(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: -)
فضائل الصحابة لأحمد بن حنبل (أحمد بن حنبل)
القسم: كتب السنة
الكتاب: فضائل الصحابة
المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني (ت 241هـ)
المحقق: د. وصي الله محمد عباس
الناشر: مؤسسة الرسالة - بيروت
الطبعة: الأولى، 1403 - 1983
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আহমাদ বিন হাম্বলের ফাদা’ইলুস সাহাবা (আহমাদ বিন হাম্বল)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: ফাদা’ইলুস সাহাবা
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শাইবানী (মৃত্যু ২৪১ হি.)
মুহাক্কিক: ড. ওয়াসিউল্লাহ মুহাম্মাদ আব্বাস
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৩ - ১৯৮৩
খণ্ড সংখ্যা: ২
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَامِلُ الْأَوْحَدُ الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ نَاصِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ السَّلَامِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ وَهُوَ يَسْمَعُ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الصَّالِحِ أَبِي الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ الصَّيْرَفِيِّ فِي رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسِمِائَةٍ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْمُقْرِئُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعَلَّافِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي ذِي الْقِعْدَةِ مِنْ سَنَةِ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ السَّبْتِ السَّادِسَ عَشَرَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، قثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلِ بْنِ هِلَالِ بْنِ أَسَدٍ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي رحمه الله، 1 - قثنا سَعْدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ: قثنا عُبَيْدَةُ بْنُ أَبِي رَائِطَةَ الْحَذَّاءُ التَّمِيمِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادٍ، أَوْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهَ اللَّهَ فِي أَصْحَابِي، لَا تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا بَعْدِي، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّي أَحَبَّهُمْ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِي أَبْغَضَهُمْ، وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِي، وَمَنْ آذَانِي فَقَدْ آذَى اللَّهَ عز وجل، وَمَنْ آذَى اللَّهَ يُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ»
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, আমলকারী, অদ্বিতীয় হাফিজ আবু ফজল মুহাম্মদ বিন নাসির বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন উমর আস-সালামী—তাঁর নিকট আমার পাঠকালে এবং তিনি তা শুনছিলেন—তিনি বলেন: আমি সৎ শাইখ আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার বিন আহমদ বিন আল-কাসিম আস-সাইরাফীর নিকট পাঁচশত হিজরী সনের রজব মাসে পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের নিকট কি শাইখ আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-মুকরি—যিনি ইবনুল আল্লাফ নামে পরিচিত—পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন ৪৩৬ হিজরী সনের যিলকদ মাসে যখন আপনি তা শুনছিলেন? তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ী ৩৬৮ হিজরী সনের ১৬ই জুমাদাল আখিরাত শনিবার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শায়বানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ১ - আমাদের নিকট সা’দ বিন ইবরাহিম বিন সা’দ আজ-যুহরী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উবাইদাহ বিন আবি রায়িতা আল-হাজ্জা আত-তামীমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুর রহমান বিন যিয়াদ অথবা আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুগাফফাল আল-মুযানী থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমার সাহাবীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহকে ভয় করো। আমার পরে তোমরা তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না। সুতরাং যে ব্যক্তি তাদেরকে ভালোবাসলো, সে আমার প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাদেরকে ভালোবাসলো। আর যে ব্যক্তি তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করলো, সে আমার প্রতি বিদ্বেষের কারণেই তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করলো। আর যে ব্যক্তি তাদেরকে কষ্ট দিল, সে মূলত আমাকেই কষ্ট দিল। আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে মহান আল্লাহকে কষ্ট দিল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে কষ্ট দেয়, অচিরেই তিনি তাকে পাকড়াও করবেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْخَزَّازِ، وَكَانَ مِنَ الثِّقَاتِ، قثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُبَيْدَةَ بْنِ أَبِي رَائِطَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهَ اللَّهَ فِي أَصْحَابِي، لَا تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا بَعْدِي، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّي أَحَبَّهُمْ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِي أَبْغَضَهُمْ، وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِي، وَمَنْ آذَانِي فَقَدْ آذَى اللَّهَ، وَمَنْ آذَى اللَّهَ يُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ» .⦗ص: 49⦘ 3 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا يُونُسُ قثنا إِبْرَاهِيمُ، يَعْنِي: ابْنَ سَعْدٍ، عَنْ عُبَيْدَةَ بْنِ أَبِي رَائِطَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَصْحَابِي لَا تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا بَعْدِي» ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ نَحْوَهُ.
২ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনুল খাযযায বর্ণনা করেছেন, আর তিনি নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন; আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে সা’দ বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবনে আবি রায়িতাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার সাহাবীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহকে ভয় করো। আমার পরে তাদেরকে তোমরা লক্ষ্যবস্তু বানিও না। সুতরাং যে ব্যক্তি তাদেরকে ভালোবাসলো, সে আমার প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাদেরকে ভালোবাসলো। আর যে ব্যক্তি তাদেরকে ঘৃণা করলো, সে আমার প্রতি ঘৃণার কারণেই তাদেরকে ঘৃণা করলো। আর যে ব্যক্তি তাদেরকে কষ্ট দিল, সে আমাকেই কষ্ট দিল। আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে আল্লাহকে কষ্ট দিল। আর যে আল্লাহকে কষ্ট দিল, শীঘ্রই তিনি তাকে পাকড়াও করবেন»।⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ ৩ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম—অর্থাৎ ইবনে সা’দ—বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবনে আবি রায়িতাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল আল-মুযানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার সাহাবীগণ, আমার পরে তাদেরকে তোমরা লক্ষ্যবস্তু বানিও না», অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ صَبِيحٍ زَحْمَوَيْهِ، وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَا: نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدَةُ بْنُ أَبِي رَائِطَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهَ اللَّهَ فِي أَصْحَابِي، لَا تَتَّخِذُوا أَصْحَابِي غَرَضًا، مَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّي أَحَبَّهُمْ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِي أَبْغَضَهُمْ، وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِي، وَمَنْ آذَانِي فَقَدْ آذَى اللَّهَ عز وجل، فَيُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ» .
৪ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়্যা ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাবিহ যাহমাওয়াইহি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইব্রাহিম ইবনে সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদাহ ইবনে আবি রাইতাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল আল-মুযানী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমার সাহাবীগণের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহকে ভয় করো! আমার পরে তাঁদেরকে তোমরা সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু বানিও না। সুতরাং যে ব্যক্তি তাঁদের ভালোবাসলো, সে আমার প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাঁদের ভালোবাসলো; আর যে ব্যক্তি তাঁদের ঘৃণা করলো, সে আমার প্রতি ঘৃণার কারণেই তাঁদের ঘৃণা করলো। আর যে ব্যক্তি তাঁদের কষ্ট দিলো, সে মূলত আমাকেই কষ্ট দিলো; আর যে ব্যক্তি আমাকে কষ্ট দিলো, সে মূলত মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহকে কষ্ট দিলো। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে কষ্ট দেয়, অচিরেই তিনি তাকে পাকড়াও করবেন।»।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫০)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا وَكِيعٌ قثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَسُبُّوا أَصْحَابِي، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ، وَلَا نَصِيفَهُ» .
৫ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ‘মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমাদের কেউ যদি ওহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবে তা তাঁদের কারো এক মুদ কিংবা তার অর্ধেক পরিমাণকেও পৌঁছাবে না»।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫১)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَسُبُّوا أَصْحَابِي، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَوْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ، وَلَا نَصِيفَهُ» . 7 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، وَأَبُو النَّضْرِ، قَالَا: نا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ ذَكْوَانَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ
6 - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না। কারণ তোমাদের কেউ যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবে তা তাদের কারোর এক মুদ কিংবা তার অর্ধেক পরিমাণ সওয়াবের সমানও হবে না»। 7 - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর ও আবু নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান থেকে, তিনি যাকওয়ান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫২)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ قثنا عَلِيُّ بْنُ يَزِيدَ الصُّدَائِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو شَيْبَةَ الْجَوْهَرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ أُنَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَّا نُسَبُّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَبَّ أَصْحَابِي فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلَا عَدْلًا» .
৮ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনুল আউন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আলী ইবনে ইয়াযীদ আস-সুদায়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু শায়বাহ আল-জাওহারী বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদেরকে গালি দেওয়া হচ্ছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যে ব্যক্তি আমার সাহাবীদের গালি দেবে, তার ওপর আল্লাহর লানত, ফেরেশতাদের লানত এবং সকল মানুষের লানত। আল্লাহ তার কোনো নফল বা ফরয ইবাদত কবুল করবেন না।”
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو صَالِحٍ الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ قثنا حُمَيْدُ بْنُ مَالِكٍ اللَّخْمِيُّ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا مُعَاذُ، أَطِعْ كُلَّ أَمِيرٍ، وَصَلِّ خَلْفَ كُلِّ إِمَامٍ، وَلَا تَسُبَّنَّ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِي» .
৯ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সলিহ আল-হাকাম বিন মুসা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ বিন মালিক আল-লাখমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাকহুল থেকে বর্ণিত, মুয়াজ বিন জাবাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «হে মুয়াজ, প্রত্যেক আমিরের আনুগত্য করো, প্রত্যেক ইমামের পেছনে সালাত আদায় করো এবং আমার সাহাবীদের কাউকে কখনো গালি দিও না»।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
10 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ قثنا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الضَّبِّيُّ، عَنْ عَطَاءٍ، يَعْنِي: ابْنَ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظَنِي فِي أَصْحَابِي كُنْتُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَافِظًا، وَمَنْ سَبَّ أَصْحَابِي فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ» .
১০ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আদ-দাব্বী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা—অর্থাৎ ইবনে আবি রাবাহ—থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার সাহাবীদের ব্যাপারে আমার অধিকার রক্ষা করবে, কিয়ামতের দিন আমি তার হিফাজতকারী হব। আর যে ব্যক্তি আমার সাহাবীদের গালি দিবে, তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক।»
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
11 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قثنا أَبُو عِمْرَانَ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْكَانِيُّ قَالَ: أنا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْثَرَ أَبِي زُبَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ عَطَاءٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَسُبُّوا أَصْحَابِي، فَمَنْ سَبَّهُمْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ» .
11 - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইমরান মুহাম্মদ ইবন জাফর আল-ওয়ারকানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-আহওয়াস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবসার আবু জুবাইদ হতে, তিনি মুহাম্মদ ইবন খালিদ হতে, তিনি আতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না; সুতরাং যে ব্যক্তি তাদের গালি দেবে, তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক»।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، يَعْنِي: ابْنَ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَامِرٍ قَالَ: شَكَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا خَالِدُ مَا لَكَ وَمَا لِرَجُلٍ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ، لَوْ أَنْفَقْتَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا، لَمْ تُدْرِكْ عَمَلَهُ» .
১২ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে উবায়েদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল থেকে—অর্থাৎ ইবনে আবি খালিদ—তিনি আমির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে আওফ আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট খালিদ ইবনে ওয়ালিদ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করলেন। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «হে খালিদ! তোমার ও মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত এই ব্যক্তির মাঝে কী হয়েছে? যদি তুমি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবুও তুমি তার আমলের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে না»।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ قثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ قثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، وَحَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ ثَعْلَبٍ أَبُو الْفَضْلِ إِمْلَاءً قثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ رَزِينٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، شَكَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ، فَقَالَ: «يَا خَالِدُ، لِمَ تُؤْذِي رَجُلًا مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ؟ لَوْ أَنْفَقْتَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا لَمْ تُدْرِكْ عَمَلَهُ» ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، يَقَعُونَ فِيَّ فَأَرُدُّ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تُؤْذُوا خَالِدًا، فَإِنَّهُ سَيْفٌ مِنْ سُيُوفِ اللَّهِ صَبَّهُ اللَّهُ عَلَى الْكُفَّارِ» .
১৩ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আউন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব ইব্রাহিম ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শা'বি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আর-রবি ইবনে সা'লাব আবুল ফাদল শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব ইব্রাহিম ইবনে সুলায়মান ইবনে রাজিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি শা'বি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুর রহমান ইবনে আওফ খালিদ ইবনে ওয়ালিদ সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তখন তিনি বললেন: "হে খালিদ, তুমি বদরবাসীদের একজন ব্যক্তিকে কেন কষ্ট দিচ্ছ? তুমি যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবুও তুমি তার আমলের স্তরে পৌঁছাতে পারবে না।" তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, তারা আমার সমালোচনা করে, তাই আমি তাদের প্রতিবাদ করি। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা খালিদকে কষ্ট দিও না, কেননা সে আল্লাহর তলোয়ারসমূহের মধ্যে একটি তলোয়ার, যাকে আল্লাহ কাফিরদের বিরুদ্ধে নিয়োজিত করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا وَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالَا: نا هِشَامٌ يَعْنِي ابْنَ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: أُمِرُوا بِالِاسْتِغْفَارِ لِأَصْحَابِ مُحَمَّدٍ، فَسَبُّوهُمْ. وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ فِي حَدِيثِهِ: يَا ابْنَ أُخْتِي، أُمِرُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِأَصْحَابِ مُحَمَّدٍ، فَسَبُّوهُمْ.
১৪ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' এবং আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: হিশাম অর্থাৎ ইবনে উরওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: তাঁদেরকে মুহাম্মাদ ﷺ-এর সাহাবীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাঁদেরকে গালি দিয়েছে। আবু মুয়াবিয়া তাঁর বর্ণনায় বলেছেন: হে আমার ভাগ্নে, তাঁদেরকে মুহাম্মাদ ﷺ-এর সাহাবীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাঁদেরকে গালি দিয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا وَكِيعٌ قثنا سُفْيَانُ، عَنْ نُسَيْرِ بْنِ ذُعْلُوقٍ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ: لَا تَسُبُّوا أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ، فَلَمَقَامُ أَحَدِهِمْ سَاعَةً خَيْرٌ مِنْ عَمَلِ أَحَدِكُمْ عُمْرَهُ ".
১৫ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকী’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুসায়র ইবনে জু’লূক থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি: "তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের গালি দিও না; কেননা তাঁদের কারো এক মুহূর্তের অবস্থান তোমাদের কারো সারা জীবনের আমলের চেয়ে উত্তম।"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
16 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ: أنا مَعْمَرٌ، عَمَّنْ سَمِعَ الْحَسَنَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَثَلُ أَصْحَابِي فِي النَّاسِ كَمَثَلِ الْمِلْحِ فِي الطَّعَامِ» . ثُمَّ يَقُولُ الْحَسَنُ: هَيْهَاتَ ذَهَبَ مِلْحُ الْقَوْمِ.
১৬ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এমন এক ব্যক্তি থেকে যিনি হাসানকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মানুষের মাঝে আমার সাহাবীদের উদাহরণ হলো খাদ্যে লবণের উদাহরণের মতো।" অতঃপর হাসান বলতেন: হায় আক্ষেপ! জাতির লবণটুকু তো চলে গিয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
17 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنْ أَبِي مُوسَى يَعْنِي إِسْرَائِيلَ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنْتُمْ فِي النَّاسِ كَمَثَلِ الْمِلْحِ فِي الطَّعَامِ» . قَالَ: يَقُولُ الْحَسَنُ: وَهَلْ يَطِيبُ الطَّعَامُ إِلَّا بِالْمِلْحِ؟ قَالَ: ثُمَّ يَقُولُ الْحَسَنُ: فَكَيْفَ بِقَوْمٍ قَدْ ذَهَبَ مِلْحُهُمْ؟
১৭ - আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবন আলী আল-জুফী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুসা অর্থাৎ ইসরাঈল থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মানুষের মাঝে তোমাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে খাবারে লবণের মতো।” বর্ণনাকারী বলেন: হাসান বলতেন: “লবণ ছাড়া কি খাবার সুস্বাদু হয়?” বর্ণনাকারী বলেন: এরপর হাসান বলতেন: “তাহলে এমন সম্প্রদায়ের অবস্থা কেমন হবে, যাদের লবণ শেষ হয়ে গেছে?”
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
18 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ قَالَ: وَنا رَجُلٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: لَا تَسُبُّوا أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ، فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ أَمَرَ بِالِاسْتِغْفَارِ لَهُمْ، وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُمْ سَيُقْتَلُونَ "
১৮ - আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের গালি দিও না, কেননা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন, অথচ তিনি জানতেন যে তারা অচিরেই নিহত হবেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬০)
19 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا وَكِيعٌ قثنا جَعْفَرٌ، يَعْنِي: ابْنَ بُرْقَانَ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ قَالَ: ثَلَاثٌ ارْفُضُوهُنَّ: سَبُّ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، وَالنَّظَرُ فِي النُّجُومِ، وَالنَّظَرُ فِي الْقَدَرِ.
১৯ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর—অর্থাৎ ইবনে বুরকান—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মায়মুন ইবনে মিহরান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তিনটি বিষয় তোমরা বর্জন করো: মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের গালি দেওয়া, নক্ষত্ররাজির দিকে দৃষ্টি দেওয়া (জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করা) এবং তাকদীর নিয়ে তর্কে লিপ্ত হওয়া।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬০)
20 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ نُسَيْرِ بْنِ ذُعْلُوقٍ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ: لَا تَسُبُّوا أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ، فَلَمَقَامُ أَحَدِهِمْ سَاعَةً خَيْرٌ مِنْ عِبَادَةِ أَحَدِكُمْ أَرْبَعِينَ سَنَةً.
২০ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি নুসায়র বিন যু'লুক থেকে, তিনি বলেছেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি: তোমরা মুহাম্মাদ ﷺ-এর সাহাবীদের গালি দিও না, কেননা তাঁদের কারো এক মুহূর্তের অবস্থান তোমাদের কারো চল্লিশ বছরের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬১)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ هَيَّاجٍ الْهَمْدَانِيُّ قثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ الْأَرْحَبِيُّ قثنا عُبَيْدَةُ بْنُ الْأَسْوَدِ، عَنِ الْمُجَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ذَاتَ يَوْمٍ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ: «إِنَّ رِجْلَيَّ عَلَى تُرْعَةٍ مِنْ تُرَعِ الْجَنَّةِ، أَوْ تُرَعِ الْحَوْضِ، وَإِنَّ عَبْدًا خَيَّرَهُ اللَّهُ أَنْ يَعِيشَ فِي الدُّنْيَا مَا أَحَبَّ، يَأْكُلُ مِنْهَا مَا أَحَبَّ، وَبَيْنَ لِقَاءِ اللَّهِ عز وجل، وَإِنَّ الْعَبْدَ اخْتَارَ لِقَاءَ اللَّهِ» ، قَالَ: فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ، وَهُوَ قَرِيبٌ مِنَ الْمِنْبَرِ، حَتَّى قَالَ شَيْخٌ مِنَ الْأَنْصَارِ: مَا يُبْكِي هَذَا؟ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَجُلًا مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ، أَوْ رَجُلًا مِنَ النَّاسِ، قَالَ: وَعَرَفَ أَبُو بَكْرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا عَنَى نَفْسَهُ، فَلَمَّا ذَهَبَتْ عَبْرَتُهُ فَقَالَ: بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي، بَلْ نَفْدِيكَ بِآبَائِنَا وَأَنْفُسِنَا، فَقَالَ عِنْدَ ذَلِكَ: «مَا أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ أَعْظَمَ عَلَيْنَا حَقًّا فِي صُحْبَتِهِ، وَمَالِهِ، مِنِ ابْنِ أَبِي قُحَافَةَ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلًا لَاتَّخَذْتُهُ خَلِيلًا، وَلَكِنْ وُدٌّ وَإِخَاءُ إِيمَانٍ» .
21 - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাইয়্যাজ আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মালিক ইবনে আল-হারিস আল-আরহাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবায়দাহ ইবনে আল-আসওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজালিদ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন মিম্বারের ওপর থাকা অবস্থায় বললেন: «নিশ্চয়ই আমার দুই পা জান্নাতের অন্যতম একটি ফটকের ওপর, অথবা হাউজের অন্যতম একটি ফটকের ওপর রয়েছে। আর নিশ্চয়ই এক বান্দাকে আল্লাহ দুনিয়াতে যতদিন ইচ্ছা বেঁচে থাকার ও যা ইচ্ছা ভক্ষণ করার এবং আল্লাহ মহামহিম ও মহিমান্বিতের সাথে সাক্ষাতের মধ্য থেকে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন; তখন সেই বান্দা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎকেই বেছে নিয়েছে।» বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু বকর কাঁদতে লাগলেন, তিনি মিম্বারের সন্নিকটেই ছিলেন। এমনকি আনসারদের মধ্য থেকে একজন বৃদ্ধ লোক বললেন: একে কিসে কাঁদাচ্ছে? যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ইসরাইলের কোনো ব্যক্তি বা সাধারণ মানুষদের মধ্য থেকে কোনো একজনের কথা উল্লেখ করে থাকেন। তিনি বলেন: আবু বকর বুঝতে পেরেছিলেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল নিজেকেই বুঝিয়েছেন। যখন তাঁর অশ্রু সংবরণ হলো, তখন তিনি বললেন: আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন! বরং আমরা আমাদের পিতৃবর্গকে এবং নিজেদেরকে আপনার জন্য উৎসর্গ করব। তখন তিনি (রাসূল) বললেন: «সাহচর্য ও সম্পদের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে ইবনে আবু কুহাফার চেয়ে অধিক হকের অধিকারী আমাদের নিকট আর কেউ নেই। আমি যদি কাউকে খলিল হিসেবে গ্রহণ করতাম, তবে তাকেই খলিল হিসেবে গ্রহণ করতাম। কিন্তু (আমাদের মাঝে) ঈমানি মহব্বত ও ভ্রাতৃত্ব রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬২)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي، ثنا وَكِيعٌ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ: لَمَّا هَاجَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ، فَأَخَذَا طَرِيقَ ثَوْرٍ، قَالَ: فَجَعَلَ أَبُو بَكْرٍ يَمْشِي خَلْفَهُ وَيَمْشِي أَمَامَهُ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا لَكَ؟» فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخَافُ أَنْ تُؤْتَى مِنْ خَلْفِكَ فَأَتَأَخَّرُ، وَأَخَافُ أَنْ تُؤْتَى مِنْ أَمَامِكَ فَأَتَقَدَّمُ، قَالَ: فَلَمَّا انْتَهَيَا إِلَى الْغَارِ قَالَ أَبُو بَكْرٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَمَا أَنْتَ حَتَّى أَقُمَّهُ. قَالَ نَافِعٌ: فَحَدَّثَنِي رَجُلٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ رَأَى جُحْرًا فِي الْغَارِ فَأَلْقَمَهَا قَدَمَهُ وَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنْ كَانَتْ لَسْعَةٌ أَوْ لَدْغَةٌ كَانَتْ بِي
২২ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট অকী' বর্ণনা করেছেন, নাফে' ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরত করলেন, তখন তিনি বের হলেন এবং তাঁর সাথে আবু বকরও ছিলেন। তারা সওর পর্বতের পথ ধরলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু বকর কখনো তাঁর পেছনে হাঁটছিলেন আবার কখনো তাঁর সামনে হাঁটছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন: «তোমার কী হয়েছে?» তিনি আরজ করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভয় পাচ্ছি যে আপনার পেছন দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে, তাই আমি পেছনে চলে আসি; আবার ভয় পাচ্ছি যে আপনার সামনের দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে, তাই আমি সামনে এগিয়ে যাই। বর্ণনাকারী বলেন: যখন তাঁরা গুহার নিকট পৌঁছালেন, তখন আবু বকর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন যতক্ষণ না আমি এটি পরিষ্কার করি। নাফে' বলেন: আমার নিকট একজন ব্যক্তি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু বকর গুহার ভেতরে একটি গর্ত দেখতে পেলেন এবং তাতে নিজের পা ঢুকিয়ে দিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোনো দংশন বা কামড় দেওয়ার মতো কিছু থাকে, তবে তা যেন আমার ওপরই আপতিত হয়।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
23 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا عَفَّانُ قثنا هَمَّامٌ قَالَ: أنا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ حَدَّثَهُ قَالَ: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي الْغَارِ - وَقَالَ مَرَّةً: وَنَحْنُ فِي الْغَارِ -: لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ نَظَرَ إِلَى قَدَمَيْهِ لَأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ، قَالَ: فَقَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ، مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا؟» .
২৩ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাবিত আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আনাস (রা.) থেকে যে, আবু বকর (রা.) তাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললাম যখন তিনি গুহায় ছিলেন — এবং একবার তিনি বলেছেন: যখন আমরা গুহায় ছিলাম — : "যদি তাদের মধ্যে কেউ তার দুই পায়ের দিকে তাকাত, তবে সে অবশ্যই আমাদের তার দুই পায়ের নিচে দেখতে পেত।" তিনি বলেন: অতঃপর তিনি বললেন: "হে আবু বকর, সেই দুই জন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ?"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
24 - نا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، نا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ - إِنْ شَاءَ اللَّهُ - عَنْ عُرْوَةَ، أَوْ عَمْرَةَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا نَفَعَنَا مَالُ أَحَدٍ مَا نَفَعَنَا مَالُ أَبِي بَكْرٍ»
২৪ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে -যদি আল্লাহ চান- উরওয়াহ অথবা আমরাহ থেকে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো ব্যক্তির সম্পদ আমাদের নিকট তেমন ফলপ্রসূ হয়নি যেমন ফলপ্রসূ হয়েছে আবু বকরের সম্পদ»
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
سُئِلَ عَنْ فَضَائِلِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَرِضْوَانُهُ
আবু বকর সিদ্দীক (আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর ফযীলতসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ قثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا نَفَعَنِي مَالٌ قَطُّ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ» ، فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ وَقَالَ: وَهَلْ أَنَا وَمَالِي إِلَّا لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟⦗ص: 66⦘ 26 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَا: نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ: فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ.
২৫ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আবু বকরের সম্পদ আমাকে যতটুকু উপকৃত করেছে, অন্য কোনো সম্পদ আমাকে কখনোই তেমন উপকৃত করেনি", তখন আবু বকর কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমি এবং আমার সম্পদ কি কেবল আপনার জন্যই নয়?"⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ ২৬ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমায়ের এবং আবু বকর বিন আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন... অতঃপর তিনি এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে "অতঃপর আবু বকর কেঁদে ফেললেন" অংশটি উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
27 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو قثنا زَائِدَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ مِمَّا يَمْلِكُ، فَكُلُّ خَزَنَةِ الْجَنَّةِ يَدْعُوهُ: يَا عَبْدَ اللَّهِ، يَا مُسْلِمُ، هَذَا خَيْرٌ هَلُمَّ إِلَيْهِ "، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا رَجُلٌ لَا تَوَى عَلَيْهِ، إِنْ تَرَكَ بَابًا دَخَلَ مِنَ الْآخَرِ، فَحَطَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كَتِفَهُ بِيَدِهِ، ثُمَّ قَالَ: «وَاللَّهِ إِنِّي لَأَطْمَعُ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ، وَاللَّهِ مَا نَفَعَنِي مَالٌ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ» ، قَالَ: فَبَكَى أَبُو بَكْرٍ، ثُمَّ قَالَ: وَهَلْ هَدَانِي اللَّهُ وَرَفَعَنِي إِلَّا بِكَ؟
২৭ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআবিয়া ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়িদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি হাদিসটি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার মালিকানাধীন সম্পদ থেকে জোড়া জোড়া (আল্লাহর পথে) ব্যয় করবে, জান্নাতের সকল রক্ষী তাকে ডেকে বলবে: হে আল্লাহর বান্দা, হে মুসলিম, এটিই উত্তম, এর দিকে এসো।" তখন আবু বকর বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, এই ব্যক্তি তো এমন যার কোনো ক্ষতি বা ধ্বংস নেই; সে যদি এক দরজা ছেড়ে দেয় তবে অন্যটি দিয়ে প্রবেশ করবে। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত দিয়ে তাঁর কাঁধ স্পর্শ করলেন, অতঃপর বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আশা রাখি যে তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহর কসম, কোনো সম্পদ আমাকে ততটা উপকৃত করেনি যতটা আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু বকর কেঁদে ফেললেন, তারপর বললেন: আল্লাহ কি আপনার মাধ্যম ছাড়া আমাকে হিদায়াত দিয়েছেন এবং উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন?
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
28 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ قثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا نَفَعَنِي مَالٌ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ» . قَالَ يَحْيَى: فَقَالَ رَجُلٌ لِسُفْيَانَ: سَمِعْتَهُ مِنَ الزُّهْرِيِّ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنِي وَائِلٌ.
২৮ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «কোনো সম্পদই আমাকে ততটা উপকৃত করেনি, যতটা আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে।» ইয়াহইয়া বলেন: অতঃপর এক ব্যক্তি সুফিয়ানকে বললেন: আপনি কি এটি যুহরীর নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: ওয়াইল আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
29 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْمَكِّيُّ قثنا سُفْيَانُ قَالَ: حَفِظْتُ مِنَ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا نَفَعَنَا مَالُ أَحَدٍ مَا نَفَعَنَا مَالُ أَبِي بَكْرٍ» .
29 - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আব্বাদ আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি যুহরি থেকে মুখস্থ করেছি, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কারো সম্পদ আমাদের ততটা উপকৃত করেনি যতটা আবু বকরের সম্পদ আমাদের উপকৃত করেছে।"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
30 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ قثنا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ قثنا سُفْيَانُ قثنا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا نَفَعَنَا مَالُ أَحَدٍ مَا نَفَعَنَا مَالُ أَبِي بَكْرٍ» فَقِيلَ لِسُفْيَانَ: فَإِنَّ مَعْمَرًا يَقُولُهُ عَنْ سَعِيدٍ، فَقَالَ: مَا سَمِعْنَا مِنَ الزُّهْرِيِّ إِلَّا عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ.
30 - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুমাইদী আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আয-যুহরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কোনো ব্যক্তির সম্পদ আমাদের নিকট তেমন ফলপ্রসূ হয়নি যেমনটি আবু বকরের সম্পদ আমাদের নিকট ফলপ্রসূ হয়েছে।" অতঃপর সুফিয়ানকে বলা হলো: নিশ্চয়ই মা'মার এটি সাঈদ এর সূত্রে বর্ণনা করেন। তখন তিনি (সুফিয়ান) বললেন: "আমরা আয-যুহরী থেকে এটি কেবল উরওয়াহ হতে আয়েশা (রা.) এর সূত্রেই শুনেছি।"
(খণ্ড: ১)
ফাদায়িলুস সাহাবাহ লি-আহমাদ বিন হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
31 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ قثنا وُهَيْبٌ قثنا يُونُسُ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا نَفَعَنِي مَالٌ فِي الْإِسْلَامِ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ» .
৩১ - আমাদিগকে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আব্দুল আলা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উহাইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস, হাসান থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ইসলামে কোনো সম্পদই আমাকে তেমন উপকৃত করেনি যেমনটি আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে।"