتَهَكَ مِنْ مَحَارِمِ اللَّهِ؛ فَيَنْتَقِمُ لِلَّهِ
২৪ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে জামিল হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইউনুস সংবাদ দিয়েছেন যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন, আয়েশা বলেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ওপর কৃত কোনো অন্যায়ের কারণে কখনো নিজের সত্তার জন্য প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি, যতক্ষণ না আল্লাহর কোনো পবিত্র বিধান লঙ্ঘিত হতো; তখন তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন।
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৩৯)
25 - وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: قَرَأَهُ ابْنُ ⦗ص: 40⦘ جُرَيْجٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ،: {وَإِذَا مَرُّوا بِاللَّغْوِ مَرُّوا كِرَامًا} [الفرقان: 72] قَالَ: «إِذَا أُوذُوا صَفَحُوا»
২৫ - এবং আহমাদ ইবনে জামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: এটি ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ জুরাইজ মুজাহিদ থেকে পাঠ করেছেন: {আর যখন তারা অসার ক্রিয়াকলাপের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তারা সম্মানজনকভাবে তা এড়িয়ে যায়} [আল-ফুরকান: ৭২] তিনি বলেন: «যখন তাদের কষ্ট দেওয়া হয়, তখন তারা মার্জনা করে থাকে»
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৪০)
26 - وَحَدَّثَنَا ابْنُ جَمِيلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ السَّدِّيِّ، {وَإِذَا مَرُّوا بِاللَّغْوِ مَرُّوا كِرَامًا} [الفرقان: 72] قَالَ: «لَمْ يُكَلِّمُوهُمْ»
২৬ - এবং আমাদের নিকট ইবনে জামিল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবদুল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সুফইয়ান সংবাদ দিয়েছেন আস-সুদ্দি থেকে, {আর যখন তারা অসার ক্রিয়াকলাপের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তারা সম্মানজনকভাবে তা এড়িয়ে যায়} [আল-ফুরকান: ৭২] তিনি বলেন: "তারা তাদের সাথে কথা বলেনি।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৪০)
27 - وَحَدَّثَنَا ابْنُ جَمِيلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ حَيَّانَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ «مَنْ يُتْبِعْ نَفْسَهُ كُلَّ مَا يَرَى فِي النَّاسِ؛ يَطُلْ حُزْنُهُ وَلَا يَشْفِ غَيْظَهُ»
২৭ - ইবনু জামীল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জা’ফর ইবনু হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান থেকে; তিনি বলেন, আবুদ্দারদা বলেছেন: "যে ব্যক্তি মানুষের মধ্যে যা কিছু দেখে তার পেছনে স্বীয় নফসকে পরিচালিত করে, তার দুঃখ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তার ক্ষোভ প্রশমিত হয় না।"
(খণ্ড: ১) মুদারা তুন নাসি লি-ইবনি আবীদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ৪০)
28 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شُعَيْبٍ الْأَنْصَارِيُّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيرَةَ ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ ⦗ص: 41⦘ ناجِدٍ قَالَ: خَطَبَنَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَوْ قَالَ خَطَبَ عَلِيٌّ أَصْحَابَهُ فقَالَ: «كُونُوا فِي النَّاسِ كَالنَّحْلَةِ فِي الطِّبِ؛ فَإِنَّهُ لَيْسَ شَيْءٌ مِنَ الطَّيْرِ إِلَّا يَسْتَضْعِفُهَا، وَلَوْ يَعْلَمُ مَا فِي أَجْوَافِهَا لَمْ يَفْعَلْ، خَالِقُوا النَّاسَ بِأَخَلَاقِكُمْ وَأَلْسِنَتِكُمْ، وَزَايِلُوهُمْ بِأَعْمَالِكُمْ وَقُلُوبِكُمْ؛ فَإِنَّ لِامْرِئٍ مَا اكْتَسَبَ، وَهُوَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ مَعَ مَنْ أَحَبَّ»
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে শুআইব আল-আনসারী, হারিস ইবনে হাসীরাহ থেকে, তিনি আবু সাদিক থেকে, তিনি রাবিআহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ নাজিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবি তালিব আমাদের নিকট ভাষণ দিলেন—অথবা তিনি বলেন, আলী তাঁর সঙ্গীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন—এবং বললেন: «তোমরা মানুষের মাঝে পাখিকুলে মৌমাছির ন্যায় হও; কারণ পাখিদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তাকে দুর্বল জ্ঞান করে না, অথচ যদি তারা জানত তার উদরে কী রয়েছে, তবে তারা এমনটি করত না। তোমরা তোমাদের চরিত্র ও কথার দ্বারা মানুষের সাথে মেলামেশা করো, আর তোমাদের আমল ও অন্তরের দ্বারা তাদের থেকে পৃথক থাকো; কারণ প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে অর্জন করেছে, আর কিয়ামতের দিন সে তার সাথেই থাকবে যাকে সে ভালোবেসেছে।»