(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: -)
العلل الكبير للترمذي = ترتيب علل الترمذي الكبير   (الترمذي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: علل الترمذي الكبير

المؤلف: محمد بن عيسى بن سَوْرة بن موسى بن الضحاك، الترمذي، أبو عيسى (ت 279 هـ)

رتبه على كتب الجامع: أبو طالب القاضي

المحقق: صبحي السامرائي [ت 1434 هـ]- أبو المعاطي النوري [ت 1401 هـ]- محمود خليل الصعيدي

الناشر: عالم الكتب , مكتبة النهضة العربية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1409

عدد الصفحات: 396

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তিরমিযীর আল-ইলালুল কাবীর = তারতীবু ইলালিত-তিরমিযী আল-কাবীর   (তিরমিযী)

বিভাগ: ইল্লত ও হাদীস বিষয়ক প্রশ্নোত্তর


গ্রন্থ: ইলালুত তিরমিযী আল-কাবীর

লেখক: মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন সাওরা বিন মুসা বিন দাহহাক, তিরমিযী, আবু ঈসা (মৃত্যু ২৭৯ হিজরী)

জামি’র কিতাবসমূহের বিন্যাসে সাজিয়েছেন: আবু তালিব আল-কাজী

তাহকীক: সুবহী আস-সামাররাঈ [মৃত্যু ১৪৩৪ হিজরী]- আবু আল-মাআতি আন-নূরী [মৃত্যু ১৪০১ হিজরী]- মাহমুদ খলীল আস-সাঈদী

প্রকাশক: আলমুল কুতুব, মাকতাবাতুন নাহদাতিল আরাবিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৯

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৯৬

[বইটির নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২১)
بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الطُّهُورِ

 

1 - قَالَ أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ: سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيَّ عَنْ حَدِيثِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الصُّنَابِحِيِّ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ فَتَمَضْمَضَ خَرَجْتِ الْخَطَايَا مِنْ فِيهِ» الْحَدِيثُ، فَقَالَ: مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَهِمَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ ، فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ الصُّنَابِحِيُّ، وَهُوَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الصُّنَابِحِيُّ وَاسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُسَيْلَةَ، وَلَمْ يَسْمَعْ منِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَهَذَا الْحَدِيثُ مُرْسَلٌ ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ هُوَ الَّذِي رَوَى عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ ، وَالصُّنَابِحُ بْنُ الْأَعْسَرِ الْأَحْمَسِيُّ صَاحِبُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: قُلْتُ لَهُ: كَمْ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: حَدِيثَيْنِ ، حَدِيثُهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ» ، وَحَدِيثٌ آخَرُ حَدِيثُ الصَّدَقَةِ وَلَيْسَ هُوَ عِنْدِي بِصَحِيحٍ ، رَوَاهُ مُجَالِدٌ ، عَنْ قَيْسٍ ، عَنِ الصُّنَابِحِ ⦗ص: 22⦘ قَالَ أَبُو عِيسَى: وَإِنَّمَا قَالَ مُحَمَّدٌ: لَا يَصِحُّ حَدِيثُ مُجَالِدٍ لِأَنَّ إِسْمَاعِيلَ بْنَ أَبِي خَالِدٍ رَوَاهُ عَنْ قَيْسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي إِبِلِ الصَّدَقَةِ نَاقَةً مُسِنَّةً وَلَمْ يَذْكُرْ عَنِ الصُّنَابِحِ
পবিত্রতার ফজিলত সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার অধ্যায়

 

১ - আবু ঈসা আত-তিরমিযী বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারীকে মালিক ইবনে আনাস কর্তৃক যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ আস-সুনাবিহী থেকে বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “বান্দা যখন ওযু করে এবং কুলি করে, তখন তার মুখ থেকে গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়...” হাদীসটি। তিনি (বুখারী) বললেন: মালিক ইবনে আনাস এই হাদীসের বর্ণনায় ভুল করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুল্লাহ আস-সুনাবিহী। মূলত তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ আস-সুনাবিহী এবং তার নাম হচ্ছে আব্দুর রহমান ইবনে উসাইলা। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সরাসরি কিছু শুনেননি, তাই এই হাদীসটি মুরসাল। এই আব্দুর রহমান তিনিই যিনি আবু বকর আস-সিদ্দিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আস-সুনাবিহ ইবনে আল-আ’সার আল-আহমাসী হলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী। তিনি (তিরমিযী) বলেন: আমি তাকে (বুখারীকে) জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কতটি হাদীস বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: দুইটি হাদীস। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার একটি হাদীস হলো: “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতের ওপর গর্ব করব।” আর অন্য হাদীসটি হলো সদাকা সংক্রান্ত হাদীস, যা আমার নিকট সহীহ নয়। এটি মুজালিদ কায়স থেকে এবং তিনি আস-সুনাবিহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ আবু ঈসা বলেন: মুহাম্মাদ মূলত এজন্যই বলেছেন যে মুজালিদের হাদীসটি সহীহ নয়, কারণ ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ এটি কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকার উটের মধ্যে একটি বয়স্ক উষ্ট্রী দেখেছিলেন এবং তিনি আস-সুনাবিহ-এর নাম উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২২)
مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الطُّهُورُ

 

2 - قَالَ أَبُو عِيسَى: سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، قَالَ: رَأَيْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ ، وَإِسْحَاقَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ وَالْحُمَيْدِيَّ يَحْتَجُّونَ بِحَدِيثهِ ، وَهُوَ مُقَارِبُ الْحَدِيثِ
সালাতের চাবিকাঠি হলো পবিত্রতা।

 

2 - আবু ঈসা বলেন: আমি মুহাম্মদকে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকীল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি বললেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইসহাক ইবনে ইবরাহীম এবং আল-হুমায়দীকে দেখেছি তারা তাঁর হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করতেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌مَا يَقُولُ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ
শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলতে হয়
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২২)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ ، وَابْنُ مَهْدِيٍّ ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ هَذِهِ الْحُشُوشَ مُحْتَضَرَةٌ ، فَإِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْخَلَاءَ فَلْيَقُلِ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخَبَثِ وَالْخَبَائِثِ " ، سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ وَقُلْتُ لَهُ: رَوَى هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ مِثْلَ ⦗ص: 23⦘ رِوَايَةِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَوْفٍ الشَّيْبَانِيِّ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ الْحُشُوشَ مُحْتَضَرَةٌ» ، وَرَوَاهُ مَعْمَرٌ مِثْلَ مَا رَوَى شُعْبَةُ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، قُلْتُ لِمُحَمَّدٍ: فَأَيُّ الرِّوَايَاتِ عِنْدَكَ أَصَحُّ؟ قَالَ: لَعَلَّ قَتَادَةَ سَمِعَ مِنْهُمَا جَمِيعًا عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، وَلَمْ يَقْضِ فِي هَذَا بِشَيْءٍ
৩ - মুহাম্মদ ইবনে বাশশার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর এবং ইবনে মাহদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, শু'বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি নাজর ইবনে আনাস থেকে, তিনি জায়দ ইবনে আরকাম থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলোতে (জিন ও শয়তানরা) উপস্থিত থাকে। অতএব তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে প্রবেশ করে, সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র নর ও নারী শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" আমি মুহাম্মদকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তাঁকে বললাম: হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ-এর বর্ণনার মতো বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনে আউফ আশ-শাইবানি থেকে, তিনি জায়দ ইবনে আরকাম থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলোতে শয়তানরা উপস্থিত থাকে।" আর মা'মার এটি শু'বাহর বর্ণনার মতো বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি নাজর ইবনে আনাস থেকে, তিনি জায়দ ইবনে আরকাম থেকে। আমি মুহাম্মদকে বললাম: আপনার নিকট কোন বর্ণনাটি অধিকতর সহিহ? তিনি বললেন: সম্ভবত কাতাদাহ জায়দ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে তাঁদের উভয়ের নিকট থেকেই শুনেছেন। আর তিনি এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দেননি।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌الرُّخْصَةُ فِي اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ
মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখী হওয়ার বৈধতা
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৩)
4 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَبُولُ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ
৪ - আমাদের নিকট কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে লাহিয়াহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আয-যুবাইর থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কিবলামুখী হয়ে প্রস্রাব করতে দেখেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৩)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، حَدَّثَنَا أَبِي ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ: نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ بِبَوْلٍ ، فَرَأَيْتُهُ قَبْلَ أَنْ يُقْبَضَ بِعَامٍ يَسْتَقْبِلُهَا. سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، فَقَالَ: رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: وَالْحَدِيثُ الْأَوَّلُ حَدِيثُ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ لَيْسَ بِمَحْفُوظٍ
৫ - মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আবান ইবনে সালিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্রাব করার সময় কিবলার দিকে মুখ করতে আমাদের নিষেধ করেছিলেন। অতঃপর আমি তাঁর ওফাতের এক বছর পূর্বে তাঁকে কিবলার অভিমুখী হতে দেখেছি। আমি মুহাম্মাদ (ইমাম বুখারী)-কে এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: এটি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে একাধিক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা (ইমাম তিরমিযী) বলেন: আর প্রথম হাদীসটি অর্থাৎ আবু কাতাদা হতে জাবিরের সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি সংরক্ষিত নয়।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৪)
6 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ: ذَكَرْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ قَوْمًا يَكْرَهُونَ أَنْ يَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ ، فَأَمَرَ بِخَلَائِهِ فَاسْتَقْبَلَ بِهِ الْقِبْلَةَ " وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي الصَّلْتِ قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَذَكَرُوا اسْتِقْبَالَ الْقِبْلَةِ فَقَالَ عِرَاكُ بْنُ مَالِكٍ: قَالَتْ عَائِشَةُ ذُكِرَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ نَاسًا يَكْرَهُونَ أَنْ يَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ " الْحَدِيثُ فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ فِيهِ اضْطِرَابٌ ، وَالصَّحِيحُ عَنْ عَائِشَةَ قَوْلُهَا
৬ - আমাদের নিকট আলী ইবন খাশরাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা ইবন ইউনুস, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি ইরাক ইবন মালিক থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করলাম যে, একদল লোক মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার অভিমুখী হওয়া অপছন্দ করেন। অতঃপর তিনি তাঁর শৌচাগার নির্মাণের নির্দেশ দিলেন এবং সেটিতে কিবলার অভিমুখী হলেন। আর এটি হাম্মাদ ইবন সালামাহ বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি খালিদ ইবন আবিল সালত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা উমর ইবন আব্দুল আযীযের নিকট ছিলাম, তখন তারা কিবলার অভিমুখী হওয়ার বিষয়টি আলোচনা করলেন। তখন ইরাক ইবন মালিক বললেন: আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করা হলো যে, কিছু মানুষ কিবলার অভিমুখী হওয়া অপছন্দ করেন... (হাদীসটি)। অতঃপর আমি মুহাম্মাদকে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: এই হাদীসটিতে ইযতিরাব (অসংগতি) রয়েছে, আর আয়েশার নিকট থেকে তাঁর নিজস্ব বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত হওয়াই সঠিক।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌الرُّخْصَةُ فِي الْبَوْلِ قَائِمًاً
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অনুমতি
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৫)
7 - حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ ، عَنِ عَاصِمِ ابْنِ بَهْدَلَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَى سُبَاطَةَ قَوْمٍ فَبَالَ قَائِمًا ، قَالَ شُعْبَةُ: فَلَقِيتُ مَنْصُورًا فَسَأَلْتُهُ ، فَحَدَّثَنِي عَنْ أَبِي وَائِلٍ ، عَنْ حُذَيْفَةَ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ مِثْلَ رِوَايَةِ عَاصِمٍ ، وَالصَّحِيحُ مَا رَوَى مَنْصُورٌ وَالْأَعْمَشُ
৭ - আমাদের নিকট মাহমুদ ইবনে গাইলান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের শুবা সংবাদ দিয়েছেন আসিম ইবনে বাহদালাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু ওয়াইলকে বলতে শুনেছি, তিনি মুগিরাহ ইবনে শুবা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক সম্প্রদায়ের আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন। শুবা বলেন: অতঃপর আমি মনসুরের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি আবু ওয়াইল থেকে এবং তিনি হুজাইফাহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করলেন। আবু ঈসা বলেন: হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমান আবু ওয়াইল থেকে এবং তিনি মুগিরাহ ইবনে শুবা থেকে আসিমের বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর সঠিক হলো যা মনসুর ও আমাশ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌فِي الِاسْتِتَارِ عِنْدَ الْحَاجَةِ
প্রয়োজন পূরণকালে নিজেকে আড়াল করা প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৫)
8 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الْأَرْضِ ، وَقَالَ وَكِيعٌ: عَنِ الْأَعْمَشِ قَالَ: قَالَ ابْنُ عُمَرَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ ، وَتَابَعَهُ يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ ، فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ: أَيُّهُمَا أَصَحُّ؟ فَقَالَ: كِلَاهُمَا مُرْسَلٌ ، وَلَمْ يَقُلْ: أَيُّهُمَا أَصَحُّ
৮ - আমাদের নিকট কুতাইবা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুস সালাম ইবনে হারব হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচকর্মের ইচ্ছা করতেন, তখন মাটির কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কাপড় তুলতেন না। এবং ওয়াকি আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উমর বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচকর্মের ইচ্ছা করতেন... এবং ইয়াহইয়া আল-হিম্মানী তাঁর অনুসরণ করেছেন। অতঃপর আমি মুহাম্মদকে এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: এই দুটির মধ্যে কোনটি অধিক বিশুদ্ধ? তিনি বললেন: উভয়টিই মুরসাল, এবং তিনি বলেননি কোনটি অধিক বিশুদ্ধ।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌فِي الِاسْتِنْجَاءِ بِالْحِجَارَةِ
পাথর দ্বারা ইস্তিনজা করা প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৬)
9 - حَدَّثَنَا هَنَّادٌ ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ خُزَيْمَةَ الْمَدَنِيِّ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ ، عَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فِي الِاسْتِطَابَةِ ثَلَاثَةُ أَحْجَارٍ لَيْسَ فِيهِ رَجِيعٌ» . وَقَالَ وَكِيعٌ: عَنْ هِشَامٍ ، عَنْ أَبِي خُزَيْمَةَ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ ، عَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ: عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ خُزَيْمَةَ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ ، عَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ ، وَقَالَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ: عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: الصَّحِيحُ مَا رَوَى عَبْدَةُ وَوَكِيعٌ ، وَحَدِيثُ مَالِكٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صَحِيحٌ أَيْضًا ، ⦗ص: 27⦘ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ أَخْطَأَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ إِذْ زَادَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ

 

10 - وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ حَدِيثِ خَلَّادِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الِاسْتِنْجَاءِ فَقَالَ: لَمْ أَرْ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ قَتَادَةَ غَيْرَ حَمَّادِ بْنِ الْجَعْدِ ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، كَانَ يَتَكَلَّمُ فِي حَمَّادِ بْنِ الْجَعْدِ
9 - আমাদের নিকট হান্নাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদাহ বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি আমর ইবনে খুজাইমাহ আল-মাদানি থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে খুজাইমাহ থেকে, তিনি খুজাইমাহ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «শৌচকার্যে তিনটি পাথর ব্যবহার করতে হবে, যার মধ্যে কোনো গোবর থাকবে না»। ওকি' বর্ণনা করেছেন: হিশাম থেকে, তিনি আবু খুজাইমাহ থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে খুজাইমাহ থেকে, তিনি খুজাইমাহ ইবনে সাবিত থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন: হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে সাদ থেকে, তিনি আমর ইবনে খুজাইমাহ থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে খুজাইমাহ থেকে, তিনি খুজাইমাহ ইবনে সাবিত থেকে। মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন: হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। অতঃপর আমি মুহাম্মদকে এই হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আবদাহ এবং ওকি' যা বর্ণনা করেছেন তা-ই সঠিক, এবং হিশাম ইবনে উরওয়াহ-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিকের বর্ণিত হাদিসটিও সঠিক। ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ আর আবু মুয়াবিয়া এই হাদিসে ভুল করেছেন, কেননা তিনি আবদুর রহমান ইবনে সাদের নাম অতিরিক্ত যোগ করেছেন।

 

10 - এবং আমি মুহাম্মদকে ইসতিনজা সম্পর্কে খাল্লাদ ইবনে সায়িবের সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: আমি হাম্মাদ ইবনে আল-জাদ ব্যতীত অন্য কাউকে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করতে দেখিনি। আর আবদুর রহমান ইবনে মাহদি হাম্মাদ ইবনে আল-জাদ সম্পর্কে সমালোচনা করতেন।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌فِي الِاسْتِنْجَاءِ بِالْحَجَرَيْنِ
দুইটি পাথর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৭)
11 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، وَهَنَّادٌ ، قَالَا: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، عَنْ إِسْرَائِيلَ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ فَقَالَ: «الْتَمِسْ لِي ثَلَاثَةَ أَحْجَارٍ» قَالَ: فَأَتَيْتُهُ بِحَجَرَيْنِ وَرَوْثَةً ، فَأَخَذَ الْحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ وَقَالَ: «إِنَّهَا رِكْسٌ» ، وَقَالَ زُهَيْرٌ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ: لَيْسَ أَبُو عُبَيْدَةَ ذَكَرَهُ وَلَكِنْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: بَرَزَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْغَائِطِ ⦗ص: 28⦘ وَقَالَ زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي زَائِدَةَ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَقَالَ مَعْمَرٌ: عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَابَعَهُ عَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ ، فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقُلْتُ: أَيُّ الرِّوَايَاتِ عِنْدَكَ أَصَحُّ فِي هَذَا الْبَابِ؟ فَلَمْ يَقْضِ فِيهِ بِشَيْءٍ وَكَأَنَّهُ رَأَى حَدِيثَ زُهَيْرٍ أَصَحَّ ، وَوَضَعَ حَدِيثَ زُهَيْرٍ فِي كِتَابِ الْجَامِعِ ، وَسَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ هَذَا فَلَمْ يَقْضِ فِيهِ بِشَيْءٍ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: رِوَايَةُ إِسْرَائِيلَ وَقَيْسِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا هُوَ عِنْدِي أَشْبَهُ وَأَصَحُّ ، لِأَنَّ ⦗ص: 29⦘ إِسْرَائِيلَ أَثْبَتُ فِي أَبِي إِسْحَاقَ مِنْ هَؤُلَاءِ ، وَتَابَعَهُ عَلَى ذَلِكَ قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ ، وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُثَنَّى يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ يَقُولُ: مَا فَاتَنِي الَّذِي فَاتَنِي مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِلَّا لَمَّا اتَّكَلْتُ بِهِ عَلَى إِسْرَائِيلَ لِأَنَّهُ كَانَ يَأْتِي بِهِ أَتَمَّ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: وَزُهَيْرٌ فِي أَبِي إِسْحَاقَ لَيْسَ بِذَاكَ لِأَنَّ سَمَاعَهُ مِنْ أَبِي إِسْحَاقَ بِأَخِرَةٍ ، وَأَبُو إِسْحَاقَ فِي آخِرِ زَمَانِهِ كَانَ قَدْ سَاءَ حِفْظُهُ ، وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ: إِذَا سَمِعْتَ الْحَدِيثَ عَنْ زَائِدَةَ وَزُهَيْرٍ فَلَا تُبَالِي أَنْ لَا تَسْمَعَ مِنْ غَيْرِهِمَا إِلَّا حَدِيثَ أَبِي إِسْحَاقَ
১১ - কুতায়বাহ এবং হান্নাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন: ওকী’ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসরাঈলের সূত্রে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবায়দাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহর সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলেন এবং বললেন: «আমার জন্য তিনটি পাথর তালাশ করো»। তিনি (আব্দুল্লাহ) বলেন: অতঃপর আমি তাঁর কাছে দুটি পাথর এবং একটি শুকনো গোবর নিয়ে এলাম। তিনি পাথর দুটি গ্রহণ করলেন এবং গোবরটি ফেলে দিলেন ও বললেন: «এটি অপবিত্র»। এবং যুহাইর বলেন: আবু ইসহাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উবায়দাহ এটি উল্লেখ করেননি বরং আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে মাসউদ বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা করার জন্য বের হলেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ এবং জাকারিয়া ইবনে আবি যায়িদাহ আবু ইসহাকের সূত্রে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং মা’মার আবু ইসহাকের সূত্রে, তিনি আলক্বামাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আম্মার ইবনে রুজায়িক তাঁর অনুসরণ করেছেন। অতঃপর আমি মুহাম্মাদকে এই হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: আপনার নিকট এই অনুচ্ছেদে কোন বর্ণনাটি অধিক সহিহ? তিনি এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দেননি, তবে মনে হচ্ছিল তিনি যুহাইরের হাদিসটিকে অধিক সহিহ মনে করেন; আর তিনি যুহাইরের হাদিসটি কিতাবুল জামে’-তে স্থান দিয়েছেন। এবং আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমানকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনিও এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দেননি। আবু ঈসা বলেন: ইসরাঈল ও কায়স ইবনুর রাবী’র বর্ণনা - যা আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবায়দাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন - সেটিই আমার নিকট অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সহিহ; কারণ ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ ইসরাঈল আবু ইসহাকের বর্ণনার ক্ষেত্রে এঁদের তুলনায় অধিক নির্ভরযোগ্য। কায়স ইবনুর রাবী’ও এ ক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ করেছেন। আমি মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্নাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: সুফিয়ান সাওরির সূত্রে আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত যে হাদিসগুলো আমার হাতছাড়া হয়েছে, তা কেবল ইসরাঈলের ওপর নির্ভর করার কারণেই হয়েছে; কারণ তিনি (ইসরাঈল) হাদিসটি অধিক পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করতেন। আবু ঈসা বলেন: আবু ইসহাকের বর্ণনার ক্ষেত্রে যুহাইর তেমন (নির্ভরযোগ্য) নন, কারণ তিনি আবু ইসহাকের থেকে শেষ বয়সে শুনেছেন; আর আবু ইসহাক তাঁর শেষ জীবনে স্মৃতিশক্তির বিভ্রমের শিকার হয়েছিলেন। আমি আহমাদ ইবনুল হাসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন তুমি জায়িদাহ ও যুহাইরের সূত্রে কোনো হাদিস শুনবে, তখন অন্য কারো থেকে তা না শুনলে তোমার কোনো পরোয়া নেই; কেবল আবু ইসহাকের হাদিসের বিষয়টি ভিন্ন।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌كَرَاهِيَةُ الْبَوْلِ فِي الْمُغْتَسَلِ
গোসলের স্থানে প্রস্রাব করা অপছন্দনীয় হওয়া
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ২৯)
12 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَبُولَ الرَّجُلُ فِي مُسْتَحَمِّهِ ، وَقَالَ: «إِنَّ عَامَّةَ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ» سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: لَا يُعْرَفُ هَذَا الْحَدِيثُ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ، وَيَرَوْنَ أَنَّ أَشْعَثَ هَذَا هُوَ ابْنُ جَابِرٍ الْحُدَّانِيُّ ، وَرَوَى مَعْمَرٌ فَقَالَ: عَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ الْحَسَنِ
১২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হুজর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুবারক, মা'মার থেকে, তিনি আশ'আছ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যক্তির তার গোসলখানায় প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন: «নিশ্চয়ই অধিকাংশ ওয়াসওয়াসা তা থেকেই সৃষ্টি হয়»। আমি মুহাম্মদকে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: এই হাদীসটি এই সূত্র ব্যতিরেকে পরিচিত নয়। তারা মনে করেন যে, এই আশ'আছ হলেন ইবনে জাবির আল-হুদ্দানি। আর মা'মার বর্ণনা করেছেন এভাবে: আশ'আছ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌فِي السِّوَاكِ
মিসওয়াক প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩০)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ»
১৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনুল আলা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি যদি মুমিনদের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে আমি অবশ্যই তাদের প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।"
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩০)
14 - وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ ، وَلَأَخَّرْتُ صَلَاةَ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ. . .» الْحَدِيثَ ، ⦗ص: 31⦘ فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ: أَيُّهُمَا أَصَحُّ؟ فَقَالَ: حَدِيثُ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ أَصَحُّ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: وَحَدِيثُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عِنْدِي هُوَ صَحِيحٌ أَيْضًا لِأَنَّ هَذَا الْحَدِيثَ مَعْرُوفٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ ، وَفِي حَدِيثِ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ زِيَادَةُ مَا لَيْسَ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ ، وَكِلَاهُمَا عِنْدِي صَحِيحٌ
১৪ - মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি জায়দ ইবনে খালিদ আল-জুহানি থেকে, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে তাদের প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম এবং এশার সালাত রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্বিত করতাম...» হাদিসটি, ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ অতঃপর আমি মুহাম্মদকে এই হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: এ দুটির মধ্যে কোনটি অধিক সহিহ? তিনি বললেন: জায়দ ইবনে খালিদের বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহিহ। আবু ঈসা বলেন: আবু সালামাহ কর্তৃক আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিসটিও আমার নিকট সহিহ, কারণ এই হাদিসটি আবু হুরায়রার হাদিস হিসেবেও পরিচিত। আর আবু সালামাহ কর্তৃক জায়দ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণিত হাদিসটিতে এমন কিছু অতিরিক্ত অংশ রয়েছে যা আবু হুরায়রার হাদিসে নেই, এবং আমার নিকট উভয়টিই সহিহ।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌مَا جَاءَ إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ مَنَامِهِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي الْإِنَاءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا
তোমাদের কেউ যখন তার নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিজের হাত না ডুবায় যতক্ষণ না তা ধৌত করে—এ বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩১)
15 - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، عَنْ يُونُسَ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قُمْتَ مِنْ مَنَامِكَ فَلَا تَضَعْ يَدَكَ فِي الْإِنَاءِ حَتَّى تُفْرِغَ عَلَيْهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ» ، سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: وَهِمَ فِيهِ ، إِنَّمَا رَوَى ابْنُ وَهْبٍ هَذَا عَنْ جَابِرِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ ، عَنْ عُقَيْلٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৫ - সুফিয়ান ইবনে ওয়াকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে এবং তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন তুমি তোমার নিদ্রা হতে জাগ্রত হও, তখন তোমার হাত পাত্রের মধ্যে প্রবেশ করিও না যতক্ষণ না তুমি তার ওপর তিনবার পানি ঢালো।» আমি মুহাম্মদকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: এতে ভুল হয়েছে; মূলত ইবনে ওয়াহাব এটি জাবির ইবনে ইসমাঈল থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌فِي التَّسْمِيَةِ عِنْدَ الْوُضُوءِ
ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পাঠ প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩১)
16 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ ، وَبِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ ، قَالَا: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ أَبِي حَرْمَلَةَ ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ الْمُرِّيِّ ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ ، عَنْ جَدَّتِهِ ، عَنْ أَبِيهَا ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا وُضُوءُ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ» فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: لَيْسَ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ أَحْسَنَ ⦗ص: 32⦘ عِنْدِي مِنْ هَذَا ، وَرَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ ، عَنْ جَدَّتِهِ ، عَنْ أَبِيهَا ، أَبُوهَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ. قُلْتُ لَهُ: أَبُو ثِفَالٍ الْمُرِّيُّ مَا اسْمُهُ؟ فَلَمْ يَعْرِفِ اسْمَهُ ، وَسَأَلْتُ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ الْخَلَّالَ ، فَقَالَ: اسْمُهُ ثُمَامَةُ بْنُ حُصَيْنٍ ، قَالَ أَبُو عِيسَى رَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: هُوَ أَبُو بَكْرِ بْنُ حُوَيْطِبٍ فَنُسِبَ إِلَى جَدِّهِ ، وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ وَكِيعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ، عَنْ صَدَقَةَ مَوْلَى ابْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حُوَيْطِبٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَهَذَا حَدِيثٌ مُرْسَلٌ
১৬ - নসর ইবনে আলী এবং বিশর ইবনে মুআয আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: বিশর ইবনুল মুফায্যাল আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রহমান ইবনে হারমালা আবু হারমালা থেকে, তিনি আবু সিফাল আল-মুররি থেকে, তিনি রাবাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সুফিয়ান ইবনে হুয়াইতিব থেকে, তিনি তাঁর দাদী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম স্মরণ করে না, তার ওযু হয় না»। অতঃপর আমি মুহাম্মদকে (ইমাম বুখারী) এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: এই অধ্যায়ে আমার নিকট এর চেয়ে উত্তম কোনো হাদিস নেই। ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আর রাবাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সুফিয়ান তাঁর দাদী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁর পিতা হলেন সাঈদ ইবনে যায়েদ। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: আবু সিফাল আল-মুররির নাম কী? তিনি তাঁর নাম জানতেন না। অতঃপর আমি হাসান ইবনে আলী আল-খাল্লালকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তাঁর নাম সুমামা ইবনে হুসাইন। আবু ঈসা বলেন: রাবাহ ইবনে আবদুর রহমান হলেন আবু বকর ইবনে হুয়াইতিব, তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। আর ওকি‘ এই হাদিসটি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি ইবনুল জুবায়েরের মুক্তদাস সাদাকা থেকে, তিনি আবু সিফাল থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে হুয়াইতিব থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; আর এটি একটি মুরসাল হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩২)
17 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْمَخْزُومِيُّ ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ» فَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْمَخْزُومِيُّ لَا بَأْسَ بِهِ مُقَارِبُ الْحَدِيثِ ، وَيَعْقُوبُ بْنُ سَلَمَةَ مَدَنِيُّ لَا يُعْرَفُ لَهُ سَمَاعٌ مِنْ أَبِيهِ ، وَلَا يُعْرَفُ لِأَبِيهِ سَمَاعٌ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ أَبُو عِيسَى: سَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ مَنْصُورٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ: لَا أَعْلَمُ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثًا لَهُ إِسْنَادٌ جَيِّدٌ
১৭ - আমাদের নিকট কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আল-মাখযূমী বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াকূব ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবূ হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম স্মরণ করে না তার ওযু হয় না।’ অতঃপর আমি মুহাম্মাদকে এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আল-মাখযূমী নির্ভরযোগ্য, তাঁর হাদীস গ্রহণযোগ্য পর্যায়ের; আর ইয়াকূব ইবনে সালামাহ মদিনার অধিবাসী, তাঁর পিতার নিকট থেকে তাঁর শ্রবণ সাব্যস্ত নেই এবং তাঁর পিতারও আবূ হুরায়রাহ থেকে শ্রবণ সাব্যস্ত নেই। আবূ ঈসা বলেন: আমি ইসহাক ইবনে মানসূরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: এই অধ্যায়ে উত্তম সনদ সংবলিত কোনো হাদীস আছে বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩৩)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ رُبَيْحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: رُبَيْحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ
১৮ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আহমাদ আজ-জুবায়রী বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসীর ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি রুবাইহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম স্মরণ করে না, তার ওযু হয় না», মুহাম্মদ বলেন: রুবাইহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সাঈদ মুনকারুল হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌فِي تَخْلِيلِ اللِّحْيَةِ
দাড়ি খিলাল করা প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১) আল-ইলালুল কাবীর লিত-তিরমিযী = তারতীবু ইলালিত তিরমিযীল কাবীর (পৃষ্ঠা: ৩৩)
19 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ إِسْرَائِيلَ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ ، عَنْ عُثْمَانَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَلَّلَ لِحْيَتَهُ " ، قَالَ مُحَمَّدٌ: أَصَحُّ شَيْءٍ عِنْدِي فِي التَّخْلِيلِ حَدِيثُ عُثْمَانَ ، قُلْتُ: إِنَّهُمْ يَتَكَلَّمُونَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: هُوَ حَسَنٌ
১৯ - ইয়াহইয়া ইবনু মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল থেকে, তিনি আমির ইবনু শাকিক থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, আর তিনি উসমান থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দাড়ি খিলাল করেছেন। মুহাম্মাদ বলেছেন: দাড়ি খিলাল করার বিষয়ে উসমানের হাদিসটিই আমার নিকট সবচেয়ে বিশুদ্ধ। আমি বললাম: তারা তো এই হাদিসটি নিয়ে সমালোচনা করেন (অর্থাৎ এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কথা বলেন)। তখন তিনি বললেন: এটি হাসান।