(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: -)
رياضة الأبدان لأبي نعيم الأصبهاني   (أبو نعيم الأصبهاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: رياضة الأبدان

المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430هـ)

تحقيق: محمود محمد الحداد

الناشر: دار العاصمة - الرياض

الطبعة: الأولى، 1408 هـ

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 67

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু নুআইম আল-আসফাহানির শারীরিক কসরত   (আবু নুআইম আল-আসফাহানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: শারীরিক কসরত

লেখক: আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মেহরান আল-আসফাহানি (মৃ. ৪৩০ হিজরি)

তাহকিক: মাহমুদ মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ

প্রকাশক: দারুল আসিমা - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৮ হিজরি

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৭

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ১৫)
1 - نا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، قَالَ: نا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ أُمَّ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، مَاتَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَتَرَكَ ابْنَهُ سَمُرَةَ، وَكَانَتِ امْرَأَةً جَمِيلَةً، فَقَدِمَتِ الْمَدِينَةَ فَخُطِبَتْ، فَكَانَتْ تَقُولُ: لَا أَتَزَوَّجُ إِلَّا رَجُلًا يَكْفُلُ بِنَفَقَةِ ابْنِهَا سَمُرَةَ حَتَّى يَبْلُغَ، فَتَزَوَّجَهَا رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ عَلَى ذَلِكَ، قَالَ: فَكَانَتْ مَعَهُ فِي الدَّارِ، وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعْرِضُ غِلْمَانَ الْأَنْصَارِ فِي كُلِّ عَامٍ مَنْ بَلَغَ مِنْهُمْ بَعَثَهُ، قَالَ: فَعَرَضَهُمْ ذَاتَ عَامٍ، فَمَرَّ بِهِ غُلَامٌ فَأَجَازَهُ فِي الْبَعْثِ، وَعُرِضَ عَلَيْهِ سَمُرَةُ مِنْ بَعْدِهِ فَرَدَّهُ، قَالَ سَمُرَةُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَجَزْتَ غُلَامًا وَرَدَدْتَنِي، وَلَوْ صَارَعَنِي لَصَرَعْتُهُ، قَالَ: ‌‌«فَدُونَكَ فَصَارِعْهُ» . قَالَ: فَصَارَعْتُهُ فَصَرَعْتُهُ، فَأَجَازَنِي فِي الْبَعْثِ
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ আন-নাইসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ বিন জাফর, তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত যে, সামুরা বিন জুনদুবের মা—তাঁর স্বামী ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর পুত্র সামুরাকে রেখে যান। তিনি একজন সুন্দরী নারী ছিলেন। তিনি মদিনায় আসার পর তাঁর নিকট বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। তখন তিনি বলতেন: "আমি এমন ব্যক্তি ব্যতীত কাউকে বিয়ে করব না, যে আমার পুত্র সামুরার প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।" অতঃপর আনসারদের জনৈক ব্যক্তি এই শর্তেই তাঁকে বিবাহ করেন। বর্ণনাকারী বলেন: সামুরা তাঁর সাথেই সেই গৃহে অবস্থান করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বছর আনসারদের কিশোরদের পর্যবেক্ষণ করতেন; তাদের মধ্যে যারা প্রাপ্তবয়স্ক হতো, তাদের তিনি অভিযানে পাঠাতেন। বর্ণনাকারী বলেন: এক বছর তিনি তাদের পর্যবেক্ষণ করলেন, তখন এক কিশোর তাঁর নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি তাকে অভিযানে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। এরপর সামুরাকে তাঁর সামনে পেশ করা হলে তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। সামুরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসুল! আপনি একজন কিশোরকে অনুমতি দিলেন আর আমাকে ফিরিয়ে দিলেন, অথচ সে যদি আমার সাথে কুস্তি লড়ত তবে আমি তাকে আছাড় দিতাম।" তিনি বললেন: "তবে এসো, তার সাথে কুস্তি লড়ো।" সামুরা বলেন: অতঃপর আমি তার সাথে কুস্তি লড়লাম এবং তাকে আছাড় দিলাম। ফলে তিনি আমাকেও অভিযানে যাওয়ার অনুমতি দিলেন।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ১৭)
2 - نا الْقَاضِي أَبُو أَحْمَدَ الْعَسَّالُ، نا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ الْجَصَّاصُ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الزِّيَادِيُّ، قَالَ: نا سَعِيدُ بْنُ أَوْسٍ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: نا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ، عَنِ النَّزَّالِ بْنِ عَمَّارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لِيُصَارِعَهُ فَقَالَ: ‌‌«قُمْ يَا مُعَاوِيَةُ، فَصَارِعْهُ» . فَقَامَ مُعَاوِيَةُ فَصَارَعَهُ فَصَرَعَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَمَا عَلِمْتُمْ أَنَّ مُعَاوِيَةَ لَا يُصَارِعُ أَحَدًا إِلَّا صَرَعَهُ مُعَاوِيَةُ» وَيُقَالُ لِلْمَرْءِ مِنْهُ: الصُّرَعَةُ
2 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাদী আবু আহমদ আল-আসসাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন সাঈদ আল-জাসসাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুয়াবিয়া আল-জিয়াদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আওস আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান বিন হুদাইর, আল-নাজ্জাল বিন আম্মার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর সাথে কুস্তি লড়ার জন্য আসল। তখন তিনি বললেন: ‌‌«হে মুয়াবিয়া, ওঠো এবং তার সাথে কুস্তি লড়ো»। অতঃপর মুয়াবিয়া দাঁড়ালেন এবং তার সাথে কুস্তি লড়লেন ও তাকে ধরাশায়ী করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা কি জানতে না যে, মুয়াবিয়া যার সাথেই কুস্তি লড়ে, মুয়াবিয়া তাকেই ধরাশায়ী করে দেয়?» আর এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা থেকে বলা হয়: আস-সুরাআহ (প্রবল কুস্তিগীর)।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ১৮)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَسَّانَ، قَالَ: نا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي حَسَّانَ، نا دُحَيْمٌ، نا أَبُو مُسْهِرٍ، نا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ صُبَيْحٍ، نا سَلَّامُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُصْرَعُ صَرْعَةً إِلَّا بَعَثَهُ اللَّهُ مِنْهَا طَاهِرًا»
৩ - আবু মুহাম্মদ বিন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন আবু হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুশহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন ইয়াজিদ বিন সাবিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাল্লাম বিন আব্দুল্লাহ আল-মুহারিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমামাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «এমন কোনো মুসলিম নেই যে আছাড় খেয়ে পড়ে যায়, অথচ আল্লাহ তাকে তা থেকে পবিত্র অবস্থায় পুনরুত্থিত করেন না»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ১৯)
4 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، أنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، نا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَزَارِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ: أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ، أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ، فَقَالَ لِأَصْحَابِهِ: «تَقَدَّمُوا» ، فَتَقَدَّمُوا، فَقَالَ لِي: ‌‌«تَعَالَيْ أُسَابِقْكِ» ، فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقْتُهُ. فَلَمَّا كَانَ بَعْدُ، خَرَجْتُ مَعَهُ فِي سَفَرٍ، فَقَالَ لِأَصْحَابِهِ: «تَقَدَّمُوا» ، فَتَقَدَّمُوا، فَقَالَ: «تَعَالَيْ أُسَابِقْكِ» ، وَنَسِيتُ الَّذِي كَانَ وَقَدْ حَمَلْتُ اللَّحْمَ، فَقُلْتُ: وَكَيْفَ أُسَابِقُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَأَنَا عَلَى هَذِهِ الْحَالَةِ؟ قَالَ: «لَتَفْعَلِنَّ» ، فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقَنِي وَقَالَ: «هَذِهِ بِتِلْكَ السَّبْقَةِ»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন হামদান, আমাদের জানিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফইয়ান, আমাদের জানিয়েছেন আল-মুসাইয়্যাব বিন ওয়াদিহ, আমাদের জানিয়েছেন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ আল-ফাযারি, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্ণিত, আমাকে আবু সালামাহ অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এক সফরে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলেন। তখন তিনি তাঁর সাহাবীদের বললেন: «তোমরা এগিয়ে যাও», অতঃপর তারা এগিয়ে গেলেন। এরপর তিনি আমাকে বললেন: «এসো, আমি তোমার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করি», অতঃপর আমি তাঁর সাথে প্রতিযোগিতা করলাম এবং আমি তাঁর আগে চলে গেলাম। পরবর্তীকালে আমি পুনরায় তাঁর সাথে এক সফরে বের হলাম, তখন তিনি তাঁর সাহাবীদের বললেন: «তোমরা এগিয়ে যাও», ফলে তারা এগিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেন: «এসো, আমি তোমার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করি»; আমি পূর্বের ঘটনা ভুলে গিয়েছিলাম এবং ততদিনে আমার মেদ বেড়ে গিয়েছিল (অর্থাৎ আমি স্থূলকায় হয়ে গিয়েছিলাম)। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! এই অবস্থায় আমি কীভাবে আপনার সাথে প্রতিযোগিতা করব? তিনি বললেন: «তোমাকে অবশ্যই করতে হবে», অতঃপর আমি তাঁর সাথে প্রতিযোগিতা করলাম এবং তিনি আমার আগে চলে গেলেন। এরপর তিনি বললেন: «এই জয়টি পূর্বের সেই জয়ের বদলে (অর্থাৎ আমরা এখন সমান সমান হলাম)»।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ২০)
5 - نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ، نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: نا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: مَرَّ ابْنُ عَبَّاسٍ بَعْدَمَا ذَهَبَ بَصَرُهُ بِقَوْمٍ يَجُرُّونَ حَجَرًا فَقَالَ: «مَا شَأْنُهُمْ؟» قَالَ: يَرْفَعُونَ حَجَرًا يَنْظُرُونَ أَيُّهُمْ أَقْوَى، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: ‌‌«عُمَّالُ اللَّهِ أَقْوَى مِنْ هَؤُلَاءِ»
৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতায়বা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবিস সারি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মা’মার, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার পর এমন একদল লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা একটি পাথর টেনে নিচ্ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তাদের কী হয়েছে?" বলা হলো: তারা পাথর তুলছে এটা দেখার জন্য যে তাদের মধ্যে কে বেশি শক্তিশালী। তখন ইবনে আব্বাস বললেন: "আল্লাহর কর্মীরা এদের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।"
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ২২)
6 - نا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ، نا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، نا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، نا أَبِي، عَنْ خُزَاعِيِّ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا تَخْذِفُوا فَإِنَّهُ لَا يُصَادُ بِهِ الصَّيْدُ، وَلَا يُنْكَى بِهِ الْعَدُوُّ؛ وَلَكِنَّهُ يَفْقَأُ الْعَيْنَ وَيَكْسِرُ السِّنَّ»
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন খাল্লাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন আবি উসামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আল-হাইসাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, খুজায়ি বিন জিয়াদ থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবদুল্লাহ বিন মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা পাথর ছুড়ো না, কারণ এর দ্বারা শিকার করা যায় না এবং শত্রুকে আহত করা যায় না; বরং এটি চোখ উপড়ে ফেলে এবং দাঁত ভেঙে দেয়»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ২৩)
7 - نا مَخْلَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: نا دَاوُدُ بْنُ مُعَاذٍ، نا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ رَجُلٍ رَمَى رَجُلًا بِالْفِسْقِ أَوِ الْكُفْرِ إِلَّا حَارَ عَلَيْهِ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মখলাদ বিন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন মুআয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস বিন সাঈদ, হুসাইন আল-মুআল্লিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন বুরায়দাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন ইয়ামুর থেকে, তিনি আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি আবু যর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে পাপাচার বা কুফরির অপবাদ দেয়, তবে তা তার নিজের ওপরই ফিরে আসে (যদি সে ব্যক্তি তেমন না হয়)»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ২৫)
8 - نا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، نا عُبَيْدُ بْنُ غَنَّامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، نا أَبُو سَلَّامٍ الدِّمَشْقِيُّ، عَنْ خَالِدِ بْنِ زَيْدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ: مَرَّ بِي عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ فَقَالَ: أُخْبِرُكُ مَا، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ لَيْسَ هُوَ إِلَّا ثَلَاثٌ: تَأْدِيبُ الرَّجُلِ فَرَسَهُ، وَرَمْيُهُ بِقَوْسِهِ وَنَبْلِهِ، وَمُلَاعَبَتُهُ أَهْلَهُ، وَمَنْ تَرَكَ الرَّمْيَ بَعْدَمَا عَلِمَهُ رَغْبَةً عَنْهُ فَإِنَّهَا نِعْمَةٌ تَرَكَهَا " أَوْ قَالَ: «كَفَرَ بِهَا»
৮ - আমাদের নিকট আবু বকর আত-তালহি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদ ইবনে গান্নাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ঈসা ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবির থেকে, আমাদের নিকট আবু সাল্লাম আদ-দিমাশকি বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে যাইদ আল-জুহানি থেকে, তিনি বলেন: উকবাহ ইবনে আমির আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন? তিনি বলেছেন: "‌‌বিনোদন কেবল তিনটি বিষয়: ব্যক্তির তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, তার ধনুক ও তীর দিয়ে লক্ষ্যভেদ করা এবং তার স্ত্রীর সাথে আমোদ-প্রমোদ করা। আর যে ব্যক্তি তীর চালনা শেখার পর তা থেকে বিমুখ হয়ে তা ছেড়ে দিল, তবে তা একটি নেয়ামত যা সে বর্জন করল" অথবা তিনি বলেছেন: "সে তার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল।"
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
9 - نا الْحَسَنُ بْنُ عَلَّانَ، نا ابْنُ نَاجِيَةَ، قَالَ: نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يُونُسَ الرَّقِّيُّ، قَالَ: نا مُصْعَبُ بْنُ سَعِيدٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مِحْصَنٍ الْأَسَدِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ تَرَكَ الرَّمْيَ بَعْدَمَا عَلِمَهُ كَانَتْ نِعْمَةً أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَتَرَكَهَا»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আল্লান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু নাজিয়াহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ইউনুস আর-রাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব বিন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন মিহসান আল-আসাদি, তিনি ইব্রাহিম বিন আবি আবলাহ থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনু উমার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তীর নিক্ষেপ শিক্ষা করার পর তা ত্যাগ করল, তবে তা ছিল একটি নিয়ামত যা আল্লাহ তাকে দান করেছিলেন, অতঃপর সে তা বর্জন করল।»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৪০)
10 - نا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، قَالَ: نا سَعْدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: نا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ وَضَعَ رِدَاءَهُ وَمَشَى بَيْنَ الْهَدَفَيْنِ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ عِتْقُ رَقَبَةٍ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ বিন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী বিন হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন গালিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদ বিন আব্দুল হামিদ বিন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন সাঈদ, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আলী বিন যায়েদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার চাদর সরিয়ে রাখল এবং দুই লক্ষ্যের (তীর নিক্ষেপের লক্ষ্যবস্তু) মাঝে পদচারণা করল, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি করে দাস মুক্ত করার সওয়াব হবে।»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৪১)
11 - نا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، فِي مُعْجَمِهِ، نا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الثَّقَفِيُّ، بِمِصْرَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِقَوْمٍ يَرْمُونَ وَهُمْ يَحْلِفُونَ: أَخْطَأْتَ وَاللَّهِ، أَصَبْتَ وَاللَّهِ، فَلَمَّا رَأَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمْسَكُوا، فَقَالَ: ‌‌«ارْمُوا؛ فَإِنَّ أَيْمَانَ الرُّمَاةِ لَغْوٌ، لَا حِنْثَ فِيهَا وَلَا كَفَّارَةَ»
১১ - আমাদের নিকট সুলাইমান বিন আহমদ তাঁর মু'জাম গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মিশরে ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন আব্দুল আজিজ আস-সাকাফী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বিন উয়াইনা বর্ণনা করেছেন বাহয বিন হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা তীর নিক্ষেপ করছিল এবং তারা শপথ করছিল: আল্লাহর কসম, তুমি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছ; আল্লাহর কসম, তুমি সঠিক লক্ষ্যে আঘাত করেছ। তারা যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখল, তখন তারা থেমে গেল। তিনি বললেন: «তোমরা নিক্ষেপ করো; কারণ তীরন্দাজদের শপথগুলো অনর্থক, এতে কোনো শপথ ভঙ্গ নেই এবং কোনো কাফফারাও নেই»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৪২)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ الْعَبَّاسُ بْنُ حَمْدَانَ: نا أَحْمَدُ بْنُ أَزْدَاذٍ الْخَيَّاطُ، قَالَ: نا عَمْرُو بْنُ عَبْدِ الْغَفَّارِ، قَالَ: نا الْأَعْمَشُ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا تَشْهَدُ الْمَلَائِكَةُ مِنْ لَهْوِكُمْ هَذَا إِلَّا الرِّهَانَ وَالنِّضَالَ» كَذَا رَوَاهُ عَمْرٌو، عَنِ الْأَعْمَشِ، وَخَالَفَهُ ابْنُ عُلَاثَةَ فَقَالَ: عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَكِلَاهُمَا ضَعِيفَانِ

⦗ص: 47⦘

 

13 - نا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ الْغَنَوِيُّ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَفَّافُ، نا الْحَكَمُ بْنُ عَمْرٍو الْأَنْمَاطِيُّ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْقُرَشِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه: دَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ، فَإِذَا رَجُلٌ بِيَدِهِ قَوْسٌ فَارِسِيَّةٌ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
১২ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাস ইবনে হামদান বলেন: আহমাদ ইবনে আজদাদ আল-খাইয়াত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে আব্দুল গাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আমাশ মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«তোমাদের এই আমোদ-প্রমোদের মধ্যে ফেরেশতাগণ কেবল ঘোড়দৌড় এবং তীরন্দাজি ব্যতীত উপস্থিত হন না» আমর আল-আমাশ থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন, তবে ইবনে উলাসাহ তার বিরোধিতা করেছেন; তিনি খুসাইফ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তারা উভয়ই দুর্বল।

⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘

 

১৩ - আবু আহমাদ আবদুর রহমান ইবনে আল-হারিস আল-গানাউয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-খাফফাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম ইবনে আমর আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-কুরাশী সুফিয়ান সাওরী থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাদীরে খুমের দিনে আমাকে ডাকলেন, তখন সেখানে একজন লোক ছিল যার হাতে একটি পারস্যদেশীয় ধনুক ছিল, এরপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৫২)
14 - نا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، نا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: نا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ، قَالَ: تَفْسِيرُ قَوْلِهِ: «مَلْعُونٌ مَنْ يَحْمِلُهَا» : «يَعْنِي‌‌ مَنِ انْتَصَرَ بِهَا مِنْ أَهْلِ فَارِسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ»
১৪ - আমাদের নিকট আবু আমর বিন হামদান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হাসান বিন সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন হুজর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আইয়্যাশ আতা আল-খুরাসানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তাঁর এই বাণীর ব্যাখ্যা: "অভিশপ্ত সেই ব্যক্তি যে একে বহন করে": "অর্থাৎ পারস্যবাসীদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি এর মাধ্যমে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের চেষ্টা করে।"
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৫৩)
15 - نا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: نا إِسْحَاقُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ خِفْتَانَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي سَعْدٍ: «اللَّهُمَّ‌‌ سَدِّدْ رَمْيَتَهُ، وَأَجِبْ دَعْوَتَهُ، وَحَبِّبْهُ»
১৫ - মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হুবাইশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে সালামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রাহিম আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আল-হাকাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খিফতান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আবি যায়িদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন বায়ানের সূত্রে, তিনি কাইসের সূত্রে, আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সা’দ সম্পর্কে বলতে শুনেছি: «হে আল্লাহ! আপনি তার লক্ষ্যবস্তুকে সঠিক করুন, তার দোয়া কবুল করুন এবং তাকে প্রিয়পাত্র করুন।»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৫৮)
16 - نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ إِسْحَاقَ الْجَابِرِيُّ الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: نا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: نا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعْدًا، يَقُولُ: إِنِّي‌‌ لَأَوَّلُ الْعَرَبِ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَاللَّهِ إِنْ كُنَّا لَنَغْزُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَنَا طَعَامٌ إِلَّا وَرِقُ الْحُبْلَةِ وَهَذَا السَّمُرُ حَتَّى إِنَّ أَحَدَنَا لَيَضَعُ كَمَا تَضَعُ الشَّاةُ مَا لَهُ خَلْطٌ، ثُمَّ أَصْبَحَتْ بَنُو أَسَدٍ تُعَيِّرُنِي، لَقَدْ خِبْتُ إِذَا وَضَلَّ عَمَلِي وَرَوَاهُ شُعْبَةُ، وَالنَّاسُ عَنْ إِسْمَاعِيلَ مِثْلَهُ
১৬ - আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে ইসহাক আল-জাবিরি আল-মাউসিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবনে আউন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ আমাদের নিকট কায়েস ইবনে আবি হাজিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাদকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই আমি‌ই প্রথম আরব যে আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেছে। আল্লাহর কসম, আমরা যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে যুদ্ধ করতাম তখন আমাদের কোনো খাদ্য ছিল না হুবলা গাছের পাতা এবং এই সামুর গাছ ছাড়া, এমনকি আমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করত তখন তা ভেড়ার মলের মতো হতো যাতে কোনো মিশ্রণ থাকত না। অতঃপর বনু আসাদ আমাকে দোষারোপ করতে লাগল; যদি তাই হয় তবে তো আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এবং আমার আমল বিফলে গেছে। আর শুবা এবং অন্যান্যরা ইসমাইল থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬০)
17 - نا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: نا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرَوَيْهِ، قَالَ: نا غَسَّانُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي زَهْدَمٍ، عَنْ مُظَاهِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ عز وجل‌‌ يُدْخِلُ بِالسَّهْمِ الْوَاحِدِ ثَلَاثَةً الْجَنَّةَ: صَانِعُهُ مُحْتَسِبٌ لَهُ، وَالْمُعِينُ بِهِ، وَالرَّامِيَ بِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ "
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে যাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমরওয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন গাসসান ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে তাহমান, আবু যাহদাম থেকে, তিনি মুজাহির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী একটি তীরের বিনিময়ে তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করান: এর নির্মাতা যে সওয়াবের আশায় তা তৈরি করে, যে এটি দিয়ে সাহায্য করে এবং যে মহান আল্লাহর পথে তা নিক্ষেপ করে ও পরাক্রমশালী।"
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬১)
18 - نا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: نا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عَاصِمٍ، قَالَ: نا بَقِيَّةُ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَاسِجٍ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عُتْبَةَ بْنَ عَبْدٍ يَقُولُ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْقِتَالِ، فَرَمَى رَجُلٌ مِنَّا الْعَدُوَّ بِسَهْمٍ، قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ صَاحِبُ السَّهْمِ؟ فَقَدْ أَوْجَبَ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী ইবনুল সাওওয়াফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবু শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল জাব্বার বিন আসিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্বিয়্যাহ, তিনি আল-হাসান বিন আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুল্লাহ বিন নাসিজ আল-হাদরামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উতবাহ বিন আবদকে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের যুদ্ধের নির্দেশ দিলেন, অতঃপর আমাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি শত্রুর দিকে একটি তীর নিক্ষেপ করলেন। তিনি বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তীর নিক্ষেপকারী কে? সে (জান্নাত) ওয়াজিব করে নিয়েছে।»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬২)
19 - نا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«وَجَبَتْ مَحَبَّتِي لِمَنْ سَعَى بَيْنَ الْغَرَضَيْنِ بِقَوْسِي لَا بِقَوْسِ كِسْرَى؛ فَإِنَّ بِهَا يُؤَيِّدُ اللَّهُ لَكُمُ الدِّينَ، وَيُمَكِّنُ لَكُمْ فِي الْبِلَادِ»
১৯ - মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জুবাইর থেকে বর্ণিত, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার ভালোবাসা তাঁর জন্য অবধারিত হয়ে গেল, যে ব্যক্তি কিসরার ধনুক দিয়ে নয় বরং আমার ধনুক দিয়ে দুই লক্ষ্যের মাঝে দৌড়ঝাঁপ (তীর নিক্ষেপের অনুশীলন) করে; কেননা এর মাধ্যমেই আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীনকে শক্তিশালী করেন এবং তোমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশসমূহে»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬৩)
20 - نا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُبَيْشٍ، نا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى السِّمْسَارُ، نا كَثِيرُ بْنُ مَرْوَانَ، نا. . . بْنُ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ كَانَتْ عِنْدَهُ قَوْسٌ عَرَبِيَّةٌ مُعَلَّقَةٌ فِي بَيْتِهِ نُفِيَ عَنْهُ الْفَقْرُ» أَفَادَنِيهِ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَالَ: كَذَا كَانَ فِي أَصْلِ ابْنِ حُبَيْشٍ كَثِيرِ بْنِ مَرْوَانَ
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হুবাইশ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান বিন মুসা আস-সিমসার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসীর বিন মারওয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ... বিন সুফিয়ান, আবু হাজিম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যার ঘরে একটি আরবীয় ধনুক ঝুলানো থাকবে, তার থেকে দারিদ্র্য দূর করা হবে» এটি আমাকে অবহিত করেছেন আবু হাসান আদ-দারাকুতনি এবং তিনি বলেছেন: এভাবেই ইবনে হুবাইশ-এর মূল পাণ্ডুলিপিতে কাসীর বিন মারওয়ান (এর নাম) ছিল।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬৫)
21 - نا حَبِيبُ بْنُ الْحَارِثِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ بَطَّالٍ، نا ابْنُ السَّنْدِيِّ، نا يَعْلَى بْنُ الْأَشْدَقِ الْخَفَاجِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَرَادٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«الرَّمْيُ مِنَ الْفِطْرَةِ»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবীব ইবনুল হারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে বাত্তাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুস সিন্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা ইবনুল আশদাক আল-খাফাজি, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জারাদ থেকে, আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তীর নিক্ষেপ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত»
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬৬)
22 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ دَوَسْتَ، يَقُولُ: قَدِمَ قَوْمٌ إِلَى مَعْرُوفٍ فَأَطَالُوا الْجُلُوسَ، فَقَالَ: يَا قَوْمُ، إِنَّ‌‌ الْمَلَكَ دَائِمٌ لَا يَفْتُرُ عَنْ سَوْقِهَا
২২ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান দাওয়াসতকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: একদল লোক মারুফের নিকট আসল এবং দীর্ঘক্ষণ বসে থাকল। তখন তিনি বললেন: হে লোক সকল! নিশ্চয়ই‌‌ ফেরেশতা সদাতৎপর, তিনি একে চালনা করা হতে বিন্দুমাত্র ক্লান্ত হন না।
(খণ্ড: ১) রিয়াদাতুল আবদান লি আবী নুআইম আল-আসবাহানী (পৃষ্ঠা: ৬৭)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ رُسْتُمَ، قَالَ: نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَعْمَرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ثَابِتَ بْنَ الْهَيْثَمِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مَعْرُوفًا الْكَرْخِيَّ، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ فِي كُلِّ يَوْمٍ عَشْرَ مِرَارٍ: اللَّهُمَّ‌‌ أَصْلِحْ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ، اللَّهُمَّ فَرِّجْ عَنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ، اللَّهُمَّ ارْحَمْ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ، كُتِبَ مِنَ الْأَبْدَالِ "
২৩ - আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে রুস্তম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে মামার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাবিত ইবনুল হাইসামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মারুফ আল-কারখীকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি প্রতিদিন দশ বার বলবে: হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ-এর উম্মতকে সংশোধন করে দিন, হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ-এর উম্মতের দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিন, হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ-এর উম্মতের প্রতি রহম করুন; তাকে গণ্য করা হবে আবদালদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে।"