(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: -)
صفة النار لابن أبي الدنيا   (ابن أبي الدنيا)

القسم: كتب السنة


الكتاب: صفة النار

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)

المحقق: محمد خير رمضان يوسف

الناشر: دار ابن حزم - لبنان / بيروت

الطبعة: الأولى، 1417هـ - 1997م

عدد الصفحات: 161

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত জাহান্নামের বর্ণনা   (ইবনে আবিদ দুনিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: জাহান্নামের বর্ণনা

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদী আল-উমাবী আল-কুরাশী, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৮১ হিজরি)

সম্পাদক: মুহাম্মাদ খাইর রামাদান ইউসুফ

প্রকাশক: দার ইবনে হাজম - লেবানন / বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬১

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌التَّعَوُّذُ بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
জাহান্নামের আগুন থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٣)
1 - حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ محمد بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ. . . . قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بن عُمَرُ الْجُشَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ. . . ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِيهِ ⦗ص: 14⦘: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ النَّارَ فِي صَلَاةٍ غَيْرِ مَكْتُوبَةٍ فَقَالَ: «تَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ. وَيْلٌ لِأَهْلِ النَّارِ»
১ - আমাদের নিকট আবু উসমান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন... বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-জুশামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ... ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি নফল (অ-ফরজ) সালাতে জাহান্নামের কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন: «তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো। জাহান্নামবাসীদের জন্য দুর্ভোগ!»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٤)
2 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَيُّوبُ بْنُ شَبِيبٍ الصَّنْعَانِيُّ، قَالَ: فِيمَا عَرَضْنَا عَلَى رَبَاحِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَحِيرٍ، قَالَ ⦗ص: 15⦘: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ وَهُوَ يَقُولُ: «لَا تَنْسَوُا الْعَظِيمَتَينِ» قُلْنَا: وَمَا الْعَظِيمَتانِ؟ قَالَ: «الْجَنَّةُ وَالنَّارُ» فَذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا ذَكَرَ، ثُمَّ بَكَى حَتَّى جَرَّجَ وَائِلٌ دُمُوعَهِ جَانِبَيْ لِحْيَتِهِ، ثُمَّ قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ، بِيَدِهِ لَوْ تَعْلَمُونَ مِنْ عِلْمِ الْآخِرَةِ مَا أَعْلَمُ، لَمَشَيْتُمْ إِلَى الصَّعِيدِ، فَلَحَثَيْتُمْ عَلَى رُؤُوسِكُمُ التُّرَابَ»
২ - আমাদের নিকট ইসহাক বিন ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব বিন শাবীব আস-সানআনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা রাবাহ বিন যায়দ-এর নিকট যা পেশ করেছিলাম তার মধ্যে তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন বাহীর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘: আমি আবদুর রহমান বিন ইয়াজীদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুতবা প্রদানকালে বলতে শুনেছি: «তোমরা মহান বিষয় দুটিকে ভুলে যেও না।» আমরা বললাম: মহান বিষয় দুটি কী? তিনি বললেন: «জান্নাত ও জাহান্নাম।» এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা আলোচনা করার তা করলেন, অতঃপর তিনি কাঁদলেন, এমনকি তাঁর অশ্রু তাঁর দাড়ির দুই পাশ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল। তারপর তিনি বললেন: «সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, পরকাল সম্পর্কে আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই উঁচু ময়দানের দিকে বেরিয়ে যেতে এবং তোমাদের মাথায় মাটি ছিটিয়ে দিতে।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٦)
3 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: " مَا جَلَسَ قَوْمٌ مَجْلِسًا فَلَمْ يَذْكُرُوا الْجَنَّةَ وَالنَّارَ إِلَّا قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ: أَغْفَلُوا الْعَظِيمَتَيْنِ "
৩ - ইবরাহীম ইবন সাঈদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফইয়ান আমাদের নিকট মিসআর থেকে, তিনি আব্দুল আ'লা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কোনো সম্প্রদায় যখন কোনো মজলিসে বসে এবং সেখানে জান্নাত ও জাহান্নামের কথা উল্লেখ করে না, তখন ফেরেশতারা বলেন: তারা মহান দুটি বিষয়কে উপেক্ষা করল।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٦)
4 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: " إِنَّ الْجَنَّةَ وَالنَّارَ لُقِّنَتَا السَّمْعَ مِنَ ابْنِ آدَمَ، فَإِذَا قَالَ الرَّجُلُ: أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ، قَالَتِ النَّارُ: اللَّهُمَّ أَعِذْهُ، وَإِذَا قَالَ: أَسْأَلُ اللَّهَ الْجَنَّةَ، قَالَتِ الْجَنَّةُ: اللَّهُمَّ بَلِّغْهُ "
4 - ইসহাক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট মিস'আর থেকে, তিনি আবদুল আ'লা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই জান্নাত ও জাহান্নামকে আদমসন্তানের কথা শোনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং যখন কোনো ব্যক্তি বলে: আমি জাহান্নাম থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, তখন জাহান্নাম বলে: হে আল্লাহ! তাকে আশ্রয় দান করুন। আর যখন সে বলে: আমি আল্লাহর নিকট জান্নাত প্রার্থনা করছি, তখন জান্নাত বলে: হে আল্লাহ! তাকে সেখানে পৌঁছিয়ে দিন।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٦)
5 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْأَشْدَقِ، قَالَ ⦗ص: 17⦘: حَدَّثَنِي كُلَيْبُ بْنُ حَزْنٍ الْجَرْمِيُّ - وَكَانَ قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ النَّارَ لَا يَنَامُ هَارِبُهَا، وَإِنَّ الْجَنَّةَ لَا يَنَامُ طَالِبُهَا. اطْلُبُوا الْجَنَّةَ جَهْدَكُمْ، وَاهْرُبُوا مِنَ النَّارِ جَهْدَكُمْ»
৫ - আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়ালা ইবন আল-আশদাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘: আমার নিকট কুলাইব ইবন হাযন আল-জারমী বর্ণনা করেছেন—আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ পেয়েছিলেন—যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই জাহান্নাম থেকে পলায়নকারী ঘুমায় না, এবং জান্নাত অনুসন্ধানকারীও ঘুমায় না। তোমরা তোমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় জান্নাত অন্বেষণ করো এবং তোমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় জাহান্নাম থেকে পলায়ন করো।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٨)
‌‌أَبْوَابُ جَهَنَّمَ
জাহান্নামের দ্বারসমূহ
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٨)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ دَرَّاجٍ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لِسُرَادِقِ النَّارِ أَرْبَعَةُ جَدْرٍ، كِثَفُ كُلِّ جِدَارٍ مَسِيرَةُ أَرْبَعِينَ سَنَةٍ»
৬ - আমাদের কাছে আবু খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আল-হাসান ইবনে মূসা বর্ণনা করেছেন, ইবন লাহীআহ থেকে, তিনি দাররাজ থেকে, তিনি আবুল হাইসাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «জাহান্নামের বেষ্টনীর চারটি প্রাচীর রয়েছে, প্রতিটি প্রাচীরের পুরুত্ব হলো চল্লিশ বছরের পথ অতিক্রম করার সমান।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٩)
7 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ الْحَنَّاطُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلَائِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: «إِنَّ أَبْوَابَ جَهَنَّمَ هَكَذَا بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ» وَأَوْمَأَ أَبُو شِهَابٍ بِأَصَابِعِهِ 000 هَذَا عَنْ هَذَا
৭ - খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু শিহাব আল-হান্নাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে কায়স আল-মুলাই থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আসিম ইবনে দামরাহ থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই জাহান্নামের দরজাগুলো এভাবেই, একটির উপরে আরেকটি।» আর আবু শিহাব তাঁর আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন... একটি হতে অন্যটি।
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ١٩)
8 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: قَوْلُهُ: {لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ} [الحجر: 44] قَالَ: «أَوَّلُهَا جَهَنَّمُ، ثُمَّ لَظَى، ثُمَّ الْحُطَمَةُ، ثُمَّ السَّعِيرُ، ثُمَّ سَقَرُ، ثُمَّ الْجَحِيمُ - وَفِيهِ أَبُو جَهْلٍ - ثُمَّ الْهَاوِيَةِ»
৮ - ইবরাহীম বিন সাঈদ আল-জাওহারী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুরাইজ বলেছেন: মহান আল্লাহর বাণী: {তার সাতটি দরজা রয়েছে} [আল-হিজর: ৪৪] এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন: «তার প্রথমটি হলো জাহান্নাম, অতঃপর লাযা, অতঃপর হুতামাহ, অতঃপর সাঈর, অতঃপর সাকার, অতঃপর জাহীম —এবং তাতে আবু জাহল রয়েছে— অতঃপর হাবিয়া»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٠)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ سعِيدٍ الْعَنْسِيِّ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ الْهَمْدَانِيِّ، قَالَ: «لِجَهَنَّمَ سَبْعَةُ نِيرَانَ تَأْتَلِقُ، لَيْسَ مِنْهَا نَارٌ إِلَّا وَهَى تَنْظُرُ إِلَى الَّتِي تَحْتَهَا مَخَافَةَ أَنْ تَأْكُلَهَا»
৯ - আমাদের নিকট আহমাদ বিন ইব্রাহীম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম থেকে বর্ণিত, ইয়াযীদ বিন সাঈদ আল-আনসী থেকে বর্ণিত, ইয়াযীদ বিন আবি মালিক আল-হামদানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "জাহান্নামের সাতটি প্রজ্জ্বলিত অগ্নি রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এমন কোনো আগুন নেই যা তার নিচের দিকে থাকা আগুনের প্রতি এই ভয়ে তাকিয়ে থাকে না যে, পাছে সেটি তাকে গ্রাস করে ফেলে।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٠)
10 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا. . . مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ جَهْضَمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ} [الحجر: 44] قَالَ: «لَهَا سَبْعَةُ أَطْبَاقٍ»
১০ - আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন... মুহাম্মদ বিন ইয়াযীদ, জাহদাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইকরিমাকে মহান আল্লাহর এই বাণী—{এর সাতটি দরজা রয়েছে} [আল-হিজর: ৪৪]—সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "এর সাতটি স্তর রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢١)
11 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ حُمْرَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ: {لِكُلِّ بَابٍ مِنْهُمْ جُزْءٌ مَقْسُومٌ} [الحجر: 44] قَالَ: «هِيَ وَاللَّهِ مَنَازِلٌ بِأَعْمَالِهِمْ»
১১ - ইউসুফ ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে হুমরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে: {তাদের প্রত্যেকটি দরজার জন্য একটি নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে} [আল-হিজর: ৪৪] তিনি বলেন: «আল্লাহর শপথ, এগুলো হলো তাদের আমল অনুযায়ী নির্ধারিত স্তরসমূহ»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٢)
‌‌بَابُ صِفَةِ جَهَنَّمَ وَسَعَتِهَا
জাহান্নামের বৈশিষ্ট্য ও তার প্রশস্ততা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٢)
12 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ أَنَّ حَجَرًا قُذِفَ بِهِ فِي جَهَنَّمَ لَهَوَى سَبْعِينَ خَرِيفًا قَبْلَ أَنْ يَبْلُغَ قَعْرَهَا»
১২ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জারীর বর্ণনা করেছেন আতা ইবন আস-সাইব থেকে, তিনি আবু বকর ইবন আবি মুসা থেকে, তিনি তাঁর পিতা আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি জাহান্নামে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হয়, তবে তার তলদেশে পৌঁছানোর পূর্বে তা সত্তর বছর পর্যন্ত নিচে পতিত হতে থাকবে।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٣)
13 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ زُرَارَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَمِعْنَا وَجْبَةً، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «هَلْ تَدْرُونَ مَا هَذَا؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «هَذَا حَجَرٌ أُرْسِلَ فِي جَهَنَّمَ مُنْذُ سَبْعِينَ خَرِيفًا انْتَهَى فِي قَعْرِ جَهَنَّمَ»
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যুরারাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে খলিফা, ইয়াজিদ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় আমরা একটি বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা কি জানো এটি কী?» তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বললেন: «এটি একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যা এখন জাহান্নামের তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٣)
14 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 24⦘: «لَوْ أَنَّ حَجَرًا كَسَبْعِ خَلِفَاتٍ شُحُومِهُنَّ وَأَوْلَادِهِنَّ أُلْقِيَ فِي جَهَنَّمَ، لَهَوَى سَبْعِينَ عَامًا لَا يَبْلُغُ قَعْرَهَا»
১৪ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবন ইসমাঈল হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জারীর হাদীস বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি ইয়াজিদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘: «যদি সাতটি হৃষ্টপুষ্ট ও গর্ভবতী উটনীর ন্যায় একটি পাথর জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়, তবে তা সত্তর বছর পর্যন্ত নিচে পড়তে থাকবে, তবুও তা তার তলদেশে পৌঁছাতে পারবে না।’»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٤)
15 - حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مِرْدَاسٍ السِّرَاجُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ يَحْيَىالْأَبَحُّ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمَّا أُسْرِيَ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَجِبْرِيلُ عليه السلام مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، سَمِعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَدَّةً، فَقَالَ: «يَا جِبْرِيلُ مَا هَذِهِ الْهَدَّةُ؟» قَالَ: حَجَرٌ أَرْسَلَهُ اللَّهُ مِنْ شَفِيرِ جَهَنَّمَ، فَهُوَ يَهْوِي فِيهَا مُنْذُ سَبْعِينَ عَامًا، فَبَلَغَ قَعْرَهَا الْآنَ، فَمَا ضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَّا أَنْ يَتبْسمَ تَبَسُّمًا
১৫ - খালেদ ইবনে মিরদাস আস-সিরাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজিদ আর-রাকাশি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নৈশভ্রমণে (ইসরা) নিয়ে যাওয়া হলো এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বিকট পতনের শব্দ শুনলেন। তিনি বললেন: «হে জিবরাঈল! এই বিকট শব্দটি কিসের?» তিনি বললেন: এটি একটি পাথর যা আল্লাহ জাহান্নামের কিনারা থেকে নিক্ষেপ করেছেন, যা সত্তর বছর ধরে জাহান্নামের অতলে পতিত হচ্ছিল এবং এই মাত্র তা তলদেশে পৌঁছাল। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কখনো অট্টহাসি হাসেননি, কেবল মুচকি হাসি হাসতেন।
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٤)
16 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ ⦗ص: 25⦘ الْأَعْمَشِ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم دَوِيًّا، فَقَالَ: «يَا جِبْرِيلُ مَا هَذَا؟» قَالَ: هَذَا حَجَرٌ أُلْقِيَ فِي جَهَنَّمَ مُنْذُ سَبْعِينَ عَامًا، فَالْآنَ اسْتَقَرَّ فِي قَعْرِهَا
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন সালিহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ আল-আমাশ থেকে, তিনি ইয়াজিদ আর-রাকাশি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি বিকট শব্দ শুনতে পেলেন, তখন তিনি বললেন: «হে জিবরাঈল, এটি কী?» তিনি বললেন: «এটি একটি পাথর যা সত্তর বছর পূর্বে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তা এইমাত্র তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছাল এবং স্থির হলো।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٥)
17 - حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ حُصَيْنٍ الشَّامِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي لُقْمَانُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ صُدَيِّ بْنِ عَجْلَانَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: أَتَيْتُهُ فَقُلْتُ: يَا أَبَا أُمَامَةَ، حَدِّثْنِي حَدِيثًا سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَعَا لِي بِطِلَاءٍ، فَشَرِبْتُهُ، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ⦗ص: 26⦘: «لَوْ أَنَّ صَخْرَةً زِنَةَ عَشْرَةِ عُشَرَوَاتٍ قُذِفَ بِهَا مِنْ شَفِيرِ جَهَنَّمَ مَا بَلَغَتْ سَبْعِينَ خَرِيفًا ثُمَّ يَنْتَهِي إِلَى غَيٍّ وَأَثَامٍ» قُلْتُ: وَمَا غَيٌّ وَأَثَامٌ؟ قَالَ: " بِئْرَانِ يَسِيلُ فِيهِمَا صَدِيدُ أَهْلِ النَّارِ، وَهُمَا اللَّتَانِ ذَكَرَ اللَّهُ فِي كِتَابِهِ: {فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيًّا} [مريم: 59] وَفِي الْفُرْقَانِ: {يَلْقَ أَثَامًا} [الفرقان: 68] "
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে হুসাইন আশ-শামি, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন লুকমান ইবনে আমির, আবু উমামা সুদা ইবনে আজলান আল-বাহিলি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাঁর নিকট এসে বললাম: হে আবু উমামা, আমাকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করুন যা আপনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছেন। তখন তিনি আমার জন্য একটি পানীয় আনতে বললেন এবং আমি তা পান করলাম। এরপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘: «যদি দশটি দশ-মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীর ওজনের সমান একটি বিশাল পাথর জাহান্নামের কিনারা থেকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সত্তর বছর অতিবাহিত হলেও তা তলদেশে পৌঁছাবে না, অবশেষে তা 'গায়্য' ও 'আসাম'-এ গিয়ে ঠেকবে।» আমি বললাম: 'গায়্য' ও 'আসাম' কী? তিনি বললেন: "তা হলো দুটি কূয়ো যাতে জাহান্নামীদের দেহনিঃসৃত রক্ত ও পুঁজ প্রবাহিত হয়। আর এ দুটির কথাই আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন: {অচিরেই তারা গায়্য-এর সম্মুখীন হবে} [মরিয়ম: ৫৯] এবং সূরা আল-ফুরকানে: {সে আসাম-এর সম্মুখীন হবে} [আল-ফুরকান: ৬৮]।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٦)
18 - حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ الْعَبَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَنْبَسَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ ⦗ص: 27⦘، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «أَتَدْرِي مَا سَعَةُ جَهَنَّمَ؟» قُلْتُ: لَا. قَالَ: «أَجَلْ وَاللَّهِ مَا تَدْرِي، إِنَّ بَيْنَ شَحْمَةِ أُذْنِ أَحَدِهِمْ وَبَيْنَ عَاتِقِهِ مَسِيرَةَ سَبْعِينَ خَرِيفًا، يَجْرِي فِيهَا أَوْدِيَةُ الْقَيْحِ وَالدَّمِ» قُلْتُ لَهُ: أَنْهَارًا؟ قَالَ: «لَا، بَلْ أَوْدِيَةٌ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামযা ইবনুল আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনবাসাহ ইবনে সাঈদ, হাবীব ইবনে আবি আমরাহ হতে ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘, মুজাহিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস বললেন, "তুমি কি জানো জাহান্নাম কত প্রশস্ত?" আমি বললাম, "না।" তিনি বললেন, "হ্যাঁ, আল্লাহর কসম! তুমি জানো না। নিশ্চয়ই তাদের (জাহান্নামীদের) একজনের কানের লতি এবং তার কাঁধের মধ্যবর্তী দূরত্ব সত্তর বছরের পথ, যাতে পুঁজ ও রক্তের উপত্যকাসমূহ প্রবাহিত হয়।" আমি তাকে বললাম, "নদীসমূহ?" তিনি বললেন, "না, বরং উপত্যকাসমূহ।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٧)
ثُمَّ قَالَ: أَتَدْرِي مَا سَعَةُ جَهَنَّمَ؟ قُلْتُ: لَا. قَالَ: أَجَلْ وَاللَّهِ مَا تَدْرِي، حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، أَنَّهَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {وَالْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَىعَمَّا يُشْرِكُونَ} : فَأَيْنَ النَّاسُ يَوْمَئِذٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «عَلَى جِسْرِ جَهَنَّمَ»
অতঃপর তিনি বললেন: তুমি কি জানো জাহান্নাম কতটা প্রশস্ত? আমি বললাম: না। তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, তুমি তা জানো না। আয়েশা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "কিয়ামতের দিন সমগ্র পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আকাশসমূহ ভাঁজ করা থাকবে তাঁর ডান হাতে; তিনি পবিত্র এবং তারা যা শরিক করে তা থেকে তিনি অনেক ঊর্ধ্বে।" (তিনি জিজ্ঞাসা করলেন:) হে আল্লাহর রাসূল! সেদিন মানুষ কোথায় থাকবে? তিনি বললেন: "জাহান্নামের সেতুর উপরে।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٨)
19 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُشَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: {كُلَّمَا أَرَادُوا أَنْ يَخْرُجُوا مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا فِيهَا} [الحج: 22] قَالَ: «النَّارُ سَوْدَاءُ لَا يُضِيءُ جَمْرُهَا وَلَا لَهَبُهَا»
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আল-জুশামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, আবু জবইয়ান থেকে, তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: {যখনই তারা যন্ত্রণাকাতর হয়ে তা থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদের তাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে} [আল-হাজ্জ: ২২] তিনি বলেন: «জাহান্নামের আগুন কালো, এর অঙ্গার আলো দেয় না এবং এর শিখাও না।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٨)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الدُّولَابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَيْحَانُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 29⦘: " ضِرْسُ الْكَافِرِ مِثْلُ أُحُدٍ، وَفَخِذُهُ مِثْلُ وَرْقَانَ - قَالَ أَبُو عَصْمَةَ: جَبَلٌ - وَعَرْضُ جِلْدِهِ أَرْبَعُونَ ذِرَاعًا "
২০ - মুহাম্মদ ইবনাস সাব্বাহ আদ-দুলাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাইহান ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্বাদ ইবনে মানসুর থেকে, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আবু আসমা আর-রাহাবি থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস সাওবান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘: "কাফিরের দাঁত উহুদ পাহাড়ের মতো, এবং তার উরু ওয়ারকান পাহাড়ের মতো - আবু আসমাহ বলেন: এটি একটি পাহাড় - এবং তার চামড়ার পুরুত্ব চল্লিশ হাত।"
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٢٩)
21 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَسَنَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ هَارُونَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ضِرْسُ الْكَافِرِ - أَوْ نَابُ الْكَافِرِ - مِثْلُ أُحُدٍ، وَغِلَظُ جِلْدِهِ مَسِيرَةُ ثَلَاثٍ»
২১ - ইসহাক ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমায়দ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে সালিহ থেকে, তিনি হারুন ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কাফিরের কষের দাঁত — অথবা কাফিরের সামনের দাঁত — উহুদ পাহাড়ের ন্যায় এবং তার চামড়ার পুরুত্ব তিন দিনের পথ (অতিক্রম করার সমান)»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٣٠)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَرَّاجٌ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَقْعَدُ الْكَافِرِ مِنَ النَّارِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، وَكُلُّ ضِرْسٍ لَهُ مِثْلُ أُحُدٍ، وَفَخِذُهُ مِثْلُ وَرْقَانَ، وَجِلْدُهُ - سِوَى لَحْمِهِ وَعِظَامِهِ - أَرْبَعُونَ ذِرَاعًا»
২২ - আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনু লাহিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাররাজ আমাদের নিকট আবুল হাইসাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “জাহান্নামে কাফিরের বসার স্থান তিন দিনের (পথের সমান দূরত্ব), তার প্রতিটি মাড়ির দাঁত উহুদ পাহাড়ের মতো, তার উরু ওয়ারকান পাহাড়ের মতো এবং তার চামড়া—তার গোশত ও হাড় ব্যতিরেকে—চল্লিশ হাত (পুরু)।”
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٣٠)
23 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى بَيَّاعِ الْقَتِّ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «ضِرْسُ الْكَافِرِ مِثْلُ جَبَلَةَ» ثُمَّ قَالَ: «تَدْرِي مَا جَبَلَةُ؟» قُلْتُ: لَا ⦗ص: 31⦘. قَالَ: «جَبَلٌ بِالْيَمَنِ. هَلْ رَأَيْتَ أُحُدًا؟» قُلْتُ: نَعَمْ. قَالَ: «هُوَ مِثْلُهُ. إِنَّهُ لَيَسِيلُ مِنْهُ الْقَيْحُ وَالدَّمُ مَا يَجْرِي بِهِ الْأَوْدِيَةُ، وَإِنَّ يَدَهُ لَمَغْلُولَةٌ إِلَى حَلْقِهِ إِلَى آخِرِ يَوْمٍ مِنَ الْأَبَدِ»
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর আল-আসাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন মিগওয়াল, তিনি আবু ইয়াহইয়া বায়্যা আল-কাত্ত থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “কাফিরের মাড়ির দাঁত জাবালাহ পাহাড়ের মতো।” এরপর তিনি বললেন: “তুমি কি জানো জাবালাহ কী?” আমি বললাম: না ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘। তিনি বললেন: “এটি ইয়ামেনের একটি পাহাড়। তুমি কি উহুদ পাহাড় দেখেছ?” আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: “এটি তার মতোই। নিশ্চয়ই তা থেকে এমনভাবে পুঁজ ও রক্ত প্রবাহিত হবে যা দিয়ে উপত্যকাগুলো বয়ে যাবে, এবং নিশ্চয়ই তার হাত তার গলার সাথে অনন্তকালের শেষ দিন পর্যন্ত শৃঙ্খলিত থাকবে।”
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٣١)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ ظُهَيْرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ: {وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ} [التكوير: 12] قَالَ: «سُعِّرَتْ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى ابْيَضَّتْ، ثُمَّ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى احْمَرَّتْ، ثُمَّ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى اسْوَدَّتْ، فَهِيَ سَوْدَاءُ مُظْلِمَةٌ»
২৪ - আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাকাম ইবনে যুহাইর বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন: {এবং যখন জাহান্নামকে প্রজ্বলিত করা হবে} [আত-তাকউইর: ১২] তিনি বলেন: «জাহান্নামকে এক হাজার বছর পর্যন্ত প্রজ্বলিত করা হয়েছে যতক্ষণ না তা সাদা বর্ণ ধারণ করেছে, অতঃপর এক হাজার বছর প্রজ্বলিত করা হয়েছে যতক্ষণ না তা লাল বর্ণ ধারণ করেছে, অতঃপর আরও এক হাজার বছর প্রজ্বলিত করা হয়েছে যতক্ষণ না তা কালো বর্ণ ধারণ করেছে; ফলে তা এখন ঘুটঘুটে অন্ধকারাচ্ছন্ন কালো।»
(খণ্ড: ১) সিফাতুন নার লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ٣١)
25 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي مَرْيَمَ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ: " إِنَّ مَا بَيْنَ شَفِيرِ جَهَنَّمَ إِلَى قَعْرِهَا مَسِيرَةُ سَبْعِينَ خَرِيفًا مِنْ حَجَرٍ يَهْوِي - أَوْ قَالَ: صَخْرَةٍ تَهْوِي - عِظَمُهَا كَعَشْرِ عُشْرَاوَاتٍ عِظَامٍ سِمَانٍ " ⦗ص: 32⦘ فَقَالَ لَهُ مَوْلًى لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ: هَلْ تَحْتَ ذَاكَ شَيْءٌ يَا أَبَا أُمَامَةَ؟ قَالَ: «نَعَمْ، غَيٌّ وَأَثَامُ»
২৫ - আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুশাইম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাকারিয়া ইবনে আবি মারইয়াম আল-খুযাঈ, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই জাহান্নামের কিনারা থেকে এর তলদেশ পর্যন্ত দূরত্ব হলো একটি পতনশীল পাথর—অথবা তিনি বলেছেন: একটি পতনশীল বিশাল শিলা—পড়তে সত্তর বছর সময় লাগে; সেই শিলাটির বিশালতা দশটি গর্ভবতী, বিশালাকৃতি ও হৃষ্টপুষ্ট উষ্ট্রীর সমান।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ তখন আব্দুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ এর এক মুক্তদাস তাকে জিজ্ঞেস করলেন: হে আবু উমামা, এর নিচে কি আরও কিছু আছে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, গায় এবং আছাম।"