(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: -)
شرح مذاهب أهل السنة لابن شاهين   (ابن شاهين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: شرح مذاهب أهل السنة ومعرفة شرائع الدين والتمسك بالسنن

المؤلف: أبو حفص عمر بن أحمد بن عثمان بن أحمد بن محمد بن أيوب بن أزداذ البغدادي المعروف بـ ابن شاهين (ت 385هـ)

المحقق: عادل بن محمد

الناشر: مؤسسة قرطبة للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1415هـ - 1995م

عدد الصفحات: 321

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে শাহীন কৃত আহলুস সুন্নাহর মাযহাবসমূহের ব্যাখ্যা   (ইবনে শাহীন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আহলুস সুন্নাহর মাযহাবসমূহের ব্যাখ্যা, দ্বীনের শরীয়তসমূহ সম্পর্কে জ্ঞান এবং সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরা

লেখক: আবু হাফস ওমর বিন আহমদ বিন উসমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব বিন আজদায আল-বাগদাদী, যিনি ইবনে শাহীন নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি)

সম্পাদক: আদিল বিন মুহাম্মদ

প্রকাশক: মুয়াসসাসাতু কুরতুবা পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২১

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে মিল রাখা হয়েছে]

শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٢)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَلَّامَةُ بَقِيَّةُ السَّلَفِ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ ابْنُ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ فِي شَهْرِ شَوَّالٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ بِمَنْزِلِهِ بِسَفْحِ قَارِسُونَ قِرَاءَةًُ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ خَضِرِ بْنِ كُلَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ اللَّهِ الْأَصَمِّ رَجَبَ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الرَّزَّازُ فِي رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرِجِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الطَّنَاجِيرِيُّ قَالَ: أنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ شَاهِينَ قَالَ:

 

1 - نا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عِيسَى، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ بْنِ مَالَجَ، نا أَيُّوبُ بْنُ النَّجَّارِ، قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ الْقَدَرِيَّةُ، فَقَالَ ⦗ص: 23⦘: «لَا تَذْكُرُوهُمْ، فَإِنَّ ذِكْرَ الْمَجُوسِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُمْ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলিম, সালাফদের সুযোগ্য উত্তরসূরি যাইনুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল দায়িম ইবনু নি’মাহ আল-মাকদিসি, ৬৭৫ হিজরী সনের শাওয়াল মাসে কাসিরুন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত তাঁর বাসভবনে। তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য শায়খ আবুল ফারাজ আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সা’দ বিন খাদির বিন কুলাইব আল-হাররানি, ৫৯৫ হিজরী সনের আল্লাহর মাস রজবে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বায়ান আর-রাজ্জায, ৫০৬ হিজরী সনের রবিউস সানি মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আত-তানাযিরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমার বিন আহমাদ বিন উসমান বিন আইয়ুব বিন শাহীন। তিনি বলেন:

 

১ - আব্দুল ওয়াহহাব বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুআবিয়া বিন মালাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব বিন নাজ্জার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আবু কাসীরের নিকট কাদারিয়্যাহদের কথা আলোচনা করা হলো। তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘: "তোমরা তাদের কথা আলোচনা করো না। কেননা আমার নিকট তাদের আলোচনার চেয়ে মাজুসিদের (অগ্নিউপাসকদের) আলোচনা অধিক প্রিয়।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٣)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا يَحْيَى بْنُ الْفَضْلِ، نا زُفَرُ بْنُ هُبَيْرَةَ الْمَازِنِيُّ، نا أَبُو مَعْشَرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: «إِذَا لَقِيتُمُ الْقَدَرِيَّةَ فَلَا تَبْدَؤُوهُمْ بِالسَّلَامِ، وَاضْطَرُّوهُمْ مِنَ الطَّرِيقِ إِلَى أَضْيَقِهِ»
২ - আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনুল ফাদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুফার ইবনে হুবাইরাহ আল-মাযিনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মাশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «যখন তোমরা ক্বাদারিয়াদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদের সালাম প্রদানের মাধ্যমে সম্বোধন শুরু করো না এবং তাদের রাস্তার সংকীর্ণতম অংশের দিকে যেতে বাধ্য করো।»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٣)
3 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ، نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ،: إِنِّي أُرِيدُ أَنْ آتِيَكَ بِرَجُلٍ مِنْهُمْ، يَتَكَلَّمُ فِي الْقَدَرِ. قَالَ: «لَوْ أَتَيْتَنِي بِهِ لَأَشِنَنَّ لَهُ وَجْهَهُ، وَلَأَوْجَعْتُ رَأْسَهُ، لَا تُجَالِسْهُمْ، وَلَا تُكَلِّمْهُمْ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে আল-কাসিম, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ, তিনি বর্ণনা করেছেন শারীক, আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বললাম: "আমি আপনার নিকট তাদের মধ্য থেকে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসতে চাই যে তাকদীর সম্পর্কে আলোচনা করে।" তিনি বললেন: "তুমি যদি তাকে আমার নিকট নিয়ে আসতে তবে আমি অবশ্যই তার চেহারা বিকৃত করে দিতাম এবং তার মাথায় বেদনাদায়ক আঘাত করতাম। তাদের সাথে উপবেশন করো না এবং তাদের সাথে কথা বলো না।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٣)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَبِيبٍ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو، ثنا أَبُو إِسْرَائِيلَ الْمُلَائِيُّ، عَنْ أَبِي الزِّنَّادِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: «يَكُونُونَ مُرْجِئَةً، ثُمَّ يَكُونُونَ قَدَرِيَّةً، ثُمَّ يَكُونُونَ مَجُوسًا»
৪ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন শাবীব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসরাঈল আল-মুলাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবি আয-যিনাদ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তারা মুরজিয়া হবে, এরপর কাদারিয়া হবে, তারপর তারা অগ্নিপূজক হবে»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٤)
5 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُخَارِيُّ، نا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ حَاتِمٍ، نا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، نا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَهُ الْإِرْجَاءُ، قَالَ: «هُوَ الرَّأْي الْمُحْدَثُ»
৫ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-বুখারি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল আজিজ ইবনে হাতিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলি ইবনুল হাসান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ অর্থাৎ ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি মুগিরা থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাঁর নিকট ইরজা (মুরজিয়া মতবাদ) সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বললেন: «এটি একটি নব উদ্ভাবিত অভিমত।»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٤)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ حَاجِبِ بْنِ الْوَلِيدِ، ثنا بَقِيَّةُ، نا هِشَامُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَلَامُ الْقَدَرِيَّةِ كُفْرٌ، وَكَلَامُ الرَّافِضَةِ هَلَكَةٌ، وَكَلَامُ الْمُرْجِئَةِ ضَلَالَةٌ، وَلَا أَعْلَمُ الْحَقَّ إِلَّا فِي قَوْمٍ أَرْجَوْا مَا غَابَ عَنْهُمْ مِنَ الذُّنُوبِ إِلَى اللَّهِ، وَلَمْ يَقْطَعُوا بِالذُّنُوبِ، وَالْعِصْمَةُ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ، وَفَوَّضُوا أَمْرَهُمْ إِلَى اللَّهِ، وَعَلِمُوا أَنَّ كُلًّا بِقَدَرِ اللَّهِ عز وجل»
৬ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাজিব ইবনুল ওয়ালীদ থেকে, বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উবায়দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, আতা থেকে, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "ক্বাদারিয়াদের কথাবার্তা কুফর, রাফেযীদের কথাবার্তা ধ্বংসাত্মক এবং মুরজিয়াদের কথাবার্তা ভ্রষ্টতা। আর আমি সত্য কেবল সেই কওমের মধ্যেই জানি যারা তাদের নিকট অজ্ঞাত পাপসমূহের বিষয়টি আল্লাহর দিকে সোপর্দ করে এবং গুনাহের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দেয় না; আর সুরক্ষা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। তারা তাদের যাবতীয় বিষয় আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে এবং জানে যে সবকিছুই মহান আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ী সম্পন্ন হয়।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٥)
7 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُخَارِيُّ، نا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ حَاتِمٍ، نا عَلِيُّ بْنُ شَقِيقٍ، عَنْ خَلَفِ بْنِ خَلِيفَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ: «مَا رَأَيْتُ إِبْرَاهِيمَ عَلَى أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ الْأَهْوَاءِ، أَشَدَّ مِنْهُ عَلَى أَصْحَابِ الْإِرْجَاءِ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ আল-বুখারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আযীয ইবনে হাতেম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে শাকীক, তিনি খালাফ ইবনে খলীফা থেকে, তিনি আতা ইবনে সায়িব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি ইবরাহীমকে প্রবৃত্তিপূজারীদের কারো বিরুদ্ধে ততটা কঠোর হতে দেখিনি, যতটা তিনি ইরজা পন্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ছিলেন।»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٥)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفَّى، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، مُحِلٌّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، " أَنَّهُ كَانَ يَبْغَضُ الْمُرْجِئَةَ، وَقَالَ لِرَجُلٍ عِنْدَهُ مِنْهُمْ: يَا فُلَانُ، لَا أَعْرِفَنَّ إِذَا قُمْتَ مِنْ عِنْدِي أَنْ تَعُودَ إِلَيَّ "
৮ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন মুসাফফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন মূসা আল-মুহিল্ল বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, "তিনি মুরজিয়াদের ঘৃণা করতেন। তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তিকে বলেছিলেন: হে অমুক! তুমি আমার নিকট থেকে চলে যাওয়ার পর পুনরায় যেন আমার কাছে ফিরে না আস, আমি যেন তা না দেখি।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٥)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفَّى، نا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ غَالِبٍ بَيَّاعِ الْمِلَا، قَالَ: دَخَلَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ نَاسٌ مِنَ الْمُرْجِئَةِ، فَتَكَلَّمُوا عِنْدَهُ، فَغَضِبَ إِبْرَاهِيمُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنْ كَانَ هَذَا كَلَامَكُمْ، فَلَا تَدْخُلُوا عَلَيَّ»
৯ - আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুসাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল থেকে বর্ণিত, গালিব বায়্যাউল মিলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবরাহীমের নিকট মুরজিয়া সম্প্রদায়ের কিছু লোক প্রবেশ করল এবং তারা তাঁর নিকট কথা বলল। এতে ইবরাহীম রাগান্বিত হলেন, অতঃপর তিনি বললেন: «যদি এটিই তোমাদের বক্তব্য হয়, তবে তোমরা আমার নিকট প্রবেশ করো না (অর্থাৎ আর আসবে না)»।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ غَسَّانَ بْنِ جَبَلَةَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، نا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْحَنَفِيُّ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: رَأَيْتُ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ لِرَجُلٍ: «قُمْ عَنِّي، قُمْ عَنِّي» . فَقُلْتُ: مَا هَذَا؟ قَالَ: «أَفْرَطَ فِي الْإِرْجَاءِ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন গাসসান বিন জাবালাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আজ-জুহরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল কবির বিন আবদুল মাজিদ আল-হানাফি, তালহা বিন আমর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আতা বিন আবি রাবাহকে দেখেছি, তিনি এক ব্যক্তিকে বললেন: «আমার কাছ থেকে উঠে যাও, আমার কাছ থেকে উঠে যাও»। আমি বললাম: এ কী ব্যাপার? তিনি বললেন: «সে ইরজার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করেছে»।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
11 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُفَيْرٍ، نا أَبُو هَمَّامٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، نا سَعِيدُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: قَالَ إِبْرَاهِيمُ: «الْمُرْجِئَةُ أَخْوَفُ عِنْدِي عَلَى أَهْلِ الْإِسْلَامِ مِنْ عِدَّتِهِمْ مِنَ الْأَزَارِقَةِ»
১১ - হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উফাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাকিম ইবনে জুবায়র থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বলেছেন: "আমার নিকট ইসলাম অনুসারীদের জন্য মুরজিয়ারা তাদের সমসংখ্যক আজারিকাহদের চেয়েও বেশি ভীতিপ্রদ।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونِ بْنِ حُمَيْدٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ الْبَلْخِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: «الْمُرْجِئَةُ يَهُودُ الْقِبْلَةِ»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন হারুন ইবন হুমায়দ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবান আল-বালখি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ফুদায়েল, তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুগিরা ইবন উতায়বা থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবায়র থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «মুরজিআরা হলো কিবলার ইয়াহুদি।»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، نا عُمَرُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الْأَعْوَرِ، قَالَ ⦗ص: 27⦘: أَتَيْتُ إِبْرَاهِيمَ، فَقُلْتُ: إِنَّ نَاسًا يَقُولُونَ: قَدْ تَابَعْتَ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيَّ عَلَى رَأْيِهِ. قَالَ: فَضَحِكَ، وَقَالَ: «تَرَانِي مُرْجِئًا سَبَّابًا؟ وَمَا مِنْ أَهْلِ هَذِهِ الْقِبْلَةِ أَضَلُّ عِنْدِي مِنَ الْمُرْجِئَةِ»
১৩ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুর রহমান ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামযাহ আল-আওয়ার থেকে, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘: আমি ইবরাহীমের নিকট আসলাম এবং বললাম: নিশ্চয়ই কিছু লোক বলছে যে, আপনি ইবরাহীম আত-তাইমীর মতাদর্শের অনুসরণ করছেন। তিনি হেসে বললেন: «তুমি কি আমাকে গালিগালাজকারী মুরজিয়া মনে করো? এই কিবলার অনুসারীদের মধ্যে আমার কাছে মুরজিয়াদের চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কেউ নেই।»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٧)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمُقْرِئُ، نا الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ، نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، ثنا حَجَّاجٌ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ، وَالْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ،: " أَنَّ حَائِكًا مِنَ الْمُرْجِئَةِ بَلَغَهُ قَوْلُ عَبْدِ اللَّهِ فِي الْإِيمَانِ، قَالَ: زَلَّةٌ مِنْ عَالِمٍ "
১৪ - আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-মুক্বরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফজল ইবন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ—অর্থাৎ আহমাদ ইবন হাম্বল—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারীক থেকে, তিনি মুগীরাহ ও আমাশ থেকে এবং তারা আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেন যে: "মুরজিয়াদের জনৈক তন্তুবায়ের নিকট ঈমান সম্পর্কে আবদুল্লাহর (ইবন মাসউদ) বক্তব্য পৌঁছালে সে বলল: এটি একজন আলেমের পদস্খলন।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٧)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ الْعَطَّارُ، نا هَارُونُ بْنُ مَسْعُودٍ الدَّهَّانُ، نا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ حَسَّانَ، قَالَ: قَالَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ،: «اتَّقُوا هَذِهِ الْأَهْوَاءَ الْمُضِلَّةَ» قِيلَ لَهُ: بَيِّنْ لَنَا، رَحِمَكَ اللَّهُ. قَالَ سُفْيَانُ: " أَمَّا الْمُرْجِئَةُ فَيَقُولُونَ: الْإِيمَانُ كَلَامٌ بِلَا عَمَلٍ، مَنْ قَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، فَهُوَ مُؤْمِنٌ مَسْتَكْمِلُ الْإِيمَانِ، عَلَى إِيمَانِ جِبْرِيلَ وَالْمَلَائِكَةِ، وَإِنْ قَتَلَ كَذَا وَكَذَا مُؤْمِنٌ، وَإِنْ تَرَكَ الْغُسْلَ مِنَ الْجَنَابَةِ، وَإِنْ تَرَكَ الصَّلَاةَ، وَهُمْ يَرَوْنَ السَّيْفَ عَلَى أَهْلِ الْقِبْلَةِ "
১৫ - মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে মাসউদ আদ-দাহহান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সামাদ ইবনে হাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আস-সাওরী বলেছেন: "তোমরা এই বিভ্রান্তিকর প্রবৃত্তিগুলো থেকে বেঁচে থাকো।" তাঁকে বলা হলো: "আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন, আমাদের নিকট তা স্পষ্ট করুন।" সুফিয়ান বললেন: "মুর্জিআদের ব্যাপারে তারা বলে: ঈমান হলো আমল ব্যতীত কেবল মৌখিক স্বীকৃতি। যে ব্যক্তি বলবে: 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল', সে জিবরাঈল ও ফেরেশতাদের ঈমানের ন্যায় পরিপূর্ণ ঈমানদার মুমিন, যদিও সে অগণিত মুমিনকে হত্যা করে, যদিও সে জানাবাতের গোসল ত্যাগ করে এবং যদিও সে সালাত বর্জন করে। আর তারা কিবলাপন্থীদের বিরুদ্ধে তলোয়ার ধারণ করা বৈধ মনে করে।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٧)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونِ بْنِ حُمَيْدٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ: إِنَّهُ مُؤْمِنٌ، فَهُوَ مُرْجِئٌ "
১৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যে ব্যক্তি বলে যে সে একজন মুমিন, সে ব্যক্তি মুরজিয়া।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْأَدَمِيُّ، نا الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي رَجُلٌ، مِنْ أَصْحَابِنَا قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ: تَرَى رَأْيَ الْإِرْجَاءِ؟ فَقَالَ: " كَيْفَ أَكُونُ مُرْجِئًا، فَأَنَا لَا أَرَى رَأْيَ السَّيْفِ؟ وَكَيْفَ أَكُونُ مُرْجِئًا، وَأَنَا أَقُولُ: الْإِيمَانُ قَوْلٌ وَعَمَلٌ؟ " قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: نَسِيتُ الثَّالِثَةَ
১৭ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-আদামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফজল ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমাদের সঙ্গীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারককে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কি ইরজা-র মত পোষণ করেন? তিনি বললেন: "আমি কীভাবে মুরজিয়া হতে পারি, অথচ আমি তলোয়ারের (বিদ্রোহের) মত পোষণ করি না? আর আমি কীভাবে মুরজিয়া হতে পারি, যখন আমি বলি: ঈমান হলো কথা ও কাজ?" আবু আব্দুল্লাহ বলেন: আমি তৃতীয় বিষয়টি ভুলে গিয়েছি।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا الْفَضْلُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، وَسُئِلَ عَنِ الْمُرْجِئَةِ، فَقَالَ: " مَنْ قَالَ: الْإِيمَانُ قَوْلٌ "
১৮ - আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে মুরজিয়াদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি বলে: ঈমান হলো কেবল মৌখিক স্বীকৃতি (কথা)"।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
‌‌بَابُ مَا ذُكِرَ فِي الْجَهْمِيَّةِ، وَالْمُعْتَزِلَةِ وَأَقْوَالِهِمْ
জাহমিয়্যাহ ও মুতাযিলা এবং তাদের মতবাদ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هِشَامٍ الْمَرْوَزِيُّ، وَجَمَاعَةٌ، قَالَ: ثنا حَفْصُ بْنُ عَمْرِو بْنِ رَبَالٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: «مَا كُنْتُ لِأَعْرِضَ الْأَهْوَاءَ عَلَى السَّيْفِ إِلَّا الْجَهْمِيَّةَ، فَإِنَّهُمْ يَقُولُونَ قَوْلًا مُنْكَرًا»
১৯ - আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-মারওয়াযী এবং একদল ব্যক্তি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: হাফস ইবনে আমর ইবনে রাবাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি বিভ্রান্ত প্রবৃত্তিপূজারী দলগুলোর বিরুদ্ধে তলোয়ার ধরার পক্ষপাতী ছিলাম না, তবে জাহমিয়াদের ব্যতীত; কারণ তারা অত্যন্ত গর্হিত কথা বলে।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٩)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْآدَمِيُّ، نا الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ، نا أَبُو طَالُوتَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قُلْتُ: " مَنْ صَلَّى خَلْفَ جَهْمِيٍّ سَنَةً يُعِيدُ الصَّلَاةَ؟ قَالَ: نَعَمْ، يُعِيدُ سَنَةً سَنَةً وَسَنَتَيْنِ، كُلَّمَا صَلَّى خَلْفَهُ يُعِيدُ "
২০ - আমাদের নিকট আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-আদমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-ফাদল ইবন যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু তালুত বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, "যে ব্যক্তি এক বছর ধরে কোনো জহমীর পেছনে সালাত আদায় করেছে, সে কি সালাত পুনরায় আদায় করবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, সে এক বছর কিংবা দুই বছর—যতদিন তার পেছনে সালাত আদায় করেছে, তার সবটুকুই পুনরায় আদায় করবে।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٩)
وَقَالَ أَيْضًا: «لَا يُصَلَّى خَلْفَ الْجَهْمِيِّ، إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْجُمُعَةُ، فَإِذَا صَلَّيْتَ الْجُمُعَةَ خَلْفَهُ فَأَعِدِ الصَّلَاةَ»
এবং তিনি আরও বলেছেন: “জাহমীর পেছনে সালাত আদায় করা যাবে না, তবে তা জুমুআর সালাত হলে ভিন্ন কথা। সুতরাং তুমি যদি তার পেছনে জুমুআর সালাত আদায় করো, তবে সেই সালাত পুনরায় আদায় করে নিও।”
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٢٩)
21 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا الْفَضْلُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، وَقِيلَ لَهُ: تَقُولُ الرُّؤْيَةَ؟ قَالَ: «مَنْ لَمْ يَقُلْ بِالرُّؤْيَةِ، فَهُوَ جَهْمِيُّ»

 

22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ بُهْلُولٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ وَكِيعًا، يَقُولُ: مَنْ رَدَّ حَدِيثَ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الرُّؤْيَةِ، فَاحْسِبُوهُ مِنَ الْجَهْمِيَّةِ
21 - আহমদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফাদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, আর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আপনি কি (আল্লাহর) দর্শনের কথা বলেন? তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি দর্শনের কথা বলে না, সে একজন জাহমি।»

 

22 - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইসহাক ইবনে বুহলুলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ওয়াকী‘কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: যে ব্যক্তি ইসমাঈল থেকে, তিনি কায়েস থেকে, তিনি জারীর থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (আল্লাহর) দর্শনের বিষয়ে বর্ণিত হাদীসটি প্রত্যাখ্যান করে, তাকে তোমরা জাহমিদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করো।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣٠)
23 - سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاهِينَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ عَرَفَةَ، حِينَ حَدَّثَنَا بِحَدِيثِ الرُّؤْيَةِ، قَالَ: سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، حِينَ حَدَّثَنَا بِهَذَا الْحَدِيثِ، يَقُولُ: مَنْ كَذَّبَ بِهَذَا الْحَدِيثِ، فَهُوَ بَرِيءٌ مِنَ اللَّهِ، وَاللَّهُ بَرِيءٌ مِنْهُ "

 

24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُعْفِيُّ: سَمِعْتُ حُسَيْنًا الْجُعْفِيَّ، حِينَ حَدَّثَ بِحَدِيثِ الرُّؤْيَةِ، يَقُولُ: عَلَى رَغْمِ أَنْفِ بِشْرٍ الْمَرِيسِيِّ
23 - আমি মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন শাহীনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাসান ইবন আরাফাহকে বলতে শুনেছি যখন তিনি আমাদের নিকট (আল্লাহকে) দেখার হাদিস বর্ণনা করছিলেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াযিদ ইবন হারুনকে এই হাদিস বর্ণনা করার সময় বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি এই হাদিসকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, সে আল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং আল্লাহও তার থেকে বিচ্ছিন্ন।

 

24 - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন উমর আল-জু'ফী বলেছেন: আমি হুসাইন আল-জু'ফীকে (আল্লাহকে) দেখার হাদিস বর্ণনা করার সময় বলতে শুনেছি: বিশর আল-মারিসীর নাসিকা ধূলিলুণ্ঠিত হোক।
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣٠)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ الْقَطِيعِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ نُعَيْمَ بْنَ حَمَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ، قَالَ ⦗ص: 31⦘: " مَا حَجَبَ اللَّهُ أَحَدًا عَنْهُ إِلَّا عَذَّبَهُ. ثُمَّ قَرَأَ: {كَلَّا إِنَّهُمْ عَنْ رَبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَمَحْجَوبُونَ، ثُمَّ إِنَّهُمْ لَصَالُو الْجَحِيمِ، ثُمَّ يُقَالَ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ} [المطففين: 16] قَالَ: بِالرُّؤْيَةِ "
২৫ - আহমাদ বিন ইউনুস আল-কাতিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব বিন ইসহাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নুয়াইম বিন হাম্মাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘: "আল্লাহ যাকে তাঁর দিক থেকে পর্দার অন্তরালে রাখেন তাকেই তিনি শাস্তি প্রদান করেন। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {কখনোই না, নিশ্চয়ই সেদিন তারা তাদের প্রতিপালকের দর্শন থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে। অতঃপর তারা অবশ্যই জাহান্নামে দগ্ধ হবে। এরপর বলা হবে, এটিই সেই বিষয় যা তোমরা অস্বীকার করতে} [আল-মুতাফফিফীন: ১৬]। তিনি বললেন: (অর্থাৎ) দর্শন করাকে।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣١)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ جَهُورٍ الطَّرَسُوسِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا خَيْثَمَةَ، يَعْنِي مُصْعَبَ بْنَ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ، يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ»
২৬ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াযীদ ইবনে জাহুর আত-তারসুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু খাইসামাহ—অর্থাৎ মুসআব ইবনে সাঈদ—কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «জাহমিয়্যাহরা কাফির»
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣١)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ جَهُورٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو خَيْثَمَةَ،: وَسَمِعْتُ ابْنَ أَعْيَنَ يَعْنِي مُوسَى، يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ زَنَادِقَةٌ»
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে জাহুর, তিনি বলেন: আবু খাইসামা বলেছেন: আমি ইবনুল আয়ানকে অর্থাৎ মূসাকে বলতে শুনেছি: "জাহমিয়্যারা কাফির ও যিনদীক।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣١)
قَالَ أَحْمَدُ، قَالَ يَزِيدُ، قَالَ أَبُو خَيْثَمَةَ، «وَمَنْ شَكَّ فِي كُفْرِ الْجَهْمِيَّةِ، فَهُوَ كَافِرٌ»
আহমদ বলেছেন, ইয়াজিদ বলেছেন, আবু খায়সামা বলেছেন, "এবং যে ব্যক্তি জাহমিয়াদের কুফরির বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করে, সে কাফির।"
(খণ্ড: ১) শারহু মাযাহিব আহলিস সুন্নাহ লি-ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ٣١)
28 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ السُّلَمِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ عَمَّنْ قَالَ: الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ ⦗ص: 32⦘، فَقَالَ: " الْقُرْآنُ مِنْ عِلْمِ اللَّهِ، وَعِلْمُ اللَّهِ غَيْرُ مَخْلُوقٍ، فَمَنْ قَالَ: مَخْلُوقٌ، فَهُوَ كَافِرٌ. قَالُوا: فَفِيهِ الَّذِي يُبْصِرُ الْقُرْآنَ وَيَعْرِفُ، هُوَ جَهْمِيُّ، وَالَّذِي لَا يُبْصِرُ وَلَا يَعْرِفُ يُبَصَّرُ. قَالَ: وَسَأَلْتُهُ عَمَّنْ قَالَ: لَفْظِي بِالْقُرْآنِ مَخْلُوقٌ؟ وَلَمْ يَكُنْ حَدَّثَ يَوْمَئِذٍ لَفْظِي بِالْقُرْآنِ. فَقَالَ: وَأَخْرَجَ يَدَهُ كَنَارَيْ كَرِكٍ، فَقَالَ: اللَّفْظِيَّةُ جَهْمِيَّةٌ، جَهْمِيَّةٌ "
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আস-সুলামী, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবন হাম্বলকে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে বলে: কুরআন সৃষ্টি ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘, অতঃপর তিনি বললেন: "কুরআন আল্লাহর ইলম (জ্ঞান) হতে এসেছে, আর আল্লাহর ইলম সৃষ্টি নয়। সুতরাং যে ব্যক্তি বলে এটি সৃষ্টি, সে কাফির।" তারা বলল: তবে তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে অবগত এবং সত্য জানে, সে জাহমি; আর যে অবগত নয় এবং জানে না, তাকে সত্য জানানো হবে। তিনি বলেন: আমি তাকে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে বলে: "কুরআন পাঠে আমার উচ্চারণ সৃষ্টি"? তখন পর্যন্ত তিনি কুরআনের উচ্চারণ বিষয়ে কোনো কিছু বর্ণনা করেননি। অতঃপর তিনি—তাঁর হাত আগুনের শিখার ন্যায় বের করে—বললেন: "লাফজিয়্যাহরা হলো জাহমি, জাহমি।"