(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد العراقيين لأبي سعيد النقاش القسم: كتب السنة
الكتاب: فوائد العراقيين
المؤلف: أبو سعيد محمد بن علي بن عمر بن مهدي الأصبهاني الحنبلي النقاش (ت 414هـ)
تحقيق: مجدي السيد إبراهيم
الناشر: مكتبة القرآن - مصر
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 113
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু সাঈদ আন-নাক্কাশের ফাওয়ায়েদ আল-ইরাকিইয়িন বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ফাওয়ায়েদ আল-ইরাকিইয়িন
লেখক: আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন উমর বিন মাহদী আল-আসবাহানী আল-হাম্বলী আন-নাক্কাশ (মৃত্যু ৪১৪ হিজরি)
তাহকীক: মাজদী আস-সাইয়িদ ইবরাহীম
প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুরআন - মিশর
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৩
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١)
الْحَلَالُ بَيِّنٌ وَالْحَرَامُ بَيِّنٌ
হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١)
أَخْبَرَتْنَا الْمُسْنِدَةُ الْمُعَمِّرَةُ، الْأَصِيلَةُ أُمُّ هَانِئٍ بِنْتُ الشَّيْخِ نُورِ الدِّينِ عَلِيِّ ابْنِ الْقَاضِي تَقِيِّ الدِّينِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْهُورِينِيِّ. أنا الْعَفِيفُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ النَّيْسَابُورِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا الرَّضِيُّ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيُّ، أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ ابْنُ بِنْتِ الْجُمَيْزِيِّ قَالَ. . .: أنا الْفَقِيهُ الْإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْأَصْبَهَانِيُّ رحمه الله، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَفَّارِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ اشتَةَ الْكَاتِبُ بِأَصْبَهَانَ سَنَةَ أَرْبَعِمِائَةٍ وَإِحْدَى وَتِسْعِينَ، نا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَهْدِيٍّ النَّقَّاشُ الْحَافِظُ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَمَّادٍ الْفَاشِيُّ ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عِيسَى الْمُزَنِيُّ ثنا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا زَكَرِيَّا، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الْحَلَالُ بَيِّنٌ وَالْحَرَامُ بَيِّنٌ وَبَيْنَهُمَا مُشْتَبِهَاتٌ لَا يَعْلَمُهُنَّ كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالرَّاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى يُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ فِيهِ أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى أَلَا وَإِنَّ حِمَى اللَّهِ مَحَارِمُهُ أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ» رِوَايَةُ الْبُخَارِيِّ فِي الْجَامِعِ عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ
দীর্ঘজীবী মুসনিদাহ, সম্মানিত বংশীয় উম্মু হানি বিনতে শায়খ নুরউদ্দীন আলী ইবনে কাযী তকীউদ্দীন আবদুর রহমান আল-হুরিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-আফীফ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আন-নাইসাবুরী তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন। আর-রাযী ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আত-তাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবুল হাসান আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে সালাম ইবনু বিনতিল জুমায়জী আমাদের বলেছেন... ফকীহ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আসবাহানী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের জানিয়েছেন। আবু আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুল গাফফার ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে আশতাহ আল-কাতিব চারশত একানব্বই হিজরি সনে আসবাহানে আমাদের জানিয়েছেন। হাফেজ আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদী আন-নাক্কাশ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাম্মাদ আল-ফাশী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু মুহাম্মদ ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ঈসা আল-মুযানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। আবু নুআইম ফজল ইবনে দুকাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। যাকারিয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমের থেকে, তিনি বলেন: আমি নুমান ইবনে বশীরকে বলতে শুনেছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এ দুটির মাঝখানে কিছু সন্দেহজনক বিষয় রয়েছে, যা অনেক মানুষ জানে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয় থেকে নিজেকে রক্ষা করল, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয়ে লিপ্ত হলো, সে হারামে লিপ্ত হলো। তার উদাহরণ সেই রাখালের মতো, যে সংরক্ষিত সীমানার চারপাশে পশু চরায়, অচিরেই তাতে তার পশু প্রবেশ করার উপক্রম হয়। জেনে রেখো, প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে। সাবধান, আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। জেনে রেখো, শরীরে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে, যদি তা সঠিক থাকে তবে পুরো শরীরই সঠিক থাকে; আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায় তবে পুরো শরীরই নষ্ট হয়ে যায়। জেনে রেখো, তা হলো কলব (অন্তর)।’ আবু নুআইমের সূত্রে বুখারী তাঁর আল-জামি' গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١)
أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ النَّهَاوَنْدِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الشَّقَرِ، ثنا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُطَرِّفٍ أَبِي غَسَّانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مُرْجَانَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً مُؤْمِنَةً، أَعْتَقَ اللَّهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنَ النَّارِ، يُعْتِقُ فَرْجَهُ بِفَرْجِهِ» رِوَايَةُ البُخَارِيِّ عَنْ أَبِي يَحْيَى البَزَّارِ عَنْ دَاودَ، وَمَسْلِمٌ رَوَاهُ فِي كِتَابِهِ عَنْ دَاودَ
আবু বকর উমর ইবনে আহমাদ ইবনে আল-কাসিম আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আশ-শাক্কার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রুশাইদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, মুহাম্মাদ ইবনে মুতাররিফ আবু গাসসান থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে মুরজানাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো মুমিন দাস মুক্ত করবে, আল্লাহ তার প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে মুক্তকারীর প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন, এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানকে মুক্তি দেবেন»। এটি দাউদ থেকে আবু ইয়াহইয়া আল-বাযযারের সূত্রে বুখারীর বর্ণনা, এবং ইমাম মুসলিম তাঁর কিতাবে এটি দাউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١)
أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلَّادٍ النَّصِيبِيُّ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ الْأَزْرَقُ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُرْوَاحٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «أَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا وَأَغْلَاهَا ثَمَنًا»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আন-নাসিবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-ফারাজ আল-আজরাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু মুরওয়াহ থেকে এবং তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কোন গোলাম (মুক্ত করা) সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: "যা তার মালিকের নিকট সবচেয়ে মূল্যবান এবং যার বিনিময় মূল্য সবচেয়ে বেশি।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١)
مِنَ الْآَدَابِ الإِسْلَامِيَّةِ
ইসলামি শিষ্টাচারসমূহ হতে
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ الْوَاسِطِيُّ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ حَنْظَلَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَا رَسُولَ اللَّهِ، الرَّجُلُ يَلْقَى أَخَاهُ أَوْ صَدِيقَهُ أَيَنْحَنِي لَهُ؟ قَالَ: «لَا» قَالَ: فَيَلْتَزِمُهُ وَيُقَبِّلُهُ؟ قَالَ: «لَا» قَالَ: فَيَأْخُذُهُ بِيَدِهِ وَيُصَافِحُهُ؟ قَالَ: «نَعَمْ» وَرَخَّصَ فِيهِ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নুমান আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা, হানজালা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! কোনো ব্যক্তি যখন তার কোনো ভাই বা বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে, তখন সে কি তার উদ্দেশ্যে মাথা নত করবে? তিনি বললেন: «না»। তিনি বললেন: তবে কি সে তাকে জড়িয়ে ধরবে এবং তাকে চুম্বন করবে? তিনি বললেন: «না»। তিনি বললেন: তবে কি সে তার হাত ধরবে এবং তার সাথে মুসাফাহা করবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ» এবং তিনি এতে অনুমতি প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
مَنْ أَحْسَنُ النَّاسِ قِرَاءَةً لِلْقُرْآنِ
মানুষের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াতে কে সর্বোত্তম?
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الصَّوَّافِ ثنا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْوَشَّاءُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ الْوَكِيعِيُّ، ثنا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيُّ النَّاسِ أَحْسَنُ قِرَاءَةً؟ قَالَ: «الَّذِي إِذَا سَمِعْتَهُ يَقْرَأُ حَسِبْتَهُ يَخْشَى اللَّهَ»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আস-সাওয়াফ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল ফজল আল-আব্বাস ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান আল-ওয়াশশা, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ ইবন উমর আল-ওয়াকিঈ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন কবিসা ইবন উকবা, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবন জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, আর তিনি ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, মানুষের মধ্যে কার তিলাওয়াত সবচেয়ে সুন্দর? তিনি বললেন: "সেই ব্যক্তি, যাকে তিলাওয়াত করতে শুনলে তোমার মনে হবে যে সে আল্লাহকে ভয় করছে।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ عَبَّادٍ النَّجَّارُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الرَّبِيعِ أَبُو الْهَيْثَمِ الْحَارِثِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ الْخُرَيْبِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَقُولُوا فِي مَوْتَاكُمْ إِلَّا خَيْرًا»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন আব্বাদ আন-নাজ্জার, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আর-রবি আবু আল-হাইসাম আল-হারিছি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন দাউদ আল-খুরাইবি, আমাদের বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর পক্ষ থেকে তার ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «তোমাদের মৃতদের সম্পর্কে ভালো ছাড়া অন্য কিছু বলো না।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ سَهْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَفْصٍ التُّسْتَرِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى بْنِ دُرُسْتِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُبَيْقٍ، ثنا يُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَكْرَهُ الْكَيَّ وَيَكْرَهُ الطَّعَامَ الْحَارَّ وَيَقُولُ: «عَلَيْكُمْ بِالْبَارِدِ فَإِنَّهُ ذُو بَرَكَةٍ، أَلَا وَإِنَّ الْحَارَّ لَا بَرَكَةَ فِيهِ» وَكَانَتْ لَهُ مُكْحُلَةٌ يَكْتَحِلُ مِنْهَا عِنْدَ النَّوْمِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا
৭ - আবুল হাসান সাহল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হাফস আত-তুস্তারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দুরুস্ত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে হুবাইক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ এবং সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শরীরে আগুনের সেঁক দেওয়া অপছন্দ করতেন এবং গরম খাবার অপছন্দ করতেন। তিনি বলতেন: «তোমরা শীতল খাবার গ্রহণ করো, কারণ এতে বরকত রয়েছে; জেনে রেখো, গরম খাবারে কোনো বরকত নেই।» আর তাঁর একটি সুরমাদানি ছিল যা থেকে তিনি ঘুমানোর সময় তিন তিন বার করে সুরমা লাগাতেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الْمَحَبَّةُ بَيْنِ الْخَالِقِ وَالْمَخْلُوقِ
স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যবর্তী ভালোবাসা
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَرَزَةَ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا أَحَبَّ اللَّهُ الْعَبْدَ نَادَى جِبْرِيلَ: إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ فُلَانًا فَأَحْبِبْهُ، فَيُحِبُّهُ جِبْرِيلُ، فَيُنَادِي جِبْرِيلُ فِي أَهْلِ السَّمَاءِ: إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ فُلَانًا فَأَحِبُّوهُ، فَيُحِبُّهُ أَهْلُ السَّمَاءِ، ثُمَّ يُوضَعُ لَهُ الْقَبُولُ فِي الْأَرْضِ "
৮ - আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বারযাহ আয-জা'ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন জুরায়জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে উকবাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন নাফি’ থেকে যে, আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যখন আল্লাহ কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন জিবরীলকে ডেকে বলেন: 'নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুক ব্যক্তিকে ভালোবাসেন, সুতরাং তুমিও তাকে ভালোবাসো।' তখন জিবরীল তাকে ভালোবাসেন। এরপর জিবরীল আসমানবাসীদের মাঝে ঘোষণা করে দেন: 'নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুককে ভালোবাসেন, সুতরাং তোমরাও তাকে ভালোবাসো।' তখন আসমানবাসীরা তাকে ভালোবাসে। এরপর জমিনে তার জন্য গ্রহণযোগ্যতা স্থাপন করা হয়।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
وَصِيَّةُ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم لِابْنِ عَبَّاسٍ
ইবন আব্বাসের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপদেশ
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ الدَّيْنَوَرِيُّ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، ثنا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ حَنَشٍ ⦗ص: 22⦘ الصَّنْعَانِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنه قَالَ: كُنْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: " يَا غُلَامُ إِنَّى مُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ: احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَكَ، إِذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوِ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ إِلَّا قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَكَ، وَإِنِ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ عَلَيْكَ، رُفِعَتِ الْأَقْلَامُ وَجَفَّتِ الصُّحُفُ "
৯ - আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-হাফিয আদ-দিনাওয়ারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফদল বিন হুবাব আল-জুমাহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লায়স বিন সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স বিন হাজ্জাজ থেকে, তিনি হানশ ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ আস-সানআনী থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি বললেন: "হে বৎস! আমি তোমাকে কিছু বাক্য শিখিয়ে দিচ্ছি: তুমি আল্লাহর (বিধানের) হিফাযত করো, আল্লাহ তোমাকে হিফাযত করবেন। তুমি আল্লাহর (হক) রক্ষা করো, তুমি তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন তুমি কিছু প্রার্থনা করবে, তখন আল্লাহর কাছেই প্রার্থনা করো। আর যখন তুমি সাহায্য চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাও। জেনে রেখো, যদি সমস্ত জাতি তোমার কোনো উপকার করার জন্য একত্রিত হয়, তবে তারা তোমার কোনো উপকার করতে পারবে না—কেবল ততটুকুই যা আল্লাহ তোমার জন্য লিখে রেখেছেন। আর যদি তারা তোমার কোনো ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়, তবে তারা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—কেবল ততটুকুই যা আল্লাহ তোমার প্রতিকূলে লিখে রেখেছেন। কলমগুলো উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পৃষ্ঠাসমূহ শুকিয়ে গেছে।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
مِنْ فَضَائِلِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ
আবু বকর আস-সিদ্দীক-এর ফযীলতসমূহ থেকে
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ فَارُوقُ بْنُ عَبْدِ الْكَبِيرِ الْخَطَّابِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْخَطَّابِ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ، عَنْ كَثِيرٍ النَّوَّاءِ، عَنْ جُمَيْعِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: فَمَا لِيَ؟ قَالَ: «خَيْرُ مَا لَكَ، أَنْتَ صَاحِبِي فِي الْغَارِ وَأَنْتَ مَعِي عَلَى الْحَوْضِ»
১০ - আমাদের নিকট আবু হাফস ফারূক ইবনে আব্দুল কাবীর আল-খাত্তাবী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আত্তার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আযীয ইবনুল খাত্তাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে হাশিম কাসীর আন-নাওয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি জুমাই ইবনে উমাইর থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে বললেন: তবে আমার জন্য কী রয়েছে? তিনি বললেন: «তোমার জন্য সর্বোত্তম প্রতিদান রয়েছে; তুমি গুহায় আমার সঙ্গী ছিলে এবং হাউজের নিকটও তুমি আমার সাথে থাকবে»।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ مِرْبَعٌ، ثنا سُنَيْدُ بْنُ دَاوُدَ، ثنا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " قَالَتْ أُمُّ سُلَيْمَانَ النَّبِيِّ لِابْنِهَا: يَا بُنَيَّ لَا تَدَعْ قِيَامَ اللَّيْلِ فَإِنَّ تَرْكَ قِيَامٍ يَدَعُ الرَّجُلَ فَقِيرًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ "
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ মিরবা', তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুনাইদ ইবনে দাউদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নবী সুলায়মানের মাতা তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: হে বৎস! তুমি রাতের সালাত (কিয়ামুল লাইল) বর্জন করো না; কেননা রাতের সালাত বর্জন করা কিয়ামতের দিন মানুষকে নিঃস্ব করে দেয়।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ
তার জন্য দুর্ভোগ, তার জন্য দুর্ভোগ
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الْمُعَدِّلُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ الْوَاسِطِيُّ، ثنا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الَّذِي يُحَدِّثُ النَّاسَ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ، وَيْلٌ لَهُ، وَيْلٌ لَهُ»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল খালিক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন নাসর আল-মুআদ্দিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহয বিন হাকিম তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে, তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
13 - ثنا أَبُو قِلَابَةَ الرَّقَاشِيُّ، ثنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تُصِيبُنِي الْجَنَابَةُ مِنَ اللَّيْلِ فَكَيْفَ أَصْنَعُ؟ قَالَ: «اغْسِلْ ذَكَرَكَ، ثُمَّ تَوَضَّأْ، ثُمَّ ارْقُدْ»
১৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবাহ আর-রাকাশি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে উমর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! রাতে আমি জানাবাত (অপবিত্র) হয়ে পড়ি, এমতাবস্থায় আমি কী করব? তিনি বললেন: «তোমার লজ্জাস্থান ধৌত করো, তারপর ওযু করো, অতঃপর ঘুমাও»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
14 - ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ سَلْمٍ الْخُتَّلِيُّ ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْأَبَّارُ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْوَضِينِ بْنِ عَطَاءٍ، وَحَفْصِ بْنِ غَيْلَانَ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَقَدْ قَبَضَ اللَّهُ دَاوُدَ عليه السلام مِنْ بَيْنِ أَصْحَابِهِ فَمَا فُتِنُوا وَمَا بَدَّلُوا ، وَلَقَدْ مَكَثَ أَصْحَابُ الْمَسِيحِ مِنْ بَعْدِهِ عَلَى سُنَّتِهِ وَهَدْيِهِ مِائَتَيْ سَنَةٍ»
১৪ - আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন সালম আল-খুত্তালি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন আলি আল-আব্বার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হায়সাম বিন হুমাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াদিন বিন আতা ও হাফস বিন গাইলান থেকে, তারা নাসর বিন আলকামা থেকে, তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ দাউদ (আলাইহিস সালাম)-কে তাঁর সঙ্গীদের মধ্য থেকে তুলে নিয়েছেন, অতঃপর তারা কোনো ফিতনায় নিপতিত হয়নি এবং তারা (দ্বীন) পরিবর্তন করেনি। আর নিশ্চয়ই মসীহ (আলাইহিস সালাম)-এর সাথীরা তাঁর পরবর্তী দুইশ বছর তাঁর সুন্নাহ ও হিদায়াতের ওপর অটল ছিল।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الدَّيْنَوَرِيُّ ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَنْصُورٍ الْكِسَائِيُّ، ثنا عَمْرٌو النَّاقِدُ، ثنا هُشَيْمٌ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ بَاعَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ ، فَمَالُهُ لِلْبَائِعِ ، إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ»
১৫ - আবু আত-তাইয়্যিব আহমাদ ইবনে আবি ইমরান আদ-দায়নাওয়ারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মানসুর আল-কিসায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর আন-নাকিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো দাস বিক্রয় করবে এবং সেই দাসের কাছে কোনো সম্পদ থাকে, তবে সেই সম্পদ বিক্রেতার প্রাপ্য হবে; তবে যদি ক্রেতা তা নিজের হওয়ার শর্তারোপ করে (তাহলে তা ক্রেতা পাবে)।’»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
وَصْفُ طَيْرِ الْجَنَّةِ
জান্নাতের পাখির বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ثنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الْمُعَدِّلُ، ثنا سَوَادَةُ بْنُ الْحَكَمِ الْقَاضِي، ثنا عَبْدُ الْأَعْلَى، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، رضي الله عنه قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَيْرُ الْجَنَّةِ ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِنَّهَا لَنَاعِمَةٌ فَقَالَ: «وَمَنْ أَكَلَ مِنْهَا أَنْعَمُ مِنْهَا ، وَإِنِّي لَأَرْجُو أَنْ تَأْكُلَ مِنْهَا»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শাফিয়ী মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবি ইমরান আল-মুআদ্দিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওয়াদাহ বিন আল-হাকাম আল-ক্বাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আ'লা, তিনি আতিয়্যাহ আল-আওফী থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাতের পাখির কথা উল্লেখ করা হলো। তখন আবু বকর বললেন: "সেগুলো তো অবশ্যই পরম সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে রয়েছে।" তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "আর যে ব্যক্তি তা থেকে আহার করবে সে তাদের চেয়েও অধিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে; আর আমি অবশ্যই আশা রাখি যে তুমি তা থেকে আহার করবে।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ صُبَيْحُ بْنُ الْحُسَيْنِ النَّحْوِيُّ بِالدَّيْنَوَرِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ وَهْبٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثنا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ عَبْدَةَ السِّجِسْتَانِيِّ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، رضي الله عنه قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: أَقَرِيبٌ رَبُّنَا فَنُنَاجِيهِ أَمْ بَعِيدٌ فَنُنَادِيهِ؟ فَسَكَتَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَأَنْزَلَ اللَّهُ: {وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُوا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي} [البقرة: 186] «إِذَا أَمَرْتُهُمْ أَنْ يَدْعُونِي فَدَعَوْنِي أَسْتَجِيبُ لَهُمْ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ সুবাইহ ইবনুল হুসাইন আন-নাহবী দায়নাওয়ারে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াহব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর ইবনু আব্দুল হামীদ, আবদাহ আস-সিজিস্তানী থেকে, তিনি আস-সালত ইবনু হাকীম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: একজন বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: "আমাদের রব কি নিকটবর্তী যে আমরা তাঁর সাথে নিভৃতে কথা বলব, নাকি তিনি দূরবর্তী যে আমরা তাঁকে উচ্চস্বরে ডাকব?" নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: {আর যখন আমার বান্দারা আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন নিশ্চয়ই আমি নিকটবর্তী। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দেই যখন সে আমাকে আহ্বান করে। সুতরাং তারা যেন আমার প্রতি সাড়া দেয় এবং আমার প্রতি ঈমান আনে} [আল-বাকারা: ১৮৬]। "অর্থাৎ: যখন আমি তাদের নির্দেশ দেই যে তারা যেন আমাকে ডাকে এবং তারা আমাকে ডাকে, তখন আমি তাদের ডাকে সাড়া দেই।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
18 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الْهُجَيْمِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَبِيبِيِّ، ثنا ثَابِتُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَابِدُ، ثنا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ صُرَدٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه قَالَ: تَذَاكَرْنَا غُسْلَ الْجَنَابَةِ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَمَّا أَنَا فَأُفِيضُ عَلَى رَأْسِي ، ثُمَّ أُفِيضُ بَعْدُ عَلَى سَائِرِ جَسَدِي»
১৮ - ইব্রাহিম ইবনে আলী আল-হুজায়মি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাবীবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবিত ইবনে মুহাম্মাদ আল-আবিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি সুলায়মান ইবনে সুরাদ থেকে, তিনি নাফি ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জানাবাতের গোসল সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «আমি তো আমার মাথার ওপর পানি ঢালি, এরপর আমার বাকি সারা শরীরে পানি প্রবাহিত করি বা ঢালি।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
النَّهْيُ عَنْ سَبِّ الدِّيكِ
মোরগকে গালি দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ النَّهَاوَنْدِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الرَّازِيُّ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ، ثنا صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما قَالَ: صَرَخَ الدِّيكُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلّضمَ فَسَبَّهُ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَسُبُّهُ فَإِنَّهُ يَدْعُو إِلَى الصَّلَاةِ»
১৯ - আবু বকর উমর ইবন আহমদ ইবন আল-কাসিম আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবন আইয়ুব আর-রাযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবন ইবরাহীম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবন আবু জা’ফর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবন কায়সান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উতবাহ্ থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর যুগে একটি মোরগ ডেকে উঠল, তখন এক ব্যক্তি সেটিকে গালি দিল। এরপর নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাকে বললেন: «তুমি একে গালি দিও না, কেননা এটি সালাতের দিকে আহ্বান করে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদুল ইরাকীয়্যীনা লি-আবী সাঈদ আন-নাককাশ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
20 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْآجُرِّيُّ أَبُو بَكْرٍ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي كَرِيمَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْحَرَّانِيُّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَغْبَطُ النَّاسِ عِنْدِي مُؤْمِنٌ خَفِيفُ الْحَاذِ ذُو حَظٍّ مِنَ الصَّلَاةِ ، وَأَحْسَنَ عِبَادَةَ رَبِّهِ ، وَأَطَاعَهُ فِي السِّرِّ ، وَكَانَ غَامِضًا فِي النَّاسِ لَا يُشَارُ إِلَيْهِ بِالْأَصَابِعِ ، ذُو كَفَافٍ ، وَصَبَرَ عَلَى ذَلِكَ» ثُمَّ نَقَرَ بِيَدِهِ فَقَالَ: «عُجِّلَتْ مَنِيَّتُهُ ، وَقَلَّتْ بَوَاكِيهِ ، وَقُلَّ تُرَاثُهُ»
২০ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ আল-আজিউরি আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জা’ফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে উবায়দ ইবনে আবি কারীমা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ আল-হাররানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রাহীম থেকে, তিনি আবু আবদুল মালিক থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আমার নিকট মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ঈর্ষণীয় হলো সেই মুমিন, যে হালকা বোঝাসম্পন্ন, নামাযে যার বিশেষ অংশ রয়েছে, যে তার রবের ইবাদত অতি সুন্দরভাবে সম্পাদন করে এবং নির্জনে তাঁর আনুগত্য করে। সে মানুষের মাঝে অখ্যাত ছিল, যার দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করা হতো না, তার জীবিকা ছিল জীবনধারণের জন্য পর্যাপ্ত এবং সে তাতে ধৈর্য ধারণ করেছিল।’ অতঃপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে টোকা দিলেন এবং বললেন: ‘তার মৃত্যু দ্রুত হলো, তার জন্য ক্রন্দনকারীর সংখ্যা কম হলো এবং তার উত্তরাধিকারও অল্প হলো।’»