(খণ্ড: ১)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: -)
كرامات الأولياء للالكائي - من شرح أصول اعتقاد أهل السنة والجماعة للالكائي القسم: كتب السنة
الكتاب: كرامات الأولياء للالكائي - من كتاب شرح أصول اعتقاد أهل السنة والجماعة للالكائي
المؤلف: أبو القاسم هبة الله بن الحسن بن منصور الطبري الرازي اللالكائي (ت 418 هـ)
تحقيق: أحمد بن سعد بن حمدان الغامدي [ت 1434 هـ]
الناشر: دار طيبة - السعودية
الطبعة: الثامنة، 1423 هـ / 2003 م
عدد الأجزاء: 1 (هو الجزء 9 من كتاب شرح أصول اعتقاد أهل السنة والجماعة)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
লালকায়ীর কারামাতুল আউলিয়া - লালকায়ীর শারহু উসুল ইতিকাদ আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ থেকে সংকলিত বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: লালকায়ীর কারামাতুল আউলিয়া - লালকায়ীর শারহু উসুল ইতিকাদ আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ কিতাব থেকে সংকলিত
লেখক: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনুল হাসান ইবনে মনসুর আত-তাবারী আর-রাযী আল-লালকায়ী (মৃত্যু ৪১৮ হিজরী)
সম্পাদনা: আহমদ ইবনে সাআদ ইবনে হামদান আল-গামদী [মৃত্যু ১৪৩৪ হিজরী]
প্রকাশক: দার তাইবাহ - সৌদি আরব
সংস্করণ: অষ্টম, ১৪২৩ হিজরী / ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১ (এটি শারহু উসুল ইতিকাদ আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ কিতাবের ৯ নম্বর খণ্ড)
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
سِيَاقُ مَا دَلَّ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل وَمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالصَّحَابَةِ رضي الله عنهم وَالتَّابِعِينَ مِنْ بَعْدِهِمْ والْخَالِفِينَ لَهُمْ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ فِي كَرَامَةِ أَوْلِيَاءِ اللَّهِ تَعَالَى وَإِظْهَارِ الْآيَاتِ فِيهِمْ لِيَزْدَادَ الْمُؤْمِنُونَ إِيمَانًا وَالْمُرْتَابُونَ بِهَا خَسَارًافَأَمَّا الْكِتَابُ فَقَوْلُهُ تَعَالَى فِي قِصَّةِ مَرْيَمَ عليها السلام: {كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا قَالَ يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ} [آل عمران: 37] فَرُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي تَفْسِيرِ هَذِهِ الْآيَةِ قَالَ: وَجَدَ عِنْدَهَا الْفَاكِهَةَ الْغَضَّةَ حِينَ لَا تُوجَدُ الْفَاكِهَةُ عِنْدَ أَحَدٍ فَكَانَ زَكَرِيَّا يَقُولُ: يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا؟ قَالَتْ: هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ وَرُوِيَ عَنْهُ قَالَ: عِنَبًا فِي مِكْتَلٍ فِي غَيْرِ حِينِهِ،
1 - وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، وَمُجَاهِدٍ، وَعِكْرِمَةَ، وَجَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، وَإِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، وَقَتَادَةَ، وَالرَّبِيعِ بْنِ أَنَسِ، وَعَطِيَّةَ، وَالسُّدِّيِّ، وَسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ
⦗ص: 73⦘ فَاكِهَةَ الشِّتَاءِ فِي الصَّيْفِ، وَفَاكِهَةَ الصَّيْفِ فِي الشِّتَاءِ، وَقَالَ تبارك وتعالى فِي قِصَّةِ سَارَةَ زَوْجَةِ إِبْرَاهِيمَ الْخَلِيلِ صلى الله عليه وسلم: {وَامْرَأَتُهُ قَائِمَةٌ فَضَحِكَتْ فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِنْ وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ، قَالَتْ يَا وَيْلَتَى أَأَلِدُ وَأَنَا عَجُوزٌ وَهَذَا بَعْلِي شَيْخًا إِنَّ هَذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ، قَالُوا أَتَعْجَبِينَ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ رَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ إِنَّهُ حَمِيدٌ مَجِيدٌ}
2 - فَرُوِيَ عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ فِي تَفْسِيرِهِ أَنَّ سَارَةَ لَمَّا بَشَّرَهَا الرُّسُلُ بِإِسْحَاقَ قَالَ: فَبَيْنَمَا هِيَ تَمْشِي وَتُحَدِّثُهُمْ حِينَ آنَسَتْ بِالْحَيْضَةِ فَحَاضَتْ قَبْلَ أَنْ تَحْمِلَ بِإِسْحَاقَ وَكَانَ قَوْلُهَا لِلرُّسُلِ حِينَ بَشَّرُوهَا بِإِسْحَاقَ: قَدْ كُنْتُ شَابَّةً وَكَانَ إِبْرَاهِيمُ شَابًّا فَلَمْ أَحْمِلْ فَحِينَ كَبِرَ وَكَبِرْتُ أَأَلِدُ؟ قَالُوا أَتَعْجَبِينَ مِنْ ذَاكَ يَا سَارَةُ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ صَنَعَ بِكُمَا مَا هُوَ أَعْظَمُ مِنْ ذَلِكَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَدْ جَعَلَ رَحْمَتَهُ وَبَرَكَاتِهِ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ إِنَّهُ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَقَالَ تبارك وتعالى: {قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ فَلَمَّا رَآهُ مُسْتَقِرًّا عِنْدَهُ قَالَ هَذَا مِنْ فَضْلِ رَبِّي لِيَبْلُوَنِي أَأَشْكُرُ أَمْ أَكْفُرُ وَمَنْ شَكَرَ فَإِنَّمَا يَشْكُرُ لِنَفْسِهِ وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ رَبِّي غَنِيٌّ كَرِيمٌ} [النمل: 40] رُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي تَفْسِيرِ قَوْلِهِ عز وجل: {قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40]
⦗ص: 74⦘ قَالَ: آصِفُ كَاتِبُ سُلَيْمَانَ
মহান আল্লাহ তাআলার কিতাব থেকে যা দলিল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম, তাঁদের পরবর্তী তাবিঈ এবং তাঁদের অনুসারীদের (আল্লাহর রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হোক) পক্ষ থেকে যা বর্ণিত হয়েছে—আল্লাহ তাআলার ওলীদের কারামত এবং তাঁদের মাঝে নিদর্শনসমূহ প্রকাশ পাওয়ার বর্ণনায়, যাতে মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং সন্দেহ পোষণকারীদের ক্ষতি বৃদ্ধি পায়। আর কিতাব (কুরআন) থেকে দলিল হলো মারইয়াম আলাইহাস সালামের ঘটনার ক্ষেত্রে মহান আল্লাহর বাণী: {যখনই জাকারিয়া মেহরাবে তাঁর কাছে প্রবেশ করতেন, তখনই তাঁর নিকট রিযিক দেখতে পেতেন। তিনি বললেন, হে মারইয়াম! তোমার কাছে এগুলো কোথা থেকে এলো? সে বলল, এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিযিক দান করেন।} [আলে ইমরান: ৩৭] এই আয়াতের তাফসীরে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: তিনি তাঁর নিকট সতেজ ফল পেতেন যখন অন্য কারো কাছে ফল পাওয়া যেত না। তখন জাকারিয়া বলতেন: হে মারইয়াম! এগুলো তোমার কাছে কোথা থেকে এলো? সে বলত: এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে, নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিযিক দান করেন। আর তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি অসময়ে ঝুড়িতে আঙুর পেতেন।
১ - এবং সাঈদ ইবনে জুবায়ের, মুজাহিদ, ইকরিমাহ, জাবির ইবনে যায়েদ, ইব্রাহিম আন-নাখায়ি, কাতাদাহ, রাবি ইবনে আনাস, আতিয়্যাহ, সুদ্দি এবং সুফিয়ান সওরী থেকে বর্ণিত
⦗পৃষ্ঠা: ৭৩⦘ গ্রীষ্মকালে শীতের ফল এবং শীতকালে গ্রীষ্মের ফল। আর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা ইব্রাহিম খলীল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী সারার ঘটনায় বলেন: {আর তাঁর স্ত্রী দাঁড়িয়ে ছিল, সে হেসে উঠল। অতঃপর আমরা তাঁকে ইসহাকের সুসংবাদ দিলাম এবং ইসহাকের পরে ইয়াকুবের। সে বলল, হায় আফসোস! আমি কি সন্তান প্রসব করব অথচ আমি এক বৃদ্ধা আর আমার এই স্বামীও বৃদ্ধ? নিশ্চয়ই এটি এক আশ্চর্যজনক বিষয়। তাঁরা (ফেরেশতারা) বলল, তুমি কি আল্লাহর কাজে বিস্ময় বোধ করছ? তোমাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক হে আহলে বাইত (গৃহবাসীগণ)! নিশ্চয়ই তিনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।}
২ - দামরাহ ইবনে হাবীব থেকে এর তাফসীরে বর্ণিত আছে যে, যখন রাসূলগণ (ফেরেশতারা) সারাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিলেন, তখন তিনি বলেন: তিনি যখন তাঁদের সাথে হাঁটছিলেন এবং তাঁদের সাথে কথা বলছিলেন, তখনই তিনি ঋতুস্রাব অনুভব করলেন। অতঃপর ইসহাককে গর্ভে ধারণ করার পূর্বেই তিনি ঋতুবতী হলেন। আর যখন তাঁকে ইসহাকের সুসংবাদ দেওয়া হলো তখন রাসূলদের (ফেরেশতাদের) উদ্দেশ্যে তাঁর উক্তি ছিল: আমি যখন যুবতী ছিলাম এবং ইব্রাহিমও যুবক ছিলেন তখন আমি গর্ভধারণ করিনি, আর এখন যখন তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন এবং আমিও বৃদ্ধা হয়েছি, তখন কি আমি সন্তান প্রসব করব? তাঁরা বলল, হে সারা! তুমি কি এতে বিস্ময় বোধ করছ? অথচ আল্লাহ তোমাদের উভয়ের সাথে যা করেছেন তা এর চেয়েও মহান। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর তাঁর রহমত ও বরকত নাযিল করেছেন হে আহলে বাইত! নিশ্চয়ই তিনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। আর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেন: {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল, তোমার চোখের পলক ফিরে আসার আগেই আমি তা তোমার কাছে নিয়ে আসব। অতঃপর যখন সে (সুলায়মান) সেটাকে তাঁর সামনে স্থির অবস্থায় দেখল, তখন সে বলল, এটি আমার রবের অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে আমি শুকরিয়া আদায় করি নাকি অকৃতজ্ঞ হই। আর যে শুকরিয়া আদায় করে সে নিজের মঙ্গলের জন্যই তা করে, আর যে অকৃতজ্ঞ হয় তবে নিশ্চয়ই আমার রব অভাবমুক্ত ও পরম দয়ালু।} [নামল: ৪০] মহান আল্লাহর বাণী: {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল} [নামল: ৪০] এর তাফসীরে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে
⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ তিনি বলেন: আসিফ, সুলায়মানের লেখক।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
وَعَنْ قَتَادَةَ، وَالسُّدِّيِّ، وَأَبِي صَالِحٍ: هُوَ مِنَ الْإِنْسِ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ اسْمُهُ آصِفُ "
এবং কাতাদাহ, সুদ্দী ও আবু সালিহ থেকে বর্ণিত: তিনি বনী ইসরাঈলভুক্ত একজন মানুষ ছিলেন, তাঁর নাম আসিফ।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
وَعَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، قَالَ: زَعَمُوا أَنَّ سُلَيْمَانَ، ابْتَغَى أَعْجَلَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ: آصِفُ بْنُ بَرْخِيَا وَكَانَ صِدِّيقًا يَعْلَمُ الِاسْمَ الْأَعْظَمَ
এবং ইয়াজিদ ইবনে রুমান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তারা ধারণা পোষণ করেছেন যে, সুলাইমান এর চেয়েও দ্রুততর কিছু চেয়েছিলেন। তিনি বললেন: (তিনি হলেন) আসিফ ইবনে বারখিয়া, এবং তিনি ছিলেন একজন মহাসত্যবাদী ব্যক্তি (সিদ্দীক), যিনি ইসমে আজম (আল্লাহর মহান নাম) জানতেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
3 - وَعَنْ زُهَيْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ: رَجُلٌ مِنَ الْإِنْسِ يُقَالُ لَهُ ذُو النُّونِ كَانَ عِلْمُهُ بِالْكِتَابِ
৩ - যুহাইর ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণিত: মানবজাতির মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি যাকে যুন-নুন বলা হতো, কিতাব সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিল।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
4 - وَعَنْ مُجَاهِدٍ: كَانَ اسْمُهُ اسْطُومَ
৪ - মুজাহিদ থেকে বর্ণিত: তাঁর নাম ছিল আস্তুম।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
5 - وَعَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، أَنَّهُ الْخَضِرُ
৫ - এবং ইবনে লাহিয়াহ থেকে বর্ণিত যে, তিনি হলেন খিজির।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
6 - وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: دَعَا الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ: يَا إِلَهَنَا وَإِلَهَ كُلِّ شَيْءٍ وَاحِدٍ لَا ⦗ص: 75⦘ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ ائْتِنِي بِعَرْشِهَا فَمَثُلَ لَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ
৬ - আয-যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যাঁর নিকট কিতাবের জ্ঞান ছিল তিনি প্রার্থনা করলেন: হে আমাদের ইলাহ এবং সকল বস্তুর একক ইলাহ, ⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘ আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আপনি আমার কাছে তার সিংহাসন নিয়ে আসুন। অতঃপর তা তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হলো।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
7 - وَعَنْ مُجَاهِدٍ: اسْمُ اللَّهِ الْأَعْظَمُ الَّذِي إِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ وَهُوَ: يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ
7 - মুজাহিদ থেকে বর্ণিত: আল্লাহর সেই মহানতম নাম, যা দ্বারা ডাকলে তিনি সাড়া দেন, তা হলো: হে মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
8 - وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40] قَالَ: لَمَّا تَكَلَّمَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ قَالَ أَنَا أَنْظُرُ فِي كِتَابِ رَبِّي ثُمَّ آتِيكَ بِهِ {قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40] قَالَ: فَتَكَلَّمَ ذَلِكَ الْعَالِمُ بِكَلَامٍ دَخَلَ الْعَرْشَ تَحْتَ الْأَرْضِ، فَنَظَرَ إِلَيْهِ سُلَيْمَانُ قَدْ طَلَعَ بَيْنَ يَدَيْهِ وَقَالَ لِسُلَيْمَانَ: ارْفَعْ طَرْفَكَ فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيْهِ حَتَّى نَظَرَ بَيْنَ يَدَيْهِ
৮ - সাঈদ ইবনে জুবায়র থেকে মহান আল্লাহর বাণী: {তোমার চোখের পলক তোমার কাছে ফিরে আসার পূর্বেই} [আন-নামল: ৪০] সম্পর্কে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন সেই ব্যক্তি কথা বললেন যার নিকট কিতাবের জ্ঞান ছিল, তিনি বললেন: "আমি আমার রবের কিতাবের দিকে দৃষ্টিপাত করছি, অতঃপর {তোমার চোখের পলক তোমার কাছে ফিরে আসার পূর্বেই} [আন-নামল: ৪০] আমি তা তোমার কাছে নিয়ে আসব।" তিনি বলেন: এরপর সেই আলেম এমন কিছু বাক্য উচ্চারণ করলেন যার ফলে আরশটি মাটির নিচ দিয়ে প্রবেশ করল, তখন সুলাইমান দেখলেন সেটি তাঁর সামনে উদিত হয়েছে। তিনি সুলাইমানকে বললেন: "আপনার দৃষ্টি উপরে তুলুন"; অতঃপর তাঁর দৃষ্টি ফিরে আসার পূর্বেই তিনি সেটি তাঁর সামনে দেখতে পেলেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
9 - وَعَنْ مُجَاهِدٍ، فِي قَوْلِهِ {الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40] قَالَ: أَنَا أَنْظُرُ فِي كِتَابِ رَبِّي ثُمَّ آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ، قَالَ: فَتَكَلَّمَ ذَلِكَ الْعَالِمُ بِكَلَامٍ دَخَلَ الْعَرْشَ فِي نَفَقٍ تَحْتَ الْأَرْضِ حَتَّى خَرَجَ إِلَيْهِمْ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ قَالَ: فَمَدَّ بَصَرَهُ كَمَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْحِيرَةِ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ فِي كِنْدَةَ
৯ - এবং মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, আল্লাহর এই বাণীর বিষয়ে {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল} [আন-নামল: ৪০], তিনি বলেন: [সেই ব্যক্তি বলেছিল,] আমি আমার প্রতিপালকের কিতাবে দৃষ্টিপাত করব, অতঃপর তোমার চোখের পলক ফিরে আসার পূর্বেই আমি তা তোমার কাছে নিয়ে আসব। তিনি বলেন: এরপর সেই আলেম এমন কিছু বাক্য উচ্চারণ করলেন যার মাধ্যমে আরশ ভূগর্ভস্থ এক সুড়ঙ্গ দিয়ে প্রবেশ করল এবং তোমার চোখের পলক ফিরে আসার পূর্বেই তাদের সামনে বেরিয়ে এল। তিনি বলেন: এরপর তিনি তার দৃষ্টিকে প্রসারিত করলেন যেমন তোমার এবং হিরা-এর মধ্যবর্তী দূরত্ব, আর তিনি সেদিন কিন্দাহ নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
10 - وَعَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، كَانَتْ بِالْيَمَنِ وَسُلَيْمَانُ بِالشَّامِ فَلَمَّا رَآهُ مُسْتَقِرًّا عِنْدَهُ قَالَ هَذَا مِنْ فَضْلِ رَبِّي لِيَبْلُوَنِي أَأَشْكُرُ أَمْ أَكْفُرُ ⦗ص: 76⦘ وَكَانَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ "
১০ - মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণিত, সেটি (সিংহাসনটি) ইয়ামেনে ছিল এবং সুলায়মান শামে ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি সেটিকে তাঁর নিকট স্থির অবস্থায় দেখলেন, তখন তিনি বললেন, “এটি আমার রবের অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি না কি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।” ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ “আর তার সকালের ভ্রমণ ছিল এক মাস এবং বিকেলের ভ্রমণ ছিল এক মাস।”
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
11 - وَعَنْ قَتَادَةَ: فَعَلِمَتِ الْجِنُّ أَنَّ الْإِنْسَ أَعْلَمُ مِنْهَا
১১ - কাতাদাহ থেকে বর্ণিত: অতঃপর জিন সম্প্রদায় জানতে পারল যে, মানুষ তাদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
12 - وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ: دَعَا بِاسْمٍ مِنْ أَسْمَاءِ اللَّهِ عز وجل فَإِذَا عَرْشُهَا بَيْنَ عَيْنَيْهِ يُحْمَلُ وَلَا يَدْرِي ذَا الِاسْمَ قَدْ خَفِيَ ذَلِكَ الِاسْمُ عَلَى سُلَيْمَانَ وَقَدْ أُعْطِيَ مَا أُعْطِيَ
১২ - আবদুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত: তিনি মহান আল্লাহর নামসমূহের মধ্য থেকে একটি নাম ধরে প্রার্থনা করলেন, অমনি তার সিংহাসনটি বহন করে তাঁর চোখের সামনে উপস্থিত করা হলো। তিনি সেই নামটি জানতেন না; সেই নামটি সুলাইমানের নিকট গোপন রাখা হয়েছিল, অথচ তাঁকে যা প্রদানের তা প্রদান করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
تَفْسِيرُ قَوْلِهِ تَعَالَى {يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ} [آل عمران: 37]
মহান আল্লাহর বাণীর তাফসীর: {হে মারইয়াম, তোমার কাছে এসব কোথা থেকে এল? সে বলল, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে।} [আলে ইমরান: ৩৭]
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
13 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ يَعْقُوبَ الْمُتُوثِيُّ، قَالَ: أنا ⦗ص: 77⦘ أَحْمَدُ بْنُ خَلَفٍ، قَالَ: أنا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمِّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِيهِ الْحَسَنِ، عَنْ جَدِّهِ عَطِيَّةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ {يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ} [آل عمران: 37] فَإِنَّهُ وَجَدَ عِنْدَهَا الْفَاكِهَةَ الْغَضَّةَ حِينَ لَا تُوجَدُ الْفَاكِهَةُ عِنْدَ أَحَدٍ وَكَانَ زَكَرِيَّا يَقُولُ {يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ} [آل عمران: 37]
১৩ - মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন ইয়াকুব আল-মুতুসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘ আহমাদ বিন খালাফ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন সা’দ, তিনি তাঁর চাচা হুসাইন বিন আল-হাসান থেকে, তিনি তাঁর পিতা হাসান থেকে, তিনি তাঁর দাদা আতিয়্যাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {হে মারইয়াম, তোমার কাছে এসব কোথা থেকে এলো? তিনি বললেন, এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে।} [আলে ইমরান: ৩৭]। কেননা তিনি (যাকারিয়া আ.) তাঁর কাছে এমন সময়ে তাজা ফলমূল দেখতে পেতেন যখন অন্য কারো কাছে কোনো ফলমূল পাওয়া যেত না। আর যাকারিয়া (আ.) বলতেন: {হে মারইয়াম, তোমার কাছে এসব কোথা থেকে এলো? তিনি বললেন, এগুলো আল্লাহর নিকট থেকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিযিক দান করেন।} [আলে ইমরান: ৩৭]
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
14 - ذَكَرَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ، ثنا أَبِي، ثنا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا شَرِيكٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] قَالَ: عِنَبًا فِي مِكْتَلٍ فِي غَيْرِ حِينِهِ
14 - আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম উল্লেখ করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা ইবনাস সাইব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়র থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, {তিনি তার নিকট রিযিক দেখতে পেলেন} [আলে ইমরান: ৩৭] আয়াতটি সম্পর্কে তিনি বলেন: (তা ছিল) অসময়ে ঝুড়িতে রাখা আঙ্গুর।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
15 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَضْلِ الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الْأُمَوِيُّ، قَالَ: ثنا أَبِي قَالَ: ثنا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] قَالَ: وَجَدَ فَاكِهَةَ الشِّتَاءِ فِي الصَّيْفِ وَفَاكِهَةَ الصَّيْفِ فِي الشِّتَاءِ فَذَكَرَ الْعِنَبَ وَالرُّمَّانَ وَنَحْوَ ذَلِكَ
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাদল আল-হাশিমী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আল-উমাবী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মালিক বিন মিগওয়াল, ইব্রাহীম বিন মুহাজির থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন: {তিনি তাঁর নিকট রিযিক দেখতে পেলেন} [আলে ইমরান: ৩৭] তিনি বলেন: তিনি গ্রীষ্মকালে শীতকালীন ফল এবং শীতকালে গ্রীষ্মকালীন ফল পেতেন। অতঃপর তিনি আঙুর, ডালিম এবং এই জাতীয় ফলের কথা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
16 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، قَالَ: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ النَّضْرِ، عَنْ عِكْرِمَةَ: {وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] قَالَ: فَاكِهَةَ الشِّتَاءِ فِي الصَّيْفِ، وَفَاكِهَةَ الصَّيْفِ فِي الشِّتَاءِ
১৬ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আন-নাদর থেকে, ইকরিমা থেকে বর্ণিত: {তিনি তার নিকট জীবিকা দেখতে পেলেন} [আল-ইমরান: ৩৭] তিনি বলেন: গ্রীষ্মকালে শীতকালের ফল এবং শীতকালে গ্রীষ্মকালের ফল।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
17 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أنا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ⦗ص: 79⦘، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، ثنا مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ، قَالَ: ثنا شِبْلُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، {وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] عِنَبًا وَجَدَهُ زَكَرِيَّا عِنْدَ مَرْيَمَ فِي غَيْرِ زَمَانِهِ
১৭ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৯⦘, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে গালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে মাসউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শিবল ইবনে আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি নাজিহ থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, {তিনি তাঁর নিকট জীবিকা দেখতে পেলেন} [আলে ইমরান: ৩৭] (তা ছিল) আঙুর যা জাকারিয়া মারইয়ামের নিকট অমৌসুমে পেয়েছিলেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
18 - أَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، قَالَ: ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، ثنا وَكِيعٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: {وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] قَالَ: عِنَبًا
১৮ - আমি আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উমর, আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট অকি‘ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা ইবনে আস-সাইব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: {তিনি তাঁর নিকট জীবিকা দেখতে পেলেন} [আলে ইমরান: ৩৭] তিনি বলেন: (তা ছিল) আঙ্গুর।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
19 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُثْمَانَ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: ثنا حُسَيْنٌ، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ قَتَادَةَ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابِ وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا} [آل عمران: 37] قَالَ ⦗ص: 80⦘: حُدِّثْنَا أَنَّهُ كَانَتْ تُؤْتَى بِفَاكِهَةِ الشِّتَاءِ فِي الصَّيْفِ وَفَاكِهَةِ الصَّيْفِ فِي الشِّتَاءِ فَعَجِبَ مِنْ ذَلِكَ زَكَرِيَّا
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে উসমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন, শায়বান থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, মহান আল্লাহর বাণী: {যখনই যাকারিয়া মিহরাবে তার নিকট প্রবেশ করতেন, তখনই তিনি তার নিকট রিযিক দেখতে পেতেন} [আল-ইমরান: ৩৭] প্রসঙ্গে বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘: আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, মারইয়ামের নিকট গ্রীষ্মকালে শীতকালের ফল এবং শীতকালে গ্রীষ্মকালের ফল নিয়ে আসা হতো, ফলে যাকারিয়া এতে আশ্চর্য হলেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
فِي تَفْسِيرِ قَوْلِهِ تبارك وتعالى: {قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40]
মহান ও বরকতময় আল্লাহর বাণীর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে: {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল তিনি বললেন} [আন-নামল: ৪০]
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
20 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ يَعْقُوبَ الْمُتُوثِيُّ، قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ خَلَفٍ، قَالَ: أنا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: ثنا عَمِّي عُثْمَانُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّهِ عَطِيَّةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {يَا أَيُّهَا الْمَلَأُ أَيُّكُمْ يَأْتِينِي بِعَرْشِهَا قَبْلَ أَنْ يَأْتُونِي مُسْلِمِينَ، قَالَ عِفْرِيتٌ مِنَ الْجِنِّ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ تَقُومَ مِنْ مَقَامِكَ وَإِنِّي عَلَيْهِ لَقَوِيٌّ أَمِينٌ} [النمل: 39] قَالَ سُلَيْمَانُ: أُرِيدُ أَعْجَلَ مِنْ هَذَا قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ وَهُوَ رَجُلٌ مِنَ الْإِنْسِ وَهُوَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ فِيهِ اسْمُ اللَّهِ الْأَكْبَرُ الَّذِي إِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ قَالَ: {أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40]
⦗ص: 81⦘ قَالَ: فَدَعَا بِالِاسْمِ وَهُوَ عِنْدَهُ قَائِمٌ فَاحْتُمِلَ الْعَرْشُ احْتِمَالًا حَتَّى وُضِعَ بَيْنَ يَدَيْ سُلَيْمَانَ وَاللَّهُ صَنَعَ عِلْمَ ذَلِكَ
২০ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে ইয়াকুব আল-মুতুসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ ইবনে খালাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার চাচা উসমান ইবনে হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা তাঁর দাদা আতিয়্যাহর সূত্রে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: {হে পরিষদবর্গ, তারা আত্মসমর্পণকারী হয়ে আমার কাছে আসার আগে তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসনটি আমার কাছে নিয়ে আসবে? জিনদের মধ্য থেকে এক ইফ্রিত বলল, আপনি আপনার স্থান থেকে উঠার আগেই আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব এবং নিশ্চয়ই আমি এই কাজে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত} [আন-নামল: ৩৯]। সুলাইমান বললেন: আমি এর চেয়েও দ্রুত চাই। তখন যার নিকট কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল—আর সে ছিল মানুষের অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তি এবং তার নিকট কিতাবের এমন জ্ঞান ছিল যাতে আল্লাহর সেই মহান নাম নিহিত ছিল যা দ্বারা ডাকলে তিনি সাড়া দেন—সে বলল: {আপনার চোখের পলক আপনার দিকে ফিরে আসার আগেই আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব} [আন-নামল: ৪০]।
⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘ তিনি বলেন: অতঃপর সে সেই নাম দ্বারা দোয়া করল যখন সে তাঁর নিকট দাঁড়িয়ে ছিল, তখন সিংহাসনটিকে বহন করে নিয়ে আসা হলো এমনকি তা সুলাইমানের সামনে রাখা হলো। আর আল্লাহই সেই কার্যের জ্ঞান সৃষ্টি করেছেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨١)
21 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ، أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ: " الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ قَالَ: مِنَ الْإِنْسِ وَالَّذِي قَالَ: قَبْلَ أَنْ تَقُومَ مِنْ مَقَامِكَ مِنَ الْجِنِّ قَالَ: أُرِيدُ أَعْجَلَ مِنْ ذَلِكَ، قَالَ: فَجَاءَ بِهِ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ، فَقَالَ لِسُلَيْمَانَ: ارْفَعْ طَرْفَكَ قَالَ: فَرَفَعَ طَرْفَهُ فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيْهِ طَرْفُهُ حَتَّى نَظَرَ إِلَيْهِ بَيْنَ يَدَيْهِ
২১ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রহমান বিন আবি হাতিম আমাদের জানিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন বাশির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল" — তিনি ছিলেন মানুষের অন্তর্ভুক্ত। আর যে বলেছিল: "আপনি আপনার স্থান থেকে ওঠার পূর্বেই" — সে ছিল জিনের অন্তর্ভুক্ত। তিনি (সুলাইমান) বললেন: "আমি এর চেয়েও দ্রুত চাই।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল তিনি তা নিয়ে আসলেন এবং সুলাইমানকে বললেন: "আপনি আপনার দৃষ্টি উপরে তুলুন।" বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর দৃষ্টি উপরে তুললেন, আর তাঁর দৃষ্টি তাঁর দিকে ফিরে আসার পূর্বেই তিনি সেটাকে তাঁর সামনে দেখতে পেলেন।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨١)
22 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: ثنا ⦗ص: 82⦘ أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، قَالَ: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، فِي قَوْلِهِ: {قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40] قَالَ: لَمَّا تَكَلَّمَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ دَخَلَ الْعَرْشُ تَحْتَ الْأَرْضِ فَنَظَرَ إِلَيْهِ سُلَيْمَانُ قَدْ طَلَعَ بَيْنَ يَدَيْهِ {قَالَ هَذَا مِنْ فَضْلِ رَبِّي لِيَبْلُوَنِي أَأَشْكُرُ أَمْ أَكْفُرُ} [النمل: 40]
২২ - আলী বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে বর্ণিত, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {তোমার চোখের পলক তোমার নিকট ফিরে আসার পূর্বেই} [আন-নামল: ৪০], তিনি বলেন: যখন ওই ব্যক্তি কথা বলল যার নিকট কিতাবের জ্ঞান ছিল, তখন আরশ মাটির নিচ দিয়ে প্রবেশ করল; অতঃপর সুলাইমান সেটির দিকে তাকালেন যা তাঁর সামনে প্রকাশ পেয়েছে। {তিনি বললেন: এটি আমার রবের অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি নাকি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।} [আন-নামল: ৪০]
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٢)
23 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أنا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، قَالَ: ثنا أَبُو حُذَيْفَةَ، قَالَ: ثنا شِبْلٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ: {قَالَ عِفْرِيتٌ مِنَ الْجِنِّ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ تَقُومَ مِنْ مَقَامِكَ} [النمل: 39] يَقُولُ مِنْ مَقْعَدِكَ، {قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40] اسْمُ اللَّهِ الْأَعْظَمُ الَّذِي إِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ هُوَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، {أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40] إِذَا مَدَّ الْبَصَرَ حَتَّى يَرْتَدَّ الطَّرْفُ خَاسِئًا
২৩ - আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে আহমাদ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে গালিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুযাইফা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শিবল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে আবি নাজীহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন: {জিনের মধ্য থেকে এক শক্তিশালী (ইফরিত) বলল, আপনি আপনার স্থান থেকে ওঠার আগেই আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব} [আন-নামল: ৩৯], তিনি বলেন: আপনার আসন থেকে। {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল} [আন-নামল: ৪০] (সেটি ছিল) আল্লাহর সেই মহান নাম যা দ্বারা আহ্বান করলে তিনি সাড়া দেন, আর তা হলো— হে মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী। {আপনার চোখের পলক আপনার দিকে ফিরে আসার আগেই আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব} [আন-নামল: ৪০] অর্থাৎ যখন দৃষ্টি প্রসারিত করা হয় যতক্ষণ না পলক ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসে।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
24 - وَأَخْبَرَنَا عَلِيٌّ، أنا عُثْمَانُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، قَالَ: ثنا أَبُو حُذَيْفَةَ، قَالَ: ثنا شِبْلٌ، قَالَ: زَعَمَ ابْنُ أَبِي بَزَّةَ أَنَّ الَّذِيَ عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ أَسْطُومُ
২৪ - এবং আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে গালিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুযাইফা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শিবল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি বাযযাহ দাবি করেছেন যে, যাঁর কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল তিনি হলেন আসতুম।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
25 - ذَكَرَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، قَالَ: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ يَعْنِي قَوْلَهُ: {الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40] قَالَ: آصِفُ كَاتِبُ سُلَيْمَانَ
26 - وَرُوِيَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، كَمَا مَضَى فِي التَّرْجَمَةِ
২৫ - আবদুর রহমান উল্লেখ করেছেন, আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি মিনহাল ইবনে আমর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন—আল্লাহর বাণী: {যার নিকট কিতাবের জ্ঞান ছিল} [আন-নামল: ৪০] এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: তিনি হলেন আসিফ, সুলাইমানের লেখক।
২৬ - এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত হয়েছে ইয়াজিদ ইবনে রুমান থেকে, যেমনটি ইতিপূর্বে জীবনীতে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ٩)
কারামাতুল আউলিয়া লিল লালকাঈ - মিন শারহি উসূলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআতি লিল লালকাঈ
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
27 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُثْمَانَ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: ثنا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: ثنا ⦗ص: 84⦘ شَيْبَانُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: {أَيُّكُمْ يَأْتِينِي بِعَرْشِهَا قَبْلَ أَنْ يَأْتُونِيَ مُسْلِمِينَ، قَالَ عِفْرِيتٌ مِنَ الْجِنِّ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ تَقُومَ مِنْ مَقَامِكَ} [النمل: 39] وَمَقَامُهُ مَجْلِسُهُ الَّذِي كَانَ يَقْضِي فِيهِ لَا يَفْرُغُ مِنْ قَضَائِهِ حَتَّى يَأْتُوا بِهِ فَأَرَادَ نَبِيُّ اللَّهِ سُلَيْمَانُ مَا هُوَ أَعْجَلُ مِنْ هَذَا {قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنَ الْكِتَابِ} [النمل: 40] وَكَانَ رَجُلًا مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ يَعْلَمُ اسْمَ اللَّهِ الَّذِي إِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ {أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ} [النمل: 40] قَالَ: وَارْتِدَادُ طَرْفِهِ أَنْ يَبْعَثَ رَجُلًا إِلَى مُنْتَهَى طَرْفِهِ فَلَا يَرْجِعَ رَسُولُهُ حَتَّى يَأْتِيَهُ فَدَعَا الرَّجُلُ بِاسْمِ اللَّهِ فَلَمَّا رَآهُ مُسْتَقِرًّا عِنْدَهُ قَالَ: {هَذَا مِنْ فَضْلِ رَبِّي لِيَبْلُوَنِي أَأَشْكُرُ أَمْ أَكْفُرُ} [النمل: 40] قَالَ: لَا وَاللَّهِ مَا جَعَلَهُ فَخْرًا وَلَا بَطَرًا وَلَا أَشَرًا وَلَكِنْ جَعَلَهُ شُكْرًا وَذِكْرًا وَتَوَاضُعًا "
২৭ - হাসান বিন উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইসহাক বিন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৮৪⦘ শায়বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি বলেছেন: {তোমাদের মধ্যে কে আছ যে তারা অনুগত হয়ে আমার কাছে আসার পূর্বেই তার সিংহাসন নিয়ে আসবে? জিনের মধ্য থেকে এক শক্তিশালী জিন বলল: আপনি আপনার স্থান থেকে উঠার পূর্বেই আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব} [আন-নামল: ৩৯] আর তার স্থান বলতে তার সেই মজলিসকে বুঝানো হয়েছে যেখানে তিনি বিচারিক ফয়সালা করতেন; তিনি বিচার কাজ শেষ করার পূর্বেই সে তা নিয়ে আসবে। কিন্তু আল্লাহর নবী সুলায়মান এর চেয়েও দ্রুত কিছু চেয়েছিলেন। {যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল} [আন-নামল: ৪০] তিনি বনী ইসরাঈলের একজন লোক ছিলেন যিনি আল্লাহর সেই নাম জানতেন যা দিয়ে দুআ করলে তিনি কবুল করেন। {আমি তা আপনার কাছে নিয়ে আসব আপনার চোখের পলক ফিরে আসার পূর্বেই} [আন-নামল: ৪০]। তিনি বলেন: চোখের পলক ফিরে আসা বলতে বুঝানো হয়েছে যে, তিনি একজন লোককে তার দৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত পাঠাবেন এবং সেই দূত ফিরে আসার পূর্বেই তিনি তা নিয়ে আসবেন। অতঃপর সেই ব্যক্তি আল্লাহর নামে দুআ করলেন। যখন তিনি (সুলায়মান) সিংহাসনটি তার নিকট স্থির অবস্থায় দেখলেন তখন বললেন: {এটি আমার রবের অনুগ্রহ থেকে, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি না কি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি} [আন-নামল: ৪০]। তিনি বললেন: না, আল্লাহর কসম! তিনি একে গৌরব বা দম্ভ কিংবা অহংকারের বিষয় বানাননি, বরং তিনি একে কৃতজ্ঞতা, স্মরণ এবং বিনয়ের কারণ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।