(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
ذم المسكر لابن أبي الدنيا (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
الكتاب: كتاب ذم المسكر
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المحقق: د. نجم عبد الرحمن خلف
الناشر: دار الراية - الرياض
عدد الصفحات: 82
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবিদ দুনিয়া কর্তৃক মাদকদ্রব্যের নিন্দা (ইবনে আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মাদকদ্রব্যের নিন্দা বিষয়ক গ্রন্থ
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
তাহকীক: ড. নাজম আবদুর রহমান খালাফ
প্রকাশক: দারুর রায়াহ - রিয়াদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮২
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
اجْتَنِبُوا أُمَّ الْخَبَائِثِ
তোমরা সকল পাপাচারের জননীকে বর্জন করো
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
أَخْبَرَنَا الْشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ بِشْرَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الثَّامِنِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ ذِي الْقعْدَةِ سَنَةَ إِحْدَى عَشْرَةَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْجَوْزِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْه فَأَقَرَّ بِهِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا قَالَ: 1 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ النُّمَيْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ ⦗ص: 50⦘: أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ، رضي الله عنه خَطِيبًا فَقَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " اجْتَنِبُوا أُمَّ الْخَبَائِثِ فَإِنَّهُ كَانَ رَجُلٌ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ يَتَعَبَّدُ وَيَعْتَزِلُ النَّاسَ فَعَلِقَتْهُ امْرَأَةٌ غَاوِيَةٌ فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ خَادِمَهَا فَقَالَتْ: إِنَّا نَدْعُوكَ لِشَهَادَةٍ فَدَخَلَ فَطَفِقَتْ كُلَّمَا دَخَلَ بَابًا أَغْلَقَتْهُ دُونَهُ حَتَّى أَفْضَى إِلَى امْرَأَةٍ وَضِيئَةٍ وَعِنْدَهَا غُلَامٌ وَبَاطِيَةٌ فِيهَا خَمْرٌ فَقَالَتْ: إِنَّا لَمْ نَدْعُكَ لِشَهَادَةٍ وَلَكِنْ دَعَوْتُكَ لِتَقْتُلَ هَذَا الْغُلَامَ أَوْ تَقَعَ عَلَيَّ أَوْ تَشْرَبَ كَأْسًا مِنْ هَذَا الْخَمْرِ فَإِنْ أَبَيْتَ صِحْتُ وَفَضَحْتُكَ فَلَمَّا رَأَى أَنَّهُ لَا بُدَّ لَهُ مِنْ ذَلِكَ قَالَ: اسْقِنِي كَأْسًا مِنْ هَذَا الْخَمْرِ فَسَقَتْهُ كَأْسًا مِنَ الْخَمْرَةِ قَالَ: زِيدِينِي فَلَمْ يَرِمْ حَتَّى وَقَعَ عَلَيْهَا وَقَتَلَ النَّفْسَ ، فَاجْتَنِبُوا الْخَمْرَ فَإِنَّهُ وَاللَّهِ لَا يَجْتَمِعُ الْإِيمَانُ وَإِدْمَانُ الْخَمْرِ فِي صَدْرِ رَجُلٍ أَبَدًا لَيُوشِكَنَّ أَحَدُهُمَا أَنْ يُخْرِجَ صَاحِبَهُ "
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান, তার নিকট ৪১১ হিজরী সনের যিলকদ মাসের আটাশ তারিখ জুমুআর দিনে পঠিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-জাওযী, তার নিকট পঠিত হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনইয়া, তিনি বলেন:
১ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বাযী আল-বাসরী আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফুযায়েল ইবনে সুলাইমান আন-নুমাইরী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘: আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তার পিতা আব্দুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আমি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে খুতবা প্রদানকালে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমরা সকল পাপাচারের মূল (মদ) পরিহার করো। কারণ তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল যে ইবাদত করত এবং মানুষের থেকে নির্জনে থাকত। এক পথভ্রষ্ট নারী তার প্রতি আসক্ত হলো এবং তার নিকট নিজের খাদেমকে পাঠিয়ে বলল: আমরা আপনাকে একটি সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকছি। অতঃপর সে প্রবেশ করল এবং সে যখনই একটি দরজা দিয়ে প্রবেশ করছিল, নারীটি তার পিছনে সেই দরজা বন্ধ করে দিচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত সে একজন সুন্দরী নারীর নিকট পৌঁছাল যার কাছে একটি বালক এবং মদের একটি বড় পাত্র ছিল। নারীটি বলল: আমরা আপনাকে সাক্ষ্যের জন্য ডাকিনি, বরং আমি আপনাকে ডেকেছি যাতে আপনি এই বালকটিকে হত্যা করেন অথবা আমার সাথে লিপ্ত হন অথবা এই পাত্র থেকে মদ পান করেন। আর যদি আপনি অস্বীকার করেন তবে আমি চিৎকার করব এবং আপনাকে অপমানিত করব। যখন সে দেখল যে এছাড়া তার আর কোনো উপায় নেই, তখন সে বলল: আমাকে এই মদের এক পেয়ালা পান করাও। সে তাকে এক পেয়ালা মদ পান করাল। সে বলল: আমাকে আরও দাও। অতঃপর সে মদ পান করতেই থাকল যতক্ষণ না সে নারীটির সাথে লিপ্ত হলো এবং সেই মানুষটিকে হত্যা করল। অতএব তোমরা মদ পরিহার করো, কেননা আল্লাহর কসম! কোনো ব্যক্তির অন্তরে ঈমান এবং মদ্যপানের আসক্তি কখনোই একত্রে জমা হতে পারে না, অবশ্যই শীঘ্রই তাদের একটি অপরটিকে বের করে দেবে।"
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
الْخَمْرُ مَجْمَعُ الْخَبَائِثِ
মদ সকল পাপাচারের সমষ্টি
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
أخبرنا أحمد، 2 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ، رضي الله عنه يَقُولُ: الْخَمْرُ مَجْمَعُ الْخَبَائِثِ ثُمَّ أَنْشَأَ يُحَدِّثُ عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ قَالَ: إِنَّ رَجُلًا خُيِّرَ بَيْنَ أَنْ يَقْتُلَ صَبِيًّا أَوْ يَمْحُوَ كِتَابًا أَوْ يَشْرَبَ خَمْرًا فَاخْتَارَ أَنْ يَشْرَبَ الْخَمْرَ وَرَأَى أَنَّهَا أَهَوَنَهُنَّ فَشَرِبَهَا فَمَا هُوَ إِلَّا أَنْ شَرِبَهَا حَتَّى صَنَعَهُنَّ جَمِيعًا
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, ২ - আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-আসাদি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম বিন সাদ, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি: মদ হলো সকল অপকর্মের সমষ্টি। অতঃপর তিনি বনী ইসরাঈল সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুরু করলেন এবং বললেন: এক ব্যক্তিকে একটি শিশুকে হত্যা করা অথবা কোনো কিতাব মুছে ফেলা অথবা মদ পান করার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সে মদ পান করাকেই বেছে নিল এবং মনে করল যে এটিই তাদের মধ্যে সবচেয়ে সহজ কাজ। কিন্তু সে যখনই মদ পান করল, তখনই সে সেই সবগুলো অপরাধই করে ফেলল।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
إِيَّاكُمْ وَالْخَمْرَ
তোমরা মদ থেকে সাবধান থাকো
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
أخبرنا أحمد،⦗ص: 51⦘ 3 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يُونُسَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ جَعْدَةَ، قَالَ: قَالَ عُثْمَانُ: إِيَّاكُمْ وَالْخَمْرَ فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ أُتِيَ رَجُلٌ فَقِيلَ لَهُ: إِمَّا أَنْ تُحْرِقَ هَذَا الْكِتَابَ وَإِمَّا أَنْ تَقْتُلَ هَذَا الصَّبِيَّ وَإِمَّا أَنْ تَسْجُدَ لِهَذَا الصَّلِيبِ وَإِمَّا أَنْ تَفْجُرَ بِهَذِهِ الْمَرْأَةِ وَإِمَّا أَنْ تَشْرَبَ هَذِهِ الْكَأْسَ فَلَمْ يَرَ شَيْئًا أَهْوَنَ عَلَيْهِ مِنْ شُرْبِ الْكَأْسِ فَشَرِبَ الْكَأْسَ فَفَجَرَ بِالْمَرْأَةِ وَقَتَلَ الصَّبِيَّ وَحَرَقَ الْكِتَابَ وَسَجَدَ لِلصَّلِيبِ فَهِيَ مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ
আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ ৩ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন ইউনুস এবং ইসহাক বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে দিনার থেকে, ইয়াহইয়া বিন জাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উসমান বলেছেন: তোমরা মদ থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা সকল অনিষ্টের চাবিকাঠি। এক ব্যক্তিকে আনা হলো এবং তাকে বলা হলো: হয় তুমি এই কিতাবটি জ্বালিয়ে দাও, নতুবা এই বালকটিকে হত্যা করো, অথবা এই ক্রুশকে সিজদা করো, কিংবা এই মহিলার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হও অথবা এই পানপাত্রটি পান করো। সে দেখল যে পানপাত্রটি পান করা তার জন্য অন্য সবকিছুর চেয়ে সহজ। অতঃপর সে পানপাত্রটি পান করল, আর (এর ফলে) সে মহিলার সাথে ব্যভিচার করল, বালকটিকে হত্যা করল, কিতাবটি জ্বালিয়ে দিল এবং ক্রুশকে সিজদা করল। সুতরাং এটিই সকল অনিষ্টের চাবিকাঠি।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫১)
الْخَمْرُ مِفْتَاحُ الْكَبَائِرِ
মদ কবিরা গুনাহসমূহের চাবিকাঠি
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، 4 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُشَمِيُّ، وَسُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ شَرِبَ شَرَابًا يَذْهَبُ بِعَقْلِهِ فَقَدْ أَتَى بَابًا مِنْ أَبْوَابِ الْكَبَائِرِ»
আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৪ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আল-জুশামি এবং সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুতামির ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট তাঁর পিতার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হানাশ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি এমন কোনো পানীয় পান করল যা তার বুদ্ধি লোপ করে দেয়, সে অবশ্যই কবিরা গুনাহসমূহের একটি দরজায় উপনীত হলো।»
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ،⦗ص: 52⦘ 5 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَنْ كَانَ مَحَرِّمًا مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَلْيُحَرِّمِ النَّبِيذَ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ,⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ ৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব ইবনে জারীর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, সালামাহ থেকে, তিনি আবু আল-হাকাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা হারাম করেছেন তা হারাম সাব্যস্ত করে, সে যেন নাবীযকেও হারাম সাব্যস্ত করে।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
6 - شِدَّةُ حُرْمَةِ الْخَمْرِ
৬ - মদ নিষিদ্ধ হওয়ার কঠোরতা
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ الْوُحَاظِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: لَأَنْ أَزْنِيَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَسْكَرَ وَلَأَنْ أَسْكَرَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُشْرِكَ لِأَنَّ السَّكْرَانَ تَأْتِي عَلَيْهِ سَاعَةٌ لَا يَعْرِفُ فِيهَا مَنْ رَبُّهُ
ইয়াহইয়া বিন সালিহ আল-উহাযি বলেন: আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি আমাদের নিকট আতা বিন আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "ব্যভিচার করা আমার নিকট নেশাগ্রস্ত হওয়ার চেয়ে অধিক পছন্দনীয় এবং নেশাগ্রস্ত হওয়া আমার নিকট শিরক করার চেয়ে অধিক পছন্দনীয়; কেননা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির ওপর এমন এক মুহূর্ত আসে যখন সে চেনে না তার রব কে।"
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
أخبرنا أحمد، 7 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: سَمِعْتُ شُعَيْبَ بْنَ حَرْبٍ، يَقُولُ: قَالَ تبارك وتعالى: لَأَنْ يَقْتُلَ عَبْدِي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ يَسْكَرَ؛ لِأَنَّهُ إِذَا سَكِرَ لَمْ يَعْرِفْنِي
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, ৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইব্রাহীম, তিনি বলেন: আমি শুআইব বিন হারবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেন: আমার বান্দার নিহত হওয়া আমার নিকট তার নেশাগ্রস্ত হওয়ার চেয়ে অধিক প্রিয়; কারণ সে যখন নেশাগ্রস্ত হয় তখন সে আমাকে চিনতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
الْخَمْرُ هِيَ الْخَمْرُ
মদ হলো মদই
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
أخبرنا أحمد،⦗ص: 53⦘ 8 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ أَوْسٍ، عَنْ بِلَالِ بْنِ يَحْيَى الْعَنْسِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ السِّمْطِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيَسْتَحِلَّنَّ آخِرُ أُمَّتِي الْخَمْرَ بِاسْمٍ يُسَمُّونَهَا إِيَّاهُ»
আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ ৮ - আবু বকর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু খাইসামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসাদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা'দ বিন আওস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বিলাল বিন ইয়াহইয়া আল-আনসি থেকে, তিনি আবু বকর বিন হাফস থেকে, তিনি ইবনে মুহাইরিজ থেকে, তিনি সাবিত বিন আস-সিমত থেকে, তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "অবশ্যই আমার উম্মতের শেষ ভাগের লোকেরা মদকে হালাল করে নেবে এমন এক নামে, যা তারা এর জন্য নামকরণ করবে।"
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
حُكْمُ الزَّبِيبِ
কিশমিশের বিধান
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
أخبرنا أحمد، 9 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو السَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ فَيْرُوزَ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا أَصْحَابُ أَعْنَابٍ وَكُرُومٍ وَقَدْ نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ فَمَاذَا نَصْنَعُ؟ قَالَ: «تَتَّخِذُونَهُ زَبِيبًا» قَالُوا: فَمَاذَا نَصْنَعُ بِالزَّبِيبِ؟ قَالَ: «تَنْقَعُونَهُ عَلَى غَدَائِكُمْ وَتَشْرَبُونَهُ عَلَى عَشَائِكُمْ، وَتَنْقَعُونَهُ عَلَى عَشَائِكُمْ وَتَشْرَبُونَهُ عَلَى غَدَائِكُمْ» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَفَلَا نَدَعُهُ حَتَّى يَشْتَدَّ؟ قَالَ: " فَلَا تَجْعَلُوهُ فِي الْقِلَالِ وَلَا فِي الدُّبَّاءِ وَاجْعَلُوهُ فِي الشِّنَانِ فَإِذَا تَأَخَّرَ عَنْ وَقْتِهِ صَارَ خَلًّا
আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৯ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইসাম ইবনে খারিযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ আল-হিমসি আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবি আমর আস-সাইবানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ফাইরুজ আদ-দাইলামি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আঙ্গুর ও দ্রাক্ষাকুঞ্জের অধিকারী, আর মদ হারাম হওয়ার বিধান অবতীর্ণ হয়েছে, এমতাবস্থায় আমরা কী করব? তিনি বললেন: "তোমরা তা কিশমিশ বানিয়ে নাও।" তারা বলল: কিশমিশ দিয়ে আমরা কী করব? তিনি বললেন: "তোমরা সকালে তা ভিজিয়ে রাখবে এবং রাতে তা পান করবে, আর রাতে তা ভিজিয়ে রাখবে এবং সকালে পান করবে।" তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি তা রেখে দেব না যতক্ষণ না তা কড়া হয়ে যায়? তিনি বললেন: "তোমরা তা বড় মটকা বা লাউয়ের খোলে রেখো না, বরং পুরোনো চামড়ার মশকে রেখো। কারণ, যখন তার সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন তা সিরকায় পরিণত হবে।"
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
الْخَمْرُ حَرَامٌ
মদ হারাম
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ،⦗ص: 54⦘ 10 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، وَحَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، كَذَا فِي كِتَابِ ابْنِ أَبِي الدُّنْيَا عَنْ زِرِّ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يُحَدِّثُ عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ مَرْوَانَ، عَنِ الدَّيْلَمِيِّ، قَالَ: وَفَدْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا نَصْنَعُ طَعَامًا وَشَرَابًا فَنُطْعِمُهُ بَنِي عَمِّنَا قَالَ: «هَلْ يُسْكِرُ؟» قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: «حَرَامٌ» قَالَ: فَلَمَّا كَانَ عِنْدَ تَوْدِيعِي لَهُ ذَكَرْت لَهُ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُمْ لَنْ يَصْبِرُوا عَنْهُ، قَالَ: «فَمَنْ لَمْ يَصْبِرْ عَنْهُ فَاضْرِبُوا عُنُقَهُ»
আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ ১০ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং হাইসাম ইবনে খারিজাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে হামযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে—ইবনে আবিদ দুনিয়ার কিতাবে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে—যির ইবনে হাকিম থেকে, কাসীর ইবনে মুররাহ থেকে যে, তিনি তাঁকে আব্দুল আযীয ইবনে মারওয়ানের নিকট বর্ণনা করতে শুনেছেন, আদ-দাইলামী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রতিনিধি হয়ে আসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিছু খাবার ও পানীয় তৈরি করি এবং তা আমাদের চাচাতো ভাইদের পান করাই। তিনি বললেন: «সেটি কি নেশাগ্রস্ত করে?» আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «তা হারাম।’ তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: যখন আমি তাঁকে বিদায় জানাচ্ছিলাম, তখন আমি তাঁর নিকট বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করলাম। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তারা তো তা থেকে বিরত থাকতে পারবে না। তিনি বললেন: «তবে যে ব্যক্তি তা থেকে বিরত থাকতে পারবে না, তোমরা তার ঘাড় দ্বিখণ্ডিত করো।’
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
شَارِبُ الْخَمْرِ لَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ
মদপানকারী আল্লাহর ওপর ঈমান রাখে না
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ،⦗ص: 55⦘ 11 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زُرَارَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عُمَارَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ، أَنَّهُ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَبِيذٍ يَنِشُّ قَالَ: «اضْرِبْ بِهَذَا الْحَائِطَ؛ فَإِنَّهُ لَا يَشْرَبُهُ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ»
আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ ১১ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যুরারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসিম ইবনে উমারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি মুসা হতে, তিনি আল-কাসিম ইবনে মুখাইমিরাহ হতে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন নাবীয নিয়ে আসলেন যা বুদবুদ করছিল। তিনি (নবী) বললেন: "এটি এই দেয়ালে ছুড়ে মারো; কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে এটি পান করে না।"
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
لَيْسَ فِي الْخَمْرِ شِفَاءٌ
মদে কোনো নিরাময় নেই
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
أخبرنا أحمد،⦗ص: 56⦘ 12 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زُرَارَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ مُخَارِقٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا انْتَبَذَتْ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّبِيذُ يَهْدِرُ قَالَ: «مَا هَذَا؟» قُلْتُ: فُلَانَةُ اشْتَكَتْ فَوُصِفَ لَهَا، قَالَتْ: فَدَفَعَهُ بِرِجْلِهِ فَكَسَرَهُ وَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَجْعَلْ فِي حَرَامٍ شِفَاءً»
আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ ১২ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যুরারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক আশ-শায়বানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসসান ইবনে মুখারিক থেকে, উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবীয (খেজুরের পানীয়) তৈরি করেছিলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন যখন নবীযটি গাঁজন হয়ে ফেনা তুলছিল। তিনি বললেন: «এটি কী?» আমি বললাম: অমুক নারী অসুস্থ হয়েছিলেন, তাই তাঁর জন্য এটি (চিকিৎসা হিসেবে) বাতলে দেওয়া হয়েছে। তিনি (উম্মে সালামাহ) বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটিকে তাঁর পা দিয়ে ঠেলে ভেঙে ফেললেন এবং বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ হারামের মধ্যে কোনো আরোগ্য রাখেননি।»
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
حُكْمُ النَّبِيذِ
নাবীযের বিধান
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
أخبرنا أحمد، 13 - حدثنا أبو بكر، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الْحُدَّانِيُّ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ حَزْنٍ، قَالَ: لَقِيتُ عَائِشَةَ فَسَأَلْتُهَا عَنِ النَّبِيذِ، فَقَالَتْ: قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلُوهُ عَنِ النَّبِيذِ فَنَهَاهُمْ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالنَّقِيرِ وَالْمُقَيَّرِ ثُمَّ دَعَتْ بِجَارِيَةٍ حَبَشِيَّةٍ فَقَالَتْ: سَلُوهَا فَإِنَّهَا كَانَتْ تَنْبِذُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: إِنِّي كُنْتُ أَنْتَبِذُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سِقَاءٍ مِنَ اللَّيْلِ وَأُوكِيهِ وَأُعَلِّقُهُ فَإِذَا أَصْبَحَ شَرِبَهُ
আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, ১৩ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আল-জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-কাসিম বিন আল-ফাদল আল-হুদ্দানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সুমামাহ বিন হাযন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আয়েশার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে নাবীয (খেজুর বা কিসমিস ভেজানো পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আব্দুল কাইস গোত্রের প্রতিনিধিদল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসল এবং তারা তাকে নাবীয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি তাদেরকে লাউয়ের খোল, সবুজ মাটির পাত্র, খেজুর গাছের খোদাই করা পাত্র এবং আলকাতরা মাখানো পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করলেন। অতঃপর তিনি (আয়েশা) একজন হাবশী দাসীকে ডাকলেন এবং বললেন: তোমরা একে জিজ্ঞাসা করো, কারণ সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য নাবীয তৈরি করত। সে বলল: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য রাতের বেলা একটি চামড়ার মশকে নাবীয তৈরি করতাম এবং সেটির মুখ বেঁধে লটকে রাখতাম, অতঃপর যখন সকাল হতো তিনি তা পান করতেন।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ
প্রত্যেক নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যই মদ
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ،⦗ص: 57⦘ 14 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رَفَعَهُ قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ وَمَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فَمَاتَ وَهُوَ يُدْمِنُهَا لَمْ يَتُبْ لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الْآخِرَةِ» أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، 15 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، قَالَا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.
আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ ১৪ - আবু বকর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-আসাদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আইয়ুব থেকে, নাফে থেকে, ইবনে উমর থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই মদ এবং প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম। আর যে ব্যক্তি মদ পান করল এবং এতে আসক্ত থাকা অবস্থায় তাওবা না করেই মারা গেল, সে আখেরাতে তা পান করতে পারবে না»। আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ১৫ - আবু বকর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জামিল এবং হাসান ইবনে ঈসা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নাফে থেকে, ইবনে উমর থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، 16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ، سُئِلَ عَنِ الْمُدْمِنِ، فَقَالَ: الَّذِي يَشْرَبُهَا الْيَوْمَ ثُمَّ لَا يَشْرَبُهَا إِلَى ثَلَاثِينَ سَنَةً وَمِنْ رَأْيِهِ أَنَّهُ إِذَا وَجَدَهُ أَنْ يَشْرَبَهُ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, ১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন ঈসা, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তাঁকে মদ্যপানে অভ্যস্ত ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: যে ব্যক্তি আজ তা পান করে, অতঃপর পরবর্তী ত্রিশ বছর পর্যন্ত তা পান না করলেও তার মনোভাব এমন থাকে যে, যখনই সে তা পাবে তখনই পান করবে (সে-ই আসক্ত)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
كُلَّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই হারাম
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল মুসকির লিবনি আবী দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ،⦗ص: 58⦘ 17 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»
আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ ১৭ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খাইসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআয ইবনে মুআয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ থেকে, ইবনে উমর থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই মদ এবং প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই হারাম।»